ব্যাখ্যা
- এটি একটি ফারসি শব্দ।
শব্দের অর্থ:
- পশুলোম বা পাটের আঁশ থেকে তৈরি মেঝেতে পাতার পুরু ফরাশ-বিশেষ, কার্পেট।
অন্যদিকে,
- লাশ, বাহাদুর, বাবুর্চি - তুর্কি শব্দ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১১ / ১২ · ১,০০১–১,১০০ / ১,১৮০
• 'তারিখ' আরবি ভাষার শব্দ।
- শব্দটি বিশেষ্য পদ।
অর্থ:
- মাসের দিননির্দেশক সংখ্যা;
- তিথি।
আরবি ভাষার আরো কিছু শব্দ হলো:
এলাকা, এলাহি, কয়েদ, কসাই, কসরত, খারাবি, খারাপ, খারিজ, খাসমহল, খাসলত, তুফান, তকদির, ময়না, মুমিন, মুনিব, মুনশি ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• কাঁচি তুর্কি ভাষার শব্দ।
----------------
• পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দ হলো:
আনারস, গির্জা, পেয়ারা, পেঁপে, সালোয়ার, চাবি, বালতি, গুদাম, পাউরুটি, পাদরি, কামরা, বোতল, জানালা, বোতাম, তোয়ালে।
অন্যদিকে,
• তুর্কি ভাষা থেকে আগত কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দ হলো:
কাঁচি, খোকা, বাবুর্চি, উজবুক, কোর্মা, তুরক, তুরগ, বেগম, বাবা।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং অভিগম্য অভিধান।
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• 'নামাজ' একটি ফারসি শব্দ।
অন্যদিকে,
তারিখ, কেয়ামত ও জান্নাত আরবি শব্দ।
• কিছু আরবি শব্দ:
- আল্লাহ, ইসলাম, ইমান, অজুহাত, আদালত, বাকি, ওযু, কোরবানী, কিয়ামত, জান্নাত, জাহান্নাম ,তসবি, হজ, যাকাত, হালাল, হারাম, কানুন, খবর, তারিখ, মৌলবি, উকিল ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
আরবি শব্দ : বাংলায় ব্যবহৃত আরবি শব্দগুলােকে দুটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়-
(১) ধর্মসংক্রান্ত শব্দ : আল্লাহু, ইসলাম, ঈমান, ওজু, কোরবানি, কুরআন, কিয়ামত, গােসল, জান্নাত, জাহান্নাম, তওবা, তসবি, জাকাত, হজ, হাদিস, হারাম, হালাল ইত্যাদি।
(২) প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক শব্দ : আদালত, আলেম, ইনসান, ঈদ, উকিল, ওজর, এজলাস, এলেম, কানুন, কলম, কিতাব, কেচ্ছা, খারিজ, গায়েব, দোয়াত, নগদ, বাকি, মহকুমা, মুন্সেফ, মােক্তার, রায় ইত্যাদি।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• 'উকিল' আরবি ভাষার।
অন্যদিকে,
• 'পুলিশ' 'জেল' 'কোর্ট' ইংরেজি ভাষার শব্দ।
----------------------
• আরবি ভাষার আরো কিছু শব্দ:
আল্লাহ, ইসলাম, ইমান, অজুহাত, আদালত, বাকি, ওযু, কোরবানী, কিয়ামত, জান্নাত, জাহান্নাম, তসবি, হজ, যাকাত, হালাল, হারাম, কানুন, খবর, তারিখ, মৌলবি, উকিল ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'বেহালা' পর্তুগিজ ভাষার শব্দ।
- বিশেষ্য পদ।
অর্থ:
- ছড় দিয়ে বাজানো হয় এমন চারটি তারের বাদ্যযন্ত্রবিশেষ।
অন্যদিকে,
- 'রোকড়' হিন্দি ভাষার শব্দ।
- 'মুচলেকা' তুর্কি ভাষার শব্দ।
- 'মন্ত্রিপরিষদ' সংস্কৃত ভাষার শব্দ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• ফারসি ভাষার শব্দ - দারোগা।
শব্দের অর্থ:
- থানার অধ্যক্ষ বা ভারপ্রাপ্ত কর্মচারী; পুলিশের ইন্সপেক্টর বা সাবইন্সপেক্টর।
অন্যদিকে,
- 'দাঙ্গা' এবং 'দিলরুবা' হিন্দি ভাষার শব্দ।
- 'বাবুর্চি' তুর্কি ভাষার শব্দ।
কিছু ফারসি শব্দ:
- খোয়াব,
- চশমা,
- চেহারা,
- দরদি,
- দরবার,
- দারোগা,
- দারোয়ান,
- ফসলি,
- রোজ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
কোনাে কোনাে সময় দেশি ও বিদেশি শব্দের মিলনে শব্দদ্বৈত সৃষ্টি হয়ে থাকে, তাকে মিশ্র শব্দ বলে।
যেমনঃ ডাক্তার-খানা (ইংরেজি + ফারসি),
রাজা-বাদশা (তৎসম + ফারসি),
হাট-বাজার (বাংলা + ফারসি),
পকেটমার (ইংরেজি + বাংলা),
খ্রিস্টাব্দ (ইংরেজি + তৎসম),
হেড-মৌলভি (ইংরেজি + ফারসি),
হেড-পণ্ডিত (ইংরেজি + তৎসম),
চৌহদ্দি (ফারসি + আরবি) ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
• "অজুহাত" শব্দটি "আরবি" ভাষা হতে আগত।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
শব্দের অর্থ:
- ছুতা, বাহানা, অসিলা; ওজর।
আরো কিছু আরবি শব্দ:
- আল্লাহ, ইসলাম, ইমান, অজুহাত, আদালত, বাকি, ওযু, কোরবানী, কিয়ামত, জান্নাত, জাহান্নাম, তসবি, হজ, যাকাত, হালাল, হারাম ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• গুদাম (বিশেষ্য পদ),
- পর্তুগিজ ভাষার শব্দ।
অর্থ:
- মালখানা,
- বদ্ধ কামরা।
• ইংরেজি পরিভাষিক শব্দ - godown.
• পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত কিছু শব্দ হলো:
আনারস, গির্জা, পেয়ারা, পেঁপে, সালোয়ার, চাবি, বালতি, গুদাম, পাউরুটি, পাদ্রি, কামরা, বোতল, জানালা, বোতাম, তোয়ালে।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- 'কোর্মা' শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে আগত।
• 'কোর্মা' শব্দের অর্থ:
- তুর্কি পদ্ধতিতে দই-সহযোগে অল্প মসলায় রাঁধা মাছ মাংস প্রভৃতি।
• তুর্কি ভাষার আরো কয়েকটি শব্দ:
- বাবা,
- কোর্মা,
- খাতুন,
- উজবুক
- চাকু,
- তোপ,
- বাবুর্চি ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- ’উজবুক’ শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে গৃহীত।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
অর্থ:
- আহাম্মক, বোকা, নির্বোধ, মূর্খ ব্যক্তি।
• তুর্কি ভাষা থেকে গৃহীত গুরত্বপূর্ণ কিছু শব্দ :
- সওগাত, বাবুর্চি, , বেগম, কাবু, কাঁচি, তোপ, কুর্নিশ, কোর্মা, চাকু, চোগা, তকমা।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• আনারস ও চাবি পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দ।
♦ পর্তুগিজ শব্দ:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত কিছু পর্তুগিজ শব্দ হলো:
• গির্জা,
• চাবি,
• গুদাম,
• আলমারি,
• আনারস,
• পেয়ারা,
• সাবান,
• কেরানি,
• পাদ্রি,
• বালতি,
• কেদারা,
• কামরা,
• জানালা,
• বারান্দা,
• আলমারি,
• গুদাম,
• পেঁপে,
• পাউরুটি,
• তোয়ালে,
• বোতাম ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
উৎস বিবেচনায় শব্দের শ্রেণিবিভাগ-
