PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
Bank - ICT
Bank - ICT
PrepBank · পাতা ৩৫ / ৪৭ · ৩,৪০১–৩,৫০০ / ৪,৬১৯
ব্যাখ্যা
- অ্যান্ড্রয়েড একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা ২০০৮ সালে চালু হয়।
- এটি গুগল কর্তৃক নির্মিত একটি অপারেটিং সিস্টেম।
- এটি লিনাক্স ভিত্তিক একটি অপারেটিং সিস্টেম।
- অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনগুলো সাধারনত জাভা প্রোগ্রামিং ভাষায় লিখা হয়।
• মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম:
- মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম হলো একটি OS যা শুধুমাত্র একটি মোবাইল ডিভাইসের জন্য তৈরি করা হয়, যেমন একটি স্মার্টফোন, ব্যক্তিগত ডিজিটাল সহকারী (PDA), ট্যাবলেট বা অন্যান্য এমবেডেড মোবাইল OS।
• মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ:
- iOS, Symbian, Windows Phone OS, Android, Blackberry OS ইত্যাদি।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• BIOS (Basic Input/Output System) হলো একটি প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় হার্ডওয়্যারকে পরীক্ষা এবং প্রস্তুত করে। এটি ROM (Read-Only Memory)-এ সংরক্ষিত থাকে। ROM হলো এমন একটি মেমোরি যেখানে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে এবং পাওয়ার বন্ধ হলেও মুছে যায় না। BIOS ROM-এ থাকায় কম্পিউটার চালু হলে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে লোড হয় এবং অপারেটিং সিস্টেমকে শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করে। অন্য অপশনগুলো যেমন CPU Cache, RAM বা Hard Disk হলো অস্থায়ী বা ব্যবহারিক ডেটা সংরক্ষণের জন্য, যেখানে BIOS স্থায়ীভাবে রাখা যায় না।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ROM (গ)।
• BIOS:
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
- কম্পিউটারে BIOS সংরক্ষিত থাকে - মাদারবোর্ডের ROM চিপে।
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS.
- অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS.
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
• F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
• ফাংশন কী:
ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।
- কীবোর্ডে ১২টি ফাংশন কী রয়েছে।
- কীবোর্ডে মোট ১০৫ টি কী রয়েছে।
• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইংরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- ওয়ার্ড শব্দের অর্থ শব্দ আর প্রসেসিং শব্দের অর্থ প্রক্রিয়াকরণ।
- কম্পিউটারের সাহায্যে বর্ণমালা, সংখ্যা, চিহ্ন বা শব্দ ব্যবহার করে ডকুমেন্ট বা লিপি তৈরি করা এবং উক্ত ডকুমেন্টকে সম্পাদনাই হলো ওয়ার্ড প্রসেসিং।
- ডকুমেন্ট তৈরি ও প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহৃত এক বিশেষ ধরনের কম্পিউটারের ব্যবস্থাকে ওয়ার্ড প্রসেসর বলা হয়।
- মূলত লেখালেখির কাজ করার জন্য ব্যবহৃত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকেই ওয়ার্ড প্রসেসর বা ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম বলা হয়ে থাকে।
- উল্লেখযোগ্য ওয়ার্ড প্রসেসর প্রোগ্রামসমূহ হলো-মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (Microsoft word), ওয়ার্ডস্টার (Wordstar), ওয়ার্ডপারফেক্ট (Wordperfect), ল্যাটেক্স (Latex), নোড প্যাড (Note Pad), ম্যাকরাইট (Mac Write), ওয়ার্ড প্যাড ( Word Pad), অপেন অফিস রাইটার ইত্যাদি।
- তবে বর্তমানে পিসিতে গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস পরিবেশে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (Microsoft word) হচ্ছে বহুল ব্যবহৃত এবং ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় ওয়ার্ড প্রসেসর বা ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম।
• MS-Excel একটি স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম।
উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- অন্যদিকে, ভৌত ঠিকানা (Physical Address) হচ্ছে, মেমরি ইউনিট দ্বারা প্রদর্শিত ঠিকানা।
- অর্থাৎ, CPU Logical অ্যাড্রেস জেনারেট করে এবং মেমরি ইউনিট Physical অ্যাড্রেস প্রদর্শন করে।
- কম্পিউটারে চলমান এপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলো Physical Address দেখতে পায় না। তারা সবসময় Logical Adress ব্যবহার করে কাজ করে।
ব্যাখ্যা
- The Formula Bar is where data or formulas are entered into a worksheet that appears for the active cell.
- The Formula Bar can also be used to edit data or formula in the active cell.
- The active cell displays the results of its formula while we see the formula itself in the Formula Bar.
- The Insert Function dialog box shows what functions are available, what they do, and how to use them.
ব্যাখ্যা
• ডেটা ট্রান্সমিশন ব্যবস্থায় প্রাপক থেকে প্রেরকের নিকট ডেটা বিতরণ করা হয়। একে ডেটা ডেলিভারি মোড বলা হয়, যা প্রাপকের সংখ্যা ও ডেটা গ্রহণের অধিকারের উপর নির্ভর করে ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। যথা-
১. ইউনিকাস্ট (Unicast),
২. ব্রডকাস্ট (Broadcast) এবং
৩. মাল্টিকাস্ট (Multicast)।
১. ইউনিকাস্ট (Unicast): যে ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে একজন প্রেরক থেকে একজন প্রাপকের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান হয়ে থাকে, তাকে ইউনিকাস্ট ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়।
- এটি ওয়ান টু ওয়ান (One to One) মোড হিসেবে পরিচিত।
২. ব্রডকাস্ট (Broadcast): যে ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কভুক্ত কোনো প্রেরক কম্পিউটার হতে ডেটা ট্রান্সমিট হলে ওই নেটওয়ার্কভুক্ত সকল নোডই তা গ্রহণ করতে পারে, তাকে ব্রডকাস্ট ট্রান্সমিশন বলে।
- এটি ওয়ান টু অল (One to All) মোড হিসেবে পরিচিত।
৩. মাল্টিকাস্ট (Multicast): যে ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কের কোনো একটি নোড থেকে ডেটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট গ্রুপের সদস্য গ্রহণ করতে পারে, তাকে মাল্টিকাস্ট বলা হয়।
- এটি ওয়ান টু এন (1 to N) মোড হিসেবে পরিচিত।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- নিউট্রন হলো পরমাণুর আরেকটি মূল কণিকা যার কোনো আধান বা চার্জ নেই।
- নিউট্রন আধানহীন (Neutral) বা চার্জ নিরপেক্ষ কণা।
- ১৯৩২ সালে চ্যাডউইক (James Chadwick) নিউট্রন আবিষ্কার করেন।
- ইহার ভর প্রায় প্রোটনের ভরের সমান।
- একমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণু ছাড়া সকল পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন বিদ্যমান।
- নিউট্রনের প্রতীক হচ্ছে n.
- নিউট্রনের আসলভর 1.675× 10-24g g.
উৎস: রসায়ন, নবম - দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
• Go to the Insert tab - Alt+N
• Close a workbook - Ctrl+W
• Open a workbook - Ctrl+O
• Go to the Home tab - Alt+H
• Save a workbook - Ctrl+S
• Copy selection - Ctrl+C
• Paste selection - Ctrl+V
• Undo recent action - Ctrl+Z
• Remove cell contents - Delete
• Choose a fill color - Alt+H, H
• Cut selection - Ctrl+X
• Apply bold formatting - Ctrl+B
• Center align cell contents - Alt+H, A, C
• Go to the Page Layout tab - Alt+P
• Go to the Data tab - Alt+A
• Go to the View tab - Alt+W
• Open the context menu - Shift+F10 or Windows Menu key
•Add borders - Alt+H, B
• Delete column - Alt+H, D, C
• Go to the Formula tab - Alt+M
• Hide the selected rows - Ctrl+9
• Hide the selected columns - Ctrl+0
উৎস: Microsoft
ব্যাখ্যা
- অন্যদিকে, SSH একটি সিকিউর শেল প্রোটোকল, SNMP নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্টের জন্য এবং HTTP ওয়েব পেজ এক্সেসের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই ইমেইল ডাউনলোডের জন্য মূলত POP3 প্রোটোকলই উপযুক্ত।
• ই-মেইল:
- প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হবে।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত হয়।
- bjme@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ই-মেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
• POP:
- POP এর পূর্ণরূপ: Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং হয়।
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.
• SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ: Simple Mail Transfer Protocol.
- মেল সার্ভার এবং অন্যান্য বার্তা স্থানান্তর এজেন্ট মেল বার্তা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে SMTP ব্যবহার করে।
• IMAP:
- IMAP এর পূর্ণরূপ: Internet Message Access Protocol.
- IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি ও মাইকোসফট।
৫৭) Information on a computer is stored as what?
ব্যাখ্যা
- Computers can only work with digital information. Everything that they process must first be turned into a digital signal in one of two states: 'on' or 'off'.
At a basic level a computer processor is a collection of switches which can either be on or off. These switches are known as transistors. The computer processes information by switching transistors on and off automatically.
- Information from input devices must be digitised so the information can be processed.
In order to process information and store it, computers use binary code. Binary is a language composed of just the numbers 1 and 0.
