বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন২,৯৬৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১৭ / ৩০ · ১,৬০১১,৭০০ / ২,৯৬৪

১,৬০১.
সংবিধান সংস্কার কমিশন প্রস্তাবিত সংসদের নিম্নকক্ষ ও উচ্চকক্ষের আসন সংখ্যা যথাক্রমে কত?
  1. ৩৫০ এবং ৫০
  2. ৪০০ এবং ১০৫
  3. ৩০০ এবং ১০০
  4. ৪৫০ এবং ১০৫
ব্যাখ্যা
সংবিধান সংস্কার কমিশন: 
- গঠিত হয়- ৬ অক্টোবর, ২০২৪
- কমিশনের প্রধান- অধ্যাপক আলী রীয়াজ
- মোট সদস্য- ৯ জন

• উল্লেখযোগ্য সুপারিশসমূহ:
- সাংবিধানিক নাম: জনগণতন্ত্রী বাংলাদেশ (People's Republic of Bangladesh),
- নাগরিকত্ব: বাংলাদেশি,
- মূলনীতি: ৪টি (সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্র),
- সংসদ: দ্বিকক্ষবিশিষ্ট (নিম্নকক্ষ: ৪০০টি আসন; উচ্চকক্ষ: ১০৫টি আসন),
- মেয়াদ: ৪ বছর (সরকারের মেয়াদ, সংসদের মেয়াদ, রাষ্ট্রপতির মেয়াদ),
- সংসদীয় প্রার্থী হওয়ার ন্যূনতম বয়স: ২১ বছর।

উৎস: সংবিধান সংস্কার কমিশন। 
১,৬০২.
দ্রুত বিচার আদালতের বিচারক হিসেবে কাকে নিয়োগ করা হয়?
  1. দায়রা জজ
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৮- দ্রুত বিচার আদালত গঠন:
(১) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রত্যেক জেলায় এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় এক বা একাধিক দ্রুত বিচার আদালত গঠন করিতে পারিবে এবং উক্ত প্রজ্ঞাপনে প্রত্যেকটি দ্রুত বিচার আদালতের স্থানীয় অধিক্ষেত্র নির্ধারণ করিয়া দিতে পারিবে৷ 

(২) সরকার বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে উক্ত আদালতের বিচারক নিযুক্ত করিবে।
১,৬০৩.
"দুর্নীতি দমন কমিশন একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন হবে" দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর কত ধারার বিধান?
  1. ১ ধারা
  2. ৩ ধারা
  3. ৫ ধারা
  4. ৭ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দেশে দুর্নীতি এবং দুর্নীতিমূলক কার্য প্রতিরোধের লক্ষ্যে দুর্নীতি এবং অন্যান্য সুনির্দিষ্ট অপরাধের অনুসন্ধান এবং তদন্ত পরিচালনার জন্য একটি স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন প্রতিষ্ঠা এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধানকল্পে প্রণীত আইন হচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪।

ধারা ৩- কমিশন প্রতিষ্ঠা, ইত্যাদি
(১) এই আইন, বলবৎ হইবার পর যতশীঘ্র সম্ভব, সরকার, সরকারী গেজেটে, প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে দুর্নীতি দমন কমিশন নামে একটি কমিশন প্রতিষ্ঠা করিবে।
(২) এই কমিশন একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন হইবে। 
(৩) কমিশন একটি স্বশাসিত সংস্থা হইবে এবং উহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং এই আইন ও বিধি সাপেক্ষে, উহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার এবং উহা হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং উহার নামে উহা মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং উহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।
১,৬০৪.
অকৃষি ভূমির উন্নয়ন সম্পর্কিত ডেপুটি কমিশনার কর্তৃক আদেশের বিরুদ্ধে কার নিকট আপিল করা যাবে?
  1. কমিশনার
  2. জেলা জজ
  3. যুগ্ম জেলা জজ
  4. কালেক্টর
ব্যাখ্যা
• অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৬৬ ধারার বিধান- উন্নয়ন ইত্যাদি করার অধিকারের প্রশ্নে কালেক্টর সিদ্ধান্ত দিবেন:

১) যদি অকৃষি প্রজা ও তার ভূ-স্বত্বাধিকারীর মধ্যে এমন প্রশ্ন উঠে-
ক) উন্নয়ন কাজ করার অধিকার সম্বন্ধে; বা
খ) কোন বিশেষ একটি কাজ উন্নয়নমূলক কি না, 
তখন যে কোন পক্ষের আবেদন অনুযায়ী ডেপুটি কমিশনার সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন।

২) ডেপুটি কমিশনারের প্রদত্ত আদেশের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে। এরূপ আপিলের ক্ষেত্রে জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।

Section 66- Collector to decide question as to right to make improvement, etc.

(1) If a question arises between the non-agricultural tenant and his landlord- 
(a) as to the right to make an improvement, or 
(b) as to whether a particular work is an improvement, 
the Deputy Commissioner may, on the application of either party, decide the question. 

(2) An appeal, if presented within thirty days from the date of the order appealed against, shall lie to the District Judge from every order passed by the Deputy Commissioner under sub-section (1) and the order passed by the District Judge on such appeal shall be final.
১,৬০৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ গৃহের নিরাপত্তার অধিকার নিশ্চিত করেছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪০
  2. অনুচ্ছেদ ৪৩
  3. অনুচ্ছেদ ৪২
  4. অনুচ্ছেদ ৪১
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৪৩: গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ
রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, জনসাধারণের নৈতিকতা বা জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধা নিষেধ-সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের
(ক) প্রবেশ, তল্লাশী ও আটক হইতে স্বীয় গৃহে নিরাপত্তা লাভের অধিকার থাকিবে; এবং
(খ) চিঠিপত্রের ও যোগাযোগের অন্যান্য উপায়ের গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার থাকিবে।

Article 43: Protection of home and correspondence
Every citizen shall have the right, subject to any reasonable restrictions imposed by law in the interests of the security of the State, public order, public morality or public health – 
(a) to be secured in his home against entry, search and seizure; and 
(b) to the privacy of his correspondence and other means of communication.
১,৬০৬.
The control and discipline of subordinate courts personnel is exercised:
  1. By the Parliament
  2. Only by the Supreme Court
  3. Independently by the President
  4. By the President in consultation with the Supreme Court
ব্যাখ্যা
Article- 116 Control and discipline of subordinate courts:
The control (including the power of posting, promotion and grant of leave) and discipline of persons employed in the judicial service and magistrates exercising judicial functions shall vest in the President and shall be exercised by him in consultation with the Supreme Court.

[বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচারবিভাগীয় দায়িত্বপালনে রত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল- নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরীসহ) ও শৃংখলাবিধান রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাহা প্রযুক্ত হইবে।]
১,৬০৭.
Where, on a transfer of property, an interest therein is created in favour of a person to take effect only upon the happening of a specified uncertain event, such interest is called:
  1. Vested interest
  2. Contingent interest
  3. Preferential interest
  4. None of the above
ব্যাখ্যা
Section 21: Contingent interest

Where, on a transfer of property, an interest therein is created in favour of a person to take effect only on the happening of a specified uncertain event, or if a specified uncertain event shall not happen, such person thereby acquires a contingent interest in the property. Such interest becomes a vested interest, in the former case, on the happening of the event, in the latter, when the happening of the event becomes impossible. 
 
Exception.-Where, under a transfer of property, a person becomes entitled to an interest therein upon attaining a particular age, and the transferor also gives to him absolutely the income to arise from such interest before he reaches that age, or directs the income or so much thereof as may be necessary to be applied for his benefit, such interest is not contingent.
১,৬০৮.
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট এর বিচারকগণকে অপসারণের সুপারিশকারী কর্তৃপক্ষ -
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল
  4. জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা

সুপ্রিম কোর্ট:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার বর্ণিত হয়েছে।
- সংবিধানের ৯৪ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, আপীল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশের জন্য সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হবে।
- সুপ্রিম কোর্টের এই দুই বিভাগের পৃথক এখতিয়ার রয়েছে।
- সংবিধান ও সংবিধানের পাশাপাশি দেশের সাধারণ আইন (সংসদ কর্তৃক পাশকৃত আইন) এই এখতিয়ারের উৎস।
- ১৯৭২ সালের ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠিত করা হয়।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে (১৬তম সংশোধনী বাতিলের পর), সুপ্রীম কোর্টের বিচারকদের অসদাচরণ বা অসামর্থ্যের কারণে অপসারণের জন্য সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল (SJC) তদন্ত করে রাষ্ট্রপতিকে সুপারিশ করে। SJC-এর চেয়ারম্যান প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য সদস্য আপীল বিভাগের সিনিয়র বিচারক। এই রায় ২০২৪ সালের অক্টোবরে অ্যাপিলেট ডিভিশন কর্তৃক নিশ্চিত হয়েছে, যা বিচারবিভাগের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য সংসদের ক্ষমতা বাতিল করে।

অর্থাৎ, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অপসারণের সুপারিশ করার জন্য সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল (Supreme Judicial Council) হলো মূল কর্তৃপক্ষ।
- আপিল বিভাগের এক রায়ের মাধ্যমে এই কাউন্সিলকে পুনরায় বিচারক অপসারণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
- এর মাধ্যমে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারপতি অপসারণের যে ক্ষমতা সংসদের হাতে ন্যস্ত করা হয়েছিল, সেটি সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের হাতে নেওয়া হয়েছে।

১,৬০৯.
জমি কত দিনের মধ্যে স্বস্থানে পুনঃউদ্ভব (reformation in situ) হলে, তাতে মূল মালিকের স্বত্ব-স্বার্থ অক্ষুন্ন থাকবে?
  1. ১৫ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৪০ বছর
ব্যাখ্যা

• The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ৮৬ ধারায় সিকস্থি [Diluvion] এবং ৮৭ ধারায় পয়স্তি [Alluvion] সংক্রান্ত বিধান আলোচনা করা হয়েছে।

ধারা ৮৬ (২) মোতাবেক:
সিকস্তির কারণে নদীগর্ভে সিকস্তি জমি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পুনরায় জেগে উঠলে [Reformation-in-situ] অনুরূপ জমির স্বত্বাধিকারী বা তার স্বার্থের উত্তরাধিকারীর স্বত্ব, স্বার্থ এবং মালিকানা বজায় থাকবে।

বি.দ্র:
সরকার বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বা কোনো আইনের অধীনে উন্নয়নমূলক কাজের ফলে কৃত্রিম বা যান্ত্রিক পদ্ধতিতে জমিটি পুনঃউদ্ভব হলে সে ক্ষেত্রে উক্ত ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না (ধারা ৮৬ (৭))।

১,৬১০.
"Quo Warranto" রিট কখন জারি করা হয়?
  1. অবৈধভাবে আটক ব্যক্তিকে মুক্ত করার ক্ষেত্রে
  2. কোনো ব্যক্তির সরকারি পদে অধিষ্ঠানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করতে
  3. যখন আদালত মনে করে যে কোনো আইন অসাংবিধানিক
  4. যখন আদালত রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপত্তি তোলে
ব্যাখ্যা
⇒ কারণ দর্শাও রিট [Writ of Quo Warranto]
কোন ব্যক্তি কোন সরকারী পদ দাবী করতে পারে না যদি না উক্ত পদে তার কোন আইনগত দাবী থাকে। কোন ব্যক্তি কোন সরকারী পদে আসীন থাকলে বা আছে বলে মনে হলে, সেই ক্ষেত্রে কোন কর্তৃত্ববলে উক্ত ব্যক্তি উক্ত পদ দাবী করছে তা জানের চেয়ে হাইকার্ট বিভাগ কারণ দর্শানোর রিট জারী করতে পারে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের বিধান:- কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা: 
(২) হাইকোর্ট বিভাগের নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, আইনের দ্বারা অন্য কোন সমফলপ্রদ বিধান করা হয় নাই, তাহা হইলে
(খ) যে কোন ব্যক্তির আবেদনক্রমে-

(অ) আইনসংগত কর্তৃত্ব ব্যতিরেকে বা বেআইনী উপায়ে কোন ব্যক্তিকে প্রহরায় আটক রাখা হয় নাই বলিয়া যাহাতে উক্ত বিভাগের নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইতে পারে, সেইজন্য প্রহরায় আটক উক্ত ব্যক্তিকে উক্ত বিভাগের সম্মুখে আনয়নের নির্দেশ প্রদান করিয়া, অথবা

(আ) কোন সরকারি পদে আসীন বা আসীন বলিয়া বিবেচিত কোন ব্যক্তিকে তিনি কোন্ কর্তৃত্ববলে অনুরূপ পদমর্যাদায় অধিষ্ঠানের দাবী করিতেছেন, তাহা প্রদর্শনের নির্দেশ প্রদান করিয়া উক্ত বিভাগ আদেশদান করিতে পারিবেন।
১,৬১১.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর বিধান অনুযায়ী একই গ্রামে এক প্রজার মালিকানাধীন পৃথক ভূখণ্ড সংযুক্ত করার উদ্দেশ্যে আদেশ প্রদান করেন:
  1. আদালত
  2. রাজস্ব কর্মকর্তা
  3. উপজেলা নির্বাহী অফিসার
  4. স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি
ব্যাখ্যা
• The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১১৬ ধারা- একই গ্রামে প্রজার জোতের সংযুক্তকরণ:
একই গ্রামের মধ্যে একই প্রজার যদি পৃথক একাধিক ভূখণ্ড থাকে, তবে উক্ত ভূখণ্ডগুলি কিংবা উহার কতিপয় যদি পৃথক প্রজাস্বত্বের অধীন হয়, তবে উক্ত ভূখণ্ডগুলি রাজস্ব কর্মকর্তার আদেশক্রমে একই প্রজাস্বত্বে সংযুক্ত করা যাইবে।

Section 116- Amalgamation of holdings of a tenant in the same village:
Where various parcels of land are held by one tenant within one village, and such parcels of land or some of them are the subject of separate tenancies, such parcels of land shall, under the orders of the Revenue-officer, be amalgamated into one tenancy.
১,৬১২.
"হেবা-বিল-অ্যাওয়াজ" এর বৈশিষ্ট্য কোনটির সাথে তুলনীয়?
  1. যৌথ খরচ
  2. নিঃস্বার্থ দান
  3. বিক্রয় চুক্তি
  4. ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব
ব্যাখ্যা
হেবা:
কোন একজন মুসলিম অন্য কোন একজন মুসলমানকে কোন প্রকার বিনিময় ব্যাতিত সম্পত্তি হস্তান্তর করাকে হেবা বলে। দানকে মুসলিম আইনে হেবা বলা হয়। হেবার মাধ্যমে একজন সম্পত্তির মালিক তার ওয়ারিশদের বা অন্য কাউকে সম্পত্তি হস্তান্তর করতেপারেন। সম্পত্তি হস্তান্তর আইন- ১৮৮২ অনুযায়ী কোনো স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তিস্বেচ্ছায় কোনো বিনিময় ব্যাতিত অন্য কার কাছে সম্পত্তি হস্তান্তর করে দেওয়াকে হেবা বলে।

কোন হেবা আইনানুগ হতে হলে অবশ্যই সেখানে তিনটি শর্ত পূরন করতে হবে
- হেবার ঘোষনা বা প্রস্তাব।
- দান গ্রহীতা কতৃক হেবা গ্রহন।
- দাতা কতৃক হেবা গ্রহীতাকে হেবার বিষয় বস্তুর দখল প্রদান।

হেবার প্রকারভেদসমূহ:

হেবা-বিল-অ্যাওয়াজ:
হেবা-বিল-অ্যাওয়াজ হলো সম্পত্তির মূল্যের পরিশধের বিনিময়ে হেবা। হেবা বা দানের ক্ষেত্রে এটি একটি বিশেষ ব্যতিক্রম । প্রকৃ্ত পক্ষে এটি বিক্রয়ের সমতুল্য। এতে ক্রয় চুক্তির যাবতীয় উপাদান বিদ্যমান থাকে। হেবা-বিল-অ্যাওয়াজর বিনিময়ের পর্যাপ্ততা সম্পর্কে মুসলিম জুরিস্টদের মত হলো বিনিময়ে প্রাপ্ত মূল্যের মান প্রদত্ত সম্পত্তির সাথে সঙ্গে তুলনামূলক ভাবে কম হলেও অ্যাওয়াজটি বে-আইনি হবে না। এই হেবাকে বৈধ করতে হলে দুটি শর্ত অবশ্যই পালন করতে হবে-
১। দান গ্রহিতা কর্তৃক হেবা-বিল-অ্যাওয়াজ এর বিনিময় মূল্যে প্রকৃ্ত অর্থেয় দিতে হবে ।
২। দাতার মালিকানা পরিত্যাগকরত দান করার আন্তরিক অভিপ্রায় ব্যক্ত করতে হবে।

হেবা বা শর্ত-উল-এওয়াজ:
আরেক রকম হেবা আছে, যাকে হেবা বা শর্ত-উল এওয়াজ বলা হয়। কোন একজন মুসলিমঅন্য কোন একজন মুসলমানকে কোন প্রকার বিনিময় প্রদানের শর্তযুক্ত সম্পত্তি হস্তান্তর করাকে হেবা বা শর্ত-উল-এওয়াজ বলে। হেবা বা শর্ত-উল-এওয়াজ মূলত দান। এটা সম্পাদন হওয়ার জন্য দখল হস্তান্তর আবশ্যক। বিনিময় প্রদানের পূর্বে হেবা বা শর্ত-উল এওয়াজ বাতিলও করা যায়।
১,৬১৩.
অর্থঋণ মামলার কোন পর্যায়ে পক্ষগন আপোষ-মীমাংসা করতে পারে?
  1. শুধু মূল মামলা চলাকালীন
  2. মূল মামলা চলাকালীন বা বিচার কার্যক্রমের পর যে কোন পর্যায়ে
  3. বিচার কার্যক্রমের পূর্বে
  4. মামলার ডিক্রি দেয়ার পূর্বে
ব্যাখ্যা
• অর্থ ঋণ আদালত,২০০৩ আইনে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে অর্থ ঋণ সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির ২টি পদ্ধতি আলোচনা করা হয়েছে। যথা
১. মধ্যস্থতার মাধ্যমে
২. আপোষ নিষ্পত্তির মাধ্যমে

• ধারা ২২ থেকে ২৫ এবং ৩৮, এবং ৪৪ক ধারায় মধ্যস্থতা সম্পর্কিত বিধান করা হয়েছে। 
অর্থ ঋণ মামলার ক্ষেত্রে ২২ ধারা অনুসারে লিখিত জবাব দাখিলের পর মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করা যায়। এই পর্যায়ে মধ্যস্থতা ব্যর্থ হলে ২৩ ধারার অধীন রায় বা আদেশ প্রদানের পূর্বে পুনরায় বিকল্প পদ্ধতিতে মামলা নিষ্পত্তি করতে পারে। আবার ৩৮ ধারা অনুসারে জারীর পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে জারী মামলার বিষয়বস্তু নিষ্পত্তি করা যায় এবং ৪৪ক ধারায় আপীল বা রিভিশনের পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে আপীল বা রিভিশন মামলার বিষয়বস্তু নিষ্পত্তি করা যায়।
অন্যদিকে আপোষ নিষ্পত্তির বিষয়টি ৪৫ ধারায় উল্লেখ আছে।

• ধারা ৪৫ (মামলায় আপোষ নিষ্পত্তি)-

বিচার কার্যক্রমের পরবর্তী যে কোন পর্যায়ে, কোন মামলার আপোষ নিষ্পত্তি করা হতে পক্ষগণকে বারিত করবে না। অর্থাৎ অর্থ ঋণ মামলার বিচার কার্যক্রমের পর যে কোন পর্যায়ে, পক্ষগণ মামলার আপোষ নিষ্পত্তি করতে পারবে।
১,৬১৪.
বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে নিম্নের কোন উক্তিটি সঠিক?
  1. আলাপ-আলোচনা [Negotiation] এ তৃতীয় পক্ষ উপস্থিত থাকে
  2. মধ্যস্থতা কার্যক্রম [Mediation] পদ্ধতিতে তৃতীয় কোন পক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে থাকে
  3. সালিশ প্রক্রিয়ার [Arbitration] রায় পক্ষ গণের উপর বাধ্যকর নয়
  4. সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা
• বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির নিম্ন বর্ণিত পন্থা রয়েছে-
আলাপ-আলোচনা (Negotiation)
মধ্যস্থতা (Mediation) 
সালিশী (Arbitration)

১. আলাপ-আলোচনা [Negotiation]-
এমন একটি পদ্ধতি যেখানেই কোন বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে বিরোধের দুই পক্ষই যখন তৃতীয় পক্ষের সাহায্য ছাড়াই একটি সুবিধাজনক পরিণতির দিকে পৌঁছে বা একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়ে সমাধান করে থাকে।
আলাপ-আলোচনার [Negotiation] মাধ্যমে শিল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ২১০(২) ২১০(৩) উপধারায় বলা আছে।

২. মধ্যস্থতা কার্যক্রম [Mediation]-
এ পদ্ধতিতে কোন বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে পক্ষদ্বয়ের মধ্যে নিরপেক্ষ তৃতীয় কোন পক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিযুক্ত করা হয় এবং কোন পক্ষের ওপর সিদ্ধান্ত চাপিয়ে না দিয়ে আলাপ- আলোচনার মাধ্যমে দুটি পক্ষকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করা হয়।
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯[ক] এবং অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ২২ ধারাতে মধ্যস্থতা বিষয়ে বলা হয়েছে।

৩. সালিশ প্রক্রিয়া [Arbitration]-
সালিশ[Arbitration] প্রক্রিয়াটি অনেকটা মধ্যস্থতা পদ্ধতির অনুরূপ। এ কারণেই সালিশ কার্যক্রম [Arbitration] কে মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উন্নত সংস্করণ বলে মনে করা হয়। কেননা মধ্যস্থতা কার্যক্রমে মধ্যস্থতাকারী বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে পক্ষগণের উপর কোন পন্থা চাপিয়ে দিতে পারেন কিন্তু সালিশ কার্যক্রমের সালিশকারী (Conciliator) পক্ষগণের ওপর রায় চাপিয়ে দিতে পারে। এ ধরনের রায়কে রোয়েদাদ [Award] বলা হয়।
সালিশ[Arbitration] প্রক্রিয়াটি সালিশ আইন-২০০১ দ্বারা পরিচালিত হয়ে থাকে। বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ আইনের ২১০ ধারায় বিরোধ সালিসীর (Conciliation) মাধ্যমে নিষ্পত্তি কথা বলা হয়েছে।
১,৬১৫.
'নালিশযোগ্য দাবীর কোন অংশ বা স্বার্থ কোন বিচারক, আইনজীবী বা বিচার আদালতের সাথে জড়িত কোন অফিসার ক্রয় করবে না।'- সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ১৩৬ ধারায়
  2. ১৩৭ ধারায়
  3. ১৩১ ধারায়
  4. ১৩২ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩৬: বিচার আদালতের সাথে সংশ্লিষ্ট অফিসারদের অক্ষমতা

