বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন২,৯৬৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

PrepBank · পাতা / ৩০ · ৭০১৮০০ / ২,৯৬৪

৭০১.
কোনো রায়ত যদি উইল না করে মারা যান, তবে তার হোল্ডিং-
  1. উত্তরাধিকারসূত্রে বণ্টিত হবে
  2. রাষ্ট্র রক্ষণাবেক্ষণ করবে
  3. মালিকের কাছে ফেরত যাবে
  4. আদালতের মাধ্যমে বাজেয়াপ্ত করা হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৪: রায়তের মৃত্যুর পর জমির উত্তরাধিকার (Devolution of holding on the death of a raiyat):
যদি কোনো রায়ত তার জীবদ্দশায় উইল বা অছিয়তপত্র না রেখে মারা যান (intestate), তাহলে তার হোল্ডিং (চাষযোগ্য জমির অধিকার)- এই আইনের বিধানগুলোর পরিপন্থী না হয়ে- তার অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তির মতো উত্তরাধিকারসূত্রে বণ্টিত হবে।

তবে, যদি এমন কোনো ক্ষেত্রে উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী তার অন্য সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে যায়, তাহলে তার হোল্ডিং-এর অধিকার বিলুপ্ত (extinguished) হয়ে যাবে, অর্থাৎ সেই জমির ওপর তার বা তার উত্তরাধিকারীদের কোনো অধিকার থাকবে না।
৭০২.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা বাংলা- এটি সংবিধানে কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-২ক
  2. অনুচ্ছেদ-৩
  3. অনুচ্ছেদ-৪
  4. অনুচ্ছেদ-৪ক
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা বাংলা সংবিধানের প্রথম ভাগ এর অনুচ্ছেদ-৩ তে উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা হবে।
- এটি বাংলাদেশের ভাষাগত পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক এবং দেশের সাংবিধানিক প্রেক্ষাপটে বাংলা ভাষার প্রতিষ্ঠা এবং স্বীকৃতির প্রতি একটি শক্তিশালী অঙ্গীকার।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩ রাষ্ট্রভাষা:
- প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা।
৭০৩.
According to Section 3(15) of The General Clauses Act, 1897, "District Judge" means:
  1. The judge of a principal Civil Court of original jurisdiction.
  2. The High Court Division exercising its civil jurisdiction.
  3. Any judge appointed to hear civil cases in a district court.
  4. The judge of any high court dealing with civil cases.
ব্যাখ্যা
Section 3(15) of The General Clauses Act,1897,
"District Judge" shall mean the Judge of a principal Civil Court of original jurisdiction, but shall not include the High Court Division in the exercise of its ordinary or extraordinary original civil jurisdiction:

ধারা ৩(১৫) -
"জেলা বিচারক" অর্থ হবে একটি প্রধান দেওয়ানি আদালতের বিচারক, তবে এর মধ্যে উচ্চ আদালত বিভাগের সাধারণ বা বিশেষ দেওয়ানি বিচারিক ক্ষমতার অধীনে কার্যরত বিচারক অন্তর্ভুক্ত হবে না।
৭০৪.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৬ক(১) অনুযায়ী, সরকার কোন ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারবে?
  1. নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল
  2. শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল
  3. নারী ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল
  4. শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল
ব্যাখ্যা

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৬ক- শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল:
(১) ধারা ২৬ এর উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও সরকার এই আইনের অধীন শিশু ধর্ষণ সংক্রান্ত অপরাধ বিচারের নিমিত্ত প্রত্যেক জেলায় ও মহানগর এলাকায় এক বা একাধিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করিতে পারিবে এবং এইরূপ ট্রাইব্যুনাল শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল নামে অভিহিত হইবে।

(২) একজন বিচারক সমন্বয়ে ট্রাইব্যুনাল গঠিত হইবে এবং সরকার জেলা ও দায়রা জজগণের মধ্য হইতে উক্ত ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিযুক্ত করিবে।

(৩) সরকার, প্রয়োজনবোধে, কোন জেলা ও দায়রা জজকে তাহার দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসাবে ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিযুক্ত করিতে পারিবে।

(৪) এই ধারায় জেলা ও দায়রা জজ বলিতে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজও অন্তর্ভুক্ত।

(৫) শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল এই আইনের অধীন গঠিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের কার্যপদ্ধতি প্রয়োজনীয় অভিযোজন সহকারে অনুসরণ করিবে।

(৬) এই ধারার অধীন ট্রাইব্যুনাল গঠিত না হওয়া পর্যন্ত ধারা ২৬ এর অধীন গঠিত ট্রাইব্যুনাল এই ধারায় উল্লিখিত ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব পালন করিতে পারিবে।]

৭০৫.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচারের ক্ষেত্রে খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশে আদালত সর্বোচ্চ কত দিন সময় দিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারবে?
  1. ১৫
  2. ৩০
  3. ৬০
  4. ৯০
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ২১ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
(১) যদি ট্রাইব্যুনালের এই মর্মে বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,-
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছে বা আত্মগোপন করিয়াছেন; এবং
(খ) তাহার আশু গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল অন্তত: দুইটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা, আদেশে উল্লিখিত সময়, যাহা ত্রিশ দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইতে ব্যর্থ হন, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার করিতে পারিবে।

(২) যদি কোন অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইবার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জামিনে মুক্তি দেওয়ার পর পলাতক হন, তাহা হইলে তাহার ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর বিধান প্রযোজ্য হইবে না, এবং সেইক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে তাহার বিচার সম্পন্ন করিতে পারিবে।
৭০৬.
নিচের কোন ক্ষেত্রে মিউটেশন বা নামজারি করা প্রয়োজন হয় না? 
  1. ভূমির বিক্রি করলে
  2. ভূমি দান করলে
  3. ভূমি লিজ দিলে
  4. ভূমির উত্তরাধিকার পরিবর্তন হলে
ব্যাখ্যা
খতিয়ান মিউটেশন:
- রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৩ ধারায় মিউটেশন সংক্রান্ত বিধান আলোচনা করা হয়েছে। মিউটেশনের আভিধানিক অর্থ হলো নামজারি বা পরিবর্তন।
- কোন জমি হস্তান্তর হলে পুরাতন মালিকের নাম বাদ দিয়ে নতুন মালিকের নাম প্রতিস্থাপন করাই মিউটেশন। মিউটেশন নামজারি ও জমা খারিজ হিসাবে পরিচিত।
- মিউটেশনের মাধ্যমে যে খতিয়ানের সৃষ্টি করা হয় তাকে মিউটেশন খতিয়ান বলা হয়।সম্পত্তির মালিকানা পরিবর্তনের সাথে সাথে খতিয়ানে পরিবর্তন করতে হয়।
 
- মূলত: জরিপের মাধ্যমে খতিয়ান সৃষ্টি করা হয়। কিন্তু জরিপের পর বিক্রি, এওয়াজ-বদল, দান, হেবা, ওয়াকফ, দেবোত্তর, অধিগ্রহণ, মালিকের মৃত্যু ইত্যাদি কারণে মালিকানা প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হয়। মালিকানা পরিবর্তনের ফলে যে ব্যক্তি নতুনভাবে মালিকানাস্বত্ব অর্জন করেছে খতিয়ান সংশোধন করে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
সুতরাং জমি সংক্রান্ত বিষয়ে মিউটেশন বলতে কোন জমি হস্তান্তর হলে পুরাতন মালিকের নাম বাদ দিয়ে নতুন মালিকের নাম প্রতিস্থাপন।

উল্লিখিত প্রশ্নে ভূমি লিজ দিলে মালিকানা পরিবর্তন হয় না তাই এর জন্য মিউটেশন প্রয়োজন নেই।
৭০৭.
Under The Special Powers Act, 1974, how many members constitute the Advisory Board?
  1. Two
  2. Three
  3. Five
  4. Seven
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974: Section 9: Constitution of Advisory Board:
(1) The Government shall, whenever necessary, constitute an Advisory Board for the purposes of this Act. 
 
(2) The Advisory Board shall consist of three persons, of whom two shall be persons who are, or have been, or are qualified to be appointed as, Judges of the High Court and the other shall be a person who is a senior officer in the service of the Republic, and such persons shall be appointed by the Government. 

(3) The Government shall appoint one of the members of the Advisory Board who is, or has been, or is qualified to be appointed as, a Judge of the 4[High Court] to be its Chairman.

উপদেষ্টা পরিষদ গঠন-
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করিবে।

(২) তিন জন ব্যক্তির সমন্বয়ে উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত হইবে, যাহাদের মধ্যে দুই জন হইবেন এইরূপ ব্যক্তি যাহারা হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক ছিলেন, বা আছেন, বা নিযুক্ত হইবার যোগ্য এবং অন্য একজন হইবেন প্রজাতন্ত্রের চাকুরিতে নিযুক্ত একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, এবং উক্ত ব্যক্তিগণ সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন।

(৩) সরকার উপদেষ্টা পরিষদের একজন সদস্যকে উহার চেয়ারম্যান নিযুক্ত করিবে যিনি হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক ছিলেন, বা আছেন, বা নিযুক্ত হইবার যোগ্য।
৭০৮.
'এই গাছে এই বছর যে ফল ধরবে তা তোমাকে দান করলাম।'-মুসলিম আইনানুযায়ী এরূপ দানের ফলাফল কী?
  1. বাতিল
  2. বাতিলযোগ্য
  3. বৈধ
  4. ফল ধরা সাপেক্ষে বৈধ
ব্যাখ্যা
- মুসলিম আইন অনুযায়ী সম্পত্তি দান করা হলে তাকে দান বা হেবা বলে।
মুসলিম আইনে দানের জন্য কিছু শর্ত রয়েছে:
- দানের বিষয়বস্তুর ওপর থেকে দানদাতা সম্পূর্ণ রূপে মালিকানাস্বত্ব ও কর্তৃত্ব ত্যাগ করতে হয়। 
- দানের বিষয়ে দানগ্রহীতাকে দখল বুঝিয়ে দেওয়া আবশ্যক। স্থাবর সম্পত্তির দখল দানগ্রহীতাকে সম্পূর্ণরূপে বুঝিয়ে না দেওয়া পর্যন্ত দান সম্পূর্ণ হয় না। তবে দানদাতা ও দান গ্রহীতা যদি দানকৃত সম্পত্তিতে একত্রে বসবাস করে তাহলে দানের বিষয়বস্তু/দানকৃত সম্পত্তির দখল দান গ্রহীতার বরাবরে হস্তান্তরের প্রয়োজন নেই। 
- ভবিষ্যতে দান সম্পূর্ণ করা হবে বা অনিশ্চিত কিছু ঘটলে দান কার্যকর হবে এমন কোনো দান বৈধ নয়; দানের বিষয়বস্তু স্পষ্ট ও নির্দিষ্ট হতে হবে।

উল্লিখিত উদাহরণটিতে, গাছে যে ফল ধরবে তা অনিশ্চিত। এটি আগামী দিনের ঘটনার উপর নির্ভরশীল। তাই এ ধরনের দান মুসলিম আইনে বাতিল বলে গণ্য হয়। গাছের বর্তমান ফলগুলো নির্দিষ্ট করে দান করা হলে তা বৈধ হতো।

অতএব, মুসলিম আইনানুযায়ী, "এই গাছে এই বছর যে ফল ধরবে তা তোমাকে দান করলাম" এরূপ দান বাতিল।
৭০৯.
সালমা তার স্বামীর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু রায় প্রদানকালে ট্রাইব্যুনালে প্রমাণ হয়, অভিযোগ মিথ্যা ছিল। এক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল নিম্নের কোন আদেশ দিতে পারবে?
  1. শুধু ক্ষতিপূরণের আদেশ
  2. ক্ষতিপূরণের আদেশ ও সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড
  3. ক্ষতিপূরণের আদেশ ও সর্বোচ্চ ১ বছর কারাদণ্ড
  4. ক্ষতিপূরণের আদেশ ও সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) ক্ষতিপূরণের আদেশ ও সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ধারা ১৭(৩) অনুযায়ী, যদি কোনো অভিযোগ মিথ্যা ও হয়রানিমূলক প্রমাণিত হয়, তাহলে ট্রাইব্যুনাল—
- অভিযোগকারীকে কারণ দর্শানোর সুযোগ প্রদান করবে, এবং
- অভিযুক্ত ব্যক্তির পক্ষে ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারবে,
- প্রয়োজন মনে করলে অভিযোগকারীকে অনধিক ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ১৭: মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের ইত্যাদির শাস্তি:
(১) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির মর্যাদাহানি বা ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের অন্য কোন ধারার অধীন মামলা বা অভিযোগ করার জন্য ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নাই জানিয়াও মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান তাহা হইলে মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং যিনি অভিযোগ দায়ের করাইয়াছেন উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন। 

(২) এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত ট্রাইব্যুনাল কোন লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অথবা তাহার স্বীয় ক্ষমতায় উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত অপরাধ আমলে লইয়া তাহার বিচার করিতে পারিবে।

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচার সম্পন্ন হওয়ার পর রায় প্রদানকালে যদি ট্রাইব্যুনালের নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রমাণিত হয় যে, কোন অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা ও হয়রানিমূলক, তাহা হইলে উক্ত ট্রাইব্যুনাল মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর সুযোগ প্রদানপূর্বক সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তি বা অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ বরাবর যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারিবে এবং প্রয়োজন মনে করিলে ক্ষতিপূরণের আদেশ প্রদানের পাশাপাশি উক্ত মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তিকে অনধিক দুই বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

৭১০.
সালিশি পরিষদের অনুমতি ছাড়া বিবাহ করলে মোহরানা কীভাবে আদায়যোগ্য হবে?
  1. আদালতের মাধ্যমে
  2. স্বেচ্ছায় পরিশোধ করতে হবে
  3. জরিমানার মতো আদায়যোগ্য
  4. ভূমি রাজস্বের বকেয়ার মতো আদায়যোগ্য
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ধারা ৬ (৫) অনুযায়ী, যে পুরুষ সালিশি পরিষদের অনুমতি ছাড়াই আরেকটি বিবাহ করবেন, তাকে তার বিদ্যমান স্ত্রীর বা স্ত্রীরদের সমস্ত মোহরানা (দেউর) পরিশোধ করতে হবে। যদি তা পরিশোধ না করা হয়, তবে সেটি ভূমি রাজস্বের বকেয়া হিসেবে আদায়যোগ্য হবে।

অর্থাৎ, দেউর পরিশোধ না করলে, রাষ্ট্র এটি ভূমি রাজস্বের মতো আদায় করবে।
৭১১.
সাইবার ট্রাইব্যুনাল কোন ধরণের অপরাধের ক্ষেত্রে অপরাধী কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিতে পারে?
  1. ডিজিটাল জালিয়াতি
  2. ডিজিটাল প্রতারণা
  3. পরিচয় প্রতারণা
  4. ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
সাইবার নিরাপত্তা আইন,২০২৩

ধারা ৩৬- ক্ষতিপূরণের আদেশ দানের ক্ষমতা

কোনো ব্যক্তি ধারা ২২ এর অধীন ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক জালিয়াতি, ধারা ২৩ এর অধীন ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক প্রতারণা বা ধারা ২৪ এর অধীন পরিচয় প্রতারণা বা ছদ্মবেশ ধারণের মাধ্যমে অপর কোনো ব্যক্তির আর্থিক ক্ষতিসাধন করিলে, ট্রাইব্যুনাল, সৃষ্ট ক্ষতির সমতুল্য অর্থ বা তদ্বিবেচনায় উপযুক্ত পরিমাণ অর্থ ক্ষতিপূরণ হিসাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রদানের জন্য আদেশ দিতে পারিবে।
৭১২.
মুসলিম উত্তরাধিকারের নিয়মানুযায়ী মৃত ব্যক্তির একজন কন্যা এবং একাধিক পুত্রের কন্যা থাকলে, পুত্রের কন্যাগণ সম্পত্তির কত অংশ পাবে?
  1. ১/৩ অংশ
  2. ২/৩ অংশ
  3. ১/৬ অংশ
  4. বঞ্চিত হবে
ব্যাখ্যা
• পুত্রের কন্যার সম্পত্তি লাভের ক্ষেত্রে চারটি অবস্থা লক্ষ্য করা যায়:

ক) মৃত ব্যক্তির পুত্র বা একাধিক কন্যা থাকলে, পুত্রের কন্যা সম্পূর্ণরূপে উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়।

খ) মৃত ব্যক্তির পুত্র-কন্যা না থাকলে, পুত্রের কন্যা একা হলে ১/২ অংশ এবং একাধিক হলে ২/৩ অংশ সম্পত্তি পায়।

গ) মৃত ব্যক্তির যদি একমাত্র কন্যা থাকে, তবে পুত্রের কন্যা একা বা একাধিক যাই থাকুক একা বা সবাই শুধুমাত্র ১/৬ অংশ পাবে। একাধিক হলে এই ১/৬ অংশ সবাই সমানভাবে পাবে।

ঘ) মৃত ব্যক্তির পুত্রের পুত্র থাকলে, পুত্রের কন্যা অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে তার বা তার সাথে ২:১ সম্পত্তি লাভ করবে।
৭১৩.
স্বামী কর্তৃক প্রদত্ত ক্ষমতাবলে স্ত্রী যখন তালাক দেয়, তখন সেটাকে বলা হয়-
  1. ইলা
  2. জিহার
  3. তালাক-ই-তাওহিদ
  4. তালাক-ই-তাওফিজ
ব্যাখ্যা
'Talak e Tafwid' বা 'তালাক-ই-তাওফিজ':

সাধারণত বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষমতা কোন স্ত্রী-এর নেই। কোন স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদ করতে পারে, যদি স্বামী তাকে এমন ক্ষমতা অর্পন করে। স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে স্ত্রী যখন স্বামীকে তালাক দেয়, তখন সেটাকে Talak e Tafwid 'তালাক-ই-তাওফিজ' বলে। আমাদের দেশে নিকাহনামায় বা বিবাহের চুক্তিপত্রের ১৮ নং অনুচ্ছেদে এই সংক্রান্ত বিধান আছে। অর্থাৎ নিকহানামার ১৮ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী- স্ত্রী, স্বামীর নিকট হতে তালাক প্রদানের ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে স্বামীকে তালাক দিতে পারে যা Talak e Tafwid নামে পরিচিত।

উদাহরণ:
বিবাহের কাবিননামায় শর্ত দেওয়া হলো যে- কাবিননামায় উল্লেখিত তাৎক্ষণিক দেনমোহর [Prompt Dower] স্বামী দিতে ব্যর্থ হলে, স্ত্রী বিবাহ বাতিল করতে পারবে। কিন্তু স্ত্রী উক্ত দেনমোহর চাইলেও স্বামী তা প্রদান করতে ব্যর্থ হয়েছে। এইক্ষেত্রে স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটাতে পারে।
৭১৪.
শিশু আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে করা পুনর্বিবেচনা নিষ্পত্তির সময়সীমা কত?
  1. ৯০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা
• শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪১- আপিল ও পুনর্বিবেচনা:

(১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ বা রায় প্রদানের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে। 

(২) শিশু-আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যাইবে।

(৩) এই ধারার অধীন আপিল বা, ক্ষেত্রমত, পুনর্বিবেচনার আবেদন দাখিল করা হইলে উক্ত আবেদনটি দায়েরের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।
৭১৫.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী “নাগরিক” (Citizen) বলতে কী বোঝায়?
  1. যে ব্যক্তি বাংলাদেশের স্থায়ী বাসিন্দা
  2. যে ব্যক্তি বাংলাদেশের জন্মগ্রহণ করেছে
  3. যে ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব-সম্পর্কিত আইন অনুযায়ী নাগরিক
  4. উল্লিখিত সবাইকে
ব্যাখ্যা
Article 152:
“citizen” means a person who is a citizen of Bangladesh according to the law relating to citizenship;

"নাগরিক" অর্থ নাগরিকত্ব-সম্পর্কিত আইনানুযায়ী যে ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক।
৭১৬.
তালাক-ই-তাফফিজের বিধান নিকাহনামার কত নম্বর কলামে উল্লেখ থাকে?
  1. ৮ নম্বর
  2. ১২ নম্বর
  3. ১৮ নম্বর
  4. ২৮ নম্বর
ব্যাখ্যা