Source: BBC
ব্যাখ্যা
ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
পাবলিক ক্লাঊড
প্রাইভেট ক্লাউড
মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড
Source: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি(একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণী)
প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
• ওয়েব ব্রাউজারে F5 কি সাধারণত পৃষ্ঠাটি রিফ্রেশ বা পুনরায় লোড করার জন্য ব্যবহৃত হয়। যখন কোনো ব্যবহারকারী কোনো ওয়েবপেজে F5 কী চাপেন, তখন ব্রাউজার সার্ভার থেকে সেই পৃষ্ঠার সর্বশেষ তথ্য নিয়ে আসে এবং স্ক্রিনে আপডেট করে। এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ যখন কোনো ওয়েবসাইটের সামগ্রী পরিবর্তিত হয়েছে বা নতুন তথ্য এসেছে, কারণ কেবল ব্রাউজারকে পুনরায় লোড করতে হবে। F5 কীটি ব্যবহার করার মাধ্যমে ব্যবহারকারী পুরানো ক্যাশড কপি বাদ দিয়ে সর্বশেষ ডেটা দেখতে পারে।
- তাই, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো: গ) Refreshes the page.
• ফাংশন কী:
- কম্পিউটারে মোট ১২ টি ফাংশন কী আছে।
- তথ্য সংযোজন, বিয়োজন বা নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়।
• কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যকরণ ঠিক করা হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
figure: Compiler (image source: codeforwin.org)
• কম্পাইলার (Compiler):
→ কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রাম একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।
→ এখানকার এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়ে থাকে।
→ ফলে প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততর হয় এবং প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে কোন অনুবাদকের কাজ করতে হয় না।
→ কারণ, কোন নির্দিষ্ট কম্পাইলার একটি মাত্র উচ্চতর ভাষার প্রোগ্রামকে কম্পাইল করতে পারে। যেমন- যে কম্পাইলার COBOL প্রোগ্রামকে কম্পাইল করতে পারে সেই কম্পাইলার বেসিক প্রোগ্রাম কম্পাইল করতে পারে না।
→ কম্পাইলার অনুবাদ করা ছাড়াও উৎস প্রোগ্রামের গুণাগুণও বিচার করতে পারে।
কম্পাইলারের প্রধান কাজ:
১. উৎস প্রোগ্রামকে অনুবাদ করে অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করা। সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একসাথে অনুবাদ করা এবং সবগুলো ভুল একসাথে প্রদর্শন করা।
২. প্রোগ্রামের সঙ্গে প্রয়োজনীয় রুটিন যোগ করা। রুটিন হলো প্রোগ্রামের ছোট অংশ যাতে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য নির্দেশ দেয়া থাকে।
৩. প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে তা জানানো।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- It is typically measured in milliseconds.
- Any latency below 100 milliseconds (ms) is considered good, and below 50 ms is very good.
Source: suse.com.
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর: ক) 3F9A
• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো এমন একটি সংখ্যা যা ১৬ টি অক্ষর বা ডিজিট দিয়ে গঠিত হয়।
- এই পদ্ধতিতে শুধুমাত্র নিম্নলিখিত ১৬টি প্রতীক (Symbols) ব্যবহার করা হয়: 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F.
- এখানে, A = 10, B = 11, C = 12, D = 13, E = 14, এবং F = 15.
এখন, দেওয়া সংখ্যাগুলোতে দেখা যাক,
ক) 3F9A: এই সংখ্যাটির সমস্ত প্রতীক (3, F, 9, A) হেক্সাডেসিমেল সেটের (0-9, A-F) মধ্যে রয়েছে। তাই এটি একটি বৈধ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা।
খ) 5K2E: তে K আছে যা বৈধ নয়।
গ) 7M8D: তে M আছে, যা বৈধ নয়।
ঘ) 2Q5F: তে Q আছে, যা বৈধ নয়।
• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়।
যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।
- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• ই-কমার্সের প্রকারভেদ:
- ডিজিটাল উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণ এবং সঞ্চারণের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায় সংক্রান্ত আদান-প্রদানকে ই-কমার্স বলে।
- ই-কমার্স সিস্টেমে ইন্টারনেট, এক্সট্রানেট এবং ইন্ট্রানেট প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যবসা, ভোক্তা এবং অন্যান্য সহযোগী সংস্থার মধ্যে সংযোগ সাধন করা হয়।
- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত চারটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। যথা-
১. ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business- B2B):
- দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পাইকারি কেনাবেচাকে বিজনেস টু বিজনেস (B2B) বলা হয়।
- B2B ই-কমার্সের উদাহরণ: alibaba.com, sindabad.com ইত্যাদি।
২. ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer- B2C):
- এক বা একাধিক ক্রেতা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্য খুচরা বা পাইকারি লেনদেনসমূহ বিজনেস টু কনজিউমার (B2C)-এর অন্তর্গত।
- B2C ই-কমার্সের উদাহরণ: amazon.com, rokomari.com, othoba.com ইত্যাদি।
৩. ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business- C2B):
- যখন কোনো ভোক্তা এককভাবে অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সাথে সরাসরি লেনদেন করে তখন তাকে ভোক্তা থেকে ব্যবসায় বা কনজিউমার টু বিজনেস বলা হয়।
- এ ধরনের সিস্টেমে ভোক্তারা বা গ্রাহকরা সাধারণত কোনো বিজনেস সাইট থেকে পণ্য ক্রয়ের পরিবর্তে পণ্য ও সেবা বিক্রয় করে থাকে।
- C2B ই-কমার্সের উদাহরণ: monster.com, ajkerdeal.com, daraz.com ইত্যাদি।
৪. ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer- C2C):
- অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগ ছাড়াই ভোক্তা থেকে ভোক্তার লেনদেনকে ভোক্তা থেকে ভোক্তা বা কনজিউমার টু কনজিউমার (C2C) বলা হয়।
- এ জাতীয় ব্যবসায় কোনো বিজনেস মিডলম্যান থাকে না।
- C2C ই-কমার্সের উদাহরণ: ebay.com, taobao.com ইত্যাদি।
উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
PASCAL languages is more suited to a structured program.
Pascal is an imperative and procedural programming language, which Niklaus Wirth designed in 1968–69 and published in 1970, as a small, efficient language intended to encourage good programming practices using structured programming and data structuring. It is named in honor of the French mathematician, philosopher and physicist Blaise Pascal.
ব্যাখ্যা
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- A 4-bit register flip-flop can store 4 bits of data.
- An 8-bit register flip-flop can store 8 bits of data.
- A 16-bit register flip-flop can store 16 bits of data.
- A 32-bit register flip-flop can store 32 bits of data.
• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- সমুদ্রের পানি এভাবে ফুলে উঠাকে বলা হয় জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাঁটা বলে।
- প্রতি ১২ ঘন্টা ২৬ মিনিট পরপর এই জোয়ার ভাঁটা সংঘঠিত হয়।
- অর্থাৎ সমুদ্রে একই জায়গায় প্রতিদিন দু’বার জোয়ার ও দু’বার ভাঁটা হয়।
- সমুুদ্রের মোহনা থেকে নদীগুলোর স্রোতের বিপরীতে উজানে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত জোয়ার ভাঁটা বেশি অনুভূত হয়।
- সমুদ্রের মধ্যভাগ থেকে উপকূলের কাছে পানির অগভীর অংশে জোয়ারের পানির উচ্চতা বেশি থাকে।
- তবে বিভিন্ন নদীপথে দেশের ভিতরে সমুুদ্রের পানি যখন প্রবেশ করে এবং নেমে যায় তাকে জোয়ার ভাঁটা বলে না।
সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- Kbps এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Kilobytes per second।
- Kbps দ্বারা আপনার ডাউনলোড স্পিড বা নেট স্পিড বুঝায় ।
- kbps এর মানে হল প্রতি সেকেন্ডে কিলোবিট হিসাবে ডেটা পরিবহন করে।
- ৬৪kbps মানে ৬৪ কিলোবিট পার সেকেন্ড স্পিডে ডেটা পরিবহন করে।
- ১২৮ কিলোবিট পার সেকেন্ড স্পিডে ডেটা পরিবহন করে।
সূত্র- Computer Hope Website. [লিঙ্ক]
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত মেমোরিকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
১. প্রধান মেমোরি বা মুখ্য মেমোরি (Main Memory or Primary Memory),
২. সহায়ক মেমোরি বা গৌণ মেমোরি (Secondary Memory or Mass Memory) এবং
৩. ইন্টারনাল মেমোরি (Internal Memory)।
• সহায়ক মেমোরি:
- কম্পিউটারের যে মেমোরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমোরি বলা হয়।
- এ ধরনের মেমোরির কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের (CPU) সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না বিধায় ধীরগতি সম্পন্ন হয়।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলেও তথ্য বা প্রোগ্রাম হারিয়ে বা মুছে যায় না।
- হার্ডডিস্ক, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি এ ধরনের সহায়ক মেমোরির উদাহরণ।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- ডাটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা পাঠানো হয়।
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডাটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডাটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়।
- ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex),
২। হাফ ডুপ্লেক্স ( Half-Duplex),
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full - Duplex).
হাফ-ডুপ্লেক্স:
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডাটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না।
- উদাহরণ: ওয়াকিটকি।
সিমপ্লেক্স:
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। যে
- উদাহরণ: রেডিও, টিভি।
ফুল-ডুপ্লেক্স:
- এক্ষেত্রে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে।
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডাটা প্রেরণ করার সময় ডাটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে।
- উদাহরণ: টেলিফোন, মোবাইল।
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
ব্যাখ্যা
• Volatile Memory: বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে সকল মেমোরিতে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায় তাদেরকে Volatile Memory বলে। যেমন- RAM, DRAM, SRAM, SD-RAM প্রভৃতি।
• Non-Volatile Memory: Non-Volatile Memory হলো সেগুলো যাদের ক্ষেত্রে সংরক্ষিত ডাটা বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলেও মুছে যায় না। যেমন- ROM, Flash Memory, Hard disk, Optical disk.
