বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের অর্থনীতি

মোট প্রশ্ন১,৮৬১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের অর্থনীতি

PrepBank · পাতা ১৮ / ১৯ · ১,৭০১১,৮০০ / ১,৮৬১

১,৭০১.
বোনাস শেয়ার সাধারণত কাদের মধ্যে ইস্যু করা হয়?
  1. ক) সাধারণ শেয়ারহোল্ডার
  2. খ) ডিবেঞ্জারধারীগণ
  3. গ) অগ্রাধিক শেয়ারহোল্ডারগণ
  4. ঘ) সুরক্ষিত পাওনাদারগণ
ব্যাখ্যা
- যখন কোন কোম্পানি তাদের অর্জিত নিট মুনাফার একটি অংশ শেয়ার মালিকদের মধ্যে নগদ লভ্যাংশ হিসেবে বন্টন না করে অবন্টিত মুনাফা শেয়ারে রূপান্তর করে সাধারণ শেয়ারহোল্ডার মধ্যে আনুপাতিকহারে বন্টন করা হয় তখন তাকে বোনাস শেয়ার বলে।

উৎস: ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৭০২.
BIDS- এর পূর্ণ রূপ কোনটি?
  1. Bangladesh Institute of Development Society
  2. Bangladesh Investment of Development Society
  3. Bangladesh Investment of Development studies
  4. Bangladesh Institute of Development Studies
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান ( BIDS):
- এর পূর্ণ রূপ: Bangladesh Institute of Development Studies.
- এটি ১৯৫৭ সালে পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট ইকনোমিক্স (পাইডি) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর, প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের উন্নয়ন গবেষণার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
- এটি ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত। 
- এটি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়।
-  প্রতিষ্ঠানটি "বাংলাদেশ উন্নয়ন সমীক্ষা" নামে একটি ত্রৈমাসিক জার্নাল প্রকাশ করে।

এছাড়াও
- বিআইডিএসের মুখ্য উদ্দেশ্য হলো:
• উন্নয়ন অর্থনীতি,
• জনসংখ্যাতত্ত্ব এবং,
• অন্যান্য সামাজিক বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে গবেষণা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
১,৭০৩.
লভ্যাংশ এবং সুদ দুটি---------
  1. সমার্থক শব্দ
  2. ভিন্নার্থক শব্দ
  3. লাভ ও ক্ষতির হিসাবে ডেবিট
  4. বণ্টনযোগ্য লাভ
ব্যাখ্যা
সুদ:
- নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরিশোধের শর্তে কোনো নির্দিষ্ট পরিমাণ পণ্য বা অর্থের বিপরীতে পূর্ব নির্ধারিত হারে যে বেশি পরিমাণ পণ্য বা অর্থ আদায় করা হয়, তাকেই বলে সুদ।
- আবার একই শ্রেণিভুক্ত পণ্যের পারস্পরিক লেনদেনের সময় চুক্তি মোতাবেক অতিরিক্ত  যে পরিমাণ পণ্য গ্রহণ করা হয়, তাকেও রিবা বা সুদ বলা হয়।

লভ্যাংশ বা মুনাফা:
- মূলধন ও শ্রম বিনিয়োগ এবং ঝুঁকি  গ্রহণের মাধ্যমে মূলধনের যে বৃদ্ধি তা-ই মুনাফা।
- ভাবে রূপান্তরিত অর্থ বিনিয়োগকৃত অর্থের তুলনায় বেশি হলে উদ্যোক্তা লাভ পায় আর প্রাপ্ত অর্থ আগের তুলনায় কম হলে তার পুঁজি কমে যায় বা তার লোকসান হয়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ২৩ জুন, ২০২১।
১,৭০৪.
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদ -
  1. ২০২০-২০৪১
  2. ২০২১-২০৪১
  3. ২০১০-২০২১
  4. ২০২২-২০৪২
ব্যাখ্যা
• দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা:
- রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নের জন্যে বাংলাদেশ সরকার ২০২১-২০৪১ মেয়াদে ২০ বছর মেয়াদী দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
- এই পরিকল্পনায় ২০৩১ সালে দেশের গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯ শতাংশ।
- ২০৪১ সালে গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯.৯ শতাংশ।
- দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মূললক্ষ্য ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা।  
- প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদ ২০১০ থেকে ২০২১ পর্যন্ত। 

তথ্যসূত্র:- পরিকল্পনা কমিশন।
১,৭০৫.
বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT) চালু হয় কত সালে?
  1. ১৯৮৯
  2. ১৯৯০
  3. ১৯৯১
  4. ১৯৯২
ব্যাখ্যা

• ভ্যাট:
- Value Added Tax, বা মূল্য সংযোজন কর।
 - বাংলাদেশের প্রথম ভ্যাট চালু হয়- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
- ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় আসে আয়কর থেকে।
- বর্তমানে ভ্যাট স্তর চারটি: ৫%, ৭.৫%, ১০% ও ১৫%।

তথ্যসূত্র: NBR ওয়েবসাইট।

১,৭০৬.
কাঁচামালের মূল্য ও উৎপাদিত পণ্যের বিক্রয় মূল্যের পার্থক্যের উপর কোন কর ধার্য করা হয়?
  1. আমদানি শুল্ক
  2. মুল্য সংযোজন কর
  3. আবগারি শুল্ক
  4. সম্পূরক শুল্ক
ব্যাখ্যা
মুল্য সংযোজন কর:
- কাঁচামালের মূল্য ও উৎপাদিত পণ্যের বিক্রয় মূল্যের পার্থক্যের উপর মুল্য সংযোজন কর ধার্য করা হয়।
- এটি এক ধরনের পরোক্ষ কর। 

আয় ও মুনাফা কর:
- আয়কর ও মুনাফা হল প্রত্যক্ষ কর।
- ব্যক্তির আয়ের উপর আয়কর ও কোম্পানীর মুনাফার উপর মুনাফা কর আরোপ করা হয়। 

আমদানি শুল্ক:
- আমদানির উপর আরোপিত করকে আমদানি শুল্ক বলে।
- এটি একটি পরোক্ষ কর। 

আবগারি শুল্ক:
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত দ্রব্যের উপর এই কর ধার্য করা হয়। 

সম্পূরক শুল্ক:
- আমদানি শুল্ক, আবগারি কর ও মুল্য সংযোজন কর আরোপ করার পরও যে অতিরিক্ত কর আরোপ করা হয় তাকে সম্পূরক শুল্ক বলে। 

উৎস: অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭০৭.
বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু করে -
  1. ডাচ-বাংলা ব্যাংক পিএলসি
  2. সোনালী ব্যাংক পিএলসি
  3. ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
  4. অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা

এজেন্ট ব্যাংকিং:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনক্রমে ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকের প্রতিনিধি হয়ে যে সব প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার মাধ্যমে জনগণকে ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে তাকে এজেন্ট ব্যাংক বলা হয়।
- এজেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসরত প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর মাঝে সাশ্রয়ীমূল্যে ব্যাংকিং সেবা দেয়া হচ্ছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১৩ সালের ৯ ডিসেম্বর এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা-সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করে।
- ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু করে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি।
- যে কারণে ১৭ জানুয়ারি এজেন্ট ব্যাংকিং দিবস হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
- মুন্সীগঞ্জ জেলার জৈনসার ইউনিয়নে প্রথম এজেন্ট আউটলেট খোলা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৯ সালে বিশ্বে প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং চালু করে ব্রাজিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

১,৭০৮.
চামড়া পাকা করার জন্য চামড়া শিল্পে সুন্দরবনের কোন বৃক্ষ ব্যবহৃত হয়?
  1. গরান ও বাবুল গাছের বাকল
  2. গেওয়া গাছের পাতা
  3. গোলপাতা
  4. গর্জন, সেগুন ও চাপালিশ গাছের বাকল
ব্যাখ্যা

শিল্প উন্নয়নে বনভূমির গুরুত্ব:

১) কাগজ শিল্প: রাঙ্গামাটি জেলার কর্ণফুলী কাগজের কল স্থানীয় বাঁশ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত কাগজ ও মন্ড তৈরির কারখানাটি সিলেটের সাবাই ঘাসকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে।

২) নিউজপ্রিন্ট কারখানা: সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর ভিত্তি করে খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি গড়ে উঠেছে।

৩) দিয়াশলাই শিল্প: সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর নির্ভর করে দিয়াশলাই শিল্প গড়ে উঠেছে। এছাড়া কদম ও শিমুল গাছের কাঠ এই শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

৪) রেয়ন শিল্প: চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনার রেয়ন কারখানাটি স্থানীয় বনভূমির নরম কাঠ ও বাঁশের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

৫) চামড়া শিল্প: সুন্দরবনের গরান ও বাবুল গাছের বাকল চামড়া পাকা করার জন্য চামড়া শিল্পে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া বাঘ, হরিণ, গুইসাপ, অজগর সাপ প্রভৃতি প্রাণীর চামড়াও শিল্পের কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

৬) পর্যটন শিল্প: পার্বত্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, সুন্দরবন পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনাময় স্থান। প্রাকৃতিক দৃশ্য ও জীববৈচিত্র্য পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।


তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৭০৯.
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদকাল কোনটি?
  1. ক) ২০১০-২০২১ সাল
  2. খ) ২০১৬-২০২৬ সাল
  3. গ) ২০২০-২০৩০ সাল
  4. ঘ) ২০২১-২০৪১ সাল
ব্যাখ্যা
রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পরিকল্পনা কমিশন ২০ বছর মেয়াদী দেশের দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। এর মেয়াদকাল জুলাই ২০২১ সাল থেকে জুন ২০৪১ সাল।

- ২০৪১ সালের মধ্যে দেশের মাথাপিছু আয় ১২,৫০০ মার্কিন ডলারে বৃদ্ধি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করাই এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য।

- এই সময়ে গড় প্রবৃদ্ধি হার হবে ৯.৯ শতাংশ। ২০৪১ সাল নাগাদ চরম দারিদ্র্য হার ০.৬৮ শতাংশে এবং দারিদ্র্য হার ৩ শতাংশের নিচে নামিয়ে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

(তথ্যসূত্র: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট)
১,৭১০.
জনপ্রতি বার্ষিক আয়কে কী বলা হয়?
  1. নিট আয়
  2. জাতীয় আয়
  3. মাথাপিছু আয়
  4. জিডিপি
ব্যাখ্যা

⇒ মাথাপিছু আয়:
- সাধারণত মাথাপিছু আয় বলতে জনপ্রতি বার্ষিক আয়কে বুঝায়।
- কোনো নির্দিষ্ট আর্থিক বছরে কোন দেশের মোট জাতীয় আয়কে ঐ বছরের মধ্যসময়ের মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলেই মাথাপিছু আয় পাওয়া যায়।

⇒ মোট জাতীয় আয় (Gross National Income বা GNI):
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত আর্থিক বছরে কোনো দেশের নাগরিকগণ কর্তৃক যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপন্ন হয় তার বাজারমূল্যের সমষ্টিকে মোট জাতীয় আয় (GNI) বলে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

১,৭১১.
নিম্নলিখিত কোনটি বাংলাদেশের বিশেষায়িত ব্যাংক নয়?
  1. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
  2. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  3. বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
  4. রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের বিশেষায়িত ব্যাংক নয়- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।
- এটি একটি বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক।

• বাংলাদেশের বিশেষায়িত ব্যাংক:

- বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক।
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।

• বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- জনতা ব্যাংক পিএলসি।
- অগ্রণী ব্যাংক। -
- রূপালী ব্যাংক।
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।

১,৭১২.
কোনটি পরোক্ষ কর নয়?
  1. ভূমি উন্নয়ন কর
  2. আবগারি শুল্ক
  3. আমদানি শুল্ক
  4. মূল্য সংযোজন কর
ব্যাখ্যা
পরোক্ষ কর:
- যেসব করের বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয় না তাদের পরোক্ষ কর বলা হয়।

⇒ পরোক্ষ করের মধ্যে রয়েছে:
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক),
- আমদানি শুল্ক,
- সম্পূরক শুল্ক,
- আবগারি শুল্ক প্রভৃতি।

প্রত্যক্ষ কর:
- প্রত্যক্ষ কর হলো এরূপ কর যার বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয়।

⇒ প্রত্যক্ষ করসমূহ হলো:
- আয়কর,
- দানকর,
- ভূমি উন্নয়ন কর,
- ভ্রমণ কর ইত্যাদি।

উৎস: কর ব্যবস্থা ও নিরীক্ষা শাস্ত্র, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭১৩.
ব-দ্বীপ পরিকল্পনায় উপকূলীয় অঞ্চলের জেলার সংখ্যা কতটি?
  1. ১৮ টি
  2. ৭ টি
  3. ১৯ টি
  4. ২৯ টি
ব্যাখ্যা
শতবর্ষী ব-দ্বীপ পরিকল্পনা: 
- ইউরোপের দেশ নেদারল্যান্ডসের আদলে গ্রহণ করা শতবর্ষী প্ল্যান তথা ডেল্টা প্ল্যান বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা -২১০০
- ‘ডেল্টা প্ল্যান-২১০০’ ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) অনুমোদন দেয়।
-ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।
-দেশের ভৌগলিক অবকাঠামো বিবেচনায় ডেল্টা প্ল্যানে সমগ্র দেশ কে ছয়টি হটস্পট ভাগ করা হয়েছে।
১•  উপকূলীয় অঞ্চল,
- এ অঞ্চলের অধীনে মোট ১৯ টি জেলা আছে।
২• বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল,
- এ অঞ্চলের অধীনে মোট ১৮ টি জেলা আছে।
৩• হাওর ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল,
- এ অঞ্চলের অধীনে মোট ৭ টি জেলা আছে।
৪. পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল,
- এ অঞ্চলের অধীনে মোট ৩ টি জেলা আছে।
৫. নদী ও মোহনা অঞ্চল ,
- এ অঞ্চলের অধীনে মোট ২৯ টি জেলা আছে।
৬. নগরাঞ্চল,
 - এ অঞ্চলের অধীনে মোট ৭ টি জেলা আছে।

