বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের অর্থনীতি

মোট প্রশ্ন১,৮৬১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের অর্থনীতি

PrepBank · পাতা / ১৯ · ২০১৩০০ / ১,৮৬১

২০১.
বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনায় কোন দেশ সাহায্য করছে?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. ফ্রান্স
  3. জার্মানি
  4. নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা:
- ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে: বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।
- ২০২০ সালের ১ জুলাই ১২ সদস্যের এই কাউন্সিল গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
- সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রীকে ডেল্টা কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান করা হয়েছে।
- ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এই মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে ৮০টি প্রকল্প।

⇒ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে দেশের আটটি হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করে প্রতিটি অঞ্চলের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির মাত্রার উপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
- একই ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির সম্মুখীন জেলাসমূহকে একেকটি গ্রুপের আওতায় আনা হয়েছে যাকে "হটস্পট" (পানি ও জলবায়ু উদ্ভূত প্রায় অভিন্ন সমস্যাবহুল অঞ্চল) হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

⇒ দুর্যোগ ঝুঁকিপ্রবণ ৬টি হটস্পট:
১. উপকূলীয় অঞ্চল: সাইক্লোনপ্রবণ অঞ্চল- ১৩ টি উপকূলীয় ও ৬ টি নদী বাহিত জেলা।
২. বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল: খরা (মূলত কৃষি)।
৩. হাওর এবং আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল: ৭ টি জেলা।
৪. পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল: পাহাড় ধস ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৫. নদী অঞ্চল এবং মোহনা: বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৬. নগরাঞ্চল: ভূমিকম্প, জলাবদ্ধতা ইত্যাদি।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
২০২.
Name of the bank established under Bangladesh Police Welfare Trust is -
  1. Mutual Trust Bank
  2. Community Bank Bangladesh Ltd.
  3. IFIC Bank
  4. Trust Bank Bangladesh Ltd.
ব্যাখ্যা
কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি (Community Bank Bangladesh PLC):
- কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি একটি বাংলাদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংক।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০১৯ সালে।
- ব্যাংকটি বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে প্রতিষ্ঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- এই ব্যংকের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের জনগণকে আধুনিক ব্যাংকিং সেবা প্রদান করা।
- প্রধান কার্যালয় ঢাকায় অবস্থিত।

⇒ এই বেসরকারি ব্যাংকটি ডিজিটাল ব্যাংকিং, কর্পোরেট ব্যাংকিং, এসএমই ব্যাংকিং, এবং রিটেইল ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে থাকে।
- কমিউনিটি ব্যাংক তাদের গ্রাহকদের জন্য বিভিন্ন ধরনের পণ্য ও সেবা প্রদান করে, যেমন সঞ্চয়ী হিসাব, চলতি হিসাব, ঋণ সুবিধা, এবং আন্তর্জাতিক লেনদেনের সুযোগ।
- ব্যাংকটি গ্রাহকদের সহজে এবং দ্রুত ব্যাংকিং সেবা পাওয়ার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে।

উৎস: Community Bank Bangladesh PLC ওয়েবসাইট।
২০৩.
What is the percentage of value added tax on imports?
  1. 0%
  2. 5%
  3. 10%
  4. 15%
  5. 25%
ব্যাখ্যা
মূল্য সংযোজন কর:
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর একটি পরোক্ষ কর।
- ১৯৯০ সনের মধ্য জুনের কিছু আগে মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯০ (খসড়া) তৈরি করা হয়।
- মূল্য সংযোজন কর চালু হয় ১ জুলাই ১৯৯১ সালে।
- সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়।
- আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ১৫%।
- পন্য বা সেবার সর্বশেষ ভোক্তা মূল্য সংযোজন কর দাতা।
- রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ০%।

তথ্যসূত্র - জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
২০৪.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে বনভূমির পরিমাণ খুবই কম?
  1. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল
  2. দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে
  3. উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
• বনভূমি:
- বাংলাদেশের মোট বনভূমির আয়তন প্রায় ২২.৫ লক্ষ হেক্টর।
- বনভূমির এ পরিমাণ দেশের মোট ভূমির শতকরা ১৭ ভাগ।
- এ বন সারাদেশে সমানভাবে বিস্তৃত নয়।
- অধিকাংশ বনভূমি দেশের পূর্ব, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত।
- দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বনভূমির পরিমাণ খুবই কম।

অবস্থান ও বিস্তৃতিভেদে বাংলাদেশের বনাঞ্চলকে প্রধানত পাঁচভাগে ভাগ করা হয়েছে।
১। পাহাড়ি বন;
২। সমতলভূমির বন;
৩। ম্যানগ্রোভ বন;
৪। সামাজিক বন;
৫। কৃষি বন।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম  উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০৫.
সম্প্রতি, টেকসই উন্নয়নে বাংলাদেশ-জার্মানির মধ্যে কত ইউরো ঋন চুক্তি সই হয়? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ১ কোটি ৪৪ লাখ
  2. ২ কোটি ৩৪ লাখ
  3. ৩ কোটি ৪০ লাখ
  4. ৩ কোটি ৪৪ লাখ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ-জার্মানি ঋণ চুক্তি:
- টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৫ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ-জার্মানির মধ্যে ১ কোটি ৪৪ লাখ ইউরো দেওয়ার চুক্তি হয়েছে।
- বর্তমান বাজারে টাকার অঙ্কে এর পরিমাণ ১৮০ কোটি টাকা।
- অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) ও জার্মান সরকারের মধ্যে শেরে বাংলা নগরের ইআরডি সম্মেলনকক্ষে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- তিনটি প্রকল্পে এই অর্থ দেওয়া হবে:
১/ বস্ত্র খাতে টেকসই কর্মসূচি-২ প্রকল্পে ৭৩ লাখ ইউরো;
২/ সাপোর্ট ফর দ্য লোকালাইজেশন অব ন্যাশনাল ক্লাইমেট অ্যাডাপটেশন টার্গেটসে ৩০ লাখ ইউরো ও
৩/ ট্রানজিশন টু সাসটেইনেবল ই-মবিলিটি প্রকল্পে সাড়ে ৪১ লাখ ইউরো দেবে জার্মানি।

- এসব প্রকল্পের মাধ্যমে বস্ত্র খাতের টেকসই উন্নয়নের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে উদ্ভাবিত পদ্ধতিতে জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা হবে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
২০৬.
২০১৫-২০১৬ ভিত্তি বছর অনুসারে বাংলাদেশের মোট জিডিপি কত বিলিয়ন মার্কিন ডলার?
  1. ক) ৩৫৩ বিলিয়ন
  2. খ) ৩৭১ বিলিয়ন
  3. গ) ৪১৬ বিলিয়ন
  4. ঘ) ৪৩৮ বিলিয়ন
ব্যাখ্যা
নতুন ভিত্তিবছর ২০১৫-২০১৬ অনুসারে ২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাংলাদেশের:
- মোট জিডিপি : ৪১৬.২৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
- মোট জাতীয় আয় : ৪৩৮.১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট জিডিপি : ৩৫,৩০১,৮৪৮ কোটি টাকা
- মোট জাতীয় আয় : ৩৭,১৫৯,৯৬৬ কেটি টাকা।
- মাথাপিছু জিডিপি : ২,৪৬২ মার্কিন ডলার
- মোট জাতীয় আয় : ২,৫৯১ মার্কিন ডলার।

(তথ্যসূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)
২০৭.
বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেট বা স্টক এক্সচেঞ্জ-
  1. ক) একটি
  2. খ) দুইটি
  3. গ) তিনটি
  4. ঘ) চারটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে শেয়ার বাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হলো BSEC (Bangladesh Security Exchange Commission)। এটি ১৯৯৩ সালের ৮ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত। বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেট বা স্টক এক্সচেঞ্জ দুটো। বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেট বা স্টক এক্সচেঞ্জ। এগুলো হলো DSE (Dhaka Stock Exchange) এবং CSE (Chittagong Stock Exchange)।
[সূত্রঃ BSEC ওয়েবসাইট]
২০৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, জিডিপিতে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার কত শতাংশ?
  1. ৩.৩৫%
  2. ৪.৩৪%
  3. ৫.৩২%
  4. ৪.৫৪%
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
• খাত ভিত্তিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার:
- কৃষি: ১.৭৯%.
- শিল্প: ৪.৩৪%.
- সেবা: ৪.৫১%.

• স্বাক্ষরতার হার (৭ বছর+):
- মোট: ৭৭.৯%
- পুরুষ: ৮০.১%
- মহিলা: ৭৫.৮%

• প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল:
- মোট: ৭২.৩ বছর
- পুরুষ: ৭০.৮ বছর
- মহিলা: ৭৩.৮ বছর

• খাত ভিত্তিক শ্রমশক্তি নিয়োজিত:
- কৃষি: ৪৪.৬৭%
- শিল্প: ১৭.৩৭%
- সেবা: ৩৭.৯৬%

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

২০৯.
২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাজেট -এর মোট পরিমাণ কত টাকা?
  1. ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা
  2. ৬ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা
  3. ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা
  4. ৮ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

• বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণা করেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম হচ্ছে- 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেটের পরিমাণ-৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।

তথ্যসূত্র: বাজেট ২০২৫-২০২৬।

২১০.
রাজস্ব নীতি (Fiscal Policy) এর প্রধান দুটি উপাদান কী কী?
  1. মুদ্রাস্ফীতি ও সুদের হার
  2.  আমদানি - রপ্তানি ও রিজার্ভ অনুপাত
  3. মুদ্রার বিনিময় হার ও বৈদেশিক ঋণ 
  4.  সরকারি আয় এবং সরকারি ব্যয়
ব্যাখ্যা

• রাজস্ব নীতি (Fiscal Policy) এর প্রধান দুটি উপাদান-  সরকারি আয় এবং সরকারি ব্যয়

• রাজস্ব নীতির হাতিয়ারসমূহ:
- রাজস্ব নীতির উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য যে সকল পদ্ধতি অবলম্বন করা হয় সেগুলোকে রাজস্ব নীতির উপকরণ বা হাতিয়ার বলা হয়। - নিম্নে রাজস্ব নীতির হাতিয়ারসমূহ:
১. সরকারি ব্যয়।
২. সরকারি ঋণ।
৩. ভর্তুকি।
৪. কর (আয়)।
৫. হস্তান্তর ব্যয়।
৬. বাধ্যতামূলক সঞ্চয়।

• রাজস্ব নীতি (Fiscal Policy):
→ সরকারি অর্থব্যবস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো রাজস্ব নীতি। সরকার বিভিন্ন অর্থনৈতিক লক্ষ্য অর্জনের জন্য যে সকল নীতি গ্রহণ করে সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো রাজস্ব নীতি।
- সংক্ষেপে সরকারের রাজকোষ পরিচালনা নীতি হলো রাজস্ব নীতি। 

• আর্থিক নীতির হাতিয়ার (Instruments of Monetary Policy):
একটি দেশে পূর্ণ নিয়োগ অর্জন এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য আর্থিক নীতির কতগুলো হাতিয়ার ব্যবহার করা হয়। আর্থিক নীতির হাতিয়ার সমূহ :
১. অর্থের যোগান নিয়ন্ত্রণ: 
২. ন্যূনতম রিজার্ভ অনুপাত: 
৩. ব্যাংক হারের পরিবর্তন:
৪. খোলাবাজারে ঋণপত্র ক্রয়-বিক্রয়: 
৫. নৈতিক চাপ প্রয়োগ: 
৬. প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ: 

উৎস: সামষ্টিক অর্থনীতি, বাংলাদেশ ‍উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২১১.
বর্তমানে বাংলাদেশে স্থলবন্দরের মোট সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ২৬টি
  2. খ) ২৪টি
  3. গ) ২৩টি
  4. ঘ) ২৭টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ:
- স্থলপথে পণ্য আমদানি-রপ্তানি সহজতর এবং উন্নতর করাই বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য।
- বর্তমানে স্থলবন্দরের মোট সংখ্যা ২৪টি এবং চালুকৃত বন্দরের সংখ্যা ১৫ টি।
- চালুকৃত ১৫টি স্থলবন্দরের মধ্যে বেনাপােল, ভােমরা, আখাউড়া, বুড়িমারী, নাকুগাঁও, তামাবিল ও সোনাহাট স্থলবন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের (বাস্থবক) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে এবং সোনা মসজিদ, হিলি, টেকনাফ, বাংলাবান্ধা ও বিবিরবাজার স্থলবন্দর Build Operate Transfer (BOT) ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে। 

উৎস: অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩।
২১২.
নিচের কোনটি রাষ্ট্রয়াত্ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক নয়?
  1. জনতা ব্যাংক পিএলসি
  2. বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
  3. অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি
  4. পূবালী ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
• পূবালী ব্যাংক পিএলসি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক।

ব্যাংক:

- তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা - ৬১টি।
- রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৬টি।
- বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
- বাংলাদেশে বিদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা - ৯টি।
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৪৩টি।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান (ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান) - ৩৫টি।

রাষ্ট্রয়াত্ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- জনতা ব্যাংক পিএলসি।
- অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি।
- রূপালী ব্যাংক পিএলসি।
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২১৩.
বাংলাদেশে প্রথম কত টাকার নোট চালু হয়?
  1. ১০ টাকার
  2. ২ টাকার
  3. ১ টাকার
  4. ১০০ টাকার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা:
- বাংলাদেশের প্রথম নিজস্ব কাগজের মুদ্রা চালু হয় ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ।
- বাংলাদেশের মানচিত্রখচিত ১ টাকার নোট ছিল সেটি।
- সেই সঙ্গে চালু হয় ১০০ টাকার নোট।
- এতে তখনকার অর্থসচিব কে এ জামানের স্বাক্ষর সংযুক্ত ছিলো।
- এ নোট বাজারে ছাড়া হয় সেদিনই আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের মুদ্রার নাম দেয়া হয় টাকা।
- এটি ছাপা হয়েছিলো ভারতীয় সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেসে।
- এর পরের সিরিজের টাকা ছাপানো হয়েছিলো যুক্তরাজ্য থেকে।
- তখনই একটি উপদেষ্টা পরিষদ করা হয়েছিলো যাতে ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন, পটুয়া কামরুল হাসান ও শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী।
- এর আগ পর্যন্ত লেনদেনে পাকিস্তানি রুপি ব্যবহার করা হতো।
- কেউ কেউ ভারতীয় রুপিও গ্রহণ করতেন।
- স্বাধীন দেশের মুদ্রার নামকরণ করা হয় টাকা।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালের ২ মে ১০ টাকা মূল্যমানের নোট এবং ২ জুন বাজারে আসে ৫ টাকা মূল্যমানের নোট।
- বাংলা সিরিয়াল নম্বর দিয়ে নোট চালু হয় ১৯৭৩ সালে।
- দেশে ২ টাকার নোট চালু হয় ১৯৮৮ সালে।
- ৫০ ও ৫০০ টাকার নোট প্রচলন করা হয় ১৯৭৬ সালে।
- ২০ টাকার নোট প্রথম বাজারে আসে ১৯৭৯ সালে।
- ২০০৯ সালের ১৭ই জুলাই বাজারে আনা হয় ১০০০ টাকার নোট।
- ২০২০ সালে বাজারে আসে ২০০ টাকার নোট।

