বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন২,৯৬৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১৪ / ৩০ · ১,৩০১১,৪০০ / ২,৯৬৪

১,৩০১.
রফিক চেক প্রত্যাখ্যানের পর নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হন। এই ক্ষেত্রে চেকের মূল অঙ্কের সর্বোচ্চ কত গুণ অর্থদণ্ড হতে পারে?
  1. ২ গুণ
  2. ৩ গুণ
  3. ৫ গুণ
  4. ১০ গুণ
ব্যাখ্যা

ধারা ১৩৮- অর্থের ঘাটতির কারণে চেক প্রত্যাখ্যান:
যদি কোনো ব্যক্তি তার ব্যাংক হিসাব থেকে অন্য ব্যক্তিকে অর্থ প্রদানের জন্য চেক প্রদান করে এবং ব্যাংক সেই চেক অর্থের ঘাটতি বা ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত সীমা অতিক্রমের কারণে অবৈধ ঘোষণা করে, তাহলে সেই ব্যক্তি অপরাধী বলে গণ্য হবেন।

শাস্তি:
- সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড, অথবা
- চেকের মূল অঙ্কের সর্বোচ্চ ৩ গুণ অর্থদণ্ড, অথবা
- উভয়ই।

শর্তাবলী:
(ক) চেকটি অবশ্যই প্রদানের তারিখ থেকে ৬ মাসের মধ্যে বা চেক বৈধ থাকা পর্যন্ত ব্যাংকে উপস্থাপন করতে হবে, যা আগে আসে।
(খ) চেক প্রত্যাখ্যানের তথ্য পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে চেকদাতাকে লিখিত নোটিশ দিতে হবে।
(গ) চেকদাতা নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে ধারা প্রযোজ্য হবে।

১,৩০২.
'প্রত্যেকে যোগ্যতানুসারে ও কর্মানুযায়ী স্বীয় কর্মের জন্য পারিশ্রমিক লাভ করবে'- সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে এই নীতি প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২০(২)
  2. অনুচ্ছেদ ১৯(১)
  3. অনুচ্ছেদ ২০(১)
  4. অনুচ্ছেদ ২১(২)
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ২০ অনুচ্ছেদে কর্মের (work) সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে এবং পারিশ্রমিক লাভের নীতি কি হবে বলা হয়েছে।
২০ অনুচ্ছেদ অনুসারে, পারিশ্রমিক লাভের নীতি হলো 'প্রত্যেকের নিকট হতে যোগ্যতানুসারে ও প্রত্যেককে কর্মানুযায়ী'-এই নীতির ভিত্তিতে প্রত্যেকে স্বীয় কর্মের জন্য পারিশ্রমিক লাভ করবে।


অনুচ্ছেদ ২০: অধিকার এবং কর্তব্যরুপে কর্ম
(১) কর্ম হচ্ছে কর্মক্ষম প্রত্যেক নাগরিকের পক্ষে অধিকার, কর্তব্য ও সম্মানের বিষয়, এবং প্রত্যেকের নিকট হতে যোগ্যতানুসারে এ প্রত্যেককে কর্মানুযায়ী এই নীতির ভিত্তিতে প্রত্যেকে স্বীয় কর্মের জন্য পারিশ্রমিক লাভ করবে।

(২) রাষ্ট্র এমন অবস্থা সৃষ্টির চেষ্টা করবে, যেখানে সাধারণ নীতি হিসাবে কোন ব্যক্তি অনুপার্জিত আয় ভোগ করতে সমর্থ হবে না এবং যেখানে ব্যক্তি বুদ্ধিবৃত্তিমূলক ও কায়িক-সকল প্রকার শ্রম সৃষ্টিধর্মী প্রয়াসের ও মানবিক ব্যক্তিত্বের পূর্ণতর অভিব্যক্তিতে পরিণত হবে।

Article 20: Work as a right and duty
(1) Work is a right, a duty and a matter of honour for every citizen who is capable of working, and everyone shall be paid for his work on the basis of the principle “from each according to his abilities, to each according to his work. 
 
(2) The State shall endeavour to create conditions in which, as a general principle, persons shall not be able to enjoy unearned incomes, and in which human labour in every form, intellectual and physical, shall become a fuller expression of creative endeavour and of the human personality.
১,৩০৩.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর উদ্দেশ্য কী?
  1. সহায়-সম্বলহীন জনগণকে সহায়তা প্রদান
  2. নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগণকে আইনগত সহায়তা প্রদান
  3. আর্থিকভাবে অসচ্ছল জনগণকে সহায়তা প্রদান
  4. উল্লিখিত সব গুলো
ব্যাখ্যা
⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর প্রস্তাবনায় এই আইনের উদ্দেশ্য দেয়া আছে। বলা আছে যে 'আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগণকে আইনগত সহায়তা প্রদানকল্পে প্রণীত আইন।'
-
যেহেতু আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগণকে আইনগত সহায়তা প্রদান সমীচীন ও প্রয়োজনীয়।

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ২(ক) ধারার বিধান: “আইনগত সহায়তা” অর্থ আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায় সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থীকে-
(অ) কোন আদালতে দায়েরযোগ্য, দায়েরকৃত বা বিচারাধীন মামলায় আইনগত পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান;
(আ) Code of Civil Procedure, 1908 (Act No. V of 1908) এবং প্রচলিত অন্যান্য আইনের বিধান অনুসারে মধ্যস্থতা বা সালিশের মাধ্যমে কোন মামলা নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে নিযুক্ত মধ্যস্থতাকারী বা সালিশকারীকে সম্মানী প্রদান;
(ই) মামলার প্রাসঙ্গিক খরচ প্রদানসহ অন্য যে কোন সহায়তা প্রদান; এবং
(ঈ) উপ-ধারা (অ) হইতে (ই) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হারে আইনজীবীকে সম্মানী প্রদান;
১,৩০৪.
কোরানিক অংশীদার কত জন?
  1. ৭ জন
  2. ১০ জন
  3. ১৫ জন
  4. ১২ জন
ব্যাখ্যা
⇒ শরীয়া আইন অনুযায়ী মোট ১২ জন কোরানিক অংশীদার রয়েছে।
যথা- অংশীদার বলতে কোরানিক অংশীদারদেরকে বুঝানো হয়।
কোরানিক অংশীদার সর্বমোট ১২ জন। এর মধ্যে ৮ জন মহিলা ও ৪ জন পুরুষ। যথা-
১. স্বামী (Husband)
২. স্ত্রী (Wife)
৩. বাবা (Father)
৪. মা (Mother)
৫. কন্যা (Daughter)
৬. পুত্রের কন্যা (Son's Daughter)
৭. দাদা (True Grandfather)
৮. দাদী (True Grandmother)
৯. আপন বোন (Full Sister)
১০. বৈমাত্রেয় বোন (Consanguine Sister)
১১. বৈপিত্রেয় বোন (Uterine Sister)
১২. বৈপিত্রেয় ভাই (Uterine Brother)
১,৩০৫.
নিম্নলিখিত কোন শর্তটি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার অযোগ্যতা নয়?
  1. পঁয়ত্রিশ বৎসরের কম বয়স্ক হওয়া
  2. সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হওয়ার অযোগ্য হওয়া
  3. পাঁচ বছরের বেশি রাষ্ট্রপতি হিসেবে কাজ করা
  4. অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অপসারিত হওয়া
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৮(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য হবেন না যদি তিনি—
১) পঁয়ত্রিশ বৎসরের কম বয়স্ক হন— (অযোগ্যতার শর্ত)
২) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হওয়ার অযোগ্য হন— (অযোগ্যতার শর্ত)
৩) অতীতে অভিশংসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অপসারিত হয়ে থাকেন— (অযোগ্যতার শর্ত)

- তবে "পাঁচ বছরের বেশি রাষ্ট্রপতি হিসেবে কাজ করা" রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য কোনো অযোগ্যতার শর্ত নয়।
→ সংবিধানের ৫০(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এক ব্যক্তি সর্বোচ্চ দুটি মেয়াদে রাষ্ট্রপতি থাকতে পারেন, কিন্তু তৃতীয়বার নির্বাচন করা যাবে না।
- তবে এটি রাষ্ট্রপতি হওয়ার অযোগ্যতার শর্ত নয়, বরং একটি মেয়াদ সংক্রান্ত সীমাবদ্ধতা।

→ অর্থাৎ সংবিধানের ৪৮(৪) অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য তিনটি নির্দিষ্ট অযোগ্যতার শর্ত রয়েছে।
- কিন্তু ৫০(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দুই মেয়াদের বেশি রাষ্ট্রপতি হওয়া যাবে না, যা মেয়াদ সংক্রান্ত বিধান, তবে এটি নির্বাচনের অযোগ্যতা নয়।
 তাই সঠিক উত্তর: গ) পাঁচ বছরের বেশি রাষ্ট্রপতি হিসেবে কাজ করা।
১,৩০৬.
Under section 162 of The Contract Act, 1872, which circumstance causes the termination of a gratuitous bailment?
  1. On expiry of time
  2. On death of bailor or bailee
  3. On insolvency of bailee only
  4. On breach of contract
ব্যাখ্যা
ধারা ১৬২: বিনা প্রতিদানে জিম্মা (gratuitous bailment) মৃত্যু দ্বারা সমাপ্ত হয়-

[A gratuitous bailment is terminated by the death either of the bailor or of the bailee.]
যদি জিম্মা চুক্তি বিনা প্রতিদানে (gratuitous) হয়ে থাকে, তবে জিম্মাদার (Bailor) বা জিম্মাদাতা (Bailee)- যে কোনো একজনের মৃত্যুর ফলে জিম্মা চুক্তি সমাপ্ত হয়ে যায়।
১,৩০৭.
স্বামী কত বছর যাবত কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে একজন বিবাহিতা স্ত্রীলোক বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদন করতে পারেন?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৭ বছর
ব্যাখ্যা
• ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী যেসব কারণে আদালতে তালাক চাইতে পারেন সেগুলো হলো-

⇒ চার বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে;
⇒ দুই বছর স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে;
⇒ স্বামীর সাত বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি কারাদণ্ড হলে;
স্বামী কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া তিন বছর যাবত দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
⇒ বিয়ের সময় পুরষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা দায়ের করা পর্যন্ত বহাল থাকে;
⇒ স্বামী দুই বছর ধরে অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে অথবা কুষ্ঠরোগে বা মারাত্মক যৌন ব্যধিতে আক্রান্ত থাকলে;

⇒ বিয়ে অস্বীকার করলে। অর্থাৎ যদি কোনো মেয়ের বাবা বা অভিভাবক মেয়েকে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে বিয়ে দেন এবং সেই মেয়েটি ১৯ বছর হওয়ার আগে বিয়ে অস্বীকার করে বিয়ে ভেঙে দিতে পারে। তবে শর্ত হলো, মেয়েটির সঙ্গে স্বামীর দাম্পত্য সম্পর্ক (সহবাস) যদি স্থাপিত না হয়ে থাকে তখনই কেবল বিয়ে অস্বীকার করে আদালতে বিচ্ছেদের ডিক্রি চাওয়া যাবে;

⇒ স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লঙ্ঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে;

⇒ স্বামীর নিষ্ঠুরতার কারণে। নিম্নলিখিত আচরণগুলো ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসেবে গণ্য হবে-
(ক) অভ্যাসগত আচরণে স্ত্রীকে আঘাত করা (দৈহিক আঘাত ছাড়াও মানসিক আঘাতও এর অন্তর্ভুক্ত, যা তার জীবন শোচনীয় বা দুর্বিষহ করে তুলেছে);
(খ) অন্য কোনো খারাপ নারীর সঙ্গে জীবনযাপন বা মেলামেশা;
(গ) স্ত্রীকে অনৈতিক জীবনযাপনে বাধ্য করা;
(ঘ) স্ত্রীর সম্পত্তি নষ্ট করা;
(ঙ) স্ত্রীকে নিজস্ব ধর্মপালনে বাধা দেয়া;
(চ) যদি স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকে, তাদের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের নির্দেশ অনুসারে সমান ব্যবহার না করা;
(ছ) এছাড়া মুসলিম আইনে বিয়েবিচ্ছেদের জন্য বৈধ বলে স্বীকৃত অন্য যে কোনো কারণে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের দাবি করতে পারবে।
১,৩০৮.
বাংলাদেশে প্রচলিত হিন্দু আইন অনুযায়ী, স্বাভাবিক পুত্র জন্মালে দত্তকী পুত্র দত্তকী পিতার ত্যাজ্যবিত্তের কত ভাগ পায়?
  1. সমান অংশ
  2. অর্ধেক
  3. ১/৩ অংশ
  4. কিছু পাবে না
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে হিন্দু আইন অনুযায়ী, যদি দত্তকী পুত্রের দত্তক গ্রহণকারী পিতার নিজস্ব (স্বাভাবিক) পুত্র জন্মগ্রহণ করে, তাহলে দত্তকী পুত্র তার দত্তকী পিতার সম্পত্তির তিন ভাগের এক ভাগ (১/৩) পায়।

বাংলাদেশে হিন্দু উত্তরাধিকার আইনে দত্তকী পুত্র (Adopted Son) সাধারণত দত্তক গ্রহণকারী পিতার স্বাভাবিক পুত্রের মতোই সম্পত্তির অধিকারী হন। তবে এই অধিকারে কিছু বিশেষ ব্যতিক্রম ও মতপার্থক্য রয়েছে:
১. স্বাভাবিক পুত্র থাকলে:
যদি দত্তক গ্রহণের পর দত্তকী পিতার নিজস্ব (স্বাভাবিক) পুত্র জন্মগ্রহণ করে, তাহলে দত্তকী পুত্র দত্তকী পিতার সম্পত্তির তিন ভাগের এক ভাগ (১/৩) উত্তরাধিকার সূত্রে পান।

২. স্বাভাবিক পুত্র না থাকলে:
যদি দত্তকী পুত্র ছাড়া দত্তকী পিতার আর কোনো পুত্র না থাকে, তাহলে দত্তকী পুত্রই সম্পত্তির পূর্ণ উত্তরাধিকারী হিসেবে বিবেচিত হন।

৩. বর্ণভেদে সম্পত্তির অংশের ভিন্নতা:
শুদ্র শ্রেণির দত্তকী পুত্র:
দত্তকী পিতার সম্পত্তিতে সমান অংশ পাওয়ার অধিকারী হন।

অন্যান্য বর্ণভুক্ত দত্তকী পুত্র:
দত্তকী পিতার ত্যাজ্যবিত্তের তিন ভাগের এক ভাগ (১/৩) পান।
১,৩০৯.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী, ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুর ভরণপোষণের ব্যয় সাধারণত কত বয়স পর্যন্ত প্রদান করা হয়?
  1. ১৪ বছর পর্যন্ত
  2. ১৮ বছর পর্যন্ত
  3. ২১ বছর পর্যন্ত
  4. ২৫ বছর পর্যন্ত
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ১৩(১)(ঘ) অনুসারে, ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুর ভরণপোষণের ব্যয় সাধারণত বয়স একুশ (২১) বছর পূর্তি না হওয়া পর্যন্ত প্রদেয় হয়। তবে দুটি বিশেষ ক্ষেত্রে এই সময়সীমা আরও বর্ধিত হতে পারে:
১. একুশ বছরের অধিক বয়স্ক কন্যা সন্তানের ক্ষেত্রে – তার বিবাহ না হওয়া পর্যন্ত।
২. পঙ্গু সন্তানের ক্ষেত্রে – তিনি স্বীয় ভরণপোষণের যোগ্যতা অর্জন না করা পর্যন্ত।
- সুতরাং, সাধারণ নিয়মে ভরণপোষণ ২১ বছর বয়স পর্যন্ত প্রদান করা হয়।

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১৩ ধারার বিধান: ধর্ষণের ফলশ্রুতিতে জন্মলাভকারী শিশু সংক্রান্ত বিধান:
(১) অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধর্ষণের কারণে কোন সন্তান জন্মলাভ করিলে-
(ক) উক্ত সন্তানকে তাহার মাতা কিংবা তাহার মাতৃকুলীয় আত্মীয় স্বজনের তত্ত্বাবধানে রাখা যাইবে;
(খ) উক্ত সন্তান তাহার পিতা বা মাতা, কিংবা উভয়ের পরিচয়ে পরিচিত হইবার অধিকারী হইবে;
(গ) উক্ত সন্তানের ভরণপোষণের ব্যয় রাষ্ট্র বহণ করিবে;
(ঘ) উক্ত সন্তানের ভরণপোষণের ব্যয় তাহার বয়স একুশ বৎসর পূর্তি না হওয়া পর্যন্ত প্রদেয় হইবে, তবে একুশ বত্সরের অধিক বয়স্ক কন্যা সন্তানের ক্ষেত্রে তাহার বিবাহ না হওয়া পর্যন্ত এবং পঙ্গু সন্তানের ক্ষেত্রে তিনি স্বীয় ভরণপোষণের যোগ্যতা অর্জন না করা পর্যন্ত প্রদেয় হইবে।
(২) সরকার বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সন্তানের ভরণপোষণ বাবদ প্রদেয় অর্থের পরিমাণ নির্ধারণ করিবে।
(৩) এই ধারার অধীন কোন সন্তানকে ভরণপোষণের জন্য প্রদেয় অর্থ সরকার ধর্ষকের নিকট হইতে আদায় করিতে পারিবে এবং ধর্ষকের বিদ্যমান সম্পদ হইতে উক্ত অর্থ আদায় করা সম্ভব না হইলে, ভবিষ্যতে তিনি যে সম্পদের মালিক বা অধিকারী হইবেন সেই সম্পদ হইতে উহা আদায়যোগ্য হইবে।

১,৩১০.
“Doctrine of Holding Over” এর অর্থ কী?
  1. উপ-ইজারা প্রদান করা
  2. জমি বিক্রির পর মালিকানা হস্তান্তর
  3. ইজারার মেয়াদ শেষ হলেও দখল বজায় রাখা
  4. আদালতের আদেশে দখল বজায় রাখা
ব্যাখ্যা
The Transfer of Property Act, 1882, ধারা ১১৬: মেয়াদ পরবর্তী দখলের প্রতিক্রিয়া-
যদি কোন সম্পত্তির ইজারাগ্রহীতা বা নিম্ন ইজারগ্রহীতা ইজারার মেয়াদ পরিসমাপ্তির পরও ইজারা সম্পত্তিতে দখল বজায় রাখে এবং ইজারাদাতা বা তার আইনগত প্রতিনিধি ইজারাগ্রহীতা বা নিম্ন ইজারাগ্রহীতার নিকট হতে খাজনা গ্রহণ করে বা দখল বহাল রাখবার জন্য অন্য কোন ভাবে সম্মতি প্রদান করে, তাহলে ভিন্নরূপ চুক্তির অবর্তমানে যে উদ্দেশ্যে ঐ সম্পত্তি ইজারা দেওয়া হয়েছে সেই উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে ১০৬ ধারা অনুযায়ী এই ইজারা বছর হতে বছরে বা মাস হতে মাসে নবায়িত হবে।

