ব্যাখ্যা
An algorithm is a set of instructions designed to perform a specific task.
The word ''algorithm'' comes from the name of an eighth century Arab mathematician, al Khuwarismi.
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ২৯ / ৪৭ · ২,৮০১–২,৯০০ / ৪,৬১৯
সঠিক উত্তর - খ) Binary
মেশিন ভাষা (Machine Language)
- কম্পিউটারের সবচেয়ে নিচের স্তরের ভাষা হলো মেশিন ভাষা।
- এটি কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষা, যাকে নিম্নস্তরের ভাষাও বলা হয়।
- কম্পিউটার শুধুমাত্র মেশিন ভাষা বুঝতে পারে।
- মেশিন ভাষা সাধারণত বাইনারি সংখ্যা (0 ও 1) বা হেক্সাডেসিম্যাল পদ্ধতি ব্যবহার করে লেখা হয়।
- মেশিন ভাষায় লেখা প্রোগ্রাম চালানোর জন্য কোনও অনুবাদক প্রোগ্রামের প্রয়োজন হয় না।
- অন্য কোনও উচ্চস্তরের ভাষায় প্রোগ্রাম লিখলে, কম্পিউটার কার্যকর করার আগে উপযুক্ত অনুবাদক (Translator) ব্যবহার করে সেটিকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করতে হয়।
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
A computer can address more memory than the amount physically installed on the system.
This extra memory is actually called Virtual Memory and it is a section of a hard disk that's set up to emulate the computer's RAM.
IP address, in full Internet Protocol address, Number that uniquely identifies each computer on the Internet.
A computer’s IP address may be permanently assigned or supplied each time that it connects to the Internet by an Internet service provider.
Source: britannica.com
What does a firewall do?
A firewall acts as a gatekeeper. It monitors attempts to gain access to your operating system and blocks unwanted traffic or unrecognized sources.
Source : Norton.
• IPv6 (Internet Protocol version 6) হল ইন্টারনেট প্রোটোকলের নতুন সংস্করণ, যা IPv4-এর সীমিত ঠিকানার সমস্যার সমাধান করতে এসেছে। IPv6 ঠিকানার দৈর্ঘ্য 128 bits। এটি প্রচলিত IPv4 ঠিকানার 32-bit-এর তুলনায় অনেক বড় এবং আরও বেশি সংখ্যক ইউনিক ঠিকানা প্রদান করতে সক্ষম। IPv6 ঠিকানা সাধারণত আটটি 16-bit হেক্সাডেসিমাল ব্লকে লেখা হয়, যা কোলন (:) দ্বারা আলাদা করা থাকে, যেমন 2001:0db8:85a3:0000:0000:8a2e:0370:7334। এই বড় ঠিকানা ভাণ্ডার ভবিষ্যতে ইন্টারনেট ডিভাইস বৃদ্ধিকে সমর্থন করবে এবং আরও উন্নত নিরাপত্তা ও রাউটিং সুবিধা প্রদান করবে। সুতরাং, IPv6 ঠিকানার সঠিক দৈর্ঘ্য হলো 128 bits।
- সঠিক উত্তর: গ) 128 bits.
• আইপি এড্রেস:
- আইপি হলো প্রতিটি কম্পিউটারের জন্যে ব্যবহৃত স্বতন্ত্র আইডেন্টিটি।
- ‘IP’ এর পূর্ণরূপ হলো ‘Internet Protocol’.