উৎস বিবেচনায় বাংলা শব্দভাণ্ডারকে চার শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়: তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি। এর মধ্যে তৎসম ও তদ্ভব শ্রেণিকে নিজস্ব উৎসের এবং দেশি ও বিদেশি শ্রেণিকে আগন্তুক উৎসের শব্দ হিসেবে গণ্য করা হয়।
১. তৎসম শব্দ:
প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব বাংলা শব্দের লিখিত চেহারা সংস্কৃত ভাষার শব্দের অনুরূপ সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে। যথা: পৃথিবী, আকাশ, গ্রহ, বৃক্ষ।
২. তদ্ভব শব্দ:
প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় একেবারেই স্বতন্ত্র, সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলা হয়। উদাহরণ: হাত, পা, কান, নাক, জিব, দাঁত; হাতি, ঘোড়া, সাপ, পাখি, কুমির ইত্যাদি।
৩. দেশি শব্দ:
বাংলা অঞ্চলের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভাষা থেকে কিছু শব্দ বাংলা ভাষায় স্থান পেয়েছে, এগুলোকে দেশি শব্দ বলা হয়। উদাহরণ: কুড়ি, পেট, চুলা, কুলা, ডাব, টোপর, ঢেঁকি ইত্যাদি।
৪. বিদেশি শব্দ:
ঐতিহাসিক কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের আন্তঃসম্পর্ক তৈরি হওয়ায় সেসব দেশের বহু শব্দ বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে, এই শব্দগুলোকে বিদেশি শব্দ বলে। এসব বিদেশি শব্দের মধ্যে রয়েছে আরবি, ফারসি, ইংরেজি, পর্তুগিজ, ফরাসি, ওলন্দাজ, তুর্কি, হিন্দি ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।
• পোর্তুগিজ শব্দ - সালোয়ার।
• পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দ হলো:
- আনারস, আতা, র্গীজা, পেঁপে, পেয়ারা, চাবি, বালতি, গুদাম, পাউরুটি , পাদ্রি, বালতি, কামরা, বোতল জানালা, বোতাম, গামলা, তোয়ালে।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- ’কুর্নিশ’ শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে গৃহীত।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
অর্থ:
- সম্ভ্রমপূর্ণ অভিবাদন।।
• তুর্কি ভাষা থেকে গৃহীত গুরত্বপূর্ণ কিছু শব্দ :
- সওগাত, বাবুর্চি, , বেগম, কাবু, কাঁচি, তোপ, উজবুক, কোর্মা, চাকু, চোগা, তকমা।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• 'ময়দা' ফারসি ভাষা থেকে আগত শব্দ।
• শব্দের অর্থ:
গম থেকে উৎপাদিত ধবধবে সাদা ও মিহি চূর্ণ।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'জরিমানা' শব্দটি 'আরবি' ভাষা হতে আগত।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
শব্দের অর্থ:
- অপরাধের দণ্ড; অর্থদণ্ড, fine।
অন্যদিকে,
ফারসি শব্দ - দারোগা, চশমা, খোদ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'চুরুট' তামিল ভাষার শব্দ।
• 'চুরুট' শব্দের অর্থ:
- ধূমপানের জন্য তৈরি শুকনো তামাকপাতায় মোড়া তামাকচূর্ণ।
অন্যদিকে,
দাবা, চৌতালা ও চৌপল হিন্দি ভাষার শব্দ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'বাবা' শব্দটি 'তুর্কি' ভাষা হতে আগত।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
