বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও সেলুলার নেটওয়ার্কিং সিস্টেম ও ডাটা কমিউনিকেশন

মোট প্রশ্ন১,২০৬এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও সেলুলার নেটওয়ার্কিং সিস্টেম ও ডাটা কমিউনিকেশন

PrepBank · পাতা / ১২ · ৮০১৯০০ / ১,২০৬

৮০১.
কোন যন্ত্রে শুধু একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড থাকে?
  1. রেডিও
  2. ওয়াকিটকি
  3. টেলিফোন
  4. মোবাইল
ব্যাখ্যা
ডাটা ট্রান্সমিশন মোড: 
- ডাটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা পাঠানো হয়। 
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডাটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডাটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়। 
- ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex): 
- এক্ষেত্রে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে। 
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডাটা প্রেরণ করার সময় ডাটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে। 
উদাহরণ- টেলিফোন, মোবাইল। 

২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex): 
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডাটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না। 
উদাহরণ- ওয়াকিটকি। 

৩। সিমপ্লেক্স (Simplex): 
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। 
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। 
উদাহরণ- রেডিও, টিভি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮০২.
ওয়াই-ফাই এর কাভারেজ এরিয়া কত?
  1. ৩-১০ মিটার
  2. ৫০-২০০ মিটার
  3. ৩০০-৮০০ মিটার
  4. ১০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো — খ) ৫০-২০০ মিটার
- সাধারণত Wi-Fi (বিশেষত IEEE 802.11b/g/n/ac মান) এর কাভারেজ বা কার্যকর পরিসীমা হয় ৫০ থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত, পরিবেশ ও বাধা (walls, interference) অনুযায়ী।
- ইনডোরে (বাড়ি বা অফিসে) পরিসীমা সাধারণত ৩০–৫০ মিটার।
- আউটডোরে (খোলা জায়গায়) তা ১০০–২০০ মিটার পর্যন্ত হতে পারে।
- তাই Wi-Fi এর কাভারেজ এরিয়া আনুমানিক ৫০–২০০ মিটার।

• Wi-fi:
- Wi-fi এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity.
- Wi-fi হলো একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগসমূহ সরবরাহ করে থাকে রেডিও ওয়েভ ব্যবহাররের মাধ্যমে।
- ওয়াই-ফাই সাধারণত 2.4 থেকে 5 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি Wi-fi Alliance এর একটি ট্রেডমার্ক এবং IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম।
- ভিক্টর ভিক হেরেসকে ওয়াই-ফাই এর জনক বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর ডাটা ট্রান্সমিশনে এ হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮০৩.
নিচের কোনটি MAN-এর উদাহরণ হিসাবে বিবেচিত?
  1. স্যাটেলাইট
  2. মাইক্রোওয়েভ
  3. প্রিন্টার
  4. ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা

• অপশন গুলির মধ্যে ঘ) ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক MAN-এর উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত। MAN বা Metropolitan Area Network হলো একটি নেটওয়ার্ক যা একটি শহর বা বড় শহরের এলাকায় কম্পিউটার এবং অন্যান্য ডিভাইসকে সংযুক্ত করে। এটি সাধারণত LAN (Local Area Network) এবং WAN (Wide Area Network)-এর মধ্যে অবস্থান করে। স্যাটেলাইট এবং মাইক্রোওয়েভ সাধারণত ডেটা ট্রান্সমিশনের মাধ্যম, যা নেটওয়ার্কের ধরন নির্দেশ করে না। প্রিন্টার হলো একটি আউটপুট ডিভাইস, যা নেটওয়ার্কের ধরন হিসেবে বিবেচিত নয়। কিন্তু একটি ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক শহরের বিভিন্ন এলাকায় সম্প্রচার এবং তথ্য প্রেরণের জন্য MAN-এর মতো কাজ করে, তাই এটি MAN-এর বাস্তব উদাহরণ।

• মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (MAN):
- MAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Metropolitan Area Network।
- একই শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারসমূহ বিভিন্ন ডিভাইস ও LAN গুলোর সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে MAN বলা হয়।
- MAN এর ক্ষেত্রে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত টেলিফোন লাইন, মডেম বা মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করা হয়।
- এই নেটওয়ার্কে যখন তারবিহীন সংযোগ দেয়া হয়, তখন তাকে WMAN (Wireless Metropoliton Area Network) বলা হয়।
- এই নেটওয়ার্কে হাব, গেটওয়ে, সুইচ, ব্রিজ, রাউটার ইত্যাদি ডিভাইসসমূহ ব্যবহৃত হয়।
- MAN এর মালিকানা সাধারণত কোনো অর্গানাইজেশনের হয়ে থাকে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৮০৪.
মোবাইল পরিসেবা প্রদানকারীর হোম নেটওয়ার্কের বাইরে ডাটা সার্ভিস ব্যবহার করার সুবিধাকে কি বলে?
  1. নেট শেয়ারিং
  2. হ্যাকিং
  3. ডাটা রোমিং
  4. সেলুলার ডাটা
ব্যাখ্যা
ডেটা রোমিং এর মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ার একজন ব্যবহারকারী ইংল্যান্ড গিয়ে একই SIM (গ্রাহক পরিচয় মডিউল) ব্যবহার করতে পারেন যা ইংল্যান্ডে ডেটা পরিষেবাগুলিতে অ্যাক্সেস করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
৮০৫.
হটস্পট কী?
  1. বিশ্বব্যাপী নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা
  2. তারযুক্ত ইন্টারনেট ব্যবস্থা
  3. তারবিহীন ইন্টারনেট ব্যবস্থা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
♦ হটস্পট (Hotspot)
- হটস্পট (Hotspot) হলো এক ধরনের ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক যা মোবাইল কম্পিউটার ও ডিভাইস যেমন- স্মার্ট ফোন, পিডিএ, ট্যাব, নেটবুক, নোটবুক বা ল্যাপটপ ইত্যাদিতে ইন্টারনেট সংযোগ সরবরাহ করে।
- বর্তমানে জনপ্রিয় তিনটি হটস্পট প্রযুক্তি হলো -
১. ব্লুটুথ (Bluetooth),
২. ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) ও
৩. ওয়াইম্যাক্স (WiMAX)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৮০৬.
MAN এর ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. একটি নির্দিষ্ট ভবনের ভেতরের কম্পিউটারগুলোর সংযোগ নেটওয়ার্ক
  2. বিভিন্ন দেশে অবস্থিত কম্পিউটারগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী নেটওয়ার্ক
  3. শুধুমাত্র ব্যক্তিগত কম্পিউটারগুলোর জন্য নেটওয়ার্ক
  4. এক শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারসমূহের মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা
• MAN বলতে বোঝায় এক শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারসমূহের মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী নেটওয়ার্ক।

• মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- MAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Metropolitan Area Network.
- একই শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারসমূহ বিভিন্ন ডিভাইস ও LAN গুলোর সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে MAN বলা হয়।
- MAN এর ক্ষেত্রে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত টেলিফোন লাইন, মডেম বা মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করা হয়।
- এই নেটওয়ার্কে যখন তারবিহীন সংযোগ দেয়া হয়, তখন তাকে WMAN (Wireless Metropoliton Area Network) বলা হয়।
- এই নেটওয়ার্কে হাব, গেটওয়ে, সুইচ, ব্রিজ, রাউটার ইত্যাদি ডিভাইসসমূহ ব্যবহৃত হয়।
- শহরের ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্কের উদাহরণ।
- MAN এর মালিকানা সাধারণত কোনো অর্গানাইজেশনের হয়ে থাকে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৮০৭.
'www' -এর পুরো রূপ হচ্ছে -
  1. World widow work
  2. World wide web
  3. World weak web
  4. Weak wrong work
ব্যাখ্যা
WWW এর  পূর্ণরূপ হলো - World Wide Web
- ১৯৮৯ সালে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় সার্ন এ কর্মরত অবস্থায় স্যার টিম বার্নার্স-লি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব তৈরি করেন।

- ওয়েব পেজ ডেভেলপ করার পর তা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের (WWW) মাধ্যমে প্রকাশের জন্য ওয়েব সার্ভারে হোস্ট করা হয়।

উৎস : ব্রিটানিকা। 
৮০৮.
WiMAX কোন ধরনের নেটওয়ার্কে অন্তর্ভুক্ত?
  1. MAN
  2. LAN
  3. PAN
  4. WAN
ব্যাখ্যা
• WiMAX (Worldwide Interoperability for Microwave Access) মূলত একটি MAN (Metropolitan Area Network) প্রযুক্তি। এটি একটি শহর বা মহানগরের মধ্যে উচ্চ-গতির ওয়্যারলেস ইন্টারনেট সেবা প্রদান করতে সক্ষম। WiMAX ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা দীর্ঘ দূরত্বে ব্রডব্যান্ড সংযোগ পেতে পারে, যা LAN-এর সীমিত এলাকার সংযোগের চেয়ে অনেক বড় এবং PAN-এর ব্যক্তিগত ডিভাইস সংযোগের চেয়ে ব্যাপক। WAN-এর মতো, এটি বৈশ্বিক বা আন্তর্জাতিক স্কেলের জন্য নয়, বরং শহর বা বড় শহরের আকারের নেটওয়ার্ককে লক্ষ্য করে। সুতরাং, WiMAX MAN ক্যাটাগরির মধ্যে পড়ে, যা শহরভিত্তিক ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক সেবা প্রদান করে।

উত্তর: ক) MAN.

• ওয়াইম্যাক্স (WiMAX):
- ওয়াইম্যাক্স (WiMAX) প্রযুক্তি হলো বর্তমান সময়ের সর্বাধুনিক উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রটোকল সার্ভিস, যা তারবিহীন ব্যবস্থায় ১০ থেকে ৫০ কি.মি. পর্যন্ত ইন্টারনেট সুবিধা প্রদান করে। 
- ওয়াইম্যাক্স-এর পূর্ণ অর্থ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access. 
- এটি প্রচলিত DSL (Digital Subscriber Line) প্রযুক্তি এবং তারযুক্ত ইন্টারনেটের পরিবর্তে দ্রুতগতির তারবিহীন ইন্টারনেট সুবিধা প্রদান করে। 
- ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে অনেক বেশি ব্যবহারকারী বহুদূর পর্যন্ত উচ্চগতিতে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পেয়ে থাকে। 
- প্রত্যন্ত অঞ্চল যেখানে সাধারণত ব্রডব্যান্ড সেবার কথা কল্পনাও করা যায় না, সেখানেও বিনা তারে ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে ব্রডব্যান্ড সেবা দেয়া যায়। 
- বিশেষ করে উঁচু-নিচু-পাহাড়ি অঞ্চল কিংবা দুর্গম এলাকা যেখানে ক্যাবল স্থাপন করা যায় না সেখানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেবার জন্য ওয়াইম্যাক্স হলো সর্বোৎকৃষ্ট প্রযুক্তি। 
- Metropoliton Area Network (MAN) টাইপের নেটওয়ার্কে ওয়াইম্যাক্স বেশি ব্যবহৃত হয়। 
- ওয়াইম্যাক্স নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়। 
- অনেক বিস্তৃত নেটওয়ার্ক হওয়ায় অন্যান্য নেটওয়ার্কের তুলনায় এটি ব্যয়বহুল এবং এর রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বেশি।

• ওয়াইম্যাক্স পদ্ধতির প্রধানত দু'টি অংশ রয়েছে। যথা-
১. বেজ স্টেশন: ইনডোর ডিভাইস ও আউটডোর টাওয়ার নিয়ে গঠিত। বেজ স্টেশনগুলো একটি ওয়াইম্যাক্স হাবের সাথে যুক্ত থেকে নেটওয়ার্ক তৈরি করে এবং ইন্টারনেট সার্ভিস দেয়। প্রতিটি বেজ স্টেশনের কভারেজ এরিয়া ৫০ থেকে ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।

২. ওয়াইম্যাক্স রিসিভার: এর সঙ্গে একটি এন্টেনা থাকে এবং একে কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করে দিতে হয়। এটির ওয়‍্যারলেস নেটওয়ার্ক কভারেজ এরিয়া ১০-৬০ কি.মি. হয়ে থাকে। খুব অল্পসংখ্যক টাওয়ার স্থাপন করে বহু দূর পর্যন্ত প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ইন্টারনেটে সেবা পৌঁছে দেয়া সম্ভব।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।
৮০৯.
GPRS মূলত কোন ধরনের নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত হয়?
  1. স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক
  2. ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক
  3. সেলুলার নেটওয়ার্ক
  4. ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা

• GPRS বা General Packet Radio Service মূলত সেলুলার নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত হয়। এটি জিএসএম (GSM) মোবাইল নেটওয়ার্কের একটি প্রযুক্তি, যা ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। GPRS ডেটা প্যাকেট আকারে প্রেরণ করে, তাই এটি ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ইমেইল এবং মেসেজিং-এর মতো সার্ভিসে দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য সংযোগ প্রদান করতে সক্ষম। এটি মূলত সেলুলার মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য ব্যবহৃত হয়, যাদের স্থায়ী বা ওয়্যারড ইন্টারনেট সংযোগ নেই। স্যাটেলাইট, ফাইবার অপটিক বা ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে GPRS সরাসরি ব্যবহৃত হয় না, কারণ এগুলো আলাদা ধরণের যোগাযোগ প্রযুক্তি। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) সেলুলার নেটওয়ার্ক।

• মোবাইল ফোন প্রযুক্তির প্রকারভেদ:
- বর্তমানে প্রচলিত মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. GSM [Global System for Mobile Communication):
- GSM হলো TDMA এবং FDMA এর সম্মিলিত একটি চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- এই প্রযুক্তিতে মোবাইল ডেটা ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে উচ্চগতির প্রযুক্তি GPRS (General Packet Radio Service), EDGE(Enhanced Data Rate for GSM Evolution) ব্যবহৃত হয়।
- সেল কভারেজ এরিয়া ৩৫ কি.মি.।
- এতে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা আছে।

২. CDMA (Code Division Multiple Access):
- এই প্রযুক্তিতে ডেটা পাঠানো হয় ইউনিক কোডিং পদ্ধতিতে।
- যে পদ্ধতিতে ডেটা আদান-প্রদান করে তাকে স্প্রেড স্পেকট্রাম বলা হয়।
- মোবাইল অপারেটর সিটিসেল এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
- সেল কভারেজ এরিয়া ১১০ কি.মি.।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা নেই।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।

৮১০.
হাইব্রিড টপোলজির মূল বৈশিষ্ট্য কী? 
  1. এটি শুধু বাস ও স্টার টপোলজি নিয়ে গঠিত হয়
  2. এটি শুধু পিয়ার-টু-পিয়ার সংযোগে কাজ করে
  3. এটি একক টপোলজির উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়
  4. এটি একাধিক ধরনের টপোলজির সমন্বয়ে গঠিত হয়
ব্যাখ্যা
হাইব্রিড টপোলজি: 
হাইব্রিড টপোলজি হল এমন একটি নেটওয়ার্ক কাঠামো যা দুই বা ততোধিক বিভিন্ন ধরনের টপোলজি যেমন স্টার, রিং, বাস বা মেশ টপোলজি একত্রিত করে তৈরি করা হয়। 
- কাজের সুবিধার্থে স্বতন্ত্র টপোলজির (স্টার, রিং, বাস বা মেশ) সুবিধা গ্রহণ এবং দুর্বলতাসমূহ কমানোর জন্য হাইব্রিড টপোলজি ডিজাইন করা হয়। 

ট্রি টপোলজি: 
- ট্রি মানে হচ্ছে গাছ, কাজেই এই টপোলজিটাকে গাছের মতো দেখানোর কথা। 
- গাছে যে রকম কান্ড থেকে ডাল, এক ডাল থেকে অন্য ডাল এবং সেখান থেকে আরো ডাল বের হয়, এই ট্রি টপোলজিতেও তাই করা হচ্ছে। 
- এই টপোলজিতে অনেকগুলো স্টার টপোলজিকে একত্র করা হয়। 

মেশ টপোলজি: 
- এই টপোলজিতে কম্পিউটারগুলো একটি আরেকটির সাথে যুক্ত থাকে এবং একাধিক পথে যুক্ত হতে পারে। 
- এখানে কম্পিউটারগুলো শুধু যে অন্য কম্পিউটার থেকে তথ্য নেয় তা নয় বরং সেটি নেটওয়ার্কের অন্য কম্পিউটারের মাঝে বিতরণও করতে পারে। 
- যদি এমন হয় যে একটি নেটওয়ার্কের প্রতিটি কম্পিউটারই সরাসরি নেটওয়ার্কভুক্ত অন্য সবগুলো কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে, তাহলে সেটিকে বলে কমপ্লিট মেশ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
৮১১.
কোন মোডে দুইটি ডিভাইস একসাথে ডেটা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে পারে?
  1. সিমপ্লেক্স
  2. হাফ-ডুপ্লেক্স
  3. ফুল-ডুপ্লেক্স
  4. সবগুলোই 
ব্যাখ্যা

ডেটা ট্রান্সমিশন মোড: 
- দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা প্রবাহের দিক নির্দেশককে ডেটা ট্রান্সমিশন বা ডেটা কমিউনিকেশন মোড বলে। 
- ডেটা প্রবাহের দিক-এর উপর নির্ভর করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।  
যথা- 
১। সিমপ্লেক্স মোড (Simplex mode): 
- এই পদ্ধতিতে শুধু একদিকে ডেটা পাঠানো সম্ভব হয়, প্রেরক শুধু ডেটা প্রেরণ করে এবং গ্রাহক শুধু ডেটা গ্রহণ করে। 
যেমন- কি বোর্ড, মাউস, জয়স্টিক ইত্যাদি সিমপ্লেক্স মোডের উদাহরণ। 

২। হাফ-ডুপ্লেক্স মোড (Half-duplex mode): 
- এই পদ্ধতিতে দুইদিকেই ডেটা পাঠানো বা গ্রহণ করা সম্ভব, কিন্তু একসাথে নয়, আলাদা আলাদাভাবে। 
- একটি ডিভাইস ডেটা পাঠালে অন্যটিকে অপেক্ষা করতে হয় তার সুযোগ আসার জন্য। 
- এই পদ্ধতিতে ডেটার ভেতর সংঘর্ষ (collision) না হওয়ার জন্য বিশেষ সার্কিটের ব্যবস্থা রাখতে হয়। 
যেমন- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এস.এম.এস ইত্যাদি হাফ-ডুপ্লেক্স মোডে চলে। 