- (1st Octet) (2nd Octet) (3rd Octet) (4th Octet) চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত হয়আইপি অ্যাড্রেস I
- IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলাে 4 × 8 বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- IPv6 হলো ইন্টারনেট প্রটোকলের ৬ষ্ঠ ভার্সন।
- IPv4 এর সংখ্যা অপ্রতুল হয়ে যায় তা সমাধানের জন্যে IPv6 ভার্সন চালু করা হয়।
- IPv6 অ্যান্ড্রেস ১২৮ বিটে হয়। অর্থাৎ আইপি অ্যাড্রেসের এই ভার্সনে ৮টি ভাগ থাকে এবং প্রতিভাগ 16 bit এর হয়ে থাকে।
- এক্ষেত্রে ১২৮ বিটের সাহায্যে ২১২৮ সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- IPV6 এর অ্যাড্রেস সাধারণত Hexadecimal ফরম্যাটে লিখা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• DRAM-এ ক্যাপাসিটর সময়ের সাথে সাথে চার্জ হারিয়ে ফেলে বলে তথ্য নষ্ট হয়ে যায়, তাই তথ্য বজায় রাখতে নিয়মিত Refresh করতে হয়।
• ডাইনামিক র্যাম (Dynamic RAM – DRAM):
- DRAM-এর মেমোরি সেলে তথ্য সংরক্ষণের জন্য ক্যাপাসিটর ব্যবহার করা হয়।
- ক্যাপাসিটরে বৈদ্যুতিক চার্জ থাকলে বাইনারি ১, চার্জ না থাকলে বাইনারি ০ বোঝায়।
- ক্যাপাসিটরগুলো সময়ের সাথে সাথে চার্জ লিকেজ (Charge leakage) এর কারণে চার্জ হারায়।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকা অবস্থাতেও চার্জ ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়।
- তাই কয়েক মিলিসেকেন্ড পর পর RAM Controller-এর মাধ্যমে তথ্য পুনরায় লিখতে হয়, একে Memory Refreshing বলা হয়।
- মাইক্রোকম্পিউটারের প্রধান মেমোরি হিসেবে সাধারণত DRAM ব্যবহার করা হয়।
• র্যামের শ্রেণিবিভাগ:
- অপারেটিং মোড অনুসারে র্যাম দুই প্রকার।
- Static RAM (SRAM),
- Dynamic RAM (DRAM).
• স্ট্যাটিক র্যাম (Static RAM – SRAM):
- SRAM ফ্লিপ-ফ্লপ সার্কিট দিয়ে তৈরি।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকা পর্যন্ত তথ্য অপরিবর্তিত থাকে।
- Refresh করার প্রয়োজন হয় না।
- অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন হওয়ায় Cache memory, Video RAM-এ ব্যবহৃত হয়।
উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২। ব্রিটানিকা।
সঠিক উত্তর - ক) Full duplex
WiMAX
- WiMAX-এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access।
- WiMAX হলো 4G ওয়্যারলেস প্রযুক্তি, যা বড় এলাকা কভার করে উচ্চ-গতির ইন্টারনেট সরবরাহ করে।
- এটি আধুনিক তারবিহীন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রযুক্তি, যা DSL বা তারযুক্ত ইন্টারনেটের বিকল্প হিসেবে ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত উচ্চ-গতির ইন্টারনেট দেয়।
- ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করা হয়।
- WiMAX-এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হলো 802.16।
- ডেটা স্থানান্তরের গতি ৮০ - ১০০০ Mbps।
- ব্যান্ডউইথ ৩০ - ৭৫ Mbps।
- কভারেজ এরিয়া ১০ - ৫০ কিলোমিটার।
- WiMAX-এর প্রধান অংশ দুটি: বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।
উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান,
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান,
৩। ব্রিটানিকা।
• HDD (Hard Disk Drive):
- HDD বা হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ হলো একটি ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল ডেটা স্টোরেজ ডিভাইস।
- HDD (Hard Disk Drive)-এর ডেটা চৌম্বকীয় ডিস্ক-এর মাধ্যমে সংরক্ষিত হয়।
- HDD-এর ভিতরে ঘূর্ণায়মান চৌম্বকীয় প্লেটার (Platter) থাকে, যার উপর ডেটা চৌম্বকীয়ভাবে রেকর্ড করা হয়।
- ডেটা রিড/রাইট হেডের মাধ্যমে চৌম্বকীয়ভাবে লেখা ও পড়া হয়।
- এর দ্বারা হার্ড ডিস্কের মধ্যে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয় এবং বিদ্যুৎ বন্ধ হলেও ডেটা অক্ষত থাকে।
• হার্ডডিস্কের ধারণক্ষমতা নির্ভর করে নিম্নলিখিত বিষয়ের ওপর -
- ব্যবহারযোগ্য পৃষ্ঠের সংখ্যা।
- ট্র্যাকের সংখ্যা।
- ট্র্যাকে সেক্টরের সংখ্যা।
- প্রতি সেক্টরের ধারণক্ষম বাইটের সংখ্যা।
অন্যান্য অপশন:
- SSD: এটি তথ্য সংরক্ষণের জন্য কোনো ঘূর্ণায়মান ডিস্ক ব্যবহার করে না, বরং ফ্ল্যাশ মেমোরি চিপ (Nand Flash) ব্যবহার করে।
- USB Flash: এটি সেমিকন্ডাক্টর ভিত্তিক স্টোরেজ যা ইলেকট্রনিকভাবে ডেটা জমা রাখে এবং এতে কোনো মুভিং পার্টস নেই।
- Optical Disk: এটি লেজার রশ্মি ব্যবহার করে ডেটা পড়ে এবং লেখে, এটি চৌম্বকীয় পদ্ধতির পরিবর্তে অপটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
তথ্যসূত্র:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা। [link]
সঠিক উত্তর - খ) Domain name
ই-মেইল (E-mail)
- ই-মেইল (Electronic Mail) হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডিজিটাল বার্তা পাঠানোর একটি মাধ্যম।
- এর সাহায্যে টেক্সট, ছবি, ফাইল, ভিডিও ইত্যাদি খুব দ্রুত একজন থেকে আরেকজনের কাছে পাঠানো যায়।
- প্রত্যেক ই-মেইল অ্যাকাউন্ট গোপন পাসওয়ার্ড দিয়ে সুরক্ষিত থাকে।
ই-মেইল অ্যাড্রেসের গঠন
- একটি ই-মেইল ঠিকানার দুইটি অংশ থাকে –
1. প্রথম অংশ → ব্যবহারকারীর পরিচিতি (Username),
2. শেষ অংশ → ডোমেইন নেম (Domain name),
- এ দুটি অংশকে @ চিহ্ন দ্বারা আলাদা করা হয়।
উদাহরণ: faria123@gmail.com
- faria123 → ব্যবহারকারীর নাম (Username),
- gmail.com → ডোমেইন নেম।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
• ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS)-এ ACID হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ কনসেপ্ট যা ট্রানজেকশনকে সুরক্ষিত এবং নির্ভরযোগ্য রাখে। এর পূর্ণরূপ হলো Atomicity, Consistency, Isolation, Durability। Atomicity নিশ্চিত করে যে ট্রানজেকশন সম্পূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে বা একেবারেই হবে না। Consistency ডেটাবেসকে তার সকল নিয়ম এবং সীমাবদ্ধতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখে। Isolation নিশ্চিত করে যে একাধিক ট্রানজেকশন একে অপরের উপর প্রভাব ফেলবে না। এবং Durability নিশ্চিত করে যে একবার ট্রানজেকশন কমপ্লিট হলে, তার ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকবে, এমনকি সিস্টেম ক্র্যাশের পরেও।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো (ক) Atomicity, Consistency, Isolation, Durability.
ACID:
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে ACID নীতি হল কতকগুলো বৈশিষ্ট্যের একটি সেট যা database transactions- এর নির্ভরযোগ্য প্রক্রিয়াকরণের নিশ্চয়তা দেয়।
ACID এর acronym হল:
- A = Atomicity.
- C = Consistency.
- I = Isolation.
- D = Durability.
- ACID ডেটাবেজ পরিচালনার ক্ষেত্রে মৌলিক ধারণা।
- ডেটাবেজ লেনদেন নিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হল ACID।
- উদাহরণস্বরুপ, একজন ব্যক্তি যখন ATM থেকে টাকা উত্তোলন করেন ACID transaction এর মাধ্যমে একাউন্ট ব্যালেন্স এবং ট্রান্সজেকশনের রেকর্ড আপডেট করা হয়।
• ডাটাবেজ:
- ডাটাবেজ হলো সংগৃহীত ডাটা যা একই সময়ে ডাটা সংরক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অনেক এ্যাপ্লিকেশন কিংবা নির্দিষ্ট কোন এ্যাপ্লিকেশনকে সেবা প্রদানের জন্য সংগঠিত হয়।
- ডাটাবেজ হচ্ছে সেই সকল ডাটা বা তথ্যের সমষ্টি যাদের পরস্পরের মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে।
যেমন- ভোটার তালিকায় সংরক্ষিত ভোটারদের তথ্যসমূহ, কোন কোম্পানির কর্মচারীদের ব্যক্তিগত ফাইলের রেকর্ডসমূহ ইত্যাদি ডাটাবেজ ফাইলে সংরক্ষণ করা যায়।
অর্থাৎ ডাটাবেজ হচ্ছে ডাটাসমৃদ্ধ এক বা একাধিক ফাইলের সমষ্টি।
- ডাটাবেজ এর ব্যবহার বর্তমানে কম্পিউটারের ব্যাপক প্রচলনের ফলে ব্যক্তিগত তথ্যাবলি থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় তথ্যাবলি, হিসাব-নিকাশ ইত্যাদি কম্পিউটারে ডাটাবেজ আকারে সংরক্ষণ করে রাখা হয় এবং সমস্ত ডাটাবেজ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা যায়।
• ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদান:
- ডাটা (Data),
- রেকর্ড (Record),
- ফিল্ড (Field) ও
- ডাটা টেবিল (Data Table)।
• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।
• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.
উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩) Amazon. [link]
We know, 1 nanosecond = 10-9 second
So, 50 nanosecond = 50 × 10-9 second = 5 × 10-8 second
Numbers of addition can be done by the computer = 1 / (5 × 10-8) = 2 × 107 = 20 million
সঠিক উত্তর - ক) Financial transaction network
SWIFT Code
- SWIFT (Society for Worldwide Interbank Financial Telecommunication) হলো বেলজিয়ামে ভিত্তিক একটি আন্তঃব্যাংক আর্থিক লেনদেন নেটওয়ার্ক।
- সুইফট - এর মাধ্যমে ব্যাংক লেনদেনের পরিচয় বা শনাক্তকরণ করা হয়।
- SWIFT - এর প্রধান কাজ হলো একটি বিশ্বব্যাপী মেসেজিং নেটওয়ার্ক সরবরাহ করা, যা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরাপদে টাকা স্থানান্তর ও অন্যান্য তথ্য আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে।
- এই শনাক্তকরণ মূলত সংকেতলিপি বা কোডের মাধ্যমে করা হয়।
- লেনদেনের বার্তা (wire) এই সুইফট কোড ব্যবহার করে আদান-প্রদান করা হয়।
- বিশ্বের ২০০-এর বেশি দেশে প্রায় ১১ হাজার ব্যাংক SWIFT ব্যবহার করে।
- সুইফট আন্তর্জাতিকভাবে অন্তত ৩ হাজার আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কোড পরিচালনা করে।
- বাংলাদেশের প্রায় সব ব্যাংক আন্তর্জাতিক লেনদেনে SWIFT - এর সেবা ব্যবহার করে।
উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।
• CIH (Chernobyl) ভাইরাসের রচয়িতা হলেন Chen Ing-hau, যিনি তাইওয়ানের Tatung University-এর ছাত্র ছিলেন।
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম, যা বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমোরিতে প্রবেশ করে।
- এটি মেমোরির ভেতরে গোপনে বিস্তার লাভ করে।
- ভাইরাস মূল্যবান প্রোগ্রাম ও তথ্য নষ্ট করতে পারে।
- অনেক ক্ষেত্রে কম্পিউটারকে সম্পূর্ণরূপে অচল করে দিতে পারে।
• CIH (Chernobyl) ভাইরাস:
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau.
- তাঁর নামের আদ্যাক্ষর থেকেই এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে—CIH (Chen Ing-hau)।
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller ভাইরাস নামেও ডাকা হয়।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার এই ভাইরাসের আক্রমণের শিকার হয়।
• কম্পিউটার ভাইরাসের ক্ষতিকর প্রভাব:
- তথ্য ও প্রোগ্রাম নষ্ট হওয়া।
- সিস্টেমের স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হওয়া।
- অনেক ক্ষেত্রে অপারেটিং সিস্টেম ও হার্ডওয়্যার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া।
• অন্যান্য অপশন:
- Dennis Ritchie → C প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক।
- Bill Gates → Microsoft-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা।
- Tim Berners-Lee → World Wide Web-এর উদ্ভাবক।
উৎস:
১. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• Address Bus সিপিইউ থেকে মেমরির নির্দিষ্ট ঠিকানায় ডেটা পড়া বা লেখা নিয়ন্ত্রণ করে।
• কম্পিউটার বাস সিস্টেম:
- বাস হলো একগুচ্ছ তার বা লাইন, যার মাধ্যমে কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশের মধ্যে ডেটা, নির্দেশ ও সিগন্যাল আদান-প্রদান হয়।
- বাসের মাধ্যমে CPU, Memory, Input ও Output ডিভাইস পরস্পরের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে।
- বাসের প্রস্থ (Bus Width) দ্বারা বোঝায় একসাথে কত বিট ডেটা স্থানান্তর করা যায়।
- বাসের গতি সাধারণত MHz বা GHz এককে পরিমাপ করা হয়।
• বাসের প্রকারভেদ:
- System Bus.
- Expansion Bus.
