বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের অর্থনীতি

মোট প্রশ্ন১,৮৬১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের অর্থনীতি

PrepBank · পাতা ১০ / ১৯ · ৯০১১,০০০ / ১,৮৬১

৯০১.
মাৎস্যন্যায় অবস্থার অবসান ঘটান কে?
  1. ক) শশাঙ্ক
  2. খ) গণেশ
  3. গ) হেমন্ত সেন
  4. ঘ) গোপাল
ব্যাখ্যা
- ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দে শশাঙ্কের মৃত্যুর পর যোগ্য শাসকের অভাবে বাংলায় অরাজকতা দেখা দেয়। সর্বত্র অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা, লুটতরাজ প্রভৃতিতে ছেয়ে যায়। ঐতিহাসিকরা এ অবস্থাকে ‘মাৎস্যন্যায়’ হিসেবে অভিহিত করেন।
- পুকুরে যেমন বড় মাছ ছোট মাছকে খেয়ে ফেলে, এ সময়ে বাংলার অবস্থাও তেমনটিই ছিলো। যার কারণে এ সময়কে ‘মাৎস্যন্যায়’ বলা হয়।
- ৭ম শতকের মাঝামাঝি থেকে ৮ম শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত প্রায় ১০০ বছর এ অবস্থা বিরাজমান ছিলো।
- ৭৫০ সালে গোপাল কর্তৃক পাল শাসনের সূত্রপাতের মাধ্যমে মাৎস্যন্যায় অবস্থার অবসান হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৯০২.
বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত কয়বার আই এম এফ এর থেকে ঋণ সহায়তা পায়? (ডিসেম্বর, ২০২৪)
  1. ১১ বার
  2. ৯ বার
  3. ৭ বার
  4. ৩ বার
ব্যাখ্যা
IMF ও বাংলাদেশ:
- IMF এর পূর্ণরূপ The International Monetary Fund.
- ১৯৪৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
- IMF এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯০টি।
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে IMF এর সদস্যপদ লাভ করে।
- IMF এর প্রধান কাজ হলো আন্তর্জাতিক মুদ্রা ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা রক্ষা করা।
- মুদ্রার বিনিময় হার রক্ষা ও মুদ্রার অবমূল্যায়ন রোধ করা।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত ১১ বার আই এম এফ এর থেকে ঋণ সহায়তা পায়।
- প্রথম ঋণ ১৯৭৪ সালে।
- সর্বশেষ ঋণ ২০২২ সালে।

উৎস: IMF অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯০৩.
ICDDR,B হাসপাতালে কোন রোগের চিকিৎসা করা হয়?
  1. রাতকানা
  2. হৃদরোগ
  3. ডায়রিয়া
  4. ম্যালেরিয়া
ব্যাখ্যা
• ICDDR,B- International Center for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh.
- আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ।
-  এটি বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত একটি আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- আইসিডিডিআর,বি ১৯৬০ সালে ঢাকায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া চুক্তি সংস্থা (সিটো) কলেরা গবেষণাগার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরে ১৯৭৮ সালে, CRL থেকে icddr,b (আন্তর্জাতিক উদরাময় রোগ গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ) এ নতুন নামে রুপান্তর হয়।
- icddr,b ’খাবার স্যালাইন’ ও ’বেবি জিঙ্ক ট্যাবলেট’ উদ্ভাবন করে।
- ১৯৬২ সালে, সিআরএল, গুরুতর ডায়রিয়াজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীদের, বিশেষ করে ছোট শিশুদের চিকিৎসার জরুরি প্রয়োজন মেটাতে, আইসিডিডিআর,বি দ্বারা পরিচালিত ঢাকা হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করে। 

⇒ এ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে বড় অবদান ওরস্যালাইন (Oral Rehydration Solution/ORS) উদ্ভাবন। লবণ ও গুড় অথবা চিনির সংমিশ্রণে তৈরী এ দ্রবণ তীব্র উদরাময় রোগে আক্রান্ত রোগীর দেহ থেকে দ্রুত বের হয়ে যাওয়া দেহ রসের পুনঃযোগান দেয়। দেহের শুষ্কতারোধে ORS গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং আজ পর্যন্ত বহু রোগীর জীবন বাঁচাতে সহায়ক হয়েছে। আইসিডিডিআর,বি-এর গবেষণা কার্যক্রম পরবর্তীতে আরও সম্প্রসারিত হয়েছে, এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে শ্বাসরোগ, যৌনরোগ, এইডস, হেপাটাইটিস, মা ও শিশু স্বাস্থ্য, টিকার কার্যকারিতা পরীক্ষা এবং বিভিন্ন অন্যান্য সংক্রামক রোগ।

উৎস : icddr,b., বাংলাপিডিয়া।
৯০৪.
বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান খাত কোনটি?
  1. আমদানি শুল্ক
  2. মূসক
  3. আয়কর
  4. আবগারি শুল্ক
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান খাতসমূহ (২০২০-২০২১ অর্থবছর হিসাব):
- প্রথম : মূল্য সংযোজন কর (১,২৫,১৬২ কোটি টাকা)
- দ্বিতীয় : আয়কর (১,০৩,৯৪৫ কোটি টাকা)
- তৃতীয় : সম্পূরক শুল্ক (৫৭,৮১৫ কোটি টাকা)
- চতুর্থ : আমদানি শুল্ক (৩৭,৮০৭ কোটি টাকা)।
(সূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট)
৯০৫.
বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর চালু হয়-
  1. ১ জানুয়ারি ১৯৯১
  2. ১ জুলাই ১৯৯১
  3. ১ জুন ১৯৯২
  4. ১ জুলাই ১৯৯৮
ব্যাখ্যা
• মূল্য সংযোজন কর :
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হল বাংলাদেশে উৎপাদিত এবং আমদানিকৃত পণ্য বা সেবা বাংলাদেশে সরবরাহের ক্ষেত্রে আরোপিত কর।
- আইন দ্বারা সুনির্দিষ্টভাবে অব্যাহতি প্রাপ্ত বা অন্য কোনোভাবে অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্য ও সেবা ব্যতীত বাংলাদেশে প্রস্তুতকৃত বা আমদানিকৃত সকল পণ্য এবং সেবা এই কর ব্যবস্থার আওতাভুক্ত।
- ১৯৯০ সনের মধ্য জুনের কিছু আগে মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯০ (খসড়া) তৈরি করা হয়।
- তৎকালীন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ৩১ মে ১৯৯১ তারিখে একটি অধ্যাদেশ হিসেবে জারি করেন। 
-  মূল্য সংযোজন কর চালু হয়, ১ জুলাই ১৯৯১ তারিখে ।
-মূসকের প্রমাণ কর-হার অপরিবর্তিতভাবে ১৫%-এ স্থিরীকৃত রয়েছে
- সেবা আমদানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর আদায়ের বিধান-বাংলাদেশের বাহির হতে সেবা সরবরাহ করা হলে, যিনি উক্ত সেবা সরবরাহ গ্রহণ করবেন, তার উপর সমূদয় সেবামূল্যের ভিত্তিতে ১৫% হারে মূসক প্রযোজ্য।

উৎস: 
nbr.govt. বাংলাপিডিয়া.
৯০৬.
২০২১-২২ অর্থবছরে তৈরি পােশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় মােট রপ্তানি আয়ের কত শতাংশ?
  1. ক) ৮১.২৫%
  2. খ) ৭১.২৫%
  3. গ) ৪৪.৫৩%
  4. ঘ) ৯৫.৮৪%
ব্যাখ্যা
⇨ বাংলাদেশের তৈরি পােশাক খাত তৈরি পােশাক’ ও ‘নীটওয়্যার’ - ইত্যাদি কয়েক ধরনের রপ্তানি পণ্যের সমন্বয়ে গঠিত।
⇨ ২০২১-২২ অর্থবছরে তৈরি পােশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় - ২৭,৪৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২৭.৪৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মােট রপ্তানি আয়ের - ৮১.২৫% (নীটওয়্যার- ৪৪.৫৩% ও তৈরি পােশাক - ৩৬.৭২%)।
⇨ অর্থাৎ রপ্তানি আয়ে তৈরি পােশাক খাতের অবদান - ৮১.২৫%।
⇨ এই খাতের বাইরে শিল্পজাত পণ্যের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় আসে - পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (৬৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
⇨ রপ্তানিতে প্রাথমিক পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার ৪.১৫% এবং ‘শিল্পজাত পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার - ৯৫.৮৪%।
⇨ প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে - “হিমায়িত খাদ্য’।
⇨ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে - ‘কৃষিজাত পণ্য।   

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
৯০৭.
মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) এর অন্তর্ভূক্ত নয় কোনটি?
  1. দেশের অভ্যন্তরে বিদেশিদের আয়
  2. দেশের অভ্যন্তরীণ আয়
  3. বিদেশে অবস্থিত দেশীয় ব্যক্তিদের আয়
  4. দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত চূড়ান্ত সেবা
ব্যাখ্যা

• মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) এর অন্তর্ভূক্ত নয় - বিদেশে অবস্থিত দেশীয় ব্যক্তিদের আয়।

• মোট দেশজ উৎপাদনের ধারণা (Concept of Net Domestic Product-NDP):
⇒ একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে কোন দেশের নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমারেখার মধ্যে যে সকল চূড়ান্ত দ্রব্য সামগ্রী ও সেবাকর্ম উৎপাদন হয় তার সামগ্রিক পরিমানকে মোট দেশজ উৎপাদন বলে। মোট দেশজ উৎপাদন থেকে ব্যবহার বা ক্ষয়ক্ষতিজনিত ব্যয় তথা অবচয় বাদ দিলে যা অবশিষ্ট থাকে তাকে নীট দেশজ উৎপাদন বলে।

-নীট দেশজ উৎপাদন = মোট দেশজ উৎপাদন - অবচয়জনিত খরচ বা মূলধনের ব্যবহারজনিত ব্যয়
- Net Domestic Product (NDP) = GDP - DC or CCA.

• মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) এর অন্তর্ভূক্ত-
- দেশের অভ্যন্তরীণ আয়।
- দেশের অভ্যন্তরে বিদেশিদের আয়।
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত চূড়ান্ত সেবা।
- বিদেশিদের দেশে বিনিয়োগ থেকে অর্জিত আয়।

উৎস: i) উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন-প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) অর্থনীতি ১ম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯০৮.
বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে জিএসপি সুবিধা হারায় কত সালে?
  1. ২০০৯ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০১৩ সালে
  4. ২০১৫ সালে
ব্যাখ্যা

• GSP:
- Generalized System of Preferences (GSP) হল উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য বৈদেশিক বাণিজ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া এক ধরণের শুল্কমুক্ত বা শুল্ক হ্রাস সংক্রান্ত বিশেষ বাণিজ্যিক সুবিধা।
- GSP হচ্ছে পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার।
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রথম GSP সুবিধা চালু করে।
- নিম্ন আয়ের দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত দেশ হিসেবে গণ্য করা হয়।♦ উল্লেখ্য:
- যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে প্রথম জিএসপি সুবিধা দেয় ১ জানুয়ারি, ১৯৭৬ সালে।
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশ জিএসপি সুবিধা হারায় ২৭ জুন, ২০১৩ সালে।
- যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশ জিএসপি সুবিধা পাবে ২০২৭ সাল পর্যন্ত।

উৎস: ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওয়েবসাইট, যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট।

৯০৯.
BRTC - এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. ক) Bangladesh Road Transport Authority
  2. খ) Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission
  3. গ) Bangladesh Road Transport Corporation
  4. ঘ) Bangladesh Telecommunications Company Limited
ব্যাখ্যা
⇨ BRTC - এর পূর্ণরূপ Bangladesh Road Transport Corporation বা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন।
⇨ Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission (BTRC)
⇨ Bangladesh Telecommunications Company Limited (BTCL) 
⇨ Bangladesh Road Transport Authority (BRTA)

তথ্যসূত্র:- সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। 
৯১০.
একটি বৈধ চেকের মেয়াদ কত মাস?
  1. এক মাস
  2. তিন মাস
  3. চার মাস
  4. ছয় মাস
ব্যাখ্যা
চেক বুক:
- চেক বা Cheque হলো বিশেষভাবে মুদ্রিত এক ধরনের কাগজ যা Bank কর্তৃক গ্রাহকের হিসাবের বিপরীতে ইস্যু করা হয়ে থাকে।
- চেক একটি হস্তান্তরযোগ্য দলিল।
- ব্যাংক সাধারণত গ্রাহক বরাবর চেক প্রদান করে।
- ব্যক্তিগত ও বাণিজ্যিক প্রয়োজনে গ্রাহক সেই চেক ইস্যু করতে পারেন।
- একটি চেক ইস্যুর তারিখ থেকে ছয় মাস মেয়াদে কার্যকর থাকে।
- ওই মেয়াদের মধ্যে তিনবার চেকে উল্লেখিত টাকা পরিশোধের জন্য ব্যাংকের কাছে প্রদান করা যায়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন.[link]
         ii) ১২ জুলাই ২০১৭, প্রথম আলো।
৯১১.
২০২২-২৩ সালের বাজেটের শিরোনাম কী? 
  1. ক) কোভিডের অভিঘাত পেরিয়ে বাংলাদেশ দাঁড়িয়ে
  2. খ) কোভিডের অভিঘাত পেরিয়ে উন্নয়নে বাংলাদেশ
  3. গ) কোভিডের অভিঘাত পেরিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় প্রত্যাবর্তন
  4. ঘ) কোভিডের অভিঘাত পেরিয়ে ভয়হীন বাংলাদেশের যাত্রা
ব্যাখ্যা
২০২২-২৩ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট:
- বাজেটের ক্রম ৫১-তম  (অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫২-তম)।
- (আওয়ামী লীগ সরকারের ২৩-তম)
- বাজেটের স্লোগান/শিরোনাম ‘কোভিডের অভিঘাত পেরিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় প্রত্যাবর্তন’
- সংসদে বাজেট উত্থাপনের তারিখ ৯ জুন, ২০২২
- বাজেট উত্থাপনকারী অর্থমন্ত্রী আ.হ.ম মোস্তফা কামাল (তাঁর টানা চতুর্থ বাজেট পেশ)।
- এটি বর্তমান সরকারের টানা ১৪-তম বাজেট। 
- সংসদে বাজেট পাশ হয় ৩০ জুন, ২০২২

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা নিউজ।
৯১২.
আন্তর্জাতিক লেনদেনে বাংলাদেশি টাকার কোড কী?
  1. BDT
  2. BTBT
  3. BDTK
  4. BTK
ব্যাখ্যা

• আন্তর্জাতিক লেনদেনে বাংলাদেশি টাকার কোড- BDT।

এছাড়াও,
অস্ট্রেলিয়ার টাকার কোড- AUD.
অস্ট্রিয়া টাকার কোড- EUR
বাহরাইন টাকার কোড- BHD
ব্রাজিলের টাকার কোড- BRL

উৎস: International Bank Account Number validation লিংক।

৯১৩.
বাংলাদেশে ডিসেম্বর ২০২৫ এ সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি কত ছিল?
  1. ৮.২৯%
  2. ৮.৪৪%
  3. ৮.৪৯%
  4. ৮.৫১%
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে ডিসেম্বর ২০২৫-এ সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি:
- বাংলাদেশে ডিসেম্বর ২০২৫ এ সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৮.৪৯%।

⇒ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর ডিসেম্বর মাসের মূল্যস্ফীতির তথ্যানুসারে, ডিসেম্বরেই সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ।
- এর আগের মাস নভেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ।
- অর্থনীতিবিদদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মুদ্রানীতি থাকা সত্ত্বেও মূল্যস্ফীতি আবারও ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে। তাদের ভাষ্য, এই মূল্যবৃদ্ধির মূল কারণ বাড়তি চাহিদা নয়, বরং সরবরাহপক্ষের সীমাবদ্ধতা ও কাঠামোগত দুর্বলতাই এখানে বড় ভূমিকা রাখছে।

এছাড়াও,
- ডিসেম্বরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৭১ শতাংশ, যা নভেম্বরে ছিল ৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ায় এতে পারিবারগুলোর বাজেটে চাপ আরও বেড়েছে। এদিকে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতিও সামান্য বেড়ে ৯ দশমিক ১৩ শতাংশে পৌঁছেছে, যা এক মাস আগে ছিল ৯ দশমিক ০৮ শতাংশ।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট। 
ii) The Daily Star Bangla.