উৎস: Computerhope Website.
ব্যাখ্যা
- An active cell refers to the currently selected cell in a spreadsheet.
It can be identified by a bold (typically blue) outline that surrounds the cell.
The standard way to reference the location of an active cell is with a column/row combination, such as A2 (first column, second row) or B5 (second column, fifth row).
- Whenever you click on a specific cell within a spreadsheet, it becomes the active cell. Once a cell is selected, you can enter values or a function into the cell.
Most spreadsheet programs will display the value of the active cell both inside the cell itself and within a long text field in the spreadsheet toolbar.
Source: TechTerms
ব্যাখ্যা
- এ প্রবাহ আবার দু'রকম।
যথা-
১। এসি প্রবাহ এবং
২। ডিসি প্রবাহ।
- কোনো বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহের জন্য দরকার এর দু'প্রান্তের বিভব পার্থক্য।
- এই বর্তনীতে তড়িৎযন্ত্র ও উপকরণসমূহকে শ্রেণি ও সমান্তরাল সংযোগ যুক্ত করা যায়।
- এছাড়া বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত যন্ত্র হলো অ্যামিটার।
অন্যদিকে,
- তড়িৎ প্রবাহের অস্তিত্ব ও পরিমাপ নির্ণয়কারী যন্ত্রটির নাম গ্যালভানোমিটার।
- গিগার কাউন্টারের বিকিরণের ধরণ বা এর শক্তিস্তর সম্পর্কে তথ্য পেতে স্পেকট্রোমিটার ব্যবহার করা হয়।
- যেকোনো দু'প্রান্তের বিভব পার্থক্য মাপার জন্য দরকার ভোল্টমিটার।
উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
• Python একটি High-Level, Object-Oriented Programming Language, যা একই সাথে Structured Programming এবং Functional Programming বৈশিষ্ট্যও সমর্থন করে।
• পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত দ্রুত সফটওয়্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।
উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে প্রক্রিয়াকরণের জন্য বিভিন্ন ধরনের ডেটা গ্রহণ করে।
- কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণের কাজে ডেটা প্রদানে নিয়োজিত হার্ডওয়্যারসমূহই হলো ইনপুট ডিভাইস।
• কম্পিউটার সিস্টেমে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট ডিভাইস ব্যবহৃত হয়। যেমন:
- কি-বোর্ড (Keyboard),
- মাউস (Mouse),
- ট্যাকবল (Trackball),
- জয়স্টিক (Joystick),
- ওএমআর (OMR),
- ওসিআর (OCR),
- স্ক্যানার (Scanner),
- ডিজিটাইজার (Digitizer),
- টাচ স্ক্রিন (Touch Screen),
- লাইটপেন (Lightpen),
- বার কোড রিডার (Bar Code Reader),
- পয়েন্ট অফ সেল (Point of Sale),
- গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad),
- ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera), ইত্যাদি।
• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যারসমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রদর্শন করায় সেগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলা হয়।
• উল্লেখযোগ্য আউটপুট হার্ডওয়্যারসমূহ হলো:
- মনিটর (Monitor),
- প্রিন্টার (Printer),
- প্লটার (Plotter),
- স্পিকার (Speaker),
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector),
- ইমেজ সেটার (Image Setter),
- ফিল্ম রেকর্ডার (Film Recorder),
- হেড ফোন (Headphone), ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
By default, on MS-Word the header or footer is printed on every page.
It can be changed in the Header and Footer menu.
ব্যাখ্যা
• LINUX:
- লিনাক্স হচ্ছে একটি মাল্টি টাস্কিং ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম।
- এটি UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ।
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ডের লিনাস টারভোল্ডাস লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন।
- GNU নামের একটি সংস্থা এর সাথে বিভিন্ন শেল, উইন্ডো ম্যানেজমেন্ট ও ইউটিলিটি যোগ করে একে পুরোপুরি একটি অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে দাঁড় করিয়েছে।
• লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের অন্যতম সুবিধাসমূহ হলো:
- লিনাক্স বর্ণভিত্তিক ও চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- লিনাক্স ওপেন সোর্স কোডভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- ইন্টারনেট হতে সহজেই লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ডাউনলোড করা যায়।
- নেটওয়ার্ক সাপোর্ট সার্ভিস উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের তুলনায় অধিকতর শক্তিশালী।
- এটির সিকিউরিটি ও গ্রাফিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী ।
- লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা যায় ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• চতুর্থ প্রজন্ম মোবাইল:
- ২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু হয়।
- চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইলের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো প্যাকেট স্যুইচিং বা সার্কিট স্যুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) ভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার।
- ৪র্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোন LTE স্ট্যান্ডার্ডে কাজ করে।
- ইন্টারনেট প্রটোকল ব্যবহারের ফলে LAN, WAN, VOIP, Internet ইত্যাদি সিস্টেমে প্যাকেট সুইচিং পরিবর্তে প্রটোকল ভিত্তিক ভয়েস ডাটা ট্রান্সফার করা সম্ভব হচ্ছে।
- 4G এর প্রযুক্তি LTE (Long Term Evolution) স্ট্যান্ডার্ডে কাজ করে থাকে।
- চতুর্থ প্রজন্মের (4G) উদ্ভাবিত প্রযুক্তির মধ্যে WiMAX, Flash-OFDM (Orthogonal frequency Division Multiple Access), 3GPP LTE (3rd Generation Partnership Project Long Term Evolution) ব্যবহৃত হচ্ছে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• Cache memory হলো একটি উচ্চ-গতির অস্থায়ী মেমোরি, যা প্রসেসরের (CPU) এবং প্রধান মেমোরি (Main Memory) এর মধ্যে অবস্থিত। এটি CPU-এর জন্য প্রয়োজনীয় ডেটা এবং নির্দেশনা অল্প সময়ের জন্য সংরক্ষণ করে, যাতে CPU সরাসরি Main Memory থেকে তথ্য আনতে না হয় এবং কম সময়ে দ্রুত কার্য সম্পন্ন করতে পারে। Cache memory মূলত CPU এবং Main Memory-এর মধ্যে অবস্থান করে কারণ Main Memory তুলনামূলকভাবে ধীর, আর CPU-এর গতি অনেক বেশি। এর ফলে Cache memory CPU-এর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং প্রোগ্রামের এক্সিকিউশন দ্রুততর করে। তাই সঠিক উত্তর হলো: ক) CPU and Main Memory।
ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি SRAM দ্বারা গঠিত।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়।
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- পঞ্চম প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ হলো অ্যালগরিদম ব্যবহার না করে সহজভাবে সমস্যা সমাধান করার ল্যাঙ্গুয়েজ।
- এ ভাষাকে এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যেন পূর্বের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের মতো জটিল কোড লিখতে পারে এমন প্রোগ্রামার ছাড়াই কম্পিউটার দিয়ে সমস্যা সমাধান করা যায়।
- ফলে প্রোগ্রামারদেরকে কিভাবে একটি রুটিন অথবা অ্যালগরিদম প্রয়োগ করতে হবে, তা চিন্তা না করে কী সমস্যা সমাধান করতে হবে, কী শর্ত পূরণ করতে হবে, তা নিয়ে ভাবলেই চলে ।
- পঞ্চম প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণায় ব্যবহৃত হয়।
- Prolog, OPS5 ও Mercury হলো পঞ্চম প্রজন্মের ল্যাঙ্গুয়েজের উদাহরণ।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
• ফাংশন কী:
- বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারের কীবোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F থেকে F12 পর্যন্ত কীগুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।
- বার বার করতে হয় এমন কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদনের জন্য ফাংশন কীগুলো ব্যবহৃত হয়।
- ফাংশন কীগুলোর মাধ্যমে তথ্য সংযোজন, বিয়োজন, সম্পাদনার কাজসহ মেনুর বিভিন্ন কমান্ড বা অপশন নির্বাচন করা হয়।
• কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যকরণগত ভুল বের করতে ব্যবহৃত হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- CAN এর পূর্ণরূপ Campus/Corporate Area Network.
- একাধিক LAN সংযুক্ত করার জন্য CAN ব্যবহৃত হয়।
- এর বিস্তৃতি ১ থেকে ৫ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।
- এই নেটওয়ার্ক স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ সহজ এবং খরচ কম।
- এই নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলো তার বা তারবিহীন সংযোগের মাধ্যমে সংযুক্ত হতে পারে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
• HTML-এ হাইপারলিঙ্ক তৈরি করার জন্য সঠিক ট্যাগ হলো <a> (Anchor)। এর সাথে href অ্যাট্রিবিউট ব্যবহার করে গন্তব্যস্থলের ঠিকানা দেওয়া হয়।
• HTML:
- HTML এর পূর্নরূপ Hyper Text Markup Language. যা মূলত ব্রাউজারে তথ্য প্রদর্শন বা ওয়েবপেইজে তথ্য উপস্থাপন ও ফরম্যাট করতে প্রোগ্রামারগণ ব্যবহার করেন।
- HTML দ্বারা তৈরি ফাইলসমূহের এক্সটেনশন .html হয় যা সাধারণত ওয়েবপেইজ নামে পরিচিত।
- জেনেভার সার্ন (CERN) এ কাজ করার সময় টিম বার্নাস-লী (Tim Berners-Lee) সর্বপ্রথম ১৯৯০ সালে HTML আবিষ্কার করেন।
- HTML এর সর্বশেষ ভার্সন হচ্ছে HTML 5.