উদাহরণ
• পাঁচ বছরের জন্য A, B-কে একটি বাড়ি ভাড়া দিলেন। B আবার মাসিক একশত টাকা ভাড়ায় বাড়িটি C-কে ভাড়া দিলেন। পাঁচ বছর কেটে গেল কিন্তু C বাড়িটি তার দখলে রেখে দিলেন এবং A-কে ভাড়া দিতে লাগলেন। C-এর ইজারা মাস হতে মাসে নবায়িত হলো।
• A, C-এর জীবন কালের জন্য B-কে একটি খামার ইজারা দিলেন। C মারা গেলেন, কিন্তু B, A-এর সম্মতিতে দখল বজায় রাখলেন। B-এর ইজারা বছর হতে বছরে নবায়িত হলো। 

এই ধারানুযায়ী, কোন ইজারার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও যদি কোন ইজারাগ্রহীতা ইজারাদাতার সম্মতিতে ইজারা সম্পত্তির দখল বজায় রাখে তা (Holding over) বা মেয়াদ উত্তীর্ণ দখল বলে পরিগণিত হবে। একেই Doctrine of Holding over বলে। এই রকম দখলের অনুমতি দেওয়া হলে তা বছর হতে বছর বা মাস হতে মাস ভিত্তিতে নবায়িত হবে। এরূপ ইজারাগ্রহীতাকে Tenant at will, Tenant holding over বলে।
১,৩১১.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন তফশিলে শপথ ও ঘোষণা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে?
  1. প্রথম তফশিল
  2. দ্বিতীয় তফশিল
  3. তৃতীয় তফশিল
  4. চতুর্থ তফশিল
ব্যাখ্যা
সংবিধানের তফশিল:
- বাংলাদেশ সংবিধানে মোট ৭টি তফশিল সংযোজন করা হয়েছে।
- প্রথম তফশিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফশিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত)।
- তৃতীয় তফশিল: শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফশিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলি।
- পঞ্চম তফশিল: ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফশিল: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফশিল: ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

১,৩১২.
বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তির হাজিরা কিংবা কোনো দলিলপত্র উদঘাটন বা দাখিল করার আদেশ দিতে পারেন -
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. আপীল বিভাগ
  3. আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল
  4. জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদের বিধান: আপীল বিভাগের পরোয়ানা জারী ও নির্বাহ:
- কোন ব্যক্তির হাজিরা কিংবা কোন দলিলপত্র উদ্ঘাটন বা দাখিল করিবার আদেশসহ আপীল বিভাগের নিকট বিচারাধীন যে কোন মামলা বা বিষয়ে সম্পূর্ণ ন্যায়বিচারের জন্য যেরূপ প্রয়োজনীয় হইতে পারে, উক্ত বিভাগ সেইরূপ নির্দেশ, আদেশ, ডিক্রী বা রীট জারী করিতে পারিবেন।
------------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh Article 104. Issue and execution of processes of Appellate Division:
- The Appellate Division shall have power to issue such directions, orders, decrees or writs as may be necessary for doing complete justice in any cause or matter pending before it, including orders for the purpose of securing the attendance of any person or the discovery or production of any document.
১,৩১৩.
সম্পত্তি হস্তান্তরের শর্ত অনুযায়ী যদি আয় সঞ্চিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়, তবে সঞ্চয়ের সময়সীমা কত পর্যন্ত হতে পারে?
  1. হস্তান্তরের পর ২৫ বছর পর্যন্ত
  2. হস্তান্তরের পর ১০ বছর পর্যন্ত
  3. হস্তান্তরগ্রহীতার জীবনকাল পর্যন্ত
  4. হস্তান্তরকারীর জীবনকাল বা হস্তান্তরের ১৮ বছর পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৭: সঞ্চিত করার নির্দেশ (Direction for accumulation)
১) যখন কোনো সম্পত্তি হস্তান্তরের শর্ত অনুযায়ী সেই সম্পত্তির আয় সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে সঞ্চিত (accumulated) হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়, এবং সঞ্চয়ের সময়সীমা কোনও একের বেশি সময়ের জন্য নির্ধারিত থাকে, যেমন-
(ক) হস্তান্তরকারীর জীবনকাল, বা
(খ) হস্তান্তরের তারিখ থেকে ১৮ বছর পর্যন্ত,
তাহলে সঞ্চয়ের এই নির্দেশ অকার্যকর হবে, যদি সঞ্চয়ের সময়সীমা উল্লিখিত সময়ের মধ্যে বেশি হয়ে থাকে। এই সময়ের পর, সম্পত্তি এবং তার আয় যেমন ছিল তেমনই হস্তান্তর করা হবে, যেন সঞ্চয়ের নির্দেশ আগেই শেষ হয়ে গেছে।

২) এই ধারা নিচের কিছু ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়:
(i) হস্তান্তরকারীর দেনা পরিশোধের উদ্দেশ্যে, অথবা
(ii) হস্তান্তরকারীর সন্তান বা পরবর্তী প্রজন্মের জন্য অর্থ বরাদ্দের উদ্দেশ্যে, অথবা
(iii) হস্তান্তরিত সম্পত্তির রক্ষণাবেক্ষণ বা সংরক্ষণ উদ্দেশ্যে; এমন পরিস্থিতিতে সঞ্চয়ের নির্দেশ বৈধ থাকবে।

• এই ধারায় Doctrine of Accumulation নীতির প্রয়োগ ঘটেছে। এই ধারার মূল উদ্দেশ্য- হস্তান্তরিত সম্পত্তির আয় সঞ্চিত করার নির্ধারিত সময়কে দীর্ঘ হতে না দেওয়া। গচ্ছিত রাখার সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। যথা-
১. হস্তান্তরকারীর জীবনকাল;
২. হস্তান্তরের তারিখ থেকে ১৮ বছর। এই ২টির মধ্যে যেটি দীর্ঘতর সেই সময়ের জন্য আয় গচ্ছিত রাখা যাবে।
১,৩১৪.
মোহরানা আদায়ের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ কত বছর?
ব্যাখ্যা
- The Limitation Act, 1908 এর ১০৩ অনুচ্ছেদে তাৎক্ষণিক পরিশোধযোগ্য (Promt/মু’অজ্জল) মোহরানা আদায়ের জন্য আর  ১০৪ অনুচ্ছেদে বিলম্বিত (Differed/মু’আজ্জল) মোহরানা আদায়ে জন্য মোকদ্দমা দায়ের করার বিধান আছে। উভয়ক্ষেত্রে মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর।
মুয়াজ্জল মোহরের ক্ষেত্রে স্ত্রী দাবী করে ব্যার্থ হওয়ার ০৩ বছরের মধ্যে আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে।

অর্থাৎ মুসলিম আইন অনুযায়ী মোহরানা আদায়ের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ ৩ বছর 
১,৩১৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'Nemo tenetur seipsum accusare'- এই ল্যাটিন ম্যাক্সিমের প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ৩৫(১)
  2. ৩৫(২)
  3. ৩৫(৩)
  4. ৩৫(৪)
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(৪)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: "কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাইবে না।"
- এই বিধানটি "Nemo tenetur seipsum accusare" (কেউ নিজেকে অভিযুক্ত করতে বাধ্য নয়) এই লাতিন আইনি নীতির সরাসরি প্রতিফলন। এটি আত্ম-অভিযোগ থেকে মুক্তির অধিকার (Right against self-incrimination) হিসাবে পরিচিত।
- অর্থাৎ বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫(৪) অনুচ্ছেদে 'Nemo tenetur seipsum accusare' বা 'Doctrine of Self-Incrimination' প্রতিফলিত হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদে বিধান বিচার ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষণ:
(১) অপরাধের দায়যুক্ত কার্যসংঘটনকালে বলবৎ ছিল, এইরূপ আইন ভঙ্গ করিবার অপরাধ ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে না এবং অপরাধ-সংঘটনকালে বলবৎ সেই আইনবলে যে দণ্ড দেওয়া যাইতে পারিত, তাঁহাকে তাহার অধিক বা তাহা হইতে ভিন্ন দণ্ড দেওয়া যাইবে না। 
(২) এক অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তিকে একাধিকবার ফৌজদারীতে সোপর্দ ও দণ্ডিত করা যাইবে না। 
(৩) ফৌজদারি অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালত বা ট্রাইব্যুনালে দ্রুত ও প্রকাশ্য বিচারলাভের অধিকারী হইবেন। 
(৪) কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাইবে না। 
(৫) কোন ব্যক্তিকে যন্ত্রণা দেওয়া যাইবে না কিংবা নিষ্ঠুর, অমানুষিক বা লাঞ্ছনাকর দণ্ড দেওয়া যাইবে না কিংবা কাহারও সহিত অনুরূপ ব্যবহার করা যাইবে না। 
(৬) প্রচলিত আইনে নির্দিষ্ট কোন দণ্ড বা বিচারপদ্ধতি সম্পর্কিত কোন বিধানের প্রয়োগকে এই অনুচ্ছেদের (৩) বা (৫) দফার কোন কিছুই প্রভাবিত করিবে না।

১,৩১৬.
চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩০ কোন দণ্ডবিধির ধারাকে প্রভাবিত করে না?
  1. দণ্ডবিধি ধারা ২৯৪
  2. দণ্ডবিধি ধারা ২৯৪ক
  3. দণ্ডবিধি ধারা ২৯৫
  4. দণ্ডবিধি ধারা ২৯৬
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৩০-এর শেষ অংশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে: "Nothing in this section shall be deemed to legalize any transaction connected with horse-racing, to which the provisions of section 294A of the Penal Code apply."
(এই ধারার কোনো কিছুই ঘোড়দৌড় সংক্রান্ত কোনো লেনদেনকে বৈধতা দিয়েছে বলে গণ্য হবে না, যার ক্ষেত্রে দণ্ডবিধির ২৯৪ক ধারা প্রযোজ্য।)
- দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ২৯৪ক-এ জুয়া ও জুয়ার অফিস রাখার অপরাধ ও শাস্তি বর্ণিত আছে। চুক্তি আইনের ধারা ৩০-এ ঘোড়দৌড়ের পুরস্কার সংক্রান্ত ব্যতিক্রম দেওয়া হলেও, তা দণ্ডবিধির ২৯৪ক ধারাকে প্রভাবিত করে না—অর্থাৎ ধারা ২৯৪ক-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ থাকলে তা বহাল থাকে।
- সুতরাং, চুক্তি আইনের ধারা ৩০ দণ্ডবিধির ধারা ২৯৪ক-কে প্রভাবিত করে না।

⇒ চুক্তি আইনের ৩০ ধারার বিধান বাজি সম্পর্কিত সম্মতি বাতিল:
- বাজি সম্পর্কিত সম্মতি বাতিল এবং
- বাজিতে জেতা হয়েছে এমন কিছু উদ্ধার করার জন্য অথবা কোন খেলা বা অনিশ্চিত ঘটনা যার উপর বাজি ধরা হয়েছে তার ফলাফল আনার উদ্দেশ্যে কারো কাছে গচ্ছিত কোন জিনিস আদায় করার জন্য কোন মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে না।
- ঘোড় দৌড়ের নির্দিষ্ট পুরস্কারের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম- এ ধারা অনুসারে কোন ঘোড় দৌড়ে জয়লাভকারী বা জয়লাভকারীগণকে পুরস্কার হিসাবে ৫০০ টাকা বা তার বেশি কোন মূল্যের কোন প্লেট, পুরস্কার বা কোন অর্থ, চাঁদা বা কোন কিছু দান করার সম্মতি দেয়া হলে তা অবৈধ বলে গণ্য হবে না।
- দণ্ডবিধির ২৯৪ক ধারা প্রভাবিত হবে না: এ ধারার কোন কিছু ঘোড় দৌড় সম্পর্কিত যে লেনদেনের ক্ষেত্রে দণ্ডবিধির ২৯৪ক ধারার বিধানাবলি প্রয়োগযোগ্য সে সকল লেনদেনকে বৈধতা প্রদান করেছে বলে গণ্য হবে না।
-----
⇒ The Contract Act, 1872- section 30. Agreements by way of wager void Exceptions in favour of certain prizes for horse-racing. Section 294A of the Penal Code not affected:
 Agreements by way of wager are void; and no suit shall be brought for recovering anything alleged to be own on any wager, or entrusted to any person to abide the result of any game or other uncertain event on which wager is made. 

This section shall not be deemed to render unlawful a subscription, or contribution, or agreement to subscribe or contribute, made or entered into for or toward any plate, prize or sum of money, of the value or amount of five hundred Taka or upwards, to be awarded to the winner or winners of any horse race. 

Nothing in this section shall be deemed to legalize any transaction connected with horse-racing, to which the provisions of section 294A of the Penal Code apply.

১,৩১৭.
বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে কয়টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে?
  1. ১০
ব্যাখ্যা
তৃতীয় তফসিল:

বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষনাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে। যথা-

স্পীকার কর্তৃক  ⇒ রাষ্ট্রপতি, সংসদ-সদস্য;

রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ⇒ প্রধানমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার, প্রধান বিচারপতি;

প্রধান বিচারপতি কর্তৃক ⇒ সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারক, সরকারী কর্মকমিশনের সদস্য, মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার।
১,৩১৮.
রেজিস্ট্রেশন আইনে নিবন্ধিত দলিলকে অনিবন্ধিত দলিলের উপর প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে কত ধারায়?
  1. ৪৯ ধারায়
  2. ৫০ ধারায়
  3. ৫১ ধারায়
  4. ৫২ ধারায়
ব্যাখ্যা
• স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত নিবন্ধিত দলিল:

⇒ রেজিস্ট্রেশন আইনের ৫০ ধারা মোতাবেক একই স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত দলিল থাকলে নিবন্ধিত দলিল প্রাধান্য পাবে।

⇒ নিবন্ধিত দলিল এবং অনিবন্ধিত দলিল একই প্রকৃতির হোক বা না হোক আদালতের ডিক্রি বা আদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

⇒ তবে অনিবন্ধিত দলিলের অধীন কোন ব্যক্তি যদি The Transfer of Property Act, 1882 এর 53.A (আংশিক সম্পাদন নীতি) ধারার অধীনে দখলে থাকে এবং সকল শর্ত পূরণ করে তাহলে পরবর্তীতে কোন দলিল নিবন্ধন হলে তা পূর্ববর্তী অনিবন্ধিত দলিলের উপর প্রাধান্য পাবে না।
১,৩১৯.
বিক্রয়ের চুক্তির ফলে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে-
  1. দায় বা স্বত্ব সৃষ্টি হয় না
  2. দায় সৃষ্টি হয় কিন্তু স্বত্ব সৃষ্টি হয় না
  3. স্বত্ব এবং দায় সৃষ্টি হয়
  4. দায় সৃষ্টি হয় না কিন্তু স্বত্ব সৃষ্টি হয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪ বিক্রয়ের চুক্তিঃ
স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তি বলতে এই মর্মে চুক্তি বুঝায় যে, ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে নির্ধারিত শর্তে সম্পত্তিটি বিক্রয় হবে। বিক্রয়ের চুক্তির ফলে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে কোন স্বত্ব বা দায় সৃষ্টি হয় না।

Contract for sale
A contract for the sale of immoveable property is a contract that a sale of such property shall take place on terms settled between the parities. It does not, of itself, create any interest in or charge on such property.
১,৩২০.
According to Section 3(26) of The General Clauses Act, 1897, “Imprisonment” means:
  1. Only a fine
  2. Any imprisonment as defined in the Penal Code
  3. Any imprisonment as defined in the Code of Criminal Procedure
  4. None of above
ব্যাখ্যা
• The General Clauses Act,1897- ধারা ৩(২৬): কারাদণ্ড-
"Imprisonment" shall mean imprisonment of either description as defined in the Penal Code:
"কারাদণ্ড” অর্থে দণ্ডবিধি (সনের ৪৫ নং আইন) তে সংজ্ঞায়িত যে কোন বর্ণনার কারাদণ্ড বুঝাইবে।
১,৩২১.
"Gratuitous transfer" অর্থ কী?
  1. বন্ধক রাখা
  2. সম্পত্তি বিক্রয় করা
  3. বিনিময় ছাড়া হস্তান্তর
  4. সরকারি অনুমতিসাপেক্ষে হস্তান্তর
ব্যাখ্যা
Gratuitous Transfer:
Gratuitous শব্দটির অর্থ হলো বিনা পারিশ্রমিকে, উপহারস্বরূপ, বা বিনা মূল্যেই কিছু দেওয়া। আর transfer মানে হলো হস্তান্তর বা স্থানান্তর করা।

সুতরাং, Gratuitous transfer মানে হলো-
যে হস্তান্তরে কোনো মূল্য (consideration) নেই, অর্থাৎ কোনো আর্থিক বিনিময় ছাড়াই এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তিকে সম্পত্তি প্রদান করেন।

উদাহরণ:
উপহার (Gift): বাবা তার ছেলেকে একটি জমি উপহার দিলেন। এখানে কোনো টাকার বিনিময় হয়নি।
- এটি gratuitous transfer।

দান (Donation): কেউ মন্দির বা এতিমখানায় সম্পত্তি দান করল বিনিময় ছাড়া।
- এটিও gratuitous transfer।

দেনার বিনিময়ে নয়: যদি কারো কাছে দেনা না থাকলেও সে কাউকে কোনো জমি দিয়ে দেয়, তাহলেও এটি gratuitous transfer।
১,৩২২.
Mutah under Mohammedan law means-
  1. a temporary marriage
  2. a permanent marriage
  3. a joint venture marriage
  4. an illegal marriage.
ব্যাখ্যা
- Mutah Marriage is a kind of marriage among the Muslims recognized only by Ithna Asharia Shias.
- Mutah in general sense can be defined as a temporary union of male and female for a specific time period after payment of certain consideration.
- The literal meaning of word ‘Mutah’ is ‘enjoyment’.
- Therefore, Mutah Marriage may also be regarded as marriage for the purpose of pleasure. In earlier days of Islam, when the Arabs had to live away from their homes for a considerably longer period of time either on account of wars or on trade-journeys, they used to satisfy their sexual desires through prostitutes.
- However, in order to avoid the growth of prostitution in society and to confer legitimacy upon children of such unions, temporary marriage was recognized and permitted by Prophet for some time.
১,৩২৩.
নিম্নোক্তদের মধ্যে কে হিন্দু পিতার সম্পত্তিতে অগ্রাধিকারভিত্তিক দাবি করতে পারেন?
  1. বন্ধ্যা কন্যা
  2. বিধবা কন্যা
  3. অবিবাহিত কন্যা
  4. পুত্রবতী কন্যা
ব্যাখ্যা
সম্পত্তিতে হিন্দু নারীর অধিকার:
পিতা বা স্বামীর সম্পত্তিতে হিন্দু নারীদের একচ্ছত্র অধিকার নেই, জীবনস্বত্ব আছে। স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রী তাঁর জীবদ্দশায় স্বামীর সম্পত্তি ভোগ করতে পারেন, এটাকে বলা হয় জীবনস্বত্ব। তবে এ সম্পত্তি তিনি কোনোভাবেই বিক্রি করতে পারেন না, অন্যের কাছে হস্তান্তরও করতে পারেন না। এমনকি নিজের সন্তানকেও দান করতে পারবেন না। তাঁর মৃত্যুর পর এটা বিধবা সম্পত্তি বা ‘উইডোজ এস্টেট’ হিসেবে মৃত স্বামীর পুরুষ উত্তরাধিকারের দখলে চলে যায়। দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর পর তাঁর সম্পত্তির সম্পূর্ণ উত্তরাধিকার হন জীবিত পুত্র বা পুত্রেরা। পুত্রের উপস্থিতিতে কন্যা সম্পত্তি পান না। অর্থাৎ কন্যার অধিকার নির্ভর করবে পুত্র থাকা বা না থাকার ওপর।