৯১৪.
উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ কমে গেলে কী ঘটে?
  1. মুদ্রাস্ফীতি
  2. মুদ্রা সংকোচন
  3. অতি মুদ্রাস্ফীতি
  4. স্থিতিশীলতা
ব্যাখ্যা

মুদ্রাস্ফীতি:
- যদি পণ্যের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ অনেক বেড়ে যায় অর্থাৎ দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক অতিরিক্ত মাত্রায় টাকা ছাপায় তখনই মুদ্রাস্ফীতি ঘটে।
- বাজারে উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ বেড়ে গেলে মুদ্রাস্ফীতি ঘটে। অর্থাৎ মুদ্রাস্ফীতি হলো মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি।
- এতে করে টাকা তথা মুদ্রার মান হ্রাস পায়, পক্ষান্তরে দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পায়।
- একই পরিমাণ পণ্য ক্রয়ে পূর্বাপেক্ষা অধিক অর্থ ব্যয় হয়।
- উৎপাদনের তুলনায় বাজারে মুদ্রার সরবরাহ কমে গেলে মুদ্রা সংকোচন ঘটে।
- উন্নয়নশীল দেশগুলিতে মুদ্রাস্ফীতির জন্য সর্বজনীনভাবে নির্ধারিত সহনীয় স্তর নেই।
- তবে, উন্নয়নশীল দেশের জন্য মূল্যস্ফীতির সহনশীল মাত্রা ধরা হয় ৬-৮%।
- মুদ্রাস্ফীতি ৬-৮% এর বেশি হলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, মূল্য স্থিতিশীলতা এবং দারিদ্র্যের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

তথ্যসূত্র -  অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।

৯১৫.
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ‘White Gold’ নামে পরিচিত কোনটি?
  1. ক) পাট
  2. খ) ইলিশ
  3. গ) কাঁকড়া
  4. ঘ) চিংড়ি
  5. ঙ) আলু
ব্যাখ্যা
Commercial shrimp in Bangladesh is locally known as ''white gold'' because of its high transnational value. ... Because the rural economy is increasingly linked to the global shrimp commodity chain, it has generated significant changes in the environmental and agrarian landscapes of rural Bangladesh.
৯১৬.
দেশে 'E-TIN' চালু করা হয় কত সালে? 
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০১৩ সালে
  3. ২০১৪ সালে
  4. ২০০৯ সালে
ব্যাখ্যা

E-TIN:
- E-TIN এর পূর্ণরূপ: Electronic Taxpayer's Identification Number.
-'E-TIN' চালু করা হয় ২০১৩ সালে।
- এটি আয়কর নিবন্ধন আধুনিক সংস্করণ।
- এটি ১২ ডিজিটের ১টি নম্বর।
- একজন করদাতাকে সহজে, ঘরেবসে অনলাইনে নিবন্ধন পেতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
- www. incometax.gov.bd এই সাইট গেলে ই-টিআইএন নিবন্ধন নেওয়া যাবে।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।

৯১৭.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ অনুযায়ী, গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার -
  1. ১৬.৪%
  2. ১৭.৩%
  3. ১৮.৬%
  4. ২০.৫%
ব্যাখ্যা
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2022 শিরোনামে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ প্রকাশ করে।
- জনপ্রতি দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ - ২,৩৯৩ কিলোক্যালোরি।
- খানাপ্রতি মাসিক গড় আয় - ৩২,৪২২ টাকা (শহুরে ৪৫,৭৫৭ টাকা, গ্রামীণ ২৬,১৬৩ টাকা)।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর এবং তদূর্ধ্ব) - ৭৪% (পুরুষ ৭৫.৮%, নারী ৭২.৬%)।
- দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৮.৭%।
- শহরে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৪.৭%।
- গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ২০.৫%।

এছাড়াও,
- দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৫.৬%।
- শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৩.৮%।
- গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।
৯১৮.
নিচের কোনটি অর্থ বাজারের উপাদান নয়?
  1. ট্রেজারি বিল
  2. বন্ড
  3. পুণঃক্রয় চুক্তি
  4. বাণিজ্যিক কাগজ
ব্যাখ্যা
বন্ড অর্থ বাজারের উপাদান নয়। 

অর্থ বাজার (Money Market):

- অর্থ হলো এমন একটি বাজার যেখানে স্বল্পমেয়াদী (১ বছর বা তার চেয়ে কম সময়) আর্থিক সম্পদসমূহ ক্রয় বিক্রয় করা হয়।
- সুতরাং যে বাজারে স্বল্পমেয়াদি অর্থাৎ এক বছরের কম মেয়াদ সম্পন্ন আর্থিক সম্পদসমূহ লেনদেন হয় তাকে অর্থ বাজার বলে।

⇒ অর্থ বাজার নির্দিষ্ট কোন স্থানে কেন্দ্রীভূত থাকে না।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাহায্যে অর্থ বাজার পরিচালিত হয় যেমন: কেন্দ্রীয় ব্যাংক, বাণিজ্যিক ব্যাংক ও নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি।
- সাধারনত কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থ বাজার নিয়ন্ত্রণ করে এবং এটি সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী।
- অর্থ বাজারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো বাণিজ্যিক ব্যাংক, কারণ এটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি শ্রেণিকে স্বল্পমেয়াদি ঋণ সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে অর্থ সরবরাহ করে থাকে।
- যেমন: ব্যাংক বাণিজ্যিক কাগজ বাট্টাকরণের মাধ্যমে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানকে অর্থায়ন সুবিধা প্রদান করে।
- আমাদের মনে রাখতে হবে যে, আর্থিক বাজারের প্রধান নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান হল কেন্দ্রিয় ব্যাংক অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংক।

⇒ অর্থ বাজার সিকিউরিটিজ/উপাদানসমূহ:
- অর্থ বাজারের উপাদানসমূহ হলো: ট্রেজারি বিল, বাণিজ্যিক কাগজ, ব্যাংকের স্বীকৃতিপত্র, পুণঃক্রয় চুক্তি, হস্তান্তরযোগ্য আমানত সার্টিফিকেট ইত্যাদি।

উৎস: i) ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Investopedia.
৯১৯.
২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেট দেশের কত তম পূর্ণকালীন বাজেট?
  1. ক) ৪৮তম
  2. খ) ৪৯তম
  3. গ) ৫১তম
  4. ঘ) ৫২তম
ব্যাখ্যা
২০২০-২০২১ অর্থবছরের ঘোষিতব্য বাজেট হবে দেশের ৪৯ তম পূর্ণকালীন বাজেট। ১৯৭২ সালের জুন মাসে তাজউদ্দীন আহমেদ দেশের প্রথম বাজেট পেশ করেন৷ ১৯৯৬ সালের ২০ জুন ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ একটি অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট পেশ করেন। এম সাইফুর রহমান ও আবুল মাল আব্দুল মুহিত সর্বোচ্চ ১২ টি করে বাজেট পেশ করেন। (সূত্রঃ অর্থ মন্ত্রণালয় এবং দৈনিক প্রথম আলো)
৯২০.
কোন ব্যাংক বাংলাদেশের দরিদ্রতম জনগোষ্ঠীকে ঋণ দিয়ে দেশে ও বিদেশে সুনাম কুড়িয়েছে? 
  1. কৃষি ব্যাংক
  2. গ্রামীণ ব্যাংক
  3. সমবায় ব্যাংক
  4. ইসলামী ব্যাংক
ব্যাখ্যা
• গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের দরিদ্রতম জনগোষ্ঠীকে ঋণ দিয়ে দেশে ও বিদেশে সুনাম কুড়িয়েছে।

• গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৩ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত।

উৎস: গ্রামীণ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯২১.
নিচের কোনটি বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক?
  1. ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড
  2. হাবিব ব্যাংক লিমিটেড
  3. এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড
  4. ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বর্তমানে ৯টি বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে।
এগুলো হলো:
- স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
- ব্যাংক আল ফালাহ
- সিটি ব্যাংক এনএ
- কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন
- হাবিব ব্যাংক লিমিটেড
- এইচএসবিসি
- ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান
- স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া
- উরি ব্যাংক লিমিটেড।
অন্যদিকে,
- এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড এবং ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড হলো দেশীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
৯২২.
নিচের কোনটি সরকারি নোট?
  1. ১ টাকা
  2. ২ টাকা
  3. ৫ টাকা
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ব্যাংক নোট:
- বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট।
- সরকারি নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে আর এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।
৯২৩.
২০২১-২০২২ অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফিতি নির্ধারণ করা হয়েছে কত শতাংশ?
  1. ক) ৫.২ শতাংশ
  2. খ) ৫.৩ শতাংশ
  3. গ) ৫.৪ শতাংশ
  4. ঘ) ৫.৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটে অনুমিত গড় মূল্যস্ফিতি নির্ধারণ করা হয়েছে ৫.৩ শতাংশ।
- জিডিপির প্রবৃদ্ধির অনুমিত লক্ষ্যমাত্রা ৭.২ শতাংশ।
(তথ্যসূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট)
৯২৪.
আয়কর ও মূসক আদায়ের দায়িত্ব কোন প্রতিষ্ঠানের?
  1. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. মুনাফা রাজস্ব বোর্ড
  3. অর্থ মন্ত্রণালয়
  4. জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
ব্যাখ্যা
• আয়কর ও মূসক আদায়ের দায়িত্ব জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের। 

রাজস্ব বোর্ড:
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (জারাবো) রাজস্ব প্রশাসনের শীর্ষ সংস্থা।
- এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নির্দেশনায় ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতি আদেশ নং  ৭৬ দ্বারা গঠিত হয়েছে।
- প্রশাসনিকভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন একটি পরিচালিত হয়।
- অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব জারাবো'র এক্স-অফিসিও চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক প্রধান।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে প্রধান দায়িত্ব হলো কাস্টমস, আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর সংক্রান্ত বিধি-বিধান তৈরি এবং তার আলোকে যথাযথ কর-রাজস্ব আদায় করা।
- এ ছাড়াও চোরাচালান প্রতিরোধ, শুল্ক-কর সংক্রান্ত আর্ন্তজাতিক চুক্তি সম্পাদন ও সরকারের রাজস্ব নীতি সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে প্রতিনিধিত্ব করা।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।
৯২৫.
নীট জাতীয় উৎপাদন (NNP) কীভাবে পাওয়া যায়?
  1. মোট জাতীয় উৎপাদন + মূলধনের অবচয়
  2. মোট জাতীয় উৎপাদন – মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয়
  3. মোট দেশজ উৎপাদন – কর
  4. মোট দেশজ উৎপাদন + মূলধনের অবচয়
ব্যাখ্যা

NNP:
- NNP এর পূর্ণরূপ Net National Product.
- মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দিলে পাওয়া যায় নীট জাতীয় উৎপাদন।
- মোট জাতীয় উৎপাদন করতে সারা বছর ধরে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হয়।
- ফলে যন্ত্রপাতির অবচয়জনিত কারণে প্রকৃত মূল্য হ্রাস পেতে থাকে।
- দেশের উৎপাদন ক্ষমতা বজায় রাখতে হলে মোট জাতীয় উৎপাদনের কিছু অংশ মূলধনের ক্ষয়ক্ষতি পুরণের জন্য কর্তন করতে হয়।
- একে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বলে।
- নীট জাতীয় উৎপাদন মোট জাতীয় উৎপাদন মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯২৬.
Secondary Market is also called -
  1. ক) Business Market
  2. খ) Agriculture Market
  3. গ) Labour Market
  4. ঘ) Financial Market
ব্যাখ্যা
•  Stock Exchanges bonds, Fixed Income Instruments, Mortgages, and Venture Capital Funds are related to the Secondary Market.
- Secondary Market is also called Financial Market

Source: Nasdaq
৯২৭.
Which is the largest specialized bank in Bangladesh in terms of branch network?
  1. Probashi Kollyan Bank
  2. Bangladesh Krishi Bank
  3. Rajshahi Krishi Unnayan Bank
  4. Agrani Bank Limited
ব্যাখ্যা
ব্যাংক খাত:
- বর্তমানে দেশে মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি।
- এর মধ্যে -
• রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
• বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
• বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
• বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।
• মোট অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।

বিশেষায়িত ব্যাংক:
- বাংলাদেশে ৩টি বিশেষায়িত ব্যাংক রয়েছে.।
- এগুলোর মালিকানা বাংলাদেশ সরকারের হাতে।
- ব্যাংক তিনটি আলাদা আলাদা বিশেষ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে গঠন করা হয়েছে।
- ব্যাংক ৩টি হলো:
১. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক,
২. রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, 
৩. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক:

- জলবায়ু-নির্ভর অনিশ্চিত এবং ঝুঁকিপূর্ণ কৃষি খাতে অর্থায়নের জন্য ১৯৭৩ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ২৭ এর অধীনে দেশের বৃহত্তম বিশেষায়িত ব্যাংক বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (বিকেবি) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক আমানত, ঋণ এবং বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন সহ সব ধরণের ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে অনলাইন ব্যাংকিং, কম্পিউটারাইজড ব্যাংকিং এবং স্বয়ংক্রিয় বৈদেশিক রেমিট্যান্স সিস্টেম চালু করেছে।
- সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধনের পরিমাণ মাত্র ১৫০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন মাত্র ৯০০ কোটি টাকা।

অন্যদিকে -
- অগ্রণী ব্যাংক রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক।

