বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের অর্থনীতি

মোট প্রশ্ন১,৮৬১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের অর্থনীতি

PrepBank · পাতা ১৬ / ১৯ · ১,৫০১১,৬০০ / ১,৮৬১

১,৫০১.
জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪ বর্তমান সরকারের টানা কততম বাজেট?
  1. ১৩ তম
  2. ১৪ তম
  3. ১৫ তম
  4. ১৬ তম
ব্যাখ্যা
জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪:
- বাজেটের ক্রম: ৫২তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৩তম)।
- আওয়ামী লীগ সরকারের ২৪তম।
- বর্তমান সরকারের টানা ১৫তম বাজেট।
- বাজেট উত্থাপন: ১ জুন, ২০২৩।
- বাজেট উত্থাপনকারী: অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল।
- সংসদে বাজেট পাশ হয় : ২৬ জুন, ২০২৩ ।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৩।
- জিডিপির আকার: ৫০,০৬,৭৮২ কোটি টাকা।
- বাজেটের আকার: ৭,৬১,৭৮৫ কোটি টাকা।
- রাজস্ব প্রাপ্তি: ৫,০০,০০০ কোটি টাকা।
- বাজেট ঘাটতি : ২,৬১,৭৮৫ কোটি টাকা।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট): জনপ্রশাসন।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২,৬৩,০০০ কোটি টাকা।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৭৭,৫৮২ কোটি টাকা।
- পরিচালন বাজেট (অনুন্নয়ন বাজেট): ৪, ৩৬, ২৪৭ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪।
১,৫০২.
২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা সংবিধানের কোন তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
  1. ক) চতুর্থ তফসিলে
  2. খ) পঞ্চম তফসিলে
  3. গ) ষষ্ঠ তফসিলে
  4. ঘ) সপ্তম তফসিলে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে এর মধ্যে  ষষ্ঠ তফসিলে স্বাধীনতার ঘোষণা রয়েছে।

বাংলাদেশের সংবিধানের অন্যান্য তফসিল সমূহ :
- প্রথম তফসিলঃ অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিলঃ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
- তৃতীয় তফসিলঃ শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিলঃ ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
- পঞ্চম তফসিলঃ ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
- সপ্তম তফসিলঃ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৫০৩.
বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা কোনটি?
  1. ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা
  2. সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা
  3. মিশ্র অর্থব্যবস্থা
  4. ইসলামিক অর্থব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
• মিশ্র অর্থব্যবস্থা (Mixed Economic System):
- ধনতান্ত্রিক ও সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার সংমিশ্রণই হচ্ছে মিশ্র অর্থব্যবস্থা।
- অর্থাৎ মিশ্র অর্থব্যবস্থা এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যেখানে উৎপাদন, ভোগ, বণ্টন ইত্যাদি অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে স্বয়ংক্রিয় বাজার ব্যবস্থার সাথে সাথে সরকারি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সংমিশ্রণ ঘটে।
- এ ধরনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় অনেক অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত ব্যক্তি বা ফার্ম বাজার ব্যবস্থার মাধ্যমে নিয়ে থাকে।
- আবার সরকারও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- বর্তমান সময়ে কোন অর্থনৈতিক ব্যবস্থাই বিশুদ্ধ ধনতান্ত্রিক বা বিশুদ্ধ সমাজতান্ত্রিক নয়।
- অধিকাংশ গণতান্ত্রিক দেশসমূহে এ দু'ধরনের অর্থব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যসমূহ দেখা যায়। অর্থাৎ এসব দেশে মিশ্র অর্থনীতি বিদ্যমান।
- যুক্তরাজ্য, কানাডা, জাপান, ভারত, বাংলাদেশসহ বিশ্বের অধিকাংশ দেশে মিশ্র অর্থব্যবস্থা প্রচলিত।

উৎস: অর্থনীতি ১ম পত্র, দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫০৪.
Which Government agency is responsible for collecting taxes in Bangladesh?
  1. ক) Ministry of Finance
  2. খ) Ministry of Commerce
  3. গ) Bangladesh Bank
  4. ঘ) Planning Commission
  5. ঙ) None of these
ব্যাখ্যা
এনবিআর:

- অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্পদ বিভাগের অধীনে থাকা এনবিআর কর আদায় করে।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বাংলাদেশে কর আদায়ে নিয়োজিত সর্বোচ্চ সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- এটি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন।
- এনবিআর কর আদায়ের পাশাপাশি কর সংক্রান্ত বিধিবিধান প্রণয়ন ও চোরাচালান প্রতিরোধে কাজ করে থাকে।
- ১৯৭২ সালে এনবিআর গঠিত হয়।

তথ্যসূত্র - এনবিআর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৫০৫.
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা অনুসারে, বাংলাদেশ কত সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য নিরসনের মাইলফলক অর্জন করবে?
  1. ক) ২০৪২
  2. খ) ২০৩১
  3. গ) ২০২৫
  4. ঘ) ২০৪১
ব্যাখ্যা
- পরিকল্পনা কমিশন প্রণীত দেশের দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০ বছর মেয়াদী।
- এটির মেয়াদকাল ২০২১ সাল থেকে ২০৪১ সাল পর্যন্ত।

প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১ এর কৌশলগত লক্ষ্য ও মাইলফলক :
দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক নীতির অপরিহার্য উপাদান হিসেবে নিম্নবর্ণিত কৌশলগত লক্ষ্যসমূহ অনুসরণ করা হবে:
- ২০৩১ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য নিরসন; ২০৪১ সালের মধ্যে দারিদ্র্য ৩ শতাংশেরও নিচে নামিয়ে আনা;
- ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চ-মধ্য-আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উচ্চ-আয় দেশের মর্যাদা অর্জন;
- রপ্তানিমুখী ম্যানুফ্যাকচারিং এর সাথে শিল্পায়ন কাঠামোগত রূপান্তরকে ভবিষ্যতের দিকে চালিত করবে;
- কৃষিতে মৌলিক রূপান্তরের ফলে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাবে, যা ভবিষ্যতের জন্য পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে;
- ভবিষ্যতের সেবা খাত গ্রামীণ কৃষি অর্থনীতিকে প্রাথমিকভাবে শিল্প ও ডিজিটাল অর্থনীতিতে রূপান্তরের জন্য সেতুবন্ধন রচনা করবে;
- একটি উচ্চ আয়ের অর্থনীতির দিকে অগ্রযাত্রা কৌশলের অপরিহার্য অংশ হবে নগরের বিস্তার
একটি অনুকূল পরিবেশের অপরিহার্য উপাদান হবে দক্ষ জ্বালানি ও অবকাঠামো, যা দ্রুত, দক্ষ ও টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে সহায়ক হবে;
- জলবায়ু পরিবর্তনসহ আনুষঙ্গিক পরিবেশগত সমস্যা মোকাবেলায় একটি স্থিতিশীল বাংলাদেশ বিনির্মাণ; এবং
একটি দক্ষতাভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে বাংলাদেশকে জ্ঞানভান্ডার দেশ হিসেবে গড়ে তোলা ।


তথ্যসূত্র: পরিকল্পনা কমিশন
১,৫০৬.
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ কোনটি?
  1. জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ নির্বাহী কমিটি
  2. পরিকল্পনা কমিশন
  3. অর্থ মন্ত্রণালয়
  4. জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)

ECNEC:
- ECNEC এর পূর্ণরূপ - Executive Committee of the National Economic Council.
- একনেক ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর চেয়ারম্যান বা প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।

১,৫০৭.
বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎস কোনটি?
  1. আমদানি শুল্ক
  2. আবগারি শুল্ক
  3. ভূমি রাজস্ব
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসসমূহ:
- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।
- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা-
• কর রাজস্ব এবং
• কর বহির্ভূত রাজস্ব।

⇒ কর রাজস্ব বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।
- বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নরূপ:
১। আয় ও মুনাফা কর,
২। আমদানি শুল্ক,
৩। মূল্য সংযোজন কর,
৪। আবগারি শুল্ক,
৫। সম্পূরক শুল্ক:,
৬। যানবাহন কর,
৭। ভূমি রাজস্ব,
৮। নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়,
৯। অন্যান্য কর ও শুল্ক।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫০৮.
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক কোনটি?
  1. রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
  2. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  3. বেসিক ব্যাংক
  4. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
ব্যাখ্যা

বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক ৬ টি।
- বেসিক ব্যাংক
- জনতা ব্যাংক, 
- সোনালী ব্যাংক, 
- রূপালী ব্যাংক, 
- অগ্রণী ব্যাংক, 
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

বিশেষায়িত ব্যাংক: বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক।

সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

১,৫০৯.
যদি একটি দেশের Balance of Payment (BOP) এ ঘাটতি দেখা দেয়, তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তা সাধারণত কীভাবে মেটায়?
  1. কর বৃদ্ধি করে
  2. সরকারি ব্যয় কমিয়ে
  3. বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে খরচ করে
  4. নতুন টাকা ছাপে
ব্যাখ্যা

• Balance of Payments (BOP) লেনদেন ভারসাম্য:
- লেনদেন ভারসাম্য একটি নির্দিষ্ট সময়ে একটি দেশ কর্তৃক বিভিন্ন খাতে বিশ্বের সকল দেশকে পরিশোধকৃত এবং সকল দেশ থেকে প্রাপ্ত অর্থ তথা সর্বপ্রকার আন্তর্জাতিক অন্য কথায়, লেনদেনের সমন্বিত হিসাব।
- দেশের আন্তর্জাতিক লেনদেনের ক্ষেত্রে দৃশ্যমান ও অদৃশ্যমান দ্রব্য, সেবা আমদানি-রপ্তানি, মূলধন তহবিলসহ বিদেশে সর্বপ্রকার অর্থ প্রেরণ এবং বিদেশ থেকে গ্রহণসংক্রান্ত লেনদেনসমূহের পার্থক্যই লেনদেন ভারসাম্য।

• একটি দেশের Balance of Payments (BOP) বা লেনদেনের ভারসাম্যে ঘাটতি দেখা দিলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূলত বৈদেশিক মুদ্রার বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং ঘাটতি পূরণে নিচের পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করে:
১. বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ব্যবহার: এটি সবচেয়ে তাৎক্ষণিক সমাধান। কেন্দ্রীয় ব্যাংক তার কাছে জমা থাকা Forex Reserve (যেমন: ডলার, ইউরো বা সোনা) বাজারে ছাড়ে বা বিক্রি করে বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা পূরণ করে।
২. সুদের হার বৃদ্ধি: কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার (Interest Rate) বাড়িয়ে দিতে পারে। এর ফলে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বেশি মুনাফার আশায় সেই দেশে মূলধন বিনিয়োগে আগ্রহী হয়, যা দেশে Financial Inflow বাড়ায় এবং ঘাটতি কমাতে সাহায্য করে।
৩. মুদ্রার অবমূল্যায়ন (Devaluation/Depreciation): কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রার মান কমিয়ে দিতে পারে। এতে রপ্তানি সস্তা হয় এবং আমদানি ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে। ফলে রপ্তানি বৃদ্ধি পায় এবং আমদানি কমে গিয়ে বাণিজ্য ভারসাম্য ফিরে আসে। 
৪. আমদানি নিয়ন্ত্রণ: ঘাটতি কমাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আমদানির ওপর কড়াকড়ি আরোপ করতে পারে। যেমন: আমদানির বিপরীতে এলসি (LC) খোলার মার্জিন বাড়িয়ে দেওয়া বা বিলাসবহুল পণ্য আমদানিতে নিরুৎসাহিত করা।
৫. আন্তর্জাতিক ঋণ গ্রহণ: রিজার্ভে টান পড়লে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা সরকার IMF (International Monetary Fund), বিশ্বব্যাংক বা অন্যান্য দেশ থেকে ঋণ গ্রহণ করে সাময়িকভাবে এই ঘাটতি মোকাবিলা করে।
৬. বিনিময় হার নিয়ন্ত্রণ: কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরাসরি বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার (Exchange Rate) নির্ধারণ বা হস্তক্ষেপ (Intervention) করে মুদ্রার মানের পতন ঠেকানোর চেষ্টা করে।

উৎস:
i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ব্রিটানিকা।
iii) Policy and Theory of International Economics

১,৫১০.
গ্রামীণ ব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ১৯৭৬ সালের ১ জানুয়ারি
  2. ১৯৮০ সালের ১৬ ডিসেম্ব
  3. ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর
  4. ১৯৯০ সালের ২৬ মার্চ 
ব্যাখ্যা

• গ্রামীণ ব্যাংক: 
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা নোবেল বিজয়ী ড.  মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীণ ব্যাংকের সূচনা হয় ১৯৭৬ সালে।
- চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার জোবরা গ্রামে পরিচালিত একটি পল্লী ব্যাংকিং পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে।
- এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য ছিল গ্রামের দরিদ্র ও ভূমিহীন জনগোষ্ঠীকে জামানত ছাড়াই ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করা।
- এই প্রকল্পে প্রথম ঋণগ্রহীতা ছিলেন দরিদ্র গৃহবধূ সুফিয়া বেগম।
- দীর্ঘ পরীক্ষামূলক সাফল্যের পর ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর গ্রামীণ ব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে একটি স্বতন্ত্র ব্যাংক হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে

- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের গ্রামীণ দরিদ্র জনগণের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
- জামানতবিহীন ক্ষুদ্রঋণ ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যাংকটি শুধু দেশে নয়, আন্তর্জাতিক পর্যায়েও ব্যাপক সুনাম অর্জন করে।
- দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে গ্রামীণ ব্যাংক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হয়।

উৎস: গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট। 

১,৫১১.
প্রবাসীদের কল্যাণে ওয়েজ আর্নার্স স্কিম কত সালে প্রবর্তিত হয়?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা

ওয়েজ আর্নার্স স্কিম:
- ওয়েজ আর্নার্স স্কিম ১৯৭৪ সালে প্রবর্তিত হয়।
- বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি নাগরিকদের অর্জিত আয় সরকারি চ্যানেলের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রেরণে উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে স্কিমটি চালু করা হয়।
- এ সময় বৈদেশিক মুদ্রা মজুত থাকার কারণে আমদানিকারকদের অনুকূলে বৈদেশিক মুদ্রার ছাড় হ্রাস পায়, যার ফলে স্কিমটি কার্যকারিতা অর্জন করে।
-  বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমজীবীদের প্রেরিত অর্থ খোলাবাজার বিনিময় হারের কাছাকাছি হারে বিনিময়ের লক্ষ্যে স্কিমটি চালু করা হয়।

⇒ প্রবাসী কর্মীদের অবদানের বিষয়টি বিবেচনা করে তাদের এবং দেশে বিদেশে কর্মীদের পরিবার পরিজনকে সাহায্য সহযোগিতা কিংবা উদ্ভূত সমস্যার সমাধান কল্পে তথা সার্বিক কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে সরকার Emigration Ordinance-1982 এর ১৯(১) ধারার ক্ষমতাবলে ১৯৯০ সালে “ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ তহবিল” গঠন করে।
- “ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড আইন,২০১৮” এর মাধ্যমে “ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড” একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ড ওয়েবসাইট।

