ব্যাখ্যা
Source: ICC
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৭৪ / ৯২ · ৭,৩০১–৭,৪০০ / ৯,৩৬৭
আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস:
- প্রতি বছর ২৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস পালিত হয়।
- তথ্য অধিকার বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে ইউনেস্কো স্বীকৃত দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য- ‘পরিবেশ রক্ষায় ডিজিটাল যুগে তথ্য অধিকার নিশ্চিতকরণ’।
- এটি আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস-২০২৫-এ ইউনেস্কোর নির্ধারিত থিম ‘দ্য রাইট টু ইনফরমেশন ইন দ্য ডিজিটাল এইজ ফর দ্য প্রটেকশন অব দ্য এনভারমেন্ট’-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নির্ধারণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য,
- ১৭ নভেম্বর, ২০১৫ সালে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (ইউনেস্কো) ২৮ সেপ্টেম্বরকে তথ্যের সর্বজনীন প্রবেশাধিকার সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
- বিশ্বের বিভিন্ন বেসরকারি সংগঠন ও সরকারি সংস্থা এই দিবসটি পালন করা শুরু করার পর, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদও ২০১৯ সালে ২৮ সেপ্টেম্বরকে আনুষ্ঠানিকভাবে তথ্যের সর্বজনীন প্রবেশাধিকার সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে গ্রহণ করে।
তথ্যসূত্র- জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৮.৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৪.১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
‘ইস্টার্ন সেনট্রি’ মিশন:
- গত ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ন্যাটো পূর্ব ইউরোপে প্রতিরক্ষা জোরদারের জন্য “অপারেশন ইস্টার্ন সেন্ট্রি” (Operation Eastern Sentry) নামের একটি নতুন মিশনের ঘোষণা দিয়েছে।
- রাশিয়ার ড্রোন পোল্যান্ডের আকাশসীমা লঙ্ঘন করার পর পোল্যান্ড ন্যাটোর আর্টিকেল ৪-এর আওতায় জরুরি আলোচনা শুরু করে এবং এর পরই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
- ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটে ড্রোন অনুপ্রবেশের ঘটনাকে ‘বেপরোয়া ও অগ্রহণযোগ্য’ বলে উল্লেখ করেছেন।
- রাশিয়ার এ ধরনের পদক্ষেপ ঠেকাতে তিনি ‘ইস্টার্ন সেনট্রি’ নামের মিশনের ঘোষণা দেন।
- এই মিশনের লক্ষ্য ন্যাটোর পূর্ব সীমান্ত বিশেষ করে পোল্যান্ড, বাল্টিক রাষ্ট্রসমূহ ও আশপাশের এলাকায় আকাশ প্রতিরক্ষা ও দ্রুত প্রতিক্রিয়া সক্ষমতা বাড়ানো।
- ডেনমার্ক, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য এবং জার্মানি মিশনে অংশগ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং আরও কয়েকটি দেশ এতে যোগ দেবে।
তথ্যসূত্র: পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]
২০২৫ সালের নোবেল বিজয়ী:
- ২০২৫ সালে মোট নোবেল বিজয়ী: ১৪ জন।
• সাহিত্য
- বিজয়ী: লাজলো ক্রাজনাহরকাই (হাঙ্গেরি)।
• শান্তি
- বিজয়ী: মারিয়া কোরিনা মাচাদো (ভেনেজুয়েলা)।
• চিকিৎসাবিজ্ঞান
- তিন জন বিজয়ী: ম্যারি ই. ক্রনকো, ফ্রেড রামসডেল ও শিমন সাকাগুচি মোট তিন জন।
• পদার্থবিজ্ঞান
- তিন জন বিজয়ী: জন ক্লার্ক, মিশেল দেভরেট ও জন এম মার্টিনিস মোট তিন জন।
• রসায়ন
- তিন জন বিজয়ী: সুসুমু কিতাগাওয়া, রিচার্ড রবসন ও ওমর এম. ইয়াগি।
• অর্থনীতি
- তিন জন বিজয়ী: ইওয়েল মোকিয়র, ফিলিপ আগিয়োঁ ও পিটার হাউইট মোট তিন জন।
উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।
উইম্বলডন ২০২৫-এর পুরুষ এককের চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন ইতালির ইয়ানিক সিনার।
টেনিস:
- টেনিস বর্তমান বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় খেলা।
- অনেক জায়গায় এটি লন টেনিস নামে পরিচিত।
- গ্র্যান্ড স্ল্যাম একই বছরে চারটি বৃহৎ টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ- অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন (উইম্বলডন) এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র- জেতাকে বোঝায়।
- গ্র্যান্ড স্ল্যাম টুর্নামেন্ট আন্তর্জাতিক টেনিস ফেডারেশন (ITF) দ্বারা পরিচালিত হয়।
- প্রতিটি টুর্নামেন্ট দুই সপ্তাহ সময়সীমার পরে খেলা হয়।
⇒ গ্র্যান্ড স্ল্যামের মধ্যে রয়েছে:
• অস্ট্রেলিয়ান ওপেন (জানুয়ারির মাঝামাঝি),
• ফ্রেঞ্চ ওপেন (মে মাসের শেষ থেকে জুনের শুরুতে),
• উইম্বলডন (জুনের শেষ থেকে জুলাইয়ের শুরুতে),
• ইউএস ওপেন (আগস্ট-সেপ্টেম্বর)।
⇒ উইম্বলডন (Wimbledon) ২০২৫:
• পুরুষ একক:
- চ্যাম্পিয়ন: ইয়ানিক সিনার (ইতালি)।
- রানার আপ: কার্লোস আলকারাস।
• নারী একক:
- চ্যাম্পিয়ন: ইগা সিয়াতেক।
- রানার আপ: অ্যামান্ডা অ্যানিসিমোভা।
উৎস: International Tennis Federation ওয়েবসাইট।
পোশাক রপ্তানিকারক দেশ:
- পোশাক রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষ দেশ চীন।
- পোশাক রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ২য় এবং ৩য় অবস্থানে রয়েছে ভিয়েতনাম।
- বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের মধ্যে পোশাক রপ্তানির পরিমাণ কাছাকাছি। দুইটি দেশ সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দী অবস্থায় রয়েছে।
⇒ প্রতিবেদন অনুযায়ী, পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ:
১. চীন,