উৎস: i) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ওয়েবসাইট।
        ii) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৯২৮.
মূসকের আদর্শ হার কত শতাংশ?
  1. ৫%
  2. ১০.৫%
  3. ১৫%
  4. ১২.৫%
ব্যাখ্যা

⇒ মূসক হলো স্বনির্ধারণী পরোক্ষ কর। সরবরাহকৃত পণ্য বা সেবার ওপর প্রদেয় করের বিপরীতে উপকরণ কর সমন্বয় করে পণ্য বা সেবার মূল্যস্তরের প্রকৃত সংযোজনের ওপর আরোপিত করই ঐ পণ্য বা সেবার মূল্য সংযোজন কর বা মূসক।
⇒ বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে ১ জুলাই মূল্য সংযোজন কর চালু হয়।
⇒ মূসকের আদর্শ হার ১৫%।
- আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূসকের হার ১৫% এবং রপ্তানির ক্ষেত্রে মূসকের হার ০% প্রযোজ্য।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড [লিংক]।

৯২৯.
'Blue Chip' শব্দটি কোন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) আন্তর্জাতিক বাজারে
  2. খ) শেয়ার বাজারে
  3. গ) জুয়া খেলায়
  4. ঘ) খুচরা বাজারে
ব্যাখ্যা
ব্লু চিপ শেয়ার:
- বাজারে এমন অনেক কোম্পানি আছে যাদের আর্থিক অবস্থা ভালো, সুসংহত, ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার মান ভালো।
- এরা অনেক দিন ধরে বাজারে প্রতিষ্ঠিত। তাদের দীর্ঘমেয়াদি ও স্থিতিশীল বৃদ্ধির রেকর্ড আছে।
- নিরাপদ কোম্পানি এবং নিয়মিত লভ্যাংশ দিয়ে থাকে। সব মিলিয়ে বিনিয়োগের জন্য আকর্ষণীয় কোম্পানি।
- আর এসব কোম্পানিকেই শেয়ারবাজারে ব্লু চিপ কোম্পানি বলে, আর তাদের শেয়ার ব্লু চিপ শেয়ার।
- ভালো কোম্পানি বলে এই শেয়ারের চাহিদাও বেশি থাকে। এসব শেয়ার অনেকটাই ঝুঁকিমুক্ত।
- তবে শেয়ারবাজার কখনোই পুরোপুরি ঝুঁকিপূর্ণ নয়। শেয়ারবাজার মানেই ঝুঁকি।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা নিউজ।
৯৩০.
বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. হবিগঞ্জ
  2. নোয়াখালী
  3. মৌলভীবাজার
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
• বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র: এটি নোয়াখালী জেলায় অবস্থিত। পেট্রোবাংলা ১৯৭৭ সালে এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্রটি একটি ছোট আকৃতির গ্যাসক্ষেত্র এবং এর উন্নয়নে এখন পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় নি। এখানে খননকৃত দুটি গ্যাসক্ষেত্রের মধ্যে একটি শুষ্ক পাওয়া যায়।

• কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র: এটি সিলেট জেলায় অবস্থিত; বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি ১৯৬২ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। এর মোট অনুমিত মজুত ৩.৬৫ টিসিএফ যার মধ্যে উত্তোলনযোগ্য মজুত ২.৫২ টিসিএফ গ্যাস। কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র থেকে গ্যাসের সঙ্গে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কনডেনসেটও উৎপাদিত হয়ে থাকে। ১৯৮৩ সাল থেকে এই গ্যাসক্ষেত্রের গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।

• হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র: এটি ১৯৬৩ সালে আবিষ্কৃত দেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। এটি ১১ কিমি দীর্ঘ এবং ৪.৫ কিমি প্রশস্ত। প্রায় ৩০ শতাংশ সচ্ছিদ্রতাবিশিষ্ট হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র একটি উন্নতমানের গ্যাসাধার হিসেবে খ্যাত। বর্তমানে এটি দেশের অন্যতম একটি গ্যাস উৎপাদনক্ষেত্র। আজ পর্যন্ত এই গ্যাসক্ষেত্রে ১০টি কূপ খনন করা হয়েছে।

• বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র: এটি কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত। ১৯৬৯ সালে শেল অয়েল কোম্পানি এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। ১৯৮৪ সালে এখান থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু হয় এবং ১৯৯৩ সালে এর উৎপাদন সর্বোচ্চে পৌঁছে (দৈনিক ১৯০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস)। তখন থেকে এই গ্যাসক্ষেত্রের চাপ ও উৎপাদনে দ্রুত পতন ঘটে। ২০০০ সালের শেষদিকে এখান থেকে প্রতিদিন মাত্র ৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে যে, বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রটি দ্রুত নিঃশেষ হয়ে যাবে।

• সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্র: এটি খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার একমাত্র গ্যাসক্ষেত্র। ১৯৬৯ সালে তৎকালীন পাকিস্তানের জাতীয় তেল কোম্পানি ও.জি.ডি.সি এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। খননকৃত ৪টি কূপের মধ্যে ৩নং ও ৪নং কূপে কোন গ্যাস পাওয়া যায় নি। এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে কোন গ্যাস উত্তোলিত হয় নি।

• কুতুবদিয়া গ্যাসক্ষেত্র: এটি চট্টগ্রাম বন্দরের প্রায় ৯২ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিয়ন অয়েল কোম্পানি ১৯৭৬ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। যদিও গ্যাসক্ষেত্রটি ছোট আকৃতির, তবুও এর উন্নয়নে এখন পর্যন্ত কোন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় নি।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৯৩১.
কোনো দ্রব্যের দামের পরিবর্তনের হার যদি চাহিদার পরিবর্তনের হার অপেক্ষা বেশি হয়, তাকে কী বলে?
  1. অস্থিতিস্থাপক চাহিদা
  2. স্থিতিস্থাপক চাহিদা
  3. শূন্য স্থিতিস্থাপক
  4. অসীম স্থিতিস্থাপক
ব্যাখ্যা
স্থিতিস্থাপক চাহিদা:
⇒ দামের পরিবর্তনের হার অপেক্ষা চাহিদার পরিবর্তনের হার বেশি হলে তাকে স্থিতিস্থাপক চাহিদা বলে।
⇒ স্থিতিস্থাপক চাহিদার ক্ষেত্রে দ্রব্যের দাম বাড়লে মোটা ব্যয় হ্রাস পায় এবং দাম কমলে মোট ব্যয় বৃদ্ধি পায়।
⇒ সাধারণত বিলাস ও আরাম জাতীয় দ্রব্যের ক্ষেত্রে চাহিদা স্থিতিস্থাপক হয়। যেমন- গাড়ি, ফ্রিজ, রঙিন টিভি ইত্যাদি।

অস্থিতিস্থাপক চাহিদা:
⇒ দামের পরিবর্তনের হার যদি চাহিদার পরিবর্তনের হার অপেক্ষা বেশি হয়, তাকে অস্থিতিস্থাপক চাহিদা বলে।
⇒ অস্থিতিস্থাপক চাহিদার ক্ষেত্রে দ্রব্যের দাম বাড়লে মোট ব্যয় বৃদ্ধি পায় এবং দাম কমলে মোট ব্যয় হ্রাস পায়।
⇒ সাধারণত: নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের ক্ষেত্রে চাহিদা অস্থিতিস্থাপক হয়। যেমন- চাল, আটা, চিনি ইত্যাদি।

উৎস: অর্থনীতি ১ম পত্র, এইচসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৩২.
আর্থিক প্রযুক্তি খাতে কোন প্রতিষ্ঠান ‘ফিনটেক পাইওনিয়ার ২০২৩' সম্মাননা পেয়েছে?
  1. নগদ
  2. বিকাশ
  3. রকেট
  4. উপায়
ব্যাখ্যা
ফিনটেক পাইওনিয়ার-২০২৩:
- দেশের আর্থিক প্রযুক্তি বা ফিনটেক খাতে অগ্রগামী ভূমিকা রাখায় ‘ফিনটেক পাইওনিয়ার ২০২৩' সম্মাননা পেয়েছে মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান বিকাশ।
- বাংলাদেশ স্টার্টআপ সামিট ২০২৩' অনুষ্ঠানে বিকাশকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।
- অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে এ বিষয়ক সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন বিকাশের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) কামাল কাদীর।
- বর্তমানে বিকাশের ৭ কোটি গ্রাহক, ৩ লাখ ৩০ হাজার এজেন্ট ও সাড়ে ৫ লাখ মার্চেন্ট রয়েছে।
- এখন পর্যন্ত ব্র্যাক ব্যাংক, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানি ইন মোশন এলএলসি, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের অন্তর্গত ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স করপোরেশন, বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন, অ্যান্ট গ্রুপ ও সফট ব্যাংক ভিশন ফান্ড থেকে ৩৮১ মিলিয়ন বা ৩৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার সমপরিমাণ বিনিয়োগ এনেছে বিকাশ।
- ২০৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশ যেন ক্যাশবিহীন স্মার্ট বাংলাদেশ হয় সেই লক্ষ্যে কাজ করছে বিকাশ।

উৎস: ২৯ জুলাই, ২০২৩, প্রথম আলো। 
৯৩৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯ অনুযায়ী বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় কত মা. ডলার?
  1. ক) ১৬২০ মা. ডলার
  2. খ) ১৭৫২ মা. ডলার
  3. গ) ১৯০৯ মা. ডলার
  4. ঘ) ২২৪০ মা. ডলার
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯ অনুযায়ী বাংলাদেশে মাথাপিছু জাতীয় আয় ১৯০৯ মার্কিন ডলার। জাতীয় প্রবৃদ্ধি হার ৮.১৩ শতাংশ। (সূত্রঃ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০১৯)
৯৩৪.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথমার্ধের জন্য মুদ্রানীতিতে রেপো রেট বা নীতি সুদহার কত?
  1. ৮.২৫%
  2. ৮.৭৫%
  3. ৯.৫%
  4. ১০%
ব্যাখ্যা
মুদ্রানীতি (Monetary policy):
- একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে যে নীতি গ্রহণ করা হয়, তাকে মুদ্রানীতি বলে।
- সাধারণত কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই মুদ্রানীতি ঘোষণা করে।
- মুদ্রানীতির মূল লক্ষ্য হলো মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা ও মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করা।
- এ জন্য দেশের আর্থিক খাতের চিত্র কেমন হবে—এ নিয়ে পরবর্তী ছয় মাসের জন্য নীতি ঠিক করা হয়।
- বাজারে মুদ্রার সরবরাহ পরিস্থিতি দিয়েই মূলত এটি ঠিক করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

⇒ বাংলাদেশে প্রতি ছয় মাস পরপর মুদ্রানীতি ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- সাধারণত জানুয়ারি-জুন ও জুলাই-ডিসেম্বর—এই সময়সীমা ধরে বাংলাদেশে মুদ্রানীতি দেওয়া হয়।
- ২০০৬ সালে বাংলাদেশ প্রথম মুদ্রানীতি দেওয়া হয়। তখন বছরে দুবার মুদ্রানীতি ঘোষণা করত বাংলাদেশ ব্যাংক। পরে ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর ফজলে কবির বছরে একবার মুদ্রানীতি প্রণয়নের ঘোষণা দেন।  পরে ২০২৩ সাল থেকে আবার বছরে দুবার মুদ্রানীতি ঘোষণার রীতিতে ফিরে যায় বাংলাদেশ।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথমার্ধের জন্য মুদ্রানীতিতে নীতি সুদহার ১০ শতাংশ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়।
- এতে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা আগের অর্ধবার্ষিকের ৯.৮ শতাংশ থেকে অনেকটা কমিয়ে ৭.২ শতাংশ করা হচ্ছে।

উৎস: i) Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো। [link]
৯৩৫.
অর্থনীতিতে বাফার স্টক বলতে কী বোঝায়?
  1. বাজার স্থিতিশীলতার জন্য রিজার্ভ পরিমাণ পণ্য
  2. কৃষি পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধির কৌশল
  3. শুধুমাত্র রপ্তানির জন্য সংরক্ষিত পণ্য
  4. পণ্যের দাম বৃদ্ধির জন্য সংরক্ষিত মজুত
ব্যাখ্যা
বাফার স্টক:
- বাজার স্থিতিশীল করার জন্য পণ্যদ্রব্য বা সংরক্ষণ করে রাখার কৌশলকে বলা হয় বাফার স্টক।
- অর্থনীতিতে যখন রাজস্ব ঘাটতি থাকে না, অর্থাৎ রাজস্ব উদ্বৃত্ত থাকে, তখন পণ্যদ্রব্য কেনা হয়। অর্থনৈতিক সংকট দেখা দিলে এই পণ্যদ্রব্য বিক্রি করে ফেলা হয়। এটাই হলো বাফার স্টক।

⇒ বাফার স্টক (Buffer Stock) হলো একটি অতিরিক্ত বা রিজার্ভ পরিমাণ পণ্য, যা একটি প্রতিষ্ঠানের বা সরকারের কাছে থাকে, যাতে জরুরি বা চাহিদা বৃদ্ধির পরিস্থিতিতে সরবরাহে ভারসাম্য বজায় রাখা যায়।
- এটি একটি "নিরাপত্তা মজুত" হিসেবে কাজ করে, যা পণ্যের দাম ওঠানামা বা সরবরাহে সমস্যার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
- কৃষি পণ্যের উৎপাদন মৌসুমের বাইরের সময়ে বা বন্যা, খরা ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে যদি সরবরাহ কমে যায়, তবে সরকার বাফার স্টক থেকে সেই পণ্যগুলি বাজারে সরবরাহ করতে পারে।
- অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে, একটি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক তার অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য বিদেশী মুদ্রার বাফার স্টক রাখতে পারে।
- এটি মূলত অর্থনৈতিক নিরাপত্তা এবং বাজারে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: Economics Help.
৯৩৬.
In which year the Grameen Bank project started as a pilot in Bangladesh? 
  1. 1975
  2. 1976
  3. 1983
  4. 1985
ব্যাখ্যা

• গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি মুদ্রাক্ষয়ী প্রণোদনাবাহী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- এটি বাংলাদেশের তৈরি প্রথম মাইক্রোক্রেডিট (microcredit) প্রতিষ্ঠান।
- ভূমিহীন ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে ছোট ছোট দলে সংগঠিত করে জামানতবিহীন ঋণ প্রদান করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্পটি ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার ‘জোবরা’ গ্রামে একটি পরীক্ষামূলক প্রকল্প হিসেবে শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮৩ সালে পূর্ণাঙ্গ ব্যাংক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- এটি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক পরিবর্তনে কাজ করে।
- বিশ্বের এককভাবে সবচেয়ে বড় ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী ব্যাংক।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের সাফল্যের জন্য ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৯৩৭.
বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় (Per Capita Income) গণনায় কোন ভিত্তি বছর (Base Year) ব্যবহার করা হচ্ছে?
  1. ২০০৫-০৬
  2. ২০১০-১১
  3. ২০১৫-১৬
  4. ২০১৯-২০
ব্যাখ্যা

