• 2FA এর পূর্ণরূপ হলো Two-Factor Authentication (উত্তর: ঘ)।
- এটি একটি নিরাপত্তা প্রক্রিয়া যা ব্যবহারকারীর পরিচয় যাচাই করার জন্য দুটি আলাদা ফ্যাক্টর ব্যবহার করে। সাধারণত প্রথম ফ্যাক্টর হলো ব্যবহারকারীর পাসওয়ার্ড বা পিন, যা তারা জানে। দ্বিতীয় ফ্যাক্টর হতে পারে একটি মোবাইল ফোনে পাঠানো ওটিপি (One-Time Password), বায়োমেট্রিক তথ্য যেমন ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস রিকগনিশন, বা একটি হার্ডওয়্যার টোকেন। 2FA ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্য হলো অননুমোদিত অ্যাক্সেস রোধ করা, কারণ শুধুমাত্র পাসওয়ার্ড জানলেই কেউ অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে পারবে না। এটি ডিজিটাল নিরাপত্তা বৃদ্ধি করে এবং তথ্য চুরির ঝুঁকি কমায়।
• টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (2FA):
- টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (2FA) হলো একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যেখানে দুইটি ভিন্ন ধরণের ভেরিফিকেশন ফ্যাক্টর ব্যবহার করে একজন ব্যবহারকারীকে চিহ্নিত করা হয়। এটি পাসওয়ার্ড চুরির বিরুদ্ধে একটি বাড়তি সুরক্ষা ব্যবস্থা প্রদান করে।
- সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অনলাইন অ্যাকাউন্টগুলোকে নিরাপদ রাখতে শুধুমাত্র পাসওয়ার্ডের ওপর নির্ভরশীলতা এখন পুরোপুরি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না। থেকে যায় হ্যাক হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি। অনলাইনের এসব অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখার জন্য প্রয়োজন টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা সংক্ষেপে টুএফএ সিস্টেম।
টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সাধারণত দুটি ধাপে কাজ করে:
প্রথম স্তর: পাসওয়ার্ড বা পিন ইনপুট করা।
দ্বিতীয় স্তর:
- OTP (One-Time Password) মোবাইলে পাঠানো,
- Authenticator অ্যাপে কোড তৈরি,
- ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস আইডি,
- USB Security Key.
টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন গুরুত্বপূর্ণ, কারণ-
- পাসওয়ার্ড চুরি হলেও এক্সট্রা ভেরিফিকেশন থাকে,
- ফিশিং ও হ্যাকিং আক্রমণ থেকে রক্ষা করে,
- ব্যাংকিং, ইমেইল ও সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখে,
- Unauthorized Access প্রতিরোধ করে।
উৎস:
- Microsoft. [link]