বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন২,৯৬৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১৫ / ৩০ · ১,৪০১১,৫০০ / ২,৯৬৪

১,৪০১.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৯৮ক ধারায় ভূমির খাজনা নির্ধারণের ক্ষেত্রে রায়ত বা অকৃষি প্রজাকে সর্বনিম্ন কতদিনের নোটিশ দিতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৯৮ক ধারায় ডেপুটি কমিশনার ভূমির খাজনা নির্ধারণ বা পুনঃনির্ধারণ করতে পারবে।

নিম্নলিখিত ২টি ক্ষেত্রে ডেপুটি কমিশনার কোন ভূমির খাজনা নির্ধারণ বা পুনঃনির্ধারণ করতে পারে-

ক. যেক্ষেত্রে রায়ত অথবা অকৃষি প্রজা কর্তৃক অধিকৃত ভূমির খাজনা ৪র্থ অধ্যায়ে অথবা ১৪৪ ধারা মোতাবেক নির্ধারণ করা হয় নাই অথবা উক্ত ভূমির খাজনা ১০৭ ধারা মোতাবেক নির্ধারণ করা হয় নাই; বা

খ. যে ক্ষেত্রে কোন ভূমির খাজনা ক ক্লজে উল্লেখিত কোন বিধান মোতাবেক কৃষি ভূমি হিসাবে নির্ধারণ করা হয়েছে, যা পরবর্তীতে অকৃষি ভূমি হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

⇒ এই ধারায় কোন ভূমির খাজনা নির্ধারণ করতে উক্ত ভূমির রায়ত বা অকৃষি প্রজাকে সর্বনিম্ন ১৫ দিনের নোটিশ দিতে হবে। অন্যথায়, খাজনা নির্ধারণ বা পুনঃনির্ধারণ করা যাবে না (ধারা ৯৮ক (২))।
১,৪০২.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কোন ধারায় 'Rule of Marshalling' আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৫৪
  2. ৫৬
  3. ৫৫
  4. ৫৮
ব্যাখ্যা
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৬ ধারার বিধান পরবর্তী ক্রেতা কর্তৃক বিন্যাস (Marshalling by subsequent purchaser):
যদি দুই বা ততোধিক সম্পত্তির মালিক সকল সম্পত্তি প্রথমে একজনের নিকট রেহেন দেয় এবং তারপর এর মধ্য হতে এক বা একাধিক সম্পত্তি অন্য জনের নিকট বিক্রয় করে, তাহলে ক্রেতা যে সম্পত্তি ক্রয় করে নাই, তা হতে রেহেনের টাকা যতদূর সম্ভব, পরিশোধ করে নেওয়ার দাবি করতে পারে; কিন্তু এরূপ দাবি রেহেনগ্রহীতা বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি অথবা মূল্যের বিনিময়ে এই সম্পত্তির কোন একটি স্বত্ব অর্জন করেছে তেমন কোন ব্যক্তির স্বার্থ ক্ষুন্ন করবে না।

অর্থাৎ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৬ ধারা বিক্রয়ের ক্ষেত্রে বিন্যাসের নীতি (The Rule of Marshalling) আলোচনা করা হয়েছে।
--------------------
The Transfer of Property Act, 1882 Section 56. Marshalling by subsequent purchaser:
- If the owner of two or more properties mortgages them to one person and then sells one or more of the properties to another person, the buyer is in the absence of a contract to the contrary, entitled to have the mortgage-debt satisfied out of the property or properties not sold to him, so far as the same will extend, but not so as to prejudice the rights of the mortgagee or persons claiming under him or of any other person who has for consideration acquired an interest in any of the properties.
১,৪০৩.
'ক' একজন হানাফী মুসলিম। তিনি মৃত্যুকালে স্ত্রী 'খ' কে একমাত্র উত্তরাধিকারী রেখে যায়। এক্ষেত্রে 'খ' এর সম্পত্তির সঠিক বণ্টণ কীভাবে হবে?
  1. শুধু ওয়ারিশ হিসেবে 'খ' সকল সম্পত্তি পাবে
  2. 'খ' ১/২ অংশ পাবে এবং বাকি সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে ন্যস্ত হবে
  3. 'খ' ১/৪ অংশ পাবে এবং বাকি সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে ন্যস্ত হবে
  4. ওয়ারিশ হিসেবে এবং রদের নীতি অনুযায়ী 'খ' সমুদয় সম্পত্তি পাবে
ব্যাখ্যা

উল্লিখিত প্রশ্নে স্ত্রী একমাত্র উত্তরাধিকারী। তাই, প্রথমে অংশীদার হিসেবে ১/৪ অংশ পাবে (যেহেতু সন্তান নেই, সন্তান থাকলে ১/৮ অংশ)। এখন স্ত্রীকে ১/৪ অংশ দেওয়ার পরও, ৩/৪ অংশ সম্পত্তি অবশিষ্ট থেকে যাচ্ছে। তাই রদের নীতি প্রযোজ্য হবে।

সাধারণ নীতি অনুসারে, স্ত্রী রদে ফেরত সম্পত্তি না পেলেও যেহেতু এখানে স্ত্রী একমাত্র উত্তরাধিকারী, সেহেতু (রদে ফেরত) বাকি ৩/৪ অংশ সম্পত্তি স্ত্রী পাবে। 

রদ বা প্রত্যর্পণ নীতি-
মুসলিম সুন্নি আইনের বিধানমতে, অংশীদারগণের নির্ধারিত অংশ বা দাবি পূরণ করার পর ক্ষেত্র বিশেষে যদি সম্পত্তির কোনো অংশ অবশির থাকে তবে উক্ত অবশিষ্ট সম্পত্তি ঐ সব অংশীদারদের মধ্যে আনুপাতিক হারে পুনঃবণ্টন করা হবে, অর্থাৎ সমস্ত সম্পতি অংশীদারদের প্রাপ্য আংশ হারে বণ্টন করার পর বন্টিত অংশের সমষ্টি সব অপেক্ষা হর বেশি হলে অবশিষ্ট অংশ অংশীদারদের মধ্যে পুনরায় বণ্টন করে দেয়া হয় যার ফলে অংশীদারদের পূর্ব প্রাপ্ত অংশ বৃদ্ধি পায়, এই নীতিকে রদ বা প্রত্যর্পণ নীতি বলে।

• রদের নীতি-
⇒ সম্পদের অবশিষ্ট অংশ অংশীদারগণের মধ্যে পুনরায় বণ্টন করা হবে। অর্থাৎ প্রত্যেক অংশীদারের অংশ আনুপাতিক হারে বৃদ্ধি পাবে।
⇒ স্বামী এবং স্ত্রী রদের মাধ্যমে কোনো সম্পদ পাবে না। কিন্তু স্বামী বা স্ত্রী যদি একমাত্র অংশীদার হয়। তাহলে সে রদের মাধ্যমে সম্পত্তি পেতে পারে।

১,৪০৪.
A transfers Tk. 500 to B on condition that she shall murder C. The transfer is ______.
  1. valid
  2. void
  3. voidable at option of B
  4. voidable at option of C
ব্যাখ্যা
ধারা ২৫: শর্তযুক্ত হস্তান্তর (Conditional Transfer)-
যদি কোনো সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে যে স্বার্থ বা অধিকার সৃষ্টি হয় তা কোনো শর্তের উপর নির্ভরশীল হয়, এবং সেই শর্তটি —
- অসম্ভব হয়, বা
- আইনের দ্বারা নিষিদ্ধ হয়, বা
- এমন প্রকৃতির হয় যে, তা অনুমোদন করলে কোনো আইনের বিধান ব্যর্থ হয়, বা
- প্রতারণাপূর্ণ (fraudulent) হয়, বা
- অন্য কারও ব্যক্তি বা সম্পত্তির ক্ষতি ঘটায়, বা
- আদালত যদি মনে করে যে শর্তটি অনৈতিক বা জননীতির (public policy) বিরুদ্ধে,

তাহলে সেই শর্ত ব্যর্থ হবে এবং সেই শর্তযুক্ত হস্তান্তর বাতিল বলে গণ্য হবে।

উদাহরণসমূহ:
(ক) A একটি খামার B-কে ইজারা দেয় এই শর্তে যে B এক ঘণ্টায় ১০০ মাইল হাঁটবে।
- এই চুক্তিটি বাতিল, কারণ শর্তটি অসম্ভব।

(খ) A, B-কে ৫০০ টাকা দেয় এই শর্তে যে B, A-এর মেয়ে C-কে বিয়ে করবে। কিন্তু হস্তান্তরের তারিখে C মৃত।
- এই হস্তান্তর বাতিল, কারণ শর্তটি অসম্ভব।

(গ) A, B-কে ৫০০ টাকা হস্তান্তর করে এই শর্তে যে B, C-কে হত্যা করবে।
- এই হস্তান্তর বাতিল (void), কারণ শর্তটি আইনবিরুদ্ধ এবং অপরাধমূলক।

(ঘ) A, তার ভাগ্নি C-কে ৫০০ টাকা দেয় এই শর্তে যে সে তার স্বামীকে ত্যাগ করবে।
- এই হস্তান্তর বাতিল, কারণ এটি জননীতির বিরুদ্ধে ও অনৈতিক।
১,৪০৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯গ-এর অধীনে আপিল আদালত কোন বিধান অনুসরণ করবে?
  1. প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে আদেশ ৪১-এর বিধান
  2. ফৌজদারি আদালতের আপিলের বিধান
  3. প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে ধারা ৮৯ক-এর বিধান
  4. প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে ধারা ১০৭ এর বিধান
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৯গ- আপিলে মধ্যস্থতা:
(১) যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর আওতাধীন মধ্যস্থতাকরণের ক্ষেত্রে, ৮৯ক ধারার বিধান গুলােকে প্রয়ােজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।

Section 89C- Mediation in Appeal:
(1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties.

(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.
১,৪০৬.
তালাক-ই-আহসান (Ahsan) কখন কার্যকর হয়?
  1. তৃতীয় তুহর শেষে
  2. তৃতীয় তালাক উচ্চারণের পর
  3. ইদ্দতকাল শেষ হওয়ার পর
  4. তালাক দেওয়ার সাথে সাথে
ব্যাখ্যা
তালাক-উস-সুন্নাহ (অনুমোদিত তালাক):
তালাক-উস-সুন্নাহ [Talaq-us-Sunna] হলো হযরত মোহাম্মদ (সা:) এর সুন্নত বা হাদিসে বর্ণিত নিয়ম অনুযায়ী তালাক। তালাক-উস-সুন্নাহ [Talaq-us-Sunna] দুই প্রকার হতে পারে;
ক. তালাক আহসান [Ahsan] (সর্বাধিক অনুমোদিত তালাক)
খ. তালাক হাসান [Hasan] (অনুমোদিত তালাক)

- তালাক-ই-আহসান (Ahsan):
স্ত্রীর তুহরে (পবিত্র সময়) একবার তালাক উচ্চারণ করা হলে এবং স্ত্রীর ইদ্দতকাল (৩টি ঋতুকাল পর্যন্ত) তার সাথে যৌন সম্পর্ক (Consummation) না রাখলে, ইদ্দতকাল শেষ হওয়ার সাথে সাথে তালাক কার্যকর হবে এবং অপ্রত্যাহারযোগ্য হবে। এটি সর্বাপেক্ষা অনুমোদিত তালাক।

- তালাক-ই-হাসান (Hasan):
স্বামী তার স্ত্রীর পরপর ৩টি তুহরের প্রত্যেক তুহরেই ১ বার করে তালাক উচ্চারণ করবে এবং তুহর কালে স্ত্রীর শারীরিক সম্পর্ক হতে বিরত থাকবে। তৃতীয় উচ্চারণের সঙ্গে সঙ্গেই তালাক কার্যকর হবে। এই ক্ষেত্রে তালাক অপ্রত্যাহারযোগ্য।
১,৪০৭.
‘ক’ ‘খ’ এর বিরুদ্ধে তাদের পিতার সম্পত্তি বাটোয়ারার মোকদ্দমা দায়ের করতে চায়। বিরোধীয় সম্পত্তির মূল্য ২৪,০০,০০০/- টাকা, তাহলে ‘ক’ কে ‘খ’ এর বিরুদ্ধে কোন আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে?
  1. সহকারী জজ আদালতে
  2. সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে
  3. যুগ্ন জেলা জজ আদালতে
  4. জেলা জজ আদালতে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, আর্থিক ও আঞ্চলিক এখতিয়ার সম্পন্ন  সর্বনিম্ন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।

• The Civil Court Act,1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার-
⇒ সহকারী জজের আদালতে (The Court of Assistant Judge )  = ১৫ লক্ষ পর্যন্ত 
⇒ সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে (The Court of Senior Assistant Judge)  = ২৫ লক্ষ পর্যন্ত
⇒ যুগ্ম জেলা জজের আদালতে (The Court of Joint District Judge)  =  ২৫ লক্ষ এর উপরে 

তাই এই মামলাটির মূল্যমান ২৪,০০,০০০/-  হওয়ায় অত্র মামলাটি সিনিঃ সহঃ জজ আদালতে দায়ের করতে হবে।
১,৪০৮.
অধস্তন আদালতের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার দায়িত্ব কার উপর ন্যস্ত?
  1. সংসদ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. আইন মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১৬: অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা:
বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচারবিভাগীয় দায়িত্বপালনে রত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল- নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরীসহ) ও শৃংখলাবিধান রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাহা প্রযুক্ত হইবে।

[Control and discipline of subordinate courts-
The control (including the power of posting, promotion and grant of leave) and discipline of persons employed in the judicial service and magistrates exercising judicial functions shall vest in the President and shall be exercised by him in consultation with the Supreme Court.]
১,৪০৯.
নিম্নের কোনটি হিন্দু আইনের আধুনিক উৎস হিসেবে বিবেচিত?
  1. স্মৃতি
  2. ব্যাখ্যা বা নিবন্ধ
  3. প্রথা
  4. আদালতের সিদ্ধান্ত বা নজির
ব্যাখ্যা
হিন্দু আইনের মূল উৎস ৪টি। যথা-

(ক) বেদ বা শ্ৰুতিঃ অতি প্রাচীনকালে দেবতাগণ প্রত্যক্ষভাবে যা বলেছিলেন ও তৎকালে মুনিগণ যা শুনেছিলেন এবং পরবর্তীকালে যা মুনিবর কৃষ্ণদ্বৈপায়ন কর্তৃক সংকলিত হয় তাই বেদ। ঋক বেদ, যজু বেদ, সাম বেদ ও অথর্ব বেদ এই চারটি বেদকে একত্রে শ্রুতি শাস্ত্র বলা হয়। বেদ হচ্ছে হিন্দু ধর্মের মূল ভিত্তি।

(খ) স্মৃতিঃ প্রাচীনকালে মানুষের পালনীয় ঐশ্বরিক নির্দেশাবলি যা আর্য ঋষিগণ গুরু শিষ্য পরম্পরায় আবৃত্তি আকারে স্মরণে রেখেছিলেন, যা পরবর্তীকালে মুনিগণ গ্রন্থ আকারে সংকলিত করেন ইহাই স্মৃতি শাস্ত্ৰ বা সংহিতা নামে পরিচিত।

(গ) ব্যাখ্যা বা নিবন্ধঃ ধর্মীয় অনুশাসনে বিভিন্ন স্মৃতির মধ্যে জটিলতা দেখা দিলে ব্যাখ্যার উদ্ভব হয়। আঞ্চলিক রীতিনীতির সাথে সামঞ্জস্য রক্ষা করে পণ্ডিতগণ নিজেদের মতামত বা ব্যাখ্যা প্রদানের মাধ্যমে প্রাচীন আইনের সংশোধন করে থাকেন। ব্যাখ্যাসমূহের মধ্যে দুটি মতবাদই অনুসরণ করা হয়ে থাকে-
(১) মিতক্ষরা মতবাদ,
(২) দায়ভাগ মতবাদ।

(ঘ) প্রথাঃ ইহা এমন রীতি যা দেশ, অঞ্চল বা মহল্লায় প্রচলিত থাকাকালে আইনের যোগ্যতা অর্জন করেছে। আদালত কর্তৃক হিন্দু প্রথাকে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
(১) স্থানীয় প্রথা
(২) শ্রেণী প্রথা
(৩) পারিবারিক প্রথা।

হিন্দু আইনের আধুনিক উৎসসমূহ:

(ক) আদালতের সিদ্ধান্ত বা নজির,
(খ) বিধিবদ্ধ আইন,
(গ) সুবিচার, ন্যায়পরায়ণতা।
১,৪১০.
শিশু আইনে বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে বিকল্প পন্থা গ্রহণ করবেন-
  1. শিশু আদালত
  2. প্রবেশন কর্মকর্তা
  3. শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা
  4. শিশুর আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৮- বিকল্প পন্থা (diversion)

(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুকে গ্রেফতার বা আটকের পর হইতে বিচার কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রমের পরিবর্তে, শিশুর পারিবারিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, আর্থিক, নৃতাত্ত্বিক, মনস্তাত্ত্বিক ও শিক্ষাগত পটভূমি বিবেচনাপূর্বক, বিরোধীয় বিষয় মীমাংসাসহ তাহার সর্বোত্তম স্বার্থ নিশ্চিতকল্পে বিকল্প পন্থা (diversion) গ্রহণ করা যাইবে। 
 
(২) ফৌজদারি কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশুর গ্রেফতারের পর হইতে বিচার কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে, শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বা, ক্ষেত্রমত, শিশু-আদালত আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়ার পরিবর্তে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির নিমিত্ত বিকল্প পন্থা গ্রহণের জন্য বিষয়টি প্রবেশন কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করিতে পারিবে। 
 
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন বিকল্প পন্থা গ্রহণ করা হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু, তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য বিকল্প পন্থার শর্ত প্রতিপালন করিতেছে কি না প্রবেশন কর্মকর্তা তাহা লক্ষ্য রাখিবেন এবং বিষয়টি, সময় সময়, শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বা, ক্ষেত্রমত, শিশু-আদালতকে অবহিত করিবেন। 
 
(৪) শিশু, তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য বিকল্প পন্থার কোন শর্ত ভঙ্গ করিলে প্রবেশন কর্মকর্তা বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে লিখিত আকারে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বা, ক্ষেত্রমত, শিশু-আদালতকে অবহিত করিবেন। 
 
(৫) বিকল্প পন্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে। 
 
(৬) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে অধিদপ্তর বিকল্প পন্থা বাস্তবায়নের জন্য যথাযথ যুগোপযোগী ও বাস্তবায়নযোগ্য কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবে।
১,৪১১.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ৯৫ ধারা অনুযায়ী খাইখালাসি বন্ধকের সর্বোচ্চ মেয়াদ কত বছর?
  1. ১২
ব্যাখ্যা
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ৯৫ ধারার বিধান রায়তি জোতের বন্ধকের উপর সীমাবদ্ধতা জমির পরিমাণ ও সময়ের সীমাবদ্ধতা:
-কোন রায়ত তার জোত বা তার অংশ বিশেষ সম্পূর্ণ খাইখালাসী রেহেন ব্যতীত অন্য কোনরূপ রেহেন দিতে পারবে না এবং এরূপ সম্পূর্ণ খাইখালাসী রেহেনের চুক্তির মেয়াদ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ৭ বছরের বেশি হবে না।
- এরূপ খাইখালাসী রেহেন উক্ত মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার আগে যে কোন সময় মুক্ত করতে পারে অর্থাৎ ৭ বছর উত্তীর্ণ হওয়ার আগে কোন জমি উদ্ধার করতে চাইলে অবশিষ্ট দেনা আনুপাতিক হারে পরিশোধ করতে হবে।
-------
Section 95. Limitation on mortgage of raiyat holdings:
(1) Notwithstanding anything contained in any other law for the time being in force, a raiyat shall not enter into any form of usufructuary mortgage other than a complete usufructuary mortgage in respect of his holding or of a portion or share thereof, and every such complete usufructuary mortgage shall be subject to the same limitations as are imposed by section 90 on a transfer of the holding of a raiyat or of any share or portion thereof; and the period for which such complete usufructuary mortgage may be entered into by any raiyat shall not exceed, by any agreement express or implied, seven years: 

Provided that any such usufructuary mortgage may be redeemed at any time before the expiry of the said period, on payment of an amount which shall bear the same proportion to the total consideration money received by the mortgagor, as the unexpired period bears to the total period for which the mortgage had been entered into.
১,৪১২.
রেজিস্ট্রেশন আইনানুসারে নাবালক কে?
  1. যার বয়স ১৬ বছর নয়
  2. যে সাবালক নয়
  3. শিশু আইনে যে নাবলক
  4. ব্যক্তিগত আইনে যে সাবালক নয়
ব্যাখ্যা
•নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২(৮) মতে নাবালক (minor) বলতে ঐ ব্যক্তিকে বুঝায় যে ব্যক্তি তার ব্যক্তিগত আইনে সাবালকত্ব প্রাপ্ত হয়নি।

• নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ২(৮) ধারায় বলা হয়েছে, নাবালক অর্থ কোন ব্যক্তি যে তার ব্যক্তিগত আইন অনুসারে সাবালকত্ব প্রাপ্ত হয়নি। ব্যক্তিগত আইন বলতে The Majority Act, 1875 এর উল্লেখিত আইনকে বোঝানো হয়েছে এবং এই কারণে The Majority Act, 1875 এর ৩ ধারা অনুসারে, বাংলাদেশে বসবাসরত একজন ব্যক্তির সাবালকত্ব অর্জনের বয়স নির্ধারিত হতে হবে। The Majority Act, 1875 এর ৩ ধারা অনুযায়ী, বাংলাদেশে বসবাসরত যে কোনো ব্যক্তি ১৮ বৎসর বয়স পূর্ণ হলে সাবালক হয়।
১,৪১৩.
'Power to appoint to include power to suspend or dismiss'- The General Clauses Act,1897 এর কত ধারায় বলা আছে?
  1. ধারা ১৩
  2. ধারা ১৬
  3. ধারা ১৭
  4. ধারা ১৮
ব্যাখ্যা
Section 16 of The General Clauses Act,1897: Power to appoint to include power to suspend or dismiss-
Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to make any appointment is conferred, then unless a different intention appears, the authority having for the time being power to make the appointment shall also have power to suspend or dismiss any person appointed whether by itself of any other authority in exercise of that power.
 
