বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন২,৯৬৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ২০ / ৩০ · ১,৯০১২,০০০ / ২,৯৬৪

১,৯০১.
অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর কত ধারায় জারীর পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান আছে?
  1. ৩৯ ধারায়
  2. ৪১ ধারায়
  3. ৩৮ ধারায়
  4. ৪৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
• অর্থ ঋণ আদালত,২০০৩ আইনে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে অর্থ ঋণ সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির ২টি পদ্ধতি আলোচনা করা হয়েছে। যথা
১. মধ্যস্থতার মাধ্যমে;
২. আপোষ নিষ্পত্তির মাধ্যমে।

• ধারা ২২ থেকে ২৫ এবং ৩৮, এবং ৪৪ক ধারায় মধ্যস্থতা সম্পর্কিত বিধান করা হয়েছে। অন্যদিকে আপোষ নিষ্পত্তির বিষয়টি ৪৫ ধারায় উল্লেখ আছে।
অর্থ ঋণ মামলার ক্ষেত্রে ২২ ধারা অনুসারে লিখিত জবাব দাখিলের পর মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করা যায়। এই পর্যায়ে মধ্যস্থতা ব্যর্থ হলে ২৩ ধারার অধীন রায় বা আদেশ প্রদানের পূর্বে পুনরায় বিকল্প পদ্ধতিতে মামলা নিষ্পত্তি করতে পারে।

আবার, ৩৮ ধারা অনুসারে জারীর পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে জারী মামলার বিষয়বস্তু নিষ্পত্তি করা যায়। অন্যদিকে ৪৪ক ধারায় আপীল বা রিভিশনের পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে আপীল বা রিভিশন মামলার বিষয়বস্তু নিষ্পত্তি করা যায়।
১,৯০২.
'The presiding officer of a Civil Court shall not try any suit or other proceeding to which he is a party or in which he is personally interested.' -This provision is mentioned in:
  1. Section 36 of The Civil Courts Act, 1887
  2. Section 38 of The Code of Civil Procedure, 1908
  3. Section 38 of The Civil Courts Act, 1887
  4. Section 39 The Code of Civil Procedure, 1908
ব্যাখ্যা

The Civil Courts Act, 1887- Section 38: Judges not to try suits in which they are interested-
(1) The presiding officer of a Civil Court shall not try any suit or other proceeding to which he is a party or in which he is personally interested.

(2) The presiding officer of an appellate Civil Court under this Act shall not try an appeal against a decree or order passed by himself in another capacity.

(3) When any such suit, proceeding or appeal as is referred to in sub-section (1) or sub-section (2) comes before any such officer, the officer shall forthwith transmit the record of the case to the Court to which he is immediately subordinate, with a report of the circumstances attending the reference.

(4) The superior Court shall thereupon dispose of the case under [section 24 of the Code of Civil Procedure. 1908].(5) Nothing in this section shall be deemed to affect the extraordinary original civil jurisdiction of the High Court Division.

The Civil Courts Act, 1887 এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী-
কোন বিচারক যদি মোকদ্দমার কোন পক্ষ হন বা ব্যক্তিগতভাবে তাঁর কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকে, অথবা কোন আপিল এমন ডিক্রি থেকে হয় যা ঐ বিচারক ঘোষণা করেছিলেন; তাহলে উক্ত বিচারকের শুনানী করে এখতিয়ার থাকা সত্ত্বেও তিনি ঐ মামলা বা আপীলের শুনানী করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে জেলা জজ তাঁর স্থানীয় সীমার মধ্যে মামলা বা আপিল এক আদালত থেকে অন্য আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।

এই ধারায় 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি 'nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না- 'No one shall be judge of his own case' নীতির প্রতিফলন ঘটেছে।

১,৯০৩.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কত ধারায় মুসলিম আইনকে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের উপর প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে?
  1. ২ ধারায়
  2. ৪ ধারায়
  3. ৫ ধারায়
  4. ৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ২ ধারায় মুসলিম আইনকে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের উপর প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। মুসলিম আইন অনুযায়ী- কোন মুসলিম সম্পত্তি হস্তান্তর করলে, সেই হস্তান্তরকে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ২য় অধ্যায়ের বিধানাবলী প্রভাবিত করবে না। অন্যদিকে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৮ম অধ্যায়ে ১২৯ ধারায় বলা হয়েছে, ৮ম অধ্যায়ে দান সম্পর্কিত কোন বিধান মুসলিম আইনের অধীন দানকে প্রভাবিত করবে না।

Section 2: Repeal of Acts Saving of certain enactments, incidents, rights, liabilities, etc.- Nothing herein contained shall be deemed to affect- 

(a) the provisions of any enactment not hereby expressly repealed: 

(b) any terms or incidents of any contract or constitution of property which are consistent with the provisions of this Act, and are allowed by the law for the time being in force: 

(c) any right or liability arising out of a legal relation constituted before this Act comes into force, or any relief in respect of any such right or liability: or 

(d) save as provided by section 57 and Chapter IV of this Act, any transfer by operation of law or by, or in execution of, a decree or order of a Court of competent jurisdiction: and nothing in the second chapter of this Act shall be deemed to affect any rule of Muslim law.
১,৯০৪.
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ অনুযায়ী সাইবার ট্রাইব্যুনাল সময় বৃদ্ধি করলে বিচারকার্য সমাপ্তির কত দিনের মধ্যে রায় প্রদান করবেন?
  1. ১০
  2. ১৫
  3. ২১
ব্যাখ্যা
⇒ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ২(ঝ) ধারার বিধান “ট্রাইব্যুনাল” অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৩৯ নং আইন) এর ধারা ৬৮ এর অধীন গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনাল;

⇒ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ৬৮ ধারা অনুযায়ী সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠন: সরকার এক বা একাধিক সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠন করবে। সরকার সুপ্রিমকোর্টের সাথে পরামর্শ করে দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজকে বিচারক হিসেবে নিয়োগ দিবেন।

⇒ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ৬৯ ধারা অনুযায়ী বিচার পদ্ধতি: CrPC'র পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার চলবে।

⇒ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ৭২ ধারা অনুযায়ী রায় প্রদানের সময়সীমা: (১) ট্রাইব্যুনালের বিচারক সাক্ষ্য অথবা যুক্তিতর্ক সমাপ্ত হইবার তারিখ হইতে, যাহা পরে ঘটে, দশ দিনের মধ্যে রায় প্রদান করিবেন, যদি না তিনি লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত সময়সীমা অনধিক দশ দিন বৃদ্ধি করেন৷।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক রায় প্রদান করা হইলে বা উক্ত রায়ের অধীন সাইবার আপীল ট্রাইব্যুনালে কোন আপীল দায়ের হইলে উক্ত আপীলের রায়ের কপি ধারা ১৮(৭) এর অধীন গঠিত ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড সংরক্ষণ কক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনাল বা সাইবার আপীল ট্রাইব্যুনাল উহার রায়ের কপি নিয়ন্ত্রকের নিকট প্রেরণ করিবে; উক্তরূপে কোন রায়ের কপি প্রেরণ করা হইলে, নিয়ন্ত্রক উহা উক্ত কক্ষে সংরক্ষণের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন৷
১,৯০৫.
শিশু আইন, ২০১৩ অনুসারে শিশুকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে কোন বিষয়টি বিবেচনা করা হবে না?
  1. শিশুর নিরাপত্তা
  2. অপরাধের প্রকৃতি
  3. শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থ
  4. অপরাধ জামিনযোগ্য কি না
ব্যাখ্যা

⇒ শিশু আইন, ২০১৩-এর ধারা ৫২(২)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, শিশুকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা অপরাধটি জামিনযোগ্য বা অজামিনযোগ্য কি না, তা বিবেচনা করবেন না। এটি শিশু আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান, যা ফৌজদারি কার্যবিধি বা অন্যান্য আইনের সাধারণ বিধান থেকে ভিন্ন। এর উদ্দেশ্য হলো শিশুদের সর্বোত্তম স্বার্থ নিশ্চিত করা এবং তাদের গ্রেফতার বা আটকের পর দ্রুত মুক্তির সুযোগ দেওয়া।
যদি অপরাধটি গুরুতর বা ঘৃণ্য প্রকৃতির হয়, জামিন দেওয়া শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থের পরিপন্থী হয়, শিশু কুখ্যাত অপরাধীর সান্নিধ্যে যেতে পারে, নৈতিক বিপদের সম্মুখীন হতে পারে, বা ন্যায়বিচার ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে, তবে জামিন দেওয়া হবে না। এই ক্ষেত্রে শিশুকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিশু-আদালতে হাজির করতে হবে।

অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
শিশুর নিরাপত্তা (ক): ধারা ৫২(৩) অনুযায়ী, শিশুর নিরাপত্তা জামিন দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা। যদি জামিন দেওয়া শিশুর নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয় বা তাকে কুখ্যাত অপরাধীর সান্নিধ্যে নিয়ে যায়, তবে জামিন দেওয়া হবে না।
অপরাধের প্রকৃতি (খ): ধারা ৫২(৩)-এ বলা হয়েছে, যদি অপরাধ গুরুতর বা ঘৃণ্য প্রকৃতির হয়, তবে জামিন দেওয়া থেকে বিরত থাকা যেতে পারে। অর্থাৎ, অপরাধের প্রকৃতি জামিনের সিদ্ধান্তে বিবেচিত হয়।
শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থ (গ): শিশু আইনের মূলনীতি হলো শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থ নিশ্চিত করা। ধারা ৫২(৩)-এ উল্লেখ আছে যে, জামিন দেওয়া শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থের পরিপন্থী হলে তা দেওয়া হবে না। সুতরাং, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা।

⇒ শিশু আইন, ২০১৩-এর ধারা ৫২ জামিন, ইত্যাদি:
(১) ফৌজদারি কার্যবিধিসহ বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইন বা এই আইনের অন্য কোন বিধানে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন শিশুকে গ্রেফতার করিবার পর এই আইনের অধীন মুক্তি প্রদান বা বিকল্প পন্থায় প্রেরণ করা অথবা তাৎক্ষণিকভাবে আদালতে হাজির করা সম্ভবপর না হইলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা শিশুটিকে, ক্ষেত্রমত, তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য বা প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে শর্ত ও জামানত সাপেক্ষে, অথবা, শর্ত ও জামানত ব্যতীত জামিনে মুক্তি প্রদান করিতে পারিবেন।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন শিশুকে জামিনে মুক্তি প্রদানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অপরাধ জামিনযোগ্য বা জামিন অযোগ্য কি না তাহা শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বিবেচনায় লইবেন না।
(৩) উপ-ধারা (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, অপরাধের প্রকৃতি গুরুতর বা ঘৃণ্য প্রকৃতির হইলে বা জামিন প্রদান করা হইলে উহা শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থের পরিপন্থী হইলে বা জামিন প্রদান করা হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু কোন কুখ্যাত অপরাধীর সাহচর্য লাভ করিতে পারে বা নৈতিক বিপদের সম্মুখীন হইতে পারে বা জামিন প্রদান করা হইলে ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত হইবার আশঙ্কা থাকিলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট শিশুকে জামিন বা মুক্তি প্রদান করিবেন না।
(৪) গ্রেফতারকৃত শিশুকে উপ-ধারা (৩) এর অধীন জামিনে মুক্তি প্রদান করা না হইলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা, গ্রেফতারের পর আদালতে উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ভ্রমণ সময় ব্যতীত, ২৪ (চবিবশ) ঘন্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিশুকে নিকটস্থ শিশু-আদালতে হাজির করিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
(৫) থানা হইতে জামিনপ্রাপ্ত হয় নাই এমন কোন শিশুকে শিশু-আদালতে উপস্থাপন করা হইলে শিশু-আদালত তাহাকে জামিন প্রদান করিবে বা নিরাপদ স্থানে বা শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে আটক রাখিবার আদেশ প্রদান করিবে।

১,৯০৬.
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ২২ ধারা অনুযায়ী কোন অপরাধগুলো মোবাইল কোর্ট কর্তৃক বিচার্য হবে না?
  1. ধারা ৭, ১৮, ১৯, ২০ এ বর্ণিত অপরাধ
  2. ধারা ৩, ৬, ৭, ৮ এ বর্ণিত অপরাধ
  3. ধারা ৬, ১০, ১১, ১২ এ বর্ণিত অপরাধ
  4. ধারা ৪, ৫, ১৫ ও ১৭ এ বর্ণিত অপরাধ
ব্যাখ্যা

⇒ ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ২২ ধারা অনুযায়ী, এই আইনের ধারা ৪, ৫, ১৫ ও ১৭ এ বর্ণিত অপরাধগুলো মোবাইল কোর্ট কর্তৃক বিচার্য হবে না।
- এই ধারাগুলোতে উল্লিখিত অপরাধগুলো হলো:
ধারা ৪: ভূমি প্রতারণা সংক্রান্ত অপরাধ (যেমন, অন্যের ভূমিকে নিজের বলে প্রচার করা, মিথ্যা তথ্য প্রদান করা ইত্যাদি), যা অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয়।
ধারা ৫: ভূমি জালিয়াতি সংক্রান্ত অপরাধ (যেমন, মিথ্যা দলিল প্রস্তুত করা, দলিলে পরিবর্তন করা ইত্যাদি), যা অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয়।
ধারা ১৫: ধারা ৮ এর অধীন প্রদত্ত আদেশ অমান্য বা লঙ্ঘন করা, যা অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয়।
ধারা ১৭: একই অপরাধ পুনঃসংঘটনের ক্ষেত্রে দ্বিগুণ দণ্ড।
এই অপরাধগুলো সাধারণত গুরুতর প্রকৃতির বা জটিল বিচার প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হওয়ায় মোবাইল কোর্টের এখতিয়ারের বাইরে রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, এই আইনের অন্যান্য অপরাধগুলো (যেমন ধারা ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৬, ১৮, ২০) মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৫৯ নং আইন) এর তফসিলভুক্ত হওয়া সাপেক্ষে মোবাইল কোর্ট কর্তৃক বিচার্য হতে পারে।
সুতরাং, ধারা ৪, ৫, ১৫ ও ১৭ এ বর্ণিত অপরাধগুলো মোবাইল কোর্ট কর্তৃক বিচার্য হবে না।

১,৯০৭.
নিম্নের কোনটি The Special Powers Act, 1974 এর তফসিলভুক্ত আইন-
  1. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬
  2. মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮
  3. The Arms Acts, 1878
  4. The Explosive Act, 1884
ব্যাখ্যা

The Special Powers Act, 1974 এর তফসিলভুক্ত আইনসমূহ:
- এই আইনের অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধসমূহ।
- Arms Act, 1878 (XI of 1878) অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অর্থাৎ, অস্ত্র আইন, ১৮৭৮-এর অধীনে যেসব অপরাধ শাস্তিযোগ্য, সেগুলোও অন্তর্ভুক্ত।
- Explosive Substances Act, 1908 (VI of 1908) অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অর্থাৎ, বিস্ফোরক পদার্থ আইন, ১৯০৮-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- Emergency Powers Act, 1975 (I of 1975) এর অধীনে বা সেই আইন অনুযায়ী গঠিত যে কোনো নিয়ম/আদেশের অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৫-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধসমূহ।
- উপরোক্ত যে কোনো অপরাধ করার চেষ্টা, ষড়যন্ত্র বা প্ররোচনা/সহায়তা। 
অর্থাৎ, যদি কেউ এই অপরাধগুলোর প্রস্তুতি নেয়, সাহায্য করে বা ষড়যন্ত্র করে, তাহলে সেটিও শাস্তিযোগ্য হবে।

১,৯০৮.
১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে কয় ধরনের হস্তান্তরের বিধান রয়েছে?
  1. ৬ ধরনের
  2. ৫ ধরনের
  3. ৪ ধরনের
  4. ৭ ধরনের
ব্যাখ্যা
• ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫ ধারায় বলা হয়েছে যে-
”সম্পত্তি হস্তান্তর বলতে সেই কাজকে বুঝায়, যা দ্বারা একজন জীবিত ব্যক্তি বর্তমানে বা ভবিষ্যত কোন সম্পত্তি এক বা একাধিক জীবিত ব্যক্তিকে বা নিজেকে বা তার নিজের এক বা একাধিক জীবিত ব্যক্তিগনের কাছে অর্পন করেন এবং এরুপ কাজকে সম্পত্তি হস্তান্তর বলা হয়।

এই ধারানুসারে সম্পত্তি হস্তান্তর শুধুমাত্র জীবিত ব্যক্তিগনের মাঝে সম্পন্ন হবে। তাছাড়া, হস্তন্তরের জন্য সম্পত্তির অস্তিত্ব থাকা প্রয়োজন। অস্তিত্ববিহীন সম্পত্তি হস্তান্তর করা যায না।

সম্পত্তি হস্তান্তর আইন অনুসারে সম্পত্তি হস্তান্তর বলতে পক্ষগনের কার্যদ্বারা সম্পত্তি হস্তান্তরের কতিপয় অংশকে বুঝায়। আইনের কার্যকারিতা দ্বারা সম্পত্তি হস্তান্তর বুঝায় না।

• ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের আওতায় পাঁচটি পদ্ধতির মাধ্যমে এক ব্যক্তি তার স্থাবর সম্পত্তি অপর কোন জীবিত ব্যক্তির অনুকূলে হস্তান্তর করতে পারে। এগুলি হচ্ছে-

১/ বিক্রয়,
২/ রেহেন, 
৩/ ইজারা, 
৪/ দান ও
৫/ বিনিময়।

অন্য কোন পদ্ধতিতে সম্পত্তি হস্তান্তর এই আইনের আওতাভূক্ত নয়।
১,৯০৯.
একজন হানাফি মুসলিম মা, বাবা ও দুই বোনকে রেখে মৃত্যুবরণ করেন। এই পরিস্থিতিতে কে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হবে?
  1. মা
  2. বাবা
  3. দুই বোন
  4. কেউ বঞ্চিত হবে না
ব্যাখ্যা
প্রশ্নে উল্লিখিত ক্ষেত্রে,
⇒ দুই বোন কোনো অংশ পাবে না; (বাবা জীবিত থাকায়, বোনেরা সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হবে)।
⇒ মা ১/৬ অংশ পাবে ( যেহেতু দুই বা ততোধিক বোন রয়েছে); এবং
⇒ বাবা বাকি ৫/৬ অংশ পাবে (আসাবা হিসেবে)।

• মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে বোনের অংশ :
মৃত ব্যক্তির কোন সন্তান না থাকলে এবং পিতা, দাদা বা ভাই না থাকলে,
⇒ বোন একজন হলে ১/২ অংশ এবং একাধিক হলে ২/৩ অংশ পায়।
⇒ আপন ভাই থাকলে বোনেরা অবশিষ্টভোগী হিসেবে পাবে ২:১ আনুপাতিক হারে।
⇒ মৃত ব্যক্তির কন্যা অথবা পুত্রর কন্যা থাকলে বোন অবশিষ্টভোগী হিসেবে অংশ পাবে।
১,৯১০.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন অনুযায়ী ধারা ৬ অনুসারে, নিচের কোনটি হস্তান্তরযোগ্য নয়?
  1. একটি গাড়ির মালিকানা
  2. কোনো ব্যাংকে জমাকৃত অর্থ
  3. একটি কারখানার মালিকানা
  4. ভবিষ্যৎ ভরণ-পোষণের অধিকার
ব্যাখ্যা

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ধারা ৬ অনুযায়ী, সাধারণভাবে যেকোনো সম্পত্তি হস্তান্তরযোগ্য। তবে কিছু সম্পত্তি হস্তান্তরযোগ্য নয়, যেমন:
- সম্ভাব্য উত্তরাধিকার (Spes Successionis)
- ব্যক্তিগত ভোগ-দখলের অধিকার
- ভবিষ্যৎ ভরণ-পোষণের অধিকার
- শুধুমাত্র মামলা করার অধিকার (Right to Sue)
- সরকারি বেতন, পেনশন ইত্যাদি।
ভবিষ্যৎ ভরণ-পোষণের অধিকার হলো ব্যক্তিগত অধিকার যা নির্দিষ্ট ব্যক্তির জীবনের ওপর নির্ভরশীল। তাই আইন এটিকে হস্তান্তরযোগ্য বলে বিবেচনা করে না।
অন্যদিকে, গাড়ি, ব্যাংক জমা বা কারখানার মালিকানা সাধারণভাবে হস্তান্তরযোগ্য।
সুতরাং, সঠিক উত্তর: ঘ) ভবিষ্যৎ ভরণ-পোষণের অধিকার।

১,৯১১.
A চুক্তি করে B-এর জীবদ্দশায় তার একটি সম্পত্তি C-কে বিক্রি করবে। কিন্তু চুক্তির সময় B মৃত ছিল, যা উভয় পক্ষ জানত না। এক্ষেত্রে চুক্তিটি-
  1. বৈধ
  2. বাতিল
  3. বাতিলযোগ্য
  4. B-এর উত্তরাধিকার পালন করবে
ব্যাখ্যা
The Contract Act, 1872 (ধারা ২০):
যখন কোনো চুক্তির উভয় পক্ষই এমন কোনো সত্যিকার বিষয় সম্পর্কে ভুল ধারণায় থাকে যা চুক্তির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তখন সেই চুক্তি বাতিল (Void) হবে।

ব্যাখ্যা: কোনো বস্তুর মূল্য সম্পর্কে ভুল ধারণা থাকাকে সত্যিকার বিষয়ে ভুল (mistake as to matter of fact) ধরা হবে না।