১,৫১২.
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের সূত্রপাত হয় -
  1. ক) ১৯৭০ সালে
  2. খ) ১৯৭১ সালে
  3. গ) ১৯৭২ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের সূত্রপাত হয় ১৯৭৩ সালে। 

- ২২শে মে, ২০০১ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর ব্রাসেলসে ইইউ এবং বাংলাদেশের মধ্যে সহযোগিতামূলক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। 
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহ হল বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাজার। 
- বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের একটি বিশাল অংশ সম্পন্ন হয় ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে।

সূত্র-  বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি ও বিভিন্ন সংস্থা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৫১৩.
সর্বপ্রথম বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু করে -
  1. অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি
  2. ডাচ-বাংলা ব্যাংক পিএলসি
  3. সোনালী ব্যাংক পিএলসি
  4. ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
ব্যাখ্যা

এজেন্ট ব্যাংকিং:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনক্রমে ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকের প্রতিনিধি হয়ে যে সব প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার মাধ্যমে জনগণকে ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে তাকে এজেন্ট ব্যাংক বলা হয়।
- এজেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসরত প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর মাঝে সাশ্রয়ীমূল্যে ব্যাংকিং সেবা দেয়া হচ্ছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১৩ সালের ৯ ডিসেম্বর এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা-সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করে।
- ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু করে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি।
- যে কারণে ১৭ জানুয়ারি এজেন্ট ব্যাংকিং দিবস হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
- মুন্সীগঞ্জ জেলার জৈনসার ইউনিয়নে প্রথম এজেন্ট আউটলেট খোলা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৯ সালে বিশ্বে প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং চালু করে ব্রাজিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

১,৫১৪.
Which of the following earns highest amount of foreign currency for Bangladesh?
  1. ক) Leather
  2. খ) Garments and Knitwear
  3. গ) Shrimp
  4. ঘ) Jute
ব্যাখ্যা
বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন:

- বাংলাদেশে  সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মূদ্রা অর্জিত হয় তৈরি পোষাক থেকে।
- মোট রপ্তানির ৮০ শতাংশই পোশাক খাতের।
- মোট বৈদেশিক আয়ের প্রায় ৯০ শতাংশ আসে গার্মেন্টস ও রেমিট্যান্স থেকে।
- ১৯৭৮ সালে রিয়াজ গার্মেন্টসের মাধ্যমে পোশাক রপ্তানির যাত্রা শুরু।

অন্যদিকে,
- মোট শ্রমশক্তির ৪০ শতাংশের বেশি কৃষিতে।
- সরকারি তথ্য অনুসারে মোট দেশজ আয়ে (জিডিপি) কৃষির অবদান ১৪ শতাংশ।
- বাংলাদেশ পাট রপ্তানিতে প্রথম ও উৎপাদনে দ্বিতীয়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক যুগান্তর, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২২ ও দৈনিক প্রথম আলো, ২৮ মার্চ ২০২১।
১,৫১৫.
নিচের কোনটি বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক?
  1. স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক লি.
  2. ট্রাস্ট ব্যাংক লি.
  3. ইউসিবি ব্যাংক লি.
  4. ডাচ বাংলা ব্যাংক লি.
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বর্তমানে ৯টি বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে।
এগুলো হলো:
- স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
- ব্যাংক আল ফালাহ
- সিটি ব্যাংক এনএ
- কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন
- হাবিব ব্যাংক লিমিটেড
- এইচএসবিসি
- ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান
- স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া
- উরি ব্যাংক লিমিটেড।
অন্যদিকে,
- ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড, ইউসিবি ব্যাংক লিমিটেড এবং ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড হলো দেশীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক।
(সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
১,৫১৬.
টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা কয়টি?
  1. ১৭
  2. ১৮
  3. ১৫
  4. ১৯
ব্যাখ্যা

 - সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) নির্ধারণ করা হয়।
- এসডিজির লক্ষ্যমাত্রাসমূহ ২০১৬-২০৩০ সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্যস্থির করা হয়।

• এসডিজির ১৭টি লক্ষ্য হলাে:
- দারিদ্র্য নির্মূল
- ক্ষুধামুক্তি
- সুস্বাস্থ্য
- মানসম্মত শিক্ষা
- লিঙ্গ সমতা
- বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন
- সাশ্রয়ী ও নবায়নযােগ্য জ্বালানি
- উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
- শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামাে
- বৈষম্য হ্রাস
- টেকসই শহর ও জনগণ
- পরিমিত ভােগ ও উৎপাদন
- জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ
- সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান
- স্থলভাগের জীবন
- শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং
- অভিষ্টের জন্য অংশীদারিত্ব।

উৎসঃ SDG ওয়েবসাইট।

১,৫১৭.
কাবিখা কর্মসূচি সর্বপ্রথম কত সালে চালু করা হয়?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা

কাবিখা:
- 'কাবিখা' বা 'কাজের বিনিময়ে খাদ্য' দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচীর অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দিলে বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হলে সরকার 'ফুড ফর ওয়ার্ক' বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে।

⇒ কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) কর্মসূচীর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামীন অবকাঠামো নির্মাণ/পুননির্মাণ।
- স্বাভাবিক অবস্থায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এই কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন।
- গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
- গ্রামীণ দরিদ্র জনগনের আয় বৃদ্ধি।
- দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য আণয়ন এবং
- দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি।

তথ্যসূত্র - সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৫১৮.
বাংলাদেশের বর্তমানে মাথাপিছু আয় কত? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ২,৭৩৪ মার্কিন ডলার
  2. ২,৭৮২ মার্কিন ডলার
  3. ২,৮০২ মার্কিন ডলার
  4. ২,৮২০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
মাথাপিছু আয়:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় এখন ২,৮২০ মার্কিন ডলার বা ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২১১ টাকা।
- ২৭ মে, ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

⇒ বিবিএসের তথ্যমতে,
- ২০২১-২২ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ২,৭৯৩ ডলার।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের মাথাপিছু আয় কমে দাঁড়ায় ২,৭৪৯ ডলারে।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ২৭৩৮ ডলার।

উল্লেখ্য,
- দেশের অভ্যন্তরের মোট আয় এবং রেমিট্যান্সসহ যত আয় হয়, তা ওই দেশের মোট জাতীয় আয়।
- ওই জাতীয় আয়কে মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করে মাথাপিছু আয়ের হিসাব করা হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১,৫১৯.
কোন শব্দ হতে বাজেট শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে?
  1. Bougette
  2. Backet
  3. Badget
  4. Bogett
ব্যাখ্যা
বাজেট:
- বাজেট শব্দটি Bougette শব্দ হতে উৎপত্তি লাভ করেছে।
- এই ফরাসী শব্দটির অর্থ হলো ব্যাগ বা থলে।
- বৃটিশ অর্থমন্ত্রী ১৭৩৩ সালে কমন্স সভায় সর্বপ্রথম বাজেট শব্দটির উল্লেখ করেন।
- তখন থেকে বাজেট শব্দটি ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
- বাংলা একাডেমির বিবর্তনমূলক বাংলা অভিধানে বলা হয়েছে, ১৯০২ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলায় বাজেট শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন।

⇒ সাধারনত কোন নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আয়-ব্যয়ের হিসাবই বাজেট।
- বাজেট হলো একটি নির্দিষ্ট বৎসরে সরকারের আয়-ব্যয়ের হিসাব যেখানে ঐ সময়ের আর্থিক অবস্থা ও আর্থিক উদ্দেশ্য প্রতিফলিত করে।
- অর্থাৎ একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আর্থিক পরিকল্পনাকেই বাজেট বলে।

⇒ মূলত: ব্যক্তি বা সরকারের আয়ের সীমাবদ্ধতা থাকার জন্যই বাজেট করতে হয়।
- ব্যক্তি তার আয় অনুযায়ী ব্যয় করে, অপরদিকে সরকার এরূপ আচরন নাও করতে পারে।
- সরকার তার ব্যয় অনুযায়ী আয় সংগ্রহ করতে পারে।
- তবে ব্যক্তি ও সরকার উভয়েরই আয়-ব্যয়ের প্রতিচ্ছবি হলো বাজেট।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫২০.
E-TIN এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Electronic Trade Information Number
  2. Electronic Transaction Identification Number
  3. Electronic Taxpayer's Identification Number
  4. Electronic Tax Invoice Number
ব্যাখ্যা

• E-TIN:
- E-TIN এর পূর্ণরূপ: Electronic Taxpayer's Identification Number.
- 'E-TIN' চালু করা হয় ২০১৩ সালে।
- এটি আয়কর নিবন্ধন আধুনিক সংস্করণ।
- এটি ১২ ডিজিটের ১টি নম্বর।
- একজন করদাতাকে সহজে, ঘরেবসে অনলাইনে নিবন্ধন পেতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
- www. incometax.gov.bd এই সাইট গেলে ই- টিআইএন নিবন্ধন নেওয়া যাবে।

তথ্যসূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।

১,৫২১.
বর্তমানে জাতীয় গণনায় দেশের অর্থনীতিকে কয়টি খাতে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ১৯ টি
  2. ১২ টি
  3. ১৫ টি
  4. ১৭ টি
ব্যাখ্যা
- জাতীয় আয় পরিমাপ পদ্ধতি:
-বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো প্রতিবছর উৎপাদন পদ্ধতি ও ব্যয় পদ্ধতি ব্যবহার করে  জাতীয় আয় ও জিডিপি গণনা করে । 
-উৎপাদনের ভিত্তিতে খাতভিত্তিক জিডিপি কে ২০০৫-৬ ভিত্তি বছরে ১৫ টি খাতে ভাগ করা হয় ।
- ২০১৫-১৬ ভিত্তিবছরে জিডিপিতে ১৯ টি খাতে ভাগ করা হয়।
• যেমন-
- কৃষি- ১. কৃষি বনজ এবং মৎস্য।
- শিল্প খাত- ২. খনিজ ও খনন ৩, শিল্প ম্যানুফ্যাকচার ৪. বিদ্যুৎ, গ্যাস , বাষ্প , এবং শীতাতপ ব্যবস্থা,  ৫. পানি সরবরাহ, পয়োনিস্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা , ৬. নির্মাণ
- সেবা খাত- ৭. পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, . পরিবহণ ও সংরক্ষণ, ৯. আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম , ১০. তথ্য ও যোগাযোগ,  ১১. আর্থিক বীমা কার্যক্রম,  ১২. রিয়েল স্টেট কার্যক্রম, ১৩. পেশাদার বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত, কার্যক্রম ১৪. প্রশাসনিক ও সহায়তা মূলক কার্যক্রম ১৫ জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা 
১৬. শিক্ষা ,  ১৭. মানব স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা  কার্যক্রম,  ১৮. শিল্পকলা,  ১৯. অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উৎস:   বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১,৫২২.
বাংলাদেশে মোট কয়টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা
পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- বাংলাদেশে মোট ৮টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৩-১৯৭৮)।
- দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮০-১৯৮৫)।
- তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮৬-১৯৯০)।
- চতুর্থ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯০-১৯৯৫)।
- পঞ্চম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯৭-২০০২)।
- ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১১-২০১৫)।
- সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১৬-২০২০)।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০২০-২০২৫)।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
১,৫২৩.
গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক রাজস্ব আহরণের পরিমাণ কত?
  1. ক) ২,০,৩০০ কোটি টাকা
  2. খ) ২,১৮,৪০৮ কোটি টাকা
  3. গ) ২,৭৮,৪০০ কোটি টাকা
  4. ঘ) ৩,০৫,০০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
সদ্যসমাপ্ত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক রাজস্ব আহরণের পরিমাণ ২,১৮,৪০৮ কোটি টাকা যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৭.৩২ শতাংশ কম। রাজস্ব আদায়ের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ৩,০০,৫০০ কোটি টাকা।
রাজস্ব আদায় কম হয়েছে ৮২,০৯১ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে রাজস্ব বোর্ডের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৩,৩০,০০০ কোটি টাকা।
(সূত্র: রাজস্ব বোর্ড এবং বাংলাদেশ ব্যাংক)
১,৫২৪.
'ভিজিডি’ কর্মসূচির লক্ষ্য কী?
  1. ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণ
  2. গৃহঋণ বিতরণ
  3. দুঃস্থ মহিলাদের খাদ্য সহায়তা
  4. দুঃস্থ শিশু খাদ্য সহায়তা
ব্যাখ্যা

• ভিজিডি কর্মসূচি:
- ভিজিডি কর্মসূচি বাংলাদেশ সরকারের একটি সর্ববৃহৎ সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচি।
- দুঃস্থ ও অসহায় এবং শারীরিকভাবে সক্ষম মহিলাদের উন্নয়ন স্থায়ীত্বের জন্য খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি, তাদের স্বাবলম্বী/আত্মনির্ভরশীল করার লক্ষ্যে উন্নয়ন প্যাকেজ সেবার আওতায় নির্বাচিত এনজিওর মাধ্যমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
- এই কর্মসূচির উপকারভোগীরা ১০০% মহিলা।
- ভিজিডি’ কর্মসূচি দুঃস্থ মহিলাদের খাদ্য সহায়তা।

অপরদিকে,
- ভিজিএফ একটি মানবিক সহায়তা কর্মসূচি,
- এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হচ্ছে দরিদ্র পরিবারের দারিদ্র্য হ্রাস করা :
- দুঃস্থ ও গরীর জনগণের দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন করার লক্ষ্যে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
- পীড়িত জনগণ এবং শিশুদের রোগ প্রতিরোধ করা;
- মন্দার সময়ে কর্মহীন জনগণের মধ্যে খাদ্য সরবরাহ করা;
- উপকারভোগীদেরকে সাময়িক সাহায্যের মাধ্যমে দারিদ্র্য নিরসনে অবদান রাখা, বিশেষ করে অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা করা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৫২৫.
রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর -
  1. ০%
  2. ১০%
  3. ৩৩%
  4. ৫০%
ব্যাখ্যা

মূল্য সংযোজন কর:
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর একটি পরোক্ষ কর।
- ১৯৯০ সনের মধ্য জুনের কিছু আগে মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯০ (খসড়া) তৈরি করা হয়।
- মূল্য সংযোজন কর চালু হয় ১ জুলাই ১৯৯১ সালে।
- সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়।
- আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ১৫%।
- পন্য বা সেবার সর্বশেষ ভোক্তা মূল্য সংযোজন কর দাতা।
- রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ০%।

তথ্যসূত্র - জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

১,৫২৬.
বর্তমানে বয়স্ক ভাতার পরিমাণ কত?
  1. ৬০০ টাকা
  2. ৬৫০ টাকা
  3. ৭০০ টাকা
  4. ৭৫০ টাকা
ব্যাখ্যা

বয়স্ক ভাতা:
- সমাজসেবা অধিদফতরের তত্ত্বাবধায়নে ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছর থেকে বয়স্ক ভাতা কার্যক্রম শুরু হয়।
- প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়।
- পরবর্তীতে দেশের সকল পৌরসভা ও সিটিকর্পোরেশন এ কর্মসূচির আওতাভুক্ত করা হয়।
- বর্তমানে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বয়স্ক ভাতার পরিমাণ ৬৫০ টাকা।

তথ্যসূত্র - সমাজসেবা অধিদফতরের ওয়েবসাইট।

১,৫২৭.
বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতির হার পরিমাপ করা হয় কোন সূচকের মাধ্যমে?
  1. Core Inflation
  2. CPI (Consumer Price Index)
  3. WPI (Wholesale Price Index)
  4. PPI (Producer Price Index)
ব্যাখ্যা

• মূল্যস্ফীতির হার পরিমাপক:
- বর্তমানে জাতিসংঘের গাইডলাইন অনুযায়ী বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতির হিসাব করা হয়, যাকে বলা হয় কনজ্যুমার প্রাইস ইনডেক্স (সিপিআই)।
- এ পদ্ধতিতে ৭৪৯টি পণ্য ও সেবার বাজারদর ওঠানামার ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতির হিসাব প্রকাশ করা হয়ে থাকে।
- এরমধ্যে ২৪২টি খাদ্যপণ্য এবং ৫০৭টি খাদ্য-বহির্ভূত পণ্য ও সেবা রয়েছে। 

- দেশের ৬৪ জেলার ১৫৪টি হাটবাজার থেকে নির্ধারিত সময়ে তথ্য নিয়ে বিবিএস সিপিআই পদ্ধতিতে মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশ করে।
- তবে এই ৭৪৯টি আইটেমের মধ্যে বেশ কয়েকটি আইটেম রয়েছে যেগুলো বাংলাদেশে ভোগ হয় না।

- বেশিরভাগ দেশ মূল্যস্ফীতির প্রধান হিসাবের জন্য সিপিআই পদ্ধতি ব্যবহার করে।
- তবে নীতিনির্ধারকদের মূল্যস্ফীতির প্রকৃত প্রবণতা বোঝার সুবিধার্থে অনেক দেশ দ্বিতীয় প্রধান পদ্ধতি হিসেবে কোর ইনফ্লেশন পদ্ধতি অনুসরণ করে।

উৎস: TBS Link

১,৫২৮.
বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভাগ কয়টি? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ৬১টি
  2. ৬২টি
  3. ৬৫টি
  4. ৬৬টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভাগ:
- অর্থপাচার প্রতিরোধ ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপে অর্থায়ন বন্ধসহ বিভিন্ন কার্যক্রম আরও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনার লক্ষ্যে নতুন চারটি বিভাগ চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- নতুন চালু হওয়া বিভাগগুলোর মধ্যে রয়েছে— ব্যাংক পরিদর্শন বিভাগ-৯, পরিদর্শন পরিপালন বিভাগ, মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপে অর্থায়ন প্রতিরোধ বিভাগ এবং ইসলামী ব্যাংকিং রেগুলেশন্স অ্যান্ড পলিসি ডিপার্টমেন্ট।  
- সব মিলিয়ে বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভাগ ৬৫টি।

⇒ এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে ৬১টি বিভাগ ছিল।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নতুন বিভাগ চালুর মূল উদ্দেশ্য হলো ব্যাংক পরিদর্শন ও পরিপালন কার্যক্রম আরও গতিশীল করা। পাশাপাশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় ও শাখাগুলোর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও তদারকি আরও দক্ষভাবে পরিচালিত হবে।  

উৎস: i) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১,৫২৯.
বাংলাদেশে বর্তমানে কতটি তফসিলি ব্যাংক রয়েছে? [মার্চ, ২০২৫]
  1. ৬০টি
  2. ৬২টি
  3. ৬৩টি
  4. ৬৪টি
ব্যাখ্যা
তফসিলি ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী রক্ষণাবেক্ষণকৃত ব্যাংকের তালিকায় যে সকল ব্যাংক রয়েছে।
- বাংলাদেশে ৬২টি তফসিলি ব্যাংক রয়েছে, যারা বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়, যা বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ এবং ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষমতা রাখে।

তফসিলি ব্যাংকগুলি নিম্নলিখিত প্রকারের মধ্যে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়:
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক (SOCB):
- বাংলাদেশ সরকারের সম্পূর্ণ বা প্রধানত মালিকানাধীন ৬টি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে।

বিশেষায়িত ব্যাংক (এসডিবি):
- বর্তমানে ৩টি বিশেষায়িত ব্যাংক কার্যক্রম পরিচালনা করছে যেগুলো কৃষি বা শিল্প উন্নয়নের মতো সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এসব ব্যাংক সম্পূর্ণ বা প্রধানত বাংলাদেশ সরকারের মালিকানাধীন।

বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংক (পিসিবি):
- এখানে ৪৩ টি বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে যা প্রধানত ব্যক্তি / বেসরকারী সংস্থার মালিকানাধীন।
- বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংক দুটি গ্রুপে শ্রেণীবদ্ধ করা যেতে পারে:
- ৩৩টি প্রচলিত বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংক এখন কাজ করছে।
- তারা প্রচলিত ফ্যাশনে অর্থাৎ সুদ ভিত্তিক অপারেশনে ব্যাংকিং ফাংশন সম্পাদন করে।
- বাংলাদেশে ১০টি ইসলামী শরিয়াহ ভিত্তিক বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে।
- তারা ইসলামী শরিয়াহ ভিত্তিক নীতিমালা অর্থাৎ লাভ-ক্ষতি ভাগাভাগি (পিএলএস) মোড অনুযায়ী ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।
১,৫৩০.
২০২০ সালে রেমিট্যান্স আহরণে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
ব্যাখ্যা

বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত রিপোর্ট অনুসারে,
২০২০ সালে দক্ষিণ এশিয়ায় রেমিট্যান্স আহরণে শীর্ষ দেশসমূহ:
- প্রথম : ভারত (৮৩.১৫ বি. ডলার)
- দ্বিতীয় : পাকিস্তান (২৬ বি. ডলার)
- তৃতীয় : বাংলাদেশ (২১ বি. ডলার)

বিশ্বে রেমিট্যান্স আহরণে শীর্ষ দেশসমূহ:
- প্রথম : ভারত
- দ্বিতীয় : চীন
- তৃতীয় : মেক্সিকো
- চতুর্থ : ফিলিপাইন
- পঞ্চম : মিশর
- ষষ্ঠ : পাকিস্তান
- সপ্তম : ফ্রান্স
- অষ্টম : বাংলাদেশ।

(তথ্যসূত্র: বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট)

১,৫৩১.
ভ্যাট অনলাইন প্রকল্পের মাধ্যমে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ক) ২০১৩
  2. খ) ২০১০
  3. গ) ২০১১
  4. ঘ) ২০১২
ব্যাখ্যা

ভ্যাট অনলাইন প্রকল্পের মাধ্যমে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন ২০১২ সালে  প্রণীত হয়।

- এ পদ্ধতি ব্যবহার করে ভ্যাটের আওতায় নিবন্ধিত ব্যক্তি নিজস্ব ব্যাংক হিসাব থেকে সরাসরি ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্কসহ যে কোনও প্রদেয় কর সহজে, ঝুঁকিমুক্ত অবস্থায় এবং কম সময়ে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে পারবেন।

উৎস:nbr.gov.bd

১,৫৩২.
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অর্থনৈতিক কাঠামো বা খাতকে প্রধানত কত ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ২ ভাগে
  2. খ) ৪ ভাগে
  3. গ) ৩ ভাগে
  4. ঘ) ৫ ভাগে
ব্যাখ্যা
⇨ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অর্থনৈতিক কাঠামো বা খাতকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। নিম্নে বাংলাদেশের অর্থনীতির কাঠামো বা প্রধান খাতসমূহের বিবরণ উপস্থাপন করা হলো :

১. উৎপাদনভিত্তিক খাত  (Production based Sector): উৎপাদনের ভিত্তিতে বাংলাদেশের অর্থনীতির খাতসমূহকে প্রধানত তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা:- (ক)কৃষি, (খ) শিল্প ও (গ) সেবা। 

২. মালিকানাভিত্তিক খাত : সরকারি ও বেসরকারি খাত (Ownership oriented Sector : Public and Private Sector): মালিকানার ভিত্তিতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক খাতসমূহকে প্রধানত দু'ভাগে বিভক্ত করা যায়। যথা:- (ক) সরকারি খাত ও (খ) বেসরকারি খাত। 

৩. অঞ্চলভিত্তিক খাত : গ্রামীণ ও শহুরে খাত (Regional Sectors : Rural and Urban Sectors): অঞ্চল ভিত্তিতে দেশের অর্থনৈতিক খাতকে দু'শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা:- (ক) গ্রামীণ খাত ও (খ) শহুরে খাত। 

তথ্যসূত্র:- উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি দ্বিতীয় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৩৩.
বাংলাদেশের মুদ্রা বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. Bangladesh Bank
  2. IDRA
  3. MRA
  4. BSEC
  5. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
 Regulatory authorities:
- মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংক।
- বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ হলো IDRA(Insurance Development and Regulatory Authority)।
- ক্ষুদ্রঋণ এর সাথে জড়িত সংস্থাগুলোর নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ হলো MRA(microcredit regulatory authority)।
- বাংলাদেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান নাম BSEC(Bangladesh Securities and Exchange  Commission)।

এছাড়া,
- বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার-১৯৭২ এর অধীনে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- প্রধান কার্যালয় ব্যতীত এর আরও দশটি শাখা রয়েছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর আ ন ম হামিদুল্লাহ। 
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদকাল ৪ বছর।
- বাংলাদেশ ব্যাংক এর ১৩ তম গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।
- তিনি ১৪ আগস্ট, ২০২৪ থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত।
- ১২ তম গভর্নর ছিলেন আব্দুর রউফ তালুকদার।
- সবচেয়ে বেশি সময় গভর্নর ছিলেন ৩য় গভর্নর মো. নুরুল ইসলাম।

উৎস: অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, বাংলাদেশ ব্যাংক এর ওয়েবসাইট।
১,৫৩৪.
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ কোনটি? 
  1. পরিকল্পনা কমিশন
  2. অর্থ মন্ত্রনালয়
  3. পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়
  4. জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহি কমিটি
ব্যাখ্যা

♦ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)।

♦ ECNEC:
- ECNEC এর পূর্ণরূপ - Executive Committee of the National Economic Council.
- একনেক গঠিত হয়: ১৯৮২ সালে।
- চেয়ারম্যান বা প্রধান: সরকার প্রধান বা প্রধানমন্ত্রী [বর্তমানে - প্রধান উপদেষ্টা]
- বিকল্প সভাপতি: অর্থমন্ত্রী [বর্তমানে - অর্থ উপদেষ্টা]
- সদস্য: পরিকল্পনা মন্ত্রী [বর্তমানে - পরিকল্পনা উপদেষ্টা]

→ ভিশন: টেকসই, সময়াবদ্ধ ও কার্যকর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন।
→ মিশন: অংশগ্রহণমূলক জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা, নীতিমালা, কৌশল এবং কার্যকর সম্পদ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশের টেকসই সর্বাঙ্গীন উন্নয়ন।

♦ ECNEC এর কাজ:
• সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কিত নীতি ও কৌশল গ্রহণে দিক-নির্দেশনা দেয়।
• দীর্ঘমেয়াদি ও মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা করে।
• বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি তৈরী করে।
• সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ও কর্মপন্থা চূড়ান্তকরণ এবং অনুমোদন প্রদান করে।
• দীর্ঘমেয়াদি ও মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা করে।
• বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করে।
• আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও দিক-নির্দেশনা প্রদান করে।
• জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের দায়িত্ব পালনে সহায়ক বিবেচিত যে কোনো কমিটি গঠন করে।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।

১,৫৩৫.
নিচের কোনটি শেয়ার বাজারের সাথে সম্পর্কিত?
  1. KPI
  2. IPO
  3. FDI
  4. NBR
ব্যাখ্যা
• IPO (Initial Public Offering):
- এটি একটি প্রক্রিয়া যেখানে কোনো প্রাইভেট কোম্পানি প্রথমবারের মতো জনসাধারণের জন্য তার শেয়ার বিক্রি করে স্টক এক্সচেঞ্জে লিস্টেড হয়। এর মাধ্যমে কোম্পানিটি প্রথমবারের মতো পুঁজিবাজারে প্রবেশ করে এবং বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে মূলধন সংগ্রহ করে।

IPO সম্পর্কে কিছু মূল বিষয়:
- IPO এর মাধ্যমে কোম্পানিটি প্রথমবার শেয়ার বাজারে বিক্রয়ের জন্য উন্মুক্ত করে।
- IPO এর পর, কোম্পানি প্রাইভেট থেকে পাবলিক কোম্পানিতে রূপান্তরিত হয়।

লক্ষ্য:
মূলত কোম্পানি নতুন পুঁজি সংগ্রহ, ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং ঋণ পরিশোধের জন্য IPO এর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে।
উদাহরণ:
কোনো কোম্পানি যদি শেয়ার মার্কেটে IPO এর মাধ্যমে তালিকাভুক্ত হয়, তাহলে সাধারণ জনগণ সেই কোম্পানির শেয়ার কিনতে পারে এবং কোম্পানির মালিকানার অংশীদার হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো কোম্পানি নতুন প্রকল্প বা বিনিয়োগের জন্য অর্থ সংগ্রহ করতে চায়, তারা তাদের শেয়ারের কিছু অংশ জনসাধারণের কাছে বিক্রি করে IPO এর মাধ্যমে।

অন্যদিকে,
KPI - (Key Performance Indicator)- সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দক্ষতা যাচাই করা হয়।
FDI - (Foreign Direct Investment) হলো বিদেশি বিনিয়োগ, যা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের পক্ষ থেকে কোনো দেশের অর্থনীতিতে সরাসরি বিনিয়োগের প্রক্রিয়া।
NBR- (National Board of Revenue) হলো বাংলাদেশের রাজস্ব বিভাগ, যা মূলত কর এবং শুল্ক নিয়ে কাজ করে।

উৎস: বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৩৬.
'বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি' (ADP) প্রণয়ন করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)
  2. বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন
  3. অর্থ মন্ত্রণালয়
  4. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন এবং জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ সম্পর্কিত তথ্য:

বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন: 
• পরিকল্পনা কমিশন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (Annual Development Programme - ADP), পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা এবং প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মতো বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদী এবং স্বল্পমেয়াদী অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করে।
• এটি সরকারের বিভিন্ন মেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা গঠন এবং বাস্তবায়নের জন্য দায়ী।

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC):
• ECNEC হলো বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ।
• প্রধানমন্ত্রী ECNEC-এর প্রধান।
• ECNEC বিভিন্ন বড় প্রকল্প এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রকল্পগুলির অনুমোদন দিয়ে থাকে।

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (NEC):
• NEC দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা এবং জাতীয় নীতি গঠন করে। এটি দেশের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ হিসেবে উন্নয়ন কর্মসূচি অনুমোদন করে।
• NEC প্রধানত দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে।