উৎস: i) ২০ এপ্রিল ২০২২, বিবিসি বাংলা।
ii) ২৩ মে ২০২৩, প্রথম আলো।
২১৪.
জিডিপিতে সর্বাধিক নিয়োজিত জনশক্তি রয়েছে কোন খাতে?
  1. ক) কৃষি
  2. খ) শিল্প
  3. গ) বাণিজ্য
  4. ঘ) সেবা
ব্যাখ্যা
কৃষিখাত
• অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান - ১১.৫০%। 
- এই খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ৪০.৬%

সেবাখাত
• অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান - ৫১.৪৪%। 
- এই খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ৩৯.০%। 

শিল্পখাত
• অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান - ৩৭.০৭%।
- নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ২০.৪%। 

তথ্যসূত্র:- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২।
২১৫.
প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদকাল কোনটি?
  1. ১৯৭২-১৯৭৭
  2. ১৯৭৩-১৯৭৮
  3. ১৯৭৪-১৯৭৯
  4. ১৯৭৫-১৯৮০
ব্যাখ্যা

পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা:
- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা হলো একটি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের সুনির্দিষ্ট কৌশল, যা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সরকারের পরিকল্পনার ভিত্তিতে প্রণীত হয়।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট ৮টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে।
- ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
- বাংলাদেশের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা শুরু হয় ১৯৭৩ সালে।
- ২০২০ সাল পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়েছে।

→ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৩-১৯৭৮)।
- দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮০-১৯৮৫)।
- তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮৫-১৯৯০)।
- চতুর্থ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯০-১৯৯৫)।
- পঞ্চম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯৭-২০০২)।
- ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১১-২০১৫)।
- সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১৬-২০২০)।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০২০-২০২৫)। (বাতিল করা হয়েছে)

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।

২১৬.
২০২৪ সালের মধ্যে জাতীয় আয়ে এসএমই খাতের অবদান কত শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে?
  1. ক) ৩০%
  2. খ) ২৯%
  3. গ) ৩২%
  4. ঘ) ২৫%
ব্যাখ্যা
- ২০১৯ সালে "এসএমই নীতিমালা ২০১৯" প্রণীত হয়। 
- দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং পরিবেশগত সুরক্ষার মাধ্যমে সুষম উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার জাতীয় শিল্পনীতি ২০১৬ এ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতকে শিল্প উন্নয়নের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ঘোষণা করেছে। 
- দেশের ও বৈশ্বিক বিভিন্ন নীতি ও পরিকল্পনা দলিল যেমনঃ জাতীয় শিল্পনীতি ২০১৬, সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা, রূপকল্প ২০২১, ২০২৪ সাল নাগাদ সফলভাবে এলডিসি উত্তরণ, এসডিজি ২০৩০ এবং রূপকল্প ২০৪১-এ প্রবৃদ্ধি অর্জনের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে তা অর্জনে এসএমই খাতের উন্নয়ন সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
 
এসএমই নীতিমালা ২০১৯ 
রূপকল্প (ভিশন)
এসএমই খাতকে শক্তিশালীকরণ।

অভিলক্ষ্য (মিশন)
দক্ষতা বৃদ্ধি, ব্যবসা পরিবেশ উন্নয়ন, সুলভ অর্থায়ন, বাজার সুবিধা, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনগত সামর্থ্য বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে এসএমই খাতকে শক্তিশালীকরণ।

লক্ষ্য
সরকারের উন্নয়ন রূপকল্পসমূহ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০২৪ এর মধ্যে জাতীয় আয়ে (জিডিপি) এসএমই খাতের অবদান বিদ্যমান ২৫ শতাংশ থেকে ৩২ শতাংশে উন্নীতকরণ।
 
উৎস: বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) এর ওয়েবসাইট
 
 
২১৭.
বর্তমানে দেশে নদী বন্দর কতটি?
  1. ক) ৩৪টি
  2. খ) ৩৩টি
  3. গ) ৩২টি
  4. ঘ) ৩৫টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে মোট নদী বন্দর ৩৫টি। সর্বশেষ নদীবন্দর- বালাগঞ্জ, সিলেট।
৩৪তম নদী বন্দর-মীরসরাই-রাসমনি নদী বন্দর, চট্টগ্রাম।
উৎসঃ প্রথম আলো আর্কাইভ।
২১৮.
একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাণিজ্যের অংশীদার -
  1. ক) যুক্তরাজ্য
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) চীন
ব্যাখ্যা
• দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র। 
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে। 

উৎস: অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩।
২১৯.
কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত কোনটি?
  1. ক) সেবাখাত
  2. খ) শিল্পখাত
  3. গ) কৃষিখাত
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
২০২২-২৩ অর্থবছরে বৃহৎ ৩টি খাত:

- জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত – সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত)।
- সবচেয়ে ছোট খাত – কৃষিখাত।
- কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত – কৃষিখাত (৪৫.৩৩% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
- সবচেয়ে ছোট খাত – শিল্পখাত (১৭.০২% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।  
- জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত - শিল্পখাত।
- এর প্রবৃদ্ধির হার – ৮.১৮%।
- কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম।
- এর প্রবৃদ্ধির হার - ২.৬১%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৩।
২২০.
Which of the following is not a Non-Scheduled Bank?
  1. Palli Sanchay Bank
  2. Grameen Bank
  3. Ansar VDP Unnayan Bank
  4. Probashi Kallyan Bank
ব্যাখ্যা
ব্যাংক খাত:
- বর্তমানে দেশে মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি।
- এর মধ্যে -
• রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
• বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
• বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
• বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।
• মোট অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।

অ-তফসিলী ব্যাংকগুলো:
- জুবিলী ব্যাংক,
- গ্রামীণ ব্যাংক,
- আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
- কর্মসংস্থান ব্যাংক,
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

অন্যদিকে -
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক একটি বিশেষায়িত ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
২২১.
দারিদ্র্য বিমোচনে পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ) প্রদান করে থাকে -
  1. ক্ষুদ্র ঋণ
  2. ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণ
  3. ব্যাংক ঋণ
  4. ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ):  
- ১৯৯৯ সালের নভেম্বর মাসে জাতীয় সংসদে গৃহীত আইনের মাধ্যমে “পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ)” প্রতিষ্ঠা  করা হয়।
- পিডিবিএফ একটি সংবিদিবদ্ধ, স্ব-শাসিত, অমুনাফাকাঙ্ক্ষী, আত্মনির্ভরশীল, নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- পিডিবিএফ ক্ষুদ্র ঋণ এর পাশাপাশি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণ (SELP) পরিচালনা করে যাতে করে গ্রামীন বঞ্চিত মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি হয়।

উৎস: পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট। 
২২২.
‘আমার বাড়ি আমার খামার’ একটি -
  1. ক) পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক
  2. খ) গ্রাম উন্নয়ন সমিতি
  3. গ) স্থায়ী দারিদ্র্য বিমোচন মডেল
  4. ঘ) সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি
ব্যাখ্যা
•  ‘আমার বাড়ি আমার খামার’ একটি স্থায়ী দারিদ্র্য বিমোচন মডেল
- প্রতিটি বাড়িকেই অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।
- ভূমিহীন অর্থাৎ শূন্য থেকে ৫০ শতক জমির মালিক, চরাঞ্চল/অনগ্রসর এলাকায় এক একর জমির মালিক, সর্বোপরি দরিদ্র বলে সর্বজন স্বীকৃত মানুষই এ প্রকল্পের আওতাভুক্ত হবে।  

• টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার অভীষ্ট-১ এ ‘সর্বত্র সব ধরনের দারিদ্র্যের অবসান’, অভীষ্ট-২ এ ‘ক্ষুধার অবসান, খাদ্য নিরাপত্তা ও উন্নত পুষ্টিমান অর্জন, টেকসই কৃষির প্রসার’ এবং অভীষ্ট-৫ এ ‘লিঙ্গ সমতা অর্জন এবং নারী ও মেয়েদের ক্ষমতায়ন’ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে প্রকল্পটি সকল জেলার সকল ইউনিয়নের প্রত্যেক ওয়ার্ডে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

• প্রকল্পটির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো নিজস্ব স্থায়ী পুঁজি সৃষ্টি ও তার স্থায়ী ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি ও অকৃষি উৎপাদন ও আয় বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা। ফেব্রুয়ারি, ২০২১ পর্যন্ত সারা দেশে ১২,০৪৬৫ টি গ্রাম উন্নয়ন সমিতি গঠন করা হয়েছে। 

• প্রকল্পের আওতায় গঠিত গ্রাম উন্নয়ন সমিতি ও তার স্থায়ী তহবিল ব্যবস্থাপনার জন্যে সরকার ‘পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠা করেছে।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২।
২২৩.
কোন দেশের বদ্বীপ পরিকল্পনাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের বদ্বীপ পরিকল্পনা করা হয়েছে?
  1. স্পেন
  2. ইতালি
  3. জাপান
  4. নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান:
- ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে: বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।
- ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এই মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে ৮০টি প্রকল্প।

⇒ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে দেশের আটটি হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করে প্রতিটি অঞ্চলের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির মাত্রার উপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
- একই ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির সম্মুখীন জেলাসমূহকে একেকটি গ্রুপের আওতায় আনা হয়েছে যাকে "হটস্পট" (পানি ও জলবায়ু উদ্ভূত প্রায় অভিন্ন সমস্যাবহুল অঞ্চল) হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

⇒ দুর্যোগ ঝুঁকিপ্রবণ ৬টি হটস্পট:
১. উপকূলীয় অঞ্চল: সাইক্লোনপ্রবণ অঞ্চল- ১৩ টি উপকূলীয় ও ৬ টি নদী বাহিত জেলা।
২. বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল: খরা (মূলত কৃষি)।
৩. হাওর এবং আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল: ৭ টি জেলা।
৪. পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল: পাহাড় ধস ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৫. নদী অঞ্চল এবং মোহনা: বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৬. নগরাঞ্চল: ভূমিকম্প, জলাবদ্ধতা ইত্যাদি।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
২২৪.
জাতীয় এসএমই নীতিমালা-২০২৫ (খসড়া)-এর মূল লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে জিডিপিতে এসএমই খাতের অবদান কত শতাংশে উন্নীত করা?
  1. ৩৫
  2. ৩২
  3. ৩০
  4. ২৮
ব্যাখ্যা
জাতীয় এসএমই নীতি-২০২৫:
- এসএমই অর্থাৎ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাত বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ধারাবাহিকভাবে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।
- দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে এটি অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে।
- শিল্প খাতের ৯০ শতাংশ কর্মসংস্থান এই খাতের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত।
- সেই সঙ্গে দেশের জিডিপিতেও ৩০ শতাংশের কাছাকাছি অবদান রেখে এই খাতটি বিগত বছরগুলোয় প্রমাণ করেছে।
- সর্বশেষ ২০২২ সালের শিল্পনীতিতেও কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে শিল্পায়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে বিকশিত করার সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টির কথা বলা হয়।

⇒ ‘বৈষম্যহীন টেকসই ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ক্ষমতায়ন’ এই রূপকল্পকে সামনে রেখে সম্প্রতি খসড়া এসএমই নীতিমালা ২০২৫ প্রণীত হয়েছে।
- জানুয়ারি, ২০২৫-এ এই খসড়া এসএমই নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এর মূল লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে জাতীয় আয়ে (জিডিপি) এসএমই খাতের অবদান ৩৫ শতাংশে উন্নীতকরণ।

উৎস: শিল্প মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
২২৫.
বাংলাদেশের মধ্যম আয়ের ফাঁদে (Middle-Income Trap) পড়ার ঝুঁকি মূলত কোন্ কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতার সঙ্গে যুক্ত?
  1. কৃষি রপ্তানি হ্রাস 
  2. নগর জনসংখ্যার উচ্চ ঘনত্ব
  3. প্রবাসী আয়ের ওপর নির্ভরতা বৃদ্ধি
  4. পুঁজি বৃদ্ধি সত্ত্বেও মোট উৎপাদনশীলতার (Total Factor Productivity) বৃদ্ধি ধীর গতির হওয়া
ব্যাখ্যা

→ পুঁজি বৃদ্ধি সত্ত্বেও মোট উৎপাদনশীলতার বৃদ্ধি ধীর গতির হওয়া বাংলাদেশের মধ্যম আয়ের ফাঁদে পড়ার ঝুঁকির সঙ্গে যুক্ত।

♦ মধ্যম আয়ের ফাঁদ:
- 'মধ্যম আয়ের ফাঁদ' শব্দটি এমন একটি পরিস্থিতিকে বোঝায় যেখানে একটি দেশ দ্রুত আয় বৃদ্ধির অভিজ্ঞতা লাভ করে।
- নিম্ন-আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার পর তার জন্য উচ্চ-আয়ের অবস্থানে যাওয়া কঠিন হয়ে পরে।
- বিশ্বব্যাংক ২০০৭ সালে একটি প্রতিবেদনে 'মধ্যম আয়ের ফাঁদ' ধারণাটি দেয়।
- সেই সময়ে এই শব্দটি মূলত ল্যাটিন আমেরিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিকে বর্ণনা করার জন্য ব্যবহৃত হত।