শব্দের অর্থ:
- পিতা,
- জনক।
• কিছু তুর্কি শব্দ:
- বেগম,
- কুলি,
- কলগি,
- চাকু,
- বাবা,
- বাবুর্চি,
- মুচলেকা ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• ‘রেস্টুরেন্ট' ফরাসি ভাষার শব্দ।
- শব্দটি বিশেষ্য পদ।
• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত কিছু ফরাসি শব্দ হলো:
কার্নিশ, কার্টিজ, এস্টেট, কার্বুরেটর, কুপন, ডিপো, ফসিল, লিস্ট, রেস্টুরেন্ট, রেস্তোরাঁ ইত্যাদি।
অভিসম্বন্ধ: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
আরবি শব্দ : বাংলায় ব্যবহৃত আরবি শব্দগুলােকে দুটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়-
(১) ধর্মসংক্রান্ত শব্দ : আল্লাহু, ইসলাম, ঈমান, ওজু, কোরবানি, কুরআন, কিয়ামত, গােসল, জান্নাত, জাহান্নাম, তওবা, তসবি, জাকাত, হজ, হাদিস, হারাম, হালাল ইত্যাদি।
(২) প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক শব্দ : আদালত, আলেম, ইনসান, ঈদ, উকিল, ওজর, এজলাস, এলেম, কানুন, কলম, কিতাব, কেচ্ছা, খারিজ, গায়েব, দোয়াত, নগদ, বাকি, মহকুমা, মুন্সেফ, মােক্তার, রায় ইত্যাদি।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• কামরা পর্তুগিজ ভাষার শব্দ।
- শব্দটি বিশেষ্য পদ।
অর্থ: কক্ষ, কুঠুরি, ঘর।
• পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত কিছুশব্দ হলো:
আনারস, গির্জা, পেয়ারা, পেঁপে, সালোয়ার, চাবি, বালতি, গুদাম, পাউরুটি, পাদরি, কামরা, বোতল, জানালা, বোতাম, তোয়ালে।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'জোছনা' - অর্ধ-তৎসম শব্দ।
- এটি 'জ্যোৎস্না' সংস্কৃত শব্দ থেকে সৃষ্টি।
অর্থ: চাঁদের আলো; কৌমুদী।
• তৎসম মানে সংস্কৃত। আর অর্ধ-তৎসম মানে আধাসংস্কৃত। তৎসম শব্দ থেকে বিকৃত উচ্চারণের ফলে অর্ধ-তৎসম শব্দ উৎপন্ন হয়ে
থাকে।
- আরো কিছু অর্ধ-তৎসম শব্দ দেওয়া হলো: 'গিন্নি' ও 'কেষ্ট'।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'চাকুরে' বাংলা ভাষার শব্দ।
এরূপ বাংলা ভাষার কিছু শব্দ হলো- চাখা, চাটু, চাগা, চাঙড়, চাটি ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
• 'চাটনি' হিন্দি শব্দ।
• 'চাঙ' দেশি শব্দ।
• 'চাক্কা' অর্ধ-তৎসম শব্দ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'বেহদ্দ' মিশ্র শব্দ।
- এখানে বে (ফারসি শব্দ) আর হদ্দ (আরবি শব্দ)।
- এটি বিশেষণ পদ।
অর্থ:
- অত্যন্ত, খুব, জবর, বেজায়, অসীম।
অন্যদিকে,
-------------
• 'বেহালা' পর্তুগিজ ভাষার শব্দ।
অর্থ:
- ছড় দিয়ে বাজানো হয় এমন চারটি তারের বাদ্যযন্ত্রবিশেষ।
• 'বেহিসাবি' ফারসি ভাষার শব্দ।
অর্থ: হিসাব করে চলে না এমন; অপরিণামদর্শী; হঠকারী।
• 'বেহুঁশ' ফারসি ভাষার শব্দ।
অর্থ: অজ্ঞান; মূর্ছিত; বেখেয়াল।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• ইউনিভার্সিটি একটি ল্যাটিন শব্দ।
