বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন২,৯৬৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ২১ / ৩০ · ২,০০১২,১০০ / ২,৯৬৪

২,০০১.
পারস্পরিক অঙ্গীকারে অবৈধ অংশ থাকলে তার কী প্রভাব হয়?
  1. পুরো চুক্তি বাতিল হয়
  2. পুরো চুক্তি বৈধ হয়
  3. অবৈধ অংশ বৈধ হয়
  4. অবৈধ অংশ বাতিল, বৈধ অংশ কার্যকর থাকে
ব্যাখ্যা
Contract Act, 1872- ধারা ৫৭: পারস্পরিক অঙ্গীকারের কিছু করা বৈধ এবং অন্যান্য কিছু অবৈধ-
যেক্ষেত্রে ব্যক্তিগণ পারস্পরিক প্রথমত এমন কিছু করিবার অঙ্গীকার করেন যাহা বৈধ, এবং দ্বিতীয়ত বিশেষ অবস্থার প্রেক্ষিতে এমন কিছু করিবার অঙ্গীকার করেন যাহা অবৈধ, সেইক্ষেত্রে প্রথম অঙ্গীকারসমূহ একটি চুক্তি, কিন্তু দ্বিতীয়টি বাতিল সম্মতি।

উদাহরণ-
ক ও খ সম্মত হন যে, ক, খ এর নিকট একটি বাড়ি ১০,০০০ টাকায় বিক্রয় করিবেন, কিন্তু খ যদি ইহাকে জুয়ার আড্ডা হিসাবে ব্যবহার করেন তাহা হইলে এইজন্য তিনি ক-কে ৫০,০০০ টাকা দিবেন।
পারস্পরিক অঙ্গীকারসমূহের প্রথমগুচ্ছ, অর্থাৎ, গৃহ বিক্রয় করা এবং তজ্জন্য ১০,০০০ টাকা প্রদান একটি চুক্তি। দ্বিতীয় গুচ্ছটি একটি অবৈধ উদ্দেশ্যে, অর্থাৎ, খ বাড়িটি একটি জুয়ার আড্ডা হিসাবে ব্যবহার করিতে পারেন এবং ইহা একটি বাতিল সম্মতি।
২,০০২.
The Registration Act, 1908 এর ধারা ৭২ বা ৭৬ এর অধীন রেজিস্ট্রার দলিল নিবন্ধনে অস্বীকৃতি জানালে, কত দিনের মধ্যে দেওয়ানি আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে?
  1.  ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৪৫ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা

উত্তর: খ) ৩০ দিন।

• The Registration Act, 1908 এর ৭৭ ধারা: রেজিস্ট্রার কর্তৃক অগ্রাহ্যের আদেশের ক্ষেত্রে মামলা:
(১) যেক্ষেত্রে রেজিস্ট্রার ধারা ৭২ বা ধারা ৭৬ এর অধীন দলিল নিবন্ধনের জন্য আদেশ প্রদানে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেন, সেইক্ষেত্রে উক্ত দলিলের কোন গ্রহীতা, তাহার প্রতিনিধি, মনোনীত ব্যক্তি বা এজেন্ট উক্ত অগ্রাহ্যের আদেশ প্রদানের পর ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে যে দেওয়ানি আদালতের আদি এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে অবস্থিত কার্যালয়ে দলিলটি নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা হইয়াছিল, সেই কার্যালয়ে দলিলটি নিবন্ধিত হওয়ার নির্দেশ-সংবলিত ডিক্রি লাভের উদ্দেশ্যে উক্ত আদালতে মামলা দায়ের করিতে পারিবেন, যদি এইরূপ ডিক্রি প্রদানের পর ত্রিশ দিনের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দলিলটি যথাযথরূপে দাখিল করা হয়।

তবে শর্ত থাকে যে, মামলা দায়ের করিতে ব্যর্থতা বা এই ধারার অধীন দায়েরকৃত মামলার খারিজ হইয়া যাওয়া, পক্ষকে অন্য কোন প্রতিকার পাওয়ার অধিকার হইতে বঞ্চিত করিবে না, যাহা তিনি অনিবন্ধিত দলিলের ভিত্তিতে পাইতে পারিতেন।

(২) প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ ধারা ৭৫ এর উপ-ধারা (২) ও (৩) এ বর্ণিত বিধানাবলি এইরূপ কোন ডিক্রি অনুসারে নিবন্ধনের জন্য দাখিলকৃত সকল দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে, এবং, এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, দলিলটি উক্তরূপ মামলায় সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হইবে।

২,০০৩.
কোন ব্যক্তি যদি জানে যে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ সংঘটনের কোন ন্যায্য কারণ নেই, তবুও তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে, তাহলে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ অনুযায়ী তার সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২-এর ধারা ৬ অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে, জেনেশুনে কোনো ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ ছাড়াই তার বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধের মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান, তাহলে তিনি অন্যূন দুই বছর এবং অনধিক পাঁচ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবেন। এখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে এই অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড।

⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২-এর ধারা ৬-মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের, ইত্যাদির শাস্তি:
যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনের কোন ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নাই জানিয়াও তাহার বিরুদ্ধে কোন মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান, তাহা হইলে প্রথমোক্ত ব্যক্তি অন্যুন দুই বত্সর এবং অনধিক পাঁচ বত্সর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন৷

২,০০৪.
হিন্দু আইনে বিবাহকে কী হিসেবে বিবেচনা করা হয়?
  1. সামাজিক রীতি
  2. দেওয়ানী চুক্তি
  3. আইনি অনুমোদন
  4. ধর্মীয় পবিত্র বন্ধন
ব্যাখ্যা
হিন্দু আইনে বিয়ে (Marriage) হলো একটি "পবিত্র বন্ধন" (Sacrament) - যা শুধু পার্থিব বা আইনি বিষয় নয়, বরং আধ্যাত্মিক, নৈতিক ও ধর্মীয় দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

যে কারণে হিন্দু বিবাহ "পবিত্র বন্ধন"-

ধর্মীয় রীতিনীতি অনুসরণ:
হিন্দু ধর্মে বিবাহ একটি পূজা বা যজ্ঞসদৃশ ধর্মীয় আচার। ‘সপ্তপদী’ (সাতপাক) ও ‘হোমযজ্ঞ’-এর মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে আত্মিক ও ধর্মীয় মিলন ঘটে।

জন্মজন্মান্তরের সম্পর্ক:
বিশ্বাস অনুযায়ী, হিন্দু দম্পতির সম্পর্ক শুধু এই জন্মেই নয়, বরং বহু জন্ম ধরে স্থায়ী। এই বন্ধন মৃত্যুর পরেও থাকে — একে বলা হয় "অবিচ্ছেদ্য (indissoluble)"।

চুক্তির নয়, কর্তব্যের ভিত্তিতে:
মুসলিম আইনে বিবাহ একটি দেওয়ানী চুক্তি (civil contract) হলেও, হিন্দু আইনে বিবাহ মূলত ধর্মীয় কর্তব্য (religious duty) হিসেবে বিবেচিত।

তালাকের সীমিত সুযোগ:
হিন্দু শাস্ত্রে স্বাভাবিকভাবে তালাকের কোনো সুযোগ নেই। পরবর্তীকালে কিছু বিধিবদ্ধ আইন (যেমন ভারতের Hindu Marriage Act, 1955) দ্বারা কিছু ব্যতিক্রম যুক্ত হলেও, বাংলাদেশে এখনো হিন্দুদের জন্য তালাক বৈধ নয়।
২,০০৫.
The Transfer of Property Act, 1882 আনুসারে 'Foreclosure' কার অধিকার?
  1. আদালতের
  2. রেহেন গ্রহীতার
  3. সরকারের
  4. রেহেন দাতার
ব্যাখ্যা
ফোরিক্লোসার বা বিক্রয়ের প্রতিকার হলো সম্পত্তির বিরুদ্ধে প্রতিকার এবং ৬৭ ধারায় বন্ধগ্রহীতাকে এই অধিকার দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ এই ক্ষেত্রে বন্ধকগ্রহীতা এই মর্মে মোকদ্দমা দায়ের করে যে বন্ধকী সম্পত্তি উদ্ধার করার বন্ধদাতার অধিকার হরণ করা হোক বা বন্ধকি সম্পত্তি বিক্রয় করা হোক।

Section 67 of The Transfer of Property Act, 1882 আনুসারে 'Foreclosure' কার অধিকার বন্ধকগ্রহীতার বা রেহেন গ্রহীতার।

Section 67. Right to foreclosure or sale:

In the absence of a contract to the contrary, the mortgagee has at any time after the mortgage-money has become due to him, and before a decree has been made for the redemption of the mortgaged property, or the mortgage-money has been paid or deposited as hereinafter provided, a right to obtain from the Court a decree that the mortgagor shall be absolutely debarred of his right to redeem the property, or a decree that the property be sold. 
A suit to obtain a decree that a mortgagor shall be absolutely debarred of his right to redeem the mortgaged property is called a suit for foreclosure. 
 
Nothing in this section shall be deemed- 
(a) to authorise any mortgagee other than a mortgagee by conditional sale or a mortgagee under an anomalous mortgage by the terms of which he is entitled to foreclose, to institute a suit for foreclosure, or an usufructuary mortgagee as such or a mortgagee by conditional sale as such to institute a suit for sale; or 
(b) to authorise a mortgagor who holds the mortgagee's rights as his trustee or legal representative, and who may sue for a sale of the property, to institute a suit for foreclosure; or 
(c) to authorise the mortgagee of a railway, canal or other work in the maintenance of which the public are interested, to institute a suit for foreclosure or sale; or 
(d) to authorise a person interested in part only of the mortgage-money to institute a suit relating only to a corresponding part of the mortgaged property, unless the mortgagees have, with the consent of the mortgagor, served their interests under the mortgage.
২,০০৬.
Under section 145G of SAT Act, 1950, who has the authority to abolish Land Survey Tribunals?
  1. The Supreme Court
  2. The Government
  3. The Land Commission
  4. The District Judge
ব্যাখ্যা
ধারা ১৪৫ছ: ট্রাইব্যুনাল বিলুপ্ত করার ক্ষমতা-
সরকার, যেকোনো সময় সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন জারি করে, ধারা ১৪৫ক এর অধীনে গঠিত ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল এবং ধারা ১৪৫খ এর অধীনে গঠিত ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল বিলুপ্ত করতে পারবে।
এবং এ ধরনের বিলুপ্তির সময়, একই প্রজ্ঞাপনে সরকারকে উল্লেখ করতে হবে- যেসব মামলা, আপিল বা অন্যান্য কার্যক্রম ঐ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে, সেগুলো কোন আদালতে স্থানান্তরিত হবে এবং সেই আদালত কর্তৃক তা নিষ্পত্তি করা হবে।

[The Government may, by notification in the official Gazette, at any time, abolish any Land Survey Tribunal established under section 145A and any Land Survey Appellate Tribunal established under section 145B, and while so abolishing, the Government shall, in the same notification, specify the courts where the suits, appeals and other proceedings pending in such Tribunals at the time of such abolition shall be transferred to and be disposed of.]
২,০০৭.
মৃত ব্যক্তি কোন সন্তান বা পুত্র সন্তানকে না রেখে মৃত্যু বরণ করলে, মৃত ব্যক্তির একাধিক স্ত্রী মৃত স্বামীর সম্পত্তি-
  1. প্রত্যেকে ১/৪ অংশ করে পাবেন।
  2. সকলে ১/৪ অংশ সমানভাবে ভাগ করে পাবেন।
  3. প্রত্যেকে ১/৮ অংশ করে পাবেন।
  4. সকলে ১/৮ অংশ সমানভাবে ভাগ করে পাবেন।
ব্যাখ্যা

স্ত্রী(Wife): স্বামীর মতো স্ত্রীও কুরআনের প্রাথমিক উত্তরাধিকারী স্ত্রী কখনোই সম্পূর্ণভাবে বঞ্চিত হয়না। অনুরূপ অবস্থা তার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, যে তার স্বামী অবশ্যই মারা যাবে বৈবাহিক সম্পর্ক অব্যাহত থাকার সময় বা একটি প্রত্যাহারযোগ্য তালাকের ইদ্দত সময়কালে।ইসলামের আবির্ভাবের পূর্বে স্ত্রী মৃত স্বামীর সম্পত্তি থেকে কিছুই পেতনা।

স্ত্রীর  দুটি অবস্থা আছে:

(ক) ১/৪

(খ) ১/৮

(ক) ১/৪ : স্ত্রী শুধুমাত্র একটি শর্ত পূরণ করলে মৃত স্বামীর সম্পত্তির ১/৪ অংশের অধিকারী: মৃত ব্যক্তি কোন সন্তান বা পুত্র সন্তানকে না রেখে মৃত্যু বরণ করলে

(খ) ১/৮ : স্ত্রী শুধুমাত্র একটি শর্ত পূরণ করলে মৃত স্বামীর সম্পত্তির ১/৮ অংশের অধিকারী: মৃত ব্যক্তি কোন সন্তান বা পুত্র সন্তানকে (যত নিচের হউক) রেখে মৃত্যু বরণ করলে

দুই বা ততোধিক স্ত্রী থাকলে বণ্টনের নিয়ম:

-যদি একাধিক স্ত্রী থাকে, তবে তারা একই ভগ্নাংশের অধিকারী হবে, যা তাদের মধ্যে সমানভাবে ভাগ করা হবে। তাদের সংখ্যার ভিত্তিতে ভাগ বাড়বে না
-অর্থাৎ
মৃত ব্যক্তি কোন সন্তান বা পুত্র সন্তানকে না রেখে মৃত্যু বরণ করলে, মৃত ব্যক্তির একাধিক স্ত্রী মৃত স্বামীর সম্পত্তি প্রত্যেকে ১/৪ অংশ সমানভাবে ভাগ করে পাবেন।

২,০০৮.
কোনটি হিন্দু আইনের একটি আধুনিক উৎস?
  1. স্মৃতি
  2. বিধিবদ্ধ আইন
  3. মিতাক্ষরা মতবাদ
  4. দায়ভাগ মতবাদ
ব্যাখ্যা
হিন্দু আইনের আধুনিক উৎস:
আধুনিক যুগে হিন্দু আইনের বিকাশে কিছু নতুন উৎস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, যেমন—ঃ
- আদালতের সিদ্ধান্ত (Judicial Precedents): বিভিন্ন মামলার বিচারিক সিদ্ধান্ত, যা ভবিষ্যতের জন্য দৃষ্টান্ত তৈরি করে।
- বিধিবদ্ধ আইন (Statutory Law): সংসদ কর্তৃক প্রণীত হিন্দু ব্যক্তিগত আইন।
- সুবিচার ও ন্যায়পরায়ণতা (Justice, Equity, and Good Conscience): যেখানে কোনো নির্দিষ্ট বিধান নেই, সেখানে ন্যায়বিচার ও বিবেকবোধের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

⇒ হিন্দু আইনের আধুনিক উৎসগুলোর মধ্যে বিধিবদ্ধ আইন (Statutory Law) অন্যতম।

- আধুনিক সময়ে হিন্দু ব্যক্তিগত আইনের বিভিন্ন দিককে স্পষ্ট ও সুসংগঠিত করার জন্য বিধিবদ্ধ আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।
-কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিধিবদ্ধ আইন হলো—
- Hindu Marriage Act – হিন্দু বিবাহ সম্পর্কিত আইন।
- Hindu Succession Act – হিন্দু উত্তরাধিকার সম্পর্কিত আইন।
- Hindu Adoption and Maintenance Act – দত্তক ও ভরণপোষণ সংক্রান্ত আইন।
- Hindu Minority and Guardianship Act – হিন্দু নাবালক ও অভিভাবকত্ব সম্পর্কিত আইন।

অন্য অপশন গুলোর মধ্যে:
- মিতাক্ষরা মতবাদ ও দায়ভাগ মতবাদ – হিন্দু উত্তরাধিকার আইনের দুটি প্রাচীন মতবাদ। এগুলো আধুনিক উৎস নয়।
- স্মৃতি – এটি হিন্দু আইনের একটি প্রাচীন উৎস, আধুনিক নয়।
২,০০৯.
যদি কোনো ঋণ ভবিষ্যৎ বা বিদ্যমান কোনো ঋণ সুরক্ষার জন্য হস্তান্তর করা হয়, তবে প্রথমে কোন খাতে অর্থ ব্যবহার করা হবে?
  1. হস্তান্তরকারীর লাভের জন্য
  2. সুদ পরিশোধের জন্য
  3. আদায়ের ব্যয়ের জন্য
  4. পরিশোধিত মূল ঋণের জন্য
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩৪: বন্ধক রাখা ঋণ:
যদি কোনো ঋণ ভবিষ্যৎ বা বিদ্যমান কোনো ঋণ সুরক্ষার জন্য হস্তান্তর করা হয়, তবে হস্তান্তরিত ঋণ থেকে প্রাপ্ত অর্থ বা আদায়কৃত অর্থ নিম্নোক্তভাবে ব্যবহৃত হবে:
১. প্রথমে, আদায়ের ব্যয় পরিশোধে,
২. দ্বিতীয়ত, হস্তান্তরের মাধ্যমে যে পরিমাণ অর্থ সুরক্ষিত তা পরিশোধে,
৩. এবং অবশিষ্ট অর্থ (যদি থাকে) হস্তান্তরকারীর বা প্রাপ্য ব্যক্তির হবে।
২,০১০.
নিম্নলিখিত কোন পরিস্থিতিতে অধিকারবলে আপীল বিভাগে আপীল করা যায়?
  1. যখন হাইকোর্ট বিভাগ কোন ব্যক্তিকে যেকোন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে
  2. যখন হাইকোর্ট বিভাগ কোন ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে
  3. যখন হাইকোর্ট বিভাগ কোন মামলার শুনানি করতে অস্বীকৃতি জানায়
  4. যখন হাইকোর্ট বিভাগ কোন ব্যক্তিকে ১০ বছরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১০৩- আপীল বিভাগের এখতিয়ার:
(১) হাইকোর্ট বিভাগের রায়, ডিক্রী, আদেশ বা দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল শুনানীর ও তাহা নিষ্পত্তির এখতিয়ার আপীল বিভাগের থাকিবে। 
 
(২) হাইকোর্ট বিভাগের রায়, ডিক্রী, আদেশ বা দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল বিভাগের নিকট সেই ক্ষেত্রে অধিকারবলে আপীল করা যাইবে, যে ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ-
(ক) এই মর্মে সার্টিফিকেট দান করিবেন যে, মামলাটির সহিত এই সংবিধান-ব্যাখ্যার বিষয়ে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন জড়িত রহিয়াছে; অথবা 
(খ) কোন মৃত্যুদণ্ড বহাল করিয়াছেন কিংবা কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিয়াছেন; অথবা
(গ) উক্ত বিভাগের অবমাননার জন্য কোন ব্যক্তিকে দণ্ডদান করিয়াছেন; 
 
এবং সংসদে আইন-দ্বারা যেরূপ বিধান করা হইবে, সেইরূপ অন্যান্য ক্ষেত্রে। 
 
(৩) হাইকোর্ট বিভাগের রায়, ডিক্রী, আদেশ বা দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে যে মামলায় এই অনুচ্ছেদের (২) দফা প্রযোজ্য নহে, কেবল আপীল বিভাগ আপীলের অনুমতিদান করিলে সেই মামলায় আপীল চলিবে। 
 
(৪) সংসদ আইনের দ্বারা ঘোষণা করিতে পারিবেন যে, এই অনুচ্ছেদের বিধানসমূহ হাইকোর্ট বিভাগের প্রসঙ্গে যেরূপ প্রযোজ্য, অন্য কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনালের ক্ষেত্রেও তাহা সেইরূপ প্রযোজ্য হইবে।
২,০১১.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সুপ্রিম কোর্টের বিধি প্রণয়ন ক্ষমতা বর্ণিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১০৫
  2. অনুচ্ছেদ ১০৬
  3. অনুচ্ছেদ ১০৭
  4. অনুচ্ছেদ ১০৮
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ১০৭- সুপ্রীম কোর্টের বিধিপ্রণয়ন-ক্ষমতা:
(১) সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইন-সাপেক্ষে সুপ্রীম কোর্ট রাষ্ট্রপতির অনুমোদন লইয়া প্রত্যেক বিভাগের এবং অধঃস্তন যে কোন আদালতের রীতি ও পদ্ধতি-নিয়ন্ত্রণের জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিতে পারিবেন।

(২) সুপ্রীম কোর্ট এই অনুচ্ছেদের (১) দফা এবং এই সংবিধানের ১১৩ ও ১১৬ অনুচ্ছেদের অধীন দায়িত্বসমূহের ভার উক্ত আদালতের কোন একটি বিভাগকে কিংবা এক বা একাধিক বিচারককে অর্পণ করিতে পারিবেন।

(৩) এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বিধিসমূহ-সাপেক্ষে কোন্ কোন্ বিচারককে লইয়া কোন্ বিভাগের কোন্ বেঞ্চ গঠিত হইবে এবং কোন্ কোন্ বিচারক কোন্ উদ্দেশ্যে আসন গ্রহণ করিবেন, তাহা প্রধান বিচারপতি নির্ধারণ করিবেন।

(৪) প্রধান বিচারপতি সুপ্রীম কোর্টের যে কোন বিভাগের কর্মে প্রবীণতম বিচারককে সেই বিভাগে এই অনুচ্ছেদের (৩) দফা কিংবা এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বিধিসমূহ-দ্বারা অর্পিত যে কোন ক্ষমতাপ্রয়োগের ভার প্রদান করিতে পারিবেন।

