বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন২,৯৬৪এই পাতা৬০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৩০ / ৩০ · ২,৯০১২,৯৬০ / ২,৯৬৪

২,৯০১.
Transfer of Property Act, 1882-এর ধারা ৮১ অনুসারে "Marshalling Securities" এর মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. পরবর্তী বন্ধকগ্রহীতার স্বার্থ রক্ষা করা
  2. আদালতের মাধ্যমে জমি বাজেয়াপ্ত করা
  3. সম্পত্তির মালিকের ঋণ বহনের চাপ কমানো
  4. প্রথম বন্ধকগ্রহীতার অধিকার সর্বোচ্চ সুরক্ষা দেওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ Transfer of Property Act, 1882-এর ধারা ৮১-এ বর্ণিত "Marshalling Securities" নীতির মূল উদ্দেশ্য হলো পরবর্তী বন্ধকগ্রহীতার (subsequent mortgagee) স্বার্থ রক্ষা করা।
- এই নীতি অনুসারে, যখন একই মালিক একাধিক সম্পত্তি প্রথমে একজন বন্ধকগ্রহীতার কাছে বন্ধক রাখে এবং পরে তার মধ্যে এক বা একাধিক সম্পত্তি অন্য একজন বন্ধকগ্রহীতার কাছে বন্ধক রাখে, তখন পরবর্তী বন্ধকগ্রহীতা এই অধিকার পান যে, প্রথম বন্ধকের ঋণ যেন সেই সম্পত্তি/সম্পত্তিগুলো থেকে পরিশোধ করা হয় যেগুলো তার (পরবর্তী বন্ধকগ্রহীতার) কাছে বন্ধক রাখা হয়নি।

উদাহরণ:
মালিক A-এর X ও Y জমি প্রথমে B-এর কাছে বন্ধক। পরে শুধু Y জমি C-এর কাছে বন্ধক।
এখন C (পরবর্তী বন্ধকগ্রহীতা) দাবি করতে পারেন যে প্রথম বন্ধকের ঋণ X জমি থেকে আগে পরিশোধ হোক, যাতে তার Y জমির ওপর ঋণের চাপ না পড়ে।

- সুতরাং, Marshalling-এর প্রাথমিক লক্ষ্য হলো পরবর্তী বন্ধকগ্রহীতার স্বার্থ সংরক্ষণ করা, যাতে একই সম্পত্তিতে তার অধিকার প্রথম বন্ধকের অধিকারের কারণে ঝুঁকির মুখে না পড়ে।

⇒ Transfer of Property Act, 1882-এর ধারা ৮১-“Marshalling Securities”:
যদি কোনো ব্যক্তি (মালিক) দুই বা তার বেশি সম্পত্তি (properties) কোনো একজন ব্যক্তির কাছে বন্ধক (mortgage) রাখেন,
এবং তারপর সেই সম্পত্তিগুলোর মধ্যে এক বা একাধিক সম্পত্তি আবার অন্য ব্যক্তির কাছে বন্ধক রাখেন, তাহলে- দ্বিতীয় (পরবর্তী) বন্ধকগ্রহীতা (subsequent mortgagee) যতক্ষণ পর্যন্ত বিপরীত কোনো চুক্তি না থাকে- এই অধিকারের অধিকারী হবেন যে, আগের বন্ধকের টাকা (prior mortgage-debt) সেই সম্পত্তি বা সম্পত্তিগুলো থেকে পরিশোধ করা হবে যেগুলো দ্বিতীয় বন্ধকগ্রহীতার কাছে বন্ধক রাখা হয়নি, যতদূর পর্যন্ত তা সম্ভব হয়।

তবে এই অধিকার এভাবে প্রয়োগ করা যাবে না যাতে-
আগের বন্ধকগ্রহীতার (prior mortgagee) অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়, অথবা এমন কোনো ব্যক্তির অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হয় যিনি বিনিময়ে (for consideration) ঐ সম্পত্তির কোনো স্বার্থ অর্জন করেছেন।

⇒ The Transfer of Property Act, 1882 Section-81: Marshalling securities:
If the owner of two or more properties mortgages them to one person and then mortgages one or more of the properties to another person, the subsequent mortgagee is, in the absence of a contract to the contrary, entitled to have the prior mortgage-debt satisfied out of the property or properties not mortgaged to him, so far as the same will extend, but not so as to prejudice the rights of the prior mortgagee or of any other person who has for consideration acquired an interest in any of the properties.

২,৯০২.
শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ১৫ক এর দফা (গ) অনুযায়ী, মামলা প্রেরণের বিষয়ে কোন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে?
  1. প্রবেশন কর্মকর্তাকে
  2. পাবলিক প্রসিকিউটরকে
  3. শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তাকে
  4. জেলা ও দায়রা জজ আদালতকে
ব্যাখ্যা

শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ১৫ক- মামলা বিচারের জন্য প্রেরণ বা স্থানান্তর:
কোনো অপরাধ আমলে গ্রহণ করিবার পর, মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত করিয়া-
(ক) শিশু কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ বিচারের জন্য মামলাটি প্রয়োজনীয় কাগজাদিসহ শিশু আদালতে প্রেরণ করিতে হইবে;
(খ) প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ বিচারের জন্য মামলাটি প্রয়োজনীয় কাগজাদিসহ এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে প্রেরণ করিতে হইবে; এবং
(গ) দফা (ক) ও (খ) এর অধীন মামলা প্রেরণের বিষয়টি পাবলিক প্রসিকিউটরকে অবহিত করিতে হইবে।

২,৯০৩.
সরকারী কর্ম কমিশন তাদের বার্ষিক কখন প্রস্তুত করে?
  1. জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে বা তার পূর্বে
  2. ফেব্রুয়ারির প্রথম দিবসে
  3. মার্চের প্রথম দিবসে বা তার পূর্বে
  4. ডিসেম্বরের শেষ দিনে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪১- বার্ষিক রিপোর্ট:
(১) প্রত্যেক কমিশন প্রতি বৎসর মার্চ মাসের প্রথম দিবসে বা তাহার পূর্বে পূর্ববর্তী একত্রিশে ডিসেম্বরে সমাপ্ত এক বৎসরে স্বীয় কার্যাবলী সম্বন্ধে রিপোর্ট প্রস্তুত করিবেন এবং তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিবেন। 
 
(২) রিপোর্টের সহিত একটি স্মারকলিপি থাকিবে, যাহাতে 
(ক) কোন ক্ষেত্রে কমিশনের কোন পরামর্শ গৃহীত না হইয়া থাকিলে সেই ক্ষেত্র এবং পরামর্শ গৃহীত না হইবার কারণ; এবং 
(খ) যে সকল ক্ষেত্রে কমিশনের সহিত পরামর্শ করা উচিত ছিল অথচ পরামর্শ করা হয় নাই, সেই সকল ক্ষেত্র এবং পরামর্শ না করিবার কারণ; সম্বন্ধে কমিশন যতদূর অবগত, ততদূর লিপিবদ্ধ করিবেন। 
 
(৩) যে বৎসর রিপোর্ট পেশ করা হইয়াছে, সেই বৎসর একত্রিশে মার্চের পর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে রাষ্ট্রপতি উক্ত রিপোর্ট ও স্মারকলিপি সংসদে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করিবেন।
২,৯০৪.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ অনুসারে ‘‘হিন্দু’’ অর্থ-
  1. বাংলাদেশে বসবাসকারী হিন্দু ধর্মাবলম্বী কোন ব্যক্তি
  2. বাংলাদেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বী কোন নাগরিক
  3. মুসলিম ছাড়া বাংলাদেশে বসবাসকারী অনন্য কোন ধর্মাবলম্বী নাগরিক
  4. হিন্দু ধর্মাবলম্বী কোন ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর ২ ধারার বিধান: সংজ্ঞা: বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে, এই আইনে,-
 (ক) ‘‘হিন্দু’’ অর্থ বাংলাদেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বী কোন নাগরিক;
২,৯০৫.
ফাতেমা তার স্বামী ও ২ বোনকে রেখে মারা যায়। ফাতেমার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে স্বামীর মোট অংশ কত হবে?
  1. ৫/৬ অংশ
  2. ৪/৬ অংশ
  3. ৩/৭ অংশ
  4. ৪/৭ অংশ
ব্যাখ্যা
• স্বামী = ১/২ (সন্তান বা সন্তানের সন্তান নেই);
দুই বোন = ২/৩ [সন্তান, সন্তানের সন্তান (যত নিম্ন হোক), পিতা, পিতার পিতা (যত উর্ধ্বে হোক) নেই];
 
স্বামীর অংশ = ১/২ = ৩/৬  অংশ,
দুই বোনের অংশ = ২/৩ = ৪/৬  অংশ,
 
মোট সম্পত্তি = ৩/৬ + ৪/৬ = ৭/৬, যা সম্পূর্ণ সম্পত্তি বা ১- এর চেয়ে বেশি।

এক্ষেত্রে আউলের নীতি প্রয়োগ করতে হবে-
 
ভগ্নাংশদ্বয়ের লবের যোগফল (৩+৪)=৭ কে হরের স্থানে প্রতিস্থাপন করে পাই:
 
স্বামী = ৩/৭  অংশ,
দুই বোন = ৪/৭  অংশ,

∴ মোট সম্পত্তি = ৩/৭ + ৪/৭ = ৭/৭ = ১ বা সম্পূর্ণ অংশ।
২,৯০৬.
চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৪৮ কোন ধরনের চুক্তি সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. জিম্মা চুক্তি
  2. দান চুক্তি
  3. ভাড়া চুক্তি
  4. বিক্রয় চুক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৪৮-এর শিরোনামই হলো “Bailment”, “bailor”, and “bailee” defined। এই ধারায় জিম্মা চুক্তি (Bailment)-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, যেখানে এক ব্যক্তি (জিম্মাদাতা) নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে অস্থাবর সম্পত্তি (goods) অন্য ব্যক্তির (জিম্মাদার) কাছে প্রদান করে এবং উদ্দেশ্য সাধিত হলে তা ফেরত বা জিম্মাদাতার নির্দেশ অনুসারে বিলি করার চুক্তি বর্ণিত হয়।

⇒ চুক্তি আইনের ১৪৮ ধারার বিধান "জিম্মা", "জিম্মাদাতা" এবং "জিম্মাদার" এদের সংজ্ঞা (Bailment, bailor, and bailee defined):
- জিম্মা- চুক্তির ভিত্তিতে কোন ব্যক্তি কর্তৃক অপর কোন ব্যক্তিকে কোনো উদ্দেশ্যে কোন মালপত্র এরূপভাবে প্রদান করা হয় যে, যখন উদ্দেশ্য সাধিত হয় তখন মাল প্রদানকারীর নির্দেশ অনুসারে তা ফেরত দিতে বা অন্যভাবে এর বিলি ব্যবস্থা করতে হবে।
- জিম্মাদাতা- মালামাল প্রদানকারী ব্যক্তিকে জিম্মাদাতা বলা হয়।
- জিম্মাদার- যে ব্যক্তির নিকট এগুলি প্রদান করা হয় তাকে জিম্মাদার বলা হয়।
- জিম্মা এমন একধরনের চুক্তি যেখানে ২টি পক্ষ থাকে। যেমন: জিম্মাদাতা ও জিম্মাদার।
- এই ধরনের চুক্তি দ্বারা অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করা যায়।
-----------
⇒ The Contract Act, 1872- Section 148. "Bailment", "bailor", and "bailee" defined:
A "bailment" is the delivery of goods by one person to another for some purpose, upon a contract that they shall, when the purpose is accomplished, be returned or otherwise disposed of according to the directions of the person delivering them.
The person delivering the goods is called the "bailor".
The person to whom they are delivered is called the "bailee". 
Explanation – If a person already in possession of the goods of another contracts to hold them as a bailee, he thereby becomes the bailee, and the owner becomes the bailor, of such goods although they may not have been delivered by way of bailment.