• বর্তমানে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) এবং মাথাপিছু আয় (Per Capita Income) গণনার ক্ষেত্রে ২০১৫-১৬ অর্থবছরকে ভিত্তি বছর (Base Year) হিসেবে ব্যবহার করছে।

ভিত্তি বছর পরিবর্তন: এর আগে বাংলাদেশ ২০০৫-০৬ ভিত্তি বছর ব্যবহার করত।২০২১ সালের নভেম্বর মাসে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ভিত্তি বছর পরিবর্তন করে ২০১৫-১৬ নির্ধারণ করে।
পরিবর্তনের কারণ: অর্থনীতির কাঠামোগত পরিবর্তন এবং নতুন নতুন খাত (যেমন: লজিস্টিকস, নতুন ধরনের সেবা) অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সাধারণত প্রতি ১০ বছর অন্তর ভিত্তি বছর পরিবর্তন করা হয়।নতুন এই ভিত্তি বছর ব্যবহারের ফলে জিডিপির আকার এবং মাথাপিছু আয়ের সঠিক ও আধুনিক চিত্র পাওয়া সম্ভব হচ্ছে।
প্রভাব: ভিত্তি বছর ২০১৫-১৬ করার ফলে জিডিপি গণনায় খাতের সংখ্যা ১৫টি থেকে বাড়িয়ে ১৯টি করা হয়েছে, যার ফলে দেশের জিডিপির আকার এবং মাথাপিছু আয় আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে।
- সর্বশেষ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ তথ্যনুসারে এই ভিত্তি বছরের ভিত্তিতে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় বর্তমানে ২,৮২০ মার্কিন ডলার।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও প্রথম আলো।

৯৩৮.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের প্রধান সমন্বয়কারী সংস্থা কোনটি? 
  1. এডিবি
  2. বিশ্বব্যাংক
  3. জাইকা 
  4. ব্রিকস
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম:
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের প্রতিষ্ঠাকালীন নাম- বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম করা হয়- ২০০২ সালে।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের বৈঠক বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়- ২০০৩ সাল থেকে।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী কোন সংস্থা: বিশ্বব্যাংক।
- বাংলাদেশে বৈদেশিক সাহায্য শীর্ষ- আইডিএ।
- জাইকা (JICA) জাপানের একটি সরকারি সংস্থা,
- যা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা হিসাবে পরিচিত।
​- ব্রিকস নতুন অর্থনেতিক উদীয়মান দেশের জোট। 

উৎস: ইআরডি ওয়েবসাইট।

৯৩৯.
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কোন খাতের প্রবৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) কৃষিখাতে
  2. খ) শিল্পখাত
  3. গ) সেবাখাত
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত – সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং ছোট খাত - কৃষিখাত। 
আবার, কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত - কৃষিখাত (৪০.৬% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত - শিল্পখাত (২০.৪% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত - শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার ১০.৪৪%। 
অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার - ২.২০%।
সার্বিকভাবে অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান – ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান - ক্রমবর্ধমান। 
যদিও সাময়িক হিসাবে ২০২০-২১ অর্থবছরে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার পূর্ববর্তী অর্থবছরের ০.৫৮ শতাংশ হতে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৩১ শতাংশে।
 
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
৯৪০.
বাংলাদেশের বীমা কোম্পানীর নিয়ন্ত্রক সংস্থা কোনটি?
  1. IDRA
  2. BIA
  3. BSEC
  4. BB
ব্যাখ্যা
ইন্স্যুরেন্স ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রেগুলেটরি অথরিটি বা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (IDRA):
- বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (IDRA) ২৬ জানুয়ারি, ২০১১ সালে ইন্স্যুরেন্স ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রেগুলেটরি অথরিটি অ্যাক্ট ২০১০ এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ সরকার ইন্স্যুরেন্স অ্যাক্ট ২০১০ প্রণয়ন করে বীমা ব্যবসার উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণের জন্য।
- IDRA বীমা ব্যবসা তদারকি এবং পলিসি হোল্ডারদের স্বার্থ রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- IDRA জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বীমা শিল্পের সুসংগঠিত উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করছে।
- IDRA বীমা শিল্পের টেকসই উন্নয়ন এবং গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উৎস: IDRA ওয়েবসাইট
৯৪১.
বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিক উপলক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংক কত টাকা মূল্যমানের নতুন নোট বাজারে ছাড়ে?
  1. ক) ২০০
  2. খ) ২৫০
  3. গ) ৩০০
  4. ঘ) ৪০০
ব্যাখ্যা
মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংক ১৮ মার্চ ২০২০ দুইশত (২০০) টাকা মূল্যমানের প্রচলিত ও স্মারক নোট ইস্যু করে। প্রচলতি নোটে 'মুজিব শতবর্ষ' কথাটি লেখা রয়েছে। তবে ২০২১ সালে থেকে বাজারে কেবল প্রচলিত নোট থাকবে এবং এতে মুজিব শতবর্ষ লেখা থাকবে না। (সূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দৈনিক যুগান্তর)
৯৪২.
What is the growth target of the 8th-Five-Year-Plan?
  1. 7.40%
  2. 8.15%
  3. 8.51%
  4. 8.53%
ব্যাখ্যা
 ৮ম-পঞ্চবার্ষিক-পরিকল্পনা:
- মেয়াদকাল: জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫।
- বাস্তবায়ন ব্যয় লক্ষ্যমাত্রা: ৬৪ লাখ ৯৫ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা।
- মোট বিনিয়োগ জিডিপির: ৩৭.৪%।
- প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৮.৫১%। 
- কর্মসংস্থান: ১ কোটি ১৩ লাখ।
- মূল্যস্ফীতি: ৪.৬%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু: ৭৪ বছর।
- বিদ্যুৎ উৎপাদন: ৩০ হাজার মেগাওয়াট।
- দারিদ্র্যের হার: ১৫.৬%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৭.৪%।
- যেখানে অর্থবছর ২০৩১ এর মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে (UMIC) উন্নীত হওয়া এবং চরম দারিদ্র্য দূর করা হবে।
- অর্থবছর ২০৪১ এর মধ্যে উচ্চ আয়ের দেশের (HIC) মর্যাদা লাভ করার রোডম্যাপ নির্ধারণ করা হয়।

অন্যদিকে -
- ৭ম-পঞ্চবার্ষিক-পরিকল্পনার লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭.৪০% এবং অর্জিত প্রবৃদ্ধি ৮.৫১%। 

উৎস: ৮ম-পঞ্চবার্ষিক-পরিকল্পনা, portal.gov.bd.
৯৪৩.
বাংলাদেশ প্রাণীসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) জয়দেবপুর
  2. খ) ঈশ্বরদী
  3. গ) সাভার
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ প্রাণীসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট ঢাকার সাভারে অবস্থিত।
প্রধান কার্যালয় ব্যতীত সিরাজগঞ্জ, বান্দরবান, রাজশাহী, যশোর ও ফরিদপুরে এর আরো ৫টি আঞ্চলিক কেন্দ্র রয়েছে।
এটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় যা মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান যা প্রাণী ও পোল্ট্রিসম্পদ বিষয়ে গবেষণা করে থাকে।
এটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান যা প্রাণী ও পোল্ট্রি সম্পদ বিষয়ে গবেষণা করে থাকে।
(সূত্রঃ প্রাণীসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট)
৯৪৪.
১০০০ টাকার নোটে স্বাক্ষর থাকে-
  1. ক) অর্থ মন্ত্রীর
  2. খ) অর্থ সচিবের
  3. গ) প্রধানমন্ত্রীর
  4. ঘ) গভর্নরের
ব্যাখ্যা
ব্যাংক নোট গুলো হলঃ ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট। বর্তমানে বাংলাদেশে ব্যাংক নোটের সংখ্যা ৭ টি। এগুলোতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে। সরকারি নোটে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে। সূত্র-প্রথম আলো পত্রিকা।
৯৪৫.
AIIB কোন দেশগুলোর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে সহায়তা প্রদান করে?
  1. ইন্দোপ্যাসিফিক অঞ্চলের দেশগুলোর
  2. এশিয়া এবং অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর
  3. আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর
  4. ব্রিকস ভুক্ত দেশগুলোর
ব্যাখ্যা

• AIIB:
- AIIB-এর পূর্ণরূপ: Asian Infrastructure Investment Bank বা এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো এশিয়া এবং অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলির অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে সহায়তা প্রদান করা।
- এই ব্যাংকটি চীনের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এবং চীন AIIB-এর প্রতিষ্ঠায় মূল ভূমিকা পালন করে।
- এই ব্যাংকটি জানুয়ারি ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর বেইজিং, চীন-এ অবস্থিত।
- প্রতিষ্ঠার সময় এর সদস্য দেশ ছিল ৫৭টি, কিন্তু বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ১১০টি। [ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]

উৎস: AIIB ওয়েবসাইট।

৯৪৬.
কোন ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে নিকাশ ঘরের কার্যক্রম পরিচালনা করে?
  1. সোনালী ব্যাংক
  2. জনতা ব্যাংক
  3. অগ্রণী ব্যাংক
  4. রূপালী ব্যাংক
ব্যাখ্যা
সোনালী ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে নিকাশ ঘরের কার্যক্রম পরিচালনা করে।

নিকাশ ঘর:

- নিকাশ এমন একটি প্রক্রিয়া যাহার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংকের মধ্যে দেনা পাওনা অতি সহজেই নিষ্পত্তি করা যায়।
- এই প্রক্রিয়াটি সমাধা করার জন্য বিভিন্ন ব্যাংকের প্রতিনিধিগণ নির্দিষ্ট সময়ে একটি নির্দিষ্ট স্থানে সমবেত হয়ে নেতা ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে একে অন্যের উপর আদিষ্ট চেক, ড্রাফট ইত্যাদি দলিলসমূহ বিনিময় করেন।

⇒ ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর নিকাশ ব্যবস্থার দায়িত্ব 'বাংলাদেশ ব্যাংক' গ্রহণ করে।
- যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা নেই সেখানে সোনালী ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের হয়ে নিকাশ ঘরের দায়িত্ব পালন করে।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক ১৬টি জেলা শহরে নিকাশ ঘর ব্যবস্থা পরিচালনা করছে।

⇒ সোনালী ব্যাংক পিএলসি:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্র মালিকানাধীন সর্ববৃহৎ বাণিজ্যিক ব্যাংক সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- বাংলাদেশ ব্যাংক্স (ন্যাশনালাইজেশন) অর্ডার ১৯৭২, রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ নম্বর ২৬, ১৯৭২ অনুসারে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, ব্যাংক অব বাহ্ওয়ালপুর এবং প্রিমিয়ার ব্যাংক নিয়ে ‘সোনালী ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর শাখার সংখ্যা বর্তমানে ১২৩১টি।
- দেশের অভ্যন্তরে ১২২৯টি এবং বিদেশে ২টি শাখা রয়েছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৪৭.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের বিশেষায়িত ব্যাংক নয়?
  1. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  2. রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
  3. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
  4. আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের বিশেষায়িত ব্যাংক নয়- আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক।
- এটি একটি অ-তফসিল ভুক্ত ব্যাংক।

উল্লেখ্য,
- যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না


অন্যদিকে,
- তফসিলী ব্যাংকের সংখ্যা মোট ৬১ টি।
 - অ- তফসিলী ব্যাংকের সংখ্যা মোট ৫ টি।
- রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
- বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
- বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।
- শরিয়া ভিত্তিক ইসলামিক ব্যাংক : ১০ টি।
- ডিজিটাল ব্যাংক: ১ টি।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।

৯৪৮.
IDRA এর পূর্ণরূপ কি?
  1. International Development Regulation Authority
  2. Insurance Development and Regulatory Authority
  3. Insurance Dealing Research Authority
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
IDRA:
- IDRAএর পূর্ণরূপ: Insurance Development and Regulatory Authority. 
- ২০১১ সালের ২৬শে জানুয়ারী বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ আইন ২০১০ এর বিধানের অধীনে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ (IDRA) গঠিত হয়েছে।
- বাংলাদেশ সরকার বীমা ব্যবসার বিকাশ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেছে।
- এটি বীমা ব্যবসার তত্ত্বাবধান এবং পলিসি হোল্ডারের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- কর্তৃপক্ষ 'জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪' বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বীমা শিল্পের পদ্ধতিগত উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করছে।
- IDRA একজন চেয়ারম্যান এবং চারজন সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত।

উৎস: বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
৯৪৯.
নিম্নে যার সাথে একনেক (ECNEC)-এর সম্পর্ক নেই -
  1. ক) অর্থমন্ত্রী
  2. খ) স্পিকার
  3. গ) প্রধানমন্ত্রী
  4. ঘ) পরিকল্পনামন্ত্রী
ব্যাখ্যা
- স্পিকারের সাথে একনেক (ECNEC)-এর সম্পর্ক নেই।

• ECNEC:
- ECNEC ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- একনেক (ECNEC)-এর প্রধান- প্রধানমন্ত্রী।
- একনেক (Executive Committee of the National Economic Council) 1982 সালে গঠিত হয়। এর চেয়ারম্যান বা সভাপতি হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।
৯৫০.
BIDS-এর প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. আগারগাঁও, ঢাকা
  2. মিরপুর, ঢাকা
  3. মতিঝিল, ঢাকা
  4. সেগুনবাগিচা, ঢাকা
ব্যাখ্যা

BIDS:
- BIDS-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Institute of Development Studies বা বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত পাবলিক মাল্টি-ডিসিপ্লিনারি সংস্থা যা বাংলাদেশ এবং অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলির মুখোমুখি উন্নয়ন সমস্যাগুলির উপর নীতি-ভিত্তিক গবেষণা পরিচালনা করে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: জুন, ১৯৪৭ সাল (পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিক্স (পিআইডিই) নামে)।
- প্রধান কার্যালয়: আগারগাঁও , ঢাকা।

উলেখ্য,
- ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর, ইনস্টিটিউটটির নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন অর্থনীতি ইনস্টিটিউট (BIDE)।
- পরবর্তীতে, ১৯৭৪ সালে একটি সংসদীয় সনদ প্রদান করা হয় এবং উন্নয়ন গবেষণার বহুমুখী কেন্দ্রবিন্দু প্রতিফলিত করার জন্য ইনস্টিটিউটটির নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন অধ্যয়ন ইনস্টিটিউট (BIDS)। 

⇒ লক্ষ্য: নির্ভরযোগ্য গবেষণা পরিচালনা, নীতি সংলাপ প্রচার, নীতিগত বিকল্পগুলি প্রচার এবং তথ্যবহুল নীতি নির্ধারণের জন্য জোট তৈরির মাধ্যমে উন্নয়ন সমাধানগুলিতে শেখার সুবিধা প্রদান করা।
- ইনস্টিটিউট গবেষণা পদ্ধতির উপর প্রশিক্ষণও পরিচালনা করে এবং উন্নয়নমূলক হস্তক্ষেপের মূল্যায়নও করে।
- এই লক্ষ্যে, বিআইডিএস বর্তমান অর্থনৈতিক ও সামাজিক সমস্যাগুলির উপর বিশ্লেষণাত্মক এবং নীতিনির্ধারিত গবেষণা পরিচালনার জন্য আর্থ-সামাজিক তথ্য সংগ্রহ এবং তৈরিতে জড়িত এবং নীতি নির্ধারণে সহায়তা করার জন্য উন্নয়নমূলক উদ্বেগের উপর গবেষণার ফলাফল এবং জ্ঞান প্রচার করে।