• System Bus:
- System Bus সরাসরি CPU ও মাদারবোর্ডের প্রধান অংশগুলোর সাথে সংযুক্ত থাকে।
- এটি মেমরি ও ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের সাথে ডেটা আদান-প্রদান করে।
• System Bus তিন প্রকার।
• Data Bus:
- Data Bus-এর মাধ্যমে CPU, Memory ও I/O ডিভাইসের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান হয়।
- এটি দ্বিমুখী (Bi-directional)।
- 8-bit, 16-bit, 32-bit, 64-bit ইত্যাদি প্রস্থের হতে পারে।
• Address Bus:
- Address Bus CPU থেকে নির্দিষ্ট মেমরি লোকেশনে ঠিকানা প্রেরণ করে।
- এটি একমুখী (Unidirectional)।
- n বিট Address Bus হলে 2ⁿ টি মেমরি লোকেশন অ্যাড্রেস করা যায়।
- উদাহরণ: 8-bit Address Bus হলে 2⁸ = 256 টি মেমরি লোকেশন নির্দেশ করা যায়।
• Control Bus:
- Control Bus বিভিন্ন নিয়ন্ত্রণ সিগন্যাল বহন করে।
- এটি CPU ও অন্যান্য ডিভাইসের মধ্যে Read, Write ইত্যাদি নির্দেশ আদান-প্রদান করে।
- এটি সাধারণত দ্বিমুখী প্রকৃতির।
• Expansion Bus:
- Expansion Bus প্রধান বাসকে সহায়তা করে।
- এটি Peripheral ডিভাইস সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: ISA, EISA, PCI, USB, AGP, IEEE 1394।
• অন্যান্য অপশন:
- Data Bus → ডেটা স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত দ্বিমুখী বাস।
- Control Bus → নিয়ন্ত্রণ সিগন্যাল বহনকারী বাস।
- Expansion Bus → Peripheral ডিভাইস সংযোগের জন্য ব্যবহৃত সহায়ক বাস।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।
• ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থায় অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল সিগন্যাল-এ রূপান্তরের প্রক্রিয়াকে “Sampling” বলা হয়। - এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ যেখানে একটি অবিচ্ছিন্ন অ্যানালগ সিগন্যালকে নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে ছোট ছোট নমুনায় ভাগ করা হয়। এই সময়ের ব্যবধানকে স্যাম্পলিং ইন্টারভ্যাল বলা হয় এবং প্রতি সেকেন্ডে যতগুলো নমুনা নেওয়া হয় তাকে স্যাম্পলিং রেট বলে। যত বেশি স্যাম্পল নেওয়া হবে, তত বেশি নিখুঁতভাবে অ্যানালগ সিগন্যালকে পুনর্গঠন করা সম্ভব হয়। পরে এই নমুনাগুলোকে কুয়ান্টাইজেশন ও এনকোডিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাইনারি রূপে রূপান্তর করা হয়, যা কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইস সহজে প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে। - সঠিক উত্তর: গ) Sampling.
• মডুলেশন (Modulation):
মডুলেশন হলো সেই প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একটি বার্তা-তরঙ্গকে (যেমন ভয়েস বা ডেটা) একটি ক্যারিয়ার তরঙ্গে পরিবর্তন করে প্রেরণের উপযোগী করা হয়।
এতে ক্যারিয়ার তরঙ্গের অ্যামপ্লিটিউড, ফ্রিকোয়েন্সি বা ফেজ বদলানো যেতে পারে (যেমন AM, FM, PM)।
মডুলেশন মূলত সংকেত দূর থেকে পাঠানোর সময় ব্যবহৃত হয় যাতে সংকেতটি পরিবহন মিডিয়ায় ভালভাবে পৌঁছায়।
এটি নিজে করে এনালগকে ডিজিটাল করে না; বরং তথ্যকে পাঠানোর উপযোগী করে তোলে।
ফলে মডুলেশন সরাসরি এনালগ থেকে ডিজিটালে রূপান্তর নয়।
• ডিমডুলেশন (Demodulation):
ডিমডুলেশন হলো মডুলেশনের উল্টো প্রক্রিয়া — কথাটি বা তথ্যটিকে ক্যারিয়ার তরঙ্গ থেকে আলাদা করে মূল সংকেতে ফিরিয়ে আনা।