• 'Talak e Tafwid' বা 'তালাক-ই-তাওফিজ':
সাধারণত বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষমতা কোন স্ত্রী-এর নেই। কোন স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদ করতে পারে, যদি স্বামী তাকে এমন ক্ষমতা অর্পন করে। স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে স্ত্রী যখন স্বামীকে তালাক দেয়, তখন সেটাকে Talak e Tafwid 'তালাক-ই-তাওফিজ' বলে।

ইসলামিক বিবাহ নিবন্ধনের সময়, নিকাহনামার ১৮ নম্বর কলামে তালাকের ক্ষমতা অর্পণের বিষয়টি উল্লেখ করার সুযোগ থাকে। যদি স্বামী এই কলামে স্ত্রীকে তালাক প্রদানের ক্ষমতা অর্পণ করেন, তবে স্ত্রী নির্দিষ্ট শর্তাবলী পূরণ সাপেক্ষে নিজেই তালাক নিতে পারেন। অতএব, তালাক-ই-তাফফিজের ক্ষমতা কার্যকর করার জন্য এই ধারাটিতে শর্তগুলি স্পষ্টভাবে লেখা থাকা জরুরি। 

৭১৭.
‘উমরিয়াতিন’-এর আওতায় মা কত ভাগ পাবেন যখন বাবার সাথে স্ত্রী বা স্বামী থাকেন?
  1. ১/৩ ভাগ
  2. ১/২ ভাগ
  3. ১/৪ ভাগ
  4. পিতার অংশের দ্বিগুণ
ব্যাখ্যা
উত্তর: ক) ১/৩ ভাগ
⇒ ‘উমরিয়াতিন’ নীতির আওতায়, যদি মা, বাবা এবং স্বামী বা স্ত্রী একত্রে থাকেন, তাহলে মা সম্পত্তির ১/৩ ভাগ পাওয়ার পরিবর্তে পিতার অংশ দেওয়ার পর অবশিষ্ট অংশ পাবেন।
- অর্থাৎ, মা প্রথমে ১/৩ ভাগ পাওয়ার অধিকারী হলেও, পিতার অংশ দেওয়ার পর বাকি অংশ তাঁর দিকে চলে আসে।
- এটি হজরত উমর (রা.)-এর ঘোষণা অনুযায়ী, যাতে মা পিতার অংশের দ্বিগুণ না পান এবং উমরিয়াতিন নীতির আওতায় সম্পত্তি বণ্টন সঠিকভাবে হয়।

Doctrine of Umariyatan (উমরিয়াতান নীতি):
উমরিয়াতান বা উমরিয়াতিন হলো ইসলামী উত্তরাধিকার আইনের একটি বিশেষ নীতি, যা ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হজরত উমর (রা.)-এর দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। এই নীতির মূল উদ্দেশ্য হলো মায়ের অংশকে পিতার অংশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা, যাতে মা পিতার চেয়ে বেশি অংশ না পান। এটি মূলত দুইটি বিশেষ পরিস্থিতিতে প্রয়োগ করা হয়, যেগুলোকে আল-ঘররাওয়ানি বা "দুই প্রতারক" বলা হয়।

উমরিয়াতান নীতির উদ্দেশ্য:
১. মায়ের অংশকে ১/৩ থেকে কমিয়ে পিতার অংশের সাথে সামঞ্জস্য করা।
২. পিতা যেন মায়ের অংশের দ্বিগুণ পান, তা নিশ্চিত করা।
৩. মায়ের অংশের অসঙ্গতি দূর করা, যাতে তিনি পিতার চেয়ে বেশি অংশ না পান।

মাতা ১/৩ অংশ পাওয়ার শর্ত:
মাতা ১/৩ অংশ পাওয়ার অধিকারী হবেন যদি নিম্নলিখিত দুটি শর্ত পূরণ হয়:
১. মৃত ব্যক্তির কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান (যেমন: নাতি-নাতনি) না থাকে।
২. মৃত ব্যক্তির একাধিক ভাই বা বোন না থাকে (এক ভাই বা এক বোন থাকলে মাতা ১/৩ পাবেন)।

উমরিয়াতান নীতির প্রয়োগ:
উমরিয়াতান নীতি বিশেষভাবে প্রয়োগ হয় যখন নিম্নলিখিত দুটি পরিস্থিতি তৈরি হয়:
১. বাবা, মা, স্বামী একসাথে উত্তরাধিকারী হলে।
২. বাবা, মা, স্ত্রী একসাথে উত্তরাধিকারী হলে।

- এই পরিস্থিতিতে মাতা সরাসরি ১/৩ অংশ না পেয়ে, পিতার অংশ বণ্টনের পর অবশিষ্ট সম্পত্তি থেকে ১/৩ অংশ পাবেন।
- এই নিয়ম প্রয়োগ না করলে মাতা পিতার চেয়ে বেশি অংশ পেতে পারেন, যা ইসলামী উত্তরাধিকার আইনের মূল নীতির সাথে সাংঘর্ষিক।
৭১৮.
লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক মিমাংসা সভা অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে জারিকারক নোটিশ গ্রহণের কতদিনের মধ্যে পক্ষগণের ঠিকানায় জারির ব্যবস্থা করবেন?
  1. অনধিক ১৫ দিন
  2. অনধিক ৭ দিন
  3. অনধিক ১০ দিন
  4. অনধিক ২১ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক মিমাংসা সভা অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে জারিকারক নোটিশ গ্রহণের খ) অনধিক ৭ দিন-এর মধ্যে পক্ষগণের ঠিকানায় জারির ব্যবস্থা করবেন। 
- জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার বিধিমালা, ২০১৫ অনুযায়ী, লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক প্রেরিত নোটিশ জারির জন্য জারিকারক নোটিশ প্রাপ্তির অনধিক সাত দিনের মধ্যে তা পক্ষগণের নিকট জারির ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫  বিধি- ৬: পক্ষগণের প্রতি নোটিশ।
(১) লিগ্যাল এইড অফিসার, মিমাংসা সভায় হাজির হইবার জন্য, পক্ষগণ বরাবর ফরম-২(ক) মোতাবেক নোটিশ প্রেরণ করিবেন।
(২) পক্ষগণের ঠিকানা নোটিশে উল্লেখপূর্বক লিগ্যাল এইড অফিসের অফিস সহকারী এতদ্‌সংশ্লিষ্ট রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করতঃ উক্ত নোটিশ জারীকারক বরাবর হস্তান্তর করিবেন।
(৩) জারীকারক, নোটিশ গ্রহণের তারিখ হইতে অনধিক ৭ (সাত) দিনের মধ্যে, পক্ষগণের ঠিকানায় নোটিশ জারীর ব্যবস্থা করিবেন।
(৪) উপ-বিধি (২) এ উল্লিখিত জারীকারক নিয়োগ না হওয়া অবধি জেলাজজ আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নেজারত শাখা উহার জারীকারক দ্বারা জারীকার্য সম্পাদনে লিগ্যাল এইড অফিসকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, জেলাজজ আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে নোটিশ জারীর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট লিগ্যাল এইড অফিসকে এতদসংক্রান্ত ব্যয়ভার বহন করিতে হইবে।

৭১৯.
সংবিধানের মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত তৃতীয় ভাগের বিধানাবলী অপ্রযোজ্য হবে-
  1. শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে
  2. মানবতাবিরোধী অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধ ইত্যাদি সংক্রান্ত আইন যে ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়, সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে
  3. গণহত্যাজনিত অপরাধ ইত্যাদি সংক্রান্ত আইন যে ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়, সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের তৃতীয় ভাগের ২৬ থেকে ৪৭ক অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত বিধান আলোচনা করা হয়েছে। ২৬ অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকারের সাথে অসমঞ্জস আইন বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। ২৭ থেকে ৪৪ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মোট ১৮টি অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকারের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। মৌলিক অধিকার বলবৎ করতে হাইকোর্ট বিভাগে রিট দায়ের করার অধিকার ৪৪ অনুচ্ছেদে দেয়া হয়েছে এবং এই কারণে ৪৪ অনুচ্ছেদে উল্লিখিত মৌলিক অধিকার বলবৎ সংক্রান্ত বিধানটিও মৌলিক অধিকার হিসাবে গণ্য হবে।

৪৫ অনুচ্ছেদে শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত তৃতীয় ভাগের বিধানাবলী অপ্রযোজ্য, করা হয়েছে। ৪৬ অনুচ্ছেদে কতিপয় ক্ষেত্রে দায়মুক্তি-বিধান প্রণয়নে সরকারকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। ৪৭ অনুচ্ছেদে কতিপয় আইনের হেফাজত করা হয়েছে এবং উক্ত হেফাজতকৃত আইন মৌলিক অধিকারের সাথে অসমঞ্জস হলেও বাতিল বলে গণ্য হবেনা। অর্থাৎ ৪৭ অনুচ্ছেদটি ২৬ অনুচ্ছেদের ব্যতিক্রম।

৪৭ক অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ৪৭ অনুচ্ছেদের ৩ দফায় উল্লিখিত গণহত্যাজনিত অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধ ইত্যাদি সংক্রান্ত আইন যে ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়, সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে সংবিধানের ১২ অনুচ্ছেদ, ৩৫ অনুচ্ছেদের (১) ও (৩) দফা এবং ৪৪ অনুচ্ছেদের অধীন নিশ্চয়কৃত অধিকারসমূহ বলবৎকরণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
৭২০.
সম্পত্তি হন্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর কোন ধারা অনুযায়ী বন্ধকদাতার রেহেন উদ্ধারের অধিকার স্বীকৃত?
  1. ধারা ৫৮
  2. ধারা ৬০
  3. ধারা ৬২
  4. ধারা ৬৭
ব্যাখ্যা
• সম্পত্তি হন্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর ৬০ ধারায় বন্ধকদাতার রেহেন উদ্ধারের অধিকার সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
বন্ধকদাতার একটি অধিকার হলো বন্ধক উদ্ধারের অধিকার। যখন বন্ধকী অর্থ বকেয়া হয়ে যায়, তখন বন্ধকদাতার অধিকার আছে বকেয়া বন্ধকী-অর্থ পরিশোধ করার এবং বন্ধকগ্রহীতার নিকট হতে ভূমির দখল ও সংশ্লিষ্ট দলিল পাওয়ার। বন্ধকদাতার এই অধিকার রেহেন বা বন্ধক উদ্ধারের অধিকার [Right to Redemption] বলা হয় এবং এই সংক্রান্ত মোকদ্দমা রেহেন উদ্ধারের মোকদ্দমা [Suit for redemption] নামে পরিচিত। Right to Redemption এর মধ্যে রেহেন সম্পত্তি সম্পর্কিত রেহেনের দলিল এবং স্বত্ত্ব সম্পর্কিত কাগজপত্র হস্তান্তরের, রেহেন সম্পত্তির দখল ফেরত পাওয়ার ইত্যাদি অধিকার রয়েছে।

ধারা ৬০: মর্টগেজ পরিশোধের অধিকার (Right of mortgagor to redeem)-
যখন মূলধনের টাকা পরিশোধযোগ্য হয়ে যায়, তখন বন্ধকদাতা অর্থাৎ ঋণগ্রহীতা, নির্ধারিত সময় ও স্থানে মর্টগেজের টাকা পরিশোধ বা প্রদানের মাধ্যমে নিম্নলিখিত অধিকার ভোগ করে:
(ক) বন্ধকদাতার নিকট মর্টগেজ-সংক্রান্ত দলিলপত্র ও যাবতীয় সম্পত্তিসংক্রান্ত নথিপত্র হস্তান্তরের দাবি করতে পারে, যদি সেগুলো বন্ধকগ্রহীতার দখলে বা নিয়ন্ত্রণে থাকে।
(খ) যদি বন্ধকগ্রহীতা বন্ধকী সম্পত্তির দখলে থাকে, তবে সেই দখল ফিরিয়ে দিতে হবে বন্ধকদাতাকে।
(গ) বন্ধকদাতার খরচে সম্পত্তি আবার তার নিজের নামে বা তার নির্দেশিত তৃতীয় পক্ষের নামে হস্তান্তর করতে হবে, অথবা (যদি বন্ধক নিবন্ধিত দলিল দ্বারা হয়ে থাকে) তাহলে একটি লিখিত স্বীকৃতি দিতে হবে এবং তা রেজিস্ট্রি করাতে হবে, যা দ্বারা বন্ধকগ্রহীতার স্বার্থ বিলুপ্ত হয়েছে বলে স্বীকার করা হয়।

শর্ত: এই অধিকার কেবল তখনই প্রযোজ্য যদি তা কোনো পক্ষের কর্ম বা আদালতের আদেশ দ্বারা বিলুপ্ত না হয়।
এই অধিকারকে “মুক্তির অধিকার (Right to redeem)” বলা হয় এবং এই অধিকার প্রয়োগের জন্য যে মামলা করা হয়, তাকে “মুক্তির মামলা (Suit for redemption)” বলা হয়।

অতিরিক্ত বিধান: যদি চুক্তিতে উল্লেখ থাকে যে নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলে বা যদি কোনো নির্ধারিত সময় না থাকে, তবে বন্ধকগ্রহীতা টাকা পরিশোধ বা প্রদানের পূর্বে যুক্তিসঙ্গত নোটিশ পাওয়ার অধিকারী হবে—তাহলেও তা বৈধ থাকবে।

আংশিক মুক্তি: যদি কেউ কেবলমাত্র বন্ধককৃত সম্পত্তির একটি অংশে আগ্রহী হয়, তাহলে সে কেবল নিজের অংশের টাকা পরিশোধ করে নিজের অংশ মুক্ত করতে পারবে না—শুধুমাত্র তখনই তা সম্ভব হবে, যদি বন্ধকগ্রহীতা বা সব বন্ধকগ্রহীতা মিলে বন্ধকদাতার ওই অংশের মালিকানা সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে অধিগ্রহণ করে থাকেন।
৭২১.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৪৯ ধারা অনুসারে, বিচারকার্য মুলতবির সর্বোচ্চ সময়সীমা কত দিন?
  1. তিন কার্য দিবস
  2. পাঁচ কার্য দিবস
  3. সাত কার্য দিবস
  4. দশ কার্য দিবস
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৪৯ ধারা অনুসারে, এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে মামলার বিচারকার্য শেষ না হওয়া পর্যন্ত অবিরাম চলবে। তবে, যদি আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে ন্যায় বিচারের স্বার্থে বিচারকার্য মুলতবি করা একান্ত প্রয়োজন, তাহলে বিচারকার্য স্বল্পকালীন সময়ের জন্য মুলতবি করা যাবে, যা তিন কার্য দিবসের অধিক হবে না। এই বিধানটি নিশ্চিত করে যে বিচারকার্যে অযথা বিলম্ব না হয় এবং ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সীমিত সময়ের মধ্যে মুলতবি করা যায়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) তিন কার্য দিবস।

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৪৯ ধারার বিধান বিচারকার্য মুলতবি:
- এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে মামলার বিচারকার্য আরম্ভ হইলে উহা শেষ না হওয়া পর্যন্ত অবিরাম চলিবে, তবে উক্ত আদালত যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, ন্যায় বিচারের স্বার্থে বিচারকার্য মুলতবি করা একান্ত প্রয়োজন, তাহা হইলে স্বল্পকালীন সময়ের জন্য, যাহা তিন কার্য দিবসের অধিক হইবে না, বিচারকার্য মুলতবি করা যাইবে।

৭২২.
অগ্রক্রয় (Pre-emption) শব্দটির আরবি প্রতিশব্দ কী?
  1. হুদুদ
  2. শুফা
  3. মোহর
  4. নাফাকা
ব্যাখ্যা
• Pre-emption বা অগ্রক্রয় হলো জমির ক্রয় সংক্রান্ত একটি অধিকার। আরবি ভাষায় এটি 'শুফা' (Shufaa) নামে পরিচিত। অগ্রক্রয় বলতে অন্য কোনো ব্যক্তির ক্রয়কৃত স্থাবর সম্পত্তি ক্রয়ের মাধ্যমে মালিকানা লাভের অধিকারকে বুঝায়, যা কোনো ব্যক্তির পক্ষে ঐ সম্পত্তিতে শরিক কিংবা প্রতিবেশী হওয়ার কারণে সৃষ্টি হয়।

মুসলিম হানাফী আইন অনুযায়ী, ৩ শ্রেণির ব্যক্তির অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের অধিকার আছে-
১) শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik]- সম্পত্তিতে কোন সহ-অংশীদার।
২) শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]- সুবিধাসমূহের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারী।
৩) শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]- সংলগ্ন বা পার্শ্ববর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক।

• অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ
এই তিন প্রকারের অগ্রক্রয়ের অধিকারীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হলে ক্রমিক অনুসারে অগ্রাধিকার পাবে। বিভিন্ন শ্রেণির অগ্রক্রয়ের অধিকারীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হলে প্রথম স্তরের অধিকারী দ্বিতীয় স্তর কে এবং দ্বিতীয় স্তরের অধিকারী তৃতীয় স্তরকে রহিত করবে। একই স্তরের একাধিক ব্যক্তি অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে চাইলে তারা সবাই অগ্রক্রয়ের অধিকারকৃত ভূমির সমান ভাগ পাবে।
৭২৩.
কত সালে 'Secretary, Ministry of Finance vs Masdar Hossain (1999)' মামলার রীট দায়ের হয়?
  1. ১৯৯৫
  2. ১৯৯৭
  3. ১৯৯৯
  4. ২০০৭
ব্যাখ্যা
Masder Hossain vs Secretary Ministry of Finance (1999) 52 DLR (AD) 82.

Author Judge: Mr. Justice Mustafa kamal (CJ)

নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করা হয় এই মামলার মাধ্যমে।
 এই মামলায় ৪৪১ জন বিচার বিভাগীয় অফিসার রীট পিটিশন দায়ের করেছিল। অনুচ্ছেদ ২২ এর বাস্তবায়ন হয়।

- এই মামলার রীট দায়ের হয় ১৯৯৫ সালে। হাইকোর্ট বিভাগ রায় দেয় ৭ মে ১৯৯৭ সালে। আপিল বিভাগ রায় দেয় ২ ডিসেম্বর ১৯৯৯ সালে।

২০০৭ সালে ১লা নভেম্বর তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন করে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের পদ সৃষ্টি করে। এই মামলায় গুরুত্বপূর্ণ ১২টি নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
৭২৪.
মুসলিম আইনে যদি বৈধ বিবাহ হয় এবং দেনমোহর নির্ধারণ করা হয় কিন্তু দাম্পত্য সম্পর্ক পালন না হয়, স্ত্রী কী পরিমাণ দেনমোহর পাওয়ার অধিকারী?
  1. নির্ধারিত পুরো দেনমোহর
  2. নির্ধারিত দেনমোহরের অর্ধেক
  3. উপযুক্ত দেনমোহর
  4. কোন দেনমোহর পাবে না
ব্যাখ্যা

দেনমোহর হলো একটি বৈধ বিবাহে স্বামী তার স্ত্রীকে মর্যাদার প্রতীক হিসাবে যা প্রদান করে তাকেই দেনমোহর বলে। উপমহাদেশের বিখ্যাত আইনবিদ D.F MOLLAH বলেন, “Mahr or dower is a sum of money of the other property which the wife is entitled to receive from the husband in consideration of the marriage.” অর্থাৎ মোহর হলো এমন কোন সম্পদ বা অর্থ যা স্ত্রী তার স্বামীর নিকট হতে বিবাহের প্রতিদান হিসাবে পাওয়ার অধিকার রাখে।

এটি স্ত্রীর অধিকার এবং সম্মানের স্বীকৃতি। সাধারণত বৈধ বিয়ের পর দেনমোহর দিতেই হবে। স্বামী যদি দেনমোহর প্রদান না করে মারাও যান তবুও স্ত্রী স্বামীর সম্পদ থেকে দেনমোহর আদায় করতে পারেন বা আদায় না হওয়া পর্যন্ত তার অধিকারে রাখতে পারেন। তবে কিছু ব্যতিক্রম আছে যখন কিনা স্ত্রী কোন দেনমোহর পান না বা অর্ধেক দেনমোহর প্রাপ্য হোন।

­যখন স্ত্রী অর্ধেক দেনমোহর পাবেঃ
যদি বৈধ বিবাহ হয় এবং দেনমোহর নির্ধারণ করা হয় কিন্তু যদি স্ত্রীয়ের সাথে শারীরিক সম্পর্ক কিংবা দাম্পত্য নির্জনতা না পালন হয় সেক্ষেত্রে অর্ধেক দেনমোহর দিতে হবে। এ ব্যাপারে পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন-

“আর যদি মোহর সাব্যস্ত করার পর স্পর্শ করার পূর্বে তালাক দিয়ে দাও, তাহলে যে, মোহর সাব্যস্ত করা হয়েছে তার অর্ধেক দিয়ে দিতে হবে।” (আল কুরআন ২:২৩৭)

এছাড়া Taibi vs Nathai Sharif (1940)2MLJ345=191IC728 এই মামলায়ও আদালত এই বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন- If the marriage was not consummated and the amount of dower was specified in the contract she is entitled to half of the amount the amount.