২,০১২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. ১১৫ অনুচ্ছেদ
  2. ১১৭ অনুচ্ছেদ
  3. ১১৮ অনুচ্ছেদ
  4. ১১৯ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৭ অনুচ্ছেদে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কিত বিস্তারিত বিধান উল্লেখ করা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদটি সংবিধানের তৃতীয় পরিচ্ছেদ (প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল) এর অধীনে পড়ে।
→ ১১৭ অনুচ্ছেদের মূল বিষয়বস্তু:
১. প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল গঠনের ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত – সংসদ আইনের দ্বারা এক বা একাধিক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করতে পারে।
২. এই ট্রাইব্যুনালগুলো নিম্নলিখিত বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে:
- নবম ভাগে বর্ণিত সরকারি কর্মচারীদের চাকরির শর্তাদি।
- রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বা সংবিধিবদ্ধ কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম।
১০২(৩) দফার আওতাভুক্ত আইনসংক্রান্ত বিষয়।
৩. ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারভুক্ত বিষয়ে অন্য আদালত হস্তক্ষেপ করতে পারবে না, তবে সংসদ চাইলে ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বা পুনর্বিবেচনার বিধান করতে পারে।

অতএব, সংবিধানের ১১৭ অনুচ্ছেদ-এ প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
- এটি প্রশাসনিক বিচারব্যবস্থা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক ব্যবস্থা, যা বিচারব্যবস্থাকে আরও দক্ষ ও কার্যকর করে।
২,০১৩.
Land Survey Tribunal এর কোন রায় বা ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কত দিনের মধ্যে Land Survey Appellate Tribunal এ আপীল করা যায়?
  1. ২ মাসের মধ্যে
  2. ৩ মাসের মধ্যে
  3. ৬ মাসের মধ্যে
  4. ১ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহন এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ১৪৫খ ধারা অনুসারে, সরকার ল্যান্ড সার্ভে আপীলেট ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করতে পারে। ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপীল শুনানীর জন্য সরকার প্রয়োজনীয় সংখ্যক ল্যান্ড সার্ভে আপীলেট ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারে। 
বিচারক নিয়োগ (ধারা ১৪৫খ (৩):
সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে বিচারকগণের মধ্যে হতে কোন ব্যক্তিকে সরকার ল্যান্ড সার্ভে আপীলেট বিচারক নিযুক্ত করবর।

আপীল এখতিয়ার (ধারা ১৪৫খ (৪)]:
শুধুমাত্র ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে ল্যান্ড সার্ভে আপীলো ট্রাইব্যুনালে আপীল দায়ের করা যাবে। ইহা ব্যতীত অন্যকোন আপীল দায়ের করা যাবে না।

আপীল দায়েরের সময়সীমা (ধারা ১৪৫খ (৫)):
Land Survey Tribunal এর কোন রায় বা ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে ৩ মাসের মধ্যে Land Survey Appellate Tribunal এ আপীল করা যায়। ১৪৫খ ধারার (৫) উপ-ধারায় উল্লেখিত ৩ মাস অতিবাহিত হওয়ার পরবর্তী ৩ মাসের মধ্যে আপীল গ্রহণ করা যেতে পারে, যদি আপীল প্রথম ৩ মাসের মধ্যে দায়ের করতে না পারার যথেষ্ট কারণ আপীলকারী দেখাতে পারে।
২,০১৪.
সংবাদ মাধ্যমে নির্যাতিতা নারী ও শিশুর পরিচয় প্রকাশের ক্ষেত্রে অনধিক কত টাকা অর্থদণ্ড দেয়া যেতে পারে?
  1. ৫০,০০০ টাকা
  2. ২,০০,০০ টাকা
  3. ১,০০,০০০ টাকা
  4. ৩,০০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
ধারা ১৪- সংবাদ মাধ্যমে নির্যাতিতা নারী ও শিশুর পরিচয় প্রকাশের ব্যাপারে বাধা-নিষেধ

(১) এই আইনে বর্ণিত অপরাধের শিকার হইয়াছেন এইরূপ নারী বা শিশুর ব্যাপারে সংঘটিত অপরাধ বা তত্সম্পর্কিত আইনগত কার্যধারার সংবাদ বা তথ্য বা নাম-ঠিকানা বা অন্যবিধ তথ্য কোন সংবাদ পত্রে বা অন্য কোন সংবাদ মাধ্যমে এমনভাবে প্রকাশ বা পরিবেশন করা যাইবে যাহাতে উক্ত নারী বা শিশুর পরিচয় প্রকাশ না পায় ।

(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান লংঘন করা হইলে উক্ত লংঘনের জন্য দায়ী ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের প্রত্যেকে অনধিক দুই বৎসর কারাদণ্ডে বা অনূর্ধ্ব এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।

Section 14: Prohibition on publishing acquaintance of a woman or a child oppressed, in new media

i. Any news, information or name & address or any other information regarding any offence, under this Act, committed or any legal proceeding thereof, of which a woman or a child is the victim, shall be published or presented as such that the acquaintance of the woman or the child shall be undisclosed.

ii. In case, where the provision under sub-section (і) is infringed, the person or persons liable for such infringement, each shall be punished with imprisonment for either description, which may extend to two years or with fine not exceeding one lac taka or both.
২,০১৫.
পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত ধারায় মোট কয়টি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৬টি
  2. ৫টি
  3. ৪টি
  4. ৩টি
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩-এর ধারা ৫ অনুসারে, পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত মোট ৫টি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে: (ক) বিবাহ বিচ্ছেদ, (খ) দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার, (গ) দেনমোহর, (ঘ) ভরণপোষণ, এবং (ঙ) শিশু সন্তানদের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান। এই ধারা মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে এই বিষয়গুলোর মোকদ্দমা গ্রহণ, বিচার ও নিষ্পত্তির এখতিয়ার প্রদান করে।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ৫ ধারার বিধান: পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার:
মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে, পারিবারিক আদালতে নিম্নরূপ সকল বা যেকোনো বিষয় সম্পর্কিত বা উহা হইতে উদ্ভূত যেকোনো মোকদ্দমা গ্রহণ, বিচার এবং নিষ্পত্তির এখতিয়ার থাকিবে, যথা:-
(ক) বিবাহ বিচ্ছেদ;
(খ) দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার;
(গ) দেনমোহর;
(ঘ) ভরণপোষণ; এবং
(ঙ) শিশু সন্তানদের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান।

২,০১৬.
স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় চুক্তিতে (Contract for sale) দলিল সম্পাদন ও রেজিস্ট্রেশনের জন্য ভিন্নরূপ সময় উল্লেখ না থাকলে তা কত সময়ের মধ্যে কার্যকর হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ The Transfer of Property Act, 1882 এর ৫৪ক ধারার বিধান বিক্রয় চুক্তি নিবন্ধিত হতে হবে, প্রভৃতি:
 হস্তান্তরগ্রহীতা সম্পত্তি বা এর কোন অংশের দখল গ্রহণ করুক বা না করুক, কোন স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি শুধুমাত্র লিখিত দলিল সম্পাদন এবং The Registration Act, 1908 এর আওতায় রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে করা যাবে।
- স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তিতে বিক্রয় দলিল সম্পাদন ও রেজিস্ট্রেশনের জন্য যে সময়ের উল্লেখ থাকবে রেজিস্ট্রেশনের তারিখ হতে তা কার্যকর হবে এবং যদি কোন সময় উল্লেখ না থাকে তাহলে এই সময় ৬ মাস ধরে নিতে হবে।
---------------------
⇒ The Transfer of Property Act, 1882 Section 54A. Contract for sale to be registered, etc.

Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, a contract for sale of any immoveable property can be made only by an instrument in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof. 
 
In a contract for sale of any immoveable property, a time, to be effective from the date of registration, shall be mentioned for execution and registration of the instrument of sale, and if no time is mentioned, six months shall be deemed to be the time.
২,০১৭.
বাংলাদেশের সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারি কর্মচারীদের প্রধান কর্তব্যের মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত?
  1. আইন মান্য করা
  2. শৃঙ্খলা বজায় রাখা
  3. জনগণের সেবা করা
  4. রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি রক্ষা করা
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীদের প্রধান কর্তব্যের মধ্যে "জনগণের সেবা করা" অন্তর্ভুক্ত।
→ সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ বলে যে, "সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।" এর মানে হলো, সরকারি কর্মচারীদের প্রধান দায়িত্ব হলো জনগণের সেবা করা এবং তাদের সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সর্বদা সৎ ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করা।
- এছাড়া, ২১ অনুচ্ছেদে সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্যের মধ্যে আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি রক্ষা করাও অন্তর্ভুক্ত, তবে মূলত "জনগণের সেবা করা" তাদের প্রধান কর্তব্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

→ সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য
(১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিকদায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য৷ 
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য৷
২,০১৮.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৯খ অনুযায়ী, বিবাহের প্রলোভনে যৌনকর্মের সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  2. ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৯খ-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সাথে যৌনকর্ম করলে অপরাধী "অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে" দণ্ডনীয় হবেন। অর্থাৎ, এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড। এছাড়াও এই শাস্তির অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেরও বিধান রয়েছে।

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৯খ: বিয়ের প্রলোভনের মাধ্যমে যৌনকর্ম করিবার দণ্ড:
যদি কোন ব্যক্তি দৈহিক বলপ্রয়োগ ব্যতীত বিবাহের প্রলোভন দেখাইয়া ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সংগে যৌনকর্ম করেন এবং যদি উক্ত ঘটনার সময় উক্ত ব্যক্তির সহিত উক্ত নারীর আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

২,০১৯.
এক ব্যক্তি তার পুত্রের দুই কন্যা ও তার একমাত্র আপন বোন রেখে মারা গেল। আপন বোন কী পরিমাণ সম্পত্তি পাবে?
  1. ২/৩ অংশ
  2. ১/৩ অংশ
  3. ১/২ অংশ
  4. কোন অংশ পাবে না
ব্যাখ্যা
⇒ দুইজন পুত্রের কন্যা সম্মিলিতভাবে ২/৩ অংশ পাবে এবং আপন বোন অবশিষ্টাংশভোগী (Residuary) হিসেবে ১/৩ অংশ পাবে।

⇒ ইসলামী উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী, আপন বোন (Full Sister) এর সম্পত্তির অংশ:
আপন বোন সম্পত্তিতে তিনভাবে অংশ পেতে পারে:
১. নির্ধারিত অংশ (Farāidh) হিসেবে: ১/২ অথবা ২/৩ অংশ;
২. অবশিষ্টাংশভোগী (Asabah/Tasib) হিসেবে।

• আপন বোন একক নারী উত্তরাধিকারী হলে এবং নিম্নের কেউ না থাকলে, সে ১/২ অংশ পাবে। শর্তসমূহ:
- সে একজন মাত্র বোন (কোনো সহোদর বোন নেই) এবং
- নিম্নোক্ত কেউ জীবিত থাকবে না:
- মৃত ব্যক্তির সন্তান;
- মৃত ব্যক্তির পুত্রের সন্তান;
- বাবা;
- দাদা;
- আপন ভাই।

• যদি একাধিক (২ বা ততোধিক) আপন বোন থাকে এবং উপরোক্ত সবাই অনুপস্থিত থাকে, তবে তারা সম্মিলিতভাবে ২/৩ অংশ পাবে। শর্ত:
- দুই বা ততোধিক বোন থাকতে হবে;
- উপরোক্ত কেউ জীবিত থাকলে এই অংশ প্রযোজ্য হবে না।

• আপন বোন অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে অংশ পেতে পারে দুইটি প্রধান পরিস্থিতিতে:
১. আপন ভাইয়ের উপস্থিতিতে:
আপন ভাই থাকলে, সে পুরুষ উত্তরাধিকারী হিসেবে অবশিষ্ট অংশ পায়, আর বোন তার সাথে তাসীব হিসেবে অংশ পায়।  বোন ও ভাইয়ের অনুপাতে ভাগ হবে ১:২ হিসেবে (ছেলে:মেয়ে)

২. কন্যাদের উপস্থিতিতে (Exception Rule):
যদি মৃত ব্যক্তির কন্যা বা পুত্রের কন্যা থাকে, এবং তাদের নির্ধারিত অংশ দিয়ে দেওয়ার পর সম্পত্তির কিছু অবশিষ্ট থাকে, তবে আপন বোন সেই অবশিষ্টাংশ পাবে।
২,০২০.
"Ipse Dixit"- শব্দমালা দ্বারা কী বোঝায়?
  1. By the very fact itself
  2. A bare assertion resting on one's own authority
  3. By the law, itself
  4. Among other things
ব্যাখ্যা
• Latin Phrase "Ipse Dixit" means- A person's own assertion without relying on any authority of proof.

Or, A bare assertion resting on one's own authority.

For example:
An expert's simple "Ipse Dixit" is insuffiuent to establish a matter, rather the expert must explain the basis of his statement to link his conclusions to the facts.

বাংলায় Latin Phrase টির অর্থ হচ্ছে- এমন বক্তব্য যার আইনগত বা যৌক্তিক প্রমাণ নাও থাকতে পারে এবং যে বক্তব্যের দায়দায়িত্ব পুরোপুরি বক্তার নিজের।
২,০২১.
সি.এস(C.S) খতিয়ানের পূর্ণরূপ কী?
  1. Central Survey
  2. Colonial Survey
  3. Cadastral Survey
  4. Computer Survey
ব্যাখ্যা

⇒ সি.এস (C.S) খতিয়ানের পূর্ণরূপ হলো Cadastral Survey। "Cada" শব্দের অর্থ ভূখণ্ড বা মাঠ।
- এই সার্ভে জমির মালিকানা, দখল, পরিমাণ এবং খাজনার তথ্য সংগ্রহের জন্য সরেজমিনে পরিচালিত হয়, যা সি.এস খতিয়ান নামে পরিচিত।
- এই Survey'র মাধ্যমে প্রণীত খতিয়ানই C.S Khatian নামে পরিচিত।
- সর্বপ্রথম ১৮৮৮ সালে বর্তমান কক্সবাজার জেলার রামু থানা থেকে এ সার্ভে শুরু হয় এবং ১৯৪০ সালে দিনাজপুর জেলায় শেষ হয়।
- সি.এস খতিয়ান লম্বালম্বিভাবে লেখা থাকে।
- সি.এস খতিয়ানে জমিদারদের নাম, ভোগদখলকারী রায়তের নাম, জমির পরিমাণ, খাজনার পরিমাণ ইত্যাদি উল্লেখ আছে।
- C.S Khatian সর্বাধিক সঠিক; যা মালিকানা ও দখল উভয়ের অনুমানের প্রমাণ দেয়।
- খতিয়ানগুলোর মধ্যে এ খতিয়ান সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য। কারণ, এটি সরেজমিনে গিয়ে প্রস্তুত করা হয়েছিল।

২,০২২.
'Right to Redemption' কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. বন্ধকগ্রহীতা সম্পত্তি বিক্রি করতে পারেন
  2. বন্ধকগ্রহীতা সম্পত্তির দখল নিতে পারে
  3. বন্ধকদাতা সম্পত্তি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধক রাখতে পারেন
  4. বন্ধকদাতা বকেয়া অর্থ পরিশোধ করে সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করতে পারেন
ব্যাখ্যা
• বন্ধকদাতার একটি অধিকার হলো বন্ধক উদ্ধারের অধিকার (Right to Redemption)। যখন বন্ধকী অর্থ বকেয়া হয়ে যায়, তখন বন্ধকদাতার অধিকার আছে বকেয়া বন্ধকী-অর্থ পরিশোধ করার এবং বন্ধকগ্রহীতার নিকট হতে ভূমির দখল ও সংশ্লিষ্ট দলিল পাওয়ার। বন্ধকদাতার এই অধিকার রেহেন বা বন্ধক উদ্ধারের অধিকার [Right to Redemption] বলা হয় এবং এই সংক্রান্ত মোকদ্দমা রেহেন উদ্ধারের মোকদ্দমা [Suit for redemption] নামে পরিচিত।

Right to Redemption এর মধ্যে রেহেন সম্পত্তি সম্পর্কিত রেহেনের দলিল এবং স্বত্ত্ব সম্পর্কিত কাগজপত্র হস্তান্তরের, রেহেন সম্পত্তির দখল ফেরত পাওয়ার ইত্যাদি অধিকার রয়েছে। সম্পত্তি হন্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর ৬০ ধারায় বন্ধকদাতার রেহেন উদ্ধারের অধিকার সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
 
Section 60: Right of mortgagor to redeem.
At any time after the principal money has become due, the mortgagor has a right, on payment or tender, at a proper time and place, or the mortgage-money, to require the mortgagee (a) to deliver to the mortgagor the mortgage-deed and all documents relating to the mortgaged property which are in the possession or power of the mortgagee, (b) where the mortgagee is in possession of the mortgaged property, to deliver possession thereof to the mortgagor, and (c) at the cost of the mortgagor either to re-transfer the mortgaged property to him or to such third person as he may direct, or to execute and (where the mortgage has been effected by a registered instrument) to have registered an acknowledgement in writing that any right in derogation of his interest transferred to the mortgagee has been extinguished: 
 
Provided that the right conferred by this section has not been extinguished by the act of the parties or by decree of a Court. 
 
The right conferred by this section is called a right to redeem and a suit to enforce it is called a suit for redemption. 
Nothing in this section shall be deemed to render invalid any provision to the effect that, if the time fixed for payment of the principal money has been allowed to pass or no such time has been fixed, the mortgagee shall be entitled to reasonable notice before payment or tender of such money.
২,০২৩.
The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ২২ অনুযায়ী, বিধি বা উপ-আইন কখন কার্যকর হবে না?
  1. সংসদ অনুমোদন ছাড়া
  2. আইনের প্রবর্তনের পূর্ব পর্যন্ত
  3. আইনের প্রবর্তনের পরপর
  4. আদালত অনুমোদন ছাড়া
ব্যাখ্যা
The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ২২- আইন গৃহীত ও কার্যকর হইবার মধ্যবর্তী সময়ে বিধি বা উপ-আইন প্রণয়ন এবং আদেশ জারী:
যে ক্ষেত্রে, গৃহীত হইবার সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হয় না এইরূপ সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা, উক্ত আইন বা প্রবিধি প্রয়োগ সম্পর্কে, বা তদধীন কোন আদালত বা দপ্তর প্রতিষ্ঠা, বা কোন বিচারক বা কর্মকর্তার নিয়োগ সম্পর্কে করণীয় বিষয়ে বিধি বা উপ- আইন প্রণয়ন, বা আদেশ জারী করিবার ক্ষমতা প্রদান করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উল্লিখিত ক্ষমতা উক্ত আইন বা প্রবিধি গৃহীত হইবার পরবর্তীতে যে কোন সময়ে প্রয়োগ করা যাইবে; কিন্তু উক্তরূপে প্রণীত বা জারীকৃত বিধি, উপ-আইন বা আদেশ, উক্ত আইন বা প্রবিধি প্রবর্তন হইবার পূর্ব পর্যন্ত কার্যকর হইবে না।
২,০২৪.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর কত ধারায় আপিল সম্পর্কিত বিধান আছে?
  1. ৮৬
  2. ৮৫ক
  3. ৮৭
  4. ৮৫
ব্যাখ্যা

⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৮৫ক ধারার বিধান আপীল:
- অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৯ (১) ধারার বিধান অনুসারে বা ২০ ধারার বিধান মোতাবেক ডেপুটি কমিশনার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করলে তার আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপীল করা যাবে।
------------
Section 85A.  Appeal:
- An appeal against an order passed by the Deputy Commissioner determining compensation under the proviso to sub-section (1) of section 9 or the proviso to section 20 shall, if presented within thirty days of such order, lie to the District Judge. 