• HTML এ ট্যাগ ব্যবহার এর কয়েকটি নিয়ম হল:
- ট্যাগ এঙ্গেল ব্র্যাকেটের মধ্যে রাখতে হয়।
- কন্টেইনার ট্যাগ এর ক্ষেত্রে শুরুর ট্যাগ ব্যবহার করলে সমাপনী ট্যাগ ব্যবহার করতে হয়। তবে এম্পটি ট্যগে এ সমাপনী ট্যাগের প্রয়োজন নেই।
- ট্যাগের বানান শুদ্ধ হওয়া আবশ্যক।
- প্রতিটি ট্যাগে নির্দিষ্ট সীমারেখা অতিক্রম করা যায় না।
- শুন্য ট্যাগের ক্ষেত্রে শুধু শুরুর ট্যাগ ব্যবহার করা হয়।
• HTML- এর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ট্যাগ হলো:
<!DOCTYPE> → Defines the document type.
<html> → Defines an HTML document.
<head> → Contains metadata/information for the document.
<title> → Defines a title for the document.
<h1> to <h6> → Defines HTML headings.
<body> → Defines the document's body.
<p> → Defines a paragraph.
<br> → Inserts a single line break.
<a> → used to define a hyperlink in HTML.
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
Through normal use, a mouse will accumulate dust, lint, and oils on vital operational parts. For a mouse that uses a ball, the internal rollers will become dirty.
For an optical mouse, the optical lens and possibly the LED lens will become dirty. This will cause performance to slowly degrade. If the mouse pointer begins to move erratically or the mouse itself no longer moves smoothly, the mouse probably only needs to be cleaned.
Source: Dell technology
ব্যাখ্যা
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হলো বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) বলে।
⇒ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)-এর প্রবর্তক ( father of Al) John McCarthy.
- ১৯৫৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের MIT এর John McCarthy সর্বপ্রথম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স শব্দটি উল্লেখ করেন।
- তবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের জনক হিসেবে কম্পিউটার বিজ্ঞানী অ্যালান টুরিং-কেও ধরে নেয়া হয়।
- কারণ ১৯৫০ সালে তাঁর করা টুরিং টেস্ট আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ভিত্তি স্থাপন করে।
- তবে অনন্য প্রতিভাবান অ্যালান টুরিং পদার্থবিজ্ঞানের জনক হিসেবেই বেশি সমাদৃত।
- আর কম্পিউটার বিজ্ঞানী জন ম্যাকার্থীকেই অধিকাংশের মতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক হিসেবে ধরে নেয়া হয়।
- AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
• অপশন আলোচনা:
ক) Alan Turing – কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভিত্তি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে Turing Test প্রস্তাবের মাধ্যমে। তবে তিনি AI-র জনক হিসেবে পরিচিত নন।
খ) Marvin Minsky – AI গবেষণার একজন পথিকৃৎ এবং MIT-তে AI Lab প্রতিষ্ঠা করেন।
গ) Allen Newell – AI ও Cognitive Science-এর একজন প্রভাবশালী গবেষক।
ঘ) Herbert A. Simon – Decision-making ও AI-তে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
উৎস:
i) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.
ব্যাখ্যা
- এটা একটি চোখের লেন্স, যা চোখের কালো মনির সামনে লাগিয়ে চোখের দৃষ্টি স্বল্পতার চিকিৎসা করা হয়।
- চোখের অন্যান্য রোগের চিকিৎসাতেও কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার হয়।
- যারা চশমা পড়তে চায়না তারা পাওয়ার যুক্ত কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করতে পারে।
- লেন্স সাধারণত তিন ধরনের হয়:
1. হার্ড কন্টাক্ট লেন্স,
2. আর জি পি কন্টাক্ট লেন্স,
3. সফট কন্টাক্ট লেন্স।
- কন্টাক্ট লেন্সগুলি সাধারণত হাইড্রোজেল দিয়ে তৈরি।
- কন্টাক্ট লেন্সগুলি সাধারণত পলিভিনাইল অ্যালকোহল হাইড্রোজেল দিয়ে তৈরি করা হয়।
উৎস: i) National Institutes of Health (.gov). [link]
ii) ১৩ জুলাই ২০১৯, ইত্তেফাক।
ব্যাখ্যা
- মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড, এর পূর্বনাম ফেসবুক, ইনকর্পোরেটেড।
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে।
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন।
- CEO: মার্ক জাকারবার্গ।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ জানুয়ারি ২০০৪।
- বাণিজ্যিক নাম: মেটা।
- সদরদপ্তর: ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- মেটার অধীনস্ত কোম্পানিগুলো হলো - Instagram, Threads, and WhatsApp, Messenger ইত্যাদি।
উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
Latex is word processing software.
MS Access is DBMS software.
Adobe Illustrator is vector based graphics software
ব্যাখ্যা
- বিশ্বের যে কোন প্রান্তে অবস্থান করে, যে কোন সময়ে ইন্টারনেটে যুক্ত হয়ে কাঙ্ক্ষিত যে কোন বিষয়ের তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে সংগ্রহ করা যায়।
- যে সকল সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে ইন্টারনেট থেকে তথ্য অনুসন্ধান করা যায় যেগুলো সার্চ ইঞ্জিন নামে পরিচিত।
- আর সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে ইন্টারনেট থেকে কোনো তথ্য অনুসন্ধান (সার্চ) করাকে ব্রাউজ করা বলা হয়।
- বর্তমান সময়ের কয়েকটি জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে:
www.google.com (গুগল),
www.yahoo.com (ইয়াহু),
www.bing.com (বিং) এবং
www.hotbot.com (হটবট)।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) হলো মানুষের চিন্তাভাবনাগুলিকে কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটার বা কম্পিউটার প্রযুক্তি নির্ভর যন্ত্রের মাধ্যমে বাস্তবায়িত করার একটি পদ্ধতি।
- ১৯৫৬ সালে জন ম্যাকার্থি সর্বপ্রথম "আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স" শব্দটি উল্লেখ করেন।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষাগুলি হলো: LISP, PROLOG, C/C++, CLISP, JAVA, MATLAB, Python, SHRDLU ইত্যাদি।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার একটি বাস্তব প্রয়োগ হলো রোবট।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের আওতায় বেশ কিছু ক্ষেত্র রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে: মেশিন লার্নিং, রোবটিক্স, কম্পিউটার ভিশন, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP), এবং স্পিচ প্রসেসিং।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
- Hybrid Cloud মডেলটি সংস্থাগুলিকে তাদের নির্দিষ্ট চাহিদা অনুসারে তথ্য সংরক্ষণ এবং প্রয়োজনে ক্লাউডের মধ্যে কাজ স্থানান্তর করতে সাহায্য করে।
• ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
- ক্লাউড ব্যবহারকারী কারা, তার ওপরে ভিত্তি করে ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
• হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud):
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো পাবলিক আর প্রাইভেটের সংমিশ্রণ।
- এখানে প্রাইভেট ক্লাউড দিয়ে প্রাথমিক চাহিদা মেটানো হয়, আর প্রাইভেট ক্লাউডের ধারণক্ষমতা অতিক্রান্ত হয়ে গেলে পাবলিক ক্লাউডের সাহায্য নেয়া হয়।
- পাবলিক ক্লাউডের চেয়ে হাইব্রিড ক্লাউডের খরচ বেশি।
• পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud):
- পাবলিক ক্লাউড হলো এমন ক্লাউড যা সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত। যে টাকা দেবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড।
- যেমন: আমাজনের EC2.
- এসব ক্লাউডের সুবিধা হলো যে কেউ এর সেবা নিতে পারে।
• প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud):
- যখন বড় কোনো সংস্থা নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার জন্য ক্লাউড সিস্টেম ডেভোলাপ করে তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে।
- এটি সাধারণত একটি সংস্থায় অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা হয়।
- এতে খরচ অনেক বেশি হয়, নিজস্ব ডেটা সেন্টার বসাতে হয় এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিজস্ব জনবল রাখার প্রয়োজন হয়।
• কমিউনিটি ক্লাউড (Community Cloud):
- সাধারণত কোনো বিশেষ কমিউনিটির জন্য যে ক্লাউড ডেভেলোপ করা হয় সেটি হলো কমিউনিটি ক্লাউড।
- কমিউনিটি ক্লাউডের সুবিধা হলো কমিউনিটির মধ্যে ইউজার সীমাবদ্ধ থাকে বলে এখানে সিকিউরিটির কোনো সমস্যা নেই।
- আর অসুবিধা হলো এখানে ক্লায়েন্টের সংখ্যা সীমিত বলে খরচ বেশি হয়।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
Data is broken into small groups called packets that contain the recipient’s address so that they can travel over available lines and be reassembled in order on arrival
উৎসঃ ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
Dropbox:
- Dropbox হলো একটি ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান যার স্বত্ত্বাধিকারী ড্রপবক্স ইনকর্পোরেশন।
- এটি ক্লায়েন্ট বা গ্রাহকদের ফাইল স্টোরেজ, সফটওয়্যার শেয়ার, ফাইল সিনক্রোনাইজেশন সুবিধা ইত্যাদি প্রদান করে থাকে।
- এটি ২০০৮ সালে যাত্রা শুরু করে।
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্লাউড স্টোরেজ হলো: মেগা, ড্রপবক্স, ওয়ান ড্রাইভ, গুগল ড্রাইভ ইত্যাদি।
• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- অবকাঠামোগত সেবা, প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও সফটওয়্যার সেবা।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণী।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- It happens since a body will appear as so because the body reflects or transmits that light only.