স্ত্রী কখন কোন দেনমোহর নাও পেতে পারেনঃ
যদি বিয়ের পর স্বামী স্ত্রীর মধ্যে সহবাস অথবা দাম্পত্য নির্জনতা পালিত হওয়ার পূর্বে স্বামী স্ত্রীকে তালাক দেয় এবং যদি দেনমোহর নির্ধারিত না থাকে তাহলে কোন দেনমোহর পাওয়া থেকে স্ত্রী বঞ্চিত হতে পারেন।

৭২৫.
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর অধীনে অকৃষি প্রজার প্রধান দুটি শ্রেণি কী?
  1. কৃষক ও শ্রমিক
  2. মালিক ও অধীন-মালিক
  3. প্রজা ও অধীন-প্রজা
  4. কৃষক ও মালিক
ব্যাখ্যা
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ধারা ৩-
(১) এই আইনের উদ্দেশ্যে নিম্নলিখিত শ্রেণির অকৃষি ভাড়াটিয়া থাকবে, যথা—
(ক) প্রজা (Tenant), এবং
(খ) অধীন-প্রজা (Under-tenant)।

(২) “প্রজা” বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায়, যিনি কোনো মালিক বা করপ্রদায়ী (tenure-holder) থেকে অকৃষি জমি এই আইনে নির্ধারিত যেকোনো উদ্দেশ্যে ধারনের অধিকার অর্জন করেছেন এবং এই অধিকার অর্জনকারীদের উত্তরাধিকারীরাও এতে অন্তর্ভুক্ত।

(৩) “অধীন-প্রজা” বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায়, যিনি কোনো প্রজার অধীন (সরাসরি বা পরোক্ষভাবে) অকৃষি জমি এই আইনে উল্লিখিত যেকোনো উদ্দেশ্যে ধারনের অধিকার অর্জন করেছেন এবং এরূপ অধিকার অর্জনকারীদের উত্তরাধিকারীরাও এতে অন্তর্ভুক্ত।
৭২৬.
যদি শিশু আদালত যুক্তিসঙ্গত কারণে ৩৬০ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে না পারে, তাহলে উক্ত আদালত সর্বাধিক কত দিনের জন্য বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা বর্ধিত করতে পারে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ৩২ ধারার বিধান- বিচার সমাপ্তির সময়সীমা:
(১) ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশু-আদালত উক্ত আদালতে শিশুর প্রথম উপস্থিত হইবার তারিখ হইতে ৩৬০ (তিনশত ষাট) দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে। 

(২) কোন যুক্তিসঙ্গত ও বাস্তব কারণে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করা সম্ভব না হইলে শিশু-আদালত, উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, সংশ্লিষ্ট বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা আরও ৬০ (ষাট) দিন বর্ধিত করিতে পারিবে। 

(৩) শিশু-আদালতে বিচার আরম্ভ হইবার পর হইতে, বিচার কার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত  যতদূর সম্ভব, একাদিক্রমে উহার কার্যক্রম প্রত্যেক কার্যদিবসে বিনা বিরতিতে চলিতে থাকিবে। 

(৪) উপ-ধারা (১) ও (২) এ বর্ণিত সময়ের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করা না হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু, হত্যা, ধর্ষণ, দস্যুতা, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা বা অন্য কোন জঘন্য, ঘৃণ্য বা গুরুতর অপরাধের দায়ে দায়েরকৃত মামলা ব্যতীত, শিশু-আদালতের বিবেচনায় তাহার বিরুদ্ধে আনীত লঘু মাত্রার অভিযোগ হইতে অব্যাহতি পাইবে এবং একই অপরাধের জন্য তাহার বিরু্দ্ধে অন্য কোন বিচার প্রক্রিয়া গ্রহণ করা যাইবে না: 
তবে শর্ত থাকে যে, সংশ্লিষ্ট মামলায় কোন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি অভিযুক্ত থাকিলে তাহার মামলা অব্যাহত থাকিবে।

৭২৭.
'A' নামের একজন যুবক 'B' নামের ১৭ বছরের মেয়েকে “আমি তোকে বিয়ে করবই” বলে প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করে। এখানে 'A' নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর কোন ধারায় অভিযুক্ত হবে?
  1. ৯ ধারায়
  2. ৯ক ধারায়
  3. ৯খ ধারায়
  4. ১০ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৯খ অনুযায়ী কেউ যদি বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে এবং ঘটনাস্থলে পারস্পরিক আস্থা বা সম্পর্ক থাকে, এবং যদি নারী ষোল বছরের বেশি বয়সী হয়, তবে অপরাধীকে সর্বোচ্চ ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ৯খ: বিয়ের প্রলোভনের মাধ্যমে যৌনকর্ম করিবার দণ্ড:
যদি কোন ব্যক্তি দৈহিক বলপ্রয়োগ ব্যতীত বিবাহের প্রলোভন দেখাইয়া ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সংগে যৌনকর্ম করেন এবং যদি উক্ত ঘটনার সময় উক্ত ব্যক্তির সহিত উক্ত নারীর আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

৭২৮.
'Judges not to try suits in which they are interested'- in which section the rule is specified?
  1. Section 36 of Civil Courts Act,1887
  2. Section 39 of Code of Civil Procedure,1908
  3. Section 38 of Civil Courts Act,1887
  4. Section 39 of Civil Courts Act,1887
ব্যাখ্যা
Civil Courts Act,1887 এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী-
কোন বিচারক যদি মোকদ্দমার কোন পক্ষ হন বা ব্যক্তিগতভাবে তাঁর কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকে, অথবা কোন আপিল এমন ডিক্রি থেকে হয় যা ঐ বিচারক ঘোষণা করেছিলেন; তাহলে উক্ত বিচারকের শুনানী করে এখতিয়ার থাকা সত্ত্বেও তিনি ঐ মামলা বা আপীলের শুনানী করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে জেলা জজ তাঁর স্থানীয় সীমার মধ্যে মামলা বা আপিল এক আদালত থেকে অন্য আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।

Section 38: Judges not to try suits in which they are interested-

(1) The presiding officer of a Civil Court shall not try Judges not to any suit or other proceeding to which he is a party or in which which they are he is personally interested. 
(2) The presiding officer of an appellate Civil Court under this Act shall not try an appeal against a decree or order passed by himself in another capacity.
(3) When any such suit, proceeding or appeal as is referred to in sub-section (1) or sub-section (2) comes before any such officer, the officer shall forthwith transmit the record of the case to the Court to which he is immediately subordinate, with a report of the circumstances attending the reference.
(4) The superior Court shall thereupon dispose of the case under [section 24 of the Code of Civil Procedure. 1908].
(5) Nothing in this section shall be deemed to affect the extraordinary original civil jurisdiction of the High Court Division.
৭২৯.
According to Section 185 of the Contract Act, Which of the following is true about the creation of agency?
  1. Registration is compulsory
  2. Consideration is essential
  3. Consent of third party is necessary
  4. Consideration not necessary to create an agency
ব্যাখ্যা
Section 185 of the Contract Act, 1872: Consideration not necessary:
"No consideration is necessary to create an agency."

ধারা ১৮৫: প্রতিদান অনাবশ্যক:
প্রতিনিধিত্ব সৃষ্টির জন্য প্রতিদান আবশ্যক নহে।
৭৩০.
মুসলিম মৃত ব্যক্তির যদি আপন ভাই থাকে, তবে আপন বোন কীভাবে সম্পত্তি পাবে?
  1. ১:১ হারে
  2. অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে ২:১ অনুপাতে
  3. অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে ৩:১ অনুপাতে
  4. কোনো অংশ পাবে না
ব্যাখ্যা

মুসলিম মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে তার আপন বোন বা পূর্ণ বোনের অধিকার (Full Sister):
বোন বা সহোদর বোন থাকলে তারা পাঁচটি অবস্থায় অংশ প্রাপ্ত হয়ে থাকে। মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে মৃত ব্যক্তির পূর্ণ বোন বা
যেমন -
ক) মৃত ব্যক্তির যদি একজন আপন বোন থাকে তাহলে সে ঐ ব্যক্তির সম্পত্তির ১/২ অংশ পাবে।
খ) যদি দুইবা ততোধিক সহোদর বোন থাকে তাহলে তারা ঐ সম্পত্তির ২/৩ অংশ পাবে।
গ) আপন ভাইয়ের উপস্থিতিতে আপন বোন অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে ২:১ হারে সম্পত্তি পেতে পারে
ঘ) আপন বোন মৃত ব্যক্তির সন্তান, পুত্রের সন্তান যত নীচের হোক, বা পুত্রের উপস্থিতিতে ও সে অংশীদার হতে বাদ পড়ে অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে সম্পত্তি পেতে পারে। কিন্তু ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবরিক আইনের বিধান মোতাবেক আপন বোন কোন অংশ পাবেনা। পুত্রের কন্যাই সব অংশ পাবে।
ঙ) মৃত ব্যক্তির পিতা বা দাদা বর্তমান থাকলে সহোদর বোন বঞ্চিত হবে।

৭৩১.
স্বামী কত বছর ধরে ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে, স্ত্রী মুসলিম বিবাহবিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯-এর অধীনে তালাকের জন্য আবেদন করতে পারে?
  1. তিন বছর
  2. এক বছর
  3. দুই বছর
  4. চার বছর
ব্যাখ্যা
মুসলিম বিবাহবিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯-এর অধীনে স্ত্রী যে যে কারণের ভিত্তিতে আদালতে বিবাহবিচ্ছেদ বা তালাকের জন্য আবেদন করতে পারবেন। কারণগুলো হলো—
১. স্বামী চার বছরের বেশি সময় নিরুদ্দেশ থাকলে;
২. দুই বছর ধরে স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে;
৩. ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লঙ্ঘন করে স্ত্রীর অনুমতি ব্যতীত বিয়ে করলে;
৪. সাত বছর বা তার বেশি সময় স্বামী কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে;
৫. কোনো যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া তিন বছর ধরে স্বামী তার দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
৬. বিয়ের সময় পুরুষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা করার সময় পর্যন্ত স্বামীর পুরুষত্বহীনতা বজায় থাকলে;
৭. স্বামী দুই বছর ধরে পাগল থাকলে অথবা মারাত্মক যৌনব্যাধিতে আক্রান্ত থাকলে;
৮. নাবালিকা অবস্থায় বিয়ে হয়ে থাকলে অথবা সাবালকত্ব লাভের পর, অর্থাৎ ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার পর স্ত্রী বিয়ে অস্বীকার করলে (কিন্তু এ ক্ষেত্রে স্বামীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপিত হয়ে থাকলে এ রকম মামলা করা যাবে না)-
৯. স্বামী স্ত্রীর সঙ্গে নিষ্ঠুর আচরণ করলে, যেমন- স্ত্রীকে শারীরিক বা মানসিকভাবে নির্যাতন করলে, স্বামীর কোনো অবৈধ সম্পর্ক থাকলে, নৈতিকতাবর্জিত জীবনযাপনের জন্য স্ত্রীকে বাধ্য করলে, স্ত্রীর অমতে তার সম্পত্তি হস্তান্তর করলে কিংবা স্ত্রীকে তার সম্পত্তির ওপর বৈধ অধিকার প্রয়োগে বাধা দিলে, স্ত্রীকে তার ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনে বাধা দেওয়া, পবিত্র কোরআনের নির্দেশে একাধিক স্ত্রীদের সঙ্গে সমান ব্যবহার না করলে।
৭৩২.
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর ২১ ধারার নিচের কোন নীতির সাথে সম্পর্কিত?
  1. The doctrine of ultra vires
  2. Doctrine of Locus poenitentiae
  3. Doctrine of Efficacy
  4. The doctrine of Legitimate Expectation
ব্যাখ্যা
⇒ জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর ২১ ধারায় 'Doctrine of Locus poenitentiae' আলোচনা করা হয়েছে। এর অর্থ- কোনো বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে উক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ থেকে সরে আসা।

জেনারেল ক্লাউজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর ২১ ধারাটি Doctrine of Locus poenitentiae নীতির সাথে সম্পর্কিত।
 
Locus poenitentiae একটি লাতিন শব্দ যার অর্থ হল "পাল্টানোর সুযোগ"। এই নীতি অনুযায়ী, যখন একটি চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার আগে একজন পক্ষ তা থেকে প্রত্যাহার করতে চান, তখন তিনি তা করতে পারবেন। অর্থাৎ চুক্তি সম্পাদিত হওয়ার পূর্বে যে কোনো সময় একজন পক্ষ তা থেকে সরে আসতে পারবেন। 
 
জেনারেল ক্লাউজেস অ্যাক্টের ২১ ধারা এই নীতিকেই প্রতিফলিত করে। সেখানে বলা হয়েছে যে, যদি কোনো নিরাপত্তা প্রদানের জন্য হিসাব বা অন্য দলিলপত্র সম্পাদিত হতে না পারে, তবে দাতা চাইলে তা প্রত্যাহার করতে পারবেন। অর্থাৎ সেক্ষেত্রে দাতাকে Locus poenitentiae বা প্রত্যাহারের সুযোগ দেওয়া হবে।
 
অন্যান্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) The doctrine of ultra vires একটি কোম্পানি আইনের নীতি যা বলে যে একটি কোম্পানি তার গঠনপত্রে বর্ণিত ক্ষমতার বাইরে কোনো কাজ করতে পারবে না।
গ) Doctrine of Efficacy হল কোনো আইনের প্রভাব বা কার্যকারিতা সম্পর্কিত নীতি।
ঘ) The doctrine of Legitimate Expectation হল একটি প্রশাসনিক আইনের নীতি যা বলে যে প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষকে রাজনৈতিক বা অন্যান্য বৈষম্যমূলক মনোভাব প্রদর্শন করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
--------------------
- ধারা-২১: আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে:-
যেক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপবিধি জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত ক্ষমতা একইভাবে প্রয়োগযোগ্য এবং অনুরূপ অনুমোদন ও শর্তাবলি (যদি থাকে), জারীকৃত কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-আইনের সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা তা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে।
-------------------------------
- Section 21: Power to make to include power to add to, amend, vary or rescind, orders, rules or bye-laws: 
Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue notifications, orders, rules, or bye-laws is conferred, then that power includes a power, exercisable in the like manner and subject to the like sanction and conditions (if any), to add to, amend, vary or rescind any notifications, orders, rules or bye-laws so issued.
৭৩৩.
'কোন আদালতে রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশ বা চুক্তিপত্রের বৈধতা প্রশ্ন করা যাবে না'- এটি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪৮(৫)
  2. অনুচ্ছেদ ৫৫(৫)
  3. অনুচ্ছেদ ৫৬(২)
  4. অনুচ্ছেদ ৫৮(১)
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ৫৫: মন্ত্রিসভা:
(১) প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী লইয়া এই মন্ত্রিসভা গঠিত হইবে। 

(২) প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁহার কর্তৃত্বে এই সংবিধান-অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হইবে। 

(৩) মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকিবেন। 

(৪) সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হইয়াছে বলিয়া প্রকাশ করা হইবে। 

(৫) রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশসমূহ ও অন্যান্য চুক্তিপত্র কিরূপে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত হইবে, রাষ্ট্রপতি তাহা বিধিসমূহ-দ্বারা নির্ধারণ করিবেন এবং অনুরূপভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত কোন আদেশ বা চুক্তিপত্র যথাযথভাবে প্রণীত বা সম্পাদিত হয় নাই বলিয়া তাহার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না। 

(৬) রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিবেন।

৭৩৪.
চুক্তি আইন অনুযায়ী নিচের কোন ক্ষেত্রে এজেন্সি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমাপ্ত হয় না?
  1. এজেন্টের মৃত্যু
  2. প্রিন্সিপালের উন্মাদ হওয়া
  3. এজেন্টের বেতন বৃদ্ধির দাবি
  4. প্রিন্সিপালের দেউলিয়া ঘোষণা
ব্যাখ্যা
 চুক্তি আইনের ধারা ২০১ অনুযায়ী এজেন্সি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমাপ্ত হওয়ার প্রধান কারণগুলো হল:
১. প্রিন্সিপাল কর্তৃক কর্তৃত্ব প্রত্যাহার
২. এজেন্ট কর্তৃক এজেন্সি ব্যবসা পরিত্যাগ
৩. এজেন্সির কাজ সম্পন্ন হওয়া
৪. প্রিন্সিপাল বা এজেন্টের মৃত্যু
৫. প্রিন্সিপাল বা এজেন্টের উন্মাদ হওয়া
৬. প্রিন্সিপালের দেউলিয়া ঘোষণা
- এজেন্টের বেতন বৃদ্ধির দাবি এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়।
- এটি একটি চাকরি সংক্রান্ত দাবি, যা এজেন্সি সমাপ্তির কারণ হিসেবে বিবেচিত হয় না।
- এজেন্সি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমাপ্ত হয় না যদি এজেন্ট বেতন বৃদ্ধি দাবি করে। এটি একটি সাধারণ চুক্তিগত বিষয় এবং এজেন্টের ক্ষমতা বা এজেন্সি সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয়গুলো প্রিন্সিপাল বা এজেন্টের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।
৭৩৫.
বৈধ ইজমার শর্ত নয় কোনটি?
  1. ইজমা কোনো সময় কোরআন ও হাদিসের বিপরীত হবে না;
  2. কোনো এক বিষয়ে ঐকমত্য স্থাপিত হলে এটি পুনরায় আলোচিত বা রদ হবে না;
  3. একটি ইজমা পরবর্তী কোনো সুবিবেচিত ইজমা দ্বারা বাতিল হতে পারে;
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
 ইজমার শর্তসমূহ: বৈধ ইজমার শর্তসমূহ নিম্নরূপ- 

(১) ইজমা কোনো সময় কোরআন ও হাদিসের বিপরীত হবে না;
(২) কোনো এক বিষয়ে ঐকমত্য স্থাপিত হলে এটি পুনরায় আলোচিত বা রদ হবে না;
(৩) একটি ইজমা পরবর্তী কোনো সুবিবেচিত ইজমা দ্বারা বাতিল হতে পারে এবং
(৪) কোনো যুগের মুসলিম আইন-বিজ্ঞানীগণ বিশেষ প্রশ্নে দুই রকমের ইজমা প্রতিষ্ঠিত করলে, এর পর তৃতীয় মত গ্রহণযোগ্য নয়।

উল্লিখিত প্রশ্নে সবগুলো অপশন বৈধ ইজমার শর্ত। তাই সঠিক উত্তর 'ঘ'(কোনটি নয়)। 
৭৩৬.
দেনমোহরের জন্য মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ কত?
  1. তিন বৎসর
  2. ছয় বৎসর
  3. এক বৎসর
  4. কোনো তামাদি মেয়াদ নেই
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১০৩ এবং ১০৪ অনুযায়ী মুসলিম আইনের অধীন দেনমোহর আদায়ের মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ৩ বৎসর।