কোন বিচারক, আইনজীবী বা বিচার আদালতের সাথে জড়িত কোন অফিসার কোন নালিশযোগ্য দাবী ক্রয় বা তার ব্যবসা বা চুক্তি বা তাতে কোন অংশ বা স্বার্থ গ্রহণ করতে সম্মত হতে পারবেন না। উপর্যুক্ত ব্যক্তিদের দ্বারা বা তাদের মাধ্যমে নালিশযোগ্য দাবীর বিষয় আদালতে উত্থাপিত হলে আদালত তা কার্যকর করবেন না।

Section 136: Incapacity of officers connected with Courts of Justice
No Judge, legal practitioner or officer connected with any Court of Justice shall buy or traffic in, or stipulate for, or agree to receive any share of, or interest in, any actionable claim, and no Court of Justice shall enforce, at his instance, or at the instance of any person claiming by or through him, any actionable claims, so dealt with by him as aforesaid.
১,৬১৬.
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন,১৮৮১ এর ধারা ১৪১(খ) অনুযায়ী, লিখিত অভিযোগ দায়েরের সময়সীমা কত দিন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৪১(খ) অনুসারে, চেক ডিসঅনার সংক্রান্ত অভিযোগ দায়েরের সময়সীমা এক মাস বা ৩০ দিন। বিধানটিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "(খ) এইরূপ অভিযোগ অবশ্যই সেই তারিখ হইতে এক মাসের মধ্যে দায়ের করিতে হইবে, যেই তারিখে ধারা ১৩৮-এর দফা (গ)-এর অধীন কার্যকারণের কারণ সৃষ্টি হয়;"
অর্থাৎ, চেক ডিসঅনার হওয়ার পর চেকের প্রাপক বা ধারককে যে তারিখে কারণ সৃষ্টি হয়, সেই তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে হবে।

⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন,১৮৮১ এর ধারা ১৪১:
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ (অধ্যাদেশ নং V of 1898)-এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নিম্নলিখিত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে:
(ক) ধারা ১৩৮-এর অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধের বিচার কেবলমাত্র সেই ক্ষেত্রে আমলে নেওয়া যাইবে, যদি উক্ত অপরাধের জন্য অভিযোগ লিখিতভাবে দায়ের করা হয় এবং উক্ত অভিযোগটি চেকের প্রাপক বা ক্ষেত্রবিশেষে চেকের যথাযথ অধিকারপ্রাপ্ত ধারক কর্তৃক দাখিল করা হয়;
(খ) এইরূপ অভিযোগ অবশ্যই সেই তারিখ হইতে এক মাসের মধ্যে দায়ের করিতে হইবে, যেই তারিখে ধারা ১৩৮-এর দফা (গ)-এর অধীন কার্যকারণের কারণ সৃষ্টি হয়;
(গ) ধারা ১৩৮-এর অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধ বিচার করিবার ক্ষমতা সেশন আদালতের অধস্তন কোনো আদালতের থাকিবে না।

⇒ The Negotiable Instruments Act, 1881: Section-141. Cognizance of offences:
Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898 (Act V of 1898),- 
(a) no court shall take cognizance of any offence punishable under section 138 except upon a complaint, in writing, made by the payee or, as the case may be, the holder in due course of the cheque;
(b) such complaint is made within one month of the date on which the cause of action arises under clause (c) of the proviso to section 138; 
(c) no court inferior to that of a Court of Sessions shall try any offence punishable under section 138.

১,৬১৭.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর কত ধারায় সরকারকে দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৩০
  2. ধারা ৩০ক
  3. ধারা ৩১
  4. ধারা ৩৪ক
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ৩০ক- দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করিবার ক্ষেত্রে সরকারের ক্ষমতা:
ফৌজদারী কার্যবিধির অধ্যায় ২৯ এর বিধানাবলি ক্ষুণ্ণ না করিয়া, সরকার যে কোনো সময় এই আইনের অধীন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত যে কোনো দণ্ড মওকুফ করিতে, সাময়িকভাবে স্থগিত করিতে বা হ্রাস করিতে পারিবে।

[Without prejudice to the provisions of Chapter XXIX of the Code, the Government may at any time remit, suspend or commute any sentence passed by Special Tribunal under this Act.]
১,৬১৮.
মুসলিম আইনের অধীনে অগ্রক্রয়ের দ্বিতীয় দাবী কোনটি?
  1. তলব-ই-মৌসিবত
  2. তলব-ই-তমলিক
  3. তলব-ই-ইশাদ
  4. তলব-ই-মুকরর
ব্যাখ্যা

শুফা বা অগ্রক্রয়:
অগ্রক্রয়কে আরবীতে ‘শুফা’ বলা হয়। কোন সম্পত্তি বিক্রয় হয়ে গেলে তা পুনরায় ক্রয় করার অধিকারকে শুফা বা অগ্রক্রয় বলে। ইহা স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়ে থাকে। অগ্রক্রয়ের অধিকার ব্যক্তিগত অধিকার। অগ্রক্রয়ের এই অধিকার প্রয়োগ করে কোন স্থাবর সম্পত্তির মালিক অন্য একজনের বিক্রিত অপর একটি স্থাবর সম্পত্তি অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ক্রয় করার সুযোগ লাভ করে। এভাবে কোন স্থাবর সম্পত্তির মালিক কর্তৃক অন্য কোন স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় মূল্য প্রদান করে ক্রেতার স্থলাভিষিক্ত হওয়ার অধিকারকে ‘অগ্রাধিকার’ [Right of Pre-emption] বলে।

মুসলিম আইনের অধীনে তিন শ্রেণীর ব্যক্তি অগ্রক্রয়ের দাবী করতে পারেন। এরা হলেন-
ক. Shafi sharik বা সহ অংশীদার।
খ. Shafi Khalit বা সম্পত্তিতে সংলগ্ন সুবিধাদিতে শরিক; যেমন: Easement সুবিধা।
গ. Shafi Jar বা সংলগ্ন স্থাবর সম্পত্তির মালিক।

প্রথম শ্রেণীর অধিকার দ্বিতীয় শ্রেণীর অধিকারকে এবং দ্বিতীয় শ্রেণীর অধিকার তৃতীয় শ্রেণীর অধিকারকে বহির্ভূত করে। কিন্তু যখন একই শ্রেণীভূক্ত দুই বা ততোধিক অগ্রক্রয়াধিকারী থাকবে,তখন যে সম্পত্তির ক্ষেত্রে উক্ত অধিকারটির দাবী জানানো হয়েছে, তাতে তারা প্রত্যেকেই সমান দাবী করতে পারবেন।

মুসলিম আইন অনুযায়ী অগ্রক্রয়ের দাবী উত্থাপনের পদ্ধতি:
(ক) প্রথম দাবী (তলব-ই-মৌসিবত): শব্দগত অর্থে তলব-ই-মৌসিবত হলো লাফ দিয়ে দাবী করা। কিন্তু বাস্তবে বিষয়টি তা নয়। অগ্রক্রয়কারী ব্যক্তিকে বিক্রয় সম্পূর্ণ হওয়ার সংবাদ পাবার সাথে সাথে অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের ব্যাপারে নিজের অভিপ্রায় ঘোষণা করতে হবে। এটা মৌখিকভাবে ও করা যেতে পারে আবার লিখিতভাবে ও করা যেতে পারে। প্রথম দাবীর জন্য কোন সাক্ষীর উপস্থিতি অপরিহার্য নয়। সাক্ষীর অনুপস্থিতির কারণে তলব-ই-মৌসিবত অবৈধ হবে না। তবে তলব-ই-মৌসিবত যে যথাযথভাবে এবং যথাসময়ে করা হয়েছিল এই বিষয়ে কিছু প্রমাণ থাকতে হবে।

(খ) দ্বিতীয় দাবী (তলব-ই-ইশাদ):
তলব-ই-ইশাদ অর্থ হলো সাক্ষীর সম্মুখে দাবী করা। তলব-ই-মৌসিবত উত্থাপনের পর এটা দ্বিতীয় পদক্ষেপ এবং এটা প্রথম দাবীরই পুনরাবৃত্তি। তবে দ্বিতীয় দাবী কমপক্ষে দুইজন সাক্ষীর সামনে হতে হবে। এজন্য একে ‘তলব-ই-তকরির’ ও বলা হয়। তলব-ই-ইশাদ ঘোষণা আকারে ও হতে পারে, লিখিত আকারেও হতে পারে। আবার মৌখিক আকারেও হতে পারে। ইতিপূর্বে প্রথম দাবী করা না হয়ে থাকলে তলব-ই-ইশাদ অকার্যকর হবে। এটি বিক্রেতা বা ক্রেতাকে সম্বোধন করে প্রকাশ করতে হবে। তবে তাদের কাউকে পাওয়া না গেলে দ্বিতীয় দাবীটি বিক্রিত সম্পত্তিটিকে সম্বোধন করে করতে হবে।

(গ) তৃতীয় দাবী (তলব-ই-তমলিক):
তলব-ই-তমলিক প্রথম দুটি দাবীর পরে তৃতীয় দাবী। প্রথম দুটি দাবীর পর যদি ক্রেতা মেনে নেয় এবং তার নিকট সম্পত্তিটি বিক্রয় করে দেয় তাহলে অগ্রক্রয়ের দাবী বাস্তবায়িত হয়। সেক্ষেত্রে আর কোনো অতিরিক্ত আনুষ্ঠানিকতার প্রয়োজন নেই এবং ক্রেতার স্হলে অগ্রক্রয়কারী প্রতিস্হাপিত হয়। কিন্তু যদি প্রথম দুটি দাবীর পর অগ্রক্রয়কারী বিক্রীত সম্পত্তিটি পুনরায় ক্রয় করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তাকে আইনগত প্রক্রিয়ার শরনাপন্ন হতে হবে অর্থাৎ আদালতে কোন মামলা দায়ের করতে হবে।

১,৬১৯.
মুসলিম পারিবারিক অধ্যাদেশ ১৯৬১ এর ৭(১) নং ধারা অনুযায়ী স্বামী যদি চেয়ারম্যান এবং স্ত্রীকে নোটিশ প্রদান না করে তাহলে-
  1. তালাক অকার্যকর হবে
  2. স্বামী শাস্তি পাবে
  3. তালাক বাতিল হবে
  4. ক বা গ
ব্যাখ্যা
• ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ৭ (১) ধারায় বলা হয়ে, কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তালাক দিতে চাইলে, তিনি যে কোন পদ্ধতির তালাক ঘোষণার পর যথাশীঘ্র সম্ভব চেয়ারম্যানকে (স্থানীয় ইউনিয়ন/পৌর চেয়ারম্যান/প্রশাসক) লিখিতভাবে নোটিশ দিবেন এবং স্ত্রীকে উক্ত নোটিশের একটি অনুলিপি (নকল) প্রদান করবেন।
একই আইনের ৭ (২) ধারা অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি নোটিশ প্রদানের এই বিধান লংঘন করেন তবে তিনি এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় প্রকারে দণ্ডনীয় হবেন।

৭ (৪) ধারা অনুযায়ী, নোটিশ প্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে চেয়ারম্যান সংশ্লিষ্ট পক্ষদ্বয়ের মধ্যে পুনর্মিলন ঘটানোর উদ্দেশ্যে একটি সালিশী পরিষদ গঠন করবেন এবং উক্ত সালিসী পরিষদ এই জাতীয় পুনর্মিলনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

৭ (৩) ধারা অনুযায়ী, চেয়ারম্যানের কাছে নোটিশ প্রদানের তারিখ হতে নব্বই দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত কার্যকরী হবে না। কিন্তু, তালাক ঘোষণার সময় স্ত্রী যদি গর্ভবতী থাকে, তাহলে ৭(৫) ধারা অনুযায়ী গর্ভাবস্থা অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত তালাক বলবত হবে না।

উল্লেখ্য যে, মুসলিম পারিবারিক অধ্যাদেশ ১৯৬১ -এর ৭(১) নং ধারা অনুযায়ী স্বামী যদি চেয়ারম্যান এবং স্ত্রীকে নোটিশ প্রদান না করে তাহলে ৭ (২) ধারা অনুযায়ী স্বামী শাস্তি পাবে ঠিকই, কিন্তু তালাক বাতিল হবে না। উক্ত তালাক কার্যকর হবে। ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনে অধ্যাদেশের কোথাও নোটিশ প্রধান না করলে তালাক হবে না এই বিধান উল্লেখ নাই। এই বিষয়ে উচ্চ আদালতের একটি সীদ্ধান্ত রয়েছে। সিভিল রিভিশন নং ৬৯৮, ১৯৯২, মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম বনাম মোছা:হেলেনা বেগম ও অন্যান্য।
১,৬২০.
দ্রুত বিচার আদালত কিসের ভিত্তিতে মামলা গ্রহণ করতে পারে?
  1. মৌখিক অভিযোগ
  2. লিখিত অভিযোগ বা রিপোর্ট
  3. সংবাদ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে
  4. মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৯- আদালতের এখতিয়ার:
(১) অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ কেবলমাত্র দ্রুত বিচার আদালতে বিচারযোগ্য হইবে৷ 
 
(২) সাব-ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার নিম্নে নহে এমন কোন পুলিশ কমকতা বা এতদুদ্দেশ্যে সরকারের নিকট হইতে সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন ব্যক্তির লিখিত রিপোর্ট বা অভিযোগের ভিত্তিতে, বা অপরাধ সংঘটনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কিংবা অপরাধ সংঘটন সম্পর্কে অবহিত আছেন এমন কোন ব্যক্তির লিখিত অভিযোগে আদালত কোন অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ করিতে পারিবে৷ 
 
(৩) এই আইনের অধীন কোন অপরাধের সহিত অন্য আইনের অধীন কোন অপরাধ যুক্তভাবে সংঘটিত হইলে এই আইনের অধীন বিচার্য অপরাধের বিচার দ্রুত বিচার আদালতে অনুষ্ঠিত হইবে এবং অন্য আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের বিচার এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য আদালত কিংবা ট্রাইব্যুনালে অনুষ্ঠিত হইবে৷
১,৬২১.
The Transfer of Property Act, 1882 অনুসারে ইজারাগ্রহিতা ইজারামেয়াদে নতুন করে ইজারা নিলে পূর্বের ইজারা কীভাবে সমাপ্ত হয়?
  1. পরোক্ষ ইস্তফাসূত্রে
  2. প্রকাশ্য ইস্তফাসূত্রে
  3. বাজেয়াপ্তিসূত্রে
  4. মেয়াদ অতিক্রান্তে
ব্যাখ্যা
⇒ The Transfer of Property Act, 1882 এর ধারা ১১১ অনুযায়ী নিম্নলিখিতভাবে স্থাবর সম্পত্তির ইজারার পরিসমাপ্তি ঘটে-
- নির্দিষ্ট সময় উত্তীর্ণ হয়ে গেলে,
- যেক্ষেত্রে কোন ঘটনা ঘটার শর্তাধীনে ইজারার মেয়াদ নির্দিষ্ট হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত ঘটনা ঘটলে;
- যেক্ষেত্রে কোন ঘটনা ঘটলে ইজারা সম্পত্তি হতে ইজারাদাতার স্বার্থের পরিসমাপ্তি ঘটে বা এই সম্পত্তির বিলি-ব্যবস্থার ক্ষমতা আর তার থাকে না, সেক্ষেত্রে উক্ত ঘটনা ঘটলে;
- যখন সমস্ত সম্পত্তিতে ইজারাগ্রহীতার ও ইজারাদাতার স্বার্থ একই সময়ে একই ব্যক্তির উপর একই স্বত্বে ন্যস্ত হয়।
- প্রকাশ্য ইস্তফা (Surrender) দ্বারা অর্থাৎ ইজারাগ্রহীতা ইজারাদাতার বরাবরে তার স্বার্থ তাদের পারস্পরিক চুক্তির মাধ্যমে ত্যাগ করলে।
- পরোক্ষ ইস্তফা দ্বারা-

যদি কোন ইজারাগ্রহীতা তার ইজারা দাতার নিকট হতে ইজারাভূক্ত সম্পত্তির নতুন ইজারা গ্রহণ করেন এবং পূর্ব হতে বহাল ইজারার মেয়াদের মধ্যে নতুন ইজারা কার্যকর হয় তাহলে একে পূর্ববর্তী ইজারার পরোক্ষ ইস্তফা বলে এবং এভাবে এই ইজারার পরিসমাপ্তি ঘটে।

অর্থাৎ The Transfer of Property Act, 1882 এর ১১১ ধারা অনুসারে, ইজারাগ্রহিতা ইজারা মেয়াদে নতুন করে ইজারা নিলে পূর্বের ইজারা পরোক্ষ ইস্তফাসূত্রে সমাপ্ত হয়।
১,৬২২.
উমরিয়াতান নীতি (Doctrine of Umariyatan) কোন খলিফার সিদ্ধান্তের উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত?
  1. হজরত আবু বকর (রা.)
  2. হজরত উমর (রা.)
  3. হজরত ওসমান (রা.)
  4. হজরত আলী (রা.)
ব্যাখ্যা

⇒ উমরিয়াতিন নীতি ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হজরত উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)-এর সিদ্ধান্তের উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। তিনি এই নীতি প্রণয়ন করেন বিশেষ দুই পরিস্থিতিতে (যাকে "আল-ঘররাওয়ানি" বা "দুই প্রতারক" বলা হয়) মায়ের অংশ পিতার অংশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার জন্য, যাতে মা পিতার চেয়ে বেশি অংশ না পান।
এই নীতি পরবর্তীতে ইজমা (আলেমদের ঐকমত্য) দ্বারা ইসলামী উত্তরাধিকার আইন হিসেবে স্বীকৃত হয়।

Doctrine of Umariyatan (উমরিয়াতান নীতি):
উমরিয়াতান বা উমরিয়াতিন হলো ইসলামী উত্তরাধিকার আইনের একটি বিশেষ নীতি, যা ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হজরত উমর (রা.)-এর দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। এই নীতির মূল উদ্দেশ্য হলো মায়ের অংশকে পিতার অংশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা, যাতে মা পিতার চেয়ে বেশি অংশ না পান। এটি মূলত দুইটি বিশেষ পরিস্থিতিতে প্রয়োগ করা হয়, যেগুলোকে আল-ঘররাওয়ানি বা "দুই প্রতারক" বলা হয়।

উমরিয়াতান নীতির উদ্দেশ্য:
১. মায়ের অংশকে ১/৩ থেকে কমিয়ে পিতার অংশের সাথে সামঞ্জস্য করা।
২. পিতা যেন মায়ের অংশের দ্বিগুণ পান, তা নিশ্চিত করা।
৩. মায়ের অংশের অসঙ্গতি দূর করা, যাতে তিনি পিতার চেয়ে বেশি অংশ না পান।

মাতা ১/৩ অংশ পাওয়ার শর্ত:
মাতা ১/৩ অংশ পাওয়ার অধিকারী হবেন যদি নিম্নলিখিত দুটি শর্ত পূরণ হয়:
১. মৃত ব্যক্তির কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান (যেমন: নাতি-নাতনি) না থাকে।
২. মৃত ব্যক্তির একাধিক ভাই বা বোন না থাকে (এক ভাই বা এক বোন থাকলে মাতা ১/৩ পাবেন)।

উমরিয়াতান নীতির প্রয়োগ:
উমরিয়াতান নীতি বিশেষভাবে প্রয়োগ হয় যখন নিম্নলিখিত দুটি পরিস্থিতি তৈরি হয়:
১. বাবা, মা, স্বামী একসাথে উত্তরাধিকারী হলে।
২. বাবা, মা, স্ত্রী একসাথে উত্তরাধিকারী হলে।

- এই পরিস্থিতিতে মাতা সরাসরি ১/৩ অংশ না পেয়ে, পিতার অংশ বণ্টনের পর অবশিষ্ট সম্পত্তি থেকে ১/৩ অংশ পাবেন।
- এই নিয়ম প্রয়োগ না করলে মাতা পিতার চেয়ে বেশি অংশ পেতে পারেন, যা ইসলামী উত্তরাধিকার আইনের মূল নীতির সাথে সাংঘর্ষিক।

১,৬২৩.
বাংলাদেশের নাগরিক কোন ব্যক্তি সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা অর্জন করবেন কত বছর বয়সে?
  1. ১৮ বছর
  2. ২১ বছর
  3. ২৫ বছর
  4. ৩৫ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা:

(১) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক হইলে এবং তাঁহার বয়স পঁচিশ বৎসর পূর্ণ হইলে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত বিধান-সাপেক্ষে তিনি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হইবার এবং সংসদ-সদস্য থাকিবার যোগ্য হইবেন।

(২) কোন ব্যক্তি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হইবার এবং সংসদ-সদস্য থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি

(ক) কোন উপযুক্ত আদালত তাঁহাকে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা করেন;
(খ) তিনি দেউলিয়া ঘোষিত হইবার পর দায় হইতে অব্যাহতি লাভ না করিয়া থাকেন;
(গ) তিনি কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করেন কিংবা কোন বিদেশী রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা বা স্বীকার করেন;
(ঘ) তিনি নৈতিক স্খলনজনিত কোন ফৌজদারী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হইয়া অন্যূন দুই বৎসরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং তাঁহার মুক্তিলাভের পর পাঁচ বৎসরকাল অতিবাহিত না হইয়া থাকে;
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত হইয়া থাকেন;
(চ) আইনের দ্বারা পদাধিকারীকে অযোগ্য ঘোষণা করিতেছে না, এমন পদ ব্যতীত তিনি প্রজাতন্ত্রের কর্মে কোন লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকেন; অথবা
(ছ) তিনি কোন আইনের দ্বারা বা অধীন অনুরূপ নির্বাচনের জন্য অযোগ্য হন।

