বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের অর্থনীতি

মোট প্রশ্ন১,৮৬১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের অর্থনীতি

PrepBank · পাতা ১১ / ১৯ · ১,০০১১,১০০ / ১,৮৬১

১,০০১.
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ তারিখ পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ-
  1. ৪২ বিলিয়ন ডলার
  2. ৪৩ বিলিয়ন ডলার
  3. ৪৪ বিলিয়ন ডলার
  4. ৪৬ বিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা
• ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ তারিখ পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের পরিমাণ ৪৪ বিলিয়ন ডলার।
১,০০২.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক অঞ্চল কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) চট্টগ্রাম
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) গাজীপুর
  4. ঘ) খুলনা
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর:
- উন্নয়ন নিশ্চিতকল্পে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে ২০১৫ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে ১৫ বছরে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠনের মহাপরিকল্পনা নেয় সরকার।
- এই মহাপরিকল্পনায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর সবচেয়ে বড়।
- চট্টগ্রামের মিরসরাই, সীতাকুণ্ড ও ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় এ শিল্পনগরের অবস্থান।
- দেশের বৃহত্তম এ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রায় ৩৩,৮০৫ একর জায়গার ওপর নির্মিত হচ্ছে।

সূত্র: ইনকিলাব, প্রথম আলো। 
১,০০৩.
'পরিকল্পনা কমিশন' এর কোন বিভাগ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে?
  1. ক) কৃষি, পানি সম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগ
  2. খ) কার্যক্রম বিভাগ
  3. গ) আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগ
  4. ঘ) সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সরকারের 'পরিকল্পনা কমিশন' এর 'সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ' (General Economic Division) পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে।
• পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুমোদন করে - জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল।
• পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী।
• বিকল্প চেয়ারম্যান অর্থমন্ত্রী এবং ভাইস চেয়ারম্যান পরিকল্পনা মন্ত্রী।  

তথ্যসূত্র: পরিকল্পনা কমিশন এবং অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২

১,০০৪.
বাংলাদেশের কৃষিভিত্তিক ইপিজেড কোথায় অবস্থিত? 
  1. পাবনা
  2. নীলফামারী
  3. বরিশাল
  4. ঢাকা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (EPZ):

-বাংলাদেশে সরকারি EPZ এর সংখ্যা ৮ টি।
- EPZ= Export Processing Zone.

⇒  EPZ গুলোর অবস্থান হলো-

- চট্টগ্রাম,
- সাভার, (ঢাকা)
- মংলা (খুলনা),
- উত্তরা (নীলফামারী),
- ঈশ্বরদী (পাবনা),
- কুমিল্লা,
- কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) ও
- আদমজী (নারায়ণগঞ্জ)। 
- বাংলাদেশের প্রথম EPZ চট্টগ্রামে স্থাপিত হয়।
- এট ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সংসদে পাশ হওয়া আইনবলে ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশের EPZ সমূহের ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রন করে BEPZA.
- দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক EPZ উত্তরা ,নীলফামারী।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫, BEPZA Website এবং বাংলাপিডিয়া।

১,০০৫.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ কাগজ কল কোনটি?
  1. খুলনা নিউজ প্রিন্ট মিল
  2. সিলেট মন্ড কাগজ মিল
  3. কর্ণফুলি পেপার মিল 
  4. চন্দ্রঘোনা কাগজ মিল
ব্যাখ্যা
• কর্ণফুলি পেপার মিল:
কর্ণফুলি পেপার মিল বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ কাগজের কল।
- ১৯৫১ সালে পাকিস্তান ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন-এর অধীনে ৬৭.৫৭ মিলিয়ন রুপি ব্যয়ে চট্টগ্রাম চন্দ্রঘোনায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ওই সময়ে পূর্ব পাকিস্তান এ ৩১টি হাতে তৈরি কাগজের এন্টারপ্রাইজ এবং ১২২ জন শ্রমিকসহ একটি কার্বন কাগজ তৈরির ইউনিট ছিল।
- এই সকল প্রতিষ্ঠানে কাজ করত ৫৫ জন পুরুষ, ৫১ জন মহিলা ও ১৬ জন শিশুশ্রমিক।
- কর্ণফুলি পেপার মিলটি শিল্প আইনের অধীনে নিবন্ধিত প্রথম কাগজশিল্প যা ত্রিশ হাজার শ্রমিক নিয়ে এশিয়ার সর্ববৃহৎ কাগজ-কল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মিলটি আমেরিকা, ইংল্যান্ড, জার্মানি, সুইডেন এবং ইতালির সহযোগিতায় ও বিশ্বব্যাংকের ঋণ সহায়তায় স্থাপিত হয়।
- বাৎসরিক ৩০,০০০ টন ধারণক্ষমতা নিয়ে ১৯৫৩ সালে মিলটিতে উৎপাদন আরম্ভ হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,০০৬.
বাংলাদেশ সরকারের অর্থবছরের সময়কাল কোনটি? 
  1. জুলাই-জুন
  2. জুন-জুলাই
  3. মে- এপ্রিল
  4. ফেব্রুয়ারি- জানুয়ারি
ব্যাখ্যা

বাজেট:
- বাংলাদেশের আর্থিক বছর জুলাই- জুন।
- অর্থবছর শুরু হয় ১ জুলাই থেকে।
- বাংলাদেশের বাজেট ঘাটতি বাজেট।
- সংসদে বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী।
- বাংলাদেশের বাজেট কার্যকর হয় ১ জুলাই থেকে।
- ১৯৭২ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে প্রথম বাজেট উপস্থাপন করা হয়।
- এই বাজেটটি ছিল ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরের জন্য এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে পেশ করা প্রথম বাজেট ছিল।

অন্যদিকে,
-  ভারত, যুক্তরাজ্য, হংকং, কানাডা এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় অর্থ বছর: এপ্রিল - মার্চ।

​উৎস: অর্থ মন্ত্রণালয় ও প্রথম আলো।

১,০০৭.
বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে চুরি করা অর্থ পাচার করা হয়-
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও ইন্দোনেশিয়ায়
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতে
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও ফিলিপাইনে
  4. শ্রীলংকা ও ফিলিপাইনে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি:
- ২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০ কোটি ১০ লাখ ১ হাজার ৬২৩ ডলার চুরি হয়।
- এর মধ্যে ৮১ মিলিয়ন ডলার ফিলিপাইনের আরসিবিসি ব্যাংকে থাকা চারটি অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয় এবং বাকি ২০ মিলিয়ন ডলার শ্রীলঙ্কার একটি ব্যাংকে পাঠানো হয়।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনার ওপর ভিত্তি করে নির্মিত হয়েছে হলিউড তথ্যচিত্র ‘বিলিয়ন ডলার হাইস্ট’।
- তথ্যচিত্রটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন ড্যানিয়েল গর্ডন, ব্রেন্ডন ডনোভান ও ব্রায়ান ইভানস।

উৎস - প্রথম আলো এবং বাসস পত্রিকা রিপোর্ট। 

১,০০৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, দেশে তফসিলি ব্যাংক কয়টি?
  1. ৬০টি
  2. ৬১টি
  3. ৬২টি
  4. ৬৪টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী,
• তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা তফসিলি - ৬১টি। 
• রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৬টি,
• বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি,
• বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক – ৪৩টি,
• বৈদেশিক ব্যাংক – ৯টি,
• ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান – ৩৫টি।
• ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান- ৩৫টি। 

সূত্র- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,০০৯.
নিচের কোনটি রাষ্ট্রায়ত্ত্ব বিশোয়িত ব্যাংক?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. সোনালী ব্যাংক
  3. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  4. বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে তফসিলভুক্ত রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সংখ্যা ৯টি। এর মধ্যে ৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং ৩টি বিশেষায়িত ব্যাংক।

বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ:
- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড
- জনতা্ ব্যাংক লিমিটেড
- অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড
- রূপালি ব্যাংক লিমিটেড
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক লিমিটেড।

বিশেষায়িত ব্যাংকসমূহ:
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।
অন্যদিকে,
বাংলাদেশ ব্যাংক হলো বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
১,০১০.
সর্বশেষ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কোন অর্থবছরকে ভিত্তি করে জিডিপি, প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগ, মাথাপিছু আয় গণনা শুরু করে?
  1. ক) ২০২১ - ২২
  2. খ) ২০১৩ - ১৪
  3. গ) ২০১৫ - ১৬
  4. ঘ) ২০১৭ - ১৮
ব্যাখ্যা
- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরকে ভিত্তিবছর ধরে জিডিপি প্রকাশ শুরু করে।
- তখন ১১ টি খাতের উপর ভিত্তি করে জিডিপি প্রকাশ করা হতো।
- এরপর কয়েকবার ভিত্তি বছর পাল্টানো হয় এবং জিডিপি খাত ১১ থেকে ১৫ টি তে উন্নীত করা হয়।
- সর্বশেষ ২০২১ সালে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) ২০১৫-১৬ অর্থবছরকে ভিত্তি করে জিডিপি, প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগ, মাথাপিছু আয় গণনা শুরু করে।
- নতুন ভিত্তি বছরে জিডিপি খাত ২৪টি তে উন্নীত করা হয়।
- নতুন খাতসমূহ: মোবাইল ব্যাংকিং; এজেন্ট ব্যাংকিং; গরু ও হাঁস-মুরগি; নার্সারি; লটকন, ড্রাগন, স্ট্রবেরি, ক্যাপসিকাম, মাশরুম; আবাসন; কেব্‌ল টেলিভিশন; ইন্টারনেট; হেলিকপ্টার।

উৎস: বিবিএস, পত্রিকা রিপোর্ট
১,০১১.
বাংলাদেশের প্রধান দানাজাতীয় ফসল -
  1. ক) ভুট্টা
  2. খ) যব
  3. গ) ধান
  4. ঘ) গম
ব্যাখ্যা
ধান বাংলাদেশের প্রধান দানাজাতীয় ফসল এবং প্রধান খাদ্য। 
- বিশ্বের প্রায় অর্ধেক মানুষের প্রধান খাদ্য ভাত। 
- বিশ্বের প্রধান প্রধান ধান উৎপাদনকারী দেশ হলো চীন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড ও বাংলাদেশ। 
- বিশ্বের মোট ধান উৎপাদনের প্রায় ৯২ শতাংশ ধান এশিয়ার এ দেশগুলোতে উৎপন্ন হয়। 
- বাংলাদেশের মাটি, আবহাওয়া, জলবায়ু সব কিছুই ধান চাষের উপযোগী। 
- চাষাবাদের মৌসুম অনুযায়ী ধানের চাষ তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
যেমন-
১. আউশ ধান (Aus rice): খরিপ ১ মৌসুমে এ ধান মার্চ থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত চাষ করা হয়।
২. আমন ধান (Aman rice): খরিপ ২ মৌসুমে জুন থেকে ডিসেম্বর মাসে পর্যন্ত চাষ করা হয় ।
৩. বোরো ধান (Boro rice): রবি মৌসুমে নভেম্বর থেকে মে মাসে এ ধান চাষ করা হয়।

সূত্র: কৃষি শিক্ষা ১ম পত্র, ওপেন স্কুল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০১২.
স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রােগ্রাম (এসইআইপি) কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
  1. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. অর্থ মন্ত্রণালয়
  3. শিক্ষা মন্ত্রণালয়
  4. শিল্প মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
- সরকার জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০১০ এবং জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন নীতি ২০১১ এর বাস্তবায়নের মাধ্যমে টিভেট পদ্ধতির উন্নতি বিধানে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে।
- এই নীতিগুলাে টেকনিক্যাল ও ভােকেশনাল শিক্ষা কর্মসূচিসমূহের প্রসার, বহুমূখীকরণ, সম্প্রসারণ ও উন্নয়নে জোর দেবে।
- জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন নীতির অধীন জাতীয়ভাবে স্বীকৃত যােগ্যতা গুণগতমান সংগতি রক্ষার্থে জাতীয় টেকনিক্যাল ও ভােকেশনাল যােগ্যতা কাঠামাে (NTVQF) প্রণয়ন করা হয়েছে।
- আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হলাে এডিবি (ADB) ও সরকারের আর্থিক সহযােগিতায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রােগ্রাম (এসইআইপি)।
- বেসিস, বিটিএমএ, বিজিএমইএ, এইওএসআইবি (AEOSIB) এবং অন্যান্যরা কারিগরি প্রশিক্ষণের সাথে বৈশ্বিকভাবে স্বীকৃত দক্ষতা সনদ প্রদানের জন্য এর সাথে সংযুক্ত রয়েছে।
- কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ একটি সমন্বিত টিভেট উন্নয়ন কর্ম পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, যাতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের জন্য টিভেট কর্মকাণ্ড উৎসাহিত করা যায়।
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১
১,০১৩.
বাংলাদেশে কয়টি স্টক এক্সচেঞ্জ রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ: 
- বাংলাদেশে দুটি স্টক এক্সচেঞ্জ রয়েছে
: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)।
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই): এটি ১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এখানে লেনদেন কম্পিউটারাইজড স্বয়ংক্রিয় ট্রেডিং সিস্টেমের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই): এটি ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর ট্রেডিংও কম্পিউটারাইজড স্বয়ংক্রিয় ট্রেডিং সিস্টেমের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
- উভয় স্টক এক্সচেঞ্জই স্ব-নিয়ন্ত্রিত এবং বেসরকারি খাতের প্রতিষ্ঠান, যেগুলোর কার্যক্রম পরিচালনার নিয়ম বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC)-এর অনুমোদন সাপেক্ষে।

উৎস: BSEC ওয়েবসাইট। 
১,০১৪.
জনাব আহসান এইচ মনসুর বাংলাদেশ ব্যাংকের কততম গভর্নর?
  1. ১১তম
  2. ১২তম
  3. ১৩তম
  4. ১৪তম
ব্যাখ্যা

• ড. আহসান এইচ মনসুর:
- তিনি পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই) এর প্রাক্তন নির্বাহী পরিচালক ছিলেন।
- ড. আহসান এইচ. মনসুর ১৪ আগস্ট ২০২৪ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৩তম গভর্নর হিসেবে যোগদান করেন।