২,০২৫.
অ্যাটর্নি-জেনারেলের পারিশ্রমিক কে নির্ধারণ করবে?
  1. সরকার
  2. সংসদ
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদের বিধান-অ্যাটর্নি-জেনারেল:
(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন। 
২,০২৬.
সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে কোন ধরনের শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়েছিল?
  1. বহুদলীয় সরকার
  2. পার্লামেন্টারি সরকার
  3. রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার
  4. সাংবিধানিক রাজতন্ত্র
ব্যাখ্যা

চতুর্থ সংশোধনী:
​- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রথম সবচেয়ে বড় ও বিতর্কিত সংশোধনী আনা হয় ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি।
​- এদিন সংবিধানে চতুর্থ সংশোধনী এনে সংসদীয় গণতন্ত্র বাতিল করে রাষ্ট্রপতিশাসিত এবং একদলীয় শাসনব্যবস্থা চালু করা হয়। 

​- বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল) নামে একটি নতুন রাজনৈতিক দল বা একটি নতুন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা চালুর মধ্য দিয়ে দেশের সব রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম কার্যত বন্ধ করে দেওয়া হয়। 
​- এই সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে একচ্ছত্র ক্ষমতাবান করা হয়।

২,০২৭.
The State Acquisition Tenancy Act, 1950 এর ১৪ ধারা অনুযায়ী কালেক্টরের আদেশে বিরুদ্ধে কত দিনের মধ্য আপিল করতে হবে?
  1. ১৫
  2. ৩০
  3. ৬০
  4. ৯০
ব্যাখ্যা
⇒ The State Acquisition Tenancy Act, 1950 এর ১৪ ধারার বিধান আপিল: ১১ ধারার (২) উপধারায় কালেক্টরের আদেশে ক্ষুব্ধ কোনো ব্যক্তি উক্ত আদেশের তারিখ হইতে ৩০ দিনের মধ্যে উক্ত এলাকার এখতিয়ারবান জেলা জজের নিকট আপিল দায়ের করিতে পারিবে এবং উক্ত আপিলে জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে ।
-------------------
- Section 14. Appeal:
Any person who is aggrieved by an order of the Collector under sub-section (2) of section 11 or under sub-section (2) of section 13, may prefer an appeal to the District Judge having jurisdiction over the area within thirty days from the date of such order; and the decision of the District Judge having jurisdiction over the area, on such appeal, shall be final.
২,০২৮.
মুসলিম উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে অবশিষ্টাংশ ভোগী হিসেবে পুত্র-কন্যার মধ্যে বন্টন কিভাবে হয়?
  1. ছেলে ও মেয়ের মধ্যে সমান ভাগ
  2. মেয়ে ছেলের চেয়ে দ্বিগুণ সম্পত্তি পায়
  3. ছেলে মেয়ের চেয়ে দ্বিগুণ সম্পত্তি পায়
  4. শুধুমাত্র ছেলে পায়
ব্যাখ্যা

অবশিষ্টাংশ ভোগীগণ (Residuaries):
মৃত ব্যক্তির যাদের সাথে রক্তের সম্পর্ক আছে এবং যারা অংশীদারদের নির্দিষ্ট অংশ নেবার পর কোন সম্পত্তি অবশিষ্ট থাকলে তা অথবা কোন অংশীদার না থাকলে সমস্ত সম্পত্তি মৃত ব্যক্তির সাথে রক্তের সম্পর্ক আছে, এমন সমস্ত নিকটবর্তী আত্নীয়রা তালিকায় উল্লেখিত ক্রমানুসারে লাভ করে থাকে। মৃত ব্যক্তির এ সকল নিকটত্নীয়দেরকে অবশিষ্টাংশভোগী বলা হয়। এই অবশিষ্টংশ ভোগীদের কোন নির্দিষ্ট অংশ নাই। অংশীদারদের দেওয়ার পরেই কেবল অবশিষ্ট সম্পত্তি তারা পাবেন, কিন্তু এই অবশিষ্টাংশের পরিমাণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম হতে পারে। যদি কোন অংশীদার না থাকেন, তবে সমস্ত সম্পত্তিই আসাবা বা অংশীদারগণ পাবেন। এ সকল আসাবা বা অবশিষ্টাংশ ভোগীগণকে এগনেটিক ওয়ারিশ ও বলা হয়। কারণ এরা পুরুষ আত্নীয়ের মাধ্যমেই ওয়ারিশ হয়ে থাকে।

অবশিষ্টাংশ ভোগী হিসেবে পুত্র-কন্যা-
যেক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির ছেলে ও মেয়ে রয়েছে সেই ক্ষেত্রে ছেলে বা ছেলেরা, মেয়ে বা মেয়েদের চেয়ে দ্বিগুন সম্পত্তি পাবে। মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে মাতাপিতা ও স্বামী-স্ত্রী নির্দিষ্ট সম্পত্তি পাওয়ার পর অবশিষ্ট সম্পত্তি ছেলে মেয়ের মধ্যে বন্টন করা হবে। তবে মেয়ে না থাকলে অংশীদারদের অংশ দেয়ার পর অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে বাকী সম্পূর্ণ সম্পত্তি ছেলে বা ছেলেরাই পাবে।

২,০২৯.
A gift made during death illness is known as -
  1. Hiba-bil-illness
  2. Marz-ul-maut
  3. Marz-ul-heba
  4. Hiba-bil-maut
ব্যাখ্যা
⇒ Marz-ul-maut-
The concept of Marz-ul-Maut in Islam is actually a doctrine of death-bed gifts. The governing tenet of Muslim personal civil law is the Shariat. One of the provisions relates to Marz-ul-Maut (death bed Gifts). This can only be executed in case there is genuine apprehension that the testator will die.

মরজ-উল-মউত বা মৃত্যুশয্যায় দান:
মরজ শব্দের অর্থ- রোগ, মউত শব্দের অর্থ- মৃত্যু। মরজ-উল-মউত'র অর্থ মৃত্যুরোগ (Death Sickness) বা যে রোগে মৃত্যুর সম্ভাবনা আছে। অসুস্থ অবস্থায় মৃত্যু আশঙ্কায় থেকে তথা মৃত্যু শয্যায় থেকে দান করাকে মরজ-উল-মউত বলে। এরূপ দানের পর দাতার মৃত্যু হলে তা উইলের ন্যায় কার্যকর হবে অর্থাৎ তখন উইলের সীমাবদ্ধতা, বিধান ইত্যাদি প্রযোজ্য হবে। 

অর্থাৎ, যখন কোনো ব্যক্তি এমন অসুস্থতায়/রোগে ভোগে, যার ফলে মৃত্যুর সম্ভাবনা আছে বলে মনে হয়, এমতাবস্থায় কোনো দান (Gift/Hiba) করলে, দানটিকে মৃত্যুশয্যায় দান (Marz-ul-Maut) বলে।

এমন দান উইল (Wasiyyat) বলে গণ্য হবে এবং উইলের বিধান প্রযোজ্য হবে। কোনো ব্যক্তি মরজ-উল-মউতের সময় উত্তরাধিকারী নয় এমন ব্যক্তি বরাবর তার সম্পত্তির সর্বোচ্চ ১/৩ অংশ সম্পত্তি দান (Gift/Hiba) করতে পারেন।
২,০৩০.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৮ ধারায় কোন নীতি প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. Doctrine of Election
  2. Doctrine of Part Performance
  3. Doctrine of Priority
  4. Doctrine of Perpetuity
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৮: হস্তান্তর দ্বারা সৃষ্ট অধিকারের অগ্রাধিকার (Priority of rights created by transfer)
যদি কোন ব্যক্তি একই স্থাবর সম্পত্তি বিভিন্ন সময় হস্তান্তর করে একাধিক অধিকার সৃষ্টি করেন এবং সেই অধিকারগুলি একই সঙ্গে বা পরিপূর্ণভাবে বলবৎ না হয়, সেক্ষেত্রে বিশেষ চুক্তির অবর্তমানে পূর্বে সৃষ্ট অধিকার পরে সৃষ্ট অধিকারের উপর অগ্রাধিকার পাবে।

নোটঃ
• রেজিস্ট্রিকৃত দলিল অরেজিস্ট্রিকৃত দলিলের উপর প্রাধান্য পাবে।
• একই তারিখে রেজিস্ট্রিকৃত দুটি দলিলের মধ্যে যার নম্বর আগে সেটি অগ্রাধিকার পাবে।

Section 48: Priority of rights created by transfer
Where a person purports to create by transfer at different times rights in or over the same immoveable property, and such rights cannot all exist or be exercised to their full extent together, each later created right shall, in the absence of a special contract or reservation binding the earlier transferees, be subject to the rights previously created.
২,০৩১.
পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩ এর অধীন সংঘটিত অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান কী?
  1. পিতা বা মাতা কর্তৃক লিখিত অভিযোগ দিতে হবে
  2. আদালত স্ব-উদ্যোগে নিতে পারে
  3. পিতা বা মাতা কর্তৃক মৌখিক অভিযোগ দিতে হবে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
• পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩
 
ধারা ৭- অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ ও বিচার
 
(১) Code of Criminal Procedure, 1898 (Act V of 1898) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধ ১ম শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে বিচারযোগ্য হইবে। 
 
(২) কোন আদালত এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধ সংশ্লিষ্ট সন্তানের পিতা বা মাতার লিখিত অভিযোগ ব্যতীত আমলে গ্রহণ করিবে না।
২,০৩২.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর অধীন অগ্রক্রয়ের আবেদন করাকালে সংশ্লিস্ট দলিলে উল্লিখিত বিক্রয়মূল্যের উপর শতকরা বার্ষিক কত হারে সুদ জমা দিতে হয়?
  1. ৫%
  2. ১০%
  3. ৬%
  4. ৮%
ব্যাখ্যা
- রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ (৩) অগ্রক্রয়ের জন্য দায়েরকৃত আবেদন খারিজ হইবে যদি আবেদনকারী অথবা আবেদনকারীগণ উহা দায়ের করিবার সময় আদালতে নিম্নরূপ অর্থ জমা প্রদান না করেন, যথা:-
(ক) ধারা ৮৯ এর অধীন নোটিশে অথবা হস্তান্তর দলিলে, ক্ষেত্রমত, বর্ণিত বিক্রিত জোত অথবা অংশ-বিশেষ বা শেয়ারের বিনিময় মূল্য;
(খ) দফা (ক) এ উল্লিখিত পরিমাণ অর্থের শতকরা পঁচিশ ভাগ ক্ষতিপূরণ; এবং
(গ) বিক্রয় দলিল সম্পাদনের তারিখ হইতে অগ্রক্রয়ের আবেদন দাখিলের তারিখ পর্যন্ত সময়ের জন্য দফা (ক) এ উল্লিখিত পরিমাণের উপর শতকরা বার্ষিক আট ভাগ হারে সরল সুদের হিসাবকৃত অর্থ।
--------------
Section 96 Right of pre-emption (3) An application under sub-section (1) shall be dismissed unless the applicant or applicants, at the time of making it, deposit in the Court- 
(a) the amount of the consideration money of the sold holding or portion or share of the holding as stated in the notice under section 89 or in the deed of sale, as the case may be; 
(b) compensation at the rate of twenty five per centum of the amount referred to in clause (a); and 
(c) an amount calculated at the rate of eight per centum simple annual interest upon the amount referred to in clause (a) for the period from the date of the execution of the deed of sale to the date of filing of the application for preemption. 
২,০৩৩.
১৯৪৬ সালের "বিবাহিতা নারীর পৃথক বাসস্থান এবং ভরণপোষণ" আইন অনুযায়ী, কোন কারণে বিবাহিতা হিন্দু নারী স্বামী হতে পৃথক থেকেও ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকারী?
  1. স্বামী যদি নিষ্ঠুর আচরণ করে
  2. স্বামী যদি দুরারোগ্য কুষ্ঠে আক্রান্ত হয়
  3. স্বামী যদি স্ত্রীর অনুমতি ব্যতিরেকে তাকে পরিত্যাগ করে
  4. উল্লিখিত সব কারণ
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর ঘ) উল্লিখিত সব কারণ।

⇒ বিবাহিতা হিন্দু নারীর পৃথক বাসস্থান এবং ভরণপোষণ আইনটি ১৯৪৬ সালের।
১৯৪৬ সালের "বিবাহিতা নারীর পৃথক বাসস্থান এবং ভরণপোষণ" আইন অনুযায়ী নিম্নলিখিত কারণে বিবাহিতা হিন্দু নারী স্বামী হতে পৃথক থেকেও স্বামীর নিকট হতে ভরণ-পোষণ পাওয়ার অধিকারিণী -
- স্বামী যদি দুরারোগ্য কুষ্ঠ, সিফলিস ইত্যাদি সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয় এবং এই সমস্ত ব্যাধি যদি স্ত্রীর নিকট হতে সংক্রামিত না হয়,
- স্বামী যদি স্ত্রীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ করে এবং নিষ্ঠুরতা যদি এই প্রকারের হয় যে স্বামীগৃহে তার জীবনাশঙ্কা থাকে;
- স্বামী যদি গৃহে কোন উপ-পত্নী রেখে তার সাথে বসবাস করতে থাকে;
- স্বামী যদি ধর্মান্তর গ্রহণ করে,
- স্বামী যদি স্ত্রীর অনুমতি ব্যতিরেকে তাকে পরিত্যাগ করে,
- স্বামী যদি স্ত্রীর বর্তমানে পুনরায় বিবাহ করে,
এই ধরনের অন্যান্য যৌক্তিকতাপূর্ণ কারণে।

তবে নিম্নলিখিত কারণে স্ত্রী স্বামীর নিকট হতে আইনত ভরণপোষণ পেতে পারে না-
- স্ত্রী যদি অসৎ চরিত্রের অথবা অসতী হয়,
- স্ত্রী যদি অন্য ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়,
- স্ত্রী যদি আইনসংগত কারণ ব্যতীত স্বামীর সাথে স্ত্রীরূপে বসবাস করতে অনিচ্ছুক হয়।
----------------
The Hindu Married Women's Right to Separate Residence and Maintenance Act, 1946, Section-2. Grounds for claiming separate residence and maintenance
Notwithstanding any custom or law to the contrary a Hindu married woman shall be entitled to separate residence and maintenance from her husband on one or more of the following grounds, namely,- 
(1) if he is suffering from any loathsome disease not contracted from her; 
(2) if he is guilty of such cruelty towards her as renders it unsafe or undesirable for her to live with him; 
(3) if he is guilty of desertion, that is to say, of abandoning her without her consent or against her wish; 
(4) if he marries again; 
(5) if he ceases to be a Hindu by conversion to another religion; 
(6) if he keeps a concubine in the house or habitually resides with a concubine; 
(7) for any other justifiable cause: 
Provided that a Hindu married woman shall not be entitled to separate residence and maintenance from her husband if she is unchaste or ceases to be a Hindu by change to another religion or fails without sufficient cause to comply with a decree of a competent Court for the restitution of conjugal rights.
২,০৩৪.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর অধীনে গঠিত সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভার কোরামের জন্য উহার মোট সদস্য সংখ্যার কতজন উপস্থিতির প্রয়োজন হইবে?
  1. এক-তৃতীয়াংশ
  2. দুই-তৃতীয়াংশ
  3. এক-চতুর্থাংশ
  4. দুই-চতুর্থাংশ
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ৮গ ধারার বিধান সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভা:
(১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে, সুপ্রীম কোর্ট কমিটি উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে।
(২) সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভা উহার চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত স্থান ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে:
 তবে শর্ত থাকে যে, প্রতি দুইমাস অন্তর অন্তর কমপক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হইবে।
(৩) সুপ্রীম কোর্ট কমিটির চেয়ারম্যান উক্ত কমিটির সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন।
(৪) সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভার কোরামের জন্য উহার মোট সদস্য সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতির প্রয়োজন হইবে, তবে মূলতবী সভার ক্ষেত্রে কোন কোরামের প্রয়োজন হইবে না।
(৫) শুধুমাত্র কোন সদস্য পদের শূন্যতা বা কমিটি গঠনে ক্রটি থাকার কারণে কমিটির কোন কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না এবং তৎসম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
২,০৩৫.
প্রত্যেক অঙ্গীকার এবং প্রত্যেক অঙ্গীকারগুচ্ছ, যা একটি অপরটির প্রতিদান, তাকে কী বলা হয়?
  1. প্রস্তাব
  2. চুক্তি
  3. সম্মতি
  4. প্রতিশ্রুতি
ব্যাখ্যা
সম্মতি (agreement):

চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২(ঙ) ধারায় সম্মতির [agreement] সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ২(ঙ) ধারা অনুসারে,

প্রত্যেক অঙ্গীকার এবং প্রত্যেক অঙ্গীকারগুচ্ছ, যা একটি অপরটির প্রতিদান, তাকে সম্মতি বলে।

Section 2(e)- every promise and every set of promises, forming the consideration for each other, is an agreement.
২,০৩৬.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩- এ আদালত অবমাননা সংক্রান্ত অপরাধের শাস্তির ধরন কী?
  1. কারাদণ্ড
  2. অর্থদণ্ড
  3. উভয়ই
  4. শুধুমাত্র সতর্কীকরণ
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) অর্থদণ্ড।

পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ২৩: পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত অবমাননা:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি আইনসংগত কারণ ব্যতিরেকে-
(ক) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালতের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করেন, বা
(খ) পরিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালতের কার্যে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন, বা
(গ) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত কর্তৃক জিজ্ঞাসিত কোনো প্রশ্নের উত্তর প্রদানে বাধ্য থাকা সত্ত্বেও, উত্তর প্রদানের অস্বীকার করেন, বা
(ঘ) সত্য কথা বলিবার জন্য শপথ গ্রহণ করিতে অথবা পারিবারিক আদালতে বা পারিবারিক আপিল আদালতে তৎকর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতিতে স্বাক্ষরদান করিতে অস্বীকার করেন,

তাহা হইলে তিনি পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত অবমাননা করিয়াছেন মর্মে গণ্য হইবেন।

(২) উপধারা (১) এর অধীন কৃত অপরাধের ক্ষেত্রে, পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত উক্তরূপ অবমাননার দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিচার করিতে পারিবে এবং তাহাকে অনধিক ২০০ (দুইশত) টাকা র্অথদণ্ডে দণ্ডতি করিতে পারিবে।

২,০৩৭.
ইসলামি আইনশাস্ত্রে, ওয়ালির প্রধান দায়িত্ব কী?
  1. নাবালকের সম্পত্তি বিক্রি করা
  2. নাবালকের স্বার্থ রক্ষা করা
  3. পারিবারিক সম্পত্তি দেখাশোনা করা
  4. উইলের সম্পত্তি দেখাশোনা করা
ব্যাখ্যা

নাবালকের ব্যক্তিগত অভিভাবক (Guardian of a Minor)
ইসলামী শরিয়তে, নাবালক (অর্থাৎ, যে শিশু বা কিশোর আইনগতভাবে পূর্ণবয়সে পৌঁছায়নি) তার নিজের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম নয় এবং তার ব্যক্তিগত এবং সম্পত্তি সম্পর্কিত বিষয়গুলোর দেখভাল করতে অভিভাবক প্রয়োজন। এই অভিভাবককে "ওয়ালি" বলা হয়।

ওয়ালি (Guardian) - এর ভূমিকা:
ওয়ালি এমন একজন ব্যক্তি, যিনি নাবালকের বা অনাবালকের শারীরিক, মানসিক ও আইনি স্বার্থ রক্ষার জন্য দায়িত্বশীল। ওয়ালি সেই ব্যক্তি, যিনি নাবালক বা মেয়ে বা ছেলের অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং তার পক্ষ থেকে আইনি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। সাধারণত, ওয়ালি হিসেবে প্রথমে বাবা বা পরিবারের পুরুষ সদস্যরা নিয়োগ পায়, যদি না তারা জীবিত না থাকেন। এরপর তার পরবর্তী অভিভাবক হিসেবে একজন পুরুষ বা মহিলাকে নিয়োগ করা হয়, যার মাধ্যমে নাবালক বা নাবালিকার স্বার্থ সুরক্ষিত হয়।

ওয়ালি হওয়ার শর্ত:
বয়স ও পরিপক্কতা: ওয়ালি হতে হলে অভিভাবকের অবশ্যই শারীরিক ও মানসিকভাবে পরিপক্ব হতে হবে।
বিশ্বাসযোগ্যতা ও নৈতিকতা: অভিভাবককে সৎ, যোগ্য এবং আইনের প্রতি আনুগত্যশীল হতে হবে।
পরিবারের অভিভাবক: প্রাথমিকভাবে, নাবালকের বাবা বা তার পরিবারের পুরুষ সদস্য ওয়ালি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তবে, যদি বাবা না থাকেন, তাহলে মায়ের পক্ষ থেকেও অভিভাবক মনোনীত হতে পারেন।

২,০৩৮.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর অধীন তদন্তকারী অফিসার প্রাথমিক ভাবে কত দিনের মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করবেন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৪৫ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৩২: তদন্তের সময়সীমা:
(১) তদন্তকারী অফিসার-
(ক) কোনো অপরাধ তদন্তের দায়িত্ব প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিবেন;
(খ) দফা (ক) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থ হইলে তিনি, তাহার নিয়ন্ত্রণকারী অফিসারের অনুমোদনসাপেক্ষে, তদন্তের সময়সীমা অতিরিক্ত ১৫ (পনেরো) দিন বৃদ্ধি করিতে পারিবেন;
(গ) দফা (খ) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থ হইলে তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া বিষয়টি প্রতিবেদন আকারে ট্রাইব্যুনালকে অবহিত করিবেন এবং ট্রাইব্যুনালের অনুমতিক্রমে, পরবর্তী ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করিবেন।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন তদন্তকারী অফিসার কোনো তদন্ত কার্য প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণে সম্পন্ন করিতে ব্যর্থ হইলে ট্রাইব্যুনাল তদন্তের সময়সীমা, যুক্তিসংগত সময় পর্যন্ত, বৃদ্ধি করিতে পারিবে।
২,০৩৯.
“আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২” সর্বশেষ কোন সালে সংশোধিত হয়?
  1. ২০২৫ সালে
  2. ২০২৪ সালে
  3. ২০২৩ সালে
  4. ২০২২ সালে
ব্যাখ্যা

⇒ “আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২” বাংলাদেশের একটি বিশেষ আইন, যা আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধের দ্রুত বিচারের উদ্দেশ্যে প্রণীত। এই আইনটি সর্বশেষ ২০২৪ সালে সংশোধিত হয়েছে। বিশেষ করে, ৫ মার্চ, ২০২৪ তারিখে জাতীয় সংসদে “আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) (সংশোধন) বিল” পাস করা হয়, যা আইনটিকে স্থায়ী করে এবং অধিকতর সংশোধন যোগ করে। এর আগে, আইনটি ২০১৯ সালে সংশোধিত হয়েছিল এবং সাত দফা মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল, কিন্তু ২০২৪ সালের সংশোধনটি সর্বশেষ।