অর্থাৎ বিলম্বিত দেনমোহরের জন্য [deferred dower] একজন মুসলিম মহিলা মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদির ৩ বৎসর যা তামাদি আইনের ১০৪ অনুছেদে উল্লেখ করা হয়েছে।
৭৩৭.
চুক্তি আইন অনুসারে নিচের কোন ধরনের ব্যক্তি চুক্তির করার অযোগ্য?
  1. নাবালক
  2. মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি
  3. নিজ আইনে অযোগ্য ব্যক্তি
  4. উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা
⇒ কারা চুক্তি সম্পাদনে যোগ্যতা চুক্তি আইনের ১১ ধারায় বলা হয়েছে। এ ধারায় বলা হয়েছে যে, প্রত্যেক ব্যক্তিই চুক্তি করার যোগ্য যদি সে নিজ আইনে সাবালক, এবং সুস্থ মনের অধিকারীএবং নিজ আইনে চুক্তি করার জন্য অযোগ্য না হন। [Every person is competent to contract who is age of majority according to the law to which he is subject, and sound mind and is not disqualified from contracting by any law to which he is subject.]।
অতএব বলা যায় চুক্তি সম্পাদনে সে ব্যক্তি যোগ্য যিনি সাবালক ও সুস্থ মনের অধিকারী এবং যাকে কোনো আইনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়নি।
এখানে ব্যক্তি বলতে প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম ব্যক্তি উভয়কে বোঝানো হয়েছে। প্রাকৃতিক ব্যক্তি বলতে মানুষকে বলা হয়েছে আর কৃত্রিম ব্যক্তি বলতে কোম্পানি, কর্পোরেশন, সংঘ যারা আইন অনুসারে গঠিত ও নিবন্ধিত।
 
• চুক্তি করার অযোগ্য ব্যক্তি:
চুক্তি আইনের ১১ ধারা অনুসারে বলা যায় তিন ধরনের ব্যক্তি চুক্তি করা জন্য অযোগ্য। এ ব্যক্তিরা হলেন:
১। নাবালক,
২। অসুস্থ মনের অধিকারী বা মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি এবং
৩। নিজ আইনে অযোগ্য ব্যক্তি।
পূর্বে বলা হয়েছে ব্যক্তি বলতে প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম ব্যক্তি উভয়কে বোঝানো হয়েছে। কৃত্রিম ব্যক্তি যদি আইন অনুসারে গঠিত ও নিবন্ধিত না হয় তাহলে চুক্তি সম্পাদনে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
৭৩৮.
'ক' একজম মুসলিম এক সম্পত্তি প্রথমে 'খ' বরাবর উইল করে এবং কিছুদিন পর 'গ' এর নিকট বিক্রি করে দেয়। এক্ষেত্রে -
  1. উইলটি কার্যকর হবে
  2. উইলটি প্রত্যাহার হবে
  3. বিক্রয় অবৈধ হবে
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
⇒ কোন মুসলমানের সম্পত্তি তার মৃত্যুর পর কিভাবে পরিচালিত বা প্রাপ্ত হবে, সেই মর্মে তার সম্পত্তি সম্পর্কে তার অভিপ্রায়ের আইনগত ঘোষনাই হলো উইল বা অসিয়ত। আবার, কোনো ব্যক্তির নিজের মৃত্যু পরবর্তীকালের জন্য, তার বৈধ বিষয় সম্পত্তির মূলস্বত্ব কিংবা তার মুনাফার অধিকার চিরকালীন বা নির্দিষ্ট মেয়াদে অপর কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বিনিময় ছাড়া হস্তান্তর করার চূড়ান্ত ইচ্ছা প্রকাশ করার নাম উইল বা অসিয়ত। ইসলামি আইন অনুসারে নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে। যে ব্যক্তি উইল করে তাকে Testator বা ইচ্ছা পত্রকারী এবং যার বরাবর উইল করা হয় তাকে উত্তরদানগ্রহী বলা হয়।

⇒ উইলের অপরিহার্য উপাদানগুলো হলো-
ক. যে ব্যক্তি উইল করে তাকে অবশ্যই তার জীবনকালের মধ্যেই উইলের ঘোষণা দিতে হবে। উইলকারীকে অবশ্যই উইল করার যোগ্য হতে হবে।
খ. উইলকারীকে অবশ্যই উইলগ্রহীতার পূর্বে মৃত্যুবরণ করতে হবে। অর্থাৎ উইলকারীর মৃত্যুর পর উইল কার্যকরী হয়।
গ. উইলকারী মৃত্যুর পর যার বরাবর উইল করা হয়েছে তাকে অবশ্যই উইলটি গ্রহণ করতে হবে। এ তিনটি শর্ত পূরণ সাপেক্ষে একটি উইল কার্যকর হয়।

মুসলিম আইনে,
একজন ব্যক্তি জীবিত অবস্থায় যে সম্পত্তি বিক্রি করতে পারেন, সেটি তার সম্পূর্ণ অধিকার। তবে, যদি তিনি ওই সম্পত্তির কিছু অংশ উইল করেন, তবে ওই উইলটি মৃত্যুর পর কার্যকর হবে। কিন্তু, যদি ব্যক্তি জীবিত অবস্থায় ওই সম্পত্তি বিক্রি করেন, তাহলে উইলটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রত্যাহৃত হয়ে যাবে, কারণ বিক্রি একটি কার্যকর আইনগত কাজ, যা সম্পত্তির মালিকানা পরিবর্তন করে।
৭৩৯.
'সুপ্রীম কোর্টের যে কোন বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন অধস্তন সকল আদালতের জন্য অবশ্যপালনীয় হইবে'- সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে বলা আছে?
  1. ১১০ অনুচ্ছেদে
  2. ১১১ অনুচ্ছেদে
  3. ১১৫ অনুচ্ছেদে
  4. ১১৬ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদের বিধান: সুপ্রীম কোর্টের রায়ের বাধ্যতামূলক কার্যকরতা:
 আপীল বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন হাইকোর্ট বিভাগের জন্য এবং সুপ্রীম কোর্টের যে কোন বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন অধস্তন সকল আদালতের জন্য অবশ্যপালনীয় হইবে।

Article 111- Binding effect of Supreme Court judgments:
The law declared by the Appellate Division shall be binding on the High Court Division and the law declared by either division of the Supreme Court shall be binding on all courts subordinate to it.
৭৪০.
এক হিন্দু ব্যক্তি একজন জীবিত পুত্র, দুইজন কন্যা এবং এক মৃত পুত্রের পুত্র রেখে মারা যান। পুত্রের অংশ-
  1. সম্পূর্ণ অংশ
  2. ১/৩ অংশ
  3. ১/২ অংশ
  4. ২/৩ অংশ
ব্যাখ্যা
• এখানে, প্রতিনিধিত্বের নীতি অনুযায়ী পুত্র ও মৃত পুত্রের পুত্র সমপরিমাণ সম্পত্তি পাবে। মৃত পুত্রের পুত্র, তার পিতার অংশের প্রতিনিধিত্ব করবে। অর্থাৎ, জীবিত পুত্র এবং মৃত পুত্রের পুত্র ১/২ অংশ করে পাবে।

উল্লেখ্য, হিন্দু দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে-
মৃত ব্যক্তির পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র এবং বিধবা স্ত্রী না থাকলে, কন্যারা উত্তরাধিকারী হিসেবে সম্পত্তি পাবে। তবে সম্পত্তি পেলেও উক্ত সম্পত্তির শুধুমাত্র জীবনস্বত্ব (Life Interest) ভোগ করতে পারবে। মৃত্যুর পর উক্ত সম্পত্তি ছেলে উত্তরাধিকারীর নিকট চলে যাবে।
৭৪১.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের কত ধারায় 'Trial in Absentia' এর বিধান আছে?
  1. ১১ ধারায়
  2. ২১ ধারায়
  3. ২৭ ধারায়
  4. ৩১ ধারায়
ব্যাখ্যা
আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার (Trial in absentia): স্বাভাবিকভাবে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার করা বেআইনী, অর্থাৎ আসামীর উপস্থিতিতে বিচার করতে হয়। কিন্তু কতিপয় ক্ষেত্রে আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়, যাকে Trial in absentia বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ, ৫১২ এবং ৫৪০ক ধারায় আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচারের বিধান রয়েছে। এছাড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২১ ধারায় Trial in absentia-এর বিধান রয়েছে।

ধারা ২১- আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার


(১) যদি ট্রাইব্যুনালের এই মর্মে বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,-

(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছে বা আত্মগোপন করিয়াছেন; এবং

(খ) তাহার আশু গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল অন্তত: দুইটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা, আদেশে উল্লিখিত সময়, যাহা ত্রিশ দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইতে ব্যর্থ হন, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার করিতে পারিবে।

(২) যদি কোন অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইবার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জামিনে মুক্তি দেওয়ার পর পলাতক হন, তাহা হইলে তাহার ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর বিধান প্রযোজ্য হইবে না, এবং সেইক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে তাহার বিচার সম্পন্ন করিতে পারিবে।
৭৪২.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ২ ধারায় কোন আইনকে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের উপর প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে?
  1. মুসলিম আইনকে
  2. হিন্দু আইনকে
  3. বৌদ্ধ আইনকে
  4. উপরের সকল আইনকে
ব্যাখ্যা
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ২ ধারায় মুসলিম আইনকে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের উপর প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। মুসলিম আইন অনুযায়ী- কোন মুসলিম সম্পত্তি হস্তান্তর করলে, সেই হস্তান্তরকে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ২য় অধ্যায়ের বিধানাবলী প্রভাবিত করবে না। অন্যদিকে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৮ম অধ্যায়ে ১২৯ ধারায় বলা হয়েছে, ৮ম অধ্যায়ে দান সম্পর্কিত কোন বিধান মুসলিম আইনের অধীন দানকে প্রভাবিত করবে না।

Section 2: Repeal of Acts Saving of certain enactments, incidents, rights, liabilities, etc.- Nothing herein contained shall be deemed to affect- 

(a) the provisions of any enactment not hereby expressly repealed: 

(b) any terms or incidents of any contract or constitution of property which are consistent with the provisions of this Act, and are allowed by the law for the time being in force: 

(c) any right or liability arising out of a legal relation constituted before this Act comes into force, or any relief in respect of any such right or liability: or 

(d) save as provided by section 57 and Chapter IV of this Act, any transfer by operation of law or by, or in execution of, a decree or order of a Court of competent jurisdiction: and nothing in the second chapter of this Act shall be deemed to affect any rule of Muslim law.
৭৪৩.
'Freedom of the press' is guaranteed under ______________ of Bangladesh constitution.
  1. article 39(1)(a)
  2. article 39(1)(b)
  3. article 39(2)(a)
  4. article 39(2)(b)
ব্যাখ্যা

Answer: Article 39(2)(b).

​Article 39: Freedom of thought and conscience, and of speech:

(1) Freedom of thought and conscience is guaranteed.

​(2) Subject to any reasonable restrictions imposed by law in the interests of the security of the State, friendly relations with foreign states, public order, decency or morality, or in relation to contempt of court, defamation or incitement to an offence–
(a) the right of every citizen to freedom of speech and expression; and
(b) freedom of the press, are guaranteed.

​অনুচ্ছেদ ৩৯: চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা:
(১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।

​(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে-
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
(খ) সংবাদপত্রের স্বাধীনতার; নিশ্চয়তা দান করা হইল। 

৭৪৪.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২৪ কোন বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. তদন্তের সময়সীমা
  2. রায় ঘোষণার সময়সীমা
  3. বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা
  4. অভিযোগ গঠনের সময়সীমা
ব্যাখ্যা

মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২৪: বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা:
(১) এই আইনের অধীন সংঘটিত কোন অপরাধের অভিযোগ গঠনের ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে ট্রাইব্যুনাল বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও, উক্ত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থতা বিচারকার্যকে বাতিল করিবে না, কিন্তু, ট্রাইব্যুনাল উক্ত সময়ের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিতে সমর্থ না হইবার কারণ ব্যাখ্যা করিয়া ১০ (দশ) কার্যদিবসের মধ্যে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে প্রতিবেদন প্রেরণ করিবে।

৭৪৫.
The Dissolution of Muslim Marriages Act, 1939 অনুযায়ী স্বামী কত বৎসর উম্মাদ থাকলে স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটাতে পারে?
ব্যাখ্যা
• ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী যেসব কারণে আদালতে তালাক চাইতে পারেন সেগুলো হলো-

⇒ চার বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে;
⇒ দুই বছর স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে;
⇒ স্বামীর সাত বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি কারাদণ্ড হলে;
⇒ স্বামী কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া তিন বছর যাবত দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
⇒ বিয়ের সময় পুরষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা দায়ের করা পর্যন্ত বহাল থাকে;
⇒ স্বামী দুই বছর ধরে অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে অথবা কুষ্ঠরোগে বা মারাত্মক যৌন ব্যধিতে আক্রান্ত থাকলে;

⇒ বিয়ে অস্বীকার করলে। অর্থাৎ যদি কোনো মেয়ের বাবা বা অভিভাবক মেয়েকে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে বিয়ে দেন এবং সেই মেয়েটি ১৯ বছর হওয়ার আগে বিয়ে অস্বীকার করে বিয়ে ভেঙে দিতে পারে। তবে শর্ত হলো, মেয়েটির সঙ্গে স্বামীর দাম্পত্য সম্পর্ক (সহবাস) যদি স্থাপিত না হয়ে থাকে তখনই কেবল বিয়ে অস্বীকার করে আদালতে বিচ্ছেদের ডিক্রি চাওয়া যাবে;

⇒ স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লঙ্ঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে;

⇒ স্বামীর নিষ্ঠুরতার কারণে। নিম্নলিখিত আচরণগুলো ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসেবে গণ্য হবে-
(ক) অভ্যাসগত আচরণে স্ত্রীকে আঘাত করা (দৈহিক আঘাত ছাড়াও মানসিক আঘাতও এর অন্তর্ভুক্ত, যা তার জীবন শোচনীয় বা দুর্বিষহ করে তুলেছে);
(খ) অন্য কোনো খারাপ নারীর সঙ্গে জীবনযাপন বা মেলামেশা;
(গ) স্ত্রীকে অনৈতিক জীবনযাপনে বাধ্য করা;
(ঘ) স্ত্রীর সম্পত্তি নষ্ট করা;
(ঙ) স্ত্রীকে নিজস্ব ধর্মপালনে বাধা দেয়া;
(চ) যদি স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকে, তাদের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের নির্দেশ অনুসারে সমান ব্যবহার না করা;
(ছ) এছাড়া মুসলিম আইনে বিয়েবিচ্ছেদের জন্য বৈধ বলে স্বীকৃত অন্য যে কোনো কারণে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের দাবি করতে পারবে।
৭৪৬.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের কত ধারা অনুযায়ী সরকারী খাস ভূমির লিজ অবশ্যই নিবন্ধিত হতে হবে?
  1. ৮১
  2. ৮১ক
  3. ৮১খ
  4. ৮২
ব্যাখ্যা
⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮১খ ধারার বিধান ইজারা দলিল নিবন্ধন: ধারা ৮১ বা ৮১ক অথবা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি সরকারি খাসজমি ইজারা প্রদানের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ বা এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক ইজারা দলিল সম্পাদিত এবং নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৭ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (খ) এর বিধানানুসারে নিবন্ধিত না হয়, তাহা হইলে এমনকি ইজারা-গ্রহীতার নিকট হইতে সেলামি বা খাজনা গ্রহণ করা হইলেও, কৃষি অথবা অকৃষি কোনো প্রকার প্রজাস্বত্বই সৃষ্টি হইবে না বা হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।
----------
Section 81B. Registration of lease deed:
 - Notwithstanding anything contained in sections 81 and 81A or any other law for the time being in force, no agricultural or non-agricultural tenancy shall in law be created or deemed to have been created, even after acceptance of salami and/or rent from the lessee, till a deed of lease has been executed in favour of the lessee by an authority competent to grant lease of Government khas land or any other gazetted officer duly authorised in this behalf and the said lease has been duly registered under the provision of clause (d) of sub-section (1) of section 17 of the Registration Act, 1908.
৭৪৭.
'Mahr-I-Muazzama' অর্থ কী?
  1. উপযুক্ত দেনমোহর
  2. নির্ধারিত দেনমোহর
  3. তাৎক্ষনিক দেনমোহর
  4. বিলম্বিত দেনমোহর
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) নির্ধারিত দেনমোহর।

⇒ দেনমোহরের পরিমাণের ভিত্তিতে (On basis of Amount) মুসলিম আইনে প্রধানত দুই প্রকার দেনমোহরের কথা বলা হয়েছে-

নির্ধারিত দেনমোহর (Specified dower/Mahr-I-Muazzama): 

স্বামী স্ত্রীকে কত পরিমাণ দেনমোহর দিবে তা যদি নির্ধারিত থাকে, তাহলে উক্ত দেনমোহর হলো নির্ধারিত দেনমোহর।

উপযুক্ত দেনমোহর (Unspecified/proper dower/Mahr-I-Misl): 
যদি দেনমোহরের পরিমাণ নির্ধারিত না থাকে, তাহলে যে পরিমাণ দেনমোহর দেওয়া হয়, তাহলো যথার্থ বা উপযুক্ত দেনমোহর। তবে এই পরিমাণটি যুক্তিযুক্ত হবে।

⇒ আবার দেনমোহর প্রদানের সময়ের ভিত্তিতে (On basis of time) নির্ধারিত দেনমোহর (Specified dower) দুই ভাগে ভাগ করা হয়-

তলবী বা চাহিদামাত্র বা তাৎক্ষনিক দেনমোহর (Prompt Dower/Mahr-I-Muajjal):
যে কোন সময় স্ত্রী চাওয়া মাত্রই যে দেনমোহর স্বামী পরিশোধ করতে বাধ্য, তাকে আশু বা তাৎক্ষণিক দেনমোহর [Prompt Dower) বলে। অর্থাৎ স্ত্রী যে কোন সময় তাৎক্ষণিক (Prompt Dower) দাবী করতে পারে। যদি স্ত্রী চাই তবে বিবাহের পরপরই তাৎক্ষণিক দেনমোহর পরিশোধযোগ্য। ১৯৬৬ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের ১০ ধারা অনুসারে 'নিকাহনামায় বা বিবাহের চুক্তিতে দেনমোহর ঋণ পরিশোধের পদ্ধতি নির্দিষ্টভাবে উল্লেখিত না থাকলে দেনমোহরের সমগ্র অর্থ চাহিবামাত্র প্রদেয় বলে নিতে হবে।'

স্থগিত বা বিলম্বিত দেনমোহর (Deferred Dower/Mahr -I-Muwajjal):
বিবাহ বিচ্ছেদের সময় বা কোন নির্দিষ্ট ঘটনা সাপেক্ষে বিলম্বিত দেনমোহর (Deferred Dower) পরিশোধযোগ্য। Maina Bibi v Chowdhury Wakil Ahmed 52 I.A (1924) p.521 মামলার রায়ে বলা হয়, স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রী দেনমোহরের টাকা পরিশোধের জন্য কোন সম্পত্তির দখল বজায় রাখতে পারে এবং এই দখল চালিয়ে যেতে পারে যতদিন পর্যন্ত না দেনমোহরের টাকা পরিশোধিত হয়।

৭৪৮.
২০২১ সালের দেওয়ানি আদালত সংশোধন আইন অনুযায়ী, জেলা জজ আদালতের আপিল এখতিয়ার কত টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে?
  1. ১ কোটি টাকা
  2. ৫ কোটি টাকা
  3. ১০ কোটি টাকা
  4. ২৫ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 এর ২১ ধারায় আপিল গ্রহণের ক্ষেত্রে দেওয়ানি আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের সীমার বিধান রয়েছে। ২১ ধারামতে শুধুমাত্র ২টি আদালত আপিলের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) জেলা জজ আদালত এবং
ii) হাইকোর্ট বিভাগ।

