বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের অর্থনীতি

মোট প্রশ্ন১,৮৬১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের অর্থনীতি

PrepBank · পাতা ১৪ / ১৯ · ১,৩০১১,৪০০ / ১,৮৬১

১,৩০১.
ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের ফলে সমাজে নারীর কী প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে?
  1. দৃঢ় অবস্থান
  2. অসহায়ত্ব
  3. বেকারত্ব
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম:
- দরিদ্র জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে দরিদ্র মহিলাদের মধ্যে গোষ্ঠীভিত্তিক ঋণ প্রদানের একটি কর্মসূচি হিসেবে প্রথমে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম আরম্ভ হয়।
- বর্তমানে  বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (বিকেবি), রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) এবং  কর্মসংস্থান ব্যাংক-এর মতো বিশেষায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠান, চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং ৮০০-এর অধিক  এনজিও দেশে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

⇒ ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্দেশ্য নিম্নরূপ:
১। উৎপাদনমুখী কর্মকান্ডে নারীর অংশগ্রহণ।
২। উদ্যোক্তা সৃষ্টি।
৩। নারীর ক্ষমতায়ন।

⇒ ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের ফলে সমাজে নারীর অবস্থান:
• গ্রামীণ অর্থনীতিতে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম মূলত নারীদের লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়।
• এ কার্যক্রম নারীর ক্ষমতায়নকে ত্বরান্বিত করে।
• স্ব-কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে নারীরা আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠছে।
• ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের ফলে সমাজে নারীর দৃঢ় অবস্থান প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে।

⇒ তাই বলা যায় ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করার মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে নারীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং আয়বর্ধক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলাই মূল লক্ষ্য।

তথ্যসূত্র -  জাতীয় তথ্য বাতায়ণ এবং অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৩০২.
বাংলাদেশের জাতীয় আয় গণনায় দেশের অর্থনীতিকে ক'টি খাতে ভাগ করা হয়?
  1. ১২
  2. ১৯
  3. ১৪
  4. ১৫
ব্যাখ্যা
• অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪: 
- অর্থনীতির মোট খাত: ১৯টি (২০১৫-১৬ ভিত্তিবছর)।

১৯টি খাত:   
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত - ৪টি)।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত - ২টি)।
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত - ৩টি)।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত - ২টি)।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম। 
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত - ৫টি)।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০। তথ্য ও যোগাযোগ।
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উল্লেখ্য, 
- ২০০৫-০৬ ভিত্তি বছরের খাত ছিল: ১৫টি।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,৩০৩.
Bangladesh is providing ________ million foreign currency assistance to Sri Lanka.
  1. ক) $ 200
  2. খ) $ 250
  3. গ) $ 450
  4. ঘ) $ 500
ব্যাখ্যা
- ৩ মাসের মধ্যে ফেরত দেওয়া শর্তে ২০২২ সালের মে মাসে বাংলাদেশের কাছ থেকে ঋণ নেয় শ্রীলঙ্কা।
- ঋণের পরিমাণ ছিল ২০০ মিলিয়ন ডলার।

ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের কিছু শর্ত ছিল-

• ঋণের পরিমাণ একবারে ২০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি হবে না। 
• প্রথম কিস্তি পরিশোধের জন্য শ্রীলঙ্কা ৩ মাস সময় পাবে এবং এ সময় সুদের হার হবে LIBOR+ ২ শতাংশ। LIBOR বা London Interbank Offered Rate হলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্বল্পমেয়াদে ঋণ দেওয়ার জন্য প্রচলিত সুদের হার।
• প্রথম ৩ মাসে ঋণ শোধ করতে না পারলে শ্রীলঙ্কাকে আরও ৩ মাস সময় দেয়া হবে। দ্বিতীয় ৩ মাসেও সুদের হার সমান থাকবে। তবে ৬ মাস এক দিন পর থেকে পরের ৩ মাসে সুদের হার হবে LIBOR+২.৫ শতাংশ।

Source: Daily Star.
১,৩০৪.
দেশের সবচেয়ে বড় সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. সুতিয়াখালি
  2. সুন্দরগঞ্জ
  3. রামপাল
  4. হরিপুর
ব্যাখ্যা
দেশের বৃহত্তম সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- দেশের উত্তরাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রতিশ্রুতি নিয়ে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে আনুষ্ঠানিক যাত্রা করল দেশের সবচেয়ে বড় সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র তিস্তা সোলার লিমিটেড। 
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্বোধন করেন।
- গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় অনাবাদি চরের ৬৫০ একর জমিতে গড়ে উঠেছে দেশের সবচেয়ে বড় এবং এশিয়ার অন্যতম বড় এই সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র।
- বেক্সিমকোর গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো পাওয়ার লিমিটেড এ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করেছে।
- তিস্তা পাড়ের লাটশালা এলাকায় বিশাল এই কেন্দ্রটির নির্মাণ শুরু হয় ২০১৭ সালে।
- বসানো হয় সাড়ে পাঁচ লাখ সোলার প্যানেল। উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করতে সুন্দরগঞ্জের তিস্তা পাড় থেকে রংপুর পর্যন্ত নির্মাণ করা হয়েছে ১২২টি টাওয়ারের ১৩২ কিলো ভোল্টের ৩৫ কিলোমিটার বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন।
- নির্মাণ করা হয়েছে সাবস্টেশন, বসানো হয়েছে ইনভার্টারসহ সব ধরনের যন্ত্র।  

সূত্র- প্রথমআলো ও বেক্সিমো গ্রুপের ওয়েবসাইট (লিংক)।
১,৩০৫.
দেশে প্রাকৃতিক মধুর সবচেয়ে বড় উৎস কোনটি? (জুলাই-২০২৫)
  1. মধুপুর বনাঞ্চল
  2. সুন্দরবন
  3. লালমাই পাহাড়
  4. পার্বত্য অঞ্চল
ব্যাখ্যা
• দেশে প্রাকৃতিক মধুর সবচেয়ে বড় উৎস সুন্দরবন।
- প্রতিবছর বন বিভাগের একটি লক্ষ্যমাত্রা থাকে।
- প্রতিবছরের ১ এপ্রিল থেকে মধু আহরণে মৌয়ালদের অনুমতি (পাস) দেয় বন বিভাগ। 
- ১৮৮৬ সালে সুন্দরবন থেকে মধু আহরণের জন্য অনুমতি (পাস) দেওয়ার প্রচলন শুরু হয়।
- ১ এপ্রিল সুন্দরবনে মধু আহরণ শুরু হয়ে চলে ৩১ মে পর্যন্ত।
- বন বিভাগ সূত্র জানায়, ২০২০-২১ অর্থবছরে সুন্দরবন থেকে মধু আহরণ করা হয়েছিল ৪ হাজার ৪৬৩ কুইন্টাল।
- ২০২১-২২ অর্থবছরে তা কমে ৩ হাজার ৮ কুইন্টাল হয়।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে আরও কমে হয় ২ হাজার ৮২৫ কুইন্টাল।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কিছুটা বেড়ে ৩ হাজার ১৮৩ কুইন্টাল মধু আহরণ করা হয়েছিল। 

উৎস: প্রথম আলো।
১,৩০৬.
তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের জন্যে দেশে মোট কয়টি ব্লক রয়েছে?
  1. ক) ২২ টি
  2. খ) ২৪ টি
  3. গ) ২৬ টি
  4. ঘ) ২৮ টি
  5. ঙ) ৪৮ টি
ব্যাখ্যা
তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের জন্যে সমগ্র দেশকে ৪৮ টি ব্লকে ভাগ করা হয়। এর মধ্য স্থলভাগে ব্লক রয়েছে ২২ টি এবং সমুদ্রে ব্লক রয়েছে ২৬ টি যার মধ্যে ১১টি অগভীর অংশে ও ১৫টি গভীর সাগরে।। (সূত্রঃ পেট্রোবাংলা ওয়েবসাইট ও দৈনিক সমকাল)
১,৩০৭.
বাংলাদেশে বর্তমানে কত ধরনের ব্যাংক নোট প্রচলিত? (জানুয়ারি-২০২৬)
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের ব্যাংক নোট: 
- বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- ব্যাংক নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট।
- এসব নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে আর এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।

১,৩০৮.
বিশ্বব্যাংকের তথ্যমতে, বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় কত? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ২,১৯৩ ডলার
  2. ২,৩৯৩ ডলার
  3. ২,৫৯৩ ডলার
  4. ২,৮৯৩ ডলার
ব্যাখ্যা

মাথাপিছু আয়:
- বিশ্ব ব্যাংকের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় বেড়ে ২ হাজার ৫৯৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
- প্রতিবেদন অনুযায়ী, এশিয়ার ২০টি নিম্ন আয়ের দেশের তালিকায় মাথাপিছু জিডিপির ভিত্তিতে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে জর্ডান।
- দেশটির মাথাপিছু আয় ৪ হাজার ৬১৮ ডলার।
- ২ হাজার ৫৯৩ ডলার মাথাপিছু আয় নিয়ে এশিয়ার ২০টি দরিদ্র দেশের তালিকায় ১২তম অবস্থানে আছে বাংলাদেশ।
- এছাড়া বর্তমানে এশিয়ায় সবচেয়ে কম মাথাপিছু আয়ের দেশ আফগানিস্তান, মাত্র ৪১৩ ডলার।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১,৩০৯.
আর্থিক দিক থেকে দেশের সবচেয়ে বড় প্রকল্প কোনটি?
  1. ক) রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প
  2. খ) পদ্মাসেতু প্রকল্প
  3. গ) চতুর্থ স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি সেক্টর প্রকল্প
  4. ঘ) পায়রা বন্দর প্রকল্প
ব্যাখ্যা
টাকার অংকে দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ প্রকল্প হলো চতুর্থ স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি সেক্টর প্রকল্প। পাঁচবছর (২০১৭-২০২২) মেয়াদী এই প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লক্ষ ১৫ হাজার কোটি টাকা। দ্বিতীয় বৃহৎ প্রকল্প হলো রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প। এর বর্তমান ব্যয় প্রায় ১ লক্ষ ১৩ হাজার কোটি টাকা। তবে প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি পেলে এটিই হবে দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ প্রকল্প। (সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন)
১,৩১০.
স্থানীয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন হলে কী হয়?
  1. আমদানি বাড়ে
  2. রপ্তানি বাড়ে
  3. রপ্তানি কমে
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
মুদ্রার অবমূল্যায়ন:
- মুদ্রার অবমূল্যায়ন হলো ডলারের বিপরীতে কোন দেশের মুদ্রার মান কমিয়ে দেওয়া।
- মুদ্রা ইস্যুকারী সরকার একটি মুদ্রার অবমূল্যায়ন করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- মুদ্রার অবমূল্যায়নের ফলে বিদেশী ক্রেতারা সমপরিমাণ ডলার দিয়ে পূর্বাপেক্ষা কম দামে অধিক পণ্য ক্রয় করতে পারে।
- এতে করে রপ্তানি বৃদ্ধি পায় এবং আমদানি হ্রাস পায়।
- ফলশ্রুতিতে বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাস পায়।

 উৎস: অর্থনীতি, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩১১.
বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস কোনটি? (মে, ২০২৫)
  1. রেমিট্যান্স
  2. পোষাক শিল্প
  3. বৈদেশিক বাণিজ্য
  4. কর রাজস্ব
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসসমূহ:
- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।
- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা-
• কর রাজস্ব এবং
• কর বহির্ভূত রাজস্ব।

⇒ কর রাজস্ব বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।
- বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নরূপ:
১। আয় ও মুনাফা কর,
২। আমদানি শুল্ক,
৩। মূল্য সংযোজন কর,
৪। আবগারি শুল্ক,
৫। সম্পূরক শুল্ক:,
৬। যানবাহন কর,
৭। ভূমি রাজস্ব,
৮। নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়,
৯। অন্যান্য কর ও শুল্ক।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩১২.
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর ছিলেন-
  1. মোহাম্মদ ফরাশউদ্দিন
  2. ড. আতিউর রহমান
  3. এ. এন হামিদুল্লাহ
  4. ফজলুর রহমান
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ ব্যাংক:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধানের পদবী গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্ণর ছিলেন- এ. এন. হামিদুল্লাহ।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। (অক্টোবর, ২০২৫)
- তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৩তম গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের মেয়াদ ৪ বছর।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১,৩১৩.
গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম কোন দেশে চালু করা হয়েছিল?
  1. থাইল্যান্ড
  2. মালয়েশিয়া
  3. নেপাল
  4. ভারত
ব্যাখ্যা

• গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- এটি ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা বর্তমান অন্তর্বর্তি সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

- গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৩ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত।

তথ্যসূত্র: i) গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) BBC.