- When the green light shines on a red paper, the red paper absorbs the green light and the paper appears black.
- An object will appear as white if it reflects all the components of white light whereas it will appear as black if it absorbs all the light incident over it.
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
Solution:
let, breadth x, length is 2x
Area = 2x × x
= 2x2
New area = (2x - 5) × (x + 5)
= 2x2 - 5x + 10x - 25
= 2x2 + 5x - 25
2x2 + 5x - 25 - 2x2 = 75
⇒ 5x = 75 + 25 = 100
⇒ x = 100/5 = 20
length = 2 × 20
= 40 m
ব্যাখ্যা
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডেটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডেটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডেটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়।
- ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: Simplex, Half-Duplex ও Full-Duplex.
Simplex:
- শুধুমাত্র একদিকে ডেটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না।
Half-Duplex:
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডেটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না। যেমন- ওয়াকিটকি।
Full-Duplex:
- এক্ষেত্রে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে।
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডাটা প্রেরণ করার সময় ডাটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে। যেমন- টেলিফোন, মোবাইল।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য ডিজিটাল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সিগন্যালের পরিবর্তে ডিজিট (0/1) ব্যবহার করে।
- ডিজিটাল কম্পিউটারের গতি ও কার্যকারিতা অ্যানালগ কম্পিউটারের চেয়ে অনেক বেশি ও ভালাে।
- ডিজিটাল কম্পিউটারের ফলাফলের সূক্ষ্মতা অ্যানালগ কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি।
• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: যে সংখ্যা পদ্ধতিতে দুটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এ পদ্ধতির ডিজিট দুটিকে সহজে ইলেক্ট্রনিক উপায়ে নির্দিষ্ট করা সম্ভব হয়েছে বলে কম্পিউটার সহ অনেক ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রে এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ডিজিটগুলো হলো 0 এবং 1।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ২।
- কম্পিউটারে টেক্সট কোড কনভার্ট করা হয় বাইনারি ফর্মেটে।
- বাইনারি ফর্মেটে ব্যবহৃত ডিজিট 0 এবং 1 ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রে সিগন্যাল আকারে ব্যবহার করা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ও কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
ব্যাখ্যা
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগস্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের প্রসেসর এবং র্যাম মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্কড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- রিং নেটওয়ার্কে কম্পিউটার গুলো নোডের মাধ্যমে বৃত্তাকার পথে পরস্পরের সাথে সংযুক্ত হয়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে।
- Ring networks have mostly been used in local area networks. A ring network is a closed chain of processing elements.
- Each node in the ring has a unique predecessor and successor nodes.
- The degree of each node is 2, so that it is a regular network. A ring network with N nodes has a diameter N/2 (i.e., O(N)) and it can tolerate one fault, i.e., communication among the processing elements can be maintained in the event of failure of only one of the processing elements.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান ও Sciencedirect.
ব্যাখ্যা
ফাংশন কী: কম্পিউটারে মোট ১২ টি ফাংশন কী আছে। তথ্য সংযোজন, বিয়োজন বা নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়।কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
• F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F1 দিয়ে আমরা কম্পিউটার রানিং করতে পারি।
- এক্সেল এবং ওয়ার্ডে রিবন মেনু লুকিয়ে ডাটা প্রদর্শন করে।
• F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- Alt+Ctrl+F2 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের নতুন ফাইল খোলা।
- Ctrl+F2 চেপে ওয়ার্ডে প্রিন্ট প্রিভিউ (print preview) দেখা।
• F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Shift+F3 চেপে ওয়ার্ডের ক্যাপিটাল ওয়ার্ড থেকে স্মল ওয়ার্ডে লেখা।
- প্রত্যেক শব্দের প্রথম অক্ষর বড় হাতের বর্ণ করা যায়।
- MS-DOS এ ব্যবহার করে লাস্ট কম্যান্ড লাইন রিপিট করা যায়।
- ফায়ারফক্স এবং গুগল ক্রোমে অনুসন্ধান করার অপশন খোলে।
• F4 last action performed repeat করা যায়।
- Alt-F4 চেপে স্পক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
• F5 পেইজ রিফ্রেশ কপাওয়ার পয়েন্টের স্লাইড শো শুরু করা যায়।
- মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে find, replace, go to উইন্ডো খোলা হয়।
- Ctrl + F5 একটি ওয়েব পৃষ্ঠা সম্পূর্ণরূপে রিফ্রেশ করবে, ক্যাশে ক্লিন করবে এবং পুনরায় ডাউনলোড করবে।
• F6 মাউসের কারসরকে ইন্তারনেট ব্রাইজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- Ctrl+Shift+F6 চেপে ওয়ার্ডে খোলা অন্য ডকুমেন্টটি সক্রিয় করা হয়।
• F7 বানান ও ব্যকরণ ঠিক করা হয়।
- মজিলা ফায়ার ফক্সের Caret browsing চালু করা যায়।
- Shift+F7 চেপে ওয়ার্ডে কোনো নির্বাচিত শব্দের প্রতিশব্দ, বিপরীত শব্দ, শব্দের ধরন ইত্যাদি জানার অভিধান (Dictionary) চালু করা যায়।
• F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।]
• F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টকে রিফ্রেশ (Refresh) করতে ব্যবহার করা হয়।
- Microsoft Outlook এ ইমেল পাঠায় এবং গ্রহণ করে।
• F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- Shift + F10 = রাইট-ক্লিক। অর্থাৎ (Shift + F10) রাইট ক্লিকের মতো কাজ করে।
• F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- Shift + F11 এক্সেলে একটি নতুন স্প্রেডশীট যোগ করে।
- সমস্ত খোলা উইন্ডো লুকিয়ে রাখে
• F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Shift+F12 কী চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ফাইল সেভ করা হয়।
- Ctrl + F12 কী চেপে MS Word এর নতুন ফাইল খলার জন্য ব্যাবহার করা হয়।
- Ctrl+Shift+F12 চেপে ওয়ার্ড (Microsoft Word) ফাইল প্রিন্ট করা হয়।
অন্যদিকে, Ctrl + F দ্বারা ব্রাউজারে ফাইন্ড বক্স খোলা হয়।
উৎস: ব্রিটানিকা
ব্যাখ্যা
এক্স অর গেইট (Exclusive OR (XOR) Gate):
- XOR গেইট হল একটি লজিক গেইট, যা দুটি ইনপুট ভিন্ন হলে আউটপুট 1 দেয়, আর একই হলে আউটপুট 0 দেয়।
- অর্থাৎ, একটি ইনপুট 1 এবং অন্যটি 0 হলে আউটপুট 1 হবে। যদি উভয় ইনপুট একই হয় (উভয় 0 বা উভয় 1), তাহলে আউটপুট 0 হবে।
উল্লেখ্য,
- মৌলিক লজিক গেইট: OR Gate, AND Gate, NOT Gate.
- সার্বজনীন লজিক গেইট: NAND Gate, NOR Gate.
- বিশেষ লজিক গেইট: XOR Gate, XNOR Gate.
উৎস: ১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। ২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
- Ctrl+F4: closes the selected workbook window.
- Ctrl+F5: restores the window size of the selected workbook window.
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারে মোট ১২ টি ফাংশন কী আছে। তথ্য সংযোজন, বিয়োজন বা নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়।
• কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যকরণ ঠিক করা হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।]
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- প্রোগ্রামে যখন কতগুলো স্টেটমেন্ট কোনো নামে একটি ব্লকের মধ্যে অবস্থান করে কোনো নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করে, তাকে ফাংশন বলা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- অর্থাৎ খনিজ হলো দুই বা ততোধিক মৌলের সমন্বয়।
- অন্যভাবে বলা যায়, ভূ-পৃষ্ঠে নানা প্রকার রাসায়নিক মৌলিক উপাদান একত্রে মিলিত হয়ে যে যৌগিক পদার্থের সৃষ্টি করে, এগুলো খনিজ।
- তবে কিছু কিছু খনিজ একটি মাত্র মৌল দ্বারাও গঠিত হতে পারে।
- যেমন- হীরা, সোনা, তামা, রূপা, পারদ ও গন্ধক।
- এর মধ্যে হীরার কাঠিন্য সবচেয়ে বেশি এবং টেলক এর কাঠিন্য সর্বনিম্ন।
সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
১) সিমপ্লেক্স,
২) হাফ ডুপ্লেক্স ও
৩) ফুল-ডুপ্লেক্স।
সিমপ্লেক্স মোড:
- ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ডাটার একদিকে প্রবাহকে সিমপ্লেক্স মোড বলে।
সিমপ্লেক্সের উদাহরণ:
- রেডিও ব্রডকাস্টিং,
- টিভি ব্রডকাস্টিং,
- কীবোর্ড,
- মাউস ইত্যাদি।
ফুল-ডুপ্লেক্স মোড:
- ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে।
ফুল-ডুপ্লেক্সের উদাহরণ:
- মোবাইল ফোনে কনভারসেশন,
- ইন্টারনেটে ভিডিও ও ভয়েস কল কনভারসেশন।
হাফ-ডুপ্লেক্স মোড :
- যখন এক প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায়, আবার যখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন প্রথম প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় তাকে হাফ ডুপ্লেক্স মোড বলে।
হাফ ডুপ্লেক্সের উদাহরণ:
- ওয়াকি-টকি,
- ফ্যাক্স,
- এসএমএস,
- ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি।
- In Half-duplex communication mode can a device both sends and receives signals but not simultaneously.