উৎস: স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর {লিংক}
১,৭১৪.
দেশের প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্র বন্দর কোথায় হওয়ার কথা?
  1. ক) সন্দ্বীপ
  2. খ) হাতিয়া
  3. গ) মনপুরা
  4. ঘ) সোনাদিয়া
ব্যাখ্যা
সোনাদিয়ায় দেশের প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্র বন্দর হওয়ার কথা
• সোনাদিয়া কক্সবাজার জেলাধীন মহেশখালী উপজেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ একটিদ্বীপ।
• দ্বীপটির আয়তন ৯ বর্গ কিলোমিটার।
• কক্সবাজার জেলা সদর থেকে ৭ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নে সোনাদিয়া অবস্থিত।
• প্রায় ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রশস্থ সৈকত, সৈকত ঘেষে সারিবদ্ধভাবে দাড়িয়ে থাকা সূউচ্চ বালিয়াড়ি, জালের  মতো ছোট-বড় অসংখ্য খাল বেষ্টিত ম্যানগ্রোভ বন, বিস্তির্ণ ল্যাগুন্যাল ম্যাডফ্ল্যাট, কেয়া-নিশিন্দার ঝোপ, বিচিত্র প্রজাতির জলচর পাখি সোনাদিয়া দ্বীপের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
• সমুদ্র সৈকতের পাশ ঘেষে অবস্থিত সোনাদিয়ার সূ-উচ্চু বালিয়াড়ির তুলনা বাংলাদেশে  নেই। সমুদ্র এবং সৈকত থেকে বালিয়াড়ির দৃশ্য অপূর্ব মনে হয়।
• সোনাদিয়ার সৈকত এবং বালিয়াড়ি বিপন্ন জলপাই বর্ণের সামুদ্রিক কাছিমের ডিম পাড়ার উপযোগী স্থান। এখানে সামুদ্রিক সবুজ কাছিমও ডিম পাড়তে আসে।
• সমুদ্র সৈকতের বেলাভূমিতে পানির কিনারা ঘেষে বিচরন করে লাল কাঁকড়া এবং প্যারাবন এলাকায় শীলা কাঁকড়া পাওয়া যায়।

তথ্যসূত্র: মহেশখালী উপজেলার ওয়েবসাইট।
১,৭১৫.
বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারিকৃত (privatized) বাণিজ্যিক ব্যাংক কোনটি?
  1. Uttara Bank PLC
  2. Dutch-Bangla Bank PLC
  3. Mutual Trust Bank PLC
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
উত্তরা ব্যাংক পিএলসি (Uttara Bank PLC):
- উত্তরা ব্যাংক পিএলসি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বেসরকারি ব্যাংক।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারিকৃত (privatized) বাণিজ্যিক ব্যাংক।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরে ব্যাংকটি প্রথম বেসরকারিকরণ করা হয়েছিল।
- ১৯৮৩ সালের ৩০ জুন ব্যাংকটি বেসরকারিকৃত করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৫ সালের ২৮ জানুয়ারি বিখ্যাত বাঙালি ব্যবসায়ীর উদ্যোগে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সুবিধার্থে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং "ইস্টার্ন ব্যাংকিং কর্পোরেশন" নামে চারটি শাখা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করে।
- ১৯৭১ সালে অসহযোগ আন্দোলনের সময় এই ব্যাংকটি পূর্ব বাংলার কোষাগারের দায়িত্ব পালন করে।
- স্বাধীনতার পর ইস্টার্ন ব্যাংকিং কর্পোরেশনকে জাতীয়করণ করা হয় এবং "উত্তরা ব্যাংক" নামকরণ করা হয় এবং ২৬ মার্চ ১৯৭২ থেকে ব্যাংকিং কার্যক্রম পুনরায় শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের জুনে বেসরকারিকরণের পর এটি "উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড" নাম ধারণ করে।
- ৩ জুলাই, ২০২৩ থেকে এটি "উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড" এর পরিবর্তে "উত্তরা ব্যাংক পিএলসি" নামে তার নতুন যাত্রা শুরু করে।
- বর্তমানে ব্যাংকটির ২৪৯টি শাখা এবং ৪৭টি উপশাখা রয়েছে।
- চেয়ারম্যান: জনাব আজহারুল ইসলাম।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি ব্যাংক (private bank) এবি ব্যাংক পিএলসি।

উৎস: UTTARA BANK PLC ওয়েবসাইট।
১,৭১৬.
বাংলাদেশের এ পর্যন্ত কতটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে? (মার্চ ২০২৫)
  1. ৭ টি
  2. ৮ টি
  3. ৫টি
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা:
- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন জোসেফ স্তালিন।
- ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন গঠনের পর দেশের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করে।
- এ কমিশন ১৯৭৩ সালে প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে।
- বাংলাদেশের এ পর্যন্ত পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে ৮টি।বাস্তবায়ন করেছে ৭টি। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা স্থগিত করা হয়েছে।

উৎস: ¡) পরিকল্পনা বিভাগ।
          ¡¡) দৈনিক প্রথম আলো।
১,৭১৭.
বাংলাদেশে কোন তারিখে অর্থবছর শুরু হয়?
  1. ১ জুন
  2. ১ জানুয়ারি
  3. ১ জুলাই
  4. ১ মার্চ
ব্যাখ্যা
বাজেট: 
- বাংলাদেশের আর্থিক বছর - জুলাই থেকে জুন। 
- অর্থবছর শুরু হয় - ১ জুলাই থেকে।
- বাংলাদেশের বাজেট - ঘাটতি বাজেট।
- সংসদে বাজেট পেশ করেন - অর্থমন্ত্রী।
- বর্তমান বাজেট - ৫২ তম (অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট বাদে)।
- ঘোষণা দেয় - ১ জুন, ২০২৩, 
- বাজেট পাশ হয় - ২৬ জুন, ২০২৩,

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৩ এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৭১৮.
সাধারণভাবে হিসাবের তিনটি উপাদান থাকে _____সেগুলো হলো:
  1. দাতা, গ্রহীতা এবং বিবরণী
  2. নাম, দাতা ও গ্রহীতা
  3. তারিখ, বিবরণী ও টাকার অঙ্ক
  4. দাতা, গ্রহীতা ও টাকার অঙ্ক
ব্যাখ্যা
হিসাব:
- অফিস আদালত, ব্যাংক, বিমা কোং এবং ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে দৈনন্দিন অনেক লেনদেন (আদান-প্রদান) সংঘটিত হয়ে থাকে।
- এই লেনদেনগুলোকে দু'তরফা দাখিলা পদ্ধতি মোতাবেক বিশেষণ করে একটি নির্দিষ্ট সময়ে সমজাতীয় লেনদেন গুলোকে নির্দিষ্ট শিরোনামের অধীনে রোজের ক্রমানুসারে সাজিয়ে যে সংক্ষিপ্ত বিবরণী প্রস্তুত করা হয় তাকে হিসাব বলে।

⇒ অধ্যাপক এস.এম ভট্টাচার্যের মতে- "কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তি, সমিতি, প্রতিষ্ঠান, সম্পত্তি, আয়-ব্যয় ও দায় সংক্রান্ত লেনদেনগুলোর সংক্ষিপ্ত বিবরণীকে হিসাব বলে"।
⇒ অধ্যাপক এইচ ব্যানার্জির মতে- "কোন ব্যক্তি বা বস্তু সংক্রান্ত একই জাতীয় বা একই শ্রেণিভূক্ত লেনদেন গুলোকে হিসাব বলে"।

• সুতরাং সমজাতীয় লেনদেনগুলো নির্দিষ্ট শিরোনামের অধীনে শ্রেণিবদ্ধকরণ ও সংক্ষিপ্ত বিবরণীকেই হিসাব বলে।

- হিসাব বিজ্ঞানের কার্যক্রমকে বিভিন্ন ভাবে উপস্থাপন করা যায়।
- তাই হিসাব বিজ্ঞান এর মূল বিষয়বস্তু গুলোকে (অর্থাৎ সম্পত্তি, দায়, মূলধন) যখন বীজগণিতীয় চিহ্নের মাধ্যমে সম্পর্কযুক্ত করে উপস্থাপন করা হয় তখন তাকে হিসাব সমীকরণ বলে।
- হিসাব সমীকরণটির মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো, কোন নির্দিষ্ট তারিখে একটি প্রতিষ্ঠানের মোট সম্পদ উক্ত প্রতিষ্ঠানের দায় এবং মূলধনের সমষ্টির সমান।

সাধারণত,
⇔ হিসাবের তিনটি প্রধান উপাদান থাকে:
• তারিখ (Date):
- লেনদেনটি কোন তারিখে সংঘটিত হয়েছে তা নির্দেশ করে।
- গুরুত্ব: লেনদেনের কালানুক্রমিক রেকর্ডিং নিশ্চিত করে, যা আর্থিক বিবৃতির সময়মীমাংসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- উদাহরণ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪।

• বিবরণী (Particulars or Narration):
- লেনদেনের প্রকৃতি এবং এর সাথে জড়িত পক্ষগুলির সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করে।
- গুরুত্ব: লেনদেনের প্রাসঙ্গিকতা এবং উদ্দেশ্য স্পষ্ট করে, যা ভবিষ্যতে রেফারেন্সের জন্য সহায়ক।
- উদাহরণ: "পণ্য বিক্রয় নগদে", "সরবরাহকারীর কাছ থেকে মাল ক্রয়"।

• টাকার অঙ্ক (Amount):
- লেনদেনে জড়িত আর্থিক মূল্য বা পরিমাণ।
- গুরুত্ব: আর্থিক লেনদেনের সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ করে, যা আর্থিক বিবৃতির সঠিকতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- উদাহরণ: ৫০,০০০ টাকা, ১,২৫,০০০ টাকা।

উৎস: হিসাববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭১৯.
বাংলাদেশ ভুটানের সাথে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করে-
  1. ক) ৬ ডিসেম্বর, ২০১৮
  2. খ) ৬ ডিসেম্বর, ২০১৯
  3. গ) ৬ ডিসেম্বর, ২০২০
  4. ঘ) ৬ ডিসেম্বর, ২০২১
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ভুটানের সাথে প্রথমবারের মতো অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করে ৬ ডিসেম্বর, ২০২০ সালে ঢাকায়।
- উক্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করে ভুটানের অর্থমন্ত্রী লিওনপো লোকনাথ শর্মা এবং বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশী।
উৎস: প্রথম আলো আর্কাইভ।
১,৭২০.
কোন দলিলের ভিত্তিতে বিক্রয় ফেরত বই তৈরি করা হয়?
  1. ক) ক্যাশ মেমো
  2. খ) চালান
  3. গ) ডেবিট নোট
  4. ঘ) ক্রেডিট নোট
ব্যাখ্যা
- ক্রেডিট নোট বিক্রয় রিটার্ন বইতে এন্ট্রির জন্য উৎস নথি হিসেবে কাজ করে।
- ক্রেডিট নোটকে দলিলের ভিত্তি হিসেবে বিক্রয় ফেরত বই তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। 
- প্রতিটি ক্রেডিট নোট একটি অনন্য সিরিয়াল নম্বর আছে এতে সঠিক তারিখও রয়েছে।
- এটিকে ক্রেডিট নোট বলা হয় কারণ এতে লেখা পরিমাণ গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে জমা হয়।
 
উৎস: এইচএসসি হিসাববিজ্ঞান ১ম পত্র।
১,৭২১.
রাজস্ব বাজেটে সাধারণত কি অন্তর্ভুক্ত থাকে?
  1. শুধু রাজস্ব আয়
  2. শুধু রাজস্ব ব্যয়
  3. সরকারের ঋণ ও বিনিয়োগ
  4. রাজস্ব আয় ও রাজস্ব ব্যয় 
ব্যাখ্যা

• রাজস্ব বাজেট:
- রাজস্ব বাজেট সাধারণত রাজস্ব আয় ও রাজস্ব ব্যয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।
- সরকারের দৈনন্দিন ব্যয় পরিচালনার জন্য এ বাজেট হয়ে থাকে। 
- এক্ষেত্রে সরকারের প্রশাসন, সামাজিক সেবা সমূহ, প্রতিরক্ষা ইত্যাদি হলো প্রধান ব্যয়ের খাত। 
- অপরদিকে সরকারি কর ও কর বহির্ভূত রাজস্ব হলো রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।
- রাজস্ব বাজেট মূল্য একটি অনুৎপাদনশীল বাজেট।
- কারণ এটি কেবল সরকারের দৈনন্দিন অর্থনৈতিক কাজ পরিচালনার জন্যই করা হয়। 
- এ বাজেটের মাধ্যমে ভবিষ্যতে কোন আয় উপার্জনের সুযোগ নেই।
- রাজস্ব আয় ও ব্যয়ের মধ্যে সাধারণত ব্যবধান থাকে। 
- কারণ সরকার সব সময় আয় থেকে ব্যয় বেশী করে। এই ব্যবধানকে বলা হয় রাজস্ব ঘাটতি।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, বাংলাদেশ ‍উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৭২২.
নিম্নের কোনটি সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনী কর্মসূচি?
  1. খাদ্যনিরাপত্তা কার্যক্রম
  2. আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম
  3. নগদ অর্থসহায়তা প্রদান কার্যক্রম
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
→ উপরের সবগুলো। 

• সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনী কর্মসূচি:

- নারী, শিশু, প্রতিবন্ধীসহ সকল সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করা হচ্ছে সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নের একটি মৌলিক চ্যালেঞ্জ।
- সামাজিক সুরক্ষা ও সামাজিক ক্ষমতায়নে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগের আওতায় মোট ৬৪টি কর্মসূচি/কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে।

