বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের অর্থনীতি

মোট প্রশ্ন১,৮৬১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের অর্থনীতি

PrepBank · পাতা / ১৯ · ১০১২০০ / ১,৮৬১

১০১.
মুদ্রাস্ফীতির প্রধান কারণ হলো -
  1. ক) উৎপাদন বৃদ্ধি
  2. খ) আমদানি বৃদ্ধি
  3. গ) মুদ্রার যোগান বৃদ্ধি
  4. ঘ) রপ্তানি বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
মুদ্রাস্ফীত:
- ক্ল্যাসিকেল অর্থনীবিদদের মতে, মুদ্রার পরিমাণ বৃদ্ধিই হলো মুদ্রাস্ফীতি।
- মনিটারিস্টরা মনে করেন যে, অর্থের অতিরিক্ত যোগান বৃদ্ধির কারণে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পায় এবং মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়।
- কেইনসের মতে, পূর্ণ নিয়োগ অবস্থার পর অর্থের চাহিদার চেয়ে অর্থের যোগান বৃদ্ধি পেলে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়।
- সংক্ষেপে বলা যায়, যখন দেশে প্রচলিত অর্থের পরিমাণ উৎপাদিত মোট দ্রব্যসামগ্রীর তুলনায় অধিক হয় এবং তার ফলে দ্রব্যমূল্য বা দামস্তর ক্রমাগত বৃদ্ধি পেতে থাকে সে অবস্থাকেই ‘মুদ্রাস্ফীতি' (Inflation) বলা হয় ।
- মুদ্রাস্ফীতির ফলে অর্থ ও সম্পদ এক শ্রেণীর লোকের হাত হতে অন্য এক শ্রেণীর লোকের হাতে চলে যায়। 
- মুদ্রাস্ফীতির ফলে সাধারণ মূল্যস্তর ও উৎপাধন ব্যয় বৃদ্ধি পায়। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি ২য় পত্র- বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০২.
মুদ্রার অবমূল্যায়ন হলে নিচের কোনটি ঘটে?
  1. আমদানি হ্রাস পায়
  2. আমদানি বৃদ্ধি পায়
  3. রপ্তানি কমে
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

মুদ্রার অবমূল্যায়ন:
- মুদ্রার অবমূল্যায়ন হলো ডলারের বিপরীতে কোন দেশের মুদ্রার মান কমিয়ে দেওয়া।
- মুদ্রা ইস্যুকারী সরকার একটি মুদ্রার অবমূল্যায়ন করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- মুদ্রার অবমূল্যায়নের ফলে বিদেশী ক্রেতারা সমপরিমাণ ডলার দিয়ে পূর্বাপেক্ষা কম দামে অধিক পণ্য ক্রয় করতে পারে।
- এতে করে রপ্তানি বৃদ্ধি পায় এবং আমদানি হ্রাস পায়।
- ফলশ্রুতিতে বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাস পায়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৩.
কত সালে বাংলাদেশে মুদ্রার ভাসমান বিনিময় হার চালু হয়?
  1. ২০০১ সালে
  2. ২০০২ সালে
  3. ২০০৩ সালে
  4. ২০০৪ সালে
ব্যাখ্যা
মুদ্রার ভাসমান বিনিময় হার:
- মুদ্রার ভাসমান বিনিময় হার (Floating Exchange Rate) বলতে বোঝায় এমন একটি বিনিময় হার ব্যবস্থা যেখানে দেশের মুদ্রার মূল্য বাজারের চাহিদা ও সরবরাহের উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়।
- এই ধরনের বিনিময় হার সরকার বা কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্বারা সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করা হয় না বরং আন্তর্জাতিক বাজারে অন্যান্য মুদ্রার সঙ্গে বিনিময়ের মাধ্যমে তা পরিবর্তিত হয়।

⇒ বাংলাদেশে প্রথম কাগুজে নোট চালু করা হয়েছিল ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ।
- বিনিময় হারকে নিয়ন্ত্রণমুক্ত করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশে প্রথম পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল ১৯৯৩ সালে ১৭ জুলাই।
- এর আগে দেশে বৈদেশিক মুদ্রাবাজার ছিল না। বাংলাদেশ ব্যাংকই চাহিদানুযায়ী ব্যবহারকারীদের মধ্যে বৈদেশিক মুদ্রা বরাদ্দ দিত। 

উল্লেখ্য,
- ২০০৩ সালের ২৯ মে বাংলাদেশ ব্যাংক স্থিরীকৃত মুদ্রা বিনিময় হারের পরিবর্তে টাকাকে ভাসমান মুদ্রা হিসেবে ঘোষণা দেয়।
- এর মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রাবাজার বাংলাদেশ ব্যাংকের হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত হয়। তারপরও মুদ্রা বিনিময় হার ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতেই থাকে। তবে আগের মতো তারা সরাসরি হস্তক্ষেপ না করে নিজেই মুদ্রাবাজারে কেনাবেচার মাধ্যমে পরোক্ষভাবে হস্তক্ষেপ করা শুরু করে। বাংলাদেশ ব্যাংক তখন বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করে আসছিল।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) Britannica.
১০৪.
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (জারাবো) রাষ্ট্রপতির কত নং আদেশ দ্বারা গঠিত হয়েছে?
  1. ৭২ নং
  2. ৭৪ নং
  3. ৭৬ নং
  4. ৭৮ নং
ব্যাখ্যা
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড:
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (জারাবো) রাজস্ব প্রশাসনের শীর্ষ সংস্থা।
- এটি ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতি আদেশ নং- ৭৬ দ্বারা গঠিত হয়েছে।
- প্রশাসনিকভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অর্থ মন্ত্রনালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন পরিচালিত হয়।
- অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব জারাবো'র এক্স-অফিসিও চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক প্রধান।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে প্রধান দায়িত্ব হলো কাস্টমস, আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর সংক্রান্ত বিধি-বিধান তৈরি এবং তার আলোকে যথাযথ কর-রাজস্ব আদায় করা।
- এ ছাড়াও চোরাচালান প্রতিরোধ, শুল্ক-কর সংক্রান্ত আর্ন্তজাতিক চুক্তি সম্পাদন ও সরকারের রাজস্ব নীতি সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে প্রতিনিধিত্ব করা।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কাস্টমস, মূসক ও আয়কর অনুবিভাগের মাধ্যমে কাজ করে।
- আয়কর অনুবিভাগ বিসিএস (কর) এবং কাস্টমস ও মূসক অনুবিভাগ বিসিএস (কাস্টমস অ্যান্ড এক্সাইজ) ক্যাডার দ্বারা পরিচালিত হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১০৫.
নিচের কোনটি রাষ্ট্রয়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক নয়?
  1. সোনালী ব্যাংক
  2. কৃষি ব্যাংক
  3. জনতা ব্যাংক
  4. অগ্রণী ব্যাংক
ব্যাখ্যা
• ব্যাংক:
- ব্যাংক প্রধাণত দুই ধরনের। যথা: তফসিলভুক্ত এবং অ-তফসিলভুক্ত।
- দেশে সর্বমোট ব্যাংক আছে ৬৬টি, যার মধ্যে ৬১টি তফসিলভুক্ত এবং ৫টি  অ-তফসিলভুক্ত।

• তফসিলভুক্ত ব্যাংক ৬১টি:
 -তফসিলভুক্ত ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং বিশেষায়িত ব্যাংক।
- আবার বাণিজ্যিক ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রয়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক, বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক, বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক।
• রাষ্ট্রয়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক ৬টি:
১. সোনালী ব্যাংক,
২. জনতা ব্যাংক,   
৩. অগ্রণী ব্যাংক,       
৪. রূপালী ব্যাংক,
৫. বেসিক ব্যাংক।     
৬. বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

- অন্যদিকে কৃষি ব্যাংক হচ্ছে - রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংক।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১০৬.
অর্থনীতির কোন খাতে কর্মসংস্থান সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) শিল্প খাত
  2. খ) নির্মাণ খাত
  3. গ) সেবা খাত
  4. ঘ) কৃষি খাত
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুযায়ী,
- জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১১.৫০ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৪০.৬ শতাংশ।
- জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৭.০৭ শতাংশ।
- শিল্প খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ২০.৪ শতাংশ।
- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.৪৪ শতাংশ।
- সেবা খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৩৯.০ শতাংশ।
১০৭.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০১৯-২০ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে, বাংলাদেশের মানুষের বার্ষিক মাথাপিছু গড় আয়-
  1. ক) ১৯০৯ মার্কিন ডলার
  2. খ) ১৯৭০ মার্কিন ডলার
  3. গ) ২০২৭ মার্কিন ডলার
  4. ঘ) ২০৬৪ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
২০১৯-২০ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের মানুষের বার্ষিক মাথাপিছু গড় আয় ২০৬৪ মার্কিন ডলার। ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে মাথাপিছু গড় আয় ছিল ১৯০৯ মার্কিন ডলার। অর্থাৎ, দেশের মানুষের মাথাপিছু গড় আয় এক বছরের ব্যবধানে ১৫৫ ডলার বেড়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ও মাথাপিছু আয়ের সাময়িক হিসাবে এই চিত্র উঠে এসেছে।
[সূত্রঃ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো পত্রিকা]
১০৮.
সিকিউরিটি প্রেস থেকে প্রথম ছাপানো নোট কোনটি?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০ টাকা
  3. ১০ টাকা
  4. ৫ টাকা
  5. ২ টাকা
ব্যাখ্যা
• ‘সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস’:
- বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা টাকার প্রথম প্রচলন শুরু হয় ০৪ মার্চ, ১৯৭২ সনে।
- দেশের নিজস্ব মুদ্রণালয় না থাকায় প্রতি বছর প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করে।
- পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে কারেন্সি নোট ও ব্যাংক নোট আমদানীপূর্বক দেশে নোটের চাহিদা মিটানো হতো।
- বাংলাদেশ ব্যাংক ১৯৮১ সনে ‘সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস’ নামে একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে।
- যা ১৯৮৩ সনে একনেক (ECNEC) কর্তৃক অনুমোদিত হয়।
- ১৯৮৮ সনে পরীক্ষামূলকভাবে ১ টাকা মূল্যমানের কারেন্সি নোট;
- এবং ১০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোট মুদ্রণ হয়। 
-  ৭ ডিসেম্বর, ১৯৮৯ সনে  বাংলাদেশের মর্যাদা ও গৌরবের প্রতীক ‘সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়।

উৎস: দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস ওয়েবসাইট।
১০৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, মাথাপিছু জাতীয় আয় কত?
  1. ২,৫৬৭ মার্কিন ডলার
  2. ২,৬১৪ মার্কিন ডলার
  3. ২,৭০০ মার্কিন ডলার
  4. ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৮.৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৪.১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১১০.
NNP এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. National Net Production
  2. Net National Price
  3. National Net Price
  4. Net National Product
  5. Net National Production
ব্যাখ্যা

NNP:
- NNP এর পূর্ণরূপ Net National Product.
- মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দিলে পাওয়া যায় নীট জাতীয় উৎপাদন।
- মোট জাতীয় উৎপাদন করতে সারা বছর ধরে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হয়।
- ফলে যন্ত্রপাতির অবচয়জনিত কারণে প্রকৃত মূল্য হ্রাস পেতে থাকে।
- দেশের উৎপাদন ক্ষমতা বজায় রাখতে হলে মোট জাতীয় উৎপাদনের কিছু অংশ মূলধনের ক্ষয়ক্ষতি পুরণের জন্য কর্তন করতে হয়।
- একে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বলে।
- নীট জাতীয় উৎপাদন মোট জাতীয় উৎপাদন মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১১.
বাংলাদেশ কত সালে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ এ আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেয়?
  1. ২০১৩ সাল
  2. ২০১৫ সাল
  3. ২০১৬ সাল
  4. ২০১৭ সাল
ব্যাখ্যা
বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI):
- বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI)পরিকল্পনা হলো চীন প্রবর্তিত একটি মহাপরিকল্পনা।
- ২০১৩ সালে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং প্রথম এই প্রকল্পের বিষয়টি প্রকাশ করেন।
- এ প্রকল্পকে ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড কিংবা নিউ সিল্ক রোড নামেও অভিহিত করা হয়।
- উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ উদ্যোগের বিশাল সংগ্রহ মূলত ভৌত অবকাঠামোর মাধ্যমে পূর্ব এশিয়া এবং ইউরোপকে সংযুক্ত করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল এই উদ্যোগ।
- ২০১৬ সালের অক্টোবরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিং পিং এর ঢাকা সফরের সময় আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ যোগ দেয়।

উল্লেখ্য,
- চীন প্রবর্তিত 'বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI)' কে মোকাবিলা করতে জি৭ভুক্ত দেশসমূহ নতুন যে পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে, তার নাম PGII.
- PGII এর পূর্ণরূপ - Partnership for Global Infrastructure and Investment.
- চীনকে মোকাবিলায় বৈশ্বিক অবকাঠামো ও বিনিয়োগ অংশীদ্বারিত্ব (PGII) প্রকল্প গ্রহণকারী সংস্থার নাম – G7।
- ৪৮তম জি-৭ (গ্রুপ অব সেভেন) শীর্ষ সম্মেলন ২০২২ সালের ২৬-২৮ জুন জার্মানির ব্যাভারিয়ান রাজ্যের শ্লোস এলমাই শহরে অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: Britannica. 
বিবিসি বাংলা।
১১২.
ইউনেস্কো সুন্দরবনকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে ঘোষণা করে -
  1. ক) ১৯৯৬ সালে
  2. খ) ১৯৯৭ সালে
  3. গ) ১৯৯৮ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো সুন্দরবনকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে ঘোষণা করে।

• বাংলাদেশের অংশ ৬,০১৭ বর্গ কি.মি.আয়তনের সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম ব-দ্বীপ, দীর্ঘতম লবণাক্ত জলাভূমি এবং জীব বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ইকোসিস্টেম।
- এখানে ৩৩৪ প্রজাতির উদ্ভিদ এবং ৩৭৫ প্রজাতির বন্যপ্রাণী বিদ্যমান, যার মধ্যে আছে ৩৫ প্রজাতির সরীসৃপ, ৩১৫ প্রজাতির পাখি, ৪২ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং বিশ্ব বিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার।
- প্রধান সরীসৃপ জাতিগুলোর মধ্যে আছে নোনা পানির কুমির, অজগর, গোখরা, গুইসাপ, সামুদ্রিক সাপ, গিরগিটি, কচ্ছপ এবং অন্যান্য।
- প্রায় ৩০ প্রজাতির সাপ সুন্দরবনে পাওয়া যায়।
- জলাভূমি হিসাবে রামসার এলাকার সকল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকায় সুন্দরবনকে ১৯৯২ সালে ৫৬০ তম রামসার এলাকা হিসাবে যোষণা করা হয়েছে।