- অর্থাৎ, ফুল-ডুপ্লেক্সে আমরা একই সাথে একই সময়ে (simultaneously) মোবাইলে বা ইন্টারনেটে ভয়েস বা ভিডিও কলে কথা বলতে পারি।
- হাফ-ডুপ্লেক্সে আমরা কাউকে একটা SMS কাউকে পাঠালে সে SMS পেয়ে তারপর এর রিপ্লায় দেয়। যা দুজনেই সিগন্যাল send ও receive করতে পারে কিন্তু, একই সময়ে একই সাথে (simultaneously) হয় না।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
ব্যাখ্যা
BFIU - Bangladesh Financial Intelligence Unit.
BACH - Bangladesh Automated Clearing House.
ACPS - Automated Cheque Processing System.
BEFTN - Bangladesh Electronic Fund Transfer Network.
EFT - Electronic Fund transfer.
EMI - Equated Monthly Installment.
NPSB - National Payment Switch Bangladesh.
RTGS - Real Time Gross Settlement.
TT - Telegraphic Transfer.
উৎস: Britannica.
ব্যাখ্যা
• Mining হলো Bitcoin নেটওয়ার্কে নতুন ব্লক যাচাই করে ব্লকচেইনে যুক্ত করার প্রক্রিয়া, যেখানে কম্পিউটারের গণনাশক্তি ব্যবহার করা হয়।
• Bitcoin:
- Bitcoin হলো একটি decentralized digital currency বা cryptocurrency, যা কোনো কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয়।
- এটি peer-to-peer নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পরিচালিত হয়, যেখানে ব্যবহারকারীরা সরাসরি একে অপরের সাথে লেনদেন করতে পারে।
- Bitcoin লেনদেনগুলো blockchain নামক একটি distributed ledger-এ সংরক্ষিত থাকে।
- Bitcoin প্রথম প্রস্তাব করা হয় 2008 সালে Satoshi Nakamoto নামের একটি ছদ্মনামের মাধ্যমে প্রকাশিত whitepaper-এ।
- Bitcoin নেটওয়ার্ক আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয় 2009 সালে।
• Blockchain:
- Blockchain হলো একটি distributed database বা digital ledger যেখানে লেনদেনের তথ্য ব্লকের মধ্যে সংরক্ষিত থাকে।
- প্রতিটি ব্লক আগের ব্লকের সাথে cryptographic hash দ্বারা সংযুক্ত থাকে।
- এই সংযুক্ত কাঠামো একটি চেইনের মতো হওয়ায় একে blockchain বলা হয়।
• Mining:
- Mining হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে শক্তিশালী কম্পিউটার ব্যবহার করে জটিল গাণিতিক সমস্যা সমাধান করা হয়।
- এর মাধ্যমে Bitcoin লেনদেন যাচাই করা হয় এবং নতুন ব্লক blockchain-এ যুক্ত করা হয়।
- Mining সম্পন্ন হলে miner নতুন Bitcoin পুরস্কার হিসেবে পেতে পারে।
• অন্যান্য অপশন:
- Staking → কিছু cryptocurrency নেটওয়ার্কে কয়েন লক করে ব্লক যাচাই করার একটি পদ্ধতি।
- Hashing → ডেটাকে নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্যের একটি hash মানে রূপান্তর করার ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রক্রিয়া।
- Indexing → ডেটাবেজে দ্রুত তথ্য অনুসন্ধানের জন্য ব্যবহৃত একটি পদ্ধতি।
Source: Bitcoin Whitepaper & Britannica.
ব্যাখ্যা
- কনস্ট্রাক্টরের অবশ্যই একটি ক্লাসের মতো একই নাম থাকতে হবে। তাই এক শ্রেণীর কন্সট্রাক্টরকে অন্য শ্রেণীতে সংজ্ঞায়িত করা যায় না।
- যেহেতু কনস্ট্রাক্টরগুলিকে প্রাপ্ত শ্রেণীতে সংজ্ঞায়িত করা যায় না, তাই এটি ওভারলোড করা যায় না, প্রাপ্ত শ্রেণীতে।
- একটি কনস্ট্রাক্টরের কোনো রিটার্ন টাইপ নেই।
- একটি পদ্ধতি দ্বারা পুনরুদ্ধার করা মানের ডেটা প্রকার পরিবর্তিত হতে পারে, একটি পদ্ধতির রিটার্ন টাইপ এই মানটিকে নির্দেশ করে।
- একটি কনস্ট্রাক্টর স্পষ্টভাবে কোনো মান ফেরত দেয় না, এটি যে শ্রেণীর অন্তর্গত তার উদাহরণ প্রদান করে।
উৎস: TutorialsPoint.com
ব্যাখ্যা
- টেলি ব্যাংকিং কথাটির অর্থ হলো টেলিফোন ব্যাংকিং।
- টেলিফোনের মাধ্যমে যে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় তাকে টেলিফোন ব্যাংকিং বা টেলি ব্যাংকিং বলা হয়।
- এর মাধ্যমে একজন গ্রাহক তার ব্যাংক সীমিত পরিসরে একাউন্ট ব্যালেন্স ট্রানজেকশন, ইলেকট্রনিক বিল পেমেন্ট, ফান্ড ট্রান্সফার ইত্যাদি কাজ করার সুবিধা গ্রহণ করতে পারে।
- এটি এমন একটি সেবা যেখানে গ্রাহকরা সশরীরে ব্যাংকে না গিয়ে টেলিফোনের মাধ্যমে কল করে লেনদেন করতে পারতেন।
- টেলিফোন ব্যংকিং বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরু করে ১৯৮০-এর দশকে।
- প্রথম টেলিফোন ব্যাংকিংয়ের যাত্রা শুরু হয় ১৯৮৪ সালে, যুক্তরাজ্যের গিরোব্যাংক-এর হাত ধরে।
- ১৯৮০ এবং ৯০ এর দশকের শুরুতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হলেও, ২০১০ সালের দিকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের আবির্ভাব টেলিফোন ব্যাংকিংয়ের ব্যবহার কমিয়ে দেয়।
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই সেবা চালু থাকলেও, বাংলাদেশে স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক প্রথম এই সেবা চালু করে ১৯৯৭ সালের পহেলা মার্চ।
উৎস: বাংলাপিডিয়া [লিংক]
ব্যাখ্যা
- একটি ডাটাবেজে চলকের মানসমূহ (values) ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম পরিবর্ধন, সংরক্ষণ, পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রায়ই পরিবর্তিত হয়।
- একটি সুনির্দিষ্ট মুহুর্তে ডাটাবেজে সংরক্ষিত তথ্যের সমষ্টিকে ঐ ডাটাবেজের ইন্সট্যান্স বলে।
- এনটিটি হচ্ছে সত্তা যা দিয়ে অবজেক্টকে চিহ্নিত করা যায়। কোন ডাটা টেবিলকে চিহ্নিত করার জন্য টেবিলের যে নাম দেওয়া হয় তাই হচ্ছে ডাটার এনটিটি।
- প্রত্যেকটি বৈশিষ্ট্য বা গুণ যখন কোন এনটিটিকে বর্ণনা করে তখন তাকে এট্রিবিউট বলে। অর্থাৎ এনটিটির অন্তর্ভুক্ত প্রত্যেকটি ফিল্ডকে এট্রিবিউট বলে।
উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• সর্টিং:
- ডাটা টেবিল তৈরি করে তাতে অনেক ডাটা এন্ট্রি করে ডাটাবেজ তৈরি করা হয়।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি করার সময় সাধারণত ধারাবাহিকতা মানা হয় না।
- কিন্তু কম্পিউটার ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এ্যাকসেস) এর সাহায্যে লক্ষ লক্ষ ডেটার ডেটাবেজ তৈরি করে সর্ট বা ইনডেক্স নির্দেশ দিয়ে এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে সর্ট বা ইনডেক্স করা যায়। একে বলা হয় ডেটাবেজ সর্টিং।
- অর্থাৎ, এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে Ascending বা Descending অর্ডারে সাজানোর প্রক্রিয়াকে সর্টিং বলে।
- রেকর্ডসমূহকে দু'ভাবে সর্ট করা যায়। যেমন:
১. Ascending (উচ্চ ক্রমানুসারে) - ছোট থেকে বড় আকারে।
২. Descending (নিম্ন ক্রমানুসারে) - বড় থেকে ছোট আকারে।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
Stratosphere -
- It is the second layer of the atmosphere found above the troposphere.
- It extends up to 50 km in height.
- This layer provides some advantages for flight because it is above stormy weather and has steady, strong, horizontal winds.
- The ozone layer is found in this layer.
- The ozone layer absorbs UV rays and safeguards the Earth from harmful radiation.
- Stratopause separates the stratosphere and mesosphere.
- The Ozone layer which is present in the Earth's atmosphere protects it by restricting it from UV or Ultraviolet radiation, the dangerous rays contained by the Sun.
ব্যাখ্যা
A program written in Machine Language is called object program.