ধারা ১৬: নিয়োগের ক্ষমতা সাময়িক বরখাস্ত বা বরখাস্তের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন বা প্রবিধান দ্বারা যদি কোন কর্তৃপক্ষকে নিয়োগের ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে, ভিন্নরূপ কোন উদ্দেশ্য প্রতীয়মান না হলে, অনুরূপ কর্তৃপক্ষের উল্লেখিত ক্ষমতা প্রয়োগের আওতায় নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত বা বরখাস্ত করার ক্ষমতা থাকবে।
 
• জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ১৬ ধারার প্রয়োগ প্রসঙ্গে S. Pratap Singh v State of Punjab মামলায় ভারতীয় সুপ্রীম কোর্ট বলেন যে, একজন সরকারি কর্মচারীকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার ক্ষমতা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের আছে। একই নীতি অনুসরণ করে R.P. Kapur v. Union of India মামলায় ঐ আদালত আবারও মন্তব্য করেন, কোন সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা রুজু হলে ঐ কর্মচারীকে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার অধিকারী।
 
দেওয়ানী কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ নিয়ম মোতাবেক রিসিভার নিয়োগের ক্ষেত্রেও ১৬ ধারার বিধান প্রযোজ্য। ফলে রিসিভার নিয়োগাদেশ বাতিল করলে উহার বিরুদ্ধে ৪৩ আদেশ অনুযায়ী আপীল করা যায় না।
১,৪১৪.
শিশু আইন, ২০১৩ এর ৩০ ধারায় শিশু-আদালত কর্তৃক আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে কয়টি বিবেচ্য বিষয়ের কথা উল্লেখ আছে?
  1. ১০
  2. ১১
ব্যাখ্যা
⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ৩০ ধারার বিধান: শিশু-আদালত কর্তৃক আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়:
- এই আইনের অধীন কোন আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে শিশু-আদালত নিম্নবর্ণিত বিষয় বিবেচনা করিবে, যথা :-
(ক) শিশুর বয়স ও লিঙ্গ;
(খ) শিশুর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা;
(গ) শিশুর শিক্ষাগত যোগ্যতা বা শিশু কোন শ্রেণিতে অধ্যয়নরত;
(ঘ) শিশুর সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও নৃতাত্ত্বিক অবস্থা;
(ঙ) শিশুর পরিবারের আর্থিক অবস্থা;
(চ) শিশুর ও তাহার পরিবারের জীবন-যাপন পদ্ধতি;
(ছ) অপরাধ সংঘটনের কারণ, দলবদ্ধতা তথ্য, সার্বিক পরিস্থিতি ও পটভূমি;
(জ) শিশুর অভিমত;
(ঝ) সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন; এবং
(ঞ) শিশুর সংশোধন ও সর্বোত্তম স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য আনুষঙ্গিক যে সকল বিষয় বিবেচনার্থে গ্রহণ করা আবশ্যক ও প্রয়োজন।

-শিশু আইন, ২০১৩ এর ৩০ ধারায় শিশু-আদালত কর্তৃক আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে এই ১০টি বিবেচ্য বিষয়ের কথা উল্লেখ আছে।
১,৪১৫.
'Control Delivery' বলতে বোঝায় ____________ ব্যক্তিদের সনাক্ত করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত বিশেষ তদন্ত কৌশল।
  1. মানব পাচার অপরাধ সংঘটনে জড়িত
  2. মানিলন্ডারিং আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটনে জড়িত
  3. বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটনে জড়িত
  4. মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে জড়িত
ব্যাখ্যা
• ‘নিয়ন্ত্রিত বিলি' বিধানটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮ আইনে উল্লেখ রয়েছে।
 
• মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮ এর ২(১৫) ধারায় উল্লেখ আছে-
 
‘নিয়ন্ত্রিত বিলি (Control Delivery)’ অর্থ কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে জড়িত ব্যক্তিদের সনাক্ত করিবার উদ্দেশ্যে পরিচালিত বিশেষ তদন্ত কৌশল, যাহাতে কোনো মাদকদ্রব্য, উহার উৎসবস্তু, উপাদান অথবা মিশ্রণের বেআইনি অথবা সন্দেহজনক চালানকে তদন্তের ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো আইন প্রায়োগকারী সংস্থার (সরকারের) জ্ঞাতসারে ও তত্ত্বাবধানে শেষ গন্তব্য পর্যন্ত পরিবহন ও বিতরণ অথবা হস্তান্তর করিতে দেওয়া যাহার মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত উক্ত মাদকদ্রব্যের উৎস হইতে গন্তব্য পর্যন্ত যাবতীয় কার্যক্রমের সহিত জড়িত সকল অপরাধীকে গ্রেফতার করা যায়।
১,৪১৬.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২-এর ৪(১) ধারার বিধান অনুসারে নিবন্ধক হিসাবে সরকার-
  1. যে কোন ব্যক্তিকে নিয়োগ করতে পারেন
  2. শুধু ব্রাহ্মণ ব্যক্তিকে নিয়োগ করতে পারেন
  3. শুধু হিন্দু ব্যক্তিকে নিয়োগ করতে পারেন
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২-এর ৪(১) ধারার বিধান অনুসারে,

এই আইনের অধীন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে, সরকার, সিটি কর্পোরেশন এলাকার ক্ষেত্রে তদ্কর্তৃক সময় সময় নির্ধারিত এলাকা, এবং সিটি কর্পোরেশন বহির্ভূত এলাকার ক্ষেত্রে প্রতিটি উপজেলা এলাকায় একজন ব্যক্তিকে হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করিবে। 
 
৪(৩) ধারার বিধান অনুসারে,
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্তির যোগ্যতা, অধিক্ষেত্র, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক কর্তৃক আদায়যোগ্য ফিস এবং তৎসংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়াদি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

• হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বিধিমালা, ২০১৩-এর ৫ রুলটিতে প্রার্থীর যোগ্যতা সম্পর্কে বলা আছে। রুল ৫ মোতাবেক হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার যোগ্য হতে হলে প্রার্থীকে-
ক) সরকার কর্তৃক স্বীকৃত বোর্ড হতে HSC পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
খ) কমপক্ষে ২৫ এবং অনূর্ধ্ব ৫০ বছর বয়স হতে হবে।
গ) সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দা হতে হবে।
ঘ) হিন্দু সনাতন ধর্মাবলম্বী হতে হবে (তবে, কাব্যতীর্থ/ব্যাকরণতীর্থ'রা অগ্রাধিকার পাবে।)

উল্লেখ্য যে, আইনে শুধুমাত্র একজন ব্যক্তির কথা বলা হয়েছে, সেই সাথে উল্লেখ করেছে যোগ্যতা বিধি অনুসারে নির্ধারিত হবে।তাই বিধিমালা অনুসারে, অপশন 'গ' উত্তর হিসেবে নেয়া হয়েছে।
১,৪১৭.
স্বামী কর্তৃক দাম্পত্য সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের প্রতিকার চেয়ে সেই পারিবারিক আদলতে মামলা দায়ের করা যাবে না, যে আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের মধ্যে -
  1. স্ত্রী সচরাচর বসবাস করেন না
  2. মামলা দায়েরের কারণ উদ্ভব হয়েছে
  3. মামলা দায়েরের আংশিক কারণ উদ্ভব হয়েছে
  4. মামলার পক্ষগণ একত্রে বসবাস করে বা সর্বশেষ বসবাস করেছেন
ব্যাখ্যা
⇒ Section 6. Institution of suit:
(1) Every suit under this Ordinance shall be instituted by the presentation of a plaint to the Family Court within the local limits of whose jurisdiction- 
(a) the cause of action has wholly or partly arisen; or 
(b) the parties reside or last resided together: 
Provided that in suits for dissolution of marriage, dower or maintenance, the Court within the local limits of whose jurisdiction the wife ordinarily resides shall also have jurisdiction.

অর্থাৎ স্বামী কর্তৃক দাম্পত্য সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের প্রতিকার চেয়ে সেই পারিবারিক আদলতে মামলা দায়ের করা যাবে না, যে আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের মধ্যে স্ত্রী সচরাচর বসবাস করেন না।
১,৪১৮.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর কত ধারায় আদালতকে অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি জব্দ করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৭
  2. ধারা ৮
  3. ধারা ৯
  4. ধারা ১০
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৭- অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, অস্ত্র, ইত্যাদি:
আদালত উপযুক্ত বিবেচনা করিলে, কোন অপরাধ সংঘটনের জন্য ব্যবহৃত কোন যন্ত্রপাতি, অস্ত্র বা যানবাহন, এবং উক্ত অপরাধের দ্বারা সংগৃহীত অর্থ, মালামাল বা সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির বা উহার বৈধ মালিক বা দখলদারের নিকট ফেরত দিবার আদেশ দিতে পারিবে৷
১,৪১৯.
The word 'ostensible owner' refers to -
  1. Owner of property by the decree of the court
  2. Owner of property by one person actually purchased by another member of the family
  3. Owner of the property being unborn person
  4. Ownership by way of feeding the grant by estoppel
ব্যাখ্যা
• Ostensible owner বা প্রতীয়মান মালিক অর্থ হলো যে প্রকৃত মালিক না। প্রতীয়মান মালিক অর্থ এমন একজন ব্যক্তি যে প্রকৃত মালিক না হয়েও যার মালিকানার সকল লক্ষণ আছে। এইরুপ মালিকানার ক্ষেত্রে স্বকার্যজনিত বাধার দ্বারা অশুদ্ধ হস্তান্তর সিদ্ধ হয় [Ownership by way of feeding the grant by estoppel]। 'হস্তান্তর করার কালে স্বত্ব ছিলনা'- হস্তান্তরকারী এইরুপ দাবি করা হতে এই নীতি দ্বারা বারিত হবে।

ধারা ৪১: কৃত্রিম মালিক কর্তৃক হস্তান্তর
যেখানে কোন ব্যক্তি স্থাবর সম্পত্তিতে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতিক্রমে, ঐ সম্পত্তির কৃত্রিম মালিকে পরিণত হয় এবং মূল্যের বিনিময়ে সে তা হস্তান্তর করে, সেখানে গ্রহীতা হস্তান্তরকারীর হস্তান্তরের ক্ষমতা নির্ধারণের জন্য যুক্তিসঙ্গত সাবধানতা অবলম্বন করে থাকলে এবং সৎ বিশ্বাসে কাজ করে থাকলে, হস্তান্তরকারীর হস্তান্তরের ক্ষমতা ছিল না, এই যুক্তিতে হস্তান্তর বাতিলযোগ্য হবে না।

Section 41: Transfer by ostensible owner
Where, with consent, express or implied, of the persons interested in immoveable property, a person is the ostensible owner of such property and transfers the same for consideration, the transfer shall not be voidable on the ground that the transferor was not authorised to make it: provided that the transferee, after taking reasonable care to ascertain that the transferor had power to make the transfer, has acted in good faith.
১,৪২০.
বিলম্বিত দেনমোহরের অপর নাম কী?
  1. আশু দেনমোহর
  2. মুয়াজ্জল দেনমোহর
  3. মুঅজ্জল দেনমোহর
  4. জরুরি দেনমোহর
ব্যাখ্যা

দেনমোহর:
দেনমোহর হচ্ছে প্রত্যেক বিবাহিত মুসলিম নারীর আইনগত অধিকার যা পুরুষ কর্তৃক পরিশোধ করা বাধ্যতামূলক। অন্য ভাষায় বলা যায়, দেনমোহর হচ্ছে স্ত্রীর নিকট স্বামীর জামানতবিহীন ঋণ যা পরিশোধ করা শুধু কর্তব্যই না বরং বাধ্যতামূলক।

দেনমোহরের প্রকারভেদ:
মুসলিম শরীয়াহ আইন অনুযায়ী, দেনমোহর দুই ধরনের হয়ে থাকে। একটি হচ্ছে মুয়াজ্জল বা আশু দেনমোহর যা স্ত্রী দাবী করা মাত্র স্বামী পরিশোধ করতে বাধ্য থাকবে। মুয়াজ্জল দেনমোহর আবার তাৎক্ষণিক দেনমোহর হিসেবেও পরিচিত।

আরেক ধরনের দেনমোহর হচ্ছে মুঅজ্জল বা বিলম্বিত দেনমোহর। এ দেনমোহর শুধুমাত্র তালাক বা স্বামীর মৃত্যুর মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটলে দাবী করা যায়। অন্যথায়, মুঅজ্জল দেনমোহর দাবী করা যায় না।

দেনমোহর কখন নির্ধারণ করতে হয়:
দেনমোহর বিবাহের সময়, পূর্বে বা পরে যে কোন সময় নির্ধারণ করা যায়। এক্ষেত্রে কোন ধরা বাঁধা নিয়ম নেই। তবে দেনমোহর ব্যতীত কোন বিবাহ সম্পন্ন হতে পারে না। স্ত্রী যদি স্বেচ্ছায় দেনমোহর মাফ করে দেন তবে সেটা ব্যতিক্রম বিষয়। অন্যথায়, দেনমোহরের অস্তিত্ব বাধ্যতামূলক।

১,৪২১.
নির্বাচন কমিশন কীভাবে কাজ করবে?
  1. সংসদের নির্দেশে
  2. প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে
  3. আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে
  4. সংবিধান ও আইনের অধীন স্বাধীনভাবে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১৮: নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা:
(১) প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে এবং উক্ত বিষয়ে প্রণীত কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করিবেন।

(২) একাধিক নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া নির্বাচন কমিশন গঠিত হইলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার তাহার সভাপতিরূপে কার্য করিবেন।

(৩) এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে কোন নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ তাঁহার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরকাল হইবে এবং
(ক) প্রধান নির্বাচন কমিশনার-পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন, এমন কোন ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না;
(খ) অন্য কোন নির্বাচন কমিশনার অনুরূপ পদে কর্মাবসানের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনাররূপে নিয়োগলাভের যোগ্য হইবেন, তবে অন্য কোনভাবে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।

(৪) নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন এবং কেবল এই সংবিধান ও আইনের অধীন হইবেন।

(৫) সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ হইবে; তবে শর্ত থাকে যে, সুপ্রীম কোর্টের বিচারক যেরূপ পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হইতে পারেন, সেইরূপ পদ্ধতি ও কারণ ব্যতীত কোন নির্বাচন কমিশনার অপসারিত হইবেন না।

(৬) কোন নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।
১,৪২২.
The Contract Act, 1872 এর বিধান মতে Coercion-এর মাধ্যমে সম্মতি আদায় করলে সে চুক্তি -
  1. বৈধ
  2. বাতিল
  3. বাতিলযোগ্য
  4. অবৈধ
ব্যাখ্যা

⇒ The Contract Act, 1872 এর ধারা ১৫ ও ১৯ অনুসারে, Coercion (প্রতারণা বা বলপ্রয়োগ) -এর মাধ্যমে কোনো চুক্তি সম্পাদিত হলে তা বাতিলযোগ্য (Voidable) হয়।
এর অর্থ হলো, যে পক্ষটির সম্মতি জবরদস্তিমূলকভাবে নেওয়া হয়েছে, সেই পক্ষ চুক্তিটি বাতিল করার অধিকারী। তবে চুক্তিটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল (Void) বা অবৈধ (Illegal) নয়, যতক্ষণ না ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ তা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয়।

আইনের সংশ্লিষ্ট ধারাগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো:
ধারা ১৪ অনুযায়ী, সম্মতি তখনই মুক্ত বা স্বাধীন (free consent) বলে গণ্য হয় যখন তা বলপ্রয়োগ (coercion), অনুচিত প্রভাব (undue influence), প্রতারণা (fraud), মিথ্যা বর্ণনা (misrepresentation) বা ভুল (mistake) দ্বারা প্রভাবিত না হয়।

ধারা ১৫ অনুযায়ী, Coercion (বলপ্রয়োগ) বলতে বোঝায় বাংলাদেশ দণ্ডবিধি অনুযায়ী নিষিদ্ধ কোনো কাজ করা বা করার হুমকি দেওয়া, অথবা কোনো ব্যক্তির স্বার্থহানি করে বেআইনিভাবে কোনো সম্পত্তি আটক করা বা আটকের হুমকি দেওয়া, যার উদ্দেশ্য হলো কোনো ব্যক্তিকে চুক্তিতে আবদ্ধ হতে বাধ্য করা।

ধারা ১৯ অনুযায়ী, যখন কোনো চুক্তিতে সম্মতি বলপ্রয়োগ (Coercion), অনুচিত প্রভাব (Undue influence), প্রতারণা (Fraud) বা ভুল তথ্য পরিবেশন (Misrepresentation)-এর মাধ্যমে আদায় করা হয়, তখন সেই চুক্তিটি সেই পক্ষের ইচ্ছাধীন বাতিলযোগ্য হয়, যার সম্মতি এভাবে আদায় করা হয়েছে। অর্থাৎ, যে পক্ষের উপর বলপ্রয়োগ করা হয়েছে, তিনি চাইলে চুক্তিটি বাতিল করতে পারেন, তবে অপর পক্ষ তা বাতিল করতে পারে না।

অর্থাৎ The Contract Act, 1872 এর বিধান মতে Coercion (বলপ্রয়োগ বা জবরদস্তি)-এর মাধ্যমে সম্মতি আদায় করলে সে চুক্তি গ) বাতিলযোগ্য (Voidable) হয়। 

১,৪২৩.
'মোকদ্দমায় বিচারকের কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকলে, এখতিয়ার থাকা সত্ত্বেও উক্ত বিচারক ঐ মামলার শুনানী করতে পারবেন না।'- কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধি,১৯০৮ এর ৩৬ ধারায়
  2. Civil Courts Act,1887 এর ৩৮ ধারায়
  3. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৩৯ ধারায়
  4. Civil Courts Act,1887 এর ৩৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
Civil Courts Act,1887 এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী-

কোন বিচারক যদি মোকদ্দমার কোন পক্ষ হন বা ব্যক্তিগতভাবে তাঁর কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকে, অথবা কোন আপিল এমন ডিক্রি থেকে হয় যা ঐ বিচারক ঘোষণা করেছিলেন; তাহলে উক্ত বিচারকের শুনানী করে এখতিয়ার থাকা সত্ত্বেও তিনি ঐ মামলা বা আপীলের শুনানী করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে জেলা জজ তাঁর স্থানীয় সীমার মধ্যে মামলা বা আপিল এক আদালত থেকে অন্য আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।
 
• Section 38: Judges not to try suits in which they are interested-
 
(1) The presiding officer of a Civil Court shall not try Judges not to any suit or other proceeding to which he is a party or in which which they are he is personally interested. 
(2) The presiding officer of an appellate Civil Court under this Act shall not try an appeal against a decree or order passed by himself in another capacity.
(3) When any such suit, proceeding or appeal as is referred to in sub-section (1) or sub-section (2) comes before any such officer, the officer shall forthwith transmit the record of the case to the Court to which he is immediately subordinate, with a report of the circumstances attending the reference.
(4) The superior Court shall thereupon dispose of the case under [section 24 of the Code of Civil Procedure. 1908].
(5) Nothing in this section shall be deemed to affect the extraordinary original civil jurisdiction of the High Court Division.
১,৪২৪.
যদি কোনো ব্যক্তি কোনো চুক্তি কার্যকর করার ক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও চুক্তিতে আবদ্ধ হয় এবং পরবর্তীকালে যদি এ চুক্তি কার্যকর করার ক্ষমতা অর্জন করে, তাহলে সে ঐ চুক্তি কার্যকর করতে বাধ্য থাকবে- কোন নীতির মূল কথা?
  1. Doctrine of priority
  2. Doctrine of estoppel
  3. Doctrine of Accumulation
  4. Doctrine of Marshalling
ব্যাখ্যা
Feeding the grant by estoppel নীতিটি হলো, যদি কোনো ব্যক্তি কোনো চুক্তি কার্যকর করার ক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও চুক্তিতে আবদ্ধ হয় এবং পরবর্তীকালে যদি এ চুক্তি কার্যকর করার ক্ষমতা অর্জন করে, তাহলে সে ঐ চুক্তি কার্যকর করতে বাধ্য থাকবে। সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৩ ধারা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারার মত Feeding the grant by estoppel নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত।

৪৩ ধারা অনুসারে, যেখানে কোনো ব্যক্তি প্রতারণামূলকভাবে বা ভুলক্রমে প্রকাশ করে যে, সে কোনো নির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের জন্য ক্ষমতাবান এবং মূল্যের বিনিময়ে তা হস্তান্তরের ঘোষণা করে, সেখানে পরবর্তীকালে এই চুক্তি বহাল থাকার সময় সে যদি ঐ সম্পত্তিতে কোনো স্বত্ব অর্জন করে, তাহলে হস্তান্তর গ্রহীতার ইচ্ছা অনুসারে এই হস্তান্তর তার এই পরবর্তীকালে অর্জিত স্বত্বের উপর বলবৎ হবে।

Section 43: Transfer by unauthorised person who subsequently acquires interest in property transferred-
Where a person fraudulently or erroneously represents that he is authorised to transfer certain immoveable property and professes to transfer such property for consideration, such transfer shall, at the option of the transferee, operate on any interest which the transferor may acquire in such property at any time during which the contract of transfer subsists. 
 
Nothing in this section shall impair the right of transferees in good faith for consideration without notice of the existence of the said option. 
 
Illustration 
A, a Hindu, who has separated from his father B, sales to C three fields, X, Y and Z, representing that A is authorised to transfer the same. Of these fields Z does not belong to A, it having been retained by B on the partition; but on B's dying A as heir obtains Z. C, not having rescinded the contract of sale, may require A to deliver Z to him.
১,৪২৫.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ৯খ অনুযায়ী বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে যৌনকর্ম করলে সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৫ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১৪ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৯খ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি দৈহিক বলপ্রয়োগ ব্যতীত বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে ১৬ বছরের অধিক বয়সের কোনো নারীর সঙ্গে যৌনকর্ম করেন এবং ঘটনার সময় উক্ত ব্যক্তির সঙ্গে নারীর আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকে, তাহলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবেন। সঠিক উত্তর: খ) ৭ বছর।

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৯খ বিয়ের প্রলোভনের মাধ্যমে যৌনকর্ম করিবার দণ্ড:
- যদি কোন ব্যক্তি দৈহিক বলপ্রয়োগ ব্যতীত বিবাহের প্রলোভন দেখাইয়া ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সংগে যৌনকর্ম করেন এবং যদি উক্ত ঘটনার সময় উক্ত ব্যক্তির সহিত উক্ত নারীর আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

১,৪২৬.
The Civil Courts Act, 1887 অনুযায়ী স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের কোন ধরণের নিয়ন্ত্রণ থাকবে?
  1. বিচারিক
  2. প্রশাসনিক
  3. প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক
  4. বিচারিক ও দাপ্তরিক
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রন থাকবে।

Section 9: Administrative control of Courts-
Subject to the superintendence of the High Court Division, the District Judge shall have administrative control over all the Civil Courts under this Act within the local limits of his jurisdiction.
১,৪২৭.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কত ধারায় পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশির ক্ষমতার বিধান আছে?
  1. ধারা ১৯
  2. ধারা ২১
  3. ধারা ২৩
  4. ধারা ২৫
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ২৩- পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশি, ইত্যাদির ক্ষমতা:
(১) মহাপরিচালক অথবা তাহার নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে সাধারণ অথবা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো অফিসার, অথবা পুলিশের উপ-পরিদর্শক অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসার অথবা কাস্টমসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা] অথবা সমমানসম্পন্ন অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসার অথবা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের ল্যান্স নায়ক অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসার অথবা কোস্ট গার্ড বাহিনীর পেটি অফিসার অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসারের এইরূপ বিশ্বাস করিবার কোনো কারণ থাকে যে, কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ কোনো স্থানে সংঘটিত হইয়াছে, হইতেছে অথবা হইবার আশংকা রহিয়াছে, তাহা হইলে তিনি অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া লাইসেন্স প্রিমিজেস ব্যতীত, যে কোনো সময়-ঃ
 
(ক) উক্ত স্থানে প্রবেশ করিয়া তল্লাশি করিতে পারিবেন এবং প্রবেশে বাধাপ্রাপ্ত হইলে, বাধা অপসারণের জন্য দরজা-জানালা ভাঙ্গাসহ যে-কোনো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবেন;

(খ) উক্ত স্থানে তল্লাশিকালে প্রাপ্ত মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে ব্যবহার্য মাদকদ্রব্য অথবা বস্তু এই আইনের অধীন আটক অথবা বাজেয়াপ্তযোগ্য বস্তু এবং কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ প্রমাণে সহায়ক কোনো দলিল, দস্তাবেজ অথবা জিনিসপত্র আটক করিতে পারিবেন;

(গ) উক্ত স্থানে উপস্থিত যে-কোনো ব্যক্তির দেহ তল্লাশি করিতে পারিবে; এবং

(ঘ) উক্ত স্থানে উপস্থিত কোনো ব্যক্তিকে কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ করিয়াছেন অথবা করিতেছেন বলিয়া সন্দেহে গ্রেফতার করিতে পারিবেন।

