ব্যাখ্যা
- আ- ধ্বনির উচ্চারণে জিহ্বা সাধারণত শায়িত অবস্থায় থাকে এবং কণ্ঠের দিকে আকৃষ্ট হয় ।
- এবং মুখের সম্মুখ ও পশ্চাৎ অংশের মাঝামাঝি বা কেন্দ্রস্থানীয় অংশে অবস্থিত বলে আ-কে কেন্দ্রীয় নিম্নাবস্থিত স্বরধ্বনি এবং বিবৃত স্বরধ্বনিও বলা হয়।
--------
• বিবৃত 'অ এবং আ' ধ্বনির উচ্চারণ:
- অ- ধ্বনির বিবৃতি বা স্বাভাবিক উচ্চারণ: অমল, অনেক, কত।
- বাংলায় আ ধ্বনি একটি বিবৃত স্বর। যেমন- আপন, মা, দাতা ইত্যাদি।
- কয়েকটি ক্ষেত্রে আ ধ্বনির উচ্চারণ অ্যা হয়। অ্যা ধ্বনির বিবৃত উচ্চারণ এর উদাহরণ- খেল্ (খ্যাল্), দেখ্ (দ্যাখ্)।
------------------
বিশেষ তথ্য:
- ই এবং ঈ-ধ্বনির উচ্চারণে জিহ্বা এগিয়ে আসে এবং উচ্চে অগ্রতালুর কঠিনাংশের কাছাকাছি পৌছে।
- ই ঈ এ (অ) ধ্বনির উচ্চারণে জিহবা এগিয়ে সম্মুখভাগে দাঁতের দিকে আসে বলে এগুলোকে বলা হয় সম্মুখ ধ্বনি।
- উ এবং ঊ-ধ্বনি উচ্চারণে জিহ্বা পিছিয়ে আসে এবং পশ্চাৎ তালুর কোমল অংশের কাছাকাছি ওঠে।
- উ, ঊ ও অ-ধ্বনির উচ্চারণে জিহবা পিছিয়ে আসে বলে এগুলোকে পশ্চাৎ স্বরধ্বনি বলা হয়।
এছাড়া,
অ-নিম্নাবস্থিত পশ্চাৎ স্বরধ্বনি, এ- মধ্যবস্থিত সম্মুখ স্বরধ্বনি, অ্যা- নিম্নাবস্থিত সম্মুখ স্বরধ্বনি।
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, (২০১৯ সংস্করণ), ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।