এটি গ্রহণকারী পাশে ঘটে, যেখানে ক্যারিয়ার থেকে আসল বার্তা পড়ে নেওয়া হয়।
ডিমডুলেশনও এনালগকে ডিজিটালে রূপান্তর করে না; এটি কেবল প্রেরিত সংকেত পুনরুদ্ধার করে।
মূলত মডুলেটেড সিগন্যাল থেকে ইনফরমেশন বের করাই ডিমডুলেশনের কাজ।
• স্যাম্পলিং (Sampling):
স্যাম্পলিং হলো সেই প্রক্রিয়া যেখানে একটি ধারাবাহিক (অ্যানালগ) সংকেতকে নির্দিষ্ট সময় অন্তর আংশিকভাবে পরিমাপ করে (ডিস্ক্রিট টাইম সিগন্যাল) ডিজিটাইজেশনের প্রথম ধাপ হিসেবে রূপান্তর করা হয়।
এর পরে কুয়ান্তাইজেশন ও এনকোডিং হয়ে থাকে যাতে বাস্তবে ডিজিটাল বিট স্ট্রীম পাওয়া যায়।
স্যাম্পলিং যদি যথেষ্ট হারে (নাইকুইস্ট হার অনুযায়ী) করা হয়, তবে অ্যানালগ সংকেতকে নির্ভুলভাবে পুনরুদ্ধার করা যায়।
তাই অ্যানালগ সঙ্কেতকে ডিজিটাল সিগন্যালেও পরিণত করার মূল প্রক্রিয়ার অংশ—অর্থাৎ এটি সরাসরি এনালগ থেকে ডিজিটালে রূপান্তরের অন্যতম প্রধান ধাপ।
• কমপ্রেশন (Compression):
কমপ্রেশন হলো ডেটার আকার কমানোর প্রক্রিয়া, যাতে সংরক্ষণ বা প্রেরণে স্থান ও ব্যান্ডউইথ সাশ্রয় হয়।
এটি মূলত ডিজিটাল ডেটার উপর প্রয়োগ করা হয় (যেমন অডিও, ভিডিও, ইমেজ) এবং হারালেস বা লসী হতে পারে।
কমপ্রেশন নিজে এনালগকে ডিজিটালে রূপান্তর করে না; বরং ইতিমধ্যেই ডিজিটাল ডেটাকে সংকুচিত করে।
তাই এটি অ্যানালগ থেকে ডিজিটাল রূপান্তরের সরাসরি উত্তর নয়।
সুতরাং, অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল সিগন্যাল হিসেবে রূপান্তর করার প্রক্রিয়ার সঙ্গে সবচেয়ে উপযুক্ত উত্তর হলো— গ) স্যাম্পলিং।
সূত্র: geeksforgeeks [link]
• AVG একটি পরিচিত এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, যা কম্পিউটারকে বিভিন্ন ধরনের ভাইরাস আক্রমণ থেকে সুরক্ষা দিতে ব্যবহৃত হয়।
• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার কম্পিউটারে ভাইরাস প্রবেশের আগেই তা শনাক্ত করে প্রতিরোধ করতে পারে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- AVG,
- Avast,
- Norton,
- Avira,
- Panda, ইত্যাদি।
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকর প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর নিজের বংশবিস্তার করতে থাকে।
- একপর্যায়ে এটি পুরো কম্পিউটার সিস্টেমকে সংক্রমিত করে এবং সিস্টেমকে অচল বা ক্ষতিগ্রস্ত করে দিতে পারে।
- প্রখ্যাত গবেষক Fred Cohen “Computer Virus” শব্দটির নামকরণ করেন।
• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস:
- VBS/Helper,
- Worm,
- VBS/Aqui,
- Trojan Horse,
- X97M/Hopper,
- Boot Sector Virus,
- Jerusalem,
- Stone,
- Dhaka Virus,
- Vienna,
- CIH, ইত্যাদি।
• অন্যান্য অপশন:
- Jerusalem → একটি পরিচিত কম্পিউটার ভাইরাস যা ১৯৮০-এর দশকে শনাক্ত হয়।
- CIH → “Chernobyl Virus” নামে পরিচিত একটি ধ্বংসাত্মক কম্পিউটার ভাইরাস।
- Stone → একটি Boot Sector ধরনের কম্পিউটার ভাইরাস।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
• অ্যারিথমেটিক ও লজিক অপারেশনের ফল সংরক্ষণকারী রেজিস্টারকে Accumulator বলা হয়। এটি CPU-র ALU অংশে গাণিতিক ও যৌক্তিক কার্য সম্পন্ন হওয়ার পর তাৎক্ষণিক ফল রাখে, যাতে পরবর্তী গণনার জন্য দ্রুত ব্যবহার করা যায়। অন্য রেজিস্টারগুলো নির্দিষ্ট নিয়ন্ত্রণ বা ঠিকানা সংক্রান্ত কাজ করে, কিন্তু Accumulator সরাসরি ফলাফল ধারণ করে বলে এটিকে প্রসেসরের মূল কর্মক্ষমতার কেন্দ্র হিসেবে ধরা হয়।
• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী।
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট (Bit) তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- একটি n-bit রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে যা বাইনারি n-bit তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ ছাড়াও রেজিস্টারে কম্বিনেশনাল গেইট থাকতে পারে যা কোন ডাটা প্রসেসিংয়ের কাজ করতে পারে।
- রেজিস্টারে ডাটার স্থানান্তর তিনভাবে হতে পারে। যথা-
১. প্যারালাল স্থানান্তর,
২. সিরিয়াল স্থানান্তর ও
৩. মিশ্রভাবে স্থানান্তর।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
OSI model has 7 layers. These are :
-Application layer
-Presentation layer
-Session layer
-Transport layer
-Network layer
-Data link layer
-Physical layer
• ইউনিকোড (Unicode):
- ইউনিকোড 16 বিটের আলফানিউমেরিক কোড, যার পূর্ণনাম Universal Code (সর্বজনীন কোড)। পৃথিবীর সকল ভাষার বর্ণ, সংখ্যা ও চিহ্নসমূহ ডিজিটাল ডিভাইসে ব্যবহার করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ১৯৯১ সালে অ্যাপল কম্পিউটার কর্পোরেশন এবং Xerox Corporation-এর একদল কম্পিউটার প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- বর্তমানে বিশ্বব্যাপী প্রচলিত আসকি কোডের পাশাপাশি ইউনিকোড সিস্টেম চালু হয়েছে।
- সর্বশেষ ইউনিকোডের Standard-এ প্রত্যেকটা বর্ণের জন্য 000016 থেকে শুরু করে 10FFFF16 এর ভেতর একটি সংখ্যা নির্দিষ্ট করে দেওয়া আছে। ফলে ইউনিকোডের মাধ্যমে 216 = 65536 টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়। অর্থাৎ, এখানে প্রতিটি ভাষার জন্য 4 বাইট পর্যন্ত স্থান সংরক্ষণ করা আছে। যেমন: 'A' = 004116 , 'a' = 006116 , 'ক' = 099516 , ইত্যাদি কোডগুলো নির্ধারিত।
- Unicode Consortium নামে একটি সংগঠন ইউনিকোডের রক্ষণাবেক্ষণ করে, যার সদস্য হয়ে বাংলা ভাষাও ইউনিকোডভুক্ত হয়েছে। ১৯৯১ সালে ২৪টি ভাষা নিয়ে ইউনিকোডের প্রথম সংস্করণ 1.0.0 প্রকাশিত হয়, যার মধ্যে বাংলা ভাষাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- ইউনিকোড কয়েক হাজার চিত্রকল্প দিয়ে লিখিত ভাষা (চীনা, জাপানি কিংবা কোরিয়ান) ছাড়াও প্রাচীন মিশরীয় হায়ারোগ্লিফিক্স ভাষা থেকে শুরু করে বর্তমানের ইমোজিকেও উপস্থাপন করতে পারে।
- ইউনিকোডের বাইটগুলো প্রক্রিয়া করার পদ্ধতিগুলোর মধ্যে UTF-8 ও UTF-19 (UTF: Unicode Transformation
Format) হচ্ছে সবচেয়ে প্রচলিত পদ্ধতি।
- ওয়েবসাইটের জন্য UTF-8 হলো Standard, কারণ ব্যবহার করার সময় UTF-৪ শুধু যে কয়টি বিটের প্রয়োজন, ততগুলো ব্যবহার করে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ)- মাহবুবুর রহমান।
• মাল্টিপ্রসেসিং সিস্টেমে একই সময়ে Shared Resource-এর একক এবং সমন্বিত ব্যবহার নিশ্চিত করতে এবং ডেটা অসামঞ্জস্যতা (Data Inconsistency) এড়াতে সিনক্রোনাইজেশন (Synchronization) ব্যবহার করা হয়।
• মাল্টিপ্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেম (Multiprocessing Operating System):