♦ বাংলাদেশ ও মধ্যম আয়ের ফাঁদ:

- বাংলাদেশ ২০১৫ সালে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে।
- বর্তমানে মাথাপিছু আয় ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- সম্প্রতি শ্বেতপত্র কমিটি -এর প্রতিবেদন অনুযায়ী অর্থনীতিতে ছয়টি লক্ষণ দেখা যায় যা বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশের ফাঁদে ফেলে দিয়েছে।

→ লক্ষণসমূহ:
• শিল্প খাতে কর্মসংস্থান ও উৎপাদনের বিপরীতমুখী সম্পর্ক তৈরী হলে।
• শিল্প খাতে উৎপাদন স্থবিরতা কিংবা হ্রাস হলে।
• মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) রপ্তানি খাতের অপর্যাপ্ত অবদান।
• বেসরকারি বিনিয়োগে স্থবিরতা দেখা দিলে।
• শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সরকারি বিনিয়োগের অপ্রতুলতা দেখা দিলে।
• সুশাসনের অভাব হলে।

→  ফাঁদ এড়ানোর উপায়:
• প্রযুক্তি, দক্ষতা, উদ্ভাবনের উৎপাদনশীলতা বাড়ানো।
• বৈচিত্র্যময় রপ্তানি ও শিল্পায়ন বৃদ্ধি করে।
• মানবসম্পদ উন্নয়ন (শিক্ষা, স্বাস্থ্য) করা।
• সুশাসন, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার করা।

তথ্যসূত্র - বিশ্ব ব্যাংক ওয়েবসাইট, প্রথম আলো ও বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার রিপোর্ট।

২২৬.
১৯৭২ সালে ব্যাংক জাতীয়করণ আদেশ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ২৬) এর অধীনে কোন দুটি ব্যাংক একত্রিত করে জনতা ব্যাংক গঠিত হয়?
  1. হাবিব ব্যাংক লিমিটেড এবং ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড
  2. ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড এবং ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড
  3. ইউনাইটেড ব্যাংক লিমিটেড এবং ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড
  4. ইউনাইটেড ব্যাংক লিমিটেড এবং হাবিব ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা
জনতা ব্যাংক পিএলসি:
- ১৯৭১ সালে যুদ্ধের পর স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের সাথে সাথে, রক্ত, অশ্রু, বেদনা এবং আমাদের লক্ষ লক্ষ প্রিয়জনের বেদনায় ভরা একটি যুদ্ধ, দেশের ইতিমধ্যেই ভাঙা আর্থিক ভিত্তি পুনর্নির্মাণের উত্তরাধিকারকে একটি নবজাত রাষ্ট্রের ধসে পড়া অর্থনৈতিক বাস্তবতার বিরুদ্ধে দিনের একটি জরুরি আহ্বান হিসেবে অনুভূত হয়েছিল।
- এই পটভূমিতে, দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনের জন্য, এই অঞ্চলে পূর্বে পরিচালিত বেশ কয়েকটি ব্যাংককে একীভূত করে নতুন ব্যাংক তৈরির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল এবং এই উদ্যোগের ফলে ১৯৭২ সালে ব্যাংক জাতীয়করণ আদেশ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ২৬) এর অধীনে পূর্ববর্তী ইউনাইটেড ব্যাংক লিমিটেড এবং ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেডকে একত্রিত করে জনতা ব্যাংক গঠিত হয়।

⇒ ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর জনতা ব্যাংক জয়েন্ট স্টক অফ রেজিস্ট্রারদের সাথে নিবন্ধিত হয় এবং জনতা ব্যাংক লিমিটেড নামে একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে পুনর্গঠন করে।
- কোম্পানি আইন ১৯৯৪-এর ২০২০ সংশোধনীর আওতায়, ব্যাংকটির নামকরণ করা হয় জনতা ব্যাংক পিএলসি।
- চেয়ারম্যান: জনাব এম. ফজলুর রহমান।

উৎস: Janata Bank PLC ওয়েবসাইট।
২২৭.
বাংলাদেশে বীমা কোম্পানিগুলোর তদারকি ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা কোনটি?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. এনবিআর
  3. ইনস্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন
  4. আইডিআরএ
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে বীমা কোম্পানিগুলোর নিয়ন্ত্রক সংস্থা হলো বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (IDRA)।

• Insurance Development and Regulatory Authority (IDRA)

» প্রতিষ্ঠা:
- IDRA গঠিত হয়েছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১০ অনুযায়ী।
- আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২৬ জানুয়ারি ২০১১-এ।

» উদ্দেশ্য:
- বাংলাদেশের বীমা শিল্পের উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ করা।
পলিসি ধারকদের স্বার্থ রক্ষা করা।
- জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪ কার্যকর করার মাধ্যমে বীমা শিল্পের বিন্যস্ত উন্নয়ন ও তত্ত্বাবধান নিশ্চিত করা।

» গঠন:
- নেতৃত্বে একজন চেয়ারম্যান এবং চারজন সদস্য।
- বিভিন্ন কার্যক্রমের জন্য কিছু নির্বাহী পরিচালক ও পরিচালক রয়েছেন।

» প্রধান কার্যক্রম ও দায়িত্ব:
- বীমা ও পুনর্বীমা প্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধান করা।
- বীমা, পুনর্বীমা, মধ্যস্থতাকারী (মেডিয়েটর) রেজিস্ট্রেশন ও সার্টিফিকেট প্রদান, নবায়ন, পরিবর্তন বা বাতিল করা।
- বীমা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন, অনুসন্ধান ও তদন্ত করা।
- নতুন নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।
- তহবিল ও বিনিয়োগ নিয়ন্ত্রণ, সলভেন্সি মার্জিন রক্ষা।
- প্রিমিয়াম হার নির্ধারণ ও বীমাকারীর সুবিধা নিশ্চিতকরণ।
- বিরোধ বা দাবি সমাধান এবং অ্যাকচুয়ারিয়াল রিপোর্ট প্রস্তুতির প্রক্রিয়া নির্ধারণ।

তথ্যসূত্র: বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইট।  

২২৮.
বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) সুনামগঞ্জ
  2. খ) বগুড়া
  3. গ) কিশোরগঞ্জ
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যানুসারে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে দেশে মোট ৪৭.৫৪ লক্ষ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়।
- মোট ধান উৎপাদনের পরিমাণ ২০১.৮১ লক্ষ মেট্রিক টন।
বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ তিন জেলা:
- প্রথম : ময়মনসিংহ (১০.৮৬ লক্ষ মে. টন)
- দ্বিতীয় : সুনামগঞ্চ (৮.৬৩ লক্ষ মে. টন)
- তৃতীয় : বগুড়া (৮.০২ লক্ষ মে. টন)।
(তথ্যসূত্র: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর)
২২৯.
বাংলাদেশের কোন ব্যাংক নোট প্রচলন করতে পারে?
  1. ক) সোনালী ব্যাংক
  2. খ) জনতা ব্যাংক
  3. গ) বাংলাদেশ ব্যাংক
  4. ঘ) অগ্রণী ব্যাংক
ব্যাখ্যা
ব্যাংক নোট বের করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সই থাকে। আর সরকারি নোট বের করে অর্থ মন্ত্রণালয়। এতে থাকে অর্থসচিবের সই। ১০, ২০, ৫০, ১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট এখন ব্যাংক নোট। আর সরকারি নোট হচ্ছে ১, ২ ও ৫ টাকা।
সূত্রঃ প্রথম আলো
২৩০.
নিচের কোনটি প্রত্যক্ষ কর?
  1. ক) মূল্য সংযোজন কর
  2. খ) আমদানী শুল্ক
  3. গ) ভূমি রাজস্ব
  4. ঘ) বিক্রয় কর
ব্যাখ্যা
কর:
- কর সরকারি রাজস্বের প্রধান উৎস।
প্রত্যক্ষ কর:
- যে কর প্রথমে যার উপর ধার্য করা হয় চূড়ান্তভাবে তাকেই পরিশোধ করতে হয় তাকে প্রত্যক্ষ কর বলা হয়।
- অর্থাৎ এ কর কোনোভাবেই অন্যের উপর চাপানো যায় না।
- যেমন: আয়কর, ভূমি রাজস্ব, সম্পদ কর প্রভৃতি। 
পরোক্ষ কর:
- কোনো ব্যক্তির উপর কর ধার্য করা হলে সে যদি করের ভার অন্যের উপর চাপাতে পারে তাকে বলা হয় পরোক্ষ কর।
- এরূপ করের বোঝা প্রাথমিকভাবে একজন বহন করলেও পরে তা অন্যের উপর চাপাতে পারে।
- যেমন: ভ্যাট, বিক্রয় কর, আমদানী শুল্ক প্রভৃতি।

উৎস: কর ব্যবস্থা ও নিরীক্ষা শাস্ত্র, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩১.
অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিভাগ কয়টি?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিভাগ: 
- অর্থ মন্ত্রনালয় নিম্নে বর্ণিত চারটি বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত:   
১. আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (এফআইডি)
২. অর্থ বিভাগ (এফডি)
৩. অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)  এবং
৪. অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি)।

- আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (FID) ২০১০ সালের জানুয়ারী মাসে একটি স্বতন্ত্র বিভাগ হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- এর আগে এ সংক্রান্ত  কার্যাবলী অর্থ বিভাগের অন্তর্গত একটি উইং-এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে আসছিলো।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৩২.
TIN এর পূর্ণরূপ
  1. Tax Index Number
  2. Taxpayers Indentification Number
  3. Tax Information Number
  4. Taxpayers Information Number
ব্যাখ্যা
• E-TIN এর পূর্ণরূপ - Electronic Taxpayer's Identification Number. 
- ই-টিআইএন মানে ইলেকট্রনকি ট্যাক্স আইডেনটিফিকেশন নাম্বার, ইহা আয়কর নিবন্ধনের আধুনিক সংস্করন।
- ইহা ১২ ডিজিটের ১টি নম্বর। একজন করদাতাকে সহজে, ঘরেবসে অনলাইনে নিবন্ধন পেতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
- www. incometax.gov.bd এই সাইট গেলে ই-টিআইএন নিবন্ধন নেওয়া যাবে।

সূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
২৩৩.
বাংলাদেশের বিশেষায়িত ব্যাংকের সংখ্যা কতটি? (নভেম্বর-২০২৫)
  1. ৬টি
  2. ২টি
  3. ৪টি
  4. ৩টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে তফসিলভুক্ত ব্যাংকের সংখ্যা-৬২টি।
• বাংলাদেশে অ-তফসিলভুক্ত ব্যাংকের সংখ্যা-৫টি।
• বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
• বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
• বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
• বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।
• ডিজিটাল ব্যাংক: ১ টি।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।

২৩৪.
BEPZA-এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Bangladesh Export Production Zone Administration
  2. Bangladesh Enterprise Processing Zone Agency
  3. Bangladesh Economic Promotion Zone Association
  4. Bangladesh Export Processing Zone Authority
ব্যাখ্যা

- BEPZA-এর পূর্ণরূপ- Bangladesh Export Processing Zone Authority.

বেপজা:
- BEPZA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Export Processing Zone Authority.
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- শিল্পায়ন, রপ্তানি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রযুক্তি স্থানান্তর বাড়ানোর লক্ষ্যে ১৯৮০ সালে বেপজা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- শিল্পায়ন, বিনিয়োগ প্রচার, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে শক্তিশালী করা বেপজার মূল লক্ষ্য।
- বেপজার বর্তমান নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান।
- ২০২১ সালের ৭ই নভেম্বর তিনি নির্বাহী চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।

২৩৫.
ভ্যাট একটি-
  1. প্রত্যক্ষ কর
  2. পরিপূরক কর
  3. উন্নয়ন কর
  4. পরোক্ষ কর
ব্যাখ্যা
মূল্য সংযোজন কর (VAT):
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- মূল্য সংযোজন কর বা Value Added Tax (VAT) হলো এক প্রকার পরোক্ষ কর।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই থেকে ভ্যাট বা মূসক চালু হয়। 
- ২০১২ সালে এটি সংশোধন করে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ পাশ হয় যা ১ জুলাই, ২০১৯ থেকে কার্যকর হয়।
 
উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।
২৩৬.
বাংলাদেশে ইসলামি ধারার ব্যাংক রয়েছে -
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ইসলামি ধারার ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ইসলামি ধারার ব্যাংক রয়েছে ১০টি।
- এগুলো হলো:
• ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড,
• আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক লিমিটেড,
• আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড,
• সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড,
• স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক,
• এক্সিম ব্যাংক,
• ফার্স্ট সিকিউরিটিজ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড,
• শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড,
• গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও
• ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড। 
- এ ছাড়া ১১টি ব্যাংকের ২৩টি শাখা ও প্রচলিত ব্যাংকের ৫৩৫টি শাখায় ইসলামি ব্যাংকিং সেবা পাওয়া যায়। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, ১০টি পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে রপ্তানি প্রায় ৩৯% কমেছে।

উৎস: i) ২৫ মার্চ ২০২৩, প্রথম আলো।
         ii) ৪ ডিসেম্বর ২০২৩, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
২৩৭.
বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৮৪০ সালে
  2. ১৮৪৫ সালে
  3. ১৮৫৪ সালে
  4. ১৮৫৮ সালে
ব্যাখ্যা
চা ও চা বাগান:

- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় চট্টগ্রামে।
- বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে।
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় ১৮৪০ সালে।
- সিলেটের মালনিছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি চা রপ্তানি হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান মৌলভীবাজার জেলায়।

তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা, ২১ মে ২০১২, দৈনিক সমকাল, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ও বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
২৩৮.
নিচের কোনটি কর বহির্ভূত রাজস্বের উৎস?
  1. যানবাহন কর
  2. সুদ
  3. আবগারি শুল্ক
  4. আমদানি শুল্ক
ব্যাখ্যা
আয়ের উৎস:
- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।
- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা-
• কর রাজস্ব এবং
• কর বহির্ভূত রাজস্ব।