• এই আইন সর্বশেষ সংশোধন করা হয় ২০২১ সালে। উক্ত সংশোধনী দ্বারা ১৯ ও ২১ ধারা সংশোধন করা হয় এবং দেওয়ানী আদালতের আর্থিক এখতিয়ার বৃদ্ধি করা হয়। সংশোধিত আইন অনুযায়ী, জেলা জজ আদালত ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল শুনতে পারেন। অর্থাৎ, জেলা জজ আদালতের আপিল এখতিয়ার ৫,০০০,০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকা পর্যন্ত। ৫,০০০,০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার অধিক মূল্যমানের ডিক্রির বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে।
৭৪৯.
ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ 'Res nullius' অর্থ কী?
  1. A matter judged
  2. Nobody's thing
  3. The thing speaks for itself
  4. A matter not yet decided
ব্যাখ্যা
⇒ Res nullius : শাব্দিক অর্থ- Nobody's thing.
- আইনি প্রসঙ্গে 'res nullius' শব্দটি ব্যবহৃত হয় যখন কোনো ভূখণ্ড, সম্পত্তি বা জিনিসের সুনিদিষ্ট মালিক নেই। এমন কিছু যা কেউ দখল করতে পারে বা মালিকানা করতে পারে।
- অর্থাৎ, 'res nullius' হল এমন কিছু যার কোনও নির্দিষ্ট মালিক নেই এবং যা যেকোনও ব্যক্তি বা সরকার দখল করতে পারে।

⇒"Res nullius" একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ  "মালিকহীন সম্পত্তি"। আইনের পরিভাষায়, এটি এমন বস্তু বা সম্পত্তিকে বোঝায় যার উপর কোনো ব্যক্তি বা রাষ্ট্রের মালিকানা নেই।
- সাধারণত প্রাকৃতিক সম্পদ, যেমন বন্যপ্রাণী, সমুদ্র, বাতাস, বা মহাকাশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে।
- যেমন, বন্য প্রাণীকে "res nullius" হিসাবে গণ্য করা হয় যতক্ষণ না কেউ তাদের আটক বা দখলে নিয়ে আসে। একবার দখল হয়ে গেলে সেটি ব্যক্তির মালিকানায় পরিণত হয়।

উদাহরণস্বরূপ:
- একটি বনভূমিতে থাকা হরিণ "res nullius" হিসাবে গণ্য হবে। তবে কেউ যদি সেটিকে ধরে ফেলে, তখন সেটির উপর তার মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হবে।
৭৫০.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইনে মিথ্যা মামলা দায়েরের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  2. ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৬- মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের, ইত্যাদির শাস্তি:
যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনের কোন ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নাই জানিয়াও তাহার বিরুদ্ধে কোন মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান, তাহা হইলে প্রথমোক্ত ব্যক্তি অন্যুন দুই বছর এবং অনধিক পাঁচ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন৷

শাস্তি:
সর্বনিম্ন: ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড;
সর্বোচ্চ: ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড;
অতিরিক্ত: অর্থদণ্ড।
৭৫১.
দণ্ডবিধির ৯৩ ধারায় কোন বিষয়ে বিধান দেয়া হয়েছে?
  1. সদবিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ
  2. আত্মরক্ষা
  3. অপরাধে প্ররোচনা
  4. আদালতের নির্দেশ পালন
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৯৩ ধারা- বিধান সদবিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ:
কোন ব্যক্তির মঙ্গলার্থে আন্তরিক সদিচ্ছাক্রমে কৃত যোগাযোগ বা খবর প্রদান, উক্ত খবর প্রদানের ফলে উক্ত ব্যক্তির কোন প্রকার ক্ষতি হওয়ার দরুণ অপরাধ হবে না।
 
উদাহরণ
'ক' একজন সার্জন। তিনি আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে জনৈক রোগীকে তার এই মত জানান যে, সে বাঁচবে না। ইহাতে মর্মান্তিক আঘাত প্রাপ্তির ফলে রোগীটির মৃত্যু হয়। 'ক' এর কাজটি অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না, যদিও তিনি জানতেন যে, তার এইরূপ মত দেওয়ার ফলে রোগীটির মৃত্যু ঘটতে পারে।

Section 93- Communication made in good faith:
No communication made in good faith is an offence by reason of any harm to the person to whom it is made, if it is made for the benefit of that person.
 
Illustration 
A, a surgeon, in good faith, communicates to a patient his opinion that he cannot live. The patient dies in consequence of the shock. A has committed no offence, though he knew it to be likely that the communication might cause the patient's death.
৭৫২.
ধারা ১৬২ অনুযায়ী, 'Gratuitous bailment' কখন সমাপ্ত হয়ে যায়?
  1. আদালতের নির্দেশে
  2. যখন চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়
  3. যখন জিম্মাদাতা দেউলিয়া হয়ে যায়
  4. যখন জিম্মাদার বা জিম্মাদাতা মারা যায়
ব্যাখ্যা
ধারা ১৬২: অনাবশ্যিক জমা (gratuitous bailment) মৃত্যু দ্বারা সমাপ্ত হয়
যদি জিম্মা চুক্তি বিনা প্রতিদানে (gratuitous) হয়ে থাকে, তবে জিম্মাদার (Bailor) বা জিম্মাদাতা (Bailee)- যে কোনো একজনের মৃত্যুর ফলে জিম্মা চুক্তি সমাপ্ত হয়ে যায়।
[A gratuitous bailment is terminated by the death either of the bailor or of the bailee.]
৭৫৩.
The State Acquisition Tenancy Act, 1950 এর ১৪ ধারায় কার নিকট আপিল করার বিধান আছে?
  1. কালেক্টর
  2. হাইকোর্ট
  3. জেলা জজ
  4. রাজস্ব কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা

⇒ The State Acquisition Tenancy Act, 1950 এর ১৪ ধারার বিধান- আপিল:
১১ ধারার (২) উপধারায় কালেক্টরের আদেশে ক্ষুব্ধ কোনো ব্যক্তি উক্ত আদেশের তারিখ হইতে ৩০ দিনের মধ্যে উক্ত এলাকার এখতিয়ারবান জেলা জজের নিকট আপিল দায়ের করিতে পারিবে এবং উক্ত আপিলে জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে ।

Section 14. Appeal:
Any person who is aggrieved by an order of the Collector under sub-section (2) of section 11 or under sub-section (2) of section 13, may prefer an appeal to the District Judge having jurisdiction over the area within thirty days from the date of such order; and the decision of the District Judge having jurisdiction over the area, on such appeal, shall be final.

৭৫৪.
দলিল রেজিস্ট্রেশনের সময় মিথ্যা তথ্য দিলে সর্বোচ্চ শাস্তি কি?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• কোন ব্যক্তি মিথ্যা বিবৃতি, মিথ্যা পরিচয়, মিথ্যা নকল, অনুবাদ বা কোন মানচিত্র প্রদান করলে এর শাক্তি- অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।

Section 82. Penalty for making false statements, delivering false copies or translations, false personation, and abetment:
 Whoever- 
(a) intentionally makes any false statement, whether on oath or not, and whether it has been recorded or not, before any officer acting in execution of this Act, in any proceeding or enquiry under this Act; or 
(b) intentionally delivers to a registering officer, in any proceeding under section 19 or section 21, a false copy or translation of a document or a false copy of a map or plan; or 
(c) falsely personates another, and in such assumed character presents any document, or makes any admission or statement, or causes any summons or commission to be issued, or does any other act in any proceeding or enquiry under this Act; or 
(d) abets anything made punishable by this Act; 
shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to seven years, or with fine or with both.
৭৫৫.
জনগুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্নে সুপ্রিম কোর্টের মতামত চাইতে পারেন কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. জাতীয় সংসদ
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

⇒ সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি যদি মনে করেন যে কোনো আইনি প্রশ্ন জনগুরুত্বপূর্ণ, তাহলে তিনি সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগে উপদেষ্টামূলক মতামতের জন্য উক্ত প্রশ্ন পাঠাতে পারেন।

অনুচ্ছেদ ১০৬- সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার:

যদি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আইনের এইরূপ কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হইয়াছে বা উত্থাপনের সম্ভাবনা দেখা দিয়াছে, যাহা এমন ধরনের ও এমন জনগুরুত্বসম্পন্ন যে, সেই সম্পর্কে সুপ্রীম কোর্টের মতামত গ্রহণ করা প্রয়োজন, তাহা হইলে তিনি প্রশ্নটি আপীল বিভাগের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করিতে পারিবেন এবং উক্ত বিভাগ স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত শুনানীর পর প্রশ্নটি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে স্বীয় মতামত জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।

৭৫৬.
চুক্তি ভঙ্গের সার্বজনীন প্রতিকার কোনটি?
  1. চুক্তি রদ
  2. আর্থিক ক্ষতিপূরণ
  3. সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন
  4. নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা
ক্ষতিপূরণ [Compensation]: 
চুক্তিভঙ্গজনিত কারণে ক্ষতিপূরণ বাবদ যে অর্থ পাওয়া যাবে তাকে বলে খেসারত বা অর্থিক ক্ষতিপূরণ। চুক্তি ভঙ্গের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষের যে লোকসান বা ক্ষতি হয়েছে তা আদায়ের জন্য সে অপর পক্ষের বিরুদ্ধে মামলা দিতে পারবে।
 সাধারণ আইন ও ইকুইটি ল চুক্তিভঙ্গের জন্য অর্থিক ক্ষতিপূরণকে প্রধান প্রতিকার বলেছে। 'চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ যদি যথার্থ ও পর্যাপ্ত প্রতিকার হিসেবে বিবেচিত হয়, তাহলে অর্থিক ক্ষতিপূরণই প্রথম ও প্রধান প্রতিকার বলে গণ্য হবে। আবার, যে সকল ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন অসম্ভব সে সকল ক্ষেত্রেও ক্ষতিপূরণ দেওয়া যাবে। অর্থাৎ, অর্থিক ক্ষতিপূরণ বা খেসারত হচ্ছে চুক্তি ভঙ্গের জন্য একটি সার্বজনীন প্রতিকার।
 
Section 73. Compensation for loss or damage caused by breach of contract:

When a contract has been broken, the party who suffers by such breach is entitled to receive, from the party who has broken the contract, compensation for any loss or damagecaused to him thereby, which naturally arose in the usual course of things from such breach, or which the parties knew, when they made the contract, to be likely to result from the breach of it. 
Such compensation is not to be given for any remote and indirect loss or damage sustained by reason of the breach.
৭৫৭.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এ ‘‘ভিকটিম’’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে মানব পাচার অপরাধের শিকার কোন ব্যক্তির-
  1. আইনগত অভিভাবক
  2. আইনগত উত্তরাধিকারী
  3. ক বা খ
  4. উল্লিখিত কেউ নয়
ব্যাখ্যা
• মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন এবং মানব পাচার অপরাধের শিকার ব্যক্তিবর্গের সুরক্ষা ও অধিকার বাস্তবায়ন ও নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণের উদ্দেশ্যে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন হচ্ছে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২।

- ধারা ২(১০)-
‘‘মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি’’ বা ‘‘ভিকটিম’’ অর্থ এই আইনের অধীন সংঘটিত মানব পাচার অপরাধের শিকার কোন ব্যক্তি এবং উক্ত ব্যক্তির আইনগত অভিভাবক বা উত্তরাধিকারীও (legal heirs) ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;
৭৫৮.
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ অনুযায়ী হ্যাকিং এর অপরাধের শাস্তি কী?
  1. অনধিক বারো বৎসর এবং অন্যূন পাঁচ বৎসর কারাদণ্ড, বা অনধিক দশ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  2. অনধিক দশ বৎসর এবং অন্যূন তিন বৎসর কারাদণ্ড, বা অনধিক পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  3. অনধিক চৌদ্দ বৎসর এবং অন্যূন সাত বৎসর কারাদণ্ড, বা অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  4. সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অনধিক পঞ্চাশ লাখ টাকা অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
• তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (সংশোধিত ২০১৩)-এর ৫৪ ধারা অনুযায়ী,
কম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেম ইত্যাদির ক্ষতি, অনিষ্ট সাধন যেমন ই-মেইল পাঠানো, ভাইরাস ছড়ানো, সিস্টেমে অনধিকার প্রবেশ বা সিস্টেমের ক্ষতি করা ইত্যাদি অপরাধ অর্থাৎ হ্যাকিং এর সর্বোচ্চ শাস্তি ছিল ১৪ বছর কারাদণ্ড এবং সর্বনিম্ন ৭ বছর কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা।

৫৬ ধারায় বলা হয়েছে, কেউ যদি ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে এমন কোনো কাজ করেন, যার ফলে কোনো কম্পিউটার রিসোর্সের কোনো তথ্য বিনাশ, বাতিল বা পরিবর্তিত হয় বা এর উপযোগিতা হ্রাস পায় অথবা কোনো কম্পিউটার, সার্ভার, নেটওয়ার্ক বা কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেমে অবৈধভাবে প্রবেশ করেন, তবে এটি হবে হ্যাকিং অপরাধ, যার শাস্তি সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদণ্ড এবং সর্বনিম্ন ৭ বছর কারাদণ্ড বা ১ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা।

৫৭ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েবসাইটে বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে কোনো মিথ্যা বা অশ্লীল কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করে, যার দ্বারা মানহানি ঘটে, আইনশৃঙ্খলার অবনতি হয় অথবা রাষ্ট্র বা ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়, তাহলে এগুলো হবে অপরাধ। এর শাস্তি সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদণ্ড এবং সর্বনিম্ন ৭ বছর কারাদণ্ড এবং ১ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা।

• বর্তমানে এই অপরাধের বিচার 'সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩' এর অধীন করা হয়।

সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩

ধারা ৩২- হ্যাকিং সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড


যদি কোনো ব্যক্তি হ্যাকিং করেন, তাহা হইলে উহা হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ১৪ (চৌদ্দ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ব্যাখ্যা-এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, “হ্যাকিং” অর্থ-
(ক) কম্পিউটার তথ্য ভাণ্ডারের কোনো তথ্য চুরি, বিনাশ, বাতিল, পরিবর্তন বা উহার মূল্য বা উপযোগিতা হ্রাসকরণ বা অন্য কোনোভাবে ক্ষতিসাধন; বা
(খ) নিজ মালিকানা বা দখলবিহীন কোনো কম্পিউটার, সার্ভার, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেমে অবৈধভাবে প্রবেশের মাধ্যমে উহার ক্ষতিসাধন।
৭৫৯.
The General Clauses Act,1897 এর কত ধারায় "Act of Parliament" কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ৩(২ক) ধারায়
  2. ৩(১ক) ধারায়
  3. ৩(ক) ধারায়
  4. ৩(৪) ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৩(১ক): সংসদের আইন
"সংসদের আইন" অর্থে সংসদ কর্তৃক প্রণীত কোন আইনকে বুঝাইবে এবং কোন আইন প্রণয়নকারী পরিষদ কর্তৃক অথবা বাংলাদেশে বা ইহার কোন অংশে বলবৎ কোন সাংবিধানিক দলিলের অধীন আইন প্রণয়নের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি কর্তৃক গৃহীত বা প্রণীত যে কোন আইনও ইহার অন্তর্ভূক্ত হইবে।

Section 3(1a) of The General Clauses Act,1897, "Act of Parliament" shall mean-
an Act passed by Parliament and shall include any Act passed or made by any legislature or any person having authority to legislate under any Constitutional instrument and in force in Bangladesh or any portion thereof:
৭৬০.
'প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তর্ভুক্ত সকল নির্বাহী ও বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা করিবেন' বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে এই বিধান বলা আছে?
  1. বাংলাদেশের সংবিধানের ১১০ অনুচ্ছেদে
  2. বাংলাদেশের সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদে
  3. বাংলাদেশের সংবিধানের ১১২ অনুচ্ছেদে
  4. বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৩ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
 ⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১১২ অনুচ্ছেদের বিধান: সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা:
 প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তর্ভুক্ত সকল নির্বাহী ও বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা করিবেন।
-----------
⇒ Article 112. Action in aid of Supreme Court:
 All authorities, executive and judicial, in the Republic shall act in aid of the Supreme Court.
৭৬১.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে 'বৃদ্ধি নীতি' নামে কোন মতবাদ পরিচিত?
  1. রদের মতবাদ
  2. আনসাব মতবাদ
  3. প্রতিনিধিত্ব মতবাদ
  4. আউলের মতবাদ
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইন (শরীয়া) অনুসারে 'বৃদ্ধি নীতি' বা Doctrine of Aul (আউলের মতবাদ) বলতে বোঝায় যখন কোরানিক অংশীদারদের নির্ধারিত অংশ যোগ করলে সম্পত্তির মোট পরিমাণ (১) অতিক্রম করে (যেমন ১৩/১২), তখন অংশীদারদের অংশসমূহকে তাদের অনুপাতে কমিয়ে (যেমন ১২/১৩ করে) যোগফলকে ১-এর সমান করা হয়। এতে কোনো অংশীদারকে বাদ দেওয়া হয় না, শুধু অংশের পরিমাণ সমন্বয় করা হয়।

⇒ আউল শব্দের অর্থ বৃদ্ধি বা increase অংশীদারদের নিজেদের অংশ বন্টনের পরে, যদি মোট পরিমাণ এক না হয়ে এটা অতিক্রম করে তবে সেক্ষেত্রে বৃদ্বির বা আউলের মতবাদ প্রয়োগ হয়।
- অংশগুলো একত্রে যোগ করলে যোগ করলে যোগফলের ভগ্নাংশের 'লব' (numerator ) দ্বারা অংশের মোট সংখ্যা বোঝাবে এবং 'হর' (denomenator) দ্বারা উত্তরাধিকার যোগ্য সম্পত্তির) মোট ভাগ বা টুকরার পরিমাণ বোঝাবে।
- যদি বন্টিত অংশের পরিমাণ ১৩/১২ হয়, তখন ১৩ দ্বারা অংশের সংখ্যা বোঝাবে এবং ১২ দ্বারা সম্পত্তির বিভক্তি বা খন্ডের সংখ্যা বোঝাবে। এক্ষেত্রে সম্পত্তির টুকরা বা খন্ডের চাইতে এতে প্রাপ্য অংশের পরিমাণ বেশী হয়েছে।
- অন্য কথায় অংশীদারদের অংশের পরিমানের চাইতে সম্পত্তি কম। অংশীদারদের স্ব স্ব অংশের কোনরকম পরিবর্তন না করে একে এককরার যে নীতি প্রয়োগ করা হয় তাই আউল নীতি (doctrine of Aul) নামে পরিচিত।
- এই নীতি অনুযায়ী অংশীদারদের অংশসমূহ তাদের অনুপাতে কমিয়ে এদের যোগফল এক করা হয়।

৭৬২.
'Analogical deduction' মুসলিম আইনের কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. অভিভাবকত্ব
  2. অছিয়ত
  3. উৎস
  4. উত্তরাধিকার
ব্যাখ্যা
'Analogical deduction' বা ‘কিয়াস’ মুসলিম আইনের উৎসগুলির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

মুসলিম আইনের চারটি প্রধান উৎস হলো:
১. কুরআন;
২. হাদিস;
৩. ইজমা (সর্বসম্মত মতামত);
৪. কিয়াস অর্থাৎ 'Analogical deduction'।
যখন কোনো বিষয়ে কুরআন ও হাদিসে স্পষ্ট নির্দেশনা না থাকে, তখন ইসলামের বিশিষ্ট আইনজ্ঞগণ কিয়াস বা অনুমিতির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। এর মাধ্যমে তারা কুরআন ও হাদিসের আলোকে নতুন পরিস্থিতি এবং ঘটনাবলীর বিচার করেন।

অতএব, 'Analogical deduction' বা কিয়াস মুসলিম আইনের উৎসসমূহের অন্যতম ও গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি মূল উৎসগুলির পাশাপাশি ব্যবহৃত হয় এবং মুসলিম আইনকে আধুনিক যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম করেছে।
৭৬৩.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর কত ধারায় 'প্রজা (tenant)' এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ২(২৭) ধারায়
  2. ২(১৭) ধারায়
  3. ২(১৫) ধারায়
  4. ২(৩০) ধারায়
ব্যাখ্যা
• The State Acquisition and Tenancy Act, 1950