→ এ সমস্ত কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে:
- নগদ প্রদান (বিশেষ ও বিভিন্ন ভাতা) কার্যক্রম,
- খাদ্যনিরাপত্তা কার্যক্রম,
- ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি,
- ও বিভিন্ন তহবিল।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৭২৩.
বাংলাদেশে 'ব্যাংকাস্যুরেন্স' আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় কবে?
  1. ১ মার্চ, ২০২৪
  2. ১ এপ্রিল, ২০২৪
  3. ১ জুলাই, ২০২৪
  4. ১ আগস্ট, ২০২৪
ব্যাখ্যা
ব্যাংকাস্যুরেন্স:
- কোনো বিমা কোম্পানির সঙ্গে চুক্তির ভিত্তিতে ব্যাংক যদি তার গ্রাহকদের কাছে ওই বিমা কোম্পানির পণ্য তথা সেবা বিক্রি করে, সেটাই হল ব্যাংকাস্যুরেন্স।
- ১৯৮০ সালের দিকে ফ্রান্স ও স্পেনে প্রথম এটি চালু হয়।
- ইউরোপের বেশির ভাগ দেশে এখন ব্যাংকের মাধ্যমে জীবনবিমা পলিসি বিক্রি হয়।
- বাংলাদেশে 'ব্যাংকাস্যুরেন্স' আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় ১ মার্চ, ২০২৪।
- ব্যাংকাস্যুরেন্স নামের এই বিমা পণ্য বিক্রির বিপরীতে ব্যাংক নির্ধারিত হারে বিমা কোম্পানির কাছ থেকে কমিশন পাবে।
- সেবাটি তদারকির জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ব্যাংকাস্যুরেন্স নামে আলাদা শাখা খোলা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা প্রতিবেদন।[Link]
১,৭২৪.
’ভিজিএফ’ কোন ধরণের কর্মসূচি?
  1. সামাজিক আন্দোলন
  2. স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা
  3. অর্থনৈতিক উন্নয়ন
  4. সামাজিক নিরাপত্তা
ব্যাখ্যা

• সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি :
-দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় দুর্যোগকালিন ও দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে এবং কৃষি ক্ষেত্রে কর্মহীন সময়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মাধ্যমে দেশব্যাপী সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতাধীন মানবিক সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে থাকে। এই কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:

(১) দুঃস্থদের খাদ্য সহায়তা (ভিজিএফ)
(২) খাদ্য ও অর্থ সহায়তা (জিআর)

• ভিজিএফ :
-ভিজিএফ কর্মসূচিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।
- এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হচ্ছে দরিদ্র পরিবারের দারিদ্র্য হ্রাস করা।

• জিআর :
- জিআর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের একটি মানবিক সহায়তা কমসূচি, যাতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণকে জরুরি সাহায্য হিসেবে খাদ্যশস্য/নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়। 

তথ্যসূত্র:  সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের।

১,৭২৫.
বয়স্ক ভাতা কার্যক্রম শুরু হয় কবে?
  1. ১৯৯৫-৯৬
  2. ১৯৯৬-৯৭
  3. ১৯৯৭-৯৮
  4. ১৯৯৮-৯৯
ব্যাখ্যা
বয়স্ক ভাতা:
- সমাজসেবা অধিদফতরের তত্ত্বাবধায়নে ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছর থেকে বয়স্ক ভাতা কার্যক্রম শুরু হয়।
- প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়।
- পরবর্তীতে দেশের সকল পৌরসভা ও সিটিকর্পোরেশন এ কর্মসূচির আওতাভুক্ত করা হয়।
- বর্তমান সরকার ২০০৯-১০ অর্থবছরে জনপ্রতি মাসিক ভাতার হার ২৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকায় উন্নীত করে।
- ২০২২-২৩ অর্থ বছরে ৫৭ লক্ষ ১ হাজার বয়স্ক ব্যক্তিকে জনপ্রতি মাসিক ৫০০ টাকা হারে ভাতা প্রদান করা হয়।
- বর্তমানে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বয়স্ক ভাতাভোগীর সংখ্যা ৫৭.০১ লক্ষ থেকে ৫৮.০১ লক্ষ জনে এবং মাসিক ভাতার হার ৫০০ টাকা হতে ৬০০ টাকায় উন্নীতকরণ করা হয়।

তথ্যসূত্র - সমাজসেবা অধিদফতরের ওয়েবসাইট।
১,৭২৬.
বাংলাদেশের বার্ষিক বৈদেশিক সাহায্যের পরিমাণ নির্ধারণকারী সংস্থা হচ্ছে-
  1. ক) বিশ্ব ব্যাংক
  2. খ) এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক
  3. গ) প্যারিস কনসোর্টিয়াম বাংলাদেশ
  4. ঘ) বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ফোরাম
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বার্ষিক বৈদেশিক সাহায্যের পরিমাণ নির্ধারণকারী সংস্থা হচ্ছে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ফোরাম।
- ফোরামের সমন্বয়ক হলো বিশ্বব্যাংক ।
- 2002 সালে এইড গ্রুপ নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম রাখা হয় ।
- বাংলাদেশে বৈদেশিক সাহায্য যাতা অধিকাংশ দেশ ও সংস্থা এই ফোরামের সদস্য।

 উৎস: বাংলাপিডিয়া

১,৭২৭.
প্রত্যক্ষ কর (Direct Tax) এর উদাহরণ কোনটি?
  1. আয়কর
  2. মূল্য সংযোজন কর
  3. আমদানি শুল্ক
  4. আবগারি শুল্ক
ব্যাখ্যা

⇒ প্রত্যক্ষ কর (Direct Tax) এর একটি উদাহরণ - আয়কর (Income Tax) ।

• প্রত্যক্ষ কর: 

- প্রত্যক্ষ কর হলো এরূপ কর যার বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয়।
• প্রত্যক্ষ করসমূহ হলো:
- আয়কর,
- দানকর,
- ভূমি উন্নয়ন কর,
- ভ্রমণ কর ইত্যাদি।

• পরোক্ষ কর: 
- মূল্য সংযোজন কর:
- আমদানি শুল্ক:
- আবগারি শুল্ক:
- সম্পূরক শুল্ক:

উৎস: অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৭২৮.
সরকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি কোন বাজেট থেকে প্রণয়ন করে থাকে?
  1. উন্নয়ন বাজেট
  2. চলতি বাজেট
  3. অ-উন্নয়ন বাজেট
  4. রাজস্ব বাজেট
ব্যাখ্যা
মূলধন বাজেট বা উন্নয়ন বাজেট:
- সরকারের মূলধন আয় ও ব্যয়ের হিসাব যে বাজেটে দেখানো হয় তাকে মূলধন বা উন্নয়ন বাজেট বলে।
- এ বাজেটের মূল লক্ষ্য হলো দেশের ও জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সাধন করা।
- এ লক্ষ্যে সরকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি প্রণয়ন করে এবং তা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উভয় উৎস হতে অর্থসংস্থান করে।
- অভ্যন্তরীণ আয়ের উৎস হলো-রাজস্ব উদ্বৃত্ত, বেসরকারি সঞ্চয় ব্যাংক ঋণ ও অতিরিক্ত কর ধার্য করা ইত্যাদি।
- বৈদেশিক আয়ের উৎস হলো-বৈদেশিক ঋণ, বৈদেশিক অনুদান ইত্যাদি।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায়- কৃষি, শিল্প, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, মহিলা ও যুব উন্নয়ন, পরিবহণ ও যোগাযোগ, পল্লি উন্নয়ন ও গৃহায়ণ ইত্যাদি খাতে সরকার ব্যয় করে থাকে।
- এ বাজেটের মূল লক্ষ্য হলো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধি অর্জন।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,৭২৯.
কোনটি প্রত্যক্ষ কর নয়?
  1. ক) আমদানি শুল্ক
  2. খ) ভূমিকর
  3. গ) মুনাফা কর
  4. ঘ) আয়কর
ব্যাখ্যা

• কোন ব্যক্তির উপর আরোপিত কর সরকার প্রত্যক্ষভাবে আদায় করলে এবং করদাতা ঐ করের বোঝা অন্যের উপর চাপিয়ে দিতে সক্ষম না হলে তাকে প্রত্যক্ষ বলে। যেমনঃ
- আয়কর,
- ভূমিকর,
- মুনাফা কর,
- ব্যয়কর ইত্যাদি।
• করদাতা নিজে প্রত্যক্ষভাবে বা সরাসরি কর প্রদান না করে অন্য কোনো মাধ্যমে সরকারকে কর প্রদান করলে তাকে পরোক্ষ কর বলে। যেমনঃ
- মূসক,
- আমদানি শুল্ক,
- বিক্রির কর,
- পণ্যকর,
- সম্পূরক শুল্ক,
- মূল্য সংযোজন কর,
- আবগারি শুল্ক ইত্যাদি।

১,৭৩০.
তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) লালমনিরহাট
  2. খ) কুষ্টিয়া
  3. গ) যশোর
  4. ঘ) ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা
২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে মোট তামাক উৎপাদিত হয় ৮২,৩৯৯ মেট্রিক টন।
তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা সমূহ:
- প্রথম : কুষ্টিয়া : ৩৬,৮৬৯ মে. টন
- দ্বিতীয় : লালমনিরহাট : ১৫,৩০৫ মে. টন
- তৃতীয় : নীলফামারী : ৮,৩৫০ মে. টন।
(সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০১৯)
১,৭৩১.
'সোনালিকা' ও 'আকবর' বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে কোন ফসলের নাম?
  1. ক) ভুট্টা
  2. খ) গম
  3. গ) ধান
  4. ঘ) তামাক
ব্যাখ্যা
উন্নতজাতের ফসলের জাত:
ধান: হীরা, ব্রিশাইল,ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড, সোনার বাংলা, টিয়া, ময়না, ঝলক, বিজলি, মধুমতি ইত্যাদি। 
গম: বলাকা, দোয়েল, শতাব্দী, অগ্রণী, সোনালিকা, আনন্দ, আকবর, কাঞ্চন ইত্যাদি। 
ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা, উত্তরণ, 
তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ
তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা
আলু: গ্রানূলা, মাল্টা, পেট্রোনিজ, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, ফেন্সিনা, ক্যারেজ, লেডিরোজ
মহানন্দা, মোহনভোগ, ল্যাংড়া, গোপালভোগ
আম: হিমসাগর, ল্যাংরা, গোপালভোগ, খিরশাপতি, ফজলী, বোম্বাই, আম্রপালি, বারিআম-১, বারিআম-৪, থোকাফজলী,
পেঁয়াজ: তাহেরপুরী, সুখসাগর
বাধাকপি: প্রতিভা, অগ্রদুত

সূত্র: বাংলাদেশের জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৭৩২.
২০৩১ সালে দেশে দারিদ্র্যের হার কত শতাংশ হবে?
  1. ক) ৩.০ শতাংশ
  2. খ) ৭.০ শতাংশ
  3. গ) ৪.০ শতাংশ
  4. ঘ) ৬.০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
• ২০৪১ সাল নাগাদ দারিদ্র্যের হার ৩.০ শতাংশের নিচে এবং চরম দারিদ্র্য হার ১.০ শতাংশের নিচে নামিয়ে লক্ষ্যস্থির করা হয়েছে।
• ২০২০ সালে দারিদ্র্যের হার ছিল ১৮.৮ শতাংশ।
• ২০৩১ সালে এটি দাঁড়াবে ৭.০ শতাংশে। 

তথ্যসূত্র: পরিকল্পনা কমিশন এবং অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
১,৭৩৩.
হিসাব বিজ্ঞানকে বলা হয়?
  1. ব্যবসায়ের চালিকা শক্তি
  2. ব্যবসায়ের নীতি
  3. ব্যবসায়ের দর্পণ
  4. ব্যবসায়ের ভাষা
ব্যাখ্যা
হিসাব বিজ্ঞান:
- ব্যবসা-বাণিজ্যের লেনদেন এবং আর্থিক অবস্থার হিসাব রাখা, মোটামুটি হিসাব-নিকাশ করা, বিশ্লেষণ করা এবং রিপোর্ট তৈরি করার ব্যবস্থাপনার বিষয়বস্তুকে হিসাব বিজ্ঞান বলা হয়।
- হিসাব বিজ্ঞান ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে তাদের আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে তথ্য প্রদান করে।
- এক্ষেত্রে হিসাব বিজ্ঞান হলো ব্যবসায়ের ভাষা যা ব্যবসায়ীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

উৎস: হিসাববিজ্ঞান নীতি, বিবিএস প্রোগ্রাম,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।[লিঙ্ক]
১,৭৩৪.
PRSP-এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Poverty Reduction Strategy Paper
  2. Poverty Reduction Strategy project
  3. Poverty Reduction Scheme Paper
  4. Poverty Reduce Strategy Paper
ব্যাখ্যা

• দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র :
- PRSP এর পূর্ণরূপ- Poverty Reduction Strategy Paper.
- দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র(পিআরএসপি)  দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে বিশ্বে নিম্ন আয়ের দেশগুলির অভ্যন্তরীণভাবে গৃহীত নীতি, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন সহযোগিতার জন্য প্রণীত দলিল বা রূপরেখা।
- মার্চ ২০০৩ সালে বাংলাদেশ অন্তবর্তীকালীন পিআরএসপি (আইপিআরএসপি) প্রথম প্রণয়ন করে।
- এর শিরোনাম ছিল ‘অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক উন্নয়নের কৌশল’।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।