⇒ কর রাজস্ব:
- কর বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।
- বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নরূপ:
১। আয় ও মুনাফা কর,
২। আমদানি শুল্ক,
৩। মুল্য সংযোজন কর,
৪। আবগারি শুল্ক,
৫। সম্পূরক শুল্ক:,
৬। যানবাহন কর,
৭। ভূমি রাজস্ব,
৮। নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়,
৯। অন্যান্য কর ও শুল্ক।

⇒ কর বহির্ভূত রাজস্বের প্রধান:
১। লভ্যাংশ ও মুনাফা,
২। সুদ,
৩। প্রশাসনিক রাজস্ব,
৪। রেলওয়ে,
৫। ডাক বিভাগ,
৬। সেবা বাবদ প্রাপ্তি,

উৎস: অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩৯.
সার্বিকভাবে অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান -
  1. ক) ক্রমহ্রাসমান
  2. খ) ক্রমবর্ধমান
  3. গ) বর্ধনশীল
  4. ঘ) দ্রুত বর্ধনশীল
ব্যাখ্যা
• জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত - সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং ছোট খাত - কৃষিখাত। 
• আবার, কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত - কৃষিখাত (৪০.৬% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত - শিল্পখাত (২০.৪% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
• অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত - শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার ১০.৪৪%। 
• অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার - ২.২০%।
• সার্বিকভাবে অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান – ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান - ক্রমবর্ধমান। 
• যদিও সাময়িক হিসাবে ২০২০-২১ অর্থবছরে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার পূর্ববর্তী অর্থবছরের ০.৫৮ শতাংশ হতে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৩১ শতাংশে।
 
তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
২৪০.
বাংলাদেশ কোন বহুপাক্ষিক উৎস থেকে সর্বাধিক আর্থিক সহযোগিতা পায়?
  1. ক) IDB
  2. খ) ADB
  3. গ) AIIB
  4. ঘ) IDA
ব্যাখ্যা
International Development Association (IDA) থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আর্থিক সহযোগিতা পেয়ে থাকে।
গত অর্থবছরে বাংলাদেশ IDA থেকে ২,২৬৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থ সহায়তা লাভ করে। যা পরিমাণের দিকে IDA এর দ্বিতীয় বৃহৎ গ্রহীতা।
বাংলাদেশের প্রধান দ্বিপাক্ষিক সাহায্যদাতা হলো জাপান।
(সূত্র: IDA এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ ওয়েবসাইট)
২৪১.
কোন দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ঘাটতি নেই?
  1. ক) মিয়ানমার
  2. খ) ভারত
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) চীন
ব্যাখ্যা
দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।
২৪২.
বর্তমানে দেশে কয়টি নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স সংস্থা রয়েছে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ৩৫টি
  2. ৩৬টি
  3. ৪৫টি
  4. ৪৬টি
ব্যাখ্যা

বীমা প্রতিষ্ঠান:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর জীবন বীমার সুফল দেশের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সনের রাষ্ট্রপতির ৯৫নং আদেশ বলে বাংলাদেশের বীমা শিল্প জাতীয়করণের আওতায় আনা হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- - দুটি প্ৰতিষ্ঠান ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এগুলো হলো:
i) সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এবং
ii) জীবন বীমা কর্পোরেশন।

⇒ বাংলাদেশ সরকার সরকারি বা বেসরকারি সব ধরণের বীমা প্রতিষ্ঠান এর তত্ত্বাবধান এবং নিয়ন্ত্রনের উদ্দেশ্যে বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেন।
- এই আইনের অধীনে ২০১১ সালে Insurance Development and Regulatory Authority (IDRA) বা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ইন্স্যুরেন্স ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রেগুলেটরি অথরিটি (IDRA)-এর সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, দেশে ৮২টি বীমা কোম্পানি রয়েছে, যার মধ্যে ৩৬টি জীবন বীমা সংস্থা এবং ৪৬টি নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স সংস্থা রয়েছে।

উৎস: i) IDRA ওয়েবসাইট। [link]
ii) জীবন বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
iii) সাধারণ বীমা কর্পোরেশন।

২৪৩.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. নেদারল্যান্ডস
  3. চীন
  4. জাপান 
ব্যাখ্যা

• প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ (FDI): 
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ (FDI) এসেছে নেদারল্যান্ডস থেকে। 
- নেদারল্যান্ডস এই অর্থবছরে বাংলাদেশে প্রায় ৪৫৪ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে, যা আগের বছরের ২৩.২ মিলিয়ন ডলার (FY24) এবং তার আগের বছরের ৭২.১১ মিলিয়ন ডলার (FY23) থেকে অনেক বেশি।

- অন্যান্য বড় বিনিয়োগকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাজ্য (৩০০ মিলিয়ন ডলার), চীন (২৭৪ মিলিয়ন ডলার) এবং সিঙ্গাপুর (১৬১ মিলিয়ন ডলার)।
- যুক্তরাজ্য এবং চীনের বিনিয়োগ আগের বছরের তুলনায় কমেছে, কিন্তু সিঙ্গাপুরের বিনিয়োগ ৭১.৬% বৃদ্ধি পেয়েছে।



তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। (Link) 

২৪৪.
নিম্নের কোনটি ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান?
  1. ব্র্যাক
  2. সাজেদা ফাউন্ডেশন
  3. শক্তি ফাউন্ডেশন
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র ঋণ:
- ক্ষুদ্রঋণের মূল ধারণাটি হচ্ছে, দরিদ্র ব্যক্তিদের কিছু টাকা ঋণ দেওয়া।
- সেই টাকায় তাঁরা ছোট আকারে ব্যবসা শুরু করবেন। ব্যবসার মুনাফা থেকে ঋণের টাকা ফেরত দেবেন প্রতিষ্ঠানকে।
- প্রতিষ্ঠান আবার ওই টাকা ঋণ দেবে অন্য কাউকে।
- এভাবেই বিষয়টি দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখবে।
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক ড. মুহাম্মদ ইউনুস।
- ব্র্যাক, আশা, বুরো বাংলাদেশ, টিএমএসএস, এসএসএস, সাজেদা ফাউন্ডেশন, উদ্দীপন, জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন, পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন, শক্তি ফাউন্ডেশন-এ ১০টি দেশের শীর্ষ ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান।

⇒ বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক বিশেষ আইনবলে যাত্রা শুরু করে ১৯৮৩ সালে।
- এ গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে বহুমাত্রিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপ্লবের সূচনা হয়।
- এ জন্য ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারও পান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

⇒ দেশের ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম দেখভালে বহু বছর কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থা ছিল না।
- প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই ২০০৬ সালে গঠিত হয় মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ)।
- এ সংস্থার সনদ ছাড়া বর্তমানে কেউ ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম চালাতে পারেন না।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বিবিসি বাংলা।
২৪৫.
দেশের প্রথম বিনিয়োগ ব্যাংকিং চ্যাটবট’-এর নাম কী?
  1. AIBanking
  2. AIInvest
  3. PrimeInvest
  4. Midlenvest
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম বিনিয়োগ ব্যাংকিং চ্যাটবটঃ
- দেশের প্রথম বিনিয়োগ ব্যাংকিং চ্যাটবট’র নাম প্রাইমইনভেস্ট (PrimeInvest)।
- সম্প্রতি (নভেম্বর, ২০২৪) পিবিআইএলের প্রধান কার্যালয়ে নতুন এই চ্যাটবট উদ্বোধন করা হয়।

⇒ বাংলাদেশের বিনিয়োগ ব্যাংকিং খাতে প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত চ্যাটবট ‘প্রাইমইনভেস্ট’ চালু করেছে প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড (পিবিআইএল)।
- এই চ্যাটবটটি গ্রাহকদের সঙ্গে আরো সহজ, দ্রুত এবং কার্যকরী যোগাযোগ স্থাপনে সাহায্য করবে।
- ‘প্রাইমইনভেস্ট’ সার্বক্ষণিকভাবে (২৪/৭) গ্রাহকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিবে এবং তাদের বিনিয়োগ সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করবে।
- এটি পিবিআইএলের ডিজিটাল রূপান্তরের অংশ হিসেবে চালু করা হয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য আরো সহজ ও ইন্টারেক্টিভ সেবা নিশ্চিত করবে।

উৎস: বণিক বার্তা।
২৪৬.
বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যানের সময়সীমা কত সাল নাগাদ?
  1. ২০৪১ সাল
  2. ২০৫০ সাল
  3. ২১০০ সাল
  4. ২১৫০ সাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান:
- ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে: বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন ।
- ২০২০ সালের ১ জুলাই ১২ সদস্যের এই কাউন্সিল গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
- সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রীকে ডেল্টা কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান করা হয়েছে।
- ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এই মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে ৮০টি প্রকল্প।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
২৪৭.
কত সালে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন ভিশন 'ডেল্টা প্ল্যান ২১০০' অনুমোদন করা হয়?
  1. ২০১৬ সালে
  2. ২০১৮ সালে
  3. ২০২০ সালে
  4. ২০২১ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান:
- ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে: বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।
- ২০২০ সালের ১ জুলাই ১২ সদস্যের এই কাউন্সিল গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
- ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এই মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে ৮০টি প্রকল্প।

⇒ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে দেশের আটটি হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করে প্রতিটি অঞ্চলের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির মাত্রার উপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
- একই ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির সম্মুখীন জেলাসমূহকে একেকটি গ্রুপের আওতায় আনা হয়েছে যাকে "হটস্পট" (পানি ও জলবায়ু উদ্ভূত প্রায় অভিন্ন সমস্যাবহুল অঞ্চল) হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

⇒ দুর্যোগ ঝুঁকিপ্রবণ ৬টি হটস্পট:
১. উপকূলীয় অঞ্চল: সাইক্লোনপ্রবণ অঞ্চল- ১৩ টি উপকূলীয় ও ৬ টি নদী বাহিত জেলা।
২. বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল: খরা (মূলত কৃষি)।
৩. হাওর এবং আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল: ৭ টি জেলা।
৪. পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল: পাহাড় ধস ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৫. নদী অঞ্চল এবং মোহনা: বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৬. নগরাঞ্চল: ভূমিকম্প, জলাবদ্ধতা ইত্যাদি।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।

২৪৮.
বাংলাদেশ LDC মুক্ত হলে কোন সুবিধা পাবে না?
  1. ইউরোপীয় ইউনিয়নের জিএসপি
  2. সহজ শর্তে ঋণ
  3. মেধাস্বত্ব থেকে ছাড়
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ LDC উত্তরণের অসুবিধা: 
- এলডিসি থেকে বের হলে সবচেয়ে সমস্যায় পড়তে হবে বাংলাদেশের রপ্তানি খাতকে।
- এলডিসি হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) আওতায় শুল্কমুক্ত বাণিজ্য–সুবিধা পায়।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের জিএসপি সুবিধা বন্ধ হয়ে যাবে। 
- যদিও ইউরোপীয় ইউনিয়নে জিএসপির আওতায় এই শুল্কমুক্ত সুবিধা থাকবে ২০২৯ সাল পর্যন্ত।
- এলডিসি থেকে বের হলে ওষুধশিল্পের ওপর মেধাস্বত্ব বিধিবিধান আরও কড়াকড়ি হবে।
- এলডিসি হিসেবে বাংলাদেশের ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলোকে আবিষ্কারক প্রতিষ্ঠানকে মেধাস্বত্বের জন্য অর্থ দিতে দিতে হয় না।
- এ কারণে এলডিসির গরিব নাগরিকেরা স্বল্প মূল্যে ওষুধ পায়।
- ২০৩৩ সালের আগে কোনো দেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হয়ে গেলে ওষুধশিল্পের এই সুবিধা থাকবে না।
- এলডিসি হিসেবে যেকোনো দেশ তার দেশে উৎপাদিত পণ্য বা সেবার ওপর নগদ সহায়তা ও ভর্তুকি দিতে পারে।
- বাংলাদেশ এখন যে রপ্তানি আয় বা রেমিট্যান্স আনায় নগদ সহায়তা দেয় তা নিয়ে আপত্তি উঠতে পারে।
- এলডিসি থেকে উত্তরণ হওয়া দেশগুলো আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাগুলোর কাছ থেকে সহজ শর্তের ঋণ পাওয়ার সুযোগ সীমিত হতে পারে।
- এলডিসি থেকে বের হলে জাতিসংঘে চাঁদার পরিমাণ বেড়ে যাবে।
- আন্তর্জাতিক সংস্থা ও উন্নত দেশগুলো স্বল্পোন্নত দেশের শিক্ষার্থীদের নানা ধরনের বৃত্তি দেয়।
- এলডিসি থেকে উত্তরণ হলে এ ধরনের বৃত্তির সংখ্যা কমে যাবে।

উৎস: Centre for Policy Dialogue (CPD) ওয়েবসাইট। 
২৪৯.
বর্তমানে সাধারণ করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা-
  1. ক) ২,৫০,০০০ টাকা
  2. খ) ৩,০০,০০০ টাকা
  3. গ) ৩,৫০,০০০ টাকা
  4. ঘ) ৪,০০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ২০২২-২৩ অর্থবছরে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের করমুক্ত আয়সীমা নিম্নরূপ:
- সাধারণ করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা ৩,০০,০০০ টাকা
- নারী, তৃতীয় লিঙ্গ ও ৬৫ বছরের উর্ধ্ব করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা ৩,৫০,০০০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা ৪,৫০,০০০ টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা ৪,৭৫,০০০ টাকা।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।
২৫০.
কোন দেশটির সাথে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্বৃত্ত রয়েছে?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) চীন
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) জার্মানি
ব্যাখ্যা
• দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র
• যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
• এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
• যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
• অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
• ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
• ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।   

তথ্যসূত্র:- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২।
২৫১.
বাংলাদেশে ‘শিক্ষা-স্বাস্থ্য-বিনোদন’ সাধারণভাবে অর্থনীতির কোন খাতের আওতাধীন?
  1. ক) কৃষি খাত
  2. খ) শিল্প খাত
  3. গ) সেবা খাত
  4. ঘ) জনকল্যাণ খাত
ব্যাখ্যা