উদাহরণসমূহ:
(ক) A ও B চুক্তি করে, A ইংল্যান্ড থেকে চট্টগ্রামগামী নির্দিষ্ট পণ্যবাহী জাহাজের মালামাল B-কে বিক্রি করবে বলে। কিন্তু চুক্তির আগে জাহাজটি ডুবেযাওয়া ও মালামাল হারিয়ে যাওয়ার খবর উভয় পক্ষের অজানা। তাই চুক্তিটি বাতিল।
(খ) A চুক্তি করে B থেকে একটি ঘোড়া কিনবে। কিন্তু চুক্তির সময় ঘোড়াটি মৃত ছিল, যা উভয় পক্ষ জানে না। তাই চুক্তিটি বাতিল।
(গ) A চুক্তি করে B-এর জীবদ্দশায় তার একটি সম্পত্তি C-কে বিক্রি করবে। কিন্তু চুক্তির সময় B মৃত ছিল, যা উভয় পক্ষ জানত না। তাই চুক্তিটি বাতিল।
১,৯১২.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর কোন ধারা অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে ট্রাইব্যুনাল বিচার করতে পারে?
  1. ধারা ১৯
  2. ধারা ২০
  3. ধারা ২১
  4. ধারা ২৩
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ২১ ধারার বিধান অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে বিচার পরিচালনা করতে পারে। এই ধারায় উল্লেখ আছে যে, যদি ট্রাইব্যুনালের বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক বা আত্মগোপন করেছেন এবং তাঁর আশু গ্রেফতারের সম্ভাবনা না থাকে, তবে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া (যেমন, দুইটি বাংলা দৈনিক পত্রিকায় প্রজ্ঞাপন জারি) অনুসরণ করে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হাজির না হলে, ট্রাইব্যুনাল তাঁর অনুপস্থিতিতে বিচার করতে পারে। এছাড়াও, যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি হাজির হওয়ার পর বা জামিনে মুক্তির পর পলাতক হন, তবে কারণ লিপিবদ্ধ করে ট্রাইব্যুনাল বিচার সম্পন্ন করতে পারে। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) ধারা ২১।

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ২১ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
(১) যদি ট্রাইব্যুনালের এই মর্মে বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,-
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছে বা আত্মগোপন করিয়াছেন; এবং
(খ) তাহার আশু গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল অন্তত: দুইটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা, আদেশে উল্লিখিত সময়, যাহা ত্রিশ দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইতে ব্যর্থ হন, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার করিতে পারিবে।

(২) যদি কোন অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইবার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জামিনে মুক্তি দেওয়ার পর পলাতক হন, তাহা হইলে তাহার ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর বিধান প্রযোজ্য হইবে না, এবং সেইক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে তাহার বিচার সম্পন্ন করিতে পারিবে।

১,৯১৩.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি হবে বাঙালি জাতির-
  1. মতৈক্য ও সমঝোতা
  2. ঐক্য ও সংহতি
  3. ভাষা ও সংস্কৃতি
  4. ভাষা ও আচার-অনুষ্ঠান
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৯: জাতীয়তাবাদ

ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তাবিশিষ্ট যে বাঙালী জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করিয়া জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করিয়াছেন, সেই বাঙালী জাতির ঐক্য ও সংহতি হইবে বাঙালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি।

Article 9: Nationalism
The unity and solidarity of the Bangalee nation, which, deriving its identity from its language and culture, attained sovereign and independent Bangladesh through a united and determined struggle in the war of independence, shall be the basis of Bangalee nationalism.
১,৯১৪.
মুসলিম আইনে, বিবাহ হলো -
  1. একটি পবিত্র চুক্তি
  2. একটি দেওয়ানি চুক্তি
  3. ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান
  4. একটি স্বর্গীয় কার্য
ব্যাখ্যা
⇒ ইসলামি আইনে বিবাহ হলো Civil Contract বা দেওয়ানি চুক্তি। ইসলামী আইনে বিয়ে হলো একজন নারী ও পুরুষের মধ্যে পবিত্র বন্ধন। ধর্মীয় ও সামাজিক উদ্দেশ্য ছাড়াও এ বন্ধন সৃষ্টি হয় একটা আইনগত চুক্তির মাধ্যমে। বিয়ের মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রী একে অন্যের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন ও বৈধ সন্তান জন্মদানের অধিকার লাভ করে। এ ছাড়াও বিয়ের মাধ্যমে তাদের একে অন্যের ওপর যাবতীয় দায়িত্ব ও কর্তব্য জন্মায়।

Abdul Kadir Vs. Salima মামলায় ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বিবাহকে দেওয়ানি চুক্তি বলে আখ্যায়িত করেছে। অপর পক্ষে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট Khurshid Bibi মামলায় বলেন- বিবাহ যদিও দেওয়ানি চুক্তির ন্যায় একটি চুক্তি, এটি পুরোপুরি দেওয়নি চুক্তি নয়। কিন্তু Anwar Hossain vs Momtaz Begum 18, CLC, HCD, 51 মামলায় বাংলাদেশর সুপ্রিম কোর্ট ঘোষণা করেন যে, বিবাহ একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয় বরং এটি একটি দেওয়ানি চুক্তি।
১,৯১৫.
হানাফী মতবাদ অনুসারে কোন ব্যক্তি কখনও অবশিষ্টভোগী হতে পারে না?
  1. পিতা
  2. স্বামী
  3. ভ্রাতা
  4. পুত্র বা কন্যা
ব্যাখ্যা
অবশিষ্টাংশ ভোগীগণ (Residuaries):
মৃত ব্যক্তির যাদের সাথে রক্তের সম্পর্ক আছে এবং যারা অংশীদারদের নির্দিষ্ট অংশ নেবার পর কোন সম্পত্তি অবশিষ্ট থাকলে তা অথবা কোন অংশীদার না থাকলে সমস্ত সম্পত্তি মৃত ব্যক্তির সাথে রক্তের সম্পর্ক আছে, এমন সমস্ত নিকটবর্তী আত্নীয়রা তালিকায় উল্লেখিত ক্রমানুসারে লাভ করে থাকে। মৃত ব্যক্তির এ সকল নিকটত্নীয়দেরকে অবশিষ্টাংশভোগী বলা হয়। এই অবশিষ্টংশ ভোগীদের কোন নির্দিষ্ট অংশ নাই। অংশীদারদের দেওয়ার পরেই কেবল অবশিষ্ট সম্পত্তি তারা পাবেন, কিন্তু এই অবশিষ্টাংশের পরিমাণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম হতে পারে। যদি কোন অংশীদার না থাকেন, তবে সমস্ত সম্পত্তিই আসাবা বা অংশীদারগণ পাবেন। এ সকল আসাবা বা অবশিষ্টাংশ ভোগীগণকে এগনেটিক ওয়ারিশ ও বলা হয়। কারণ এরা পুরুষ আত্নীয়ের মাধ্যমেই ওয়ারিশ হয়ে থাকে।

অবশিষ্টাংশ ভোগী হিসেবে পিতা-
যদি মৃত সন্তানের শুধু মাত্র কন্যা সন্তান বা তাঁর পুত্রের কন্যা সন্তান থাকলে তবে পিতা সন্তানের সম্পত্তির ১/৬ অংশ পায় এবং কন্যাদের ও অন্যান্যদের দেয়ার পর অবশিষ্ট যে সম্পত্তি থাকবে তাও পিতা পাবেন। 
আর যদি মৃত সন্তানের কোন পুত্র-কন্যা বা পুত্রের সন্তান কিছুই না থাকে তাবে বাকী অংশীদারদের তাঁদের অংশ অনুযায়ী দেয়ার পর অবশিষ্ট যা থাকবে তার সবটুকুই পিতা পাবেন।
অবশিষ্টাংশ ভোগী হিসেবে পুত্র-কন্যা-
যেক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির ছেলে ও মেয়ে রয়েছে সেই ক্ষেত্রে ছেলে বা ছেলেরা, মেয়ে বা মেয়েদের চেয়ে দ্বিগুন সম্পত্তি পাবে। মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে মাতাপিতা ও স্বামী-স্ত্রী নির্দিষ্ট সম্পত্তি পাওয়ার পর অবশিষ্ট সম্পত্তি ছেলে মেয়ের মধ্যে বন্টন করা হবে। তবে মেয়ে না থাকলে অংশীদারদের অংশ দেয়ার পর অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে বাকী সম্পূর্ণ সম্পত্তি ছেলে বা ছেলেরাই পাবে।

অবশিষ্টাংশ ভোগী হিসেবে ভাই-
যেক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির ছেলে, ছেলের ছেলে এভাবে যত নিচেই হোক কেউ থাকলে অথবা বাবা, দাদা বা এভাবে ঊর্ধ্ব পুরুষ কেউ থাকলে তখন ভাই-বোন কেউ অংশ পাবেন না। তবে যদি স্বামী/স্ত্রী, কন্যা বা মা থাকে তবে তাদের অংশ দেওয়ার পর বাকি অংশ ভাই-বোন নিজেদের অংশ (১/২) হিসেবে পাবে। ঊর্ধ্ব পুরুষ বা উত্তর পুরুষে কেউ না থাকলে সহোদর ভাই-বোন ছেলে-মেয়ের মতো হারে অংশ পাবে।

অপর দিকে, স্বামীর অংশ : স্বামী ২ ভাবে মৃত স্ত্রীর সম্পত্তির ভাগ পেয়ে থাকে।
- মৃত স্ত্রীর কোন সন্তান বা পুত্রের সন্তান থাকলে, স্বামী স্ত্রীর সম্পত্তির ১/৪ অংশ পাবে। 
- মৃত স্ত্রীর কোন সন্তান বা পুত্রের সন্তান কেউই না থাকলে স্বামী স্ত্রীর সম্পত্তির ১/২ অংশ পাবে।

অর্থাৎ পিতা, ভাই/ ভ্রাতা এবং পুত্র বা কন্যা অবশিষ্টভোগী হিসেবে পেতে পারে কিন্তু স্বামী পায় না।
১,৯১৬.
তালাক-ই-হাসানের ক্ষেত্রে মোট কয় বার 'তালাক' উচ্চারণ করতে হয়?
  1. ১ বার
  2. ২ বার
  3. ৩ বার
  4. নির্দিষ্ট নয়
ব্যাখ্যা
তালাক-উস-সুন্নাহ (অনুমোদিত তালাক):
তালাক-উস-সুন্নাহ [Talaq-us-Sunna] হলো হযরত মোহাম্মদ (সা:) এর সুন্নত বা হাদিসে বর্ণিত নিয়ম অনুযায়ী তালাক। তালাক-উস-সুন্নাহ [Talaq-us-Sunna] দুই প্রকার হতে পারে;

ক. তালাক আহসান [Ahsan] (সর্বাধিক অনুমোদিত তালাক)
খ. তালাক হাসান [Hasan] (অনুমোদিত তালাক)

- তালাক-ই-আহসান (Ahsan): স্ত্রীর তুহরে (পবিত্র সময়) একবার তালাক উচ্চারণ করা হলে এবং স্ত্রীর ইদ্দতকাল (৩টি ঋতুকাল পর্যন্ত) তার সাথে যৌন সম্পর্ক (Consummation) না রাখলে, ইদ্দতকাল শেষ হওয়ার সাথে সাথে তালাক কার্যকর হবে এবং অপ্রত্যাহারযোগ্য হবে। এটি সর্বাপেক্ষা অনুমোদিত তালাক।

- তালাক-ই-হাসান (Hasan): স্বামী তার স্ত্রীর পরপর ৩টি তুহরের প্রত্যেক তুহরেই ১ বার করে তালাক উচ্চারণ করবে এবং তুহর কালে স্ত্রীর শারীরিক সম্পর্ক হতে বিরত থাকবে। তৃতীয় উচ্চারণের সঙ্গে সঙ্গেই তালাক কার্যকর হবে। এই ক্ষেত্রে তালাক অপ্রত্যাহারযোগ্য।
১,৯১৭.
জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার নির্বাহী পরিচালক কে নিয়োগ দেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সরকার
  3. সুপ্রীম কোর্ট কমিটি
  4. জাতীয় পরিচালনা বোর্ড
ব্যাখ্যা

আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ২১- নির্বাহী পরিচালক:
(১) সংস্থার একজন নির্বাহী পরিচালক থাকিবেন এবং তিনি সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন৷

(২) নির্বাহী পরিচালক, সংস্থার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য দায়ী থাকিবেন এবং বোর্ডের নির্দেশ মোতাবেক সংস্থার কার্য সম্পাদন করিবেন।

(৩) সংস্থা, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে।

(৪) উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্বাহী পরিচালক নিয়োগ না হওয়া অবধি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মধ্য হইতে চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত কোন কর্মকর্তা নির্বাহী পরিচালক]রূপে কাজ করিবেন৷

(৫) উপ-ধারা (৩) এর অধীন কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ না হওয়া অবধি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় উহার বিদ্যমান কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্য হইতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারী দ্বারা উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত কার্য সম্পাদনে 52[নির্বাহী পরিচালক]কে সহায়তা প্রদান করিবে।

১,৯১৮.
যদি কোন ব্যক্তি সংসদ-সদস্য হওয়ার যোগ্য নন বা অযোগ্য হয়েছেন জেনেও সংসদে সদস্যরূপে আসন গ্রহণ করেন, তবে প্রতিদিন সংসদে যোগদানের জন্য তিনি কত টাকার অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন?
  1. পাঁচশত টাকা
  2. এক হাজার টাকা
  3. দুই হাজার টাকা
  4. তিন হাজার টাকা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৯ অনুচ্ছেদের বিধান: শপথগ্রহণের পূর্বে আসন গ্রহণ বা ভোট দান করিলে সদস্যের অর্থদণ্ড:

কোন ব্যক্তি এই সংবিধানের বিধান অনুযায়ী শপথ গ্রহণ বা ঘোষণা করিবার এবং শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিবার পূর্বে কিংবা তিনি সংসদ-সদস্য হইবার যোগ্য নহেন বা অযোগ্য হইয়াছেন জানিয়া সংসদ-সদস্যরূপে আসনগ্রহণ বা ভোটদান করিলে তিনি প্রতি দিনের অনুরূপ কার্যের জন্য প্রজাতন্ত্রের নিকট দেনা হিসাবে উসুলযোগ্য এক হাজার টাকা করিয়া অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।

Article 69: Penalty for member sitting or voting before taking oath:

If a person sits or votes as a member of Parliament before he makes or subscribes the oath or affirmation in accordance with this Constitution, or when he knows that he is not qualified or is disqualified for membership thereof, he shall be liable in respect of each day on which he so sits or votes to a penalty of one thousand taka to be recovered as a debt due to the Republic.
১,৯১৯.
কে সংসদে মহা হিসাব-নিরীক্ষকের রিপোর্ট উপস্থাপন করবার ব্যবস্থা করবেন?
  1. মহা হিসাব-নিরীক্ষক
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. অর্থমন্ত্রী
  4. প্রধান মন্ত্রী
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩২ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদে মহা হিসাব-নিরীক্ষকের রিপোর্ট উপস্থাপন:
 - প্রজাতন্ত্রের হিসাব সম্পর্কিত মহা হিসাব-নিরীক্ষকের রিপোর্টসমূহ রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হইবে এবং রাষ্ট্রপতি তাহা সংসদে পেশ করিবার ব্যবস্থা করিবেন।
-----------------------------
⇒ Article 132. Reports of Auditor General to be laid before Parliament:
- The reports of the Auditor General relating to the public accounts of the Republic shall be submitted to the President, who shall cause them to be laid before Parliament.
১,৯২০.
'মুশাহ' (Musha) হলো কোনো সম্পত্তির ________ অংশ।
  1. অর্ধেক
  2. বিভক্ত
  3. অবিভাজ্য
  4. পরিত্যক্ত
ব্যাখ্যা
⇒ 'মুশাহ' বা 'Musha' হলো কোনো সম্পত্তির অবিভাজ্য বা অবিভক্ত অংশ।
-হানাফি আইন অনুসারে অবিভক্ত যৌথ সম্পত্তি যা বিভক্ত করা যায় এমন সম্পত্তি দান করলে দানটি বৈধ হবে না।
-কিন্তু পরবর্তীতে এটি বিভক্ত করা হলে দানটি বৈধ হয়ে যাবে।

কিন্তু চারটি বিশেষ ক্ষেত্র আছে যেসব ক্ষেত্রে দানের বিষয়বস্তু বিভক্ত করা না হলেও দানটি বৈধ হবে।
- যদি সম্পত্তিটি অবিভাজ্য হয় অথবা যদি সম্পত্তিটি এমন হয় যে, অবিভক্ত অবস্থায় সম্পত্তিটি ব্যবহারের জন্য বেশি উপযোগী;
- যদি দুই বা ততোধিক অংশীদারদের যেকোনো একজন তার অংশটি অপর কোনো অংশীদারকে দান করে;
- কোনো অবিভক্ত ভূমির ভাড়ার কোনো নির্দিষ্ট অংশ আলাদাভাবে গ্রহণ এবং উত্তোলন করার অধিকার থাকলে সেটিকে অবিভক্ত জমি ধরা হবে না এবং এটি দান করলে দানটি অবৈধ হবে না;
- দানকারী যদি কোনো হোল্ডিংয়ে দান গ্রহীতাকে যৌথ মালকানার স্বীকৃতি দেয় এবং সেরকম দখলের 'স্বীকৃতি দিলে সেটি বৈধ দান হবে।
১,৯২১.
According to Article 31 of the Constitution of Bangladesh, Right to protection of law is the _________ of every citizen.
  1. alienable right
  2. inalienable right
  3. alienable privilege
  4. inalienable freedom
ব্যাখ্যা

Article 31: Right to protection of law:
To enjoy the protection of the law, and to be treated in accordance with law, and only in accordance with law, is the inalienable right of every citizen, wherever he may be, and of every other person for the time being within Bangladesh, and in particular no action detrimental to the life, liberty, body, reputation or property of any person shall be taken except in accordance with law.

অনুচ্ছেদ ৩১: আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার:
আইনের আশ্রয়লাভ এবং আইনানুযায়ী ও কেবল আইনানুযায়ী ব্যবহারলাভ যে কোন স্থানে অবস্থানরত প্রত্যেক নাগরিকের এবং সাময়িকভাবে বাংলাদেশে অবস্থানরত অপরাপর ব্যক্তির অবিচ্ছেদ্য অধিকার এবং বিশেষতঃ আইনানুযায়ী ব্যতীত এমন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে না, যাহাতে কোন ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা, দেহ, সুনাম বা সম্পত্তির হানি ঘটে।

১,৯২২.
হিন্দু আইনে অজাত ব্যক্তি বরাবর-
  1. সরাসরি দান করা যায়
  2. শর্ত সাপেক্ষে দান করা যায়
  3. কোনো শর্তেই দান করা যায় না
  4. দান স্বত্ব ছাড়া দিতে হবে
ব্যাখ্যা
• একজন নিজস্ব সম্পত্তিতে তার স্বত্ব দখল যদি বিনা পণে অন্যের বরাবরে পরিত্যাগ করে এবং শেষোক্ত ব্যক্তি যদি তা গ্রহণ করে, তবে ঐ সম্পত্তিতে দাতার স্বত্ব লোপ পায় এবং গ্রহীতার স্বত্ব অর্জিত হয়। এইভাবে স্বত্ব দখলের হস্তান্তরকে দান বলা হয়।

দানের উপাদান (essentials):

(ক) দান কার্যে একজন দাতা থাকতে হবে এবং তাকে দানকৃত সম্পত্তির মালিক হতে হবে। যেহেতু দান এক প্রকার হস্তান্তর সেই হেতু যে দান করবে তার সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষমতা থাকতে হবে। চুক্তি আইন অনুযায়ী কোন নাবালক বা অপ্রকৃতস্থ ব্যক্তি আইনতঃ কোন চুক্তি করতে এবং তদনুযায়ী সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে না। অতএব এই প্রকার ব্যক্তি কোন দানও করতে পারবে না।

(খ) দান কার্যে একজন গ্রহীতা থাকতে হবে। গ্রহীতা নাবালক হলে, তার অভিভাবক তার পক্ষে দান গ্রহণ করতে পারবে। দান গ্রহণের পূর্বে দাতার মৃত্যু হলে দান বাতিল গণ্য হবে।

(গ) স্থাবর অথবা অস্থাবর এই উভয় প্রকার সম্পত্তি দান করা যেতে পারে কিন্তু দানের সময় দানকৃত সম্পত্তির অস্তিত্ব এবং এতে দাতার মালিকানা অবশ্যই থাকতে হবে। (দানের সময় যে সম্পত্তির অস্তিত্ব থাকে না বা দাতা ভবিষ্যতে মালিক হইতে পারে এই রকম সম্পত্তি দান করা যাবে না।)

(ঘ) দান পণ বিহীন হতে হবে। অবৈধ বা কেউকে প্রতারণার উদ্দেশ্যে দান পণ বিহীন হলেও বে-আইনী হবে।

• পূর্বে অজাত ব্যক্তির বরাবরে হিন্দু আইন অনুযায়ী কোন দান করা যেতো না, কিন্তু ১৯১৬ সনের Hindu Disposition of Property Act পাশ হওয়ার পর হতে কতিপয় শর্ত সাপেক্ষে অজাত ব্যক্তির বরাবরে দান করা যায়। অজাত ব্যক্তির বরাবরে সরাসরি কোন দান করা যায় না। এইরূপ ব্যক্তির বরাবরে দান করতে হলে দানের সময় জীবিত এক বা একাধিক ব্যক্তির বরাবরে জীবনস্বত্ব অথবা অন্য কোন প্রকার সীমিত স্বত্ব সৃষ্টি করে তাদের মাধ্যমে কোন নির্দিষ্ট অজাত ব্যক্তির বরাবরে দান করা চলে।