১,৩১৪.
একটি দেশের সর্বোচ্চ আর্থিক প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. সরকারি ব্যাংক
  2. বিশেষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান
  3. কেন্দ্রীয় ব্যাংক
  4. বাণিজ্যিক ব্যাংক
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রীয় ব্যাংক:
- কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটি দেশের সর্বোচ্চ আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- এই ব্যাংক দেশের অর্থবাজার, মুদ্রাব্যবস্থা এবং অন্যান্য ব্যাংকসমূহকে তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ করে।
- দেশের সার্বিক ব্যাংক ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করে বলেই এর নাম কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- দেশের কাগজি মুদ্রা প্রচলনের একমাত্র অধিকার রয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের।
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নাম বাংলাদেশ ব্যাংক।
- এই ব্যাংক সরকারের প্রতিনিধি ও আর্থিক পরামর্শদাতা হিসেবেও কাজ করে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
১,৩১৫.
বর্তমানে বাংলাদেশে প্রচলিত সরকারি নোট কয়টি?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
ব্যাংক নোট:
- বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট। 
- সরকারি নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে আর এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।
১,৩১৬.
জাতীয় সংসদে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) আইন গৃহীত হয়েছে -
  1. ক) ২০১০ সালে
  2. খ) ২০১২ সালে
  3. গ) ২০১৫ সালে
  4. ঘ) ২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা
• ২০১০ সালে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- বিদ্যমান ভৌত অবকাঠামো–সংকট থেকে উত্তরণের উপায় হিসেবে সরকারি ও বেসরকারি খাতের অংশীদারত্বমূলক উদ্যোগের (পাবলিক–প্রাইভেট পার্টনারশিপ বা পিপিপি) ওপর সরকার গুরুত্ব আরোপ করে আসছে।
- এ লক্ষ্যে ২০১০ সালে পিপিপি পলিসি প্রণয়ন করা হয়েছে, পিপিপি আইন গৃহীত হয়েছে ২০১৫ সালে
- পিপিপি আইনে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের সঙ্গে সংযুক্ত করে পিপিপি অফিস খোলা হয়েছে। 

• ভিশন: টেকসই অবকাঠামো উন্নয়ন।
• মিশন: সরকারি বেসরকারি অংশিদারিত্ব নীতির মাধ্যমে টেকসই গণসেবা প্রদানের লক্ষ্যে সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের জন্য একটি উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করা।

• উদ্দেশ্য:
(১) সরকারী বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে টেকসই গনসেবামূলক অবকাঠামো তৈরীতে সরকারী প্রতিষ্ঠানকে সহযোগিতা করা।
(২) গণসেবা প্রদানের লক্ষ্যে অবকাঠামো উন্নয়ন বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহীকরণ;
(৩) পিপিপি প্রকল্প বাস্তবায়নে বিনিয়োগকারীগণের অধিকতর আস্থা অর্জনের লক্ষ্যে আইনী কাঠামো তৈরী করা।

সূত্র: পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি)।
১,৩১৭.
‘বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন’ এর চেয়ারপারসন হলেন-
  1. ক) রাষ্ট্রপতি
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) মন্ত্রী, অর্থ মন্ত্রণালয়
  4. ঘ) মন্ত্রী, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ‘বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন’ নিম্নরূপে গঠন করেছে-
প্রধানমন্ত্রী: চেয়ারপারসন
মন্ত্রী, অর্থ মন্ত্রণালয়: বিকল্প চেয়ারপারসন
মন্ত্রী, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়: ভাইস চেয়ারপারসন
পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যগণ: সদস্য
সচিব, পরিকল্পনা বিভাগ: সদস্য-সচিব
[সূত্র- বাংলাদেশ গেজেট, ১৫ এপ্রিল ২০১৯]
১,৩১৮.
পাকিস্তান আমলের ইউনাইটেড ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক নিয়ে কোন ব্যাংক গঠিত হয়?
  1. জনতা ব্যাংক
  2. অগ্রণী ব্যাংক
  3. পূবালি ব্যাংক
  4. সোনালি ব্যাংক
ব্যাখ্যা
- ১৯৭২ সালে এদেশে অবস্থিত পাকিস্তানি মালিকানাধীন ব্যাংকসমূহ জাতীয়করণ করা হয়।
- পাকিস্তান আমলের ইউনাইটেড ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক নিয়ে জনতা ব্যাংক গঠিত হয়।
- সোনালী ব্যাংক গঠিত হয় দ্য ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, দ্য ব্যাংক অব বাহওয়ালপুর ও দ্য প্রিমিয়ার ব্যাংক নিয়ে ।
- হাবিব ব্যাংক ও কমার্স ব্যাংক নিয়ে অগ্রণী ব্যাংক গঠিত হয়।
- রূপালী ব্যাংক গঠিত হয় দ্য মুসলিম কমার্শিয়াল ব্যাংক ও দ্য স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক নিয়ে।
- পূবালী ব্যাংক গঠিত হয় দ্য অস্ট্রেলেশিয়া ব্যাংক ও দ্য ইস্টার্ন মার্কেন্টাইল ব্যাংক নিয়ে।

(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১,৩১৯.
বাংলাদেশে সরকারি EPZ এর সংখ্যা কত টি? (জুন-২০২৫)
  1. ১১ টি
  2. ৭ টি
  3. ৯টি
  4. ৮ টি
ব্যাখ্যা
Bangladesh Export Processing Zone Authority (BEPZA)
-  বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (BEPZA, প্রতিষ্ঠিত ১৫ এপ্রিল ১৯৮১ ।
এটি  প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে পরিচালিত বাংলাদেশ সরকারের একটি সংস্থা যা বাংলাদেশের বিভিন্ন রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল পরিচালনা করে এবং দেশের EPZ-এর কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করে।

• সরকারি EPZ:
- বাংলাদেশে সরকারি EPZ এর সংখ্যা ৮ টি।
- এগুলোর অবস্থান হলো- চট্টগ্রাম, সাভার, মংলা (বাগেরহাট), উত্তরা (নীলফামারী), ঈশ্বরদী (পাবনা), কুমিল্লা, কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) ও আদমজী (নারায়ণগঞ্জ)।
- এট ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সংসদে পাশ হওয়া আইনবলে ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশের EPZ সমূহের ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রন করে BEPZA.
- দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক EPZ উত্তরা, নীলফামারী।

উৎস- বেপজা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
১,৩২০.
বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর ক্ষেত্রে মূল্যস্ফীতির সহনশীল মাত্রা হলো-
  1. ০৬-০৮ শতাংশ
  2. ০১-০৫ শতাংশ
  3. ০৯-১২ শতাংশ
  4. ১৩-১৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা

• মুদ্রাস্ফীতি:
- যদি পণ্যের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ অনেক বেড়ে যায় অর্থাৎ দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক অতিরিক্ত মাত্রায় টাকা ছাপায় তখনই মুদ্রাস্ফীতি ঘটে।
- বাজারে উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ বেড়ে গেলে মুদ্রাস্ফীতি ঘটে। অর্থাৎ মুদ্রাস্ফীতি হলো মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি।
- এতে করে টাকা তথা মুদ্রার মান হ্রাস পায়, পক্ষান্তরে দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পায়।
- একই পরিমাণ পণ্য ক্রয়ে পূর্বাপেক্ষা অধিক অর্থ ব্যয় হয়।
- উৎপাদনের তুলনায় বাজারে মুদ্রার সরবরাহ কমে গেলে মুদ্রা সংকোচন ঘটে।
- উন্নয়নশীল দেশগুলিতে মুদ্রাস্ফীতির জন্য সর্বজনীনভাবে নির্ধারিত সহনীয় স্তর নেই।
- তবে, উন্নয়নশীল দেশের জন্য মূল্যস্ফীতির সহনশীল মাত্রা ধরা হয় ৬-৮%।
- মুদ্রাস্ফীতি ৬-৮% এর বেশি হলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, মূল্য স্থিতিশীলতা এবং দারিদ্র্যের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

এছাড়াও,
⇒ অতি মুদ্রাস্ফীতি নিম্নলিখিত প্রভাব সৃষ্টি করে:
• সঞ্চয় হ্রাস করে
• বিনিয়োগ হ্রাস করে।
• অর্থনৈতিক পছন্দগুলিকে বিকৃত করে।
• আয়ের বৈষম্য আরও বাড়ায়।


উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।

১,৩২১.
The current per capita income in Bangladesh is -
  1. ক) $2,591
  2. খ) $ 2,691
  3. গ) $ 2,814
  4. ঘ) $ 2,824
ব্যাখ্যা
• বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ২৮২৪ মার্কিন ডলার

• মাথাপিছু আয়ের পরিমাপসমূহ (Measurement of Per Capita Income-PCI) কোন একটি দেশের মোট জাতীয় আয়কে উক্ত দেশের মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে মোট মাথাপিছু আয় পাওয়া যায়।
- এক্ষেত্রে মূল্যসূচককে গুরুত্ব দেয়া হয় এবং সে অনুযায়ী প্রকৃত মাথাপিছু আয় পাওয়া যায়।

•  মাথাপিছু আয় = মোট জাতীয় আয় / মোট জনসংখ্যা

সূত্র: BBS ও প্রথম আলো।
১,৩২২.
BDF এর পূর্ণরূপ-
  1. ক) Bangladesh Development Formation
  2. খ) Bangladesh Developing Forum
  3. গ) Bangladesh Developing Formation
  4. ঘ) Bangladesh Development Forum
ব্যাখ্যা
• BDF এর পূর্ণরূপ- Bangladesh Development Forum.
• বিডিএফ হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম ১ যা ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
- তখন এর নাম ছিলো বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- ১৯৯৭ সালে এর নাম হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম।
- প্রথমদিকে এর বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- বিশ্বব্যাংক এই ফোরামের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে। 

উৎস: ইআরডি ওয়েবসাইট।
১,৩২৩.
অর্থমন্ত্রী হিসেবে স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম বাজেট পাশ করেন -
  1. ক) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. খ) তাজউদ্দিন আহমদ
  3. গ) এম মনসুর আলী
  4. ঘ) খন্দকার মোশতাক আহমাদ
ব্যাখ্যা
• স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালের ৩০ জুন তৎকালীন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদ পেশকৃত দেশের প্রথম বাজেট পাশ হয়।
• এই বাজেটের আকার ছিলো ৭৮৬ কোটি টাকা।
• প্রথম বাজেটে একই সঙ্গে ১৯৭১-৭২ এবং ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরের বাজেট পেশ করা হয়।      

তথ্যসূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট।
১,৩২৪.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রয়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক কয়টি?
  1. ৫টি
  2. ৭টি
  3. ৩টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
দেশে প্রধানত দুই শ্রেণির ব্যাংক রয়েছে।
------------------------------------------------
•  তফসিলী ব্যাংক:
- যে ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকাভুক্ত হয়ে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত নিয়ম-নীতি মেনে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে, তাকে তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে।
- তফসিলী ব্যাংকের সংখ্যা মোট ৬২ টি।

• অ-তফসিলী ব্যাংক:
- যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না
 - অ- তফসিলী ব্যাংকের সংখ্যা মোট ৫ টি।

এছাড়াও,
- রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
- বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
- বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।
- শরিয়া ভিত্তিক ইসলামিক ব্যাংক : ১০ টি।
- ডিজিটাল ব্যাংক: ১ টি।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।
১,৩২৫.
দুর্যোগকালে দরিদ্র মানুষকে জরুরি নগদ অর্থ প্রদান করে কোনটি?
  1. টি.আর
  2. ভিজিএফ
  3. পিডিবিএফ
  4. এসএফডিএফ
ব্যাখ্যা
টি.আর:
- দুর্যোগকালে দরিদ্র মানুষকে জরুরি নগদ অর্থ হিসেবে টিআর সহায়তা প্রদান করা হয়।

ভিজিএফ:
- সাধারণত দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে দরিদ্র মানুষের জীবিকা পুনর্বহাল না হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারসমূহকে এই সহায়তা প্রদান করা হয়।
প্রতি পরিবারকে মাসিক ২০-৪০ কেজি করে ২ থেকে ৫ মাস পর্যন্ত এ সহায়তা দেয়া হয়।
এছাড়া, মা ইলিশ ও জাটকা আহরণে বিরত থাকা জেলেরাও ভিজিএফ সহায়তা পেয়ে থাকেন।
- বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে দরিদ্র জনগণও ভিজিএফ সহায়তা পান।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ রয়েছে ১,০৮৯.৭৮ কোটি টাকা।

পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ):
- পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ) পল্লীর দরিদ্র সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, আয় উৎসারী ও সামাজিক উন্নয়ন প্রশিক্ষণ প্রদান, সঞ্চয় আহরণ, দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি ও কর্মসৃজন, নারীর ক্ষমতায়ন ও নারী পুরুষের সমতা বিধানের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (এসএফডিএফ):
দেশের পল্লী অঞ্চলে বসবাসরত ক্ষুদ্র কৃষক ও প্রান্তিক কৃষক পরিবারের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন তথা দারিদ্র্য বিমোচনই ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (এসএফডিএফ) এর প্রধান লক্ষ্য।
বর্তমানে ৩৬টি জেলার ২০০টি উপজেলায় এর কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
ফাউন্ডেশনের আওতায় ফেব্রুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত সময়ে গ্রাম পর্যায়ে ৯,৬২২ টি কেন্দ্র গঠনের মাধ্যমে
২,৬৮,৯৩৭ জন পুরুষ/মহিলাকে সদস্যভুক্ত করা হয়েছে।
- ফাউন্ডেশনের সুফলভোগীদের শতকরা ৯৪ ভাগই মহিলা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,৩২৬.
ডেলটা প্লান-২১০০ এর লক্ষ্য নয় কোনটি?
  1. আর্সেনিক হ্রাসকল্প
  2. বর্জ্য ব্যবস্থাপনা
  3. নদী ভাঙন
  4. বন্যা নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা
ডেল্টা প্ল্যান-২১০০:   
- ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ হলো ২০১৮ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রণীত একটি ব্যাপক উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- এটি মূলত একটি পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা। 
- বন্যা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নগর ও গ্রামে পানি সরবরাহ, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনার দীর্ঘমেয়াদী কৌশল।
- এটি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- এই পরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য ৮০টি প্রকল্প গ্ৰহণ করা হয়েছে।
- এর মধ্যে ৬৫টি ভৌত অবকাঠামো প্রকল্প এবং ১৫টি প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, দক্ষতা ও গবেষণা বিষয়ক প্রকল্প।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
১,৩২৭.
বাংলাদেশের সর্ব বৃহৎ এনজিও প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. আশা
  2. স্বনির্ভর বাংলাদেশ
  3. ব্র‌্যাক
  4. টি.এম.এস.এস
ব্যাখ্যা
• ব্র্যাক:
-  এর পূর্ণ রূপ: বাংলাদেশ রুরাল এডভান্সমেন্ট কমিটি।
- ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ১ বেসরকারি ক্ষুদ্রঋণদানকারী সংস্থা হলো ব্র্যাক।
- সালে ফজলে হাসান আবেদ সিলেট জেলার শাল্লা এলাকায় ব্র্যাক প্রতিষ্ঠা করেন। 
- বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার ৫১৯টি উপজেলায় ৬৯,৪২১টি গ্রামে ব্র্যাক তার কার্যক্রম পরিচালিত করছে। 