-বাংলাদেশে কৃষি ও শিল্প খাতের পাশাপাশি বৃহৎ আকারের সেবা খাত রয়েছে। জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সেবা খাতের ভূমিকা অনেক বেশি।
-পরিবহন ও যােগাযােগ ব্যবস্থা, ডাক ব্যবস্থা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবা, বিনোদন, পানি, গ্যাস, বিদ্যুৎ ইত্যাদি সেবা খাত এর অন্তর্ভুক্ত।
উৎসঃ অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৫২.
বাংলাদেশের উন্নয়ন ধারার সবচেয়ে বড় কাঠামোগত বৈপরীত্য কোনটি?
  1. জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্থবিরতা সত্ত্বেও জিডিপির দ্রুত প্রবৃদ্ধি
  2. শক্তিশালী সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকের পাশাপাশি দুর্বল প্রাতিষ্ঠানিক শাসনব্যবস্থা
  3. রেমিট্যান্স বৃদ্ধি কিন্তু শ্রম অভিবাসন হ্রাস
  4. রপ্তানি বৃদ্ধি কিন্তু শিল্পায়ন কমে যাওয়া
ব্যাখ্যা

→ বাংলাদেশের উন্নয়ন ধারার সবচেয়ে বড় কাঠামোগত বৈপরীত্য হল শক্তিশালী সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকের পাশাপাশি দুর্বল প্রাতিষ্ঠানিক শাসনব্যবস্থা।

♦ বাংলাদেশের উন্নয়ন ধারা:
- গত দুই-তিন দশকে বাংলাদেশ ৫-৭% জিডিপি প্রবৃদ্ধি, দারিদ্র্য হ্রাস, রপ্তানি বৃদ্ধি, রেমিট্যান্স আয় বাড়ানো এবং সামাজিক সূচকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।
- বিশ্বব্যাংক এই অর্জনকে 'Bangladesh Paradox' বলে অভিহিত করেছে।
- World Governance Indicators-এ বাংলাদেশ নিম্নস্থানে থাকলেও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অব্যাহত ছিল।

♦ বাংলাদেশের উন্নয়ন ধারার কাঠামোগত বৈপরীত্য:
• দুর্বল প্রাতিষ্ঠানিক শাসনব্যবস্থা,
• প্রতিযোগিতামূলক রাজনীতি,
• RMG-নির্ভর রপ্তানি বৃদ্ধি কিন্তু শিল্প বহুমুখীকরণের অভাব,
• যুব বেকারত্ব, উচ্চ প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও বৈষম্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের ঘাটতি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ প্যারাডক্স, বিশ্ব ব্যাংক ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

২৫৩.
৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদে বাংলাদেশের গড় প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ৮.৪১%
  2. ৮.৫১%
  3. ৭.৫১%
  4. ৭.৪১%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:

- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- এর মধ্যে ৭টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা সম্পন্ন হয়েছে।
- ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা চলমান রয়েছে।
- ২৯ ডিসেম্বর, ২০২০ তারিখে বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ২০২১ - ২০২৫ মেয়াদে " চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।

৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- মেয়াদকাল: জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫।
- বাস্তবায়ন ব্যয় লক্ষ্যমাত্রা: ৬৪ লাখ ৯৫ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা।
- মোট বিনিয়োগ জিডিপির: ৩৭.৪%।
- প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৮.৫১%
- কর্মসংস্থান: ১ কোটি ১৩ লাখ।
- মূল্যস্ফীতি: ৪.৬%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু: ৭৪ বছর।
- বিদ্যুৎ উৎপাদন: ৩০ হাজার মেগাওয়াট।
- দারিদ্র্যের হার: ১৫.৬%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৭.৪%।
- বাংলাদেশ ২০২৬ সালের মধ্যে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে আসবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
- যেখানে অর্থবছর ২০৩১ এর মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে (UMIC) উন্নীত হওয়া এবং চরম দারিদ্র্য দূর করা হবে।
- অর্থবছর ২০৪১ এর মধ্যে উচ্চ আয়ের দেশের (HIC) মর্যাদা লাভ করার রোডম্যাপ নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: পরিকল্পনা বিভাগ।
২৫৪.
২০২০ সাল শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কত?
  1. ৪১ বি. মা. ডলার
  2. ৪২ বি. মা. ডলার
  3. ৪৩ বি. মা. ডলার
  4. ৪৪ বি. মা. ডলার
ব্যাখ্যা
২০২০ সাল শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম করেছে।
গত ৩০ ডিসেম্বর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাড়ায় ৪৩.১৭ বিলিয়ন ডলার।
এর আগে গত ১৫ ডিসেম্বর রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ৪২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছিলো।
(সূত্র: দৈনিক কালেরকণ্ঠ রিপোর্ট)
২৫৫.
What is FDI?
  1. ক) Foreign Donor Investment.
  2. খ) Foreign Direct Investment
  3. গ) Future Development Index.
  4. ঘ) Foreign Development Investment
ব্যাখ্যা
FDI:
- FDI  এর পূর্ণরূপ - Foreign direct investment.
- FDI হলো একটি দেশে অবস্থিত একটি কোম্পানি দ্বারা অন্য দেশে অবস্থিত কোম্পানিতে বিনিয়োগ করা।
- সহজ ভাষায় এফডিআই হলো একটি বিনিয়োগ যখন একটি ফার্ম, পার্টি, কোম্পানি বা ব্যক্তি ব্যবসার জন্য তাদের অর্থ বিদেশে বিনিয়োগ করে বা অন্য দেশে একটি ব্যবসায়িক সত্তায় মালিকানা নিয়ন্ত্রণ করে।
- বিদেশী সরাসরি বিনিয়োগ সাধারণত এমন দেশগুলিতে করা হয় যেখানে মুক্ত অর্থনীতি, উচ্চ প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা এবং অপেক্ষাকৃত সস্তা হারে দক্ষ কর্মী বাহিনী রয়েছে।

উৎস: Investpedia.com
২৫৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশের সাক্ষরতার হার (৭ বছর +) কত শতাংশ?
  1. ৭৭.৯ শতাংশ
  2. ৭৫.৯ শতাংশ
  3. ৭১.৯ শতাংশ
  4. ৮১.৯ শতাংশ
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%। 
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৮২%।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২৫৭.
বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থার প্রকৃতি কোনটি?
  1. সমাজতান্ত্রিক
  2. মুক্তবাজার
  3. মিশ্র অর্থনীতি
  4. পরিকল্পিত অর্থনীতি
ব্যাখ্যা

মিশ্র অর্থব্যবস্থা:
- অর্থনীতিতে যখন সরকারি এবং ব্যক্তিগত খাত একসাথে সহাবস্থান করে তখন সেই অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে মিশ্র অর্থব্যবস্থা বলে।
- বাংলাদেশে মিশ্র অর্থব্যবস্থা প্রচলিত।
- কারণ এখানে সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতের সুসমন্বয় বিদ্যমান।
- বাংলাদেশের অর্থব্যবস্থায় সম্পদের মালিকানা, উৎপাদন ব্যবস্থা, ব্যবসায়-বাণিজ্য প্রত্যেক খাতে সরকারি ও ব্যক্তি মালিকানার উপস্থিতি বিদ্যমান।
- গুরুত্বপূর্ণ কিছু সম্পদ ব্যক্তি মালিকানায় রেখে বাকি সম্পদ সরকারকে বাৎসরিক করের বিনিময়ে ব্যক্তি মালিকানার হাতে থাকে।
- সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ খাতসহ রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা খাতসমূহে সরকারি উদ্যোগে বিনিয়োগ পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের অর্থনীতির অধিকাংশই বেসরকারি বিনিয়োগের উপর নির্ভরশীল।
- তবে বেসরকারি বিনিয়োগের উপর সরকারের পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকে।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৫৮.
ডাচ–বাংলা ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বর্তমানে কী নামে পরিচিত?
  1. রকেট
  2. নগদ
  3. মাই ক্যাশ
  4. বিকাশ
ব্যাখ্যা

ডাচ্‌–বাংলা ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বর্তমানে রকেট নামে পরিচিত।
-------------------------------------------
মোবাইল ব্যাংকিং: 
- মোবাইল ব্যাংকিং হলো আধুনিক ডিজিটাল সেবা। 
- এর মাধ্যমে ব্যাংকের শাখায় না গিয়ে মোবাইল ফোন বা স্মার্টফোন ব্যবহার করে যেকোনো স্থান থেকে টাকা পাঠানো, বিল পরিশোধ, ব্যালেন্স চেক ও ক্যাশ-আউট করা যায়।
- এটি দ্রুত, নিরাপদ এবং সুবিধাজনক লেনদেনের একটি ব্যবস্থা।

- বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবার সূচনা ও বিকাশ ধাপে ধাপে ঘটেছে।
- দেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করে ডাচ্‌–বাংলা ব্যাংক লিমিটেড।
- ২০১১ সালের ৩১ মার্চ সিটিসেল ও বাংলালিংক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এই ব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে;
- যা পরবর্তীতে ‘রকেট’ নামে পরিচিতি লাভ করে।

উল্লেখ্য,
- এজেন্ট ব্যাংকিং ব্যবস্থার পথিকৃত হিসেবে ব্যাংক এশিয়া প্রথম এই সেবা চালু করে।
- এরপর ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিকাশ কার্যক্রম শুরু হয় এবং দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করে।
- পরবর্তীকালে ২০১৯ সালের মার্চ মাসে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ তাদের নিজস্ব ডিজিটাল আর্থিক সেবা ‘নগদ’ চালু করে।
- বর্তমানে দেশে বিকাশ ও রকেটের পাশাপাশি মাই ক্যাশ, উপায়, শিওরক্যাশসহ মোট প্রায় ১৫টি ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠান মোবাইল ব্যাংকিং সেবা প্রদান করছে।

উৎস: সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ওয়েবসাইট। 

২৫৯.
বাংলাদেশে জিডিপি নির্ণয়ে মোট উপখাতের সংখ্যা কতটি?
  1. ১০টি
  2. ১২টি
  3. ১৫টি
  4. ১৮টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে জিডিপি নির্ণয়ে মোট উপখাতের সংখ্যা ১৫টি। এগুলো হলোঃ
- কৃষি ও বনজ
- মৎস্য
- খনিজ ও খনন
- শিল্প বা উৎপাদন
- বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সম্পদ
- নির্মাণ
- পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য
- হোটেল ও রেস্তোরাঁ
- পরিবহন, সংরক্ষণ ও যোগাযোগ
- আর্থিক প্রাতিষ্ঠানিক সেবা
- রিয়েল এস্টেট
- লোকপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা
- শিক্ষা
- স্বাস্থ্য
- কমিউনিটি ও ব্যক্তিগত সেবা৷
এসব খাতের সমন্বয়ে তিনটি প্রধান খাত কৃষি, শিল্প ও সেবাখাত গঠিত৷
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী এবং বিবিএস)
২৬০.
জাতীয় বাজেট সংসদে পাস হওয়া থেকে তার চূড়ান্ত প্রকাশ পর্যন্ত, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ হচ্ছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের -
  1. অর্থ বিভাগ
  2. অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ
  3. পরিকল্পনা কমিশন
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
জাতীয় বাজেট:
- বাজেট একটি নির্দিষ্ট সময়কালের জন্য সরকারের ব্যয় ও রাজস্বসমূহের একটি পূর্বাভাষ।
- বাংলাদেশ সরকারের একটি বাজেটের সময়কাল হচ্ছে একটি অর্থবৎসর।
- একটি বৎসরের ১ জুলাই থেকে পরবর্তী বৎসরের ৩০ জুন পর্যন্ত বিস্তৃত।
- সরকারি বাজেটে কর ও মুদ্রাসংক্রান্ত কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকারি অর্থের আহরণ, আবণ্টন ও বিতরণ করা হয়।
- বাজেট দলিল চূড়ান্তকরণের সকল স্তরে অর্থাৎ সংগ্রহ, মন্ত্রণালয়ে পেশের পর পরীক্ষা ও সংসদে পাস হওয়া থেকে তার চূড়ান্ত প্রকাশ পর্যন্ত, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ হচ্ছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থবিভাগ।
- অর্থবিভাগের বাজেট উইং ও উন্নয়ন উইং যথাক্রমে রাজস্ব ও উন্নয়ন বাজেটের তদারকি করে এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ কর ব্যবস্থার প্রস্তাবসমূহ প্রস্ত্তত করে।
- অর্থমন্ত্রী জুন মাসে সংসদে বাজেট পেশ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২৬১.
বর্তমানে SLR রেট কত?
  1. ক) 13%
  2. খ) 4%
  3. গ) 4.75%
  4. ঘ) 14%
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে SLR( Statutory Liquidity Ratio) 13%.

-এবং CRR(Cash reserve ratio) 4%

-তবে ইসলামী ব্যাংকের ক্ষেত্রে SLR 5.5% এবং CRR 4%| 

উৎস: bb.org.bd

২৬২.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুসারে ২০২৫ সালে বাংলাদেশের নিম্ন দারিদ্র হার হবে-
  1. ক) ৭.৪%
  2. খ) ৬.৪%
  3. গ) ৮.৪%
  4. ঘ) ৫.৪%
ব্যাখ্যা
• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা: 
- মেয়াদ : জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫।
⇒ মেয়াদান্তে কিছু সূচক:
- জিডিপি প্রবৃদ্ধি - ৮.৫১%। 
- জিডিপির আকার - ১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা। 
- মাথাপিছু আয় - ৩,০৫৯ মার্কিন ডলার। 
- মুদ্রাস্ফীতি - ৪.৬%। 
- দারিদ্রের নিম্নহার - ৭.৪%। 
- দারিদ্রের উচ্চহার – ১৫.৬%। 
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু - ৭৪ বছর। 
- মেয়াদান্তে জনসংখ্যার হার: ১.১৮%। 
- মেয়াদান্তে বিদুৎ উৎপাদন ক্ষমতা – ৩০,০০০ মেগাওয়াট। 

সূত্র: পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
২৬৩.
বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয় নিচের কোনটিতে? [মে,২০২৫]
  1. আমদানি শুল্ক
  2. আবগারি শুল্ক
  3. ভূমি উন্নয়ন কর
  4. মূল্য সংযোজন কর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সরকারের অর্থনীতি আয় খাত:
- মূল্য সংযোজন কর (Value Added Tax):
-  বাংলাদেশে ১৯৯১-৯২ অর্থবছর থেকে মূল্য সংযোজন কর চালু করা হয়েছে।
- বাংলাদেশ সরকারের সর্বচ্চো রাজস্ব আয় হয় মূল্য সংযোজন কর থেকে।
- এটি পরোক্ষ কর।

• আমদানি শুল্ক (Custom Duties):
- দেশের আমদানিকৃত দ্রব্যের ও সেবার উপর যে কর ধার্য করা হয়, তাকে আমদানি শুল্ক বলে।

• আবগারি শুল্ক (Excise Duties):
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর যে কর ধার্য করা হয়, তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়।
- রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যেও আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
- চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই প্রভৃতি দ্রব্যের উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

• সম্পূরক শুল্ক (Supplementary Duties):
- আবগারি শুল্ক বা মূল্য সংযোজন কর বা আমদানি শুল্ক আরোপের পরেও অতিরিক্ত যে শুল্ক আরোপ করে, তাকে সম্পূরক শুল্ক বলে।
- যেমন, সিরামিক টাইলসের উপর আরোপিত সম্পূরক শুল্ক।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, এবং এনবিআর ওয়েবসাইট।
২৬৪.
‘বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০' কোন ধরনের পরিকল্পনা?
  1. ক) স্বল্পমেয়াদি
  2. খ) দীর্ঘমেয়াদি
  3. গ) মধ্যমেয়াদি
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• ‘বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০' একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা।

• জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির কারণে কাঙ্খিত উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকার ‘বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০' নামে একটি মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
• পানি, জলবায়ু, পরিবেশ ও ভূমির টেকসই ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করে ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন এবং চরম দারিদ্র্য দূরীকরণসহ ২০৪১ সালের মধ্যে একটি সমৃদ্ধ দেশের মর্যাদা অর্জনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ বাংলাদেশের স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনাসমূহের সমন্বয় করবে।
• বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রাথমিকভাবে ২০৫০ পর্যন্ত মধ্যমেয়াদি ডেল্টা এজেন্ডা ঘিরে প্রণীত হলেও, তাতে ২০৫০ পরবর্তী দীর্ঘমেয়াদি এজেন্ডার বিষয়েও আলোকপাত করা হয়েছে।
• নেদারল্যান্ডস্ ও স্থানীয় বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায় বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রণয়ন করেছে।

সূত্র: সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি), বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন।
 
২৬৫.
পাবলিক লি. কোম্পানির নূন্যতম সদস্য সংখ্যা কত?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৫ জন
  4. ৭ জন
ব্যাখ্যা
পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি:

- এটা গঠনে বেশি আনুষ্ঠানিকতা পালন করতে হয় বলে এর গঠন তুলনামূলক বেশি জটিল।
- সদস্য সর্বনিম্ন ৭জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য শেয়ারের সংখ্যা দ্বারা সীমাবদ্ধ।
- কাজ শুরু করার জন্য নিবন্ধনপত্র পাওয়ার পর কার্যারম্ভের অনুমতি পত্র সংগ্রহ করতে হয়।
- শেয়ার বিক্ররের জন্য জনসাধারণের নিকট আবেদন জানাতে পারে।
- এক্ষেত্রে বিবরণপত্র বা বিকল্প বিবৃতি তৈরি করে নিবন্ধকের নিকট জমা দিতে হয়।
- এ কোম্পনীর শেয়ার অবাধে হস্তান্তরযোগ্য।

তথ্যসূত্র - ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬৬.
বাংলাদেশের জিডিপিতে (GDP) তে শিল্প খাতের অবদান কত? ( মে ২০২৫)
  1. ৩৭.৯৫%
  2. ৫১.০৪%
  3. ৩৯.৫৬%
  4. ১১.০২%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা: 
- চলিত মূল্যে জিডিপি- ৫০,৪৮,০২৭ কোটি টাকা।
- চলিত মূল্যে মাথাপিছু জিডিপি- ২,৬৭৫  মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি- ৩৩,৯৭,২৩১ কোটি টাকা।
- চলিত মূল্যে মোট জাতীয় আয় - ৩,০৬,১৪৪ কোটি টাকা।
- চলিত মূল্যে মাথাপিছু জাতীয় আয় - ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মুদ্রাস্ফীতি-  ৯.৭৪%।
- জিডিপিতে কৃষির অবদান - ১১.০২%।
- জিডিপিতে শিল্পের অবদান - ৩৭.৯৫%।
- জিডিপিতে সেবার অবদান -৫১.০৪%।
- অর্থনীতিতে মোট খাত - ১৯ টি (২০১৫-১৬ ভিত্তি বছর)

উৎস: বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪।
২৬৭.
বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠিত ব্যাংক কোনটি?
  1. কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি
  2. মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি
  3. সীমান্ত ব্যাংক পিএলসি
  4. সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা

কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি:
- কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি (Community Bank Bangladesh PLC) একটি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক।
- 'কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি' বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের একটি প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানটি ২০১৯ সালে বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের সম্পূর্ণ মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি সাধারণ জনগণের জন্য আধুনিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাংকিং সেবা প্রদান করাই প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য।
- প্রতিষ্ঠানটি আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে গ্রাহকদের জন্য স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
- ব্যাংকটি অব্যাংকিত জনগোষ্ঠীকে ব্যাংকিং ব্যবস্থার আওতায় আনার মাধ্যমে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

তথ্যসূত্র - কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

২৬৮.
সরকারি কর্মচারী সার্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় কোন স্কিমে অংশগ্রহণ করতে পাচ্ছেন?
  1. সুরক্ষা
  2. প্রগতি
  3. সমতা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সার্বজনীন পেনশন:

- দেশের মানুষের জন্য সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি (স্কিম) চালু করছে সরকার।
- এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য দেশের নাগরিকদের পেনশন ব্যবস্থার আওতায় আনা।
- সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিতে ৪টি স্কিম রাখা হয়েছে। এগুলো হলো যথাক্রমে- প্রবাস স্কিম, প্রগতি স্কিম, সুরক্ষা ও সমতা স্কিম।
- বিদেশে কর্মরত বা অবস্থানরত যে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক নির্ধারিত অর্থ বৈদেশিক মুদ্রায় জমা দিয়ে এই স্কিমে অংশ নিতে পারবেন।
- বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কোনো কর্মচারী বা ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক এতে অংশ নিতে পারবেন।
- অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত বা নিজ কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিরা যেমন- কৃষক, রিকশাচালক, শ্রমিক, কামার, কুমার, জেল, তাঁতিরা এই স্কিমে অংশ নিতে পারবে।
- দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাসকারী স্বল্প আয়ের ব্যক্তিরা (যাদের বর্তমান আয়সীমা বছরে সর্বোচ্চ ৬০ হাজার টাকা) এই স্কিমে অংশ নিতে পারবেন।
- সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন জারির আগে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা সরকারি পেনশন স্কিমে অংশ নিতে করতে পারবেন না।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার, ১৭ আগস্ট, ২০২৩।
২৬৯.
IDRA কী?
  1. অভ্যন্তরীণ গ্রামীণ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
  2. শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান
  3. আন্তর্জাতিক গ্রামীণ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
  4. বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ
ব্যাখ্যা
⇒ IDRA এর মানে হল বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ।

IDRA:
- IDRAএর পূর্ণরূপ: Insurance Development and Regulatory Authority.
- ২০১১ সালের ২৬শে জানুয়ারী বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ আইন ২০১০ এর বিধানের অধীনে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ (IDRA) গঠিত হয়েছে।
- বাংলাদেশ সরকার বীমা ব্যবসার বিকাশ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেছে।
- এটি বীমা ব্যবসার তত্ত্বাবধান এবং পলিসি হোল্ডারের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- কর্তৃপক্ষ 'জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪' বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বীমা শিল্পের পদ্ধতিগত উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করছে।
- IDRA একজন চেয়ারম্যান এবং চারজন সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত।

তথ্যসূত্র - বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
২৭০.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের প্রধান সমন্বয়কারী সংস্থা কোনটি? 
  1. জাইকা
  2. বিশ্বব্যাংক
  3. এডিবি
  4. ওআইসি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম (Bangladesh Development Forum - BDF)
- প্রতিষ্ঠাকালীন নাম: বাংলাদেশ এইড গ্রুপ (Bangladesh Aid Group)
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২০০২
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের বৈঠক বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়- ২০০৩ সাল থেকে।
- প্রধান সমন্বয়কারী সংস্থা: বিশ্বব্যাংক (World Bank)

উল্লেখ্য,
-জাইকা (JICA) জাপানের একটি সরকারি সংস্থা,
- এটি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা হিসাবে পরিচিত। 

তথ্যসূত্র: ইআরডি ওয়েবসাইট। 

২৭১.
ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য -
  1. কৃষিজাত পণ্য
  2. তৈরি পোশাক
  3. চামড়া
  4. রাসায়নিক দ্রব্য
ব্যাখ্যা
• রপ্তানি বাণিজ্য:
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র। 
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।

- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে। 

তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, জুলাই-ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত।
২৭২.
বিশ্ব ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠানের কোনটি দারিদ্রতম উন্নয়নশীল দেশগুলোতে শূন্য সুদে দীর্ঘমেয়াদী ঋণ প্রদান করে?
  1. ক) International Development Association
  2. খ) International Monetary Fund
  3. গ) International Finance Corporation
  4. ঘ) Asian Development Bank
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান IDA দরিদ্রতম উন্নয়শীল দেশগুলোতে শূন্য সুদে দীর্ঘমেয়াদী ঋণ প্রদান করে। 

- IDA (International Development Association) বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৬০ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৭৩টি।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট IDA এর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ IDA থেকে সর্বাধিক অর্থ সহায়তা পায়।
- IDA তৃতীয় বিশ্বের অনুন্নত দেশগুলোকে সহজ শর্তে ও স্বল্পসুদে ঋণ প্রদান করে থাকে। যার কারণে IDA কে Soft Loan Window বলা হয়।
- যেসব দেশ IBRD থেকে ঋণ পায় না, সেসব দেশকে IDA ঋণ প্রদান করে থাকে।

তথ্যসূত্র: IDA ওয়েবসাইট
২৭৩.
দেশের প্রথম ডিজিটাল ব্যাংক কোনটি?
  1. বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি
  2. প্রাইম ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি
  3. মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি
  4. নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম ডিজিটাল ব্যাংক 'নগদ':
- দেশের প্রথম ডিজিটাল ব্যাংক ‘নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি'।
- আইনে বিশেষ ছাড় দিয়ে ‘নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি’কে তফসিলি ব্যাংক হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- এর ফলে দেশে ব্যাংকের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৬২।

⇒ ব্যাংক কোম্পানি আইনে একক ব্যক্তি, পরিবার বা কোম্পানির কোনো ব্যাংকের ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার ধারণে যে বিধিনিষেধ রয়েছে, সেটিতেই ছাড় দেওয়া হয়েছে নগদকে।
- ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১৪ক(১) ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি, কোম্পানি বা একই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ব্যাংকের শেয়ার কেন্দ্রীভূত করা যাবে না।
- এ ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি, কোম্পানি বা পরিবারের সদস্যরা একক, যৌথ বা উভয় নামে কোনো ব্যাংকের ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার কিনতে পারবেন না।
- তবে নগদ ডিজিটাল ব্যাংকের শেয়ারের ক্ষেত্রে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ওই ধারা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
- অর্থাৎ নগদ ডিজিটাল ব্যাংকে ১০ শতাংশের বেশি শেয়ারধারী রয়েছে।

⇒ ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ (রাষ্ট্রপতির ১৯৭২ সালের ১২৭ নম্বর আদেশ)-এর ৩৭(২) (a) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ ব্যাংক সোমবার (৩ জুন) থেকে 'নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি’কে তফসিলি ব্যাংকরূপে তালিকাভুক্ত করা হল।
- ফলে এখন থেকে অন্যান্য প্রচলিত ব্যাংকের মতোই কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে নগদ ডিজিটাল ব্যাংক।
- তবে ব্যাংকটির সদর দফতর থাকলেও অন্য কোনো শাখা থাকবে না।

উৎস: i) Nagad ওয়েবসাইট।
ii) ৪ জুন ২০২৪, প্রথম আলো।
২৭৪.
সম্প্রতি, কোন দেশ বাংলাদেশ থেকে পাটপণ্য আমদানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. যুক্তরাজ্য 
  2. মিয়ানমার
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ভারত
ব্যাখ্যা

আমদানিতে বিধিনিষেধ:
- ১১ আগস্ট বাংলাদেশ থেকে চার ধরনের পাটপণ্য আমদানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ভারত। 
​- সেগুলো হলো পাট ও পাটজাতীয় পণ্যের কাপড়, পাটের দড়ি বা রশি, পাটজাতীয় পণ্য দিয়ে তৈরি দড়ি বা রশি এবং পাটের বস্তা বা ব্যাগ। 
​- নতুন এই বিধিনিষেধের ফলে এসব পণ্য ভারতে রপ্তানি করতে হলে সমুদ্রপথে মুম্বাইয়ের নভসেবা বন্দর দিয়ে এসব পণ্য পাঠাতে হবে।
​- বাংলাদেশ থেকে উল্লেখিত এসব পণ্য যে পরিমাণ ভারতে রপ্তানি হয়, তার ১ শতাংশের কাছাকাছি যায় সমুদ্রপথে। বাকিটা স্থলপথে রপ্তানি হয়।
​- ভারতীয় ভোগ্যপণ্যের বড় বাজার বাংলাদেশ।
​- বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হিসাবে, ভারতে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ মোট ১৫৭ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। 
​- বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ আসে ভারত থেকে। 
​- অন্যদিকে ভারত থেকে বাংলাদেশ ৯০০ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করে। এর বড় অংশ শিল্পের কাঁচামাল ও মধ্যবর্তী পণ্য।

সূত্র-  প্রথম আলো পত্রিকা। 

২৭৫.
বয়স্কভাতা কর্মসূচি চালু হয় কবে?
  1. ক) ১৯৯১ সালে
  2. খ) ১৯৯৩ সালে
  3. গ) ১৯৯৮ সালে
  4. ঘ) ২০০১ সালে
ব্যাখ্যা
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অংশ হিসেবে সমাজসেবা অধিদফতরের অধীনে ১৯৯৭-৯৮ সালে দেশে প্রথম বয়স্কভাতা প্রদান কর্মসূচি চালু হয়। শুরুতে ভাতা প্রাপ্তদের সংখ্যা ছিলো ৪.০৩ লক্ষ জন এবং মাসিক ভাতার পরিমাণ ছিলো ১০০ টাকা করে।
চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরে এসে বয়স্কভাতা গ্রহণকারীর সংখ্যা দাড়িয়েছে ৪৯ লক্ষ এবং মাসিক ভাতার পরিমাণ ৫০০ টাকা।
(সূত্র: সমাজসেবা অধিদফতর ওয়েবসাইট)
২৭৬.
'কাবিখা' হলো -
  1. খাদ্য সহায়তার একটি কর্মসূচি
  2. পিছিয়ে পড়া মানুষদের কর্মসূচি
  3. অসচ্ছল প্রতিবন্ধীদের একটি কর্মসূচি
  4. নারীদের উন্নয়ন কর্মসূচি
ব্যাখ্যা
কাবিখা কর্মসূচি:
- কাজের বিনিময়ে খাদ্য বা কাবিখা হলো খাদ্য সহায়তার একটি কর্মসূচি।

- কাবিখা কর্মসূচীর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য:
• প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামীন অবকাঠামো  নির্মাণ /পুননির্মাণ,
• স্বাভাবিক অবস্থায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এই কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন,
• গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি,
• গ্রামীণ দরিদ্র জনগনের আয় বৃদ্ধি,
• দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য আণয়ন  এবং
• দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্ট।

উৎস: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও বাংলাপিডিয়া।
২৭৭.
বাংলাদেশ কোন অঞ্চলের সঙ্গে “প্রাধান্যভিত্তিক বাণিজ্য চুক্তি (PTA)” করেছে? (জুন-২০২৫)
  1. নেপাল
  2. ভুটান
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. চীন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রথম ’অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি’ করে ভুটানের সঙ্গে।
- এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ এবং ভুটান থেকে বিস্তৃত পণ্য একে অপরের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে।
- বাংলাদেশের সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এবং ভুটানের অর্থমন্ত্রী লিয়নপো লোকনাথ শর্মা নিজ নিজ দেশের পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

উৎস: প্রথম আলো{লিংক}
২৭৮.
বাংলাদেশ সরকার কোন উৎস থেকে সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় করে?
  1. ভূমি রাজস্ব
  2. মূল্য সংযোজন কর
  3. আয়কর
  4. আমদানি শুল্ক
ব্যাখ্যা
◉ বাংলাদেশ সরকার সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় করে ⎯ মূল্য সংযোজন কর বা মূসক থেকে।
➝ বর্তমান ২০২৩ - ২৪ অর্থবছরে রাজস্ব বোর্ডের আয়ের মোট ৩৮.১% ভ্যাট থেকে আহরণ করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।
➝ অন্যান্য যেকোনো উৎসের তুলনায় সকল অর্থবছরেই মূল্য সংযোজন কর (মুসক) থেকেই সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আহরিত হয়।
➝ দ্বিতীয় প্রধান উৎস ⎯ আয়কর (আয়, মুনাফা, ও মূলধনের উপর কর)।

সরকারের রাজস্ব প্রাপ্তির চিত্র:
২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট অনুযায়ী ⎯
- বৈদেশিক অনুদানসহ মোট রাজস্ব প্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা ⎯ ৫০৩,৯০০ কোটি টাকা।
- NBR নিয়ন্ত্রিত কর ⎯ ৪৩০,০০০ কোটি টাকা,
- NBR নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত কর ⎯ ২০,০০০ কোটি টাকা,
- কর ব্যতীত অন্যান্য প্রাপ্তি ⎯ ৫০,০০০ কোটি টাকা
- বৈদেশিক অনুদান ⎯ ৩,৯০০ কোটি টাকা।

রাজস্ব বোর্ড (NBR) কর্তৃক আহরিত কর:
NBR যেসকল খাত থেকে কর উত্তোলন করে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ⎯
➝ মূল্য সংযোজন কর ⎯ ১৬৩,৮৩৭ কোটি টাকা (৩৮.১%),
➝ আয়, মুনাফা, ও মূলধনের উপর কর ⎯ ১৫৩,২৬০ কোটি টাকা (৩৫.৬%),
➝ সম্পূরক কর ⎯ ৬০,৭০৩ কোটি টাকা (১৪.১%),
➝ আমদানি শুল্ক ⎯ ৪৬,০১৫ কোটি টাকা,
➝ আবগারি শুল্ক ⎯ ৪,৫৭৯ কোটি টাকা।
⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯
মূল্য সংযোজন কর/Value Added Tax (মূসক/VAT):
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর একটি ⎯ পরোক্ষ কর।
- ১৯৯০ সনের মধ্য জুনের কিছু আগে মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯০ (খসড়া) তৈরি করা হয়।
- মূল্য সংযোজন কর চালু হয় ⎯ ১ জুলাই ১৯৯১ সালে।
- সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়। কিছু বিশেষ সেবার ক্ষেত্রে এই হার কম/বেশি হতে পারে।

উৎস: জাতীয় বাজেট ⎯২০২৩-২৪, NBR ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
২৭৯.
কোনটি বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্রবন্দর?
  1. ক) মাতারবাড়ী
  2. খ) মোংলা
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) পায়রা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর।
- এটি ১৮৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর মোংলা সমুদ্রবন্দর।
- এটি ১৯৫০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্রবন্দর পায়রা সমুদ্রবন্দর। 
- এটি ২০১৬ সালে যাত্রা শুরু করে।
- স্বাধীন বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর।
- এটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করবে ২০২৫ সালে।
২৮০.
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের মেয়াদ কত বছর?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধানের পদবী গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর আহসান এইচ মনসুর (১৩তম)। (নভেম্বর, ২০২৪)
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের মেয়াদ ৪ বছর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্ণর ছিলেন- এ. এন. হামিদুল্লাহ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২৮১.
TIN-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Taxpayer Identification Number
  2. Tax Identification Number
  3. Tax Inspection Number
  4. Taxpayer Inspection Number
ব্যাখ্যা

TIN:
- TIN এর পূর্ণরূপ: Taxpayer's Identification Number.

⇒ E-TIN এর পূর্ণরূপ: Electronic Taxpayer's Identification Number.
- 'E-TIN' চালু করা হয় ২০১৩ সালে।
- এটি আয়কর নিবন্ধনের আধুনিক সংস্করন।
- এটি ১২ ডিজিটের ১টি নম্বর।
- একজন করদাতাকে সহজে, ঘরেবসে অনলাইনে নিবন্ধন পেতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
- www. incometax.gov.bd এই সাইট গেলে ই- টিআইএন নিবন্ধন নেওয়া যাবে।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।

২৮২.
কোন সংস্থা Bangladesh Development Forum এর সমন্বয় করে থাকে?
  1. ক) এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক
  2. খ) আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল
  3. গ) বিশ্বব্যাংক
  4. ঘ) অর্থনেতিক সম্পর্ক বিভাগ
ব্যাখ্যা
Bangladesh Development Forum (BDF) বা বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম এর সমন্বয় করে থাকে বিশ্বব্যাংক। BDF হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম যা ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
শুরুতে এটির নাম ছিলো বাংলাদেশ এইড গ্রুপ। ১৯৯৭ সালে এর নামকরণ হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম।
প্রথমদিকে এর বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ২০২০ সালের ২৯-৩০ জানুয়ারি ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম (বিডিএফ) এর সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
(সূত্রঃ ইআরডি ওয়েবসাইট)
২৮৩.
গিনি সূচক কী নির্দেশ করে?
  1. দারিদ্রতার হার
  2. আয় বৈষম্য
  3. বিনিয়োগ-সঞ্চয় অনুপাত
  4. এসডিজি অগ্রগতি
ব্যাখ্যা
গিনি সূচক: 
- গিনি সূচক আয় বৈষম্যকে নির্দেশ করে। 
- একটি অর্থনীতির মধ্যে ব্যক্তি বা পরিবারের মধ্যে আয় বা ভোগের বন্টন কতটা সম্পূর্ণ সমান বন্টন থেকে বিচ্যুত হয় তা গিনি সূচক পরিমাপ করে।
- ০(শূন্য) গিনি সূচক নিখুঁত সমতাকে প্রতিনিধিত্ব করে, যেখানে ১০০ সূচক নিখুঁত বৈষম্যকে নির্দেশ করে।
- গিনি সূচক পরিমাপ করে যে, একটি অর্থনীতির মধ্যে ব্যক্তি বা পরিবারের মধ্যে আয়ের বন্টন (অথবা, কিছু ক্ষেত্রে, ভোগ ব্যয়) কতটা সম্পূর্ণ সমান বন্টন থেকে বিচ্যুত হয়।
- একটি লরেঞ্জ বক্ররেখা দরিদ্রতম ব্যক্তি বা পরিবার থেকে শুরু করে, মোট প্রাপ্ত আয়ের ক্রমবর্ধমান শতাংশকে প্রাপকদের ক্রমবর্ধমান সংখ্যার বিপরীতে চিত্রিত করে।
- গিনি সূচক লরেঞ্জ বক্ররেখা এবং পরম সমতার একটি কাল্পনিক রেখার মধ্যবর্তী ক্ষেত্রফল পরিমাপ করে, যা রেখার নীচের সর্বাধিক ক্ষেত্রফলের শতাংশ হিসাবে প্রকাশ করা হয়।
- সুতরাং ০(শূন্য) গিনি সূচক নিখুঁত সমতাকে প্রতিনিধিত্ব করে, যেখানে ১০০ সূচক নিখুঁত বৈষম্যকে নির্দেশ করে।
- বাংলাদেশের গিনি ইনডেক্স (২০২২) হচ্ছে ৩৩.৪ । 

উৎস: বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।
২৮৪.
GDP কোন সময়সীমার ভিত্তিতে পরিমাপ করা হয়?
  1. এক মাস
  2. এক বছর
  3. পাঁচ বছর
  4. এক দশক
ব্যাখ্যা
Gross Domestic Product (GDP):
- GDP এর পূর্ণরূপ হলো Gross Domestic Product (মোট দেশজ উৎপাদন)।  
- মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) বা জিডিপি হলো একটি নির্দিষ্ট দেশের ভূখণ্ড ও রাজনৈতিক সীমানার মধ্যে অবস্থানরত দেশি ও বিদেশি সকল সম্পদ ব্যবহার করে এক বছরে উৎপাদিত সকল চূড়ান্ত পণ্য ও সেবার বাজার মূল্য।
- এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা এবং সার্বিক উৎপাদন ক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।

উল্লেখ্য, 
- জিডিপি দেশের ভূগোলিক সীমার মধ্যে উৎপাদিত সব ধরনের পণ্য ও সেবার আর্থিক মূল্য হিসাব করে, এটি দেশের অর্থনীতির সার্বিক চিত্র তুলে ধরে। এর মাধ্যমে একটি দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়, যেমন সে দেশ কতটা উন্নত বা উন্নয়নশীল, তার উৎপাদন ক্ষমতা এবং তার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কীভাবে ঘটছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮৫.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু হয়েছিল -
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০১ সালে
  3. ২০০৯ সালে
  4. ২০১১ সালে
ব্যাখ্যা
মোবাইল ব্যাংকিং:
- মোবাইল ব্যাংকিং বলতে মূলত মোবাইল টেলিযোগাযোগ ডিভাইসের সাহায্যে ব্যাংকিং ও আর্থিক সুবিধাকে বোঝায়।
- এর সাহায্যে ব্যাংকিংয়ের সব সুবিধা মোবাইলেই পাওয়া যায়।
- অর্থাৎ ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সব কার্যক্রম মোবাইলের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করার সুবিধাই হচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিং।
- শুরুতে মোবাইল ব্যাংকিং সাধারণত এসএমএসের মাধ্যমে করা হতো।
- ১৯৯৯ সালে স্মার্টফোনের আবির্ভাবের পর ইউরোপীয় ব্যাংকগুলো তাদের গ্রাহকদের প্রথম মোবাইল ব্যাংকের সুবিধা প্রদান করে।

⇒ বাংলাদেশে ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংক লিমিটেড সর্বপ্রথম ২০১১ সালের ৩১শে মার্চ প্রথম বারের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করেছিলো।
- তাদের পরিচালিত মোবাইল ব্যাংকিং সেবার নাম রকেট।
- রকেটের আগমন বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবার একটি নতুন যুগের সূচনা করে।
- ২০১১ সালে যখন  প্রথম এই মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবা চালু হয়েছিলো তখন এটি বাংলালিংক এবং সিটিসেল মোবাইল অপারেটর এর ‘এজেন্ট’ এবং ‘নেটওয়ার্ক’ সহায়তা গ্রহণ করার মাধ্যমেই পথচলা শুরু করে।
- ২০১৬ সালে এ সেবার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় রকেট, যা এখন টাকার রকেট নামে পরিচিত।
- এরপর থেকে অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানও এই সেবা চালু করে এবং ধীরে ধীরে মোবাইল ব্যাংকিং বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

উল্লেখ্য,
- রকেট আসার পরপরই ২০১১ সালে ব্র্যাক ব্যাংকের অঙ্গসংগঠন হিসেবে দ্বিতীয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা হিসেবে বিকাশের (BKASH) আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- ব্যাংক ছাড়াও ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ থেকে পরিচালিত নগদ মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু হয়।
- প্রথম এজেন্ট ব্যাকিং সেবা চালু করে ব্যাংক এশিয়া।
- মোবাইল ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান 'বিকাশ'।

উৎস: ডাচ-বাংলা ব্যাংক ওয়েবসাইট।
২৮৬.
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর কতজন? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৬ জন
  4. ৮ জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
- এটি বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২-এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ব্যতীত এর আরও দশটি শাখা রয়েছে। এগুলো হলো: মতিঝিল, ঢাকা, সদরঘাট, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, রাজশাহী, বগুড়া, খুলনা, ময়মনসিংহ, রংপুর।

⇒ ব্যাংকটি পরিচালনার জন্য ৮ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালনা পর্ষদ রয়েছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এ পর্ষদের সভাপতি।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর: ড. আহসান এইচ মনসুর (১৩তম)।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদ ৪ বছর।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ৪ জন।
- এরা হলেন - নুরুন নাহার, ডাঃ মোঃ হাবিবুর রহমান, মোঃ জাকির হোসেন চৌধুরী, ডাঃ মোঃ কবির আহমেদ। 

উৎস: Bangladesh Bank ওয়েবসাইট। [link]
২৮৭.
Current Bank rate of Bangladesh Bank is -
  1. 4.00%
  2. 5.00%
  3. 5.75%
  4. 7.75%
ব্যাখ্যা
ব্যাংক রেট:
- ব্যাংক রেট হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকের (দীর্ঘমেয়াদি) গৃহীত ঋণের সুদ হার।
- বাংলাদেশ ব্যাংক মাসিক ভিত্তিতে ব্যাংক হার নির্ধারণ করে থাকে
- মুদ্রানীতির উপর ভিত্তি করে এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ ব্যাংক এই হার পর্যালোচনা করে।
- ২০২৩ সালের মুদ্রানীতিতে ব্যাংক রেট ৪% করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
POLICY RATES:

- Policy Rate (Repo Rate): 7.75%,
- SLF Rate: 9.75%,
- SDF Rate: 5.75%,
- Bank Rate : 4.00%.