২. বাংলাদেশ,
৩. ভিয়েতনাম।
উৎস: i) WTO ওয়েবসাইট।
ii) Textile Today. [link]
মাতৃত্বকাল ভাতা কর্মসূচী
- মাতৃত্বকাল ভাতা কর্মসূচী মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত।
- এটি সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনির আওতায় দরিদ্র মায়েদের জন্য।
- কর্মসূচির লক্ষ্য: মা ও শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং আগামী প্রজন্মের মানসম্মত বিকাশ।
- গ্রামীণ এলাকার প্রায় ৭ লক্ষ ৭০ হাজার দরিদ্র গর্ভবতী মায়ের জন্য ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।
- লক্ষ্য বয়স: শিশুর জন্ম থেকে ৪ বছর পর্যন্ত।
- গুরুত্ব দেওয়া হয়: শিশুর পুষ্টি, মনো-সামাজিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ।
- উদ্দেশ্য: মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস, শীর্ণকায় ও খর্বাকার শিশুর সংখ্যা কমানো।
- কর্মসূচি শুরু হয়েছে ২০০৭-২০০৮ অর্থবছর থেকে।
- বর্তমানে ৪২৬টি উপজেলায় কার্যক্রম চলমান।
- ভাতা: একজন দরিদ্র গর্ভবতী মা প্রথম বা দ্বিতীয় সন্তানের জন্য ৩৬ মাসে ৮০০ টাকা। (২০২৫-২৬ অর্থবছর)
- ভাতা প্রদানের পাশাপাশি বছরে ৫ দিন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করা হয় মা ও শিশুর পুষ্টি, মনো-সামাজিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ বিষয়ক।
- সদর দফতর থেকে অর্থবছরের শুরুতে বরাদ্দ প্রাপ্তির ভিত্তিতে ইউনিয়ন কমিটির মাধ্যমে ভাতাভোগী নির্বাচন করা হয়।
- ভাতা প্রদান হয় তিনমাস অন্তর।
- সরকারের লক্ষ্য: ২০২৬ সালের মধ্যে ০–৪ বছরের ৫০% শিশু, অর্থাৎ ৬৫ লক্ষ শিশুকে কর্মসূচির আওতায় আনা।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
- শ্রীলঙ্কার বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নাম - দীনেশ গুনাবর্ধনে।
- শ্রীলঙ্কার বর্তমান প্রেসিডেন্ট - রনিল বিক্রমসিংহে।
- রনিল বিক্রমসিংহে এর পূর্বে ছয় বার শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
যেহেতু জব সল্যুশনের প্রশ্ন এবং অপশনে দীনেশ গুনাবর্ধনে ছিল না, তাই উত্তর হিসেবে রনিল বিক্রমসিংহে গ্রহণ করা হয়েছে।
রনিল বিক্রমসিংহে:
- তিনি ছয় বার শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- দক্ষিণ এশিয়ার অন্য অনেক নেতার মতোই রাজনৈতিক পরিবার থেকে এসেছেন রনিল বিক্রমাসিংহে।
- তাঁর চাচা জুনিস জয়াবর্ধনে এক দশকের বেশি সময় শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- সত্তরের দশকের মাঝামাঝিতে রাজনীতিতে আসেন তিনি।
- ১৯৭৭ সালে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সে সময় প্রেসিডেন্ট ছিলেন জুনিস জয়াবর্ধনে।
- ওই সরকারেই সর্বকনিষ্ঠ মন্ত্রী হন তিনি।
- তামিল গেরিলাদের হাতে সাবেক প্রেসিডেন্ট রানাসিংহে প্রেমাদাসা নিহত হওয়ার পর ১৯৯৩ সালে প্রথমবার শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হন বিক্রমাসিংহে। সেবার মাত্র এক বছরের কিছু বেশি সময় ক্ষমতায় ছিলেন তিনি।
- সর্বশেষ ২০১৮ সালে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হন বিক্রমাসিংহে।
তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ১২ মে ২০২২।
রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা:
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিশ্ববাজারে পণ্য ও সেবা রপ্তানি করে ৬৩.৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।
- এর মধ্যে পণ্যের রপ্তানি থেকে ৫৫ বিলিয়ন ডলার এবং সেবা খাত থেকে ৮.৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের পরিকল্পনা রয়েছে।
- গত অর্থবছরে ২০২৪-২৫ এ লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ হাজার ৭৫০ কোটি মার্কিন ডলার।
- চলতি অর্থবছরের এই লক্ষ্য ২০২৪-২৫ অর্থবছরের তুলনায় ১৬.৫ শতাংশ বেশি।
উল্লেখ্য,
- সমাপ্ত অর্থবছর ২০২৪-২৫-এ বাংলাদেশ পণ্য খাতে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৪৮ দশমিক ২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছে, যা লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৯৭ শতাংশ এবং পূর্ববর্তী ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তুলনায় ৮.৫৮ শতাংশ বেশি।
- সেবা খাতের লক্ষ্যমাত্রা ৭ দশমিক ৫০ বিলিয়নের বিপরীতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জুলাই-এপ্রিল পর্যন্ত রপ্তানি হয়েছে ৫ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫ দশমিক ১৩ শতাংশ বেশি।
তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]
• RISC-এর পূর্ণরূপ হলো Reduced Instruction Set Computing. এটি একটি কম্পিউটার আর্কিটেকচার নীতি, যা কমান্ড বা ইনস্ট্রাকশনগুলিকে সহজ এবং সীমিত রাখে। RISC প্রক্রিয়াকরণে প্রতিটি নির্দেশ সাধারণত একক ক্লক সাইকেলে সম্পন্ন হয়, ফলে প্রসেসর দ্রুত এবং কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে। এই নীতি বড় ও জটিল ইনস্ট্রাকশন সেটের চেয়ে হালকা এবং দ্রুত অপারেশন প্রদান করে। কম কমপ্লেক্স ইনস্ট্রাকশন থাকার কারণে হার্ডওয়্যার ডিজাইন সহজ হয় এবং পাইপলাইনের মাধ্যমে একাধিক নির্দেশ একসাথে কার্যকর করা যায়। ফলে RISC প্রসেসর উচ্চ পারফরম্যান্স, কম শক্তি খরচ এবং দ্রুত প্রসেসিং নিশ্চিত করে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ক) Reduced Instruction Set Computing.