• স্বনির্ভর বাংলাদেশ:
- স্বনির্ভর বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশ ১৯৭৫ সালে।
- শুরুতে কৃষি ও বন মন্ত্রণালয়ের সাথে একটি সংযুক্ত সেল হিসেবে কাজ করে।
- বেসরকারি সমাজ উন্নয়নমূলক সংস্থা হিসেবে তৃণমূল জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ শুরু করে ১৯৮৫ সালে।

• প্রশিকা:
- ১৯৭৫ সালে ঢাকা ও কুমিল্লা জেলার কয়েকটি গ্রামে কাজ শুরু করে।
- কৃষি, সেচ, পশুসম্পদ বৃদ্ধি, মৌমাছি পালন, মৎস্য চাষ, সামাজিক বনায়ন, বসতবাড়িতে বাগান, বীজ উৎপাদন, ক্ষুদ্র ব্যবসা ইত্যাদি কার্যক্রম চালাচ্ছে।

• আশা (এসোসিয়েশন্স ফর সোশ্যাল এডভান্সমেন্ট):
- আশা ১৯৯২ সাল হতে ক্ষুদ্র ঋণ কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে।
- আশা বর্তমানে আত্মনির্ভর ক্ষুদ্র ঋণদানকারী সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণি অর্থনীতি এবং বাংলাপিডিয়া।
১,৩২৮.
মাতার বাড়ি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) কক্সবাজার
  2. খ) কুমিল্লা
  3. গ) নোয়াখালী
  4. ঘ) ভোলা
ব্যাখ্যা
- মাতার বাড়ি কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার একটি ইউনিয়ন।

- মাতারবাড়ি বন্দর হল বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের, কক্সবাজার জেলার, মাতারবাড়ি এলাকার প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্র বন্দর।
- কক্সবাজার জেলার মহেশখালীতে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য আনা কয়লাবাহী জাহাজ ভেড়ানো জেটিকে সম্প্রসারণ করে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক বন্দর হিসাবে নির্মাণ করা হবে।

- স্বাধীনতার আগে থেকেই বাংলাদেশে সমুদ্র বন্দরের সংখ্যা ছিল মাত্র দুইটি। চট্টগ্রাম এবং মংলা।
- বাংলাদেশের সব থেকে গভীরতম সমুদ্রবন্দর হচ্ছে মাতারবাড়ি সমুদ্রবন্দর।
- মহেশখালী দ্বীপের আয়তন প্রায় ১৪ বর্গকিলোমিটার। সেই সাথে মাতারবাড়ি চ্যানেলের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৪.৫ কিমি।
- ভাটার সময় গভীরতা থাকে প্রায় ১৪ মিটার। আর জোয়ারের সময় প্রাকৃতিক ভাবেই গভীরতা হয় প্রায় ১৮.৫ মিটার।
- মাতারবাড়ি বন্দরের কাজ শেষ হলে এই দ্বীপে ২৪০০০ একরের বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহৎ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিশাল বিনিয়োগ আসবে।

তথ্যসূত্র: সময় টিভি অনলাইন নিউজ।
১,৩২৯.
বাংলাদেশের শেয়ার বাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা-
  1. ক) ICB
  2. খ) DSE
  3. গ) BB
  4. ঘ) BSEC
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে শেয়ার বাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হলো BSEC (Bangladesh Security Exchange Commission)।
- এটি ১৯৯৩ সালের ৮ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত।
- বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেট বা স্টক এক্সচেঞ্জ দুটো। এগুলো হলোঃ
১) DSE (Dhaka Stock Exchange) এবং
২) CSE (Chittagong Stock Exchange)।

উৎসঃ BSEC এর ওয়েবসাইট।
১,৩৩০.
বাংলাদেশে 'মূল্য সংযোজন কর' কত সালে চালু হয়?
  1. ১৯৯৩
  2. ১৯৯৪
  3. ১৯৯১
  4. ১৯৯২
ব্যাখ্যা

• ভ্যাট:
- Value Added Tax, বা মূল্য সংযোজন কর।
 - বাংলাদেশের প্রথম ভ্যাট চালু হয়- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
- ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় আসে আয়কর থেকে।
- বর্তমানে ভ্যাট স্তর চারটি: ৫%, ৭.৫%, ১০% ও ১৫%।

তথ্যসূত্র: NBR ওয়েবসাইট।

১,৩৩১.
নিচের কোনটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাজ নয়?
  1. অর্থ ও মুদ্রা বাজার নিয়ন্ত্রণ
  2. আধুনিক প্রযুক্তিগত সেবা প্রদান
  3. সিকিউরিটিজ ক্রয়-বিক্রয়
  4. অর্থ ও সম্পদের নিরাপত্তা
ব্যাখ্যা
বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- যে ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান আমানত গ্রহণ ও ঋণদান করে তাকে বাণিজ্যিক ব্যাংক বলে।
- ১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইনানুসারে বাণিজ্যিক ব্যাংক গঠিত ও পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশে ৬টি রাষ্ট্রয়াত্ত, ৪৩টি বেসরকারি ও ৯টি বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে।

⇒ বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলী: আমানত গ্রহণ, অর্থ উত্তোলনের সুযোগ ঋণদান, বিনিয়োগ, ঋণ আমানত সৃষ্টি, বিনিময়ের মাধ্যম সৃষ্টি, মূলধন গঠন, বিল বাট্টাকরণ, কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সহায়তা দান, অর্থ স্থানান্তর, তথ্য সরবরা, পরামর্শ প্রদান, আধুনিক প্রযুক্তিগত সেবা প্রদান, আর্থিক সচ্ছলতার সনদ প্রদান, অর্থ ও সম্পদের নিরাপত্তা, অর্থ আদায় ও পরিশোধ, বৈদেশিক বাণিজ্যে সহায়তা, সিকিউরিটিজ ক্রয়-বিক্রয়, অবলেখক হিসেবে কাজ, অছি হিসেবে কাজ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিনিধি, গোপনীয়তা রক্ষা।

উল্লেখ্য,
- 'অর্থ ও মুদ্রা বাজার নিয়ন্ত্রণ' বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাজ নয়।

উৎস: i) ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১,৩৩২.
বিবিএসের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশে দারিদ্র্য হার কত শতাংশ?
  1. ক) ১০.৫ শতাংশ
  2. খ) ২৪.৬ শতাংশ
  3. গ) ২১.৮ শতাংশ
  4. ঘ) ২০.৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো সর্বশেষ প্রকাশনা অনুযায়ী বাংলাদেশে দারিদ্র্য হার ২০.৫ শতাংশ এবং চরম দারিদ্র্য হার ১০.৫ শতাংশ। ২০১৮ সালে দারিদ্র্য হার ছিল ২১.৮ শতাংশ এবং চরম দারিদ্র্য হার ছিল ১১.৩ শতাংশ।
(সূত্রঃ বিবিএস ওয়েবসাইট)
১,৩৩৩.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংক নিচের কোনটি?
  1. ক) প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
  2. খ) সোনালী ব্যাংক
  3. গ) যমুনা ব্যাংক
  4. ঘ) পদ্মা ব্যাংক
ব্যাখ্যা
বিশেষায়িত ব্যাংক:

- বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকের সংখ্যা ৩টি। এগুলো হলোঃ
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক।
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১,৩৩৪.
বাংলাদেশে প্রথম VAT চালু হয়-
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৯৬ সালে
  4. ১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা

• ভ্যাট:
- Value Added Tax, বা মূল্য সংযোজন কর।
 - বাংলাদেশের প্রথম ভ্যাট চালু হয়- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
- ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় আসে আয়কর থেকে।
- বর্তমানে ভ্যাট স্তর চারটি: ৫%, ৭.৫%, ১০% ও ১৫%।

তথ্যসূত্র: NBR ওয়েবসাইট।

১,৩৩৫.
নিচের কোনগুলো ভুট্টার জাত?
  1. ক) বর্ণালি ও শুভ্রা
  2. খ) সোনালিকা ও আকবর
  3. গ) রূপালি ও ডেলফৌজ
  4. ঘ) গলদা ও বাগদা
ব্যাখ্যা
বর্ণালি, শুভ্রা, মোহর, উত্তরণ ইত্যাদি হলো ভুট্টার কতগুলো জাত।
অন্যদিকে সোনালিকা ও আকবর হলো গমের জাত। রূপালি ও ডেলফৌজ হলো তুলার জাত। গলদা ও বাগদা হলো চিংড়ির প্রজাতি।
(সূত্রঃ কৃষি শিক্ষা : সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণী এবং কৃষি তথ্য সার্ভিস)
১,৩৩৬.
নিচের কোনটি বাণিজ্যিক ব্যাংক নয়?
  1. HSBC
  2. বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক
  3. ইসলামী ব্যাংক
  4. আরব বাংলাদেশ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
ব্যাংক:
- বাণিজ্যিক ব্যাংক হ'ল এক ধরনের ব্যাংক যা আমানত গ্রহণ, ব্যবসায় ঋণ বিতরন এবং লাভের জন্য ব্যবসা হিসাবে পরিচালিত মৌলিক বিনিয়োগের পণ্য সরবরাহ করার মতো পরিষেবা সরবরাহ করে।
- হংকং অ্যান্ড সাংহাই ব্যাংকিং কর্পোরেশন লিমিটেড এবং ইসলামী ব্যাংক, আরব বাংলাদেশ ব্যাংক হচ্ছে বেসরকারি খাতের বাণিজ্যিক ব্যাংক।

বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক:
- অর্ডার, ১৯৭২ (১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ১২৯) অনুযায়ী শিল্প প্রকল্পে ঋণ ও ইক্যুইটি প্রদানের মাধ্যমে দেশের শিল্পের গতি ত্বরান্বিত করার জন্য ৩১ অক্টোবর, ১৯৭২-এ  বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক (বিএসবি) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- একই উদ্দেশ্য নিয়ে, বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা অর্ডার, ১৯৭২ (১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ১২৮) অনুযায়ী ৩১ অক্টোবর, ১৯৭২-এ বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা (বিএসআরএস) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- বিএসবি এবং বিএসআরএস বিষেশায়িত ব্যাংক দুটিকে একত্র করে পূর্ণাংগ একটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের রুপ দেওয়ায় লক্ষো কোম্পানী আইন ১৯৯৪ অনুযায়ী বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল ) গঠন করা হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বিডিবিএলকে তফসিল ব্যাংক হিসেবে ব্যাংকিং ব্যবসা করার জন্য ১৯ নভেম্বর, ২০০৯ লাইসেন্স প্রদান করে।
- বর্তমানে বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংকের কোন অস্তিত্ব নেই তাই সঠিক উত্তর হবে বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৩৩৭.
বাংলাদেশে মুক্তবাজার অর্থনীতি চালু হয় কত সালে?
  1. ১ জানুয়ারি, ১৯৯০
  2. ১ জুলাই, ১৯৯০
  3. ১ জানুয়ারি, ১৯৯১
  4. ১ জুলাই, ১৯৯১
ব্যাখ্যা

মুক্ত বাজার অর্থনীতি:
- মুক্ত বাজার অর্থনীতি হচ্ছে সেই অর্থনীতি যেখানে ব্যক্তি মালিকানা এবং ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যবাদকে স্বীকার করা হয়।
- বাংলাদেশে ১ জানুয়ারি, ১৯৯১ মুক্তবাজার অর্থনীতি চালু হয়।

মুক্ত বাজার অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য:
- মুক্ত বাজার অর্থনীতির ফলে রাষ্ট্রীয় খাতের ক্রমাগত লোকসান বন্ধ হবে।
- ব্যক্তিগত সম্পত্তির স্বীকৃতি।
- মুক্তবাজার অর্থনীতি ব্যক্তিস্বার্থ নির্ভর বিধায় এ অর্থনীতিতে প্রতিযোগিতার উৎপত্তি হয় এবং প্রতিযোগিতার ফলে সর্বনিম্ন দরে দ্রব্য ও সেবার উৎপাদনে নিশ্চয়তা আসে।
- ভোক্তার সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত হয়।
- মুক্তবাজার অর্থনীতির ফলে আমদানী ব্যয় এবং রপ্তানী আয় বৃদ্ধি পায়।
- ভর্তুকি, কর-রেয়াত ইত্যাদি না থাকার ফলে রাষ্ট্রের অর্থ-সাশ্রয় হয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩৩৮.
পাট রপ্তানিতে বিশ্বে বাংলাদেশ -
  1. ক) দ্বিতীয়
  2. খ) চতুর্থ
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) প্রথম
ব্যাখ্যা

- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- পাট উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশ- দ্বিতীয়।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ দেশ- ভারত।
- পাট রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ- বাংলাদেশ।
- পাট উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- ৬ মার্চ জাতীয় পাট দিবস।

১,৩৩৯.
আমদানি শুল্ক বা আবগারি শুল্ক বা ভ্যাট আরোপের পর অতিরিক্ত যে শুল্ক আরোপ করা হয় তাকে কী বলে?
  1. অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক
  2. সম্পূরক শুল্ক
  3. অতিরিক্ত ভ্যাট
  4. শুল্ক অব্যাহতি
ব্যাখ্যা
সম্পূরক শুল্ক:
- অনেক দ্রব্যসামগ্রীর ওপর আমদানি শুল্ক বা আবগারি শুল্ক বা ভ্যাট আরোপের পর অতিরিক্ত যে শুল্ক আরোপ করা হয়, তাকে সম্পূরক শুল্ক বলা হয়।
- এটি বাংলাদেশ সরকারের আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস।

উল্লেখ্য,
- দেশীয় কোনো পণ্য দেশে যে দামে বিক্রি হয়, তার চেয়ে কম দামে যদি তা বিদেশ থেকে আমদানি হয়, তাহলে দেশীয় শিল্পকে সুরক্ষা দেয়ার জন্য যে শুল্ক আরোপ করা হয়, তার নাম অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,৩৪০.
বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বনাম কী?
  1. State Bank of Pakistan
  2. Federal Bank of Pakistan
  3. National Bank of Pakistan
  4. Reserve Bank of Pakistan
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বনাম State Bank of Pakistan।

⇒ স্বাধীন বাংলাদেশের বিজয় দিবস ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকেই বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক 'বাংলাদেশ ব্যাংক' এর যাত্রা শুরু। ১৯৭১ সালের ২৬ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির আদেশ (বাংলাদেশ ব্যাংক টেম্পরারি অর্ডার) বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক গঠন করা হয়। স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তানের ঢাকা শাখার সকল দায় ও পরিসম্পদ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু হয়।

⇒ স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তানের নীতিনির্ধারণী কাজ, মুদ্রাবিষয়ক ব্যাংকিং জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ কাজ হতো পশ্চিম পাকিস্তানের করাচিতে।
- এ অবস্থায় পুরো ব্যাংকব্যবস্থা পুনর্বাসন ও অর্থনৈতিক গতি চালু করতে ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতি আদেশ-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক গঠন করা হয়।
- এ আদেশ কার্যকর করা হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ থেকে।
- সাবেক স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তানের ঢাকাস্থ ডিজি অফিসের স্থলে 'বাংলাদেশ ব্যাংক' এর প্রধান কার্যালয় স্থাপিত হয়।
- ১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকস (ন্যাশনালাইজেশন) অর্ডার ১৯৭২ (রাষ্ট্রপতির ২৬ নম্বর আদেশ) অনুসারে ব্যাংক জাতীয়করণের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১,৩৪১.
কোন দেশের সহায়তায় কর্ণফুলী নদীর তলদেশে দেশের প্রথম সুরঙ্গপথ নির্মিত হচ্ছে?
  1. ক) জাপান
  2. খ) দক্ষিণ কোরিয়া
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) চীন
ব্যাখ্যা
চীনের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে দেশের প্রথম সুরঙ্গপথ বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মিত হচ্ছে। ৩,৪০০ মিটার দীর্ঘ টানেলটি নির্মাণে মোট ব্যয় প্রায় দশ হাজার চারশ কোটি টাকা। এর মধ্যে চীনা বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকা।
চায়না কমিউনিকেন্স কনস্ট্রাকশন কোম্পানি এটি নির্মাণ করছে। ২০২২ সালে ডিসেম্বরে এটি যান চলাচলের জন্যে উন্মুক্ত করে দেওয়ার লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে।
(সূত্র: প্রথম আলো)
১,৩৪২.
বাংলাদেশে জিডিপি গণনার ক্ষেত্রে কোন পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়?
  1. উৎপাদন পদ্ধতি
  2. ব্যয় পদ্ধতি
  3. আয় পদ্ধতি
  4. ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে মোট দেশজ আয় পরিমাপ পদ্ধতি (Method of Estimation of GDP in Bangladesh): 
- বাংলাদেশে জিডিপি গণনার দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
- পরিসংখ্যান ব্যুরো প্রতি বছর চলতি বাজার মূল্য ও স্থির মূল্যে দ্রব্য ও সেবার মূল্য পরিমাপ করে জিডিপি গণনা করে থাকে।
- এসব হিসাব করতে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে থাকে।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো উৎপাদন পদ্ধতি ও ব্যয় পদ্ধতি ব্যবহার করে জিডিপি গণনা করে।
- উৎপাদন পদ্ধতিতে মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) পরিমাপের জন্য অর্থনীতিকে মোট ১৯টি প্রধান খাতে বিভক্ত করা হয়।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
১,৩৪৩.
কোন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সরকার ‘ট্রেজারি বিল’ ইস্যু করে?
  1. কৃষি ব্যাংক
  2. কেন্দ্রীয় ব্যাংক
  3. সোনালী ব্যাংক
  4. অর্থ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
• ট্রেজারি বিল:
- ট্রেজারি বিল এক ধরনের স্বল্পমেয়াদি শর্তহীন সরকারি ঋণপত্র।
- স্বল্পকালীন বাজেট ঘাটতি মেটানো অথবা অন্যান্য প্রয়োজনে স্বল্পকালীন তহবিল সংগ্রহের উদ্দেশ্যে সরকার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে ট্রেজারি বিল ইস্যু ও বিক্রয় করে।
- সরকার এ বিলে মেয়াদান্তে তার ধারককে নিঃশর্তভাবে অভিহিত মূল্য ফেরত প্রদানের জন্য অঙ্গীকার করে।
- ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকার তিন প্রকারের ৯০ দিন মেয়াদি ট্রেজারি বিল ইস্যু ও বিক্রয় করে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১,৩৪৪.
বাংলাদেশের অর্থনীতিকে প্রধানত কয় খাতে ভাগ করা হয়েছে ?
  1. ক) ১৮
  2. খ) ১৯
  3. গ) ৩
  4. ঘ) ১৫
ব্যাখ্যা
• সার্বিকভাবে বাংলাদেশের অর্থনীতি (জিডিপি) ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত। 
- এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভূক্ত।  

• বাংলাদেশের জিডিপি’কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
যথা -
- কৃষিখাত,
- শিল্পখাত ও
- সেবাখাত।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২২।
১,৩৪৫.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদ শেষে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে -
  1. ক) ৮.৪%
  2. খ) ৮.৫১%
  3. গ) ৮.২৫%
  4. ঘ) ৭.৪%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বর্তমানে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ - জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫।
মেয়াদান্তে কিছু সূচক:
- জিডিপি প্রবৃদ্ধি - ৮.৫১%
- জিডিপির আকার - ১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা
- মাথাপিছু আয় - ৩০৫৯ মার্কিন ডলার
- মুদ্রাস্ফীতি - ৪.৬%
- দারিদ্রের নিম্নহার - ৭.৪%
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু - ৭৪ বছর
- বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা - ৩০০০০ মেগাওয়াট

উৎস: পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
১,৩৪৬.
বনবিভাগের উদ্যোগে প্রথম রাবার বাগান গড়ে উঠে কবে?
  1. ক) ১৮৬৪ সালে
  2. খ) ১৯১০ সালে
  3. গ) ১৯৬০ সালে
  4. ঘ) ১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৬০ সালে বনবিভাগের উদ্যোগে কক্সবাজার জেলার রামুতে ৩০ একর এবং চট্টগ্রাম জেলার রাউজানে ১০ একর জমিতে প্রথম রাবার বাগান গড়ে তোলা হয়।
এর মাধ্যমেই বাংলাদেশে পরিকল্পিতভাবে রাবার চাষ শুরু হয়।
বর্তমানে চট্টগ্রাম, সিলেট ও টাঙ্গাইল-শেরপুর অঞ্চলে মোট ১৭টি রাবার বাগান রয়েছে যার মোট আয়তন প্রায় ৩৩ হাজার একর।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন ওয়েবসাইট)
১,৩৪৭.
অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয় কবে?
  1. ২০০২-২০০৩ অর্থবছরে
  2. ২০০৩-২০০৪ অর্থবছরে
  3. ২০০৪-২০০৫ অর্থবছরে
  4. ২০০৫-২০০৬ অর্থবছরে
ব্যাখ্যা
প্রতিবন্ধী ভাতা:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ প্রতিবন্ধী।
- বাংলাদেশে 'প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সুরক্ষা আইন ২০১৩' প্রণীত হয়।
- বর্তমানে (সেপ্টেম্বর, ২০২৪) প্রতিবন্ধীদের জন্য মাসিক ভাতার হার: ৮৫০/- টাকা।
- বাস্তবায়নকারী দফতর: সমাজসেবা অধিদপ্তর।
- কার্যক্রম শুরুর বছর: ২০০৫-২০০৬ অর্থবছর।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
১. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতি প্রদত্ত সাংবিধানিক ও আইনগত প্রতিশ্রুতি পূরণ;
২. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন;
৩. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনয়ন;
৪. সুনির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণপূর্বক উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাছাইকৃত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য মাসিক ভাতা প্রদান;
৫. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিষয়টি জাতীয় কর্মপরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্তকরণ।
৬. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জরিপ করে সুবর্ণ নাগরিক কার্ড প্রদান।

তথ্যসূত্র - সমাজসেবা অধিদফতর ওয়েবসাইট।
১,৩৪৮.
দেশের শ্রমশক্তির মোট কত শতাংশ শিল্পখাতে নিয়োজিত?
  1. ক) ৪০.৬ শতাংশ
  2. খ) ৩৯ শতাংশ
  3. গ) ৩২.৪৫ শতাংশ
  4. ঘ) ২০.৪০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত প্রশ্নের উত্তর : ২০.৪০ শতাংশ। 

- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান - ১১.৫০%।
নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ৪০.৬%।

- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান - ৩৭.০৭%।
নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ২০.৪%।

- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান - ৫১.৪৪%।
নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ৩৯.০%।

তথ্যসূত্র:- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২। 
১,৩৪৯.
বাংলাদেশের বিশেষায়িত ব্যাংকের সংখ্যা কতটি? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ৬টি
  2. ২টি
  3. ৪টি
  4. ৩টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে তফসিলভুক্ত ব্যাংকের সংখ্যা-৬২টি।
• বাংলাদেশে অ-তফসিলভুক্ত ব্যাংকের সংখ্যা-৫টি।
• বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
• বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
• বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
• বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।
• ডিজিটাল ব্যাংক: ১ টি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক।

১,৩৫০.
পরোক্ষ করের উদাহরণ কোনটি?
  1. আয়কর
  2. বিক্রয় কর
  3. ভূমি রাজস্ব
  4. সম্পদ কর
ব্যাখ্যা

• প্রত্যক্ষ কর:
- যে কর প্রথমে যার উপর ধার্য করা হয় চূড়ান্তভাবে তাকেই পরিশোধ করতে হয় তাকে প্রত্যক্ষ কর বলা হয়।
- এ কর কোনোভাবেই অন্যের উপর চাপানো যায় না।
- যেমন: আয়কর, ভূমি রাজস্ব, সম্পদ কর প্রভৃতি।

• পরোক্ষ কর:
- কোনো ব্যক্তির উপর কর ধার্য করা হলে সে যদি করের ভার অন্যের উপর চাপাতে পারে তাকে বলা হয় পরোক্ষ কর।
- এরূপ করের বোঝা প্রাথমিকভাবে একজন বহন করলেও পরে তা অন্যের উপর চাপাতে পারে।
- যেমন: মূল্য সংযোজন কর, বিক্রয় কর, আমদানী শুল্ক প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র: কর ব্যবস্থা ও নিরীক্ষা শাস্ত্র, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩৫১.
পিডিবিএফ কোন ধরনের ঋন পরিচালনা করে থাকে?
  1. ক্ষুদ্র ঋণ
  2. ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণ
  3. ব্যাংক ঋণ
  4. ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ):  
- পিডিবিএফ একটি সংবিধিবদ্ধ, স্ব-শাসিত, অমুনাফাকাঙ্ক্ষী, আত্মনির্ভরশীল, নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৯৯ সালের নভেম্বর মাসে জাতীয় সংসদে গৃহীত আইনের মাধ্যমে “পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ)” প্রতিষ্ঠা  করা হয়।
- পিডিবিএফ সৃষ্টির গোড়ায় ছিল আরডি-২ আরপিপি, আরডি-১২ প্রকল্প এবং পল্লী বিত্তহীন কর্মসূচী।
- ১৯৮৪ সাল থেকে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) কানাডিয়ান সিডার আর্থিক ও কারিগরী সহায়তায় এ প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করে আসছিল।
- সরকারী সেক্টরে এগুলিই সর্বপ্রথম বিত্তহীন কল্যাণ প্রোগ্রাম যা পরবর্তীতে পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ) নামে একটি স্বশাসিত স্থায়ী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হয়েছে।
- পিডিবিএফ ক্ষুদ্র ঋণ এর পাশাপাশি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণ (SELP) পরিচালনা করে, যাতে করে গ্রামীন বঞ্চিত মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি হয়।