ধারা ২(২৭) প্রজা (tenant): বলতে এমন ব্যক্তিকে বুঝায় যে অপরের অধীনে ভূমি দখল করে আছে ও উক্ত ভূমির জন্য কোন খাজনা প্রদান করতে বাধ্য থাকে। তবে কোন ব্যক্তি যদি সাধারণভাবে প্রচলিত 'আধি', 'বর্গা' বা 'ভাগ' এর অধীনে অপরের জমি এই শর্তে চাষ করে যে অনুরূপ ব্যক্তিকে সে উৎপন্ন ফসলের একটি অংশ প্রদান করবে তবে সে প্রজা নয়। কিন্তু উক্ত ব্যক্তি প্রজা হিসাবে বিবেচিত হবে-

⇒ যদি তার ভূমির মালিক কর্তৃক সম্পাদিত ও গৃহীত কোন দলিল দ্বারা একজন প্রজা হিসাবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়;
⇒ কোন দেওয়ানি আদালত কর্তৃক উক্ত ব্যক্তিকে যদি প্রজা হিসাবে ঘোষণা দেয়।
৭৬৪.
নিম্নের কোন রিটের জন্য যে কোনো ব্যক্তি আবেদন করতে পারেন?
  1. Writ of Certiorari
  2. Writ of Prohibition 
  3. Writ of Mandamus
  4. Writ of Quo Warranto
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (২)(খ) ধারায় উল্লিখিত Writ of Quo Warranto (কারণ দর্শাও রিট) এবং Writ of Habeas Corpus-এর জন্য যে কোনো ব্যক্তি (কোনো সংক্ষুদ্ধতা ছাড়াই) আবেদন করতে পারেন। এটি পাবলিক অফিসারের অধিকার বা যোগ্যতার বৈধতা যাচাইয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। অন্যান্য বিকল্পগুলো (Certiorari, Prohibition, Mandamus) ১০২(২)(ক) ধারার অধীনে পড়ে, যেখানে শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ বা প্রভাবিত ব্যক্তি আবেদন করতে পারেন।

• রিট [Writ]:
আদালত বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত বা প্রচারিত বিধান বা আদেশ। এমন আদেশের মাধ্যমে আদালত কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে নির্দেশ প্রদান করে। রিট এর উৎপত্তি হলো ব্রিটিশ আইন ব্যবস্থায়। প্রাথমিকভাবে রিট মূলত রাজকীয় অধিকার [prerogrative writ or royal writ] নামে পরিচিত ছিল কারণ একমাত্র রাজা বা রাণী রিট জারি করার অধিকারী ছিল।

রিটের প্রকারভেদ: সংবিধানে ৫ প্রকার রিট উল্লেখ করা হয়েছে-
⇒ ১০২ এর ২(ক) তে ৩টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (ক) (অ) প্রতিষেধক বা নিষেধাজ্ঞামূলক রিট [Writ of Prohibition];
• ১০২(২) (ক) (অ) পরমাদেশ বা হুকুম জারী রিট [Writ of Mandamus];
• ১০২(২) (ক) (আ) উৎপ্রেষণ রীট [Writ of Certiorari]।

⇒ ১০২ এর ২(খ) তে ২টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (যে কোন ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (খ) (অ) বন্দী হাজির রিট [Writ of Habeas Corpus] এবং
• ১০২(২) (খ) (আ) কারণ দর্শাও রিট [Writ of Quo Warranto]।

৭৬৫.
মুসলিম আইনে নাফাকা (Nafaqa) দ্বারা কী বোঝায়?
  1. দান করা সম্পত্তি
  2. ভরণপোষণ
  3. সম্পত্তির দায়
  4. অভিভাবকত্ব
ব্যাখ্যা

নাফাকা (Nafaqa) মুসলিম আইন অনুসারে:
নাফাকা (Nafaqa) শব্দটি আরবি "نفقہ" থেকে এসেছে, যার অর্থ হলো জীবিকা বা ভরণপোষণ, বিশেষ করে প্রয়োজনীয় খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান ইত্যাদি প্রদান। মুসলিম আইন অনুসারে, নাফাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্য যা পরিবারিক জীবনের মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য স্বামী, বাবা বা অভিভাবককে প্রদান করতে হয়। খাদ্য, পোশাক, বাসস্থান, স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্যান্য মৌলিক চাহিদা নাফাকায় অন্তর্ভুক্ত।

মুসলিম আইনে নাফাকার বিবরণ:
মুসলিম শরিয়াহ অনুসারে, স্বামীর প্রধান দায়িত্ব হলো তার স্ত্রীর জন্য নাফাকা প্রদান। এটি স্বামীর আইনি ও ধর্মীয় কর্তব্য হিসেবে বিবেচিত। স্বামী তার স্ত্রীর খাদ্য, পোশাক, বাসস্থান এবং অন্যান্য মৌলিক চাহিদা পূরণে দায়িত্বশীল। নাফাকার পরিমাণ নির্ধারণ করা হয় সাধারণত স্বামী ও স্ত্রীর আর্থিক অবস্থার ওপর ভিত্তি করে।

স্ত্রীর অধিকার:
যদি কোনো স্ত্রীর কাছে স্বামীর অর্থনৈতিক সহায়তা বা নাফাকা প্রদান না করা হয়, তবে সে আদালতে নাফাকা চেয়ে মামলা করতে পারে। ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী, স্ত্রীর জন্য নাফাকা একটি মৌলিক অধিকার এবং এটি নিশ্চিত করার জন্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। তালাকের পর, ইদ্দতকালে স্ত্রীর জন্য নাফাকা প্রদান করাটা স্বামীর কর্তব্য

৭৬৬.
বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় উল্লিখিত মূলনীতিগুলোর মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সমাজতন্ত্র
  2. জাতীয়তাবাদ
  3. ধর্মনিরপেক্ষতা
  4. সাম্রাজ্যবাদ
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে বীর জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা মহান আদর্শগুলো হলো জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, এবং ধর্মনিরপেক্ষতা। এই চারটি নীতি সংবিধানের মূলনীতি হিসেবে গণ্য করা হয়। প্রস্তাবনায় এই নীতিগুলোর উপর জোর দিয়ে বলা হয়েছে যে, এগুলো বাংলাদেশের জনগণের মুক্তি সংগ্রামের প্রেরণার উৎস ছিল এবং এই সংবিধানের ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

→ কিন্তু সাম্রাজ্যবাদ এই প্রস্তাবনায় কোথাও মূলনীতি হিসেবে উল্লেখিত নয়। সাম্রাজ্যবাদ একটি রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক ধারণা, যা সাধারণত একটি দেশের অন্য দেশের উপর আধিপত্য বিস্তারের সাথে সম্পর্কিত। বাংলাদেশের সংবিধানে এটি কোনো ইতিবাচক আদর্শ বা মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করা হয়নি। বরং, সংবিধানে আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা সাম্রাজ্যবাদের বিপরীত ধারণার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
→ অর্থাৎ সংবিধানের প্রস্তাবনায় জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, এবং ধর্মনিরপেক্ষতা মূলনীতি হিসেবে উল্লেখিত, কিন্তু সাম্রাজ্যবাদ এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) সাম্রাজ্যবাদ।

৭৬৭.
নিজ অধিক্ষেত্রভুক্ত কোনো বিষয়ে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রকাশিত কোনো তথ্য সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে হুমকি সৃষ্টি করলে, জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সির মহাপরিচালক তা ব্লক করার জন্য কাকে অনুরোধ করতে পারেন?
  1. জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সিকে
  2. কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিমকে
  3. বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে
  4. জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা কাউন্সিলকে
ব্যাখ্যা
• সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩

ধারা ৮- কতিপয় তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা ব্লক করিবার ক্ষমতা:

(১) জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সির মহাপরিচালকের নিজ অধিক্ষেত্রভুক্ত কোনো বিষয়ে ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রকাশিত বা প্রচারিত কোনো তথ্য- উপাত্ত সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে হুমকি সৃষ্টি করিলে তিনি উক্ত তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা, ক্ষেত্রমত, ব্লক করিবার জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে, অতঃপর বিটিআরসি বলিয়া উল্লিখিত, অনুরোধ করিতে পারিবেন।

(২) যদি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিকট তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ সাপেক্ষে, বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রকাশিত বা প্রচারিত কোনো তথ্য-উপাত্ত দেশের বা উহার কোনো অংশের সংহতি, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, ধর্মীয় মূল্যবোধ বা জনশৃঙ্খলা ক্ষুণ্ণ করে, বা জাতিগত বিদ্বেষ ও ঘৃণার সঞ্চার করে, তাহা হইলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী উক্ত তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা ব্লক করিবার জন্য, মহাপরিচালকের মাধ্যমে, বিটিআরসিকে অনুরোধ করিতে পারিবে।

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এর অধীন কোনো অনুরোধ প্রাপ্ত হইলে বিটিআরসি, উক্ত বিষয়াদি সরকারকে অবহিতক্রমে, তাৎক্ষণিকভাবে উক্ত তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা, ক্ষেত্রমত, ব্লক করিবে।

(৪) এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিষয়াদি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
৭৬৮.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৫ অনুসারে, ট্রাইব্যুনালকে প্রাথমিক ভাবে কত কার্যদিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করতে হবে?
  1. ৬০ কার্যদিবস
  2. ৯০ কার্যদিবস
  3. ১৮০ কার্যদিবস
  4. ২৭০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৫(১) অনুযায়ী মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ থেকে ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে ট্রাইব্যুনালকে মামলাটি নিষ্পত্তি করতে হবে। যদি এই সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি না হয়, তবে ধারা ৪৫(২) অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল বিচারক অতিরিক্ত সর্বোচ্চ ৯০ কার্যদিবস সময় বাড়াতে পারেন এবং তারপরও নিষ্পত্তি না হলে হাইকোর্ট বিভাগকে অবগত করে মামলার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারেন। এই সময়সীমার নির্দেশ মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে বিধানিক কাঠামো নির্ধারণ করে।
অর্থাৎ, মোট সময় সর্বাধিক ২৭০ কার্যদিবস হলে মামলার নিষ্পত্তি হতে পারে, কিন্তু প্রাথমিক সময়সীমা ১৮০ কার্যদিবস নির্ধারিত।

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৫ মামলা নিষ্পত্তির জন্য নির্ধারিত সময়সীমা:
(১) ট্রাইব্যুনালের বিচারক এই অধ্যাদেশের অধীন কোনো মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করিবেন।
(২) ট্রাইব্যুনালের বিচারক উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত সময়সীমা সর্বোচ্চ ৯০ (নব্বই) কার্যদিবস পর্যন্ত বৃদ্ধি করিতে পারিবেন।
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের বিচারক কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া বিষয়টি প্রতিবেদন আকারে হাইকোর্ট বিভাগকে অবহিত করিয়া মামলার কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রাখিতে পারিবেন।

৭৬৯.
নিম্নের কোনটি Doctrine of Election-এর পূর্বশর্ত নয়?
  1. দুইটি হস্তান্তর একই দলিলে হতে হবে
  2. হস্তান্তরকারী সম্পূর্ণ মালিক হতে হবে
  3. তৃতীয় ব্যক্তি বরাবর হস্তান্তর থাকতে হবে
  4. একটি সুবিধা গ্রহণ এবং অপর একটি সুবিধা বর্জন থাকতে হবে
ব্যাখ্যা
• Doctrine of Election:
নির্বাচন বলতে একই দলিলে দুই বা ততোধিক বিষয়বস্তুর মধ্যে নির্দিষ্ট সংখ্যক বিষয়বস্তুর নির্বাচন করা বুঝায়। ইকুইটি নীতির উপর Doctrine of Election প্রতিষ্ঠিত। সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৩৫ ধারায় এর বিধান রয়েছে।

এই নীতির পূর্বশর্ত হলো-
⇒ হস্তান্তরকারী অবশ্যই অন্যের মালিকানাধীন সম্পত্তি হস্তান্তরের ঘোষণা করবেন।
⇒ ঐ সম্পত্তি ৩য় ব্যক্তি বরাবর হস্তান্তর করবেন।
⇒ একই সময়ে হস্তান্তরকারীকে নিজের কিছু সম্পত্তি মূল সম্পত্তির মালিককে হস্তান্তর করবে।
⇒ দুইটি হস্তান্তর একই দলিলে হবে।
⇒ একটি সুবিধা গ্রহণ এবং অপর একটি সুবিধা বর্জন, অর্থাৎ কোন ব্যক্তি একই সঙ্গে কোন বিষয়ে অনুমোদন এবং প্রত্যাখ্যান করতে পারে না।
⇒ নির্বাচনের পূর্বে হস্তান্তরকারীর মৃত্যু বা পুনরায় হস্তান্তর করতে অক্ষম হয়ে পড়লে, তাহলে হস্তান্তরকারীর নিকট থেকে হস্তান্তরগ্রহীতা ক্ষতিপূরণ পাবে। 

অতএব, হস্তান্তরকারীকে সম্পূর্ণ মালিক হতে হবে — এই শর্ত Doctrine of Election-এর ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নয়। বরং পুরো Doctrine-টাই তৈরি হয়েছে তখন, যখন হস্তান্তরকারী অন্যের মালিকানাধীন সম্পত্তি হস্তান্তর করে।
৭৭০.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর অধীন সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার সর্বোচ্চ অর্থদণ্ড কত?
  1. ১০ লাখ টাকা
  2. ২০ লাখ টাকা
  3. ৫০ লাখ টাকা
  4. ১ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) ১ কোটি টাকা।

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২০- সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার অপরাধ ও দণ্ড:

(১) যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার নিমিত্ত কোনো পোর্টাল বা অ্যাপস বা ডিভাইস তৈরি করেন বা পরিচালনা করেন বা জুয়া খেলায় অংশগ্রহণ করেন বা খেলায় সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান করেন বা উৎসাহ প্রদানের জন্য বিজ্ঞাপনে অংশগ্রহণ এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রচার বা বিজ্ঞাপিত করেন তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

৭৭১.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুসারে সালিশি পরিষদের গঠন পদ্ধতি কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ২
  2. ধারা ৩
  3. ধারা ৫
  4. ধারা ৭
ব্যাখ্যা
⇒ The Muslim Family Laws Ordinance, 1961-এর ধারা ২-এ "Arbitration Council" বা সালিশি পরিষদের সংজ্ঞা ও গঠন পদ্ধতি উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই ধারায় বলা হয়েছে যে সালিশি পরিষদ তিনজন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে —
- একজন চেয়ারম্যান (যিনি সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান/মেয়র হবেন)।
- প্রত্যেক পক্ষের ১ জন করে প্রতিনিধি, অর্থাৎ দুই পক্ষের সম্মতিতে ২ জন প্রতিনিধি থাকবেন।

তাছাড়া, ধারা ২-এ আরও বলা হয়েছে—
- যদি কোনো পক্ষ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিনিধি মনোনীত করতে ব্যর্থ হয়, তবে সে পক্ষের প্রতিনিধি ছাড়া সালিশি পরিষদ গঠিত হবে।
- যদি চেয়ারম্যান অমুসলিম হন বা দায়িত্ব পালনে অক্ষম হন, তবে সালিশি পরিষদের একজন মুসলিম সদস্যকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত করা হবে।
৭৭২.
SAT Act, 1950 এর কত ধারায় “চাষাবাদকারী রায়ত” এর সংজ্ঞা দেয়া আছে?
  1. ধারা ২(৯)
  2. ধারা ২(১১)
  3. ধারা ২(১৩)
  4. ধারা ২(১৫)
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ধারা ২(৯):
“চাষাবাদকারী রায়ত” বা “চাষাবাদকারী অধীন-রায়ত” বলতে সেই রায়ত বা অধীন-রায়তকে বোঝায়, যিনি নিজে, অথবা তাঁর পরিবারের সদস্যগণ, বা চাকর, বা বর্গাদার, বা ভাড়াটে শ্রমিকদের সাহায্যে, অথবা অংশীদারদের সহায়তায় জমি চাষ করেন।

The State Acquisition and Tenancy Act,1950 Section 2(9):
[“cultivating raiyat” or “cultivating under-raiyat” means a raiyat or an under-raiyat, as the case may be, who holds land by cultivating it either by himself or by members of his family or by servants or by bargadars or by or with the aid of hired labourers or with the aid of partners]
৭৭৩.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর কত ধারায় 'Doctrine of lis pendens' প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ৫১ ধারায়
  2. ৫৩ক ধারায়
  3. ৫২ ধারায়
  4. ৫৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
• "লিসপেনডেন্স নীতি (The doctrine of lis pendens)" এর মূল কথা হলো- Pendente lite nihil invatur অর্থাৎ মামলা রুজু অবস্থায় নতুন কোনো অবস্থার সৃষ্টি করা উচিত হবে না। এই নীতি সম্পত্তি হস্তান্তর আইন,১৮৮২ এর ৫২ ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে।

ধারা ৫২ অনুযায়ী,
কোন স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলায় প্রত্যক্ষ ও সুনির্দিষ্টভাবে ঐ সম্পত্তি সংক্রান্ত কোন অধিকারের প্রশ্ন উত্থাপিত হলে, মামলার কোন পক্ষই আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারবে না। তবে আদালত অনুমতি দিলে তা হস্তান্তর করা যাবে। মামলা চলাকালীন হস্তান্তর মামলার ফলাফলকে কোনোভাবে প্রভাবিত করবে না বা মামলার কোনো পক্ষকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না।

Section 52: Transfer of property pending suit relating thereto
During the pendency in any Court in Bangladesh, of any suit or proceeding which is not collusive and in which any right to immoveable property is directly and specifically in question, the property cannot be transferred or otherwise dealt with by any party to the suit or proceeding so as to affect the rights of any other party thereto under any decree or order which may be made therein, except under the authority of the Court and on such terms as it may impose. 
 
Explanation.-For the purposes of this section, the pendency of a suit or proceeding shall be deemed to commence from the date of the presentation of the plaint or the institution of the proceeding in a Court of competent jurisdiction, and to continue until the suit or proceeding has been disposed of by a final decree or order and complete satisfaction or discharge of such decree or order has been obtained, or has become unobtainable by reason of the expiration of any period of limitation prescribed for the execution thereof by any law for the time being in force.
৭৭৪.
বিশেষ ক্ষমতা আইনে কয় ধরনের কাজকে ক্ষতিকর কাজ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৭ ধরনের
  2. ৬ ধরনের
  3. ৯ ধরনের
  4. ৮ ধরনের
ব্যাখ্যা
১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২(চ) ধারায় ৮ ধরনের কার্যকে ক্ষতিকর কার্য হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। ক্ষতিকর কার্য অর্থ এমন কোন কাজ যা-

১. বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বা প্রতিরক্ষাকে ক্ষতিগ্রস্থ করতে পারে বা করার উদ্দেশ্যে প্রণোদিত;
২. বিদেশী রাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্থ করবে বা করার উদ্দেশ্যে প্রণোদিত;
৩. বাংলাদেশের নিরাপত্তাকে ক্ষতিগ্রস্থ করবে বা জননিরাপত্তা বিপন্ন বা জনশৃঙ্খলার রক্ষণাবেক্ষণ কাজ বিপন্ন বা ক্ষতিগ্রস্থ করবে বা করার উদ্দেশ্যে প্রণোদিত।
৪. বিভিন্ন সম্প্রদায় বা জনগণের বিভিন্ন শ্রেণীর বা অংশের মধ্যে ঘৃণ্য বা শত্রুতার মনোভাব সৃষ্টি করে বা উহার উসকানি দেয় বা দেওয়ার উদ্দেশ্যে প্রণোদিত;
৫. আইন প্রশাসন বা আইন-শৃঙ্খলার রক্ষণাবেক্ষণ কাজে হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপে উত্তেজিত বা উৎসাহিত করে বা করার উদ্দেশ্যে প্রণোদিত;
৬. জনগণের মধ্যে বা জনগণের কোন অংশের মধ্যে ভীতি বা সন্ত্রাসের সৃষ্টি করে বা করার উদ্দেশ্যে প্রণোদিত;
৭. রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বার্থকে ক্ষতিগ্রস্থ করে বা করার উদ্দেশ্যে প্রণোদিত;
৮. ক্ষতিকর রিপোর্ট অর্থ এমন কোন রিপোর্ট, বিবৃতি বা দৃশ্যমান বিবরণ, তা সত্য হোক বা মিথ্যা হোক, যা প্রকাশ একটি ক্ষতিকর কাজ বা ক্ষতিকর কাজ সংঘটনের উসকানি দান করে।

Section 2(f): “prejudicial act” means any act which is intended or likely- 
 
(i) to prejudice the sovereignty or defence of Bangladesh; 
(ii) to prejudice the maintenance of friendly relations of Bangladesh with foreign states; 
(iii) to prejudice the security of Bangladesh or to endanger public safety or the maintenance of public order; 
(iv) to create or excite feelings of enmity or hatred between different communities, classes or sections of people; 
(v) to interfere with or encourage or incite interference with the administration of law or the maintenance of law and order; 
(vi) to prejudice the maintenance of supplies and services essential to the community; 
(vii) to cause fear or alarm to the public or to any section of the public; 
(viii) to prejudice the economic or financial interests of the State;
৭৭৫.
What is an agreement called when it is not supported by 'consideration'?
  1. Nudum Pactum
  2. Quid Pro Quo
  3. Noscitur A Sociis
  4. Consensus Ad Idem
ব্যাখ্যা
• 'Nudum Pactum' হলো সেই চুক্তি, যা কোনো consideration (বিবেচ্য বা বিনিময়) ছাড়া করা হয়। এজন্য এটি আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক নয়। 

আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি হলো:
"No consideration, no contract" – কোনো চুক্তি বৈধ হতে হলে উভয় পক্ষের মধ্যে কিছু মূল্য বা বিনিময় থাকা আবশ্যক। চুক্তি আইনের ২৫ ধারা অনুসারে, প্রতিদান ব্যতীত সম্মতি বাতিল।

অন্যান্য বিকল্পগুলোর সংক্ষেপ ব্যাখ্যা:
Quid Pro Quo: এর অর্থ "একটির বিনিময়ে অন্যটি"। এটি বিনিময় বা পারস্পরিক সুবিধার নীতি নির্দেশ করে।
Noscitur A Sociis: এর অর্থ "শব্দের অর্থ তার আশেপাশের শব্দ থেকে বোঝা যায়"। এটি একটি ব্যাখ্যামূলক নিয়ম।
Consensus Ad Idem : এর অর্থ "মনের মিল"। এটি বোঝায় যে চুক্তির দুই পক্ষ একটি বিষয় নিয়ে একমত এবং একই অর্থে তা বুঝেছে।
৭৭৬.
অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে কোনো ব্যক্তিকে কোনো দলিল স্বাক্ষর, সিলমোহর, সম্পাদনা বা পরিবর্তন করিতে বাধ্য করার সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
ব্যাখ্যা
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ৫ ধারার বিধান ভূমি জালিয়াতি সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড: 
(১) ভূমি হস্তান্তর, জরিপ, রেকর্ড হালনাগাদকরণ বা ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নিম্নবর্ণিত কোনো কার্য ভূমি জালিয়াতি সংক্রান্ত অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে, যথা:-
(ক) কোনো ব্যক্তির ক্ষতি বা অনিষ্ট সাধন করিবার বা কোনো দাবি বা অধিকার সমর্থন করিবার অথবা কোনো ব্যক্তিকে কোনো সম্পত্তি পরিত্যাগ বা চুক্তি সম্পাদন করিতে বাধ্য করিবার অথবা প্রতারণা করা যাইতে পারে এইরূপ অভিপ্রায়ে কোনো মিথ্যা দলিল বা কোনো মিথ্যা দলিলের অংশবিশেষ প্রস্তুতকরণ;
(খ) কোনো দলিল বা উহার অংশবিশেষ এইরূপ কোনো ব্যক্তি কর্তৃক বা তাহার কর্তৃত্ববলে প্রস্তুত, স্বাক্ষরিত, সিলমোহরকৃত বা সম্পাদিত বলিয়া বিশ্বাস করিবার অভিপ্রায়ে, যে ব্যক্তি কর্তৃক বা যে ব্যক্তির কর্তৃত্ববলে উহা প্রস্তুত, স্বাক্ষরিত, সিলমোহরকৃত বা সম্পাদিত হয় নাই বলিয়া সে জ্ঞাত বা অবগত, অথবা এইরূপ কোনো সময়, যে সময় উহা প্রস্তুত, স্বাক্ষরিত, সিলমোহরকৃত বা সম্পাদিত হয় নাই বলিয়া সে জ্ঞাত বা অবগত, অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে অনুরূপ দলিল বা উহার অংশবিশেষ প্রস্তুত, স্বাক্ষর, সিলমোহর বা সম্পাদন;
(গ) কোনো দলিল সম্পাদিত হইবার পর আইনানুগ কর্তৃত্ব ব্যতিরেকে, অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে, উহার কোনো অংশ কর্তন করা বা অন্য কোনোভাবে উহার কোনো গুরুত্বপূর্ণ অংশের পরিবর্তন;
(ঘ) সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কোনো মিথ্যা দলিল প্রস্তুতকরণ;
(ঙ) অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে কোনো ব্যক্তিকে কোনো দলিল স্বাক্ষর, সিলমোহর, সম্পাদনা বা পরিবর্তন করিতে বাধ্য করা

(২) কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত কোনো অপরাধ সংঘটন করিলে উহা হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ৭(সাত) বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
৭৭৭.
প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী কর্তৃত্বে প্রণীত চুক্তি ও দলিলকে কার কর্তৃক প্রণীত বলে প্রকাশ করা হবে?
  1. সংসদ
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৫- চুক্তি ও দলিল:
(১) প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী কর্তত্বে প্রণীত সকল চুক্তি ও দলিল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত বলিয়া প্রকাশ করা হইবে এবং রাষ্ট্রপতি যেরূপ নির্দেশ বা ক্ষমতা প্রদান করিবেন, তাঁহার পক্ষে সেইরূপ ব্যক্তি কর্তৃক ও সেইরূপ প্রণালীতে তাহা সম্পাদিত হইবে।

(২) প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী কর্তৃত্বে কোন চুক্তি বা দলিল প্রণয়ন বা সম্পাদন করা হইলে উক্ত কর্তৃত্বে অনুরূপ চুক্তি বা দলিল প্রণয়ন বা সম্পাদন করিবার জন্য রাষ্ট্রপতি কিংবা অন্য কোন ব্যক্তি ব্যক্তিগতভাবে দায়ী হইবেন না, তবে এই অনুচ্ছেদ সরকারের বিরুদ্ধে যথাযথ কার্যধারা আনয়নে কোন ব্যক্তির অধিকার ক্ষুণ্ণ করিবে না।
৭৭৮.
চেক ডিজঅনার মামলায় কোন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. দায়রা আদালতে
  3. যুগ্ম দায়রা আদালতে
  4. অতিরিক্ত দায়রা আদালতে
ব্যাখ্যা
• হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮ ধারায় চেক ডিজঅনার মামলায় প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। তবে প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে কোথায় আপীল করা যাবে সে সম্পর্কে ১৩৮ থেকে ১৪১ ধারায় কিছু বলা হয়নি। এক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির আপিলের বিধান প্রযোজ্য হবে।  

চেক ডিজঅনারের মামলাটি যখন যুগ্ম দায়রা জজ কর্তৃক বিচার হয়, তাহলে দায়রা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। এক্ষেত্রে CrPC এর ৪০৮ ধারার আপিলের বিধানটি প্রযোজ্য হবে। এখানে বলা হয়েছে, যুগ্ম দায়রা জজের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট আপীল করা যাবে।

চেক ডিজঅনারের মামলায় চেকে উল্লেখিত অর্থের সর্বনিম্ন ৫০% জমা দিয়ে আপিল দায়ের করতে হবে। চেক ডিজঅনারকৃত চেকের টাকার ৫০% টাকা যে আদালত শাস্তি দেয়, সে আদালতে জমা দিয়ে আপিল দায়ের করতে হবে। তার মানে ৫০% টাকাটা বিচারিক আদালতে জমা দিতে হবে, আপিল আদালতে নয়।
৭৭৯.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কত ধারায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বিচারকার্য সম্পাদন করার বিধান আছে?
  1. ৫৪
  2. ৫৫
  3. ৫৬
  4. ৫৭
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৫৭ ধারার বিধান মোবাইল কোর্ট আইনের প্রয়োগ:
- এই আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, মাদকদ্রব্য অপরাধসমূহ মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৫৯ নং আইন) এর অধীন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করিয়া বিচারকার্য সম্পাদন করা যাইবে।

অর্থাৎ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৫৭ ধারায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বিচারকার্য সম্পাদন করার বিধান আছে।
৭৮০.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধে ব্যবহৃত কোন যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত কোন আদেশ দিতে পারে না?
  1. উক্ত যন্ত্রপাতি ধ্বংস করার
  2. বৈধ মালিক বা দখলদারের নিকট ফেরত দেয়ার
  3. রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
• আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২
 
ধারা ৭- অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, অস্ত্র, ইত্যাদি
 
আদালত উপযুক্ত বিবেচনা করিলে, কোন অপরাধ সংঘটনের জন্য ব্যবহৃত কোন যন্ত্রপাতি, অস্ত্র বা যানবাহন, এবং উক্ত অপরাধের দ্বারা সংগৃহীত অর্থ, মালামাল বা সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির বা উহার বৈধ মালিক বা দখলদারের নিকট ফেরত দিবার আদেশ দিতে পারিবে।
৭৮১.
The Muslim Personal Law (Shariat) Application Act, 1937 এর ২ ধারা অনুসারে কোন বিষয়ে মুসলিম ব্যক্তিগত আইন প্রয়োগ করা বাধ্যতামূলক না?
  1. দানের ক্ষেত্রে
  2. উইলের ক্ষেত্রে
  3. ট্রাস্টের ক্ষেত্রে
  4. উপরিউক্ত সকল ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা বাধ্যতামূলক
ব্যাখ্যা
২। মুসলমানদের প্রতি ব্যক্তিগত আইনের প্রয়োগ:
বিপরীত প্রথা এবং রীতি থাকা সত্ত্বেও, (কৃষিভূমি সংক্রান্ত বিরোধ ব্যতীত) চুক্তি বা উপহার অথবা ব্যক্তিগত আইনের বিধানাবলীর অধীন অর্জিত বা উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত ব্যক্তিগত সম্পত্তিসহ নারীর বিশেষ সম্পত্তি, বিবাহ-বন্ধন, তালাক, ইলা, জিহার, লিয়ান, খুলা ও মুবারাসহ বিবাহ-বিচ্ছেদ, ভরণপোষণ, দেনমোহর (dower), অভিভাবকত্ব, উপহার, ট্রাস্ট এবং ট্রাস্ট-সম্পত্তি, এবং (দাতব্যালয় ও দাতব্য প্রতিষ্ঠান এবং দাতব্য ও ধর্মীয় সম্পত্তি ব্যতীত) ওয়াকফ্ সংক্রান্ত সকল প্রশ্নে, যে সকল মামলায় পক্ষগণ মুসলমান সেই সকল মামলার, সিদ্ধান্ত-বিধি হইবে মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরিয়ত)।

⇒ Section 2. Application of Personal Law to Muslims:

Notwithstanding any custom or usage to the contrary, in all questions (save questions relating to agricultural land) regarding intestate succession, special property of females, including personal property inherited or obtained under contract or gift or any other provision of Personal Law, marriage, dissolution of marriage, including talaq, ila, zihar, lian, khula and mubaraat, maintenance, dower, guardianship, gifts, trusts and trust properties, and waqfs (other than charities and charitable institutions and charitable and religious endowments) the rule of decision in cases where the parties are Muslims shall be the Muslim Personal Law (Shariat).
৭৮২.
ডিজিটাল মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বা জাতির পিতার বিরুদ্ধে প্রচারণা চালালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ অনুসারে প্রথমবার সংঘটিত অপরাধের সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত?
  1. ৫ বৎসর
  2. ১০ বৎসর
  3. ২০ বৎসর
  4. যাবজ্জীবন
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ২১ ধারার বিধান: মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকার বিরুদ্ধে কোনো প্রকার প্রপাগান্ডা বা প্রচারণার দণ্ড:
-(১) যদি কোনো ব্যক্তি ডিজিটাল মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকার বিরুদ্ধে কোনো প্রকার প্রপাগান্ডা ও প্রচারণা চালান বা উহাতে মদদ প্রদান করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ। 
- (২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১(এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
- (৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অপরাধ দ্বিতীয় বার বা পুনঃপুন সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, বা ৩(তিন) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

বর্তমানের সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ২১ ধারার বিধান মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণার দণ্ড:
- (১) যদি কোনো ব্যক্তি ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণা চালান বা উহাতে মদদ প্রদান করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।
- (২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

উল্লেখ্য: ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ কে সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ ( ২০২৩ সনের ৩৯ নং আইন )  দ্বারা রহিত করা হইয়াছে।

অর্থাৎ বর্তমানের সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ২১ ধারার বিধান মতে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড ৫ বৎসর কিন্তু তখন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ২১ ধারার বিধান মতে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড ১০ বৎসর ছিলো।
৭৮৩.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950-এর ধারা ৯৬ অনুযায়ী, বিক্রয় রেজিস্ট্রেশনের তারিখ থেকে কত বছরের মধ্যে অগ্রক্রয়ের আবেদন করতে হয়?
  1. ১ বছরের মধ্যে
  2. ২ বছরের মধ্যে 
  3. ৩ বছরের মধ্যে
  4. ৫ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ধারা ৯৬(১) এর দ্বিতীয় শর্তাংশ (Provided further) অনুসারে, বিক্রয় রেজিস্ট্রেশনের তারিখ থেকে তিন বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর আর অগ্রক্রয়ের (Pre-emption) কোনো আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।
- সুতরাং, অগ্রক্রয়ের আবেদন বিক্রয় রেজিস্ট্রেশনের তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে করতে হবে।

⇒ The State Acquisition and Tenancy Act,1950 এর ধারা ৯৬- অগ্রক্রয়ের অধিকার:
(১) যদি কোনো রায়তের হোল্ডিং-এর কোনো অংশ বা অংশীদারিত্ব এমন একজন ব্যক্তির কাছে বিক্রি করা হয়, যিনি ওই হোল্ডিং-এর সহ-প্রজা (co-sharer tenant) নন, তবে ঐ হোল্ডিং-এর একজন বা একাধিক সহ-প্রজাভোগী, ধারা ৮৯ অনুযায়ী নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে দুই মাসের মধ্যে, অথবা যদি এমন কোনো নোটিশ না দেওয়া হয়ে থাকে, তবে বিক্রয় সম্পর্কে জানার তারিখ থেকে দুই মাসের মধ্যে, আদালতে আবেদন করতে পারবেন- যাতে উক্ত অংশ বা অংশীদারিত্ব তাদের নামে বিক্রয় করা হয়।
তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারার অধীনে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না যদি না আবেদনকারী—
(ক) উত্তরাধিকারের মাধ্যমে উক্ত হোল্ডিং-এর একজন সহ-প্রজাভোগী হন; এবং
(খ) এমন ব্যক্তি হন, যিনি ধারা ৯০ অনুযায়ী হোল্ডিং বা তার কোনো অংশ/শেয়ার ক্রয় করতে পারেন।
আরও শর্ত থাকে যে, বিক্রয় রেজিস্ট্রেশনের তারিখ থেকে তিন বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর আর এই ধারা অনুযায়ী কোনো আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।

৭৮৪.
The President shall have power to grant pardons, reprieves and respites and to remit, suspend or commute any sentence passed by any-
  1. court
  2. tribunal
  3. other authority
  4. all of above
ব্যাখ্যা
Article 49: Prerogative of mercy
The President shall have power to grant pardons, reprieves and respites and to remit, suspend or commute any sentence passed by any court, tribunal or other authority.

অনুচ্ছেদ ৪৯: ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার
কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত যে−কোন দণ্ডের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করিবার এবং যে−কোন দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করিবার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকিবে।
৭৮৫.
বিশেষ ক্ষমতা আইনে কালোবাজারে মজুত বা লেনদেনের অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি লাভ ছাড়া অন্য উদ্দেশ্যে মজুত করেন, তবে তিনি _________ কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
  1. ৩ মাস পর্যন্ত
  2. ৬ মাস পর্যন্ত
  3. ১ বছর পর্যন্ত
  4. ৩ বছর পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইন,১৯৭৪

ধারা ২৫ অনুসারে,
যে ব্যক্তি কালোবাজারে মজুত বা লেনদেনের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হবেন তাকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
অথবা ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে এবং জরিমানাও করা হবে।

তবে, শর্ত হিসেবে এতে বলা হয়েছে, যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রমাণ করতে পারেন যে তিনি লাভ ছাড়া অন্য উদ্দেশ্যে মজুত করেছিলেন তবে তিনি তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। একই সাথে জরিমানাও করা হবে তাকে।

একই সাথে আদালত কালোবাজারি বা মজুত হয়েছে এমন কিছু সরকারকে বাজেয়াপ্ত করার আদেশও দিতে পারবে।

Section 25: Penalty for hoarding or dealing in black-market

(1) Whoever is found guilty of the offence of hoarding or dealing in the black-market shall be punishable with death, or with 13[imprisonment for life], or with rigorous imprisonment for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine: 
 
Provided that if, in the case of an offence of hoarding, the person accused of such offence proves that he was hoarding for purposes other than gain, whether financial or otherwise, he shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to three months, and shall also be liable to fine.

(2) A court convicting an offence of hoarding or dealing in the black-market shall order the forfeiture to Government of anything in respect of which the offence was committed.
৭৮৬.
বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫খ(২) ধারায় বর্ণিত অপরাধের সর্বনিম্ন শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ১ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৫খ (২): চোরাচালানের শাস্তি:
যে কেউ এমন কোনো পণ্য বিক্রয় করে, বিক্রয়ের জন্য প্রস্তাব করে, প্রদর্শন করে বা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে নিজের অধিকারভুক্ত বা নিয়ন্ত্রণে রাখে, যা বাংলাদেশে আনা কোনো বিদ্যমান আইনের অধীনে নিষিদ্ধ, সেই ব্যক্তি ৭ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ১ বৎসরের নিচে নয় এমন দণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
 
Section 25B(2)- Penalty for smuggling:
Whoever sells, or offers or displays for sale, or keeps in his possession or under his control for the purpose of sale, any goods the bringing of which into Bangladesh is prohibited by or under any law for the time being in force shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to seven years and shall not be less than one year, and shall also be liable to fine.
৭৮৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক অনুযায়ী, মধ্যস্থতার ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত কোন আদেশ অনুসরণ করে?
  1. আদেশ ২০
  2. আদেশ ২১
  3. আদেশ ২৩
  4. আদেশ ৩৯
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক অনুযায়ী, যদি আদালতে মধ্যস্থতার মাধ্যমে আপোষ-মীমাংসা হয়, তাহলে আদালত Order XXIII (আদেশ ২৩) অনুসারে আপোষ-ডিক্রি প্রদান করে।
এছাড়াও, ধারা ৮৯ক(১২) অনুযায়ী, এইরূপ ডিক্রির বিরুদ্ধে কোনো আপিল বা রিভিশন গ্রহণযোগ্য নয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(১২) ধারার বিধান মতে মধ্যস্থতার মাধ্যমে আদালত কোন আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন করা যাবেনা।
- ধারা-৮৯ক(৫): মধ্যস্থতার ফলে ডিক্রি প্রদান- মধ্যস্থতার মাধ্যমে মোকদ্দমাটি আপোষ-মিমাংসা হলে, উক্ত আপোষ প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করবে।
- আপোষের উপর ভিত্তি করে ডিক্রি প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত দেওয়ানি কার্যবিধির ২৩ নং আদেশের সোলে ডিক্রির বিধানসমূহ অনুসরণ করবে।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section 89A(12): No appeal or revision shall lie against any order or decree passed by the Court in pursuance of a settlement between the parties under this section.
(13) Nothing in this section shall be deemed to otherwise limit the option of the parties regarding withdrawal, adjustment and compromise of the suit under Order XXIII of the Code. 