২,৯০৭.
হিন্দু আইনে দত্তক গ্রহণের প্রধান উদ্দেশ্য কয়টি?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
হিন্দু আইনে দত্তক গ্রহণ:
হিন্দু আইনের অধীনে অন্যের পুত্রকে নিজের পুত্র হিসেবে গ্রহণ করার প্রক্রিয়াকে দত্তক গ্রহণ বলা হয়। এটি একটি সুপ্রাচীন প্রথা, যা রোমান আইনেও প্রচলিত ছিল। তবে বর্তমানে হিন্দু আইন ছাড়া অন্যান্য আইনব্যবস্থায় দত্তক গ্রহণের তেমন কোনো বিধান নেই।
→ দত্তক গ্রহণের উদ্দেশ্য:- হিন্দু আইনে দত্তক গ্রহণের দুটি প্রধান উদ্দেশ্য রয়েছে—একটি ধর্মীয় এবং অপরটি পার্থিব।

(১) ধর্মীয় কারণ:
হিন্দু ধর্মশাস্ত্র মতে, পুত্রহীন ব্যক্তি মৃত্যুর পর স্বর্গ লাভ করতে পারে না। মুনি বশিষ্ঠ বলেছেন— "পুত্রহীনদের স্বর্গে কোনো স্থান নাই।"
একজন ব্যক্তি মৃত্যুর পর তার পুত্র, পৌত্র ও প্রপৌত্রের কাছ থেকে পিণ্ড (শ্রাদ্ধের অর্ঘ্য) লাভের অধিকারী হন। যদি কারও এই উত্তরাধিকারী না থাকে, তবে তিনি মৃত্যুর পর এ অধিকার থেকে বঞ্চিত হন। তাই ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে দত্তক গ্রহণের গুরুত্ব অপরিসীম।
(২) পার্থিব কারণ:
মানুষ তার বংশপরম্পরা বজায় রাখতে চায়। দত্তক নেওয়ার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি নিশ্চিত করতে পারেন যে তার নাম ও বংশ পরবর্তী প্রজন্মে বহাল থাকবে। তার মৃত্যুর পর তার দত্তকপুত্র উত্তরাধিকার বহন করবে, যা পার্থিব দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ।
২,৯০৮.
'Doctrine of Election' এর ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধান সঠিক নয়?
  1. উভয় হস্তান্তর একই দলিলে হবে
  2. ইকুইটি নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত
  3. হস্তান্তরকারী অবশ্যই নিজের সম্পত্তি হস্তান্তরের ঘোষণা করবেন
  4. নির্বাচনের পূর্বে হস্তান্তরকারীর মৃত্যু হলে হস্তান্তরগ্রহীতা ক্ষতিপূরণ পাবে
ব্যাখ্যা
Doctrine of Election:
নির্বাচন বলতে একই দলিলে দুই বা ততোধিক বিষয়বস্তুর মধ্যে নির্দিষ্ট সংখ্যক বিষয়বস্তুর নির্বাচন করা বুঝায়। ইকুইটি নীতির উপর Doctrine of Election প্রতিষ্ঠিত। সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৩৫ ধারায় এর বিধান রয়েছে।

এই নীতির পূর্বশর্ত হলো-
হস্তান্তরকারী অবশ্যই অন্যের মালিকানাধীন সম্পত্তি হস্তান্তরের ঘোষণা করবেন।
⇒ ঐ সম্পত্তি ৩য় ব্যক্তি বরাবর হস্তান্তর করবেন।
⇒ একই সময়ে হস্তান্তরকারীকে নিজের কিছু সম্পত্তি মূল সম্পত্তির মালিককে হস্তান্তর করবে।
২টি হস্তান্তর একই দলিলে হবে।
⇒ একটি সুবিধা গ্রহণ এবং অপর একটি সুবিধা বর্জন, অর্থাৎ কোন ব্যক্তি একই সঙ্গে কোন বিষয়ে অনুমোদন এবং প্রত্যাখ্যান করতে পারে না।
নির্বাচনের পূর্বে হস্তান্তরকারীর মৃত্যু বা পুনরায় হস্তান্তর করতে অক্ষম হয়ে পড়লে, তাহলে হস্তান্তরকারীর নিকট থেকে হস্তান্তরগ্রহীতা ক্ষতিপূরণ পাবে। 

Doctrine of Election এর ব্যতিক্রম:
⇒ একই লেনদেনে প্রদত্ত অন্য কোন সুবিধা সম্পত্তির বিনিময় নয় তা পরিত্যাগ করতে সম্পত্তির মালিক বাধ্য নয়।
⇒ অসম্মতি জ্ঞাপন না করে মালিক ২ বছর ধরে তাকে প্রদত্ত সুবিধা ভোগ করলে, সে সকল বিষয় সম্পর্কে অবগত ছিল এবং তদন্তের অধিকার বর্জন করেছিল মর্মে ধরে নিতে হবে।
⇒ হস্তান্তরিত সম্পত্তির মালিক যদি এমন কোন কাজ করে যার ফলে হস্তান্তরিত সম্পত্তিতে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণকে ঐ কাজ করার পূর্বে যে মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত ছিল সেই মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করা অসম্ভব হয়ে পড়ে।
⇒ হস্তান্তরগ্রহীতা নির্বাচন করার ব্যপারে অক্ষম হলে যতদিন উক্ত অক্ষমতার অবসান না ঘটে বা কোন যোগ্যতা সম্পন্ন কর্তৃপক্ষ নির্বাচন না করেন, ততদিন নির্বাচন স্থগিত থাকবে।
২,৯০৯.
The fundamental rights of the citizens as provided in the Bangladesh Constitution do not include:
  1. Rights to property
  2. Protection of home and correspondence
  3. Freedom of association
  4. Right to health
ব্যাখ্যা
মৌলিক অধিকার [Fundamental Rights]:

মৌলিক অধিকার হলো বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে স্বীকৃত এবং সুরক্ষিত অধিকারসমূহ এবং যে সকল অধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সংবিধানের ৪৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে যেমন হাইকোর্ট বিভাগে প্রতিকার পাওয়া যায়। সংবিধানের তৃতীয় ভাগের ২৬ থেকে ৪৭ক অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত বিধান আলোচনা করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ২৭ থেকে ৪৪ পর্যন্ত মোট ১৮টি অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকারের স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। মৌলিক অধিকার বলবৎ করতে হাইকোর্ট বিভাগে রিট দায়ের করার অধিকার ৪৪ অনুচ্ছেদে দেয়া হয়েছে এবং এই কারণে ৪৪ অনুচ্ছেদে উল্লিখিত মৌলিক অধিকার বলবৎ সংক্রান্ত বিধানটিও মৌলিক অধিকার হিসাবে গণ্য হবে। উল্লেখিত মৌলিক অধিকারসমূহ হলো-

সমতা সংক্রান্ত মৌলিক অধিকার: 

অনুচ্ছেদ ২৭- আইনের দৃষ্টিতে সমতা [Equality before law]
অনুচ্ছেদ ২৮- ধর্ম প্রভৃতি কারণে বৈষম্য [Discrimination on grounds of religion etc.]
অনুচ্ছেদ ২৯- সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা [Equality of opportunity in public employment]

আইন, গ্রেফতার, বিচার ও দণ্ড সম্পর্কিত মৌলিক অধিকার: 


অনুচ্ছেদ ৩১- আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার [Right to protection of law]
অনুচ্ছেদ ৩২- জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ [Protection of right to life and personal liberty]
অনুচ্ছেদ ৩৩- গ্রেফতার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ [Safeguards as to arrest and detention] 
অনুচ্ছেদ ৩৫- বিচার ও দন্ড সম্পর্কিত রক্ষণ [Protection in respect of trial and punishment]

জবরদস্তির বিরুদ্ধে অধিকার: 
অনুচ্ছেদ ৩১- জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ [Prohibition of forced labour)

স্বাধীনতা সংক্রান্ত মৌলিক অধিকার: 

অনুচ্ছেদ ৩৬- চলাফেরার স্বাধীনতা [Freedom of movement] 
অনুচ্ছেদ ৩৭- সমাবেশের স্বাধীনতা [Freedom of assembly]
অনুচ্ছেদ ৩৮- সংগঠনের স্বাধীনতা [Freedom of association]
অনুচ্ছেদ ৩৯- চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা [Freedom of thought and conscience, and of speech]
অনুচ্ছেদ ৪০- পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা [Freedom of profession or occupation]
অনুচ্ছেদ ৪১- ধর্মীয় স্বাধীনতা [Freedom of religion] 

সম্পত্তি সংক্রান্ত মৌলিক অধিকার:

অনুচ্ছেদ ৩০- বিদেশী খেতাব প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ [Prohibition of foreign titles, etc.]
অনুচ্ছেদ ৪২- সম্পত্তির অধিকার [Right to property]
অনুচ্ছেদ ৪৩- গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ [Protection of home and correspondence]

সাংবিধানিক প্রতিকার প্রাপ্তির অধিকার:
অনুচ্ছেদ ৪৪- মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ [Enforcement of fundamental rights]
২,৯১০.
'Freedom of religion' is enshrined in the ________ of The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh.
  1. Articles 12, 40
  2. Articles 13, 41
  3. Articles 12, 41
  4. Articles 11,40
ব্যাখ্যা
• Article 12: Secularism and freedom of religion

The principle of secularism shall be realised by the elimination of- 
(a) communalism in all its forms;
(b) the granting by the State of political status in favour of any religion; 
(c) the abuse of religion for political purposes; 
(d) any discrimination against, or persecution of, persons practicing a particular religion.

অনুচ্ছেদ ১২: ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা

ধর্ম নিরপেক্ষতা নীতি বাস্তবায়নের জন্য-
  (ক) সর্ব প্রকার সাম্প্রদায়িকতা, 
  (খ) রাষ্ট্র কর্তৃক কোন ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা দান, 
  (গ) রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মীয় অপব্যবহার, 
  (ঘ) কোন বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির প্রতি বৈষম্য বা তাহার উপর নিপীড়ন, বিলোপ করা হইবে।

Article 41: Freedom of religion

(1) Subject to law, public order and morality – 
(a) every citizen has the right to profess, practise or propagate any religion; 
(b) every religious community or denomination has the right to establish,maintain and manage its religious institutions. 

(2) No person attending any educational institution shall be required to receive religious instruction, or to take part in or to attend any religious ceremony or worship, if that instruction, ceremony or worship relates to a religion other than his own.

অনুচ্ছেদ ৪১: ধর্মীয় স্বাধীনতা

(১) আইন, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতা-সাপেক্ষে 
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রহিয়াছে; 
(খ) প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায় ও উপ-সম্প্রদায়ের নিজস্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্থাপন, রক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার অধিকার রহিয়াছে। 
 
(২) কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে যোগদানকারী কোন ব্যক্তির নিজস্ব ধর্ম-সংক্রান্ত না হইলে তাঁহাকে কোন ধর্মীয় শিক্ষাগ্রহণ কিংবা কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা উপাসনায় অংশগ্রহণ বা যোগদান করিতে হইবে না।
২,৯১১.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩- এ নতুন কোন বিষয় সংযুক্ত করা হয়েছে?
  1. আপিলে আপোষ ডিক্রি
  2. রুদ্ধদ্বার কক্ষে বিচার
  3. পক্ষগণের অনুপস্থিতির ফলাফল
  4. আরজি ও লিখিত জবাব সংশোধন
ব্যাখ্যা
⇒ ১৯৮৫ সালের আইন অনুযায়ী আরজি ও জবাব সংশোধনের সুযোগ ছিলো না। পারিবারিক আদালত আইন,২০২৩ এর ৯ ধারায় আরজি ও জবাব সংশোধনের সুযোগ রাখা হয়েছে।

ধারা ৯- আরজি ও লিখিত জবাব সংশোধন

এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত, কোনো পক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, করণিক ভুল সংশোধনের উদ্দেশ্যে অথবা অন্য কোনো কারণে পক্ষগণের মধ্যে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করিবার জন্য আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনের আদেশ দিতে পারিবে :

তবে শর্ত থাকে যে, যদি আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয়, এইরূপ সংশোধনের আবেদন মোকদ্দমার বিচার কার্যক্রম বিলম্বিত করিবার উদ্দেশ্যে আনয়ন করা হইয়াছে, সেইক্ষেত্রে আদালত উক্তরূপ সংশোধনীর আদেশ প্রদান করিবে না।
২,৯১২.
রেজিস্ট্রেশন আইনের ১৮ ধারার বিধান কী?
  1. Registration of contract for sale
  2. Description of property and maps or plans
  3. Documents of which registration is compulsory
  4. Documents of which registration is optional
ব্যাখ্যা
রেজিস্ট্রেশন আইনের ১৮ ধারার বিধান: যে সকল দলিলের নিবন্ধন ঐচ্ছিক (Documents of which registration is optional): ১৭ ধারার অধীনে যে সকল দলিল নিবন্ধন বাধ্যতামূলক নয় সে সকল দলিলেরও নিবন্ধন করা যাবে।
 
• ধারা ১৭(২) অনুযায়ী নিম্নলিখিত দলিল নিবন্ধন বাধ্যতামূলক না (optional):
১. যে কোন প্রকার সোলেনামা;
২. জয়েন্ট স্টক কোম্পানির শেয়ার সংক্রান্ত দলিল;
৩. উক্ত কোম্পানি ইস্যুকৃত ডিবেঞ্চার যা অধিকার সৃষ্টি করে না;
৪. রাজস্ব কর্মকর্তা কর্তৃক প্রস্তুতকৃত বাটোয়ারা দলিল;
৫. নিলামে বিক্রিত কোন সম্পত্তির ক্রেতার বরাবর মঞ্জুরকৃত নিলামের বিক্রয়নামা;
৬. সরকার কর্তৃক স্থাবর সম্পত্তির কোন মঞ্জুরি;
৭. ১০০ টাকা বা তার অধিক মূল্যের স্থাবর সম্পত্তির দলিল যা কোন অধিকার সৃষ্টি করে না।
২,৯১৩.
কোন অকৃষি জমি লিখিত ইজারার অধীন কমপক্ষে কত বছর দখলে থাকলে, ইজারাটি চিরস্থায়ীভাবে নবায়ন করার অধিকারী হবে?
  1. ৮ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ২০ বছর
ব্যাখ্যা
• অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইনের ৮ ধারা মতে-
কোন অকৃষি জমি লিখিত ইজারার অধীন কমপক্ষে ১২ বছর দখলে থাকে এবং লিখিত ইজারার উক্ত মেয়াদ শেষ হওয়ার পর রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০ এর ১৪ অধ্যায়ের অধীন ন্যায় ও যুক্তিসঙ্গত খাজনা নির্ধারণ করে ইজারাটি চিরস্থায়ীভাবে নবায়ন করার অধিকারী হবে।

Section 8- Renewals of lease of tenancies held for not less than twelve years and succession to, and transfer of, such tenancies:
(1) Notwithstanding anything contained in any other law for the time being in force or in any contract, where any non-agricultural land is held under a lease in writing for a term of not less than twelve years specified in such lease, the tenant holding such land shall, on the expiration of the period so specified, be entitled to the renewal of such lease for perpetuity on such fair and reasonable rent as may be determined under Chapter XIV of the 7 State Acquisition and Tenancy Act, 1950: 

Provided that no premium or salami shall be payable in respect of such renewal.
২,৯১৪.
মুসলিম আইনানুযায়ী কোনটি ওয়াকফ্ এর বৈধ উদ্দেশ্য নয়?
  1. পয়ঃপ্রণালি নির্মাণ
  2. ভিক্ষুককে অর্থ দান
  3. মসজিদে আলোর ব্যবস্থা করা
  4. ১০ বছরের জন্য ঈদগাহে দান
ব্যাখ্যা
ওয়াকফ:
- মালিকানার দাবি না রেখে ধর্মীয় বা দাতব্য কাজের জন্য স্থায়ীভাবে কোন সম্পত্তি উৎসর্গ করাকে ওয়াকফ বলা হয়৷ ওয়াকফ অধ্যাদেশ, ১৯৬২ অনুসারে কোন মুসলমান দ্বারা ধর্মীয় , পবিত্র বা দাতব্য কাজের উদ্দেশ্যে তার স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি স্থায়ীভাবে উৎসর্গ করা কে ওয়াকফ বলা হয়। যিনি ওয়াকফ করে তাকে ওয়াকিফ বলে।
-১৯৬২ সালের ওয়াকফ অধ্যাদেশ এর ২ ধারায় বলা হয়েছে যে:
কোনো মুসলমান কর্তৃক ধর্মীয়, পবিত্র বা দাতব্য কাজের উদ্দেশ্যে তার স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি স্থায়ী ভাবে উৎসর্গ করাকে বুঝায়।

ওয়াকফ দুই প্রকারঃ-
১- ওয়াকফ লিল্লাহ (ধর্মীয় বা দাতব্য উদ্দেশ্যে ওয়াকফ করা) এবং 
২- ওয়াকফ আল-আওলাদ ( সম্পত্তি ওয়াকফ করে তার আয় হতে নিজের সন্তান সন্ততি বা তার বংশধর বা নিজের ভারণ পোষণের ব্যবস্থা করা। তবে বংশধরদের মৃত্যুর পরে ওয়াকফ সম্পত্তির আয় দাতব্য বা ধর্মীয় কাজে ব্যয়িত হবে।

প্রদত্ত সংজ্ঞানুযায়ী, ওয়াকফ চিরস্থায়ী হতে এবং চিরতরে স্থায়ী উদ্দেশ্যে করা হয়। অর্থাৎ, উল্লিখিত অপশনসমূহের মধ্যে ‘১০ বছরের জন্য ঈদগাহে দান’ যা চিরস্থায়ী নয়, তা ওয়াকফ্ এর বৈধ উদ্দেশ্য হিসেবে গণ্য হবে না।
২,৯১৫.
নিম্নের কোন আইনের মাধ্যমে বেনামী হস্তান্তর নিষিদ্ধ করা হয়েছে?
  1. The State Acquisition And Tenancy Act 1950
  2. The Land Reforms Ordinance, 1984
  3. The Transfer of Property Act, 1882
  4. The Registration Act, 1908
ব্যাখ্যা
পূর্বে  Land Reforms Ordinance, 1984 আইনে বেনামী হস্তান্তর নিষিদ্ধ ছিল। এই আইন রহিত করে 'ভূমি সংস্কার আইন, ২০২৩' প্রণীত হয়। বর্তমানে এই আইনের ৫ ধারার অধীন বেনামী হস্তান্তর নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ধারা ৫- স্থাবর সম্পত্তির বেনামি লেনদেন:

(১) কোনো ব্যক্তি নিজের উপকারার্থে কোনো স্থাবর সম্পত্তির বেনামি লেনদেন করিতে পারিবেন না।

ব্যাখ্যা- এই ধারায় ‘বেনামি লেনদেন' বলিতে কোনো ব্যক্তি কর্তৃক নিজের উপকারার্থে অন্য কোনো ব্যক্তির নামে কোনো স্থাবর সম্পত্তি ক্রয়কে বুঝাইবে।

(২) কোনো স্থাবর সম্পত্তির মালিক রেজিস্ট্রিকৃত দলিলের মাধ্যমে উক্ত সম্পত্তি হস্তান্তর বা দান করিলে, ইহা অনুমান করিতে হইবে যে, মালিক হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে উক্ত সম্পত্তিতে নিহিত তাহার উপকারদায়ক স্বার্থ হস্তান্তর বা দান করিয়াছেন এবং হস্তান্তর গ্রহীতা তাহার নিজের উপকারার্থে উক্ত সম্পত্তি ধারণ করিয়াছেন এবং মালিক উক্ত সম্পত্তিতে তাহার উপকারদায়ক স্বার্থ হস্তান্তর করিবার অভিপ্রায় করেন নাই অথবা হস্তান্তর-গ্রহীতা মালিকের উপকারার্থে উক্ত সম্পত্তি ধারণ করিয়াছেন, ইহা প্রমাণ করিবার জন্য মৌখিক বা দালিলিক কোনো সাক্ষ্য কোনো আদালত বা কর্তৃপক্ষের সম্মুখে কোনো কার্যধারায় গ্রহণযোগ্য হইবে না।

(৩) কোনো স্থাবর সম্পত্তির রেজিস্ট্রিকৃত দলিলের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির নিকট হস্তান্তর করা হইলে, ইহা অনুমান করিতে হইবে যে, উক্ত ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তি তাহার নিজ উপকারার্থে অর্জন করিয়াছেন এবং উক্তরূপ হস্তান্তরের পণ অন্য কোনো ব্যক্তি পরিশোধ বা প্রদান করিলে ইহা অনুমান করিতে হইবে যে, উক্ত অন্য ব্যক্তি হস্তান্তর-গ্রহীতার উপকারার্থে উক্ত পণ পরিশোধ বা প্রদান করিবার অভিপ্রায় করিয়াছেন এবং হস্তান্তর-গ্রহীতা অন্য কোনো ব্যক্তির উপকারার্থে বা পণ পরিশোধকারী বা প্রদানকারীর উপকারার্থে উক্ত সম্পত্তি ধারণ করিয়াছেন, ইহা প্রমাণ করিবার জন্য মৌখিক বা দালিলিক কোনো সাক্ষ্য কোনো আদালত বা কর্তৃপক্ষের সম্মুখে কোনো কার্যধারায় গ্রহণযোগ্য হইবে না।
২,৯১৬.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে কোন পদ্ধতিতে অর্থদণ্ড আদায় করতে পারে?
  1. দণ্ডিত ব্যক্তিকে কারাবন্দী রেখে
  2. সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম বিক্রয় করে
  3. ক্রোক ছাড়া সম্পত্তি সরাসরি নিলামে বিক্রয় করে
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০: ধারা ১৬: অর্থদণ্ড বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের পদ্ধতি:
এই আইনের অধীনে কোন অর্থদণ্ড আরোপ করা হইলে, ট্রাইব্যুনাল সংশ্লিষ্ট জেলার কালেক্টরকে, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে বা অনুরূপ বিধি না থাকিলে, ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে, অপরাধীর স্থাবর বা অস্থাবর বা উভয়বিধ সম্পত্তির তালিকা প্রস্তুতক্রমে ক্রোক ও নিলাম বিক্রয় বা ক্রোক ছাড়াই সরাসরি নিলামে বিক্রয় করিয়া বিক্রয়লব্ধ অর্থ ট্রাইব্যুনালে জমা দিবার নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং ট্রাইব্যুনাল উক্ত অর্থ অপরাধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রদানের ব্যবস্থা করিবে।
২,৯১৭.
নিচের কোন বয়সের নারীর ক্ষেত্রে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৯খ প্রযোজ্য?
  1. যেকোন বয়স
  2. ১৬ বছরের কম
  3. ১৬ বছরের বেশি
  4. ১৮ বছরের কম
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৯খ: বিয়ের প্রলোভনের মাধ্যমে যৌনকর্ম করিবার দণ্ড
যদি কোন ব্যক্তি দৈহিক বলপ্রয়োগ ব্যতীত বিবাহের প্রলোভন দেখাইয়া ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সংগে যৌনকর্ম করেন এবং যদি উক্ত ঘটনার সময় উক্ত ব্যক্তির সহিত উক্ত নারীর আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।]
২,৯১৮.
The Transfer of Property Act, 1882 এর বিধান মতে নিম্নের কোনটি নালিশযোগ্য দাবি (actionable claim) নয়-
  1. জামানত বিহীন ঋণ
  2. জামানতে গৃহীত ঋণ
  3. বকেয়া করের দাবি
  4. চুক্তির সুবিধা বা লাভের দাবি
ব্যাখ্যা
নালিশযোগ্য দাবী (Actionable Claim)

অনিরাপদ ঋণের দাবীকে নালিশযোগ্য দাবী বলা হয়েছে। অনিরাপদ ঋণ অর্থ যে ঋণের বিপরীতে কোন জামানত থাকে না বা জামানতবিহীন ঋণ। জামানতসহ বন্ধকের ক্ষেত্রে ঋণের দাবী নালিশযোগ্য দাবী না কারণ বন্ধক একটি নিরাপদ ঋণ।

Section 3:
“Actionable claim” means a claim to any debt, other than a debt secured by mortgage of immoveable property or by hypothecation or pledge of moveable property, or to any beneficial interest in moveable property not in the possession, either actual or constructive, of the claimant, which the Civil Courts recognize as affording grounds for relief, whether such debt or beneficial interest be existent, accruing, conditional or contingent:
২,৯১৯.
"Actori incumbit probatio"- কোন ধরনের আইনি নীতির সাথে সম্পর্কিত?
  1. সাজা প্রদান
  2. আদালতের সিদ্ধান্ত
  3. প্রমাণের দায়িত্ব
  4. বিচারকাজের সময়সীমা
ব্যাখ্যা
প্রবচন: "Actori incumbit probatio"
অর্থ: অভিযোগকারীকে প্রমাণের দায়িত্ব পালন করতে হয়।

এই ল্যাটিন প্রবচনটির মানে হচ্ছে, যে ব্যক্তি কোন বিষয় দাবি করে, তাকে সেই দাবির সমর্থনে প্রমাণ উপস্থাপন করতে হয়। এটি সাধারণত আইনের একটি মৌলিক নীতি যা প্রমাণের বোঝা বা দায়ভার অভিযোগকারীর উপর আরোপ করে। অপরাধের ক্ষেত্রে, যেমন একটি অপরাধমূলক মামলা, অভিযোগকারী বা প্রসিকিউটরের উপর থাকে প্রমাণের দায়িত্ব। অপরাধী না হওয়ার দৃষ্টিকোণ থেকে আসামীর প্রতি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করার দায়িত্ব থাকে না, তবে তার পক্ষে সঠিক বা নির্দোষ হওয়ার কিছু প্রমাণ থাকতে পারে।

উদাহরণস্বরূপ, যদি একজন ব্যক্তি অন্য একজনের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ করেন, তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি চুরি করেননি এমন প্রমাণ উপস্থাপন না করলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হতে পারে।
এই নীতিটি বিভিন্ন আইনি পদ্ধতিতে, বিশেষ করে বিচার ব্যবস্থায় ব্যবহৃত হয়, যেখানে অভিযোগকারীর উপর প্রমাণ দাখিল করার দায়িত্ব থাকে।
এটি কীভাবে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে:
২,৯২০.
চুক্তি আইনের কত ধারায় সাব-এজেন্ট এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ১৯৩ ধারায়
  2. ১৯১ ধারায়
  3. ১৯০ ধারায়
  4. ১৯২ ধারায়
ব্যাখ্যা
চুক্তি আইনের ১৯১ ধারায় সাব-এজেন্ট এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ১৯১ ধারায় বলা হয়েছে, সাব এজেন্ট হলো এমন ব্যক্তি যে প্রতিনিধিত্বের ব্যবসায় মূল এজেন্ট কর্তৃক নিযুক্ত হয় এবং তার নিয়ন্ত্রণাধীনে কাজ করে।

A 'sub- agent' is a person employed by, and acting under the control of, the original agent in the business of the agency

→ সাব-এজেন্টের কার্যের জন্য এজেন্ট মালিকের নিকট দায়ী [ধারা ১৯২]।
→ সাব-এজেন্ট তার কার্যের জন্য এজেন্টের নিকট দায়ী কিন্তু প্রতারণা বা স্বেচ্ছামূলক ভুল ব্যতিত মালিকের নিকট দায়ী নয় (ধারা ১৯২)।
২,৯২১.
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এ সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে-
  1. ২ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ ভূমি সংশ্লিষ্ট অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের উদ্দেশ্যে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন।
- সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও নাগরিকের স্বীয় মালিকানাধীন ভূমিতে দখল ও প্রাপ্য অধিকার নিশ্চিতকরণে ভূমি সংশ্লিষ্ট অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রয়োজনীয় প্রতিকারের লক্ষ্যে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণসহ সুসংহত বিধান করা এবং ভূমি বিরোধ দ্রুত নিরসন করার জন্য। বাংলাদেশ সরকার ২০২৩ সালে "ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩" প্রণয়ন করে।
এই আইনের ৪ ধারায় " ভূমি প্রতারণা সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড" এবং ৫ ধারায় "ভূমি জালিয়াতি সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড" এর বিধান হিসেবে ৭ বছর কারাদণ্ড রাখা হয়েছে। যেটা ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এ সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান।

অর্থাৎ ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এ সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান হলো ৭ বছর কারাদণ্ড।
২,৯২২.
আইন শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর আওতায় মিথ্যা মামলা দায়েরের শান্তি কত বৎসর কারাদণ্ড?
  1. ২ থেকে ৫
  2. ৩ থেকে ৫
  3. ২ থেকে ৭
  4. ১ থেকে ২
ব্যাখ্যা
⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ৬ ধারার বিধান মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের, ইত্যাদির শাস্তি:
- যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনের কোন ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নাই জানিয়াও তাহার বিরুদ্ধে কোন মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান, তাহা হইলে প্রথমোক্ত ব্যক্তি অন্যুন দুই বছর এবং অনধিক পাঁচ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন৷
২,৯২৩.
পারিবারিক আদালতে মোকদ্দমা চলাকালীন কখন আরজি সংশোধন করা যায়?
  1. লিখিত জবাব দাখিলের আগে
  2. আরজি দাখিলের ৭ দিনের মধ্যে
  3. মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে
  4. আরজি সংশোধন করার বিধান নেই
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩: ধারা ৯- আরজি ও লিখিত জবাব সংশোধন:
এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত, কোনো পক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, করণিক ভুল সংশোধনের উদ্দেশ্যে অথবা অন্য কোনো কারণে পক্ষগণের মধ্যে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করিবার জন্য আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনের আদেশ দিতে পারিবে:

তবে শর্ত থাকে যে,
যদি আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয়, এইরূপ সংশোধনের আবেদন মোকদ্দমার বিচার কার্যক্রম বিলম্বিত করিবার উদ্দেশ্যে আনয়ন করা হইয়াছে, সেইক্ষেত্রে আদালত উক্তরূপ সংশোধনীর আদেশ প্রদান করিবে না।
২,৯২৪.
‘সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩’-এ অজামিনযোগ্য ধারা কয়টি?
  1. ৭টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ২টি
ব্যাখ্যা
‘সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩’
- সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত, ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ শনাক্ত, প্রতিরোধ, দমন ও এই অপরাধের বিচার এবং আনুতোষিক বিষয়ে নতুন বিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে জাতীয় সংসদে ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ‘সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩’ পাস হয়।
- পূর্বের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২টি ধারা বাতিল করে নতুন আইনে ৬০টি ধারা করা হয়।

অজামিনযোগ্য ধারা:
- ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কার্যক্রম স্থগিত করে নতুন এই আইনে চারটি অজামিনযোগ্য ধারা রাখা হয়েছে। 

ধারাগুলো হলো:
- ধারা-১৭: গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে বে-আইনি প্রবেশ।
- ধারা-১৯: কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ইত্যাদির ক্ষতিসাধন ও দণ্ড।
- ধারা-২৭: সাইবার সন্ত্রাসীকার্য সংঘটনের অপরাধ ও দণ্ড।
- ধারা-৩২: হ্যাকিং সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড।
২,৯২৫.
According to Article 57(1), the Prime Minister's office becomes vacant if-
  1. The Prime Minister resigns to the President
  2. The Prime Minister is not a Member of Parliament
  3. Both A and B
  4. None of the above
ব্যাখ্যা

Article 57: Tenure of office of Prime Minister:
(1) The office of the Prime Minister shall become vacant–
(a) if he resigns from office at any time by placing his resignation in the hands of the President; or
(b) if he ceases to be a member of Parliament.

(2) If the Prime Minister ceases to retain the support of a majority of the members of Parliament, he shall either resign his office or advise the President in writing to dissolve Parliament, and if he so advises the President shall, if he is satisfied that no other member of Parliament commands the support of the majority of the members of Parliament, dissolve Parliament accordingly.

(3) Nothing in this article shall disqualify Prime Minister for holding office until his successor has entered upon office.

​অনুচ্ছেদ: ৫৭ প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ:
(১) প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হইবে, যদি-
(ক) তিনি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট পদত্যাগপত্র প্রদান করেন; অথবা
(খ) তিনি সংসদ-সদস্য না থাকেন।

(২) সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন হারালে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করবেন কিংবা সংসদ ভাংগিয়া দিবার জন্য লিখিতভাবে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দান করিবেন এবং তিনি অনুরূপ পরামর্শদান করিলে রাষ্ট্রপতি, অন্য কোন সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন নহেন এই মর্মে সন্তুষ্ট হইলে, সংসদ ভাংগিয়া দিবেন।

​(৩) প্রধানমন্ত্রীর উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীকে স্বীয় পদে বহাল থাকিতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই অযোগ্য করিবে না।

২,৯২৬.
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের নিম্নবর্ণিত কোন দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল বিভাগে অধিকারবলে আপীল করা যাবে?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ১৪ বৎসর কারাদণ্ড
  3. ১০ বৎসর কারাদণ্ড
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সংবিধান আপীল বিভাগকে নিম্নলিখিত এখতিয়ার প্রদান করেছে:

১) আপীলের এখতিয়ার:
সংবিধানের ১০৩ অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, হাইকোর্ট বিভাগের রায়, ডিক্রী, আদেশ বা দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল শুনানী ও তা নিষ্পত্তির এখতিয়ার আপীল বিভাগের থাকবে। আপীল বিভাগের নিকট সেক্ষেত্রে অধিকার বলে আপীল করা যাবে যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ-
(ক) এই মর্মে সার্টিফিকেট প্রদান করেন যে, মামলাটির সাথে সংবিধান ব্যাখ্যার বিষয় আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন জড়িত; বা
(খ) কোন মৃত্যুদণ্ড বহাল করেছেন কিংবা কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দন্ডিত করেছেন; বা
(গ) উক্ত বিভাগের অবমাননার জন্য কোন ব্যক্তিকে দন্ড প্রদান করেছেন; এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে, যদি আপীল বিভাগ আপীল করার অনুমতি দেয় এবং যদি সংসদে আইন দ্বারা এরূপ কোনো বিধান প্রণয়ন করা হয়ে থাকে।

২) আপীল বিভাগের পরোয়ানা জারী ও নির্বাহ:
সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদের অধীন কোন ব্যক্তির হাজিরা বা দলিলপত্র উদ্ঘাটন বা দাখিল করার আদেশসহ আপীল বিভাগের নিকট বিচারাধীন যে কোন মামলা বা বিষয়ে সম্পূর্ণ ন্যায় বিচারের জন্য যেরূপ প্রয়োজনীয় হতে পারে, আপীল বিভাগ সেরূপ নির্দেশ, আদেশ, ডিক্রী বা রীট জারী করতে পারে।

৩) পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা:
সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, সংসদের যে কোন আইনের বিধানাবলী এবং আপীল বিভাগ কর্তৃক প্রণীত যে কোন বিধি সাপেক্ষে আপীল বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত কোন রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা উক্ত বিভাগের থাকবে। বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট (আপীল বিভাগ) বিধিমালা, ১৯৮৮ এর ৪র্থ অধ্যায় এর ২৬ আদেশে আপীল বিভাগের পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা ও পদ্ধতিগত বিষয় বর্ণিত হয়েছে।

৪) উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার:
সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, যদি কোন সময় রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আইনের এরূপ কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে বা উত্থাপনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, যা এমন ধরনের ও এমন জনগুরুত্বপূর্ণ যে, সে সর্ম্পকে সুপ্রীম কোর্টের মতামত গ্রহণ করা প্রয়োজন, তা হলে তিনি প্রশ্নটি আপীল বিভাগের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করতে পারবেন এবং উক্ত বিভাগ স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত শুনানীর পর প্রশ্নটি সর্ম্পকে রাষ্ট্রপতিকে স্বীয় মতামত জ্ঞাপন করতে পারবে।
২,৯২৭.
দেওয়ানি কার্যবিধিতে কত সালে মধ্যস্থতা (Mediation) বাধ্যতামূলক করা হয়?
  1. ২০০৩ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০২১ সালে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ২০০৩ সালে প্রথম বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (ADR) বিধান সংযোজন করা হয় এবং ধারা ৮৯ ক, ৮৯খ,৮৯গ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পূর্বে তা ঐচ্ছিক ছিল কিন্তু ২০১২ সালে দেওয়ানি কার্যবিধিতে মধ্যস্থতা (Mediation) বাধ্যতামূলক করা হয়। ধারা ৮৯ক তে 'may' এর পরিবর্তে 'shall' শব্দটি প্রতিস্থাপন করা হয়।

• দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে
১- মধ্যস্থতা (Mediation)
২- সালিশী (Arbitration)

মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে। মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বইচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে। সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপীল বা রিভিশন চলবে না। দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

Section: 89A(1)-
Except in a suit under the Artha Rin Adalat Ain, 2003 (Act No. 8 of 2003), after filing of written statement, if all the contesting parties are in attendance in the Court in person or by their respective pleaders, the Court shall, by adjourning the hearing, mediate in order to settle the dispute or disputes in the suit, or refer the dispute or disputes in the suit to the concerned Legal Aid Officer appointed under the Legal Aid Act, 2000 (Act No. 6 of 2000), or to the engaged pleaders of the parties, or to the party or parties, where no pleader or pleaders have been engaged, or to a mediator from the panel as may be prepared by the District Judge under sub-section (10), for undertaking efforts for settlement through mediation.
২,৯২৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সংবিধান সংশোধনের বিধান আছে?
  1. ৮০
  2. ৯৩
  3. ১৪২
  4. ১৫০
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের দশম ভাগের ১৪২ নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও-
(ক) সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হইতে পারিবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে,
 
(অ) অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরনামায় এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হইবে বলিয়া স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাইবে না;
(আ) সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে না;

(খ) উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন, এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
২,৯২৯.
বাংলাদেশের প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান কোনটি? 
  1. বাংলাদেশের অস্থায়ী সংবিধান আদেশ, ১৯৭২
  2. স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র, ১০ এপ্রিল ১৯৭১
  3. বাংলাদেশের সংবিধান, ১৯৭২
  4. প্রজাতন্ত্রের অস্থায়ী সংবিধান
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে দেশের প্রথম আইনি ভিত্তি হিসেবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র কাজ করে। এটিকে বাংলাদেশের প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান হিসেবে গণ্য করা হয়।
- ১০ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে মুজিবনগর সরকার (বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার) এই ঘোষণাপত্র জারি করে।
- এই ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি এবং সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপ-রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা হয়।
- এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের আইনি ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করে এবং স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করে।
- তাই, এটিকে বাংলাদেশের প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান বলা হয়।
সুতরাং, বাংলাদেশের প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান হলো স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র, ১০ এপ্রিল ১৯৭১।

২,৯৩০.
চুক্তি আইনের ধারা ১১ অনুযায়ী নিচের কে চুক্তি করার জন্য অযোগ্য নয়?
  1. নাবালক ব্যক্তি
  2. বোবা ব্যক্তি
  3. মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি
  4. আইন অনুসারে অযোগ্য ব্যক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২ – ধারা ১১ অনুযায়ী চুক্তি করার জন্য অযোগ্য ব্যক্তির মধ্যে রয়েছে:
- নাবালক (সাবালক নয়)
- মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি
- আইন অনুসারে অযোগ্য ব্যক্তি
“বোবা” বা জ্ঞানহীন ব্যক্তি যদি সাবালক ও সুস্থ মনের অধিকারী হয়, তবে সে চুক্তি করতে সক্ষম।
তাই এখানে নাবালক, মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি বা আইন অনুসারে অযোগ্য ব্যক্তি চুক্তি করতে পারে না।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো খ) বোবা ব্যক্তি।

⇒ কারা চুক্তি সম্পাদনে যোগ্যতা চুক্তি আইনের ১১ ধারায় বলা হয়েছে। এ ধারায় বলা হয়েছে যে, প্রত্যেক ব্যক্তিই চুক্তি করার যোগ্য যদি সে নিজ আইনে সাবালক, এবং সুস্থ মনের অধিকারীএবং নিজ আইনে চুক্তি করার জন্য অযোগ্য না হন। [Every person is competent to contract who is age of majority according to the law to which he is subject, and sound mind and is not disqualified from contracting by any law to which he is subject.]।
অতএব বলা যায় চুক্তি সম্পাদনে সে ব্যক্তি যোগ্য যিনি সাবালক ও সুস্থ মনের অধিকারী এবং যাকে কোনো আইনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়নি।
এখানে ব্যক্তি বলতে প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম ব্যক্তি উভয়কে বোঝানো হয়েছে। প্রাকৃতিক ব্যক্তি বলতে মানুষকে বলা হয়েছে আর কৃত্রিম ব্যক্তি বলতে কোম্পানি, কর্পোরেশন, সংঘ যারা আইন অনুসারে গঠিত ও নিবন্ধিত।

⇒ চুক্তি করার অযোগ্য ব্যক্তি:
চুক্তি আইনের ১১ ধারা অনুসারে বলা যায় তিন ধরনের ব্যক্তি চুক্তি করা জন্য অযোগ্য। এ ব্যক্তিরা হলেন:
১। নাবালক,
২। অসুস্থ মনের অধিকারী বা মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি এবং
৩। নিজ আইনে অযোগ্য ব্যক্তি।
পূর্বে বলা হয়েছে ব্যক্তি বলতে প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম ব্যক্তি উভয়কে বোঝানো হয়েছে। কৃত্রিম ব্যক্তি যদি আইন অনুসারে গঠিত ও নিবন্ধিত না হয় তাহলে চুক্তি সম্পাদনে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

২,৯৩১.
সংসদে কোন সিদ্ধান্ত গৃহীত হওয়ার পদ্ধতি কী?
  1. ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট
  2. উপস্থিত সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট
  3. মোট সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট
  4. উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদের বিধান: কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি:

(১) এই সংবিধান-সাপেক্ষে
(ক) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা এবং অনুরূপ বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রিত হইবে;
(খ) উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক ভোট প্রদান করিবেন;
(গ) সংসদের কোন সদস্যপদ শূন্য রহিয়াছে, কেবল এই কারণে কিংবা সংসদে উপস্থিত হইবার বা ভোটদানের বা অন্য কোন উপায়ে কার্যধারায় অংশগ্রহণের অধিকার না থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি অনুরূপ কার্য করিয়াছেন, কেবল এই কারণে সংসদের কোন কার্যধারা অবৈধ হইবে না।

(২) সংসদের বৈঠক চলাকালে কোন সময়ে উপস্থিত সদস্য-সংখ্যা ষাটের কম বলিয়া যদি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ষাট জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বৈঠক স্থগিত রাখিবেন কিংবা মুলতবী করিবেন।

Article 75- Rules of procedure, quorum, etc-:

(1) Subject to this Constitution –
(a) the procedure of Parliament shall be regulated by rules of procedure made by it, and until such rules are made shall be regulated by rules of procedure made by the President;

(b) a decision in Parliament shall be taken by a majority of the votes of the members present and voting, but the person presiding shall not vote except when there is an equality of votes, in which case he shall exercise a casting vote;

(c) no proceeding in Parliament shall be invalid by reason only that there is a vacancy in the membership thereof or that a person who was not entitled to do so was present at, or voted or otherwise participated in, the proceeding.

(2) If at any time during which Parliament is in session the attention of the person presiding is drawn to the fact that the number of members present is less than sixty, he shall either suspend the meeting until at least sixty members are present, or adjourn it.
২,৯৩২.
The Special Powers Act, 1974 এর ধারা ১৪(৩) অনুযায়ী, যদি মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তি যথাযথ কারণ ছাড়া আত্মসমর্পণ করতে ব্যর্থ হয়, তার জন্য সর্বোচ্চ দণ্ড কী?
  1. ৩ মাসের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয়
  2. ৬ মাসের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয়
  3. ১ বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয়
  4. ২ বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয়
ব্যাখ্যা

The Special Powers Act, 1974 এর ধারা ১৪: অস্থায়ী মুক্তি (Temporary release):
১. সরকার যে কোনো সময় নির্দেশ দিতে পারে যে, কোনো ব্যক্তি যাকে আটকাদেশ (detention order) অনুযায়ী আটক রাখা হয়েছে, তাকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মুক্তি দেওয়া যেতে পারে। মুক্তি কোনো শর্ত ছাড়াই বা সরকারের নির্ধারিত শর্তাবলী অনুযায়ী হতে পারে, যা ওই ব্যক্তি গ্রহণ করে। সরকারের ইচ্ছায় যে কোনো সময় তার মুক্তি বাতিল করা যেতে পারে।

২. উপধারা (১) অনুযায়ী মুক্তি দেওয়ার সময় সরকার ওই ব্যক্তিকে একটি বন্ড (bond) করতে বাধ্য করতে পারে, যা নিশ্চয়তা (sureties) সহ বা ছাড়া হতে পারে, যাতে মুক্তির শর্তাবলী ঠিকভাবে পালন করা হয়।

৩. উপধারা (১) অনুযায়ী মুক্তি প্রাপ্ত যে কোনো ব্যক্তি মুক্তি নির্দেশ বা মুক্তি বাতিলের নির্দেশে উল্লেখিত সময়, স্থান এবং কর্তৃপক্ষের কাছে নিজেকে আত্মসমর্পণ করবে।

৪. যদি কোনো ব্যক্তি যথাযথ কারণ ছাড়া উপধারা (৩) অনুযায়ী নিজেকে আত্মসমর্পণ করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তাকে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

৫. যদি কোনো মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তি উপধারা (১) অনুযায়ী বা নিজের বন্ডে উল্লেখিত শর্তগুলো পূরণ করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে বন্ডটি বাজেয়াপ্ত (forfeit) ঘোষণা করা হবে এবং বন্ডে বাধ্য থাকাকালীন যে কোনো ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য অর্থ প্রদানে বাধ্য থাকবে।

২,৯৩৩.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুসারে 'শিশু' বলতে কাকে বোঝায়?
  1. অনুর্ধ্ব ১২ বছর বয়সী ব্যক্তিকে
  2. অনুর্ধ্ব ১৪ বছর বয়সী ব্যক্তিকে
  3. অনুর্ধ্ব ১৬ বছর বয়সী ব্যক্তিকে
  4. অনুর্ধ্ব ১৮ বছর বয়সী ব্যক্তিকে
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২(ট) এ 'শিশু' এর সংজ্ঞা এভাবে দেওয়া হয়েছে:
"(ট) 'শিশু' অর্থ অনধিক ষোল বৎসর বয়সের কোন ব্যক্তি;"
অর্থাৎ, এই আইনের আওতায় যে কোনো ব্যক্তি যার বয়স ১৬ বছর পূর্ণ হয়নি, তাকে শিশু হিসেবে গণ্য করা হবে।

২,৯৩৪.
বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে নিম্নের কোন উক্তিটি সঠিক?
  1. আলাপ-আলোচনা [Negotiation] এ তৃতীয় পক্ষ উপস্থিত থাকে
  2. মধ্যস্থতা কার্যক্রম [Mediation] পদ্ধতিতে তৃতীয় কোন পক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে থাকে
  3. সালিশ প্রক্রিয়ার [Arbitration] রায় পক্ষ গণের উপর বাধ্যকর নয়
  4. সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা
• বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির নিম্ন বর্ণিত পন্থা রয়েছে-
১) আলাপ-আলোচনা (Negotiation);
২) মধ্যস্থতা (Mediation);
৩) সালিশী (Arbitration)।

১. আলাপ-আলোচনা [Negotiation]-

এমন একটি পদ্ধতি যেখানেই কোন বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে বিরোধের দুই পক্ষই যখন তৃতীয় পক্ষের সাহায্য ছাড়াই একটি সুবিধাজনক পরিণতির দিকে পৌঁছে বা একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়ে সমাধান করে থাকে।

আলাপ-আলোচনার [Negotiation] মাধ্যমে শিল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ২১০(২) ২১০(৩) উপধারায় বলা আছে।

২. মধ্যস্থতা কার্যক্রম [Mediation]-

এ পদ্ধতিতে কোন বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে পক্ষদ্বয়ের মধ্যে নিরপেক্ষ তৃতীয় কোন পক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিযুক্ত করা হয়
এবং কোন পক্ষের ওপর সিদ্ধান্ত চাপিয়ে না দিয়ে আলাপ- আলোচনার মাধ্যমে দুটি পক্ষকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করা হয়।
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯[ক] এবং অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ২২ ধারাতে মধ্যস্থতা বিষয়ে বলা হয়েছে।

৩. সালিশ প্রক্রিয়া [Arbitration]-

সালিশ[Arbitration] প্রক্রিয়াটি অনেকটা মধ্যস্থতা পদ্ধতির অনুরূপ। এ কারণেই সালিশ কার্যক্রম [Arbitration] কে মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উন্নত সংস্করণ বলে মনে করা হয়। কেননা মধ্যস্থতা কার্যক্রমে মধ্যস্থতাকারী বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে পক্ষগণের উপর কোন পন্থা চাপিয়ে দিতে পারেন কিন্তু সালিশ কার্যক্রমের সালিশকারী (Conciliator) পক্ষগণের ওপর রায় চাপিয়ে দিতে পারে। এ ধরনের রায়কে রোয়েদাদ [Award] বলা হয়।
সালিশ[Arbitration] প্রক্রিয়াটি সালিশ আইন-২০০১ দ্বারা পরিচালিত হয়ে থাকে। বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ আইনের ২১০ ধারায় বিরোধ সালিসীর (Conciliation) মাধ্যমে নিষ্পত্তি কথা বলা হয়েছে।
২,৯৩৫.
দেবোত্তর সম্পত্তি যে রক্ষণাবেক্ষণ করেন, তাকে কী বলা হয়?
  1. সেবক
  2. মাহাতো
  3. সেবায়েত
  4. দেব রক্ষক
ব্যাখ্যা
⇒ মন্দির নির্মাণ করে তাতে দেবমূর্তি প্রতিষ্ঠা করে পূজা-অর্চনার ব্যয় নির্বাহের জন্য সম্পত্তি দান করলে তা সাধারণত 'দেবোত্তর সম্পত্তি' বলে পরিচিতি পায়। আইনের দৃষ্টিতে এ রকম বিগ্রহ বা দেবতার মূর্তি একটি বৈধ আইনি সত্তা বা জুডিশিয়াল পারসন। এ রকম সম্পত্তির আইনি মালিক ওই বিগ্রহই। কারণ তার উদ্দেশে সেটি দান করা।

- মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত দেবতার নিত্য পূজা- অর্চনার কাজে যিনি নিয়োজিত থাকেন তিনিই সেবায়েত। একজন সেবায়েত দেবতা বা বিগ্রহের যাবতীয় বিষয়ের কার্যনির্বাহীও বটে। দেবতা সম্পত্তির মালিক হলেও কার্যত সম্পত্তি পরিচালনায় সম্পূর্ণ অক্ষম। সেজন্য দেবতার পক্ষে তদীয় সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একজন উপযুক্ত পরিচালকের প্রয়োজন। আর সে দায়িত্ব ন্যস্ত থাকে সেবায়েতের উপর।

- দেবোত্তর সম্পত্তির সেবায়েত কে হবেন আর তার উত্তরাধিকার কারা হবেন, কোন নিয়মে হবেন তা সাধারণত অর্পণনামা বা উৎসর্গপত্রে লেখা থকে। সেবায়েত দেবতার বিরুদ্ধে কাজ করলে বা তার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে তাকে প্রয়োজনে আদালত কর্তৃক অপসারণ করে অন্য সেবায়েত নিয়োগ করা যায়।
২,৯৩৬.
দেওয়ানী আদালত গঠিত হয় নিম্নের কোন আইন অনুযায়ী?
  1. The Code of Civil Procedure, 1908
  2. The General Clauses Act, 1897
  3. The Civil Courts Act, 1887
  4. The Constitution of the People's Republic of Bangladesh
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি আদালতসমূহের গঠন,এখতিয়ার সম্পর্কে The Civil Courts Act,1887 এ বর্ণনা করা হয়েছে। অর্থাৎ Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

• The Civil Courts Act,1887 এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেয়া হয়েছে-

১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge]
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge]
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge]
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge]
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]
২,৯৩৭.
A detention order issued by a District Magistrate under Section 3(2) of The Special Powers Act, 1974 remains valid for how long without government approval?
  1. 15 days
  2. 30 days
  3. 60 days
  4. 90 days
ব্যাখ্যা

⇒ The Special Powers Act, 1974 এর Section 3(3) অনুসারে, যখন কোনো জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট Section 3(2)-এর অধীনে কোনো ব্যক্তিকে আটকের আদেশ (detention order) জারি করেন, তখন সেই আদেশ সরকারের অনুমোদন ছাড়া ৩০ দিনের বেশি বলবৎ থাকতে পারবে না।

⇒ The Special Powers Act, 1974, Section 3(3)- When any order is made under sub-section (2), the District Magistrate or the Additional District Magistrate making the order shall forthwith report the fact to the Government together with the grounds on which the order has been made and such other particulars as, in his opinion, have a bearing on the matter, and no such order shall remain in force for more than thirty days after the making thereof unless in the meantime it has been approved by the Government.

২,৯৩৮.
ইসলামি আইনে বিবাহকে প্রধানত কী হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়?
  1. সামাজিক বন্ধন
  2. ধর্মীয় অনুষ্ঠান
  3. নৈতিক দায়িত্ব
  4. দেওয়ানি চুক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ ইসলামি আইনে বিবাহ হলো Civil Contract বা দেওয়ানি চুক্তি। ইসলামী আইনে বিয়ে হলো একজন নারী ও পুরুষের মধ্যে পবিত্র বন্ধন। ধর্মীয় ও সামাজিক উদ্দেশ্য ছাড়াও এ বন্ধন সৃষ্টি হয় একটা আইনগত চুক্তির মাধ্যমে। বিয়ের মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রী একে অন্যের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন ও বৈধ সন্তান জন্মদানের অধিকার লাভ করে। এ ছাড়াও বিয়ের মাধ্যমে তাদের একে অন্যের ওপর যাবতীয় দায়িত্ব ও কর্তব্য জন্মায়।

- Anwar Hossain vs Momtaz Begum 18, CLC, HCD, 51 মামলায় বাংলাদেশর সুপ্রিম কোর্ট ঘোষণা করেন যে, বিবাহ একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয় বরং এটি একটি দেওয়ানি চুক্তি।

২,৯৩৯.
মহা হিসাব-নিরীক্ষকের রিপোর্ট কার মাধ্যমে সংসদে উপস্থাপন করা হয়?
  1. স্পিকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. অর্থমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৩২- সংসদে মহা হিসাব-নিরীক্ষকের রিপোর্ট উপস্থাপন:
প্রজাতন্ত্রের হিসাব সম্পর্কিত মহা হিসাব-নিরীক্ষকের রিপোর্টসমূহ রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হইবে এবং রাষ্ট্রপতি তাহা সংসদে পেশ করিবার ব্যবস্থা করিবেন।

[The reports of the Auditor General relating to the public accounts of the Republic shall be submitted to the President, who shall cause them to be laid before Parliament.]
২,৯৪০.
শিশু সন্তানের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান নির্ণয়ের ক্ষেত্রে পারিবারিক আদালত কোন আদালত হিসেবে বিবেচিত হবে?
  1. দায়রা জজ
  2. জেলা জজ
  3. সহকারি জজ
  4. সিনিয়র সহকারি জজ
ব্যাখ্যা
• পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩

ধারা- ২৭: Guardians and Wards Act, 1890 এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে পারিবারিক আদালতকে জেলা আদালতরূপে গণ্যকরণ:

(১) পারিবারিক আদালত, Guardians and Wards Act, 1890 (Act No. VIII of 1890) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, District Court হিসাবে গণ্য হইবে এবং এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, উক্ত আইনে বর্ণিত বিষয়সমূহ সম্পর্কে উহাতে নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করিতে হইবে।
 
(২) উক্ত Guardians and Wards Act- এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, উক্ত আইনের অধীন District Court হিসাবে পারিবারিক আদালত কর্তৃক প্রদত্ত যে কোনো আদেশের বিরুদ্ধে পারিবারিক আপিল আদালতে আপিল দায়ের করা যাইবে।
 
(৩) উপধারা (২) এর অধীন দায়েরকৃত আপিলের ক্ষেত্রে ধারা ১৯ এর বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।
২,৯৪১.
“Doctrine of Fixtures” বলতে কী বোঝায়?
  1. জমি বিক্রয়ের আইন
  2. উত্তরাধিকার নির্ধারণের নীতি
  3. ভাড়াটিয়ার অধিকার নির্ধারণের নীতি
  4. স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির পার্থক্য নির্ধারণের নীতি
ব্যাখ্যা

⇒ Doctrine of Fixtures বা স্থির সম্পত্তির নীতি হল সম্পত্তি আইনের একটি মৌলিক ধারণা যা নির্ধারণ করে যে কোন অস্থাবর সম্পত্তি (movable property) কখন স্থাবর সম্পত্তিতে (immovable property) পরিণত হয়। অর্থাৎ, কোনো বস্তু যদি স্থায়ীভাবে জমি বা ভবনের সঙ্গে যুক্ত হয়, তবে তা fixture বা স্থাবর সম্পত্তি হিসেবে গণ্য হয়। ফিক্সচারের তত্ত্ব (Doctrine of Fixtures) প্রধানত সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর অধীনে প্রযোজ্য।

এই নীতির মূল বিষয়বস্তু:
- যখন কোনো অস্থাবর বস্তু (যেমন: জানালা, দরজা, আলমারি) স্থাবর সম্পত্তির (জমি বা ভবন) সাথে এমনভাবে সংযুক্ত করা হয় যে তা স্থায়ী অংশে পরিণত হয়।
- তখন সেই বস্তুটি স্থাবর সম্পত্তির অংশ হিসেবে গণ্য হয়।
নির্ধারণের দুটি প্রধান মানদণ্ড:
১. সংযুক্তির পদ্ধতি (Mode of Annexation)
- বস্তুটি কীভাবে সংযুক্ত করা হয়েছে?
- যদি বস্তুটি এমনভাবে সংযুক্ত হয় যে তা সরানো গেলে সম্পত্তির ক্ষতি হয়।
২. সংযুক্তির উদ্দেশ্য (Purpose of Annexation)
- বস্তুটি সংযুক্ত করার পিছনে উদ্দেশ্য কী?
- যদি বস্তুটি স্থায়ীভাবে সম্পত্তির মান বাড়ানোর জন্য সংযুক্ত করা হয়।

২,৯৪২.
মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ অনুযায়ী, মহর সম্পর্কে নিচের কোনটি সত্য?
  1. মহরের অধিকার অর্ধেক কমে যায়
  2. মহরের অধিকার বিলুপ্ত করা হয়
  3. মহরের অধিকার স্বামীর কাছে স্থানান্তরিত হয়
  4. মহরের অধিকার বিবাহ বিচ্ছেদের দ্বারা প্রভাবিত হয় না
ব্যাখ্যা
মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ এর ধারা ৫ অনুযায়ী, মহর (দেনমোহর) সম্পর্কে একটি স্পষ্ট বিধান রয়েছে। এই ধারাটি বিবাহ বিচ্ছেদের পরও মহরের অধিকার সংরক্ষণ করে। এই আইনে যা কিছুই থাকুক না কেন, মহরের অধিকার (দেনমোহর) অক্ষুণ্ণ থাকবে।
অর্থাৎ, বিবাহ বিচ্ছেদের পরও স্ত্রী তার মহরের সম্পূর্ণ বা যেকোনো অংশ পাবার অধিকার রাখেন।
এই বিধানটি মুসলিম পারিবারিক আইনের মূলনীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা মহরকে স্ত্রীর একটি মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ এর ধারা ৫ এর বিধানের উদ্দেশ্য হলো, বিবাহ বিচ্ছেদের পরও স্ত্রীর আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। মহর হলো স্ত্রীর একটি আইনগত অধিকার, যা বিবাহ বিচ্ছেদের পরেও তার প্রাপ্য।

সঠিক উত্তর: ঘ) মহরের অধিকার বিবাহ বিচ্ছেদের দ্বারা প্রভাবিত হয় না।
কারণ, এই আইন অনুযায়ী, বিবাহ বিচ্ছেদের পরও মহরের অধিকার অক্ষুণ্ণ থাকে এবং স্ত্রী তার মহরের সম্পূর্ণ বা যেকোনো অংশ পাবার অধিকার রাখেন।
২,৯৪৩.
নিম্নের কে Panel of Mediators এ অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন না?
  1. অবসরপ্রাপ্ত বিচারক
  2. স্থানীয় বারের সভাপতি
  3. স্বায়ত্তশাসিত সংস্থায় চাকুরিরত ব্যক্তি
  4. লাভজনক সরকারি পদে চাকুরিরত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
♦ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতির সাথে পরামর্শক্রমে আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত জজ, বিরোধ নিষ্পত্তির প্রশিক্ষিত বলে জানা কোন ব্যক্তি এবং প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত এইরূপ ব্যক্তিবর্গ ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ যারা উক্ত উদ্দেশ্যে উপযুক্ত বলে বিবেচিত তাদের সমন্বয়ে জেলা জজ মধ্যস্থতাকারীগণের একটি তালিকা তৈরী করবেন (সময়ে সময়ে তা হালনাগাদ করতে হবে) এবং তার প্রশাসনিক এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে তালিকার বিষয়ে তিনি অবহিত করবেন।

♦ মধ্যস্থতাকারীর যোগ্যতা-
i) জেলা জজ কর্তৃক প্রস্তুতকৃত প্যানেল সদস্য; বা
ii) অবসরপ্রাপ্ত জজ; অথবা
iii) সংশ্লিষ্ট মোকদ্দমার পক্ষগণ নিযুক্ত উকিল ব্যতীত অন্য যে কোন উকিল মধ্যস্থতাকারী হতে পারবেন।

♦ তবে প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে (Office of Profit) নিযুক্ত কোন ব্যক্তি মধ্যস্থতাকারী হতে পারবে না
২,৯৪৪.
নিম্নের কোন পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তি বাংলাদেশ সংবিধানের ১৪৭ অনুচ্ছেদের আওতাভুক্ত নন?
  1. স্পীকার
  2. মহা হিসাব-নিরীক্ষক
  3. তথ্য কমিশনার
  4. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৭- কতিপয় পদাধিকারীর পারিশ্রমিক প্রভৃতি:
(১) এই অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হয়, এইরূপ কোন পদে অধিষ্ঠিত বা কর্মরত ব্যক্তির পারিশ্রমিক, বিশেষ-অধিকার ও কর্মের অন্যান্য শর্ত সংসদের আইনের দ্বারা বা অধীন নির্ধারিত হইবে, তবে অনুরূপভাবে নির্ধারিত না হওয়া পর্যন্ত
(ক) এই সংবিধান প্রবর্তনের অব্যবহিত পূর্বে ক্ষেত্রমত সংশ্লিষ্ট পদে অধিষ্ঠিত বা কর্মরত ব্যক্তির ক্ষেত্রে তাহা যেরূপ প্রযোজ্য ছিল, সেইরূপ হইবে; অথবা
(খ) অব্যবহিত পূর্ববর্তী উপ-দফা প্রযোজ্য না হইলে রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ণয় করিবেন, সেইরূপ হইবে।

(২) এই অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হয়, এইরূপ কোন পদে অধিষ্ঠিত বা কর্মরত ব্যক্তির কার্যভারকালে তাঁহার পারিশ্রমিক, বিশেষ অধিকার ও কর্মের অন্যান্য শর্তের এমন তারতম্য করা যাইবে না, যাহা তাঁহার পক্ষে অসুবিধাজনক হইতে পারে।

(৩) এই অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হয়, এইরূপ কোন পদে নিযুক্ত বা কর্মরত ব্যক্তি কোন লাভজনক পদ কিংবা বেতনাদিযুক্ত পদ বা মর্যাদায় বহাল হইবেন না কিংবা মুনাফালাভের উদ্দেশ্যযুক্ত কোন কোম্পানী, সমিতি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় বা পরিচালনায় কোনরূপ অংশগ্রহণ করিবেন না:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার উদ্দেশ্যসাধনকল্পে উপরের প্রথমোল্লিখিত পদে অধিষ্ঠিত বা কর্মরত রহিয়াছেন, কেবল এই কারণে কোন ব্যক্তি অনুরূপ লাভজনক পদ বা বেতনাদিযুক্ত পদ বা মর্যাদায় অধিষ্ঠিত বলিয়া গণ্য হইবেন না।

(৪) এই অনুচ্ছেদ নিম্নলিখিত পদসমূহে প্রযোজ্য হইবে:
(ক) রাষ্ট্রপতি,
(খ) প্রধানমন্ত্রী;
(গ) স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকার,
(ঘ) মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপ-মন্ত্রী;
(ঙ) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক,
(চ) মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
(ছ) নির্বাচন কমিশনার,
(জ) সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য।

⇒ 'তথ্য কমিশনার' এখানে উল্লেখিত নয়।
২,৯৪৫.
হিন্দু আইন অনুসারে একজন হিন্দু ব্যক্তি তার সম্পত্তির কত অংশ উইল করতে পারে?
  1. অর্ধেক
  2. সম্পূর্ণ সম্পত্তি
  3. দুই-তৃতীয়াংশ
  4. এক-তৃতীয়াংশ
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু আইনে উইল করার ক্ষেত্রে:
- হিন্দু আইন একজন ব্যক্তিকে তার সম্পূর্ণ সম্পত্তি উইল করার পূর্ণ স্বাধীনতা দেয়। উইলকারী চাইলে তার সমস্ত স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি যেকোনো ব্যক্তিকে উইল করতে পারেন।

⇒ হিন্দু আইন অনুসারে:
- উইলকারীর সম্পত্তির উপর পূর্ণ মালিকানা ও হস্তান্তরের অধিকার রয়েছে।
- উত্তরাধিকারীর সম্মতির প্রয়োজন নেই।
- উইলকারীর ইচ্ছাই চূড়ান্ত।

⇒ মুসলিম আইনের সাথে পার্থক্য:
- মুসলিম আইন: সর্বোচ্চ ১/৩ অংশ উইল করতে পারে (ওয়ারিশদের সম্মতি ছাড়া)।
- হিন্দু আইন: কোনো সীমাবদ্ধতা নেই, সম্পূর্ণ সম্পত্তি উইল করতে পারে।

⇒ উইল হচ্ছে নিজের অবর্তমানে কাউকে সম্পত্তি দিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা। তবে কোনো মুসলমান তাঁর দাফন-কাফনের ব্যয় ও দেনা পরিশোধের পর সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশের বেশি উইল করতে পারবে না। অর্থাৎ উইলের ক্ষেত্রে পুরো সম্পত্তি দিয়ে যেতে পারবেন না। যদি এক-তৃতীয়াংশের বেশি উইল করা হয়, তাহলে সে উইল কার্যকর করা যাবে না।
তবে সম্পত্তির উইলের ক্ষেত্রে অন্য ওয়ারিশদের অনুমতি নিয়ে এর বেশিও উইল করা যাবে। দান সঙ্গে সঙ্গে হস্তান্তর করতে হয়। উইল কার্যকর হয় মৃত্যুর পর। তবে নাবালক সন্তান থাকলে দানের ক্ষেত্রে সন্তান সাবালক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হস্তান্তর করতে হবে।

- একজন হিন্দু ব্যক্তিও তাঁর সম্পত্তি উইল করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে কোনো সুনির্দিষ্ট নিয়ম নেই। একজন হিন্দু ব্যক্তি তাঁর সমুদয় সম্পত্তি উইল করতে পারেন। হিন্দু সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে জেলা জজ আদালত থেকে উইলকারীর মৃত্যুর পর উইল প্রবেট করতে হয়। প্রবেট হচ্ছে আদালতের মাধ্যমে উইলের প্রমাণ। যেকোনো হেবা বা দান লিখিত আকারে হতে হবে তা রেজিস্ট্রি করে নিতে হবে।

২,৯৪৬.
সাইবার জালিয়াতির সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড বা ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড বা ২০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড ও ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড ও ২৫ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২১: “সাইবার স্পেসে জালিয়াতির অপরাধ ও দণ্ড”:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেস ব্যবহার করিয়া জালিয়াতি করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ব্যাখ্যা।- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘সাইবার স্পেসে জালিয়াতি’ অর্থ কোনো ব্যক্তি বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এজেন্ট কর্তৃক বিনা অধিকারে বা প্রদত্ত অধিকারের অতিরিক্ত হিসাবে বা অনধিকার চর্চার মাধ্যমে সাইবার স্পেস ব্যবহার করিয়া কোনো কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইসের ইনপুট বা আউটপুট প্রস্তুত, পরিবর্তন, মুছিয়া ফেলা ও লুকাইবার মাধ্যমে অশুদ্ধ ডাটা বা প্রোগ্রাম, তথ্য বা ভ্রান্ত কার্য, তথ্য সিস্টেম, কম্পিউটার বা ডিজিটাল নেটওয়ার্ক পরিচালনা বা ডিজিটাল স্বাক্ষর সংযুক্ত বা স্বাক্ষরবিহীন ডিজিটাল ডকুমেন্টস উৎপাদন বা ইলেক্ট্রনিক ফাইল উৎপাদন বা বিদ্যমান ফাইল পরিবর্তন বা ডিজিটাল মানি বা ইলেক্ট্রনিক মুদ্রা বা ক্রিপ্টোকারেন্সি উৎপাদন বা অন্যের জাতীয় পরিচয়পত্রে নিবন্ধিত সিম ব্যবহার করিয়া মোবাইল ব্যাংকিং পরিচালনা, হুন্ডি কার্যে নিযুক্তি কিংবা জুয়ার পোর্টাল পরিচালনা করা।
২,৯৪৭.
অকৃষি ভূমিতে কে উন্নয়ন করবে বা কোন কার্য উন্নয়ন কিনা সেই সম্পর্কে কোন বিরোধ দেখা দিলে তা কে নির্ধারণ করবে?
  1. যুগ্ম জেলা জজ
  2. কমিশনার
  3. ডেপুটি কমিশনার
  4. জেলা জজ
ব্যাখ্যা
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৬৬ ধারার বিধান উন্নয়ন ইত্যাদি করার অধিকারের প্রশ্নে কালেক্টর সিদ্ধান্ত দিবেন:
১) যদি অকৃষি প্রজা ও তার ভূ-স্বত্বাধিকারীর মধ্যে এমন প্রশ্ন উঠে-
ক) উন্নয়ন কাজ করার অধিকার সম্বন্ধে; বা
খ) কোন বিশেষ একটি কাজ উন্নয়নমূলক কি না, 
তখন যে কোন পক্ষের আবেদন অনুযায়ী ডেপুটি কমিশনার সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন।

২) ডেপুটি কমিশনারের প্রদত্ত আদেশের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে। এরূপ আপিলের ক্ষেত্রে জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।
-----------------------------------------------------
Section 66. Collector to decide question as to right to make improvement, etc. 
(1) If a question arises between the non-agricultural tenant and his landlord- 
(a) as to the right to make an improvement, or 
(b) as to whether a particular work is an improvement, 
the Deputy Commissioner may, on the application of either party, decide the question. 
(2) An appeal, if presented within thirty days from the date of the order appealed against, shall lie to the District Judge from every order passed by the Deputy Commissioner under sub-section (1) and the order passed by the District Judge on such appeal shall be final.
২,৯৪৮.
'ক' বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক থেকে ৫,০০,০০০/-টাকা ঋণ নিয়ে পরিশোধে ব্যর্থ হয়। ব্যাংক 'ক' এর বিরুদ্ধে দায়ের করতে পারবে-
  1. অর্থঋণ আদালতে নিয়মিত মামলা
  2. যুগ্ম জেলা জজ আদালতে টাকার মামলা
  3. সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে টাকার মামলা
  4. সার্টিফিকেট মামলা
ব্যাখ্যা
• অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ধারা ৫ অনুযায়ী,

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ আদায় সম্পর্কিত যাবতীয় মামলা ধারা ৪ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত, ঘোষিত বা গণ্য হওয়া অর্থ ঋণ আদালতে দায়ের করিতে হইবে এবং উক্ত আদালতেই উহাদের নিষ্পত্তি হইবে।

তবে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ও রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অনূর্ধ্ব ৫,০০,০০০ টাকার (পাঁচ লক্ষ টাকা) দাবী সম্বলিত মামলাসমূহ অর্থ ঋণ আদালতে দায়ের না করিয়া The Public Demands Recovery Act, 1913 এর বিধান অনুযায়ী সার্টিফিকেট মামলা হিসাবেও দায়ের করা যাইবে।
২,৯৪৯.
Areeat শব্দটির সাথে সম্পর্কযুক্ত -
  1. বিক্রয়
  2. উইল
  3. ওয়াকফ
  4. দান
ব্যাখ্যা
আরিয়াত (Areeat): এর অর্থ সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তর বুঝায় না বরং আরিয়াত হলো এমন ধরনের দান যেক্ষেত্রে দাতার ইচ্ছাধীন সময়কাল পর্যন্ত সম্পত্তির আয় এবং লভ্যাংশ ভোগ করার অস্থায়ী অনুমতি দেওয়া হয়। আরিয়াত চাইলে রদ করা যায়।

অর্থাৎ আরিয়াত (Areeat) শব্দটির সাথে সম্পর্কযুক্ত হচ্ছে দান।
২,৯৫০.
Doctrine of Judicial Review was first evolved in the case of-
  1. Anwar Hossain Chowdhury v/s Bangladesh
  2. Kesavananda Bharati V. Union of India
  3. R v/s Cock
  4. Marbury vs James Madison
ব্যাখ্যা
Marbury vs. James Madison মামলার মাধ্যমে ১৮০৩ সালের USA'র সুপ্রিম কোর্ট সর্বপ্রথম "Doctrine of Judicial Review" নীতিটি প্রতিষ্ঠা করেন।

Marbury vs. James Madison মামলা:

> Full Case Name: William Marbury v. James Madison, Secretary of State of the United States (1803).
> Authour Judge: Chief Justice John Marshall
> Argued: February 11, 1803 
> Decided: February 24, 1803
> মামলাটি 'Doctrine of Judicial Review' নামে অধিক পরিচিত।
> এ মামলার মাধ্যমে ১৮০৩ সালে USA Supreme Court সর্বপ্রথম 'Doctrine of Judicial Review' মূলনীতি প্রতিষ্ঠা করেন।

বাংলাদেশে: 'Doctrine of Judicial Review' মূলনীতি অনুযায়ী নির্বাহী বা সংসদীয় কার্যক্রমের উপর বিচারবিভাগীয় তত্ত্বাবধান থাকবে। অর্থাৎ, কোনো কাজ সংবিধান- বিরোধী/অসংবিধানিক কি না- তা পরীক্ষা করার দায়িত্ব বিচার বিভাগের। যা ৭ ও ২৬ অনুচ্ছেদে প্রতিফলিত হয়েছে। এ ক্ষমতা অনুচ্ছেদ ১০২ অনুযায়ী প্রয়োগ হয়ে থাকে।
২,৯৫১.
According to Article 152 of The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh, Law means _________ having the force of law in Bangladesh;
  1. any act, ordinance, order, rule
  2. any notification or other legal instrument
  3. any custom or usage
  4. all of above
ব্যাখ্যা
Article 152:
“law” means any Act, ordinance, order, rule, regulation, bye law, notification or other legal instrument, and any custom or usage, having the force of law in Bangladesh;

সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদে আইনের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে,
"আইন" অর্থ কোন আইন, অধ্যাদেশ, আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন, বিজ্ঞপ্তি ও অন্যান্য আইনগত দলিল এবং বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন যে কোন প্রথা বা রীতি;
২,৯৫২.
নিচের কোনটি চুক্তি আইনে অনুযায়ী প্রস্তাবের আমন্ত্রণ নয়?
  1. একটি কলমের মূল্য ১০ টাকা।
  2. কুকুর হারিয়ে গিয়েছে, পেলে ৫০০ টাকা পুরস্কার।
  3. ঢাকা হতে কুষ্টিয়া বাস ভাড়া ২৫০ টাকা।
  4. ৪০০০ টাকা বেতনে হিসাব রক্ষক চাই।
ব্যাখ্যা
• প্রস্তাব ও প্রস্তাবের আমন্ত্রণ এক নয় (Offer and invitation to an offer is not be same):
- প্রস্তাব ও প্রস্তাবের আমন্ত্রণ এক নয়। মূল্য তালিকা বিলি করা প্রস্তাবের আমন্ত্রণ, প্রস্তাব নয়। যেমন- কুকুর হারিয়ে গিয়েছে, পেলে ৫০০ টাকা পুরস্কার, এটা প্রস্তাব।
- কিন্তু একটি কলমের মূল্য ১০ টাকা, সকাল ৯ টায় ট্রেন ছাড়বে, ঢাকা হতে কুষ্টিয়া বাস ভাড়া ২৫০ টাকা এবং ৪০০০ টাকা বেতনে হিসাব রক্ষক চাই- এগুলো প্রস্তাবের আমন্ত্রণ, প্রস্তাব নয়।
- এ পরিপ্রেক্ষিতে যদি কেহ ১০ টাকা দিতে রাজী হয়, ৯ টার ট্রেনে উঠে, যদি কেহ বাসে উঠে, হিসাবরক্ষক পদে আবেদন করে তবে তা প্রস্তাব হিসেবে গণ্য হবে। বিক্রেতা ঐ প্রস্তাব গ্রহণ নাও করতে পারে।
অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে চুক্তি আইনে অনুযায়ী "কুকুর হারিয়ে গিয়েছে, পেলে ৫০০ টাকা পুরস্কার" এটি একটি প্রস্তাবের আমন্ত্রণ নয়, এটি প্রস্তাব। 
অনন্য সবগুলো প্রস্তাবের আমন্ত্রণ।
২,৯৫৩.
বিক্রয় দলিল নিবন্ধনের ক্ষেত্রে সর্বশেষ কত বছরের মালিকানার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা থাকতে হবে?
  1. ৫ বছরের
  2. ১০ বছরের
  3. ২০ বছরের
  4. ২৫ বছরের
ব্যাখ্যা
ধারা ৫২ক- বিক্রয় দলিলে কতিপয় তথ্য সন্নিবেশন করা না হইলে নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা উহা নিবন্ধন করিবেন না:
কোন স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় দলিল দাখিল করা হইলে, যে পর্যন্ত নিম্নবর্ণিত বিবরণাদি দলিলে অন্তর্ভুক্ত এবং দলিলের সহিত সংযুক্ত না করা হয়, সেই পর্যন্ত নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা দলিলটি নিবন্ধন করিবেন না, যথা-
(ক) বিক্রেতা যদি উত্তরাধিকারপ্রাপ্তি ব্যতীত অন্যভাবে সম্পত্তির মালিক হইয়া থাকেন, তাহা হইলে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর অধীন তাহার নামে প্রস্তুতকৃত সর্বশেষ খতিয়ান;
(খ) বিক্রেতা যদি উত্তরাধিকারপ্রাপ্তিতে সম্পত্তির মালিক হইয়া থাকেন, তাহা হইলে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর অধীন তাহার নামে অথবা তাহার পূর্বসূরির নামে প্রস্তুতকৃত সর্বশেষ খতিয়ান;
(গ) সম্পত্তির প্রকৃতি;
(ঘ) সম্পত্তির মূল্য;
(ঙ) সীমানা ও চৌহদ্দিসহ সম্পত্তির একটি নকশা;
(চ) সম্পত্তির মালিকানার গত ২৫ (পঁচিশ) বৎসরের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা; এবং
(ছ) এই দলিল সম্পাদনের পূর্বে সম্পাদনকারী সম্পত্তিটি কোন ব্যক্তির নিকট হস্তান্তর করেন নাই এবং উহাতে তাহার বৈধ স্বত্ব বহাল রহিয়াছে মর্মে দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করিয়া একটি হলফনামা।
২,৯৫৪.
SAT Act, 1950 এর ধারা ৭৫ক(১)-এর পরিপন্থী খাস ভূমি কোর্ফা পত্তন করা হলে-
  1. ভূমি হস্তান্তর হবে
  2. ভূমি নিলামে বিক্রি হবে
  3. কোর্ফা পত্তন বাতিল হবে
  4. কোর্ফা পত্তন রেজিস্ট্রেশন করতে হবে
ব্যাখ্যা
• The State Acquisition and Tenancy Act, 1950- ধারা–৭৫ক (কোর্ফা পত্তনের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ)-
(১) ১৭ ধারার (৩) উপধারার অধীনে বা ৩১ ধারার (১) উপধারার অধীনে যেদিন নোটিফিকেশন প্রকাশিত হইয়াছে সেই দিন হইতে কোনো ব্যক্তি তাহার দখলীয় খাস ভূমি কোর্ফা পত্তন দিতে পারিবে না।
(২) (১) উপধারার পরিপন্থী কোনো কোর্ফা পত্তন করা হইলে উহা বাতিল হইবে এবং উক্তরূপে যে ভূমি কোর্ফা পত্তন করা হইয়াছে উহা বাজেয়াপ্ত হইবে এবং সরকারের উপর ন্যস্ত হইবে।
(৩) ৩৯ ধারার নির্ধারিত হারে ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে ৩ ধারার (২) উপধারায় তাহার কোনো খাস ভূমি অধিগ্রহণ করার জন্য যে কোনো সময় সরকারের কাছে দরখাস্ত দিতে পারিবেন।
২,৯৫৫.
মুসলিম আইন অনুযায়ী বিবাহিত কোন মহিলা বিবাহ বিচ্ছেদের ডিক্রি পেতে পারে, যদি তাকে তার অভিভাবক _______ বয়সের আগে বিয়ে দিয়ে থাকে এবং সে ______ বয়স পূর্ণ হওয়ার আগে বিবাহটি বাতিল করে।
  1. ১৬ বৎসর, ১৮ বৎসর
  2. ১৮ বৎসর, ২০ বৎসর
  3. ১৮ বৎসর, ১৯ বৎসর
  4. ১৮ বৎসর, ২১ বৎসর
ব্যাখ্যা
• ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী যেসব কারণে আদালতে তালাক চাইতে পারেন সেগুলো হলো-

⇒ চার বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে;
⇒ দুই বছর স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে;
⇒ স্বামীর সাত বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি কারাদণ্ড হলে;
⇒ স্বামী কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া তিন বছর যাবত দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
⇒ বিয়ের সময় পুরষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা দায়ের করা পর্যন্ত বহাল থাকে;
⇒ স্বামী দুই বছর ধরে অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে অথবা কুষ্ঠরোগে বা মারাত্মক যৌন ব্যধিতে আক্রান্ত থাকলে;

বিয়ে অস্বীকার করলে। অর্থাৎ যদি কোনো মেয়ের বাবা বা অভিভাবক মেয়েকে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে বিয়ে দেন এবং সেই মেয়েটি ১৯ বছর হওয়ার আগে বিয়ে অস্বীকার করে বিয়ে ভেঙে দিতে পারে। তবে শর্ত হলো, মেয়েটির সঙ্গে স্বামীর দাম্পত্য সম্পর্ক (সহবাস) যদি স্থাপিত না হয়ে থাকে, তখনই কেবল বিয়ে অস্বীকার করে আদালতে বিচ্ছেদের ডিক্রি চাওয়া যাবে;

⇒ স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লঙ্ঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে;

⇒ স্বামীর নিষ্ঠুরতার কারণে। নিম্নলিখিত আচরণগুলো ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসেবে গণ্য হবে-

(ক) অভ্যাসগত আচরণে স্ত্রীকে আঘাত করা (দৈহিক আঘাত ছাড়াও মানসিক আঘাতও এর অন্তর্ভুক্ত, যা তার জীবন শোচনীয় বা দুর্বিষহ করে তুলেছে);
(খ) অন্য কোনো খারাপ নারীর সঙ্গে জীবনযাপন বা মেলামেশা;
(গ) স্ত্রীকে অনৈতিক জীবনযাপনে বাধ্য করা;
(ঘ) স্ত্রীর সম্পত্তি নষ্ট করা;
(ঙ) স্ত্রীকে নিজস্ব ধর্মপালনে বাধা দেয়া;
(চ) যদি স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকে, তাদের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের নির্দেশ অনুসারে সমান ব্যবহার না করা;
(ছ) এছাড়া মুসলিম আইনে বিয়েবিচ্ছেদের জন্য বৈধ বলে স্বীকৃত অন্য যে কোনো কারণে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের দাবি করতে পারবে।
২,৯৫৬.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'Doctrine of Self-Incrimination' প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৫(৫)
  2. অনুচ্ছেদ ৩৫(৩)
  3. অনুচ্ছেদ ৩৫(১)
  4. অনুচ্ছেদ ৩৫(৪)
ব্যাখ্যা
Doctrine of Self-Incrimination:
Self-incrimination is a legal principle under which a person cannot be compelled to provide information or testify against themselves in a criminal case. In various jurisdictions, including the US and India, the right against self-incrimination is enshrined as a constitutional or legal protection. The doctrine is based upon the following legal maxim:Nemo teneteur prodre accussare seipsum – It states that a man cannot be compelled to state any self-incriminating statement.
Self-Incrimination as a Fundamental Right
The makers of the Constitution have borrowed several features from other constitutions of the world and the model for Fundamental Rights in India is adopted from the Constitution of the US.

⇒ Doctrine of Self-Incrimination হল একটি আইনগত সিদ্ধান্ত যা বলে, কোনও ব্যক্তিকে তার নিজের বিরুদ্ধে প্রমাণ উপস্থাপন করতে বাধ্য করা যাবে না। এই নির্দেশিকার মূল উদ্দেশ্য হল ব্যক্তির মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত রাখা এবং তাকে নিজের বিরুদ্ধে প্রমাণ দিতে বাধ্য না করা।

অর্থাৎ, কোনও ব্যক্তিকে তার নিজের অপরাধ স্বীকার করতে বাধ্য করা যাবে না। এই অধিকার সংবিধানে প্রদত্ত মৌলিক অধিকার হিসেবে বিবেচিত হয়।
আইনি প্রক্রিয়ায় এই নির্দেশিকা প্রয়োগের ফলে ব্যক্তির অন্তঃকরণ ও মনস্তাত্ত্বিক স্বাধীনতা সুরক্ষিত হয়। এতে অনৈতিক উপায়ে ব্যক্তিকে তার নিজের বিপক্ষে প্রমাণ দেয়ার জন্য বাধ্য করা যায় না।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫(৪) অনুচ্ছেদে 'Doctrine of Self-Incrimination' প্রতিফলিত হয়েছে।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদে বিধান বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ:
(১) অপরাধের দায়যুক্ত কার্যসংঘটনকালে বলবৎ ছিল, এইরূপ আইন ভঙ্গ করিবার অপরাধ ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে না এবং অপরাধ-সংঘটনকালে বলবৎ সেই আইনবলে যে দণ্ড দেওয়া যাইতে পারিত, তাঁহাকে তাহার অধিক বা তাহা হইতে ভিন্ন দণ্ড দেওয়া যাইবে না। 
(২) এক অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তিকে একাধিকবার ফৌজদারীতে সোপর্দ ও দণ্ডিত করা যাইবে না। 
(৩) ফৌজদারী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালত বা ট্রাইব্যুনালে দ্রুত ও প্রকাশ্য বিচারলাভের অধিকারী হইবেন। 
(৪) কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাইবে না। 
(৫) কোন ব্যক্তিকে যন্ত্রণা দেওয়া যাইবে না কিংবা নিষ্ঠুর, অমানুষিক বা লাঞ্ছনাকর দণ্ড দেওয়া যাইবে না কিংবা কাহারও সহিত অনুরূপ ব্যবহার করা যাইবে না। 
(৬) প্রচলিত আইনে নির্দিষ্ট কোন দণ্ড বা বিচারপদ্ধতি সম্পর্কিত কোন বিধানের প্রয়োগকে এই অনুচ্ছেদের (৩) বা (৫) দফার কোন কিছুই প্রভাবিত করিবে না।
২,৯৫৭.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ২০ ধারায়, তল্লাশীর প্রতিবেদন কত সময়ের মধ্যে প্রস্তুত করতে হয়?
  1. ১২ ঘণ্টা
  2. ২৪ ঘণ্টা
  3. ৪৮ ঘণ্টা
  4. ৭২ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) ৭২ ঘণ্টা।

মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২০: প্রতিরোধমূলক তল্লাশী এবং আটক:
(১) কোন মানব পাচার অপরাধ প্রতিরোধকল্পে, উপ-পরিদর্শকের নিম্ন পদমর্যাদার নহেন, এমন কোন পুলিশ কর্মকর্তা তাহার ঊর্ধ্বতন নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তার অনুমোদন সাপেক্ষে বা নির্দেশে এই আইনের অধীন প্রতিরোধমূলক তল্লাশী করিবার, যে কোন আঙ্গিনায় প্রবেশ করিবার এবং এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত হইবার সম্ভাবনা রহিয়াছে এমন সরঞ্জামাদি বা তথ্য-প্রমাণ বা দলিল আটক করিবার ক্ষমতাপ্রাপ্ত হইবেন।
 
(২) কোন ব্যক্তির সহিত অথবা কোন স্থানে এই আইনের অধীন অপরাধ সংঘটনের উপযোগী সরঞ্জাম বা উপাদান উপস্থিত আছে এবং তল্লাশী পরোয়ানা সংগ্রহে বিলম্বের কারণে অপরাধটি প্রকৃতই সংঘটিত হইবার বা কোন সাক্ষ্য প্রমাণ নষ্ট হইবার যুক্তিসঙ্গত কারণ বিদ্যমান থাকিলে উপ-ধারা (১) এর অধীন বিনা পরোয়ানায় তল্লাশী করা যাইবে এবং তল্লাশী চালাইবার পূর্বে তল্লাশীর জন্য প্রস্ত্তত অফিসার যেই স্থানে তল্লাশী চালাইবেন উক্ত স্থানটি যেই এলাকায় অবস্থিত সেই এলাকার দুই বা ততোধিক সম্মানিত অধিবাসীকে তল্লাশীতে হাজির থাকিতে ও উহার সাক্ষী হইতে আহবান জানাইবেন এবং উক্ত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তল্লাশী চালাইতে হইবে এবং উক্ত অফিসার তল্লাশীর সময় জব্দকৃত সমস্ত সামগ্রী এবং যেই সকল স্থানে উক্ত সামগ্রীসমূহ পাওয়া গিয়াছে তাহাদের একটি তালিকা প্রস্ত্তত করিবেন এবং উহাতে সাক্ষীগণের স্বাক্ষর গ্রহণ করিবেন।
 
(৩) ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১০৩ এর বিধানের আলোকে এবং যেই ব্যক্তির শরীর বা সম্পত্তিতে তল্লাশী চালানো হইবে তাহার মানবাধিকার ও মানবিক মর্যাদার প্রতি যথোপযুক্ত সম্মান প্রদর্শনপূর্বক উপ-ধারা (১) এর অধীন তল্লাশী সম্পাদন করিতে হইবে এবং, বিশেষতঃ, কোন নারীর বিরুদ্ধে তল্লাশী পরিচালনা করা হইলে তল্লাশী দলের সহিত অবশ্যই একজন নারী কর্মকর্তা বা নারী প্রবেশন কর্মকর্তা থাকিবেন। 
 
(৪) তল্লাশী সম্পাদনের ৭২ (বাহাত্তর) ঘন্টার মধ্যে তল্লাশী কার্যে নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তা তল্লাশীর কারণ এবং ফলাফলের বিবরণ সম্বলিত প্রতিবেদন তৈরী করিবেন এবং তাহার অনুলিপি ইলেকট্রনিক বা অন্য কোনো উপায়ে সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট এবং একই সাথে সংশ্লিষ্ট অপরাধের বিচারের এখতিয়ারসম্পন্ন ট্রাইব্যুনালে প্রেরণ করিবে, যাহা ট্রাইব্যুনালের হেফাজতে রক্ষিত থাকিবে এবং উক্ত কর্মকর্তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং যাহার বিরুদ্ধে তল্লাশী পরিচালিত হইয়াছে তাহাকে প্রতিবেদনের একটি করিয়া অনুলিপি প্রদান করিতে হইবে।
২,৯৫৮.
তালাক-উস-সুন্নাহ কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা

তালাক-উস-সুন্নাহ (অনুমোদিত তালাক):
তালাক-উস-সুন্নাহ হলো হযরত মোহাম্মদ (সা:) এর সুন্নত বা হাদিসে বর্ণিত নিয়ম অনুযায়ী তালাক। তালাক-উস-সুন্নাহ দুই প্রকার হতে পারে;

ক. তালাক আহসান (সর্বাধিক অনুমোদিত তালাক);
খ. তালাক হাসান (অনুমোদিত তালাক)।

তালাক-ই-আহসান: 
স্ত্রীর তুহরে (পবিত্র সময়) একবার তালাক উচ্চারণ করা হলে এবং স্ত্রীর ইদ্দতকাল (৩টি ঋতুকাল পর্যন্ত) তার সাথে যৌন সম্পর্ক (Consummation) না রাখলে, ইদ্দতকাল শেষ হওয়ার সাথে সাথে তালাক কার্যকর হবে এবং অপ্রত্যাহারযোগ্য হবে। এটি সর্বাপেক্ষা অনুমোদিত তালাক।

তালাক-ই-হাসান: 
স্বামী তার স্ত্রীর পরপর ৩টি তুহরের প্রত্যেক তুহরেই ১ বার করে তালাক উচ্চারণ করবে এবং তুহর কালে স্ত্রীর শারীরিক সম্পর্ক হতে বিরত থাকবে। তৃতীয় উচ্চারণের সঙ্গে সঙ্গেই তালাক কার্যকর হবে। এই ক্ষেত্রে তালাক অপ্রত্যাহারযোগ্য।

২,৯৫৯.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর অধীনে একজন পুরুষ যদি দ্বিতীয় বিবাহের অনুমতির জন্য আবেদন করেন, তাহলে এটি কোন সংস্থার কাছে করা হবে?
  1. আঞ্চলিক পুলিশ
  2. পারিবারিক আদালত
  3. আর্বিট্রেশন কাউন্সিল
  4. নিকাহ রেজিস্ট্রার
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুসারে, একজন পুরুষ যদি দ্বিতীয় বিবাহের জন্য অনুমতির আবেদন করেন, তাহলে এটি আর্বিট্রেশন কাউন্সিল এর কাছে করা হবে।
- ধারা ৬(১) অনুযায়ী, একজন পুরুষ যদি বর্তমান বিবাহের সময় দ্বিতীয় বিবাহ করতে চান, তবে তাকে আর্বিট্রেশন কাউন্সিলের অনুমতি নিতে হবে। আবেদনকারীকে চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন জমা দিতে হবে, এবং পরবর্তীতে একটি আর্বিট্রেশন কাউন্সিল গঠন করা হবে যা বিবাহের অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ধারা ৬ অনুযায়ী:
- কোনো পুরুষ যদি বর্তমান বিবাহ বহাল থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় বিবাহ করতে চান, তাহলে আর্বিট্রেশন কাউন্সিলের পূর্বানুমতি নিতে বাধ্য।
- আবেদন ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভার চেয়ারম্যানের কাছে জমা দিতে হবে (ধারা ৬(২))।
- চেয়ারম্যান স্বামী ও বর্তমান স্ত্রী(দের) প্রতিনিধি নিয়ে আর্বিট্রেশন কাউন্সিল গঠন করবেন (ধারা ৬(৩))।
- কাউন্সিল প্রস্তাবিত বিবাহের প্রয়োজনীয়তা ও ন্যায্যতা যাচাই করে অনুমতি দিতে পারে।
- অনুমতি ছাড়া বিবাহ করলে শাস্তি: ১ বছরের কারাদণ্ড বা ১০,০০০ টাকা জরিমানা (ধারা ৬(৫))।
- দেনমোহর পরিশোধ বাধ্যতামূলক: অনুমতি ছাড়া বিবাহ করলে সম্পূর্ণ দেনমোহর (Prompt ও Deferred) অবিলম্বে পরিশোধ করতে হবে।
অতএব, সঠিক উত্তর গ) আর্বিট্রেশন কাউন্সিল।
২,৯৬০.
২০ লক্ষ টাকা মূল্যমানের মোকদ্দমা কোন আদালতে দায়ের করতে হবে?
  1. জেলা জজ আদালত
  2. সহকারী জজ আদালত
  3. যুগ্ম জেলা জজ আদালত
  4. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত
ব্যাখ্যা

The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ১৯ অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতগুলোর আর্থিক এখতিয়ার সীমা নিম্নরূপ:

সহকারী জজের আদালত: সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত মামলার বিচার করতে পারে।
সিনিয়র সহকারী জজের আদালত: ১৫ লক্ষ টাকার বেশি থেকে ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত মামলার বিচার করতে পারে।
যুগ্ম জেলা জজের আদালত: ২৫ লক্ষ টাকার বেশি মূল্যমানের মামলার বিচার করতে পারে।
- যেহেতু প্রশ্নে মামলার মূল্যমান ২০ লক্ষ টাকা উল্লেখ আছে, যা ১৫ লক্ষ টাকার বেশি এবং ২৫ লক্ষ টাকার কম, তাই এই মামলাটি সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে দায়ের করতে হবে।