- ড. মনসুর ১৯৮১ সালে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর অর্থনীতিবিদ প্রোগ্রামের অধীনে যোগদান করেন।
- আইএমএফ-এ তার দীর্ঘ কর্মজীবনে, ড. মনসুর মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়ান, আফ্রিকান এবং মধ্য আমেরিকান দেশগুলির সাথে কাজ করেন।
- তিনি আইএমএফের কিছু গুরুত্বপূর্ণ কার্যকরী বিভাগ (আর্থিক বিষয়ক এবং নীতি পর্যালোচনা ও উন্নয়ন বিভাগ) এবং অঞ্চল বিভাগে (মধ্যপ্রাচ্য এবং মধ্য এশিয়া এবং এশিয়ান বিভাগ) কাজ করেন।

- তিনি ১৯৯৮-২০০১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানে আইএমএফের সিনিয়র রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং বাংলাদেশ সরকারের অর্থমন্ত্রীর (১৯৮৯-৯১) আর্থিক উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশে তার দায়িত্ব পালনকালে, ড. মনসুর ১৯৯১ সালে বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) সফলভাবে প্রবর্তনের সাথে জড়িত ছিলেন। 

উল্লেখ্য,
- জনাব এ এন হামিদুল্লাহ বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর ছিলেন।
 
উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।

১,০১৫.
স্থির মূল্যে বাংলাদেশের নাগরিকদের মাথাপিছু জিডিপি কত টাকা?
  1. ক) ১,৮২৭
  2. খ) ৮০,৪৬০
  3. গ) ১৫৩,১৯৭
  4. ঘ) ১৬০,০৬০
ব্যাখ্যা

২০১৮-১৯ অর্থবছরে
১. স্থিরমূল্যে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি - ১,৮২৭ মার্কিন ডলার বা ১৫৩,১৯৭ টাকা
২. স্থিরমূল্যে মাথাপিছু জাতীয় আয়/ GNI - ১,৯০৯ মার্কিন ডলার বা ১৬০,০৬০ টাকা।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।

১,০১৬.
উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির সময় নিম্নের কোনটি ঘটে না?
  1. রপ্তানি হ্রাস পায়
  2. উৎপাধন ব্যয় বৃদ্ধি পায়
  3. দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পায়
  4. আমদানি হ্রাস যায়
ব্যাখ্যা
মুদ্রাস্ফীতি:
- মুদ্রাস্ফীতি বলতে বোঝায় পণ্য ও সেবার দাম বেড়ে যাওয়াকে, যা সাধারণত ঘটে অতিরিক্ত মুদ্রা সরবরাহের কারণে।
- একটি দেশের বাজারে পণ্যের মজুদ এবং মুদ্রার পরিমাণের মধ্যে ভারসাম্য থাকতে হয়।
- যদি পণ্যের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ অনেক বেড়ে যায় অর্থাৎ দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক অতিরিক্ত মাত্রায় টাকা ছাপায় তখনই মুদ্রাস্ফীতি ঘটে।
- এর ফলে একই পরিমাণ পণ্য কিনতে আপনাকে আগের চাইতে বেশি মুদ্রা খরচ করতে হবে। এর মানে জিনিষপত্রের দাম বেড়ে যাবে। সব মিলিয়ে ওই মুদ্রার মান বা ক্রয়ক্ষমতা কমে যাবে।

⇒ মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব:
• মুদ্রাস্ফীতির সবচেয়ে বিরূপ প্রভাব পড়ে সীমিত আয়ের মানুষের ওপর।

• আয় বণ্টনের উপর প্রভাব
- মুদ্রাস্ফীতির ফলে অর্থ ও সম্পদ এক শ্রেণীর লোকের হাত হতে অন্য এক শ্রেণীর লোকের হাতে চলে যায়।
- মুদ্রাস্ফীতির ফলে মুদ্রার মূল্য কমে যায়। সেই কারণে ওই দেশে উৎপন্ন পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি পায়
- মুদ্রাস্ফীতি চলাকালীন ঋণগ্রহীতারা লাভবান হলেও ঋণদাতার ক্ষতিগ্রস্ত হন।
- মুদ্রাস্ফীতির ফলে কাঁচামালের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় সামগ্রিক উৎপাদন খরচের ওপর এর প্রভাব পড়ে। ফলে জিনিষপত্রের দাম বেড়ে যায়।
- মুদ্রার মান পড়ে যাওয়ায় অন্য দেশ থেকে আমদানি কমে যায়।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০১৭.
নিচের কোন জেলায় সরকারি সংরক্ষিত বনভূমি নেই?
  1. ক) শেরপুর
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) নোয়াখালী
  4. ঘ) হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মোট ৩৫টি জেলায় সরকারি মোট বনভূমি রয়েছে যার পরিমাণ ২৫,৭৫১.৯৬ বর্গ কিলোমিটার (শতকরা ১৭.৪৫ ভাগ)।
- এর মধ্যে সরকারি সংরক্ষিত বনভূমির পরিমাণ ১৩,৩৯৯ বর্গকিলোমিটার (শতকরা ১২.৭৪ ভাগ)।
- শেরপুর, নোয়াখালী ও হবিগঞ্জসহ দেশের মোট ২৯টি জেলায় সংরক্ষিত বনভূমি রয়েছে।
- রাজশাহী জেলায় সরকারি কিংবা সংরক্ষিত বনভূমি নেই।
(তথ্যসূত্র: বিবিএস পকেটবুক-২০২০)
১,০১৮.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে GDP'র সাময়িক হিসাবে শিল্প খাতের অবদান কত?
  1. ৩৭.৪৪%
  2. ৩৫.৩৭%
  3. ৫১.৬২%
  4. ১০.৯৪%
ব্যাখ্যা

• GDP'র সাময়িক হিসাব: ২০২৪-২৫:

• বাংলাদেশের GDP'র খাতভিত্তিক অবদান (২০২৪-২৫)

- কৃষি: ১০.৯৪%
- শিল্প: ৩৭.৪৪%
- সেবা: ৫১.৬২%
 
• বাংলাদেশের GDP'র খাতভিত্তিক প্রবৃদ্ধির হার (২০২৪-২৫)

- কৃষি: ১.৭৯%
- শিল্প: ৪.৩৪%
- সেবা: ৪.৫১%

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

১,০১৯.
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর  ছিলেন কে?
  1. এ. এন. হামিদুল্লাহ
  2. ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন
  3. আব্দুর রউফ তালুকদার
  4. ড. ফখরুদ্দীন আহমদ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ব্যাংক:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধানের পদবী গভর্নর।
-বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার (১২তম)।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের মেয়াদ ৪ বছর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর  ছিলেন- এ. এন. হামিদুল্লাহ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। 
১,০২০.
The duration of a valid cheque is
  1. 6 months
  2. 15 days
  3. 1 year
  4. 2 months
ব্যাখ্যা
চেক বুক:
- চেক বা Cheque হলো বিশেষভাবে মুদ্রিত এক ধরনের কাগজ যা Bank কর্তৃক গ্রাহকের হিসাবের বিপরীতে ইস্যু করা হয়ে থাকে।
- চেক একটি হস্তান্তরযোগ্য দলিল।
- ব্যাংক সাধারণত গ্রাহক বরাবর চেক প্রদান করে।
- ব্যক্তিগত ও বাণিজ্যিক প্রয়োজনে গ্রাহক সেই চেক ইস্যু করতে পারেন।
- একটি চেক ইস্যুর তারিখ থেকে ছয় মাস মেয়াদে কার্যকর থাকে।
- ওই মেয়াদের মধ্যে তিনবার চেকে উল্লেখিত টাকা পরিশোধের জন্য ব্যাংকের কাছে প্রদান করা যায়।

উৎস: ১২ জুলাই ২০১৭, প্রথম আলো।
১,০২১.
বাংলাদেশের বীমা কোম্পানিসমূহের নিয়ন্ত্রক সংস্থার নাম কী?
  1. IDRA
  2. IDA
  3. SEC
  4. BSEC
ব্যাখ্যা
IDRA:
- IDRAএর পূর্ণরূপ: Insurance Development and Regulatory Authority. 
- ২০১১ সালের ২৬শে জানুয়ারী বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ আইন ২০১০ এর বিধানের অধীনে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ (IDRA) গঠিত হয়েছে।
- বাংলাদেশ সরকার বীমা ব্যবসার বিকাশ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেছে।
- এটি বীমা ব্যবসার তত্ত্বাবধান এবং পলিসি হোল্ডারের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- কর্তৃপক্ষ 'জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪' বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বীমা শিল্পের পদ্ধতিগত উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করছে।
- IDRA একজন চেয়ারম্যান এবং চারজন সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত।

উৎস: বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
১,০২২.
ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০-এ কয়টি ভৌগোলিক হটস্পট নির্ধারণ করা হয়েছে?
ব্যাখ্যা
ব-দ্বীপ পরিকল্পনা:
- ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশের ব-দ্বীপ পরিকল্পনা বা ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি হটস্পট নির্ধারণ করা হয়েছে।

⇒ দুর্যোগ ঝুঁকিপ্রবণ ৬টি হটস্পট:
১. উপকূলীয় অঞ্চল: সাইক্লোনপ্রবণ অঞ্চল- ১৩ টি উপকূলীয় ও ৬ টি নদী বাহিত জেলা।
২. বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল: খরা (মূলত কৃষি)।
৩. হাওর এবং আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল: ৭ টি জেলা।
৪. পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল: পাহাড় ধস ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৫. নদী অঞ্চল এবং মোহনা: বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৬. নগরাঞ্চল: ভূমিকম্প, জলাবদ্ধতা ইত্যাদি।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
১,০২৩.
২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরকার নির্ধারিত 'বয়স্ক ভাতা' জনপ্রতি কত টাকা?
  1. ৫৫০  টাকা
  2. ৬০০ টাকা
  3. ৬৫০ টাকা
  4. ৭০০ টাকা
ব্যাখ্যা

• 'বয়স্ক ভাতা' কর্মসূচি:
- 'বয়স্ক ভাতা' বাংলাদেশ সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- এটি দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ, দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম বা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক নাগরিকদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য চালু করা হয়েছে।
- এর মূল লক্ষ্য হলো বয়স্কদের আর্থ-সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, পরিবার ও সমাজে তাদের মর্যাদা বৃদ্ধি করা, চিকিৎসা ও পুষ্টির সুবিধা বাড়ানো এবং মনোবল জোরদার করা।
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে 'বয়স্কভাতা' কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়।
- পরবর্তীতে দেশের সকল পৌরসভা ও সিটিকর্পোরেশনকে এ কর্মসূচির আওতাভুক্ত করা হয়।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উপকারভোগী ৬১ লক্ষ জন, জনপ্রতি মাসিক ভাতার হার ৬৫০ টাকা এবং বাজেট ৪৭৯১.৩১ কোটি টাকা।
- এটি আগের অর্থবছরের ৬০০ টাকা থেকে বাড়ানো হয়েছে।

তথ্যসূত্র:
i) সমাজসেবা অধিদপ্তর। 
ii) বাসস। 
iii) প্রথম আলো। 

১,০২৪.
দেশে সবচেয়ে দ্রুততম সময়ে ‘ইউনিকর্ন’ স্টার্টআপ কোম্পানি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে -
  1. নগদ
  2. বিকাশ
  3. বাংলালিংক
  4. টেলিটক
ব্যাখ্যা
'ইউনিকর্ন' স্টার্টআপ কোম্পানি ২০২৩:

- একটি স্টার্টআপের সামগ্রিক মূল্যমান ১ বিলিয়ন বা ১০০ কোটি ডলারের সমান হলে তাকে ইউনিকর্ন কোম্পানি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এ ছাড়া কোম্পানির মূল্যমান ১০ বিলিয়ন বা ১ হাজার কোটি ডলার পার হলে তাকে ডেকাকর্ন কোম্পানির মর্যাদা দেওয়া হয়।
- দেশে সবচেয়ে দ্রুততম সময়ে ‘ইউনিকর্ন’ স্টার্টআপ বা ১০ হাজার কোটি টাকার কোম্পানি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান নগদ।
- ২৯ জুলাই ২০২৩ সালে ‘বাংলাদেশ স্টার্টআপ সামিট ২০২৩’ অনুষ্ঠানে নগদকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে এ–বিষয়ক সরকারি স্বীকৃতি ‘ফাস্টেস্ট টু ইউনিকর্ন অ্যাওয়ার্ড’ গ্রহণ করেন নগদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক।
- সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানি ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড’ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২৯ জুলাই ২০২৩।
১,০২৫.
বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঈশ্বরদী, পাবনা
  2. খ) নশিপুর, দিনাজপুর
  3. গ) শিবগঞ্জ, বগুড়া
  4. ঘ) সাভার, ঢাকা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট দিনাজপুর জেলার নশিপুরে অবস্থিত। এটি ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর পূর্বে এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীনে একটি গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে পরিচালিত হয়।
- বর্তমানে এটির অধীনে ৫টি আঞ্চলিক কেন্দ্র ও ২টি বীজ উৎপাদন কেন্দ্র রয়েছে।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট)
১,০২৬.
কোন দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি সবচাইতে বেশি?
  1. ভারত
  2. জাপান
  3. যুুক্তরাজ্য
  4. চীন
ব্যাখ্যা
বাণিজ্যে:
- টাকার অঙ্কে বাংলাদেশ সর্বাধিক পণ্য আমদানি করে চীন থেকে (১৬,১৩৯ মিলিয়ন ডলার)। যা মোট আমদানি বাণিজ্যের প্রায় ২৭.৪৬ শতাংশ। 
- চীনের পর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত (১০,০২৬ মিলিয়ন ডলার), যা মোট আমদানি বাণিজ্যের প্রায় ১৭.৬ শতাংশ। 
- বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্যিক ঘাটতি সবচেয়ে বেশি চীনের এবং দ্বিতীয় ভারত।  
- বাংলাদেশ জাপান থেকে ২,৩৮৬ মিলিয়ন ডলার আমদানি করে যা মোট আমদানি বাণিজ্যের প্রায় ৪.০৬% শতাংশ। ।

অন্যদিকে, 
• দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
• যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
• যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে। 