১,৭৩৫.
Money market is a market for
  1. ক) Short-term fund
  2. খ) long-term fund
  3. গ) risk free assets
  4. ঘ) hedge fund
ব্যাখ্যা
• মুদ্রা বাজার (Money Market):
- কোনো দেশের অর্থনীতির একটি অপরিহার্য অংশ।
- যে সকল ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান সুদের বিনিময়ে Short term বা স্বল্পমেয়াদী (১ বছর বা তার কম সময়ের জন্য) তহবিল আদান প্রদান করে থাকে তাদেরকে নিয়েই মূলত মুদ্রা বাজার বা money market গঠিত।
- ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান সমূহের স্বল্পমেয়াদি তারল্যের (Liquidity) উদ্বৃত্ত (Surplus) এবং ঘাটতির (Deficit) সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা মুদ্রা বাজারের মূল লক্ষ্য।
- বাংলাদেশের মুদ্রা বাজারকে মূলত দুইটি ভাগে ভাগ করা যায়।
১.  প্রাতিষ্ঠানিক: কেন্দ্রীয় ব্যাংক, ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান সমূহ, অ-তফসিলী ব্যাংক, বিশেষায়িত ব্যাংক ইত্যাদি।
২. অপ্রাতিষ্ঠানিক: মানি লেন্ডার ও স্বল্প পরিসরের সমবায় সমিতি সমূহ যারা সরাসরি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রনাধীন নয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৭৩৬.
ডিজিটাল ব্যাংক নীতিমালা প্রণয়ন করা হয় কবে?
  1. ২০২৪ সালে
  2. ২০২৩ সালে
  3. ২০২৫ সালে
  4. ২০২২ সালে
ব্যাখ্যা

- ২০২৩ সালের ১৪ জুন বাংলাদেশ ব্যাংক ডিজিটাল ব্যাংকের নীতিমালা প্রণয়ন করে।
- সেই নীতিমালা অনুযায়ী ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন ছিল ১২৫ কোটি টাকা।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন করে ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স (অনুমোদন) দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।
- এ জন্য ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধনের সীমা বাড়িয়ে ৩০০ কোটি টাকা করা হয়েছে।
- তবে প্রচলিত ব্যাংকের লাইসেন্স পেতে প্রয়োজন ৫০০ কোটি টাকা।

উৎস: প্রথম আলো।

১,৭৩৭.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম হলো-
  1. ক) একটি এনজিও
  2. খ) দাতাদের ফোরাম
  3. গ) সরকারি নীতি নির্ধারণী ফোরাম
  4. ঘ) জলবায়ু সহায়তা ট্রাস্ট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম (বিডিএফ) হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম। এটি ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ এইড গ্রুপ নামে গঠিত হয়। বর্তমানে বিডিএফের এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিশ্বব্যাংক এই ফোরামের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে।
(সূত্রঃ ইআরডি ওয়েবসাইট)
১,৭৩৮.
বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রতিবন্ধকতা নয় কোনটি?  
  1. সরকারি সেবার মান
  2. ইউটিলিটি সেবার অপ্রতুলতা
  3. শ্রম শক্তির অপ্রতুলতা
  4. রাজনৈতিক অস্থিরতা
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রতিবন্ধকতা নয়: শ্রম শক্তির অপ্রতুলতা। 
- বরং, বাংলাদেশের বিদেশি বিনিয়োগের  সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো সস্তা ও প্রচুর শ্রমশক্তি। 


• বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রতিবন্ধকতা: 

- বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (এফডিআই) হলো এমন এক ধরনের বিনিয়োগ, যার মাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠান বা কোনো ব্যক্তি ব্যবসায়িক স্বার্থে অন্য দেশে বিনিয়োগ করে। 
- বিনিয়োগ ব্যয় বা বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত অনেকগুলো উপাদান দ্বারা প্রভাবিত হয়।
- সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) আনায় প্রতিযোগী দেশগুলোর থেকে পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ।  
- বাংলাদেশে বিদেশি সরাসরি বিনিয়োগ (FDI) বৃদ্ধির পথে বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতা বিদ্যমান, যা অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, প্রশাসনিক এবং অবকাঠামোগত কারণে উদ্ভূত।

- বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগে চারটি প্রধান বাধার কথা জানিয়েছেন ঢাকায় বিনিয়োগ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। যথা: 
১. সরকারি সেবার মান,
২. ইউটিলিটি (বিদ্যুৎ, গ্যাস, পরিবহন) সেবার অপ্রতুলতা, 
৩. দুর্নীতি,
৪. বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সরকারি সংস্থাগুলোর বোঝাপড়ায় ঘাটতি।

এছাড়াও,
• বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির অন্যান্য প্রতিবন্ধকতা সমূহ: 
১. প্রশাসনিক লাল ফিতা ও দুর্বল শাসনব্যবস্থা,
২. স্বচ্ছতার অভাব,
৩. অপর্যাপ্ত অবকাঠামো,
৪. রাজনৈতিক অস্থিরতা,
৫. আইনি ও বিচারিক দুর্বলতা,
৬. জমি অধিগ্রহণ ও সম্পত্তি অধিকারের সমস্যা,
৭. কর ব্যবস্থা ও নীতিগত অস্থিরতা। 

তথ্যসূত্র: সমকাল, বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ও সামষ্টিক অর্থনীতি, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। (Link) 

১,৭৩৯.
২০২১-২২ অর্থবছরে করোনা মোকাবিলায় বরাদ্দ রাখা হয়েছে কত টাকা?
  1. ক) ১০ হাজার কোটি টাকা
  2. খ) ১২ হাজার কোটি টাকা
  3. গ) ১৫ হাজার কোটি টাকা
  4. ঘ) ২০ হাজার কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

• ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা– ৩ জুন ২০২১
এবং বাজেট পাশ ৩০ জুন ২০২১।
• বাজেট কার্যকর হয় ১ জুলাই ২০২১।
• বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী আ. হ. ম. মুস্তফা কামাল।
• বাজেটের আকার ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা।
• বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ২ লাখ ২৫ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা (জিডিপির ১৭.৫%)।
• ঘাটতি ২ লাখ ১৪ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা।
• জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ৭ দশমিক ২ ভাগ।
• রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ৩ লাখ ৮৯ হাজার কোটি টাকা।
• করোনা মোকাবিলায় বরাদ্দ ১০ হাজার কোটি টাকা।
• মানবসম্পদ উন্নয়নে সর্বোচ্চ বরাদ্দ ৬৬ হাজার ১৬৪ কোটি টাকা।
• মাথাপিছু জাতীয় আয় ২৪৬২ মার্কিন ডলার।
• সাক্ষরতার হার ৭৪.৭%।
• প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল ৭২.৬ বছর।
• দরিদ্র জনসংখ্যার হার ২০.৫%।
• অতি দরিদ্র জনসংখ্যার হার ১০.৫%।
• মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৩ ভাগ।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।

১,৭৪০.
বাংলাদেশে বার্ষিক গম উৎপাদনের পরিমাণ কত?
  1. ক) ১০.২৫ লক্ষ মেট্রিক টন
  2. খ) ১২.৪৬ লক্ষ মেট্রিক টন
  3. গ) ১৩.৯৮ লক্ষ মেট্রিক টন
  4. ঘ) ১৪.৩১ লক্ষ মেট্রিক টন
ব্যাখ্যা
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যানুসারে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে দেশে মোট গম উৎপাদনের পরিমাণ ১২.৪৬ লক্ষ মেট্রিক টন। গম চাষের আওতাধীন জমির পরিমাণ ৩.৪২ লক্ষ হেক্টর।
গম উৎপাদনে শীর্ষ তিন জেলা:
- প্রথম : ঠাকুরগাও (১.৮৯ লক্ষ টন)
- দ্বিতীয় : চাপাইনবাবগঞ্জ (১.০৩ লক্ষ টন)
- তৃতীয় : পাবনা (০.৯৯ লক্ষ মে. টন)।
(তথ্যসূত্র: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর)
১,৭৪১.
কাবিখা কর্মসূচি কোন ধরনের কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত?
  1. শিক্ষা কর্মসূচি
  2. স্বাস্থ্য কর্মসূচি
  3. দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচি
  4. যুব উন্নয়ন কর্মসূচি
ব্যাখ্যা

কাবিখা:
- 'কাবিখা' বা 'কাজের বিনিময়ে খাদ্য' দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচীর অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দিলে বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হলে সরকার 'ফুড ফর ওয়ার্ক' বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে।

⇒ কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) কর্মসূচীর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামীন অবকাঠামো নির্মাণ/পুননির্মাণ।
- স্বাভাবিক অবস্থায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এই কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন।
- গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
- গ্রামীণ দরিদ্র জনগনের আয় বৃদ্ধি।
- দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য আণয়ন এবং
- দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি।

তথ্যসূত্র - সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৭৪২.
ICDDR'B কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৬৮ সাল
  2. ১৯৭৬ সাল
  3. ১৯৭৮ সাল
  4. ১৯৭৯ সাল
ব্যাখ্যা
• ICDDR, B- International Center for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh.

- ঢাকা শহরের মহাখালীতে অবস্থিত চিকিৎসাবিষয়ক গবেষণা এবং সেবা প্রদানকারী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান।
- কমিউনিজম বিস্তাররোধে ১৯৫৬ সালে গঠিত দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় চুক্তি সংস্থা (SEATO) এ এলাকায় যুদ্ধরত আমেরিকান সেনাদের নিরাপত্তার জন্য কলেরা গবেষণায় সমর্থন দানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
- ওই সময় বর্তমান বাংলাদেশ ছিল পাকিস্তানের একটি অংশ।
- তাই পাকিস্তান ও SEATO-এর সমন্বিত প্রকল্পের অধীনে ১৯৬০ সালে ঢাকায় স্থাপিত কলেরা গবেষণাগারের নাম ছিল ‘পাকিস্তান কলেরা রিসার্চ ল্যাবরেটরি’ (PCRL)।
- আন্তর্জাতিক এবং বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের এক কমিটি ১৯৭৮ সালে কলেরা রিসার্চ ল্যাবরেটরিকে একটি আন্তর্জাতিক মানের প্রতিষ্ঠান হিসেবে রূপ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের নিকট প্রস্তাব পেশ করে। - প্রস্তাবটির অনুকূলে সাড়া দিয়ে সরকার জাতীয় সংসদের এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে CRL কে আন্তর্জাতিক এক গবেষণাগার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং এর নাম দেওয়া হয় International Centre for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh (ICDDR,B)।
- icddr,b ’খাবার স্যালাইন’ ও ’বেবি জিঙ্ক ট্যাবলেট’ উদ্ভাবন করে।

• সম্প্রতি আই সি ডি ডি আর বি-এর গবেষণা কার্যক্রমের বিস্তার আরও দীর্ঘায়িত হয়েছে। নতুন অন্তর্ভুক্ত গবেষণার ক্ষেত্রগুলির মধ্যে রয়েছে শ্বাসরোগ, যৌনরোগ, এইডস, হেপাটাইটিস, মা ও শিশু স্বাস্থ্য, টিকার কার্যকারিতা পরীক্ষা ও বিভিন্ন সংক্রামক ব্যাধি

উৎস: icddr,b এবং বাংলাপিডিয়া।
১,৭৪৩.
বাংলাদেশ কত সালে LDC তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
LDC (Least Developed Countries):
- LDC হলো জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন ১৯৭১ সালে তৈরিকৃত বিশ্বের সবচেয়ে অনুন্নত দেশসমূহের একটি তালিকা।
- ৩টি সূচককে মানদন্ড হিসেবে নিয়ে LDC কর্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। সেগুলো হলো:
• আয় সূচক।
• মানব সম্পদ সূচক।
• অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত দুর্বলতা সূচক।

- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে LDC তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- বর্তমানে LDC তালিকায় ৪৪টি দেশ রয়েছে।
- সপ্তম দেশ হিসেবে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (LDC) তালিকা থেকে বের হয় - ভুটান(১৩ ডিসেম্বর, ২০২৩)।
- বাংলাদেশ ২০২৬ সালে LDC হতে উত্তরণ করবে।
- বাংলাদেশ ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো LDC তালিকা থেকে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করে।
- অর্জিত লক্ষ্যসমূহ ২০২১ সাল পর্যন্ত অক্ষুণ্ণ থাকায় ২০২৬ সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে LDC তালিকা থেকে বের হয়ে যাবে।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৭৪৪.
‘ডেল্টা গভর্ন্যান্স কাউন্সিল’ এর ভাইস চেয়ারম্যান হলেন-
  1. ক) পরিকল্পনা মন্ত্রী
  2. খ) অর্থ মন্ত্রী
  3. গ) প্রধানমন্ত্রী
  4. ঘ) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর
ব্যাখ্যা
বন্যা, নদীভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনার দীর্ঘমেয়াদি কৌশল হিসেবে ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর আলোচিত ‘বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ অনুমোদন দেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি)।
বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে চেয়ারপারসন করে ‘ডেল্টা গভর্ন্যান্স কাউন্সিল’ গঠন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী এই কাউন্সিলের চেয়ারপারসন। পরিকল্পনামন্ত্রীকে কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান করা হয়েছে।
[সূত্রঃ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ]
১,৭৪৫.
নিচের কোনটি কর বহির্ভূত রাজস্ব আয়ের উৎস- 
  1. আমদানি শুল্ক
  2. যানবাহন কর
  3. টোল ও লেভী
  4. ভূমি রাজস্ব
ব্যাখ্যা