মেশিন ভাষা (Machine Language)
- ভাষার সর্বনিম্ন স্তর হল মেশিনভাষা যা কম্পিউটারের মৌলিক ভাষা।
- মেশিনভাষায় 0 ও 1 এই দুই বাইনারি অঙ্ক অথবা হেক্স পদ্ধতি ব্যবহার করে সব কিছু লেখা হয়।
- কম্পিউটার একমাত্র মেশিনভাষাই বুঝতে পারে; অন্য ভাষায় প্রোগ্রাম করলে কম্পিউটার আগে উপযুক্ত অনুবাদকের সাহায্যে তাকে মেশিনভাষায় পরিণত করে নেয়।
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের সব প্রোগ্রাম একমাত্র মেশিনভাষাতেই করতে হতো।
- মেশিনভাষায় প্রোগ্রাম তৈরি অত্যন্ত জটিল এবং পরিশ্রম ও সময় সাপেক্ষ, তাই বর্তমানে সব প্রোগ্রামই হাই লেভেল ভাষাতে করা হয়।
- প্রত্যেক কোম্পানীর কম্পিউটারের মেশিনভাষা আলাদা, তাই এক কোম্পানীর কম্পিউটারের জন্য মেশিনভাষায় করা প্রোগ্রাম অন্য কোম্পানীর কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায় না।
মেশিনভাষায় নির্দেশের ধরন
1. গাণিতিক (Arithmetic) – অর্থাৎ যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ।
2. নিয়ন্ত্রণ (Control) – অর্থাৎ লোড (Load), স্টোর (Store) ও জাম্প (Jump)।
3. ইনপুট-আউটপুট – অর্থাৎ পড় (Read) ও লেখ (Write)।
4. প্রত্যক্ষ ব্যবহার (Direct use) – অর্থাৎ আরম্ভ কর (Start), থাম (Halt) ও শেষ কর (End)।
- মেশিনভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে বলা হয় অবজেক্ট প্রোগ্রাম (Object program)।
- অন্য যে কোন ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে বলা হয় উৎস প্রোগ্রাম (Source program)।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
ব্যাখ্যা
- ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক্সে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে অ্যাডার বলে।
- অ্যাডার দুই ধরনের। যথা-
১. হাফ-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার দুটো বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে তাকে হাফ-অ্যাডার বলে।
২. ফুল-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার একটি ক্যারি ও দুটি বিটসহ মোট তিনটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে তাকে ফুল-অ্যাডার বলে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 2n
ব্যাখ্যা
• Microprocessor হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ, যা Control Unit, ALU ও Register–এর মাধ্যমে সব নির্দেশ কার্যকর করে।
• প্রসেসিং হার্ডওয়্যার (Processing Hardware):
- ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল কম্পিউটার তার প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে প্রদান করে।
- প্রক্রিয়াকরণের কাজের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পর্কিত হার্ডওয়্যারসমূহকে প্রসেসিং হার্ডওয়্যার বলা হয়।
- সাধারণত সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে প্রসেসিং হার্ডওয়্যার অবস্থান করে।
- কম্পিউটারের প্রসেসিং কাজের সাথে বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার যুক্ত থাকে।
- উল্লেখযোগ্য প্রসেসিং হার্ডওয়্যার হলো— Microprocessor, Memory, ROM chips, VRAM, BUS, Motherboard, Port, Power Supply, Expansion slot ইত্যাদি।
• Microprocessor:
- Microprocessor হলো VLSI প্রযুক্তিতে নির্মিত একটি সিলিকন চিপ।
- এটি কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- Microprocessor–কে কম্পিউটারের “Brain” বলা হয়।
- এটি Control Unit, Arithmetic Logic Unit (ALU) ও Register Set–এর সমন্বয়ে গঠিত।
- কম্পিউটারের সকল অংশ নিয়ন্ত্রণ, নির্দেশ কার্যকর, গাণিতিক ও যৌক্তিক অপারেশন সম্পাদন Microprocessor–এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
• অন্যান্য অপশন:
- RAM → এটি Memory হার্ডওয়্যার, যা সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করে।
- Hard Disk Drive → এটি Storage হার্ডওয়্যার, যা স্থায়ীভাবে ডাটা সংরক্ষণ করে।
- Keyboard → এটি Input হার্ডওয়্যার, যা কম্পিউটারে ডাটা ও নির্দেশ প্রবেশ করায়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- কীবোর্ডে এক সাথে উইন্ডোজ ও এল (Windows +L) চেপে কম্পিউটার লক করা হয়।
আরো কিছু উইন্ডোজ শর্টকাট কী -
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মাইক্রোসফট সাপোর্ট ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- MAN এর পূর্ণ অর্থ "Metropolitan Area Network".
- একটি শহরে বিভিন্ন স্থানের কম্পিউটারের মধ্যে যে সংযোগ তাকে MAN বলে।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কের জন্য মিডিয়া হিসাবে টেলিফোন লাইন, মডেম ও আনুসঙ্গিক যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয়।
- সাধারণত কোন ব্যাংক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শাখা অফিসের মধ্যে যোগাযোগ এর জন্য এই ধরনের নেটওয়ার্ক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। এছাড়া কোনো শহরের ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক MAN এর উদাহরণ।
- ১০ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• reCAPTCHA প্রযুক্তিটি প্রথমে Carnegie Mellon University-এর গবেষকদের দ্বারা তৈরি হলেও এটি জনপ্রিয়তা পায় যখন Google এটি অধিগ্রহণ করে এবং ব্যাপকভাবে ব্যবহার শুরু করে। reCAPTCHA মূলত ওয়েবসাইটকে বট ও স্বয়ংক্রিয় প্রোগ্রামের আক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং একই সঙ্গে বই ও অন্যান্য নথি ডিজিটাল করার কাজে সহায়তা করে। বর্তমানে Gmail, YouTubeসহ Google-এর বিভিন্ন সেবায় reCAPTCHA ব্যবহৃত হচ্ছে। তাই দেওয়া অপশন গুলোর মধ্যে reCAPTCHA প্রবর্তন ও উন্নয়নের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি সম্পৃক্ত প্রতিষ্ঠান হলো খ) Google।
CAPTCHA:
- CAPTCHA এর পূর্ণরূপ Completely Automated Public Turing test to tell Computers and Humans Apart.
- CAPTCHA হচ্ছে ইন্টারনেটে মানব ব্যবহারকারী এবং স্বয়ংক্রিয় বটগুলির মধ্যে পার্থক্য করতে ব্যবহৃত একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে বটগুলিকে ক্ষতিকারক বা বিঘ্নিত হতে পারে এমন কাজগুলি করা থেকে বিরত রাখতে, যেমন জাল অ্যাকাউন্ট তৈরি করা, স্প্যামিং ফর্ম বা সাইবার আক্রমণ শুরু করা।
- ক্যাপচা-এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য হল অনলাইন সিস্টেমের নিরাপত্তা এবং অখণ্ডতা নিশ্চিত করা যেনো বটগুলিকে অপব্যবহার করা থেকে বিরত রাখা যায়।
ক্যাপচাগুলি কিছু সাধারণ ব্যবহারের ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত:
যেমন -
- User Registration and Login,
- Form Submissions,
- Preventing DDoS Attacks,
- Online Polls and Surveys,
- Web Scraping Prevention.
উৎস:
- ব্রিটানিকা।
- developers.google [link]
- Carnegie Mellon University [link]
ব্যাখ্যা
সমাধান:
এখানে C হলো integer value বা পূর্ণসংখ্যা যার মান 10
প্রোগ্রামিং এর ভাষায় ভ্যালু কে ইনক্রিমেন্ট বা ডিক্রিমেন্ট করা যায়।
ইনক্রিমেন্ট করার জন্য ++ ব্যবহার করা হয়।
ডিক্রিমেন্ট করার জন্য -- ব্যবহার করা হয়।
যদি কোনো ভ্যালুর আগে -- থাকে তাহলে প্রিন্ট করার আগেই 1 বিয়োগ করে তারপর প্রিন্ট করতে হবে।
যদি কোনো ভ্যালুর পরে -- থাকে তাহলে প্রিন্ট করার পর 1 বিয়োগ করতে হবে তারপর নতুন ভ্যালু সেট করতে হবে।
প্রদত্ত প্রোগ্রামে printf (C--) দ্বারা বুঝায় যে, আগে ভ্যালু 10 প্রিন্ট করে তারপর তার মান 1 কমিয়ে নতুন মান 9 গ্রহন করা হয়।
ব্যাখ্যা
- MICR এর পূর্ণরূপ Magnetic Ink Character Recognition/ Reader.
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- MICR এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে চেকের বৈধতা যাচাই করা যায়।
- এতে চুম্বকীয় কালি (Magnetic Ink) ব্যবহার করা হয়।
- এই চেক স্ক্যান করার সময় এর চুম্বকীয় ডিজিট, কম্পিউটার নির্দিষ্ট সফটওয়্যারের মাধ্যমে পাঠ করে এবং ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- IBM এর পুরো নাম International Business Machines Corporation.
- ১৯১১ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রথমে নাম ছিল Computing-Tabulating-Recording Company (CTR),পরবর্তীতে ১৯২৪ সালে IBM নামকরণ করা হয়।
- IBM কে Big Blue (বিগ ব্লু) বলা হয়।
- IBM এর সদরদপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর নির্বাহী পরিচালকের (CEO) নাম হল অরবিন্দ কৃষ্ণ।
- IBM এর তৈরিকৃত প্রথম কম্পিউটার- IBM 5150.
- বিশেষ উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার - ATM, Hard Disk, Floppy disc.