উৎস: BIDS ওয়েবসাইট।

৯৫১.
কোনো নির্দিষ্ট সময়ে একটি দেশের নাগরিক কর্তৃক দাবিকৃত দেশীয় ও বৈদেশিক উৎস হতে সংগৃহীত মূল্য সংযোজনকে কী বলে?
  1. মোট দেশজ উৎপাদন
  2. নিট জাতীয় আয়
  3. নিট দেশজ উৎপাদন
  4. মোট জাতীয় আয়
ব্যাখ্যা
মোট জাতীয় আয় (Gross National Income: GNI):
- মোট জাতীয় আয় ও মোট জাতীয় উৎপাদন পরিমাণগতভাবে একই অর্থ প্রকাশ করে।
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে একটি দেশের নাগরিক কর্তৃক দাবিকৃত দেশীয় ও বৈদেশিক উৎস হতে সংগৃহীত মূল্য সংযোজনকে মোট জাতীয় আয় (GNI) বলা যায়।
- GNI মোট দেশজ উৎপাদন এবং বৈদেশিক উৎস হতে প্রাপ্ত প্রাথমিক আয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

নিট জাতীয় আয় (Net National Income বা NNI):
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কোনো অর্থনীতিতে চূড়ান্ত পর্যায়ের দ্রব্য ও সেবার আর্থিক মূল্য (GNI) থেকে মূলধন সামগ্রীর ব্যবহারজনিত ব্যয় (Capital Consumption Allowance-CCA) বা অবচয় ব্যয় (Depreciation Cost) বাদ দিলে যা থাকে তাকে নিট জাতীয় আয় বলে।

মোট দেশজ উৎপাদন (Gross Domestic Product বা GDP):
- GDP জাতীয় আয় নির্ধারণ, সামষ্টিক বিশ্লেষণ ও উন্নয়ন নীতি নির্ধারণের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ সূচক। GDP ধারণাটি GNP ধারণার সাথে সমজাতীয় হলেও উভয়ের মধ্যে কিছুটা তাৎপর্যপূর্ণ পার্থক্য লক্ষ করা যায়।
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার বাজারমূল্য এবং উক্ত দেশে অবস্থানরত বিদেশিদের উপার্জিত আয়-এর সমষ্টি (includes) থেকে দেশীয় নাগরিক কর্তৃক বিদেশ হতে প্রেরিত অর্থ থেকে বাদ (excludes) দেয়ার পর অবশিষ্ট আর্থিক মূল্যকে মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) বলা হয়।

নিট দেশজ উৎপাদন (Net Domestic Product বা NDP):
- মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) হতে মূলধন সামগ্রীর ব্যবহারজনিত ব্যয় (CCA) বা অবচয় ব্যয় (DC) বাদ দেওয়ার পর যা পাওয়া যায়, তাকে নিট দেশজ উৎপাদন বলে।

উৎস: Macroeconomics, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৫২.
‘পানগাঁও অভ্যন্তরীণ কনটেইনার টার্মিনাল’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) রূপগগঞ্জে
  2. খ) মিরসরাইয়ে
  3. গ) কেরানীগঞ্জে
  4. ঘ) আশুগঞ্জে
ব্যাখ্যা
• ২০১৩ সালের ৭ নভেম্বর বুড়িগঙ্গার তীরে কেরানীগঞ্জে চালু করা হয়েছিল ‘পানগাঁও অভ্যন্তরীণ কনটেইনার টার্মিনাল’। 
- চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে এটি নির্মাণ করে চালু করে।
- টার্মিনালে বিনিয়োগ হয়েছে প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা। 

• দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের ৯০ শতাংশের বেশি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
- এরমধ্যে ৭০ শতাংশ কন্টেইনারজাত পণ্য ঢাকায় আসে।
- যার মধ্যে অধিকাংশই আবার সড়ক ও রেলপথে চলাচল করে।
- নৌপথে কন্টেইনারজাত পণ্য পরিবহনের কোন ব্যবস্থা এতদিন ছিল না।
- এ কারণে নৌপথে কন্টেইনারজাত পণ্য পরিবহনের জন্য  পানগাঁও অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার টার্মিনাল নির্মাণ করে সরকার। 
- পানগাঁও অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার টার্মিনাল চালু হওয়ার ফলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপর যানবাহনের চাপ হ্রাস পাবে।
- সড়কপথের রক্ষণাবেক্ষণের ব্যয়ও উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
- পরিবহন ব্যয় হ্রাসের ফলে ভোক্তা পর্যায়ে পণ্যমূল্যও কমে যাবে।
- নৌপথে পণ্য পরিবহন হবে সাশ্রয়ী, হরতাল, অবরোধ ও যানজটমুক্ত।
- বিশেষ করে পোশাকশিল্প মালিকগণ এ টার্মিনালটি ব্যবহার করে সর্বাধিক লাভবান হবেন।

সূত্র: Prime Minister Office ও প্রথম আলো।
৯৫৩.
কোন করের বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয়?
  1. সম্পূরক শুল্ক
  2. আয়কর
  3. আবগারি শুল্ক
  4. মূসক
ব্যাখ্যা
- যে করের বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয় সাধারণত তাকে প্রত্যক্ষ কর বলে।
যেমনঃ
- আয়কর
- ভূমি উন্নয়ন কর
- দানকর ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- সম্পূরক শুল্ক, আমদানি কর, মূল্য সংযোজন কর (মূসক), আবগারি শুল্ক ইত্যাদি হলো পরোক্ষ কর যার বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয় না৷
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি)
৯৫৪.
টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টের প্রথম লক্ষ্যের বিষয়বস্তু কী?
  1. ক) বৈষম্য হ্রাস
  2. খ) ক্ষুধা দূরীকরণ
  3. গ) দারিদ্র্য নির্মূলকরণ
  4. ঘ) মানসম্মত শিক্ষা
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘ কর্তৃক ২০১৬ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে।
- তার মধ্যে প্রথম লক্ষ্যটি হলো দারিদ্র্য দূর করা। এতে ২০৩০ সালের মধ্যে সকল প্রকার দারিদ্র্য দূর করার কথা বলা হয়েছে।
(তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ও সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ)
৯৫৫.
বাংলাদেশের কত টাকার নোটে কুসুম্বা মসজিদের ছবি রয়েছে?
  1. ২ টাকা
  2. ৫ টাকা
  3. ১০ টাকা
  4. ২০ টাকা
ব্যাখ্যা
কুসুম্বা মসজিদ:
- নওগাঁর মান্দা উপজেলায় ঐতিহাসিক কুসুম্বা মসজিদের অবস্থান।
- মসজিদটি ধরে রেখেছে সুলতানি আমলের অনন্য নিদর্শন।
- এর মিহরাবের ওপর সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহর নাম লিপিবদ্ধ করা।
- ধারণা করা হয়, তাঁর শাসনামলে মসজিদটি নির্মিত।
- এটি চারকোনাবিশিষ্ট। কালো ও ধূসর রঙের পাথর আর পোড়ামাটির ইটে গড়া এই মসজিদ।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের ৫ টাকার নোটে কুসুম্বা মসজিদের ছবি ছাপানো আছে।

উৎস: ২৩ মার্চ ২০২৪, প্রথম আলো।
৯৫৬.
বিমসটেক -এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত? 
  1. ঢাকা
  2. থিম্পু
  3. কাঠমান্ডু
  4. কলম্বো
ব্যাখ্যা

বিমসটেক (BIMSTEC):
- এর পূর্ণরূপ: Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation.
- BIMSTEC একটি অর্থনৈতিক সংগঠন।
- এর প্রতিষ্ঠাকাল: ৬ জুন, ১৯৯৭ সাল।
- সদর দপ্তর: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- এর প্রতিষ্ঠার স্থান: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড।
- এর সদস্য সংখ্যা: ৭টি দেশ।[ডিসেম্বর,২০২৫]
- এগুলো হলো- ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৪টি।
- এগুলো হলো- বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড।
- BIMSTEC দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে সংযুক্ত করে।
- এটি একটি আঞ্চলিক সংস্থা যা উভয় অঞ্চলের দেশগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করে,
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা এবং একীকরণের লক্ষ্যে।


উল্লেখ্য,
- Myanmar যোগ হওয়ার পর (২২ ডিসেম্বর ১৯৯৭) সংগঠনটি BIMST-EC (Bangladesh, India, Myanmar, Sri Lanka, Thailand Economic Cooperation) নামে পুনঃনামকরণ করা হয়।
- ৬ষ্ঠ মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে (জুলাই ২০০৪, থাইল্যান্ড) Bhutan ও Nepal যোগ হওয়ার পর, ৩১ জুলাই ২০০৪-এ প্রথম শীর্ষ সম্মেলনে (Bangkok) সংস্থার চূড়ান্ত নাম রাখা হয় BIMSTEC (Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation)।

উৎস: BIMSTEC ওয়েবসাইট।

৯৫৭.
বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উত্তরণের সময় নির্ধারিত হয়েছে কবে?
  1. ২৪ নভেম্বর, ২০২৬ সালে
  2. ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৬ সালে
  3. ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সালে
  4. ২৬ অক্টোবর, ২০২৬ সালে
ব্যাখ্যা

• LDC:
- LDC-এর পূর্ণরূপ: Least Developed Countries বা স্বল্পোন্নত দেশ।
- জাতিসংঘের মতে, এই দেশগুলো আর্থ-সামাজিক বিকাশের সর্বনিম্ন সূচক প্রদর্শন করে।
- জনসংখ্যা, অর্থনৈতিক সক্ষমতা, ছোট দ্বীপপুঞ্জ, ভূবেষ্টিত দেশ—এসব বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে এলডিসিতে তালিকাভুক্ত করে জাতিসংঘ।
- বর্তমানে বিশ্বে ৪৪টি স্বল্পোন্নত দেশ রয়েছে, এর মধ্যে এশিয়া মহাদেশের ৮টি দেশ হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালে প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- বাংলাদেশ নানা ধরনের যাচাই–বাছাই পেরিয়ে ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর এলডিসি থেকে উত্তরণের জন্য সময় নির্ধারণ করেছে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) UN ওয়েবসাইট।

৯৫৮.
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে কাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে?
  1. আহসান এইচ মনসুর
  2. মোস্তাকুর রহমান 
  3. ফজলে কবির চৌধুরী
  4. মোখলেসুর রহমান
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে মোস্তাকুর রহমানকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
- গভর্নর আহসান এইচ মনসুরকে সরিয়ে তাকে এই পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

- মোস্তাকুর রহমান বিভিন্ন সময়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং ব্যবসায়ী সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- তিনি বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারিং এন্ড এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) বাংলাদেশ ব্যাংক বিষয়ক স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। 

উৎস: প্রথম আলো।

৯৫৯.
সরকার নিয়ন্ত্রিত সমাজকল্যাণ মূলক অর্থব্যবস্থাকে কোন ধরনের অর্থব্যবস্থা বলে?
  1. পুঁজিবাদী 
  2. সমাজতান্ত্রিক 
  3. মিশ্র
  4. ইসলামিক
ব্যাখ্যা

• প্রচলিত অর্থব্যবস্থা সমূহ:

১. পুঁজিবাদী বা ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা:
⇒ যে সমাজব্যবস্থায় ব্যক্তিগত উদ্যোগের অবাধ স্বাধীনতা স্বীকৃত এবং সকল কর্মকাণ্ড সর্বোচ্চ ভোগ এবং মুনাফা লাভের উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয় তাকে পুঁজিবাদী বা ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা বলে। এই অর্থব্যবস্থা মূলত ব্যক্তি, ব্যবসা এবং ব্যবসায়িকে কেন্দ্র করে চলে। এখানে সরকার শুধু কিছু নীতিমালা তৈরি করে দেয় যা মেনে চলতে হয় কিন্তু সরকারের তেমন কোন হস্তক্ষেপ থাকে না।

২. সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা:
⇒ সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থার সম্পূর্ণ বিপরীত। সম্পূর্ণ সরকার নিয়ন্ত্রিত সমাজকল্যাণ মূলক অর্থব্যবস্থাকেই সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা বলে। সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য
সমাজেরকল্যাণ, জনকল্যাণ ও অর্থনৈতিক কল্যান করা, এই অর্থব্যবস্থা সম্পূর্ণ সরকারের সিদ্ধান্তে পরিচালিত হয়ে থাকে। সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় ব্যক্তি স্বাধীনতা নেই, ব্যক্তিগত মুনাফারও কোন সুযোগ নেই। এই অর্থব্যবস্থায় কোন ধরনের শোষণ, বৈষম্য এবং সাম্প্রদায়িকতা পরিলক্ষিত হয় না।

৩. মিশ্র অর্থব্যবস্থা:
⇒ ব্যক্তিগত মালিকানা ও উদ্যোগের স্বাধীনতা অপরদিকে সরকারি নিয়ন্ত্রণ এবং পাশাপাশি অবস্থানকেই মিশ্র অর্থব্যবস্থা বলে। সরকারি ও বেসরকারি খাতের সহাবস্থানকেই মিশ্র অর্থব্যবস্থা বলে অভিহিত করা হয়। এখানে সরকারি এবং বেসরকারি খাত মিলে-মিশে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেও, এখানে সর্বশেষ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা সরকারের রয়েছে। MCO

৪. ইসলামিক অর্থব্যবস্থা:
⇒ আল-কোরআন এবং সুন্নাহ মোতাবেক যে অর্থব্যবস্থা পরিচালিত হয় তাকে ইসলামিক অর্থব্যবস্থা বলে। এই অর্থব্যবস্থায় সুদ নিষিদ্ধ এবং হারাম-হালালের নিয়ম মেনে অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

উৎস: অর্থনীতি ১ম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্তবিশ্ববিদ্যালয়।

৯৬০.
Which Ministry has the responsibility of price controls in Bangladesh?
  1. ক) Ministry of Public Security Division
  2. খ) Ministry of Finance
  3. গ) Ministry of Planning
  4. ঘ) Ministry of Commerce
ব্যাখ্যা
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়:

- বাংলাদেশে ভোগ্যপণ্যের মূল্য নির্ধারণের বিষয়টি দেখাশোনা করে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন-টিসিবি।
- বাজারে পণ্যের নির্ধারিত মূল্যের বিষয়টি তদারকি করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর এবং বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন।
- "জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর" বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের অধীন একটি সংস্থা।
- ৬ এপ্রিল, ২০০৯ সাল থেকে এটি যাত্রা শুরু করে।
- বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের অধীন ১২টি সংস্থা/দপ্তর রয়েছে। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সংস্থা হচ্ছে,
• বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন।
• বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।
• বাংলাদেশ চা বোর্ড।
• ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - বাণিজ্য মন্ত্রনালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯৬১.
ECNEC গঠিত হয়-
  1. ক) ১৯৭২ সালে
  2. খ) ১৯৭৭ সালে
  3. গ) ১৯৮২ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
- দেশের বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক প্রকল্প অনুমোদন সংক্রান্ত সর্বোচ্চ কাউন্সিল হলো ECNEC (Executive Committee of the National Economic Council)।
- এই কাউন্সিলে সরকারি খাতে ৫০ কোটি টাকার উর্ধ্বের প্রকল্প অনুমোদন, বিনিয়োগ প্রস্তাব পর্যালোচনা, উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রপতি পর্যালোচনা প্রভৃতি কার্যাবলি সম্পন্ন হয়।
- এটি ১৯৮২ সালে গঠিত হয় । এর প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী এবং বিকল্প চেয়ারপার্সন অর্থমন্ত্রী।
- NICAR হলো প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি।

উৎস: ECNEC ওয়েবসাইট।
৯৬২.
বাংলাদেশে কোন অর্থ বছরে প্রতিবন্ধী ভাতা চালু করা হয়?
  1. ২০০৩-২০০৪
  2. ২০০৪-২০০৫
  3. ২০০৫-২০০৬
  4. ২০০৬-২০০৭
ব্যাখ্যা
প্রতিবন্ধী ভাতা:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ প্রতিবন্ধী।
- বাংলাদেশে 'প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সুরক্ষা আইন ২০১৩' প্রণীত হয়।
- বর্তমানে (সেপ্টেম্বর, ২০২৪) প্রতিবন্ধীদের জন্য মাসিক ভাতার হার: ৮৫০/- টাকা।
- বাস্তবায়নকারী দফতর: সমাজসেবা অধিদপ্তর।
- কার্যক্রম শুরুর বছর: ২০০৫-২০০৬ অর্থবছর।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
১. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতি প্রদত্ত সাংবিধানিক ও আইনগত প্রতিশ্রুতি পূরণ;
২. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন;
৩. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনয়ন;
৪. সুনির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণপূর্বক উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাছাইকৃত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য মাসিক ভাতা প্রদান;
৫. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিষয়টি জাতীয় কর্মপরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্তকরণ।
৬. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জরিপ করে সুবর্ণ নাগরিক কার্ড প্রদান।

তথ্যসূত্র - সমাজসেবা অধিদফতর ওয়েবসাইট।
৯৬৩.
বর্তমানে অর্থনীতিতে কোন খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি?
  1. শিল্প
  2. কৃষি
  3. শিক্ষা
  4. সেবা
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১০.৯৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৪৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.৬২%।

⇒ উল্লেখ্য:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৪.৬৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭.৩৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৭.৯৬%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৯৬৪.
বাংলাদেশে কতটি তফসিলি ব্যাংক রয়েছে? (মে, ২০২৫)
  1. ৬১টি
  2. ৬২টি
  3. ৬৩টি
  4. ৬৪টি
  5. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
[প্রশ্নে ভাষাগত সমস্যা থাকায় লাইভ পরীক্ষা চলাকালে প্রশ্ন সংশোধন করা হয়েছে] 

- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের ব্যাংকিং শিল্প যাত্রা শুরু করে ৬টি জাতীয়করণকৃত বাণিজ্যিক ব্যাংক, ৩টি রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংক এবং ৯টি বিদেশী ব্যাংক দিয়ে।
- ১৯৮০-এর দশকে বেসরকারি ব্যাংকের প্রবেশের মাধ্যমে ব্যাংকিং শিল্প উল্লেখযোগ্যভাবে প্রসার লাভ করে। বর্তমানে বাংলাদেশে ব্যাংকগুলি মূলত দুই ধরণের :

তফসিলি ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২ এর অধীনে রক্ষিত ব্যাংকের তালিকায় থাকা ব্যাংকগুলি।
- বাংলাদেশে ৬২টি তফসিলি ব্যাংক রয়েছে যারা বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে কাজ করে।

অ-তফসিলি ব্যাংক:
- যে ব্যাংকগুলি বিশেষ এবং নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যের জন্য প্রতিষ্ঠিত এবং কোনও আইনের অধীনে পরিচালিত হয় কিন্তু তফসিলি ব্যাংক নয়। এই ব্যাংকগুলি তফসিলি ব্যাংকের সমস্ত কার্য সম্পাদন করতে পারে না।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৯৬৫.
ECNEC এর চেয়ারম্যান কে?
  1. স্পীকার
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. পরিকল্পনা মন্ত্রী
  4. অর্থমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
• ECNEC:
- একনেক (ECNEC)-এর প্রধান- প্রধানমন্ত্রী।
- একনেক (Executive Committee of the National Economic Council)
-১৯৮২ সালে গঠিত হয়। এর চেয়ারম্যান বা সভাপতি হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

সূত্র: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ওয়েবসাইট।
৯৬৬.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) এর প্রকাশিত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপির চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী, স্থির মূল্যে প্রবৃদ্ধির হার -
  1. ৩.১৭%
  2. ৪.২২%
  3. ৫.৩১%
  4. ৬.৪৩%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপির চূড়ান্ত হিসাব:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এ ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপির চূড়ান্ত হিসাব প্রকাশ করে।
- প্রতিবেদনে চলতি ও স্থির মূল্যের জিডিপি, খাতভিত্তিক প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি আয়, বিনিয়োগ-সঞ্চয় অনুপাত ও মাথাপিছু ১০৫০২ আয়ের চূড়ান্ত চিত্র উপস্থাপন করা হয়েছে।

⇒ স্থূল দেশজ উৎপাদ (জিডিপি) ও প্রবৃদ্ধির হার (চুড়ান্ত):
- চলতি মূল্যে জিডিপি (মিলিয়ন টাকা): ৫০,০২৬,৫৩৭।
- চলতি মূল্যে জিডিপি (কোটি টাকা): ৫০,০২,৬৫৪।
- চলতি মূল্যে জিডিপি (বিলিয়ন টাকা): ৫০,০২৭।
- চলতি মূল্যে জিডিপি (বিলিয়ন ইউএস ডলার): ৪৫০।
- স্থির মূল্যে প্রবৃদ্ধির হার (%): ৪.২২%।

⇒ স্থির মূল্যে তিনটি বৃহৎ খাতের প্রবৃদ্ধির হার (চুড়ান্ত):
- কৃষি: ৩.৩০%।
- শিল্প: ৩.৫১%।
- সেবা: ৫.০৯%।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) ওয়েবসাইট।
৯৬৭.
’সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি’ কত সালে শুরু হয়?
  1. ১৯৭৯ সাল
  2. ১৯৬৯ সাল
  3. ১৯৯৭ সাল
  4. ১৯৭৬ সাল
ব্যাখ্যা
• সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) :
- ১৯৭৯ সালের ৭ এপ্রিল বাংলাদেশে ১ বছরের কম বয়সী সকল শিশুদের ৬টি সংক্রামক রোগের টিকা দেয়ার মাধ্যমে ইপিআই কার্যক্রম শুরু হয়।

• প্রতিরোধযোগ্য রোগসমূহ :
১. শিশুদের যক্ষ্মা,
২. পোলিও মাইলাইটিস,
৩. ডিফথেরিয়া,
৪. হুপিং কাশি,
৫. মা ও নবজাতকের ধনুষ্টংকার,
৬. হেপাটাইটিস-বি,
৭. হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি জনিত রোগসমূহ,
৮. হাম,
৯. রুবেলা,
১০. নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়া।

• টিকাদান কর্মসূচির উদ্দেশ্য :
- শিশু ও মাতৃ মৃত্যুর হার এবং শিশুর পঙ্গুত্বের হার কমানো।

উৎস : স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
৯৬৮.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় -
  1. ক) ২৯-৩০ জানুয়ারি, ২০২০
  2. খ) ১৯-২০ জানুয়ারি, ২০২১
  3. গ) ৯-১১ জানুয়ারি, ২০২২
  4. ঘ) ২৩-২৪ জানুয়ারি, ২০২৩
ব্যাখ্যা
• BDF:
- বিডিএফ হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম যা ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাকালীন এর নাম ছিলো বাংলাদেশ এইড গ্রুপ (BAG)।
- ১৯৯৭ সালে এর নাম হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম (BDF)।
- BDF এর পূর্ণরুপ- Bangladesh Development Forum
- প্রথমদিকে এর বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সর্বশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় - ২৯-৩০ জানুয়ারি, ২০২০
-সম্মেলনের স্থান- বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র, ঢাকা, বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে- বিশ্বব্যাংক। 

উৎস: ইআরডি ওয়েবসাইট।
৯৬৯.
বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর চালু হয় কবে থেকে?
  1. ২ জুলাই, ১৯৯৫ সালে
  2. ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে
  3. ৩০ জুন, ১৯৯৬ সালে
  4. ৫ মার্চ, ১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা

মূল্য সংযোজন কর:
- কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর একটি পরোক্ষ কর।
- মূল্য সংযোজন কর চালু হয় ১ জুলাই ১৯৯১ সালে।
- সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়।
- আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ১৫%।
- পন্য বা সেবার সর্বশেষ ভোক্তা মূল্য সংযোজন কর দাতা।
- রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ০%।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ওয়েবসাইট।

৯৭০.
বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক প্রকল্প অনুমোদন সংক্রান্ত সর্বোচ্চ নির্বাহী কমিটির চেয়ারপার্সন কে?
  1. ক) রাষ্ট্রপতি
  2. খ) প্রধানমন্রী
  3. গ) পরিকল্পনামন্ত্রী
  4. ঘ) অর্থমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক প্রকল্প অনুমোদন সংক্রান্ত সর্বোচ্চ নির্বাহী কমিটি হলো ECNEC (Executive Committee of the National Economic Council)।
- এটি ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- ECNEC এর চেয়ারপার্সন হলেন প্রধানমন্ত্রী এবং বিকল্প চেয়ারপার্সন অর্থমন্ত্রী।
(তথ্যসূত্রঃ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ)
৯৭১.
'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এর বর্তমান নাম কী?
  1. বাংলাদেশ উন্নয়ন গ্রুপ
  2. বাংলাদেশ এইড ফোরাম
  3. বাংলাদেশ উন্নয়ন কমিটি
  4. বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম
  5. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
BDF:
- Bangladesh Development Forum.
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম।
- এটি ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী সংস্থা হলো- বিশ্বব্যাংক। 
- শুরুতে এটির নাম ছিলো বাংলাদেশ এইড গ্রুপ(Bangladesh Aid Group)।
- ১৯৯৭ সালে এর নাম হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় 'বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম'। 
- প্রথমদিকে এই সংস্থার বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

উৎস: ইআরডি ওয়েবসাইট।
৯৭২.
বাংলাদেশে টাকার জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মতিঝিল, ঢাকা
  2. খ) মিরপুর, ঢাকা
  3. গ) জাতীয় জাদুঘর, ঢাকা
  4. ঘ) সেগুনবাগিচা, ঢাকা
ব্যাখ্যা
• টাকার জাদুঘর:
- ২০১৩ সালে ঢাকার মিরপুরে প্রতিষ্ঠা করা হয় 'টাকা জাদুঘর'।

- প্রতিটি স্বাধীন দেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্বারা পরিচালিত হয় একটি মুদ্রা জাদুঘর। সে দেশের মুদ্রা জাদুঘরে প্রদর্শিত মুদ্রা দেশটির ইতিহাস ও ঐতিহ্য বহন করে। এ কারণেই সারা পৃথিবীতে তৈরি হয়েছে মুদ্রা জাদুঘর।
- ২০১৩ সালের ৫ অক্টোবর, বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর আতিউর রহমানের উদ্যোগে ঢাকার মিরপুরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক টাকা জাদুঘর।
- উদ্বোধন করেছিলেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।
- বাংলাদেশের একাধিক সিনিয়র মুদ্রা সংগ্রাহক টাকা জাদুঘরে মুদ্রা উপহার দিয়ে টাকা জাদুঘর তৈরি করার ক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করেছিলেন।
- এই জাদুঘরে টাকা ও ধাতব মুদ্রা তৈরির সব উপকরণসহ বিশ্বের প্রায় সব স্বাধীন দেশ, বিলুপ্ত দেশ, বিলুপ্ত কলোনি এবং সারা পৃথিবীর শাসকেরা যেসব ক্ষুদ্র অঞ্চল শাসন করেছিলেন, সেসব অঞ্চলের মুদ্রা টাকা জাদুঘরে প্রদর্শিত হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (২০ জানুয়ারি, ২০২১)।
৯৭৩.
বর্তমানে দেশে কয়টি নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স সংস্থা রয়েছে? [নভেম্বর, ২০২৪]
  1. ৩৬টি
  2. ৩৮টি
  3. ৪১টি
  4. ৪৬টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বর্তমানে দেশে ৪৬টি নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স সংস্থা রয়েছে।

বীমা প্রতিষ্ঠান:

- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর জীবন বীমার সুফল দেশের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সনের রাষ্ট্রপতির ৯৫নং আদেশ বলে বাংলাদেশের বীমা শিল্প জাতীয়করণের আওতায় আনা হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- এগুলো হলো:
i) সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এবং
ii) জীবন বীমা কর্পোরেশন।
- দুটি প্ৰতিষ্ঠান ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ বাংলাদেশ সরকার সরকারি বা বেসরকারি সব ধরণের বীমা প্রতিষ্ঠান এর তত্ত্বাবধান এবং নিয়ন্ত্রনের উদ্দেশ্যে বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেন।
- এই আইনের অধীনে ২০১১ সালে Insurance Development and Regulatory Authority (IDRA) বা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ ইন্স্যুরেন্স ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রেগুলেটরি অথরিটি (IDRA)-এর সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, দেশে ৮২টি বীমা কোম্পানি রয়েছে, যার মধ্যে ৩৬টি জীবন বীমা সংস্থা এবং ৪৬টি নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স সংস্থা রয়েছে।

উৎস: i) IDRA ওয়েবসাইট।
ii) জীবন বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
iii) সাধারণ বীমা কর্পোরেশন।
৯৭৪.
বাংলাদেশ শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রকারী কর্তৃপক্ষ কোনটি?
  1. ক) Bangladesh Securities & Exchange Commission
  2. খ) Bangladesh Bank
  3. গ) Ministry of Commerce
  4. ঘ) Ministry of Finance
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে শেয়ার বাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হলো BSEC - Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- এটি ১৯৯৩ সালের ৮ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে দেশে দুটি স্টক এক্সচেঞ্জ বা শেয়ারবাজার রয়েছে। এগুলো হলো: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।