সূত্র: খুলনা জেলার ওয়েবসাইট।
১১৩.
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সম্ভাব্য উৎপাদন কত?
  1. ক) ২০০০ মেগাওয়াট
  2. খ) ২২০০ মেগাওয়াট
  3. গ) ২৪০০ মেগাওয়াট
  4. ঘ) ২৮০০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র: 
- পাবনা জেলার রূপপুরে পারমাণবিক চুল্লি নির্মিত হয়েছে রাশিয়াযর সহায়তায় । 
- রূপপুর কেন্দ্রে দুটি ইউনিটে ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। 
- এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে প্রাথমিকভাবে এক লক্ষ তের হাজার কোটি টাকারও বেশি খরচ ধরা হয়েছে। 
- বাংলাদেশে একক প্রকল্প হিসেবে এটি সবচেয়ে বড় কোনো অবকাঠামো প্রকল্প।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন।
১১৪.
বাংলাদেশে দেশজাত দ্রব্যের উৎপাদন ও ব্যবহারের উপর ধার্যকৃত কর কোনটি?
  1. আবগারি শুল্ক
  2. আমদানি শুল্ক
  3. রপ্তানি শুল্ক
  4. আয়কর
ব্যাখ্যা

আবগারি শুল্ক (Excise Duties):
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর যে কর ধার্য করা হয়, তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়।
- ‘আবগারি কর’ অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ও আমদানির ওপর সমভাবে প্রযোজ্য হলেও বাস্তবে তা শুধু অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের ওপর আরোপ করা হয়।
- রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যেও আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
- বাংলাদেশে প্রধানত চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই প্রভৃতি দ্রব্যের উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
- আবগারি শুল্ক মূল্যভিত্তিতে অথবা পরিমাণভিত্তিতে নির্ণয় করা হয়।
- বাংলাদেশে বর্তমানে আবগারি শুল্ক আরোপ করা হচ্ছে ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৪, আবগারি ও লবণ আইন-এর অধীনে।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই ও বাংলাপিডিয়া।

১১৫.
E-banking-এর সমার্থক কোনটি?
  1. Tele Banking
  2. Easy Banking
  3. Automated Banking
  4. Internet Banking
ব্যাখ্যা
• E-banking-এর সমার্থক Internet Banking.

• অনলাইন ব্যাংকিং বা ইন্টারনেট ব্যাংকিং:
- ই-ব্যাংকিং হল একটি ব্যাঙ্ক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং এর গ্রাহকদের মধ্যে একটি ব্যবস্থা যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে লেনদেন করতে সক্ষম।
- তথ্য প্রযুক্তির ক্রমাগত উন্নতিতে একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে অনলাইন ব্যাংকিং'। 

অন্যদিকে,
• E-Banking product: 
- ATM, 
- SMS banking, 
- Plastic money, (debit or credit card is called Plastic money).

উৎস: ব্যবসায় নীতি ও প্রয়োগ- ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
১১৬.
একটি দেশের নাগরিকদের দেশের ভেতরে ও দেশের বাহিরে অর্জিত আয় বিবেচনা করা হয় কীসে?
  1. নীট জাতীয় উৎপাদন (NNP)
  2. নীট দেশজ উৎপাদন (NDP)
  3. মোট দেশজ উৎপাদন (GDP)
  4. মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)
ব্যাখ্যা
একটি দেশের নাগরিকদের দেশের ভেতরে ও দেশের বাহিরে অর্জিত আয় বিবেচনা করা হয় মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)-তে। 

মোট জাতীয় উৎপাদন (Gross national income or GNP):

- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের জনগণ যে পরিমাণ বস্তুগত ও অবস্তুগত চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন করে তার সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) বলে।
- একটি দেশের জনগণ দেশের ভেতরে ও দেশের বাহিরে অবস্থান করে উৎপাদন কাজ করতে পারে।
- তাই বিদেশে অবস্থানরত দেশীয় নাগরিকদের অর্জিত আয় GNP-তে অন্তর্ভূক্ত হয়।

⇒ দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত পণ্য ও সেবা বিদেশে বিক্রয় তা হল রপ্তানী আর বিদেশে উৎপাদিত পণ্য ও সেবা দেশের অভ্যন্তরে বিক্রয় তা হল আমদানি।
- এ রপ্তানি ও আমদানির ব্যবধানকে নীট রপ্তানি আয় বলে।
- অতএব একটি দেশের সব নাগরিকদের মোট ভোগ ব্যয়, মোট বিনিয়োগ ব্যয়, মোট সরকারি ব্যয় এবং নীট রপ্তানি আয়ের সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) বলা হয় ।

অন্যদিকে -
⇒ মোট দেশজ উৎপাদন (Gross Domestic Product or GDP):
- GDP হলো একটি দেশের ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক সীমারেখার মধ্যে দেশে অবস্থিত সকল ব্যক্তিবর্গ (দেশি ও বিদেশি) প্রাপ্ত সম্পদ ব্যবহার করে যে পরিমাণ দ্রব্য ও সেবাসামগ্রী উৎপাদন করে তার আর্থিক মূল্য।

⇒ নীট জাতীয় উৎপাদন (Net National Prduct or NNP):
- NNP হলো মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দিলে পাওয়া যায় নীট জাতীয় উৎপাদন।
- মোট জাতীয় উৎপাদন করতে সারা বছর ধরে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হয়।
- ফলে যন্ত্রপাতির অবচয়জনিত কারণে প্রকৃত মূল্য হ্রাস পেতে থাকে।
- দেশের উৎপাদন ক্ষমতা বজায় রাখতে হলে মোট জাতীয় উৎপাদনের কিছু অংশ মূলধনের ক্ষয়ক্ষতি পূরণের জন্য কর্তন করতে হয়।
- একে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বলে । সুতরাং,
নীট জাতীয় উৎপাদন = মোট জাতীয় উৎপাদন – মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয়

⇒ নীট দেশজ উৎপাদন (Net Domestic Product or NDP):
- NDP হলো নীট দেশজ উৎপাদন মোট দেশজ উৎপাদনের একটি অংশ।
- মোট দেশজ উৎপাদন থেকে মূলধনের বাদ দিলে যা পাওয়া যায় তা হলো নীট দেশজ উৎপাদন ।

উৎস: i) অর্থনীতি, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৭.
নিম্নের কোনটি বাংলাদেশ সরকারের কর-বহির্ভূত রাজস্ব ?
  1. ক) সম্পূরক শুল্ক
  2. খ) টোল ও লেভি
  3. গ) বাণিজ্য শুল্ক
  4. ঘ) মূল্য সংযোজন কর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সরকারের কর-বহির্ভূত রাজস্ব হচ্ছে - টোল ও লেভি।
অপরদিকে -
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান উৎস রাজস্ব কর।
- সরকার দেশের জনগণ, বিভিন্ন ব্যবসায় ও শিল্প কারখানার ওপর যে কর ধার্য করে তা থেকে প্রাপ্ত আয়কে রাজস্ব কর বলে।
- বাণিজ্য শুল্ক, আবগারী শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর, সম্পূরক শুল্ক ও ভূমি রাজস্ব ইত্যাদি রাজস্ব কর।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১৮.
আধুনিক অর্থনীতির জনক কে?
  1. ক) John Maynard Keynes
  2. খ) Paul Samuelson
  3. গ) Joseph Stieglitz
  4. ঘ) David Ricardo
ব্যাখ্যা
আধুনিক অর্থনীতির জনক- 'Paul Samuelson' বাংলায় 'পল স্যামুয়েলসন'। 
- Paul Samuelson, in full Paul Anthony Samuelson.
- তিনি একজন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ।
- ১৯৭০ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।   
- তিনি গণিতের মাধ্যমে অর্থনীতির অসংখ্য তত্ব ব্যাখ্যা করেন যা অর্থনীতিতে অনেক বঢ় অবদান রাখে।

• আধুনিক অর্থশাস্ত্রের জনক অ্যাডাম স্মিথ।
- অর্থনীতিকে ‘সম্পদের বিজ্ঞান’ বলেছেন। 
- অ্যাডাম স্মিথের বিখ্যাত গ্রন্থ- 'The Wealth of Nations’
- তিনি ক্লাসিকাল অর্থনীতির প্রবক্তা।

- অধ্যাপক মার্শাল অর্থনীতিকে ‘কল্যাণের বিজ্ঞান’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি নিও-ক্লাসিকাল অর্থনীতির প্রবক্তা।
- অর্থনীতির আধুনিক মতবাদের প্রবক্তা লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লায়নেল রবিন্স।

উৎস: অর্থনীতি- একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী
১১৯.
কোন রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক নিকাশ ঘরের দায়িত্ব পালন করে?
  1. জনতা ব্যাংক পিএলসি
  2. সোনালী ব্যাংক পিএলসি
  3. অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি
  4. রূপালী ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ:
- রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা ৬টি।
• সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
• রূপালী ব্যাংক পিএলসি।
• জনতা ব্যাংক পিএলসি।
• অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি।
• বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।
• বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড।

⇒ সোনালী ব্যাংক পিএলসি:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্র মালিকানাধীন সর্ববৃহৎ বাণিজ্যিক ব্যাংক সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- বাংলাদেশ ব্যাংক্স (ন্যাশনালাইজেশন) অর্ডার ১৯৭২, রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ নম্বর ২৬, ১৯৭২ অনুসারে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, ব্যাংক অব বাহ্ওয়ালপুর এবং প্রিমিয়ার ব্যাংক নিয়ে ‘সোনালী ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর শাখার সংখ্যা বর্তমানে ১২৩১টি।
- দেশের অভ্যন্তরে ১২৩৪টি এবং বিদেশে ২টি শাখা রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- নিকাশ এমন একটি প্রক্রিয়া যাহার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংকের মধ্যে দেনা পাওনা অতি সহজেই নিষ্পত্তি করা যায়।
- নিকাশ ঘরে বিভিন্ন ব্যাংকের প্রতিনিধিগণ মিলিত হয় এবং সকলে সেখানে আসার সময় অন্য ব্যাংকের নামে কাটা চেকসমূহ সাথে করে নিয়ে আসে। নিকাশ-ঘরে একত্রিত হওয়ার পর তারা চেক বিনিময় করে।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর নিকাশ ব্যবস্থার দায়িত্ব 'বাংলাদেশ ব্যাংক' গ্রহণ করে।
- যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা নেই সেখানে সোনালী ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের হয়ে নিকাশ ঘরের দায়িত্ব পালন করে।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

১২০.
সর্ববৃহৎ রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক কোনটি?
  1. ক) জনতা ব্যাংক লিমিটেড
  2. খ) অগ্রনী ব্যাংক লিমিটেড
  3. গ) সোনালী ব্যাংক লিমিটেড
  4. ঘ) রূপালি ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক ৬টি। এর মধ্যে সর্ববৃহৎ রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক হলো সোনালী ব্যাংক লিমিটেড।
পাকিস্তান আমলের ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, ব্যাংক অব বাহওয়ালপুর ও প্রিমিয়ার ব্যাংকের সমন্বয়ে ১৯৭২ সালে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড যাত্রা শুরু করে।
এর অনুমোদিত মূলধন ছয় হাজার কোটি টাকা। শাখার সংখ্যা ১,২২৫টি।
রাষ্ট্রায়ত্ত অন্য ৫টি বাণিজ্যিক ব্যাংক হলোঃ
- জনতা ব্যাংক লিমিটেড
- অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড
- রূপালি ব্যাংক লিমিটেড
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড এবং
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক লিমিটেড।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক ও সোনালী ব্যাংক ওয়েবসাইট)
১২১.
বাংলাদেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. ক) মিশ্র অর্থনীতি
  2. খ) বৈদেশিক ঋণ গ্রহণ
  3. গ) কৃষির উপর নির্ভরশীলতা
  4. ঘ) শিল্পোন্নত
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্যসমূহ বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ।
- সুতরাং উন্নয়নশীল অর্থনীতির সকল বৈশিষ্ট্যই বাংলাদেশের ক্ষেত্রে কম-বেশি দেখতে পাওয়া য়ায়।

• নিম্নে বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা করা হলো:
- স্বল্প মাথাপিছু আয়।
- কৃষির উপর নির্ভরশীলতা
- প্রাকৃতিক সম্পদের অপূর্ণ ব্যবহার।
- শিল্পের অনগ্রসর
- জনসংখ্যার চাপ।
- মিশ্র অর্থনীতি
- সস্তা শ্রম।
- বৈদেশিক ঋণ গ্রহণ
- মুদ্রাস্ফীতি ইত্যাদি।

সূত্র: অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১২২.
পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী 
  2. অর্থসচিব
  3. পরিকল্পনামন্ত্রী
  4. অর্থমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

পরিকল্পনা কমিশন:
- বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনা সহ সরকারের বিভিন্ন মেয়াদী অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে।
- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুমোদন করে জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল।
- পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প চেয়ারম্যান অর্থমন্ত্রী এবং ভাইস চেয়ারম্যান পরিকল্পনা মন্ত্রী।
- পরিকল্পনা কমিশন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনাসহ সরকারের যাবতীয় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।

১২৩.
What does NPSB stand for in Bangladesh's banking sector?
  1. National Payment System of Banks
  2. National Payment Switch Bangladesh
  3. National Processing Service Bureau 
  4. Network Payment and Settlement Board
ব্যাখ্যা

NPSB:
- NPSB-এর পূর্ণরূপ: National Payment Switch Bangladesh.