- Hyperledger হলো IBM এর একটি ব্লকচেইন প্ল্যাটফর্ম।
- হাইপারলেজার হল একটি ওপেন সোর্স সহযোগিতামূলক ক্রস-ইন্ডাস্ট্রি ব্লকচেইন প্রযুক্তি।
উৎস: IBM Website.
ব্যাখ্যা
- ডিকোডার হলো এমন একটি সমবায় সার্কিট যার সাহায্যে n টি ইনপুট থেকে সর্বাধিক 2n টি আউটপুট লাইনের একটিতে 1 ও বাকিগুলোতে 0 আউটপুট পাওয়া যায়।
- কখন কোন আউটপুট লাইনে 1 পাওয়া যাবে তা নির্ভর করে ইনপুটগুলোর মানের উপর।
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।
∴ 4 লাইন ডিকোডারের ক্ষেত্রে আউটপুট লাইন = 24 = 16 টি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- ফেসবুক ইনকর্পোরেটেড এর বর্তমান নাম মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড।
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে।
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন।
- CEO: মার্ক জাকারবার্গ
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪
- বাণিজ্যিক নাম: মেটা
- সদরদপ্তর: মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
- মেটার অধীনস্ত কোম্পানিগুলো হলো - ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটস্ অ্যাপ, ফেসবুক , ম্যাসেঞ্জার ইত্যাদি।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল’ (googol) থেকে, যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগলের প্রকৃত নাম বা পুরাতন নাম ব্যাকরাব (BackRub)।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সুন্দর পিচাই।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- Google + হলো একটি সামাজিক নেটওয়ার্কিং সেবা।
• গুগলের সার্ভিসসমূহ:
Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Contacts, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি।
উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।
• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার থেফ্ট,
- সাইবার বুলি,
- স্ফুফিং,
- ফিশিং (Phishing),
- ভিশিং,
- স্নিকিং,
- প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism),
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks প্রভৃতি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে।
- কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল থেকে অক্টাল:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য প্রথমে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রত্যেকটি অংকের সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যা বসিয়ে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে।
- অতঃপর পুরো বাইনারি সংখ্যাটিকে 3 বিট বাইনারি গ্রুপে সাজিয়ে সমতুল্য অক্টাল মান বসালে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির অক্টাল মান পাওয়া যায়।
সুতরাং, (A1D.FC)₁₆=(5035.770)₈
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• আইএসডিএন (ISDN):
- ISDN-এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে "Integrated Service Digital Network".
- আইএসডিএন হচ্ছে টেলিফোন ক্যারিয়ার দ্বারা প্রদত্ত সম্পূর্ণ ডিজিটাল হাই-স্পিড নেটওয়ার্ক যা বিদ্যমান টেলিফোন সার্কিটের মাধ্যমে ভয়েস এবং ডেটা বহন করার অনুমতি দেয়।
- এটি নিয়মিত টেলিফোনের বিকল্প এক ধরনের টেলিফোন সার্ভিস।
- ISDN-এর সুবিধা হচ্ছে এটি নিয়মিত টেলিফোন লাইনের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি দ্রুত ডেটা ট্রান্সমিশন বা আদান-প্রদান করতে পারে।
- তবে এটি সাধারণ টেলিফোন লাইনের তুলনায় অনেক বেশি ব্যয়বহুল।
- বড় বড় প্রতিষ্ঠান যেখানে প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ ডেটা আদান-প্রদান করেতে হয়, সেখানে এ ধরনের সার্ভিস ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- ইহা একটি মেইনফ্রেম কম্পিউটার।
- ENIAC কম্পিউটারের পরবর্তী ভার্সন হলো EDVAC.
- ড. জন মউসলি এবং তাঁর ছাত্র প্রেসপার একার্ট (Presper Eckert) যৌথভাবে ENIAC, EDVAC, BINAC, এবং UNIVAC কম্পিউটার নির্মাণ করেন।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. history.computer.org
ব্যাখ্যা
- The Rich Text Format (often abbreviated RTF) is a proprietary document file format with published specifications developed by Microsoft Corporation from 1987 until 2008 for cross-platform document interchange with Microsoft products.
- Most word processors can read RTF documents.
- RTF is a file format standardized by Microsoft for creating formatted text files.
- RTF files can include information such as text style, size, and colour.
- RTF format is a universal format.
- The RTF uses the ANSI, PC-8, Macintosh, and IBM PC character sets.
ব্যাখ্যা
= 1 × 22 + 1 × 21 + 0 × 20
= 4 + 2 + 0
= 6
ব্যাখ্যা
- ইন্টারনেট হচ্ছে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অবস্থিত কম্পিউটারগুলোর নেটওয়ার্ক।
- বিশ্বের বিভিন্ন নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করলে যে নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠে তাকে ইন্টারনেট বলে।
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটার কমান্ড এবং ডাটা আদান-প্রদানের TCP/IP প্রোটোকল ব্যবহার করে।
- ইন্টারনেটে যেকোনো কম্পিউটার আরেকটি কম্পিউটারের সাথে সহজেই সংযোজিত হতে পারে।
- বর্তমানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ধরনের পদ্ধতি আছে। বহুল প্রচলিত পদ্ধতিগুলো হলো-
১। ডায়াল আপ সিস্টেম (Dial-Up System)
২। আইএসডিএন (ISDN)
৩। ব্রডব্যান্ড (Broadband)
৪। ওয়াই-ফাই (Wi-Fi)
৫। ওয়াইম্যাক্স (WiMax)
• ডায়াল আপ সিস্টেম (Dial-Up System):
- ডায়াল আপ সিস্টেম পদ্ধতিতে ইন্টারনেট সংযোগ দিতে কম্পিউটারের সাথে টেলিফোন লাইন ও মডেম সংযুক্ত থাকে।
- কম্পিউটার টেলিফোন লাইন ও মডেমের মাধ্যমে নির্দিষ্ট আইএসপি (ISP) বা ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।
- ডায়াল আপ সিস্টেমটি তুলনামূলক সহজ কিন্তু ইন্টারনেটের স্পিড তুলনামূলক অনেক কম।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
Perhaps the question is for the Font section of the Home Tab. In that case, the answer should be "Emboss".
ব্যাখ্যা
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- ফ্লিপ-ফ্লপের কার্যাবলী - মেমরি ডিভাইস, কাউন্টার এবং রেজিস্টার, ডেটা ট্রান্সফার হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়।
- প্রতিটা ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- মেমোরি ডিভাইসের ক্ষুদ্রতম একক হলো ফ্লিপ-ফ্লপ গেইট।
- অসংখ্য ফ্লিপ-ফ্লপ এর সমন্বয়ে তৈরি হয় ইলেক্ট্রনিক মেমোরি ডিভাইস।
• ফ্লিপ-ফ্লপের ব্যবহার:
১. মেমোরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. কাউন্টার, রেজিস্টার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. ডেটা ট্রান্সফারে ব্যবহৃত হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
For 7 computer, requires 7(7-1)/2 = 21 lines
For 9 computer, requires 9(9-1)/2 = 36 lines
Difference = 36 - 21 = 15 lines
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেট অফ থিংস (Internet of Things - IoT):
- ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) হলো এমন একটি প্রযুক্তিগত ধারণা, যেখানে বিভিন্ন দৈনন্দিন ডিভাইস ইন্টারনেটের মাধ্যমে পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে।
• উদাহরণ:
- স্মার্ট হোম (Smart Home) ।
- ফিটনেস ট্র্যাকার।
- স্মার্ট গাড়ি ।
- শিল্প কারখানায় স্বয়ংক্রিয় মেশিন নিয়ন্ত্রণ।
• ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের সাথে মানুষের বা মানুষের সাথে কম্পিউটারদের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করতে সাহায্য করে।
- এর মাধ্যমে যুক্ত ডিভাইসগুলি স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট এবং রেফ্রিজারেটরের মতো গৃহস্থলীর যন্ত্রপাতি থেকে শুরু করে শিল্প মেশিন, পরিবহনযন্ত্র এবং মানবদেহ পর্যন্ত হতে পারে।
- IoT-এর প্রাথমিক লক্ষ্য হল এই ডিভাইসগুলিকে একে অপরের সাথে এবং কেন্দ্রীভূত সিস্টেম বা ক্লাউড প্ল্যাটফর্মের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম করা।
তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
” A procedure for solving a mathematical problem in a finite number of steps that frequently involves recursive operations”.
• Algorithm is a set of mathematical instructions or rules that, especially if given to a computer, will help to calculate an answer to a problem.
Source: Cambridge Dictionary, www.geeksforgeeks.org.
ব্যাখ্যা
• লিনাক্স (LINUX):
- লিনাক্স হচ্ছে একটি মাল্টি টাস্কিং ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম.
- এটি UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ।
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ডের লিনাস টারভোল্ডাস লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন।
- GNU নামের একটি সংস্থা এর সাথে বিভিন্ন শেল, উইন্ডো ম্যানেজমেন্ট ও ইউটিলিটি যোগ করে একে পুরোপুরি একটি অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে দাঁড় করিয়েছে।
• লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের অন্যতম সুবিধাসমূহ হলো:
- লিনাক্স বর্ণভিত্তিক ও চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- লিনাক্স ওপেন সোর্স কোডভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- ইন্টারনেট হতে সহজেই লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ডাউনলোড করা যায়।
- নেটওয়ার্ক সাপোর্ট সার্ভিস উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের তুলনায় অধিকতর শক্তিশালী।
- এটির সিকিউরিটি ও গ্রাফিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী ।
- লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা যায় ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।