- টোল ও লেভী – সেতু ও অন্যান্য সরকারি নির্মাণ থেকে আদায়। যা কর বহির্ভূত রাজস্ব।

• কর বহির্ভূত রাজস্ব
১। মুনাফা ও লভ্যাংশ সরকারি শিল্প, কারখানা ও কোম্পানির মুনাফা ও লভ্যাংশ।
২। সুদ- সরকার প্রদত্ত ঋণ থেকে প্রাপ্ত সুদ।
৩। ফি – বিশেষ সুবিধা প্রদানের বিনিময়ে আদায়কৃত অর্থ, যেমন কোট ফি, রেজিস্ট্রেশন ফি।
৪। জরিমানা – আইন-শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী বা অপরাধী থেকে আদায়।
৫। সরকারি সম্পত্তি খাল, বিল, নদী, বন, সরকারি খাস জমি ইত্যাদি লীজ দিয়ে অর্জিত আয়।
৬। টোল ও লেভী – সেতু ও অন্যান্য সরকারি নির্মাণ থেকে আদায়।
৭। বাণিজ্যিক আয় সরকারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যেমন রেল, ডাক ও সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে প্রাপ্ত আয়।
৮। বিশেষ কর – উন্নয়নমূলক কাজের কারণে জমির মূল্যবৃদ্ধি থেকে প্রাপ্ত আয়।
৯। বিবিধ আয় – ক্ষতিপূরণ, পুরস্কার, বৈদেশিক সাহায্য ইত্যাদি থেকে প্রাপ্ত আয়।

বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসসমূহ:

-  বাংলাদেশ সরকারের যে রাজস্ব সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা-
• কর রাজস্ব এবং
• কর বহির্ভূত রাজস্ব।
• কর রাজস্ব বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।
- বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নরূপ:
- আয় ও মুনাফা কর, আমদানি শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর, আবগারি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক:, যানবাহন কর,ভূমি রাজস্ব, নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়।

 উৎস: অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও অর্থনীতি (দ্বিতীয় প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৭৪৬.
বর্তমানে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহে কোন দেশ শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে? (জানুয়ারি-২০২৬)
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. সৌদি আরব
ব্যাখ্যা

⇒ বর্তমানে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহে শীর্ষ দেশ- সৌদি আরব।

⇒ প্রবাসী আয়ে শীর্ষ ১০ দেশ (জুলাই-নভেম্বর ২০২৫)

- সৌদি আরব: ২০৫ কোটি ডলার।
- যুক্তরাজ্য: ১৬৭ কোটি ডলার।
- সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই): ১৫৮ কোটি ডলার।
- মালয়েশিয়া: ১৪৩ কোটি ডলার।
- যুক্তরাষ্ট্র: ১০৩ কোটি ডলার।
- ইতালি: ৮৩ কোটি ডলার।
- ওমান: ৭৭ কোটি ডলার।
- কুয়েত: ৬৪ কোটি ডলার।
- কাতার: ৫৯ কোটি ডলার।
- সিঙ্গাপুর: ৫৫ কোটি ডলার।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট ১ হাজার ৩০৩ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। 
- নভেম্বর মাসে রাষ্ট্রমালিকানাধীন ছয় ব্যাংক ৫৮ কোটি ৭০ লাখ ও কৃষি ব্যাংক ২৯ কোটি ৫৯ লাখ ডলার এনেছে। বেসরকারি ব্যাংকগুলো ১৯৯ কোটি ৬৮ লাখ এবং বিদেশি ব্যাংকগুলো ৫৯ লাখ ডলার এনেছে।

উৎস: প্রথম আলো।

১,৭৪৭.
বর্তমানে বাংলাদেশের প্রবাসী আয়ের শীর্ষ উৎস দেশ কোনটি? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. যুক্তরাজ্য
  2. সৌদি আরব
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা

প্রবাসী আয়ের শীর্ষ উৎস দেশ:
- বর্তমানে প্রবাসী আয়ের শীর্ষ উৎস হয়ে উঠেছে সৌদি আরব।
- সৌদি আরবের পেছনে রয়েছে যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ও মালয়েশিয়া। 
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা গেছে, গত জুলাই-নভেম্বর, ২০২৫ সময়ে সৌদি আরব থেকে সর্বোচ্চ ২০৫ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে।
- যুক্তরাজ্য থেকে ১৬৭ কোটি, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে ১৫৮ কোটি, মালয়েশিয়া থেকে ১৪৩ কোটি এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১০৩ কোটি ডলার এসেছে। উল্লেখ্য, সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি কাজ করেন সৌদি আরবে।

তথ্যসূত্র- প্রথম আলো। [link]

১,৭৪৮.
গ্রামীণ ব্যাংক কত সালে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে?
  1. ১৯৮১ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৭ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা
গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- এটি ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা বর্তমান অন্তর্বর্তি সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

⇒ গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৩ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত।

উৎস: i) গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) BBC.
১,৭৪৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, চরম দারিদ্র্যের হার -
  1. ৩.৯%
  2. ৪.২%
  3. ৫.৬%
  4. ৬.১%
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৮.৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৪.১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

১,৭৫০.
বর্তমানে সারা দেশে কতটি কমিউনিটি ক্লিনিক চালু রয়েছে?
  1. ক) ১৪,০৭৬ টি
  2. খ) ১৪,১৪১ টি
  3. গ) ১৫,৭৬২ টি
  4. ঘ) ১৩,০৭৫ টি
ব্যাখ্যা
- গ্রামীণ জনগণকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের জন্য প্রথম সেবা কেন্দ্র - কমিউনিটি ক্লিনিক।
-  বর্তমানে সারা দেশে কমিউনিটি ক্লিনিক চালু রয়েছে - ১৪,১৪১টি। 
- প্রতিদিন গড়ে ৪০ জন সেবা প্রার্থী একটি কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে সেবা গ্রহণ করে থাকেন এবং এদের ৯৫ শতাংশই নারী ও শিশু। 
- ২০০৯ সাল থেকে শুরু করে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ পর্যন্ত এসব কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে মানুষ সেবা নিয়েছে ১১১.১৭ কোটিরও বেশি 
 
উৎস:  অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
১,৭৫১.
'ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ড আইন' কত সালে জাতীয় সংসদে পাস হয়?
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০১৪ সালে
  3. ২০১৬ সালে
  4. ২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা

ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ড আইন:
- বাংলাদেশি কর্মীদের কল্যাণ ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই আইনটি প্রণীত হয়।
- এর মাধ্যমে ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ড কে একটি স্বতন্ত্র ও আইনগত স্বীকৃত সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- যা প্রবাসী কর্মীদের এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য বিভিন্ন কল্যাণমূলক সেবা প্রদান করে থাকে।
- 'ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ড আইন' ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদে পাস হয়।
- আইনটি বোর্ডের গঠন, দায়িত্ব ও কার্যক্রম নির্ধারণ করে। এতে বোর্ডের সদস্য সংখ্যা, তাদের নিয়োগ পদ্ধতি এবং দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত উল্লেখ রয়েছে।
- আইনটি ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার ফান্ডের গঠন, ব্যবস্থাপনা ও ব্যয়ের দিকনির্দেশনা প্রদান করে।
- প্রবাসী কর্মীদের অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং জরুরি সহায়তা প্রদানের জন্য বোর্ডকে ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ড ওয়েবসাইট।

১,৭৫২.
বাংলাদেশে নির্মিত প্রথম রেললাইন কোনটি?
  1. দর্শনা -  জগতি রেললাইন
  2. গুনবতী - সীতাকুন্ড রেললাইন
  3. লাকসাম জংশং - চাদঁপুর রেললাইন
  4.  আখাউড়া -  জগতি রেললাইন
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের রেলওয়ে:
- বাংলাদেশে রেলওয়ের সূচনা হয় ১৮৬২ সালের ১৫ নভেম্বর দর্শনা- জগতি রেললাইন নির্মাণের মাধ্যমে।
- ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ রেলওয়ে অথরিটি (বিআরএ)গঠন করা হয়।
- বাংলাদেশ রেলওয়ের ২৮৭৭ কিঃমিঃ রেল লাইন নেটওয়ার্ক দেশের ৪৪ টি জেলায় সংযুক্ত। (এপ্রিল ২০২৫)
- রেলপথ মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়- ২০১১ সালে
-বাংলাদেশে মোট ৪৭০ টি রেলওয়ে স্টেশন আছে। 
- বাংলাদেশে মোট ৩ ধরনের রেলপথ আছে।
১. ব্রডগেজ ২. মিটারগেজ ৩. ডুয়েল গেজ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ রেলপথ মন্ত্রনালয়।

১,৭৫৩.
পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা কত মেগাওয়াট?
  1. ক) ১,০০০ মেগাওয়াট
  2. খ) ১,২৪০ মেগাওয়াট
  3. গ) ১,৩২০ মেগাওয়াট
  4. ঘ) ২,৪০০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত কয়লাভিত্তিক পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিটের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ১,৩২০ মেগাওয়াট।
এটি বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হচ্ছে। মোট ব্যয় ২.৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১৬ সালের অক্টোবরে এটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
(সূত্র: বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড)
১,৭৫৪.
বাংলাদেশ  ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ এ সমগ্র দেশকে কয়টা ভাগে  ভাগ করা হয়েছে।
  1. ৬ টি
  2. ৭ টি
  3. ৫ টি
  4. ৪ টি
ব্যাখ্যা
• ডেল্টা প্ল্যান: 
- ইউরোপের দেশ নেদারল্যান্ডসের আদলে গ্রহণ করা শতবর্ষী  প্ল্যান তথা ডেল্টা প্ল্যান বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ‘-২১০০’
- ‘ডেল্টা প্ল্যান-২১০০’ ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বরে  জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) অনুমোদন দেয়।
-ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।
-দেশের ভৌগলিক  অবকাঠামো বিবেচনায় ডেল্টা প্ল্যানে সমগ্র দেশ কে ছয়টি হটস্পট ভাগ করা হয়েছে।
১.  উপকূলীয় অঞ্চল, 
২  .বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল,
৩.  হাওর ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল, 
৪. পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল, 
৫. নদী ও মোহনা অঞ্চল এবং 
৬.  নগরাঞ্চল ।

উৎস: বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ওয়েব সাইট।
১,৭৫৫.
২০২০-২০২১ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে স্থিরমূল্যে জিডিপিতে প্রাণিজ সম্পদ খাতের অবদান কত শতাংশ?
  1. ক) ১.৪৪ শতাংশ
  2. খ) ১.৬৯ শতাংশ
  3. গ) ৩.৫৭ শতাংশ
  4. ঘ) ৬.৭৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বিবিএস প্রকাশিত তথ্যানুসারে ২০২০-২০২১ অর্থবছরে স্থিরমূল্যে জিডিপিতে বিভিন্ন খাতের অবদান:
- কৃষিখাত : ১৩.৪৭ শতাংশ
- শিল্পখাত : ৩৪.৯৯ শতাংশ
- সেবাখাত : ৫১.৫৩ শতাংশ।
কৃষিখাতের উপখাত সমূহের অবদান:
- শস্য ও উদ্যানচাষ : ৬.৭৭ শতাংশ
- প্রাণিজ সম্পদ : ১.৪৪ শতাংশ
- বনজ সম্পদ : ১.৬৯ শতাংশ
- মৎস্য সম্পদ : ৩.৫৭ শতাংশ।
(তথ্যসূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)
১,৭৫৬.
কত বছরের জন্যে বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান প্রণয়ন করা হয়েছে?
  1. ২৫ বছর
  2. ৫০ বছর
  3. ৭৫ বছর
  4. ১০০ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান:
- ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- ১০০ বছরের জন্যে বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে সহায়তা করছে: নেদারল্যান্ডস।
- পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়: ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সালে।
- পরিকল্পনা অনুমোদন দেয়: জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ।
- ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে দেশের আটটি হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করে প্রতিটি অঞ্চলের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির মাত্রার উপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
- একই ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির সম্মুখীন জেলাসমূহকে একেকটি গ্রুপের আওতায় আনা হয়েছে যাকে "হটস্পট" (পানি ও জলবায়ু উদ্ভূত প্রায় অভিন্ন সমস্যাবহুল অঞ্চল) হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।
- দুর্যোগ ঝুঁকিপ্রবণ ৬টি হটস্পট।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
১,৭৫৭.
কোনটি সমষ্টিগত সম্পদের উদাহরণ?
  1. ক) বাড়িঘর
  2. খ) রেলপথ
  3. গ) ভূ-সম্পত্তি
  4. ঘ) আসবাবপত্র
ব্যাখ্যা

- সমষ্টিগত সম্পদ: যেসব সম্পদের মালিকানা সমাজ বা রাষ্ট্রের হাতে থাকে সেসব সম্পদকে সমষ্টিগত সম্পদ বলে।
- অর্থাৎ জনগণের ব্যবহৃত সম্পদ ও সরকারি সম্পদ একত্রে মিলে সমষ্টিগত সম্পদ সৃষ্টি হয়।
যেমন- রেলপথ, রাস্তাঘাট, হাসপাতাল, পার্ক, চিড়িয়াখানা ইত্যাদি।

- অপরদিকে, বাড়িঘর, ভূ-সম্পত্তি, আসবাবপত্র হলো ব্যাক্তিমালিকানাধীন সম্পদ৷

উৎসঃ অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৭৫৮.
বাংলাদেশ সরকার কত বছরের কর্মসূচি হিসাবে ADP ঘোষণা করে?
  1. ক) ১ বছর
  2. খ) ৩ বছর
  3. গ) ৬ মাস
  4. ঘ) ২ বছর
ব্যাখ্যা
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP) হচ্ছে বাংলাদেশ সরকারের ঘোষিত ১ বছরের কর্মসূচি। ২০২০-২১ অর্থবছরে ADP পরিমান ২,০৫,১৪৫ কোটি টাকা। (যা জিডিপির-৬.৪৭% এবং বাজেটের ৩৬.১২%)।
উৎসঃ অর্থ মন্ত্রনালয়ের ওয়েবসাইট।
১,৭৫৯.
বাংলাদেশ ব্যাংক বছরে কতবার মুদ্রানীতি ঘোষণা করে?
  1. ১ বার 
  2. ২ বার 
  3. ৩ বার 
  4. ৪ বার 
ব্যাখ্যা