⇒ NPSB হলো বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় ইলেকট্রনিক রিটায়েল লেনদেন প্ল্যাটফর্ম।
- NPSB সিস্টেম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্বারা পরিচালিত হয়।
- NPSB পদ্ধতির আওতায় বর্তমানে আন্তঃব্যাংক অটোমেটেড টেলার মেশিন (এটিএম), পয়েন্ট অফ সেলস (পিওএস), ইন্টারনেট ব্যাংকিং ফান্ড ট্রান্সফার (আইবিএফটি) লেনদেন প্রক্রিয়া করছে।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ডস্ ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক (BEFTN)। বাংলাদেশে ব্যাংকিং ব্যবস্থায় অত্যান্ত চমৎকার একটি ব্যাংকিং সেবা। যার মাধ্যমে একজন গ্রাহক তার নিকটাবর্তী যে কোনো একটি ব্যাংকের শাখা থেকে থেকে অতি অল্প সময়ে ও কম খরচে অন্য আরেকটি ব্যাংকের যে কোনো শাখায় টাকা পাঠাতে পারবেন। এটির মাধ্যমে ক্রেডিট ও ডেবিট দুই ধরনেরই লেনদেন করা যায়। বাংলাদেশে কার্যরত সব তফশিলি ব্রাংক BEFTN-এর মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে অর্থ লেনদেন সেবা দিচ্ছে।
- এনপিএসবি ও বিইএফটিএন ছাড়াও আরেকটি পেমেন্ট সিস্টেম রয়েছে আরটিজিএস (RTGS) বা রিয়েল টাইম গ্রোস সিস্টেম (Real Time Gross System)। এ পেমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো যায়।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

১২৪.
ভূমিকর কোন ধরণের কর?
  1. প্রত্যক্ষ
  2. পরোক্ষ
  3. মূল্য সংযোজন
  4. উন্নয়ন
ব্যাখ্যা

• ’ভূমিকর’ একটি প্রত্যক্ষ কর।
- ভূমি কর জমির মালিকানা বা ভোগদখলের ভিত্তিতে জমির মালিকের উপর সরাসরি ধার্য হয়।

• প্রত্যক্ষ কর:
⇒ কোন ব্যক্তির উপর আরোপিত কর সরকার প্রত্যক্ষভাবে আদায় করলে এবং করদাতা ঐ করের বোঝা অন্যের উপর চাপিয়ে দিতে সক্ষম না হলে তাকে প্রত্যক্ষ কর বলে।
যেমন: আয়কর, ভূমিকর, মুনাফা কর, ব্যয়কর ইত্যাদি।

• পরোক্ষ কর:
⇒ করদাতা নিজে প্রত্যক্ষভাবে বা সরাসরি কর প্রদান না করে অন্য কোনো মাধ্যমে সরকারকে কর প্রদান করলে তাকে পরোক্ষ কর বলে।
যেমন: মূসক, আমদানি শুল্ক, বিক্রিয় কর, পণ্যকর ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি বই।

১২৫.
জাতিসংঘ কত সালে বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা

LDC:
- ১৯৭১ সালের ১৮ নভেম্বর প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
- প্রারম্ভিক তালিকায় ২৫টি দেশ অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বর্তমানে ৪৪টি দেশ এলডিসি তালিকাভুক্ত।
- মাথাপিছু কম জাতীয় আয়, অনুন্নত মানবসম্পদসহ আর্থসামাজিক উন্নয়নে নিম্ন সূচকের দেশগুলোই এলডিসির অন্তর্ভুক্ত।
- সিডিপি তিনটি সূচক যথা মাথাপিছু জাতীয় আয়, মানবসম্পদ সূচক এবং অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভঙ্গুরতা সূচকের ভিত্তিতে তিন বছর পরপর স্বল্পোন্নত দেশগুলোর আর্থসামাজিক পরিস্থিতি মূল্যায়নের মাধ্যমে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের বিষয় পর্যালোচনা করে।

⇒ জাতিসংঘ ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।
- জাতিসংঘের আয়োজনে ১৯৭১ সালে এলডিসি তালিকা প্রণয়নের পর থেকে এযাবৎ এলডিসি থেকে উত্তরণ হওয়া সাতটি দেশ এবং উত্তরণের প্রক্রিয়াধীন ছয়টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশই একমাত্র সদস্য রাষ্ট্র, যেটি টানা তিন বারের মূল্যায়নে সকল সূচকে সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছে। 
- ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে LDC তালিকা থেকে বের হয়ে যাবে।

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট।
ii) তথ্য অধিদফতর (পিআইডি)।

১২৬.
NDB -এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ ছিল কতটি?
  1. ৪টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

• নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (NDB):
- নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বা NDB মূলত BRICS জোটের উদ্যোগে গঠিত একটি বহুপাক্ষিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- BRICS-এর পাঁচ দেশ (ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা) ২০১৪ সালের ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে এই ব্যাংক প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়।
- পরে ২০১৫ সালে ব্যাংকটি আনুষ্ঠানিকভাবে তার কার্যক্রম শুরু করে।
- প্রতিষ্ঠার সময় NDB-এর সদস্য ছিল মাত্র পাঁচটি BRICS দেশই।
- পরবর্তীতে বাংলাদেশ, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর, উরুগুয়ে এবং সাম্প্রতিক সময়ে আলজেরিয়া যোগ দেওয়ায় বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৯টি দেশ।
- ব্যাংকের সদর দপ্তর চীনের সাংহাই শহরে অবস্থিত।

উল্লেখ্য, 
- ব্যাংকটির মূল লক্ষ্য হলো-
• উন্নয়নশীল ও উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোতে অবকাঠামো উন্নয়ন;
• এবং টেকসই উন্নয়ন প্রকল্পে ঋণ ও অর্থায়ন প্রদান করা। 
- এটি বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ-এর একটি বিকল্প আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবেও বিবেচিত হয়। 

উৎস: New Development Bank Official Website.

১২৭.
বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎস কোনটি?
  1. আমদানি শুল্ক
  2. মূল্য সংযোজন কর
  3. আবগারি শুল্ক
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসসমূহ:
- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।
- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা-
• কর রাজস্ব এবং
• কর বহির্ভূত রাজস্ব।

⇒ কর রাজস্ব বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।
- বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নরূপ:
১। আয় ও মুনাফা কর,
২। আমদানি শুল্ক,
৩। মূল্য সংযোজন কর,
৪। আবগারি শুল্ক,
৫। সম্পূরক শুল্ক:,
৬। যানবাহন কর,
৭। ভূমি রাজস্ব,
৮। নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়,
৯। অন্যান্য কর ও শুল্ক।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২৮.
জনপ্রতি বার্ষিক আয়কে কী বলে?
  1. জাতীয় আয়
  2. নিট আয়
  3. জিডিপি
  4. মাথাপিছু আয়
ব্যাখ্যা
মাথাপিছু আয় (Per-Capita Income): 
- সাধারণত মাথাপিছু আয় বলতে জনপ্রতি বার্ষিক আয়কে বোঝায়।
- কোনো নির্দিষ্ট আর্থিক বছরে কোন দেশের মোট জাতীয় আয়কে ঐ বছরের মধ্যসময়ের মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলেই মাথাপিছু আয় পাওয়া যায়।
- World Development Report 2010 অনুযায়ী Per-Capita is Gross National Income (GNI) divided by midyear population.

মোট জাতীয় আয় (Gross National Income বা GNI):
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত আর্থিক বছরে কোনো দেশের নাগরিকগণ কর্তৃক যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপন্ন হয় তার বাজারমূল্যের সমষ্টিকে মোট জাতীয় আয় (GNI) বলে। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
১২৯.
বাণিজ্যিক ব্যাংক নয় কোনটি?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. সোনালী ব্যাংক
  3. জনতা ব্যাংক
  4. ব্র্যাক ব্যাংক
ব্যাখ্যা
বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- যে ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান আমানত গ্রহণ ও ঋণদান করে তাকে বাণিজ্যিক ব্যাংক বলে।
- ১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইনানুসারে বাণিজ্যিক ব্যাংক গঠিত ও পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশে ৬টি রাষ্ট্রয়াত্ত, ৪৩টি বেসরকারি ও ৯টি বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে।

⇒ ব্যাংক খাত:
• দেশের মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি (ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত)।
- রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
- বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
- বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।
- ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান: ৩৬টি।

উল্লেখ্য,
- সোনালী ব্যাংক পিএলসি, জনতা ব্যাংক পিএলসি রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক।
- ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি বাংলাদেশের স্বায়ত্তশাসিত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মধ্যে অন্যতম। 

অন্যদিকে,
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
- এটি বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২-এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ব্যতীত এর আরও দশটি শাখা রয়েছে।
- এগুলো হলো: মতিঝিল, ঢাকা, সদরঘাট, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, রাজশাহী, বগুড়া, খুলনা, ময়মনসিংহ, রংপুর।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১৩০.
বাংলাদেশ ব্যাংকের তফসিলভুক্ত নতুন ইসলামি ব্যাংক কোনটি? (জানুয়ারি-২০২৬)
  1. জনতা ইসলামী ব্যাংক পিএলসি
  2. আল-বারাকাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি
  3. আল-ফালাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি
  4. সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন প্রজ্ঞাপনে ১ ডিসেম্বর, ২০২৫ থেকে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’-কে তফসিলি ব্যাংকের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।
- এর আগে ৩০ নভেম্বর, ২০২৫ বাংলাদেশ ব্যাংকের বোর্ড সভায় দুর্বল পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক- ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংককে একীভূত করে নতুন 'সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক' গঠনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
- সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির পরিশোধিত মূলধন নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা।
- এর মধ্যে সরকার দিচ্ছে ২০ হাজার কোটি এবং আমানতকারীদের শেয়ার থেকে আসবে বাকি ১৫ হাজার কোটি টাকা।
- অনুমোদিত মূলধন রাখা হয়েছে ৪০ হাজার কোটি।

উৎস:- দ্যা বিজন্যাস স্ট্যান্ডার্ড।

১৩১.
বিশ্বব্যাংক প্রতিষ্ঠিত বহুপক্ষীয় ট্রাস্ট ফান্ড ‘গ্লোবাল নলেজ পার্টনারশিপ অন মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট' (KNOMAD) প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রবাসী আয়ে বাংলাদেশের অবস্থান -
  1. ক) ৬ষ্ঠ
  2. খ) ৭ম
  3. গ) ৮ম
  4. ঘ) ৯ম
ব্যাখ্যা
প্রবাসী আয়

২০২২ সালের নভেম্বর মাসে বিশ্বব্যাংক প্রতিষ্ঠিত বহুপক্ষীয় ট্রাস্ট ফান্ড ‘গ্লোবাল নলেজ পার্টনারশিপ অন মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট' (KNOMAD) প্রকাশ করে Remittances Brave Global Headwinds শীর্ষক প্রতিবেদন।

প্রতিবেদন অনুসারে প্রবাসী আয়ে শীর্ষ ৮ দেশ (বিলিয়ন মার্কিন ডলার) -

১. ভারত (১০০)
২. মেক্সিকো (৬০)
৩. চীন (৫১)
৪. ফিলিপাইন (৩৮)
৫. মিসর (৩২)
৬. পাকিস্থান (২৯)
৭. বাংলাদেশ (২১)
৮. নাইজেরিয়া (২১)

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জানুয়ারি ২০২৩।
১৩২.
বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধানের পদবী কোনটি?
  1. নির্বাহী পরিচালক
  2. গভর্নর
  3. প্রিন্সিপাল অফিসার
  4. পরিচালক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধানের পদবী গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার (১২তম)।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের মেয়াদ ৪ বছর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্ণর ছিলেন- এ. এন. হামিদুল্লাহ।



তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। 
১৩৩.
বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি ব্যাংক -
  1. আইএফআইসি ব্যাংক
  2. আরব বাংলাদেশ ব্যাংক
  3. সিটি ব্যাংক
  4. গ্রামীণ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
এবি ব্যাংক পিএলসি:
- বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বেসরকারি ব্যাংক এবি ব্যাংক পিএলসি।
- ১৯৮১ সালের ৩১শে ডিসেম্বর এবি ব্যাংক পিএলসি আত্মপ্রকাশ করে।
- শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের লক্ষ্যে আরব বাংলাদেশ ব্যাংক পরিচিতি নিয়ে ১৯৮২ সালের ১২ই এপ্রিল ব্যাংকটি তার কর্মকান্ড শুরু করে।
- ব্যাংকটি ১৯৯৬ সালে প্রথম এটিএম সেবা চালু করে।
- ১৯৯৯ সালে এটি প্রথম বাংলাদেশি ব্যাংক হিসেবে সুইফট সেবা চালু করে।
- ব্যারিষ্টার খায়রুল আলম চৌধুরী এবি ব্যাংক পিএলসি. -এর সম্মানিত চেয়ারম্যান।

উৎস: এবি ব্যাংক পিএলসি ওয়েবসাইট।
১৩৪.
বাংলাদেশের জিডিপি সার্বিকভাবে কতটি খাত নিয়ে গঠিত?
  1. ১৭টি
  2. ১৩টি
  3. ১৯টি 
  4. ১৫টি
ব্যাখ্যা

অর্থনীতির খাত:
- বাংলাদেশের জিডিপি’কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
- যথা:- কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।
- এবং ৬টি খাত উপখাতে বিভক্তরয়েছে।

• জিডিপির সার্বিক খাতগুলো হলো: 
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত - ৪টি)।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত - ২টি)।
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত - ৩টি)।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত - ২টি)।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম।
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত ৫টি)।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০। তথ্য ও যোগাযোগ।
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উৎস: অর্থনীতি সমীক্ষা- ২০২৪।

১৩৫.
নিচের কোনটি জিডিপি'র বৃহৎ খাত?
  1. ক) কৃষিখাত
  2. খ) শিল্পখাত
  3. গ) সেবাখাত
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের জিডিপি'কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে। যথা: 
- কৃষিখাত,
- শিল্পখাত ও
- সেবাখাত।

 • উল্লেখ্য, সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভূক্ত।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
১৩৬.
সম্প্রতি দেশের পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করে কী নামকরণ করা হয়? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. সমন্বিত ইসলামী ব্যাংক
  2. সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক
  3. বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাংক 
  4. কেন্দ্রীয় ইসলামী ব্যাংক 
ব্যাখ্যা

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক:
- ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করে নামকরণ করা হয় সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক (Sammilito Islami Bank Limited)। 
- ব্যাংকগুলো হচ্ছে: ফাস্ট সিকিউরিটি ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক।