(২ক) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার (গ) উপ-দফা তে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন ব্যক্তি জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক হইয়া কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করিলে এবং পরবর্তীতে উক্ত ব্যক্তি-
(ক) দ্বৈত নাগরিকত্ব গ্রহণের ক্ষেত্রে, বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করিলে; কিংবা
(খ) অন্য ক্ষেত্রে, পুনরায় বাংলাদেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করিলে-
এই অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে তিনি বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন না।
 
(৩) এই অনুচেছদের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে কোন ব্যক্তি কেবল রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপ-মন্ত্রী হইবার কারণে প্রজাতন্ত্রের কর্মে কোন লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত বলিয়া গণ্য হইবেন না।

(৪) কোন সংসদ-সদস্য তাঁহার নির্বাচনের পর এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত অযোগ্যতার অধীন হইয়াছেন কি না কিংবা এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হইবে কি না, সে সম্পর্কে কোন বিতর্ক দেখা দিলে শুনানী ও নিষ্পত্তির জন্য প্রশ্নটি নির্বাচন কমিশনের নিকট প্রেরিত হইবে এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।

(৫) এই অনুচ্ছেদের (৪) দফার বিধানাবলী যাহাতে পূর্ণ কার্যকরতা লাভ করিতে পারে, সেই উদ্দেশ্যে নির্বাচন কমিশনকে ক্ষমতাদানের জন্য সংসদ যেরূপ প্রয়োজন বোধ করিবেন, আইনের দ্বারা সেইরূপ বিধান করিতে পারিবেন।
১,৬২৪.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি বা অস্ত্র সম্পর্কে আদালত কোনটি করতে পারেন?
  1. পুলিশকে হস্তান্তরের নির্দেশ দিতে পারে
  2. রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করতে পারে
  3. মালিককে ফেরত দেওয়ার আদেশ দিতে পারে
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৭: অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, অস্ত্র, ইত্যাদি:
আদালত উপযুক্ত বিবেচনা করিলে, কোন অপরাধ সংঘটনের জন্য ব্যবহৃত কোন যন্ত্রপাতি, অস্ত্র বা যানবাহন, এবং উক্ত অপরাধের দ্বারা সংগৃহীত অর্থ, মালামাল বা সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির বা উহার বৈধ মালিক বা দখলদারের নিকট ফেরত দিবার আদেশ দিতে পারিবে৷
১,৬২৫.
সাইবার স্পেসে ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক তথ্য প্রকাশের অপরাধের অর্থদণ্ড সর্বাধিক কত হতে পারে?
  1. ১ লক্ষ টাকা
  2. ৫ লক্ষ টাকা
  3. ১০ লক্ষ টাকা
  4. ২০ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ এর ধারা ২৬: সাইবার স্পেসে ধর্মীয় বা জাতিগত বিষয়ে সহিংসতা, ঘৃণা ও বিদ্বেষমূলক তথ্য প্রকাশ, ইত্যাদির অপরাধ ও দণ্ড:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে বা ছদ্ম পরিচয়ে নিজের বা অন্যের আইডিতে অবৈধ প্রবেশ করিয়া এমন কোনো কিছু সাইবার স্পেসে প্রকাশ বা প্রচার করেন বা করান, যাহা ধর্মীয় বা সাম্প্রদায়িক ঘৃণামূলক বা জাতিগত বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এবং যাহা সহিংসতা তৈরি বা উদ্বেগ সৃষ্টি করে বা বিশৃঙ্খলা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নির্দেশনা করে, তাহা হইলে অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

১,৬২৬.
রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশন অফিসে কত বছর পর্যন্ত দাবি না করা ডকুমেন্ট অক্ষত রাখা বাধ্যতামূলক?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৮৫ (Section 85) অনুযায়ী:
“Documents (other than wills) remaining unclaimed in any registration office for a period exceeding two years may be destroyed.”
অর্থাৎ, উইল ব্যতীত অন্য যেকোনো দলিল যদি ২ বছরের বেশি সময় ধরে রেজিস্ট্রেশন অফিসে অনাদায়ী (unclaimed) অবস্থায় থাকে, তাহলে তা ধ্বংস (destroy) করা যেতে পারে।
তবে এর মানে এই নয় যে ২ বছর পরই সঙ্গে সঙ্গে ধ্বংস করা হবে—এটা হলো সর্বনিম্ন সংরক্ষণকাল, এরপর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চাইলে তা নষ্ট করতে পারেন।

→ অতএব, ধারা ৮৫ অনুযায়ী, উইল ছাড়া অন্য ডকুমেন্ট ২ বছরের বেশি অদাবিকৃত থাকলে ধ্বংস করা যেতে পারে।
১,৬২৭.
শিশু আইনে প্রদত্ত সময়সীমার মধ্যে শিশু আদালতে বিচারকার্য সম্পন্ন না করলে এবং বিচার্য অভিযোগ লঘু প্রকৃতির হলে,অভিযুক্ত শিশুর ক্ষেত্রে কী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে?
  1. পুনরায় অভিযোগ গঠন হবে
  2. অব্যাহতি পাবে
  3. খালাস পাবে
  4. মুক্তি পাবে
ব্যাখ্যা
শিশু আইন,২০১৩

ধারা ৩২- বিচার সমাপ্তির সময়সীমা
 
(১) ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশু-আদালত উক্ত আদালতে শিশুর প্রথম উপস্থিত হইবার তারিখ হইতে ৩৬০ (তিনশত ষাট) দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে। 

(২) কোন যুক্তিসঙ্গত ও বাস্তব কারণে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করা সম্ভব না হইলে শিশু-আদালত, উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, সংশ্লিষ্ট বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা আরও ৬০ (ষাট) দিন বর্ধিত করিতে পারিবে। 

(৩) শিশু-আদালতে বিচার আরম্ভ হইবার পর হইতে, বিচার কার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত যতদূর সম্ভব, একাদিক্রমে উহার কার্যক্রম প্রত্যেক কার্যদিবসে বিনা বিরতিতে চলিতে থাকিবে। 

(৪) উপ-ধারা (১) ও (২) এ বর্ণিত সময়ের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করা না হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু, হত্যা, ধর্ষণ, দস্যুতা, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা বা অন্য কোন জঘন্য, ঘৃণ্য বা গুরুতর অপরাধের দায়ে দায়েরকৃত মামলা ব্যতীত, শিশু-আদালতের বিবেচনায় তাহার বিরুদ্ধে আনীত লঘু মাত্রার অভিযোগ হইতে অব্যাহতি পাইবে এবং একই অপরাধের জন্য তাহার বিরু্দ্ধে অন্য কোন বিচার প্রক্রিয়া গ্রহণ করা যাইবে না: 

তবে শর্ত থাকে যে, সংশ্লিষ্ট মামলায় কোন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি অভিযুক্ত থাকিলে তাহার মামলা অব্যাহত থাকিবে।
১,৬২৮.
একজন আদিবাসী রায়ত তার জমি উইলের মাধ্যমে আদিবাসী নয়, এমন কোনো ব্যক্তির কাছে কীভাবে হস্তান্তর করতে পারে?
  1. ভূমি ট্রাইব্যুনালের অনুমতি সাপেক্ষে
  2. নিজের গোষ্ঠি প্রধানের অনুমতি সাপেক্ষে
  3. রাজস্ব কর্মকর্তার অনুমতি সাপেক্ষে
  4. কোনরকম অনুমতি ছাড়া হস্তান্তর করতে পারে
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৯৭ ধারায় আদিবাসীদের ভূমি হস্তান্তরে বাধানিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
 
৯৭(২) ধারায় বলা হয়েছে,
আদিবাসী রায়ত কর্তৃক কোন হোল্ডিং বা উহার কোন অংশে তার অধিকার হস্তান্তর বৈধ হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত না এমন হস্তান্তর করা হয়, অন্যকোন স্থায়ীভাবে বসবাসরত আদিবাসীর নিকট। অর্থাৎ আদিবাসীরা আদিবাসীদের কাছে জমি বিক্রি বা অন্য কোনভাবে হস্তান্তর করতে চাইলে অনুমতি ছাড়াই তা করতে পারে।
 
৯৭(৩) ধারায় বলা হয়েছে,
যদি কোন আদিবাসী রায়ত হোল্ডিং বা হোল্ডিং-এর কোন অংশ ব্যক্তিগত বিক্রয়, দান বা উইলের মাধ্যমে এমন কোন ব্যক্তির নিকট হস্তান্তর করতে চাই যে আদিবাসী না, সে রেভিনিউ কর্মকর্তা বা রাজস্ব কর্মকর্তার নিকট অনুমতির জন্য আবেদন করতে পারে এবং রাজস্ব কর্মকর্তা এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় আদেশ দিতে পারে। ৯৭ (৩) ধারায় উল্লেখিত এমন ধরণের জমি হস্তান্তর অবশ্যই নিবন্ধিত দলিল) যারা সম্পাদিত হতে হবে। অর্থাৎ অআদিবাসীরা আদিবাসীদের নিকট হতে ভূমি ক্রয় বা দান বা উইল গ্রহণ করতে চাইলে, অবশ্যই রাজস্ব কর্মকর্তা বা স্থানীয় সহকারী কমিশনার (ভূমি)র কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে।
 
উল্লেখ্য, ৯৭ ধারায় উল্লেখিত বিধান লঙ্ঘনপূর্বক কোন ভূমি হস্তান্তর করলে উক্ত হস্তান্তর বাতিল বলে গণ্য হবে (ধারা ৯৭(৭))।
১,৬২৯.
রেজিস্ট্রার কোনো দলিল নিবন্ধন করতে অস্বীকৃতি জানালে, এর প্রতিকার কী?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের
  2. দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের
  3. হাইকোর্ট বিভাগে পিটিশন দায়ের
  4. কোনো প্রতিকার নেই
ব্যাখ্যা
• The Registration Act, 1908 এর ৭৭ ধারা: রেজিস্ট্রার কর্তৃক অগ্রাহ্যের আদেশের ক্ষেত্রে মামলা:
(১) যেক্ষেত্রে রেজিস্ট্রার ধারা ৭২ বা ধারা ৭৬ এর অধীন দলিল নিবন্ধনের জন্য আদেশ প্রদানে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেন, সেইক্ষেত্রে উক্ত দলিলের কোন গ্রহীতা, তাহার প্রতিনিধি, মনোনীত ব্যক্তি বা এজেন্ট উক্ত অগ্রাহ্যের আদেশ প্রদানের পর ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে যে দেওয়ানি আদালতের আদি এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে অবস্থিত কার্যালয়ে দলিলটি নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা হইয়াছিল, সেই কার্যালয়ে দলিলটি নিবন্ধিত হওয়ার নির্দেশ-সংবলিত ডিক্রি লাভের উদ্দেশ্যে উক্ত আদালতে মামলা দায়ের করিতে পারিবেন, যদি এইরূপ ডিক্রি প্রদানের পর ত্রিশ দিনের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দলিলটি যথাযথরূপে দাখিল করা হয়।

তবে শর্ত থাকে যে, মামলা দায়ের করিতে ব্যর্থতা বা এই ধারার অধীন দায়েরকৃত মামলার খারিজ হইয়া যাওয়া, পক্ষকে অন্য কোন প্রতিকার পাওয়ার অধিকার হইতে বঞ্চিত করিবে না, যাহা তিনি অনিবন্ধিত দলিলের ভিত্তিতে পাইতে পারিতেন।

(২) প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ ধারা ৭৫ এর উপ-ধারা (২) ও (৩) এ বর্ণিত বিধানাবলি এইরূপ কোন ডিক্রি অনুসারে নিবন্ধনের জন্য দাখিলকৃত সকল দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে, এবং, এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, দলিলটি উক্তরূপ মামলায় সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হইবে।

Section 77- Suit in case of order of refusal by Registrar: 
(1) Where the Registrar refuses to order the document to be registered, under section 72 or section 76, any person claiming under such document, or his representative, assign or agent, may, within thirty days after the making of the order of refusal, institute in the Civil Court, within the local limits of whose original jurisdiction is situate the office in which the document is sought to be registered, a suit far a decree directing the document to be registered in such office if it be duly presented for registration within thirty days after the passing of such decree: 
Provided that failure to file a suit or the dismissal of a suit filed under this section shall not disentitle a party to any other remedy to which he may be entitled, on the basis of the unregistered document. 
 
(2) The provisions contained in sub-sections (2) and (3) of section 75 shall, mutatis mutandis, apply to all documents presented for registration in accordance with any such decree, and, notwithstanding anything contained in this Act, the document shall be receivable in evidence in such suit.
১,৬৩০.
জেলা কালেক্টরের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে-
  1. হাইকোর্টে
  2. ভূমি মন্ত্রণালয়ে
  3. ভূমি প্রশাসন বোর্ডে
  4. বিভাগীয় কমিশনারের কাছে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৪৭: আপিল (Appeals):
এই অংশে বা এই আইনের অধীনে প্রণীত বিধিমালায় আপিল সংক্রান্ত যেকোনো বিশেষ বিধানের অধীন থাকা সাপেক্ষে, এই অংশের অধীন রাজস্ব কর্মকর্তার দ্বারা গৃহীত প্রতিটি মূল বা আপিল আদেশের বিরুদ্ধে নিম্নরূপভাবে আপিল করা যাবে—

(ক) যদি আদেশ কোনো কালেক্টরের অধীনস্থ রাজস্ব কর্মকর্তা দ্বারা প্রদান করা হয়ে থাকে, তবে আপিল করা যাবে জেলা কালেক্টরের কাছে;

(ক)(১) যদি আদেশ জেলা কালেক্টর দ্বারা প্রদান করা হয়ে থাকে, তবে আপিল করা যাবে বিভাগীয় কমিশনারের কাছে;

(গ) যদি আদেশ বিভাগীয় কমিশনার দ্বারা প্রদান করা হয়ে থাকে, তবে আপিল করা যাবে ভূমি প্রশাসন বোর্ড (Board of Land Administration)-এর কাছে।
১,৬৩১.
Marz-ul-Maut বলতে কী বোঝায়? 
  1. মৃত্যুর পর সম্পত্তি হস্তান্তর
  2. মৃত্যুর আগে গুরুতর অসুস্থতা
  3. মৃত্যুর পর তৈরি হওয়া হুকুম
  4. মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে রোগ
ব্যাখ্যা

⇒ "মরজ-উল-মউত" (Marz-ul-Maut) একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ "মৃত্যুর অসুস্থতা" (death illness)। এটি এমন একটি শারীরিক অবস্থাকে বোঝায় যেখানে ব্যক্তির পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা খুবই কম এবং মৃত্যু নিকটবর্তী। এই অবস্থায় কোনো ব্যক্তি যে হিবা (গিফট) বা উইল করে, তা মৃত্যুশয্যা লেনদেন হিসেবে বিবেচিত হয় এবং শরিয়া আইনের নির্দিষ্ট নিয়মের অধীনে বিতরণ করা হয়। এই সংজ্ঞাটি Fatima Bibee v. Ahmad Baksh (1904) মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট কর্তৃক নিশ্চিত করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে যে মরজ-উল-মউত হলো এমন রোগ যা ব্যক্তির মনে মৃত্যুর আশঙ্কা সৃষ্টি করে।
⇒ Fatima Bibee v. Ahmad Baksh, (1904):
-The Calcutta High Court held in this case that Marz-ul-Maut is death illness, or the patient is suffering from such disease which induces in the person suffering and a belief that death would be caused thereby.

⇒ অর্থাৎ মরজ-উল-মউত শব্দের অর্থ হলো মৃত্যুর আগে গুরুতর অসুস্থতা। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) মৃত্যুর আগে গুরুতর অসুস্থতা।

১,৬৩২.
বাংলাদেশের আইনানুযায়ী, উইল বা ইচ্ছাপত্রের মাধ্যমে একজন হিন্দু নাবালক ও তার সম্পত্তির অভিভাবক নিয়োগ করতে পারবেন-
  1. পিতা
  2. মাতা
  3. আদালত
  4. পিতা এবং মাতা উভয়
ব্যাখ্যা
হিন্দু আইন ও অভিভাবকত্ব:
প্রাচীন হিন্দু আইনে একজনের ভালমন্দ বুঝার বয়স হলেই তাকে সাবালক বলে গণ্য করা হতো। দায়ভাগা মতে, একজনের বয়স ১৫ হলে ও মিতাক্ষরা মতে ১৬ বছর হলে সাবালক হয়। তবে ১৮৭৫ সালে "ভারতীয় সাবালকত্ব আইন" পাস হওয়ার পর থেকে কোন নারী বা পুরুষ ১৮ বছর পূর্ণ হলে সাবালক বলে গণ্য হয়। এ আইন বাংলাদেশে প্রযোজ্য। এ আইনে উল্লেখ আছে যে, হিন্দু ও মুসলিমদের ক্ষেত্রে বিবাহ, বিবাহ-বিচ্ছেদ এবং দত্তক ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে এ আইন সমভাবে প্রযোজ্য হবে। হিন্দু আইনে অভিভাবকত্ব বলতে বুঝায়, নাবালকের জীবন ও বিষয়-সম্পত্তির নিরাপত্তা পরিচালনার দায়িত্ব আইনসম্মতভাবে পালন করাই হচ্ছে অভিভাবকত্ব।

হিন্দু আইন অনুযায়ী কিছু আইনগত ব্যাখ্যা নিম্নে তুলে ধরা হলঃ
- হিন্দু আইনে পিতা একমাত্র প্রকৃত ও স্বাভাবিক অভিভাবক এবং পিতার জীবিত অবস্থায় অন্য কেউ অভিভাবক হতে পারে না।

- পিতা যদি জীবিত থাকেন তবে সে যে কোন বয়সের নাবালকের দায়িত্ব ও অভিভাকত্ব গ্রহণ করতে পারবেন ও তার অভিভাকত্বই মাতার চাইতে উর্ধ্বে থাকবে। তবে পিতা যদি দ্বিতীয় বিয়েতে আবদ্ধ হন সেক্ষেত্রে মাতা তার নাবালিকা কন্যার অভিভাবকত্ব গ্রহণ করতে পারবেন।

- যদি পিতা অনুপস্থিত বা অবর্তমান থাকে তবে মাতা তার নাবালিকা কন্যার অভিভাবকত্ব গ্রহণ করতে পারবেন।

- বাংলাদেশের আইনানুযায়ী হিন্দু বাবাই শুধুমাত্র উইল বা ইচ্ছাপত্রের মাধ্যমে একজন নাবালক ও তার সম্পত্তির অভিভাবক নিয়োগ করতে পারবেন। কিন্তু, একজন মা তার নাবালক সন্তানের অভিভাবক নিয়োগ করতে পারবেন না। তবে আদালত অনেক সময় একজন মায়ের ইচ্ছাকে সম্মান প্রদান করতে পারেন।

- মা তার অভিভাবকত্ব হারান যদি তিনি ধর্মান্তরিত হন।

- হিন্দু আইনে দত্তক নেবার আইনগত অধিকার আছে। দত্তক গ্রহণের পর নাবালক দত্তক পুত্রের অভিভাবকত্ব তার স্বাভাবিক পিতা-মাতার নিকট হতে দত্তক পিতা-মাতার নিকট বর্তায়। একজন দত্তক সন্তান প্রকৃত সন্তানের সমপরিমাণ সুযোগ-সুবিধা লাভ করবে।
১,৬৩৩.
আপিলযোগ্য ডিক্রির অনুলিপি নিবন্ধনের জন্য উপস্থাপন করা যাবে:
  1. যেকোনো সময়
  2. আদালতের অনুমতি পাওয়ার পর
  3. ডিক্রি ঘোষণার দিন থেকে ৩ মাসের মধ্যে
  4. আপিল চূড়ান্ত হওয়ার দিন থেকে ৩ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
The Registration Act, 1908- ধারা ২৩: দলিল উপস্থাপনের সময়সীমা
ধারা ২৪, ২৫ ও ২৬-এ বর্ণিত বিধান সাপেক্ষে, কোনো দলিল (উইল ব্যতীত) নিবন্ধনের জন্য গৃহীত হবে না যদি না তা যথাযথ কর্মকর্তার নিকট উপস্থাপন করা হয় সম্পাদনের তারিখ হতে তিন মাসের মধ্যে।

তবে শর্ত থাকে যে, কোনো ডিক্রি বা আদেশের অনুলিপি নিবন্ধনের জন্য উপস্থাপন করা যাবে:
- যদি তা আপিলযোগ্য না হয়, তাহলে উক্ত ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের দিন থেকে তিন মাসের মধ্যে;
- আর যদি তা আপিলযোগ্য হয়, তাহলে যখন তা চূড়ান্ত (final) হয়, সেই দিন থেকে তিন মাসের মধ্যে।
১,৬৩৪.
মুসলিম আইনের সবচেয়ে উদার মতবাদ কোনটি?
  1. মালিকি
  2. হানাফি
  3. শাফেয়ি
  4. হাম্বলি
ব্যাখ্যা
মুসলিম আইনের চার প্রধান মতবাদ (Schools of Islamic Law):
মুসলিম আইনকে চারটি প্রধান সুন্নি মতবাদে বিভক্ত করা হয়েছে। এই মতবাদগুলো প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ইসলামের প্রাথমিক যুগে, এবং প্রত্যেকটি নির্দিষ্ট ইমামের অনুসৃত পদ্ধতি ও ব্যাখ্যার ভিত্তিতে গড়ে ওঠে।

হানাফি মতবাদ (Hanafi School)
- প্রতিষ্ঠাতা: ইমাম আবু হানিফা (৭০২–৭৭২ খ্রিস্টাব্দ)।
- কুরআন ও হাদিসের পাশাপাশি ইজতিহাদ (ব্যক্তিগত বিশ্লেষণ) এবং রায় ব্যবহারের উপর গুরুত্ব দেয়।
- হানাফি মতবাদ মুসলিম আইনের সবচেয়ে উদার ও সহনশীল।
- স্থানীয় প্রথা ও রীতিনীতি গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয়।

মালিকি মতবাদ (Maliki School)
- প্রতিষ্ঠাতা: ইমাম মালিক ইবনে আনাস (৭১১–৭৯৫ খ্রিস্টাব্দ)।
- মদিনার মানুষের প্রথা এবং প্রাথমিক মুসলিম সমাজের রীতিনীতিকে আইনের ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
- কুরআন ও হাদিস প্রধান উৎস, তবে মদিনার ঐতিহ্য এবং ইজমাও বিবেচ্য।