তথ্যসূত্র: পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।
১,৩৫২.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP)-এর জন্য কত বরাদ্দ আছে?
  1. ২,২৫,০০০ কোটি টাকা
  2. ২,৩৩,০০০ কোটি টাকা
  3. ২,৬৩,০০০ কোটি টাকা
  4. ২,৬৫,০০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
বাজেট ২০২৩-২৪:
- ৫২ তম (অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট বাদে)।
- বাজেটের আকার - ৭,৬১,৭৮৫ কোটি।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP) এর জন্য বরাদ্দ আছে - ২,৬৩,০০০ কোটি টাকা।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে পরিচালনসহ অন্যান্য খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৩৬ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা।
- বাজেটে মোট রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৫ লক্ষ কোটি টাকা। 

তথ্যসূত্র: বাজেট ২০২৩-২৪।
১,৩৫৩.
বাংলাদেশে কোন ধরনের অর্থব্যবস্থা বিদ্যমান?
  1. সমাজতান্ত্রিক
  2. পুঁজিবাদী
  3. শরীয়াহ ভিত্তিক
  4. মিশ্র
ব্যাখ্যা
মিশ্র অর্থব্যবস্থা:
- অর্থনীতিতে যখন সরকারি এবং ব্যক্তিগত খাত একসাথে সহাবস্থান করে তখন সেই অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে মিশ্র অর্থব্যবস্থা বলে।
- বাংলাদেশে মিশ্র অর্থব্যবস্থা প্রচলিত।
- কারণ এখানে সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতের সুসমন্বয় বিদ্যমান।
- বাংলাদেশের অর্থব্যবস্থায় সম্পদের মালিকানা, উৎপাদন ব্যবস্থা, ব্যবসায়-বাণিজ্য প্রত্যেক খাতে সরকারি ও ব্যক্তি মালিকানার উপস্থিতি বিদ্যমান।
- গুরুত্বপূর্ণ কিছু সম্পদ ব্যক্তি মালিকানায় রেখে বাকি সম্পদ সরকারকে বাৎসরিক করের বিনিময়ে ব্যক্তি মালিকানার হাতে থাকে।
- সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ খাতসহ রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা খাতসমূহে সরকারি উদ্যোগে বিনিয়োগ পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের অর্থনীতির অধিকাংশই বেসরকারি বিনিয়োগের উপর নির্ভরশীল।
- তবে বেসরকারি বিনিয়োগের উপর সরকারের পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকে।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৫৪.
SDG এর ৪নং অভীষ্টে কী বর্ণিত আছে?
  1. দারিদ্র্য বিলোপ
  2. ক্ষুধা মুক্তি
  3. অসমতার হ্রাস
  4. গুণগত শিক্ষা
ব্যাখ্যা

⇒ SDG এর ৪নং অভীষ্টে কী বর্ণিত আছে - গুণগত শিক্ষা।

সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):

⇒ ২০১৫ সনের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭০তম অধিবেশনে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট "২০৩০ এজেন্ডা" গৃহীত হয়। সারা বিশ্বের মানুষের শান্তি, সমৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতকরণে "২০৩০ এজেন্ডা" এমন একটি কর্ম-পরিকল্পনা যা বিশ্ব শান্তি জোরদার করবে এবং ক্ষুধা ও দারিদ্র্যসহ সকল প্রকার বৈষম্যের অবসান ঘটাবে।
- এসডিজিতে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা এবং ১৬৯টি টার্গেট নির্ধারণ করা হয়।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে লক্ষ্যস্থির করা হয়।
- মেয়াদকাল: ২০১৬-২০৩০ সাল।
- বাস্তবায়ন শুরু: ১ জানুয়ারি, ২০১৬ সাল।
- মেয়াদ শেষ: ৩১ ডিসেম্বর, ২০৩০ সাল।

এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা হলো:
 ১. দারিদ্র্য বিলোপ;
২. ক্ষুধা মুক্তি;
৩. সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ;
৪. গুণগত শিক্ষা;
৫. লিঙ্গ সমতা;
৬. নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন;
৭. সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানি;
৮. শোভন কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি;
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো;
১০.অসমতার হ্রাস;
১১. টেকসই নগর ও জনপদ;
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন;
১৩. জলবায়ু কার্যক্রম;
১৪. জলজ জীবন;
১৫. স্থলজ জীবন;
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান;
১৭. অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্ব৷

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৩৫৫.
কোন বিষয়টি মুদ্রাপাচারের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. রপ্তানী পণ্যের অবমূল্যায়ন
  2. আমদানী পণ্যের অধিক মূল্য নির্ধারণ
  3. আয়কর ফাঁকি দেয়া
  4. অবৈধ চ্যানেলে বিদেশে টাকা পাঠানো
ব্যাখ্যা

♣ আয়কর ফাঁকি দেয়ার বিষয়টি মুদ্রাপাচারের অন্তর্ভুক্ত নয়।
- এটি একটি পৃথক অপরাধ (আয়কর আইন, ২০২৩ অনুসারে), যা আয় গোপন করে কর এড়ানো।
- যদিও কর ফাঁকির অর্থ পরবর্তীতে পাচার হতে পারে কিন্তু শুধু আয়কর ফাঁকি নিজে মুদ্রাপাচারের সংজ্ঞায় পড়ে না।

♦ অর্থ পাচার:
- বৈধ বা অবৈধ যেকোনো উপায়ে উপার্জিত টাকা বা সম্পদ গোপনে বিদেশে পাচার করা কিংবা এর আসল উৎস আড়াল করাকে মানি লন্ডারিং বলে।
- কোনো অপরাধলব্ধ অর্থ বিদেশ থেকে বাংলাদেশে আনা বা পাঠানো যদি এর অবৈধ উৎস গোপন করার উদ্দেশ্যে করা হয়, তাহলেও সেটি মানি লন্ডারিং হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ মানি লন্ডারিং সাধারণত ৩টি ধাপে সম্পন্ন হয়। যথা:
• প্লেসমেন্ট - এই ধাপে অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ প্রথমবারের মতো বৈধ আর্থিক ব্যবস্থার মধ্যে জমা বা প্রবেশ করানো হয়।
• লেয়ারিং - বিভিন্ন অপ্রয়োজনীয় লেনদেন ও হিসাবনিকাশের কৌশলের মাধ্যমে লেনদেনকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করে টাকার আসল উৎস গোপন করা।
• ইন্টিগ্রেশন - এই ধাপে আপাতদৃষ্টিতে বৈধ হয়ে যাওয়া অর্থ হিসাব থেকে তুলে নেওয়া হয় এবং অপরাধীরা তাদের ইচ্ছামতো কাজে তা ব্যবহার করে।

♦ অর্থ পাচারের (মানি লন্ডারিং) পেছনে প্রধান কারণসমূহ:
• দেশে বিনিয়োগের উপযুক্ত পরিস্থিতি না থাকা।
• ব্যবসায়ীরা প্রতিযোগিতার চাপের মধ্যে টিকে থাকতে না পারা।
• অবৈধ চ্যানেলে বিদেশে টাকা পাঠানো।
• বাংলাদেশের ভবিষ্যতের প্রতি আস্থা না থাকা।
• রপ্তানী পণ্যের অবমূল্যায়ন।
• আমদানী পণ্যের অধিক মূল্য নির্ধারণ।
• অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ গোপন করার চেষ্টা।

♦ উল্লেখ্য:
- মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী মানি লন্ডারিং অপরাধ তদন্তের জন্য নিম্নোক্ত সংস্থাগুলোকে ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে -
• বাংলাদেশ পুলিশ-এর ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (CID)।
• দুর্নীতি দমন কমিশন (ACC)।
• মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (DNC)।
• পরিবেশ অধিদপ্তর।
• বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট ওয়েবসাইট, বণিক বার্তা পত্রিকা রিপোর্ট ও সিপিডি ওয়েবসাইট।

১,৩৫৬.
বাংলাদেশে কত সালে মুক্তবাজার অর্থনীতি চালু হয়?
  1. ১৯৯৪ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৯৮ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
মুক্ত বাজার অর্থনীতি:
- বাংলাদেশে ১ জানুয়ারি, ১৯৯১ মুক্তবাজার অর্থনীতি চালু হয়।
- মুক্ত বাজার অর্থনীতি হচ্ছে সেই অর্থনীতি যেখানে ব্যক্তি মালিকানা এবং ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যবাদকে স্বীকার করা হয়।

মুক্ত বাজার অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য:
- মুক্তবাজার অর্থনীতি ব্যক্তিস্বার্থ নির্ভর বিধায় এ অর্থনীতিতে প্রতিযোগিতার উৎপত্তি হয় এবং প্রতিযোগিতার ফলে সর্বনিম্ন দরে দ্রব্য ও সেবার উৎপাদনে নিশ্চয়তা আসে;
- ভোক্তার সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত হয়;
- মুক্ত বাজার অর্থনীতির ফলে রাষ্ট্রীয় খাতের ক্রমাগত লোকসান বন্ধ হবে;
- মুক্তবাজার অর্থনীতির ফলে আমদানী ব্যয় এবং রপ্তানী আয় বৃদ্ধি পায়;
- ব্যক্তিগত সম্পত্তির স্বীকৃতি;
- ভর্তুকি, কর-রেয়াত ইত্যাদি না থাকার ফলে রাষ্ট্রের অর্থ-সাশ্রয় হয়।

উৎস: অর্থনীতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৫৭.
'এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা আমরা তোমাদের ভুলব না।' গানটির রচয়িতা-
  1. ক) মাযহারুল ইসলাম
  2. খ) আপেল মাহমুদ
  3. গ) গোবিন্দ হালদার
  4. ঘ) আব্দুল জব্বার
ব্যাখ্যা
গোবিন্দ হালদার রচিত কয়েকটি বিখ্যাত গান:
- 'এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা আমরা তোমাদের ভুলব না।'
- 'পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে.....'  
- 'মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি....'

উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৩৫৮.
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের 'সামাজিক ব্যবসা' তত্ত্বের মূলনীতি কয়টি?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা
সামাজিক ব্যবসা' তত্ত্ব:
- শান্তিতে নোবেলজয়ী একমাত্র বাংলাদেশি ড. মুহাম্মদ ইউনূস দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে নতুন একটি ধারণা ও তত্ত্ব নিয়ে পৃথিবীব্যাপী কাজ করে যাচ্ছেন।
- আর সেটি হলো সোশ্যাল বিজনেস বা সামাজিক ব্যবসা। 
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস হলেন বাংলাদেশের অর্থনীতিবিদ এবং সামাজিক ব্যবসা (Social Business) তত্ত্বের প্রবক্তা।
- সামাজিক ব্যবসা (Social Business) হচ্ছে এমন ধরনের ব্যবসা যেখানে উদ্যোক্তা বা বিনিয়োগকারী একটি সামাজিক সমস্যা সমাধানের জন্য ব্যক্তিগত লাভের আশা ছাড়াই বিনিয়োগ করেন।
- সামাজিক ব্যবসায়ের ধারণাটি হলো, যে ব্যবসায় মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে নয় বরং সমাজের কল্যাণ সাধনের জন্য বিনিয়োগকারীগণ অর্থ বিনিয়োগ করে এবং নির্দিষ্ট সময় শেষে বিনিয়োগকারীগন তাদের অর্থ ফেরত পান তাকেই সামাজিক ব্যব বলে।

⇒ ২০০৯ সালের জানুয়ারি মাসে দাভোসে অনুষ্ঠিত বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরমের সম্মেলনে তিনি সামাজিক ব্যবসার ৭টি মূলনীতি ঘোষণা করেন।
১। দারিদ্র বিমোচনসহ এক বা একাধিক বিষয় যেমন- শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি ও পরিবেশগত খাতে বিরাজমান সমস্যার সমাধানের
লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিগত মুনাফাবিহীন কল্যাণকর ব্যবসা এটি।
২। সকলের অর্থনৈতিক সক্ষমতা অর্জন করাই এ ব্যবসার লক্ষ্য।
৩। সামাজিক ব্যবসায় বিনিয়োগকারীরা শধু তাদের বিনিয়োগকৃত অর্থই ফেরত পাবে, এর বাহিরে কোনো প্রকার লভ্যাংশ নিতে পারবে না।
৪। বিনিয়োগকারী তার বিনিয়োগকৃত অর্থ ফেরত নেয়ার পর বিনিয়োগকৃত অর্থের মুনাফা কোম্পানীর সম্প্রসারণ কাজে ব্যবহৃত হবে।
৫। এ ব্যবসা হবে পরিবেশ বান্ধব।
৬। এখানে যারা কাজ করবেন তারা ভালো কাজের পরিবেশ ও চলমান বাজার অনুযায়ী বেতন-ভাতা পাবেন।
৭। সামাজিক ব্যবসা হবে আনন্দের সাথে ব্যবসা।

উৎস: i) Yunus Centre.
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।
১,৩৫৯.
বিলোনিয়া স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) লালমনিরহাট
  2. খ) বাহ্মনবাড়িয়া
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) ফেনী
ব্যাখ্যা
কয়েকটি স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:

- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- ভোমরা স্থলবন্দর: ভোমরা, সাতক্ষীরা সদর।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।
১,৩৬০.
Tele Banking' was first introduced in Bangladesh by
  1. ক) National Bank
  2. খ) Grindlays Bank
  3. গ) Standard Chartered Bank
  4. ঘ) IFIC Bank
ব্যাখ্যা
টেলি ব্যাংকিং:

- টেলি ব্যাংকিং কথাটির অর্থ হলো টেলিফোন ব্যাংকিং।
- টেলিফোনের মাধ্যমে যে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় তাকে টেলিফোন ব্যাংকিং বা টেলি ব্যাংকিং বলা হয়।
- এর মাধ্যমে একজন গ্রাহক তার ব্যাংক সীমিত পরিসরে একাউন্ট ব্যালেন্স ট্রানজেকশন, ইলেকট্রনিক বিল পেমেন্ট, ফান্ড ট্রান্সফার ইত্যাদি কাজ করার সুবিধা গ্রহণ করতে পারে।
- বাংলাদেশে প্রথম টেলি ব্যাংকিং চালু করে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৩৬১.
বাংলাদেশের ২য় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা (রূপকল্প-২০৪১) অনুযায়ী, জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে -
  1. ক) ৯.৫%
  2. খ) ৯.৯%
  3. গ) ৯.৮%
  4. ঘ) ৯.৭%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ২য় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা তথা রূপকল্প-২০৪১ঃ
বাংলাদেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশের তালিকায় নিয়ে যেতে রোডম্যাপ তৈরি করেছে সরকার।
মানুষের গড় মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার।
মূল্যস্ফীতির হার ৪-৫ শতাংশের মধ্যে রাখা হবে।
৯২ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের টার্গেট সরকারের। বছরে গড়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রবৃদ্ধি হবে ৪৬০০ মেগাওয়াট।
জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৯.৯%।
কর-জিডিপির ১৭% হবে।
চরম দারিদ্রের হার শূন্যের কৌঠায় আসবে। মাঝারি দারিদ্রের হার হবে ৫ শতাংশ।
১,৩৬২.
NNP-এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Net National Income
  2. Net Nominal Product
  3. National Net Production
  4. Net National Product
ব্যাখ্যা

NNP:
- NNP এর পূর্ণরূপ Net National Product.
- মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দিলে পাওয়া যায় নীট জাতীয় উৎপাদন।
- মোট জাতীয় উৎপাদন করতে সারা বছর ধরে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হয়।
- ফলে যন্ত্রপাতির অবচয়জনিত কারণে প্রকৃত মূল্য হ্রাস পেতে থাকে।
- দেশের উৎপাদন ক্ষমতা বজায় রাখতে হলে মোট জাতীয় উৎপাদনের কিছু অংশ মূলধনের ক্ষয়ক্ষতি পুরণের জন্য কর্তন করতে হয়।
- একে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বলে।
- নীট জাতীয় উৎপাদন মোট জাতীয় উৎপাদন মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩৬৩.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের মুদ্রাবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা?
  1. ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ 
  2.  বাংলাদেশ ব্যাংক
  3. অর্থ মন্ত্রণালয় 
  4. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

কেন্দ্রীয় ব্যাংক:
- কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশের সরকারের নিয়ন্ত্রণে;
- এটি দেশের আর্থিক ও ব্যাংকিং কাঠামোর শীর্ষে অবস্থান করে এবং নেতৃত্ব প্রদান করে;
- এটি সকল ব্যাংকের মুরুব্বী। দেশের অর্থ ও মূদ্রা, ঋণ এবং ব্যাংক ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রক;
- দেশের নোট ও মূদ্রা প্রচলনের একক অধিকার সংরক্ষণ করে।
- দেশের অর্থনৈতিক ভারসাম্য ও মূল্যের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার কাজটি এ ব্যাংকের উপর অর্পিত;
- মুনাফা অর্জন এর উদ্দেশ্য নয়, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণই এর মূল উদ্দেশ্য।

উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো 'বাংলাদেশ ব্যাংক'।
- ঢাকার মতিঝিলে এ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
- ১৬৫৬ সালে সুইডেনে সর্বপ্রথম কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গোড়াপত্তন হয়েছিল। 
- রিকস্ ব্যাংক অব সুইডেন পৃথিবীর প্রথম কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

উৎস: ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বীমা দ্বিতীয় পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩৬৪.
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১ সাল নাগাদ দেশের গড় প্রবৃদ্ধি কত হবে?
  1. ৯.১৯%
  2. ৯.৯%
  3. ৮.৯%
  4. ৮.১৯%
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা: 
- রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নের জন্যে বাংলাদেশ সরকার ২০২১-২০৪১ মেয়াদে ২০ বছর মেয়াদী দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
- এই পরিকল্পনায় ২০৩১ সালে দেশের গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯ শতাংশ এবং ২০৪১ সালে গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯.৯ শতাংশ।
- এই পরিকল্পনায় ২০৩১ সালে দেশের চরম দারিদ্র সীমা হবে ২.৩% এবং ২০৪১ সালে  চরম দারিদ্র সীমা হবে ১%এর কম। 
- দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মূললক্ষ্য ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা।

সূত্র: পরিকল্পনা কমিশন।
১,৩৬৫.
কোন দেশে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মী রয়েছে?
  1. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  2. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  3. সৌদি আরব
  4. ইতালি
ব্যাখ্যা
প্রবাসী বাংলাদেশি:
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র থেকে সর্বাধিক রেমিটেন্স (১৭.৮%) এসেছে।
- আবার, সৌদি আরব থেকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পরিমাণ রেমিটেন্স এসেছে যা প্রায় ১৭.৭%।
- ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২১৩,৫৭২ জনকে প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
- তার মধ্যে সৌদি আরব গিয়েছে সবচেয়ে বেশি ৮৫,৩১৯ জন।

অন্যদিকে, 
• বৈধ উপায়ে রেমিট্যান্স প্রেরণের বিপরীতে নগদ সহায়তা প্রদান: 'বৈধ উপায়ে রেমিট্যান্স প্রেরণের বিপরীতে প্রণোদনা/নগদ সহায়তা প্রদানের নীতিমালা' রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে প্রণোদনা/নগদ সহায়তা প্রদান করা হবে ২.৫ শতাংশ।
- এক্ষেত্রে রেমিটারের কাগজপত্রাদি বিদেশস্থ এক্সচেঞ্জ হাউজ হতে প্রেরণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
- এজন্য, কাগজপত্রাদি দাখিল/যাচাই পদ্ধতি সহজীকরণ করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩ এবং লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।
১,৩৬৬.
বাংলাদেশে ২০২২-২৩ অর্থবছরে সবোর্চ্চ রেমিট্যান্স আসে -
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) যুক্তরাজ্য
  3. গ) সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. ঘ) সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
• ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীরা।
•ফলে বর্তমান সময় পর্যন্ত রেমিট্যান্সের উৎস হিসেবে প্রথম অবস্থানে  যুক্তরাষ্ট্র রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে এসেছে ১৯৬ কোটি ৬৬ লাখ ডলার।
• সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে এসেছে ১৩৩ কোটি ৭১ লাখ ডলার।
• যুক্তরাজ্য থেকে এসেছে ৯১ কোটি ১১ লাখ ডলার
• কুয়েত থেকে পাঠিয়েছেন ৭৬ কোটি ২৮ লাখ ডলার।  

উৎস: প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ‘জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো’,।
১,৩৬৭.
Bangladesh Currency Note are signed-
  1. Governor of Bangladesh Bank
  2. Finance Minister
  3. Finance Secretary
  4. Deputy Minister of Finance
ব্যাখ্যা
ব্যাংক নোট:

- বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট। 
- সরকারি নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে আর এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।
১,৩৬৮.
সার্বিকভাবে অর্থনীতি/ জিডিপিতে কোন খাতের প্রবৃদ্ধির হার বেশি?
  1. কৃষি খাতের
  2. শিল্প খাতের
  3. সেবা খাতের
  4. প্রযুক্তি খাতের
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক খাত:
- সার্বিকভাবে অর্থনীতি/ জিডিপিতে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার বেশি।

উল্লেখ্য,
- অর্থনীতি/ জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার ৮.১৮%। অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম, প্রবৃদ্ধির হার ২.৬১%।
- সার্বিকভাবে অর্থনীতি/ জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান ক্রমবর্ধমান।
- জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং ছোট খাত কৃষিখাত।
- আবার, কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত কৃষিখাত (৪৫.৩৩% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত শিল্পখাত (১৭.০২% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১,৩৬৯.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ৩০ হাজার কোটি টাকা
  2. ৩৮ হাজার কোটি টাকা
  3. ৪০ হাজার কোটি টাকা
  4. ৪৫ হাজার কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

- চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কৃষি খাতে ৩৮ হাজার কোটি টাকা ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। 
- মোট লক্ষ্যমাত্রার ৬০ শতাংশ শস্য ও ফসল খাতে, ১৩ শতাংশ মৎস্য খাতে এবং ১৫ শতাংশ প্রাণিসম্পদ খাতে ঋণ বিতরণ করতে হবে। 
- গত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে যা প্রায় সাড়ে ৮ শতাংশ বেশি। 
- গত অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৫ হাজার কোটি টাকা। 
- বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স রুমে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের কৃষিঋণ সম্পর্কিত নীতিমালা ঘোষণা করেন গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।

সূত্র- বাংলাদেশ ব্যাংক।
১,৩৭০.
নিম্নের কোনটি ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. অর্থ মন্ত্রণালয়
  3. আইডিআরএ
  4. বিএসইসি
ব্যাখ্যা
ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ন্ত্রণ করে থাকে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান:

- ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা এনবিএফআই হলো এক ধরনের আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যারা সম্পূর্ণ ব্যাংকিং লাইসেন্স পায় না, বা কোনও জাতীয় বা আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রক সংস্থার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয় না।
- দেশে প্রথম আর্থিক প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয় ১৯৮১ সালে।
- দেশের প্রথম ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান হলো আইপিডিসি (IPDC Finance PLC)।
- ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশ ব্যাংক লাইসেন্স দিয়ে থাকে এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন ১৯৯৪-এর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করে।
- অর্থাৎ ব্যাংকগুলোর মতো ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর রেগুলেটরি বডি হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- দেশে বর্তমানে ৩৫টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান কাজ করছে।

উল্লেখ্য,
⇒ বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
- এটি বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২-এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ব্যতীত এর আরও দশটি শাখা রয়েছে।
- এগুলো হলো: মতিঝিল, ঢাকা, সদরঘাট, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, রাজশাহী, বগুড়া, খুলনা, ময়মনসিংহ, রংপুর।

⇒ ব্যাংকটি পরিচালনার জন্য ৮ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালনা পর্ষদ রয়েছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এ পর্ষদের সভাপতি।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর: ড. আহসান এইচ মনসুর (১৩তম)।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদ ৪ বছর।

উৎস: i) Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
ii) ৭ জানুয়ারি, ২০২৫, প্রথম আলো।
১,৩৭১.
In which year did the first EPZ journey start in Bangladesh?
  1. ক) 1975
  2. খ) 1996
  3. গ) 1983
  4. ঘ) 1988
ব্যাখ্যা
ইপিজেড:

- বাংলাদেশে প্রথম ইপিজেড যাত্রা শুরু করে ১৯৮৩ সালে।
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হচ্ছে চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- দ্বিতীয় ইপিজেড ঢাকা ইপিজেড, ঢাকার সাভারে এর অবস্থান।
- উত্তরা ইপিজেড বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড। এটি নীলফামারীতে অবস্থিত।
- মংলা ইপিজেড বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- আদমজী ইপিজেড নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
- কর্ণফুলী ইপিজেডের অবস্থান পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।

তথ্যসূত্র - বেপজা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৩৭২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে, প্রতি বর্গ কিলোমিটারে কতজন লোক বাস করে?
  1. ক) ১,১৬০ জন
  2. খ) ১,১৪০ জন
  3. গ) ১,২৬০ জন
  4. ঘ) ১,৩৮০ জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে, 
• মোট জনসংখ্যা : ১৭ কোটি ৮ লাখ 
• জনসংখ্যার ঘনত্ব : ১,১৪০ জন
• জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার : ১.৩৭ শতাংশ
• নারী ও পুরুষ অনুপাত  : ১০০ : ১০০.২ 
• স্বাক্ষরতার হার (৭ বছরের অধিক) ৭৫.২% যার মধ্যে পুরুষ - ৭৭.৪% নারী - ৭২.৯%।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২
১,৩৭৩.
বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি ব্যাংক কোনটি?
  1. ন্যাশনাল ব্যাংক
  2. আরব-বাংলাদেশ ব্যাংক
  3. আইএফআইসি ব্যাংক
  4. দি সিটি ব্যাংক
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বেসরকারি ব্যাংক — এবি ব্যাংক পিএলসি।