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।
১,০২৭.
কোনটি প্রত্যক্ষ কর নয়?
  1. ভ্রমণ কর
  2. ভূমি উন্নয়ন কর
  3. মূল্য সংযোজন কর
  4. দানকর
ব্যাখ্যা
- মূল্য সংযোজন কর প্রত্যক্ষ কর নয়। 

পরোক্ষ কর:
- যেসব করের বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয় না তাদের পরোক্ষ কর বলা হয়।

পরোক্ষ করের মধ্যে রয়েছে:
- সম্পূরক শুল্ক,
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক),
- আমদানি শুল্ক,
- আবগারি শুল্ক প্রভৃতি।

প্রত্যক্ষ কর:
- প্রত্যক্ষ কর হলো এরূপ কর যার বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয়।

প্রত্যক্ষ করসমূহ হলো:
দানকর,
- ভূমি উন্নয়ন কর,
- আয়কর,
- ভ্রমণ কর ইত্যাদি।

সূত্র: কর ব্যবস্থা ও নিরীক্ষা শাস্ত্র, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০২৮.
বাংলাদেশের মহিলাদের জন্য করমুক্ত বাৎসরিক ব্যক্তিগত আয়ের সর্বোচ্চ সীমা কত?
  1. ক) ৩,০০,০০০/- টাকা
  2. খ) ৩,৫০,০০০/- টাকা
  3. গ) ৪,০০,০০০/- টাকা
  4. ঘ) ৪,৭৫,০০০/- টাকা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ব্যক্তিগত করমুক্ত আয়সীমা:
- সরকার কর্তৃক ঘোষিত আয় যা অতিক্রম করলে আয়কর প্রদানের জন্য উপযুক্ত বলে বিবেচিত হবেন।
- মহিলা এবং ৬৫ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের ব্যক্তিদের করমুক্ত আয়ের সীমা ৪,০০,০০০/- টাকা।

উৎস: ২০২৩-২৪ জাতীয় বাজেট।

১,০২৯.
বাংলাদেশে ‘হোয়াইট গোল্ড’ নামে পরিচিত কোনটি?
  1. ক) ইলিশ
  2. খ) চিংড়ি
  3. গ) কাঁকড়া
  4. ঘ) তেলাপিয়া
ব্যাখ্যা
রপ্তানির মাধ্যমে অধিক পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করায় বাংলাদেশে চিংড়িকে হোয়াইট গোল্ড নামে অভিহিত করা হয়। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় সবচেয়ে বেশি চিংড়ি চায় হয়। এ অঞ্চলটিকে বাংলাদেশের কুয়েতসিটি বলা হয়।
(সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০১৯)
১,০৩০.
ECNEC-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Economic Committee of National Economy
  2. Executive Committee of the National Economic Council
  3. Economic Council of National Executive
  4. Executive Council of National Economy 
ব্যাখ্যা

ECNEC:
- ECNEC-এর পূর্ণরূপ হলো- Executive Committee of the National Economic Council.
- বাংলায় এটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি হিসেবে পরিচিত।
- এটি বাংলাদেশের একটি প্রধান সরকারি সংস্থা।
- সংস্থাটি দেশের অর্থনৈতিক নীতি প্রণয়ন এবং গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের দায়িত্বে কাজ করে।
- একনেকের সভাপতি সাধারণত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এবং তার অনুপস্থিতিতে অর্থমন্ত্রী সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। 
- এই কমিটি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে। 
- সংস্থাটি দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের তত্ত্বাবধান ও নীতি প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 

- একনেক মূলত এমন প্রকল্প যাচাই ও অনুমোদন করে যেগুলোর বাজেট বড়—
• সরকারি ক্ষেত্রে পাঁচ কোটি টাকার বেশি;
• এবং বেসরকারি ক্ষেত্রে পনের কোটি টাকার বেশি।

- এছাড়া এটি উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করে;
- বেসরকারি ও যৌথ উদ্যোগে বিনিয়োগ যাচাই করে;
- এবং দেশের অর্থনৈতিক নীতিমালার পর্যালোচনা ও প্রয়োগ নিশ্চিত করে।

- একনেককে কখনও কখনও ‘অর্থনৈতিক মিনি-ক্যাবিনেট’ বলা হয়।
- কারণ এটি দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন নিশ্চিত করে।
- দেশের বড় ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি এবং বেসরকারি প্রকল্পের অনুমোদনে একনেকের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

১,০৩১.
বাংলাদেশে কোন অর্থবছর থেকে মূল্য সংযোজন কর চালু করা হয়েছে?
  1. ১৯৮৮-৮৯ অর্থবছর
  2. ১৯৯০-৯১ অর্থবছর
  3. ১৯৯১-৯২ অর্থবছর
  4. ১৯৯২-৯৩ অর্থবছর
ব্যাখ্যা
ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর (Value Added Tax):
- বাংলাদেশে ১৯৯১-৯২ অর্থবছর (১ জুলাই ১৯৯১) থেকে ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর চালু করা হয়েছে
- উৎপাদন ক্ষেত্রে কাঁচামাল থেকে শুরু করে চূড়ান্ত দ্রব্য উৎপাদন পর্যন্ত বেশ কয়েকটি স্তর অতিক্রম করতে হয়।
- উৎপাদনের এরূপ বিভিন্ন ভরে যে মূল্য সংযোজিত হয় তার উপর একটি নির্দিষ্ট যায়ে যে কর আরোপ করা হয়, তাকে মূল্য সংযোজন কর (Value Added Tax- VAT) বলে।
- বাংলাদেশের রাজস্ব আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস হলো মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট)।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR)-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোট রাজস্ব আয়ের প্রায় অর্ধেক আসে ভ্যাট থেকে।
- আমদানি শুল্ক এবং আয়করও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তবে ভ্যাটের অবদান তুলনামূলকভাবে বেশি।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) এবং অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,০৩২.
মূসক হলো এক প্রকার-
  1. ক) প্রত্যক্ষ কর
  2. খ) পরোক্ষ কর
  3. গ) আয়কর কর
  4. ঘ) সম্পদ কর
ব্যাখ্যা
• মূসক হলো স্বনির্ধারণী পরোক্ষ কর

• সরবরাহকৃত পণ্য বা সেবার ওপর প্রদেয় করের বিপরীতে উপকরণ কর সমন্বয় করে পণ্য বা সেবার মূল্যস্তরের প্রকৃত সংযোজনের ওপর আরোপিত করই ঐ পণ্য বা সেবার মূল্য সংযোজন কর বা মূসক।
- করযোগ্য আমদানি এবং করযোগ্য সরবরাহের ওপর মূসক আরোপিত হয়। 
- আইনের প্রথম তফসিলে বর্ণিত অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্য ও সেবা ব্যতীত সকল পণ্য ও সেবার উপর ১৫ শতাংশ হারে মূসক আরোপিত হবে।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে ১ জুলাই মূল্য সংযোজন কর চালু হয়।

সূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ।
১,০৩৩.
হিসাবকাল নীতি অনুসারে কোন হিসাবগুলো বছর শেষে বন্ধ করে দিতে হয়?
  1. ক) সম্পত্তি হিসাব
  2. খ) দায় হিসাব
  3. গ) আয়-ব্যয় হিসাব
  4. ঘ) স্বত্বাধিকার
ব্যাখ্যা
- হিসাবকাল নীতি অনুসারে যে হিসাবগুলো বছর শেষে বন্ধ করে দেওয়া হয় তা হলো আয়-ব্যয় হিসাব।

- আয় হিসাব: আয় হিসাবে বিভিন্ন আয়ের উৎস থেকে আদায়, প্রাপ্তির বিবরণ রেকর্ড রাখা হয়। এটি ব্যবসায়িক কার্যক্রমের প্রতিবিম্বকে প্রদর্শন করে। সাধারণভাবে এই হিসাবগুলো বছরের শেষে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

- ব্যয় হিসাব: ব্যবসায়ে বিভিন্ন খরচের উৎস, খরচের বিবরণ, খরচের পরিমাণ রেকর্ড রাখা হয়। এটি ব্যবসায়ের খরচ পরিচালনা করার জন্য মূলনীতি হয়। বছরের শেষে এই হিসাবগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়।

উৎস: এইচএসসি হিসাববিজ্ঞান ১ম পত্র। 
১,০৩৪.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবহারকারী-
  1. ক) ৯৮.৩ শতাংশ
  2. খ) ৯৫.৬ শতাংশ
  3. গ) ৮১.৫ শতাংশ
  4. ঘ) ৮৮.১ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে,
- সুপেয় পানি গ্রহণকারী ৯৮.৩ শতাংশ।
- স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহারকারী ৮১.৫ শতাংশ।
- মোট প্রজনন হার (প্রতি ১৫-৪৯ বৎসর বয়সী মহিলা) ২.০৪ শতাংশ।
- জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারের হার ৬৩.৯ শতাংশ।
১,০৩৫.
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক 'বাংলাদেশ ব্যাংক'-এর  প্রথম গভর্নর কে ছিলেন?
  1. এ কে নাজিরউদ্দীন আহমেদ
  2. এ টি এম শামসুল হুদা
  3. আ ন ম হামিদুল্লাহ
  4. এম নুরুল ইসলাম
  5. লুৎফর রহমান সরকার
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ব্যাংক:
- একটি দেশের সবচেয়ে বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠান দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক। 
- বাংলাদেশ ব্যাংক আমাদের প্রধান আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বোচ্চ পদ হচ্ছে গভর্নর।
- স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত মোট ১৩ জন গভর্নর দায়িত্ব পালন করেছেন।
- বাংলাদেশ ব্যাংক-এর বর্তমান ও ১৩তম গভর্নর হলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. আহসান এইচ মনসুর।

• প্রথম গভর্নর:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর ছিল আ ন ম হামিদুল্লাহ।
- ব্যক্তিজীবনে তিনি ছিলেন একজন ব্যাংকার।
- গভর্নর হওয়ার আগে পাকিস্তানের ইস্টার্ন ব্যাংকিং করপোরেশনের (বর্তমান উত্তরা ব্যাংক) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন।
- বাংলাদেশ ব্যাংকে গভর্নর হিসেবে আ ন ম হামিদুল্লাহ ১৯৭২-১৯৭৪ পর্যন্ত দায়িত্বরত ছিলেন।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

১,০৩৬.
'দারিদ্র্য নির্মূল' SDG এর কত নং লক্ষমাত্রা?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- SDG - এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য।
- SDGs-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল। এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) এর আওতায় ১৬৯টি টার্গেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 

লক্ষ্যমাত্রাসমূহ হলো:
- দারিদ্র্য নির্মূল
- ক্ষুধামুক্তি
- সুস্বাস্থ্য
- মানসম্মত শিক্ষা
- লিঙ্গ সমতা
- বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন
- সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি
- উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
- শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো
- বৈষম্য হ্রাস
- টেকসই শহর ও জনগণ
- পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন
- জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ
- সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান
- স্থলভাগের জীবন
- শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং
- অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।

উৎস: SDG ওয়েবসাইট।
১,০৩৭.
GDP এর সাময়িক হিসাব ২০২২-২৩ অনুসারে, বাংলাদেশের মাথাপিছু GDP কত?
  1. ক) ২৬৮৭ মা. ড.
  2. খ) ২৬৫৭ মা. ড.
  3. গ) ২৭৬৫ মা. ড.
  4. ঘ) ২৮৯৩ মা. ড.
ব্যাখ্যা
• GDP এর সাময়িক হিসাব ২০২২-২৩ অনুসারে,
- বাংলাদেশের মাথাপিছু GDP- ২,৬৫৭ (মার্কিন ডলার)। 
- বাংলাদেশেরমাথাপিছু জাতীয় আয় (GNI)- ২৭৬৫ (মার্কিন ডলার)। 

• বাংলাদেশে পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে,
- ২০২১-২২ অর্থবছরে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৭ দশমিক ১ শতাংশ।
- সেই সঙ্গে মাথাপিছু আয় ছিল ২ হাজার ৭৯৩ ডলার।
- গত বছরের সাময়িক হিসাবে যা ছিল ২ হাজার ৮২৪ ডলার।

তথ্যসূত্র:  প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট- ১১ মে, ২০২৩,  লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জুন ২০২৩। 
১,০৩৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুযায়ী বাংলাদেশের উৎপাদনরত গ্যাসক্ষেত্র কয়টি?
  1. ক) ২৮টি
  2. খ) ২০টি
  3. গ) ২৩টি
  4. ঘ) ১৮টি
ব্যাখ্যা
• অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুযায়ী,
- বাংলাদেশের আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র ২৮টি। সর্বশেষ আবিষ্কৃত ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র জকিগঞ্জ, সিলেট।
- বাংলাদেশের উৎপাদনরত গ্যাসক্ষেত্র ২০টি

[উৎস:অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২]
১,০৩৯.
বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা -
  1. ক) ১০টি
  2. খ) ৯টি
  3. গ) ৮টি
  4. ঘ) ৭টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো বাংলাদেশ ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার-১৯৭২ এর অধীনে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- প্রধান কার্যালয় ব্যতীত এর আরও দশটি শাখা রয়েছে।
- এগুলো হলো:
- মতিঝিল, ঢাকা, সদরঘাট, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, রাজশাহী, বগুড়া, খুলনা, ময়মনসিংহ, রংপুর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে, যেটি বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমি নামে পরিচিত।
- প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১,০৪০.
ডাচ বাংলা ব্যাংক পরিচালিত মোবাইল ব্যাংকিং সেবা -
  1. বিকাশ
  2. নগদ
  3. রকেট
  4. উপায়
ব্যাখ্যা

মোবাইল ব্যাংকিং:
- মোবাইল ব্যাংকিং বলতে মূলত মোবাইল টেলিযোগাযোগ ডিভাইসের সাহায্যে ব্যাংকিং ও আর্থিক সুবিধাকে বোঝায়।
- এর সাহায্যে মোবাইলেই ব্যাংকিংয়ের সব সুবিধা পাওয়া যায়।
- ১৯৯৯ সালে স্মার্টফোনের আবির্ভাবের পর ইউরোপীয় ব্যাংকগুলো তাদের গ্রাহকদের প্রথম মোবাইল ব্যাংকের সুবিধা প্রদান করে।
- বাংলাদেশে ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংক লিমিটেড সর্বপ্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করেছিল।
- চালু হয়: ৩১শে মার্চ, ২০১১ সাল।
- ডাচ বাংলা ব্যাংক পরিচালিত মোবাইল ব্যাংকিং সেবা: রকেট।
- ২০১১ সালে যখন প্রথম এই মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবা চালু হয়েছিলো তখন এটি বাংলালিংক এবং সিটিসেল মোবাইল অপারেটর এর ‘এজেন্ট’ এবং ‘নেটওয়ার্ক’ সহায়তা গ্রহণ করার মাধ্যমেই পথচলা শুরু করে।