(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সূর্যাস্ত হইতে সূর্যোদয় পর্যন্ত সময়ের মধ্যে কোনো স্থানে প্রবেশ করিয়া তল্লাশি পরিচালনা না করিলে মাদকদ্রব্য অপরাধ সম্পর্কীয় কোনো বস্তু নষ্ট অথবা লুপ্ত হইবার অথবা অপরাধী পালাইয়া যাইবার আশংকা রহিয়াছে বলিয়া উক্ত উপ-ধারায় উল্লিখিত কোনো অফিসারের বিশ্বাস করিবার সংগত কারণ থাকিলে অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া তিনি উক্ত সময়ের মধ্যে উক্ত স্থানে প্রবেশ ও তল্লাশি করিতে পারিবে।
১,৪২৮.
একজন হানাফি মুসলিম ২০২১ সালে ৪ স্ত্রী ও পিতাকে রেখে মারা যান। তার সম্পত্তি বণ্টনের ক্ষেত্রে নিম্নের কোন হিসাবটি সঠিক?
  1. পিতা ৫/৫, ৪ স্ত্রী একত্রে ১/৬
  2. পিতা ২/৩৪ স্ত্রী একত্রে ১/৩
  3. পিতা ৭/৮, ৪ স্ত্রী একত্রে ১/৮
  4. পিতা ৩/৪, ৪ স্ত্রী একত্রে ১/৪
ব্যাখ্যা
⇒ স্ত্রীর অংশ:
স্ত্রী দুটি অবস্থায় সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়।
ক) ১/৪ অংশ; ও খ) ১/৮ অংশ;

ক. যদি মৃত ব্যক্তি কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান না রেখে মারা যায়, তাহলে স্ত্রী মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পত্তির ১/৪ অংশ পাবে। 

খ. যদি মৃত ব্যক্তি কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান রেখে মারা যায়, তাহলে স্ত্রী মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পত্তির ১/৮ অংশ পাবে।

♦ যদি একাধিক স্ত্রী থাকে তাহলে সব স্ত্রী মিলে ১/৪ অংশ বা ক্ষেত্র বিশেষে ১/৮ অংশ সম্পত্তি পাবে যেন একজন স্ত্রী বিদ্যমান আছে।

⇒ সন্তান না থাকলে স্ত্রীর অংশ- ১/৪ অংশ, অর্থাৎ স্ত্রী ১/৪ অংশ অনুপাতে সম্পত্তি পায়।
- এখানে এই ব্যক্তির যেহেতু সন্তান নেই ৪ জন স্ত্রী একই সাথে ১/৪ অংশ হারে সম্পতি পাবে।
- বাকি (১-১/৪ অংশ) অর্থাৎ ৩/৪ অংশ পিতা- আসাবা হিসাবে পাবে।
১,৪২৯.
"Imprisonment" shall mean imprisonment of either description as defined in ________.
  1. the Code of Criminal Procedure
  2. the Penal Code
  3. the Code of Civil Procedure
  4. all of above
ব্যাখ্যা
• Section 3(26) of The General Clauses Act,1897- "Imprisonment" shall mean imprisonment of either description as defined in the Penal Code:

ধারা ৩(২৬): কারাদন্ড
"কারাদণ্ড” অর্থে দণ্ডবিধি (সনের ৪৫ নং আইন) তে সংজ্ঞায়িত যে কোন বর্ণনার কারাদণ্ড বুঝাইবে।
১,৪৩০.
মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের অপরাধ বিচারকালে মানব পাচার প্রতিরোধ ট্রাইব্যুনাল কারণ লিপিবদ্ধ করে মূল মামলার বিচার-
  1. চলমান রাখতে পারে
  2. স্থগিত করতে পারে
  3. বাতিল করতে পারে
  4. খারিজ করতে পারে
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ ধারা ১৫- মিথ্যা মামলা বা মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের দণ্ড:

(১) কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধন করিবার উদ্দেশ্যে এই আইনের অধীন মিথ্যা বা হয়রানিমূলক মামলা বা মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করিলে বা আইনি প্রক্রিয়ার অপব্যবহার করিলে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে তাহা করিতে বাধ্য করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর এবং অন্যূন ২ (দুই) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
 
(২) এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত ট্রাইব্যুনাল কোন লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অথবা তাহার স্বীয় ক্ষমতায় উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত অপরাধ আমলে লইয়া তাহার বিচার শুরু করিতে পারিবে এবং প্রয়োজনে, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, মূল মামলার বিচার স্থগিত করিতে পারিবে।
১,৪৩১.
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর ধারা ৭ অনুযায়ী অবৈধ দখলের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা

ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩- ধারা ৭: অবৈধ দখল প্রতিরোধ ও দণ্ড:
(১) State Acquisition and Tenancy Act, 1950 (Act No. XXVIII of 1951) এর section 143 বা 144 এর অধীন প্রণীত হালনাগাদকৃত বলবৎ সর্বশেষ খতিয়ান মালিক অথবা তাহার নিকট হইতে উত্তরাধিকারসূত্রে বা হস্তান্তর বা দখলের উদ্দেশ্যে আইনানুগভাবে সম্পাদিত দলিল বা আদালতের আদেশের মাধ্যমে মালিকানা বা দখলের অধিকার প্রাপ্ত না হইলে, কোনো ব্যক্তি উক্ত ভূমি স্বীয় দখলে রাখিতে পারিবেন না।

(২) আইনানুগভাবে দখলের অধিকারপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তিকে উপযুক্ত আদালত বা কর্তৃপক্ষের আদেশ ব্যতীত তাহার দখলীয় ভূমি হইতে উচ্ছেদ বা দখলচ্যুত করা যাইবে না এবং তাহাকে উক্ত ভূমির দখল বা উহাতে প্রবেশে বাধা প্রদান করা যাইবে না।

(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) বা (২) এর বিধান লংঘন করেন, তাহা হইলে তাহার অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ২(দুই) বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, উত্তরাধিকারসূত্রে বা হস্তান্তরের মাধ্যমে মালিকানাপ্রাপ্ত ভূমির দখলদার ব্যক্তি রেকর্ড সংশোধন বা স্বীয় স্বত্ব ঘোষণার দাবিতে মামলা বা অন্য কোনো কার্যধারা দায়ের করিয়া থাকিলে তাহার উক্ত কার্য এই ধারার অধীন অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে না।

১,৪৩২.
"Stare decisis et non quieta movere" ম্যাক্সিমের মূল কথা কী? 
  1. নতুন সিদ্ধান্ত তৈরি করা
  2. পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত বাতিল করা
  3. পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত অনুসরণ করা
  4. আদালতের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করা
ব্যাখ্যা

⇒ “Stare decisis et non quieta movere” একটি ল্যাটিন লিগ্যাল ম্যাক্সিম, যার আক্ষরিক অর্থ হলো — “যা স্থিরীকৃত তা অনুসরণ করো এবং স্থির অবস্থাকে অশান্ত করো না” বা সহজভাবে “পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত অনুসরণ করো এবং স্থির বিষয়গুলোকে অশান্ত করো না”।

- এই ম্যাক্সিমের মূল কথা হলো পূর্ববর্তী আদালতের সিদ্ধান্ত (precedent)-কে সম্মান করা এবং একই ধরনের ঘটনা বা আইনি প্রশ্নে পূর্ববর্তী রায় অনুসরণ করা। এটি আইনের স্থিতিশীলতা (stability), নিশ্চয়তা (certainty) এবং ন্যায়বিচারের ধারাবাহিকতা (consistency) নিশ্চিত করে।
- এটি প্রিসেডেন্ট (নজির) এর আইনী মতবাদের মূল ভিত্তি। এর মাধ্যমে: আদালত পূর্ববর্তী উচ্চতর বা সমপর্যায়ের আদালতের সিদ্ধান্ত অনুসরণ করতে বাধ্য হয়। একই ধরনের মামলায় একই আইনী নীতি প্রয়োগ করা হয়, যা আইনী নিশ্চিততা ও সামঞ্জস্য বজায় রাখে।
আইনী ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা, অনুমানযোগ্যতা ও সুবিচার নিশ্চিত করে।
- নিম্ন আদালত উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্ত অনুসরণ করে।একই আদালত তার নিজের পূর্বের সিদ্ধান্ত অনুসরণ করে (যদি না গুরুতর কারণে তা পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়)। এই নীতির মাধ্যমে আইনী ধারাবাহিকতা ও ন্যায়বিচারের স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

১,৪৩৩.
The Special Powers Act, 1974 এর কোন ধারায় মৃত্যুদণ্ডের আদেশ গুলি করে কার্যকরের বিধান আছে?
  1. 31
  2. 34A
  3. 34
  4. এমন কোন বিধান নেই
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারামতে কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হলে দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকিবে যে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তাকে তার গলায় ফাঁসি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
-তবে ২০১০ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় আদালত ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দিয়েছিল।

- ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের (Special Powers Act, 1974) ৩৪ক ধারামতে ২ ভাবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যাবে। যথা- i) ফাঁসি দিয়ে; অথবা ii) গুলি করে।
১,৪৩৪.
'Doctrine of Frustration' কোন আইনের বিধান দ্বারা অনুমিত?
  1. The Transfer of property Act, 1882
  2. The Contract Act, 1872
  3. The Registration Act, 1908
  4. The Limitation Act, 1908
ব্যাখ্যা
• যখন একটি চুক্তি পালন অসম্ভব হয়ে পড়ে অথবা প্রতিশ্রুতিদাতার নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত কোনো ঘটনার ফলে চুক্তিটির বাস্তবায়ন অবৈধ হয়ে দাঁড়ায়, তখন চুক্তিটি বাতিল ও বিলুপ্ত হয়ে যায় এটা Doctrine of frustration পরিচিত।

• চুক্তি আইনের ধারা ৫৬ অসম্ভব কাজ করার চুক্তি: 
-যে কাজ শুরু হতে অসম্ভব সে কাজ করার চুক্তি বাতিল।
- কোনো কাজ করার চুক্তি যা, চুক্তিটি করার পর অসম্ভব হয় বা যে ঘটনা অঙ্গীকারকারী বারণ করতে পারেনি সে ঘটনার কারণে বেআইনি হয়, সে চুক্তি যখন অসম্ভব বা বেআইনি হয় তখন বাতিল হয়।
- যেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি এমন কোনো কিছু করার অঙ্গীকার করেছে, যা সে জানতো বা যুক্তিসঙ্গত চেষ্টা করে জানতে পারতাে এবং যা অঙ্গীকারগ্রহীতা অসম্ভব বা বেআইনি বলে জানতে পারত না, সেক্ষেত্রে উক্ত অঙ্গীকারকারীর অঙ্গীকার অসম্পাদনের মাধ্যমে উক্ত অঙ্গীকারগ্রহীতার যে ক্ষতি হয় সেজন্য তাকে অবশ্যই ক্ষতিপূরণ দিবে।

• ব্যর্থতা তত্ত্ব (The Doctrime of Frustration): যখন একটি চুক্তির উদ্দেশ্য আর কোনভাবেই সম্পাদন বা বাস্তবায়ন করা যায় না, তখন আদালত চুক্তির পরিসমাপ্তি হয়েছে বলে ঘোষণা দিতে পারে, এরূপ ঘোষণাকে ব্যর্থতার তত্ত্ব বলা হয়।

এ্যানসন (Anson) সকল আইন ব্যবস্থাতেই চুক্তি পালনের নিয়মের পাশা-পাশি চুক্তি অবসানের বিধানও থাকে, যদি অবস্থা বিশেষের পরিবর্তনের ফলে চুক্তির পালন আইনত কিংবা বাস্তবে অসম্ভব হয়।

ব্যর্থতার তত্ত্ব সম্পর্কে বৃটেনের আইন: ১৮৬৩ সালের পূর্বে বৃটিশ Common Law অনুযায়ী চুক্তিতে বিপরীত মর্মে কোন শর্ত না থাকলে চুক্তির সংশিষ্ট পক্ষসমূহ চুক্তি পালনের অসম্ভাব্যতাকে চুক্তির পরিসমাপ্তির কারণ বলে আত্মপক্ষ সমর্থনের যুক্তি হিসেবে ব্যবহার করতে পারতো না। অর্থাৎ সকল চুক্তি আক্ষরিক অর্থে প্রযোজ্য হতো এবং সকল পক্ষই চুক্তি সম্পাদন করতে সর্বোতভাবে বাধ্য থাকতো।

১৮৬৩ সালের পর ব্যর্থতা তত্ত্বের প্রচলন শুরু হয় এবং এই তত্ত্বানুযায়ী অনেক ক্ষেত্রে আদালত ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিকে রেহাই দেয়। নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে বৃটেনের আদালত চুক্তি নষ্ট হয়েছে বলে রায় দিতে পারে:-

ক) চুক্তির অপরিহার্য বস্তুর বিনাশ হলে;
খ) কোন উদ্দেশ্য অর্জন অসম্ভব হলে;
গ) আইনের পরিবর্তন হলে;
ঘ) পূর্বশর্ত পালনে ব্যর্থ হলে:
ঙ) মৃত্যু বা ব্যক্তিগত ক্ষমতা বিনষ্ট হলে; এবং
চ) যুদ্ধ ঘোষিত হলে।

• ব্যর্থতা তত্ত্বের ভিত্তি (Basis of the Doctrine of Furstration): বৃটেনের আইন অনুসারে আদালত নিম্নলিখিত অবস্থায় ব্যর্থতা তত্ত্ব প্রয়োগের মাধ্যমে চুক্তির পরিসমাপ্তির নির্দেশ দিয়েছেন :-
১. ধারণামূলক শর্ত: কোন কোন ক্ষেত্রে এই ধারণা করা হয় যে, প্রত্যেক চুক্তি পালিত না হওয়া পর্যন্ত একটি বিশেষ বস্তু বা অবস্থার উপস্থিতি বিদ্যমান থাকা আবশ্যিক বলে মনে করা হয়, ঐ অবস্থার অস্তিত্ব থাকলেই চুক্তি সম্পাদনযোগ্য অন্যথায় নয়। সুতরাং চুক্তি পালনের জন্য উক্ত বস্তু বা অবস্থা বিদ্যমান থাকা অপরিহার্য।
২. চুক্তির ভিত্তি ধ্বংস: যদি চুক্তিভুক্ত পক্ষসমূহের বিনা দোষে যে বস্তু বা অবস্থার উপর ভিত্তি করে চুক্তি সম্পাদন হয়েছিল, সই ভিত্তি বস্তু বা অবস্থা ধ্বংস হয়ে যায়, তবে তা ব্যর্থতা তত্ত্বের আওতায় আসবে।
৩. ন্যায়সঙ্গত সমাধান: চুক্তির গঠন এবং ব্যাখ্যার প্রকৃতি দ্বারা অর্থাৎ চুক্তিতে যদি এমন শর্ত বা অবস্থার উলে-খ থাকে যা ঘটলে চুক্তি বাতিল হবে, সেক্ষেত্রে অন্তর্নিহিত অর্থ দ্বারাই ন্যায়সঙ্গত সমাধান হবে অর্থাৎ চুক্তি বাতিল হবে।
৪. শর্তের পরিবর্তন: যে ক্ষেত্রে আদালত দেখতে পায় যেসব অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে একটি চুক্তি পালনীয় হবে যেসব অবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটেছে এবং এই পরিবর্তনের জন্য কোন পক্ষই দায়ী ছিল না। সেক্ষেত্রে চুক্তি ব্যর্থ হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।
১,৪৩৫.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ধারা ৫ অনুযায়ী, একজন আটক ব্যক্তির আটক স্থান নির্ধারণের কর্তৃপক্ষ কে?
  1. পুলিশ 
  2. আদালত
  3. সরকার
  4. স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল
ব্যাখ্যা

⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ধারা ৫ অনুযায়ী, সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে নির্ধারণ করে যে, আটক ব্যক্তিকে কোন স্থানে রাখা হবে এবং কোন শর্তাবলীর অধীনে রাখা হবে।

⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ এর ধারা ৫: আটক স্থান ও আটক অবস্থার শর্তাবলী নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা:
যে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আটকাদেশ জারি করা হইয়াছে, সেই ব্যক্তি বাধ্য থাকিবেন-
(ক) এমন স্থানে আটক থাকিতে এবং এমন শর্তাবলীর অধীন থাকিতে, যার মধ্যে শৃঙ্খলা ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য শাস্তির শর্তও অন্তর্ভুক্ত, যাহা সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারেন; এবং
(খ) সরকার কর্তৃক আদেশ প্রদানের মাধ্যমে এক স্থান হইতে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হইবার জন্য।
------------
⇒ The Special Powers Act, 1974, Section-5. Power to regulate place and conditions of detention:
Every person in respect of whom a detention order has been made shall be liable- 
(a) to be detained in such place and under such conditions, including conditions as to discipline and punishment for breaches of discipline, as the Government may, by general or special order specify; and 
(b) to be removed from one place of detention to another place of detention by order of the Government.

১,৪৩৬.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 অনুসারে খসড়া স্বত্বলিপি প্রকাশ হলে কার নিকট আপিল দায়ের হয়?
  1. ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল
  2. সহকারী কমিশনার (ভূমি)
  3. সহকারী জজ
  4. সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার
ব্যাখ্যা
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act 1950 এর ১৪৪ ধারার অধীন সরকার কোন জেলা, জেলার অংশ বা স্থানীয় এলাকার জন্য রাজস্ব কর্মকর্তা [Revenue Officer) দ্বারা খতিয়ান প্রস্তুত বা সংশোধন করার আদেশ দিতে পারে।
- যখন ১৪৪ ধারার বিধান অনুযায়ী কোন খতিয়ান প্রস্তুত বা সংশোধন করা হয়, রাজস্ব কর্মকর্তা উক্ত খতিয়ানের একটি খসড়া নির্ধারিত সময়ের জন্য প্রকাশ করবে। রাজস্ব কর্মকর্তা উক্ত খসড়া সম্পর্কে আপত্তি গ্রহণ এবং বিবেচনা করবে।

- ধারা ১৪৪ (৬) এ বলা আছে,
রাজস্ব কর্মকর্তা  কর্তৃক আপত্তি শুনানী শেষে রাজস্ব কর্মকর্তার আদেশ দ্বারা কোন ব্যক্তি সংক্ষুব্ধ হলে সে সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসারের পদ মর্যাদার নীচে নয় এইরুপ কোন রাজস্ব কর্মকর্তার নিকট আপীল করতে পারবে।

অর্থাৎ, ১৪৪ ধারায় প্রকাশিত খসড়া খতিয়ানের বিষয়ে আপত্তি দাখিল করতে হবে রাজস্ব কর্মকর্তার নিকট এবং উক্ত আপত্তি শুনানী শেষে রাজস্ব কর্মকর্তা যে আদেশ দিবে, সেটার বিরুদ্ধে আপীল করতে হবে সহকারী সেটেলমেন্ট কর্মকর্তার নিচের পদমর্যাদার নিচে নয় এমন রাজস্ব কর্মকর্তার নিকট।
১,৪৩৭.
The Transfer of Property Act, 1882 এর কত ধারায় 'Right to foreclosure or sale' সম্পর্কে বলা আছে?
  1. ৪২
  2. ৫৭
  3. ৫১
  4. ৬৭
ব্যাখ্যা
Section 67:
In the absence of a contract to the contrary, the mortgagee has at any time after the mortgage-money has become due to him, and before a decree has been made for the redemption of the mortgaged property, or the mortgage-money has been paid or deposited as hereinafter provided, a right to obtain from the Court a decree that the mortgagor shall be absolutely debarred of his right to redeem the property, or a decree that the property be sold.

ফোরক্লোজার [Foreclosure]:

রেহেনদাতার রেহেনী সম্পত্তি রেহেনমুক্ত করার অধিকার সম্পূর্ণরূপে রহিত করাকে ফোরক্লোজার বলে। ফোরক্লোজারের অধিকার প্রয়োগের জন্য আদালতে (৬০ বছরের মধ্যে- আর্টিকেল ১৪৭; লিমিটেশন এক্ট) মামলা করার প্রয়োজন হয়। আদালতের ডিক্রির মাধ্যমে তা কার্যকর হবে।
রেহেন সম্পত্তি উদ্ধারের অধিকার হরণ বা বিক্রয়ের অধিকার: ৬৭ ধারা অনুযায়ী- রেহেনী অর্থ পরিশোধযোগ্য হওয়ার পর রেহেনদাতা তা পরিশোধ না করলে রেহেনী অর্থ আদায়ের জন্য রেহেনগ্রহীতা আদালত হতে ২ ধরনের ডিক্রি পেতে পারেন। অর্থাৎ রেহেনী অর্থ আদায়ের পদ্ধতি ২টি:-

i) রেহেনদাতার রেহেনী সম্পত্তি রেহেনমুক্ত করার অধিকার সম্পূর্ণরূপে রহিত করে বা,
ii) রেহেনী সম্পত্তি বিক্রয়ের [Sale] দ্বারা প্রতিকার।

বিঃদ্র: সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে যে ৬ প্রকার রেহেনের কথা উল্লেখ আছে তার মধ্যে শুধুমাত্র দুই প্রকার রেহেনের ক্ষেত্রে Foreclosure এর অধিকার প্রয়োগ করতে পারে:
i) শর্তসাপেক্ষে বিক্রয় রেহেন ধারা ৫৮ (সি) এবং
ii) শ্রেণীবিহীন রেহেনের ধারা ৫৮(জি)] ক্ষেত্রে রেহেনি দলিলে [Mortgage Deed] ফোরক্লোজারের অধিকার দেওয়া থাকলে রেহেনগ্রহীতা ফোরক্লোজারের অধিকার
প্রয়োগ করতে পারে।
১,৪৩৮.
পারিবারিক আদালতের ডিক্রিকৃত টাকা আদায়ের জন্য দায়িককে অনধিক কত মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড দেয়া যায়?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ২ মাস
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালতের ডিক্রিকৃত টাকা আদায়ের জন্য দায়িক (judgement debtor)-কে ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া যায়।
 
• পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ,১৯৮৫ আইন রহিত করে পারিবারিক আদালত আইন,২০২৩ প্রনীত হয়। এটি ২০২৩ সনের ২৬ নং আইন।
 
ধারা ১৭- ডিক্রি বলবৎকরণ:
 
(১) পারিবারিক আদালত নির্ধারিত ফরমে ও পদ্ধতিতে ডিক্রি প্রদান করিবে এবং উহার বিবরণ নির্ধারিত ডিক্রি রেজিস্টার বহিতে লিপিবদ্ধ করিবে।
 
(২) যদি ডিক্রির দাবি পূরণকল্পে আদালতের সম্মুখে কোনো অর্থ পরিশোধ করা হয় বা কোনো সম্পত্তি হস্তান্তর করা হয়, তাহা হইলে উপরিউক্ত রেজিস্ট্রারে অনুরূপ পরিশোধ বা হস্তান্তরের বিষয় লিপিবদ্ধ করিতে হইবে।
 
(৩) যেক্ষেত্রে ডিক্রি অর্থ পরিশোধ সম্পর্কিত হয় এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ে ডিক্রিকৃত অর্থ পরিশোধিত না হয়, সেইক্ষেত্রে উক্তরূপ নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হইবার ১ (এক) বৎসরের মধ্যে ডিক্রিদার কর্তৃক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ডিক্রিটি বাস্তবায়ন করা হইবে, যথা :
 
(ক) দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন কোনো দেওয়ানি আদালত কর্তৃক প্রদত্ত অর্থের ডিক্রির ন্যায়; অথবা
 
(খ) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত জরিমানা প্রদানের আদেশের ন্যায় এবং উক্তরূপে বাস্তবায়নের পর ডিক্রির আদায়কৃত অর্থ ডিক্রিদারকে প্রদান করিতে হইবে।
 
(৪) উপধারা (৩) এর দফা (ক) এর অধীন ডিক্রি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে, পারিবারিক আদালত দেওয়ানি আদালত হিসাবে গণ্য হইবে এবং দেওয়ানি আদালতের সকল ক্ষমতা উহার থাকিবে।
 