⇒ সরকারের পক্ষে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ হবে এই ব্যাংকের মালিক। আগে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ নামে ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণ করা হবে। তারপর যৌথ মূলধনী কোম্পানিজ ও ফার্মগুলো থেকে কোম্পানির নিবন্ধন নেওয়া হবে। তারপর ওই কোম্পানির নামে নতুন ব্যাংক ব্যবসার লাইসেন্স নেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আবেদন করা হবে।

⇒  ৯ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে পাঁচ ব্যাংক একীভূত করার প্রস্তাব অনুমোদন করে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। এতে সিদ্ধান্ত হয়, নতুন ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন হবে ৪০ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে পরিশোধিত মূলধন ৩৫ হাজার কোটি। পরিশোধিত মূলধনের ২০ হাজার কোটি টাকা দেবে সরকার। 

উৎস: i) BRAC EPL.
ii) প্রথম আলো।

১৩৭.
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের বয়সসীমা-
  1. ক) ৬৩ বছর
  2. খ) ৬৫ বছর
  3. গ) ৬৭ বছর
  4. ঘ) ৬৯ বছর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান (১২তম) গভর্নর (প্রধান নির্বাহী) হলেন 'আব্দুর রউফ তালুকদার'।
- তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন ৪ জুলাই, ২০২২ থেকে।
- তাঁর পূর্বে ১১তম গভর্নর  ছিলেন  ফজলে কবির (১৬ মার্চ ২০১৬ থেকে ৩ জুলাই ২০২২)।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের  প্রথম গভর্নর ছিলেন এ. এন. এম. হামিদুল্লাহ্‌।
- বাংলাদেশ ব্যাংক ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।

- ব্যাংকটির মূল কার্যনির্বাহী প্রধানকে ‘গভর্নর' বলা হয়।
- গভর্নরের মেয়াদকাল: ৪ বছর
- গভর্নরের বয়সসীমা: ৬৭ বছর (২০২০ সালে ৬৫ থেকে ৬৭ বছর করা হয়) 

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো ও বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১৩৮.
’খাবার স্যালাইন’ কোন প্রতিষ্ঠান আবিষ্কার করে?
  1. UNICEF
  2. CARE
  3. ICDDR,B
  4. WHO
ব্যাখ্যা

• ICDDR,B- International Center for Diarrheal Disease Research, Bangladesh.
- আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ।
- এটি বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত একটি আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- আইসিডিডিআর,বি ১৯৬০ সালে ঢাকায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া চুক্তি সংস্থা (সিটো) কলেরা গবেষণাগার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরে ১৯৭৮ সালে, CRL থেকে icddr,b (আন্তর্জাতিক উদরাময় রোগ গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ) এ নতুন নামে রুপান্তর হয়।
- ICDDR,B ’খাবার স্যালাইন’ ও ’বেবি জিঙ্ক ট্যাবলেট’ উদ্ভাবন করে।
- ১৯৬২ সালে, সিআরএল, গুরুতর ডায়রিয়াজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীদের, বিশেষ করে ছোট শিশুদের চিকিৎসার জরুরি প্রয়োজন মেটাতে, আইসিডিডিআর,বি দ্বারা পরিচালিত ঢাকা হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করে।

উৎস: ICDDR,B.

১৩৯.
বাজারে উৎপাদন অপেক্ষা মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ার অবস্থাকে কী বলা হয়?
  1. মুদ্রা সংকোচন
  2. মুদ্রার অবমূল্যায়ন
  3. মুদ্রাস্ফীতি
  4. কারেন্সি সোয়াপ
ব্যাখ্যা
বাজারে উৎপাদন অপেক্ষা মুদ্রার সরবরাহ বেড়ে যাওয়ার অবস্থাকে মুদ্রাস্ফীতি বলা হয়।
মুদ্রাস্ফীতির ফলে বাজারে পণ্যের দাম ‍বৃদ্ধি পায়।

অন্যদিকে,
মুদ্রা সংকোচন হলো উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ হ্রাস পাওয়া।
মুদ্রার অবমূল্যায়ন হলো ডলারের বিপরীতে কোন মুদ্রার মূল্যমান হ্রাস করা।
কারেন্সি সোয়াপ হলো দুটি ভিন্ন মুদ্রায় ঋণ ও সুদের অর্থ বিনিময়।

(তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি ও ইনভেস্টোপিডিয়া)
১৪০.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২ অনুসারে, সার্বিকভাবে জিডিপির খাত কয়টি?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৬টি
  3. গ) ১৫টি
  4. ঘ) ১৯টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের জিডিপি’কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
যথা: কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।

সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত
- এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভূক্ত।  

• জিডিপির সার্বিক খাতগুলো হলো –
১. কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ
২. খনিজ ও খনন
৩. ম্যানুফ্যাকচারিং (শিল্প)
৪. বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা
৫. পানি সরবরাহ; পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম
৬. নির্মাণ
৭. পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত
৮. পরিবহণ এবং সংরক্ষণ 
৯. আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম
১০. তথ্য ও যোগাযোগ 
১১. আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম
১২. রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম
১৩. পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম
১৪. প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম 
১৫. জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা; বাধ্যতামূলক সামাজিক নিরাপত্তা
১৬. শিক্ষা
১৭. মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম
১৮. শিল্পকলা ও বিনোদন
১৯. অন্যান্য সেবা কার্যক্রম

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২।
১৪১.
নিচের কোনটি অ-তফসিলি ব্যাংক?
  1. ক) বেসিক ব্যাংক লি.
  2. খ) পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক
  3. গ) প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
  4. ঘ) কমিউনিটি ব্যাংক লি.
ব্যাখ্যা
অ-তফসিল ব্যাংক হলো সেসব ব্যাংক যেগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকাভুক্ত নয়। এসব ব্যাংক বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত।

বাংলাদেশের অ-তফসিলি ব্যাংকসমূহ হলো:
- আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
- কর্মসংস্থান ব্যাংক
- গ্রামীণ ব্যাংক
- জুবিলি ব্যাংক এবং
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

অন্যদিকে,
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক হলো তফসিলভুক্ত রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংক।
বেসিক ব্যাংক লিমিটেড হলো রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক।
কমিউনিটি ব্যাংক হলো বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
১৪২.
প্রাইস ওয়াটারহাউস কুপার্স (পিডব্লিউসি) এর মতে, ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ কত তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে?
  1. ক) ২৩ তম
  2. খ) ২৬ তম
  3. গ) ২৭ তম
  4. ঘ) ২৯ তম
ব্যাখ্যা
প্রাইস ওয়াটারহাউস কুপার্স (পিডব্লিউসি) বাংলাদেশকে এমন তিনটি দেশের মধ্যে চিহ্নিত করেছে যেখানে ২০১৫ থেকে পরবর্তী ৩৫ বছর একটানা পাঁচ শতাংশেরও বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবে এবং ২০৫০ এর মধ্যে পরিণত হবে বিশ্বের ২৩ তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হিসেবে।
[সূত্রঃ সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা]
১৪৩.
বাংলাদেশের পুঁজি বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের নাম কী?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. ডিএসই
  3. বিএসইসি
  4. সিএসই
ব্যাখ্যা
বিএসইসি:
- বিএসইসি এর পূর্ণরূপ বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন।
- বাংলাদেশের পুঁজি বাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে ৮ জুন, ১৯৯৩ সালে Bangladesh Securities and Exchange Commission Act ১৯৯৩ অনুসারে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বিএসইসি ২০১৩ সাল থেকে International Organization of Securities Commissions (IOSCO) এর সদস্য।
- বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন এর পুঁজিবাজার সংস্কার টাস্কফোর্স গঠন করা হয় ৭ অক্টোবর, ২০২৪।
- বর্তমান (২০২৪) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকছুদ।

উৎস: বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ওয়েবসাইট।
১৪৪.
SDG বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ৪নং লক্ষ্যমাত্রা কোনটি?
  1. দারিদ্র্য নির্মূল
  2. বৈষম্য হ্রাস
  3. মানসম্পন্ন শিক্ষা
  4. ক্ষুধামুক্তি
ব্যাখ্যা
• টেকসই উন্নয়ন জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহিত হয় - ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫।
• টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা- ১৭টি।
• টেকসই উন্নয়ন উদ্দেশ্য - ১৬৯টি।
• টেকসই উন্নয়ন বাস্তবায়নের সময়কাল- ১ জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০৩০।

• টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা- ১৭টি।

 ১. দারিদ্র্য নির্মূল;
২. ক্ষুধামুক্তি;
৩. সুস্বাস্থ্য;
৪. মানসম্পন্ন শিক্ষা;
৫. লিঙ্গ সমতা;
৬. বিশুদ্ধ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন;
৭. সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি;
৮. উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি;
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো;
১০. বৈষম্য হ্রাস;
১১. টেকসই শহর ও জনগণ;
১২. পরিমিত ভোগ;
১৩. জলবায়ুবিষয়ক পদক্ষেপ;
১৪. পানির নিচে প্রাণ;
১৫. স্থলভাগের জীবন;
১৬. শান্তি ও ন্যায়বিচার এবং
১৭. লক্ষ্য অর্জনে অংশীদারত্ব।

উৎস : বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
১৪৫.
বাংলাদেশের কোন সংস্থাটি বিশ্বের বৃহত্তম এনজিও হিসেবে পরিচিত?
  1. ব্র্যাক
  2. গ্রামীণ ব্যাংক
  3. আশা
  4. বার্ড
ব্যাখ্যা
BRAC:
- BRAC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Rural & Advancement Committee।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম এনজিও বা বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা।
- ১৯৭২ সালে স্যার ফজলে হাসান আবেদ BRAC প্রতিষ্ঠা করেন।
- ব্র্যাক হলো একটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা।
- এটি নারী ও শিশুদের উপর বিশেষ ফোকাস রেখে কাজ করে।

উৎস: i) ব্র্যাক ওয়েবসাইট।
ii) ৩ নভেম্বর ২০১৭, প্রথম আলো।
১৪৬.
দেশে প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু করা হয় কোন জেলায়?
  1. ঢাকা
  2. গাজীপুর
  3. চট্টগ্রাম
  4. মুন্সীগঞ্জ
ব্যাখ্যা
এজেন্ট ব্যাংকিং:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনক্রমে ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকের প্রতিনিধি হয়ে যে সব প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার মাধ্যমে জনগণকে ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে তাকে এজেন্ট ব্যাংক বলা হয়।
- এজেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসরত প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর মাঝে সাশ্রয়ীমূল্যে ব্যাংকিং সেবা দেয়া হচ্ছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১৩ সালের ৯ ডিসেম্বর এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা-সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করে।
- ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু করে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি।
- যে কারণে ১৭ জানুয়ারি এজেন্ট ব্যাংকিং দিবস হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
- মুন্সীগঞ্জ জেলার জৈনসার ইউনিয়নে প্রথম এজেন্ট আউটলেট খোলা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৯ সালে বিশ্বে প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং চালু করে ব্রাজিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।
১৪৭.
দেশের সর্বশেষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) নগদ ফাইন্যান্স পিএলসি
  2. খ) আইপিডিসি ফাইন্যান্স লিমিটেড
  3. গ) লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স
  4. ঘ) রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেড
ব্যাখ্যা
আর্থিক প্রতিষ্ঠান:
- ‘নগদ ফাইন্যান্স পিএলসি’ নামে নতুন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- এমএফএস প্রতিষ্ঠান নগদের মালিকানার সঙ্গে যুক্ত হবে নতুন অনুমোদন পাওয়া নগদ ফাইন্যান্স।

- নগদ ফাইন্যান্সের অনুমোদনের পর দেশে এখন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দাঁড়াল ৩৬টি।
- এর মধ্যে ২টি সরকারি। ২১টির উদ্যোক্তা বেসরকারি খাতের ব্যবসায়ীরা। আর ১৩টি গড়ে উঠেছে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে।
- তবে দেশে এখনো কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমএফএস সেবা নেই, ফলে নগদই হবে প্রথম এমএফএস সেবাযুক্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (৩ এপ্রিল, ২০২৩)।
১৪৮.
When did Grameen Bank start working as "Grameen Bank Project"?
  1. in 1973
  2. in 1976
  3. in 1983
  4. in 1986
ব্যাখ্যা
গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৩ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত।

উল্লেখ্য,
- ইউনূস তার গবেষণা ও অভিজ্ঞতা থেকে গ্রামীণ ব্যাংকের নীতিমালা তৈরি করেছেন।
- গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্পটি ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার 'জোবরা' গ্রামে একটি অ্যাকশন গবেষণা পাইলট প্রকল্প হিসাবে শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮৩ সালে ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচন এবং প্রান্তিক দরিদ্রদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে পাইলট প্রকল্পটি একটি ব্যাংকে রূপান্তরিত হয়।
- এর ৯৮% ঋণগ্রহীতা নারী।
- এই নারীদের দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি দারিদ্র্য বিমোচনের মাধ্যমে উন্নত জীবনে এগিয়ে গেছে।
- গ্রামীণ ব্যাংকের সবচেয়ে মানবিক ও ব্যতিক্রমী কর্মসূচি হল সংগ্রাম (ভিক্ষুক) সদস্যদের কর্মসূচি।
- গ্রামীণ ব্যাংক ভিক্ষুকদের আর্থিক সক্ষমতা তৈরিতে সাহায্য করার জন্য সুদ-মুক্ত ঋণ দেয়।