৩। ফুল-ডুপ্লেক্স মোড (Full-duplex mode): 
- ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে। 
যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ফোন কিংবা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কমিউনিকেশন এই পদ্ধতির উদাহরণ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।

৮১২.
ডেটা কমিউনিকেশনে টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবলের সর্বোচ্চ ক্যাবল দৈর্ঘ্য কত?
  1. ১০০০ মিটার
  2. ৫০০ মিটার
  3. ৩০০ মিটার
  4. ১০০ মিটার
ব্যাখ্যা
• টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল:
- দুটি পরিবাহী তামার তারকে পরস্পর সুষমভাবে পেঁচিয়ে টুইস্টেড পেয়ার তৈরি করা হয়।
- পেঁচানো পরিবাহী তার দুটিকে পৃথক রাখার জন্য অপরিবাহী পদার্থ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
- এ ধরনের ক্যাবলে সাধারণত ৪ জোড়া তার ব্যবহৃত হয়।
- প্রতি জোড়া তারের মধ্যে একটি কমন রংয়ের (সাদা) তার থাকে।
- অপর তারগুলো হয় ভিন্ন রংয়ের। তার সমূহ সংযোজনের সময় 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8 নম্বরের ভিত্তিতে সংযোগ দিতে হয়।
- জোড়ার তার দুটির এক একটির পুরুত্ব হয় 0.4 মিঃ মিঃ থেকে 0.9 মিঃ মিঃ।
- টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল দুই প্রকার। যথা:

১। ইউটিপি (UTP-Unshielded Twisted pair):
- ইউটিপি ক্যাবল মূলত একাধিক জোড়া টুইস্টেড পেয়ার সমষ্টি যা প্লাস্টিক আবরনে মোড়ানো থাকে।
- তারের মধ্য দিয়ে যখন সিগন্যাল অতিক্রম করতে থাকে তখন এর শক্তি বা মান ক্রমান্বয়ে লোপ পেতে থাকে।

২। এসটিপি (STP-Shield Twisted pair):
- এসটিপি ক্যাবলের বাইরে জ্যাকেট বা ফেসিং থাকে এবং তারের মধ্যে একটি শিল্ড (Shield) বা শক্ত আবরণ থাকে।

- টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবলের সর্বোচ্চ ক্যাবল দৈর্ঘ্য ১০০ মিটার।
- কো-অ্যাক্সিয়াল ক্যাবলের সর্বোচ্চ ক্যাবল দৈর্ঘ্য ২০০-৫০০ মিটার।
- ফাইবার অপটিক ক্যাবলের সর্বোচ্চ ক্যাবল দৈর্ঘ্য ২-১০০ কিলোমিটার।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৮১৩.
তথ্য আদান-প্রদানের জন্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত নেটওয়ার্ক হলো-
  1. PAN
  2. MAN
  3. WAN
  4. LAN
ব্যাখ্যা
• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (WAN):
- WAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Wide Area Network.
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলো বিশাল জায়গা জুড়ে যেমন-একই দেশের বিভিন্ন শহরের এবং এক দেশ থেকে অন্য দেশ পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কে একাধিক LAN, MAN সংযুক্ত থাকতে পারে।
- WAN কে ইন্টারনেট বলা হয়।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে টেলিফোন, স্যাটেলাইট, মাইক্রোওয়েভ, মডেম, বেতার তরঙ্গ ও আনুসঙ্গিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য আদান- প্রদানের জন্যে এই ধরনের নেটওয়ার্ক বেশি ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮১৪.
What does TACS stand for in the context of mobile communication?
  1. Telecommunications and Cellular Services.
  2. Technical Advancements in Cellular Systems.
  3. Tracking and Communication Services.
  4. Total Access Communication System.
ব্যাখ্যা
TACS (Total Access Communication System):
- TACS হচ্ছে একটি অ্যানালগ সেলুলার ভয়েস যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল।
- এটি ৮০-র দশকে প্রবর্তিত একটি প্রথম প্রজন্মের মোবাইল টেলিফোন ব্যবস্থা ছিল।
- TACS ৮০-র দশকে উন্নত টেলিযোগাযোগ ক্ষমতা প্রদান করার কাজে ব্যবহৃত হত।
- যদিও শেষ পর্যন্ত TACS আরও উন্নত মোবাইল প্রযুক্তির দ্বারা স্থানান্তরিত হয়েছে, তবে, এটি মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থার বিবর্তনের পথ প্রশস্ত করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
- TACS টেলিফোন শিল্পের বিকাশ এবং বৃদ্ধিতে বিশেষ অবদান রেখেছে।

 প্রথম প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য:
- এই প্রজন্মে এনালগ পদ্ধতির রেডিও সিগন্যাল ব্যবহৃত হয়।
- সেল সিগন্যাল এনকোডিং পদ্ধতি হলো FDMA (Frequency Division Multiple Access - FDMA).
- সমসাময়িক কালের সাধারণ টেলিফোনের তুলনায় মোবাইল ফোনসমূহ আকারে ছোট এবং ওজনে হালকা।
- সিগন্যাল ফ্রিকোয়েন্সি তুলনামূলকভাবে কম।
- কথোপকথন চলা অবস্থায় ব্যবহারকারীর অবস্থানের পরিবর্তন হলে ট্রান্সমিশন বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
- এতে মাইক্রোপ্রসেসর এবং সেমি কন্ডাক্টর প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।
- একই এলাকায় অন্য মোবাইল ট্রান্সমিটারের দ্বারা সৃষ্ট রেডিও ইন্টারফারেন্স নেই। উদাহরণ:

- এডভান্সড মোবাইল ফোন সিস্টেম (Advanced Mobile Phone System-AMPS),
- নর্ডিক মোবাইল টেলিফোন (Nordic Mobile Telephone),
- টোটাল অ্যাকসেস কমিউনিকেশন সিস্টেম (Total Access Communication System-TACS) ইত্যাদি।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২) International Journal of Communication Systems.
৮১৫.
বর্তমানে অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবলে ডাটা ট্রান্সমিশন হার কত?
  1. ক) 10 mbps-1 Gega bps
  2. খ) 100 mbps-1 Gega bps
  3. গ) 10 mbps-2 Gega bps
  4. ঘ) 100 mbps-2 Gega bps
ব্যাখ্যা
- ডাটা কমিউনিকেশনে ক্যাবল বা তার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তার মাধ্যমকে গাইডেড মিডিয়াও বলা হয়। ডাটা কমিউনিকেশনে তিন ধরনের ক্যাবল ব্যবহৃত হয়।যথা: 
১। টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল
২। কো-এক্সিয়াল ক্যাবল
৩। অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল।

অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল:
- অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল ফাইবার আলোক পরিবাহী। অপটিক ক্যাবল হচ্ছে ড্রাই-ইলেকট্রিক অন্তরক পদার্থ দিয়ে তৈরি এক ধরনের আঁশ যা আলো নিবন্ধিকরণ ও পরিবহনে সক্ষম। এই ধরনের ক্যাবলের মধ্য দিয়ে ডাটা আদান-প্রদান করা হয় আলোর গতিতে এবং আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে লেজার রশ্মি ব্যবহার করা হয়।

- অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল তিনটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত। যথা: 
কোর (Core): সবচেয়ে ভিতরের অংশ হচ্ছে কোর যা কাঁচ বা প্লাস্টিক দ্বারা তৈরি যা ১০০ মাইক্রোমিটার হয়ে থাকে। আলোক সিগন্যাল সঞ্চালনের প্রধান কাজটি করে কোর।
ক্ল্যাডিং (Cladding): কোরের ঠিক বাইরের অংশটি হচ্ছে ক্ল্যাডিং। ক্ল্যাডিং হচ্ছে কাঁচ বা প্লাস্টিক দ্বারা তৈরি এক বিশেষ ধরনের আবরণ যা কোর থেকে নির্গত আলোক রশ্মি প্রতিফলিত করে তা পুনরায় কোরে ফেরত পাঠায়।
জ্যাকেট (Jacket): ক্ল্যাডিং-এর প্লাস্টিক এবং বিভিন্ন ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি বাইরের অংশটি হচ্ছে জ্যাকেট। জ্যাকেট ফাইবারকে জলীয়বাষ্প, আর্দ্রতা, ঘর্ষণ, মচকানো এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা করে।

- বর্তমানে যে সকল অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল বাজারে পাওয়া যায় তার ডাটা ট্রান্সমিশন হার 100 mbps-2 Gega bps

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮১৬.
লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ককে প্রধানত কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা

লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (ল্যান) হলো একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যা বাড়ি, বিদ্যালয়ে, কম্পিউটার ল্যাবরেটরি বা অফিসের একটি সীমিত এলাকার একাধিক কম্পিউটারের মধ্যে আন্তঃসংযোগস্থাপন করে থাকে।
LAN এর পূর্ণরূপ হল- Local Area Network.
১৯৭১ সালে এর কার্যক্রম শুরু হয়।
LAN কে প্রধানত দুইটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- Client Server Network & Peer to Peer Network.
সুত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবর রহমান

৮১৭.
কোন প্রতিষ্ঠানটি সারা বিশ্বের সকল আইপি অ্যাড্রেস ও ডোমেইন নেইম নিয়ন্ত্রন করছে?
  1. ক) ICBN
  2. খ) Google
  3. গ) LAMBDA
  4. ঘ) ICANN
ব্যাখ্যা
Internet Corporation for Assigned Names and Numbers(ICANN) প্রতিষ্ঠানটি সারা বিশ্বের সকল আইপি অ্যাড্রেস ও ডোমেইন নেইম নিয়ন্ত্রন করছে। ICANN এর একটি অলাভজনক অনুবিভাগ হলো Internet Assigned Numbers Authority (IANA) যা মূলতঃ ডোমেইন নেইম রেজিস্ট্রেশনের অনুমোদন দিয়ে থাকে। সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি- প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৮১৮.
মোবাইল ব্রডব্যান্ড ওয়্যারলেস একসেস (MBWA) এর স্ট্যান্ডার্ড কত?
  1. IEEE 802.11
  2. IEEE 802.15
  3. IEEE 802.16
  4. IEEE 802.20
ব্যাখ্যা
IEEE 802.20 standards, যা মোবাইল ব্রডব্যান্ড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস হিসাবে পরিচিত। Local and metropolitan area networks এর Standards Committee হিসেবে ব্যবহৃত হয় এটি।
সূত্রঃ standards.ieee.org
৮১৯.
দেশে প্রথম ইন্টারনেটের জন্য ভিস্যাট স্থাপন করা হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৯০
  2. খ) ১৯৯১
  3. গ) ১৯৯৫
  4. ঘ) ১৯৯৬
ব্যাখ্যা

 ১৯৯০ সাল থেকেই বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটের ব্যবহার দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও বাংলাদেশ অনেক পরে এ মহাযাত্রায় যোগ দেয়।
- ১৯৯৫ সালে অফলাইন ই-মেইল (offline e-mail)-এর মাধ্যমে প্রথম এদেশে সীমিত আকারে ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৯৬ সালে দেশে প্রথম ইন্টারনেটের জন্য ভিস্যাট (Very Small Aperture Terminal - VSAT) স্থাপন করা হয় এবং
- আই.এস.এন নামক একটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আই.এস.পি (Internet Service Provider - ISP)-এর মাধ্যমে অনলাইন ইন্টারনেট সংযোগের বিস্তৃতি ঘটতে শুরু করে। দেশে বর্তমানে ৫০-এর অধিক আই.এস.পি রয়েছে।

সোর্স: বাংলাপিডিয়া

৮২০.
বাস টপোলজিতে কোন উপাদানটি সাধারণত থাকে না? 
  1. মূল ক্যাবল
  2. টারমিনেটর
  3. কেন্দ্রীয় কম্পিউটার
  4. ব্যাকবোন
ব্যাখ্যা
নেটওয়ার্ক টপোলজি: 
- দুই বা ততোধিক কম্পিউটারকে ক্যাবল, হাব বা সুইচ ইত্যাদি দ্বারা নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত করার জন্য যুক্তি নির্ভর পথের ডিজাইন এবং ব্যবস্থাপনাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলা হয়। 
অর্থাৎ, যে ব্যবস্থায় কম্পিউটারসমূহ বা নোডসমূহ পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে, তাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলে। 
- ব্যবহারের ক্ষেত্র, তথ্য আদান প্রদানের গতি ও নেটওয়ার্ক রক্ষণাবেক্ষণের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলি বিভিন্ন ভাবে সংযুক্ত থাকে। 

 বাস টপোলজি (Bus Topology): 
- যে টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে। 
- একে অনেক সময় লিনিয়ার বাস টপোলজিও বলা হয়। 
- এখানে মূল ক্যাবল বা তারটিকে বলা হয় ব্যাকবোন (Backbone)। 
- মূল ক্যাবলের উভয় প্রান্তে টারমিনেটর ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়। এখানে কোন কেন্দ্রিয় কম্পিউটার থাকে না
- প্রতিটি কম্পিউটার বা ওয়ার্কস্টেশন মূল বাসের সাথে তারের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮২১.
সুপার কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপ করা হয় -
  1. ক) MFLOP
  2. খ) GFLOPS
  3. গ) TFLOPS
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- সাধারণত মাইক্রোকম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপ করা হয় MHz বা GHz এ।
- কিন্তু মিনি ও মেইনফ্রেম কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপ করা হয় MIPS (Millions of Instructions per Second) বা BIPS (Billions of Instructions per Second) এ।
- আবার সুপার কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপ করা হয় MFLOPS (Millions of Floating Point Operations per Second), GFLOPS (Giga of Floating Point Operations per Second), TFLOPS (Tera of Floating Point Operations per Second) ইত্যাদিতে।

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৮২২.
এনালগ পদ্ধতির রেডিও সিগন্যাল ব্যবহৃত হয় কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোনে?
  1. ক) প্রথম প্রজন্ম
  2. খ) দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. গ) তৃতীয় প্রজন্ম
  4. ঘ) চতুর্থ প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
প্রথম প্রজন্ম (১৯৫০-১৯৮৯) :
১। এই প্রজন্মে এনালগ পদ্ধতির রেডিও সিগন্যাল ব্যবহৃত হয়
২। সেল সিগন্যাল এনকোডিং হলো FDMA
৩। কথোপকথন চলা অবস্থায় ব্যবহারকারীর অবস্থানের পরিবর্তন হলে ট্রান্সমিশন বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
৪। আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা চালু ছিলো না ।

উৎস: Live MCQ Lecture.
৮২৩.
অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন সম্পর্কিত যে তথ্যটি সঠিক-
  1. স্টার্ট বিট বা স্টপ বিট এর প্রয়োজন হয় না।
  2. ট্রান্সমিশনের গতি বেশি।
  3. প্রেরক স্টেশনের প্রাইমারি স্টোরেজের প্রয়োজন হয় না। 
  4. ক্যারেক্টারের মাঝে টাইম ইন্টারভেল বা বিরতি সবসময় সমান হয়।
ব্যাখ্যা
• ডাটা ট্রান্সমিশন মেথড:
- প্রেরক কম্পিউটার থেকে গ্রাহক কম্পিউটারে লাইন ইন্টারফেসের উপর ভিত্তি করে সিরিয়াল ও প্যারালাল এই দুই পদ্ধতিতে ডাটা ট্রান্সমিশন হয়ে থাকে।
- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ডাটা ট্রান্সমিশন হওয়ার সময় অবশ্যই দুই কম্পিউটারের মধ্যে এমন একটি সমঝোতা থাকা দরকার যাতে সিগন্যাল বিটের শুরু ও শেষ বুঝতে পারে।
- বিটের শুরু ও শেষ বুঝতে না পারলে গ্রহণকারী কম্পিউটার সেই সিগন্যাল থেকে ডাটা পুনরুদ্ধার করতে পারে না।
- এই সিগন্যাল পাঠানোর সময় বিভিন্ন বিটের মধ্যে সমন্বয়ের জন্য ব্যবহৃত পদ্ধতিকে বলা হয় বিট সিনক্রোনাইজেশন।
- সিনক্রোনাইজেশনের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন- ১। অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Asynchronous Transmission) ও ২। সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Synchronous Transmission)।

• অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন:
- যে ট্রান্সমিশন সিস্টেম ক্যারেক্টার বাই-ক্যারেক্টার-ডাটা ১ ট্রান্সমিট করে তাকে অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন সিস্টেম বলে।
- প্রেরক স্টেশনের প্রাইমারি স্টোরেজের প্রয়োজন হয় না। 
- এখানে ক্যারেক্টারের মাঝে টাইম ইন্টারভেল বা বিরতি সমান হয় না।
- ট্রান্সমিশনের দক্ষতা তুলনামূলক কম। 
- ট্রান্সমিশনের গতি কম। 
- এই ট্রান্সমিশনে স্টার্ট বিট বা স্টপ বিট এর প্রয়োজন হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮২৪.
What is packet switching?
  1. ক) A method of transferring data between two computer systems
  2. খ) Word processing
  3. গ) The process of making the internet publicly accessible
  4. ঘ) The practice of long-distance networking
ব্যাখ্যা
Packet switching is a method of transferring data between two computer systems by separating information into smaller “packets” of data that are then transported across multiple different channels and reassembled at their destination. 
The packet-switching method is still the basis of data transfer today.
 
Source: Britannica
৮২৫.
সিমপ্লেক্স মোডের উদাহরণ হিসেবে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. মোবাইল
  2. ওয়াকি-টকি
  3. রেডিও
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা

• ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex),
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)।

• সিমপ্লেক্স:
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। যেমন - রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

• হাফ-ডুপ্লেক্স:
- হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সংযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে সম্ভব না। যেমন- ওয়াকি-টকি।

• ফুল-ডুপ্লেক্স:
- ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে।
- যেকোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডাটা প্রেরণ করার সময় ডাটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারে। যেমন- টেলিফোন, মোবাইল।

উৎস: একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।

৮২৬.
স্টার টপোলজিতে নেটওয়ার্কের সব ডিভাইস একত্রিত হয় কিসের মাধ্যমে?
  1. রাউটার
  2. হাব
  3. গেটওয়ে
  4. ব্রিজ
ব্যাখ্যা
• স্টার টপোলজি:
- স্টার টপোলজিতে কম্পিউটার বা ইলেকট্রনিক ডিভাইসসমূহ একটি হাব বা সুইচের মাধ্যমে যুক্ত থাকে।
- হাব বা সুইচের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক ডিভাইস সমূহ যোগাযোগ ও ডেটা আদান-প্রদান করে থাকে।
- হাব অচল হয়ে হয়ে গেলে সম্পূর্ন নেটওয়ার্ক অকেজো হয়ে যায়।
- যেকোন মুহূর্তে নতুন কম্পিউটার যুক্ত করা যায়।
- এই সিস্টেমে সমস্যা নির্ণয় করা তুলনামূলক সহজ।
- কোন একটি কম্পিউটার নষ্ট হয়ে গেলে ডেটা ট্রান্সফারে কোন সমস্যা সৃষ্টি হয়না।
- এই নেটওয়ার্ক সিস্টেমে খুব সহজেই সমস্যায় আক্রান্ত কম্পিউটারটিকে সরিয়ে নেওয়া যায়।
- এই সিস্টেমে অনেক বেশি ক্যাবল ব্যবহৃত হয় বলে খরচের পরিমান বেশি।
- কম্পিউটারে সংখ্যা খুব বেশি বৃদ্ধি করলে ডেটা ট্রান্সফার স্পীড কমে যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।
৮২৭.
অপটিক্যাল ফাইবারের আবরণকে কী বলে?
  1. কোর
  2. ক্ল্যাডিং
  3. জ্যাকেট
  4. বাফার
ব্যাখ্যা
• ফাইবার অপটিক ক্যাবল:
-  অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল হলো এক ধরনের আলোক পরিবাহী তার যা এক বা একাধিক অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে তৈরি।
- অপটিক্যাল ফাইবার বিদ্যুৎ অপরিবাহী।
- অপটিক্যাল ফাইবারে ইলেকট্রিক্যাল সিগনালের পরিবর্তে আলোর পালস ব্যবহৃত হয়। 
- ফাইবার তৈরির জন্য বৈদ্যুতিক অন্তরক পদার্থ হিসেবে সিলিকা এবং মাল্টি কমপোনেন্ট কাঁচ ব্যবহৃত হয়।
- অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন পদ্ধতিতে ডেটা উৎস থেকে গন্তব্যে গমন করে।
- ফাইবার অপটিকে তিনটি অংশ থাকে। যথা-

১. কোর
- ভিতরের ডাই-ইলেকট্রিক কোর যার ব্যাস ৮ থেকে ১০০ মাইক্রোন হয়ে থাকে।

২. ক্ল্যাডিং
- কোরকে আবদ্ধ করে থাকা বাইরের ডাই-ইলেকট্রিক আবরণকে ক্ল্যাডিং বলে।

৩. জ্যাকেট
- অপটিক্যাল ফাইবারের আবরণকে জ্যাকেট বলে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৮২৮.
টেলিফোন লাইন কোন ধরনের নেটওয়ার্কের উদাহরণ?
  1. WAN
  2. LAN
  3. PAN
  4. MAN
ব্যাখ্যা
ভৌগোলিক বিস্তৃতির উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে প্রধানত ৪ ভাগে ভাগ করা হয়।
যথাঃ
১. পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN),
২. লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN),
৩. মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (MAN) এবং
৪. ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (WAN)।

- টেলিফোন লাইন, মডেম, ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক ম্যানের (MAN) উদাহরণ।
- ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কের একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ হচ্ছে ইন্টারনেট।
- ল্যাপটপ, পিডিএ, মোবাইল প্যানের (PAN) উদাহরণ।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৮২৯.
খরচের দিক থেকে নিচের কোন ক্যাবলটি সবচেয়ে সস্তা?
  1. টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল
  2. অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল
  3. কোঅ্যাাক্সিয়াল ক্যাবল
  4. এমটি কানেক্টর ক্যাবল
ব্যাখ্যা
- দুই বা ততোধিক ডিভাইসকে নেটওয়ার্কে সংযুক্ত করার জন্য একটি ফিজিক্যাল মাধ্যম প্রয়োজন যা তারযুক্ত এবং তারবিহীন দুই ধরনেরই হতে পারে।
- নেটওয়ার্কে এই ডিভাইসগুলিকে শনাক্ত করার জন্য আমাদের বিভিন্ন প্রকার অ্যাড্রেস যেমন আইপি অ্যাড্রেস, ম্যাক অ্যাড্রেস ইত্যাদি প্রযোজন হয়।
- অপটিক্যাল ফাইবার সবচেয়ে দ্রুতগতিতে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে, কারণ এর মাধ্যমে ডেটা আলোক সিগন্যালে পরিনত হয়ে গন্তব্যে পৌঁছায়।
- অপটিক্যাল ফাইবারের পরই দ্রুত গতিসম্পন্ন ক্যাবল হল কোঅ্যাাক্সিয়াল ক্যাবল।
- টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল সবচেয়ে ধীর গতিসম্পন্ন।
- আবার খরচের দিক থেকে টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল সবচেয়ে সস্তা আর অপটিক্যাল ফাইবার সবচেয়ে ব্যয়বহুল।


উৎস: ডিজিটাল প্রযুক্তি, নবম-শ্রেণি। [২০২৩ সংস্করণ]
৮৩০.
ওয়াই-ফাই কোন ধরনের মাল্টিপ্লেক্সিং ব্যবহার করে?
  1. WDM
  2. OFDM
  3. TDM
  4. TCP
ব্যাখ্যা
- Wi-Fi uses Orthogonal Frequency Domain Multiplexing (OFDM). 

• ওয়াই-ফাই:
- Wi-Fi-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Wireless Fidelity
- Wi-Fi-এর অপর নাম হচ্ছে ওয়‍্যারলেস ইন্টারনেট এক্সেস।
- Wi-Fi হলো তারবিহীন এক ধরনের প্রযুক্তি, যা রেডিও ওয়েব ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে।
- Wi-Fi প্রযুক্তিই বিশ্ব পর্যায়ে মানুষকে জোগাচ্ছে ব্রডব্যান্ড ওয়‍্যারলেস সার্ভিস।
- Wi-Fi-এ ২.৪ গিগাহার্টজ (GHz) ফ্রিকোয়েন্সির রেডিও ওয়েব ব্যবহার করা হয়।
- Wi-Fi-এর স্ট্যান্ডার্ড হচ্ছে IEEE 802.11b (Institute of Electrical and Electronics Engineers)।
- IEEE 802.11 হচ্ছে একটি ওয়‍্যারলেস বা তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড।
- একটি Wi-Fi নেটওয়ার্কে দশটি বা তার অধিক কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিভাইস সংযুক্ত করতে পারে।
- ডাচ কম্পিউটার বিজ্ঞানী ভিক্টর ভিক হেরেসকে Wi-Fi-এর জনক বলা হয়।
- Wi-Fi-এর অন্য স্ট্যান্ডার্ডসমূহ হলো 802.11a, 802.11g, 802.11n ।
- বর্তমানে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে 802.11n স্ট্যান্ডার্ডটি।
- IEEE 802.11a স্ট্যান্ডার্ডটি অধিক ব্যয়বহুল হওয়ায় বর্তমানে এর Public access নেই।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Stanford University.
৮৩১.
নিচের কোনটি Wi-Fi নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি নামে পরিচিত?
  1. IEEE 802.11
  2. IEEE 802.15
  3. IEEE 802.16
  4. IEEE 802.3
ব্যাখ্যা

Wi-Fi:
- Wi-Fi এর পূর্ণরূপ Wireless Fidelity।
- এটি একটি জনপ্রিয় তারবিহীন নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি।
- এর মাধ্যমে ইলেকট্রনিক ডিভাইসসমূহ রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে উচ্চগতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগ কিংবা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদান করে।
- সাধারণত ২.৪ গিগাহার্জ (GHz) অথবা ৫ গিগাহার্জ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহৃত হয়।
- Wi-Fi একটি তারবিহীন নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি যা IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- Wi-Fi মূলত Wireless LAN (WLAN) এর জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তি।
- এর জনক ভিক্টর ভিক হেরেস।
- Wi-Fi এর কভারেজ এরিয়া ৫০ থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।

অন্যদিকে,
- IEEE 802.3 হল ইথারনেট স্ট্যান্ডার্ড।
- IEEE 802.15 হল ব্লুটুথ স্ট্যান্ডার্ড।
- IEEE 802.16 হল WiMAX নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।

৮৩২.
মাউস থেকে প্রসেসর পর্যন্ত ডেটা প্রেরণের জন্য কোন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়?
  1. Multiplex
  2. Half Duplex
  3. Simplex
  4. Full Duplex
ব্যাখ্যা
• মাউস থেকে প্রসেসর পর্যন্ত ডেটা প্রেরণের জন্য Simplex পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। Simplex হলো এমন একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা যেখানে ডেটা কেবল একমুখীভাবে প্রবাহিত হয়। অর্থাৎ, প্রেরক (sender) শুধুমাত্র ডেটা পাঠাতে পারে এবং গ্রাহক (receiver) তা গ্রহণ করে, কিন্তু কোনো প্রতিক্রিয়া বা তথ্য ফেরত পাঠাতে পারে না। মাউস একটি ইনপুট ডিভাইস, যা ব্যবহারকারীর নির্দেশনা প্রসেসরের কাছে পাঠায়। প্রসেসর এই ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াজাত করে। এখানে প্রসেসর মাউসকে কোনো ডেটা পাঠায় না, বরং কেবলমাত্র মাউস থেকে ডেটা গ্রহণ করে। তাই এটি একমুখী ডেটা প্রবাহ, অর্থাৎ Simplex পদ্ধতির উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডাটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডাটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়।
- ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-

১. সিমপ্লেক্স (Simplex):
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। যেমন- রেডিও, টিভি, কীবোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডাটা প্রেরণ ইত্যাদি।

২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex):
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডাটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না।
- নিম্নের চিত্রে হাফ-ডুপ্লেক্স ব্যবস্থায় A যখন ডাটা প্রেরণ করবে B তখন ডাটা গ্রহণ করতে পারবে, প্রেরণ করতে পারবে না। যেমন-ওয়াকিটকি।

৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex):
- ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে।
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডাটা প্রেরণ করার সময় ডাটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে। যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৮৩৩.
LAN কার্ডের অন্য নাম কি?
  1. Internet Card
  2. Net Connector
  3. NCI
  4. NIC
ব্যাখ্যা
• NIC (Network Interface Card):
- কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কভুক্ত করার জন্য যে ইন্টারফেস কার্ড ব্যবহার করা হয় তাকে নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড বলে।
- এ কার্ডকে ল্যান কার্ডও বলা হয়।
- এ কার্ড মাদারবোর্ডের বিভিন্ন আকৃতির স্লটের মধ্যে বসানো থাকে। অধিকাংশ NIC কার্ড কম্পিউটারের সাথে বিল্ট-ইন থাকে।
- নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড পিসি এবং ডেটা কেবলের মধ্যে সিগন্যাল আদান-প্রদানের কাজটি সমন্বয় করে থাকে।
- LAN এর পূর্ণরূপ হলো Local Area Network।
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) কে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়।
- যথা-ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক, পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী।
৮৩৪.
WiMAX এর প্রধান অংশ কয়টি?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
ব্যাখ্যা
• WiMAX এর প্রধান অংশ দুইটি।

• WiMAX:
- WiMAX এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়।
- WiMAX তারবিহীন উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড সেবা প্রদান করে থাকে যার IEEE নাম 802.16
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- WiMAX এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।

•  WiMAX এর প্রধান অংশ ২টি। যথা:
১. বেস স্টেশন:
- ইনডোর ডিভাইস এবং আউটডোর টাওয়ার নিয়ে গঠিত।
- প্রতিটি বেস স্টেশনের কাভারেজ এরিয়া 50 থেকে 80 km পর্যন্ত হয়ে থাকে।

২. অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার:
- এটি কম্পিউটারে সংযুক্ত করা হয় এবং ওয়্যারলেস নির্ভর হওয়ায় পরিবহনযোগ্য।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৮৩৫.
অ্যাক্টিভ হাবের মূল কাজ কোনটি?
  1. কেবল ডিভাইসগুলোকে ফিজিক্যাল সংযোগ দেওয়া
  2. সিগন্যালকে বর্ধিত ও পুনর্গঠন করা
  3. সিগন্যাল বন্ধ করা
  4. ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগে রূপান্তর করা
ব্যাখ্যা

• অ্যাক্টিভ হাবের মূল কাজ হলো সিগন্যালকে বর্ধিত ও পুনর্গঠন করা। এটি একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিভাইসের মধ্যে তথ্যের আদান-প্রদান নিশ্চিত করে। যখন একটি সিগন্যাল হাবে আসে, তখন অ্যাক্টিভ হাব সেই সিগন্যালকে শক্তিশালী করে এবং প্রয়োজনীয় ফরম্যাটে পুনর্গঠন করে, যাতে তা দূরবর্তী ডিভাইসগুলোতে সঠিকভাবে পৌঁছায়। শুধুমাত্র ফিজিক্যাল সংযোগ দেওয়া বা সিগন্যাল বন্ধ করা অ্যাক্টিভ হাবের কাজ নয়। এছাড়াও, এটি ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগে রূপান্তর করতে ব্যবহার হয় না। তাই অ্যাক্টিভ হাব মূলত নেটওয়ার্কের ডেটা ট্রান্সমিশনের মান বজায় রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

উত্তর: খ) সিগন্যালকে বর্ধিত ও পুনর্গঠন করা।

• হাব:
- হাবের মাধ্যমে কম্পিউটারসমূহ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে।
- হাবের ক্ষমতার উপর নির্ভর করে কম্পিউটারের সংযোগের সংখ্যা।
- স্টার টপোলজিতে হাব একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- হাবে মাল্টিপল পোর্ট থাকে।
- যখন একটি প্যাকেট কোন একটি পোর্টে পৌঁছায়, এটি সেই প্যাকেটকে কপি করে হাবের সকল পোর্টে পাঠায়।

• কার্যকারিতার দিক থেকে হাব দুই প্রকার। যথা-
১. সক্রিয় হাব (Active HUB):
- এ ধরণের হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে।
- আবার কোন কোন সক্রিয় হাব সংকেতকে অল্প মাত্রায় প্রসেসও করে থাকে।
- এই সকল হাব মূল সংকেত থেকে অপ্রয়োজনীয় সংকেত বাদ দিয়ে
প্রয়োজনীয় সংকেত প্রেরণ করে ।

২. নিষ্ক্রিয় হাব (Passive HUB):
- এ ধরণের হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে ।
- এ সকল হাব শুধু তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে মাত্র।
- এজন্য এই সকল হাবকে কোন সক্রিয় হাবের সাথে সংযুক্ত করে দেয়া হয়।

এছাড়াও, 
• গেটওয়ে:
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

• ব্রিজ (Bridge):
- এক ধরনের নেটওয়ার্ক ডিভাইস, যা একাধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে থাকে।
- এর সাহায্যে ভিন্ন মাধ্যম অথবা ভিন্ন কাঠামো বিশিষ্ট একাধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করা যায়।
- তবে এর সাহায্যে ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট একাধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করা যায় না।

- ব্রিজকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. লোকাল ব্রিজ (Local Bridge):
- এটি সরাসরি LAN এর সাথে যুক্ত থাকে।

২. রিমোট ব্রিজ (Remote Bridge):
- ভৌগোলিকভাবে বিচ্ছিন্ন দু'টি অবস্থানের দু'টি ল্যান সেগমেন্টকে সংযুক্ত করে।

৩. ওয়‍্যারলেস ব্রিজ (Wireless Bridge):
- একাধিক LAN যুক্ত করা অথবা LAN এর দূরবর্তী স্টেশনকে সংযুক্ত করার জন্য ওয়ারলেস ব্রিজ ব্যবহৃত হতে পারে।

• সুইচ:
- সুইচ একটি ডিভাইস যা নেটওয়ার্কের ডাটাকে বিভক্ত করে নেটওয়ার্কের সকল সিস্টেমে না পাঠিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠিয়ে দেয়।
- হাব এবং সুইচ এর কাজ প্রায় একই। তবে হাব প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর একই সাথে প্রত্যেকটি কম্পিউটারে পাঠায় কিন্তু সুইচ প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর টার্গেট কম্পিউটারে পাঠায়।
- স্টার টপোলজিতে সুইচ একটি কেন্দ্রিয় কানেকটিভ ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

• রাউটার:
- রাউটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- ছোট ছোট নেটওয়ার্ক রাউটারের মাধ্যমে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে একাধিক পথ সৃষ্টি করে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন ইথারনেট, টোকেন, রিং কে সংযুক্ত করতে পারে।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৩৬.
প্রতিটি সাইটের স্বতন্ত্র নামকে কী বলে?
  1. ক) ফটোশপ
  2. খ) ডোমেইন
  3. গ) HTML
  4. ঘ) সাইট ডিজাইন
ব্যাখ্যা
প্রতিটি সাইটের স্বতন্ত্র নামকে domain Name বলে। 

ডোমেইন নেইম হচ্ছে একটি স্বতন্ত্র টেক্সট অ্যাড্রেস যা কোন ওয়েব সার্ভারের আইপি অ্যাড্রেসকে প্রতিনিধিত্ব করে। উদাহরণ স্বরূপ ধরা যাক,  www.facebook.com এর পরিবর্তে 157.240.218.35 এই আইপি অ্যাড্রেস এর মাধ্যমেও Facebook এর ওয়েবসাইট ব্রাউজ করা যায়। অর্থাৎ www.facebook.com ডোমেইন নেইমটি, আইপি অ্যাড্রেস 157.240.218.35 কে প্রতিনিধিত্ব করছে।
৮৩৭.
কোন ধরনের টপোলজিতে কয়েক প্রকার টপোলজির সংমিশ্রণ দেখা যায়?
  1. ক) রিং টপোলজি
  2. খ) বাস টপোলজি
  3. গ) স্টার টপোলজি
  4. ঘ) হাইব্রিড টপোলজি
ব্যাখ্যা
হাইব্রিড টপোলজিতে কয়েক প্রকার টপোলজির সংমিশ্রণ থাকে।
৮৩৮.
LAN কে WAN এর সাথে সংযুক্ত করার জন্য নিম্নোক্ত কোন নেটওয়ার্ক ডিভাইস ব্যবহার করা হয়?
  1. Router
  2. Repeater
  3. Bridge
  4. Switch
ব্যাখ্যা

• Router হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা বিভিন্ন নেটওয়ার্ককে (যেমন LAN ↔ WAN) একে অপরের সাথে সংযুক্ত করে। এটি IP Address ব্যবহার করে ডেটা প্যাকেটকে সঠিক গন্তব্যে পৌঁছে দেয় এবং একাধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা রাউটিং করে।