তবে, অজাত ব্যক্তিকে সম্পূর্ণ স্বত্ব দিতে হবে এবং এমন কোন শর্ত আরোপ করা যাবে না যাতে অজাত ব্যক্তির নাবালক অবস্থা অর্থাৎ ১৮ বৎসর অতিবাহিত হওয়ার পর তার উপর দানকৃত সম্পত্তি বর্তিবে। এই শর্তগুলি হস্তান্তর আইনের ১৩, ১৪, ১৬ ও ২০ ধারা অনুযায়ী এবং হস্তান্তর আইনের এই ধারাগুলি ১৯২৯ সনের হস্তান্তর আইনের একটি সংশোধনীর পর হতে হিন্দু আইনেও প্রযোজ্য হবে।
১,৯২৩.
রাষ্ট্রপতি সরকারি চাকরিজীবীদের কোন কোন ক্ষেত্রে সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শ নিতে পারেন?
  1. পদোন্নতি ও বদলি সংক্রান্ত নীতি নির্ধারণ
  2. সরকারি চাকরির জন্য যোগ্যতা ও নিয়োগ পদ্ধতি নির্ধারণ
  3. সরকারি চাকরিজীবীদের শৃঙ্খলামূলক বিষয়াদি নির্ধারণ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪০ : কমিশনের দায়িত্ব:
(১) কোন সরকারী কর্ম কমিশনের দায়িত্ব হইবে;
(ক) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগদানের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তিদিগকে মনোনয়নের উদ্দেশ্যে যাচাই ও পরীক্ষা-পরিচালনা;
(খ) এই অনুচ্ছেদের (২) দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক কোন বিষয় সম্পর্কে কমিশনের পরামর্শ চাওয়া হইলে কিংবা কমিশনের দায়িত্ব-সংক্রান্ত কোন বিষয় কমিশনের নিকট প্রেরণ করা হইলে সেই সম্বন্ধে রাষ্ট্রপতিকে উপদেশদান; এবং
(গ) আইনের দ্বারা নির্ধারিত অন্যান্য দায়িত্বপালন।

(২) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কোন আইন এবং কোন কমিশনের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত কোন প্রবিধানের (যাহা অনুরূপ আইনের সহিত অসমঞ্জস নহে) বিধানাবলী সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি নিম্নলিখিত ক্ষেত্রসমূহে কোন কমিশনের সহিত পরামর্শ করিবেন:
(ক) প্রজাতন্ত্রের কর্মের জন্য যোগ্যতা ও তাহাতে নিয়োগের পদ্ধতি সম্পর্কিত বিষয়াদি;
(খ) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগদান, উক্ত কর্মের এক শাখা হইতে অন্য শাখায় পদোন্নতিদান ও বদলিকরণ এবং অনুরূপ নিয়োগদান, পদোন্নতিদান বা বদলিকরণের জন্য প্রার্থীর উপযোগিতা-নির্ণয় সম্পর্কে অনুসরণীয় নীতিসমূহ;
(গ) অবসর-ভাতার অধিকারসহ প্রজাতন্ত্রের কর্মের শর্তাবলীকে প্রভাবিত করে, এইরূপ বিষয়াদি; এবং
(ঘ) প্রজাতন্ত্রের কর্মের শৃঙ্খলামূলক বিষয়াদি।
১,৯২৪.
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এর ধারা ১৬ অনুসারে, নিয়োগের ক্ষমতা থাকলে সাধারণত কী কী ক্ষমতা অন্তর্ভুক্ত হয়?
  1. বরখাস্ত করার ক্ষমতা
  2. সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার ক্ষমতা
  3. পদোন্নতি দেওয়ার ক্ষমতা
  4. ক এবং খ উভয়ই 
ব্যাখ্যা

⇒ General Clauses Act, 1897-এর Section 16 অনুযায়ী, যেখানে কোনো আইনের দ্বারা নিয়োগের ক্ষমতা দেওয়া হয়, সেখানে যদি ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্য না থাকে, তবে সেই নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের ক্ষমতার মধ্যে সাময়িক বরখাস্ত (suspend) ও বরখাস্ত (dismiss) করাও অন্তর্ভুক্ত।

•জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর ধারা ১৬: নিয়োগের ক্ষমতা সাময়িক বরখাস্ত বা বরখাস্তের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন বা প্রবিধান দ্বারা যদি কোন কর্তৃপক্ষকে নিয়োগের ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে, ভিন্নরূপ কোন উদ্দেশ্য প্রতীয়মান না হলে, অনুরূপ কর্তৃপক্ষের উল্লেখিত ক্ষমতা প্রয়োগের আওতায় নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত বা বরখাস্ত করার ক্ষমতা থাকবে।
------------ 
- Section 16 of The General Clauses Act,1897: Power to appoint to include power to suspend or dismiss-
Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to make any appointment is conferred, then unless a different intention appears, the authority having for the time being power to make the appointment shall also have power to suspend or dismiss any person appointed whether by itself of any other authority in exercise of that power.

১,৯২৫.
অনিবার্য কারণবশত দলিল দাখিলে বিলম্ব হলে, নিবন্ধন ফিসের কত গুণ পর্যন্ত জরিমানা দিয়ে দলিল নিবন্ধন করা যেতে পারে?
  1. অনধিক ৩ গুণ
  2. অনধিক ৫ গুণ
  3. অনধিক ১০ গুণ
  4. অনধিক ২০ গুণ
ব্যাখ্যা
ধারা ২৫- অনিবার্য কারণবশত দলিল দাখিলে বিলম্ব হলে বিধান

১) দেশে সম্পাদিত কোন দলিল বা প্রদর কোন ডিক্রি বা আদেশের নবদল যদি কোন জরুরি প্রয়োজন বা কোন অনিবার্য ঘিটনার জন্য নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম হওয়ার পূর্বে নিবন্ধনের জন্য উপস্থাপন করা না হয়, এবং দাখিল করতে যদি ৪ মাসের অধিক বিলম্ব না হয়, নিবন্ধন ফিসের অনুর্ধ্ব দশ গুণ টাকা জরিমানাস্বরূপ প্রদান করলে রেজিস্ট্রার উক্ত জলিল নিবন্ধনের জন্য গ্রহণ করতে নির্দেশ দিতে পারেন।

২) এরূপ নির্দেশ প্রাপ্তির জন্য আবেদন সাব-রেজিস্ট্রারের অফিসে দাখিল করা যেতে পারে এবং সঙ্গে সঙ্গেই সাব-রেজিস্ট্রার তার উর্ধ্বতন রেজিস্ট্রারের নিকট দরখাস্ত প্রেরণ করবে।

Section 25- Provision where delay in presentation is unavoidable
(1) If, owing to urgent necessity or unavoidable accident, any document executed, or copy of a decree or order made, in Bangladesh is not presented for registration till after the expiration of the time hereinbefore prescribed in that behalf, the Registrar, in cases where the delay in presentation does not exceed four months, may direct that, on payment of a fine not exceeding ten times the amount of the proper registration-fee, such document shall be accepted for registration. 
 
(2) Any application for such direction may be lodged with a Sub-Registrar, who shall forthwith forward it to the Registrar to whom he is subordinate.
১,৯২৬.
রেজিস্ট্রেশন আইনের অধীন অপরাধ কোন আদালত বিচার করতে পারে?
  1. যেকোনো দেওয়ানি আদালত
  2. যেকোনো ফৌজদারি আদালত
  3. শুধুমাত্র প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা তার ঊর্ধ্বতন
ব্যাখ্যা
The Registration Act, 1908 - ধারা ৮৩: রেজিস্টারিং অফিসার মামলা দায়ের করতে পারেন
(১) এই আইনের অধীন সংঘটিত কোনো অপরাধ সম্পর্কে যদি কোনো রেজিস্টারিং অফিসার তার দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনকালে জানতে পারেন, তবে সেই অপরাধের বিচারের জন্য মামলা দায়ের করা যেতে পারে,
রেজিস্টার জেনারেল (Inspector-General), রেজিস্ট্রার (Registrar) বা সাব-রেজিস্ট্রার (Sub-Registrar) তাঁদের নিজ নিজ এলাকা, জেলা বা উপ-জেলায় সংঘটিত অপরাধের ক্ষেত্রে, তাঁদের নিজে অথবা তাঁদের অনুমতি নিয়ে।

(২) ধারা ৮০চ-এ যা বলা আছে তা ব্যতীত, এই আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধসমূহ বিচার করতে পারবেন— দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা তদূর্ধ্ব ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত বা কর্মকর্তা।
১,৯২৭.
A, B-কে ৫ বছরের জন্য একটি বাড়ি ভাড়া দিলেন। B আবার মাসিক একশত টাকা ভাড়ায় বাড়িটি C-কে ভাড়া দিলেন। পাঁচ বছর কেটে গেল কিন্তু C বাড়িটি তার দখলে রেখে দিলেন এবং A-কে ভাড়া দিতে লাগলেন। C- এর ইজারা মাস হতে মাসে নবায়িত হলো। এক্ষেত্রে কোন নীতি কার্যকর হয়েছে?
  1. Doctrine of Holding out
  2. Doctrine of Holding over
  3. Doctrine of Holding in
  4. Doctrine of Holding off
ব্যাখ্যা
ধারা ১১৬: মেয়াদ পরবর্তী দখলের প্রতিক্রিয়া-
 
যদি কোন সম্পত্তির ইজারাগ্রহীতা বা নিম্ন ইজারগ্রহীতা ইজারার মেয়াদ পরিসমাপ্তির পরও ইজারা সম্পত্তিতে দখল বজায় রাখে এবং ইজারাদাতা বা তার আইনগত প্রতিনিধি ইজারাগ্রহীতা বা নিম্ন ইজারাগ্রহীতার নিকট হতে খাজনা গ্রহণ করে বা দখল বহাল রাখবার জন্য অন্য কোন ভাবে সম্মতি প্রদান করে, তাহলে ভিন্নরূপ চুক্তির অবর্তমানে যে উদ্দেশ্যে ঐ সম্পত্তি ইজারা দেওয়া হয়েছে সেই উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে ১০৬ ধারা অনুযায়ী এই ইজারা বছর হতে বছরে বা মাস হতে মাসে নবায়িত হবে।
 
উদাহরণ
• পাঁচ বছরের জন্য A, B-কে একটি বাড়ি ভাড়া দিলেন। B আবার মাসিক একশত টাকা ভাড়ায় বাড়িটি C-কে ভাড়া দিলেন। পাঁচ বছর কেটে গেল কিন্তু C বাড়িটি তার দখলে রেখে দিলেন এবং A-কে ভাড়া দিতে লাগলেন। C-এর ইজারা মাস হতে মাসে নবায়িত হলো।
• A, C-এর জীবন কালের জন্য B-কে একটি খামার ইজারা দিলেন। C মারা গেলেন, কিন্তু B, A-এর সম্মতিতে দখল বজায় রাখলেন। B-এর ইজারা বছর হতে বছরে নবায়িত হলো। 
 
এই ধারানুযায়ী কোন ইজারার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও যদি কোন ইজারাগ্রহীতা ইজারাদাতার সম্মতিতে ইজারা সম্পত্তির দখল বজায় রাখে তা (Holding over) বা মেয়াদ উত্তীর্ণ দখল বলে পরিগণিত হবে। একেই 'Doctrine of Holding over' বলে। এই রকম দখলের অনুমতি দেওয়া হলে তা বছর হতে বছর বা মাস হতে মাস ভিত্তিতে নবায়িত হবে। এরূপ ইজারাগ্রহীতাকে Tenant at will, Tenant holding over বলে।
১,৯২৮.
শিশু আইনের অধীন কোন ধরনের শিশুকে গ্রেফতার করা বা আটক রাখা যাবে না?
  1. ১৬ বছরের নিম্নের
  2. ৯ বছরের নিম্নের
  3. ১২ বছরের নিম্নের
  4. ১১ বছরের নিম্নের
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৪- গ্রেফতার, ইত্যাদি

(১) এই ধারায় যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ৯ (নয়) বৎসরের নিম্নের কোন শিশুকে কোন অবস্থাতেই গ্রেফতার করা বা, ক্ষেত্রমত, আটক রাখা যাইবে না। 
 
(২) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন শিশুকে নিবর্তনমূলক আটকাদেশ সংক্রান্ত কোন আইনের অধীন গ্রেফতার বা আটক করা যাইবে না। 
 
(৩) শিশুকে গ্রেফতার করিবার পর গ্রেফতারকারী পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেফতারের কারণ, স্থান, অভিযোগের বিষয়বস্তু, ইত্যাদি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তাকে অবহিত করিবেন এবং প্রাথমিকভাবে তাহার বয়স নির্ধারণ করিয়া নথিতে লিপিবদ্ধ করিবেন: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, গ্রেফতার করিবার পর কোন শিশুকে হাতকড়া বা কোমরে দড়ি বা রশি লাগানো যাইবে না। 
 
(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন বয়স নির্ধারণের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তা জন্ম নিবন্ধন সনদ অথবা, উক্ত সনদের অবর্তমানে স্কুল সার্টিফিকেট বা স্কুলে ভর্তির সময় প্রদত্ত তারিখসহ প্রাসঙ্গিক দলিলাদি উদ্‌ঘাটনপূর্বক যাচাই-বাছাই করিয়া তাহার বয়স লিপিবদ্ধ করিবেন: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তার নিকট প্রতীয়মান হয় যে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি একজন শিশু কিন্তু সম্ভাব্য সকল চেষ্টা করিয়াও দালিলিক প্রমাণ দ্বারা তাহা নিশ্চিত হওয়া যায় না, সেইক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তিকে এই আইনের বিধান অনুযায়ী শিশু হিসাবে গণ্য করিতে হইবে। 
 
(৫) সংশ্লিষ্ট থানায় শিশুর জন্য উপযোগী কোন নিরাপদ স্থান না থাকিলে গ্রেফতারের পর হইতে আদালতে হাজির না করা সময় পর্যন্ত শিশুকে নিরাপদ স্থানে আটক রাখিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, নিরাপদ স্থানে আটক রাখিবার ক্ষেত্রে শিশুকে প্রাপ্তবয়স্ক বা ইতোমধ্যেই দোষী সাব্যস্ত হইয়াছেন এইরূপ কোন শিশু বা অপরাধী এবং আইনের সংস্পর্শে আসা কোন শিশুর সহিত একত্রে রাখা যাইবে না।
১,৯২৯.
মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে হবে -
  1. আপিল ট্রাইব্যুনালে
  2. দায়রা জজ আদলতে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে
  4. স্পেশাল জজ আদালতে
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৪৪ ধারার বিধান অপরাধের বিচার, ইত্যাদি: (১) এই আইনের অধীন মাদকদ্রব্য অপরাধসমূহ অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক বিচার্য হইবে।

(২) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সংশ্লিষ্ট দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, উহার এখতিয়ারাধীন এলাকার জন্য, কেবল মাদকদ্রব্য অপরাধ বিচারের নিমিত্ত, প্রয়োজনে, এক বা একাধিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত নির্দিষ্ট করিবেন।]

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৫৩ ধারার বিধান আপিল:
- এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে, রায় প্রদানের তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে, আপিল করা যাইবে:
- তবে শর্ত থাকে যে, রায়ের জাবেদা নকল পাওয়ার জন্য যে সময় অতিবাহিত হইবে উহা উক্ত সময় হইতে কর্তন করিতে হইবে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৫৪ ধারার বিধান: ফৌজদারি কার্যবিধির প্রয়োগ:
- এই আইনে ভিন্নরূপ কিছু না থাকিলে, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে মাদকদ্রব্য অপরাধের অভিযোগ (এফ আই আর) দায়ের, তদন্ত, অনুসন্ধান, বিচার ও  আপিল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।

আপিল ৫৩ ধারা অনুযায়ী-
এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে রায় প্রদানের তারিখ হতে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে আপিল করা যাবে। কিন্তু কোন আদালতে আপিল করা যাবে তা নির্দিষ্ট করা হয়নি ৫৩ ধারায়। এ ক্ষেত্রে, সংশোধিত ৫৪ ধারা অনুসারে আপিলের নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে CrPC'র বিধানাবলি প্রযোজ্য হবে। যেহেতু সংশোধিত আইনে আপিলের Forum বর্ণিত হয়নি, সেহেতু আপিলের Forum'র ক্ষেত্রেও CrPC'র ৪০৮, ৪১০ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে। এ বিধান অনুযায়ী- দায়রা জজের রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে। CJM/CMM কর্তৃক প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট আপিল দায়ের করতে হবে।

অর্থাৎ মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।
১,৯৩০.
প্রথম সংশোধনী দ্বারা সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনা হয়?
  1. অনুচ্ছেদ ৪৫
  2. অনুচ্ছেদ ৪৬
  3. অনুচ্ছেদ ৪৭
  4. অনুচ্ছেদ ৪৯
ব্যাখ্যা

প্রথম সংশোধনী:
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
- ১৯৭২ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত মোট ১৭ বার বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম সংশোধনী গৃহীত হয় ১৯৭৩ সালে।
- এ সংশোধনীর মাধ্যমে ৪৭ অনুচ্ছেদে দুটি নতুন উপধারা সংযোজন করা হয়।
- এ সংশোধনীর মূল কারণ ছিল গণহত্যাজনিত অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ ও আন্তর্জাতিক আইনের অধীন অন্যান্য অপরাধের জন্য আইন তৈরি এবং তা কার্যকর করা।

১,৯৩১.
"Immoveable Property without Khatian not to be sold" সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কোন ধারার বিধান?
  1. ৫৩ঘ
  2. ৫৩ক
  3. ৫৩খ
  4. ৫৩গ
ব্যাখ্যা
The Transfer of Property Act, 1882 Section 53C. Immoveable Property without Khatian not to be sold:
- No immoveable property shall be sold by a person unless his name, if he is the owner of the property otherwise than by inheritance, or his name or the name of his predecessor, if he is the owner of the property by inheritance, appears in respect of the property in the latest khatian prepared under the State Acquisition and Tenancy Act, 1950, and any sale made otherwise shall be void.
------------
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৩গ ধারার বিধান: খতিয়ান না থাকা কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে না:
কোন ব্যক্তি কোন স্থাবর সম্পত্তি খতিয়ান না থাকলে বিক্রয় করতে পারবে না তবে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির ক্ষেত্রে তার নাম অথবা তার পূর্বসূরির নাম থাকলে বিক্রি করা যাবে।
SAT Act, 1950 এর অধীনে প্রস্তুতকৃত খতিয়ানে নাম না থাকলে পারবে না। অন্য কোনভাবে বিক্রয় করলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে।
১,৯৩২.
স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের পদ শূন্য হইবে, যদি-
  1. তিনি সংসদ-সদস্য না থাকেন;
  2. তিনি মন্ত্রী-পদ গ্রহণ করেন;
  3. তিনি রাষ্ট্রপতির নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে তাঁহার পদ ত্যাগ করেন;
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সংসদের সভাপতি: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সভাপতি স্পিকার। অর্থাৎ স্পিকার হলেন জাতীয় সংসদের সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৪ অনুচ্ছেদের বিধান: স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার:
 (১) কোন সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকে সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে সংসদ একজন স্পীকার ও একজন ডেপুটি স্পীকার নির্বাচিত করিবেন, এবং এই দুই পদের যে কোনটি শূন্য হইলে সাত দিনের মধ্যে কিংবা ঐ সময়ে সংসদ বৈঠকরত না থাকিলে পরবর্তী প্রথম বৈঠকে তাহা পূর্ণ করিবার জন্য সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে একজনকে নির্বাচিত করিবেন।

(২) স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের পদ শূন্য হইবে, যদি-
(ক) তিনি সংসদ-সদস্য না থাকেন;
(খ) তিনি মন্ত্রী-পদ গ্রহণ করেন;
(গ) পদ হইতে তাঁহার অপসারণ দাবী করিয়া মোট সংসদ-সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সমর্থিত কোন প্রস্তাব (প্রস্তাবটি উত্থাপনের অভিপ্রায় জ্ঞাপন করিয়া অন্যূন চৌদ্দ দিনের নোটিশ প্রদানের পর) সংসদে গৃহীত হয়;
(ঘ) তিনি রাষ্ট্রপতির নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে তাঁহার পদ ত্যাগ করেন;
(ঙ) কোন সাধারণ নির্বাচনের পর অন্য কোন সদস্য তাঁহার কার্যভার গ্রহণ করেন; অথবা
(চ) ডেপুটি স্পীকারের ক্ষেত্রে, তিনি স্পীকারের পদে যোগদান করেন।
 
(৩) স্পীকারের পদ শূন্য হইলে বা তিনি রাষ্ট্রপতিরূপে কার্য করিলে কিংবা অন্য কোন কারণে তিনি স্বীয় দায়িত্বপালনে অসমর্থ বলিয়া সংসদ নির্ধারণ করিলে স্পীকারের সকল দায়িত্ব ডেপুটি স্পীকার পালন করিবেন, কিংবা ডেপুটি স্পীকারের পদও শূন্য হইলে সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধি-অনুযায়ী কোন সংসদ-সদস্য তাহা পালন করিবেন; এবং সংসদের কোন বৈঠকে স্পীকারের অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পীকার কিংবা ডেপুটি স্পীকারও অনুপস্থিত থাকিলে সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধি-অনুযায়ী কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের দায়িত্ব পালন করিবেন।

(৪) সংসদের কোন বৈঠকে স্পীকারকে তাঁহার পদ হইতে অপসারণের জন্য কোন প্রস্তাব বিবেচনাকালে স্পীকার (কিংবা ডেপুটি স্পীকারকে তাঁহার পদ হইতে অপসারণের জন্য কোন প্রস্তাব বিবেচনাকালে ডেপুটি স্পীকার) উপস্থিত থাকিলেও সভাপতিত্ব করিবেন না এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফায় বর্ণিত ক্ষেত্রমত স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের অনুপস্থিতিকালীন বৈঠক সম্পর্কে প্রযোজ্য বিধানাবলী অনুরূপ প্রত্যেক বৈঠকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।

(৫) স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের অপসারণের জন্য কোন প্রস্তাব সংসদে বিবেচিত হইবার কালে ক্ষেত্রমত স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের কথা বলিবার ও সংসদের কার্যধারায় অন্যভাবে অংশগ্রহণের অধিকার থাকিবে এবং তিনি কেবল সদস্যরূপে ভোটদানের অধিকারী হইবেন।
(৬) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার বিধানাবলী সত্ত্বেও ক্ষেত্রমত স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকার তাঁহার উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
১,৯৩৩.
উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে দায়ভাগ মতবাদ কোন নীতিকে স্বীকৃতি দেয়?
  1. প্রতিনিধিত্ব মতবাদ
  2. অংশপিছু উত্তরাধিকার
  3. মাথাপিছু উত্তরাধিকার
  4. উল্লিখিত সবগুলোকে
ব্যাখ্যা
• দায়ভাগ মতবাদ নিম্নোক্ত নীতিগুলিকে স্বীকৃতি দেয়ঃ

(ক) প্রতিনিধিত্ব মতবাদ (Doctrine of representation):
প্রতিনিধিত্ব মতবাদ অনুসারে পুত্র, পৌত্র যার পিতা মারা গিয়েছে, তারা সকলেই পিতৃপক্ষীয় সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারীত্ব লাভ করে, কারণ পৌত্র তার পিতার এবং প্রপৌত্র তার পিতা ও পিতামহ উভয়েরই প্রতিনিধিত্ব করে।

(খ) অংশপিছু উত্তরাধিকার (Sucssession per stripes):
যেখানে প্রতিনিধিত্ব মতবাদ প্রয়োগ করা হয় এবং উত্তরাধিকারীগণ মৃত ব্যক্তির স্থলবর্তীরুপে অংশ প্রাপ্ত হন সেখানে এরুপে স্থলবর্তীরুপে অংশ পাওয়াকে অংশপিছু উত্তরাধিকার বলে।

(গ) মাথাপিছু উত্তরাধিকার (Succession per capita):
মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে তার উত্তরাধিকারগণের সমান অংশ সম্পত্তি প্রাপ্ত হওয়াকে মাথাপিছু উত্তরাধিকার বলে।
১,৯৩৪.
The Contract Act, 1872 এর বিধান অনুযায়ী Fraud (প্রতারণা) এর মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত?
  1. সত্য ঘটনা গোপন রাখা
  2. মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া
  3. প্রতারণামূলক কার্যকলাপ করা
  4. উপরোক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ The Contract Act, 1872–এর Section 17 অনুসারে, Fraud (প্রতারণা) বলতে বোঝায় –
১. মিথ্যা বক্তব্য প্রদান করা – কোনো বিষয়কে সত্য হিসাবে উপস্থাপন করা, যদিও তা মিথ্যা।
২. কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন রাখা – এমন সত্য তথ্য না জানানো যা অন্যপক্ষকে বিভ্রান্ত করতে পারে।
৩. মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া – কোনো প্রতিশ্রুতি পূরণের ইচ্ছা না থাকলেও তা দেওয়া।
৪. প্রতারণামূলক কাজ করা – অন্যকে প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে কোনো কাজ করা।
৫. আইন অনুযায়ী অন্যকে প্রতারণা করার মত কাজ – যেকোনো ধরনের অসৎ কাজ যা অন্যের ক্ষতির উদ্দেশ্যে করা হয়।

অতএব—
ক) সত্য ঘটনা গোপন রাখা 
খ) মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া 
গ) প্রতারণামূলক কার্যকলাপ করা 
সবগুলোই Fraud-এর অন্তর্ভুক্ত
------------ 
⇒ The Contract Act, 1872 Section-17. "Fraud" defined:
"Fraud" means and includes any of the following acts committed by a party to a contract, or with his connivance, or by his agent, with intent to deceive another party thereto or his agent, or to induce him to enter into the contract:- 
(1) the suggestion, as a fact, of that which is not true, by one who does not believe it to be true; 
(2) the active concealment of a fact by one having knowledge or belief of the fact; 
(3) a promise made without any intention of performing it; 
(4) any other act fitted to deceive; 
(5) any such act or omission as the law specially declares to be fraudulent. 
Explanation – Mere silence as to facts likely to affect the willingness of a person to enter into a contract is not fraud, unless the circumstances of the case are such that, regard being had to them, it is the duty of the person keeping silence to speak, or unless his silence is, in itself, equivalent to speech.