• এবি ব্যাংক পিএলসি:
- বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বেসরকারি ব্যাংক এবি ব্যাংক (আরব-বাংলাদেশ ব্যাংক) পিএলসি।
- ১৯৮১ সালের ৩১শে ডিসেম্বর এবি ব্যাংক পিএলসি আত্মপ্রকাশ করে।
- শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের লক্ষ্যে আরব বাংলাদেশ ব্যাংক পরিচিতি নিয়ে ১৯৮২ সালের ১২ই এপ্রিল ব্যাংকটি তার কর্মকান্ড শুরু করে। 
- ব্যাংকটি ১৯৯৬ সালে প্রথম এটিএম সেবা চালু করে।
- ১৯৯৯ সালে এটি প্রথম বাংলাদেশি ব্যাংক হিসেবে সুইফট সেবা চালু করে।
- ব্যারিষ্টার খায়রুল আলম চৌধুরী এবি ব্যাংক পিএলসি. -এর সম্মানিত চেয়ারম্যান।

উৎস: এবি ব্যাংক পিএলসি ওয়েবসাইট।
১,৩৭৪.
নিচের কোনটি প্রত্যক্ষ কর?
  1. ভূমি উন্নয়ন কর 
  2. মূল্য সংযোজন কর
  3. আবগারী শুল্ক
  4. আমদানী শুল্ক 
ব্যাখ্যা

- ভূমি উন্নয়ন কর প্রত্যক্ষ কর।

• প্রত্যক্ষ কর: 

- প্রত্যক্ষ কর হলো এরূপ কর যার বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয়।
• প্রত্যক্ষ করসমূহ হলো:
- আয়কর,
- দানকর,
- ভূমি উন্নয়ন কর,
- ভ্রমণ কর ইত্যাদি।

• পরোক্ষ কর: 
- মূল্য সংযোজন কর:
- আমদানি শুল্ক:
- আবগারি শুল্ক:
- সম্পূরক শুল্ক:

উৎস: অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩৭৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশের অর্থনীতির মোট খাত কয়টি?
  1. ১৩টি
  2. ১৫টি
  3. ১৭টি
  4. ১৯টি
ব্যাখ্যা

• অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪: 
- অর্থনীতির মোট খাত: ১৯টি (২০১৫-১৬ ভিত্তিবছর)।

১৯টি খাত:   
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত - ৪টি)।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত - ২টি)।
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত - ৩টি)।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত - ২টি)।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম। 
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত - ৫টি)।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০। তথ্য ও যোগাযোগ।
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উল্লেখ্য, 
- ২০০৫-০৬ ভিত্তি বছরের খাত ছিল: ১৫টি।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

১,৩৭৬.
নিচের কোনটি দুর্যোগকালে দরিদ্র মানুষকে জরুরি নগদ অর্থ প্রদান করে?
  1. এসএফডিএফ
  2. পিডিবিএফ
  3. ভিজিএফ
  4. টি. আর
ব্যাখ্যা
⇒ ভিজিএফ:
- সাধারণত দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে দরিদ্র মানুষের জীবিকা পুনর্বহাল না হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারসমূহকে এই সহায়তা প্রদান করা হয়।
- প্রতি পরিবারকে মাসিক ২০-৪০ কেজি করে ২ থেকে ৫ মাস পর্যন্ত এ সহায়তা দেয়া হয়।
- এছাড়া, মা ইলিশ ও জাটকা আহরণে বিরত থাকা জেলেরাও ভিজিএফ সহায়তা পেয়ে থাকেন।
- বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে দরিদ্র জনগণও ভিজিএফ সহায়তা পান।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ রয়েছে ১,০৮৯.৭৮ কোটি টাকা।

⇒ টি. আর:
- দুর্যোগকালে দরিদ্র মানুষকে জরুরি নগদ অর্থ হিসেবে টিআর সহায়তা প্রদান করা হয়।

⇒ পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ):
- পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ) পল্লীর দরিদ্র সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, আয় উৎসারী ও সামাজিক উন্নয়ন প্রশিক্ষণ প্রদান, সঞ্চয় আহরণ, দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি ও কর্মসৃজন, নারীর ক্ষমতায়ন ও নারী পুরুষের সমতা বিধানের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

⇒ ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (এসএফডিএফ):
- দেশের পল্লী অঞ্চলে বসবাসরত ক্ষুদ্র কৃষক ও প্রান্তিক কৃষক পরিবারের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন তথা দারিদ্র্য বিমোচনই ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (এসএফডিএফ) এর প্রধান লক্ষ্য।
- বর্তমানে ৩৬টি জেলার ২০০টি উপজেলায় এর কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
- ফাউন্ডেশনের আওতায় ফেব্রুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত সময়ে গ্রাম পর্যায়ে ৯,৬২২ টি কেন্দ্র গঠনের মাধ্যমে ২,৬৮,৯৩৭ জন পুরুষ/মহিলাকে সদস্যভুক্ত করা হয়েছে।
- ফাউন্ডেশনের সুফলভোগীদের শতকরা ৯৪ ভাগই মহিলা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,৩৭৭.
আব্দুর রউফ তালুকদার বাংলাদেশ ব্যাংকের কততম গভর্নর?
  1. ১০তম
  2. ১১তম
  3. ১২তম
  4. ১৩তম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধানের পদবী গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার (১২তম)।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের মেয়াদ ৪ বছর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্ণর ছিলেন- এ. এন. হামিদুল্লাহ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৩৭৮.
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করা হয় কত সালে?
  1. ১ নভেম্বর, ২০১৭
  2. ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
  3. ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
  4. ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
ব্যাখ্যা
Bangladesh Investment Development Authority (BIDA):
- ১৯৮৯ সালে - বিনিয়োগ বোর্ড গঠিত হয়।
- ১৯৯৩ সালে গঠিত প্রাইভেটাইজেশন বোর্ড এবং ১৯৮৯ সালে গঠিত বিনিয়োগ বোর্ড একীভূত করে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করা হয়- ১ সেপ্টেম্বর ২০১৬।
- BIDA নির্বাহী চেয়ারম্যান- চৌধুরি আশিক মুহাম্মদ বিন হারুন (এপ্রিল ২০২৫) ।
- বিডার লক্ষ- বাংলাদেশের বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করা , যাতে দেশের আত্নসামাজিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
- সর্বশেষ বাংলাদেশ বিনিয়োগ সামিট অনুষ্ঠিত হয়েছে- ৭-১০ এপ্রিল ২০২৫ ।

উৎস: বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে (বিডা) এবং বাংলাপিডিয়া
১,৩৭৯.
মানি লন্ডারিং এর কারণ কোনটি?
  1. দেশে বিনিয়োগের উপযুক্ত পরিস্থিতি না থাকা
  2. ভবিষ্যতের প্রতি আস্থা না থাকা
  3. অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ গোপন করা
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

মানি লন্ডারিং:
- মানি লন্ডারিং হল এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে অপরাধীরা তাদের বেআইনি উপার্জনের উৎস ও মালিকানা লুকানোর চেষ্টা করে।
- এটি প্রত্যেক দেশের জন্যই একটি ক্ষরণ-জাতীয় জটিল সমস্যা হিসেবে বিবেচিত করা হয়।

⇒ মানি লন্ডারিং এর কারণসমূহ:
• দেশে বিনিয়োগের উপযুক্ত পরিস্থিতি না থাকা।
• ব্যবসায়ীরা প্রতিযোগিতার চাপের মধ্যে টিকে থাকতে না পারা।
• বাংলাদেশের ভবিষ্যতের প্রতি আস্থা না থাকা।
• অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ গোপন করার চেষ্টা।

তথ্যসূত্র - বণিক বার্তা পত্রিকা রিপোর্ট ও সিপিডি ওয়েবসাইট।

১,৩৮০.
ব্যাংক কোম্পানি আইন কত সালে কার্যকর হয়?
  1. ১৯৮১ সালে
  2. ১৯৯০ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

ব্যাংক-কোম্পানী আইন:
- ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯১ সালে কার্যকর হয়।

⇒ ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ বাংলাদেশে ব্যাংকিং খাতের নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা এবং কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রণীত একটি আইন।
- এটি ব্যাংক-কোম্পানীগুলোর কার্যক্রম, শেয়ার, পরিচালনা পর্ষদ, লাইসেন্স, নিরীক্ষা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষমতার বিষয়ে বিধান প্রদান করে।
- উদ্দেশ্য: ব্যাংক-কোম্পানীগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং জনস্বার্থ রক্ষা এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি। 

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালে এই আইনের অধিকতর সংশোধন করা হয়েছে, যাতে ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও স্বচ্ছ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

১,৩৮১.
২০২০-২১ অর্থবছরে ভ্যাটের সর্বনিম্ন হার কত?
  1. ক) ২%
  2. খ) ৫%
  3. গ) ৭.৫%
  4. ঘ) ১০%
ব্যাখ্যা
ভ্যাট (VAT) বা মূল্য সংযোজন করের স্তর ৫টি। যথা: ২%, ৫%, ৭.৫%, ১০% এবং ১৫%।
ভ্যাট আইন বাংলাদেশে চালু/কার্যকর হয় - ১ জুলাই ১৯৯১।
সর্বনিম্ন ভ্যাট হার ২% এবং সর্বোচ্চ ভ্যাট হার ১৫%।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের ভ্যাট হার দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।
উৎসঃ প্রথম আলো আর্কাইভ।
১,৩৮২.
নিচের কোনটি প্রত্যক্ষ কর?
  1. ভূমি উন্নয়ন কর 
  2. মূল্য সংযোজন কর
  3. আবগারী শুল্ক
  4. আমদানী শুল্ক
ব্যাখ্যা

• ভূমি উন্নয়ন কর প্রত্যক্ষ কর।

• প্রত্যক্ষ কর: 
- প্রত্যক্ষ কর হলো এরূপ কর যার বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয়।
• প্রত্যক্ষ করসমূহ হলো:
- আয়কর,
- দানকর,
- ভূমি উন্নয়ন কর,
- ভ্রমণ কর ইত্যাদি।

• পরোক্ষ কর: 
- মূল্য সংযোজন কর,
- আমদানি শুল্ক,
- আবগারি শুল্ক,
- সম্পূরক শুল্ক।

উৎস: অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩৮৩.
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর -
  1. এম নূরুল ইসলাম
  2. খোরশেদ আলম
  3. আ ন ম হামিদুল্লাহ
  4. কাজী হাবিবুল আউয়াল
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ ব্যাংক:
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর- আহসান এইচ মনসুর (১৩ তম)।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর আ ন ম হামিদুল্লাহ।
- বাংলাদেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পরিচালিত হয় বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদকাল - ৪ বছর।
- পরিচালনা পর্ষদের সদস্য চেয়ারম্যানসহ ৮ জন।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।

১,৩৮৪.
বাংলাদেশের কোন প্রতিষ্ঠান মাইক্রোক্রেডিট সম্মেলনের অন্যতম উদ্যোক্তা?
  1. চার্টার্ড ব্যাংক
  2. ন্যাশনাল ব্যাংক
  3. গ্রামীণ ব্যাংক
  4. এবি ব্যাংক
ব্যাখ্যা
• গ্রামীণ ব্যাংক: 
- ১৯৯৭ সালের ২ - ৪ ফেব্রুয়ারি প্রথম মাইক্রোক্রোডিট সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশের গ্রামীণ ব্যাংকের উদ্যোগে প্রবর্তিত ক্ষুদ্র ঋণ কর্মসূচি বিশ্বের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য সর্বপ্রথম এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

উল্লেখ্য,
গ্রামীণ ব্যাংক এবং গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।
- চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলাধীন জোবরা গ্রামে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস কর্তৃক ১৯৭৬ সালে চালু করা পল্লী ব্যাংকিং-এর একটি পাইলট প্রকল্প থেকে গ্রামীণ ব্যাংকের উৎপত্তি। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৩৮৫.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসী আয়ে কত শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে? [জুলাই, ২০২৫]
  1. প্রায় ২৪ শতাংশ
  2. প্রায় ২৫ শতাংশ
  3. প্রায় ২৭ শতাংশ
  4. প্রায় ৩০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
প্রবাসী আয় (২০২৪-২৫ অর্থবছর):
- বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্যমতে, ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা দেশের ইতিহাসে এক অর্থবছরে প্রাপ্ত সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ২৭ শতাংশ বেশি।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৩ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে দেশের মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ৬৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- বৈদেশিক মুদ্রার মজুতের এই অঙ্ক গত দুই বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [LINK]
১,৩৮৬.
The fiscal year of Bangladesh is -
  1. ক) from June 1 to July 30
  2. খ) from July 1 to June 30
  3. গ) from January 1 to December 30
  4. ঘ) from December 30 to January 1
ব্যাখ্যা
১ জুলাই - ৩০ জুন বাংলাদেশের আর্থিক বছর।
- জুলাই মাসে অর্থবছর শুরু হয়, শেষ হয় জুন মাসে।
- সে জন্য প্রতিবছর জুন মাসে সেই অর্থবছরের হিসাব শেষ করে পরবর্তী অর্থবছরের জন্য বাজেট ঘোষণা করা হয়।
- দেশের হিসাব-নিকাশ, রাষ্ট্রীয় আয়-ব্যয় পরিকল্পনা অর্থবছর ধরেই হয়।

উল্লেখ্য,
- ব্রিটেনে অর্থবছর শুরু হয় এপ্রিল মাসে।
- যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হয় অক্টোবর মাসে।
- ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন অর্থবছর অনুসরণ করা হয় দক্ষিণ এশিয়ায় কেবল বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে। এর বাইরে আছে শুধু মিসর ও অস্ট্রেলিয়া।
- জানুয়ারি-ডিসেম্বর অর্থবছর অনুসরণ করা হয় অস্ট্রিয়া, ব্রাজিল, চীন, পর্তুগাল, রাশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, স্পেন ও সুইডেনে।