(৫) উপধারা (৩) এর দফা (খ) এর অধীন ডিক্রি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে পারিবারিক আদালতের বিচারক একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে গণ্য হইবেন এবং ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের সকল ক্ষমতা তাহার থাকিবে এবং তিনি ডিক্রিকৃত বকেয়া অর্থ আদায়ের জন্য উক্ত কার্যবিধিতে এ জরিমানা আদায়ের জন্য বর্ণিত পদ্ধতিতে ওয়ারেন্ট জারি করিতে পারিবেন এবং ওয়ারেন্ট জারির পর অপরিশোধিত সম্পূর্ণ ডিক্রিকৃত অর্থ বা উহার কোনো অংশের জন্য রায় দেনাদারকে অনধিক ৩ (তিন) মাস অথবা পরিশোধ হওয়া পর্যন্ত, যাহা পূর্বে ঘটে, কারাদণ্ডের আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
 
(৬) যেক্ষেত্রে কোনো ডিক্রি অর্থ পরিশোধ সংক্রান্ত না হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রি দেওয়ানি আদালতের অর্থ সংক্রান্ত ডিক্রি ব্যতীত অন্য কোনো ডিক্রির ন্যায় বাস্তবায়ন করিতে হইবে এবং এতদুদ্দেশ্যে আদালত একটি দেওয়ানি আদালত হিসাবে গণ্য হইবে এবং দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন উক্ত আদালতের সকল ক্ষমতা উহার থাকিবে।
 
(৭) ডিক্রি প্রদানকারী পারিবারিক আদালত স্বয়ং ডিক্রি বাস্তবায়ন করিবে অথবা ডিক্রি প্রদানকারী আদালত ডিক্রি বাস্তবায়নের জন্য অন্য কোনো পারিবারিক আদালতে উহা বদলি করিতে পারিবে এবং উক্ত ডিক্রি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যে আদালতে বদলি করা হইয়াছে সেই আদালতের ডিক্রি প্রদানকারী পারিবারিক আদালতের সকল ক্ষমতা থাকিবে, যেন উক্ত আদালতই ডিক্রি প্রদান করিয়াছে।
 
(৮) আদালত, উপযুক্ত বিবেচনা করিলে, তৎকর্তৃক প্রদত্ত ডিক্রির অর্থ কিস্তিতে পরিশোধ করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং যেরূপ উপযুক্ত মনে করিবে সেইরূপ কিস্তির সংখ্যা নির্ধারণ করিয়া দিতে পারিবে।
১,৪৩৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়-
  1. এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে
  2. দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে
  3. উপস্থিত ও ভোট দানকারী সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ট ভোটে
  4. মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদের বিধান: কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি:
 (১) এই সংবিধান-সাপেক্ষে
(ক) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা এবং অনুরূপ বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রিত হইবে;
(খ) উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক ভোট প্রদান করিবেন;
(গ) সংসদের কোন সদস্যপদ শূন্য রহিয়াছে, কেবল এই কারণে কিংবা সংসদে উপস্থিত হইবার বা ভোটদানের বা অন্য কোন উপায়ে কার্যধারায় অংশগ্রহণের অধিকার না থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি অনুরূপ কার্য করিয়াছেন, কেবল এই কারণে সংসদের কোন কার্যধারা অবৈধ হইবে না।
(২) সংসদের বৈঠক চলাকালে কোন সময়ে উপস্থিত সদস্য-সংখ্যা ষাটের কম বলিয়া যদি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ষাট জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বৈঠক স্থগিত রাখিবেন কিংবা মুলতবী করিবেন।
------------------
⇒ Article 75:- Rules of procedure, quorum, etc-:
 (1) Subject to this Constitution –
(a) the procedure of Parliament shall be regulated by rules of procedure made by it, and until such rules are made shall be regulated by rules of procedure made by the President;
(b) a decision in Parliament shall be taken by a majority of the votes of the members present and voting, but the person presiding shall not vote except when there is an equality of votes, in which case he shall exercise a casting vote;

(c) no proceeding in Parliament shall be invalid by reason only that there is a vacancy in the membership thereof or that a person who was not entitled to do so was present at, or voted or otherwise participated in, the proceeding.

(2) If at any time during which Parliament is in session the attention of the person presiding is drawn to the fact that the number of members present is less than sixty, he shall either suspend the meeting until at least sixty members are present, or adjourn it.
১,৪৪০.
ধর্ষণ মামলার বিচার কত কার্যদিবসের মধ্যে শেষ করতে হবে?
  1. ৬০ কার্যদিবস
  2. ৯০ কার্যদিবস
  3. ১২০ কার্যদিবস
  4. ১৮০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০: ধারা ২০: বিচার পদ্ধতি:
(১) ধারা ৩৫ এর বিধান সাপেক্ষে এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচার ধারা ২৬ বা, ক্ষেত্রমত, ধারা ২৬ক এর অধীন গঠিত ট্রাইব্যুনালে বিচারযোগ্য হইবে।]

(২) ট্রাইব্যুনালে মামলার শুনানী শুরু হইলে উহা শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রতি কর্মদিবসে একটানা চলিবে।

(৩) বিচারের জন্য মামলা প্রাপ্তির তারিখ হইতে একশত আশি কার্যদিবসের মধ্যে ট্রাইব্যুনাল বিচারকার্য সমাপ্ত করিবে।
(৩ক) উপ-ধারা (৩) এ যাহা কিছু থাকুক না কেন, ধারা ৯ এর অধীন ধর্ষণ সংক্রান্ত মামলার বিচারকার্য ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ গঠনের তারিখ হইতে নব্বই কার্যদিবসের মধ্যে সমাপ্ত করিবে।

 (৪) উপ-ধারা (৩) এবং উপ-ধারা (৩ক) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে মামলার বিচারকার্য সমাপ্ত করিবার ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল যদি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন না হইবার জন্য কোন সরকারি কর্মকর্তা দায়ী তাহা হইলে উহা দায়ী ব্যক্তির অদক্ষতা ও অসদাচারণ বলিয়া বিবেচিত হইবে এবং উক্ত অদক্ষতা ও অসদাচরণ তাহার বার্ষিক গোপনীয় অনুবেদনে লিপিবন্ধ করা হইবে এবং উপযুক্ত ক্ষেত্রে চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী তাহার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে।]

(৫) কোন মামলার বিচারকার্য শেষ না করিয়া যদি কোন ট্রাইব্যুনালের বিচারক বদলী হইয়া যান, তাহা হইলে তিনি বিচারকার্যের যে পর্যায়ে মামলাটি রাখিয়া গিয়াছেন, সেই পর্যায় হইতে তাহার স্থলাভিষিক্ত বিচারক বিচার করিবেন এবং তাহার পূর্ববর্তী বিচারক যে সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করিয়াছেন সেই সাক্ষীর সাক্ষ্য পুনরায় গ্রহণ করার প্রয়োজন হইবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে যদি বিচারক কোন সাক্ষীর সাক্ষ্য পুনরায় গ্রহণ করা অপরিহার্য বলিয়া মনে করেন, তাহা হইলে তিনি সাক্ষ্য গ্রহণ করা হইয়াছে এমন যে কোন সাক্ষীকে তলব করিয়া পুনরায় তাহার সাক্ষ্য গ্রহণ করিতে পারিবেন।

(৬) কোন ব্যক্তির আবেদনের প্রেক্ষিতে কিংবা ট্রাইব্যুনাল স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত মনে করিলে এই আইনের ধারা ৯ এর অধীন অপরাধের বিচার কার্যক্রম রুদ্ধদ্বার কক্ষে (trial in camera) অনুষ্ঠান করিতে পারিবে।

(৭) কোন শিশু এই আইনের অধীন অপরাধ সংঘটনের অভিযোগে অভিযুক্ত হইলে বা উক্ত অপরাধের সাক্ষী হইলে তাহার ক্ষেত্রে 62[শিশু আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২৪ নং আইন)] এর বিধানাবলী যতদূর সম্ভব অনুসরণ করিতে হইবে।

(৮) কোন নারী বা শিশুকে নিরাপত্তা হেফাজতে রাখিবার আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল, উক্ত নারী বা শিশুর কল্যাণ ও স্বার্থ রক্ষার্থে তাহার মতামত গ্রহণ ও বিবেচনা করিবে।

(৯) এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কেবল ধর্ষণের মামলার ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল উপযুক্ত মনে করিলে মেডিক্যাল সার্টিফিকেট ও পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্যের উপর ভিত্তি করিয়া বিচারকার্য সম্পন্ন করিতে পারিবে।
১,৪৪১.
বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ কোনটি?
  1. অনুচ্ছেদ ৫০
  2. অনুচ্ছেদ ৫১
  3. অনুচ্ছেদ ৫২
  4. অনুচ্ছেদ ৫৩
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি তাঁর দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কোনো আইনি দায়বদ্ধতার সম্মুখীন হবেন না।
→ সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি:
১) ফৌজদারি মামলা করা যাবে না:
- রাষ্ট্রপতির কার্যভারকালে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো আদালতে ফৌজদারি মামলা দায়ের বা চালু রাখা যাবে না। 
- কোনো আদালত রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারবে না।
২) রাষ্ট্রপতি সরকারি দায়িত্ব পালনকালে দায়মুক্ত থাকবেন:
- রাষ্ট্রপতি তাঁর দায়িত্ব পালনের সময় কোনো কাজ করলে বা না করলে, সে জন্য তাঁকে কোনো আদালতে জবাবদিহি করতে হবে না।
- তবে এই দায়মুক্তির বিধান সরকারের বিরুদ্ধে কোনো ব্যক্তি মামলা দায়েরের অধিকার বাতিল করে না।

অর্থাৎ সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি সংক্রান্ত বিধান নির্ধারণ করেছে।
- ফৌজদারি মামলা দায়ের বা গ্রেপ্তার করা যাবে না।
- সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করার অধিকার প্রভাবিত হয় না।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ- রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি:
(১) এই সংবিধানের ৫২ অনুচ্ছেদের হানি না ঘটাইয়া বিধান করা হইতেছে যে, রাষ্ট্রপতি তাঁহার দায়িত্ব পালন করিতে গিয়া কিংবা অনুরূপ বিবেচনায় কোন কার্য করিয়া থাকিলে বা না করিয়া থাকিলে সেইজন্য তাঁহাকে কোন আদালতে জবাবদিহি করিতে হইবে না, তবে এই দফা সরকারের বিরুদ্ধে কার্যধারা গ্রহণে কোন ব্যক্তির অধিকার ক্ষুন্ন করিবে না।
(২) রাষ্ট্রপতির কার্যভারকালে তাঁহার বিরুদ্ধে কোন আদালতে কোন প্রকার ফৌজদারী কার্যধারা দায়ের করা বা চালু রাখা যাইবে না এবং তাঁহার গ্রেফতার বা কারাবাসের জন্য কোন আদালত হইতে পরোয়ানা জারী করা যাইবে না।

১,৪৪২.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে নালিশযোগ্য দাবী (Actionable Claim) বলতে কী বোঝায়?
  1. বন্ধকের ক্ষেত্রে ঋণের দাবী
  2. অনিরাপদ ঋণের দাবী
  3. নিরাপদ ঋণের দাবী
  4. জামানতসহ ঋণের দাবী
ব্যাখ্যা
• নালিশযোগ্য দাবী (Actionable Claim)

অনিরাপদ ঋণের দাবীকে নালিশযোগ্য দাবী বলা হয়েছে। অনিরাপদ ঋণ অর্থ যে ঋণের বিপরীতে কোন জামানত থাকে না বা জামানতবিহীন ঋণ। জামানতসহ বন্ধকের ক্ষেত্রে ঋণের দাবী নালিশযোগ্য দাবী না কারণ বন্ধক একটি নিরাপদ ঋণ।

Section 3:
“Actionable claim” means a claim to any debt, other than a debt secured by mortgage of immoveable property or by hypothecation or pledge of moveable property, or to any beneficial interest in moveable property not in the possession, either actual or constructive, of the claimant, which the Civil Courts recognize as affording grounds for relief, whether such debt or beneficial interest be existent, accruing, conditional or contingent:
১,৪৪৩.
“The General Clauses Act” এর কোন ধারায় “Effect of Repeal” সম্পর্কিত বিধান আছে?
  1. ৫ ধারায়
  2. ৬ ধারায়
  3. ৬ক ধারায়
  4. ৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ The General Clauses Act, 1897-এর ধারা ৬ (Section 6) শিরোনাম—“Effect of Repeal”- এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, কোনো আইন যদি রহিত করা হয়, তাহলে তার ফলে কী কী বিষয় প্রভাবিত হবে না, তা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এই ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো আইন রহিত করা হয়, এবং যদি অন্য কোনো অভিপ্রায় প্রকাশিত না থাকে, তাহলে-
(a) পূর্বে রহিত বা অকার্যকর কোনো বিষয় পুনরুজ্জীবিত হবে না,
(b) রহিত আইনের অধীনে যেটুকু কার্যকর হয়েছিল, তা প্রভাবিত হবে না,
(c) অধিকার, দায়, দণ্ড ইত্যাদি প্রভাবিত হবে না
(d) তদন্ত বা বিচার চলতে পারবে আগের মতই,
(e) দণ্ড আরোপও করা যাবে।

-ধারা ৬ এমন একটি সুরক্ষা বিধান, যা বলে দেয় যে, পুরাতন কোনো আইন রহিত করলেও তার অধীনে অর্জিত অধিকার, দায়, বিচার প্রক্রিয়া, শাস্তি ইত্যাদি বাতিল হবে না।

⇒ The General Clauses Act, 1897, Section 6. Effect of repeal:
Where this Act, or any Act of Parliament or Regulation made after the commencement of this Act, repeals any enactment hitherto made or hereafter to be made, then, unless a different intention appears, the repeal shall not-
(a) revive anything not in force or existing at the time at which the repeal takes effect; or
(b) affect the previous operation of any enactment so repealed or anything duly done or suffered thereunder; or
(c) affect any right, privilege, obligation or liability acquired, accrued or incurred under any enactment so repealed; or
(d) affect any penalty, forfeiture or punishment incurred in respect of any offence committed against any enactment so repealed; or
(e) affect any investigation, legal proceeding or remedy in respect of any such right, privilege, obligation, liability, penalty, forfeiture or punishment as aforesaid;
and any such investigation, legal proceeding or remedy may be instituted, continued or enforced, and any such penalty, forfeiture or punishment may be imposed as if the repealing Act or Regulation had not been passed.
১,৪৪৪.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের অধীনে বিচারাধীন মামলার বিচারকার্য সর্বোচ্চ কতদিনের জন্য মুলতবি করা যেতে পারে?
  1. ৩ কার্যদিবস
  2. ৫ কার্যদিবস
  3. ৭ কার্যদিবস
  4. ১০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৪৯ অনুযায়ী,
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের অধীনে বিচারাধীন মামলার বিচারকার্য আরম্ভ হলে তা শেষ না হওয়া পর্যন্ত অবিরত চলবে। তবে, যদি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত ন্যায়বিচারের স্বার্থে বিচারকার্য মুলতবি করা একান্ত প্রয়োজন মনে করেন, তাহলে তিনি তা সর্বোচ্চ তিন কার্যদিবসের জন্য মুলতবি করতে পারবেন।
১,৪৪৫.
অগ্নিরোধক বাক্স কোথায় সরবরাহ করা হবে?
  1. থানা কার্যালয়ে
  2. প্রত্যেক রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে
  3. প্রত্যেক সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে
  4. মহা-পরিদর্শকের কার্যালয়ে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৬- রেজিস্টার বহি ও অগ্নিরোধক বাক্স:
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার প্রত্যেক নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার কার্যালয়ের জন্য প্রয়োজনীয় বহি সরবরাহ করিবে।

(২) এইরূপ সরবরাহকৃত বহি, সময় সময় সরকারের অনুমোদনক্রমে, মহা-পরিদর্শক কর্তৃক নির্ধারিত ফরম সংবলিত হইবে এবং উক্ত বহির পৃষ্ঠাসমূহে ধারাবাহিকভাবে পৃষ্ঠাসংখ্যা মুদ্রিত থাকিবে এবং বহি ইস্যুকারী কর্মকর্তা কর্তৃক উক্তরূপ প্রত্যেক বহির শীর্ষপৃষ্ঠায় মোট পৃষ্ঠা সংখ্যা উল্লেখক্রমে প্রত্যায়ন করিতে হইবে।

(৩) সরকার প্রত্যেক রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে অগ্নিরোধক বাক্স সরবরাহ করিবে, এবং প্রত্যেক জেলায় দলিল নিবন্ধনের সহিত সম্পর্কিত রেকর্ডপত্র নিরাপদ সংরক্ষণের জন্য উক্ত জেলায় উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।
১,৪৪৬.
সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোন উদ্দেশ্যে গঠিত সমিতি বা সংঘ নিষিদ্ধ নয়?
  1. সন্ত্রাসী কার্য পরিচালনার উদ্দেশ্যে
  2. ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে
  3. আইনসঙ্গত অধিকার সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে
  4. সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতার স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে সমিতি বা সংঘ গঠনের অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের রয়েছে।
⇒ তবে কিছু উদ্দেশ্যে গঠিত সমিতি বা সংঘ নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যেমন—
- ধর্মীয়, সামাজিক ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের উদ্দেশ্যে গঠিত সংঘ
- নাগরিকদের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টির উদ্দেশ্যে গঠিত সংঘ
- রাষ্ট্র বা অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্য পরিচালনার উদ্দেশ্যে গঠিত সংঘ
- সংবিধানের পরিপন্থী উদ্দেশ্যে গঠিত সংঘ

কিন্তু, আইনসঙ্গত অধিকার সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে গঠিত সমিতি বা সংঘ নিষিদ্ধ নয়। এটি নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার এবং মৌলিক অধিকারের অংশ।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদ সংগঠনের স্বাধীনতা:
জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতার স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধা-নিষেধ সাপেক্ষে সমিতি বা সংঘ গঠন করিবার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকিবে: 
তবে শর্ত থাকে যে, কোন ব্যক্তির উক্তরূপ সমিতি বা সংঘ গঠন করিবার কিংবা উহার সদস্য হইবার অধিকার থাকিবে না, যদি-
(ক) উহা নাগরিকদের মধ্যে ধর্মীয়, সামাজিক এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করিবার উদ্দেশ্যে গঠিত হয়;
(খ) উহা ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষ, জন্মস্থান বা ভাষার ক্ষেত্রে নাগরিকদের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি করিবার উদ্দেশ্যে গঠিত হয়;
(গ) উহা রাষ্ট্র বা নাগরিকদের বিরুদ্ধে কিংবা অন্য কোন দেশের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী বা জঙ্গী কার্য পরিচালনার উদ্দেশ্যে গঠিত হয়; বা
(ঘ) উহার গঠন ও উদ্দেশ্য এই সংবিধানের পরিপন্থী হয়।
১,৪৪৭.
সংবিধান অনুসারে একই সঙ্গে দুইটি নির্বাচনী এলাকা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে সদস্যকে কী করতে হবে?
  1. একটিকে বেছে নিতে হবে
  2. রাষ্ট্রপতি সিদ্ধান্ত দেবেন
  3. উভয়টি শূন্য ঘোষণা করা হবে
  4. দুটি আসনই ধরে রাখতে পারবেন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭১ (Article 71)-এ এই বিষয়টি স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে:
“কোন ব্যক্তি একাধিক নির্বাচনী এলাকা হইতে সংসদ-সদস্য পদে নির্বাচিত হইলে তিনি নির্ধারিত পদ্ধতিতে একটি আসন বেছে নিতে বাধ্য থাকিবেন। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি বেছে না নেন, তবে সকল আসন শূন্য ঘোষণা করা হইবে।”
- একজন ব্যক্তি একাধিক আসনে প্রার্থী হতে পারেন।
- যদি তিনি একাধিক আসনে নির্বাচিত হন, তাহলে তাকে একটি আসন নির্বাচন করতে হবে।
- যদি তিনি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্বাচন না করেন, তাহলে উভয় আসনই শূন্য ঘোষণা করা হয়।

- তাই সঠিক উত্তর: ক) একটিকে বেছে নিতে হবে।

- আর যদি তিনি তা না করেন, তবে গ) উভয়টি শূন্য ঘোষণা করা হবে — এটি তখন প্রযোজ্য হয়।
- তবে প্রশ্নটি “কি করতে হবে?” জিজ্ঞাসা করেছে, অর্থাৎ প্রথম করণীয় – একটি বেছে নেওয়া।
১,৪৪৮.
কৃষিকাজের জন্য ব্যবহৃত স্থাবর সম্পত্তির ইজারা বাতিল করতে হলে কত মাস আগে নোটিশ দিতে হবে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা
ধারা ১০৬: লিখিত চুক্তি বা প্রথার অনুপস্থিতিতে ইজারার মেয়াদ নির্ধারণ-
যদি কোনো লিখিত চুক্তি, স্থানীয় আইন বা প্রচলিত প্রথা না থাকে, তাহলে নিম্নরূপভাবে স্থাবর সম্পত্তির ইজারাকে বিবেচনা করা হবে—

কৃষিকাজ বা উৎপাদনমুখী কাজে ব্যবহৃত স্থাবর সম্পত্তির ইজারা - একে বছর ভিত্তিক ইজারা (Year to Year Lease) হিসেবে গণ্য করা হবে। উভয় পক্ষ (ইজারাদাতা বা ইজারাগ্রহীতা) ছয় মাসের নোটিশ দিয়ে তা বাতিল করতে পারবেন, যা ভাড়ার মেয়াদের বছরের শেষে কার্যকর হবে।

অন্যান্য যে কোনো উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত স্থাবর সম্পত্তির ইজারা - একে মাস ভিত্তিক ইজারা (Month to Month Lease) হিসেবে ধরা হবে। উভয় পক্ষ ১৫ দিনের নোটিশ দিয়ে তা বাতিল করতে পারবেন, যা ভাড়ার মাসের শেষে কার্যকর হবে।

• নোটিশ দেওয়ার নিয়ম:
- নোটিশ অবশ্যই লিখিত হতে হবে।
- এটি প্রেরক বা তার পক্ষ থেকে স্বাক্ষরিত হতে হবে।
- ডাকযোগে পাঠানো যেতে পারে, অথবা সরাসরি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে, তার পরিবারের কাউকে বা বাসস্থানের কর্মচারীকে প্রদান করা যেতে পারে।
- যদি তা সম্ভব না হয়, তবে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির একটি দৃশ্যমান স্থানে নোটিশ লাগিয়ে দেওয়া যেতে পারে।
১,৪৪৯.
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর কত ধারায় "Gender and number" সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ১০
  2. ১২
  3. ১৩
  4. ১৫
ব্যাখ্যা
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর ১৩ ধারায় "Gender and number" সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

⇒ জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর ১৩ ধারার বিধান: লিঙ্গ ও বচন (Gender and number);সংসদের সকল আইন এবং প্রবিধিতে-
- পুরুষবাচক শব্দসমূহকে স্ত্রীবাচক শব্দসমূহকে অন্তর্ভুক্ত করবে; এবং
- একবচন শব্দসমূহ বহুবচন শব্দসমূহকে অন্তর্ভুক্ত করবে এবং অনুরূপভাবে বহুবচন শব্দসমূহ একবচন শব্দসমূহকে অন্তর্ভুক্ত করবে।
------------------- 
⇒ The General Clauses Act, 1897 Section 13. Gender and number:

- In all Acts of Parliament and Regulations, unless there is anything repugnant in the subject or context,- 
(1) words importing the masculine gender shall be taken to include females; and 
(2) words in the singular shall include the plural, and vice versa. 
১,৪৫০.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ধারা ১১৬ অনুযায়ী, কোন পরিস্থিতিতে প্রজার জোত সংযুক্ত করা যাবে?
  1. একই গ্রামের মধ্যে একাধিক প্রজার ভূখণ্ড থাকলে
  2. একাধিক গ্রামের মধ্যে একই প্রজার পৃথক একাধিক ভূখণ্ড থাকলে
  3. একাধিক গ্রামের মধ্যে সরকারি খাস ভূমি থাকলে
  4. একই গ্রামের মধ্যে একই প্রজার পৃথক একাধিক ভূখণ্ড থাকলে
ব্যাখ্যা

• The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১১৬ ধারা- একই গ্রামে প্রজার জোতের সংযুক্তকরণ:
একই গ্রামের মধ্যে একই প্রজার যদি পৃথক একাধিক ভূখণ্ড থাকে, তবে উক্ত ভূখণ্ডগুলি কিংবা উহার কতিপয় যদি পৃথক প্রজাস্বত্বের অধীন হয়, তবে উক্ত ভূখণ্ডগুলি রাজস্ব কর্মকর্তার আদেশক্রমে একই প্রজাস্বত্বে সংযুক্ত করা যাইবে।

Section 116- Amalgamation of holdings of a tenant in the same village:
Where various parcels of land are held by one tenant within one village, and such parcels of land or some of them are the subject of separate tenancies, such parcels of land shall, under the orders of the Revenue-officer, be amalgamated into one tenancy.