Explanation-(1) "Mediation" under this section shall mean flexible, informal, non-binding, confidential, non-adversarial and consensual dispute resolution process in which the mediator shall facilitate compromise of disputes in the suit between the parties without directing or dictating the terms of such compromise. 
(2) "Compromise" under this section shall include also compromise in part of the disputes in the suit.
৭৮৮.
M, P-কে একটি ছবি আঁকার প্রতিশ্রুতি দেয়। এই প্রতিশ্রুতি কে সম্পাদন করতে পারবে?
  1. যে কেউ
  2. M নিজে
  3. M-র প্রতিনিধি
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০: প্রতিশ্রুতি কে সম্পাদন করবে-
যদি কোনো চুক্তির প্রকৃতি দেখে বোঝা যায় যে চুক্তির প্রতিশ্রুতি প্রস্তাবকারী (promisor) নিজেই সেই প্রতিশ্রুতি সম্পাদন করবেন, তাহলে তিনি নিজেই তা সম্পাদন করতে বাধ্য।
তবে, যদি এমন ইচ্ছা না থাকে, তাহলে প্রস্তাবকারী বা তার প্রতিনিধি, যোগ্য কোনো ব্যক্তি নিয়োগ করে প্রতিশ্রুতি সম্পাদন করাতে পারেন।

উদাহরণ (Illustrations):
(a) A, B-কে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। A চাইলে নিজে অথবা অন্য কাউকে দিয়ে B-কে টাকা দিতে পারেন। যদি A মারা যায়, তবে তার প্রতিনিধি ঐ টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য।
(b) A, B-র জন্য একটি ছবি আঁকার প্রতিশ্রুতি দেয়। এক্ষেত্রে A নিজেই প্রতিশ্রুতি সম্পাদন করতে হবে — অন্য কেউ পারবে না।
৭৮৯.
বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১০ ধারায় আটককৃত ব্যক্তির আটকের কারণ কার নিকট পেশ করার বিধান রয়েছে?
  1. সরকারের
  2. হাইকোর্ট বিভাগের
  3. উপদেষ্টা বোর্ডের
  4. খ ও গ
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৯ ধারায় সরকার উপদেষ্টা বোর্ড গঠন করতে পারে। উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য সংখ্যা হবে ৩ জন। ২ জন এমন ব্যক্তি হবে যিনি হাইকোর্টের বিচারপতি ছিল বা আছেন বা তিনি বিচারপতি নিযুক্ত হওয়ার যোগ্য এবং অপর ব্যক্তি হবে বাংলাদেশ সরকারের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা। যিনি হাইকোর্টের বিচারপতি ছিলেন বা আছেন বা তিনি বিচারপতি নিযুক্ত হওয়ার যোগ্য এমন ব্যক্তিকে সরকার উক্ত বোর্ডের চেয়ারম্যান নিযুক্ত করবেন।
 
ধারা ১০ অনুযায়ী,
আটকের তারিখ হতে ১২০ দিনের মধ্যে সরকার আটকের কারণ উপদেষ্টা বোর্ডের নিকট পেশ করবে। ক্ষতিকর কার্য হতে বিরত রাখতে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীন সরকার কোন ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ১২০ দিন আটক রাখতে পারে। ১২০ দিনের অতিরিক্ত আটক রাখতে হলে উপদেষ্টা বোর্ডের মতামত অনুযায়ী রাখতে হবে। আটকের তারিখ হতে ১৭০ দিনের মধ্যে উপদেষ্টা বোর্ড ইহার রিপোর্ট সরকারের নিকট দাখিল করবে।
৭৯০.
অনুচ্ছেদ ১১৬ অনুসারে, বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধান করা হয়—
  1. শুধুমাত্র সুপ্রীম কোর্টের মাধ্যমে
  2. জাতীয় সংসদ কর্তৃক সরাসরি
  3. রাষ্ট্রপতি কর্তৃক, প্রধান বিচারপতির পরামর্শে
  4. রাষ্ট্রপতি কর্তৃক, সুপ্রীম কোর্টের পরামর্শে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১৬: অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা:
বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচারবিভাগীয় দায়িত্বপালনে রত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল- নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরীসহ) ও শৃংখলাবিধান রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাহা প্রযুক্ত হইবে।

[Control and discipline of subordinate courts-
The control (including the power of posting, promotion and grant of leave) and discipline of persons employed in the judicial service and magistrates exercising judicial functions shall vest in the President and shall be exercised by him in consultation with the Supreme Court.]
৭৯১.
যুদ্ধের কারণে কোন চুক্তি পালন অসম্ভব হয়ে পড়া- নিচের কোন নীতিটি নির্দেশ করে?
  1. Doctrine of election
  2. Doctrine of priority
  3. Doctrine of Lispendens
  4. Doctrine of frustration
ব্যাখ্যা
⇒ ব্যর্থতা তত্ত্ব (The Doctrime of Frustration): যখন একটি চুক্তির উদ্দেশ্য আর কোনভাবেই সম্পাদন বা বাস্তবায়ন করা যায় না, তখন আদালত চুক্তির পরিসমাপ্তি হয়েছে বলে ঘোষণা দিতে পারে, এরূপ ঘোষণাকে ব্যর্থতার তত্ত্ব বলা হয়।
- এ্যানসন (Anson) সকল আইন ব্যবস্থাতেই চুক্তি পালনের নিয়মের পাশা-পাশি চুক্তি অবসানের বিধানও থাকে, যদি অবস্থা বিশেষের পরিবর্তনের ফলে চুক্তির পালন আইনত কিংবা বাস্তবে অসম্ভব হয়।

ব্যর্থতার তত্ত্ব সম্পর্কে বৃটেনের আইন: ১৮৬৩ সালের পূর্বে বৃটিশ Common Law অনুযায়ী চুক্তিতে বিপরীত মর্মে কোন শর্ত না থাকলে চুক্তির সংশিষ্ট পক্ষসমূহ চুক্তি পালনের অসম্ভাব্যতাকে চুক্তির পরিসমাপ্তির কারণ বলে আত্মপক্ষ সমর্থনের যুক্তি হিসেবে ব্যবহার করতে পারতো না। অর্থাৎ সকল চুক্তি আক্ষরিক অর্থে প্রযোজ্য হতো এবং সকল পক্ষই চুক্তি সম্পাদন করতে সর্বোতভাবে বাধ্য থাকতো।

- ১৮৬৩ সালের পর ব্যর্থতা তত্ত্বের প্রচলন শুরু হয় এবং এই তত্ত্বানুযায়ী অনেক ক্ষেত্রে আদালত ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিকে রেহাই দেয়। নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে বৃটেনের আদালত চুক্তি নষ্ট হয়েছে বলে রায় দিতে পারে:-

ক) চুক্তির অপরিহার্য বস্তুর বিনাশ হলে;
খ) কোন উদ্দেশ্য অর্জন অসম্ভব হলে;
গ) আইনের পরিবর্তন হলে;
ঘ) পূর্বশর্ত পালনে ব্যর্থ হলে:
ঙ) মৃত্যু বা ব্যক্তিগত ক্ষমতা বিনষ্ট হলে; এবং
চ) যুদ্ধ ঘোষিত হলে।

- ব্যর্থতা তত্ত্বের ভিত্তি (Basis of the Doctrine of Furstration): বৃটেনের আইন অনুসারে আদালত নিম্নলিখিত অবস্থায় ব্যর্থতা তত্ত্ব প্রয়োগের মাধ্যমে চুক্তির পরিসমাপ্তির নির্দেশ দিয়েছেন:-
১. ধারণামূলক শর্ত: কোন কোন ক্ষেত্রে এই ধারণা করা হয় যে, প্রত্যেক চুক্তি পালিত না হওয়া পর্যন্ত একটি বিশেষ বস্তু বা অবস্থার উপস্থিতি বিদ্যমান থাকা আবশ্যিক বলে মনে করা হয়, ঐ অবস্থার অস্তিত্ব থাকলেই চুক্তি সম্পাদনযোগ্য অন্যথায় নয়। সুতরাং চুক্তি পালনের জন্য উক্ত বস্তু বা অবস্থা বিদ্যমান থাকা অপরিহার্য।
২. চুক্তির ভিত্তি ধ্বংস: যদি চুক্তিভুক্ত পক্ষসমূহের বিনা দোষে যে বস্তু বা অবস্থার উপর ভিত্তি করে চুক্তি সম্পাদন হয়েছিল, সই ভিত্তি বস্তু বা অবস্থা ধ্বংস হয়ে যায়, তবে তা ব্যর্থতা তত্ত্বের আওতায় আসবে।
৩. ন্যায়সঙ্গত সমাধান: চুক্তির গঠন এবং ব্যাখ্যার প্রকৃতি দ্বারা অর্থাৎ চুক্তিতে যদি এমন শর্ত বা অবস্থার উলে-খ থাকে যা ঘটলে চুক্তি বাতিল হবে, সেক্ষেত্রে অন্তর্নিহিত অর্থ দ্বারাই ন্যায়সঙ্গত সমাধান হবে অর্থাৎ চুক্তি বাতিল হবে।
৪. শর্তের পরিবর্তন: যে ক্ষেত্রে আদালত দেখতে পায় যেসব অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে একটি চুক্তি পালনীয় হবে যেসব অবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটেছে এবং এই পরিবর্তনের জন্য কোন পক্ষই দায়ী ছিল না। সেক্ষেত্রে চুক্তি ব্যর্থ হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।
৭৯২.
According to the Interpretation clause of The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh, The State doesn't include-
  1. the President
  2. the Government
  3. the Parliament
  4. statutory public authorities
ব্যাখ্যা
Article 152: Interpretation clause
“the State” includes Parliament, the Government and statutory public authorities;

অনুচ্ছেদ ১৫২:
"রাষ্ট্র" বলিতে সংসদ, সরকার ও সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষ অন্তর্ভুক্ত;
৭৯৩.
'ক', 'খ' -এর নিকট একশ টন তেল বিক্রি করতে সম্মত হন, কিন্তু কোন ধরণের তেল তা উল্লেখ নেই। এই সম্মতি চুক্তি আইনের কত ধারা অনুযায়ী বাতিল?
  1. ধারা ২৩
  2. ধারা ২৫
  3. ধারা ২৭
  4. ধারা ২৯
ব্যাখ্যা
Contract Act, 1872- ধারা ২৯: অনিশ্চয়তার জন্য সম্মতি বাতিল-
যে সকল সম্মতির অর্থ সুনির্দিষ্ট নয়, বা সুনির্দিষ্ট করা সম্ভব নয় সেই সকল সম্মতি বাতিল।

উদাহরণ-
(ক) ক, খ এর নিকট "একশত টন তৈল" বিক্রয় করিতে সম্মত হন। ইহাতে কোন্ ধরনের তৈল বিক্রয়ের ইচ্ছা করা হইয়াছিল সেই বিষয়টি দেখানো হয় নাই। সম্মতিটি অনির্দিষ্টতার জন্য বাতিল।
৭৯৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র জাতীয় ভাষা, সাহিত্য ও শিল্পকলাসমূহের উন্নয়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে?
  1. অনুচ্ছেদ ২৩ক
  2. অনুচ্ছেদ ২৪
  3. অনুচ্ছেদ ২৩
  4. অনুচ্ছেদ ২৫
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ২৩: জাতীয় সংস্কৃতি

রাষ্ট্র জনগণের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও উত্তরাধিকার রক্ষণের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন এবং জাতীয় ভাষা, সাহিত্য ও শিল্পকলাসমূহের এমন পরিপোষণ ও উন্নয়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন, যাহাতে সর্বস্তরের জনগণ জাতীয় সংস্কৃতির সমৃদ্ধিতে অবদান রাখিবার ও অংশগ্রহণ করিবার সুযোগ লাভ করিতে পারেন৷

Article 23: National Culture
The State shall adopt measures to conserve the cultural traditions and heritage of the people, and so to foster and improve the national language, literature and the arts that all sections of the people are afforded the opportunity to contribute towards and to participate in the enrichment of the national culture.
৭৯৫.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৬৬ ধারা অনুসারে প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মেয়াদ-
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৪ মাস
ব্যাখ্যা
- অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৬৬ ধারার বিধান উন্নয়ন ইত্যাদি করার অধিকারের প্রশ্নে কালেক্টর সিদ্ধান্ত দিবেন:
১) যদি অকৃষি প্রজা ও তার ভূ-স্বত্বাধিকারীর মধ্যে এমন প্রশ্ন উঠে-
ক) উন্নয়ন কাজ করার অধিকার সম্বন্ধে; বা
খ) কোন বিশেষ একটি কাজ উন্নয়নমূলক কি না, 
তখন যে কোন পক্ষের আবেদন অনুযায়ী ডেপুটি কমিশনার সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন।

২) ডেপুটি কমিশনারের প্রদত্ত আদেশের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে।
- এরূপ আপিলের ক্ষেত্রে জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।
-----------------------------------------------------
- Section 66. Collector to decide question as to right to make improvement, etc. 
(1) If a question arises between the non-agricultural tenant and his landlord- 
(a) as to the right to make an improvement, or 
(b) as to whether a particular work is an improvement, 
the Deputy Commissioner may, on the application of either party, decide the question. 

(2) An appeal, if presented within thirty days from the date of the order appealed against, shall lie to the District Judge from every order passed by the Deputy Commissioner under sub-section (1) and the order passed by the District Judge on such appeal shall be final.
৭৯৬.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুসারে কোনো অভিযোগ অনুসন্ধান বা তদন্তের জন্য বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ক্ষমতা প্রয়োগে কোনো ব্যক্তি বাধাপ্রদান করার অপরাধের জন্য শাস্তি-
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ১৯- অনুসন্ধান বা তদন্তকার্যে কমিশনের বিশেষ ক্ষমতা

(১) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে, কমিশনের নিম্নরূপ ক্ষমতা থাকিবে, যথা:- 
(ক) সাক্ষীর প্রতি নোটিশ জারী ও উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা; 
(খ) কোন দলিল উদ্‌ঘাটন এবং উপস্থাপন করা; 
(গ) সাক্ষ্য গ্রহণ; 
(ঘ) কোন আদালত বা অফিস হইতে পাবলিক রেকর্ড বা উহার অনুলিপি তলব করা; 
(ঙ) সাক্ষীর জিজ্ঞাসাবাদ এবং দলিল পরীক্ষা করার জন্য নোটিশ জারী করা; এবং 
(চ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নির্ধারিত অন্য যে কোন বিষয়।
 
(২) কমিশন, যে কোন ব্যক্তিকে অনুসন্ধান বা তদন্ত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন তথ্য সরবরাহ করিবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং অনুরূপভাবে নির্দেশিত ব্যক্তি তাহার হেফাজতে রক্ষিত উক্ত তথ্য সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবেন।
 
(৩) কোন কমিশনার বা কমিশন হইতে বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তাকে উপ-ধারা (১) এর অধীন ক্ষমতা প্রয়োগে কোন ব্যক্তি বাধা প্রদান করিলে বা উক্ত উপ-ধারার অধীন প্রদত্ত কোন নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ব্যক্তি অমান্য করিলে উহা দণ্ডনীয় অপরাধ হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) বত্সর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডে বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
৭৯৭.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর অধীন অগ্রক্রয়ের মামলার ক্ষেত্রে নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকার উপর কত হারে ক্ষতিপূরণ আদালতে জমা দিতে হবে?
  1. ৫%
  2. ২৫%
  3. ৬.২৫%
  4. ৮%
ব্যাখ্যা
• The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ২৪ ধারায় অগ্রক্রয়ের মামলার সাথে আদালতে জমা দিতে হবে:

- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকা [Consideration Money]; 
- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকার উপর ৫% হারে ক্ষতিপূরণ;
- ভূমি হস্তান্তরের তারিখ হতে আবেদনের সমনের নোটিশ প্রদানের তারিখের মধ্যে ভূমি হস্তান্তর করা হয়েছে সেখানে কোন দালান, স্থাপনা বা কোন উন্নয়ন করার জন্য যে ব্যয় হয়েছে সেই ব্যয়ের উপর ৬.২৫% হারে বার্ষিক সুদ প্রদান।
৭৯৮.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ কাদের জন্য প্রযোজ্য?
  1. বাংলাদেশে বসবাসকারী হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য
  2. বাংলাদেশের সকল হিন্দু ধর্মাবলম্বী নাগরিকের জন্য
  3. বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের বাইরে অবস্থানকারী সকল হিন্দু ধর্মাবলম্বী বাংলাদেশী নাগরিকের জন্য
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর ধারা ১ এ দেয়া আছে-

(১) এই আইন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ নামে অভিহিত হইবে। 
(২) ইহা নাগরিকত্ব নির্বিশেষে বাংলাদেশে বসবাসরত সকল হিন্দু ধর্মাবলম্বীর জন্য প্রযোজ্য হইবে। 
(৩) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যে তারিখ নির্ধারণ করিবে সেই তারিখে ইহা কার্যকর হইবে।
৭৯৯.
'The Prime Minister shall keep the President informed on matters of domestic and foreign policy.' - বিধানটি বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে দেয়া আছে?
  1. ৫৬ অনুচ্ছেদে
  2. ৫৫ অনুচ্ছেদে
  3. ৪৮ অনুচ্ছেদে
  4. ৫৮ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
Article 48: The President-

(1) There shall be a President of Bangladesh who shall be elected by members of Parliament in accordance with law. 

(2) The President shall, as Head of State, take precedence over all other persons in the State, and shall exercise the powers and perform the duties conferred and imposed on him by this Constitution and by any other law. 

(3) In the exercise of all his functions, save only that of appointing the Prime Minister pursuant to clause (3) of article 56 and the Chief Justice pursuant to clause (1) of article 95, the President shall act in accordance with the advice of the Prime Minister: 
Provided that the question whether any, and if so what, advice has been tendered by the Prime Minister to the President shall not be enquired into in any court. 
 
(4) A person shall not be qualified for election as President if he – 
(a) is less than thirty five years of age; or  
(b) is not qualified for election as a member of Parliament; or 
(c) has been removed from the office of President by impeachment under this Constitution. 

(5) The Prime Minister shall keep the President informed on matters of domestic and foreign policy, and submit for the consideration of the Cabinet any matter which the President may request him to refer to it.

অনুচ্ছেদ ৪৮: রাষ্ট্রপতি-

(১) বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন। 
 
(২) রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন। 
 
(৩) এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্ট্রপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না। 
 
(৪) কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি- 
(ক) পঁয়ত্রিশ বৎসরের কম বয়স্ক হন; অথবা 
(খ) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য না হন; অথবা 
(গ) কখনও এই সংবিধানের অধীন অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ হইতে অপসারিত হইয়া থাকেন। 
 
(৫) প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রীয় নীতি সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত রাখিবেন এবং রাষ্ট্রপতি অনুরোধ করিলে যে−কোন বিষয় মন্ত্রিসভায় বিবেচনার জন্য পেশ করিবেন।
৮০০.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫- এ তদন্তের স্বার্থে কম্পিউটার সিস্টেমে সংরক্ষিত তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষণের নির্দেশ দিতে পারেন কে?
  1. ট্রাইব্যুনাল
  2. তথ্য কমিশনার
  3. মহাপরিচালক
  4. তদন্তকারী অফিসার
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (গ) মহাপরিচালক।

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৩৬: তথ্য সংরক্ষণ:
(১) তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ সাপেক্ষে, বা তদন্তকারী অফিসারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, যদি মহাপরিচালকের নিকট এইরূপে প্রতীয়মান হয় যে, কম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেমে সংরক্ষিত কোনো তথ্য-উপাত্ত এই অধ্যাদেশের অধীন তদন্তের স্বার্থে সংরক্ষণ করা প্রয়োজন এবং এইরূপ তথ্য-উপাত্ত নষ্ট, ধ্বংস, পরিবর্তন অথবা দুষ্প্রাপ্য করিয়া দেওয়ার সম্ভাবনা রহিয়াছে, তাহা হইলে উক্ত কম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেমের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে উক্তরূপ তথ্য-উপাত্ত ৯০ (নব্বই) দিন পর্যন্ত সংরক্ষণের জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন।

(২) ট্রাইব্যুনাল, আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, উক্ত তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষণের মেয়াদ বর্ধিত করিতে পারিবে, তবে তাহা সর্বমোট ১৮০ (একশত আশি) দিনের অধিক হইবে না।