⇒ দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে দ্রুত ও কার্যকর ভূমিকা পালনের উদ্দেশ্যে চাঁদাবাজি, যানবাহন চলাকালে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, যানবাহনের ক্ষতিসাধন, স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিনষ্ট করা, ছিনতাই, দস্যুতা, ত্রাস ও অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি, দরপত্র ক্রয়, বিক্রয়, গ্রহণ বা দাখিলে জোরপূর্বক বাধা প্রদান বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, ভয়-ভীতি প্রদর্শন ইত্যাদি গুরুতর অপরাধের দ্রুত বিচার নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অধিকতর উন্নতির লক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ (২০০২ সালের ১১ নম্বর আইন) প্রণয়ন ও জারি করা হয়েছিল।

অর্থাৎ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ আইনটি সর্বশেষ ২০২৪ সালে সংশোধন করা হয়।

২,০৪০.
'Quantum meruit' means:
  1. The amount involved
  2. Extent and quality
  3. To the extent of the work done
  4. None of the above
ব্যাখ্যা
উত্তর: গ) To the extent of the work done অর্থাৎ “যতটুকু কাজ করা হয়েছে ততটুকু”।

Quantum Meruit একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ, যার আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে "যতটুকু কাজ করা হয়েছে ততটুকু পাওয়া উচিত।" এটি একটি আইনগত ধারণা যা বিশেষত চুক্তি আইন এবং সিভিল আইন (নাগরিক আইন) প্রয়োগের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

যখন কোনও ব্যক্তি কোনও সুনির্দিষ্ট চুক্তি ছাড়াই কাজ সম্পন্ন করে বা সেবা প্রদান করে এবং সেই কাজের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করে, তখন Quantum Meruit ভিত্তিতে তিনি সেই কাজের জন্য ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারেন। এটি মূলত চুক্তি ছাড়াও কাজের মূল্যায়ন নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

Quantum Meruit-এর ভিত্তিতে ক্ষতিপূরণ তখনই প্রযোজ্য হয়, যখন:
- চুক্তি না থাকলেও কাজ বা সেবা প্রদান করা হয়েছে।
- কাজটি গ্রহণকারী ব্যক্তি তা গ্রহণ করেছে এবং তার থেকে সুবিধা পেয়েছে।
- কাজটি করা হয়েছে কাজের যথার্থ মূল্য পরিশোধের প্রত্যাশায়।

উদাহরণস্বরূপ:
কোনও ব্যক্তি একটি বাড়ি রঙ করার কাজ শুরু করলেন এবং মালিক তার কাজ গ্রহণ করলেন। যদি মাঝপথে কোনও কারণে কাজটি বন্ধ হয়ে যায় এবং চুক্তি অনুযায়ী পুরো কাজের অর্থ পরিশোধ না করা হয়, তবে সেই ব্যক্তি Quantum Meruit-এর ভিত্তিতে তার সম্পন্ন কাজের ন্যায্য মূল্য দাবি করতে পারেন।
২,০৪১.
What is the meaning of the Latin maxim “Actus Dei Nemini Facit Injuriam”?
  1. God always supports justice
  2. The act of God causes injury to no one
  3. Human error is punishable by law
  4. Every injury must have a remedy
ব্যাখ্যা
⇒ "Actus Dei Nemini Facit Injuriam"
- The act of God causes injury to no one.
- ঈশ্বরের কার্য কারো প্রতি অবিচার করে না।

আইনের ভাষায় "Actus Dei Nemini Facit Injuriam" একটি ল্যাটিন প্রবাদ, যার অর্থ- "ঈশ্বরের কার্য কারো প্রতি অন্যায় করে না"। অর্থাৎ, প্রকৃতি বা সৃষ্টিকর্তার হাতে ঘটিত এমন কোনো ঘটনা, যা মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে, তার জন্য কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় না। প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন ঝড়, বন্যা, ভূমিকম্প বা বজ্রপাত -এসবই ‘Act of God’ বা ‘ঈশ্বরের কাজ’ হিসেবে বিবেচিত হয়। যেহেতু এই ঘটনাগুলো অবশ্যম্ভাবী ও অনিয়ন্ত্রিত, তাই এদের ফলে যদি কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়, তা কারো বিরুদ্ধে আইনগত অভিযোগের ভিত্তি হতে পারে না।

এই প্রবাদটির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োগ দেখা যায় Sahib Transport Service, Sankarankoil বনাম K. Balasubramaniam and Ors. (1967) মামলায়। মামলার বিষয়বস্তু ছিল, একজন পরিবহন পারমিটধারীর মৃত্যুর পর তাঁর উত্তরসূরির পারমিট নবায়নের অধিকারকে কেন্দ্র করে। আপিলকারীর বক্তব্য ছিল, পারমিটধারীর মৃত্যুর ফলে নবায়নের অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যায় এবং উত্তরসূরির পক্ষে নবায়ন চাওয়া আইনত অগ্রহণযোগ্য।

কিন্তু আদালত এই যুক্তিকে প্রত্যাখ্যান করে বলেছে—
“Actus Dei Nemini Facit Injuriam — ঈশ্বরের কাজ কারো প্রতি অবিচার করে না।”
পারমিটধারীর মৃত্যু একটি দুর্ঘটনাজনিত প্রাকৃতিক ঘটনা, যা তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে। এমন এক ‘অঘটন’ (mischance) যেটা কয়েক ঘণ্টা আগে বা পরে ঘটে, তা উত্তরাধিকারের স্বীকৃত অধিকার নস্যাৎ করতে পারে না। ফলে, পারমিট নবায়নের অধিকারও মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে শেষ হয়ে যায় না। যেহেতু এই মৃত্যুর ফলে আইনি প্রক্রিয়া স্থগিত হয়নি এবং অধিকার বিলুপ্ত হয়নি, তাই উত্তরসূরির আবেদন বৈধ বলেই গণ্য হবে।

এই রায়ের মাধ্যমে আদালত স্পষ্ট করেছে যে, কোনো ব্যক্তির প্রাকৃতিক বা অনিবার্য কারণে সৃষ্ট ক্ষতির জন্য আইনি অধিকার খর্ব করা উচিত নয়। বরং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হলে আইনকে মানবিক, বাস্তবধর্মী ও প্রেক্ষাপটভিত্তিক হতে হবে।
২,০৪২.
সংবিধানের কোন ভাগে মৌলিক অধিকার সম্পর্কিত বিধানাবলী উল্লেখ আছে?
  1. প্রথম ভাগ
  2. দ্বিতীয় ভাগ
  3. তৃতীয় ভাগ
  4. চতুর্থ ভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানে মৌলিক অধিকার সম্পর্কিত বিধানাবলী তৃতীয় ভাগে (Articles 26 to 47A) উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই ভাগে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার যেমন জীবন, স্বাধীনতা, সমতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা, শিক্ষা, কর্মের অধিকার ইত্যাদি সংক্রান্ত বিধান আছে।
- তৃতীয় ভাগের আওতায় নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত রয়েছে এবং রাষ্ট্রের প্রতি সেই অধিকার বাস্তবায়ন ও রক্ষা করার বাধ্যবাধকতা আছে।
২,০৪৩.
The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 অনুযায়ী বিবাহ নিবন্ধন না করার শাস্তি কী?
  1. অনধিক ৩ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. অনধিক ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. অনধিক ২ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. অনধিক ৫ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• যে আইনি বা ধর্মীয় অনুষ্ঠান স্বামী ও স্ত্রীর আইনগত মর্যাদা সৃষ্টি এবং সে মর্যাদা হতে উদ্ভুত আইনগত বাধ্যবাধকতাসমূহ সৃষ্টি করে তাকে বিবাহ বলে।

মুসলিম আইনে বিবাহ হলো Civil Contract বা দেওয়ানি চুক্তি। Abdul Kadir Vs. Salima মামলায় ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বিবাহকে দেওয়ানি চুক্তি বলে আখ্যায়িত করেছে। অপর পক্ষে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট Khurshid Bibi মামলায় বলেন- বিবাহ যদিও দেওয়ানি চুক্তির ন্যায় একটি চুক্তি, এটি পুরোপুরি দেওয়নি চুক্তি নয়। কিন্তু Anwar Hossain vs Momtaz Begum 18, CLC, HCD, 51 মামলায় বাংলাদেশর সুপ্রিম কোর্ট ঘোষণা করেন যে, বিবাহ একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয় বরং এটি একটি দেওয়ানি চুক্তি।

বিবাহ নিবন্ধন [Registration of Marriage]:

⇒ মুসলিম বিবাহ নিবন্ধনের ব্যাপারে ধর্মীয় কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে, আইন অনুসারে বিবাহ নিবন্ধন বা ৮ এখন বাধ্যতামূলক।
⇒ The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর ৩ ধারা অনুসারে প্রত্যেক মুসলিম বিবাহ নিবন্ধিত হওয়া বাধ্যতামূলক।
বিবাহ নিবন্ধন না করার শাস্তি হলো- অনধিক ২ বছর বিনাশ্রম কারাদন্ড বা অনধিক ৩ হাজার টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দণ্ড। (ধারা-৫)
⇒ এ আইনের অধীন অপরাধসমূহ প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আমলযোগ্য। (ধারা-৫ক)
২,০৪৪.
রেহেন করা সম্পত্তি রেহেনগ্রহীতার নিয়ন্ত্রণে থাকা অবস্থায় ঐ সম্পত্তিতে কোন সংযোজন ঘটলে, কখন রেহেনদাতা উক্ত সংযোজিত সম্পত্তি পাওয়ার অধিকারী হবে?
  1. বন্ধক চলাকালীন যেকোন সময়
  2. বন্ধকী সম্পত্তি উদ্ধারের সময়
  3. বন্ধকী সম্পত্তি উদ্ধারের পূর্বে
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৬৩: রেহেন সম্পত্তির বৃদ্ধি

রেহেন কার্যকর অবস্থায় রেহেন সম্পত্তি রেহেনাগ্রহীতার দখলে থাকার সময় তাতে সংযোজন বা বৃদ্ধি ঘটলে ভিন্নরূপ চুক্তির অবর্তমানে রেহেনমুক্ত করার সময় রেহেনদাতা বৃদ্ধিপ্রাপ্ত সম্পত্তির অধিকারী বলে গণ্য হবে।

Section 63: Accession to mortgaged property
Where mortgaged property in possession of the mortgagee has, during the continuance of the mortgage, received any accession, the mortgagor, upon redemption, shall, in the absence of a contract to the contrary, be entitled as against the mortgagee to such accession.
২,০৪৫.
Which rights are guaranteed in Article 11 of The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh?
  1. Fundamental human rights
  2. Freedoms
  3. Respect for the dignity and worth of the human person
  4. All of above
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদের শুরুতে সুস্পষ্ট করা হয়েছে যে, প্রজাতন্ত্র হিসাবে বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হবে। সংবিধানের অন্যতম মূলনীতি গণতন্ত্র। ১১ অনুচ্ছেদে 'প্রজাতন্ত্র হবে একটি গণতন্ত্র' বিধান করার মাধ্যমে গণতন্ত্র যে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সেটারই প্রতিফলন ঘটানো হয়েছে। সেই সাথে, ১১ অনুচ্ছেদে কতিপয় বিষয়ের নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছে-

⇒ মৌলিক মানবাধিকার;
⇒ স্বাধীনতা; এবং
⇒ মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ।

অন্যদিকে, ১১ অনুচ্ছেদে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে প্রশাসনে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

• Article 11: Democracy and human rights
The Republic shall be a democracy in which fundamental human rights and freedoms and respect for the dignity and worth of the human person shall be guaranteed, and in which effective participation by the people through their elected representatives in administration at all levels shall be ensured.

অনুচ্ছেদ ১১: গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
প্রজাতন্ত্র হবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মুল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হবে এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে।
২,০৪৬.
'চ' তার সম্পত্তি 'ছ' এর নিকট হস্তান্তর করে এই শর্তে যে 'ছ' কখনোই উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করবে না। এই ক্ষেত্রে-
  1. শর্ত এবং হস্তান্তর উভয় বাতিল
  2. হস্তান্তর বাতিল কিন্তু শর্ত বৈধ
  3. শর্ত এবং হস্তান্তর উভয় বৈধ
  4. শর্ত বাতিল কিন্তু হস্তান্তর বৈধ
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত ক্ষেত্রে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১০ ধারা অনুযায়ী- শর্তটি বাতিল কিন্তু হস্তান্তর বৈধ।

ধারা ১০: হস্তান্তর নিষিদ্ধ করে শর্ত আরোপ [Condition restraining alienation]: সম্পত্তি হস্তান্তর করার অধিকার সম্পত্তির মালিকের এক অবিচ্ছেদ্য অধিকার। ১০ ধারায় এই অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। ১০ ধারায় বলা হয়েছে-

যেক্ষেত্রে সম্পত্তি এই শর্তে হস্তান্তর করা হয় যে, হস্তান্তরগ্রহীতা হস্তান্তরকৃত সম্পত্তিটিতে তার স্বার্থ হস্তান্তর করতে পারবে না যেমন- বিক্রয় করতে পারবে না ইত্যাদি, সেই ক্ষেত্রে উক্ত শর্তটি অবৈধ হবে কিন্তু হস্তান্তরটি বৈধ হবে। কারণ এমন শর্ত হস্তান্তরগ্রহীতার সম্পত্তি হস্তান্তর করার অধিকারের লঙ্ঘন।

১০ ধারার এই নিয়মের ২টি ব্যতিক্রম আছে। সম্পত্তি হস্তান্তর করা যাবে না এমন শর্ত আরোপ করা বৈধ হবে-
⇒ যদি শর্তটি ইজারাদাতার স্বার্থে করা হয়; বা
⇒ হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ মহিলা ব্যতীত অন্যকোন বিবাহিত মহিলাকে সম্পত্তি হস্তান্তর করার সময় এমন শর্ত আরোপ করা হয়।
২,০৪৭.
The Transfer of Property Act, 1882-এর মধ্যে কত প্রকার Mortgage এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৩ প্রকার
  2. ৬ প্রকার
  3. ৫ প্রকার
  4. ৮ প্রকার
ব্যাখ্যা

⇒ নগদ অর্থ ঋণ হিসেবে গ্রহণের নিশ্চয়তার উদ্দেশ্যে ভবিষ্যত দেনা সৃষ্টি করতে পারে, এমন সম্পত্তির স্বত্ব অপরের নিকট হস্তান্তর করাকে রেহেন বা বন্ধক বলে।
- সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২–তে ৬ প্রকারের রেহেন (Mortgage) এর উল্লেখ রয়েছে।
ক) সাধারণ রেহেন:
সম্পত্তির দখল হস্তান্তর না করে রেহেনের টাকা ব্যক্তিগতভাবে পরিশােধের দায়িত্ব গ্রহণ করলে তাকে সাধারণ রেহেন বলে। এখানে শর্ত থাকে চুক্তি মােতাবেক ঋণ গ্রহীতা টাকা পরিশােধ করতে না পারলে ঋণদাতা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করে তার প্রাপ্য টাকা গ্রহণ করতে পারবে।
(খ) শর্তাধীন বিক্রয়ের মাধ্যমে রেহেন:
যদি কোন সম্পত্তি এই শর্তে বিক্রয় করা হয় যে, নির্দিষ্ট তারিখে টাকা পরিশােধ না করলে বিক্রয় চূড়ান্ত হবে অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ে টাকা পরিশােধ করলে বিক্রয় বাতিল হবে তাহলে তাকে শর্তাধীন বিক্রয়ের মাধ্যমে নেহেন বলে।
(গ) খাই খালাসী রেহেন:
দাতা সম্পত্তির দখল গ্রহীতাকে প্রদান করবে, টাকা পরিশােধ না হওয়া পর্যন্ত দখল রাখবে তাকে খাই খালাসী রেহেন বলে ।
(ঘ) ইংলিশ রেহেন:
দাতা নির্দিষ্ট তারিখে রেহেনের টাকা পরিশােধের অঙ্গীকার করে সম্পত্তি গ্রহীতার নিকট হস্তান্তর করবে। শর্ত থাকবে নির্দিষ্ট তারিখে টাকা পরিশােধ করলে গ্রহীতা দাতাকে সম্পত্তি ফিরিয়ে দিবে। এটি হলাে ইংলিশ রেহেন।
(ঙ) দলিল জমা দেওয়ার রেহেন:
ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, চট্টগ্রাম শহরে বা সরকারী গেজেট দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোন শহরে কোন ব্যক্তি যখন মহাজন বা তার প্রতিনিধির উপর জামানত সৃষ্টির জন্য দলিল জমা দেয়া হয় তাকে দলিল জমা দেওয়ার রেহেন বলে।
(চ) সংজ্ঞাহীন রেহেন:
যে রেহেন উপরােক্ত কোন রেহেনের অন্তর্ভুক্ত হয় না তাকে সংজ্ঞাহীন রেহেন বলে।

২,০৪৮.
আইনটির সঠিক নাম কি?
  1. The Small Cause Courts Act, 1887
  2. The Small Causes Court Act, 1887
  3. The Small Cause Court Act, 1887
  4. কোনটিই সঠিক নয়
ব্যাখ্যা
• আইনটির সঠিক নাম- The Small Cause Courts Act,1887

এই আইনের ৫ ধারায় বলা হয়েছে, সরকার লিখিত আদেশের মাধ্যমে স্বল্প এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত প্রতিষ্ঠা করবে।
কোন কোন আদালতকে A Court of Small Causes হিসেবে গণ্য করা হবে,সেটা দেওয়ানী আদালত আইন,১৮৮৭ এর ধারা ২৫-এ আলোচনা করা হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে, A Court of Small Causes এর বিচারক হবেন যুগ্ম জেলা জজ, সিনিয়র সহকারী জজ এবং সহকারী জজ। এক্ষেত্রে যুগ্ম জেলা জজ আদালতের আর্থিক এখতিয়ার হবে ২০ হাজার টাকা, সিনিয়র সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার হবে ১০ হাজার টাকা এবং সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার হবে ৬ হাজার টাকা।সরকার ৬ ধারার বিধান অনুযায়ী কোন বিচারককে ক্ষুদ্র এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতের বিচারক নিয়োগ করতে পারে।

স্বল্প এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতের আর্থিক এখতিয়ার-
সাধারনত স্বল্প এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতের আর্থিক এখতিয়ার ২৫০০০ টাকা। তার মানে Court of Small Causes ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত মূল্যমানের দেওয়ানী মামলার বিচার করতে পারবে অথবা আমলে নিতে পারবে।
২,০৪৯.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৩৮ ধারা প্রযোজ্য হয়, যখন হস্তান্তকারীর হস্তান্তর করার অধিকার-
  1. সীমাবদ্ধ
  2. চূড়ান্ত
  3. শর্তহীন
  4. অসীম
ব্যাখ্যা
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর ৩৮ ধারায় সম্পত্তি হস্তান্তরের সীমাবদ্ধ ক্ষমতা (Limited Power of Transfer) সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। সম্পত্তির মালিক না হলেও এই ধারা কতিপয় বিশেষ প্রেক্ষাপটে কতিপয় ব্যক্তিকে সম্পত্তি হস্তান্তরে সীমাবদ্ধ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

• শর্তসমূহ

১. হস্তান্তরকারীর সম্পত্তি হস্তান্তর করার সীমাবদ্ধ ক্ষমতা আছে;
২. হস্তান্তরকারী বিশেষ প্রেক্ষাপটে উক্ত সম্পত্তি হস্তান্তর ক্ষমতাবান;
৩. হস্তান্তরকারী মূল্যের বিনিময়ে উক্ত সম্পত্তি হস্তান্তর করেছে;
৪. এমন বিশেষ প্রেক্ষাপট যে বিদ্যমান আছে হস্তান্তরকারী অবশ্যই তা দাবী করবে;
৫. যে ব্যক্তি মূল্যের বিনিময়ে সম্পত্তি গ্রহণ করছে অর্থাৎ হস্তান্তরগ্রহীতা এমন বিশেষ প্রেক্ষাপট বিদ্যমান আছে কিনা তা নির্ধারণে যুক্তিযুক্ত সচেতনতা অবলম্বন করবে;
৬. সম্পত্তি গ্রহীতা সরল বিশ্বাসে কার্যটি করেছে।

• ৩৮ ধারায় যে সকল ব্যক্তি হস্তান্তর করতে পারে-

সম্পত্তির মালিক না হলেও ৩৮ ধারায় কতিপয় ব্যক্তিকে বিশেষ প্রেক্ষাপটে যেমন আইনগত প্রয়োজনে সম্পত্তি হস্তান্তর করার সীমাবদ্ধ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। সম্পত্তি হস্তান্তরের সীমাবদ্ধ ক্ষমতা আছে বিধবা হিন্দু মহিলার, হিন্দু পরিবারের ম্যানেজার, কোন নাবালকের অভিভাবকের, দেবোত্তর সম্পত্তির কোন সেবাইত বা ট্রাস্টি ইত্যাদি। উল্লেখিত ব্যক্তিগণ উক্ত সম্পত্তির মালিক না হলেও আইনগত প্রয়োজনে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে।

Section 38: Transfer by person authorised only under certain circumstances to transfer
Where any person, authorised only under circumstances in their nature variable to dispose of immoveable property, transfers such property for consideration, alleging the existence of such circumstances, they shall, as between the transferee on the one part and the transferor and other persons (if any) affected by the transfer on the other part, be deemed to have existed, if the transferee, after using reasonable care to ascertain the existence of such circumstances, has acted in good faith. 
 