শাফেয়ি মতবাদ (Shafi'i School)
- ইমাম মুহাম্মদ ইবনে ইদ্রিস আশ-শাফেয়ি (৭৬৭–৮২০ খ্রিস্টাব্দ)।
- কুরআন ও হাদিসকে প্রধান উৎস হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
- ইজমা (মুসলিম সমাজের ঐক্যমত) এবং কিয়াস (যুক্তিগত বিশ্লেষণ) ব্যবহারের উপর জোর দেয়।

হাম্বলি মতবাদ (Hanbali School)

- ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল (৭৮০–৮৫৫ খ্রিস্টাব্দ)।
- এটি সবচেয়ে রক্ষণশীল সুন্নি মতবাদ।
- কুরআন ও হাদিস ছাড়া অন্য কোনো উৎসকে খুব কম গ্রহণ করে।
১,৬৩৫.
সংসদ আইনের দ্বারা কোন ধরনের ব্যক্তিদের দায়মুক্ত করতে পারে?
  1. প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত কোন ব্যক্তির
  2. জাতীয় মুক্তিসংগ্রামের প্রয়োজনে যে ব্যক্তি কোন কার্য করে
  3. অনগ্রসর নাগরিকদের
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
• ৪৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে দায়মুক্তি-বিধান সংবলিত কোন আইন সংবিধানের তৃতীয় ভাগের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী হলেও, উক্ত আইনের বৈধতা বা অসাংবিধানিকতা চ্যালেঞ্জ করা যাবেনা। যে সকল ব্যক্তির জন্য দায়মুক্তি-বিধান প্রণয়ন করতে পারেঃ

⇒ প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি বা
⇒ অন্য কোন ব্যক্তি যে জাতীয় মুক্তিসংগ্রামের প্রয়োজনে; কিংবা
⇒ বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে কোন অঞ্চলে শৃঙ্খলা-রক্ষা বা পুনর্বহালের প্রয়োজনে কোন কার্য করে।

সংসদ আইনের দ্বারা উল্লেখিত ব্যক্তিকে দায়মুক্ত করতে পারবে কিংবা ঐ অঞ্চলে প্রদত্ত কোন দণ্ডাদেশ, দণ্ডও বা বাজেয়াপ্তির আদেশকে কিংবা অন্য কোন কার্যকে বৈধ করে নিতে পারবে। এমন আইন সংবিধানের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করেছে এই কারণে অসাংবিধানিক হবে না।

অনুচ্ছেদ ৪৬: দায়মুক্তি-বিধানের ক্ষমতা

এই ভাগের পূর্ববর্ণিত বিধানাবলীতে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি বা অন্য কোন ব্যক্তি জাতীয় মুক্তিসংগ্রামের প্রয়োজনে কিংবা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে কোন অঞ্চলে শৃঙ্খলা-রক্ষা বা পুনর্বহালের প্রয়োজনে কোন কার্য করিয়া থাকিলে সংসদ আইনের দ্বারা সেই ব্যক্তিকে দায়মুক্ত করিতে পারিবেন কিংবা ঐ অঞ্চলে প্রদত্ত কোন দণ্ডাদেশ, দণ্ড বা বাজেয়াপ্তির আদেশকে কিংবা অন্য কোন কার্যকে বৈধ করিয়া লইতে পারিবেন।

Article 46: Power to provide indemnity
Notwithstanding anything in the foregoing provisions of this Part, Parliament may by law make provision for indemnifying any person in the service of the Republic or any other person in respect of any act done by him in connection with the national liberation struggle or the maintenance or restoration of order in any area in Bangladesh or validate any sentence passed, punishment inflicted, forfeiture ordered, or other act done in any such area.
১,৬৩৬.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২৮(১) অনুযায়ী, মিথ্যা মামলা বা অভিযোগ দায়েরের শাস্তি কী?
  1. সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. সর্বোচ্চ ১ বছর কারাদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. মূল অপরাধের জন্য নির্ধারিত দণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২৮(১) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে এবং ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ না জানিয়েও এই অধ্যাদেশের অধীন মিথ্যা মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন, তাহলে তিনি "মূল অপরাধটির জন্য যে দণ্ড নির্ধারিত রহিয়াছে সেই দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন"। অর্থাৎ, মিথ্যা মামলা দায়েরের অপরাধের জন্য মূল অপরাধের সমান শাস্তি প্রযোজ্য হবে।

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২৮: মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের, ইত্যাদির অপরাধ ও দণ্ড:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই অধ্যাদেশের অন্য কোনো ধারার অধীন মামলা বা অভিযোগ দায়ের করিবার জন্য ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ না জানিয়াও মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান, তাহা হইলে উহা হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং যিনি অভিযোগ দায়ের করাইয়াছেন উক্ত ব্যক্তি মূল অপরাধটির জন্য যে দণ্ড নির্ধারিত রহিয়াছে সেই দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
(২) যদি কোনো ব্যক্তি এই অধ্যাদেশের অধীন একাধিক ধারায় মিথ্যা মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন, তাহা হইলে উক্ত ধারাসমূহে বর্ণিত অপরাধসমূহের মধ্যে মূল অপরাধের জন্য নির্ধারিত দণ্ডের মধ্যে যাহার পরিমাণ বেশি হয় উহাকেই দণ্ডের পরিমাণ হিসাবে নির্ধারণ করা যাইবে।(৩) ট্রাইব্যুনাল ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা তদ্‌কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বা স্বপ্রণোদিত হইয়া এই ধারার অধীন সংঘটিত কোনো অপরাধের অভিযোগ গ্রহণ ও মামলার বিচার করিতে পারিবে।

১,৬৩৭.
কোন আইনের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানের প্রচলিত আইনগুলো বাংলাদেশে প্রযোজ্য হবে মর্মে বিধান করা হয়?
  1. The Laws Continuance Enforcement Order, 1971
  2. The Laws Continuance Ordinance 1971
  3. The Act and Ordinance Enforcement Order, 1971
  4. The Laws Enforcement Order, 1971
ব্যাখ্যা
⇒ ১৯৭১ সালের ১০শে এপ্রিল স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র [Proclamation of Independence] জারি করার পরে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র-এর মাধ্যমে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি তথা ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেশে বিদ্যমান সকল আইনের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করার জন্য ১৯৭১ সালের ১০শে এপ্রিল 'The Laws Continuance Enforcement Order, 1971 - আইনের ধারাবাহিকতা বলবৎকরণ আদেশ, ১৯৭১' প্রণয়ন করেন। এবং এই আইনটিকে ভূতাপেক্ষ কার্যকারিতা (retrospective effect) দিয়ে ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ থেকে কার্যকর করা হয়েছে বলে ঘোষণা করেন।
১,৬৩৮.
চেক ডিজঅনার মামলার ক্ষেত্রে বর্তমানে কোন আদালতকে বিচার করার এখতিয়ার দেয়া হয়েছে?
  1. অতিরিক্ত দায়রা জজ
  2. জেলা জজ
  3. দায়রা জজ
  4. যুগ্ম দায়রা জজ
ব্যাখ্যা
⇒ ১৮৮১ সালের হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৪১(গ) ধারা অনুযায়ী, চেক ডিজঅনার এর মামলার বিচার করতে পারে দায়রা আদালত। অর্থাৎ Sessions Judge, Additional Sessions Judge & Joint Sessions Judge উনারা সবাই এরূপ মামলার বিচার করতে পারেন এবং এতদিন পর্যন্ত করে আসছেন।
- তবে সম্প্রতি হাইকোর্ট বিভাগের রায়ে বলা হয়েছে- এখন থেকে চেক ডিজঅনার এর মামলার বিচার করতে পারবে শুধুমাত্র যুগ্ম দায়রা জজ [Joint Sessions Judge]।

উচ্চ আদালত এ রায়ে উল্লেখ করেন-

''চেক ডিজঅনার মামলা শুধুমাত্র যুগ্ম দায়রা জজ আদালতে শুনানি হবে এবং যুগ্ম দায়রা জজ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে দায়রা জজ আদালতেই আপীল করতে হবে। আগে চেক ডিজঅনারের মামলা দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ আদালত শুনানি করতো। এক্ষেত্রে দায়রা জজ ও অতিরিক্ত দায়রা জজ বিচার করলে বিচারপ্রার্থীকে চেকের মামলায় আপীল করতে আসতে হতো হাইকোর্টে বিভাগে।

এই বিধানটি বৈষম্যমূলক যাহা বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭ এবং ৩১ এর সাথে সাংঘর্ষিক। রায়ের নির্দেশনা মতে ১৩৮ ধারার চেকের মামলার বিচার কেবলমাত্র যুগ্ম দায়রা জজ আদালত করতে পারবে। দায়রা জজ অথবা অতিরিক্ত দায়রা জজ চেকের মামলার বিচার করতে পারবে না।''
১,৬৩৯.
যে ব্যক্তি অন্যের মাল খুঁজে পান এবং নিজের হেফাজতে নেন, তিনি কার মতো দায়িত্বে থাকেন?
  1. সাক্ষী
  2. বিক্রেতা
  3. জিম্মাদার
  4. মালিক
ব্যাখ্যা
The Contract Act, 1872 এর ধারা ৭১: Responsibility of Finder of Goods (খোয়া যাওয়া সম্পত্তি উদ্ধারকারীর দায়িত্ব)-
যে ব্যক্তি অন্য কারো মালামাল খুঁজে পান এবং তা নিজের হেফাজতে নেন, তিনি একজন জিম্মাদারের (Bailee) মতো একই দায়িত্বের অধীন হন। অর্থাৎ, তিনি সেই মাল নিরাপদে রক্ষা করবেন এবং যথাযথভাবে মালিককে ফেরত দেওয়ার চেষ্টা করবেন।

[A person who finds goods belonging to another and takes them into his custody, is subject to the same responsibility as a bailee.]
১,৬৪০.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর অধীন মিথ্যা মামলা দায়েরের শাস্তি কী?
  1. সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড
  2. সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা জরিমানা
  3. মূল অপরাধটির জন্য নির্ধারিত দণ্ড
  4. মূল অপরাধটির জন্য নির্ধারিত দণ্ডের অর্ধেক
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২৮: মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের, ইত্যাদির অপরাধ ও দণ্ড:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই অধ্যাদেশের অন্য কোনো ধারার অধীন মামলা বা অভিযোগ দায়ের করিবার জন্য ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ না জানিয়াও মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান, তাহা হইলে উহা হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং যিনি অভিযোগ দায়ের করাইয়াছেন উক্ত ব্যক্তি মূল অপরাধটির জন্য যে দণ্ড নির্ধারিত রহিয়াছে সেই দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি এই অধ্যাদেশের অধীন একাধিক ধারায় মিথ্যা মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন, তাহা হইলে উক্ত ধারাসমূহে বর্ণিত অপরাধসমূহের মধ্যে মূল অপরাধের জন্য নির্ধারিত দণ্ডের মধ্যে যাহার পরিমাণ বেশি হয় উহাকেই দণ্ডের পরিমাণ হিসাবে নির্ধারণ করা যাইবে।

(৩) ট্রাইব্যুনাল ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা তদ্‌কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বা স্বপ্রণোদিত হইয়া এই ধারার অধীন সংঘটিত কোনো অপরাধের অভিযোগ গ্রহণ ও মামলার বিচার করিতে পারিবে।
১,৬৪১.
জরুরী-অবস্থা চলাকালীন রাষ্ট্রপতি মৌলিক অধিকার বলবৎকরণের সকল মামলা স্থগিত করতে পারেন-
  1. প্রধানমন্ত্রীর মৌখিক বা লিখিত পরামর্শ অনুযায়ী
  2. প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শ অনুযায়ী
  3. সংসদের মৌখিক সম্মতি অনুযায়ী
  4. সংসদের লিখিত পরামর্শ অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪১গ: জরুরী-অবস্থার সময় মৌলিক অধিকারসমূহ স্থগিতকরণ

(১) জরুরী-অবস্থা ঘোষণার কার্যকরতা-কালে প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা ঘোষণা করিতে পারিবেন যে, আদেশে উল্লেখিত এবং সংবিধানের তৃতীয় ভাগের অন্তর্গত মৌলিক অধিকারসমূহ বলবৎকরণের জন্য আদালতে মামলা রুজু করিবার অধিকার এবং আদেশে অনুরূপভাবে উল্লেখিত কোন অধিকার বলবৎকরণের জন্য কোন আদালতে বিবেচনাধীন সকল মামলা জরুরী-অবস্থা ঘোষণার কার্যকরতা-কালে কিংবা উক্ত আদেশের দ্বারা নির্ধারিত স্বল্পতর কালের জন্য স্থগিত থাকিবে। 
 
(২) সমগ্র বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশে এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত আদেশ প্রযোজ্য হইতে পারিবে। 
(৩) এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত প্রত্যেক আদেশ যথাসম্ভব শীঘ্র সংসদে উপস্থাপিত হইবে।

Article 141C: Suspension of enforcement of fundamental rights during emergencies

(1) While a Proclamation of Emergency is in operation, the President may, on the written advice of the Prime Minister, by order, declare that the right to move any court for the enforcement of such of the rights conferred by Part III of this Constitution as may be specified in the order, and all proceedings pending in any court for the enforcement of the right so specified, shall remain suspended for the period during which the Proclamation is in force or for such shorter period as may be specified in the order. 
 
(2) An order made under this article may extend to the whole of Bangladesh or any part thereof. 
(3) Every order made under this article shall, as soon as may be, be laid before Parliament.
১,৬৪২.
বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুযায়ী নিম্নের কে শপথ বা ঘোষণাপত্র পাঠ করাতে পারেন না?
  1. স্পীকার
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে, শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠ করানোর ক্ষমতা শুধুমাত্র স্পীকার, রাষ্ট্রপতি এবং প্রধান বিচারপতি-কে দেওয়া হয়েছে।
স্পীকার: রাষ্ট্রপতি ও সংসদ-সদস্যদের শপথ পড়ান।
রাষ্ট্রপতি: প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার ও প্রধান বিচারপতির শপথ পড়ান।
প্রধান বিচারপতি: সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারক, সরকারী কর্মকমিশনের সদস্য, মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনারের শপথ পড়ান।
তবে প্রধানমন্ত্রী কোনো ব্যক্তিকে শপথ পড়ানোর ক্ষমতা সংবিধানের তৃতীয় তফশিলে দেওয়া হয়নি।

⇒ তৃতীয় তফসিল:
- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষনাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে।
- শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠ করানোর ক্ষমতা ৩ জন ব্যক্তিকে দেওয়া হয়ছে।
- যথা- স্পীকার , রাষ্ট্রপতি , প্রধান বিচারপতি।

⇒ স্পীকার কর্তৃক - রাষ্ট্রপতি, সংসদ-সদস্য;
⇒ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক - প্রধানমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার, প্রধান বিচারপতি; 
⇒ প্রধান বিচারপতি কর্তৃক - সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারক, সরকারী কর্মকমিশনের সদস্য, মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার।

১,৬৪৩.
চুক্তি আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে কোনো অনিশ্চিত ঘটনা ঘটার উপর নির্ভরশীল চুক্তি যদি ওই সময়ের মধ্যে না ঘটে, তবে—
  1. শর্তসাপেক্ষে বৈধ 
  2. চুক্তি বাতিল হবে
  3. চুক্তি কার্যকর থাকবে
  4. আদালত অনুমোদন দিলে কার্যকর হবে
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ৩৫ ধারা অনুযায়ী: যদি কোনো চুক্তি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোনো অনিশ্চিত ঘটনা ঘটার উপর নির্ভরশীল হয় এবং সেই সময়ের মধ্যে তা না ঘটে, তবে চুক্তি বাতিল (Void) হয়ে যাবে।
উদাহরণ:
A প্রতিশ্রুতি দিলো যে, সে B-কে টাকা দেবে যদি কোনো জাহাজ আগামী ৬ মাসের মধ্যে ফিরে আসে। যদি ৬ মাসের মধ্যে জাহাজ না ফেরে, তাহলে চুক্তি বাতিল (Void) হবে।
-------
⇒ The Contract Act, 1872, Section 35: When contracts become void which are contingent on happening of specified event within fixed time:
- Contingent contracts to do or not to do anything if a specified uncertain event happens within a fixed time become void if, at the expiration of the time fixed, such event has not happened, or if, before the time fixed, such event becomes impossible.

- When contracts may be enforced which are contingent on specified event not happening within fixed time:
Contingent contracts to do or not to do anything if a specified uncertain event does not happen within a fixed time may be enforced by law when the time fixed has expired and such event has not happened or, before the time fixed has expired, if it becomes certain that such event will not happen. 

Illustrations:
(a) A promises to pay B a sum of money if a certain ship returns within a year. The contract may be enforced if the ship returns within the year, and becomes void if the ship is burnt within the year. 
(b) A promises to pay B a sum of money if a certain ship does not return within a year. The contract may be enforced if the ship does not return within the year, or is burnt within the year.

১,৬৪৪.
The State Acquisition and Tenancy Act 1950 এর ধারা ১৪৫ক(৭ক) অনুযায়ী, চূড়ান্ত শুনানির তারিখ থেকে কত দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে হবে?
  1. ৯০ দিন
  2. ১২০ দিন
  3. ১৮০ দিন
  4. ৩৬০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒The State Acquisition and Tenancy Act 1950 এর ধারার ১৪৫ক  উপধারা (৭ক) এর বিধান চূড়ান্ত শুনানির জন্য নির্ধারিত তারিখ থেকে ১৮০ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে হবে।
-------------
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act 1950 section-145A (7) A suit may be admitted within next one year after the expiry of the period specified in sub-section (6), if the Land Survey Tribunal is satisfied with the reasons for delay shown by the plaintiff.

- (7A) The Land Survey Tribunal shall conclude the trail of a suit within 180 (one hundred and eighty) days from the date fixed for its final hearing.

১,৬৪৫.
প্রচলিত কোন আইনের বাধা নিষেধ ভঙ্গ করে বেআইনিভাবে কোন জিনিসপত্র বাংলাদেশে আনা বা অন্য কোন দেশে পাচার করার জন্য (Special Powers Act) এর অধীন সর্বোচ্চ শাস্তি কি?
  1. ১৪ বছরের কারাদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. মৃত্যুদণ্ড
  4. ১০ বছরের কারাদন্ড
ব্যাখ্যা
চোরাচালান

১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫খ ধারায় চোরাচালান একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫খ (১) ধারায় বলা হয়েছে, বর্তমানে বলবৎ কোন আইন দ্বারা বা আইনের অধীন অরোপিত বাধানিষেধ লঙ্ঘন করে বা বর্তমানে বলবৎ কোন আইনের অধীন আদায়যোগ্য কোন শুল্ক বা কর ফাঁকি দিয়ে-
ক. বাংলাদেশী পাট, স্বর্ণ বা রুপা, স্বর্ণ বা সিলভার প্রস্তুতির দ্রব্যাদি, মুদ্রা, খাদ্যপণ্য, ঔষধসমূহ, আমদানিকৃত পণ্য বা অন্যকোন পণ্যসমূহ বাংলাদেশের বাইরে নিয়ে যায়;
খ. যেকোন পণ্য বাংলাদেশে নিয়ে আসে তাহলে সেটা চোরাচালান বলে গণ্য হবে।

শাস্তি
২৫খ (১) ধারায় চোরাচালানের (Smuggling) শাস্তি হতে পারে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাবাস বা ১৪ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাবাস কিন্তু ২ বৎসরের কম না এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
অন্যদিকে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন এর ২৫খ (২) ধারা অনুযায়ী যদি কোন ব্যক্তি বাংলাদেশে নিষিদ্ধ কোন পণ্য বিক্রি করে বা বিক্রির প্রস্তাব দেয় বা বিক্রির জন্য প্রদর্শন করে বা নিজ নিয়ন্ত্রণে বা দখলে রাখে তাহলে সে ২৫খ(২) ধারায় উল্লেখিত চোরাচালানের জন্য দণ্ডিত হবে এবং ২৫খ (২) ধারায় উল্লেখিত শাস্তি অর্থাৎ ৭ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ১ বৎসরের নিচে নয় এমন দণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
১,৬৪৬.
নিম্নলিখিত কোনটি তালাক-উস-সুন্নাহ এর প্রকার নয়?
  1. তালাক আহসান (Ahsan)
  2. তালাক হাসান (Hasan)
  3. তালাক-মুখতার (Mukhtar)
  4. উপরোক্ত কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা

⇒ তালাক-উস-সুন্নাহ হলো ইসলামী শরিয়া আইনের অধীনে হযরত মোহাম্মদ (সা:) এর সুন্নত বা হাদিস অনুযায়ী প্রদত্ত তালাকের পদ্ধতি। এটি দুটি প্রকারে বিভক্ত:
তালাক-ই-আহসান (Ahsan): এটি সর্বাধিক অনুমোদিত তালাক। এই পদ্ধতিতে স্বামী স্ত্রীর তুহরের (পবিত্র সময়) সময় একবার তালাক উচ্চারণ করে এবং ইদ্দতকাল (তিনটি ঋতুকাল) শেষ না হওয়া পর্যন্ত শারীরিক সম্পর্ক থেকে বিরত থাকে। ইদ্দতকাল শেষ হলে তালাক কার্যকর এবং অপ্রত্যাহারযোগ্য হয়।
তালাক-ই-হাসান (Hasan): এটি অনুমোদিত তালাক। এই পদ্ধতিতে স্বামী পরপর তিনটি তুহরে প্রতিটি তুহরে একবার করে তালাক উচ্চারণ করে এবং তুহরকালে শারীরিক সম্পর্ক থেকে বিরত থাকে। তৃতীয় উচ্চারণের পর তালাক কার্যকর এবং অপ্রত্যাহারযোগ্য হয়।

তালাক-মুখতার (Mukhtar) তালাক-উস-সুন্নাহ-এর প্রকার নয়:
"তালাক-মুখতার" নামে কোনো তালাক ইসলামী শরিয়া আইনে তালাক-উস-সুন্নাহ-এর অধীনে স্বীকৃত নয়। তালাক-উস-সুন্নাহ শুধুমাত্র তালাক-ই-আহসান এবং তালাক-ই-হাসান নিয়ে গঠিত। অন্যান্য তালাকের পদ্ধতি, যেমন তালাক-ই-বিদআত (অননুমোদিত তালাক) বা তালাক-ই-মুবারাত (পারস্পরিক সম্মতিতে তালাক), তালাক-উস-সুন্নাহ-এর অংশ নয়। "তালাক-মুখতার" নামে কোনো স্বীকৃত পদ্ধতি শরিয়া আইনে উল্লেখ নেই, তাই এটি তালাক-উস-সুন্নাহ-এর প্রকার নয়।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো তালাক-মুখতার।

১,৬৪৭.
What is the official title of the Constitution as per Article 153?
  1. Constitution of Bangladesh
  2. People’s Constitution of Bangladesh
  3. National Constitution of Bangladesh
  4. Constitution of the People's Republic of Bangladesh
ব্যাখ্যা
Article 153 of the Constitution of Bangladesh: Commencement, citation and authenticity-
(1) This Constitution may be cited as the Constitution of the People's Republic of Bangladesh and shall come into force on the sixteenth day of December, 1972, in this Constitution referred to as the commencement of this Constitution. 
 
(2) There shall be an authentic text of this Constitution in Bengali, and an authentic text of an authorised translation in English, both of which shall be certified as such by the Speaker of the Constituent Assembly. 
 
(3) A text certified in accordance which clause (2) shall be conclusive evidence of the provisions of this Constitution: 
Provided that in the event of conflict between the Bengali and the English text, the Bengali text shall prevail.
১,৬৪৮.
'The Hindu Inheritance (Removal of Disabilities) Act' আইনটি কত সালে প্রণয়ন করা হয়?
  1. ১৮৫৬
  2. ১৯১৬
  3. ১৯২৮
  4. ১৯৩৭
ব্যাখ্যা
⇒ বৃটিশ আমলে যেসব রাষ্ট্রীয় আইন দ্বারা হিন্দু আইনের বেশ কিছু প্রচলিত প্রথার সংস্কার করা হয়েছিল তার মধ্যে বর্তমান বাংলাদেশে বিদ্যমান উল্লেখযোগ্য কিছু আইনের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেয়া হল।
১। The Hindu Widow's Re-marriage Act, 1856 এই আইনের মুখবন্ধে বিধবা বিবাহ নিষিদ্ধ থাকাকে প্রচলিত প্রতিষ্ঠিত প্রথা হিসেবে স্বীকার করলেও এটিকে হিন্দু আইনের মূল ধারণার পরিপন্থি বলে বিধবা বিবাহের আইনগত বৈধতা দেয়া হয় এবং বিবাহের পর ভূমিষ্ঠ সন্তানদের স্বীকৃতি দেয়া হয়।
২। The Hindu Disposition of Property Act, 1916 এর মাধ্যমে সন্তান ভূমিষ্ঠ হবার পূর্বে তার বরাবর সম্পত্তি দান করার আইনগত বৈধতা দেয়া হয়।
 
৩। The Hindu Inheritance (Removal of Disabilities) Act, 1928 এর মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধীদের সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার যে প্রচলিত নিয়ম ছিল তা রদ করা হয়। তবে বাংলাদেশে শুধুমাত্র হিন্দু মিতাক্ষরা মতাবলম্বীদের ক্ষেত্রে এই বিধান প্রযোজ্য করা হয়।
 
8 The Hindu Law of Inheritance (Amendment) Act, 1929-এ উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে পুত্রের কন্যা, কন্যার কন্যা, বোন এবং বোনের পুত্রকে দাদার পর এবং চাচার আগে স্থান দেয়া হয়। তবে এটিও শুধুমাত্র মিতাক্ষরা মতাবলম্বীদের জন্য প্রযোজ্য।
৫। The Hindu Women's Right to Property Act, 1937 আইনের মাধ্যমে বিধবাদের জীবনস্বত্বে প্রাপ্ত সম্পত্তির পরিমান সুনির্দিষ্ট করা হয়।
৬। The Hindu Women's Rights to Property (Extension to Agricultural Land) Act, 1943 (Amendment Act)-এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট স্থানে কৃষিভূমিতে নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা হয়।
 
৭। The Hindu Married Women's Right to Separate Residence and Maintenance Act, 1946 দ্বারা বিশেষ ক্ষেত্রে নারীদের পৃথক বসবাস ও ভরণপোষণের অধিকারের আইনগত স্বীকৃতি দেয়া হয়।
৮। The Hindu Marriage Disabilities Removal Act, 1946 দ্বারা একই কাস্ট বা বর্ণের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে বিবাহের আইনগত বৈধতা দেয়া হয়।
 
উল্লেখ্য, বর্ণিত আইনগুলো শুধুমাত্র হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এবং এসব রাষ্ট্রীয় আইন দ্বারা হিন্দু সনাতন ধর্মের প্রচলিত বিভিন্ন প্রথাতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। দ্বিতীয়ত, হিন্দু নারীর অধিকারের প্রতি রাষ্ট্র সংবেদনশীল হয়েছে যার প্রতিফলন আইনগুলোর মধ্যে দেখা যায়। তাছাড়া কিছু প্রগতিশীল আইন বাংলাদেশের মিতাক্ষরা মতাবলম্বীদের মধ্যে প্রয়োগযোগ্য করা হয়েছে যা দায়ভাগ মতাবলম্বীদের সংস্কারের পক্ষে জোড়ালো যুক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
১,৬৪৯.
এক ব্যক্তি তার ফেসবুক পোস্টে এক ধর্ম নিয়ে অবমাননাকর লেখা লিখেন, যা ঐ ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে চরম আঘাত করে। সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি অনধিক কী দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে?
  1. অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ডে
  2. অনধিক ৫ বছর কারাদণ্ডে
  3. অনধিক ২ বছর কারাদণ্ডে
  4. অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ডে
ব্যাখ্যা
ধারা ২৮- ওয়েবসাইট বা কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে ধর্মীয় মূল্যবোধ বা অনুভূতিতে আঘাত করে এইরুপ কোনো তথ্য প্রকাশ, সম্প্রচার, ইত্যাদি

(১) যদি কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে ধর্মীয় মূল্যবোধ বা অনুভূতিতে আঘাত করিবার বা উস্কানি প্রদানের অভিপ্রায়ে ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে এইরূপ কিছু প্রকাশ বা প্রচার করেন বা করান, যাহা ধর্মীয় অনুভূতি বা ধর্মীয় মূল্যবোধের উপর আঘাত করে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২(দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ৫(পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
১,৬৫০.
"Recommendation for financial measures" is given in _________ of The Constitution of the People‌‌‍'s Republic of Bangladesh.
  1. Article 80
  2. Article 81
  3. Article 82
  4. Article 83
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮২ অনুচ্ছেদের বিধান: আর্থিক ব্যবস্থাবলীর সুপারিশ:
কোন অর্থ বিল, অথবা সরকারী অর্থ ব্যয়ের প্রশ্ন জড়িত রহিয়াছে এমন কোন বিল রাষ্ট্রপতির সুপারিশ ব্যতীত সংসদে উত্থাপন করা যাইবে না: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, কোন অর্থ বিলে কোন কর হ্রাস বা বিলোপের বিধান-সংবলিত কোন সংশোধনী উত্থাপনের জন্য এই অনুচ্ছেদের অধীন সুপারিশের প্রয়োজন হইবে না।

⇒ Article 82 of The Constitution of the People‌‌‍'s Republic of Bangladesh: Recommendation for financial measures:
 No Money Bill, or any Bill which involves expenditure from public moneys, shall be introduced into Parliament except on the recommendation of the President:
Provided that in any Money Bill no recommendation shall be required under this article for the moving of an amendment making provision for the reduction or abolition of any tax.
১,৬৫১.
কী কারণে চুক্তি বাতিল হতে পারে?
  1. Coercion
  2. Undue Influence
  3. Fraud
  4. পূর্বের কোনো একটি কারণে
ব্যাখ্যা
Section 19: The Contract Act, 1872

Voidable Contract:
Free Consent (ধারা ১৪) ছাড়া কোন চুক্তি করা হলে, যে পক্ষের সম্মতি আদায় করা হয়েছিল তার ইচ্ছানুযায়ী চুক্তিটি বাতিলযোগ্য (Voidable) হবে।

এককথায় বলতে গেলে- 'Agreement without free consent- Voidable'.

Free Consent'র সংজ্ঞা:
ধারা ১৪ অনুযায়ী নিম্নোক্ত ৫টি উপদানের একটি চুক্তিতে উপস্থিত/বিদ্যমান থাকলে সেটি Free Consent (স্বাধীন সম্মতি) নয় বলে গণ্য হবে। উপস্থিত/বিদ্যমান না থাকলে সেটি Free Consent (স্বাধীন সম্মতি) বলে গণ্য হবে।

উপাদানগুলো হলো:
০১. Coercion বা বলপ্রয়োগ: [ধারা ১৫]
০২. Undue Influence বা অযাচিত/অনুচিত প্রভাব: [ধারা ১৬]
০৩. Fraud বা প্রতারণা: [ধারা ১৭]
0৪. Misrepresentation বা মিথ্যা বর্ণনা: [ধারা ১৮]
০৫. Mistake বা ভুল: [ধারা (২০-২৩)]

অর্থাৎ উপরের কোনো একটি উপাদানের উপস্থিতিতে চুক্তি বাতিল হতে পারে।
১,৬৫২.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪৩ ধারা অনুসারে স্বত্বলিপি হালনাগাদ সংরক্ষণ কার্যক্রমে কোন কারণপ্রসূতঃ পরিবর্তন স্বত্বলিপিতে সন্নিবেশযোগ্য নয়?
  1. হস্তান্তরের ফলে নামজারী
  2. জোতের একত্রীকরণ
  3. রিসিভার নিয়োগ
  4. জমি সিকন্তি হেতু খাজনা মওকুফ
ব্যাখ্যা

⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪৩ ধারা অনুসারে স্বত্বলিপি হালনাগাদ সংরক্ষণ কার্যক্রমে গ) রিসিভার নিয়োগ কারণপ্রসূতঃ পরিবর্তন স্বত্বলিপিতে সন্নিবেশযোগ্য নয়।
- ১৪৩ ধারায় সুনির্দিষ্টভাবে যে কারণগুলিতে পরিবর্তনগুলি অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে, সেগুলি হল:
ক) হস্তান্তর অথবা উত্তরাধিকারের ভিত্তিতে নামজারী।
খ) জোত ক্ষুদ্রতর অংশ ভাগকরণ, একত্রীকরণ বা সংযুক্তকরণ।
গ) সরকার কর্তৃক ক্রয় করা ভূমি অথবা জোতের নূতন বন্দোবস্ত।
ঘ) ভূমি পরিত্যাগ অথবা সিকস্তি অথবা অধিগ্রহণজনিত কারণে খাজনা মওকুফ।
রিসিভার নিয়োগ একটি প্রশাসনিক বা আদালতের আদেশ, যা জমির স্বত্বের সরাসরি পরিবর্তন ঘটায় না, তাই এটি ১৪৩ ধারা অনুযায়ী খতিয়ান হালনাগাদ করার কারণ হিসেবে গণ্য হয় না।

⇒  রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৩ ধারার বিধান খতিয়ান সংরক্ষণ: কালেক্টর অত্র আইনের ৪র্থ খণ্ড অথবা এই খণ্ড অনুযায়ী প্রস্তুতকৃত অথবা পুনঃপরীক্ষিত খতিয়ান নির্ধারিত পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করিবেন, প্রকৃত ভুল শুদ্ধ করিয়া ও উহাতে নিম্নলিখিত হেতুতে পরিবর্তনগুলি অন্তর্ভুক্ত করিবেন-
ক) হস্তান্তর অথবা উত্তরাধিকারের ভিত্তিতে নামজারী।
খ) জোত ক্ষুদ্রতর অংশ ভাগকরণ, একত্রীকরণ বা সংযুক্তকরণ,
গ) সরকার কর্তৃক ক্রয় করা ভূমি অথবা জোতের নূতন বন্দোবস্ত: এবং
ঘ) ভূমি পরিত্যাগ অথবা সিকস্তি অথবা অধিগ্রহণজনিত কারণে খাজনা মওকুফ। 
----------- 
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950, Section 143. Maintenance of the record-of-rights:
- The Collector shall maintain up-to-date, in the prescribed manner, the record-of-rights prepared or revised under Part IV or under this Part by correcting clerical mistakes and by incorporating therein the changes on account of- 
(a) the mutation of names as a result of transfer or inheritance; 
(b) the subdivision, amalgamation or consolidation of holdings; 
(c) the new settlement of lands or of holdings purchased by the Government; and 
(d) the abatement of rent on account of abandonment or diluvion or acquisition of land.

১,৬৫৩.
Section 128 applies when the gift consists of:
  1. A specific asset or property
  2. A portion of the donor’s property
  3. The donor’s whole property
  4. None of the above
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৮- সর্বজনীন দাতা (Universal Donee):
ধারা ১২৭ এর বিধান অনুসারে, যখন কোনো দান সম্পূর্ণভাবে দাতার (donor) সম্পত্তি নিয়ে করা হয়, তখন দানগ্রহীতা (donee) দাতার পক্ষে থাকা সমস্ত ঋণ এবং দায়-দায়িত্বের জন্য ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন, যতটুকু সম্পত্তি দানে অন্তর্ভুক্ত থাকে। অর্থাৎ, দানগ্রহীতা দাতার সমস্ত ঋণ এবং দায়িত্বের জন্য সম্পত্তির পরিমাণ অনুযায়ী দায়ী থাকবেন, যা দানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

[Subject to the provisions of section 127, where a gift consists of the donor's whole property, the donee is personally liable for all the debts due by and liabilities of the donor at the time of the gift to the extent of the property comprised therein.]
১,৬৫৪.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৭ ধারার অধীনে ভূমি প্রশাসন বোর্ড এর নিকট আপিলের তামাদি মেয়াদ-
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act 1950 এর ১৪৭ ধারার বিধান আপিল: 
- এই ভাগ বা এই আইনের অধীন প্রণীত বিধিমালাতে আপিলের বিশেষ বিধানসাপেক্ষে, এই ভাগের অধীন রাজস্ব কর্মকর্তার প্রত্যেক মূল বা আপিল আদেশের বিরুদ্ধে নিম্নরূপভাবে আপিল করা যাইবে, যথা:
(ক) কালেক্টরের অধস্তন রাজস্ব কর্মকর্তা কর্তৃক আদেশ প্রদান করা হইলে, কালেক্টরের নিকট;
(কক) বিভাগের মধ্যে জেলার কালেক্টর কর্তৃক আদেশ প্রদান করা হইলে, বিভাগীয় কমিশনারের নিকট; এবং
(গ) বিভাগীয় কমিশনার কর্তৃক আদেশ প্রদান করা হইলে, ভূমি প্রশাসন বোর্ডএর নিকট

The State Acquisition and Tenancy Act 1950 এর ১৪৮ ধারার বিধান আপিল: আপিলের জন্য তামাদির মেয়াদ:
- ধারা ১৪৭ অনুযায়ী আপিলের জন্য তামাদির মেয়াদ যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয় সেই আদেশের তারিখ হইতে চলিতে থাকিবে এবং উহা নিম্নরূপ হইবে, অর্থাৎ-
       (ক) কালেক্টরের নিকট আপিল__________ত্রিশ দিন।
       (খ) বিভাগীয় কমিশনারের নিকট আপিল________ষাট দিন। 
       (খখ) ভূমি প্রশাসন বোর্ড এর নিকট আপিল___________নব্বই দিন।

-----------
- Section 147. Appeals:
-Subject to any special provisions for appeal made in this Part or in any rules made under this Act, an appeal shall lie from every original or appellate order made under any of the provisions of this Part by a Revenue-officer as follows, namely:- 
(a) to the Collector, when the order is made by a Revenue-officer subordinate to the Collector; 
(aa) to the Commissioner of the division, when the order is made by the Collector of a district within the division; and
(c) to the Board of Land Administration, when the order is made by the Commissioner of a division.

- Section 148. Limitation for appeals:
The period of limitation for an appeal under section 147 shall run from the date of the order appealed against and shall be as follows, that is to say- 
(a) when the appeal lies to the Collector .............................. thirty days. 
(b) when the appeal lies to the Commissioner of a division ............ sixty days.
(bb) when the appeal lies to the Board of Land Administration ........................ ninety days.
১,৬৫৫.
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ ধারার শাস্তির মধ্যে নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত?
  1. চেকের মূল অঙ্কের দ্বিগুণ অর্থদণ্ড
  2. চেকের মূল অঙ্কের তিন গুণ অর্থদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. কোনো অর্থদণ্ড নেই, শুধু কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৩৮- অর্থের ঘাটতির কারণে চেক প্রত্যাখ্যান:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি নিজের ব্যাংক হিসাবে রক্ষিত অর্থ থেকে অন্য কোনো ব্যক্তিকে পরিশোধের জন্য একটি চেক প্রদান করেন এবং উক্ত চেকটি ব্যাংক কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয় ওই হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকার কারণে, অথবা উক্ত ব্যাংকের সাথে চুক্তি অনুযায়ী অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি অর্থ চেকের মাধ্যমে তোলা হয়েছে - তবে উক্ত ব্যক্তিকে একটি অপরাধে দোষী গণ্য করা হবে এবং তাকে ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা চেকের পরিমাণের তিন গুণ পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

শাস্তি:
- সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড, অথবা
- চেকের মূল অঙ্কের সর্বোচ্চ ৩ গুণ অর্থদণ্ড, অথবা
- উভয়ই।

শর্তাবলি:
এই ধারা প্রযোজ্য হবে তখনই, যদি:
(ক) চেকটি ইস্যুর তারিখ হতে ৬ মাসের মধ্যে বা তার মেয়াদ থাকাকালীন, যেটি আগে ঘটে, ব্যাংকে উপস্থাপন করা হয়;
(খ) চেক প্রত্যাখ্যাত হওয়ার বিষয়ে ব্যাংক থেকে তথ্য পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে, প্রাপ্য বা উপযুক্ত ধারক লিখিতভাবে টাকা চেয়ে নোটিশ প্রদান করেন;
(গ) নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে, চেকদাতা উক্ত অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন।

(১ক) উপ-ধারা (১)-এর (খ) দফায় উল্লিখিত নোটিশ প্রদান করা যেতে পারে নিম্নলিখিত ৩টি পদ্ধতিতে:
(ক) ব্যক্তিগতভাবে চেকদাতাকে প্রদান করে;
(খ) প্রাপকের সাধারণ বা সর্বশেষ পরিচিত ঠিকানায় প্রাপ্তিস্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে পাঠিয়ে;
(গ) একটি বহুল প্রচারিত বাংলা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ করে।

(২) যদি উপ-ধারা (১) অনুযায়ী অর্থদণ্ড আদায় করা হয়, তবে চেকের মূল পরিমাণ পর্যন্ত অর্থ চেকধারককে প্রদান করা হবে (যতটুকু আদায় সম্ভব হয়)।

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২)-এর বিধান সত্ত্বেও, চেকধারক সিভিল আদালতের মাধ্যমে বকেয়া টাকা আদায়ের মামলা দায়ের করার অধিকার সংরক্ষণ করেন, যদি পুরো অর্থ বা আংশিক অর্থ আদায় না হয়।
১,৬৫৬.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর কত ধারায় ধর্মীয় বিষয়ে ঘৃণা ও বিদ্বেষমূলক তথ্য প্রকাশের দণ্ড দেয়া আছে?
  1. ধারা ২৪
  2. ধারা ২৫
  3. ধারা ২৬
  4. ধারা ২৭
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২৬: সাইবার স্পেসে ধর্মীয় বা জাতিগত বিষয়ে সহিংসতা, ঘৃণা ও বিদ্বেষমূলক তথ্য প্রকাশ, ইত্যাদির অপরাধ ও দণ্ড:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে বা ছদ্ম পরিচয়ে নিজের বা অন্যের আইডিতে অবৈধ প্রবেশ করিয়া এমন কোনো কিছু সাইবার স্পেসে প্রকাশ বা প্রচার করেন বা করান, যাহা ধর্মীয় বা সাম্প্রদায়িক ঘৃণামূলক বা জাতিগত বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এবং যাহা সহিংসতা তৈরি বা উদ্বেগ সৃষ্টি করে বা বিশৃঙ্খলা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নির্দেশনা করে, তাহা হইলে অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
১,৬৫৭.
রেহেনী সম্পত্তি উদ্ধারের ক্ষেত্রে ধারা ৬১ রেহেনদাতাকে কী অধিকার দেয়?
  1. সম্পূর্ণ ঋণ মওকুফ করার
  2. আদালতের আদেশ ছাড়াই উদ্ধার করার
  3. পৃথক পৃথকভাবে বা একত্রে সম্পত্তি উদ্ধারের
  4. রেহেনগ্রহীতার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করার
ব্যাখ্যা
• ধারা ৬১: পৃথক ভাবে বা একই সাথে রেহেনমুক্ত করার অধিকার-
একজন রেহেনদাতা যখন তার দুই বা ততোধিক সম্পত্তি একই রেহেনগ্রহীতার নিকট রেহেন দেয় এবং উক্ত দুই বা ততোধিক সম্পত্তির অর্থ পরিশোধের সময় হয় তখন রেহেনদাতা এই ধারার অধীন রেহেনী সম্পত্তি পৃথক পৃথকভাবে বা একই সাথে উদ্ধার করতে পারে।

- এই ধারায় Doctrine of Consolidation প্রতিফলিত হয়েছে।

উদাহরণ:
রফিক, 'ক' এবং 'খ' দুটি বাড়ির মালিক। সে 'ক' বাড়িটি ৩০ হাজার টাকায় করিমকে রেহেন দেয় এবং পরবর্তীতে 'খ' বাড়িটি ৬০ হাজার টাকায় একই ব্যক্তি করিমকে রেহেন দেয়। এক্ষেত্রে রফিক চাইলে 'ক' এবং 'খ' দুটি বাড়ি পৃথক পৃথকভাবে বা একই সাথে রেহেন উদ্ধার করতে পারে। 

Section 61: Right to redeem separately or simultaneously-
A mortgagor who has executed two or more mortgages in favour of the same mortgagee shall, in the absence of a contract to the contrary, when the principal money of any two or more of the mortgagees has become due, be entitled to redeem any one such mortgage separately, or any two or more of such mortgages together.
১,৬৫৮.
কত সালে সি. এস খতিয়ান তৈরি করা হয়?
  1. ১৯৩০ সালে
  2. ১৯৫০ সালে
  3. ১৯৪০ সালে
  4. ১৯৬০ সালে
ব্যাখ্যা
• মূলত জমির মালিকানা স্বত্ব রক্ষা ও রাজস্ব আদায়ের জন্য জরিপ বিভাগ কর্তৃক প্রতিটি মৌজার জমির এক বা একাধিক মালিকের নাম, পিতা বা স্বামীর নাম, ঠিকানা, দাগ নম্বর, ভূমির পরিমাণ, হিস্যা(অংশ), খাজনা ইত্যাদি বিবরণসহ যে ভূমি স্বত্ব প্রস্তুত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে।

বাংলাদেশে সাধারণত ৪ ধরনের খতিয়ান রয়েছে। যথা-
১. সি. এস খতিয়ান;
২. এস. এ খতিয়ান;
৩. আর. এস খতিয়ান;
৪. বি. এস খতিয়ান / সিটি জরিপ।

সি. এস খতিয়ান: 
১৯৪০ সালে ব্রিটিশ সরকার জরিপ করে যে খতিয়ান তৈরি করে তাকে সি. এস খতিয়ান বলা হয়। আমাদের দেশে এটিই প্রাথমিক খতিয়ান হিসাবে বিবেচিত।

এস. এ খতিয়ান:
পাকিস্তান আমলে ১৯৫০ সালে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের চতুর্থ অধ্যায় এর ১৭ হতে ৩১ দ্বারা মতে ১৯৫৬-৬০ সালের দিকে যে খতিয়ান তৈরি করা হয় তাকে এস. এ (State Acquisition) খতিয়ান বলে।

আর. এস খতিয়ান:
বাংলাদেশ সরকার পূর্বের তৈরিকৃত খতিয়ানের ভুল ত্রুটি সংশোধন করার জন্য নতুনভাবে উদ্যোগ নিয়ে যে খতিয়ান প্রস্তুত করেন তা আর. এস (Revisional Survey) খতিয়ান নামে পরিচিত।

বি. এস খতিয়ান / সিটি জরিপ:
১৯৯৮-৯৯ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত চলমান জরিপকে বি. এস খতিয়ান বা সিটি জরিপ বলে। এই খতিয়ান প্রস্তুতের কার্যক্রম এখনো চলছে।
১,৬৫৯.
কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক বা তথ্য পরিকাঠামোকে 'গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো' হিসাবে ঘোষণা দিতে পারে-
  1. সরকার
  2. জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সি
  3. জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা কাউন্সিল
  4. ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার
ব্যাখ্যা
• সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর পঞ্চম অধ্যায়ে 'গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো' সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।

ধারা ১৫- গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো

এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক বা তথ্য পরিকাঠামোকে 'গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো' হিসাবে ঘোষণা করিতে পারিবে।

ধারা ১৬- গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর নিরাপত্তা পরিবীক্ষণ ও পরিদর্শন

(১) মহাপরিচালক, এই আইনের বিধানাবলি যথাযথভাবে প্রতিপালিত হইতেছে কি না তাহা নিশ্চিত করিবার জন্য প্রয়োজনে, সময় সময়, কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো পরিবীক্ষণ ও পরিদর্শন করিবেন এবং এতদ্‌সংক্রান্ত প্রতিবেদন সরকারের নিকট দাখিল করিবেন।

(২) এই আইনের আওতায় ঘোষিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোসমূহ, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, প্রতি বৎসর উহার অভ্যন্তরীণ ও বহিঃস্থ পরিকাঠামো পরিবীক্ষণপূর্বক একটি পরিবীক্ষণ প্রতিবেদন সরকারের নিকট উপস্থাপন করিবে এবং উক্ত প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু মহাপরিচালককে অবহিত করিবে।

(৩) মহাপরিচালকের নিকট যদি যুক্তিসঙ্গতভাবে বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, তাহার অধিক্ষেত্রভুক্ত কোনো বিষয়ে কোনো ব্যক্তির কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর জন্য হুমকিস্বরূপ বা ক্ষতিকর, তাহা হইলে তিনি, স্ব-প্রণোদিতভাবে বা কাহারও নিকট হইতে কোনো অভিযোগ প্রাপ্ত হইয়া, উহার অনুসন্ধান করিতে পারিবেন।

(৪) এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, নিরাপত্তা পরিবীক্ষণ ও পরিদর্শন কার্যক্রম সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি দ্বারা সম্পন্ন করিতে হইবে।
১,৬৬০.
'Declaration of Independence'- সংবিধানের কোন তফসিলে সন্নিবেশিত হয়েছে?
  1. ৭ম
  2. ৬ষ্ঠ
  3. ৫ম
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা
• সংবিধানে মোট তফসিল ৭টি, কিন্তু বর্তমানে ৬টি কার্যকর রয়েছে।

প্রথম তফসিল- অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন;

দ্বিতীয় তফসিল- রাষ্ট্রপতি-নির্বাচন; (বিলুপ্ত)

তৃতীয় তফসিল- শপথ ও ঘোষণা;

চতুর্থ তফসিল- ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী;

পঞ্চম তফসিল- ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ তারিখে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ;

ষষ্ঠ তফসিল- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রদত্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা (Declaration of Independence);

সপ্তম তফসিল- ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল তারিখে মুজিবনগর সরকারের জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
১,৬৬১.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫- এ কোন অপরাধটি আদালতের সম্মতিসাপেক্ষে আপোসযোগ্য?
  1. সাইবার প্রতারণা
  2. সাইবার স্পেসে জুয়া খেলা
  3. সাইবার সন্ত্রাসী কার্য সংঘটন
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৬(৩): অপরাধের আমলযোগ্যতা, জামিনযোগ্যতা ও আপোসযোগ্যতা ইত্যাদি:
ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) ও (খ), ধারা ১৯, ২১, ২২, ২৪ ও ২৫ এ উল্লিখিত অপরাধসমূহ আদালতের সম্মতিসাপেক্ষে আপোসযোগ্য হইবে।

⇒ ধারা ১৮: কম্পিউটার, ডিজিটাল ডিভাইস, কম্পিউটার সিস্টেম, ইত্যাদিতে বে-আইনি প্রবেশ ও দণ্ড।
⇒ ধারা ১৯: কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম ও সাইবার স্পেসের ভৌত অবকাঠামো, ইত্যাদির ক্ষতিসাধনের অপরাধ ও দণ্ড।
⇒ ধারা ২২: সাইবার স্পেসে প্রতারণার অপরাধ ও দণ্ড।
⇒ ধারা ২৪: আইনানুগ কর্তৃত্ব বহির্ভূত ই ট্রানজেকশনের অপরাধ ও দণ্ড।
⇒ ধারা ২৫: যৌন হয়রানি, ব্ল‍্যাকমেইলিং বা অশ্লীল বিষয়বস্তু প্রকাশ সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড।
১,৬৬২.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর অধীন অর্থদণ্ড বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য ট্রাইব্যুনাল কাকে নির্দেশ দিতে পারে?
  1. জেলা জজকে
  2. পুলিশ সুপারকে
  3. জেলা প্রশাসককে
  4. জেলা কালেক্টরকে
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ১৬ অনুযায়ী, অর্থদণ্ড বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য ট্রাইব্যুনাল জেলা কালেক্টরকে নির্দেশ দিতে পারে। ট্রাইব্যুনাল জেলা কালেক্টরকে অপরাধীর স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির তালিকা প্রস্তুত করে ক্রোক, নিলাম বিক্রয়, বা সরাসরি নিলামের মাধ্যমে অর্থ আদায়ের নির্দেশ দিতে পারে, এবং এই অর্থ ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়।

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ১৬ - অর্থদণ্ড বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের পদ্ধতি:
১৬। এই আইনের অধীনে কোন অর্থদণ্ড আরোপ করা হইলে, ট্রাইব্যুনাল সংশ্লিষ্ট জেলার কালেক্টরকে, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে বা অনুরূপ বিধি না থাকিলে, ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে, অপরাধীর স্থাবর বা অস্থাবর বা উভয়বিধ সম্পত্তির তালিকা প্রস্তুতক্রমে ক্রোক ও নিলাম বিক্রয় বা ক্রোক ছাড়াই সরাসরি নিলামে বিক্রয় করিয়া বিক্রয়লব্ধ অর্থ ট্রাইব্যুনালে জমা দিবার নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং ট্রাইব্যুনাল উক্ত অর্থ অপরাধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রদানের ব্যবস্থা করিবে।

১,৬৬৩.
সাইবার ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে কোথায় আপীল করতে হবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. আপীল বিভাগ
  3. জেলা জজ আদালত
  4. সাইবার আপীল ট্রাইব্যুনাল
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪১: অপরাধের বিচার ও আপীল:
(১) আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই অধ্যাদেশের অধীন সংঘটিত অপরাধসমূহ কেবল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক বিচার্য হইবে।
(২) কোনো ব্যক্তি ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত রায়ে সংক্ষুব্ধ হইলে তিনি আপীল ট্রাইব্যুনালে আপীল দায়ের করিতে পারিবেন

⇒ ধারা ২(ক) অনুযায়ী-
“আপীল ট্রাইব্যুনাল” অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৩৯ নং আইন) এর ধারা ৮২ এর অধীন গঠিত সাইবার আপীল ট্রাইব্যুনাল;
১,৬৬৪.
দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে নারী সপিণ্ড কয়জন?
  1. ৭ জন
  2. ৪ জন
  3. ৯ জন
  4. ৫ জন
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি বণ্টন হয়ে থাকে দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে। এই মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকার নির্ণয় করতে যে নীতি অনুসরণ করা হয়, তা হলো মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যাণে আধ্যাত্মিক নীতি (ডকট্রিন অব স্পিরিচুয়াল বিলিফ)। হিন্দু ধর্মাবলম্বী কোনো মানুষ মারা গেলে মৃত ব্যক্তির আত্মার সদ্‌গতির জন্য শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে হয়। শেষকৃত্যের তিনটি ধাপ আছে-
১. পিণ্ডদান;
২. পিণ্ডলেপ ও
৩. জলদান।

• মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধে যে ব্যক্তি পিণ্ডদানের অধিকারী, তাকে বলা হয় ‘সপিণ্ড’। সপিণ্ডরাই মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রধানতম অধিকারী। মাতৃকুল ও পিতৃকুলের ঊর্ধ্বতন তিন পুরুষ, পুত্র ও কন্যার অধস্তন তিন পুরুষ এবং ঊর্ধ্বতন মাতৃ ও পিতৃকূলের ছয় পুরুষ— তাঁরা হলেন পুরুষ সপিণ্ড। আর নারী সপিণ্ড পাঁচজন। তাঁরা হলেন:

১. বিধবা স্ত্রী;
২. কন্যা;
৩. মাতা;
৪. পিতার মাতা ও
৫. পিতার পিতার মাতা।
১,৬৬৫.
মোকদ্দমার মূল্যমান অনধিক কত হলে যুগ্ম জেলা জজের ডিক্রির বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে?
  1. ৫০ লক্ষ
  2. ৩ কোটি
  3. ৫ কোটি
  4. ১ কোটি
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 আইনের ২০ এবং ২১ ধারায় দেওয়ানি আদালতের আপিল এখতিয়ার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ২০ ধারা অনুযায়ী, জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে। 
 
২১(১) ধারা- যুগ্ম জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে যেক্ষেত্রে মূল মামলার মূল্যমান ৫০০০০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার অধিক না, সেক্ষেত্রে জেলা জজের নিকট আপিল করতে হবে এবং মোকদ্দমার মূল্যমান ৫০০০০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার বেশি হলে আপিল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।
 
২১(২) ধারা- সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল জেলা জজের নিকট করতে হবে।
১,৬৬৬.
Mahr-I-Misl অর্থ কী?
  1. নির্ধারিত দেনমোহর
  2. উপযুক্ত দেনমোহর
  3. বিলম্বিত দেনমোহর
  4. তাৎক্ষণিক দেনমোহর
ব্যাখ্যা

দেনমোহরের সংজ্ঞা (Definitions of dower)
মুসলিম আইনে দেনমোহর [Dower (MAHR)] হলো অর্থ বা অন্য কোন সম্পত্তি যেটা বিবাহের প্রতিদান হিসাবে স্বামী স্ত্রীকে পরিশোধ
করবে বা অর্পণ করবে- মর্মে প্রতিজ্ঞা করে। বিবাহের চুক্তিতে দেনমোহরের পরিমাণ উল্লেখ থাকুক বা না থাকুক দেনমোহর অবশ্যই দিতে হবে। দেনমোহর স্ত্রীর অধিকার সংরক্ষণের জন্য এবং স্ত্রীর অর্থনৈতিক নিরাপত্তার জন্য দেয়া হয়।
দেনমোহর বিবাহিত মুসলিম নারীর জন্য পবিত্র কোরআন স্বীকৃত একটি বিশেষ অধিকার যা স্বামীর উপর আরোপিত একটি দায়। বিবাহের অন্যতম শর্ত মোহর বা মোহরানা যা ব্যতীত কোন বিবাহ বৈধ হতে পারে না।

দেনমোহরের শ্রেণীবিভাগ (Kinds of Dower)
১. নির্ধারিত দেনমোহর (Specified dower/Mahr-I-Muazzama): 
স্বামী স্ত্রীকে কত পরিমাণ দেনমোহর দিবে তা যদি নির্ধারিত থাকে, তাহলে উক্ত দেনমোহর হলো নির্ধারিত দেনমোহর।

২. উপযুক্ত দেনমোহর (Unspecified/proper dower/Mahr-I-Misl):
যদি দেনমোহরের পরিমাণ নির্ধারিত না থাকে, তাহলে যে পরিমাণ দেনমোহর দেওয়া হয়, তাহলো যথার্থ বা উপযুক্ত দেনমোহর। তবে এই পরিমাণটি যুক্তিযুক্ত হবে।

৩. তলবী বা চাহিদামাত্র বা তাৎক্ষনিক দেনমোহর (Prompt Dower/Mahr-I-Muajjal):
যে কোন সময় স্ত্রী চাওয়া মাত্রই যে দেনমোহর স্বামী পরিশোধ করতে বাধ্য, তাকে আশু বা তাৎক্ষণিক দেনমোহর [Prompt Dower) বলে। অর্থাৎ স্ত্রী যে কোন সময় তাৎক্ষণিক (Prompt Dower) দাবী করতে পারে। যদি স্ত্রী চাই তবে বিবাহের পরপরই তাৎক্ষণিক দেনমোহর পরিশোধযোগ্য। 

৪. স্থগিত বা বিলম্বিত দেনমোহর (Deferred Dower/Mahr -I-Muwajjal):
বিবাহ বিচ্ছেদের সময় বা কোন নির্দিষ্ট ঘটনা সাপেক্ষে বিলম্বিত দেনমোহর (Deferred Dower) পরিশোধযোগ্য। Maina Bibi v Chowdhury Wakil Ahmed 52 I.A (1924) p.521 মামলার রায়ে বলা হয়, স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রী দেনমোহরের টাকা পরিশোধের জন্য কোন সম্পত্তির দখল বজায় রাখতে পারে এবং এই দখল চালিয়ে যেতে পারে যতদিন পর্যন্ত না দেনমোহরের টাকা পরিশোধিত হয়।

১,৬৬৭.
১৮৫৬ সালে নিম্নের কোন আইন পাশ হয়?
  1. বিবাহিতা হিন্দু নারীর পৃথক বাসস্থান এবং ভরণপোষণ আইন
  2. হিন্দু বিয়ে (অসমর্থতা দূরীকরণ) আইন
  3. হিন্দু বিধবা পুনর্বিবাহ আইন
  4. হিন্দু বিবাহ বিচ্ছেদ আইন
ব্যাখ্যা
• উচ্চ-বর্ণের হিন্দু সমাজ দীর্ঘদিন যাবৎ বিধবাদের পুনরায় বিবাহের অনুমোদন দেয় নি। বিধবারা এমনকি যারা শৈশবে বা কৈশোরে বিধবা হয়েছিলেন তারাও বৈরাগ্য ও কঠোর ত্যাগ স্বীকার করে জীবনযাপন করবেন এমনটাই প্রত্যাশিত ছিল। তথাকথিত পরিবারের সম্মান ও পারিবারিক সম্পত্তি রক্ষা করার জন্য এরকম নিয়ম করা হয়েছিল। পণ্ডিত ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগরের অকালন্ত প্রচেষ্টায় ব্রিটিশ সরকার ভারতে হিন্দু বিধবা পুনর্বিবাহ আইন, ১৮৫৬, প্রণয়ন করে যার মাধ্যমে বিধবাদের উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্য সম্পত্তির অধিকার ইত্যাদি সামাজিক রক্ষাকবচ প্রদান করা হয়।

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনাধীন সময়ে তখনকার ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড ডালহৌসির সহায়তায় ভারতবর্ষের সকল বিচারব্যবস্থায় হিন্দু বিধবাদের পুনর্বিবাহ বৈধ করা হয়েছিল। ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রচেষ্টায় তৎকালীন বড়লাট লর্ড ক্যানিং আইন প্রণয়ন করে বিধবা বিবাহ কে আইনি স্বীকৃতি দেন। লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংকয়ের দ্বারা সতীদাহ বিলুপ্ত করার পর এটিই প্রথম বড় সমাজ সংস্কার আইন।
১,৬৬৮.
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর কোন ধারাগুলোর অপরাধ আমলযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য?
  1. ধারা ১৮, ২০, ২১
  2. ধারা ১৭, ১৯, ২৭
  3. ধারা ২২, ২৩, ২৪
  4. ধারা ২৮, ২৯, ৩০
ব্যাখ্যা
⇒ সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ধারা ৫২ অনুযায়ী, এই আইনের অধীন কোন কোন অপরাধ আমলযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য, তা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
-ধারা ৫২(ক) বলছে:
“এই আইনের ধারা ১৭, ১৯, ২৭ ও ৩২ এ উল্লিখিত অপরাধসমূহ আমলযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য হইবে।”
অতএব, ধারা ১৭, ১৯, ও ২৭–এ বর্ণিত অপরাধসমূহ আমলযোগ্য এবং অ-জামিনযোগ্য।
১,৬৬৯.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর কত ধারায় “অপহরণ” এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ২(খ)
  2. ধারা ২(গ)
  3. ধারা ২(ঘ)
  4. ধারা ২(চ)
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২(খ):
“অপহরণ” অর্থ বলপ্রয়োগ বা প্রলুব্ধ করিয়া বা ফুসলাইয়া বা ভুল বুঝাইয়া বা ভীতি প্রদর্শন করিয়া কোন স্থান হইতে কোন ব্যক্তিকে অন্যত্র যাইতে বাধ্য করা।

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২(খ) অনুযায়ী, “অপহরণ” অর্থ এমন একটি কার্য, যেখানে বলপ্রয়োগ, প্রলুব্ধ করা, ফুসলানো, ভুল বুঝানো বা ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে এক স্থান থেকে অন্যত্র যেতে বাধ্য করা হয়।

উদাহরণস্বরূপ,
কেউ যদি একটি মেয়েকে মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে বলে যে সে তাকে বিয়ে করবে, আর সেই আশ্বাসে মেয়েটি বাড়ি ছেড়ে তার সঙ্গে চলে যায়- তাহলেও এটি “অপহরণ” হিসেবে গণ্য হবে। আবার যদি কোনো শিশুকে লজেন্স দেখিয়ে বা খেলনার লোভ দেখিয়ে এক স্থান থেকে তুলে নেওয়া হয়, সেটাও অপহরণ।
১,৬৭০.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর অধীন অপরাধসমূহ কী ধরণের হবে?
  1. আমলঅযোগ্য এবং জামিনযোগ্য
  2. আমলঅযোগ্য এবং আপোসযোগ্য
  3. আমলযোগ্য এবং জামিনঅযোগ্য
  4. জামিনযোগ্য এবং আপোসযোগ্য
ব্যাখ্যা
• মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন এবং মানব পাচার অপরাধের শিকার ব্যক্তিবর্গের সুরক্ষা ও অধিকার বাস্তবায়ন ও নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণের উদ্দেশ্যে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন হচ্ছে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২।

উক্ত আইনের ১৬ ধারায় বলা আছে-
এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ আমলযোগ্য (cognizable) , অ-জামিনযোগ্য (non-bailable) এবং অ-আপোসযোগ্য (non-compoundable) হইবে।
১,৬৭১.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী, যদি মৃত ব্যক্তির পিতা জীবিত থাকে, তবে মৃত ব্যক্তির দাদা কত অংশ সম্পত্তি পাবেন?
  1. ১/২ অংশ
  2. ১/৩ অংশ
  3. ১/৬ অংশ
  4. কিছুই পাবেন না
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) কিছুই পাবেন না। 
⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইন (ফারায়েজ) অনুসারে, দাদা শুধুমাত্র তখনই সম্পত্তি পাবেন যখন মৃত ব্যক্তির পিতা জীবিত থাকবেন না। অর্থাৎ:
→ যদি মৃত ব্যক্তির পিতা জীবিত থাকে, তাহলে দাদা কোনো অংশ পাবেন না।
→ যদি মৃত ব্যক্তির পিতা মারা গিয়ে থাকেন, তাহলে দাদা পিতার স্থলাভিষিক্ত হবেন এবং পিতার মতোই ১/৬ অংশ পাবেন (যদি মৃতের সন্তান বা পুত্রের সন্তান থাকে)।

প্রশ্নের শর্ত:
প্রশ্নে বলা হয়েছে, "মৃত ব্যক্তির পিতা জীবিত আছে", তাই দাদা কোনো অংশ পাবেন না।

অর্থাৎ যখন মৃত ব্যক্তির পিতা জীবিত থাকে, তখন মৃত ব্যক্তির দাদা কোন সম্পত্তি পাবেন না। শুধুমাত্র মৃত ব্যক্তির পিতা সম্পত্তি পাবেন।
১,৬৭২.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, যুদ্ধকালীন সংসদের মেয়াদ সর্বোচ্চ কত বাড়ানো যায়?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী—
→ সাধারণভাবে, সংসদের মেয়াদ প্রথম বৈঠকের তারিখ থেকে ৫ বছর। তবে রাষ্ট্রপতি ভাঙার আগে না দিলে, ৫ বছর শেষ হলে সংসদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভেঙে যাবে।
→ যদি দেশ যুদ্ধকালীন অবস্থায় থাকে, তাহলে সংসদের মেয়াদ আইন দ্বারা এককালীন সর্বোচ্চ ১ বছর পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে।
→ যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর, বর্ধিত মেয়াদ ৬ মাসের বেশি হতে পারবে না।
১,৬৭৩.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর অধীন অপরাধসমূহ ____________ হবে।
  1. আমলযোগ্য
  2. আমলঅযোগ্য
  3. জামিনঅযোগ্য
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ ধারা ১২- ফৌজদারী কার্যবিধির প্রয়োগ, ইত্যাদি:
(১) এই আইনে ভিন্নরূপ কিছু না থাকিলে কোন অপরাধের অভিযোগ দায়ের বা প্রাথমিক তথ্য সরবরাহ, তদন্ত, বিচার পূর্ববর্তী কার্যক্রম, বিচার ও আপীল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে৷ 
 
(২) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে আদালত একটি প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত আদালতের আপীল আদালত হইবে এখতিয়ারসম্পন্ন দায়রা আদালত৷ 
 
(৩) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ আমলযোগ্য (cognizable) হইবে৷
১,৬৭৪.
কোনো এলাকায় আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে লিখিত আদেশ দ্বারা কোনো মাদকদ্রব্যের দোকান বা পানশালা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে পারে-
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. পুলিশ কমিশনার
  3. বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ১৯- মাদকদ্রব্যের দোকান অথবা পানশালা (Bar) সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করিবার ক্ষমতা

(১) মহাপরিচালকের অনুমোদন ব্যতীত লাইসেন্স প্রাপ্ত কোনো মদের দোকান অথবা পানশালা বন্ধ করা যাইবে না: 
তবে শর্ত থাকে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা পুলিশ কমিশনার যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে তাহার অধীন কোনো এলাকায় আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে কোনো মাদকদ্রব্যের দোকান বা পানশালা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা প্রয়োজন, তাহা হইলে তিনি লিখিত আদেশ দ্বারা অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের জন্য উক্ত দোকান বা পানশালা বন্ধ করিতে পারিবেন। 

(২) বিশেষ জরুরি অবস্থায় মহাপরিচালকের পূর্বানুমোদনক্রমে এই মেয়াদ আরও ৩০ (ত্রিশ) দিন পর্যন্ত বর্ধিত করিতে পারিবেন। 

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এর অধীন জারিকৃত কোনো আদেশের অনুলিপি অবিলম্বে মহাপরিচালকের নিকট তাহার অবগতির জন্য প্রেরণ করিতে হইবে।
১,৬৭৫.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ধারা ৯৬(৩)(গ) অনুযায়ী সুদ হিসাবের হার কত?
  1. ৫% বার্ষিক সরল সুদ
  2. ৮% বার্ষিক সরল সুদ
  3. ১০% বার্ষিক সরল সুদ
  4. ১২% বার্ষিক সরল সুদ
ব্যাখ্যা

- রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ধারা ৯৬(৩)(গ) অনুযায়ী, অগ্রক্রয়ের আবেদনের সময় আবেদনকারীকে বিক্রয় দলিল সম্পাদনের তারিখ থেকে আবেদন দাখিলের তারিখ পর্যন্ত সময়ের জন্য বিক্রিত জোতের বিনিময় মূল্যের উপর শতকরা ৮ ভাগ (৮%) বার্ষিক সরল সুদ হিসাব করে অর্থ জমা দিতে হবে।

- রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ (৩) অগ্রক্রয়ের জন্য দায়েরকৃত আবেদন খারিজ হইবে যদি আবেদনকারী অথবা আবেদনকারীগণ উহা দায়ের করিবার সময় আদালতে নিম্নরূপ অর্থ জমা প্রদান না করেন, যথা:-
(ক) ধারা ৮৯ এর অধীন নোটিশে অথবা হস্তান্তর দলিলে, ক্ষেত্রমত, বর্ণিত বিক্রিত জোত অথবা অংশ-বিশেষ বা শেয়ারের বিনিময় মূল্য;
(খ) দফা (ক) এ উল্লিখিত পরিমাণ অর্থের শতকরা পঁচিশ ভাগ ক্ষতিপূরণ; এবং
(গ) বিক্রয় দলিল সম্পাদনের তারিখ হইতে অগ্রক্রয়ের আবেদন দাখিলের তারিখ পর্যন্ত সময়ের জন্য দফা (ক) এ উল্লিখিত পরিমাণের উপর শতকরা বার্ষিক আট ভাগ হারে সরল সুদের হিসাবকৃত অর্থ।
--------------
Section 96 Right of pre-emption (3) An application under sub-section (1) shall be dismissed unless the applicant or applicants, at the time of making it, deposit in the Court- 
(a) the amount of the consideration money of the sold holding or portion or share of the holding as stated in the notice under section 89 or in the deed of sale, as the case may be; 
(b) compensation at the rate of twenty five per centum of the amount referred to in clause (a); and 
(c) an amount calculated at the rate of eight per centum simple annual interest upon the amount referred to in clause (a) for the period from the date of the execution of the deed of sale to the date of filing of the application for preemption. 

১,৬৭৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তার বিধান রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১২৪
  2. অনুচ্ছেদ ১২৫
  3. অনুচ্ছেদ ১২৬
  4. অনুচ্ছেদ ১২৭
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদের বিধান: নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তাদান: 
নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপালনে সহায়তা করা সকল নির্বাহী কর্তৃপক্ষের কর্তব্য হইবে।

Article 126. Executive authorities to assist Election Commission:
It shall be the duty of all executive authorities to assist the Election Commission in the discharge of its functions. 

১,৬৭৭.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর অধীনে অপরাধসমূহের আমলযোগ্যতা এবং জামিনযোগ্যতার ক্ষেত্রে কোন আইন প্রযোজ্য হবে?
  1. Penal Code, 1860
  2. Bangladesh Constitution
  3. Code of Criminal Procedure, 1898
  4. Code of Civil Procedure, 1908
ব্যাখ্যা
ধারা ২৮ক- অপরাধের আমলযোগ্যতা ও জামিন অযোগ্যতা:
এই আইনের অধীন অপরাধসমূহের আমলযোগ্যতা (cognizable) ও জামিনযোগ্যতার (whether bailable or not) ক্ষেত্রে Code of Criminal Procedure, 1898 (Act No. V of 1898) এর Schedule II এর বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।
১,৬৭৮.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ধারা ৪১ অনুযায়ী, প্রতীয়মান মালিক কর্তৃক সম্পত্তি হস্তান্তরের জন্য কার সম্মতি প্রয়োজনীয়?
  1. সরকারের
  2. হস্তান্তরগ্রহীতার
  3. প্রতীয়মান মালিকের
  4. সম্পত্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের
ব্যাখ্যা

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর ধারা ৪১ অনুসারে, যখন কোনো ব্যক্তি স্থাবর সম্পত্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতিক্রমে ঐ সম্পত্তির "প্রতীয়মান মালিক" হিসেবে পরিগণিত হন এবং সেই সম্পত্তি মূল্যের বিনিময়ে হস্তান্তর করেন, তখন হস্তান্তরটি বাতিলযোগ্য হবে না। এখানে প্রয়োজনীয় শর্ত হলো—স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণ তাদের সম্মতি দিয়েছেন বলে প্রতীয়মান হতে হবে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো—সম্পত্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মতি প্রয়োজন।

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪১ ধারার বিধান: প্রতীয়মান মালিক কর্তৃক হস্তান্তর: যখন কোন ব্যক্তি, স্থাবর সম্পত্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতিক্রমে, ঐ সম্পত্তির প্রতীয়মান মালিক বলে পরিগণিত হয় এবং মূল্যের বিনিময়ে সে তা হস্তান্তর করে, তখন তার হস্তান্তরের ক্ষমতা নির্ধারণের জন্য গৃহীত যুক্তিসঙ্গত সাবধানতা গ্রহণ করে থাকলে এবং সরল বিশ্বাসে কার্য করে থাকলে, দাতার হস্তান্তরের ক্ষমতা ছিল না, এই যুক্তিতে হস্তান্তর বাতিলযোগ্য হবে না।
----------------
⇒ The Transfer of Property Act, 1882 Section 41. Transfer by ostensible owner:
- Where, with consent, express or implied, of the persons interested in immoveable property, a person is the ostensible owner of such property and transfers the same for consideration, the transfer shall not be voidable on the ground that the transferor was not authorised to make it: provided that the transferee, after taking reasonable care to ascertain that the transferor had power to make the transfer, has acted in good faith.

১,৬৭৯.
নিম্নের কোনটি তিন তালাক নামে পরিচিত?
  1. তালাক আহসান (ahsan)
  2. তালাক হাসান (hasan)
  3. তালাক-উল-বিদাত (talak al-bid'a)
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ তালাক-উল-বিদাত ‘তিন তালাক’ নামে পরিচিত।

তালাক আরবি শব্দ। যার আভিধানিক অর্থ বিচ্ছিন্ন হওয়া বা ত্যাগ করা। ইসলাম ধর্মে তালাক বলতে স্বামী ও স্ত্রীর বৈবাহিক সম্পর্ক হইতে বিচ্ছিন্ন হওয়াকে বুঝায়। তালাক প্রধানত দুই ধরনের:

১। তালাক-উস-সুন্নাহ (অনুমোদিত তালাক): 
তালাক-উস-সুন্নাহ হলো হযরত মোহাম্মদ (সা:) এর সুন্নত বা হাদিসে বর্ণিত নিয়ম অনুযায়ী তালাক। তালাক-উস-সুন্নাহ [Talaq-us-Sunna] দুই প্রকার হতে পারে; 

- তালাক-ই-আহসান (Ahsan): স্ত্রীর তুহরে (পবিত্র সময়) একবার তালাক উচ্চারণ করা হলে এবং স্ত্রীর ইদ্দতকাল (৩টি ঋতুকাল পর্যন্ত) তার সাথে যৌন সম্পর্ক (Consummation) না রাখলে, ইদ্দতকাল শেষ হওয়ার সাথে সাথে তালাক কার্যকর হবে এবং অপ্রত্যাহারযোগ্য হবে। এটি সর্বাপেক্ষা অনুমোদিত তালাক। 

 - তালাক-ই-হাসান (Hasan): স্বামী তার স্ত্রীর পরপর ৩টি তুহরের প্রত্যেক তুহরেই ১ বার করে তালাক উচ্চারণ করবে এবং তুহর কালে স্ত্রীর শারীরিক সম্পর্ক হতে বিরত থাকবে। তৃতীয় উচ্চারণের সঙ্গে সঙ্গেই তালাক কার্যকর হবে। এই ক্ষেত্রে তালাক অপ্রত্যাহারযোগ্য।

২। তালাক-উল-বিদাত বা অননুমোদিত তালাক:
তালাক-ই-আহসান ও তালাক-ই-হাসান পদ্ধতি ছাড়া অন্য সকল পদ্ধতির তালাককে তালাক-উল-বিদাত বলা হয়। স্বামী পর পর তিন তালাক উচ্চারণ করে অথবা এক বাক্যে তিন তালাক উচ্চারণ করে স্ত্রীর পবিত্র অবস্থায় অথবা অপবিত্র অবস্থায় এই তালাক প্রদান করা হয়।
যেমন- স্ত্রীর পবিত্র বা অপবিত্র অবস্থায় স্বামী স্ত্রীকে বলে, "আমি তোমাকে তালাক দিলাম, তালাক দিলাম, তালাক দিলাম" অথবা "আমি তোমাকে তিন তালাক দিলাম" অথবা "আমি তোমাকে বাইন তালাক দিলাম" ইত্যাদি। এই ধরনের তালাক প্রত্যাহার করা যায় না। 

১,৬৮০.
প্রতিনিধিত্ব সৃষ্টিতে প্রতিদানের অনাবশ্যকতার মূলনীতি চুক্তি আইনের কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ১৮৪
  2. ধারা ১৮৫
  3. ধারা ১৮৬
  4. ধারা ১৮৭
ব্যাখ্যা

- চুক্তি আইনের ধারা ১৮৫ স্পষ্টভাবে বলে, "No consideration is necessary to create an agency."

- চুক্তি আইনের ধারা ১৮৫: প্রতিদান অনাবশ্যক: প্রতিনিধিত্ব সৃষ্টির জন্য প্রতিদান আবশ্যক নহে।

- Section 185 of the Contract Act, 1872: Consideration not necessary:
"No consideration is necessary to create an agency."

১,৬৮১.
শিশু আইনের অধীন কোন আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে শিশু আদালত নিম্নবর্ণিত কোন বিষয় বিবেচনা করবে না?
  1. শিশুর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা
  2. শিশু ও তার পরিবারের জীবন-যাপন পদ্ধতি
  3. শিশুর অভিভাবকের অভিমত
  4. শিশুর অভিমত
ব্যাখ্যা
ধারা ৩০- শিশু আদালত কর্তৃক আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়:

এই আইনের অধীন কোন আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে শিশু-আদালত নিম্নবর্ণিত বিষয় বিবেচনা করিবে, যথা :- 
 
(ক) শিশুর বয়স ও লিঙ্গ; 
(খ) শিশুর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা; 
(গ) শিশুর শিক্ষাগত যোগ্যতা বা শিশু কোন্ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত; 
(ঘ) শিশুর সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও নৃতাত্ত্বিক অবস্থা; 
(ঙ) শিশুর পরিবারের আর্থিক অবস্থা; 
(চ) শিশুর ও তাহার পরিবারের জীবন-যাপন পদ্ধতি; 
(ছ) অপরাধ সংঘটনের কারণ, দলবদ্ধতার তথ্য, সার্বিক পরিস্থিতি ও পটভূমি; 
(জ) শিশুর অভিমত;
(ঝ) সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন; এবং 
(ঞ) শিশুর সংশোধন ও সর্বোত্তম স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য আনুষঙ্গিক যে সকল বিষয় বিবেচনার্থে গ্রহণ করা আবশ্যক ও প্রয়োজন।
১,৬৮২.
সাব-রেজিস্ট্রার অনুপস্থিত থাকলে কে দায়িত্ব পালন করবেন?
  1. রেজিস্ট্রার নিজে
  2. রেজিস্ট্রার কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তি
  3. উপজেলা নির্বাহী অফিসার
  4. আদালত কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
ধারা ১২- সাব-রেজিস্ট্রারের অনুপস্থিতি বা তাহার পদে শূন্যতা:
যেক্ষেত্রে কোন সাব-রেজিস্ট্রার তাহার কার্যালয়ে অনুপস্থিত থাকেন বা তাহার পদ সাময়িকভাবে শূন্য হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্তরূপ অনুপস্থিতিকালে, বা শূন্যপদ পূরণ না হওয়া পর্যন্ত, তদস্থলে রেজিস্ট্রার কর্তৃক নিযুক্ত যে কোন ব্যক্তি সাব-রেজিস্ট্রারের দায়িত্বে থাকিবেন।

[When any Sub-Registrar is absent, or when his office is temporarily vacant, any person whom the Registrar of the district appoints in this behalf shall be Sub-Registrar during such absence, or until the vacancy is filled up.]
১,৬৮৩.
'Nulla poena sine lege' এর বাংলা অর্থ কী?
  1. আইন ছাড়া শাস্তি নেই
  2. আইন ছাড়া কোনো অধিকার নেই
  3. আইন ছাড়া কোনো স্বাধীনতা নেই
  4. আইন ছাড়া চুক্তি নেই
ব্যাখ্যা
Latin Maxim: Nulla poena sine lege
English Meaning: “No punishment without law.”
বাংলা অর্থ: আইন ছাড়া কোনো শাস্তি নেই।

মূলনীতি:
এই প্রবচনের মূল অর্থ হলো, কেউ আইন দ্বারা নির্ধারিত অপরাধ না করেই শাস্তি পেতে পারবে না। অর্থাৎ, অপরাধ এবং শাস্তি উভয়ই আইন দ্বারা পূর্বনির্ধারিত হতে হবে। যে কোনো শাস্তি প্রয়োগ করার আগে, সংশ্লিষ্ট আইন বা বিধান দ্বারা সেই কার্যকে অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া থাকতে হবে। আইনকে অনুসরণ না করে ব্যক্তিকে শাস্তি দেওয়া অবৈধ এবং সংবিধানের পরিপন্থী। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনে “Nulla poena sine lege” নীতি মূলনীতি হিসেবে স্বীকৃত।
১,৬৮৪.
ভরণপোষণ এবং দেনমোহর সংক্রান্ত মামলার বিচার কোন আদালতে করা হয়?
  1. দেওয়ানি আদালতে
  2. পারিবারিক আদালতে
  3. ফৌজদারি আদালতে
  4. নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে
ব্যাখ্যা
⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ৫ ধারার বিধান: পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার:
মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে, পারিবারিক আদালতে নিম্নরূপ সকল বা যেকোনো বিষয় সম্পর্কিত বা উহা হইতে উদ্ভূত যেকোনো মোকদ্দমা গ্রহণ, বিচার এবং নিষ্পত্তির এখতিয়ার থাকিবে, যথা:-
(ক) বিবাহ বিচ্ছেদ;
(খ) দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার;
(গ) দেনমোহর;
(ঘ) ভরণপোষণ; এবং
(ঙ) শিশু সন্তানদের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান।
১,৬৮৫.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ অনুযায়ী মজুতদারি বা কালোবাজারির সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ২৫ এ মজুতদারি বা কালোবাজারির জন্য শাস্তির বিধান দেওয়া আছে।
- ধারা ২৫(১) অনুসারে: "মজুতদারি বা কালোবাজারির অপরাধে শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, বা ১৪ বছর পর্যন্ত কঠোর কারাদণ্ড এবং জরিমানা।"
- এখানে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ড উভয়ই উল্লেখ আছে।
- তবে বিশেষ ক্ষেত্রে: ধারা ২৫(২) অনুসারে, যদি মজুতদারি আর্থিক বা অন্য কোনো সুবিধা লাভের উদ্দেশ্যে না হয়, তবে শাস্তি সর্বোচ্চ ৩ মাস কারাদণ্ড ও জরিমানা হতে পারে।
- কিন্তু সাধারণভাবে মজুতদারি/কালোবাজারির জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।

১,৬৮৬.
সংবিধানে কত ধরনের মালিকানা-ব্যবস্থার কথা বলা আছে?
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ১৩ অনুচ্ছেদের বিধান: মালিকানার নীতি:
-উৎপাদনযন্ত্র, উৎপাদনব্যবস্থা ও বন্টনপ্রণালীসমূহের মালিক বা নিয়ন্ত্রক হইবেন জনগণ এবং এই উদ্দেশ্যে মালিকানা-ব্যবস্থা নিম্নরূপ হইবে:

(ক) রাষ্ট্রীয় মালিকানা, অর্থাৎ অর্থনৈতিক জীবনের প্রধান প্রধান ক্ষেত্র লইয়া সুষ্ঠু ও গতিশীল রাষ্ট্রায়ত্ত সরকারী খাত সৃষ্টির মাধ্যমে জনগণের পক্ষে রাষ্ট্রের মালিকানা;
(খ) সমবায়ী মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে সমবায়সমূহের সদস্যদের পক্ষে সমবায়সমূহের মালিকানা; এবং
(গ) ব্যক্তিগত মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে ব্যক্তির মালিকানা৷

অর্থাৎ সংবিধানে এই তিন ধরনের মালিকানা-ব্যবস্থার কথা বলা আছে।
১,৬৮৭.
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯ অনুসারে তদন্তকারী সংস্থা নয় কোনটি?
  1. বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন
  2. বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট
  3. পরিবেশ অধিদপ্তর
  4. জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
ব্যাখ্যা
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯  এর তফশিল-১ এর মাঝে তদন্তকারী ২৭টি সংস্থার তালিকা দেওয়া আছে। 
এখানে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট এর কথা উল্লেখ নাই।
অর্থাৎ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯ অনুসারে 'বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট' তদন্তকারী সংস্থা নয়।

তফশিলের তালিকাটি নিচে দেওয়া হল:



সূত্র:
মানি লন্ডারিং বিধিমালা ২০১৯
১,৬৮৮.
অজাত ব্যক্তি (জন্মগ্রহণ করে নাই) বরাবর কোন ধরনের শর্ত সাপেক্ষে সম্পত্তি হস্তান্তর করা যায়?
  1. একই দলিলে একই সঙ্গে এক বা একাধিক বাক্তি বরাবর জীবনস্বত্ব/ট্রাস্ট সৃষ্টি করতে হবে
  2. জীবনস্বত্বের পরিসমাপ্তের পূর্বেই অজাত ব্যক্তিকে জন্মগ্রহণ করতে হবে
  3. অজাত ব্যক্তিকে সম্পূর্ণ/ চূড়ান্ত স্বত্ব দান করতে হবে
  4. উল্লিখিত সকল শর্তে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩: অজাত ব্যক্তির সুবিধার জন্য হস্তান্তর

যেক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তির একই হস্তান্তর দ্বারা পূর্ববর্তী কোনো স্বত্ব সৃষ্টি সাপেক্ষে এরূপ কোনো ব্যক্তির সুবিধার জন্য স্বত্ব সৃষ্টি করা হয়, যে ব্যক্তি হস্তান্তরের তারিখ পর্যন্ত জন্ম গ্রহণ করে নাই, সেক্ষেত্রে সম্পত্তিতে দাতার অবশিষ্ট স্বত্ব অন্তর্ভুক্ত না হলে অজাত ব্যক্তি বরাবর স্বত্ব কার্যকর হবে না।

নোটঃ
১৩ ধারা অনুসারে কোন অজাত ব্যক্তি বরাবর সরাসরি সম্পত্তি হস্তান্তর করা যায় না। তবে নিম্নোক্ত শর্ত সাপেক্ষে জন্মগ্রহণ করে নাই এমন অজাত ব্যক্তি বরাবর হস্তান্তর করা যায়-
ক) একই দলিলে একই সঙ্গে এক বা একাধিক বাক্তি বরাবর জীবনস্বত্ব/ট্রাস্ট সৃষ্টি করতে হবে।
খ) জীবন স্বত্বের পর অজাত ব্যক্তিকে সম্পূর্ণ/ চূড়ান্ত স্বত্ব দান করতে হবে।
গ) শেষ জীবনস্বত্বের পরিসমাপ্তের পূর্বেই অজাত ব্যক্তিকে জন্মগ্রহণ করতে হবে।
ঘ) শেষ জীবনস্বত্বের পরিসমাপ্তিকাল হতে নাবালক ১৮/২১ বৎসরের মধ্যে সাবালক হতে হবে।

Section 13: Transfer for benefit of unborn person
Where, on a transfer of property, an interest therein is created for the benefit of a person not in existence at the date of the transfer, subject to a prior interest created by the same transfer, the interest created for the benefit of such person shall not take effect, unless it extends to the whole of the remaining interest of the transferor in the property. 
 