উৎস: গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১৪৯.
বাংলাদেশের অর্থনীতি মোট কয়টি খাত নিয়ে গঠিত?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ১২টি
  3. গ) ৮টি
  4. ঘ) ১৫টি
ব্যাখ্যা
২০০৫-২০০৬ অর্থ বছরকে ভিত্তিবছর ধরে বাংলাদেশের জাতীয় আয় গণনায় দেশের অর্থনীতিতে বৃহৎ তিনটি খাত যথাক্রমে- কৃষি, শিল্প ও সেবা খাত।
এ তিনটি বৃহৎ খাতের মধ্যে কৃষিতে দুটি, শিল্পে ৬টি এবং সেবায় ৭টি ছোট খাত রয়েছে।
তাই সার্বিকভাবে ১৫টি খাত নিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি গঠিত।
উল্লেখ্য, পরবর্তী ভিত্তিবছর (২০২১) থেকে অতিরিক্ত ৬টি খাত যুক্ত করা হবে। তখন ২১টি খাতকে গণনা করে জাতীয় আয় নির্ধারণ করা হবে।
উৎসঃ বাজেট বক্তৃতা ২০২০-২০২১ অর্থবছর
১৫০.
রাজস্ব নীতি বলতে সরকারের কোন সংক্রান্ত নীতিকে বোঝায়?
  1. সরকারের আয়
  2. সরকারের ব্যয়
  3. সরকারের রাজস্ব
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
রাজস্ব নীতি: 
- সরকারি অর্থব্যবস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো রাজস্ব নীতি।
- সরকার বিভিন্ন অর্থনৈতিক লক্ষ্য অর্জনের জন্য যে সকল নীতি গ্রহণ করে সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো রাজস্ব নীতি।
- সংক্ষেপে সরকারের রাজকোষ পরিচালনা নীতি হলো রাজস্ব নীতি।
- রাজস্ব নীতি বলতে সরকারের আয়-ব্যয় এবং রাজস্ব আহরণ সংক্রান্ত নীতিকে বোঝায়।

উৎস: Macroeconomics, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৫১.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুযায়ী মোট বিনিয়োগ জিডিপির কত শতাংশ?
  1. ক) ৩০.৮২ শতাংশ
  2. খ) ৩১.২৫ শতাংশ
  3. গ) ৩১.৬৮ শতাংশ
  4. ঘ) ৩২.০০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুযায়ী,

- দেশজ সঞ্চয় মোট জিডিপির ২১.৫৬ শতাংশ।
- জাতীয় সঞ্চয় মোট জিডিপির ২৫.৪৫ শতাংশ।
- বিনিয়োগ মোট জিডিপির ৩১.৬৮ শতাংশ।
- সরকারি বিনিয়োগ মোট জিডিপির ৭.৬২ শতাংশ।
- বেসরকারি বিনিয়োগ মোট জিডিপির ২৪.০৪ শতাংশ।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২]
১৫২.
হুন্ডি ব্যবস্থার মাধ্যমে বিদেশ থেকে বাংলাদেশে টাকা প্রেরণ করার ক্ষেত্রে কোন চ্যানেল ব্যবহৃত হয়?
  1. সরকারি চ্যানেল
  2. ব্যাংকিং চ্যানেল
  3. বৈধ প্রাতিষ্ঠানিক চ্যানেল
  4. অবৈধ বা অপ্রাতিষ্ঠানিক চ্যানেল
ব্যাখ্যা
হুন্ডি:
- ব্যাংকিং বা অফিসিয়াল চ্যানেল ব্যতীত অন্য যেকোন উপায়ে বিদেশ থেকে বাংলাদেশে টাকা (বৈদেশিক মুদ্রা) প্রেরণ করাকে হুন্ডি বলে।
- হুন্ডি একটি অপ্রাতিষ্ঠানিক অর্থ লেনদেন পদ্ধতি যা বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে প্রচলিত এবং প্রবাসীদের মাঝে খুবই জনপ্রিয়।
- এটি মূলত প্রবাসী আয়ের অর্থ সহজ এবং দ্রুত স্থানান্তরের একটি মাধ্যম। তবে এটি কোনোভাবেই বৈধ কোনো মাধ্যম নয়।
- আর যাঁরা ঘুষ-দুর্নীতি, কর ফাঁকি, চোরাচালান বা অন্য কোনো উপায়ে অর্থ উপার্জন করেছেন, তাঁরা অর্থ পাচারের জন্য বেছে নেন হুন্ডিকেই।
- সাধারণত ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়ার উদ্দেশ্যে হুন্ডির মাধ্যমে লেনদেন করা হয়।
- বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে এটা একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

তথ্যসূত্র: ০৯ অক্টোবর ২০২৩, প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১৫৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশের অর্থনীতির খাত কয়টি?
  1. ১৫টি
  2. ০৫টি
  3. ১৯টি
  4. ১০টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
---------------------------------- 
• অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪: 

- অর্থনীতির মোট খাত: ১৯টি (২০১৫-১৬ ভিত্তিবছর)।

১৯টি খাত:   
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত - ৪টি)।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত - ২টি)।
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত - ৩টি)।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত - ২টি)।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম। 
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত - ৫টি)।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০। তথ্য ও যোগাযোগ।
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উল্লেখ্য, 
- ২০০৫-০৬ ভিত্তি বছরের খাত ছিল: ১৫টি।

উৎস:
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৫৪.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক কে?
  1. ড. ফজলে লোহানী
  2. ড. মুহাম্মদ ইউনুস
  3. ড. ফজলে হাসান আবেদ
  4. ড. আখতার হামিদ খান
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র ঋণ:
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

⇒ বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মুহাম্মদ ইউনুসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক বিশেষ আইনবলে যাত্রা শুরু করে ১৯৮৩ সালে।
- এ গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে বহুমাত্রিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপ্লবের সূচনা হয়।
- এ জন্য ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারও পান ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

উল্লেখ্য,
- ক্ষুদ্রঋণের মূল ধারণাটি হচ্ছে, দরিদ্র ব্যক্তিদের কিছু টাকা ঋণ দেওয়া।
- সেই টাকায় তাঁরা ছোট আকারে ব্যবসা শুরু করবেন। ব্যবসার মুনাফা থেকে ঋণের টাকা ফেরত দেবেন প্রতিষ্ঠানকে।
- প্রতিষ্ঠান আবার ওই টাকা ঋণ দেবে অন্য কাউকে।
- এভাবেই বিষয়টি দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখবে।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো ও বিবিসি বাংলা পতিকার রিপোর্ট।

১৫৫.
বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর (VAT) চালু হয় -
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯৩ সালে
  3. ২০০৩ সালে
  4. ২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা

মূল্য সংযোজন কর (VAT):
- কোনো করযোগ্য পণ্য বা সেবার উৎপাদন বা ক্রয়, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বিক্রয় প্রভৃতি পর্যায়ে সংযোজিত মূল্যের উপর যে কর আরোপ করা হয় তাই মূল্য সংযোজন কর বা Value Added Tax বা VAT। 
- মূল্য সংযোজন করা বা মূসক বর্তমান সময়ে বিশ্বজয়ী পরোক্ষ কর ব্যবস্থা। 
- ১৯৯১ সালের ১২ জুন জাতীয় সংসদে ভ্যাট বিল উপস্থাপিত হয় এবং ৯ জুলাই বিলটি পাশ হয়।
- ১ জুলাই, ১৯৯১ থেকে আমাদের দেশে ভ্যাট বা মুসক আইন চালু হয়। 
- মূসক সর্বপ্রথম জার্মানিতে চালু হয়। 

উল্লেখ্য,
- ভ্যাট আইন ১৯৯১, অর্থ আইন, এস.আর.ও প্রভৃতি দ্বারা ভ্যাট আইনের আওতা নির্ধারিত হয়।
- মূল্য সংযোজন কর আবার তিন ধরনের, যেমন- মূসক, টার্ণওভার কর ও সম্পূরক শুল্ক।

⇒ সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়।
- আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ১৫%।
- রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ০%।

⇒ বাংলাদেশ সরকার সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় করে মূল্য সংযোজন কর থেকে।
- অন্যান্য যেকোনো উৎসের তুলনায় সকল অর্থবছরেই মূল্য সংযোজন কর (মুসক) থেকেই সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আহরিত হয়।
- দ্বিতীয় প্রধান উৎস হলো আয়কর (আয়, মুনাফা, ও মূলধনের উপর কর)।

উৎস: i)জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
ii) কর ব্যবস্থা ও নিরীক্ষা শাস্ত্র, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫৬.
একটি দেশে পশ্চাৎ-সংযোগ শিল্প-উন্নয়নের উদ্দেশ্য নিচের কোনটি?
  1. প্রাচীন ‍পদ্ধতিতে শিল্প পরিচালনা করা
  2. উৎপাদনমুখী শিল্পের ভিত্তি শক্তিশালী করা
  3. বিভিন্ন দেশের শিল্প নীরিত সাথে সংযোগ স্থাপন করা
  4. পাশ্চাত্যের শিল্পের সাথে সংযোগ বৃদ্ধি করা
ব্যাখ্যা

পশ্চাৎ সংযোগ শিল্প:
পশ্চাৎ সংযোগ শিল্প হলো কোন শিল্পকারখানা অথবা প্রতিষ্ঠানের সাথে supply chain বা সরবরাহ শৃঙ্খলের সম্পর্ক। একটি দেশে পশ্চাৎ-সংযোগ শিল্প-উন্নয়নের উদ্দেশ্য উৎপাদনমুখী শিল্পের ভিত্তি শক্তিশালী করা

১৫৭.
GDP থেকে নিচের কোনটি বাদ দেওয়া হয়?
  1. দেশের অভ্যন্তরে দেশীয় নাগরিকদের আয়
  2. দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত চূড়ান্ত সেবা
  3. বিদেশে অবস্থানরত দেশীয় নাগরিকদের প্রেরিত অর্থ
  4. বিদেশিদের দেশে বিনিয়োগ থেকে অর্জিত আয়
ব্যাখ্যা

মোট দেশজ উৎপাদন:
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে মোট যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদিত হয়, তার বাজার দামের সমষ্টিকে মোট দেশজ উৎপাদন বা GDP বলে।
- মোট দেশজ উৎপাদনে দেশের অভ্যন্তরীণ আয় এবং দেশের অভ্যন্তরে বিদেশিদের আয় অন্তর্ভুক্ত (includes) হয় এবং দেশীয় নাগরিক যারা প্রবাসে, তাদের প্রেরিত অর্থ ধরা হয় না।
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার বাজার মূল্য এবং উক্ত দেশে অবস্থানরত বিদেশিদের উপার্জিত আয় এর সমষ্টি (includes) থেকে বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিক কর্তৃক বিদেশ হতে প্রেরিত অর্থ বাদ (excludes) দেয়ার পর অবশিষ্ট আর্থিক মূল্যকে মোট দেশজ উৎপাদন বলে।
- অর্থাৎ GDP = মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)+ উক্ত দেশে অবস্থানকারী বিদেশিদের অর্জিত আয় বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিকদের আয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫৮.
বর্তমানে আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) রংপুর
  2. খ) দিনাজপুর
  3. গ) মুন্সিগঞ্জ
  4. ঘ) বগুড়া
ব্যাখ্যা
সর্বশেষ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০১৯ তথ্যানুযায়ী ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা বগুড়া। বগুড়ায় আলু উৎপাদনের পরিমাণ ১১.৮৫ লক্ষ মেট্রিক টন।
দ্বিতীয় সর্বাধিক আলু উৎপন্ন হয় মুন্সিগঞ্জ জেলায় প্রায় ১০.৮৯ লক্ষ মেট্রিক টন। তৃতীয় রংপুর জেলায় ১০.০১ লক্ষ মেট্রিক টন। ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে দেশে মোট আলু উৎপাদিত হয় ৯৬.৫৫ লক্ষ মেট্রিক টন।
(সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০১৯)
১৫৯.
‘পরার্থপরতার অর্থনীতি’ বইটির লেখক কে?
  1. ক) আকবর আলী খান
  2. খ) ড. মুহাম্মদ ইউনুস
  3. গ) ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
  4. ঘ) ড. আতিয়ার রহমান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশী বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ হচ্ছেন - আকবর আলী খান। তিনি "অবাক বাংলাদেশ বিচিত্র ছলনাজালে রাজনীতি" ও "পরার্থপরতার অর্থনীতি" - বইদ্বয়ের লেখক।
১৬০.
নিচের কোনটি কর বহির্ভূত রাজস্বের উৎস?
  1. মূসক
  2. আয়কর
  3. টোল
  4. সারচার্জ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সরকারের রাজস্বের উৎস সমূহ (২০২০-২১):
কর রাজস্ব (NBR):
- মূল্য সংযোজন কর : ১,২৫,১৬২ কোটি টাকা
- আয়কর : ১,০৩,৯৪৫ কোটি টাকা
- সম্পূরক শুল্ক : ৫৭,৮১৫ কোটি টাকা
- আমদানি শুল্ক : ৩৭,৮০৭ কোটি টাকা
- আবগারি শুল্ক : ৩,৬৮৬ কোটি টাকা
- রপ্তানি শুল্ক : ৫৫ কোটি টাকা
- অন্যান্য কর : ১,৫৩০ কোটি টাকা।
কর রাজস্ব (NBR বহির্ভূত):
- মদ ও মাদকদ্রব্যের কর : ১২০ কোটি টাকা
- যানবাহন কর : ৭৯৮ কোটি টাকা
- ভূমি উন্নয়ন কর : ১,৬৬৮ কোটি টাকা
- নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রি : ১১,৮৫১ কোটি টাকা
- সারচার্জ : ৫৬৩ কোটি টাকা।
করবহির্ভূত রাজস্ব:
- লভ্যাংশ ও মুনাফা : ১,৭৪৭ কোটি টাকা
- সুদ : ৮,৭১৭ কোটি টাকা
- প্রশাসনিক ফি : ৬,৫১৪ কোটি টাকা
- জরিমানা : ৪৯৪ কোটি টাকা
- সেবা ফি : ৪,৯৬৫ কোটি টাকা
- ভাড়া ও ইজারা : ৫৭৬ কোটি টাকা
- টোল : ৮১০ কোটি টাকা
- নন-কমার্শিয়াল বিক্রি : ২,৭৯৭ কোটি টাকা
- ক্যাপিটাল : ৩৪২ কোটি টাকা
- অন্যান্য করবহির্ভূত : ৬,০৩৮ কোটি টাকা।
(সূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট)
১৬১.
দেশের মুদ্রা ও আর্থিক ব্যবস্থার জন্য সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা কোনটি?
  1. বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট
  2. অর্থ মন্ত্রণালয়
  3. বাংলাদেশ ব্যাংক
  4. একনেক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক: 
- দেশের মুদ্রা ও আর্থিক ব্যবস্থার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক। 
- ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ (১৯৭২ সালের পিও নং ১২৭) অনুসারে ঢাকায় একটি কর্পোরেট সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়, যা ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ থেকে কার্যকর হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশের মতিঝিল, সদরঘাট, চট্টগ্রাম, খুলনা, বগুড়া, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল, রংপুর এবং ময়মনসিংহে এর দশটি অফিস রয়েছে। 