১. কন্যা হিসেবে: মৃত ব্যক্তির পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র ও স্ত্রী থাকলে কন্যা তাঁর পিতার সম্পত্তি পান না। তাঁদের কেউ না থাকলে মৃত ব্যক্তির কন্যাদের মধ্যে অবিবাহিত কন্যা ও পরে পুত্রবতী কন্যা সম্পত্তি পাবেন। তবে বিধবা কন্যা, বন্ধ্যা কন্যা ও যে কন্যার পুত্রসন্তান নেই, শুধু কন্যাসন্তান আছে, তিনি কিছু পাবেন না।

২. স্ত্রী (বিধবা) হিসেবে: সম্পত্তিতে হিন্দু মহিলার অধিকার আইন, ১৯৩৭ পাস হওয়ার পর মৃত ব্যক্তির বিধবা স্ত্রী এক পুত্রের সমান অংশ জীবনস্বত্ব পান।

৩. মা হিসেবে: মৃত ব্যক্তির স্ত্রী, পুত্র, কন্যা, দৌহিত্র ও পিতা জীবিত থাকলে মা কিছু পান না।

৪. বোন হিসেবে: কোনো অবস্থাতেই বোন তাঁর ভাইয়ের সম্পত্তি পান না।
১,৩২৪.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৪(১) অনুযায়ী, এই আইনের অধীন অপরাধের জন্য কারাদণ্ডের সর্বনিম্ন মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৪(১) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, এই আইনের অধীন অপরাধের জন্য দণ্ড হল "ন্যূনতম দুই বৎসর এবং সর্বোচ্চ সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড"।
সুতরাং, এই অপরাধের জন্য কারাদণ্ডের সর্বনিম্ন মেয়াদ হলো ২ বছর।

⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৪- অপরাধের শাস্তি:
(১) কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ করিলে তিনি অন্যুন দুই বৎসর এবং অনধিক সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন৷
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন দণ্ডপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনকালে সরকার কিংবা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা কোন প্রতিষ্ঠান বা কোন ব্যক্তির আর্থিক ক্ষতিসাধন করিলে তদ্‌জন্য আদালত তদ্‌বিবেচনায় উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ক্ষতিগ্রস্ত সরকার বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির অনুকূলে প্রদান করিবার জন্য উক্ত দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আদেশ দিতে পারিবে এবং এই ক্ষতিপূরণের অর্থ সরকারী দাবী হিসাবে আদায়যোগ্য হইবে।

১,৩২৫.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর অধীনে মোকদ্দমার শুনানি কখন রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠিত হতে পারে?
  1. সর্বদা
  2. শুধুমাত্র বাদীর অনুরোধে
  3. শুধুমাত্র বিবাদীর অনুরোধে
  4. আদালত উপযুক্ত মনে করলে
ব্যাখ্যা
⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ১২(১) অনুসারে, পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত যখন উপযুক্ত মনে করবে, তখন মোকদ্দমার শুনানি রুদ্ধদ্বার কক্ষে (In Camera) অনুষ্ঠিত করতে পারবে।
- এছাড়াও, যদি উভয় পক্ষ (বাদী ও বিবাদী) রুদ্ধদ্বার কক্ষে শুনানির জন্য অনুরোধ করেন, তাহলে আদালত সেটি মেনে নিতে পারে।
এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো পারিবারিক বিরোধের গোপনীয়তা রক্ষা করা এবং পক্ষগণের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক গোপনীয়তা বজায় রাখা।
এটি বিশেষ করে সংবেদনশীল পারিবারিক বিষয়ে প্রযোজ্য, যেমন বিবাহ বিচ্ছেদ, ভরণপোষণ বা শিশু সন্তানের অভিভাবকত্ব সংক্রান্ত মামলা।
--------- 
⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১২ ধারার বিধান: রুদ্ধদ্বার কক্ষে বিচার:
(১) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত, উপযুক্ত মনে করিলে, এই আইনের অধীন কোনো মোকদ্দমার কার্যধারার সম্পূর্ণ বা কোনো অংশবিশেষ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠান করিতে পারিবে।
(২) যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার কার্যধারা উভয়পক্ষ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠানের জন্য আদালতকে অনুরোধ করেন, সেইক্ষেত্রে আদালত উহা রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠান করিবে।
১,৩২৬.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের অধীনে কোনো লাইসেন্স অথবা পারমিট একাদিক্রমে _____ বৎসর নবায়ন না করা হইলে উহা পুনরায় নবায়নের যোগ্য হইবে না।
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা
⇒মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ১৩ ধারার বিধান লাইসেন্স, ইত্যাদি: 
 (১) লাইসেন্স, পারমিট ও পাস বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, ফরমে, শর্তে এবং ফিস প্রদান সাপেক্ষে মহাপরিচালক অথবা তাহার নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো অফিসার কর্তৃক প্রদান করা যাইবে। 
(২) লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাসের মেয়াদ উহাতে উল্লিখিত শর্তে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত অথবা উহার প্রদানের তারিখ হইতে সংশ্লিষ্ট অর্থ বৎসর সমাপ্ত হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে: 
তবে শর্ত থাকে, কোনো লাইসেন্স অথবা পারমিট একাদিক্রমে ৩ (তিন) বৎসর নবায়ন না করা হইলে উহা পুনরায় নবায়নের যোগ্য হইবে না।
১,৩২৭.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে মা কোন শ্রেণির উত্তরাধিকারী?
  1. দূরবর্তী আত্মীয়বর্গ (Zawil Arham)
  2. নির্দিষ্ট অংশীদার (Zawil Furud)
  3. অবশিষ্টাংশ ভোগী (Asaba)
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে মা নির্দিষ্ট অংশীদার (Zawil Furud) হিসেবে বিবেচিত হন এবং সন্তান থাকলে ১/৬ এবং সন্তান না থাকলে ১/৩ অংশ পান।

⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে উত্তরাধিকারীরা তিন শ্রেণিতে বিভক্ত:
১) নির্দিষ্ট অংশীদার (Zawil Furud) – যাদের নির্দিষ্ট অংশ কোরআনে নির্ধারিত রয়েছে।
২) অবশিষ্টাংশ ভোগী (Asaba) – যারা অংশীদারদের পরে অবশিষ্ট সম্পত্তি পায়।
৩) দূরবর্তী আত্মীয়বর্গ (Zawil Arham) – যারা অংশীদার বা আসাবা নয়, কিন্তু মৃতের আত্মীয়।

১,৩২৮.
মানিলন্ডারিং অপরাধ করলে অর্থদণ্ড হবে অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির _____ মূল্যের
  1. সমান
  2. দ্বিগুণ
  3. তিন গুণ
  4. চার গুণ
ব্যাখ্যা
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪ ধারার বিধান: মানিলন্ডারিং অপরাধ ও দণ্ড:
-(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, মানিলন্ডারিং একটি অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে। 
-(২) কোন ব্যক্তি মানিলন্ডারিং অপরাধ করিলে বা মানিলন্ডারিং অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করিলে তিনি অন্যূন ৪ (চার) বৎসর এবং অনধিক ১২ (বার) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির দ্বিগুন মূল্যের সমপরিমাণ বা ১০ (দশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত, যাহা অধিক, অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত সময়সীমার মধ্যে অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হইলে আদালত অপরিশোধিত অর্থদণ্ডের পরিমাণ বিবেচনায় অতিরিক্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
-(৩) আদালত কোন অর্থদণ্ড বা দণ্ডের অতিরিক্ত হিসাবে দণ্ডিত ব্যক্তির সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে যাহা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মানিলন্ডারিং বা কোন সম্পৃক্ত অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত বা সংশ্লিষ্ট। 
-(৪) কোন সত্তা এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে বা অপরাধ সংঘঠনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করিলে ধারা ২৭ এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (২) এর বিধান অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে এবং অপরাধের সহিত সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মূল্যের অন্যূন দ্বিগুণ অথবা ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা, যাহা অধিক হয়, অর্থদন্ড প্রদান করা যাইবে এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন বাতিলযোগ্য হইবে: 
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত সত্তা আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত সময়সীমার মধ্যে অর্থদন্ড পরিশোধে ব্যর্থ হইলে আদালত অপরিশোধিত অর্থদন্ডের পরিমাণ বিবেচনায় সত্তার মালিক, চেয়ারম্যান বা পরিচালক যে নামেই অভিহিত করা হউক না কেন, তাহার বিরুদ্ধে কারাদন্ডে দন্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
-(৫) সম্পৃক্ত অপরাধে অভিযুক্ত বা দণ্ডিত হওয়া মানিলন্ডারিং এর কারণে অভিযুক্ত বা দণ্ড প্রদানের পূর্বশর্ত হইবে না।
১,৩২৯.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে প্রাথমিক সময়সীমা এবং বর্ধিত সময় মিলিয়ে সর্বোচ্চ কতদিনে তদন্ত শেষ করতে হবে?
  1. ১৫০ কর্মদিবস
  2. ১৬০ কর্মদিবস
  3. ১৮০ কর্মদিবস
  4. ২০০ কর্মদিবস
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) ১৮০ কর্মদিবস।

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ২০ক – “তদন্তের সময়সীমা”:
(১) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধারা ২০ এর অধীন ক্ষমতা প্রাপ্তির তারিখ হইতে অনধিক ১২০ (একশত বিশ) কর্মদিবসের মধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে এই আইন ও তফসিলে উল্লিখিত কোন অপরাধের তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে হইবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন যুক্তিসঙ্গত কারণে, উক্ত উপ-ধারায় উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করা সম্ভবপর না হইলে তদন্তকারী কর্মকর্তা সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য কমিশনের নিকট আবেদন করিতে পারিবেন এবং উক্ত ক্ষেত্রে কমিশন আরও অনধিক ৬০ (ষাট) কর্মদিবস সময় বৃদ্ধি করিতে পারিবে। 
 
(৩) তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-ধারা (১) বা, ক্ষেত্রমত, (২) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থ হইলে,- 
 (ক) উক্ত তদন্ত কার্য ৯০ (নব্বই) কর্মদিবসের মধ্যে সমাপ্তির জন্য নূতনভাবে অন্য কোন কর্মকর্তাকে, ধারা ২০ এর বিধান অনুসারে, ক্ষমতা অর্পণ করিতে হইবে; এবং 
 (খ) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অদক্ষতার অভিযোগে, ক্ষেত্রমত, কমিশন, পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট সংস্থার জন্য প্রযোজ্য আইন বা বিধি-বিধান অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে।
১,৩৩০.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ২(১৭) ধারায় কীসের সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. “rent-receiver”
  2. “khas land”
  3. “homestead”
  4. “non-agricultural tenant”
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ২(১৭) ধারায় 'অকৃষি প্রজা' এর সংজ্ঞা রয়েছে।

ধারা ২ উপধারা-(১৭) 'অকৃষি প্রজা' অর্থ একজন প্রজা যে কৃষি চাষ বা ফলচাষের সাথে সম্পর্কিত নয় এরূপ ভূমির অধিকারী থাকে; তবে যে ব্যক্তি চিরস্থায়ী ইজারা ব্যতীত অন্য কোনো প্রকার ইজারাসূত্রে ভূমি ও তার উপর নির্মিত দালান ও প্রয়োজনীয় সংলগ্ন জায়গা অধিকারে রাখে সে তার অন্তর্ভুক্ত হইবে না;
----------
Section 2 (17) “non-agricultural tenant” means a tenant who holds land for purposes not connected with agriculture or horticulture, but does not include a person holding land together with any building standing thereon any necessary adjuncts thereto under a lease other than a lease in perpetuity;
১,৩৩১.
স্থাবর সম্পত্তির দান কমপক্ষে কয় জন সাক্ষী দ্বারা প্রত্যায়িত হবে?
  1. তিন জন
  2. দুই জন
  3. এক জন
  4. কোন নির্দিষ্ট সংখ্যা উল্লেখ নেই
ব্যাখ্যা
ধারা-১২৩: দান হস্তান্তর পদ্ধতি

স্থাবর সম্পত্তির দান অবশ্যই দাতা কর্তৃক বা তার পক্ষে স্বাক্ষরিত, কমপক্ষে দুই জন সাক্ষী দ্বারা প্রত্যায়িত এবং নিবন্ধন করতে হবে। মুসলিম আইনের অধীন হেবা স্থাবর সম্পত্তির দান বলে গণ্য হবে এবং নিবন্ধন করতে হবে। অস্থাবর সম্পত্তির দান নিবন্ধন অথবা শুধু দখল অর্পনের মাধ্যমে কার্যকর করা যায়।

Section 123: Transfer how effected
For the purpose of making a gift of immoveable property, the transfer must be effected by a registered instrument signed by or on behalf of the donor, and attested by at least two witnesses.
Notwithstanding anything contained in any other law for the time being in force, a heba under Muhammadan law shall be deemed to be a gift of immoveable property for the aforesaid purpose.For the purpose of making a gift of moveable property, the transfer may be effected either by a registered instrument signed as aforesaid or by delivery. Such delivery may be made in the same way as goods sold may be delivered
১,৩৩২.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী, নিচের কোন ব্যক্তি উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হবে?
  1. জারজ সন্তান
  2. নাবালক বৈধ সন্তান
  3. তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর গর্ভজাত সন্তান
  4. উল্লিখিত সকলেই
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুসারে নিম্নলিখিত ব্যক্তিরা উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হন:
(১) কোনো মুসলিম কোনো অমুসলিমের ওয়ারিশ হবে না এবং কোনো অমুসলিম কোনো মুসলিমের ওয়ারিশ হবে না।
(২) হত্যাকারী নিহত ব্যক্তির ওয়ারিশ হবে না। (এ বিধির উদ্দেশ্য হিসেবে বলা হয়, কেউ তাড়াতাড়ি উত্তরাধিকার পাওয়ার জন্য যেন কাউকে হত্যা করতে উদ্যত না হয় সেজন্যই এ বিধি প্রণীত হয়েছে।) 
(৩) জারজ সন্তান ওয়ারিশ হবে না।
- অর্থাৎ জারজ সন্তান - এটি সঠিক উত্তর। অবৈধ সম্পর্কে জন্মগ্রহণকারী সন্তান তার পিতা-মাতা কারো কাছ থেকেই উত্তরাধিকার লাভ করতে পারে না।
অন্যদিকে, নিম্নলিখিত ব্যক্তিরা উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হন না:
- নাবালক বৈধ সন্তান - বৈধ বিবাহে জন্মগ্রহণকারী নাবালক সন্তান পূর্ণ উত্তরাধিকারের অধিকারী। শুধুমাত্র প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত তার সম্পত্তি অভিভাবকের তত্ত্বাবধানে থাকে।
- তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর গর্ভজাত সন্তান - তালাকের পর গর্ভজাত সন্তানও বৈধ সন্তান হিসেবে গণ্য হয় এবং পিতার সম্পত্তিতে পূর্ণ উত্তরাধিকার লাভ করে।

১,৩৩৩.
সংবিধানের ১৮ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের কোন দায়িত্বকে “প্রাথমিক কর্তব্য” হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. শিল্পায়ন
  2. শিক্ষা বিস্তার
  3. কৃষি উন্নয়ন
  4. জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ অনুচ্ছেদের বিধান: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা:
(১) জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলিয়া গণ্য করিবেন এবং বিশেষতঃ আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ্য ও অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।

(২) গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
১,৩৩৪.
The appointments of persons to offices in the judicial service mentioned in Article 115 of Constitution of Bangladesh must be made according to:
  1. laws made by Parliament
  2. rules made by President
  3. rules made by Supreme Court
  4. rules made by Parliament
ব্যাখ্যা

Article 115. Appointments to subordinate courts:
Appointments of persons to offices in the judicial service or as magistrates exercising judicial functions shall be made by the President in accordance with rules made by him in that behalf.

বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৫ অনুচ্ছেদের বিধান: অধস্তন আদালতে নিয়োগ:
বিচারবিভাগীয় পদে বা বিচার বিভাগীয় দায়িত্বপালনকারী ম্যাজিস্ট্রেট পদে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক উক্ত উদেশ্যে প্রণীত বিধিসমূহ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করিবেন।

১,৩৩৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকারের বিধান রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১২১
  2. অনুচ্ছেদ ১২২
  3. অনুচ্ছেদ ১২৩
  4. অনুচ্ছেদ ১২৪
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১২২ অনুচ্ছেদে প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকার (adult franchise) এর বিধান রয়েছে। অনুচ্ছেদের (১) তে বলা হয়েছে যে, সংসদের নির্বাচন প্রাপ্তবয়স্কের ভোটাধিকার-ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত হইবে, এবং অনুচ্ছেদের (২) তে ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা (যেমন: ১৮ বছর বয়স, নাগরিকত্ব ইত্যাদি) নির্ধারিত। এটি গণতন্ত্রের সমতা নীতির উপর ভিত্তি করে জাত, ধর্ম, লিঙ্গ বা বর্ণভেদ ছাড়াই সকল প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিককে ভোটের অধিকার দেয়।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২২: ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা:
(১) প্রাপ্তবয়স্কের ভোটাধিকার-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
(২) কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভু্ক্ত হইবার অধিকারী হইবেন, যদি-
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
(খ) তাঁহার বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়;
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁহার সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা বহাল না থাকিয়া থাকে;
(ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হইয়া থাকেন।

Article 122: Qualifications for registration as voter:
(1) The elections to Parliament shall be on the basis of adult franchise.
(2) A person shall be entitled to be enrolled on the electoral roll for a constituency delimited for the purpose of election to the Parliament, if he-
(a) is a citizen of Bangladesh; 
(b) is not less than eighteen years of age; 
(c) does not stand declared by a competent court to be of unsound mind ; 
(d) is or is deemed by law to be a resident of that constituency ; and 
(e) has not been convicted of any offence under the Bangladesh Collaborators (Special Tribunals) Order, 1972.