Illustration 
A transfers property of which he is the owner to B in trust for A and his intended wife successively for their lives, and, after the death of the survivor, for the eldest son of the intended marriage for life, and after his death for A's second son. The interest so created for the benefit of the eldest son does not take effect, because it does not extend to the whole of A's remaining interest in the property.
১,৬৮৯.
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর অধীন “ট্রাইব্যুনাল” অর্থ ______________ এর অধীন গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনাল।
  1. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬
  2. ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮
  3. সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩
  4. ডিজিটাল নিরাপত্তা বিধিমালা, ২০২০
ব্যাখ্যা
• সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ধারা ২(ঝ) অনুসারে-

“ট্রাইব্যুনাল” অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৩৯ নং আইন) এর ধারা ৬৮ এর অধীন গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনাল।


তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ৬৮- সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠন:

(১) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের দ্রুত ও কার্যকর বিচারের উদ্দেশ্যে, এক বা একাধিক সাইবার ট্রাইব্যুনাল, অতঃপর সময় সময় ট্রাইব্যুনাল বলিয়া উল্লিখিত, গঠন করিতে পারিবে৷

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনাল সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে, সরকার কর্তৃক নিযুক্ত একজন দায়রা জজ বা একজন অতিরিক্ত দায়রা জজের সমন্বয়ে গঠিত হইবে; এবং অনুরূপভাবে নিযুক্ত একজন বিচারক “বিচারক, সাইবার ট্রাইব্যুনাল” নামে অভিহিত হইবেন৷
 
(৩) এই ধারার অধীন গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনালকে সমগ্র বাংলাদেশের স্থানীয় অধিক্ষেত্র অথবা এক বা একাধিক দায়রা ডিভিশনের অধিক্ষেত্র প্রদান করা যাইতে পারে; এবং উক্ত ট্রাইব্যুনাল কেবল এই আইনের অধীন অপরাধের মামলার বিচার করিবে৷

(৪) সরকার কর্তৃক পরবর্তীতে গঠিত কোন ট্রাইব্যুনালকে সমগ্র বাংলাদেশের অথবা এক বা একাধিক দায়রা বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত উহার অংশ বিশেষের স্থানীয় অধিক্ষেত্র ন্যস্ত করিবার কারণে ইতঃপূর্বে কোন দায়রা আদালতে এই আইনের অধীন নিস্পন্নাাধীন মামলার বিচার কার্যক্রম স্থগিত, বা সংশ্লিষ্ট স্থানীয় অধিক্ষেত্রের ট্রাইব্যুনালে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বদলী হইবে না, তবে সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, দায়রা আদালতে নিষ্পন্নাধীন এই আইনের অধীন কোন মামলা বিশেষ স্থানীয় অধিক্ষেত্রসম্পন্ন ট্রাইব্যুনালে বদলী করিতে পারিবে৷

(৫) কোন ট্রাইব্যুনাল, ভিন্নরূপ সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করিলে, যে সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হইয়াছে উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য পুনঃগ্রহণ, বা পুনঃশুনানী গ্রহণ করিতে, অথবা উপ-ধারা (৪) এর অধীন গৃহীত কার্যধারা পুনরায় আরম্ভ করিতে বাধ্য থাকিবে না, তবে ট্রাইব্যুনাল ইতোমধ্যে যে সাক্ষ্য গ্রহণ বা উপস্থাপন করা হইয়াছে উক্ত সাক্ষের ভিত্তিতে কার্য করিতে এবং মামলা যে পর্যায়ে ছিল সেই পর্যায় হইতে বিচারকার্য অব্যাহত রাখিতে পারিবে৷

(৬) সরকার, আদেশ দ্বারা, যে স্থান বা সময় নির্ধারণ করিবে সেই স্থান বা সময়ে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল আসন গ্রহণ করিতে পারিবে এবং উহার কার্যক্রম পরিচালনা করিতে পারিবে৷
১,৬৯০.
ভূমি প্রশাসন বোর্ড এর নিকট ১৪৭ ধারা অনুযায়ী আপিলের জন্য তামাদির মেয়াদ-
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act 1950 এর ১৪৭ ধারার বিধান আপিল: 
- এই ভাগ বা এই আইনের অধীন প্রণীত বিধিমালাতে আপিলের বিশেষ বিধানসাপেক্ষে, এই ভাগের অধীন রাজস্ব কর্মকর্তার প্রত্যেক মূল বা আপিল আদেশের বিরুদ্ধে নিম্নরূপভাবে আপিল করা যাইবে, যথা:
(ক) কালেক্টরের অধস্তন রাজস্ব কর্মকর্তা কর্তৃক আদেশ প্রদান করা হইলে, কালেক্টরের নিকট;
(কক) বিভাগের মধ্যে জেলার কালেক্টর কর্তৃক আদেশ প্রদান করা হইলে, বিভাগীয় কমিশনারের নিকট; এবং
(গ) বিভাগীয় কমিশনার কর্তৃক আদেশ প্রদান করা হইলে, ভূমি প্রশাসন বোর্ডএর নিকট

The State Acquisition and Tenancy Act 1950 এর ১৪৮ ধারার বিধান আপিল: আপিলের জন্য তামাদির মেয়াদ:
- ধারা ১৪৭ অনুযায়ী আপিলের জন্য তামাদির মেয়াদ যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয় সেই আদেশের তারিখ হইতে চলিতে থাকিবে এবং উহা নিম্নরূপ হইবে, অর্থাৎ-
       (ক) কালেক্টরের নিকট আপিল__________ত্রিশ দিন।
       (খ) বিভাগীয় কমিশনারের নিকট আপিল________ষাট দিন। 
       (খখ) ভূমি প্রশাসন বোর্ড এর নিকট আপিল___________নব্বই দিন।

-----------
- Section 147. Appeals:
-Subject to any special provisions for appeal made in this Part or in any rules made under this Act, an appeal shall lie from every original or appellate order made under any of the provisions of this Part by a Revenue-officer as follows, namely:- 
(a) to the Collector, when the order is made by a Revenue-officer subordinate to the Collector; 
(aa) to the Commissioner of the division, when the order is made by the Collector of a district within the division; and
(c) to the Board of Land Administration, when the order is made by the Commissioner of a division.

- Section 148. Limitation for appeals:
The period of limitation for an appeal under section 147 shall run from the date of the order appealed against and shall be as follows, that is to say- 
(a) when the appeal lies to the Collector .............................. thirty days. 
(b) when the appeal lies to the Commissioner of a division ............ sixty days.
(bb) when the appeal lies to the Board of Land Administration ........................ ninety days.
১,৬৯১.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে কোন অপরাধ আপসযোগ্য?
  1. মিথ্যা মামলা দায়ের
  2. নারীর আত্মহত্যায় প্ররোচনা
  3. যৌতুকের জন্য নারীকে সাধারণ জখম
  4. মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে কোন নারী বা শিশুকে আটক
ব্যাখ্যা
ধারা ১৯- অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ, ইত্যাদি

(১) এই আইনের অধীন সকল অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণীয় হইবে, এবং ধারা ১১ এর দফা (গ) এ উল্লিখিত অপরাধ আপসযোগ্য হইবে।

(২) উপ-ধারা (৩) এর বিধান সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটনে জড়িত মূল এবং প্রত্যক্ষভাবে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হইবে না, যদি-
(ক) তাহাকে মুক্তি দেওয়ার আবেদনের উপর অভিযোগকারী পক্ষকে শুনানীর সুযোগ দেওয়া না হয়; এবং
(খ) তাহার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগে তিনি দোষী সাব্যস্ত হওয়ার যুক্তিসংগত কারণ রহিয়াছে মর্মে ট্রাইব্যুনাল সন্তুষ্ট হন।

(৩) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত কোন ব্যক্তি নারী বা শিশু হইলে কিংবা শারীরিকভাবে অসুস্থ (sick or infirm) হইলে, সেইক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার কারণে ন্যায় বিচার বিঘ্নিত হইবে না মর্মে ট্রাইব্যুনাল সন্তুষ্ট হইলে তাহাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া যাইবে।

(৪) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত ব্যক্তি ব্যতীত এই আইনের অধীন অপরাধ সংঘটনের জন্য অভিযুক্ত অন্য কোন ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দেওয়া ন্যায়সংগত হইবে মর্মে ট্রাইব্যুনাল সন্তুষ্ট হইলে তদ্‌মর্মে কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ট্রাইব্যুনাল জামিনে মুক্তি দিতে পারিবে।

ধারা ১১- যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি

যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন 15[কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন] তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-

(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উভয় ক্ষেত্রে উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক তিন বৎসর কিন্তু অন্যূন এক বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
১,৬৯২.
Shafi-e- Jar হলো-
  1. সহ অংশীদার
  2. সংলগ্ন স্থাবর সম্পত্তির মালিক
  3. সম্পত্তির সুবিধাদিতে অংশীদার
  4. স্থাবর সম্পত্তির যৌথ মালিক
ব্যাখ্যা
• মুসলিম আইনে ৩ শ্রেণির ব্যক্তি আছে যারা অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে। এই ৩ শ্রেণির ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কেউ অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে না, তারা হলো-
ক. Shafi sharik বা সহ অংশীদার;
খ. Shafi Khalit বা সম্পত্তিতে সংলগ্ন সুবিধাদিতে শরিক; যেমন: Easement সুবিধা;
গ. Shafi Jar বা সংলগ্ন স্থাবর সম্পত্তির মালিক।
 
Shafi sharik বা সহ অংশীদার:
Shafi Sharik শব্দের অর্থ হল সহ-অংশীদার। যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি উত্তরাধিকার সূত্রে কিংবা ক্রয় সূত্রে কোনো স্থাবর সম্পত্তির যৌথ মালিক হয়, তাদের যে কারো অন্যজন বা অন্যান্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে অগ্রক্রয়ের অধিকার রয়েছে।
 
Shafi Khalit বা সম্পত্তিতে সংলগ্ন সুবিধাদিতে শরিক:
Shafi Khalit অর্থ হল কোনো সম্পত্তির সুবিধাদিতে শরিক। যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোনো স্থাবর সম্পত্তিতে সুবিধাদির শরিক হয়, তাহলে যেকোনো ব্যক্তি যার সেরকম সুবিধা রয়েছে, অন্যান্য ব্যক্তি যারা সেরকম সুবিধাদি ভোগ করে এর বিরূদ্ধে অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। অর্থাৎ যারা সম্পত্তির সুবিধাদিতে শরিক তারাও অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে।
 
Shafi Jar বা সংলগ্ন স্থাবর সম্পত্তির মালিক:
Shafi Jar অর্থ হল সংলগ্ন স্থাবর সম্পত্তির মালিক। হানাফি আইন অনুসারে বিক্রিত ভূমির সংলগ্ন ভূমির মালিক অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে।
১,৬৯৩.
অধস্তন আদালতে বিচারবিভাগীয় পদে বা বিচার বিভাগীয় দায়িত্বপালনকারী ম্যাজিস্ট্রেট পদে নিয়োগদান করেন কে?
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৫ অনুচ্ছেদের বিধান: অধস্তন আদালতে নিয়োগ:
 বিচারবিভাগীয় পদে বা বিচার বিভাগীয় দায়িত্বপালনকারী ম্যাজিস্ট্রেট পদে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক উক্ত উদেশ্যে প্রণীত বিধিসমূহ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করিবেন।

⇒ Article 115. Appointments to subordinate courts:
 Appointments of persons to offices in the judicial service or as magistrates exercising judicial functions shall be made by the President in accordance with rules made by him in that behalf.
১,৬৯৪.
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি কোন পদে নিযুক্ত ব্যক্তির পরামর্শে সাধারণত তাঁর সকল দায়িত্ব পালন করেন? 
  1. স্পিকার
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. সেনাবাহিনী প্রধান 
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮(৩) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ছাড়া রাষ্ট্রপতি তাঁর অন্য সকল দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী পালন করেন।
- অতএব, সঠিক উত্তর খ) প্রধানমন্ত্রী।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ এর বিধান রাষ্ট্রপতি:
(১) বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন। 
(২) রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন। 
(৩) এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না।

১,৬৯৫.
সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিকগন 'বাংলাদেশি' হিসেবে পরিচিত হবেন?
  1. অনুচ্ছেদ ৬(১)
  2. অনুচ্ছেদ ৬(২)
  3. অনুচ্ছেদ ৭(১)
  4. অনুচ্ছেদ ৭(২)
ব্যাখ্যা
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- 'বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসেবে বাঙালি এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশি বলে পরিচিত হবেন।'

অনুচ্ছেদ ৬: নাগরিকত্ব-
(১) বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হইবে। 
(২) বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশি বলিয়া পরিচিত হইবেন।

Article 6: Citizenship-
(1) The citizenship of Bangladesh shall be determined and regulated by law. 
(2) The people of Bangladesh shall be known as Bangalees as a nation and the citizens of Bangladesh shall be known as Bangladeshies.
১,৬৯৬.
The Civil Courts Act, 1887 এর কত ধারায় 'স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রন ক্ষমতা' দেয়া হয়েছে?
  1. ৬ ধারায়
  2. ৯ ধারায়
  3. ১২ ধারায়
  4. ১৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রন থাকবে।

ধারা ৯- আদালতের প্রশাসনিক ক্ষমতা:
হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধানে জেলা জজের তার স্থানীয় সীমানায় অবস্থিত সকল দেওয়ানি আদালতের উপর তার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ থাকবে।

Section 9: Administrative control of Courts-
Subject to the superintendence of the High Court Division, the District Judge shall have administrative control over all the Civil Courts under this Act within the local limits of his jurisdiction.
১,৬৯৭.
দেবোত্তরের অধীনে যে দেবমূর্তি থাকে, তাকে আইনত কী ধরা হয়?
  1. সেবায়েত
  2. বৈধ সত্ত্বা
  3. সরকারি সম্পত্তি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

দেবত্তোর (Debutter):
মন্দির নির্মাণ করিয়া তাহাতে কোন দেবমূর্তির প্রতিষ্ঠা করতঃ নিয়ত পূজার্চনার ব্যয় নির্বাহের জন্য কোন সম্পত্তি দান করলে তা সাধারণত দেবোত্তর নামে পরিচিত। এই রকম বিগ্রহ বা দেবমূর্তি এক বৈধ সত্ত্বা (Juridical person) এবং তাঁর উদ্দেশ্যে উৎসর্গিত সম্পত্তির তিনি আইনত মালিক।

দেবোত্তর দুই রকমের হইতে পারে। যেমন- যখন কোন পরিবারের কোন ব্যক্তি পারিবারিক গৃহ দেবতার পূজা অর্চনার জন্য কোন সম্পত্তি দান করে যান, তা ব্যক্তিগত অথবা পারিবারিক দেবোত্তর বলা হয়। কারণ তদবস্থায় বিগ্রহের সেবা পূজার দায়িত্ব তাঁর বংশধরগণের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। আবার সর্বসাধারণের উদ্দেশ্যে অনুরূপ দান সম্পন্ন হলে তা সার্বজনীন দেবোত্তররূপে পরিগণিত হয়।

১,৬৯৮.
কোনো ব্যক্তি সরকারি আইনগত সহায়তা কর্মসূচির আওতায় কোন ধরনের সেবা গ্রহণের জন্য যোগ্য হবেন?
  1. আইনগত তথ্য সেবা গ্রহণ
  2. আইনগত পরামর্শ গ্রহণ
  3. বিকল্প পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তির
  4. উল্লিখিত সকল সেবা
ব্যাখ্যা
• আইনগত সহায়তা প্রদান নীতিমালা, ২০১৪:

অনুচ্ছেদ ৪: তথ্য সেবা গ্রহণ, ইত্যাদি


অনুচ্ছেদ ২ এ বর্ণিত বিধান সত্ত্বেও যে কোন ব্যক্তি, তাহার আর্থিক সামর্থ্য যাই হোক না কেন, সরকারি আইনগত সহায়তা কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত আইনগত তথ্য সেবা গ্রহণ, আইনগত পরামর্শ গ্রহণ কিংবা বিকল্প পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তির সেবা গ্রহণের জন্য যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন।
১,৬৯৯.
১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন অনুসারে, স্ত্রী কোন কারণে বিবাহ বিচ্ছেদের ডিক্রি চাইতে পারেন?
  1. স্বামী এক বছর নিরুদ্দেশ থাকলে
  2. স্বামী তিন বছর ভরণপোষণ না দিলে
  3. স্বামী এক বছর দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে
  4. স্বামী সাত বছর বা তার বেশি কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে
ব্যাখ্যা

⇒ The Dissolution of Muslim Marriages Act, 1939-এর ধারা ২(iii)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: “that the husband has been sentenced to imprisonment for a period of seven years or upwards” অর্থাৎ স্বামীকে ৭ বছর বা তার বেশি মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হলে স্ত্রী আদালতে বিবাহ বিচ্ছেদের ডিক্রি চাইতে পারে। তবে প্রভাইডেড ক্লজে বলা আছে যে, সাজা চূড়ান্ত (final) না হওয়া পর্যন্ত ডিক্রি পাস করা যাবে না।
অন্য অপশনগুলো কেন ভুল:
ক) স্বামী এক বছর নিরুদ্দেশ থাকলে → ভুল। নিরুদ্দেশ হতে হবে ৪ বছর (ধারা ২(i))
খ) স্বামী তিন বছর ভরণপোষণ না দিলে → ভুল। ভরণপোষণ না দেওয়া হতে হবে ২ বছর (ধারা ২(ii))
গ) স্বামী এক বছর দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে → ভুল। দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা হতে হবে ৩ বছর (ধারা ২(iv))
সুতরাং একমাত্র সঠিক উত্তর: ঘ) স্বামী সাত বছর বা তার বেশি কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে।

⇒ ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী যে-সব কারণে আদালতে তালাক চাইতে পারেন সেগুলো হলো-
- চার বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে;
- দুই বছর স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে;
- স্বামীর সাত বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি কারাদণ্ড হলে;
- স্বামী কোনো যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া তিন বছর যাবত দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
- বিয়ের সময় পুরুষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা দায়ের করা পর্যন্ত বহাল থাকে;
- স্বামী দুই বছর ধরে অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে অথবা কুষ্ঠরোগে বা মারাত্মক যৌন ব্যাধিতে আক্রান্ত থাকলে;
- বিয়ে অস্বীকার করলে। অর্থাৎ যদি কোনো মেয়ের বাবা বা অভিভাবক মেয়েকে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে বিয়ে দেন এবং সেই মেয়েটি ১৯ বছর হওয়ার আগে বিয়ে অস্বীকার করে বিয়ে ভেঙে দিতে পারে। তবে শর্ত হলো, মেয়েটির সঙ্গে স্বামীর দাম্পত্য সম্পর্ক (সহবাস) যদি স্থাপিত না হয়ে থাকে, তখনই কেবল বিয়ে অস্বীকার করে আদালতে বিচ্ছেদের ডিক্রি চাওয়া যাবে;
- স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লঙ্ঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে;
- স্বামীর নিষ্ঠুরতার কারণে। নিম্নলিখিত আচরণগুলো ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসেবে গণ্য হবে-
(ক) অভ্যাসগত আচরণে স্ত্রীকে আঘাত করা (দৈহিক আঘাত ছাড়াও মানসিক আঘাতও এর অন্তর্ভুক্ত, যা তার জীবন শোচনীয় বা দুর্বিষহ করে তুলেছে);
(খ) অন্য কোনো খারাপ নারীর সঙ্গে জীবনযাপন বা মেলামেশা;
(গ) স্ত্রীকে অনৈতিক জীবনযাপনে বাধ্য করা;
(ঘ) স্ত্রীর সম্পত্তি নষ্ট করা;
(ঙ) স্ত্রীকে নিজস্ব ধর্মপালনে বাধা দেয়া;
(চ) যদি স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকে, তাদের সঙ্গে পবিত্র কুরআনে নির্দেশ অনুসারে সমান ব্যবহার না করা;
(ছ) এছাড়া মুসলিম আইনে বিয়ে বিচ্ছেদের জন্য বৈধ বলে স্বীকৃত অন্য যে কোনো কারণে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের দাবি করতে পারবে।
------------
⇒ The Dissolution of Muslim Marriages Act, 1939- Section-2. Grounds for decree for dissolution of marriage:
A woman married under Muslim law shall be entitled to obtain a decree for the dissolution of her marriage on any one or more of the following grounds, namely:- 
(i) that the whereabouts of the husband have not been known for a period of four years; 
(ii) that the husband has neglected or has failed to provide for her maintenance for a period of two years; 
(iia) that the husband has taken an additional wife in contravention of the provisions of the Muslim Family Laws Ordinance, 1961;
(iii) that the husband has been sentenced to imprisonment for a period of seven years or upwards; 
(iv) that the husband has failed to perform, without reasonable cause, his marital obligations for a period of three years; 
(v) that the husband was impotent at the time of the marriage and continues to be so; 
(vi) that the husband has been insane for a period of two years or is suffering from leprosy or a virulent venereal disease; 
(vii) that she, having been given in marriage by her father or other guardian before she attained the age of [eighteen years], repudiated the marriage before attaining the age of [nineteen years]: 
Provided that the marriage has not been consummated; 
(viii) that the husband treats her with cruelty, that is to say,- 
(a) habitually assaults her or makes her life miserable by cruelty of conduct even if such conduct does not amount to physical ill-treatment, or 
(b) associates with women of evil repute or leads an infamous life, or  
(c) attempts to force her to lead an immoral life, or 
(d) disposes of her property or prevents her exercising her legal rights over it, or 
(e) obstructs her in the observance of her religious profession or practice, or 
(f) if he has more wives than one, does not treat her equitably in accordance with the injunctions of the Qoran; 
(ix) on any other ground which is recognised as valid for the dissolution of marriage under Muslim law:
Provided that- 
(a) no decree shall be passed on ground (iii) until the sentence has become final; 
(b) a decree passed on ground (i) shall not take effect for a period of six months from the date of such decree, and if the husband appears either in person or through an authorised agent within that period and satisfies the Court that he is prepared to perform his conjugal duties, the Court shall set aside the said decree; and 
(c) before passing a decree on ground (v) the Court shall, on application by the husband, make an order requiring the husband to satisfy the Court within a period of one year from the date of such order that he has ceased to be impotent, and if the husband so satisfies the Court within such period, no decree shall be passed on the said ground.

১,৭০০.
বাংলাদেশের বর্তমান সংবিধান কার্যকর হয় কবে থেকে?
  1. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  2. ১২ অক্টোবর, ১৯৭২
  3. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  4. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান:
​- ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর খসড়া সংবিধান বিল আকারে উত্থাপন করা হয়।
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।