বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন২,৯৬৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১২ / ৩০ · ১,১০১১,২০০ / ২,৯৬৪

১,১০১.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১১৬ ধারার অধীন সংযুক্তীকরনের শর্ত কী?
  1. একাধিক ভূখণ্ড একই গ্রামের মধ্যে অবস্থিত হতে হবে
  2. দুই বা ততোধিক গ্রামের মধ্যে অবস্থিত একই রায়তের জমি হতে হবে
  3. একাধিক ভূখণ্ড একাধিক গ্রামের মধ্যে অবস্থিত হতে হবে
  4. পার্শ্ববর্তী সংলগ্ন গ্রামে জমি ভোগকারী দুই বা ততোধিক রায়তের জোত-জমা হতে হবে
ব্যাখ্যা
• The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১১৬ ধারা- একই গ্রামে প্রজার জোতের সংযুক্তকরণ:

একই গ্রামের মধ্যে একই প্রজার যদি পৃথক একাধিক ভূখণ্ড থাকে, তবে উক্ত ভূখণ্ডগুলি কিংবা উহার কতিপয় যদি পৃথক প্রজাস্বত্বের অধীন হয়, তবে উক্ত ভূখণ্ডগুলি রাজস্ব কর্মকর্তার আদেশক্রমে একই প্রজাস্বত্বে সংযুক্ত করা যাইবে।

Section 116- Amalgamation of holdings of a tenant in the same village:
Where various parcels of land are held by one tenant within one village, and such parcels of land or some of them are the subject of separate tenancies, such parcels of land shall, under the orders of the Revenue-officer, be amalgamated into one tenancy.
১,১০২.
'সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রধান বিচারপতি বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকবেন'- বাংলাদেশ সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৯৪
  2. অনুচ্ছেদ ৯৫
  3. অনুচ্ছেদ ১১৫
  4. অনুচ্ছেদ ১১৬
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৯৪- সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা:
(১) "বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট" নামে বাংলাদেশের একটি সর্বোচ্চ আদালত থাকিবে এবং আপীল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ লইয়া তাহা গঠিত হইবে।

(২) প্রধান বিচারপতি (যিনি "বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি" নামে অভিহিত হইবেন) এবং প্রত্যেক বিভাগে আসনগ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতি যেরূপ সংখ্যক বিচারক নিয়োগের প্রয়োজন বোধ করিবেন, সেইরূপ সংখ্যক অন্যান্য বিচারক লইয়া সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হইবে।

(৩) প্রধান বিচারপতি ও আপীল বিভাগে নিযুক্ত বিচারকগণ কেবল উক্ত বিভাগে এবং অন্যান্য বিচারক কেবল হাইকোর্ট বিভাগে আসন গ্রহণ করিবেন।

(৪) এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য বিচারক বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন।
১,১০৩.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর কত ধারায় কালেক্টরকে খতিয়ানের 'clerical mistakes' সংশোধনের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে?
  1. ১৪৩
  2. ১৪৩খ
  3. ১৪৩গ
  4. ১৪৪
ব্যাখ্যা
- রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৩ ধারার বিধান খতিয়ান সংরক্ষণ: কালেক্টর অত্র আইনের ৪র্থ খণ্ড অথবা এই খণ্ড অনুযায়ী প্রস্তুতকৃত অথবা পুনঃপরীক্ষিত খতিয়ান নির্ধারিত পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করিবেন, প্রকৃত ভুল শুদ্ধ করিয়া ও উহাতে নিম্নলিখিত হেতুতে পরিবর্তনগুলি অন্তর্ভুক্ত করিবেন-

ক) হস্তান্তর অথবা উত্তরাধিকারের ভিত্তিতে নামজারী।
খ) জোত ক্ষুদ্রতর অংশ ভাগকরণ, একত্রীকরণ বা সংযুক্তকরণ,
গ) সরকার কর্তৃক ক্রয় করা ভূমি অথবা জোতের নূতন বন্দোবস্ত: এবং
ঘ) ভূমি পরিত্যাগ অথবা সিকস্তি অথবা অধিগ্রহণজনিত কারণে খাজনা মওকুফ। 
----------- 
Section 143. Maintenance of the record-of-rights:
- The Collector shall maintain up-to-date, in the prescribed manner, the record-of-rights prepared or revised under Part IV or under this Part by correcting clerical mistakes and by incorporating therein the changes on account of- 
(a) the mutation of names as a result of transfer or inheritance; 
(b) the subdivision, amalgamation or consolidation of holdings; 
(c) the new settlement of lands or of holdings purchased by the Government; and 
(d) the abatement of rent on account of abandonment or diluvion or acquisition of land.
১,১০৪.
‘ইজতিহাদ’ (Ijtihad) শব্দের আভিধানিক অর্থ কী?
  1. সহজে ফতোয়া দেওয়া 
  2. পূর্ণ চেষ্টা ও শ্রম করা
  3. কিতাব অনুসরণ করা
  4. নিজের মত প্রকাশ করা
ব্যাখ্যা

⇒ ‘ইজতিহাদ’ শব্দটি আরবি মূল ‘জাহাদা’ (جَهَدَ) থেকে এসেছে। এই মূলের আভিধানিক অর্থ হলো “সর্বোচ্চ শক্তি, সাধ্য ও চেষ্টা প্রয়োগ করা”।
- লিসানুল আরব, তাজুল উরূস, আল-কামূসুল মুহীতের মতো প্রধান আরবি অভিধানগুলোতে ‘জুহদ’ ও ‘ইজতিহাদ’ বলতে বোঝানো হয়েছে “পূর্ণ শক্তি দিয়ে কোনো কাজে লেগে থাকা”। শরিয়তের পরিভাষায় এই ‘পূর্ণ শ্রম’ যখন কুরআন-সুন্নাহ থেকে শরয়ী হুকুম বের করার জন্য প্রয়োগ করা হয়, তখন তাকে বলা হয় ইজতিহাদ। 
- সুতরাং আভিধানিক অর্থই হলো “পূর্ণ চেষ্টা ও শ্রম করা” – এটি কোনোভাবেই “সহজে ফতোয়া দেওয়া” বা “নিজের মত প্রকাশ করা” নয়। বরং এর বিপরীত: এটি অত্যন্ত কঠিন, শ্রমসাধ্য ও দায়িত্বপূর্ণ কাজ।
- আল্লামা আব্দুল আলীম সিদ্দিকী (রহ.) তাঁর “Ijtihad and Mujtahid” বইয়েও স্পষ্ট লিখেছেন: “The word 'Ijtihad' has been derived from the root JHD, and literally means ‘striving with full exertion.’”

অন্য অপশনগুলো:
ক) সহজে ফতোয়া দেওয়া → সম্পূর্ণ উল্টো। ইজতিহাদ সবচেয়ে কঠিন কাজ।
গ) কিতাব অনুসরণ করা → এটা তাকলীদের অর্থ।
ঘ) নিজের মত প্রকাশ করা → এটা ব্যক্তিগত রায়, কিন্তু ইজতিহাদ কুরআন-সুন্নাহর কঠোর নিয়মে আবদ্ধ।
সুতরাং একমাত্র সঠিক উত্তর: খ) পূর্ণ চেষ্টা ও শ্রম করা।

[The word 'Ijtihad' has been derived from the root JHD, and literally means "striving with full exertion." In Islamic legal terminology, it denotes an attempt to choose, in the light of the Qur'an and the Sunnah, between two or more differing legal interpretations and to deduce, from the Qur'an and the Sunnah, any new rulings in order to address new legal situations. One who performs "Ijtihad" is called "Mujtahid"]

তথ্যসূত্র: IJTIHAD AND MUJTAHID by Allama Abdul Aleem Siddiqui. [লিংক]

১,১০৫.
What is the meaning of the legal maxim "Vox populi"?
  1. Law of the land
  2. Rule by law
  3. Majority opinion
  4. Equal justice under law
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) Majority opinion.
⇒ "Vox populi" একটি ল্যাটিন ম্যাক্সিম, যার অর্থ "জনগণের কণ্ঠস্বর" বা "জনগণের মতামত" (Voice of the people or majority opinion)।
- এটি সাধারণত এমন পরিস্থিতিতে ব্যবহার করা হয়, যেখানে কোনো বিষয়ে জনগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
- গণতন্ত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা, কারণ এতে জনগণের ইচ্ছাই নীতিনির্ধারণে মুখ্য বিবেচ্য হয়।

উদাহরণস্বরূপ,
কোনো জাতীয় সিদ্ধান্তে জনগণের মতামত বা গণভোটের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে তা vox populi হিসেবে বিবেচিত হয়।
এটি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতিফলন করে।

অন্যান্য অপশন বিশ্লেষণ:
ক) Law of the land – এর মানে "দেশের প্রচলিত আইন", যা ভিন্ন ধারণা।
খ) Rule by law – আইন দ্বারা শাসন, তবে এটি ব্যক্তির স্বাধীন মতামতের প্রতিফলন নয়।
ঘ) Equal justice under law – আইনের দৃষ্টিতে সমতা, এটি ন্যায়বিচারের ধারণা বোঝায়, কিন্তু vox populi নয়।
১,১০৬.
মুসলিম আইনের ২য় প্রধান উৎস কোনটি?
  1. হাদিস
  2. ইজমা
  3. কোরআন
  4. কিয়াস
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম আইনের উৎস প্রধানত ৪টি-
১. পবিত্র কোরআন;
২. হাদিস;
৩. ইজমা;
৪. কিয়াস।

কোরআন-
ইসলামী শরিয়তের ভিত্তি চারটি প্রধান উৎসের উপর স্থাপিত, যার মধ্যে সর্বপ্রথম এবং সর্বোচ্চ মর্যাদাপূর্ণ উৎস হলো কোরআনুল কারিম। এটি মুসলিমদের জীবন পরিচালনার জন্য আল্লাহ প্রদত্ত চূড়ান্ত নির্দেশিকা এবং ইসলামী আইনের মূল ভিত্তি। কোরআনের প্রতিটি বাণী চূড়ান্ত, অকাট্য এবং প্রশ্নাতীত। এটি শুধুমাত্র ধর্মীয় গ্রন্থ নয়, বরং ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক জীবন থেকে শুরু করে রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে দিকনির্দেশনা প্রদান করে।

আইনের দ্বিতীয় উৎস হাদিস:
হাদিস অর্থ কথা বা বাণী। ইসলামী শরিয়তের দ্বিতীয় মানদণ্ড সুন্নাহ বা হাদিস। কারণ কোরআন  হলো মূল, আর সুন্নাহ বা হাদিসের ব্যাখ্যা। পবিত্র কোরআনে সব বিষয়ের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা রয়েছে, আর সুন্নাহ বা হাদিসে রয়েছে ওইসব বিষয়ের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ। শরিয়তের পরিভাষায় রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর মুখ নিঃসৃত বাণী, রাসুল হিসাবে তাঁর সম্পাদিত কাজ এবং সাহাবায়ে কেরামের শরিয়ত সম্পর্কিত এমন সব কথা ও কাজÑ রাসুলুল্লাহ (সা.) যার প্রতিবাদ করেননি বা নীরব থেকে এর প্রতি মৌন সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন, তাই হাদিস। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ‌ তায়ালা শরিয়তের সব আদেশ-নিষেধ, বিধিবিধান বর্ণনা করেছেন। এতে শরিয়তের আহকাম, মূলনীতি ও নির্দেশাবলী অতি সংক্ষেপে বিবৃত হয়েছে।

আর এ সংক্ষিপ্ত নির্দেশগুলোকে কার্যকরী করার জন্য হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা দিতেন। যেমন, পবিত্র কোরআনে সালাত কায়েম করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কয় ওয়াক্ত নামাজ পড়তে হবে, প্রতি ওয়াক্তে কত রাকাত পড়তে হবে এবং কীভাবে পড়তে হবে এর বিস্তারিত বর্ণনা কোরআনে নেই। তেমনিভাবে রোজা, হজ, জাকাত ইত্যাদির নিয়মকানুনের বিস্তারিত বর্ণনা কোরআনে নেই। আল্লাহ‌র হুকুম অনুসারে রাসুলুল্লাহ (সা.) এগুলোর যেসব নিয়মকানুন বর্ণনা করেছেন তাই হাদিস হিসেবে গণ্য।

ইজমা:
ইসলামের আইনে তৃতীয় উৎস ইজমা। কোনো বিশেষ যুগে কোনো বিশেষ প্রশ্নে মুসলিম আইনজ্ঞদের ঐকমত্যকে আইনের পরিভাষায় ইজমা বলে। এর দুটি তাৎপর্য রয়েছে। 
রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর মৃত্যুর পর মুসলিম রাষ্ট্রের বিস্তৃতির ফলে নবোদ্ভূত অনেক সমস্যা দেখা যায়, যা কোরআন-হাদিস নিয়ে সমাধা হয় না। ফলে মুসলিম সমাজ কোরআন হাদিসের শিক্ষার ভিত্তিতে স্বাধীন চিন্তায় ইজমার প্রয়োজন অনুভব করে। ইজমা তিনটি উপায়ে নির্ধারিত হয়—কথা, কাজ ও নীরবতায়।

কিয়াস: 
কিয়াস ইসলামি আইনের চতুর্থ উৎস। চিন্তার মাধ্যমে নতুন সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া হলো কিয়াস। যে প্রশ্নে কোরআন-হাদিস নিশ্চুপ এবং ইজমাতেও সমাধান নেই, সেই প্রশ্নের সমাধানকল্পে সব সুন্নি মাজহাব যে উৎসের আশ্রয় গ্রহণ করেন, তাকে কিয়াস বলা হয়।
১,১০৭.
একই মৌজায় A-এর মালিকানায় ৮ শতক এবং B ও C-এর মালিকানায় ৪ শতক জমি আছে। তারা ২ শতক জমি D-কে হস্তান্তর করে কিন্তু কার অংশ থেকে বিক্রি হয়েছে তা নির্দিষ্ট করে বলা নেই। এক্ষেত্রে A-এর কতটুকু অংশ হন্তান্তর হবে?
  1. আধা শতক
  2. ১ শতক
  3. ২ শতক
  4. কোনো অংশ যাবে না
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৭: সহ-মালিকদের দ্বারা যৌথ সম্পত্তির অংশ হস্তান্তর:
যখন একাধিক সহ-মালিক (co-owners) কোনো স্থাবর সম্পত্তির অংশ হস্তান্তর করেন, কিন্তু তারা নির্দিষ্ট করে বলেন না যে হস্তান্তরটি কার অংশ থেকে কার্যকর হবে, তখন-
- যদি তাদের অংশ সমান হয়, তবে হস্তান্তর সমভাবে কার্যকর হবে।
- আর যদি তাদের অংশ অসমান হয়, তবে হস্তান্তর অনুপাতে কার্যকর হবে।

উদাহরণ:
A-এর মালিকানায় ৮ আনা, B ও C-এর প্রত্যেকের ৪ আনা করে মালিকানা রয়েছে মৌজা উলিপুরে। তারা মিলে D-কে ২ আনা জমি বিক্রি করলো, কিন্তু বলেনি কার অংশ থেকে বিক্রি হলো। তখন, হস্তান্তর কার্যকর করতে:
- A-এর অংশ থেকে ১ আনা,
- B ও C-এর প্রত্যেকে আধা আনা করে দেবে।
১,১০৮.
শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪৪(১) অনুসারে, কত বছর বয়সের নিচের কোনো শিশুকে কোন অবস্থাতেই গ্রেফতার বা আটক রাখা যাবে না?
  1. সাত বৎসরের নিম্নে
  2. নয় বৎসরের নিম্নে
  3. বার বৎসরের নিম্নে
  4. ষোল বৎসরের নিম্নে
ব্যাখ্যা

⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪৪(১) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "৯ (নয়) বৎসরের নিম্নের কোন শিশুকে কোন অবস্থাতেই গ্রেফতার করা বা, ক্ষেত্রমত, আটক রাখা যাইবে না।"
সুতরাং, ৯ বছর বয়সের নিচের কোনো শিশুকে আইনত গ্রেফতার বা আটক রাখার কোনো বিধান এই আইনে নেই।

⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪৪: গ্রেফতার, ইত্যাদি:
(১) এই ধারায় যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ৯ (নয়) বৎসরের নিম্নের কোন শিশুকে কোন অবস্থাতেই গ্রেফতার করা বা, ক্ষেত্রমত, আটক রাখা যাইবে না।
(২) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন শিশুকে নিবর্তনমূলক আটকাদেশ সংক্রান্ত কোন আইনের অধীন গ্রেফতার বা আটক করা যাইবে না।
(৩) শিশুকে গ্রেফতার করিবার পর গ্রেফতারকারী পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেফতারের কারণ, স্থান, অভিযোগের বিষয়বস্ত্ত, ইত্যাদি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তাকে অবহিত করিবেন এবং প্রাথমিকভাবে তাহার বয়স নির্ধারণ করিয়া নথিতে লিপিবদ্ধ করিবেন : 
 তবে শর্ত থাকে যে, গ্রেফতার করিবার পর কোন শিশুকে হাতকড়া বা কোমরে দড়ি বা রশি লাগানো যাইবে না।
(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন বয়স নির্ধারণের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তা জন্ম নিবন্ধন সনদ অথবা, উক্ত সনদের অবর্তমানে স্কুল সার্টিফিকেট বা স্কুলে ভর্তির সময় প্রদত্ত তারিখসহ প্রাসঙ্গিক দলিলাদি উদ্‌ঘাটনপূর্বক যাচাই-বাছাই করিয়া তাহার বয়স লিপিবদ্ধ করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তার নিকট প্রতীয়মান হয় যে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি একজন শিশু কিন্তু সম্ভাব্য সকল চেষ্টা করিয়াও দালিলিক প্রমাণ দ্বারা তাহা নিশ্চিত হওয়া যায় না, সেইক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তিকে এই আইনের বিধান অনুযায়ী শিশু হিসাবে গণ্য করিতে হইবে।
(৫) সংশ্লিষ্ট থানায় শিশুর জন্য উপযোগী কোন নিরাপদ স্থান না থাকিলে গ্রেফতারের পর হইতে আদালতে হাজির না করা সময় পর্যন্ত শিশুকে নিরাপদ স্থানে আটক রাখিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, নিরাপদ স্থানে আটক রাখিবার ক্ষেত্রে শিশুকে প্রাপ্তবয়স্ক বা ইতোমধ্যেই দোষী সাব্যস্ত হইয়াছেন এইরূপ কোন শিশু বা অপরাধী এবং আইনের সংস্পর্শে আসা কোন শিশুর সহিত একত্রে রাখা যাইবে না।

১,১০৯.
"Ex post facto" means:
  1. Before the event
  2. Without legal effect
  3. By prior agreement
  4. Out of the aftermath
ব্যাখ্যা

→ The correct answer is: b) Out of the aftermath.
• "Ex post facto" is a Latin phrase that literally means "from after the fact" or "out of the aftermath."
In legal contexts, particularly criminal law, it refers to:
'A law that retroactively changes the legal consequences of actions that were committed before the enactment of the law.'

→ "Out of the aftermath" accurately reflects the Latin roots — “ex” (out of) + “post” (after) + “facto” (the fact).
- It implies something that comes after an act, especially a law that is applied retroactively.

Example in law:
- If a law is passed today that makes a certain act committed last year a crime, and someone is prosecuted for doing it before the law existed, that would be an ex post facto law — and it's generally unconstitutional in criminal law.

• বাংলাদেশ সংবিধান অনুচ্ছেদে ৩৫: অপরাধ ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষণ:
- অপরাধ ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষণ: অনুচ্ছেদে ৩৫(১) এর বিধান হচ্ছে- অপরাধ করার সময় বলবৎ কার্যকর ছিল, এমন আইন ব্যতীত অন্য আইনে দণ্ড দেওয়া যাবে না। এ নীতিটাই Ex Post Facto Laws (ভূতাপেক্ষ আইন)।
- অর্থাৎ অপরাধ সংঘটনকালে বলবৎ আইনে যে শাস্তি ছিল তার অধিক বা ভিন্ন কোনো আইনে শাস্তি দেওয়া যাবে না বা নতুন আইন প্রণয়ন করে ভিন্নতর/তার অধিক শাস্তি দেওয়া যাবে না।
-যেমন- ১৯৯০ সালে কাউসার সাহেবের যে অপরাধের জন্য যাবজ্জীবন সাজা হতো ২০২১ সালে নতুন আইন করে সে একই অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যাবে না।
Ex post facto laws (ভূতাপেক্ষ আইন) এর বিরুদ্ধে সংবিধানের ৩৫(১) অনুচ্ছেদে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। সংবিধানে এ সম্পর্কে বলা থাকলেও এটি ফৌজদারি আইনের সাথে সম্পর্কিত।
- কারণ ফৌজদারি আইনের ক্ষেত্রে Retrospective Effect (ভূতাপেক্ষ প্রভাব) দেওয়া যায় না। যেহেতু সংবিধানে সরাসরি এই আইন সম্পর্কিত বিধান রয়েছে তাই অধিকতর গ্রহণযোগ্য হিসেবে 'সাংবিধানিক আইন' কে উত্তর হিসেবে নেয়া হয়েছে।

১,১১০.
শিশু আইনের ৫২ ধারা অনুযায়ী কোন ধরনের অপরাধে অভিযুক্ত শিশুকে পুলিশ জামিন দিতে পারে?
  1. জামিনযোগ্য
  2. জামিনঅযোগ্য
  3. ক বা খ উভয় ক্ষেত্রে
  4. কোনো ক্ষেত্রেই পারবে না
ব্যাখ্যা
ধারা ৫২- জামিন, ইত্যাদি:
(১) ফৌজদারি কার্যবিধিসহ বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইন বা এই আইনের অন্য কোন বিধানে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন শিশুকে গ্রেফতার করিবার পর এই আইনের অধীন মুক্তি প্রদান বা বিকল্প পন্থায় প্রেরণ করা অথবা তাৎক্ষণিকভাবে আদালতে হাজির করা সম্ভবপর না হইলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা শিশুটিকে, ক্ষেত্রমত, তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য বা প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে শর্ত ও জামানত সাপেক্ষে, অথবা, শর্ত ও জামানত ব্যতীত জামিনে মুক্তি প্রদান করিতে পারিবেন। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন শিশুকে জামিনে মুক্তি প্রদানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অপরাধ জামিনযোগ্য বা জামিন অযোগ্য কি না তাহা শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বিবেচনায় লইবেন না। 
 
(৩) উপ-ধারা (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, অপরাধের প্রকৃতি গুরুতর বা ঘৃণ্য প্রকৃতির হইলে বা জামিন প্রদান করা হইলে উহা শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থের পরিপন্থী হইলে বা জামিন প্রদান করা হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু কোন কুখ্যাত অপরাধীর সাহচর্য লাভ করিতে পারে বা নৈতিক বিপদের সম্মুখীন হইতে পারে বা জামিন প্রদান করা হইলে ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত হইবার আশঙ্কা থাকিলে শিশু বিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট শিশুকে জামিন বা মুক্তি প্রদান করিবেন না। 
 
(৪) গ্রেফতারকৃত শিশুকে উপ-ধারা (৩) এর অধীন জামিনে মুক্তি প্রদান করা না হইলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা, গ্রেফতারের পর আদালতে উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ভ্রমণ সময় ব্যতীত, ২৪ (চবিবশ) ঘন্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিশুকে নিকটস্থ শিশু-আদালতে হাজির করিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন। 
 
(৫) থানা হইতে জামিনপ্রাপ্ত হয় নাই এমন কোন শিশুকে শিশু-আদালতে উপস্থাপন করা হইলে শিশু-আদালত তাহাকে জামিন প্রদান করিবে বা নিরাপদ স্থানে বা শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে আটক রাখিবার আদেশ প্রদান করিবে।
১,১১১.
শিশু আইনের অধীন শিশুকে নিরাপদ হেফাজতে রাখার মেয়াদ হবে-
  1. ৭ দিনের জন্য
  2. ৩০ দিনের জন্য
  3. ১৫ দিনের জন্য
  4. যথাসম্ভব স্বল্পতম সময়ের জন্য
ব্যাখ্যা
ধারা ২৬: শিশুকে নিরাপদ হেফাজতে রাখা-

১. শিশুকে নিরাপদ হেফাজতে রাখার বিষয়টি সর্বশেষ পন্থা হিসাবে বিবেচনা করতে হবে, যার মেয়াদ হবে যথাসম্ভব স্বল্পতম সময়ের জন্য।

২. সম্ভাব্য দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিরাপদ হেফাজতে রক্ষিত শিশুকে বিকল্পপন্থায় পরিচালনার জন্য প্রেরণ করতে হবে।

৩. শিশুকে নিরাপদ হেফাজতে রাখা একান্ত প্রয়োজন হলে শিশু-আদালত, সংশ্লিষ্ট শিশুকে উক্ত আদালত হতে যুক্তিসঙ্গত দূরত্বের মধ্যে অবস্থিত কোন প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানে প্রেরণ করার জন্য আদেশ প্রদান করবে: তবে শর্ত থাকে যে, এই উপ-ধারার অধীন কোন শিশুকে প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানে প্রেরণ করা হলে উক্ত প্রতিষ্ঠানে অবস্থানকারী অধিক বয়স্ক শিশুদের হতে প্রেরিত শিশুকে পৃথক করে রাখতে হবে।
১,১১২.
বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহের সর্বাধিনায়কতা কোন ব্যক্তির উপর ন্যস্ত?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রতিরক্ষা মন্ত্রী
  4. সেনাবাহিনী প্রধান
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬১ অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহের সর্বাধিনায়কতা রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত হয়েছে। এর অর্থ হলো, রাষ্ট্রপতি হলেন বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী (সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী) এর সর্বোচ্চ কমান্ডার। তবে বাস্তবে প্রতিরক্ষা বিষয়ক কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পরিচালিত হয়, কিন্তু সংবিধান অনুযায়ী সর্বাধিনায়কতার দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির উপর অর্পিত।

অর্থাৎ সংবিধানের এই বিধান অনুসারে, রাষ্ট্রপতি প্রতিরক্ষা বাহিনীর সাংবিধানিক প্রধান হলেও প্রতিদিনের কার্যক্রম এবং নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার পরামর্শ গ্রহণ করেন। প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত কার্যাবলীর বাস্তবায়ন মূলত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সামরিক বাহিনীর প্রধানরা করেন।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ- ৬১ সর্বাধিনায়কতা:
- বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহের সর্বাধিনায়কতা রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত হইবে এবং আইনের দ্বারা তাহার প্রয়োগ নিয়ন্ত্রিত হইবে।
১,১১৩.
"Trial de-novo" বলতে কী বোঝায়?
  1. তদন্ত শুরু করা
  2. সাক্ষ্যগ্রহণ বন্ধ রাখা
  3. নতুন করে বিচার শুরু করা
  4. আপিল আবেদন দায়ের করা
ব্যাখ্যা
"Trial de-novo" বলতে বোঝায় "নতুন করে বিচার শুরু করা"।

⇒ "De-novo" শব্দটি ল্যাটিন ভাষার, যার অর্থ হলো "from the beginning" বা "আবার নতুন করে"। সুতরাং, "Trial de-novo" মানে হলো, পূর্বে যে বিচার কার্যক্রম বা সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণ করা হয়েছিল তা উপেক্ষা করে একেবারে শুরু থেকে আবার নতুন করে পুরো বিচার প্রক্রিয়া শুরু করা।

উদাহরণ:
যদি কোনো আদালতে বিচার চলাকালীন বিচারক বদলানো হয়, তবে নতুন বিচারক চাইলে মামলাটি "trial de-novo" হিসাবে শুরু করতে পারেন — অর্থাৎ আগের রেকর্ড বাদ দিয়ে আবার নতুনভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ ও বিচার শুরু করতে পারেন।

The Special Powers Act, 1974 এর ধারা ৩১: নতুনভাবে পুনঃবিচারের উপর নিষেধাজ্ঞা (Bar on trial de-novo):
বিশেষ ট্রাইব্যুনাল, যদি ভিন্নভাবে কোনো সিদ্ধান্ত না নেয়, তবে- এমন কোনো সাক্ষীকে পুনরায় হাজির করানো বা পুনরায় সাক্ষ্যগ্রহণ করতে বাধ্য থাকবে না, যার সাক্ষ্য ইতোমধ্যে রেকর্ড করা হয়েছে; বা পূর্বে গৃহীত কার্যক্রম পুনরায় শুরু করতে বাধ্য থাকবে না; বরং,
ট্রাইব্যুনাল পূর্বে গৃহীত বা রেকর্ডকৃত সাক্ষ্য ও প্রমাণের উপর ভিত্তি করে বিচার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবে এবং মামলা যেই পর্যায়ে রয়েছে, সেই পর্যায় থেকেই বিচার চালিয়ে যেতে পারবে।
১,১১৪.
কোন প্রকার বন্ধকের ক্ষেত্রে বন্ধকতাদার ঋণ পরিশোধের কোনো বাধ্যবাধকতা থাকে না-
  1. Usufructuary Mortgage
  2. English Mortgage
  3. Mortgage by Conditional Sale
  4. Mortgage against Immovable Property
ব্যাখ্যা
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৮ ধারায় ৬ ধরনের বন্ধকের মধ্যে 'খাইখালাসি বন্ধক' ( Unufructuary Mortgage) - এর ক্ষেত্রে বন্ধকদাতার ঋণ পরিশোধের কোনো বাধ্যবাধকতা থাকে না। এই বন্ধকে বন্ধক গ্রহীতা বন্ধককৃত সম্পদ একটি নির্দিষ্ট মেয়াদে ভোগ করে এবং মেয়াদ শেষে বন্ধকদাতাকে ফেরত দেয়।

সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৮(ঘ) ধারা অনুসারে, যখন দাতা কোনো গ্রহীতাকে বন্ধকি সম্পত্তির দখল অর্পণ করেন, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দখল দিতে নিজেকে বাধ্য করেন; এবং বন্ধকির টাকা পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত দখল রাখার অনুমতি দেন, এবং এরকম সম্পত্তি থেকে উদ্ভূত খাজনা ও লাভ বা এরকম খাজনা বা লাভের অংশবিশেষ গ্রহণের অনুমতি দেন, এবং তা বন্ধকি টাকার সুদ বা বন্ধকি টাকা পরিশোধের জন্য বা তার আংশিক সুদ পরিশোধের জন্য এবং আংশিক বন্ধকি টাকা পরিশোধের জন্য ব্যয় করতে অনুমতি দেন, তখন তাকে ‘খাইখালাসি বন্ধক’ বলে।
১,১১৫.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ৫ ধারায় কোন ধরনের জমির ভাড়া নির্ধারণের বিধান আছে?
  1. খাস জমি
  2. বন্দোবস্ত জমি
  3. ফসলি জমি
  4. করাতল জমি
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ধারা ৫: ভাড়াগ্রহীতাদের খাস জমির ভাড়া নির্ধারণ:
যত শীঘ্র সম্ভব ধারা ৩(১) উপধারায় উল্লেখিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর, রাজস্ব কর্মকর্তা উক্ত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত সমস্ত ভাড়াগ্রহীতার খাস দখলে থাকা জমির প্রতিটি খণ্ডের ভাড়া নির্ধারণ করবেন। এই নির্ধারণ ধারা ২৩, ২৪, ২৫, ২৫ক, ২৬, ২৭ এবং ২৮-এ বর্ণিত নীতিমালা অনুযায়ী করতে হবে, এবং এসব জমি সেই এস্টেট, তালুক, তনুর, হোল্ডিং বা টেনান্সির অন্তর্ভুক্ত হবে যার সাথে উক্ত বিজ্ঞপ্তি সম্পর্কিত।
১,১১৬.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ১৪৩(খ) ধারার বিষয়বস্তু কী?
  1. Maintenance of the record-of-rights
  2. Correction of the Record of Rights upon inheritance
  3. Procedure for Correction of the Record-of-Rights
  4. Revision of the record-of-rights
ব্যাখ্যা
• Section 143B: Correction of the Record-of Rights upon inheritance:

(1) Person acquiring immovable property by inheritance according to their respective personal laws shall amicably effect partition of the property among them after the death propositus. After such partition, an instrument of partition shall be prepared and signed by all the concerned parties and shall be registered under the Registration Act, 1908.

(2) Upon presentation of the instrument of partition prepared, signed and registered under sub-section (1), the Revenue-officer shall revise the Khatian in accordance therewith.

ধারা ১৪৩(খ)- উত্তরাধিকারের উপর ভিত্তি করে খতিয়ান সংশোধন:
 
উত্তরাধিকারের উপর ভিত্তি করে খতিয়ান সংশোধনের বিধান ১৪৩খ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে। কোন ব্যক্তি মারা যাওয়ার পর তার উত্তরাধিকারীরা তাদের ব্যক্তিগত আইন অনুযায়ী তাদের মধ্যে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্ধুত্বপূর্ণভাবে বণ্টন করবে। এমন বণ্টনের পর, একটি বন্টননামা তৈরী করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে এবং রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর অধীন নিবন্ধন করতে হবে। এমন স্বাক্ষরিত এবং নিবন্ধিত বণ্টননামা উপস্থাপন করলে রাজস্ব কর্মকর্তা বন্টননামা অনুযায়ী খতিয়ান সংশোধন করবে।
১,১১৭.
Mischief Rule এর মূল লক্ষ্য কী?
  1. সংবিধানের সীমা নির্ধারণ
  2. আইন প্রণেতাদের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করা
  3. বিচারকদের ক্ষমতা বাড়ানো
  4. কঠোরভাবে আইনের ভাষাগত ব্যাখ্যা দেওয়া
ব্যাখ্যা
The Mischief Rule of Interpretation of Statutes-
Mischief Rule বিধি ব্যাখ্যার একটি পদ্ধতি, যা আইন প্রণেতাদের উদ্দেশ্য নির্ধারণের উপর গুরুত্ব দেয়। এটি যুক্তরাজ্যে ১৬ শতকে উদ্ভূত এবং Heydon's Case এ প্রতিষ্ঠিত হয়। এতে বলা হয় যে, কোনো আইন ব্যাখ্যা করার প্রধান উদ্দেশ্য হল “অপরাধ এবং ত্রুটি” সনাক্ত করা, যেগুলি আইন প্রণয়নকারী কর্তৃপক্ষ সংশোধন করতে চেয়েছিল এবং একটি কার্যকরী প্রতিকার প্রদান করা। এই রুলটি মূলত এ প্রশ্নের উত্তর দেয়: পূর্ববর্তী আইন কী সমস্যা সমাধান করতে ব্যর্থ হয়েছিল, যার কারণে এই নতুন আইন প্রণীত হয়েছে।

Heydon's Case (1584) 3 CO REP এর মধ্যে আইন ব্যাখ্যা করার জন্য চারটি বিষয় উল্লেখ করা হয়:
- আইন প্রণীত হওয়ার পূর্বে সাধারণ আইন (Common Law) কী ছিল?
- "অপরাধ এবং ত্রুটি" কী ছিল, যা সাধারণ আইন সমাধান করেনি?
- সংসদ কী প্রতিকার প্রদান করার উদ্দেশ্যে আইন প্রণয়ন করেছিল?
- প্রতিকারটির পেছনে আসল কারণ কী ছিল?

এই রুলের ব্যবহার বিচারকদের জন্য অধিক নমনীয়তা প্রদান করে, যাতে তারা আইন প্রণেতাদের উদ্দেশ্যকে সঠিকভাবে অনুধাবন করতে পারেন, বর্ননামূলক এবং স্বর্ণিম রুলের মতো কঠোরভাবে বাধ্য না হয়ে। তবে, এই রুলের বিরুদ্ধে সমালোচনা রয়েছে, কারণ এটি আইনের মধ্যে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করতে পারে এবং নির্বাচনহীন বিচারকদের কাছে অস্বাভাবিকভাবে অধিক ক্ষমতা দিতে পারে, যা গণতান্ত্রিকভাবে ভুল বলে মনে করা হয়। তদুপরি, এটি পুরনো বলে মনে করা হয় কারণ বর্তমানে সাধারণ আইন আর আইনের প্রধান উৎস নয়।
১,১১৮.
The General Clauses Act, 1897 এর কোন ধারায় “একই অপরাধের জন্য দুইবার শাস্তি দেওয়া যাবে না” বিধান আছে?
  1. ধারা ১৬
  2. ধারা ১৮
  3. ধারা ২৬
  4. ধারা ২৭
ব্যাখ্যা

⇒ The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ২৬–এ বলা হয়েছে, যদি কোনো কার্য বা বিচ্যুতি দুই বা ততোধিক আইনের অধীনে শাস্তিযোগ্য হয়, তবে অপরাধীকে যে কোনো এক আইনের অধীনে অভিযুক্ত করা যাবে।
- একই অপরাধের জন্য দুইবার শাস্তি দেওয়া যাবে না, যা Doctrine of Double Jeopardy–এর প্রতিফলন।

⇒ The General Clauses Act, 1897 এর ২৬ ধারার বিধান: দুই বা ততোধিক আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে বিধান:
যেক্ষেত্রে কোন কার্য বা বিচ্যুতি দুই বা ততোধিক আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধ হয়, সেই ক্ষেত্রে অপরাধীকে ঐ আইন সমূহের সকল বা যে কোন একটির অধীন অভিযুক্ত এবং শান্তি প্রদান করা যাবে, কিন্তু একই অপরাধের জন্য দুইবার শান্তি প্রদান করা যাবে না।
দোবারা সাজা নীতিটি আরো কয়েকটি আইনে বর্ণিত আছে। যথা:
-গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(২);
- ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪০৩;
- দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১১;
- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৪০; এবং
- ফৌজদারি আইন সংশোধন আইন, ১৯৫৮ এর ধারা ৮।
----------------
⇒ The General Clauses Act, 1897, Section 26. Provision as to offences punishable under two or more enactments:
- Where an act or omission constitutes an offence under two or more enactments, then the offender shall be liable to be prosecuted and punished under either or any of those enactments, but shall not be liable to be punished twice for the same offence.

১,১১৯.
সালিসি কাউন্সিল দ্বিতীয় বিয়ের অনুমতি দিলে প্রথম স্ত্রীর প্রতিকার-
  1. পারিবারিক আদালতে আপীল করা
  2. পারিবারিক আদালতে রিভিশন করা
  3. সহকারী জজের নিকট আপীল করা
  4. সহকারী জজের নিকট রিভিশন করা
ব্যাখ্যা
The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর ৬ ধারার বিধান: বহুবিবাহ:
১) কোন ব্যক্তির বিবাহ বলবৎ থাকা অবস্থায় সে সালিশী কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে না বা ঐরূপ অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ অনুষ্ঠিত হলে তা The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর অধীনে রেজিস্ট্রিকৃত হবে না।

২) অনুমতির দরখাস্ত নির্ধারিত ফি সহ চেয়ারম্যানের নিকট দাখিল করতে হবে ও তাতে প্রস্তাবিত বিবাহের কারণসমূহ এবং এই বিবাহের ব্যাপারে বর্তমানে স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের সম্মতি নেয়া হয়েছে কিনা তার উল্লেখ থাকতে হবে।

৩) দরখাস্ত গ্রহণ করার পর চেয়ারম্যান আবেদনকারীকে ও বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের প্রত্যেককে একজন করে প্রতিনিধি মনোনীত করতে বলবেন। উক্তরূপে গঠিত সালিশি কাউন্সিল প্রস্তাবিত বিবাহ প্রয়োজনীয় ও ন্যায়সঙ্গত বলে মনে করলে সেক্ষেত্রে প্রার্থিত আবেদন মঞ্জুর করতে পারবেন।

৪) উক্ত দরখাস্তে বিবেচনা করার সময় সালিশি কাউন্সিল নিষ্পত্তির কারণাদি লিপিবদ্ধ করবেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যে কোন পক্ষ নির্দিষ্ট ফি প্রদানক্রমে সহকারী জজের নিকট পুনর্বিবেচনার (Revision) জন্য দরখাস্ত দাখিল করতে পারে; তার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে ও কোন আদালতে এই সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।

৫) কোন লোক যদি সালিশী কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় তবে সে-
ক) বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের তলবী ও স্থগিত দেনমোহরের সম্পূর্ণ টাকা তৎক্ষণাৎ পরিশোধ করতে হবে। উক্ত টাকা উক্তরুপে পরিশোধ না করা হলে বকেয়া ভূমি রাজস্বরূপে আদায়যোগ্য হবে: এবং
 খ) অভিযোগে অপরাধী সাব্যস্ত হলে এর শান্তি- অনধিক ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদন্ড অথবা অনধিক ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ড বা উভয়দণ্ড।
-----------
⇒ The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 Section 6. Polygamy:
(1) No man, during the subsistence of an existing marriage, shall, except with the previous permission in writing of the Arbitration Council, contract another marriage, nor shall any such marriage contracted without such permission be registered under the Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 (LII of 1974). 

(2) An application for permission under sub-section (1) shall be submitted to the Chairman in the prescribed manner, together with the prescribed fee, and shall state the reasons for the proposed marriage, and whether the consent of the existing wife or wives has been obtained thereto.

(3) On receipt of the application under sub-section (2), the Chairman shall ask the applicant and his existing wife or wives each to nominate a representative, and the Arbitration Council so constituted may, if satisfied that the proposed marriage is necessary and just, grant, subject to such conditions, if any, as may be deemed fit, the permission applied for. 

(4) In deciding the application the Arbitration Council shall record its reasons for the decision, and any party may, in the prescribed manner, within the prescribed period, and on payment of the prescribed fee, prefer an application for revision  to the Assistant Judge concerned and his decision shall be final and shall not be called in question in any Court. 

(5) Any man who contracts another marriage without the permission of the Arbitration Council shall- 
(a) pay immediately the entire amount of the dower, whether prompt or deferred, due to the existing wife or wives, which amount, if not so paid, shall be recoverable as arrears of land revenue; and 
(b) on conviction upon complaint be punishable with simple imprisonment which may extend to one year, or with fine which may extend to ten thousand taka, or with both.
১,১২০.
'ক', 'খ' কে এই শর্তে একটি খামার ইজারা দিলো যে, 'খ' প্রতি ঘণ্টায় ১০০ মাইল হাঁটবে। উক্ত ইজারা-
  1. বাতিল
  2. বৈধ
  3. বাতিলযোগ্য
  4. আদালত অনুমতি দিলে বৈধ
ব্যাখ্যা

The Transfer of Property Act, 1882 এর ধারা ২৫- শর্তসহ হস্তান্তর:
যখন হস্তান্তরের মাধ্যমে একটি স্বার্থ সৃষ্টি করা হইয়া থাকে এবং উক্ত স্বার্থ এমন শর্তের উপর নির্ভরশীল করা হয় যাহা পালন করা অসম্ভব, বা আইনত নিষিদ্ধ বা এইরূপ প্রকৃতির যে, যদি তাহা পালন করিতে দেওয়া হয়, তাহা হইলে কোনো আইন ভঙ্গ হইবে বা অন্য কাহারও শরীর বা সম্পত্তির সহিত সংশ্লিষ্ট বা শরীর বা সম্পত্তির পক্ষে অনিষ্টকর, বা আদালত উহাকে নৈতিক বা জনস্বার্থের বিরোধী বলিয়া গণ্য করিবেন, সেইক্ষেত্রে উক্ত স্বার্থ কার্যকর হইবে না।

উদাহরণ-
(ক) 'ক', 'খ' কে এই শর্তে একটি খামার ইজারা দিল যে, 'খ' প্রতি ঘণ্টায় ১০০ মাইল হাঁটিবে। উক্ত ইজারা বাতিল হইবে।
(খ) 'ক', 'খ' কে এই শর্তে ৫০০ টাকা প্রদান করিল যে, 'খ' 'ক' এর মেয়ে 'গ' কে বিবাহ করিবে। কিন্তু আসলে উক্ত সময়ে 'গ' মারা গিয়েছে। উক্ত হস্তান্তর বাতিল হইবে।
(গ) 'ক', 'খ' কে এই শর্তে পাঁচশত টাকা প্রদান করিল যে, 'খ' 'গ' কে খুন করিবে। এই হস্তান্তর বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে।
(ঘ) 'ক', তাহার ভাইজি 'গ' কে এই শর্তে ৫০০ টাকা প্রদান করিল যে, 'গ' তাহার স্বামীকে ত্যাগ করিবে। এইরূপ হস্তান্তর বাতিল হইবে।

১,১২১.
রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর কোন ধারা অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশন অফিসার প্রাসঙ্গিক ব্যক্তি বা সাক্ষীকে তলব করার জন্য আদালত বা কর্মকর্তার সাহায্য নিতে পারেন?
  1. ধারা ৩৫
  2. ধারা ৩৬
  3. ধারা ৩৭
  4. ধারা ৩৮
ব্যাখ্যা
⇒ রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৩৬ এ নিম্নোক্ত বিধান রয়েছে:
তলব করার ক্ষমতা:
- যদি কোনো ব্যক্তি রেজিস্ট্রিকৃত ডকুমেন্টের জন্য কোনো ব্যক্তির উপস্থিতি বা সাক্ষ্য প্রয়োজন মনে করেন
- রেজিস্ট্রার অফিসার তার বিবেচনায় সরকার কর্তৃক নির্দেশিত কোনো কর্মকর্তা বা আদালতকে সমন জারির জন্য অনুরোধ করতে পারেন
সমন প্রক্রিয়া:
- সমনে ব্যক্তিকে ব্যক্তিগতভাবে বা কর্তৃত্বপ্রাপ্ত এজেন্টের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন অফিসে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে
- সমনে একটি নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করতে হবে
প্রয়োগ ক্ষেত্র:
- এই ধারা মূলত ডকুমেন্ট রেজিস্ট্রেশনের জন্য প্রয়োজনীয় সাক্ষী বা দলিল সম্পাদনকারীকে তলব করার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
- এটি একটি বিচক্ষণতামূলক (discretionary) ক্ষমতা - রেজিস্ট্রার বাধ্য নন

⇒ রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৩৬ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি রেজিস্ট্রেশন অফিসে একটি ডকুমেন্ট নিবন্ধনের জন্য উপস্থাপন করে বা তার অধীনে অন্য কোনো দাবী করে এবং উক্ত ডকুমেন্টের নিবন্ধন সম্পন্ন করার জন্য কোনো ব্যক্তি বা সাক্ষীর উপস্থিতি প্রয়োজন হয়, তবে রেজিস্ট্রেশন অফিসার সেই ব্যক্তির উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট আদালত বা কর্মকর্তার সাহায্য নিতে পারেন। এই সাহায্যের মাধ্যমে একটি তলবনামা (summons) জারি করা হয়, যা সেই ব্যক্তিকে উপস্থিত হওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়, সেটা হয়তো তাকে ব্যক্তিগতভাবে বা তাঁর প্রতিনিধির মাধ্যমে উপস্থিত হতে হতে পারে।

এটি রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যাতে কোনো বৈধতা সমস্যা তৈরি না হয় এবং প্রয়োজনীয় সাক্ষী বা ব্যক্তি উপস্থিত হয়ে ডকুমেন্টের সঠিক নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
১,১২২.
আইনগত সহায়তার কোন আবেদন জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটি কর্তৃক অগ্রাহ্য হলে, তার বিরুদ্ধে আপীল করতে হবে-
  1. সুপ্রীম কোর্ট কমিটির নিকট
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. জাতীয় পরিচালনা বোর্ডের নিকট
  4. আপীল বিভাগে
ব্যাখ্যা
• আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০

ধারা ১৬ তে বলা আছে-

'আইনগত সহায়তার জন্য সকল আবেদন সুপ্রীম কোর্ট কমিটি, জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটির নিকট পেশ করতে হবে।'

উল্লেখ্য, কোন আবেদন জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটি কর্তৃক অগ্রাহ্য হলে তা মঞ্জুরের জন্য সংক্ষুদ্ধ বিচারপ্রার্থী উক্তরুপ সিদ্ধান্তের তারিখ হতে ৬০ দিনের মধ্যে জাতীয় পরিচালনা বোর্ডের নিকট আপীল পেশ করবে এবং এই ব্যাপারে বোর্ডের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।
১,১২৩.
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর কত ধারায় ভূমি অপরাধের ক্ষেত্রে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার বিধান আছে?
  1. ১৮
  2. ২০
  3. ২১
  4. ২২
ব্যাখ্যা
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ২২ ধারার বিধান মোবাইল কোর্ট কর্তৃক বিচার্য:
-  এই আইনের ধারা ৪, ৫, ১৫ ও ১৭ এ বর্ণিত অপরাধ ব্যতীত অন্যান্য অপরাধসমূহ মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৫৯ নং আইন) এর তফসিলভুক্ত হওয়া সাপেক্ষে, মোবাইল কোর্ট কর্তৃক বিচার্য হইবে।
১,১২৪.
'A will may at any time be presented for registration or deposited in manner hereinafter provided' বিধানটি The Registration Act, 1908 এর কোন ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
  1. ২৩ক
  2. ২৪
  3. ২৬
  4. ২৭
ব্যাখ্যা
⇒ The Registration Act, 1908, Section-27. Wills may be presented or deposited at any time:
-A will may at any time be presented for registration or deposited in manner hereinafter provided.
-------------------
নিবন্ধন আইনের ২৭ ধারা মতে উইল যে কোন সময় দাখিল করা বা জমা দেওয়া যাবে: উইল- যে কোন সময় নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা যাবে, অথবা অতপর বর্ণিত পদ্ধতিতে জমা দেওয়া যাবে।
 
- উইল হল একমাত্র দলিল যার দাখিলের জন্য কোন সময়সীমা নাই।
১,১২৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদ সদস্যদের মধ্য হতে সদস্য নিয়ে কয়টি স্থায়ী কমিটি নিয়োগ করবার বিধান আছে?
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ: 
(১) সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে সদস্য লইয়া সংসদ নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটিসমূহ নিয়োগ করিবেন:
(ক) সরকারি হিসাব কমিটি;
(খ) বিশেষ-অধিকার কমিটি; এবং
(গ) সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধিতে নির্দিষ্ট অন্যান্য স্থায়ী কমিটি।
(২) সংসদ এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় উল্লিখিত কমিটিসমূহের অতিরিক্ত অন্যান্য স্থায়ী কমিটি নিয়োগ করিবেন এবং অনুরূপভাবে নিযুক্ত কোন কমিটি এই সংবিধান ও অন্য কোন আইন-সাপেক্ষে
(ক) খসড়া বিল ও অন্যান্য আইনগত প্রস্তাব পরীক্ষা করিতে পারিবেন;
(খ) আইনের বলবৎকরণ পর্যালোচনা এবং অনুরূপ বলবৎকরণের জন্য ব্যবস্থাদি গ্রহণের প্রস্তাব করিতে পারিবেন;
(গ) জনগুরুত্বসম্পন্ন বলিয়া সংসদ কোন বিষয় সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করিলে সেই বিষয়ে কোন মন্ত্রণালয়ের কার্য বা প্রশাসন সম্বন্ধে অনুসন্ধান বা তদন্ত করিতে পারিবেন এবং কোন মন্ত্রণালয়ের নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে প্রাসঙ্গিক তথ্যাদি সংগ্রহের এবং প্রশ্নাদির মৌখিক বা লিখিত উত্তর লাভের ব্যবস্থা করিতে পারিবেন;
(ঘ) সংসদ কর্তৃক অর্পিত যে কোন দায়িত্ব পালন করিতে পারিবেন।
(৩) সংসদ আইনের দ্বারা এই অনুচ্ছেদের অধীন নিযুক্ত কমিটিসমূহকে
(ক) সাক্ষীদের হাজিরা বলবৎ করিবার এবং শপথ, ঘোষণা বা অন্য কোন উপায়ের অধীন করিয়া তাঁহাদের সাক্ষ্যগ্রহণের,
(খ) দলিলপত্র দাখিল করিতে বাধ্য করিবার 
ক্ষমতা প্রদান করিতে পারিবেন।
১,১২৬.
বাংলাদেশ সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতিকে নিম্নলিখিত কোন বিশেষ অধিকার দেয়া হয়েছে?
  1. কোন আদালতে কোন প্রকার ফৌজদারী কার্যধারা দায়ের করা যাবে না
  2. যেকোন কাজের জন্য আদালতে জবাবদিহি করতে হবে না
  3. কোন প্রকার দেওয়ানি কার্যধারা দায়ের করা হলে তা স্থগিত থাকবে
  4. উল্লিখিত সকল অধিকার
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৫১: রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি

(১) এই সংবিধানের ৫২ অনুচ্ছেদের হানি না ঘটাইয়া বিধান করা হইতেছে যে, রাষ্ট্রপতি তাঁহার দায়িত্ব পালন করিতে গিয়া কিংবা অনুরূপ বিবেচনায় কোন কার্য করিয়া থাকিলে বা না করিয়া থাকিলে সেইজন্য তাঁহাকে কোন আদালতে জবাবদিহি করিতে হইবে না, তবে এই দফা সরকারের বিরুদ্ধে কার্যধারা গ্রহণে কোন ব্যক্তির অধিকার ক্ষুন্ন করিবে না।

(২) রাষ্ট্রপতির কার্যভারকালে তাঁহার বিরুদ্ধে কোন আদালতে কোন প্রকার ফৌজদারী কার্যধারা দায়ের করা বা চালু রাখা যাইবে না এবং তাঁহার গ্রেফতার বা কারাবাসের জন্য কোন আদালত হইতে পরোয়ানা জারী করা যাইবে না।

Article 51: President's immunity

(1) Without prejudice to the provisions of article 52, the President shall not be answerable in any court for anything done or omitted by him in the exercise or purported exercise of the functions of his office, but this clause shall not prejudice the right of any person to take proceedings against the Government. 

(2) During his term of office no criminal proceedings whatsoever shall be instituted or continued against the President in, and no process for his arrest or imprisonment shall issue from, any court.
১,১২৭.
সপ্তদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ কত বৎসর বাড়ানো হয়েছে?
  1. ১৫ বৎসর
  2. ৩০ বৎসর
  3. ২০ বৎসর
  4. ২৫ বৎসর
ব্যাখ্যা
⇒ সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন, ২০১৮ বলে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ ২৫ বৎসর বাড়ানো হয়েছে। নারীদের জন্য সংরক্ষিত ৫০টি আসনের ১০ বৎসরের মেয়াদ ২০১৯ সালের ২৪ই জানুয়ারী শেষ হবে। সপ্তদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ ২৫ বৎসর বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ ১১তম সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হতে পরবর্তী ২৫ বৎসর পর্যন্ত নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ থাকবে।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫তম সংশোধনী, ২০১১ এর মাধ্যমে ৬৫(৩) নং অনুচ্ছেদে সংরক্ষিত নারী আসন ৪৫ এর পরিবর্তে ৫০ টি করা হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদ-প্রতিষ্ঠা: (১) "জাতীয় সংসদ" নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের আইন-দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হইতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করিবে না।

(২) একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকাসমূহ হইতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আইনানুযায়ী নির্বাচিত তিন শত সদস্য লইয়া এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার কার্যকরতাকালে উক্ত দফায় বর্ণিত সদস্যদিগকে লইয়া সংসদ গঠিত হইবে; সদস্যগণ সংসদ-সদস্য বলিয়া অভিহিত হইবেন।

(৩) সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন, ২০১৮ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অব্যবহিত পরবর্তী সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে শুরু করিয়া পঁচিশ বৎসরকাল অতিবাহিত হইবার অব্যবহিত পরবর্তীকালে সংসদ ভাংগিয়া না যাওয়া পর্যন্ত পঞ্চাশটি আসন কেবল মহিলা-সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকিবে এবং তাঁহারা আইনানুযায়ী পূর্বোক্ত সদস্যদের দ্বারা সংসদে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির ভিত্তিতে একক হস্তান্তরযোগ্য ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হইবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার কোন কিছুই এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন কোন আসনে কোন মহিলার নির্বাচন নিবৃত্ত করিবে না।]

 (৩ক) সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অবশিষ্ট মেয়াদে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত তিন শত সদস্য এবং (৩) দফায় বর্ণিত পঞ্চাশ মহিলা-সদস্য লইয়া সংসদ গঠিত হইবে।

(৪) রাজধানীতে সংসদের আসন থাকিবে।
১,১২৮.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী দ্বিতীয়বার মাদকদ্রব্য অপরাধের জন্য দণ্ডিত ব্যক্তি পুনরায় অপরাধ করলে ধারা ৩৬(৩) অনুযায়ী উক্ত অপরাধের দণ্ড মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড না হলে কী দণ্ড প্রযোজ্য?
  1. সর্বোচ্চ দণ্ডের দ্বিগুণ
  2. অন্তত ২০ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. ৫-১০ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩৬(৩) অনুসারে: "(৩) কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধের জন্য দ্বিতীয়বার দণ্ডিত হইয়া দণ্ড ভোগ করিবার পর যদি কোনো ব্যক্তি পুনরায় কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ করেন তাহা হইলে উক্ত অপরাধের দন্ড মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড না হইলে তিনি উক্ত অপরাধের জন্য অন্যূন ২০ (বিশ) বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবে।"
- এখানে "অন্যূন ২০ বৎসর" বলতে কমপক্ষে ২০ বছর বোঝায়। অর্থাৎ তৃতীয়বার মাদক অপরাধের জন্য শাস্তি হবে অন্তত ২০ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড (যেখানে অপরাধটি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের অন্তর্ভুক্ত না হলে)।
→ অর্থাৎ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ৩৬(৩) অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি দ্বিতীয়বার মাদকদ্রব্য অপরাধের জন্য দণ্ডিত হয়ে দণ্ড ভোগ করার পর পুনরায় মাদকদ্রব্য অপরাধ করেন, তাহলে উক্ত অপরাধের দণ্ড মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড না হলে তিনি অন্তত ২০ (বিশ) বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

১,১২৯.
"প্রচলিত আইন" অর্থ এই সংবিধান-প্রবর্তনের অব্যবহিত পূর্বে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানায় বা উহার অংশবিশেষে আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন কিন্তু কার্যক্ষেত্রে সক্রিয় থাকুক বা না থাকুক, এমন যে কোন আইন- এই সংজ্ঞা কোথায় দেয়া আছে?
  1. The General Clauses Act, 1897
  2. The Code of Civil Procedure, 1908
  3. The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh
  4. The Civil Courts Act, 1887
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে-

"প্রচলিত আইন" অর্থ এই সংবিধান-প্রবর্তনের অব্যবহিত পূর্বে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানায় বা উহার অংশবিশেষে আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন কিন্তু কার্যক্ষেত্রে সক্রিয় থাকুক বা না থাকুক, এমন যে কোন আইন;
১,১৩০.
Who has the power to determine the boundaries of Bangladesh’s territory, territorial waters, and continental shelf?
  1. Parliament
  2. Supreme Court
  3. The President
  4. The Prime Minister
ব্যাখ্যা

Article 143 of the Constitution of Bangladesh: Property of the Republic:
(1) There shall vest in the Republic, in addition to any other land or property lawfully vested –
(a) all minerals and other things of value underlying any land of Bangladesh; 
(b) all lands, minerals and other things of value underlying the ocean within the territorial waters, or the ocean over the continental shelf, of Bangladesh; and 
(c) any property located in Bangladesh that has no rightful owner. 
 
(2) Parliament may from time to time by law provide for the determination of the boundaries of the territory of Bangladesh and of the territorial waters and the continental shelf of Bangladesh.

অনুচ্ছেদ ১৪৩: প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি:
(১) আইনসঙ্গতভাবে প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত যে কোন ভূমি বা সস্পত্তি ব্যতীত নিম্নলিখিত প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত হইবে: 

(ক) বাংলাদেশের যে কোন ভূমির অন্তঃস্থ সকল খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; 
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমার অন্তর্বর্তী মহাসাগরের অন্তঃস্থ কিংবা বাংলাদেশের মহীসোপানের উপরিস্থ মহাসাগরের অন্তঃস্থ সকল ভূমি, খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; এবং 
(গ) বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিকবিহীন যে কোন সম্পত্তি। 
 
(২) সংসদ সময়ে সময়ে আইনের দ্বারা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমা ও মহীসোপানের সীমা-নির্ধারণের বিধান করিতে পারিবেন।

১,১৩১.
A, B-কে একটি জাহাজ কেনার জন্য প্রতিনিধি নিযুক্ত করে। B, একজন ভাল খ্যাতির জাহাজ পরিদর্শক নিয়োগ করে। পরিদর্শক অবহেলার সাথে জাহাজ নির্বাচন করে এবং জাহাজটি সমুদ্রযাত্রার অনুপযোগী (unseaworthy) হয়ে ডুবে যায়। B-এর দায়িত্ব কী?
  1. B দায়ী
  2. B দায়ী নয়
  3. B আংশিক দায়ী
  4. ক অথবা গ 
ব্যাখ্যা

⇒  চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৯৫ এবং এর Illustration (a) অনুসারে, একজন এজেন্ট (B) যখন তার নিযুক্তকর্তা (A) এর জন্য another agent (জাহাজ পরিদর্শক) নির্বাচন করেন, তখন তিনি একজন সাধারণ বিচক্ষণ ব্যক্তি (a man of ordinary prudence) নিজের কাজের ক্ষেত্রে যে রকম সতর্কতা ও discretion অবলম্বন করেন, সেই একই level-এর সতর্কতা অবলম্বন করতে বাধ্য থাকেন।  

- যদি B এই standard অনুযায়ী সতর্কতা অবলম্বন করে (যেমন, ভাল খ্যাতির একজন জাহাজ পরিদর্শক নিয়োগ করে) এবং তারপরও নির্বাচিত agent (পরিদর্শক) তার কাজে negligence (অবহেলা) করে, মূল এজেন্ট (B) সেই negligence-এর জন্য নিযুক্তকর্তা (A) এর কাছে দায়ী হবেন না। দায়ী হবেন নির্বাচিত agent (জাহাজ পরিদর্শক) নিজে।  

- চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৯৫ অনুযায়ী, একজন এজেন্ট যদি তার জন্য অন্য একজনকে কাজের জন্য বেছে নেয়, তবে তাকে এমনভাবে বেছে নিতে হবে যেভাবে একজন সাধারণ সতর্ক ও বিচক্ষণ মানুষ নিজের কাজের জন্য কাউকে বেছে নিত। যদি সে সতর্কভাবে একজন সুনামধারী ব্যক্তিকে নির্বাচন করে এবং সেই নির্বাচিত ব্যক্তি অবহেলা করে, তাহলে মূল এজেন্ট (যিনি নির্বাচন করেছিলেন) দায়ী হবেন না। দায়ী হবেন সেই নির্বাচিত ব্যক্তি নিজেই। তাই এখানে B সঠিকভাবে একজন ভালো খ্যাতির জাহাজ পরিদর্শক নিয়োগ করায় তার দায় নেই, দায় হবে কেবল পরিদর্শকের।

এক্ষেত্রে, B একজন ভাল খ্যাতির জাহাজ পরিদর্শক নিয়োগ করেছে, যা একজন সাধারণ বিচক্ষণ ব্যক্তির মতোই কাজ। তাই পরিদর্শকের নিজের negligence-এর জন্য B দায়ী নয়।  
সঠিক উত্তর হল: খ) B দায়ী নয়। 
------------
⇒ The Contract Act, 1872 section- 195. Agent's duty in naming such person:
In selecting such agent for his principal, an agent is bound to exercise the same amount of discretion as a man of ordinary prudence would exercise in his own case; and, if he does this, he is not responsible to the principal for the acts or negligence of the agent so selected. 

Illustrations 
(a) A instructs B, a merchant, to buy a ship for him. B employs a ship surveyor of good reputation to choose a ship for A. The surveyor makes the choice negligently and the ship turns out to be unseaworthy and is lost. B is not, but the surveyor is, responsible to A. 

(b) A consigns goods to B, a merchant, for sale. B in due course, employs an auctioneer in good credit to sell the goods of A, and allows the auctioneer to receive the proceeds of the sale. The auctioneer afterwards becomes insolvent without having accounted for the proceeds. B is not responsible to A for the proceeds.

১,১৩২.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ- ১৯৬১ এর ৯ ধারায় প্রদত্ত সার্টিফিকেট পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করতে পারবেন কে?
  1. শুধুমাত্র স্বামী
  2. শুধুমাত্র স্ত্রী
  3. সালিশী কাউন্সিল
  4. স্বামী অথবা স্ত্রী
ব্যাখ্যা

• মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ- ১৯৬১ এর ধারা ৯- ভরণপোষণ:
১) যেক্ষেত্রে কোন স্বামী তাহার স্ত্রীকে পর্যাপ্তভাবে ভরণপোষণ দিতে অসমর্থ হয় অথবা একাধিক স্ত্রী থাকিলে  তাহাদিগকে সমভাবে ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হয় সেক্ষেত্রে স্ত্রী বা স্ত্রীগণের সকলে অথবা স্ত্রীগণের যে কোন জন অপর কোন আইনসঙ্গত প্রতিকার প্রার্থনা ব্যতীতও চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করিতে পারে। চেয়ারম্যান একটি সালিশী কাউন্সিল গঠন করিবেন ও উক্ত কাউন্সিল স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে ভরণপোষণ বাবদ প্রদানের নিমিত্ত টাকার অংক নির্দিষ্ট করিয়া সার্টিফিকেট ইস্যু করিতে পারিবেন।

২) একজন স্বামী অথবা স্ত্রী নির্ধারিত পন্থায় নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে নির্ধারিত ফিস প্রদানপূর্বক উক্ত সার্টিফিকেট পুর্নবিবেচনার নিমিত্ত সহকারী জজের নিকট আবেদন পেশ করিতে পারেন। তাঁহার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে এবং কোন আদালতে এই সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা যাইবে না।

৩) ১নং অথবা ২নং উপধারা অনুযায়ী দেয় কোন টাকা যথাসময়ে পরিশোধ না করিলে বকেয়া ভূমিরাজস্বরুপ আদায়যোগ্য হইবে।

১,১৩৩.
চেক ডিজঅনারের ক্ষেত্রে মামলা কোন আইনের বিধানে করা যেতে পারে?
  1. হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১
  2. দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮
  3. দণ্ডবিধি, ১৮৬০
  4. উল্লিখিত সকল আইনে
ব্যাখ্যা
• চেক ডিজঅনারের মামলা কিছুটা দেওয়ানী এবং কিছুটা ফৌজদারী প্রকৃতির। তাই চেক ডিজঅনার হলে দেওয়ানী আদালতেও মামলা দায়ের করা যায়। দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৭ আদেশের ১-৭ বিধিতে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে এরকম বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান রাখা হয়েছে। অন্যান্য দেওয়ানী মামলার ন্যায় সাধারণ পদ্ধতিতে মামলা পরিচালিত হলে অনেক সময়ের অপচয় হবে। তাই চেক ডিজঅনারের মামলা দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৭ আদেশের অধীনে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে। সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে মামলা পরিচালনার সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, বিবাদীকে এক্ষেত্রে লিখিত জবাব দাখিল করতে হয় না।

দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৭ আদেশের ১ বিধিতে বলা হয়েছে, হস্তান্তরযোগ্য দলিল বিষয়ে মামলা কেবলমাত্র হাইকোর্ট বিভাগ এবং জেলা জজ আদালতে দায়ের করা যাবে। আমরা জানি “চেক (cheque)” একটি হস্তান্তরযোগ্য দলিল। তাই চেক ডিজঅনার হলে দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৭ আদেশের অধীনে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা জজ আদালতে দেওয়ানী মোকদ্দমা করা যায়।

এছাড়া, ১৮৮১ সালের হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮ ধারার শুরুতে ” Notwithstanding anything contained in” শব্দগুলোর অনুপস্থিতি প্রমাণ করে উক্ত ধারায় কোনো “Non-obstante clause” নেই। তাই ১৩৮ ধারার অপরাধের কারণে বাদী শুধুমাত্র হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের অধীনেই মামলা করতে পারবে-এই কথাটা ঠিক নয়। দণ্ডবিধি ৪০৬/৪২০ ধারার অধীনে আসামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রেও বাদীর কোন বাধা নেই।

নুরুল ইসলাম বনাম রাষ্ট্র এবং অন্যান্য [49 DLR(HCD) 464] মামলায় উপরোক্ত বিষয়ে আলোচনা করে হাইকোর্ট বিভাগ মতামত দেন যে, বাদীপক্ষ ১৮৬০ সালের দন্ডবিধির ৪২০ ধারায় আসামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে পারবে।
১,১৩৪.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ সালের কত নং আইন?
  1. ৯ নং
  2. ১১ নং
  3. ১৩ নং
  4. ১৫ নং
ব্যাখ্যা

⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ স্পষ্টভাবে এর প্রারম্ভিক বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে যে এটি ২০০২ সনের ১১ নং আইন। এই আইনটি ১০ এপ্রিল, ২০০২ তারিখে কার্যকর হয় এবং আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কতিপয় অপরাধের দ্রুত বিচারের উদ্দেশ্যে প্রণীত হয়েছে। আইনের সংক্ষিপ্ত শিরোনামা ও প্রবর্তন সংক্রান্ত ধারা ১(১)-এ এটি সুস্পষ্টভাবে বলা আছে।

অর্থাৎ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ হলো ১১ নং আইন, যা সঠিক উত্তর।

১,১৩৫.
"Advocate" সংজ্ঞাটি The General Clauses Act, 1897 এর কত ধারায় সংজ্ঞায়িত হয়েছে?
  1. ধারা ৩(১ক)
  2. ধারা ৩(২ক)
  3. ধারা ৩(কক)
  4. ধারা ৩(৪ক)
ব্যাখ্যা
ধারা ৩(২ক): (The General Clauses Act, 1897)
"অ্যাডভোকেট" অর্থ এমন ব্যক্তি, যিনি বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২-এর অধীন অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত (enrolled) হয়েছেন।
"Advocate" means a person enrolled as such under the Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972.
১,১৩৬.
মুসলিম আইনে 'মুশাহ' অর্থ-
  1. দান
  2. অগ্রক্রয়
  3. অবিভক্ত অংশ
  4. বিক্রয়
ব্যাখ্যা
মুশাহর ( Musha) অর্থ হলো কোনো সম্পত্তিতে অবিভাজ্য বা অবিভক্ত অংশ।

কোন একটা সম্পত্তির কোন অংশ যদি হেবা করা হয় সেটা যদি বিভক্ত করার যোগ্য হয়, তাহলে যতক্ষণ পর্যন্ত না সেটা বিভক্ত করা হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত দান বৈধ হবে না। তবে ইসলামে অবিভাজ্য প্রকৃতির সম্পত্তি দান করা সম্পূর্ণ বৈধ। The gift of indivisible thing is absolutely valid in Muslim law. মুসলিম ল তে মুশাহ্ অবিভাজ্য প্রকৃতির সম্পত্তিকে নির্দেশ করে।
১,১৩৭.
What is the primary nature of marriage under Hindu law?
  1. A civil contract
  2. A temporary union
  3. A social agreement
  4. A sacred sacrament
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু আইন ও ঐতিহ্য অনুসারে, বিবাহকে প্রধানত একটি ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক বন্ধন হিসেবে গণ্য করা হয়, কোনো সাধারণ দেওয়ানী চুক্তি নয়। নিচের দিকগুলি লক্ষণীয়:
১. ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান:
হিন্দু বিবাহে সপ্তপদী (সাত পাক), হোমযজ্ঞ, মন্ত্রোচ্চারণ ইত্যাদি ধর্মীয় রীতির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এটি শুধু আইনি নিবন্ধন নয়, বরং একটি পবিত্র ধর্মীয় কর্তব্য (ধর্ম)।
২. জন্মজন্মান্তরের বন্ধন:
হিন্দু বিশ্বাস অনুযায়ী, বিবাহের বন্ধন শুধু এই জন্মের জন্য সীমিত নয়, বরং এটি পূর্বজন্ম ও পরজন্মেও বিস্তৃত। এজন্যই একে "অবিচ্ছেদ্য" বলা হয়।
৩. কর্তব্য ও ধর্মের অংশ:
হিন্দু শাস্ত্রে বিবাহকে একটি ধর্মীয় কর্তব্য হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, বিশেষ করে গ্রিহস্থাশ্রম (গৃহস্থ জীবন) পালনের জন্য। এটি পারিবারিক ও সামাজিক দায়িত্ব পূরণের পথ।
৪. চুক্তি নয়:
অন্যান্য কিছু ব্যক্তিগত আইন (যেমন মুসলিম আইনে বিবাহ একটি দেওয়ানী চুক্তি) এর বিপরীতে, হিন্দু বিবাহ চুক্তির বৈশিষ্ট্য বহন করে না। তাই এটি ক) দেওয়ানী চুক্তি সঠিক উত্তর হতে পারে না।
৫. তালাকের অনুপস্থিতি:
ঐতিহ্যগত হিন্দু আইনে তালাকের কোনও স্থান নেই, যা প্রমাণ করে এটি কোনো অস্থায়ী বা সামাজিক চুক্তি নয়। বাংলাদেশে হিন্দু বিবাহ এখনো আইনত অবিচ্ছেদ্য হিসেবে স্বীকৃত।

অর্থাৎ হিন্দু বিবাহের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর পবিত্র, ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক প্রকৃতি, যা একে "পবিত্র বন্ধন" বা Sacrament করে তোলে। এজনই সঠিক উত্তর ঘ) A sacred sacrament।

১,১৩৮.
সালিশী কাউন্সিলের অনুমতি না নিয়ে দ্বিতীয় বিবাহ করায় একজন মুসলিম 'ক' কোন শাস্তির মুখোমুখি হতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণ
  2. অনধিক ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. অনধিক ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. অনধিক ২ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর ৬ ধারা: বহুবিবাহ:
১) কোন ব্যক্তির বিবাহ বলবৎ থাকা অবস্থায় সে সালিশী কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে না বা ঐরূপ অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ অনুষ্ঠিত হলে তা The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর অধীনে রেজিস্ট্রিকৃত হবে না।

২) অনুমতির দরখাস্ত নির্ধারিত ফি সহ চেয়ারম্যানের নিকট দাখিল করতে হবে ও তাতে প্রস্তাবিত বিবাহের কারণসমূহ এবং এই বিবাহের ব্যাপারে বর্তমানে স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের সম্মতি নেয়া হয়েছে কিনা তার উল্লেখ থাকতে হবে।

৩) দরখাস্ত গ্রহণ করার পর চেয়ারম্যান আবেদনকারীকে ও বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের প্রত্যেককে একজন করে প্রতিনিধি মনোনীত করতে বলবেন। উক্তরূপে গঠিত সালিশি কাউন্সিল প্রস্তাবিত বিবাহ প্রয়োজনীয় ও ন্যায়সঙ্গত বলে মনে করলে সেক্ষেত্রে প্রার্থিত আবেদন মঞ্জুর করতে পারবেন।

৪) উক্ত দরখাস্তে বিবেচনা করার সময় সালিশি কাউন্সিল নিষ্পত্তির কারণাদি লিপিবদ্ধ করবেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যে কোন পক্ষ নির্দিষ্ট ফি প্রদানক্রমে সহকারী জজের নিকট পুনর্বিবেচনার (Revision) জন্য দরখাস্ত দাখিল করতে পারে; তার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে ও কোন আদালতে এই সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।

৫) কোন লোক যদি সালিশী কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় তবে সে-
ক) বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রী গণের তলবী ও স্থগিত দেনমোহরের সম্পূর্ণ টাকা তৎক্ষণাৎ পরিশোধ করতে হবে। উক্ত টাকা উক্তরুপে পরিশোধ না করা হলে বকেয়া ভূমি রাজস্বরূপে আদায়যোগ্য হবে: এবং
খ) অভিযোগে অপরাধী সাব্যস্ত হলে এর শান্তি- অনধিক ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
১,১৩৯.
রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনো প্রশ্ন উত্থাপনের নির্ধারিত পদ্ধতি কী?
  1. আদালতে সরাসরি মামলা দায়ের
  2. সুপ্রিম কোর্টে আবেদন
  3. নির্ধারিত নির্বাচন সংক্রান্ত দরখাস্ত
  4. সংসদে প্রশ্ন উত্থাপন
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১২৫- নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা:
এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও-
(ক) এই সংবিধানের ১২৪ অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বা প্রণীত বলিয়া বিবেচিত নির্বাচনী এলাকার সীমা নির্ধারণ, কিংবা অনুরূপ নির্বাচনী এলাকার জন্য আসন-বণ্টন সম্পর্কিত যে কোন আইনের বৈধতা সম্পর্কে আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না;

(খ) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কোন আইনের দ্বারা বা অধীন বিধান-অনুযায়ী কর্তৃপক্ষের নিকট এবং অনুরূপভাবে নির্ধারিত প্রণালীতে নির্বাচনী দরখাস্ত ব্যতীত রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন বা সংসদের কোন নির্বাচন সম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।

(গ) কোন আদালত, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হইয়াছে এইরূপ কোন নির্বাচনের বিষয়ে, নির্বাচন কমিশনকে যুক্তিসংগত নোটিশ ও শুনানির সুযোগ প্রদান না করিয়া, অন্তর্বর্তী বা অন্য কোনরূপে কোন আদেশ বা নির্দেশ প্রদান করিবেন না।
১,১৪০.
The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ২১ অনুযায়ী “আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা” কী অন্তর্ভুক্ত করে?
  1. শুধু বাতিল করার ক্ষমতা
  2. শুধু সংশোধনের ক্ষমতা
  3. শুধুমাত্র সংসদীয় আইন প্রণয়নের ক্ষমতা
  4. প্রণয়ন, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের সকল ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

The General Clauses Act, 1897 এর ২১ ধারার বিধান: আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
যেক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-বিধি জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত ক্ষমতা একইভাবে প্রয়োগযোগ্য এবং অনুরূপ অনুমোদন ও শর্তাবলি (যদি থাকে), জারীকৃত কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-আইনের সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা তা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে।

১,১৪১.
"আল-হেদায়া" (Al-Hedayah) গ্রন্থের লেখক কে?
  1. ইমাম মালিক
  2. ইমাম আবু হানিফা
  3. ইবনে রুশদ
  4. বুরহান আল-দীন
ব্যাখ্যা
আল-হেদায়া: হলো বুরহান আল-দীন কর্তৃক লিখিত দ্বাদশ শতাব্দীর আইনি ম্যানুয়াল, যা হানাফি আইনশাস্ত্রের (ফিকহ) অন্যতম প্রভাবশালী গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত হয়।

ফিকাহ্ শাস্ত্রের জগতে, বিশেষতঃ হানাফি ফিকাহ্র পরিমণ্ডলে আল-হিদায়া একটি মৌলিক ও বুনিয়াদি গ্রন্থ।
এক কথায় এ মহাগ্রন্থকে হানাফী ফিকাহ্ শাস্ত্রের বিশ্বকোষ বলা যায়। বস্তুতঃ সুদীর্ঘ অষ্টম শতাব্দী পর্যন্ত অব্যাহতভাবে এ মহাগ্রন্থ ইসলামী ফিকাহ্ শাস্ত্রের হানাফী মাজহাবের প্রতিনিধিত্ব করে আসছে। এমন কি পাক-ভারত উপমহাদেশের ঔপনিবেশিক শাসনকালেও বিচার বিভাগে আল-হিদায়াকে সিদ্ধান্তমূলক গ্রন্থের মর্যাদা প্রদান করা হয়েছে।
পৃথিবীর বহু প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ে আল-হিদায়ার ইংরেজি অনুবাদ অতি গুরুত্বের সাথে পড়ানো হয়ে থাকে। এ গ্রন্থ প্রকাশিত হবার পর থেকে আজ পর্যন্ত ফিকাহ্ শাস্ত্রের বিদ্যাঙ্গনে আল-হিদায়া আবশ্য-পাঠ্য গ্রন্থের অন্তর্ভূক্ত রয়েছে।
এ মহাগ্রন্থকে কেন্দ্র করে ফিকাহ্ শাস্ত্রের উপর এ পর্যন্ত যত গবেষণা কর্ম সম্পন্ন হয়েছে এবং যত ব্যাখ্যা, ভাষ্য, টীকা ও পর্যালোচনা গ্রন্থ রচিত হয়েছে তা অন্য কোন ফিকাহ্ গ্রন্থের ক্ষেত্রে হয় নি। 
 এই সুবিশাল গ্রন্থ বর্তমানে যদিও বিলুপ্ত কিন্তু তাঁর সম-সাময়িক যুগশ্রেষ্ঠ ফকীহগণ অতি উচ্ছ্বাসিত ভাষায় এর আশি খণ্ডের এই সুবিশাল গ্রন্থের মহাসমুদ্রের নির্যাস নিয়ে সঙ্কখিপ্ত কলেবরে চার খণ্ডের এ গ্রন্থখানি সঙ্কলিত করেছেন যা সর্বমোট ২১২৬ পৃষ্ঠায় সমাপ্ত।
১,১৪২.
কোন উদ্দেশ্যে সম্পত্তি হস্তান্তর করলে ১৪, ১৬ ও ১৭ ধারার বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হয় না?
  1. পারিবারিক সম্পত্তি ভাগ করার জন্য
  2. সম্পত্তি বিক্রির মাধ্যমে লাভ অর্জনের জন্য
  3. ধর্ম, জ্ঞান, স্বাস্থ্য, বা মানব জাতির কল্যাণে
  4. ব্যক্তিগত ব্যবসার সম্প্রসারণের জন্য
ব্যাখ্যা
ধারা ১৮: জনসাধারণের কল্যাণে চিরন্তন হস্তান্তর-
ধর্ম, জ্ঞান, বাণিজ্য, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা বা মানব জাতির কল্যাণকর কাজের অগ্রগতির জন্য জনস্বার্থে কোন সম্পত্তি হস্তান্তর করলে ১৪, ১৬ ও ১৭ ধারার বিধি- নিষেধ প্রযোজ্য হবে না।
 
Section 18: Transfer in perpetuity for benefit of public-
The restrictions in sections 14, 16 and 17 shall not apply in the case of a transfer of property for the benefit of the public in the advancement of religion, knowledge, commerce, health, safety, or any other object beneficial to mankind.
১,১৪৩.
“The General Clauses Act” কবে প্রণীত হয়?
  1. ১৯৪৭ সালে
  2. ১৮৯৭ সালে
  3. ১৮৭৯ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ১৮৯৭ সালে
⇒ The General Clauses Act, 1897 হল একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যামূলক আইন (interpretation law), যা বিভিন্ন আইন, অধ্যাদেশ, বিধিমালা ও নির্দেশনার ব্যাখ্যা ও প্রয়োগে সহায়তা করে।
- এই আইনটি ১১ই মার্চ, ১৮৯৭ তারিখে প্রণীত হয় এবং কার্যকর হয় ১১ই মার্চ, ১৮৯৮ তারিখ থেকে।
- এটি ব্রিটিশ ভারতীয় শাসনামলে গৃহীত হয়েছিল, এবং ভারত ও বাংলাদেশে এই আইন এখনও প্রযোজ্য।
- আইনটির মূল উদ্দেশ্য হলো: একাধিক আইন ও নথিপত্রে ব্যবহৃত সাধারণ শব্দ ও অভিব্যক্তির একটি অভিন্ন সংজ্ঞা প্রদান করা।
১,১৪৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণের বিধান করেছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৯
  2. অনুচ্ছেদ ১৮(২)
  3. অনুচ্ছেদ ১৮ক
  4. অনুচ্ছেদ ১৮(১)
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৮ক: পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন

রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব-বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণির সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করিবেন।

Article 18A: Protection and improvement of environment and biodiversity
The State shall endeavour to protect and improve the environment and to preserve and safeguard the natural resources, bio-diversity, wetlands, forests and wild life for the present and future citizens.
১,১৪৫.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪২ ধারার বিধান অনুসারে, কখন থেকে বকেয়া খাজনা আদায়ের তামাদি গণনা শুরু হয়?
  1. যে বছরের খাজনা বকেয়া সেই বছরের প্রথম দিন থেকে
  2. যে বছরের খাজনা বকেয়া সেই বছরের শেষ দিন থেকে
  3. খাজনা পরিশোধের নির্ধারিত তারিখ থেকে
  4. যে বছরের খাজনা বকেয়া তার পরবর্তী বছরের প্রথম দিন থেকে
ব্যাখ্যা

The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪২ ধারার বিধান: তামাদি:
যে বছরের খাজনা বকেয়া পড়ে সেই বকেয়া খাজনা আদায়ের জন্য তামাদি মেয়াদ সেই বছরের শেষ দিন হতে তিন বছর হবে।

Section 142. Limitation:
The period of limitation for the recovery of an arrear of rent shall be three years running from the last day of the year in which the arrear fell due.

১,১৪৬.
ফৌজদারী আইন সংশোধন আইন, ১৯৫৮-এর তফসিলে অন্তর্ভুক্ত অপরাধের মধ্যে নেই কোনটি?
  1. দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের অপরাধ
  2. মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের অপরাধ
  3. দণ্ডবিধির ধারা ১৬১-১৬৯ এর অপরাধ
  4. দণ্ডবিধির ধারা ৩০২  এর অপরাধ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী আইন সংশোধন আইন, ১৯৫৮-এর তফসিল: বিচার্য অপরাধ:
- এই আইনের অধীনে বিচার্য অপরাধগুলো হলো:
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০২-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- দণ্ডবিধির ধারা ১৬১-১৬৯, ২১৭, ২১৮, ৪০৮, ৪০৯ এবং ৪৭৭এ-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- দণ্ডবিধির ধারা ১০৯ (সাহায্য), ১২০বি (ষড়যন্ত্র) এবং ৫১১ (চেষ্টা) এর অধীনে উপরোক্ত অপরাধের সঙ্গে সম্পর্কিত অপরাধ।
তবে দণ্ডবিধির ধারা ৩০২ যা "খুন" এর অপরাধ হিসেবে পরিচিত, তা এই তফসিলে অন্তর্ভুক্ত নয়। ধারা ৩০২ সাধারণ ফৌজদারী আদালতে বিচার্য হয়, স্পেশাল জজের এখতিয়ারভুক্ত অপরাধ নয়।
অর্থাৎ দণ্ডবিধির ধারা ৩০২ (হত্যার অপরাধ) এই তফসিলে অন্তর্ভুক্ত নয়।


১,১৪৭.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ অনুসারে কখন বিয়ে নিবন্ধন করা যাবে না?
  1. বিবাহের পক্ষগণ যদি মানসিকভাবে অসুস্থ হয়
  2. বর ও কনে উভয়ের বয়স ১৮ বছরের কম হলে
  3. বর ও কনের বয়স যথাক্রমে ২১ ও ১৮ বছরের কম হলে
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫- হিন্দু বিবাহ নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বিধি-নিষেধ

অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ২১ (একুশ) বৎসরের কম বয়স্ক কোন হিন্দু পুরুষ বা ১৮ (আঠার) বৎসরের কম বয়স্ক কোন হিন্দু নারী বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হইলে উহা এই আইনের অধীন নিবন্ধনযোগ্য হইবে না।
১,১৪৮.
Land Survey Tribunal চূড়ান্ত শুনানির জন্য নির্ধারিত তারিখ থেকে কত দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে হবে?
  1. ৬০
  2. ৯০
  3. ১২০
  4. ১৮০
ব্যাখ্যা
- The State Acquisition and Tenancy Act 1950 এর ধারার ১৪৫ক  উপধারা (৭ক) এর বিধান চূড়ান্ত শুনানির জন্য নির্ধারিত তারিখ থেকে ১৮০ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে হবে।
-------------
- (7) A suit may be admitted within next one year after the expiry of the period specified in sub-section (6), if the Land Survey Tribunal is satisfied with the reasons for delay shown by the plaintiff.

- (7A) The Land Survey Tribunal shall conclude the trail of a suit within 180 (one hundred and eighty) days from the date fixed for its final hearing.
১,১৪৯.
মুসলিম আইনে কোন প্রকার শারীরিক সম্পর্ক ছাড়া তালাকের মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ হলে স্ত্রী-
  1. যদি দেনমোহর অনির্ধারিত থাকে তাহলে উপযুক্ত দেনমোহর
  2. সমস্ত নির্ধারিত দেনমোহর পাবে
  3. কোন দেনমোহর পাবে না
  4. নির্ধারিত দেনমোহরের অর্ধেক পাবে
ব্যাখ্যা
- বিবাহ যদি শারীরিক সম্পর্কের কারণে আইনসিদ্ধ না হয় এবং পক্ষদ্বয়ের কার্য দ্বারা বিচ্ছেদ ঘটে:
- নিয়মিত বা বৈধ বিবাহের ক্ষেত্রে:
ক. যখন স্বামী কর্তৃক তালাকপ্রাপ্ত হয় - নির্দিষ্ট দেনমোহরের অর্ধেক (১/২) অংশ পাবে।
খ. যখন স্ত্রী কর্তৃক তালাকপ্রাপ্ত হয় - কোন দেনমোহর পাবে না।
১,১৫০.
অবৈধ অস্ত্র দখলে রাখার অপরাধ কোন আদালত বা ট্রাইবুনালের বিচার্য?
  1. আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল
  2. দায়রা জজ আদালত
  3. দ্রুত বিচার ট্রাইবুনাল
  4. স্পেশাল ট্রাইবুনাল
ব্যাখ্যা
• অবৈধ অস্ত্র দখলে রাখার বিচার ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯(ক) ধারা অনুযায়ী হয়, যা বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ এর আওতাধীন। বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ অনুযায়ী এই আইনে উল্লেখিত ও এই আইনের সিডিউলে উল্লেখিত অপরাধসমূহের বিচার এই আইনের অধীনে প্রতিষ্ঠিত বিশেষ ট্রাইবুনালে অনুষ্ঠিত হবে।

• ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৬ (২) ধারা অনুসারে গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল এই আইনের তফসিলে উল্লেখিত নির্দিষ্ট অপরাধসমূহের বিচার করতে পারবে। বিশেষ ট্রাইব্যুনাল তফসিলে উল্লেখিত নিম্নলিখিত অপরাধসমূহের বা নিম্নলিখিত আইনে উল্লেখিত অপরাধসমূহের বিচার করতে পারবে-

১. ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীন বর্ণিত অপরাধসমূহ;
২. the Arms Act, 1878 (XI of 1878) এর অধীন অপরাধসমূহ;
৩. the Explosive Substances Act, 1908 (VI of 1908) এর অধীন অপরাধসমূহ;
৪. the Emergency Powers Act, 1975 এর অধীন অপরাধসমূহ;
৫. ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৫ [Formalin Control Act, 2015] এর অধীন অপরাধসমূহ;
৬. Any attempt or conspiracy to commit, or any abetment of, or any preparation for commission of, any of the above offences.

অর্থাৎ অবৈধ অস্ত্র দখলে রাখার অপরাধ স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের বিচার্য বিষয়।
১,১৫১.
আউল নীতি ইসলামী আইনে কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. কুরআনের মাধ্যমে
  2. হাদীসের মাধ্যমে
  3. ইজমার মাধ্যমে
  4. কিয়াসের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
আউল নীতি:
‘আউল’ শব্দের আভিধানিক অর্থ হচ্ছে ‘বৃদ্ধি হওয়া’। শরীয়তের নিয়মানুযায়ী, যাবিল ফুরুজ বা অংশীদারদের অংশ প্রদানের পর তাদের অংশাবলীর যোগফল যদি মূল সম্পদ হতে বেড়ে যায় বা ১ এর চেয়ে বেশি হয়, তাহলে যে নিয়মে তা সমাধান করা হয়, সেটাই আউল। কুরআনে অংশীদারদের যে তালিকা রয়েছে, তাদের বিভিন্ন বিন্যাস ও সমাবেশে কখনো কখনো তা ১ এর চেয়ে বেশি হওয়া গাণিতিকভাবে এবং অনুপাতভিত্তিক বন্টনে একটি স্বাভাবিক ঘটনা হলেও, এ বিন্যাস খুব সহজলভ্য নয়। তাই হাদীসে এর কোনো উদাহরণ নেই, তবে চার খলিফার আমলে এটি আলোচিত হয় এবং পরবর্তীতে শরীয়তের তৃতীয় উৎস ইজমার মাধ্যমে ইসলামী আইন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
অর্থাৎ, 
- আউল নীতি ইসলামী আইনশাস্ত্রে ইজমার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। ইজমা হলো ইসলামী ঐকমত্য বা আলেমদের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত, যা শর্ত পূর্ণ হলে শরীয়তের তৃতীয় উৎস হিসেবে কাজ করে।
- যদিও কুরআন এবং হাদীসে আউল নীতির সরাসরি উল্লেখ নেই, তবে ইসলামী ঐকমত্য বা ইজমা দ্বারা চার খলিফার আমলে এই নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে এটি ইসলামী সম্পত্তি বণ্টন আইন হিসেবে স্বীকৃত হয়। ইজমা দ্বারা এই নীতি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কারণ হলো, এটি তখনকার সময়ের আলেমদের মধ্যে একটি ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত ছিল, যা শরীয়তের প্রাকৃতিক বা গাণিতিক জটিলতা কাটানোর জন্য গৃহীত হয়েছিল।
১,১৫২.
সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা কার নামে গৃহীত হয়েছে বলে প্রকাশ করা হয়?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. স্পীকার
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. মন্ত্রিসভা
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৫(৪) অনুযায়ী, সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হয়েছে বলে প্রকাশ করা হবে।
→ যদিও সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৫(২) অনুযায়ী, নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রয়োগ করা হয়, তবে আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রপতির নামেই সরকারি নির্বাহী আদেশ ও কার্যক্রম প্রকাশ করা হয়।
- এটি মূলত একটি সাংবিধানিক আনুষ্ঠানিকতা, কারণ বাস্তবে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা সরকার পরিচালনা করে। তবে, রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন রাষ্ট্রের প্রধান, তাই সকল নির্বাহী আদেশ তার নামেই প্রকাশিত হয়।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৫ অনুচ্ছেদ- মন্ত্রিসভা:
(১) প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী লইয়া এই মন্ত্রিসভা গঠিত হইবে। 
(২) প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁহার কর্তত্বে এই সংবিধান-অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হইবে। 
(৩) মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকিবেন। 
(৪) সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হইয়াছে বলিয়া প্রকাশ করা হইবে। 
(৫) রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশসমূহ ও অন্যান্য চুক্তিপত্র কিরূপে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত হইবে, রাষ্ট্রপতি তাহা বিধিসমূহ-দ্বারা নির্ধারণ করিবেন এবং অনুরূপভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত কোন আদেশ বা চুক্তিপত্র যথাযথভাবে প্রণীত বা সম্পাদিত হয় নাই বলিয়া তাহার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না। 
(৬) রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিবেন।
১,১৫৩.
মুসলিম আইনে বিবাহ কী ধরনের চুক্তি?
  1. ধর্মীয় চুক্তি
  2. সামাজিক চুক্তি
  3. দেওয়ানি চুক্তি
  4. ফৌজদারি চুক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম আইনে বিবাহকে একটি দেওয়ানি চুক্তি (Civil Contract) হিসেবে গণ্য করা হয়, যদিও এতে ধর্মীয় ও সামাজিক দিকও জড়িত।
নিচে এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
১. দেওয়ানি চুক্তির বৈশিষ্ট্য:
- দুই পক্ষের সম্মতি: যেমন—প্রস্তাব (ইজাব) ও গ্রহণ (কবুল)।
- শর্ত পূরণ: বয়স, সাক্ষী, দেনমোহর ইত্যাদি।
- আইনগত ফলাফল: স্বামী-স্ত্রীর অধিকার ও দায়িত্ব সৃষ্টি (যেমন—ভরণপোষণ, উত্তরাধিকার)।
২. ধর্মীয় ও সামাজিক দিক:
- যদিও এটি ইসলামী রীতিনীতি মেনে সম্পাদিত হয়, তবুও এর আইনগত কাঠামো দেওয়ানি চুক্তির মতো।
- কোরআন ও হাদিসে বিবাহের শর্তাবলি উল্লেখ থাকলেও এটি রাষ্ট্রীয় আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত (যেমন: মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১)।

অর্থাৎ মুসলিম আইনে বিয়ে একটি দেওয়ানি চুক্তি, যেখানে দু’টি পক্ষ সম্মতি দিয়ে বিয়ের প্রস্তাব ও গ্রহণ করে।
১,১৫৪.
পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩ অনুযায়ী পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ না করার সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত ?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩:
- সন্তান কর্তৃক পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩ প্রণয়ন করা হয়।
- এই আইনের ৩ ধারায় প্রত্যেক সন্তানকে তার পিতা-মাতার ভরণ পোষণ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
- ৪ ধারা অনুযায়ী প্রত্যেক সন্তান তার পিতার অবর্তমানে দাদা-দাদীকে; এবং মাতার অবর্তমানে নানা-নানীকে ধারা ৩ এ বর্ণিত ভরণ-পোষণ প্রদানে বাধ্য থাকবে এবং এই ভরণ পোষণ পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ হিসাবে গণ্য হবে।

- পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, এর ৫ ধারা অনুযায়ী পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ না করার দণ্ড:
- কোন সন্তান কর্তৃক ধারা ৩ এর যে কোন উপ-ধারার বিধান কিংবা ধারা ৪ এর বিধান লংঘন অপরাধ বলে গণ্য হবে এবং
- উক্ত অপরাধের জন্য অনূর্ধ্ব ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে; বা
- উক্ত অর্থদণ্ড অনাদায়ের ক্ষেত্রে অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) মাস কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
১,১৫৫.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী নিচের কোন ক্ষেত্রে বৈপিত্রেয় ভাই-বোনরা উত্তরাধিকার পাবে না?
  1. মৃত ব্যক্তির পুত্র থাকলে
  2. মৃত ব্যক্তির পিতা থাকলে
  3. মৃত ব্যক্তির পিতামহ থাকলে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবগুলো।
⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী, বৈপিত্রেয় ভাই-বোনরা (একই মায়ের কিন্তু ভিন্ন পিতার সন্তান) তখনই উত্তরাধিকার পান যখন মৃত ব্যক্তি ‘কালালা’ হন, অর্থাৎ তার কোনো পিতা, পিতামহ, পুত্র বা পৌত্র না থাকে। যদি মৃত ব্যক্তির পুত্র, পিতা বা পিতামহ থাকে, তবে বৈপিত্রেয় ভাই-বোনরা উত্তরাধিকার পাবেন না। 
- সুতরাং, উপরের সবগুলো ক্ষেত্রে তারা উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন।

অর্থাৎ মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী বৈপিত্রেয় ভাই-বোনরা তখনই উত্তরাধিকার পায় যখন মৃত ব্যক্তি কালালা হয় (অর্থাৎ কোনো পিতা, মাতা, পুত্র বা পৌত্র না থাকে)। পিতা, পুত্র বা পিতামহ থাকলে তারা পাবে না।

১,১৫৬.
মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপ-মন্ত্রীদের মধ্যে কত শতাংশ সংসদ-সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ করতে হবে?
  1. অন্যূন এক-দশমাংশ
  2. অন্যূন নয়-দশমাংশ
  3. অনধিক নয়-দশমাংশ
  4. অনধিক এক-দশমাংশ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ- ৫৬ মন্ত্রিগণ:
(১) একজন প্রধানমন্ত্রী থাকিবেন এবং প্রধানমন্ত্রী যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী থাকিবেন। 

(২) প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, তাঁহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হইতে নিযুক্ত হইবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে মনোনীত হইতে পারিবেন। 

(৩) যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন। 

(৪) সংসদ ভাংগিয়া যাওয়া এবং সংসদ-সদস্যদের অব্যবহিত পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্যবর্তীকালে এই অনুচ্ছেদের (২) বা (৩) দফার অধীন নিয়োগ দানের প্রয়োজন দেখা দিলে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার অব্যবহিত পূর্বে যাঁহারা সংসদ-সদস্য ছিলেন, এই দফার উদ্দেশ্যসাধনকল্পে তাঁহারা সদস্যরূপে বহাল রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।
১,১৫৭.
১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন অনুযায়ী, স্বামী একাধারে কয় বছর স্ত্রীকে ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে স্ত্রী বিবাহ-বিচ্ছেদের আবেদন করতে পারবে?
  1. ৪ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৭ বছর
ব্যাখ্যা
• ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী যেসব কারণে আদালতে তালাক চাইতে পারেন সেগুলো হলো-

⇒ চার বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে;
দুই বছর স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে;
⇒ স্বামীর সাত বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি কারাদণ্ড হলে;
⇒ স্বামী কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া তিন বছর যাবত দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
⇒ বিয়ের সময় পুরষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা দায়ের করা পর্যন্ত বহাল থাকে;
⇒ স্বামী দুই বছর ধরে অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে অথবা কুষ্ঠরোগে বা মারাত্মক যৌন ব্যধিতে আক্রান্ত থাকলে;

⇒ বিয়ে অস্বীকার করলে। অর্থাৎ যদি কোনো মেয়ের বাবা বা অভিভাবক মেয়েকে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে বিয়ে দেন এবং সেই মেয়েটি ১৯ বছর হওয়ার আগে বিয়ে অস্বীকার করে বিয়ে ভেঙে দিতে পারে। তবে শর্ত হলো, মেয়েটির সঙ্গে স্বামীর দাম্পত্য সম্পর্ক (সহবাস) যদি স্থাপিত না হয়ে থাকে তখনই কেবল বিয়ে অস্বীকার করে আদালতে বিচ্ছেদের ডিক্রি চাওয়া যাবে;

⇒ স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লঙ্ঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে;

⇒ স্বামীর নিষ্ঠুরতার কারণে। নিম্নলিখিত আচরণগুলো ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসেবে গণ্য হবে-

(ক) অভ্যাসগত আচরণে স্ত্রীকে আঘাত করা (দৈহিক আঘাত ছাড়াও মানসিক আঘাতও এর অন্তর্ভুক্ত, যা তার জীবন শোচনীয় বা দুর্বিষহ করে তুলেছে);
(খ) অন্য কোনো খারাপ নারীর সঙ্গে জীবনযাপন বা মেলামেশা;
(গ) স্ত্রীকে অনৈতিক জীবনযাপনে বাধ্য করা;
(ঘ) স্ত্রীর সম্পত্তি নষ্ট করা;
(ঙ) স্ত্রীকে নিজস্ব ধর্মপালনে বাধা দেয়া;
(চ) যদি স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকে, তাদের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের নির্দেশ অনুসারে সমান ব্যবহার না করা;
(ছ) এছাড়া মুসলিম আইনে বিয়েবিচ্ছেদের জন্য বৈধ বলে স্বীকৃত অন্য যে কোনো কারণে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের দাবি করতে পারবে।
১,১৫৮.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কত ধারায় বন্ধকী-অর্থের জন্য বন্ধগ্রহীতার মামলা করার অধিকার দেওয়া হয়েছে?
  1. ৬৭ক ধারায়
  2. ৬৫ক ধারায়
  3. ৬৮ ধারায়
  4. ৬৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৬৮- বন্ধকী-অর্থের জন্য মামলা করার অধিকার:

এই ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্রে বন্ধকী-অর্থের জন্য বন্ধগ্রহীতার মামলা করার অধিকার দেওয়া হয়েছে। ৬৭ ধারায় প্রদত্ত Foreclosure বা বিক্রয়ের প্রতিকার ছাড়াও ৬৮ ধারায় বন্ধকগ্রহীতাকে বন্ধকী-অর্থ আদায়ের জন্য ম্যানি স্যুট করার অধিকার দেওয়া হয়েছে। নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে বন্ধকী অর্থ আদায়ের জন্য অর্থ-মামলা দায়ের করতে পারবে-

ক) যেক্ষেত্রে বন্ধকদাতা বন্ধকী-অর্থ পরিশোধে ব্যক্তিভাবে নিজেকে বাধিত করেছে। যেমন সাধারণ বন্ধক বা ইংলিশ বন্ধকের ক্ষেত্রে;
খ) যেক্ষেত্রে বন্ধকদাতা বা বন্ধকগ্রহীতার কোন পক্ষের ব্যর্থতা ছাড়াই, বন্ধকী সম্পত্তি সম্পূর্ণ বা আংশিক ধ্বংস হয়ে গেছে বা জামানত হ্রাস করেছে;
গ) যেক্ষেত্রে বন্ধকদাতার ব্যর্থতার কারণে বন্ধকগ্রহীতা তার সম্পূর্ণ বা আংশিক বন্ধকী জামানত হতে বঞ্চিত হয়েছে;
ঘ) যেক্ষেত্রে বৃদ্ধবন্দ্রহীতা বন্ধকী সম্পত্তির দখল গ্রহণের অধিকারী কিন্তু বন্ধকদাতা দখল অর্পণে বর্ষ হয়েছে ৬৮(ঘ) ধারা খাইখালাসী বন্ধকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
১,১৫৯.
Under Section 34A of The Special Powers Act, 1974, what are the permitted methods for executing a death sentence?
  1. Hanging only
  2. Shooting only
  3. Lethal injection only
  4. Hanging or shooting
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974: Section 34A: Execution of death sentences:
When a person is sentenced to death under this Act, the sentence may be executed by hanging him by the neck till he is dead or by shooting him in the prescribed manner till he is dead as the Special Tribunal may direct.

ধারা ৩৪ক – মৃত্যুদণ্ড কার্যকর:
“যখন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল এই আইনের অধীনে কারো মৃত্যুদণ্ড রায় প্রদান করে, তখন সে ট্রাইব্যুনাল নির্দেশ করলে সেই ব্যক্তি নিম্নলিখিত যেকোন পদ্ধতিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যাবে—
১. ঘাড়ে ফাঁসি দিয়ে, যতক্ষণ না সে মারা যাবে, অথবা
২. নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী গুলি করে, যতক্ষণ না সে মারা যায়।”
১,১৬০.
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর অধীন মামলা নিষ্পত্তির সর্বোচ্চ সময়সীমা কতদিন?
  1. ১২০ দিন
  2. ২৮০ দিন
  3. ৩৬০ দিন
  4. ২৭০ দিন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫১- মামলা নিষ্পত্তির জন্য নির্ধারিত সময়সীমা

(১) ট্রাইব্যুনালের বিচারক এই আইনের অধীন কোনো মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) কার্য দিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করিবেন।

(২) ট্রাইব্যুনালের বিচারক উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত সময়সীমা সর্বোচ্চ ৯০ (নব্বই) কার্য দিবস বৃদ্ধি করিতে পারিবেন।

(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের বিচারক কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া বিষয়টি প্রতিবেদন আকারে হাইকোর্ট বিভাগকে অবহিত করিয়া মামলার কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রাখিতে পারিবেন।

অর্থাৎ মামলা নিষ্পত্তির সর্বোচ্চ সময়সীমা হবে মূল সময় ১৮০ দিন + বৃদ্ধিকৃত সময় ৯০দিন= মোট ২৭০ দিন।
১,১৬১.
কোন বিচারকের অসদাচরণ সম্পর্কে তদন্ত ও প্রমাণের পদ্ধতি কে নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সংসদ
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের বিধান: বিচারকদের পদের মেয়াদ:
 
(১) এই অনুচ্ছেদের অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে কোন বিচারক সাতষট্টি বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।
 
(২) প্রমাণিত অসদাচরণ বা অসামর্থ্যের কারণে সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতার দ্বারা সমর্থিত সংসদের প্রস্তাবক্রমে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ ব্যতীত কোন বিচারককে অপসারিত করা যাইবে না।
 
(৩) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন প্রস্তাব সম্পর্কিত পদ্ধতি এবং কোন বিচারকের অসদাচরণ বা অসামর্থ্য সম্পর্কে তদন্ত ও প্রমাণের পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করিতে পারিবেন।
 
(৪) কোন বিচারক রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।

Article 96- Tenure of office of Judges:

(1) Subject to the other provisions of this article, a Judge shall hold office until he attains the age of sixty-seven years. 
 
(2) A Judge shall not be removed from his office except by an order of the President passed pursuant to a resolution of Parliament supported by a majority of not less than two-thirds of the total number of members of Parliament, on the ground of proved misbehaviour or incapacity. 

(3) Parliament may by law regulate the procedure in relation to a resolution under clause (2) and for investigation and proof of the misbehaviour or incapacity of a Judge. 

(4) A Judge may resign his office by writing under his hand addressed to the President.
১,১৬২.
হিন্দু আইনে Factum Valet নীতিটির প্রবর্তক কে?
  1. মনু
  2. নারদ
  3. জীমূতবাহন
  4. যাজ্ঞবল্ক্য
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু আইনে ফ্যাক্টাম ভ্যালেট (Factum valet] নীতিটির প্রবর্তক হলো জীমুতবাহন।
- Factum valet quod fieri non debuit অর্থ হলো উচিৎ নয় এমন কোন কাজ কেউ করে ফেললে সেটাকে অবৈধ গণ্য করা হবে না।
- এটা বর্তমানে দায়ভাগ এবং মিতাক্ষর উভয় মতবাদে স্বীকৃত নীতি।
- এই নীতির আলোকে আদালত হিন্দু আইনের কতিপয় ক্ষেত্রে এটি প্রয়োগ করে।
- যেমন অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া একটি বিয়ে অনুষ্ঠিত হলো।
- বিয়ের ক্ষেত্রে অভিভাবকের সম্মতি বিধি মোতাবেক একটি দিক নির্দেশক পন্থা মাত্র, সম্মতি ছাড়া বিয়ে হলে সেটি অবৈধ হবে না।

১,১৬৩.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫ ধারায় জীবিত ব্যক্তি বলতে বোঝাবে-
  1. ব্যক্তি সমষ্টিকে
  2. কোম্পানিকে
  3. সমিতিকে
  4. উল্লিখিত সকলকে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫- "সম্পত্তি হস্তান্তর" সংজ্ঞায়িত

পরবর্তী ধারাসমূহে "সম্পত্তি হস্তান্তর" বলতে একটি কাজকে বুঝায়, যা দ্বারা কোন জীবিত ব্যক্তি বর্তমানে বা ভবিষ্যতে কোন সম্পত্তি অন্য এক বা একাধিক জীবিত ব্যক্তিকে বা নিজেকে বা নিজেকে এবং এক বা একাধিক জীবিত ব্যক্তিকে হস্তান্তর করে এবং সম্পত্তি হস্তান্তর করা বলতে এরূপ কাজ সম্পন্ন করাকে বুঝায়।

এই ধারায় "জীবিত ব্যক্তি" বলতে বিধিবদ্ধ বা বিধিবদ্ধ নয় এরূপ কোম্পানি, সমিতি বা ব্যক্তি সমষ্টিকে বুঝাবে, কিন্তু এই আইনের কোন বিধান কোম্পানি, সমিতি বা ব্যক্তি সমষ্টি দ্বারা বা তাদের নিকট সম্পত্তি হস্তান্তর সম্পর্কে বর্তমান বলবৎ অন্য কোন আইনকে প্রভাবিত করবে না।

Section 5: "Transfer of property" defined

In the following sections "transfer of property" means an act by which a living person conveys property, in present or in future, to one or more other living persons, or to himself, or to himself and one or more other living persons; and "to transfer property" is to perform such act.

In this section "living person" includes a company or associations or body of individuals, whether incorporated or not, but nothing herein contained shall affect any law for the time being in force relating to transfer of property to or by companies, associations or bodies of individuals.
১,১৬৪.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২-এর কোন ধারায় প্রতীয়মান মালিক কর্তৃক সম্পত্তির হস্তান্তর সংক্রান্ত বিধান দেয় আছে?
  1. ৪১ ধারায়
  2. ৪৩ ধারায়
  3. ৪৫ ধারায়
  4. ৪৬ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২-এর ধারা ৪১-এর শিরোনামই হলো "Transfer by ostensible owner" অর্থাৎ "প্রতীয়মান মালিক কর্তৃক হস্তান্তর"। এই ধারায় স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান মালিকের হস্তান্তর সংক্রান্ত বিধান দেওয়া হয়েছে।

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪১ ধারার বিধান: প্রতীয়মান মালিক কর্তৃক হস্তান্তর: যখন কোন ব্যক্তি, স্থাবর সম্পত্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতিক্রমে, ঐ সম্পত্তির প্রতীয়মান মালিক বলে পরিগণিত হয় এবং মূল্যের বিনিময়ে সে তা হস্তান্তর করে, তখন তার হস্তান্তরের ক্ষমতা নির্ধারণের জন্য গৃহীত যুক্তিসঙ্গত সাবধানতা গ্রহণ করে থাকলে এবং সরল বিশ্বাসে কার্য করে থাকলে, দাতার হস্তান্তরের ক্ষমতা ছিল না, এই যুক্তিতে হস্তান্তর বাতিলযোগ্য হবে না।
---------------- 
⇒ The Transfer of Property Act, 1882 Section 41. Transfer by ostensible owner:
 - Where, with consent, express or implied, of the persons interested in immoveable property, a person is the ostensible owner of such property and transfers the same for consideration, the transfer shall not be voidable on the ground that the transferor was not authorised to make it: provided that the transferee, after taking reasonable care to ascertain that the transferor had power to make the transfer, has acted in good faith.

১,১৬৫.
পণ্য বন্ধক রেখে যে ব্যক্তি ঋণের নিরাপত্তা প্রদান করেন, তাকে কী বলা হয়?
  1. Bailee
  2. Pawnor
  3. Pawnee
  4. Mortgagee
ব্যাখ্যা
সংজ্ঞা (ধারা ১৭২):
Pledge (অঙ্গীকার বন্ধক):
যখন কোনো সম্পদ (পণ্য) ঋণ পরিশোধ বা কোনো প্রতিশ্রুতি পূরণের নিরাপত্তা হিসেবে কাউকে হস্তান্তর করা হয়, তাকে Pledge বলে।

Pawnor (অঙ্গীকারদাতা):
যে ব্যক্তি ঋণের নিরাপত্তা দিতে গিয়ে পণ্য হস্তান্তর করে, সে হল Pawnor।

Pawnee (অঙ্গীকারগ্রহীতা):
যে ব্যক্তি ঐ পণ্য গ্রহণ করে, সে হল Pawnee।
১,১৬৬.
What is stated as the basis of Bangalee nationalism in the constitution of Bangladesh?
  1. Economic prosperity
  2. Language and culture
  3. Unity and solidarity
  4. Historical struggle
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গ) Unity and solidarity

বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯ অনুযায়ী, বাঙালী জাতির একতা ও সংহতি (Unity and solidarity) হলো বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি।

• অনুচ্ছেদ ৯: জাতীয়তাবাদ:
ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তাবিশিষ্ট যে বাঙালী জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করিয়া জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করিয়াছেন, সেই বাঙালী জাতির ঐক্য ও সংহতি হইবে বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি।

Article 9: Nationalism:
The unity and solidarity of the Bangalee nation, which, deriving its identity from its language and culture, attained sovereign and independent Bangladesh through a united and determined struggle in the war of independence, shall be the basis of Bangalee nationalism.

১,১৬৭.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর ধারা ২১খ-এ উল্লিখিত তফসিলে বাধ্যতামূলক মামলাপূর্ব মধ্যস্থতার (Pre-case Mediation) জন্য কতটি আইন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
  1. ৭ টি
  2. ৮ টি
  3. ৯ টি
  4. ১১ টি
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর ধারা ২১খ-এ বর্ণিত তফসিলে মামলাপূর্ব বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতার জন্য মোট ৯টি আইন/বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে:
১. পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ - ধারা ৫
২. বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯১
৩. সহকারী জজ আদালতের এখতিয়ারভুক্ত বণ্টন সম্পর্কিত বিরোধ
৪. State Acquisition & Tenancy Act, 1950 - Section 96
৫. Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 - Section 24
৬. পিতামাতার ভরণপোষণ আইন, ২০১৩ - ধারা ৮
৭. Negotiable Instruments Act, 1881 - Section 138 (অনধিক ৫ লক্ষ টাকা)
৮. যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮ - ধারা ৩ ও ৪
৯. নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ - ধারা ১১(গ)

সুতরাং, সঠিক উত্তর ৯টি।

১,১৬৮.
অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এ জারির পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান কোন ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৩৬
  2. ৩৭
  3. ৩৮
  4. ৩৯
ব্যাখ্যা
অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ৩৮ ধারার বিধান জারীর পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি:
(১) এই আইনের অধীন অর্থ ঋণ আদালত মামলায় প্রদত্ত ডিক্রীর ধারাবাহিকতায় জারী কার্যক্রম অব্যাহত থাকার যে কোন পর্যায়ে পক্ষগণ মধ্যস্থতার মাধ্যমে জারী মামলার বিষয়বস্তু নিষ্পত্তি করিয়া আদালতকে অবহিত করিতে পারিবে। 
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে ধারা ২২ এর উপ-ধারা (২), (৩) ও (৪) এ উল্লিখিত বিধান অনুসরণ করিতে হইবে। 
(৩) আদালত, উপ-ধারা (১) এর অধীন অবহিত হইলে এবং নিষ্পত্তির বিষয়ে সন্তুষ্ট হইলে, উক্ত জারী মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করিয়া আদেশ প্রদান করিবে।
১,১৬৯.
সাইবার নিরাপত্তা আইনের কত ধারায় সাইবার ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক বিচারকার্য পরিচালনাকালে বিশেষজ্ঞের মতামত গ্রহণ করার সুযোগ দেয়া হয়েছে?
  1. ৪৫ ধারায়
  2. ৪০ ধারায়
  3. ৫০ ধারায়
  4. ৫২ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০- বিশেষজ্ঞ মতামত গ্রহণ, প্রশিক্ষণ, ইত্যাদি

(১) ট্রাইব্যুনাল বা আপিল ট্রাইব্যুনাল, বিচারকার্য পরিচালনাকালে, কম্পিউটার বিজ্ঞান, ডিজিটাল ফরেনসিক, ইলেকট্রনিক যোগাযোগ, ডাটা সুরক্ষাসহ অন্যান্য বিষয়ে অভিজ্ঞ কোনো ব্যক্তির মতামত গ্রহণ করিতে পারিবে।

(২) সরকার বা এজেন্সি এই আইন বাস্তবায়নের সহিত সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তিকে, প্রয়োজনে, কম্পিউটার বিজ্ঞান, ডিজিটাল ফরেনসিক, ইলেকট্রনিক যোগাযোগ, ডাটা সুরক্ষাসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয়ে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ প্রদান করিতে পারিবে।
১,১৭০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে স্থানীয় শাসন প্রতিষ্ঠানের বাজেট প্রস্তুতকরণ ও কর আরোপের ক্ষমতার কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫৯
  2. অনুচ্ছেদ ৬০
  3. অনুচ্ছেদ ৬১
  4. অনুচ্ছেদ ৬২
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে:
"এই সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদের বিধানাবলীকে পূর্ণ কার্যকরতাদানের উদ্দেশ্যে সংসদ আইনের দ্বারা উক্ত অনুচ্ছেদে উল্লিখিত স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানসমূহকে স্থানীয় প্রয়োজনে কর আরোপ করিবার ক্ষমতাসহ বাজেট প্রস্তুতকরণ ও নিজস্ব তহবিল রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতা প্রদান করিবেন।"
অর্থাৎ, স্থানীয় শাসন প্রতিষ্ঠানসমূহ যেন কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে, তার জন্য সংসদ তাদের
- কর আরোপ,
- বাজেট তৈরির, এবং
- নিজস্ব তহবিল পরিচালনার
ক্ষমতা প্রদান করবে—এটাই অনুচ্ছেদ ৬০ এর মূল কথা।

→ আর অনুচ্ছেদ ৫৯ মূলত এই প্রতিষ্ঠানগুলোর গঠন, দায়িত্ব ও কাজের ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করে। কিন্তু ক্ষমতা সংক্রান্ত বিষয় নির্দিষ্টভাবে আসে অনুচ্ছেদ ৬০ তে।

তাই সঠিক উত্তর: খ) অনুচ্ছেদ ৬০।
১,১৭১.
সাইবার অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট উপকরণের সাথে বৈধ উপকরণ পাওয়া গেলে, তা-
  1. বাজেয়াপ্তযোগ্য হবে
  2. বাজেয়াপ্তযোগ্য হবে না
  3. প্রকৃত মালিকের কাছে ফেরত দেয়া হবে
  4. দখলদারের জিম্মায় দেয়া হবে
ব্যাখ্যা
• সাইবার নিরাপত্তা আইন,২০২৩

ধারা ৫৩- বাজেয়াপ্তি:

(১) এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটিত হইলে, যে কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক, টেপ-ড্রাইভ বা অন্য কোনো আনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণ বা বস্তু সম্পর্কে বা সহযোগে উক্ত অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে সেইগুলি ট্রাইব্যুনালের আদেশানুসারে বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি ট্রাইব্যুনাল এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, যে ব্যক্তির দখল বা নিয়ন্ত্রণে উক্ত কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক বা অন্য কোনো আনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণ পাওয়া গিয়াছে তিনি উক্ত উপকরণ সংশ্লিষ্ট অপরাধ সংঘটনের জন্য দায়ী নহেন, তাহা হইলে উক্ত কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক, টেপ ড্রাইভ বা অন্য কোনো আনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণ বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে না।

(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন বাজেয়াপ্তযোগ্য কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক, টেপ ড্রাইভ বা অন্য কোনো আনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণের সহিত যদি কোনো বৈধ কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক, টেপ ড্রাইভ বা অন্য কোনো কম্পিউটার উপকরণ পাওয়া যায়, তাহা হইলে সেইগুলিও বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(৪) এই ধারার অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো অপরাধ সংঘটনের জন্য যদি কোনো সরকারি বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থার কোনো কম্পিউটার বা তৎসংশ্লিষ্ট কোনো উপকরণ বা যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়, তাহা হইলে উহা বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে না।
১,১৭২.
ওয়াকফ সম্পত্তির মুতাওয়াল্লিকে বেআইনিভাবে অপসারণ করা হলে, প্রতিকার কী?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন
  2. জেলা জজের নিকট আপিল
  3. হাইকোর্ট বিভাগে আপিল
  4. জেলা জজের নিকট রিভিশন
ব্যাখ্যা
ওয়াকফ সম্পত্তির মুতাওয়াল্লি বেআইনিভাবে অপসারণের ক্ষেত্রে প্রতিকার হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন দায়ের করার বিধান রয়েছে ওয়াকফ সম্পত্তি (নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা) আইন, ১৯৬২ অনুযায়ী।

ওয়াকফ সম্পত্তি (নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা) আইন, ১৯৬২:
এই আইনের অধীন ওয়াকফ সম্পত্তির মুতাওয়াল্লির দায়িত্ব ও কর্তৃত্ব নির্ধারণ করা হয় এবং বেআইনিভাবে অপসারণের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হয়।

রিভিশন আবেদন:
মুতাওয়াল্লি বেআইনিভাবে অপসারণ হলে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন আবেদন করতে পারেন। এই আইন অনুযায়ী, সাধারণত ১ মাসের মধ্যে রিভিশন আবেদন করা যায়।
১,১৭৩.
চুক্তি আইন অনুসারে প্রতারণার মাধ্যমে সম্মতি আদায় করলে চুক্তিটি-
  1. বৈধ
  2. বাতিল
  3. বাতিলযোগ্য
  4. অবৈধ
ব্যাখ্যা
- বাতিলযোগ্য চুক্তি (Voidable agreement) : ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষের ইচ্ছে অনুসারে যে চুক্তি বাতিল করা যায় তাকে বাতিলযোগ্য চুক্তি বলে। তবে যতোক্ষণ ঐ পক্ষ চুক্তি বাতিল ঘোষণা না করে ততক্ষণ পর্যন্ত ইহা আইনত বলবৎযোগ্য।

- চুক্তি আইনের ২ (ঝ) ধারা মতে- যে সকল সম্মতি এক বা একাধিক পক্ষের ইচ্ছে অনুসারে বলবৎযোগ্য হয়, কিন্তু অপর পক্ষের ইচ্ছে অনুসারে বলবৎযোগ্য হয় না, তাকে বাতিলযোগ্য সম্মতি বলে।
- সাধারণত অনুচিত প্রভাব, বলপ্রয়োগ, প্রতারণা বা মিথ্যা বর্ণনার দ্বারা আদায়কৃত সম্মতিগুলোই পরবর্তীতে বাতিলযোগ্য সম্মতি বলে গণ্য হয়। উল্লেখ্য যে, যার উপর এসব প্রয়োগ করে সম্মতি আদায় করা হয়েছে। তার ইচ্ছানুসারে এই সম্মতি বাতিলযোগ্য হয়।
১,১৭৪.
The Civil Courts Act,1887 এর ধারা ৯ অনুযায়ী, জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের অধিকার কার তত্ত্বাবধানে থাকে?
  1. আপিল বিভাগ
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. ফৌজদারি আদালত
  4. বিশেষ আদালত
ব্যাখ্যা
ধারা ৯- আদালতের প্রশাসনিক ক্ষমতা:
হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধানে জেলা জজের তার স্থানীয় সীমানায় অবস্থিত সকল দেওয়ানি আদালতের উপর তার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ থাকবে।

Section 9: Administrative control of Courts-
Subject to the superintendence of the High Court Division, the District Judge shall have administrative control over all the Civil Courts under this Act within the local limits of his jurisdiction.
১,১৭৫.
The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 অনুসারে সালিশী পরিষদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. জেলা জজের নিকট রিভিশন
  2. সহকারী জজের নিকট রিভিশন
  3. সহকারী জজের নিকট আপিল
  4. জেলা জজের নিকট আপিল
ব্যাখ্যা
• The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর ৬ ধারা: বহুবিবাহ:
১) কোন ব্যক্তির বিবাহ বলবৎ থাকা অবস্থায় সে সালিশী কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে না বা ঐরূপ অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ অনুষ্ঠিত হলে তা The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর অধীনে রেজিস্ট্রিকৃত হবে না।
২) অনুমতির দরখাস্ত নির্ধারিত ফি সহ চেয়ারম্যানের নিকট দাখিল করতে হবে ও তাতে প্রস্তাবিত বিবাহের কারণসমূহ এবং এই বিবাহের ব্যাপারে বর্তমানে স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের সম্মতি নেয়া হয়েছে কিনা তার উল্লেখ থাকতে হবে।
৩) দরখাস্ত গ্রহণ করার পর চেয়ারম্যান আবেদনকারীকে ও বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের প্রত্যেককে একজন করে প্রতিনিধি মনোনীত করতে বলবেন। উক্তরূপে গঠিত সালিশি কাউন্সিল প্রস্তাবিত বিবাহ প্রয়োজনীয় ও ন্যায়সঙ্গত বলে মনে করলে সেক্ষেত্রে প্রার্থিত আবেদন মঞ্জুর করতে পারবেন।
৪) উক্ত দরখাস্তে বিবেচনা করার সময় সালিশি কাউন্সিল নিষ্পত্তির কারণাদি লিপিবদ্ধ করবেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যে কোন পক্ষ নির্দিষ্ট ফি প্রদানক্রমে সহকারী জজের নিকট পুনর্বিবেচনার (Revision) জন্য দরখাস্ত দাখিল করতে পারে; তার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে ও কোন আদালতে এই সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
৫) কোন লোক যদি সালিশী কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় তবে সে-
ক) বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রী গণের তলবী ও স্থগিত দেনমোহরের সম্পূর্ণ টাকা তৎক্ষণাৎ পরিশোধ করতে হবে। উক্ত টাকা উক্তরুপে পরিশোধ না করা হলে বকেয়া ভূমি রাজস্বরূপে আদায়যোগ্য হবে: এবং
খ) অভিযোগে অপরাধী সাব্যস্ত হলে এর শান্তি- অনধিক ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।

অর্থাৎ The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 অনুসারে সালিশী পরিষদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিকার হচ্ছে সহকারী জজের নিকট রিভিশন।
১,১৭৬.
'Factum valet quod fieri non debuit' অর্থ কী?
  1. ভুল করে কোনো কাজ সম্পন্ন হলে তা অবৈধ হবে
  2. নির্ধারিত নিয়মে কাজটি সম্পন্ন হলে তা বৈধ হবে
  3. কোনো কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে তা বৈধ হয়ে যাবে
  4. ভুল করে কোনো কাজ সম্পন্ন হলে আইন অনুযায়ী কাজটি অবৈধ হবে
ব্যাখ্যা
• হিন্দু আইনে ফ্যাক্টাম ভ্যালেট (Factum valet] নীতিটির প্রবর্তক হলো জীমুতবাহন।

Factum valet quod fieri non debuit অর্থ হলো উচিৎ নয় এমন কোন কাজ কেউ করে ফেললে সেটাকে অবৈধ গণ্য করা হবে না। এটা বর্তমানে দায়ভাগ এবং মিতাক্ষর উভয় মতবাদে স্বীকৃত নীতি। এই নীতির আলোকে আদালত হিন্দু আইনের কতিপয় ক্ষেত্রে এটি প্রয়োগ করে।
যেমন- অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া একটি বিয়ে অনুষ্ঠিত হলো। বিয়ের ক্ষেত্রে অভিভাবকের সম্মতি বিধি মোতাবেক একটি দিক নির্দেশক পন্থা মাত্র, সম্মতি ছাড়া বিয়ে হলে সেটি অবৈধ হবে না।
১,১৭৭.
পারিবারিক আদালত মোকদ্দমার বিচার-পূর্ব শুনানিকালে কী কী ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়সমূহ ধার্য
  2. আপোষ বা মীমাংসার চেষ্টা
  3. ক এবং খ
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১১ ধারার বিধান- বিচার-পূর্ব কার্যক্রম:

(১) লিখিত জবাব দাখিল করা হইলে পারিবারিক আদালত মোকদ্দমার বিচার-পূর্ব শুনানির জন্য অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্য করিবে।

(২) বিচার-পূর্ব শুনানির জন্য ধার্যকৃত তারিখে আদালত আরজি, লিখিত জবাব এবং পক্ষগণ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিলসমূহ পরীক্ষা করিবে এবং যথাযথ মনে করিলে, পক্ষগণের বক্তব্যও শ্রবণ করিবে।

(৩) আদালত বিচার-পূর্ব শুনানিকালে পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়সমূহ ধার্য করিবে এবং সম্ভব হইলে পক্ষগণের মধ্যে একটি আপোষ বা মীমাংসার চেষ্টা করিবে।

(৪) উপধারা (৩) এর অধীন আপোষ বা মীমাংসা প্রতিষ্ঠা সম্ভব না হইলে আদালত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় গঠন করিবে এবং সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্য করিবে।
১,১৭৮.
Land Survey Tribunal এ মামলা করার তামাদির মেয়াদ?
  1. ৩ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪৫ক ধারার বিধান: ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল:
উপ-ধারা(৬): উপ-ধারা (৭) এর বিধান সাপেক্ষে, ধারা ১৪৪ এর অধীন প্রস্তুতকৃত সর্বশেষ রিভিশনকৃত খতিয়ানের চূড়ান্ত প্রকাশনায় সংক্ষুব্ধ কোনো ব্যক্তি, উক্ত প্রকাশনার তারিখ অথবা ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠার তারিখ, যাহা পরে ঘটে, হইতে এক বৎসরের মধ্যে যেকোনো মামলা উক্ত ট্রাইব্যুনালে দায়ের করিতে পারিবেন।
উপ-ধারা(৭): কোনো মামলা, বাদী কর্তৃক প্রদর্শিত বিলম্বের কারণ বিষয়ে ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল সন্তুষ্ট হইলে, উপ-ধারা (৬) এ উল্লিখিত মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পরবর্তী এক বৎসরের মধ্যে দাখিল করা যাইবে।
------------
Section145A Land Survey Tribunal:

(6) Subject to the provision of sub-section (7), any person aggrieved by the final publication of the last revised record-of-rights prepared under section 144 may, within one year from the date of such publication or from the date of the establishment of the Land Survey Tribunal, whichever is later, file a suit in such Tribunal.
(7) A suit may be admitted within next one year after the expiry of the period specified in sub-section (6), if the Land Survey Tribunal is satisfied with the reasons for delay shown by the plaintiff.
(7A) The Land Survey Tribunal shall conclude the trail of a suit within 180 (one hundred and eighty) days from the date fixed for its final hearing. 
১,১৭৯.
The golden rule of interpretation is _________ of the literal rule.
  1. expansion
  2. opposite
  3. exception
  4. replacement
ব্যাখ্যা
The Golden Rule of Interpretation of Statutes-
গোল্ডেন রুল ইন্টারপ্রিটেশন হল লিটারাল রুলের একটি সম্প্রসারণ (expansion) বা বিস্তৃতি, যা বিচারকদের কঠোরভাবে শব্দের আক্ষরিক অর্থ থেকে সরে আসতে অনুমতি দেয় যাতে হাস্যকর ফলাফল প্রতিরোধ করা যায়। এই রুল বিচারককে শব্দের সাধারণ অর্থ থেকে বিচ্যুত হতে দেয় যদি এর ব্যাখ্যা অযৌক্তিক ফলাফলে পৌঁছায়।

গোল্ডেন রুল, লিটারাল রুল এবং মিসচিফ রুলের মধ্যে একটি সমঝোতা প্রদান করে। এটি সাধারণত শব্দগুলিকে তাদের সাধারণ এবং সরল অর্থে ব্যাখ্যা করে, তবে যখন শব্দের আক্ষরিক অর্থ অনুসরণ করলে আইন প্রণেতাদের উদ্দেশ্যের বিরুদ্ধে গিয়ে অযৌক্তিক ফলাফল হয়, তখন বিচ্যুতি গ্রহণের সুযোগ প্রদান করে।

গোল্ডেন রুলটি সংকীর্ণ এবং বিস্তৃতভাবে প্রয়োগ করা যেতে পারে।
সংকীর্ণ পদ্ধতিতে, বিচারক এই রুলটি প্রয়োগ করেন যখন আইনে ব্যবহৃত শব্দটি অস্পষ্ট হয়, অর্থাৎ এর একাধিক সম্ভাব্য অর্থ রয়েছে। তখন বিচারককে সেই অর্থের মধ্যে থেকে মামলার প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে উপযুক্ত অর্থটি নির্বাচন করতে হয়।

বিস্তৃত পদ্ধতিতে, গোল্ডেন রুল সাধারণত তখন ব্যবহার করা হয় যখন একটি শব্দের একমাত্র আক্ষরিক অর্থ রয়েছে, কিন্তু সেই অর্থটি ব্যবহার করলে হাস্যকর ফলাফল হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে, আদালত শব্দটির ব্যাখ্যা পরিবর্তন করতে পারে যাতে এমন অযৌক্তিক ফলাফল এড়ানো যায়।
১,১৮০.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ধারা ১৪৭ অনুযায়ী, জেলার কালেক্টর কর্তৃক প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে কার নিকট?
  1. জেলা জজ
  2. বিভাগীয় কমিশনার
  3. ভূমি প্রশাসন বোর্ড
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ The State Acquisition and Tenancy Act 1950 এর ১৪৭ ধারার বিধান আপিল: 
- এই ভাগ বা এই আইনের অধীন প্রণীত বিধিমালাতে আপিলের বিশেষ বিধানসাপেক্ষে, এই ভাগের অধীন রাজস্ব কর্মকর্তার প্রত্যেক মূল বা আপিল আদেশের বিরুদ্ধে নিম্নরূপভাবে আপিল করা যাইবে, যথা:
(ক) কালেক্টরের অধস্তন রাজস্ব কর্মকর্তা কর্তৃক আদেশ প্রদান করা হইলে, কালেক্টরের নিকট;
(কক) বিভাগের মধ্যে জেলার কালেক্টর কর্তৃক আদেশ প্রদান করা হইলে, বিভাগীয় কমিশনারের নিকট; এবং
(গ) বিভাগীয় কমিশনার কর্তৃক আদেশ প্রদান করা হইলে, ভূমি প্রশাসন বোর্ডএর নিকট

The State Acquisition and Tenancy Act 1950 এর ১৪৮ ধারার বিধান আপিল: আপিলের জন্য তামাদির মেয়াদ:
- ধারা ১৪৭ অনুযায়ী আপিলের জন্য তামাদির মেয়াদ যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয় সেই আদেশের তারিখ হইতে চলিতে থাকিবে এবং উহা নিম্নরূপ হইবে, অর্থাৎ-
       (ক) কালেক্টরের নিকট আপিল__________ত্রিশ দিন।
       (খ) বিভাগীয় কমিশনারের নিকট আপিল________ষাট দিন। 
       (খখ) ভূমি প্রশাসন বোর্ড এর নিকট আপিল___________নব্বই দিন।

-----------
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act 1950 Section 147. Appeals:
-Subject to any special provisions for appeal made in this Part or in any rules made under this Act, an appeal shall lie from every original or appellate order made under any of the provisions of this Part by a Revenue-officer as follows, namely:- 
(a) to the Collector, when the order is made by a Revenue-officer subordinate to the Collector; 
(aa) to the Commissioner of the division, when the order is made by the Collector of a district within the division; and
(c) to the Board of Land Administration, when the order is made by the Commissioner of a division.

⇒ The State Acquisition and Tenancy Act 1950 Section 148. Limitation for appeals:
The period of limitation for an appeal under section 147 shall run from the date of the order appealed against and shall be as follows, that is to say- 
(a) when the appeal lies to the Collector ................... thirty days. 
(b) when the appeal lies to the Commissioner of a division ............ sixty days.
(bb) when the appeal lies to the Board of Land Administration ........................ ninety days.

১,১৮১.
অসচ্ছল ব্যক্তির বার্ষিক গড় আয় অনধিক কত হলে সুপ্রীম কোর্টে আইনগত সহায়তা পাওয়ার যোগ্য হবে?
  1. ৫০,০০০ টাকা
  2. ১,০০,০০০ টাকা
  3. ১,৫০,০০০ টাকা
  4. ২,০০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায় সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ ব্যক্তিগণকে আইনগত সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা 'আইনগত সহায়তা প্রদান নীতিমালা, ২০১৪ নামে' নীতিমালা প্রণয়ন করে।

উক্ত নীতিমালার অনুচ্ছেদ ২ অনুযায়ী, এই নীতিমালার অধীন নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিগণ আইনগত সহায়তা পাবার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন-

⇒ অসচ্ছল বা আর্থিকভাবে অসচ্ছল ব্যক্তির বার্ষিক গড় আয় অনধিক ১,৫০,০০০ টাকা (সুপ্রীম কোর্টে আইনগত সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে ) এবং অন্যান্য আদালতের ক্ষেত্রে ১,০০,০০০ টাকা।
⇒ কর্মে অক্ষম, আংশিক কর্মক্ষম, কর্মহীন কোন ব্যক্তি;
⇒ অক্ষম কোন মুক্তিযোদ্ধার বাৎসরিক আয় অনধিক ১,৫০,০০০ টাকা; এবং
⇒ কোন শ্রমিক যার বার্ষিক গড় আয় অনধিক ১,০০,০০০ টাকা।
১,১৮২.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর অধীনে মোকদ্দমা দায়েরের জন্য আরজিতে কী কী তথ্য উল্লেখ করতে হবে?
  1. বাদীর নাম, বর্ণনা ও বাসস্থান
  2. বিবাদীর নাম, বর্ণনা ও বাসস্থান
  3. মোকদ্দমার কারণ সংক্রান্ত তথ্য
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ৬(৪) অনুসারে, মোকদ্দমা দায়েরের জন্য আরজিতে নিম্নলিখিত তথ্য উল্লেখ করতে হবে:
- বাদীর নাম, বর্ণনা ও বাসস্থান (ক)
- বিবাদীর নাম, বর্ণনা ও বাসস্থান (খ)
- মোকদ্দমার কারণ সংক্রান্ত তথ্য (গ)
- আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত তথ্য
- বাদীর প্রার্থীত প্রতিকার
- মোকদ্দমার কারণ যেস্থানে ও তারিখে উদ্ভূত হয়েছে তার বিবরণ
- বাদী বা বিবাদী নাবালক বা অপ্রকৃতিস্থ হলে তৎসংশ্লিষ্ট বিবরণী
এই সমস্ত তথ্য আরজিতে উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক, যাতে আদালত মোকদ্দমার বিষয়বস্তু ও পক্ষগণের পরিচয় স্পষ্টভাবে বুঝতে পারে এবং যথাযথভাবে বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারে। তাই উপরের সবগুলো তথ্য (ক, খ, গ) আরজিতে উল্লেখ করতে হবে।
১,১৮৩.
The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ৩৭(১) অনুযায়ী, মুসলিম ব্যক্তিদের মধ্যে উত্তরাধিকার সংক্রান্ত কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত কীসের ভিত্তিতে নেওয়া হবে?
  1. পারিবারিক আইন
  2. হিন্দু আইন
  3. মুসলিম আইন
  4. উত্তরাধিকার আইন
ব্যাখ্যা

⇒ The Civil Courts Act,1887 আইনের ৩৭ ধারায় কতিপয় বিষয়ে রাষ্ট্রীয় আইন নয় বরং হিন্দু এবং মুসলিমদের ধর্মীয় আইনের বিধানকে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
⇒ The Civil Courts Act, 1887-এর ধারা ৩৭(১) অনুসারে, কোনো মামলা বা কার্যক্রমে যদি উত্তরাধিকার (Succession), বিবাহ (Marriage), জাতি (Caste), বা ধর্মীয় প্রথা ও প্রতিষ্ঠান (Religious Usage or Institution) সংক্রান্ত কোনো প্রশ্নের সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন হয়, তবে পক্ষগুলোর ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে আইন প্রয়োগ করা হয়। বিশেষ করে:
- যদি পক্ষগুলো মুসলিম হয়, তবে মুসলিম আইন প্রয়োগ করা হবে।
- যদি পক্ষগুলো হিন্দু হয়, তবে হিন্দু আইন প্রয়োগ করা হবে।

সুতরাং প্রশ্নে যেহেতু বলা হয়েছে “মুসলিম ব্যক্তিদের মধ্যে উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিষয়ে” → সিদ্ধান্ত হবে শুধুমাত্র মুসলিম আইনের ভিত্তিতে। সঠিক উত্তর: গ) মুসলিম আইন।
----------
⇒ The Civil Courts Act,1887, Section 37- Certain decisions to be according to local law:
(1) Where in any suit or other proceeding it is necessary for a Civil Court to decide any question regarding succession, inheritance, marriage or caste, or any religious usage or institution, the Muslim law in cases where the parties are Muslim, and the Hindu law in cases where the parties are Hindus, shall form the rule of decision except in so far as such law has, by legislative enactment, been altered or abolished.
(2) In cases not provided for by sub-section (1) or by any other law for the time being in force, the Court shall act according to justice, equity and good conscience.

১,১৮৪.
প্রথম জরিপ খতিয়ান কোনটি?
  1. বি. এস খতিয়ান
  2. আর. এস খতিয়ান
  3. সি. এস খতিয়ান
  4. এস. এ খতিয়ান
ব্যাখ্যা
• মূলত জমির মালিকানা স্বত্ব রক্ষা ও রাজস্ব আদায়ের জন্য জরিপ বিভাগ কর্তৃক প্রতিটি মৌজার জমির এক বা একাধিক মালিকের নাম, পিতা বা স্বামীর নাম, ঠিকানা, দাগ নম্বর, ভূমির পরিমাণ, হিস্যা(অংশ), খাজনা ইত্যাদি বিবরণসহ যে ভূমি স্বত্ব প্রস্তুত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে।

- বাংলাদেশে সাধারণত ৪ ধরনের খতিয়ান রয়েছে।
 যথা-
১. সি. এস খতিয়ান
২. এস. এ খতিয়ান
৩. আর. এস খতিয়ান
৪. বি. এস খতিয়ান / সিটি জরিপ

সি. এস খতিয়ান: 
১৯৪০ সালে ব্রিটিশ সরকার জরিপ করে যে খতিয়ান তৈরি করে তাকে সি. এস খতিয়ান বলা হয়। আমাদের দেশে এটিই প্রাথমিক খতিয়ান হিসাবে বিবেচিত।

এস. এ খতিয়ান:
পাকিস্তান আমলে ১৯৫০ সালে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের চতুর্থ অধ্যায় এর ১৭ হতে ৩১ দ্বারা মতে ১৯৫৬-৬০ সালের দিকে যে খতিয়ান তৈরি করা হয় তাকে এস. এ (State Acquision) খতিয়ান বলে।

আর. এস খতিয়ান:
বাংলাদেশ সরকার পূর্বের তৈরিকৃত খতিয়ানের ভুল ত্রুটি সংশোধন করার জন্য নতুনভাবে উদ্যোগ নিয়ে যে খতিয়ান প্রস্তুত করেন তা আর. এস(Renisional Survey)খতিয়ান নামে পরিচিত।

বি. এস খতিয়ান / সিটি জরিপ:
১৯৯৮-৯৯ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত চলমান জরিপকে বি. এস খতিয়ান বা সিটি জরিপ বলে। এই খতিয়ান প্রস্তুতের কার্যক্রম এখনো চলছে।
১,১৮৫.
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর অধীন সর্বোচ্চ অর্থদণ্ডের পরিমান কত?
  1. ৫০ লক্ষ টাকা
  2. ১ কোটি টাকা
  3. ৫ কোটি টাকা
  4. ৩ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ৩৯ নং আইন) দ্বারা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন,২০১৮ রহিত করা হয়েছে। ২০২৩ সালের ২৮ আগস্ট বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বেশ কয়েকটি ধারা সংশোধন করে ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩’ নামে নতুন একটি আইনের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। পূর্বের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২টি ধারা বাতিল করে নতুন আইনে ৬০টি ধারা করা হয়। ২০২৩ সালের ৭ আগস্ট অনুষ্ঠিত বৈঠকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ‘সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩’ পাস হয়।

উল্লেখ্য যে, এ আইনের অধীনে সংঘটিত অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি ১৪ বছরের কারাদণ্ড বা এক কোটি টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। ধারা ২৭ এবং ৩২ তে এই শাস্তির বিধান রয়েছে।
---------------------------------------
ধারা ২৭: সাইবার সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনের অপরাধ ও দণ্ড


(১) যদি কোনো ব্যক্তি-

(ক) রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করা এবং জনগণ বা উহার কোনো অংশের মধ্যে ভয়ভীতি সঞ্চার করিবার অভিপ্রায়ে কোনো কম্পিউটার বা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেট নেটওয়ার্কে বৈধ প্রবেশে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন বা বে- আইনি প্রবেশ করেন বা করান;

(খ) কোনো ডিজিটাল ডিভাইসে এইরূপ দূষণ সৃষ্টি করেন বা ম্যালওয়্যার প্রবেশ করান যাহার ফলে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে বা গুরুতর জখমপ্রাপ্ত হন বা হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়; বা

(গ) জনসাধারণের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের সরবরাহ ও সেবা ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংসসাধন করেন বা কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর উপর বিরূপ প্রভাব বিস্তার করেন; বা (ঘ) ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক, সংরক্ষিত কোনো তথ্য-উপাত্ত বা কম্পিউটার ডাটাবেইজে প্রবেশ বা অনুপ্রবেশ করেন বা এইরূপ কোনো সংরক্ষিত তথ্য-উপাত্ত বা কম্পিউটার ডাটাবেইজে প্রবেশ করেন যাহা বৈদেশিক কোনো রাষ্ট্রের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বা জনশৃঙ্খলা পরিপন্থি কোনো কাজে ব্যবহৃত হইতে পারে অথবা বৈদেশিক কোনো রাষ্ট্র বা কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সুবিধার্থে ব্যবহার করা হইতে পারে,

তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে সাইবার সন্ত্রাস অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ১৪ (চৌদ্দ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ধারা ৩২: হ্যাকিং সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড
যদি কোনো ব্যক্তি হ্যাকিং করেন, তাহা হইলে উহা হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ১৪ (চৌদ্দ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ব্যাখ্যা-এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, “হ্যাকিং” অর্থ-
(ক) কম্পিউটার তথ্য ভাণ্ডারের কোনো তথ্য চুরি, বিনাশ, বাতিল, পরিবর্তন বা উহার মূল্য বা উপযোগিতা হ্রাসকরণ বা অন্য কোনোভাবে ক্ষতিসাধন; বা
(খ) নিজ মালিকানা বা দখলবিহীন কোনো কম্পিউটার, সার্ভার, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেমে অবৈধভাবে প্রবেশের মাধ্যমে উহার ক্ষতিসাধন।
১,১৮৬.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর কোন ধারায় সাইবার জুয়ার শাস্তি বর্ণিত আছে?
  1. ধারা ১৯
  2. ধারা ২০
  3. ধারা ২১
  4. ধারা ২২
ব্যাখ্যা

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২০-এ সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার অপরাধ ও দণ্ড বর্ণিত হয়েছে।

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২০-সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার অপরাধ ও দণ্ড:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার নিমিত্ত কোনো পোর্টাল বা অ্যাপস বা ডিভাইস তৈরি করেন বা পরিচালনা করেন বা জুয়া খেলায় অংশগ্রহণ করেন বা খেলায় সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান করেন বা উৎসাহ প্রদানের জন্য বিজ্ঞাপনে অংশগ্রহণ এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রচার বা বিজ্ঞাপিত করেন তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।
(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

১,১৮৭.
What is the provision of Section 9 of The Transfer of Property Act?
  1. Oral transfer
  2. Operation of transfer
  3. Rule against perpetuity
  4. Condition restraining alienation
ব্যাখ্যা
⇒  সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৯ ধারার বিধান: মৌখিক হস্তান্তর:
যে সকল ক্ষেত্রে লিখিত হওয়ার আবশ্যকতা আইন দ্বারা প্রত্যক্ষ ভাবে উল্লেখ করা হয় নাই, সে সকল ক্ষেত্রে লিখিত দলিল ছাড়াই সম্পত্তি হস্তান্তর করা যেতে পারে।
মৌখিক হস্তান্তর (Oral transfer) :
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৯ ধারায় বলা হয়েছে, যেসকল ক্ষেত্রে লিখিত দলিলের আবশ্যকতা আইনে সুস্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করা হয় নাই, সেসকল ক্ষেত্রে লিখিত দলিল ছাড়াই সম্পত্তি হস্তান্তর করা যেতে পারে। রেজিস্ট্রেশন আইন সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের পরিপূরক। সুতরাং যে সকল হস্তান্তরে রেজিস্ট্রেশনের বিধান রয়েছে, তা মৌখিক ভাবে হস্তান্তর করা যায় না। এক্ষেত্রে বলা যায়, যে সকল সম্পত্তির হস্তান্তর লিখিত দলিলের মাধ্যমে হওয়ার প্রয়োজন নেই এবং যে সকল হস্তান্তরের জন্য রেজিস্ট্রেশনের প্রয়োজন নেই সে সকল হস্তান্তর মৌখিক ভাবে করা যায়।
------------------------
- Section 9: Oral transfer:
-A transfer of property may be made without writing in every case in which a writing is not expressly required by law.
১,১৮৮.
‘নিয়ন্ত্রিত বিলি (Control Delivery)’ কী?
  1. মাদকদ্রব্য বিদেশে পাঠানোর পদ্ধতি
  2. মাদকদ্রব্য সরাসরি আদালতে জব্দ করার কৌশল
  3. মাদক চালান তৎক্ষণাৎ ধ্বংস করার পদ্ধতি
  4. মাদক চালান প্রক্রিয়ায় যুক্ত অপরাধী সনাক্ত করার তদন্ত কৌশল
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ ধারা ২(১৫)-
‘নিয়ন্ত্রিত বিলি (Control Delivery)’ অর্থ কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে জড়িত ব্যক্তিদের সনাক্ত করিবার উদ্দেশ্যে পরিচালিত বিশেষ তদন্ত কৌশল, যাহাতে কোনো মাদকদ্রব্য, উহার উৎসবস্তু, উপাদান অথবা মিশ্রণের বেআইনি অথবা সন্দেহজনক চালানকে তদন্তের ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো আইন প্রায়োগকারী সংস্থার (সরকারের) জ্ঞাতসারে ও তত্ত্বাবধানে শেষ গন্তব্য পর্যন্ত পরিবহন ও বিতরণ অথবা হস্তান্তর করিতে দেওয়া যাহার মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত উক্ত মাদকদ্রব্যের উৎস হইতে গন্তব্য পর্যন্ত যাবতীয় কার্যক্রমের সহিত জড়িত সকল অপরাধীকে গ্রেফতার করা যায়।
১,১৮৯.
Chapter II of the Transfer of Property Act shall not be deemed to effect any rule of:
  1. Parsi law
  2. Christian law
  3. Mohammedan law
  4. none of the above
ব্যাখ্যা

⇒ Transfer of Property Act, 1882 এর Section 2-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে: Section 2: Repeal of Acts, Saving: "Chapter II of this Act shall not be deemed to affect any rule of Muhammadan law."
- Chapter II (ধারা ৫ থেকে ৫৩-এ পর্যন্ত) - যেখানে সম্পত্তি হস্তান্তরের সাধারণ নীতি বর্ণিত হয়েছে। এই অধ্যায়ের কোনো বিধান মুসলিম আইনের কোনো নিয়মকে প্রভাবিত করবে না। মুসলিম পারিবারিক আইন ও উত্তরাধিকার আইন এই অধ্যায়ের আওতামুক্ত।
- এটি একটি সেভিং ক্লজ (Saving Clause) যা মুসলিম ব্যক্তিগত আইনকে (Personal Law) সুরক্ষা প্রদান করে। মুসলিম আইনে সম্পত্তি হস্তান্তরের বিশেষ বিধান যেমন: উইলের ১/৩ অংশ সীমাবদ্ধতা, হিবা (দান) এর বিশেষ নিয়ম, ওয়াকফ প্রতিষ্ঠার বিধান, উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিশেষ বিধান। এই সকল বিধান Transfer of Property Act-এর সাধারণ বিধান দ্বারা প্রভাবিত হয়নি।

১,১৯০.
কোন মুসলিম পুরুষ যদি খ্রিস্টান নারীকে বিয়ে করেন, তবে উক্ত বিবাহের আইনগত অবস্থান এবং বিবাহজাত সন্তানটির বৈধতা সম্পর্কে নিম্নের কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. বিবাহ এবং সন্তান উভয় বৈধ
  2. বিবাহ অবৈধ কিন্তু সন্তান বৈধ
  3. বিবাহ বৈধ কিন্তু সন্তান অবৈধ
  4. বিবাহ অনিয়মিত কিন্তু সন্তান বৈধ
ব্যাখ্যা
ইসলামী শরিয়া অনুযায়ী,
মুসলিম পুরুষ খ্রিস্টান বা ইহুদি নারীর সাথে বিয়ে করতে পারেন এবং এটি বৈধ বিবাহ বলে গণ্য হয়, কারণ ইসলামে "আহলে কিতাব" (খ্রিস্টান এবং ইহুদি) নারীদের সাথে বিয়ে করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। যদি কোনো মুসলিম পুরুষ খ্রিস্টান বা ইহুদি নারীকে বিয়ে করেন এবং তাদের মধ্যে কোনো সন্তান জন্ম নেন, তাহলে সেই সন্তান বৈধ হবে। কারণ, ইসলামে বৈধ বিয়ের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া সন্তান স্বীকৃত, এবং এর বৈধতা কোনোভাবেই ক্ষুণ্ন হয় না, যতটুকু না সে সন্তান কোনো অন্যায় বা অবৈধ উপায়ে জন্মেছে।

সুতরাং, মুসলিম পুরুষ এবং খ্রিস্টান বা ইহুদি নারীর মধ্যে বিয়ে বৈধ এবং সেই বিবাহ থেকে জন্ম নেওয়া সন্তানও বৈধ হবে।
১,১৯১.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে নিচের কোনটি দূরবর্তী আত্মীয়বর্গ (Zabil Arham) এর উদাহরণ?
  1. মা
  2. স্ত্রী
  3. চাচা
  4. কন্যা
ব্যাখ্যা
⇒  মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে উত্তরাধিকারীরা তিন শ্রেণিতে বিভক্ত:
১) অংশীদার (Zawil Furud) – যাদের নির্দিষ্ট অংশ কোরআনে নির্ধারিত রয়েছে।
২) অবশিষ্টাংশ ভোগী (Asaba) – যারা অংশীদারদের পরে অবশিষ্ট সম্পত্তি পায়।
৩) দূরবর্তী আত্মীয়বর্গ (Zawil Arham) – যারা অংশীদার বা আসাবা নয়, কিন্তু মৃতের আত্মীয়।

⇒ দূরবর্তী আত্মীয়বর্গ (Zawil Arham) তাদের বলা হয়, যারা অংশীদার (Zawil Furud) বা আসাবা নয়, তবে মৃতের আত্মীয়।
- চাচা সাধারণত আসাবা হলেও, যদি আসাবা না থাকে, তবে তিনি Zawil Arham হিসেবে উত্তরাধিকার পান।

⇒ প্রত্যেক অপশন বিশ্লেষণ করে পাই:
(ক) মা – মা হলেন নির্ধারিত অংশীদার (Zawil Furud)। তিনি সাধারণত মৃত সন্তান রেখে গেলে ১/৬ এবং সন্তান না থাকলে ১/৩ অংশ পান। সুতরাং, তিনি দূরবর্তী আত্মীয়বর্গ নন।
(খ) স্ত্রী – স্ত্রীও নির্ধারিত অংশীদার (Zawil Furud)। স্বামী মারা গেলে তিনি সন্তান থাকলে ১/৮ এবং সন্তান না থাকলে ১/৪ অংশ পান। ফলে, তিনি দূরবর্তী আত্মীয়বর্গের অন্তর্ভুক্ত নন।
(গ) চাচা – চাচা সাধারণত আসাবা হন। তবে, যদি কোনো আসাবা উত্তরাধিকারী না থাকে, তাহলে চাচা দূরবর্তী আত্মীয়বর্গ (Zawil Arham) হিসেবে বিবেচিত হতে পারেন। ফলে, এই অপশনটি সঠিক।
(ঘ) কন্যা – কন্যা নির্দিষ্ট অংশীদার (Zawil Furud)। একমাত্র কন্যা থাকলে সে ১/২ পায়, একাধিক কন্যা থাকলে তারা ২/৩ ভাগ করে নেয়। তাই কন্যাও দূরবর্তী আত্মীয়বর্গের অন্তর্ভুক্ত নয়।
১,১৯২.
মুসলিম আইনের প্রধান উৎসগুলোর মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. হাদিস
  2. ইজমা
  3. ইসতিসলাহ
  4. কিয়াস
ব্যাখ্যা
’মুসলিম আইনের প্রধান উৎস চারটি- কোরআন, হাদিস, ইজমা ও কিয়াস। আরও কিছু বিষয়কেও ইসলামি আইনের উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেগুলো হলো-

ইজতিহাদ:
ইজতেহাদ অর্থ গবেষণা করা। ইসলামি পরিভাষায় শরিয়তের কোনো নির্দেশ সম্পর্কে সুষ্ঠু জ্ঞানলাভের উদ্দেশ্যে সর্বাঙ্গীণ চেষ্টা ও সমাধানের নাম ইজতেহাদ। সাধারণ লোকের চিন্তাধারায় ইজতেহাদ হয় না। পবিত্র কোরআন ও সুন্নাহর ভিত্তিতে কিয়াস প্রয়োগ করে ইজতেহাদ করতে হয়।

ইসতিহসান:
পরবর্তী শতাব্দীতে কোনো বিধান কিয়াসের চাহিদা থেকে পৃথক হলে তাকে ইসতিহসান বলা হতো। ইসতিহসান অর্থ বিচার-বিবেচনায় যা মঙ্গলজনক। কিয়াসের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান কঠিন মনে হলে জনসাধারণের সাহায্যের জন্য ইসতিহসান করা হয়।

ইসতিসলাহ:
ইসতিহসানের থেকে সহজ ইসতিসলাহ। ইসতিসলাহ অর্থ জনকল্যাণ। এটা জনসাধারণের কল্যাণে সমস্যা সমাধানের সহজ মাধ্যম।

ইসতিদলাল:
ইসলামী আইনে যুক্তিনির্ণীত সিদ্ধান্তকে ‘ইসতিদলাল’ বলে। অন্য কথায় কোনো একটি বিষয় হতে যুক্তি-তর্কের সাহায্যে অন্য একটি অনুরূপ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণকে ইসতিদলাল বলে। ইসতিদলালের মাধ্যমে এক নীতি থেকে যুক্তি-তর্কের সাহায্যে অন্য নীতির প্রবর্তন করা হয়।
১,১৯৩.
দুর্নীতি দমন কমিশন এর ক্ষেত্রে কোন বাক্যটি সঠিক নয়?
  1. এটি একটি স্বশাসিত সংস্থা
  2. এটি একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান
  3. সম্পত্তি অর্জনের অধিকার নেই
  4. এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যায়
ব্যাখ্যা
• দেশে দুর্নীতি এবং দুর্নীতিমূলক কার্য প্রতিরোধের লক্ষ্যে দুর্নীতি এবং অন্যান্য সুনির্দিষ্ট অপরাধের অনুসন্ধান এবং তদন্ত পরিচালনার জন্য একটি স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন প্রতিষ্ঠা এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধানকল্পে প্রণীত আইন হচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪।

ধারা ৩- কমিশন প্রতিষ্ঠা, ইত্যাদি

(১) এই আইন, বলবৎ হইবার পর যতশীঘ্র সম্ভব, সরকার, সরকারী গেজেটে, প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে দুর্নীতি দমন কমিশন নামে একটি কমিশন প্রতিষ্ঠা করিবে।

(২) এই কমিশন একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন হইবে। 

(৩) কমিশন একটি স্বশাসিত সংস্থা হইবে এবং উহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং এই আইন ও বিধি সাপেক্ষে, উহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্প ত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার এবং উহা হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং উহার নামে উহা মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং উহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।
১,১৯৪.
ন্যায়পালের পদটি বাংলাদেশে কীভাবে সৃষ্টি হবে?
  1. সরকারের সিদ্ধান্তে
  2. প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে
  3. রাষ্ট্রপতির আদেশে
  4. সংসদের আইনের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ৭৭(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে, "সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ-প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করিতে পারিবেন।"
- অর্থাৎ ন্যায়পাল পদটি শুধুমাত্র সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের মাধ্যমেই সৃষ্টি হতে পারে।
- এটি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী বা সরকারের একতরফা সিদ্ধান্তে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পদ নয়।
- সংবিধানে অনুচ্ছেদ থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশে এখনও ন্যায়পাল আইন পাস হয়নি, তাই এই পদটি এখনও সৃষ্টি হয়নি।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৭ অনুচ্ছেদের বিষয়: ন্যায়পাল:
(১) সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ-প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করিতে পারিবেন। 
(২) সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালকে কোন মন্ত্রণালয়, সরকারী কর্মচারী বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের যে কোন কার্য সম্পর্কে তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাসহ যেরূপ ক্ষমতা কিংবা যেরূপ দায়িত্ব প্রদান করিবেন, ন্যায়পাল সেইরূপ ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করিবেন। 
(৩) ন্যায়পাল তাঁহার দায়িত্বপালন সম্পর্কে বাৎসরিক রিপোর্ট প্রণয়ন করিবেন এবং অনুরূপ রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপিত হইবে।
------------
 ⇒ Article 77 Ombudsman:
(1) Parliament may, by law, provide for the establishment of the office of Ombudsman. 
(2) The Ombudsman shall exercise such powers and perform such functions as Parliament may, by law, determine, including the power to investigate any action taken by a Ministry, a public officer or a statutory public authority. 
(3) The Ombudsman shall prepare an annual report concerning the discharge of his functions, and such report shall be laid before Parliament.

১,১৯৫.
কোন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক তার দায়িত্ব পালনে কোন অসদাচরণের জন্য দায়ী হলে, সরকার তার নিয়োগ অনধিক কত বছরের জন্য স্থগিত করতে পারে?
  1. ৫ বছরের জন্য
  2. ৩ বছরের জন্য
  3. ১ বছরের জন্য
  4. ২ বছরের জন্য
ব্যাখ্যা
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২: ধারা ১৪- বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা:

সরকারের নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে এই মর্মে প্রতীয়মান হয় যে, কোন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক তাহার দায়িত্ব পালনে কোন অসদাচরণের জন্য দায়ী অথবা তাহার কর্তব্য পালনে অসমর্থ বা শারীরিকভাবে অক্ষম, তাহা হইলে, সরকার লিখিত আদেশ দ্বারা, তাহার নিয়োগ অনধিক দুই বৎসরের জন্য স্থগিত বা বাতিল করিতে পারিবে: 
 
তবে শর্ত থাকে, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধককে যথাযথ কারণ দর্শানোর সুযোগ প্রদান না করিয়া অনুরুপ কোন আদেশ প্রদান করা যাইবে না। 
১,১৯৬.
সংবিধানের ৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার ৪টি মূলনীতি হলো-
  1. জাতীয়তাবাদ, মানবাধিকার, গণতন্ত্র, ধর্মীয় মূল্যবোধ
  2. জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, রাজতন্ত্র, সমাজতন্ত্র
  3. সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, রাজনীতি, ধর্মীয় শাসন
  4. জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ৮: মূলনীতিসমূহ:
(১) জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে৷

​(২) এই ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হইবে, আইন-প্রণয়নকালে রাষ্ট্র তাহা প্রয়োগ করিবেন, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তাহা নির্দেশক হইবে এবং তাহা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হইবে, তবে এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না৷

​⇒ সংবিধানের ৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার ৪টি মূলনীতি হলো-
১. জাতীয়তাবাদ [Nationalism];
২. সমাজতন্ত্র [Socialism];
৩. গণতন্ত্র [Democracy];
৪. ধর্মনিরপেক্ষতা [Secularism]।

১,১৯৭.
মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন এর অধীন স্বামীর নিখোঁজ জনিত কারণে আদালত বিচ্ছেদের ডিক্রি প্রদান করলে, তা কতদিন পর্যন্ত কার্যকর হবে না?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ মাস
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা
• ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী যেসব কারণে আদালতে তালাক চাইতে পারেন সেগুলো হলো-
 
⇒ চার বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে;
⇒ দুই বছর স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে;
⇒ স্বামীর সাত বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি কারাদণ্ড হলে;
⇒ স্বামী কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া তিন বছর যাবত দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
⇒ বিয়ের সময় পুরষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা দায়ের করা পর্যন্ত বহাল থাকে;
⇒ স্বামী দুই বছর ধরে অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে অথবা কুষ্ঠরোগে বা মারাত্মক যৌন ব্যধিতে আক্রান্ত থাকলে;
 
⇒ বিয়ে অস্বীকার করলে। অর্থাৎ যদি কোনো মেয়ের বাবা বা অভিভাবক মেয়েকে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে বিয়ে দেন এবং সেই মেয়েটি ১৯ বছর হওয়ার আগে বিয়ে অস্বীকার করে বিয়ে ভেঙে দিতে পারে। তবে শর্ত হলো, মেয়েটির সঙ্গে স্বামীর দাম্পত্য সম্পর্ক (সহবাস) যদি স্থাপিত না হয়ে থাকে তখনই কেবল বিয়ে অস্বীকার করে আদালতে বিচ্ছেদের ডিক্রি চাওয়া যাবে;
 
⇒ স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লঙ্ঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে;
 
⇒ স্বামীর নিষ্ঠুরতার কারণে। নিম্নলিখিত আচরণগুলো ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসেবে গণ্য হবে-
 
(ক) অভ্যাসগত আচরণে স্ত্রীকে আঘাত করা (দৈহিক আঘাত ছাড়াও মানসিক আঘাতও এর অন্তর্ভুক্ত, যা তার জীবন শোচনীয় বা দুর্বিষহ করে তুলেছে);
(খ) অন্য কোনো খারাপ নারীর সঙ্গে জীবনযাপন বা মেলামেশা;
(গ) স্ত্রীকে অনৈতিক জীবনযাপনে বাধ্য করা;
(ঘ) স্ত্রীর সম্পত্তি নষ্ট করা;
(ঙ) স্ত্রীকে নিজস্ব ধর্মপালনে বাধা দেয়া;
(চ) যদি স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকে, তাদের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের নির্দেশ অনুসারে সমান ব্যবহার না করা;
(ছ) এছাড়া মুসলিম আইনে বিয়েবিচ্ছেদের জন্য বৈধ বলে স্বীকৃত অন্য যে কোনো কারণে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের দাবি করতে পারবে।

উল্লেখ্য যে, নিরুদ্দেশ জনিত কারণে ডিক্রি প্রদান করা হলে, প্রদত্ত ডিক্রি দানের তারিখ হইতে ৬ মাস কাল কার্যকর হইবে না এবং যদি স্বামী উল্লেখিত সময়ে ব্যক্তিগতভাবে কিংবা কোন ক্ষমতা প্রাপ্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে উপস্থিত হইয়া আদালতকে সন্তুষজনক জবাব দেন যে, তিনি দাম্পত্য কর্তব্য পালনে প্রস্তুত আছেন, তবে উক্ত ডিক্রি নাকচ করিয়া দিবেন।
১,১৯৮.
'ক' একজন ভিক্ষুক। সে ১০ বছর বয়সী একটি শিশুকে প্রতিদিন তার সঙ্গে রাস্তায় ভিক্ষা করায়। এই কাজের জন্য তার সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৭১: “শিশুকে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োগের দণ্ড”:
কোন ব্যক্তি যদি কোন শিশুকে ভিক্ষার উদ্দেশ্যে নিয়োগ করেন বা কোন শিশুর দ্বারা ভিক্ষা করান অথবা শিশুর হেফাজত, তত্ত্বাবধান বা দেখাশুনার দায়িত্বে নিয়োজিত কোন ব্যক্তি যদি কোন শিশুকে ভিক্ষার উদ্দেশ্যে নিয়োগদানে প্রশ্রয়দান করেন বা উৎসাহ প্রদান করেন বা ভিক্ষার উদ্দেশ্যে প্রদান করেন, তাহা হইলে তিনি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
১,১৯৯.
একজন হানাফি মুসলিম পিতা-মাতাকে রেখে মারা যান। তার তাজ্য সম্পত্তিতে পিতা ও মাতার অংশ যথাক্রমে-
  1. পিতা ১/৪, মাতা ৩/৪ অংশ
  2. পিতা ১/৩, মাতা ২/৩ অংশ
  3. পিতা ২/৩, মাতা ১/৩ অংশ
  4. পিতা ২/৪, মাতা ১/৪ অংশ
ব্যাখ্যা
• মুসলিম উত্তরাধিকার আইন-
 
ধরি,
মোট সম্পত্তি = ১ অংশ;
 
মাতার অংশ = ১/৩ [যেহেতু সন্তান, সন্তানের সন্তান (যত নিম্ন হোক), একাধিক ভাই-বোন অনুপস্থিত];
পিতা = অবশিষ্টাংশভোগী [যেহেতু সন্তান, সন্তানের সন্তান (যত নিম্ন হোক) এরূপ কেউ নেই]।
 
অবশিষ্টাংশ = (১ - ১/৩) = ২/৩ অংশ।
 
∴ পিতার অংশ = ২/৩ অংশ।
মাতার অংশ = ১/৩ অংশ।
১,২০০.
সংবিধান অনুসারে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীগুলোর সর্বাধিনায়ক কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. সেনাপ্রধান
  4. প্রতিরক্ষা মন্ত্রী
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বলা হয়েছে—
“বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহের সর্বাধিনায়কতা রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত হইবে, এবং আইনের দ্বারা তাহার প্রয়োগ নিয়ন্ত্রিত হইবে।”
- অর্থাৎ, প্রতিরক্ষা বাহিনীগুলোর নামমাত্র (ceremonial) সর্বোচ্চ নেতৃত্বের দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত। তবে এই ক্ষমতা আইনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয় এবং বাস্তবিক দিক থেকে প্রতিরক্ষা নীতিমালা প্রণয়ন ও পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী।
→ তবে মূল সাংবিধানিক সর্বাধিনায়কের প্রশ্নে—রাষ্ট্রপতি-ই সঠিক উত্তর।