উৎসঃ BSEC ওয়েবসাইট
৯৭৫.
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের বয়সসীমা-
  1. ক) ৫৯ বছর
  2. খ) ৬৩ বছর
  3. গ) ৬৫ বছর
  4. ঘ) ৬৭ বছর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান (১২তম) গভর্নর (প্রধান নির্বাহী) হলেন 'আব্দুর রউফ তালুকদার'। তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন ৪ জুলাই, ২০২২ থেকে। তাঁর পূর্বে ১১তম গভর্নর  ছিলেন  ফজলে কবির (১৬ মার্চ ২০১৬ থেকে ৩ জুলাই ২০২২)।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের  প্রথম গভর্নর ছিলেন এ. এন. এম. হামিদুল্লাহ্‌।
- বাংলাদেশ ব্যাংক ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়। ব্যাংকটির মূল কার্যনির্বাহী প্রধানকে ‘গভর্নর' বলা হয়।
- গভর্নরের মেয়াদকাল: ৪ বছর
- গভর্নরের বয়সসীমা: ৬৭ বছর (২০২০ সালে ৬৫ থেকে ৬৭ বছর করা হয়)

উৎসঃ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।
৯৭৬.
সম্প্রতি, বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত 'সাসটেইনেবল রেটিং-২০২৪'- এ স্থান পেয়েছে- [জুলাই, ২০২৫]
  1. ৮টি ব্যাংক ও ১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান
  2. ১০টি ব্যাংক ও ২টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান
  3. ১২টি ব্যাংক ও ৩টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান
  4. ১৫টি ব্যাংক ও ২টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা
টেকসই রেটিং তালিকা:
- বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২০ সালে প্রথমবারের মতো সাসটেইনেবিলিটি রেটিং সিস্টেম চালু করে।
- এর লক্ষ্য ছিল আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবেশগত, সামাজিক ও প্রশাসনিক (ইএসজি) বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করে একটি টেকসই আর্থিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
- মূলত পাঁচটি সূচকের ওপর ভিত্তি করে যাচাই করা হয়েছে এ মান।
- এগুলো হলো: টেকসই অর্থায়ন সূচক, সামাজিক দায়বদ্ধতা কার্যক্রম, পরিবেশবান্ধব প্রকল্পে অর্থায়ন, টেকসই কোর ব্যাংকিং সূচক ও ব্যাংকিং সেবার পরিধি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ব্যাংক পঞ্চমবারের মতো দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) জন্য 'সাসটেইনেবল রেটিং-২০২৪' প্রকাশ করেছে।
- এতে পাঁচটি প্রধান সূচকের ভিত্তিতে সেরা হিসেবে তালিকায় স্থান পেয়েছে ১০টি ব্যাংক এবং দুটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- এবার টেকসই ১০ ব্যাংকের তালিকায় রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ডাচ্‌–বাংলা ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি (ইবিএল), যমুনা ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক ও শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক।
- আর আর্থিক প্রতিষ্ঠান দুটি হলো আইডিএলসি ফাইন্যান্স ও আইপিডিসি ফাইন্যান্স।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]
৯৭৭.
বাংলাদেশের প্রথম টাকা ও মুদ্রার নকশাকার কে?
  1. কে জি মুস্তফা
  2. কামরুল হাসান
  3. জয়নাল আবেদীন
  4. জে কে ফারুক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম টাকার ও মুদ্রার নকশাকার:
- বাংলাদেশের প্রথম টাকা ও কয়েনের নকশাকার শিল্পী  কে জি মুস্তফা।
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ডাকটিকিটসহ আরও গুরুত্বপূর্ণ স্মারকের নকশাকারও তিনি।
- ১৯৭২ সালে ১০ পয়সার ধাতব মুদ্রা তিনি নকশা করলেন।
- সেটির এক পাশে রাখলেন পানের ছবি যে পান ‘বাঙাল’দের প্রাণের বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে।
- জয়নুল আবেদিন ও কামরুল হাসানের পরামর্শে মুস্​তাফা হাত দিলেন ১ টাকার নোট নকশায়। 
- কাগজের টাকার পর ১, ৫, ১০, ২৫ এবং ৫০ পয়সার ধাতব মুদ্রারও নকশা করলেন মুস্​তাফা।

উল্লেখ্য,
- ৭ জুলাই, ২০২৩ তারিখে ভোর ৩টার দিকে রাজধানীর হলি ফ‍্যামিলি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত‍্যাগ করেন। 

উৎস: ৭ জুলাই, ২০২৩, প্রথম আলো।
৯৭৮.
বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংকের সংখ্যা কতটি?
  1. ১টি
  2. ৩টি
  3. ৬টি
  4. ১০টি
ব্যাখ্যা
তফসিলি ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী রক্ষণাবেক্ষণকৃত ব্যাংকের তালিকায় যে সকল ব্যাংক রয়েছে।
- বাংলাদেশে ৬২টি তফসিলি ব্যাংক রয়েছে, যারা বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়, যা বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ এবং ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষমতা রাখে।
- তফসিলি ব্যাংকগুলি নিম্নলিখিত প্রকারের মধ্যে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়:

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক (SOCB):
- বাংলাদেশ সরকারের সম্পূর্ণ বা প্রধানত মালিকানাধীন ৬টি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে।

বিশেষায়িত ব্যাংক (এসডিবি): 
- বর্তমানে ৩টি বিশেষায়িত ব্যাংক কার্যক্রম পরিচালনা করছে যেগুলো কৃষি বা শিল্প উন্নয়নের মতো সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এসব ব্যাংক সম্পূর্ণ বা প্রধানত বাংলাদেশ সরকারের মালিকানাধীন।

বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংক (পিসিবি):
- এখানে ৪৩ টি বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে যা প্রধানত ব্যক্তি / বেসরকারী সংস্থার মালিকানাধীন।
- বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংক দুটি গ্রুপে শ্রেণীবদ্ধ করা যেতে পারে:
প্রচলিত বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- ৩৩টি প্রচলিত বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংক এখন কাজ করছে।
- তারা প্রচলিত ফ্যাশনে অর্থাৎ সুদ ভিত্তিক অপারেশনে ব্যাংকিং ফাংশন সম্পাদন করে।

ইসলামী শরিয়াহ ভিত্তিক:
- বাংলাদেশে ১০টি ইসলামী শরিয়াহ ভিত্তিক পিসিবি রয়েছে। 
- তারা ইসলামী শরিয়াহ ভিত্তিক নীতিমালা অর্থাৎ লাভ-ক্ষতি ভাগাভাগি (পিএলএস) মোড অনুযায়ী ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে।

ডিজিটাল বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- ১ টি ডিজিটাল বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে যা ব্যক্তি / বেসরকারী সংস্থার মালিকানাধীন।
- নাম: Nagad Digital Bank PLC.
- এটি একটি ডিজিটাল ব্যাংক যার কোনো শাখা নেই।

বিদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংক (এফসিবি):
- ৯টি এফসিবি বিদেশে অন্তর্ভুক্ত ব্যাংকের শাখা হিসেবে বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

অ-তফসিলি ব্যাংক:
- যে ব্যাংকগুলি বিশেষ এবং নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত এবং কোনও আইনের অধীনে কাজ করে তবে তফসিলি ব্যাংক নয়।
- এসব ব্যাংক তফসিলি ব্যাংকের সব কাজ করতে পারে না।
- বাংলাদেশে বর্তমানে ৫টি অ-তফসিলি ব্যাংক রয়েছে, যেগুলো হলো:
i) আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
ii) কর্মসংস্থাপন ব্যাংক,
iii) গ্রামীণ ব্যাংক,
iv) জুবিলী ব্যাংক,
v) পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।
৯৭৯.
কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) কর্মসূচি কত সালে শুরু হয়?
  1. ১৯৭১ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭৩ সালে
  4. ১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা

কাবিখা:
- ’কাবিখা’ (KABIKHA) হলো "কাজের বিনিময়ে খাদ্য" (Food for Work) কর্মসূচির সংক্ষিপ্ত রূপ।
-  এটি বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত একটি অন্যতম প্রাচীন ও বৃহৎ গ্রামীণ উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান প্রকল্প।

- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দিলে বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হলে সরকার 'ফুড ফর ওয়ার্ক' বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে।

⇒ কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) কর্মসূচীর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামীন অবকাঠামো নির্মাণ/পুননির্মাণ।
- স্বাভাবিক অবস্থায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এই কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন।
- গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
- গ্রামীণ দরিদ্র জনগনের আয় বৃদ্ধি।
- দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য আণয়ন এবং
- দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি।

উৎস: সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৯৮০.
ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র কোনটি?
  1. পোল্যান্ড
  2. জার্মানি
  3. ইতালি
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
রপ্তানি:

- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ৩.৪৭%।
- দেশ হিসেবে একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ৯৭.৩৭%।
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৯৮১.
মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পেলে- 
  1. অর্থের মূল্য ক্রমাগত হ্রাস পায়
  2. অর্থের মূল্য বৃদ্ধি পায় 
  3. দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পায়
  4. ক ও গ
ব্যাখ্যা

• মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পেলে-  অর্থের মূল্য ক্রমাগত হ্রাস পায় ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পায়।

• মূল্যস্ফীতির ধারনা:

• সাধারণত সামগ্রিক দামস্তরের বৃদ্ধিকে মূল্যস্ফীতি বলে।
• মূল্যস্ফীতি বলতে এমন একটি অবস্থা বুঝায় যে, একই পরিমান দ্রব্য বা সেবা ক্রয় করতে পূর্বের তুলনায় বেশি পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হয়। অর্থাৎ বলা যায় যে, মূল্যস্ফীতি হলে অর্থের মূল্য কমে যায়।
• যখন দেশে প্রচলিত অর্থের পরিমাণ উৎপাদিত মোট দ্রব্যসামগ্রীর তুলনায় অধিক হয় এবং তার ফলে দ্রব্যমূল্য বা দামস্তর ক্রমাগত বৃদ্ধি পেতে থাকে সে অবস্থাকেই ‘মুদ্রাস্ফীতি’ (Inflation) বলা হয়। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি দ্বিতীয় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৮২.
দেশে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি চালু হয় কখন?
  1. ১৪ আগস্ট, ২০২৩
  2. ১৫ আগস্ট, ২০২৩
  3. ১৬ আগস্ট, ২০২৩
  4. ১৭ আগস্ট, ২০২৩
ব্যাখ্যা
• সর্বজনীন পেনশন:
- ১৮ বছরের বেশি বয়সী যেকোনো নাগরিক ৬০ বছর বয়সে না পৌঁছানো পর্যন্ত কিস্তি পরিশোধ করে অবসর জীবনের সময় পেনশন সুবিধা পেতে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
- দেশের প্রাপ্তবয়স্ক জনগণকে পেনশনের আওতায় আনার উদ্দেশ্যে ১৭ আগস্ট, ২০২৩ সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- সরকার মোট ৬টি স্কিমের কথা ঘোষণা করেছে। তবে আপাতত চালু হয়েছে চারটি স্কিম।
- এগুলোর নাম দেয়া হয়েছে - 
→ প্রবাস,
→ প্রগতি,
→ সুরক্ষা ও
→ সমতা।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (১৭ আগস্ট, ২০২৩)।
৯৮৩.
বর্তমানে পৃথিবীর কোন্ দেশে বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মরত রয়েছে?
  1. সৌদি আরব
  2. মালয়েশিয়া
  3. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. ইতালি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশি অভিবাসন (২০২৪):
- মোট বিদেশে প্রেরিত কর্মী: ১০ লাখ ১১,৮৬৯ জন (BMET অনুযায়ী)
- মূল গন্তব্য দেশসমূহ: সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, কাতার, সিঙ্গাপুর ও সংযুক্ত আরব আমিরাত
- মোট কর্মীর ৯৫% এই পাঁচটি দেশে গিয়েছেন।

শীর্ষ গন্তব্য: সৌদি আরব
- মোট অভিবাসনের ৬২.১৭% (প্রায় ৬ লাখ ২৭ হাজার কর্মী) সৌদি আরবে গেছেন।
- সেখানে অবকাঠামো নির্মাণসহ বিভিন্ন খাতে দক্ষ ও অদক্ষ শ্রমিকের চাহিদা অব্যাহত আছে।

• দ্বিতীয় বৃহত্তম গন্তব্য: মালয়েশিয়া।
- ২০২৪ সালে মাত্র ৯৩ হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় গেছেন।

উৎস - প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট এবং বিএমইটি রিপোর্ট। 

৯৮৪.
২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে মোট রাজস্ব আয় কত?
  1. ক) ২ লাখ ৭৭ হাজার ৩৬০ কোটি টাকা
  2. খ) ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা
  3. গ) ৪ লাখ ২০ হাজার ২৮০ কোটি টাকা
  4. ঘ) ২ লাখ ৯৬ হাজার ২০১ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
সূত্রঃ mof.portal.gov.bd এর বার্ষিক প্রতিবেদন।
৯৮৫.
Who is the regulator for Micro-finance institutions in Bangladesh?
  1. Bangladesh Bank
  2. PKSF
  3. MRA
  4. CDF
ব্যাখ্যা
MRA:

- MRA এর পূর্ণরূপ Microcredit Regulatory Authority.
- বাংলাদেশে মাইক্রো-ফাইনান্স প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রক মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি (MRA)।
- ২০০৬ সালে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি আইন ২০০৬ পাশ হয়।
- এই আইনের আওতায় সরকার মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি প্রতিষ্ঠা করেন এবং বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর মহোদয়কে সভাপতি করে ইহার পরিচালনা বোর্ড গঠণ করেন।
- এই নতুন আইন অনুযায়ী কর্মরত সকল ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানকে সনদের জন্য অথরিটিতে আবেদন করতে হবে।
- অথরিটির সনদ ব্যতিত কোন প্রতিষ্ঠান দেশের অভ্যন্তরে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না।
- এই আইন অনুযায়ী ক্ষুদ্রঋণ পরিচালনাকারী সকল প্রতিষ্ঠানকে ক্ষুদ্রঋণ সংশ্লিষ্ট সকল হিসাবায়ন অন্যান্য উন্নয়ন কার্যক্রম হতে পৃথকভাবে সংরক্ষণ করবে।
- অথরিটির সনদপ্রাপ্ত সকল ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানকে দেখভাল এবং তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব অথরিটিকে দেয়া হয়।