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট। 
১৬২.
আমলাদের কাজ কি?
  1. ক) নীতি নির্ধারণ
  2. খ) আইন প্রণয়ন
  3. গ) নীতি বাস্তবায়ন
  4. ঘ) রাষ্ট্র পরিচালনা
ব্যাখ্যা
আমলাতন্ত্র ছাড়া দেশের শাসনকার্য পরিচালনা করা অসম্ভব। আমলাতন্ত্র রাষ্ট্রের নাগরিকের সার্বিক কল্যাণ সাধন করতে পারে। আমলাদের মাধ্যমেই সরকারি আইন ও নীতি কার্যকর করা হয়ে থাকে। আমলাদের দক্ষতা আইন প্রণয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। আমলাদের মাধ্যমেই শাসন কার্যে ধারাবাহিকতা বজায় থাকে। তবে একটি অসৎ অদক্ষ আমলাতন্ত্র যেকোন রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে প্রভূত পরিমাণে ক্ষতিগ্রস্থ করতে পারে।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র বই (উন্মুক্ত)।
১৬৩.
নিচের কোনটি যৌথ মূলধনী কোম্পানির বৈশিষ্ট্য?
  1. অসীম দায়
  2. স্থায়িত্বের অনিশ্চয়তা
  3. ব্যক্তি নির্ভরশীলতা
  4. কৃত্রিম ব্যক্তিসত্তা
ব্যাখ্যা
যৌথ মূলধনী কোম্পানি
যৌথমূলধনী ব্যবসায় বা কোম্পানি সংগঠন হলো আইনসৃষ্ট কৃত্রিম ব্যক্তিসত্তার অধিকারী এমন এক ধরনের বৃহদায়তন ব্যবসায় সংগঠন যা অদৃশ্য, চিরন্তন অস্তিত্বের অধিকারী, যা নিজের নাম ও গিল দ্বারা পরিচিত ও পরিচালিত হয়, যেখানে মালিকানা সীমিত দায়বিশিষ্ট শেয়ার সংখ্যা দ্বারা নির্ধারিত।

কোম্পানির বিভিন্ন দিক অন্তর্ভুক্ত করে ১৮৮২ সালে প্রথম ভারতীয় কোম্পানি আইন প্রণয়ন করা হয়। পরে এর ব্যাপক পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করা হয় ১৯১৩ সালে। আবার পরিবর্তন ও পরিবর্তন করে বাংলাদেশে ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইন প্রবর্তিত হয়, যা আজও কার্যকর রয়েছে। ১৯৯৪ সালে কোম্পানি আইনের ২(১-২) ধারায় বলা হয়েছে যে, কোম্পানি বলতে কোম্পানি আইনের অধীনে গঠিত ও নিবন্ধিত বা কোনো বিদ্যমান কোম্পানিকে বোঝায়।

অর্থাৎ কোম্পানি হলো আইন সৃষ্ট কৃত্রিম ব্যক্তিসত্তার অধিকারী, যার দায় আইন দ্বারা সীমিত, চিরন্তন অস্তিত্বের অধিকারী, নিজ নাম ও সিলমোহর দ্বারা পরিচালিত হয় এবং বিনিয়োগকারী মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে স্বেচ্ছায় শেয়ার ক্রয় করে মূলধন তহবিল গঠন করে।

কোম্পানি সংগঠনের বৈশিষ্ট্য:
- আইন দ্বারা সৃষ্টি
- কৃত্রিম ব্যক্তিসত্তা
- চিরন্তন অস্তিত্ব
- সীমাবদ্ধ পায়
- নিজস্ব সিলমোহর
- শেয়ার মূলধন

উৎস: ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬৪.
দেশের বাইরে প্রথম ঔষধ কারখানা স্থাপন করা হয়-
  1. ক) কানাডায়
  2. খ) কেনিয়ায়
  3. গ) কম্বোডিয়ায়
  4. ঘ) মিয়ানামারে
ব্যাখ্যা
বর্তমানে দেশের সবচেয়ে বৃহত্তম ঔষধ কোম্পানি স্কয়ার।
স্কয়ার ফার্মা দেশের বাইরে প্রথম কেনিয়াতে ঔষধ কারখানা স্থাপন করে।
বর্তমানে বাংলাদেশের ৪৭টি ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন প্রকারের ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উন্নত বিশ্বের ইউরোপ ও আমেরিকাসহ ১৪৭টি দেশে রপ্তানি করছে।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২০ ও প্রথম আলো আর্কাইভ।
১৬৫.
বড়পুকুরিয়া কয়লাক্ষেত্র কোথায়?
  1. ক) রংপুর
  2. খ) দিনাজপুর
  3. গ) নেত্রকোণা
  4. ঘ) হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
দিনাজপুর জেলাধীন পার্বতীপুর থানার অন্তগত বড়পুকুরিয়ায় দেশের প্রথম কয়লা খনিকে কেন্দ্র করে খনি মুখ বিদ্যুৎ কেন্দ্র হিসাবে বড়পুকুরিয়া ২ ´১২৫ মেঃ ওঃ কয়লা ভিক্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন কাজ বর্তমানে চলমান ।
- বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জ্বালানী হিসাবে প্রচলিত গ্যাস বা তেলের পরির্বতে বর্তমানে বাস্তবায়নাধীন বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি প্রকল্প হইতে উত্তোলনকৃত উন্নতমানের বিটুমিনাস কয়লা ব্যবহার করা হইবে।

কয়লা:
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে - ৫টি; বড়পুকুরিয়া, দীঘিপাড়া, ফুলবাড়ি, খালাসপীর ও জামালগঞ্জ।
-  আবিষ্কৃত ৫টি কয়লাক্ষেত্রে কয়লার মোট মজুদের পরিমাণ - আনুমানিক ৭,৮২৩ মিলিয়ন টন (যা প্রায় ১৮৫ টিসিএফ প্রাকৃতিক গ্যাস সমতুল্য)। 
- মজুদকৃত কয়লা থেকে ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত উত্তোলিত মোট কয়লার পরিমাণ - আনুমানিক ১২.৭৬ মিলিয়ন টন।  
-  বিদ্যুৎ উৎপাদন ও ইট তৈরিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জ্বালানি হিসেবে কয়লার ব্যবহার রয়েছে।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা -২০২২ ও  দিনাজপুর জেলার ওয়েবসাইট।
১৬৬.
নিচের কোন কারনে একটি চেক ফেরত যায়?
  1. ক) হিসাবে যথেষ্ট উদ্বৃত্ত আছে
  2. খ) স্বাক্ষরে গরমিল নেই
  3. গ) চেকটি ছেড়া নয়
  4. ঘ) এটি চুরি যাওয়া চেক নয়
  5. ঙ) সংখ্যায় ও কথায় কোন মিল নেই
ব্যাখ্যা

Reasons for Cheque Bounce

- Insufficient Funds.
- Date Mentioned on Cheques.
The date is a vital part of the cheque and any sort of difference or problem with the date would end in your cheque being bounced.
- Signature Mismatch.
- Difference in Amount Mentioned in Numbers & Words.
- Damaged Cheque. 
- Overwriting on Cheque.

১৬৭.
বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ কার্যকর হয় কবে থেকে?
  1. ক) ১ জুলাই ২০১২
  2. খ) ১ জুলাই ২০১৩
  3. গ) ১ জুলাই ২০১৬
  4. ঘ) ১ জুলাই ২০১৯
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই সর্বপ্রথম মূল্য সংযোজন কর বা Value Added Tax (VAT) চালু হয়। এটি এক প্রকার পরোক্ষ কর।
- ২০১২ সালে এটি সংশোধন করে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ পাশ হয় যা ১ জুলাই ২০১৯ থেকে কার্যকর হয়।
(তথ্যসূত্রঃ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট)
১৬৮.
বর্তমানে জিডিপি নিরুপণের ভিত্তিবছর হিসেবে ব্যবহৃত হয়-
  1. ২০০২-২০০৩ অর্থবছর
  2. ২০০৩-২০০৪ অর্থবছর
  3. ২০০৫-২০০৬ অর্থবছর
  4. ২০০৫-২০০৭ অর্থবছর
ব্যাখ্যা

• ২০১৩-২০১৪ অর্থবছর থেকে স্থিরমূল্যে জিডিপি নির্ণয়ের ভিত্তি বছর হিসেবে ২০০৫-২০০৬ অর্থবছর ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
• এটি দেশের চতুর্থ ভিত্তি বছর।
• এর আগে ১৯৭২-১৯৭৩, ১৯৮৪-১৯৮৫ এবং ১৯৯৫-১৯৯৬ অর্থবছর ভিত্তি বছর হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
উৎসঃ অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

১৬৯.
২০১৯-২০ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের মাথাপিছু GDP কত মার্কিন ডলার?
  1. ক) ১,৮২৮ ডলার
  2. খ) ১,৯০৭ ডলার
  3. গ) ১,৯৭০ ডলার
  4. ঘ) ২,০৬৪ ডলার
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে ২০১৯-২০২০ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের
মাথাপিছু জিডিপি – ১৯৭০ মার্কিন ডলার
মাথাপিছু জাতীয় আয় - ২০৬৪ মার্কিন ডলার
জিডিপির প্রবৃদ্ধি হার – ৫.২৪ শতাংশ
মুদ্রাস্ফিতির হার – ৫.৬৫ শতাংশ।
(সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)
১৭০.
বাংলাদেশ কবে প্রথম স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের শর্ত পূরণ করতে সক্ষম হয়?
  1. ক) ২১ মার্চ, ২০১৮
  2. খ) ২৩ মার্চ, ২০১৮
  3. গ) ২৬ মার্চ, ২০১৮
  4. ঘ) ২৮ মার্চ, ২০১৮
ব্যাখ্যা

[প্রশ্নের অপশনগুলো সর্বাঙ্গে সঠিক নয়। এ জাতীয় প্রশ্ন লাইভ এমসিকিউ করলে প্রশ্নটি বাতিল করা হতো। কিন্তু যেহেতু জব সল্যুশনের প্রশ্ন তাই বাতিল না করে কাছাকাছি উত্তর হিসেবে ২১ মার্চ, ২০১৮ গ্রহণ করেছি। স্বল্পোন্নত দেশের কাতারে থাকা বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে সিডিপির সব শর্ত প্রথমবারের মতো পূরণ করে ২০১৮ সালের ১৫ মার্চ।]

- ১৯৭১ সালে প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা- এই তিন সূচকে বিচার করা হয় একটি দেশ স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল ধাপে উত্তরণ করবে কি না।
- উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হতে হলে অন্তত দুটি সূচক পূরণ করতে হয় একটি দেশকে।
- স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশই প্রথম দেশ হিসেবে তিনটি সূচকের সব কটি পূরণ করে পরবর্তী ধাপে উন্নীত হয়েছে।
- স্বল্পোন্নত দেশের কাতারে থাকা বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে সিডিপির সব শর্ত প্রথমবারের মতো পূরণ করে ২০১৮ সালের ১৫ মার্চ।
- জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসির (সিপিডি) বৈঠকে বাংলাদেশের পাশাপাশি নেপাল ও লাওসও এলডিসি থেকে বের হওয়ার সুপারিশ পেয়েছে।
উল্লেখ্য,
- সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৬ সালে এলডিসি থেকে বের হয়ে অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের কাতারে চলে যাবে বাংলাদেশ।
- আশা করা যায়, ২০৩১ সালে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে রূপান্তরিত হবে বাংলাদেশ।

উৎস: i) যুগান্তর, ০৪ এপ্রিল, ২০২১

১৭১.
বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণের বৈধ মাধ্যম কোনটি?
  1. ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন
  2. মানিগ্রাম
  3. রিয়া
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
বিদেশ থেকে বাংলাদেশে অর্থ প্রেরণের বৈধ পন্থা:
- প্রাপকের অনুকূলে রেমিট্যান্স/চেক/ড্রাফট/টিটি/এমটি ইত্যাদি শুধুমাত্র বাংলাদেশে ব্যবসারত কোন ব্যাংকের মাধ্যমে সংগ্রহ বৈধ।
- প্রবাসী আয় ব্যাংকিং ব্যবস্থার পাশাপাশি এক্সচেঞ্জ হাউসের মাধ্যমেও বাংলাদেশে রেমিট্যান্স করা যায়।
- গ্লোবাল এক্সচেঞ্জ হাউস:
i) Western Union Money Transfer
ii) Transfast Remittance L.L.C. Global
iii) Moneygram International
iv) RIA Finanacial Services LTD
- বাংলাদেশে ব্যাংকিং চ্যানেলে বৈদেশিক মুদ্রা সংগৃহীত হবে না এমন কোন পন্থার (যেমন অবৈধ হুন্ডি কার্যক্রম) অবলম্বন Foreign Exchange Regulation Act, 1947 (সেপ্টেম্বর, ২০১৫ পর্যন্ত সংশোধিত) এর আওতায় দন্ডনীয় এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায় দন্ডনীয় অপরাধ।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।
সোনালী ব্যাংক।
১৭২.
কোন বিভাগে দারিদ্র্য হার সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) সিলেট বিভাগ
  2. খ) চট্টগ্রাম বিভাগ
  3. গ) রংপুর বিভাগ
  4. ঘ) ঢাকা বিভাগ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ-২০১৬ অনুসারে দেশের মধ্যে দারিদ্র্য হার সবচেয়ে বেশি রংপুর বিভাগে ৪৭.৩ শতাংশ। অন্যদিকে দারিদ্র্য হার সবচেয়ে কম সিলেট বিভাগে ১৬.২ শতাংশ। জেলা হিসেবে সবচেয়ে বেশি দারিদ্র্য হার কুড়িগ্রাম জেলায় ৭০.৮ শতাংশ এবং সবচেয়ে কম নারায়ণগঞ্জ জেলায় ২.৬ শতাংশ।
(সূত্রঃ বিবিএস খানা আয় ও ব্যয় জরিপ -২০১৬)
১৭৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ এর তথ্য অনুযায়ী সার্বিকভাবে জিডিপি কয়টি খাত নিয়ে গঠিত?
  1. ১৯টি
  2. ২২টি
  3. ২৩টি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- চলতি মূল্যে জিডিপি (GDP): ৫০,৪৮,০২৭ কোটি টাকা।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি (GDP): ৩৩,৯৭,২৩১ কোটি টাকা।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৮২%।
- চলতি মূল্যে মোট জাতীয় আয় (GNI): ৩,০৬,১৪৪ কোটি টাকা।
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।
- জিডিপিতে বিভিন্ন খাতের অবদান -
• কৃষি: ১১.০২%।
• শিল্প: ৩৭.৯৫%।
• সেবা: ৫১.০৮%।
- ৩টি বৃহৎ খাতে নিয়োজিত জনশক্তি -
• কৃষি:৪৫%।
• শিল্প: ১৭%।
• সেবা: ৩৮%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৭৪.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদান্তে প্রত্যাশিত গড় আয়ু কত হবে?
  1. ৭২ বছর
  2. ৭৪ বছর
  3. ৭৫ বছর
  4. ৭৭ বছর
ব্যাখ্যা
• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদান্তে কিছু সূচক:
- মেয়াদ: জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫।
- দারিদ্রের নিম্নহার - ৭.৪%।
- দারিদ্রের উচ্চহার – ১৫.৬%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু - ৭৪ বছর।
- মেয়াদান্তে জনসংখ্যার হার: ১.১৮%।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধি - ৮.৫১%।
- জিডিপির আকার - ১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা। 
- মাথাপিছু আয় - ৩,০৫৯ মার্কিন ডলার।
- মুদ্রাস্ফীতি - ৪.৬%।
- মেয়াদান্তে বিদুৎ উৎপাদন ক্ষমতা – ৩০,০০০ মেগাওয়াট।

