বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও সেলুলার নেটওয়ার্কিং সিস্টেম ও ডাটা কমিউনিকেশন

মোট প্রশ্ন১,২০৬এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও সেলুলার নেটওয়ার্কিং সিস্টেম ও ডাটা কমিউনিকেশন

PrepBank · পাতা / ১২ · ৪০১৫০০ / ১,২০৬

৪০১.
মাইক্রোওয়েভ সিস্টেমে মূলত কয়টি ট্রান্সসিভার থাকে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
 মাইক্রোওয়েভ:
- মাইক্রোওয়েভ এক ধরনের ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভ যা সেকেন্ডে প্রায় 1 গিগা বা তার চেয়ে বেশিবার কম্পন বিশিষ্ট।
- মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করে ডাটা স্থানান্তর অর্থাৎ কম্পিউটার প্রদত্ত ডাটা, কথা এবং ছবি ইত্যাদি অনেক দ্রুত স্থানান্তর করা সম্ভব।
- মাইক্রোওয়েভ সিস্টেমে মূলত দুটো ট্রান্সসিভার (Transceiver) থাকে।
- এর একটি সিগন্যাল ট্রান্সমিট (Transmit) করে এবং অন্যটি রিসিভ (Receive) করে।
- মাইক্রোওয়েভ এর ফ্রিকুয়েন্সী রেঞ্জ হচ্ছে 300MHz থেকে 30GHz.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
৪০২.
কার্ড রিডার থেকে কম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কোন ব্যান্ডইডথ ব্যবহার করা হয়?
  1. ন্যারো ব্যান্ড
  2. ভয়েস ব্যান্ড
  3. ব্রড ব্যান্ড
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ব্যান্ডউইথ:
- এক স্থান হতে অন্য স্থানে অথবা এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তরের হারকে ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড বলে।
- এই ট্রান্সমিশন স্পীডকে অনেক সময় ব্যান্ডউইথও বলা হয়।
- এই ব্যান্ডউইডথ সাধারণত Bit Per Second (bps) এ হিসাব করা হয়।
- অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয় তাকে bps বা ব্যান্ডউইডথ বলে।
- এই ডাটা ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে ব্যান্ডউইডথকে তিনভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১। ন্যারো ব্যান্ড (Narrow Band):
- ন্যারো ব্যান্ড সাধারণত 45 থেকে 300 bps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- এ ডাটা স্থানান্তর গতিকে ন্যারো ব্যান্ড বা Sub Voice Band বলে।
- ধীর গতি ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়। যেমন- টেলিগ্রাফিতে উক্ত ব্যান্ডকে ব্যবহার করা হয়।

২। ভয়েস ব্যান্ড (Voice Band):
- এই ব্যান্ডের ডাটা গতি 9600 bps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- এটি সাধারণত টেলিফোনে বেশি ব্যবহার করা হয়।
- তবে কম্পিউটার ডাটা কমিউনিকেশনে কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কিংবা কার্ড রিডার থেকে কম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করা হয়

৩। ব্রড ব্যান্ড (Broad Band):
- ব্রড ব্যান্ড উচ্চগতি সম্পন্ন ডাটা স্থানান্তর ব্যান্ডউইথ যার গতি কমপক্ষে এক মেগা বিট পার সেকেন্ড Mbps হতে অত্যন্ত উচ্চ গতি পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- সাধারণত কো-এক্সিয়াল ক্যাবল ও অপটিক্যাল ফাইবারে ডাটা স্থানান্তরে ব্রড ব্যান্ড ডাটা ট্রান্সমিশন ব্যবহার করা হয়।
- তাছাড়া স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন এবং মাইক্রোওয়েভ কমিউনিকেশনেও এই ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০৩.
কোনো সিলিকন চিপে লক্ষ লক্ষ বর্তনী সংযোজিত হলে তাকে কি বলে?
  1. ক) সমান্তরাল বর্তনী
  2. খ) অর্ধপরিবাহী ট্রানজিস্টর
  3. গ) অর্ধপরিবাহী ডায়োড
  4. ঘ) সমন্বিত বর্তনী
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর, ক্যাপাসিটর, ডায়ােড ইত্যাদি ব্যবহার করে অনেক প্রয়ােজনীয় সার্কিট তৈরি করা হয়। ধীরে ধীরে প্রযুক্তির উন্নতি হতে থাকে এবং এই ধরনের নানা কিছু ব্যবহার করে তৈরি করা আস্ত একটি সার্কিট ছােট একটা জায়গার মাঝে ঢুকিয়ে দেওয়া শুরু হলাে এবং তার নাম দেওয়া হলাে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট।

একটা ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট হয়তাে একটা নখের সমান। তার ভেতরে প্রথমে হাজার হাজার ট্রানজিস্টর দিয়ে তৈরি সার্কিট ঢােকানাে শুরু হয় এবং দেখতে দেখতে একটা আইসির ভেতর বিলিয়ন ট্রানজিস্টর পর্যন্ত বসানাে সম্ভব হয়ে উঠতে থাকে।

একটি ছােট চিপের ভেতর বিলিয়ন ট্রানজিস্টর ঢােকানাের এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় VLSI বা Very Large Scale Integration. এই প্রক্রিয়াটি এখনাে থেমে নেই এবং চিপের ভেতর আরাে ট্রানজিস্টর ঢুকিয়ে আরাে জটিল সার্কিট তৈরি করার প্রক্রিয়া এখনাে চলছে।
উৎসঃ নবন-দশম শ্রেণী, পদার্থবিজ্ঞান।
৪০৪.
ভিডিও কনফারেন্সিং এ কোন প্রটোকল ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) UDP
  2. খ) H. 323
  3. গ) TFTP
  4. ঘ) TCP
ব্যাখ্যা

The major protocols that have been used or are being used for video conferencing are the H. 323 protocol and the Session Initiation Protocol (SIP).
The session parameters and control of incoming and outgoing signals is done at this layer.
Source: engineersgarage.com

৪০৫.
'ইন্টারনেট' কোন টপোলজির উদাহরণ?
  1. বাস টপোলজি
  2. রিং টপোলজি
  3. হাইব্রিড টপোলজি
  4. স্টার টপোলজি
ব্যাখ্যা
• হাইব্রিড টপোলজি (Hybrid Topology):
- বাস, স্টার, রিং ও মেশ ইত্যাদি টপোলজির সমন্বয়ে গঠিত নেটওয়ার্ক টপোলজিকে বলা হয় হাইব্রিড টপোলজি।
- উদাহরণস্বরূপ, ইন্টারনেটকে এ ধরনের টপোলজি হিসেবে অভিহিত করা যায়। কেননা ইন্টারনেট হলো বৃহৎ পরিসরের একটি নেটওয়ার্ক, যেখানে সব ধরনের টপোলজির মিশ্রণ দেখা যায়।
- এ টপোলজিতে প্রয়োজনানুযায়ী নেটওয়ার্ক বৃদ্ধি করার সুযোগ রয়েছে।
- কোনো সমস্যা দেখা দিলে তা সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব হয়।
- কোনো এক অংশ নষ্ট হয়ে গেলে সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক নষ্ট না হয়ে অংশবিশেষ নষ্ট হয়ে যায়।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪০৬.
ওয়েবে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে কোন প্রোটোকল?
  1. ক) DNS
  2. খ) TCP
  3. গ) HTTP
  4. ঘ) FTP
ব্যাখ্যা
• HTTP: 
- Hyper Text Transfer Protocol এর সংক্ষিপ্ত নাম হলো HTTP.
- এটি হলো একটি অ্যাপ্লিকেশন লেবেল প্রোটোকল যা ওয়েবে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে থাকে।

• HTTP এর কাজ:
- সার্ভারের সাথে ব্রাউজারের যোগাযোগ করে।
- ব্রাউজারের যেকোনো অনুরোধ সার্ভারে পৌঁছে দেয়।
- সার্ভার থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য, ইমেজ ব্রাউজারে নিয়ে আসে।

• FTP:
- FTP এর পূর্ণনাম হলো File Transfer Protocol.
- এটি একটি TCP/IP প্রোটোকল যা দুটো কম্পিউটার সিস্টেমের মধ্যে ডেটা স্থানান্তরের সুযোগ করে দেয়। 
- ইন্টারনেট বা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে FTP এর সাহায্যে এক ধরনের কম্পিউটার অন্য আরেক ধরনের কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগ করতে পারে। 

• TCP/IP:
- TCP/IP এর পূর্ণরূপ Transmission Control Protocol/Internet Protocol.
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটার কমান্ড এবং ডাটা আদান-প্রদানের TCP/IP প্রোটোকল ব্যবহার করে।
- ইন্টারনেটে যেকোনো কম্পিউটার আরেকটি কম্পিউটারে সাথে সহজেই সংযোজিত হতে পারে।

• DNS:
- যে পদ্ধতিতে ডোমেইন নেইমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে ডোমেইন নেইম সিস্টেম বলে।
- DNS Server ডোমেইন নেমকে আইপি অ্যাড্রেসে অনুবাদ করে। 
- DNS সার্ভারের পূর্ণরূপ Domain Name System সার্ভার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪০৭.
"ক্লায়েন্ট-সার্ভার আর্কিটেকচার" এর মূল ধারণা কী?
  1. সার্ভার সেবা প্রদান করে এবং ক্লায়েন্ট সেবা গ্রহণ করে
  2. দুই কম্পিউটার একসাথে কাজ করা
  3. একটি কম্পিউটার অন্য কম্পিউটারকে নিয়ন্ত্রণ করা
  4. দুটি কম্পিউটার একই নেটওয়ার্কে থাকা
ব্যাখ্যা

ক্লায়েন্ট-সার্ভার আর্কিটেকচার হলো একটি নেটওয়ার্ক মডেল যেখানে ক্লায়েন্ট সার্ভারে অনুরোধ পাঠায় এবং সার্ভার সেই অনুরোধ প্রক্রিয়া করে ক্লায়েন্টকে ফলাফল বা সেবা প্রদান করে। এটি একটি কেন্দ্রীভূত সিস্টেম যেখানে সার্ভার সেবা প্রদানকারী এবং ক্লায়েন্ট সেবা গ্রহণকারী।

• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক পদ্ধতিতে অন্তত একটি কম্পিউটারকে সার্ভার হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
- LAN এর ক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক ব্যবহৃত হয়।
- সার্ভারের সাথে একাধিক কম্পিউটারের সংযোগ দেওয়া হয়, এই সংযোগকৃত কম্পিউটারগুলোকে ওয়ার্কস্টেশন বা ক্লায়েন্ট বলে।
- সার্ভার ক্লায়েন্টকে সেবা প্রদান করে।
- বিভিন্ন ক্লায়েন্ট বা ওয়ার্কস্টেশন থেকে একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভারের রিসোর্স শেয়ার করতে পারে।
- এই পদ্ধতির নেটওয়ার্কিং-এর জন্য সার্ভার কম্পিউটারে নেটওয়ার্ক কেন্দ্রীক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার প্রয়োজন হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪০৮.
কোন নেটওয়ার্ক ব্যবহার করার জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়?
  1. WiMax
  2. Wi-Fi
  3. WiMax ও Wi-Fi উভয় নেটওয়ার্ক
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ওয়াই-ফাই (Wi-Fi)
আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া না হলেও Wi-Fi কে Wireless Fidelity শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে মনে করা হয়।
(Wi-Fi শব্দটি স্বত্বাধিকারী Wi-Fi Alliance নামীয় একটি সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক) প্রযুক্তিটি বর্তমান সময়ের অত্যন্ত জনপ্রিয় ওয়্যারলেস প্রযুক্তি যেটা উচ্চ গতিসম্পন্ন ইন্টারনেট ব্যবহারসহ কম্পিউটারের লােকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়ে ডেটা আদানপ্রদান করে থাকে।
এই নেটওয়ার্কের জন্য কোনাে লাইসেন্স বা কর্তৃপক্ষের অনুমােদনের প্রয়ােজন হয় না এবং
যেকোনাে মানের Wi-Fi ডিভাইস পৃথিবীর যেকোনাে জায়গায় কাজ করতে পারে।

ওয়াইম্যাক্স (WiMax) এটি দ্রুতগতির একটি যােগাযােগ প্রযুক্তি যেটি প্রচলিত DSL (Digital Subscriber Line) এবং তারযুক্ত ইন্টারনেটের পরিবর্তে ওয়্যারলেস ইন্টারনেট সুবিধা দিয়ে থাকে।
Worldwide Interoperability for Microwave Access -এর সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে WiMax
এটি সাধারণত 2 থেকে 66 Ghz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে এবং
80 Mbps থেকে 1Gbps পর্যন্ত গতিতে ডেটা ট্রান্সফার রেট প্রদানে সক্ষম।

WiMax এর প্রধান অংশ দুটি :
১. বেস স্টেশন, যেটি ইনডাের ডিভাইস এবং আউটডাের টাওয়ার নিয়ে গঠিত।
প্রতিটি বেস স্টেশনের কভারেজ এরিয়া 50 থেকে ৪0 km পর্যন্ত হয়ে থাকে।
২. অ্যান্টেনাযুক্ত WiMax রিসিভার, যা কম্পিউটারে সংযুক্ত করা হয় যেটি ওয়্যারলেস নির্ভর হওয়ায় পরিবহনযােগ্য।
এই প্রযুক্তিতে একটি একক বেস স্টেশনের মাধ্যমে বিশাল ভৌগােলিক এলাকায় হাজার হাজার ব্যবহারকারীকে ওয়্যারলেস ইন্টারনেট সুবিধা দেয়া যায়। ওয়্যারলেস হওয়ায় পাের্টেবলিটির সুবিধা পাওয়া যায় এবং এর রিসিভার সহজে বহনযােগ্য। 
এই নেটওয়ার্কের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমােদনের প্রয়ােজন হয়।
৪০৯.
প্রদত্ত চিত্রটি দ্বারা কোন নেটওয়ার্ক টপোলজিকে নির্দেশ করে?
  1. স্টার টপোলজি
  2. রিং টপোলজি
  3. মেশ টপোলজি
  4. বাস টপোলজি
ব্যাখ্যা
• নেটওয়ার্ক টপোলজি:
- নেটওয়ার্ক সিস্টেমের ফিজিক্যাল ডিভাইস বা কম্পোনেন্টগুলো যে প্রক্রিয়ায় একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে, তাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলে। 
- নেটওয়ার্ক টপোলজিতে সাধারণত নেটওয়ার্ক সিস্টেমের ফিজিক্যাল অবস্থার বর্ণনা করা হয়। 
- বিভিন্ন প্রকার নেটওয়ার্ক টপোলজি সমূহ হলো -
বাস টপোলজি 
রিং টপোলজি 
স্টার টপোলজি
ট্রি টপোলজি 
হাইব্রিড টপোলজি 
মেশ টপোলজি 

• মেশ টপোলজি:
- মেশ টপোলজির প্রত্যেকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটারের একাধিক সংযোগ ব্যবস্থা থাকে এবং প্রতিটি কম্পিউটার আলাদা লিংক ব্যবস্থাধীন থাকে।
- এ ব্যবস্থায় প্রতিটি কম্পিউটার সরাসরি যেকোন কম্পিউটারে ডাটা আদান-প্রদান করতে পারে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কভূক্ত কম্পিউটারগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সংযোগকে পয়েন্ট টু পয়েন্ট লিংক বলে।

• রিং টপোলজি:
- এ ধরনের সংগঠনে কম্পিউটারগুলো পরস্পর বৃত্তাকারে যুক্ত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে।
- প্রতিটি কম্পিউটার দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- কম্পিউটারগুলোকে এমনভাবে সংযোগ দেয়া হয় যেন রিংয়ের সর্বশেষ কম্পিউটারটি প্রথমটির সাথে যুক্ত থাকে। 

• স্টার টপোলজি:
- স্টার টপোলজিতে কম্পিউটার বা ইলেকট্রনিক ডিভাইসসমূহ একটি হাব বা সুইচের মাধ্যমে যুক্ত থাকে। 
- হাব বা সুইচের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক ডিভাইস সমূহ যোগাযোগ ও ডেটা আদান-প্রদান করে থাকে।
- হাব অচল হয়ে হয়ে গেলে সম্পূর্ন নেটওয়ার্ক অকেজো হয়ে যায়। 
- যেকোন মুহূর্তে নতুন কম্পিউটার যুক্ত করা যায়।
- এই সিস্টেমে সমস্যা নির্ণয় করা তুলনামূলক সহজ। 
- কোন একটি কম্পিউটার নষ্ট হয়ে গেলে ডেটা ট্রান্সফারে কোন সমস্যা সৃষ্টি হয়না। 
- এই নেটওয়ার্ক সিস্টেমে খুব সহজেই সমস্যায় আক্রান্ত কম্পিউটারটিকে সরিয়ে নেওয়া যায়।
- এই সিস্টেমে অনেক বেশি ক্যাবল ব্যবহৃত হয় বলে খরচের পরিমান বেশি। 
- কম্পিউটারে সংখ্যা খুব বেশি বৃদ্ধি করলে ডেটা ট্রান্সফার স্পীড কমে যায়।

• বাস টপোলজি:
- যে টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে।
- একে অনেক সময় লিনিয়ার বাস টপোলজিও বলা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।
৪১০.
মোবাইল যোগাযোগে BS  বলতে কি বোঝায় ?
  1. ক) Base System
  2. খ) Binary System
  3. গ) Base Station
  4. ঘ) Binary station
ব্যাখ্যা
- দুটি চলনশীল ডিভাইস অথবা একটি চলনশীল ও অন্যটি স্থির ডিভাইসের মধ্যে ডেটা ও তথ্য আদান প্রদান করার লক্ষ্যে ডিজাইনকৃত সিস্টেমকে মোবাইল টেলিফোন সিস্টেম বলে।
- চলনশীল ডিভাইসকে মোবাইল স্টেশন (Mobile Station বা MS) অথবা মোবাইল ইউনিট বা মোবাইল সেট এবং স্থির ডিভাইসকে Land unit বলা হয়।
- মোবাইল সেবা প্রদানকারী বা সার্ভিস প্রোভাইডার তার আওতাধীন এলাকাকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করে। প্রতিটি ভাগকে একটি সেল (Cell) বলে। এই সেল থেকেই সেলুলার ফোন নামে মোবাইল ফোনের আরেকটি নামকরণ করা হয়েছে।
- একটি এ্যান্টেনা এবং একটি ছোট অফিস নিয়ে একটি সেল গঠিত হয়, এ্যান্টেনাসহ ছোট অফিসকে বলে বেস স্টেশন (Base Station বা BS)।
- প্রতিটি বেস স্টেশন কন্ট্রোল করা হয় মোবাইল সুইচিং সেন্টার দ্বারা যেখান থেকে কল সংযোগ, কল ইনফরমেশন রেকর্ডিং, বিলিং সিস্টেম কম্পিউটারাইজড পদ্ধতিতে নিয়ন্ত্রিত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
৪১১.
What is Telnet?
  1. A web browser
  2. A computer virus
  3. Software application
  4. A networking protocol
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) A networking protocol

• Telnet
- Telnet হলো একটি নেটওয়ার্কিং প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীদের দূর থেকে অন্য কম্পিউটার সিস্টেমে প্রবেশের সুযোগ দেয়।
- এটি ১৯৬০-এর শেষের দিকে ARPANET প্রকল্প থেকে উদ্ভূত হয়েছিল, যখন বিভিন্ন কম্পিউটারকে দূর থেকে সংযুক্ত করার প্রয়োজন ছিল।
- Telnet-এর প্রথম ধারণা ১৯৭১ সালে এসেছে এবং ১৯৮৩ সালে এটি বাস্তবায়িত হয়।
- এটি Network Virtual Terminal ব্যবহার করে, যা ভিন্ন ধরনের কম্পিউটারের মধ্যে সাধারণ নিয়ম প্রয়োগ করে এবং যোগাযোগের অসামঞ্জস্য দূর করে।
- প্রাথমিকভাবে Telnet ব্যবহার করা হতো যেমন: লেটিন বোর্ড সিস্টেম (BBS), লাইব্রেরির কার্ড ক্যাটালগ, এবং টেক্সট-ভিত্তিক গেমের জন্য। আজকাল এই অনেক কার্যক্রম ওয়েব-ভিত্তিক হয়ে গেছে।
- নিরাপত্তার দিক থেকে Telnet ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ এটি সব ডেটা plain text-এ প্রেরণ করে, যা হ্যাকারদের পড়ার সুযোগ দেয়। এছাড়া প্রোগ্রামের বাগ ব্যবহার করে সীমিত সিস্টেমে প্রবেশের ঝুঁকি থাকে।
- এই কারণে অনেক সিস্টেমে Telnet বন্ধ করা হয়েছে এবং Secure Shell (SSH) ব্যবহৃত হচ্ছে, যা ডেটা এনক্রিপ্ট করে নিরাপদ যোগাযোগ নিশ্চিত করে।Telnet প্রোগ্রামের বাগ ব্যবহার করে সীমাবদ্ধ সিস্টেমে প্রবেশ করতে পারে। 

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪১২.
ইন্টারনেট যোগাযোগ ব্যবস্থায় Hostname-কে IP Address-এ অনুবাদ করে -
  1. FTP Server
  2. Firewall
  3. DNS Server
  4. Gateway
ব্যাখ্যা
DNS এর পূর্ণরূপ Domain Name System। 
ডোমেন নেইম হচ্ছে ইন্টারনেটে এক বা একাধিক আইপি অ্যাড্রেসকে সনাক্তকরণের জন্য একটি অদ্বিতীয়/ইউনিক আলফানিউমেরিক (ক্যারাক্টর বা নাম্বার সম্বলিত) ঠিকানা। 

Hostname হল একটি Host কম্পিউটারের জন্য বরাদ্দকৃত ডোমেন নেম। এর দ্বারা একটি কম্পিউটারকে অদ্বিতীয়ভাবে সনাক্ত করা যায়। DNS Server মূলত Hostname-কে IP Address-এ অনুবাদ করে দেয়। 

একজন ব্যবহারকারী যখন একটি ওয়েবসাইটে ক্লিক করে, তখন এই নির্দেশ DNS Server এ গিয়ে পৌঁছায়। 
ইহা Hostname এর পরিবর্তে IP Address-এ রূপান্তর করে দেয়। 
তখনই কেবল ব্যবহারকারী ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারে।
৪১৩.
'HSPA' বাস্তবায়ন হয় মোবাইল প্রযুক্তির কোন প্রজন্মে?
  1. ক) ১ম
  2. খ) ২য়
  3. গ) ৩য়
  4. ঘ) ৪র্থ
ব্যাখ্যা
তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য
১. ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য সার্কিট সুইচিংয়ের বদলে প্যাকেট সুইচিংয়ের প্রবর্তন।
২. ভয়েস ও ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য ডিজিটাল সিস্টেমের ব্যবহার।
৩. সেল সিগন্যাল এনকোডিং বা চ্যানেল একসেস পদ্ধতি হলো TD-CDMA
৪. উচ্চগতির ডেটা স্থানান্তর (2 Mbps বা অধিক) এবং আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা ।
5. WCDMA, CDMA, HSPA, HSDPA, UMTS প্রযুক্তির ব্যবহার বিকাশ লাভ।
৬. এর ডেটা ট্রান্সফার রেট 2 Mbps-এর বেশি। খুব দ্রুত ছবি ও ভয়েস আদান-প্রদান করা যায় এবং ভিডিও কলের প্রচলন শুরু।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৪১৪.
কোন ধরনের নেটওয়ার্ক ব্রিজে LAN সরাসরি সংযুক্ত থাকে?
  1. রিমোট ব্রিজ
  2. ওয়্যারলেস ব্রিজ
  3. লোকাল ব্রিজ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ব্রিজ (Bridge):
- এক ধরনের নেটওয়ার্ক ডিভাইস, যা একাধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে থাকে।
- এর সাহায্যে ভিন্ন মাধ্যম অথবা ভিন্ন কাঠামো বিশিষ্ট একাধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করা যায়।
- তবে এর সাহায্যে ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট একাধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করা যায় না।
- ব্রিজকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. লোকাল ব্রিজ (Local Bridge):
- এটি সরাসরি LAN এর সাথে যুক্ত থাকে।

২. রিমোট ব্রিজ (Remote Bridge):
- ভৌগোলিকভাবে বিচ্ছিন্ন দু'টি অবস্থানের দু'টি ল্যান সেগমেন্টকে সংযুক্ত করে।

৩. ওয়‍্যারলেস ব্রিজ (Wireless Bridge):
- একাধিক LAN যুক্ত করা অথবা LAN এর দূরবর্তী স্টেশনকে সংযুক্ত করার জন্য ওয়ারলেস ব্রিজ ব্যবহৃত হতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
৪১৫.
Wi-Fi সিগন্যাল প্রাচীর বা আসবাবপত্র থেকে প্রতিফলিত হয়ে কোন সমস্যা সৃষ্টি করে?
  1. ব্যান্ডউইডথ বৃদ্ধি
  2. মাল্টিপাথ ইন্টারফারেন্স
  3. সিগন্যাল লুপিং
  4. কেবল ডাউনলোড ধীর হয়
ব্যাখ্যা

Wi-Fi সিগন্যাল প্রাচীর বা আসবাবপত্র থেকে প্রতিফলিত হয়ে মাল্টিপাথ ইন্টারফারেন্স সমস্যা সৃষ্টি করে.
মাল্টিপাথ ইন্টারফারেন্স (Multipath interference) হল একটি সমস্যা, যা রেডিও সিগন্যালগুলির একাধিক পথে ভ্রমণ করার কারণে ঘটে। এই পথগুলো বিভিন্ন সময়ে গ্রাহকের কাছে পৌঁছায়, যার ফলে মূল সংকেতের "ভূতুড়ে" প্রতিচ্ছবি তৈরি হয়

ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) 
- ওয়াই-ফাই হলো একটি নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি যা রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে স্বল্প দূরত্বে উচ্চ-গতির ডেটা স্থানান্তর করতে পারে।
- এটি ল্যাপটপ, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট এবং গেমিং কনসোলের মতো ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়।
- যে স্থানে ওয়াই-ফাই এর অ্যাক্সেস পাওয়া যায়, সেগুলোকে "হটস্পট" বলা হয়।
- ১৯৮৫ সালে ইউ.এস. ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশন রেডিও স্পেকট্রামের কিছু ব্যান্ড (৯০০ MHz, ২.৪ GHz, ৫.৮ GHz) লাইসেন্সবিহীন ব্যবহার করতে অনুমোদন দেয়।
- ১৯৯৭ সালে IEEE ৮০২.১১ স্ট্যান্ডার্ড অনুমোদিত হয়।
- ওয়্যারলেস ইথারনেট কম্প্যাটিবিলিটি অ্যালায়েন্স (WECA) প্রতিষ্ঠিত হয় এবং Wi-Fi নামে পরিচিতি লাভ করে।

ফ্রিকোয়েন্সি ও চ্যানেল:
- IEEE স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডগুলোকে চ্যানেলে ভাগ করা হয়।
- চ্যানেলগুলো ফ্রিকোয়েন্সিতে ওভারল্যাপ করে।
- সাধারণত Wi-Fi সিগন্যাল ১০০ মিটারের কম দূরত্বে ইন্ডোর পরিবেশে প্রেরণ করা হয়।

মাল্টিপাথ ইন্টারফারেন্স:
- দেয়াল, আসবাবপত্র ইত্যাদি থেকে সিগন্যাল প্রতিফলিত হয়ে মাল্টিপাথ ইন্টারফারেন্স সৃষ্টি করে।
- জন ও' সুলিভান এবং তার সহযোগীরা একটি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন যা এই ইন্টারফারেন্স কমাতে সাহায্য করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪১৬.
স্কুল কলেজের নেটওয়ার্ক হিসেবে নিচের কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. MAN
  2. LAN
  3. WAN
  4. PAN
ব্যাখ্যা
LAN:
- LAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Local Area Network.
- রিপিটার ব্যবহার করে এর বিস্তৃতি সর্বোচ্চ ১ কি.মি. করা যায়।
- LAN এর টপোলজি সাধারণত স্টার, বাস, ট্রি ও রিং হয়ে থাকে।
- স্কুল-কলেজ ক্যাম্পাস, বড় অফিস বিল্ডিংয়ে অথবা ব্যয়বহুল পেরিফেরাল ডিভাইসে LAN নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়।

লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সুবিধা-
১. সীমিত দূরত্বের মধ্যে এর কার্যক্রম সীমাবদ্ধ।
২. শ্রেণী সংযোগের মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো সংযুক্ত হয়।
৩. ছোট এলাকার মধ্যে এই নেটওয়ার্ক সহজেই তৈরি করা যায়।
৪. বিভিন্ন অফিসের কাজে নেটওয়ার্ক তৈরির জন্য ল্যান সবচেয়ে ভালো।
৫. নেটওয়ার্ক স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ সহজ।
৬. খরচ কম হয়।
৭. ব্যবহার করা সহজ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪১৭.
2.4 GHz ISM - ব্যান্ডটি যোগাযোগ প্রযুক্তির জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ISM-এর সঠিক সম্প্রসারিত রূপ কী?
  1. Information, Systems, and Management
  2. Industrial, Scientific, and Medical
  3. Integrated Signal Modulation
  4. Internet, Security, and Monitoring
ব্যাখ্যা
• 2.4 GHz ISM - ব্যান্ডটি যোগাযোগ প্রযুক্তির জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
- ISM-এর সঠিক সম্প্রসারিত রূপ হচ্ছে - Industrial, Scientific, and Medical.

• ব্লুটুথ:
- স্বল্প দূরত্বের ভেতর ফিক্সড ও মোবাইল ডিভাইসসমূহ থেকে তথ্য বিনিময়ের জন্য একটি প্রোপ্রায়েটারি ওপেন ওয়‍্যারলেস প্রযুক্তি স্ট্যান্ডার্ড হলো ব্লুটুথ।
- এর মাধ্যমে একটি পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) সৃষ্টি হয় যেখানে উঁচু মানের নিরাপত্তা বজায় থাকে।
- দশম শতাব্দীর ডেনমার্কের রাজা হারাল্ড ব্লুটুথ এর নাম অনুসারে এই প্রযুক্তিটির নাম ব্লুটুথ রাখা হয়েছে।
- বর্তমানে মোবাইল ফোন থেকে শুরু করে, কম্পিউটার, মেডিক্যাল ডিভাইস এবং বাসাবাড়ির বিনোদন ক্ষেত্রের অনেক ডিভাইসে ব্লুটুথ প্রযুক্তিটি ব্যবহৃত হচ্ছে।

• ব্লুটুথের বৈশিষ্ট্য:
- কাছাকাছি দুইটি ডিভাইসের মধ্যে ডাটা স্থানান্তরে ব্লুটুথ রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে।
- ওয়‍্যারলেস কমিউনিকেশনের কোন লাইসেন্স ছাড়াই 2.4 গিগাহার্টস ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ডে চলতে পারে।
- 10-100 মিটারের মধ্যে অবস্থানকারী ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।
- ইনফ্রারেড ডাটা কমিউনিকেশনের ন্যায় দেয়াল বা অন্যকোন বাধা ডাটা ট্রান্সমিশনে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে না।
- কোনো পিকোনেটে (Piconet) একটি মাস্টার সর্বোচ্চ ৭টি স্লেভের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪১৮.
মডেমের মাধ্যমে কম্পিউটারের-
  1. ইন্টারনেট লাইনের সংযোগ হয়
  2. টেলিভিশন লাইনের সংযোগ হয়
  3. রেডিও লাইনের সংযোগ হয়
  4. টেলিফোন লাইনের সংযোগ হয়
ব্যাখ্যা

মডেমের মাধ্যমে কম্পিউটারের সাথে টেলিফোন লাইনের সংযোগ সাধন হয়।

- কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগের জন্য মডেমের প্রয়োজন হয়। 
- মডেম হলো এক ধরনের হার্ডওয়ার নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা একটি কম্পিউটার স্যাটেলাইট বা টেলিফোন লাইনে ডেটা ট্রান্সমিশন এর কাজ করে। 
- একটি ক্ষুদ্র একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা মডেমের মাধ্যমে কম্পিউটারের সাথে ইন্টারনেট সংযোগ করে। 
- মডেম এমন একটি ইলেকট্রিক ডিভাইস যা ইনপুট এবং আউটপুট হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- ডেটা কমিউনিকেশন প্রক্রিয়ায় সাধারণত চার ধরনের মডেমের ব্যবহার দেখা যায়। 
যথা- Onboard Modem, Internal Modem, Removable Modem, External Modem. 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪১৯.
ব্রডব্যান্ড-এর ফ্রিকুয়েন্সি কত?
  1. 300 - 3400 Hz
  2. 1MHz - 200 MHz
  3. 200 - 3600 Hz
  4. 1MHz - 300 GHz
ব্যাখ্যা
♦ ব্যান্ডউইথ (Bandwidth):
- এক স্থান হতে অন্য স্থানে কিংবা এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে ডেটা স্থানান্তরের হারকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড বা ব্যান্ডউইড্থ বলে।
- ব্যান্ডউইডথ সাধারণত Bit per Second (bps) এ হিসাব করা হয়। একে Band Speed ও বলা হয়।
- অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয় তাকে bps বা Bandwidth বলে।
- ডেটা ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে কমিউনিকেশন গতিকে তিনভাগে ভাগ করা হয়। যথা:

১। ন্যারো ব্যান্ড (Narrow Band),
২। ভয়েস ব্যান্ড (Voice Band) ও
৩। ব্রড ব্যান্ড (Broad Band)।

- ন্যারো ব্যান্ড এর ফ্রিকুয়েন্সি 300 - 3400 Hz
- ভয়েস ব্যান্ড এর ফ্রিকুয়েন্সি 200 - 3600 Hz
- ব্রড ব্যান্ড এর ফ্রিকুয়েন্সি 1MHz - 300 GHz

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
৪২০.
ওয়াইম্যাক্সের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. কভারেজ এরিয়া ১০ থেকে ৫০ কিমি
  2. IEEE-802.16 স্ট্যান্ডার্ড নামে পরিচিত
  3. হাফ ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার হয়
  4. তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে
ব্যাখ্যা

ওয়াইম্যাক্সে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার হয়।

• ওয়াইম্যাক্স (WiMax) Worldwide Interoperability for Microwave Access:
- ওয়াইম্যাক্স হচ্ছে একটি যোগাযোগ প্রযুক্তি যা বিস্তৃত ভৌগলিক অঞ্চলে দ্রুত গতির তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে।
- এটি IEEE-802.16 স্ট্যান্ডার্ড নামে পরিচিত।

• ওয়াইম্যাক্সের বৈশিষ্ট্য:
- কভারেজ এলাকা সাধারণত ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- ডেটা ট্রান্সফারের রেট সাধারণত ৮০ এমবিপিএস থেকে ১ জিবিপিএস পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- ফুল ডুপ্লেক্সিং মোড ব্যবহার করা হয়।
- ব্যবহারকারী এবং ওয়াইম্যাক্সের বেজ স্টেশনের মধ্যে দৃষ্টিরেখা বা "Line of Sight" প্রয়োজন নেই।

উৎস:
১।তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।

৪২১.
Bluetooth কিসের উদাহরণ?
  1. Personal Area Network
  2. Local Area Network
  3. Metropolitan Area Network
  4. Wide Area Network
ব্যাখ্যা
• Bluetooth, Personal Area Network এর উদাহরণ।

• Personal Area Network (PAN):
- কোন ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান বলে।
- প্যান এর বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- প্যান USB Bus ও Fireware Bus দ্বারা সংযুক্ত হতে পারে।

• ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- Bluetooth এ Radio Frequency (RF) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- Bluetooth 2.4GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• Metropolitan Area Network:
- একটি শহরে বিভিন্ন স্থানের কম্পিউটারের মধ্যে যে সংযোগ তাকে MAN বলে।
- ১০ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে।

• Local Area Network:
- সাধারণত 1Km বা তার কম এরিয়ার মধ্যে বেশ কিছু কম্পিউটার বা অন্য কোন ডিভাইস সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয় তাকে LAN বলে।
- এটি IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ডের ভিত্তিতে নির্মিত।

• Wide Area Network:
- বিভিন্ন ভৌগোলিক দূরত্বে অবস্থিত কিছু LAN বা MAN একত্রে সংযুক্ত হয়ে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪২২.
নিচের কোনটি কম্পিউটার নেটয়ার্ক তৈরিতে ব্যবহৃত হয় না?
  1. হাব
  2. গেটওয়ে
  3. সুইচ
  4. সবগুলো নেটওয়ার্কিং ডিভাইস
ব্যাখ্যা
নেটওয়ার্ক তৈরিতে একটি কম্পিউটার ছাড়াও আরো অনেক ডিভাইস এর প্রয়োজন হয়।
যেমন-নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড , মডেম, হাব, সুইচ, রাউটার, গেটওয়ে ইত্যাদি।
এই ডিভাইসগুলোকে নেটওয়ার্কিং ডিভাইস বলে।
উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
৪২৩.
ন্যারো ব্যান্ডের সর্বোচ্চ গতি কত?
  1. ৩০০ bps
  2. ৬০০ bps
  3. ৯৬০০ bps
  4. ১০০০ bps
ব্যাখ্যা
• ডাটা ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে ব্যান্ডউইডথকে তিনভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। ন্যারো ব্যান্ড:
- ন্যারো ব্যান্ড সাধারণত ৪৫ থেকে ৩০০ bps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- ধীর গতি ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়। যেমন- টেলিগ্রাফিতে উক্ত ব্যান্ডকে ব্যবহার করা হয়।

২। ভয়েস ব্যান্ড:
- এই ব্যান্ডের ডাটা গতি ৯৬০০ bps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- এটি সাধারণত টেলিফোনে বেশি ব্যবহার করা হয়।
- তবে কম্পিউটার ডাটা কমিউনিকেশনে কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কিংবা কার্ড রিডার থেকে কম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই ব্যান্ডউইডথ ব্যবহার করা হয়।

৩। ব্রড ব্যান্ড:
- ব্রড ব্যান্ড উচ্চগতি সম্পন্ন ডাটা স্থানান্তর ব্যান্ডউইড্থ যার গতি কমপক্ষে এক মেগা বিট পার সেকেন্ড Mbps হতে অত্যন্ত উচ্চ গতি পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- সাধারণত কো-এক্সিয়াল ক্যাবল ও অপটিক্যাল ফাইবারে ডাটা স্থানান্তরে ব্রডব্যান্ড ডাটা ট্রান্সমিশন ব্যবহার করা হয়।
- তাছাড়া স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন এবং মাইক্রোওয়েভ কমিউনিকেশনেও এই ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪২৪.
What is the purpose of an IP address?
  1. To increase computer speed
  2. To store data
  3. To uniquely identify each device
  4. To boost computer performance
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) To uniquely identify each device 

IP Address
- IP ঠিকানা (IP Address) হলো ইন্টারনেটে প্রতিটি কম্পিউটার বা ডিভাইসকে অনন্যভাবে চিহ্নিত করার জন্য ব্যবহৃত একটি সংখ্যা।
- একটি কম্পিউটারের IP ঠিকানা স্থায়ী হতে পারে অথবা প্রতি সংযোগে ISP দ্বারা সরবরাহ করা হতে পারে।
- ইন্টারনেটে সংযুক্ত ডিভাইসের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে, ৩২-বিট প্রোটোকল IPv4 (৪ বিলিয়নের বেশি ঠিকানা সমর্থন) কে ১৯৯৯ সালে ১২৮-বিট প্রোটোকল IPv6 ২১২৮ (৩.৪ × ১০৩৮ এর বেশি ঠিকানা সমর্থন) দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়।
- IP ঠিকানা ব্লকিং (IP Blocking) বা IP banning হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক কনফিগারেশন, যেখানে নির্দিষ্ট IP ঠিকানার অনুরোধগুলো বাতিল করা হয়।

IP Address এর উদ্দেশ্য:

- অনলাইন আচরণের মান বজায় রাখা (যেমন, স্কুলের শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে প্রবেশ সীমিত করা)।
- নেটওয়ার্ককে আক্রমণ থেকে রক্ষা করা।
- তথ্যের অ্যাক্সেস সীমিত বা সেন্সর করা। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪২৫.
দুই নেটওয়ার্কের মাঝে কোনটি থাকে?
  1. ক) ফার্মওয়্যার
  2. খ) ডাইনামিক র‍্যাম
  3. গ) মাইক্রো প্রসেসর
  4. ঘ) ফায়ারওয়াল
ব্যাখ্যা
ফায়ারওয়াল বাইরের আক্রমণ থেকে কম্পিউটারকে রক্ষা করার জন্য হার্ডওয়্যার আর সফটওয়্যার এর মিলিত প্রয়াস। এটি এমন এক সফটওয়্যার বা হার্ডওয়্যার ব্যবস্থা যা নির্দিষ্ট নেটওয়ার্কে ডেটার প্রবেশ ও বহির্গমন ফিল্টারিং করে নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। এটি নেটওয়ার্ককে হ্যাকিং কিংবা অনাদিষ্ট প্রবেশ থেকে রক্ষা করে।
ফায়ারওয়াল হলো এক বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা যাতে এক নেটওয়ার্ক থেকে আরেক নেটওয়ার্কে ডেটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা যায়। দুই নেটওয়ার্কের মাঝে এই ফায়ারওয়াল থাকে। যাতে এক নেটওয়ার্ক থেকে আরেক নেটওয়ার্কে কোন ডেটা পরিবাহিত হলে সেটিকে অবশ্যই ফায়ারওয়াল অতিক্রম করতে হয়।
৪২৬.
সার্কিট সুইচিং ও প্যাকেট সুইচিং-এর পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) নির্ভর নেটওয়ার্ক ব্যবহার শুরু হয় কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোনে?
  1. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  2. তৃতীয় প্রজন্ম
  3. চতুর্থ প্রজন্ম
  4. পঞ্চম প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে। যথা -
১. প্রথম প্রজন্ম (1979 - 1990):
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) প্রথম বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।
- চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্দতি হলো FDMA
- অর্ধপরিবাহী মেমোরি এবং মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার হতো।

২. দ্বিতীয় প্রজন্ম (1991 - 2000):
- ১৯৯০ সালে GSM এবং CDMA স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল সিস্টেমের যাত্রা শুরু হয়।
- এতে ডিজিটাল ট্রান্সমিশন সিস্টেমের ব্যবহার চালু হয় এবং ভয়েস ও ডেটা প্রেরণ সম্ভব হয়। 
- দ্বিতীয় প্রজন্মকে ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয়ে থাকে। 
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইলে প্রিপেইড পদ্ধতি, এসএমএস, এমএমএস, টেক্সট মেসেজিং ব্যবস্থা সেবা চালু হয়। 
- ভয়েস প্রেরণের সুবিধা চালু হয়। 
- মোবাইল ফোনে পেমেন্ট সিস্টেমের প্রবর্তন হয়। 
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা এবং মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার সুবিধা চালু হয়।

৩. তৃতীয় প্রজন্ম (2001 - 2008):
- ২০০১ সালে জাপানে এনটিটি ডোকোমো (DoCoMo) WCDMA প্রযুক্তি ব্যবহার করে 3G নেটওয়ার্ক চালু করে।
- ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য সার্কিট সুইচিংয়ের বদলে প্যাকেট সুইচিংয়ের প্রবর্তন হয়।
-এই প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ডেটা ট্রান্সফার রেট 2 Mbps-এর বেশি। খুব দ্রুত ছবি ও ভয়েস আদান-প্রদান এবং ভিডিও কলের প্রচলন শুরু হয়।

৪. চতুর্থ প্রজন্ম (2009 - 2020):
- সার্কিট সুইচিং বা প্যাকেট সুইচিং-এর পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) নির্ভর নেটওয়ার্ক ব্যবহার শুরু হয়।
- ডেটা ট্রান্সফার রেট 3G এর চেয়ে প্রায় ৫০ গুণ বেশি

৫. পঞ্চম প্রজন্ম (2020 - বর্তমান):
- প্রাথমিকভাবে দক্ষিণ কোরিয়া প্রথম ২০১৮ সালের অলিম্পিক গেমসে সফলভাবে 5G নেটওয়ার্ক প্রদর্শনে সফলতা দেখিয়েছে। 
- ২০২১ সালে বিশ্বের ৬০টিরও বেশি দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশেও পরীক্ষামুলকভাবে কয়েকটি স্থানে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বা 5জি চালু হয়েছে।
- এই প্রজন্মের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক সংক্ষেপে WWWW (World Wide Wireless Web) নামে পরিচিত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি।
৪২৭.
একটি পিকোনেটে মোট কতটি Slave নোড থাকতে পারে?
  1. ক) 248 টি
  2. খ) 254 টি
  3. গ) 255 টি
  4. ঘ) 256 টি
ব্যাখ্যা
একটি পিকোনেটে মোট 255টি Slave নোড থাকতে পারে
• পিকোনেট:
ব্লুটুথ প্রযুক্তির মাধ্যমে যে নেটওয়ার্ক তৈরি হয়, তাকে পিকোনেট বলে।
• ব্লুটুথ (Bluetooth): স্বল্প দূরত্বের ভেতর ফিক্সড ও মোবাইল ডিভাইসসমূহ থেকে তথ্য বিনিময়ের জন্য একটি প্রোপ্রায়েটারি ওপেন ওয়্যারলেস প্রযুক্তি স্ট্যান্ডার্ড হলো ব্লুটুথ। এর মাধ্যমে একটি পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) সৃষ্টি হয় যেখানে উঁচু মানের নিরাপত্তা বজায় থাকে।
- বর্তমানে মোবাইল ফোন থেকে শুরু করে, কম্পিউটার, মেডিক্যাল ডিভাইস এবং বাসা বাড়ির বিনোদন ক্ষেত্রের অনেক ডিভাইসে ব্লুটুথ প্রযুক্তিটি ব্যবহৃত হচ্ছে। 
- একটি পিকোনেটে মোট ২৫৫টি স্লেভ নোড থাকে, তবে আটটি স্লেভের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে এবং অবশিষ্ট নোডগুলো নিষ্ক্রিয় থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪২৮.
কম্পিউটার ফায়ারওয়াল এর কাজ -
  1. ক) কম্পিউটারে গতিশীলতা প্রদান করে।
  2. খ) ডেটা সংরক্ষণ করে।
  3. গ) গাণিতিক যুক্তি সম্পাদনে কাজ করে।
  4. ঘ) ইন্টারনেট ব্যবহারে সুরক্ষা প্রদান করে।
ব্যাখ্যা
ফায়ারওয়াল ইন্টারনেট ব্যবহারে সুরক্ষা প্রদান করে। 

- ফায়ারওয়াল হচ্ছে একটি শক্তিশালী কম্পিউটার সুরক্ষা প্রণালী যেখানে প্রতিটি ধরনের কম্পিউটার ডিভাইস এবং নেটওয়ার্ক গুলোকে হ্যাকার ম্যালওয়্যার এবং ভাইরাস থেকে সুরক্ষা প্রদান করে থাকে।
- প্রতিটি কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কে নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে, কেউ যেন সেই নিরাপত্তার দেয়াল ভেঙে ঢুকতে না পারে তার চেষ্টা করা হয়।
- নিরাপত্তার এ অদৃশ্য দেয়ালকে ফায়ারওয়াল (Firewall) বলে।

সূত্র- Computer Hope Website [লিঙ্ক]
৪২৯.
MICR consists of ____ groups of numbers.
  1. ক) two
  2. খ) three
  3. গ) four
  4. ঘ) five
ব্যাখ্যা
MICR stands for Magnetic Ink Character Recognition
Magnetic ink character recognition (MICR) is a technology used primarily to identify and process checks.
The MICR on a check is the string of characters that appears at the bottom left of the check.
It consists of three groups of numbers, including the bank routing number, the account number, and the check number.

Source: investopedia.com
৪৩০.
শহরের ক্যাবল নেটওয়ার্ক কোন ধরনের নেটওয়ার্কের উদাহরণ?
  1. LAN
  2. MAN
  3. PAN
  4. WAN
ব্যাখ্যা

শহরের ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক MAN এর উদাহরণ।

• মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (MAN):
- MAN এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Metropolitan Area Network.
- একটি শহরে বিভিন্ন স্থানের কম্পিউটারের মধ্যে যে সংযোগ তাকে MAN বলে।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কের জন্য মিডিয়া হিসাবে টেলিফোন লাইন, মডেম ও আনুসঙ্গিক যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয়।
- সাধারণত কোন ব্যাংক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শাখা অফিসের মধ্যে যোগাযোগ এর জন্য এই ধরনের নেটওয়ার্ক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া কোনো শহরের ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক MAN এর উদাহরণ।
- ১০ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৩১.
'NPSB' হলো এক ধরণের -
  1. ক) Local Area Network
  2. খ) ATM sharing network
  3. গ) Personal Area Network
  4. ঘ) Wide Area Network
ব্যাখ্যা
National Payment Switch Bangladesh (NPSB) is a domestic ATM sharing network governed by the Bangladesh Bank.
Through this network, NPSB member bank's customers are to perform ATM transactions at other NPSB member banks' ATM terminals using their Debit/Credit/ATM cards.

Source: hsbc.com.bd
৪৩২.
Bluetooth -এর মাধ্যমে কোন ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা যায়?
  1. ক) PAN
  2. খ) LAN
  3. গ) WAN
  4. ঘ) MAN
ব্যাখ্যা
- ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনে অনেক ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
যেমন- রেডিও কমিউনিকেশন, সেলুলার নেটওয়ার্ক, ব্লুটুথ, ওয়াই-ফাই ইত্যাদি।

ব্লুটুথ:
- স্বল্প দূরত্বের ভেতর ফিক্সড ও মোবাইল ডিভাইসসমূহ থেকে তথ্য বিনিময়ের জন্য একটি প্রোপ্রায়েটারি ওপেন ওয়্যারলেস প্রযুক্তি স্ট্যান্ডার্ড হলো ব্লুটুথ।
- ব্লুটুথ এর মাধ্যমে একটি পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) সৃষ্টি হয় যেখানে উঁচু মানের নিরাপত্তা বজায় থাকে। 
- বর্তমানে মোবাইল ফোন থেকে শুরু করে, কম্পিউটার, মেডিক্যাল ডিভাইস এবং বাসাবাড়ির বিনোদন ক্ষেত্রের অনেক ডিভাইসে ব্লুটুথ প্রযুক্তিটি ব্যবহৃত হচ্ছে।
- এর মাধ্যমে ডিভাইসগুলোকে সংযুক্ত করতে এখন আর ক্যাবল সংযোগের প্রয়োজন পড়ছে না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪৩৩.
কোন নেটওয়ার্ক সর্বাধিক এলাকা জুড়ে বিস্তৃত থাকে?
  1. WAN
  2. LAN
  3. PAN 
  4. MAN 
ব্যাখ্যা

• সবচেয়ে বিস্তৃত কভারেজের নেটওয়ার্ক হলো WAN.

• WAN:
- WAN এর পূর্ণরূপ Wide Area Network.
- অনেক বড় ভৌগোলিক বিস্তৃতিতে অবস্থিত LAN, MAN, কম্পিউটার ও বিভিন্ন ডিভাইসের সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে WAN বলা হয়।
- WAN এর বিস্তৃতি সারা দেশ বা সমগ্র পৃথিবী জুড়ে হতে পারে।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বর WAN এর উদাহরণ হলো ইন্টারনেট।
- এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ই-মেইল আদান-প্রদান করা, বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করা, ফাইল ডাউনলোড, অনলাইন শপিং ইত্যাদি করা যায়।
- উদাহরণ: ইন্টারনেট, ব্যাংকের আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক, মোবাইল অপারেটরের নেটওয়ার্ক।

• LAN:
- LAN এর পূর্ণরূপ হলো Local Area Network.
- LAN এর মাধ্যমে 1Km বা তার কম দূরত্বের ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।
- উদাহরণ: স্কুলের কম্পিউটার ল্যাব নেটওয়ার্ক।

• PAN:
PAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Personal Area Network.
- কোনো ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান বলে।
- PAN এর বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- ব্যক্তিগত ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগ (যেমন: ব্লুটুথ, ইনফ্রারেড)।

• MAN:
- MAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Metropolitan Area Network
- একই শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারসমূহ বিভিন্ন ডিভাইস ও LAN গুলোর সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে MAN বলা হয়।
- MAN এর ক্ষেত্রে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত টেলিফোন লাইন, মডেম বা মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করা হয়।
- উদাহরণ: ঢাকা শহরের ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৪৩৪.
ওয়্যারলেস মডেম কোন ধরনের মডেম এর উদাহরণ?
  1. ক) Onboard Modem
  2. খ) Internal Modem
  3. গ) Removable Modem
  4. ঘ) External Modem
ব্যাখ্যা
External Modem হল ওয়্যারলেস মডেম এর উদাহরণ।

External Modem মানে বাহ্যিক মডেম। এ মডেমটি ক্যাবলের মাধ্যমে কমপিউটারের সিস্টেমের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে । ইন্টারনাল মডেমের ঠিক বিপরীত  হচ্ছে এক্সটার্নাল মডেম। 

Modem এর সুবিধা- 
• মডেমের মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগ ব্যাবহার করে গোটা বিশ্বে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটিয়েছে।
• Modem এর স্পীড আপনি যে রকম খরচ করবেন সেটার উপর নির্ভর করে।
• digital থেকে analogue ও analogue থেকে digital সিগনালে রূপান্তরিত করতে সাহায্য করে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
 


৪৩৫.
ভিন্ন ভিন্ন প্রোটোকলবিশিষ্ট নেটওয়ার্কসমূহকে একত্রে যুক্ত করার জন্য কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ব্রিজ
  2. গেটওয়ে
  3. সুইচ
  4. হাব
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: খ) গেটওয়ে।
গেটওয়ে হলো এমন একটি নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক আর্কিটেকচার বা প্রোটোকল বিশিষ্ট দুটি নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। এটি ডাটা প্যাকেটকে এক প্রোটোকল থেকে অন্য প্রোটোকলে রূপান্তর বা ট্রান্সলেশন করতে পারে।

​• গেটওয়ে (Gateway):
- গেটওয়ে একটি নেটওয়ার্ককে আরেকটি নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে।
ইহা বিভিন্ন প্রোটোকলগুলোকে জড়ো করে বিভিন্ন এপ্লিকেশনের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- একটি প্রোটোকল এর সাথে অন্য একটি প্রোটোকল যুক্ত করতে হলে গেটওয়ে ব্যবহার করতে হয়।

গেটওয়ের সুবিধাসমূহ-
১. গেটওয়ে ডেটার সংঘর্ষ বা কলিশন সম্ভাবনা কমায়।
২. গেটওয়ের মাধ্যমে নানারকম নেটওয়ার্ক বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত হতে পারে।

গেটওয়ের অসুবিধাসমূহ-
১. এটি ধীরগতি সম্পন্ন।
২. এর কনফিগারেশন তুলনামূলক জটিল।

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪৩৬.
একটি শহর বা কয়েকটি শহরের মধ্যে বিস্তৃত নেটওয়ার্ককে কী বলা হয়?
  1. PAN

  2. LAN
  3. MAN
  4. WAN
ব্যাখ্যা

একটি শহর বা কয়েকটি শহরের মধ্যে বিস্তৃত নেটওয়ার্ককে মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।

মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের চেয়ে কিছুটা বৃহৎ অঞ্চল জুড়ে যে নেটওয়ার্ক থাকে তাকে মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- LAN এর চেয়ে বড় পরিসরে ব্যবহৃত।
- একটি শহর বা কয়েকটি শহরের মধ্যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- উচ্চ গতির ডেটা আদান-প্রদান সম্ভব।
- সাধারণত টেলিফোন কোম্পানির ক্যাবল বা নিজস্ব ক্যাবল ব্যবহার করে।
- উদাহরণ: ঢাকা শহরের বিভিন্ন অফিসে যুক্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।

নেটওয়ার্কের কাজ ও গঠন অনুসারে নেটওয়ার্ককে চারভাগে ভাগ করা যায়।
১। পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (Personal Area Network - PAN),
২। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network - LAN),
৩। মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক (Metropolitan Area Network - MAN),
৪। ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wide Area Network - WAN).

• পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- ব্যক্তিগত পর্যায়ে নেটওয়ার্ক তৈরির কৌশলকে বলা হয় পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (PAN)।
- পার্সোনাল কম্পিউটার ডিভাইসসমূহের মধ্যে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- খরচ তুলনামূলক কম।
- দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্ক যে কোন জায়গায় তৈরি করা যায়।
- ব্যাপ্তি সাধারণত ১০ মিটারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
- উদাহরণ: ব্লুটুথ হচ্ছে এক ধরনের PAN নেটওয়ার্ক।

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- যেসব নেটওয়ার্ক খুব কাছাকাছি অবস্থিত কম্পিউটার সমূহ ও যন্ত্রপাতির মধ্যে করা হয়ে থাকে তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলা হয়।
- ছোট পরিসরে ব্যবহৃত হয়।
- একাধিক ডিভাইস একসঙ্গে যুক্ত থাকে।
- রিপিটার, হাব, নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC) ইত্যাদি LAN-এর উপযোগী ডিভাইস ব্যবহার হয়।
- দ্রুত গতির ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব।
- উদাহরণ: একটি অফিস, স্কুলের কম্পিউটার ল্যাব, বাড়ির অভ্যন্তরীন নেটওয়ার্ক।

• মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের চেয়ে কিছুটা বৃহৎ অঞ্চল জুড়ে যে নেটওয়ার্ক থাকে তাকে মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- LAN এর চেয়ে বড় পরিসরে ব্যবহৃত।
- একটি শহর বা কয়েকটি শহরের মধ্যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- উচ্চ গতির ডেটা আদান-প্রদান সম্ভব।
- সাধারণত টেলিফোন কোম্পানির ক্যাবল বা নিজস্ব ক্যাবল ব্যবহার করে।
- উদাহরণ: ঢাকা শহরের বিভিন্ন অফিসে যুক্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।

• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- বিশাল ভৌগলিক এলাকার মধ্যে একাধিক ল্যান বা ম্যান নিয়ে গড়ে ওঠে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- সবচেয়ে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক।
- টেলিফোন লাইন বা স্যাটেলাইট ব্যবহৃত হয়।
- গেটওয়ে ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা হয়।
- উদাহরণ: ইন্টারনেট, ই-মেইল ইত্যাদি সুবিধা দেয়।

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪৩৭.
নিচের কোন নেটওয়ার্কটির বিস্তৃতি সর্বোচ্চ ১ কি.মি.?
  1. LAN
  2. MAN
  3. PAN
  4. WAN
ব্যাখ্যা
• Local Area Network (LAN): 
- রিপিটার ব্যবহার করে এর বিস্তৃতি সর্বোচ্চ ১ কি.মি. করা যায়।
- LAN এর টপোলজি সাধারণত স্টার, বাস, ট্রি ও রিং হয়ে থাকে।
- যেমন: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।

• Personal Area Network (PAN): 
- ব্যক্তিগত ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- PAN এর ব্যাপ্তি বা পরিসীমা ১০ মিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ ।
- যেমন: ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, ওয়েব ক্যামেরা, সাউন্ড সিস্টেম, পিডিএ, মোবাইল স্ক্যানার ও প্রিন্টার ইত্যাদি।

• Metropolitan Area Network (MAN): 
- একটি শহর বা ছোট অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত এলাকাকে বুঝায়।
- এটির নেটওয়ার্ক বিস্তৃতি  LAN এর চেয়ে বড় কিন্তু WAN এর চেয়ে ছোট।
- যেমন: ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক, ফ্যাক্টরি, ওয়্যারহাউজ, বিক্রয়কেন্দ্র ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।

• Wide Area Network (WAN): 
- বড় এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্কের ব্যবস্থা করা হয়।
- পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারদের মধ্যে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলাই  WAN নামে পরিচিত।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় WAN এর উদাহরণ হলো ইন্টারনেট।

সোর্স:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪৩৮.
সর্বপ্রথম ওয়্যারলেস টেলিগ্রাফের মাধ্যমে যোগাযোগ করেন-
  1. ক) Guglielmo Marconi
  2. খ) Alfred Consortium
  3. গ) Maechal Robertson
  4. ঘ) Robert Millard
ব্যাখ্যা
কোন প্রকার তার ব্যবহার না করেই তথ্য আদান প্রদান তথা যোগাযোগ করার পদ্ধতিকে ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন সিস্টেম বলে। ১৯০১ সালে ইটালিয়ান পদার্থবিদ Guglielmo Marconi জাহাজ থেকে সমুদ্র উপকূলে মোর্শ কোড ব্যবহার করে সর্বপ্রথম ওয়্যারলেস টেলিগ্রাফের মাধ্যমে যোগাযোগ করেন। উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪৩৯.
https://www.abcd.com/collection/latest আন্ডারলাইন করা অংশটি কী নির্দেশ করে?
  1. ক) প্রোটোকল
  2. খ) হোস্ট নেইম
  3. গ) ডিরেক্টরী পাথ
  4. ঘ) ডোমেইন নেইম
ব্যাখ্যা
প্রোটোকল(Protocol):
- এখানে https: হল ইন্টারনেট প্রোটোকল। কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও টেলিকমিউনিকেশনে ডেটা আদান-প্রদানে ব্যবহৃত নিয়ম-নীতিকে প্রোটোকল বলে।

হোস্ট নেইম(Host Name):
- ডোমেইনের আওতাভুক্ত কোন কম্পিউটারকে নির্দেশ করার জন্য যে নাম ব্যবহার করা হয় তা হোস্ট নেইম হিসেবে পরিচিত। এখানে abcd হলো হোস্ট।

ডিরেক্টরী পাথ(Directory Path):
- হোস্ট কম্পিউটারের নির্দিষ্ট ফাইলের পাথকে ডিরেক্টরী পাথ বলে। এখানে /collection/latest হলো ডিরেক্টরী পাথ যা সরাসরি abcd এর latest পেইজে নিয়ে যাবে।

ডোমেইন নেইম(Domain Name):
- ইন্টারনেটে এক বা একাধিক আইপি অ্যাড্রেসকে সনাক্তকরণের জন্য একটি অদ্বিতীয় আলফানিউমেরিক ঠিকানাকে ডোমেইন নেইম বলে। এখানে .com হলো ডোমেইন নেইম যা দ্বারা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বুঝায়।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের ICT বই। প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪৪০.
সিনক্রোনাইজেশনের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতি কয় ধরনের?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা

সিনক্রোনাইজেশনের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
১। অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Asynchronous Transmission)
২। সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Synchronous Transmission) ও
৩। আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশন(Isochronous Transmission)
সূত্রঃ একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি - প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান

৪৪১.
ওয়াই-ফাই উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগ করে কোনটি ব্যবহাররের মাধ্যমে?
  1. মাইক্রো ওয়েভ
  2. রেডিও ওয়েভ
  3. সাউন্ড ওয়েভ
  4. মিডিয়া ওয়েভ
ব্যাখ্যা
• রেডিও ওয়েভ ব্যবহাররের মাধ্যমে ওয়াই-ফাই উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগ করে।

• ওয়াই-ফাই:

- Wi-Fi শব্দের অর্থ হলো Wireless Fidelity.
- Wi-Fi শব্দটি Wi-Fi Alliance নামীয় স্বত্বাধিকারী সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক।
- ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গকে ব্যবহার করে থাকে।
- ওয়াই-ফাই একটি ওয়ারল্যাস তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড, যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- ইন্টারনেট অ্যাকসেসের জন্য Wi-Fi নেটওয়ার্কযুক্ত এলাকাকে হটস্পট বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর কভারেজ এরিয়া ৫০ থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ওয়াই-ফাই এর জনক ভিক্টর ভিক হেরেস।
- ওয়াই-ফাই এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.4 GHz - 5 GHz
- ওয়াই-ফাই এর ওয়্যারলেস অ্যকসেস পয়েন্ট হলো রাউটার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৪৪২.
WLAN তৈরিতে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ওয়াইম্যাক্স
  2. ওয়াইফাই
  3. ব্লুটুথ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ওয়াইম্যাক্স WMAN তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
ব্লুটুথ WPAN তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
ওয়াইফাই WLAN তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
৪৪৩.
What is the most common type of topology used in LANs?
  1. ক) Star
  2. খ) Bus
  3. গ) Ring
  4. ঘ) Mesh
ব্যাখ্যা
- The most common type of topology used in LANs is the star topology.
- In this configuration, all devices are connected to a central hub, which acts as a central point of communication.
- This allows for easy expansion and management of the network.

Reference: www.cisco.com
৪৪৪.
কোন প্রযুক্তি PAN-এ সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়?
  1. WAN routers 
  2. Fiber optic cable
  3. Satellite 
  4. Bluetooth
ব্যাখ্যা

• PAN বা Personal Area Network হলো ব্যক্তিগত বা সীমিত এলাকার ডিভাইস সংযোগের জন্য ব্যবহৃত নেটওয়ার্ক। এর মধ্যে ল্যাপটপ, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট বা হেডফোনের মতো ডিভাইস সংযুক্ত থাকে। PAN-এ সাধারণত সংক্ষিপ্ত দূরত্বের ওয়্যারলেস প্রযুক্তি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। এই ক্ষেত্রে Bluetooth প্রযুক্তি অন্যতম প্রধান মাধ্যম, কারণ এটি কম শক্তি ব্যবহার করে ডিভাইসগুলিকে একে অপরের সাথে সংযুক্ত করতে পারে। অন্য প্রযুক্তিগুলো যেমন WAN routers, fiber optic cable বা satellite বেশি দূরত্বের নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেট সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়, PAN-এর সীমিত দূরত্ব এবং ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য Bluetooth সবচেয়ে উপযুক্ত। তাই PAN-এ সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রযুক্তি হলো Bluetooth।
 
Personal Area Network (PAN):
- কোন ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান বলে।
- প্যান এর বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- প্যান USB Bus ও Fireware Bus দ্বারা সংযুক্ত হতে পারে।
- প্যানে ব্যবহৃত ডিভাইসগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ডিভাইস হচ্ছে- ল্যাপটপ, মোবাইল, প্রিন্টার ইত্যাদি।

ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- Bluetooth এ Radio Frequency (RF) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- Bluetooth 2.4GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৪৫.
ওয়াই-ফাই এর জনক কে?
  1. মার্শাল ম্যাকলুহান
  2. জন মাউসলি
  3. ভিক্টর ভিক হেরেস
  4. এইচ এডোয়ার্ড রবার্ট
ব্যাখ্যা
• ওয়াই-ফাই (Wi-Fi): 
- Wi-Fi শব্দের পূর্ণ অর্থ হলো Wireless Fidelity (ওয়্যারলেস ফিডেলিটি)। 
- Wi-Fi শব্দটি Wi-Fi Alliance নামীয় স্বত্বাধিকারী সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক।
- ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গকে ব্যবহার করে থাকে।
- ওয়াই-ফাই একটি ওয়ারল্যাস তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড, যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত। 
- ইন্টারনেট অ্যাকসেসের জন্য Wi-Fi নেটওয়ার্কযুক্ত এলাকাকে Hotspot বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর জনক ভিক্টর ভিক হেরেস।
- ওয়াই-ফাই এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.4 GHz - 5 GHz
- ওয়াই-ফাই এর ওয়্যারলেস অ্যকসেস পয়েন্ট হলো রাউটার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৪৪৬.
ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশনের জন্য মিডিয়া হিসেবে নিচের কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. রেডিও
  2. স্যাটেলাইট
  3. ফাইবার অপটিক
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• বিভিন্ন ধরনের কমিউনিকেশন সিস্টেম:

• ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশন:
- বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে যে যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করা হয় তাকে ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশন বলে।
- ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশনের জন্য মিডিয়া হিসেবে ব্যবহার করা হয়- রেডিও, টেলিভিশন, ফাইবার অপটিকস, ফ্যাক্স, স্যাটেলাইট ইত্যাদি।

• টেলিকমিউনিকেশন:
- দূরবর্তী যোগাযোগের জন্য টেলিফোন ব্যবহার করার মাধ্যমে যে যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করা হয় তাকে টেলিকমিউনিকেশন বলে।
- উদাহরণ- মোবাইল ফোনে দুই জনের মধ্যে কথোপকথোন।

• বায়োলজিক্যাল কমিউনিকেশন সিস্টেম:
- শরীরের বিভিন্ন অংশের মধ্যকার যোগাযোগ ব্যবস্থাকে বায়োলজিক্যাল কমিউনিকেশন সিস্টেম বলে।
- উদাহরণ- মস্তিষ্ক, স্বরযন্ত্র, কান, হাত ইত্যাদি অঙ্গের মধ্যে যোগাযোগ করা হয়।

• গ্রাফিক কমিউনিকেশন সিস্টেম:
- গ্রাফিক কমিউনিকেশন সিস্টেমে সকল ধরনের যোগাযোগ ছবি ও চিহ্নের মাধ্যমে ভিজুয়ালী প্রেরণ ও গ্রহণ করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪৪৭.
চতুর্থ জেনারেশনের মোবাইল প্রযুক্তির অংশ বলা হয় কোনটিকে?
  1. ক) Bluetooth
  2. খ) WiMax
  3. গ) Wifi
  4. ঘ) Radiowave
ব্যাখ্যা
ওয়াই ম্যাক্স (WiMax):
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গঠিত হয়।
- এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access (WiMax)।
- ওয়াই ম্যাক্স হচ্ছে একটি যোগাযোগ প্রযুক্তি যা বিস্তৃ ভৌগলিক অঞ্চলে দ্রুত গতির তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে।
- বর্তমানে এটি আইইইই-৮০২.১৬ (IEEE. 802.16) স্ট্যান্ডার্ড নামে পরিচিতি।
- ২০০৫ সালে ওয়াই ম্যাক্স রিভিশন ৪০ মেগাবিট/সেকেন্ড পর্যন্ত বিট রেট প্রদান করে যা ২০১১ সালে তাত্ত্বিকভাবে ১ গেগাবিট/সেকেন্ড পর্যন্ত প্রদান করতে সক্ষম হয়। - কার্যতঃ ওয়াই-ম্যাক্স ৭৫ মেগাবিট/সেকেন্ড পর্যন্ত ডেটা ট্রান্সফার রেট প্রদান করে যা সাধারণ ক্যাবল-মডেম (Cable-Modem) এর তুলনায় অপেক্ষাকৃত দ্রুত।
- একে চতুর্থ জেনারেশনের মোবাইল প্রযুক্তির অংশ বা তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির 4G ও বলা হয়

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৪৪৮.
দেশের তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন কোনটির সাথে সংযুক্ত হবে?
  1. SEA-ME-WE-8
  2. SEA-ME-WE-7
  3. SEA-ME-WE-6
  4. SEA-ME-WE-3
ব্যাখ্যা
- দেশের তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপিত হবে - কক্সবাজারে।
- দেশের তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন SEA-ME-WE-6 এর সাথে সংযুক্ত হবে।
- এটি বাস্তবায়িত হবে ২০২৪ সালে।
- এর আগে  ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখে দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন SEA-ME-WE-5 এর সাথে সংযুক্ত হয়।
- ২০০৬ সালে বাংলাদেশ প্রথম  সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন SEA-ME-WE-4 এর সাথে সংযুক্ত হয়।
- SEA-ME-WE এর পূর্নরূপ South East Asia-Middle East-Western Europe। 

উৎস: প্রথম আলো।
৪৪৯.
HTTPS এ ‘S’ দ্বারা কী বোঝায়?
  1. Server
  2. Secure
  3. System
  4. Software
ব্যাখ্যা

• HTTPS এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hyper Text Transfer Protocol Secure.

• HTTPS:
 - https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hyper Text Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- HTTPS (Hyper Text Transfer Protocol Secure) মূলত ডেটা এনক্রিপশন নিশ্চিত করে, যা ব্যবহারকারী এবং ওয়েবসাইটের মধ্যে আদান-প্রদানকৃত তথ্য (যেমন-লগইন ক্রেডেনশিয়াল, ব্যক্তিগত ডেটা, পেমেন্ট তথ্য) নিরাপদে রাখে।
- ই-কমার্সে যখন গ্রাহক অনলাইনে টাকা পরিশোধ করেন বা ব্যক্তিগত তথ্য (পাসওয়ার্ড, কার্ড নম্বর ইত্যাদি) দেন, তখন সেই ডেটাকে সুরক্ষিত রাখা অত্যন্ত জরুরি। এজন্য ব্যবহৃত হয় HTTPS (Hyper Text Transfer Protocol Secure). 
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।

৪৫০.
GSM-এ নিচের চ্যানেলগুলোর মধ্যে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. FDMA
  2. CDMA
  3. TDMA
  4. ক ও গ উভয়
ব্যাখ্যা

• GSM বা Global System for Mobile Communications হলো একটি সেলুলার নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি যা মূলত ভয়েস এবং ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য ব্যবহৃত হয়। GSM সিস্টেমে চ্যানেল ব্যবস্থাপনা করার জন্য FDMA (Frequency Division Multiple Access) এবং TDMA (Time Division Multiple Access) এই দুইটি প্রযুক্তি একত্রে ব্যবহার করা হয়। FDMA ব্যবহার করে সিস্টেম বিভিন্ন ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে চ্যানেল ভাগ করে দেয়, যাতে একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে বিভিন্ন ফ্রিকোয়েন্সিতে যোগাযোগ করতে পারে। আর TDMA ব্যবহার করে প্রতিটি ফ্রিকোয়েন্সি চ্যানেলকে বিভিন্ন টাইম স্লটে ভাগ করা হয়, যার ফলে একই ফ্রিকোয়েন্সি একাধিক ব্যবহারকারী দ্বারা সময় ভাগ করে ব্যবহার করা যায়। ফলে, GSM-এ চ্যানেল ব্যবস্থাপনার জন্য FDMA এবং TDMA উভয়ই ব্যবহৃত হয়।

জিএসএম (GSM-Global System for Mobile communication):

- ১৯৮২ সালে প্রথম নামকরণ করা হয় Group Speciale Mobile (GSM)।
- এর পর নামের ডেফিনেশন পরিবর্তন করে রাখা হয় Global System for Mobile Communications (GSM)।
- জিএসএম প্রযুক্তির তৃতীয় প্রজন্মের (Third generation) ভার্সনকে Universal Mobile Telecommunication System (UMTS) দ্বারা প্রমিতকরণ করা হয়।
- জিএসএম হচ্ছে FDMA (Frequency Division Multiple Access) এবং TDMA (Time Division Multiple Access) এর সম্মিলিত একটি চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- জিএসএম সর্বপ্রথম মোবাইল রেডিও সিস্টেমের জন্য TDMA এর উন্নয়ন সাধন করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪৫১.
ডেটাকে নেটওয়ার্কের সকল সিস্টেমে না পাঠিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠায় কে?
  1. রাউটার
  2. হাব
  3. গেটওয়ে
  4. সুইচ
ব্যাখ্যা
• রাউটার:
- রাউটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- ছোট ছোট নেটওয়ার্ক রাউটারের মাধ্যমে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে একাধিক পথ সৃষ্টি করে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন ইথারনেট, টোকেন, রিং কে সংযুক্ত করতে পারে।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

• হাব:
- হাবের মাধ্যমে কম্পিউটারসমূহ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে।
- হাবের ক্ষমতার উপর নির্ভর করে কম্পিউটারের সংযোগের সংখ্যা।
- হাবে মাল্টিপল পোর্ট থাকে।

• সুইচ:
- সুইচ একটি ডিভাইস যা নেটওয়ার্কের ডেটাকে বিভক্ত করে নেটওয়ার্কের সকল সিস্টেমে না পাঠিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠিয়ে দেয়। 
- তবে হাব প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর একই সাথে প্রত্যেকটি কম্পিউটারে পাঠায় কিন্তু সুইচ প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর টার্গেট কম্পিউটারে পাঠায়। 

• গেটওয়ে:
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়। 
- গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৫২.
What is the process of converting plaintext into unreadable code to secure data?
  1. Encryption
  2. Validation
  3. Manipulation
  4. Decryption
ব্যাখ্যা

- মূল ডাটা কে অন্য ফরমেটে পরিবর্তন করার পদ্ধতি Encryption

- এনক্রিপশন
(Encryption) হলো মূল ডেটাকে নিরাপত্তার উদ্দেশ্যে একটি গোপন, অপাঠযোগ্য বা কোডযুক্ত ফরম্যাটে রূপান্তর করার পদ্ধতি যেখানে  ডেটা সুরক্ষিত থাকে এবং শুধুমাত্র অনুমোদিত ব্যক্তিরাই তা ডিক্রিপ্ট বা পড়তে পারে।
- মেনিপুলেশন(Manipulation): ডেটা ম্যানিপুলেশন হলো ডেটাবেস বা স্প্রেডশিটে ডেটা সম্পাদনা, সাজানো বা পরিবর্তন করার প্রক্রিয়া, এটি সাধারণত ফরম্যাট পরিবর্তন করে না।
- ভ্যালিডেশন (Validation): ডেটা ভ্যালিডেশন হলো ডেটার সঠিকতা, গুণমান এবং বিশ্বস্ততা যাচাই করার প্রক্রিয়া, কোনো ফরম্যাট পরিবর্তনের পদ্ধতি নয়।
- ডিক্রিপশন (Decryption): ডিক্রিপশন হলো এনক্রিপশন পদ্ধতির বিপরীত প্রক্রিয়া; এটি এনক্রিপ্ট করা গোপন ডেটাকে আবার মূল পাঠযোগ্য ফরম্যাটে ফিরিয়ে আনে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী।

৪৫৩.
MAC Address stand for-
  1. ক) Multimedia Access Control Address
  2. খ) Multiple Access Control Address
  3. গ) Media Access Circuit Address
  4. ঘ) Media Access Control Address
ব্যাখ্যা

MAC Address হচ্ছে Media Access Control Address.
কোন কম্পিউটারে ম্যাক এড্রেস হচ্ছে সেই কম্পিউটারটিতে ব্যবহার্য নেটওয়ার্ক ডিভাইসের জন্য একটি অনন্য পরিচিতি |
- কোন ডিভাইসের ম্যাক এড্রেস প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের সরবরাহ করে থাকে ।
- একেকটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস এর জন্য একেকটি ম্যাক এড্রেস থাকে ।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (মুজিবুর রহমান)

৪৫৪.
সংকেতকে ব্রডকাস্ট না করে সংঘর্ষ এড়ানোর জন্য কম্পিউটারের MAC অ্যাড্রেস ব্যবহার করে শুধু নির্দিষ্ট পোর্টে সিগন্যাল পাঠায় নিচের কোনটি?
  1. ক) মডেম
  2. খ) সুইচ
  3. গ) হাব
  4. ঘ) রাউটার
ব্যাখ্যা
নেটওয়ার্ক ডিভাইস (Network Devices):
- কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরির জন্য কম্পিউটারগুলো যুক্ত করতে যেসব যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয় সেগুলোকে নেটওয়ার্ক ডিভাইস বলা হয়।
- এসব যন্ত্রপাতি মূলত নেটওয়ার্কে ডেটার প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে এবং সংকেত ও ডেটাকে তার সঠিক গন্তব্যে পৌঁছাতে সাহায্য করে।
- এসব যন্ত্রপাতির মধ্যে রয়েছে-
• মডেম
• হাব
• রাউটার
• গেটওয়ে
• সুইচ
• নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড।

সুইচ (Switch):
- নেটওয়ার্কিং করার জন্য বর্তমানে হারের পরিবর্তে ব্যাপকভাবে সুইচ ব্যবহৃত হয়।
- কার্যক্রমের দিক থেকে হাব এর সাথে সুইচের তেমন কোনো পার্থক্য নেই তবে সুইচেন্ন ৰুদ্ধিমত্তা রয়েছে।
- সুইচ কোনো সংকেতকে ব্রডকাস্ট করে না, সংঘর্ষ এড়ানোর জন্য প্রতিটি কম্পিউটারের MAC (Media Access Control) অ্যাড্রেস ব্যবহার করে শুধু নির্দিষ্ট পোর্টে সিগন্যালটি পাঠায়
- শুধু তাই নয় দুর্বল হয়ে পড়া সংকেতটিকে অ্যামপ্লিফাই (বর্ধিত) করে গন্তব্য কম্পিউটারের পোর্টে প্রেরণ করে। 
- সুইচে পোর্টের সংখ্যা ৪, 16, 24 থেকে 48 পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- এতে ডেটা ফিল্টারিং (প্রকৃত সিগনাল থেকে নয়েজ সিগনাল বাদ দেয়া) করা সম্ভব তবে ব্যবহারের দিক থেকে একটু জটিল।
- একটি সুইচ দিয়ে একটি LAN তৈরি করা যায়, একাধিক LAN তৈরি সম্ভব নয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৪৫৫.
দুটি কম্পিউটারের মধ্যে এনক্রিপ্টেড ডাটা ট্রান্সফার করার জন্য কোন প্রোটোকল ব্যবহৃত হয়?
  1. FTP
  2. HTTP
  3. TELNET
  4. HTTPS
ব্যাখ্যা

HTTPS (HyperText Transfer Protocol Secure) হলো HTTP-এর একটি নিরাপদ সংস্করণ, যা SSL/TLS এনক্রিপশন ব্যবহার করে দুটি কম্পিউটারের (ক্লায়েন্ট ও সার্ভার) মধ্যে সুরক্ষিত ডাটা ট্রান্সফার নিশ্চিত করে। এটি সাধারণত ওয়েব ব্রাউজিং, লগইন তথ্য, পেমেন্ট ডাটা ইত্যাদি নিরাপদভাবে আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।

HTTPS:
- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ।
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ক) FTP (File Transfer Protocol) – এটি ফাইল ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়, তবে ডিফল্টভাবে এনক্রিপশন থাকে না।
খ) HTTP – এটি এনক্রিপশন ছাড়া ডাটা ট্রান্সফার করে, যা নিরাপদ নয়।
গ) TELNET – এটি রিমোট লগইনের জন্য ব্যবহৃত হয়, তবে এটি এনক্রিপশন ছাড়া ডাটা ট্রান্সফার করে, যা নিরাপদ নয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৪৫৬.
ISP এর পূর্ণ নাম কী?
  1. ক) Internet Super Power
  2. খ) Internet Server Provider
  3. গ) Internet Server Programmed
  4. ঘ) Internet Service Provider
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী (আইএসপি) বলতে একটি প্রতিষ্ঠানকে বুঝানো হয়, যারা ইন্টারনেটে প্রবেশ এবং ব্যবহার সংক্রান্ত সেবা প্রদান করে।
ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন রকমের হতে পারে। যেমন বাণিজ্যিক, সামাজিক মালিকানাধীন, অলাভজনক, বা অন্যথায় ব্যক্তিগতভাবে মালিকানাধীন।
৪৫৭.
What is the full form of FDMA?
  1. Frequency Division Multiple Area
  2. Frequency Division Multiple Access
  3. Frequency Division Medium Area
  4. Frequency Division Medium Array
ব্যাখ্যা
• FDMA এর পূর্ণরূপ- Frequency Division Multiple Access. 

১. প্রথম প্রজন্মের মোবাইল ফোনের বৈশিষ্ট্যসমূহ-
২. রেডিও সিগন্যাল হিসেবে এনালগ সিগন্যালের ব্যবহার।
৩. অপেক্ষাকৃত কম ব্যান্ডের সিগন্যাল ফ্রিকোয়েন্সির ব্যবহার।
৪. FDMA (Frequency Division Multiple Access) পদ্ধতির ব্যবহার।
৫. সেমিকন্ডাক্টর ও মাইক্রোপ্রসেসর প্রযুক্তির ব্যবহার।
৬. আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা না থাকা।
৭. কথা বলার সময় অবস্থান পরিবর্তন হলে ট্রান্সমিশন বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪৫৮.
কোন ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে স্টার্ট ও স্টপ বিটসহ ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ট্রান্সমিট হয়?
  1. আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  2. অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  3. সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  4. প্যাকেট সুইচিং
ব্যাখ্যা
• অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে স্টার্ট ও স্টপ বিটসহ ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ডেটা ট্রান্সমিট হয়। এই পদ্ধতিতে প্রতিটি অক্ষর বা ক্যারেক্টার আলাদাভাবে পাঠানো হয় এবং প্রতিটি ক্যারেক্টারের শুরুতে একটি স্টার্ট বিট ও শেষে একটি বা একাধিক স্টপ বিট যুক্ত থাকে। এর ফলে প্রাপক সহজেই প্রতিটি ক্যারেক্টারের সীমা নির্ধারণ করতে পারে, যদিও এতে অতিরিক্ত বিট যুক্ত হওয়ায় ডেটা ট্রান্সমিশনের দক্ষতা কিছুটা কমে যায়। অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনের প্রধান সুবিধা হলো, এটি সিম্পল এবং কম জটিল ডিভাইস বা ছোট ব্যবস্থার জন্য উপযোগী। এই কারণে এটি সাধারণত কীবোর্ড, মাউস, অথবা সিরিয়াল পোর্টে ব্যবহৃত হয়।

• সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন:
- যে ডেটা ট্রান্সমিশন ব্যবস্থায় প্রেরক স্টেশনে ডেটার ক্যারেক্টার সমূহকে ব্লক (যাকে প্যাকেট ও বলা হয়) আকারে ভাগ করে প্রতিবারে একটি করে ব্লক ট্রান্সমিট করা হয়, তাকে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে।
- সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন ব্যবস্থায় প্রেরক স্টেশনে প্রথমে ডেটাকে কোন প্রাথমিক স্টোরেজ ডিভাইসে সংরক্ষণ করে নেয়া হয়।
- এ সিস্টেমে ব্লক বাই ব্লক আকারে ডেটা ট্রান্সমিট করা হয়।
- প্রতিটি ব্লকের মাঝের বিরতি সমান হয়ে থাকে।
- এ ধরনের ট্রান্সমিশনে দক্ষতা বেশি।
- এখানে তুলনামূলক সময় কম লাগে।
- এ ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে Start ও Stop বিটের প্রয়োজন হয় না।

• অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন:
- যে ট্রান্সমিশন সিস্টেম ক্যারেক্টার বাই-ক্যারেক্টার-ডাটা ট্রান্সমিট করে তাকে অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন সিস্টেম বলে।
- প্রেরক স্টেশনের প্রাইমারি স্টোরেজের প্রয়োজন হয় না।
- এখানে ক্যারেক্টারের মাঝে টাইম ইন্টারভেল বা বিরতি সমান হয় না।
- ট্রান্সমিশনের দক্ষতা তুলনামূলক কম।
- ট্রান্সমিশনের গতি কম।
- এই ট্রান্সমিশনে স্টার্ট বিট বা স্টপ বিট এর প্রয়োজন হয়।

• আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন:
- অ্যাসিনক্রোনাস ও সিনক্রোনাস এর একটি মিশ্র পদ্ধতি হচ্ছে আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন।
- এ প্রক্রিয়ায় অ্যাসিনক্রোনাস পদ্ধতির স্টার্ট ও স্টপ বিটের মাঝখানে সিনক্রোনাস পদ্ধতিতে ব্লক আকারে ডেটা ট্রান্সফার করা হয়।
- যেহেতু পুরােটা সিনক্রোনাস নয়, তাই স্টোরেজ ডিভাইসে ডেটা সংরক্ষণ না করেই যখন প্রয়ােজন তখন সেই ডেটা ট্রান্সমিট করা যায়।
- সাধারণত রিয়েল টাইম অ্যাপ্লিকেশনে এর প্রচলন বেশি।
- বিভিন্ন মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন যেমন, অডিও বা ভিডিও কল -এর ক্ষেত্রে এই পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়ে থাকে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪৫৯.
সুইচ কোন নেটওয়ার্ক টপোলজিতে কেন্দ্রীয় সংযোগ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে?
  1. বাস টপোলজি
  2. মেশ টপোলজি
  3. স্টার টপোলজি
  4. ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা

• স্টার টপোলজিতে একটি কেন্দ্রীয় হাব বা সুইচ থাকে যার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সকল কম্পিউটার বা নোড একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে।
- বর্তমানে কর্মক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য হাবের পরিবর্তে সুইচই বেশি ব্যবহৃত হয়।

• সুইচ:
- সুইচ একটি ডিভাইস যা নেটওয়ার্কের ডাটাকে বিভক্ত করে নেটওয়ার্কের সকল সিস্টেমে না পাঠিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠিয়ে দেয়।
- হাব এবং সুইচ এর কাজ প্রায় একই। তবে হাব প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর একই সাথে প্রত্যেকটি কম্পিউটারে পাঠায় কিন্তু সুইচ প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর টার্গেট কম্পিউটারে পাঠায়।
- স্টার টপোলজিতে সুইচ একটি কেন্দ্রিয় কানেকটিভ ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

• স্টার টপোলজি:
- যে টপোলজিতে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকারী কম্পিউটার বা হোস্ট বা হাব বা সুইচের সাথে অন্যান্য কম্পিউটার বা পেরিফেরালসমূহকে সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে, তাকে স্টার টপোলজি বলে।
- এক্ষেত্রে সংযুক্ত নোডগুলো কেন্দ্রীয় কম্পিউটার বা হাব বা সুইচের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে থাকে।
- এ সংগঠনের কোনো একটি কম্পিউটার নষ্ট হলে বাকি নেটওয়ার্কে তার প্রভাব পড়েনা।

• অন্যান্য অপশন:
বাস টপোলজি:
- যে টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে।
- একে অনেক সময় লিনিয়ার টপোলজিও বলা হয়।
- এখানে মূল ক্যাবল বা তারটিকে বলা হয় ব্যাকবোন।
- এখানে কোন কেন্দ্রিয় কম্পিউটার থাকে না।
- প্রতিটি কম্পিউটার বা ওয়ার্কস্টেশন মূল বাসের সাথে তারের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।

মেশ টপোলজি:
- মেশ টপোলজির প্রত্যেকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটারের একাধিক সংযোগ ব্যবস্থা থাকে এবং প্রতিটি কম্পিউটার আলাদা লিংক ব্যবস্থাধীন থাকে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কভূক্ত কম্পিউটারগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সংযোগকে পয়েন্ট টু পয়েন্ট লিংক বলে।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৬০.
16 বিটের ডেটা বাসের মধ্য দিয়ে একক সময়ে কত বিট ডেটা চলাচল করতে পারে?
  1. 16 বিট
  2. 8 বিট
  3. 4 বিট
  4. 32 বিট
ব্যাখ্যা
সিস্টেম বাস (System Bus):
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।

সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। ডেটা বাস (Data Bus),
২। অ্যাড্রেস বাস (Address Bus),
৩। কন্ট্রোল বাস (Control Bus).

ডেটা বাস (Data Bus):
- কম্পিউটারের সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরের বিভিন্ন উপাদান যেমন মাইক্রোপ্রসেসর, হার্ডডিস্ক, র‍্যাম, ইনপুট/আউটপুট পোর্ট ইত্যাদির মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানে যে বাস ব্যবহৃত বাসকে ডেটা বাস বলা হয়।
- ডেটা বাসের মাধ্যমে কম্পিউটার ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস থেকে প্রসেসর এবং প্রসেসর থেকে মেমরি অথবা মেমরি থেকে প্রসেসর এবং মেমরি থেকে ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করে।
- এ ধরনের বাসের মধ্যে উভয় দিকেই ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে।
- তাই ডেটা বাসকে দ্বিমুখী বা Bi-directional বাস বলা হয়।
- ডেটা বাস ৪ বিট, 16 বিট, 32 বিট, 64 বিট বা তারও বেশি ক্ষমতার হতে পারে।
- যেমন, 16 বিটের ডেটা বাসের মধ্য দিয়ে একক সময়ে 16 বিট ডেটা চলাচল করতে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৬১.
Wi-Fi এর পূর্ণরূপ-
  1. Wireless Frequency
  2. Wide Fidelity
  3. Wireless Fidelity
  4. পূর্ণরূপ নেই
ব্যাখ্যা

- Wi-Fi এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity.

• Wi-Fi:
- Wi-Fi এর ওয়্যারলেস একসেস পয়েন্ট হলো রাউটার।
- Wi-Fi এর জনক ভিক্টর ভিক হেরেস।
- Wi-Fi (Wireless Fidelity) হলো এমন একটি জনপ্রিয় তারবিহীন নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ইলেকট্রনিক ডিভাইসসমূহ রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে উচ্চগতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগ কিংবা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদান করে।
- সাধারণত ২.৪ গিগাহার্জ (GHz) অথবা ৫ গিগাহার্জ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহৃত হয়।
- Wi-Fi একটি তারবিহীন নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি যা IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- Wi-Fi মূলত Wireless LAN (WLAN) এর জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তি। অর্থাৎ Wi-Fi ব্যবহার করে একটি লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক তৈরি করা যায় যা তার ছাড়া কাজ করে।
- Wi-Fi শব্দটি Wi-Fi Alliance নামীয় স্বত্বাধিকারী সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক।
- Wi-Fi এর কভারেজ এরিয়া ৫০ থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।

৪৬২.
NIC এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Network Interface Controller
  2. Network Integrated Card
  3. Network Interface Card
  4. Network Internet Connector
ব্যাখ্যা
• নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড:
- NIC এর পূর্ণরূপ হলো Network Interface Card.
- নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড/ ল্যানকার্ড/নেটওয়ার্ক এডাপ্টার হলো একটি প্লাগ-ইন কার্ড, যা কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কভুক্ত করে।
- নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত এক ডিভাইস থেকে আরেক ডিভাইসে ডেটা পাঠাতে বা গ্রহণ করতে ল্যান কার্ডের প্রয়োজন হয়।
- LAN কার্ড অন্য নাম Network Interface Card (NIC)।
- LAN এর পূর্ণরূপ হলো Local Area Network.

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) কে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক,
২. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪৬৩.
ফ্যাক্স মূলত কোন ধরনের তথ্য প্রেরণে ব্যবহৃত হয়?
  1. টেক্সট 
  2. ছবি
  3. ভিডিও
  4. ক + খ
ব্যাখ্যা
ফ্যাক্স মূলত টেক্সট বা ছবি এই ধরনের তথ্য প্রেরণে ব্যবহৃত হয়।

• ফ্যাক্স (fax):
- ফ্যাক্স (fax) এর পূর্ণরূপ facsimile.
- ফ্যাক্সকে টেলিকপি বা টেলিফ্যাক্সও বলা হয়।
- স্কটল্যান্ডের বিজ্ঞানী আলেকজেন্ডার বেইন ফ্যাক্স আবিষ্কার করেন।
- ফ্যাক্স এর মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে ছবি ও টেক্সট পাঠানো যায়।
- কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠাতে ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয়।
- ডাটা কমিউনিকেশনে ফ্যাক্স, হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- মূলত ফ্যাক্স হলো একটি প্রিন্টার বা অন্যান্য আউটপুট যন্ত্রের সাথে সংযুক্ত একটি টেলিফোন নম্বর।
- মূল নথিটিকে একটি ফ্যাক্স মেশিন দিয়ে স্ক্যান করে বিষয়বস্তুগুলোকে (টেক্সট বা ছবি) একটি একক স্থির গ্রাফিক ছবি হিসেবে প্রক্রিয়া করে, এটিকে একটি বিটম্যাপে রূপান্তর করে, এবং তারপর এটি অডিও- ফ্রিকোয়েন্সি টোন আকারে টেলিফোন সিস্টেমের মাধ্যমে প্রেরণ করে।

উৎস:
১. এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৪৬৪.
কোন ডিভাইসটি একটি বৃহৎ নেটওয়ার্ককে ছোট সেগমেন্টে ভাগ করতে পারে?
  1. ক) হাব
  2. খ) ব্রিজ
  3. গ) সুইচ
  4. ঘ) রাউটার
ব্যাখ্যা
ব্রিজ:

- ব্রিজ একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা একটি বৃহৎ নেটওয়ার্ককে ছোট ছোট সেগমেন্টে বিভক্ত করে।
- এর সাহায্যে ভিন্ন মাধ্যম অথবা ভিন্ন কাঠামো বিশিষ্ট একাধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করা যায়।
- এটি একাধিক ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে একটি বৃহৎ নেটওয়ার্ক তৈরি করে।
- এটি অনেকটা সুইচ বা হাব এর মতো। এক্ষেত্রে পার্থক্য হলো, হাব বা সুইচ একই নেটওয়ার্কের বিভিন্ন নোডকে সংযুক্ত করে অন্যদিকে ব্রিজ একাধিক ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে।

উৎস: Live MCQ লেকচার।
৪৬৫.
Peer-to-Peer Network এর বৈশিষ্ট্য নয়-
  1. ক) ১০ জন বা তার কম ইউজারের জন্য সুবিধাজনক
  2. খ) বিশেষ কোনো সফটওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেমের প্রয়োজন নেই
  3. গ) সিকিউরিটি কেন্দ্রীয়ভাবে ম্যানেজ করা সম্ভব নয়
  4. ঘ) ডেডিকেটেড অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের প্রয়োজন হয়
ব্যাখ্যা
Peer-to-Peer Network:
প্রত্যেক ইউজার তাদের রিসোর্স অন্যের সাথে শেয়ার করতে পারে এবং প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার ও ওয়ার্কস্টেশনে ভূমিকা পালন করে।

বৈশিষ্ট্য: 
- ইউজাররা তাদের কম্পিউটারের বিভিন্ন রিসোর্স শেয়ার করতে পারে। 
- ১০ জন বা তার কম ইউজারের জন্য সুবিধাজনক।
- ডেডিকেটেড অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের প্রয়োজন হয় না।
- বিশেষ কোনো সফটওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেমের প্রয়োজন নেই।
- পুরো নেটওয়ার্কের ইউজার ও সিকিউরিটি কেন্দ্রীয়ভাবে ম্যানেজ করা সম্ভব নয়।

উৎস: Live MCQ লেকচার।
৪৬৬.
ওয়াইম্যাক্সের স্ট্যান্ডার্ড ব্র্যান্ড নাম কী? 
  1. IEEE 802.11
  2. IEEE 802.16
  3. IEEE 802.3
  4. IEEE 802.20
ব্যাখ্যা
ওয়াইম্যাক্স (WiMAX): 
- ওয়াইম্যাক্স এর পুরো অর্থ হলো ওয়ার্ল্ডওয়াইড ইন্টারঅপেরিবিলিটি ফর মাইক্রোওয়েভ অ্যাকসেস (WiMAX-Worldwide Interoperability for Microwave Access). 
- ওয়াইম্যাক্স এর স্ট্যান্ডার্ড ব্র্যান্ড নাম হলো IEEE802.16  । 
- ওয়াইম্যাক্স নামটি দিয়েছে ওয়াইম্যাক্স ফোরাম যা গঠিত হয়েছিল ২০০১ সালের জুনে। 
- ওয়াইম্যাক্স এর মাধ্যমে উচ্চ গতির ব্রডব্যান্ড সেবা, তারবিহীন ব্যবস্থা বিস্তৃত এলাকাজুড়ে ইন্টারনেট অ্যাকসেস করার সুযোগ পাওয়া যায়। 

ওয়াইম্যাক্স এর সুবিধা: 
- ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে ওয়াইফাই হটস্পটে ইন্টারনেট সেবা দেয়া যায়। 
- ক্যাবল ও ডিএসএল এর পরিবর্তে তারবিহীন উপায়ে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট অ্যাকসেস করা যায়। 
- প্রত্যন্ত অঞ্চলেরও সেবা পাওয়া যায় এমনকি যেখানে ফোনের সংযোগ পৌঁছেনি সেখানেও। 
- তথ্য ও টেলিযোগাযোগ সেবাগুলো প্রদান করা যায়। 
- নিরাপদ ইন্টারনেট সংযোগ সুবিধা প্রদান করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৬৭.
ডেটা কমিউনিকেশনের কোন পদ্ধতিতে প্রেরক থেকে গ্রাহকের কাছে একবারে একটি ক্যারেক্টার পাঠানো হয়?
  1. আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  2. অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  3. সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  4. সিরিয়াল ট্রান্সমিশন
ব্যাখ্যা

• ডেটা ট্রান্সমিশনের যে পদ্ধতিতে প্রেরক থেকে গ্রাহকের কাছে ডেটা ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার (একবারে একটি বর্ণ) আদান-প্রদান করা হয়, তাকে অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Asynchronous Transmission) বলে।
- এতে প্রতিটি ক্যারেক্টারের শুরুতে একটি স্টার্ট বিট এবং শেষে একটি বা দুটি স্টপ বিট ব্যবহার করা হয়, ফলে প্রেরক যেকোনো সময় ডেটা পাঠাতে পারে এবং গ্রাহক তা গ্রহণ করতে পারে।

• অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন: 
- এ পদ্ধতিতে প্রেরক হতে গ্রাহকে একটি একটি করে ক্যারেক্টার পাঠানো হয়।
- এ ধরনের ট্রান্সমিশনে যে কোন সময় ডাটা প্রেরণ ও গ্রহণ সম্ভব।
- এক্ষেত্রে প্রতিটি ক্যারেক্টারের সাথে একটি স্টার্ট বিট ও একটি স্টপ বিট পাঠানো হয়।
- প্রতিটি ক্যারেক্টার পাঠানোর মাঝখানে সময়ের ব্যবধান সমান হয় না।

উল্লেখ্য,
- সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন: যে ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে ক্যারেক্টারগুলো সংরক্ষণ করে কমপক্ষে ৮০ থেকে ১৩২ টি ক্যারেক্টারের ব্লক/ প্যাকেট করে এবং প্রতিটি ব্লক/প্যাকেট সমান বিরতিতে স্থানান্তর করে তাকে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে।
- আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশন: এটিও সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনের মতো অনেকগুলো ক্যারেক্টার একত্রিত করে একটি ব্লক/প্যাকেট তৈরি করে ট্রান্সমিশন করে কিন্তু প্রতিটি ব্লক/প্যাকেট বিরতিহীনভাবে স্থানান্তরিত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যলয়।

৪৬৮.
বাংলাদেশে টিভি দেখার কোন স্ট্যান্ডার্ডটি ব্যবহৃত হয়?
  1. NTSC
  2. PAL
  3. SECAM
  4. HDTV
ব্যাখ্যা

বর্তমান বিশ্বে টিভি ও ভিডিওর যে আদর্শ (Standard) দেখা যায়, তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে NTSC, PAL, SECAM এবং HDTV.

টিভি সম্প্রচারের সূচনা থেকেই আফ্রিকা, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া ও এশিয়ার বেশিরভাগ দেশে PAL (Phase Alternate by Line) গৃহীত হয়৷ আমাদের দেশেও এ মানটি প্রচলিত আছে৷
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান

৪৬৯.
LAN এবং WAN এর মধ্যে পার্থক্য হলো-
  1. ক) ব্যবহারকারীর সংখ্যা
  2. খ) মেশিনের আকার
  3. গ) আওতাধীন দূরত্ব
  4. ঘ) কর্মস্থলের সংখ্যা
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ভৌগলিক দূরত্বে অবস্থিত কিছু LAN বা MAN একত্রে সংযুক্ত হয়ে যে নেটওয়ার্ক বা ওয়ান WAN বলে।
এই নেটওয়ার্ক সিস্টেমে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে টেলিফোন লাইন, ফাইবার অপটিক ক্যাবল, স্যাটেলাইট বা মাইক্রোওয়েভের মত পাবলিক কমিউনিকেশন সিস্টেম ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
WAN মূলত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত হয়।
যথা- 
রাউটার
WAN কানেকশন ও
সিকিউরিটি পলিসি।

সাধারণত ১কিমি বা তার কম এরিয়ার মধ্যে বেশ কিছু কম্পিউটার বা অন্যকোন ডিভাইস সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয় তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ল্যান LAN বলে।
এটি সাধারণত স্কুল - কলেজ ক্যাম্পাসে, কোনো বড় অফিস বিল্ডিংয়ে অথবা কোনো ব্যয়বহুল পেরিফেরাল ডিভাইসকে অনেক ব্যবহারকারী যাতে ব্যবহার করতে পারেন সেজন্য ব্যবহার করা হয়।

[উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি  - মোঃ মজিবুর রহমান]
৪৭০.
ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) নেটওয়ার্কে সংযোগের জন্য সংশ্লিষ্ট ডিভাইসটির সংযোগ মাধ্যম কোনটি?
  1. তামার তার
  2. অপটিক্যাল ফাইবার
  3. তারহীন সংযোগ
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
• Wi-Fi:
- Wi-Fi শব্দের পূর্ণ অর্থ হলো Wireless Fidelity (ওয়্যারলেস ফিডেলিটি)।
- Wi-Fi শব্দটি Wi-Fi Alliance নামীয় স্বত্বাধিকারী সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক।
- ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গকে ব্যবহার করে থাকে।
- ওয়াই-ফাই একটি ওয়ারল্যাস তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড, যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- ইন্টারনেট অ্যাকসেসের জন্য Wi-Fi নেটওয়ার্কযুক্ত এলাকাকে Hotspot বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর কভারেজ এরিয়া 50 থেকে 200 মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ওয়াই-ফাই এর জনক ভিক্টর ভিক হেইয়েস।
- ওয়াই-ফাই এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.4 GHz - 5 GHz.
- ওয়াই-ফাই এর ওয়্যারলেস অ্যকসেস পয়েন্ট হলো রাউটার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৪৭১.
জিগবি কি?
  1. ক) IEEE-802.11 ভিত্তিক আদর্শমানের প্রযুক্তি
  2. খ) তারযুক্ত লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক
  3. গ) তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক
  4. ঘ) এক ধরণের মৌমাছির মধু
ব্যাখ্যা
জিগবি হলো একটি তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান যা IEEE-802.15.4 ভিত্তিক আদর্শ মানের প্রযুক্তি। এটি ১৯৯৮ সালে প্রণীত, ২০০৩ সালে প্রমীতকরণ, এবং ২০০৬ সালে সংশোধিত হয়েছিল।
উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
৪৭২.
ট্রি টপোলজি কোন ধরনের নেটওয়ার্ক টপোলজি?
  1. WAN
  2. MAN
  3. LAN
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের টপোলজি:
- নেটওয়ার্ক ভুক্ত কম্পিউটার সমূহের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামো হচ্ছে টপোলজি।
- টপোলজিকে তাই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সংগঠন হিসাবে অভিহিত করা হয়।
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে সাধারণত নিম্নলিখিত চার ধরনের সংযোগ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
১। স্টার টপোলজি
২। বাস টপোলজি
৩। রিং টপোলজি
৪। ট্রি টপোলজি


উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৭৩.
Fiber optic cable transmits data using—
  1. Electrical signals
  2. Radio waves
  3. Light pulses
  4. Magnetic waves
ব্যাখ্যা

• ফাইবার অপটিক ক্যাবলে ডেটা আদান–প্রদান আলোর পালস (Light Pulses) ব্যবহার করে করা হয়।

• ফাইবার অপটিক ক্যাবল:
- ফাইবার অপটিক ক্যাবল হলো এক ধরনের আলোক পরিবাহী তার।
- এটি এক বা একাধিক অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে তৈরি।

• ডেটা পরিবহনের পদ্ধতি:
- অপটিক্যাল ফাইবারে ইলেকট্রিক্যাল সিগনালের পরিবর্তে আলোর পালস ব্যবহার করা হয়।
- এই আলোর পালস ডেটাকে প্রতিনিধিত্ব করে উৎস থেকে গন্তব্যে পৌঁছে দেয়।

• কেন আলোর পালস ব্যবহার করা হয়:
- অপটিক্যাল ফাইবার বিদ্যুৎ অপরিবাহী হওয়ায় এতে বৈদ্যুতিক সিগনাল ব্যবহার করা যায় না।
- আলোর পালস ব্যবহারের ফলে উচ্চগতির ডেটা আদান–প্রদান সম্ভব হয়।

• পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের ভূমিকা:
- ফাইবার অপটিকে আলো পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন (Total Internal Reflection) পদ্ধতিতে চলাচল করে।
- এর ফলে আলো দীর্ঘ দূরত্বে কম ক্ষয় নিয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে।

• অন্যান্য অপশন:
- Electrical signals কপার ক্যাবলে ব্যবহৃত হয়, ফাইবার অপটিকে নয়।
- Radio waves তারবিহীন যোগাযোগে ব্যবহৃত হয়।
- Magnetic waves ডেটা ট্রান্সমিশনে ব্যবহৃত হয় না।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ–দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪৭৪.
নিচের কোন ডিভাইসের মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন প্রোটোকলের নেটওয়ার্ক যুক্ত করা যায়?
  1. সুইচ
  2. হাব
  3. গেটওয়ে
  4. রাউটার
ব্যাখ্যা
• ভিন্ন ভিন্ন প্রোটোকলের নেটওয়ার্ক যুক্ত করার জন্য গেটওয়ে (Gateway) ডিভাইস ব্যবহৃত হয়। গেটওয়ে একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা বিভিন্ন প্রোটোকল ব্যবহার করে তৈরি নেটওয়ার্কগুলোকে সংযুক্ত করতে সক্ষম। এটি নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা অনুবাদ এবং রূপান্তর করে যাতে এক নেটওয়ার্কের ডেটা অন্য নেটওয়ার্কে পৌঁছাতে পারে। অন্যদিকে, সুইচ, হাব, এবং রাউটার মূলত একই ধরনের বা সমপ্রটোকল নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা ট্রান্সফার করে। বিশেষ করে রাউটার বিভিন্ন নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে, কিন্তু একই প্রোটোকল ব্যবহার করে। সুতরাং, ভিন্ন ভিন্ন প্রোটোকলের নেটওয়ার্ক যুক্ত করার জন্য গেটওয়ে সবচেয়ে উপযোগী।

• সুইচ:
- সুইচ একটি ডিভাইস যা নেটওয়ার্কের ডাটাকে বিভক্ত করে নেটওয়ার্কের সকল সিস্টেমে না পাঠিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠিয়ে দেয়।
- হাব এবং সুইচ এর কাজ প্রায় একই। তবে হাব প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর একই সাথে প্রত্যেকটি কম্পিউটারে পাঠায় কিন্তু সুইচ প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর টার্গেট কম্পিউটারে পাঠায়।
- স্টার টপোলজিতে সুইচ একটি কেন্দ্রিয় কানেকটিভ ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

• রাউটার:
- রাউটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- ছোট ছোট নেটওয়ার্ক রাউটারের মাধ্যমে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে একাধিক পথ সৃষ্টি করে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন ইথারনেট, টোকেন, রিং কে সংযুক্ত করতে পারে।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

• গেটওয়ে:
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৭৫.
নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড এর MAC address কত বিটের হয়?
  1. ১৬ বিট
  2. ২৪ বিট
  3. ৪৮ বিট
  4. ১২৮ বিট
ব্যাখ্যা
নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড:
- NIC এর পূর্ণরূপ হলো Network Interface Card।
- এটি একটি হার্ডওয়্যার ডিভাইস যা ক্লায়েন্ট, সার্ভার এবং অন্যান্য যন্ত্রাংশগুলিকে একটি পোর্টের মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে।
- বেশিরভাগ নেটওয়ার্ক ইন্টারফেসগুলি ছোটো সার্কিট বোর্ড হিসাবে আসে যা কম্পিউটার মাদারবোর্ডের স্লটগুলির মধ্যে একটিতে ঢোকানো যেতে পারে। বিকল্পভাবে, আধুনিক কম্পিউটারগুলি কখনও কখনও তাদের প্রধান সার্কিট বোর্ডের (মাদারবোর্ড) অংশ হিসাবে নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস অন্তর্ভুক্ত করে।
- প্রতিটি নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস একটি স্বতন্ত্র (Individual) ঠিকানা দ্বারা চিহ্নিত করা হয় যা ম্যাক ঠিকানা (MAC address) নামে পরিচিত।
- NIC (Network Interface Card) এর MAC (Media Access Control) address 48 বিট এর হয়।
- ম্যাকের ঠিকানাটি নির্দিষ্ট গন্তব্যে তথ্য প্রেরণে সহায়তা করে।
- নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ডগুলি হলো কোনো নেটওয়ার্কের গতি এবং কার্যকারিতা নির্ধারণের প্রধান উপাদান।

উৎস: Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৭৬.
CPU ও Keyboard-এর মধ্যে তথ্য বিনিময় কোন প্রক্রিয়ায় হয়?
  1. Triplex
  2. Half duplex
  3. Simplex
  4. Duplex
ব্যাখ্যা

• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডাটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডাটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়।
- ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-

১. সিমপ্লেক্স (Simplex):
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। যেমন- রেডিও, টিভি, কীবোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডাটা প্রেরণ ইত্যাদি।

২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex):
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডাটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না।
- নিম্নের চিত্রে হাফ-ডুপ্লেক্স ব্যবস্থায় A যখন ডাটা প্রেরণ করবে B তখন ডাটা গ্রহণ করতে পারবে, প্রেরণ করতে পারবে না। যেমন-ওয়াকিটকি।

৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex):
- ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে।
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডাটা প্রেরণ করার সময় ডাটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে। যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৪৭৭.
WiMAX মূলত কী ধরনের টেকনোলজি?
  1. ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড
  2. মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক
  3. স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন
  4. অপটিক্যাল ফাইবার
ব্যাখ্যা

◉ WiMAX (Worldwide Interoperability for Microwave Access) হলো একটি ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড টেকনোলজি, যা IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ডের উপর ভিত্তি করে তৈরি। এটি দীর্ঘ দূরত্বে উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং Wi-Fi-এর তুলনায় বেশি কভারেজ ও ব্যান্ডউইথ সরবরাহ করতে সক্ষম।

WiMAX:
- WiMAX এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access.
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়।
- WiMAX তারবিহীন উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড সেবা প্রদান করে থাকে যার IEEE নাম 802.16.
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করে।
- WiMAX এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- WiMAX এর প্রধান অংশ ২টি। যথা- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪৭৮.
যেকোন লজিক গেট কোন দুটি গেট দিয়ে বানানো সম্ভব?
  1. ক) NAND এবং NOR
  2. খ) AND এবং OR
  3. গ) NOT এবং OR
  4. ঘ) AND এবং NOT
ব্যাখ্যা
যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে। NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়। কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪৭৯.
Wi-Fi প্রযুক্তিতে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য কী ব্যবহৃত হয়?
  1. ইনফ্রারেড রশ্মি
  2. রেডিও তরঙ্গ
  3. আলোক তরঙ্গ
  4. তারযুক্ত সংকেত
ব্যাখ্যা

• Wi-Fi তারবিহীন যোগাযোগের জন্য রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে ডেটা ট্রান্সমিশন করে।

• ওয়াই-ফাই(Wi-Fi):
- ওয়াই-ফাই(Wi-Fi)–এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity.
- এটি একটি তারবিহীন নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যা রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে ডেটা আদান-প্রদান করে।
- ওয়াই-ফাই প্রযুক্তির মাধ্যমে ল্যাপটপ, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, প্রিন্টার ইত্যাদি ডিভাইস ইন্টারনেট বা লোকাল নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারে।
- ওয়াই-ফাইয়ের মান নির্ধারণ করেছে IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড।
 
• ওয়াই-ফাইয়ের ব্যবহারক্ষেত্র:
- বাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস ও পাবলিক স্থানে তারবিহীন ইন্টারনেট সংযোগ।
- স্মার্টফোন, ল্যাপটপ ও অন্যান্য ডিভাইসে নেটওয়ার্ক সুবিধা প্রদান।
- হটস্পটের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার।
 
• ওয়াই-ফাইয়ের সুবিধাসমূহ:
- তার ছাড়াই নেটওয়ার্ক ব্যবহারের সুবিধা।
- স্থাপন ও ব্যবহার সহজ।
- একাধিক ডিভাইস একসাথে সংযুক্ত করা যায়।
- কম খরচে নেটওয়ার্ক সুবিধা প্রদান করে।
- চলমান অবস্থায়ও ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ।
 
• ওয়াই-ফাইয়ের সীমাবদ্ধতা:
- তারযুক্ত নেটওয়ার্কের তুলনায় গতি কম হতে পারে।
- কভারেজ এলাকা সীমিত।
- নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকতে পারে।
- দেয়াল বা প্রতিবন্ধকের কারণে সিগন্যাল দুর্বল হতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মুজিবুর রহমান।

৪৮০.
5G মোবাইল নেটওয়ার্কে ডেটা স্থানান্তর গতি -
  1. ক) ১ গিগাবিট/সেকেন্ড
  2. খ) ১০ গিগাবিট/সেকেন্ড
  3. গ) ১৫ গিগাবিট/সেকেন্ড
  4. ঘ) ২০ গিগাবিট/সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
5G মোবাইল নেটওয়ার্কে ডেটা স্থানান্তর গতি ২০ গিগাবিট/সেকেন্ড । 

- 4G মোবাইল নেটওয়ার্কে ডেটা স্থানান্তর গতি ১ গিগাবিট/সেকেন্ড। 
- মোবাইল ফোনের পঞ্চম জেনারেশন ইন্টারনেটকে সংক্ষেপে বলা হয় ফাইভ জি; যেখানে অনেক দ্রুত গতিতে ইন্টারনেট তথ্য ডাউন লোড এবং আপলোড করা যাবে। 

- 5G এর বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
১. 5G নেটওয়ার্ক থেকে পাওয়া গতি 4G এর চেয়ে বহুগুণ বেশি।
২. এই নেটওয়ার্কে লেটেন্সি টাইম খুব কম হবে যা রিয়েল টাইম এক্সপেরিয়েন্সকে আরও ভালো করে তোলে।
৩. 5G থেকে 20 Gbps পর্যন্ত সর্বোচ্চ গতি অর্জন করা যেতে পারে। কিন্তু ডিভাইস অনুযায়ী গতির তারতম্য হতে পারে।
৪. 5G ব্যবহার করে উচ্চ মানের ভিডিও সহজেই স্ট্রিম করা যায়।
৫. 5G ব্যবহার করে মোবাইল ফোন দিয়ে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
৬. 5G শক্তি সঞ্চয় করতেও সাহায্য করে। কারণ, এতে নেটওয়ার্কের শক্তির ব্যবহার 90% পর্যন্ত কমে যায়।
৭. 4G এর তুলনায়, 5G এর মাধ্যমে প্রতি ইউনিট এলাকায় 100 গুণ বেশি ডিভাইস সংযুক্ত করা যেতে পারে।
৮. 5G 4G এর থেকে বেশি নিরাপদ।
৯. 5G-তে ব্যাটারি খরচ কম।
১০. এটি 100% কভারেজ প্রদান করে।  

সূত্র- CISCO Website [লিঙ্ক]
৪৮১.
TIN বোঝায়-
  1. ক) ট্রান্সফার অব ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক
  2. খ) ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল নেটওয়ার্ক
  3. গ) ট্যাক্স ইনডেক্স নাম্বার
  4. ঘ) ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার
ব্যাখ্যা

A Tax Identification Number (TIN) is a unique combination of letters or numbers assigned by a jurisdiction to an individual and is used to identify the individual for the purpose of administering tax laws of such jurisdiction.

৪৮২.
নেটওয়ার্ক কার্ড ব্যবহারের জন্য নিচের কোন স্লটটি উপযুক্ত?
  1. ক) ISA
  2. খ) PCI
  3. গ) AGP
  4. ঘ) PCI Express
ব্যাখ্যা

নেটওয়ার্ক কার্ড ব্যবহারের জন্য PCI স্লটটি উপযুক্ত। 

পিসিআই কার্ডসমূহ সংযোজনের জন্য ব্যবহার করা হয় যেগুলো আইএসএ কার্ডগুলো থেকে বহুগুণ দ্রুতগতির এবং ৩২ বিটে চলে। এই ধরনের স্লটে Sound Card, Network Card, Modem সংযোজন করা হয়।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৪৮৩.
যদি কোনো ডেটাবেজের কোনো একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তা-
  1. Many to Many
  2. Many to One
  3. One to Many
  4. One to One
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজ রিলেশনের প্রকারভেদ:
একাধিক ডেটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়। ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন:

♦ One to One রিলেশন:
যদি কোনো ডেটাবেজের কোনো একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন। 

♦ One to Many রিলেশন:
যদি কোনো ডেটাবেজের কোনো একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব। 

♦  Many to One রিলেশন:
যদি কোনো একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়। 

♦  Many to Many রিলেশন:
যদি কোনো ডেটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডেটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোনো ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৮৪.
বাংলাদেশে প্রথম Very Small Aperture Terminal (VSAT) স্থাপন করা হয় কখন?
  1. ক) ১৯৯৩
  2. খ) ১৯৯৫
  3. গ) ১৯৯৬
  4. ঘ) ১৯৯০
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ইন্টারনেটের ব্যবহারঃ
- ১৯৯০ সাল থেকেই বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটের ব্যবহার দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও বাংলাদেশ অনেক পরে এ মহাযাত্রায় যোগ দেয়।
- ১৯৯৩ সালে প্রথম সরকারিভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৯৫ সালে অফলাইন ই-মেইল (offline e-mail)-এর মাধ্যমে প্রথম এদেশে সীমিত আকারে ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু হয় (ডায়াল-আপের সাহায্যে)।
- ১৯৯৬ সালে দেশে প্রথম ইন্টারনেটের জন্য ভিস্যাট (Very Small Aperture Terminal - VSAT) স্থাপন করা হয় এবং আই.এস.এন নামক একটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আই.এস.পি (Internet Service Provider - ISP)-এর মাধ্যমে অনলাইন ইন্টারনেট সংযোগের বিস্তৃতি ঘটতে শুরু করে।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
৪৮৫.
ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব ক্লায়েন্টের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য কোন প্রটোকল ব্যবহৃত হয়?
  1. FTP
  2. IMAP
  3. HTTP
  4. TCP
ব্যাখ্যা
ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব ক্লায়েন্টের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য HTTP প্রটোকল ব্যবহৃত হয়।

• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web: WWW)
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার (যা ওয়েব সার্ভার হিসেবে বিবেচিত হয়) সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোনো ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম।
- টিম বার্নাস লী (Tim Berners-Lee) কে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক বলা হয়।
- তিনি ১৯৮৯ সালে এই ওয়েব ব্যবস্থাটি উদ্ভাবন করেন।
- এটি সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি অনেকগুলো ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব পেজ নিয়ে গঠিত একটি বিস্তৃত তথ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা।
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের বৈশিষ্ট্য হলো বিশেষ ধরনের ভাষা বা যোগাযোগ মাধ্যম, যাকে বলে http বা Hyper Text Transfer Protocol.
- http হলো ইন্টারনেটে টিসিপি/আইপি প্রটোকলের মাধ্যমে ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব ক্লায়েন্টের যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য ব্যবহৃত প্রটোকল।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার দক্ষতা, মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ বিএড।
২। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৮৬.
টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবলে সাধারণত কয় জোড়া তাঁর ব্যবহৃত হয়?
  1. ১ জোড়া
  2. ৩ জোড়া
  3. ৪ জোড়া
  4. ২ জোড়া
ব্যাখ্যা
• টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল:
- দুটি পরিবাহী তামার তারকে পরস্পর সুষমভাবে পেঁচিয়ে টুইস্টেড পেয়ার তৈরি করা হয়।
- পেঁচানো পরিবাহী তার দুটিকে পৃথক রাখার জন্য অপরিবাহী পদার্থ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
- এ ধরনের ক্যাবলে সাধারণত ৪ জোড়া তার ব্যবহৃত হয়।
- প্রতি জোড়া তারের মধ্যে একটি কমন রংয়ের (সাদা) তার থাকে।
- অপর তারগুলো হয় ভিন্ন রংয়ের। তার সমূহ সংযোজনের সময় 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8 নম্বরের ভিত্তিতে সংযোগ দিতে হয়।
- জোড়ার তার দুটির এক একটির পুরুত্ব হয় 0.4 মিঃ মিঃ থেকে 0.9 মিঃ মিঃ।
- টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল দুই প্রকার। যথা:
১। ইউটিপি (UTP-Unshielded Twisted pair):
- ইউটিপি ক্যাবল মূলত একাধিক জোড়া টুইস্টেড পেয়ার সমষ্টি যা প্লাস্টিক আবরনে মোড়ানো থাকে।
- তারের মধ্য দিয়ে যখন সিগন্যাল অতিক্রম করতে থাকে তখন এর শক্তি বা মান ক্রমান্বয়ে লোপ পেতে থাকে।
২। এসটিপি (STP-Shield Twisted pair):
- এসটিপি ক্যাবলের বাইরে জ্যাকেট বা ফেসিং থাকে এবং তারের মধ্যে একটি শিল্ড (Shield) বা শক্ত আবরণ থাকে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪৮৭.
মডেমের ডিমডুলেটর কী ধরণের কাজ করে থাকে?
  1. ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রূপান্তর করে
  2. তথ্য মুছে দেয়
  3. অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে
  4. ওয়্যারলেস সিগন্যাল ট্রান্সমিট করে
ব্যাখ্যা

• মডেমের ডিমডুলেটর সাধারণত অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে।

• মডেম:
- মডেম শব্দটি মডুলেটর-ডিমডুলেটরের (Modulator Demodulator) সংক্ষিপ্ত রূপ।
- মডেম একটি ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস যা ইনপুট বা আউটপুট হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে পরিবর্তন করে এবং এই কাজের জন্য এতে একটি ডেক (DAC - Digital to Analog Converter) নামক চিপ বা সার্কিট থাকে।
- অনুরূপভাবে ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে পরিণত করে এবং এই কাজের জন্য এতে একটি ডেক (ADC Analog to Digital Converter) নামক চিপ বা সার্কিট থাকে।
- মডেমে একটি মডুলেটর এবং একটি ডিমডুলেটর থাকে।
- তথ্য গ্রহণ এবং প্রদানকারী উভয় কম্পিউটারের সাথে মডেম সংযুক্ত করতে হয়।
- টেলিফোন লাইনের তারটি সংযুক্ত করতে হয় মডেমের সাহায্যে এবং মডেমের তারটি সংযুক্ত করতে হয় কম্পিউটারের সাথে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪৮৮.
কোন নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সঙ্গে সার্ভার ও ক্লায়েন্ট হিসেবে কাজ করে?
  1. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক
  2. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক
  3. ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক
  4. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা

 পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সঙ্গে সার্ভার ও ক্লায়েন্ট হিসেবে কাজ করে।

• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো ও সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের প্রকারভেদ:
- নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা—
১. ক্লায়েন্ট–সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client–Server Network),
২. পিয়ার–টু–পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network),
৩. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybrid Network)।
 
• ১. ক্লায়েন্ট–সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client–Server Network):
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন পরিচালনার জন্য ক্লায়েন্ট–সার্ভার নেটওয়ার্ক অত্যন্ত উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স সংরক্ষিত থাকে, এবং অন্যান্য কম্পিউটার সেই রিসোর্স ব্যবহার করে।
- যে কম্পিউটার রিসোর্স শেয়ার করে তাকে সার্ভার বলা হয়।
- যেসব কম্পিউটার সার্ভারের রিসোর্স ব্যবহার করে, তাদের ক্লায়েন্ট বলা হয়।
- সকল রিসোর্স সার্ভারে সংরক্ষিত থাকায় রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট তুলনামূলকভাবে সহজ হয়।
 
• ২. পিয়ার–টু–পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network):
- পিয়ার–টু–পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার থেকেই রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সঙ্গে সার্ভার ও ক্লায়েন্ট হিসেবে কাজ করে।
- সকল কম্পিউটার রিসোর্স শেয়ারের ক্ষেত্রে সমান ভূমিকা পালন করে।
- এখানে কোনো ডেডিকেটেড সার্ভার থাকে না।
- ফলে কম্পিউটারগুলোর মধ্যে কোনো শ্রেণীবিন্যাস থাকে না।
 
• ৩. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybrid Network):
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক হলো ক্লায়েন্ট–সার্ভার ও পিয়ার–টু–পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বিত রূপ।
- সাধারণত এই নেটওয়ার্কে ক্লায়েন্ট–সার্ভার অংশের প্রাধান্য বেশি থাকে।
- পাশাপাশি সীমিত পরিসরে পিয়ার–টু–পিয়ার নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্যও বিদ্যমান থাকে।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৮৯.
NFC কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে?
  1. ক) LaMDA
  2. খ) HTML
  3. গ) RFID
  4. ঘ) IDTP
ব্যাখ্যা
NFC 
- NFC এর পূর্ণরুপ Near Field Communications.
- NFC হচ্ছে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম।
- NFC হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের দুইটি ডিভাইস বা বস্তুর পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন ডেটা যোগাযোগ করার এক সেট প্রটোকল।
- এটা ৪ সেন্টিমিটার সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
- এই প্রটোকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করা যায়।
- ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস কর্তৃক সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে NFC.
- এটি RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ডাটা যোগাযোগ করে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪৯০.
Zigbee কোন ধরনের নেটওয়ার্ক স্থাপন করতে ব্যবহৃত হয়?
  1. MAN
  2. LAN
  3. WAN
  4. PAN
ব্যাখ্যা

• Zigbee মূলত PAN (Personal Area Network) স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয়, তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) PAN। Zigbee একটি স্বল্প শক্তি খরচকারী, কম ডেটা রেটের ওয়্যারলেস যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা স্বল্প দূরত্বে ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। এটি সাধারণত স্মার্ট হোম, সেন্সর নেটওয়ার্ক, শিল্প নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং IoT ডিভাইসে ব্যবহৃত হয়। Zigbee নেটওয়ার্কে ডিভাইসগুলো খুব কাছাকাছি অবস্থানে থাকে এবং কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করে দীর্ঘ সময় কাজ করতে পারে। MAN, LAN বা WAN-এর মতো বড় পরিসরের নেটওয়ার্ক স্থাপনে Zigbee উপযোগী নয়, কারণ এর কভারেজ সীমিত এবং এটি ব্যক্তিগত বা ক্ষুদ্র পরিসরের যোগাযোগের জন্য নকশা করা হয়েছে।

• Zigbee:
- জিগবি (Zigbee) একটি তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক যা (PAN) তৈরি করার IEEE ৮০২.১৫.৪-ভিত্তিক আদর্শমানের প্রযুক্তি।
- এটি কম বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করে ডিজিটাল রেডিও যোগাযোগের সাহায্যে উচ্চ স্তরের যোগাযোগের প্রোটোকলগুলির জন্য পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান তৈরি করে।
- জিগবি একটি কম বিদ্যুৎ শক্তির, স্বল্প তথ্য হার বা ডেটারেট এবং ব্যক্তিগত এলাকার বেতার অ্যাড-হক নেটওয়ার্ক।
- এটি অন্যান্য বেতার বা ওয়ারলেস পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) যেমন ব্লুটুথ বা ওয়াই-ফাই থেকে সহজ এবং কম ব্যয়বহুল।
- এই নেটওয়ার্কগুলি ১২৮ বিট সিমেট্রিক এনক্রিপশন কী দ্বারা সুরক্ষিত থাকে।
- জিগবি নেটওয়ার্ক থেকে বিরতিহীন ২৫০ kbit/s ডেটা ট্রান্সমিশন হতে পারে।
- জিগবি ১৯৯৮ সালে প্রণীত, ২০০৩ সালে প্রমীতকরণ, এবং ২০০৬ সালে সংশোধিত হয়েছিল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪৯১.
Spread Spectrum পদ্ধতিতে ডাটা আদান প্রদান করে কোন টেকনোলজি?
  1. ক) LTE
  2. খ) GPRS
  3. গ) CDMA
  4. ঘ) HSPA
ব্যাখ্যা
CDMA ডাটা আদান প্রদান করে Spread Spectrum পদ্ধতিতে।CDMA সিস্টেমে কম পাওয়ার দরকার হওয়ায় ব্যাটারির আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি পায় বলে একে Green Phone বলে৷
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
৪৯২.
একটি শহরে ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা অফিসের মধ্যে যোগাযোগ এর জন্য নিচের কোন নেটওয়ার্ক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়?
  1. WAN
  2. MAN
  3. LAN
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক(MAN):
- এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Metropoliton Area Network.
- একটি শহরে বিভিন্ন স্থানের কম্পিউটারের মধ্যে যে সংযোগ তাকে MAN বলে।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কের জন্য মিডিয়া হিসাবে টেলিফোন লাইন, মডেম ও আনুসঙ্গিক যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয়।
- ব্যাংক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শাখা অফিসের মধ্যে যোগাযোগ এর জন্য এই ধরনের নেটওয়ার্ক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- ১০ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৯৩.
মেশ টপোলজির প্রধান সুবিধা কী?
  1. এটি তৈরি করা তুলনামূলক ব্যয়বহুল নয়
  2. এটি সর্বোচ্চ রিডান্ডেন্সি এবং নির্ভরযোগ্যতা প্রদান করে
  3. এটি একটি সাধারণ ক্যাবলিং স্ট্রাকচার ব্যবহার করে
  4. এটি কেন্দ্রীয় নেটওয়ার্ক ডিভাইসের ওপর নির্ভর করে
ব্যাখ্যা

◉ মেশ টপোলজিতে (Mesh Topology) প্রতিটি নোড (ডিভাইস) অন্য সমস্ত নোডের সাথে সংযুক্ত থাকে। এটি নেটওয়ার্কে সর্বোচ্চ রিডান্ডেন্সি এবং নির্ভরযোগ্যতা প্রদান করে, কারণ কোনো একটি সংযোগ ব্যর্থ হলে ডেটা অন্য পথে পাঠানো যায়।

মেশ টপোলজি (Mesh Topology):
- যদি কোনো নেটওয়ার্কে ডিভাইস বা পিসিসমূহ একে অপরের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে, তাহলে তাকে মেশ টপোলজি বলা হয়।
- এতে ডেটা কমিউনিকেশনে অনেক বেশি নিশ্চয়তা থাকে এবং নেটওয়ার্কের সমস্যা খুব সহজে সমাধান করা যায়।
- রিং টপোলজিতে প্রতিটি কমপিউটারকে প্রতিটি কমপিউটারের সাথে অতিরিক্ত নোড দিয়ে সংযুক্ত করলেই তা মেশ টপোলজিতে রূপান্তরিত হবে।
- মেশ টপোলজিতে কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভার বা ডিভাইস প্রয়োজন পড়ে না।
- নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সংযোগকে পয়েন্ট টু পয়েন্ট বা পিয়ার টু পিয়ার লিংক বলা হয়।
- একে সম্পূর্ণরূপে আন্তসংযুক্ত বা Completely interconnected টপোলজিও বলা হয়ে থাকে।
- এই টপোলজিতে n সংখ্যক নোডের জন্য প্রতিটি নোডে (n-1)টি সংযোগের প্রয়োজন হয়। ফলে নেটওয়ার্কে মোট তারের সংখ্যা হবে n(n-1)/2.

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২। লেনোভো ওয়েবসাইট। [লিংক] 

৪৯৪.
নিচের কোনটি volatile memory?
  1. ক) RAM
  2. খ) BIOS
  3. গ) PROM
  4. ঘ) ROM
  5. ঙ) SROM
ব্যাখ্যা

- RAM is known as read/write memory.
- RAM is much faster to read from and write to than the other kinds of storage in a computer, such as the hard disk or removable media.
- RAM is used as a short memory because it is Volatile.
- RAM is called 'volatile' memory by analogy because if the computer loses power, all the data stored in RAM (or other volatile memory) is lost or 'evaporates'. 

৪৯৫.
কোনো কম্পিউটারকে অন্য কোনো কম্পিউটারের সাথে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করতে হলে নিচের কোনটি প্রয়োজন?
  1. ক) বায়োস
  2. খ) নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড
  3. গ) রম
  4. ঘ) কাপলার
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কে যুক্ত করার জন্য যে ইন্টারফেস কার্ড ব্যবহার করা হয় তাকে নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড বা নিক কার্ড বলা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪৯৬.
WiMAX -কোন স্ট্যান্ডার্ড-এর উপর ভিত্তি করে কাজ করে?
  1. IEEE 802.11
  2. IEEE 802.18
  3. IEEE 802.15
  4. IEEE 802.16
ব্যাখ্যা
ওয়াইম্যাক্স (WiMAX): 
- WiMAX-এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access.
- এটি এমন এক যোগাযোগ প্রযুক্তি যা বিস্তৃত ভৌগোলিক অঞ্চলে দ্রুতগতির তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে।
- এর কভারেজ এরিয়া প্রায় ৫০ কি.মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- স্পীড প্রায় 1000 Mbps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- WiMAX এর Frequency প্রায় 2-66 GHz পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- WiMAX এর IEEE standard হচ্ছে IEEE 802.16  । 

অন্যদিকে, 
-  Bluetooth এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হচ্ছে IEEE 802.15  । 
- Wi-fi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হচ্ছে IEEE 802.11   । 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৪৯৭.
ওয়্যারলেস পারসোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) এর স্ট্যান্ডার্ড কত?
  1. ক) IEEE 802.11
  2. খ) IEEE 802.15
  3. গ) IEEE 802.16
  4. ঘ) IEEE 802.19
ব্যাখ্যা
IEEE 802.15 হলো তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা WPAN এর স্ট্যান্ডার্ড। পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক স্বল্প দূরত্বের একটি নেটওয়ার্ক যার ব্যাসার্ধ ১০ থেকে ২০ মিটার হয়ে থাকে। প্যান তারের মাধ্যমে অথবা তারবিহীন হতে পারে। ব্লুটুথ কিংবা জিগবি WPAN এর উদাহরণ।
(সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)
৪৯৮.
ডেটা ফাইল তৈরির সঠিক অনুক্রম কোনটি?
  1. রেকর্ড > ফিল্ড > তথ্য > ডেটাবেজ
  2. রেকর্ড > ফিল্ড > বর্ণ > ডেটাবেজ
  3. বর্ণ > ফিল্ড > রেকর্ড > ডেটাবেজ
  4. ফিল্ড > রেকর্ড > টেবিল > ডেটাবেজ
ব্যাখ্যা
• ডেটা ফাইল তৈরির সঠিক অনুক্রম- ফিল্ড > রেকর্ড > টেবিল > ডেটাবেজ।

• ফিল্ড:
ডেটাবেজের ডেটার আইটেমকে ফিল্ড বলা হয়। ফিল্ড হচ্ছে ডেটাবেজের ভিত্তি।

• রেকর্ড:
সম্পর্কযযুক্ত ফিল্ডকে একত্রে রেকর্ড বলা হয়। অনেকগুলো ফিল্ডের ডেটার সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড।

• ডেটা টেবিল:
সমজাতীয় সকল ডেটাকে এক একটি টেবিলে সংরক্ষণ করে রাখা হয়। এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে ডেটা টেবিল গঠিত হয়।

• ডেটাবেজ:
ফিল্ড, রেকর্ড, ডেটা টেবিল নিয়ে ডেটাবেজ গঠিত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪৯৯.
LAN কোন ধরণের নেটওয়ার্ক?
  1. জাতীয়
  2. স্থানীয় এলাকার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. বিস্তৃত এলাকার
ব্যাখ্যা
LAN (Local Area Network) হলো এমন একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যা সীমিত বা স্থানীয় কোনো এলাকা — যেমন একটি ঘর, অফিস, স্কুল, কলেজ, বা বিল্ডিং-এর মধ্যে ব্যবহৃত হয়। এটি তুলনামূলকভাবে ছোট পরিসরে কাজ করে এবং কম খরচে দ্রুতগতির সংযোগ প্রদান করে।

Local Area Network:
- LAN এর অপর নাম নেটওয়ার্ক ইন্তারফেস কার্ড
-১ কিমি বা তার কম দূরত্ব পর্যন্ত কার্যকর।
- Wi-Fi router এর মাধ্যমে অফিসে কম্পিউটার সংযোগ।
-তারবিহীন প্রযুক্তির সাহায্যে ল্যান তৈরি করা গেলে তাকে WLAN বলে।
-এটি IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে।
- LAN এর টপোলজি সাধারণত স্টার, রিং কিংবা ব্রডকাস্ট চ্যানেল মেথোডে হয়ে থাকে।

 উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
৫০০.
ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক কোন ধরনের মাল্টিপ্লেক্সিং পদ্ধতি ব্যবহার করে?
  1. FDM
  2. TCP
  3. WDM
  4. OFDM
ব্যাখ্যা

• ওয়াই-ফাই প্রযুক্তিতে সিগন্যালের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ইন্টারফেয়ারেন্স কমানোর জন্য Orthogonal Frequency Division Multiplexing (OFDM) ব্যবহৃত হয়।
- এটি একটি উন্নত ডিজিটাল মড্যুলেশন কৌশল যা একটি উচ্চ গতির সিগন্যালকে অনেকগুলো সাব-ক্যারিয়ারে ভাগ করে প্রেরণ করে।

• ওয়াই-ফাই:
- Wi-Fi-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Wireless Fidelity
- Wi-Fi-এর অপর নাম হচ্ছে ওয়‍্যারলেস ইন্টারনেট এক্সেস।
- Wi-Fi হলো তারবিহীন এক ধরনের প্রযুক্তি, যা রেডিও ওয়েব ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে।
- Wi-Fi প্রযুক্তিই বিশ্ব পর্যায়ে মানুষকে জোগাচ্ছে ব্রডব্যান্ড ওয়‍্যারলেস সার্ভিস।
- Wi-Fi-এ ২.৪ গিগাহার্টজ (GHz) ফ্রিকোয়েন্সির রেডিও ওয়েব ব্যবহার করা হয়।
- Wi-Fi-এর স্ট্যান্ডার্ড হচ্ছে IEEE 802.11b (Institute of Electrical and Electronics Engineers)।
- IEEE 802.11 হচ্ছে একটি ওয়‍্যারলেস বা তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড।
- একটি Wi-Fi নেটওয়ার্কে দশটি বা তার অধিক কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিভাইস সংযুক্ত করতে পারে।
- ডাচ কম্পিউটার বিজ্ঞানী ভিক্টর ভিক হেরেসকে Wi-Fi-এর জনক বলা হয়।
- Wi-Fi-এর অন্য স্ট্যান্ডার্ডসমূহ হলো 802.11a, 802.11g, 802.11n ।
- বর্তমানে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে 802.11n স্ট্যান্ডার্ডটি।
- IEEE 802.11a স্ট্যান্ডার্ডটি অধিক ব্যয়বহুল হওয়ায় বর্তমানে এর Public access নেই।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Stanford University.