১,৪৫১.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের কত ধারায় "সম্পূর্ণ খাইখালাসি বন্ধক” এর সংজ্ঞা দেওয়া আছে?
  1. ২(৩)
  2. ২(৭)
  3. ২(৯)
  4. ২(৬)
ব্যাখ্যা
⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ২(৬) ধারার বিধান "সম্পূর্ণ খাই-খালাসি বন্ধক” অর্থ কোনো প্রজা কর্তৃক ঋণ হিসাবে গৃহীত অর্থ বা শস্য ফেরত প্রদান করিবার নিশ্চয়তাস্বরূপ কোনো ভূমির দখলাধিকার এই শর্তে হস্থান্তর করা যাহা বন্ধকের মেয়াদে উক্ত ভূমি হইতে প্রাপ্ত মুনাফার মাধ্যমে, সকল সুদসহ, ঋণটি পরিশোধ হইয়াছে মর্মে গণ্য হইবে;
-------------- 
- The State Acquisition and Tenancy Act, 1950, Section 2(6) “complete usufructuary mortgage” means a transfer by a tenant of the right of possession in any land for the purpose of securing the payment of money or the return of grain advanced or to be advanced by way of loan upon the condition that the loan, with all interests thereon, shall be deemed to be extinguished by the profits arising from the land during the period of the mortgage.
১,৪৫২.
কোন ধরনের রিটের আবেদন যেকোনো ব্যক্তি করতে পারে?
  1. নিষেধাজ্ঞামূলক রিট
  2. উৎপ্রেষণ রীট
  3. হুকুম জারী রিট
  4. কারণ দর্শাও রিট
ব্যাখ্যা
রিট [Writ]

আদালত বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত বা প্রচারিত বিধান বা আদেশ। এমন আদেশের মাধ্যমে আদালত কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে নির্দেশ প্রদান করে। রিট এর উৎপত্তি হলো ব্রিটিশ আইন ব্যবস্থায়। প্রাথমিকভাবে রিট মূলত রাজকীয় অধিকার [prerogrative writ or royal writ] নামে পরিচিত ছিল কারণ একমাত্র রাজা বা রাণী রিট জারি করার অধিকারী ছিল। 

রিটের প্রকারভেদ:
বাংলাদেশ সংবিধান প্রণেতারা বিশেষভাবে রাজকীয় রিট (prerogrative writs) সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং বাংলাদেশের আদালতের মাধ্যমে এটা ব্যাপক এবং যথাযথভাবে বিকাশিত হয়েছে। সংবিধানে ৫ প্রকার রিট উল্লেখ করা হয়েছে-

১০২ এর ২(ক) তে ৩টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (ক) (অ) প্রতিষেধক বা নিষেধাজ্ঞামূলক রিট [Writ of Prohibition];
• ১০২(২) (ক) (অ) পরমাদেশ বা হুকুম জারী রিট [Writ of Mandamus];
• ১০২(২) (ক) (আ) উৎপ্রেষণ রীট [Writ of Certiorari]।

১০২ এর ২(খ) তে ২টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (যে কোন ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (খ) (অ) বন্দী হাজির রিট [Writ of Habeas Corpus] এবং
• ১০২(২) (খ) (আ) কারণ দর্শাও রিট [Writ of Quo Warranto]।

⇒ কারণ দর্শাও রিট [Writ of Quo Warranto]

কোন ব্যক্তি কোন সরকারী পদ দাবী করতে পারে না যদি না উক্ত পদে তার কোন আইনগত দাবী থাকে। কোন ব্যক্তি কোন সরকারী পদে আসীন থাকলে বা আছে বলে মনে হলে, সেই ক্ষেত্রে কোন কর্তৃত্ববলে উক্ত ব্যক্তি উক্ত পদ দাবী করছে তা জানের চেয়ে হাইকার্ট বিভাগ কারণ দর্শানোর রিট জারী করতে পারে।

অনুচ্ছেদ-১০২ (২): হাইেকার্ট বিভাগের নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, আইনের দ্বারা অন্য কোন সমফলপ্রদ বিধান করা হয় নাই, তা হলে-

(খ) যে কোন ব্যক্তির আবেদনক্রমে-

(আ) কোন সরকারী পদে আসীন বা আসীন বলে বিবেচিত কোন ব্যক্তিকে তিনি কোন কর্তৃত্ববলে অনুরুপ পদমর্যাদায় অধিষ্ঠানের দাবী করছে, তা প্রদর্শনের নির্দেশ প্রদান করে উক্ত বিভাগ (হাইকার্ট বিভাগ) আদেশদান করতে পারবে।

এই রিটের মাধ্যমে উচ্চতর আদালত উক্ত পদের দাবীর বিষয়ে অনুসন্ধান করতে পারে এবং যদি উক্ত অনুসন্ধানে এটা প্রমাণিত হয় যে, উক্ত পদ গ্রহণে পদের দাবীদারের কোন বৈধ অধিকার নেই, তাহলে কারণ দর্শাও রিট তাকে উক্ত পদ থেকে পদচ্যুত করতে পারে।
১,৪৫৩.
'ক', তার গ্রামের মহাজন 'খ' এর নিকট ঋণগ্রস্ত অবস্থায় নতুন ঋণের জন্য এমন শর্তে চুক্তি করেন, যা অযৌক্তিক বলে প্রতীয়মান হয়। এই চুক্তি অনুচিত প্রভাব দ্বারা প্রভাবিত হয় নাই, তা প্রমাণের দায়িত্ব কার?
  1. 'ক'
  2. 'খ'
  3. আদালত
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়ের
ব্যাখ্যা
Contract Act, 1872, ধারা ১৬- "অনুচিত প্রভাব" এর সংজ্ঞা-
(১) কোনো চুক্তি অনুচিত প্রভাব দ্বারা প্রভাবিত হইয়াছে যেক্ষেত্রে চুক্তির পক্ষগণের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক এইরূপ হয় যে, একপক্ষ অপর পক্ষের ইচ্ছার প্রভাব বিস্তার করিবার অবস্থায় থাকেন, এবং সেই অবস্থা ব্যবহার করিয়া অপর পক্ষের নিকট হইতে অনুচিত সুবিধা গ্রহণ করেন।

(২) বিশেষ করিয়া এবং পূর্ববর্তী নীতির সামগ্রিকতাকে ক্ষুণ্ণ না করিয়া, কোনো ব্যক্তি অপর ব্যক্তির ইচ্ছার উপর প্রভাব বিস্তার করিতে পারিবেন বলিয়া গণ্য হইবে-
(ক) যেক্ষেত্রে অপর ব্যক্তির উপর তিনি প্রকৃত বা দৃশ্যত কর্তৃত্বের অধিকারী হন অথবা যেক্ষেত্রে তিনি অন্যের সহিত বিশ্বাসমূলক সম্পর্কে অবস্থান করেন; বা
(খ) যেক্ষেত্রে তিনি এমন ব্যক্তির সহিত চুক্তি করেন যাহার মানসিক সক্ষমতা সাময়িকভাবে বা স্থায়ীভাবে বার্ধক্য, ব্যাধি অথবা মানসিক বা শারীরিক দুর্দশাজনিত কারণে নষ্ট হইয়াছে।

(৩) যেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি অপর ব্যক্তির ইচ্ছার উপর প্রভাব বিস্তার করিবার অবস্থানে থাকেন এবং তাহার সহিত চুক্তিতে আবদ্ধ হন, এবং লেনদেনটি আপাতদৃষ্টিতে বা উত্থাপিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে অযৌক্তিক বলিয়া মনে হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত চুক্তিটি অনুচিত প্রভাব দ্বারা প্রভাবিত হয় নাই উহা প্রমাণের ভার যিনি অপর ব্যক্তির ইচ্ছার উপর প্রভাব বিস্তার করিবার অবস্থানে রহিয়াছেন তাহার উপর বর্তাইবে

উদাহরণ:
'ক' তাহার গ্রামের মহাজন 'খ' এর নিকট ঋণগ্রস্ত অবস্থায় নতুন ঋণের জন্য এমন শর্তে চুক্তি করেন যাহা অযৌক্তিক বলিয়া প্রতীয়মান হয়। ইহা অনুচিত প্রভাব দ্বারা প্রভাবিত হয় নাই উহা প্রমাণের দায়িত্ব 'খ' এর উপর বর্তাইবে।

⇒ এই উপ-ধারার কোনো কিছুই সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১১১ এর বিধানাবলিকে প্রভাবিত করিবে না।
১,৪৫৪.
The Transfer of Property Act, 1882 এর ১০৯ ধারায় কার অধিকারের বিধান উল্লেখ আছে?
  1. লিজগ্রহীতার
  2. লিজদাতার
  3. লিজগ্রহীতার হস্তান্তরগ্রহীতার অধিকার
  4. লিজদাতার হস্তান্তরগ্রহীতার অধিকার
ব্যাখ্যা
ধারা ১০৯: লিজদাতার হস্তান্তরগ্রহীতার অধিকার (Rights of lessor’s transferee):
যদি লিজদাতা (lessor) লীজকৃত সম্পত্তি বা তার কোনো অংশ, অথবা তার স্বার্থের কোনো অংশ হস্তান্তর করেন, তাহলে যদি বিপরীত কোনো চুক্তি না থাকে, হস্তান্তরগ্রহীতা (transferee) উক্ত সম্পত্তি বা অংশের বর্তমান মালিক থাকা পর্যন্ত, লিজদাতার সকল অধিকার ভোগ করবেন এবং লিজগ্রহীতা (lessee) যদি ইচ্ছা প্রকাশ করেন, তবে তিনি হস্তান্তরগ্রহীতাকে লিজদাতার দায়িত্ব পালনে বাধ্য করতে পারবেন।

তবে, কেবল হস্তান্তরের কারণে লিজদাতা তার লীজ অনুযায়ী আরোপিত কোনো দায়িত্ব থেকে মুক্ত হবেন না, যদি না লিজগ্রহীতা হস্তান্তরগ্রহীতাকে দায়বদ্ধ ব্যক্তি হিসেবে গণ্য করতে সম্মত হন।

শর্ত হলো:
- হস্তান্তরগ্রহীতা হস্তান্তরের পূর্বে যে ভাড়ার বকেয়া ছিল, তার জন্য অধিকারী হবেন না।
- যদি লিজগ্রহীতা এই হস্তান্তর সম্পর্কে অজ্ঞ থাকেন এবং আগের মতো লিজদাতাকেই ভাড়া প্রদান করেন, তাহলে তাকে হস্তান্তরগ্রহীতাকে পুনরায় ভাড়া দিতে হবে না।

লিজদাতা, হস্তান্তরগ্রহীতা এবং লিজগ্রহীতা সম্মত হলে, হস্তান্তরিত অংশের জন্য লীজে নির্ধারিত প্রিমিয়াম বা ভাড়ার কত অংশ প্রযোজ্য হবে, তা নির্ধারণ করতে পারেন। যদি তারা একমত না হন, তাহলে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির অধিকারে মামলা করার এখতিয়ারসম্পন্ন কোনো আদালত তা নির্ধারণ করতে পারে।
১,৪৫৫.
সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর কোন ধারা জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কিত বিধান করে?
  1. ধারা ৭
  2. ধারা ৮
  3. ধারা ৯
  4. ধারা ১০ 
ব্যাখ্যা

⇒ সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা ৯ অনুযায়ী, জেলা জজ তার অধিক্ষেত্রের সকল দেওয়ানি আদালতের উপর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ রাখেন। তবে, এটি হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধানে থাকবে।
অর্থাৎ, হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধানে জেলা জজ তার স্থানীয় অধিক্ষেত্রের সকল দেওয়ানি আদালতের উপর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ রাখবেন।

⇒ The Civil Courts Act,1887- Section 9: Administrative control of Courts:-
Subject to the superintendence of the High Court Division, the District Judge shall have administrative control over all the Civil Courts under this Act within the local limits of his jurisdiction.

১,৪৫৬.
The Registration Act, 1908 এর ধারা ২৩ অনুযায়ী, কোন দলিল নিবন্ধনের জন্য কত সময়ের মধ্যে উপস্থাপন করতে হবে?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ নিবন্ধন আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৩ অনুযায়ী, উইল ব্যতীত অন্য কোনো দলিল নিবন্ধনের জন্য যথাযথ কর্মকর্তার কাছে তার সম্পাদনের তারিখ থেকে তিন মাসের মধ্যে উপস্থাপন করতে হবে। এই সময়সীমা ধারা ২৪, ২৫, এবং ২৬-এর বিধান সাপেক্ষে প্রযোজ্য। তবে, কিছু ব্যতিক্রমের ক্ষেত্রে (যেমন, জরুরি প্রয়োজন বা অনিবার্য দুর্ঘটনার কারণে) ধারা ২৫ অনুযায়ী জরিমানা দিয়ে এই সময়সীমা বাড়ানো যেতে পারে, কিন্তু সাধারণ নিয়ম হিসেবে তিন মাসের মধ্যে দলিল উপস্থাপন করতে হয়। উইলের ক্ষেত্রে ধারা ২৭ অনুযায়ী যে কোনো সময়ে নিবন্ধনের জন্য উপস্থাপন করা যায়।

• নিবন্ধন আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৩: দলিল দাখিলকরণের সময়:
ধারা ২৪, ২৫ এবং ২৬ এর বিধানাবলি সাপেক্ষে, উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি উহা সম্পাদনের তারিখ হইতে তিন মাসের মধ্যে উপযুক্ত কর্মকর্তার নিকট নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে দাখিল করা না হয়, তাহা হইলে উহা নিবন্ধনের জন্য গৃহীত হইবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, ডিক্রি বা আদেশের নকল, ডিক্রি বা আদেশ দানের তারিখ হইতে তিন মাসের মধ্যে, বা, যেক্ষেত্রে উহা আপিলযোগ্য, সেক্ষেত্রে আপিল চূড়ান্ত হওয়ার তারিখ হইতে তিন মাসের মধ্যে দাখিল করা যাইবে।
--------
•The Registration Act, 1908, Section 23. Time for presenting documents:
Subject to the provisions contained in sections 24, 25 and 26, no document other than a will shall be accepted for registration unless presented for that purpose to the proper officer within 19[three months] from the date of its execution: 
Provided that a copy of a decree or order may be presented within three months from the day on which the decree or order was made, or, where it is appealable, within three months from the day on which it becomes final.

১,৪৫৭.
মুহাম্মদ হেফজুর রহমান বনাম শামসুন নাহার বেগম (১৯৯৫) মামলার রায় অনুযায়ী, তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর ভরণপোষণ কতদিন পর্যন্ত চলবে?
  1. আজীবন
  2. স্বামীর ইচ্ছা অনুযায়ী
  3. শুধুমাত্র ইদ্দতকাল পর্যন্ত
  4. ইদ্দতকাল শেষ হওয়ার পরও যতক্ষণ না পুনরায় বিয়ে হয়
ব্যাখ্যা

'Hefzur Rahman v. Shamsun Nahar Begum 47 DLR (1995) 34':
মুহাম্মদ হেফজুর রহমান বনাম শামসুন নাহার বেগম মামলাটি বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট ডিভিশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় যা ১৫ বিডিএল(৩৪) রেজিস্ট্রেশন নম্বরের অধীনে রয়েছে। এই মামলার মূল বিষয় ছিল তালাকপ্রাপ্ত মহিলার Post-divorce Maintenance এর অধিকার সম্পর্কিত।

মামলার পটভূমি:
শামসুন নাহার বেগম তার স্বামী মুহাম্মদ হেফজুর রহমানের বিরুদ্ধে Maintenance-এর দাবি করেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, তালাক দেওয়ার পরও তাকে Maintenance প্রদান করা হচ্ছে না।

আইনি প্রশ্ন:
মামলার মূল আইনি প্রশ্ন ছিল, তালাকের পর একজন মহিলার Maintenance দেওয়ার অধিকার কতদিন পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। বিশেষভাবে, ইদ্দতকাল (তালাকের পর নির্দিষ্ট সময়কাল) ছাড়াও কি Maintenance প্রদান করা হবে?

আদালতের সিদ্ধান্ত:
হাই কোর্ট ডিভিশন রায় দিয়েছে যে, তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর Maintenance ইদ্দতকাল শেষ হওয়ার পরও চলমান থাকবে, যতক্ষণ না তিনি পুনরায় বিয়ে করেন এবং তালাকপ্রাপ্ত অবস্থার অবসান ঘটে।
আদালত বলেছে, “একজন পুরুষ তার স্ত্রীর তালাক দেওয়ার পর তাকে ইদ্দতকাল পেরিয়ে একটি যুক্তিসঙ্গত পরিমাণে Maintenance প্রদান করতে বাধ্য। এই Maintenance প্রদান অব্যাহত থাকবে যতক্ষণ না স্ত্রী পুনরায় বিয়ে করে তালাকপ্রাপ্ত অবস্থার অবসান ঘটে।”

১,৪৫৮.
Where no details about the mode of payment of dower are specified in the nikah nama, or the marriage contract, the entire amount of the dower shall be prescribed to be _________.
  1. not payable
  2. payable on demand
  3. payable after specified time
  4. None of above
ব্যাখ্যা
The Muslim Family Laws Ordinance, 1961: Section 10- Dower:
Where no details about the mode of payment of dower are specified in the nikah nama, or the marriage contract, the entire amount of the dower shall be prescribed to be payable on demand.

ধারা ১০- দেনমোহর:
যেক্ষেত্রে দেনমোহরের টাকা পরিশোধের পন্থা কাবিননামায় অথবা বিবাহের চুক্তিতে বিস্তারিতভাবে নির্দিষ্ট করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে দেনমোহরের মোট পরিমানই চাহিবামাত্র পরিশোধযোগ্য বলে ধরে নেয়া হবে।
১,৪৫৯.
নিচের কোনটি আইনগত সহায়তা হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. সালিশকারীকে সম্মানী প্রদান
  2. মামলার প্রাসঙ্গিক খরচ প্রদান
  3. আইনগত পরামর্শ প্রদান
  4. সবগুলো আইনগত সহায়তা হিসেবে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা

আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ২(ক) ধারার বিধান:
“আইনগত সহায়তা” অর্থ আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায় সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থীকে-
(অ) কোন আদালতে দায়েরযোগ্য, দায়েরকৃত বা বিচারাধীন মামলায় আইনগত পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান;
(আ) Code of Civil Procedure, 1908 (Act No. V of 1908) এবং প্রচলিত অন্যান্য আইনের বিধান অনুসারে মধ্যস্থতা বা সালিশের মাধ্যমে কোন মামলা নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে নিযুক্ত মধ্যস্থতাকারী বা সালিশকারীকে সম্মানী প্রদান;
(ই) মামলার প্রাসঙ্গিক খরচ প্রদানসহ অন্য যে কোন সহায়তা প্রদান; এবং
(ঈ) উপ-ধারা (অ) হইতে (ই) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হারে আইনজীবীকে সম্মানী প্রদান;

১,৪৬০.
Inter vivos অর্থ কী?
  1. Between dead persons
  2. Between artificial persons
  3. Between corporate persons
  4. Between living persons
ব্যাখ্যা
⇒ Inter vivos অর্থ between living persons,
⇒  especially : from one living person to another.
inter vivos gifts 
property transferred inter vivos.

- সম্পত্তি হস্তান্তর বলতে বুঝায় যা দ্বারা কোন জীবিত ব্যক্তি বর্তমানে বা ভবিষ্যতে কোন সম্পত্তি অন্য এক বা একাধিক জীবিত ব্যক্তিকে (Inter vivos) বা নিজেকে এবং এক বা একাধিক জীবিত ব্যক্তিকে হস্তান্তর করে এবং সম্পত্তি হস্তান্তর করা বলতে এরূপ কাজ সম্পন্ন করাকে বুঝায়।
- এটি Doctrine of Inter vivos (between two or more living persons) নামে পরিচিত।

⇒ inter vivos
(in-tur veye-vohs) adj. Latin for "among the living," usually referring to the transfer of property by agreement between living persons and not by a gift through a will. It can also refer to a trust (inter vivos trust) which commences during the lifetime of the person (trustor or settlor) creating the trust as distinguished from a trust created by a will (testamentary trust), which comes into existence upon the death of the writer of the will.

⇒ inter vivos transfer.
An inter vivos transfer is a transfer of property made during a person’s lifetime. It can be contrasted with a testamentary transfer, which is a transfer made in a will after death. A revocable trust is considered an inter vivos transfer even though the benefit of the trust is not enjoyed by the beneficiary until after the death of the donor because legal title is transferred at the time the trust is created.
১,৪৬১.
'A' agrees to sell to 'B' "a hundred tons of oil". There is nothing whatever to show what kind of oil was intended. The agreement is ______.
  1. valid
  2. void
  3. voidable
  4. voidable at option of 'A'
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত ক্ষেত্রে 'A', 'B'-এর নিকট ১০০ টন তেল বিক্রয় করতে সম্মত হয়। কিন্তু কোন ধরণের তেল বিক্রয় করার অভিপ্রায় ছিলো, সেটা উল্লেখ ছিলো না। অনিশ্চয়তার কারণে সম্মতিটি বাতিল (void)। কিন্তু সম্মতিতে যদি তেলের সুনির্দিষ্ট বর্ণনা উল্লেখ থাকতো, তাহলে সেটা বাতিল হতো না।
 
চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২৯:
যে সম্মতির অর্থ অনিশ্চিত বা সুনিশ্চিত করা সম্ভব নয় এমন সম্মতি বাতিল।
[Agreements, the meaning of which is not certain, or capable of being made certain, are void.]