সূত্র: পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
১৭৫.
কখন আনুষ্ঠানিকভাবে সমগ্র দেশে আশ্রয়ণ প্রকল্প শুরু করেন?
  1. ক) ১৯৯৬
  2. খ) ১৯৯৭
  3. গ) ১৯৯৮
  4. ঘ) ২০২১
ব্যাখ্যা
• আশ্রায়ন প্রকল্প:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন নোয়াখালী বর্তমান লক্ষীপুর জেলার রামগতি উপজেলার চর পোড়াগাছা গ্রামে ভূমিহীন-গৃহহীন, অসহায় ছিন্নমূল মানুষের পুনর্বাসন কার্যক্রমের যাত্রা শুরু করেন।
- ১৯৯৭ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে সমগ্র দেশে শুরু করেন আশ্রয়ণ প্রকল্প।
- ২৩ জানুয়ারি ২০২১ সালে প্রথম পর্যায়ে ৬৯ হাজার ৯০৪ পরিবারের মালিকানা স্বত্বসহ গৃহ প্ৰদান করা হয়।
- দ্বিতীয় পর্যায়ে ২০ জুন, ২০২১ সালে ৫৩ হাজারের অধিক পরিবারকে অনুরূপভাবে গৃহ প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১৭৬.
বাংলাদেশে কোন মাস থেকে অর্থবছর শুরু হয়?
  1. বৈশাখ
  2. জানুয়ারি
  3. জুলাই
  4. জুন
ব্যাখ্যা
- বাঙালিরা বঙ্গাব্দ ও খ্রিষ্টাব্দকে সাধারণ পঞ্জিকা হিসেবে মেনে চললেও এ দেশের অর্থবছর শুরু হয় জুলাই থেকে।
- চলতি বছরের জুলাই থেকে পরের বছরের জুন অবধি চলে অর্থবছর। এই অর্থবছরকে ভিত্তি ধরে প্রস্তুত ও প্রণয়ন হয় বাংলাদেশের বাজেট।
- ব্রিটিশ আমল থেকে পাকিস্তান আমল এবং সেখান থেকে স্বাধীন বাংলা–এই দীর্ঘসময় ধরে এ অঞ্চল জুলাই মাসকে অর্থবছর ধরে বাজেট প্রস্তুত ও উত্থাপন করে আসছে।
- জুলাই মাস বাংলাদেশের বর্ষাকাল। এ সময় মাঠে কৃষকদের ফসল থাকে, কয়েক মাস পরেই ফসল ওঠে তাদের ঘরে।
- এ ছাড়াও কিছু কিছু অঞ্চলে এরই মধ্যে ফসল উঠে যায়। বছরের এই মধ্যবর্তী সময়টি কৃষিক্ষেত্রে বাজেটের বিভিন্ন দিক ভেবে ব্যবস্থা নেয়ার মোক্ষম সময়।
- কৃষিপ্রধান দেশ হিসেবে কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চালু হয় এই রীতি।
 - এ ছাড়াও রাজনৈতিক দিক বিবেচনা করলে, জানুয়ারি কিংবা ফেব্রুয়ারিতে নতুন কোনো দল ক্ষমতায় এলে তারা বাজেট প্রণয়নের জন্য বেশকিছু সময় হাতে পায়।
- এ সময় জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার নানা প্রতিফলন বাজেটে তুলে আনার যথেষ্ট সুযোগ পায় সরকারি দল।
 - অভ্যন্তরীণ এসব ব্যাপার ছাড়াও যুক্তরাজ্য ও পশ্চিমা অনেক দেশের সঙ্গে মিলিয়ে অর্থবছর ঠিক করলে ঋণের হিসাব সহজ হয়।
- বিশেষ করে বিশ্বব্যাংকের অর্থবছর শুরু হয় জুলাই থেকে, সে হিসাবে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জুলাই মাসকে অর্থবছর ধরলে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য সুবিধা হয়।
- এর আগে পাকিস্তান এপ্রিলকে তাদের অর্থবছরের প্রথম মাস হিসাব করলেও বিশ্বব্যাংকের ঋণের আশায় পুনরায় জুলাই মাসকে অর্থবছরের প্রথম মাস ধরে হিসাব করা শুরু করে পাকিস্তান।
- বাংলাদেশের অর্থবছর পরিবর্তন করতে হলে সংবিধানের ১০২(১) নম্বর অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনতে হবে।
 
উৎস: বাংলাদেশের বাজেট সমীক্ষা ও প্রথম আলো।  
১৭৭.
'Alliance' কোন দেশভিত্তিক গার্মেন্টস ব্র্যান্ডগুলোর সংগঠন?
  1. ক) জার্মানি
  2. খ) যুক্তরাজ্য
  3. গ) কানাডা
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক ব্র্যান্ডভিত্তিক সংগঠন 'Alliance'।
- 'Alliance for Bangladesh Worker's Safety' ২০১৩ সালের ২৪  এপ্রিল রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিখ্যাত গার্মেন্টস ব্র্যান্ডগুলো নিয়ে গঠিত সংগঠন অ্যালায়েন্সের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ২৮টি।
- প্রতিষ্ঠাকালে সংস্থাটির বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনার মেয়াদ ছিল ৫ বছর।
- অপরদিকে,‌ বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পোশাক ব্র্যান্ডভিত্তিক সংগঠন 'Accord'।
১৭৮.
গ্রামীণ জনগণকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের জন্য প্রথম সেবা কেন্দ্র -
  1. ক) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
  2. খ) ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
  3. গ) কমিউনিটি ক্লিনিক
  4. ঘ) গ্রামীণ ক্লিনিক
ব্যাখ্যা
• গ্রামীণ জনগণকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের জন্য প্রথম সেবা কেন্দ্র - কমিউনিটি ক্লিনিক। 
- বর্তমানে সারা দেশে কমিউনিটি ক্লিনিক চালু রয়েছে - ১৪,১৪১টি।
- প্রতিদিন গড়ে ৪০ জন সেবা প্রার্থী একটি কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে সেবা গ্রহণ করে থাকেন এবং এদের ৯৫ শতাংশই নারী ও শিশু। 
- ২০০৯ সাল থেকে শুরু করে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ পর্যন্ত এসব কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে মানুষ সেবা নিয়েছে ১১১.১৭ কোটিরও বেশি বার।  

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২।
১৭৯.
কোন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য অমর্ত্য সেন নোবেল পুরস্কার পান?
  1. ক) সামাজিক অর্থনীতি
  2. খ) মানব উন্নয়ন তত্ত্ব
  3. গ) আন্তর্জাতিক বাণিজ্য তত্ত্ব
  4. ঘ) মজুরী তত্ত্ব
ব্যাখ্যা
• অমর্ত্য সেন:
-  প্রথম বাঙালি হিসেবে অর্থনীতিতে নোবেল পান অমর্ত্য সেন।
- ১৯৯৮ সালে দুর্ভিক্ষ, মানব উন্নয়ন তত্ত্ব, জনকল্যাণ অর্থনীতি ও গণদারিদ্র্যের অন্তর্নিহিত কার্যকারণ বিষয়ে গবেষণা এবং উদারনৈতিক রাজনীতিতে অবদান রাখার জন্য স্টকহোমে দ্য রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেসের এই পুরস্কার লাভ করেন ভারতীয় এই অর্থনীতিবিদ।
- অমর্ত্য সেনের অর্থনৈতিক তত্ত্ব - উন্নয়ন অর্থনীতিতে সক্ষমতার দৃষ্টিভঙ্গি , যেখানে তিনি একটি প্রধান অবদানকারী ছিলেন। সক্ষমতার দৃষ্টিভঙ্গি একটি তাত্ত্বিক কাঠামো যা অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য প্রচেষ্টাকে জানাতে সাহায্য করেছে। 
 
উৎস: প্রথম আলো
১৮০.
'কাবিখা' কর্মসূচির মূল লক্ষ্য কোনটি?
  1. গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি
  2. প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামীণ অবকাঠামো নির্মাণ বা পুনর্নির্মাণ
  3. দারিদ্র্য বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা

• কাবিখা কর্মসূচি:
- কাজের বিনিময়ে খাদ্য বা কাবিখা হলো খাদ্য সহায়তার একটি কর্মসূচি।

» কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) কর্মসূচীর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য :
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামীন অবকাঠামো  নির্মাণ /পুনর্নির্মাণ
- স্বাভাবিক অবস্থায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এই কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন
- গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি 
- গ্রামীণ দরিদ্র জনগনের আয় বৃদ্ধি
- দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য আণয়ন  এবং
- দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি।
  
তথ্যসূত্র: সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট।

১৮১.
চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে সাধারণ করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা কত?
  1. ক) ৩ লক্ষ টাকা
  2. খ) ৪ লক্ষ টাকা
  3. গ) ৫ লক্ষ টাকা
  4. ঘ) ২ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা
চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে সাধারণ করদাতাদের (পুরুষ) করমুক্ত আয়ের সীমা ৩ লক্ষ টাকা। গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের বাজেটে এই সীমা ছিলো ২.৫ লক্ষ টাকা। মহিলা ও ৬৫ বছর উর্ধ্ব করদাতাদের সাধারণ করমুক্ত আয় সীমা ৩.৫ লক্ষ টাকা। সর্বনিম্ন করহার ৫ শতাংশ এবং সর্বোচ্চ করহার ২৫ শতাংশ।
(সূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড)
১৮২.
When did "The Bangladesh Petroleum Act' come in force?
  1. 1972
  2. 1974
  3. 1976
  4. 1980
  5. None of these
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম আইন:

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম আইন" কবে কার্যকর হয় ১৯৭৪ সালে।
- এটি ১লা জানুয়ারী ১৯৭৭ সাল থেকে চারটি তেল বিপণন সংস্থা, দুটি ব্লেন্ডিং প্ল্যান্ট এবং তার সহায়ক হিসাবে একটি রিফাইনারি নিয়ে কাজ শুরু করে।
- এই সংস্থাগুলির সাথে সম্পর্কিত কর্পোরেশনের অবস্থান হোল্ডিং কোম্পানির অনুরূপ।
- সরকারের কাছে তেল বিপণন কোম্পানি এবং রিফাইনারির উপর আর্থিক ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি স্বায়ত্বশাসিত কর্পোরেশন প্রয়োজন ছিল।
- সেক্ষেত্রে প্রথম ধাপটি ছিল পেট্রোবাংলা কর্তৃক তেল বিপণন কোম্পানি এবং রিফাইনারির নিয়ন্ত্রণ।
- যেহেতু একটি একক কর্পোরেশনের ক্ষেত্রে গ্যাস ও তেল অপারেশন পরিচালনা কঠিন হয়ে গিয়েছিল সেহেতু সরকার পরবর্তীতে তেল আমদনি, প্রক্রিয়াকরণ ও বিপণনের জন্য একটি পৃথক কর্পোরেশন তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম আইন ১৯৭৪।  (লিংক)
১৮৩.
Which one of the following is the largest gas field in Bangladesh?
  1. Meghna
  2. Bakhrabad
  3. Titas
  4. Kamta
  5. None of these
ব্যাখ্যা
তিতাস গ্যাসক্ষেত্র:

- দেশের সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্র হলো ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে অবস্থিত তিতাস গ্যাসক্ষেত্র।
- গ্যাসক্ষেত্রটিতে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের পরিমাণ ৭.৫৮২ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। ৩১ আগস্ট ২০২১ পর্যন্ত মোট গ্যাস উত্তোলিত হয়েছে ৫.০৬৬ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।
- ১৯৬২ সালে পাকিস্তান শেলওয়েল কোম্পানি তিতাস গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। ১৯৬৮ সাল থেকে ক্ষেত্রটি থেকে বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস উত্তোলিত হচ্ছে।
- বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড তিতাস ক্ষেত্র থেকে গ্যাস উত্তোলন করছে।
- তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেডের মাধ্যমে তিতাস ক্ষেত্রের গ্যাস ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর, নরসিংদী, নেত্রকোনা, ও কিশোরগঞ্জ জেলায় গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।
- তবে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি গ্যাস উত্তোলিত হচ্ছে সিলেটের বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র থেকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি এবং পেট্রোবাংলা ওয়েবসাইট।
১৮৪.
বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর প্রথম চালু হয় কত সালে?
  1. ১৯৯০
  2. ১৯৯১
  3. ১৯৯২
  4. ১৯৯৫
ব্যাখ্যা

• মূল্য সংযোজন কর:
- কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর একটি পরোক্ষ কর।
- মূল্য সংযোজন কর চালু হয় ১ জুলাই ১৯৯১ সালে।
- সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়।
- আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ১৫%।
- পন্য বা সেবার সর্বশেষ ভোক্তা মূল্য সংযোজন কর দাতা।
- রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ০%।

তথ্যসূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

১৮৫.
সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC) কত সালে গঠিত হয়েছিল?
  1. ১৯৯০
  2. ১৯৯৩ 
  3. ১৯৯৫
  4. ১৯৫৪
ব্যাখ্যা