Illustration 
A, a Hindu widow, whose husband has left collateral heirs, alleging that the property held by her as such is insufficient for her maintenance, agrees, for purposes neither religious nor charitable, to sell a field, part of such property, to B. B satisfies himself by reasonable enquiry that the income of the property is insufficient for A's maintenance, and that the sale of the field is necessary, and, acting in good faith, buys the field from A. As between B on the one part and A and the collateral heirs on the other part, a necessity for the sale shall be deemed to have existed.
২,০৫০.
বাতিলযোগ্য চুক্তি (Voidable Contract) এর সংজ্ঞা কত ধারায় দেয়া আছে?
  1. ধারা ২(গ)
  2. ধারা ২(চ)
  3. ধারা ২(জ)
  4. ধারা ২(ঝ)
ব্যাখ্যা
The Contract Act, 1872: ধারা ২(ঝ)-
“যে চুক্তি এক বা একাধিক পক্ষের ইচ্ছানুসারে আইনত বলবৎ করা যায়, কিন্তু অপর পক্ষ বা পক্ষসমূহের ইচ্ছানুসারে নয়, তাকে বাতিলযোগ্য চুক্তি (Voidable Contract) বলা হয়।”

[An agreement which is enforceable by law at the option of one or more of the parties thereto, but not at the option of the other or others, is a voidable contract]
২,০৫১.
ধারা ৫৪ক অনুযায়ী, যদি বিক্রয় চুক্তিতে সময় উল্লেখ না থাকে, তবে কতদিন সময় ধরা হবে?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪ক: বিক্রয়ের চুক্তি নিবন্ধিত হওয়া বাধ্যতামূলক:
যে কোনো স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তি শুধুমাত্র লিখিত ও নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে করা যাবে- এবং এটি কার্যকর হবে নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ অনুযায়ী, এমনকি যদি ক্রেতা সম্পত্তি বা তার কোনো অংশ দখলে না নিয়েও থাকে।

চুক্তি দলিলে অবশ্যই বিক্রয় সম্পাদন ও নিবন্ধনের সময়সীমা উল্লেখ করতে হবে,
- যা কার্যকর হবে দলিল নিবন্ধনের তারিখ থেকে।
- যদি কোনো সময়সীমা উল্লেখ না থাকে, তাহলে ছয় মাস সময় ধরা হবে।
২,০৫২.
রিমার বিয়ের পর থেকে তার স্বামী যৌতুকের জন্য চাপ দিতে থাকে। একপর্যায়ে মারধর করে তাকে গুরুতর আহত করে। এই অবস্থায় অভিযুক্ত স্বামীর সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ১১- যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি:
যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন 28[কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন] তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-
(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(কক) মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে বা অনধিক বার বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবে

(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক পাঁচ বৎসর কিন্তু অন্যূন দুই বৎসর] সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
২,০৫৩.
প্রজাপত্য বিবাহে কনের পিতা বরের কাছ থেকে কী গ্রহণ করতেন?
  1. পণ
  2. গাভী
  3. অলঙ্কার
  4. কিছুই না
ব্যাখ্যা
উত্তর: ঘ) কিছুই না।
→ প্রজাপত্য বিবাহে কনের পিতা বরের কাছ থেকে কোন পণ গ্রহণ করতেন না।
- এই বিবাহে কনের পিতা কন্যাকে বরের হাতে দান করতেন এবং তাদের আশীর্বাদ দিতেন, যাতে তারা একসঙ্গে সুখী দাম্পত্য জীবন কাটাতে পারেন।
- এটি একটি অত্যন্ত পবিত্র এবং অনুপ্রাণিত বিবাহ ছিল, যেখানে কোনো অর্থনৈতিক বা পার্থিব স্বার্থ ছিল না, শুধুমাত্র বিশ্বাস এবং শুভ কামনা ছিল।

⇒ হিন্দু সমাজে দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা অনুযায়ী আট প্রকার বিবাহ প্রচলিত ছিল, যার মধ্যে প্রথম চারটি সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য এবং পরবর্তী চারটি অবৈধ বা অননুমোদিত ছিল।
- এই বিবাহের প্রকারভেদ নিম্নরূপ:
অনুমোদিত ৪ প্রকার বিবাহ:
ব্রাহ্ম বিবাহ: এটি সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ বিবাহ পদ্ধতি, যেখানে একটি অলঙ্কৃত, শিক্ষিত এবং চরিত্রবান কন্যাকে কোনও পণ ছাড়াই, ব্রাহ্মণ পুরুষের হাতে তুলে দেয়া হতো।
দৈব বিবাহ: এই বিবাহে, কন্যাকে যজ্ঞ সম্পাদনকারী পুরোহিতের কাছে প্রদান করা হতো।
আর্য বিবাহ: এই পদ্ধতিতে, কনের পিতা বরের কাছ থেকে এক বা দুটি গাভী গ্রহণ করতেন, যা পণ হিসেবে ছিল।
প্রজাপত্য বিবাহ: এখানে, কনের পিতা বরের কাছ থেকে কোনো পণ না নিয়ে কন্যা প্রদান করতেন এবং তাদের আশীর্বাদ দিতেন যাতে তারা সুখী দাম্পত্য জীবন কাটাতে পারেন।
অননুমোদিত ৪ প্রকার বিবাহ:
অসুর বিবাহ: এই বিবাহে বর কনের পিতা বা অভিভাবকের কাছ থেকে কন্যাকে টাকা দিয়ে ক্রয় করতেন।
রাক্ষস বিবাহ: এই ধরনের বিবাহে, কন্যার আত্মীয়দের মারধর করে এবং তারা বিরোধী অবস্থায় থাকলেও, বর কন্যাকে জোরপূর্বক নিয়ে আসতেন।
গন্ধর্ব বিবাহ: এটি একটি সম্মতিপূর্ণ বিবাহ, যেখানে বর এবং কনে পরস্পরের সম্মতি ও অভ্যন্তরীণ ইচ্ছায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতেন।
পৈশাচ বিবাহ: এটি ছিল সবচেয়ে নিকৃষ্ট বিবাহ, যেখানে কন্যার সম্মতি ছাড়াই, মদ্যপ বা নিদ্রিত অবস্থায় কন্যার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা হতো।
২,০৫৪.
Civil Courts (Amendment) Ordinance, 2025 এর অধ্যাদেশ নম্বর কত?
  1. ২৫ নং
  2. ৪৫ নং
  3. ৫৫ নং
  4. ৬৫ নং
ব্যাখ্যা

⇒ Civil Courts (Amendment) Ordinance, 2025 ( ২০২৫ সনের ৫৫ নং অধ্যাদেশ )
অধ্যাদেশ নম্বর: ২০২৫ সনের ৫৫ নং অধ্যাদেশ।
জারির তারিখ: ২ নভেম্বর, ২০২৫
অর্থাৎ ২০২৫ সালে প্রণীত এই অধ্যাদেশটির ক্রমিক নম্বর হলো ৫৫।

অধ্যাদেশটির প্রেক্ষাপট ও উদ্দেশ্য:
- এই অধ্যাদেশটি প্রণয়নের মূল উদ্দেশ্য হলো Civil Courts Act, 1887 আইনে ব্যবহৃত কিছু পদবী (Designation) আধুনিকীকরণ ও পরিবর্তন করা। ব্রিটিশ আমল থেকে চলে আসা "অ্যাসিস্ট্যান্ট জজ" (Assistant Judge) পদবীটিকে "সিভিল জজ" (Civil Judge) পদবী দ্বারা প্রতিস্থাপন করা এই সংশোধনীর মূল বিষয়। রাষ্ট্রপতির সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদ-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা হয়েছে।

আইনে কী ছিল এবং কী পরিবর্তন করা হয়েছে (মূল সংশোধনীসমূহ)
- এই অধ্যাদেশটি মূলত একটি শব্দগত পরিবর্তন করেছে। পুরো আইন জুড়ে যেখানেই "Assistant" শব্দটি (যেমন: Assistant Judge, Senior Assistant Judge) ব্যবহৃত হয়েছে, সেখানে "Civil" শব্দটি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।
- পদবীর আধুনিকীকরণ: "Assistant Judge" পদবীটি একটি সহায়ক (Assistant) ভাবাপন্ন, যেখানে "Civil Judge" পদবীটি স্পষ্ট এবং স্বতন্ত্র ক্ষমতার পরিচয় দেয়। এটি বিচারকদের মর্যাদার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

নতুনভাবে যোগকৃত বা প্রতিস্থাপিত গুরুত্বপূর্ণ ধারা:
ধারা ১১: এই ধারা দ্বারা পুরনো ধারা ২৫এক -কে সম্পূর্ণভাবে প্রতিস্থাপন করে একটি নতুন ধারা যুক্ত করা হয়েছে।
- নতুন ধারা ২৫ক-এর বিষয়বস্তু: অন্যান্য আইনে জজদের নির্দেশনা (Reference of Judges in other laws):
- যখন কোনো প্রচলিত আইনে অ্যাডিশনাল জজ (Additional Judge), সাব-অর্ডিনেট জজ (Subordinate Judge), সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট জজ (Senior Assistant Judge), বা অ্যাসিস্ট্যান্ট জজ (Assistant Judge)-এর উল্লেখ থাকবে, তখন সেই উল্লেখকে যথাক্রমে অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট জজ (Additional District Judge), জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জজ (Joint District Judge), সিনিয়র সিভিল জজ (Senior Civil Judge), বা সিভিল জজ (Civil Judge) হিসেবে ব্যাখ্যা করতে হবে।

২,০৫৫.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৫ বছর বিনাশ্রম বা সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২

ধারা ৪- অপরাধের শাস্তি:

(১) কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ করিলে তিনি অন্যুন দুই বৎসর এবং অনধিক সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন দণ্ডপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনকালে সরকার কিংবা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা কোন প্রতিষ্ঠান বা কোন ব্যক্তির আর্থিক ক্ষতিসাধন করিলে তদ্‌জন্য আদালত তদ্‌বিবেচনায় উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ক্ষতিগ্রস্ত সরকার বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির অনুকূলে প্রদান করিবার জন্য উক্ত দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আদেশ দিতে পারিবে এবং এই ক্ষতিপূরণের অর্থ সরকারী দাবী হিসাবে আদায়যোগ্য হইবে।
২,০৫৬.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে কাস্টিং ভোট প্রদানের ক্ষমতা সংরক্ষণ করেন:-
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. বিরোধীদলীয় নেতা
  4. স্পীকার
ব্যাখ্যা
⇒ সংসদের সভাপতি: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সভাপতি স্পিকার। অর্থাৎ স্পিকার হলেন জাতীয় সংসদের সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।

⇒ অনুচ্ছেদ ৭৫:- কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি:

(১) এই সংবিধান-সাপেক্ষে
(খ) উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি ভোটদান করবেন না কিন্তু সমসংখ্যক ভোট হলে তিনি নির্ণায়ক ভোট (Casting Vote) প্রদান করবেন।
অন্যদিকে, 
• অনুচ্ছেদ  ৭৬:- সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ।
• অনুচ্ছেদ ৭৭ : ন্যায়পাল।
• অনুচ্ছেদ  ৭৮ : সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদের বিধান: কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি:
 (১) এই সংবিধান-সাপেক্ষে
(ক) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা এবং অনুরূপ বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রিত হইবে;
(খ) উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক ভোট প্রদান করিবেন;
(গ) সংসদের কোন সদস্যপদ শূন্য রহিয়াছে, কেবল এই কারণে কিংবা সংসদে উপস্থিত হইবার বা ভোটদানের বা অন্য কোন উপায়ে কার্যধারায় অংশগ্রহণের অধিকার না থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি অনুরূপ কার্য করিয়াছেন, কেবল এই কারণে সংসদের কোন কার্যধারা অবৈধ হইবে না।
(২) সংসদের বৈঠক চলাকালে কোন সময়ে উপস্থিত সদস্য-সংখ্যা ষাটের কম বলিয়া যদি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ষাট জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বৈঠক স্থগিত রাখিবেন কিংবা মুলতবী করিবেন।
------------
⇒ Article 75 Rules of procedure, quorum, etc-:
 (1) Subject to this Constitution –
(a) the procedure of Parliament shall be regulated by rules of procedure made by it, and until such rules are made shall be regulated by rules of procedure made by the President;
(b) a decision in Parliament shall be taken by a majority of the votes of the members present and voting, but the person presiding shall not vote except when there is an equality of votes, in which case he shall exercise a casting vote;

(c) no proceeding in Parliament shall be invalid by reason only that there is a vacancy in the membership thereof or that a person who was not entitled to do so was present at, or voted or otherwise participated in, the proceeding.

(2) If at any time during which Parliament is in session the attention of the person presiding is drawn to the fact that the number of members present is less than sixty, he shall either suspend the meeting until at least sixty members are present, or adjourn it.
২,০৫৭.
দুর্নীতি সম্পর্কিত কোনো অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে দুর্নীতি দমন কমিশনের ক্ষমতা প্রয়োগে বাধা প্রদানের শাস্তি সর্বোচ্চ কত বৎসর?
ব্যাখ্যা
⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ১৯ ধারার বিধান অনুসন্ধান বা তদন্তকার্যে কমিশনের বিশেষ ক্ষমতা:
 (১) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে, কমিশনের নিম্নরূপ ক্ষমতা থাকিবে, যথা:- 
(ক) সাক্ষীর প্রতি নোটিশ জারী ও উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা; 
(খ) কোন দলিল উদ্‌ঘাটন এবং উপস্থাপন করা; 
(গ)  সাক্ষ্য গ্রহণ; 
(ঘ) কোন আদালত বা অফিস হইতে পাবলিক রেকর্ড বা উহার অনুলিপি তলব করা; 
(ঙ) সাক্ষীর জিজ্ঞাসাবাদ এবং দলিল পরীক্ষা করার জন্য নোটিশ জারী করা; এবং 
(চ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নির্ধারিত অন্য যে কোন বিষয়৷ 

(২) কমিশন, যে কোন ব্যক্তিকে অনুসন্ধান বা তদন্ত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন তথ্য সরবরাহ করিবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং অনুরূপভাবে নির্দেশিত ব্যক্তি তাহার হেফাজতে রক্ষিত উক্ত তথ্য সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবেন৷ 

(৩) কোন কমিশনার বা কমিশন হইতে বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তাকে উপ-ধারা (১) এর অধীন ক্ষমতা প্রয়োগে কোন ব্যক্তি বাধা প্রদান করিলে বা উক্ত উপ-ধারার অধীন প্রদত্ত কোন নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ব্যক্তি অমান্য করিলে উহা দণ্ডনীয় অপরাধ হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) বছর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডে বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
২,০৫৮.
'চ' ও 'ছ' যথাক্রমে 'ক' কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং জেনারেল ম্যানেজার। 'চ' ও 'ছ' একটি চেক ইস্যু করলে, তা অপর্যাপ্ত তহবিলের কারণে ডিসঅনার হয়। এক্ষেত্রে কার বিরদ্ধে মামলা করা যাবে?
  1. 'ক'
  2. 'চ', 'ছ'
  3. 'ক' এবং 'চ', 'ছ'
  4. 'ক' এবং 'চ'
ব্যাখ্যা
কোনো কোম্পানি Cheque Dishonour মামলায় দোষী হলে, কোম্পানিসহ পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ দায়ী (liable) হবেন। 

 ⇒ The Negotiable Instruments Act, 1881 এর ১৪০ ধারার বিধান কোম্পানীর অপরাধসমূহ (Offences of Companies) ধারা ১৩৮ এর আওতায় অপরাধকারী কোম্পানী হলে বর্ণিত কোম্পানীসহ উক্ত অপরাধ সংঘটনের সময় কোম্পানীর ব্যবসায় পরিচালনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং আইনত দায়ী প্রত্যেক ব্যক্তি ঐ অপরাধের জন্য দোষী বলে গণ্য হবেন এবং এর জন্য তাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে এবং সেই অনুযায়ী দণ্ডিত হবেন।

- যদি দায়ী ব্যক্তি প্রমাণ করতে পারেন যে উক্ত অপরাধ তার জ্ঞাতসারে সংঘটিত হয়নি অথবা উক্ত অপরাধ সংঘটন প্রতিরোধের জন্য তিনি সম্ভাব্য সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন, তাহলে তিনি দোষী সাব্যস্ত হবেন না।

- এই আইনের আওতায় কোম্পানী কর্তৃক কোন অপরাধ সংঘটিত হলে এবং উক্ত কোম্পানির কোন পরিচালক, ব্যবস্থাপক, সচিব বা অন্য কর্মকর্তার সম্মতিতে বা পরোক্ষ সমর্থনে বা কোন অবহেলার কারণে উক্ত অপরাধ সংঘটিত হয়েছে মর্মে প্রমাণিত হলে, কোম্পানির উক্ত পরিচালক, ব্যবস্থাপক, সচিব বা অন্য কর্মকর্তা ঐ অপরাধের জন্য দোষী বলে গণ্য হবেন এবং এটির জন্য তাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে এবং সেই অনুযায়ী দণ্ডিত হবেন।

Section 140: Offences of Companies:
(1) If the person committing an offence under section 138 is a company, every person who, at the time the offence was committed, was in charge of, and was responsible to, the company for the conduct of the business of the company, as well as the company, shall be deemed to be guilty of the offence and shall be liable to be proceeded against and punished accordingly:

Provided that nothing contained in this sub-section shall render any person liable to punishment if he proves that the offence was committed without his knowledge, or that he had exercised all due diligence to prevent the commission of such offence.

(2) Notwithstanding anything contained in sub-section (1), where any offence under this Act has been committed by a company and it is proved that the offence has been committed with the consent or connivance of, or is attributable to, any neglect on the part of any director, manager, secretary or other officer of the company, such director, manager, secretary or other officer shall also be deemed to be guilty of that offence and shall be liable to be proceeded against and punished accordingly.

Explanation. - For the purposes of this section-
(a) “company” means any body corporate and includes a firm or other association of individuals; and
(b) “director” in relation to a firm, means a partner in the firm.
২,০৫৯.
"আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনি পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা" কত সালে প্রণয়ন করা হয়?
  1. ২০০০
  2. ২০১৪
  3. ২০১৫
  4. ২০১১
ব্যাখ্যা
⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ (২০০০ সনের ৬ নং আইন) এর ধারা ২২ক তে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার "আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিক্রোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫" প্রণয়ন করেন।

- আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিক্রোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫ এর প্রথম অধ্যায়ের প্রথম বিধিতে শিরোনাম দেওয়া আছে।

-বিধি-১ শিরোনাম: -এই বিধিমালা আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিক্রোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫ নামে অভিহিত হইবে।
২,০৬০.
চেক ডিজঅনার মামলার ক্ষেত্রে বর্তমানে কোন আদালতকে বিচার করার এখতিয়ার দেয়া হয়েছে?
  1. দায়রা জজ
  2. যুগ্ম দায়রা জজ
  3. অতিরিক্ত দায়রা জজ
  4. উল্লিখিত সকল আদালত
ব্যাখ্যা

• ১৮৮১ সালের হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৪১(গ) ধারা অনুযায়ী, চেক ডিজঅনার এর মামলার বিচার করতে পারে দায়রা আদালত। অর্থাৎ Sessions Judge, Additional Sessions Judge & Joint Sessions Judge উনারা সবাই এরূপ মামলার বিচার করতে পারেন এবং এতদিন পর্যন্ত করে আসছেন। তবে সম্প্রতি হাইকোর্ট বিভাগের রায়ে বলা হয়েছে- এখন থেকে চেক ডিজঅনার এর মামলার বিচার করতে পারবে শুধুমাত্র যুগ্ম দায়রা জজ [Joint Sessions Judge]।

উচ্চ আদালত এ রায়ে উল্লেখ করেন-

''চেক ডিজঅনার মামলা শুধুমাত্র যুগ্ম দায়রা জজ আদালতে শুনানি হবে এবং যুগ্ম দায়রা জজ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে দায়রা জজ আদালতেই আপীল করতে হবে। আগে চেক ডিজঅনারের মামলা দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ আদালত শুনানি করতো। এক্ষেত্রে দায়রা জজ ও অতিরিক্ত দায়রা জজ বিচার করলে বিচারপ্রার্থীকে চেকের মামলায় আপীল করতে আসতে হতো হাইকোর্টে বিভাগে।

এই বিধানটি বৈষম্যমূলক যাহা বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭ এবং ৩১ এর সাথে সাংঘর্ষিক। রায়ের নির্দেশনা মতে ১৩৮ ধারার চেকের মামলার বিচার কেবলমাত্র যুগ্ম দায়রা জজ আদালত করতে পারবে। দায়রা জজ অথবা অতিরিক্ত দায়রা জজ চেকের মামলার বিচার করতে পারবে না।''

২,০৬১.
"ক্ষতিকর কার্যকলাপ" (prejudicial act) এর সংজ্ঞায় নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. জনশৃঙ্খলা ব্যাহত করা
  2. সম্প্রদায়গত বিদ্বেষ সৃষ্টি
  3. ব্যক্তিগত ঋণ না পরিশোধ
  4. বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ক্ষতি
ব্যাখ্যা

⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ২(চ) অনুসারে "ক্ষতিকর কার্যকলাপ" (prejudicial act) এর সংজ্ঞায় নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত:
- বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বা প্রতিরক্ষার ক্ষতি করা
- বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নষ্ট করা
- বাংলাদেশের নিরাপত্তা বা জনশৃঙ্খলা বিপন্ন করা
- বিভিন্ন সম্প্রদায়, শ্রেণি বা গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করা
- আইনের প্রশাসন বা জনশৃঙ্খলায় হস্তক্ষেপ করা
- জনগণের জন্য অত্যাবশ্যকীয় সরবরাহ ও সেবা বিঘ্নিত করা
- জনগণের মধ্যে ভয় বা উদ্বেগ সৃষ্টি করা
- রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক বা আর্থিক স্বার্থের ক্ষতি করা
→ ব্যক্তিগত ঋণ না পরিশোধ এই সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ এটি ব্যক্তিগত দেওয়ানি বিরোধ যা ক্ষতিকর কার্যকলাপের আওতায় পড়ে না। সুতরাং, সঠিক উত্তর গ।
 ------ 
⇒ The Special Powers Act, 1974, Section-2(f) “prejudicial act” means any act which is intended or likely- 
(i) to prejudice the sovereignty or defence of Bangladesh;  
(ii) to prejudice the maintenance of friendly relations of Bangladesh with foreign states; 
(iii) to prejudice the security of Bangladesh or to endanger public safety or the maintenance of public order; 
(iv) to create or excite feelings of enmity or hatred between different communities, classes or sections of people; 
(v) to interfere with or encourage or incite interference with the administration of law or the maintenance of law and order; 
(vi) to prejudice the maintenance of supplies and services essential to the community; 
(vii) to cause fear or alarm to the public or to any section of the public; 
(viii) to prejudice the economic or financial interests of the State; 
(h) “prescribed” means prescribed by rules made under this Act.

