ব্যাখ্যা
- Physical Layer
- Data Link Layer
- Network Layer
- Transport Layer
- Session Layer
- Presentation Layer
- Application Layer
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৬ / ১২ · ৫০১–৬০০ / ১,২০৬
• ব্লুটুথ একটি পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক PAN (Personal Area Network)।
• ব্লুটুথ:
- ব্লুটুথ একটি পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক PAN (Personal Area Network)।
- এটি সীমিত এলাকার মধ্যে ব্যক্তিগত ডিভাইস সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- ব্লুটুথ 2.45 GHz ISM ব্যান্ডে কাজ করে।
- ব্লুটুথের কার্যকরী দূরত্ব সাধারণত ৩–১০ মিটার।
- দূরত্ব বৃদ্ধির জন্য পাওয়ার এবং ডিভাইস ক্ষমতা অনুযায়ী শ্রেণীবিভাগ থাকে।
- ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেট (Piconet) বলা হয়।
- একাধিক পিকোনেট একত্রিত হলে একটি স্ক্যাটারনেট (Scatternet) গঠিত হয়।
- এটি পিকোনেটগুলোর মধ্যে ডিভাইস শেয়ারিং ও ডেটা আদান-প্রদানের সুযোগ দেয়।
• অন্য অপশন আলোচনা:
• LAN (Local Area Network):
- LAN হলো স্থানীয় বা সীমিত এলাকা, যেমন স্কুল, অফিস বা ভবনের মধ্যে কম্পিউটার সংযোগের নেটওয়ার্ক।
- LAN সাধারণত ১০০ মিটার থেকে ১ কিলোমিটার পর্যন্ত কাজ করে।
• MAN (Metropolitan Area Network):
- MAN হলো একটি শহর বা মহানগরের মধ্যে কম্পিউটার সংযোগের নেটওয়ার্ক।
- MAN-এর বিস্তৃতি কয়েক কিলোমিটার হতে পারে।
• WAN (Wide Area Network):
- WAN হলো বৃহৎ এলাকা জুড়ে সংযোগ যেমন দেশ বা মহাদেশ।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Synchronous Transmission): সিনক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশনকে বলা যায় বিরতিহীন ডেটা ট্রান্সমিশন। এই পদ্ধতিতে বিরতিহীনভাবে প্রেরক যন্ত্র থেকে গ্রাহক যন্ত্রে ডেটা পাঠানাে হয়। যেহেতু প্রেরিত ডেটা ব্যবহার করে গ্রাহক যন্ত্র তার ক্লককে সমন্বিত করে তাই প্রেরণ করার জন্য কোনাে ডেটা না থাকলেও আইডল সিকোয়েন্স (idle sequence) হিসেবে পূর্ব নির্ধারিত ডেটা পাঠানাে হয়।
সিনক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে প্রেরক-স্টেশনে প্রথমেই ডেটাকে প্রাইমারি স্টোরেজে (কম্পিউটারে ব্যবহৃত RAM, Cache, or CPU memory ইত্যাদি) সংরক্ষণ করে ডেটার ক্যারেক্টারগুলােকে ব্লক বা ফ্রেম আকারে ভাগ করে নেয়। প্রতিবার একটি করে ব্লক বা ফ্রেম ক্লকের সাথে সমন্বয় করে সমান বিরতি দিয়ে প্রেরণ করা হয়।
প্রতিটি ব্লক-ডেটার শুরুতে 1 বা 2 বাইটের একটি হেডার ইনফরমেশন এবং ব্লকডেটার শেষে একই পরিমাপের একটি ট্রেইলার ইনফরমেশন সিগন্যাল পাঠানাে হয় এবং বিশাল নেটওয়ার্কে গন্তব্য খুঁজে বের করার জন্য এর মাঝে সাধারণত প্রেরক ও গ্রাহককে চিহ্নিতকরণের সংখ্যা বা অ্যাড্রেস দেয়া থাকে।
গ্রাহক যন্ত্র এই হেডার সিগন্যাল ব্যবহার করে প্রেরকের ক্লক-স্পীডের সাথে সিনক্রোনাইজ বা সমন্বিত করে। ট্রেইলার ব্লকের শেষ নির্দেশ করে এবং কোনাে কোনাে ক্ষেত্রে ব্লকের ভেতরকার ভুল নির্ণয় এবং সংশােধনে সহায়তা করে।
প্রযুক্তিগতভাবে এ পদ্ধতি অপেক্ষাকৃত জটিল এবং ব্যয়বহুল হলেও বেশি ব্যান্ডউইথের ডেটা দূরবর্তী স্থানে পাঠানাের জন্য এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। তাই বড় ধরনের নেটওয়ার্কসহ মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক, টিভি নেটওয়ার্ক ইত্যাদি ক্ষেত্রে এটি অপরিহার্য।
• ট্রি টপোলজিতে হাব বা সুইচের মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো স্টার বিন্যাসে যুক্ত থাকে এবং এই হাবগুলো আবার নিজেদের মধ্যে একটি হায়ারার্কিক্যাল বা শাখা-প্রশাখা বিশিষ্ট কাঠামো তৈরি করে। এই কারণেই একে স্টার টপোলজির বর্ধিত সংস্করণ বলা হয়।
• ট্রি টপোলজি:
- ট্রি টপোলজিতে মূল হোস্ট কম্পিউটার থেকে হায়ারার্কিক্যাল গঠনে বাকি কম্পিউটার গুলোর সংযোগ থাকে তাই একে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি বলে।
- ট্রি টপোলজি সংগঠনে ওয়ার্ক স্টেশন বা কম্পিউটারগুলো বিভিন্ন স্তরে সংযুক্ত থাকে।
- বিভিন্ন স্তরের কম্পিউটারগুলোকে হাবের মাধ্যমে একটির সঙ্গে অন্যটি সংযুক্ত থাকে।
- প্রথম স্তরের কম্পিউটারকে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে।
- আবার দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোকে তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে।
- মুল হোস্ট অবশ্যই শক্তিশালী কম্পিউটার হতে হয়।
- স্টার টপোলজির সম্প্রসারিত রূপই হলো ট্রি টপোলজি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• ওয়াকিটকিতে একই সময়ে কথা বলা ও শোনা যায় না।
• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
- ডাটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় উৎস (Sender) থেকে গন্তব্যে (Receiver) ডাটা পাঠানো হয়।
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা প্রেরণের ক্ষেত্রে ডাটা প্রবাহের দিক বিবেচনা করে ডাটা পাঠানোর যে পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়, তাকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়।
• ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
এগুলো হলো—
- সিমপ্লেক্স (Simplex),
- হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex),
- ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex).
১. সিমপ্লেক্স (Simplex):
- সিমপ্লেক্স হলো একমুখী ডাটা প্রেরণের মোড।
- এই পদ্ধতিতে গ্রাহক যন্ত্র কখনোই প্রেরক যন্ত্রে ডাটা পাঠাতে পারে না।
অর্থাৎ—
- ডাটা প্রবাহ শুধু একদিকে হয়।
- A থেকে B-তে ডাটা পাঠানো যায়, কিন্তু B থেকে A-তে পাঠানো যায় না।
উদাহরণ:
- রেডিও,
- টেলিভিশন।
২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex):
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোনো প্রান্ত ডাটা গ্রহণ বা প্রেরণ করতে পারে, কিন্তু একই সময়ে গ্রহণ ও প্রেরণ করতে পারে না।
অর্থাৎ—
- ডাটা প্রবাহ দুইদিকে সম্ভব,
কিন্তু একসাথে নয়।
যেমন—
- A যখন B-কে ডাটা পাঠায়, তখন B শুধু গ্রহণ করতে পারে।
- আবার B যখন A-কে ডাটা পাঠায়, তখন A শুধু গ্রহণ করে।
উদাহরণ:
- ওয়াকিটকি (Walkie-Talkie).
৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex):
- ফুল-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে একই সময়ে উভয় দিক থেকে ডাটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়।
অর্থাৎ—
- ডাটা প্রবাহ দুইদিকে, এবং একই সাথে হয়।
যেমন—
A যখন B-কে ডাটা পাঠায়, তখন B একই সময়ে A-কে ডাটা পাঠাতে পারে।
উদাহরণ :
- টেলিফোন,
- মোবাইল ফোন।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
Wi-Fi এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Wireless Fidelity।
• Wi-Fi
- Wi-Fi শব্দের পূর্ণ অর্থ হলো Wireless Fidelity (ওয়্যারলেস ফিডেলিটি)।
- Wi-Fi শব্দটি Wi-Fi Alliance নামীয় স্বত্বাধিকারী সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক।
- ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গকে ব্যবহার করে থাকে।
- ওয়াই-ফাই একটি ওয়ারল্যাস তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড, যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- ইন্টারনেট অ্যাকসেসের জন্য Wi-Fi নেটওয়ার্কযুক্ত এলাকাকে Hotspot বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর কভারেজ এরিয়া 50 থেকে 200 মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ওয়াই-ফাই এর জনক ভিক্টর ভিক হেইয়েস।
- ওয়াই-ফাই এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.4 GHz - 5 GHz।
- ওয়াই-ফাই এর ওয়্যারলেস অ্যকসেস পয়েন্ট হলো রাউটার।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
• যে নেটওয়ার্ক ডিভাইসটি দুইটি ভিন্ন নেটওয়ার্ককে যুক্ত করে, সেটি হলো গেটওয়ে। গেটওয়ে দুটি ভিন্ন প্রোটোকল বা নেটওয়ার্ক আর্কিটেকচারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে। এটি একটি নেটওয়ার্কের ডেটা প্যাকেটকে অন্য নেটওয়ার্কে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় অনুবাদ বা রূপান্তর সম্পন্ন করে। উদাহরণস্বরূপ, ইন্টারনেট ব্যবহার করার সময় আমাদের লোকাল নেটওয়ার্ক (LAN) গেটওয়ের মাধ্যমে ইন্টারনেট (WAN)-এর সাথে যুক্ত হয়। অন্যদিকে, ব্রিজ একই ধরনের দুটি নেটওয়ার্ক সেগমেন্ট যুক্ত করে, হাব কেবলমাত্র সিগন্যাল ছড়িয়ে দেয় এবং রিপিটার সিগন্যালকে পুনরায় শক্তিশালী করে। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) গেটওয়ে।
• সুইচ:
- সুইচ একটি ডিভাইস যা নেটওয়ার্কের ডাটাকে বিভক্ত করে নেটওয়ার্কের সকল সিস্টেমে না পাঠিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠিয়ে দেয়।
- হাব এবং সুইচ এর কাজ প্রায় একই। তবে হাব প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর একই সাথে প্রত্যেকটি কম্পিউটারে পাঠায় কিন্তু সুইচ প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর টার্গেট কম্পিউটারে পাঠায়।
- স্টার টপোলজিতে সুইচ একটি কেন্দ্রিয় কানেকটিভ ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
• রাউটার:
- রাউটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- ছোট ছোট নেটওয়ার্ক রাউটারের মাধ্যমে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে একাধিক পথ সৃষ্টি করে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন ইথারনেট, টোকেন, রিং কে সংযুক্ত করতে পারে।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।
• গেটওয়ে:
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• গেটওয়ে হলো সেই ডিভাইস যা দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রোটোকল সেট বা আর্কিটেকচার ব্যবহারকারী নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে।
- উদাহরণস্বরূপ, এটি একটি লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ককে (LAN) ইন্টারনেটের মতো বৃহত্তর নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত করে।
• সুইচ:
- সুইচ একটি ডিভাইস যা নেটওয়ার্কের ডাটাকে বিভক্ত করে নেটওয়ার্কের সকল সিস্টেমে না পাঠিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠিয়ে দেয়।
- হাব এবং সুইচ এর কাজ প্রায় একই। তবে হাব প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর একই সাথে প্রত্যেকটি কম্পিউটারে পাঠায় কিন্তু সুইচ প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর টার্গেট কম্পিউটারে পাঠায়।
- স্টার টপোলজিতে সুইচ একটি কেন্দ্রিয় কানেকটিভডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
• রাউটার:
- রাউটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- ছোট ছোট নেটওয়ার্ক রাউটারের মাধ্যমে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে একাধিক পথ সৃষ্টি করে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন ইথারনেট, টোকেন, রিং কে সংযুক্ত করতে পারে।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।
• গেটওয়ে:
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• কম্পিউটার নেটওয়ার্কে OSI (Open Systems Interconnection) মডেল একটি স্ট্যান্ডার্ড ফ্রেমওয়ার্ক যা নেটওয়ার্ক যোগাযোগকে সাতটি স্তরে ভাগ করে। প্রতিটি স্তর নির্দিষ্ট ধরনের কাজ বা ফাংশন সম্পাদন করে। উদাহরণস্বরূপ, ফিজিক্যাল লেয়ার তথ্যের শারীরিক প্রেরণ নিয়ন্ত্রণ করে, ডেটা লিঙ্ক লেয়ার ত্রুটি সনাক্তকরণ ও ফ্রেমিং নিশ্চিত করে, নেটওয়ার্ক লেয়ার ডেটা প্যাকেট রাউটিং পরিচালনা করে। এরপর ট্রান্সপোর্ট লেয়ার তথ্যের নির্ভুল ও সঠিক প্রেরণ নিশ্চিত করে, সেশন লেয়ার সংযোগ স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা করে, প্রেজেন্টেশন লেয়ার ডেটা ফরম্যাটিং এবং এনক্রিপশন/ডিক্রিপশন করে এবং অ্যাপ্লিকেশন লেয়ার ব্যবহারকারীকে নেটওয়ার্ক পরিষেবা প্রদান করে। সুতরাং, OSI মডেলের মোট ৭টি স্তর রয়েছে। সঠিক উত্তর: ঘ) ৭।
OSI মডেল:
- OSI (Open System Interconnection): OSI মডেল মূলত একটি ওপেন স্ট্যান্ডার্ডস যার উপর ভিত্তি করে নেটওয়ার্কিং ডিভাইস সমূহ তৈরি করা হয়।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কে OSI মডেলের স্তর ৭ টি।
- উপরের ৩টি লেয়ারকে Upper Layer এবং নিচের ৪টি লেয়ারকে Lower layer বলে।
- OSI মডেলের স্তর গুলো হল:
Layer 7- Application Layer,
Layer 6- Presentation Layer,
Layer 5- Session Layer,
Layer 4- Transport Layer,
Layer 3- Network Layer,
Layer 2- Data Link Layer,
Layer 1- Physical Layer.
উৎস: geeksforgeeks [link]
Optical Fiber এ Light সিগন্যাল ব্যবহৃত হয়।
অপটিক্যাল ফাইবার Communication
- অপটিক্যাল ফাইবার communication ব্যবস্থায় transmitter থেকে receiver-এ তথ্য স্থানান্তরের জন্য modulated monochromatic light beam ব্যবহৃত হয়।
- এই আলোর spectrum ১০ terahertz থেকে ১ million terahertz পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এটি মূলত far infrared থেকে near ultraviolet পর্যন্ত electromagnetic spectrum-কে অন্তর্ভুক্ত করে।
- এত উচ্চ frequency-তে কাজ করার কারণে, অপটিক্যাল wavelength স্বাভাবিকভাবেই high-rate broadband telecommunication-এর জন্য উপযুক্ত।
- উদাহরণস্বরূপ, ৩০০ terahertz-এর near-infrared frequency-তে optical carrier-এর amplitude modulation ১ শতাংশের কম হলেও, transmission bandwidth coaxial cable bandwidth-এর তুলনায় ১,০০০ গুণ বেশি হয়।
উৎস: ব্রিটানিকা।
◉ স্টার টপোলজি (Star Topology): এই টপোলজিতে একটি কেন্দ্রীয় ডিভাইস (যেমন: হাব বা সুইচ) থাকে এবং অন্যান্য সমস্ত নোড (ডিভাইস) এই কেন্দ্রীয় ডিভাইসের সাথে সংযুক্ত থাকে। যদি কোনো একটি নোড ব্যর্থ হয়, তাহলে শুধুমাত্র সেই নোডটি প্রভাবিত হয়, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক ব্যর্থ হয় না। কেন্দ্রীয় ডিভাইস ব্যর্থ হলেই কেবল সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক ব্যর্থ হতে পারে।
অন্যান্য অপশনসমূহ,
বাস টপোলজি (Bus Topology): এই টপোলজিতে একটি প্রধান কেবল থাকে এবং সমস্ত নোড এই কেবলের সাথে সংযুক্ত থাকে। যদি প্রধান কেবলে কোনো সমস্যা হয়, তাহলে সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক ব্যর্থ হতে পারে।
রিং টপোলজি (Ring Topology): এই টপোলজিতে নোডগুলি একটি বৃত্তাকার পথে সংযুক্ত থাকে। যদি একটি নোড ব্যর্থ হয়, তাহলে সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক ব্যর্থ হতে পারে।
মেশ টপোলজি (Mesh Topology): এই টপোলজিতে প্রতিটি নোড অন্য সমস্ত নোডের সাথে সংযুক্ত থাকে। এটি সবচেয়ে বেশি ফল্ট টলারেন্ট, কিন্তু স্টার টপোলজির তুলনায় এটি জটিল এবং ব্যয়বহুল।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• Zigbee একটি কম-শক্তি এবং কম-ব্যান্ডউইথ ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন প্রযুক্তি যা মূলত ছোট দূরত্বে ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডাটা আদানপ্রদান করতে ব্যবহৃত হয়। এটি ব্যক্তিগত এলাকা নেটওয়ার্ক বা PAN (Personal Area Network) আর্কিটেকচারে কাজ করে। Zigbee সেন্সর, স্মার্ট লাইট, হোম অটোমেশন, এবং IoT ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য উপযুক্ত। এটি সীমিত রেডিও রেঞ্জ ব্যবহার করে, যা সাধারণত ১০–১০০ মিটার পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকে, তাই এটি MAN, LAN বা WAN-এর মতো বড় নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহার করা হয় না। Zigbee-এর মূল উদ্দেশ্য হলো কম শক্তিতে নির্ভরযোগ্য এবং ছোট ডিভাইস ভিত্তিক নেটওয়ার্ক তৈরি করা।
- সঠিক উত্তর: ঘ) PAN.
• Zigbee:
- জিগবি (Zigbee) একটি তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক যা (PAN) তৈরি করার IEEE ৮০২.১৫.৪-ভিত্তিক আদর্শমানের প্রযুক্তি।
- এটি কম বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করে ডিজিটাল রেডিও যোগাযোগের সাহায্যে উচ্চ স্তরের যোগাযোগের প্রোটোকলগুলির জন্য পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান তৈরি করে।
- জিগবি একটি কম বিদ্যুৎ শক্তির, স্বল্প তথ্য হার বা ডেটারেট এবং ব্যক্তিগত এলাকার বেতার অ্যাড-হক নেটওয়ার্ক।
- এটি অন্যান্য বেতার বা ওয়ারলেস পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) যেমন ব্লুটুথ বা ওয়াই-ফাই থেকে সহজ এবং কম ব্যয়বহুল।
- এই নেটওয়ার্কগুলি ১২৮ বিট সিমেট্রিক এনক্রিপশন কী দ্বারা সুরক্ষিত থাকে।
- জিগবি নেটওয়ার্ক থেকে বিরতিহীন ২৫০ kbit/s ডেটা ট্রান্সমিশন হতে পারে।
- জিগবি ১৯৯৮ সালে প্রণীত, ২০০৩ সালে প্রমীতকরণ, এবং ২০০৬ সালে সংশোধিত হয়েছিল।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
◉ WiMAX (Worldwide Interoperability for Microwave Access) একটি বেতার ব্রডব্যান্ড প্রযুক্তি যা মূলত ডিজিটাল ডেটা প্যাকেট আকারে আদান-প্রদান করে। এটি Packet Switching প্রযুক্তি ব্যবহার করে, যেমন ইন্টারনেট ও অন্যান্য আধুনিক ডেটা নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত হয়।
WiMAX:
- WiMax এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়।
- WiMax এর স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.16।
- WiMax এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.0 - 66 GHz.
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- WiMax এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- উঁচু-নিচু পাহাড়ি অঞ্চল কিংবা দুর্গম এলাকা যেখানে ক্যাবল স্থাপন করা যায় না সেখানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেবার জন্য ওয়াইম্যাক্স হলো সর্বোৎকৃষ্ট প্রযুক্তি।
- Metropolition Area Network (MAN) টাইপের নেটওয়ার্কে ওয়াইম্যাক্স বেশি ব্যবহৃত হয়।
- ওয়াইম্যাক্স নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়।
- WiMax এর প্রধান অংশ ২টি। যথা- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. ZTE ওয়েবসাইট।
সঠিক উত্তর: ক) নেটওয়ার্ক লেয়ার
• প্যাকেট ফিল্টারিং ফায়ারওয়াল মূলত আইপি (IP) অ্যাড্রেস এবং পোর্ট নাম্বারের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে। যেহেতু আইপি অ্যাড্রেসিং এবং রাউটিং OSI মডেলের নেটওয়ার্ক লেয়ারে সম্পন্ন হয়, তাই এই ধরনের ফায়ারওয়ালও এই লেয়ারে কার্যকর থাকে। এটি প্রতিটি প্যাকেট পরীক্ষা করে দেখে যে তা অনুমোদিত আইপি থেকে আসছে কি না।
• OSI মডেলের ৭টি লেয়ার:
Physical Layer – ডেটা বাইনারি সিগন্যাল হিসেবে ট্রান্সমিট করে।
Data Link Layer – MAC Address ও Frame Transmission পরিচালনা করে।
Network Layer – IP Addressing এবং প্যাকেট রাউটিং নিয়ন্ত্রণ করে।
Transport Layer – End-to-end Communication নিশ্চিত করে (TCP, UDP)।
Session Layer – সেশন কন্ট্রোল এবং ডাটা এক্সচেঞ্জ ব্যবস্থাপনা করে।
Presentation Layer – ডাটা এনক্রিপশন, ডিক্রিপশন ও কম্প্রেশন পরিচালনা করে।
Application Layer – ব্যবহারকারী ও নেটওয়ার্কের মধ্যে ইন্টারফেস তৈরি করে (HTTP, FTP, SMTP ইত্যাদি)।
উৎস:
- Science Direct [link]
- IBM [link]
• সিডিএমএ (CDMA) হলো একটি চ্যানেল অ্যাকসেস মেথড।
• সিডিএমএ:
- সিডিএমএ-এর পূর্ণরূপ হলো কোড ডিভিশন মাল্টিপল অ্যাকসেস (Code Division Multiple Access)।
- এটি একটি চ্যানেল অ্যাকসেস মেথড, যার মাধ্যমে একই ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ডে একাধিক ব্যবহারকারী একসাথে যোগাযোগ করতে পারে।
- বিভিন্ন ধরনের রেডিও কমিউনিকেশন প্রযুক্তির মাধ্যমে সিডিএমএ বাস্তবায়িত হয়।
• সিডিএমএর ব্যবহার ও সক্ষমতা:
- সিডিএমএ প্রযুক্তিতে ভয়েস ও ডেটা অ্যাপ্লিকেশনের জন্য বেশি ব্যান্ডউইথ পাওয়া যায়।
- এই প্রযুক্তিতে ২জি এবং ৩জি—উভয় প্রজন্মের মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যবহৃত হয়।
• সিডিএমএর কার্যপ্রণালি:
- সিডিএমএ পদ্ধতিতে বেতার তরঙ্গ ব্যান্ডকে একাধিক ক্যারিয়ারে বিভক্ত করা হয়।
- প্রতিটি ক্যারিয়ারের প্রস্থ ১.২৫ মেগাহার্টজ।
- প্রত্যেক গ্রাহকের জন্য আলাদা কোড নির্ধারণ করা হয়।
- নির্ধারিত কোড পুরো ক্যারিয়ারের মধ্যে বিস্তৃত থাকে।
• সিডিএমএর বৈশিষ্ট্য:
- এটি একটি চ্যানেল অ্যাকসেস মেথড।
- বিভিন্ন রেডিও কমিউনিকেশন প্রযুক্তিতে ব্যবহারযোগ্য।
- ভয়েস ও ডেটা অ্যাপ্লিকেশনে উচ্চ ব্যান্ডউইথ প্রদান করে।
- ২জি ও ৩জি প্রযুক্তি সমর্থন করে।
• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- ট্রান্সমিশন মিডিয়া: এটি ডাটা পরিবহনের মাধ্যম।
- নেটওয়ার্ক টপোলজি: এটি নেটওয়ার্কের গঠন কাঠামো নির্দেশ করে।
- ডাটা এনকোডিং পদ্ধতি: এটি ডাটাকে সিগন্যাল আকারে রূপান্তরের কৌশল।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• “Bluetooth” মূলত রেডিও ওয়েভের মাধ্যমে ডিভাইসগুলোকে সংযুক্ত করে। এটি একটি ওয়্যারলেস প্রযুক্তি যা কম শক্তি ব্যবহার করে শর্ট-রেঞ্জে তথ্য আদান-প্রদান করতে সক্ষম। Bluetooth ডিভাইসগুলো সাধারণত ২.৪ গিগাহার্টজ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহার করে, যা ফোন, হেডফোন, ল্যাপটপ, স্মার্টওয়াচ ইত্যাদি ডিভাইসকে একে অপরের সাথে সংযুক্ত করে। এটি সংযোগ স্থাপনের জন্য কেবল বা তারের প্রয়োজন হয় না এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডিভাইসগুলোকে পেয়ার করতে পারে। Bluetooth এর মাধ্যমে ডেটা স্থানান্তর, অডিও স্ট্রিমিং, এবং বিভিন্ন ডিভাইসের মধ্যে কমান্ড আদান-প্রদান করা যায়, যা দৈনন্দিন জীবনে প্রযুক্তিকে আরও সুবিধাজনক করে তোলে।
- সঠিক উত্তর: ক) রেডিও ওয়েভ।
ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ Radio technology ব্যবহার করে। ১৯৮৯ সালে ‘Bluetooth’ প্রবর্তন করা হয়।
- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক প্রটোকল যা স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এর দূরত্ব সাধারণত ১০ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে।
- RS-232 ডেটা ক্যাবলের বিকল্প হিসেবে সুইডিশ এর এরিকসন কোম্পানি ১৯৯৪ সালে ব্লুটুথ উদ্ভাবন করে।
- ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নাম অনুসারে ব্লুটুথের নামকরণ করা হয়।
- ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয়।
- এর আওতায় সর্বোচ্চ ৮ (আট) টি যন্ত্রের সাথে সিগন্যাল আদান-প্রদান করতে পারে।
- এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলাে স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- কতকগুলাে পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- 'Wi-Fi' এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Wireless Fidelity।
- ওয়াই-ফাই হচ্ছে একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা ব্যবহার করে কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইসকে উচ্চ গতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগ কিংবা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা আদান প্রদান করতে পারে।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11B নামে পরিচিত।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• সবচেয়ে বিস্তৃত কভারেজের নেটওয়ার্ক হলো WAN.
• WAN:
- WAN এর পূর্ণরূপ Wide Area Network.
- অনেক বড় ভৌগোলিক বিস্তৃতিতে অবস্থিত LAN, MAN, কম্পিউটার ও বিভিন্ন ডিভাইসের সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে WAN বলা হয়।
- WAN এর বিস্তৃতি সারা দেশ বা সমগ্র পৃথিবী জুড়ে হতে পারে।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বর WAN এর উদাহরণ হলো ইন্টারনেট।
- এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ই-মেইল আদান-প্রদান করা, বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করা, ফাইল ডাউনলোড, অনলাইন শপিং ইত্যাদি করা যায়।
- উদাহরণ: ইন্টারনেট, ব্যাংকের আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক, মোবাইল অপারেটরের নেটওয়ার্ক।
• LAN:
- LAN এর পূর্ণরূপ হলো Local Area Network.
- LAN এর মাধ্যমে 1Km বা তার কম দূরত্বের ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।
- উদাহরণ: স্কুলের কম্পিউটার ল্যাব নেটওয়ার্ক।
• PAN:
PAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Personal Area Network.
- কোনো ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান বলে।
- PAN এর বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- ব্যক্তিগত ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগ (যেমন: ব্লুটুথ, ইনফ্রারেড)।
• MAN:
- MAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Metropolitan Area Network
- একই শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারসমূহ বিভিন্ন ডিভাইস ও LAN গুলোর সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে MAN বলা হয়।
- MAN এর ক্ষেত্রে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত টেলিফোন লাইন, মডেম বা মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করা হয়।
- উদাহরণ: ঢাকা শহরের ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
• ওয়াই-ফাই প্রযুক্তিতে এড-হক (Ad-hoc) মোড হলো এমন একটি বিকেন্দ্রীভূত নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা যেখানে কোনো কেন্দ্রীয় রাউটার বা এক্সেস পয়েন্ট ছাড়াই ডিভাইসগুলো সরাসরি একে অপরের সাথে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে। একে পিয়ার-টু-পিয়ার (P2P) নেটওয়ার্কও বলা হয়।
- অন্যদিকে, পাস-থ্রু বা রিপিটার মোড মূলত বিদ্যমান সিগন্যাল ব্যবস্থাপনা বা পরিধি বাড়ানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।
• ওয়াই-ফাই (Wi-Fi):
- বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিগুলোকে তারবিহীন উপায়ে সংযুক্ত করার একটি কৌশল হলো ওয়াই-ফাই (Wi-Fi)।
অর্থাৎ, ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি যা তারবিহীন উচ্চ গতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগসমূহ সরবরাহের জন্য বেতার তরঙ্গকে ব্যবহার করে থাকে।
- অনেকেই ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) কে "wireless fidelity' এর সংক্ষিপ্তরূপ মনে করে থাকেন যা আসলে ভুল।
- এটি 'ওয়াই-ফাই অ্যালায়েন্স (Wi-Fi Alliance)' এর একটি ট্রেডমার্ক এবং IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম।
• ওয়াই-ফাই এর বৈশিষ্ট্য:
- ওয়াই-ফাই এর কভারেজ সীমিত পরিসর থেকে নিয়ে বিস্তৃত পরিসরেও পাওয়া সম্ভব।
- ওয়াই-ফাই আওতার মধ্যে সকল ডিভাইসগুলোতে তারবিহীন উপায়ে কিংবা তারের মাধ্যমে ইন্টারনেট অ্যাকসেস ও ইন্টারনেটওয়ার্কিং সরবরাহ করে।
- আইফোন, অ্যানড্রয়েড, বাদা এবং সিম্বিয়ান অপারেটিং সিস্টেম চালিত ফোনগুলো ওয়্যারলেস সংযোগ তৈরি করতে পারে।
- ক্লায়েন্ট-টু-ক্লায়েন্ট সংযোগগুলোর জন্য রাউটার ছাড়াও এড-হক মোডে ওয়াই-ফাই ডিভাইসগুলোকে সংযুক্ত করা যায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাস টপোলজি
যে টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে। একে অনেক সময় লিনিয়ার বাস টপোলজিও বলা হয়। এখানে মূল ক্যাবল বা তারটিকে বলা হয় ব্যাকবোন। মূল ক্যাবলের উভয় প্রান্তে টারমিনেটর ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়। এখানে কোন কেন্দ্রিয় কম্পিউটার থাকে না। প্রতিটি কম্পিউটার বা ওয়ার্কস্টেশন মূল বাসের সাথে তারের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।
সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর - খ) Data is encrypted
VPN (Virtual Private Network)
- VPN হলো একটি ব্যক্তিগত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, যা পাবলিক টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক (যেমন ইন্টারনেট) ব্যবহার করে গঠিত হয়।
- সাধারণত একটি VPN-এ এক বা একাধিক কর্পোরেট ইন্ট্রানেট বা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) যুক্ত থাকে।
- দূরবর্তী ব্যবহারকারীরা পাসওয়ার্ড অথেনটিকেশন সিস্টেম ব্যবহার করে VPN-এ অ্যাক্সেস করতে পারে।
- ডেটা যখন অনিরাপদ নেটওয়ার্ক (যেমন ইন্টারনেট) দিয়ে প্রবাহিত হয়, তখন এটি এনক্রিপ্ট করা হয়।
- এনক্রিপশন নিশ্চিত করে যে সাইবার অপরাধীরা কর্পোরেট বা ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করতে পারবে না।
- VPN-এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলো leased dedicated telecommunication lines ব্যবহার না করেও wide area network (WAN) পরিচালনা করতে পারে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
• রাউটার (Router) নেটওয়ার্কের ভিতরে ও বাইরের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে এবং প্রায় সব রাউটারেই বিল্ট-ইন ফায়ারওয়াল (NAT, SPI Firewall, Packet Filtering) থাকে।
• রাউটার (Router):
রাউটার এমন একটি কানেকটিং ডিভাইস যা একই প্রটোকলভুক্ত দুই বা ততোধিক স্বতন্ত্র নেটওয়ার্কের সংযোগ করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করতে পারে।
এর মাধ্যমে একই ধরনের ছোট আকারের ভিন্ন ভিন্ন গঠনের একাধিক LAN সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা যায়।
WAN এর সাথে একটি LAN যুক্ত করতে রাউটার ব্যবহৃত হয়।
রাউটার NAT (Network Address Translation) ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক চিহ্নিত করে থাকে।
• ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত, ফায়ারওয়াল রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভারের (Dedicated Server) সঙ্গে সংযুক্ত থাকে, যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়ালের কার্যকারিতা পরিচালনা করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- হ্যাকিং প্রতিরোধে ফায়ারওয়াল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তবে এটি সব ধরনের সাইবার আক্রমণ প্রতিরোধে সর্বদা সক্ষম নয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
Transmission Control Protocol (TCP)
- ইন্টারনেট সংযোগের ক্ষেত্রে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয় TCP/IP
- ARPANETএ TCP/IP প্রথম চালু হয় ১৯৮৩ সালে।
স্টার টপোলজি
এ ধরনের সংগঠনে একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস এর সাথে অন্যান্য কম্পিউটারগুলো সংযুক্ত থাকে।
কেন্দ্রিয় ডিভাইসটি হতে পারে একটি হাব বা সুইচ।
হাব বা সুইচ এর মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে। ডাটা চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে হাব বা সুইচ । এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটার এ ডাটা স্থানান্তরের জন্য প্রথমে কেন্দ্রিয় ডিভাইসে প্রেরণ করতে হয়। এরপর কেন্দ্রিয় ডিভাইস ডাটা গ্রহণকারী কম্পিউটারে ডাটা পাঠিয়ে দেয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
• ট্রান্সপোর্ট লেয়ারের প্রধান কাজ হলো সোর্স কম্পিউটার থেকে ডেস্টিনেশন কম্পিউটারে ডেটার নির্ভরযোগ্য এবং ত্রুটিমুক্ত আদান-প্রদান নিশ্চিত করা।
- এটি বড় ডেটাকে ছোট ছোট সেগমেন্টে ভাগ করে এবং রিসিভার প্রান্তে আবার সেগুলো জোড়া দেয়। TCP (Transmission Control Protocol) এবং UDP (User Datagram Protocol) এই লেয়ারেই কাজ করে যা 'End-to-End' কানেক্টিভিটি বজায় রাখে।
• OSI মডেল (Open Systems Interconnection Model) একটি তাত্ত্বিক মডেল যা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ডেটা আদান-প্রদানের প্রক্রিয়াকে ৭টি স্তরে ভাগ করেছে। এই মডেলটি নেটওয়ার্কিং প্রক্রিয়াকে সহজভাবে বুঝতে সাহায্য করে।
এই ৭টি লেয়ার হলো:
- Physical Layer (ফিজিক্যাল লেয়ার),
- Data Link Layer (ডেটা লিংক লেয়ার),
- Network Layer (নেটওয়ার্ক লেয়ার),
-Transport Layer (ট্রান্সপোর্ট লেয়ার),
- Session Layer (সেশন লেয়ার),
- Presentation Layer (প্রেজেন্টেশন লেয়ার),
- Application Layer (অ্যাপ্লিকেশন লেয়ার)।
এই স্তরগুলো একসাথে কাজ করে যাতে বিভিন্ন কম্পিউটার বা ডিভাইস একে অপরের সঙ্গে সঠিকভাবে যোগাযোগ করতে পারে।
OSI মডেলের লেয়ার গুলোর কাজ সমূহ:
Physical Layer - ডেটা বাইনারি সিগন্যাল হিসেবে ট্রান্সমিট করে।
Data Link Layer - MAC Address ও Frame Transmission পরিচালনা করে।
Network Layer - IP Addressing এবং প্যাকেট রাউটিং নিয়ন্ত্রণ করে।
Transport Layer - End-to-end Communication নিশ্চিত করে (TCP, UDP) I
Session Layer - সেশন কন্ট্রোল এবং ডাটা এক্সচেঞ্জ ব্যবস্থাপনা করে।
Presentation Layer - ডাটা এনক্রিপশন, ডিক্রিপশন ও কম্প্রেশন পরিচালনা করে।
Application Layer - ব্যবহারকারী ও নেটওয়ার্কের মধ্যে ইন্টারফেস তৈরি করে (HTTP, FTP, SMTP ইত্যাদি)।
উৎস: ব্রিটানিকা। [link]
◉ MIMO (Multiple Input Multiple Output) হলো একটি ওয়্যারলেস প্রযুক্তি, যেখানে একাধিক অ্যান্টেনা দিয়ে একই সময়ে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা হয়। এটি বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয় Wi-Fi (802.11n, 802.11ac) এবং 4G/5G মোবাইল নেটওয়ার্কে।
পঞ্চম প্রজন্ম (Fifth Generation-5G: 2020-...):
- 5G বা পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক সিস্টেম মোবাইল ফোনের মধ্যে অত্যাধুনিক ও সর্বশেষ সংস্করণ।
- এ ধরনের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়্যারলেস ওয়েব (World Wide Wireless Web) বা সংক্ষেপে WWWW নামে পরিচিত।
- এ ধরনের মোবাইল ফোনের স্ট্যান্ডার্ডগুলোর মধ্যে 5G NR (New Radio), RAT (Radio Access Technology), MIMO (Multiple input and multiple output) অন্যতম।
- এই প্রজন্মের মোবাইল ফোনের পারফর্ম্যান্স 4G'র তুলনায় অনেকগুণ বেশি এবং অনেক দ্রুতগতিতে ডেটা ট্রান্সফার করতে সক্ষম, এর মাধ্যমে 4K টিভি বা ভিডিও উপভোগ করা যায়।
- যুগের সাথে আধুনিক জীবন ব্যবস্থার উৎকর্ষের চাহিদার প্রতি লক্ষ রেখে মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থার চরম এবং সর্বোত্তম ব্যবহারের বিষয় বিবেচনা করে বিশ্বসেরা মোবাইল ফোন কোম্পানি এবং অন্যান্য বেশ কটি প্রতিষ্ঠান এর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
• ডেটা বাস, কন্ট্রোল বাস এবং অ্যাড্রেস বাস- এই তিনটি মিলে সিস্টেম বাস গঠিত হয়। অন্যদিকে ইউএসবি (USB) হলো একটি এক্সপ্যানশন বাস বা পেরিফেরাল বাস, যা কম্পিউটারের বাইরের যন্ত্রাংশ (যেমন: মাউস, কিবোর্ড) যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়
• কম্পিউটার বাস:
- কম্পিউটার বাস হলো এমন একগুচ্ছ তার, যার মধ্যে দিয়ে ডিজিটাল সংকেত ০ বা ১ চলাচল করতে পারে।
- বাসের সাহায্যেই কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে।
• কম্পিউটার বাসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১. সিস্টেম বাস (System Bus) বা প্রধান বাস ও
২. এক্সপানশন বাস (Expansion Bus) বা সম্প্রসারিত বাস।
• সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ডেটা বাস (Data Bus),
২. অ্যাড্রেস বাস (Address Bus),
৩. কন্ট্রোল বাস (Control Bus)।
• কম্পিউটার প্রযুক্তি বিকাশের বিভিন্ন পর্যায়ে অনেক ধরনের এক্সপানশন বাস ব্যবহৃত হয়। যথা:
১. আইএসএ বাস (ISA- Industry Standards Architecture),
২. ইআইএস এ বাস (EISA- Extended Industry Standards Architecture),
৩. লোকাল বাস (Local Bus),
৪. ইউএসবি বাস (USB Bus),
৫. ফায়ারওয়্যার বাস (Fireware Bus),
৬. এজিপি (AGP- Accelerated Graphics Port), ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• ‘ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব’ বা ওয়েবের উদ্ভাবক হলেন টিম বার্নার্স-লি। তিনি ১৯৮৯ সালে সিভিল সার্ভিস ইন্টারন্যাশনাল এ কাজ করার সময় এই ধারণা দেন, যা পরবর্তীতে ইন্টারনেটে তথ্য ভাগ করার একটি বিপ্লব সৃষ্টি করে। ওয়েবের মাধ্যমে টেক্সট, ছবি, ভিডিওসহ বিভিন্ন ধরনের তথ্য সহজে অ্যাক্সেস করা যায় এবং ব্যবহারকারীরা একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত হতে পারেন। টিম বার্নার্স-লি একটি প্রোটোকল এবং ভাষা (HTTP ও HTML) তৈরি করেন, যা ওয়েবের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। তার উদ্ভাবনের ফলে বিশ্বব্যাপী তথ্যের আদান-প্রদান দ্রুত এবং সহজতর হয়েছে, এবং এটি শিক্ষার, ব্যবসার ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটিয়েছে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: ঘ) টিম বার্নার্স লি।
• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব:
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web) কে সংক্ষেপে WWW বা ওয়েব নামেও অভিহিত করা হয়ে থাকে।
- সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত এটি একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এর মাধ্যমে হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডকুমেন্ট তৈরি ও সম্পাদনা কর যায়।
- টিম বার্নাস লি WWW- এর জনক নামে পরিচিত।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- এসব ওয়েব সার্ভার ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোন ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম।
- এটি হতে পারে প্রচলিত টেক্সট ফাইল, ছবি, শব্দ বা অন্য কোন ফর্মেটের ডাটা।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।