• RISC (Reduced Instruction Set Computer):
- RISC হলো এমন এক মাইক্রোপ্রসেসর আর্কিটেকচার যা simplicity এবং গতির ওপর জোর দেয়। এর মূল ধারণা হলো, কম এবং সরল ইনস্ট্রাকশন সেট ব্যবহার করে প্রোগ্রামের কার্যসম্পাদনকে দ্রুততর করা।
- RISC প্রসেসরগুলো দ্রুত এবং দক্ষ, কারণ এগুলো কমপ্লেক্স ইনস্ট্রাকশনকে ছোট ছোট সহজ ইনস্ট্রাকশনে ভেঙে কার্যকর করে।
- আধুনিক মোবাইল প্রসেসরগুলো (যেমন ARM architecture) মূলত RISC ভিত্তিক।
- RISC আর্কিটেকচার কম শক্তি খরচ করে, দ্রুত কাজ সম্পন্ন করতে পারে এবং ব্যাটারি-চালিত ডিভাইসের (যেমন স্মার্টফোন, ট্যাবলেট) জন্য আদর্শ।
উৎস:
1. Arm.com Website. [Link]
2. Encyclopedia Britannica. [Link]
নিরক্ষরতার হার:
- অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা থেকে মুক্তির অন্যতম উপায় হলো সাক্ষরতা অর্জন করা।
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪ অনুযায়ী দেশের সাত বছর ও তদূর্ধ্ব জনগোষ্ঠীর মধ্যে বর্তমানে সাক্ষরতার হার ৭৭ দশমিক ৯ শতাংশ।
- অর্থাৎ দেশে সাত বছর ও তদূর্ধ্ব জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রায় ২২ শতাংশ এখনো নিরক্ষর।
উল্লেখ্য,
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই সাক্ষরতার সংজ্ঞায় ভিন্নতা থাকলেও ১৯৬৭ সালে ইউনেসকো সর্বজনীন একটা সংজ্ঞা নির্ধারণ করে।
- তখন শুধু কেউ নাম লিখতে পারলেই তাকে সাক্ষর বলা হতো।
- পরবর্তী সময়ে প্রায় প্রতি দশকেই এই সংজ্ঞায় পরিবর্তন এসেছে এবং ১৯৯৩ সালের একটি সংজ্ঞায় ব্যক্তিকে সাক্ষর হওয়ার জন্য তিনটি শর্ত পূরণ করতে হয়। শর্ত তিনটি হচ্ছে—
১. ব্যক্তি নিজ ভাষায় সহজ ও ছোট বাক্য পড়তে পারবে;
২. ব্যক্তি নিজ ভাষায় সহজ ও ছোট বাক্য লিখতে পারবে এবং
৩. ব্যক্তি দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ হিসাব-নিকাশ করতে পারবে।
তথ্যসূত্র: প্রথম আলো। [link]
• বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা:
- চলিত মূল্যে জিডিপি- ৫০,৪৮,০২৭ কোটি টাকা।
- চলিত মূল্যে মাথাপিছু জিডিপি- ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি- ৩৩,৯৭,২৩১ কোটি টাকা।
- চলিত মূল্যে মোট জাতীয় আয় - ৩,০৬,১৪৪ কোটি টাকা।
- চলিত মূল্যে মাথাপিছু জাতীয় আয় - ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মুদ্রাস্ফীতি- ৯.৭৪%।
- জিডিপিতে কৃষির অবদান - ১১.০২%।
- জিডিপিতে শিল্পের অবদান - ৩৭.৯৫%।
- জিডিপিতে সেবার অবদান -৫১.০৪%।
- অর্থনীতিতে মোট খাত - ১৯ টি (২০১৫-১৬ ভিত্তি বছর)
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪।
• আমদানি পরিস্থিতি
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৮,৩৫৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার =৬৮.৩৫৪ বিলিয়ন।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ৬৬,৭২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ২.৪ শতাংশ বেশি।
- মোট পণ্য আমদানি মূল্যের ভিত্তিতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চীন থেকে সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়।
- যা দেশের মোট আমদানির ৩০.০২ শতাংশ।
- আলোচ্য সময়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ভারত (১৪.১৮%) ও যুক্তরাষ্ট্র (৩.৬৭%)।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৫।
IDA:
- IDA এর পূর্ণরূপ International Development Association.