• স্টক এক্সচেঞ্জ:
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ দুইটি।
- একটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং অপরটি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।

• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:
- ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত।
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত। 
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৫৪ সালে।
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ১৯৫৬ সালে।

• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ:
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়। 
- এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণ ১৯৯৫ সালের জানুয়ারিতে সরকারের কাছে আবেদন করলে সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ১৯৯৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের দ্বিতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে এর অনুমোদন দেন।

উৎস: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।

১৮৬.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য?
  1. বৈদেশিক ঋণ গ্রহণ
  2. শিল্পের অনগ্রসর
  3. স্বল্প মাথাপিছু আয়
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্যসমূহ বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। সুতরাং উন্নয়নশীল অর্থনীতির সকল বৈশিষ্ট্যই বাংলাদেশের ক্ষেত্রে কম-বেশি দেখতে পাওয়া য়ায়।

• নিম্নে বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা করা হলো:
- স্বল্প মাথাপিছু আয়।
- কৃষির উপর নির্ভরশীলতা।
- প্রাকৃতিক সম্পদের অপূর্ণ ব্যবহার।
- শিল্পের অনগ্রসর।
- জনসংখ্যার চাপ।
- মিশ্র অর্থনীতি।
- সস্তা শ্রম।
- বৈদেশিক ঋণ গ্রহণ।
- মুদ্রাস্ফীতি ইত্যাদি।

উৎস: অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৮৭.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল-
  1. ক) ৭১.৬ বছর
  2. খ) ৭২.৩ বছর
  3. গ) ৭২.৬ বছর
  4. ঘ) ৭৩.৪ বছর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে,
- প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল ৭২.৬ বছর।
- পুরুষের প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল ৭১.১ বছর।
- মহিলার প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল ৭৪.২ বছর।

১৮৮.
বর্তমানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানি ভাতা কত?
  1. ক) ১০,০০০ টাকা
  2. খ) ১৮,০০০ টাকা
  3. গ) ২০,০০০ টাকা
  4. ঘ) ২৫,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা:
- জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনযাত্রা মানোন্নয়নে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।
- বর্তমানে বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ মাসিক ২০,০০০ টাকা করে সম্মানি পাচ্ছেন।
- এছাড়া, ১০,০০০ টাকা হারে বছরে ২টি উৎসব ভাতাও দেয়া হচ্ছে।
- খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানি ভাতাসহ ১০,০০০ টাকা হারে বছরে ২টি উৎসব ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।
- বর্তমানে বীরশ্রেষ্ঠদের ৩৫,০০০ টাকা, বীর উত্তমদের ২৫,০০০ টাকা এবং
- বীর বিক্রম ও বীর প্রতীকদের ২০,০০০ টাকা হারে মাসিক সম্মানি প্রদান করা হয়।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১৮৯.
When did the journey begin of financial services through mobile in Bangladesh?
  1. ক) 2011
  2. খ) 2012
  3. গ) 2013
  4. ঘ) 2014
ব্যাখ্যা
মোবাইল ব্যাংকিং:

- বাংলাদেশে মোবাইলের মাধ্যমে আর্থিক সেবার যাত্রা শুরু হয় মার্চ ২০১১ সালে।
- ডাচ্-বাংলা ব্যাংক প্রথম সেবাটি চালু করে, যার নাম এখন রকেট।
- পরে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিকাশ সেবা চালু হয়।
- ২০১৯ সালের মার্চে চালু হয় ডাক বিভাগের সেবা নগদ।
- পরে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিকাশ সেবা চালু হয়।
- বর্তমানে বিকাশ,রকেটের পাশাপাশি মাই ক্যাশ,উপায়,শিওর ক্যাশসহ ১৫টি ব্যাংক এ সেবা দিচ্ছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো,২৯ মার্চ ২০২১।
১৯০.
‘দোয়েল’ কোন ফসলের জাত?
  1. ক) ভুট্টা
  2. খ) গম
  3. গ) ধান
  4. ঘ) তামাক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে চাষকৃত গমের জাতসমূহ:
- দোয়েল
- বলাকা
- কাঞ্চন
- আকবর
- সোনালিকা
- সৌরভ
- গৌরব
- অঘ্রাণী প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্রঃ কৃষি শিক্ষা বোর্ড বই এবং কৃষি তথ্য সার্ভিস)
১৯১.
Which is the full form of VAT?
  1. ক) Visual Added Tax
  2. খ) Valuable Added Tax
  3. গ) Value Added Tax
  4. ঘ) Variety Added Taxation
ব্যাখ্যা
মূল্য সংযোজন কর:

- VAT এর পূর্ণরূপ Value Added Tax.
- মূসক হলো স্বনির্ধারণী পরোক্ষ কর।
- সরবরাহকৃত পণ্য বা সেবার ওপর প্রদেয় করের বিপরীতে উপকরণ কর সমন্বয় করে পণ্য বা সেবার মূল্যস্তরের প্রকৃত সংযোজনের ওপর আরোপিত করই ঐ পণ্য বা সেবার মূল্য সংযোজন কর বা মূসক।
- করযোগ্য আমদানি এবং করযোগ্য সরবরাহের ওপর মূসক আরোপিত হয়।
- আইনের প্রথম তফসিলে বর্ণিত অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্য ও সেবা ব্যতীত সকল পণ্য ও সেবার উপর ১৫ শতাংশ হারে মূসক আরোপিত হবে।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে ১ জুলাই মূল্য সংযোজন কর চালু হয়। সূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ।

তথ্যসূত্র - জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ।
১৯২.
ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স প্রেরণের ক্ষেত্রে সরকার কত শতাংশ হারে বোনাস প্রদান করে থাকে?
  1. ক) ১ শতাংশ
  2. খ) ২ শতাংশ
  3. গ) ২.৫ শতাংশ
  4. ঘ) ৩ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বিদেশ থেকে অবৈধপথে অর্থ প্রেরণ বন্ধ করা এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার ২০১৯-২০২০ অর্থবছর থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রেরণে ২ শতাংশ প্রণোদনা বা বোনাস প্রদান চালু করে।
এ উদ্যোগের ফলে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে দেশের রেমিট্যান্স আহরণ ১৮.২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌছায় যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
(সূত্রঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং দৈনিক প্রথম আলো)
১৯৩.
ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রধানত-
  1. দারিদ্র হ্রাস করে
  2. ভিক্ষাবৃত্তি হ্রাস করে
  3. নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করে
  4. নারীর অংশগ্রহণ হ্রাস করে
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম:
- দরিদ্র জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে দরিদ্র মহিলাদের মধ্যে গোষ্ঠীভিত্তিক ঋণ প্রদানের একটি কর্মসূচি হিসেবে প্রথমে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম আরম্ভ হয়।  - বর্তমানে  বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (বিকেবি), রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) এবং  কর্মসংস্থান ব্যাংক-এর মতো বিশেষায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠান, চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং ৮০০-এর অধিক  এনজিও দেশে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

• ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্দেশ্য নিম্নরূপ:
১। উৎপাদনমুখী কর্মকান্ডে নারীর অংশগ্রহণ।
২। উদ্যোক্তা সৃষ্টি।
৩। নারীর ক্ষমতায়ন।

⇒ এখানে অপশন বিবেচনায় নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি অধিক গ্রহণযোগ্য। তার যৌক্তিকতা হল - 
• গ্রামীণ অর্থনীতিতে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম মূলত নারীদের লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়।
• এ কার্যক্রম নারীর ক্ষমতায়নকে ত্বরান্বিত করে।
• স্ব-কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে নারীরা আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠছে।
• এর ফলে সমাজে নারীর দৃঢ় অবস্থান প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে।

⇒ তাই বলা যায় ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করার মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে নারীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং আয়বর্ধক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলাই মূল লক্ষ্য।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ণ এবং অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি। [লিংক]

১৯৪.
ECNEC-এর পূর্ণরূপ -
  1. The Executive Committee of the National Economic Council
  2. The Exclusive Committee of the National Economic Council
  3. The Executive Commission of the National Economic Council
  4. The Executive Committee of the National Economic Committee
ব্যাখ্যা
ECNEC:
- ECNEC এর পূর্ণরূপ: The Executive Committee of the National Economic Council.
- জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) সরকারের দ্বিতীয় শক্তিশালী কমিটি।
- এর সভাপতি দেশটির প্রধানমন্ত্রী।
- অর্থমন্ত্রী এর বিকল্প চেয়ারম্যান বা সভাপতি।
- এ কমিটির সদস্যগণ সরকার প্রধান কর্তৃক মনোনীত হয়ে থাকেন। 
- নিম্নোক্ত মন্ত্রীদের মধ্য থেকে কমিটির সদস্য মনোনয়ন দেয়া হয়:
• স্থানীয় সরকার পলী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী,
• শিক্ষা মন্ত্ৰী,
• প্রযুক্তি মন্ত্ৰী,
• পানি সম্পদ মন্ত্রী,
• শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্ৰী,
• ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্ৰী,
• কৃষি, খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী এবং
• পরিকল্পনা মন্ত্রী।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
১৯৫.
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সেবাখাতের অন্তর্গত সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত কোনটি?
  1. ক) পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মেরামত
  2. খ) রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম
  3. গ) স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা
  4. ঘ) জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা
ব্যাখ্যা
জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান - ৫১.৫৩% এবং প্রবৃদ্ধির হার - ৫.৬১%। 
এতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৯.০%।
বৃহৎ সেবাখাতের অন্তর্গত ১৩টি খাতের মধ্যে ‘পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মেরামত' খাতটি সবচেয়ে বড়। 
সেবাখাতের অন্তর্গত ১৩টি খাতের মধ্যে জিডিপিতে এই খাতের অবদান সবেচেয়ে বেশি- ১৪.০৮%। এর প্রবৃদ্ধির হার - ৬.৫৪%।
 
বৃহৎ সেবাখাতের অন্তর্গত সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত – ‘স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা' যার প্রবৃদ্ধির হার সেবাখাতের অন্তর্গত ১৩টি খাতের মধ্যে সবচেয়ে বেশি – ৯.৯৪%।
 
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
১৯৬.
এ পর্যন্ত দেশে কয়টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের অনুমোদন দেয়া হয়?
  1. ক) ৯৭টি
  2. খ) ৯৫টি
  3. গ) ৮৯টি
  4. ঘ) ৯৩টি
ব্যাখ্যা
এ পর্যন্ত অর্থনৈতিক অঞ্চলের অনুমোদন দেয়া হয়েছে ৯৭টি যার মধ্যে ২৮টির নির্মাণ কাজ চলছে।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
১৯৭.
বাংলাদেশের জিওলজিক্যাল সার্ভে অনুযায়ী সম্প্রতি কোন জেলায় লোহার খনি পাওয়া গেছে?
  1. ফরিদপুর
  2. দিনাজপুর
  3. রাজশাহী
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম লোহার খনি:

- দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় দেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান মিলেছে।
- উপজেলার ইসবপুর গ্রামে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) এ খনির সন্ধান পেয়েছে।
- জিএসবি জানিয়েছে, খনিটিতে উন্নত মানের লোহার আকরিক (ম্যাগনেটাইট) রয়েছে।
- লোহার পাশাপাশি খনিটিতে মূল্যবান কপার, নিকেল ও ক্রোমিয়ামেরও উপস্থিতি রয়েছে বলে জানান জিএসবি কর্মকর্তারা।
- ভূগর্ভের ১ হাজার ৩০০ ফুট থেকে ১ হাজার ৬৫০ ফুটের মধ্যে লোহার একটি স্তর পাওয়া গেছে।
- খনিটির আয়তন প্রায় ১০ বর্গকিলোমিটার।
- খনিতে ৫০০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন টন লোহাসহ মূল্যবান পদার্থ রয়েছে।

 তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ১৮ জুন ২০১৯।
১৯৮.
বাংলাদেশ বীমা কোম্পানীর নিয়ন্ত্রক সংস্থা-
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ
  3. বীমা সমিতি
  4. আই.ডি.আর.এ
ব্যাখ্যা
আইডিআরএ: 
- বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)।
- এটি ২০১১ সালের ২৬ জানুয়ারি "বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১০" অনুযায়ী গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ সরকার "বীমা আইন, ২০১০" প্রণয়ন করে বীমা ব্যবসাকে উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে।
- আইডিআরএ গঠনের মূল উদ্দেশ্য হলো বীমা ব্যবসার তদারকি করা এবং বীমা গ্রহীতার স্বার্থ রক্ষা করা।

উৎস: বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ  ওয়েবসাইট।
১৯৯.
নিচের কোন নদীর তলদেশে বাংলাদেশের প্রথম টানেল নির্মাণ কাজ চলছে?
  1. ক) মধুমতি
  2. খ) কর্ণফুলী
  3. গ) মেঘনা
  4. ঘ) সাঙ্গু
ব্যাখ্যা
• কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণ:
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলছে যার দৈর্ঘ্য - ৩.৪০ কিলোমিটার।
- এটি এশিয়ান হাইওয়ের সাথেও সংযুক্ত হবে।
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ তারিখে টানেল বোরিং কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

• এটি নির্মাণের উদ্দেশ্য:
 – চট্টগ্রাম শহরের পশ্চিম অংশের সাথে পূর্ব অংশের সংযোগ স্থাপন।
–  যানজট নিরসন।
– ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ সহজীকরণ।
– চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর এবং প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্র বন্দরের পণ্য পরিবহণ।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
২০০.
ADB এর পূর্বাভাস অনুসারে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি কত শতাংশ হতে পারে? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. ৪ শতাংশ
  2. ৫ শতাংশ
  3. ৬ শতাংশ
  4. ৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা

জিডিপি প্রবৃদ্ধি:
- গত ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ প্রকাশিত এডিবির ‘এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক (এডিও)’ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
- প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশ হতে পারে।
- গত অর্থবছরের জন্য জিডিপি প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলন হলো ৪ শতাংশ।
- প্রতিবেদনে জানানো হয়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৭ শতাংশ।
- গত অর্থবছরের তা বেড়ে দাঁড়ায় ১০ শতাংশ।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এডিবি এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়ন সাধনে কাজ করছে।
- সংস্থাটির বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৬৯টি দেশ।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]