⇒ উল্লেখ্য:
- ২০১১ সালে ব্র্যাক ব্যাংকের অঙ্গসংগঠন হিসেবে দ্বিতীয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা হিসেবে বিকাশের (BKASH) আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- ব্যাংক ছাড়াও ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ থেকে পরিচালিত নগদ মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু হয়।
- মোবাইল ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান 'বিকাশ'।

তথ্যসূত্র - ডাচ-বাংলা ব্যাংক ওয়েবসাইট।

১,০৪১.
নিচের কোনটি পরোক্ষ করের উদাহরণ?
  1. সম্পদ কর
  2. ভূমি রাজস্ব
  3. আয়কর
  4. বিক্রয় কর
ব্যাখ্যা

• কর:
- কর সরকারি রাজস্বের প্রধান উৎস। বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে করের শ্রেণি বিভাগ করা যায়।
যেমন:

​• প্রত্যক্ষ কর:
- যে কর প্রথমে যার উপর ধার্য করা হয় চুড়ান্তভাবে তাকেই পরিশোধ করতে হয় তাকে প্রত্যক্ষ কর বলা হয়।
- অর্থাৎ এ কর কোনোভাবেই অন্যের উপর চাপানো যায় না।
যেমন:
- আয়কর, ভূমি রাজস্ব, সম্পদ কর প্রভৃতি।

• পরোক্ষ কর:
- কোনো ব্যক্তির উপর কর ধার্য করা হলে সে যদি করের ভার অন্যের উপর চাপাতে পারে তাকে বলা হয় পরোক্ষ কর।
- এরূপ করের বোঝা প্রাথমিকভাবে একজন বহন করলেও পরে তা অন্যের উপর চাপাতে পারে।
যেমন:
- ভ্যাট, বিক্রয় কর, আমদানী শুল্ক প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র: কর ব্যবস্থা ও নিরীক্ষা শাস্ত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৪২.
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা মেয়াদান্তে গড় প্রবৃদ্ধি কত হবে?
  1. ৯.২%
  2. ৯.৪%
  3. ৯.৬%
  4. ৯.৯%
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা: 
- রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নের জন্যে বাংলাদেশ সরকার ২০২১-২০৪১ মেয়াদে ২০ বছর মেয়াদী দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
- এই পরিকল্পনায় ২০৩১ সালে দেশের গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯ শতাংশ এবং ২০৪১ সালে গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯.৯ শতাংশ।
- এই পরিকল্পনায় ২০৩১ সালে দেশের চরম দারিদ্রসীমা হবে ২.৩% এবং ২০৪১ সালে  চরম দারিদ্র সীমা হবে ১%এর কম। 
- দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মূললক্ষ্য ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা।

সূত্র: পরিকল্পনা কমিশন।
১,০৪৩.
জিডিপিতে কোন খাতের অবদান ক্রমহ্রাসমান?
  1. ক) নির্মাণ
  2. খ) শিল্প
  3. গ) খনিজ
  4. ঘ) কৃষি
ব্যাখ্যা
- অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত শিল্পখাত। জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৭.০৭ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ১০.৪৪%।
- অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম। জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১১.৫০ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ২.২০%।
- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.৪৪ শতাংশ‌ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৬.৩১ শতাংশ।
- সার্বিকভাবে অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান ক্রমবর্ধমান।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।
১,০৪৪.
দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন বাংলাদেশ কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮৮ সালে
  2. ১৯৯৮ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা
দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন বাংলাদেশ :
-বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক ১৯৮১ সনে ‘সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস’ নামে একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে।
- ১৯৮৩ সনে একনেক (ECNEC) কর্তৃক অনুমোদিত হয়।
- বাংলাদেশ সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস গাজীপুরে ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ।
- ১৯৮৮ সনে পরীক্ষামূলকভাবে ১ টাকা মূল্যমানের কারেন্সি নোট এবং ১০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোট মুদ্রণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম কাগজি মুদ্রা উৎপাদন শুরু হয়।
- নোট উৎপাদনের পাশাপাশি ১৯৮৯-১৯৯০ সন থেকে , প্রাইজবন্ড, সঞ্চয়পত্র, স্মারক ডাকটিকিট, ইনভেলাপ, পোস্ট কার্ড, সরকারি ট্রেজারি বন্ড, পোস্টাল স্ট্যাম্প, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প, রেভিনিউ স্ট্যাম্প, সিগারেট ট্যাক্স-লেবেল, বিড়ি-ব্যান্ডরোল, বাণিজ্যিক ব্যাংকের চেকবই, সরকারি ও বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তামূলক ট্যাক্স-টোকেন, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার নম্বরপত্র ও সনদপত্রের ফরমেট, বীজ প্রত্যয়ন ট্যাগ, বিআইডব্লিউটিএ এর টার্মিনাল টিকেট, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর জিএসপি ফরম, গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন পেপার সিল ইত্যাদি মুদ্রণ করা হয়েছে এবং হচ্ছে।
-এই প্রতিষ্ঠানটি সাধারণ জনগণের নিকট ‘টাকশাল’ নামে সর্বাধিক পরিচিত। 
-দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেড-এর সংক্ষিপ্ত রূপ ‘এসপিসিবিএল’ বা ‘এসপিসি’ নামেও  পরিচিত।

উৎস: spcbl
১,০৪৫.
২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত 'বয়স্ক ভাতা' জনপ্রতি কত টাকা? 
  1. ৫৫০ টাকা
  2. ৬০০ টাকা
  3. ৬৫০ টাকা
  4. ৭০০ টাকা
ব্যাখ্যা

• 'বয়স্ক ভাতা' কর্মসূচি:
- 'বয়স্ক ভাতা' বাংলাদেশ সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- এটি দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ, দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম বা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক নাগরিকদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য চালু করা হয়েছে।
- এর মূল লক্ষ্য হলো বয়স্কদের আর্থ-সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, পরিবার ও সমাজে তাদের মর্যাদা বৃদ্ধি করা, চিকিৎসা ও পুষ্টির সুবিধা বাড়ানো এবং মনোবল জোরদার করা।
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে 'বয়স্কভাতা' কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়।
- পরবর্তীতে দেশের সকল পৌরসভা ও সিটিকর্পোরেশনকে এ কর্মসূচির আওতাভুক্ত করা হয়।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উপকারভোগী ৬১ লক্ষ জন, জনপ্রতি মাসিক ভাতার হার ৬৫০ টাকা এবং বাজেট ৪৭৯১.৩১ কোটি টাকা।
- এটি আগের অর্থবছরের ৬০০ টাকা থেকে বাড়ানো হয়েছে।

তথ্যসূত্র:
i) সমাজসেবা অধিদপ্তর। 
ii) বাসস। 
iii) প্রথম আলো। 

১,০৪৬.
ECNEC-এর পূর্ণরূপ -
  1. The Executive Committe of the National Economic Council
  2. The Executive Committee of the National Economical Council
  3. The Executive Committee of the National Economic Council
  4. The Executive Council of the National Economic Committee
ব্যাখ্যা
ECNEC:
- ECNEC-এর পূর্ণরূপ: The Executive Committee of the National Economic Council.
- জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) সরকারের দ্বিতীয় শক্তিশালী কমিটি।
- এটি ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর সভাপতি দেশটির প্রধানমন্ত্রী।
- অর্থমন্ত্রী এর বিকল্প চেয়ারম্যান বা সভাপতি।
- এ কমিটির সদস্যগণ সরকার প্রধান কর্তৃক মনোনীত হয়ে থাকেন।

⇒ নিম্নোক্ত মন্ত্রীদের মধ্য থেকে কমিটির সদস্য মনোনয়ন দেয়া হয়:
• স্থানীয় সরকার পলী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী,
• শিক্ষা মন্ত্ৰী,
• প্রযুক্তি মন্ত্ৰী,
• পানি সম্পদ মন্ত্রী,
• শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্ৰী,
• ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্ৰী,
• কৃষি, খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী এবং,
• পরিকল্পনা মন্ত্রী।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
১,০৪৭.
বাংলাদেশে কোনটি সরকারি নােট নয়?
  1. ক) ২ টাকা
  2. খ) ১০ টাকা
  3. গ) ১ টাকা
  4. ঘ) ৫ টাকা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- ব্যাংক নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।

বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট।
- এসব নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে আর এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।
১,০৪৮.
বাংলাদেশে এজেন্ট ব্যাংকিং প্রথম চালু করে- 
  1. ডাচ বাংলা ব্যাংক
  2. ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
  3. পূবালী ব্যাংক পিএলসি
  4. ইসলামী ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা

এজেন্ট ব্যাংকিং:
- বাংলাদেশে এজেন্ট ব্যাংকিং প্রথম চালু করে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি।
- বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১৩ সালের ৯ ডিসেম্বর এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি নীতিমালা জারি করে।
- এই নীতিমালার ভিত্তিতে ব্যাংক এশিয়া ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু করে।
- তাই এই দিনটিকে "এজেন্ট ব্যাংকিং দিবস" হিসেবে পালন করা হয়।
- দেশের প্রথম এজেন্ট আউটলেট স্থাপিত হয় মুন্সীগঞ্জ জেলার জৈনসার ইউনিয়নে।
- এজেন্ট ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে সহজে এবং সাশ্রয়ীমূল্যে ব্যাংকিং সেবা প্রদান সম্ভব হয়েছে। প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠী এতে উপকৃত হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বে প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং চালু হয়েছিল ১৯৯৯ সালে ব্রাজিলে।

 উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

১,০৪৯.
নিচের কোনটি বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক প্রকল্প অনুমোদন সংক্রান্ত সর্বোচ্চ নির্বাহী কমিটি?
  1. ক) বিএসইসি
  2. খ) এনইসি
  3. গ) একনেক
  4. ঘ) নিকার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক প্রকল্প অনুমোদন সংক্রান্ত সর্বোচ্চ নির্বাহী কমিটি হলো ECNEC (Executive Committee of the National Economic Council)। এটি ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
ECNEC এর চেয়ারপার্সন হলেন প্রধানমন্ত্রী এবং বিকল্প চেয়ারপার্সন অর্থমন্ত্রী।

অন্যদিকে,
NEC (National Economic Council) হলো জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল
BSEC (Bangladesh Securities and Exchange Commission) হলো বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন
NICAR (National Implementation Committee for Administrative Reform) হলো প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসজনিত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি।

(তথ্যসূত্র: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট)
১,০৫০.
বিবিএস-এর সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার -
  1. ৩.৩৩%
  2. ৩.৯৭%
  3. ৪.২২%
  4. ৪.৪৭%
ব্যাখ্যা

GDP প্রবৃদ্ধি:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব প্রাক্কলন করা হয়েছে।
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৯৭%।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।

⇒ সর্বশেষ (মে, ২০২৫) ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব অনুসারে -
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ১.৭৯%।
- শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৩৪।
- সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৫১%।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।

১,০৫১.
দুর্বল ব্যাংকের কার্যক্রম পরিচালিত করার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গঠনকৃত ব্যবস্থার নাম কী? [জুলাই, ২০২৫]
  1. সেভিংস ব্যাংক
  2. ব্রিজ ব্যাংক
  3. ক্রেডিট ব্যাংক
  4. ক্যাপিটাল ব্যাংক
ব্যাখ্যা
ব্রিজ ব্যাংক (Bridge Bank):
- ব্রিজ ব্যাংক আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল।
- যা আর্থিক সংকটে থাকা ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে অস্থায়ীভাবে সচল এবং স্থায়ী সমাধানের আগ পর্যন্ত তাদের কার্যক্রম ও গ্রাহকদের সেবা প্রদান অব্যাহত রাখে।
- এটি মূলত একটি অস্থায়ী সেতু, যা ব্যাংকিং ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
- ৯ মে, ২০২৫ জারিকৃত ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ এ ব্রিজ ব্যাংকের বিধান যুক্ত করা হয়েছে।
- ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম ও কার্যকর পরিচালনা অব্যাহত রাখতে এক বা একাধিক ব্রিজ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করতে পারবে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- এই আইনে একটি 'ব্রিজ ব্যাংক' সম্পদ চূড়ান্তভাবে হস্তান্তরের তারিখ থেকে দুই বছরের বেশি পরিচালনা করতে পারবে না।
- এরপর বাংলাদেশ ব্যাংক 'ব্রিজ ব্যাংক' বিলুপ্ত করে অন্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সেই ব্যাংককে একীভূত করে দেওয়া বা এর সম্পদ ও আইনগত অধিকার তৃতীয় পক্ষের কাছে বিক্রি করতে পারবে।

তথ্যসূত্র- ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ, ২০২৫।
১,০৫২.
বাংলাদেশ সরকার গৃহীত দ্বিতীয় দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্রের মেয়াদ কোনটি?
  1. ক) ২০০৫-২০০৮
  2. খ) ২০০৯-২০১১
  3. গ) ২০০৮-২০১১
  4. ঘ) ২০০৬-২০০৯
ব্যাখ্যা
• 'PRSP' এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Poverty Reduction Strategy Papers (দারিদ্র বিমোচন কৌশলপত্র)।
• আইএমএফের নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার গৃহীত দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র হচ্ছে PRSP।
• বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ থেকে ২০০৮ সালে প্রথম এবং ২০০৯ থেকে ২০১১ সালে দ্বিতীয় দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে।
• এটি প্রণয়ন করে পরিকল্পনা কমিশন।
• উল্লেখ্য ২০০২ সালে বিশ্ব ব্যাংক দরিদ্র দেশগুলোর দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসকারী নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে PRSP প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে।