তথ্যসূত্র - মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি ওয়েবসাইট।
৯৮৬.
নিচের কোন জেলায় চা বাগান রয়েছে?
  1. ক) ঠাকুরগাঁও
  2. খ) কক্সবাজার
  3. গ) খাগড়াছড়ি
  4. ঘ) সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ চা বোর্ডের অধীনে দেশে মোট ১৬৭টি চা বাগান রয়েছে।
এর মধ্যে,
- মৌলভীবাজারে : ৯১টি
- হবিগঞ্জে : ২৫টি
- চট্টগ্রামে : ২১টি
- সিলেটে : ১৯টি
- পঞ্চগড়ে : ৮টি
- রাঙামাটিতে : ২টি
- ঠাকুরগাঁওয়ে : ১টি।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট)
৯৮৭.
গতকাল ০৭ অক্টোবর বিশ্বব্যাংক `South Asia Economic Focus' নামের প্রতিবেদন ২০২১-২২ অর্থ বছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কত দিয়েছে?
  1. ক) ৫.১%
  2. খ) ৬.৪%
  3. গ) ৬.৯%
  4. ঘ) ৭.১%
ব্যাখ্যা
- করোনার ধাক্কা কাটিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি আবার উচ্চ প্রবৃদ্ধির দিকে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।
- চলতি ২০২১–২২ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) ৬ দশমিক ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি।
- বিশ্বব্যাংকের সাউথ এশিয়ান ইকোনমিক ফোকাস প্রতিবেদনে এই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
- এতে সংস্থাটি বলেছে, বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি আগামী ২০২২-২৩ অর্থবছরে আরও বেড়ে ৬ দশমিক ৯ শতাংশ হতে পারে।
- প্রসঙ্গত, চলতি অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সরকার জিডিপিতে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ৭ দশমিক ২ শতাংশ।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্র্রথম আলো।
৯৮৮.
In which type of account we should deposit our money in order to earn higher rate of return?
  1. ক) Current
  2. খ) Savings
  3. গ) Fixed deposit
  4. ঘ) Home savings account
ব্যাখ্যা
ফিক্সড ডিপোজিট:

- উচ্চ হারে রিটার্ন অর্জনের জন্য আমাদের ফিক্সড ডিপোজিট অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দিতে হবে।
- ফিক্সড ডিপোজিট হলো একটি সুনির্দিষ্ট সময়ের জন্য ব্যাংকের দ্বারা প্রদত্ত এক ধরনের সুদের নির্দিষ্ট হার।
- এই বিনিয়োগের মেয়াদের উপর নির্ভর করে সুদের হার ২.৯০% – ৮% পর্যন্ত হতে পারে ।
- যদি বিনিয়োগকারী প্রবীণ নাগরিক হোন তাহলে ০.২৫% থেকে ০.৫০% সুদ বেশি হতে পারে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯৮৯.
কত সালে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনটি প্রবর্তন করা হয়?
  1. ২০০১ সালে
  2. ২০০৮ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০১২ সালে
ব্যাখ্যা
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন:
- মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও অধ্যাদেশ রহিতক্রমে এতদসংক্রান্ত আইন পুনঃপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন।
- মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনটি প্রবর্তন করা হয় ২০১২ সালে।

⇒ মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন -
- এই আইন মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ নামে অভিহিত হইবে।
- ইহা ৩ মাঘ, ১৪১৮ বঙ্গাব্দ/১৬ জানুয়ারি, ২০১২ খ্রিস্টাব্দ তারিখ হতে কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য হবে।

উল্লেখ্য,
⇒ দেশে মানি লন্ডারিং ঠেকাতে ২০০২ সালে প্রথম মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন করা হয়।
- পরে কয়েক দফা এই আইনের সংশোধন করা হয়।
- মানি লন্ডারিং আইন অনুযায়ী, অর্থ বা সম্পত্তি পাচারের অর্থ হচ্ছে দেশের বিদ্যমান আইন লঙ্ঘন করে দেশের বাইরে অর্থ বা সম্পদ পাঠানো কিংবা রক্ষণ করা।
- আবার দেশের বাইরে এমন অর্থ বা সম্পত্তি, যাতে বাংলাদেশের স্বার্থ রয়েছে, কিন্তু তা আনা হয়নি, তা–ও মানি লন্ডারিং আইনে অপরাধ।
- আবার বিদেশ থেকে প্রকৃত পাওনা দেশে না আনা কিংবা বিদেশে প্রকৃত দেনার অতিরিক্ত টাকা পরিশোধ করা এই আইনে অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ মানিলণ্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০২ বাংলাদেশের একটি আইন যা ২০০২ সালের ৭ নং আইন হিসাবে চিহ্নিত এবং ৭ই এপ্রিল, ২০০২ তারিখে আইন হিসাবে প্রচারিত। আইনটি ৩০শে এপ্রিল ২০০২ তারিখ থেকে কার্যকর হয়। এ আইনটি “মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ (সংশোধন) আইন” দ্বারা ২০০৩ সালে সংশোধন করা হয়। পরে, ২০১২ সালে এই আইনটি রহিত করা হয়।

উৎস: আইন মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৯৯০.
চলতি অর্থবছরে সাধারণ ব্যক্তি করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা কত টাকা পর্যন্ত?
  1. ক) ১,০০,০০০ টাকা
  2. খ) ২,৫০,০০০ টাকা
  3. গ) ৪,০০,০০০ টাকা
  4. ঘ) ৬,০০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
চলতি ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে সাধারণ ব্যক্তি করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা ২,৫০,০০০ টাকা। মহিলা ও ৬৫ বছর উর্ধ্ব করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা ৩,০০,০০০ টাকা।(সূত্র: এনবিআর ওয়েবসাইট)
৯৯১.
কোন ব্যাংকটি দীর্ঘদিন মালদ্বীপের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে কাজ করে?
  1. ক) আরব- বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. খ) ন্যাশনাল ব্যাংক
  3. গ) দি সিটি ব্যাংক
  4. ঘ) আইএফআইসি ব্যাংক
ব্যাখ্যা
১৯৮২ সালে বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য সরকারের অনুমোদন প্রাপ্তি, মালদ্বীপ প্রজাতন্ত্রে প্রথম বৈদেশিক যৌথ উদ্যোগ প্রতিষ্ঠান (ব্যাংক অব মালদ্বীপ লিমিটেড) স্থাপন (পরবর্তী সময়ে ১৯৯২ সালে ব্যাংক অব মালদ্বীপ লিমিটেড-এ আইএফআইসি’র শেয়ার মালদ্বীপ সরকারের কাছে বিক্রি করা হয়)।
[ সূত্রঃ আইএফআইসি ব্যাংক]
৯৯২.
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. মূল্যস্তর স্থীতিশীল রাখা
  2. মুনাফা অর্জন
  3. বিনিয়োগ বৃ্দ্ধি
  4. অর্থ স্থানান্তর
ব্যাখ্যা

• কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্দেশ্য :
- মুদ্রা প্রচলন: ধাতব মুদ্রা ও কাগজী নোট ইস্যু করা; তবে এক টাকার নোট ইস্যু করে সরকার।
- ঋণ নিয়ন্ত্রণ: বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে অর্থবাজার স্থিতিশীল রাখা।
- মূল্যস্তরের স্থিতিশীলতা রক্ষা: অর্থের যোগান ও সুদের হার নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে মূল্যস্তর স্থিতিশীলতা রাখা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একটি অন্যতম উদ্দেশ্য।
- অর্থ গঠন ও পরিচালনা: একটি শক্তিশালী ও শৃঙ্খলাপূর্ণ অর্থব্যবস্থা গড়ে তোলা ও পরিচালনা করা।
- ব্যাংক ব্যবস্থার সুষ্ঠু নিয়ন্ত্রণ: সুসংহত ও শক্তিশালী ব্যাংকিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা ও নিয়ন্ত্রণ করা।
- সরকারের ব্যাংক হিসেবে কাজ করা: কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারের তহবিল সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং বিভিন্ন আর্থিক লেনদেন নিষ্পত্তি করে। 
- ব্যাংকের ব্যাংক হিসেবে দায়িত্ব পালন: তালিকাভুক্ত ব্যাংকের ব্যাংকিং সংক্রান্ত লেনদেন নিষ্পত্তির দায়িত্ব পালন করা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্যতম উদ্দেশ্য।
- নিকাশ ঘরের দায়িত্ব পালন: কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিকাশ ঘরের মাধ্যমে দেশের আন্তঃ ব্যাংকিং দেনা-পাওনা নিষ্পত্তি করে। 
- মূলধন গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন: দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক তালিকাভুক্ত
ব্যাংকগুলোকে ঋণ প্রদান করে মূলধনের যোগান দিয়ে থাকে। 
- মুদ্রার বিনিময় হার নির্ধারণ: একেক দেশের মুদ্রার মান একেক রকম। আন্তর্জাতিক লেনদেনর জন্য দু'টি ভিন্ন মুদ্রার মধ্যে একটি বিনিময় হার নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বীমা দ্বিতীয় পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৯৩.
নিচের কোন নোটটিতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে?
  1. ৫ টাকা
  2. ১০ টাকা
  3. ২০ টাকা
  4. ৫০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ ৫ টাকার নোটে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।

ব্যাংক নোট:

- বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট।
- সরকারি নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে আর এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।
৯৯৪.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ-
  1. ৪০%
  2. ৪৫%
  3. ৬০%
  4. ৮০%
ব্যাখ্যা

 অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.০২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৯৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.০৪%।

উল্লেখ্য,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৮%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

৯৯৫.
ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ক) ১৯৭২ সালে
  2. খ) ১৯৭৬ সালে
  3. গ) ১৯৮১ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
- ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ হলো দেশের একমাত্র সরকারি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৭৬ সালের ১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার রাজারবাগে অবস্থিত।
(তথ্যসূত্র: আইসিবি ওয়েবসাইট)
৯৯৬.
জিডিপি-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. গ্রস ডেভেলপমেন্ট প্রোডাক্ট
  2. জেনারেল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম
  3. গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট
  4. গ্লোবাল ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট
ব্যাখ্যা

•   Gross Domestic Product - GDP বা মোট দেশজ উৎপাদন ধারণা:
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত পণ্য ও সেবা আর্থিক মূল্যকে মোট দেশজ উৎপাদন বলে।
- মোট দেশজ উৎপাদন হিসাব করার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে দেশের ভৌগোলিক সিমারেখার মধ্যে উৎপাদিত পণ্য ও সেবার মূল্য ধরতে হয়।
- দেশের অভ্যন্তরে বিদেশিরা যে পণ্য ও সেবা উৎপাদন করে তা এতে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- আর বিদেশে অবস্থানরত দেশিও নাগরিকরা যে পণ্য ও সেবা উৎপাদন করে তা মোট দেশজ উৎপাদনে অন্তর্ভুক্ত হয় না।

উৎস: অর্থনৈতিক ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৯৭.
বিবিএসের SVRS Report-2019 অনুসারে বাংলাদেশে প্রতি লাখে মাতৃমৃত্যু হার কত?
  1. ক) ১৫৯ জন
  2. খ) ১৬৫ জন
  3. গ) ১৬৯ জন
  4. ঘ) ১৯১ জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ SVRS Report-2019 অনুসারে প্রতি এক লক্ষ জীবিত শিশুর জন্মের ক্ষেত্রে মাতৃমৃত্যু হার ১৬৫ জন। গ্রামে এই হার প্রতি লাখে ১৯১ জন এবং শহর অঞ্চলে ১২৩ জন। ২০১৮ সালে প্রতি লাখে মাতৃ ‍মৃত্যুহার ছিলো ১৬৯ জন।
(সূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর SVRS Report-2019)
৯৯৮.
মুদ্রাস্ফীতির ফলে একই পরিমাণ পণ্য ক্রয়ে কোনটি ঘটে?
  1. কম অর্থ ব্যয় হয়
  2. সমান অর্থ ব্যয় হয়
  3. সঞ্চয় বৃদ্ধি পায়
  4. অধিক অর্থ ব্যয় হয়
ব্যাখ্যা

মুদ্রাস্ফীতি:
- যদি পণ্যের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ অনেক বেড়ে যায় অর্থাৎ দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক অতিরিক্ত মাত্রায় টাকা ছাপায় তখনই মুদ্রাস্ফীতি ঘটে।
- বাজারে উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ বেড়ে গেলে মুদ্রাস্ফীতি ঘটে। অর্থাৎ মুদ্রাস্ফীতি হলো মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি।
- এতে করে টাকা তথা মুদ্রার মান হ্রাস পায়, পক্ষান্তরে দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পায়।
- একই পরিমাণ পণ্য ক্রয়ে পূর্বাপেক্ষা অধিক অর্থ ব্যয় হয়।
- উৎপাদনের তুলনায় বাজারে মুদ্রার সরবরাহ কমে গেলে মুদ্রা সংকোচন ঘটে।
- উন্নয়নশীল দেশগুলিতে মুদ্রাস্ফীতির জন্য সর্বজনীনভাবে নির্ধারিত সহনীয় স্তর নেই।
- তবে, উন্নয়নশীল দেশের জন্য মূল্যস্ফীতির সহনশীল মাত্রা ধরা হয় ৬-৮%।
- মুদ্রাস্ফীতি ৬-৮% এর বেশি হলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, মূল্য স্থিতিশীলতা এবং দারিদ্র্যের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

এছাড়াও,
⇒ অতি মুদ্রাস্ফীতি নিম্নলিখিত প্রভাব সৃষ্টি করে:
• সঞ্চয় হ্রাস করে
• বিনিয়োগ হ্রাস করে।
• অর্থনৈতিক পছন্দগুলিকে বিকৃত করে।
• আয়ের বৈষম্য আরও বাড়ায়।

তথ্যসূত্র -  অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।

৯৯৯.
বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট চালু হয় কত সালে?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৪ সালে
ব্যাখ্যা
VAT:
- বাংলাদেশের প্রথম ভ্যাট (VAT- Value Added Tax, মূল্য সংযোজন কর) চালু হয়- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
- ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় আসে আয়কর থেকে।

উৎস: NBR ওয়েবসাইট।
১,০০০.
মুদ্রা বাজার নিয়ন্ত্রণ করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন
  2. ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন বোর্ড
  3. বাণিজ্যিক ব্যাংক
  4. কেন্দ্রীয় ব্যাংক
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রীয় ব্যাংক:
- প্রতিটি দেশে বাধ্যতামূলকভাবে একটি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থাকে।
- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে মুদ্রা বাজার এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থা পরিচালিত এবং নিয়ন্ত্রিত হয়।
- কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে থেকে এসকল কার্যাদি সম্পন্ন করে থাকে।
- এটিকে সরকারের ব্যাংক বলে।
- তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাহায্য ছাড়া অর্থ ও মূদ্রা বাজারের স্থিতিশীলতা, ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সর্বোপরি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গুরুত্ব অপরিসীম।
- সৃষ্টির পর থেকেই মুদ্রা প্রচলন, অর্থ সরবরাহ এবং ঋণ নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংক পালন করে আসছে।

⇒ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যাবলি:
- মুদ্রা প্রচলন।
- মুদ্রার মুল্যমান সংরক্ষণ।
- মুদ্রা বাজার পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ।
- ঋণ নিয়ন্ত্রণ।
- রিজার্ভ সংরক্ষণ।
- বৈদেশিক বিনিময় নিয়ন্ত্রণ। 
- বৈদেশিক মূদ্র্য ও বিনিময় নিয়ন্ত্রণ।
- সরকারের উপদেষ্টা ও প্রতিনিধি।
- সরকারের আর্থিক নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।

উৎস: ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।