উৎস:
- বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন,
- বাংলাপিডিয়া।
১,৫৩৭.
নিম্নের কোনটি নিকাশ ঘরের দায়িত্ব পালন করে?
  1. কেন্দ্রীয় ব্যাংক
  2. কৃ্ষি ব্যাংক
  3. বিশেষায়িত ব্যাংক
  4. ইপিজেড
ব্যাখ্যা
নিকাশ ঘর:
- নিকাশ এমন একটি প্রক্রিয়া যাহার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংকের মধ্যে দেনা পাওনা অতি সহজেই নিষ্পত্তি করা যায়।
- এই প্রক্রিয়াটি সমাধা করার জন্য বিভিন্ন ব্যাংকের প্রতিনিধিগণ নির্দিষ্ট সময়ে একটি নির্দিষ্ট স্থানে সমবেত হয়ে নেতা ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে একে অন্যের উপর আদিষ্ট চেক, ড্রাফট ইত্যাদি দলিলসমূহ বিনিময় করেন।
-  ব্যাংক ব্যবস্থার সূচনা হতেই বিভিন্ন ব্যাংকের মধ্যে সহজে দেনা পাওনা নিষ্পত্তির জন্য কোন প্রকার বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি চালু ছিল না।
- ১৯৩৫ সালে রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া প্রতিষ্ঠিত হবার পূর্ব পর্যন্ত পাক-বাংলা-ভারত-উপমহাদেশে ইম্পোরিয়াল ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার তত্ত্বাবধানে বিকাশ কার্য পরিচালিত হত।
- নিকাশ ঘরে বিভিন্ন ব্যাংকের প্রতিনিধিগণ মিলিত হয় এবং সকলে সেখানে আসার সময় অন্য ব্যাংকের নামে কাটা চেকসমূহ সাথে করে নিয়ে আসে।
- নিকাশ-ঘরে একত্রিত হওয়ার পর তারা চেক বিনিময় করে।

⇒ ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর নিকাশ ব্যবস্থার দায়িত্ব বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক 'বাংলাদেশ ব্যাংক' গ্রহণ করে।
- যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা নেই সেখানে সোনালী ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের হয়ে নিকাশ ঘরের দায়িত্ব পালন করে।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক ১৬টি জেলা শহরে নিকাশ ঘর ব্যবস্থা পরিচালনা করছে।
- এর মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক সরাসরি ৪টি কেন্দ্র এবং সোনালী ব্যাংক ১২টি কেন্দ্র পরিচালনা করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৩৮.
বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের মূল উৎস কোনটি?
  1. কর রাজস্ব
  2. রেমিটেন্স
  3. বৈদেশিক ঋণ
  4. বাণিজ্য
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসসমূহ:
- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।
- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা-
- কর রাজস্ব এবং
- কর বহির্ভূত রাজস্ব।
- কর রাজস্ব বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।
• বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নরূপ:
- আয় ও মুনাফা কর,
- আমদানি শুল্ক,
- মূল্য সংযোজন কর,
- আবগারি শুল্ক,
- সম্পূরক শুল্ক:,
- যানবাহন কর,
- ভূমি রাজস্ব,

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি, নবম দশম শ্রেণি।

১,৫৩৯.
মুক্ত বাজার অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য নিচের কোনটি?
  1. ব্যক্তিগত সম্পত্তির স্বীকৃতি
  2. ভোক্তার সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত হয়
  3. রপ্তানী আয় বৃদ্ধি পায়
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

মুক্ত বাজার অর্থনীতি:
- মুক্ত বাজার অর্থনীতি হচ্ছে সেই অর্থনীতি যেখানে ব্যক্তি মালিকানা এবং ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যবাদকে স্বীকার করা হয়।
- বাংলাদেশে মুক্তবাজার অর্থনীতি চালু হয়: ১ জানুয়ারি, ১৯৯১ সালে।

⇒ মুক্ত বাজার অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য:
- মুক্ত বাজার অর্থনীতির ফলে রাষ্ট্রীয় খাতের ক্রমাগত লোকসান বন্ধ হবে।
- ব্যক্তিগত সম্পত্তির স্বীকৃতি।
- মুক্তবাজার অর্থনীতি ব্যক্তিস্বার্থ নির্ভর বিধায় এ অর্থনীতিতে প্রতিযোগিতার উৎপত্তি হয় এবং প্রতিযোগিতার ফলে সর্বনিম্ন দরে দ্রব্য ও সেবার উৎপাদনে নিশ্চয়তা আসে।
- ভোক্তার সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত হয়।
- মুক্তবাজার অর্থনীতির ফলে আমদানী ব্যয় এবং রপ্তানী আয় বৃদ্ধি পায়।
- ভর্তুকি, কর-রেয়াত ইত্যাদি না থাকার ফলে রাষ্ট্রের অর্থ-সাশ্রয় হয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৪০.
অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয় হতে মাছ আহরণে বাংলাদেশ বিশ্বে কততম?
  1. ক) পঞ্চম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) অষ্টম
ব্যাখ্যা
অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয় হতে মাছ আহরণে বাংলাদেশ বিশ্বে ৩য়। ২০১৮-২০১৯ সালে অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয় হতে বাংলাদেশ মোট ১২.৩৫ লক্ষ মেট্রিক টন মাছ আহরণ করে।
এছাড়া ইলিশ উৎপাদিত হয় ৫.৩২ লক্ষ মেট্রিক টন যা বিশ্বে প্রথম। বদ্ধ জলাশয়ে চাষের মাধ্যমে মাছ উৎপাদিত হয় ২৪.৮৮ লক্ষ মেট্রিক টন যা বিশ্বে পঞ্চম।
(সূত্রঃ মৎস্য অধিদপ্তর, বিবিএস এবং এবং FAO)
১,৫৪১.
 বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর চালু হয় কবে থেকে?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯৩ সালে
  3. ১৯৯৬ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা

মূল্য সংযোজন কর:
- কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর একটি পরোক্ষ কর।
- মূল্য সংযোজন কর চালু হয় ১ জুলাই ১৯৯১ সালে।
- সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়।
- আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ১৫%।
- পন্য বা সেবার সর্বশেষ ভোক্তা মূল্য সংযোজন কর দাতা।
- রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ০%।

 উৎস:  জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

১,৫৪২.
বাংলাদেশের মানব সম্পদ উন্নয়নে কোনটি প্রয়োজন?
  1. কর্মসংস্থান বৃদ্ধি
  2. খাদ্য ও পুষ্টিমান বৃদ্ধি
  3. শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
মানব সম্পদ উন্নয়ন:
- মানব সম্পদ উন্নয়ন একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ এবং অপরিহার্য উপাদান।
- মানব সম্পদ ছাড়া উন্নয়নের অন্যান্য উপাদান অর্থহীন হয়ে পড়ে।
- শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, আধুনিক প্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে মানব সম্পদকে অধিকতর দক্ষ ও উৎপাদনশীল করা যায়।
- কাজেই কর্মক্ষম জনশক্তিকে উপযুক্ত শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তি জ্ঞানে উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে সমৃদ্ধ করার প্রক্রিয়াকে 'মানব সম্পদ উন্নয়ন' বলা যায়। 
- সুতরাং উৎপাদনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে মানুষের কর্মদক্ষতা সুষ্ঠুভাবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে মানুষের অন্তর্নিহিত কর্মগুণ, সুপ্ত প্রতিভা, উন্নত ও বিকশিত করে তোলাই হল 'মানব সম্পদ উন্নয়ন'।

⇒ বাংলাদেশের মানব সম্পদ উন্নয়নে খাদ্য ও পুষ্টিমান বৃদ্ধি, শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি সবগুলোই প্রয়োজন।

উৎস: i) শিক্ষা এবং উন্নয়ন, স্কুল অব এডুকেশন, এমএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) অর্থনীতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৪৩.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট পেশ হয় কত তারিখে?
  1. ক) ১ জুলাই, ২০২৩
  2. খ) ১১ জুলাই, ২০২৩
  3. গ) ১ জুন, ২০২৩
  4. ঘ) ৩১ জুন, ২০২৩
ব্যাখ্যা
জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে প্রথম বাজেট।
- প্রস্তাবিত বাজেট পেশ: ১ জুন,২০২৩।
- প্রস্তাবিত বাজেট পাস: ২৬ জুন,২০২৩।
- বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আহম মুস্তফা কামাল।
- বাজেট কার্যকর: ১ জুলাই, ২০২৩।
- বাংলাদেশের অর্থবছর: ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন।
- এ বছরের বাজেট: ৫২তম ( অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫৩তম)। 
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা। 

উৎস: অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
১,৫৪৪.
'পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ)' কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৯৯ সালে
  2. ২০০০ সালে
  3. ২০০১ সালে
  4. ২০০২ সালে
ব্যাখ্যা

পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন:
- জাতীয় সংসদে গৃহীত আইনের মাধ্যমে 'পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ)' প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠা করা হয়: ১৯৯৯ সালে।
- পিডিবিএফ একটি সংবিদিবদ্ধ, স্ব-শাসিত, অমুনাফাকাঙ্ক্ষী, আত্মনির্ভরশীল, নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- পিডিবিএফ ক্ষুদ্র ঋণ এর পাশাপাশি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণ (SELP) পরিচালনা করে যাতে করে গ্রামীন বঞ্চিত মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি হয়।

তথ্যসূত্র - পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।

১,৫৪৫.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো GDP পরিমাপের জন্য অর্থনীতিকে মোট কয়টি প্রধান খাতে বিভক্ত করেছে?
  1. ১৫টি
  2. ১৮টি
  3. ১৯টি
  4. ২১টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে জাতীয় আয় পরিমাপ পদ্ধতি:
- বাংলাদেশে জাতীয় আয় গণনার কাজটি করে থাকে সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। এই প্রতিষ্ঠান প্রত্যেক বছর চলতি বাজার মূল্যে ও স্থির মূল্যে দ্রব্য ও সেবার মূল্য পরিমাপ করে থাকে। এ হিসাব করার জন্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো GDP ও GNI গণনা করার জন্য উৎপাদন ও ব্যয় পদ্ধতি ব্যবহার করে।

⇒ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) উৎপাদন পদ্ধতিতে GDP পরিমাপের জন্য অর্থনীতিকে মোট ১৯টি প্রধান খাতে বিভক্ত করেছে। খাতসমূহ হচ্ছে:
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত - ৪টি)।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত - ২টি)।
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত - ৩টি)।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত - ২টি)।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম।
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত - ৫টি)।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০। তথ্য ও যোগাযোগ।
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।
১,৫৪৬.
আয়কর প্রদানে ব্যর্থ করদাতাকে কী বলে?
  1. দায়মুক্ত করদাতা
  2. খেলাপি করদাতা
  3. নিয়মিত করদাতা
  4. কর অব্যাহত করদাতা
ব্যাখ্যা
- আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী আয়কর প্রদানে ব্যর্থ করদাতাকে খেলাপি করদাতা বলা হয়। 

করদিবসের মধ্যে রিটার্ন দাখিলে ব্যর্থতার ক্ষেত্রে: 
- একজন স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতা ৩০ নভেম্বর ২০২৪ তারিখের মধ্যে, অর্থাৎ করদিবসের মধ্যে ২০২৪-২০২৫ করবর্ষের রিটার্ন দাখিল করতে ব্যর্থ হলে করদাতার প্রদেয় করদায় আয়কর আইনের ধারা ১৭৪ অনুযায়ী নির্ধারিত হবে এবং করদাতাকে সে মোতাবেক কর পরিশোধ করতে হবে।

আয়কর আইন, ২০২৩:
(৩২) “খেলাপি করদাতা” অর্থ-
(ক) কোনো ব্যক্তি যিনি এই আইনানুযায়ী কোনো কর পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছেন; বা
(খ) কোনো ব্যক্তি যিনি এই আইনানুযায়ী খেলাপি করদাতা হিসাবে গণ্য হয়েছেন;

উৎস: আয়কর নির্দেশিকা (২০২৪-২০২৫)
বাংলাদেশের আইন।
১,৫৪৭.
মূলধনের ব্যবহারজনিত ব্যয় অন্তর্ভূক্ত থাকে-
  1. মোট জাতীয় আয়ে
  2. নীট জাতীয় আয়ে
  3. নীট অভ্যন্তরীণ আয়ে
  4. উপরের কোনটিতে নয়
ব্যাখ্যা

⇒ মূলধনের ব্যবহারজনিত ব্যয় অন্তর্ভূক্ত থাকে- মোট জাতীয় আয়ে।
- GNP = (NNP + DC or CCA)

মোট জাতীয় উৎপাদন (Gross National Product-GNP):
⇒  একটি নির্দিষ্ট সময়ে (সাধারণত এক বছর) একটি দেশের জনসাধারণ কর্তৃক উৎপাদিত (দেশের ভিতরে ও বাইরে) চূড়ান্ত দ্রব্যসামগ্রী ও সেবার বাজার মূল্যের সমষ্টি হচ্ছে ঐ দেশের মোট জাতীয় উৎপাদন।

• নীট জাতীয় উৎপাদনের ধারণা (Concept of Net National Product-NNP):
⇒ মূলধন সামগ্রী উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত হলে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। এসব সামগ্রীকে পুনরায় উৎপাদনক্ষম করে তোলার জন্য কিছু ব্যয় করতে হয়। এ ব্যয়কে বলা হয় অবচয় জনিত খরচ। মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধনের ক্ষয়ক্ষতি জনিত ব্যয় বা অবচয় জনিত খরচ বাদ দিলে নীট জাতীয় উৎপাদন পাওয়া যায়।
-নীট জাতীয় উৎপাদন = মোট জাতীয় উৎপাদন অবচয়জনিত খরচ বা মূলধনের ব্যবহারজনিত ব্যয়
• Net National Product (NNP) = GNP - DC or CCA

• মোট দেশজ উৎপাদনের ধারণা (Concept of Net Domestic Product-NDP):
⇒ একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে কোন দেশের নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমারেখার মধ্যে যে সকল চূড়ান্ত দ্রব্য সামগ্রী ও সেবাকর্ম উৎপাদন হয় তার সামগ্রিক পরিমানকে মোট দেশজ উৎপাদন বলে। মোট দেশজ উৎপাদন থেকে ব্যবহার বা ক্ষয়ক্ষতিজনিত ব্যয় তথা অবচয় বাদ দিলে যা অবশিষ্ট থাকে তাকে নীট দেশজ উৎপাদন বলে।

-নীট দেশজ উৎপাদন = মোট দেশজ উৎপাদন - অবচয়জনিত খরচ বা মূলধনের ব্যবহারজনিত ব্যয়
- Net Domestic Product (NDP) = GDP - DC or CCA

উৎস: i) উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন-প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) অর্থনীতি ১ম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৪৮.
সর্বশেষ ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ২.৮৫%
  2. ৩.৯৭%
  3. ৪.৯%
  4. ৫.৬%
ব্যাখ্যা

জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার:
- সর্বশেষ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।

• খাত ভিত্তিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার (স্থির মূল্যে):
- কৃষি: ১.৭৯%
- শিল্প: ৪.৩৪%
- সেবা: ৪.৫১%

• জিডিপিতে বিভিন্ন খাতে অবদান -
- কৃষি: ১০.৯৪%।
- শিল্প: ৩৭.৪৪%।
- সেবা: ৫১.৬২%।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

১,৫৪৯.
GNP হিসাবের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি গণ্য করা হয় না?
  1. ক) দেশে কর্মরত বিদেশীদের আয়
  2. খ) রপ্তানি আয়
  3. গ) প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্স
  4. ঘ) ইপিজেডের উৎপাদন
ব্যাখ্যা
GNP (Gross National Product) বা স্থূল জাতীয় উৎপাদন হলো একটি দেশের নাগরিকদের দ্বারা একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উৎপাদিত সকল পণ্য ও সেবার সমষ্টি।

- GNP হিসাবে দেশে উৎপাদিত ও প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্সের হিসাব অন্তর্ভুক্ত হয় কিন্তু দেশে কর্মরত বিদেশীদের আয় অন্তর্ভুক্ত হয় না।

অন্যদিকে,
- GDP (Gross Domestic Product) বা স্থূল দেশজ উৎপাদন হলো একটি দেশের ভৌগোলিক এলাকার মধ্যে একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উৎপাদিত সকল পণ্য ও সেবার সমষ্টি।
- GDP হিসাবে দেশে কর্মরত বিদেশীদের আয় অন্তর্ভুক্ত হলেও বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের আয় অন্তর্ভুক্ত হয় না।

(তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি : প্রথমপত্র)
১,৫৫০.
অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে -
  1. ক) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশসমূহে
  2. খ) উত্তর আমেরিকার দেশসমূহে
  3. গ) ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে
  4. ঘ) আফ্রিকার দেশসমূহে
ব্যাখ্যা
• দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
• যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
• এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
• যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
• অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে
• ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
• ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।   

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
১,৫৫১.
VGF কী? 
  1. শিশুদের স্বাস্থ্য কার্যক্রম
  2. নারী শিক্ষা উন্নয়নমূলক কার্যক্রম
  3. খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম
  4. বয়স্ক ভাতা কার্যক্রম
ব্যাখ্যা
VGF:
- VGF- এর পূর্ণরূপ: Vulnerable Group Feeding.
- VGF হলো খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের একটি ত্রাণ কর্মসূচির নাম।
- ভিজিএফ কর্মসূচিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।

⇒ সাধারণত দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে দরিদ্র মানুষের জীবিকা পুনর্বহাল না হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারসমূহকে এই সহায়তা প্রদান করা হয়।
- প্রতি পরিবারকে মাসিক ২০-৪০ কেজি করে ২ থেকে ৫ মাস পর্যন্ত এ সহায়তা দেয়া হয়।
- এছাড়া, মা ইলিশ ও জাটকা আহরণে বিরত থাকা জেলেরাও ভিজিএফ সহায়তা পেয়ে থাকেন।
- বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে দরিদ্র জনগণও ভিজিএফ সহায়তা পান।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ রয়েছে ১,০৮৯.৭৮ কোটি টাকা।

⇒ ভিজিএফ একটি মানবিক সহায়তা কর্মসূচি, যার মাধ্যমে সরকার দরিদ্র পরিবারের মধ্যে খাদ্য বিতরণ করে থাকে।
- ভিজিএফ কর্মসূচিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।

⇒ এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হচ্ছে দরিদ্র পরিবারের দারিদ্র্য হ্রাস করা:
(১) দুঃস্থ ও গরীর জনগণের দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন করার লক্ষ্যে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
(২) পীড়িত জনগণ এবং শিশুদের রোগ প্রতিরোধ করা;
(৩) মন্দার সময়ে কর্মহীন জনগণের মধ্যে খাদ্য সরবরাহ করা;
(৪) উপকারভোগীদেরকে সাময়িক সাহায্যেরমাধ্যমে দারিদ্র্য নিরসনে অবদান রাখা, বিশেষ করে অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা করা।

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
ii) সমাজসেবা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১,৫৫২.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথমার্ধের (জুলাই-ডিসেম্বর) মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হয় কবে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ৩০ জুলাই, ২০২৫
  2. ৩১ জুলাই, ২০২৫
  3. ১ আগস্ট, ২০২৫
  4. ২ আগস্ট, ২০২৫
ব্যাখ্যা
মুদ্রানীতি (জুলাই-ডিসেম্বর, ২০২৫):
- একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে যে নীতি গ্রহণ করা হয়, তাকে মুদ্রানীতি বলে।
- মুদ্রানীতি প্রণয়ন করে ওই দেশের সর্বোচ্চ আর্থিক কর্তৃপক্ষ। সাধারণত কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই মুদ্রানীতি ঘোষণা করে।
- বাংলাদেশে প্রতি ছয় মাস (ষান্মাসিক) পরপর মুদ্রানীতি ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- সাধারণত জানুয়ারি-জুন ও জুলাই-ডিসেম্বর—এই সময়সীমা ধরে বাংলাদেশে মুদ্রানীতি দেওয়া হয়।
৩১ জুলাই, ২০২৫ তারিখে চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসের মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হয়
- নতুন মুদ্রানীতিতে পলিসি রেপো রেট ১০.০ শতাংশ অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
- এছাড়া, স্টান্ডিং ল্যান্ডিং ফেসিলিটি (এসএলএফ) হার ১১.৫ শতাংশ এবং স্টান্ডিং ডিপোজিট ফেসিলিটি (এসডিএফ) হার ৮.০ শতাংশ আছে।

উল্লেখ্য,
- মুদ্রানীতির মূল লক্ষ্য হলো মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা ও মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করা।
- এ জন্য দেশের আর্থিক খাতের চিত্র কেমন হবে—এ নিয়ে পরবর্তী ছয় মাসের জন্য নীতি ঠিক করা হয়।
- বাজারে মুদ্রার সরবরাহ পরিস্থিতি দিয়েই মূলত এটি ঠিক করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

তথ্যসূত্র- বাসস। [Link]
১,৫৫৩.
জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪ আওয়ামী লীগ সরকারের কততম বাজেট?
  1. ২১তম
  2. ২২তম
  3. ২৩তম
  4. ২৪তম
ব্যাখ্যা
জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪:
- বাজেটের ক্রম: ৫২তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৩তম)।
- আওয়ামী লীগ সরকারের ২৪তম।
- বর্তমান সরকারের টানা ১৫তম বাজেট।
- বাজেট উত্থাপন: ১ জুন, ২০২৩।
- বাজেট উত্থাপনকারী: অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল।
- সংসদে বাজেট পাশ হয় : ২৬ জুন, ২০২৩ ।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৩।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪।
১,৫৫৪.
কোন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়?
  1. আয়কর
  2. আমদানি ও রপ্তানি শুল্ক
  3. ভূমি রাজস্ব
  4. মূল্য সংযোজন কর
ব্যাখ্যা
◉ বাংলাদেশ সরকার সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় করে — মূল্য সংযোজন কর বা মূসক থেকে।
➝ বর্তমান ২০২৩ - ২৪ অর্থবছরে রাজস্ব বোর্ডের আয়ের মোট ৩৮.১% ভ্যাট থেকে আহরণ করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।
➝ অন্যান্য যেকোনো উৎসের তুলনায় সকল অর্থবছরেই মূল্য সংযোজন কর (মুসক) থেকেই সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আহরিত হয়।
➝ দ্বিতীয় প্রধান উৎস ⎯ আয়কর (আয়, মুনাফা, ও মূলধনের উপর কর)।

• সরকারের রাজস্ব প্রাপ্তির চিত্র:
২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট অনুযায়ী ⎯
- বৈদেশিক অনুদানসহ মোট রাজস্ব প্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা ⎯ ৫০৩,৯০০ কোটি টাকা।
- NBR নিয়ন্ত্রিত কর ⎯ ৪৩০,০০০ কোটি টাকা,
- NBR নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত কর ⎯ ২০,০০০ কোটি টাকা,
- কর ব্যতীত অন্যান্য প্রাপ্তি ⎯ ৫০,০০০ কোটি টাকা
- বৈদেশিক অনুদান ⎯ ৩,৯০০ কোটি টাকা।

• রাজস্ব বোর্ড (NBR) কর্তৃক আহরিত কর:
NBR যেসকল খাত থেকে কর উত্তোলন করে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ⎯
➝ মূল্য সংযোজন কর ⎯ ১৬৩,৮৩৭ কোটি টাকা (৩৮.১%),
➝ আয়, মুনাফা, ও মূলধনের উপর কর ⎯ ১৫৩,২৬০ কোটি টাকা (৩৫.৬%),
➝ সম্পূরক কর ⎯ ৬০,৭০৩ কোটি টাকা (১৪.১%),
➝ আমদানি শুল্ক ⎯ ৪৬,০১৫ কোটি টাকা,
➝ আবগারি শুল্ক ⎯ ৪,৫৭৯ কোটি টাকা।
⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯
মূল্য সংযোজন কর/Value Added Tax (মূসক/VAT):
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর একটি ⎯ পরোক্ষ কর।
- ১৯৯০ সনের মধ্য জুনের কিছু আগে মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯০ (খসড়া) তৈরি করা হয়।
- মূল্য সংযোজন কর চালু হয় ⎯ ১ জুলাই ১৯৯১ সালে।
- সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়। কিছু বিশেষ সেবার ক্ষেত্রে এই হার কম/বেশি হতে পারে।

উৎস: জাতীয় বাজেট ⎯ ২০২৩-২৪, NBR ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
১,৫৫৫.
বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর কততম গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন? [মার্চ - ২০২৫]
  1. ১৩তম
  2. ১৪তম
  3. ১১তম
  4. ১২তম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
- এটি বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২-এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এ পর্ষদের সভাপতি।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। 
- তিনি ১৩তম গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
- তিনি ১৩ আগস্ট ২০২৪ সালে এই পদে নিযুক্ত হন।
- এর আগে, তিনি পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদ সাধারণত ৪ বছর হয়।

সূত্র: Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
১,৫৫৬.
‘কাবিখা’ কর্মসূচি কোন ধরনের সরকারি উদ্যোগের অন্তর্ভুক্ত?
  1. টিকা প্রদান
  2. নিরক্ষরতা দূরীকরণ
  3. দারিদ্র্য বিমোচন
  4. অবকাঠামো উন্নয়ন
ব্যাখ্যা

• 'কাবিখা’ কর্মসূচি:
- বাংলাদেশে দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো ‘কাবিখা’ বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি।
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব, খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ অঞ্চলে তীব্র বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ যখন অনাহারের সম্মুখীন হয়, তখন সরকার জরুরি ভিত্তিতে ‘ফুড ফর ওয়ার্ক’ কর্মসূচি চালু করে, যা পরবর্তীতে কাবিখা হিসেবে পরিচিতি পায়।
- এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হলো প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামীণ অবকাঠামোর নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণ, স্বাভাবিক সময়ে অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দরিদ্র মানুষের আয় বৃদ্ধি।
- পাশাপাশি দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য রক্ষা ও সার্বিক দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করাও এর অন্যতম লক্ষ্য।

তথ্যসূত্র:  সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

১,৫৫৭.
৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা মেয়াদান্তে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ৩০ হাজার মেগাওয়াট
  2. ৩৫ হাজার মেগাওয়াট
  3. ৪০ হাজার মেগাওয়াট
  4. ৪৫ হাজার মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
৮ম-পঞ্চবার্ষিক-পরিকল্পনা:
- মেয়াদকাল: জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫।
- বাস্তবায়ন ব্যয় লক্ষ্যমাত্রা: ৬৪ লাখ ৯৫ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা।
- মোট বিনিয়োগ জিডিপির: ৩৭.৪%।
- প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৮.৫১%। 
- কর্মসংস্থান: ১ কোটি ১৩ লাখ।
- মূল্যস্ফীতি: ৪.৬%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু: ৭৪ বছর।
- বিদ্যুৎ উৎপাদন: ৩০ হাজার মেগাওয়াট
- দারিদ্র্যের হার: ১৫.৬%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৭.৪%।

উৎস: পরিকল্পনা বিভাগ।
১,৫৫৮.
SME খাতের উদ্যোক্তাদের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. বৃহৎ শিল্পের প্রসার
  2. ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উন্নয়ন
  3. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ
  4. সরকারি খাতের উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
• ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তার সাথে সম্পর্কিত - Small and medium-sized Enterprises (SME).
--------------- 
ক্ষুদ্র শিল্প:
উৎপাদনের ক্ষেত্রে ‘ক্ষুদ্র বা ছোট শিল্প’ বলতে সেসব শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে, যেসব প্রতিষ্ঠানের জমি ও কারখানা ভবন ছাড়া স্থায়ী সম্পদের মূল্য ৭৫ লাখ থেকে ১৫ কোটি টাকা। পাশাপাশি যেসব শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ২৬-১২০ জন শ্রমিক রয়েছে।

মাঝারি শিল্প:
উৎপাদন খাতে ‘মাঝারি শিল্প’ বলতে সেসব শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে, যাদের জমি ও কারখানা ভবন ছাড়া স্থায়ী সম্পদের মূল্য ১৫ কোটি থেকে ৫০ কোটি টাকা। পাশাপাশি যেসব শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ১২১-৩০০ জন শ্রমিক রয়েছে।

Vision of SME:
দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং এর ফলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার জন্য ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে (এসএমই) প্রচার করা।

উৎস: শিল্প মন্ত্রনালয়ের ওয়েবসাইট. Small & Medium Enterprise Foundation.
১,৫৫৯.
২০২৫–২৬ অর্থবছরে এনবিআরের সংশোধিত রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা কত? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ৫ লাখ ২৪ হাজার কোটি টাকা
  2. ৫ লাখ ৩৪ হাজার কোটি টাকা
  3. ৫ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা
  4. ৫ লাখ ৫৪ হাজার কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা:
- চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) চার লাখ ৯৯ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়।
- পরবর্তীতে ৫৫ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে পাঁচ লাখ ৫৪ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে।
- নতুন লক্ষ্যমাত্রা বিদ্যমান টার্গেটের তুলনায় প্রায় ১১ শতাংশ বেশি।
- এনবিআরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে রাজস্ব আদায়ের গড় প্রবৃদ্ধি ছিল প্রায় ১৫ শতাংশ।

 তথ্যসূত্র- দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। [link]

১,৫৬০.
ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. উৎপাদনমুখী কর্মকান্ডে নারীর অংশগ্রহণ
  2. উদ্যোক্তা সৃষ্টি
  3. নারীর ক্ষমতায়ন
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম:
- দরিদ্র জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে দরিদ্র মহিলাদের মধ্যে গোষ্ঠীভিত্তিক ঋণ প্রদানের একটি কর্মসূচি হিসেবে প্রথমে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম আরম্ভ হয়।
- বর্তমানে  বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (বিকেবি), রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) এবং  কর্মসংস্থান ব্যাংক-এর মতো বিশেষায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠান, চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং ৮০০-এর অধিক  এনজিও দেশে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

• ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্দেশ্য নিম্নরূপ:
১। উৎপাদনমুখী কর্মকান্ডে নারীর অংশগ্রহণ।
২। উদ্যোক্তা সৃষ্টি।
৩। নারীর ক্ষমতায়ন।

⇒ এখানে অপশন বিবেচনায় নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি অধিক গ্রহণযোগ্য। তার যৌক্তিকতা হল - 
• গ্রামীণ অর্থনীতিতে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম মূলত নারীদের লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়।
• এ কার্যক্রম নারীর ক্ষমতায়নকে ত্বরান্বিত করে।
• স্ব-কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে নারীরা আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠছে।
• এর ফলে সমাজে নারীর দৃঢ় অবস্থান প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে।

⇒ তাই বলা যায় ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করার মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে নারীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং আয়বর্ধক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলাই মূল লক্ষ্য।

তথ্যসূত্র -  জাতীয় তথ্য বাতায়ণ এবং অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৫৬১.
কোন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয় সর্বোচ্চ? 
  1. ভূমি ও রাজস্ব
  2. আমদানি ও রপ্তানি
  3. আয়কর
  4. মূল্য সংযোজন কর
ব্যাখ্যা
আয়ের উৎস:
- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।

- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা-
• কর রাজস্ব এবং
• কর বহির্ভূত রাজস্ব।

কর রাজস্ব:
- কর বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।
- বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নরূপ:
১। আয় ও মুনাফা কর,
২। আমদানি শুল্ক,
৩। মুল্য সংযোজন কর,
৪। আবগারি শুল্ক,
৫। সম্পূরক শুল্ক:,
৬। যানবাহন কর,
৭। ভূমি রাজস্ব,
৮। নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়,
৯। অন্যান্য কর ও শুল্ক।

কর বহির্ভূত রাজস্বের প্রধান:
১। লভ্যাংশ ও মুনাফা,
২। সুদ,
৩। প্রশাসনিক রাজস্ব,
৪। রেলওয়ে,
৫। ডাক বিভাগ,
৬। সেবা বাবদ প্রাপ্তি,

⇒ বাংলাদেশ সরকার সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় করে মূল্য সংযোজন কর থেকে।
- অন্যান্য যেকোনো উৎসের তুলনায় সকল অর্থবছরেই মূল্য সংযোজন কর (মুসক) থেকেই সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আহরিত হয়।
- দ্বিতীয় প্রধান উৎস হলো আয়কর (আয়, মুনাফা, ও মূলধনের উপর কর)।

উৎস: i) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। [link]
ii) অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৬২.
২০২০-২১ অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক সাহায্য পেয়েছে কোন সংস্থা থেকে?
  1. ক) IDA
  2. খ) IMF
  3. গ) JICA
  4. ঘ) ADB
ব্যাখ্যা
● বাংলাদেশ ২০২০-২১ অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক সাহায্য পেয়েছে – IDA থেকে (সংস্থা)
● বাংলাদেশ ২০২০-২১ অর্থবছরে দেশ হিসেবে সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক সাহায্য পেয়েছে – জাপান থেকে।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২
১,৫৬৩.
রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর কত শতাংশ?
  1. ০%
  2. ৫%
  3. ৭%
  4. ১৫%
ব্যাখ্যা

মূল্য সংযোজন কর:
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর একটি পরোক্ষ কর।
- ১৯৯০ সনের মধ্য জুনের কিছু আগে মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯০ (খসড়া) তৈরি করা হয়।
- মূল্য সংযোজন কর চালু হয় ১ জুলাই ১৯৯১ সালে।
- সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়।
- আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ১৫%।
- পন্য বা সেবার সর্বশেষ ভোক্তা মূল্য সংযোজন কর দাতা।
- রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ০%।

তথ্যসূত্র- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

১,৫৬৪.
২০২০ সালে বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. ক) চীন
  2. খ) যুক্তরাজ্য
  3. গ) নেদারল্যান্ডস
  4. ঘ) জাপান
ব্যাখ্যা
- ২০২০ সালে বাংলাদেশে নিট প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ হয়েছে ২৫৬.৩৫ কোটি মার্কিন ডলার।
বিনিয়োগকারী শীর্ষ দেশসমূহ (মার্কিন ডলার):
- প্রথম : নেদারল্যান্ডস (৪০০ মি. ডলার)
- দ্বিতীয় : যুক্তরাজ্য (৩৯৬ মি. ডলার)
- তৃতীয় : যুক্তরাষ্ট্র (২৯৬ মি. ডলার)।
বিনিয়োগের শীর্ষখাতসমূহ (মার্কিন ডলার):
- প্রথম : পাওয়ার বা জ্বালানি (৫০৮ মি. ডলার)
- দ্বিতীয় : খাদ্য (৩৩২ মি. ডলার)
- তৃতীয় : ব্যাংকিং (৩০২ মি. ডলার)।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
১,৫৬৫.
IDA বলতে কী বোঝেন?
  1. ক) International Development Associates
  2. খ) International Development Authority
  3. গ) Inland Development Authority
  4. ঘ) International Development Association
ব্যাখ্যা
IDA - International Development Association. Source: ida.worldbank.org
১,৫৬৬.
বাংলাদেশে ‘ভিজিডি’ কর্মসূচি কোন উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়?
  1. পল্লী বিদ্যুতায়ন কর্মসূচি
  2. গৃহঋণ বিতরণ
  3. দুঃস্থ মহিলাদের খাদ্য সহায়তা
  4. দুঃস্থ শিশুদের খাদ্য সহায়তা
ব্যাখ্যা

• ভিজিডি কর্মসূচি:
- ভিজিডি কর্মসূচি বাংলাদেশ সরকারের একটি সর্ববৃহৎ সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচি।
- দুঃস্থ ও অসহায় এবং শারীরিকভাবে সক্ষম মহিলাদের উন্নয়ন স্থায়ীত্বের জন্য খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি,
- তাদের স্বাবলম্বী/আত্মনির্ভরশীল করার লক্ষ্যে উন্নয়ন প্যাকেজ সেবার আওতায় নির্বাচিত এনজিওর মাধ্যমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
- এই কর্মসূচির উপকারভোগীরা ১০০% মহিলা।
- ভিজিডি’ কর্মসূচি দুঃস্থ মহিলাদের খাদ্য সহায়তা।

অপরদিকে,
- ভিজিএফ একটি মানবিক সহায়তা কর্মসূচি,
- এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হচ্ছে দরিদ্র পরিবারের দারিদ্র্য হ্রাস করা :
- দুঃস্থ ও গরীর জনগণের দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন করার লক্ষ্যে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
- পীড়িত জনগণ এবং শিশুদের রোগ প্রতিরোধ করা;
- মন্দার সময়ে কর্মহীন জনগণের মধ্যে খাদ্য সরবরাহ করা;
- উপকারভোগীদেরকে সাময়িক সাহায্যের মাধ্যমে দারিদ্র্য নিরসনে অবদান রাখা, বিশেষ করে অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা করা।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৫৬৭.
একটি চেকের বৈধতার মেয়াদ কত দিন?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা

চেক বুক:
- চেক বা Cheque হলো বিশেষভাবে মুদ্রিত এক ধরনের কাগজ যা Bank কর্তৃক গ্রাহকের হিসাবের বিপরীতে ইস্যু করা হয়ে থাকে।
- চেক একটি হস্তান্তরযোগ্য দলিল।
- ব্যাংক সাধারণত গ্রাহক বরাবর চেক প্রদান করে।
- ব্যক্তিগত ও বাণিজ্যিক প্রয়োজনে গ্রাহক সেই চেক ইস্যু করতে পারেন।

⇒ বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী  একটি চেকের বৈধতার মেয়াদ সাধারণত ইস্যু করার তারিখ থেকে ৬ মাস (১৮০ দিন) পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
- এরপর আর উক্ত চেকের মাধ্যমে টাকা তোলা যাবে না। 
- তারিখ পরিবর্তন করে প্রস্তুতকারকের স্বাক্ষরের মাধ্যমে আবার টাকা উত্তোলন করা যায়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৬৮.
৫০ ও ১০০ টাকার নোটে কার স্বাক্ষর থাকে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. অর্থমন্ত্রীর
  3. বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের
  4. অর্থসচিবের
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নোট:

- ৫০ ও ১০০ টাকার নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনরের স্বাক্ষর থাকে।
- সরকারি মুদ্রা: ১, ২ ও ৫ টাকার নোট এবং ১, ৫, ১০, ২৫ ও ৫০ পয়সার মুদ্রা।
- সরকারি নোটে স্বাক্ষর থাকে অর্থ সচিবের।
- ব্যাংক নোট: ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকা মূল্যমানের ৭টি নোট।
- ব্যাংক নোটের প্রবর্তক বাংলাদেশ ব্যাংক এবং এ নোটে স্বাক্ষর থাকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনরের।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রনালয় ওয়েবসাইট।
১,৫৬৯.
What is the authorized capital of Sadharan Bima Corporation under the Insurance Corporation Act, 2019?
  1. Tk. 200 crore
  2. Tk. 1500 crore
  3. Tk. 1,000 crore
  4. Tk. 500 crore
ব্যাখ্যা
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন:
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন একমাত্র রাষ্ট্রীয় সাধারণ বীমা প্রতিষ্ঠান যা সরাসরি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের সকল ধরণের সাধারণ বীমা ও পুনঃবীমা ব্যবসা করার জন্য বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩ (এক্ট নং ৬) এর অধীনে ১৯৭৩ সালের ১৪ মে এটি গঠিত হয়।
- বর্তমানে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ এর মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

⇒ সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত সাধারণ বীমা ব্যবসায় একমাত্র বীমা প্রতিষ্ঠান হিসাবে কাজ করতে থাকে।
- ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকার ব্যক্তি মালিকানাধীন বীমা কোম্পানির অনুমোদন প্রদান করে এবং সে লক্ষ্যে বীমা কর্পোরেশন অধ্যাদেশ (সংশোধীত) ১৯৮৪ করে ।

⇒ সাধারণ বীমা কর্পোরেশন একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত।
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন দেশের সবচেয়ে বড় বীমা প্রতিষ্ঠান।
- এর অনুমোদিত মূলধন ১৫০০ কোটি টাকা, পরিশোধিত মূলধন ৯০০ কোটি টাকা।  

উৎস: সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১,৫৭০.
আর্থিক নীতির মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. উচ্চ কর্মসংস্থান
  2. টেকসই বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন
  3. সম্পদের অর্থনৈতিক এবং দক্ষ ব্যবহার
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
আর্থিক নীতি (Monetary policy):
- যে নীতির মাধ্যমে দেশের অর্থ কর্তৃপক্ষ অর্থের যোগান নিয়ন্ত্রণ করে তাকে আর্থিক নীতি বা মুদ্রানীতি বলে।
- দেশের অর্থ কর্তৃপক্ষ বলতে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমন্বিত ব্যবস্থাকে বোঝানো হয়।
- আর্থিক নীতির উল্লিখিত দেশের অর্থ কর্তৃপক্ষ বলতে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমন্বিত ব্যবস্থাকে বোঝানো হয়।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতির মূল উদ্দেশ্য হলো:
1. অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক উভয় মূল্যের স্থায়িত্ব,
2. টেকসই বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন,
3. উচ্চ কর্মসংস্থান,
4. সম্পদের অর্থনৈতিক এবং দক্ষ ব্যবহার,
5. আর্থিক ও পেমেন্ট সিস্টেমের স্থিতিশীলতা।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংক এক বছরে দুইবার (জানুয়ারি ও জুলাই) মুদ্রানীতি ঘোষণা করে।
- বাংলাদেশে মুদ্রানীতি বাস্তবায়নের সরঞ্জাম ও উপকরণ হল ব্যাংক রেট, ওপেন মার্কেট অপারেশনস (ওএমও), পুনঃক্রয় চুক্তি (রেপো) এবং রিভার্স রেপো, সংবিধিবদ্ধ রিজার্ভ রিকোয়ারমেন্ট (এসএলআর এবং সিআরআর)।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ব্যাংক প্রদান করে Monetary policy বা আর্থিক নীতি।

উৎস: Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
১,৫৭১.
সার্বিকভাবে জিডিপিতে কোন খাতের অবদান ক্রমবর্ধমান?
  1. কৃষি খাতের
  2. সেবা খাতের
  3. শিল্প খাতের
  4. খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক খাত:
- সার্বিকভাবে অর্থনীতি/ জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান ক্রমবর্ধমান।

উল্লেখ্য,
- অর্থনীতি/ জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার ৮.১৮%। অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম, প্রবৃদ্ধির হার ২.৬১%।


তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১,৫৭২.
Letter of credit ইস্যু করে-
  1. ক) বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. খ) আমদানিকারকের ব্যাংক
  3. গ) রপ্তানিকারকের ব্যাংক
  4. ঘ) আইএমএফ
ব্যাখ্যা
প্রত্যয়পত্র (Letter of credit):
- আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে আমদানিকারকদের প্রত্যয়পত্র (Letter of Credit) ইস্যুর করে মাধ্যমে বাণিজ্যিক ব্যাংক কমিশন আয় করতে পারে।
- লেটার অব ক্রেডিট (Letter of Credit) একটি আর্থিক প্রক্রিয়া যা ব্যবসায়িক লেনদেনে ব্যবহৃত হয়।
- এটি বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সার্ভিস এবং প্রোডাক্ট ক্রয়ে ব্যবহৃত হয় এবং এটি একটি ব্যবসায়িক লেনদেনের প্রমাণ হিসেবে পরিচিত।
- এটি সম্প্রদায়িকভাবে অনেক বিভিন্ন শৃংখলা এবং নীতিমালা মেনে বানিজ্যিক ভাবে লেনদেনে  ব্যবহৃত হয়। এটি ব্যাংক বা বিতরণ প্রতিষ্ঠান দ্বারা ইস্যু করা হয় এবং একটি অন্য ব্যাংক বা নির্মাতা / বিক্রেতা দ্বারা বরাবর গ্রহণ করা হয়।
১,৫৭৩.
দেশের ৯ম সরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) কোথায় নির্মিত হচ্ছে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. খুলনা
  2. গাজীপুর
  3. পটুয়াখালী
  4. কক্সবাজার
ব্যাখ্যা

নবম সরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড):
- দেশের নবম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল হচ্ছে পটুয়াখালী ইপিজেড।
- পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের ৪১০.৭৮ একর জমির ওপর গড়ে উঠছে ইপিজেড।
- ২০২৩ সালের ২৯ আগস্ট একনেকে অনুমোদিত এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১,৪৪২.৭৮ কোটি টাকা।
- এর মধ্যে সরকার দেবে ১,১০৫ কোটি টাকা (যার ৪০ শতাংশ মূলধনী বিনিয়োগ) এবং বাকি প্রায় ৩৩৮ কোটি টাকা আসবে বেপজার নিজস্ব তহবিল থেকে।
- পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১,৫৭৪.
কোন ধরনের কর অন্যের উপর চাপানো যায় না?
  1. বিক্রয় কর
  2. আমদানী শুল্ক
  3. ভ্যাট
  4. আয়কর
ব্যাখ্যা

• করের প্রকার:
- কর সরকারি রাজস্বের প্রধান উৎস। বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে করের শ্রেণি বিভাগ করা যায়।
যেমন:

​• প্রত্যক্ষ কর:
- যে কর প্রথমে যার উপর ধার্য করা হয় চুড়ান্তভাবে তাকেই পরিশোধ করতে হয় তাকে প্রত্যক্ষ কর বলা হয়।
- অর্থাৎ এ কর কোনোভাবেই অন্যের উপর চাপানো যায় না।
যেমন:
- আয়কর, ভূমি রাজস্ব, সম্পদ কর প্রভৃতি।

​• পরোক্ষ কর:
- কোনো ব্যক্তির উপর কর ধার্য করা হলে সে যদি করের ভার অন্যের উপর চাপাতে পারে তাকে বলা হয় পরোক্ষ কর।
- এরূপ করের বোঝা প্রাথমিকভাবে একজন বহন করলেও পরে তা অন্যের উপর চাপাতে পারে।
যেমন:
- ভ্যাট, বিক্রয় কর, আমদানী শুল্ক প্রভৃতি।

উৎস: কর ব্যবস্থা ও নিরীক্ষা শাস্ত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৭৫.
মুদ্রাস্ফিতির ফলে সাধারণত-
  1. মুদ্রার মান বৃদ্ধি পায়
  2. উৎপাদন হ্রাস পায়
  3. মুদ্রার মান হ্রাস পায়
  4. মুদ্রার যোগান হ্রাস পায়
ব্যাখ্যা
বাজারে উৎপাদন অপেক্ষা মুদ্রার সরবরাহ বেড়ে যাওয়ার অবস্থাকে মুদ্রাস্ফিতি বলা হয়। মুদ্রাস্ফিতির ফলে মুদ্রার মান হ্রাস পায়। সমপরিমাণ পণ্য ক্রয় করতে পূর্বের তুলনায় অধিক অর্থ ব্যয় করতে হয়। অর্থাৎ বাজারে পণ্য-দ্রব্যের দাম ‍বৃদ্ধি পায়।

অন্যদিকে,
‍মুদ্রা সংকোচন হলো উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ হ্রাস পাওয়া। এর ফলে মুদ্রার মান বৃদ্ধি পায়

(তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি ও ব্রিটানিকা)
১,৫৭৬.
বাংলাদেশে অনুমোদনপ্রাপ্ত ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ৩৪টি
  2. খ) ৩৫টি
  3. গ) ৩৩টি
  4. ঘ) ৩৬টি
ব্যাখ্যা
• মোট ব্যাংকের সংখ্যা - ৬১ টি।   
- রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক -৬টি,
- বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি,
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক – ৪৩টি,
- বৈদেশিক ব্যাংক – ৯টি।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান (ব্যাংক বহির্ভূত) - ৩৬টি। 

সূত্র:- প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৫৭৭.
কৃষিনির্ভর বাংলাদেশে কৃষি ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে ?
  1. ক) ১৯৪৭
  2. খ) ১৯৫৬
  3. গ) ১৯৬৯
  4. ঘ) ১৯৭৩
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (বিকেবি) একটি শতভাগ রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিশেষায়িত ব্যাংক।
- ১৯৭৩ সালে রাস্ট্রপতি আদেশ নং-২৭ বলে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের কৃষির মতো প্রকৃতি নির্ভর অনিশ্চিত এবং ঝুঁকিপূর্ণ খাতে অর্থায়নের জন্য দেশের বৃহত্তম বিশেষায়িত ব্যাংক।
- আমানত,ঋণ,বৈদেশিক বানিজ্যসহ সব ধরনের আধুনিক ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক।

Source: krishibank.org.bd

১,৫৭৮.
বাংলাদেশের উন্নয়ন সমস্যাগুলির উপর নীতি-ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. Bangladesh Institute of Development Studies
  2. Bangladesh Planning Commission.
  3. National Planning and Development Studies
  4. National Economic Council.
ব্যাখ্যা

Bangladesh Institute of Development Studies (BIDS):
- বিআইডিএস একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, যা বাংলাদেশ ও অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের উন্নয়ন-সংক্রান্ত নীতি গবেষণা করে।
- বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (বিআইডিএস) এর উৎপত্তি পাকিস্তানে, পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিক্স (পিআইডিই) নামে এবং ১৯৫৭ সালের জুন মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পিআইডিই ১৯৭১ সালের জানুয়ারিতে ঢাকায় স্থানান্তরিত হয়। 
- ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর, ইনস্টিটিউটটির নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন অর্থনীতি ইনস্টিটিউট (BIDE)।
- এটি ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।
- এটি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়।

অন্যদিকে,
- জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি (এনএপিডি).

উৎস: Bangladesh Institute of Development Studies এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

১,৫৭৯.
দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ের নাম কী?
  1. ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক্সপ্রেসওয়ে
  2. খ) বঙ্গমাতা ফজিলাতুনন্নেছা মুজিব এক্সপ্রেসওয়ে
  3. গ) শেখ হাসিনা এক্সপ্রেসওয়ে
  4. ঘ) শেখ রাসেল এক্সপ্রেসওয়ে
ব্যাখ্যা
⇨ দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ের নাম - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মহাসড়ক।     
⇨ জাতির পিতার নামে এই সড়কের নামকরণ করে ২০১৯ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ।
⇨ ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে। ৫৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ পথের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল ২০১৬ সালে।
⇨ এর ফলে রাজধানীর সঙ্গে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগে নতুন যুগের সূচনা হয়েছে।
⇨ এক্সপ্রেসওয়েতে ৫টি ফ্লাইওভার, ১৯টি আন্ডারপাস এবং প্রায় ১০০টি সেতু এবং কালভার্ট রয়েছে, যা দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়িয়ে জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখবে।     

তথ্যসূত্র:- প্রথম আলো এবং যুগান্তর। 
১,৫৮০.
স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনার মেয়াদ কত বছর?
  1. ১ থেকে ৫ বছর
  2. ১ থেকে ৩ বছর
  3. ১ থেকে ২ বছর
  4. ১ থেকে ৭ বছর
ব্যাখ্যা
• স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা (Short-term plan):
- এ ধরনের পরিকল্পনা সাধারণত ১ বছর মেয়াদি বা আরও কম মেয়াদি হয়।
- স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা দুই প্রকারের হয়;
যথা-
- এ্যাকশন প্লান ও রি-এ্যাকশন প্লান।

• মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা (Medium-term plan):
মধ্যম মেয়াদের পরিকল্পনা সাধারণত ১ বছর থেকে ৫ বছর মেয়াদী হয়ে থাকে।
মধ্যম ও প্রথম স্তরের ব্যবস্থাপকদের জন্য এরূপ পরিকল্পনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

• দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা (Long-term plan):
এ ধরনের পরিকল্পনা সাধারণত ৫ বছরের বেশী সময়ের জন্য হয়ে থাকে।

উৎস: ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৮১.
‘সেকেন্ডারি মার্কেট’ কিসের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. স্টক মার্কেট
  2. কৃষি মার্কেট
  3. শ্রম বাজার
  4. ফার্নেস মার্কেট
ব্যাখ্যা
• পুঁজি বাজার:
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। 
- বাংলাদেশে ২টি স্টক এক্সচেঞ্জ রয়েছে।
এগুলো হলো -
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪),
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৯৫)।
• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ১৯৫৬ সালে নারায়ণগঞ্জে এবং ১৯৫৮ সালে ঢাকার মতিঝিলে স্থানান্তরিত হয়। 
• বাংলাদেশে শেয়ার মার্কেট নিয়ন্ত্রণ করে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC) যা ১৯৯৩ সালের ৮ জুন প্রতিষ্ঠিত।
• গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।

উৎস: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।
১,৫৮২.
What is the minimum paid-up capital is required for the non-life insurance in Bangladesh?
  1. BDT 300 million
  2. BDT 350 million
  3. BDT 400 million
  4. BDT 450 million
ব্যাখ্যা
বীমা কর্পোরেশন:
- বীমা হলো একটি চুক্তি।
- ইহা দুই পক্ষের মধ্যে একটি আইন সম্মত চুক্তি।
- এক পক্ষ অন্য পক্ষকে ক্ষতিপূরণ দিবে বলে নিশ্চয়তা দিয়ে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়।
- অন্যপক্ষ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট হারে প্রিমিয়াম প্রদানের নিশ্চয়তা দিয়ে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়।

⇒ ১৯৮৪ সালে বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩ এর সংশোধনী আনা হয়।
- এতে সাধারণ বীমা ও জীবন বীমা কর্পোরেশনের পাশাপাশি ব্যক্তিমালিকানা খাতে বীমা কোম্পানি পরিচালনার ব্যবস্থা রাখা হয়।
- বীমা কর্পোরেশন (সংশোধনী) আইন ১৯৮৪, ব্যবসায় পরিচালনা এবং পুনঃবীমা সংক্রান্ত কয়েকটি বিধিনিষেধ সাপেক্ষে ব্যক্তিমালিকানা খাতে সাধারণ ও জীবন বীমা কোম্পানি স্থাপনের অনুমতি দেয়।

⇒ বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ অনুযায়ী,
• জীবন বীমা কর্পোরেশনের অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি টাকা।
• সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের অনুমোদিত মূলধন ১৫০০ কোটি টাকা, পরিশোধিত মূলধন ৯০০ কোটি টাকা।
• বর্তমান বীমা আইন অনুযায়ী একটি নতুন জীবন এবং অ-জীবন বীমা প্রতিষ্ঠার জন্য ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন যথাক্রমে BDT ৩০০ মিলিয়ন (US$3.8 মিলিয়ন) এবং BDT ৪০০ মিলিয়ন (US$5.1 মিলিয়ন)

উৎস: বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
১,৫৮৩.
চলতি অর্থবছরের বাজেটে অনুদান ব্যতীত মোট ঘাটতির পরিমাণ কত?
  1. ক) ১,৮৫,৯৮৭ কোটি টাকা
  2. খ) ১,৯০,০০০ কোটি টাকা
  3. গ) ২,০৫,১৪৫ কোটি টাকা
  4. ঘ) ২,১৫,৬৪৩ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে অনুদান ব্যতীত মোট ঘাটতির পরিমাণ ১,৯০,০০০ কোটি টাকা যা জিডিপির ৬.০ শতাংশ।
অনুদানসহ ঘাটতি ১,৮৫,৯৮৭ কোটি টাকা যা জিডিপির ৫.৮ শতাংশ।
চলতি বাজেটে বৈদেশিক অনুদানের পরিমাণ ৪,০১৩ কোটি টাকা।
(সূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট)
১,৫৮৪.
অগ্নি বীমার জনক কে?
  1. ফিসার ব্ল্যাক
  2. উলিয়াম ক্যারি
  3. নিকোলাস বারবন
  4. ইউজিন ফামা
ব্যাখ্যা
অগ্নিবীমা:
- অগ্নির বিরুদ্ধে নিরাপত্তার জন্য যে বীমা করা হয় এক কথায় তাই অগ্নিবীমা।
- অগ্নি বীমার জনক নিকোলাস বারবন।

⇒ অগ্নিবীমার প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
- এটি দুটি পক্ষের মধ্যে একটি চুক্তি, কার বীমার বিষয়বস্তু হলো সম্পদ, ইহা ক্ষতি পূরণের চুক্তি, অগ্নিজনিত কারণে ক্ষতি হতে হবে, বীমার প্রদত্ত প্রিমিয়াম হলো প্রতিদান, ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ক্ষতির সমান বা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে হতে হবে এবং বীমার বিষয়বস্তু অবশ্যই নির্দিষ্ট হতে হবে।

⇒ অগ্নিবীমার তাৎপর্য হলো:
- মূলধন গঠন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শিল্পের চাকাকে সচল রাখে, আর্থিক বুনিয়াদ মজবুত করে, সামাজিক কল্যাণ সাধন করে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে, সচেতনতা সৃষ্টি করে এবং অন্যান্য বীমার পরিপূরক ভূমিকা পালন করে।

⇒ অগ্নিবীমা চুক্তির অপরিহার্য উপাদান প্রধানত দু ধরনের। যথা:
ক. সাধারণ উপাদান খ. বিশেষ উপাদান।
- সাধারণ উপাদানগুলো হলো: দুটি পক্ষ, প্রস্তাব প্রদান, প্রস্তাব মূল্যায়ন, প্রস্তাব গ্রহণ, স্বীকৃতি প্রদান, পারস্পরিক দায় দায়িত্ব, প্রতিদান এবং স্বেচ্ছাসায়।
- পক্ষান্তরে অগ্নিবীমার বিশেষ উপাদান গুলো হলোঃ বীমাযোগ্য স্বার্থ, চূড়ান্ত বিশ্বাস, ক্ষতিপূরণ, স্থলাভিষিক্ততা, শর্তাবলী, প্রত্যক্ষ বা নিকটমত কারণ প্রভৃতি।

⇒ বর্তমানে প্রচলিত উল্লেখযোগ্য অগ্নি বীমাপত্র গুলো হলো:
- মূল্যায়িত বীমা পত্র, অমূল্যায়িত বীমাপত্র, গড়পরতা বীমাপত্র, সুনির্দিষ্ট বীমাপত্র, ভাসমান বীমাপত্র, বাড়তি বীমাপত্র, ঘোষণা যুক্ত বীমাপত্র, সমন্বয়যোগ্য বীমাপত্র, সার্বিক বীমাপত্র, মুনাফা হানিকর বীমা পত্র, বাট্টাকৃত বীমাপত্র, ছাউনী বীমাপত্র ও অগ্নি নিবারণী বিকল বীমাপত্র।

উৎস: ব্যবসায় নীতি ও প্রয়োগ দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৮৫.
বর্তমানে বেজার অনুমোদনপ্রাপ্ত মোট অর্থনৈতিক অঞ্চলের সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ৭৫টি
  2. খ) ৮২টি
  3. গ) ৯১টি
  4. ঘ) ৯৮টি
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বেজা বা বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের অনুমোদনপ্রাপ্ত অর্থনৈতিক অঞ্চলের সংখ্যা ৯৮টি।
এর মধ্যে,
- সরকারি : ৬৯টি
- বেসরকারি : ২৯টি।
সর্ববৃহৎ অর্থনৈতিক অঞ্চল হলো চট্টগ্রাম ও ফেনী জেলায় নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প নগরী।
(সূত্র: বেজা ওয়েবসাইট)
১,৫৮৬.
বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় কোথায়?
  1. সিলেটে
  2. পঞ্চগড়ে
  3. চট্টগ্রামে
  4. মৌলভীবাজারে
ব্যাখ্যা
চা ও চা বাগান:
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় চট্টগ্রামে।
- বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে।
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় ১৮৪০ সালে।
- সিলেটের মালনিছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান মৌলভীবাজার জেলায়।

তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা, ২১ মে ২০১২, দৈনিক সমকাল, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ও বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
১,৫৮৭.
‘‘বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন’’ প্রতিষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ক) ২৮ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে
  2. খ) ২৯ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে
  3. গ) ৩০জানুয়ারি ১৯৭২ সালে
  4. ঘ) ৩১ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
৩১ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে ‘‘বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন’’ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

• প্রাপ্ত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে সকল জনগণের দ্রুত জীবনযাত্রার মান উন্নয়নই হচ্ছে উন্নয়ন পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য।
- বাংলাদেশের সংবিধান (অনুচ্ছেদ-১৫) অনুযায়ী পরিকল্পিত উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের সকল অঞ্চলের সকল নাগরিকের দ্রুত জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন নিশ্চিত করা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত।
- কার্যকরভাবে এ দায়িত্ব পালনের নিমিত্ত প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গঠনের উপর অগ্রাধিকার দিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার মাত্র দেড় মাসের মধ্যে তথা ৩১ জানুয়ারী ১৯৭২ সনে ‘‘বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন’’ প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
১,৫৮৮.
বাংলাদেশে 'The Bay of Bengal Industrial Growth Belt (BIG-B)' সহযোগিতার উদ্যোক্তা দেশ কোনটি?
  1. ভারত
  2. চীন
  3. জাপান
  4. থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা
The Bay of Bengal Industrial Growth Belt (BIG-B):
- বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে জাপান সরকারের প্রস্তাবিত বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ (বিগ-বি) ইনিশিয়েটিভ বিগ-বি নামে পরিচিত।
- এটি ২০১৪ সালে জাপানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার টোকিও সম্মেলনে প্রথম প্রস্তাবিত হয়।
- এই উদ্যোগটি "Japan-Bangladesh Comprehensive Partnership"-এর অধীনে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে গৃহীত হয়েছিল।

⇒ BIG-B উদ্যোগের অধীনে জাপানের সহায়তায় বাংলাদেশে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে:
- মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর,
- মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র,
- ঢাকা ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (মেট্রো রেল),
- ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার উপকূলীয় হাইওয়ে,
- চট্টগ্রামে অবকাঠামো উন্নয়ন ইত্যাদি।

উৎস: i) JICA.
ii) প্রথম আলো।
১,৫৮৯.
বাগদা চিংড়ি কোন দশক থেকে রপ্তানি পণ্য হিসেবে স্থান করে নেয়?
  1. ক) পঞ্চাশ দশক
  2. খ) ষাট দশক
  3. গ) সপ্তর দশক
  4. ঘ) আশির দশক
ব্যাখ্যা
সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে চিংড়ি একটি জনপ্রিয় খাদ্য। দেশে ও বিদেশে চিংড়ির ভালো বাজার রয়েছে।
বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যসমূহের মধ্যে চিংড়ি অন্যতম। এ থেকে প্রতি বছর আয় হয় বহু কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা।
বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন, বাংলাদেশ জাতীয় মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি, বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প সংস্থা এবং কতিপয় ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান চিংড়ি সংগ্রহ, প্রক্রিয়াজাত ও রপ্তানি করে। খুলনা, চট্টগ্রাম ও ঢাকায় কয়েকটি চিংড়ি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে উঠেছে।


চিংড়ি চাষ পদ্ধতি  বাংলাদেশে প্রথম ১৯২৯-৩০ সালে  সুন্দরবন অঞ্চলে চিংড়ি চাষের সূচনা হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক উপকূলীয় বন্যা প্রতিরোধ ও পানি নিষ্কাশন বাঁধ তৈরীর পূর্বে ১৯৫০ সাল পর্যন্ত সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট অঞ্চলে নদী সংলগ্ন এলাকার মাটির ঘের দিয়ে বা পাড় বেঁধে তৈরি পুকুরে প্রাকৃতিকভাবে প্রাপ্ত খাদ্য থেকে চিংড়ি কয়েক মাসের মধ্যে বড় হলে তা সংগ্রহ করে বাজারজাত করা হতো। 

১৯৭০ এর দশকে বিশ্বে চিংড়ির চাহিদা বৃদ্ধি পায়। তারপরেই বাংলাদেশে চিংড়ি চাষের সম্প্রসারণ ঘটে ও বাণিজ্যিক ভাবে চাষের মাত্রা বৃদ্ধি পায়।
৮০ এর দশকে চিংড়ি রপ্তানি পণ্য হিসাবে তালিকাভুক্ত হয়। রপ্তানি খাতে চিংড়ি 'হোয়াইট গোল্ড' নামে পরিচিত।

সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া, মৎস উন্নয়ন ব্যুরো এবং প্রথম আলো আর্কাইভ।
১,৫৯০.
পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান -
  1. অর্থমন্ত্রী
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. পরিকল্পনা মন্ত্রী
  4. শিল্প মন্ত্রী
ব্যাখ্যা

পরিকল্পনা কমিশন:
- বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনা সহ সরকারের বিভিন্ন মেয়াদী অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে।
- পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান: প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প চেয়ারম্যান: অর্থমন্ত্রী।
- ভাইস চেয়ারম্যান: পরিকল্পনা মন্ত্রী।
- পরিকল্পনা কমিশন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনাসহ সরকারের যাবতীয় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।

১,৫৯১.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কোন পদ্ধতি ব্যবহার করে জিডিপি গণনা করে না?
  1. আয় পদ্ধতি
  2. ব্যয় পদ্ধতি
  3. উৎপাদন পদ্ধতি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো আয় পদ্ধতি ব্যবহার করে জিডিপি গণনা করে না।

বাংলাদেশে মোট দেশজ আয় পরিমাপ পদ্ধতি:
- বাংলাদেশে জিডিপি গণনার দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
- পরিসংখ্যান ব্যুরো প্রতি বছর চলতি বাজার মূল্য ও স্থির মূল্যে দ্রব্য ও সেবার মূল্য পরিমাপ করে জিডিপি গণনা করে থাকে।
- এসব হিসাব করতে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে থাকে।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো উৎপাদন পদ্ধতি ও ব্যয় পদ্ধতি ব্যবহার করে জিডিপি গণনা করে।
- উৎপাদন পদ্ধতিতে মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) পরিমাপের জন্য অর্থনীতিকে মোট ১৯টি প্রধান খাতে বিভক্ত করা হয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

১,৫৯২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে, বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জ্বালানি উৎস কোনটি?
  1. ক) ফার্নেস অয়েল
  2. খ) কয়লা
  3. গ) ডিজেল
  4. ঘ) গ্যাস
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের জ্বালানি উৎস: 
গ্যাস - ৫১.৩৫%
ফার্নেস অয়েল - 27.86%
কয়লা - ৮.০১% 
ডিজেল – ৫.৮৫%
 বিদ্যুৎ আমদানি – ৫. 26%
জলবিদ্যুৎ – ১.০৪%
নবায়নযোগ্য জ্বালানি - ১.০৪%

• বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মালিকানা:
সরকারি - ৪৫%
বেসরকারি - ৪৪% 
যৌথ উদ্যোগ – ৬% 
আমদানি - ৫%

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
১,৫৯৩.
দেশের প্রথম এজেন্ট ব্যাকিং চালু করে কোন ব্যাংক?
  1. সিটি ব্যাংক
  2. প্রাইম ব্যাংক
  3. ইস্টার্ন ব্যাংক
  4. ব্যাংক এশিয়া
ব্যাখ্যা
• এজেন্ট ব্যাংকিং:
- এজেন্ট ব্যাংকিং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তির অগ্রযাত্রায় একটি নতুন, শক্তিশালী এবং ব্যাপক-ভিত্তিক ব্যাংকিং প্রচেষ্টা।
- ব্যাংক এশিয়ার উদ্যোগে ২০১৪ সালের জানুয়ারীতে বাংলাদেশে এ সেবার যাত্রা শুরু হয়।
- এর আগে ২০১৩ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিশেষায়িত ব্যাংকিং সেবা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করে।

উৎস: ব্যাংক এশিয়া।
১,৫৯৪.
বাংলাদেশে বর্তমানে অর্থনীতির মোট খাত কয়টি? [আগস্ট - ২০২৫]
  1. ১৪টি
  2. ১৭টি
  3. ১৯টি
  4. ২১টি
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- অর্থনীতির মোট খাত: ১৯টি ।

১৯টি খাত হলো:
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি)।
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম।
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ। 
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০। তথ্য ও যোগাযোগ।
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম। 
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

১,৫৯৫.
বাংলাদেশের সরকারি কাগজের নোটে কার স্বাক্ষর থাকে?
  1. গভর্নর
  2. অর্থ সচিব
  3. অর্থমন্ত্রী
  4. প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে দুই ধরনের কাগুজে নোট:- বাংলাদেশের নোট দুই ধরনের।
- সরকারি নোট ও ব্যাংক নোট।
- সরকারি নোট: ১, ২ ও ৫ টাকার নোট।
- এবং ১, ৫, ১০, ২৫ ও ৫০ পয়সার মুদ্রা।
- সরকারি নোটে স্বাক্ষর থাকে অর্থ সচিবের।
• ব্যাংক নোট: ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকা মূল্যমানের ৭টি নোট।
- ব্যাংক নোটের প্রবর্তক বাংলাদেশ ব্যাংক।
- এবং এ নোটে স্বাক্ষর থাকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনরের।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক এবং অর্থ মন্ত্রনালয় ওয়েবসাইট।

১,৫৯৬.
গত অর্থবছরে দেশে সরকারি বিনিয়োগের পরিমাণ জিডিপির শতকরা কত ভাগ?
  1. ক) ৮.১২ ভাগ
  2. খ) ১২.৩৪ ভাগ
  3. গ) ২৩.৬৩ ভাগ
  4. ঘ) ৩১.৭৫ ভাগ
ব্যাখ্যা
গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে দেশে,
- মোট জাতীয় বিনিয়োগের পরিমাণ (জিডিপি'র) : ৩১.৭৫ ভাগ।
- বেসরকারি বিনিয়োগ : ২৩.৬৩ ভাগ।
- সরকারি বিনিয়োগ : ৮.১২ ভাগ।
- মোট দেশজ সঞ্চয় : ২৫.৩১ ভাগ।
- জাতীয় সঞ্চয় : ৩০.১১ ভাগ।
(সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক)
১,৫৯৭.
২০২২-২৩ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি) অর্থবছরে একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় কোনটি?
  1. ক) সুতা
  2. খ) ভোজ্যতৈল
  3. গ) গম
  4. ঘ) সার
ব্যাখ্যা
জুলাই- ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত পণ্যভিত্তিক আমদানি:

- ২০২২-২৩ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৫২,৭১৩.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের ৫৮,৭৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার তুলনায় ১০.৩ শতাংশ কম।
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - সার।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ – পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ – মূলধন যন্ত্রসামগ্রী। 
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় সার।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - তুলা।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ - গম।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৩।
১,৫৯৮.
বাংলাদেশে জীবন বীমা কোম্পানির ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন কত?
  1. ৪০ কোটি টাকা
  2. ২৫ কোটি টাকা
  3. ২০ কোটি টাকা
  4. ৩০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

বীমা কর্পোরেশন: 
- বীমা হলো একটি চুক্তি।এক পক্ষ অন্য পক্ষকে ক্ষতিপূরণ দিবে বলে নিশ্চয়তা দিয়ে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়। অন্যপক্ষ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট হারে প্রিমিয়াম প্রদানের নিশ্চয়তা দিয়ে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়।

⇒ ১৯৮৪ সালে বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩ এর সংশোধনী আনা হয়।
- এতে সাধারণ বীমা ও জীবন বীমা কর্পোরেশনের পাশাপাশি ব্যক্তিমালিকানা খাতে বীমা কোম্পানি পরিচালনার ব্যবস্থা রাখা হয়।
- বীমা কর্পোরেশন (সংশোধনী) আইন ১৯৮৪, ব্যবসায় পরিচালনা এবং পুনঃবীমা সংক্রান্ত কয়েকটি বিধিনিষেধ সাপেক্ষে ব্যক্তিমালিকানা খাতে সাধারণ ও জীবন বীমা কোম্পানি স্থাপনের অনুমতি দেয়।

⇒ বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ অনুযায়ী,
• জীবন বীমা কর্পোরেশনের অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি টাকা।
• সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের অনুমোদিত মূলধন ১৫০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৯০০ কোটি টাকা।

উৎস: বীমা উন্নয়ন কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

১,৫৯৯.
পরিকল্পনা কমিশনের মধ্যমেয়াদী পরিকল্পনার মেয়াদকাল কত?
  1. ৫ বছর
  2. ৮ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১৫ বছর
ব্যাখ্যা
পরিকল্পনা:
- পরিকল্পনা হলো ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের অগ্রিম সিদ্ধান্ত গ্রহণের একটি প্রক্রিয়া।
- পরিকল্পনা ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়ার প্রথম ও প্রধান ধাপ।
- পূর্ব এবং বর্তমান অভিজ্ঞতা, পরিসংখ্যানিক তথ্যাদি এবং যুক্তিসঙ্গত কারণের উপর ভিত্তি করেই পরিকল্পনা তৈরি করা হয়।

⇒ মেয়াদভিত্তিক শ্রেণীবিভাগ (Classification on the basis of time):
১. স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা (Short-term plan):
- এ ধরনের পরিকল্পনা সাধারণত ১ বছর মেয়াদি বা আরও কম মেয়াদি হয়।
- স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা দুই প্রকারের হয়; যথা-এ্যাকশন প্লান ও রি-এ্যাকশন প্লান।

২. মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা (Medium-term plan):
- মধ্যম মেয়াদের পরিকল্পনা সাধারণত ১ বছর থেকে ৫ বছর মেয়াদী হয়ে থাকে।
- মধ্যম ও প্রথম স্তরের ব্যবস্থাপকদের জন্য এরূপ পরিকল্পনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

৩. দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা (Long-term plan):
- এ ধরনের পরিকল্পনা সাধারণত ৫ বছরের বেশী সময়ের জন্য হয়ে থাকে।
- কোন কোন কোম্পানী ১৫/২০ বছরের জন্যও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তৈরি করে থাকে।

উৎস: ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬০০.
এপ্রিল মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি কত ছিল? [মে, ২০২৫]
  1. ৭ দশমিক ১৭ শতাংশ
  2. ৮ দশমিক ১৭ শতাংশ
  3. ৯ দশমিক ১৭ শতাংশ
  4. ১০ দশমিক ১৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা
মূল্যস্ফীতি:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মাসিক প্রতিবেদনে জানা যায়, এপ্রিল মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ১৭ শতাংশ।
- মার্চ মাসে তা ছিল ৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ।
- হিসাব অনুসারে, গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ১৫ শতাংশ এবং শহরাঞ্চলের মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৫৯ শতাংশ।
- এপ্রিলে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ও খাদ্য বহির্ভুত মূল্যস্ফীতিও কমেছে।
- খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ৮.৬৩ শতাংশ, যা মার্চে ছিল ৮.৯৩ শতাংশ।
- অন্যদিকে খাদ্য বহির্ভুত মূল্যস্ফীতি এপ্রিলে কমে ৯.৬১ শতাংশ হয়েছে। মার্চে যা ছিল ৯.৭০ শতাংশ।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালের মে থেকে ২০২৫ সালের এপ্রিল পর্যন্ত এক বছর ধরে গড় মূল্যস্ফীতি  ১০ দশমিক ২১।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [link]