তথ্যসূত্র: IMF ও পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
১,০৫৩.
বাংলাদেশ কত সালে জাতিসংঘের LDC তালিকা থেকে উত্তরণ করবে?
  1. ক) ২০২১ সালে
  2. খ) ২০২৪ সালে
  3. গ) ২০৩৩ সালে
  4. ঘ) কখনোই নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ২০১৮ সালে প্রথমবারের মত LDC তালিকা থেকে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করে। অর্জিত লক্ষ্যসমূহ ২০২১ সাল পর্যন্ত অক্ষুন্ন থাকলে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিক ভাবে এলডিসি তালিকা থেকে বের হয়ে যাবে।
জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন প্রথম ১৯৭১ সালে বিশ্বের সর্বাধিক অনুন্নত দেশসমূহ নিয়ে এলডিসি তালিকা প্রণয়ন করে।
বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে LDC তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয় । বর্তমানে এলডিসি তালিকায় ৪৬টি দেশ রয়েছে। এ পর্যন্ত মোট ৫টি দেশ LDC তালিকা থেকে উত্তরণ করতে সমর্থ হয়েছে।
উৎসঃ জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
১,০৫৪.
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সদস্য -
  1. অর্থমন্ত্রী
  2. বাণিজ্য মন্ত্রী
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. পরিকল্পনা মন্ত্রী
ব্যাখ্যা
ECNEC:
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)।
- ECNEC এর পূর্ণরূপ Executive Committee of the National Economic Council.
- একনেক গঠিত হয়: ১৯৮২ সালে।
- এর চেয়ারম্যান বা প্রধান: প্রধানমন্ত্রী/ বর্তমানে প্রধান উপদেষ্টা।
- অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সালেহ উদ্দিন আহমেদকে ভাইস চেয়ারপারসন। 
- পরিকল্পনা ও শিক্ষা উপদেষ্টা ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ। 

- কমিটির সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন পরিকল্পনা ও শিক্ষা উপদেষ্টা ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ, আইন, প্রবাসী কল্যাণ ও সংস্কৃতি উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা হাসান আরিফ, স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর চৌধুরী (অবসরপ্রাপ্ত), শিল্প ও গৃহায়ন উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সাথে সংযুক্ত উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার, বিদ্যুৎ, সেতু ও রেলপথ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফৌজুল কবির খান, পরিবেশ, বন, জলবায়ু পরিবর্তন ও পানিসম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম এবং যুব ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

উৎস- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা ।
১,০৫৫.
বাংলাদেশে তফশিলভুক্ত কয়টি বিদেশী ব্যাংক আছে?
  1. ৭টি
  2. ৯টি
  3. ১০টি
  4. ১৩টি
ব্যাখ্যা

তফসিলী ব্যাংক:
- যে ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকাভুক্ত হয়ে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত নিয়ম-নীতি মেনে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে, তাকে তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে।
- বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।

⇒ বিদেশি ব্যাংক:
১. ব্যাংক আল-ফালাহ্ লিমিটেড,
২. কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন,
৩. হাবিব ব্যাংক লিমিটেড,
৪. সিটিব্যাংক এনএ,
৫. ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান,
৬. হংকং এন্ড সাংহাই ব্যাংকিং কর্পোরেশন লিমিটেড (যুক্তরাজ্য),
৭. স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া,
৮. স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক,
৯. উরি ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

১,০৫৬.
১৯তম ICLS গাইডলাইন অনুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমানে বেকারত্বের হার কত? [জুন, ২০২৫]
  1. ৩.৬৩ শতাংশ
  2. ৪.৬৩ শতাংশ
  3. ৫.৬৩ শতাংশ
  4. ৬.৬৩ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বেকারত্বের হার:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রকাশিত ত্রৈমাসিক  শ্রমশক্তি জরিপের (অক্টোবর-ডিসেম্বর) প্রান্তিকের তথ্য বলছে,
- ১৯তম আইসিএলএস অনুযায়ী দেশে বর্তমানে বেকারত্বের হার ৪.৬৩ শতাংশ।
- ডিসেম্বর শেষে ১৯তম আইসিএলএস অনুযায়ী দেশের বেকার জনগোষ্ঠী বেড়ে ২৭ লাখ ৩০ হাজারে দাঁড়িয়েছে।
- গত বছরের একই সময়ে তা ছিল ২৪ লাখ। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে দেশে বেকার বেড়েছে ৩ লাখ ৩০ হাজার। 

উল্লেখ্য,
- ১৩তম আইসিএলএসে ডিসেম্বর শেষে দেশের বেকারত্বের হার ৩.৬৯ শতাংশ। 
- যারা বিগত ৭ দিন সময়ে কমপক্ষে ১ ঘণ্টা বেতন, মজুরি বা মুনাফার বিনিময়ে অথবা পরিবারের নিজস্ব ভোগের জন্য পণ্য উৎপাদনমূলক কাজ করেছেন, তারাই মূলত আইএলও এর ১৩তম গাইডলাইন অনুযায়ী কর্মে নিয়োজিত হিসেবে বিবেচিত।
- তবে ১৯তম আইসিএলএস অনুযায়ী, যারা বিগত ৭ দিন সময়ে কমপক্ষে ১ ঘণ্টা বেতন, মজুরি বা মুনাফার বিনিময়ে কাজ করেছেন, তারাই মূলত আইএলও এর ১৯তম গাইডলাইন অনুযায়ী কর্মে নিয়োজিত হিসেবে বিবেচিত হন।
- তাই, ১৩তম এবং ১৯তম আইসিএলএস অনুযায়ী প্রাক্কলনে শ্রমবাজারের সূচকসমূহের (শ্রমশক্তি, কর্মে নিয়োজিত, বেকারত্বের হার, শ্রমশক্তির বাহিরে অবস্থিত জনগোষ্ঠি, শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণের হার) ফলাফল পৃথক হয়।

উৎস: The Business Standard.
১,০৫৭.
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) অনুমোদিত বাংলাদেশ ব-দ্বীপ মহাপরিকল্পনা কত বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে?
  1. ৬০ বছর
  2. ৮০ বছর
  3. ১০০ বছর
  4. ১২০ বছর
ব্যাখ্যা
ব-দ্বীপ মহাপরিকল্পনা:
- ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে: বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।
- ২০২০ সালের ১ জুলাই ১২ সদস্যের এই কাউন্সিল গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
- ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এই মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে ৮০টি প্রকল্প।

⇒ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে দেশের আটটি হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করে প্রতিটি অঞ্চলের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির মাত্রার উপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
- একই ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির সম্মুখীন জেলাসমূহকে একেকটি গ্রুপের আওতায় আনা হয়েছে যাকে "হটস্পট" (পানি ও জলবায়ু উদ্ভূত প্রায় অভিন্ন সমস্যাবহুল অঞ্চল) হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
১,০৫৮.
উত্তরবঙ্গ কাগজ কল - প্রধান কাঁচামাল হিসাবে নিচের কোনটি ব্যবহার করে থাকে?
  1. ক) নল খাগড়া ও ঘাস
  2. খ) গেওয়া কাঠ
  3. গ) আখের ছোবরা
  4. ঘ) বাঁশ ও খর
ব্যাখ্যা

North Bengal Paper Mill was established in 1966 on 133 acres of land on the bank of the River Padma near Hardinge Bridge.
It started production in 1975. Despite its production capacity of 15000 tons per month, it was closed on December 30 in 2002, leaving around 1100 people unemployed.
''Sugarcane bagasse'', used as raw materials for producing paper, is available in the region. But the industry incurred losses due to government policy and some managerial faults. Production cost of each ton of paper was around Tk 42000 but it was sold at Tk 40000 per ton. Immediately after the closing of the mill, the price of paper shot up to Tk 70000 in the market.
Source: e-prothom alo archive (2014)

১,০৫৯.
পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) পাবনা
  2. খ) ফরিদপুর
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা
২০২০-২০২১ অর্থবছরে দেশে মোট পাট উৎপাদন হয় ৭৭.২৫ লক্ষ বেল।

পাট উৎপাদনে শীর্ষ তিন জেলা:

- প্রথম : ফরিদপুর (৭.৩৮ লক্ষ বেল)
- দ্বিতীয় : পাবনা (৫.১২ লক্ষ বেল)
- তৃতীয় : কুষ্টিয়া (৪.৯৪ লক্ষ বেল)।

(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২১)
১,০৬০.
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রধান কে? (জুন-২০২৫)
  1. আশিক চৌধুরী
  2. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ
  3. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
  4. আনু মুহাম্মদ
ব্যাখ্যা
শ্বেতপত্র:
- শ্বেতপত্র হলো কোনো বিশেষ বিষয়ে জনগণ বা পার্লামেন্টকে অবহিত করার জন্য সরকারি বিবরণী।
 - দেশের বিদ্যমান অর্থনীতির সামগ্রিক চিত্র থাকার পাশাপাশি অর্থনৈতিক বিষয়ে সরকারের কৌশলগত পদক্ষেপ, জাতিসংঘের টেকসই অভীষ্ট (এসডিজি) বাস্তবায়ন ও বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে করণীয় বিষয়ের প্রতিফলন থাকবে।
- দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়েছে।

• শ্বেতপত্রে ছয়টি ক্ষেত্রে আলোকপাত করা হবে।
এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা।
সেই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ সম্পদ, সরকারি ব্যয় (সরকারি বিনিয়োগ, এডিপি, ভর্তুকি ও ঋণ) ঘাটতি বাজেট অর্থায়ন বিষয়াদি থাকবে।
এ ছাড়া মূল্যস্ফীতি ও খাদ্য ব্যবস্থাপনার মধ্যে থাকবে উৎপাদন, সরকারি কেনাকাটা ও খাদ্য বিতরণ এবং বাহ্যিক ভারসাম্যের মধ্যে থাকবে রপ্তানি, আমদানি, প্রবাসী আয়, সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই), বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, বিদেশি অর্থায়নের প্রভাব ও ঋণ।

উৎস: প্রথম আলো {লিংক}
১,০৬১.
দেশে প্রথমবারের মতো 'টাকা দিবস' পালিত হয় কত তারিখ?
  1. ১ মার্চ, ২০২১ সালে
  2. ২ মার্চ, ২০২১ সালে
  3. ৩ মার্চ, ২০২১ সালে
  4. ৪ মার্চ, ২০২১ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা:

- ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ প্রথমবারের মতো স্বাধীন বাংলাদেশের নিজস্ব ১ ও ১০০ টাকার ব্যাংক নোটের প্রচলন হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশের মুদ্রার নাম রাখা হয় টাকা। বিশ্বের কয়েকটি দেশের মুদ্রার নাম একই ধরনের। তবে বাংলাদেশের মুদ্রা হিসেবে টাকা নামটি স্বতন্ত্র।
- ৪ মার্চ ১৯৭২ তারিখে প্রকাশিত দুটি ব্যাংক নোট ভারতের সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস থেকে ছাপানো হয়। ১ টাকার ও ১০০ টাকার নোট।
- ১ টাকার নকশায় বাংলাদেশের মানচিত্র ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ কথাটি স্থান পায় এবং তাতে স্বাক্ষর করেছিলেন সে সময়ের অর্থসচিব কে এ জামান।
- ১০০ টাকার নকশায় দেখা যায় বাংলাদেশের মানচিত্র ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি এবং তাতে লেখা থাকে বাংলাদেশ ব্যাংক। ১০০ টাকার ব্যাংক নোটটি বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রথম গভর্নর এ এন হামিদ উল্ল্যাহ্ স্বাক্ষরিত।
- ৪ মার্চ, ২০২১ সালে প্রথমবারের মতো পালিত হয়েছে 'টাকা দিবস'।

তথ্যসুত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ০৪ মার্চ, ২০২১।
১,০৬২.
রাজস্ব নীতির হাতিয়ারসমূহের অন্তর্ভুক্ত নয়-
  1. কর
  2.  ব্যাংক হার 
  3. ভর্তুকি
  4. সরকারি ব্যয়
ব্যাখ্যা

- রাজস্ব নীতির হাতিয়ারসমূহের অন্তর্ভুক্ত নয়-  ”ব্যাংক হার”।
- ”ব্যাংক হার” হল আর্থিক নীতির হাতিহায় বা উপকরণ।

• ব্যাংক হারের পরিবর্তন:
- ব্যাংক হার বলতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক আরোপিত একটি সুদের বাট্টার হার বোঝায়।
- এর ভিত্তিতে বাণিজ্যিক ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিকট থেকে ঋণ নিতে পারে, 
- ব্যাংক হার বাড়লে বাণিজ্যিক ব্যাংক হারের সুদের হার বাড়ে।
- তখন বাণিজ্যিক ব্যাংক কর্তৃক প্রদত্ত ঋণ পরিমাণ সংকুচিত হয়ে আসে। অর্থাৎ অর্থের যোগান তখন কমে আসে।
- আবার ব্যাংক হার কমিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকে ঋণ প্রসারে সুযোগ করে দেয় তখন অর্থের যোগানও বাড়ে।
- কাজেই আর্থিক নীতির একটি অন্যতম উপকরণ হিসেবে ব্যাংক হার বিবেচিত হয়।

• রাজস্ব নীতির হাতিয়ার:
- রাজস্ব নীতির উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য যে সকল পদ্ধতি অবলম্বন করা হয় সেগুলোকে রাজস্ব নীতির উপকরণ বা হাতিয়ার বলা হয়।

• নিম্নে রাজস্ব নীতির হাতিয়ারসমূহ:
১. সরকারি ব্যয়;
২. কর;
৩. সরকারি ঋণ;
৪. ভর্তুকি;
৫.হস্তান্তর ব্যয়;
৬. বাধ্যতামূলক সঞ্চয়;

উৎস: ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতি, এমবিএ প্রোগ্রম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৬৩.
আমদানি-রপ্তানিকৃত পণ্যের উপর ধার্যকৃত করকে কী বলা হয়?
  1. ট্যারিফ
  2. ভ্যাট
  3. লেটার অব ক্রেডিট
  4. জিএসটি
ব্যাখ্যা

ট্যারিফ (Tariff):
- আমদানি-রপ্তানিকৃত পণ্যের উপর ধার্যকৃত করকে শুল্ক (Customs Duty বা Tariff) বলা হয়।
- এটি সরকার কর্তৃক আমদানি এবং রপ্তানি পণ্যের উপর আরোপিত কর।
- এটি সাধারণত আমদানি শুল্ক (Import Duty) হিসেবে বেশি পরিচিত।
- উল্লেখ্য, রপ্তানি শুল্ক (Export Duty) কম দেশেই থাকে।