- তৃতীয় বিশ্বের অনুন্নত দেশগুলোকে সহজ শর্তে ও স্বল্পসুদে ঋণ প্রদান করে থাকে।
- যার কারণে IDA কে 'Soft Loan Window' বলা হয়।
- যেসব দেশ IBRD থেকে ঋণ পায় না, সেসব দেশকে IDA ঋণ প্রদান করে থাকে।
- IDA বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৬০ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৭৫টি। (ডিসেম্বর, ২০২৫)
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে IDA এর সদস্যপদ লাভ করে।
তথ্যসূত্র - IDA অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2022 শিরোনামে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ প্রকাশ করে।
- জনপ্রতি দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ - ২,৩৯৩ কিলোক্যালোরি।
- খানাপ্রতি মাসিক গড় আয় - ৩২,৪২২ টাকা (শহুরে ৪৫,৭৫৭ টাকা, গ্রামীণ ২৬,১৬৩ টাকা)।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর এবং তদূর্ধ্ব) - ৭৪% (পুরুষ ৭৫.৮%, নারী ৭২.৬%)।
- দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৮.৭%।
- শহরে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৪.৭%।
- গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ২০.৫%।
এছাড়াও,
- দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৫.৬%।
- শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৩.৮%।
- গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৬.৫%।
তথ্যসূত্র - খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।
বিশ্বজুড়ে বাংলা:
- ২০২৫ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পৃথিবীজুড়ে মোট বাংলাভাষীদের সংখ্যা প্রায় ৩০ কোটি।
- এদের মধ্যে প্রায় ২৮.৪ কোটি মানুষ বাংলা ভাষাকে তাদের প্রথম ভাষা হিসেবে ব্যবহার করে এবং আরও ৪.৩ কোটি মানুষ দ্বিতীয় ভাষাভাষী হিসেবে ব্যবহার করে।
- এই সংখ্যার ভিত্তিতে বাংলা বিশ্বব্যাপী সপ্তম সর্বাধিক প্রচলিত ভাষা।
- বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা, আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, মেঘালয়, বিহার, উড়িষ্যা, অল্প্রব্দপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, দিলি্লসহ বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে বাংলাভাষী জনগোষ্ঠী।
- দক্ষিণ এশিয়ায় পাকিস্তান ও নেপালেও রয়েছে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক বাংলাভাষী।
উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালের হিসেবে বিশ্বে সবথেকে বেশি ব্যবহৃত ১০টি ভাষা: ১. ইংরাজি ২. ম্যান্ডারিন চাইনিজ ৩. হিন্দি ৪. স্প্যানিশ ৫. স্ট্যান্ডার্ড আরবিক ৬. ফ্রেঞ্চ বা ফরাসি ৭. বাংলা ৮. পোর্তুগিজ ৯. রাশিয়ান ১০. ইন্দোনেশিয়ান
উৎস: i) Visual Capitalist. [link]
ii) সমকাল।
ইকরামুল হাসান শাকিল:
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট হয় করেছেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ২০২৫ সালের ১৯ মে তিনি এভারেস্ট চূড়া জয় করেন।
- সবচেয়ে কম সময়ে এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নতুন রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।
- কক্সবাজার থেকে হেঁটে গিয়ে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ালেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ইকরামুল হাসান তাঁর এই অভিযানের নাম দিয়েছেন ‘সি টু সামিট’, অর্থাৎ সমুদ্র থেকে শৃঙ্গ।
- শাকিলের 'সি টু সামিট' অভিযাত্রা শুরু হয় ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে কক্সবাজার থেকে।
- এরপর ৯০ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্য দিয়ে প্রায় এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন এবং ২৯ হাজার ৩১ ফুট উচ্চতার এভারেস্ট জয় করেন।
⇒ এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, মো. খালেদ হোসাইন, বাবর আলী, ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি: ইকরামুল হাসান শাকিল, ২০২৫ সালের ১৯ মে।
এছাড়াও,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি। তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।
উৎস: i) The Business Standard.
ii) প্রথম আলো।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
⇒ অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১০.৯৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৪.৬৭%।
⇒ অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৪৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭.৩৭%।
⇒ অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.৬২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৭.৯৬%।
তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলন:
- বর্তমানে বিমসটেক এর সভাপতি বাংলাদেশ।
- আগামী দুই বছরের জন্য বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট বিমসটেকের সভাপতির দায়িত্ব পেল বাংলাদেশ।
- ২০২৫ সালের ৪ এপ্রিল থাইল্যান্ডের ব্যাংককে ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে এ দায়িত্ব বুঝে নেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- ড. ইউনূস তার বক্তব্যে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কার্যকরি বিমসটেকের ওপর জোর দেন এবং আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলোর বিষয়ে বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গি ও অগ্রাধিকার উপস্থাপন করেন।
- তিনি আঞ্চলিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন এগিয়ে নিতে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য,
- BIMSTEC এর পূর্ণরূপ Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation.
- BIMSTEC বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী দেশগুলোর আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সংগঠন।
- সদর দপ্তর: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৬ জুন, ১৯৯৭ সাল।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৪টি। এগুলো হলো- বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ৭টি দেশ। এগুলো হলো- ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড।
উৎস: পত্রিকা প্রতিবেদন। (link)
IEEE, pronounced ''Eye-triple-E,'' stands for the Institute of Electrical and Electronics Engineers.
The association is chartered under this name and it is the full legal name.