মুদ্রানীতি (Monetary policy):
- একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে যে নীতি গ্রহণ করা হয়, তাকে মুদ্রানীতি বলে।
- সাধারণত কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই মুদ্রানীতি ঘোষণা করে।
- মুদ্রানীতির মূল লক্ষ্য হলো মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা ও মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করা।
- এ জন্য দেশের আর্থিক খাতের চিত্র কেমন হবে—এ নিয়ে পরবর্তী ছয় মাসের জন্য নীতি ঠিক করা হয়।
- বাজারে মুদ্রার সরবরাহ পরিস্থিতি দিয়েই মূলত এটি ঠিক করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথমার্ধের জন্য মুদ্রানীতিতে নীতি সুদহার ১০ শতাংশ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংক বছরে ২ বার মুদ্রানীতি ঘোষণা করে।
- বাংলাদেশে প্রতি ছয় মাস পরপর মুদ্রানীতি ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- সাধারণত জানুয়ারি-জুন ও জুলাই-ডিসেম্বর—এই সময়সীমা ধরে বাংলাদেশে মুদ্রানীতি দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০০৬ সালে বাংলাদেশ প্রথম মুদ্রানীতি দেওয়া হয়। তখন বছরে দুবার মুদ্রানীতি ঘোষণা করত বাংলাদেশ ব্যাংক। পরে ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর ফজলে কবির বছরে একবার মুদ্রানীতি প্রণয়নের ঘোষণা দেন। পরে ২০২৩ সাল থেকে আবার বছরে দুবার মুদ্রানীতি ঘোষণার রীতিতে ফিরে যায় বাংলাদেশ।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতির মূল উদ্দেশ্য হলো:
১. অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক উভয় মূল্যের স্থায়িত্ব,
২. টেকসই বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন,
৩. উচ্চ কর্মসংস্থান,
৪. সম্পদের অর্থনৈতিক এবং দক্ষ ব্যবহার,
৫. আর্থিক ও পেমেন্ট সিস্টেমের স্থিতিশীলতা।

উৎস: Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।

১,৭৬০.
প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে -
  1. ক) কৃষিজাত পণ্য
  2. খ) পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
  3. গ) পাট ও পাটজাত পণ্য
  4. ঘ) হিমায়িত খাদ্য
ব্যাখ্যা
⇨ শিল্পজাত পণ্যের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় আসে - পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (৬৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
⇨ রপ্তানিতে প্রাথমিক পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার ৪.১৫% এবং ‘শিল্পজাত পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার - ৯৫.৮৪%।
⇨ প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে - “হিমায়িত খাদ্য’।
⇨ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে - ‘কৃষিজাত পণ্য'।   

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
১,৭৬১.
ICMAB is managed under which ministry?
  1. ক) Ministry of Commerce
  2. খ) Ministry of Finance
  3. গ) Ministry of Agriculture
  4. ঘ) Ministry of Law
ব্যাখ্যা
ICMAB:
- এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়।
- ICMAB এর পূর্ণরুপ: Institute of Cost and Management Accountants of Bangladesh।
- গঠিত হয়: ১৯৭৭ সালে।
- এর সদর দপ্তর: নীলক্ষেত, ঢাকা।
- এই প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের প্রফেশনাল কস্ট এন্ড একাউন্টেন্ট সনদ প্রদান করে।

উৎস: ICMAB ওয়েবসাইট।
১,৭৬২.
ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা দেশ-
  1. ক) জার্মানি
  2. খ) ফ্রান্স
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) ইতালি
ব্যাখ্যা
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে। 
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।

- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে। 

- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে জাপানে।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২ ও প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৭৬৩.
পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৯৮ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন:
- জাতীয় সংসদে গৃহীত আইনের মাধ্যমে 'পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ)' প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠা করা হয়: ১৯৯৯ সালে।
- পিডিবিএফ একটি সংবিদিবদ্ধ, স্ব-শাসিত, অমুনাফাকাঙ্ক্ষী, আত্মনির্ভরশীল, নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- পিডিবিএফ ক্ষুদ্র ঋণ এর পাশাপাশি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণ (SELP) পরিচালনা করে যাতে করে গ্রামীন বঞ্চিত মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি হয়।

তথ্যসূত্র - পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।

১,৭৬৪.
২০২৪–২৫ অর্থবছরে দেশে মোট ডলার প্রবাসী আয় এসেছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ২৭.৩৩ বিলিয়ন ডলার
  2. ২৯.৩৩ বিলিয়ন ডলার
  3. ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলার
  4. ৩২.৩৩ বিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা

প্রবাসী আয় (২০২৪-২৫ অর্থবছর):
- ২০২৪–২৫ অর্থবছরে দেশে ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে।
- দেশের ইতিহাসে এর আগে কোনো অর্থবছরে এত প্রবাসী আয় আসেনি।
- এই আয় আগের অর্থবছরের (২০২৩-২৪) ২৩ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলারের চেয়ে ৬ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার বা ২৬ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি।
- এর আগে ২০২০-২১ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলার।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [
LINK]

১,৭৬৫.
বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT) চালু হয়-
  1. ক) ১৯৯১ সালের ১ জানুয়ারি
  2. খ) ১৯৯২ সালের ১ জানুয়ারি
  3. গ) ১৯৯১ সালের ১ জুলাই
  4. ঘ) ১৯৯২ সালের ১ জুলাই
ব্যাখ্যা
Value added Tax বা মূল্য সংযোজন কর বাংলাদেশে চালু হয় ১৯৯১ সালের ১ জুলাই। ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর। ভ্যাট থেকে সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব আসে আয়কর থেকে।
উৎসঃ অর্থমন্ত্রনালয়ের ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো।
১,৭৬৬.
সম্প্রতি একীভূত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন কত?
  1. ৩০ হাজার কোটি টাকা
  2. ৩৫ হাজার কোটি টাকা
  3. ৪০ হাজার কোটি টাকা
  4. ৫০ হাজার কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক:
- ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করে নামকরণ করা হয় সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক (Sammilito Islami Bank Limited)। 
- ব্যাংকগুলো হচ্ছে: ফাস্ট সিকিউরিটি ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক।
- ‘ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ ২০২৫’-এর আওতায় নজিরবিহীন এই একীভূতকরণ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে।

⇒  ৯ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে পাঁচ ব্যাংক একীভূত করার প্রস্তাব অনুমোদন করে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ।
- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ৪০ হাজার কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৩৫ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক মনোনীত সাত সদস্যের একটি পরিচালনা পর্ষদ ব্যাংকটির কার্যক্রম তদারকি করছে। 
- পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান: জনাব মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া।

উৎস: i) আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। 
ii) প্রথম আলো।

১,৭৬৭.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ সার কারখানাটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ফেঞ্চুগঞ্জ
  2. খ) সিদ্ধিরগঞ্জ
  3. গ) আশুগঞ্জ
  4. ঘ) ঘােড়াশাল 
ব্যাখ্যা
- উৎপাদন ক্ষমতার দিক থেকে সবচেয়ে বৃহৎ সার কারখানা হলো শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (এসএফসিএল)।
- এটি  সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে ৬ কি.মি. দক্ষিণে অবস্থিত।
 
 
শিল্প মন্ত্রণালয়াধীন বিসিআইসি’র নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে দেশে ৭টি সার কারখানা রয়েছে।
এগুলো হলো:
- ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী
- শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোঃ লিমিটেড
- চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড
- যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড
- আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ
- টিএসপি কমপ্লেক্স লিমিটিড
- ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ
  
উৎস: বিসিআইসি ওয়েবসাইট।
১,৭৬৮.
বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎস কোনটি?
  1. আমদানি শুল্ক
  2. মূল্য সংযোজন কর
  3. ভূমি রাজস্ব
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসসমূহ:
- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।
- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা-
• কর রাজস্ব এবং
• কর বহির্ভূত রাজস্ব।

⇒ কর রাজস্ব বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।
- বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নরূপ:
১। আয় ও মুনাফা কর,
২। আমদানি শুল্ক,
৩। মূল্য সংযোজন কর,
৪। আবগারি শুল্ক,
৫। সম্পূরক শুল্ক,
৬। যানবাহন কর,
৭। ভূমি রাজস্ব,
৮। নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়,
৯। অন্যান্য কর ও শুল্ক।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৭৬৯.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে সাধারণ করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা কত?
  1. ৩০০০০০ টাকা
  2. ৩৫০০০০ টাকা
  3. ৩২৫০০০ টাকা
  4. ৩৭৫০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে ব্যক্তিগত করমুক্ত আয়সীমা:
- সরকার কর্তৃক ঘোষিত আয় যা অতিক্রম করলে আয়কর প্রদানের জন্য উপযুক্ত বলে বিবেচিত হবেন।
- সাধারণ ব্যক্তি করদাতা : ৩৫০০০০ টাকা, 
- মহিলা ও ৬৫ বছর উর্ধ্ব করদাতা : ৪০০০০০ টাকা, 
- প্রতিবন্ধি করদাতা : ৪৭৫০০০ টাকা, 
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা : ৫০০০০০ টাকা, 
- তৃতীয় লিঙ্গ : ৪৭৫০০০ টাকা। 

সূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও ২০২৩-২৪ জাতীয় বাজেট।
১,৭৭০.
DSE operates under the direct control of-
  1. ক) Ministry of Commerce
  2. খ) FBCCI
  3. গ) Bangladesh Bank
  4. ঘ) BSEC
ব্যাখ্যা
স্টক এক্সচেঞ্জ:
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন বাংলাদেশ সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়। 
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য। 
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ দুইটি। একটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং অপরটি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ। 
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। 

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ: 
- ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত। 
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার। 
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত। 
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৫৪ সালে। 
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ১৯৫৬ সালে। 

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ:  
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়। 
- এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণ ১৯৯৫ সালের জানুয়ারিতে সরকারের কাছে আবেদন করলে সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ১৯৯৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের দ্বিতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে এর অনুমোদন দেন। 

তথ্যসূত্র - ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।
১,৭৭১.
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক কত তারিখ প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে
  2. খ) ১ জুলাই ১৯৭১ সালে
  3. গ) ৪ নভেম্বর ১৯৭১ সালে
  4. ঘ) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:

- ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার ১২৭ নং আদেশ অনুযায়ী, বাংলাদেশে অবস্থিত সাবেক 'স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তান 'এর সব দায় দায়িত্ব নিয়ে ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাজ হল-
• মুদ্রার মান নিয়ন্ত্রণ রাখা।
• মুদ্রার গতিবিধি প্রক্ষেপণ কর,
• মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করা।
• বেসরকারি ঋণের যোগান ধার্য করা।
• মুদ্রা নীতি ঘোষণা।
•  বাণিজ্যিক ব্যাংককে ঋণ দেয়া।
• নিকাশ ঘরের দায়িত্ব পালন।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১,৭৭২.
নিচের কোনটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক?
  1. ক) বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক লিমিটেড
  2. খ) কমিউনিটি ব্যাংক লিমিটেড
  3. গ) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  4. ঘ) গ্রামীণ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা ৬টি।

এগুলো হলো:
- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড
- জনতা ব্যাংক লিমিটেড
- অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড
- রূপালি ব্যাংক লিমিটেড
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক লিমিটেড।

রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকের সংখ্যা তিনটি।
এগুলো হলো:
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।

- গ্রামীণ ব্যাংক তসফিলি ব্যাংক নয়। কমিউনিটি ব্যাংক হলো বাংলাদেশ পুলিশের মালিকানাধীন বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
১,৭৭৩.
বাংলাদেশের প্রধান উৎপাদনভিত্তিক খাত কোনটি?
  1. শিল্প
  2. কৃষি ও বনজ
  3. মৎস্য
  4. পরিবহন
ব্যাখ্যা

• কৃষিখাত:
- বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান খাত হলো কৃষি। 
- গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা তথা খাদ্যশস্য উৎপাদনে স্বনির্ভরতা অর্জন, দারিদ্র্য নিরসন ইত্যাদির মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক ও টেকসই উন্নয়নে কৃষিখাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো-২০২৫ অনুসারে, 
- জিডিপির সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কৃষি খাতের অবদান ১০.৯৪% ও  প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার
দাঁড়িয়েছে ১.৭৯%।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩.৩০%। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধির হার ১.৫১ শতাংশীয় পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে।

তথ্যসূত্র: i) অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। (Link)

১,৭৭৪.
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (NEC) এর বর্তমান সভাপতি কে? (জুন-২০২৫)
  1. অর্থমন্ত্রী
  2. প্রধান উপদেষ্টা
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. অর্থ উপদেষ্টা
ব্যাখ্যা
• জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (NEC):
- দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনায় জাতীয় নীতি ও উদ্দেশ্য সম্বলিত উন্নয়ন কর্মসূচি অনুমোদনের জন্য দেশের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ।
- এ পরিষদ কর্তৃক প্রণীত লক্ষ ও উদ্দেশ্য অনুযায়ী সাধারণত বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ তাদের নিজ নিজ পরিকল্পনা ও কর্মসূচি প্রণয়ন করে।
- মন্ত্রিপরিষদের সকল সদস্য এ পরিষদের সদস্য থাকেন।
- প্রধানমন্ত্রী তথা সরকার প্রধান পরিষদের সভায় সভাপতিত্ব করেন।
- প্রয়োজন মাফিক পরিষদের সভা আহবান করা হয়। কোনো নির্দিষ্ট সভার আলোচ্য বিষয়ের গুরুত্ব বা প্রকৃতি অনুসারে সভায় কারা উপস্থিত থাকবেন তা নির্ধারিত হয়।

 জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের কার্যাবলির মধ্যে রয়েছে:
(১) পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ও সকল অর্থনৈতিক নীতি প্রণয়নে সামগ্রিক দিগনির্দেশনা দান;
(২) নীতি, কর্মসূচি ও পরিকল্পনা চূড়ান্তকরণ ও অনুমোদন;
(৩) উন্নয়ন কর্মসূচির বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা; (
৪) আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য বিবেচ্য সকল ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ;
(৫) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের দায়িত্ব সম্পাদনের ক্ষেত্রে সহায়তা  প্রদানের নিমিত্তে প্রয়োজনীয় কমিটি নিয়োগ করা।

উল্লেখ্য,
বর্তমান সময় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (NEC) এর সভাপতি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৭৭৫.
Henry Fayol- ব্যবস্থাপনার কয়টি মূলনীতির কথা বলেন?
  1. ক) ১৪টি
  2. খ) ১২টি
  3. গ) ৭টি
  4. ঘ) ৮টি
ব্যাখ্যা
- ব্যবস্থাপনার নীতিমালা প্রবর্তক আধুনিক ব্যবস্থাপনার জনক হেনরি ফেয়ল। 
- ব্যবস্থাপনার মোট নীতিমালা ১৪টি।
- ব্যবস্থাপনার প্রথম নীতি হলো কার্যবিভাগ।
- হেনরি ফেয়ল ১৯১৬ সালে ফ্রান্সে তাঁর লেখা গ্রন্থে সর্বপ্রথম নীতিমালাগুলো উল্লেখ করেন।
- হেনরি ফেয়লের মৃত্যুর পর তাঁর ব্যবস্থাপনা তত্ত্ব আধুনিক ব্যবস্থাপনার নীতিমালা হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
- আদেশের ঐক্যের মূল কথা হলো প্রত্যেক কর্মী একজন ব্যবস্থাপক বা ম্যানেজার বা বসের অধীনে থাকবে। 
- নির্দেশনার ঐক্য বলতে বুঝায় একজন প্রধান ব্যক্তি থাকবে এবং তার কাছ থেকেই নির্দেশনা আসবে।

উৎস: ব্যাংকিং ও ব্যবস্থাপনা, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৭৬.
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে কোন দেশ থেকে?
  1. সৌদি আরব
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. কুয়েত
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা
গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে বাংলাদেশ মোট ১৮২০.৪৭ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পায়।
এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে সৌদি আরব থেকে ৪০১.৫১ কোটি ডলার।
দ্বিতীয় সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ২৪৭.২২ কোটি ডলার।
তৃতীয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২৪০.৩৪ কোটি ডলার। যুক্তরাজ্য থেকে এসেছে ১৩৬.৪৯ কোটি ডলার।
[উৎসঃ বাংলাদেশ ব্যাংক]
১,৭৭৭.
বর্তমানে দেশে মাথাপিছু আয় -
  1. ক) ২ হাজার ৮২০ মার্কিন ডলার
  2. খ) ২ হাজার ৮২৪ মার্কিন ডলার
  3. গ) ২ হাজার ৮২৬ মার্কিন ডলার
  4. ঘ) ২ হাজার ৮২৮ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
• দেশের মানুষের মাথাপিছু আয়  ২ হাজার ৮২৪ মার্কিন ডলার

• মাথাপিছু জাতীয় আয় (Per Capita National Income) একটি দেশের জনসাধারণের জনপ্রতি গড় জাতীয় আয়কে মাথাপিছু জাতীয় আয় বলে।
- মোট জাতীয় আয়কে মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ দিলে মাথাপিছু জাতীয় আয় পাওয়া যায়।
-  উল্লেখ্য যে, মাথাপিছু জাতীয় আয় একটি দেশের জনগণের কেবলমাত্র জনপ্রতি প্রাপ্যতা (availability) নির্দেশ করে।
- এটা কখনই নির্দেশ করে না যে, দেশের প্রতিটি মানুষ একই পরিমাণ আয় উপার্জন করছে।
- অন্যভাবে বলা যায়, মাথাপিছু জাতীয় আয় কোন দেশের জাতীয় আয়ের বন্টন সম্পর্কে কোন প্রকার ধারণা দিতে পারে না ।

সূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১,৭৭৮.
বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো কোন আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়?
  1. ব্যাংক কোম্পানি অ্যাক্ট, ১৯৯১
  2. ব্যাংক কোম্পানি অ্যাক্ট, ১৯৯২
  3. ব্যাংক কোম্পানি অ্যাক্ট, ১৯৯৩
  4. ব্যাংক কোম্পানি অ্যাক্ট, ১৯৯৫
ব্যাখ্যা
বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- যে ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান আমানত গ্রহণ ও ঋণদান করে তাকে বাণিজ্যিক ব্যাংক বলে।
- ১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইনানুসারে বাণিজ্যিক ব্যাংক গঠিত ও পরিচালিত হয়।

ব্যাংক কোম্পানি অ্যাক্ট, ১৯৯১
- ১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুসারে তফসিলি ব্যাংক বলা হয়।
- আইনের ধারাগুলি ব্যাংকিং কোম্পানিগুলির কার্যক্রম দিকগুলি নিয়ে আলোচনা করে।

উৎস: i) ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১,৭৭৯.
বর্তমানে দেশে কতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে? [ আগস্ট, ২০২৫]
  1. ৫টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ১০টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ব্যাংক নোট: 
- বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- ব্যাংক নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট।
- এসব নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে আর এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।
- বাংলাদেশের নতুন ১০০ টাকার নোটে সামনের অংশে বামপাশে বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদের ছবি এবং মাঝখানে পাতা ও কলিসহ প্রস্ফুটিত জাতীয় ফুল শাপলার ছবি থাকবে।
- পেছনে থাকবে সুন্দরবনের দৃশ্য। জলছাপ হিসেবে দেখা যাবে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখ, নিচে ‘১০০’ সংখ্যা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।

১,৭৮০.
বয়স্ক ভাতা নিচের কোন কর্মসূচির আওতাভুক্ত?
  1. সামাজিক কার্যক্রম
  2. সামাজিক সংশোধন
  3. সামাজিক শিক্ষা
  4. সামাজিক নিরাপত্তা
ব্যাখ্যা

বয়স্ক ভাতা:
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে  ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন  করা হয়।
- প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়।
- বর্তমানে ৬৫০ টাকা তরে প্রদান করা হয়।

• লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
(১) বয়স্ক জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা বিধান;
(২) পরিবার ও সমাজে তাঁদের মর্যাদা বৃদ্ধি;
(৩) আর্থিক অনুদানের মাধ্যমে তাঁদের মনোবল জোরদারকরণ;
(৪) চিকিৎসা ও পুষ্টি সরবরাহ বৃদ্ধিতে সহায়তা করা।

উৎস: সমাজ সেবা অধিদপ্তর।

১,৭৮১.
দেশের 'Monetary policy' প্রদান করে -
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. শিল্প মন্ত্রণালয়
  3. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  4. সিকিউরিটি এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
- এটি বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২-এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- ব্যাংকটি পরিচালনার জন্য ৮ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালনা পর্ষদ রয়েছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এ পর্ষদের সভাপতি।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদ ৪ বছর।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ব্যাংক প্রদান করে Monetary policy বা আর্থিক নীতি।

⇔ আর্থিক নীতি (Monetary policy):
- যে নীতির মাধ্যমে দেশের অর্থ কর্তৃপক্ষ অর্থের যোগান নিয়ন্ত্রণ করে তাকে আর্থিক নীতি বা মুদ্রানীতি বলে।
- দেশের অর্থ কর্তৃপক্ষ বলতে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমন্বিত ব্যবস্থাকে বোঝানো হয়।
- আর্থিক নীতির উল্লিখিত দেশের অর্থ কর্তৃপক্ষ বলতে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমন্বিত ব্যবস্থাকে বোঝানো হয়।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতির মূল উদ্দেশ্য হলো:
1. অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক উভয় মূল্যের স্থায়িত্ব,
2. টেকসই বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন,
3. উচ্চ কর্মসংস্থান,
4. সম্পদের অর্থনৈতিক এবং দক্ষ ব্যবহার,
5. আর্থিক ও পেমেন্ট সিস্টেমের স্থিতিশীলতা।
- বাংলাদেশ ব্যাংক এক বছরে দুইবার (জানুয়ারি ও জুলাই) মুদ্রানীতি ঘোষণা করে।
- বাংলাদেশে মুদ্রানীতি বাস্তবায়নের সরঞ্জাম ও উপকরণ হল ব্যাংক রেট, ওপেন মার্কেট অপারেশনস (ওএমও), পুনঃক্রয় চুক্তি (রেপো) এবং রিভার্স রেপো, সংবিধিবদ্ধ রিজার্ভ রিকোয়ারমেন্ট (এসএলআর এবং সিআরআর)।

উৎস: Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
১,৭৮২.
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণ এবং উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন সংক্রান্ত সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক সংস্থার নাম কী?
  1. অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  2. জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিলের নির্বাহী পরিষদ
  3. পরিকল্পনা কমিশন
  4. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ব্যাখ্যা
ECNEC:
- ECNEC-এর পূর্ণরূপ: The Executive Committee of the National Economic Council.
- জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) সরকারের দ্বিতীয় শক্তিশালী কমিটি।
- এটি ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর সভাপতি দেশটির প্রধানমন্ত্রী।
- অর্থমন্ত্রী এর বিকল্প চেয়ারম্যান বা সভাপতি।
- এ কমিটির সদস্যগণ সরকার প্রধান কর্তৃক মনোনীত হয়ে থাকেন।

উল্লেখ্য,
- সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কিত নীতি ও কৌশল গ্রহণে দিক-নির্দেশনা দেওয়া; দীর্ঘমেয়াদি ও মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ও কর্মপন্থা চূড়ান্তকরণ এবং অনুমোদন প্রদান; দীর্ঘমেয়াদি ও মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা; আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও দিক-নির্দেশনা প্রদান এবং জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের দায়িত্ব পালনে সহায়ক বিবেচিত যে কোনো কমিটি গঠন।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
১,৭৮৩.
দেশের কোন নদীকে 'বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ' ঘোষণা” করা হয়েছে?
  1. ক) যমুনা
  2. খ) হালদা
  3. গ) সাঙ্গু
  4. ঘ) মধুমতি
ব্যাখ্যা
• উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছ চাষ, বিপন্নপ্রায় মৎস্য প্রজাতির সংরক্ষণ, মাছের প্রজনন ও বংশবৃদ্ধির জন্য অভয়াশ্রম সৃষ্টি, জাটকা সংরক্ষণ, পরিবেশ-বান্ধব চিংড়ি চাষ ইত্যাদি অব্যাহত রয়েছে।
- প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীকে 'বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ' ঘোষণা করা হয়েছে।
- পাশাপাশি, মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য রপ্তানির বাজার সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণের জন্য মান নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম গতিশীল করা হয়েছে।

সূত্র:- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১,৭৮৪.
বাংলাদেশের শেয়ারবাজার তদারকির দায়িত্ব কোন সংস্থার?
  1. ICB
  2. DSE
  3. BB
  4. BSEC
ব্যাখ্যা

• BSEC (Bangladesh Security Exchange Commission):
- বাংলাদেশে শেয়ার বাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হলো BSEC (Bangladesh Security Exchange Commission)।
- এটি ১৯৯৩ সালের ৮ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত।
- বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেট বা স্টক এক্সচেঞ্জ দুটো। এগুলো হলোঃ
১) DSE (Dhaka Stock Exchange) এবং
২) CSE (Chittagong Stock Exchange)।

তথ্যসূত্র: BSEC এর ওয়েবসাইট।

১,৭৮৫.
২০৩০ সালের মধ্যে কত মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ক) ২৪০০০ মেগাওয়াট
  2. খ) ৩০,০০০ মেগাওয়াট
  3. গ) ৪০,০০০ মেগাওয়াট
  4. ঘ) ৬০,০০০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা:
- বিদ্যুৎখাতের উন্নয়নে সুদূর প্রসারী ও সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০২১, ২০৩০ ও ২০৪১ সাল নাগাদ বিদ্যুৎ উৎপাদনের নিম্নবর্ণিত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- ২০২১ সালের মধ্যে ২৪,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
- ২০৩০ সালের মধ্যে ৪০,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- ২০৪১ সালের মধ্যে ৬০,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

উৎস: i) দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা, powercell.gov.bd.
        ii) ২০২৩-২৪ জাতীয় বাজেট।
১,৭৮৬.
২০২৫-২৬ জাতীয় বাজেট অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিকদের মাথাপিছু আয় কত?
  1.  ২,৭৯০ মার্কিন ডলার
  2. ২,৮৮৫ মার্কিন ডলার
  3. ২,৮২০ মার্কিন ডলার
  4. ২,৯৩৫ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

• জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
- বাজেটের শিরোনাম: 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেট উত্থাপনকারী: ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ (অর্থ উপদেষ্টা)।
- বাজেট উত্থাপন: ২ জুন, ২০২৫।
- অনুমোদন হয় : ২২ জুন, ২০২৫।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৫।

- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপির আকার: ৬২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৫%।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।

তথ্যসূত্র: জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।

১,৭৮৭.
বাংলাদেশের অন্যতম বিশেষায়িত ব্যাংক -
  1. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  2. সোনালী ব্যাংক
  3. অগ্রণী ব্যাংক
  4. রূপালী ব্যাংক
ব্যাখ্যা
বিশেষায়িত ব্যাংক:
- বাংলাদেশে ৩টি বিশেষায়িত ব্যাংক রয়েছে.।
- এগুলোর মালিকানা বাংলাদেশ সরকারের হাতে।
- ব্যাংক তিনটি আলাদা আলাদা বিশেষ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে গঠন করা হয়েছে।

- ব্যাংক ৩টি হলো:
১. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক,
২. রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, 
৩. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।

অ-তফসিলী ব্যাংক:
- যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না।
- মোট অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।
• আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
• কর্মসংস্থান ব্যাংক,
• গ্রামীণ ব্যাংক,
• জুবিলি ব্যাংক,
• পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১,৭৮৮.
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স আসে কোন দেশ থেকে?
  1. মালয়েশিয়া
  2. সৌদি আরব
  3. ভারত
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ থেকে। 
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বর্তমানে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স আসে।
- কিন্তু অপশনে সংযুক্ত আরব আমিরাত না থাকায় অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর হিসেবে সৌদি আরব ধরা হয়েছে।

[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স আসে:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে (জুলাই-মার্চ) রেমিটেন্স প্রেরণে :
1. সংযুক্ত আরব আমিরাত।
2. সৌদি আরব।
3. যুক্তরাজ্য।
4. যুক্তরাষ্ট্র।
5. ওমান।
6. মালয়েশিয়া। 
7. কুয়েত। 
8. ইতালি।
9. কাতার। 
10. বাহরাইন।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট। [link]
১,৭৮৯.
বাংলাদেশে হরিণ প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত-
  1. ক) বাগেরহাট
  2. খ) সিলেট
  3. গ) কক্সবাজার
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
হরিণ প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত ডুলাহাজরা, চকোরিয়া, কক্সবাজার
(ডুলাহাজরা সাফারি পার্ক/বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাফারি পার্ক)
মূলত ডুলাহাজরা কক্সবাজারের চকোরিয়া উপজেলার অন্তর্গত একটি ইউনিয়ন।
ডুলাহাজরায় অবস্থিত বাংলাদেশের প্রথম সাফারি পার্ক যা ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাফারি পার্ক’ হিসাবে পরিচিত।
এখানেই হরিণ প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত।
==========
- কুমির প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত - করমজল, সুন্দরবন।
- মহিষ প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত - ফকিরহাট, বাগেরহাট।
- গরুর প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত - সাভার, ঢাকা।
- ছাগল প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত - টিলাগড়, সিলেট।
১,৭৯০.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের অউন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত কোনটি?
  1. জনপ্রশাসন
  2. শিক্ষা ও প্রযুক্তি
  3. পরিবহন ও যোগাযোগ
  4. ভর্তুকি ও প্রণোদনা
ব্যাখ্যা
২০২৩-২৪ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট:

- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া খাতসমূহ,
• প্রথম অবস্থানে জনপ্রশাসন - ২২.০%।
• দ্বিতীয় অবস্থানে শিক্ষা ও প্রযুক্তি - ১৩.৭%।
• তৃতীয় অবস্থানে পরিবহন ও যোগাযোগ - ১১.৫%।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত পরিবহন ও যোগাযোগ ২৭.৩%।
- অউন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত ভর্তুকি ও প্রণোদনা ২০.৫%।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪ অর্থবছর।
১,৭৯১.
When did the first commercial tea cultivation begin in Bangladesh?
  1. ক) 1840
  2. খ) 1851
  3. গ) 1854
  4. ঘ) 1850
ব্যাখ্যা
চা ও চা বাগান:

- বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে।
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় ১৮৪০ সালে।
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় চট্টগ্রামে।
- সিলেটের মালনিছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বাংলাদেশে মোট ১৬৭টি চা বাগানে চা চাষ করা হয়।
- বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি চা রপ্তানি হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান মৌলভীবাজার জেলায়।

তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা,২১ মে ২০২২ এবং দৈনিক সমকাল,১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮।
১,৭৯২.
কোন দেশ থেকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে?
  1. ক) যুক্তরাজ্য
  2. খ) কুয়েত
  3. গ) সৌদি আরব
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
- প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের সিংহভাগ আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ থেকে।
- ২০২২ সালের জুলাই-মার্চ সময়ে সৌদি আরব থেকে সর্বাধিক রেমিট্যান্স (২১%) এসেছে।
- এর পরের অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র (১৬%), যুক্তরাজ্য (১১%), সংযুক্ত আরব আমিরাত (৯%), কুয়েত (৮%), কাতার (৬%)।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
১,৭৯৩.
বাংলাদেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য কোনটি?
  1. ক) ঢাকাই মসলিন
  2. খ) ক্ষীরশাপাতি আম
  3. গ) ইলিশ মাছ
  4. ঘ) জামদানি শাড়ি
ব্যাখ্যা
• বর্তমানে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) পণ্য ১১টি। যথা:

১. জামদানি শাড়ি (১৭ নভেম্বর, ২০১৬)
- বাংলাদেশের প্রথম স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ভৌগোলিক নির্দেশক (জি আই) পণ্য হচ্ছে  জামদানি। এটির আবেদনকারী ও সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (BSCIC)।

২. ইলিশ মাছ (৬ আগস্ট, ২০১৭)
- দ্বিতীয় ভৌগলিক নিদের্শক (জিআই) পণ্য হলো 'ইলিশ'। এটির আবেদনকারী ও সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান হল মৎস্য অধিদপ্তর।
৩. ক্ষীরশাপাতি আম (২৭ জানুয়ারি, ২০১৯)
৪. ঢাকাই মসলিন (২৮ ডিসেম্বর, ২০২০)
৫. রাজশাহী সিল্ক (২০২১),
৬. রংপুরের শতরঞ্জি (২০২১),
৭. নেত্রকোনার বিজয়পুরের সাদামাটি (২০২১),
৮. দিনাজপুরের কাটারিভোগ, (২০২১),
৯. বাংলাদেশি কালিজিরা (২০২১),
১০. বাগদা চিংড়ি (২০২২) ও
১১. ফজলি আম (সর্বশেষ, ২০২২)।

- বাংলাদেশের মোট ১১টি পণ্যকে ভৌগোলিক নির্দেশক সামগ্রী হিসেবে স্বীকৃতি দেয় WIPO। 

[উৎস: সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইট]
১,৭৯৪.
জি টু জি এর উদ্যোগে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করেছে কোন দেশ?
  1. ক) ভারত
  2. খ) চীন
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
জি টু জি এর উদ্যোগে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করেছে চীন, জাপান ও ভারতীয় বিনিয়োগকারীরা।
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে এক হাজার একর জমির উপর জাপানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চল, চট্রগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় ৭৮৩ একর জমির উপর চাইনিজ অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং ভারতীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩টি অঞ্চলে অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপিত হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: বেজা ওয়েবসাইট। 
১,৭৯৫.
‘রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করা করা হয় কবে?
  1. ১০ মে, ২০২৫
  2. ১২ মে, ২০২৫
  3. ১৪ মে, ২০২৫
  4. ১৬ মে, ২০২৫
ব্যাখ্যা
রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- বহুল আলোচিত ‘রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ’ ১২ মে, ২০২৫ জারি করা হয়েছে।
- জারি করা অধ্যাদেশে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বিলুপ্ত করে রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা নামে দুটি পৃথক বিভাগ করা হয়েছে।
- দুই বিভাগই অর্থ মন্ত্রণালয়ের আওতায় কাজ করবে।
- নতুন অধ্যাদেশ অনুযায়ী, রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগটি শুল্ক-কর আদায়ের কাজ করবে।
- আর রাজস্ব নীতি বিভাগ শুল্ক-কর হার বৃদ্ধি বা কমানোর বিষয়টি ঠিক করবে।
- এছাড়া অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) বিলুপ্ত হয়ে তার জনবল রাজস্ব নীতি বিভাগে ন্যস্ত হবে।
- এনবিআরের ৫০ বছরের ইতিহাসে এটি প্রথম বড় প্রশাসনিক বিভাজন।
- সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই সিদ্ধান্তে রাজস্ব খাতের দ্বৈত ভূমিকা পৃথক হওয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়বে।

তথ্যসূত্র: রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, ২০২৫।
১,৭৯৬.
নিচের কোনটি রাষ্ট্রায়ত্ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক নয়?
  1. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
  2. অগ্রণী ব্যাংক
  3. বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক
  4. বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রায়ত্ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- জনতা ব্যাংক পিএলসি।
- অগ্রণী ব্যাংক।
- রূপালী ব্যাংক।
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

বিশেষায়িত ব্যাংক:
- বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক।
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ ও বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১,৭৯৭.
SOFR এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Secured One-time Funding Rate
  2. Short Overnight Federal Rate
  3. Secured Overnight Financing Rate
  4. Systemic Overnight Fund Rate
ব্যাখ্যা

• সোফার:
- SOFR এর পূর্ণরূপ Secured Overnight Financing Rate 
- বৈশ্বিক সুদহার নির্ধারণের নতুন মানদণ্ড SOFR আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয় ২০২৩ সালের ১ জুলাই থেকে।
- বৈশ্বিক সুদহার নির্ধারণের অন্যতম মাপকাঠি লন্ডন ইন্টার ব্যাংক অফারড রেট (লাইবর)।
- বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ১ জুলাই ২০২৩ থেকে সিকিউরড ওভারনাইট ফিন্যান্সিং রেট (সোফর) নামে নতুন ব্যবস্থা চালু হয়েছে।
- লাইবরের ওপর নির্ভর করে ব্রিটিশ মুদ্রা পাউন্ড স্টার্লিং, সুইস ফ্রাঁ, ইউরোপের একক মুদ্রা ইউরো, জাপানি ইয়েন ও মার্কিন ডলারে নেওয়া ঋণের সুদহার নির্ধারণ হতো।
- নতুন সুদহারের মাপকাঠি সোফরের মাধ্যমে শুধু মার্কিন ডলারে ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রেই সুদহার নির্ধারিত হয়।
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশ লাইবরের সঙ্গে বাড়তি মার্জিন যোগ করে সুদ নির্ধারণ করত।
- লাইবর পরিবর্তনশীল হওয়ায় মার্জিনে কোনো পরিবর্তন হতো না। সোফরও অবশ্য একই পদ্ধতিতে চলবে।

তথ্যসূত্র: দৈনিক কালের কন্ঠ।

১,৭৯৮.
বাংলাদেশ কত সালে LDC তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়?
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
LDC (Least Developed Countries):
- বাংলাদেশ ২০২৬ সালে LDC হতে উত্তরণ করবে।
- LDC হলো জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন ১৯৭১ সালে তৈরিকৃত বিশ্বের সবচেয়ে অনুন্নত দেশসমূহের একটি তালিকা।
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে LDC তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- বর্তমানে LDC তালিকায় ৪৬টি দেশ রয়েছে।
- এ পর্যন্ত মোট ৬টি দেশ LDC তালিকা থেকে উত্তরণ করতে সমর্থ হয়েছে।
- বাংলাদেশ ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো LDC তালিকা থেকে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করে।
- অর্জিত লক্ষ্যসমূহ ২০২১ সাল পর্যন্ত অক্ষুণ্ণ থাকায় ২০২৬ সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে LDC তালিকা থেকে বের হয়ে যাবে।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৭৯৯.
নিচের কোনটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাজ নয়?
  1. আমানত গ্রহণ
  2. নোট ছাপানো
  3. ঋণদান
  4. মুনাফা অর্জন
ব্যাখ্যা

⇒ নোট ছাপানো বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাজ নয়।

বাণিজ্যিক ব্যাংকে:
- বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাজকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে।
• প্রধান কার্যাবলি এবং
• বিশেষ ও অন্য কার্যাবলি।

⇒ প্রধান কার্যাবলি :
১. আমানত গ্রহণ ও সুদ প্রদান,
২. ঋণ মঞ্জুর ও সুদ গ্রহণ,
৩. ঋণ আমানত সৃষ্টি,
৪. বিনিময় মাধ্যম সৃষ্টি,
৫. মূলধন গঠন,
৬. নোট ইস্যু,
৭. অছি হিসাবে কাজ,
৮. আমদানি-রপ্তানি সাহায্য,
১০. সরকারের কোষাগার হিসাবে কাজ করে ও
১১. বিনিময় বিল, পরিবহন বিল ভাঙানো ইত্যাদি।

⇒ বিশেষ ও অন্য কার্যাবলি:
১. মূলধন বিনিয়োগ,
২. অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা,
৩. অর্থ স্থানান্তর,
৪. অর্থের নিরাপত্তা প্রদান,
৫. পরামর্শ দান,
৬. কর্মসংস্থান,
৭. ঋণ নিয়ন্ত্রণ,
৮. কৃষি উন্নয়ন,
৯. শিল্পোন্নয়ন,
১০. আঞ্চলিক উন্নয়ন,
১১. মুনাফা অর্জন ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
- নোট ছাপানো বাংলাদেশ ব্যাংকের কাজ।

তথ্যসূত্র - ফিন্যাস এন্ড ব্যাংকিং এসএসসি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৮০০.
Budget শব্দের মূল অর্থ কী?
  1. আয়-ব্যয়ের হিসাব
  2. মূলধন
  3. মুনাফা
  4. থলে
ব্যাখ্যা
বাজেট:
- বাজেট হচ্ছে একটি দেশের সম্ভাব্য আয়-ব্যয়ের হিসাব।
- সরকারকে দেশ চালাতে হয়, সরকারের হয়ে যাঁরা কাজ করেন, তাঁদের বেতন দিতে হয়, আবার নাগরিকদের উন্নয়নের জন্য রাস্তাঘাট বানানোসহ নানা ধরনের উদ্যোগ নিতে হয়।

⇒ মধ্যযুগের ইংরেজি বুজেট (Bougette) থেকে এর উৎপত্তি।
- Budget অর্থ মানিব্যাগ বা টাকার থলি।
- বাংলা একাডেমির বিবর্তনমূলক বাংলা অভিধানে বলা হয়েছে, ১৯০২ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলায় বাজেট শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন।

উৎস: ১৫ মে ২০২১, প্রথম আলো।