১,৯৩৫.
একজন ব্যক্তি যদি নিষিদ্ধ পণ্য (যেমন নিষিদ্ধ আমদানি সামগ্রী) বিক্রি, প্রদর্শন বা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাখেন, তাহলে তিনি বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ অনুযায়ী সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড পেতে পারেন?
  1. ৫ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১৪ বছর
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974: ধারা ২৫খ- চোরাচালানের শাস্তি–
(১) যদি কোনো ব্যক্তি আপাতত বলবত কোনো আইন দ্বারা বা আইনের অধীন আরোপিত বিধি-নিষেধ বা নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করিয়া বা আপাতত বলবত কোনো আইনের অধীন আদায়যোগ্য শুল্ক বা কর ফাঁকি দিয়া-
(ক) পাট, স্বর্ণ বা রৌপ্যের বাঁট, স্বর্ণ বা রৌপ্য নির্মিত দ্রব্য, মুদ্রা, খাদ্যদ্রব্য, ঔষধ, আমদানিকৃত পণ্যদ্রব্য, অথবা অন্য কোনো পণ্যদ্রব্য বাংলাদেশের বাহিরে নেয়; বা
(খ) বাংলাদেশের ভিতরে কোনো পণ্যদ্রব্য আনয়ন করেন,
তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ডে, বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, বা অনধিক চৌদ্দ বৎসর ও অন্যূন দুই বৎসর সশ্রম কারাদন্ডে, এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হইবেন।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি আপাতত বলবত কোনো আইন দ্বারা বা আইনের অধীন বাংলাদেশে আনয়ন করা নিষিদ্ধ এইরূপ পণ্যদ্রব্য বিক্রয় করেন, বা বিক্রয়ের জন্য প্রস্তাব করেন বা প্রদর্শন করেন বা বিক্রয়ের জন্য তাহার দখলে বা নিয়ন্ত্রণে রাখেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক সাত বৎসর কিন্তু এক বৎসরের নিম্নে নহে কারাদণ্ডে এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হইবেন।

ব্যাখ্যা: যা পণ্য নিষিদ্ধের সময় বাসভবনবহির্ভূত কোনো জায়গায় পাওয়া যায়, আদালত ধরে নেবে যে এটি ‘বিক্রির উদ্দেশ্যে’ রাখা হয়েছিল; মালিককে প্রমাণ করতে হবে যে তা বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা হয়নি বা নিষেধাজ্ঞার বলবৎ হওয়ার আগে আমদানি করা হয়েছিল।
১,৯৩৬.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর কত ধারার অধীন পারিবারিক আপিল আদালত অন্তর্বর্তী আদেশ প্রদান করতে পারে?
  1. ধারা ২১
  2. ধারা ২২
  3. ধারা ২৩
  4. ধারা ২৪
ব্যাখ্যা

পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ২১: পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত কর্তৃক অন্তর্বর্তী আদেশ প্রদান:
যদি মোকদ্দমা বা আপিলের যেকোনো পর্যায়ে, পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত হলফনামা বা অন্য কিছু দ্বারা এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, মোকদ্দমা বা আপিলের উদ্দেশ্যকে ব্যাহত করা হইতে কোনো পক্ষকে বিরত রাখিবার জন্য তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি, সেইক্ষেত্রে আদালত উহার নিকট যেরূপ উপযুক্ত প্রতীয়মান হইবে সেইরূপ অন্তর্বর্তী আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

১,৯৩৭.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ২ ধারায় কোন আইনকে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের উপর প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে?
  1. সকল ধর্মীয় আইন
  2. স্থানীয় আইন
  3. মুসলিম আইন
  4. বিশেষ অপরাধ আইন
ব্যাখ্যা
• সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ২ ধারায় মুসলিম আইনকে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের উপর প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। মুসলিম আইন অনুযায়ী- কোন মুসলিম সম্পত্তি হস্তান্তর করলে, সেই হস্তান্তরকে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ২য় অধ্যায়ের বিধানাবলী প্রভাবিত করবে না। অন্যদিকে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৮ম অধ্যায়ে ১২৯ ধারায় বলা হয়েছে, ৮ম অধ্যায়ে দান সম্পর্কিত কোন বিধান মুসলিম আইনের অধীন দানকে প্রভাবিত করবে না।

Section 2: Repeal of Acts Saving of certain enactments, incidents, rights, liabilities, etc.
Nothing herein contained shall be deemed to affect- 
(a) the provisions of any enactment not hereby expressly repealed: 
(b) any terms or incidents of any contract or constitution of property which are consistent with the provisions of this Act, and are allowed by the law for the time being in force: 
(c) any right or liability arising out of a legal relation constituted before this Act comes into force, or any relief in respect of any such right or liability: or 
(d) save as provided by section 57 and Chapter IV of this Act, any transfer by operation of law or by, or in execution of, a decree or order of a Court of competent jurisdiction: and nothing in the second chapter of this Act shall be deemed to affect any rule of Muslim law.
১,৯৩৮.
শিশুদের ক্ষেত্রে মানব পাচারের সংজ্ঞায় কোন বিষয়টি বিবেচনা করা হয় না?
  1. শিশুর বয়স
  2. শোষণের উদ্দেশ্য
  3. স্থানান্তর বা আটক
  4. বলপ্রয়োগ বা প্রতারণার মাধ্যম
ব্যাখ্যা

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর ধারা ৩(২)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, শিশুদের ক্ষেত্রে মানব পাচার অপরাধ সংঘটিত হওয়ার জন্য ধারা ৩(১)-এ বর্ণিত মাধ্যমগুলো (যেমন: ভয়ভীতি প্রদর্শন, বলপ্রয়োগ, প্রতারণা, অর্থ লেনদেন বা দুর্বলতার সুযোগ নেওয়া) বিবেচনা করা হয় না। এর অর্থ হলো, শিশুদের ক্ষেত্রে মানব পাচারের সংজ্ঞা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য এই মাধ্যমগুলোর উপস্থিতি প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই। শিশু পাচারের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র শোষণের উদ্দেশ্য এবং স্থানান্তর, আটক বা লুকাইয়া রাখার মতো কার্যক্রম প্রমাণিত হলেই তা মানব পাচার হিসেবে গণ্য হবে।

অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
ক) শিশুর বয়স: শিশু সংজ্ঞায়িত হয় ১৮ বছরের কম বয়সী ব্যক্তি হিসেবে (ধারা ২(১৪))। শিশুদের ক্ষেত্রে মানব পাচারের সংজ্ঞায় বয়স একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, কারণ এটি শিশু কিনা তা নির্ধারণ করে। তাই এটি বিবেচনা করা হয়।
খ) শোষণের উদ্দেশ্য: মানব পাচারের সংজ্ঞায় শোষণের উদ্দেশ্য (যেমন: যৌন শোষণ, শ্রম শোষণ) একটি মূল উপাদান। শিশুদের ক্ষেত্রেও এটি বিবেচিত হয়।
গ) স্থানান্তর বা আটক: মানব পাচারের সংজ্ঞায় স্থানান্তর, আটক, বিক্রয়, চালান বা লুকাইয়া রাখা অন্তর্ভুক্ত। শিশুদের ক্ষেত্রেও এই কার্যক্রমগুলো বিবেচিত হয়।
ঘ) বলপ্রয়োগ বা প্রতারণার মাধ্যম: শিশুদের ক্ষেত্রে এই মাধ্যমগুলো বিবেচনা করার প্রয়োজন নেই, কারণ শিশুরা তাদের বয়স এবং দুর্বল অবস্থানের কারণে স্বাধীনভাবে সম্মতি দিতে অক্ষম বলে গণ্য হয়।

- অর্থাৎ শিশুদের ক্ষেত্রে মানব পাচারের সংজ্ঞায় বলপ্রয়োগ বা প্রতারণার মাধ্যম বিবেচনা করা হয় না, তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) বলপ্রয়োগ বা প্রতারণার মাধ্যম।

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর ধারা ৩-মানব পাচার:
(১) ‘‘মানব পাচার’’ অর্থ কোন ব্যক্তিকে— 
(ক) ভয়ভীতি প্রদর্শন বা বলপ্রয়োগ করিয়া; বা 
(খ) প্রতারণা করিয়া বা উক্ত ব্যক্তির আর্থ-সামাজিক বা পরিবেশগত বা অন্য কোন অসহায়ত্বকে (vulnerability) কাজে লাগাইয়া; বা 
(গ) অর্থ বা অন্য কোন সুবিধা (kind) লেনদেন-পূর্বক উক্ত ব্যক্তির উপর নিয়ন্ত্রণ রহিয়াছে এমন ব্যক্তির সম্মতি গ্রহণ করিয়া; 
বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বা বাহিরে যৌন শোষণ বা নিপীড়ন বা শ্রম শোষণ বা অন্য কোনো শোষণ বা নিপীড়নের (exploitation) উদ্দেশ্যে বিক্রয় বা ক্রয়, সংগ্রহ বা গ্রহণ, নির্বাসন বা স্থানান্তর, চালান বা আটক করা বা লুকাইয়া রাখা বা আশ্রয় দেওয়া (harbour)।
(২) যেইক্ষেত্রে কোন শিশু পাচারের শিকার হয়, সেইক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) হইতে (গ) তে বর্ণিত মানব পাচার অপরাধ সংঘটনের মাধ্যমসমূহ (means)অনুসৃত হইয়াছে কিনা তাহা বিবেচিত হইবেনা।
ব্যাখ্যা— এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, যদি কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বা বাহিরে প্রতারণার মাধ্যমে, অসৎ উদ্দেশ্যে এবং বাধ্যতামূলক শ্রম বা ‘সার্ভিচিউড’ (servitude) বা ধারা-২ এর উপ-ধারা (১৫) এ বর্ণিত কোনো শোষণ বা নিপীড়নমূলক পরিস্থিতির শিকার হইতে পারে মর্মে জানা থাকা সত্বেও অন্য কোন ব্যক্তিকে কাজ বা চাকুরীর উদ্দেশ্যে গমন, অভিবাসন বা বহির্গমন করিতে প্রলুব্ধ বা সহায়তা করে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির উক্ত কর্ম উপ-ধারা (১) এ সংজ্ঞায়িত ‘‘মানব পাচার’’ এর অন্তর্ভুক্ত হইবে।

১,৯৩৯.
The Transfer of Property Act, 1882 এর ধারা ১৬ অনুসারে, যদি পূর্ববর্তী স্বার্থ ধারা ১৩ বা ১৪ অনুযায়ী ব্যর্থ হয়, তাহলে:
  1. কেবল পূর্ববর্তী স্বার্থ বাতিল হবে
  2. পরবর্তী স্বার্থও ব্যর্থ হবে
  3. পরবর্তী স্বার্থ তবুও কার্যকর থাকবে
  4. আদালত নতুন করে সিদ্ধান্ত দেবে
ব্যাখ্যা
The Transfer of Property Act, 1882- ধারা ১৬: পূর্ববর্তী স্বার্থ ব্যর্থ হলে পরবর্তী হস্তান্তরও ব্যর্থ হবে-
যখন ধারা ১৩ ও ১৪-এ বর্ণিত কোনো নিয়মের কারণে কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের শ্রেণির জন্য সৃষ্ট স্বার্থ (interest) ব্যর্থ হয়, তখন একই লেনদেনের (transaction) মধ্যে যদি সেই ব্যর্থ স্বার্থের পরে কার্যকর হওয়ার জন্য কোনো পরবর্তী স্বার্থ সৃষ্টি করা হয়ে থাকে, সেটিও ব্যর্থ বলে গণ্য হবে।

[Where, by reason of any of the rules contained in sections 13 and 14, an interest created for the benefit of a person or of a class of persons fails in regard to such person or the whole of such class, any interest created in the same transaction and intended to take effect after or upon failure of such prior interest also fails.]
১,৯৪০.
The General Clauses Act, 1897 এর কোন ধারা নিশ্চিত করে যে, আইনের প্রয়োগের ক্ষেত্রে অর্ডিন্যান্সকেও ‘আইন’ হিসেবে গণ্য করা হবে?
  1. ২৭ ধারা
  2. ২৮ ধারা
  3. ২৯ ধারা
  4. ৩০ ধারা
ব্যাখ্যা

The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ৩০: অর্ডিন্যান্সের ক্ষেত্রে আইনের প্রয়োগ:
এই আইনের মধ্যে ‘সংসদে গৃহীত আইন’ শব্দগুচ্ছ, যেখানে-যেখানে এটি ব্যবহার করা হয়েছে (ধারা ৫ ব্যতীত), এবং ‘আইন’ শব্দটি ধারা ৩-এর উপধারা (৯), (১২), (৩৮), (৪৮) ও (৫০) এবং ধারা ২৫-এ ব্যবহৃত হয়েছে, তা এমনভাবে গণ্য হবে যে এটি অর্ডিন্যান্সকেও অন্তর্ভুক্ত করে, যা প্রণীত ও প্রচলিত হয়েছে যে কেউ সংবিধানের কোনো বিধানের অধীনে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা রাখে অথবা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির দ্বারা সংবিধানের অধীনে।

⇒ এই ধারা নিশ্চিত করে যে, আইনের প্রয়োগের ক্ষেত্রে অর্ডিন্যান্সকেও ‘আইন’ হিসেবে গণ্য করা হবে।

১,৯৪১.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর অধীন অপরাধসমূহ কী ধরনের?
  1. আমলযোগ্য ও জামিনযোগ্য
  2. আমলযোগ্য ও আপোষযোগ্য
  3. অ-জামিনযোগ্য ও আপোষযোগ্য
  4. অ-আপোষযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য
ব্যাখ্যা

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ১৬ অনুসারে, এই আইনের অধীন সকল অপরাধ—
- আমলযোগ্য (Cognizable),
- অ-জামিনযোগ্য (Non-bailable) এবং
- অ-আপোষযোগ্য (Non-compoundable)।
অর্থাৎ, এই আইনের অধীনে কোনো অপরাধের অভিযোগ পাওয়া মাত্রই পুলিশ বিনা পরোয়ানায় তদন্ত শুরু করতে পারবে, অভিযুক্ত ব্যক্তি সাধারণভাবে জামিন পাবে না এবং ভিকটিম ও অভিযুক্তের মধ্যে আপোষ মীমাংসার মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তি করা যাবে না।

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ১৬: অপরাধের আমলযোগ্যতা, আপোষযোগ্যতা ও জামিনযোগ্যতা: এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ আমলযোগ্য (cognizable) , অ-জামিনযোগ্য(non-bailable) এবং অ-আপোসযোগ্য (non-compoundable) হইবে।

১,৯৪২.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর কোন ধারা অনুযায়ী, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকের দায়িত্ব পালন সরকারি চাকরি হিসেবে গণ্য হয় না?
  1. ৫ ধারা
  2. ৭ ধারা
  3. ৮ ধারা
  4. ৯ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর ৮ ধারা-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "ধারা ৪ এর অধীন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসাবে নিয়োগ প্রাপ্তি বা হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকের দায়িত্ব পালন সরকারি চাকরি হিসাবে গণ্য হইবে না।"
- এই বিধান অনুযায়ী, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকরা সরকারি কর্মচারী নন এবং তারা সরকারি চাকুরীর সুযোগ-সুবিধা (পেনশন, গ্রেড ইত্যাদি) পাবেন না। তাদের ভূমিকা একটি স্বতন্ত্র নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে।
- অর্থাৎ হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর ৮ ধারা অনুযায়ী, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকের দায়িত্ব পালন সরকারি চাকরি হিসেবে গণ্য হয় না।

১,৯৪৩.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বেআইনী উদ্দেশ্যে কোনো শিশুকে বিদেশ থেকে আনা , বিদেশে পাচার করা বা কোনো শিশুকে ক্রয়-বিক্রয় করার অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কি?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১৪ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ৬(১) ধারা তে এই বিধান ছিল যে, যদি কোন ব্যক্তি কোন বেআইনী বা নীতিবহির্ভূত উদ্দেশ্যে কোন শিশুকে বিদেশ হইতে আনয়ন করেন বা বিদেশে প্রেরণ বা পাচার করেন অথবা ক্রয় বা বিক্রয় করেন বা উক্তরুপ কোন উদ্দেশ্যে কোন শিশুকে নিজ জিম্মায় বা হেফাজতে রাখেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দন্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

বর্তমানে এই ধারা রহিত করা হয়েছে। মানব পাচার সংক্রান্ত সকল অপরাধ 'মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২' দ্বারা পরিচালিত হয়। এই আইনের ৬ ধারা অনুসারে, মানব পাচার অপরাধ সংঘটনকারী কোন ব্যক্তি অনধিক যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫(পাঁচ) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫০(পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
১,৯৪৪.
“অর্ডিন্যান্সকেও আইন বলিয়া গণ্য করা হইবে” – এই বিধান General Clauses Act এর কোন ধারায় আছে?
  1. ধারা ২৩
  2. ধারা ২৫
  3. ধারা ৩০
  4. ধারা ৩২
ব্যাখ্যা

⇒ The General Clauses Act, 1897-এর ৩০ নং ধারাতে "Application of Act to Ordinances" বা "অর্ডিন্যান্সের ক্ষেত্রে আইনের প্রয়োগ" সম্পর্কে বিস্তারিত বিধান রয়েছে। 
- এই ধারার মূল উদ্দেশ্য হলো এই বিষয়টি নিশ্চিত করা যে, যখনই The General Clauses Act-এর কোনো বিধানে "সংসদে গৃহীত আইন" (Act of Parliament) বা নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে "আইন" (Act) শব্দটি ব্যবহৃত হবে, তখন তার অর্ন্তভুক্ত হবে সংবিধানের অধীনে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত ও প্রচলিত অর্ডিন্যান্সও।
- অর্থাৎ এই ধারাটি অর্ডিন্যান্সকে সাধারণ আইনের (Act) সমতুল্য আইনি মর্যাদা প্রদান করে এবং এর প্রয়োগ ও ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে The General Clauses Act-এর বিধানগুলো অর্ডিন্যান্সের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে বলে স্পষ্ট করে।
তাই, আইনের প্রয়োগের ক্ষেত্রে অর্ডিন্যান্সকে ‘আইন’ হিসেবে গণ্য করার বিধানটি ধারা ৩০-এ রয়েছে।

The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ৩০: অর্ডিন্যান্সের ক্ষেত্রে আইনের প্রয়োগ:
এই আইনের মধ্যে ‘সংসদে গৃহীত আইন’ শব্দগুচ্ছ, যেখানে-যেখানে এটি ব্যবহার করা হয়েছে (ধারা ৫ ব্যতীত), এবং ‘আইন’ শব্দটি ধারা ৩-এর উপধারা (৯), (১২), (৩৮), (৪৮) ও (৫০) এবং ধারা ২৫-এ ব্যবহৃত হয়েছে, তা এমনভাবে গণ্য হবে যে এটি অর্ডিন্যান্সকেও অন্তর্ভুক্ত করে, যা প্রণীত ও প্রচলিত হয়েছে যে কেউ সংবিধানের কোনো বিধানের অধীনে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা রাখে অথবা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির দ্বারা সংবিধানের অধীনে।

The General Clauses Act, 1897 Section-30. Application of Act to Ordinances:
In this Act the expression Act of Parliament wherever it occurs, except in section 5, and the word "Act" in clauses (9), (12), (38), (48) and (50) of section 3 and in section 25 shall be deemed to include an Ordinance made and promulgated by any person having authority to legislate under any constitutional provision or by the President of Bangladesh under the Constitution.

১,৯৪৫.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে 'বাকশাল' গঠন করা হয়?
  1. দ্বিতীয় সংশোধনী
  2. তৃতীয় সংশোধনী
  3. চতুর্থ সংশোধনী
  4. পঞ্চম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী ও বাকশাল:
-চতুর্থ সংশোধনী বাংলাদেশের সাংবিধানিক ইতিহাসে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্রের বদলে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু হয়।
- দেশে একটি জাতীয় রাজনৈতিক দল সৃষ্টি করা হয়।
- যার নাম ছিল বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক লীগ (বাকশাল)।
- ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী গৃহীত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাকশাল ব্যবস্থা ছিল রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা।
- ১৯৭৫ সালে ২৫ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
- ১৯৭৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি দেশের সকল রাজনৈতিক দল ভেঙে দিয়ে 'বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামীলীগ' বা 'বাকশাল' গঠন করা হয়।
- বাকশাল গঠনের মাধ্যমে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা চালু হয়।
- ১৯৭৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে বাকশাল কার্যকর হওয়ার কথা ছিলো।
- এর সভাপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী।

উৎস: i) পৌরনীতি, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৪৬.
এক ব্যক্তি ফেসবুকে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এক বিভ্রান্তিকর তথ্য পোস্ট করে। এক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড পেতে পারে?
  1. ৫ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ১৪ বছর
  4. ১০ বছর
ব্যাখ্যা
• সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ২১ ধারা- মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণার দণ্ড:

(১) যদি কোনো ব্যক্তি ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণা চালান বা উহাতে মদদ প্রদান করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

উল্লেখ্য, 
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ২১ ধারার বিধান মতে উল্লিখিত অপরাধের সর্বোচ্চ কারাদণ্ড ১০ বৎসর ছিলো। কিন্তু বর্তমানে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ কে সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ দ্বারা রহিত করা হয়েছে। অর্থাৎ বর্তমানের সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ২১ ধারার বিধান মতে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড ৫ বৎসর।
১,৯৪৭.
Power of the Court to make order as to guardianship সম্পর্কিত বিধানটি The Guardians and Wards Act. 1890 এর কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৪৭
  2. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• Section 7- Power of the Court to make order as to guardianship

(1) Where the Court is satisfied that it is for the welfare of a minor that an order should be made- 
(a) appointing a guardian of his person or property, or both, or 
(b) declaring a person to be such a guardian,
the Court may make an order accordingly

Provided that no person, other than a citizen of Bangladesh, shall be appointed or declared to be a guardian of a minor who is a citizen of Bangladesh.
 
(2) An order under this section shall imply the removal of any guardian who has not been appointed by will or other instrument or appointed or declared by the Court. 
 
(3) Where a guardian has been appointed by will or other instrument or appointed or declared by the Court, an order under this section appointing or declaring another person to be guardian in his stead shall not be made until the powers of the guardian appointed or declared as aforesaid have ceased under the provisions of this Act.
১,৯৪৮.
SAT Act, 1950 এর ১৪২ ধারার বিধান অনুসারে বকেয়া খাজনা আদায়ের তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪২ ধারার বিধান: তামাদি:
"যে বছরে খাজনা বাকি থাকে, সেই বছরের শেষ দিন থেকে তিন বছরের মধ্যে খাজনা আদায় করা যাবে।"

Section 142. Limitation:

The period of limitation for the recovery of an arrear of rent shall be three years running from the last day of the year in which the arrear fell due.
১,৯৪৯.
মুসলিম আইন অনুসারে 'ক' তার ৪ জন স্ত্রী থাকা অবস্থায়, ৫ম স্ত্রী গ্রহণ করলে বিবাহটি কী ধরনের হবে?
  1. বৈধ বিবাহ
  2. বাতিল বিবাহ
  3. হারাম বিবাহ
  4. অনিয়মিত বিবাহ
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম আইন (শরীয়া) অনুসারে, একজন পুরুষ সর্বোচ্চ ৪ জন স্ত্রী একই সময়ে রাখতে পারে। ৪ জন স্ত্রী থাকা অবস্থায় ৫ম স্ত্রী গ্রহণ করলে বিবাহটি বৈধ বা বাতিল নয়, বরং অনিয়মিত (Irregular বা Fasid) বিবাহ হিসেবে গণ্য হয়। এটি ত্রুটিপূর্ণ কিন্তু সম্পূর্ণ বাতিল নয়, কারণ স্বামী অন্য স্ত্রীদের মধ্যে যেকোনো একজনকে তালাক দিয়ে এই বিবাহকে বৈধ করতে পারেন।

⇒ অনিয়মিত বিবাহের সংজ্ঞা (Definition of irregular marriage):
যে বিবাহ মূলত বে-আইনী নয়, কিন্তু এতে বৈধ বিবাহের কোনো নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে প্রমাণিত হয়, তবে ঐ বিবাহকে অনিয়মিত বিবাহ বা ফাসিদ বিবাহ বলে। অর্থাৎ যে বিবাহ ত্রুটিপূর্ণ, কিন্তু বাতিল নয় এটিই অনিয়মিত বিবাহ। 
- একজন মুলমানের একই সময়ে চারজন স্ত্রী থাকতে পারে, কিন্তু তার বেশি নয়। চারজন স্ত্রী থাকাকালে ঐ ব্যক্তি পঞ্চম স্ত্রী গ্রহণ করলে পঞ্চম বিবাহটি বাতিল হবে না, তবে এ বিয়েটি ফাসিদ বা অবৈধ বিবাহ হবে। এটি বাতিল বিবাহ নয়, কারণ, স্বামী অন্য স্ত্রীদের যেকোনো একজনকে তালাক দিয়ে পঞ্চম বিবাহকে বৈধ করতে পারে।

১,৯৫০.
১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কোন আইনের অধীন অপরাধসমূহের বিচার করতে পারে?
  1. The Arms Act,1878
  2. সাইবার নিরাপত্তা আইন,২০২৩
  3. মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮
  4. উল্লিখিত সকল আইনের
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৬ (২) ধারা অনুসারে গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল এই আইনের তফসিলে উল্লেখিত নির্দিষ্ট অপরাধসমূহের বিচার করতে পারবে। বিশেষ ট্রাইব্যুনাল তফসিলে উল্লেখিত নিম্নলিখিত অপরাধসমূহের বা নিম্নলিখিত আইনে উল্লেখিত অপরাধসমূহের বিচার করতে পারবে-

১. ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীন বর্ণিত অপরাধসমূহ;
২. the Arms Act, 1878 (XI of 1878) এর অধীন অপরাধসমূহ;
৩. the Explosive Substances Act, 1908 (VI of 1908) এর অধীন অপরাধসমূহ;
৪. the Emergency Powers Act, 1975 এর অধীন অপরাধসমূহ;
৫. ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৫ [Formalin Control Act, 2015)] এর অধীন অপরাধসমূহ;
৬. Any attempt or conspiracy to commit, or any abetment of, or any preparation for commission of, any of the above offences.
১,৯৫১.
'ক' একজন দাতা। 'ক' তার সম্পত্তির কিছু অংশ 'খ' কে দান করার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু দান গ্রহণের আগে 'খ' দুর্ঘটনায় মারা যান। এক্ষেত্রে-
  1. দান স্থগিত থাকবে
  2. দান বাতিল হবে
  3. দান কার্যকর হবে
  4. দান গ্রহণ করার জন্য সময় বাড়ানো হবে
ব্যাখ্যা
⇒ দানগ্রহীতা দানের পূর্বে যদি মারা যান, তবে দান বাতিল হয়ে যাবে এবং দানের কোনো কার্যকারিতা থাকবে না।

সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১২২ ধারার বিধান: দান (Gift) এর সংজ্ঞা:
এক ব্যক্তি স্বেচ্ছায় এবং প্রতিদান ছাড়া নির্দিষ্ট বিদ্যমান কোন অস্থাবর বা স্থাবর সম্পত্তি অন্য ব্যক্তিকে হস্তান্তর করলে এবং সে ব্যক্তি বা তার পক্ষ হতে এই হস্তান্তর গ্রহণ করলে তাকে দান বলা হয়। যে ব্যক্তি এভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর করে তাকে দাতা এবং যে ব্যক্তি তা গ্রহণ করে তাকে দানগ্রহীতা বলা হয়।

দান কখন গ্রহণ করতে হয় (Acceptance when to be made)-
- দাতার জীবনকালে এবং দাতা দান করতে সম্পূর্ণ সক্ষম অবস্থায় উক্ত দান অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে।
- দান গ্রহণের পূর্বে যদি দানগ্রহীতা মারা যায় তাহলে দান বাতিল হবে।

Section 122.“Gift” defined:
“Gift” is the transfer of certain existing moveable or immoveable property made voluntarily and without consideration, by one person, called the donor, to another, called the donee, and accepted by or on behalf of the donee.

Acceptance when to be made:
Such acceptance must be made during the lifetime of the donor and while he is still capable of giving. 
If the donee dies before acceptance, the gift is void.
১,৯৫২.
সম্পত্তির মূল্য দশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব ত্রিশ লক্ষ টাকা হলে, স্থাবর সম্পত্তির বণ্টননামা দলিলের নিবন্ধন ফিস-
  1. সাতশত টাকা
  2. এক হাজার দুইশত টাকা
  3. এক হাজার আটশত টাকা
  4. দুই হাজার টাকা
ব্যাখ্যা
• ধারা ৭৮খ এর বিধান বণ্টননামা দলিলের জন্য নিবন্ধন ফিস:- ধারা ৭৮ বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন; স্থাবর সম্পত্তি বিষয়ক বণ্টননামা দলিলের নিবন্ধন ফিস হইবে নিম্নরূপ, যথা:

(১) সম্পত্তির মূল্য অনূর্ধ্ব তিন লক্ষ টাক হইলে, পাঁচশত টাকা;
(২) সম্পত্তির মূল্য তিন লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব দশ লক্ষ টাকা হইলে, সাতশত টাকা:
(৩) সম্পত্তির মূল্য দশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব ত্রিশ লক্ষ টাকা হইলে, এক হাজার দুইশত টাকা:
(৪) সম্পত্তির মূল্য ত্রিশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ লক্ষ টাকা হইলে, এক হাজার আটশত টাকা:
(৫) সম্পত্তির মূল্য পঞ্চাশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে হইলে, দুই হাজার টাকা।

অর্থাৎ সম্পত্তির মূল্য দশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব ত্রিশ লক্ষ টাকা হলে, স্থাবর সম্পত্তির বণ্টননামা দলিলের নিবন্ধন ফিস- এক হাজার দুইশত টাকা।
১,৯৫৩.
মুসলিম হানাফী আইন অনুসারে সংলগ্ন বা পার্শ্ববর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক কোন শ্রেণীর অগ্রক্রয়ের অধিকারী?
  1. শাফি-ই-শরিক
  2. শাফি-ই-খালিত
  3. শাফি-ই-জার
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম হানাফী আইন অনুযায়ী অগ্রক্রয়ের (শুফা) তিন শ্রেণির অধিকারী হলেন:
১. শাফি-ই-শরিক → সহ-মালিক (co-sharer)
২. শাফি-ই-খালিত → রাস্তা/নালা/সেচ ইত্যাদি সুবিধার অংশীদার
৩. শাফি-ই-জার → সংলগ্ন বা পার্শ্ববর্তী জমির মালিক (vicinal owner / neighbouring owner) 

অর্থাৎ পাশের জমির মালিক হলেন শাফি-ই-জার। তিন শ্রেণির মধ্যে এই শ্রেণিটির অগ্রাধিকার সবচেয়ে কম।

⇒  Pre-emption বা অগ্রক্রয় হলো জমির ক্রয় সংক্রান্ত একটি অধিকার। আরবি ভাষায় এটি 'শুফা' (Shufaa) নামে পরিচিত। অগ্রক্রয় বলতে অন্য কোনো ব্যক্তির ক্রয়কৃত স্থাবর সম্পত্তি ক্রয়ের মাধ্যমে মালিকানা লাভের অধিকারকে বুঝায়, যা কোনো ব্যক্তির পক্ষে ঐ সম্পত্তিতে শরিক কিংবা প্রতিবেশী হওয়ার কারণে সৃষ্টি হয়।

মুসলিম হানাফী আইন অনুযায়ী, ৩ শ্রেণির ব্যক্তির অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের অধিকার আছে-
১) শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik]- সম্পত্তিতে কোন সহ-অংশীদার।
২) শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]- সুবিধাসমূহের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারী।
৩) শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]- সংলগ্ন বা পার্শ্ববর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক।

- অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ:
এই তিন প্রকারের অগ্রক্রয়ের অধিকারীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হলে ক্রমিক অনুসারে অগ্রাধিকার পাবে। বিভিন্ন শ্রেণির অগ্রক্রয়ের অধিকারীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হলে প্রথম স্তরের অধিকারী দ্বিতীয় স্তর কে এবং দ্বিতীয় স্তরের অধিকারী তৃতীয় স্তরকে রহিত করবে। একই স্তরের একাধিক ব্যক্তি অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে চাইলে তারা সবাই অগ্রক্রয়ের অধিকারকৃত ভূমির সমান ভাগ পাবে।

১,৯৫৪.
'Doctrine of Pleasure' has been reflected in ______ of the Constitution.
  1. Article 94
  2. Article 104
  3. Article 124
  4. Article 134
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ১৩৪: কর্মের মেয়াদ-
এই সংবিধানের দ্বারা অন্যরূপ বিধান না করা হইয়া থাকিলে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।

Article 134: Tenure of office-
Except as otherwise provided by this Constitution every person in the service of the Republic shall hold office during the pleasure of the President.

কিছু কিছু পদের মেয়াদ রাষ্ট্রপতির ইচ্ছার উপর নির্ভর করে থাকে। রাষ্ট্রপতি যতদিন চাইবেন কোন ব্যক্তি উক্ত পদে ততদিন বহাল থাকতে পারবেন। সংবিধানের ভাষায় একে 'Doctrine of Pleasure'. সংবিধানের ১৩৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকবে। তাই বলা যায়, অপশন গুলোর মধ্যে ১৩৪ অনুচ্ছেদেই 'Doctrine of pleasure' নীতিটি বর্ণিত হয়েছে।

১,৯৫৫.
শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৩২ অনুযায়ী, শিশু-আদালতের বিচারকার্য সম্পন্ন করার জন্য নির্ধারিত মূল সময়সীমা কত?
  1. ১৮০ দিন
  2. ২৪০ দিন
  3. ৩৬০ দিন
  4. ৪২০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৩২(১) অনুযায়ী, শিশু-আদালত শিশুর প্রথম উপস্থিতির তারিখ থেকে ৩৬০ (তিনশত ষাট) দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে বাধ্য। যদি বিশেষ কারণে সময় বাড়ানোর প্রয়োজন হয়, তবে ধারা ৩২(২) অনুযায়ী আরও ৬০ দিন বাড়ানো যেতে পারে, কিন্তু মূল সময়সীমা ৩৬০ দিন।

⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৩২: বিচার সমাপ্তির সময়সীমা:
(১) ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশু-আদালত উক্ত আদালতে শিশুর প্রথম উপস্থিত হইবার তারিখ হইতে ৩৬০ (তিনশত ষাট) দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে।
(২) কোন যুক্তিসঙ্গত ও বাস্তব কারণে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করা সম্ভব না হইলে শিশু-আদালত, উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, সংশ্লিষ্ট বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা আরও ৬০ (ষাট) দিন বর্ধিত করিতে পারিবে।
(৩) শিশু-আদালতে বিচার আরম্ভ হইবার পর হইতে, বিচার কার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত যতদূর সম্ভব, একাদিক্রমে উহার কার্যক্রম প্রত্যেক কার্যদিবসে বিনা বিরতিতে চলিতে থাকিবে।
(৪) উপ-ধারা (১) ও (২) এ বর্ণিত সময়ের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করা না হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু, হত্যা, ধর্ষণ, দস্যুতা, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা বা অন্য কোন জঘন্য, ঘৃণ্য বা গুরুতর অপরাধের দায়ে দায়েরকৃত মামলা ব্যতীত, শিশু-আদালতের বিবেচনায় তাহার বিরুদ্ধে আনীত লঘু মাত্রার অভিযোগ হইতে অব্যাহতি পাইবে এবং একই অপরাধের জন্য তাহার বিরু্দ্ধে অন্য কোন বিচার প্রক্রিয়া গ্রহণ করা যাইবে না: 
তবে শর্ত থাকে যে, সংশ্লিষ্ট মামলায় কোন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি অভিযুক্ত থাকিলে তাহার মামলা অব্যাহত থাকিবে।

১,৯৫৬.
A, being entitled to an estate for the life of B, agrees to sell it to C. B was dead at the time of the agreement, but both parties were ignorant of the fact. The agreement is _________.
  1. valid
  2. void
  3. voidable
  4. legal
ব্যাখ্যা
(ধারা ২০)
যখন কোনো চুক্তির উভয় পক্ষই এমন কোনো সত্যিকার বিষয় সম্পর্কে ভুল ধারণায় থাকে যা চুক্তির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তখন সেই চুক্তি বাতিল (Void) হবে।

ব্যাখ্যা: কোনো বস্তুর মূল্য সম্পর্কে ভুল ধারণা থাকাকে সত্যিকার বিষয়ে ভুল (mistake as to matter of fact) ধরা হবে না।

উদাহরণসমূহ:
(ক) A ও B চুক্তি করে, A ইংল্যান্ড থেকে চট্টগ্রামগামী নির্দিষ্ট পণ্যবাহী জাহাজের মালামাল B-কে বিক্রি করবে বলে। কিন্তু চুক্তির আগে জাহাজটি ডুবেযাওয়া ও মালামাল হারিয়ে যাওয়ার খবর উভয় পক্ষের অজানা। তাই চুক্তিটি বাতিল।
(খ) A চুক্তি করে B থেকে একটি ঘোড়া কিনবে। কিন্তু চুক্তির সময় ঘোড়াটি মৃত ছিল, যা উভয় পক্ষ জানে না। তাই চুক্তিটি বাতিল।
(গ) A চুক্তি করে B-এর জীবদ্দশায় তার একটি সম্পত্তি C-কে বিক্রি করবে। কিন্তু চুক্তির সময় B মৃত ছিল, যা উভয় পক্ষ জানত না। তাই চুক্তিটি বাতিল।
১,৯৫৭.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর বিধান অনুসারে Maintenance বা তালাক সংক্রান্ত Arbitration Council-এর সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করা যায়—
  1. পারিবারিক আদালতের কাছে
  2. সিনিয়র সহকারী জজের কাছে
  3. উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে
  4. সহকারী জজের কাছে
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর বিধান অনুসারে, Arbitration Council-এর সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার (revision) জন্য আবেদন সংশ্লিষ্ট সহকারী জজ (Assistant Judge)-এর কাছে করা যায়। এটি নিম্নলিখিত ধারাগুলোর মাধ্যমে স্পষ্ট হয়:
- Maintenance (ভরণপোষণ) সংক্রান্ত: ধারা ৯(২)-এ উল্লেখ আছে যে, Arbitration Council কর্তৃক ভরণপোষণের পরিমাণ নির্ধারণের সার্টিফিকেট জারির পর, স্বামী বা স্ত্রী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এবং নির্ধারিত ফি প্রদান করে সহকারী জজের কাছে পুনর্বিবেচনার (revision) জন্য আবেদন করতে পারেন। এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হয় এবং কোনো আদালতে এর বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলা যায় না।
- তালাক সংক্রান্ত: ধারা ৭(৪)-এ তালাকের ক্ষেত্রে Arbitration Council-এর সিদ্ধান্তের পুনর্বিবেচনার (revision) জন্যও সহকারী জজের কাছে আবেদন করার বিধান রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, বহুবিবাহের অনুমতি (ধারা ৬) বা তালাকের প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে Arbitration Council-এর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্ধারিত সময় ও ফি প্রদান করে সহকারী জজের কাছে আবেদন করা যায়, এবং তাঁর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।

অর্থাৎ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ধারা ৬(৪) এবং ৯(২) অনুসারে, Maintenance বা তালাক সংক্রান্ত Arbitration Council-এর সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার (revision) জন্য আবেদন সহকারী জজের কাছে করা যায়। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) সহকারী জজের কাছে।

১,৯৫৮.
দুর্নীতি দমন কমিশন একটি ________________ কমিশন।
  1. সাংবিধানিক ও সরকারি
  2. স্বাধীন ও নিরপেক্ষ
  3. সাংবিধানিক ও নিরপেক্ষ
  4. সরকারি ও বিধিবদ্ধ
ব্যাখ্যা
• দেশে দুর্নীতি এবং দুর্নীতিমূলক কার্য প্রতিরোধের লক্ষ্যে দুর্নীতি এবং অন্যান্য সুনির্দিষ্ট অপরাধের অনুসন্ধান এবং তদন্ত পরিচালনার জন্য একটি স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন প্রতিষ্ঠা এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধানকল্পে প্রণীত আইন হচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪।

ধারা ৩- কমিশন প্রতিষ্ঠা, ইত্যাদি

(১) এই আইন, বলবৎ হইবার পর যতশীঘ্র সম্ভব, সরকার, সরকারী গেজেটে, প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে দুর্নীতি দমন কমিশন নামে একটি কমিশন প্রতিষ্ঠা করিবে।

(২) এই কমিশন একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন হইবে। 

(৩) কমিশন একটি স্বশাসিত সংস্থা হইবে এবং উহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং এই আইন ও বিধি সাপেক্ষে, উহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার এবং উহা হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং উহার নামে উহা মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং উহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।
১,৯৫৯.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে স্থানীয় শাসন সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫৯
  2. অনুচ্ছেদ ৬০
  3. অনুচ্ছেদ ৬১
  4. অনুচ্ছেদ ৫৮
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানে স্থানীয় শাসন সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে বলা হয়েছে অনুচ্ছেদ ৬০-এ।
- এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহকে তিনটি প্রধান ক্ষমতা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে—
১. কর আরোপের ক্ষমতা
২. বাজেট প্রণয়নের ক্ষমতা
৩. নিজস্ব তহবিল রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতা
- এইসব ক্ষমতা প্রদান করা হবে সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের মাধ্যমে, এবং এর মাধ্যমে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের এলাকায় স্বশাসন ও উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবে।

→ অনুচ্ছেদ ৬০ এর মূল বক্তব্য: "এই সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদের বিধানাবলীকে পূর্ণ কার্যকরতাদানের উদ্দেশ্যে সংসদ আইনের দ্বারা উক্ত অনুচ্ছেদে উল্লিখিত স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানসমূহকে স্থানীয় প্রয়োজনে কর আরোপ, বাজেট প্রস্তুতকরণ ও নিজস্ব তহবিল রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতা প্রদান করিবেন।"

→ তাই, স্থানীয় সরকারের ক্ষমতা সংক্রান্ত বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬০-এ উল্লেখ রয়েছে।
১,৯৬০.
কখন জাতীয় সদস্যদের আসন শূন্য হবে?
  1. সংসদ ভাঙ্গিয়া গেলে,
  2. সদস্যদের অনুমতি ছাড়া একাদিক্রমে নব্বই বৈঠক-দিবস অনুপস্থিত থাকলে,
  3. শপথগ্রহণ বা ঘোষণা করতে ও শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিতে অসমর্থ হলে,
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৭ অনুচ্ছেদের বিধান: সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া:

(১) কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হইবে, যদি,
(ক) তাঁহার নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে নব্বই দিনের মধ্যে তিনি তৃতীয় তফসিলে নির্ধারিত শপথগ্রহণ বা ঘোষণা করিতে ও শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিতে অসমর্থ হন:
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ মেয়াদ অতিবাহিত হইবার পূর্বে স্পীকার যথার্থ কারণে তাহা বর্ধিত করিতে পারিবেন;

(খ) সংসদের অনুমতি না লইয়া তিনি একাদিক্রমে নব্বই বৈঠক-দিবস অনুপস্থিত থাকেন;
(গ) সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়;
(ঘ) তিনি এই সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন অযোগ্য হইয়া যান; অথবা
(ঙ) এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বর্ণিত পরিস্থিতির উদ্ভব হয়।

(২) কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন, এবং স্পীকার- কিংবা স্পীকারের পদ শূন্য থাকিলে বা অন্য কোন কারণে স্পীকার স্বীয় দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ডেপুটি স্পীকার- যখন উক্ত পত্র প্রাপ্ত হন, তখন হইতে উক্ত সদস্যের আসন শূন্য হইবে।
----------
⇒ Article 67. Vacation of seats of members:
(1) A member of Parliament shall vacate his seat – 
(a) if fails, within the period of ninety days from the date of the first meeting of Parliament after his election, to make and subscribe 42[* * *] the oath or affirmation prescribed for a member of Parliament in the Third Schedule: 
Provided that the Speaker may, before the expiration of that period, for good cause extend it; 

(b) if he is absent from Parliament, without the leave of Parliament, for ninety consecutive sitting days; 
(c) upon a dissolution of Parliament; 
(d) if he has incurred a disqualification under clause (2) of article 66; or 
(e) in the circumstances specified in article 70. 

(2) A member of Parliament may resign his seat by writing under his hand addressed to the Speaker, and the seat shall become vacant when the writing is received by the Speaker or, if the office of Speaker is vacant or the Speaker is for any reason unable to perform his functions, by the Deputy Speaker.
১,৯৬১.
রাষ্ট্রপতির কাছে আপীল বিভাগের মতামত প্রদানের এখতিয়ারকে কী বলা হয়?
  1. বিশেষ এখতিয়ার
  2. বিচারিক এখতিয়ার
  3. উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার
  4. পুনর্বিবেচনা এখতিয়ার
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: (গ) উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার।

বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৬ অনুযায়ী-
যদি রাষ্ট্রপতির মনে হয় যে, কোনো আইনি প্রশ্ন (question of law) জনগুরুত্বপূর্ণ এবং এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের মতামত প্রয়োজন,
তাহলে তিনি সেই প্রশ্নটি আপীল বিভাগের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করতে পারেন।

আপীল বিভাগ তখন শুনানি করে রাষ্ট্রপতিকে তার মতামত (opinion) প্রদান করতে পারে। এই এখতিয়ারকে বলা হয় - “উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার” (Advisory Jurisdiction)।

১,৯৬২.
'Rule of Harmonious Construction' দ্বারা বোঝায় আইনের দুইটি ধারা পরস্পর সাংঘর্ষিক হলে-
  1. নতুন ভাবে ব্যাখ্যা করা করতে হবে যেন উভয় ধারা অকার্যকর হয়
  2. পূর্বের ধারাটি কার্যকর হবে,পরের ধারাটি বাতিল হবে
  3. পূর্বের ধারাটি বাতিল হবে, পরের ধারাটি কার্যকর হবে
  4. এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে যেন উভয় ধারা কার্যকর হয়
ব্যাখ্যা
একই আইনের মধ্যে পরস্পর অসংগতিপূর্ণ বা সাংঘর্ষিক বিধান বিদ্যমান থাকলে তাকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে, যেন ঐ আইনের সবগুলো বিধানকে একই সাথে কার্যকর করা যায় এবং এতে বিদ্যমান পরস্পর বৈরিতা প্রত্যাখ্যান করা সম্ভব হয়। আইন ব্যাখ্যার এই নীতিই 'Rule of Harmonious Construction' (আইন ব্যাখ্যার বৈরিতামুক্ত নীতি/সামঞ্জস্যমূলক নীতি) নামে পরিচিত।

ভারতীয় সুপ্রীমকোর্ট 'Rule of Harmonious Construction' নীতির নিম্নরূপ ব্যাখ্যা দিয়েছেন:

(১) কোনো আইনে দুটি ধারার প্রয়োগে যদি দেখা যায়, ধারা দু'টি একে অন্যের সাথে বিরোধপূর্ণ; তাহলে ধারা দু'টি এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে, যেন ধারা দুটিকে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে প্রয়োগ করা যায়। অর্থাৎ, এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে যেন উভয় ধারা কার্যকর হয়।

(২) একটি ধারার বিধানকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করা যাবে না, যাতে অন্য কোনো ধারার বিধান অকার্যকর বা সাংঘর্ষিক হয়।
১,৯৬৩.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর অধীনে অগ্রক্রয়ের মামলা দাখিলের সময় নোটিশে উল্লিখিত মূল্যের উপর শতকরা কতভাগ হারে ক্ষতিপূরণ আদালতে জমা দিতে হবে?
  1. ২%
  2. ৫%
  3. ৬.২৫%
  4. ২৫%
ব্যাখ্যা
⇒ The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ২৪ ধারায় যে সকল বিষয় অগ্রক্রয়ের মামলার সাথে আদালতে জমা দিতে হবে তার বিধান আছে:
- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকা [Consideration Money]। 
- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকার উপর ৫% হারে ক্ষতিপূরণ।
- ভূমি হস্তান্তরের তারিখ হতে আবেদনের সমনের নোটিশ প্রদানের তারিখের মধ্যে ভূমি হস্তান্তর করা হয়েছে সেখানে কোন দালান, স্থাপনা বা কোন উন্নয়ন করার জন্য যে ব্যয় হয়েছে সেই ব্যয়ের উপর ৬.২৫% হারে বার্ষিক সুদ প্রদান।
-----------
⇒ Section 24. Power of the co-sharer or the immediate landlord of transferor to purchase:
- (1) If a portion or share of the non-agricultural land held by a non-agricultural tenant is transferred, one or more co-sharer tenants of such land may, within four months of the service of notice issued under section 23 and, in case no notice had been issued or served, then within four months from the date of knowledge of such transfer, apply to the court for such portion or share to be transferred to himself or to themselves, as the case may be.

- (2) The application under sub-section (1) shall be dismissed unless the applicant at the time of making it deposits in Court the amount of the consideration money or the value of the portion or share of the property transferred as stated in the notice served on the applicant under section 23 together with compensation at the rate of five per centum of such amount.

-(3) If such deposit is made, the Court shall give notice to the transferee to appear within such period as it may fix and to state what other sums he has paid in respect of rent for the period after the date of transfer or in annulling encumbrances on the property and also what other amounts, if any, have been spent by him, between the date of the transfer and the date of service of the notice of the application, in erecting any building or structure or in making any other improvement in the portion or share of the property transferred. The Court shall then direct the applicant, including any person whose application under sub-section (4) is granted, to deposit within such period as the Court thinks reasonable such amount as the transferee has paid or spent on these accounts together with interest at the rate of six and a quarter per centum per annum with effect from the date on which the transferee made such payments or spent such amounts.
১,৯৬৪.
বাংলাদেশ সংবিধান অনুসারে, প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ-
  1. ৫ বছর পর্যন্ত
  2. রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত
  3. প্রধানমন্ত্রীর উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত
  4. ক বা গ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ: ৫৭ প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ

(১) প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হইবে, যদি-
(ক) তিনি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট পদত্যাগপত্র প্রদান করেন; অথবা 
(খ) তিনি সংসদ-সদস্য না থাকেন। 
 
(২) সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন হারালে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করবেন কিংবা সংসদ ভাংগিয়া দিবার জন্য লিখিতভাবে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দান করিবেন এবং তিনি অনুরূপ পরামর্শদান করিলে রাষ্ট্রপতি, অন্য কোন সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন নহেন এই মর্মে সন্তুষ্ট হইলে, সংসদ ভাংগিয়া দিবেন। 
(৩) প্রধানমন্ত্রীর উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীকে স্বীয় পদে বহাল থাকিতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই অযোগ্য করিবে না।

• ৫৭ অনুচ্ছেদে প্রধানমন্ত্রীর পদের কোন নির্দিষ্ট মেয়াদ উল্লেখ করা হয়নি। অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ ৫ বৎসর বা এটা বলা হয় নি। ৫৭ অনুচ্ছেদটি এমনভাবে বিধান করা হয়েছে যে, মেয়াদজনিত কারণে কখনও প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হবে না, বা মেয়াদ অতিবাহিত হয়েছে এই কারণে প্রধানমন্ত্রীর পদ কখনও শূন্য হবে না। প্রধানমন্ত্রীর উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত, প্রধানমন্ত্রী স্বীয় পদে বহাল থাকতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই অযোগ্য করবে না।

Article 57: Tenure of office of Prime Minister

(1) The office of the Prime Minister shall become vacant– 
(a) if he resigns from office at any time by placing his resignation in the hands of the President; or 
(b) if he ceases to be a member of Parliament. 
 
(2) If the Prime Minister ceases to retain the support of a majority of the members of Parliament, he shall either resign his office or advise the President in writing to dissolve Parliament, and if he so advises the President shall, if he is satisfied that no other member of Parliament commands the support of the majority of the members of Parliament, dissolve Parliament accordingly. 
 
(3) Nothing in this article shall disqualify Prime Minister for holding office until his successor has entered upon office.
১,৯৬৫.
মুসলিম বিবাহ এবং তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪ অনুসারে, যদি Nikah Registrar কোনো বিবাহ বা তালাক নিবন্ধন করতে অস্বীকৃতি জানান, তবে কোথায় আপিল করা যাবে?
  1. পারিবারিক আদালতে
  2. রেজিস্ট্রার কাছে
  3. জেলা প্রশাসকের কাছে
  4. দায়রা আদালতে
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: খ) রেজিস্ট্রার কাছে।
⇒ মুসলিম বিবাহ এবং তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ৬(৪) অনুসারে, যদি Nikah Registrar কোনো বিবাহ বা তালাক নিবন্ধন করতে অস্বীকৃতি জানান, তবে উক্ত অস্বীকৃতির বিরুদ্ধে ৩০ দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রার এর কাছে আপিল করা যেতে পারে। রেজিস্ট্রার সেই আপিলের ওপর সিদ্ধান্ত দেবেন এবং তার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে।

মুসলিম বিবাহ এবং তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪-এর ধারা ৬(৪) অনুসারে:
- যদি কোনো নিকাহ রেজিস্ট্রার তালাক নিবন্ধনে অস্বীকৃতি জানান, তাহলে আবেদনকারী (স্বামী/স্ত্রী বা তাদের আইনানুগ প্রতিনিধি) ৩০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রারের কাছে আপিল করতে পারবেন।
- রেজিস্ট্রারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে।
- আপিলের সময়সীমা: নিকাহ রেজিস্ট্রার কর্তৃক নিবন্ধন প্রত্যাখ্যানের ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে।
- আপিলের কর্তৃপক্ষ: শুধুমাত্র রেজিস্ট্রার (স্থানীয় নিবন্ধন অফিসার), অন্য কোনো আদালত বা প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ নয়।
- চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত: রেজিস্ট্রারের রায়ের বিরুদ্ধে আর কোনো আপিলের ব্যবস্থা এই আইনে নেই।
১,৯৬৬.
'কোন হিন্দু বিবাহ শুধুমাত্র গোত্র বা প্রবরের কারণে অবৈধ হবে না'- নিম্নলিখিত কোন আইনে এই বিধান করা হয়েছে?
  1. The Hindu Women Marriage Act,1856
  2. The Hindu Widow's Re- Marriage Act,1856
  3. The Hindu Marriage Disabilities Removal Act,1946
  4. The Hindu Women Marriage Ceremonies Act,1856
ব্যাখ্যা
⇒ ১৯৪৬ সালের হিন্দু বিয়ে (অসমর্থতা দূরীকরণ) আইন (The Hindu Marriage Disabilities Removal Act, 1946) অনুযায়ী,

- হিন্দুদের মধ্যে কোন বিবাহ যেটা অন্যান্যভাবে বৈধ, সেই বিবাহ গোত্র বা প্রবরের কারণে অবৈধ হবে না। এই আইন পাশ হওয়ার পর বিভিন্ন উপ- বর্ণের পাত্র-পাত্রীর মধ্যে বিয়ের ক্ষেত্রে সব বাধা দূর করা হয়।
- যেমন- ভিন্ন বর্ণের কোন ছেলে এবং মেয়ে বিয়ে করলে সনাতন আইনে বিবাহ অবৈধ হলেও ১৯৪৬ সালের আইনের কারণে বিবাহটি বৈধ হবে। আবার একজন বিধবা যদি পুনরায় একই গোত্রের কোন ব্যক্তিকে বিবাহ করে, তাহলে ঐ বিবাহ অবৈধ হবে না।
১,৯৬৭.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ১১ ধারা অনুসারে আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচারের ক্ষেত্রে কত দিন সময় দিয়ে আদালত একটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার (Trial in absentia): স্বাভাবিকভাবে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার করা বেআইনী, অর্থাৎ আসামীর উপস্থিতিতে বিচার করতে হয়। কিন্তু কতিপয় ক্ষেত্রে আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়, যাকে 'Trial in absentia' বলে।

ধারা ১১: আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার-
যদি আদালতের এ মর্মে বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,-
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছেন বা আত্মগোপন করিয়াছেন, এবং
(খ) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর সাত দিনের মধ্যে তাহার গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই-

তাহা হইলে আদালত অন্ততঃ একটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা আদেশে উল্লিখিত সময় যাহা সাত দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির হইবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে হাজির হইতে ব্যর্থ হইলে আদালত তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার কার্য সম্পন্ন করিতে পারিবে৷
১,৯৬৮.
The Special Powers Act, 1974 এর 25A ধারার অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান করা হয়েছে-
  1. ২০ বছর কারাদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. মৃত্যুদণ্ড
  4. ১৪ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• The Special Powers Act, 1974 এর 25A ধারার বিধানুযায়ী-

কারেন্সী নোট ও সরকারি স্ট্যাম্প জাল করলে অথবা জাল করার যন্ত্রপাতি ব্যবহার /প্রস্তুত করলে শাস্তি হবে-
'মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।'
১,৯৬৯.
'Nullum crimen sine lege' means-
  1. Let the buyer beware.
  2. No crime without a law.
  3. Ignorance of the law is no excuse.
  4. The act does not make a person guilty unless the mind is also guilty.
ব্যাখ্যা
ল্যাটিন ম্যাক্সিম: Nullum crimen sine lege
- Meaning (English): No crime without a law.
অর্থ: আইন ছাড়া কোনো অপরাধ নয়।

ব্যাখ্যা: এটি দণ্ডবিধি ও ফৌজদারি ন্যায়বিচারে একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি। এই নীতির দ্বারা বোঝানো হয়, কোনো ব্যক্তিকে কোনো কাজের জন্য অপরাধী ঘোষণা করা যাবে না, যদি সেই কাজটি সেই সময় প্রচলিত আইনে অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত না থাকে।

বাকি অপশনগুলো:
ক) Let the buyer beware. → Caveat emptor.
গ) Ignorance of the law is no excuse. → Ignorantia juris non excusat.
ঘ) The act does not make a person guilty unless the mind is also guilty. → Actus non facit reum nisi mens sit rea.
১,৯৭০.
নিম্নলিখিত কোনটি বেদের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. গীতা
  2. ঋগ্বেদ
  3. যজুর্বেদ
  4. সামবেদ
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: গীতা।

⇒ বেদ হলো হিন্দু ধর্মের প্রাচীনতম ধর্মগ্রন্থ, যা "শ্রুতি" হিসেবে পরিচিত।
বেদ চারটি —
১) ঋগ্বেদ – দেবতাদের স্তোত্র ও মন্ত্র সংকলন।
২) যজুর্বেদ – যজ্ঞ ও ধর্মীয় আচারবিধি সম্পর্কিত বিধান।
৩) সামবেদ – সঙ্গীত ও স্তোত্রের সংকলন।
৪) অথর্ববেদ – জাদু-টোনা, চিকিৎসা ও দৈনন্দিন জীবনের অনুশাসন সংক্রান্ত।

⇒ উল্লিখিত প্রশ্নে গীতা (Bhagavad Gita) বেদের অন্তর্ভুক্ত নয়।
- এটি মহাভারতের অংশ এবং হিন্দু দর্শনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ হলেও এটি "শ্রুতি" নয়, বরং "স্মৃতি" শাস্ত্রের অন্তর্গত।
১,৯৭১.
The Family Courts Ordinance,1985 এর ১৩ ধারায় পারিবারিক আদালত পক্ষগণের মধ্যে আপোষ বা মীমাংসা করার চেষ্টা করবে-
  1. বিচার্য বিষয় নির্ধারণ এর পূর্বে
  2. সকল পক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে
  3. বিচার্য বিষয় নির্ধারণের সময়
  4. পক্ষগণের আবেদনক্রমে
ব্যাখ্যা
• The Family Courts Ordinance, 1985 এর ১০ ও ১৩ ধারায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান করা হয়েছে। এই আইনে ২ ধরণের উপায়ে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান করা হয়েছে-
১. আপোষ (Compromise) বা
২. মীমাংসা (Reconciliation)

এই আইনে, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির ২টি পর্যায় উল্লেখ করা হয়েছে-
১. বিচার-পূর্ব কার্যধারায়
২. বিচার-পরবর্তী কার্যধারায়

১০ ধারায় বিচার-পূর্ব শুনানীর পর্যায়ে এবং ১৩ ধারায় বিচার-পরবর্তী পর্যায়ে আপোষ-মীমাংসার বিধান উল্লেখ আছে। ১০(৩) ধারা অনুযায়ী, বিচার-পূর্ব শুনানীর পর্যায়ে আদালত পক্ষগণের মধ্যেকার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করবে এবং যদি সম্ভব হয়, পক্ষগণের মধ্যে আপোষ বা মীমাংসা করার চেষ্টা করবে। ১৩(১) ধারায় দেয়া আছে, সকল পক্ষের সাক্ষ্য সমাপ্তির পর পারিবারিক আদালত পক্ষগণের মধ্যে আপোষ বা মীমাংসা করার আরও একটি চেষ্টা করবে।
১,৯৭২.
সংবিধানের ১৪৭ অনুচ্ছেদে কয় শ্রেণীর পদাধিকারীর পারিশ্রমিক এর বিধান আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ১০ শ্রেণীর
  2. ৮ শ্রেণীর
  3. ৯ শ্রেণীর
  4. ৬ শ্রেণীর
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ১৪৭ অনুচ্ছেদে ৮ শ্রেণীর পদাধিকারী ব্যক্তিদের পারিশ্রমিক, বিশেষ-অধিকার ও কর্মের অন্যান্য শর্ত সংসদের আইনের দ্বারা বা অধীনে নির্ধারণ সংক্রান্ত বিধান আলোচনা করা হয়েছে-

১) রাষ্ট্রপতি,
২) প্রধানমন্ত্রী,
৩) স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকার,
৪) মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপ-মন্ত্রী
৫) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক,
৬) মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
৭) নির্বাচন কমিশনার,
৮) সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য।

Article 147: Remuneration, etc., of certain officers
 
(1) The remuneration, privileges and other terms and conditions of service of a person holding or acting in any office to which this article applies shall be determined by or under Act of Parliament, but until they are so determined- 
(a) they shall be those (if any) appertaining to the person holding or, as the case may be, acting in the office in question immediately before the commencement of this Constitution; or 
(b) if the preceding sub clause is not applicable, they shall be determined by order made by the President. 
 
(2) The remuneration, privileges and other terms and conditions of service of a person holding or acting in any office to which this article applies shall not be varied to the disadvantage of any such person during his term of office. 
 
(3) No person appointed to or acting in any office to which this article applies shall hold any office, post or position of profit or emolument or take any part whatsoever in the management or conduct of any company, association or body having profit or gain as its object: 
Provided that such person shall not for the purposes of this clause be deemed to hold any such office, post or position by reason only that he holds or is acting in the office first above mentioned. 
 
(4) This article applies to the offices of – 
(a) President; 
(b) Prime Minister;
(c) Speaker or Deputy Speaker; 
(d) Minister, Minister of State or Deputy Minister;
(e) Judge of the Supreme Court; 
(f) Comptroller and Auditor General; 
(g) Election Commissioner; 
(h) Member of a public service commission.
১,৯৭৩.
সংবিধানের সর্বশেষ সংশোধনী কত সালে করা হয়?
  1. ২০১৯ সালে
  2. ২০১৬ সালে
  3. ২০১৮ সালে
  4. ২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা
সংবিধানের সর্বশেষ সংশোধনী(১৭তম) ২০১৮ সালে করা হয়।

সপ্তদশ সংশোধনী:
সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন, ২০১৮ বলে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ ২৫ বৎসর বৃদ্ধি করা হয়। নারীদের জন্য সংরক্ষিত ৫০টি আসনের ১০ বৎসরের মেয়াদ ২০১৯ সালের ২৪ই জানুয়ারী শেষ হয়। সপ্তদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ ২৫ বৎসর বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ ১১তম সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হতে পরবর্তী ২৫ বৎসর পর্যন্ত নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ থাকবে।
১,৯৭৪.
নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটাতে দহনকারী, ক্ষয়কারী বা বিষাক্ত পদার্থ ব্যবহার করলে সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ৪- দহনকারী, ইত্যাদি পদার্থ দ্বারা সংঘটিত অপরাধের শাস্তি:
(১) যদি কোন ব্যক্তি দহনকারী, ক্ষয়কারী অথবা বিষাক্ত পদার্থ দ্বারা কোন শিশু বা নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব বিশ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(২) যদি কোন ব্যক্তি কোন দহনকারী, ক্ষয়কারী বা বিষাক্ত পদার্থ দ্বারা কোন শিশু বা নারীকে এমনভাবে আহত করেন যাহার ফলে উক্ত শিশু বা নারীর দৃষ্টিশক্তি বা শ্রবণশক্তি নষ্ট হয় বা শরীরের কোন অংগ, গ্রন্থি বা অংশ বিকৃত বা নষ্ট হয় বা তাহার শরীরের অন্য কোন স্থান আহত হয়, তাহা হইলে উক্ত শিশুর বা নারীর-

(ক) দৃষ্টিশক্তি বা শ্রবণশক্তি নষ্ট বা মুখমণ্ডল, স্তন বা যৌনাংগ বিকৃত বা নষ্ট হওয়ার ক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব দশ লক্ষ টাকার অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(খ) শরীরের অন্য কোন অংগ, গ্রন্থি বা অংশ বিকৃত বা নষ্ট হওয়ার বা শরীরের কোন স্থানে আঘাত পাওয়ার ক্ষেত্রে, উক্ত ব্যক্তি অনধিক চৌদ্দ বৎসর কিন্তু অন্যূন সাত বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব পাঁচ লক্ষ টাকার অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
 
(৩) যদি কোন ব্যক্তি কোন দহনকারী, ক্ষয়কারী অথবা বিষাক্ত পদার্থ কোন শিশু বা নারীর উপর নিক্ষেপ করেন বা করার চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি, তাহার উক্তরূপ কার্যের দরুণ সংশ্লিষ্ট শিশু বা নারীর শারীরিক, মানসিক বা অন্য কোনভাবে কোন ক্ষতি না হইলেও, অনধিক সাত বৎসর কিন্তু অন্যূন তিন বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব পাঁচ লক্ষ টাকার অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(৪) এই ধারার অধীন অর্থদণ্ডের অর্থ প্রচলিত আইনের বিধান অনুযায়ী দণ্ডিত ব্যক্তির নিকট হইতে বা তাহার বিদ্যমান সম্পদ, বা তাহার মৃত্যুর ক্ষেত্রে মৃত্যুর সময় রাখিয়া যাওয়া সম্পদ হইতে আদায় করিয়া অপরাধের দরুণ যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটিয়াছে তাহার উত্তরাধিকারীকে বা, ক্ষেত্রমত, যেই ব্যক্তি শারীরিক বা মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হইয়াছেন, সেই ব্যক্তিকে বা সেই ব্যক্তির মৃত্যুর ক্ষেত্রে, তাহার উত্তরাধিকারীকে প্রদান করা হইবে।
১,৯৭৫.
প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাহার কর্তৃত্বে _________ নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হইবে। শূন্যস্থানে কোন শব্দগুলি বসবে?
  1. এই সংবিধান অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের
  2. এই আইন অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের
  3. এই সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের
  4. এই আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রের
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৫৫: মন্ত্রিসভা:

(১) প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী লইয়া এই মন্ত্রিসভা গঠিত হইবে। 
(২) প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁহার কর্তৃত্বে এই সংবিধান-অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হইবে। 
(৩) মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকিবেন। 
(৪) সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হইয়াছে বলিয়া প্রকাশ করা হইবে। 
(৫) রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশসমূহ ও অন্যান্য চুক্তিপত্র কিরূপে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত হইবে, রাষ্ট্রপতি তাহা বিধিসমূহ-দ্বারা নির্ধারণ করিবেন এবং অনুরূপভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত কোন আদেশ বা চুক্তিপত্র যথাযথভাবে প্রণীত বা সম্পাদিত হয় নাই বলিয়া তাহার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না। 
(৬) রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিবেন।

Article 55: The Cabinet:

(1) There shall be a Cabinet for Bangladesh having the Prime Minister at its head and comprising also such other Ministers as the Prime Minister may from time to time designate. 
(2) The executive power of the Republic shall, in accordance with this Constitution, be exercised by or on the authority of the Prime Minister. 
(3) The Cabinet shall be collectively responsible to Parliament. 
(4) All executive actions of the Government shall be expressed to be taken in the name of the President. 
(5) The President shall by rules specify the manner in which orders and other instruments made in his name shall be attested or authenticated, and the validity of any order or instrument so attested or authenticated shall not be questioned in any court on the ground that it was not duly made or executed. 
(6) The President shall make rules for the allocation and transaction of the business of the Government.
১,৯৭৬.
অবসরপ্রাপ্ত বিচারক কোন কর্তৃপক্ষের আইনজীবী হিসেবে কাজ করতে পারেন?
  1. সরকারী সংস্থা
  2. বেসরকারি সংস্থা
  3. উভয় কর্তৃপক্ষ
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
অবসরপ্রাপ্ত বিচারকদের অক্ষমতা (সংবিধানের ৯৯ অনুচ্ছেদ):

১. ওকালতি ও সরকারি দায়িত্ব:
কোনো ব্যক্তি, অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন ব্যতীত, বিচারকের পদে দায়িত্ব পালনের পর অবসর গ্রহণ বা অপসারণের পর তিনি কোনো আদালত বা কর্তৃপক্ষের নিকট ওকালতি বা আইনি কার্য পরিচালনা করতে পারবেন না।
তিনি বিচার বিভাগীয় বা আধা-বিচার বিভাগীয় পদ ব্যতীত প্রজাতন্ত্রের অন্য কোনো লাভজনক পদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হবেন না।

২. আপীল বিভাগে ওকালতির সুযোগ:
যদি কোনো ব্যক্তি হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে থাকেন, তবে অবসর গ্রহণের পর তিনি আপীল বিভাগে ওকালতি বা আইনি কার্য পরিচালনা করতে পারবেন।
১,৯৭৭.
'The presiding officer of a Civil Court shall not try any suit or other proceeding to which he is a party or in which he is personally interested.'- The Civil Courts Act, 1887 এর কত ধারায় এই বিধান আছে?
  1. ৩৪ ধারায়
  2. ৩৬ ধারায়
  3. ৩৮ ধারায়
  4. ৩৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
• Section 38: Judges not to try suits in which they are interested-
(1) The presiding officer of a Civil Court shall not try any suit or other proceeding to which he is a party or in which he is personally interested.
(2) The presiding officer of an appellate Civil Court under this Act shall not try an appeal against a decree or order passed by himself in another capacity.
(3) When any such suit, proceeding or appeal as is referred to in sub-section (1) or sub-section (2) comes before any such officer, the officer shall forthwith transmit the record of the case to the Court to which he is immediately subordinate, with a report of the circumstances attending the reference.
(4) The superior Court shall thereupon dispose of the case under [section 24 of the Code of Civil Procedure. 1908].
(5) Nothing in this section shall be deemed to affect the extraordinary original civil jurisdiction of the High Court Division.

The Civil Courts Act, 1887 এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী-
কোন বিচারক যদি মোকদ্দমার কোন পক্ষ হন বা ব্যক্তিগতভাবে তাঁর কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকে, অথবা কোন আপিল এমন ডিক্রি থেকে হয় যা ঐ বিচারক ঘোষণা করেছিলেন; তাহলে উক্ত বিচারকের শুনানী করে এখতিয়ার থাকা সত্ত্বেও তিনি ঐ মামলা বা আপীলের শুনানী করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে জেলা জজ তাঁর স্থানীয় সীমার মধ্যে মামলা বা আপিল এক আদালত থেকে অন্য আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।

এই ধারায় 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি 'nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না- 'No one shall be judge of his own case' নীতির প্রতিফলন ঘটেছে।
১,৯৭৮.
চিরন্তন হস্তান্তর বিরোধী নিয়ম বলতে কি বোঝায়?
  1. যে হস্তান্তর জীবিত এক বা একাধিক ব্যক্তির জীবনকাল অবসানের পর কার্যকর হবে
  2. যে হস্তান্তর কোন ব্যক্তির নাবালক কাল অতিবাহিত হওয়ার পরে কার্যকর হবে
  3. ক বা খ
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
চিরন্তন হস্তান্তর বিরুদ্ধ নীতি- এমনভাবে হস্তান্তর করা যাবে না যা হস্তান্তরের তারিখে এক বা একাধিক ব্যক্তির জীবনকাল এবং জীবনকালের পর হতে অপর কোন ব্যক্তির নাবালক কাল অতিবাহিত হওয়ার পরে কার্যকর হবে।

ধারা ১৪: চিরন্তন হস্তান্তর বিরোধী নিয়ম
কোন সম্পত্তি এরূপ ভাবে হস্তান্তর করা যাবে না, যা হস্তান্তরের তারিখে জীবিত এক বা একাধিক ব্যক্তির জীবনকাল এবং এরূপ জীবন কালের অব্যবহিত পর হতে অপর কোন ব্যক্তির নাবালক কাল অতিবাহিত হওয়ার পরে কার্যকর হবে। জীবিত ব্যাক্তির বা ব্যক্তিগণের জীবনকাল সমাপ্ত হওয়ার সময় ঐ নাবালকের অস্তিত্ব থাকতে হবে এবং নাবালক সাবালক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সৃষ্ট স্বার্থ তার উপর বর্তাবে।

Section 14: Rule against perpetuity
No transfer of property can operate to create an interest which is to take effect after the life-time of one or more persons living at the date of such transfer, and the minority of some person who shall be in existence at the expiration of that period, and to whom, if he attains full age, the interest created is to belong.
১,৯৭৯.
পরিবেশে ও জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন সংক্রান্ত বিধান সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ১৮
  2. ১৮ক
  3. ১৯
  4. ২০
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ১৮ক: পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন

রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব-বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণির সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করিবেন।

Article 18A: Protection and improvement of environment and biodiversity
The State shall endeavour to protect and improve the environment and to preserve and safeguard the natural resources, bio-diversity, wetlands, forests and wild life for the present and future citizens.
১,৯৮০.
স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তিতে বিক্রয় দলিল সম্পাদন ও রেজিস্ট্রেশনের জন্য যদি কোন সময় উল্লেখ না থাকে, তাহলে এই সময় _______ ধরে নিতে হবে।
  1. দুই মাস
  2. ছয় মাস
  3. তিন মাস
  4. এক মাস
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৪ক: বিক্রয় চুক্তি রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে, প্রভৃতি

আইনে বা বর্তমান প্রচলিত অন্য কোন আইনে বিষয়ের পরিপন্থী যা কিছু থাকুক না কেন কোন স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি শুধুমাত্র লিখিত দলিল সম্পাদন এবং ১৯০৮ সালের রেজিস্ট্রেশন আইনের আওতায় রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে করা যাবে, হস্তান্তরগ্রহীতা সম্পত্তির বা এর কোন অংশের দখল গ্রহণ করুক বা না করুক।
স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তিতে বিক্রয় দলিল সম্পাদন ও রেজিস্ট্রেশনের জন্য যে সময়ের উল্লেখ থাকবে রেজিস্ট্রেশনের তারিখ হতে তা কার্যকর হবে, এবং যদি কোন সময় উল্লেখ না থাকে তাহলে এই সময় ছয় মাস ধরে নিতে হবে।

Section 54A: Contract for sale to be registered, etc.
Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, a contract for sale of any immoveable property can be made only by an instrument in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof. 
In a contract for sale of any immoveable property, a time, to be effective from the date of registration, shall be mentioned for execution and registration of the instrument of sale, and if no time is mentioned, six months shall be deemed to be the time.
১,৯৮১.
রাষ্ট্রের সকল নির্বাহী ও বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টকে সহায়তা করতে বাধ্য---
  1. ১০৯
  2. ১১০
  3. ১১১
  4. ১১২
ব্যাখ্যা
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুচ্ছেদ ১১২- সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা

প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তর্ভুক্ত সকল নির্বাহী ও বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা করিবেন।
১,৯৮২.
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর কত ধারায় সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ প্রয়োগের বৈধতা দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৭০
  2. ধারা ৭১
  3. ধারা ৭২
  4. ধারা ৭৩
ব্যাখ্যা
ধারা ৭১: সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর প্রয়োগ এবং অন্যান্য আইন-
যে সমস্ত ভাড়াটিয়াদের ক্ষেত্রে এই আইন প্রযোজ্য, সেসব ক্ষেত্রে সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এবং অন্য যে কোনও প্রযোজ্য আইন, যদি এই আইনের বিধানের সাথে বিরোধ না করে, সেগুলো প্রযোজ্য থাকবে এবং প্রয়োগ চালু থাকবে।

[The provisions of the Transfer of Property Act, 1882, and of any other law for the time being in force, in so far as they may be applicable and in so far as they are not inconsistent with the provisions of this Act shall continue to apply to all tenancies to which the provisions of this Act apply.]
১,৯৮৩.
নিম্নের কোন ব্যক্তি মুসলিম উত্তরাধিকার অনুসারে কখনো উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হয় না?
  1. ভাই
  2. কন্যা
  3. দাদা
  4. চাচা
ব্যাখ্যা
• মুসলিম আইনে সম্পদ বণ্টন একমাত্র মৃত্যুর পরেই কোন ব্যক্তির সম্পত্তিতে তার উত্তরাধিকারীগণের অধিকার সৃষ্টি হয়, মৃত্যুর পূর্বে নয়। একজন সুন্নি মুসলমানের বৈধ ওয়ারিশগন মূলতঃ দুই প্রকার। যথা:
১) প্রধান শ্রেণি (Principal Hairs);
২) অপ্রধান শ্রেণি (Secondary Hairs)।
 
⇒ প্রধান শ্রেণির উত্তরাধিকারীদের মধ্যে নিম্নে বর্ণিত ব্যক্তিরা কখনো উত্তরাধিকার বঞ্চিত হয় না:
১/ স্বামী;
২/ স্ত্রী;
৩/ পিতা;
৪/ মাতা;
৫/ পুত্র ও
৬/ কন্যা- এই ৬ শ্রেনীর উত্তরাধিকারী কখনো বঞ্চিত হয় না।
১,৯৮৪.
রদ্দ নীতির আভিধানিক অর্থ কী?
  1. বণ্টন করা
  2. বাতিল করা
  3. সংরক্ষণ করা
  4. প্রত্যাবর্তন করা
ব্যাখ্যা

⇒ রদ্দ নীতির আভিধানিক অর্থ হলো "প্রত্যাবর্তন করা" বা "ফিরিয়ে দেওয়া" (আরবি: رَدّ)। এটি ইসলামী উত্তরাধিকার আইনের একটি বিশেষ নিয়ম, যেখানে: শর্তপূরণ সাপেক্ষে (অংশীদারদের অংশের যোগফল ১-এর কম হলে এবং কোনো আসাবা না থাকলে)
অবশিষ্ট সম্পত্তি স্বামী/স্ত্রী বাদে অন্যান্য অংশীদারদের কাছে প্রত্যাবর্তন (ফেরত) করা হয়।

অর্থাৎ মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে রদ্দ নীতি প্রয়োগ হয় যখন যাবিল ফুরুজ বা অংশীদারদের অংশের যোগফল ১ এর চেয়ে কম হয় এবং মৃত ব্যক্তির কোনো আসাবা (যেমন পুত্র, পিতা ইত্যাদি) না থাকে।
- এই ক্ষেত্রে অবশিষ্ট সম্পত্তি স্বামী/স্ত্রী ব্যতীত অন্যান্য অংশীদারদের কাছে পুনরায় বণ্টন করা হয়, অর্থাৎ অংশীদারদের মধ্যে সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়া বা প্রত্যাবর্তন করা হয়।

উল্লেখ্য যে, 
রদ্দ নীতি আউল নীতির বিপরীত (আউলে অংশের যোগফল ১-এর বেশি হলে অংশ কমিয়ে বণ্টন করা হয়)।
এটি যাবিল ফুরুজ (নির্দিষ্ট অংশীদার) যেমন কন্যা, মা, দাদি প্রভৃতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

উদাহরণ:
যদি মৃতের স্বামী (১/৪), কন্যা (১/২) ও মা (১/৬) থাকে, তবে অংশের যোগফল = ১১/১২ (<১)।
অবশিষ্ট ১/১২ কন্যা ও মাকে তাদের প্রাপ্ত অংশের অনুপাতে (৬:২) বণ্টন করা হবে।

১,৯৮৫.
রেজিস্ট্রেশন আইনে একটি কবলা দলিল কবে থেকে কার্যকর হবে?
  1. কবলা রেজিস্ট্রেশনে দিন থেকে
  2. কবলা সম্পাদনের দিন থেকে
  3. কবলা অনুসারে জমি দখলের দিন থেকে
  4. যে দিন সাব-রেজিস্ট্রার অনুমোদিত দিবেন সে দিন থেকে
ব্যাখ্যা
• নিবন্ধন আইনের ৪৭ ধারার বিধান যে সময় হতে নিবন্ধিত দলিল কার্যকর হয় (Time from which registered document operates): নিবন্ধিত দলিল সেই সময় হতে কার্যকর হবে, যদি উক্ত দলিলের নিবন্ধন আবশ্যক না হলে যে সময় হতে কার্যকর হতো এবং এর নিবন্ধনের সময় হতে নয়।
 অর্থাৎ দলিল সম্পাদনের তারিখ হতে একটি নিবন্ধিত দলিল কার্যকর হবে, দলিলটি যেদিন থেকে নিবন্ধন করা হয়েছে সেদিন থেকে নয়।
১,৯৮৬.
কোন ধরনের বিয়ে মুসলিম আইনে বৈধ নয়?
  1. স্থায়ী বিয়ে
  2. সাক্ষীসহ বিয়ে
  3. অস্থায়ী বিয়ে
  4. নাবালক বিয়ে
ব্যাখ্যা
মুতা বিয়ে (Mut'a Marriage):
মুতা বিয়ে হলো একটি অস্থায়ী বিবাহের চুক্তি, যা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সম্পন্ন হয় এবং চুক্তি শেষে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়। এটি শিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে বৈধ বিবাহের একটি ধরন, তবে সুন্নি মুসলিম সম্প্রদায়ে এটি বৈধ নয়।

মুতা বিয়ের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
মুতা বিয়ে একটি নির্ধারিত সময়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। সময় শেষ হলে এই বিবাহ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভেঙে যায়। মুতা বিয়েতে দেনমোহর বা মেহের নির্ধারণ করা এবং তা প্রদান করা আবশ্যক। মুতা বিয়েতে স্ত্রী বা সন্তানরা সাধারণত স্বামীর উত্তরাধিকার দাবি করতে পারে না। এই বিয়ে সম্পন্ন করার জন্য সাক্ষীর প্রয়োজন হয় না। এই বিবাহে তালাকের বিধান নেই, সময়সীমা শেষ হলেই বিবাহের সমাপ্তি ঘটে।
১,৯৮৭.
দুর্নীতি দমন কমিশন কার নিকট বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ করে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. জাতীয় সংসদ
  4. কমিশনের চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ২৯: বার্ষিক প্রতিবেদন:
(১) প্রতি পঞ্জিকা বত্সরের মার্চ মাসের মধ্যে কমিশন পূর্ববর্তী বত্সরে সম্পাদিত উহার কার্যাবলী সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিবে৷ 
 
(২) এই ধারার অধীন প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর রাষ্ট্রপতি উহা জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করিবেন৷
১,৯৮৮.
যদি পারিবারিক আদালত মুসলিম আইনের অধীনে কোনো বিবাহ বিচ্ছেদের ডিক্রি প্রদান করে, তাহলে আদালত কতদিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানকে ডিক্রির অনুলিপি পাঠাবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩: ধারা ২৬: মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধানকে প্রভাবিত না করা:
(১) এই আইনের কোনো কিছুই মুসলিম পরিবারিক আইন অথবা তদধীন প্রণীত বিধিমালার কোনো বিধানকে প্রভাবিত করিবে না।

(২) যেক্ষেত্রে কোনো পারিবারিক আদালত মুসলিম আইনের অধীন সংঘটিত কোনো বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য ডিক্রি প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে আদালত ডিক্রি প্রদানের ৭(সাত) দিনের মধ্যে মুসলিম পারিবারিক আইনের ধারা ৭ এ উল্লিখিত সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানকে রেজিস্ট্রি ডাকযোগে উক্ত ডিক্রির প্রত্যয়িত প্রতিলিপি প্রেরণ করিবে এবং, চেয়ারম্যান উক্ত প্রতিলিপি প্রাপ্ত হইবার পর, এইরূপ কার্যক্রম গ্রহণ করিবেন যেন তিনি উক্ত আইনের অধীন কোনো তালাকের সংবাদ প্রাপ্ত হইয়াছেন।