২,০৬২.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- “সংসদের কোন আইনের দ্বারা বা কর্তৃত্ব ব্যতীত কোন কর আরোপ বা সংগ্রহ করা যাইবে না”?
  1. ৮১ অনুচ্ছেদে
  2. ৮২ অনুচ্ছেদে
  3. ৮৩ অনুচ্ছেদে
  4. ৮৪ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৩ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদের আইন ব্যতীত করারোপে বাধা:
 সংসদের কোন আইনের দ্বারা বা কর্তৃত্ব ব্যতীত কোন কর আরোপ বা সংগ্রহ করা যাইবে না।

⇒ Article 83. No taxation except by or under Act of Parliament:

 No tax shall be levied or collected except by or under the authority of an Act of Parliament.

২,০৬৩.
'দোবারা সাজা মতবাদ' (Doctrine of Double Jeopardy) যে ল্যাটিন ম্যাক্সিমের উপর প্রতিষ্ঠিত, তা হলো:
  1. Nemo debet bis vexari pro uno delicto
  2. Nemo debet bis puniri pro uno delicto
  3. Nemo debet bis vexari pro duo delicto
  4. Nemo debet bis puniri pro duo delicto
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) Nemo debet bis puniri pro uno delicto.
⇒ 'দোবারা সাজা মতবাদ' (Doctrine of Double Jeopardy) এই ল্যাটিন ম্যাক্সিমের উপর প্রতিষ্ঠিত, যার অর্থ 'একই অপরাধের জন্য কাউকে দু'বার শাস্তি দেয়া যায় না'। 
অর্থাৎ "Doctrine of Double Jeopardy" বা "দ্বিবার দণ্ড/দোবারা সাজা মতবাদ" যে ল্যাটিন নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত তা হলো: "Nemo debet bis puniri pro uno delicto"
- এর অর্থ: "কেউ একই অপরাধের জন্য দুবার শাস্তি পাবে না" (No one shall be punished twice for one offence)
-এই নীতি বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫(২) অনুচ্ছেদে এবং জেনারেল ক্লজ অ্যাক্টের ২৬ ধারায় প্রতিফলিত।

⇒ "Puniri" শব্দটি 'শাস্তি' বোঝায়, এবং "uno delicto" অর্থ 'একটি অপরাধ'।
- অন্যান্য অপশনগুলোতে "vexari" (যাতনা বা বিরক্তি) বা "duo" (দুটি) শব্দের ব্যবহার ভুল, যা মতবাদের মূল অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।অন্যান্য অপশনগুলির বিশ্লেষণ:
ক) Nemo debet bis vexari pro uno delicto - "কেউ একই অপরাধের জন্য দুবার উত্পীড়িত হবে না" (এটি সংশ্লিষ্ট কিন্তু সঠিক নয়)।
গ) Nemo debet bis vexari pro duo delicto - "কেউ দুইটি অপরাধের জন্য দুবার উত্পীড়িত হবে না" (ভুল)।
ঘ) Nemo debet bis puniri pro duo delicto - "কেউ দুইটি অপরাধের জন্য দুবার শাস্তি পাবে না" (ভুল)।

২,০৬৪.
ক্ষতিকর কাজ [Prejudicial Acts] হতে বিরত রাখার জন্য সরকার 'খ' কে বাংলাদেশ হতে অপসারিত হবার নির্দেশ দেয়। কিন্তু 'খ' এই আদেশ পালনে ব্যর্থ হয়। এক্ষেত্রে 'খ' কোন দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে?
  1. ৭ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে
  2. ৫ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা জরিমানাসহ বা উভয় দণ্ডে
  3. ৩ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা জরিমানাসহ বা উভয় দণ্ডে
  4. ৭ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা জরিমানাসহ বা উভয় দণ্ডে
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৩(১) ধারায় সরকার কোন ব্যক্তিকে ক্ষতিকর কার্য হতে বিরত রাখার জন্য আটক করার এবং অপসারিত হওয়ার আদেশ উভয় ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে এবং ৩(২) ধারায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শুধুমাত্র কোন ব্যক্তিকে আটক আদেশ দিতে পারে।

সরকার ২(চ) ধারায় উল্লেখিত যে কোন ক্ষতিকর কার্য হতে বিরত রাখার জন্য সরকার কোন ব্যক্তিকে আটক বা অপসারিত হওয়ার আদেশ দিতে পারে কিন্তু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ২(চ) ধারার (৩), (৪), (৫); (৬), (৭) বা (৮) দফায় উল্লেখিত ক্ষতিকর কার্য হতে বিরত রাখার জন্য শুধুমাত্র আটক আদেশ দিতে পারে।

৩(৫) ধারায় উল্লেখ আছে যে, ক্ষতিকর কাজ [Prejudicial Acts] হতে কোন ব্যক্তিকে বিরত রাখার জন্য সরকার বাংলাদেশ হতে সেই ব্যক্তিকে স্বয়ং অপসারিত হবার নির্দেশ দিলে এবং উক্ত ব্যক্তি এই আদেশ পালনে ব্যর্থ হলে, তিনি ৩ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা জরিমানাসহ বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।
২,০৬৫.
নিম্নের কোন আইনে 'Doctrine of Representation' এর বিধান রয়েছে?
  1. পারিবারিক আদালত আইন,২০২৩
  2. পারিবারিক আদালত বিধিমালা,২০২৩
  3. মুসলিম পরিবারিক আইন অধ্যাদেশ,১৯৬১
  4. মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন,১৯৩৯
ব্যাখ্যা
• মুসলিম পরিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ উত্তরাধিকার, বিবাহ রেজিস্ট্রি, বহুবিবাহ, তালাক, দেনমোহর ও ভরণপোষণ সংক্রান্ত আইন।

এ আইনের ৪নং ধারায় উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী সংশোধন আনা হয়। মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে লা-ওয়ারিশ প্রথাকে বাতিল করা হয়। এ আইনে বলা হয়-
উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টিত হওয়ার পূর্বে মৃত ব্যক্তির কোন পুত্র বা কন্যার মৃত্যু হলে, উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টিত হওয়ার সময় ঐ পুত্র বা কন্যার সন্তানাদি যদি জীবিত থাকে, তাহলে ঐ মৃত পুত্র বা কন্যা বণ্টনের সময় জীবিত থাকলে সে যে অংশ পেতো, তার সন্তানাদি সমষ্টিগতভাবে অনুরূপ অংশ পাবে।
যা 'Doctrine of Representation' নীতি নামে পরিচিত।

Section 4: Succession
In the event of the death of any son or daughter of the propositus before the opening of succession, the children of such son or daughter, if any, living at the time the succession opens, shall per stirpes receive a share equivalent to the share which such son or daughter, as the case may be, would have received if alive.
২,০৬৬.
হানাফি আইন অনুযায়ী সর্বনিম্ন দেনমোহর কত হতে পারে?
  1. ৩ দিরহাম
  2. ১০ দিরহাম
  3. ২০ দিরহাম
  4. কোন সর্বনিম্ন পরিমাণ নেই
ব্যাখ্যা
- Fixed dower বা নির্ধারিত দেনমোহরের ক্ষেত্রে দেনমোহর নির্ধারিত থাকে। অন্য দিকে proper dower বা যথার্থ দেনমোহরের ক্ষেত্রে দেনমোহর নির্ধারিত থাকে না।
- কুরআনে দেনমোহরের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়নি। দেনমোহরের পরিমাণ কত হবে তা নিয়ে বিভিন্ন মাযহাবে মতানৈক্য রয়েছে।
- হানাফি আইন অনুসারে দেনমোহরের সর্বনিম্ন পরিমান ১০ দিরহাম বা সাত মিসকাল পরিমাণ রৌপ্য।
- মালিকি মতবাদ অনুসারে দেনমোহরের সর্বনিম্ন পরিমাণ ৩ দিরহাম।
- শাফেয়ি এবং শিয়া আইনে দেনমোহরের সর্বনিম্ন পরিমাণের উল্লেখ নেই। তবে কোনো মাযহাবে। দেনমোহরের সর্বোচ্চ পরিমাণ নিয়ে কিছু বলা নেই।
- বিবাহের চুক্তিতে যদি এমন কোনো শর্ত থাকে যে, দেনমোহর পরিশোধ করা হবে না, তাহলে সেক্ষেত্রে সে শর্তটি বাতিল বলে গণ্য হবে। তবে সে কারণে বিবাহটি অবৈধ হবে না।
২,০৬৭.
ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল মামলার চূড়ান্ত শুনানির তারিখ থেকে কত দিনের মধ্যে বিচার শেষ করতে বাধ্য থাকবে?
  1. ৬০ দিনের মধ্যে
  2. ৯০ দিনের মধ্যে
  3. ১৮০ দিনের মধ্যে
  4. ৩৬০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 ধারা ১৪৫ক: ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল (Land Survey Tribunal) – 
(১) সরকার প্রয়োজন অনুযায়ী, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এমন সংখ্যক ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারবে যা ধারা ১৪৪ অনুযায়ী প্রস্তুতকৃত সর্বশেষ সংশোধিত রেকর্ড অব রাইটসের চূড়ান্ত প্রকাশনার ভিত্তিতে উদ্ভূত মামলাসমূহ নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজন হবে।

(২) সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা যেকোনো ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের বিচারাধীন এলাকার সীমা নির্ধারণ বা পরিবর্তন করতে পারবে।

(৩) সরকার, সুপ্রীম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে, ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে যুগ্ম জেলা জজদের মধ্য থেকে নিয়োগ প্রদান করবে।

(৩ক) যতক্ষণ না (৩) উপধারার অধীনে কোনো বিচারক নিয়োগ দেওয়া হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত সরকার প্রত্যেক জেলায় একজন যৌথ জেলা জজকে ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত করতে পারবে।

(৩খ) (৩ক) উপধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত যৌথ জেলা জজকে এই ধারার অধীনে নিয়োগপ্রাপ্ত ট্রাইব্যুনালের বিচারক বলে গণ্য করা হবে।

(৩গ) প্রয়োজনে, সরকার এক বা একাধিক সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ-কে ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবে, যারা ট্রাইব্যুনালের প্রধান বিচারক কর্তৃক স্থানান্তরিত মামলা নিষ্পত্তি করবেন।

(৪) ধারা ১৪৪ অনুযায়ী প্রস্তুতকৃত রেকর্ড অব রাইটসের চূড়ান্ত প্রকাশনার ভিত্তিতে উদ্ভূত মামলাসমূহ ছাড়া অন্য কোনো মামলা ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালে গ্রহণযোগ্য হবে না।

(৫) যদি ট্রাইব্যুনাল স্থাপনের পূর্বে সংশ্লিষ্ট মামলা কোনো দেওয়ানি আদালতে দায়ের করা হয়ে থাকে, তাহলে ট্রাইব্যুনাল স্থাপিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মামলাটি ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরিত হবে।

(৬) যে কেউ চূড়ান্ত রেকর্ড অব রাইটস দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তিনি প্রকাশের তারিখ থেকে এক বছরের মধ্যে অথবা ট্রাইব্যুনাল স্থাপনের তারিখ থেকে এক বছরের মধ্যে (যেটি পরবর্তীতে ঘটে) মামলা দায়ের করতে পারবেন।

(৭) যথাযথ কারণ দেখাতে পারলে, ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী এক বছর পর্যন্ত বিলম্ব মঞ্জুর করতে পারে।

(৭ক) ট্রাইব্যুনাল মামলার চূড়ান্ত শুনানির তারিখ থেকে ১৮০ দিনের মধ্যে বিচার শেষ করতে বাধ্য থাকবে।

(৮) ট্রাইব্যুনাল রেকর্ড অব রাইটস ভুল ঘোষণা করতে পারবে, সংশ্লিষ্ট অফিসকে সংশোধন করার নির্দেশ দিতে পারবে, এবং প্রয়োজনীয় অন্য যে কোনো আদেশ দিতে পারবে।
২,০৬৮.
কোনো অপরাধ সংঘটনে প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশু জড়িত থাকলে কী হবে?
  1. অভিন্ন তদন্ত প্রতিবেদন এবং অপরাধ পৃথকভাবে আমলে গ্রহণ
  2. ভিন্ন তদন্ত প্রতিবেদন কিন্তু অপরাধ একই সাথে আমলে গ্রহণ
  3. অভিন্ন তদন্ত প্রতিবেদন এবং অপরাধ একইসাথে আমলে গ্রহণ
  4. ভিন্ন তদন্ত প্রতিবেদন এবং অপরাধ পৃথকভাবে আমলে গ্রহণ
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৫- পুলিশ রিপোর্ট (investigation report) বা অনুসন্ধান প্রতিবেদন (inquiry report) বা তদন্ত প্রতিবেদন (enquiry report) পৃথকভাবে প্রস্তুত ও আমলে গ্রহণ

(১) ফৌজদারি কার্যবিধি বা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো অপরাধ সংঘটনে প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশু জড়িত থাকিলে, পুলিশ রিপোর্ট (জি.আর মামলার ক্ষেত্রে) বা ক্ষেত্রমত, অনুসন্ধান প্রতিবেদন (সি.আর মামলার ক্ষেত্রে) বা তদন্ত প্রতিবেদন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশুর জন্য পৃথকভাবে প্রস্তুত করিয়া দাখিল করিতে হইবে। 

(২) ফৌজদারি কার্যবিধি বা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশু কর্তৃক একত্রে সংঘটিত কোনো অপরাধ আমলে গ্রহণের ক্ষেত্রে তাহাদের অপরাধ পৃথকভাবে আমলে গ্রহণ করিতে হইবে
২,০৬৯.
'The seat of Parliament shall be in _________.'
  1. Dhaka
  2. the capital
  3. the middle of Bangladesh
  4. the capital of Bangladesh
ব্যাখ্যা
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh - Article 65. Establishment of Parliament:
(1) There shall be a Parliament for Bangladesh (to be known as the House of the Nation) in which, subject to the provisions of this Constitution, shall be vested the legislative powers of the Republic:
Provided that nothing in this clause shall prevent Parliament from delegating to any person or authority, by Act of Parliament, power to make orders, rules, regulations, bye laws or other instruments having legislative effect. 
(2) Parliament shall consist of three hundred members to be elected in accordance with law from single territorial constituencies by direct election and, for so long as clause (3) is effective, the members provided for in that clause; the members shall be designated as Members of Parliament. 
 (3) Until the dissolution of Parliament occurring next after the expiration of the period of twenty five years beginning from the date of the first meeting of the Parliament next after the Parliament in existence at the time of the commencement of the Constitution (Seventeenth Amendment) Act, 2018, there shall be reserved fifty seats exclusively for women members and they will be elected by the aforesaid members in accordance with law on the basis of procedure of proportional representation in the Parliament through single transferable vote : 
Provided that nothing in this clause shall be deemed to prevent a woman from being elected to any of the seats provided for in clause (2) of this article.
(3A) For the remaining period of the Parliament in existence at the time of the commencement of the Constitution (Fifteenth Amendment) Act, 2011, Parliament shall consist of three hundred members elected by direct election provided for in clause (2) and fifty women members provided for in clause (3).
(4) The seat of Parliament shall be in the capital.
২,০৭০.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮–এর অধীনে অনূর্ধ্ব কত দিনের জন্য লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাস সাময়িকভাবে স্থগিত করা যেতে পারে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৪৫ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮–এর ধারা ১৭- লাইসেন্স, ইত্যাদি সাময়িকভাবে স্থগিতকরণ:
(১) লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাস প্রদানকারী কোনো অফিসারের নিকট যদি ইহা প্রতীয়মান হয় যে তৎকর্তৃক প্রদত্ত কোনো লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাসের শর্তাবলি যথাযথভাবে পালন করা হইতেছে না, তাহা হইলে উক্ত অফিসার লিখিত আদেশ দ্বারা এই আইনের অধীন অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ সাপেক্ষে লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাস অনূর্ধ্ব ৬০ (ষাট) দিনের জন্য সাময়িকভাবে স্থগিত করিতে পারিবে। 

(২) কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রদত্ত কোনো আদেশের দ্বারা সংক্ষুব্ধ হইলে তিনি আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিবসের মধ্যে- 
(ক) আদেশটি যদি মহাপরিচালকের অধস্তন কোনো অফিসার কর্তৃক প্রদত্ত হইয়া থাকে, তাহা হইলে মহাপরিচালকের নিকট আপিল করিতে পারিবে; এবং 
(খ) আদেশটি যদি মহাপরিচালক কর্তৃক প্রদত্ত হইয়া থাকে, তাহা হইলে সরকারের নিকট আপিল করিতে পারিবে। 

(৩) উপ-ধারা (২)-এ উল্লিখিত আপিল কর্তৃপক্ষের রায় চূড়ান্ত হইবে এবং উহার বিরুদ্ধে কোনো আদালতে মামলা দায়ের করা যাইবে না।
২,০৭১.
সংসদের এক অধিবেশনের সমাপ্তি ও পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠকের মধ্যে সর্বাধিক বিরতির সীমা কতদিন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদের অধিবেশন:
(১) সরকারী বিজ্ঞপ্তি-দ্বারা রাষ্ট্রপতি সংসদ আহবান , স্থগিত ও ভঙ্গ করিবেন এবং সংসদ আহবানকালে রাষ্ট্রপতি প্রথম বৈঠকের সময় ও স্থান নির্ধারণ করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, ১২৩ অনুচ্ছেদের (৩) দফার (ক) উপ-দফায় উল্লিখিত নব্বই দিন সময় ব্যতীত অন্য সময়ে সংসদের এক অধিবেশনের সমাপ্তি ও পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠকের মধ্যে ষাট দিনের অতিরিক্ত বিরতি থাকিবে না:
তবে আরও শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন তাঁহার দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক লিখিতভাবে প্রদত্ত পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন।

(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার বিধানাবলী সত্ত্বেও সংসদ-সদস্যদের যে কোন সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হইবার ত্রিশ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহবান করা হইবে।

(৩) রাষ্ট্রপতি পূর্বে ভাঙ্গিয়া না দিয়া থাকিলে প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর অতিবাহিত হইলে সংসদ ভাঙ্গিয়া যাইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রজাতন্ত্র যুদ্ধে লিপ্ত থাকিবার কালে সংসদের আইন-দ্বারা অনুরূপ মেয়াদ এককালে অনধিক এক বৎসর বর্ধিত করা যাইতে পারিবে, তবে যুদ্ধ সমাপ্ত হইলে বর্ধিত মেয়াদ কোনক্রমে ছয় মাসের অধিক হইবে না।

(৪) সংসদ ভঙ্গ হইবার পর এবং সংসদের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পূর্বে রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, প্রজাতন্ত্র যে যুদ্ধে লিপ্ত রহিয়াছেন, সেই যুদ্ধাবস্থার বিদ্যমানতার জন্য সংসদ পুনরাহবান করা প্রয়োজন, তাহা হইলে যে সংসদ ভাঙ্গিয়া দেওয়া হইয়াছিল, রাষ্ট্রপতি তাহা আহবান করিবেন।

(৫) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার বিধানাবলী-সাপেক্ষে কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা বা অন্যভাবে সংসদ যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সংসদের বৈঠকসমূহ সেইরূপ সময়ে ও স্থানে অনুষ্ঠিত হইবে।
২,০৭২.
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ অনুযায়ী, যদি কোন আইন বা বিধিতে জরিমানা আদায়ের ক্ষেত্রে বিশেষ বিধান না থাকে, তবে কোন পদ্ধতিতে জরিমানা আদায় হবে?
  1. নতুন নিয়ম অনুযায়ী স্বতন্ত্রভাবে
  2. ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী
  3. দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী 
  4. সংশ্লিষ্ট আদালত সিদ্ধান্ত নেবেন
ব্যাখ্যা

The General Clauses Act,1897: ধারা ২৫: জরিমানা আদায়:
যে কোন আইন, বিধি (Regulation), নিয়ম বা উপ-নিয়ম (bye-law) অনুযায়ী আরোপিত জরিমানা আদায়ের ক্ষেত্রে, যদি সংশ্লিষ্ট আইন, বিধি বা নিয়মে এ বিষয়ে বিশেষভাবে অন্য কিছু বলা না থাকে, তবে তখন বর্তমানে প্রযোজ্য দণ্ডবিধি (Sections 63–70) এবং ফৌজদারি কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure) অনুযায়ী জারি ও কার্যকরীকরণের বিধান প্রযোজ্য হবে।