Source: ieee.org
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮৩,৫৮,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯২,৯৬,০০০ একর বা ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৪৯,০০০ একর বা ২০,৪৪,০০০ হেক্টর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪০,০০০ একর বা ৪১,০৫,০০০ হেক্টর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯৩,০০০ একর বা ১৮,৫৯,০০০ হেক্টর।
- চার ফসলি জমি ৪৭,০০০ একর বা ১৯,০০০ হেক্টর।
তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
২০২৫ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার:
- ২০২৫ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ইওয়েল মোকিয়র, ফিলিপ আগিয়োঁ ও পিটার হাউইট।
- অবদান: উদ্ভাবননির্ভর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ব্যাখ্যা করার জন্য ২০২৫ সালে তাদের নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য,
- প্রযুক্তিগত অগ্রগতির মাধ্যমে টেকসই প্রবৃদ্ধির পূর্বশর্তগুলো চিহ্নিত করার জন্য। পুরস্কারের অর্ধেক পেলেন ইওয়েল মোকিয়র।
- সৃজনশীল বিনাশের (ক্রিয়েটিভ ডেসস্ট্রাকশন) মাধ্যমে টেকসই প্রবৃদ্ধির তত্ত্ব প্রণয়নের জন্য বাকি অর্ধেক যৌথভাবে পেলেন ফিলিপ আগিয়োঁ ও পিটার হাউইট।
এছাড়াও,
- সাহিত্য: হাঙ্গেরিয়ান লেখক লাজলো ক্রাজনাহরকাই।
- শান্তি: ভেনেজুয়েলার রাজনীতিবিদ ও মানবাধিকারকর্মী মারিয়া কোরিনা মাচাদো।
- চিকিৎসাবিজ্ঞান: ম্যারি ই. ব্রুনকো, ফ্রেড রামসডেল ও শিমন সাকাগুচি।
- পদার্থবিজ্ঞান: জন ক্লার্ক, মিশেল দেভরেট ও জন এম মার্টিনিস।
- রসায়ন: সুসুমু কিতাগাওয়া, রিচার্ড রবসন ও ওমর এম. ইয়াগি।
উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।
IPCC:
- IPCC-এর পূর্ণরূপ: Intergovernmental Panel on Climate Change.
- এটি হলো জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত বিজ্ঞানের মূল্যায়নের জন্য জাতিসংঘের সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠার সময়: ১৯৮৮ সাল।
- বর্তমানে সদস্য: ১৯৫টি।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- চেয়ারম্যান: জিম স্কেয়া।
- শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ: ২০০৭ সালে।
⇒ IPCC জলবায়ু পরিবর্তনের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি, এর প্রভাব এবং ভবিষ্যতের ঝুঁকি এবং অভিযোজন ও প্রশমনের বিকল্পগুলির নিয়মিত মূল্যায়ন প্রদান করে।
- এর কাজ হলো মানুষের ক্রিয়াকলাপের কারণে জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক জ্ঞানকে এগিয়ে নেওয়া।
উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্যানেল জানিয়েছে, বৈশ্বিক উষ্ণতা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখতে গ্রীন হাউজ গ্যাসের নি:সরণ ২০২৫ সালের মধ্যে হ্রাস করা শুরু করতে হবে।
- এতে আরও বলা হয়, ২০১৯ সালের সাপেক্ষে এই নি:সরণ ২০৩০ সালের মধ্যে ৪৩ শতাংশ ও ২০৫০ সালের মধ্যে ৮৪ শতাংশে নামিয়ে আনতে হবে।
- এই প্যানেল বিশেষত জ্বালানি খাতে বড় ধরনের রূপান্তরের আহ্বান জানিয়েছে, কারণ সর্বমোট নি:সরণের এক-তৃতীয়াংশ উৎপন্ন হয় এই খাত থেকে।
- তারা তেল ও কয়লা জাতীয় জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার বিপুল পরিমাণ হ্রাস করার এবং সৌর ও বায়ুশক্তি জাতীয় নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করার আহ্বান জানিয়েছে।
উৎস: IPCC ওয়েবসাইট।
• সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (SCO) শীর্ষ সম্মেলন-২০২৫:
- সম্মেলনের আয়োজন ও অংশগ্রহণ চীনের তিয়ানজিন শহরে ৩১ আগস্ট-সেপ্টেম্বর ১, ২০২৫ পর্যন্ত।
- দুই দিনের এই সম্মেলনে বিশ্বের ২০টির বেশি দেশ থেকে রাষ্ট্রপ্রধানরা অংশগ্রহণ করেন।
- ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নেতারা এতে উপস্থিত ছিলেন।
• সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল:
- বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা প্রসারিত করা।
- এবং "গ্লোবাল সাউথ" বা বৈশ্বিক দক্ষিণের অগ্রাধিকার নিশ্চিত করা।
উৎস: SCO ওয়েবসাইট।
BIMSTEC:
- BIMSTEC এর পূর্ণরূপ Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation.
- BIMSTEC একটি অর্থনৈতিক সংগঠন।
- বিমসটেক এর প্রতিষ্ঠাকাল: ৬ জুন, ১৯৯৭ সাল।
- সংগঠনটির সদর দপ্তর ঢাকা, বাংলাদেশ।
- এর প্রতিষ্ঠার স্থান: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড।
- সংগঠনটির সদস্য সংখ্যা: ৭টি দেশ। এগুলো হলো- ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড।
উল্লেখ্য,
- বিমসটেক ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলন ০৪ এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হয়।
- শীর্ষ সম্মেলনের সমাপ্তিতে, বিমসটেকের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য বাংলাদেশ বিমসটেকের সভাপতিত্ব গ্রহণ করে।
- আগামী দুই বছরের জন্য সভাপতির দায়িত্ব পালন করবে বাংলাদেশ।
তথ্যসূত্র: BIMSTEC ওয়েবসাইট।
অনলাইন গেট পাস:
- আমদানি ও রপ্তানি পণ্য পরিবহন সহজ করতে চট্টগ্রাম বন্দরে ‘অনলাইন গেট পাস’ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
- ২০২৫ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান এই ডিজিটাল ব্যবস্থার উদ্বোধন করেন।
- এর ফলে পণ্য প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় কমবে এবং যানজট হ্রাস পাবে। টার্মিনাল অপারেটিং সিস্টেমের (টিওএস) আওতায় ডেটাসফট সিস্টেমস বাংলাদেশ লিমিটেড প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়েছে।
- ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে ফি পরিশোধ করে দ্রুত গেট পাস সংগ্রহ করা যাবে।
- প্রতিদিন প্রায় ৮ হাজার যানবাহন বন্দরের মাধ্যমে চলাচল করায় এই ব্যবস্থা কার্যক্রমকে আরও সহজ করবে।
চট্টগ্রাম বন্দর:
- ১৯৭৬ সালে জারিকৃত রাষ্ট্রপতির ৫২ নং আদেশ বলে চট্টগ্রাম বন্দর ট্রাস্ট-কে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক) এ রূপান্তরিত করা হয়।
- চট্টগ্রাম বন্দর দেশের প্রধান ও ব্যস্ততম সামুদ্রিক বন্দর।
- চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্ত্বশাসিত সংস্থা।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের উত্তর পূর্বে পর্বত শ্রেণি থেকে উৎপন্ন এবং বঙ্গোপসাগরে পতিত কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- সমুদ্র হতে কয়েক মাইল অভ্যন্তরে গভীর সমুদ্রে নোঙর করার সুবিধাই এ বন্দরের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- বঙ্গোপসাগরের বাইরের দিকে বালুচর হতে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে প্রধান ঘাট পর্যন্ত চলমান দূরত্ব হচ্ছে ১৬ কিলোমিটার।
সূত্র - চট্টগ্রাম বন্দর ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
- বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জনাব এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন
- তিনি ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর তারিখে বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
- এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন একজন দক্ষ প্রশাসক হিসেবে সুপরিচিত।
উল্লেখ্য,
- জনাব এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন ১৯৫৩ সালের ১ জুলাই কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া উপজেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
- ১৯৭৭ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন এবং একই বিষয়ে দ্বিতীয় শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।
- এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন ১৯৭৯ সালে বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বিসিএস (কর) ক্যাডারে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন।
- বর্ণাঢ্য চাকুরি জীবনে তিনি তথ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। - তিনি ২০১০ সালের জুলাই মাসে সরকারি চাকরি হতে অবসর গ্রহণ করেন।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক:
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে (এমওএনইউএসসিও) কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসায় দায়িত্বরত বাংলাদেশ পুলিশের নারী কন্টিনজেন্ট বিএএনএফপিইউ-১ এর সদস্যদেরকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক প্রদান করা হয়েছে।
- অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে গত ৭ আগস্ট এ পদক প্রদান করা হয়।
- অনুষ্ঠানে এমওএনইউএসসিও কিনশাসার বিভিন্ন সেকশনে কর্মরত ২৩ জন ইন্ডিভিজুয়াল পুলিশ অফিসার্স (আইপিও)-কে বিএএনএফপিইউ-১ এর সঙ্গে যৌথভাবে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক প্রদান করা হয়।
- বিএএনএফপিইউ-১, রোটেশন-১৭ এর কন্টিনজেন্ট কমান্ডার পুলিশ সুপার কাজী রুবাইয়াত রুমীর নেতৃত্বে মোট ১৭৮ জন শান্তিরক্ষী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
- তাদের মধ্যে ৬৮ জন নারী জাতিসংঘ পদকে ভূষিত হন।
উল্লেখ্য,
- কন্টিনজেন্টটি গত বছরের ২৭ মে থেকে অত্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সাথে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে আসছে।
তথ্যসূত্র- বাসস। [Link]
• জাতিসংঘ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- এর আগে ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।
- সর্বশেষ সদস্য রাষ্ট্র- দক্ষিণ সুদান।(ডিসেম্বর-২০২৫)
- জাতিসংঘ সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা ছয়টি:
- জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা ছয়টি।
উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2022 শিরোনামে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ প্রকাশ করে।
- জনপ্রতি দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ - ২,৩৯৩ কিলোক্যালোরি।
- খানাপ্রতি মাসিক গড় আয় - ৩২,৪২২ টাকা (শহুরে ৪৫,৭৫৭ টাকা, গ্রামীণ ২৬,১৬৩ টাকা)।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর এবং তদূর্ধ্ব) - ৭৪% (পুরুষ ৭৫.৮%, নারী ৭২.৬%)।
- দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৮.৭%।
- শহরে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৪.৭%।
- গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ২০.৫%।
এছাড়াও,
- দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৫.৬%।
- শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৩.৮%।
- গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৬.৫%।
তথ্যসূত্র - খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।
Global Innovation Index (GII) 2025:
- প্রকাশক: জাতিসংঘের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা (WIPO)।
- প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর, ২০২৫।
- WIPO ১৩৯টি দেশের সূচক প্রকাশ করেছে। এতে একটি দেশের অবস্থান নির্ণয়ে প্রতিষ্ঠান, মানবসম্পদ ও গবেষণা, অবকাঠামো, পরিশীলিত বাজার, পরিশীলিত ব্যবসা, জ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং সৃজনশীলতাসহ মোট সাতটি সূচকের মূল্যায়ন করা হয়।
- বৈশ্বিক উদ্ভাবনী সূচক-২০২৫- শীর্ষ স্থানে রয়েছে সুইজারল্যান্ড এবং সর্বনিম্ন স্থানে রয়েছে নাইজার (১৩৯তম)।
- বাংলাদেশের অবস্থান ১০৬তম।
⇒ বৈশ্বিক উদ্ভাবনী সূচক-২০২৫ শীর্ষ দেশ:
১. সুইজারল্যান্ড,
২. সুইডেন,
৩. যুক্তরাষ্ট্র,
৪. দক্ষিণ কোরিয়া,
৫. সিঙ্গাপুর।
উৎস: WIPO ওয়েবসাইট।
• Fortutious : Inherent :: Gregarious : Introverted.
• প্রশ্নে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ:
- Fortutious: দৈবক্রমে, আকস্মিক (happening by chance/accident).