অর্থ: বিবিধ বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষাদান পরীক্ষাগ্রহণ এবং গবেষণা ও উপাধি বিতরণের জন্য স্থাপিত বিদ্যাপীঠ, বিশ্ববিদ্যালয়।
অন্যদিকে,
- হাসপাতাল, ফ্ল্যাগশিপ, ইংলিশ শব্দগুলো ইংরেজি ভাষা থেকে আগত শব্দ।
উৎস: বাংলা একাডেমী, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• কাগজ (ফারসি ভাষার শব্দ)।
- শব্দটি বিশেষ্য পদ।
অর্থ:
- লেখা আঁকা বা ছাপার কাজে ব্যবহৃত বাঁশ তুলা প্রভৃতির মণ্ড থেকে তৈরি পাতলা পত্রবিশেষ।
- দলিলপত্র, document।
ফারসি ভাষা থেকে আগত আরো কিছু শব্দ হলো:
গ্রেপ্তারি, গ্রেফতার, দারোগা, লুঙ্গি, সাদা, আসমান, কাজি, খোয়াব, চেহারা, কাগজ, চশমা, চারপায়া, ছয়লাপ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব বাংলা শব্দের লিখিত রূপ সংস্কৃত ভাষার শব্দের অনুরূপ সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে।
যথা,
- পৃথিবী, আকাশ, গ্রহ, বৃক্ষ।
সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুসরণ করে গঠিত পারিভাষিক শব্দেকেও তৎসম শব্দ বলে।
যথা,
- অধ্যাদেশ, গণপ্রজাতন্ত্রী, মহাপরিচালক, সচিবালয় ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• 'আদালত' আরবি ভাষার।
অন্যদিকে,
• ফারসি ভাষা থেকে আগত কিছু শব্দ হলো: গ্রেফতার, দারোয়ান, কাজি।
----------------------
• আরবি ভাষার আরো কিছু শব্দ:
আল্লাহ, ইসলাম, ইমান, অজুহাত, আদালত, বাকি, ওযু, কোরবানী, কিয়ামত, জান্নাত, জাহান্নাম, তসবি, হজ, যাকাত, হালাল, হারাম, কানুন, খবর, তারিখ, মৌলবি, উকিল ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• ‘কসাই’ শব্দটি 'আরবি' ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
কিছু আরবি শব্দ:
- কয়েদ,
- খারিজ,
- খারাবি,
- খারাপ,
- তকদির,
- ফসল, ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'গ্যারান্টি' - ফরাসি শব্দ।
অন্যদিকে,
গ্যাঁট - দেশি শব্দ।
গ্যারিসন; গ্যালন- ইংরেজি শব্দ।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'কাঁচামাল' মিশ্র ভাষার শব্দ।
- এখানে কাঁচা (বাংলা শব্দ) এবং মাল (আরবি শব্দ)।
অর্থ:
- যে সকল উপদান থেকে শিল্পদ্রব্য তৈরি হয়।
অন্যদিকে,
---------------------
• 'কাঁচাপাকা' বাংলা ভাষার শব্দ।
• 'কাঁচাগোল্লা' বাংলা ভাষার শব্দ।
• 'কাঁচকলা' বাংলা ভাষার শব্দ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• ‘খাসমহল’ শব্দটি 'আরবি' ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
কিছু আরবি শব্দ:
- এলাকা,
- এলাহি,
- কয়েদ,
- কসাই,
- কসরত,
- খারাবি,
- খারাপ,
- খারিজ,
- খারিজ,
- খালাস,
- খাসমহল,
- খাসলত,
- তুফান,
- তকদির ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'পানসি' শব্দটি 'ফরাসি' ভাষা থেকে এসেছে।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
শব্দের অর্থ:
- ছই দিয়ে ঢাকা ছোটো নৌকা;
- ছোটো হালকা সরু নৌকা।
কিছু ফরাসি শব্দ:
- এস্টেট, কার্নিশ, কার্টিজ, কার্পেট, কুপন, রেস্তোরাঁ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।