অর্থাৎ, সাধারণ নিয়মে জরিমানা আদায়ে দণ্ডবিধি ও দণ্ডবিধি কার্যবিধির বিধানগুলো প্রযোজ্য থাকবে, যতক্ষণ না কোনো আইন বা নিয়মে এর বিপরীত স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা থাকে।

২,০৭৩.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী জনগণের পক্ষে ক্ষমতার প্রয়োগ কীভাবে কার্যকর হবে?
  1. সংসদের সিদ্ধান্তে
  2. রাষ্ট্রপতির নির্দেশে
  3. প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনে
  4. সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে।
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ-৭ অনুযায়ী, প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে। অর্থাৎ, জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তি হিসেবে সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সাথে অসমঞ্জস হয়, তবে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে।
-----------
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭ বিধানের প্রাধান্য:
(১) প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হইবে।
(২) জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইবে।
২,০৭৪.
The General Clauses Act, 1897 এর কত ধারায় 'Advocate' এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ৩(২ক)
  2. ৩(২)
  3. ৩(৩ক)
  4. ৩(৪)
ব্যাখ্যা
• Section 3(2a) of The General Clauses Act,1897-

"Advocate" means a person enrolled as such under the Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972.
২,০৭৫.
"Doctrine of Locus poenitentiae” এর সাথে জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর কোন ধারা সম্পর্কিত?
  1. ধারা ২৬
  2. ধারা ২১
  3. ধারা ২২
  4. ধারা ২৩
ব্যাখ্যা
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর ২১ ধারায় 'Doctrine of Locus poenitentiae' আলোচনা করা হয়েছে। এর অর্থ- কোন বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে উক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ থেকে সরে আসা।

ধারা-২১: আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
যেক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-বিধি জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত ক্ষমতা একইভাবে প্রয়োগযোগ্য এবং অনুরূপ অনুমোদন ও শর্তাবলি (যদি থাকে), জারীকৃত কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-আইনের সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা তা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে।

Section 21: Power to make to include power to add to, amend, vary or rescind, orders, rules or bye-laws
Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue notifications, orders, rules, or bye-laws is conferred, then that power includes a power, exercisable in the like manner and subject to the like sanction and conditions (if any), to add to, amend, vary or rescind any notifications, orders, rules or bye-laws so issued.
২,০৭৬.
হানাফী মতবাদ অনুযায়ী অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে কয় শ্রেণির ব্যক্তি? 
  1. ৫ শ্রেণির
  2. ৪ শ্রেণির
  3. ২ শ্রেণির
  4. ৩ শ্রেণির
ব্যাখ্যা

⇒ হানাফী আইন অনুসারে, অগ্রক্রয়ের অধিকার (Right of Pre-emption) প্রয়োগের অধিকার মোট ৩ শ্রেণির ব্যক্তির আছে। এরা হলো: (১) শাফি-ই-শরিক (সহ-অংশীদার বা যৌথ মালিক), (২) শাফি-ই-খালিত (সুবিধাসমূহের অংশগ্রহণকারী, যেমন পথ চলাচলের অধিকারী), এবং (৩) শাফি-ই-জার (সংলগ্ন বা পার্শ্বর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক)। এই শ্রেণিগুলো অগ্রক্রয়ের অধিকারের ক্রমানুসারে প্রয়োগ হয়।

⇒ অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ:
হানাফী আইন অনুযায়ী ৩ শ্রেণির ব্যক্তির অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের অধিকার আছে।
১) শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik ]
২) শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]
৩) শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]

- শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik ]
শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik | হলো সম্পত্তিতে কোন সহ-অংশীদার। যেমন; 'ক' এবং 'খ' হলো 'ম' এর সন্তান। সুতরাং 'ম' এর সম্পত্তির যৌথ মালিক হলো 'ক' এবং 'খ'। যদি 'ক' তার সম্পত্তি 'গ' এর নিকট বিক্রয় করে তাহলে 'খ' অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। আবার 'খ' তার সম্পত্তি 'গ' এর নিকট বিক্রয় করলে, 'ক' অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে।

- শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]
শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit] অর্থ হলো সুবিধাসমূহের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারী (Participator in immunities]। এটা বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যে কোন সুখাধিকার যেমন পথে চলাচলের অধিকার ইত্যাদিতে অধিকারী।

- শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]
শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar) অর্থ হলো সংলগ্ন বা পার্শবর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক (owners of adjoining immovable property)। হানাফী আইন অনুযায়ী যে ভূমি বিক্রয় হবে তার সংলগ্ন জমির মালিক অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে।

২,০৭৭.
সংবিধান অনুযায়ী শপথগ্রহণের পূর্বে কোনো নির্বাচিত ব্যক্তি সংসদ-সদস্যরূপে আসনগ্রহণ করলে প্রতি দিনের জন্য _____ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন।
  1. ২০০
  2. ৫০০০
  3. ১০০০
  4. ৫০০
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৯ অনুচ্ছেদের বিধান: শপথগ্রহণের পূর্বে আসন গ্রহণ বা ভোট দান করিলে সদস্যের অর্থদণ্ড:
কোন ব্যক্তি এই সংবিধানের বিধান অনুযায়ী শপথ গ্রহণ বা ঘোষণা করিবার এবং শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিবার পূর্বে কিংবা তিনি সংসদ-সদস্য হইবার যোগ্য নহেন বা অযোগ্য হইয়াছেন জানিয়া সংসদ-সদস্যরূপে আসনগ্রহণ বা ভোটদান করিলে তিনি প্রতি দিনের অনুরূপ কার্যের জন্য প্রজাতন্ত্রের নিকট দেনা হিসাবে উসুলযোগ্য এক হাজার টাকা করিয়া অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
---------------
⇒ Article 69 of The Constitution of the People‌‌‍'s Republic of Bangladesh: Penalty for member sitting or voting before taking oath:
 If a person sits or votes as a member of Parliament before he makes or subscribes the oath or affirmation in accordance with this Constitution, or when he knows that he is not qualified or is disqualified for membership thereof, he shall be liable in respect of each day on which he so sits or votes to a penalty of one thousand taka to be recovered as a debt due to the Republic.
২,০৭৮.
A, B-কে মাঠ ভাড়া দেয় এবং পরে মাঠ C-কে বিক্রি করে দেয়, কিন্তু B সৎ বিশ্বাসে A-কে ভাড়া দেয়। এই পরিস্থিতিতে-
  1. B এর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া যাবে
  2. B কে আইনসঙ্গতভাবে জরিমানা দিতে হবে
  3. B ভাড়ার টাকা প্রদানের জন্য দায়ী হবে না
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০: ত্রুটিপূর্ণ অধিকারসম্পন্ন ব্যক্তিকে সৎ বিশ্বাসে পরিশোধিত ভাড়া বৈধ বিবেচিত-
কোন ব্যক্তি যদি সৎ বিশ্বাসে এমন একজনকে ভাড়া বা লাভ (rent or profit) প্রদান করে, যার কাছ থেকে সে সৎ বিশ্বাসে সেই স্থাবর সম্পত্তি ভোগ করছে, তাহলে-
পরবর্তীতে যদি প্রমাণিত হয় যে, যাকে ভাড়া দেওয়া হয়েছে তার কোনো অধিকার ছিল না তা গ্রহণ করার, তবুও ঐ ব্যক্তি (যিনি ভাড়া দিয়েছেন) ওই পরিমাণ অর্থের জন্য দায়ী হবেন না।

উদাহরণ:
A একজন B-কে একটি মাঠ ৫০ টাকা ভাড়ায় ভাড়া দিল। এরপর A সেই মাঠটি C-কে হস্তান্তর করে দিল। B-এর এ হস্তান্তর সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই এবং সে সৎ বিশ্বাসে A-কে ভাড়া প্রদান করল। এই পরিস্থিতিতে, B ভাড়ার টাকা প্রদানের জন্য দায়ী হবে না, যদিও পরে জানা গেল A-এর আর মালিকানা ছিল না।
২,০৭৯.
মুসলিম আইনে দানের আবশ্যিক উপাদান কী কী?
  1. প্রস্তাব, দলিল রেজিস্ট্রেশন, সাক্ষী
  2. প্রস্তাব, গ্রহণ, দখল হস্তান্তর
  3. গ্রহণ, দলিল লেখা, আদালতের অনুমোদন
  4. ইচ্ছা প্রকাশ, দুইজন সাক্ষী, সম্পত্তির মূল্য নির্ধারণ
ব্যাখ্যা

⇒ দান আরবি ভাষায় 'হেবা' নামে পরিচিত। দান হলো এমন একটি চুক্তি যার মাধ্যমে এক ব্যক্তি কর্তৃক অপর ব্যক্তিকে কোনো প্রকার মূল্য বা প্রতিদান ছাড়া সম্পত্তির তাৎক্ষণিক হস্তান্তর করা হয় যা অপর ব্যক্তি বা তার পক্ষে কেউ গ্রহণ। করে। প্রত্যেক সুস্থ সাবালক মুসলিম দান করতে পারে।

⇒ একটি দানের আবশ্যিক উপাদানগুলো হলো-
ক. Offer (প্রস্তাব);
খ. Acceptance (গ্রহণ);
গ. Delivery of possession (সম্পত্তির দখল অর্পণ)।

⇒ দানের ক্ষেত্রে দুটি পক্ষ থাকে। একটা হলো Donor বা দাতা অর্থাৎ যে দান করে, অপরপক্ষ হলো গ্রহীতা অর্থাৎ যার বরাবর দান করা হয়।
⇒ সমস্ত সম্পত্তি দান করা যায় এবং দান হস্তান্তর করার সাথে সাথেই কার্যকর হয়, আর উইলকারীর মৃত্যুর পর উইল কার্যকর হয়।

২,০৮০.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনটি নাগরিকের কর্তব্য নয় ?
  1. জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা
  2. দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখা
  3. সংবিধান ও আইন মান্য করা
  4. শৃঙ্খলা রক্ষা করা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদে ২ শ্রেণীর ব্যক্তিদের কর্তব্য নিয়ে আলোচনা করেছে, যথাঃ
ক) নাগরিকের কর্তব্য এবং
খ) অনুচ্ছেদে সরকারী কর্মচারীর কর্তব্য নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

২১(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে, একজন নাগরিকের কর্তব্য হলো-
i. সংবিধান ও আইন মান্য করা;
ii. শৃঙ্খলা রক্ষা করা;
iii. নাগরিক দায়িত্ব পালন করা এবং
iv. জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা।

২১(২) অনুচ্ছেদ অনুসারে, সরকারী কর্মকর্তার কর্তব্য হলো-
সরকারী কর্মকর্তা বাংলাদেশের নাগরিক হিসাবে উল্লেখিত কর্তব্য পালন করবে। শুধুমাত্র সরকারী কর্মকর্তা হিসাবে, জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।

অনুচ্ছেদ ২১: নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য
(১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিক দায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য।
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।

Article 21: Duties of citizens and of public servants
(1) It is the duty of every citizen to observe the Constitution and the laws, to maintain discipline, to perform public duties and to protect public property. 
(2) Every person in the service of the Republic has a duty to strive at all times to serve the people.
২,০৮১.
Mortgage-money বলতে কী বোঝায়?
  1. সম্পত্তির মূল্য
  2. শুধুমাত্র সুদ
  3. শুধুমাত্র মূল টাকা
  4. মূল টাকা ও সুদের সম্মিলিত অর্থ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৮(ক)- বন্ধক (Mortgage) এবং সংশ্লিষ্ট শব্দসমূহের সংজ্ঞা:
একটি বন্ধক হলো নির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তিতে কোনো স্বার্থ হস্তান্তর, যার উদ্দেশ্য হলো—ঋণ হিসেবে প্রদানকৃত (বা প্রদানযোগ্য) অর্থ, বর্তমান বা ভবিষ্যতের কোনো ঋণ, অথবা কোনো আর্থিক দায় সৃষ্টি করতে পারে এমন অঙ্গীকার পূরণের নিশ্চয়তা প্রদান।

⇒ এই হস্তান্তর যিনি করেন, তাকে বলা হয় বন্ধকদাতা (Mortgagor)।
⇒ যিনি হস্তান্তর গ্রহণ করেন, তাকে বলা হয় বন্ধকগ্রহীতা (Mortgagee)।
⇒ যে মূল টাকা ও সুদ পরিশোধের নিশ্চয়তার জন্য বন্ধক সৃষ্টি করা হয়, তাকে বলা হয় বন্ধক অর্থ (Mortgage-money)।
⇒ যে দলিলের মাধ্যমে এই হস্তান্তর সম্পন্ন হয় (যদি থাকে), তাকে বলা হয় বন্ধক দলিল (Mortgage-deed)।
২,০৮২.
রফিক, 'ক' এবং 'খ' দুটি বাড়ির মালিক। সে 'ক' বাড়িটি ৩০ হাজার টাকায় করিমকে রেহেন দেয় এবং পরবর্তীতে 'খ' বাড়িটি ৬০ হাজার টাকায় একই ব্যক্তি করিমকে রেহেন দেয়। এক্ষেত্রে রফিক 'ক' এবং 'খ' দুটি বাড়ির রেহেন কীভাবে উদ্ধার করতে পারে?
  1. পৃথকভাবে উদ্ধার করতে হবে
  2. একই সাথে উদ্ধার করতে হবে
  3. করিমের ইচ্ছানুযায়ী উদ্ধার করতে হবে
  4. পৃথকভাবে বা একই সাথে উদ্ধার করতে পারে
ব্যাখ্যা
• The Transfer of Property Act,1882 এর ধারা ৬১: পৃথক ভাবে বা একই সাথে রেহেনমুক্ত করার অধিকার-
একজন রেহেনদাতা যখন তার দুই বা ততোধিক সম্পত্তি একই রেহেনগ্রহীতার নিকট রেহেন দেয় এবং উক্ত দুই বা ততোধিক সম্পত্তির অর্থ পরিশোধের সময় হয় তখন রেহেনদাতা এই ধারার অধীন রেহেনী সম্পত্তি পৃথক পৃথকভাবে বা একই সাথে উদ্ধার করতে পারে।

- এই ধারায় Doctrine of Consolidation প্রতিফলিত হয়েছে।

উদাহরণ:
রফিক, 'ক' এবং 'খ' দুটি বাড়ির মালিক। সে 'ক' বাড়িটি ৩০ হাজার টাকায় করিমকে রেহেন দেয় এবং পরবর্তীতে 'খ' বাড়িটি ৬০ হাজার টাকায় একই ব্যক্তি করিমকে রেহেন দেয়। এক্ষেত্রে রফিক চাইলে 'ক' এবং 'খ' দুটি বাড়ি পৃথক পৃথকভাবে বা একই সাথে রেহেন উদ্ধার করতে পারে। 

Section 61: Right to redeem separately or simultaneously-
A mortgagor who has executed two or more mortgages in favour of the same mortgagee shall, in the absence of a contract to the contrary, when the principal money of any two or more of the mortgagees has become due, be entitled to redeem any one such mortgage separately, or any two or more of such mortgages together.
২,০৮৩.
যদি মৃত ব্যক্তির যখন কোন পুত্র না থাকে তখন একমাত্র কন্যার অংশ-
  1. ১/৩ অংশ
  2. ১/৬ অংশ
  3. ১/৮ অংশ
  4. ১/২ অংশ
ব্যাখ্যা
- কন্যা দুটি শর্তে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির ১/২ অংশের উত্তরাধিকারী হবে।

• যদি মৃতব্যক্তির কোনো পুত্র না থাকে;

• যদি কন্যা শুধু একজন হয়।

অর্থাৎ যদি মৃত ব্যক্তির যখন কোন পুত্র না থাকে তখন একমাত্র কন্যা সম্পত্তির ১/২ অংশের উত্তরাধিকারী হবে।
২,০৮৪.
বাংলাদেশ শ্রম আইন,২০০৬ এর অধীন বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি সম্পর্কে কত ধারায় আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ধারা ২০৯ থেকে ২১২
  2. ধারা ২১০ থেকে ২১২
  3. ধারা ২১২ থেকে ২১৪
  4. ধারা ২০৮ থেকে ২১১
ব্যাখ্যা
শ্রম আইন,২০০৬ এর ধারা ২০৯ থেকে ২১২ পর্যন্ত বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান রয়েছে। বাংলাদেশ শ্রম আইন,২০০৬ এর অধীন শিল্প বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ৩টি বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির পদ্ধতি রয়েছে-

১) আলাপ-আলোচনা [Negotiation]- শিল্প বিরোধ নিষ্পত্তির প্রথম ধাপ হলো আলাপ আলোচনার মাধ্যমে চুক্তিতে উপনীত হওয়া। আলাপ-আলোচনার জন্য কোন চুক্তিতে উপনীত না হলে, বিরোধটি সালিসে প্রেরণ করতে হবে এবং সালিসের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির অনুরোধ করবে।

২) সালিস [Conciliation]- সালিস কর্তৃক বিরোধ নিষ্পত্তির অনুরোধ প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে বিরোধটি নিষ্পত্তি না হলে, সালিসটি ব্যর্থ হয়েছে বলে গণ্য হবে। সালিসে কোন বিরোধ নিষ্পত্তি না হলে বিরোধটি নিষ্পত্তির জন্য মধ্যস্থতাকারীর নিকট পাঠাতে পারে।

৩) মধ্যস্থতা [Arbitration]- মধ্যস্থতাকারী মধ্যস্থতার অনুরোধ প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে, অথবা পক্ষগণ কর্তৃক লিখিতভাবে স্বীকৃত কোন বর্ধিত সময়ের মধ্যে তার রোয়েদাদ প্রদান করবে। মধ্যস্থতাকারী কর্তৃক প্রদত্ত রোয়েদাদ চূড়ান্ত হবে এবং এর বিরুদ্ধে কোন আপীল চলবে না। মধ্যস্থতাকারী কর্তৃক নির্ধারিত অনধিক ২ বৎসর পর্যন্ত কোন রোয়েদাদ বৈধ, থাকবে।
২,০৮৫.
Every person in the service of the Republic shall hold office during the pleasure of _______.
  1. The Prime Minister
  2. The President
  3. The Parliament
  4. The authority of department
ব্যাখ্যা
Article 134: Tenure of office
Except as otherwise provided by this Constitution every person in the service of the Republic shall hold office during the pleasure of the President.