(৩) মুসলিম আইন অনুযায়ী অনুষ্ঠিত কোনো বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য পারিবারিক আদালত কোনো ডিক্রি প্রদান করিলে যে তারিখে চেয়ারম্যান উপধারা (২) এর অধীন উহার প্রতিলিপি গ্রহণ করিয়াছেন সেই তারিখ হইতে ৯০ (নব্বই) দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত উহা কার্যকর হইবে না:

তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত সময়ের মধ্যে পক্ষগণের মধ্যে মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান অনুসারে কোনো আপোষ মীমাংসা কার্যকর হইলে উক্ত ডিক্রির কোনো কার্যকারিতা থাকিবে না।
১,৯৮৯.
The documents registration of which is optional have been dealt in ____________ The Registration Act, 1908.
  1. section 14
  2. section 15
  3. section 18
  4. section 19
ব্যাখ্যা
• নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৮- যে সকল দলিলের নিবন্ধন ঐচ্ছিক (Documents of which registration is optional): ১৭ ধারার অধীনে যে সকল দলিল নিবন্ধন বাধ্যতামূলক নয় সে সকল দলিলেরও নিবন্ধন করা যাবে-

• ধারা ১৭(২) অনুযায়ী নিম্নলিখিত দলিল নিবন্ধন বাধ্যতামূলক না (optional):
১. যে কোন প্রকার সোলেনামা;
২. জয়েন্ট স্টক কোম্পানির শেয়ার সংক্রান্ত দলিল;
৩. উক্ত কোম্পানি ইস্যুকৃত ডিবেঞ্চার যা অধিকার সৃষ্টি করে না;
৪. রাজস্ব কর্মকর্তা কর্তৃক প্রস্তুতকৃত বাটোয়ারা দলিল;
৫. নিলামে বিক্রিত কোন সম্পত্তির ক্রেতার বরাবর মঞ্জুরকৃত নিলামের বিক্রয়নামা;
৬. সরকার কর্তৃক স্থাবর সম্পত্তির কোন মঞ্জুরি;
৭. ১০০ টাকা বা তার অধিক মূল্যের স্থাবর সম্পত্তির দলিল যা কোন অধিকার সৃষ্টি করে না।
১,৯৯০.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর কত ধারা অনুযায়ী পারিবারিক আদালত অন্তর্বতীকালীন আদেশ দিতে পারে?
  1. ১৬ ধারা
  2. ১৮ ধারা
  3. ২০ ধারা
  4. ২১ ধারা
ব্যাখ্যা
• পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩: ধারা ২১- পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত কর্তৃক অন্তর্বর্তী আদেশ প্রদান:
যদি মোকদ্দমা বা আপিলের যেকোনো পর্যায়ে, পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত হলফনামা বা অন্য কিছু দ্বারা এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, মোকদ্দমা বা আপিলের উদ্দেশ্যকে ব্যাহত করা হইতে কোনো পক্ষকে বিরত রাখিবার জন্য তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি, সেইক্ষেত্রে আদালত উহার নিকট যেরূপ উপযুক্ত প্রতীয়মান হইবে সেইরূপ অন্তর্বর্তী আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

প্রতিকার: এই ধারার অধীন অন্তর্বর্তী আদেশ এর বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে।
১,৯৯১.
দায়ভাগ স্কুল অনুসারে হিন্দু আইন প্রযোজ্য ব্যক্তির ক্ষেত্রে, বিধবা কী অধিকার পান?
  1. পুত্রের অর্ধেক অংশ
  2. পুত্রের সমান অংশ
  3. সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশ
  4. কোনো অধিকার পান না
ব্যাখ্যা
- দায়ভাগ পদ্ধতি হিন্দু উত্তরাধিকার আইনের একটি বিশেষ শাখা, যা প্রধানত বাংলাদেশ, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ এবং আসামে প্রচলিত। এই পদ্ধতি অনুসারে, পিন্ডদান করার অধিকারী ব্যক্তিরাই উত্তরাধিকারী হন, অর্থাৎ পুত্র, পৌত্র ও প্রপৌত্র।
- ১৯৩৭ সালের হিন্দু নারীদের সম্পত্তির অধিকারের আইন (Hindu Women’s Rights to Property Act, 1937) প্রণীত হওয়ার আগে বিধবারা কোনো উত্তরাধিকার পেতেন না, কেবলমাত্র ভরণপোষণের অধিকার ছিল। তবে, এই আইনের মাধ্যমে বিধবা স্ত্রীকে ছেলের সমান অংশ দেওয়া হয়, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন।

- এই আইনের ৩(১) ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো হিন্দু ব্যক্তি উইল বা অন্য কোনো বৈধ দলিল ছাড়া মারা যান, তাহলে তার বিধবা স্ত্রী তার পুত্রের সমান অংশ পাবেন। যদি একাধিক স্ত্রী থাকেন, তাহলে সবাই মিলে একটি পুত্রের সমান অংশ ভাগ করে নেবেন।

- তবে, বিধবার সম্পত্তির অধিকার স্থায়ী মালিকানা নয়, বরং এটি সীমিত স্বত্ব (Hindu Woman’s Estate)। অর্থাৎ তিনি জীবদ্দশায় সম্পত্তির ভোগদখল করতে পারবেন, প্রয়োজনে বিক্রি করতে পারবেন, কিন্তু নিজের মৃত্যুর পর সেই সম্পত্তি তার স্বামীর উত্তরাধিকারীদের কাছেই ফিরে যাবে।

- অর্থাৎ দায়ভাগ পদ্ধতি অনুসারে, বিধবা স্ত্রী পুত্রের সমান অংশের অধিকারী হন এবং তিনি জীবনস্বত্ব ভিত্তিতে সম্পত্তি ভোগ করতে পারেন। তবে, এটি স্থায়ী মালিকানা নয়, কারণ তিনি মৃত্যুর পর সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারবেন না।
১,৯৯২.
বাংলাদেশের সংবিধানের বিধান অনুসারে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. স্পীকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

⇒ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুযায়ী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনারের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।
সঠিক উত্তর: ঘ) প্রধান বিচারপতি।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষনাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে। যথা-
স্পীকার কর্তৃক:
- রাষ্ট্রপতি,
- সংসদ-সদস্য;
 
রাষ্ট্রপতি কর্তৃক:
- প্রধানমন্ত্রী,
- অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী,
- স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার,
- প্রধান বিচারপতি;
 
প্রধান বিচারপতি কর্তৃক:
- সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারক,
- সরকারী কর্মকমিশনের সদস্য,
- মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার।

১,৯৯৩.
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর তালিকা প্রতি কত সময় অন্তর হালনাগাদ করতে হবে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ১০ বছর
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ১৫: গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো:
এই অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক বা তথ্য পরিকাঠামোকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসাবে ঘোষণা করিতে পারিবে এবং প্রত্যেক বৎসর অন্তত একবার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর তালিকা হালনাগাদ করিবে
১,৯৯৪.
একজন মুসলিম তার স্ত্রীকে একখণ্ড জমি দান করেন এবং দখল বুঝিয়ে দেন। এমতাবস্থায় দানটি-
  1. প্রত্যাহারযোগ্য
  2. মৌখিক হলে প্রত্যাহার করতে পারেন
  3. প্রত্যাহারযোগ্য নয়
  4. রেজিস্ট্রেশন করলে প্রত্যাহার করতে পারেন
ব্যাখ্যা
• দানকে মুসলিম আইনে হেবা বলা হয়। সাধারণত দানের মাধ্যমে একজন সম্পত্তির মালিক তাঁর ওয়ারিশ কিংবা অন্য যে কাউকে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন। এটি আইন স্বীকৃত। দান করতে হলে দাতার এবং গ্রহীতার সম্পূর্ণ ইচ্ছা ও সম্মতি থাকতে হয়।

দান বৈধ হতে হলে ৩টি শর্ত পূরণ করতে হয় –
> দাতা কর্তৃক দানের (ইজাব) ঘোষণা প্রদান।
> গ্রহীতা তার পক্ষ হতে দান গ্রহণ করা বা স্বীকার করা।
> দাতা কর্তৃক গ্রহীতাকে দানকৃত সম্পত্তির দখল প্রদান।

দান বাতিল-
একবার দান করার পর এবং সম্পত্তি হস্তান্তর করার পর আদালতের ডিক্রি ছাড়া বাতিল করা যাবে না। দখল প্রদানের পর দান রদ করা যেতে পারে তবে দখল অর্পণের পর তা প্রত্যাহার করা যায় না। যেমন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দান, দানগ্রহীতা যদি মারা যায়, যখন দাতা কিছুর বিনিময়ে গ্রহণ করবে, সম্পত্তি যখন ধ্বংস হয়ে যাবে প্রভৃতি।
১,৯৯৫.
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠিত করতে পারে-
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সংসদ
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. সুপ্রিম কোর্ট
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১৭: প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ

(১) ইতঃপূর্বে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও নিম্নলিখিত ক্ষেত্রসমুহ সম্পর্কে বা ক্ষেত্রসমুহ হইতে উদ্ভূত বিষয়াদির উপর এখতিয়ার প্রয়োগের জন্য সংসদ আইনের দ্বারা এক বা একাধিক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠিত করিতে পারিবেনঃ

(ক) নবম ভাগে বর্ণিত বিষয়াদি এবং অর্থদণ্ড বা অন্য দণ্ডসহ প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিদের কর্মের শর্তাবলী;
(খ) যে কোন রাষ্ট্রায়ত্ত উদ্যোগ বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের চালনা ও ব্যবস্থাপনা এবং অনুরূপ উদ্যোগ বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষে কর্মসহ কোন আইনের দ্বারা বা অধীন সরকারের উপর ন্যস্ত বা সরকারের দ্বারা পরিচালিত কোন সম্পত্তির অর্জন, প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা ও বিলি-ব্যবস্থা;
(গ) যে আইনের উপর এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (৩) দফা প্রযোজ্য হয়, সেইরূপ কোন আইন।
 
(২) কোন ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদের অধীন কোন প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠিত হইলে অনুরূপ ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারের অন্তর্গত কোন বিষয়ে অন্য কোন আদালত কোনরূপ কার্যধারা গ্রহণ করিবেন না বা কোন আদেশ প্রদান করিবেন না;
 
তবে শর্ত থাকে যে, সংসদ আইনের দ্বারা কোন ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা বা অনুরূপ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান করিতে পারিবেন।
১,৯৯৬.
দলিল রদের মোকদ্দমায় কোর্ট ফি কত?
  1. এ্যাড-ভ্যালোরেম
  2. নির্ধারিত ৩০০ টাকা
  3. ২০০ টাকা
  4. আদালতের নির্দেশ মতে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৩৯ ধারা অনুযায়ী, ২টি ক্ষেত্রে আদালত দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেন-
কোন লিখিত দলিল বাতিল/ বাতিলযোগ্য, যদি বাদীর চুক্তি সম্পর্কে আশংকা থাকে যে, এরূপ দলিল যদি অনিস্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা ক্ষতির কারন হতে পারে। এটি আদালতের বিবেচনা মূলক ক্ষমতা।

দলিল বাতিল করার ক্ষেত্রে কিছু তথ্য হলোঃ-

• জাল দলিল রেজিষ্ট্রেশন হয়ে থাকলে তা বাতিলের মামলা করা যাবে দেওয়ানি আদালতে।
• সম্পত্তিতে যার স্বার্থ আছে তিনিই দলিল বাতিলের মামলা করতে পারবেন।
• জাল দলিল সম্পর্কে জানার ৩ বছরের মধ্যে ঐ দলিল বাতিলের মামলা করতে হবে।
• দলিল আংশিক বাতিলের মামলা করা যায়।
• যিনি কোন দলিলকে জাল বা জোর পূর্বক সম্পাদিত বলে দবি করবেন তাকে তার দাবির সত্যতা প্রমাণ করতে হবে।
• নাবলকের সম্পত্তি জাল দলিলের মাধ্যমে হাতিয়ে নিলে ঐ নাবালকের অভিবাবক বা ঐ নাবালক সাবালকত্ব অর্জনের পর সে নিজে মামলা করতে পারবেন।
দলিল রদ বা বাতিলের জন্য ‘এড-ভ্যালোরেম কোর্ট ফি’ প্রদান করে মামলা দায়ের করতে হবে।
• দলিল বাতিলের মামলার সাথে অন্য প্রতিকার যেমন-দখল পাবার প্রার্থনাও কারা যাবে তবে এর জন্য অতিরিক্ত কোর্ট ফি দিতে হবে।
১,৯৯৭.
'ক' তার সম্পত্তি 'খ' এর নিকট হস্তান্তর করেছে এই শর্তে যে, 'খ' কখনোই উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করবে না। এই ক্ষেত্রে-
  1. বিক্রয় এবং শর্ত উভয় বৈধ
  2. বিক্রয় বৈধ এবং শর্ত বাতিল
  3. বিক্রয় এবং শর্ত উভয় অবৈধ
  4. বিক্রয় এবং শর্ত উভয় বাতিল
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত ক্ষেত্রে শর্তটি বাতিল কিন্তু বিক্রয়টি বৈধ হবে।

ধারা ১০: হস্তান্তরে বাধাদানের শর্ত

যদি কোনো শর্ত বা সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে কোনো সম্পত্তি হস্তান্তর করা হয়, যা হস্তান্তর গ্রহীতা বা তার মাধ্যমে অন্য কোনো দাবিদারকে তার স্বার্থ পরিত্যাগ বা হস্তান্তর করতে চূড়ান্তভাবে বাধা প্রদান করে, তাহলে ঐ শর্ত বা সীমাবদ্ধতা অবৈধ বলে গণ্য হবে।

ব্যতিক্রম- ইজারা বা হিন্দু, মুসলিম বা বৌদ্ধ বাতীত অন্য কোন মহিলার নিকট তার বিবাহ বলবৎকালীন এরূণ শর্তে হস্তান্তর করা যাবে।

ধারা ১০ এ শুধু মাত্র শর্ত বাতিলের কথা বলা হয়েছে, বিক্রয় অবৈধ বা বাতিলের বিষয়ে কিছু বলা হয় নি। অতএব এক্ষেত্রে বিক্রয়টি বৈধ বলে গণ্য হবে।

Section 10: Condition restraining alienation
Where property is transferred subject to a condition or limitation absolutely restraining the transferee or any person claiming under him from parting with or disposing of his interest in the property, the condition or limitation is void, except in the case of a lease where the condition is for the benefit of the lessor or those claiming under him : Provided that property may be transferred to or for the benefit of a woman (not being a Hindu, Muslim or Buddhist), so that she shall not have power during her marriage to transfer or charge the same or her beneficial interest therein.
১,৯৯৮.
'বিবাহিতা মুসলমান নারী ধর্মান্তরের ফলাফল' সংক্রান্ত বিধান নিম্নের কোন আইনে দেয়া আছে?
  1. পারিবারিক আদালত আইন,২০২৩
  2. The Muslim Family Laws Ordinance, 1961
  3. The Dissolution of Muslim Marriages Act,1939
  4. মুসলিম বিবাহ ও তালাক রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯৭৪
ব্যাখ্যা
১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন ধারা ৪ এ বিবাহিতা মুসলমান নারী ধর্মান্তরের ফল দেয়া হয়েছে।

বলা হয়েছে-
কোন বিবাহিতা মুসলমান নারী ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করলে অথবা ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্মে দীক্ষা গ্রহন করলে উক্ত কারনে তার বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটবে না। তবে, অবশ্য এই জাতীয় ধর্ম ত্যাগ বা অন্য ধর্ম গ্রহণের পর সেই নারী ২ ধারায় বর্ণিত অন্য কোন কারনে তার বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য ডিক্রি গ্রহণের অধিকারিণী হইবেন।
তাছাড়া, অত্র ধারার ব্যবস্থাবলী ঐ নারীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, যে কোন ধর্ম হইতে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছিল এবং বর্তমানে স্বীয় পুরাতন ধর্মে পুনরায় দীক্ষা গ্রহণ করেছে।

Section 4: Effect of conversion to another faith
The renunciation of Islam by a married Muslim woman or her conversion to a faith other than Islam shall not by itself operate to dissolve her marriage: Provided that after such renunciation, or conversion, the woman shall be entitled to obtain a decree for the dissolution of her marriage on any of the grounds mentioned in section 2: 
Provided further that the provisions of this section shall not apply to a woman converted to Islam from some other faith who re-embraces her former faith.
১,৯৯৯.
মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪ অনুযায়ী, বিবাহ সম্পাদনের পর নিবন্ধনের জন্য কত দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রারের কাছে রিপোর্ট করতে হবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৪৫ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪-এর ধারা ৫(২) অনুযায়ী, যদি কোনো নিকাহ রেজিস্ট্রার ব্যতীত অন্য কেউ মুসলিম বিবাহ সম্পাদন করেন, তাহলে বর (বরপক্ষ) বিবাহের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট নিকাহ রেজিস্ট্রারের কাছে তা রিপোর্ট করতে বাধ্য।
→ ধারা ৫(৪) অনুসারে, যদি কেউ এই আইনের বিধান লঙ্ঘন করে অর্থাৎ ৩০ দিনের মধ্যে রিপোর্ট না করে, তাহলে তিনি সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, তিন হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।
→ সুতরাং, মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪ অনুযায়ী, বিবাহ সম্পাদনের পর ৩০ দিনের মধ্যে নিকাহ রেজিস্ট্রারের কাছে রিপোর্ট করতে হবে।

⇒ মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪-এর ধারা ৫ এর বিধান বিবাহ সম্পাদনের রিপোর্ট ও নিবন্ধন:
(১) যদি নিকাহ রেজিস্ট্রার নিজে বিবাহ সম্পাদন করেন, তাহা হইলে তিনি অবিলম্বে বিবাহ নিবন্ধন করিবেন।
(২) যদি নিকাহ রেজিস্ট্রার অন্য কোন ব্যক্তি বিবাহ সম্পাদন করেন, তাহা হইলে বিবাহের বরকে উক্ত সম্পাদনের তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট নিকাহ রেজিস্ট্রারকে ইহা রিপোর্ট করিতে হইবে। 
(৩) যদি নিকাহ রেজিস্ট্রারের নিকট বিবাহ সম্পাদনের রিপোর্ট করা হয়, তাহা হইলে তিনি অবিলম্বে বিবাহ নিবন্ধন করিবেন।
(৪) এই ধারার কোন বিধান লঙ্ঘনকারী ব্যক্তি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং তিনি দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা তিন হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
---------
⇒ The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974-Section 5. Solemnization of a marriage to be reported and registered:
(1) Where a marriage is solemnized by the Nikah Registrar himself, he shall register the marriage at once. 
(2) Where a marriage is solemnized by a person other than the Nikah Registrar, the bridegroom of the marriage shall report it to the concerned Nikah Registrar within thirty days from the date of such solemnization. 
(3) Where solemnization of a marriage is reported to a Nikah Registrar under sub-section (2), he shall register the marriage at once. 
(4) A person who contravenes any provision of this section commits an offence and he shall be liable to be punished with simple imprisonment for a term which may extend to two years or with fine which may extend to three thousand taka, or with both.
২,০০০.
সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহের মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সরকারী হিসাব কমিটি
  2. নির্বাচন কমিটি
  3. বিশেষ-অধিকার কমিটি
  4. সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধিতে নির্দিষ্ট অন্যান্য স্থায়ী কমিটি
ব্যাখ্যা
⇒ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭৬(১) অনুযায়ী, সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহের মধ্যে নিম্নলিখিত কমিটিগুলো অন্তর্ভুক্ত:
১. সরকারী হিসাব কমিটি (ক),
২. বিশেষ-অধিকার কমিটি (গ), এবং
৩. সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধিতে নির্দিষ্ট অন্যান্য স্থায়ী কমিটি (ঘ)।

এই অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিটি (খ) এর উল্লেখ নেই। তাই, নির্বাচন কমিটি সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহের অন্তর্ভুক্ত নয়।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো: খ) নির্বাচন কমিটি।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ- সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ
(১) সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে সদস্য লইয়া সংসদ নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটিসমূহ নিয়োগ করিবেন:
(ক) সরকারী হিসাব কমিটি;
(খ) বিশেষ-অধিকার কমিটি; এবং
(গ) সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধিতে নির্দিষ্ট অন্যান্য স্থায়ী কমিটি।
(২) সংসদ এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় উল্লিখিত কমিটিসমূহের অতিরিক্ত অন্যান্য স্থায়ী কমিটি নিয়োগ করিবেন এবং অনুরূপভাবে নিযুক্ত কোন কমিটি এই সংবিধান ও অন্য কোন আইন-সাপেক্ষে
(ক) খসড়া বিল ও অন্যান্য আইনগত প্রস্তাব পরীক্ষা করিতে পারিবেন;
(খ) আইনের বলবৎকরণ পর্যালোচনা এবং অনুরূপ বলবৎকরণের জন্য ব্যবস্থাদি গ্রহণের প্রস্তাব করিতে পারিবেন;
(গ) জনগুরুত্বসম্পন্ন বলিয়া সংসদ কোন বিষয় সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করিলে সেই বিষয়ে কোন মন্ত্রণালয়ের কার্য বা প্রশাসন সম্বন্ধে অনুসন্ধান বা তদন্ত করিতে পারিবেন এবং কোন মন্ত্রণালয়ের নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে প্রাসঙ্গিক তথ্যাদি সংগ্রহের এবং প্রশ্নাদির মৌখিক বা লিখিত উত্তরলাভের ব্যবস্থা করিতে পারিবেন;
(ঘ) সংসদ কর্তৃক অর্পিত যে কোন দায়িত্ব পালন করিতে পারিবেন।
(৩) সংসদ আইনের দ্বারা এই অনুচ্ছেদের অধীন নিযুক্ত কমিটিসমূহকে
(ক) সাক্ষীদের হাজিরা বলবৎ করিবার এবং শপথ, ঘোষণা বা অন্য কোন উপায়ের অধীন করিয়া তাঁহাদের সাক্ষ্যগ্রহণের,
(খ) দলিলপত্র দাখিল করিতে বাধ্য করিবার
ক্ষমতা প্রদান করিতে পারিবেন।