RESERVE RATIOS:
- Traditional Banking: SLR: 13%, CRR: 4.0%,
- Islamic Banking: SLR: 5.5%, CRR: 4.0%,
- Deposit Taker FIs: SLR: 5%, CRR: 1.5%,
- Non Deposit Taker FIs: SLR: 2.5%.

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
২৮৮.
দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক EPZ কোথায় অবস্থিত?
  1. নীলফামারী
  2. সৈয়দপুর
  3. রংপুর
  4. গাইবান্ধা 
ব্যাখ্যা

• সরকারি EPZ:
- বাংলাদেশে সরকারি EPZ এর সংখ্যা ৮ টি।
- এগুলোর অবস্থান হলো- চট্টগ্রাম, সাভার, মংলা (খুলনা), উত্তরা (নীলফামারী), ঈশ্বরদী (পাবনা), কুমিল্লা, কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) ও আদমজী (নারায়ণগঞ্জ)।
- এট ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সংসদে পাশ হওয়া আইনবলে ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশের EPZ সমূহের ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রন করে BEPZA.
- দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক EPZ উত্তরা, নীলফামারী।

উৎস- বেপজা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।

২৮৯.
প্রবাসী আয়কে কোনটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়?
  1. ক) GNP
  2. খ) GDP
  3. গ) NNP
  4. ঘ) NDP
ব্যাখ্যা
মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP):
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের জনগণ যে পরিমাণ বস্তুগত ও অবস্তুগত চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন করে তার সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) বলে।
- বিদেশে অবস্থানরত দেশীয় নাগরিকদের অর্জিত আয় GNP তে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত পণ্য ও সেবা বিদেশে বিক্রয় তা হলো রপ্তানী।
- বিদেশে উৎপাদিত পণ্য ও সেবা দেশের অভ্যন্তরে বিক্রয় তা হল আমদানি।
- এ রপ্তানি ও আমদানির ব্যবধানকে নীট রপ্তানি আয় বলে।
- অতএব একটি দেশের সব নাগরিকদের মোট ভোগ ব্যয়, মোট বিনিয়োগ ব্যয়, মোট সরকারি ব্যয় এবং নীট রপ্তানি আয়ের সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) বলা হয়।

অন্যদিকে -
• মোট দেশজ উৎপাদন (Gross Domestic Product or GDP) হলো একটি দেশের ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক সীমারেখার মধ্যে দেশে অবস্থিত সকল ব্যক্তিবর্গ (দেশি ও বিদেশি) প্রাপ্ত সম্পদ ব্যবহার করে যে পরিমাণ দ্রব্য ও সেবাসামগ্রী উৎপাদন করে তার আর্থিক মূল্য।

• NNP (Net National Product): মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দিলে পাওয়া যায় নীট জাতীয় উৎপাদন।
নীট জাতীয় উৎপাদন = মোট জাতীয় উৎপাদন – মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয়।

• NDP (Net Domestic Product): মোট দেশজ উৎপাদন থেকে মূলধনের বাদ দিলে যা পাওয়া যায় তা হলো নীট দেশজ উৎপাদন।

উৎস: অর্থনীতি, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯০.
'কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২২' অনুযায়ী আম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) চাপাইনবাবগঞ্জ জেলা
  2. খ) দিনাজপুর জেলা
  3. গ) রংপুর জেলা
  4. ঘ) রাজশাহী জেলা
ব্যাখ্যা
'কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২২:
- মোট আবাদযোগ্য জমি: ৩,৯৪,৯৩,০০০ একর।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ: ৮৩,১২,০০০ একর।
- বনাঞ্চল: ৬৩,৬৩,০০০ একর (প্রায়)।
- মোট জমির পরিমাণ (আবাদী, অনাবাদী, বনাঞ্চল ও অন্যান্য): ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।
- উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
• আম: রাজশাহী জেলা।
• লিচু: দিনাজপুর জেলা।
• আনারস: টাঙ্গাইল জেলা।
• কাঠাল: গাজীপুর জেলা।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২২।
২৯১.
নিচের কোনটি রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক নয়?
  1. বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
  2. বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড
  3. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
  4. রূপালী ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা
ব্যাংকসমূহ:
- রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা ৬টি।
• সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
• রূপালী ব্যাংক লিমিটেড।
• জনতা ব্যাংক পিএলসি।
• অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড।
• বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।
• বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড।

অন্যদিকে -
বিশেষায়িত ব্যাংক:
- বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকের সংখ্যা ৩টি।
- এগুলো হলোঃ
• বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক।
• রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।
• প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২৯২.
বাংলাদেশে বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা কতটি? (সেপ্টেম্বর-২০২৫)
  1. ৪৫টি
  2. ৩৭টি
  3. ৪৩টি
  4. ৪৭টি
ব্যাখ্যা

• ব্যাংকের প্রকারভেদ:
------------------------------------------------
- তফসিলী ব্যাংকের সংখ্যা মোট ৬২ টি।
- অ- তফসিলী ব্যাংকের সংখ্যা মোট ৫ টি।
- রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
- বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,( বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক)
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
- বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।
- শরিয়া ভিত্তিক ইসলামিক ব্যাংক : ১০ টি।
- ডিজিটাল ব্যাংক: ১ টি।

​উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।

২৯৩.
দেশের প্রথম 'সোশ্যাল কারেন্সি কার্ড' চালু করেছে কোন ব্যাংক?
  1. এবি ব্যাংক পিএলসি
  2. সিটি ব্যাংক পিএলসি
  3. ডাচ বাংলা ব্যাংক পিএলসি
  4. ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
সোশ্যাল কারেন্সি কার্ড:
- দেশের প্রথম 'সোশ্যাল কারেন্সি কার্ড' চালু করেছে ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি।

⇒ ইস্টার্ন ব্যাংক (ইবিএল) আনুষ্ঠানিকভাবে ‘স্কাইফ্লেক্স ভিসা প্রিপেইড কার্ড’ চালু করেছে।
- এটি দেশের প্রথম অ্যাপ-ভিত্তিক সোশ্যাল কারেন্সি প্রিপেইড কার্ড।
- এতে কৌশলগত সহযোগিতা দিয়েছে দ্য ইউরস ট্রুলি ও ভিসা।
- এ উপলক্ষে গতকাল আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইবিএল এমডি আলী রেজা ইফতেখার, এএমডি আহমেদ শাহীন ও ডিএমডি এম খোরশেদ আনোয়ার; ভিসার কান্ট্রি ম্যানেজার সাব্বির আহমেদ এবং দ্য ইউরস ট্রুলির চেয়ারম্যান এম জাহাঙ্গীর আলম, এমডি মাহজাবিন ফেরদৌস ও সিইও ব্রেইটি সাবরিন।

উৎস: Eastern Bank PLC ওয়েবসাইট।
২৯৪.
PRSP-এর পূর্ণরূপ -
  1. Poverty Reduction Strategy Programme
  2. Poverty Reduction Scheme Papers
  3. Poverty Reduction Strategy Papers
  4. Poverty Reducing Strategy Papers
ব্যাখ্যা
PRSP:
- PRSP-এর পূর্ণরূপ হলো: Poverty Reduction Strategy Papers.
- PRSP হলো আইএমএফের নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার গৃহিত দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র।
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫-২০০৮ এবং ২০০৯-২০১১ সময়ে মোট দুটি দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে।
- বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন PRSP প্রণয়ন করে।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
২৯৫.
জাতীয় আয়কর দিবস পালিত হয় কত তারিখে?
  1. ক) ৩০ নভেম্বর
  2. খ) ১৫ সেপ্টেম্বর
  3. গ) ৩০ সেপ্টেম্বর
  4. ঘ) ১৫ নভেম্বর
ব্যাখ্যা
• জাতীয় আয়কর দিবস পালিত হয়  প্রতি বছরের ৩০ নভেম্বর
- ২০০৮ সাল থেকে দেশে আয়কর দিবস উদযাপিত হচ্ছে।
- আগে প্রতি বছর ১৫ সেপ্টেম্বর দিবসটি উদযাপিত হতো।  
- তবে ২০১৬ সাল থেকে ৩০ নভেম্বর আয়কর দিবস পালন করছে এনবিআর।
- এদিন ব্যক্তিশ্রেণির আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন জমা দেওয়ারও শেষ দিন।

সূত্র: যুগান্তর ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৯৬.
বর্তমানে বাংলাদেশে স্বাভাবিক ব্যক্তির করমুক্ত আয়সীমা কত টাকা? [জুন, ২০২৫]
  1. ৩ লক্ষ টাকা
  2. ৩.৫ লক্ষ টাকা
  3. ৪ লক্ষ টাকা
  4. ৪.৫ লক্ষ টাকা
  5. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• করমুক্ত আয়কর সীমা:[জুন, ২০২৫]
- স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয়কর সীমা ৩,৫০,০০০ টাকা।
- মহিলা করদাতা এবং ৬৫ বৎসর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৪,০০,০০০ টাকা;
- তৃতীয় লিঙ্গের করদাতা এবং প্রতিবন্ধী স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৪,৭৫,০০০ টাকা;
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৫,০০,০০০ টাকা;
- কোনো প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতামাতা বা আইনানুগ অভিভাবকের প্রত্যেক সন্তান/পোষ্যের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা ৫০,০০০ টাকা অধিক হবে; প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতা ও মাতা উভয়েই করদাতা হইলে যেকোনো একজন এই সুবিধা ভোগ করবেন।

উৎস: আয়কর পরিপত্র ২০২৪-২০২৫।
২৯৭.
বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস কোনটি?
  1. রেমিটেন্স
  2. বৈদেশিক ঋণ
  3. বাণিজ্য
  4. কর রাজস্ব
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসসমূহ:
- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।
- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা-
- কর রাজস্ব এবং
- কর বহির্ভূত রাজস্ব।
- বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস হলো কর রাজস্ব (Tax Revenue)।

• বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নরূপ:
- আয় ও মুনাফা কর,
- আমদানি শুল্ক,
- মূল্য সংযোজন কর,
- আবগারি শুল্ক,
- সম্পূরক শুল্ক:,
- যানবাহন কর,
- ভূমি রাজস্ব,

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি, নবম দশম শ্রেণি।

২৯৮.
পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ১৯৯৮ সালে
  3. ১৯৯৯ সালে
  4. ২০০০ সালে
ব্যাখ্যা

পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন:
- জাতীয় সংসদে গৃহীত আইনের মাধ্যমে 'পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ)' প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠা করা হয়: ১৯৯৯ সালে।
- পিডিবিএফ একটি সংবিদিবদ্ধ, স্ব-শাসিত, অমুনাফাকাঙ্ক্ষী, আত্মনির্ভরশীল, নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- পিডিবিএফ ক্ষুদ্র ঋণ এর পাশাপাশি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণ (SELP) পরিচালনা করে যাতে করে গ্রামীন বঞ্চিত মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি হয়।

তথ্যসূত্র - পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।

২৯৯.
বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT) চালু হয় কবে?
  1. ১ জুলাই ১৯৯১
  2. ১ আগস্ট ১৯৯২
  3. ১ জুন ১৯৯১
  4. ১ জুন ১৯৯৬
ব্যাখ্যা

• মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট):
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের সবচেয়ে বড় খাত হলো মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট)।
- বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT- Value Added Tax মূল্য সংযোজন কর) চালু হয় — ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
- ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।

• বাংলাদেশের সরকারি রাজস্ব আয়ের প্রধান খাত সমূহ:
- প্রথম : মূল্য সংযোজন কর,
- দ্বিতীয় : আয়কর, 
- তৃতীয় : সম্পূরক শুল্ক, 
- চতুর্থ : আমদানি শুল্ক।

উৎস: এনবিআরের ওয়েবসাইট।

৩০০.
বাংলাদেশের সরকারি নোট কোনগুলো?
  1. ১০, ২, ২০ টাকার নোট
  2. ১, ২, ৫ টাকার নোট
  3. ১০, ২০, ৫ টাকার নোট
  4. ১০, ২, ৫ টাকার নোট
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের ব্যাংক নোট: 
- বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- ব্যাংক নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট।
- এসব নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে আর এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।
- বাংলাদেশের নতুন ১০০ টাকার নোটে সামনের অংশে বামপাশে বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদের ছবি এবং মাঝখানে পাতা ও কলিসহ প্রস্ফুটিত জাতীয় ফুল শাপলার ছবি থাকবে।
- পেছনে থাকবে সুন্দরবনের দৃশ্য। জলছাপ হিসেবে দেখা যাবে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখ, নিচে ‘১০০’ সংখ্যা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।