অনুচ্ছেদ ১৩৪: কর্মের মেয়াদ
এই সংবিধানের দ্বারা অন্যরূপ বিধান না করা হইয়া থাকিলে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।
২,০৮৬.
বাংলাদেশের সংবিধানে কীভাবে সংসদ-সদস্যদের পারিশ্রমিক নির্ধারণের কথা বলা আছে?
  1. সংসদের আইন-দ্বারা
  2. রাষ্ট্রপতি কর্তৃক আদেশের দ্বারা
  3. সরকারের পে-স্কেল দ্বারা
  4. 'ক' কিংবা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৮ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদ-সদস্যদের পারিশ্রমিক প্রভৃতি:
সংসদের আইন-দ্বারা কিংবা অনুরূপভাবে নির্ধারিত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি কর্তৃক আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হইবে, সংসদ-সদস্যগণ সেইরূপ পারিশ্রমিক, ভাতা ও বিশেষ-অধিকার লাভ করিবেন।
--------------
⇒ Article 68. Remuneration, etc., of members of Parliament:
 Members of Parliament shall be entitled to such remuneration, allowances and privileges as may be determined by Act of Parliament or, until so determined, by order made by the President.
২,০৮৭.
ইসলামী শরীয়তের ফারায়েয অনুযায়ী মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে ওসিয়ত বাস্তবায়নের জন্য কত অংশ ব্যবহার করা যায়?
  1. পুরো সম্পত্তি
  2. এক-তৃতীয়াংশ
  3. এক-চতুর্থাংশ
  4. এক-অষ্টমাংশ
ব্যাখ্যা

⇒ ইসলামী শরীয়তের ফারায়েয অনুযায়ী, মৃত ব্যক্তি জীবিত অবস্থায় তার সম্পত্তির সর্বোচ্চ এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত বৈধ ওসিয়ত করতে পারেন। এই সীমার বেশি ওসিয়ত করলে তা উত্তরাধিকারীদের সম্মতি ছাড়া কার্যকর হয় না।
অর্থাৎ মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে ওসিয়ত বাস্তবায়নের জন্য সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে হবে, এবং তা উত্তরাধিকারীদের ক্ষতি না করে বৈধ হতে হবে।

⇒ ইসলামী শরীয়তের ফারায়েয বিধান অনুযায়ী, মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে ওসিয়ত (উইল) বাস্তবায়নের জন্য সর্বোচ্চ এক-তৃতীয়াংশ সম্পত্তি ব্যবহার করা যায়। এটি নিম্নলিখিত শর্তসাপেক্ষে প্রযোজ্য:
সর্বোচ্চ সীমা: ওসিয়তের মাধ্যমে ১/৩ অংশের বেশি সম্পত্তি বণ্টন করা যাবে না (হাদিস দ্বারা সীমাবদ্ধ)।

⇒ নবী মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন: "এক-তৃতীয়াংশ, আর এক-তৃতীয়াংশই অনেক। তোমার উত্তরাধিকারীদের ধনী রেখে যাওয়া, দরিদ্র রেখে যাওয়ার চেয়ে উত্তম।" (সহিহ বুখারি)।

শর্তাবলি:
- ওসিয়ত শুধুমাত্র অ-ওয়ারিসদের জন্য প্রযোজ্য (ওয়ারিসদের জন্য ওসিয়ত করা নিষিদ্ধ)।
- ঋণ পরিশোধের পরেই ওসিয়ত কার্যকর হবে।

ব্যতিক্রম:
- যদি ওয়ারিসরা সম্মতি দেয়, তবে এক-তৃতীয়াংশের বেশি ওসিয়তও জায়েজ (তবে এটি বাধ্যতামূলক নয়)।

২,০৮৮.
একজন হানাফি মুসলিম পিতা-মাতাকে রেখে মারা যান। তার তাজ্য সম্পত্তিতে পিতার অংশ-
  1. ১/৪
  2. ১/২
  3. ২/৩
  4. ৩/৪
ব্যাখ্যা
• মুসলিম উত্তরাধিকার আইন-

মোট সম্পত্তি = ১

মাতার অংশ = ১/৩ [যেহেতু সন্তান, সন্তানের সন্তান (যত নিম্ন হোক), একাধিক ভাই-বোন অনুপস্থিত]।
পিতা =  অবশিষ্টাংশভোগী [যেহেতু সন্তান, সন্তানের সন্তান (যত নিম্ন হোক) এরূপ কেউ নেই]।

অবশিষ্টাংশ = (১ - ১/৩) = ২/৩ অংশ।

∴ পিতার অংশ = ২/৩ অংশ। (উত্তর)
২,০৮৯.
A marriage with a woman before completion of her Iddat is ______ :
  1. Void
  2. Valid
  3. Irregular
  4. None of these
ব্যাখ্যা
• ইদ্দত (Iddat):
ইদ্দত শব্দের অর্থ হলো- অপেক্ষা করা। যেকোনো নারীর বিবাহ সমাপ্ত হলে, তাকে পুনরায় বিয়ে করার জন্য যে সময়কাল অবশ্যই অপেক্ষা করতে হয় তাকে ইদ্দত বলে। একজন নারীকে বিবাহ বিচ্ছেদের পর অবশ্যই ইদ্দত পালন করতে হবে। ইদ্দত পালনকালীন সময় কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারে না।

⇒ অনিয়মিত বিবাহের সংজ্ঞা (Definition of irregular marriage):
যে বিবাহ মূলত বে-আইনী নয়, কিন্তু এতে বৈধ বিবাহের কোনো নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে প্রমাণিত হয়, তবে ঐ বিবাহকে অনিয়মিত বিবাহ বা ফাসিদ বিবাহ বলে। অর্থাৎ যে বিবাহ ত্রুটিপূর্ণ, কিন্তু বাতিল নয় এটিই অনিয়মিত বিবাহ। যেমন: সাক্ষী ছাড়া বিবাহ, ইদ্দতের মধ্যে বিবাহ, স্ত্রীর বোন বিবাহ করা ইত্যাদি।
২,০৯০.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৫০ ধারায় কাকে আদেশ পর্যালোচনার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. রাজস্ব কর্মকর্তা
  3. ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল
  4. ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল
ব্যাখ্যা

 SAT, 1950 এর ধারা ১৫০: রাজস্ব কর্মকর্তার দ্বারা পর্যালোচনা (Review by Revenue-officer):
(১) কোনো স্বার্থসম্পন্ন পক্ষের আবেদনক্রমে অথবা নিজ উদ্যোগে, একজন রাজস্ব কর্মকর্তা নিজে বা তাঁর পূর্বসূরিদের দ্বারা এই অংশের অধীনে গৃহীত কোনো আদেশ পর্যালোচনা করতে পারেন এবং সেই পর্যালোচনার মাধ্যমে উক্ত আদেশ সংশোধন, বাতিল বা অনুমোদন করতে পারেন:

তবে শর্ত থাকে যে—
(ক) কোনো আদেশের পর্যালোচনার আবেদন সেই আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ত্রিশ দিনের মধ্যে না করা হলে তা গৃহীত হবে না, তবে ত্রিশ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর আবেদন করা হলে, আবেদনকারীকে প্রমাণ করতে হবে যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন না করার যথার্থ কারণ ছিল।
(খ) কোনো আদেশের বিরুদ্ধে যদি আপিল করা হয়ে থাকে বা কোনো উচ্চতর রাজস্ব কর্তৃপক্ষের কাছে সংশোধনের আবেদন করা হয়ে থাকে, তবে সেই আদেশ পর্যালোচনা করা যাবে না।
(গ) কোনো আদেশ পর্যালোচনার মাধ্যমে সংশোধন বা বাতিল করার আগে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে যুক্তিসঙ্গত নোটিশ প্রদান করতে হবে যেন তারা উপস্থিত হয়ে নিজেদের বক্তব্য পেশ করতে পারে।

(২) পর্যালোচনার আবেদন প্রত্যাখ্যান বা পূর্বের কোনো আদেশ পর্যালোচনার মাধ্যমে অনুমোদন করার বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাবে না।

২,০৯১.
এক হিন্দু ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার উত্তরাধিকারী হিসেবে একজন জীবিত পুত্র, দুইজন কন্যা এবং একজন মৃত পুত্রের পুত্র রয়েছে। মৃত পুত্রের পুত্র কত অংশ পাবে?
  1. ১/২ অংশ
  2. ১/৩ অংশ
  3. ১/৬ অংশ
  4. ২/৩ অংশ
ব্যাখ্যা
এখানে প্রতিনিধিত্বের নীতি (Doctrine of Representation) অনুসারে,
মৃত পুত্রের পুত্র (পৌত্র) তার পিতার অংশের প্রতিনিধিত্ব করবে। অর্থাৎ, মৃত পুত্রের পুত্র তার পিতার উত্তরাধিকারী হয়ে, পিতার অংশটি গ্রহণ করবে।

এ ক্ষেত্রে, জীবিত পুত্র এবং মৃত পুত্রের পুত্রের (পৌত্র) অংশ সমানভাবে ভাগ হবে। তাই, জীবিত পুত্র এবং মৃত পুত্রের পুত্রের মধ্যে ১/২ অংশ করে ভাগ হবে।

উল্লেখ্য, হিন্দু দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে-
মৃত ব্যক্তির পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র এবং বিধবা স্ত্রী না থাকলে, কন্যারা উত্তরাধিকারী হিসেবে সম্পত্তি পাবে। তবে সম্পত্তি পেলেও উক্ত সম্পত্তির শুধুমাত্র জীবনস্বত্ব (Life Interest) ভোগ করতে পারবে। মৃত্যুর পর উক্ত সম্পত্তি ছেলে উত্তরাধিকারীর নিকট চলে যাবে।
২,০৯২.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর অধীনে গঠিত সালিশী কাউন্সিল স্বামী কর্তৃক প্রদেয় ভরণপোষণের টাকার পরিমাণ নির্ধারণ করে সার্টিফিকেট ইস্যু করেছে। স্বামী উক্ত সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট। এক্ষেত্রে স্বামীর প্রতিকার কী?
  1. জেলা জজের নিকট পুর্নবিবেচনার আবেদন
  2. সহকারী জজের নিকট আপিল আবেদন
  3. জেলা জজের নিকট আপিল আবেদন
  4. সহকারী জজের নিকট পুর্নবিবেচনার আবেদন
ব্যাখ্যা

মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ধারা ৯- ভরণপোষণ:
১) যেক্ষেত্রে কোন স্বামী তাহার স্ত্রীকে পর্যাপ্তভাবে ভরণপোষণ দিতে অসমর্থ হয় অথবা একাধিক স্ত্রী থাকিলে তাহাদিগকে সমভাবে ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হয় সেক্ষেত্রে স্ত্রী বা স্ত্রীগণের সকলে অথবা স্ত্রীগণের যে কোন জন অপর কোন আইনসঙ্গত প্রতিকার প্রার্থনা ব্যতীতও চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করিতে পারে। চেয়ারম্যান একটি সালিশী কাউন্সিল গঠন করিবেন ও উক্ত কাউন্সিল স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে ভরণপোষণ বাবদ প্রদানের নিমিত্ত টাকার অংক নির্দিষ্ট করিয়া সার্টিফিকেট ইস্যু করিতে পারিবেন।

২) একজন স্বামী অথবা স্ত্রী নির্ধারিত পন্থায় নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে নির্ধারিত ফিস প্রদানপূর্বক উক্ত সার্টিফিকেট পুর্নবিবেচনার নিমিত্ত সহকারী জজের নিকট আবেদন পেশ করিতে পারেন। তাঁহার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে এবং কোন আদালতে এই সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা যাইবে না।

৩) ১নং অথবা ২নং উপধারা অনুযায়ী দেয় কোন টাকা যথাসময়ে পরিশোধ না করিলে বকেয়া ভূমিরাজস্বরুপ আদায়যোগ্য হইবে।

২,০৯৩.
শিশু ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োগ সংক্রান্ত অপরাধে সর্বোচ্চ অর্থদণ্ড কত টাকা?
  1. ৫০,০০০ টাকা
  2. ৭৫,০০০ টাকা
  3. ১,০০,০০০ টাকা
  4. ২,০০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ৭১: শিশুকে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োগের দণ্ড:
কোন ব্যক্তি যদি কোন শিশুকে ভিক্ষার উদ্দেশ্যে নিয়োগ করেন বা কোন শিশুর দ্বারা ভিক্ষা করান অথবা শিশুর হেফাজত, তত্ত্বাবধান বা দেখাশুনার দায়িত্বে নিয়োজিত কোন ব্যক্তি যদি কোন শিশুকে ভিক্ষার উদ্দেশ্যে নিয়োগদানে প্রশ্রয়দান করেন বা উৎসাহ প্রদান করেন বা ভিক্ষার উদ্দেশ্যে প্রদান করেন, তাহা হইলে তিনি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
২,০৯৪.
কোন আইনের অধীন অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পূর্বে পুলিশ 'proactive inquiry' পরিচালনা করতে পারেন?
  1. মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২
  2. দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪
  3. হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১
  4. বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ১৯ ধারার বিধান- তদন্ত:

(১) পুলিশের নিকট এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনের সংবাদ আসিলে বা ট্রাইব্যুনাল কোন অপরাধের তদন্তের নির্দেশ দিলে সংশ্লিষ্ট থানার উপ-পরিদর্শকের নিম্ন পদমর্যাদার নহেন এমন একজন পুলিশ কর্মকর্তা এই আইনের অধীন তদন্তকার্য সম্পাদন করিবেন।

(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইতে পারে এমন ক্ষেত্রে পুলিশ অপরাধ সংঘটনের এজাহার (first information report) দাখিলের পূর্বে প্রতিরোধমূলক অনুসন্ধান (proactive inquiry) পরিচালনা করিতে পারিবেন।

(৩) ধারা ২০ এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (১) এর অধীন মামলা দায়েরের বা ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির অনধিক ৯০ (নববই) কার্যদিবসের মধ্যে এই ধারার অধীন তদন্ত সম্পন্ন করিতে হইবে।

(৪) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন না হইলে, তদন্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমা শেষ হইবার অন্তত তিন কার্যদিবস পূর্বে তাহার নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে, ট্রাইব্যুনালের নিকট সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য লিখিতভাবে আবেদন করিবেন অথবা উক্ত নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ক্ষেত্রমত, ট্রাইব্যুনাল উক্ত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পাদনে ব্যর্থতার জন্য প্রদর্শিত কারণে সন্তুষ্ট হইলে তদন্তের সময়সীমা অতিরিক্ত ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবস বৃদ্ধি করিতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, আন্তঃরাষ্ট্রীয় তদন্তের ক্ষেত্রে কেবল ট্রাইব্যুনাল এই ধরনের তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিতে পারিবে এবং উক্ত ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল তাহার স্বীয় বিবেচনায় যৌক্তিক মেয়াদে তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিবে।

(৫) এই আইনের অধীন কোন আন্তঃরাষ্ট্রীয় অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে বিদেশী সাক্ষ্য-প্রমাণ নিরীক্ষণ করিবার জন্য বিদেশ গমনের আবশ্যকতা দেখা দিলে, ট্রাইব্যুনালের অনুমতিক্রমে, তদকর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তদন্তকার্য সম্পন্ন করিবার উদ্দেশ্যে পুলিশ কর্তৃপক্ষ একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করিবে এবং উক্ত তদন্ত দলকে যথাসম্ভব প্রশাসনিক এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করিবে।

(৬) এই আইনের অধীন পুলিশের তদন্ত, নিরাপত্তা বিধান ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম ও দায়িত্বসমূহের সমন্বয় এবং তদারক করিবার উদ্দেশ্যে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, পুলিশ সদর দপ্তরে একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল গঠন করিবে।
২,০৯৫.
দেওয়ানি আদালতের আদি এখতিয়ারকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ৪ ভাগে
  2. ২ ভাগে
  3. ৩ ভাগে
  4. ৭ ভাগে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি আদালতের আদি এখতিয়ারকে ২ ভাগে ভাগ করা হয়েছে-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়।
২,০৯৬.
অকৃষি জমির অগ্রক্রয়ের আবেদনের সাথে কত শতাংশ ক্ষতিপূরণ জমা দিতে হয়?
  1. ২%
  2. ৫%
  3. ৬.২৫%
  4. ১২.৫%
ব্যাখ্যা
NAT ACT 1949 এর ধারা ২৪:
অগ্রক্রয়ের ধারণা:
অগ্রক্রয়ের অধিকার হল একটি অধিকার যার মাধ্যমে কোন ব্যক্তি জমি কিনতে চাওয়া হলে অন্য একটি ব্যক্তি প্রাথমিক অধিকার রাখে সেই জমি কেনার। সাধারণত এটি তখন ঘটে যখন জমি বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ধারা ২৪ অনুযায়ী, আবেদন করতে পারবে:
কোন প্রজা অ-কৃষি জমির অংশ/শেয়ার হস্তান্তর/বিক্রয় করলে, ঐ জমির এক বা একাধিক সহ-অংশীদার [co-sharer] ঐ জমির অংশ/শেয়ার হস্তান্তর/ক্রয় করতে আবেদন করতে পারবে।

আবেদনের সময়সীমা:
১. নোটিশ প্রদান করা হলে- নোটিশ জারি/প্রদানের তারিখ হইতে ৪ মাসের মধ্যে।
২. নোটিশ প্রদান করা না হলে- হস্তান্তর/বিক্রয় সম্পর্কে অবগত হওয়ার ৪ মাসের মধ্যে।

আদালতে জমা দিতে হবে:
- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকা [Consideration Money];
- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকার উপর ৫% হারে ক্ষতিপূরণ;
- ভূমি হস্তান্তরের তারিখ হতে আবেদনের সমনের নোটিশ প্রদানের তারিখের মধ্যে ভূমি হস্তান্তর করা হয়েছে সেখানে কোন দালান, স্থাপনা বা কোন উন্নয়ন করার জন্য যে ব্যয় হয়েছে সেই ব্যয়ের উপর ৬.২৫% হারে বার্ষিক সুদ প্রদান।

The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ধারা ২৪ অনুযায়ী, অকৃষি জমির অগ্রক্রয়ের আবেদন করার সময় আবেদনকারীর কাছ থেকে নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের ওপর ৫% হারে ক্ষতিপূরণ (compensation) জমা দিতে হয়।
৬.২৫% বার্ষিক সুদ জমা দিতে হতে পারে জমি হস্তান্তরের পর উন্নয়নের জন্য খরচের ওপর, কিন্তু ক্ষতিপূরণের নির্দিষ্ট শতাংশ ৫%।
২,০৯৭.
'ক' এর বিরুদ্ধে 'খ' কর্তৃক নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে প্রমাণ হয়, 'খ', 'ক' এর ক্ষতিসাধনের জন্য এই মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে। এক্ষেত্রে 'খ' কি শাস্তি পেতে পারে?
  1. অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. অনধিক ৫ বছর সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. অনধিক ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. অনধিক ১৪ বছর সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ১৭: মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের ইত্যাদির শাস্তি:

(১) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের অন্য কোন ধারার অধীন মামলা বা অভিযোগ করার জন্য ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নাই জানিয়াও মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান তাহা হইলে মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং যিনি অভিযোগ দায়ের করাইয়াছেন উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(২) কোন ব্যক্তির লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ট্রাইব্যুনাল উপ-ধারা (১) এর অধীন সংঘটিত অপরাধের অভিযোগ গ্রহণ ও মামলার বিচার করিতে পারিবে।

Section 17: Punishment for filing any false case, complaint etc.

i. If any person files or causes to be filed any case or complaint against a person under this Act for the purpose of causing injury to that person, although he knows that he had not any proper or; legal ground to do so, the person filing or causing to be filed that case or complain shall be punished with rigorous imprisonment for either description which may extend to seven years and also with fine.

ii. The Tribunal can take cognizance and adjudicate any offence under subsection (і), on a written application by any person.
২,০৯৮.
প্রিন্সিপাল অপ্রকৃতিস্থ হলে, এজেন্সির কী হবে?
  1. সমাপ্ত হবে
  2. কার্যকর থাকবে
  3. কেবল স্থগিত থাকবে
  4. হস্তান্তর করা হবে
ব্যাখ্যা
⇒ চুক্তি আইনের ২০১ ধারার বিধান- প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি (Termination of agency): প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি ঘটতে পারে-
- প্রিন্সিপাল তার ক্ষমতা প্রত্যাহার করলে; অথবা
- এজেন্ট তার এজেন্সির কাজ পরিহার করলে; অথবা
- এজেন্সির কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে; অথবা
- প্রিন্সিপাল বা এজেন্টের মধ্যে কারও মৃত্যু হলে বা অপ্রকৃতিস্থ হলে; অথবা 
- দেনাদারদের প্রতিকারের জন্য প্রিন্সিপাল দেউলিয়া হলে।

Section 201. Termination of agency:
An agency is terminated by the principal revoking his authority; or by the agent renouncing the business of the agency; or by the business of the agency being completed; or by either the principal or agent dying or becoming of unsound mind; or by the principal being adjudicated an insolvent under the provisions of any Act for the time being in force for the relief of insolvent debtors.
২,০৯৯.
বাংলাদেশ সংবিধানের প্রস্তাবনায় রাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্য কী হিসাবে বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধর্মীয় শাসন প্রতিষ্ঠা
  2. সামন্ততান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা কায়েম
  3. শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা
  4. জাতীয় সম্পদের ব্যক্তিগত মালিকানা নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের প্রস্তাবনায় রাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে "গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা" করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, এই সমাজব্যবস্থায় আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার, এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত করা হবে।

সংবিধানের ভাষ্যে স্পষ্ট উল্লেখ:
"আমরা আরও অঙ্গীকার করিতেছি যে, আমাদের রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হইবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা- যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হইবে;"

অতএব, সংবিধানের ভিত্তিতে "শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা" রাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্য।

অন্যদিকে, বাকি অপশন গুলো: 
ক) ধর্মীয় শাসন প্রতিষ্ঠা: সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিগুলোর মধ্যে ধর্মনিরপেক্ষতা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা ধর্মীয় শাসনের ধারণার বিপরীত।
খ) সামন্ততান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা কায়েম: সংবিধানে শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে, যা সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থার বিরোধী।
ঘ) জাতীয় সম্পদের ব্যক্তিগত মালিকানা নিশ্চিত করা: সংবিধানে ব্যক্তিগত মালিকানার স্বীকৃতি থাকলেও রাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্য শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।
২,১০০.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সাক্ষীকে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত করানোর দায়িত্ব কাকে প্রদান করা হয়েছে?
  1. ট্রাইব্যুনাল
  2. সরকারি কৌঁসুলি
  3. তদন্তকারী কর্মকর্তা
  4. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
ধারা ২৪- সাক্ষীর উপস্থিতি:
(১) এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচারের জন্য সাক্ষীর সমন বা ওয়ারেন্ট কার্যকর করার জন্য সংশ্লিষ্ট সাক্ষীর সর্বশেষ বসবাসের ঠিকানা যে থানায় অবস্থিত, সেই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করিতে হইবে এবং উক্ত সাক্ষীকে উক্ত ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত করিবার দায়িত্ব উক্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার থাকিবে

(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও সাক্ষীর সমনের একটি অনুলিপি সংশ্লিষ্ট সাক্ষীকে এবং সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশ সুপার বা, ক্ষেত্রমত, পুলিশ কমিশনারকে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র সমেত নিবন্ধিত ডাকযোগে প্রেরণ করা যাইবে।

(৩) এই ধারার অধীন কোন সমন বা ওয়ারেন্ট কার্যকর করিতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা ইচ্ছাকৃত গাফিলতি করিলে ট্রাইব্যুনাল উহাকে অদক্ষতা হিসাবে চিহ্নিত করিয়া সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তার নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্ত নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।

(৪) কোন ব্যক্তির আবেদনের প্রেক্ষিতে কিংবা ট্রাইব্যুনাল স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত মনে করিলে যে কোন দূরবর্তী সাক্ষীর সাক্ষ্য, এ সম্পর্কিত বলবৎ আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে, তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রহণ করিতে পারিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে সরকার এবং অন্যান্য কর্তৃপক্ষ ট্রাইব্যুনালকে তথ্যপ্রযুক্তিগত প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করিবে।