সূত্র: অর্থ মন্ত্রণালয় ও প্রথম আলো।
১,৩৮৭.
বাংলাদেশে কত সাল থেকে ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর চালু করা হয়েছে?
  1. ২০০১ সাল
  2. ১৯৯৫ সাল
  3. ১৯৯৩ সাল
  4. ১৯৯১ সাল
ব্যাখ্যা
ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর (Value Added Tax):
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সাল থেকে ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর চালু করা হয়েছে
- উৎপাদন ক্ষেত্রে কাঁচামাল থেকে শুরু করে চূড়ান্ত দ্রব্য উৎপাদন পর্যন্ত বেশ কয়েকটি স্তর অতিক্রম করতে হয়।
- উৎপাদনের এরূপ বিভিন্ন ভরে যে মূল্য সংযোজিত হয় তার উপর একটি নির্দিষ্ট যায়ে যে কর আরোপ করা হয়, তাকে মূল্য সংযোজন কর (Value Added Tax- VAT) বলে।
- বাংলাদেশের রাজস্ব আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস হলো মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট)।
- বাংলাদেশের মোট রাজস্ব আয়ের প্রায় অর্ধেক আসে ভ্যাট থেকে।
- আমদানি শুল্ক এবং আয়করও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তবে ভ্যাটের অবদান তুলনামূলকভাবে বেশি।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,৩৮৮.
'ওয়েলথ অব ন্যাশনস'-এর রচয়িতা -
  1. জন মেনিয়ার্ড কেইনস
  2. আলফ্রেড মার্শাল
  3. অ্যাডাম স্মিথ
  4. ডেভিড রিকার্ডো
ব্যাখ্যা
অ্যাডাম স্মিথ:
- অ্যাডাম স্মিথ অর্থনীতিকে 'সম্পদের বিজ্ঞান' বলেছেন।
- অ্যাডাম স্মিথের বিখ্যাত গ্রন্থ- 'The Wealth of Nations'.
- তিনি ক্লাসিকাল অর্থনীতির প্রবক্তা।

অপরদিকে,
- অধ্যাপক মার্শাল অর্থনীতিকে 'কল্যাণের বিজ্ঞান' বলে অভিহিত করেছেন।
- তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ÖPrinciple of Economics |
- তিনি নিও-ক্লাসিকাল অর্থনীতির প্রবক্তা।
- অর্থনীতির আধুনিক মতবাদের প্রবক্তা লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লায়নেল রবিন্স।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
১,৩৮৯.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের অর্থকরী ফসল নয়?
  1. ক) আখ
  2. খ) তৈলবীজ
  3. গ) তামাক
  4. ঘ) চা
ব্যাখ্যা
- যেসব ফসল সরাসরি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে চাষ করা হয় তাদের অর্থকরী ফসল বলা হয়।
বাংলাদেশের অর্থকরী ফসলসমূহ:
- পাট
- চা
- আখ বা ইক্ষু
- তামাক
- তুলা
- রাবার
- ফুল প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
- তৈলবীজ হলো খাদ্যশস্য।
(তথ্যসূত্রঃ ‍ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১,৩৯০.
রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নকালীন পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গৃহীত হবে -
  1. ক) ৬টি
  2. খ) ৫টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৩টি
ব্যাখ্যা
• দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদ : ২০২১ থেকে ২০৪১ সাল।
• এ সময়ে মোট ৫টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গৃহীত হবে। 
• যার প্রথমটি অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা এবং এর মেয়াদ জুলাই ২০২০ থেকে জুন ২০২৫ পর্যন্ত।  

তথ্যসূত্র:- পরিকল্পনা কমিশন এবং অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২। 
১,৩৯১.
গত অর্থবছরে দেশে মোট জাতীয় বিনিয়োগের পরিমাণ জিডিপির শতকরা কত ভাগ?
  1. ক) ৩৫.৬০ ভাগ
  2. খ) ৩১.৭৫ ভাগ
  3. গ) ২৫.১১ ভাগ
  4. ঘ) ১৯.২০ ভাগ
ব্যাখ্যা
গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে দেশের মোট জাতীয় বিনিয়োগের পরিমাণ জিডিপির ৩১.৭৫ ভাগ। এর মধ্যে বেসরকারি বিনিয়োগ জিডিপির ২৩.৬৩ ভাগ এবং সরকারি বিনিয়োগ ৮.১২ ভাগ।
একই সময়ে মোট দেশজ সঞ্চয় ছিলো জিডিপির ২৫.৩১ ভাগ এবং জাতীয় সঞ্চয় ছিলো জিডিপির ৩০.১১ ভাগ।
(সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক)
১,৩৯২.
Bangladesh Trade and Tariff Commission কয়টি শাখায় বিভক্ত?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
Bangladesh Trade and Tariff Commission (BTTC):
- ট্যারিফ কমিশন পাকিস্তান ট্যারিফ কমিশনের পূর্ব পাকিস্তান শাখার উত্তরবর্তী।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এর নতুন নাম হয় ট্যারিফ কমিশন।
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ২৮ জুলাই, ১৯৭৩ তারিখের সিদ্ধান্তবলে উক্ত মন্ত্রণালয়ের একটি অধীনস্থ অধিদপ্তর হিসেবে কাজ শুরু করে।
- ১৯৯২ সালের নভেম্বরে উক্ত কমিশন বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন আইন ১৯৯২ (১৯৯২ সনের ৪৩ নম্বর আইন)-এর অধীনে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন নামে পুনর্গঠিত হয়।

⇒ বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট।
- এর প্রধান হচ্ছেন সরকারের সচিব পর্যায়ের মর্যাদাসম্পন্ন একজন চেয়ারম্যান।
- কমিশন তিনটি শাখায় বিভক্ত: বাণিজ্য নীতিমালা, বাণিজ্য প্রতিকার এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা শাখা।
- প্রতিটি শাখা একজন সদস্য দ্বারা পরিচালিত। 

উৎস: বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন ওয়েবসাইট।
১,৩৯৩.
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া
  2. খ) কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা
  3. গ) রামপাল, বাগেরহাট
  4. ঘ) ঈশ্বরদী, পাবনা
ব্যাখ্যা
• পাবনা জেলার ঈশ্বরদী থানার পদ্মা নদী তীরবর্তী রূপপুর-কে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্থান হিশেবে নির্বাচন করা হয়।
- একাধিক সমীক্ষার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের যথার্থতা যাচাই করা হয়।
- পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য ২৬০ একর এবং আবাসিক এলাকার জন্য ৩২ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়।

সূত্র: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প ওয়েবসাইট।
১,৩৯৪.
রাজস্ব প্রশাসনের শীর্ষ সংস্থা কোনটি?
  1. বাংলাদেশ আয়কর কমিশন
  2. পরিকল্পনা কমিশন
  3. বাংলাদেশ রাজস্ব কমিশন
  4. জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
ব্যাখ্যা
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড:

- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (জারাবো) রাজস্ব প্রশাসনের শীর্ষ সংস্থা।
- এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নির্দেশনায় ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতি আদেশ নং- ৭৬ দ্বারা গঠিত হয়েছে।
- প্রশাসনিকভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অর্থ মন্ত্রনালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন একটি পরিচালিত হয়।
- অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব জারাবো'র এক্স-অফিসিও চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক প্রধান।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে প্রধান দায়িত্ব হলো কাস্টমস, আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর সংক্রান্ত বিধি-বিধান তৈরি এবং তার আলোকে যথাযথ কর-রাজস্ব আদায় করা।
- এ ছাড়াও চোরাচালান প্রতিরোধ, শুল্ক-কর সংক্রান্ত আর্ন্তজাতিক চুক্তি সম্পাদন ও সরকারের রাজস্ব নীতি সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে প্রতিনিধিত্ব করা।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কাস্টমস, মূসক ও আয়কর অনুবিভাগের মাধ্যমে কাজ করে।
- আয়কর অনুবিভাগ বিসিএস (কর) এবং কাস্টমস ও মূসক অনুবিভাগ বিসিএস (কাস্টমস অ্যান্ড এক্সাইজ) ক্যাডার দ্বারা পরিচালিত হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৩৯৫.
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যানুসারে, রেমিট্যান্স প্রেরণে শীর্ষ দেশ - (জানুয়ারি-২০২৬)
  1. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. সৌদি আরব
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যানুসারে রেমিট্যান্স প্রাপ্তি:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা গেছে, গত জুলাই-নভেম্বর সময়ে সৌদি আরব থেকে সর্বোচ্চ ২০৫ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। যুক্তরাজ্য থেকে ১৬৭ কোটি, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে ১৫৮ কোটি, মালয়েশিয়া থেকে ১৪৩ কোটি এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১০৩ কোটি ডলার এসেছে। 
- সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি কাজ করেন সৌদি আরবে।

• রেমিট্যান্স প্রেরণে শীর্ষ দেশ:
১. সৌদি আরব, 
২. সংযুক্ত আরব আমিরাত, 
৩. যুক্তরাজ্য,  
৪. মালয়েশিয়া,
৫.  যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস:
i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

১,৩৯৬.
বর্তমানে দেশে আয়কর হার কতটি?
  1. ক) ৬টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৫টি
ব্যাখ্যা
চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে সর্বোচ্চ আয়কর হার নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন করহার ৫ শতাংশ।
মোট আয়কর হার ৫টি। এগুলো হলো:
- ৫ শতাংশ
- ১০ শতাংশ
- ১৫ শতাংশ
- ২০ শতাংশ
- ২৫ শতাংশ।
২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটের পূর্বে সর্বোচ্চ করহার ছিলো ৩০ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ।
(সূত্র: অর্থবিভাগ)
১,৩৯৭.
নিচের কোনটি পরোক্ষ কর? 
  1. আমদানী শুল্ক
  2. আয়কর
  3. ভূমি রাজস্ব
  4. সম্পদ কর
ব্যাখ্যা

- আমদানী শুল্ক একটি পরোক্ষ কর।

প্রত্যক্ষ কর:

- যে কর প্রথমে যার উপর ধার্য করা হয় চূড়ান্তভাবে তাকেই পরিশোধ করতে হয় তাকে প্রত্যক্ষ কর বলা হয়।
- এ কর কোনোভাবেই অন্যের উপর চাপানো যায় না।
-যেমন: আয়কর, ভূমি রাজস্ব, সম্পদ কর প্রভৃতি।

• পরোক্ষ কর:
- কোনো ব্যক্তির উপর কর ধার্য করা হলে সে যদি করের ভার অন্যের উপর চাপাতে পারে তাকে বলা হয় পরোক্ষ কর।
- এরূপ করের বোঝা প্রাথমিকভাবে একজন বহন করলেও পরে তা অন্যের উপর চাপাতে পারে।
- যেমন: মূল্য সংযোজন কর, বিক্রয় কর, আমদানী শুল্ক প্রভৃতি।

উৎস: কর ব্যবস্থা ও নিরীক্ষা শাস্ত্র, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩৯৮.
পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুমোদন করে থাকে -
  1. অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. পরিকল্পনা কমিশন
  3. জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল
  4. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

পরিকল্পনা কমিশন:
- বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনা সহ সরকারের বিভিন্ন মেয়াদী অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে।
- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুমোদন করে জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল।
- পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প চেয়ারম্যান অর্থমন্ত্রী এবং ভাইস চেয়ারম্যান পরিকল্পনা মন্ত্রী।
- পরিকল্পনা কমিশন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনাসহ সরকারের যাবতীয় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।

১,৩৯৯.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ এনজিও -
  1. ক) পপি
  2. খ) ব্র্যাক
  3. গ) আশা
  4. ঘ) প্রশিকা
ব্যাখ্যা
• BRAC:
- BRAC (Bangladesh Rural & Advancement Committee) বিশ্বের বৃহত্তম এনজিও বা বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা।
- ১৯৭২ সালে স্যার ফজলে হাসান আবেদ BRAC প্রতিষ্ঠা করেন।
- BRAC বর্তমানে বাংলাদেশসহ বিশ্বের নয়টির অধিক দেশে কাজ করছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১১ কোটি লোককে ব্র্যাক তার উন্নয়ন কার্যক্রমের আওতায় নিয়ে এসেছে।

উৎস: BRAC ওয়েবসাইট। 
১,৪০০.
‘বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ বাস্তবায়নে ২০৩০ সালের মধ্যে কয়টি প্রকল্প গ্রহণ করবে সরকার?
  1. ক) ৫০টি
  2. খ) ৬০টি
  3. গ) ৮০টি
  4. ঘ) ১০০টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হলো ‘বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’। বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনার দীর্ঘমেয়াদি কৌশল হিসেবে বহু আলোচিত এই পরিকল্পনা ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর অনুমোদন দেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি)। এই পরিকল্পনার মেয়াদ ১০০ বছর। এটি প্রণয়নে সহায়তা করছে নেদারল্যান্ডস। ‘ডেল্টা প্ল্যান’ নামে বেশি পরিচিত এ মহাপরিকল্পনার অধীনে আপাতত ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য ৮০টি প্রকল্প নেবে সরকার, যাতে ব্যয় হবে প্রায় ২৯৭৮ বিলিয়ন টাকা।
[সূত্রঃ পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট এবং দৈনিক প্রথম আলো]