অন্যদিকে, 
- প্রত্যয়পত্র (Letter of Credit / LC); ব্যাংক আমদানিকারকের পক্ষে এবং রপ্তানিকারকের অনুকূলে আমদানিকৃত পণ্যের মূল্য পরিশোধের নিশ্চয়তা প্রদান করে যে পত্রের মাধ্যমে তাকে বলা হয়- প্রত্যয়পত্র।
- ভ্যাট হলো পণ্য বা সেবার মূল্যের উপর আরোপিত কর। 

উৎস: i) Investopedia.
ii) ব্যবসায় নীতি ও প্রয়োগ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৬৪.
পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৯৮ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন:
- জাতীয় সংসদে গৃহীত আইনের মাধ্যমে 'পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ)' প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠা করা হয়: ১৯৯৯ সালে।
- পিডিবিএফ একটি সংবিদিবদ্ধ, স্ব-শাসিত, অমুনাফাকাঙ্ক্ষী, আত্মনির্ভরশীল, নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- পিডিবিএফ ক্ষুদ্র ঋণ এর পাশাপাশি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণ (SELP) পরিচালনা করে যাতে করে গ্রামীন বঞ্চিত মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি হয়।

তথ্যসূত্র - পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।

১,০৬৫.
BIDA এর পূর্বতন প্রতিষ্ঠানের নাম কী ছিল?
  1. বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
  2. বেসরকারি বিনিয়োগ বোর্ড
  3. বিনিয়োগ বোর্ড
  4. বাংলাদেশ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
ব্যাখ্যা
বিনিয়োগ বোর্ড:

- BIDA এর পূর্ণরূপ বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।
- BIDA এর পূর্বতন প্রতিষ্ঠানের নাম ছিল বিনিয়োগ বোর্ড।
- বিনিয়োগ বোর্ড  সরকার কর্তৃক ১৯৮৯ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রাইভেটাইজেশন বোর্ড, যা ২০০০ সালে প্রাইভেটাইজেশন কমিশন নামে রুপান্তরিত হয় সেটিকে একত্রিত করে সরকার বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA) প্রতিষ্ঠা করে।
- বিনিয়োগ বোর্ডের লক্ষ্য ছিল দেশে বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করা, অর্থনীতিতে বিশেষ করে বেসরকারি খাত এবং বিদেশি বেসরকারি পুঁজির অংশগ্রহণ বাড়ানোর উপযোগী সরকারি নীতির বাস্তবায়ন ঘটানো।
- বিনিয়োগ বোর্ড প্রধানমন্ত্রীর অধীন একটি সংস্থা।
- এর পরিচালনায় ছিল নির্বাহী সদস্যবৃন্দ এবং নির্বাহী চেয়ারম্যান সমন্বয়ে গঠিত একটি নির্বাহী পরিষদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,০৬৬.
বর্তমানে বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কয়টি? (নভেম্বর, ২০২৪)
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বীমা প্রতিষ্ঠান:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর জীবন বীমার সুফল দেশের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সনের রাষ্ট্রপতির ৯৫নং আদেশ বলে বাংলাদেশের বীমা শিল্প জাতীয়করণের আওতায় আনা হয়।
- ১৯৭৩ সালে জীবন বীমা কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশে জীবন বীমা কোম্পানীর সংখ্যা ৩৬টি।
- বাংলাদেশে প্রাইভেট জীবন বীমা কোম্পানীর সংখ্যা ৩৪টি।
- বর্তমানে বাংলাদেশে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- এগুলো হলো:
• সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এবং
• জীবন বীমা কর্পোরেশন।
- দুটি প্ৰতিষ্ঠান ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এগুলা অর্থ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন।

তথ্যসূত্র - সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ও জীবন বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১,০৬৭.
দাম বাড়লে যে সকল পণ্যের বিক্রয় বাড়ে, সেগুলোকে বলা হয় -
  1. প্রয়োজনীয় পণ্য
  2. ক্যাপিটাল পণ্য
  3. শপিং পণ্য
  4. গিফেন পণ্য
ব্যাখ্যা
গিফেন দ্রব্য:
গিফেন দ্রব্যের (ঊনবিংশ শতাব্দীতে অর্থনীতিবিদ রবার্ট গিফেনের নামানুসারে) দাম বৃদ্ধিতে দ্রব্যটির চাহিদার পরিমাণ বৃদ্ধি পায় এবং দাম কমার সাথে সাথে চাহিদার পরিমাণও হ্রাস পায়। এটা তখনই সম্ভব, যখন অনুন্নত দেশের ভোক্তা বা ক্রেতারা এত দরিদ্র থাকে যে তাঁরা জীবনধারণের জন্য শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয় করায় তাদের আয় ব্যয় করে থাকে। যেমন, ধরি প্রয়োজনীয় দ্রব্যটি মোটা চাল। এখন চালের দাম বৃদ্ধি পেলে ভোক্তা বেঁচে থাকার প্রয়াসে ও ভবিষ্যতে দাম বৃদ্ধির আশংকায় মাছ মাংসের ভোগ কমিয়ে বেশী পরিমাণে মোটা চাল কিনবে। আবার দাম কমলে উল্টোটা ঘটে।
১,০৬৮.
ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. উৎপাদনমুখী কর্মকান্ডে নারীর অংশগ্রহণ
  2. উদ্যোক্তা সৃষ্টি
  3. নারীর ক্ষমতায়ন
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম:
- দরিদ্র জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে দরিদ্র মহিলাদের মধ্যে গোষ্ঠীভিত্তিক ঋণ প্রদানের একটি কর্মসূচি হিসেবে প্রথমে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম আরম্ভ হয়।
- বর্তমানে  বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (বিকেবি), রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) এবং  কর্মসংস্থান ব্যাংক-এর মতো বিশেষায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠান, চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং ৮০০-এর অধিক  এনজিও দেশে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

• ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্দেশ্য নিম্নরূপ:
১। উৎপাদনমুখী কর্মকান্ডে নারীর অংশগ্রহণ।
২। উদ্যোক্তা সৃষ্টি।
৩। নারীর ক্ষমতায়ন।

⇒ এখানে অপশন বিবেচনায় নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি অধিক গ্রহণযোগ্য। তার যৌক্তিকতা হল - 
• গ্রামীণ অর্থনীতিতে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম মূলত নারীদের লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়।
• এ কার্যক্রম নারীর ক্ষমতায়নকে ত্বরান্বিত করে।
• স্ব-কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে নারীরা আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠছে।
• এর ফলে সমাজে নারীর দৃঢ় অবস্থান প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে।

⇒ তাই বলা যায় ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করার মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে নারীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং আয়বর্ধক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলাই মূল লক্ষ্য।

তথ্যসূত্র -  জাতীয় তথ্য বাতায়ণ এবং অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি।

১,০৬৯.
বাংলাদেশে কয়টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হয়েছে? (নভেম্বর, ২০২৫)
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা

পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট ৮টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে।
- কিন্তু ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
- প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৩-১৯৭৮)।
- দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮০-১৯৮৫)।
- তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮৫-১৯৯০)।
- চতুর্থ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯০-১৯৯৫)।
- পঞ্চম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯৭-২০০২)।
- ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১১-২০১৫)।
- সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১৬-২০২০)।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০২০-২০২৫)। (বাতিল করা হয়েছে)

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।

১,০৭০.
কোন দেশ থেকে প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের সিংহভাগ আসে?
  1. ক) যুক্তরাজ্য
  2. খ) জাপান
  3. গ) সৌদি আরব
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
• প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের সিংহভাগ আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ থেকে।
- ২০২২ সালের জুলাই-মার্চ সময়ে সৌদি আরব থেকে সর্বাধিক রেমিট্যান্স (২১%) এসেছে।
- এর পরের অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র (১৬%), যুক্তরাজ্য (১১%), সংযুক্ত আরব আমিরাত (৯%), কুয়েত (৮%), কাতার (৬%)।

উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
১,০৭১.
নিম্নের কোনটি ফসল বহুমুখীকরণের সীমাবদ্ধতার অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. জমির গুণাগুণ
  2. শ্রম ও যন্ত্রপাতির অভাব
  3. কৃষকের নৈপুণ্য হ্রাস
  4. কৃষি ঋণের সুদের হার হ্রাস
ব্যাখ্যা

• ফসল বহুমুখীকরণের সীমাবদ্ধতা:
১. প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা: আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, উন্নত বীজ, সার ও সেচ সুবিধার অভাব।
২. জমির গুণাগুণ: সব জমি সব ধরনের ফসলের উপযোগী নয়, ফলে বৈচিত্র্য আনা কঠিন।
৩. শ্রম ও যন্ত্রপাতির প্রাপ্যতা: সময়মতো দক্ষ শ্রমিক ও কৃষি যন্ত্রপাতি না পাওয়া।
৪. নৈপুণ্য হ্রাস: একাধিক ফসল উৎপাদনের ক্ষেত্রে কৃষকের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ঘাটতি।

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৭২.
পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন কত সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়?
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ১৯৯৮ সালে
  3. ১৯৯৯ সালে
  4. ২০০০ সালে
ব্যাখ্যা

পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন:
- জাতীয় সংসদে গৃহীত আইনের মাধ্যমে 'পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ)' প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠা করা হয়: ১৯৯৯ সালে।
- পিডিবিএফ একটি সংবিদিবদ্ধ, স্ব-শাসিত, অমুনাফাকাঙ্ক্ষী, আত্মনির্ভরশীল, নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- পিডিবিএফ ক্ষুদ্র ঋণ এর পাশাপাশি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণ (SELP) পরিচালনা করে যাতে করে গ্রামীন বঞ্চিত মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি হয়।

তথ্যসূত্র - পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।

১,০৭৩.
অর্থনীতির মূল সমস্যা কোনটি?
  1. বেকারত্ব
  2. আয় বৈষম্য
  3. দারিদ্রতা
  4. অভাব
ব্যাখ্যা
বেকার সমস্যা:

- বেকার সমস্যা অর্থনীতির মূল সমস্যা গুলোর একটি।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির তুলনায় আমাদের দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ কম। ফলে বেকার সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।
- সরকারি হিসাব অনুযায়ী বর্তমানে বাংলাদেশে বেকারত্বের হার শতকরা প্রায় ২২ ভাগ (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ১৯৯৫)।
- এছাড়া কৃষিক্ষেত্রে ছদ্মবেশী বেকারত্ব বিরাজ করছে (অর্থাৎ কৃষিখাতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত লোক নিয়োজিত আছে)।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৭৪.
বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যাবলী কোনটি?
  1. নিকাশ ঘর
  2. নোট প্রচলন
  3. ঋণ নিয়ন্ত্রণ
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যাবলী: 
বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যাবলী নিচে আলোচনা করা হল:
- নোট প্রচলন
- সরকারের ব্যাংক
- অন্যান্য ব্যাংকের ব্যাংকার
- ঋণ নিয়ন্ত্রণ
- ঋণদানের শেষ আশ্রয়স্থল 
- বৈদেশিক বিনিময় হার ব্যবস্থাপনা
- নিকাশ ঘর
- উন্নয়নমূলক কার্যাবলী
- অন্যান্য কাজ
উপরিউক্ত কাজ ছাড়াও বাংলাদেশ ব্যাংক অথনৈতিক বিষয়ে গবেষণা করা, অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান তৈরি করা, ব্যাংক কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ দেয়া, উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য প্রয়োজনীয় উপাত্ত ও পরামর্শ দেয়া ইত্যাদি দায়িত্ব পালন করে থাকে।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৭৫.
'শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য' কর্মসূচি চালু হয় কত সালে?
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৯৩ সালে
  3. ১৯৯৪ সালে
  4. ১৯৯৫ সালে
ব্যাখ্যা

'শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য' কর্মসূচি:
- দেশে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসরত পরিবারের শিশুদেরকে সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে ১৯৯৩-৯৪ অর্থ বছর থেকে শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করা হয়।
- ১৯৯৩ সালে 'শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য' কর্মসূচি চালু হয়।

উল্লেখ্য:
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দিলে বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হলে সরকার 'ফুড ফর ওয়ার্ক' বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,০৭৬.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী মাথাপিছু আয় কত? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ২,৮৪৯ ইউএস ডলার
  2. ২,৭৮৪ ইউএস ডলার
  3. ২,৭৪৯ ইউএস ডলার
  4. ২,৭৩৮ ইউএস ডলার
ব্যাখ্যা
চলতি মূল্যে মাথাপিছু আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ৩০৪,১০২ টাকা (২,৭৩৮ ইউএস ডলার)।
- পূর্ববর্তী অর্থাৎ ২০২২-২৩ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ২৭৩,৩৬০ টাকা (২,৭৪৯ ইউএস ডলার)।
- ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশীয় মুদ্রায় মাথাপিছু আয় বাড়লেও ডলার মূল্যে কিছুটা কমেছে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
১,০৭৭.
বাংলাদেশের কোন বিভাগে বহুমাত্রিক দারিদ্র্যের হার সর্বোচ্চ? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. সিলেট
  2. বরিশাল
  3. রংপুর
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বহুমাত্রিক দারিদ্র্যের হার:
- বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো বিবিএসের ২০১৯ সালের মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভের (এমআইসিএস) তথ্য ব্যবহার করে বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক (এমপিআই) নিরূপণ করা হয়েছে। - এমপিআই প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দেশে ২৪ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ মানুষ বহুমাত্রিক দারিদ্র্যে রয়েছে, যা সংখ্যায় প্রায় ৩ কোটি ৯৮ লাখ।
- গ্রামীণ এলাকায় এই হার ২৬ দশমিক ৯৬ শতাংশ, আর শহরে ১৩ দশমিক ৪৮ শতাংশ।
- সিলেট বিভাগে এই দারিদ্র্যের হার সর্বোচ্চ, ৩৭ দশমিক ৭০ শতাংশ।
- আর পাঁচটি জেলায় ৪০ শতাংশেরও বেশি মানুষ বহুমাত্রিক দারিদ্র্যের শিকার।
- জেলাগুলো হলো বান্দরবান, কক্সবাজার, সুনামগঞ্জ, রাঙামাটি ও ভোলা।