- Inherent: সহজাত, অন্তর্নিহিত (existing naturally).
• সঠিক উত্তরের শব্দগুলোর অর্থ:
- Gregarious: যূথচর; সঙ্গলিপ্সু (very sociable/outgoing).
- Introverted: অন্তর্মুখী (unsociable/reserved).
• Analogical Relation:
- শব্দ জোড়াদ্বয় পরস্পর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
• অন্যান্য অপশন,
- Envious (হিংসুক; পরশ্রীকাতর): Desire (কামনা; কাম; ইচ্ছা; বাসনা).
- Permissible (অনুমতিযোগ্য) : Endurable (সহনীয়).
- Legible (স্পষ্ট; সহজে পাঠ করা যায় এমনভাবে): Indelible (অনপনেয়; অমোচনীয়).
• সুতরাং, option বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, সঠিক analogy টি হচ্ছে- Gregarious : Introverted.
Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.
আদমশুমারি:
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- যথা- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে।
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।
তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
• বিশ্বের তেল উৎপাদন ও ওপেক:
- বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (USA) বিশ্বে সবচেয়ে বেশি তেল উৎপাদনকারী দেশ।
- এটি প্রতিদিন প্রায় ২১.৯১ মিলিয়ন ব্যারেল তেল উত্তোলন করে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পর তেল উৎপাদনে শীর্ষে আছে রাশিয়া এবং সৌদি আরব।
- বৃহত্তম রপ্তানিকারক দেশ হলো সৌদি আরব, এরপর আসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া।
- ওপেক- হলো তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- OPEC এর পূর্ণরূপ হলো- Organization of the Petroleum Exporting Countries.
- এটি মূলত:
• সদস্য দেশগুলোর তেল নীতি সমন্বয় করে।
• বিশ্ববাজারে তেলের দাম স্থিতিশীল রাখে।
• এবং তেল সরবরাহ নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।
উল্লেখ্য,
- OPEC ১৯৬০ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর বাগদাদে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য : ইরান, ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব এবং ভেনেজুয়েলা।
- বর্তমানে OPEC-এর মোট ১২টি সদস্য দেশ রয়েছে :
• আলজেরিয়া, ইরান, ইরাক, কুয়েত, নাইজেরিয়া, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ভেনেজুয়েলা।
উৎস: Britannica [লিঙ্ক]।
• আরব লীগ:
- মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর আঞ্চলিক সংগঠন।
- উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোর রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক কর্মকান্ডের সমন্বয় ও বন্ধন শক্তিশালী করা।
- স্বাক্ষরিত হয়: ৭ অক্টোবর ১৯৪৪ সালে ।
- ১৯৪৫ সালের ২২ মার্চ আরব লীগ গঠিত হয়।
- আলেকজান্দ্রিয়া প্রটোকল- আরব লীগের ভিত্তি।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: সাতটি দেশ, মিশর, ইরাক, জর্ডান, লেবানন, সৌদি আরব, সিরিয়া এবং উত্তর ইয়েমেন।
- সদর দপ্তর: কায়রো, মিশর।
- সদস্য দেশ: মোট ২২টি রাষ্ট্র।
- আরব লীগের বর্তমান মহাসচিব: আহমেদ আবুল ঘেইত [ব্যাখ্যা আপডেট - জানুয়ারি, ২০২৬]
উল্লেখ্য,
- আরব লীগ বহির্ভূত মধ্যপ্রাচ্যের দেশ: ইরান।
- অফিসিয়াল ভাষা: আরবি।
তথ্যসূত্র: Arab League ওয়েবসাইট।
জাতীয় শহীদ সেনা দিবস:
- সরকার প্রতিবছর ২৫ ফেব্রুয়ারি ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
- উক্ত তারিখ সরকারি ছুটি ব্যতীত ‘গ’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে পালন করতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস সংক্রান্ত পরিপত্রে অন্তর্ভুক্তকরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
- সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক দিবসটি যথাযথভাবে পালনের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
• কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দিবস:
- জাতীয় জনসংখ্যা দিবস'- ২রা ফেব্রুয়ারি।
- সশস্ত্র বাহিনী দিবস - ২১ নভেম্বর।
- স্বাধীনতা দিবস এবং জাতীয় দিবস - ২৬ মার্চ।
- মুক্তিযোদ্ধা দিবস - ০১ ডিসেম্বর।
• কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক দিবস:
- ১১ জুলাই - বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস।
- ৫ জুন - বিশ্ব পরিবেশ দিবস।
- ২১ মার্চ - বিশ্ব বন দিবস।
- ৮ জুন - বিশ্ব সমুদ্র দিবস।
- ৫ ডিসেম্বর - বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস।
- ৪ অক্টোবর - বিশ্ব প্রাণী দিবস।
- ৮ মার্চ - বিশ্ব নারী দিবস।
- ৭ এপ্রিল - বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস।
উৎস: আইএসপিআর ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকা।
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।
তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
• 'কপ জীববৈচিত্র্য সম্মেলন'/Convention on Biological Diversity (CBD):
- নিয়ন্ত্রক সংস্থা: Conference of the Parties
- ১৯৯২ সালে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত ‘আর্থ সামিটে’ ‘জীববৈচিত্র্য–বিষয়ক কনভেনশন’ (CBD) গৃহীত হয়।
- লক্ষ্য:
১) জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ,
২) জীববৈচিত্র্য থেকে প্রাপ্ত সুফলের ন্যায্য বণ্টন ও
৩) জীববৈচিত্র্যের টেকসই ব্যবহার।
- এ পর্যন্ত সংস্থাটি ১৬টি সাধারণ অধিবেশন এবং ২টি বিশেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত করেছে।
- ২০২৫ সালে ১৬তম কপ জীববৈচিত্র্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে - রোম, ইটালি।
- ২০২৬ সালে ১৭তম কপ জীববৈচিত্র্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে - ইয়েরেভান, আর্মেনিয়া।
তথ্যসূত্র: Conference of the Parties ওয়েবসাইট। (Link)
জি৭ (G7):
- পূর্ণ নাম: Group of Seven
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৭৫ সাল।
- উদ্দেশ্য: বিশ্বের উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক নীতি সমন্বয়, বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
- জি৭-এর সদস্য দেশগুলো বিশ্বের বৃহত্তম উন্নত অর্থনীতির প্রতিনিধিত্ব করে।
- জোটটি কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি বা সংস্থার আওতায় নয়।
- ২০২৪ সালে সর্বশেষ G7 সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ইতালিতে।
- কানাডা ১ জানুয়ারী থেকে ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত G7 এর সভাপতিত্ব করবে এবং ২০২৫ সালের জুন মাসে আলবার্টার কানানাস্কিসে শীর্ষ সম্মেলনটি আয়োজন করবে।
- ৫১তম G7 শীর্ষ সম্মেলন ১৫ থেকে ১৭ জুন ২০২৫ পর্যন্ত কানাডার আলবার্টার কানানাস্কিসে অনুষ্ঠিত হবে ।
সদস্য দেশসমূহ:
১. যুক্তরাষ্ট্র
২. যুক্তরাজ্য
৩. কানাডা
৪. জার্মানি
৫. ফ্রান্স
৬. ইতালি
৭. জাপান
উৎস: G7 Official Website
World Economic Forum
শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ঢাকা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৪।
- গাজা পুনর্গঠনে 'বোর্ড অব পিস' গঠন করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
- গাজার জন্য 'বোর্ড অব পিস' এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার এবং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর নাম ঘোষণা করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।
- ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ এবং প্রেসিডেন্ট জামাতা জ্যারেড কুশনার এতে 'প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী সদস্য' থাকবেন।
- ট্রাম্প এই বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে থাকবেন।
- তিনি ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যকার যুদ্ধ অবসানে ২০-দফা পরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছেন।
- সাময়িকভাবে গাজা পরিচালনার বিষয়টির তত্ত্বাবধান এবং এর পুনর্গঠন কার্যক্রমের ব্যবস্থাপনা করবে এই বোর্ড।
- একটি বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান মার্ক রোয়ান, বিশ্বব্যাংকের প্রধান অজয় বাঙগা এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উপদেষ্টা রবার্ট গ্যাব্রিয়েলও এই নির্বাহী বোর্ডে থাকবেন।
উৎস: বিবিসি [লিংক]
• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- এটি অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে CAPI.
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১০ বছর পর পর।
- গণনাকৃত জনসংখ্যা ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,১১৯ জন।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত ৯৮ ও ১০০।
- দেশে সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- ২০২২ সালে খানার গড় আকার - ৩.৯৮।
উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।
AIIB:
- এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (Asian Infrastructure Investment Bank - AIIB) একটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- এর মূল উদ্দেশ্য হল এশিয়া এবং অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলির অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে সহায়তা প্রদান করা।
- চীন AIIB-এর প্রতিষ্ঠায় মূল ভূমিকা পালন করে।
- AIIB মূলত চীনের 'বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ' (BRI) এর সাথে সম্পর্কিত এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশকে চীনের সাথে অর্থনৈতিক সহযোগিতায় যুক্ত করার সুযোগ প্রদান করে।
- এটি বিশ্বব্যাংক বা এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB)-এর মতো অন্যান্য আন্তর্জাতিক ব্যাংকগুলির সাথে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৬ জানুয়ারি, ২০১৬।
- সদর দপ্তর: বেইজিং, চীন।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ: ৫৭টি।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ১১০টি।
- সর্বশেষ সদস্য: নাউরু (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)।
উল্লেখ্য,
- AIIB-এর সর্ববৃহৎ শেয়ারহোল্ডার চীন।
- চীনের অর্থায়নের পরিমাণ ২৯,৭৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা প্রায় ৩০.৬৮৭৭%।
উৎস: AIIB ওয়েবসাইট।
• Articulate : Clearly :: Shout : Loudly.
• প্রশ্নে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ:
- Articulate: স্পষ্টভাবে (শব্দ) উচ্চারণ করা; স্পষ্টভাবে কথা বলা।
- Clearly: পরিষ্কারভাবে; সুস্পষ্টভাবে।
• সঠিক উত্তরের শব্দগুলোর অর্থ:
- Shout: উচ্চকণ্ঠে/চেঁচিয়ে বলা।
- Loudly: উচ্চেঃস্বরে; চেঁচিয়ে; উচ্চরবে।
• Analogical Relation:
- To articulate means to speak clearly.
- To shout means to speak loudly.
- অর্থাৎ, কোনো কিছু Clearly বলাকে বলে Articulate, আর কোনো কিছু Loudly বলাকে বলে Shout.
• অন্যান্য অপশন,
- Orate ((জনসমক্ষে) বক্তৃতা করা): Shortly (সংক্ষেপে; অল্প কথায়).
- Lecture (শিক্ষা দেওয়ার জন্য প্রদত্ত বক্তৃতা; তিরস্কার:): Willfully (ইচ্ছাকৃতভাবে).
- Pharmacist (ফার্মাসিস্ট): Prescribe (পরামর্শ বা নির্দেশ দেওয়া).
• সুতরাং, option বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, সঠিক analogy টি হচ্ছে- গ) Shout : Loudly.
Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
রপ্তানি (২০২৪-২৫):
- বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে যুক্তরাষ্ট্রে।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জার্মানি
- তৃতীয় সর্বোচ্চ- যুক্তরাজ্য।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ - স্পেন।
এছাড়াও,
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
উৎস: বানিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।