রাউটার (Router):
- রাউটার হলো একটি বুদ্ধিমান নেটওয়ার্ক ডিভাইস, যা একই প্রটোকল বিশিষ্ট দুই বা ততোধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে।
- রাউটার উৎস কম্পিউটার থেকে গন্তব্য কম্পিউটারে সবচেয়ে কম দূরত্বের পথ ব্যবহার করে ডেটা প্যাকেট (ডেটার সমষ্টি) পৌঁছে দেয় ।
- একই সাথে নেটওয়ার্কে ডেটার আধিক্য এবং ব্যস্ততা দেখতে পেলে রাউটার সেই রুট বা পাথ পরিহার করে অন্য রুট বা পাথ দিয়ে ডেটা পাঠাতে সক্ষম হয়।
- একাধিক LAN সংযুক্ত করতে বা WAN এর সাথে LAN-কে সংযুক্ত করতে রাউটার ব্যবহার করা হয়।
- এটি NAT (Network Address Translator) ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক চিহ্নিত করে থাকে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
- সুইচ (Switch): একই LAN-এর ভেতরে একাধিক ডিভাইসকে সংযুক্ত করে, কিন্তু WAN-এর সাথে সংযুক্ত করতে পারে না।
- রিপিটার (Repeater): সিগন্যাল দুর্বল হলে সেটিকে পুনরায় শক্তিশালী করে, নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করতে ব্যবহৃত হয়।
- ব্রিজ (Bridge): একই প্রোটোকল বিশিষ্ট দুটি আলাদা ল্যান (LAN) কে যুক্ত করে একটি বড় নেটওয়ার্ক তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৮৩৯.
নিচের কোনটি Network Topology নয়?
  1. Bus
  2. Star
  3. P2P
  4. Ring
ব্যাখ্যা
- P2P বলতে বোঝায় Peer-to-peer যা একটি distribution model.
- Bus, Star এবং Ring তিনটিই নেটওয়ার্ক টপোলজির অন্তর্ভুক্ত।

• নেটওয়ার্ক টপোলজি: 
- একটি নেটওয়ার্কের ফিজিক্যাল ডিভাইস (যেমন- ক্যাবল, পিসি, রাউটার ইত্যাদি) যেভাবে নেটওয়ার্কে পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে, তাকে টপোলজি বলা হয়।
- নেটওয়ার্কে সংযুক্ত প্রতিটি যন্ত্রের সংযোগস্থলকে নোড (Node) বলা হয়।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কে মূলত ছয় ধরণের টপোলজি থাকে। যথা:

১) বাস নেটওয়ার্ক টপোলজি (Bus Network Topology),
২) রিং নেটওয়ার্ক টপোলজি (Ring Network Topology),
৩) স্টার নেটওয়ার্ক টপোলজি (Star Network Topology),
৪) ট্রি নেটওয়ার্ক টপোলজি (Tree Network Topology),
৫) মেশ নেটওয়ার্ক টপোলজি (Mesh Network Topology) এবং
৬) হাইব্রিড নেটওয়ার্ক টপোলজি (Hybrid Network Topology)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৮৪০.
ওয়‍্যারলেস কমিউনিকেশন কয় ধরনের?
  1. ২ ধরনের
  2. ৪ ধরনের
  3. ৩ ধরনের
  4. ৫ ধরনের
ব্যাখ্যা

ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনের ধরন: 
- ওয়‍্যারলেস কমিউনিকেশন মূলত ৪ ধরনের। 
যথা- 
১। ওয়‍্যারলেস প্যান (Wireless Personal Area Network-WPAN): 
- অপেক্ষাকৃত কম দূরত্বের মধ্যে অবস্থিত বিভিন্ন আইসিটি ডিভাইসের মধ্যে তারবিহীন যোগাযোগ স্থাপন করা হলে তাকে ওয়‍্যারলেস পার্সোনাল এরিয়া বা WPAN বলে। 
যেমন- মোবাইল ফোন, পিডিএ, ল্যাপটপ, মাউস, প্রজেক্টর ইত্যাদি ডিভাইস নিয়ে গঠিত কমিউনিকেশন ব্যবস্থাই হল ওয়‍্যারলেস প্যান। 

২। ওয়‍্যারলেস ল্যান (Wireless Local Area Network-WLAN): 
- একটি নির্দিষ্ট বিল্ডিং বা স্কুলের মধ্যে অবস্থিত দুই বা ততোধিক ডিভাইসের মধ্যে স্থাপিত নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাকে ওয়‍্যারলেস লোকাল এরিয়া বা WLAN বলে। 
- WLAN সংযোগের জন্য সংযোগকারী ডিভাইসের মধ্যে ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। 

৩। ওয়‍্যারলেস ম্যান (Wireless Metropoliton Area Network-WMAN): 
- সাধারণত একটি শহর এলাকার বিভিন্ন আইসিটি ডিভাইসের মধ্যে তারবিহীন যোগাযোগ স্থাপন করা হলে তাকে ওয়‍্যারলেস মেট্রোপলিটন এরিয়া বা WMAN বলে। 

৪। ওয়‍্যারলেস ওয়ান (Wireless Wide Area Network-WWAN): 
- সাধারণত অনেকগুলো শহর এলাকার বিভিন্ন আইসিটি ডিভাইসের মধ্যে তারবিহীন যোগাযোগ স্থাপন করা হলে তাকে ওয়‍্যারলেস ওয়াইড এরিয়া বা WMAN বলে। 
যেমন- ইন্টারনেটের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থা। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৪১.
রাউটার OSI মডেলের কত তম স্তরে কাজ করে?
  1. প্রথম
  2. চতুর্থ
  3. সপ্তম
  4. তৃতীয়
ব্যাখ্যা
[রাউটার OSI মডেলের তৃতীয় স্তর Network layer এ কাজ করে। রাউটার এমন একটি কানেকটিং ডিভাইস যা একই প্রটোকলভুক্ত দুই বা ততােধিক স্বতন্ত্র নেটওয়ার্কের সংযােগ করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করতে পারে। এর মাধ্যমে একই ধরনের ছােট আকারের ভিন্ন ভিন্ন গঠনের একাধিক LAN সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তােলা যায়।]

• OSI (Open System Interconnection): OSI মডেল মূলত একটি ওপেন স্ট্যান্ডার্ডস যার উপর ভিত্তি করে নেটওয়ার্কিং ডিভাইস সমূহ তৈরি করা হয়।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কে OSI মডেলের স্তর ৭ টি।
- উপরের ৩টি লেয়ারকে Upper Layer এবং নিচের ৪টি লেয়ারকে Lower layer বলে।
- OSI মডেলের স্তর গুলো হল:
• Layer 7- Application Layer.
• Layer 6- Presentation Layer.
• Layer 5- Session Layer.
• Layer 4- Transport Layer.
• Layer 3- Network Layer.
• Layer 2- Data Link Layer.
• Layer 1- Physical Layer.

উৎস: আমাজন ওয়েবসাইট।
৮৪২.
ব্লুটুথ প্রযুক্তির মাধ্যমে যে নেটওয়ার্ক তৈরি হয়, তাকে কী বলা হয়?
  1. WPA2
  2. SSID
  3. Piconet
  4. IMAP
ব্যাখ্যা
• ব্লুটুথ:
- স্বল্প দূরত্বের ভেতর ফিক্সড ও মোবাইল ডিভাইসসমূহ থেকে তথ্য বিনিময়ের জন্য একটি প্রোপ্রায়েটারি ওপেন ওয়্যারলেস প্রযুক্তি স্ট্যান্ডার্ড হলো ব্লুটুথ।
- এর মাধ্যমে একটি পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) সৃষ্টি হয় যেখানে উঁচু মানের নিরাপত্তা বজায় থাকে।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- ব্লুটুথ প্রযুক্তির মাধ্যমে যে নেটওয়ার্ক তৈরি হয়, তাকে পিকোনেট বলে।
- দুটি পাশাপাশি পিকোনেট একটি সাধারণ স্লেভ নোডের মাধ্যমে যুক্ত হলে এ দুটিকে পিকোনেটকে একসাথে স্কারনেট বলে।

• SSID হচ্ছে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক নেইম।
• WPA2 হচ্ছে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি পাসওয়ার্ড নির্দেশ করে।
• IMAP প্রটোকলটি ই-মেইলে ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৮৪৩.
The IEEE standard of WiMAX technology is-
  1. IEEE 802.11
  2. IEEE 802.15
  3. IEEE 802.16
  4. IEEE 802.3
ব্যাখ্যা

• WiMAX প্রযুক্তির IEEE মান হলো IEEE 802.16.

• WiMAX:
- WiMAX (Worldwide Interoperability for Microwave Access) হলো একটি wireless broadband প্রযুক্তি।
- এই প্রযুক্তির মাধ্যমে বৃহৎ ভৌগোলিক এলাকাজুড়ে উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা প্রদান করা যায়।

• WiMAX–এর IEEE Standard:
- WiMAX প্রযুক্তির জন্য নির্ধারিত আন্তর্জাতিক মান হলো IEEE 802.16.
- IEEE (Institute of Electrical and Electronics Engineers) বিভিন্ন নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির জন্য এই ধরনের মান নির্ধারণ করে।
- IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করার ফলে WiMAX ডিভাইসগুলো পরস্পরের সাথে compatibility বজায় রেখে কাজ করতে পারে।

• WiMAX Forum-এর ভূমিকা:
- “WiMAX” নামটি প্রদান করে WiMAX Forum, যা ২০০১ সালের জুন মাসে গঠিত হয়।
- এই ফোরাম WiMAX প্রযুক্তির উন্নয়ন, মান নির্ধারণ ও বিশ্বব্যাপী প্রসারে কাজ করে।

• অন্যান্য অপশন:
- IEEE 802.11 হলো Wi-Fi প্রযুক্তির স্ট্যান্ডার্ড।
- IEEE 802.15 মূলত Bluetooth ও PAN (Personal Area Network)–এর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- IEEE 802.3 হলো Ethernet বা wired LAN–এর স্ট্যান্ডার্ড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৪৪.
কোনটি P2P নেটওয়ার্কের প্রায়শই ব্যবহৃত উদাহরণ?
  1. BitTorrent ফাইল শেয়ারিং
  2. Netflix-এর স্ট্রিমিং
  3. কর্পোরেট সার্ভার
  4. ওয়েব হোস্টিং
ব্যাখ্যা

• উত্তর: ক) BitTorrent ফাইল শেয়ারিং। 

P2P (Peer-to-Peer) নেটওয়ার্ক হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক যেখানে ব্যবহারকারীরা সরাসরি একে অপরের সাথে সংযোগ স্থাপন করে ফাইল বা ডেটা শেয়ার করে। এতে কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভার বাধ্যতামূলক নয়, বরং প্রতিটি ব্যবহারকারী নেটওয়ার্কে সমানভাবে অংশগ্রহণ করে। BitTorrent ফাইল শেয়ারিং হলো এর একটি সুপরিচিত উদাহরণ। এখানে ব্যবহারকারীরা ফাইলের অংশ ভাগ করে নেন এবং একে অপরকে আপলোড ও ডাউনলোডের মাধ্যমে সহায়তা করেন। অন্যদিকে, Netflix-এর স্ট্রিমিং, কর্পোরেট সার্ভার এবং ওয়েব হোস্টিং কেন্দ্রীয় সার্ভার ব্যবহার করে কাজ করে, যা P2P নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্যের সাথে মেলে না। P2P-এ তথ্য বিনিময় দ্রুত, নিরাপদ এবং বিকেন্দ্রীভূতভাবে ঘটে।
 
 • নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network),
২। পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) ও
৩। হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network)।

• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- যে কম্পিউটার রিসোর্স শেয়ার করে সেটিকে সার্ভার বলে আর যেসব কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে তাদেরকে ক্লায়েন্ট বলে।
- নেটওয়ার্কের সমস্ত রিসোর্স সার্ভারে জমা থাকায় রিসোস ম্যানেজম্যান্ট অনেক সহজ হয়।

• পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।
- এরা প্রত্যেকেই রিসোর্স শেয়ারের ক্ষেত্রে সমান ভুমিকা পালন করে।
- ডেডিকেটেড সার্ভার না থাকায় কম্পিউটারগুলোর কোন শ্রেণীবিন্যাস নেই।

• হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে। তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে।

উৎস:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- researchgate [link]

৮৪৫.
রেডিও ও টিভি সম্প্রচারে কোন ডাটা ট্রান্সমিশন মোড ব্যবহৃত হয়?
  1. সিমপ্লেক্স
  2. হাফ-ডুপ্লেক্স
  3. ফুল-ডুপ্লেক্স
  4. মাল্টিপ্লেক্স
ব্যাখ্যা

• রেডিও ও টিভি সম্প্রচারে সিমপ্লেক্স (Simplex) ডাটা ট্রান্সমিশন মোড ব্যবহৃত হয়।

• ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের ধারণা:
- ডাটা প্রবাহের দিক বিবেচনা করে ডাটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়।
- ডাটা ট্রান্সমিশন মোড তিন প্রকার—সিমপ্লেক্স, হাফ-ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স।

• সিমপ্লেক্স (Simplex):
- সিমপ্লেক্স হলো একমুখী ডাটা প্রেরণের মোড।
- এ পদ্ধতিতে ডাটা শুধু প্রেরক থেকে গ্রাহকের দিকে যায়।
- গ্রাহক প্রেরকের দিকে ডাটা পাঠাতে পারে না।
- তাই রেডিও ও টিভি সম্প্রচারে সিমপ্লেক্স মোড ব্যবহৃত হয়।

• হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex):
- উভয় দিকেই ডাটা প্রেরণ সম্ভব।
- তবে একই সময়ে ডাটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায় না।
- উদাহরণ: ওয়াকিটকি।

• ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex):
- একই সময়ে উভয় দিক থেকে ডাটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়।
- উভয় প্রান্ত একসাথে কথা বলতে ও শুনতে পারে।
- উদাহরণ: টেলিফোন, মোবাইল ফোন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৪৬.
Transmission Control Protocol (TCP) OSI রেফারেন্স মডেলের কোন্ লেয়ারের প্রোটোকল?
  1. অ্যাপ্লিকেশন লেয়ার 
  2. নেটওয়ার্ক লেয়ার
  3. ট্রান্সপোর্ট লেয়ার 
  4. ডেটালিঙ্ক লেয়ার
ব্যাখ্যা

• Transmission Control Protocol (TCP) হলো OSI রেফারেন্স মডেলের Transport Layer বা ট্রান্সপোর্ট লেয়ারের প্রোটোকল। এটি ডেটা ট্রান্সফারকে নির্ভরযোগ্য ও সিকোয়েন্স অনুযায়ী সম্পন্ন করতে সাহায্য করে। TCP ডেটা প্যাকেটগুলোকে ছোট ছোট সেগমেন্টে ভাগ করে প্রেরণ করে এবং গন্তব্যে সেগুলি সঠিক ক্রমে পুনরায় একত্রিত করে। এটি সংযোগভিত্তিক (connection-oriented) প্রোটোকল, অর্থাৎ প্রেরক এবং গ্রহণকারী মধ্যে প্রথমে সংযোগ স্থাপন করে তারপর ডেটা আদানপ্রদান শুরু হয়। এছাড়া TCP ডেটা হারের নিয়ন্ত্রণ (flow control) এবং ত্রুটি শনাক্তকরণের (error detection) সুবিধাও প্রদান করে, ফলে ডেটার ক্ষতি বা ভুল স্থানান্তর কমে। সুতরাং TCP সরাসরি ট্রান্সপোর্ট লেয়ারে কাজ করে।

- সঠিক উত্তর: গ) ট্রান্সপোর্ট লেয়ার। 

OSI মডেলের ৭টি লেয়ার:
Physical Layer – ডেটা বাইনারি সিগন্যাল হিসেবে ট্রান্সমিট করে।
Data Link Layer – MAC Address ও Frame Transmission পরিচালনা করে।
Network Layer – IP Addressing এবং প্যাকেট রাউটিং নিয়ন্ত্রণ করে।
Transport Layer – End-to-end Communication নিশ্চিত করে (TCP, UDP)।
Session Layer – সেশন কন্ট্রোল এবং ডাটা এক্সচেঞ্জ ব্যবস্থাপনা করে।
Presentation Layer – ডাটা এনক্রিপশন, ডিক্রিপশন ও কম্প্রেশন পরিচালনা করে।
Application Layer – ব্যবহারকারী ও নেটওয়ার্কের মধ্যে ইন্টারফেস তৈরি করে (HTTP, FTP, SMTP ইত্যাদি)।

Source: AWS. [link]

৮৪৭.
EDGE-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Entry Data rates for Global Evolution
  2. খ) Enhanced Data rates for Global Evolution
  3. গ) Early Data rates for Global Evolution
  4. ঘ) Entire Data rates for Global Evolution
ব্যাখ্যা
• EDGE-এর পূর্ণরূপ- Enhanced Data rates for Global Evolution.

EDGE:
- EDGE হচ্ছে মোবাইল ফোনের তৃতীয় প্রজন্মের ডাটা ট্রান্সফার টেকনোলজি।
- EDGE এর পুরো অর্থ হলো Enhanced Data rates for GSM (Global System for Mobile) Evolution.
- 3G বা Third Generation হচ্ছে এমন একটি মোবাইল প্রযুক্তি যাতে GSM, EDGE, UTMS এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত।

• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো:
১. উচ্চগতি সম্পন্ন ডাটা ট্রান্সফার।
২. GPRS স্ট্যান্ডার্ডের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়।
৩. সর্বাধিক ডাটা ট্রান্সফারের মোবাইল টেকনোলজি EDGE সিস্টেম চালু হয়।
৪. ডাটা ট্রান্সফার রেট সর্বোচ্চ প্রায় 2 Mbps.
৫.প্যাকেট স্যুইচিং এবং সাকিট স্যুইচিং উভয় পদ্ধতি ডাটা ট্রান্সমিশনে ব্যবহার করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৪৮.
কম্পিউটারের ক্ষেত্রে তথ্য পরিবহনের জন্য পরিবাহী পথের প্রশস্ত মাপা হয় কোন এককে?
  1. ক) Bits
  2. খ) Byts
  3. গ) Pixel
  4. ঘ) Dots
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের ক্ষেত্রে তথ্য পরিবহনের জন্য পরিবাহী পথের প্রশস্ত মাপা হয় বিটস(Bits) এককে। ৮ বিটকে এক বাইট বলা হয়।
[সূত্রঃ উইবোপিডিয়া]
৮৪৯.
Bluetooth নেটওয়ার্ককে কি বলা হয়?
  1. Scatternet
  2. Bluenet
  3. Piconet
  4. Cybernet
ব্যাখ্যা
ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয় -এর আওতায় সর্বোচ্চ ৪ (আট) টি যন্ত্রের সাথে সিগন্যাল আদান-প্রদান করতে পারে, এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলাে স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
কতকগুলাে পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
৮৫০.
নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে কী বলা হয়?
  1. ক) ফিশন
  2. খ) ফিউশন
  3. গ) মেসন
  4. ঘ) নিউট্রন
ব্যাখ্যা
• নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে ফিশন বলা হয়।

পরমাণুর নিউক্লিয়াস হতে শক্তি উৎপন্নের প্রক্রিয়া: 
- পরমাণুর নিউক্লিয়াস হতে দুটি প্রক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করা যায়। যথা:
১. নিউক্লিয়ার ফিশন বা নিউক্লীয় বিভাজন।
২. নিউক্লিয়ার ফিউশন বা নিউক্লীয় সংযোজন। 

১. নিউক্লিয়ার ফিশন:
যে প্রক্রিয়ায় ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস শক্তিশালী কণিকার আঘাতের ফলে প্রায় সমান দুটি খন্ডে বিভক্ত হয় এবং বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিশন বলে।

২. নিউক্লিয়ার ফিউশন:
- যে প্রক্রিয়ায় একাধিক হালকা নিউক্লিয়াস যুক্ত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় এবং তাতে প্রচুর শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিউশন বলে। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৫১.
IMEI কত ডিজিটের হয়ে থাকে?
  1. ১৫
  2. ১০
  3. ১৬
  4. ১৮
ব্যাখ্যা
• IMEI (International Mobile Equipment Identity) হলো একটি অনন্য নম্বর যা প্রতিটি মোবাইল ফোনের জন্য আলাদা ভাবে বরাদ্দ করা হয়। এটি সাধারণত ১৫ ডিজিটের একটি নম্বর হয়, যা ফোনের পরিচয় নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়। এই ১৫ ডিজিটের নম্বরের মধ্যে প্রথম অংশ থাকে ট্যাকটাইল টাইপ এবং দেশভিত্তিক কোড, এরপর থাকে ডিভাইসের সিরিয়াল নম্বর এবং শেষের ডিজিটটি হলো চেক ডিজিট যা নম্বরের সঠিকতা যাচাই করে। IMEI নম্বর মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্কে শনাক্তকরণ এবং চুরি হলে ফোন ব্লক করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই, IMEI নম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে। সুতরাং, IMEI নম্বর সাধারণত ১৫ ডিজিটের হয়ে থাকে।
- সঠিক উত্তর: ক) ১৫।

IMEI (International Mobile Equipment Identity):

- একটি ১৫ অঙ্কের অনন্য নম্বর, যা মোবাইল ফোনের জন্য ব্যবহার করা হয় এবং এটি ফোনের পরিচয় নিশ্চিত করতে সাহায্য করে।
- প্রতিটি মোবাইল ফোনের একটি আলাদা IMEI নম্বর থাকে, যা ফোনের হার্ডওয়্যারকে শনাক্ত করে।
- এটি ফোনের সার্বিক নিরাপত্তা এবং ট্র্যাকিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈশিষ্ট্য।
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের 3GPP মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৮৫২.
5G ব্যবহার করলে কোনটি ব্যবসায়িকভাবে সরাসরি লাভজনক?
  1. স্বয়ংক্রিয় গাড়ি
  2. আইওটি ডিভাইসের প্রয়োজন হ্রাস
  3. হাতে পরিচালিত কারখানা
  4. দীর্ঘস্থায়ী স্মার্টফোন ব্যাটারি
ব্যাখ্যা

• সরাসরি ব্যবসায়িক দৃষ্টিকোণ থেকে 5G প্রযুক্তির সবচেয়ে লাভজনক ব্যবহার হলো স্বয়ংক্রিয় গাড়ি (ক)। কারণ 5G-এর উচ্চ গতি, কম লেটেন্সি এবং বড় ডিভাইস কানেকশন ক্ষমতা রিয়েল-টাইম ডেটা ট্রান্সমিশন নিশ্চিত করে, যা স্বয়ংক্রিয় গাড়ির নিরাপদ ও নির্ভুল চলাচলের জন্য অপরিহার্য। এটি যানবাহন উৎপাদন, ফ্লিট ম্যানেজমেন্ট, এবং রাইড-শেয়ারিং সেবায় ব্যবসায়িক সুযোগ তৈরি করে, ফলে সরাসরি আয় বাড়ায়। অন্য বিকল্পগুলো, যেমন আইওটি ডিভাইসের প্রয়োজন হ্রাস বা দীর্ঘস্থায়ী স্মার্টফোন ব্যাটারি, 5G-এর সরাসরি ব্যবসায়িক লাভে তেমন প্রভাব ফেলে না। হাতে পরিচালিত কারখানার ক্ষেত্রে 5G শুধুমাত্র সহায়ক, তবে তা অবিলম্বে লাভজনক নয়।
 
5G প্রযুক্তি:
- ২০১৯ সালে 5G মোবাইল প্রযুক্তি চালু হয়েছিল।
- 5G মোবাইল নেটওয়ার্ককে আরও দ্রুত, উচ্চ ব্যান্ডউইথ ও কম ল্যাটেন্সি প্রদান করে, যা বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের কর্মক্ষমতা উন্নত করে।
- এটি স্মার্টফোনের ডাউনলোড স্পিড দ্বিগুণ করতে পারে এবং IoT ডিভাইসের কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ায়।
- 5G উন্নত ডিজিটাল অপারেশন যেমন মেশিন লার্নিং, AI, VR, AR-এর জন্য ডেটা প্রসেসিং ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উন্নত করে।
- এটি স্বয়ংক্রিয় যানবাহন, ড্রোন এবং অন্যান্য রোবোটিক সিস্টেমকেও সমর্থন করে।
- 5G উন্নত IoT ফাংশনালিটি সমর্থন করে, যেমন উন্নত স্মার্ট হোম প্রযুক্তি, স্মার্ট মেডিকেল ডিভাইস এবং উন্নত রিটেইল অভিজ্ঞতা।
- শহর পরিকল্পনায় ট্রাফিক ম্যানেজমেন্টের জন্য AI ক্যামেরা ব্যবহার করা যায়।
- কৃষকরা দূর থেকে পানি ও মাটি পর্যবেক্ষণ করতে পারে, এবং স্থপতি ও প্রকৌশলী AR ব্যবহার করে নির্মাণ স্থান সম্পর্কে তথ্য সহজে দেখতে এবং অবদান রাখতে পারে।

5G-এর প্রধান তিনটি ধরন:
- Low-band,
- Mid-band,
- High-band।
- টেলিকম কোম্পানি MIMO অ্যান্টেনা ও স্মল সেল ব্যবহার করে সিগন্যাল প্রেরণ করে।
- 5G নেটওয়ার্ক ক্লাউড-ভিত্তিক ডেটা সংরক্ষণে নির্ভরশীল, তাই এটি ডেটা ক্ষতি, সাইবার আক্রমণ ও চুরির ঝুঁকিতে থাকে।

সোর্স:
১। এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা। 
২। International Telecommunication Union (IMT 2020 (5G) in Asia-Pacific – Key Insights).

৮৫৩.
কোন প্রযুক্তি একটি PAN-এ সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. WAN routers 
  2. Fiber optic cable
  3. Satellite 
  4. Bluetooth
ব্যাখ্যা

• PAN বা Personal Area Network হলো স্বল্প দূরত্বে ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপনের নেটওয়ার্ক। সাধারণত মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট, কীবোর্ড, মাউস, হেডফোন ইত্যাদি একে অপরের সাথে যুক্ত হয়। এ ধরনের নেটওয়ার্কে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্রযুক্তি হলো Bluetooth.

Personal Area Network (PAN):
- কোন ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান বলে।
- প্যান এর বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- প্যান USB Bus ও Fireware Bus দ্বারা সংযুক্ত হতে পারে।
- প্যানে ব্যবহৃত ডিভাইসগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ডিভাইস হচ্ছে- ল্যাপটপ, মোবাইল, প্রিন্টার ইত্যাদি।

ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- Bluetooth এ Radio Frequency (RF) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- Bluetooth 2.4GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৫৪.
WiMAX এর ফ্রিকুয়েন্সি-
  1. 1.0 - 100 GHz
  2. 1.0 - 50 GHz
  3. 2.0 - 66 GHz
  4. 2.4 - 5 GHz
ব্যাখ্যা
• WiMax এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.0 - 66 GHz.

• WiMAX:

- WiMax এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়।
- WiMax এর স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.16।
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- WiMax এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- উঁচু-নিচু পাহাড়ি অঞ্চল কিংবা দুর্গম এলাকা যেখানে ক্যাবল স্থাপন করা যায় না সেখানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেবার জন্য ওয়াইম্যাক্স হলো সর্বোৎকৃষ্ট প্রযুক্তি।
- Metropolition Area Network (MAN) টাইপের নেটওয়ার্কে ওয়াইম্যাক্স বেশি ব্যবহৃত হয়।
- ওয়াইম্যাক্স নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়।
- WiMax এর প্রধান অংশ ২টি। যথা- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৮৫৫.
কার্যকারিতার দিক থেকে হাব কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
• হাব:
- হাবের মাধ্যমে কম্পিউটারসমূহ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে।
- হাবের ক্ষমতার উপর নির্ভর করে কম্পিউটারের সংযোগের সংখ্যা।
- স্টার টপোলজিতে হাব একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- হাবে মাল্টিপল পোর্ট থাকে।
- যখন একটি প্যাকেট কোন একটি পোর্টে পৌঁছায়, এটি সেই প্যাকেটকে কপি করে হাবের সকল পোর্টে পাঠায়।

• কার্যকারিতার দিক থেকে হাব দুই প্রকার। যথা-
১. সক্রিয় হাব (Active HUB ):
- এ ধরণের হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে।
- আবার কোন কোন সক্রিয় হাব সংকেতকে অল্প মাত্রায় প্রসেসও করে থাকে।
- এই সকল হাব মূল সংকেত থেকে অপ্রয়োজনীয় সংকেত বাদ দিয়ে
প্রয়োজনীয় সংকেত প্রেরণ করে ।

২. নিষ্ক্রিয় হাব (Passive HUB):
- এ ধরণের হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে ।
- এ সকল হাব শুধু তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে মাত্র।
- এজন্য এই সকল হাবকে কোন সক্রিয় হাবের সাথে সংযুক্ত করে দেয়া হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৫৬.
ওয়াই-ফাই এর ওয়্যারলেস অ্যাকসেস পয়েন্ট কোনটি?
  1. রাউটার
  2. হাব
  3. মডেম
  4. সুইচ
ব্যাখ্যা
• ওয়াই-ফাই এর ওয়্যারলেস অ্যাকসেস পয়েন্ট হলো রাউটার।

• Wi-Fi:
- Wi-Fi শব্দের পূর্ণ অর্থ হলো Wireless Fidelity.
- Wi-Fi শব্দটি Wi-Fi Alliance নামীয় স্বত্বাধিকারী সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক।
- ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গকে ব্যবহার করে থাকে।
- ওয়াই-ফাই একটি ওয়ারল্যাস তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড, যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- ইন্টারনেট অ্যাকসেসের জন্য Wi-Fi নেটওয়ার্কযুক্ত এলাকাকে Hotspot বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর কভারেজ এরিয়া 50 থেকে 200 মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ওয়াই-ফাই এর জনক ভিক্টর ভিক হেইয়েস।
- ওয়াই-ফাই এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.4 GHz - 5 GHz
- ওয়াই-ফাই এর ওয়্যারলেস অ্যকসেস পয়েন্ট হলো রাউটার।

• অন্যান্য অপশনসমূহ সম্পর্কে আলোচনা:
• হাব একধরনের নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা এর আওতাধীন ডিভাইসগুলোকে একত্রে সংযুক্ত করে। 

• মডেম-এর মাধ্যমে টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদান করে।

• সুইচ একটি ডিভাইস যা নেটওয়ার্কের ডাটাকে বিভক্ত করে নেটওয়ার্কের সকল সিস্টেমে না পাঠিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠিয়ে দেয়। হাব এবং সুইচ এর কাজ প্রায় একই।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৮৫৭.
সিকুয়েন্সিয়াল মেমোরির উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) র‍্যাম
  2. খ) ডিস্ক মেমোরি
  3. গ) চৌম্বক টেপ মেমোরি
  4. ঘ) চৌম্বক ড্রাম মেমোরি
ব্যাখ্যা
চৌম্বক টেপ মেমোরি হচ্ছে সিকুয়েন্সিয়াল মেমোরির উদাহরণ। 

সিকোয়েন্সিয়াল মেমোরিতে তথ্য বা উপাত্ত পঠন এবং লিখনের পর সংযোগ সৃষ্টি করতে হয়। 

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
৮৫৮.
সেলুলার নেটওয়ার্ক টপোলজিতে প্রতিটি সেলে কোন ডিভাইসটি মোবাইল ডিভাইসগুলোর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে?
  1. হাব
  2. সুইচ
  3. গেটওয়ে
  4. বেস স্টেশন
ব্যাখ্যা

• সেলুলার নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় একটি বিস্তৃত এলাকাকে ছোট ছোট অনেকগুলো 'সেলে' ভাগ করা হয় এবং প্রতিটি সেলের বেতার তরঙ্গ আদান-প্রদান নিয়ন্ত্রণ করার জন্য একটি নির্দিষ্ট শক্তিশালী এন্টেনা বা বেস স্টেশন (Base Station) স্থাপন করা হয়।

• সেলুলার টপোলজি:
- সেলুলার টপোলজি হলো একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা, যেখানে একটি বৃহৎ ভৌগোলিক এলাকাকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করা হয়, যেগুলোকে "সেল" বা কোষ বলা হয়।
- প্রতিটি সেলে একটি বেস স্টেশন থাকে যা সেই এলাকার মোবাইল ডিভাইসগুলোর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে।
- এই সিস্টেমে, একটি নির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্সি একাধিক সেলে পুনরায় ব্যবহার করা যায়, যা নেটওয়ার্কের ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
- যখন কোনো মোবাইল ডিভাইস একটি সেল থেকে অন্য সেলে যায়, তখন কলটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন সেলের বেস স্টেশনে স্থানান্তরিত হয়; এই প্রক্রিয়াকে হ্যান্ডঅফ বলা হয়।

• সেলুলার সিস্টেমের মূল বৈশিষ্ট্য:
- ভৌগোলিক এলাকাকে ছোট ছোট সেলে ভাগ করা হয়।
- একটি সেলের মধ্যে থাকা মোবাইল বা পোর্টেবল ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করে বেস স্টেশন।
- ফ্রিকোয়েন্সি পুনর্ব্যবহার করার মাধ্যমে স্পেকট্রাল দক্ষতা বৃদ্ধি করা হয়।
- কল চলাকালীন একটি সেল থেকে অন্য সেলে গেলে কল স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন সেলে স্থানান্তরিত হয়; এই প্রক্রিয়াকে হ্যান্ডঅফ বলে।
- চাহিদা বাড়লে সেলগুলোকে ছোট করে বিভক্ত করা হয়।
- এই বৈশিষ্ট্যগুলো সেলুলার সিস্টেমকে অন্যান্য ওয়্যারলেস টেলিফোন সিস্টেম থেকে আলাদা করে এবং এটি বৃহৎ মেট্রোপলিটন এলাকায় অসংখ্য গ্রাহককে পরিষেবা দিতে সক্ষম।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৮৫৯.
'বাস টপোলজি'র বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. সবগুলো কম্পিউটার একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে যুক্ত
  2. সবগুলো কম্পিউটার একটি কমন কেবলের সাথে যুক্ত
  3. সবগুলো কম্পিউটার একটি রিং আকারে যুক্ত
  4. সবগুলো কম্পিউটার একে অপরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত
ব্যাখ্যা

◉ বাস টপোলজি (Bus Topology) হল একটি নেটওয়ার্ক কাঠামো যেখানে একটি একক কেন্দ্রীয় কেবল (Backbone Cable) থাকে। সমস্ত ডিভাইস (কম্পিউটার, প্রিন্টার ইত্যাদি) এই মূল কেবলের সাথে সংযুক্ত থাকে। 

নেটওয়ার্ক টপোলজি:
- দুই বা ততোধিক কম্পিউটারকে ক্যাবল, হাব বা সুইচ ইত্যাদি দ্বারা নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত করার জন্য যুক্তি নির্ভর পথের ডিজাইন এবং ব্যবস্থাপনাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলা হয়।
অর্থাৎ, যে ব্যবস্থায় কম্পিউটারসমূহ বা নোডসমূহ পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে, তাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলে।
- ব্যবহারের ক্ষেত্র, তথ্য আদান প্রদানের গতি ও নেটওয়ার্ক রক্ষণাবেক্ষণের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলি বিভিন্ন ভাবে সংযুক্ত থাকে।

বাস টপোলজি (Bus Topology):
- যে টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে।
- একে অনেক সময় লিনিয়ার বাস টপোলজিও বলা হয়।
- এখানে মূল ক্যাবল বা তারটিকে বলা হয় ব্যাকবোন (Backbone)।
- মূল ক্যাবলের উভয় প্রান্তে টারমিনেটর ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়। এখানে কোন কেন্দ্রিয় কম্পিউটার থাকে না।
- প্রতিটি কম্পিউটার বা ওয়ার্কস্টেশন মূল বাসের সাথে তারের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
স্টার - কেন্দ্রীয় হাব/সুইচের সাথে যুক্ত, 
রিং - ডিভাইসগুলি বৃত্তাকারে সংযুক্ত, 
মেশ - প্রতিটি ডিভাইস একে অপরের সাথে যুক্ত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৬০.
একই ভবনের বিভিন্ন তলায় সাধারণত কোন ধরনের নেটওয়ার্ক ব্যবহৃত হয়?
  1. ল্যান
  2. ম্যান
  3. প্যান
  4. ক্যান
ব্যাখ্যা
• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- LAN এর পূর্ণনাম হচ্ছে Local Area Network।
- সাধারণত একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে ক্যাবল এর মাধ্যমে এক কম্পিউটার এর সাথে অন্যান্য কম্পিউটার এর যে যোগাযোগ তাকে ল্যান বলে।
- একই ভবনের বিভিন্ন তলায়, পাশাপাশি ভবনের বিভিন্ন তলায়, স্কুল কলেজ, অফিস আদালত, ছোট বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটারগুলির সংযোগের ফলে যে নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে তার নামই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- ১ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে।
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় কমিনিউকেশন মিডিয়া হিসাবে সাধারণত ক্যাবল ব্যবহার হয়।
- সাধারণত সীমিত এলাকার মধ্যে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৬১.
কোন নেটওয়ার্ক সিস্টেমের ব্যাপ্তি কয়েক মিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ?
  1. LAN
  2. MAN
  3. CAN
  4. PAN
ব্যাখ্যা
• পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- PAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Personal Area Network.
- সাধারণত ১০ মিটার এর মধ্যে সীমাবদ্ধ কোনো ব্যক্তির বিভিন্ন ডিভাইসের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের উদ্দেশ্যে তৈরি নেটওয়ার্ককে PAN বলা হয়। 
- উদাহরণ: ওয়ারলেস ইউএসবি, ব্লুটুথ, ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, ওয়েব ক্যামেরা ইত্যাদি। 

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- LAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Local Area Network.
- সাধারণত ১ কি.মি. বা তার কম পরিসরের জায়গার মধ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কম্পিউটার বা কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়, তাকে LAN বলা হয়। 

• মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- MAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Metropolitan Area Network.
- একই শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারসমূহ, বিভিন্ন ডিভাইস ও LAN গুলোর সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে MAN  বলা হয়। 
- MAN এর বিস্তৃতি প্রায় ৫০ কি.মি.। 

• ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- CAN এর পূর্ণরূপ হলো (Campus / Corporate Area Network)।
- অনেকগুলো LAN সংযুক্ত করে তৈরি করা হয়।
- CAN এর বিস্তৃতি প্রায় ১ কি.মি.-৫ কি.মি. পর্যন্ত। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৮৬২.
সেলুলার টেলিফোনের মূল অংশ কয়টি?
  1. ক) ২ টি
  2. খ) ৩ টি
  3. গ) ৪ টি
  4. ঘ) ৫ টি
ব্যাখ্যা
সেলুলার টেলিফোনের তিনটি মূল অংশ আছে৷ যথাঃ কন্ট্রোল ইউনিট, ট্রান্সিভার এবং এন্টেনা সিস্টেম৷
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
৮৬৩.
ব্‌লুটুথ নেটওয়ার্কের অন্য নাম কী?
  1. পিক্সনেট
  2. পিকোনেট
  3. এক্সোনেট
  4. ন্যানোনেট
ব্যাখ্যা
• ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্‌লুটুথ Radio technology ব্যবহার করে।
- ১৯৮৯ সালে 'Bluetooth' প্রবর্তন করা হয়।
- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) প্রটোকল যা স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এর দূরত্ব সাধারণত ১০ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে।
- RS-232 ডেটা ক্যাবলের বিকল্প হিসেবে সুইডিশ এর এরিকসন কোম্পানি ১৯৯৪ সালে ব্লুটুথ উদ্ভাবন করে।
- ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নাম অনুসারে ব্লুটুথের নামকরণ করা হয়।
- ব্‌লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয়।
- এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলো স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- কতকগুলো পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে।
- এটি IEEE 802.15 স্ট্যান্ডার্ড। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৮৬৪.
ব্যাংকের একাধিক শাখার মধ্যে তথ্য আদানপ্রদানের জন্য একটি শহরে কোন নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. PAN
  2. WAN
  3. LAN
  4. MAN
ব্যাখ্যা
• ব্যাংকের একাধিক শাখার মধ্যে তথ্য আদানপ্রদানের জন্য একটি শহরের ভিতরে MAN (Metropolitan Area Network) প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। MAN হলো একটি নেটওয়ার্ক যা শহর বা বড় নগর এলাকার মধ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা শাখাকে সংযুক্ত করে। এটি LAN থেকে বড় এবং WAN থেকে ছোট পরিসরে কাজ করে। ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা একে অপরের সঙ্গে ডেটা, ট্রানজেকশন ও তথ্য দ্রুত বিনিময় করতে MAN প্রযুক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে। MAN সাধারণত উচ্চ গতির ফাইবার অপটিক বা অন্যান্য দ্রুতগতির মিডিয়ার মাধ্যমে কাজ করে। তাই শহরের মধ্যে ব্যাংক শাখা সংযোগে এটি কার্যকর।
সঠিক উত্তর: ঘ) MAN.

• মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক(MAN):
- এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Metropolitan Area Network.
- একটি শহরে বিভিন্ন স্থানের কম্পিউটারের মধ্যে যে সংযোগ তাকে MAN বলে।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কের জন্য মিডিয়া হিসাবে টেলিফোন লাইন, মডেম ও আনুসঙ্গিক যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয়।
- ব্যাংক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শাখা অফিসের মধ্যে যোগাযোগ এর জন্য এই ধরনের নেটওয়ার্ক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- ১০ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৬৫.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কোন ধরণের অনুভূতি সৃষ্টি করে?
  1. ক) ত্রিমাত্রিক
  2. খ) দ্বিমাত্রিক
  3. গ) চতুর্থমাত্রিক
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (Virtual Reality) ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা, অর্থগতভাবে শব্দ দুটি যদিও স্ববিরােধী কিন্তু তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে এটি এমন এক ধরনের পরিবেশ তৈরি করে যেটি বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের মতাে চেতনা সৃষ্টি করে এবং মস্তিষ্কে একটি বাস্তব অনুভূতি জাগায়।
আমরা জানি, স্পর্শ, শােনা কিংবা দেখা থেকে মানুষের মস্তিষ্কে একটি অনুভূতির সৃষ্টি হয় যেটাকে আমরা বাস্তবতা বলে থাকি। কতকগুলাে যন্ত্রের সাহায্যে যদি আমরা এই অনুভূতিগুলাে সৃষ্টি করতে পারি তাহলে অবস্থাটি মানুষের কাছে পুরােপুরি বাস্তব মনে হতে পারে। এটি নানাভাবে করা সম্ভব।
অনেক সময় বিশেষ ধরনের চশমা বা হেলমেট পরা হয়, যেখানে দুই চোখে দুটি ভিন্ন দৃশ্য দেখিয়ে ত্রিমাত্রিক অনুভূতি সৃষ্টি করা হয়। অনেক সময় একটি স্ক্রিনে ভিন্ন ভিন্ন প্রজেক্টর দিয়ে ভিন্ন ভিন্ন দৃশ্য দেখিয়ে সেই অনুভূতি সৃষ্টি করা হয়।
এই প্রক্রিয়াগুলাে সম্পাদন করার জন্য মূলত কম্পিউটারের সাহায্য নিয়ে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কোনাে একটি পরিবেশ বা ঘটনার বাস্তবভিত্তিক ত্রি-মাত্রিক চিত্রায়ণ করা হয়। তাই বলা যায় ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলাে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন এক ধরনের কৃত্রিম পরিবেশ যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

৮৬৬.
পাঞ্চ কার্ড কোন ধরনের মেমোরির অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) পরিবর্তনযোগ্য মেমোরি
  2. খ) অপরিবর্তনীয় মেমোরি
  3. গ) উদ্বায়ী মেমোরি
  4. ঘ) অনুদ্বায়ী মেমোরি
ব্যাখ্যা
পাঞ্চ কার্ড হচ্ছে অপরিবর্তনীয় মেমোরির উদাহরণ।

পরিবর্তনযোগ্য মেমোরি: যে ধরণের মেমোরিতে সঞ্চিত তথ্যবলী মুছে নতুন করে লেখা যায়, তাকে পরিবর্তনযোগ্য মেমোরি বলে। যেমন: RAM, Magnetic Disk ইত্যাদি। 

অপরিবর্তনীয় মেমোরি: যে ধরণের মেমোরিতে সঞ্চিত তথ্যবলী মুছে যায় না, তাকে অপরিবর্তনীয় মেমোরি বলে। যেমন: পাঞ্চ কার্ড, ROM ইত্যাদি। 

উদ্বায়ী মেমোরি: বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ হলে যে মেমোরি মেমোরির সঞ্চিত তথ্য মুছে যায়, তাকে উদ্ধায়ী মেমোরি বলে। যেমন: RAM। 

অনুদ্বায়ী মেমোরি: বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ হলে যে মেমোরি মেমোরির সঞ্চিত তথ্য মুছে যায় না, তাকে অনুদ্বায়ী মেমোরি বলে। যেমন: ROM, Disk ইত্যাদি। 

ধ্বংসাত্মক মেমোরি: যে মেমোরি পাঠ করবার পর পরই এতে সঞ্চিত তথ্য মুছে যায়, তাকে ধ্বংসাত্মক মেমোরি বলে। যেমন: চৌম্বক কোর। 

অধ্বংসাত্মক মেমোরি: যে মেমোরি পাঠ করবার পর পরই এতে সঞ্চিত তথ্য মুছে যায় না, তাকে অধ্বংসাত্মক মেমোরি বলে। 
যেমন: চৌম্বক, রম, ডিস্ক ইত্যাদি।
    
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 
৮৬৭.
নিচের কোনটি OSI Model-এর সর্বনিম্ন স্তর?
  1. Physical Layer
  2. Data Link Layer
  3. Network Layer
  4. Transport Layer
ব্যাখ্যা
◉ OSI মডেলটি ISO (International Organization for Standardization) কর্তৃক প্রস্তাবিত একটি নেটওয়ার্ক কমিউনিকেশন মডেল, যা ৭টি স্তর (Layer) নিয়ে গঠিত।
সর্বনিম্ন স্তর - Physical Layer.

OSI মডেলের ৭টি লেয়ার:
Physical Layer – ডেটা বাইনারি সিগন্যাল হিসেবে ট্রান্সমিট করে।
Data Link Layer – MAC Address ও Frame Transmission পরিচালনা করে।
Network Layer – IP Addressing এবং প্যাকেট রাউটিং নিয়ন্ত্রণ করে।
Transport Layer – End-to-end Communication নিশ্চিত করে (TCP, UDP)।
Session Layer – সেশন কন্ট্রোল এবং ডাটা এক্সচেঞ্জ ব্যবস্থাপনা করে।
Presentation Layer – ডাটা এনক্রিপশন, ডিক্রিপশন ও কম্প্রেশন পরিচালনা করে।
Application Layer – ব্যবহারকারী ও নেটওয়ার্কের মধ্যে ইন্টারফেস তৈরি করে (HTTP, FTP, SMTP ইত্যাদি)।

Source: Cisco Learning Network. [Link] 
৮৬৮.
ন্যান্ড গেইট কোন কোন গেইটের সমন্বয়ে গঠিত?
  1. অর গেইট ও নট গেইট
  2. অ্যান্ড গেইট ও নট গেইট
  3. অ্যান্ড গেইট ও অর গেইট
  4. দুটি নট গেইট
ব্যাখ্যা
ন্যান্ড গেইট (NAND Gate)
- ন্যান্ড গেইট হচ্ছে অ্যান্ড গেইট ও নট গেইটের সমন্বিত রূপ।
- অ্যান্ড গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে তখন তাকে বলা হয় ন্যান্ড গেইট।
- অ্যান্ড গেইট যে কাজ করে ন্যান্ড গেইট তার বিপরীত কাজ করে।

নর গেইট
- নর (NOR) গেইট হচ্ছে অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি। 
- অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়। 
- অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে।

এক্স অর গেইট
- Exclusive OR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স অর (XOR) গেইট বলে।
- মৌলিক গেইট দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা হয় বলে একে প্রকৃত অর গেইট বলে। 
- এটি অ্যান্ড, অর, নট, ন্যান্ড, নর ইত্যাদি গেইটের সাহায্যেও তৈরি করা যায়।
- এই গেইটের দুটি ইনপুট সমান না হলে আউটপুট 1 হয়, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৬৯.
ফায়ারওয়াল বলতে কী বোঝায়?
  1. একটি ডাটাবেজ সফটওয়্যার
  2. একটি মেমোরি ডিভাইস
  3. একটি নেটওয়ার্ক সুরক্ষা ব্যবস্থা
  4. একটি অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা

• ফায়ারওয়াল একটি নেটওয়ার্ক সুরক্ষা ব্যবস্থা।

• ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল হলো নেটওয়ার্ক সংযোগ পর্যবেক্ষণকারী একটি নিরাপত্তা সিস্টেম।
- এটি নেটওয়ার্ক সংযোগ অনুমতি দেয় বা ব্লক করে নির্দিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে।
ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- অবাঞ্চিত ব্যবহারকারীর হাত হতে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়।
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না। শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

৮৭০.
কোন ধরনের টপোলজিতে কয়েক প্রকার টপোলজির সংমিশ্রণ দেখা যায়?
  1. ক) রিং টপোলজি
  2. খ) স্টার টপোলজি
  3. গ) বাস টপোলজি
  4. ঘ) হাইব্রিড টপোলজি
ব্যাখ্যা
হাইব্রিড টপোলজি:
- এ ধরনের টপোলজিতে কয়েক প্রকার টপোলজির সংমিশ্রণ দেখা যায় তাই একে হাইব্রিড টপোলজি বলে।
- সব ধরনের সংগঠনে কিছু সুবিধা ও অসুবিধা রয়েছে। এ জন্য হাইব্রিড টপোলজি কয়েক ধরনের টপোলজির সমন্বয়ে তৈরী হয়।



রিং টপোলজি:
- এ ধরনের সংগঠনে কম্পিউটারগুলো পরস্পর বৃত্তাকারে যুক্ত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে।
- প্রতিটি কম্পিউটার দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- কম্পিউটারগুলোকে এমনভাবে সংযোগ দেয়া হয় যেন রিংয়ের সর্বশেষ কম্পিউটারটি প্রথমটির সাথে যুক্ত থাকে। 

স্টার টপোলজি:
- এ ধরনের সংগঠনে একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস এর সাথে অন্যান্য কম্পিউটারগুলো সংযুক্ত থাকে।
- কেন্দ্ৰিয় ডিভাইসটি হতে পারে একটি হাব বা সুইচ।

বাস টপোলজি:
- যে টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে।
- একে অনেক সময় লিনিয়ার বাস টপোলজিও বলা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৭১.
দুইয়ের অধিক পোর্ট যুক্ত রিপিটারকে কি বলে?
  1. ক) রাউটার
  2. খ) নেটওয়ার্ক সুইচ
  3. গ) হাব
  4. ঘ) রিপিটার
ব্যাখ্যা
দুইয়ের অধিক পোর্ট যুক্ত রিপিটারকে হাব (Hub) বলে। 
HUB (হাব): 
- এটির আওতাধীন ডিভাইসগুলোকে একত্রে সংযুক্ত করে। যেমন: কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার ইত্যাদি।
- স্টার টপোলজিতে হাব একটি কেন্দ্রীয় কানেক্টিভ ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- কম্পিউটার সংযোগ সংখ্যার উপর হাবের ক্ষমতা নির্ভর করে।
হাব দুই প্রকার: 
- সক্রিয় হাব
- নিষ্ক্রিয় হাব 

অন্যান্য অপশনগুলো: 
Router (রাউটার): 
- একে পোস্টম্যানের সাথে তুলনা করা হয়।
- রাউটার তৈরিতে Cisco বিশ্বব্যাপী সুনাম অর্জন করেছে। 
- ডেটার সংঘর্ষ বা কলিশন সম্ভাবনা কম। 
Repeater (রিপিটার): 
- সিগন্যালকে শক্তিশালী ও অধিক দুরত্বে রিপিটার ব্যবহৃত হয়।
- বিভিন্ন কমিউনিকেশন মিডিয়ামিকে সংযোগ করে।

 সোর্স: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৮৭২.
কোন ট্রান্সমিশন মোডের অধীনে সিগন্যাল ক্যারিয়ারে উভয় দিকে ডেটা প্রেরণ করা গেলেও গ্রহণ ও প্রেরণ একই সাথে হয় না?
  1. Simplex Mode
  2. Half Simplex Mode
  3. Half-Duplex Mode
  4. Full-Duplex Mode
ব্যাখ্যা
ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex)
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)

হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex): হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডাটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না।
যেমন - ওয়াকিটকি।

উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
৮৭৩.
নেটওয়ার্কে অন্তর্ভুক্ত কম্পিউটারের সিগন্যাল দুর্বল হয়ে পড়লে পুনরায় শক্তিশালী করার জন্য ব্যবহৃত হয়-
  1. ক) গেটওয়ে
  2. খ) ব্রিজ
  3. গ) রিপিটার
  4. ঘ) সুইচ
ব্যাখ্যা
- রিপিটারের সাহায্যে অধিক দূরত্বে সিগন্যাল পাঠানোর সময় পুনরায় সিগন্যাল এনকোড করা হয়।
- তাই নেটওয়ার্কে অন্তর্ভুক্ত কম্পিউটারের সিগন্যাল দুর্বল হয়ে পড়লে পুনরায় শক্তিশালী করার জন্য রিপিটার ব্যবহৃত হয়।
৮৭৪.
কোন ধরনের নেটওয়ার্ক স্যাটেলাইট ব্যবহার করা হয়?
  1. MAN
  2. WAN
  3. PAN
  4. LAN
ব্যাখ্যা
• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- WAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Wide Area Network.
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলো বিশাল জায়গা জুড়ে যেমন-একই দেশের বিভিন্ন শহরের এবং এক দেশ থেকে অন্য দেশ পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কে একাধিক LAN, MAN সংযুক্ত থাকতে পারে।
- WAN কে ইন্টারনেট বলা হয়।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে টেলিফোন, স্যাটেলাইট, মাইক্রোওয়েভ, মডেম, বেতার তরঙ্গ ও আনুসঙ্গিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়।

• মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- MAN এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Metropolitan Area Network.
- একটি শহরে বিভিন্ন স্থানের কম্পিউটারের মধ্যে যে সংযোগ তাকে MAN বলে।
- সাধারণত কোন ব্যাংক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শাখা অফিসের মধ্যে যোগাযোগ এর জন্য এই ধরনের নেটওয়ার্ক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। 

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- LAN এর পূর্ণনাম হচ্ছে Local Area Network.
- সাধারণত একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে ক্যাবল এর মাধ্যমে এক কম্পিউটার এর সাথে অন্যান্য কম্পিউটার এর যে যোগাযোগ তাকে ল্যান বলে।
- একই ভবনের বিভিন্ন তলায়, পাশাপাশি ভবনের বিভিন্ন তলায়, স্কুল কলেজ, অফিস আদালত, ছোট বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটারগুলোর সংযোগের ফলে যে নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে তার নামই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক। 

• পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক: 
- PAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Personal Area Network.
- কোনো ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান বলে।
- প্যানে ব্যবহৃত ডিভাইসগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ডিভাইস হচ্ছে: ল্যাপটপ, পিডিএ, মোবাইল, প্রিন্টার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৭৫.
Zigbee কোন ধরনের ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন সিস্টেম ব্যবহার করে?
  1. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড
  2. সিমপ্লেক্স মোড
  3. ফুল-ডুপ্লেক্স মোড
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

• Zigbee হলো একটি কম পাওয়ার, কম ব্যান্ডউইথের ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন প্রযুক্তি যা মূলত সংক্ষিপ্ত দূরত্বে ডিভাইসগুলোর মধ্যে তথ্য আদানপ্রদান করতে ব্যবহৃত হয়। এটি IEEE 802.15.4 স্ট্যান্ডার্ডের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এবং স্মার্ট হোম, সেন্সর নেটওয়ার্ক, ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল অটোমেশনসহ বিভিন্ন IoT ডিভাইসে ব্যবহৃত হয়। Zigbee সাধারণত হাফ-ডুপ্লেক্স মোডে কাজ করে, অর্থাৎ একই সময়ে শুধু একটি ডিভাইস তথ্য পাঠাতে বা গ্রহণ করতে পারে। এটি কম শক্তি ব্যবহার এবং নেটওয়ার্কে একাধিক ডিভাইস সংযোগের সুবিধা প্রদান করে, কিন্তু ফুল-ডুপ্লেক্স বা সিমপ্লেক্স মোডের মতো একই সময়ে দুই দিকের যোগাযোগ সমর্থন করে না।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: ক) হাফ-ডুপ্লেক্স মোড।

 
• ডেটা ট্রান্সমিশন মোড: 
- দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা প্রবাহের দিক নির্দেশককে ডেটা ট্রান্সমিশন বা ডেটা কমিউনিকেশন মোড বলে। 
- ডেটা প্রবাহের দিক-এর উপর নির্ভর করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।  
যথা- 

১। সিমপ্লেক্স মোড (Simplex mode): 
- এই পদ্ধতিতে শুধু একদিকে ডেটা পাঠানো সম্ভব হয়, প্রেরক শুধু ডেটা প্রেরণ করে এবং গ্রাহক শুধু ডেটা গ্রহণ করে। 
যেমন- কি বোর্ড, মাউস, জয়স্টিক ইত্যাদি সিমপ্লেক্স মোডের উদাহরণ। 

২। হাফ-ডুপ্লেক্স মোড (Half-duplex mode): 
- এই পদ্ধতিতে দুইদিকেই ডেটা পাঠানো বা গ্রহণ করা সম্ভব, কিন্তু একসাথে নয়, আলাদা আলাদাভাবে। 
- একটি ডিভাইস ডেটা পাঠালে অন্যটিকে অপেক্ষা করতে হয় তার সুযোগ আসার জন্য। 
- এই পদ্ধতিতে ডেটার ভেতর সংঘর্ষ (collision) না হওয়ার জন্য বিশেষ সার্কিটের ব্যবস্থা রাখতে হয়। 
যেমন- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এস.এম.এস ইত্যাদি হাফ-ডুপ্লেক্স মোডে চলে। 

৩। ফুল-ডুপ্লেক্স মোড (Full-duplex mode): 
- ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে। 
যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ফোন কিংবা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কমিউনিকেশন এই পদ্ধতির উদাহরণ। 

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
- sciencedirect. [link]

৮৭৬.
 তৃতীয় প্রজন্মের (3G) মোবাইল নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত প্রধান রেডিও প্রযুক্তি কোনটি?
  1. GSM
  2. LTE
  3. WCDMA
  4. Wi-Max
ব্যাখ্যা

WCDMA (Wideband Code Division Multiple Access) হলো তৃতীয় প্রজন্মের (3G) মোবাইল ফোন নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত প্রধান রেডিও প্রযুক্তি।

তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম:
- মূলত ডেটা সার্ভিসের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলস্বরূপ সূচনা ঘটে মোবাইলের তৃতীয় প্রজন্ম বা 3G এর।
- ২০০১ সালে জাপানের এনটিটি ডোকোমো (NTT DoCoMo), WCDMA প্রযুক্তি ব্যবহার করে 3G নেটওয়ার্ক চালু করে।
- এ দশকে থ্রিজি প্রযুক্তির মোবাইল টেলিফোনি কমিউনিকেশন প্রটোকল High-Speed Downlink Packet Access (HSDPA) চালু হয়।
- WCDMA পদ্ধতি পরবর্তীতে UMTS (Universal Mobile Telecommunication System) নামে পরিচিত।
- WCDMA প্রযুক্তিতে CDMA-এর একটি উন্নত সংস্করণ ব্যবহৃত হয়, যা আরও বিস্তৃত ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহার করার মাধ্যমে ডেটা ট্রান্সফারের গতি এবং নেটওয়ার্কের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৮৭৭.
কম্পিউটার নেটওয়ার্কে OSI মডেল কয়টি স্তর নিয়ে গঠিত?
  1. ১০
  2. ১২
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার নেটওয়ার্কে OSI (Open Systems Interconnection) মডেল মূলত যোগাযোগ প্রক্রিয়াকে স্তরভিত্তিকভাবে সহজ করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এটি ৭টি স্তর নিয়ে গঠিত, যা একে অপরের উপর নির্ভরশীলভাবে কাজ করে। এই সাতটি স্তর হলো: ফিজিক্যাল, ডাটা লিঙ্ক, নেটওয়ার্ক, ট্রান্সপোর্ট, সেশন, প্রেজেন্টেশন এবং অ্যাপ্লিকেশন স্তর। ফিজিক্যাল স্তর মূলত ডিভাইসের হার্ডওয়্যার সংযোগ নিয়ন্ত্রণ করে, ডাটা লিঙ্ক স্তর ত্রুটি শনাক্তকরণ ও ফ্রেমিং দেখাশোনা করে, নেটওয়ার্ক স্তর ডেটা রাউটিং নিশ্চিত করে, আর ট্রান্সপোর্ট স্তর ডেটা ট্রান্সফারের নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করে। সেশন, প্রেজেন্টেশন ও অ্যাপ্লিকেশন স্তর ব্যবহারকারীর সরাসরি যোগাযোগ ও ডেটা উপস্থাপনা সহজ করে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো খ) ৭।

OSI মডেল:
- OSI (Open System Interconnection): OSI মডেল মূলত একটি ওপেন স্ট্যান্ডার্ডস যার উপর ভিত্তি করে নেটওয়ার্কিং ডিভাইস সমূহ তৈরি করা হয়।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কে OSI মডেলের স্তর ৭ টি।
- উপরের ৩টি লেয়ারকে Upper Layer এবং নিচের ৪টি লেয়ারকে Lower layer বলে।

- OSI মডেলের স্তর গুলো হল:
Layer 7- Application Layer,
Layer 6- Presentation Layer,
Layer 5- Session Layer,
Layer 4- Transport Layer,
Layer 3- Network Layer,
Layer 2- Data Link Layer,
Layer 1- Physical Layer.

উৎস: IBM. [link]

৮৭৮.
MAC Address কী?
  1. ৪৮ বিটের একটি অদ্বিতীয় কোড বা ক্রমিক নম্বর।
  2. দুইটি ডিভাইসের মধ্যে তথ্য বিনিময়ের ঠিকানা।
  3. একটি ৩২ বিটের IP ক্রমিক নম্বর।
  4. নেটওয়ার্কে যুক্ত কম্পিউটারের লজিক্যাল অ্যাড্রেস।
ব্যাখ্যা
• MAC address: 
- কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কভুক্ত করার জন্য নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড MAC address প্রদান করে।
- এটি একটি Physical address এবং Hardware address হিসাবে পরিচিত যার নম্বরটি হেক্সাডেসিমেল ফর্ম্যাটে করা হয়। 
- এই কার্ডের বৈশিষ্ট্য হলো এতে ৪৮ বিটের বা ৬৪ বিটের একটি অদ্বিতীয় কোড বা ক্রমিক নম্বর থাকে যা দুটি ভাগে বিভক্ত থাকে। 
- MAC address অবশ্যই ১২ ডিজিটের হবে।
- ম্যাক অ্যাড্রেসের প্রথম অর্ধেক বোঝায় ডিভাইসটি কোন মডেল বা ব্র্যান্ডের আর বাকী অর্ধেকটি হচ্ছে ঐ ডিভাইসটি অনন্য বা unique নাম্বার।
- এই কার্ডে প্রদত্ত MAC address এর একটির সাথে অপরটির কোনো মিল থাকে না। 

উৎস: Computerhope website.
৮৭৯.
IP-V6 এড্রেস কত বিটের?
  1. 4
  2. 32
  3. 64
  4. 128
ব্যাখ্যা
-  আইপি হলো প্রতিটি কম্পিউটারের জন্যে ব্যবহৃত স্বতন্ত্র আইডেন্টিটি।
- ‘IP’ এর পূর্ণরূপ হলো ‘Internet Protocol’.
- (1st Octet) (2nd Octet) (3rd Octet) (4th Octet) চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত হয়আইপি অ্যাড্রেস I
- IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলাে 4 × ৪ বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
 
অপরদিকে,
- IPv6 হলো ইন্টারনেট প্রটোকলের ৬ষ্ঠ ভার্সন। 
- IPv4 এর সংখ্যা অপ্রতুল হয়ে যায় তা সমাধানের জন্যে IPv6 ভার্সন চালু করা হয়। 
- IPv6 অ্যান্ড্রেস ১২৮ বিটে হয়। অর্থাৎ আইপি অ্যাড্রেসের এই ভার্সনে ৮টি ভাগ থাকে এবং প্রতিভাগ 16 bit এর হয়ে থাকে।
- এক্ষেত্রে ১২৮ বিটের সাহায্যে ২১২৮ সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- IPV6 এর অ্যাড্রেস সাধারণত Hexadecimal ফরম্যাট এ লিখা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৮৮০.
ব্লুটুথ কোন ধরনের নেটওয়ার্ক প্রোটোকল?
  1. তারযুক্ত লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক
  2. তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক
  3. তারযুক্ত ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক
  4. তারবিহীন মেট্রোপলিটন নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা

• ব্লুটুথ হলো একটি Wireless Personal Area Network (PAN) প্রোটোকল, যা স্বল্প দূরত্বে ডাটা আদান–প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো একটি তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wireless PAN) প্রোটোকল, যা স্বল্প দূরত্বে ডাটা আদান–প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
 
• কার্যকর দূরত্ব:
- ব্লুটুথের কার্যকর দূরত্ব সাধারণত ১০ মিটার থেকে ১০০ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
 
• ব্যবহার ও প্রাপ্যতা:
- বর্তমানে ল্যাপটপ, ট্যাব, পিডিএ (PDA), স্মার্টফোন ইত্যাদি ডিভাইসে ব্লুটুথ বিল্ট-ইন অবস্থায় থাকে।
- এছাড়াও USB ব্লুটুথ অ্যাডাপ্টার ব্যবহার করে যেকোনো কম্পিউটারে ব্লুটুথ সক্রিয় করা যায়।
 
• গুরুত্ব ও বৈশিষ্ট্য:
- ব্লুটুথ বর্তমানে একটি বহুল প্রচলিত ও জনপ্রিয় ডাটা কমিউনিকেশন প্রোটোকল।
- এর ডাটা ট্রান্সফার রেট প্রায় ১ মেগাবিট প্রতি সেকেন্ড (Mbps) বা তার চেয়ে বেশি।
 
• উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ–দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮৮১.
ইন্টারনেট ব্যবহার করে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে ফাইল ট্রান্সফার প্রক্রিয়াকে বলে -
  1. ক) Email
  2. খ) FTP
  3. গ) TCP
  4. ঘ) ISP
ব্যাখ্যা
FTP, in full file transfer protocol, computer application used to transfer files from one computer to another over a local area network (LAN) or a wide area network (WAN) such as the Internet. [source: britannica]
৮৮২.
'সিমপ্লেক্স মোড'-এর উদাহরণ কোনটি?
  1. টেলিফোন
  2. রেডিও
  3. ওয়াকিটকি
  4. ফ্যাক্স
ব্যাখ্যা

• ডেটা ট্রান্সমিশন মোড বলতে ডেটা প্রবাহের দিককে বোঝায়। সিমপ্লেক্স (Simplex) মোডে ডেটা শুধুমাত্র একদিকে প্রেরক থেকে প্রাপকের কাছে প্রেরিত হয়; প্রাপক কখনো প্রেরককে কোনো ডেটা পাঠাতে পারে না। রেডিও বা টেলিভিশন সম্প্রচারের ক্ষেত্রে কেন্দ্র থেকে সিগন্যাল পাঠানো হয় এবং আমরা তা কেবল গ্রহণ করি, বিনিময়ে কিছু পাঠাতে পারি না। তাই রেডিও একটি সিমপ্লেক্স মোড ডিভাইস।

• ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex),
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)।

১. সিমপ্লেক্স মোড:
- ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ডাটার একদিকে প্রবাহকে সিমপ্লেক্স মোড বলে।
- সিমপ্লেক্সের উদাহরণ- রেডিও-টিভি, PABX, কীবোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

২. ফুল-ডুপ্লেক্স মােড:
- ফুল-ডুপ্লেক্স মােডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে।
- ফুল-ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- মোবাইল ফোন, টেলিফোন, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ইত্যাদি।

৩. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড:
- যখন এক প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় , আবার যখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন প্রথম প্রান্ত থেকে ডেটা - শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় তাকে হাফ ডুপ্লেক্স মোড বলে।
- হাফ ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) ব্রিটানিকা।

৮৮৩.
What is the main purpose of DNS?
  1. ক) To store websites on the internet
  2. খ) To send emails between servers
  3. গ) To translate domain names into IP addresses
  4. ঘ) To provide security for websites
ব্যাখ্যা
DNS এর পূর্ণরূপ Domain Name System। 
ডোমেন নেইম হচ্ছে ইন্টারনেটে এক বা একাধিক আইপি অ্যাড্রেসকে সনাক্তকরণের জন্য একটি অদ্বিতীয়/ইউনিক আলফানিউমেরিক (ক্যারাক্টর বা নাম্বার সম্বলিত) ঠিকানা। 

Hostname হল একটি Host কম্পিউটারের জন্য বরাদ্দকৃত ডোমেন নেম। এর দ্বারা একটি কম্পিউটারকে অদ্বিতীয়ভাবে সনাক্ত করা যায়। 
DNS Server মূলত Hostname-কে IP Address-এ অনুবাদ করে দেয়। 
একজন ব্যবহারকারী যখন একটি ওয়েবসাইটে ক্লিক করে, তখন এই নির্দেশ DNS Server এ গিয়ে পৌঁছায়। 
ইহা Hostname এর পরিবর্তে IP Address-এ রূপান্তর করে দেয়। 
তখনই কেবল ব্যবহারকারী ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারে। 

ডিএনএস-এর মূল উদ্দেশ্য হ'ল মানব-পাঠযোগ্য ডোমেন নামগুলিকে কম্পিউটার-পঠনযোগ্য আইপি ঠিকানাগুলিতে অনুবাদ করা। 
৮৮৪.
ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. সুইচ
  2. গেটওয়ে
  3. প্রিন্টার
  4. NIC
ব্যাখ্যা
ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে গেটওয়ে ব্যবহৃত হয়।
ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক এর ক্ষেত্রে গেটওয়ে ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা হয়।

গেটওয়ে (Gateway)
- গেটওয়ে একটি নেটওয়ার্ককে আরেকটি নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে।
- ইহা বিভিন্ন প্রোটোকলগুলোকে জড়ো করে বিভিন্ন এপ্লিকেশনের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- একটি প্রোটোকল এর সাথে অন্য একটি প্রোটোকল যুক্ত করতে হলে গেটওয়ে ব্যবহার করতে হয়।

• গেটওয়ের সুবিধাসমূহ-
১. গেটওয়ে ডেটার সংঘর্ষ বা কলিশন সম্ভাবনা কমায়।
২. গেটওয়ের মাধ্যমে নানারকম নেটওয়ার্ক বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত হতে পারে।

• গেটওয়ের অসুবিধাসমূহ-
১. এটি ধীরগতি সম্পন্ন।
২. এর কনফিগারেশন তুলনামূলক জটিল।

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৮৮৫.
বিনা তারে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বার্তা প্রেরণে প্রথম সফল হন কে?
  1. ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল
  2. ম্যাক্স প্লাঙ্ক
  3. জগদীশ চন্দ্র বসু
  4. সত্যেন্দ্রনাথ বসু
ব্যাখ্যা
জগদীশ চন্দ্র বসু (১৮৫৮-১৯৩৭) ছিলেন একজন বাঙালি পদার্থবিদ, উদ্ভিদবিদ ও জীববিজ্ঞানী।
তাঁর গবেষণা উদ্ভিদবিজ্ঞানকে সমৃদ্ধ করে তােলে এবং ভারতীয় উপমহাদেশে ব্যবহারিক ও গবেষণাধর্মী বিজ্ঞানের সূচনা করে।
বিনা তারে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বার্তা প্রেরণে প্রথম সফল হন তিনি।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৮৮৬.
Bluetooth এ কোন রেডিও তরঙ্গ ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Ultra-high frequency (UHF)
  2. খ) Very High Frequency (VHF)
  3. গ) Super High Frequency (SHF)
  4. ঘ) Extremely High Frequency (EHF)
ব্যাখ্যা
Devices connected in a Bluetooth network communicate with each other using ultra-high frequency (UHF) radio waves. These are electromagnetic waves with frequencies around 2.4 gigahertz (2.4 billion waves per second).
Source: https://www.iop.org/
৮৮৭.
প্যান নিচের কোনটি দ্বারা সংযুক্ত হতে পারে?
  1. USB Bus
  2. Fireware Bus
  3. ক ও খ উভয়ই
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• প্যান USB Bus এবং Fireware Bus দ্বারা সংযুক্ত হতে পারে।

• PAN:
- PAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Personal Area Network (পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক)।
- কোন ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান বলে।
- তবে নেটওয়ার্কে সংযুক্ত ডিভাইসগুলো ব্যক্তিগত নাও হতে পারে।
- প্যান এর বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
- প্যানে ব্যবহৃত ডিভাইসগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ডিভাইস হচ্ছে- ল্যাপটপ, পিডিএ, মোবাইল, প্রিন্টার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৮৮.
POP3 ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. ক) এক ধরণের ইন্টারনেট স্ট্যান্ডার্ড প্রোটোকল
  2. খ) এক ধরণের কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং প্রোটোকল
  3. গ) ই-মেইল ডাউনলোড করা যায়
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
পোস্ট অফিস প্রোটোকল ৩ (POP3) এক ধরণের কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং এবং ইন্টারনেট স্ট্যান্ডার্ড প্রোটোকল যা হোস্ট মেশিনের অ্যাক্সেসের মাধ্যমে একটি রিমোট মেল সার্ভার থেকে ইমেল উত্তোলন ও পুনরুদ্ধার করে।
৮৮৯.
অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবলে আলোক সিগন্যাল সঞ্চালনের প্রধান কাজটি করে কোনটি?
  1. ক) ক্ল্যাডিং (Cladding)
  2. খ) জ্যাকেট (Cladding)
  3. গ) কোর (Core)
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবলের গঠন:
অপটিক্যাল ফাইবার তিনটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত । যথা-
১। কোর (Core) : সবচেয়ে ভিতরের অংশ হচ্ছে কোর যা কাঁচ বা প্লাস্টিক দ্বারা তৈরি যা ১০০ মাইক্রোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। আলোক সিগন্যাল সঞ্চালনের প্রধান কাজটি করে কোর।
২। ক্ল্যাডিং (Cladding) : কোরের ঠিক বাইরের অংশটি হচ্ছে ক্ল্যাডিং। ক্ল্যাডিং হচ্ছে কাঁচ বা প্লাস্টিক দ্বারা তৈরি এক বিশেষ ধরণের আবরণ যা কোর থেকে নির্গত আলোক রশ্মি প্রতিফলিত করে তা পুনরায় কোরে ফেরত পাঠায়।
৩। জ্যাকেট (Cladding) : ক্ল্যাডিং-এর প্লাস্টিক এবং বিভিন্ন ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি বাইরের অংশটি হচ্ছে জ্যাকেট। জ্যাকেট ফাইবারকে জলীয়বাষ্প, আর্দ্রতা, ঘর্ষণ, মচকানো এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা করে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

৮৯০.
IPv6 এর কয় বিটের অ্যাড্রেস থাকে?
  1. 32 বিট
  2. 128 বিট
  3. 256 বিট
  4. 1024 বিট
ব্যাখ্যা

• ইন্টারনেট প্রোটোকল ভার্সন 6 (IPv6) হলো ইন্টারনেটে যুক্ত ডিভাইসের জন্য ব্যবহৃত ঠিকানার একটি আধুনিক সংস্করণ। এটি 128 বিট দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট একটি অ্যাড্রেস পদ্ধতি। এটি মূলত IPv4 (32 বিট) এর তুলনায় অনেক বেশি আইপি অ্যাড্রেস প্রদান করতে সক্ষম।

• IP Address: 
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রতিটি ডিভাইসের জন্য একটি পরিচিতি বা আইডেন্টিটি থাকে যাকে IP (Internet Protocol) Address বলে।

প্রতিটি IP Address এর দু'টি অংশ থাকে :
i) NetID (Network ID),
ii) HostID (Host ID).

IP Address এর দুটি ভার্সন আছে :

1) IPv4: 
- এই ভার্সনে অ্যাড্রেস প্রকাশ করার জন্য মোট 4 টি অকটেট থাকে।
- প্রতিটি অকটেট 8 বিটের বাইনারি সংখ্যা।
- প্রতিটি অকটেট ডট (.) দ্বারা আলাদা করা থাকে। যেমন: 11110000.01010110.11100010.01011100
- মোট 32 বিটের বাইনারির অ্যাড্রেস থাকে।
- এই ভার্সনের সাহায্যে 232 টি ডিভাইসকে অদ্বিতীয় পরচিতি দেয়া যায় ৷

2) IPV6:
- এই ভার্সনে অ্যাড্রেস প্রকাশ করার জন্য মোট 8 টি ভাগ থাকে।
- প্রতিটি ভাগে 16 বিটের বাইনারি সংখ্যা।
- প্রতিটি ভাগ ডট (.) দ্বারা আলাদা করা থাকে।
- মোট 128 বিটের বাইনারির অ্যাড্রেস থাকে।
 - এই ভার্সনের সাহায্যে 2128 টি ডিভাইসকে অদ্বিতীয় পরচিতি দেয়া যায়।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের ICT বই, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮৯১.
নিচের কোনটি রিং টপোলজির সুবিধা নয়?
  1. কেন্দ্রীয় কম্পিউটার বা সার্ভারের প্রয়োজন হয় না।
  2. নেটওয়ার্কের প্রতিটি কম্পিউটারের গুরুত্ব সমান।
  3. কম্পিউটার সংখ্যা বাড়লেও এর দক্ষতা খুব বেশি প্রভাবিত হয় না।
  4. কোন কম্পিউটার নষ্ট হলেও সিস্টেম সচল থাকে।
ব্যাখ্যা
যে টপোলজিতে প্রতিটি কম্পিউটার তার পার্শ্ববর্তী কম্পিউটারের সাথে ক্যাবল দ্বারা রিং এর মতো করে সংযুক্ত করা হয় তাকে রিং টপোলজি বলে। কম্পিউটারগুলো এমনভাবে সংযুক্ত করা হয় যাতে সর্বশেষ কম্পিউটারটি প্রথম কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে। 

রিং টপোলজির সুবিধা- 
১.কেন্দ্রীয় কম্পিউটার বা সার্ভারের প্রয়োজন হয় না।
২.প্রতিটি কম্পিউটারের গুরুত্ব সমান।
৩.কম্পিউটার সংখ্যা বাড়লেও এর দক্ষতা খুব বেশি প্রভাবিত হয় না।

রিং টপোলজির অসুবিধা- 
১.কোন কম্পিউটার নষ্ট হলে পুরা সিস্টেম অচল হয়ে যায়।
২.কোন সমস্যা নির্নয় করা বেশ জটিল।
৩.নেটওয়ার্কে কোন কম্পিউটার যুক্ত করলে বা সরিয়ে নিলে পুরা কার্যক্রম ব্যাহত করে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৮৯২.
বর্তমানে জনপ্রিয় হটস্পট প্রযুক্তি-
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
ব্যাখ্যা

- বর্তমানে দুই ধরনের ওয়্যারলেস ইন্টারনেট এক্সেস পয়েন্ট দেখা যায়। যথা- মোবাইল নেটওয়ার্ক ও হটস্পট।
- হটস্পট হলো এক ধরনের ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক যা মোবাইল ও কম্পিউটার ডিভাইস, যেমন- স্মার্টফোন, নেটবুক, নোটবুক বা ল্যাপটপ, পিডিএ ইত্যাদিতে ইন্টারনেট সংযোগ সরবরাহ করে।
- বর্তমানের জনপ্রিয় তিনটি হটস্পট প্রযুক্তি হলো-
১. ব্লুটুথ,
২. ওয়াই-ফাই ও
৩. ওয়াইম্যাক্স।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮৯৩.
একটি মাত্র ক্যাবলের মাধ্যমে সব কম্পিউটার যুক্ত থাকে কোন টপোলজিতে?
  1. ক) স্টার টপোলজি
  2. খ) ম্যাশ টপোলজি
  3. গ) বাস টপোলজি
  4. ঘ) হাইব্রিড টপোলজি
ব্যাখ্যা
বাস টপোলজি: 
- একটি মাত্র সংযোগ লাইন থাকে।
- এই সংযোগ লাইকে বাস বলে।
- এই লাইনের দুই প্রান্তে দুইটি টার্মিনাল থাকে।
- প্রতিটি নোড ড্রপ ক্যাবল দিয়ে সরাসরি বাসের সাথে যুক্ত থাকে।
- ডেটা প্রবাহ দ্বিমুখী থাকে।
- একাধিক হোস্ট ডাটা ট্রান্সফার করার সময় সমস্যা হতে পারে।
- রিপিটারের মাধ্যমে ব্যাকবোন সম্প্রসারণ করা যায়।
- কোনো একটি নোড নষ্ট হলে বাকি নোড গুলো প্রভাবিত হয় না।
- কেন্দ্রীয় কোনো নেটওয়ার্ক ডিভাইসের প্রয়োজন হয় না।

অসুবিধা: 
- মূল ক্যাবল নষ্ট হয়ে গেলে সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক অচল।
- ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য কোনো সমন্বয় ব্যবস্থা নাই।
- যদি ট্রাফিক বৃদ্ধি পায় তাহলে ডেটা কলিশন বৃদ্ধি পায়।
- বাস টপোলজিতে সৃষ্ট সমস্যা নির্ণয় তুলনামূলক বেশি জটিল।
- ট্রান্সমিশনের গতি কম।

উৎস: উচ্চ-মাধ্যমকের ICT বই।
৮৯৪.
সিমপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডের উদাহরণ কোনটি?
  1. টেলিভিশন
  2. ওয়াকিটকি
  3. মোবাইল
  4. টেলিফোন
ব্যাখ্যা
ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex)
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)
সিমপ্লেক্স: শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। যেমন - রেডিও, টেলিভিশন ইত্যাদি।
উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
৮৯৫.
নিচের কোনটি হাফ-ডুপ্লেক্স মোডে ডেটা ট্রান্সফার করে?
  1. পেজার
  2. মাউস
  3. ক ও খ উভয়ই
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ডেটা ট্রান্সমিশন মোড:
- দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা প্রবাহের দিক নির্দেশককে ডেটা ট্রান্সমিশন বা ডেটা কমিউনিকেশন মোড বলে।
- ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
১. সিমপ্লেক্স মোড
- এই পদ্ধতিতে শুধু একদিকে ডেটা প্রেরণ করা যায়। প্রেরক শুধু ডেটা প্রেরণ করে এবং গ্রাহক শুধু ডেটা গ্রহণ করে।
- যেমন- কী বোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

২. হাফ-ডুপ্লেক্স
- এই পদ্ধতিতে দুইদিকে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়, তবে একইসাথে প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায় না।
যেমন- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস ইত্যাদি।

৩. ফুল-ডুপ্লেক্স
- এই পদ্ধতিতে দুইদিকে একইসাথে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়।
- যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।
৮৯৬.
URL-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Uniform Research Locator
  2. খ) Uniform Resource Locator
  3. গ) Uniform Resource Library
  4. ঘ) Uniform Research Library
ব্যাখ্যা
ইউআরএল:  
- কোনো ওয়েবপেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়। URL হলো ওয়েবসাইটের একক ঠিকানা।
- এর পূর্ণরূপ Uniform Resource Locator.
- URL নির্দিষ্ট রিসোর্সের সমন্বিত রূপ।
- এতে DNS সার্ভারের প্রয়োজন আছে।
- URL কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যায় সীমিত নয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৮৯৭.
কোনটি ফাইল কম্প্রেশন সফটওয়্যার নয়-
  1. WINRAR
  2. Dropbox
  3. WinZip
  4. PeaZip
ব্যাখ্যা
Dropbox ফাইল কম্প্রেশন সফটওয়্যার নয়।
এটি একটি Backup And Recovery Tool.

File Compression Programs:
- বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমে ফাইল কম্প্রেস (compress) এবং আনকম্প্রেস (uncompressed) করার জন্য বিভিন্ন রকমের টুল ব্যবহার করা হয়।
- ফাইলের আকার (size) কমানোর জন্য এই টুল গুলো ব্যবহার করা হয়।
- কিছু compression টুল এর উদাহরণ হল:
• WinZip,
• WINRAR,
• 7-ZIP,
• PeaZip, ইত্যাদি।

Backup And Recovery Tool:
- এই টুল কম্পিউটারের সমস্ত ডেটা স্টোরেজে স্টোর থাকার পাশাপাশি অন্য লোকেশনেও ডেটা backup রাখে।
- পুনরায় dataগুলো রিকভার করা যায় অর্থাৎ ইউটিলিটি সফটওয়‍্যার এর টুল ডাটা ব্যাকআপ রাখার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- ডাটা ব্যাকআপ রাখার বিভিন্ন রকম টুল হলো-
• Google drive,
• Dropbox,
• Microsoft one drive, ইত্যাদি।


উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৯৮.
নিচের কোনটি সেলুলার নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি?
  1. Wi-Fi
  2. Bluetooth
  3. CDMA
  4. Ethernet
ব্যাখ্যা

◉ CDMA (Code Division Multiple Access) হলো একটি সেলুলার নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি, যা মোবাইল যোগাযোগে ব্যবহৃত হয়।

সেলুলার বা মোবাইল ফোন প্রযুক্তি: 
মোবাইল ফোন বর্তমান বিশ্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম। ১৯৪০ সালের দিকে যুক্তরাষ্ট্রে সর্ব প্রথম মোবাইল ফোন চালু হয়। তার বিহীন দুটি ডিভাইেেসর মধ্যে ডাটা ও তথ্য আদান-প্রদানের জন্য যে সিস্টেম ব্যবহৃত হয় তাকে মোবাইল যোগাযোগ বলে। বর্তমানে প্রচলিত মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১। জিএসএম (GSM) ও
২। সিডিএমএ (CDMA)

জিএসএম: 
- Global System for Mobile Communication (GSM) হলো মোবাইল টেলিফোনি সিস্টেমের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ড। একে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেব বিবেচনা করা হয়।
- মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের মধ্যে রোমিং চুক্তি থাকার ফলে বিশ্বের যে কোন স্থান থেকে যেকোন ব্যক্তি জিএসএম এর আওতায় থাকা অবস্থায় নিজের মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করতে পারছে।
- স্বল্প মূল্যের শর্ট মেসেজ সার্ভিস (এসএমএস) এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও জিএমএস পথিকৃত।
- GSM, TDMA (Time division multiple access) ব্যবহার করে যেসব মোবাইল ফোন সার্ভিস দেয়া হয় সেগুলো হল- এসএমএম, কল ফরওয়ার্ডিং, আউটগোয়িং কলকে নিয়ন্ত্রণ করা, ইনকামিং কলকে নিয়ন্ত্রণ করা, কল হোডিং, কলার আইডি, কলার ওয়েটিং, মাল্টিপার্টি সার্ভিস ইত্যাদি।

সিডিএমএ: 
- সিডিএমএ এর পুরো অর্থ হলো-কোড ডিভিশন মাল্টিপল আ্যকসেস (CDMA-Code Division Multiple Access)।
- এটি একটি চ্যানেল অ্যাকসেস মেথড যা কিনা বিভিন্ন ধরনের রেডিও কমিউনিকেশন প্রযুক্তির দ্বারা বাস্তবায়িত হয়।
- সিডিএমএ প্রযুক্তিতে ভয়েস এবং ডেটা এ্যাপ্লিকেশনে অনেক ব্যান্ডউইথ পাওয়া যায়।
- সিডিএমএ তে এখন ২জি এবং থ্রিজি উভয় প্রযুক্তিই ব্যবহৃত হচ্ছে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ক) Wi-Fi হলো ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WLAN) প্রযুক্তি, যা মূলত ইন্টারনেট সংযোগ প্রদানে ব্যবহৃত হয়।
খ) Bluetooth মূলত পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়, যা সেলুলার নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্ত নয়।
ঘ) Ethernet হলো Wired নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যা LAN (Local Area Network)-এ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৮৯৯.
In which communication mode can a device both send and receive signals but not simultaneously?
  1. Simplex
  2. Full-duplex
  3. Half-duplex
  4. Multiplex
ব্যাখ্যা
ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের উপর ভিত্তি করে মোবাইল কমিউনিকেশন সিস্টেমকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১) সিমপ্লেক্স,
২) হাফ ডুপ্লেক্স ও
৩) ফুল-ডুপ্লেক্স।

সিমপ্লেক্স মোড:
- ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ডাটার একদিকে প্রবাহকে সিমপ্লেক্স মোড বলে।

সিমপ্লেক্সের উদাহরণ:
- রেডিও ব্রডকাস্টিং,
- টিভি ব্রডকাস্টিং,
- কীবোর্ড,
- মাউস ইত্যাদি।

ফুল-ডুপ্লেক্স মোড:
- ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে।

ফুল-ডুপ্লেক্সের উদাহরণ:
- মোবাইল ফোনে কনভারসেশন,
- ইন্টারনেটে ভিডিও ও ভয়েস কল কনভারসেশন।

হাফ-ডুপ্লেক্স মোড :
- যখন এক প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায়, আবার যখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন প্রথম প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় তাকে হাফ ডুপ্লেক্স মোড বলে।

হাফ ডুপ্লেক্সের উদাহরণ:
- ওয়াকি-টকি,
- ফ্যাক্স,
- এসএমএস,
- ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি।

- In Half-duplex communication mode can a device both sends and receives signals but not simultaneously.
- অর্থাৎ, ফুল-ডুপ্লেক্সে আমরা একই সাথে একই সময়ে (simultaneously) মোবাইলে বা ইন্টারনেটে ভয়েস বা ভিডিও কলে কথা বলতে পারি।
- হাফ-ডুপ্লেক্সে আমরা কাউকে একটা SMS কাউকে পাঠালে সে SMS পেয়ে তারপর এর রিপ্লায় দেয়। যা দুজনেই সিগন্যাল send ও receive করতে পারে কিন্তু, একই সময়ে একই সাথে (simultaneously) হয় না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
৯০০.
What is the full form of the word 'Modem'?
  1. Module Decoder
  2. Modulator Demodulator
  3. Modern Device
  4. Module Demodulator
ব্যাখ্যা
The full form of the word 'Modem' is Modulator Demodulator.

• মডেম:

- মডেম শব্দটি মডুলেটর-ডিমডুলেটরের (Modulator Demodulator) সংক্ষিপ্ত রূপ।
- মডেম একটি ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস যা ইনপুট বা আউটপুট হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এই কাজের জন্য এতে একটি DAC (Digital to Analog Converter) নামক চিপ বা সার্কিট থাকে।
- অনুরূপভাবে ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে পরিণত করে এবং এই কাজের জন্য এতে একটি ADC (Analog to Digital Converter) নামক চিপ বা সার্কিট থাকে।
- মডেমে একটি মডুলেটর এবং একটি ডিমডুলেটর থাকে।
- তথ্য গ্রহণ এবং প্রদানকারী উভয় কম্পিউটারের সাথে মডেম সংযুক্ত করতে হয়।
- টেলিফোন লাইনের তারটি সংযুক্ত করতে হয় মডেমের সাহায্যে এবং মডেমের তারটি সংযুক্ত করতে হয় কম্পিউটারের সাথে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।