অর্থাৎ ২৯ ধারার অধীন যেক্ষেত্রে সম্মতির অর্থ বা ভাষা অস্পষ্ট বা অনিশ্চিত এবং যেগুলো সুনির্দিষ্ট করা যায় না, সেক্ষেত্রে সম্মতি বাতিল হবে।
 
উদাহরণ-
৫০০ টাকায় বা ১০০০ টাকায় ক তার সাদা ঘোড়া বিক্রয় করার জন্য খ এর সাথে সম্মত হয়। কিন্তু দুইটি মূল্যের মধ্যে কোন মূল্য পরিশোধ করতে হবে সেটার কোন উল্লেখ না থাকায় অনিশ্চয়তার কারণে চুক্তিটি বাতিল।
১,৪৬২.
If the President is not kept informed about domestic and foreign policy decisions by the Prime Minister, which Article of Bangladesh constitution is being disregarded?
  1. Article 48(3)
  2. Article 56(2)
  3. Article 48(5)
  4. Article 56(3)
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮: রাষ্ট্রপতি:
(১) বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন। 
 
(২) রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন। 
 
(৩) এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্ট্রপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না। 
 
(৪) কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি- 
(ক) পঁয়ত্রিশ বৎসরের কম বয়স্ক হন; অথবা 
(খ) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য না হন; অথবা 
(গ) কখনও এই সংবিধানের অধীন অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ হইতে অপসারিত হইয়া থাকেন। 
 
(৫) প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রীয় নীতি সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত রাখিবেন এবং রাষ্ট্রপতি অনুরোধ করিলে যে−কোন বিষয় মন্ত্রিসভায় বিবেচনার জন্য পেশ করিবেন।

Article 48: The President-
(1) There shall be a President of Bangladesh who shall be elected by members of Parliament in accordance with law. 

(2) The President shall, as Head of State, take precedence over all other persons in the State, and shall exercise the powers and perform the duties conferred and imposed on him by this Constitution and by any other law. 

(3) In the exercise of all his functions, save only that of appointing the Prime Minister pursuant to clause (3) of article 56 and the Chief Justice pursuant to clause (1) of article 95, the President shall act in accordance with the advice of the Prime Minister: 
Provided that the question whether any, and if so what, advice has been tendered by the Prime Minister to the President shall not be enquired into in any court. 
 
(4) A person shall not be qualified for election as President if he – 
(a) is less than thirty five years of age; or  
(b) is not qualified for election as a member of Parliament; or 
(c) has been removed from the office of President by impeachment under this Constitution. 

(5) The Prime Minister shall keep the President informed on matters of domestic and foreign policy, and submit for the consideration of the Cabinet any matter which the President may request him to refer to it.

১,৪৬৩.
বাংলাদেশ সংবিধানে “প্রচলিত আইনের হেফাজত” (Saving for existing laws) এর বিধান কোন অনুচ্ছেদে আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৫২
  2. অনুচ্ছেদ ১৪৭
  3. অনুচ্ছেদ ১৫১
  4. অনুচ্ছেদ ১৪৯
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৯-এ "প্রচলিত আইনের হেফাজত" (Saving for existing laws) এর বিধান রয়েছে। এই অনুচ্ছেদ অনুসারে, সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে সকল প্রচলিত আইনের কার্যকারিতা অব্যাহত থাকবে, তবে সেগুলো সংবিধানের অধীন প্রণীত আইন দ্বারা সংশোধিত বা রহিত করা যাবে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৯ অনুচ্ছেদের বিধান: প্রচলিত আইনের হেফাজত:
- এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে সকল প্রচলিত আইনের কার্যকরতা অব্যাহত থাকিবে, তবে অনুরূপ আইন এই সংবিধানের অধীন প্রণীত আইনের দ্বারা সংশোধিত বা রহিত হইতে পারিবে।
-----------
⇒ Article 149. Saving for existing laws:
Subject to the provisions of this Constitution all existing laws shall continue to have effect but may be amended or repealed by law made under this Constitution.

১,৪৬৪.
'Transfer for benefit of unborn person'- বিধান সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ১০
  2. ধারা ১২
  3. ধারা ১৩
  4. ধারা ১৪
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩: জন্ম না নেওয়া ব্যক্তির উপকারার্থে হস্তান্তর:
যখন কোনো সম্পত্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে এমন একজন ব্যক্তির জন্য স্বার্থ সৃষ্টি করা হয়, যিনি হস্তান্তরের সময় জীবিত ছিলেন না, এবং সেই স্বার্থটি পূর্বে সৃষ্টি করা অন্য এক স্বার্থের অধীন হয়-
তখন, ঐ অনাগত (unborn) ব্যক্তির জন্য সৃষ্টি করা স্বার্থ কার্যকর হবে না, যদি না তা হস্তান্তরকারীর অবশিষ্ট স্বার্থ পুরোটাই অন্তর্ভুক্ত করে।

Section 13: Transfer for benefit of unborn person-
Where, on a transfer of property, an interest therein is created for the benefit of a person not in existence at the date of the transfer, subject to a prior interest created by the same transfer, the interest created for the benefit of such person shall not take effect, unless it extends to the whole of the remaining interest of the transferor in the property.
১,৪৬৫.
কোন মামলায় "একমাত্র পুত্রকে দত্তক নেওয়া বৈধ" বলে রায় দেওয়া হয়?
  1. শ্রীবালুসু বনাম শ্রীবালুসু
  2. ভূবনময়ী বনাম রামকিশোর
  3. ঠাকুর বনাম ঠাকুর
  4. কালেক্টর মাদুরা বনাম মুট্টোরাম
ব্যাখ্যা
শ্রীবালুসু বনাম শ্রীবালুসু (1899) 22 Mad-308, 26 IA 113
এই মামলার বিবাদী মাদ্রাজ উপমতপন্থী হিন্দু আইনের আওতাভুক্ত কোন এক পিতার একমাত্র পুত্র ছিল। সেই অঞ্চলের এক বিধবা তাহার স্বামীর নিকটবর্তী সপিগুদের অনুমতি নিয়া উক্ত পিতার একমাত্র পুত্রকে দত্তক নেন। বিধবার মৃত স্বামীর ভাবী উত্তরাধিকারী এই মামলার বাদী উক্ত দত্তকের বৈধতা সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপন করিয়া মামলা দায়ের করেন।

বিচার্য বিষয়:
১। স্বামীর অনুমতি ব্যতীত তাহার নিকটবর্তী সপিণ্ডদের সম্মতি নিয়া কোন বিধবা আইনত দত্তক নিতে পারে কিনা।
২। একমাত্র পুত্রকে দত্তক নেওয়া যায় কিনা।

রায়:
⇒ বিজ্ঞ প্রিভিকাউন্সিল সুপ্রাচীন ধর্মশাস্ত্রগুলি পর্যালোচনা করিয়া এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, মাদ্রাজ উপমতপন্থী অনুযায়ী স্বামীর মৃত্যুর পর নিকটবর্তী সপিগুদের অনুমতি স্বামীর অনুমতির ন্যায় গণ্য হইবে। অতএব প্রথম বিচার্য বিষয়টি বাদীর বিপক্ষে যাইবে।

⇒ বিজ্ঞ প্রিভি কাউন্সিল আরও সাব্যস্ত করেন যে, কোন কোন প্রাচীন মুনিঋষি একমাত্র পুত্রকে দত্তক দেওয়া বা নেওয়া সমর্থন করেন নাই সত্য, কিন্তু তাহাদের মতামত পড়িয়া বিজ্ঞ প্রিভি কাউন্সিলের এই ধারণাই জন্মে যে, বশিষ্ট সৌণক প্রমুখ মুনিগণ এই বিষয়ে যে মত দিয়েছেন তাহা নির্দেশক (recommendatory) ছিল, কোন অবস্থাতেই আদেশমূলক (mandatory) ছিল না। অতএব কেহ যদি সেই নির্দেশ উপেক্ষা করিয়া দত্তক নিয়া থাকে, তবে (Factum valet) নীতি অনুযায়ী ইহা বৈধ বিবেচিত হইবে।

⇒ নিম্ন আদালতে একমাত্র পুত্রকে দত্তক বৈধ সাব্যস্ত হয়। মাদ্রাজ হাইকোর্টে আপীলে নিম্ন আদালতের রায় বহাল থাকে। বাদী এই রায়ের অসম্মতিতে প্রিভিকাউন্সিলে আপীল দায়ের করে। প্রিভি কাউন্সিলে হাইকোর্টের রায় বহাল থাকে।
১,৪৬৬.
দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর কত বিধিতে অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি দমন কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে?
  1. বিধি ১৯
  2. বিধি ২১
  3. বিধি ২৩
  4. বিধি ২৬
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ বিধি ১৯- অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি দমন কমিটি:
(১) কমিশনের কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী আইন ও এই বিধিমালার আওতায় ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোন দুর্নীতি বা অনিয়মের আশ্রয় গ্রহণ করিতেছেন কিনা কিংবা কোন ব্যক্তিকে অযথা হয়রানি করিতেছেন কিনা অথবা আইন ও এই বিধিমালার আওতায় কোন অপরাধ করিয়াছেন কিনা তাহা সার্বক্ষণিক পরিবীক্ষণ, নজরদারী, অভিযোগ দায়ের, অনুসন্ধান, তদন্ত, মামলা দায়েরের ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ বা সুপারিশ প্রদানের লক্ষ্যে, যে ক্ষেত্রে যাহা প্রযোজ্য, অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি দমন কমিটি নামে একটি কমিটি থাকিবে।

(২) কমিশনের চেয়ারম্যান উপ-বিধি (১) এর অধীন গঠিত কমিটির চেয়ারম্যান হইবেন এবং কমিশনের সচিব এবং আইন ও প্রসিকিউশন এর দায়িত্বপ্রাপ্ত মহাপরিচালক উহার সদস্য হইবেন।
(৩) কমিশনের সচিব বা আইন ও প্রসিকিউশন এর দায়িত্বপ্রাপ্ত মহাপরিচালক এর বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ উত্থাপিত হইলে উহা কমিশনের চেয়ারম্যান নিজে বা তৎকর্তৃক মনোনীত কোন কমিশনার দ্বারা তদন্ত করিতে হইবে।

(৪) উপ-বিধি (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কমিশন প্রয়োজন মনে করিলে কমিশন বহির্ভূত অন্য তদন্তকারী সংস্থা যথাঃ-ডিজিএফআই, র‍্যাব, সিআইডি, ডিবি, এনএসআই ইত্যাদি সংস্থাকেও এইরূপ তদন্ত সম্পন্নের অনুরোধ করিতে পারিবে।

(৫) উপ-বিধি (৪) এর অধীন অনুরোধ করা হইলে উক্ত তদন্তকারী সংস্থার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কেবল সংশ্লিষ্ট অপরাধ তদন্তের বিষয়ে আইনের অধীন কমিশন কর্মকর্তা হিসাবে গণ্য হইবেন এবং আইন অনুযায়ী তদন্ত সম্পন্ন করিয়া অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবেন।

(৬) উপ-বিধি (৫) এর অধীনে সম্পাদিত তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হইলে অভিযোগনামার সহিত কমিশনের অনুমোদনসহ মামলা দায়েরের ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে।

(৭) এই বিধির অধীন অনুসন্ধান ও তদন্তকার্য পরিচালনার ক্ষেত্রে আইন ও এই বিধিমালার বিধানাবলী অনুসরণ করিতে হইবে।
১,৪৬৭.
মোহরানা বা দেনমোহরের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১ বৎসর
  2. ২ বৎসর
  3. ৩ বৎসর
  4. ৪ বৎসর
ব্যাখ্যা
- The Limitation Act, 1908 এর ১০৩ অনুচ্ছেদে তাৎক্ষণিক পরিশোধযোগ্য (Promt/মু’অজ্জল) মোহরানা আদায়ের জন্য আর  ১০৪ অনুচ্ছেদে বিলম্বিত (Differed/মু’আজ্জল) মোহরানা আদায়ে জন্য মোকদ্দমা দায়ের করার বিধান আছে। উভয়ক্ষেত্রে মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর।
১,৪৬৮.
হানাফী আইন অনুযায়ী মোট কত শ্রেণির ব্যক্তির অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের অধিকার আছে?
  1. ২ শ্রেণি
  2. ৩ শ্রেণি
  3. ৪ শ্রেণি
  4. ৫ শ্রেণি
ব্যাখ্যা

⇒ হানাফী আইন অনুসারে, অগ্রক্রয়ের অধিকার (Right of Pre-emption) প্রয়োগের অধিকার মোট ৩ শ্রেণির ব্যক্তির আছে। এরা হলো: (১) শাফি-ই-শরিক (সহ-অংশীদার বা যৌথ মালিক), (২) শাফি-ই-খালিত (সুবিধাসমূহের অংশগ্রহণকারী, যেমন পথ চলাচলের অধিকারী), এবং (৩) শাফি-ই-জার (সংলগ্ন বা পার্শ্বর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক)। এই শ্রেণিগুলো অগ্রক্রয়ের অধিকারের ক্রমানুসারে প্রয়োগ হয়।

⇒ অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ:
হানাফী আইন অনুযায়ী ৩ শ্রেণির ব্যক্তির অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের অধিকার আছে।
১) শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik ]
২) শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]
৩) শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]

- শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik ]
শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik | হলো সম্পত্তিতে কোন সহ-অংশীদার। যেমন; 'ক' এবং 'খ' হলো 'ম' এর সন্তান। সুতরাং 'ম' এর সম্পত্তির যৌথ মালিক হলো 'ক' এবং 'খ'। যদি 'ক' তার সম্পত্তি 'গ' এর নিকট বিক্রয় করে তাহলে 'খ' অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। আবার 'খ' তার সম্পত্তি 'গ' এর নিকট বিক্রয় করলে, 'ক' অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে।

- শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]
শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit] অর্থ হলো সুবিধাসমূহের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারী (Participator in immunities]। এটা বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যে কোন সুখাধিকার যেমন পথে চলাচলের অধিকার ইত্যাদিতে অধিকারী।

- শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]
শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar) অর্থ হলো সংলগ্ন বা পার্শবর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক (owners of adjoining immovable property)। হানাফী আইন অনুযায়ী যে ভূমি বিক্রয় হবে তার সংলগ্ন জমির মালিক অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে।

১,৪৬৯.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন অনুযায়ী একটি দলিলকে 'প্রত্যয়িত' (Attested) হওয়ার জন্য ন্যূনতম কতজন সাক্ষীর প্রয়োজন?
  1. একজন
  2. দুইজন
  3. তিনজন
  4. চারজন
ব্যাখ্যা

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২-এর ধারা ৩ অনুযায়ী, একটি দলিলকে 'প্রত্যয়িত' (Attested) হিসেবে গণ্য করার জন্য ন্যূনতম দুইজন সাক্ষীর উপস্থিতি প্রয়োজন।
প্রত্যয়িত দলিলে সাক্ষীরা নিশ্চিত করে যে:
১. দলিলটি সম্পাদনকারী ব্যক্তিকে স্বাক্ষর করতে বা চিহ্ন দিতে দেখেছে, অথবা
২. তাদের উপস্থিতিতে ও নির্দেশে অন্য কারো স্বাক্ষর দেখেছে, অথবা
৩. সম্পাদনকারীর স্বাক্ষর সম্পর্কে ব্যক্তিগত স্বীকৃতি লাভ করেছে।
সাক্ষীরা তারপর নিজেদের স্বাক্ষর করে দলিলকে প্রত্যয়িত করে।
উল্লেখযোগ্য: একাধিক সাক্ষীর একই সময় উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক নয়।
দলিলের পক্ষ কখনোই প্রত্যায়নকারী সাক্ষী হতে পারে না।
সুতরাং, ন্যূনতম দুইজন সাক্ষীর উপস্থিতি আবশ্যক।

১,৪৭০.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধে হাতেনাতে ধৃত ব্যক্তির ক্ষেত্রে, আদালত কত দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করবে?
  1. ১৫ কার্যদিবস
  2. ৩০ কার্যদিবস
  3. ৬০ কার্যদিবস
  4. ৯০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১০-বিচার পদ্ধতি:
(১) আদালত এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সম্পন্ন করিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে এই আইনে ভিন্নতর কিছু না থাকিলে, ফৌজদারী কার্যবিধির Chapter XXII-তে বর্ণিত পদ্ধতি, যতদূর প্রযোজ্য হয়, অনুসরণ করিবে৷ 
 
(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হইলে বা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধৃত হইয়া পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হইলে, পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রাথমিক রিপোর্টসহ তাহাকে চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করিবে এবং উহার পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে অপরাধ সম্পর্কে আদালতে রিপোর্ট বা অভিযোগ পেশ করিবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রিপোর্ট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ত্রিশ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করিবে৷ 
 
(৩) অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে হাতেনাতে ধৃত না হইলে, অপরাধ সংঘটনের পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং উক্ত রিপোর্ট বা অভিযোগ দায়েরের পরবর্তী ষাট কার্যদিবসের মধ্যে, ধারা ১১ এর বিধান সাপেক্ষে, আদালত বিচার কার্য সম্পন্ন করিব৷ 
 
(৪) উপ-ধারা (২) ও (৩) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে ধৃত না হইয়া অন্য কোনভাবে ধৃত হইলে বা আদালতে আত্নসমর্পণ করিলে, উক্ত অপরাধের বিষয়ে, যত দ্রুত সম্ভব, ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্নপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রির্পোট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে।
১,৪৭১.
'গ্রেফতার করার পর কোন শিশুকে হাতকড়া লাগানো যাবে না।'- শিশু আইন, ২০১৩ এর কত ধারায় এই বিধান উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৩৩ ধারায়
  2. ৪৪ ধারায়
  3. ৫৪ ধারায়
  4. ৬৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩: ধারা ৪৪- গ্রেফতার, ইত্যাদি:
(১) এই ধারায় যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ৯ (নয়) বৎসরের নিম্নের কোন শিশুকে কোন অবস্থাতেই গ্রেফতার করা বা, ক্ষেত্রমত, আটক রাখা যাইবে না। 
 
(২) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন শিশুকে নিবর্তনমূলক আটকাদেশ সংক্রান্ত কোন আইনের অধীন গ্রেফতার বা আটক করা যাইবে না। 
 
(৩) শিশুকে গ্রেফতার করিবার পর গ্রেফতারকারী পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেফতারের কারণ, স্থান, অভিযোগের বিষয়বস্তু, ইত্যাদি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তাকে অবহিত করিবেন এবং প্রাথমিকভাবে তাহার বয়স নির্ধারণ করিয়া নথিতে লিপিবদ্ধ করিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, গ্রেফতার করিবার পর কোন শিশুকে হাতকড়া বা কোমরে দড়ি বা রশি লাগানো যাইবে না। 
 
(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন বয়স নির্ধারণের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তা জন্ম নিবন্ধন সনদ অথবা, উক্ত সনদের অবর্তমানে স্কুল সার্টিফিকেট বা স্কুলে ভর্তির সময় প্রদত্ত তারিখসহ প্রাসঙ্গিক দলিলাদি উদ্‌ঘাটনপূর্বক যাচাই-বাছাই করিয়া তাহার বয়স লিপিবদ্ধ করিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তার নিকট প্রতীয়মান হয় যে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি একজন শিশু কিন্তু সম্ভাব্য সকল চেষ্টা করিয়াও দালিলিক প্রমাণ দ্বারা তাহা নিশ্চিত হওয়া যায় না, সেইক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তিকে এই আইনের বিধান অনুযায়ী শিশু হিসাবে গণ্য করিতে হইবে। 
 
(৫) সংশ্লিষ্ট থানায় শিশুর জন্য উপযোগী কোন নিরাপদ স্থান না থাকিলে গ্রেফতারের পর হইতে আদালতে হাজির না করা সময় পর্যন্ত শিশুকে নিরাপদ স্থানে আটক রাখিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে: 
তবে শর্ত থাকে যে, নিরাপদ স্থানে আটক রাখিবার ক্ষেত্রে শিশুকে প্রাপ্তবয়স্ক বা ইতোমধ্যেই দোষী সাব্যস্ত হইয়াছেন এইরূপ কোন শিশু বা অপরাধী এবং আইনের সংস্পর্শে আসা কোন শিশুর সহিত একত্রে রাখা যাইবে না।
১,৪৭২.
১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন অনুযায়ী, স্বামী একাধারে কয় বছর নিরুদ্দেশ থাকলে স্ত্রী বিবাহ-বিচ্ছেদের আবেদন করতে পারবে?
  1. ৪ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা

১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী যেসব কারণে আদালতে তালাক চাইতে পারেন সেগুলো হলো-
⇒ চার বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে;
⇒ দুই বছর স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে;
⇒ স্বামীর সাত বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি কারাদণ্ড হলে;
⇒ স্বামী কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া তিন বছর যাবত দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
⇒ বিয়ের সময় পুরষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা দায়ের করা পর্যন্ত বহাল থাকে;
⇒ স্বামী দুই বছর ধরে অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে অথবা কুষ্ঠরোগে বা মারাত্মক যৌন ব্যধিতে আক্রান্ত থাকলে;

⇒ বিয়ে অস্বীকার করলে। অর্থাৎ যদি কোনো মেয়ের বাবা বা অভিভাবক মেয়েকে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে বিয়ে দেন এবং সেই মেয়েটি ১৯ বছর হওয়ার আগে বিয়ে অস্বীকার করে বিয়ে ভেঙে দিতে পারে। তবে শর্ত হলো, মেয়েটির সঙ্গে স্বামীর দাম্পত্য সম্পর্ক (সহবাস) যদি স্থাপিত না হয়ে থাকে তখনই কেবল বিয়ে অস্বীকার করে আদালতে বিচ্ছেদের ডিক্রি চাওয়া যাবে;

⇒ স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লঙ্ঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে;

⇒ স্বামীর নিষ্ঠুরতার কারণে। নিম্নলিখিত আচরণগুলো ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসেবে গণ্য হবে-
(ক) অভ্যাসগত আচরণে স্ত্রীকে আঘাত করা (দৈহিক আঘাত ছাড়াও মানসিক আঘাতও এর অন্তর্ভুক্ত, যা তার জীবন শোচনীয় বা দুর্বিষহ করে তুলেছে);
(খ) অন্য কোনো খারাপ নারীর সঙ্গে জীবনযাপন বা মেলামেশা;
(গ) স্ত্রীকে অনৈতিক জীবনযাপনে বাধ্য করা;
(ঘ) স্ত্রীর সম্পত্তি নষ্ট করা;
(ঙ) স্ত্রীকে নিজস্ব ধর্মপালনে বাধা দেয়া;
(চ) যদি স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকে, তাদের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের নির্দেশ অনুসারে সমান ব্যবহার না করা;
(ছ) এছাড়া মুসলিম আইনে বিয়েবিচ্ছেদের জন্য বৈধ বলে স্বীকৃত অন্য যে কোনো কারণে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের দাবি করতে পারবে।

১,৪৭৩.
মূল আইন ও এর অধীনে প্রণিত আইনে ব্যবহৃত অভিব্যক্তির অর্থ একই। এই সংক্রান্ত The General Clauses Act, 1897 এর ধারা কোনটি?
  1. ২১
  2. ২০
  3. ২৯
  4. ১৮
ব্যাখ্যা
⇒ The General Clauses Act, 1897 এর ২০ ধারার: আইনের অধীন জারীকৃত আদেশ, ইত্যাদি ব্যাখ্যা:
- যে ক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধিতে কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, পরিকল্প, বিধি, ফরম বা উপ-আইন জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে এই আইন প্রবর্তনের পরে প্রণীত, অনুরূপ প্রজ্ঞাপন, আদেশ, পরিকল্প, বিধি, ফরম বা উপ-আইনে ব্যবহৃত অভিব্যক্তিসমূহের অর্থ অনুরূপ ক্ষমতা অর্পণকারী আইনে ব্যবহৃত অভিব্যক্তির সমার্থক হবে।
---------------------------
PROVISION AS TO ORDERS, RULES, ETC., MADE UNDER ENACTMENTS
The General Clauses Act, 1897 Section-20 Construction of orders, etc., issued under enactments: 
-Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue any notification, order, scheme, rule, form or bye-law is conferred, then expressions used in the notification, order, scheme, rule, form or bye-law, if it is made after the commencement of this Act, shall, unless there is anything repugnant in the subject or context, have the same respective meanings as in the Act or Regulation conferring the power.
১,৪৭৪.
পারিবারিক আদালতে আরজি দাখিলের পর বিবাদীর উপস্থিতির জন্য সাধারণত কত দিনের সময় নির্ধারণ করা হয়? 
  1. ৬০ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ২১ দিন
  4. ১৫ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ৭(১)(ক) অনুসারে, আদালতে আরজি (আবেদন) দাখিলের পর আদালত সাধারণভাবে অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্য করে বিবাদীকে হাজির হওয়ার ও লিখিত জবাব দাখিলের জন্য।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ৭: সমন ও নোটিশ জারিকরণ:
(১) পারিবারিক আদালতে আরজি দাখিল করিবার পর আদালত নিম্নরূপ উদ্যোগ গ্রহণ করিবে, যথা:-
(ক) বিবাদীর উপস্থিতির জন্য সাধারণভাবে অনধিক ৩০(ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্যকরণ;
(খ) বিবাদীর প্রতি নির্ধারিত তারিখে হাজির হইবার এবং জবাব প্রদানের জন্য সমন জারি;
(গ) বিবাদীর নিকট প্রাপ্তিস্বীকারপত্র সংবলিত রেজিস্ট্রি ডাকযোগে মোকদ্দমার নোটিশ প্রেরণ; এবং
(ঘ) উপরিউক্ত দফা (খ) ও (গ) এর অধীন সমন জারি ও নোটিশ প্রেরণের পাশাপাশি আদালত, বাদী কর্তৃক খরচ বহন করিবার শর্তে, আরজিতে উল্লিখিত বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বাদী কর্তৃক সরবরাহকৃত বিবাদীর ইমেইল ঠিকানায় সমন জারি করিবেন, তবে ইমেইল ঠিকানার সঠিকতা সম্পর্কে আদালত সন্তুষ্ট হইলে উক্তরূপে জারীকৃত সমন বিবাদীর উপর যথাযথভাবে জারি হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
(২) উপধারা (১) এর অধীন জারীকৃত প্রত্যেকটি সমন এবং প্রেরিত নোটিশের সহিত আরজির নকল এবং ধারা ৬ এর উপধারা (৫) ও (৬) এ উল্লিখিত দলিলসমূহের তালিকার অনুলিপি সংযুক্ত করিতে হইবে।
(৩) উপধারা (১) এর দফা (খ) এর অধীন জারীকৃত সমন দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ নং আদেশের বিধি ৯(১), ৯(২), ৯(৪), ৯(৫), ৯এ, ১০, ১১, ১৬, ১৭, ১৮, ১৯এ, ২০, ২১, ২৩, ২৪, ২৫(১), ২৬, ২৭, ২৮ এবং ২৯ এ বর্ণিত পদ্ধতিতে জারি করিতে হইবে এবং উক্তরূপে জারীকৃত সমন বিবাদীর উপর যথাযথভাবে জারি হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
(৪) উপধারা (১) এর দফা (গ) এর অধীন প্রেরিত নোটিশ বিবাদীর উপর তখনই যথাযথভাবে জারি হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে যখন বিবাদী কর্তৃক স্বাক্ষরিত প্রাপ্তিস্বীকারপত্র আদালত কর্তৃক গৃহীত হয় অথবা আদালত নোটিশ বহনকারী ডাকটি ডাক কর্মচারীর এই মর্মে লিখিত মন্তব্যসহ ফেরত পান যে, নোটিশ বহনকারী ডাক বিবাদীকে প্রদানে যাচনা করিবার পর তিনি উহা গ্রহণে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিয়াছেন:
তবে শর্ত থাকে যে, নোটিশ যথাযথভাবে ঠিকানাযুক্ত অগ্রিম প্রদত্ত প্রাপ্তিস্বীকারপত্রসহ রেজিস্ট্রি ডাকযোগে যথাযথভাবে প্রেরিত হইয়া থাকিলে নোটিশ ডাকে দেওয়ার তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিন অতিবাহিত হইবার পর যদি প্রাপ্তিস্বীকারপত্রটি হারাইয়া যায় বা ভুল ঠিকানায় চলিয়া যায় বা অন্য কোনো কারণে উক্ত সময়ের মধ্যে আদালত কর্তৃক প্রাপ্ত না হয় তাহা হইলে বিবাদীর উপর উহা যথাযথভাবে জারি হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
(৫) উপধারা (১) এর দফা (খ) এর অধীন জারীকৃত সমন প্রেরণ সংক্রান্ত খরচ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন সমন জারির খরচের ন্যায় হইবে এবং উপধারা (১) এর দফা (গ) এর অধীন প্রেরিত নোটিশের ডাক খরচ আরজি দাখিলের সময় বাদী কর্তৃক প্রদেয় হইবে।

১,৪৭৫.
'Inspector-General of Registration' নিয়োগ দেয় কে?
  1. সংসদ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. সরকার
  4. সুপ্রিম কোর্ট
ব্যাখ্যা
ধারা ৩: মহা-পরিদর্শক, নিবন্ধন (Inspector-General of Registration):
(১) সরকার একজন কর্মকর্তাকে বাংলাদেশের জন্য মহা-পরিদর্শক, নিবন্ধন (Inspector-General of Registration) হিসেবে নিয়োগ দিবে।
তবে শর্ত থাকে যে, সরকার চাইলে এমন নিয়োগ না দিয়ে, এই আইনের অধীনে মহা-পরিদর্শক, নিবন্ধনের উপর আরোপিত যে কোন ক্ষমতা ও দায়িত্ব একজন বা একাধিক কর্মকর্তা কর্তৃক এবং নির্ধারিত এলাকা বা সীমানার মধ্যে পালন ও প্রয়োগের জন্য আদেশ প্রদান করতে পারে।

(২) একজন মহা-পরিদর্শক, নিবন্ধন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অন্য কোনো পদ একসাথে (একই সময়ে) ধারণ করতে পারবেন।
১,৪৭৬.
মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ অনুযায়ী, যদি স্বামী ৭ বছর বা তার বেশি সময়ের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন, তাহলে বিবাহ বিচ্ছেদের ডিক্রি কখন পাস করা যাবে?
  1. রায় হওয়ার পর
  2. রায় চূড়ান্ত হওয়ার পর
  3. ২ বছর কারাবাসের পর
  4. ৫ বছর কারাবাসের পর
ব্যাখ্যা
মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ এর ধারা ২(৩) অনুযায়ী, যদি স্বামী ৭ বছর বা তার বেশি সময়ের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন, তাহলে বিবাহ বিচ্ছেদের ডিক্রি পাস করা যাবে। 
- এই ধারা অনুযায়ী, স্বামী যদি ৭ বছর বা তার বেশি সময়ের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন, তাহলে স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য আবেদন করতে পারেন।
তবে, এই ডিক্রি পাস করার আগে আদালতকে নিশ্চিত হতে হবে যে রায় চূড়ান্ত হয়েছে। অর্থাৎ, রায়ের বিরুদ্ধে কোনো আপিল বা পুনর্বিচারের আবেদন থাকলে, যতক্ষণ না তা নিষ্পত্তি হয়, ততক্ষণ ডিক্রি পাস করা যাবে না।

প্রদত্ত অপশন গুলোর বিশ্লেষণ:
ক) রায় হওয়ার পর : এটি সঠিক নয়, কারণ রায় চূড়ান্ত হওয়ার আগে ডিক্রি পাস করা যায় না।
খ) রায় চূড়ান্ত হওয়ার পর: এটি সঠিক উত্তর। রায় চূড়ান্ত হওয়ার পরই কেবল ডিক্রি পাস করা যাবে।
গ) ২ বছর কারাবাসের পর: এটি ভুল, কারণ কারাবাসের সময় নয়, রায়ের চূড়ান্ততা বিবেচ্য।
ঘ) ৫ বছর কারাবাসের পর: এটি ভুল, কারণ কারাবাসের সময় নয়, রায়ের চূড়ান্ততা বিবেচ্য।

সঠিক উত্তর: খ) রায় চূড়ান্ত হওয়ার পর। কারণ, এই আইন অনুযায়ী, ডিক্রি পাস করার আগে রায় চূড়ান্ত হওয়া আবশ্যক।
১,৪৭৭.
১৯৭২ -এর মূল সংবিধানের অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার ক্ষমতা কোন কর্তৃপক্ষের উপর অর্পণ করা হয়েছিল?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. জাতীয় সংসদ
  4. সুপ্রীম কোর্ট
ব্যাখ্যা
১৯৭২ এর মূল সংবিধানে অধঃস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার ক্ষমতা সুপ্রীমকোর্টের উপর ন্যস্ত ছিল।
- সংবিধানের ৪র্থ সংশোধনীয় মাধ্যমে এই ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির উপর অর্পণ করা হয়।
- এরপর Second Proclamation Order No. IV of 1978-এর মাধ্যমে সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ পুনরায় সংশোধন করা হয়।
- বিধান করা হয় যে, রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে অধঃস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার ক্ষমতা প্রয়োগ করবে।

অনুচ্ছেদ ১১৬- অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা:
বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচারবিভাগীয় দায়িত্বপালনে রত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল- নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরীসহ) ও শৃংখলাবিধান রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাহা প্রযুক্ত হইবে।
১,৪৭৮.
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে কোন পরিস্থিতিতে সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হবে?
  1. নিজ দল থেকে পদত্যাগ করলে
  2. নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দিলে
  3. সংসদে অনুপস্থিত থাকলে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
⇒ Floor-Crossing বা 'political defection' অর্থ হলো অন্যদলে যোগদান করার জন্য বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার জন্য নিজের দল হতে পদত্যাগ করা বা সংসদে নিজের দলের বিপক্ষে ভোটদান করা। Floor- Crossing এর কারণে সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হবে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বিধান: রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া:
কোন নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হইয়া কোন ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি-
(ক) উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা
(খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,
তাহা হইলে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।
১,৪৭৯.
একজন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আইনের অপরাধের Cognizance গ্রহণ করতে পারেন না?
  1. Penal Code,1860
  2. The Negotiable Instruments Act,1881
  3. The Dowry Prohibition Act,1980
  4. The Special Powers Act,1974
ব্যাখ্যা
• The Special Powers Act, 1974 ২৬ ধারায় Special Tribunal গঠন এবং গঠিত Tribunal -এর কার্যপদ্ধতি ২৭ ধারা আলোচনা করা হয়েছে।

বিচারক নিয়োগ:
২৬(২) ধারা অনুযায়ী- Special Tribunal গঠিত হলে নিজস্ব দায়রা বিভাগের ৩ ধরনের বিচারক Special Tribunal-এর বিচারক হতে পারবে-

০১. দায়রা জজ;
০২. অতিরিক্ত দায়রা জজ;
০৩. যুগ্ম দায়রা জজ।

অভিযোগ গ্রহণ:
২৬(২) ধারার অধীনে গঠিত Special Tribunal এই আইনের তফসিলে বর্ণিত (৫টি আইনের) অপরাধসমূহের Cognizance গ্রহণ করতে পারে। তবে, Sub-Inspector পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তার লিখিত রিপোর্ট ব্যতীত Special Tribunal কোনো অপরাধ বিচারের জন্য গ্রহণ করবে না (shall not take cognizane)। অর্থাৎ The Special Powers Act,1974 এর অধীন গঠিত Special Tribunal শুধুমাত্র মামলা আমলে নিতে পারবে, ম্যাজিস্ট্রেট নয়।

বি.দ্র.: অপরাধ বিচারার্থে আমলে নেওয়া এবং বিচার করা ভিন্ন বিষয়। ম্যাজিস্ট্রেট CrPC'র ১৯০ ধারানুযায়ী ৩ উপায়ে অপরাধ আমলে নেন এবং CrPC'র ১৯৩ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধীসহ নথি পাঠালে দায়রা আদালত সে অপরাধ আমলে নেন, তবে মূল এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত হিসেবে অপরাধ আমলে নেন না।
১,৪৮০.
রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ব্যতিরেকে কোন ব্যক্তিকে নিয়োগ প্রদান করতে পারেন?
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক
  4. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা সীমিত। তিনি প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ব্যতীত অন্য সকল ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কর্ম সম্পাদন করে থাকেন।

- জরুরি অবস্থা জারি, সংসদ অধিবেশন আহবান, স্থগিত বা ভঙ্গ করা, প্রধানমন্ত্রী ব্যতীত মন্ত্রীসভার অন্যান্য সদস্যের নিয়োগ সকল ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশ গ্রহণ করে থাকেন।

- বাংলাদেশ সংবিধানের ৪৮(৩) অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে- এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না।
১,৪৮১.
'There shall be one electoral roll for each constituency for the purposes of elections to Parliament' - সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে এই বিধান উল্লেখ আছে?
  1. Article 120
  2. Article 121
  3. Article 122
  4. Article 123
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ১২১- প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা:
সংসদের নির্বাচনের জন্য প্রত্যেক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকার একটি করিয়া ভোটার-তালিকা থাকিবে এবং ধর্ম, জাত, বর্ণ ও নারী-পুরুষভেদের ভিত্তিতে ভোটারদের বিন্যস্ত করিয়া কোন বিশেষ ভোটার-তালিকা প্রণয়ন করা যাইবে না।

Article 121: Single electoral roll for each constituency-
There shall be one electoral roll for each constituency for the purposes of elections to Parliament, and no special electoral roll shall be prepared so as to classify electors according to religion, race, caste or sex.

১,৪৮২.
অকৃষি প্রজা 'ক' এবং তার ভূ-স্বত্বাধিকারীর মধ্যে উন্নয়ন কাজ সম্পর্কিত প্রশ্নে ডেপুটি কমিশনার সিদ্ধান্ত প্রদান করেন। উক্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে-
  1. আপিল করা যাবে না
  2. সরাসরি হাইকোর্টে আপিল করা যাবে
  3. ডেপুটি কমিশনারের কাছে রিভিশন করা যাবে
  4. জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে
ব্যাখ্যা

• অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৬৬ ধারার বিধান- উন্নয়ন ইত্যাদি করার অধিকারের প্রশ্নে কালেক্টর সিদ্ধান্ত দিবেন:
১) যদি অকৃষি প্রজা ও তার ভূ-স্বত্বাধিকারীর মধ্যে এমন প্রশ্ন উঠে-
ক) উন্নয়ন কাজ করার অধিকার সম্বন্ধে; বা
খ) কোন বিশেষ একটি কাজ উন্নয়নমূলক কি না, 

তখন যে কোন পক্ষের আবেদন অনুযায়ী ডেপুটি কমিশনার সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন।

২) ডেপুটি কমিশনারের প্রদত্ত আদেশের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে। এরূপ আপিলের ক্ষেত্রে জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।

১,৪৮৩.
'ক' এবং 'খ' একটি চুক্তি করে যে, 'ক' 'খ' কে ২০,০০০ টাকা দেবে যদি 'খ' 'গ' কে শারীরিকভাবে আঘাত করে এবং হত্যা করে । এই চুক্তিটি কী ধরনের চুক্তি?
  1. বৈধ চুক্তি
  2. বাতিলযোগ্য চুক্তি
  3. সম্পূর্ণ বাতিল চুক্তি
  4. শর্তসাপেক্ষে বৈধ চুক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২৩ অনুসারে, একটি চুক্তির প্রতিদান বা উদ্দেশ্য বৈধ হবে যদি না তা:
১) আইন দ্বারা নিষিদ্ধ হয়,
২) কোনো আইনের বিধান ব্যর্থ করে,
৩) প্রতারণাপূর্ণ হয়,
৪) অন্য ব্যক্তির বা সম্পত্তির ক্ষতি করে,
৫) আদালত কর্তৃক অযৌক্তিক বা জননীতির পরিপন্থী বলে বিবেচিত হয়।
এখানে, ‘ক’ এবং ‘খ’-এর চুক্তির উদ্দেশ্য হলো ‘খ’-এর দ্বারা ‘গ’-কে শারীরিকভাবে আঘাত করা এবং হত্যা করা।
এই উদ্দেশ্য: অন্য ব্যক্তির ক্ষতি করে (ধারা ২৩-এর চতুর্থ শর্ত), কারণ হত্যা একটি গুরুতর শারীরিক ক্ষতি।
আইন দ্বারা নিষিদ্ধ (ধারা ২৩-এর প্রথম শর্ত), কারণ হত্যা দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩০২-এর অধীনে ফৌজদারি অপরাধ।
জননীতির পরিপন্থী (ধারা ২৩-এর পঞ্চম শর্ত), কারণ হত্যার মতো কাজ সমাজের নৈতিকতা ও জননীতির বিরুদ্ধে।
যেহেতু চুক্তির উদ্দেশ্য বেআইনি, তাই ধারা ২৩ অনুসারে এই চুক্তি সম্পূর্ণ বাতিল (void)।

⇒ চুক্তি আইনের ২৩ ধারার বিধান: কোন কোন প্রতিদানসমূহ এবং উদ্দেশ্যাবলি আইনানুগ এবং কোন কোনটি আইনানুগ নয়:
কোন সম্মতির প্রতিদান বা উদ্দেশ্য আইনানুগ হয় যদি না তা আইন দ্বারা নিষিদ্ধ করা না হয়; বা তা কোন আইনের বিধানাবলি ব্যর্থ করে; বা তা প্রতারণাপূর্ণ হয়; বা তা অন্য ব্যক্তির বা অন্যের সম্পত্তির জন্য ক্ষতিকর পরিগণিত হয়; বা তা আদালত অযৌক্তিক বা জননীতির পরিপন্থি মনে করেন।
এরূপ প্রতিটি ক্ষেত্রে চুক্তির প্রতিদান বা উদ্দেশ্যকে বেআইনি বলা হয়। যে সকল চুক্তির উদ্দেশ্য বা প্রতিদান বেআইনি সেগুলো বাতিল।
----------
⇒ The Contract Act, 1872 Section 23. What considerations and objects are lawful and what not:
The consideration or object of an agreement is lawful, unless- it is forbidden by law; or is of such a nature that, if permitted, it would defeat the provisions of any law; or is fraudulent; or involves or implies injury to the person or property of another; or the Court regards it as immoral, or opposed to public policy.
In each of these cases, the consideration or object of an agreement is said to be unlawful. Every agreement of which the object or consideration is unlawful is void.

১,৪৮৪.
বর্তমান ও ভবিষ্যৎ উভয় সম্পত্তি একত্রে দান করলে, ভবিষ্যৎ সম্পত্তির দান ________।
  1. বাতিল হবে
  2. বাতিলযোগ্য হবে
  3. শর্ত সাপেক্ষে বাতিল হবে
  4. ভবিষ্যতে সম্পন্ন করতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১২৪ ধারার বিধান: বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্পত্তির দান: বর্তমান ও ভবিষ্যৎ উভয় সম্পত্তি একত্রে দান করলে, ভবিষ্যৎ সম্পত্তির দান বাতিল হবে।
- অর্থাৎ দানের বিষয়বস্তু অবশ্যই বর্তমান কোন জিনিস হতে হবে অর্থাৎ ভবিষ্যৎ সম্পত্তির দান বাতিল বলে গণ্য হবে।
------------------
⇒ Section 124. Gift of existing and future property:
A gift comprising both existing and future property is void as to the latter.
১,৪৮৫.
নিম্নোক্তদের মধ্যে কে অগ্রক্রয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত?
  1. শাফি-ই-খালিত
  2. শাফি-ই-জার
  3. শাফি-ই-শরিক
  4. সম্পত্তির উত্তরাধিকারী
ব্যাখ্যা
• Pre-emption বা অগ্রক্রয় হলো জমির ক্রয় সংক্রান্ত একটি অধিকার। আরবি ভাষায় এটি 'শুফা' (Shufaa) নামে পরিচিত। অগ্রক্রয় বলতে অন্য কোনো ব্যক্তির ক্রয়কৃত স্থাবর সম্পত্তি ক্রয়ের মাধ্যমে মালিকানা লাভের অধিকারকে বুঝায়, যা কোনো ব্যক্তির পক্ষে ঐ সম্পত্তিতে শরিক কিংবা প্রতিবেশী হওয়ার কারণে সৃষ্টি হয়।

মুসলিম হানাফী আইন অনুযায়ী, ৩ শ্রেণির ব্যক্তির অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের অধিকার আছে-
১) শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik]- সম্পত্তিতে কোন সহ-অংশীদার।
২) শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]- সুবিধাসমূহের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারী।
৩) শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]- সংলগ্ন বা পার্শ্ববর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক।

• অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ
এই তিন প্রকারের অগ্রক্রয়ের অধিকারীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হলে ক্রমিক অনুসারে অগ্রাধিকার পাবে। বিভিন্ন শ্রেণির অগ্রক্রয়ের অধিকারীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হলে প্রথম স্তরের অধিকারী দ্বিতীয় স্তর কে এবং দ্বিতীয় স্তরের অধিকারী তৃতীয় স্তরকে রহিত করবে। একই স্তরের একাধিক ব্যক্তি অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে চাইলে তারা সবাই অগ্রক্রয়ের অধিকারকৃত ভূমির সমান ভাগ পাবে।
১,৪৮৬.
বাংলাদেশ সংবিধান অনুযায়ী, বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিতে কী কী বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে?
  1. রাজস্ব খাতের ব্যয়
  2. সংযুক্ত তহবিলের ব্যয়
  3. সরকারের অনুমিত আয় এবং ব্যয়
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ৮৭(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত থাকবে:
→ রাজস্ব খাতের ব্যয়: সরকারের আয় ও ব্যয়ের মধ্যে যে অংশ রাজস্ব থেকে আসে এবং তার ব্যয় নির্ধারণ করা হয়।
→ সংযুক্ত তহবিলের ব্যয়: সংযুক্ত তহবিলের ব্যয়, যা সরকারের বিশেষ তহবিল এবং এর ব্যয় নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের হিসাব করা হবে।
→ সরকারের অনুমিত আয় এবং ব্যয়: সরকারের পরবর্তী অর্থ-বছরের জন্য অনুমিত আয় ও ব্যয়ের হিসাব এবং তার ভিত্তিতে পরিকল্পনা ও বাজেট প্রণয়ন করা হয়।

সুতরাং, বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিতে সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়, সংযুক্ত তহবিলের ব্যয়, এবং রাজস্ব খাতের ব্যয়—এই তিনটি বিষয়ই অন্তর্ভুক্ত থাকে। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) উপরের সবগুলো।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৭ অনুচ্ছেদ- বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি:
(১) প্রত্যেক অর্থ-বৎসর সম্পর্কে উক্ত বৎসরের জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত একটি বিবৃতি (এই ভাগে "বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি" নামে অভিহিত) সংসদে উপস্থাপিত হইবে।
(২) বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিতে পৃথক পৃথকভাবে
(ক) এই সংবিধানের দ্বারা বা অধীন সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়রূপে বর্ণিত ব্যয়নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ, এবং
(খ) সংযুক্ত তহবিল হইতে ব্যয় করা হইবে, এইরূপ প্রস্তাবিত অন্যান্য ব্যয়নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ
প্রদর্শিত হইবে এবং অন্যান্য ব্যয় হইতে রাজস্বখাতের ব্যয় পৃথক করিয়া প্রদর্শিত হইবে।
১,৪৮৭.
'প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ' এই ঘোষণাটি বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখিত হয়েছে?
  1. ২৮
  2. ৪৪
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ০৭: সংবিধানের প্রাধান্য

১. প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে৷

২. জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তাহলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে।
১,৪৮৮.
'ক', 'খ'-এর নিকট এই শর্ত সাপেক্ষে একটা খামার ইজারা দিল যে, 'খ' ঘণ্টায় একশত মাইল হাঁটবে। এক্ষেত্রে-
  1. উক্ত ইজারা বৈধ হবে
  2. উক্ত ইজারা অবৈধ হবে
  3. শর্ত পূরণ করলে ইজারা বৈধ হবে
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ২৫: শর্তযুক্ত হস্তান্তর

যখন সম্পত্তি হস্তান্তর দ্বারা এমন একটি স্বার্থ সৃষ্টি করা হয় এবং যা এমন শর্তের উপর নির্ভরশীল যা পালন করা অসম্ভব বা আইনে নিষিদ্ধ বা এরূপ প্রকৃতির যে, যা পালন করতে দেওয়া হলে আইনের কোনো বিধান ব্যর্থ হবে বা প্রতারণামূলক বা অন্য কোনো ব্যক্তির শরীর বা সম্পত্তির সাথে সংশ্লিষ্ট বা শরীর বা জনস্বার্থের বিরোধী বলে মনে করে, তখন এ স্বার্থ ব্যর্থ হবে।

উদাহরণঃ
(ক) 'ক', 'খ'-এর নিকট এই শর্ত সাপেক্ষে একটা খামার ইজারা দিল যে, 'খ' ঘণ্টায় একশত মাইল হাঁটবে, তবে এরূপ ইজারা অবৈধ হবে।
(খ) 'ক', 'খ'-কে এই শর্তে ৫০০/- টাকা দিল যে, সে 'ক'-এর কন্যা 'গ'-কে বিবাহ করবে। কিন্তু দেখা গেল যে, প্রতিশ্রুতিমত প্রদানের তারিখে 'গ' মৃত ছিল। তবে এরূপ হস্তান্তর অবৈধ ও বাতিল হবে।
(গ) 'ক' এই শর্তে 'খ'-কে ৫০০ টাকা দিল যে, সে 'খ'-কে খুন করবে। যা অবৈধ ও বাতিলযোগ্য।
(ঘ) 'ক' তার ভাইঝি 'গ'-কে এই শর্তে ৫০০ টাকা দিল যে, 'গ' তার স্বামীকে পরিত্যাগ করবে। এই জাতীয় হস্তান্তরও অবৈধ ও বাতিলযোগ্য হবে।

Section 25: Conditional transfer
An interest created on a transfer of property and dependent upon a condition fails if the fulfilment of the condition is impossible, or is forbidden by law, or is of such a nature that, if permitted, it would defeat the provisions of any law, or is fraudulent, or involves or implies injury to the person or property of another, or the Court regards it as immoral or opposed a public policy. 
 
Illustrations 
(a) A lets a farm to B on condition that he shall walk a hundred miles in an hour. The lease is void. 
(b) A gives Tk. 500 to B on condition that he shall marry A's daughter C. At the date of the transfer C was dead. The transfer is void. 
(c) A transfers Tk. 500 to B on condition that she shall murder C. The transfer is void. 
(d) A transfers Tk. 500 to his niece C if she will desert her husband. The transfer is void.
১,৪৮৯.
রীট কত প্রকার?
  1. ৪ প্রকার
  2. ৬ প্রকার
  3. ৩ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
• রীট হলো এক ধরনের আইনি অধিকার যার মাধ্যমে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অধিকার লঙ্ঘিত হলে উক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তার লঙ্ঘিত অধিকার  বাস্তবায়নের জন্য আদালতের নিকট প্রতিকার  চাইতে পারে। যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই প্রতিকার চাওয়া হয় তাকেই বলা হয় Writ (রীট)। বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২ নাম্বার আর্টিকেল অনুযায়ী মোট পাঁচ ধরনের  Writ (রীট) সম্পর্কে  জানা যায়। সেগুলো হল-

ক. নিষেধাজ্ঞামূলক রীট (Writ of prohibition),
খ. হুকুমজারি রীট (Writ of Mandamus),
গ. উৎপ্রেষণমূলক রীট (Writ of Certiorari),
ঘ. বন্দী প্রদর্শন রীট (Writ of Habeas Corpus),
ঙ. কারণ দর্শাও রীট ( Writ of Quo warranto)।
১,৪৯০.
The Negotiable Instrument Acts, 1881 এর ১১৮ ধারা অনুসারে হস্তান্তরযোগ্য দলিল সম্পর্কিত অনুমান হবে-
  1. May presume
  2. Shall presume
  3. Conclusive proof
  4. 'B' or 'C'
ব্যাখ্যা
⇒ Section 118 of The Negotiable Instruments Act, 1881: Presumptions as to negotiable instruments- (a) of consideration; (b) as to date; (c) as to time of acceptance; (d) as to time of transfer; (e) as to order of indorsements; (f) as to stamp; (g) that holder is a holder in due course:

- Until the contrary is proved, the following presumptions shall be made:
 
(a) that every negotiable instrument was made or drawn for consideration, and that every such instrument, when it has been accepted, indorsed, negotiated or transferred, was accepted, indorsed, negotiated or transferred for consideration;
 
(b) that every negotiable instrument bearing a date was made or drawn on such date;
 
(c) that every accepted bill of exchange was accepted within a reasonable time after its date and before its maturity;
 
(d) that every transfer of a negotiable instrument was made before its maturity;
 
(e) that the indorsements appearing upon a negotiable instrument were made in the order in which they appear thereon;
 
(f) that a lost promissory note, bill of exchange or cheque was duly stamped;
 
(g) that the holder of a negotiable instrument is a holder in due course: provided that, where the instrument has been obtained from its lawful owner, or from any person in lawful custody thereof, by means of an offence or fraud, or has been obtained from the maker or acceptor thereof by means of an offence or fraud, or for unlawful consideration, the burden of proving that the holder is a holder in due course lies upon him.
১,৪৯১.
সার্বজনীন দানগ্রহীতা দাতার কোন ধরনের দায়ের জন্য দায়ী থাকবে?
  1. দায়ী হবে না
  2. দেনার সমপরিমাণ
  3. দানের সম্পত্তির সমপরিমাণ
  4. দানের সম্পত্তির তিন গুণ পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
• ধারা ১২৮: সার্বজনীন দানগ্রহীতা-
দাতা তার সমস্ত সম্পত্তি কাউকে দান করে গেলে গ্রহীতাকে সার্বজনীন দানগ্রহীতা বলে। সার্বজনীন দান গ্রহীতা দাতার দানের সময় বিদ্যমান সমস্ত দেনা ও দায়ের জন্য দানের সম্পত্তির মূল্যের সমপরিমাণ ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবে।

Section 128: Universal donee-
Subject to the provisions of section 127, where a gift consists of the donor's whole property, the donee is personally liable for all the debts due by and liabilities of the donor at the time of the gift to the extent of the property comprised therein.
১,৪৯২.
মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ অনুযায়ী, বাল্যবিবাহের ক্ষেত্রে মেয়েরা বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য কত বয়স পর্যন্ত আবেদন করতে পারে?
  1. ১৮ বছর
  2. ১৯ বছর
  3. ২০ বছর
  4. ২১ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ধারা ২(৭) অনুযায়ী ১৮ বছর বয়সের আগে বিবাহিত মেয়েরা ১৯ বছর বয়স পর্যন্ত বিবাহ প্রত্যাখ্যান করতে পারে।

⇒ ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী যে-সব কারণে আদালতে তালাক চাইতে পারেন সেগুলো হলো-
- চার বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে;
- দুই বছর স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে;
- স্বামীর সাত বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি কারাদণ্ড হলে;
- স্বামী কোনো যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া তিন বছর যাবত দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
- বিয়ের সময় পুরুষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা দায়ের করা পর্যন্ত বহাল থাকে;
- স্বামী দুই বছর ধরে অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে অথবা কুষ্ঠরোগে বা মারাত্মক যৌন ব্যাধিতে আক্রান্ত থাকলে;
- বিয়ে অস্বীকার করলে। অর্থাৎ যদি কোনো মেয়ের বাবা বা অভিভাবক মেয়েকে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে বিয়ে দেন এবং সেই মেয়েটি ১৯ বছর হওয়ার আগে বিয়ে অস্বীকার করে বিয়ে ভেঙে দিতে পারে। তবে শর্ত হলো, মেয়েটির সঙ্গে স্বামীর দাম্পত্য সম্পর্ক (সহবাস) যদি স্থাপিত না হয়ে থাকে, তখনই কেবল বিয়ে অস্বীকার করে আদালতে বিচ্ছেদের ডিক্রি চাওয়া যাবে;
- স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লঙ্ঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে;
- স্বামীর নিষ্ঠুরতার কারণে। নিম্নলিখিত আচরণগুলো ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসেবে গণ্য হবে-
(ক) অভ্যাসগত আচরণে স্ত্রীকে আঘাত করা (দৈহিক আঘাত ছাড়াও মানসিক আঘাতও এর অন্তর্ভুক্ত, যা তার জীবন শোচনীয় বা দুর্বিষহ করে তুলেছে);
(খ) অন্য কোনো খারাপ নারীর সঙ্গে জীবনযাপন বা মেলামেশা;
(গ) স্ত্রীকে অনৈতিক জীবনযাপনে বাধ্য করা;
(ঘ) স্ত্রীর সম্পত্তি নষ্ট করা;
(ঙ) স্ত্রীকে নিজস্ব ধর্মপালনে বাধা দেয়া;
(চ) যদি স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকে, তাদের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের নির্দেশ অনুসারে সমান ব্যবহার না করা;
(ছ) এছাড়া মুসলিম আইনে বিয়ে বিচ্ছেদের জন্য বৈধ বলে স্বীকৃত অন্য যে কোনো কারণে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের দাবি করতে পারবে।

১,৪৯৩.
বিচারাধীন মামলা সম্পর্কিত নীতি কোনটি?
  1. Doctrine of res judicata
  2. Doctrine of subrogation
  3. Doctrine of lis pendens
  4. Doctrine of holding over
ব্যাখ্যা
• Doctrine of Lis Pendens (ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ: "pending litigation" বা বিচারাধীন মামলা চলাকালে) একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি নীতি যা সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২–এর ধারা ৫২–তে উল্লিখিত আছে।

ধারা ৫২: বিচারাধীন মামলা চলাকালীন সম্পত্তি হস্তান্তর-
যখন বাংলাদেশে কোনো আদালতে এমন একটি মামলা বা কার্যক্রম বিচারাধীন থাকে, যা পরস্পরের মিথষ্ক্রিয়ার (collusive) নয় এবং যার মধ্যে কোনো স্থাবর সম্পত্তির অধিকার সরাসরি ও নির্দিষ্টভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তখন:
- মামলার যেকোনো পক্ষ উক্ত সম্পত্তি বিক্রি বা হস্তান্তর করতে পারবে না,
- যদি না তা আদালতের অনুমোদনক্রমে ও নির্ধারিত শর্তে করা হয়,
- কারণ, এমন হস্তান্তর অন্য পক্ষের অধিকারকে প্রভাবিত করতে পারে, যা মামলার রায় বা আদেশ দ্বারা নির্ধারিত হবে।

সহজ ভাষায়:
যে সম্পত্তি নিয়ে মামলা চলছে, তা মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আদালতের অনুমতি ছাড়া হস্তান্তর বা লেনদেন করা যাবে না।
১,৪৯৪.
অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া বিবাহের ক্ষেত্রে ফ্যাক্টাম ভ্যালেট নীতি কীভাবে প্রয়োগ হয়?
  1. বিবাহটি অবৈধ বলে গণ্য হবে
  2.  বিবাহটি বৈধ বলে গৃহীত হবে
  3. বিবাহটি বাতিলযোগ্য হবে
  4. বিবাহটি শুধুমাত্র আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে বৈধ
ব্যাখ্যা

হিন্দু আইনে ফ্যাক্টাম ভ্যালেট (Factum Valet) নীতিটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা, যা জীমুতবাহন কর্তৃক প্রবর্তিত। এই নীতির মূল বক্তব্য হলো: “Factum valet quod fieri non debuit”, অর্থাৎ, যে কাজটি করা উচিত ছিল না, কিন্তু সেটি সম্পন্ন হয়ে গেলে তাকে অবৈধ বলে গণ্য করা হবে না। এই নীতি হিন্দু আইনের দায়ভাগ এবং মিতাক্ষরা উভয় মতবাদে স্বীকৃত এবং এটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে আদালত কর্তৃক প্রয়োগ করা হয়। নিচে এই নীতির বিস্তারিত ব্যাখ্যা এবং প্রয়োগের ক্ষেত্রগুলো উল্লেখ করা হলো:

ফ্যাক্টাম ভ্যালেট নীতির তাৎপর্য:
এই নীতি এমন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যেখানে কোনো কাজ নিয়ম বা বিধান লঙ্ঘন করে সম্পন্ন হয়েছে, কিন্তু তা সমাজে গ্রহণযোগ্য বা বাস্তব পরিস্থিতিতে স্বীকৃত হয়ে গেছে। এটি একটি ব্যবহারিক নীতি, যা আইনের কঠোরতাকে নমনীয় করে এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য প্রয়োগ করা হয়। হিন্দু আইনে এই নীতি প্রধানত বিবাহ, দত্তক গ্রহণ এবং অন্যান্য সামাজিক ও পারিবারিক বিষয়ে প্রয়োগ হয়।

বিবাহের ক্ষেত্রে:
হিন্দু আইনে বিবাহের জন্য অভিভাবকের সম্মতি একটি নির্দেশক বিধান হিসেবে বিবেচিত হয়। যদি কোনো বিবাহ অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া সম্পন্ন হয়, তবে ফ্যাক্টাম ভ্যালেট নীতির আলোকে সেই বিবাহকে অবৈধ বলে গণ্য করা হয় না, যদি অন্যান্য শর্ত (যেমন, বয়স, সম্প্রদায়, বিবাহযোগ্যতা) পূরণ হয়।

১,৪৯৫.
গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ অনুযায়ী গ্রাম আদালতে ফৌজদারী মামলা দায়েরের সময়সীমা-
  1. কোন নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই, বাদীর ইচ্ছা অনুযায়ী যে কোন সময়
  2. অপরাধ সংঘটিত হবার ১৫ দিনের মধ্যে
  3. অপরাধ সংঘটিত হবার ৩০ দিনের মধ্যে
  4. অপরাধ সংঘটিত হবার ৬০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ এর ৬ক ধারার বিধান মামলা দায়েরের সময়সীমা:
- Limitation Act, 1908 (Act No IX of 1908) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, তফসিলের-
(ক) প্রথম অংশে বর্ণিত ফৌজদারী মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে অপরাধ সংঘটিত হইবার ৩০(ত্রিশ) দিনের মধ্যে; এবং
 
(খ) দ্বিতীয় অংশের ক্রমিক নং ৩ এ বর্ণিত দেওয়ানী মামলা ব্যতীত অন্যান্য দেওয়ানী মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে মামলার কারণ উদ্ভব হইবার ৬০(ষাট) দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের নিকট আবেদন করিতে হইবে।
১,৪৯৬.
বাংলাদেশ সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি কখন অধ্যাদেশ প্রণয়ন করতে পারেন?
  1. প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে
  2. সংসদের অধিবেশন চলাকালীন
  3. সংসদের অনুমোদন সাপেক্ষে
  4. সংসদ ভাঙ্গা অবস্থায় বা অধিবেশন ব্যতীত অন্য সময়ে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ প্রণয়ন করতে পারেন সংসদ ভাঙ্গা অবস্থায় বা সংসদের অধিবেশন চলাকালীন ব্যতীত অন্য সময়ে। এই ক্ষমতা প্রয়োগের জন্য নিম্নলিখিত শর্তাবলী পূরণ করতে হবে:
১. আশু ব্যবস্থাগ্রহণের প্রয়োজনীয়তা:
- রাষ্ট্রপতির নিকট আশু ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান থাকতে হবে। অর্থাৎ, এমন একটি জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হতে হবে যেখানে দ্রুত আইন প্রণয়নের প্রয়োজন হয়।
২. সংসদের অধিবেশন না চলা:
- এই ক্ষমতা শুধুমাত্র তখনই প্রয়োগ করা যাবে যখন সংসদের অধিবেশন চলছে না বা সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়েছে। সংসদের অধিবেশন চলাকালীন রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ প্রণয়ন করতে পারেন না।
৩. অধ্যাদেশের বৈধতা:
- অধ্যাদেশ প্রণয়নের পর তা সংসদের প্রথম বৈঠকে উপস্থাপন করতে হবে। সংসদ যদি অধ্যাদেশটি অননুমোদন করে, তাহলে তা বাতিল হয়ে যাবে।
৪. সংবিধানের সীমাবদ্ধতা:
- রাষ্ট্রপতি এমন কোনো অধ্যাদেশ প্রণয়ন করতে পারবেন না, যা সংবিধানের বিধান লঙ্ঘন করে বা সংসদের আইন প্রণয়নের ক্ষমতার বাইরে যায়।

সুতরাং, রাষ্ট্রপতি সংসদ ভাঙ্গা অবস্থায় বা সংসদের অধিবেশন ব্যতীত অন্য সময়ে অধ্যাদেশ প্রণয়ন করতে পারেন। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) সংসদ ভাঙ্গা অবস্থায় বা অধিবেশন ব্যতীত অন্য সময়ে।


⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ- অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা:
(১)সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অথবা উহার অধিবেশনকাল ব্যতীত কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট আশু ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি উক্ত পরিস্থিতিতে যেরূপ প্রয়োজনীয় বলিয়া মনে করিবেন, সেইরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন এবং জারী হইবার সময় হইতে অনুরূপভাবে প্রণীত অধ্যাদেশ সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন কোন অধ্যাদেশে এমন কোন বিধান করা হইবে না,
(ক) যাহা এই সংবিধানের অধীন সংসদের আইন-দ্বারা আইনসঙ্গতভাবে করা যায় না;
(খ) যাহাতে এই সংবিধানের কোন বিধান পরিবর্তিত বা রহিত হইয়া যায়; অথবা
(গ) যাহার দ্বারা পূর্বে প্রণীত কোন অধ্যাদেশের যে কোন বিধানকে অব্যাহতভাবে বলবৎ করা যায়।
(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার অধীন প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার পর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে তাহা উপস্থাপিত হইবে এবং ইতঃপূর্বে বাতিল না হইয়া থাকিলে অধ্যাদেশটি অনুরূপভাবে উপস্থাপনের পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইলে কিংবা অনুরূপ মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পূর্বে তাহা অননুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত হইলে অধ্যাদেশটির কার্যকরতা লোপ পাইবে।
(৩) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থার কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট ব্যবস্থা-গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি এমন অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন, যাহাতে সংবিধান-দ্বারা সংযুক্ত তহবিলের উপর কোন ব্যয় দায়যুক্ত হউক বা না হউক, উক্ত তহবিল হইতে সেইরূপ ব্যয়নির্বাহের কর্তৃত্ব প্রদান করা যাইবে এবং অনুরূপভাবে প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার সময় হইতে তাহা সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে।
(৪) এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার অধীন জারীকৃত প্রত্যেক অধ্যাদেশ যথাশীঘ্র সংসদে উপস্থাপিত হইবে এবং সংসদ পুনর্গঠিত হইবার তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে এই সংবিধানের ৮৭, ৮৯ ও ৯০ অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী প্রয়োজনীয় উপযোগীকরণসহ পালিত হইবে।
১,৪৯৭.
'Law as to summonses, commissions and witnesses' বিধানটি রেজিস্ট্রেশন আইনের কত ধারায় বর্ণিত রয়েছে?
  1. ধারা ৪০
  2. ধারা ৪১
  3. ধারা ৩৯
  4. ধারা ৩৮
ব্যাখ্যা
• Section 39. Law as to summonses, commissions and witnesses:
The law in force for the time being as to summonses, commissions and compelling the attendance of witnesses, and for their remuneration in suits before Civil Courts, shall, save as aforesaid and mutatis mutandis, apply to any summons or commission issued and any person summoned to appear under the provisions of this Act.
১,৪৯৮.
মোট সম্পত্তির কত অংশের বেশি উইল করা যাবে না?
  1. ২/৩ অংশ
  2. ১/৪ অংশ
  3. ১/৩ অংশ
  4. ১/২ অংশ
ব্যাখ্যা
• কোন মুসলমানের সম্পত্তি তার মৃত্যুর পর কিভাবে পরিচালিত বা প্রাপ্ত হবে, সেই মর্মে তার সম্পত্তি সম্পর্কে তার অভিপ্রায়ের আইনগত ঘোষনাই হলো উইল বা অসিয়ত।

• আবার, কোনো ব্যক্তির নিজের মৃত্যু পরবর্তীকালের জন্য, তার বৈধ বিষয় সম্পত্তির মূলস্বত্ব কিংবা তার মুনাফার অধিকার চিরকালীন বা নির্দিষ্ট মেয়াদে অপর কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বিনিময় ছাড়া হস্তান্তর করার চুড়ান্ত ইচ্ছা প্রকাশ করার নাম উইল বা অসিয়ত। ইসলামি আইন অনুসারে নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে।

• যে ব্যক্তি উইল করে তাকে Testator বা ইচ্ছা পত্রকারী এবং যার বরাবর উইল করা হয় তাকে খবমধঃবব বা উত্তরদানগ্রহী বলা হয়।

- একজন মুসলমান তার দাফন-কাফনের ব্যয়ভার এবং ঋণ পরিযোধের পর অবশিষ্ট সম্পত্তির ১/৩ অংশের অধিক উইলের মাধ্যমে হস্তান্তর করতে পারে না। যদি ১/৩ অংশের অধিক উইল করা হয় তবে উইলকারির উত্তরাধিকারীগণের সম্মতি লাগবে, অন্যথায় উইল ১/৩ অংশের বেশী কার্যকর হবে না।

- উইল করার ক্ষমতা অসীম নয়। কোনো উইল এর মাধ্যমে এক-তৃতীয়াংশের বেশি সম্পত্তি উইল করা যাবে না। কোনো মুসলিম তার মৃত্যুর পর কাফন-দাফন সংক্রান্ত খরচাদি এবং ঋণ পরিশোধের পর অবশিষ্ট সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশের বেশি উইল করতে পারবে না।

- কোনো ব্যক্তি তার মোট সম্পত্তির এক তৃতীয়াংশের অধিক উইল করলে তা কার্যকর হবে না। তবে তার উত্তরাধিকারীগণ উক্ত উইলো সম্মতি দিলে তা কার্যকর হবে।
১,৪৯৯.
প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির বিবাহে বাধা প্রদানকারী চুক্তি—
  1. বৈধ
  2. বাতিল
  3. শর্তসাপেক্ষ বৈধ
  4. আদালতের অনুমোদনক্রমে বৈধ
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২৬ অনুযায়ী— "Every agreement in restraint of the marriage of any person, other than a minor, is void."
অর্থাৎ, নাবালক (minor) ছাড়া প্রাপ্তবয়স্ক কারও বিবাহে বাধা দেয়ার জন্য কোনো চুক্তি করা হলে, সেটি Void (বাতিল) বলে গণ্য হবে।
 
উদাহরণ: যদি A এবং B এর মধ্যে চুক্তি হয় যে, "B কোনোদিন বিয়ে করবে না", তবে এই চুক্তি বাতিল।

⇒ The Contract Act, 1872 Section 26: Agreement in restraint of marriage void: Every agreement in restrain of the marriage of any person, other than a minor, is void.

১,৫০০.
ভাটার ইট পোড়ানোর কাজে জ্বালানি হিসেবে কাঠ ব্যবহার করলে শাস্তি -
  1. অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ড বা ৩ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড
  2. অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড বা ২ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড
  3. অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ড বা ৩ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ইটভাটা স্থাপন ও ইট প্রস্তুত আইন, ২০১৩ এর ধারা ৬ এ বলা হয়েছে-

কোনো ব্যক্তি ইটভাটায় ইট পোড়ানোর কাজে জ্বালানি হিসাবে কোনো জ্বালানি কাঠ ব্যবহার করতে পারবেন না। যদি কোনো ব্যক্তি ধারা ৬ লঙ্ঘন কর ইটভাটায় ইট পোড়ানোর কাজে জ্বালানি কাঠ ব্যবহার করেন, তাহলে ওই ব্যক্তিকে তিন বছর কারাদণ্ড অথবা তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।