উল্লেখ্য,
- বহুমাত্রিক দারিদ্র্য হলো দারিদ্র্য পরিমাপের একটি বিস্তৃত পদ্ধতি, যা শুধু আয় বা ভোগের মতো একক মাত্রার বাইরে গিয়ে দারিদ্র্যকে তার বিভিন্ন দিক থেকে বুঝতে সাহায্য করে।
- বাংলাদেশের এ সূচকে তিনটি মাত্রা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। যাতে জীবনযাত্রার মান, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক অবস্থা পর্যালোচনা করা হয়েছে।
- এই মাত্রাগুলোকে ১১টি আলাদা সূচকে ভাগ করা হয়েছে।
- যেমন জীবনযাত্রার মানের মধ্যে রয়েছে—বিদ্যুৎ, স্যানিটেশন, খাওয়ার পানি, বাসস্থান, রান্নার জ্বালানি, সম্পদ এবং ইন্টারনেট সংযোগ।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
১,০৭৮.
নিচের কোন নোটটিতে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে না?
  1. ১ টাকা
  2. ৫ টাকা
  3. ২ টাকা
  4. ২০ টাকা
ব্যাখ্যা

- ২০ টাকার নোটে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে না ।

• টাকার নোট: 
- বাংলাদেশে দুই ধরনের কাগুজে নোট:
- বাংলাদেশের নোট দুই ধরনের।
- সরকারি নোট ও ব্যাংক নোট।
- সরকারি নোট: ১, ২ ও ৫ টাকার নোট। এবং ১, ৫, ১০, ২৫ ও ৫০ পয়সার মুদ্রা।
- সরকারি নোটে স্বাক্ষর থাকে অর্থ সচিবের।
- ব্যাংক নোট: ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকা মূল্যমানের ৭টি নোট।
- ব্যাংক নোটের প্রবর্তক বাংলাদেশ ব্যাংক।
- এবং এ নোটে স্বাক্ষর থাকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনরের।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক এবং অর্থ মন্ত্রনালয় ওয়েবসাইট।

১,০৭৯.
কোনটি মূলধন জাতীয় খরচ নয়?
  1. বিদ্যুৎ বিল
  2. যন্ত্রপাতি
  3. আসবাবপত্র
  4. বিদ্যুৎ-এর মিটার
ব্যাখ্যা
মূলধনজাতীয় ব্যয়/খরচ:
ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য দীর্ঘ মেয়াদী ব্যয় সমূহকে মূলধনজাতীয় ব্যয় বলে। উৎপাদন কার্য-পরিচালনার জন্য ভূমি, ইমারত এবং মেশিন ইত্যাদির প্রয়োজন পড়ে। এগুলো ক্রয় করা হলে মূলধনজাতীয় ব্যয় সংঘটিত হবে এবং এ সব খাতে ব্যয়ের উপযোগ একাধিক হিসাব কাল (more accountig period) পর্যন্ত চলতে থাকবে। ভূমি, ইমারত, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি (যেমন: বিদ্যুতের মিটার) এবং মেশিন ইত্যাদি ব্যবসায়ের স্থায়ী সম্পত্তি। আবার বড় ধরনের মেরামত বা সম্প্রসারণমূলক কাজও মূলধনজাতীয় ব্যয় বলে বিবেচিত হবে। এ ব্যয় একটি হিসাব কালে বারবার সংঘটিত হয় না। সুতরাং ব্যবসায়ের স্থায়ী সম্পদ ক্রয়ের জন্য যে অর্থ ব্যয় করা হয় তাকে মূলধনজাতীয় ব্যয় বলে।

উৎস: হিসাব বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৮০.
২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশে বিনিয়োগের শীর্ষ খাত ছিলো কোনটি?
  1. ক) টেক্সটাইল
  2. খ) টেলিযোগাযোগ
  3. গ) বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
  4. ঘ) ব্যাংকিং
ব্যাখ্যা
গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশে নীট বিনিয়োগের পরিমাণ ২৩৭০.৪৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
বিনিয়োগের শীর্ষ খাত সমূহ:
- প্রথম : পাওয়ার বা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
- দ্বিতীয় : ব্যাংকিং
- তৃতীয় : টেক্সটাইল।
শীর্ষ বিনিয়োগে শীর্ষ দেশসমূহ:
- প্রথম : ‍যুক্তরাজ্য
- দ্বিতীয় : যুক্তরাষ্ট্র
- তৃতীয় : নরওয়ে।
(সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
১,০৮১.
টেকসই উন্নয়নের (SDGs) প্রথম লক্ষ্যটির বিষয়বস্তু কী?
  1. ক্ষুধামুক্তি
  2. জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ
  3. দারিদ্র্য নির্মূল
  4. লিঙ্গ সমতা
ব্যাখ্যা
টেকসই উন্নয়নের (SDGs) প্রথম লক্ষ্যটির বিষয়বস্তু হচ্ছে - দারিদ্র্য নির্মূল।

(SDGs):

- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টস গোল (এসডিজি) গ্রহণ করে।
- এসডিজিতে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা এবং ১৬৯টি টার্গেট নির্ধারণ করা হয় যা ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে লক্ষ্যস্থির করা হয়।
- মেয়াদকাল-২০১৬-২০৩০ সাল।
- বাস্তবায়ন শুরু- ১ জানুয়ারি, ২০১৬ সালে।
- মেয়াদ শেষ- ৩১ ডিসেম্বর, ২০৩০ সালে।

• এসডিজির ১৭টি লক্ষ্য হলো: দারিদ্র্য নির্মূল, ক্ষুধামুক্তি, সুস্বাস্থ্য, মানসম্মত শিক্ষা, লিঙ্গ সমতা, বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন, সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি, উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো, বৈষম্য হ্রাস, টেকসই শহর ও জনগণ, পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন, জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ, সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান, স্থলভাগের জীবন, শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।

তথ্যসূত্র: SDG ওয়েবসাইট।
১,০৮২.
বাংলাদেশ ব্যাংক ডলারের দাম নির্ধারণে কোন পদ্ধতি ব্যবহারের ঘোষণা দিয়েছে?
  1. হার্ড পেগ
  2. স্ট্রিচিং পেগ
  3. স্টারলিংক পেগ
  4. ক্রলিং পেগ
ব্যাখ্যা
ক্রলিং পেগ:

- 'ক্রলিং পেগ' হচ্ছে দেশিয় মুদ্রার সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার সমন্বয়ের একটি পদ্ধতি।
- এই পদ্ধতিতে একটি মুদ্রার বিনিময় হারকে একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে ওঠানামা করার অনুমতি দেওয়া হয়।
- এক্ষেত্রে মুদ্রার দরের একটি সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন সীমা নির্ধারণ করা থাকে।
- ফলে একবারেই খুব বেশি বাড়তে পারবে না, আবার কমতেও পারবে না।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বছরে দুইবার মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন।
- সম্প্রতি বাংলাদেশের বর্তমান উচ্চ মূল্যস্ফীতির হারে লাগাম টানার লক্ষ্যে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের জন্য সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- নতুন মুদ্রানীতিতে নীতি সুদহার ৮ শতাংশ করা হয়েছে।
- ডলারের দাম নির্ধারণে 'ক্রলিং পেগ' নামে নতুন একটি পদ্ধতি ব্যবহারের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

তথ্যসূত্র - ১৭ জানুয়ারী ২০২৪, বিবিসি বাংলা।
১,০৮৩.
TICFA এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Trade and Impact Co - operation Forum Agreement.
  2. Trade and Investment Co - operation Forum Agreement.
  3. Tariffs and Investment Co - operation Forum Agreement.
  4. Trade and Investment Co-operative Forum Agreement.
ব্যাখ্যা
• TICFA চুক্তি :
- TICFA এর পূর্ণরূপ- Trade and Investment Co - operation Forum Agreement.
- এটি একটি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বিষয়ক চুক্তি,
- এটি হলো টিফা চুক্তির সম্প্রসারিত রুপ।
• TICFA-এর মূল উদ্দেশ্য :
- যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ পরস্পরের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে নিয়মিত আলোচনা করার একটি মাধ্যম তৈরি করা।
- ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩,টিকফা-র সপ্তম কাউন্সিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উৎস : U.S. Embassy in Bangladesh (.gov)
১,০৮৪.
২০৪১ সাল নাগাদ চরম দারিদ্র্য হার কত শতাংশের নিচে নামিয়ে আনার লক্ষ্যস্থির করা হয়েছে?
  1. ক) ২.০ শতাংশে
  2. খ) ৪.০ শতাংশে
  3. গ) ৫.০ শতাংশে
  4. ঘ) ১.০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
• ২০৪১ সাল নাগাদ দারিদ্র্যের হার ৩.০ শতাংশের নিচে এবং চরম দারিদ্র্য হার ১.০ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনার লক্ষ্যস্থির করা হয়েছে।
• ২০২০ সালে দারিদ্র্যের হার ছিল ১৮.৮ শতাংশ।
• ২০৩১ সালে এটি দাঁড়াবে ৭.০ শতাংশে। 

তথ্যসূত্র:- পরিকল্পনা কমিশন এবং অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২।
১,০৮৫.
কোন সংস্থা বাংলাদেশের শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. ক) অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. খ) বাংলাদেশ ব্যাংক
  3. গ) বিএসইসি
  4. ঘ) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ব্যাখ্যা
শেয়ার মার্কেট:
- শেয়ার মার্কেট এমন একটি বাজার যেখানে শেয়ার ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন দামের ও মানের শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় করে থাকে।
- শেয়ার ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন ব্রোকার হাউজের মাধ্যমে শেয়ার কেনাবেচা করে থাকে।
- এসব শেয়ার কোনো একটি স্টক এক্সচেঞ্জে নিবন্ধিত থাকে।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ দুইটি:
১। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং
২। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।
- এই দুইটি স্টক এক্সচেঞ্জ কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত স্বয়ংক্রিয় ট্রেডিং সিস্টেমে পরিচালিত হয়।
- এক্সচেঞ্জগুলি স্ব-নিয়ন্ত্রিত এবং প্রাইভেট সেক্টর এনটিটি যা বাংলাদেশ সিকিউরিটিস এন্ড একচেঞ্জ কমিশন বা বিএসইসি (BSEC) নীতি দ্বারা পরিচালিত।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৩ সালের ৮ জুন পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে 'সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন' নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২০১২ সালের ১০ ডিসেম্বর এর নামকরণ করা হয় 'বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন' (BSEC)।
- এই কমিশন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।

উৎস: People's Republic of Bangladesh, bangladesh.gov.bd.
১,০৮৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩' অনুযায়ী জিডিপিতে মৎস্য খাতের অবদান কত?
  1. ক) ১.২৪%
  2. খ) ১.৭০%
  3. গ) ১.৮৫%
  4. ঘ) ২.৪১%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩:
- জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান: ১১.২০ শতাংশ।
• শস্য ও উদ্যান খাতের অবদান ৫.৫ শতাংশ।
• প্রাণি সম্পদ খাতের অবদান ১.৮৫ শতাংশ।
• বনজ সম্পদ খাতের অবদান ১.৭০ শতাংশ।
• মৎস্য সম্পদ খাতের অবদান ২.৪১ শতাংশ।

এছাড়াও,
- ২০২১-২২ অর্থবছরে মৎস্য উৎপাদন হয়েছে ৪৭.৫৯ লক্ষ মে.টন। 
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার The State of World Fisheries and Aquaculture ২০২২ এর প্রতিবেদন অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ ৩য়, বদ্ধ জলাশয়ে চাষকৃত মাছ উৎপাদনে ৫ম স্থান অর্জন করেছে। 
- পাশাপাশি বিশেষ সামুদ্রিক ও উপকূলীয় ক্রাস্টাশিয়ান্স ও ফিনফিস উৎপাদনে যথাক্রমে ৮ম ও ১১তম স্থান অধিকার করেছে। 
- এছাড়া বিশ্বে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১ম, তেলাপিয়া উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে ৪র্থ এবং এশিয়ার মধ্যে ৩য় স্থান অধিকার করেছে। 
- বিশ্ববাজারে আর্থিক মন্দাবস্থা থাকা সত্ত্বেও ২০২১-২২ অর্থবছরে ৭৪,০৪২.৬৭ মেট্রিক টন মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে আয় হয়েছে ৫,১৯১.৭৫ কোটি টাকা, যা গত বছরের তুলনায় ২৬.৯৬ শতাংশ বেশি। 
- এছাড়াও ২০২২-২৩ অর্থবছরের জানুয়ারি পর্যন্ত ৪৩,১১৭.৪৯ মেট্রিক টন মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে ৩,২২৬.০৩ কোটি টাকা।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১,০৮৭.
বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক কয়টি?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
ব্যাংক:
- তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা - ৬১টি।
- রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৬টি।
- বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
- বাংলাদেশে বিদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা - ৯টি।
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৪৩টি।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান (ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান) - ৩৫টি।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,০৮৮.
কোনটি প্রত্যক্ষ কর?
  1. সম্পূরক শুল্ক
  2. ভূমি উন্নয়ন কর
  3. আবগারি শুল্ক
  4. মূল্য সংযোজন কর
ব্যাখ্যা
- যে করের বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয় সাধারণত তাকে প্রত্যক্ষ কর বলে।
যেমনঃ
- ভূমি উন্নয়ন কর
- আয়কর
- দানকর ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- সম্পূরক শুল্ক, আমদানি কর, মূল্য সংযোজন কর (মূসক), আবগারি শুল্ক ইত্যাদি হলো পরোক্ষ কর যার বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয় না৷
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি)
১,০৮৯.
নিচের কোনটি শীতকালীন শস্য উৎপাদন মৌসুম?
  1. ক) বৈশাখ থেকে শ্রাবণ
  2. খ) ফাল্গুন থেকে জ্যৈষ্ঠ
  3. গ) কার্তিক থেকে ফাল্গুন
  4. ঘ) আষাঢ় থেকে কার্তিক
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে প্রধানত দুটো মৌসুমে ফসল উৎপাদিত হয়। একটি হলো খরিপ বা গ্রীষ্মকালীন এবং অপরটি হলো রবি বা শীতকালীন।
- কার্তিক থেকে ফাল্গুন বা অক্টোবর থেকে মার্চ সময়েকে রবি মৌসুম ধরা হয়।
- বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি রবি মৌসুমের প্রধান ফসল।
- এছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, লাউ, টমেটো, গাজর, আলু প্রভৃতির চাষাবাদও রবি মৌসুমে হয়ে থাকে।
(তথ্যসূত্রঃ কৃষি শিক্ষা বোর্ডবই)
১,০৯০.
বাংলাদেশে মোট কতটি শেয়ার বাজার রয়েছে?
  1. ১ টি
  2. ২ টি
  3. ৩ টি
  4. ৪ টি
ব্যাখ্যা

