বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন২,৯৬৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

PrepBank · পাতা / ৩০ · ১০১২০০ / ২,৯৬৪

১০১.
সাব-লেটের ফলাফল স্বরুপ অ-কৃষি জমির প্রজাস্বত্ব সরকারের উপর অর্পিত হলে, তা কবে থেকে কার্যকর হয়?
  1.  আদালতের রায় ঘোষণার দিন থেকে
  2. সরকারের অনুমোদনের দিন থেকে
  3. সাব-লেট প্রদানের তারিখ থেকে
  4. সাব-লেট চুক্তি সইয়ের দিন থেকে
ব্যাখ্যা

অ-কৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ধারা ২৬ক (সাব-লেট প্রদানে বাধা):
(১) এই আইনে অথবা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে অথবা কোনো চুক্তিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো অ-কৃষি প্রজা, যে কোনো শর্তেই হউক না কেন, তাহার প্রজাস্বত্বের সম্পূর্ণ বা কোনো অংশ সাব-লেট দিতে পারিবেন না।

(২) উপ-ধারা (১) এর বিধানাবলি লঙ্ঘনক্রমে যদি কোনো প্রজাস্বত্ব বা প্রজাস্বত্বের কোনো অংশ সাব-লেট প্রদান করা হয়, তাহা হইলে, ক্ষেত্র অনুযায়ী, উক্ত প্রজাস্বত্বে বা প্রজাস্বত্বের উক্ত অংশে অ-কৃষি প্রজার স্বার্থের অবসান ঘটিবে, এবং উক্ত প্রজাস্বত্ব বা প্রজাস্বত্বের উক্ত অংশ সকল দায় হইতে মুক্তরূপে উক্ত সাব-লেট প্রদানের তারিখ হইতে সরকারে অর্পিত হইবে।

১০২.
কে অস্থায়ী প্রধান বিচারপতির কার্যভার পালন করিবেন?
  1. রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত আপীল বিভাগের বিচারক।
  2. হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকের মধ্যে যিনি কর্মে প্রবীণতম।
  3. আপীল বিভাগের বিচারকের মধ্যে যিনি কর্মে প্রবীণতম।
  4. সরকার কর্তৃক নির্ধারিত আপীল বিভাগের বিচারক।
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদের বিধান: অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ:
 প্রধান বিচারপতির পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে প্রধান বিচারপতি তাঁহার দায়িত্বপালনে অসমর্থ বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে ক্ষেত্রমত অন্য কোন ব্যক্তি অনুরূপ পদে যোগদান না করা পর্যন্ত কিংবা প্রধান বিচারপতি স্বীয় কার্যভার পুনরায় গ্রহণ না করা পর্যন্ত আপীল বিভাগের অন্যান্য বিচারকের মধ্যে যিনি কর্মে প্রবীণতম, তিনি অনুরূপ কার্যভার পালন করিবেন।
---------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh -Article 97. Temporary appointment of Chief Justice:
-If the office of the Chief Justice becomes vacant, or if the President is satisfied that the Chief Justice is, on account of absence, illness, or any other cause, unable to perform the functions of his office, those functions shall, until some other person has entered upon that office, or until the Chief Justice has resumed his duties, as the case may be, be performed by the next most senior Judge of the Appellate Division.
১০৩.
Contract Act, 1872 এর ধারা ৬৮ অনুযায়ী, চুক্তি করিতে অক্ষম ব্যক্তির সম্পত্তি হতে টাকা ফেরত পাওয়া যাবে, যদি:
  1. লিখিত চুক্তি থাকে
  2. বিচারকের অনুমতি থাকে
  3. প্রয়োজনীয় দ্রব্য সরবরাহ করা হয়
  4. ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে কিছু সরবরাহ করা হয়
ব্যাখ্যা
Contract Act, 1872 ধারা ৬৮- চুক্তি করিতে অক্ষম ব্যক্তিকে বা তাহাকে সরবরাহকৃত জিনিসের জন্য দাবি:
চুক্তি করিতে অক্ষম ব্যক্তিকে, বা তিনি যাহাকে ভরণ-পোষণ করিতে আইনত বাধ্য তাহাকে যদি কোনো ব্যক্তি তাহার জীবন ধারনের মান অনুসারে প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ করেন, তাহা হইলে যিনি এইরূপ সরবরাহ করিয়াছেন তিনি এইরূপ অক্ষম ব্যক্তির সম্পত্তি হইতে খরচের টাকা ফেরত পাইবার অধিকারী।

উদহরণ-
(ক) ক, খ-কে, যিনি একজন মানসিক প্রতিবন্ধী, তাহার জীবন ধারনের মান অনুসারে প্রয়োজনীয় দ্রব্য সরবরাহ করেন। খ এর সম্পত্তি হইতে ক খরচের টাকা ফেরত পাইবার অধিকারী।
(খ) ক, খ, যিনি একজন মানসিক প্রতিবন্ধী, এর স্ত্রী ও সন্তানদের তাহাদের জীবন ধারনের মান অনুসারে প্রয়োজনীয় দ্রব্য সরবরাহ করেন। খ এর সম্পত্তি হইতে ক খরচের টাকা ফেরত পাইবার অধিকারী।
১০৪.
An agreement made without consideration is ________.
  1. voidable
  2. void
  3. valid
  4. not void
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৫- প্রতিদানবিহীন সম্মতি বাতিলঃ

An agreement made without consideration is void.

চুক্তি আইনের ২৫ ধারা অনুসারে, প্রতিদান ব্যতীত সম্মতি বাতিল।
১০৫.
"Res integra" বলতে কী বোঝায়?
  1. A matter already judicially decided
  2. All things done in the Course of a transaction
  3. A matter not yet decided
  4. A thing that has no owner
ব্যাখ্যা
"Res Integra"

Res Integra: A matter not yet decided বা, প্রক্রিয়াধীন বিচার।

'Res Integra' means-
An entire thing; an entirely new or untouched matter This term is applied to those points of law which have not been decided, which are 'untouched by dictum or decision'.
১০৬.
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ক ধারা অনুসারে চেক ডিজঅনার মামলায় আপিল করার পূর্বে চেকের অর্থের ৫০% কোথায় জমা দিতে হবে?
  1. জেলা আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. শাস্তি প্রদানকারী আদালতে
  4. আপিল দায়েরকারী আদালতে
ব্যাখ্যা

⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৩৮ক (NI Act, 1881, Section 138A) চেক ডিজঅনার (Check Dishonour) মামলায় শাস্তির আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করার পূর্বে, চেকে উল্লিখিত অর্থের অন্তত ৫০% টাকা শাস্তি প্রদানকারী আদালতে (যে আদালত শাস্তি দিয়েছে) জমা দিতে হবে। এটি আপিল দায়েরের একটি বাধ্যতামূলক পূর্বশর্ত। যদি এই টাকা জমা না দেওয়া হয়,তাহলে আপিল দায়েরই হবে না।
⇒  হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ক ধারার বিধান আপিলের ক্ষেত্রে বাধা-নিষেধ:- ১৩৮ ধারার আওতায় প্রদত্ত শাস্তির আদেশের (Order of Sentence) বিরুদ্ধে আপিল করার পূর্বে প্রত্যাখ্যাত চেকের পরিমাণের ৫০% অর্থ দণ্ড প্রদানকারী আদালতের নিকট জমা দিতে হবে।
⇒ আপীল দায়েরের পূর্বশর্ত:
চেক ডিজঅনারের মামলায় চেকে উল্লেখিত অর্থের সর্বনিম্ন ৫০% জমা দিয়ে আপীল দায়ের করতে হবে।
চেক ডিজঅনারকৃত চেকের টাকার ৫০% টাকা যে আদালত শাস্তি দিয়েছে সে আদালতে জমা দিয়ে আপীল দায়ের করতে হবে।
তার মানে ৫০% টাকাটা বিচারিক আদালতে জমা দিতে হবে,আপীল আদালতে নয়।
--------------------
⇒  NI Act Section-138A. Restriction in respect of appeal:
-Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898, no appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than fifty per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence.

১০৭.
চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ১৬৩ ধারা অনুযায়ী, জিম্মাকৃত পণ্যের বৃদ্ধি বা লাভ কার অধিকারভুক্ত?
  1. জিম্মাদারের
  2. জিম্মাদাতার
  3. ক এবং খ উভয় পক্ষের
  4. কোনো পক্ষের নয়
ব্যাখ্যা

• চুক্তি আইনের ১৬৩ ধারা- জিম্মাকৃত পণ্যের বৃদ্ধি বা লাভের অধিকারী জিম্মাদাতা:
জিম্মাকৃত পণ্যের কোন বৃদ্ধি বা লাভ জিম্মাদার জিম্মাদাতাকে বা জিম্মাদাতার নির্দেশ অনুসারে প্রদান করতে বাধ্য।

উদাহরণ-
A একটি গাভী যত্ন নেওয়ার জন্য B এর হেফাজতে রাখেন। গাভীটি একটি বাছুর জন্ম দিলো। B গাভীটির সাথে বাছুরটিকেও A এর নিকট প্রদান করতে বাধ্য।

১০৮.
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে পুলিশ কমিশনার সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য কোনো মাদকদ্রব্যের দোকান বন্ধ করতে পারেন?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ১৯: মাদকদ্রব্যের দোকান অথবা পানশালা (Bar) সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করিবার ক্ষমতা:
(১) মহাপরিচালকের অনুমোদন ব্যতীত লাইসেন্স প্রাপ্ত কোনো মদের দোকান অথবা পানশালা বন্ধ করা যাইবে না: 

তবে শর্ত থাকে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা পুলিশ কমিশনার যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে তাঁহার অধীন কোনো এলাকায় আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে কোনো মাদকদ্রব্যের দোকান বা পানশালা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা প্রয়োজন, তাহা হইলে তিনি লিখিত আদেশ দ্বারা অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের জন্য উক্ত দোকান বা পানশালা বন্ধ করিতে পারিবেন। 

(২) বিশেষ জরুরি অবস্থায় মহাপরিচালকের পূর্বানুমোদনক্রমে এই মেয়াদ আরও ৩০ (ত্রিশ) দিন পর্যন্ত বর্ধিত করিতে পারিবেন। 

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এর অধীন জারিকৃত কোনো আদেশের অনুলিপি অবিলম্বে মহাপরিচালকের নিকট তাঁহার অবগতির জন্য প্রেরণ করিতে হইবে।
১০৯.
মানব পাচার অপরাধে তদন্ত সম্পন্ন করার জন্য সাধারণ সময়সীমা কত দিন?
  1. ৬০ কার্যদিবস
  2. ৯০ কার্যদিবস
  3. ১২০ কার্যদিবস
  4. ১৫০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর ধারা ১৯(৩) অনুযায়ী, মানব পাচার অপরাধের তদন্ত সাধারণত ৯০ (নববই) কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। এটিই সাধারণ সময়সীমা হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে, ধারা ১৯(৪)-এ উল্লেখ আছে যে, যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করা সম্ভব না হয়, তদন্ত কর্মকর্তা সময়সীমা শেষ হওয়ার অন্তত তিন কার্যদিবস পূর্বে লিখিতভাবে আবেদন করে অতিরিক্ত ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবস সময় বৃদ্ধির জন্য অনুমোদন পেতে পারেন। এই অতিরিক্ত সময় মিলিয়ে সর্বোচ্চ সময়সীমা হতে পারে ১২০ কার্যদিবস। কিন্তু প্রশ্নে সাধারণ সময়সীমা জানতে চাওয়া হয়েছে, যা ৯০ কার্যদিবস।

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর ধারা ১৯-তদন্ত:
(১) পুলিশের নিকট এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনের সংবাদ আসিলে বা ট্রাইব্যুনাল কোন অপরাধের তদন্তের নির্দেশ দিলে সংশ্লিষ্ট থানার উপ-পরিদর্শকের নিম্ন পদমর্যাদার নহেন এমন একজন পুলিশ কর্মকর্তা এই আইনের অধীন তদন্তকার্য সম্পাদন করিবেন।
(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইতে পারে এমন ক্ষেত্রে পুলিশ অপরাধ সংঘটনের এজাহার (first information report) দাখিলের পূর্বে প্রতিরোধমূলক অনুসন্ধান (proactive inquiry) পরিচালনা করিতে পারিবেন।
(৩) ধারা ২০ এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (১) এর অধীন মামলা দায়েরের বা ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির অনধিক ৯০ (নববই) কার্যদিবসের মধ্যে এই ধারার অধীন তদন্ত সম্পন্ন করিতে হইবে।
(৪) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন না হইলে, তদন্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমা শেষ হইবার অন্তত তিন কার্যদিবস পূর্বে তাহার নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে, ট্রাইব্যুনালের নিকট সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য লিখিতভাবে আবেদন করিবেন অথবা উক্ত নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ক্ষেত্রমত, ট্রাইব্যুনাল উক্ত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পাদনে ব্যর্থতার জন্য প্রদর্শিত কারণে সন্তুষ্ট হইলে তদন্তের সময়সীমা অতিরিক্ত ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবস বৃদ্ধি করিতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, আন্তঃরাষ্ট্রীয় তদন্তের ক্ষেত্রে কেবল ট্রাইব্যুনাল এই ধরনের তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিতে পারিবে এবং উক্ত ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল তাহার স্বীয় বিবেচনায় যৌক্তিক মেয়াদে তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিবে।
(৫) এই আইনের অধীন কোন আন্তঃরাষ্ট্রীয় অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে বিদেশী সাক্ষ্য-প্রমাণ নিরীক্ষণ করিবার জন্য বিদেশ গমনের আবশ্যকতা দেখা দিলে, ট্রাইব্যুনালের অনুমতিক্রমে, তদকর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তদন্তকার্য সম্পন্ন করিবার উদ্দেশ্যে পুলিশ কর্তৃপক্ষ একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করিবে এবং উক্ত তদন্ত দলকে যথাসম্ভব প্রশাসনিক এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করিবে।
(৬) এই আইনের অধীন পুলিশের তদন্ত, নিরাপত্তা বিধান ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম ও দায়িত্বসমূহের সমন্বয় এবং তদারক করিবার উদ্দেশ্যে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, পুলিশ সদর দপ্তরে একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল গঠন করিবে।

১১০.
In Anwar Hossain Chowdhury vs. Bangladesh 41 DLR (AD) the Supreme Court established the -
  1. doctrine of basic structure of the Constitution
  2. separation of Judiciary
  3. illegality of Martial Law
  4. secularism in the Constitution
ব্যাখ্যা
Anwar Hossain Chowdhury vs. Bangladesh Case:

Anwar Hossain Chowdhury মামলার রায় ৮ম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদ তথা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো [Basic Structure]-কে ধ্বংস করেছে এবং এই কারণে সংশোধিত ১০০ অনুচ্ছেদ সংবিধান-বহির্ভূত (Ultra Vires of the Constitution) বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

৮ম সংশোধনী মামলা:

মামলার পূর্ণ নাম: Anwar Hossain Chowdhury vs. Bangladesh (1989) [41 DLR (AD) 165]
অন্য নাম: '৮ম সংশোধনী মামলা বা, 8th Amendment Case.
রায় ঘোষণা: ১৯৮৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগ এ মামলার রায় ঘোষণা করে। আপিল বিভাগের ৩:১ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় উক্ত সংশোধনী বাতিল বলে ঘোষিত হয়। এই মামলার মাধ্যমে বাংলাদেশে basic structure of the Constitution নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়।

মামলার বিচারক: এই মামলায় আপিল বিভাগের ৪ জন বিচারপতি বিচারক ছিলেন।
Author Judge: বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী; মূল রায় লিখেছেন।
Assenting Judges:
(i) বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ এবং
(ii) বিচারপতি এম.এইচ রহমান, Author Judge -এর সাথে একমত পোষণ করেন বলে এই মামলার 'একমত পোষণকারী বিচারক' বলে পরিচিত।

Dissenting Judge: বিচারপতি এটিএম আফজাল ভিন্নমত পোষণ করে রায় দিয়েছিলেন বলে তিনি এই মামলার 'ভিন্নমত পোষণকারী বিচারক' বলে পরিচিত।
১১১.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী গাঁজা গাছ চাষের ক্ষেত্রে কতটি গাছের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি অনূর্ধ্ব ১০ বছর কারাদণ্ড?
  1. ৫০টির বেশি
  2. ১০০টির বেশি
  3. ৫০০টির বেশি
  4. ১০০০টির বেশি
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩৬(১) এবং সংশ্লিষ্ট সারণির ক্রমিক নং ১৮ অনুসারে, গাঁজা গাছ চাষের ক্ষেত্রে শাস্তি গাছের সংখ্যার ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়:
→ ৫০টির বেশি কিন্তু ৫০০টির কম গাছ: অন্যূন ৫ বছর, অনূর্ধ্ব ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
→ ৫০০টির বেশি গাছ: অন্যূন ৭ বছর, অনূর্ধ্ব ১০ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সারণিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে:
"(গ) গাছের সংখ্যা ৫০০টির ঊর্ধ্বে হইলে অন্যূন ৭ বৎসর অনূর্ধ্ব ১০ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।"
সুতরাং, ৫০০টির বেশি গাঁজা গাছ চাষের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি অনূর্ধ্ব ১০ বছর কারাদণ্ড।
--------- 
⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩৬(১) এবং সংশ্লিষ্ট সারণির ক্রমিক নং ১৮ অনুসারে, প্রথম তপশিলের ‘খ’ শ্রেণির ১ নং ক্রমিকভুক্ত  গাঁজা অথবা ভাং গাছ সম্পর্কে ধারা ৯ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) এর লঙ্ঘন।
(ক) গাছের সংখ্যা অনূর্ধ্ব ৫০টি হইলে অন্যূন ১ বৎসর অনূর্ধ্ব  ৫ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড;
(খ) গাছের সংখ্যা ৫০টির ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব ৫০০টি হইলে অন্যূন ৫ বৎসর, অনূর্ধ্ব ৭ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড;
(গ) গাছের সংখ্যা ৫০০টির ঊর্ধ্বে হইলে অন্যূন ৭ বৎসর অনূর্ধ্ব ১০ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।

১১২.
A, B-কে ৫,০০০ টাকা হস্তান্তর করেন এই শর্তে যে B, C, D এবং E-এর সম্মতিতে বিয়ে করবে। পরে E মারা যায়। B, C এবং D-এর সম্মতিতে বিয়ে করে। এক্ষেত্রে ধরে নেওয়া হবে যে-
  1. শর্তটি বাতিল
  2. B শর্তটি পূরণ করে নাই
  3. B শর্তটি পূরণ করেছে
  4. বিয়ের ক্ষেত্রে শর্তটি উপযুক্ত নয়
ব্যাখ্যা
The Transfer of Property Act, 1882 (ধারা ২৬):
যদি সম্পত্তি হস্তান্তরের শর্ত অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি কেবলমাত্র নির্দিষ্ট একটি শর্ত পূরণ করার পরই সম্পত্তির মালিকানা লাভ করতে পারেন, তবে শর্তটি যদি মোটামুটি বা মূলত পূরণ করা হয়, তবে তা পূর্ণাঙ্গভাবে পূরণ হয়েছে বলে গণ্য হবে।

উদাহরণ:
(ক) A, B-কে ৫,০০০ টাকা হস্তান্তর করেন এই শর্তে যে B, C, D এবং E-এর সম্মতিতে বিয়ে করবে। পরে E মারা যায়। B, C এবং D-এর সম্মতিতে বিয়ে করে। এ ক্ষেত্রে ধরে নেওয়া হবে যে B শর্তটি পূরণ করেছে।
১১৩.
What is the minimum fraction of Parliament members’ votes required to pass a constitutional amendment Bill?
  1. Half of the total members
  2. Two-thirds of the members present
  3. Three-fourths of the total members
  4. Two-thirds of the total members
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪২- সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা:
এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও-
(ক) সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হইতে পারিবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে,
(অ) অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরনামায় এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হইবে বলিয়া স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাইবে না;
(আ) সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে না;

(খ) উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন, এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
১১৪.
স্থাবর সম্পত্তির দানের ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধান সঠিক নয়?
  1. নিবন্ধিত হতে হবে
  2. গ্রহীতা কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে
  3. সর্বনিম্ন ২ জন সাক্ষী কর্তৃক সত্যায়িত হতে হবে
  4. দাতা কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৩: যেভাবে হস্তান্তর কার্যকর হতে পারে

স্থাবর সম্পত্তির দানের ক্ষেত্রে হস্তান্তর কার্যকর হতে পারে অর্থাৎ প্রত্যেকটি দান অবশ্যই-
ক. নিবন্ধিত হতে হবে,
খ. দাতা কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে,
গ. সর্বনিম্ন ২ জন সাক্ষী কর্তৃক সত্যায়িত হতে হবে।

Section 123: Transfer how effected
For the purpose of making a gift of immoveable property, the transfer must be effected by a registered instrument signed by or on behalf of the donor, and attested by at least two witnesses. 
Notwithstanding anything contained in any other law for the time being in force, a heba under Muhammadan law shall be deemed to be a gift of immoveable property for the aforesaid purpose.
 
For the purpose of making a gift of moveable property, the transfer may be effected either by a registered instrument signed as aforesaid or by delivery. 
Such delivery may be made in the same way as goods sold may be delivered
১১৫.
The General Clauses Act অনুযায়ী "Act" শব্দের সংজ্ঞা কোন ধারায় দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ২ (৮)
  2. ধারা ৩ (২)
  3. ধারা ৩ (৪)
  4. ধারা ৩ (৯)
ব্যাখ্যা

⇒ The General Clauses Act, 1897-এর ধারা ৩(২)-এ "act" (যা আইনি প্রসঙ্গে "Act" শব্দের সংজ্ঞা হিসেবে ব্যবহৃত হয়) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে যে, অপরাধ বা সিভিল রং-এর সাথে সম্পর্কিত "act" বলতে একাধিক কাজের সিরিজ অন্তর্ভুক্ত, এবং কাজের উল্লেখে অবৈধ বাদ (illegal omissions) কেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এই সংজ্ঞা আইনের ব্যাখ্যায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

অর্থাৎ "Act" শব্দের সংজ্ঞা ধারা ৩ (২)-এ দেওয়া হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) ধারা ৩ (২)।
-------- 
⇒ The General Clauses Act, 1897 Section 3- Definitions:
(2) "act", used with reference to an offence or a civil wrong, shall include a series of acts, and words which refer to acts done extend also to illegal omissions:

১১৬.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুসারে, বিদ্যমান বিবাহ বহাল থাকাকালীন একজন পুরুষ আরেকটি বিবাহ করতে চাইলে কী করতে হবে?
  1. সরাসরি বিয়ে করতে পারবে
  2. সালিশি পরিষদের লিখিত অনুমতি নিতে হবে
  3. স্থানীয় মসজিদের ইমামের অনুমতি নিতে হবে
  4. পারিবারিক আদালতের অনুমতি নিতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুসারে, বিদ্যমান বিবাহ বহাল থাকাকালীন একজন পুরুষ যদি আরেকটি বিবাহ করতে চান, তবে তাকে সালিশি পরিষদের লিখিত অনুমতি নিতে হবে।
অর্থাৎ, উত্তর হবে খ) সালিশি পরিষদের লিখিত অনুমতি নিতে হবে।

- ধারা ৬ (১) অনুযায়ী, একজন পুরুষ যদি বিদ্যমান বিবাহের চলাকালীন আরেকটি বিবাহ করতে চান, তবে তাকে আরবিট্রেশন কাউন্সিল বা সালিশি পরিষদের পূর্বানুমতি লিপিবদ্ধভাবে নিতে হবে। যদি অনুমতি ছাড়া বিবাহ করা হয়, তবে তা নিবন্ধিত হবে না এবং পুরুষকে শাস্তি ভোগ করতে হতে পারে।

তবে, স্থানীয় মসজিদের ইমামের অনুমতি বা পারিবারিক আদালতের অনুমতি এই বিষয়ে প্রযোজ্য নয়।
১১৭.
'Succession per capita' অর্থ কি?
  1. প্রতিনিধিত্ব মতবাদ
  2. অংশপিছু উত্তরাধিকার
  3. মাথাপিছু উত্তরাধিকার
  4. প্রতিনিধিত্ব উত্তরাধিকার
ব্যাখ্যা
• দায়ভাগ মতবাদ নিম্নোক্ত নীতিগুলিকে স্বীকৃতি দেয়ঃ

(ক) প্রতিনিধিত্ব মতবাদ (Doctrine of representation): প্রতিনিধিত্ব মতবাদ অনুসারে পুত্র, পৌত্র যার পিতা মারা গিয়েছে, তারা সকলেই পিতৃপক্ষীয় সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারীত্ব লাভ করে, কারণ পৌত্র তার পিতার এবং প্রপৌত্র তার পিতা ও পিতামহ উভয়েরই প্রতিনিধিত্ব করে।

খ) অংশপিছু উত্তরাধিকার (Sucssession per stripes): যেখানে প্রতিনিধিত্ব মতবাদ প্রয়োগ করা হয় এবংউত্তরাধিকারীগণ মৃত ব্যক্তির স্থলবর্তীরুপে অংশপ্রাপ্ত হন সেখানে এরুপে স্থলবর্তীরুপে অংশ পাওয়াকে অংশপিছু উত্তরাধিকার বলে।

(গ) মাথাপিছু উত্তরাধিকার (Succession per capita): মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে তার উত্তরাধিকারগণের সমান অংশ সম্পত্তি প্রাপ্ত হওয়াকে মাথাপিছু উত্তরাধিকার বলে।
১১৮.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী ফৌজদারী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালতে ______ বিচার লাভের অধিকারী হবেন।
  1. দ্রুত
  2. প্রকাশ্য
  3. দ্রুত ও প্রকাশ্য
  4. দ্রুত আইনানুযায়ী
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদের বিধান বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ:
-(১) অপরাধের দায়যুক্ত কার্যসংঘটনকালে বলবৎ ছিল, এইরূপ আইন ভঙ্গ করিবার অপরাধ ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে না এবং অপরাধ-সংঘটনকালে বলবৎ সেই আইনবলে যে দণ্ড দেওয়া যাইতে পারিত, তাঁহাকে তাহার অধিক বা তাহা হইতে ভিন্ন দণ্ড দেওয়া যাইবে না।

- (২) এক অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তিকে একাধিকবার ফৌজদারীতে সোপর্দ ও দণ্ডিত করা যাইবে না। 
- (৩) ফৌজদারী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালত বা ট্রাইব্যুনালে দ্রুত ও প্রকাশ্য বিচারলাভের অধিকারী হইবেন। 
- (৪) কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাইবে না। 
- (৫) কোন ব্যক্তিকে যন্ত্রণা দেওয়া যাইবে না কিংবা নিষ্ঠুর, অমানুষিক বা লাঞ্ছনাকর দণ্ড দেওয়া যাইবে না কিংবা কাহারও সহিত অনুরূপ ব্যবহার করা যাইবে না। 
- (৬) প্রচলিত আইনে নির্দিষ্ট কোন দণ্ড বা বিচারপদ্ধতি সম্পর্কিত কোন বিধানের প্রয়োগকে এই অনুচ্ছেদের (৩) বা (৫) দফার কোন কিছুই প্রভাবিত করিবে না।
-------------
Article 35. Protection in respect of trial and punishment:
(1) No person shall be convicted of any offence except for violation of a law in force at the time of the commission of the act charged as an offence, nor be subjected to a penalty greater than, or different from, that which might have been inflicted under the law in force at the time of the commission of the offence. 
(2) No person shall be prosecuted and punished for the same offence more than once. 
(3) Every person accused of a criminal offence shall have the right to a speedy and public trial by an independent and impartial Court or tribunal established by law. 
(4) No person accused of any offence shall be compelled to be a witness against himself. 
(5) No person shall be subjected to torture or to cruel, inhuman, or degrading punishment or treatment. 
(6) Nothing in clause (3) or clause (5) shall affect the operation of any existing law which prescribes any punishment or procedure for trial.
১১৯.
সংসদের বৈঠক চলাকালে কোরাম কত জনের কম হলে বৈঠক স্থগিত বা মুলতবী করা যাবে?
  1. ৬০ জন
  2. ৭০ জন
  3. ৮০ জন
  4. ৯০ জন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদের বিধান: কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি:
(১) এই সংবিধান-সাপেক্ষে
(ক) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা এবং অনুরূপ বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রিত হইবে;

(খ) উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক ভোট প্রদান করিবেন;

(গ) সংসদের কোন সদস্যপদ শূন্য রহিয়াছে, কেবল এই কারণে কিংবা সংসদে উপস্থিত হইবার বা ভোটদানের বা অন্য কোন উপায়ে কার্যধারায় অংশগ্রহণের অধিকার না থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি অনুরূপ কার্য করিয়াছেন, কেবল এই কারণে সংসদের কোন কার্যধারা অবৈধ হইবে না।

(২) সংসদের বৈঠক চলাকালে কোন সময়ে উপস্থিত সদস্য-সংখ্যা ষাটের কম বলিয়া যদি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ষাট জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বৈঠক স্থগিত রাখিবেন কিংবা মুলতবী করিবেন।
১২০.
কোনটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান?
  1. আইন কমিশন
  2. দুর্নীতি দমন কমিশন
  3. নির্বাচন কমিশন
  4. জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন
ব্যাখ্যা
সংবিধানিক প্রতিষ্ঠান:
⇨ যেসব প্রতিষ্ঠান সংবিধানের সুস্পষ্ট বিধি মোতাবেক প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত হয় তাকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলে।

এরূপ চারটি প্রতিষ্ঠান হল -
- বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ( অনুচ্ছেদ ১১৮);
- বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন;
- মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়;
- জাতীয় সংসদ;
- এটর্নি জেনারেলের কার্যালয় প্রভৃতি।
১২১.
বাঙালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি হবে বাঙালী জাতির -
  1. সংহতি ও বিপ্লব
  2. ঐক্য ও সংহতি
  3. ঐক্য ও সংকল্প
  4. সংহতি ও সংকল্প
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৯: জাতীয়তাবাদ

ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তাবিশিষ্ট যে বাঙালী জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করিয়া জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করিয়াছেন, সেই বাঙালী জাতির ঐক্য ও সংহতি হইবে বাঙালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি।

Article 9: Nationalism
The unity and solidarity of the Bangalee nation, which, deriving its identity from its language and culture, attained sovereign and independent Bangladesh through a united and determined struggle in the war of independence, shall be the basis of Bangalee nationalism.
১২২.
দ্রুত বিচার আইনে আদালত অভিযোগপত্র প্রাপ্তির কত কার্যদিবসের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করবেন?
  1. ১৫ কার্যদিবস
  2. ৩০ কার্যদিবস
  3. ৬০ কার্যদিবস
  4. ৯০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
• আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২

ধারা ১০- বিচার পদ্ধতি:

(১) আদালত এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সম্পন্ন করিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে এই আইনে ভিন্নতর কিছু না থাকিলে, ফৌজদারী কার্যবিধির Chapter XXII-তে বর্ণিত পদ্ধতি, যতদূর প্রযোজ্য হয়, অনুসরণ করিবে।
 
(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হইলে বা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধৃত হইয়া পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হইলে, পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রাথমিক রিপোর্টসহ তাহাকে চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করিবে এবং উহার পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে অপরাধ সম্পর্কে আদালতে রিপোর্ট বা অভিযোগ পেশ করিবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রিপোর্ট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ত্রিশ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করিবে।
 
(৩) অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে হাতেনাতে ধৃত না হইলে, অপরাধ সংঘটনের পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং উক্ত রিপোর্ট বা অভিযোগ দায়েরের পরবর্তী ষাট কার্যদিবসের মধ্যে, ধারা ১১ এর বিধান সাপেক্ষে, আদালত বিচার কার্য সম্পন্ন করিবে।
 
(৪) উপ-ধারা (২) ও (৩) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে ধৃত না হইয়া অন্য কোনভাবে ধৃত হইলে বা আদালতে আত্নসমর্পণ করিলে, উক্ত অপরাধের বিষয়ে, যত দ্রুত সম্ভব, ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্নপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রির্পোট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে।
১২৩.
কোন চুক্তি, আইন বা প্রথার অবর্তমানে কৃষির উদ্দেশ্যে প্রদত্ত স্থাবর সম্পত্তির ইজারার মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ইজারা গ্রহীতার ইচ্ছামাফিক
  3. ১ বছর
  4. ইজারা দাতার ইচ্ছামাফিক
ব্যাখ্যা
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১০৬ ধারার বিধান লিখিত চুক্তি বা স্থানীয় রীতির অবর্তমানে কতিপয় ইজারার মেয়াদ:
- কৃষি কার্য বা শিল্প উৎপাদনের জন্য স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা বছর হতে বছরের ইজারা হিসেবে গণ্য করা হবে এবং এই ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার বছরের শেষ দিন হতে ৬ মাস পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে সমাপ্তিযোগ্য।
- অন্য কোন উদ্দেশ্যে স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা মাস হতে মাসের ইজারা হিসেবে গণ্য হবে এবং তা ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার মাসের শেষ দিন হতে ১৫ দিন পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে বাতিলযোগ্য।
- এই ধারার আওতায় প্রত্যেকটি নোটিশ অবশ্যই লিখিত এবং নোটিশ দাতা বা তার পক্ষ হতে স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং এই নোটিশ ডাকযোগে বা অর্পণের মাধ্যমে বা ব্যক্তিগত ভাবে প্রদান করতে হবে অথবা তার পরিবারের কোন সদস্যকে বা তার বাসভবনের কোন কর্মচারীকে তা প্রদান করতে হবে। অথবা যদি এরূপ সম্ভব না হয় তাহলে সম্পত্তির প্রকাশ্য স্থানে লটকিয়ে দিতে হবে।

- The Transfer of Property Act, 1882 -এর ধারা ১০৬ মোতাবেক লিখিত চুক্তি, আঞ্চলিক আইন বা প্রথার অবর্তমানে কৃষির উদ্দেশ্যে প্রদত্ত স্থাবর সম্পত্তির মেয়াদ হবে বার্ষিক ইজারা বা বাৎসরিক প্রজাস্বত্ব [From year to year] অর্থাৎ ১ বছর।
---------
- The Transfer of Property Act, 1882 Section 106. Duration of certain leases in absence of written contract or local usage:
- In the absence of a contract or local law or usage to the contrary, a lease of immoveable property for agricultural or manufacturing purposes shall be deemed to be a lease from year to year, terminable, on the part of either lessor or lessee, by six months' notice expiring with the end of a year of the tenancy; and a lease of immoveable property for any other purpose shall be deemed to be a lease from month to month, terminable, on the part of either lessor or lessee, by fifteen days' notice expiring with the end of a month of the tenancy. 
 
- Every notice under this section must be in writing signed by or on behalf of the person giving it, and either be sent by post to the party who is intended to be bound by it or be tendered or delivered personally to such party, or to one of his family or servants at his residence, or (if such tender or delivery is not practicable) affixed to a conspicuous part of the property.
১২৪.
সুপ্রীম কোর্টের বিচারকদের পদের মেয়াদ কত বৎসর বয়স পর্যন্ত?
  1. ৬৫ বৎসর
  2. ৬৬ বৎসর
  3. ৬৭ বৎসর
  4. নির্দিষ্ট কোন বয়স সীমা নেই
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের বিধান: বিচারকদের পদের মেয়াদ:

(১) এই অনুচ্ছেদের অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে কোন বিচারক সাতষট্টি বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।

(২) প্রমাণিত অসদাচরণ বা অসামর্থ্যের কারণে সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতার দ্বারা সমর্থিত সংসদের প্রস্তাবক্রমে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ ব্যতীত কোন বিচারককে অপসারিত করা যাইবে না।

(৩) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন প্রস্তাব সম্পর্কিত পদ্ধতি এবং কোন বিচারকের অসদাচরণ বা অসামর্থ্য সম্পর্কে তদন্ত ও প্রমাণের পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করিতে পারিবেন।

(৪) কোন বিচারক রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।
--------------
⇒ Article 96. Tenure of office of Judges:
(1) Subject to the other provisions of this article, a Judge shall hold office until he attains the age of sixty-seven years. 

(2) A Judge shall not be removed from his office except by an order of the President passed pursuant to a resolution of Parliament supported by a majority of not less than two-thirds of the total number of members of Parliament, on the ground of proved misbehaviour or incapacity. 
(3) Parliament may by law regulate the procedure in relation to a resolution under clause (2) and for investigation and proof of the misbehaviour or incapacity of a Judge. 
(4) A Judge may resign his office by writing under his hand addressed to the President.
১২৫.
সরকারী কর্ম কমিশন কার নিকট বার্ষিক রিপোর্ট পেশ করবেন?
  1. সরকারের
  2. রাষ্ট্রপতির
  3. প্রধানমন্ত্রীর
  4. সংসদের
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪১ এর বিধান বার্ষিক রিপোর্ট:
(১) প্রত্যেক কমিশন প্রতি বৎসর মার্চ মাসের প্রথম দিবসে বা তাহার পূর্বে পূর্ববর্তী একত্রিশে ডিসেম্বরে সমাপ্ত এক বৎসরে স্বীয় কার্যাবলী সম্বন্ধে রিপোর্ট প্রস্তুত করিবেন এবং তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিবেন। 
 
(২) রিপোর্টের সহিত একটি স্মারকলিপি থাকিবে, যাহাতে 
(ক) কোন ক্ষেত্রে কমিশনের কোন পরামর্শ গৃহীত না হইয়া থাকিলে সেই ক্ষেত্র এবং পরামর্শ গৃহীত না হইবার কারণ; এবং 
(খ) যে সকল ক্ষেত্রে কমিশনের সহিত পরামর্শ করা উচিত ছিল অথচ পরামর্শ করা হয় নাই, সেই সকল ক্ষেত্র এবং পরামর্শ না করিবার কারণ;  সম্বন্ধে কমিশন যতদূর অবগত, ততদূর লিপিবদ্ধ করিবেন। 
 
(৩) যে বৎসর রিপোর্ট পেশ করা হইয়াছে, সেই বৎসর একত্রিশে মার্চের পর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে রাষ্ট্রপতি উক্ত রিপোর্ট ও স্মারকলিপি সংসদে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করিবেন।

অর্থাৎ সংবিধানের নবম ভাগের ২য় পরিচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারী কর্ম কমিশন ঘটিত হয়।
- যারা সংবিধানের ১৪১ অনুচ্ছেদের বিধান মতে রাষ্ট্রপতির নিকট বার্ষিক রিপোর্ট পেশ করিবেন।
১২৬.
যদি একক হস্তান্তরের মাধ্যমে একাধিক বস্তু দান করা হয়, যার মধ্যে একটি দায়যুক্ত এবং অন্যগুলো নয়, তবে দানগ্রহীতা কিভাবে তা গ্রহণ করতে পারবে?
  1. শুধু দায়মুক্ত বস্তু গ্রহণ করতে পারবে
  2. শুধুমাত্র দায়যুক্ত বস্তু গ্রহণ করতে পারবে
  3. যেকোনো একটি বেছে নিতে পারবে
  4. দান পুরোপুরি গ্রহণ করতে হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৭- দায়যুক্ত দান (Onerous Gifts):

১ম অংশ:
যখন কোনো দান একই ব্যক্তিকে একক হস্তান্তরের মাধ্যমে একাধিক বস্তু দান করা হয়, যার মধ্যে একটি বোঝাযুক্ত (অর্থাৎ কোনো দায় বা কর্তব্যের সাথে যুক্ত) এবং অন্যগুলো বোঝামুক্ত, তখন দাতা সেই দান গ্রহণ করতে পারবে না যদি না সে পুরো দানটি গ্রহণ করে।
অর্থাৎ—একাংশ গ্রহণ করে, অন্য অংশ বর্জন করা যাবে না।

২য় অংশ:
যদি দানটি দুই বা ততোধিক পৃথক ও স্বাধীন হস্তান্তর হয়, যেখানে একাধিক বস্তু একই ব্যক্তিকে দেওয়া হয়েছে, তবে দানগ্রহীতা ইচ্ছেমতো কোনো একটি গ্রহণ এবং অন্যগুলো প্রত্যাখ্যান করতে পারে, এমনকি যদি একটি লাভজনক হয় আর অন্যটি দায়বদ্ধ হয়।
১২৭.
জরুরী-অবস্থা ঘোষণার বৈধতার জন্য কার প্রতি-স্বাক্ষর প্রয়োজন?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. সংসদের স্পিকার
  4. সেনাবাহিনীর প্রধান
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪১ক- জরুরী-অবস্থা ঘোষণা:
(১) রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, এমন জরুরী-অবস্থা বিদ্যমান রহিয়াছে, যাহাতে যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের দ্বারা বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন, তাহা হইলে তিনি অনধিক একশত কুড়ি দিনের জন্য জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবে: 
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ ঘোষণার বৈধতার জন্য ঘোষণার পূর্বেই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর প্রয়োজন হইবে।

(২) জরুরী-অবস্থার ঘোষণা-
(ক) পরবর্তী কোন ঘোষণার দ্বারা প্রত্যাহার করা যাইবে; 
(খ) সংসদে উপস্থাপিত হইবে; 
(গ) একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে কার্যকর থাকিবে না: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, যদি সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অনুরূপ কোন ঘোষণা জারী করা হয় কিংবা এই দফার (গ) উপ-দফায় বর্ণিত এক শত কুড়ি দিনের মধ্যে সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়, তাহা হইলে তাহা পুনর্গঠিত হইবার পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইবার পূর্বে ঘোষণাটি অনুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত ত্রিশ দিনের অবসানে অথবা একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে, যাহা আগে ঘটে, অনুরূপ ঘোষণা কার্যকর থাকিবে না।
 
(৩) যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের বিপদ আসন্ন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে প্রকৃত যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ সংঘটিত হইবার পূর্বে তিনি অনুরূপ যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের জন্য বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বিপন্ন বলিয়া জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবেন।
১২৮.
The Maxim 'Ignorantia juris non excusat' means-
  1. Ignorance of the law is a excuse
  2. Ignorance of the law is no excuse
  3. Ignorance of fact is an excuse
  4. Ignorance of fact is no excuse
ব্যাখ্যা
Ignorantia juris non excusat: "ignorance of the law is no excuse." 
অর্থ: আইন জানলে না, তা অপরাধীকে শাস্তি থেকে রক্ষা করতে পারে না।

ব্যাখ্যা: আইনগত ভুল (Mistake of Law) মানে হল যে কোনো ব্যক্তি আইন সম্পর্কিত ভুল ধারণা বা ভুল জানার কারণে অপরাধ করেছে। তবে এটি কোন অজুহাত হিসেবে গণ্য হবে না। আইন জানার ভুল বা অজ্ঞতা অপরাধের দায় থেকে মুক্তি দেয় না।

উদাহরণ: যদি কেউ আইন জানে না বা ভুলভাবে ধারণা করে এবং সেই অনুযায়ী কোনো অপরাধ করে, তাকে আইন অনুযায়ী শাস্তি দিতে হবে। যেমন, যদি কেউ মাদক গ্রহণের বিষয়ে আইন জানে না এবং সে তা গ্রহণ করে, তবে তার অজ্ঞতা দোষমুক্তির কারণ হবে না।
১২৯.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর অধীন অগ্রক্রয়ের আবেদন করাকালে সংশ্লিস্ট দলিলে উল্লিখিত বিক্রয়মূল্যের উপর শতকরা কত ভাগ ক্ষতিপূরণ জমা দিতে হয়?
  1. ২০
  2. ২৫
  3. ৪০
  4. ৩০
ব্যাখ্যা
- রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৯৬ (৩) ধারার বিধান অগ্রক্রয়ের জন্য দায়েরকৃত আবেদন খারিজ হইবে যদি আবেদনকারী অথবা আবেদনকারীগণ উহা দায়ের করিবার সময় আদালতে নিম্নরূপ অর্থ জমা প্রদান না করেন, যথা:-
(ক) ধারা ৮৯ এর অধীন নোটিশে অথবা হস্তান্তর দলিলে, ক্ষেত্রমত, বর্ণিত বিক্রিত জোত অথবা অংশ-বিশেষ বা শেয়ারের বিনিময় মূল্য;
(খ) দফা (ক) এ উল্লিখিত পরিমাণ অর্থের শতকরা পঁচিশ ভাগ ক্ষতিপূরণ; এবং
(গ) বিক্রয় দলিল সম্পাদনের তারিখ হইতে অগ্রক্রয়ের আবেদন দাখিলের তারিখ পর্যন্ত সময়ের জন্য দফা (ক) এ উল্লিখিত পরিমাণের উপর শতকরা বার্ষিক আট ভাগ হারে সরল সুদের হিসাবকৃত অর্থ।
--------------
Section 96 Right of pre-emption (3) An application under sub-section (1) shall be dismissed unless the applicant or applicants, at the time of making it, deposit in the Court- 
(a) the amount of the consideration money of the sold holding or portion or share of the holding as stated in the notice under section 89 or in the deed of sale, as the case may be; 
(b) compensation at the rate of twenty five per centum of the amount referred to in clause (a); and 
(c) an amount calculated at the rate of eight per centum simple annual interest upon the amount referred to in clause (a) for the period from the date of the execution of the deed of sale to the date of filing of the application for preemption.
১৩০.
নির্ণায়ক ভোট (Casting Vote) সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ কোনটি?
  1. অনুচ্ছেদ ৭৫
  2. অনুচ্ছেদ  ৭৬
  3. অনুচ্ছেদ ৭৪
  4. অনুচ্ছেদ  ৭৩
ব্যাখ্যা
⇒ অনুচ্ছেদ ৭৫:- কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি:
(১) এই সংবিধান-সাপেক্ষে
(খ) উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি ভোটদান করবেন না কিন্তু সমসংখ্যক ভোট হলে তিনি নির্ণায়ক ভোট (Casting Vote) প্রদান করবেন।
অন্যদিকে, 
• অনুচ্ছেদ  ৭৬:- সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ।
• অনুচ্ছেদ ৭৭ : ন্যায়পাল।
• অনুচ্ছেদ  ৭৮ : সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি।   

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদের বিধান: কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি:
 (১) এই সংবিধান-সাপেক্ষে
(ক) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা এবং অনুরূপ বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রিত হইবে;
(খ) উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক ভোট প্রদান করিবেন;
(গ) সংসদের কোন সদস্যপদ শূন্য রহিয়াছে, কেবল এই কারণে কিংবা সংসদে উপস্থিত হইবার বা ভোটদানের বা অন্য কোন উপায়ে কার্যধারায় অংশগ্রহণের অধিকার না থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি অনুরূপ কার্য করিয়াছেন, কেবল এই কারণে সংসদের কোন কার্যধারা অবৈধ হইবে না।
(২) সংসদের বৈঠক চলাকালে কোন সময়ে উপস্থিত সদস্য-সংখ্যা ষাটের কম বলিয়া যদি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ষাট জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বৈঠক স্থগিত রাখিবেন কিংবা মুলতবী করিবেন।
------------
⇒ Article 75 Rules of procedure, quorum, etc-:
 (1) Subject to this Constitution – 
(a) the procedure of Parliament shall be regulated by rules of procedure made by it, and until such rules are made shall be regulated by rules of procedure made by the President; 
(b) a decision in Parliament shall be taken by a majority of the votes of the members present and voting, but the person presiding shall not vote except when there is an equality of votes, in which case he shall exercise a casting vote;

(c) no proceeding in Parliament shall be invalid by reason only that there is a vacancy in the membership thereof or that a person who was not entitled to do so was present at, or voted or otherwise participated in, the proceeding.

(2) If at any time during which Parliament is in session the attention of the person presiding is drawn to the fact that the number of members present is less than sixty, he shall either suspend the meeting until at least sixty members are present, or adjourn it.
১৩১.
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে, কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হওয়া নিয়ে যদি কোনো বিতর্ক দেখা দেয়, তবে তা নিষ্পত্তির জন্য কার নিকট প্রেরিত হবে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. স্পিকার
  3. নির্বাচন কমিশন
  4. সুপ্রিম কোর্ট
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা:

(৪) কোন সংসদ-সদস্য তাঁহার নির্বাচনের পর এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত অযোগ্যতার অধীন হইয়াছেন কি না কিংবা এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হইবে কি না, সে সম্পর্কে কোন বিতর্ক দেখা দিলে শুনানী ও নিষ্পত্তির জন্য প্রশ্নটি নির্বাচন কমিশনের নিকট প্রেরিত হইবে এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।

(৫) এই অনুচ্ছেদের (৪) দফার বিধানাবলী যাহাতে পূর্ণ কার্যকরতা লাভ করিতে পারে, সেই উদ্দেশ্যে নির্বাচন কমিশনকে ক্ষমতাদানের জন্য সংসদ যেরূপ প্রয়োজন বোধ করিবেন, আইনের দ্বারা সেইরূপ বিধান করিতে পারিবেন।

১৩২.
The Transfer of Property Act, 1882 এর কত ধারায় 'চুক্তির আংশিক সম্পাদন নীতি' বর্ণিত হয়েছে?
  1. ৫৩
  2. ৫৩ক
  3. ৫৩খ
  4. ৫৩গ
ব্যাখ্যা
- The Transfer of Property Act, 1882 এর ৫৩ক ধারায় The Doctrine of Part performance সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে অর্থাৎ চুক্তি অনুযায়ী আংশিক কার্য সম্পাদন।

- The Transfer of Property Act, 1882 এর ৫৩ক ধারার বিধান চুক্তির আংশিক সম্পাদন: 
 যেখানে কোন ব্যক্তি লিখিত ও তার দ্বারা স্বাক্ষরিত বা তার পক্ষ হতে স্বাক্ষরিত দলিল দ্বারা মূল্যের বিনিময়ে কোন স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের জন্য চুক্তি সম্পাদন করে যা হতে হস্তান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় শর্তাবলি যুক্তিসঙ্গত নিশ্চয়তার সাথে নির্ধারণ করা যেতে পারে এবং হস্তান্তর গ্রহীতা চুক্তির আংশিক প্রতিপালনের জন্য সম্পত্তি বা এর অংশবিশেষের দখল গ্রহণ অথবা পূর্বে দখলে থাকলে দখল বজায় রেখে চুক্তিটি আংশিক ভাবে পালন করে এবং চুক্তি অনুসারে আরও কোন কাজ করে, এবং হস্তান্তরগ্রহীতা চুক্তিতে তার অংশ পালন করে বা করতে ইচ্ছুক থাকে।

 সেখানে হস্তান্তরের দলিল থাকলে হস্তান্তর তৎকালীন আইন অনুসারে নির্ধারিত পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ করা না হলেও হস্তান্তরকারী বা তার কোন ওয়ারিশ চুক্তিপত্রে সুস্পষ্টরূপে উল্লিখিত অধিকার ছাড়া সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির ব্যাপারে অন্য কোন অধিকার হস্তান্তরগ্রহীতা বা তার ওয়ারিশগণের উপর প্রয়োগ করতে পারবে না।

 তবে এই ধারার কোন বিধান মূল্যের বিনিময়ে এবং এই চুক্তি বা এর আংশিক পালন সম্পর্কে অনবহিত হস্তান্তর গ্রহীতার কোন অধিকারকে প্রভাবিত করবে না।
-----------
- The Transfer of Property Act, 1882 Section 53A. Part performance:
 Where any person contracts to transfer for consideration any immoveable property by writing signed by him or on his behalf from which the terms necessary to constitute the transfer can be ascertained with reasonable certainty, 
and the transferee has, in part performance of the contract, taken possession of the property or any part thereof, or the transferee, being already in possession, continues in possession in part performance of the contract and has done some act in furtherance of the contract, and the transferee has performed or is willing to perform his part of the contract, 
 
then, where there is an instrument of transfer, that the transfer has not been completed in the manner prescribed therefore by the law for the time being in force, the transferor or any person claiming under him shall be debarred from enforcing against the transferee and persons claiming under him any right in respect of the property of which the transferee has taken or continued in possession, other than a right expressly provided by the terms of the contract: 
 
Provided that nothing in this section shall affect the rights of a transferee for consideration who has no notice of the contract or of the part performance thereof.
১৩৩.
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর নিচের কোন ধারাগুলোর অপরাধসমূহ আমলযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য হবে?
  1. ১৭, ১৯, ২৮ ও ৩২
  2. ১৭, ১৯, ২৭ ও ৩২
  3. ২৯, ৩০, ৩১ ও ৪৬
  4. ২১, ২২, ২৩ ও ২৪
ব্যাখ্যা
⇒ সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ৫২ ধারার বিধান অপরাধের আমলযোগ্যতা ও জামিনযোগ্যতা:
এই আইনের-
(ক) ধারা ১৭, ১৯, ২৭ ও ৩২ এ উল্লিখিত অপরাধসমূহ আমলযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য হইবে;

(খ) ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (খ), ধারা ২০, ২১, ২২, ২৩, ২৪, ২৫, ২৬, ২৮, ২৯, ৩০, ৩১ ও ৪৬ এ উল্লিখিত অপরাধসমূহ অ-আমলযোগ্য ও জামিনযোগ্য হইবে; এবং

(গ) ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক)-তে উল্লিখিত অপরাধসমূহ অ-আমলযোগ্য, জামিনযোগ্য ও আদালতের সম্মতি সাপেক্ষে আপোষযোগ্য হইবে।
১৩৪.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৩৩ ধারার অধীনে, কমিশনের নিজস্ব প্রসিকিউটর নিযুক্ত না হওয়া পর্যন্ত কে মামলা পরিচালনা করবেন?
  1. পাবলিক প্রসিকিউটর
  2. কমিশনের চেয়ারম্যান
  3. অনুমোদিত আইনজীবী
  4. অনুমোদিত বিশেষ প্রতিনিধি
ব্যাখ্যা
"দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪"-এর ধারা ৩৩: কমিশনের নিজস্ব প্রসিকিউশন ইউনিট:
(১) এই আইনের অধীন কমিশন কর্তৃক তদন্তকৃত এবং স্পেশাল জজ কর্তৃক বিচারযোগ্য মামলাসমূহ পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রসিকিউটর এর সমন্বয়ে কমিশনের অধীন উহার নিজস্ব একটি স্থায়ী প্রসিকিউশন ইউনিট থাকিবে৷

(২) উক্ত প্রসিকিউটরগণের নিয়োগ ও চাকুরীর শর্তাবলী বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে৷

(৩) এই ধারার অধীন কমিশনের নিজস্ব প্রসিকিউটর নিযুক্ত না হওয়া পর্যন্ত, কমিশন কর্তৃক অস্থায়ী ভিত্তিতে নিযুক্ত বা অনুমোদিত আইনজীবীগণ এই আইনের অধীন মামলাসমূহ পরিচালনা করিবে৷

(৪) এই ধারার অধীন নিযুক্ত প্রসিকিউটরগণ পাবলিক প্রসিকিউটর বলিয়া গণ্য হইবেন৷

(৫) দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক দায়েরকৃত মামলায় অথবা দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক গৃহীত যে কোন কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে কোন আদালতে কেহ কোন প্রতিকার প্রার্থনা করিলে দুর্নীতি দমন কমিশনকে পক্ষভুক্ত করিতে হইবে এবং দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক দায়েরকৃত কোন মামলায় বা কার্যক্রমে কোন ব্যক্তি জামিন কিংবা অন্য কোন প্রকার প্রতিকার প্রার্থনা করিলে কমিশনকে শুনানীর জন্য যুক্তিসংগত সময় প্রদান না করিয়া শুনানি গ্রহণ করা যাইবে না।
১৩৫.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ধারা ৫৩গ অনুসারে, প্রস্তুতকৃত খতিয়ান কোন আইনের অধীনে তৈরি করা হয়?
  1. সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৯৮২
  2. রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০
  3. অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯
  4. সিভিল প্রসিডিউর কোড, ১৯০৮
ব্যাখ্যা
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৩গ ধারার বিধান: খতিয়ান না থাকা কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে না:
কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করতে পারবেন না যদি না তার নাম, যদি তিনি উত্তরাধিকার ব্যতীত অন্য কোন উপায়ে সম্পত্তির মালিক হন, অথবা তার নাম বা তার পূর্বসূরির নাম, যদি তিনি উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তির মালিক হন, রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর অধীনে প্রস্তুতকৃত সর্বশেষ খতিয়ানে সেই সম্পত্তির সম্পর্কে উল্লেখিত থাকে, এবং অন্যথায় কৃত যেকোন বিক্রয় বাতিল হবে।

Section 53C. Immoveable Property without Khatian not to be sold:
No immoveable property shall be sold by a person unless his name, if he is the owner of the property otherwise than by inheritance, or his name or the name of his predecessor, if he is the owner of the property by inheritance, appears in respect of the property in the latest khatian prepared under the State Acquisition and Tenancy Act, 1950, and any sale made otherwise shall be void.
১৩৬.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধের দণ্ড-
  1. ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড
  2. ২ থেকে ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. ২ থেকে ৭ বছর পর্যন্ত
  4. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ৪ ধারার বিধান অপরাধের শাস্তি: 
 
(১) কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ করিলে তিনি অন্যুন দুই বৎসর এবং অনধিক সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন৷

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন দণ্ডপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনকালে সরকার কিংবা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা কোন প্রতিষ্ঠান বা কোন ব্যক্তির আর্থিক ক্ষতিসাধন করিলে তদ্‌জন্য আদালত তদ্‌বিবেচনায় উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ক্ষতিগ্রস্ত সরকার বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির অনুকূলে প্রদান করিবার জন্য উক্ত দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আদেশ দিতে পারিবে এবং এই ক্ষতিপূরণের অর্থ সরকারী দাবী হিসাবে আদায়যোগ্য হইবে৷
১৩৭.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা বর্ণিত আছে? 
  1. অনুচ্ছেদ ৮০ 
  2. অনুচ্ছেদ ৯৬
  3. অনুচ্ছেদ ৯২
  4. অনুচ্ছেদ ৯৩
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ (অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা) শিরোনামেই স্পষ্টভাবে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা বর্ণিত আছে। এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে: রাষ্ট্রপতির নিকট আশু ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি উক্ত পরিস্থিতিতে যেরূপ প্রয়োজনীয় বলিয়া মনে করিবেন, সেইরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদটি রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ জারি করার ক্ষমতা (Ordinance-making power), এর শর্তাবলী, সীমাবদ্ধতা এবং সংসদে উপস্থাপনের প্রক্রিয়া বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করে।

- সুতরাং, রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা বর্ণিত আছে অনুচ্ছেদ ৯৩-এ।

১৩৮.
Doctrine of 'ejusdena generis' নীতির আলোকে আইনের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে-
  1. আইনের সাধারণ শব্দ নির্দিষ্ট শব্দকে অনুসরণ করে
  2. আইনের নির্দিষ্ট শব্দ সাধারণ শব্দকে অনুসরণ করে
  3. আইনের সাদৃশ্য শব্দসমূহ সাধারণ শব্দকে অনুসরণ করে
  4. আইনের সাদৃশ্য শব্দসমূহ নির্দিষ্ট শব্দকে অনুসরণ করে
ব্যাখ্যা
Doctrine of 'ejusdem generis' নীতি:
-'Ejupdem Generis' শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো- 'একই প্রকার ও প্রকৃতির।

- এই নীতিতে
(ⅰ) আইনে কিছু নির্দিষ্ট শব্দ থাকবে এবং কিছু সাধারণ শব্দ থাকবে।
(ii) যখন কোনো আইনে সাধারণ শব্দসমূহ নির্দিষ্ট শব্দসমূহকে অনুসরণ করে,
- তখন সাধারণ শব্দসমূহকে নির্দিষ্ট শব্দসমূহের আলোকে ব্যাখ্যা করতে হবে।
----------
Ejusdem generis (ee-joose-dem gen-ris) is a Latin phrase that means “of the same kind.” The statutory and constitutional construction principle of “ejusdem generis” states that where general words or phrases follow a number of specific words or phrases, the general words are specifically construed as limited and apply only to persons or things of the same kind or class as those expressly mentioned.
১৩৯.
নিম্নলিখিত কোনটি বিনা প্রতিদানে (Consideration) করা চুক্তি হিসেবে বাতিল হবে?
  1. সময়োত্তীর্ণ ঋণের জন্য স্বাক্ষরিত প্রতিশ্রুতি
  2. স্বেচ্ছায় সাহায্যকারী ব্যক্তিকে পুরস্কার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি
  3. ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের মধ্যে ভালোবাসার ভিত্তিতে লিখিত ও রেজিস্টারকৃত চুক্তি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ২৫: বিনা প্রতিদানে (Consideration) করা চুক্তি বাতিল, তবে কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে-
একটি চুক্তি যদি কোনো প্রতিদান (consideration) ছাড়া করা হয়, তাহলে সেটি বাতিল (void) বলে গণ্য হবে। তবে নিম্নলিখিত ৩টি ক্ষেত্রে বিনা প্রতিদানে চুক্তি বৈধ হতে পারে:

(১) যদি চুক্তিটি লিখিত আকারে ও রেজিস্টারকৃত হয়, এবং স্বাভাবিক ভালোবাসা ও স্নেহ (natural love and affection) থেকে করা হয়, এবং উভয় পক্ষ ঘনিষ্ঠ আত্মীয়তার সম্পর্কে থাকে, তাহলে সেই চুক্তি বৈধ হবে।

(২) যদি এটি এমন কোনো ব্যক্তিকে পুরস্কৃত বা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি হয়, যিনি স্বেচ্ছায় প্রতিশ্রুতিদাতার (promisor) জন্য কিছু করেছেন, অথবা এমন কিছু করেছেন যা আইনত করতে বাধ্য ছিলেন, তাহলেও সেটি বৈধ হতে পারে।

(৩) যদি এটি লিখিত ও স্বাক্ষরিত চুক্তি হয়, এবং এটি এমন একটি ঋণ পরিশোধের প্রতিশ্রুতি হয়, যা সময়ের কারণে (Limitation Law অনুযায়ী) আদায়যোগ্য না হলেও তবুও সে প্রতিশ্রুতি দেয় পুরো বা আংশিক অর্থ ফেরতের- তাহলেও সেটি বৈধ চুক্তি হবে।
১৪০.
একজন হানাফি মুসলিম স্ত্রী, মা ও পিতাকে রেখে মারা যায়। পিতার অংশ কত?
  1. ১/৬
  2. ১/৪
  3. ১/৮
  4. ১/২
ব্যাখ্যা
• উমারিয়াতান নীতি প্রয়োগ করে,

স্ত্রী= ১/৪ অংশ,
মাতা= অবশিষ্ট ৩/৪ অংশের ১/৩ অংশ, = ১/৪ অংশ,
পিতা= অবশিষ্টাংশভোগী= ১/২ অংশ পাবে।
১৪১.
“Nemo est supra leges” নীতিটি বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ২২ অনুচ্ছেদে
  2. ২৭ অনুচ্ছেদে
  3. ৩৭ অনুচ্ছেদে
  4. ৩৩ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

⇒ "Nemo est supra leges" লাতিন বাক্যাংশটির অর্থ "কেহই আইনের ঊর্ধ্বে নয়"। এই নীতিটি বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭-এ স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে, যা "আইনের দৃষ্টিতে সমতা" প্রতিষ্ঠা করে।
 - সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী। 
- বাংলাদেশ সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে বর্ণিত এই নীতিটি এটাই প্রমাণ করে যে, কোন ব্যক্তি আইনের ঊর্ধ্বে নয়। 'No man is above the law.'
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদের বিধান: আইনের দৃষ্টিতে সমতা:- সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।
---------------
⇒ The Constitution of Bangladesh, Article 27. Equality before law:
 All citizens are equal before law and are entitled to equal protection of law.

১৪২.
An individual who is qualified to exercise ijtihad in the evaluation of Islamic law is called-
  1. Imam
  2. Muslim
  3. Mujtahid
  4. Mujahideen
ব্যাখ্যা
⇒ An individual who is qualified to exercise ijtihad in the evaluation of Islamic law is called mujtahid (Arabic: مُجْتَهِد, "diligent"). an authoritative interpreter of the religious law of Islame specially : a living religious teacher that is recognized by the Shiʽa as competent to exercise private judgment in formulating authoritative answers to legal questions.

⇒ There are some specific criteria that must be satisfied for a person to be eligible to make an ijtihad. The person who can make an ijtihad is known as 'Mujtahid' who must have, inter alia, an in depth knowledge and understanding of Islam.

⇒ Ijtihad is one of the dependent sources of Islamic law. If a matter not resolved expressly in a Quran, Sunnah and by way of Ijma the jurist must not leave the matter unresolved rather he should strive hard to find out the solution under the light of Quran and Sunnah.

⇒ In Islamic law the use of individual reasoning in general is called Ijtihad or Ijtihad al-ra'y, and Mujtahid is the qualified lawyer who uses it. "Exertion" is the literal meaning of Ijtihad. In general usage, this Arabic word denotes the utmost effort, physical or mental, expended in a particular activity. In its Islamic and technical legal connotation, it denotes the thorough exertion of the jurist's mental faculty in finding a solution for a case of law. Ijtihad therefore is 'the logical deduction on a legal or theological question by a Mujtahid or learned and enlightened doctor, as distinguished from Ijma, which is the collective opinion of a council of divines.'
১৪৩.
সংসদ গঠনের জন্য কতজন সদস্য প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন?
  1. ২৫০
  2. ২৭৫
  3. ৩০০
  4. ৩৫০
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
৬৫(১) - জাতীয় সংসদ গঠনের ও আইন প্রণয়নের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
৬৫(২) - ৩০০ সদস্য প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হবেন একক আঞ্চলিক এলাকাসমূহ থেকে।
৬৫(৩) - পঞ্চাশটি মহিলা আসন সংরক্ষণের বিধান।
৬৫(৩ক) - পঞ্চদশ সংশোধন অনুযায়ী তৎকালীন সংসদের জন্য সংরক্ষিত মহিলা আসনের অন্তর্ভুক্তি।
৬৫(৪) - সংসদের আসন রাজধানীতে থাকবে।

সংবিধনের ৬৫ অনুচ্ছেদ- সংসদ-প্রতিষ্ঠা:
(১) "জাতীয় সংসদ" নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের আইন-দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হইতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করিবে না।

(২) একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকাসমূহ হইতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আইনানুযায়ী নির্বাচিত তিন শত সদস্য লইয়া এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার কার্যকরতাকালে উক্ত দফায় বর্ণিত সদস্যদিগকে লইয়া সংসদ গঠিত হইবে; সদস্যগণ সংসদ-সদস্য বলিয়া অভিহিত হইবেন।

 (৩) সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন, ২০১৮ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অব্যবহিত পরবর্তী সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে শুরু করিয়া পঁচিশ বৎসরকাল অতিবাহিত হইবার অব্যবহিত পরবর্তীকালে সংসদ ভাংগিয়া না যাওয়া পর্যন্ত পঞ্চাশটি আসন কেবল মহিলা-সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকিবে এবং তাঁহারা আইনানুযায়ী পূর্বোক্ত সদস্যদের দ্বারা সংসদে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির ভিত্তিতে একক হস্তান্তরযোগ্য ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হইবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার কোন কিছুই এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন কোন আসনে কোন মহিলার নির্বাচন নিবৃত্ত করিবে না।

(৩ক) সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অবশিষ্ট মেয়াদে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত তিন শত সদস্য এবং (৩) দফায় বর্ণিত পঞ্চাশ মহিলা-সদস্য লইয়া সংসদ গঠিত হইবে।

(৪) রাজধানীতে সংসদের আসন থাকিবে।
১৪৪.
মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে একজন নারীকে আটক করলে অর্থদণ্ডসহ সাজা কি হবে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. ১৪ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০

ধারা-৮ মুক্তিপণ আদায়ের শাস্তি


যদি কোন ব্যক্তি মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে কোন নারী বা শিশুকে আটক করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
১৪৫.
দেনমোহর প্রদান বা পরিশোধের পদ্ধতি সম্পর্কে কাবিননামাতে উল্লেখ না থাকলে-
  1. স্বামীর মৃত্যুর পর পরিশোধ করতে হবে
  2. স্ত্রী চাহিবামাত্র তা পরিশোধ করতে হবে
  3. বিচ্ছেদের সময় তা পরিশোধ করতে হবে
  4. ক বা গ
ব্যাখ্যা
• দেনমোহর [Dower]

বিবাহ বন্ধনের বিনিময়ে স্ত্রী স্বামীর নিকট শরিয়ত সম্মতভাবে যে অর্থ-সম্পদ লাভের অধিকারী হয় সে অর্থ সম্পদকে দেনমোহর বলে। দেনমোহরের পরিমাণ বিবাহের পূর্বে বা বিবাহের সময় কিংবা বিবাহের পর নির্দিষ্ট করা যায়। বিবাহের পর দেনমোহরের পরিমাণ বৃদ্ধি করা যায়।

দেনমোহর প্রথমত দুই প্রকার, যথা-

নির্ধারিত দেনমোহর (fixed/specified dower):

বিবাহের সময় বা বিবাহের পর স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের মধ্যে অথবা তাদের পক্ষে যে দেনমোহর হণ করা হয় তাকে মোহরে মুসাম্মা বা fixed/specified dower বলে।

যথার্থ দেনমোহর (Proper dower):
বিবাহের চুক্তিতে দেনমোহরের পরিমাণ উল্লেখ করা না হলে শরিয়ত অনুযায়ী তা নিরূপিত বলে। গণ্য হবে এবং স্বামীর উপর মোহরে মিসল বা Proper dower বা উপযুক্ত মোহর ওয়াজিব হবে।

পরিশোধের সময়ের উপর ভিত্তি করে Fixed dower বা নির্ধারিত দেনমোহরকে আবার দুভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

ক. তাৎক্ষণিক দেনমোহর (Prompt dower):
যে দেনমোহর স্ত্রী কর্তৃক দাবি করা মাত্রই স্বামী তা দিতে বাধ্য থাকে তা Prompt dower বা তাৎক্ষণিক দেনমোহর বলে। তাৎক্ষণিক দেনমোহরের ক্ষেত্রে স্ত্রী যেকোনো সময় দেনমোহর দাবি করতে পারে, সেক্ষেত্রে স্ত্রীর দাবি অনুসারে স্বামী দেনমোহর পরিশোধ করতে বাধ্য।

খ. বিলম্বিত দেনমোহর (Deferred dower):
যে দেনমোহর বিবাহবিচ্ছেদের সময় বা কোনো নির্দিষ্ট তারিখে বা ঘটনা সাপেক্ষে পরিশোযোগ্য তাকে বিলম্বিত দেনমোহর বা Deferred dower বলে।

মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ এর ১০ ধারাতে বলা হয়েছে, “where no details the mode of payment of dower are specified in the nikahnama, or the marriage contract, the entire amount of the dower shall be prescribed to be payable on demand”

অর্থ্যাৎ দেনমোহর প্রদান বা পরিশোধের পদ্ধতি সম্পর্কে কাবিননামা বা বৈবাহিক চুক্তিতে উল্লেখ না থাকলেও, স্ত্রী চাহিবামাত্র তা পরিশোধ করতে হবে। এমনকি দেনমোহর ধার্য করা না থাকলেও।
১৪৬.
হানাফী মুসলিম A এর ২ পুত্র B ও C ছিল। ২ পুত্র রেখে B, ১৯৫৫ সালে মারা যায়। A, ১৯৬২ সালে মারা যায়। A এর সম্পত্তি কীভাবে বণ্টন হবে?
  1. C পুরো সম্পত্তি পাবে
  2. B-এর সন্তানরা কোনো অংশ পাবে না
  3. B-এর অংশ তার দুই পুত্র সমানভাবে এবং C বাকি অংশ পাবে
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা

• মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ (MFLO, 1961) এর ধারা ৪ অনুসারে:
উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টনের ক্ষেত্রে যাহার সম্পত্তি বণ্টিত হবে তার মৃত্যুর পূর্বে যদি তার পুত্র বা কন্যার মৃত্যু ঘটে এবং উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টনের সময় ঐ মৃত পুত্র বা কন্যার সন্তান যদি কেউ থাকে, তবে ঐ মৃত পুত্র বা কন্যা জীবিত থাকলে যে পরিমাণ সম্পত্তি পেত, তার সমান অংশ ঐ মৃত পুত্র বা কন্যার সন্তানরা অংশ অনুপাতে [per-stripes] পাবে। এ নিয়মকেই 'Doctrine of Representation' বলা হয়।

এখানে, ধারা ৪ অনুযায়ী 'B মারা গেলে তার সন্তানরা B এর অধিকার প্রাপ্ত হবেন। C বাকি অংশ পাবে।

যেহেতু, MFLO, 1961 আইনটি ১৯৬১ সালের ১৫ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে, সেহেতু, 'A', ১৯৬২ সালে মৃত্যুবরণ করার পরই উত্তরাধিকার সৃষ্টি হয়েছে। 'B'-এর ১৯৫৫ সালে মৃত্যুবরণ করা এখানে বিবেচ্য নয়।

১৪৭.
যদি কোন সন্তান না থাকে তাহলে স্ত্রী স্বামীর সম্পত্তির কত অংশ পাবে?
  1. ১/২ অংশ
  2. ১/৮ অংশ
  3. ১/৬ অংশ
  4. ১/৪ অংশ
ব্যাখ্যা
- স্ত্রী দুটি অবস্থায় সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়।

i) ১/৪ অংশ।

ii)  ১/৮ অংশ।

ক) যদি মৃত ব্যক্তি কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান না রেখে মারা যায়, তাহলে স্ত্রী মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পত্তির ১/৪ অংশ পাবে।

খ) যদি মৃত ব্যাক্তি কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান রেখে মারা যায়, তাহলে স্ত্রী মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পত্তির ১/৮ অংশ পাবে।
১৪৮.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪০(৪) অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনাল কীভাবে অপরাধ বিচারার্থে গ্রহণ (cognizance) করবে?
  1. স্বপ্রণোদিতভাবে
  2. অভিযোগকারীর নালিশের ভিত্তিতে
  3. পুলিশ অফিসারের লিখিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে
  4. হাইকোর্ট বিভাগের নির্দেশমতে
ব্যাখ্যা

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪০: মামলা দায়ের ও অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ, ইত্যাদি:
(১) কোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি সরাসরি বা তদ্‌কর্তৃক লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ব্যতীত কেহ এই অধ্যাদেশের অধীন মামলা দায়ের করিতে পারিবে না।

(২) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি সরাসরি বা তদ্‌কর্তৃক লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি থানায় কোনো অপরাধের অভিযোগ গ্রহণের অনুরোধ করিয়া ব্যর্থ হইয়াছেন মর্মে হলফনামা সহকারে ট্রাইব্যুনালের নিকট লিখিত নালিশ দাখিল করিলে, ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে পরীক্ষা করিয়া সন্তুষ্ট হইলে অভিযোগটি তদন্তের জন্য পুলিশ অফিসারকে নির্দেশ প্রদান করিবে, তবে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে পরীক্ষা করিয়া সন্তুষ্ট না হইলে অভিযোগটি সরাসরি নাকচ করিবে।

(৩) ট্রাইব্যুনাল তাহার এখতিয়ারের মধ্যে এই অধ্যাদেশের কোনো অপরাধ সংঘটনের কোনো তথ্য প্রাপ্ত হইলে তাহা অনুসন্ধানের জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশকে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং পুলিশ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবে।

(৪) ফৌজদারি কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, পুলিশ অফিসারের বা, ক্ষেত্রমত, যৌথ তদন্ত দলের লিখিত প্রতিবেদন ব্যতীত ট্রাইব্যুনাল কোনো অপরাধ বিচারার্থে গ্রহণ (cognizance) করিবে না।

(৫) ট্রাইব্যুনাল এই অধ্যাদেশের অধীন অপরাধের বিচারকালে দায়রা আদালতে বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২৩ এ বর্ণিত পদ্ধতি, এই অধ্যাদেশের বিধানাবলির সহিত সংগতিপূর্ণ হওয়া সাপেক্ষে, অনুসরণ করিবে।

১৪৯.
মহানগর এলাকায় সান্ধ্য আইন (Curfew) জারি করতে পারে কে?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. পুলিশ কমিশনার
  3. দায়রা জজ আদালত
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974: ধারা ২৪- সান্ধ্য আইন:
(১) কোনো জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মহানগরী এলাকায় পুলিশ কমিশনার, সরকারের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে, নির্দেশ প্রদান করিতে পারেন যে, আদেশে উল্লিখিত অব্যাহতি সাপেক্ষে, আদেশে উল্লেখিত এলাকা বা এলাকাসমূহে উপস্থিত কোনো ব্যক্তি, আদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত লিখিত অনুমতি ব্যতীত, ঘরের বাহির হইবে না।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি এই ধারার অধীন প্রদত্ত কোনো আদেশ লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক এক বৎসরের কারাদন্ডে, বা অর্থদন্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ধারা ২৪ অনুযায়ী-
⇒ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মহানগরীতে পুলিশ কমিশনার (সরকার নিয়ন্ত্রণে) সান্ধ্য আইন জারি করতে পারেন,
⇒ লঙ্ঘন করলে–সর্বোচ্চ ১ বছরের জেল এবং/অথবা অর্থদণ্ড হতে পারে।
১৫০.
'A' leaves a cow in the custody of 'B' to be taken care of. The cow has a calf. In this situation, who owns the cow and the calf?
  1. A
  2. B
  3. A and B jointly
  4. The calf has no specific owner
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ১৬৩ ধারা- জিম্মাকৃত পণ্যের বৃদ্ধি বা লাভের অধিকারী জিম্মাদাতা:
জিম্মাকৃত পণ্যের কোন বৃদ্ধি বা লাভ জিম্মাদার জিম্মাদাতাকে বা জিম্মাদাতার নির্দেশ অনুসারে প্রদান করতে বাধ্য।

উদাহরণ-
A একটি গাভী যত্ন নেওয়ার জন্য B এর হেফাজতে রাখেন। গাভীটি একটি বাছুর জন্ম দিলো। B গাভীটির সাথে বাছুরটিকেও A এর নিকট প্রদান করতে বাধ্য।

Section 163- Bailor entitled to increase or profit from goods bailed:
In the absence of any contract to the contrary, the bailee is bound to deliver to the bailor, or according to his directions, any increase or profit which may have accrued from the goods bailed.

Illustration-
A leaves a cow in the custody of B to be taken care of. The cow has a calf. B is bound to deliver the calf as well as the cow to A.
১৫১.
হিন্দু আইনে কয় ধরনের উত্তরাধিকার পদ্ধতি চালু রয়েছে?
  1. এক
  2. দুই
  3. তিন
  4. চার
ব্যাখ্যা
• হিন্দু আইন হিন্দুদের ধর্মীয় এবং ব্যক্তিগত আইন। এ আইন যারা জন্মসূত্রে হিন্দু, হিন্দু ধর্মে দীক্ষিত, হিন্দু পিতা মাতার অবৈধ সন্তান এবং যে ক্ষেত্রে পিতা খ্রীষ্টান এবং মাতা হিন্দু সেই ক্ষেত্রে অবৈধ সন্তান যদি মায়ের কাছে হিন্দু আচার অনুযায়ী লালিত পালিত হয়, তবে এসব ক্ষেত্রে হিন্দু আইন প্রযোজ্য।
 
বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তানে হিন্দুদের মধ্যে দু’ধরনের উত্তরাধিকার পদ্ধতি চালু রয়েছে। যথা-
১- দায়ভাগ পদ্ধতি এবং
২- মিতাক্ষরা পদ্ধতি।
 
দায়ভাগ পদ্ধতি বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে প্রচলিত আছে। ভারতের অন্যান্য প্রদেশ এবং পাকিস্তানে মিতাক্ষরা পদ্ধতি প্রযোজ্য হয়ে থাকে। যদিও বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে দায়ভাগ মতবাদ প্রযোজ্য, কিন্তু যে সকল ক্ষেত্রে দায়ভাগ এবং মিতাক্ষরার মধ্যে কোন বিরোধ নেই, সেই সকল ক্ষেত্রে এই অঞ্চলেও মিতাক্ষর মতবাদ প্রয়োগ করা হয়।
১৫২.
Contract of Bailment সংজ্ঞায়িত হয়েছে?
  1. ধারা ১৩৮
  2. ধারা ১২৮
  3. ধারা ১৪৬
  4. ধারা ১৪৮
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ১৪৮ ধারার বিধান "জিম্মা", "জিম্মাদাতা" এবং "জিম্মাদার" এদের সংজ্ঞা (Bailment, bailor, and bailee defined):

- জিম্মা- চুক্তির ভিত্তিতে কোন ব্যক্তি কর্তৃক অপর কোন ব্যক্তিকে কোনো উদ্দেশ্যে কোন মালপত্র এরূপভাবে প্রদান করা হয় যে, যখন উদ্দেশ্য সাধিত হয় তখন মাল প্রদানকারীর নির্দেশ অনুসারে তা ফেরত দিতে বা অন্যভাবে এর বিলি ব্যবস্থা করতে হবে।

- জিম্মাদাতা- মালামাল প্রদানকারী ব্যক্তিকে জিম্মাদাতা বলা হয়।

- জিম্মাদার- যে ব্যক্তির নিকট এগুলি প্রদান করা হয় তাকে জিম্মাদার বলা হয়।

- জিম্মা এমন একধরনের চুক্তি যেখানে ২টি পক্ষ থাকে। যেমন: জিম্মাদাতা ও জিম্মাদার।
- এই ধরনের চুক্তি দ্বারা অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করা যায়।

-----------
Section 148. "Bailment", "bailor", and "bailee" defined:
 A "bailment" is the delivery of goods by one person to another for some purpose, upon a contract that they shall, when the purpose is accomplished, be returned or otherwise disposed of according to the directions of the person delivering them.
The person delivering the goods is called the "bailor".
The person to whom they are delivered is called the "bailee". 
 
Explanation – If a person already in possession of the goods of another contracts to hold them as a bailee, he thereby becomes the bailee, and the owner becomes the bailor, of such goods although they may not have been delivered by way of bailment.
১৫৩.
কোন ___________ কর্তৃক প্রদত্ত যে কোন দণ্ডের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করিবার এবং যে কোন দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করিবার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকিবে?
  1. আদালত অথবা ট্রাইব্যুনাল
  2. আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ
  3. আদালত ও ট্রাইব্যুনাল
  4. আদালত বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদের বিধান: ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার:
- কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত যে−কোন দণ্ডের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করিবার এবং যে−কোন দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করিবার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকিবে।
----------------
⇒ Article 49. Prerogative of mercy:
The President shall have power to grant pardons, reprieves and respites and to remit, suspend or commute any sentence passed by any court, tribunal or other authority. 
১৫৪.
কোন ব্যক্তির বিবাহ বলবৎ থাকা অবস্থায়, সালিশী কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত পুনরায় কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলে অনধিক কত বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে?
  1. ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে
  2. ৩ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে
  3. ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে
  4. ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে
ব্যাখ্যা
The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর ৬ ধারা: বহুবিবাহ:

১) কোন ব্যক্তির বিবাহ বলবৎ থাকা অবস্থায় সে সালিশী কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে না বা ঐরূপ অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ অনুষ্ঠিত হলে তা The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর অধীনে রেজিস্ট্রিকৃত হবে না।

২) অনুমতির দরখাস্ত নির্ধারিত ফি সহ চেয়ারম্যানের নিকট দাখিল করতে হবে ও তাতে প্রস্তাবিত বিবাহের কারণসমূহ এবং এই বিবাহের ব্যাপারে বর্তমানে স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের সম্মতি নেয়া হয়েছে কিনা তার উল্লেখ থাকতে হবে।

৩) দরখাস্ত গ্রহণ করার পর চেয়ারম্যান আবেদনকারীকে ও বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের প্রত্যেককে একজন করে প্রতিনিধি মনোনীত করতে বলবেন। উক্তরূপে গঠিত সালিশি কাউন্সিল প্রস্তাবিত বিবাহ প্রয়োজনীয় ও ন্যায়সঙ্গত বলে মনে করলে সেক্ষেত্রে প্রার্থিত আবেদন মঞ্জুর করতে পারবেন।

৪) উক্ত দরখাস্তে বিবেচনা করার সময় সালিশি কাউন্সিল নিষ্পত্তির কারণাদি লিপিবদ্ধ করবেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যে কোন পক্ষ নির্দিষ্ট ফি প্রদানক্রমে সহকারী জজের নিকট পুনর্বিবেচনার (Revision) জন্য দরখাস্ত দাখিল করতে পারে; তার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে ও কোন আদালতে এই সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।

৫) কোন লোক যদি সালিশী কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় তবে সে-

ক) বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রী গণের তলবী ও স্থগিত দেনমোহরের সম্পূর্ণ টাকা তৎক্ষণাৎ পরিশোধ করতে হবে। উক্ত টাকা উক্তরুপে পরিশোধ না করা হলে বকেয়া ভূমি রাজস্বরূপে আদায়যোগ্য হবে: এবং
খ) অভিযোগে অপরাধী সাব্যস্ত হলে এর শান্তি- অনধিক ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।

Section 6- Polygamy:
(1) No man, during the subsistence of an existing marriage, shall, except with the previous permission in writing of the Arbitration Council, contract another marriage, nor shall any such marriage contracted without such permission be registered under the Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 (LII of 1974). 

(2) An application for permission under sub-section (1) shall be submitted to the Chairman in the prescribed manner, together with the prescribed fee, and shall state the reasons for the proposed marriage, and whether the consent of the existing wife or wives has been obtained thereto.

(3) On receipt of the application under sub-section (2), the Chairman shall ask the applicant and his existing wife or wives each to nominate a representative, and the Arbitration Council so constituted may, if satisfied that the proposed marriage is necessary and just, grant, subject to such conditions, if any, as may be deemed fit, the permission applied for. 

(4) In deciding the application the Arbitration Council shall record its reasons for the decision, and any party may, in the prescribed manner, within the prescribed period, and on payment of the prescribed fee, prefer an application for revision to the Assistant Judge concerned and his decision shall be final and shall not be called in question in any Court. 

(5) Any man who contracts another marriage without the permission of the Arbitration Council shall- 
(a) pay immediately the entire amount of the dower, whether prompt or deferred, due to the existing wife or wives, which amount, if not so paid, shall be recoverable as arrears of land revenue; and 
(b) on conviction upon complaint be punishable with simple imprisonment which may extend to one year, or with fine which may extend to ten thousand taka, or with both.
১৫৫.
চুক্তি আইনের ধারা ২৩ অনুযায়ী, কোনো চুক্তির প্রতিদান বা উদ্দেশ্য বৈধ হবে, যদি না—
  1. এটি আইন দ্বারা অনুমোদিত হয়
  2. এটি আইন দ্বারা নিষিদ্ধ হয়
  3. এটি সকল পক্ষের জন্য লাভজনক হয়
  4. এটি আদালতের দ্বারা অনুমোদিত হয়
ব্যাখ্যা

• চুক্তি আইনের ২৩ ধারা: কোন কোন প্রতিদানসমূহ এবং উদ্দেশ্যাবলি আইনানুগ এবং কোন কোনটি আইনানুগ নয়:
একটি চুক্তির প্রতিদান বা উদ্দেশ্য বৈধ বলে গণ্য হয়, যদি তা নিম্নলিখিত না হয় – এটি আইন দ্বারা নিষিদ্ধ,
অথবা এর প্রকৃতি এমন যে অনুমোদিত হলে কোনো আইনের বিধানকে ব্যর্থ করবে, অথবা এটি প্রতারণাপূর্ণ, অথবা এটি অন্য কারো ব্যক্তিগত বা সম্পত্তিগত ক্ষতি সংক্রান্ত বা নির্দেশক, অথবা আদালত এটি অনৈতিক বা জননীতির পরিপন্থি মনে করে।

এই সকল ক্ষেত্রে, চুক্তির প্রতিদান বা উদ্দেশ্য বেআইনি বলে বিবেচিত হয়। যে কোনো চুক্তির উদ্দেশ্য বা প্রতিদান বেআইনি, তা বাতিল।

Section 23- What considerations and objects are lawful and what not:
The consideration or object of an agreement is lawful, unless- it is forbidden by law; or is of such a nature that, if permitted, it would defeat the provisions of any law; or is fraudulent; or involves or implies injury to the person or property of another; or the Court regards it as immoral, or opposed to public policy.
In each of these cases, the consideration or object of an agreement is said to be unlawful. Every agreement of which the object or consideration is unlawful is void.

১৫৬.
The General Clauses Act, 1897-এর ধারা ২২ অনুযায়ী, গৃহীত আইন কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত প্রণীত বিধি বা আদেশ কখন কার্যকর হবে?
  1. সংসদ অনুমোদনের পর
  2. প্রণয়নের সাথে সাথে
  3. যখন আইন কার্যকর হয়
  4. রাষ্ট্রপতির অনুমতির পরে
ব্যাখ্যা
ধারা ২২- আইন গৃহীত ও কার্যকর হইবার মধ্যবর্তী সময়ে বিধি বা উপ-আইন প্রণয়ন এবং আদেশ জারী:
যে ক্ষেত্রে, গৃহীত হইবার সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হয় না এইরূপ সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা, উক্ত আইন বা প্রবিধি প্রয়োগ সম্পর্কে, বা তদধীন কোন আদালত বা দপ্তর প্রতিষ্ঠা, বা কোন বিচারক বা কর্মকর্তার নিয়োগ সম্পর্কে করণীয় বিষয়ে বিধি বা উপ- আইন প্রণয়ন, বা আদেশ জারী করিবার ক্ষমতা প্রদান করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উল্লিখিত ক্ষমতা উক্ত আইন বা প্রবিধি গৃহীত হইবার পরবর্তীতে যে কোন সময়ে প্রয়োগ করা যাইবে; কিন্তু উক্তরূপে প্রণীত বা জারীকৃত বিধি, উপ-আইন বা আদেশ, উক্ত আইন বা প্রবিধি প্রবর্তন হইবার পূর্ব পর্যন্ত কার্যকর হইবে না।
১৫৭.
হিন্দুদের বিবাহে কোন অনুষ্ঠানগুলো অপরিহার্য?
  1. দান ও ভিক্ষা
  2. যজ্ঞ ও সপ্তপদী
  3. দত্তহোম ও অর্চনা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

হিন্দু বিবাহে অবশ্য পালনীয় অনুষ্ঠান:
বাংলাদেশে হিন্দুদের বিবাহে নানা প্রকার অনুষ্ঠান দৃষ্ট হয়। বর্ণ এবং স্থানভেদে এইগুলির পার্থক্যও লক্ষ করা যায়। কিন্তু দুইটি অনুষ্ঠান পালন বিবাহ ব্রাহ্ম মতেই হউক অথবা আসুর মতেই হউক অপরিহার্য। যথা:
(১) যজ্ঞ অথবা কুশণ্ডিকা: ইহার অর্থ পবিত্র যজ্ঞাগ্নির সম্মুখে শাস্ত্রীয় নির্দেশ মত বেদমন্ত্র পঠন।

(২) সপ্তপদী:`
ইহার অর্থ বর এবং কন্যার যজ্ঞাগ্নির চারিদিকে যুগ্মভাবে সাত কদম হাঁটা। এই অনুষ্ঠানের সময় বর কন্যাকে যুগ্মভাবে পুরোহিতের মাধ্যমে কতিপয় বেদমন্ত্র পাঠ করিতে হয়, বাংলায় যাহার সারমর্ম বর কন্যার যুগ্মভাবে পবিত্র যজ্ঞাগ্নির সম্মুখে দাম্পত্যজীবনে পরস্পরের প্রতি পরস্পরের দায়িত্ব এবং কর্তব্য বিষয়ে অঙ্গীকার। সপ্তপদী হওয়া মাত্র বিবাহ আইন সম্পন্ন হইয়া যায় দানে অথবা পণে অর্থাৎ ব্রাহ্ম অথবা আসুর যে কোন মতেই বিবাহ হউক না কেন এই দুইটি অনুষ্ঠান অবশ্য পালন করিতে হইবে।

১৫৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সংবিধানকে প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫
  2. অনুচ্ছেদ ৬
  3. অনুচ্ছেদ ৭
  4. অনুচ্ছেদ ৭ক
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭-এ স্পষ্টভাবে ঘোষণা করা হয়েছে যে, এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তি। এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় বলা হয়েছে যে, প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ, এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে। (২) দফায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন, এবং অন্য কোনো আইন যদি এই সংবিধানের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তবে সেই আইনের অসামঞ্জস্যপূর্ণ অংশ বাতিল হবে।

অর্থাৎ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭-এ স্পষ্টভাবে সংবিধানকে প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) অনুচ্ছেদ ৭।

১৫৯.
ক্ষতির সমান অর্থ প্রদানকে __________ বলে।
  1. নামমাত্র ক্ষতিপূরণ
  2. পরিপূরক ক্ষতিপূরণ
  3. দৃষ্টান্তমূলক/শাস্তিমূলক ক্ষতিপূরণ
  4. পূর্ব নির্ধারিত ক্ষতিপূরণ
ব্যাখ্যা
• খেসারত বা ক্ষতিপূরণ (Damages or Compensation): চুক্তিভঙ্গজনিত কারণে ক্ষতিপূরণ বাবদ যে অর্থ পাওয়া যাবে তাকে বলে খেসারত বা ক্ষতিপূরণ। চুক্তি ভঙ্গের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষের যে লোকসান বা ক্ষতি হয়েছে তা আদায়ের জন্য সে অপর পক্ষের বিরুদ্ধে মামলা দিতে পারবে। আদালত নিম্নবর্ণিত চার প্রকারের খেসারত প্রদানের জন্য নির্দেশ দিতে পারেন-
ক) নামমাত্র ক্ষতিপূরণ
খ) পরিপূরক বা ক্ষতিপূরণমূলক ক্ষতিপূরণ
গ) দৃষ্টান্তমূলক বা শাস্তিমূলক ক্ষতিপূরণ
ঘ) পূর্ব নির্ধারিত ক্ষতিপূরণ

ক) নামমাত্র খেসারত বা ক্ষতিপূরণ(Nominal Damages or Compensation): মামলাকারী (বাদীর) ক্ষতির পরিমাণ খুব সামান্য হলে বা আদালতের বিবেচনার বাদী কোন ক্ষতি না হলে বাদী পক্ষকে ডিক্রী পাবার অধিকারের স্বীকৃতি স্বরূপ নাম মাত্র খেসারত প্রদানের নির্দেশ দিয়ে থাকেন। যেমন- ১ পয়সা বা ১ টাকা ইত্যাদি।

খ) পরিপুরক খেসারত (Compensatory Damages or Compensation) : ক্ষতির সমান অর্থ প্রদানকে পরিপূরক খেসারত বা ক্ষতিপূরণ বলে। যেমন ৫০ টাকা ক্ষতি। তাই ৫০ টাকা দেবার আদেশ প্রদান করা হলো। 

গ) দৃষ্টান্তমূলক/শাস্তিমূলক শিক্ষনীয় খেসারত (Exemplary Punitire or Vindictive Damages) : অনেক ক্ষেত্রে আদালত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবে চুক্তিভঙ্গকারীকে প্রকৃত ক্ষতি অপেক্ষা বেশী খেসারত প্রদানের আদেশ দিতে পারেন, ইহাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিমূলক বা প্রতিহিংসামূলক খেসারত বলে। চুক্তিভঙ্গকারীকে উপযুক্ত শিক্ষা প্রদানের জন্যই এইরূপ নির্দেশ দেয়া হয়।

ঘ) পূর্ব নির্ধারিত খেসারত : চুক্তিতে যদি উল্লেখ থাকে কি ক্ষতি হলে কি খেসারত দিবে, তাকে পূর্ব নির্ধারিত খেসারত বলে। উল্লেখ্য যে, বিবাহের চুক্তি ভঙ্গ, ব্যাংকে টাকা থাকা সত্ত্বেও চেক ফেরৎ, মানহানী মামলা ইত্যাদি ক্ষেত্রে আদালত এরূপ খেসারত প্রদানের নির্দেশ দিতে  পারেন।
১৬০.
দেওয়ানী কার্যবিধিতে কোন ধরণের বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান আছে?
  1. Mediation and Reconciliation
  2. Mediation and Arbitration
  3. Arbitration and Reconciliation
  4. Mediation and Compromise
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক ধারা মোতাবেক mediation বা মধ্যস্ততার বিধান ও ৮৯খ ধারা মোতাবেক Arbitration বা  সালিশের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান রাখা হয়েছে।

- দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯খ ধারায় সালিশ বা Arbitration এর বিধান রয়েছে। ৮৯খ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত কোন বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিরোধীয় বিষয়টি সালিশের নিকট পাঠাতে পারেন এবং এই জন্য মোকদ্দমার পক্ষগণ মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তা তুলে নেওয়ার জন্য আদালতের নিকট আবেদন করলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করবেন এবং মোকদ্দমা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিবেন। তারপর সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী বিরোধটি নিষ্পত্তি করতে হবে অর্থাৎ কোন বিরোধ সালিশে (Arbitration) পাঠানো হলে তা সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে।

- তবে এই ক্ষেত্রে কোন কারণে সালিশ অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিশের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে উক্ত মোকদ্দমাটি পক্ষগণ পুনঃ দাখিল করতে পারবেন।

- সর্বশেষ ২০১২ সালে দেওয়ানী কার্যবিধির বিকল্প বিরোধ সংক্রান্ত বিধানগুলো (ধারা-৮৯ক থেকে ৮৯৫) সংশোধন করা হয়। এছাড়া ২০১৭ সালের সংশোধনী অনুযায়ী জেলা লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা কোনো দেওয়ানী মামলায় একজন মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করতে পারে।
১৬১.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী তদন্তকারী কর্মকর্তার তদন্ত সম্পন্ন করার জন্য কত কর্মদিবস সময় বরাদ্দ?
  1. ৬০ কর্মদিবস
  2. ৯০ কর্মদিবস
  3. ১২০ কর্মদিবস
  4. ১৮০ কর্মদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২০ক (১) অনুযায়ী, তদন্তকারী কর্মকর্তাকে এই আইন ও তফসিলে উল্লিখিত কোনো অপরাধের তদন্ত কার্য ক্ষমতা প্রাপ্তির তারিখ থেকে অনধিক ১২০ (একশত বিশ) কর্মদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
সুতরাং, তদন্তকারী কর্মকর্তার জন্য প্রাথমিকভাবে বরাদ্দ সময় হলো ১২০ কর্মদিবস।

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২০ক- তদন্তের সময়সীমা:
(১) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধারা ২০ এর অধীন ক্ষমতা প্রাপ্তির তারিখ হইতে অনধিক ১২০ (একশত বিশ) কর্মদিবসের মধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে এই আইন ও তফসিলে উল্লিখিত কোন অপরাধের তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে হইবে।
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন যুক্তিসঙ্গত কারণে, উক্ত উপ-ধারায় উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করা সম্ভবপর না হইলে তদন্তকারী কর্মকর্তা সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য কমিশনের নিকট আবেদন করিতে পারিবেন এবং উক্ত ক্ষেত্রে কমিশন আরও অনধিক ৬০ (ষাট) কর্মদিবস সময় বৃদ্ধি করিতে পারিবে।
(৩) তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-ধারা (১) বা, ক্ষেত্রমত, (২) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থ হইলে,-
(ক) উক্ত তদন্ত কার্য ৯০ (নব্বই) কর্মদিবসের মধ্যে সমাপ্তির জন্য নূতনভাবে অন্য কোন কর্মকর্তাকে, ধারা ২০ এর বিধান অনুসারে, ক্ষমতা অর্পণ করিতে হইবে; এবং
(খ) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অদক্ষতার অভিযোগে, ক্ষেত্রমত, কমিশন, পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট সংস্থার জন্য প্রযোজ্য আইন বা বিধি-বিধান অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে।

১৬২.
According to Section 2(19) of The General Clauses Act, 1897, a financial year begins on which date?
  1. 1st January
  2. 1st June
  3. 1st July
  4. 30th June
ব্যাখ্যা

The General Clauses Act, 1897 এর ৩(১৯) ধারার বিধান- অর্থ-বছর (financial year): 
জুলাই মাসের ১ম দিবসে আরম্ভ এবং জুন মাসের ৩০ তম দিবসে সমাপ্ত বছরকে বুঝাবে।

Section 3(19)-
"financial year" shall mean the year commencing on the first day of July and ending on the 30th day of June.

১৬৩.
'পারমিট ব্যতীত কোনো ব্যক্তি অ্যালকোহল পান করিতে পারিবেন না'- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কত ধারায় এই বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ৯ ধারায়
  2. ১০ ধারায়
  3. ১১ ধারায়
  4. ১২ ধারায়
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ১১: অ্যালকোহল পান, ইত্যাদি সম্পর্কে বিধি-নিষেধ:
(১) পারমিট ব্যতীত কোনো ব্যক্তি অ্যালকোহল পান করিতে পারিবেন না এবং চিকিৎসার প্রয়োজনে সিভিল সার্জন অথবা সরকারি মেডিক্যাল কলেজের অন্যূন কোনো সহযোগী অধ্যাপকের লিখিত ব্যবস্থাপত্র ব্যতীত কোনো মুসলমানকে অ্যালকোহল পান করিবার জন্য পারমিট প্রদান করা যাইবে না। 

(২) মুচি, মেথর, ডোম, চা শ্রমিক ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কর্তৃক তাড়ি ও পচুঁই পান করিবার ক্ষেত্রে এবং রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলাসমূহ এবং অন্যান্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কর্তৃক ঐতিহ্যগতভাবে প্রচলিত অথবা প্রস্তুতকৃত মদ পান করিবার ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর কোনো কিছুই প্রযোজ্য হইবে না। 

(৩) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন- 
(ক) লাইসেন্সপ্রাপ্ত বার-এ বসিয়া বিদেশি ও পারমিটধারী দেশিয় নাগরিকগণ অ্যালকোহল পান করিতে পারিবেন; এবং 
(খ) কূটনৈতিক পাসপোর্টধারী বিদেশি নাগরিকরা শুল্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত পাস বইধারী অথবা প্রচলিত ব্যাগেজ রুলসের দ্বারা স্বীকৃত ব্যক্তির ক্ষেত্রে, অ্যালকোহল আমদানি, রপ্তানি, ক্রয়, বহন, সংরক্ষণ অথবা পানের ব্যাপারে কোনো কিছুই প্রযোজ্য হইবে না। 

(৪) অ্যালকোহল সংক্রান্ত সকল শুল্কমুক্ত কার্যক্রম (Duty Free Operations) এই আইনের অধীন প্রদত্ত লাইসেন্সবলে সম্পাদিত হইবে।
১৬৪.
ভবিষ্যতে কোনো কিছু ঘটা বা না ঘটার উপরে চুক্তি নির্ভর করলে, উক্ত চুক্তি __________।
  1. Void contract
  2. Voidable Contract
  3. Contingent contract
  4. Contract in guarantee
ব্যাখ্যা
ধারা ৩১- ঘটনা-নির্ভর চুক্তি:

কোনো চুক্তির আনুষঙ্গিক [Collateral] কোনো ঘটনা সংঘটিত হলে বা না হলে, কোনো কিছু করা বা বিরত থাকার চুক্তিই হচ্ছে:- ঘটনা-নির্ভর চুক্তি। অর্থাৎ, ভবিষ্যতে কোনো কিছু ঘটা বা না ঘটার উপরে চুক্তি নির্ভর করলে তাকেই Contingent Contract বলে।

উদাহরণ: 'ক'-এর বাড়ি পুড়ে গেলে 'খ', 'ক'-কে ১০,০০০ টাকা দিবে। এটি ঘটনা-নির্ভর চুক্তি।

Section 31 of The Contract Act, 1872: Contingent Contact

A "contingent contract" is a contract to do or not to do something, if some event, collateral to such contract, does or does not happen. 

Illustration: A contracts to pay B Taka 10,000 if B's house is burnt. This is a contingent contract.
১৬৫.
"Registering officers to be deemed public servants" নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর কত ধারার বিধান?
  1. ৮৪ ধারা
  2. ৮৫ ধারা
  3. ৮১ ধারা
  4. ৭৪ ধারা
ব্যাখ্যা
• নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ৮৪ ধারার বিধান: নিবন্ধনকারী কর্মকর্তাগণ সরকারি কর্মচারী হিসেবে বিবেচিত হবেন (Registering officers to be deemed public servants):

১) প্রত্যেক নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এ বর্ণিত সরকারি কর্মচারী বলে বিবেচিত হবেন।

২) নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার প্রয়োজনে প্রত্যেক ব্যক্তি তার নিকট সংবাদ প্রদান করতে আইনত বাধ্য থাকবেন। 

- অর্থাৎ এই আইন অনুযায়ী প্রত্যেক নিবন্ধনকারী কর্মকর্তাগণ সরকারি কর্মচারী হিসেবে গণ্য হবেন।
-প্রত্যেক ব্যক্তি তাদের নিকট সংবাদ প্রদানে বাধ্য থাকবেন।
১৬৬.
কোন শর্তে দাদা মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির ১/৬ অংশের উত্তরাধিকারী হবে?
  1. যদি মৃত ব্যক্তির পুত্র বা পুত্রের পুত্র না থাকে।
  2. যদি মৃত ব্যক্তির পুত্র বা পুত্রের পুত্র থাকে।
  3. যদি মৃত ব্যক্তির পিতা না থাকে।
  4. খ এবং গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
⇒ দাদা দুটি শর্তে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির ১/৬ অংশের উত্তরাধিকারী হবে। 

• যদি মৃত ব্যক্তির পুত্র বা পুত্রের পুত্র থাকে;

• যদি মৃত ব্যক্তির পিতা না থাকে।

উল্লেখ্য
যদি মৃত ব্যক্তির পুত্র বা পুত্রের পুত্র না থাকে। তাহলে দাদা অবশিষ্টভোগী হিসেবে ১/৬ অংশের বেশি সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হবে।
১৬৭.
চেক ডিজঅনারের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড
  3. চেকের সমপরিমাণ জরিমানা
  4. চেকের দ্বিগুণ জরিমানা
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩৮- অর্থের ঘাটতির কারণে চেক প্রত্যাখ্যান:
যদি কোনো ব্যক্তি তার ব্যাংক হিসাব থেকে চেক প্রদান করেন এবং ব্যাংক সেই চেকটি অর্থের ঘাটতির কারণে বা অনুমোদিত সীমা অতিক্রম করার কারণে অবৈরত ঘোষণা করে, তবে সেই ব্যক্তি অপরাধী বলে গণ্য হবেন।

শাস্তি:
- সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড, অথবা
- চেকের মূল অঙ্কের সর্বোচ্চ ৩ গুণ অর্থদণ্ড, অথবা
- উভয়ই।

তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারা তখনই প্রযোজ্য যদি:
(ক) চেকটি প্রদান তারিখ থেকে ৬ মাসের মধ্যে বা যতদিন বৈধ, তার মধ্যে ব্যাংকে উপস্থাপন করা হয়।
(খ) চেক প্রত্যাখ্যানের তথ্য পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে লিখিত নোটিশ প্রদান করা হয় ড্রয়ার (চেকদাতা)-কে।
(গ) ড্রয়ার সেই নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন।
১৬৮.
হানাফী মুসলিম 'M' এর পুত্র 'N' ১৯৬০ সালে মারা যায়। ১৯৬৫ সালে 'M', ১ পুত্র এবং মৃত পুত্রের ১ পুত্র রেখে মারা যান। ‘M’ এর সম্পত্তিতে ‘N’-এর পুত্র কত অংশ পাবে?
  1. ১/২ অংশ
  2. ১/৩ অংশ
  3. ১/৬ অংশ
  4. কোনো সম্পত্তি পাবে না
ব্যাখ্যা

MFLO, 1961 এর 4 ধারা অনুসারে:
উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টনের ক্ষেত্রে যাহার সম্পত্তি বণ্টিত হবে তার মৃত্যুর পূর্বে যদি তার পুত্র বা কন্যার মৃত্যু ঘটে এবং উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টনের সময় ঐ মৃত পুত্র বা কন্যার সন্তান যদি কেউ থাকে, তবে ঐ মৃত পুত্র বা কন্যা জীবিত থাকলে যে পরিমাণ সম্পত্তি পেত, তার সমান অংশ ঐ মৃত পুত্র বা কন্যার সন্তানরা অংশ অনুপাতে [per-stripes] পাবে। এ নিয়মকেই 'Doctrine of Representation' বলা হয়।

এখানে, Section 4 অনুযায়ী 'N' বেঁচে থাকলে যে অংশ পেত, 'N' এর পুত্র তা পাবে। সুতরাং, মোট সম্পত্তির ১/২ অংশ 'M' এর জীবিত পুত্র এবং বাকি ১/২ অংশ 'N' - এর পুত্র পাবে।

উল্লেখ্য:
যেহেতু MFLO, 1961 আইনটি ১৯৬১ সালের ১৫ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে, সেহেতু, 'M' ১৯৬৫ সালে মৃত্যুবরণ করার পরই উত্তরাধিকার সৃষ্টি হয়েছে। 'N'-এর ১৯৬০ সালে মৃত্যুবরণ করা এখানে বিবেচ্য নয়।

১৬৯.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে ‘আউল’ নীতির প্রয়োগের প্রধান কারণ কী?
  1. সম্পত্তি সম্পূর্ণ বণ্টন করা
  2. অংশীদারদের সংখ্যা কমানোর জন্য
  3. ঋণ পরিশোধের জন্য সম্পত্তি ব্যবহার
  4. শরীয়তের গাণিতিক জটিলতা সমাধান করা
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে ‘আউল’ নীতি প্রয়োগ করা হয় শরীয়তের গাণিতিক জটিলতা সমাধানের জন্য, যখন অংশীদারদের অংশাবলীর যোগফল মূল সম্পদের চেয়ে বেশি হয়।
- মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে 'আউল' নীতির প্রধান প্রয়োগের কারণ হলো শরীয়তের গাণিতিক জটিলতা সমাধান করা। যখন কুরআনে বর্ণিত নির্ধারিত অংশীদারদের (যাবিল ফুরুজ) প্রাপ্য অংশের যোগফল সম্পত্তির মোট অংশ (১ বা ১০০%) ছাড়িয়ে যায়, তখন আউল নীতি প্রয়োগ করে এই অসামঞ্জস্য দূর করা হয়। 
অর্থাৎ এই পরিস্থিতি স্বাভাবিকভাবে ঘটতে পারে কারণ অংশীদারদের বিভিন্ন বিন্যাসে এবং সমাবেশে গাণিতিকভাবে অংশের যোগফল ১ এর চেয়ে বেশি হয়।
- আউল নীতি প্রবর্তিত হয় এই গাণিতিক জটিলতা সমাধানের জন্য, যাতে অংশীদারদের নির্ধারিত অংশ সম্পর্কিত অনুপাত অনুসারে সমন্বয় করা যায় এবং সম্পত্তি বণ্টন সঠিকভাবে সম্ভব হয়।

উদাহরণস্বরূপ, 
- যদি স্বামী (১/২), ২ কন্যা (২/৩), এবং মা (১/৬) থাকে, তাহলে মোট অংশ = ১/২ + ২/৩ + ১/৬ = ৮/৬ (১.৩৩)। আউল প্রয়োগে প্রত্যেকের অংশকে ৮/৬ দ্বারা ভাগ করে সমাধান করা হয়।

উল্লেখ্য যে,
- আউল নীতি ইজমা (ইসলামী ঐকমত্য) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত।
- এটি কুরআন বা হাদীসে সরাসরি উল্লেখ নেই, তবে ইসলামী ফিকহে গৃহীত হয়েছে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর ঘ।

১৭০.
কোন মামলায় আদালত ডিক্রির কপি রেজিস্ট্রি অফিসে প্রেরণ করতে আইনগত বাধ্য?
  1. রেজিস্টার্ড দলিল বেআইনিমর্মে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা
  2. রেজিস্টার্ড দলিল সংশোধনের মোকদ্দমা
  3. রেজিস্টার্ড দলিল বাতিলের মোকদ্দমা
  4. রেজিস্টার্ড দলিল রদরহিতের মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারায় দলিল বাতিল সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। এই ধারানুযায়ী নিবন্ধিত দলিল বাতিল করা হলে, ডিক্রির একটি কপি সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে হবে যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধিত হয়েছিলো।

• দলিল বাতিল সংক্রান্ত তথ্য:

⇒ দলিল বাতিলের মোকদ্দমা করতে পারে:
১) দলিলের যেকোনো পক্ষ;
২) দলিলের পক্ষ নয় এমন ব্যক্তি, কিন্তু যার ক্ষতিগ্রস্ত [Serious Injury] হওয়ার সম্ভাবনা আছে;
৩) যেকোনো ব্যক্তি; যার বিরুদ্ধে দলিলটি বাতিল বা বাতিলযোগ্য।

⇒ আদালত বিবেচনামূলক/স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নোক্ত আদেশ দিবে বা প্রতিকার মঞ্জুর করবে:
১. বাতিল বা বাতিলযোগ্য বলে আইনানুযায়ী নিষ্পত্তি করবে,বা
২. দলিলটি অর্পণের আদেশ দিবে, বা
৩. দলিলটি বাতিলের আদেশ দিবে।

তামাদির মেয়াদ: অবগত হওয়ার সময় থেকে ৩ বছর (অনুচ্ছেদ ৯১, তামাদি আইন)।
কোর্ট ফিস: মূল্যানুপাতিক [অ্যাড-ভ্যালোরেম]।

১৭১.
রাষ্ট্রপতির মেয়াদ শেষে শূন্য পদ পূরণের নির্বাচন কখন হবে?
  1. যখনই সরকার সিদ্ধান্ত নেবে
  2. মেয়াদ শেষের ৩০-৬০ দিন আগে
  3. মেয়াদ শেষের ৬০-৯০ দিন আগে
  4. মেয়াদ শেষের ১২০ দিন পরে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) মেয়াদ শেষের ৬০-৯০ দিন আগে।
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ধারা ১২৩ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন পরিচালনার জন্য নির্ধারিত সময়সীমা রয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ধারা ১২৩(১) অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে পদটি শূন্য হলে, মেয়াদ-সমাপ্তির তারিখের পূর্ববর্তী ৯০ দিন থেকে ৬০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে হবে।
- অর্থাৎ, রাষ্ট্রপতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে-আগেই নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে যেন নতুন রাষ্ট্রপতি নির্ধারিত সময়েই দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারেন।

উদাহরণ:
যদি রাষ্ট্রপতির মেয়াদ শেষ হয় ৩০শে জুন, তাহলে ১লা এপ্রিল থেকে ১লা মে এর মধ্যে নির্বাচন হতে হবে।
১৭২.
'ক' তার ৭ বছরের শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বহন করান। উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক কত বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন? 
  1. ৭ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা
 শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ৭৯: শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বা অবৈধ ও নিষিদ্ধ বস্ত্ত বহন এবং সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনের দণ্ড:
(১) যদি কোন ব্যক্তি কোন শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বা অবৈধ ও নিষিদ্ধ বস্তু বহন করান বা পরিবহন করান, তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৩ (তিন) বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
 
(২) কোন ব্যক্তি শিশুর প্রকৃত দায়িত্বসম্পন্ন বা তত্ত্বাবধানকারী ইউক, বা না হউক, কোন শিশুকে সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ১৬ নং আইন) এর ধারা ৬ এ উল্লিখিত কোন সন্ত্রাসী কার্যে নিয়োজিত করিলে বা ব্যবহার করিলে তিনি স্বয়ং উক্ত সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনের অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং তজ্জন্য তিনি উক্ত ধারায় উল্লিখিত দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
১৭৩.
পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালতের সমন ইচ্ছাপূর্বক অমান্য করলে শাস্তি কত?
  1. অনধিক ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড
  2. অনধিক ২০০ টাকা অর্থদণ্ড
  3. অনধিক ১০০ টাকা অর্থদণ্ড
  4. অনধিক ৫০ টাকা অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ২২(২) অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আদালতের সমন অমান্য করেন, তাহলে তাকে অনধিক ১০০ (একশত) টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হতে পারে।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩, ধারা ২২ সমন জারির ক্ষমতা:
(১) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত যেকোনো ব্যক্তিকে আদালতে হাজির হইতে এবং সাক্ষ্য প্রদানের জন্য অথবা কোনো দলিল দাখিল করিবার বা করানোর জন্য সমন জারি করিতে পারিবে :
তবে শর্ত থাকে যে-
(ক) দেওয়ারি কার্যবিধির ধারা ১৩৩ এর উপ-ধারা (১) এর অধীন যে ব্যক্তিকে স্ব-শরীরে আদালতে হাজির হইতে অব্যাহতি দেওয়া হইয়াছে তাহাকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হইতে বাধ্য করা যাইবে না;
(খ) যদি আদালতের নিকট যুক্তিসংগতভাবে প্রতীয়মান হয় যে, অযৌক্তিক বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা ব্যতীত কোনো সাক্ষীর উপস্থিতি কার্যকর করা সম্ভব হইবে না, তাহা হইলে আদালত উক্ত সাক্ষীকে সমন দিতে বা উক্ত সাক্ষীর বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে জারীকৃত সমন বলবৎ করিতে অস্বীকার করিতে পারিবে।
(২) কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন জারীকৃত সমন ইচ্ছাপূর্বক অমান্য করিলে, উহা হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে, তাহাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান সাপেক্ষে, অনধিক ১০০ (একশত) টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করিতে পারিবে।

১৭৪.
রাষ্ট্রপতির নিকট বিল পেশের পর, তিনি কত দিনের মধ্যে সম্মতিদান করবেন অথবা পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করবেন?
  1. ৫ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ২০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ সংবিধানের ৮০(৩) ধারা অনুসারে, রাষ্ট্রপতির নিকট কোন বিল পেশ করার পর, তিনি ১৫ দিনের মধ্যে বিলটির জন্য সম্মতিদান করবেন বা পুনর্বিবেচনার জন্য বিশেষ কোনো সংশোধনী বা বার্তা সহ সংসদে ফেরত পাঠাবেন।
- তবে, অর্থবিলের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়, অর্থবিল রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য পেশের পর উল্লিখিত ১৫ দিনের মধ্যে সম্মতিদান করতে হবে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮০: আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি:
(১) আইনপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হইবে।
(২) সংসদ কর্তৃক কোন বিল গৃহীত হইলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিতে হইবে।
(৩) রাষ্ট্রপতির নিকট কোন বিল পেশ করিবার পর পনর দিনের মধ্যে তিনি তাহাতে সম্মতিদান করিবেন কিংবা অর্থবিল ব্যতীত অন্য কোন বিলের ক্ষেত্রে বিলটি বা তাহার কোন বিশেষ বিধান পুনর্বিবেচনার কিংবা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্দেশিত কোন সংশোধনী বিবেচনার অনুরোধ জ্ঞাপন করিয়া একটি বার্তাসহ তিনি বিলটি সংসদে ফেরত দিতে পারিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
(৪) রাষ্ট্রপতি যদি বিলটি অনুরূপভাবে সংসদে ফেরত পাঠান, তাহা হইলে সংসদ রাষ্টপতির বার্তাসহ তাহা পুনর্বিবেচনা করিবেন; এবং সংশোধনীসহ বা সংশোধনী ব্যতিরেকে সংসদ পুনরায় বিলটি গ্রহণ করিলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে এবং অনুরূপ উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
(৫) সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলটিতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করিলে বা তিনি সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইলে তাহা আইনে পরিণত হইবে এবং সংসদের আইন বলিয়া অভিহিত হইবে।
১৭৫.
"হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২" এর অধীনে কোন বয়সের কম হিন্দু পুরুষের বিবাহ নিবন্ধনযোগ্য নয়?
  1. ১৮ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ২১ বছর
  4. ২২ বছর
ব্যাখ্যা
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২: ধারা ৫: হিন্দু বিবাহ নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বিধি-নিষেধ-
অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ২১ (একুশ) বৎসরের কম বয়স্ক কোন হিন্দু পুরুষ বা ১৮ (আঠার) বৎসরের কম বয়স্ক কোন হিন্দু নারী বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হইলে উহা এই আইনের অধীন নিবন্ধনযোগ্য হইবে না।
১৭৬.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১-এর কোন ধারায় দ্বিতীয় বিবাহের অনুমতির বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৫
  2. ধারা ৬
  3. ধারা ৭
  4. ধারা ৮
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ধারা ৬-এ বর্তমান বিবাহ বহাল থাকাকালীন দ্বিতীয় বিবাহের অনুমতি প্রাপ্তির বিধান স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ধারা ৬ অনুযায়ী, বর্তমান বিবাহ বহাল থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় বিবাহের জন্য আর্বিট্রেশন কাউন্সিলের অনুমতি নিতে হয়; অনুমতি ছাড়া বিবাহ করলে শাস্তি ও দেনমোহর অবিলম্বে পরিশোধের বিধান রয়েছে।

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ধারা ৬ অনুযায়ী:
- কোনো পুরুষ যদি বর্তমান বিবাহ বহাল থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় বিবাহ করতে চান, তাহলে আর্বিট্রেশন কাউন্সিলের পূর্বানুমতি নিতে বাধ্য।
- আবেদন ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভার চেয়ারম্যানের কাছে জমা দিতে হবে (ধারা ৬(২))।
- চেয়ারম্যান স্বামী ও বর্তমান স্ত্রী(দের) প্রতিনিধি নিয়ে আর্বিট্রেশন কাউন্সিল গঠন করবেন (ধারা ৬(৩))।
- কাউন্সিল প্রস্তাবিত বিবাহের প্রয়োজনীয়তা ও ন্যায্যতা যাচাই করে অনুমতি দিতে পারে।
- অনুমতি ছাড়া বিবাহ করলে শাস্তি: ১ বছরের কারাদণ্ড বা ১০,০০০ টাকা জরিমানা (ধারা ৬(৫))।
- দেনমোহর পরিশোধ বাধ্যতামূলক: অনুমতি ছাড়া বিবাহ করলে সম্পূর্ণ দেনমোহর (Prompt ও Deferred) অবিলম্বে পরিশোধ করতে হবে।

১৭৭.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সাক্ষীর নিরাপত্তা ও ভাতা সংক্রান্ত বিধান কোন ধারা দ্বারা প্রযোজ্য?
  1. ধারা ৩২
  2. ধারা ৩২ক 
  3. ধারা ৩২খ
  4. ধারা ৩১ক
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ৩২খ (নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ দ্বারা যুক্ত) সাক্ষীর নিরাপত্তা ও ভাতা সংক্রান্ত বিধান প্রযোজ্য। এই ধারার বিবরণ নিম্নরূপ:
নিরাপত্তা: ট্রাইব্যুনাল বা ম্যাজিস্ট্রেট, আবেদনের ভিত্তিতে বা নিজ বিবেচনায়, তদন্ত বা বিচারাধীন মামলার অভিযোগকারী, শিকার বা সাক্ষীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আদেশ দিতে পারেন।
এই নিরাপত্তা প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে, যাতে সাক্ষী বা শিকারের জানমাল সুরক্ষিত থাকে।
সাক্ষীর ভাতা: ট্রাইব্যুনাল মামলার সাক্ষীদের যাতায়াত এবং সময়ের ক্ষতিপূরণ হিসেবে যুক্তিসঙ্গত অর্থ প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।
সরকার প্রত্যেক ট্রাইব্যুনালের জন্য এই উদ্দেশ্যে পৃথক অর্থ বরাদ্দ করবে, যাতে সাক্ষীরা তাদের উপস্থিতির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পান।

অন্যান্য অপশনের বিশ্লেষণ:
ধারা ৩২: এই ধারাটি অভিযুক্ত বা শিকারের মেডিক্যাল পরীক্ষা সংক্রান্ত বিধান নিয়ে আলোচনা করে। এতে সাক্ষীর নিরাপত্তা বা ভাতা সম্পর্কিত কোনো বিধান নেই।
ধারা ৩২ক: এই ধারাটি ডিএনএ পরীক্ষা সংক্রান্ত বিধানের সাথে সম্পর্কিত। এটি সাক্ষীর নিরাপত্তা বা ভাতার বিষয়ে কোনো বিধান ধারণ করে না।
ধারা ৩১ক: এই ধারাটি ট্রাইব্যুনাল, পাবলিক প্রসিকিউটর এবং পুলিশের জবাবদিহিতা এবং বিচারে বিলম্বের প্রতিবেদন সংক্রান্ত বিধান নিয়ে আলোচনা করে। এতে সাক্ষীর নিরাপত্তা বা ভাতার কোনো উল্লেখ নেই।

অর্থাৎ ধারা ৩২খ স্পষ্টভাবে সাক্ষীর নিরাপত্তা এবং ভাতা প্রদানের বিষয়ে বিধান রাখে, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।

১৭৮.
বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির পন্থা হচ্ছে-
  1. Negotiation
  2. Arbitration
  3. Mediation
  4. All of above
ব্যাখ্যা
• আদালত বা সাধারণ আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে আইনসিদ্ধ পদ্ধতি মেনে ও সহমত পোষণ করে বিকল্পভাবে পক্ষগণের বিরোধ বা সমস্যার নিষ্পত্তিকরণই বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি, যাকে ইংরেজিতে Alternative Dispute Resolution (ADR) বলা হয়।

• বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির নিম্ন বর্ণিত পন্থা রয়েছে-
আলাপ-আলোচনা (Negotiation)
মধ্যস্থতা (Mediation) 
সালিশী (Arbitration)

১. আলাপ-আলোচনা [Negotiation]-
এমন একটি পদ্ধতি যেখানেই কোন বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে বিরোধের দুই পক্ষই যখন তৃতীয় পক্ষের সাহায্য ছাড়াই একটি সুবিধাজনক পরিণতির দিকে পৌঁছে বা একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়ে সমাধান করে থাকে।
আলাপ-আলোচনার [Negotiation] মাধ্যমে শিল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ২১০(২) ২১০(৩) উপধারায় বলা আছে।

২. মধ্যস্থতা কার্যক্রম [Mediation]-
এ পদ্ধতিতে কোন বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে পক্ষদ্বয়ের মধ্যে নিরপেক্ষ তৃতীয় কোন পক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিযুক্ত করা হয় এবং কোন পক্ষের ওপর সিদ্ধান্ত চাপিয়ে না দিয়ে আলাপ- আলোচনার মাধ্যমে দুটি পক্ষকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করা হয়।
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯[ক] এবং অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ২২ ধারাতে মধ্যস্থতা বিষয়ে বলা হয়েছে।

. সালিশ প্রক্রিয়া [Arbitration]-
সালিশ[Arbitration] প্রক্রিয়াটি অনেকটা মধ্যস্থতা পদ্ধতির অনুরূপ। এ কারণেই সালিশ কার্যক্রম [Arbitration] কে মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উন্নত সংস্করণ বলে মনে করা হয়। কেননা মধ্যস্থতা কার্যক্রমে মধ্যস্থতাকারী বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে পক্ষগণের উপর কোন পন্থা চাপিয়ে দিতে পারেন কিন্তু সালিশ কার্যক্রমের সালিশকারী (Conciliator) পক্ষগণের ওপর রায় চাপিয়ে দিতে পারে। এ ধরনের রায়কে রোয়েদাদ [Award] বলা হয়।
সালিশ[Arbitration] প্রক্রিয়াটি সালিশ আইন-২০০১ দ্বারা পরিচালিত হয়ে থাকে। বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ আইনের ২১০ ধারায় বিরোধ সালিসীর (Conciliation) মাধ্যমে নিষ্পত্তি কথা বলা হয়েছে।
১৭৯.
চুক্তি আইনের কোন ধারায় “সাব-এজেন্ট” এর সংজ্ঞা দেওয়া আছে?
  1. ধারা ১৯০
  2. ধারা ১৯১
  3. ধারা ১৯৩
  4. ধারা ১৮২
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৯১-এ "সাব-এজেন্ট" (Sub-agent)-এর সংজ্ঞা স্পষ্টভাবে দেওয়া আছে। এই ধারা অনুসারে: একজন সাব-এজেন্ট হলেন এমন ব্যক্তি যিনি মূল এজেন্ট কর্তৃক এজেন্সির কাজে নিযুক্ত হন এবং তার নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন।

⇒ চুক্তি আইনের ১৯১ ধারা মতে "সাব-এজেন্ট "-এর সংজ্ঞা (Sub-agent defined) সাব-এজেন্ট হচ্ছে এমন কোন ব্যক্তি যিনি এজেন্সির কাজে- মূল এজেন্ট কর্তৃক নিযুক্ত হন এবং তার নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন।
----
⇒ The Contract Act, 1872: Section 191. "Sub-agent" defined:
 A "sub-agent" is a person employed by, and acting under the control of, the original agent in the business of the agency.

১৮০.
The Family Courts Ordinance, 1985 অনুযায়ী লিখিত বর্ণনা দাখিলের কত দিনের মধ্যে Pre-Trial এর জন্য ধার্য করতে হবে?
  1. ১৫
  2. ৩০
  3. ৬০
ব্যাখ্যা
→ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১১ ধারার বিধান বিচার-পূর্ব কার্যক্রম:
(১) লিখিত জবাব দাখিল করা হইলে পারিবারিক আদালত মোকদ্দমার বিচার-পূর্ব শুনানির জন্য অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্য করিবেে
(২) বিচার-পূর্ব শুনানির জন্য ধার্যকৃত তারিখে আদালত আরজি, লিখিত জবাব এবং পক্ষগণ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিলসমূহ পরীক্ষা করিবে এবং যথাযথ মনে করিলে, পক্ষগণের বক্তব্যও শ্রবণ করিবে।
(৩) আদালত বিচার-পূর্ব শুনানিকালে পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়সমূহ ধার্য করিবে এবং সম্ভব হইলে পক্ষগণের মধ্যে একটি আপোষ বা মীমাংসার চেষ্টা করিবে।
(৪) উপধারা (৩) এর অধীন আপোষ বা মীমাংসা প্রতিষ্ঠা সম্ভব না হইলে আদালত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় গঠন করিবে এবং সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্য করিবে।

→ যেহেতু The Family Courts Ordinance, 1985 রহিত করে পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ করা হয়েছে তাই এই আইনের রেফারেন্স।
১৮১.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ অনুযায়ী নিম্নের কোনটির কার্যকারিতা ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে করা কাজ অন্তর্ঘাতমূলক কার্য (Sabotage) হিসেবে গণ্য হবে?
  1. পাট মিল
  2. সরকারি ভবন
  3. টেলিফোন লাইন
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ১৫ অনুযায়ী: অন্তর্ঘাতমূলক কার্য (Sabotage):
(১) কোনো ব্যক্তি যদি নিম্নলিখিত কোনো সম্পদ বা সেবার কার্যকারিতা ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে কোনো কাজ করে, তবে তা অন্তর্ঘাত হিসেবে গণ্য হবে:
(ক) সরকার বা কোনো স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা জাতীয়কৃত বাণিজ্যিক বা শিল্প প্রতিষ্ঠান দ্বারা ব্যবহৃত বা ব্যবহারের উদ্দেশ্যে কোনো ভবন, যানবাহন, যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশ বা অন্যান্য সম্পদ;
(খ) কোনো রেলপথ, আকাশ রোপওয়ে, সড়ক, খাল, সেতু, কালভার্ট, কজওয়ে, বন্দর, ডকইয়ার্ড, বাতিঘর, বিমানবন্দর, টেলিগ্রাফ বা টেলিফোন লাইন বা পোস্ট, বা টেলিভিশন বা বেতার স্থাপন;
(গ) কোনো রেলপথের রোলিং স্টক বা কোনো জাহাজ বা বিমান;
(ঘ) কোনো ভবন বা অন্যান্য সম্পদ যা কোনো মৌলিক পণ্য উৎপাদন, বিতরণ বা সরবরাহের সাথে সম্পর্কিত, কোনো স্যুয়েজ কাজ, খনি বা কারখানা;
(ঙ) এই আইনের অধীনে বা অন্য কোনো আইনের অধীনে নিষিদ্ধ বা সুরক্ষিত কোনো স্থান বা এলাকা;
(চ) কোনো পাট, পাটজাত পণ্য, পাট গোডাউন, পাট মিল বা পাট বেলিং প্রেস।

(২) উপ-ধারা (১) এর বিধানাবলি কোনো ব্যক্তি কর্তৃক এইরূপ কোনো কার্য করা হইতে বিচ্যুতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে, উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক যে কার্য করা সরকারের বা সরকারি কর্তৃপক্ষের বা কোনো ব্যক্তির প্রতি তাহার কর্তব্যের অন্তর্ভুক্ত।

(৩) কোনো ব্যক্তি যদি এই ধারার কোনো বিধান লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ডে, বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, বা অনধিক চৌদ্দ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে, এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হইবেন।
১৮২.
যুগ্ম জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল কোথায় যাবে, যদি মামলার মূল্য ৫ কোটি টাকার কম হয়?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. জেলা জজ আদালতে
  3. সুপ্রিম কোর্ট আপিল বিভাগে
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

⇒ সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা ২১(১)(ক) অনুসারে, যুগ্ম জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের নিয়ম নিম্নরূপ:
- যদি মূল মামলার মূল্য বা সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার মূল্য ৫ কোটি টাকার বেশি না হয়, তবে আপিল জেলা জজের আদালতে দায়ের করতে হবে।
- যদি মামলার মূল্য ৫ কোটি টাকার বেশি হয়, তবে আপিল হাইকোর্ট বিভাগে যাবে (ধারা ২১(১)(খ))।
প্রশ্নে উল্লেখিত মামলার মূল্য ৫ কোটি টাকার কম, তাই আপিল জেলা জজ আদালতে যাবে। এছাড়াও, ধারা ২১(৩) অনুসারে, জেলা জজের কাছে যাওয়া এই ধরনের আপিলের দায়িত্ব অতিরিক্ত জেলা জজকে অর্পণ করা যেতে পারে, তবে আপিলের প্রাথমিক গন্তব্য হলো জেলা জজ আদালত।
------------ 
⇒ The Civil Courts Act, 1887 Section 21.Appeal from Joint District Judge, etc.
(1) Save as aforesaid, an appeal from a decree or order of a Joint District Judge shall lie-
(a) to the District Judge where the value of the original suit in which or in any proceeding arising out of which the decree or order was made did not exceed 5 (five) crore Taka; and
(b) to the High Court Division in any other case.

১৮৩.
“জিম্মা” বলতে কী বোঝায়?
  1. পণ্যের ভাড়া প্রদান
  2. মালিকানার স্থানান্তর
  3. চুক্তির ভিত্তিতে পণ্যের বিক্রয়
  4. চুক্তির ভিত্তিতে নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে পণ্য হস্তান্তর
ব্যাখ্যা
Contract Act, 1872 ধারা ১৪৮: "জিম্মা”, “জিম্মাদাতা”, এবং "জিম্মাদার” এর সংজ্ঞা-
“জিম্মা” হইল চুক্তির ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তি কর্তৃক অপর ব্যক্তিকে কতিপয় উদ্দেশ্যে কোনো পণ্য এমনভবে প্রদান করা যে, যখন উদ্দেশ্য সাধিত হইবে তখন পণ্য সরবরাহকারীর নির্দেশ অনুসারে উহা ফেরত দিতে বা অন্যভাবে বিলি-বন্দেজ করিতে হইবে। পণ্য সরবরাহকারী ব্যক্তিকে "জিম্মাদাতা", এবং যে ব্যক্তির নিকট এইগুলি সরবরাহ করা হয় তাহাকে জিম্মাদার" বলা হয়।

[A "bailment" is the delivery of goods by one person to another for some purpose, upon a contract that they shall, when the purpose is accomplished, be returned or otherwise disposed of according to the directions of the person delivering them. The person delivering the goods is called the "bailor". The person to whom they are delivered is called the "bailee".]

ব্যাখ্যা- যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির পণ্য তাহার দখলে ইতিমধ্যে থাকাকালে জিম্মাদার হিসাবে উহাদের রাখিবার জন্য চুক্তি করেন, তাহা হইলে উহা দ্বারা তিনি এইরূপ পণ্যের একজন জিম্মাদার হইবেন, এবং মালিক জিম্মাদাতা হইবেন, যদিও উহাদেরকে জিম্মা হিসাবে সরবরাহ করিতে হয় নাই।

Explanation – If a person already in possession of the goods of another contracts to hold them as a bailee, he thereby becomes the bailee, and the owner becomes the bailor, of such goods although they may not have been delivered by way of bailment.
১৮৪.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৮(৪) এর বিষয়বস্তু কি?
  1. সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার
  2. সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত
  3. সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা
  4. নাগরিকদের অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান-প্রণয়ন
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ২৮: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য

(১) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করিবেন না। 
(২) রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন।
(৩) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে জনসাধারণের কোন বিনোদন বা বিশ্রামের স্থানে প্রবেশের কিংবা কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন নাগরিককে কোনরূপ অক্ষমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাইবে না। 
(৪) নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান-প্রণয়ন হইতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।

Article 28: Discrimination on grounds of religion, etc.

(1) The State shall not discriminate against any citizen on grounds only of religion, race, caste, sex or place of birth. 
(2) Women shall have equal rights with men in all spheres of the State and of public life. 
(3) No citizen shall, on grounds only of religion, race, caste, sex or place of birth be subjected to any disability, liability, restriction or condition with regard to access to any place of public entertainment or resort, or admission to any educational institution. 
(4) Nothing in this article shall prevent the State from making special provision in favour of women or children or for the advancement of any backward section of citizens.
১৮৫.
Which one of the following is not an essential condition for application of "Lis Pendens" under section 52 of the Transfer of Property Act, 1882?
  1. Pendency of a suit or Proceeding
  2. Suit must be collusive
  3. Pendency in a competent court
  4. Alienation must affect the rights of the other party
ব্যাখ্যা

উত্তর: Suit must be collusive (মামলাটি অবশ্যই যোগসাজশপূর্ণ হতে হবে)।

"Lis Pendens" (অর্থাৎ বিচারাধীন সম্পত্তির স্থানান্তর) বিষয়টি Transfer of Property Act, 1882-এর Section 52-এ বলা হয়েছে।
এই নিয়মের মূল উদ্দেশ্য হলো- কোনো সম্পত্তি সম্পর্কিত মামলা বিচারাধীন অবস্থায় সেই সম্পত্তি হস্তান্তর বা বিক্রয় করা হলে, তাতে মামলার ফলাফলে কোনো প্রভাব পড়বে না।

Rule of Lis Pendens প্রযোজ্য হওয়ার জন্য যেসব শর্ত (Essential Conditions):
- কোনো মামলা বা কার্যধারা (suit or proceeding) বিচারাধীন থাকতে হবে।
- মামলাটি কোনো যোগ্য (competent) আদালতে বিচারাধীন থাকতে হবে।
- বিবাদের বিষয়বস্তু (property) মামলার মূল বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত হতে হবে।
- সম্পত্তি হস্তান্তর (alienation) করলে তা অপর পক্ষের অধিকারকে প্রভাবিত করতে পারে।
- মামলাটি যোগসাজশপূর্ণ (collusive) হওয়া চলবে না।

তাই, "Suit must be collusive" কোনো অপরিহার্য শর্ত নয়— বরং উল্টোভাবে বলতে হয়: মামলাটি collusive হলে Section 52 প্রযোজ্য হবে না।

১৮৬.
শিশু আইন, ২০১৩ অনুযায়ী ______ বৎসরের কম বয়স্ক শিশুকে কোনো অবস্থাতেই গ্রেপ্তার করা যাবে না।
  1. ১১
  2. ১৮
ব্যাখ্যা
⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ৪৪ ধারার বিধান: গ্রেফতার, ইত্যাদি:
(১) এই ধারায় যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ৯ (নয়) বৎসরের নিম্নের কোন শিশুকে কোন অবস্থাতেই গ্রেফতার করা বা, ক্ষেত্রমত, আটক রাখা যাইবে না।
(২) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন শিশুকে নিবর্তনমূলক আটকাদেশ সংক্রান্ত কোন আইনের অধীন গ্রেফতার বা আটক করা যাইবে না।
(৩) শিশুকে গ্রেফতার করিবার পর গ্রেফতারকারী পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেফতারের কারণ, স্থান, অভিযোগের বিষয়বস্ত্ত, ইত্যাদি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তাকে অবহিত করিবেন এবং প্রাথমিকভাবে তাহার বয়স নির্ধারণ করিয়া নথিতে লিপিবদ্ধ করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, গ্রেফতার করিবার পর কোন শিশুকে হাতকড়া বা কোমরে দড়ি বা রশি লাগানো যাইবে না।

(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন বয়স নির্ধারণের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তা জন্ম নিবন্ধন সনদ অথবা, উক্ত সনদের অবর্তমানে স্কুল সার্টিফিকেট বা স্কুলে ভর্তির সময় প্রদত্ত তারিখসহ প্রাসঙ্গিক দলিলাদি উদ্‌ঘাটনপূর্বক যাচাই-বাছাই করিয়া তাহার বয়স লিপিবদ্ধ করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তার নিকট প্রতীয়মান হয় যে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি একজন শিশু কিন্তু সম্ভাব্য সকল চেষ্টা করিয়াও দালিলিক প্রমাণ দ্বারা তাহা নিশ্চিত হওয়া যায় না, সেইক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তিকে এই আইনের বিধান অনুযায়ী শিশু হিসাবে গণ্য করিতে হইবে।
 
(৫) সংশ্লিষ্ট থানায় শিশুর জন্য উপযোগী কোন নিরাপদ স্থান না থাকিলে গ্রেফতারের পর হইতে আদালতে হাজির না করা সময় পর্যন্ত শিশুকে নিরাপদ স্থানে আটক রাখিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, নিরাপদ স্থানে আটক রাখিবার ক্ষেত্রে শিশুকে প্রাপ্তবয়স্ক বা ইতোমধ্যেই দোষী সাব্যস্ত হইয়াছেন এইরূপ কোন শিশু বা অপরাধী এবং আইনের সংস্পর্শে আসা কোন শিশুর সহিত একত্রে রাখা যাইবে না।
১৮৭.
মুসালিম উত্তরাধিকার আইন অনুসারে কোরানিক অংশীদারদের মধ্যে পুরুষ অংশীদার কত জন?
  1. ৮ জন
  2. ৬ জন
  3. ৪ জন
  4. ২ জন
ব্যাখ্যা

⇒ মুসালিম উত্তরাধিকার আইন (শরীয়া) অনুসারে কোরানিক অংশীদার মোট ১২ জন, যার মধ্যে পুরুষ অংশীদার ৪ জন: স্বামী (Husband), বাবা (Father), দাদা (True Grandfather) এবং বৈপিত্রেয় ভাই (Uterine Brother)। এই অংশীদাররা কুরআনের সুরা নিসায় উল্লিখিত নির্দিষ্ট অংশ পান।

⇒ শরীয়া আইন অনুযায়ী মোট ১২ জন কোরানিক অংশীদার রয়েছে।
যথা- অংশীদার বলতে কোরানিক অংশীদারদেরকে বুঝানো হয়।
কোরানিক অংশীদার সর্বমোট ১২ জন। এর মধ্যে ৮ জন মহিলা ও ৪ জন পুরুষ। যথা-
১. স্বামী (Husband)
২. স্ত্রী (Wife)
৩. বাবা (Father)
৪. মা (Mother)
৫. কন্যা (Daughter)
৬. পুত্রের কন্যা (Son's Daughter)
৭. দাদা (True Grandfather)
৮. দাদী (True Grandmother)
৯. আপন বোন (Full Sister)
১০. বৈমাত্রেয় বোন (Consanguine Sister)
১১. বৈপিত্রেয় বোন (Uterine Sister)
১২. বৈপিত্রেয় ভাই (Uterine Brother)

১৮৮.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ধারা ১০৪ অনুযায়ী, খাজনার হার কত বছর পর পর সংশোধন করা যায়?
  1. ৫ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ২০ বছর
  4. ৩০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950-এর ধারা ১০৪-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে:
- খাজনার হার একবার নির্ধারিত ও অনুমোদিত হওয়ার পর
- ২০ (বিশ) বছর পর্যন্ত অপরিবর্তিত থাকবে
- এই সময়ের মধ্যে কোনোভাবেই খাজনার হার সংশোধন করা যাবে না
- কেবল ২০ বছর পূর্ণ হওয়ার পরেই নতুন করে হার পর্যালোচনা ও সংশোধন করা যাবে

⇒ আইনের মূল উদ্ধৃতি (ধারা ১০৪):
"When the rent-rates... have been determined... they shall not be changed until after a period of twenty years has elapsed from the date of such confirmation."

⇒ ধারা ১০৪ অনুযায়ী, খাজনা-হার নির্ধারণের পর ২০ বছর অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ওই খাজনা-হার পরিবর্তন বা সংশোধন করা যাবে না। অর্থাৎ, খাজনা-হার প্রতি ২০ বছর পর পর সংশোধন করা সম্ভব।
১৮৯.
'ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ, রায় বা আরোপিত দণ্ড দ্বারা সংক্ষুব্ধ পক্ষ, উক্ত আদেশ, রায় বা দণ্ডাদেশ প্রদানের তারিখ হইতে ষাট দিনের মধ্যে, হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করিতে পারিবেন'- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের কত ধারায় এই বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ৩০ ধারায়
  2. ২৮ ধারায়
  3. ২৭ ধারায়
  4. ৩১ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৮- আপীল
ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ, রায় বা আরোপিত দণ্ড দ্বারা সংক্ষুব্ধ পক্ষ, উক্ত আদেশ, রায় বা দণ্ডাদেশ প্রদানের তারিখ হইতে ষাট দিনের মধ্যে, হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করিতে পারিবেন।

Section 28: Appeal
The party aggrieved by the order, judgment or punishment imposed by the Tribunal, can appeal to the High Court Division within the period of sixty days against such order, judgment or punishment.
১৯০.
বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৩ এর বিষয়বস্তু কী?
  1. চুক্তি ও দলিল
  2. জরুরী-অবস্থা ঘোষণা
  3. প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি
  4. আন্তর্জাতিক চুক্তি
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৩: প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি:
(১) আইনসঙ্গতভাবে প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত যে কোন ভূমি বা সস্পত্তি ব্যতীত নিম্নলিখিত প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত হইবে:
(ক) বাংলাদেশের যে কোন ভূমির অন্তঃস্থ সকল খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী;
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমার অন্তর্বর্তী মহাসাগরের অন্তঃস্থ কিংবা বাংলাদেশের মহীসোপানের উপরিস্থ মহাসাগরের অন্তঃস্থ সকল ভূমি, খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; এবং
(গ) বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিকবিহীন যে কোন সম্পত্তি।

(২) সংসদ সময়ে সময়ে আইনের দ্বারা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমা ও মহীসোপানের সীমা-নির্ধারণের বিধান করিতে পারিবেন।

Article 143: Property of the Republic:
(1) There shall vest in the Republic, in addition to any other land or property lawfully vested –
(a) all minerals and other things of value underlying any land of Bangladesh;
(b) all lands, minerals and other things of value underlying the ocean within the territorial waters, or the ocean over the continental shelf, of Bangladesh; and
(c) any property located in Bangladesh that has no rightful owner.

(2) Parliament may from time to time by law provide for the determination of the boundaries of the territory of Bangladesh and of the territorial waters and the continental shelf of Bangladesh.
১৯১.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৫ অনুসারে, অধ্যাদেশের অধীন মামলা নিষ্পত্তির প্রাথমিক সময়সীমা কত?
  1. ৯০ কার্যদিবস
  2. ১২০ কার্যদিবস
  3. ১৮০ কার্যদিবস
  4. ২৭০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৫ অনুসারে, ট্রাইব্যুনালের কাছে অভিযোগ গঠনের পর মামলা নিষ্পত্তির জন্য ১৮০ কার্যদিবস সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। 
- সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৫(১) অনুযায়ী মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ থেকে ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে ট্রাইব্যুনালকে মামলাটি নিষ্পত্তি করতে হবে।
 যদি এই সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি না হয়, তবে ধারা ৪৫(২) অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল বিচারক অতিরিক্ত সর্বোচ্চ ৯০ কার্যদিবস সময় বাড়াতে পারেন এবং তারপরও নিষ্পত্তি না হলে হাইকোর্ট বিভাগকে অবগত করে মামলার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারেন। এই সময়সীমার নির্দেশ মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে বিধানিক কাঠামো নির্ধারণ করে।

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৫ মামলা নিষ্পত্তির জন্য নির্ধারিত সময়সীমা:
(১) ট্রাইব্যুনালের বিচারক এই অধ্যাদেশের অধীন কোনো মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করিবেন।
(২) ট্রাইব্যুনালের বিচারক উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত সময়সীমা সর্বোচ্চ ৯০ (নব্বই) কার্যদিবস পর্যন্ত বৃদ্ধি করিতে পারিবেন।
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের বিচারক কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া বিষয়টি প্রতিবেদন আকারে হাইকোর্ট বিভাগকে অবহিত করিয়া মামলার কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রাখিতে পারিবেন।

১৯২.
যৌতুকের জন্য নারীকে মারাত্মক জখম করলে সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
 • নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০, ধারা ১১- যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি-
যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন, তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-

(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উভয় ক্ষেত্রে উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক তিন বৎসর কিন্তু অন্যূন এক বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
১৯৩.
প্রধানমন্ত্রী কার নিকট পদত্যাগপত্র প্রদান করে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করতে পারেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. স্পীকার
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. সংসদের
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৭ অনুচ্ছেদের বিধান: প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ:
(১) প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হইবে, যদি- 
(ক) তিনি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট পদত্যাগপত্র প্রদান করেন; অথবা 
(খ) তিনি সংসদ-সদস্য না থাকেন।

(২) সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন হারাইলে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করিবেন কিংবা সংসদ ভাংগিয়া দিবার জন্য লিখিতভাবে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শদান করিবেন এবং তিনি অনুরূপ পরামর্শদান করিলে রাষ্ট্রপতি, অন্য কোন সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন নহেন এই মর্মে সন্তুষ্ট হইলে, সংসদ ভাংগিয়া দিবেন।
 
(৩) প্রধানমন্ত্রীর উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীকে স্বীয় পদে বহাল থাকিতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই অযোগ্য করিবে না।
---------------
⇒ Article 57. Tenure of office of Prime Minister:
(1) The office of the Prime Minister shall become vacant– 
(a) if he resigns from office at any time by placing his resignation in the hands of the President; or 
(b) if he ceases to be a member of Parliament. 
 
(2) If the Prime Minister ceases to retain the support of a majority of the members of Parliament, he shall either resign his office or advise the President in writing to dissolve Parliament, and if he so advises the President shall, if he is satisfied that no other member of Parliament commands the support of the majority of the members of Parliament, dissolve Parliament accordingly. 
 
(3) Nothing in this article shall disqualify Prime Minister for holding office until his successor has entered upon office.
১৯৪.
দুর্নীতি প্রতিরোধে “ফাঁদ মামলা (Trap case)” এর বিধান কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২৬
  2. দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর বিধি ১৬
  3. দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২১
  4. দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর বিধি ২৬
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ বিধি ১৬- ফাঁদ মামলা (Trap case):
দুর্নীতি প্রতিরোধের নিমিত্ত আইনের তফসিলভুক্ত অপরাধে জড়িত কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে হাতেনাতে ধৃত করিবার উদ্দেশ্যে তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিশনার এর অনুমোদনক্রমে তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফাঁদ মামলা (Trap case) প্রস্তুত করিতে বা পরিচালনা করিতে পারিবেন।
১৯৫.
"সাব-এজেন্ট "-এর সংজ্ঞা দেওয়া আছে চুক্তি আইনের কত ধারায়?
  1. ২০১
  2. ১৯১
  3. ১৪৮
  4. ১২৬
ব্যাখ্যা
⇒ চুক্তি আইনের ১৯১ ধারা মতে "সাব-এজেন্ট "-এর সংজ্ঞা (Sub-agent defined) সাব-এজেন্ট হচ্ছে এমন কোন ব্যক্তি যিনি এজেন্সির কাজে- মূল এজেন্ট কর্তৃক নিযুক্ত হন এবং তার নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন।
----
- Section 191. "Sub-agent" defined:
 A "sub-agent" is a person employed by, and acting under the control of, the original agent in the business of the agency.
১৯৬.
সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার অপরাধে সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ২ বছর কারাদণ্ড
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২০- সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার অপরাধ ও দণ্ড:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার নিমিত্ত কোনো পোর্টাল বা অ্যাপস বা ডিভাইস তৈরি করেন বা পরিচালনা করেন বা জুয়া খেলায় অংশগ্রহণ করেন বা খেলায় সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান করেন বা উৎসাহ প্রদানের জন্য বিজ্ঞাপনে অংশগ্রহণ এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রচার বা বিজ্ঞাপিত করেন তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
১৯৭.
নির্ধারিত দেনমোহরের ক্ষেত্রে যদি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক না ঘটে এবং তালাকের মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে, তাহলে স্ত্রী __________ দেনমোহর পাবে।
  1. সম্পূর্ণ দেনমোহর
  2. উপযুক্ত দেনমোহর
  3. নির্ধারিত দেনমোহরের অর্ধেক
  4. নির্ধারিত দেনমোহরের এক চতুর্থাংশ
ব্যাখ্যা
মুসলিম আইন অনুসারে,
যদি বৈধ বিবাহ হয় এবং দেনমোহর নির্ধারণ করা হয় কিন্তু যদি স্ত্রীয়ের সাথে শারীরিক সম্পর্ক পালন না হয় সেক্ষেত্রে অর্ধেক দেনমোহর দিতে হবে। এ ব্যাপারে পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন- “আর যদি মোহর সাব্যস্ত করার পর স্পর্শ করার পূর্বে তালাক দিয়ে দাও, তাহলে যে, মোহর সাব্যস্ত করা হয়েছে তার অর্ধেক দিয়ে দিতে হবে।” (আল কুরআন ২:২৩৭)

এছাড়া, Taibi vs Nathai Sharif (1940)2MLJ345=191IC728 এই মামলায়ও আদালত এই বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন- If the marriage was not consummated and the amount of dower was specified in the contract she is entitled to half of the amount the amount.

যদি বিয়ের পর স্বামী স্ত্রীর মধ্যে সহবাস অথবা দাম্পত্য নির্জনতা পালিত হওয়ার পূর্বে স্বামী স্ত্রীকে তালাক দেয় এবং যদি দেনমোহর নির্ধারিত না থাকে তাহলে কোন দেনমোহর পাওয়া থেকে স্ত্রী বঞ্চিত হতে পারেন। এছাড়া যদি বিয়েটি অনিয়মিত (irregular marriage) ধরণের হয় এবং স্বামী স্ত্রীর মাধ্যে সহবাস না হলে, কোন পক্ষের মৃত্যু বা ডিভোর্স যেভাবেই বিয়েটির সমাপ্তি ঘটুক না কেন এবং দেনমোহর নির্ধারিত হোক বা না হোক স্ত্রী কোন দেনমোহর লাভ করবে না।

এখানে উল্ল্যখ্য যে,
বিয়ে অনেক কারণেই অনিয়মিত হতে পারে। যেমনঃ সাক্ষীর উপস্থিতি না থাকা, পঞ্চম স্ত্রী গ্রহণ, ইদ্দত কালে বিয়ে ইত্যাদি। অনিয়মিত বিয়েতে হওয়া দূষণগুলি মুক্ত করে বৈধ বিয়েতে রুপান্তর করা যায়।এছাড়া কিছু আরো কিছু কারণে বিয়ে অনিয়মিত হতে পারে।
১৯৮.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কত অধ্যায় মুসলিম আইনের বিধানের উপর প্রভাব ফেলবে না?
  1. ২য়
  2. ৩য়
  3. ৪র্থ
  4. ৫ম
ব্যাখ্যা
ধারা ২: কিছু আইনের, ঘটনাবলির, অধিকার, দায় ইত্যাদির সংরক্ষণ-

এই আইনে যা বলা হয়েছে, তা নিম্নলিখিত বিষয়ের উপর কোনো প্রভাব ফেলবে না—
(ক) যেসব আইন স্পষ্টভাবে এই আইনে বাতিল করা হয়নি, সেসব আইনের বিধান;
(খ) কোনো চুক্তি বা সম্পত্তির গঠনের এমন কোনো শর্ত বা বৈশিষ্ট্য যা এই আইনের বিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং যেটি তৎকালীন প্রচলিত আইনের দ্বারা অনুমোদিত;
(গ) এই আইন কার্যকর হওয়ার পূর্বে গঠিত কোনো আইনি সম্পর্ক থেকে উদ্ভূত অধিকার বা দায়, অথবা এ ধরনের অধিকার বা দায়ের জন্য কোনো প্রতিকার;
(ঘ) এই আইনের ৫৭ ধারায় এবং চতুর্থ অধ্যায়ে যেভাবে বলা হয়েছে তা ব্যতীত, কোনো আইনগত প্রক্রিয়ায় বা কোনো যোগ্য আদালতের আদেশ বা ডিক্রির মাধ্যমে সম্পন্ন কোনো হস্তান্তর;
এবং এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ে যা বলা হয়েছে, তা মুসলিম আইনের কোনো বিধানের উপর কোনো প্রভাব ফেলবে না।
১৯৯.
হিন্দু দায়ভাগ মতবাদ অনুযায়ী, নারীদের মধ্যে সপিণ্ড কারা?
  1. স্ত্রী, কন্যা, মাতা, বোন, পিতার মাতা
  2. স্ত্রী, কন্যা, মাতা, বোন, পিতার মাতার মাতা
  3. স্ত্রী, কন্যা, মাতা, পিতার মাতা, পিতার পিতার মাতা
  4. স্ত্রী, কন্যা, মাতা, বোন, মাতার মাতা
ব্যাখ্যা

হিন্দু উত্তরাধিকার আইন:
বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি বণ্টন হয়ে থাকে দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে। এই মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকার নির্ণয় করতে যে নীতি অনুসরণ করা হয়, তা হলো মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যাণে আধ্যাত্মিক নীতি (ডকট্রিন অব স্পিরিচুয়াল বিলিফ)। হিন্দুধর্মাবলম্বী কোনো মানুষ মারা গেলে মৃত ব্যক্তির আত্মার সদ্‌গতির জন্য শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে হয়। শেষকৃত্যের তিনটি ধাপ আছে।
১. পিণ্ডদান;
২. পিণ্ডলেপ ও
৩. জলদান।
মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধে যে ব্যক্তি পিণ্ডদানের অধিকারী, তাকে বলা হয় ‘সপিণ্ড’। সপিণ্ডরাই মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রধানতম অধিকারী। মাতৃকুল ও পিতৃকুলের ঊর্ধ্বতন তিন পুরুষ, পুত্র ও কন্যার অধস্তন তিন পুরুষ এবং ঊর্ধ্বতন মাতৃ ও পিতৃকূলের ছয় পুরুষ—তাঁরা হলেন পুরুষ সপিণ্ড।

আর নারী সপিণ্ড পাঁচজন। তাঁরা হলেন: ১. বিধবা স্ত্রী; ২. কন্যা; ৩. মাতা; ৪. পিতার মাতা ও ৫. পিতার পিতার মাতা। পিতৃকুলের সপিণ্ডরা জীবিত থাকলে মাতৃকুলের সপিণ্ডরা সম্পত্তি পান না।

২০০.
The General Clauses Act,1897 এর কোন ধারা অনুসারে, বাতিলকৃত আইনে ব্যবহৃত 'Reference' পুনঃ প্রবর্তিত আইন ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে 'Reference' হিসেবে ব্যবহার করা যাবে?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ৮
  3. ধারা ৭
  4. ধারা ১০
ব্যাখ্যা
• বিধিবদ্ধ আইন ব্যাখ্যার সাধারণ নিয়ম হ'ল যখন কোন একটি আইন বাতিল করা হয়, তখন ধরে নিতে হয় যে ঐ আইনটির কখনও অস্তিত্ব ছিল না। ৮ ধারানুসারে, ভিন্নরূপ কোন উদ্দেশ্য প্রতীয়মান না হলে বাতিলকৃত আইনে ব্যবহৃত 'Reference' পুনঃপ্রবর্তিত (Re-enacted) আইন ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে 'Reference' হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। পুনঃপ্রবর্তিত আইনের প্রকৃত উদ্দেশ্য বের করার জন্যই অনুরূপভাবে ব্যাখ্যার প্রয়োজন হয়।

প্রতিটি আইনের স্বকীয়তা থাকলেও আইন ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে উহারা স্বাধীন থাকে না। সংশ্লিষ্ট আইনটি কোন না কোন ভাবে অন্য আইনের উপর নির্ভরশীল থাকে। এমনকি আইনটিতে বর্ণিত ধারা বা উপ-ধারাও একই আইনের অন্য কোন অংশের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। আইনে বর্ণিত সংশ্লিষ্ট ধারাটির প্রকৃত অর্থ উদ্ধার করতে হলে ঐ আইনটি সামগ্রিকভাবে বিবেচনায় এনে উহা ব্যাখ্যা করতে হয়।

ধারা ৮: রহিত আইনের ক্ষেত্রে বরাতের ব্যাখ্যা

১) যে ক্ষেত্রে এই আইন, বা এই আইন প্রবর্তনের পরবর্তীতে প্রণীত সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি, পূর্ববর্তী কোন আইনের বিধান পরিবর্তনসহ বা ব্যতীত, রহিত বা পুনঃ প্রবর্তন করে, সেইক্ষেত্রে ভিন্নরূপ কোন উদ্দেশ্য প্রতীয়মান না হইলে, অন্য কোন আইন বা দলিলে উক্তরূপে রহিত বিধানের বরাত, পুনঃ প্রবর্তিত বিধানের বরাত হিসাবে ব্যাখ্যাত হইবে।

 Section 8: Construction of references to repealed enactments
(1)Where this Act, or any Act of Parliament or Regulation made after the commencement of this Act, repeals and re-enacts, with or without modification, any provision of a former enactment. then. references in any other enactment or in any instrument to the provision so repealed shall, unless a different intention appears, be construed as references to the provision so re-enacted.