- মাল্টিপ্রসেসিং বলতে দুই বা ততোধিক নির্দেশনা সমান্তরালভাবে দুই বা ততোধিক কেন্দ্রীয় প্রসেসর বা সিপিইউ কর্তৃক পরিচালিত হওয়া বুঝায়।
- এসব সিপিইউ একই সময়ে কোনো প্রোগ্রামের আলাদা নির্দেশ পালন করে কিংবা সম্পূর্ণভাবে আলাদা আলাদা প্রোগ্রামও নির্বাহ করতে পারে।
- মাল্টিপ্রসেসিং পদ্ধতিতে কাজের গতি অত্যন্ত দ্রুত হয়।
- এ পদ্ধতিতে একাধিক প্রসেসর ব্যবহৃত হয় বলে এর উপর বেশি নির্ভরশীল হওয়া যায়, কারণ একটি প্রসেসর খারাপ হয়ে গেলেও কাজ একেবারে বন্ধ হয়ে যায় না।
- মহাকাশযান, বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র ও বড় কলকারখানা এসব ক্ষেত্রে মাল্টিপ্রসেসিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়।
- যেহেতু এ পদ্ধতিতে একাধিক প্রসেসর থাকে তাই একাধিক প্রসেসর যাতে একসাথে একই প্রোগ্রাম প্রসেস করতে না পারে সে জন্য একটা ব্যবস্থা থাকে যাকে সিনক্রোনাইজেশন (Synchronization) বলে।
- মাল্টিপ্রসেসিং-এ প্রতিটি প্রোগ্রামের সাথে একটি ফ্ল্যাগ বিট (Flag bit) যুক্ত থাকে।
- কোনো প্রোগ্রামের ফ্ল্যাগ বিট শূন্য (০) হলেই কোনো প্রসেসর সেই প্রোগ্রাম প্রসেস করে এবং ফ্ল্যাগ বিট এক (১) করে রাখে।
- সুতরাং যে প্রোগ্রামের ফ্ল্যাগ বিট এক (১) ঐ প্রোগ্রাম কোনো প্রোসেসর প্রসেস করবে না।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
• HTTP প্রটোকলে প্রতিটি সার্ভার রেসপন্সকে একটি স্ট্যাটাস কোডের মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়, যা ক্লায়েন্টকে সার্ভারের অবস্থা সম্পর্কে জানায়। এখানে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 500 হলো “Internal Server Error”, যা সার্ভারে কোনো সমস্যা নির্দেশ করে। 301 হলো “Moved Permanently”, অর্থাৎ রিসোর্সটি স্থায়ীভাবে অন্য ঠিকানায় সরানো হয়েছে। 200 হলো “OK”, যা নির্দেশ করে অনুরোধ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আর 404 হলো “Not Found”, অর্থাৎ ক্লায়েন্টের অনুরোধ করা রিসোর্সটি সার্ভারে পাওয়া যায়নি।
- সুতরাং “Not Found” এর জন্য সঠিক HTTP স্ট্যাটাস কোড হলো ঘ) 404
• HTTP:
- HTTP এর পূর্ণরূপ হচ্ছে "Hyper Text Transfer Protocol".
- এটি হলো একটি অ্যাপ্লিকেশন লেবেল প্রোটোকল যা ওয়েবে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে থাকে।
- ইন্টারনেটের বিকাশকালে ১৯৮৯ সালে একজন ব্রিটিশ কম্পিউটার বিজ্ঞানী হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রটোকল (http) ব্যবহার করে তথ্য ব্যবস্থাপনার প্রস্তাব করেন এবং তা বাস্তবায়ন করেন।
- সেই থেকে স্যার টিমোথি জন 'টিম বার্নার্স-লি (Tim Berners Lee) (জন্ম জুন ৮, ১৯৫৫) ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের (www) জনক হিসেবে পরিচিত।
- নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির বিকাশের ফলে বিশ্বের নানান দেশের মধ্যে ইন্টারনেট বিস্তৃত হয়।
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে ওঠে এবং বিকশিত হয় বিভিন্ন ধরনের অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
• HTTP এর কাজ:
- সার্ভারের সাথে ব্রাউজারের যোগাযোগ করে।
- ব্রাউজারের যেকোনো অনুরোধ সার্ভারে পৌঁছে দেয়।
- সার্ভার থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য, ইমেজ ব্রাউজারে নিয়ে আসে।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।