• স্টক এক্সচেঞ্জ:
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- বাংলাদেশের পুঁজি বাজার পরিচালনা করে বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ কিমিশন বা Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে শেয়ার বাজার দুইটি।
• একটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ।
• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।

১) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত। 
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৯৫৪ সালে।
- কার্যক্রম শুরু করে: ১৯৫৬ সালে।

২) চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ:
- অনুমোদন পায়: ১২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৫ সালে।
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়।

তথ্যসূত্র: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।

১,০৯১.
বাংলাদেশ ডাক বিভাগের সার্কেল কয়টি?
  1. ক) ৪টি
  2. খ) ৫টি
  3. গ) ৬টি
  4. ঘ) ৭টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ডাক বিভাগের সার্কেল - ৫টি।

সার্কেল-সমূহ

- পোস্ট মাস্টার জেনারেলের কার্যালয়, মেট্রোপলিটন সার্কেল, ঢাকা।
- পোস্ট মাস্টার জেনারেলের কার্যালয়, কেন্দ্রীয় সার্কেল, ঢাকা।
- পোস্ট মাস্টার জেনারেলের কার্যালয়, পূবার্ঞ্চল সার্কেল, চট্টগ্রাম।
- পোস্ট মাস্টার জেনারেলের কার্যালয়, দক্ষিণাঞ্চল, খুলনা।
- পোস্ট মাস্টার জেনারেলের কার্যালয়, উত্তরাঞ্চল সার্কেল, রাজশাহী।

তথ্যসূত্র: ডাক অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১,০৯২.
কোন দেশ কত উন্নত, তা বোঝা যায় কোনটি বিবেচনা করে?
  1. ক) দেশের ভৌগোলিক অবস্থান
  2. খ) দেশের আয়তন
  3. গ) মাথাপিছু বিদ্যুৎশক্তির ব্যবহার
  4. ঘ) দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর সভ্যতার ইতিহাসকে সহজভাবে বলা যায় শক্তি ব্যবহারের ইতিহাস।
মোটামুটিভাবে বলা যায়, কোন দেশ কতটা উন্নত, সেটা বোঝার একটা সহজ উপায় হচ্ছে মাখাপ্রতি তারা কতটুকু বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করে তার একটা হিসাব নেওয়া।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণি, পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই।
---------------------
২০২০ সালের ডাটা অনুযায়ী,
যে দেশ সবচেয়ে বেশি উন্নত, তারা মাথাপিছু সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করে থাকে।
মাথাপিছু বিদ্যৎ ব্যবহারে শীর্ষস্থানীয় ৫টি দেশই হলো উন্নত দেশ।
সেগুলো হলো: আইসল্যান্ড, নরওয়ে, কাতার, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস: www.statista.com
১,০৯৩.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা মেয়াদান্তে চরম দারিদ্র্যের হার হবে -
  1. ৭.৪%
  2. ৬.৫%
  3. ৫.৬%
  4. ৫.৪%
ব্যাখ্যা
পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- এর মধ্যে ৭টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা সম্পন্ন হয়েছে। 
- ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা চলমান রয়েছে।

৮ম-পঞ্চবার্ষিক-পরিকল্পনা
:
- মেয়াদকাল: জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫।
- বাস্তবায়ন ব্যয় লক্ষ্যমাত্রা: ৬৪ লাখ ৯৫ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা।
- মোট বিনিয়োগ জিডিপির: ৩৭.৪%।
- প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৮.৫১%। 
- কর্মসংস্থান: ১ কোটি ১৩ লাখ।
- মূল্যস্ফীতি: ৪.৬%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু: ৭৪ বছর।
- বিদ্যুৎ উৎপাদন: ৩০ হাজার মেগাওয়াট।
- দারিদ্র্যের হার: ১৫.৬%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৭.৪%।

উৎস: পরিকল্পনা বিভাগ।
১,০৯৪.
বাংলাদেশ ২০০ টাকার নতুন নোটে সম্মুখ  চিত্রে রয়েছে-
  1. কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার 
  2. গ্রাফিতি-২০২৪
  3. অপরাজেয় বাংলা
  4. ষাট গম্বুজ মসজিদ
ব্যাখ্যা

- ২০০ টাকার নোটে সম্মখ চিত্রে রয়েছে অপরাজেয় বাংলা।

বাংলাদেশের নতুন নোট:
- ২ টাকার নোটে সামনে চিত্র:  শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ  এবং পিছনের চিত্র 'রায়েরবাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ।
- ৫ টাকার সামনে চিত্র 'তারা মসজিদ  এবং পিছনের চিত্র  'গ্রাফিতি-২০২৪';
- ১০ টাকার নোটে সামনে চিত্র বায়তুল মোকাররম  এবং পিছনের চিত্র  মসজিদ 'গ্রাফিতি-২০২৪';
- ২০ টাকার নোটে সামনে চিত্র কান্তজিউ মন্দির   এবং পিছনের চিত্র  পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার;
- ৫০ টাকার নোটে সামনে চিত্র আহসান মঞ্জিল  এবং পিছনের চিত্র  শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের 'সংগ্রাম' চিত্র;
- ১০০ টাকার নোটে সামনে চিত্র ষাট গম্বুজ মসজিদ,  এবং পিছনের চিত্র   বাগেরহাট সুন্দরবন;
- ২০০ টাকার নোটে সামনে চিত্র অপরাজেয় বাংলা,  এবং পিছনের চিত্র  'গ্রাফিতি-২০২৪';
- ৫০০ টাকার নোটে  সামনে চিত্র কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার  এবং পিছনের চিত্র   বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট;
- ১০০০ টাকার নোটে সামনে চিত্র জাতীয় স্মৃতিসৌধ, সাভার  এবং পিছনের চিত্র  জাতীয় সংসদ ভবন |

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট। [লিঙ্ক]

১,০৯৫.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ কোন দেশ থেকে এসেছে? 
  1. যুক্তরাজ্য
  2. নেদারল্যান্ডস
  3. চীন
  4. জাপান
ব্যাখ্যা

• প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ (FDI): 
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ (FDI) এসেছে নেদারল্যান্ডস থেকে।
 - নেদারল্যান্ডস এই অর্থবছরে বাংলাদেশে প্রায় ৪৫৪ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে, যা আগের বছরের ২৩.২ মিলিয়ন ডলার (FY24) এবং তার আগের বছরের ৭২.১১ মিলিয়ন ডলার (FY23) থেকে অনেক বেশি।

- অন্যান্য বড় বিনিয়োগকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাজ্য (৩০০ মিলিয়ন ডলার), চীন (২৭৪ মিলিয়ন ডলার) এবং সিঙ্গাপুর (১৬১ মিলিয়ন ডলার)।
 - যুক্তরাজ্য এবং চীনের বিনিয়োগ আগের বছরের তুলনায় কমেছে, কিন্তু সিঙ্গাপুরের বিনিয়োগ ৭১.৬% বৃদ্ধি পেয়েছে।

 
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।  (Link) 

১,০৯৬.
'ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেস হাইওয়ে' সংযুক্ত করবে কোন দুটি পয়েন্টকে?
  1. ক) দিয়াবাড়ি থেকে আগারগাঁও
  2. খ) বিমানবন্দর থেকে কুতুবখালী
  3. গ) উত্তরা থেকে মগবাজার
  4. ঘ) কুড়িল থেকে যাত্রাবাড়ি
ব্যাখ্যা
এক নজরে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে
দৈর্ঘ্য: বিমানবন্দর থেকে কুতুবখালী পর্যন্ত সড়কের দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার। ২৭ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ৩১টি র‌্যাম্পসহ মোট দৈর্ঘ্য ৪৬ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার।
ব্যয়: প্রকল্পের মোট ব্যয় ৮ হাজার ৯৪০ কোটি ১৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার দেবে ২ হাজার ৪১৩ কো ৮৪ লাখ টাকা। বাকি টাকা দেবে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। এটি সরকারের First Track প্রকল্পগুলোর একটি। 

তথ্যসূত্র:- প্রথম আলো এবং যুগান্তর।
১,০৯৭.
কর্মক্ষম জনসংখ্যার সেবা খাতে নিয়োজিত জনসংখ্যার পরিমাণ কত?
  1. ক) ২০.৪%
  2. খ) ৩৩.৬৬%
  3. গ) ৩৯%
  4. ঘ) ৪০.৬
ব্যাখ্যা

দেশের মোট জনশক্তি ৬.৩৫ কোটি যার মধ্যে পুরুষ ৪.৩৫ কোটি ও নারী ২ কোটি।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনসংখ্যার পরিমান ৪০.৬%,
- সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তি ৩৯.০% ও
- শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তি ২০.৪%।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯

১,০৯৮.
দেশের ভেতরে প্রশাসনিক কাজ পরিচালনার জন্য সরকারের যে ব্যয় হয় তাকে কী বলে?
  1. রাজস্ব ব্যয়
  2. মূলধনী ব্যয়
  3. স্থানীয় ব্যয় 
  4. কেন্দ্রীয় ব্যয়
ব্যাখ্যা

সরকারি ব্যয়:
- সরকারি ব্যয় বলতে সরকারি ক্রয় ও বিনিয়োগকে বুঝায়। যেমন: সরকার জনগনের স্বার্থে দ্রব্য সামগ্রী ক্রয় করে, বিনিয়োগ করে, হস্তান্তর করে, জনগনের সামাজিক সুবিধার জন্য পেনশন ভাতা ইত্যাদি প্রদান করে। সরকার জনগণের নিরাপত্তা, অবকাঠামো, স্বাস্থ্য ও কল্যাণ খাতে প্রচুর অর্থ ব্যয় করে। অর্থাৎ একটি দেশের জনগনের আর্থ-সামাজিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য ঐ দেশের সরকার যে ব্যয় করে তাকে সরকারি ব্যয় বলে। 
- বাংলাদেশ সরকার দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখার জন্য বিভিন্ন খাতে অর্থ ব্যয় করে থাকে। সরকারের ব্যয়ের খাত গুলোকে প্রধানত দুভাগে করা যায়। যথা- ক) রাজস্ব ব্যয় ও খ) উন্নয়ন ব্যয়।
 
⇒ রাজস্ব ব্যয়: সরকার তথা রাষ্ট্রের সবোর্চ্চ পর্যায় থেকে শুরু করে সর্বনিম্ন পর্যায় পর্যন্ত দৈনন্দিন কাজ পরিচালনার জন্য যে ব্যয় হয় তা রাজস্ব ব্যয়। 
১. সেবা ও প্রশাসন: রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, নিবার্চন কমিশন, লোক প্রশাসন ইত্যাদি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের চলতি ব্যয় এ খাতের অন্তর্ভূক্ত।
২. স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন স্থানীয় সরকার বিভাগ, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, পাবর্ত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয় এ খাতের অন্তর্ভুক্ত।
৩. প্রতিরক্ষা: দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা সরকারে মৌলিক দায়িত্ব। তাই বহিঃশত্রুর আক্রমন থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য সরকার প্রতিরক্ষা খাতে প্রচুর অর্থ ব্যয় করে থাকে।
৪. জনশৃংখলা ও নিরাপত্তা: বাংলাদেশ সরকার আইন শৃংখলা রক্ষা ও জনগনের আভ্যন্তরীন জানমালের নিরাপত্তার জন্য অনেক অর্থ ব্যয় করে।
৫. শিক্ষা ও প্রযুক্তি শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। সরকার এটি মাথায় রেখে দেশের নাগরিকদের শিক্ষা দানের উদ্দেশ্যে এবং পাশাপাশি প্রযুক্তির সম্প্রসারণে এ খাতে ব্যয় করে।
৬. স্বাস্থ্য: স্বাস্থ্যই সম্পদ। দেশের জনগনের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে সরকার এ খাতে টাকা ব্যয় করে।
৭. সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ সরকার দেশের জনগনকে বিভিন্ন ধরনের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। যেমন: মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, বয়স্ক ভাতা ইত্যাদি।
৮. গৃহায়ন: দেশের নাগরিকদের গৃহায়ন নিশ্চিত করার তথ্য সরকার প্রতি বছর এ খাতে অর্থ ব্যয় করে। 
৯. কৃষি: সরকার কৃষি উন্নয়নের জন্য প্রচুর অর্থ ব্যয় করে থাকে।
১০. শিল্প খাত ও অর্থনৈতিক সেবা দেশকে শিল্পোন্নত করার জন্য সরকার শিল্প কল-কারখানা স্থাপন ও যোগাযোগের লক্ষ্যে এ খাত অর্থ ব্যয় করে।
১১. পরিবহন ও যোগাযোগ: সরকার দেশের পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে টাকা ব্যয় করে।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।

১,০৯৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১ মতে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপিতে পশুসম্পদের অবদান কত ছিল?
  1. ক) ১.২%
  2. খ) ১.৪৬%
  3. গ) ১.৬%
  4. ঘ) ১.৫৩%
ব্যাখ্যা

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২১
১,১০০.
রেমিট্যান্স প্রাপ্তির দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত তম?
  1. ক) ৩য়
  2. খ) ৫ম
  3. গ) ৯ম
  4. ঘ) ১৫ তম
ব্যাখ্যা
২০১৯ সাল শেষে রেমিট্যান্স আহরণের দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৯ম। এই সময় বাংলাদেশ মোট ১৮.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স আহরণ করে। রেমিট্যান্স প্রাপ্তিতে বিশ্বে শীর্ষদেশ ভারত (৮৩.১ বিলিয়ন মা. ডলার)। দ্বিতীয় চীন (৬৮.৪ বিলিয়ন ডলার) এবং তৃতীয় মেক্সিকো (৩৮.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার)। (সূত্রঃ বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট)