বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও সেলুলার নেটওয়ার্কিং সিস্টেম ও ডাটা কমিউনিকেশন

মোট প্রশ্ন১,২০৬এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও সেলুলার নেটওয়ার্কিং সিস্টেম ও ডাটা কমিউনিকেশন

PrepBank · পাতা / ১২ · ১০১২০০ / ১,২০৬

১০১.
নিচের কোন ডিভাইসটিতে ডেটা ফিল্টারিং সম্ভব?
  1. হাব
  2. সুইচ
  3. এনআইসি
  4. রিপিটার
ব্যাখ্যা

• ডেটা ফিল্টারিং (Filtering Device):  
- হাব (Hub), সুইচ (Switch), এনআইসি (NIC), এবং রিপিটার (Repeater) — এগুলো সবই নেটওয়ার্ক ডিভাইস।  

- হাব: শুধু সিগন্যালকে সব পোর্টে পাঠায়, কোনো ডেটা ফিল্টার করে না।  
- রিপিটার: কেবল সিগন্যালকে পুনরায় শক্তিশালী করে পাঠায়, ফিল্টারিং করে না।  
- এনআইসি (Network Interface Card): ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করে, কিন্তু ফিল্টারিং করে না।  

- সুইচ (Switch) ডেটা ফিল্টারিং করতে পারে কারণ এটি ডেটা প্যাকেটের MAC ঠিকানা দেখে সিদ্ধান্ত নেয় কোন পোর্টে পাঠাতে হবে।  
- অর্থাৎ, সুইচ নির্দিষ্ট গন্তব্যে ডেটা পাঠায়, সব পোর্টে নয় — এটাই ফিল্টারিং।  

- তাই সুইচ নেটওয়ার্কের দক্ষতা বৃদ্ধি করে এবং অপ্রয়োজনীয় ডেটা ট্রান্সমিশন কমায়।  

- সঠিক উত্তর: খ) সুইচ। 

সূত্র: sciencedirect [link]

১০২.
ই-মেইল পাঠানোর প্রথম ধাপ-
  1. ই-মেইল কম্পোজ করা
  2. সেন্ড করা
  3. আউটবক্সে রাখা
  4. ইন্টারনেট কানেকশন
ব্যাখ্যা
ই-মেইল পাঠানোর প্রথম ধাপ হচ্ছে ই-মেইল কম্পোজ করা।

ই-মেইল পাঠানো নিয়ম:
ই-মেইল পাঠাতে হলে আমাদেরকে মোটামুটি তিনটি ধাপে কাজ করতে হবে। 
১। ই-মেইলটি কম্পোজ করা,
২। ইন্টারনেটে কানেকশন দেয়া,
৩। ই-মেইল সেন্ড করা।

• ই-মেইল কম্পোজ করা:
ই-মেইল সফটওয়্যার ওপেন করতে হবে (যেমন: Outlook Express)
Message → New Message বা To Mail এ ক্লিক করতে হবে।

নিচের ঘরগুলো পূরণ করতে হয়:
- To: প্রাপকের ঠিকানা
- From: প্রেরকের ঠিকানা
- CC, BCC: অতিরিক্ত প্রাপক (প্রয়োজনে)
- Subject: মেইলের বিষয়
- Attach: ফাইল সংযুক্তির জন্য
- Body: মেসেজ লেখার জায়গা
- মেইল সেভ করে Outbox-এ রাখা যায়।
- এভাবে একইসাথে অনেকগুলো ই-মেইল কম্পোজ করে রাখা যায়।

• ইন্টারনেটে সংযোগ স্থাপন:
ডায়াল আপ নেটওয়ার্ক বা অন্য কোন সংযোগের মাধ্যমে ইন্টারনেট কানেকশন নিতে হয়।

• ই-মেইল সেন্ড করা:
ইন্টারনেটে সংযুক্ত হওয়ার পর:
File → Send Queued Message অথবা Send and Receive বাটনে ক্লিক করে মেইল পাঠানো হয়।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৩.
নিচের কোন নেটওয়ার্কটি সবচেয়ে বেশি জায়গা ব্যাপ্তি হয়?
  1. LAN
  2. WAN
  3. MAN
  4. PAN
ব্যাখ্যা
- WAN নেটওয়ার্কটি সবচেয়ে বেশি জায়গা ব্যাপ্তি হয়।

• WAN:
- WAN এর পূর্ণরূপ Wide Area Network.
- অনেক বড় ভৌগোলিক বিস্তৃতিতে অবস্থিত LAN, MAN, কম্পিউটার ও বিভিন্ন ডিভাইসের সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে WAN বলা হয়।
- WAN এর বিস্তৃতি সারা দেশ বা সমগ্র পৃথিবী জুড়ে হতে পারে।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বর WAN এর উদাহরণ হলো ইন্টারনেট।
- এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ই-মেইল আদান-প্রদান করা, বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করা, ফাইল ডাউনলোড, অনলাইন শপিং ইত্যাদি করা যায়।

• LAN:
- LAN এর পূর্ণরূপ হলো Local Area Network.
- LAN এর মাধ্যমে 1Km বা তার কম দূরত্বের ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।

• PAN:
- PAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Personal Area Network.
- কোনো ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান বলে।
- প্যান এর বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।

• MAN:
- MAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Metropolitan Area Network
- একই শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারসমূহ বিভিন্ন ডিভাইস ও LAN গুলোর সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে MAN বলা হয়।
- MAN এর ক্ষেত্রে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত টেলিফোন লাইন, মডেম বা মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১০৪.
Brave কী?
  1. ওয়েব ব্রাউজার
  2. অপারেটিং সিস্টেম
  3. ডাটাবেজ সফটওয়্যার
  4. কম্পিউটার এন্টিভাইরাস
ব্যাখ্যা
• Brave হলো একটি বিনামূল্যের এবং ওপেন সোর্স ওয়েব ব্রাউজার।

• ওয়েব ব্রাউজার:
- ওয়েব ব্রাউজার হলো এক ধরনের অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- ইন্টারনেট হতে তথ্য পাওয়ার জন্য ব্যবহারকারীকে বিশেষ ধরনের অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে হয় তাকে ব্রাউজার বলে।
- ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা হয়।
- অর্থাৎ সার্ভারগুলো ইন্টারনেট ব্যবহারকারীকে তথ্য যেমন টেক্সট, ছবি, শব্দ ইত্যাদি সরবরাহ করতে পারে।
- এসব তথ্য পাবার জন্য ব্যবহারকারীকে বিশেষ ধরনের অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে হয় যাকে বলে ওয়েব ব্রাউজার।

• বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত কয়েকটি ওয়েব ব্রাউজার হলো:
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (Internet Explorer), 
- মজিলা ফায়ারফক্স (Mozilla Fire Fox), 
- সাফারি (Safari), 
- অপেরা (Opera), 
- গুগল ক্রম (Google Chrome), 
- নেটস্কেপ নেভিগেটর ইত্যাদি।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
১০৫.
High Voltage সিগন্যাল কোন প্রতীক দ্বারা বুঝানো হয়?
  1. ক) ১
  2. খ) ০
  3. গ) ২
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

ইংরেজী Binary শব্দের প্রথম দুটি অক্ষর এবং Digit শব্দের শেষ অক্ষরটি নিয়ে Bit শব্দটি গঠিত হয়েছে। ০ এবং ১ বাইনারী পদ্ধতির এই অংক দুটির প্রত্যেকটিকে এক একটি Bit বলা হয়। এই Bit দুটি সহজে ইলেকট্রনিক উপায়ে নির্দেশ করা যায়। এ কারণে ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রে (কম্পিউটার) এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় বৈদ্যুতিক Wave কে বাইনারী পদ্ধতির সাথে সংযুক্ত করা হয়।
শূন্য অর্থ Low ভোল্টেজ এবং ১ হচ্ছে High ভোল্টেজ সিগনালকে কাজে লাগানো হয়। এ ধরনের প্রবাহকে অভিকযুক্ত সংকেত বা Digital Signal বলে। মূলত এই সিগনাল দিয়েই কম্পিউটারের মেশিন ল্যাংগুয়েজের কাজ নিয়ন্ত্রিত হয়।

১০৬.
নিচের কোনটি ওয়াই-ফাই এর দ্রুততর সংস্করণ?
  1. আইইইই ৮০৩.১১জি
  2. আইইইই ৮০২.১১বি
  3. আইইইই ৮০২.১১জি
  4. আইইইই ৮০৩.১১বি
ব্যাখ্যা
ওয়াই-ফাই হচ্ছে একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা ব্যবহার করে কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইসকে উচ্চ গতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগ কিংবা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা আদান প্রদান করতে পারে।
এটি প্রযুক্তিগতভাবে আইইইই ৮০২.১১বি নামে পরিচিত।
এর একটি দ্রুততর সংস্করণ হলো আইইইই ৮০২.১১জি  যার গতি ৫৪ এমবিপিএস। 
বর্তমানে এই প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়। 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১০৭.
টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমের নিরাপত্তায় কোনটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি?
  1. ক) ফেইস রেকোগনিশন
  2. খ) হ্যান্ড জিওমিট্রি
  3. গ) ভয়েস রিকোগনিশন
  4. ঘ) রেটিনা স্ক্যান
ব্যাখ্যা
টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমের নিরাপত্তায় ভয়েস রিকোগনিশন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি। তবে অসুস্থতা জনিত কারণে, যেমন- ঠান্ডা, সর্দি, কাশি ইত্যাদি হলে কোন ব্যবহারকারীর কন্ঠ পরিবর্তন হলে সে ক্ষেত্রে অনেক সময় সঠিক ফলাফল পাওয়া যায় না। উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১০৮.
LAN ব্যবহার করে সর্বোচ্চ কত দূরত্ব পর্যন্ত ডিভাইসগুলিকে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করা যায়?
  1. ১০০ মিটার
  2. ৫০০ মিটার
  3. ১ কিলোমিটার
  4. ৫ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

◉ LAN (লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক) এর মাধ্যমে সাধারণত সর্বোচ্চ ১ কিলোমিটার দূরত্বের ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা যায়।

LAN:
- LAN এর মাধ্যমে 1Km বা তার কম দূরত্বের ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।
- LAN এর পূর্ণরূপ হলো Local Area Network.
- তারবিহীন প্রযুক্তির মাধ্যমে LAN তৈরি করা হলে থাকে WLAN (Wireless Local Area Network) বলে।
- আধুনিক তারবিহীন ল্যান IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ডের ভিত্তিতে নির্মিত (ওয়াই-ফাই ব্র্যান্ডের নামে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত হয়)।
- একটি LAN এ সর্বোচ্চ ৪টি রিপিটার স্টেশন ব্যবহার করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১০৯.
কোন টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন সংযুক্ত থাকে?
  1. স্টার টপোলজি
  2. মেশ টপোলজি
  3. বাস টপোলজি
  4. রিং টপোলজি
ব্যাখ্যা
• বাস টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন সংযুক্ত থাকে। 

• বাস টপোলজি:
- যে টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে।
- একে অনেক সময় লিনিয়ার বাস টপোলজিও বলা হয়।
- এখানে মূল ক্যাবল বা তারটিকে বলা হয় ব্যাকবোন।
- মূল ক্যাবলের উভয় প্রান্তে টারমিনেটর ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়।
- এখানে কোন কেন্দ্রিয় কম্পিউটার থাকে না।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• স্টার টপোলজি:

- এ ধরনের সংগঠনে একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস এর সাথে অন্যান্য কম্পিউটারগুলো সংযুক্ত থাকে।-
- কেন্দ্রিয় ডিভাইসটি হতে পারে একটি হাব বা সুইচ।
- হাব বা সুইচ এর মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।
- ডাটা চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে হাব বা সুইচ ।
- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটার এ ডাটা স্থানান্তরের জন্য প্রথমে কেন্দ্রিয় ডিভাইসে প্রেরণ করতে হয়।
- এরপর কেন্দ্রিয় ডিভাইস ডাটা গ্রহণকারী কম্পিউটারে ডাটা পাঠিয়ে দেয়।

• রিং টপোলজি:
- এ ধরনের সংগঠনে কম্পিউটারগুলো পরস্পর বৃত্তাকারে যুক্ত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে।
- প্রতিটি কম্পিউটার দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- কম্পিউটারগুলোকে এমনভাবে সংযোগ দেয়া হয় যেন রিংয়ের সর্বশেষ কম্পিউটারটি প্রথমটির সাথে যুক্ত থাকে।

• মেশ টপোলজি:
- যদি কোনো নেটওয়ার্কে ডিভাইস বা পিসিসমূহ একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে, তাহলে তাকে মেশ টপোলজি বলা হয়।
- এতে ডেটা কমিউনিকেশনে অনেক বেশি নিশ্চয়তা থাকে এবং নেটওয়ার্কের সমস্যা খুব সহজে সমাধান করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১০.
WiMAX প্রযুক্তি সর্বোচ্চ কত কিলোমিটার পর্যন্ত কভারেজ দিতে পারে?
  1. ২০ কি.মি.
  2. ২০০ কি.মি.
  3. ৫০ কি.মি.
  4. ৫০০ মিটার
ব্যাখ্যা
WiMAX প্রযুক্তি সর্বোচ্চ  ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত কভারেজ দিতে পারে।

WiMAX
- WiMAX এর পূর্ণরূপ - Worldwide Interoperability for Microwave Access.
- WiMAX হলো একটি তারবিহীন বিস্তৃত এলাকার নেটওয়ার্ক (Wireless Broadband Network) প্রযুক্তি, যা দীর্ঘ দূরত্বে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করে।
- এটি IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে।
- এটি তে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করা হয়।
- এর গতি অনেক বেশি। দুরত্বের উপর ভিত্তি করে ১০-১০০ মেগাবিট/সেকেন্ড হতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান
১১১.
ভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্কসমূহের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য কোন ডিভাইসটি ব্যবহৃত হয়?
  1. হাব
  2. সুইচ
  3. গেটওয়ে
  4. রিপিটার
ব্যাখ্যা

• ভিন্ন ভিন্ন প্রোটোকল বা আর্কিটেকচার বিশিষ্ট একাধিক নেটওয়ার্ককে একে অপরের সাথে যুক্ত করার জন্য গেটওয়ে ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত ডেটা প্যাকেটের প্রোটোকল রূপান্তর করে এক নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে পাঠানোর প্রবেশপথ হিসেবে কাজ করে।

• গেটওয়ে (Gateway):
- গেটওয়ে একটি নেটওয়ার্ককে আরেকটি নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে।
- ইহা বিভিন্ন প্রোটোকলগুলোকে জড়ো করে বিভিন্ন এপ্লিকেশনের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এটি ওএসআই (OSI) মডেলের সকল লেয়ারে (১-৭ লেয়ার) কাজ করতে সক্ষম।
- বিভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক আর্কিটেকচার (যেমন: TCP/IP এবং IPX/SPX) এর মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে।

• গেটওয়ের সুবিধাসমূহ-
১. গেটওয়ে ডেটার সংঘর্ষ বা কলিশন সম্ভাবনা কমায়।
২. গেটওয়ের মাধ্যমে নানারকম নেটওয়ার্ক বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত হতে পারে।

• গেটওয়ের অসুবিধাসমূহ-
১. এটি ধীরগতি সম্পন্ন।
২. এর কনফিগারেশন তুলনামূলক জটিল।

এছাড়াও,
রাউটার:
-রাউটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
-ছোট ছোট নেটওয়ার্ক রাউটারের মাধ্যমে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে একাধিক পথ সৃষ্টি করে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন ইথারনেট, টোকেন, রিং কে সংযুক্ত করতে পারে।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

অন্যান্য অপশন:
- হাব: একই নেটওয়ার্কের ডিভাইসগুলোকে যুক্ত করে এবং কোনো প্রোটোকল বুঝতে পারে না।
- সুইচ: একই নেটওয়ার্কের মধ্যে ম্যাক (MAC) অ্যাড্রেস ব্যবহার করে ডেটা আদান-প্রদান করে, ভিন্ন প্রোটোকলে কাজ করে না।
- রিপিটার: এটি শুধুমাত্র দুর্বল সিগন্যালকে শক্তিশালী করে, ডেটা প্রসেসিং ক্ষমতা নেই।

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩। ব্রিটানিকা।

১১২.
টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবলে সাধারণত প্রতি জোড়া তারের মধ্যে কোন রংয়ের একটি কমন তার থাকে?
  1. সাদা
  2. কালো
  3. লাল
  4. হলুদ
ব্যাখ্যা
• টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল:
- দুটি পরিবাহী তামার তারকে পরস্পর সুষমভাবে পেঁচিয়ে টুইস্টেড পেয়ার তৈরি করা হয়।
- পেঁচানো পরিবাহী তার দুটিকে পৃথক রাখার জন্য অপরিবাহী পদার্থ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
- এ ধরনের ক্যাবলে সাধারণত ৪ জোড়া তার ব্যবহৃত হয়।
- প্রতি জোড়া তারের মধ্যে একটি কমন রংয়ের (সাদা) তার থাকে।
- অপর তারগুলো হয় ভিন্ন রংয়ের। তার সমূহ সংযোজনের সময় 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8 নম্বরের ভিত্তিতে সংযোগ দিতে হয়।
- জোড়ার তার দুটির এক একটির পুরুত্ব হয় 0.4 মিঃ মিঃ থেকে 0.9 মিঃ মিঃ।
- টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল দুই প্রকার। যথা:

১। ইউটিপি (UTP-Unshielded Twisted pair):
- ইউটিপি ক্যাবল মূলত একাধিক জোড়া টুইস্টেড পেয়ার সমষ্টি যা প্লাস্টিক আবরনে মোড়ানো থাকে।
- তারের মধ্য দিয়ে যখন সিগন্যাল অতিক্রম করতে থাকে তখন এর শক্তি বা মান ক্রমান্বয়ে লোপ পেতে থাকে।

২। এসটিপি (STP-Shield Twisted pair):
- এসটিপি ক্যাবলের বাইরে জ্যাকেট বা ফেসিং থাকে এবং তারের মধ্যে একটি শিল্ড (Shield) বা শক্ত আবরণ থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৩.
কোন সিস্টেমে উভয় দিক থেকে যুগপৎ ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে?
  1. Simplex Mode
  2. Full­-duplex Mode
  3. Half­-duplex Mode
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex)
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)

সিমপ্লেক্স:
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। যেমন - রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

হাফ-ডুপ্লেক্স:
হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সংযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে বা যুগপৎ সম্ভব না। যেমন- ওয়াকি টকি।

ফুল-ডুপ্লেক্স:
ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে। যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডাটা প্রেরণ করার সময় ডাটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে। ফুল-ডুপ্লেক্সের ক্ষেত্রে, A যখন B এর দিকে ডাটা প্রেরণ করবে B ও তখন A এর দিকে ডাটা প্রেরণ কতে পারবে। উদাহরণ- টেলিফোন, মোবাইল।

উৎস: একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
১১৪.
স্মার্ট ফোনে ফুল-ডুপ্লেক্স কমিউনিকেশন বলতে কী বুঝায়?
  1. এক সময়ে শুধুমাত্র একজনই কথা বলতে পারে
  2. এক সময়ে শুধুমাত্র একজনই শুনতে পারে
  3. উভয় পক্ষ একসাথে কথা বলতে এবং শুনতে পারে
  4. যোগাযোগ শুধুমাত্র একদিক থেকে হয়
ব্যাখ্যা
• স্মার্টফোনে ফুল-ডুপ্লেক্স কমিউনিকেশন বলতে বোঝায় এমন এক ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থা, যেখানে উভয় পক্ষ একসাথে কথা বলতে এবং শুনতে পারে। এটি আধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। উদাহরণস্বরূপ, একজন কথা বলার সময় অন্যজন থেমে না থেকে সাথে সাথে উত্তর দিতে পারে, যেমনটি ফোনে আলাপ করার সময় দেখা যায়। এর মাধ্যমে যোগাযোগ আরো দ্রুত, কার্যকর ও স্বাভাবিক হয়। ফুল-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে ডেটা বা শব্দ উভয় দিকেই একসাথে প্রবাহিত হয়, যা হাফ-ডুপ্লেক্স বা একমুখী যোগাযোগের তুলনায় অনেক উন্নত।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: গ) উভয় পক্ষ একসাথে কথা বলতে এবং শুনতে পারে।


• ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex),
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)।

- সিমপ্লেক্স: শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না।
- যেমন - রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

- হাফ-ডুপ্লেক্স: হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে বা যুগপৎ সম্ভব না।
- যেমন- ওয়াকি টকি।

- ফুল-ডুপ্লেক্স: ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে।
- যেমন: টেলিফোন, মোবাইল।

উৎস: একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
১১৫.
যে ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কভুক্ত কোনো প্রেরক কম্পিউটার হতে ডেটা ট্রান্সমিট হলে ওই নেটওয়ার্কভুক্ত সকল নোডই তা গ্রহণ করতে পারে, তাকে কী বলে?
  1. Unicast
  2. Multicast
  3. Broadcast
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ডাটা কমিউনিকেশন:
- ডাটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় প্রেরক থেকে প্রাপকের কাছে ডাটা পাঠানো হয়।
- প্রাপকের সংখ্যা ও ডাটা গ্রহণের অধিকারের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১. ইউনিকাস্ট (Unicast)
- এ পদ্ধতিতে একটি প্রেরক থেকে শুধুমাত্র একটি প্রাপকই ডাটা গ্রহণ করতে পারে।
- অনেক প্রাপক একসাথে ডাটা গ্রহণ করতে পারে না, এজন্য সিমপ্লেক্স, হাফ ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স মোডকে ইউনিকাস্ট মোডও বলা হয়।

২. ব্রডকাস্ট (Broadcast) 
- ব্রডকাস্ট মোডে কোন একটি যন্ত্র (কম্পিউটার, বা অন্য কোন যন্ত্রপাতি) থেকে ডাটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনস্থ সকল যন্ত্র গ্রহণ করতে পারে। যেমন- টিভি সম্প্রচার কেন্দ্র থেকে কোন মুভি সম্প্রচার করলে তা সকলেই গ্রহণ করে উপভোগ কতে পারে।

৩. মাল্টিকাস্ট (Multicast)
- মাল্টিকাস্ট মোড ব্রডকাস্ট মোডের মতই তবে পার্থক্য হলো মাল্টিকাস্ট মোডে নেটওয়ার্কের একটি নোড থেকে ডাটা প্রেরণ করলে তা নেওয়ার্কের অধীনস্ত সকল নোডই গ্রহণ করতে পারে না।
- শুধুমাত্র নির্দিষ্ট একটি গ্রুপের সকল সদস্য গ্রহণ করতে পারে। যেমন- ভিডিও কনফারেসিংয়ের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র যাদের অনুমতি থাকবে তারাই অংশগ্রহণ করতে পারবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৬.
কোনটি ই-মেইল ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার নয়?
  1. আউটলুক এক্সপ্রেস
  2. নেটস্কেপ কমিউনিকেটর
  3. পেইন্ট ব্রাশ
  4. ইউডোরা প্রো
ব্যাখ্যা
পেইন্ট ব্রাশ ই-মেইল ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার নয়।

ই-মেইল ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় সফট্ওয়্যার:
-আউটলুক এক্সপ্রেস,
- ইউডোরা প্রো,
- নেটস্কেপ কমিউনিকেটর,
- ইন্টারনেট মেইল ইত্যাদি।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৭.
WWW কত সালে উদ্ভাবিত হয়?
  1. ১৯৮৯
  2. ২০০১
  3. ১৯৮০
  4. ১৯৯৫
ব্যাখ্যা
টিম বার্নাস লী ১৯৮৯ সালে এই ওয়েব ব্যবস্থাটি উদ্ভাবন করেন।

• WWW:
- WWW পূর্ণরূপ হচ্ছে World Wide Web.
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার (যা ওয়েব সার্ভার হিসেবে বিবেচিত হয়) সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোন ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম।
- টিম বার্নাস লী (Tim Berners-Lee) কে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক বলা হয়।
- তিনি ১৯৮৯ সালে এই ওয়েব ব্যবস্থাটি উদ্ভাবন করেন।
- এটি সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি অনেকগুলো ওয়েব সার্ভার নিয়ে গঠিত।
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের বৈশিষ্ট্য হলো বিশেষ ধরনের ভাষা বা যোগাযোগ মাধ্যম, যাকে বলে http বা Hyper Text Transfer Protocol.
- http হলো ইন্টারনেটে টিসিপি/আইপি প্রটোকলের মাধ্যমে ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব ক্লায়েন্টের যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য ব্যবহৃত প্রটোকল।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার দক্ষতা, মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ বিএড।
২। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৮.
নিম্নের কোনটির Memory Capacity সর্বোচ্চ?
  1. ক) Kilobyte
  2. খ) Megabyte
  3. গ) Terabyte
  4. ঘ) None of them
ব্যাখ্যা

The units of Computer Memory Measurements are:
- 1 Bit = Binary Digit.
- 8 Bits = 1 Byte
- 1024 Bytes = 1 KB (Kilo Byte)
- 1024 KB = 1 MB (Mega Byte)
- 1024 MB = 1 GB (Giga Byte)
- 1024 GB = 1 TB (Terra Byte)
- 1024 TB = 1 PB (Petabyte)
- 1024 PB = 1 EB (Exa Byte)

১১৯.
LASER এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation
  2. খ) Light Amplitude by Simultaneous Emission of Radiation
  3. গ) Light Amplification by Simultaneous Emission of Radiation
  4. ঘ) Light Anode by Series Emission of Radioactivity
ব্যাখ্যা
LASER এর পূর্ণরূপ - Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation. অর্থাৎ উত্তেজিত বিকিরণের সাহায্যে আলোক বিবর্ধক।
- ১৯৬০ সালে আমেরিকান পদার্থবিদ থিওডর মাইম্যান প্রথম লেজার তৈরী করেন।
- কাটা, ড্রিলিং/খনন, ঝালাই, উপগ্রহ ট্র্যাকিং, চিকিৎসা ও জীববিজ্ঞান গবেষণা, কমপ্যাক্ট ডিস্ক ও বার কোড পঠন, সার্জারি ইত্যাদি কর্মকান্ডে লেজার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
- লেজারের সবচেয়ে ব্যাপক ব্যবহার তথ্য সংরক্ষণ এবং পুনরুদ্ধারকরণ কাজে।
- উদাহরণস্বরূপ সিডি (কমপ্যাক্ট ডিস্ক) রাইটার-এর মাধ্যমে সিডি-তে (আলোক সংবেদনশীল রং সম্পন্ন একটি ডিস্ক) ডাটা লিখতে উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন লেজার ব্যবহার করা হয়।

Source: Britannica, বাংলাপিডিয়া
১২০.
কত কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে MAN ভাল কাজ করে?
  1. ১০ কিলোমিটার
  2. ৩০ কিলোমিটার
  3. ৫০ কিলোমিটার
  4. ৭০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
• ১০ কিলোমিটারের মধ্যে MAN ভাল কাজ করে।

• MAN:
- MAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Metropolitan Area Network (মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক)।
- একই শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারসমূহ বিভিন্ন ডিভাইস ও LAN গুলোর সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে MAN বলা হয়।
- MAN এর ক্ষেত্রে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত টেলিফোন লাইন, মডেম বা মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করা হয়।
- এই নেটওয়ার্কে যখন তারবিহীন সংযোগ দেয়া হয়, তখন তাকে WMAN (Wireless Metropoliton Area Network) বলা হয়।
- এই নেটওয়ার্কে হাব, গেটওয়ে, সুইচ, ব্রিজ, রাউটার ইত্যাদি ডিভাইসসমূহ ব্যবহৃত হয়।
- MAN এর মালিকানা সাধারণত কোনো অর্গানাইজেশনের হয়ে থাকে।
- শহরের ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্কের উদাহরণ।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১২১.
Bluetooth-এ কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. Nano Frequency Technology
  2. Radio Frequency Technology
  3. Broadband Frequency Technology
  4. Optical Frequency Technology
ব্যাখ্যা
• Bluetooth এ Radio Frequency (RF) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।

• ব্লুটুথ (Bluetooth):

- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- Bluetooth এ Radio Frequency (RF) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- Bluetooth 2.4GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২২.
ফায়ারওয়াল নিচের কোন কাজে ব্যবহৃত হয়? 
  1. কম্পিউটার এর গতি বৃদ্ধি করতে
  2. রিড-রাইট অপারেশনের জন্য
  3. কম্পিউটারের সহায়ক মেমরি হিসেবে
  4. ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে
ব্যাখ্যা
ফায়ারওয়াল: 
- ফায়ারওয়াল হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা, যা নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ বা হ্যাকিং থেকে রক্ষা করে। 
- ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়। 
- ফায়ারওয়াল- অবাঞ্চিত ব্যবহারকারীর হাত হতে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়। 
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়। 
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না। শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) এবং ব্রিটানিকা।
১২৩.
Firewall এমন একটি সিস্টেম -
  1. যা কম্পিউটার থেকে ভাইরাস স্ক্যান করে এবং অপসারণ করে।
  2. যা একটি প্রাইভেট নেটওয়ার্কে অননুমোদিত অ্যাক্সেসকে বাধা দেয়।
  3. যা নিরাপদ অনলাইন অর্থ স্থানান্তর করতে সহযোগিতা করে।
  4. যেখানে একাধিক কম্পিউটার একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে।
ব্যাখ্যা
- ফায়ারওয়াল হল এমন একটি সিস্টেম যা একটি প্রাইভেট নেটওয়ার্কে অননুমোদিত অ্যাক্সেসকে বাধা দেয়।
- এটি এক ধরনের সাইবারসিকিউরিটি টুল যা নেটওয়ার্কে ট্রাফিক ফিল্টার করতে ব্যবহৃত হয়।
- ফায়ারওয়াল একটি সুরক্ষিত অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্ক এবং একটি অনিরাপদ বহিরাগত নেটওয়ার্কের মধ্যে একটি বাধা তৈরি করে থাকে।
১২৪.
রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান-প্রদান করে কোনটি?
  1. ক) Bluetooth
  2. খ) Wi-fi
  3. গ) Wi-Max
  4. ঘ) Microphone
ব্যাখ্যা
Bluetooth:
- Bluetooth রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান-প্রদান করে।  
- এটি একটি পারসোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক। 
- ১৯৪৫ সালে Ericsson (এরিকসন) এই প্রযুক্তি আবিষ্কার করেন। 
- রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান-প্রদান করে
- Bluetooth নেটওয়ার্ককে বলা হয় Piconet (পিকোনেট)।
- এছাড়া দুটি Piconet (পিকোনেট) একসাথে Scatternet (স্ক্যাটারনেট) বলা হয়।

উৎস
: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)। 
 
১২৫.
কেন্দ্রীয়ভাবে ডেটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য নেটওয়ার্ক সবচেয়ে বেশি উপযোগী?
  1. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক
  2. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক
  3. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক
  4. পিয়ার টু সার্ভার নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা
• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে নেটওয়ার্কের প্রকারভেদ:
- নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।যথা:

১. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডেটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।

২. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।
- এরা প্রত্যেকেই রিসোর্স শেয়ারের ক্ষেত্রে সমান ভুমিকা পালন করে।

৩. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৬.
সর্বপ্রথম কোন হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করা হয়?
  1. Samsung Galaxy
  2. Nokia 1100
  3. Motorola Dyna TAC
  4. Sony
ব্যাখ্যা
• মোবাইল ফোন:
- ১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC ( NIPPON Telegraph and Telephone Corporation) প্রথমে বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।

• মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে।
১. প্রথম প্রজন্ম (1979 -1990),
২. দ্বিতীয় প্রজন্ম (1991- 2000)
৩. তৃতীয় প্রজন্ম (2001- 2008),
৪. চতুর্থ প্রজন্ম (2009 - 2020),
৫. পঞ্চম প্রজন্ম (2020 - বর্তমান)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
১২৭.
GSM পদ্ধতিতে সেল কভারেজ এরিয়া সর্বোচ্চ কত?
  1. ক) ৩৫ কি.মি.
  2. খ) ১০ কি.মি.
  3. গ) ১০০ কি.মি.
  4. ঘ) ৪৭ কি.মি.
ব্যাখ্যা
জিএসএম (GSM) এর বৈশিষ্ট্য -

১) সেল কভারেজ এরিয়া সর্বোচ্চ ৩৫ কি.মি.
২) বিদ্যুৎ খরচ তুলনামূলকভাবে বেশি (২ ওয়াট)।
৩) ডেটা ট্রান্সফার রেট তুলনামূলক কম (56kbps)।
৪) আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা আছে।
৫) ব্যবহৃত SIM কার্ড সহজলভ্য এবং যেকোন হ্যান্ডসেটে ব্যবহারের করা যায়।
১২৮.
ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. দুই ভাগে
  2. তিন ভাগে
  3. চার ভাগে
  4. পাঁচ ভাগে
ব্যাখ্যা
• ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. সিমপ্লেক্স:
- সিমপ্লেক্স মেথড কেবল একদিকে ডাটা প্রেরণ করতে পারে। যেমন রেডিও, টিভি ইত্যাদি।

২. হাফ ডুপ্লেক্স:
-  হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে সম্ভব না। যেমন- ওয়াকি-টকি, এস.এম.এস, ফ্যাক্স।

৩. ফুল ডুপ্লেক্স:
- ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে। যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১২৯.
নিচের কোনটি তৈরিতে ওয়াইম্যাক্স ব্যবহৃত হয়?
  1. WPAN
  2. WMAN
  3. WLAN
  4. All above
ব্যাখ্যা
• ওয়াইম্যাক্স:
- WiMAX এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়।
- WiMAX তারবিহীন উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড সেবা প্রদান করে থাকে যার IEEE নাম 802.16
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- WiMAX এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- WiMAX এর প্রধান অংশ ২টি। যথা-  বেস স্টেশন ও অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার
- ওয়াইম্যাক্স WMAN তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- ব্লুটুথ WPAN তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- ওয়াইফাই WLAN তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৩০.
Zigbee মূলত কিসের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. স্যাটেলাইট যোগাযোগ
  2. উচ্চ-সংজ্ঞার ভিডিও স্ট্রিমিং
  3. IoT ডিভাইসের জন্য স্বল্প-পরিসরের ওয়্যারলেস যোগাযোগ
  4. উচ্চ-গতির ইন্টারনেট অ্যাক্সেস
ব্যাখ্যা

• Zigbee মূলত IoT ডিভাইসের জন্য স্বল্প-পরিসরের ওয়্যারলেস যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি শক্তি-দক্ষ, কম ব্যান্ডউইডথের প্রযুক্তি, যা সেন্সর, স্মার্ট হোম ডিভাইস, লাইটিং সিস্টেম এবং অন্যান্য ছোট ডেটা ট্রান্সফার ডিভাইসগুলির মধ্যে নির্ভরযোগ্য সংযোগ নিশ্চিত করে। Zigbee উচ্চ-গতির ভিডিও স্ট্রিমিং বা স্যাটেলাইট যোগাযোগের মতো ডেটা-ভারী কাজের জন্য নয়, বরং এটি এমন পরিবেশে কার্যকর যেখানে কম শক্তি ব্যবহার করে ডিভাইসগুলিকে দীর্ঘ সময় ধরে সংযুক্ত রাখা দরকার। ছোট পরিসরের নেটওয়ার্ক এবং হালকা ডেটা আদান-প্রদানের জন্য এটি আদর্শ, যা স্মার্ট হোম, স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ এবং শিল্প অটোমেশন প্রয়োগে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

- সঠিক উত্তর: গ) IoT ডিভাইসের জন্য স্বল্প-পরিসরের ওয়্যারলেস যোগাযোগ।
 
• Zigbee:
- জিগবি (Zigbee) একটি তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক যা (PAN) তৈরি করার IEEE ৮০২.১৫.৪-ভিত্তিক আদর্শমানের প্রযুক্তি।
- এটি কম বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করে ডিজিটাল রেডিও যোগাযোগের সাহায্যে উচ্চ স্তরের যোগাযোগের প্রোটোকলগুলির জন্য পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান তৈরি করে।
- জিগবি একটি কম বিদ্যুৎ শক্তির, স্বল্প তথ্য হার বা ডেটারেট এবং ব্যক্তিগত এলাকার বেতার অ্যাড-হক নেটওয়ার্ক।
- এটি অন্যান্য বেতার বা ওয়ারলেস পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) যেমন ব্লুটুথ বা ওয়াই-ফাই থেকে সহজ এবং কম ব্যয়বহুল।
- এই নেটওয়ার্কগুলি ১২৮ বিট সিমেট্রিক এনক্রিপশন কী দ্বারা সুরক্ষিত থাকে।
- জিগবি নেটওয়ার্ক থেকে বিরতিহীন ২৫০ kbit/s ডেটা ট্রান্সমিশন হতে পারে।
- জিগবি ১৯৯৮ সালে প্রণীত, ২০০৩ সালে প্রমীতকরণ, এবং ২০০৬ সালে সংশোধিত হয়েছিল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৩১.
কোন নেটওয়ার্ককে সার্ভার-ভিত্তিক নেটওয়ার্ক বলা হয়?
  1. পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্ক
  2. পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক
  3. ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক
  4. ক্লাউড-ভিত্তিক নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা

◉ সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্ক (Server-Based Network) হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক স্থাপনা যেখানে একটি কেন্দ্রীয় সার্ভার (Central Server) বিভিন্ন ক্লায়েন্ট ডিভাইসকে পরিষেবা প্রদান করে।
ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক একটি সার্ভার-ভিত্তিক নেটওয়ার্ক, কারণ—
১। একটি কেন্দ্রীয় সার্ভার থাকে, যা ডাটা সংরক্ষণ, ম্যানেজমেন্ট, এবং সিকিউরিটি নিয়ন্ত্রণ করে।
২। ক্লায়েন্ট ডিভাইসগুলো (যেমন কম্পিউটার, মোবাইল) সার্ভারের সাথে সংযুক্ত হয়ে তথ্য ও সেবা গ্রহণ করে।

নেটওয়ার্ক:
- নেটওয়ার্কে বিদ্যমান ডিভাইসসমূহ কীভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে এবং সেগুলোর সার্ভিস মডেল কেমন হবে, তার উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে নিম্নরুপে ভাগ করা যায়। যথা-
১. পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network)
২. ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client Server Network)
৩. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybrid Network)

পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network):
- পৃথক সার্ভার কম্পিউটার ব্যতীত দুই বা ততোধিক কম্পিউটারের মধ্যে রিসোর্স শেয়ার করার জন্য যে নেটওয়ার্ক গঠন করা হয় তা হলো পিয়ার-টু- পিয়ার নেটওয়ার্ক।

ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client Server Network):
- একাধিক ক্লায়েন্ট/ওয়ার্কস্টেশন ও একটি কেন্দ্রীয় সার্ভারের সমন্বয়ে ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।
- এখানে সার্ভার কম্পিউটারে কেন্দ্রীয়ভাবে ডেটা জমা রাখা হয় এবং এসব ডেটা নেটওয়ার্কে অবস্থিত ক্লায়েন্ট কম্পিউটার কর্তৃক রিসোর্স হিসেবে ব্যবহার (শেয়ার) করা হয়।
- একে সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্কও বলা হয়।

হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybrid Network):
- এটি মূলত পিয়ার-টু-পিয়ার ও ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- এক্ষেত্রে হোস্ট কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ ও প্রসেসিং-এর পাশাপাশি ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্য (যেমন- গ্লোবাল স্টোরেজ মিডিয়া) বিদ্যমান থাকায় কর্পোরেট ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে এর জনপ্রিয়তা রয়েছে।
- এই নেটওয়ার্কে ক্লায়েন্ট সার্ভারের প্রাধান্য বেশি থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।

১৩২.
কোন ধরনের নেটওয়ার্ক টপোলজিতে “হাব” কেন্দ্রীয় সংযোগ হিসাবে ব্যবহৃত হয়?
  1. মেশ টপোলজি
  2. রিং টপোলজি
  3. বাস টপোলজি
  4. স্টার টপোলজি
ব্যাখ্যা

• “হাব” কেন্দ্রীয় সংযোগ হিসাবে ব্যবহৃত হয় স্টার টপোলজি-তে। স্টার টপোলজিতে প্রতিটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস বা নোড সরাসরি একটি কেন্দ্রীয় ডিভাইসের সাথে সংযুক্ত থাকে, যা সাধারণত একটি হাব, সুইচ বা রাউটার হতে পারে। এই কেন্দ্রীয় হাব নোডগুলোর মধ্যে ডেটা আদানপ্রদানের জন্য মধ্যস্থতা করে। স্টার টপোলজির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো কোনো একক নোডে সমস্যা হলে পুরো নেটওয়ার্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয় না; সমস্যা কেবল সেই নোড বা তার সংযোগে সীমাবদ্ধ থাকে। এছাড়া নতুন নোড সংযুক্ত করা সহজ এবং নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্টও তুলনামূলকভাবে সহজ হয়। এর কারণে হাবকে কেন্দ্রীয় সংযোগ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

- সঠিক উত্তর: ঘ) স্টার টপোলজি।

​হাব: 
- হাবের মাধ্যমে কম্পিউটারসমূহ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে। 
- হাবের ক্ষমতার উপর নির্ভর করে কম্পিউটারের সংযোগের সংখ্যা। 
- স্টার টপোলজিতে হাব একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়। 
- হাবে মাল্টিপল পোর্ট থাকে। 
- যখন একটি প্যাকেট কোন একটি পোর্টে পৌছায়, এটি সেই প্যাকেটকে কপি করে হাবের সকল পোর্টে পাঠায়। 

- কার্যকারিতার দিক থেকে হাব দুই প্রকার। 
যথা- 
১। সক্রিয় হাব (Active HUB): 
- এ ধরণের হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে, আবার কোন কোন সক্রিয় হাব সংকেতকে অল্প মাত্রায় প্রসেসও করে থাকে। 
- এই সকল হাব মূল সংকেত থেকে অপ্রয়োজনীয় সংকেত বাদ দিয়ে প্রয়োজনীয় সংকেত প্রেরণ করে। 

২। নিষ্ক্রিয় হাব (Passive HUB): 
- এ ধরণের হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে। 
- এ সকল হাব শুধু তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে মাত্র। এজন্য এই সকল হাবকে কোন সক্রিয় হাবের সাথে সংযুক্ত করে দেয়া হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩৩.
নিচের কোন ডিভাইসে একই সময়ে ডেটা পাঠানো ও গ্রহণ করা যায়? 
  1. টিভি
  2. ওয়াকিটকি
  3. রেডিও
  4. মোবাইল ফোন
ব্যাখ্যা
ডেটা ট্রান্সমিশন মোড: 
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডেটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডেটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডেটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়। 
- ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১। সিমপ্লেক্স: 
- শুধুমাত্র একদিকে ডেটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। 
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডেটা পাঠাতে পারে না। 
উদাহরণ- রেডিও, টিভি। 

২। হাফ-ডুপ্লেক্স: 
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডেটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না। 
উদাহরণ- ওয়াকিটকি। 

৩। ফুল-ডুপ্লেক্স: 
- এক্ষেত্রে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে। 
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডেটা প্রেরণ করার সময় ডেটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে। 
উদাহরণ- টেলিফোন, মোবাইল। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৪.
কোনটির মাধ্যমে ডেটা একই সময় দুইদিকে যেতে পারে?
  1. সিমপ্লেক্স
  2. ফুল-ডুপ্লেক্স
  3. টেলিকাস্ট
  4. হাফ-ডুপ্লেক্স
ব্যাখ্যা
ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex)
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)

সিমপ্লেক্স: শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। যেমন - রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

হাফ-ডুপ্লেক্স: হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে বা যুগপৎ সম্ভব না। যেমন- ওয়াকি টকি।

ফুল-ডুপ্লেক্স: ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে। যেমনঃ টেলিফোন।

উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
১৩৫.
কোন ডিভাইসের মাধ্যমে অ্যানালগ সংকেত ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তরিত হয়?
  1. স্যুইচ
  2. রিপিটার
  3. মডেম
  4. রাউটার
ব্যাখ্যা
• মডেম (Modem):
- মডেম একটি ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস যা ইনপুট বা আউটপুট হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- মডেম শব্দটি মডুলেটর-ডিমডুলেটরের (Modulator Demodulator) সংক্ষিপ্ত রূপ।
- মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে পরিবর্তন করে এবং এই কাজের জন্য এতে একটি ডেক (DAC-Digital to Analog Converter) নামক চিপ বা সার্কিট থাকে।
- অনুরূপভাবে ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে পরিণত করে এবং এই কাজের জন্য এতে একটি ডেক (ADC-Analog to Digital Converter) নামক চিপ বা সার্কিট থাকে।
- মডেমে একটি মডুলেটর এবং একটি ডিমডুলেটর থাকে ।
- প্রেরক কম্পিউটারের সাথে যুক্ত মডেম কম্পিউটারের ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে পরিণত করে টেলিফোন যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্বারা গ্রাহকের নিকট ডেটা ও তথ্য প্রেরণ করে।
- এভাবে টেলিফোন লাইনের উপযোগী করে ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে পরিবর্তনের প্রক্রিয়াকে মডুলেশন (Modulation) বলে।
- গ্রাহক কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত মডেম সেই অ্যানালগ সংকেতকে আবার ডিজিটাল সংকেতে পরিণত করে তা কম্পিউটারের ব্যবহারোপযোগী করে।
- এভাবে টেলিফোন লাইন থেকে প্রাপ্ত অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তরের প্রক্রিয়াকে ডিমডুলেশন (Demodulation) বলে ।
- কাজেই প্রেরক বা প্রাপক হিসাবে ব্যবহৃত যে ডিভাইস বা যন্ত্র ডেটা কমিউনিকেশন সিস্টেমে মডুলেশন ও ডিমডুলেশন প্রক্রিয়ায় সাহায্যে উৎস ও গন্তব্যের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে তাকে মডেম বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
১৩৬.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সেবার ধরন নয়?
  1. IaaS
  2. PaaS
  3. SaaS
  4. HaaS
ব্যাখ্যা

HaaS ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সেবার ধরন নয়।

সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়:
১. IaaS (Infrastructure as a Service)
- এটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অবকাঠামোগত সেবা।
- এখানে ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক, CPU, স্টোরেজ ইত্যাদি ভাড়া দেয়।
- ব্যবহারকারী নিজে অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার ইনস্টল করে চালাতে পারেন।

• উদাহরণ:
- Amazon EC2,
- Google Cloud Storage,
- Rackspace.

২. PaaS (Platform as a Service)
- এটি একটি প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা।
- এখানে ডেভেলপাররা নিজের অ্যাপ তৈরি ও চালাতে পারেন, কিন্তু সার্ভার/ওএস মেইনটেইন করতে হয় না।
- ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, OS, ডেটাবেজ, ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি সরবরাহ করে।

• উদাহরণ:
- Google App Engine,
- Microsoft Azure App Services,
- Heroku,
- Salesforce Platform.

৩. SaaS (Software as a Service)
- এটি একটি সম্পূর্ণ সফটওয়্যার সেবা।
- ব্যবহারকারী সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফটওয়্যার ব্যবহার করেন।
- আলাদা করে ইনস্টল করার দরকার পড়ে না।

• উদাহরণ:
- Google Docs,
- Microsoft 365,
- Lotus,
- Yahoo!mail,
- Zoho.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৩৭.
Which wireless communication technology creates a Personal Area Network (PAN)?
  1. Wi-Fi
  2. Bluetooth
  3. WiMAX
  4. Satellite Communication
ব্যাখ্যা

• Bluetooth একটি স্বল্প দূরত্বের wireless প্রযুক্তি যা বিভিন্ন ডিভাইসের মধ্যে Personal Area Network (PAN) তৈরি করে।

• ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন প্রযুক্তি:
- ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন বলতে এমন যোগাযোগ ব্যবস্থা বোঝায় যেখানে ডিভাইসগুলোর মধ্যে কোনো ধরনের তার বা কেবল ছাড়াই ডাটা আদান-প্রদান করা হয়।
- এই ব্যবস্থায় সাধারণত রেডিও তরঙ্গ বা অন্যান্য ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গ ব্যবহার করে তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণ করা হয়।
- ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন প্রযুক্তির মাধ্যমে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, প্রিন্টার ইত্যাদি ডিভাইস একে অপরের সাথে সংযুক্ত হয়ে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।

• Bluetooth:
- Bluetooth হলো স্বল্প দূরত্বের একটি ওপেন ওয়্যারলেস প্রযুক্তি স্ট্যান্ডার্ড যা বিভিন্ন ডিভাইসের মধ্যে ডাটা বিনিময়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Bluetooth প্রযুক্তির মাধ্যমে একটি Personal Area Network (PAN) তৈরি করা যায়।
- এই প্রযুক্তি 2.4 GHz ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে কাজ করে।
- সাধারণত 10–100 মিটার দূরত্বের মধ্যে থাকা ডিভাইসগুলোর মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।
- মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, হেডসেট, মেডিক্যাল ডিভাইস এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রে Bluetooth ব্যবহৃত হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- Wi-Fi → একটি জনপ্রিয় wireless networking প্রযুক্তি যা IEEE 802.11 standard ব্যবহার করে উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করে।
- WiMAX → Worldwide Interoperability for Microwave Access; এটি বৃহৎ এলাকা জুড়ে উচ্চগতির broadband internet access প্রদানকারী wireless প্রযুক্তি।
- Satellite Communication → কৃত্রিম উপগ্রহ ব্যবহার করে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানের মধ্যে দূরপাল্লার তথ্য বা সংকেত আদান-প্রদানের পদ্ধতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩৮.
WiMAX is based on which IEEE standard?
  1. 802.15
  2. 802.11
  3. 802.16
  4. 802.20
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) 802.16

WiMAX
- WiMAX-এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access।
- এটি একটি আধুনিক তারবিহীন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রযুক্তি, যা DSL ও তারযুক্ত ইন্টারনেটের বিকল্প হিসেবে ১০–৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত উচ্চগতির ইন্টারনেট প্রদান করে।
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করা হয়।
- WiMAX-এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হলো 802.16।
- এর ডেটা স্থানান্তরের গতি ৮০ - ১০০০ Mbps।
- এর ব্যান্ডউইথ ৩০ - ৭৫ Mbps।
- এর কভারেজ এরিয়া ১০ - ৫০ কিলোমিটার।
- WiMAX-এর প্রধান অংশ দুটি, যথা – বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

অন্যান্য IEEE স্ট্যান্ডার্ড
- 802.15 - ব্লুটুথ এবং Personal Area Network (PAN) প্রযুক্তির জন্য।
- 802.11 - Wi Fi এর জন্য ব্যবহৃত।
- 802.20 - Mobile Broadband Wireless Access (MBWA) এর জন্য।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, 
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান। 

১৩৯.
কোনটির সাহায্যে hierarchy ম্যানু ব্যবহার করে তথ্য বের করা যায়?
  1. ক) টেলনেট
  2. খ) এফ টি পি
  3. গ) গোফার
  4. ঘ) অরচি
ব্যাখ্যা
গোফার - Hierarchy(হায়ারারাকি) ম্যানু ব্যবহার করে তথ্য বের করা ।
টেলনেট - এক কম্পিউটারের সাথে লগ অন (Log on) করে আরেক কম্পিউটারের কাজ করা। 
এফ টি পি - এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে ফাইল পাঠানো
অরচি - ডাউনলোডের জন্য বর্তমান ডকুমেন্ট, সফটওয়্যার এবং ডাটা ফাইলের ডাটাবেস খুঁজে বের করা।

 
- মিনিসোটা ইউনিভার্সিটির Paud Lindner এবং Mark P. Me. Cahill গোফার তৈরি করেন । 
- গোফার সমস্ত ডাটাকে ম্যানু, ডকুমেন্ট, ইনডেক্স অথবা টেলিনেট সংযোগ হিসেবে বিবেচনা করে।
- টেলিনেটের মাধ্যমে এক গোফার সাইট অন্য সাইটে প্রবেশ করতে পারে এবং সত্যিকার ইন্টারনেট ওয়ার্কিং এ্যাপ্লিকেশন (internet working application) হিসেবে একক (single) ইন্টারফেস-এর মাধ্যমে একাধিক সাইট হতে ব্যবহারকারীর কাছে ডাটা সরবরাহের ক্ষেত্রে গোফারের সামর্থ্য রয়েছে।
 
উৎস : ব্যবসায়ে চালিকা শক্তি, এমবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
 
 
১৪০.
কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কে যুক্ত করার জন্য কোন ডিভাইসটি ব্যবহৃত হয়?
  1. Bridge
  2. Router
  3. Hub
  4. NIC
ব্যাখ্যা
• Network Interface Card(NIC):
- NIC এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Network Interface Card।
- কম্পিউটারকে নেটওয়ার্ক এর সাথে সংযুক্ত করার জন্য নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড ব্যবহার করা হয়।
- এ কার্ডকে ল্যান কার্ড বা নেটওয়ার্ক অ্যাডাপ্টারও বলে।
- ল্যান কার্ড মাদারবোর্ডের বিভিন্ন আকৃতির স্লটের মধ্যে বসানো থাকে।
- অধিকাংশ NIC কম্পিউটারের সাথে বিল্ট-ইন থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৪১.
কেন্দ্রীয় ডিভাইস বা সার্ভার ব্যবহার করা হয় কোন টপলোজিতে?
  1. ক) ট্রি টপােলজি
  2. খ) রিং টপােলজি
  3. গ) বাস টপােলজি
  4. ঘ) মেশ টপােলজি
ব্যাখ্যা
ট্রি টপােলজি (Tree Topology):
ট্রি টপােলজিতে কম্পিউটার বা নােডগুলাে পরস্পরের সাথে গাছের শাখা-প্রশাখার ন্যায় বিন্যস্ত ও যুক্ত থাকে। মূলত স্টার টপােলজি সম্প্রসারিত করে ট্রি টপােলজিতে রূপান্তর করা হয়। এতে একাধিক স্তরের কম্পিউটার একটি কেন্দ্রীয় হােস্ট কম্পিউটার বা সার্ভারের সাথে যুক্ত থাকে। এই হােস্ট কম্পিউটারের সাথে বিন্যাস বা হায়ারার্কি (Hierarchy) অনুসারে বিভিন্ন স্তরের ডিভাইস নেটওয়ার্ক হাব বা সুইচের মাধ্যমে যুক্ত থাকে। এজন্য এটিকে হায়ারার্কিক্যাল টপােলজিও বলা হয়।
রিং, বাস, মেশ টপােলজিতে কেন্দ্রীয় কোন ডিভাইস(হোস্ট কম্পিউটার) বা সার্ভারের প্রয়োজন হয় না।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ)
১৪২.
কোন ধরনের ডাটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে ডাটাকে প্যাকেট আকারে ট্রান্সমিট করা হয়ে থাকে?
  1. অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  2. সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  3. ফুল-ডুপ্লেক্স ট্রান্সমিশন
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

সিনক্রোনাইজেশনের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
যেমন -
১। অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Asynchronous Transmission) ও
২। সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Synchronous Transmission)

সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনঃ যে ট্রান্সমিশন সিস্টেমে ডাটা প্যাকেট বা ব্লক আকারে ট্রান্সমিট করে তাকে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন সিস্টেম বলে।
এ পদ্ধতিতে প্রথমে ডাটাকে একটি প্রাইমারী স্টোরেজ ডিভাইসে সংরক্ষণ করে অনেকগুলো ব্লক বা গ্রুপ করে পাঠানো হয়। প্রেরক হতে গ্রাহকে অনেকগুলো বর্ণ দ্বারা গঠিত ব্লক আকারে ডাটা পাঠানো হয়। সাধারণত একটি ব্লকে ৮০ হতে ১৩২ টি বর্ণ থাকে। দু'টি ব্লকের মাঝখানে সময় বিরতি সমান হয়ে থাকে এবং প্রতিটি ব্লক ডাটার শুরুতে একটি হেডার (Header) ইনফরমেশন এবং শেষে একটি টেইলার (Tailer) ইনফরমেশন পাঠানো হয়।

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।

১৪৩.
ওয়াই-ফাই এর স্ট্যান্ডার্ড হল:
  1. IEEE 802.14
  2. IEEE 802.16
  3. IEEE 802.11
  4. IEEE 802.02
ব্যাখ্যা
• Wi-Fi:
- Wi-fi এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity.
- Wi-fi হলো একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগসমূহ সরবরাহ করে থাকে রেডিও ওয়েভ ব্যবহাররের মাধ্যমে।
- ওয়াই-ফাই সাধারণত 2.4 থেকে 5 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি Wi-fi Alliance এর একটি ট্রেডমার্ক এবং IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম।
- ভিক্টর ভিক হেরেসকে ওয়াই-ফাই এর জনক বলা হয়।

- ওয়াই-ফাই এর ডাটা ট্রান্সমিশনে এ হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহৃত হয়।
- কাভারেজ ঘরের ভিতর ৩৩ মিটার এবং বাইরে প্রায় ১০০ মিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.16
- Bluetooth এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.15

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪৪.
সিমপ্লেক্স মোডে ডেটা ট্রান্সমিশন করেনা কোনটি?
  1. রেডিও
  2. মাউস
  3. পেজার
  4. মোবাইল ফোন
ব্যাখ্যা
♦ ডাটা ট্রান্সমিশন মোড: 
- ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের উপর ভিত্তি করে মোবাইল কমিউনিকেশন সিস্টেমকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- 
১. সিমপ্লেক্স
২. হাফ-ডুপ্লেক্স ও
৩. ফুল-ডুপ্লেক্স।

সিমপ্লেক্স মোড: 
- ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ডাটার একদিকে প্রবাহকে সিমপ্লেক্স মোড বলে।
- সিমপ্লেক্সের উদাহরণ- রেডিও-টিভি, PABX, কীবোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

ফুল-ডুপ্লেক্স মােড:
- ফুল-ডুপ্লেক্স মােডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে।
- ফুল-ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- মোবাইল ফোন, টেলিফোন, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ইত্যাদি।

হাফ-ডুপ্লেক্স মোড: 
- যখন এক প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় , আবার যখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন প্রথম প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় তাকে হাফ ডুপ্লেক্স মোড বলে।
- হাফ ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪৫.
মোবাইল ওয়াইম্যাক্সের IEEE স্ট্যান্ডার্ড কোনটি?
  1. IEEE 802.11d
  2. IEEE 802.14c
  3. IEEE 802.15m
  4. IEEE 802.16e
ব্যাখ্যা
• ওয়াইম্যাক্স সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১. ফিক্সড ওয়াইম্যাক্স:
- ফিক্সড ওয়াইম্যাক্স IEEE 802.16d স্ট্যান্ডার্ডের এবং এর ফ্রিকোয়েন্সি রেঞ্জ 10 GHz থেকে 66 GHz।
- এ ধরনের সংযোগের জন্য গ্রাহক প্রান্তে একটি রিসিভার টাওয়ার বা অ্যান্টেনা বসানো থাকে এবং ওয়াইম্যাক্সের ব্যান্ডইউডথ মোবাইল ওয়াইম্যাক্সের তুলনায় বেশি থাকার পরও মোবালিটি না থাকার কারণে এটি জনপ্রিয়তা লাভ করতে পারেনি।

২. মোবাইল ওয়াইম্যাক্স:
- মোবাইল ওয়াইম্যাক্স IEEE 802.16e স্ট্যান্ডার্ডের এবং এর ফ্রিকোয়েন্সি রেঞ্জ 2 GHz থেকে 11 GHz।
- এ ধরনের সংযোগের ক্ষেত্রে গ্রাহক প্রান্তে মূলত এজ মডেম ব্যবহৃত এবং ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের ট্রান্সমিশনের কারণে সিগন্যাল যেকোনো জায়গায়, চলাচল করতে পারে।
- তবে এ ধরনের সংযোগের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীকে ওয়াইমাক্সের বেজ স্টেশনের কাছাকাছি অবস্থান করতে হয়।
- অন্যথায় রেডিও সিগন্যাল লস বা ক্ষয় হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
- মোবাইল ওয়াইম্যাক্স সার্ভিসের ক্ষেত্রে সার্ভিস প্রোভাইডারদেরকে অধিকসংখ্যক বেজ স্টেশন স্থাপন করতে হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪৬.
কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণের ক্ষেত্রে কোন পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়?
  1. Simplex
  2. Half-Duplex
  3. Full-Duplex
  4. Triplex
ব্যাখ্যা
• ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. সিমপ্লেক্স (Simplex),
২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex).

• সিমপ্লেক্স:
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না।
- উদাহরণ: রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

• হাফ-ডুপ্লেক্স:
- হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সযোগ থাকে, তবে একই সময়ে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণ সম্ভব না।
- উদাহরণ: ওয়াকি টকি।

• ফুল-ডুপ্লেক্স:
- ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে একইসাথে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে।
- উদাহরণ: টেলিফোন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী,  উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪৭.
ব্যাপক মাত্রায় আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা শুরু হয় কোন প্রজন্ম থেকে?
  1. ক) ১ম প্রজন্ম
  2. খ) ৩য় প্রজন্ম
  3. গ) ৪র্থ প্রজন্ম
  4. ঘ) ৫ম প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
3G মোবাইল প্রযুক্তি থেকে ব্যাপক মাত্রায় আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা শুরু হয়।

তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্যসমূহ-
১. ডেটা রূপান্তরের কাজে Packet Switching 3 Circuit Switching উভয় পদ্ধতিই ব্যবহৃত হয়।
২. উচ্চগতি সম্পন্ন ডেটা স্থানান্তর। ব্যান্ডউইডথ ২ mbps এর অধিক।
৩. চ্যানেল একসেস TD-SCDMA, TD-CDMA পদ্ধতির।
৪. ব্যাপক আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা।
৫. ভিডিও কলের ব্যবহার শুরু।
৬. নেটওয়ার্কে GPRS ও EDGE পদ্ধতির ব্যবহার।
৭. মডেম সংযোজনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনেই ইন্টারনেট ব্যবহার।
৮. মোবাইল ফোনেই ইন্টারনেট ব্রাউজিং, টিভি দেখা, গান শোনা প্রভৃতি করা যায় ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
১৪৮.
"গ্রিন ফোন" শব্দটি কোন মোবাইল ফোন প্রযুক্তির সাথে সম্পর্কিত?
  1. GSM
  2. LTE
  3. CDMA
  4. Wi-Fi
ব্যাখ্যা
• "গ্রিন ফোন" শব্দটি সাধারণত CDMA মোবাইল ফোন প্রযুক্তির সাথে সম্পর্কিত। CDMA বা Code Division Multiple Access হলো একটি মোবাইল যোগাযোগ প্রযুক্তি যা ডাটা ও ভয়েস ট্রান্সমিশনের জন্য কোড ব্যবহার করে সিগন্যাল পাঠায়। এটি বিভিন্ন ব্যবহারকারীদের একই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে আলাদা কোড ব্যবহার করে সিগন্যাল প্রেরণ করতে সাহায্য করে, ফলে স্পেকট্রাম ব্যবহার দক্ষ হয়। CDMA সিস্টেমে কম পাওয়ার দরকার হওয়ায় ব্যাটারির আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি পায় এবং দীর্ঘক্ষণ ধরে কথা বলা যায় যা পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই একে গ্রিন ফোন (Green Phone) বলা হয়।
- অন্যদিকে, GSM, LTE ও Wi-Fi ভিন্ন প্রযুক্তি, যা গ্রিন ফোনের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। তাই "গ্রিন ফোন" শব্দটি CDMA প্রযুক্তির জন্য ব্যবহৃত হয়।


• CDMA:

- কোয়ালকম (Qualcom) আবিষ্কৃত সিডিএমএ (CDMA) হলো একটি এডভান্সড ডিজিটাল ওয়্যারল্যাস প্রযুক্তি।
- CDMA এর পূর্ণরূপ Code Division Multiple Access.
- ১৯৯৫ সালে এই প্রযুক্তি সারা বিশ্বে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে।
- এটা ইউনিক কোডিং সিস্টেম ব্যবহার করে ডাটা আদান-প্রদান করে।
- CDMA সিস্টেমে কম পাওয়ার দরকার হওয়ায় ব্যাটারির আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি পায় এবং দীর্ঘক্ষণ ধরে কথা বলা যায় যা পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই একে গ্রিন ফোন (Green Phone) বলা হয়।
- CDMA ডাটা আদান প্রদান করে Spread Spectrum পদ্ধতিতে।
- বিভিন্ন ধরনের রেডিও কমিউনিকেশন প্রযুক্তির দ্বারা বাস্তবায়িত হয়।
- এই প্রযুক্তিতে ভয়েস এবং ডেটা এ্যাপ্লিকেশনে অনেক ব্যান্ডউইথ পাওয়া যায়।
- এতে ২জি এবং থ্রিজি উভয় প্রযুক্তিই ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।
১৪৯.
বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে -
  1. হাব
  2. সুইচ
  3. রাউটার
  4. গেটওয়ে
ব্যাখ্যা

◉ গেটওয়ে (Gateway) হলো একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস, যা বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।
- এটি প্রোটোকল কনভার্টার হিসেবেও কাজ করে, যেখানে দুটি ভিন্ন নেটওয়ার্ক যেমন LAN ও WAN, IP ও IPX, অথবা IPv4 ও IPv6 এর মধ্যে ডাটা আদান-প্রদান সম্ভব হয়।

গেটওয়ে:
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ক) রাউটার (Router) – এটি ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করে, কিন্তু সাধারণত একই প্রোটোকলের মধ্যে কাজ করে।
খ) হাব (Hub) – এটি নেটওয়ার্ক ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডাটা ট্রান্সমিট করে।
গ) সুইচ (Switch) – এটি একই নেটওয়ার্কের মধ্যে ডাটা প্যাকেট ফরওয়ার্ড করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫০.
RFID বলতে বােঝায়-
  1. Random Frequency Identification
  2. Random Frequency Information
  3. Radio Frequency Information
  4. Radio Frequency Identification
ব্যাখ্যা
• RFID:
- RFID এর পূর্ণরূপ Radio-Frequency Identification.
- বারকোড যদি এক অর্থে এক-মাত্রিক ডেটা হয় এবং QR কোড যদি দ্বি-মাত্রিক হয়, তাহলে RFID ট্যাগগুলিকে ত্রিমাত্রিক কোড হিসাবে ভাবা যেতে পারে।
- রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (RFID) একটি বেতার সিস্টেমকে বোঝায় যা দুটি উপাদান নিয়ে গঠিত: ট্যাগ এবং রিডার।
- RFID ট্যাগগুলি তাদের মধ্যে সঞ্চিত তথ্য প্রেরণ করতে রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে।
- RFID এ তথ্য পড়া ও লেখা যায় (ট্যাগ এর মাঝে তথ্য পরিবর্তন করা যায়)।
- এর তথ্য ধারণ ক্ষমতা: হাজার হাজার ক্যারেক্টার।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৫১.
কোন ধরনের টপোলজিতে প্রতিটি পৃথক সেগমেন্টের জন্য পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট সংযোগ থাকে?
  1. বাস টপোলজি
  2. স্টার টপোলজি
  3. ট্রি টপোলজি
  4. রিং টপোলজি
ব্যাখ্যা
• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের টপোলজি:
- নেটওয়ার্ক ভুক্ত কম্পিউটার সমূহের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামো হচ্ছে টপোলজি।

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে সাধারণত নিম্নলিখিত চার ধরনের সংযোগ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
১. স্টার টপোলজি
২. বাস টপোলজি
৩. রিং টপোলজি
৪. ট্রি টপোলজি

• ট্রি টপোলজি:
- এই টপোলজিতে নেটওয়ার্ককে একাধিক স্তরে বিভক্ত করা হয়, যেখানে প্রথম স্তরের কম্পিউটারগুলো দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হিসেবে কাজ করে।
- এটি বর্তমানে অন্যতম সর্বাধিক ব্যবহৃত নেটওয়ার্ক টপোলজি।
- ট্রি টপোলজি বাস ও স্টার টপোলজির বৈশিষ্ট্য একত্রিত করে গঠিত।
- মূল হোস্ট কম্পিউটার থেকে একটি হায়ারার্কিক্যাল গঠনে অন্যান্য কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে, যার ফলে একে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি ও বলা হয়।

• ট্রি টপোলজির সুবিধাসমূহ:
- নতুন শাখা-প্রশাখা যোগ করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা সহজ।
- দীর্ঘ দূরত্বে সংকেত প্রেরণ করা সম্ভব।
- ত্রুটি সনাক্তকরণ ও সংশোধন করা সহজ।
- নেটওয়ার্কের কোনো নির্দিষ্ট নোড বা শাখা নষ্ট হলেও সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক অকার্যকর হয় না।
- প্রতিটি পৃথক সেগমেন্টের জন্য পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট সংযোগ থাকে, যা কার্যকারিতা বাড়ায়
- উন্নত ডেটা নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
- বড় নেটওয়ার্ক বা অফিস ব্যবস্থাপনার জন্য উপযোগী।

• ট্রি টপোলজির অসুবিধাসমূহ:

- এই টপোলজি কিছুটা জটিল প্রকৃতির।
- বাস্তবায়ন খরচ তুলনামূলকভাবে বেশি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৫২.
সাধারণত স্টার টপোলজিতে LAN-এর সেন্ট্রাল কন্ট্রোলার কে কী বলা হয়?
  1. ক) Modem
  2. খ) Router
  3. গ) Hub
  4. ঘ) Node
ব্যাখ্যা
• সাধারণত স্টার টপোলজিতে LAN-এর সেন্ট্রাল কন্ট্রোলার Hub বলা হয়।

স্টার টপোলজি:
- এ ধরনের সংগঠনে একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস এর সাথে অন্যান্য কম্পিউটারগুলো সংযুক্ত থাকে।
- কেন্দ্ৰিয় ডিভাইসটি হতে পারে একটি হাব বা সুইচ।
- হাব বা সুইচ এর মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।
- ডাটা চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে হাব বা সুইচ।
- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটার এ ডাটা স্থানান্তরের জন্য প্রথমে কেন্দ্রিয় ডিভাইসে প্রেরণ করতে হয়।
- এরপর কেন্দ্রিয় ডিভাইস ডাটা গ্রহণকারী কম্পিউটারে ডাটা পাঠিয়ে দেয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫৩.
দুটি টার্মিনেটর থাকে কোন টপোলজিতে?
  1. স্টার টপোলজি
  2. রিং টপোলজি
  3. ট্রি টপোলজি
  4. বাস টপোলজি
ব্যাখ্যা
• বাস টপোলজি:
- যে টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে।
- একে অনেক সময় লিনিয়ার বাস টপোলজিও বলা হয়।
- এখানে মূল ক্যাবল বা তারটিকে বলা হয় ব্যাকবোন (Backbone)।
- মূল ক্যাবলের উভয় প্রান্তে দুটি টার্মিনেটর থাকে।
- এখানে কোনো কেন্দ্রীয় কম্পিউটার থাকে না।
- প্রতিটি কম্পিউটার বা ওয়ার্কস্টেশন মূল বাসের সাথে তারের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫৪.
এক নেটওয়ার্ক থেকে আরেক নেটওয়ার্কে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ কর যায় কোনটির সাহায্য?
  1. হিউম্যানওয়ার
  2. ফায়ারওয়াল
  3. ফার্মওয়্যার
  4. এন্টি ভাইরাস
ব্যাখ্যা
- ফায়ারওয়াল বাইরের আক্রমণ থেকে এক বা একাধিক কম্পিউটারকে রক্ষা করার জন্য হার্ডওয়্যার আর সফটওয়্যার এর মিলিত প্রয়াস।
- ফায়ারওয়ালের সবচেয়ে বহুল ব্যবহার লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে। তথ্য নিরাপত্তা রক্ষাও এর কাজের অংশ।
- ফায়ারওয়াল হলো এক বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা যাতে এক নেটওয়ার্ক থেকে আরেক নেটওয়ার্কে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
১৫৫.
নিম্নলিখিত কোন যোগাযোগ মাধ্যম একসাথে দুই দিকের তথ্য আদানপ্রদান করে?
  1. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড
  2. সিমপ্লেক্স মোড
  3. ফুল-ডুপ্লেক্স মোড
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• ফুল-ডুপ্লেক্স মোড (গ) একসাথে দুই দিকের তথ্য আদানপ্রদান করতে পারে। ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে যোগাযোগ ব্যবস্থায় দুই পক্ষ একসাথে একই সময় তথ্য পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে পারে। এর ফলে যোগাযোগ দ্রুত এবং স্বতঃস্ফূর্ত হয়। অন্যদিকে, হাফ-ডুপ্লেক্স মোডে তথ্য একসময় শুধুমাত্র একদিকে থেকে অন্যদিকে যায়, অর্থাৎ দুই দিকের আদানপ্রদান একসাথে সম্ভব নয়। সিমপ্লেক্স মোডে তথ্য একদিকেই যায়, অর্থাৎ একপক্ষ তথ্য পাঠায় আর অন্যপক্ষ শুধু গ্রহণ করে। তাই, একসাথে দুই দিকের তথ্য আদানপ্রদান সম্ভব হয় শুধুমাত্র ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে।

• ডেটা ট্রান্সমিশন মোড: 
- দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা প্রবাহের দিক নির্দেশককে ডেটা ট্রান্সমিশন বা ডেটা কমিউনিকেশন মোড বলে। 
- ডেটা প্রবাহের দিক-এর উপর নির্ভর করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।  
যথা- 
১। সিমপ্লেক্স মোড (Simplex mode): 
- এই পদ্ধতিতে শুধু একদিকে ডেটা পাঠানো সম্ভব হয়, প্রেরক শুধু ডেটা প্রেরণ করে এবং গ্রাহক শুধু ডেটা গ্রহণ করে। 
যেমন- কি বোর্ড, মাউস, জয়স্টিক ইত্যাদি সিমপ্লেক্স মোডের উদাহরণ। 

২। হাফ-ডুপ্লেক্স মোড (Half-duplex mode): 
- এই পদ্ধতিতে দুইদিকেই ডেটা পাঠানো বা গ্রহণ করা সম্ভব, কিন্তু একসাথে নয়, আলাদা আলাদাভাবে। 
- একটি ডিভাইস ডেটা পাঠালে অন্যটিকে অপেক্ষা করতে হয় তার সুযোগ আসার জন্য। 
- এই পদ্ধতিতে ডেটার ভেতর সংঘর্ষ (collision) না হওয়ার জন্য বিশেষ সার্কিটের ব্যবস্থা রাখতে হয়। 
যেমন- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এস.এম.এস ইত্যাদি হাফ-ডুপ্লেক্স মোডে চলে। 

৩। ফুল-ডুপ্লেক্স মোড (Full-duplex mode): 
- ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে। 
যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ফোন কিংবা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কমিউনিকেশন এই পদ্ধতির উদাহরণ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
১৫৬.
ইন্টারনেট বলা হয় কোনটিকে?
  1. LAN
  2. PAN
  3. MAN
  4. WAN
ব্যাখ্যা
• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- WAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Wide Area Network।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলো বিশাল জায়গা জুড়ে যেমন-একই দেশের বিভিন্ন শহরের এবং এক দেশ থেকে অন্য দেশ পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কে একাধিক LAN, MAN সংযুক্ত থাকতে পারে।
- WAN কে ইন্টারনেট বলা হয়।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে টেলিফোন, স্যাটেলাইট, মাইক্রোওয়েভ, মডেম, বেতার তরঙ্গ ও আনুসঙ্গিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য আদান- প্রদানের জন্যে এই ধরনের নেটওয়ার্ক বেশি ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫৭.
কোনটি দুর্বল সিগন্যালকে অ্যামপ্লিফাই করে?
  1. মডেম
  2. রাউটার
  3. হাব
  4. রিপিটার
ব্যাখ্যা
• রিপিটার (Repeater):
- রিপিটার এক ধরনের কানেকটিভিটি ডিভাইস, যা দুর্বল সিগন্যালকে অ্যামপ্লিফাই বা শক্তিশালী করে গন্তব্যে প্রেরণ করে
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ক্যাবলের মাধ্যমে যুক্ত কম্পিউটারটি যদি দূরে হয়, তাহলে এর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত ডেটা সিগন্যাল দুর্বল হয়ে যায়। এ দুর্বল সিগন্যাল বা সংকেতকে সবল করার জন্য রিপিটার ব্যবহার করা হয়।
- নেটওয়ার্ক সংযোগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন কম্পিউটারের মধ্যে দূরত্ব বাড়ানোর জন্য রিপিটার ব্যবহার করা হয়।
- ১৮৫ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করার আগেই একটি রিপিটার ব্যবহার করে সেই সিগন্যালকে অ্যামপ্লিফাই করে দিলে সেটি আরো ১৮৫ মিটার অতিক্রম করতে পারে।

• রিপিটার এর সুবিধা:
১. নেটওয়ার্ক সংযোগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন কম্পিউটারের মধ্যে দূরত্ব বাড়ানোর জন্য রিপিটার ব্যবহার করা হয়।
২. নেটওয়ার্ক ট্রাফিক বৃদ্ধি না করে ডেটা অ্যামপ্লিফাই বা শক্তিশালী করে সামনের দিকে প্রেরণ করা যায়।

• রিপিটার এর অসুবিধা:
১. ডেটা ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে বাধার সম্ভাবনা রয়েছে।
২. সীমিতসংখ্যক কম্পিউটার যুক্ত করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৫৮.
Which of the following is a wireless personal area network (PAN) technology?
  1. Ethernet
  2. Zigbee 
  3. Fiber Optics
  4. Satellite Communication
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Zigbee 

• Zigbee
- জিগবি (Zigbee) একটি তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক যা (PAN) তৈরি করার IEEE ৮০২.১৫.৪-ভিত্তিক আদর্শমানের প্রযুক্তি।
- এটি কম বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করে ডিজিটাল রেডিও যোগাযোগের সাহায্যে উচ্চ স্তরের যোগাযোগের প্রোটোকলগুলির জন্য পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান তৈরি করে।
- জিগবি একটি কম বিদ্যুৎ শক্তির, স্বল্প তথ্য হার বা ডেটারেট এবং ব্যক্তিগত এলাকার বেতার অ্যাড-হক নেটওয়ার্ক।
- এটি অন্যান্য বেতার বা ওয়ারলেস পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) যেমন ব্লুটুথ বা ওয়াই-ফাই থেকে সহজ এবং কম ব্যয়বহুল।
- এই নেটওয়ার্কগুলি ১২৮ বিট সিমেট্রিক এনক্রিপশন কী দ্বারা সুরক্ষিত থাকে।
- জিগবি নেটওয়ার্ক থেকে বিরতিহীন ২৫০ kbit/s ডেটা ট্রান্সমিশন হতে পারে।
- জিগবি ১৯৯৮ সালে প্রণীত, ২০০৩ সালে প্রমীতকরণ, এবং ২০০৬ সালে সংশোধিত হয়েছিল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৫৯.
ব্লুটুথ কোন ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে কাজ করে?
  1. ৫ গিগাহার্টজ
  2. ২.৪ গিগাহার্টজ
  3. ২.৮ গিগাহার্টজ
  4. ৪.৮ গিগাহার্টজ
ব্যাখ্যা

• ব্লুটুথ (Bluetooth) প্রযুক্তি ২.৪ গিগাহার্টজ (GHz) ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে কাজ করে।

• ব্‌লুটুথ:
- স্বল্প দূরত্বের ভেতর ফিক্সড ও মোবাইল ডিভাইসসমূহ থেকে তথ্য বিনিময়ের জন্য একটি প্রোপ্রায়েটারি ওপেন ওয়‍্যারলেস প্রযুক্তি স্ট্যান্ডার্ড হলো ব্‌লুটুথ।
- এর মাধ্যমে একটি পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) সৃষ্টি হয় যেখানে উঁচু মানের নিরাপত্তা বজায় থাকে।
- দশম শতাব্দীর ডেনমার্কের রাজা হারাল্ড ব্‌লুটুথ এর নাম অনুসারে এই প্রযুক্তিটির নাম ব্লুটুথ রাখা হয়েছে।
- বর্তমানে মোবাইল ফোন থেকে শুরু করে, কম্পিউটার, মেডিক্যাল ডিভাইস এবং বাসাবাড়ির বিনোদন ক্ষেত্রের অনেক ডিভাইসে ফ্লুটুথ প্রযুক্তিটি ব্যবহৃত হচ্ছে।

ব্লুটুথের বৈশিষ্ট্য:
- কাছাকাছি দুইটি ডিভাইসের মধ্যে ডাটা স্থানান্তরে ব্লুটুথ রেডিও ওয়েভব্যবহার করে।
ওয়‍্যারলেস কমিউনিকেশনের কোন লাইসেন্স ছাড়াই 2.4 গিগাহার্টস ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ডে চলতে পারে।
- 10 থেকে 100 মিটারের মধ্যে অবস্থানকারী ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।
-ইনফ্রারেড ডাটা কমিউনিকেশনের ন্যায় দেয়াল বা অন্যকোন বাধা ডাটা ট্রান্সমিশনে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে না।
- কোনো পিকোনেটে (Piconet) একটি মাস্টার সর্বোচ্চ ৭টি স্লেভের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬০.
Wi-Fi এর সাধারণ কভারেজ এরিয়া কত?
  1. ৫০-২০০ মিটার
  2. ৩০০-৫০০ মিটার
  3. ৫০০-১০০০ মিটার
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
Wi-Fi এর সাধারণ কভারেজ এরিয়া ৫০-২০০ মিটার।

• Wi-Fi
- Wi-Fi শব্দের পূর্ণ অর্থ হলো Wireless Fidelity (ওয়্যারলেস ফিডেলিটি)।
- Wi-Fi শব্দটি Wi-Fi Alliance নামীয় স্বত্বাধিকারী সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক।
- ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়‍্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গকে ব্যবহার করে থাকে।
- ওয়াই-ফাই একটি ওয়ারল্যাস তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড, যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- ইন্টারনেট অ্যাকসেসের জন্য Wi-Fi নেটওয়ার্কযুক্ত এলাকাকে Hotspot বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর কভারেজ এরিয়া 50 থেকে 200 মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ওয়াই-ফাই এর জনক ভিক্টর ভিক হেইয়েস।
- ওয়াই-ফাই এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.4 GHz - 5 GHz।
- ওয়াই-ফাই এর ওয়‍্যারলেস অ্যকসেস পয়েন্ট হলো রাউটার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৬১.
ডাটা কমিউনিকেশন সিস্টেমে কয়টি উপাদান থাকে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৬টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা
ডাটা কমিউনিকেশন: 
- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে অথবা এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ডাটার আদান প্রদান বা তথ্যবিনিময়কে ডাটা কমিউনিকেশন বা ডাটা স্থানান্তর বলা হয়।
- ১৯৬০ সালে সর্বপ্রথম একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটার ও দূরবর্তী টার্মিনালের মধ্যে ডাটা স্থানান্তর প্রক্রিয়ার প্রচলন শুরু হয়।
- পরবর্তীতে টার্মিনালের পরিবর্তে কম্পিউটার ব্যবহার করার মাধ্যমেই শুরু হয় ডাটা স্থানান্তরের প্রচলন।

ডাটা কমিউনিকেশনের উপাদান: 
- ডাটা কমিউনিকেশন সিস্টেমে মূলত ৬ টি উপাদান থাকে। যথা-
১। ডাটা বা তথ্য (Information)
২। ডাটার উৎস (Source)
৩। প্রেরক (Sender)
৪। মাধ্যম (Medium)
৫। প্রাপক (Receiver) ও
৬। গন্তব্য (Destination)। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬২.
Fiber-optic connection এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড কত?
  1. ক) IEEE 802.15.2
  2. খ) IEEE 802.8
  3. গ) IEEE 803.02
  4. ঘ) IEEE 802.17
ব্যাখ্যা

IEEE, pronounced "Eye-triple-E," stands for the Institute of Electrical and Electronics Engineers. The organization is chartered under this name and it is the full legal name.

কিছু গুরুত্বপূর্ণ IEEE Standard
IEEE 802.8 = Fiber-optic connection
IEEE 802.11 = Wireless Networking - WiFi
IEEE 802.15 = Bluetooth Standard
IEEE 802.15.2 = Bluetooth and Wi-Fi coexistence mechanism
IEEE 802.16 = Wireless Networking - WiMAX

Source: IEEE এর ওয়েবসাইট

১৬৩.
FoxPro কোন ধরণের অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার?
  1. Word Processing
  2. Spreadsheet
  3. Database
  4. Graphics
ব্যাখ্যা
FoxPro একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।

• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
যেমন-
১। Word Processing Package Program : WordStar, WordPerfect, MS Word.
২। Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, MS Excel, Quattro Pro.
৩। Database Package Program : dBase, FoxPro, Oracle, Informix, Access.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬৪.
সর্বপ্রথম স্মার্টফোন ডিজাইনকারী প্রতিষ্ঠান-
  1. স্যামসাং
  2. মাইক্রোসফট
  3. নোকেয়া
  4. আইবিএম
ব্যাখ্যা
• স্মার্টফোন: 
- সর্বপ্রথম স্মার্টফোন ডিজাইন করে IBM প্রতিষ্ঠান। 
- বেলসাউথ প্রতিষ্ঠান ১৯৯৩ সালে স্মার্টফোন বাজারে আনেন। 
- এই স্মার্টফোনে ক্যালেন্ডার, ঠিকানা বই, ক্যালকুলেটর এবং অন্যান্য ফাংশন অ্যাক্সেস করার জন্য একটি টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। 
- স্মার্টফোন (Smartphone) হলো বিশেষ ধরনের মোবাইল ফোন যা মোবাইল কম্পিউটিং প্লাটফর্মের ওপর প্রতিষ্ঠিত। 

• স্মার্টফোনের বৈশিষ্ট্য: 
- ডেটা রূপান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। 
- ডাটা স্থানান্তর উচ্চ গতিসম্পন্ন। 
- মডেম সংযোগের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়। 
- মেমোরি বেশি থাকে। 

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
১৬৫.
রাউটার কী?
  1. প্রসেসর
  2. নেটওয়ার্ক ডিভাইস
  3. সিকিউরিটি ডিভাইস
  4. অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
রাউটার একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস।

রাউটার:
- রাউটার একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস এবং একে WAN ডিভাইসও বলা হয়।
- এটি একটি বুদ্ধিমান ডিভাইস যা একই প্রটোকল বিশিষ্ট দুই বা ততোধিক নেটওয়ার্ককে (LAN, MAN,WAN) সংযুক্ত করে WAN তৈরি করে।
- রাউটার রাউটিং টেবিল ব্যবহার করে উৎস থেকে গন্তব্যে ডেটা স্থানান্তরের জন্য সহজ, নিরাপদ ও কম দূরত্বের পথটি বেছে নেয়।
- রাউটার ডেটা আদান-প্রদানের সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে রাউটিং টেবিল তৈরি করে, যেখানে নেটওয়ার্কের সকল নোডের অ্যাড্রেস এবং পাথ থাকে।
- রাউটিং টেবিলটি রাউটারের মেমোরিতে সংরক্ষিত থাকে।
- এক নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে ডেটা পাঠানোর পদ্ধতিকে রাউটিং বলে।
- এটি একাধিক LAN, MAN, WAN কে যুক্ত করে WAN গঠন করতে পারে।

• রাউটারের সুবিধা:
- ডেটা ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে বাধার সম্ভাবনা কমায়।
- ডেটা ফিল্টারিং সম্ভব হয়।
- বিভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন-ইথারনেট, টোকেন, রিও ইত্যাদিকে সংযুক্ত করতে পারে।

• রাউটারের অসুবিধা:
- রাউটারের দাম বেশি।
- রাউটার ভিন্ন প্রোটোকলের নেটওয়ার্কে সংযুক্ত করতে পারে না।
- কনফিগারেশন তুলনামূলক জটিল।

উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬৬.

নিচের কোনটি চিত্রের ন্যায় ডেটা ট্রান্সমিট করে?
  1. টেলিফোন
  2. রেডিও
  3. মোবাইল
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
- ডাটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা পাঠানো হয়। উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডাটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডাটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়।
- ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
১. সিমপ্লেক্স (Simplex),
২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) এবং 
৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)। 

• সিমপ্লেক্স:
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না।
- চিত্রে, A হতে B এর দিকে ডাটা প্রেরণ করা যাবে। কিন্তু B হতে A এর দিক ডাটা প্রেরণ সম্ভব নয়।
- উদাহরণ: রেডিও, টিভি।
 
• হাফ-ডুপ্লেক্স:
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডাটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না।
- চিত্রে, হাফ-ডুপ্লেক্স ব্যবস্থায় A যখন ডাটা প্রেরণ করবে B তখন ডাটা গ্রহণ করতে পারবে, প্রেরণ করতে পারবে না। A এর প্রেরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে B ডাটা প্রেরণ করতে পারবে।
- উদাহরণ: ওয়াকিটকি।

• ফুল-ডুপ্লেক্স:
- এক্ষেত্রে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে।
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডাটা প্রেরণ করার সময় ডাটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে।
- চিত্রে, ফুল-ডুপ্লেক্সের ক্ষেত্রে, A যখন B এর দিকে ডাটা প্রেরণ করবে B ও তখন A এর দিকে ডাটা প্রেরণ করতে পারবে। 
- উদাহরণ: টেলিফোন, মোবাইল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬৭.
ডেটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় কোন সিগন্যাল পাঠানোর সময় বিভিন্ন বিট এর মধ্যে সমন্বয়ের জন্য ব্যবহৃত পদ্ধতিকে বলা হয় -
  1. বিট অ্যাসিনক্রোনাস
  2. বিট সিনক্রোনাইজেশন
  3. বিট আইসোক্রোনাস
  4. সিনক্রোনাজিং
ব্যাখ্যা
- সিগন্যাল পাঠানোর সময় বিভিন্ন বিটের মধ্যে সমন্বয়ের জন্য ব্যবহৃত পদ্ধতিকে বলা হয় বিট সিনক্রোনাইজেশন (Bit-synchronization)।
- বিট সিনক্রোনাইজেশনের মাধ্যমে গ্রাহক কম্পিউটার যথার্থভাবে ডাটাকে পুনরুদ্ধার করতে পারে।

- যে ডেটা ট্রান্সমিশন সিস্টেমে ডেটা সমূহকে ব্লক আকারে ভাগ করে প্রতি বার ১টি করে ব্লক ট্রান্সমিট করা হয় তাকে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে ।
- যে ডেটা ট্রান্সমিশন সিস্টেমে প্রেরক হতে ডেটা গ্রাহকদের ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ট্রান্সমিট করা হয় তাকে অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ- দ্বাদশ( প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
১৬৮.
যোগাযোগের জন্য ওয়াকিটকি কোন মোড ব্যবহার করে?
  1. সিমপ্লেক্স
  2. হাফ-ডুপ্লেক্স
  3. ডুপ্লেক্স
  4. মাল্টিপ্লেক্স
ব্যাখ্যা
ডাটা ট্রান্সমিশন মোড: 
- ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের উপর ভিত্তি করে মোবাইল কমিউনিকেশন সিস্টেমকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- 
১. সিমপ্লেক্স
২. হাফ-ডুপ্লেক্স ও
৩. ফুল-ডুপ্লেক্স।

সিমপ্লেক্স মোড: 
- ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ডাটার একদিকে প্রবাহকে সিমপ্লেক্স মোড বলে।
- সিমপ্লেক্সের উদাহরণ- রেডিও-টিভি, PABX, কীবোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

ফুল-ডুপ্লেক্স মােড:
- ফুল-ডুপ্লেক্স মােডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে।
- ফুল-ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- মোবাইল ফোন, টেলিফোন, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ইত্যাদি।

হাফ-ডুপ্লেক্স মোড: 
- যখন এক প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় , আবার যখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন প্রথম প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় তাকে হাফ ডুপ্লেক্স মোড বলে।
- হাফ ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬৯.
A CD-ROM drive is labeled with 52X. Here 52X is a measurement of-
  1. Time required reading
  2. Revolution per minute
  3. Capacity of the CD
  4. Data transfer rate
ব্যাখ্যা
- একটি CD-ROM ড্রাইভে "52X" লেবেলটি এর Data transfer rate কে নির্দেশ করে।
- 1X এর ক্ষেত্রে ডেটা স্থানান্তর হার 150 KB/s।

সুতরাং, "52X" হিসাবে লেবেলযুক্ত একটি CD-ROM ড্রাইভের ক্ষেত্রে এর অর্থ হল যে ড্রাইভটি একটি সিডি থেকে সর্বাধিক গতিতে ডেটা পড়তে পারে যা মূল 1X স্ট্যান্ডার্ডের চেয়ে 52 গুণ দ্রুত। 

উৎস: ব্রিটানিকা। 
১৭০.
প্রথম প্রজন্মের মোবাইলে চ্যানেল এক্সেস পদ্ধতি কী ছিল?
  1. FDMA
  2. CDMA
  3. EDGE
  4. TDMA
ব্যাখ্যা
• প্রথম প্রজন্মের (1G) মোবাইল ফোন সিস্টেমে চ্যানেল এক্সেস পদ্ধতি হিসেবে FDMA (Frequency Division Multiple Access) ব্যবহার করা হতো। FDMA পদ্ধতিতে, প্রতিটি ব্যবহারকারীর জন্য নির্দিষ্ট একটি ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড আলাদা করে রাখা হয়, যার মাধ্যমে একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে আলাদা আলাদা ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে যোগাযোগ করতে পারে। এর ফলে সিগন্যালের মধ্যে পারস্পরিক হস্তক্ষেপ কমে যায় এবং স্পষ্ট কণ্ঠস্বর সরবরাহ সম্ভব হয়। প্রথম প্রজন্মের সিস্টেমগুলো শুধুমাত্র ভয়েস কলের জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল এবং ডাটা ট্রান্সমিশনের ক্ষমতা ছিল সীমিত। অন্য পদ্ধতিগুলো যেমন CDMA, EDGE, বা TDMA মূলত পরবর্তী প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয়। তাই, 1G মোবাইলে চ্যানেল এক্সেস পদ্ধতি ছিল FDMA.

• প্রথম প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য:
- এই প্রজন্মে এনালগ পদ্ধতির রেডিও সিগন্যাল ব্যবহৃত হয়।
- সেল সিগন্যাল এনকোডিং পদ্ধতি হলো এফডিএমএ(Frequency Division Multiple Acces - FDMA)।
- সমসাময়িক কালের সাধারণ টেলিফোনের তুলনায় মোবাইল ফোনসমূহ আকারে ছোট এবং ওজনে হালকা।
- সিগন্যাল ফ্রিকোয়েন্সি তুলনামূলকভাবে কম।
- কথোপকথন চলা অবস্থায় ব্যবহারকারীর অবস্থানের পরিবর্তন হলে ট্রান্সমিশন বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
- এতে মাইক্রোপ্রসেসর এবং সেমি কন্ডাক্টর প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।
- একই এলাকায় অন্য মোবাইল ট্রান্সমিটারের দ্বারা সৃষ্ট রেডিও ইন্টারফারেন্স নেই।
- উদাহরণ: এডভান্সড মোবাইল ফোন সিস্টেম (Advanced Mobile Phone System-AMPS), নর্ডিক মোবাইল টেলিফোন (Nordic Mobile Telephone), টোটাল একসেস কমিউনিকেশন সিস্টেম (Total Access Communication System-TACS) ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৭১.
MS Word is an example of -
  1. ক) Package Program
  2. খ) System Program
  3. গ) Utility Program
  4. ঘ) Customize Program
ব্যাখ্যা
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার মূলত দুই ধরনের। যথাঃ
১. প্যাকেজ প্রোগ্রাম ও
২. কাস্টমাইজ প্রোগ্রাম।

প্যাকেজ প্রােগ্রাম
: ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানাের জন্য বেশ কিছু প্রােগ্রাম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পাওয়া যায়। এ ধরনের প্রােগ্রাম দিয়ে নির্দিষ্ট ধরনের কাজ করা যায়। এ প্রােগ্রামে ব্যবহারিক সমস্যার পূর্ণাঙ্গ সমাধান দেয়ার ব্যবস্থা থাকে। এ সব প্রােগ্রামকে প্যাকেজ প্রােগ্রাম বলে। নিম্নে কয়েকটি প্যাকেজ প্রােগ্রামের উদাহরণ দেয়া হলাে। যেমন
১। ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার।
২। ডেস্কটপ পাবলিশিং সফটওয়্যার।
৩। স্প্রেডশিট সফটওয়্যার।
৪। ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
৫। গ্রাফিক্স, মাল্টিমিডিয়া এবং প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার।
৬। এন্টারটেইনমেন্ট এবং এডুকেশন সফটওয়্যার।
৭। ইউটিলিটিস সফটওয়্যার।
৮। কমিউনিকেশন সফটওয়্যার ইত্যাদি।

MS Word হলো একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার, যা প্যাকেজ প্রােগ্রামের অন্তর্ভুক্ত। 

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
১৭২.
Wi-MAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড কত?
  1. 802.15
  2. 802.18
  3. 802.11
  4. 802.16
ব্যাখ্যা
• Wi-MAX:
 WiMAX এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Worldwide Interoperability for Microwave Access।
- এটি IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ডের ওয়্যারলেস মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (WMAN) প্রটোকল যা ফিক্সড এবং মোবাইল ইন্টারনেটে ব্যবহৃত হয়।
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করে।

• WiMAX এর প্রধান অংশ ২টি।
যথা:
১. বেস স্টেশন এবং
২. অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

• Wi-MAX-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. এটি IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ডের ওয়্যারলেস মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (WMAN)
২. নেটওয়ার্ক সংস্থাপন ক্যাবলিংয়ের তুলনায় সহজ এবং সুবিধাজনক।
৩. ব্যান্ডউইথ বা ডেটা ট্রান্সফার রেইট ওয়্যারেড নেটওয়ার্ক বা ক্যাবলিংয়ের তুলনায় বেশি।
৪. একইসাথে ওয়্যারেড এবং ওয়ালেস উভয়ই নেটওয়ার্কের সুবিধা প্রদান করে।
৫. কভারেজ এরিয়া সাধারণত ১০ কি.মি. থেকে শুরু করে ৬০ কি.মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে।
৬. ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ড লাইসেন্স বা লাইসেন্সবিহীন উভয়ই হতে পারে।
৭. অধিকাংশ ক্ষেত্রে ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ডের জন্য সরকার বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন নিতে হয়।
৮. সংস্থাপন এবং রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বেশি।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- Wifi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.11
- Bluetooth এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.15

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৭৩.
ব্লু টুথ এর মাধ্যমে কোন ধরনের Wireless নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়?
  1. PAN
  2. LAN
  3. MAN
  4. WAN
ব্যাখ্যা
ভৌগোলিক বিস্তৃতি অনুসারে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক:
১. Personal Area Network (PAN)
২. Local Area Network (LAN)
৩. Metropolitan Area Network (MAN)
৪. Wide Area Network (WAN)

⇒ PAN:
- কোন ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান বলে।
- প্যান এর বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- ব্যক্তিগত পর্যায়ে যে নেটওয়ার্ক (ব্লু-টুথ এর মাধ্যমে) তৈরি করা হয় তা হলো PAN।
- প্যানে ব্যবহৃত ডিভাইসগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ডিভাইস হচ্ছে- ল্যাপটপ, পিডিএ, মোবাইল, প্রিন্টার ইত্যাদি।

উৎস: i) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
১৭৪.
পাবলিক নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্ত কোনটি?
  1. WAN
  2. PAN
  3. LAN
  4. CAN
ব্যাখ্যা
নেটওয়ার্কের মালিকানা: 
- নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলোর মালিকানা বা নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১। পাবলিক নেটওয়ার্ক (Public Network) এবং 
২। প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (Private Network)। 

পাবলিক নেটওয়ার্ক (Public Network): 
- যে নেটওয়ার্কে ব্যবহারকারীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রিত নয় এবং যেকোনো সময় যেকোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারে, তাকে পাবলিক নেটওয়ার্ক বলে। 
- এ ধরনের নেটওয়ার্ক পরিচালিত হয় অনেক প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে, অর্থাৎ এর একক মালিকানা থাকে না। 
- এর ব্যবহারকারীকে সাধারণত ফিস্ বা মূল্য পরিশোধ করতে হয় না। 
- WAN বা ইন্টারনেট হলো পাবলিক নেটওয়ার্কের উদাহরণ। 

প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (Private Network): 
- যে নেটওয়ার্কে ব্যবহারকারীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রিত এবং কোনো কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কে যুক্ত করতে কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়, তাকে প্রাইভেট নেটওয়ার্ক বলে। 
- কেউ ইচ্ছা করলেই এই নেটওয়ার্কে অ্যাকসেস করতে পারে না। 
- এ ধরনের নেটওয়ার্ক পরিচালিত হয় একটি প্রতিষ্ঠানের মালিকানায় ও তত্ত্বাবধানে। 
- এর সিকিউরিটি সিস্টেম মজবুত এবং এতে ট্রাফিক নেই বললেই চলে। 
- ডেটা আদান-প্রদানে ডিলে (Delay) কম হয়। 
- PAN, LAN বা CAN এ ধরনের নেটওয়ার্ক। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
১৭৫.
জিএসএম মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. ফ্রিকোয়েন্সি হপিং সুবিধা
  2. উচ্চ গুণগত মান সম্পন্ন অবিচ্ছিন্ন ট্রান্সমিশন
  3. বিদ্যুৎ খরচ অনেক কম
  4. GPRS ও EDGE সুবিধা প্রদান করে
ব্যাখ্যা

জিএসএম প্রযুক্তিতে বিদ্যুৎ খরচ তুলনামূলক বেশি, গড়ে প্রায় ২ ওয়াট। যেখানে সিডিএমএ টেকনোলজির ক্ষেত্রে গড়ে মাত্র ২০০ মাইক্রোওয়াট।

• জিএসএম মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য:
- ইউরোপীয়ান দেশসমূহে রোমিং (Roaming) করা যায়। অন্যান্য অনেক দেশেই অর্থের বিনিময়ে এই সেবা পাওয়া যায়।
- সিম (SIM) কার্ডের সহজ ব্যবহার।
- ফ্রিকোয়েন্সি হপিং (Hopping) সুবিধা; কম ফ্রিকোয়েন্সীতে অসুবিধা হলে ফ্রিকুয়েন্সী স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেড়ে যায়।
- RA বক্সের মাধ্যমে ISDN এর সাথে সংযুক্ত হওয়া যায়।
- উচ্চ গুণগত মান সম্পন্ন অবিচ্ছিন্ন ট্রান্সমিশন।
- GPRS ও EDGE সুবিধা প্রদান করে। ট্রান্সমিশন পাওয়ার নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- GSM এ মূলত চার ধরনের ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহৃত হয়। এদেরকে GSM 400, GSM 900, GS 1800, GSM 1900 দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৭৬.
ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক ব্যবহৃত হয় কোন ক্ষেত্রে?
  1. LAN
  2. MAN
  3. PAN
  4. WAN
ব্যাখ্যা
• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network-LAN):
- সাধারণত 1km বা তার কম জায়গার মধ্যে কিছু কম্পিউটার বা অন্য কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয় তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) বলে।
- এটি সাধারণত স্কুল-কলেজ ক্যাম্পাসে, বড় অফিস বিল্ডিংয়ে অথবা কোন ব্যয়বহুল পেরিফেরাল ডিভাইসকে অনেক ব্যবহারকারী যাতে ব্যবহার করতে পারে সেজন্য ব্যবহার করা হয়।
- ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত কো-এ্যাক্সিয়াল ক্যাবল, ইউটিপি ক্যাবল বা অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল ব্যবহার করা হয়।
- তারবিহীন বা ওয়্যারলেস (LAN) প্রযুক্তির সাহায্যে ল্যান তৈরি করা হলে তাকে WLAN বা ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে
- আধুনিক তারবিহীন ল্যান IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ডের ভিত্তিতে নির্মিত এবং ওয়াই-ফাই ব্র্যান্ডের নামে বাণিজ্যিকভাবে বাবহৃত হয়।
 
• নেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ধরনের উপর ভিত্তি করে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ককে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথে-
১. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক এবং
২. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৭৭.
"সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্ক" - হিসেবে কোন নেটওয়ার্কটি পরিচিত?
  1. Personal Network Area
  2. Hybride Network
  3. Client-Server Network
  4. Peer to Peer Network
ব্যাখ্যা
• Client-Server Network নেটওয়ার্ককে সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্ক বলা হয়।

• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network):
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- একে সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্কও বলা হয়।

২. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network):
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।

৩. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network):
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।
- তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭৮.
LAN এর মাধ্যমে সর্বোচ্চ কত দূরত্বের ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা যায়?
  1. ১ কিলোমিটার
  2. ৩ কিলোমিটার
  3. ৫ কিলোমিটার
  4. ৫০০ মিটার
ব্যাখ্যা
• LAN:
- LAN এর মাধ্যমে 1Km বা তার কম দূরত্বের ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।
- LAN এর পূর্ণরূপ হলো Local Area Network.
- তারবিহীন প্রযুক্তির মাধ্যমে LAN তৈরি করা হলে থাকে WLAN (Wireless Local Area Network) বলে।
- আধুনিক তারবিহীন ল্যান IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ডের ভিত্তিতে নির্মিত (ওয়াই-ফাই ব্র্যান্ডের নামে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত হয়)।
- একটি LAN এ সর্বোচ্চ ৪টি রিপিটার স্টেশন ব্যবহার করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৭৯.
HTTP কোন প্রোটোকলের উপর ভিত্তি করে কাজ করে?
  1. FTP
  2. TCP/IP
  3. SMTP
  4. IMAP/IP
ব্যাখ্যা
HTTP 'TCP/IP' প্রোটোকলের উপর ভিত্তি করে কাজ করে।

• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web: WWW)
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার (যা ওয়েব সার্ভার হিসেবে বিবেচিত হয়) সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোনো ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম।
- টিম বার্নাস লী (Tim Berners-Lee) কে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক বলা হয়।
- তিনি ১৯৮৯ সালে এই ওয়েব ব্যবস্থাটি উদ্ভাবন করেন।
- এটি সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি অনেকগুলো ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব পেজ নিয়ে গঠিত একটি বিস্তৃত তথ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা।
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের বৈশিষ্ট্য হলো বিশেষ ধরনের ভাষা বা যোগাযোগ মাধ্যম, যাকে বলে http বা Hyper Text Transfer Protocol.
- http হলো ইন্টারনেটে টিসিপি/আইপি প্রটোকলের মাধ্যমে ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব ক্লায়েন্টের যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য ব্যবহৃত প্রটোকল।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার দক্ষতা, মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ বিএড।
২। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮০.
Wi-Fi-এর সাধারণ কভারেজ এরিয়া কত?
  1. ৫০০ মিটার–১ কিমি
  2. ৫–১০ মিটার
  3. ৫০–২০০ মিটার
  4. ১ কিমি
ব্যাখ্যা
Wi-Fi-এর সাধারণ কভারেজ এরিয়া ৫০–২০০ মিটার পর্যন্ত।

Wi-Fi:
- Wi-Fi এর পূর্ণরূপ Wireless Fidelity.
- Wi-Fi হলো একটি তারবিহীন (Wireless) প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ডিজিটাল যন্ত্রপাতি (যেমন: ল্যাপটপ, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ইত্যাদি) বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে ইন্টারনেটে সংযুক্ত হয়।
- Wi-fi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হলো 802.11।
- এর কভারেজ এরিয়া সাধারণত ৫০ থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত।
- এর ব্যান্ডউইথ: ১০ Mbps – ৫০ Mbps.
- Ad-hoc Mode এর মাধ্যমে রাউটার ছাড়াও সংযোগ সম্ভব।
- এটি LAN-এর তুলনায় সস্তা ও সহজলভ্য।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
১৮১.
একাধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কোন ডিভাইস কাজ করে?
  1. হাব
  2. রাউটার
  3. ব্রিজ
  4. সুইচ
ব্যাখ্যা

• একাধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে রাউটার কাজ করে। রাউটার হলো একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা বিভিন্ন নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে ডেটা প্যাকেটকে সঠিক গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য নির্দেশনা দেয়। এটি মূলত আইপি ঠিকানার ভিত্তিতে ডেটা ট্রাফিককে নিয়ন্ত্রণ করে এবং যে কোন নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে তথ্য প্রেরণ করতে সক্ষম। অন্য ডিভাইস যেমন হাব বা সুইচ সাধারণত একই নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা প্রেরণ করে এবং ব্রিজ ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে, কিন্তু বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে কার্যকরভাবে যোগাযোগ নিশ্চিত করতে রাউটার অপরিহার্য। তাই একাধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে তথ্য বিনিময়ের মূল মাধ্যম হলো রাউটার।

- উত্তর: খ) রাউটার। 
 
• সুইচ:
- সুইচ একটি ডিভাইস যা নেটওয়ার্কের ডাটাকে বিভক্ত করে নেটওয়ার্কের সকল সিস্টেমে না পাঠিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠিয়ে দেয়।
- হাব এবং সুইচ এর কাজ প্রায় একই। তবে হাব প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর একই সাথে প্রত্যেকটি কম্পিউটারে পাঠায় কিন্তু সুইচ প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর টার্গেট কম্পিউটারে পাঠায়।
- স্টার টপোলজিতে সুইচ একটি কেন্দ্রিয় কানেকটিভ ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

• রাউটার:
- রাউটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- ছোট ছোট নেটওয়ার্ক রাউটারের মাধ্যমে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে একাধিক পথ সৃষ্টি করে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন ইথারনেট, টোকেন, রিং কে সংযুক্ত করতে পারে।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

• হাব:
- হাবের মাধ্যমে কম্পিউটারসমূহ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে।
- হাবের ক্ষমতার উপর নির্ভর করে কম্পিউটারের সংযোগের সংখ্যা।
- স্টার টপোলজিতে হাব একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- হাবে মাল্টিপল পোর্ট থাকে।
- যখন একটি প্যাকেট কোন একটি পোর্টে পৌঁছায়, এটি সেই প্যাকেটকে কপি করে হাবের সকল পোর্টে পাঠায়।

• কার্যকারিতার দিক থেকে হাব দুই প্রকার। যথা-
১. সক্রিয় হাব (Active HUB ):
- এ ধরণের হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে।
- আবার কোন কোন সক্রিয় হাব সংকেতকে অল্প মাত্রায় প্রসেসও করে থাকে।
- এই সকল হাব মূল সংকেত থেকে অপ্রয়োজনীয় সংকেত বাদ দিয়ে
প্রয়োজনীয় সংকেত প্রেরণ করে ।

২. নিষ্ক্রিয় হাব (Passive HUB):
- এ ধরণের হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে ।
- এ সকল হাব শুধু তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে মাত্র।
- এজন্য এই সকল হাবকে কোন সক্রিয় হাবের সাথে সংযুক্ত করে দেয়া হয়।

• ব্রিজ (Bridge):
- এক ধরনের নেটওয়ার্ক ডিভাইস, যা একাধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে থাকে।
- এর সাহায্যে ভিন্ন মাধ্যম অথবা ভিন্ন কাঠামো বিশিষ্ট একাধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করা যায়।
- তবে এর সাহায্যে ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট একাধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করা যায় না।

- ব্রিজকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. লোকাল ব্রিজ (Local Bridge):
- এটি সরাসরি LAN এর সাথে যুক্ত থাকে।

২. রিমোট ব্রিজ (Remote Bridge):
- ভৌগোলিকভাবে বিচ্ছিন্ন দু'টি অবস্থানের দু'টি ল্যান সেগমেন্টকে সংযুক্ত করে।

৩. ওয়‍্যারলেস ব্রিজ (Wireless Bridge):
- একাধিক LAN যুক্ত করা অথবা LAN এর দূরবর্তী স্টেশনকে সংযুক্ত করার জন্য ওয়ারলেস ব্রিজ ব্যবহৃত হতে পারে।

এছাড়াও, 
• গেটওয়ে:
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮২.
ডিজিটাল মোবাইল নেটওয়ার্ক সিস্টেম চালু হয় কোন প্রজন্মের ফোনে?
  1. ক) 2G
  2. খ) 3G
  3. গ) 4G
  4. ঘ) 5G
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৯০-২০০০)
১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়। ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়।

দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো:
১। দ্বিতীয় প্রজন্মে ডিজিটাল মোবাইল নেটওয়ার্ক সিস্টেম চালু হয়।
২। GSM প্রযুক্তিতে ভয়েস ও ডাটা প্রেরণ করা সম্ভব।
৩। সিগনাল উন্নয়নের জন্য ডিজিটাল সিস্টেম ব্যবহার করা হয়।
৪। পেজিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়।
৫। SMS (Short Message Service) ও MMS (Multimedia Message Service) সার্ভিস শুরু হয়।
৬। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সার্ভিস চালু হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১৮৩.
ই-মেইল কোন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যবহার করা হয়?
  1. LAN
  2. WAN
  3. MAN
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
→ ই-মেইল WAN নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যবহার করা হয়।

• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (WAN):

- বিশাল ভৌগলিক এলাকার মধ্যে একাধিক ল্যান বা ম্যান নিয়ে গড়ে ওঠে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- টেলিফোন লাইন ব্যবহার করে নেটওয়ার্কের কম্পিউটারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।
- টেলিফোনের সাথে সংযুক্ত মডেমের মাধ্যমে নেটওয়ার্কে ডায়াল করতে হয়।
- এভাবে ভিন্ন প্রকৃতির নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযুক্ত করার জন্য গেটওয়ে ব্যবহার করা হয়।
- গেটওয়ে ডাটা বা তথ্য চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের কাজ করে দেয়।
- ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যবহারকারী বিভিন্ন সুবিধা পেতে পারে।
- যেমনঃ ই-মেইল, ইন্টারনেট ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম,  উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮৪.
মোবাইল ফোনের কোন প্রজন্মকে ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয়?
  1. ১ম
  2. ৩য়
  3. ২য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা
 মোবাইল ফোন:
- ১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে।

দ্বিতীয় প্রজন্ম:
- ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়।
- ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়।
- ১৯৯০ সালে GSM এবং CDMA স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল সিস্টেমের যাত্রা শুরু হয়।
- এতে ডিজিটাল ট্রান্সমিশন সিস্টেমের ব্যবহার চালু হয় এবং ভয়েস ও ডেটা প্রেরণ সম্ভব হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মকে ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয়ে থাকে।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইলে প্রিপেইড পদ্ধতি, এসএমএস, এমএমএস, টেক্সট মেসেজিং ব্যবস্থা সেবা চালু হয়।
- ভয়েস প্রেরণের সুবিধা চালু হয়।
- মোবাইল ফোনে পেমেন্ট সিস্টেমের প্রবর্তন হয়।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা এবং মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার সুবিধা চালু হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৮৫.
কোন ডাটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে প্রেরক থেকে গ্রাহকের কাছে একবারে একটি ক্যারেক্টার পাঠানো হয়?
  1. অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  2. আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  3. সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• প্রেরক থেকে গ্রাহকের কাছে একবারে একটি ক্যারেক্টার পাঠানোর পদ্ধতিকে অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলা হয়। এই পদ্ধতিতে ডাটা ছোট ছোট ইউনিটে বা ক্যারেক্টার ভিত্তিতে পাঠানো হয়, যেখানে প্রতিটি ক্যারেক্টারের আগে ও পরে স্টার্ট এবং স্টপ বিট যুক্ত থাকে। এর মাধ্যমে গ্রাহক সহজেই প্রতিটি ক্যারেক্টার আলাদা করে শনাক্ত করতে পারে। অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন সাধারণত কম গতির যোগাযোগে ব্যবহৃত হয় এবং সময়ের ক্ষেত্রে স্বাধীন, অর্থাৎ প্রেরক ও গ্রাহকের ক্লক সিঙ্ক্রোনাইজড থাকে না। অন্যদিকে, সিনক্রোনাস ও আইসোক্রোনাস পদ্ধতিতে ডাটা ব্লক বা ধারাবাহিক তথ্য পাঠানো হয়, যেখানে একাধিক ক্যারেক্টার একসঙ্গে ট্রান্সমিট হয়। সুতরাং, একবারে একটি ক্যারেক্টার পাঠানোর জন্য সঠিক উত্তর হলো অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন।

• অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন: 
- এ পদ্ধতিতে প্রেরক হতে গ্রাহকে একটি একটি করে ক্যারেক্টার পাঠানো হয়।
- এ ধরনের ট্রান্সমিশনে যে কোন সময় ডাটা প্রেরণ ও গ্রহণ সম্ভব।
- এক্ষেত্রে প্রতিটি ক্যারেক্টারের সাথে একটি স্টার্ট বিট ও একটি স্টপ বিট পাঠানো হয়।
- প্রতিটি ক্যারেক্টার পাঠানোর মাঝখানে সময়ের ব্যবধান সমান হয় না।

উল্লেখ্য,
- সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন: যে ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে ক্যারেক্টারগুলো সংরক্ষণ করে কমপক্ষে ৮০ থেকে ১৩২ টি ক্যারেক্টারের ব্লক/ প্যাকেট করে এবং প্রতিটি ব্লক/প্যাকেট সমান বিরতিতে স্থানান্তর করে তাকে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে।
- আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশন: এটিও সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনের মতো অনেকগুলো ক্যারেক্টার একত্রিত করে একটি ব্লক/প্যাকেট তৈরি করে ট্রান্সমিশন করে কিন্তু প্রতিটি ব্লক/প্যাকেট বিরতিহীনভাবে স্থানান্তরিত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যলয়।
১৮৬.
ট্রি টপোলজিতে উপরে অবস্থিত ডিভাইসটি কী নামে পরিচিত?
  1. রুট নোড
  2. লিফ নোড
  3. ব্রাঞ্চ নোড
  4. এন্ড নোড
ব্যাখ্যা
• ট্রি টপোলজিতে উপরের বা শীর্ষে অবস্থিত ডিভাইসটিকে রুট নোড বলা হয়। রুট নোড হল সেই প্রাথমিক বা মূল নোড যেখান থেকে সম্পূর্ণ ট্রি-র সংযোগ শুরু হয়। এটি থেকেই অন্য সকল নোড বা শাখা তৈরি হয় এবং পুরো নেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রণের সূচনা করে। রুট নোডের নিচে বিভিন্ন ব্রাঞ্চ নোড, লিফ নোড এবং এন্ড নোড থাকে। ব্রাঞ্চ নোড মাঝখানের নোড, যা রুট থেকে লিফ নোডের দিকে সংযোগ রক্ষা করে। লিফ নোড বা এন্ড নোড সাধারণত ট্রি-র শেষ প্রান্তের নোড, যা আর অন্য কোনো নোডের সাথে সংযুক্ত নয়। সুতরাং, প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো: ক) রুট নোড।

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের টপোলজি:
- নেটওয়ার্ক ভুক্ত কম্পিউটার সমূহের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামো হচ্ছে টপোলজি।
- টপোলজিকে তাই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সংগঠন হিসাবে অভিহিত করা হয়।

- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে সাধারণত নিম্নলিখিত চার ধরনের সংযোগ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
১. স্টার টপোলজি,
২. বাস টপোলজি,
৩. রিং টপোলজি,
৪. ট্রি টপোলজি।

• ট্রি টপোলজি:
- এটি বর্তমানে সর্বাধিক ব্যবহৃত টপোলজিগুলোর মধ্যে একটি।
- ট্রি টপোলজি বাস টপোলজি এবং স্টার টপোলজির বৈশিষ্ট্যগুলোকে একত্রিত করে।
- এই টপোলজিটি নেটওয়ার্ককে একাধিক স্তরে বিভক্ত করে, যেখানে প্রথম স্তরের কম্পিউটারগুলো দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়।
- একইভাবে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলো তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়, এভাবে স্তরে স্তরে বিভক্ত থাকে।
- ট্রি টপোলজিতে মূল হোস্ট কম্পিউটার থেকে হায়ারার্কিক্যাল গঠনে বাকি কম্পিউটার গুলোর সংযোগ থাকে তাই একে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি বলে।

• ট্রি টপোলজির সুবিধাসমূহ:
- দীর্ঘ দূরত্বে সংকেত প্রেরণ করা যায়।
- যেকোন সময় নতুন শাখা-প্রশাখা সৃষ্টির মাধ্যমে ট্রি-টপোলজির নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা সহজ।
- নতুন কোনো নোড সংযোগ বা বাদ দিলে নেটওয়ার্কের স্বাভাবিক কাজকর্মের কোনো অসুবিধা হয় না।
- ট্রি টপোলজিতে ত্রুটি সনাক্তকরণ এবং সংশোধন খুব সহজ।
- নেটওয়ার্কের কোন নোড বা শাখা নষ্ট হলে, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক অকার্যকর হয় না।
- প্রতিটি পৃথক সেগমেন্ট এর জন্য পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ওয়্যারিং রয়েছে।
- বড় ধরণের নেটওয়ার্ক গঠনে বা অফিস ব্যবস্থাপনার কাজে এ নেটওয়ার্ক টপোলজি খুবই উপযোগী।
- ডেটা নিরাপত্তা সবচেয়ে বেশি।

• ট্রি টপোলজির অসুবিধাসমূহ:
- এই টপোলজি কিছুটা জটিল প্রকৃতির।
- বাস্তবায়ন খরচ তুলনামূলকভাবে বেশি।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২) lenovo [লিংক]
১৮৭.
ওয়ান টু এন (1 to N) মোড হিসেবে পরিচিত কোন ডেটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতি?
  1. ক) ইউনিকাস্ট
  2. খ) ব্রডকাস্ট
  3. গ) মাল্টিকাস্ট
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ওয়ান টু এন (1 to N) মোড হিসেবে পরিচিত মাল্টিকাস্ট (Multicast) ডেটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতি।
• ডেটা ট্রান্সমিশন ব্যবস্থায় প্রাপক থেকে প্রেরকের নিকট ডেটা বিতরণ করা হয়। একে ডেটা ডেলিভারি মোড বলা হয়, যা প্রাপকের সংখ্যা ও ডেটা গ্রহণের অধিকারের উপর নির্ভর করে ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। যথা-
১. ইউনিকাস্ট (Unicast),
২. ব্রডকাস্ট (Broadcast) এবং
৩. মাল্টিকাস্ট (Multicast)।
১. ইউনিকাস্ট (Unicast): যে ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে একজন প্রেরক থেকে একজন প্রাপকের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান হয়ে থাকে, তাকে ইউনিকাস্ট ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়। 
- এটি ওয়ান টু ওয়ান (One to One) মোড হিসেবে পরিচিত।
২. ব্রডকাস্ট (Broadcast): যে ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কভুক্ত কোনো প্রেরক কম্পিউটার হতে ডেটা ট্রান্সমিট হলে ওই নেটওয়ার্কভুক্ত সকল নোডই তা গ্রহণ করতে পারে, তাকে ব্রডকাস্ট ট্রান্সমিশন বলে। 
- এটি ওয়ান টু অল (One to All) মোড হিসেবে পরিচিত।
৩. মাল্টিকাস্ট (Multicast): যে ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কের কোনো একটি নোড থেকে ডেটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট গ্রুপের সদস্য গ্রহণ করতে পারে, তাকে মাল্টিকাস্ট বলা হয়।
- এটি ওয়ান টু এন (1 to N) মোড হিসেবে পরিচিত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৮৮.
কোন টপোলজিতে প্রত্যেকটি কম্পিউটার এর দুই পাশের দুটি কম্পিউটারের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে?
  1. ক) স্টার টপোলজি
  2. খ) ট্রি টপোলজি
  3. গ) রিং টপোলজি
  4. ঘ) বাস টপোলজি
ব্যাখ্যা
রিং টপোলজি
এ ধরনের সংগঠনে কম্পিউটারগুলো পরস্পর বৃত্তাকারে যুক্ত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে। প্রতিটি কম্পিউটার
দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত থাকে। কম্পিউটারগুলোকে এমনভাবে সংযোগ দেয়া হয় যেন রিংয়ের
সর্বশেষ কম্পিউটারটি প্রথমটির সাথে যুক্ত থাকে। এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে পাঠানো ডাটা বা সংকেত
বৃত্তাকার পথে (একমুখী প্রবাহ) কম্পিউটারগুলোর মধ্যে ঘুরতে থাকে যতক্ষণ পর্যন্ত না নির্দিষ্ট কম্পিউটার ডাটা গ্রহণ করে।
রিং টপোলজিতে প্রতিটি কম্পিউটারের গুরুত্ব সমান। প্রত্যেকটি কম্পিউটার স্বাধীন।

সূত্রঃ তথ্য-ও-যোগাযোগ-প্রযুক্তি, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১৮৯.
কোন নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে?
  1. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক
  2. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক
  3. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে নেটওয়ার্কের প্রকারভেদ:
- নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
১. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client Server Network),
২. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) এবং 
৩. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybrid Network)। 

• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডেটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।

• পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।
- এরা প্রত্যেকেই রিসোর্স শেয়ারের ক্ষেত্রে সমান ভুমিকা পালন করে। 

• হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯০.
WiFi 6 নামে পরিচিত স্ট্যান্ডার্ড কোনটি?
  1. ক) IEEE 802.11B
  2. খ) IEEE 802.11G
  3. গ) IEEE 802.11ax
  4. ঘ) IEEE 802.11ac
ব্যাখ্যা
- WiFi এর প্রাথমিক স্ট্যান্ডার্ড ছিলো IEEE 802.11B.
- এরপরের দ্রুততর সংস্করণের নাম ছিলো IEEE 802.11G এবং
- সর্বশেষ WiFi 6 নামে পরিচিত স্ট্যান্ডার্ড হচ্ছে IEEE 802.11ax

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান এবং tp-link.com
১৯১.
জিআইএস ব্যবস্থার জনক কে?
  1. ক) রেইড হফম্যান
  2. খ) রোজার টমলিনসন
  3. গ) মাইক ক্রিয়েজার
  4. ঘ) ডোম হফম্যান
ব্যাখ্যা
রোজার টমলিনসন সর্বপ্রথম ১৯৬৮ সালে জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সিস্টেম কথাটি ব্যবহার করেন। এজন্য তাকে জিআইএস ব্যবস্থার জনক বলা হয়।
১৯২.
Rockmelt কী?
  1. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
  2. সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সহায়ক ওয়েব ব্রাউজার
  3. ভিডিও শেয়ারিং সাইট
  4. ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা
ব্যাখ্যা
- রকমেল্ট একটি সামাজিক ওয়েব ব্রাউজার।
- এটি ফেসবুক বা টুইটারের মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয় অনলাইনে শেয়ার করার জন্য এবং যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটির বাম দিকে যেকোনো সময়ে অনলাইনে একটিভ থাকা ব্যাক্তিদের থাম্বনেইল দেখা যায় এবং তাদের সর্বশেষ আপডেট দেখা যায় ও চ্যাট করা যায়।
- ডানদিকে, সামাজিক সাইট এবং নিউজ প্রবাহের লিঙ্ক থাকে।
- Developer(s): Tim Howes, Eric Vishria
- Final release: 2.2 / May 15, 2014
- Engine: WebKit (based on KHTML)
- Operating system: Android, iOS, Windows

উৎস: Rockmelt
১৯৩.
বিশ্বের সকল ওয়েব পেইজগুলো কোথায় সংরক্ষিত থাকে?
  1. WWW
  2. HTML
  3. Cloud storage
  4. URL
ব্যাখ্যা
• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব:
- World Wide Web বা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের সংক্ষিপ্ত রূপ WWW।  এটিকে সাধারণত "ওয়েব" বলা হয়।
- ওয়েব হলো একটি বিশাল সিস্টেম, যা অনেকগুলো ওয়েব সার্ভারের সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- এই ওয়েব সার্ভারগুলোতে সারা বিশ্বের ওয়েব পেইজগুলো সংরক্ষিত থাকে।
- মূলত সারা বিশ্বের ওয়েব পেইজগুলোর সংগ্রহই ওয়েব।
- সার্ভারগুলো ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের তথ্য (যেমন টেক্সট, ছবি, শব্দ ইত্যাদি) সরবরাহ করতে সক্ষম।
- তথ্যগুলো পেতে ব্যবহারকারীদের বিশেষ ধরনের অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে হয়, যাকে বলা হয় ওয়েব ব্রাউজার।
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের সূচনা হয়েছে ১৯৮৯ সালে ECRN (The European Center for Nuclear Research) তে।
- ১৯৯৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে MOSAIC নামক গ্রাফিক্যাল ওয়েব ব্রাউজার আবিষ্কারের এক বছর পর থেকে ওয়েবের ব্যাপক প্রচলন শুরু হয়।

• বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত ওয়েব ব্রাউজারগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার,
- মজিলা ফায়ারফক্স, এবং
- নেটস্কেপ নেভিগেটর।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯৪.
কুকিজ (Cookies) কোথায় জমা থাকে?
  1. ক) হার্ডডিস্কে
  2. খ) ক্যাশে মেমোরিতে
  3. গ) র‍্যামে
  4. ঘ) রমে
ব্যাখ্যা
টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ  ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্যাশ মেমরিতে জমা হয়। 
এতে কম্পিউটারের কাজের গতি হ্রাস পায়। 

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯৫.
মেশ টপোলজিতে মোট তারের সংখ্যা-
  1. (n - 1)
  2. (n - 2)
  3. n(n - 2)
  4. n(n - 1)/2
ব্যাখ্যা
• মেশ টপোলজি (Mesh Topology):
- যদি কোনো নেটওয়ার্কে ডিভাইস বা পিসিসমূহ একে অপরের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে, তাহলে তাকে মেশ টপোলজি বলা হয়।
- এতে ডেটা কমিউনিকেশনে অনেক বেশি নিশ্চয়তা থাকে এবং নেটওয়ার্কের সমস্যা খুব সহজে সমাধান করা যায়।
- রিং টপোলজিতে প্রতিটি কমপিউটারকে প্রতিটি কমপিউটারের সাথে অতিরিক্ত নোড দিয়ে সংযুক্ত করলেই তা মেশ টপোলজিতে রূপান্তরিত হবে।
- মেশ টপোলজিতে কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভার বা ডিভাইস প্রয়োজন পড়ে না।
- নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সংযোগকে পয়েন্ট টু পয়েন্ট বা পিয়ার টু পিয়ার লিংক বলা হয়।
- একে সম্পূর্ণরূপে আন্তসংযুক্ত বা Completely interconnected টপোলজিও বলা হয়ে থাকে।
- এই টপোলজিতে n সংখ্যক নোডের জন্য প্রতিটি নোডে (n-1)টি সংযোগের প্রয়োজন হয়। ফলে নেটওয়ার্কে মোট তারের সংখ্যা হবে n(n-1)/2.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৯৬.
WiMAX এর স্ট্যান্ডার্ড কত?
  1. ক) 801
  2. খ) 802
  3. গ) 802.02B
  4. ঘ) 802.16G
ব্যাখ্যা
WiMAX এর স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.16G নামে পরিচিত। WiFi বর্তমানে IEEE 802.11G নামে বহুল প্রচলিত যা সর্বশেষ সংস্করণ হচ্ছে IEEE 802.11ax।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
১৯৭.
কোন নেটওয়ার্ক টপোলজিতে কেন্দ্রীয় হাব থাকে?
  1. স্টার টপোলজি
  2. ট্রি টপোলজি
  3. রিং টপোলজি
  4. বাস টপোলজি
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: ক) স্টার টপোলজি। 

স্টার টপোলজিতে একটি কেন্দ্রীয় হাব বা সুইচ থাকে, যার মাধ্যমে সকল ডিভাইস বা নোড সংযুক্ত থাকে। প্রতিটি কম্পিউটার বা ডিভাইস সরাসরি কেন্দ্রীয় হাবের সঙ্গে যুক্ত থাকে, ফলে যোগাযোগ হাবের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। যদি কোনো নোডে সমস্যা হয়, তা পুরো নেটওয়ার্ককে প্রভাবিত করে না, কারণ প্রতিটি সংযোগ আলাদাভাবে হাবের সঙ্গে যুক্ত থাকে। হাবের ব্যর্থতা হলে পুরো নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে যায়। স্টার টপোলজির সুবিধা হলো সমস্যার নির্ণয় সহজ, দ্রুত ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব এবং নেটওয়ার্কে নতুন ডিভাইস সংযোজন সহজ। এটি ছোট ও মাঝারি আকারের নেটওয়ার্কের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয়।

• স্টার টপোলজি:
- স্টার টপোলজি বা স্টার সংগঠনে কম্পিউটারসমূহ একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- এটি হাব ডিভাইস ব্যবহৃত হয়।
- এ সংগঠনে নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলো সরাসরি নিজেদের মধ্যে তথ্য বা ডাটা আদান প্রদান করতে পারে না।
- প্রতিটি কম্পিউটারই কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে সংকেত পাঠাতে পারে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটি এক্ষেত্রে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটিতে সমস্যা দেখা দিলে সমস্ত নেটওয়ার্কটি অচল হয়ে যায়।
- কিন্তু অন্য কোন কম্পিউটার বিকল হলে নেটওয়ার্কের কাজ শুধুমাত্র ঐ কম্পিউটারেই ব্যহত হয়।
- নেটওয়ার্কের অন্য অংশে কাজের কোন রকম অসুবিধা হয় না।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা এস এস সি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯৮.
কোনটি Social Media Network নয়?
  1. ক) Linkedin
  2. খ) google+
  3. গ) twitter
  4. ঘ) Internet Explorer
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
Internet Explorer, Google chrome, Opera, Mozilla Firefox, Safari প্রভৃতি হল web browser সফটওয়্যার।
১৯৯.
প্রিন্টারের ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) রেডিও ওয়েব
  2. খ) মাইক্রো ওয়েব
  3. গ) ইনফ্রারেড
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

ইনফ্রারেড: এটি এক ধরনের ওয়েভ যার ফ্রিকুয়েন্সী সীমা ৩০০ GHz থেকে ৪০০THz হয়ে থাকে। খুব কাছাকাছি অবস্থিত দুইটি ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইনফ্রারেড ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের যোগাযোগে দুই প্রান্তে ট্রান্সমিটার ও রিসিভার থাকে।
টেলিভিশন, ভিসিআর এ ব্যবহৃত রিমোট কন্ট্রোলে, বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কী-বোর্ড, মাউস, প্রিন্টার ইত্যাদির ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনে ব্যবহৃত হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

২০০.
দুটি ভিন্ন প্রোটোকল-ভিত্তিক নেটওয়ার্ককে পরস্পরের সাথে সংযুক্ত করার জন্য কোন নেটওয়ার্ক ডিভাইস ব্যবহার করা হয়?
  1. Hub
  2. Switch
  3. Router
  4. Gateway
ব্যাখ্যা

Gateway এমন একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা ভিন্ন ভিন্ন প্রোটোকল ব্যবহারকারী নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করতে সক্ষম। এটি ডেটা ফরম্যাট, প্রোটোকল, এমনকি আর্কিটেকচার পরিবর্তন করে এক নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে ডেটা আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে।

​সুইচ:
- সুইচ একটি ডিভাইস যা নেটওয়ার্কের ডাটাকে বিভক্ত করে নেটওয়ার্কের সকল সিস্টেমে না পাঠিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠিয়ে দেয়।
- হাব এবং সুইচ এর কাজ প্রায় একই। তবে হাব প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর একই সাথে প্রত্যেকটি কম্পিউটারে পাঠায় কিন্তু সুইচ প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর টার্গেট কম্পিউটারে পাঠায়।
- স্টার টপোলজিতে সুইচ একটি কেন্দ্রিয় কানেকটিভ ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

রাউটার:
- রাউটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- ছোট ছোট নেটওয়ার্ক রাউটারের মাধ্যমে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে একাধিক পথ সৃষ্টি করে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন ইথারনেট, টোকেন, রিং কে সংযুক্ত করতে পারে।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

গেটওয়ে:
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।