১,৩৩৬.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন অনুসারে, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকের তত্ত্বাবধানের জন্য কোন প্রতিষ্ঠান বা কর্তৃপক্ষ দায়িত্বপ্রাপ্ত?
  1. জেলা প্রশাসন
  2. জেলা রেজিস্ট্রার
  3. পারিবারিক আদালত
  4. বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান (HBK) কল্যাণ ট্রাস্ট
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর ধারা ১৩(১) অনুযায়ী, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকের উপর জেলা রেজিস্ট্রার তত্ত্বাবধান এবং নিয়ন্ত্রণ করবে। জেলা রেজিস্ট্রার তার দপ্তরের অধীন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকের দায়িত্ব এবং কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

⇒  হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ ধারা ১৩ তত্ত্বাবধান, নিয়ন্ত্রণ, ইত্যাদি:
(১) প্রত্যেক হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা রেজিস্ট্রারের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণে থাকিয়া তাহার দাপ্তরিক ও অর্পিত দায়িত্ব সম্পন্ন করিবেন। 
(২) হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকগণের উপর মহাপরিদর্শক, নিবন্ধন এর সাধারণ তত্ত্বাবধানের ক্ষমতা থাকিবে। 
(৩) জেলা রেজিস্ট্রার তাহার স্থানীয় অধিক্ষেত্র এলাকায় যে কোন সময় যে কোন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকের কার্যালয় পরিদর্শন করিতে পারিবেন। 

ব্যাখ্যা: এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে “মহাপরিদর্শক” অর্থ Registration Act, 1908 এর অধীন নিযুক্ত মহাপরিদর্শক নিবন্ধন, বা তদকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা।

১,৩৩৭.
মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের ফলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কত দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ১২৩: নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়:

(১) রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ অবসানের কারণে উক্ত পদ শূন্য হইলে মেয়াদ-সমাপ্তির তারিখের পূর্ববর্তী নব্বই হইতে ষাট দিনের মধ্যে শূন্য পদ পূরণের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, যে সংসদের দ্বারা তিনি নির্বাচিত হইয়াছেন সেই সংসদের মেয়াদকালে রাষ্ট্রপতির কার্যকাল শেষ হইলে সংসদের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত অনুরূপ শূন্য পদ পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে না, এবং অনুরূপ সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের দিন হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির শূন্য পদ পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।

(২) মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের ফলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইলে পদটি শূন্য হইবার পর নব্বই দিনের মধ্যে, তাহা পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।

(৩) সংসদ-সদস্যদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে-
(ক) মেয়াদ-অবসানের কারণে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার ক্ষেত্রে ভাংগিয়া যাইবার পূর্ববর্তী নববই দিনের মধ্যে; এবং
(খ) মেয়াদ-অবসান ব্যতীত অন্য কোন কারণে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার ক্ষেত্রে ভাংগিয়া যাইবার পরবর্তী নববই দিনের মধ্যে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার (ক) উপ-দফা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত ব্যক্তিগণ, উক্ত উপ-দফায় উল্লিখিত মেয়াদ সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত, সংসদ সদস্যরূপে কার্যভার গ্রহণ করিবেন না।

(৪) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া ব্যতীত অন্য কোন কারণে সংসদের কোন সদস্যপদ শূন্য হইলে পদটি শূন্য হইবার নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত শূন্যপদ পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
তবে শর্ত থাকে যে, যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মতে, কোন দৈব-দূর্বিপাকের কারণে এই দফার নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না হয়, তাহা হইলে উক্ত মেয়াদের শেষ দিনের পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।

১,৩৩৮.
হিন্দু আইন অনুযায়ী দত্তক এর ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি সঠিক?
  1. যে-কেউ দত্তক দিতে পারে
  2. অবিবাহিত পুরুষ দত্তক নিতে পারে না
  3. অবিবাহিত মহিলা দত্তক নিতে পারে
  4. একজন বোবাকে দত্তক নেওয়া যায় না
ব্যাখ্যা
- হিন্দু আইন অনুযায়ী দত্তক এর ক্ষেত্রে বোবা (Dumb) ও বধির (Deaf) হলে দত্তক নেওয়া যায় না।
-[Surendra Narayan Sarbbadhikari vs. Bhola Nath Ray Chaudhuri (1994)

নিষিদ্ধ গোত্রভুক্ত হলে দত্তক নেওয়া যায় না।

⇒ Who can be adopted
 the Hindu child can be adopted by the following conditions:
1. The child should be Hindu.
2. The child has not been adopted before.
3. The child should not be married.
4. The age of the child must be below 15 years.
১,৩৩৯.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ধারা ৮৫ক অনুযায়ী, ডেপুটি কমিশনার কর্তৃক প্রদত্ত ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে কার নিকট?
  1. ভূমি আপীল বোর্ডের নিকট
  2. হাইকোর্ট বিভাগের নিকট 
  3. জেলা জজের নিকট
  4. সাব-ডিভিশনাল অফিসারের নিকট
ব্যাখ্যা

⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯-এর ধারা ৮৫ক অনুযায়ী, ডেপুটি কমিশনার কর্তৃক ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশের বিরুদ্ধে ৩০ দিনের মধ্যে আপীল করা যাবে জেলা জজের নিকট।

⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৮৫ক ধারার বিধান আপীল:
- অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৯ (১) ধারার বিধান অনুসারে বা ২০ ধারার বিধান মোতাবেক ডেপুটি কমিশনার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করলে তার আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপীল করা যাবে।
------------
⇒ The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949, Section 85A- Appeal:
- An appeal against an order passed by the Deputy Commissioner determining compensation under the proviso to sub-section (1) of section 9 or the proviso to section 20 shall, if presented within thirty days of such order, lie to the District Judge.

১,৩৪০.
মুসলিম আইনে বিবাহ কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম আইনে বিবাহ তিন প্রকার:
১) বৈধ (Valid or Sahih)
২) বাতিল (Void or Batil )
৩)  অনিয়মিত (Irregular or fasid)

বৈধ (Valid or Sahih)-
মুসলিম আইনের সকল নিয়ম মেনে যে বিবাহ সেটা বৈধ বিবাহ। একজন মুসলিম পুরুষ শুধুমাত্র একজন মুসলিম নারী ছাড়াও একজন কিতাবীয়া যেমন জিউস বা খ্রিষ্টান নারীর সাথে বৈধ বিবাহ করতে পারে। কোন মুসলিম নারী শুধুমাত্র মুসলিম পুরুষ ছাড়া অন্যকোন পুরুষের সাথে বৈধ বিবাহ করতে পারেনা। একটি বৈধ বিবাহ কোন মুসলিম নারীকে দেনমোহরের অধিকার, ভরণপোষণের অধিকার প্রদান করে এবং একই সাথে স্বামীর প্রতি বিশ্বাসী থাকার, শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে এবং ইদ্দত পালনের বাধ্যবাধকতা আরোপ করে। এটা উত্তরাধিকারের পারস্পরিক অধিকার সৃষ্টি করে।

বাতিল (Void or Batil)-
যে বিবাহটি বৈধ না সেটা বাতিল বা অনিয়মিত হতে পারে। বাতিল হলো এমন বিবাহ যেটা স্বয়ং রক্তের সম্পর্কে, বৈবাহিক সম্পর্কে বা প্রতিপালনের সম্পর্কের কারণে স্থায়ী এবং চূড়ান্তভাবে অবৈধ। এমন বিবাহ আইনের চোখে কোন বিবাহ না এবং এমন বিবাহের কোন আইনগত ফলাফল নেই। এই বিবাহ পক্ষগণের মধ্যে কোন পারস্পরিক আইনগত অধিকার বা দায়-দায়িত্ব সৃষ্টি করে না এবং এমন বিবাহের ফলে জন্মগ্রহণ করেছে এমন সন্তান অবৈধ। যেমন Blood relationship, Consanguinity or affinity এর কারণে নিষিদ্ধ বিবাহ হলো বাতিল বিবাহ। বাতিল বিবাহের ক্ষেত্রে কারণগুলো স্থায়ী প্রকৃতির এবং এমন কারণ অপসারিত করে বিবাহ বৈধ করার কোন সুযোগ নেই।

অনিয়মিত বিবাহ (Irregular or fasid)-
অনিয়মিত বিবাহ অর্থ হলো যে বিবাহের কিছু আইনগত ত্রুটি থাকে এবং যেখানে সংশোধনের মাধ্যমে বিবাহের বৈধতা দেওয়া যায়। অনিয়মিত বিবাহ হলো এমন বিবাহ যেটা স্বয়ং অবৈধ না কিন্তু অন্যকোন কারণে অবৈধ এবং যেখানে নিষিদ্ধ কারণগুলো অস্থায়ী বা যেক্ষেত্রে অবৈধতা কোন ঘটনার প্রেক্ষাপটে সৃষ্ট যেমন সাক্ষীর অনুপস্থিতি। যে কারণে বিবাহটি অবৈধ বা অনিয়মিত উক্ত কারণ অপসারণ করার মাধ্যমে বিবাহটি বৈধ করা যায়।
১,৩৪১.
হিন্দু আইন অনুযায়ী, কোন ধরনের বিবাহে বর কন্যার পিতাকে স্বেচ্ছায় উপঢৌকন প্রদান করে?
  1. ব্রাহ্ম বিবাহ
  2. দৈব বিবাহ
  3. আর্য বিবাহ
  4. প্রজাপত্য বিবাহ
ব্যাখ্যা
• দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা অনুসারে হিন্দুদের মধ্যে আট প্রকার বিবাহ প্রচলিত ছিল, যার প্রথম চারটি সামাজিকভাবে অনুমোদিত এবং অবশিষ্ট চারটি অননুমোদিত। আট প্রকার বিবাহ হলো:

অনুমোদিত ৪ প্রকার:
ব্রাহ্ম: সর্বোত্তম পদ্ধতি, যাতে অলঙ্কারে সজ্জিতা কন্যাকে শিক্ষিত ও চরিত্রবান বরের হাতে তুলে দেয়া হতো; এক্ষেত্রে বরের নিকট থেকে কোন পণ নেয়া হতো না;
দৈব: এ ধরনের বিবাহে যজ্ঞ সম্পাদনকারী পুরোহিতের নিকট কন্যা সম্প্রদান করা হতো;
আর্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে এক বা দুই জোড়া গাভী গ্রহণ করতেন;
প্রজাপত্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে কোন পণ গ্রহণ ছাড়াই কন্যা দান করতেন এবং তাদের আশীর্বাদ করতেন যাতে তারা পারস্পরিক বিশ্বাস ও সুখের সঙ্গে দাম্পত্য জীবন যাপন করতে পারে।
 
অননুমোদিত ৪ প্রকার:
অসুর: এ বিবাহে বর পিতা অথবা অভিভাবকের নিকট থেকে মূল্য দিয়ে কনেকে ক্রয় করত;
রাক্ষস: এ বিবাহে কন্যার আত্মীয়দের প্রহার করে রোরুদ্যমান কন্যাকে তুলে নেয়া হতো;
গন্ধর্ব: বর ও কনের পরস্পরের পরিচয় ও সম্মতিতে এ বিবাহ অনুষ্ঠিত হতো;
পৈশাচ: নিকৃষ্টতম বিবাহ; এতে কন্যার প্রেমিক (কন্যার সম্মতি ব্যতিরেকে) নিদ্রিত অবস্থায় অথবা মদোম্মত্ত বা উম্মত্ত কন্যার সঙ্গে সঙ্গত হতো।
১,৩৪২.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ধারা ৯ অনুযায়ী কোন হস্তান্তর মৌখিকভাবে করা যায়?
  1. নালিশযোগ্য দাবি
  2. স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয়
  3. এক বছরের কম মেয়াদের ইজারা
  4. ১০০ টাকার বেশি মূল্যমানের বন্ধক
ব্যাখ্যা

সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ধারা ৯ অনুযায়ী, কিছু হস্তান্তর লিখিত দলিলের মাধ্যমে করা বাধ্যতামূলক, যেমন:
- স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয়
- ১০০ টাকা বা তার বেশি মূল্যমানের বন্ধক
- এক বছরের বেশি মেয়াদের বা বার্ষিক ঋণ সংরক্ষণের ইজারা
- স্থাবর সম্পত্তির দান, বিনিময়, নালিশযোগ্য দাবি

তবে কিছু হস্তান্তর মৌখিকভাবে করা যায়, যেমন:
- পার্টিশন (Partition)
- সারেন্ডার (Surrender)
- রিলিজ (Release)
- মাসিক বা এক বছরের কম মেয়াদের ইজারা
- ১০০ টাকার কম মূল্যমানের বন্ধক
সুতরাং, এক বছরের কম মেয়াদের ইজারা মৌখিক হস্তান্তরের মধ্যে পড়ে।

সঠিক উত্তর: গ) এক বছরের কম মেয়াদের ইজারা।

১,৩৪৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়-
  1. এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে
  2. দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে
  3. উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে
  4. মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদের বিধান কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি:
- (১) এই সংবিধান-সাপেক্ষে
(ক) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা এবং অনুরূপ বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রিত হইবে;
(খ) উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক ভোট প্রদান করিবেন;
(গ) সংসদের কোন সদস্যপদ শূন্য রহিয়াছে, কেবল এই কারণে কিংবা সংসদে উপস্থিত হইবার বা ভোটদানের বা অন্য কোন উপায়ে কার্যধারায় অংশগ্রহণের অধিকার না থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি অনুরূপ কার্য করিয়াছেন, কেবল এই কারণে সংসদের কোন কার্যধারা অবৈধ হইবে না।

- (২) সংসদের বৈঠক চলাকালে কোন সময়ে উপস্থিত সদস্য-সংখ্যা ষাটের কম বলিয়া যদি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ষাট জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বৈঠক স্থগিত রাখিবেন কিংবা মুলতবী করিবেন।
১,৩৪৪.
সংবিধান অনুযায়ী জেলা বিচারক বলতে-
  1. অতিরিক্ত দায়রা জজ অন্তর্ভুক্ত হবেন
  2. অতিরিক্ত জেলা বিচারক অন্তর্ভুক্ত হবেন
  3. অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অন্তর্ভুক্ত হবেন
  4. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অন্তর্ভুক্ত হবেন
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের একাদশ ভাগের ১৫২ নং অনুচ্ছেদে বিভিন্ন বিষয় যেমন- অধিবেশন, অনুচ্ছেদ, অর্থ-বৎসর, আইন, আদালত ইতাদির অর্থ ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫২(১) অনুচ্ছেদে বলা আছে যে-
'জেলা - বিচারক বলিতে অতিরিক্ত জেলা - বিচারক অন্তর্ভুক্ত হইবেন';
১,৩৪৫.
বিচার-বিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার বিধান কীভাবে প্রয়োগ হবে?
  1. একচ্ছত্র ভাবে রাষ্ট্রপতি প্রয়োগ করবে
  2. একচ্ছত্র ভাবে সুপ্রীমকোর্টের প্রয়োগ করবে
  3. সুপ্রীম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি প্রয়োগ করবে
  4. রাষ্ট্রপতির সাথে পরামর্শক্রমে সুপ্রীম কোর্ট প্রয়োগ করবে
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ১১৬- অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা:
বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচারবিভাগীয় দায়িত্বপালনে রত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল- নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরীসহ) ও শৃংখলাবিধান রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাহা প্রযুক্ত হইবে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ এর মূল সংবিধানে অধঃস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার ক্ষমতা সুপ্রীমকোর্টের উপর ন্যস্ত ছিল।
- সংবিধানের ৪র্থ সংশোধনীয় মাধ্যমে এই ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির উপর অর্পণ করা হয়।
- এরপর Second Proclamation Order No. IV of 1978-এর মাধ্যমে সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ পুনরায় সংশোধন করা হয়।
- বিধান করা হয় যে, রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে অধঃস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার ক্ষমতা প্রয়োগ করবে।
 
১,৩৪৬.
আইনে, শিক্ষায়, প্রশাসনে, বিচারে বা শৃঙ্খলা বাহিনীতে অন্যূন __________ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তি দুর্নীতি দমন কমিশনার হওয়ার যোগ্য হবেন। 
  1. ১০
  2. ১৫
  3. ২০
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪, ধারা- ৮ কমিশনারগণের যোগ্যতা, অযোগ্যতা, ইত্যাদি:
(১) আইনে, শিক্ষায়, প্রশাসনে, বিচারে বা শৃঙ্খলা বাহিনীতে অন্যূন ২০ (বিশ) বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি কমিশনার হইবার যোগ্য হইবেন৷ 

(২) কোন ব্যক্তি কমিশনার হিসাবে নিযুক্ত হইবার বা থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি- 
(ক) বাংলাদেশের নাগরিক না হন; 
(খ) কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ঋণ খেলাপী হিসাবে ঘোষিত বা চিহ্নিত হন; 
(গ) আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত হইবার পর দেউলিয়াত্বের দায় হইতে অব্যাহতি লাভ না করেন; 
(ঘ) নৈতিক স্খলন বা দুর্নীতিজনিত কোন অপরাধের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হইয়া আদালত কর্তৃক কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইয়াছেন; 
(ঙ) সরকারী চাকুরীতে নিয়োজিত থাকেন; 
(চ) দৈহিক বা মানসিক বৈকল্যের কারণে কমিশনের দায়িত্ব পালনে অক্ষম হন; এবং 
(ছ) বিভাগীয় মামলায় গুরুদণ্ড প্রাপ্ত হন৷
১,৩৪৭.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের অধীন অপরাধসমূহ কাদের দ্বারা বিচারযোগ্য?
  1. দায়রা জজ
  2. স্পেশাল জজ
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২৮- “অপরাধের বিচার, ইত্যাদি”:
(১) আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন ও উহার তফসিলে বর্ণিত অপরাধসমূহ কেবলমাত্র স্পেশাল জজ কর্তৃক বিচারযোগ্য হইবে৷ 
(২) এই আইনের অধীন ও উহার তফসিলে বর্ণিত অপরাধসমূহের বিচার ও আপীল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে The Criminal Law Amendment Act, 1958 (XL of 1958) এর বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে৷ 
(৩) The Criminal Law Amendment Act, 1958 (XL of 1958) এর কোন বিধান এই আইনের কোন বিধানের সহিত অসংগতিপূর্ণ হইলে এই আইনের বিধান কার্যকর হইবে৷
১,৩৪৮.
কোন পরিস্থিতিতে মৃত মুসলিম ব্যক্তির স্ত্রী ১/৪ অংশ সম্পত্তি পাবেন?
  1. যদি মৃত ব্যক্তি কোনো সন্তান রেখে যান
  2. যদি মৃত ব্যক্তি কোনো পুত্রের সন্তান রেখে যান
  3. যদি মৃত ব্যক্তি সন্তান বা পুত্রের সন্তান না রেখে যান
  4. যদি মৃত ব্যক্তি শুধু কন্যা সন্তান রেখে যান
ব্যাখ্যা
• স্ত্রী দুটি অবস্থায় সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়-
i) ১/৪ অংশ;
ii)  ১/৮ অংশ।
 
ক) যদি মৃত ব্যক্তি কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান না রেখে মারা যায়, তাহলে স্ত্রী মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পত্তির ১/৪ অংশ পাবে।
খ) যদি মৃত ব্যাক্তি কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান রেখে মারা যায়, তাহলে স্ত্রী মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পত্তির ১/৮ অংশ পাবে।
১,৩৪৯.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর অধীন কোন অপরাধ কার কর্তৃক অনুসন্ধানযোগ্য বা তদন্তযোগ্য হবে?
  1. সরকার
  2. কমিশন
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  4. ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ২০: অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষমতা:
১.  ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন ও উহার তফসিলে বর্ণিত অপরাধসমূহ কেবলমাত্র কমিশন কর্তৃক অনুসন্ধানযোগ্য বা তদন্তযোগ্য হইবে৷

২. উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অপরাধসমূহ অনুসন্ধান বা তদন্তের জন্য কমিশন, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উহার অধঃস্তন কোন কর্মকর্তাকে ক্ষমতা প্রদান করিতে পারিবে৷

৩. উপ-ধারা (২) এর অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তার, অপরাধ অনুসন্ধান বা তদন্তের বিষয়ে, থানার ভারপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তার ক্ষমতা থাকিবে৷

৪. উপ-ধারা (২) ও (৩) এর বিধান সত্ত্বেও, কমিশনারগণেরও এই আইনের অধীন অপরাধ অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষমতা থাকিবে৷

১,৩৫০.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর কত ধারায় "জোত (holding)" এর সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. ২ (৯)
  2. ২ (১১)
  3. ২ (১৩)
  4. ২ (১৫)
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ২ (১৩) ধারায় "জোত (holding)" এর সংজ্ঞা রয়েছে।

- ধারা ২ (১৩) এর বিধান জোত (holding): বলতে জমির একটি খন্ড অথবা খন্ডসমূহ বা তার একটি অবিভক্ত অংশ যা একজন রায়ত বা অধীন রায়ত কর্তৃক ধারণকৃত ও যা কোন পৃথক প্রজাস্বত্বের বিষয়বস্তু।
----
Section 2(13) “holding” means a parcel or parcels of land or an undivided share thereof, held by a raiyat or an under-raiyat and forming the subject of a separate tenancy;
১,৩৫১.
সালিস আইন, ২০০১ এর অধীন সালিসী ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করার ক্ষেত্রে প্রধান শর্ত কী?
  1. সরকারের অনুমোদন
  2. আদালতের নির্দেশ
  3. সকল পক্ষের সম্মতি
  4. লিগ্যাল এইড অফিসারের নির্দেশ
ব্যাখ্যা
সালিস আইন, ২০০১: ধারা ২২-সালিস ব্যতীত অন্যভাবে নিষ্পত্তি:
(১) সালিসী ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক সালিস ব্যতীত অন্যভাবে বিরোধের নিষ্পত্তি উৎসাহিত করা হইলে উহা সালিস কার্যধারার সহিত অসামঞ্জস্যপূর্ণ হইবে না এবং সালিসী ট্রাইব্যুনাল সকল পক্ষের সম্মতিক্রমে, সালিসী কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে, বিরোধীয় বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য মধ্যস্থতা, আপোষ বা অন্য যে কোন পদ্ধতি অনুসরণ করিতে পারিবে।
 
(২) সালিসী কার্যধারা চলাকালে পক্ষগণ বিরোধীয় বিষয়টি আপোষে নিষ্পত্তি করিলে এবং পক্ষগণ কর্তৃক অনুরুদ্ধ হইলে, সালিসী ট্রাইব্যুনাল উক্তরূপ নিষ্পত্তিকে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হিসাবে সালিসী রোয়েদাদ আকারে লিপিবদ্ধ করিবে। 

(৩) সর্বসম্মত শর্তে সালিসী রোয়েদাদ ধারা ৩৮ মোতাবেক প্রদত্ত হইবে এবং উহা যে একটি সম্মত শর্তের সালিসী রোয়েদাদ এই মর্মে উক্ত রোয়েদাদে উল্লেখ করিতে হইবে। 

(৪) সর্বসম্মত শর্তের সালিসী রোয়েদাদের মর্যাদা ও কার্যকরতা বিরোধীয় অন্য যে কোন বিষয়ে প্রদত্ত সালিসী রোয়েদাদের অনুরূপ হইবে।
১,৩৫২.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এ বিয়ের প্রলোভনের মাধ্যমে যৌনকর্ম করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ৩ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ৯খ: বিয়ের প্রলোভনের মাধ্যমে যৌনকর্ম করিবার দণ্ড:
যদি কোন ব্যক্তি দৈহিক বলপ্রয়োগ ব্যতীত বিবাহের প্রলোভন দেখাইয়া ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সংগে যৌনকর্ম করেন এবং যদি উক্ত ঘটনার সময় উক্ত ব্যক্তির সহিত উক্ত নারীর আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন
১,৩৫৩.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ২০ ধারার অধীন ডেপুটি কমিশনার ক্ষতিপূরণ আদেশ দিলে, উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট কত দিনের মধ্যে আপীল করা যাবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা

• অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৮৫ক ধারার বিধান- আপীল:
- অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৯ (১) ধারার বিধান অনুসারে বা ২০ ধারার বিধান মোতাবেক ডেপুটি কমিশনার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করলে, তার আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপীল করা যাবে।
----
Section 85A- Appeal:
An appeal against an order passed by the Deputy Commissioner determining compensation under the proviso to sub-section (1) of section 9 or the proviso to section 20 shall, if presented within thirty days of such order, lie to the District Judge.

১,৩৫৪.
The General Clauses Act, 1897 এর কোন ধারায় 'Doctrine of double jeopardy' সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. ২৪
  2. ২৫
  3. ২৬
  4. ২৭
ব্যাখ্যা
The General Clauses Act, 1897 এর ২৬ ধারার বিধান: দুই বা ততোধিক আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে বিধান:
যেক্ষেত্রে কোন কার্য বা বিচ্যুতি দুই বা ততোধিক আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধ হয়, সেই ক্ষেত্রে অপরাধীকে ঐ আইন সমূহের সকল বা যে কোন একটির অধীন অভিযুক্ত এবং শান্তি প্রদান করা যাবে, কিন্তু একই অপরাধের জন্য দুইবার শান্তি প্রদান করা যাবে না।

ধারা ২৬ এর মধ্যে দোবারা সাজা নীতি বা ‘Doctrine of Double Jeopardy' প্রতিফলিত হয়েছে।

দোবারা সাজা নীতিটি আরো কয়েকটি আইনে বর্ণিত আছে। যথা:
-গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(২);
- ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪০৩;
- দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১১;
- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৪০; এবং
- ফৌজদারি আইন সংশোধন আইন, ১৯৫৮ এর ধারা ৮।
----------------
Section 26. Provision as to offences punishable under two or more enactments:
- Where an act or omission constitutes an offence under two or more enactments, then the offender shall be liable to be prosecuted and punished under either or any of those enactments, but shall not be liable to be punished twice for the same offence.
১,৩৫৫.
মালিক আজিজ তার একজন শ্রমিককে ঋণ শোধের অজুহাতে বছরের পর বছর বিনা মজুরিতে কাজ করাচ্ছে। শ্রমিক যেতে চাইলে তাকে ভয় দেখায়। উক্ত অপরাধের জন্য মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর অধীন সর্বোচ্চ কী দণ্ড প্রদান করা যাবে?
  1. ৫ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. ১০ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ১২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) ১২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।

মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৯: জবরদস্তি বা দাসত্বমূলক শ্রম বা সেবা প্রদান করিতে বাধ্য করিবার দণ্ড:

কোন ব্যক্তি বেআইনিভাবে অন্য কোন ব্যক্তিকে তাহার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ করাইলে অথবা শ্রম বা সেবা প্রদান করিতে বাধ্য করিলে বা ঋণ-দাস করিয়া রাখিলে বা বলপ্রয়োগ বা যে কোন প্রকার চাপ প্রয়োগ করিলে অথবা করিবার হুমকি প্রদর্শন করিয়া শ্রম বা সেবা আদায় করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ১২ (বার) বৎসর এবং অন্যূন ৫ (পাঁচ) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

১,৩৫৬.
The authority who have power to make the appointment shall also have power to ________ the person so appointed.
  1. exercise any power
  2. rebuke
  3. suspend or dismiss
  4. none of above
ব্যাখ্যা
• Section 16 of The General Clauses Act,1897: Power to appoint to include power to suspend or dismiss
Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to make any appointment is conferred, then unless a different intention appears, the authority having for the time being power to make the appointment shall also have power to suspend or dismiss any person appointed whether by itself of any other authority in exercise of that power.

ধারা ১৬: নিয়োগের ক্ষমতা সাময়িক বরখাস্ত বা বরখাস্তের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন বা প্রবিধান দ্বারা যদি কোন কর্তৃপক্ষকে নিয়োগের ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে, ভিন্নরূপ কোন উদ্দেশ্য প্রতীয়মান না হলে, অনুরূপ কর্তৃপক্ষের উল্লেখিত ক্ষমতা প্রয়োগের আওতায় নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত বা বরখাস্ত করার ক্ষমতা থাকবে।

• জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ১৬ ধারার প্রয়োগ প্রসঙ্গে S. Pratap Singh v State of Punjab মামলায় ভারতীয় সুপ্রীম কোর্ট বলেন যে, একজন সরকারি কর্মচারীকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার ক্ষমতা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের আছে। একই নীতি অনুসরণ করে R.P. Kapur v. Union of India মামলায় ঐ আদালত আবারও মন্তব্য করেন, কোন সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা রুজু হলে ঐ কর্মচারীকে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার অধিকারী।

দেওয়ানী কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ নিয়ম মোতাবেক রিসিভার নিয়োগের ক্ষেত্রেও ১৬ ধারার বিধান প্রযোজ্য। ফলে রিসিভার নিয়োগাদেশ বাতিল করলে উহার বিরুদ্ধে ৪৩ আদেশ অনুযায়ী আপীল করা যায় না।
১,৩৫৭.
Under Section 145E of The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 , whose decisions and orders are considered final?
  1. The Revenue Officer
  2. The Civil Court
  3. The High Court Division
  4. The Land Survey Tribunal
ব্যাখ্যা

The State Acquisition and Tenancy Act, 1950: Section 45E: Finality of Tribunals decisions and orders:
Subject to the decisions and orders of the Land Survey Appellate Tribunal, the decisions and orders of the Land Survey Tribunal shall be final.

[ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত ও আদেশের অধীনস্থ থেকে, ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত ও আদেশ চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।]

১,৩৫৮.
'M' তার ২ পুত্র 'A' ও 'B' এবং স্ত্রী 'K' কে রেখে মারা যায়। দায়ভাগ মতবাদ অনুযায়ী, 'K' সম্পত্তির কত অংশ পাবেন?
  1. ১/২ অংশ
  2. ১/৩ অংশ
  3. ১/৪ অংশ
  4. পুত্রদের দ্বারা বঞ্চিত হবেন
ব্যাখ্যা
⇒ এখানে 'M' সম্পত্তি মোট তিন অংশে বিভক্ত হবে। দায়ভাগ মতবাদ অনুযায়ী, স্ত্রী এক পুত্রের সমান অংশ পাবে।

সম্পত্তির বণ্টন:
- পুত্র (A) পাবে ১/৩ অংশ।
- পুত্র (B) পাবে ১/৩ অংশ।
- স্ত্রী (K) পাবে ১/৩ অংশ।
১,৩৫৯.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী নিম্নের কোন বিধানটি সঠিক?
  1. সকল নির্বাহী কার্য প্রধানমন্ত্রীর নামে গৃহীত হবে
  2. প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী প্রয়োগ করবে
  3. মন্ত্রিসভা গৃহীত সকল সিদ্ধান্তের জন্য যৌথভাবে জনগণের কাছে দায়ী হবে
  4. সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মন্ত্রিসভা [Cabinet]

সংবিধানের ৫৫(১) অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের মন্ত্রিসভার গঠন সম্পর্কে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরুপ স্থির করবে, সেইরুপ অন্যান্য মন্ত্রী নিয়ে এই মন্ত্রিসভা গঠিত হবে। মন্ত্রিসভা হলো নির্বাহী সরকারের নীতি এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের চূড়ান্ত সংস্থা এবং প্রধানমন্ত্রী হলো এর প্রধান। মন্ত্রিসভা নীতি সংক্রান্ত অধিকাংশ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত সকল মন্ত্রীর উপর বাধ্য থাকবে।

নির্বাহী ক্ষমতার প্রয়োগ: 

৫৫(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তার কর্তৃত্বে এই সংবিধান-অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা [Executive Power] প্রযুক্ত হবে। সংসদীয় গণতন্ত্রে প্রজাতন্ত্রের সকল নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি মন্ত্রিসভা এবং উক্ত মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট তাদের যৌথ কার্যাবলীর জন্য দায়বদ্ধ থাকবে।
সরকারের সকল নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি মন্ত্রিসভা কর্তৃক প্রয়োগ করা হলেও, সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হয়েছে বলে প্রকাশ করা হবে। অর্থাৎ প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতার প্রয়োগ করবে প্রধানমন্ত্রী কিন্তু রাষ্ট্রের সকল কার্য রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হবে।

মন্ত্রীদের যৌথ দায় [Collective Responsibility]

মন্ত্রীদের যৌথ দায় কথাটির মানে হলো মন্ত্রিসভার সকল সিদ্ধান্ত মন্ত্রিদের যৌথ সিদ্ধান্ত এবং সকল মন্ত্রী এই সিদ্ধান্তের কারণে সংসদের নিকট যৌথভাবে দায়ী হবে। মন্ত্রিসভার ভিতরে সকল মন্ত্রী কোন বিষয়ে তাদের নিজস্ব মতামত প্রকাশ করতে পারে কিন্তু উক্ত বিষয়ে একবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলে প্রত্যেক মন্ত্রী মন্ত্রিসভার ভিতরে এবং বাইরে উক্ত বিষয় সমর্থন করবে। যদি কোন মন্ত্রী মনে করে যে, যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে তা প্রকৃত অর্থে ভুল এবং তিনি এটা সমর্থন করে না তাহলে তার একমাত্র উপায় হলো মন্ত্রী থেকে পদত্যাগ করা।

এছাড়া, যৌথ দায়ের পাশাপাশি সংসদের নিকট প্রত্যেক মন্ত্রীর ব্যক্তিগত দায় আছে। প্রত্যেক মন্ত্রী তার মন্ত্রণালয়ের যে কোন কাজের জন্য বা কার্য হতে বিরত থাকার কারণে সংসদের নিকট ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবে। 


অনুচ্ছেদ ৫৫: মন্ত্রিসভা


(১) প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী লইয়া এই মন্ত্রিসভা গঠিত হইবে। 
(২) প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁহার কর্তত্বে এই সংবিধান-অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হইবে। 
(৩) মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকিবেন। 
(৪) সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হইয়াছে বলিয়া প্রকাশ করা হইবে। 
(৫) রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশসমূহ ও অন্যান্য চুক্তিপত্র কিরূপে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত হইবে, রাষ্ট্রপতি তাহা বিধিসমূহ-দ্বারা নির্ধারণ করিবেন এবং অনুরূপভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত কোন আদেশ বা চুক্তিপত্র যথাযথভাবে প্রণীত বা সম্পাদিত হয় নাই বলিয়া তাহার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না। 
(৬) রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিবেন।

Article 55: The Cabinet

(1) There shall be a Cabinet for Bangladesh having the Prime Minister at its head and comprising also such other Ministers as the Prime Minister may from time to time designate. 
(2) The executive power of the Republic shall, in accordance with this Constitution, be exercised by or on the authority of the Prime Minister. 
(3) The Cabinet shall be collectively responsible to Parliament. 
(4) All executive actions of the Government shall be expressed to be taken in the name of the President. 
(5) The President shall by rules specify the manner in which orders and other instruments made in his name shall be attested or authenticated, and the validity of any order or instrument so attested or authenticated shall not be questioned in any court on the ground that it was not duly made or executed. 
(6) The President shall make rules for the allocation and transaction of the business of the Government.
১,৩৬০.
The General Clauses Act,1897 এর কত ধারায় "স্থাবর সম্পত্তি" এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৩(২৫)
  2. ধারা ৩(২৭)
  3. ধারা ৩(২৪)
  4. ধারা ৩(২৮)
ব্যাখ্যা
Section 3(25)
"Immoveable property" shall include land, benefits to arise out of land, and things attached to the earth, or permanently fasteried to anything attached to the earth:

ধারা ৩(২৫)
"স্থাবর সম্পত্তি" বলিতে ভূমি, ভূমি হইতে আহরিত সুবিধা, এবং ভূমির সহিত সংযুক্ত কোন বস্তু, অথবা ভূমির সহিত সংযুক্ত কোন কিছুর সহিত স্থায়ীভাবে আবদ্ধ কোন বস্তুকে অন্তর্ভূক্ত করিবে।
১,৩৬১.
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতা নিষ্পত্তির প্রতিবেদন প্রাপ্তির কত দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে?
  1. ১০ দিনের মধ্যে
  2. ৭ দিনের মধ্যে
  3. ১৫ দিনের মধ্যে
  4. ৩০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে
১- মধ্যস্থতা (Mediation) 
২- সালিশী (Arbitration)

সাধারন নিয়মসমূহ-

⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।

সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না। 


Section: 89(5)-

The  Legal Aid Officer or mediator, as the case may be, shall, without violating the confidentiality of the parties to the mediation proceedings, submit to the court a report of result of the mediation proceedings; and if the result is of compromise of the dispute or disputes in the suit, the terms of such compromise shall be reduced into writing in the form of an agreement, bearing signatures or left thumb impressions of the parties as executants, and signatures of the pleaders, if any, and the Legal Aid Officer or mediator, as the case may be, as witnesses; and the Court shall, within seven days from receiving the said report, pass an order or a decree in accordance with relevant provisions of Order XXIII of the Code.
১,৩৬২.
'ক' তার স্বামী ও ২ বোনকে রেখে মারা যায়। 'ক' এর সম্পত্তি স্বামীকে ৩/৭ অংশে ও ২ বোনকে ৪/৭ অংশ বণ্টন করে দেয়া হয়।এরুপ বণ্টনে কোন নীতি অনুসৃত হয়েছে?
  1. Aul (increase)
  2. Radd (return)
  3. Residuaries
  4. Sharers
ব্যাখ্যা
• মুসলিম আইন: Inheritance

স্বামী = ১/২ (সন্তান বা সন্তানের সন্তান নেই)
২ বোন = ২/৩ [সন্তান, সন্তানের সন্তান (যত নিম্ন হোক), পিতা, পিতার পিতা (যত উর্ধ্বে হোক) নেই]

স্বামীর অংশ = ১/২ = ৩/৬,
২ বোনের অংশ = ২/৩ = ৪/৬

মোট সম্পত্তি = ৩/৬ + ৪/৬ = ৭/৬,
যা সম্পূর্ণ সম্পত্তি বা ১-এর চেয়ে বেশি। তাই আউলের নীতি প্রয়োগ করে অংশীদারদের অংশ তাদের অংশ অনুপাতে কমাতে হবে।

আউলের নীতি Aul (increase) প্রয়োগ করে:

স্বামী = ৩/৬ অংশ,
২ বোন = ৪/৬ অংশ।
এক্ষেত্রে ভগ্নাংশদ্বয়ের লবের যোগফল (৩+৪)=৭-কে হরের স্থানে প্রতিস্থাপন করে পাই:

স্বামী = ৩/৭,
২ বোন = ৪/৭,

: মোট সম্পত্তি = ৩/৭ + ৪/৭ = ৭/৭ = ১ বা সম্পূর্ণ অংশ।
১,৩৬৩.
মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন কার্যে নিয়োজিত আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যকে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে, তা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কোন ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য?
  1. ধারা ৪১
  2. ধারা ৪২(১)
  3. ধারা ৪২(২)
  4. ধারা ৪৩
ব্যাখ্যা
ধারা ৪২- শাস্তির ব্যবস্থা করা হয় নাই, এইরূপ মাদকদ্রব্য অপরাধের দণ্ড:
(১) কোনো ব্যক্তি যদি এই আইন অথবা বিধির কোনো বিধান লঙ্ঘন করিলে যাহার জন্য উহাতে স্বতন্ত্র কোনো দণ্ডের ব্যবস্থা নাই, তাহা হইলে তিনি উক্ত অপরাধের জন্য অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(২) মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন কার্যে নিয়োজিত কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যকে তাহার দায়িত্ব পালনকালে কোনো ব্যক্তি কোনোভাবে অসহযোগিতা করিলে অথবা বাধা প্রদান করিলে কিংবা কোনোভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিলে তাহা মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে সহযোগিতা হিসাবে গণ্য হইবে এবং তজ্জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর, অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
১,৩৬৪.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২১ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন-
  1. কমিশনের অনুমতি সাপেক্ষে
  2. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
  3. কমিশনের চেয়ারম্যানের অনুমতি সাপেক্ষে
  4. কোনো রকম অনুমতি ছাড়া
ব্যাখ্যা
• ধারা ২১- গ্রেফতারের ক্ষমতা:

এই আইনের অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কমিশন হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তার বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে, কোন ব্যক্তি তাঁহার নিজ নামে বা অন্য কোন ব্যক্তির নামে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির মালিক বা দখলকার যাহা তাহার ঘোষিত আয়ের সহিত অসঙ্গতিপূর্ণ, তাহা হইলে উক্ত কর্মকর্তা, আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে, উক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করিতে পারিবেন।
১,৩৬৫.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ অনুযায়ী, হাতেনাতে ধরা পড়লে কত দিনের মধ্যে বিচার শেষ করতে হবে?
  1. ৬০ দিন 
  2. ১৫ কার্যদিবস
  3. ৩০ কার্যদিবস
  4. ৬০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২-এর ধারা ১০(১) অনুসারে: হাতেনাতে ধরা পড়লে বিচার ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে শেষ করতে হবে।
এখানে "কার্যদিবস" বলতে আদালত বসে এমন দিন বোঝায়।

⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২-এর ধারা ১০ - বিচার পদ্ধতি:
(১) আদালত এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সম্পন্ন করিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে এই আইনে ভিন্নতর কিছু না থাকিলে, ফৌজদারী কার্যবিধির Chapter XXII-তে বর্ণিত পদ্ধতি, যতদূর প্রযোজ্য হয়, অনুসরণ করিবে৷ 
(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হইলে বা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধৃত হইয়া পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হইলে, পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রাথমিক রিপোর্টসহ তাহাকে চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করিবে এবং উহার পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে অপরাধ সম্পর্কে আদালতে রিপোর্ট বা অভিযোগ পেশ করিবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রিপোর্ট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ত্রিশ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করিবে৷ 
(৩) অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে হাতেনাতে ধৃত না হইলে, অপরাধ সংঘটনের পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং উক্ত রিপোর্ট বা অভিযোগ দায়েরের পরবর্তী ষাট কার্যদিবসের মধ্যে, ধারা ১১ এর বিধান সাপেক্ষে, আদালত বিচার কার্য সম্পন্ন করিব৷ 
(৪) উপ-ধারা (২) ও (৩) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে ধৃত না হইয়া অন্য কোনভাবে ধৃত হইলে বা আদালতে আত্নসমর্পণ করিলে, উক্ত অপরাধের বিষয়ে, যত দ্রুত সম্ভব, ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্নপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রির্পোট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে।

১,৩৬৬.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর কোন ধারা রুদ্ধদ্বার কক্ষে (in camera) বিচার সংক্রান্ত বিধান করে?
  1. ধারা ১২
  2. ধারা ১৩
  3. ধারা ১৪
  4. ধারা ১১ 
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩-এর ধারা ১২ রুদ্ধদ্বার কক্ষে (in camera) বিচার পরিচালনার বিধান করে। আদালত স্বেচ্ছায় বা উভয়পক্ষের অনুরোধে মামলার সম্পূর্ণ বা আংশিক কার্যধারা রুদ্ধদ্বার কক্ষে পরিচালনা করতে পারে।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১২ ধারার বিধান: রুদ্ধদ্বার কক্ষে  বিচার:
(১) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত, উপযুক্ত মনে করিলে, এই আইনের অধীন কোনো মোকদ্দমার কার্যধারার সম্পূর্ণ বা কোনো অংশবিশেষ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠান করিতে পারিবে।
(২) যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার কার্যধারা উভয়পক্ষ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠানের জন্য আদালতকে অনুরোধ করেন, সেইক্ষেত্রে আদালত উহা রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠান করিবে।

১,৩৬৭.
সংবিধান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানকে ত্রুটিমুক্ত করার উদ্দেশ্যে কোন ব্রিটিশ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করেন?
  1. এন্ডো ফিলিপ
  2. জন ফেডরিক
  3. জন গাথরিক
  4. টমাস হেনরি
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ভাষাগত ভুল দূর করের জন্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রধান আনিসুজ্জামান (কমিটির প্রধান), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আলী আহসান, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক ড মাযহারুল ইসলাম-এর সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়।

- আইনি ভাষা, কারিগরি দিক পরীক্ষার জন্য সংবিধান বিষয়ের বিশেষজ্ঞ জন গাথরি'কে ঢাকায় এনে এবং সংবিধানের ভাষাগত সংস্থান ও ব্যাকরণগত ভুলত্রুটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য অধ্যাপক আনিসুজ্জমান'র নেতৃত্বে সৈয়দ আলী আহসান ও ড. মাযহারুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

- হস্তলিখিত সংবিধানের মূল লেখক- শিল্পী আব্দুর রউফ, অঙ্গসজ্জা- জয়নুল আবেদিন, হাশেম খান

- সংবিধানটি পূর্ণাঙ্গ ও উত্তম করার উদ্দেশ্যে কমিটির সভাপতি ড. কামাল হোসেন ভারত ও ইংল্যান্ড সফর করে সেখানকার পার্লামেন্টের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।
১,৩৬৮.
According to Article 31 of The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh- 'to enjoy the protection of the law in accordance with law, is the ______ right of every citizen'.
  1. alienable
  2. inalienable
  3. personal
  4. private
ব্যাখ্যা
Article 31: Right to protection of law

To enjoy the protection of the law, and to be treated in accordance with law, and only in accordance with law, is the inalienable right of every citizen, wherever he may be, and of every other person for the time being within Bangladesh, and in particular no action detrimental to the life, liberty, body, reputation or property of any person shall be taken except in accordance with law.

অনুচ্ছেদ ৩১: আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার

আইনের আশ্রয়লাভ এবং আইনানুযায়ী ও কেবল আইনানুযায়ী ব্যবহারলাভ যে কোন স্থানে অবস্থানরত প্রত্যেক নাগরিকের এবং সাময়িকভাবে বাংলাদেশে অবস্থানরত অপরাপর ব্যক্তির অবিচ্ছেদ্য অধিকার এবং বিশেষতঃ আইনানুযায়ী ব্যতীত এমন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে না, যাহাতে কোন ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা, দেহ, সুনাম বা সম্পত্তির হানি ঘটে।
১,৩৬৯.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের কত ধারায় ডিএনএ পরীক্ষার বিধান রয়েছে?
  1. ৩২ ধারায়
  2. ৩১ক ধারায়
  3. ৩৩ ধারায়
  4. ৩২ক ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৩২ক- অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড (ডিএনএ) পরীক্ষা

এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির ধারা ৩২ এর অধীন মেডিক্যাল পরীক্ষা ছাড়াও, উক্ত ব্যক্তির সম্মতি থাকুক বা না থাকুক, ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড (ডিএনএ) আইন, ২০১৪ (২০১৪ সনের ১০ নং আইন) এর বিধান অনুযায়ী ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড (ডিএনএ) পরীক্ষা করিতে হইবে।
১,৩৭০.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৯১ ধারা অনুসারে নিম্নোক্ত কোন ব্যক্তি বন্ধকমুক্ত করার জন্য মামলা করতে পারে না?
  1. বন্ধকী সম্পত্তিতে স্বার্থ আছে এমন ব্যক্তি
  2. বন্ধকী অর্থ বা এর অংশবিশেষ পরিশোধের নিশ্চয়তা প্রদানকারী ব্যক্তি
  3. বন্ধকী সম্পত্তির পাশ্ববর্তী সম্পত্তিতে স্বার্থ আছে এমন ব্যক্তি
  4. বন্ধকদাতার পাওনাদার যিনি বন্ধকী সম্পত্তি বিক্রয় করার জন্য আদালতের ডিক্রি পেয়েছেন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৯১ অনুসারে, নিম্নোক্ত ব্যক্তিগণ বন্ধকমুক্ত করার জন্য মামলা করতে পারেন-

⇒ বন্ধকদাতা,
⇒ বন্ধকী সম্পত্তিতে স্বার্থ আছে এমন ব্যক্তি,
⇒ বন্ধকী অর্থ বা এর অংশবিশেষ পরিশোধের নিশ্চয়তা প্রদানকারী ব্যক্তি,
⇒ বন্ধকদাতার যে কোন পাওনাদার, যিনি বন্ধকী সম্পত্তি বিক্রয় করার জন্য আদালতের ডিক্রি পেয়েছেন।

Section 91: Person who may sue for redemption

Besides the mortgagor, any of the following persons may redeem, or institute a suit for redemption of, the mortgaged property, namely:- 
(a) any person (other than the mortgagee of the interest sought to be redeemed) who has any interest in, or charge upon, the property mortgaged or in or upon the right to redeem the same; 
(b) any surety for the payment of the mortgage-debt or any part thereof; or 
(c) any creditor of the mortgagor who has in a suit for the administration of his estate obtained a decree for sale of the mortgaged property.
১,৩৭১.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর ধারা ৫৬ অনুযায়ী, ক্রেতা কোন সম্পত্তি থেকে বন্ধকের টাকা পরিশোধ করে নেওয়ার দাবি করতে পারে?
  1. বিক্রয়কৃত সম্পত্তি থেকে
  2. বিক্রয় করা হয়নি এমন সম্পত্তি থেকে
  3. বন্ধকগ্রহীতার ব্যক্তিগত সম্পত্তি থেকে
  4. ক্রেতার ব্যক্তিগত সম্পত্তি থেকে
ব্যাখ্যা

• বিক্রয়ের ক্ষেত্রে বিন্যাস মানে- যখন দুই বা ততোধিক সম্পত্তির মালিক সম্পত্তিগুলো প্রথমে একজনের নিকট বন্ধক দেয় এবং পরবর্তীতে উক্ত সম্পত্তিগুলোর মধ্য হতে এক বা একাধিক সম্পত্তি অন্যজনের নিকট বিক্রয় করে, এক্ষেত্রে ক্রেতা বন্ধকগ্রহীতাকে যেটা তার কাছে বিক্রি করা হয়নি এমন সম্পত্তিগুলো থেকে বন্ধকের টাকা যতটুকু সম্ভব পরিশোধ করে নেওয়ার জন্য বলতে পারে।

উদাহরণ
রফিক ক, খ, গ, ঘ, চ নামক ৫টি প্লটের মালিক। এই প্লটগুলি সে প্রথমে রহিমের নিকট বন্ধক দিলো। পরবর্তীতে ক ও খ প্লটের জমি রাকিবের নিকট বিক্রয় করলো। এখন রাকিব, রহিমকে অবশিষ্ট গ, ঘ ও চ প্লট হতে বন্ধকের টাকা পরিশোধ করে নিতে বলতে পারে। এটিই হলো বিক্রয়ের ক্ষেত্রে বিন্যাসের নীতি।

সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর ধারা ৫৬: পরবর্তী ক্রেতা কর্তৃক বিন্যাস:
যদি দুই বা ততোধিক সম্পত্তির মালিক সকল সম্পত্তি প্রথমে একজনের নিকট বন্ধক দেয় এবং তারপর এর মধ্য হতে এক বা একাধিক সম্পত্তি অন্য জনের নিকট বিক্রয় করে, তাহলে ক্রেতা যে সম্পত্তি ক্রয় করে নাই, তা হতে বন্ধকের টাকা যতদূর সম্ভব, পরিশোধ করে নেওয়ার দাবি করতে পারে। কিন্তু এরূপ দাবি বন্ধকগ্রহীতা বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি অথবা মূল্যের বিনিময়ে এই সম্পত্তির কোন একটি স্বত্ব অর্জন করেছে তেমন কোন ব্যক্তির স্বার্থ ক্ষুন্ন করবে না।

Section 56: Marshalling by subsequent purchaser:
If the owner of two or more properties mortgages them to one person and then sells one or more of the properties to another person, the buyer is in the absence of a contract to the contrary, entitled to have the mortgage-debt satisfied out of the property or properties not sold to him, so far as the same will extend, but not so as to prejudice the rights of the mortgagee or persons claiming under him or of any other person who has for consideration acquired an interest in any of the properties.

১,৩৭২.
জমির খতিয়ানে নিচের কোন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা থাকে না?
  1. পিতা বা স্বামীর নাম
  2. কালেক্টরের নাম
  3. ইজমেন্টের অধিকার
  4. জেলার নাম
ব্যাখ্যা
- মূলত জমির মালিকানা স্বত্ব রক্ষা ও রাজস্ব আদায়ের জন্য জরিপ বিভাগ কর্তৃক প্রতিটি মৌজার জমির এক বা একাধিক মালিকের নাম, পিতা বা স্বামীর নাম, ঠিকানা, দাগ নম্বর, ভূমির পরিমাণ, হিস্যা(অংশ), খাজনা ইত্যাদি বিবরণসহ যে ভূমি স্বত্ব প্রস্তুত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে।

- খতিয়ানে কি কি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে সে গুলো হলো-
১. প্রজা বা দখলদারের নাম, পিতার নাম ও ঠিকানা, তারা কোন শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত, তাদের অধিকৃত জমির অবস্থান শ্রেণী পরিমাণ ও সীমানা।
২. প্রজার অথবা জমির মালিকের নাম, পিতার নাম ও ঠিকানা।
৩. খতিয়ান প্রস্তুতের সময় খাজনা এবং ২৮, ২৯, ৩০ বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত খাজনা। যদি খাজনা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে তাহলে যে সময় ও যে যে পদ্ধক্ষেপে বৃদ্ধি পায় তার বিবরণ। যে পদ্ধতিতে খাজনা ধার্য হয়েছে তার বিবরণ।
৪. গোচরণ ভূমি, বনভূমি ও মৎস্য খামারের জন্য ধারণকৃত অর্থ। কৃষি কাজের উদ্দেশ্যে প্রজা কর্তৃক পানির ব্যবহার এবং পানি সরবরাহের জন্য যন্ত্রপাতি সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ সম্পর্কিত প্রজা ও জমির মালিকের বর্ণনা।
৫. নিজস্ব জমি হলে তার বিবরণ।
৬.পথ চলার অধিকার ও জমির সংলগ্ন অন্যান্য ইজমেন্টের অধিকার।
৭. খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর, বাট্টা নম্বর, এরিয়া নম্বর, মৌজা নম্বর ও জে. এল নম্বর, জেলার নাম, উপজেলা/থানা/ইউনিয়ন ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত থাকে।

অর্থাৎ জমির খতিয়ানে কালেক্টরের নাম অন্তর্ভুক্ত করা থাকে না।
১,৩৭৩.
সংসদে কোরাম সংকটের কারণে অর্থাৎ ৬০ জনের কম সদস্য থাকলে স্পীকার নিম্নলিখিত কোন সিদ্ধান্ত দিতে পারে?
  1. বৈঠক স্থগিত রাখলে
  2. বৈঠক মুলতবি ঘোষণা করতে পারে
  3. বৈঠক চালিয়ে যাবেন কিন্তু কোন আইন বা বিল পাস করবেন না
  4. ক কিংবা খ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদের বিধান: কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি:
 (১) এই সংবিধান-সাপেক্ষে
(ক) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা এবং অনুরূপ বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রিত হইবে;
(খ) উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক ভোট প্রদান করিবেন;
(গ) সংসদের কোন সদস্যপদ শূন্য রহিয়াছে, কেবল এই কারণে কিংবা সংসদে উপস্থিত হইবার বা ভোটদানের বা অন্য কোন উপায়ে কার্যধারায় অংশগ্রহণের অধিকার না থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি অনুরূপ কার্য করিয়াছেন, কেবল এই কারণে সংসদের কোন কার্যধারা অবৈধ হইবে না।
(২) সংসদের বৈঠক চলাকালে কোন সময়ে উপস্থিত সদস্য-সংখ্যা ষাটের কম বলিয়া যদি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ষাট জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বৈঠক স্থগিত রাখিবেন কিংবা মুলতবী করিবেন।
------------------
⇒ Article 75:- Rules of procedure, quorum, etc-:
 (1) Subject to this Constitution –
(a) the procedure of Parliament shall be regulated by rules of procedure made by it, and until such rules are made shall be regulated by rules of procedure made by the President;
(b) a decision in Parliament shall be taken by a majority of the votes of the members present and voting, but the person presiding shall not vote except when there is an equality of votes, in which case he shall exercise a casting vote;

(c) no proceeding in Parliament shall be invalid by reason only that there is a vacancy in the membership thereof or that a person who was not entitled to do so was present at, or voted or otherwise participated in, the proceeding.

(2) If at any time during which Parliament is in session the attention of the person presiding is drawn to the fact that the number of members present is less than sixty, he shall either suspend the meeting until at least sixty members are present, or adjourn it.
১,৩৭৪.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর কত ধারায় মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিবর্গের প্রত্যাবাসন (repatriation) এবং প্রত্যাবর্তন (return) সম্পর্কে বিধান আছে?
  1. ৩১ ধারায়
  2. ৩৩ ধারায়
  3. ৩৭ ধারায়
  4. ৩৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৩৩: ভিকটিম বা মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিবর্গের প্রত্যাবাসন (repatriation) এবং প্রত্যাবর্তন (return):
(১) কোন বাংলাদেশী নাগরিক অন্য কোন দেশে মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি হিসেবে চিহ্নিত হইলে, সরকার সংশ্লিষ্ট দেশের বাংলাদেশ দূতাবাসের এবং প্রয়োজনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় উক্ত ব্যক্তিকে বাংলাদেশে ফেরত আনিবার প্রক্রিয়ার সূচনা করিবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন বিদেশী রাষ্ট্রে বাংলাদেশ দূতাবাস মানব পাচারের শিকার কোন বাংলাদেশী নাগরিক উক্ত দেশে আটক বা বন্দী অবস্থায় আছেন বলিয়া অবগত হইলে, উক্ত দূতাবাস ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে উদ্ধার করিবার, মুক্ত করাইবার এবং বাংলাদেশে পাঠাইবার প্রক্রিয়ার সূচনা করিবে। 
 
(৩) মানব পাচারের শিকার কোন ব্যক্তি কোন মামলার কারণে কোন বিদেশী রাষ্ট্রে থাকিতে বাধ্য হইলে বাংলাদেশ দূতাবাস উক্ত ব্যক্তিকে আইনি পরামর্শ বা সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে। 
 
(৪) যেই ক্ষেত্রে একজন বিদেশী নাগরিক বাংলাদেশে মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি হিসাবে চিহ্নিত হইবেন সেইক্ষেত্রে যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করিয়া উক্ত ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করতঃ সরকার সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রের বাংলাদেশস্থ দূতাবাসের সহযোগিতায়, যথোপযুক্ত কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে, উক্ত ব্যক্তিকে তাহার স্বদেশে ফেরত পাঠাইবার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।
১,৩৭৫.
বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭০ অনুযায়ী, সংসদ সদস্য যদি তার দলের বিপক্ষে ভোট দেন, তবে:
  1. তিনি জরিমানা গুণবেন
  2. তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে
  3. তার সংসদীয় আসন শূন্য হবে
  4. তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা হবে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৭০: রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া:
কোন নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হইয়া কোন ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি-
(ক) উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা
(খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,

তাহা হইলে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।
১,৩৭৬.
নিচের কোন ব্যক্তি মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে উত্তরাধিকার লাভ করতে পারবে না?
  1. বৈধ সন্তান
  2. হত্যাকারী
  3. নাবালক সন্তান
  4. তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর সন্তান
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুসারে, হত্যাকারী নিহত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে উত্তরাধিকার লাভ করতে পারে না। এই বিধানের মূল উদ্দেশ্য হলো-
কেউ যেন উত্তরাধিকার পাওয়ার জন্য কাউকে হত্যা করতে প্ররোচিত না হয় (ফৌজদারি শাস্তির পাশাপাশি উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়)।
এটি একটি নৈতিক ও আইনগত নিষেধাজ্ঞা যা ইসলামি শরিয়া ও বাংলাদেশের মুসলিম পারিবারিক আইনে স্বীকৃত।

⇒ যারা উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হবে:
(১) কোনো মুসলিম কোনো অমুসলিমের ওয়ারিশ হবে না এবং কোনো অমুসলিম কোনো মুসলিমের ওয়ারিশ হবে না।
(২) হত্যাকারী নিহত ব্যক্তির ওয়ারিশ হবে না। (এ বিধির উদ্দেশ্য হিসেবে বলা হয়, কেউ তাড়াতাড়ি উত্তরাধিকার পাওয়ার জন্য যেন কাউকে হত্যা করতে উদ্যত না হয় সেজন্যই এ বিধি প্রণীত হয়েছে।)
(৩) জারজ সন্তান ওয়ারিশ হবে না।

১,৩৭৭.
দুর্নীতি দমন কমিশন দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান করতে পারে-
  1. শুধুমাত্র সরকারি সংস্থার অনুরোধে
  2. শুধুমাত্র আদালতের আদেশে
  3. শুধুমাত্র ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে
  4. স্বউদ্যোগে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন এর ধারা ১৭ – কমিশনের কার্যাবলী:
কমিশন নিম্নবর্ণিত সকল বা যে কোন কার্য সম্পাদন করিতে পারিবে, যথা:- 
(ক) তফসিলে উল্লিখিত অপরাধসমূহের অনুসন্ধান ও তদন্ত পরিচালনা; 
(খ) অনুচ্ছেদ (ক) এর অধীন অনুসন্ধান ও তদন্ত পরিচালনার ভিত্তিতে এই আইনের অধীন মামলা দায়ের ও পরিচালনা; 
(গ) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগ স্বউদ্যোগে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা তাহার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক দাখিলকৃত আবেদনের ভিত্তিতে অনুসন্ধান; 
(ঘ) দুর্নীতি দমন বিষয়ে আইন দ্বারা কমিশনকে অর্পিত যে কোন দায়িত্ব পালন করা; 
(ঙ) দুর্নীতি প্রতিরোধের জন্য কোন আইনের অধীন স্বীকৃত ব্যবস্থাদি পর্যালোচনা এবং কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ পেশ করা; 
(চ) দুর্নীতি প্রতিরোধের বিষয়ে গবেষণা পরিকল্পনা তৈরী করা এবং গবেষণালব্ধ ফলাফলের ভিত্তিতে করণীয় সম্পর্কে রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ পেশ করা; 
(ছ) দুর্নীতি প্রতিরোধের লক্ষ্যে সততা ও নিষ্ঠাবোধ সৃষ্টি করা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে গণসচেতনতা গড়িয়া তোলার ব্যবস্থা করা; 
(জ) কমিশনের কার্যাবলী বা দায়িত্বের মধ্যে পড়ে এমন সকল বিষয়ের উপর সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, কর্মশালা ইত্যাদি অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা; 
(ঝ) আর্থ-সামাজিক অবস্থার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে বিদ্যমান বিভিন্ন প্রকার দুর্নীতির উত্স চিহ্নিত করা এবং তদ্‌নুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ পেশ করা; 
(ঞ) দুর্নীতির অনুসন্ধান, তদন্ত, মামলা দায়ের এবং উক্তরূপ অনুসন্ধান, তদন্ত ও মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে কমিশনের অনুমোদন পদ্ধতি নির্ধারণ করা; এবং 
(ট) দুর্নীতি প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় বিবেচিত অন্য যে কোন কার্য সম্পাদন করা৷
১,৩৭৮.
মন্ত্রী পদে নিয়োগের জন্য সংসদ সদস্য না হয়েও মন্ত্রীদের সর্বোচ্চ কত অংশ পর্যন্ত মনোনীত হতে পারেন?
  1. এক-দশমাংশ
  2. নয়-দশমাংশ
  3. তিন-দশমাংশ
  4. পাঁচ-দশমাংশ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৬(২) অনুযায়ী বলা হয়েছে:
"প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন: তবে শর্ত থাকে যে, তাঁহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হইতে নিযুক্ত হইবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে মনোনীত হইতে পারিবেন।"
অর্থাৎ কমপক্ষে ৯০% (নয়-দশমাংশ) মন্ত্রী হতে হবে সংসদ সদস্য। বাকী সর্বোচ্চ ১০% (এক-দশমাংশ) মন্ত্রী হতে পারেন সংসদ সদস্য না হলেও, তবে তাঁদের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবার যোগ্য হতে হবে।

উদাহরণস্বরূপ:
- মন্ত্রিসভার মোট সদস্য যদি ৫০ জন হয়, তাহলে, কমপক্ষে ৪৫ জনকে সংসদ সদস্য হতে হবে।
- সর্বোচ্চ ৫ জন সংসদ সদস্য না হলেও চলবে, তবে তাঁরা নির্বাচিত হবার যোগ্য হতে হবে।

তাই সঠিক উত্তর: ক) এক-দশমাংশ।
১,৩৭৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৭ অনুচ্ছেদে নিম্নলিখিত কোন পদাধিকারীর পারিশ্রমিক অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি?
  1. স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকার
  2. সুপ্রীম কোর্টের বিচারক
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৭ অনুচ্ছেদ অনুসারে, নিম্নলিখিত আট শ্রেণীর পদাধিকারীর পারিশ্রমিক, বিশেষ-অধিকার এবং কর্মের অন্যান্য শর্ত সংসদের আইন দ্বারা বা তার অধীনে নির্ধারিত হয়:
- রাষ্ট্রপতি
- প্রধানমন্ত্রী
- স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকার
- মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপ-মন্ত্রী
- সুপ্রীম কোর্টের বিচারক
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
- নির্বাচন কমিশনার
- সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য
এই তালিকায় অ্যাটর্নি জেনারেল-এর পদ অন্তর্ভুক্ত নয়।
অপরদিকে, সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে, অ্যাটর্নি জেনারেলের পারিশ্রমিক রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত হয়, সংসদের আইন দ্বারা নয়।
- এটি স্পষ্ট করে যে অ্যাটর্নি জেনারেলের পারিশ্রমিক নির্ধারণ ১৪৭ অনুচ্ছেদের আওতায় পড়ে না।

অর্থাৎ ১৪৭ অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেলের পারিশ্রমিক অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ তাঁর পারিশ্রমিক রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত হয় (৬৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে)।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) অ্যাটর্নি জেনারেল।

১,৩৮০.
দেবোত্তর সম্পত্তি যে রক্ষণাবেক্ষণ করেন, তাকে কী বলা হয়?
  1. মাহাতো
  2. সেবায়েত
  3. দেব রক্ষক
  4. সেবক
ব্যাখ্যা
• মন্দির নির্মাণ করে তাতে দেবমূর্তি প্রতিষ্ঠা করে পূজা-অর্চনার ব্যয় নির্বাহের জন্য সম্পত্তি দান করলে তা সাধারণত 'দেবোত্তর সম্পত্তি' বলে পরিচিতি পায়। আইনের দৃষ্টিতে এ রকম বিগ্রহ বা দেবতার মূর্তি একটি বৈধ আইনি সত্তা বা জুডিশিয়াল পারসন। এ রকম সম্পত্তির আইনি মালিক ওই বিগ্রহই। কারণ তার উদ্দেশে সেটি দান করা।

মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত দেবতার নিত্য পূজা- অর্চনার কাজে যিনি নিয়োজিত থাকেন তিনিই সেবায়েত। একজন সেবায়েত দেবতা বা বিগ্রহের যাবতীয় বিষয়ের কার্যনির্বাহীও বটে। দেবতা সম্পত্তির মালিক হলেও কার্যত সম্পত্তি পরিচালনায় সম্পূর্ণ অক্ষম। সেজন্য দেবতার পক্ষে তদীয় সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একজন উপযুক্ত পরিচালকের প্রয়োজন। আর সে দায়িত্ব ন্যস্ত থাকে সেবায়েতের উপর।

দেবোত্তর সম্পত্তির সেবায়েত কে হবেন আর তার উত্তরাধিকার কারা হবেন, কোন নিয়মে হবেন তা সাধারণত অর্পণনামা বা উৎসর্গপত্রে লেখা থকে। সেবায়েত দেবতার বিরুদ্ধে কাজ করলে বা তার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে তাকে প্রয়োজনে আদালত কর্তৃক অপসারণ করে অন্য সেবায়েত নিয়োগ করা যায়।
১,৩৮১.
'ক', 'খ' -এর বরাবরে প্রদত্ত একটি হেবানামায় উল্লেখ করেন যে, "আমি যতদিন বেঁচে আছি সম্পত্তি ভোগ করবো এবং বিক্রয় বা দান করবো না, আমার মৃত্যুর পর তুমি মালিক হবে" দানটি-
  1. বৈধ
  2. অবৈধ
  3. অনিয়মিত
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
শর্তসাপেক্ষে দান:
- যদি কেউ কোনো সম্পত্তি, এমন শর্তে দান করে যার মাধ্যমে দান গ্রহীতাকে সম্পত্তিটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম বাধা নিষেধ দেয়া হয়, যেমন গ্রহীতা সেটি বিক্রি করতে পারবে না, তাহলে দানটি বৈধ হবে কিন্তু শর্তটি অবৈধ হবে।
- কেউ যদি ঘটনা সাপেক্ষে কোনো দান করে তাহলে দানটি অবৈধ হবে।
- কেউ যদি ভবিষ্যৎ সম্পত্তি দান করে তাহলেও দানটি অবৈধ হবে।
 -হেবা বা দান সাধারণত The Transfer of Property Act, 1882 অনুযায়ী পরিচালিত হয়।
-মুসলিম আইন অনুসারে দান বা হেবার কোনো আইন বাংলাদেশে নেই। কিন্তু মুসলিম আইনের হেবার বিধানটি The Transfer of Property Act, 1882 তে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।
- The Transfer of Property Act, 1882 এর ১২৩ নং ধারায় বলা হয়েছে। অন্য কোনো আইনে যা-ই থাকুক না কেন মুসলিম আইনের দান অত্র আইনের অধীন কোনো দান বলে গণ্য হবে।
- The Registration Act, 1908 এর ১৭(১) (AA) ধারায় বলা হয়েছে- মুসলিম আইনের অধীন প্রত্যেকটি দান অবশ্যই নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে হতে হবে।

বর্ণিত দানটি ঘটনাসাপেক্ষ দান (Contingent Gift) তাই এটি অবৈধ হবে।
সম্ভাব্য কোনো ঘটনাসাপেক্ষে কিছু দান করা হলে এমন দান বৈধ হবে না। আলোচ্য প্রশ্নের দানটি দাতার মৃত্যুর পর কার্যকর হবে, অর্থাৎ ভবিষ্যতে কোনো একটি ঘটনা ঘটার শর্তে দান। ভবিষ্যতে কোনো ঘটনা ঘটা সাপেক্ষে কিছু দান করা হলে তা অবৈধ হবে। পাশাপাশি হেবার ক্ষেত্রে-সম্পত্তি তাৎক্ষণিক হস্তান্তর করতে হয়।
১,৩৮২.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের অধীনে মামলা গ্রহণের আগে কী বাধ্যতামূলক?
  1. আদালতের পূর্বানুমতি
  2. কমিশনের অনুমোদন
  3. সাক্ষীর জবানবন্দি
  4. কমিশনের চেয়ারম্যানের লিখিত অভিযোগ
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ৩২: মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে অনুমোদন:
১. ফৌজদারী কার্যবিধি বা অন্য কোনো আইনে কিছুই থাকুক না কেন, কমিশনের অনুমোদন (Sanction) ছাড়া কোনো আদালত দুর্নীতি আইনের অধীনে কোনো অপরাধের বিচার গ্রহণ (Cognizance) করতে পারবে না।

২. যখন এই আইনের অধীনে মামলা দায়ের করা হবে, তখন কমিশনের (এবং প্রয়োজনে সরকারের) অনুমোদনের কপি মামলার সঙ্গে আদালতে দাখিল করতে হবে।
১,৩৮৩.
According to Section 21 of the General Clauses Act, 1897, the power to make rules includes the power to:
  1. Only issue new rules
  2. Only interpret existing rules
  3. Punish for non-compliance
  4. Add to, amend, vary or rescind rules
ব্যাখ্যা
⇒ The General Clauses Act, 1897, Section 21: Power to make to include power to add to, amend, vary or rescind, orders, rules or bye-laws:
Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue notifications, orders, rules, or bye-laws is conferred, then that power includes a power, exercisable in the like manner and subject to the like sanction and conditions (if any), to add to, amend, vary or rescind any notifications, orders, rules or bye-laws so issued.

The General Clauses Act, 1897 এর ২১ ধারার বিধান: আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
যেক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-বিধি জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত ক্ষমতা একইভাবে প্রয়োগযোগ্য এবং অনুরূপ অনুমোদন ও শর্তাবলি (যদি থাকে), জারীকৃত কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-আইনের সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা তা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে।
১,৩৮৪.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১২ এ সংঘবদ্ধ মানব পাচার গোষ্ঠীর প্রত্যেক অপরাধ সংঘটনকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ৩০ বছর কারাদণ্ড
  4. ২০ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৭- সংঘবদ্ধ মানব পাচার অপরাধের দণ্ড

কোন সংঘবদ্ধ গোষ্ঠীর একাধিক সদস্য গোষ্ঠীর সকল সদস্যের সাধারণ অভিপ্রায় সাধনের উদ্দেশ্যে কোন আর্থিক বা অন্য কোনো বস্ত্তগত বা অবস্ত্তগত মুনাফা অর্জনের নিমিত্ত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে উক্ত গোষ্ঠীর প্রত্যেক সদস্য উক্ত অপরাধ সংঘটনের দায়ে অভিযুক্ত হইবে এবং অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অন্যূন ৭(সাত) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫(পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
১,৩৮৫.
নিম্নের কোনটি অর্থবিলের বিষয় নয়?
  1. কোনো কর আরোপ
  2. সরকারের হিসাব নিরীক্ষা
  3. স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কর আরোপ
  4. সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ অনুচ্ছেদের বিধান অর্থবিল: 
-(১) এই ভাগে "অর্থবিল" বলিতে কেবল নিম্নলিখিত বিষয়সমূহের সকল বা যে কোন একটি সম্পর্কিত বিধানাবলী-সংবলিত বিল বুঝাইবে:
(ক) কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণ; 
(খ) সরকার কর্তৃক ঋণগ্রহণ বা কোন গ্যারান্টিদান, কিংবা সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন; 
(গ) সংযুক্ত তহবিলের রক্ষণাবেক্ষণ, অনুরূপ তহবিলে অর্থপ্রদান বা অনুরূপ তহবিল হইতে অর্থ দান বা নির্দিষ্টকরণ; 
(ঘ) সংযুক্ত তহবিলের উপর দায় আরোপ কিংবা অনুরূপ কোন দায় রদবদল বা বিলোপ; 
(ঙ) সংযুক্ত তহবিল বা প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব বাবদ অর্থপ্রাপ্তি, কিংবা অনুরূপ অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ বা দান, কিংবা সরকারের হিসাব-নিরীক্ষা; 
(চ) উপরি-উক্ত উপ-দফাসমূহে নির্ধারিত যে কোন বিষয়ের অধীন কোন আনুষঙ্গিক বিষয়। 
 
- (২) কোন জরিমানা বা অন্য অর্থদণ্ড আরোপ বা রদবদল, কিংবা লাইসেন্স-ফি বা কোন কার্যের জন্য ফি বা উসুল আরোপ বা প্রদান কিংবা স্থানীয় উদ্দেশ্যসাধনকল্পে কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণের বিধান করা হইয়াছে, কেবল এই কারণে কোন বিল অর্থবিল বলিয়া গণ্য হইবে না। 
 
- (৩) রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য তাঁহার নিকট পেশ করিবার সময়ে প্রত্যেক অর্থবিলে স্পীকারের স্বাক্ষরে এই মর্মে একটি সার্টিফিকেটে থাকিবে যে, তাহা একটি অর্থবিল, এবং অনুরূপ সার্টিফিকেট সকল বিষয়ে চূড়ান্ত হইবে এবং সেই সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
১,৩৮৬.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে পিতা কোন শ্রেণির উত্তরাধিকারী?
  1. দূরবর্তী আত্মীয়বর্গ (Zawil Arham)
  2. নির্ধারিত অংশীদার (Zawil Furud)
  3. অবশিষ্টাংশ ভোগী (Asaba)
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

⇒ পিতা মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে নির্ধারিত অংশীদার (Zawil Furud) হিসেবে বিবেচিত হন এবং কোরআনে তার অংশ নির্ধারিত রয়েছে।

⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে উত্তরাধিকারীরা মূলত তিন শ্রেণিতে বিভক্ত -
- নির্ধারিত অংশীদার (Zawil Furud) → যাদের অংশ কোরআন-হাদিসে নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ আছে।
- অবশিষ্টাংশ ভোগী (Asaba) → যারা নির্দিষ্ট অংশের পর অবশিষ্ট সম্পত্তি পায়।
- দূরবর্তী আত্মীয়বর্গ (Zawil Arham) → যারা নির্দিষ্ট অংশীদার বা আসাবা না হয়ে দূর সম্পর্কের আত্মীয় হিসেবে উত্তরাধিকার পায়।

⇒ পিতা (Father) হলেন একজন প্রাথমিক উত্তরাধিকারী, এবং তার জন্য কোরআনে নির্দিষ্ট অংশ (যেমন ১/৬) বর্ণিত আছে, এজন্য তিনি Zawil Furud শ্রেণিতে পড়েন।
তবে পিতা অনেক ক্ষেত্রে Asaba হিসেবেও সম্পত্তি পান (যেমন সন্তান না থাকলে অবশিষ্টাংশ পাওয়া), কিন্তু তার মূল পরিচয় Zawil Furud হিসেবে।
অতএব, পিতা মূলত নির্ধারিত অংশীদার (Zawil Furud) শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত, যদিও কিছু পরিস্থিতিতে তিনি আসাবা হিসেবেও লাভবান হন।

১,৩৮৭.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ধারা ৫৩গ অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করার পূর্বশর্ত কী?
  1. সম্পত্তির দখল থাকা
  2. নিবন্ধন দলিল থাকা
  3. খতিয়ানে নাম অন্তর্ভুক্ত থাকা
  4. মৌখিক সাক্ষীর উপস্থিত থাকা
ব্যাখ্যা
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৩গ ধারার বিধান: খতিয়ান না থাকা কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে না:
কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করতে পারবেন না যদি না তার নাম, যদি তিনি উত্তরাধিকার ব্যতীত অন্য কোন উপায়ে সম্পত্তির মালিক হন, অথবা তার নাম বা তার পূর্বসূরির নাম, যদি তিনি উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তির মালিক হন, রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর অধীনে প্রস্তুতকৃত সর্বশেষ খতিয়ানে সেই সম্পত্তির সম্পর্কে উল্লেখিত থাকে, এবং অন্যথায় কৃত যেকোন বিক্রয় বাতিল হবে।

Section 53C. Immoveable Property without Khatian not to be sold:
No immoveable property shall be sold by a person unless his name, if he is the owner of the property otherwise than by inheritance, or his name or the name of his predecessor, if he is the owner of the property by inheritance, appears in respect of the property in the latest khatian prepared under the State Acquisition and Tenancy Act, 1950, and any sale made otherwise shall be void.
১,৩৮৮.
যেক্ষেত্রে কোন অকৃষি প্রজা ১২ বৎসর বা তার অধিক সময়ের জন্য কোন অকৃষি ভূমিতে দখলে থাকে, সেই ক্ষেত্রে উক্ত অকৃষি ভূমিতে সে নিম্নলিখিত কার্য করার অধিকারী হবে-
  1. যেকোন অবকাঠামো নির্মাণ করতে
  2. পুকুর খনন করতে
  3. মসজিদ, মন্দির বা অন্য যেকোন উপাসানালয়ের স্থান নির্মাণ করতে
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
• অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯: ধারা ৬- অকৃষি ভূমি ব্যবহারের পদ্ধতি:
 
যেক্ষেত্রে কোন অকৃষি প্রজা ১২ বৎসর বা তার অধিক সময়ের জন্য কোন অকৃষি ভূমিতে দখলে থাকে সেই ক্ষেত্রে উক্ত অকৃষি ভূমিতে সে নিম্নলিখিত কার্য করার অধিকারী হবে-

ক. পাকা অবকাঠামোসহ যেকোন অবকাঠামো নির্মাণ করতে;
খ. মসজিদ, মন্দির বা অন্য যেকোন উপাসানালয়ের স্থান নির্মাণ করতে;
গ. যেকোন পুকুর খনন করতে; এবং
ঘ. এমন ভূমিতে গাছ রোপণ, উক্ত বৃক্ষের ফুল, ফল এবং অন্যান্য পণ্য ভোগ করতে এবং উক্ত বৃক্ষের কাঠ ব্যবহার বা হস্তান্তর করতে;

অন্যদিকে, যেক্ষেত্রে কোন অকৃষি প্রজা ১২ বৎসরের কম কিন্তু ১ বৎসরের অধিক সময়ের জন্য কোন অকৃষি ভূমিতে দখলে থাকে সেই ক্ষেত্রে সে উক্ত অকৃষি ভূমিতে নিম্নলিখিত কার্য করার অধিকারী হবে-

ক. পাকা অবকাঠামো ব্যতীত যেকোন অবকাঠামো নির্মাণে;
খ. যেকোন বৃক্ষ রোপন করতে, এবং এমন বৃক্ষের ফুল, ফল এবং অন্যান্য পণ্য ভোগ করতে।
গ. উক্ত বৃক্ষের কাঠ ব্যবহার বা হস্তান্তর করতে।
১,৩৮৯.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২৪ অনুযায়ী, অভিযোগ গঠনের পর ট্রাইব্যুনালের বিচারকার্য সম্পন্ন করার সময়সীমা কত?
  1. ৯০ কার্যদিবস
  2. ১২০ কার্যদিবস
  3. ১৮০ কার্যদিবস
  4. ২৪০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন,২০১২ এর ধারা ২৪(১) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের অভিযোগ গঠনের পর ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে ট্রাইব্যুনালকে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে হবে। সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন না হলে ট্রাইব্যুনালকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে কারণ ব্যাখ্যাসহ হাইকোর্ট বিভাগে প্রতিবেদন প্রেরণ করতে হবে।

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২৪: বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা:
(১) এই আইনের অধীন সংঘটিত কোন অপরাধের অভিযোগ গঠনের ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে ট্রাইব্যুনাল বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও, উক্ত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থতা বিচারকার্যকে বাতিল করিবে না, কিন্তু, ট্রাইব্যুনাল উক্ত সময়ের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিতে সমর্থ না হইবার কারণ ব্যাখ্যা করিয়া ১০ (দশ) কার্যদিবসের মধ্যে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে প্রতিবেদন প্রেরণ করিবে।

১,৩৯০.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ অনুসারে বিবাহ নিবন্ধন করা-
  1. বাধ্যতামূলক
  2. ঐচ্ছিক
  3. আবশ্যক
  4. ক এবং গ
ব্যাখ্যা
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ অনুসারে বিবাহ নিবন্ধন করা ঐচ্ছিক।

• হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর ধারা ৩ এ দেয়া আছে-

(১) অন্য কোন আইন, প্রথা ও রীতি-নীতিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, হিন্দু বিবাহের দালিলিক প্রমাণ সুরক্ষার উদ্দেশ্যে হিন্দু বিবাহ, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, নিবন্ধন করা যাইবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন হিন্দু বিবাহ এই আইনের অধীন নিবন্ধিত না হইলেও উহার কারণে কোন হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী সম্পন্ন বিবাহের বৈধতা ক্ষুণ্ণ হইবে না।
১,৩৯১.
কোন বিলে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সম্মতি দেবার সময়সীমা কতদিন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৪০ দিন
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ৮০ নং অনুচ্ছেদে আইন প্রণয়ন পদ্ধতি সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে।

এই অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদে আনীত প্রস্তাব বা আইনের খসড়া বিল নামে পরিচিত। সংসদ কর্তৃক বিলটি গৃহীত হলে তা রাষ্ট্রপতির নিকট স্বাক্ষরের জন্যে প্রেরণ করা হয়। রাষ্ট্রপতিকে ১৫ দিনের মধ্যে বিলে স্বাক্ষর করতে হয় কিংবা এটি পুনর্বিবেচনার জন্যে সংসদে প্রেরণ করতে হয়। এই সময়সীমার মধ্যে রাষ্ট্রপতি তা করতে ব্যর্থ হলে তিনি বিলে সম্মতি প্রদান করেছেন বলে ধরে নেওয়া হয়।

রাষ্ট্রপতি কোন বিল পুনর্বিবেচনার জন্যে সংসদে প্রেরণ করলে তা পুনরায় রাষ্ট্রপতির নিকট সম্মতির জন্যে প্রেরিত হলে তাতে রাষ্ট্রপতি ৭ দিনের মধ্যে স্বাক্ষর করতে হয়। অন্যথায় তিনি স্বাক্ষর বা সম্মতি প্রদান করেছেন বলে ধরে নেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতির সম্মতির পর উক্ত বিল আইনে পরিণত হয়।

অনুচ্ছেদ ৮০- আইন প্রণয়ন পদ্ধতি:

(১) আইনপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হইবে।

(২) সংসদ কর্তৃক কোন বিল গৃহীত হইলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিতে হইবে।

(৩) রাষ্ট্রপতির নিকট কোন বিল পেশ করিবার পর পনের দিনের মধ্যে তিনি তাহাতে সম্মতি দান করিবেন কিংবা অর্থবিল ব্যতীত অন্য কোন বিলের ক্ষেত্রে বিলটি বা তাহার কোন বিশেষ বিধান পুনর্বিবেচনার কিংবা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্দেশিত কোন সংশোধনী বিবেচনার অনুরোধ জ্ঞাপন করিয়া একটি বার্তাসহ তিনি বিলটি সংসদে ফেরত দিতে পারিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

(৪) রাষ্ট্রপতি যদি বিলটি অনুরূপভাবে সংসদে ফেরত পাঠান, তাহা হইলে সংসদ রাষ্টপতির বার্তাসহ তাহা পুনর্বিবেচনা করিবেন; এবং সংশোধনীসহ বা সংশোধনী ব্যতিরেকে সংসদ পুনরায় বিলটি গ্রহণ করিলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে এবং অনুরূপ উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

(৫) সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলটিতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করিলে বা তিনি সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইলে তাহা আইনে পরিণত হইবে এবং সংসদের আইন বলিয়া অভিহিত হইবে।
১,৩৯২.
কাদের জন্য 'হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২' প্রযোজ্য?
  1. বাংলাদেশে বসবাসকারী হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য
  2. বাংলাদেশের সকল হিন্দু ধর্মাবলম্বী নাগরিকের জন্য
  3. বাংলাদেশের বাইরে অবস্থানকারী সকল হিন্দু ধর্মাবলম্বী বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর ধারা ১ এ দেয়া আছে-
(১) এই আইন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ নামে অভিহিত হইবে। 
(২) ইহা নাগরিকত্ব নির্বিশেষে বাংলাদেশে বসবাসরত সকল হিন্দু ধর্মাবলম্বীর জন্য প্রযোজ্য হইবে। 
(৩) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যে তারিখ নির্ধারণ করিবে সেই তারিখে ইহা কার্যকর হইবে।
১,৩৯৩.
প্রজাতন্ত্রের হিসাব সম্পর্কিত মহা হিসাব-নিরীক্ষকের রিপোর্টসমূহ প্রথমে কার নিকট পেশ করা হবে?
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. প্রধানমন্ত্রীর
  3. অর্থ মন্ত্রনালয়ের
  4. সংসদের
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৩২: সংসদে মহা হিসাব-নিরীক্ষকের রিপোর্ট উপস্থাপন

প্রজাতন্ত্রের হিসাব সম্পর্কিত মহা হিসাব-নিরীক্ষকের রিপোর্টসমূহ রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হইবে এবং রাষ্ট্রপতি তাহা সংসদে পেশ করিবার ব্যবস্থা করিবেন।

Article 132: Reports of Auditor General to be laid before Parliament
The reports of the Auditor General relating to the public accounts of the Republic shall be submitted to the President, who shall cause them to be laid before Parliament.
১,৩৯৪.
১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে চোরাচালানের সর্বোচ্চ শাস্তি কি?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাবাস
  3. ১৪ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাবাস
  4. ১০ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাবাস
ব্যাখ্যা
চোরাচালান

১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫খ ধারায় চোরাচালান একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫খ (১) ধারায় বলা হয়েছে, বর্তমানে বলবৎ কোন আইন দ্বারা বা আইনের অধীন অরোপিত বাধানিষেধ লঙ্ঘন করে বা বর্তমানে বলবৎ কোন আইনের অধীন আদায়যোগ্য কোন শুল্ক বা কর ফাঁকি দিয়ে-
ক. বাংলাদেশী পাট, স্বর্ণ বা রুপা, স্বর্ণ বা সিলভার প্রস্তুতির দ্রব্যাদি, মুদ্রা, খাদ্যপণ্য, ঔষধসমূহ, আমদানিকৃত পণ্য বা অন্যকোন পণ্যসমূহ বাংলাদেশের বাইরে নিয়ে যায়;
খ. যেকোন পণ্য বাংলাদেশে নিয়ে আসে তাহলে সেটা চোরাচালান বলে গণ্য হবে।

শাস্তি
২৫খ (১) ধারায় চোরাচালানের (Smuggling) শাস্তি হতে পারে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাবাস বা ১৪ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাবাস কিন্তু ২ বৎসরের কম না এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
অন্যদিকে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন এর ২৫খ (২) ধারা অনুযায়ী যদি কোন ব্যক্তি বাংলাদেশে নিষিদ্ধ কোন পণ্য বিক্রি করে বা বিক্রির প্রস্তাব দেয় বা বিক্রির জন্য প্রদর্শন করে বা নিজ নিয়ন্ত্রণে বা দখলে রাখে তাহলে সে ২৫খ(২) ধারায় উল্লেখিত চোরাচালানের জন্য দণ্ডিত হবে এবং ২৫খ (২) ধারায় উল্লেখিত শাস্তি অর্থাৎ ৭ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ১ বৎসরের নিচে নয় এমন দণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
১,৩৯৫.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১২ এ সংঘবদ্ধ মানব পাচার গোষ্ঠীর প্রত্যেক অপরাধ সংঘটনকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ১৪ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৭- সংঘবদ্ধ মানব পাচার অপরাধের দণ্ড:
 
কোন সংঘবদ্ধ গোষ্ঠীর একাধিক সদস্য গোষ্ঠীর সকল সদস্যের সাধারণ অভিপ্রায় সাধনের উদ্দেশ্যে কোন আর্থিক বা অন্য কোনো বস্তুগত বা অবস্তুগত মুনাফা অর্জনের নিমিত্ত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে, উক্ত গোষ্ঠীর প্রত্যেক সদস্য উক্ত অপরাধ সংঘটনের দায়ে অভিযুক্ত হইবে এবং অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অন্যূন ৭(সাত) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫(পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
১,৩৯৬.
মুসলিম আইনের অধীন কোনো বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটলে, পারিবারিক আদালত কত দিনের মধ্যে চেয়ারম্যানকে ডিক্রির প্রতিলিপি প্রেরণ করবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩: ধারা ২৬: মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধানকে প্রভাবিত না করা:
(১) এই আইনের কোনো কিছুই মুসলিম পরিবারিক আইন অথবা তদধীন প্রণীত বিধিমালার কোনো বিধানকে প্রভাবিত করিবে না।

(২) যেক্ষেত্রে কোনো পারিবারিক আদালত মুসলিম আইনের অধীন সংঘটিত কোনো বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য ডিক্রি প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে আদালত ডিক্রি প্রদানের ৭(সাত) দিনের মধ্যে মুসলিম পারিবারিক আইনের ধারা ৭ এ উল্লিখিত সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানকে রেজিস্ট্রি ডাকযোগে উক্ত ডিক্রির প্রত্যয়িত প্রতিলিপি প্রেরণ করিবে এবং, চেয়ারম্যান উক্ত প্রতিলিপি প্রাপ্ত হইবার পর, এইরূপ কার্যক্রম গ্রহণ করিবেন যেন তিনি উক্ত আইনের অধীন কোনো তালাকের সংবাদ প্রাপ্ত হইয়াছেন।

(৩) মুসলিম আইন অনুযায়ী অনুষ্ঠিত কোনো বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য পারিবারিক আদালত কোনো ডিক্রি প্রদান করিলে যে তারিখে চেয়ারম্যান উপধারা (২) এর অধীন উহার প্রতিলিপি গ্রহণ করিয়াছেন সেই তারিখ হইতে ৯০ (নব্বই) দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত উহা কার্যকর হইবে না:

তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত সময়ের মধ্যে পক্ষগণের মধ্যে মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান অনুসারে কোনো আপোষ মীমাংসা কার্যকর হইলে উক্ত ডিক্রির কোনো কার্যকারিতা থাকিবে না।
১,৩৯৭.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনটি প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য?
  1. শৃঙ্খলা রক্ষা করা
  2. জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা
  3. সংবিধান ও আইন মান্য করা
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদের বিধান: নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য:

(১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিক দায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য৷ 
 
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য৷

Article 21. Duties of citizens and of public servants:

(1) It is the duty of every citizen to observe the Constitution and the laws, to maintain discipline, to perform public duties and to protect public property. 
(2) Every person in the service of the Republic has a duty to strive at all times to serve the people.
১,৩৯৮.
'জনসাধারণের কল্যাণে চিরন্তন হস্তান্তরের বিধি-নিষেধ প্রযোজ্য হবে না।'- সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ১৪ ধারায়
  2. ১৭ ধারায়
  3. ১৬ ধারায়
  4. ১৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
• চিরন্তন হস্তান্তর বিরুদ্ধ নীতি এমনভাবে হস্তান্তর করা যাবে না যা হস্তান্তরের তারিখে এক বা একাধিক ব্যক্তির জীবনকাল এবং জীবনকালের পর হতে অপর কোন ব্যক্তির নাবালক কাল অতিবাহিত হওয়ার পরে কার্যকর হবে। The Transfer of Property Act, 1882 এর ১৪ ধারায় এই নীতি প্রতিফলিত হয়েছে।
 
ধারা ১৮: জনসাধারণের কল্যাণে চিরন্তন হস্তান্তর-
ধর্ম, জ্ঞান, বাণিজ্য, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা বা মানব জাতির কল্যাণকর কাজের অগ্রগতির জন্য জনস্বার্থে কোন সম্পত্তি হস্তান্তর করলে ১৪, ১৬ ও ১৭ ধারার বিধি- নিষেধ প্রযোজ্য হবে না।
 
Section 18: Transfer in perpetuity for benefit of public-
The restrictions in sections 14, 16 and 17 shall not apply in the case of a transfer of property for the benefit of the public in the advancement of religion, knowledge, commerce, health, safety, or any other object beneficial to mankind.
১,৩৯৯.
কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করলে, সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হতে পারে?
  1. ২ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা
• আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ আইনের ৫ ধারায় উল্লেখ আছে, কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করলে ৪ ধারায় উল্লিখিত দণ্ডে দণ্ডিত হবে। অর্থাৎ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধের জন্য প্রদত্ত শাস্তিই পাবে।

ধারা ৪ অনুযায়ী, আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধের শাস্তি হিসেবে দেয়া আছে-
 
(১) কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ করিলে তিনি অন্যুন দুই বৎসর এবং অনধিক সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন৷ 

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন দণ্ডপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনকালে সরকার কিংবা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা কোন প্রতিষ্ঠান বা কোন ব্যক্তির আর্থিক ক্ষতিসাধন করিলে তদ্‌জন্য আদালত তদ্‌বিবেচনায় উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ক্ষতিগ্রস্ত সরকার বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির অনুকূলে প্রদান করিবার জন্য উক্ত দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আদেশ দিতে পারিবে এবং এই ক্ষতিপূরণের অর্থ সরকারী দাবী হিসাবে আদায়যোগ্য হইবে৷

ধারা ৫- অপরাধ সংঘটনের সহায়তার শাস্তি
 কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করিলে তিনি ধারা ৪-এ উল্লিখিত দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।

অর্থাৎ কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করলে, উক্ত ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৭ বছর এবং সর্বনিম্ন ২ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।
১,৪০০.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে দলিল বলতে অন্তর্ভুক্ত হবে না-
  1. বিনিময় দলিল
  2. নালিশযোগ্য দাবীর দলিল
  3. উইল
  4. বন্ধক দলিল
ব্যাখ্যা
• সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে দলিল বলতে উইল ব্যতীত অন্য যেকোন দলিল অন্তর্ভুক্ত হবে।

Section 3:
“instrument” means a non-testamentary instrument: