ব্যাখ্যা
- পারমাণবিক চুল্লিতে প্রধানত বিভাজনযোগ্য আইসোটোপ ব্যবহার করা হয় যা নিউট্রন আঘাত করলে ভেঙে গিয়ে প্রচুর শক্তি উৎপন্ন করে। ইউরেনিয়াম-২৩৫ হলো প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া একমাত্র আইসোটোপ যা এই শৃঙ্খল বিক্রিয়া (chain reaction) বজায় রাখতে সক্ষম।
নিউক্লিয়ার চেইন বিক্রিয়া:
- নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়াগুলোই মূলত নিউক্লিয়ার চেইন বিক্রিয়া (Chain Reaction)।
- যে বিক্রিয়া একবার শুরু হলে তাকে চালু রাখার জন্য অতিরিক্ত কোনো শক্তির প্রয়োজন হয় না তাকে নিউক্লিয়ার চেইন বিক্রিয়া বলে।
- একটি আইসোটোপকে একটি নিউট্রন দিয়ে আঘাত করা হলে আইসোটোপটি ভেঙে একটি নিউক্লিয়াস, একটি নিউক্লিয়াস, 3টি নিউট্রন এবং প্রচুর পরিমাণে শক্তি উৎপন্ন হয়।
- এই 3টি নিউট্রনের গতি কমানো সম্ভব হলে সেগুলোর একটি অংশ আবার অন্য আইসোটোপকে আঘাত করে, এভাবে আরো নিউট্রন উৎপন্ন হয়।
- সেই নিউট্রনগুলোর গতিবেগ কমানো হলে তাদের একটি অংশ আবার অন্য কে আঘাত করে ফলে আবার নিউট্রন উৎপন্ন হয়। এভাবে চলমান বিক্রিয়াকে নিউক্লিয়ার চেইন বিক্রিয়া বলে।
- নিউক্লিয়ার চেইন বিক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করা যথেষ্ট জটিল এবং এই বিক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে পারমাণবিক চুল্লিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।