বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন২,৯৬৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১১ / ৩০ · ১,০০১১,১০০ / ২,৯৬৪

১,০০১.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর কত ধারায় 'হোল্ডিং বা জোত'-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ২(১১) ধারায়
  2. ২(১২) ধারায়
  3. ২(১৩) ধারায়
  4. ২(১৪) ধারায়
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ২(১৩) ধারায় হোল্ডিং-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

ধারা ২(১৩)- জোত [Holding]:
'হোল্ডিং বা জোত' অর্থ ভূমির একটি খণ্ড অথবা খণ্ডসমূহ বা তার একটি অবিভক্ত অংশ যা কোনো রায়ত বা অধীনস্থ রায়ত কর্তৃক অধিকৃত এবং যা কোনো পৃথক প্রজাস্বত্বের বিষয়বস্তু; একটি খতিয়ানে একটি দাগ থাকতে পারে, আবার একাধিক দাগও থাকতে পারে। এ রকম একটি খতিয়ানের অন্তর্ভুক্ত ভূমিকে হোল্ডিং বা জোত-জমা বলা হয়।

⇒The State Acquisition and Tenancy Act, 1950-Section-2(13):
“holding” means a parcel or parcels of land or an undivided share thereof, held by a raiyat or an under-raiyat and forming the subject of a separate tenancy;
১,০০২.
সর্বোচ্চ আদালত কর্তৃক বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলার রায় দেয়া হয় কোন সালে?
  1. ১৯৯৬
  2. ১৯৯৭
  3. ১৯৯৮
  4. ১৯৯৯
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলা:
 
সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদে উল্লেখিত 'নির্বাহী বিভাগ হতে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণ' সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ মূলনীতিটি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ আদালত নির্দেশনা দিয়েছে Secretary, Ministry of Finance vs Md Masdar Hossain and others মামলায় যা বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলা বা মাসদার হোসেন মামলা নামে পরিচিত। এই রিট দায়ের করে ২২৩ জন যারা ছিল জেলা জজ, অতিরিক্ত জেলা জজ বা অধস্তন বিচারক বা নিম্ন আদালতের অন্যান্য বিচারক। ১৯৯৫ সালে হাইকোর্টে রীটটি দায়ের করা হয় এবং ১৯৯৭ সালের ৭ মে হাইকোর্ট বিভাগ বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ সংক্রান্ত মামলার রায় ঘোষণা করে। সরকার এই রায়ের বিরুদ্ধে আপীল করলে, সর্বোচ্চ আদালত আপীল বিভাগ ১৯৯৯ সালের ২রা ডিসেম্বর রায় ঘোষণা করে।
 
এই রায়ের প্রধান অংশ তৎকালীন প্রধান বিচারপতি মোস্তফা কামাল/ কর্তৃক লিখিত এবং পঠিত হয়েছিল। এবং এই কারণে তাকে এই মামলার Author Judge বলা হয়। ২০০৭ সালের ১লা নভেম্বর ফৌজদারী কার্যবিধি সংশোধন করে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পদ সৃষ্টি করে এবং এর মাধ্যমে অধস্তন বিচার বিভাগ নির্বাহী বিভাগ হতে পৃথক হয়।
১,০০৩.
Promises which form the consideration or part of the consideration for each other are called ________.
  1. mutual contracts
  2. conditional offers
  3. express agreements
  4. reciprocal promises
ব্যাখ্যা
ধারা ২(চ):
"যেসব প্রতিশ্রুতি একে অপরের প্রতিদান বা প্রতিদানের অংশ হিসাবে গৃহীত হয়, সেগুলোকে পরস্পর প্রতিশ্রুতি (reciprocal promises) বলা হয়।"

2(f)- Promises which form the consideration or part of the consideration for each other are called reciprocal promises:
১,০০৪.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তির মাসিক ইজারা হলে ইজারা দাতা বা ইজারা গ্রহীতা কত দিন পূর্বে নোটিশে ইজারার সমাপ্তি ঘটাতে পারে?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৭ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা ১০৬: লিখিত চুক্তি বা স্থানীয় রীতির অবর্তমানে কতিপয় ইজারার মেয়াদ:
কৃষি কার্য বা শিল্প উৎপাদনের জন্য স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা বছর হতে বছরের ইজারা হিসেবে গণ্য করা হবে এবং এই ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার বছরের শেষ দিন হতে ৬ মাস পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে সমাপ্তিযোগ্য।
অন্য কোন উদ্দেশ্যে স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা মাস হতে মাসের ইজারা হিসেবে গণ্য হবে এবং তা ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার মাসের শেষ দিন হতে ১৫ দিন পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে সমাপ্তিযোগ্য।
 
এই ধারার আওতায় প্রত্যেকটি নোটিশ অবশ্যই লিখিত এবং নোটিশ দাতা বা তার পক্ষ হতে স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং এই নোটিশ ডাকযোগে বা অর্পণের মাধ্যমে বা ব্যক্তিগত ভাবে প্রদান করতে হবে অথবা তার পরিবারের কোন সদস্যকে বা তার বাসভবনের কোন কর্মচারীকে তা প্রদান করতে হবে। অথবা যদি এরূপ সম্ভব না হয় তাহলে সম্পত্তির প্রকাশ্য স্থানে লটকিয়ে দিতে হবে।
 
⇒ কোন চুক্তি বা প্রচলিত আইনের অবর্তমানে কৃষিকাজ ব্য শিল্প উৎপাদনের জন্য স্থাবর সম্পত্তি ইজারা দেয়া হলে তা বার্ষিক ইজারা বলে গণ্য হবে।
⇒ কৃষিকাজ বা শিল্প উৎপাদন ব্যতীত অন্য কোন কাজের জন্য স্থাবর সম্পত্তি ইজারা দেওয়া হলে তা মাসিক ইজারা বলে গন্য হবে।
------------------------
- Section 106: Duration of certain leases in absence of written contract or local usage:
In the absence of a contract or local law or usage to the contrary, a lease of immoveable property for agricultural or manufacturing purposes shall be deemed to be a lease from year to year, terminable, on the part of either lessor or lessee, by six months' notice expiring with the end of a year of the tenancy; and a lease of immoveable property for any other purpose shall be deemed to be a lease from month to month, terminable, on the part of either lessor or lessee, by fifteen days' notice expiring with the end of a month of the tenancy. 
 
- Every notice under this section must be in writing signed by or on behalf of the person giving it, and either be sent by post to the party who is intended to be bound by it or be tendered or delivered personally to such party, or to one of his family or servants at his residence, or (if such tender or delivery is not practicable) affixed to a conspicuous part of the property.
১,০০৫.
কোন আদালতে মূল মামলা দায়ের করা হয় না?
  1. জেলা জজ আদালত
  2. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত
  3. যুগ্ম জেলা জজ আদালত
  4. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী আদালতসমূহ:

ক) জেলা  জজ আদালত;
খ) অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত;
গ) যুগ্ম জেলা জজ আদালত;
ঘ) সিনিয়র সহকারী জজ আদালত;
ঙ) সহকারী জজ আদালত।

দেওয়ানী আদালতের এখতিয়ার:

ক) জেলা জজ আদালত- রিভিশন এখতিয়ার, দেওয়ানী বিষয়বস্তুর আপীল যার মূল্যমান সর্বোচ্চ পাচ কোটি  টাকা , প্রবেট সংক্রান্ত বিষয়াদি ইত্যাদি।

খ) অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত- জেলা জজ কর্তৃক প্রেরিত সকল মামলাসমূহের বিচার অত্র আদালত কর্তৃক সম্পন্ন হয়ে থাকে।


গ) যুগ্ম জেলা জজ-  
১) সকল প্রকার দেওয়ানী মামলা যার মূল্যমান পঁচিশ লক্ষ টাকা থেকে  অসীম,
২) উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিষয়াদি,
৩) রিভিশন- জেলা জজ কর্তৃক প্রেরিত মামলাসমূহ,
৪) আপীল- জেলা জজ কর্তৃক প্রেরিত মামলাসমূহ,

ঘ) সিনিয়র সহকারী জজ- দেওয়ানী প্রকৃতির মামলার বিচার যার মূল্যমান পনের লক্ষ টাকা থেকে পঁচিশ  লক্ষ টাকা পর্যন্ত,   
ঙ) সহকারী জজ- দেওয়ানী প্রকৃতির মামলার বিচার যার মূল্যমান সর্বোচ্চ পনের লক্ষ টাকা।

অর্থাৎ অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে মূল মামলা দায়ের করা হয় না, শুধুমাত্র জেলা জজ কর্তৃক প্রেরিত সকল মামলাসমূহের বিচার হয়ে থাকে।
১,০০৬.
যদি কোনো অযোগ্য ব্যক্তি (যেমন: অপ্রাপ্তবয়স্ক) দায়যুক্ত সম্পত্তি দান হিসেবে গ্রহণ করে, তবে-
  1. তিনি দান গ্রহণ করতে পারবেন না
  2. তিনি দান গ্রহণ করলে তা অবৈধ হবে
  3. তিনি দায়ভার বহন করতে বাধ্য নন
  4. তিনি দায়ভার বহনে বাধ্য থাকবেন
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৭- দায়যুক্ত (Onerous) দান এবং অযোগ্য ব্যক্তিকে দায়যুক্ত দান:
যখন কোনো ব্যক্তি এককভাবে একই ব্যক্তিকে একাধিক বস্তু দান করেন, যার মধ্যে একটি বা একাধিক বস্তু দায় বা বোঝা যুক্ত (onerous) এবং অন্যগুলো নয়, তখন দানগ্রহীতা যদি এই দান সম্পূর্ণরূপে গ্রহণ না করেন, তাহলে তিনি কোনো কিছুই গ্রহণ করতে পারবেন না।

তবে, যদি দানটি একাধিক আলাদা এবং স্বাধীন হস্তান্তরের মাধ্যমে হয়ে থাকে- অর্থাৎ প্রতিটি বস্তু আলাদা আলাদাভাবে দান করা হয়- তাহলে দানগ্রহীতা তার সুবিধাজনক বস্তু গ্রহণ করে এবং বোঝাযুক্ত দান প্রত্যাখ্যান করতে পারেন।

দায়যুক্ত দান (Onerous Gift) অযোগ্য ব্যক্তির ক্ষেত্রে-
যদি কোনো দানগ্রহীতা চুক্তি করার যোগ্য না হন এবং কোনো দায়যুক্ত সম্পত্তি গ্রহণ করেন, তবে তিনি ঐ দায় মেনে নিতে বাধ্য নন। তবে যদি তিনি পরবর্তীতে চুক্তি করার যোগ্য হন এবং দানের সাথে যুক্ত দায় সম্পর্কে জ্ঞাত থাকেন, এবং এরপরও যদি তিনি উক্ত সম্পত্তি ধরে রাখেন, তবে তিনি সেই দায়ভার বহন করতে বাধ্য হবেন।

উদাহরণসমূহ:
(ক) A এর কাছে X কোম্পানির কিছু লাভজনক শেয়ার এবং Y কোম্পানির কিছু শেয়ার রয়েছে, যেটি আর্থিক সংকটে রয়েছে এবং যার ওপর বড় অঙ্কের অর্থ দাবির সম্ভাবনা রয়েছে। A তার সমস্ত কোম্পানির শেয়ার B-কে দান করেন। B, Y কোম্পানির শেয়ার গ্রহণে অস্বীকৃতি জানায়। সেক্ষেত্রে সে X কোম্পানির শেয়ারও গ্রহণ করতে পারবে না।
১,০০৭.
একজন সংসদ সদস্য স্পিকারের অনুমতি ছাড়া কত দিনের বেশি সংসদের বাইরে থাকতে পারবেন না?
  1. ৩০ দিন
  2. ৪৫ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৭ অনুচ্ছেদের বিধান: সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া:

(১) কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হইবে, যদি,
(ক) তাঁহার নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে নব্বই দিনের মধ্যে তিনি তৃতীয় তফসিলে নির্ধারিত শপথগ্রহণ বা ঘোষণা করিতে ও শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিতে অসমর্থ হন:

তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ মেয়াদ অতিবাহিত হইবার পূর্বে স্পীকার যথার্থ কারণে তাহা বর্ধিত করিতে পারিবেন;
(খ) সংসদের অনুমতি না লইয়া তিনি একাদিক্রমে নব্বই বৈঠক-দিবস অনুপস্থিত থাকেন;
(গ) সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়;
(ঘ) তিনি এই সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন অযোগ্য হইয়া যান; অথবা
(ঙ) এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বর্ণিত পরিস্থিতির উদ্ভব হয়।

(২) কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন, এবং স্পীকার- কিংবা স্পীকারের পদ শূন্য থাকিলে বা অন্য কোন কারণে স্পীকার স্বীয় দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ডেপুটি স্পীকার- যখন উক্ত পত্র প্রাপ্ত হন, তখন হইতে উক্ত সদস্যের আসন শূন্য হইবে।
----------
⇒ Article 67. Vacation of seats of members:
(1) A member of Parliament shall vacate his seat – 
(a) if fails, within the period of ninety days from the date of the first meeting of Parliament after his election, to make and subscribe 42[* * *] the oath or affirmation prescribed for a member of Parliament in the Third Schedule: 
Provided that the Speaker may, before the expiration of that period, for good cause extend it; 

(b) if he is absent from Parliament, without the leave of Parliament, for ninety consecutive sitting days; 
(c) upon a dissolution of Parliament; 
(d) if he has incurred a disqualification under clause (2) of article 66; or 
(e) in the circumstances specified in article 70. 

(2) A member of Parliament may resign his seat by writing under his hand addressed to the Speaker, and the seat shall become vacant when the writing is received by the Speaker or, if the office of Speaker is vacant or the Speaker is for any reason unable to perform his functions, by the Deputy Speaker.
১,০০৮.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, জরুরী অবস্থা ঘোষণার সর্বোচ্চ সময়সীমা কত?
  1. ৯০ দিন
  2. ১২০ দিন
  3. ১৮০ দিন
  4. ৩৬৫ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, জরুরী অবস্থা ঘোষণার সর্বোচ্চ সময়সীমা ১২০ দিন।
- এটি সংবিধানের ১৪১(ক) ধারা অনুযায়ী উল্লেখিত, যেখানে বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্রপতি জরুরী অবস্থা ঘোষণা করতে পারবেন অনধিক একশত কুড়ি (১২০) দিনের জন্য। এই সময়সীমার মধ্যে সংসদে প্রস্তাব পেশ করা এবং সংসদ অনুমোদন লাভ করা জরুরি, অন্যথায় সেই ঘোষণা কার্যকর থাকবে না।
- অতএব, সঠিক উত্তর হবে: খ) ১২০ দিন।
১,০০৯.
সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে 'জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা' নিশ্চিতের বিধান রয়েছে?
  1. ১৯(৩) অনুচ্ছেদে
  2. ২৮(২) অনুচ্ছেদে
  3. ১৯(১) অনুচ্ছেদে
  4. ২৮(৪) অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ১৯ (৩) অনুচ্ছেদে জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা [equality of opportunity and participation of women in all spheres of national life] নিশ্চিতের বিধান করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ১৯: সুযোগের সমতা

(১) সকল নাগরিকের অন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হবে।
(২) মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ করার জন্য, নাগরিকদের মধ্যে ধুলের সানী বেন্টন নিশ্চিত করার জন্য এবং প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের উদেশ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধাদান নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
(৩) জাতীয় জীবনের সর্স্তররে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে।

Article 19: Equality of opportunity

(1) The State shall endeavour to ensure equality of opportunity to all citizens. 
(2) The State shall adopt effective measures to remove social and economic inequality between man and man and to ensure the equitable distribution of wealth among citizens, and of opportunities in order to attain a uniform level of economic development throughout the Republic. 
(3) The State Shall endeavour to ensure equality of opportunity and participation of women in all spheres of national life.

• অপরদিকে, সংবিধানের ২৮ (২) অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার এবং ২৮ (৪) অনুচ্ছেদে নারী, শিশু এবং নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান নিশ্চিত হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ২৮: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য

(১) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করিবেন না। 
(২) রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন।
(৩) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে জনসাধারণের কোন বিনোদন বা বিশ্রামের স্থানে প্রবেশের কিংবা কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন নাগরিককে কোনরূপ অক্ষমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাইবে না। 
(৪) নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান-প্রণয়ন হইতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।

Article 28: Discrimination on grounds of religion, etc.

(1) The State shall not discriminate against any citizen on grounds only of religion, race, caste, sex or place of birth. 
(2) Women shall have equal rights with men in all spheres of the State and of public life. 
(3) No citizen shall, on grounds only of religion, race, caste, sex or place of birth be subjected to any disability, liability, restriction or condition with regard to access to any place of public entertainment or resort, or admission to any educational institution. 
(4) Nothing in this article shall prevent the State from making special provision in favour of women or children or for the advancement of any backward section of citizens.
১,০১০.
The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর ৪ ধারায় উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিধান সংযোজনের ক্ষেত্রে নিম্নের কোন নীতি অনুসরণ করা হয়েছে?
  1. Per se
  2. Per capita
  3. Per stripes
  4. Per diem
ব্যাখ্যা
⇒ Per stripes:
The doctrine of per stirpes refers to the system of distributing an inheritance when a beneficiary who is entitled to receive it has died before receiving their share. 
Under per stirpes:
- If a beneficiary dies before the inheritance is distributed, their children will "step into their shoes". The beneficiary's children will inherit the share their parent would have received, dividing it equally between them.
So in short, if a named beneficiary in a will or trust has already died when distribution occurs, the per stirpes system allows their lineal descendants to inherit in their place, keeping the inheritance distribution aligned to the family tree structure.

⇒ Section 4. Succession

 In the event of the death of any son or daughter of the propositus before the opening of succession, the children of such son or daughter, if any, living at the time the succession opens, shall per stirpes receive a share equivalent to the share which such son or daughter, as the case may be, would have received if alive.

⇒অর্থাৎ যার সম্পত্তি বণ্টন হবে তার মৃত্যুর পূর্বে তার কোন পুত্র বা কন্যা মারা গেলে এবং উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি বণ্টনের সময় উক্ত মৃত পুত্র বা কন্যার কোন সন্তানাদি জীবিত থাকলে তারা সেই হারে সম্পত্তি পাবে, যা তাদের পিতা বা মাতা জীবিত থাকলে পেতো। এটাকে প্রতিনিধিত্বের মতবাদ বা Doctrine of Representation বলা হয়।
- Per stripes নীতি এবং প্রতিনিধিত্বের মতবাদের মূল বক্তব্য একই। 

-তাইলে আমরা বলতে পারি যে The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর ৪ ধারায় উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিধান সংযোজনের ক্ষেত্রে Per stripes নীতি অনুসরণ করা হয়েছে। 
১,০১১.
নিম্নের কোন কাজ অকৃষি ভূমির “উন্নয়ন” হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. রাস্তা নির্মাণ করা
  2. ড্রেনেজ সংযোগ দেয়া
  3. বায়ু চলাচলের খোলা জায়গা রাখা
  4. যে কাজ সম্পত্তির মূল্য হ্রাস করে
ব্যাখ্যা
NAT Act, 1949- ধারা ৬৪: "Improvement" (উন্নয়ন)-
এই আইনের উদ্দেশ্যে "উন্নয়ন" (Improvement) বলতে এমন কোনো কাজকে বোঝায়- যা কোনো অকৃষি জমির মূল্য বৃদ্ধি করে, যা সেই জমির জন্য উপযোগী, এবং ধারা ৪-এ উল্লিখিত যেকোনো নির্ধারিত ব্যবহার অনুযায়ী কাজটি উপযুক্ত, এবং কাজটি যদি সরাসরি সেই জমির ওপর করা না হয়, তবুও তা যদি সেই জমির উপকারে আসে, তাহলে সেটি "উন্নয়ন" হিসেবে গণ্য হবে।

এইরূপ উন্নয়নমূলক কাজের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হবে, যথা-
(ক) পথ বা রাস্তা তৈরি করা,
(খ) বায়ু চলাচলের জন্য খোলা স্থান রাখা,
(গ) পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা,
(ঘ) ড্রেনেজ (পয়নিষ্কাশন) সংযোগ স্থাপন করা।

তবে, কোনো অকৃষি প্রজার দ্বারা সম্পাদিত এমন কোনো কাজ, যা জমিদারের সম্পত্তির মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করে, তা "উন্নয়ন" হিসেবে গণ্য হবে না।
১,০১২.
The General Clauses Act, 1897 এর ১৮ ধারার বিধান কী?
  1. Gender and number
  2. Substitution of functionaries
  3. Successors
  4. Computation of time
ব্যাখ্যা
⇒ The General Clauses Act, 1897 এর ১৮ ধারার বিধান ১৮ ধারার বিধান: উত্তরাধিকারী (Successors):
- সংসদের কোন আইন বা প্রবিধিতে, কোন কর্মভারপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গের বা স্থায়ী ধারাবাহিকতা সম্পন্ন কর্পোরেশনের ক্ষেত্রে, কোন আইনের সম্পর্ক প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে, কর্মভারপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ বা কর্পোরেশনের সম্পর্ক ব্যক্ত করতে হবে।
--------------------
- Section 18. Successors:
(1) In any Act of Parliament or Regulation made after the commencement of this Act, it shall be sufficient, for the purpose of indicating the relation of a law to the successors of any functionaries or of corporations having perpetual succession, to express its relation to the functionaries or corporations.
(2) This section applies also to all Acts of Parliament made after the third day of January, 1868, and to all Regulations made on or after the fourteenth day of January, 1887.
১,০১৩.
কখন একটি প্রস্তাব প্রত্যাহার করা যাবে?
  1. প্রস্তাবটি গ্রহণের পরে যেকোনো সময়
  2. প্রস্তাবটি গ্রহণকারীর কাছে পৌঁছানোর আগে
  3. প্রস্তাবটি গ্রহণকারীর কাছে পৌঁছানোর পর
  4. প্রস্তাবকারীর ইচ্ছানুযায়ী যেকোনো সময়
ব্যাখ্যা
ধারা ৫- প্রস্তাব এবং গ্রহণের প্রত্যাহার:
একটি প্রস্তাব তখনই প্রত্যাহার করা যেতে পারে যখন এর গ্রহণকারীকে প্রস্তাবের গ্রহণের যোগাযোগ সম্পূর্ণ হয়নি, তবে পরে এটি প্রত্যাহার করা যাবে না। একইভাবে, একটি গ্রহণ তখনই প্রত্যাহার করা যেতে পারে যখন এর প্রস্তাবককে গ্রহণের যোগাযোগ সম্পূর্ণ হয়নি, তবে পরে এটি প্রত্যাহার করা যাবে না।

উদাহরণ:
- A একটি চিঠি পোস্টের মাধ্যমে তার বাড়ি B-কে বিক্রি করার প্রস্তাব দেয়।
- B একটি চিঠি পোস্টের মাধ্যমে প্রস্তাবটি গ্রহণ করে।
- A তার প্রস্তাবকে প্রত্যাহার করতে পারে যে *কোনো সময় B তার গ্রহণের চিঠি পোস্ট করার আগে বা ঠিক সেই সময়েই, কিন্তু পরে না।
- B তার গ্রহণকে প্রত্যাহার করতে পারে যে কোনো সময় বা ঠিক সেই সময়েই, যখন চিঠিটি A-র কাছে পৌঁছায়, কিন্তু পরে না।

Section 5- Revocation of proposals and acceptances:
A proposal may be revoked at any time before the communication of its acceptance is complete as against the proposer, but not afterwards.
An acceptance may be revoked at any time before the communication of the acceptance is complete as against the acceptor, but not afterwards.

Illustrations-
- A proposes, by a letter sent by post, to sell his house to B.
- B accepts the proposal by a letter sent by post.
- A may revoke his proposal at any time before or at the moment when B posts his letter of acceptance, but not afterwards.
- B may revoke his acceptance as any time before or at the moment when the letter communicating it reaches A, but not afterwards.
১,০১৪.
কোন ধরনের রিট যেকোনো নাগরিক করতে পারে?
  1. Prohibition, Mandamus
  2. Certiorari, Prohibition
  3. Mandamus, Certiorari
  4. Habeas Corpus, Quo-Warranto
ব্যাখ্যা

• রিট [Writ]
আদালত বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত বা প্রচারিত বিধান বা আদেশ। এমন আদেশের মাধ্যমে আদালত কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে নির্দেশ প্রদান করে। রিট এর উৎপত্তি হলো ব্রিটিশ আইন ব্যবস্থায়। প্রাথমিকভাবে রিট মূলত রাজকীয় অধিকার [prerogrative writ or royal writ] নামে পরিচিত ছিল কারণ একমাত্র রাজা বা রাণী রিট জারি করার অধিকারী ছিল। 

রিটের প্রকারভেদ: সংবিধানে ৫ প্রকার রিট উল্লেখ করা হয়েছে-

১০২ এর ২(ক) তে ৩টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (ক) (অ) প্রতিষেধক বা নিষেধাজ্ঞামূলক রিট [Writ of Prohibition];
• ১০২(২) (ক) (অ) পরমাদেশ বা হুকুম জারী রিট [Writ of Mandamus];
• ১০২(২) (ক) (আ) উৎপ্রেষণ রীট [Writ of Certiorari]।

১০২ এর ২(খ) তে ২টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (যে কোন ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (খ) (অ) বন্দী হাজির রিট [Writ of Habeas Corpus] এবং
• ১০২(২) (খ) (আ) কারণ দর্শাও রিট [Writ of Quo Warranto]।

১,০১৫.
অর্থবিল রাষ্ট্রপতির কাছে উপস্থাপিত বা পেশ করার সময় কোনটি অপরিহার্য?
  1. প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর
  2. স্পিকারের সম্মতি
  3. প্রধানমন্ত্রীর সার্টিফিকেট
  4. স্পিকারের সার্টিফিকেট
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ অনুচ্ছেদের বিধান: অর্থবিল: (১) এই ভাগে "অর্থবিল" বলিতে কেবল নিম্নলিখিত বিষয়সমূহের সকল বা যে কোন একটি সম্পর্কিত বিধানাবলী-সংবলিত বিল বুঝাইবে: 
(ক) কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণ; 
(খ) সরকার কর্তৃক ঋণগ্রহণ বা কোন গ্যারান্টি দান, কিংবা সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন; 
(গ) সংযুক্ত তহবিলের রক্ষণাবেক্ষণ, অনুরূপ তহবিলে অর্থপ্রদান বা অনুরূপ তহবিল হইতে অর্থ দান বা নির্দিষ্টকরণ; 
(ঘ) সংযুক্ত তহবিলের উপর দায় আরোপ কিংবা অনুরূপ কোন দায় রদবদল বা বিলোপ; 
(ঙ) সংযুক্ত তহবিল বা প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব বাবদ অর্থপ্রাপ্তি, কিংবা অনুরূপ অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ বা দান, কিংবা সরকারের হিসাব-নিরীক্ষা; 
(চ) উপরি-উক্ত উপ-দফাসমূহে নির্ধারিত যে কোন বিষয়ের অধীন কোন আনুষঙ্গিক বিষয়। 
(২) কোন জরিমানা বা অন্য অর্থদণ্ড আরোপ বা রদবদল, কিংবা লাইসেন্স-ফি বা কোন কার্যের জন্য ফি বা উসুল আরোপ বা প্রদান কিংবা স্থানীয় উদ্দেশ্যসাধনকল্পে কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণের বিধান করা হইয়াছে, কেবল এই কারণে কোন বিল অর্থবিল বলিয়া গণ্য হইবে না। 
(৩) রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য তাঁহার নিকট পেশ করিবার সময়ে প্রত্যেক অর্থবিলে স্পীকারের স্বাক্ষরে এই মর্মে একটি সার্টিফিকেটে থাকিবে যে, তাহা একটি অর্থবিল, এবং অনুরূপ সার্টিফিকেট সকল বিষয়ে চূড়ান্ত হইবে এবং সেই সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
-----------
⇒ Article 81 Money Bills: (1) In this Part “Money Bill” means a Bill containing only provisions dealing with all or any of the following matters –
(a) the imposition, regulation, alteration, remission or repeal of any tax; 
(b) the borrowing of money or the giving of any guarantee by the Government, or the amendment of any law relating to the financial obligations of the Government; 
(c) the custody of the Consolidated Fund, the payment of money into, or the issue or appropriation of moneys from, that Fund; 
(d) the imposition of a charge upon the Consolidated Fund or the alteration or abolition of any such charge; 
(e) the receipt of moneys on account of the Consolidated Fund or the Public Account of the Republic, or the custody or issue of such moneys, or the audit of the accounts of the Government; 
(f) any subordinate matter incidental to any of the matters specified in the foregoing sub clauses.
(2) A Bill shall not be deemed to be a Money Bill by reason only that it provides for the imposition or alteration of any fine or other pecuniary penalty, or for the levy or payment of a licence fee or a fee or charge for any service rendered, or by reason only that it provides for the imposition, regulation, alteration, remission or repeal of any tax by a local authority or body for local purposes.
(3) Every Money Bill shall, when it is presented to the President for his assent, bear a certificate under the hand of the Speaker that it is a Money Bill, and such certificate shall be conclusive for all purposes and shall not be questioned in any court.

১,০১৬.
একই গ্রামের মধ্যে একই প্রজার পৃথক ভূখণ্ডসমূহকে একই প্রজাস্বত্বে সংযুক্ত করার আদেশ দিতে পারেন কে?
  1. আদালত
  2. ভূমি কমিশনার
  3. রাজস্ব কর্মকর্তা
  4. উপজেলা নির্বাহী অফিসার
ব্যাখ্যা
• The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১১৬ ধারা- একই গ্রামে প্রজার জোতের সংযুক্তকরণ:
একই গ্রামের মধ্যে একই প্রজার যদি পৃথক একাধিক ভূখণ্ড থাকে, তবে উক্ত ভূখণ্ডগুলি কিংবা উহার কতিপয় যদি পৃথক প্রজাস্বত্বের অধীন হয়, তবে উক্ত ভূখণ্ডগুলি রাজস্ব কর্মকর্তার আদেশক্রমে একই প্রজাস্বত্বে সংযুক্ত করা যাইবে।

Section 116- Amalgamation of holdings of a tenant in the same village:
Where various parcels of land are held by one tenant within one village, and such parcels of land or some of them are the subject of separate tenancies, such parcels of land shall, under the orders of the Revenue-officer, be amalgamated into one tenancy.
১,০১৭.
কোনো ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে ভীতি প্রদর্শক তথ্য প্রকাশের অপরাধের বিচার করবেন ______ ট্রাইব্যুনাল।
  1. জননিরাপত্তা
  2. সাইবার নিরাপত্তা
  3. ডিজিটাল
  4. সাইবার
ব্যাখ্যা
⇒ সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ধারা ২(১) এরে (ঝ) তে বলা আছে- “ট্রাইব্যুনাল” অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৩৯ নং আইন) এর ধারা ৬৮ এর অধীন গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনাল।

- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন,২০০৬ এর ৬৮ ধারার বিধান: সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠন:
 (১) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের দ্রুত ও কার্যকর বিচারের উদ্দেশ্যে, এক বা একাধিক সাইবার ট্রাইব্যুনাল, অতঃপর সময় সময় ট্রাইব্যুনাল বলিয়া উল্লিখিত, গঠন করিতে পারিবে৷ 
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনাল সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে, সরকার কর্তৃক নিযুক্ত একজন দায়রা জজ বা একজন অতিরিক্ত দায়রা জজের সমন্বয়ে গঠিত হইবে; এবং অনুরূপভাবে নিযুক্ত একজন বিচারক “বিচারক, সাইবার ট্রাইব্যুনাল” নামে অভিহিত হইবেন৷
(৩) এই ধারার অধীন গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনালকে সমগ্র বাংলাদেশের স্থানীয় অধিক্ষেত্র অথবা এক বা একাধিক দায়রা ডিভিশনের অধিক্ষেত্র প্রদান করা যাইতে পারে; এবং উক্ত ট্রাইব্যুনাল কেবল এই আইনের অধীন অপরাধের মামলার বিচার করিবে৷
(৪) সরকার কর্তৃক পরবর্তীতে গঠিত কোন ট্রাইব্যুনালকে সমগ্র বাংলাদেশের অথবা এক বা একাধিক দায়রা বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত উহার অংশ বিশেষের স্থানীয় অধিক্ষেত্র ন্যস্ত করিবার কারণে ইতঃপূর্বে কোন দায়রা আদালতে এই আইনের অধীন নিস্পন্নাাধীন মামলার বিচার কার্যক্রম স্থগিত, বা সংশ্লিষ্ট স্থানীয় অধিক্ষেত্রের ট্রাইব্যুনালে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বদলী হইবে না, তবে সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, দায়রা আদালতে নিষ্পন্নাধীন এই আইনের অধীন কোন মামলা বিশেষ স্থানীয় অধিক্ষেত্রসম্পন্ন ট্রাইব্যুনালে বদলী করিতে পারিবে৷
(৫) কোন ট্রাইব্যুনাল, ভিন্নরূপ সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করিলে, যে সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হইয়াছে উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য পুনঃগ্রহণ, বা পুনঃশুনানী গ্রহণ করিতে, অথবা উপ-ধারা (৪) এর অধীন গৃহীত কার্যধারা পুনরায় আরম্ভ করিতে বাধ্য থাকিবে না, তবে ট্রাইব্যুনাল ইতোমধ্যে যে সাক্ষ্য গ্রহণ বা উপস্থাপন করা হইয়াছে উক্ত সাক্ষের ভিত্তিতে কার্য করিতে এবং মামলা যে পর্যায়ে ছিল সেই পর্যায় হইতে বিচারকার্য অব্যাহত রাখিতে পারিবে৷
(৬) সরকার, আদেশ দ্বারা, যে স্থান বা সময় নির্ধারণ করিবে সেই স্থান বা সময়ে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল আসন গ্রহণ করিতে পারিবে এবং উহার কার্যক্রম পরিচালনা করিতে পারিবে৷
১,০১৮.
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের রায়ের বাধ্যতামূলক ক্ষমতা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ১০৭
  2. ১০৮
  3. ১১০
  4. ১১১
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদের বিধান সুপ্রীম কোর্টের রায়ের বাধ্যতামূলক কার্যকরতা: 
- আপীল বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন হাইকোর্ট বিভাগের জন্য এবং সুপ্রীম কোর্টের যে কোন বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন অধস্তন সকল আদালতের জন্য অবশ্যপালনীয় হইবে।
১,০১৯.
মানিলন্ডারিং আইন, ২০১২ এর ৪ ধারার অধীনে মানিলন্ডারিং অপরাধের সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত বছর?
  1. ৭ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ১২ বছর
  4. যাবজ্জীবন
ব্যাখ্যা

⇒ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ৪(২) অনুযায়ী, মানিলন্ডারিং অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ১২ বছর কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। মানিলন্ডারিং অপরাধ, অথবা এর চেষ্টা, সহায়তা, বা ষড়যন্ত্রের জন্য সাজা হলো অন্যূন ৪ বছর এবং অনধিক ১২ বছর কারাদণ্ড। 
⇒ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ধারা-৪ মানিলন্ডারিং অপরাধ ও দণ্ড:
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, মানিলন্ডারিং একটি অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে। 
(২) কোন ব্যক্তি মানিলন্ডারিং অপরাধ করিলে বা মানিলন্ডারিং অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করিলে তিনি অন্যূন ৪ (চার) বৎসর এবং অনধিক ১২ (বার) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির দ্বিগুন মূল্যের সমপরিমাণ বা ১০ (দশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত, যাহা অধিক, অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত সময়সীমার মধ্যে অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হইলে আদালত অপরিশোধিত অর্থদণ্ডের পরিমাণ বিবেচনায় অতিরিক্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

১,০২০.
হিন্দু আইনে নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে পৃথক অবস্থায় স্বামী হতে স্ত্রীর ভরণ-পোষণের অধিকার পেতে পারে?
  1. স্বামী যদি ধর্মান্তর গ্রহণ করে
  2. স্বামী যদি স্ত্রীর বর্তমানে পুনরায় বিবাহ করে
  3. স্বামী যদি স্ত্রীর প্রতি নিষঠুর আচরণ করে এবং নিষ্ঠুরতা যদি এই প্রকারের হয় যে স্বামীগৃহে তার জীবনাশংকা থাকে
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ বিবাহিতা হিন্দু নারীর পৃথক বাসস্থান এবং ভরণপোষণ আইনটি ১৯৪৬ সালের।
১৯৪৬ সালের "বিবাহিতা নারীর পৃথক বাসস্থান এবং ভরণপোষণ" আইন অনুযায়ী নিম্নলিখিত কারণে বিবাহিতা হিন্দু নারী স্বামী হতে পৃথক থেকেও স্বামীর নিকট হতে ভরণ-পোষণ পাওয়ার অধিকারিণী -
- স্বামী যদি দুরারোগ্য কুষ্ঠ, সিফলিস ইত্যাদি সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয় এবং এই সমস্ত ব্যাধি যদি স্ত্রীর নিকট হতে সংক্রামিত না হয়,
- স্বামী যদি স্ত্রীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ করে এবং নিষ্ঠুরতা যদি এই প্রকারের হয় যে স্বামীগৃহে তার জীবনাশংকা থাকে;
- স্বামী যদি গৃহে কোন উপ-পত্নী রেখে তার সাথে বসবাস করতে থাকে;
- স্বামী যদি ধর্মান্তর গ্রহণ করে,
- স্বামী যদি স্ত্রীর অনুমতি ব্যতিরেকে তাকে পরিত্যাগ করে,
- স্বামী যদি স্ত্রীর বর্তমানে পুনরায় বিবাহ করে,
এই ধরনের অন্যান্য যৌক্তিকতাপূর্ণ কারণে।
 
তবে নিম্নলিখিত কারণে স্ত্রী স্বামীর নিকট হতে আইনত ভরণপোষণ পেতে পারে না-
 
- স্ত্রী যদি অসৎ চরিত্রের অথবা অসতী হয়,
- স্ত্রী যদি অন্য ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়,
- স্ত্রী যদি আইনসঙ্গত কারণ ব্যতীত স্বামীর সাথে স্ত্রীরূপে বসবাস করতে অনিচ্ছুক হয়।
--------------------------------------------
এই আইনে বিবাহিতা হিন্দু নারী বিচ্ছেদ ছাড়াও, স্বামী হতে পৃথক থাকতে পারে। উক্ত আইনে উল্লেখিত ক্ষেত্রসমূহে স্ত্রী স্বামী হতে পৃথক থেকেও স্বামীর নিকট হতে ভরণ-পোষণের অধিকার পেতে পারে। ক্ষেত্রগুলো হলো-
⇒ স্বামী যদি দুরারোগ্য কুষ্ঠ, সিফলিস ইত্যাদি সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয় এবং এই সমস্ত ব্যাধি যদি স্ত্রীর নিকট হতে সংক্রামিত না হয়;
if he (husband) is suffering from any loathsome disease not contracted from her;
⇒ স্বামী যদি স্ত্রীর প্রতি নিষঠুর আচরণ করে এবং নিষ্ঠুরতা যদি এই প্রকারের হয় যে স্বামীগৃহে তার জীবনাশংকা থাকে;
if he is gulity of such cruelty towards her as renders it unsafe or undesirable for her to live with him;
⇒ স্বামী যদি গৃহে কোন উপ-পত্নী রেখে তার সাথে বসবাস করতে থাকে;
if he keeps a concubine in the house or habitually resides with a concubine;
⇒ স্বামী যদি ধর্মান্তর হয়;
if he ceases to be a Hindu by conversion to another religion;
⇒ স্বামী যদি স্ত্রীর অনুমতি ব্যতিরেকে তাকে পরিত্যাগ করে;
if he is guilty of desertion, that is to say, of abandoning her without her consent or against her wish;
⇒ স্বামী যদি পুনরায় বিবাহ করে;
if he marries again; এবং
⇒ অন্য কোন যুক্তিসঙ্গত কারণে।
for any other justifiable cause
১,০২১.
মুসলিম উইলকারী যদি ১/৩ অংশের বেশি সম্পত্তি হস্তান্তর করতে চান, তবে কী প্রয়োজন?
  1. আদালতের অনুমতি
  2. সরকারের অনুমতি
  3. উত্তরাধিকারীদের সম্মতি
  4. অনুমতির প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা

উইল বা অছিয়ত একটি আইনি দলিল, যার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি তার মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি কিভাবে বণ্টন করা হবে তা নির্ধারণ করে দেন। উইল লিখনকারীকে উইলকারক বা “testator” বলা হয় এবং উইলে যার নাম উল্লেখ করা হয়, তাকে বলা হয় উত্তরাধিকারী বা “beneficiary”। উইলে সম্পত্তি ছাড়াও আর্থিক সঞ্চয়, অলঙ্কার, জমি, বাড়ি এবং অন্যান্য বস্তু উল্লেখ করা যায়। উইলের মাধ্যমে সম্পত্তি বণ্টনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করা যায় যা মৃত্যুর পর আইনি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে কার্যকর করা হয়।

উইল তৈরি করার জন্য উইলকারককে অবশ্যই মানসিকভাবে সুস্থ এবং আইনি প্রাপ্তবয়স্ক (১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী) হতে হবে। মানসিক অসুস্থ ব্যক্তি বা অপ্রাপ্তবয়স্ক কেউ উইল তৈরি করতে পারবে না। উইলকারককে তার সম্পদের মালিকানা এবং তার ইচ্ছার প্রতি সম্পূর্ণ সচেতন থাকতে হবে।

কোনো মুসলিম ব্যক্তি তার দাফন-কাফন ব্যয় ও দেনা পরিশোধের পর, উদ্বৃত্ত সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশের অধিক উইল করতে পারে না। যদি ১/৩ অংশের অধিক উইল করা হয় তবে উইলকারির উত্তরাধিকারীগণের সম্মতি লাগবে, অন্যথায় উইল ১/৩ অংশের বেশী কার্যকর হবে না। 

১,০২২.
হাইকোর্ট বিভাগ কোন আইনের অধীনে বিরোধ নিষ্পত্তিতে আদি এখতিয়ারসম্পন্ন নয়?
  1. এডমিরালটি কোর্ট আইন, ২০০০
  2. কোম্পানী আইন, ১৯৯৪
  3. ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১
  4. The Contract Act, 1872
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ১০১ অনুচ্ছেদের বিধান: হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার:
-এই সংবিধান বা অন্য কোন আইনের দ্বারা হাইকোর্ট বিভাগের উপর যেরূপ আদি, আপীল ও অন্যপ্রকার এখতিয়ার ও ক্ষমতা অর্পিত হইয়াছে, উক্ত বিভাগের সেইরূপ এখতিয়ার ও ক্ষমতা থাকিবে।

হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার:
বাংলাদেশ সংবিধান এবং অন্য কোন আইনের দ্বারা হাইকোর্ট বিভাগের উপর আদি, আপিল ও অন্য প্রকার এখতিয়ার, ক্ষমতা ও দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে-
ক) আদি এখতিয়ার- রিট, কোম্পানি অ্যাডমিরালটি ইত্যাদি সংক্রান্ত বিষয়াদি,
খ) আপিল ও রিভিশনালএখতিয়ার- জেলা ও দায়রা জজ আদালত,অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল, বিশেষ জজ, অর্থঋণ আদালত, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ইত্যাদি আদালতের রায় ও আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আপিল অথবা বিভিশন দায়ের করা যায়।
গ) আদালত অবমাননা সংক্রান্ত বিষয়াদি

- 'The Contract Act, 1872'  এই আইনটি চুক্তি সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করে। যা দেওয়ানী আদালতের এখতিয়ারের সাথে সম্পর্কিত। 
⇒ হাইকোর্টের বিভাগ The Contract Act, 1872 এর অধীনে বিরোধ নিষ্পত্তিতে আদি এখতিয়ারসম্পন্ন নয়। The Contract Act, 1872 এর আইনের অধীনে বিরোধ নিষ্পত্তিতে আদি রয়েছে দেওয়ানী আদালতের।

- দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ ধারায় বলা হয়েছে, বারিত না হলে দেওয়ানী আদালত সকল প্রকার দেওয়ানী মামলার বিচার করবে। যে মোকদ্দমায় সম্পত্তি বা পদের অধিকার সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়, তা দেওয়ানী প্রকৃতির মোকদ্দমা।
-এখানে দেওয়ানী আদালতের সাধারণ এখতিয়ার বলতে দেওয়ানী আদালতসমূহের দেওয়ানী মামলার বিচার করার এখতিয়ার কে বোঝানো হয়েছে।

- দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানি আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়। ধারা-১৫ তে যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে, সেই বিধান দেয়া আছে। বলা হয়েছে-
"Every suit shall be institued in the court of the lowest grade competent to try it" অর্থাৎ প্রত্যেকটি দেওয়ানি মোকদ্দমা তা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে।
উল্লিখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর 'ঘ' The Contract Act, 1872।
১,০২৩.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে “No one should be condemned unheard” নীতি প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৩৫(১)
  2. অনুচ্ছেদ ১৩৫(২)
  3. অনুচ্ছেদ ১৩৫(৩)
  4. অনুচ্ছেদ ১৩৫(৪)
ব্যাখ্যা

⇒ "No one should be condemned unheard" নীতিটি Natural Justice এর একটি মৌলিক বিধান, যা Audi alteram partem (অন্য পক্ষকে শোনার সুযোগ দান) নামেও পরিচিত। বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৩৫(২)-এ এই নীতি প্রতিফলিত হয়েছে, যা সিভিল সরকারি কর্মচারীদের বরখাস্ত, অপসারণ বা পদাবনমনের ক্ষেত্রে কারণ দর্শানোর যুক্তিসঙ্গত সুযোগ প্রদানের বাধ্যবাধকতা নির্ধারণ করে।
- অর্থাৎ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৩৫(২)–এ অসামরিক সরকারি কর্মচারীকে বরখাস্ত বা অপসারণ করার আগে কারণ দেখানোর সুযোগ দেওয়ার বিধান রয়েছে, যা এই নীতির সরাসরি প্রতিফলন।

অনুচ্ছেদ ১৩৫-এর অন্যান্য দফার বিষয়:
ক) ১৩৫(১): নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের চেয়ে অধস্তন কর্তৃপক্ষ দ্বারা শাস্তি প্রদান নিষিদ্ধ।
গ) ১৩৫(৩): কারণ দর্শানো সুযোগ দেয়া যুক্তিসঙ্গত কিনা, সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।
ঘ) ১৩৫(৪): চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের ক্ষেত্রে নোটিশ দিয়ে চুক্তি সমাপ্তির বিধান।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ১৩৫ অনুচ্ছেদের বিধান হলো: অসামরিক সরকারী কর্মচারীদের বরখাস্ত প্রভৃতি:
(১) প্রজাতন্ত্রের কর্মে অসামরিক পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি তাঁহার নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ-অপেক্ষা অধস্তন কোন কর্তৃপক্ষের দ্বারা বরখাস্ত বা অপসারিত বা পদাবনমিত হইবেন না।
(২) অনুরূপ পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে তাঁহার সম্পর্কে প্রস্তাবিত ব্যবস্থাগ্রহণের বিরুদ্ধে কারণ দর্শাইবার যুক্তিসঙ্গত সুযোগদান না করা পর্যন্ত তাঁহাকে বরখাস্ত বা অপসারিত বা পদাবনমিত করা যাইবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফা সেই সকল ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না, যেখানে
(অ) কোন ব্যক্তি যে আচরণের ফলে ফৌজদারী অপরাধে দণ্ডিত হইয়াছেন, সেই আচরণের জন্য তাঁহাকে বরখাস্ত, অপসারিত বা পদাবনমিত করা হইয়াছে; অথবা
(আ) কোন ব্যক্তিকে বরখাস্ত, অপসারিত বা পদাবনমিত করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কর্তৃপক্ষের নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, কোন কারণে- যাহা উক্ত কর্তৃপক্ষ লিপিবদ্ধ করিবেন- উক্ত ব্যক্তিকে কারণ দর্শাইবার সুযোগদান করা যুক্তিসঙ্গতভাবে সম্ভব নহে; অথবা
(ই) রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে উক্ত ব্যক্তিকে অনুরূপ সুযোগদান সমীচীন নহে।
(৩) অনুরূপ কোন ব্যক্তিকে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত কারণ দর্শাইবার সুযোগদান করা যুক্তিসঙ্গতভাবে সম্ভব কি না, এইরূপ প্রশ্ন উত্থাপিত হইলে সেই সম্পর্কে তাঁহাকে বরখাস্ত, অপসারিত বা পদাবনমিত করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।
(৪) যে ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন লিখিত চুক্তির অধীন প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত হইয়াছেন এবং উক্ত চুক্তির শর্তাবলী-অনুযায়ী যথাযথ নোটিশের দ্বারা চুক্তিটির অবসান ঘটান হইয়াছে, সেই ক্ষেত্রে চুক্তিটির অনুরূপ অবসানের জন্য তিনি এই অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্যসাধনকল্পে পদ হইতে অপসারিত হইয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে না

১,০২৪.
মুনিয়া’কে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকেরা যৌতুকের জন্য হত্যার চেষ্টা করে, কিন্তু সে বেঁচে যায়। এক্ষেত্রে, হত্যাচেষ্টার জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ১১: যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি:
যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন] তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-

(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(কক) মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে বা অনধিক বার বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক পাঁচ বৎসর কিন্তু অন্যূন দুই বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

১,০২৫.
'Obiter Dictum' means-
  1. a thing decided
  2. a thing said by the way
  3. a thing to be corrected
  4. a thing to be beyed
ব্যাখ্যা
• একটি Judgment -এর চারটি অংশ থাকে; যথা-
০১. A concise statement of fact;
০২. Point of determination or issue;
০৩. Reason behind the judgment;
০8. The decision thereon;

আদালতের Reasoning- কে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
i. Ratio decidendi;
ii. Obiter Dictum;

Ratio decidendi-
যেসব Legal Basis বা Legal Principles উপর ভিত্তি করে আদালত রায় প্রদান করে। Precedent হিসেবে Ratio decidendi এর binding force আছে এবং নজির হিসেবে আদালত মানতে বাধ্য।

Obiter Dictum- "A thing said by the way" অর্থাৎ মামলার রায়ের এমন অংশকে বোঝায়, যেটা মান্য করা বাধ্যতামূলক নয়; বরং বিচারক যেটা কথা প্রসঙ্গে বলে থাকেন। অর্থাৎ, রায় প্রদানের সময় বিচারক প্রসঙ্গক্রমে যে সব কথা বলেন, তাই Obiter Dictum এর binding force নেই তবে, persuasive value আছে।
১,০২৬.
The principles of nationalism, __________ together with the principles derived from those as set out in this Part, shall constitute the fundamental principles of state policy.
  1. socialism, secularism and democracy
  2. secularism, democracy and socialism
  3. socialism, democracy and secularism
  4. secularism, socialism and democracy
ব্যাখ্যা
• Article 8: Fundamental principles

(1) The principles of nationalism, socialism, democracy and secularism, together with the principles derived from those as set out in this Part, shall constitute the fundamental principles of state policy.
(2) The principles set out in this Part shall be fundamental to the governance of Bangladesh, shall be applied by the State in the making of laws, shall be a guide to the interpretation of the Constitution and of the other laws of Bangladesh, and shall form the basis of the work of the State and of its citizens, but shall not be judicially enforceable.

অনুচ্ছেদ ৮: মূলনীতিসমূহ

(১) জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে৷
(২) এই ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হইবে, আইন-প্রণয়নকালে রাষ্ট্র তাহা প্রয়োগ করিবেন, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তাহা নির্দেশক হইবে এবং তাহা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হইবে, তবে এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না৷

• সংবিধানের ৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার ৪টি মূলনীতি হলো-
১. জাতীয়তাবাদ [Nationalism]
২. সমাজতন্ত্র [Socialism]
৩. গণতন্ত্র [Democracy]
৪. ধর্মনিরপেক্ষতা [Secularism]
১,০২৭.
The General Clauses Act, 1897 এর কত ধারায় অর্থ-বছর (financial year) এর সংজ্ঞা দেওয়া আছে?
  1. ২(২১)
  2. ২(১৭)
  3. ২(১৯)
  4. ২(২৬)
ব্যাখ্যা
⇒ The General Clauses Act, 1897 এর ৩(১৯) ধারার বিধান: অর্থ-বছর (financial year): জুলাই মাসের ১ম দিবসে আরম্ভ এবং জুন মাসের ৩০ তম দিবসে সমাপ্ত বছরকে বুঝাবে।
- সংবিধান অনুসারে জুলাই মাসের ১ম দিবসে যে বছরে আরম্ভ হয়, তা অর্থবছর নামে পরিচিত।
-------------------
The General Clauses Act, 1897, Section-3(19) "financial year" shall mean the year commencing 
on the first day of July and ending on the 30th day of June:
১,০২৮.
সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী গৃহীত হয় -
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৭৯ সালে
  4. ১৯৮১ সালে
ব্যাখ্যা
• পঞ্চম সংশোধনী:
- ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হয় - পঞ্চম সংশোধনী আইন।
- এই আইন দ্বারা সংবিধানের চতুর্থ তফসিল সংশোধন করা হয় ।
- ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত যে সকল সামরিক বিধি, সংবিধান সংশোধন সহ বিভিন্ন অধ্যাদেশ জারি করা হয় সেগুলো সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী হিসেবে কাজ করা হয় ।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ প্রবর্তিত হয় এবং সংবিধানের শুরুতে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম সন্নিবেশিত হয় ।
- পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে প্রথম বারের মতো বাহাত্তরের সংবিধানের মূলনীতি থেকে সরে আসে।
- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সংশোধন করায় এই সংশোধনীকে 'First distortion of Constitution' বলা হয়।
১,০২৯.
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর সর্বশেষ সংশোধনী কোন সালে হয়েছে?
  1. ২০১৫ সালে
  2. ২০১৮  সালে
  3. ২০২৪ সালে
  4. ২০২৫ সালে
ব্যাখ্যা

⇒ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর সর্বশেষ সংশোধনী মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ (সংশোধন) আইন, ২০১৫ (২০১৫ সনের ২৫ নং আইন) এর মাধ্যমে ২০১৫ সালে কার্যকর হয়। এই সংশোধনীর মাধ্যমে আইনের কিছু ধারা এবং বিধানে পরিবর্তন ও পরিমার্জন আনা হয়েছে, যাতে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায় এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রক্ষা করা যায়। এই সংশোধনীতে বিশেষ করে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (BFIU)-এর ক্ষমতা বৃদ্ধি, তথ্য সংগ্রহ ও সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্টিং প্রক্রিয়া আরও সুসংগঠিত করা, এবং শাস্তির বিধানে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে।

- ২০১৫ সালের সংশোধনী:
এই সংশোধনীতে মানিলন্ডারিং অপরাধের সংজ্ঞা, তদন্ত প্রক্রিয়া, এবং সম্পত্তি অবরুদ্ধকরণ ও বাজেয়াপ্তকরণের বিধান আরও সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে। এছাড়া, রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থার দায়িত্ব এবং জরিমানার পরিমাণ সংক্রান্ত বিধানে পরিবর্তন আনা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্ট প্রদানে ব্যর্থতার জন্য জরিমানার পরিমাণ এবং নিবন্ধন বাতিলের বিধান আরও কঠোর করা হয়েছে।

- আইনের প্রেক্ষাপট: মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ প্রণীত হয়েছিল পূর্ববর্তী মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০৯ এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ অধ্যাদেশ, ২০১২ রহিত করে। ২০১৫ সালের সংশোধনী এই আইনকে আরও কার্যকর ও সময়োপযোগী করার জন্য প্রণীত হয়। এরপর আর কোনো সংশোধনী (২০২৫ সাল পর্যন্ত) কার্যকর হয়নি।

- অর্থাৎ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর সর্বশেষ সংশোধনী ২০১৫ সালে (২০১৫ সনের ২৫ নং আইন) কার্যকর হয়েছে। এই সংশোধনী আইনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) ২০১৫ সালে।

১,০৩০.
পারিবারিক আদালতের ডিক্রিকৃত টাকা আদায়ের জন্য দায়িক (judgement debtor)-কে ____ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া যায়।
ব্যাখ্যা

• পারিবারিক আদালতের ডিক্রিকৃত টাকা আদায়ের জন্য দায়িক (judgement debtor)-কে ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া যায়।

• পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ,১৯৮৫ আইন রহিত করে পারিবারিক আদালত আইন,২০২৩ প্রনীত হয়। এটি ২০২৩ সনের ২৬ নং আইন।

ধারা ১৭- ডিক্রি বলবৎকরণ


(১) পারিবারিক আদালত নির্ধারিত ফরমে ও পদ্ধতিতে ডিক্রি প্রদান করিবে এবং উহার বিবরণ নির্ধারিত ডিক্রি রেজিস্টার বহিতে লিপিবদ্ধ করিবে।

(২) যদি ডিক্রির দাবি পূরণকল্পে আদালতের সম্মুখে কোনো অর্থ পরিশোধ করা হয় বা কোনো সম্পত্তি হস্তান্তর করা হয়, তাহা হইলে উপরিউক্ত রেজিস্ট্রারে অনুরূপ পরিশোধ বা হস্তান্তরের বিষয় লিপিবদ্ধ করিতে হইবে।

(৩) যেক্ষেত্রে ডিক্রি অর্থ পরিশোধ সম্পর্কিত হয় এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ে ডিক্রিকৃত অর্থ পরিশোধিত না হয়, সেইক্ষেত্রে উক্তরূপ নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হইবার ১ (এক) বৎসরের মধ্যে ডিক্রিদার কর্তৃক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ডিক্রিটি বাস্তবায়ন করা হইবে, যথা:

(ক) দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন কোনো দেওয়ানি আদালত কর্তৃক প্রদত্ত অর্থের ডিক্রির ন্যায়; অথবা

(খ) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত জরিমানা প্রদানের আদেশের ন্যায় এবং উক্তরূপে বাস্তবায়নের পর ডিক্রির আদায়কৃত অর্থ ডিক্রিদারকে প্রদান করিতে হইবে।

(৪) উপধারা (৩) এর দফা (ক) এর অধীন ডিক্রি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে, পারিবারিক আদালত দেওয়ানি আদালত হিসাবে গণ্য হইবে এবং দেওয়ানি আদালতের সকল ক্ষমতা উহার থাকিবে।

(৫) উপধারা (৩) এর দফা (খ) এর অধীন ডিক্রি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে পারিবারিক আদালতের বিচারক একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে গণ্য হইবেন এবং ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের সকল ক্ষমতা তাহার থাকিবে এবং তিনি ডিক্রিকৃত বকেয়া অর্থ আদায়ের জন্য উক্ত কার্যবিধিতে এ জরিমানা আদায়ের জন্য বর্ণিত পদ্ধতিতে ওয়ারেন্ট জারি করিতে পারিবেন এবং ওয়ারেন্ট জারির পর অপরিশোধিত সম্পূর্ণ ডিক্রিকৃত অর্থ বা উহার কোনো অংশের জন্য রায় দেনাদারকে অনধিক ৩ (তিন) মাস অথবা পরিশোধ হওয়া পর্যন্ত, যাহা পূর্বে ঘটে, কারাদণ্ডের আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

(৬) যেক্ষেত্রে কোনো ডিক্রি অর্থ পরিশোধ সংক্রান্ত না হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রি দেওয়ানি আদালতের অর্থ সংক্রান্ত ডিক্রি ব্যতীত অন্য কোনো ডিক্রির ন্যায় বাস্তবায়ন করিতে হইবে এবং এতদুদ্দেশ্যে আদালত একটি দেওয়ানি আদালত হিসাবে গণ্য হইবে এবং দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন উক্ত আদালতের সকল ক্ষমতা উহার থাকিবে।

(৭) ডিক্রি প্রদানকারী পারিবারিক আদালত স্বয়ং ডিক্রি বাস্তবায়ন করিবে অথবা ডিক্রি প্রদানকারী আদালত ডিক্রি বাস্তবায়নের জন্য অন্য কোনো পারিবারিক আদালতে উহা বদলি করিতে পারিবে এবং উক্ত ডিক্রি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যে আদালতে বদলি করা হইয়াছে সেই আদালতের ডিক্রি প্রদানকারী পারিবারিক আদালতের সকল ক্ষমতা থাকিবে, যেন উক্ত আদালতই ডিক্রি প্রদান করিয়াছে।

(৮) আদালত, উপযুক্ত বিবেচনা করিলে, তৎকর্তৃক প্রদত্ত ডিক্রির অর্থ কিস্তিতে পরিশোধ করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং যেরূপ উপযুক্ত মনে করিবে সেইরূপ কিস্তির সংখ্যা নির্ধারণ করিয়া দিতে পারিবে।

১,০৩১.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এ 'নবজাতক শিশু' অর্থ অনূর্ধ্ব - দিন বয়সের কোনো শিশু
  1. ২১
  2. ৩০
  3. ৪০
  4. ৬০
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২(চ) এর বিধান “নবজাতক শিশু” অর্থ অনূর্ধ্ব চল্লিশ দিন বয়সের কোন শিশু।
১,০৩২.
'Actus dei neminem gravabit' এর অর্থ কী?
  1. দৈব দুর্বিপাক মানুষের অধিকার ক্ষুন্ন করে
  2. দৈব দুর্বিপাক মানুষের প্রতিকার রহিত করে
  3. দৈব দুর্বিপাক মানুষের কোন অধিকার ক্ষুন্ন করে না
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
Actus dei neminem gravabit - দৈব দুর্বিপাক মানুষের কোন অধিকার ক্ষুন্ন করে না।
 
ব্যাখ্যা:
প্রাকৃতিক দুর্যোগ, দৈব ঘটনা ইত্যাদি মানুষের নিয়ন্ত্রণে থাকে না। তাই যদি কখনও অনুরূপ কারণে কোন ব্যক্তি আইন নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আদালতে হাজির হতে না পারে বা তদবীর গ্রহণ করতে না পারে, সেক্ষেত্রে অনুরূপ দুর্যোগ শেষ হওয়ার অব্যবহিত পরে আদালতে আসলেই ঐ ব্যক্তি প্রতিকার পেয়ে থাকে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন- ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, ভূমিকম্প, সুনামি, সিডর ইত্যাদি 'পর্যাপ্ত কারণ' বা 'sufficient cause' হিসেবে বিবেচিত হয়।

মামলার তদবীরের দিনে যদি বাদী আদালতে আসতে ব্যর্থ হয় এবং সে কারণে যদি মামলা খারিজ হয় তাহলে বাদী বর্ণিত কারণে ছানি মামলা করতে পারে। আদালত অনুরূপ পরিস্থিতিকে পর্যাপ্ত কারণ বিবেচনায় ছানি মামলা মঞ্জুর করে মূল মামলার বিচারের সুযোগ দিয়ে থাকেন।
১,০৩৩.
"Caveat emptor" ম্যাক্সিমটি কাদের জন্য প্রযোজ্য?
  1. সাক্ষীর জন্য
  2. ক্রেতার জন্য
  3. বিক্রেতার জন্য
  4. বিচারকের জন্য
ব্যাখ্যা

⇒ "Caveat Emptor" একটি ল্যাটিন আইনি সংকীর্ণ, যার অর্থ "ক্রেতা সাবধান" (Let the buyer beware)। এই ম্যাক্সিমটি বোঝায় যে ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ক্রেতার দায়িত্ব হলো পণ্যের গুণমান, উপযোগিতা এবং প্রকৃতি যাচাই করা। বিক্রেতা যদি পণ্য সম্পর্কে কোনো তথ্য গোপন না করে বা প্রতারণা না করে, তবে পণ্যের ত্রুটির জন্য ক্রেতা দায়ী থাকেন। এই নীতি বিশেষত বাণিজ্যিক লেনদেনে ক্রেতার সতর্কতার উপর জোর দেয়।
অর্থাৎ "Caveat Emptor" ম্যাক্সিমটি ক্রেতার জন্য প্রযোজ্য। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) ক্রেতার জন্য।

১,০৩৪.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ অনুযায়ী, নিচের কোনটি 'আইনগত সহায়তা'-এর অন্তর্ভুক্ত ?
  1. আইনজীবীর সম্মানী প্রদান।
  2. মামলার প্রাসঙ্গিক খরচ প্রদান।
  3. মামলা দায়েরের জন্য আইনগত পরামর্শ।
  4. উল্লিখিত সবগুলোই 
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ (ধারা ২(ক)) অনুযায়ী, আইনগত সহায়তা অন্তর্ভুক্ত করে: 
- কোনও আদালতে দায়েরকৃত বা বিচারাধীন মামলায় আইনগত পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান (ধারা ২(ক)(অ))
- মধ্যস্থতা বা সালিশ কার্য পরিচালনার জন্য সম্মানী প্রদান (ধারা ২(ক)(আ))
- মামলার প্রাসঙ্গিক খরচ প্রদানসহ অন্যান্য সহায়তা (ধারা ২(ক)(ই))
- উপরের উদ্দেশ্য পূরণের জন্য আইনজীবীকে নির্ধারিত হারে সম্মানী প্রদান (ধারা ২(ক)(ঈ))
তাই এই তিনটি কার্যই আইনগত সহায়তার অংশ।

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর প্রস্তাবনায় এই আইনের উদ্দেশ্য দেয়া আছে। বলা আছে যে 'আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগণকে আইনগত সহায়তা প্রদানকল্পে প্রণীত আইন।'
-যেহেতু আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগণকে আইনগত সহায়তা প্রদান সমীচীন ও প্রয়োজনীয়।

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ২(ক) ধারার বিধান: “আইনগত সহায়তা” অর্থ আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায় সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থীকে-
(অ) কোন আদালতে দায়েরযোগ্য, দায়েরকৃত বা বিচারাধীন মামলায় আইনগত পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান;
(আ) Code of Civil Procedure, 1908 (Act No. V of 1908) এবং প্রচলিত অন্যান্য আইনের বিধান অনুসারে মধ্যস্থতা বা সালিশের মাধ্যমে কোন মামলা নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে নিযুক্ত মধ্যস্থতাকারী বা সালিশকারীকে সম্মানী প্রদান;
(ই) মামলার প্রাসঙ্গিক খরচ প্রদানসহ অন্য যে কোন সহায়তা প্রদান; এবং
(ঈ) উপ-ধারা (অ) হইতে (ই) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হারে আইনজীবীকে সম্মানী প্রদান।

১,০৩৫.
রাষ্ট্রপতির কাছে সংবিধান সংশোধনী বিল উপস্থাপনের জন্য সংসদের অন্যূন কত ভোট প্রয়োজন?
  1. মোট সদস্য-সংখ্যার অর্ধেক
  2. মোট সদস্য-সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ
  3. উপস্থিত সদস্য-সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ
  4. উপস্থিত সদস্য-সংখ্যার এক-চতুর্থাংশ
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ১৪২: সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা-
এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও- (ক) সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হইতে পারিবেঃ তবে শর্ত থাকে যে,
(অ) অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরোনামে এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হইবে বলিয়া স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাইবে না;
(আ) সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে না;

(খ) উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন, এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

১,০৩৬.
নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা কোন আইনের সংজ্ঞা অনুযায়ী "সরকারি কর্মচারী" হিসেবে গণ্য হবেন?
  1. দণ্ডবিধি
  2. দেওয়ানি কার্যবিধি
  3. ফৌজদারি কার্যবিধি
  4. রেজিস্ট্রেশন বিধিমালা
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৪- নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা সরকারি কর্মচারী হিসাবে গণ্য হইবেন।
(১) এই আইনের অধীন নিয়োজিত প্রত্যেক নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা [দণ্ডবিধির] সংজ্ঞা অনুযায়ী সরকারি কর্মচারী বলিয়া গণ্য হইবেন।
(২) প্রত্যেক ব্যক্তি উক্তরূপ নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার চাহিদা অনুসারে তাহাকে সংবাদ সরবরাহ করিতে আইনত বাধ্য থাকিবেন।
(৩) ৫১ [দণ্ডবিধির ধারা ২২৮ এ উল্লিখিত, "বিচারিক কার্যক্রম (Judicial proceedings)" অর্থে এই আইনের অধীন যে কোন কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত হইবে।
১,০৩৭.
জেলা কমিটি 'ক' এর আইনগত সহায়তার আবেদন অগ্রাহ্য করলে, 'ক' কত দিনের মধ্যে জাতীয় পরিচালনা বোর্ডে আপিল করতে পারবেন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ 'ক' সিদ্ধান্তের তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে জাতীয় পরিচালনা বোর্ডে আপিল (appeal) পেশ করতে পারবেন।

আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০, ধারা ১৬- আইনগত সহায়তার জন্য আবেদন:
(১) এই আইনের অধীন আইনগত সহায়তার জন্য সকল আবেদন সুপ্রীম কোর্ট কমিটি, জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটির নিকট পেশ করিতে হইবে৷ 

(২) এই আইনের অধীন কোন আবেদন বা দরখাস্ত জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটি কর্তৃক অগ্রাহ্য হইলে উহা মঞ্জুরীর জন্য সংক্ষুব্ধ বিচারপ্রার্থী উক্তরূপ সিদ্ধান্তর তারিখ হইতে ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে বোর্ডের নিকট আপীল পেশ করিতে পারিবেন এবং এই ব্যাপারে বোর্ডের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে৷

এখানে, “বোর্ড” বলতে আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ৬ ধারার অধীন গঠিত জাতীয় পরিচালনা বোর্ড বুঝানো হয়েছে।
১,০৩৮.
The Family Courts Ordinance, 1985 এর কত ধারায় Pre trial proceeding সংক্রান্ত বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ১০
  2. ১৬
  3. ১৭
ব্যাখ্যা
The Family Courts Ordinance, 1985 এর ১০ ধারায় বিচার-পূর্ব কার্যধারায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান ছিল।

বর্তমানে Family Courts Ordinance, 1985 রহিতপূর্বক সময়োপযোগী করিয়া, উহা পুনঃপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১১ ধারায় বিচার-পূর্ব বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান করা হয়েছে।

পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১১ ধারার বিধান- বিচার-পূর্ব কার্যক্রম:
(১) লিখিত জবাব দাখিল করা হইলে পারিবারিক আদালত মোকদ্দমার বিচার-পূর্ব শুনানির জন্য অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্য করিবে।
(২) বিচার-পূর্ব শুনানির জন্য ধার্যকৃত তারিখে আদালত আরজি, লিখিত জবাব এবং পক্ষগণ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিলসমূহ পরীক্ষা করিবে এবং যথাযথ মনে করিলে, পক্ষগণের বক্তব্যও শ্রবণ করিবে।
(৩) আদালত বিচার-পূর্ব শুনানিকালে পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়সমূহ ধার্য করিবে এবং সম্ভব হইলে পক্ষগণের মধ্যে একটি আপোষ বা মীমাংসার চেষ্টা করিবে।
(৪) উপধারা (৩) এর অধীন আপোষ বা মীমাংসা প্রতিষ্ঠা সম্ভব না হইলে আদালত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় গঠন করিবে এবং সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্য করিবে।
১,০৩৯.
শিল্প উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত স্থাবর সম্পত্তির ইজারা সমাপ্তির ক্ষেত্রে নোটিশ বছরের শেষ দিন থেকে কত দিন আগে দিতে হবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ১ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা

সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১০৬ ধারার বিধান- লিখিত চুক্তি বা স্থানীয় রীতির অবর্তমানে কতিপয় ইজারার মেয়াদ:
- কৃষি কার্য বা শিল্প উৎপাদনের জন্য স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা বছর হতে বছরের ইজারা হিসেবে গণ্য করা হবে এবং এই ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার বছরের শেষ দিন হতে ৬ মাস পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে সমাপ্তিযোগ্য।

- অন্য কোন উদ্দেশ্যে স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা মাস হতে মাসের ইজারা হিসেবে গণ্য হবে এবং তা ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার মাসের শেষ দিন হতে ১৫ দিন পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে বাতিলযোগ্য।

- এই ধারার আওতায় প্রত্যেকটি নোটিশ অবশ্যই লিখিত এবং নোটিশ দাতা বা তার পক্ষ হতে স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং এই নোটিশ ডাকযোগে বা অর্পণের মাধ্যমে বা ব্যক্তিগত ভাবে প্রদান করতে হবে অথবা তার পরিবারের কোন সদস্যকে বা তার বাসভবনের কোন কর্মচারীকে তা প্রদান করতে হবে। অথবা যদি এরূপ সম্ভব না হয় তাহলে সম্পত্তির প্রকাশ্য স্থানে লটকিয়ে দিতে হবে।

১,০৪০.
Contract of Bailment এ জামানত হিসেবে কী অর্পণ করা হয়?
  1. ভূমি
  2. দালানকোঠা
  3. দ্রব্যসামগ্রী
  4. সবকটি
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ১৪৮ ধারার বিধান "জিম্মা", "জিম্মাদাতা" এবং "জিম্মাদার" এদের সংজ্ঞা (Bailment, bailor, and bailee defined):

- জিম্মা- চুক্তির ভিত্তিতে কোন ব্যক্তি কর্তৃক অপর কোন ব্যক্তিকে কোনো উদ্দেশ্যে কোন মালপত্র এরূপভাবে প্রদান করা হয় যে, যখন উদ্দেশ্য সাধিত হয় তখন মাল প্রদানকারীর নির্দেশ অনুসারে তা ফেরত দিতে বা অন্যভাবে এর বিলি ব্যবস্থা করতে হবে।

- জিম্মাদাতা- মালামাল প্রদানকারী ব্যক্তিকে জিম্মাদাতা বলা হয়।

- জিম্মাদার- যে ব্যক্তির নিকট এগুলি প্রদান করা হয় তাকে জিম্মাদার বলা হয়।

- জিম্মা এমন একধরনের চুক্তি যেখানে ২টি পক্ষ থাকে। যেমন: জিম্মাদাতা ও জিম্মাদার।
- এই ধরনের চুক্তি দ্বারা অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করা যায়।

অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে Contract of Bailment এ জামানত হিসেবে দ্রব্যসামগ্রী অর্পণ করা হয়।
-----------
Section 148. "Bailment", "bailor", and "bailee" defined:
 A "bailment" is the delivery of goods by one person to another for some purpose, upon a contract that they shall, when the purpose is accomplished, be returned or otherwise disposed of according to the directions of the person delivering them.
The person delivering the goods is called the "bailor".
The person to whom they are delivered is called the "bailee". 
 
Explanation – If a person already in possession of the goods of another contracts to hold them as a bailee, he thereby becomes the bailee, and the owner becomes the bailor, of such goods although they may not have been delivered by way of bailment.
১,০৪১.
যদি কোনো ব্যক্তির সম্মতি অযাচিত প্রভাবে আদায় করা হয়, তাহলে চুক্তিটি-
  1. বৈধ
  2. বাতিল
  3. বাতিলযোগ্য
  4. ন্যায়সঙ্গত
ব্যাখ্যা
The Contract Act, 1872 এর ধারা ১৯ক: অযাচিত প্রভাবে সম্মতি আদায় – চুক্তি বাতিলের ক্ষমতা:
যদি কোনো চুক্তিতে এক পক্ষের সম্মতি অযাচিত প্রভাবে (Undue Influence) আদায় করা হয়, তাহলে চুক্তিটি ঐ পক্ষের জন্য বাতিলযোগ্য (voidable) হয়ে যায়। অর্থাৎ, যে পক্ষকে চাপ বা প্রভাব খাটিয়ে সম্মতি দেওয়া হয়েছে, সে চাইলেই চুক্তিটি বাতিল করতে পারে। অথবা যদি ঐ পক্ষ চুক্তি থেকে কোনো সুবিধা পেয়ে থাকে, তবে আদালত এমন শর্তে সেটি বাতিল করতে পারে, যা ন্যায়সঙ্গত বলে মনে করে।

উদাহরণ (Illustrations)-
(a) A-র ছেলে B-র নাম জাল করে প্রোমিসরি নোট তৈরি করে। B, A-র ছেলেকে মামলায় জড়ানোর ভয় দেখিয়ে, A থেকে সেই জাল নোটের টাকা বাবদ একটি বন্ধ লিখিয়ে নেয়। এই অবস্থায়, আদালত ঐ বন্ধ বাতিল করতে পারে।

(b) A একজন মহাজন। সে B নামক একজন কৃষককে ১০০ টাকা ধার দেয়। কিন্তু অপ্রত্যাশিত প্রভাব খাটিয়ে B-কে ২০০ টাকার একটি বন্ধ লিখিয়ে নেয়, যাতে ৬% মাসিক সুদের শর্ত থাকে। আদালত ঐ বন্ধ বাতিল করতে পারে এবং B-কে শুধু ১০০ টাকা উপযুক্ত হারে সুদসহ ফেরতের নির্দেশ দিতে পারে।
১,০৪২.
বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৯(২) অনুসারে, বাক-স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার উপর আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধের ক্ষেত্রে নিচের কোন বিষয়টি উল্লেখ নেই?
  1. জনশৃঙ্খলা
  2. ধর্মীয় স্বাধীনতা
  3. রাষ্ট্রের নিরাপত্তা
  4. আদালত-অবমাননা
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৯(২) এ বাক-স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার উপর নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ আরোপের বিধান রয়েছে: রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতা, আদালত-অবমাননা, মানহানি, অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা। 
তবে ধর্মীয় স্বাধীনতা এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়। ধর্মীয় স্বাধীনতা সংবিধানের অন্য অনুচ্ছেদে (৪১ নং অনুচ্ছেদ) স্বতন্ত্রভাবে স্বীকৃত।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৯: চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা:
(১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।
(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে-
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
(খ) সংবাদপত্রের স্বাধীনতার; নিশ্চয়তা দান করা হইল। 

⇒ The Constitution of Bangladesh, Article 39: Freedom of thought and conscience, and of speech:
(1) Freedom of thought and conscience is guaranteed.
(2) Subject to any reasonable restrictions imposed by law in the interests of the security of the State, friendly relations with foreign states, public order, decency or morality, or in relation to contempt of court, defamation or incitement to an offence– 
(a) the right of every citizen to freedom of speech and expression; and
(b) freedom of the press, are guaranteed.

১,০৪৩.
কোন খতিয়ানে জমিদারের নাম লিপিবদ্ধ থাকে?
  1. সি. এস
  2. এস, এ
  3. বি. এস
  4. আর. এস
ব্যাখ্যা
সি.এস খতিয়ান [C.S Khatian]:
CS'র পূর্ণরূপ Cadastral Survey। Cada শব্দের অর্থ ভূখন্ড বা মাঠ। এই Survey'র মাধ্যমে প্রণীত খতিয়ানই C.S Khatian নামে পরিচিত।
- সর্বপ্রথম ১৮৮৮ সালে বর্তমান কক্সবাজার জেলার রামু থানা থেকে এ সার্ভে শুরু হয় এবং ১৯৪০ সালে দিনাজপুর জেলায় শেষ হয়।
- সি.এস খতিয়ান লম্বালম্বিভাবে লেখা থাকে।
- সি.এস খতিয়ানে জমিদারদের নাম, ভোগদখলকারী রায়তের নাম, জমির পরিমাণ, খাজনার পরিমাণ ইত্যাদি উল্লেখ আছে।
-C.S Khatian সর্বাধিক সঠিক; যা মালিকানা ও দখল উভয়ের অনুমানের প্রমাণ দেয়।
- খতিয়ানগুলোর মধ্যে এ খতিয়ান সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য। কারণ, এটি সরেজমিনে গিয়ে প্রস্তুত করা হয়েছিল।
১,০৪৪.
Section 3 of the Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 makes registration of Muslim marriages:
  1. Optional
  2. Mandatory
  3. Dependent on family agreement
  4. Subject to religious leaders’ consent
ব্যাখ্যা
The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর ধারা ৩: বিবাহ নিবন্ধন:
“Notwithstanding anything contained in any law, custom or usage, every marriage solemnized under Muslim law shall be registered in accordance with the provisions of this Act.”

বাংলা অনুবাদ:
“যেকোনো আইন, প্রথা বা রীতিনীতিতে ভিন্ন কিছু থাকলেও, মুসলিম আইনের অধীনে সংঘটিত প্রতিটি বিবাহ এই আইনের বিধান অনুযায়ী নিবন্ধিত করতে হবে।”

⇒ ধারা ৩ অনুযায়ী,
মুসলিম আইনের অধীনে সংঘটিত প্রতিটি বিবাহ অবশ্যই নিবন্ধন করতে হবে। এই নিবন্ধন ঐচ্ছিক নয়, বরং আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক।
১,০৪৫.
'ক' তার স্ত্রী 'খ' কে তার বাবার বাড়ি থেকে এক লক্ষ টাকা এনে দিতে বলে।'খ' রাজি না হওয়ায়, 'ক' রাগান্বিত হয়ে 'খ' এর মাথায় রড দিয়ে বাড়ি দেয়, যার দরুণ 'খ' এর মাথা ফেটে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। এক্ষেত্রে 'ক' নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. সর্বোচ্চ ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. সর্বোচ্চ ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ১২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. সর্বোচ্চ ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন,২০০০

ধারা ১১- যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি

যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন] তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-

(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উভয় ক্ষেত্রে উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক তিন বৎসর কিন্তু অন্যূন এক বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
১,০৪৬.
জেনারেল ক্লজ অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এর ধারা ৩(৩৯) অনুসারে, "ব্যক্তি" এর সংজ্ঞায় কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সমিতি
  2. কোম্পানি
  3. ব্যক্তি সমষ্টি
  4. মাতৃগর্ভস্থ শিশু
ব্যাখ্যা

⇒ জেনারেল ক্লজ অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এর ধারা ৩(৩৯) অনুসারে, "ব্যক্তি" (Person) বলিতে নিগমিত হউক বা না হউক, কোনো কোম্পানি বা সমিতি অথবা ব্যক্তি বিশেষের সমষ্টিকে (body of individuals) অন্তর্ভুক্ত করিবে। অর্থাৎ, সমিতি, কোম্পানি এবং ব্যক্তি সমষ্টি এই সংজ্ঞায় স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত।
- কিন্তু "মাতৃগর্ভস্থ শিশু" (unborn child) এই ধারায় সরাসরি অন্তর্ভুক্ত নয়; এটি দণ্ডবিধির ১১ ধারা বা অন্যান্য বিশেষ আইনে (যেমন: ট্রান্সফার অব প্রপার্টি অ্যাক্ট) স্বীকৃতি পায়, কিন্তু জেনারেল ক্লজ অ্যাক্ট-এর এই সাধারণ সংজ্ঞায় পড়ে না।

১,০৪৭.
স্বামী কত বছর যাবৎ নিখোঁজ থাকলে একজন বিবাহিতা স্ত্রীলোক বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদন করতে পারেন?
  1. ২ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
• ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী যেসব কারণে আদালতে তালাক চাইতে পারেন সেগুলো হলো-

⇒ চার বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে;
⇒ দুই বছর স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে;
⇒ স্বামীর সাত বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি কারাদণ্ড হলে;
⇒ স্বামী কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া তিন বছর যাবত দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
⇒ বিয়ের সময় পুরষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা দায়ের করা পর্যন্ত বহাল থাকে;
⇒ স্বামী দুই বছর ধরে অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে অথবা কুষ্ঠরোগে বা মারাত্মক যৌন ব্যধিতে আক্রান্ত থাকলে;

⇒ বিয়ে অস্বীকার করলে। অর্থাৎ যদি কোনো মেয়ের বাবা বা অভিভাবক মেয়েকে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে বিয়ে দেন এবং সেই মেয়েটি ১৯ বছর হওয়ার আগে বিয়ে অস্বীকার করে বিয়ে ভেঙে দিতে পারে। তবে শর্ত হলো, মেয়েটির সঙ্গে স্বামীর দাম্পত্য সম্পর্ক (সহবাস) যদি স্থাপিত না হয়ে থাকে তখনই কেবল বিয়ে অস্বীকার করে আদালতে বিচ্ছেদের ডিক্রি চাওয়া যাবে;

⇒ স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লঙ্ঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে;

⇒ স্বামীর নিষ্ঠুরতার কারণে। নিম্নলিখিত আচরণগুলো ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসেবে গণ্য হবে-

(ক) অভ্যাসগত আচরণে স্ত্রীকে আঘাত করা (দৈহিক আঘাত ছাড়াও মানসিক আঘাতও এর অন্তর্ভুক্ত, যা তার জীবন শোচনীয় বা দুর্বিষহ করে তুলেছে);
(খ) অন্য কোনো খারাপ নারীর সঙ্গে জীবনযাপন বা মেলামেশা;
(গ) স্ত্রীকে অনৈতিক জীবনযাপনে বাধ্য করা;
(ঘ) স্ত্রীর সম্পত্তি নষ্ট করা;
(ঙ) স্ত্রীকে নিজস্ব ধর্মপালনে বাধা দেয়া;
(চ) যদি স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকে, তাদের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের নির্দেশ অনুসারে সমান ব্যবহার না করা;
(ছ) এছাড়া মুসলিম আইনে বিয়েবিচ্ছেদের জন্য বৈধ বলে স্বীকৃত অন্য যে কোনো কারণে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের দাবি করতে পারবে।
১,০৪৮.
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এর ধারা ২১-এ কোন নীতির প্রতিফলন ঘটেছে?
  1. Delegation of power
  2. Doctrine of Severability
  3. Doctrine of Locus Poenitentiae
  4. Res Ipsa Loquitur
ব্যাখ্যা

⇒ জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এর ধারা ২১-এ Doctrine of Locus Poenitentiae বা পেনিটেনশিয়ার স্থান আলোচিত হয়েছে, যার অর্থ হল, কোনো বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে উক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ থেকে সরে আসা বা বাতিল করা।

⇒জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এর ২১ ধারার বিধান: আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
-যেক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-বিধি জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত ক্ষমতা একইভাবে প্রয়োগযোগ্য এবং অনুরূপ অনুমোদন ও শর্তাবলি (যদি থাকে), জারীকৃত কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-আইনের সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা তা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে।
-------
⇒ The General Clauses Act, 1897, Section 21: Power to make to include power to add to, amend, vary or rescind, orders, rules or bye-laws:
-Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue notifications, orders, rules, or bye-laws is conferred, then that power includes a power, exercisable in the like manner and subject to the like sanction and conditions (if any), to add to, amend, vary or rescind any notifications, orders, rules or bye-laws so issued.

১,০৪৯.
রেজিস্ট্রার কর্তৃক ধারা ৭৬ বা ৭২-এর অধীন প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে-
  1. উচ্চ আদালতে আপিল করা যায়
  2. ভূমি অফিসে আপিল করা যায়
  3. দায়রা জজ আদালতে আপিল করা যায়
  4. কোন আপিল চলবে না
ব্যাখ্যা
ধারা ৭৬- রেজিস্ট্রার কর্তৃক অগ্রাহ্যের আদেশ:
(১) প্রত্যেক রেজিস্ট্রার-
(ক) দলিলটি যে সম্পত্তি সম্পর্কিত উহা তাহার জেলায় অবস্থিত নহে, বা দলিলটি সাব-রেজিস্ট্রার এর কার্যালয়ে নিবন্ধিত হওয়া উচিত, এইরূপ কারণ ব্যতীত, অন্য কোন কারণে উহা নিবন্ধন অস্বীকার করিলে, বা

(খ) ধারা ৭২ বা ধারা ৭৫ এর অধীন কোন দলিল নিবন্ধীকরণের নির্দেশ প্রদানে অস্বীকার করিলে, অস্বীকৃতির একটি আদেশ প্রদান করিবেন এবং তাহার ২ নং বহিতে উক্তরূপ আদেশের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করিবেন, এবং দলিলের অধীন সম্পাদনকারী বা গ্রহীতাগণের মধ্যে কেহ আবেদন করিলে, অহেতুক বিলম্ব ব্যতীত, তাহাকে উক্তরূপ লিপিবদ্ধ কারণসমূহের নকল প্রদান করিবেন।

(২) এই ধারা বা ধারা ৭২ এর অধীন রেজিস্ট্রার কর্তৃক প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল চলিবে না।
১,০৫০.
'Nemo est supra leges' নীতিটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ ধারণ করে?
  1. ২৭
  2. ২৯
  3. ৩১
  4. ১৮
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ২৭: আইনের দৃষ্টিতে সমতা
সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।

Article 27: Equality before law
All citizens are equal before law and are entitled to equal protection of law.

• সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে, আইনের দৃষ্টিতে সমান এই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে যে- প্রচলিত আইন কোন ব্যক্তি বিশেষের অনুকূলে কোন বিশেষ সুবিধা প্রদান করবে না। দেশের প্রচলিত আইনের শর্ত সাপেক্ষে সকলে সমভাবে সমান এবং কোন ব্যক্তি তার মর্যাদা বা অবস্থা যা হোক না কেন, আইনের ঊর্ধ্বে না এই মর্মে ২৭ অনুচ্ছেদ ঘোষণা করেছে। এই অনুচ্ছেদ 'Nemo est supra leges' নীতিটি প্রতিফলন করে।

আইনের সমান আশ্রয় লাভ বলতে বোঝায়, একই অবস্থায় বিদ্যমান সকল ব্যক্তির জন্য একই আইন অভিন্নভাবে এবং কোন প্রকার বৈষম্য ব্যতীত প্রয়োগ করা। অর্থাৎ সমান প্রেক্ষাপটে সমান আচরণ বা সমভাবে বিবেচনা করা। সমানদের মধ্যে আইনও সমান হবে এবং সমভাবে প্রয়োগ হবে।
১,০৫১.
কোন অপরাধটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ নয়?
  1. যৌতুকের জন্য সাধারণ জখম
  2. ভিক্ষাবৃত্তির উদ্দেশ্যে শিশুর অঙ্গহানি
  3. ধর্ষণের চেষ্টা
  4. দাসত্বমূলক শ্রম
ব্যাখ্যা
⇒ দাসত্বমূলক শ্রম অপরাধটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ নয়।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ৯ ধারায় ধর্ষণ, ধর্ষণজনিত কারণে মৃত্যু, ইত্যাদির শাস্তি,  ১১ ধারায় যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি এবং ১২ ধারায় ভিক্ষাবৃত্তি, ইত্যাদির উদ্দেশ্যে শিশুকে অঙ্গহানি করার শাস্তির বিধান রয়েছে।
---------------------
ধারা ৯ ধর্ষণ, ধর্ষণজনিত কারণে মৃত্যু, ইত্যাদির শাস্তি:
 (১) যদি কোন পুরুষ কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন, তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

ব্যাখ্যা৷- যদি কোন পুরুষ বিবাহ বন্ধন ব্যতীত ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সহিত তাহার সম্মতি ব্যতিরেকে বা ভীতি প্রদর্শন বা প্রতারণামূলকভাবে তাহার সম্মতি আদায় করিয়া, অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সের কোন নারীর সহিত তাহার সম্মতিসহ বা সম্মতি ব্যতিরেকে যৌন সঙ্গম করেন, তাহা হইলে তিনি উক্ত নারীকে ধর্ষণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।
(২) যদি কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধর্ষণ বা উক্ত ধর্ষণ পরবর্তী তাহার অন্যবিধ কার্যকলাপের ফলে ধর্ষণের শিকার নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অন্যূন এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
(৩) যদি একাধিক ব্যক্তি দলবদ্ধভাবে কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন এবং ধর্ষণের ফলে উক্ত নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটে বা তিনি আহত হন, তাহা হইলে ঐ দলের প্রত্যেক ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অন্যূন এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
 
(৪) যদি কোন ব্যক্তি কোন নারী বা শিশুকে-
(ক) ধর্ষণ করিয়া মৃত্যু ঘটানোর বা আহত করার চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(খ) ধর্ষণের চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
(৫) যদি পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে কোন নারী ধর্ষণের শিকার] হন, তাহা হইলে যাহাদের হেফাজতে থাকাকালীন উক্তরূপ ধর্ষণ সংঘটিত হইয়াছে, সেই ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ ধর্ষণের শিকার] নারীর হেফাজতের জন্য সরাসরিভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন, তিনি বা তাহারা প্রত্যেকে, ভিন্নরূপ প্রমাণিত না হইলে, হেফাজতের ব্যর্থতার জন্য, অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অন্যূন দশ হাজার টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

⇒ ধারা ১১-যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি:
 যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম simple hurt) করেন তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-
 
(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উভয় ক্ষেত্রে উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক তিন বৎসর কিন্তু অন্যূন এক বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
 
ধারা ১২-ভিক্ষাবৃত্তি, ইত্যাদির উদ্দেশ্যে শিশুকে অঙ্গহানি করার শাস্তি:
 যদি কোন ব্যক্তি ভিক্ষাবৃত্তি বা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রির উদ্দেশ্যে কোন শিশুর হাত, পা, চক্ষু বা অন্য কোন অংগ বিনষ্ট করেন বা অন্য কোনভাবে বিকলাংগ বা বিকৃত করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
১,০৫২.
কোনো ব্যক্তি যথাযথ কারণ ছাড়া নির্দিষ্ট সময় ও স্থানে আত্মসমর্পণ না করলে, বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৪(৪) ধারা অনুসারে সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974: ধারা ১৪: আটক ব্যক্তিদের সাময়িক মুক্তি:
(১) সরকার যেকোনো সময় নির্দেশ দিতে পারেন যে, কোনো ব্যক্তি যাকে আটকাদেশের মাধ্যমে আটক করা হয়েছে, তাকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মুক্তি দেওয়া হবে, হয় শর্তবিহীন অথবা এমন শর্তের অধীনে যা ওই ব্যক্তি মেনে নেবেন, এবং যেকোনো সময় তার মুক্তি বাতিল করতে পারেন।

(২) কোনো ব্যক্তিকে উপ-ধারা (১)-এর অধীনে মুক্তি দেওয়ার সময়, সরকার তাকে শর্তাবলী পূরণের জন্য বন্ডে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করতে পারেন, যা শর্তসাপেক্ষে বা শর্তবিহীন হতে পারে।

(৩) উপ-ধারা (১)-এর অধীনে মুক্তি পাওয়া কোনো ব্যক্তি, মুক্তির আদেশ বা মুক্তি বাতিলের আদেশে নির্দিষ্ট সময় ও স্থানে এবং কর্তৃপক্ষের কাছে আত্মসমর্পণ করবেন।

(৪) যদি কোনো ব্যক্তি যথাযথ কারণ ছাড়া নির্দিষ্ট সময় ও স্থানে আত্মসমর্পণ না করেন, তবে তাকে দুই বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

(৫) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১)-এর অধীনে মুক্তি পাওয়ার পর শর্তাবলী বা বন্ডের শর্ত পূরণে ব্যর্থ হন, তবে বন্ড বাতিল করা হবে এবং বন্ডের অধীনে দায়বদ্ধ ব্যক্তি শাস্তির জন্য দায়ী হবেন।
১,০৫৩.
Marbury vs Madison (1803) মামলায় প্রধান বিচারপতি জন মার্শাল কোন তত্ত্বের জন্ম দেন যা আইনের শাসনের ভিত্তি হয়ে ওঠে?
  1. Habeas Corpus
  2. Due Process
  3. Judicial Review
  4. Separation of Powers
ব্যাখ্যা

⇒ Marbury v. Madison (1803) মামলাটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী ঘটনা। এই মামলার রায়ের মাধ্যমে প্রধান বিচারপতি জন মার্শাল Judicial Review বা বিচার পর্যালোচনা তত্ত্বের জন্ম দেন।

 Judicial Review কী?

- এটি এমন একটি নীতি যার অধীনে আদালতের ক্ষমতা থাকে কোনো আইন, নির্বাহী আদেশ বা সরকারি কার্যকলাপ দেশের সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক কিনা পরীক্ষা করার। যদি কোনো আইন বা কার্যকলাপ সাংবিধান-পরিপন্থী বলে প্রমাণিত হয়, তবে আদালত তা বাতিল ঘোষণা করতে পারে।

⇒ Marbury v. Madison মামলায় কী ঘটেছিল? 

- এই মামলায়, প্রধান বিচারপতি মার্শাল রায় দেন যে, কংগ্রেস কর্তৃক প্রণীত ১৭৮৯ সালের Judiciary Act-এর একটি ধারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিত। সংবিধান সুপ্রিম আইন হওয়ায়, সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিত কোনো সাধারণ আইন বাতিল হবে। এই রায়ের মাধ্যমেই প্রথমবারের মতো সুপ্রিম কোর্ট কংগ্রেসের প্রণীত আইন বাতিল করে এবং Judicial Review-এর ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করে।

⇒ Judicial Review তত্ত্বটি আইনের শাসনের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ, কারণ এটি নিশ্চিত করে যে:
- সরকারের তিনটি শাখা—আইন প্রণেতা (কংগ্রেস), নির্বাহী (রাষ্ট্রপতি) এবং বিচার বিভাগ—সবাইকে সংবিধানের অধীনে থাকতে হবে।
- কোনো আইন বা সরকারি সিদ্ধান্তই সংবিধানের ঊর্ধ্বে নয়।
- বিচার বিভাগ সংবিধান রক্ষার প্রহরী হিসেবে কাজ করে এবং সংবিধান লঙ্ঘনকারী যেকোনো কাজ বন্ধ করতে পারে।
 
অন্যান্য অপশন:
Habeas Corpus: এটি একটি প্রাচীন আইনি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে অবৈধভাবে আটক রাখা হয়েছে কিনা তা আদালতের কাছে প্রশ্ন করা যায়। এটি Marbury মামলায় প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
Due Process: এই ধারণাটি মার্কিন সংবিধানের ৫ম ও ১৪তম সংশোধনীতে রয়েছে, কিন্তু Marbury মামলার মূল অবদান ছিল আদালতের ক্ষমতা নির্ধারণ করা, Due Process নয়।
Separation of Powers: ক্ষমতার বিভাজনের তত্ত্বটি Montesquieu-এর মতো চিন্তাবিদদের থেকে এসেছে এবং মার্কিন সংবিধান এটি বাস্তবায়ন করেছে। Marbury মামলা এই তত্ত্বকে আরও শক্তিশালী করেছে, কিন্তু এর জন্ম দেয়নি।

১,০৫৪.
The Special Powers Act, 1974 এর তফসিলে কোন আইনের উল্লেখ নেই?
  1. ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৫
  2. বিস্ফোরক আইন, ১৮৮৪
  3. জরুরি ক্ষমতা আইন, ১৯৭৫
  4. বিস্ফোরক দ্রব্য আইন, ১৯০৮
ব্যাখ্যা

⇒ বিস্ফোরক আইন, ১৮৮৪ তফসিলে উল্লেখিত নয়।

⇒ ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের তফসিল:
১. এই আইনের আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধসমূহ;
৩. অস্ত্র আইন, ১৮৭৮ (Arms Act, 1878) এর আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধসমূহ;
৪. বিস্ফোরক দ্রব্য আইন, ১৯০৮ (Explosive Substances Act, 1908) এর আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধসমূহ;
৪ক. জরুরি ক্ষমতা আইন, ১৯৭৫ (Emergency Powers Act, 1975) অনুযায়ী গৃহীত নিয়ম বা সেই নিয়মের অধীনে প্রদত্ত কোনো আদেশ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধসমূহ;
৫ক. ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৫ (Formalin Control Act, 2015) এর আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধসমূহ;
৬. উপরোক্ত যেকোনো শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা, ষড়যন্ত্র, প্ররোচনা বা প্রস্তুতি।

১,০৫৫.
It shall be the duty of all ______ authorities to assist the Election Commission in the discharge of its functions.
  1. judiciary
  2. legislative
  3. executive
  4. all of mentioned
ব্যাখ্যা
Article 126: Executive authorities to assist Election Commission

It shall be the duty of all executive authorities to assist the Election Commission in the discharge of its functions.

অনুচ্ছেদ ১২৬: নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তাদান

নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপালনে সহায়তা করা সকল নির্বাহী কর্তৃপক্ষের কর্তব্য হইবে।
১,০৫৬.
একজন মুসলিম মহিলা তার এক পুত্র এবং পিতাকে রেখে মারা গেছেন। এক্ষেত্রে, তার সম্পত্তিতে পিতা কত অংশ পাবে?
  1. ১/৬ অংশ
  2. ১/৩ অংশ
  3. ১/২ অংশ
  4. ২/৩ অংশ
ব্যাখ্যা
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে, পিতার অংশ তিন ধরনের হয়ে থাকে–
- যদি মৃত ব্যক্তির পুত্র, পুত্রের পুত্র- রেখে মারা যান তবে পিতার অংশ হবে ১/৬ অংশ।
- যদি মৃত ব্যক্তির কন্যা, পুত্রের কন্যা রেখে মারা যায় এবং কোন পুত্র বা পুত্রের পুত্র- না থাকে তবে পিতার অংশ হবে ১/৬+অবশিষ্টাংশ।
- যদি কোন সন্তান-সন্ততি না থাকে তবে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে পিতা অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে অংশ পাবে।

এক্ষেত্রে, পুত্রের উপস্থিতিতে পিতা (১/৬) অংশ পাবেন এবং পুত্র বাকি সম্পত্তি পাবেন।
১,০৫৭.
অকৃষি ভূমিতে কে উন্নয়ন করবে বা কোন কার্য উন্নয়ন কিনা সেই সম্পর্কে কোন বিরোধ দেখা দিলে তা কে নির্ধারণ করবে?
  1. জেলা জজ
  2. কমিশনার
  3. যুগ্ম জেলা জজ
  4. ডেপুটি কমিশনার
ব্যাখ্যা
⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৬৬ ধারার বিধান উন্নয়ন ইত্যাদি করার অধিকারের প্রশ্নে কালেক্টর সিদ্ধান্ত দিবেন:
১) যদি অকৃষি প্রজা ও তার ভূ-স্বত্বাধিকারীর মধ্যে এমন প্রশ্ন উঠে-
ক) উন্নয়ন কাজ করার অধিকার সম্বন্ধে; বা
খ) কোন বিশেষ একটি কাজ উন্নয়নমূলক কি না, 
তখন যে কোন পক্ষের আবেদন অনুযায়ী ডেপুটি কমিশনার সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন।

২) ডেপুটি কমিশনারের প্রদত্ত আদেশের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে। এরূপ আপিলের ক্ষেত্রে জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।
-----------------------------------------------------
Section 66. Collector to decide question as to right to make improvement, etc. 
(1) If a question arises between the non-agricultural tenant and his landlord- 
(a) as to the right to make an improvement, or 
(b) as to whether a particular work is an improvement, 
the Deputy Commissioner may, on the application of either party, decide the question. 
(2) An appeal, if presented within thirty days from the date of the order appealed against, shall lie to the District Judge from every order passed by the Deputy Commissioner under sub-section (1) and the order passed by the District Judge on such appeal shall be final.
১,০৫৮.
শিশু আইনের ১৫ ধারা অনুযায়ী, কার জন্য পৃথকভাবে পুলিশ রিপোর্ট প্রস্তুত করতে হয়?
  1. শুধুমাত্র শিশুদের জন্য
  2. শুধুমাত্র প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য
  3. প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশু উভয়ের জন্য আলাদা আলাদা
  4. রিপোর্ট একটাই যথেষ্ট
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ১৫: পুলিশ রিপোর্ট (investigation report) বা অনুসন্ধান প্রতিবেদন (inquiry report) বা তদন্ত প্রতিবেদন (enquiry report) পৃথকভাবে প্রস্তুত ও আমলে গ্রহণ:
(১) ফৌজদারি কার্যবিধি বা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো অপরাধ সংঘটনে প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশু জড়িত থাকিলে, পুলিশ রিপোর্ট (জি.আর মামলার ক্ষেত্রে) বা ক্ষেত্রমত, অনুসন্ধান প্রতিবেদন (সি.আর মামলার ক্ষেত্রে) বা তদন্ত প্রতিবেদন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশুর জন্য পৃথকভাবে প্রস্তুত করিয়া দাখিল করিতে হইবে। 

(২) ফৌজদারি কার্যবিধি বা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশু কর্তৃক একত্রে সংঘটিত কোনো অপরাধ আমলে গ্রহণের ক্ষেত্রে তাহাদের অপরাধ পৃথকভাবে আমলে গ্রহণ করিতে হইবে।]
১,০৫৯.
রাষ্ট্রপতি কোন ধরনের দণ্ড কমাতে বা মওকুফ করতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র মৃত্যুদণ্ড
  2. কেবল কারাদণ্ড
  3. যে কোনো দণ্ড
  4. প্রশাসনিক শাস্তি ছাড়া অন্য কিছু নয়
ব্যাখ্যা

উত্তর: গ) যে কোনো দণ্ড।

​অনুচ্ছেদ ৪৯: ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার:
কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত যে−কোন দণ্ডের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করিবার এবং যে−কোন দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করিবার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকিবে।

​Article 49: Prerogative of mercy-
The President shall have power to grant pardons, reprieves and respites and to remit, suspend or commute any sentence passed by any court, tribunal or other authority.

১,০৬০.
A Family Court may, if it so deems fit, hold the whole or any part of the proceedings under the Ordinance in camera, বিধানটি The Family Courts Ordinance, 1985 এর কত ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
  1. ১০
  2. ১১
  3. ১২
  4. ১৩
ব্যাখ্যা
A Family Court may, if it so deems fit, hold the whole or any part of the proceedings under the Ordinance in camera, বিধানটি The Family Courts Ordinance, 1985 এর ১১ ধারায় বর্ণিত ছিল।

• বর্তমানে পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ, ১৯৮৫ আইন রহিত করে পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ প্রনীত হয়। এটি ২০২৩ সনের ২৬ নং আইন।

এই আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী-

(১) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত, উপযুক্ত মনে করিলে, এই আইনের অধীন কোনো মোকদ্দমার কার্যধারার সম্পূর্ণ বা কোনো অংশবিশেষ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠান করিতে পারিবে।

(২) যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার কার্যধারা উভয়পক্ষ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠানের জন্য আদালতকে অনুরোধ করেন, সেইক্ষেত্রে আদালত উহা রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠান করিবে।
১,০৬১.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইনের ৮৫ক ধারায় কোন ধরনের আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান রয়েছে?
  1. দখলদারের বিরুদ্ধে আদেশ
  2. ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশ
  3. জমি বায়না সংক্রান্ত আদেশ
  4. ইজারা নির্ধারণের আদেশ
ব্যাখ্যা

⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৮৫ক ধারা অনুযায়ী, ডেপুটি কমিশনার কর্তৃক ধারা ৯(১) বা ধারা ২০ এর অধীনে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপীল করা যায়। এই ধারাটি স্পষ্টভাবে শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিষয়ে উল্লেখ করে।
- সুতরাং, ৮৫ক ধারা অনুযায়ী, ডেপুটি কমিশনারের ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।

⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৮৫ক ধারার বিধান আপীল:
- অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৯ (১) ধারার বিধান অনুসারে বা ২০ ধারার বিধান মোতাবেক ডেপুটি কমিশনার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করলে তার আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপীল করা যাবে।
------------
⇒ The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949-Section 85A.  Appeal:
- An appeal against an order passed by the Deputy Commissioner determining compensation under the proviso to sub-section (1) of section 9 or the proviso to section 20 shall, if presented within thirty days of such order, lie to the District Judge.

১,০৬২.
মীমাংসার ক্ষেত্রে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার পারেন না-
  1. মধ্যস্থতাকারী হিসাবে ভূমিকা রাখতে
  2. বিরোধ সম্পর্কিত তথ্যসংগ্রহ করতে
  3. স্ব-উদ্যোগে আইনগত প্রশ্নে মতামত প্রদান করতে
  4. মীমাংসা সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করতে
ব্যাখ্যা
• আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ২১ক ধারা অনুযায়ী সরকার লিগ্যাল এইড অফিসার নিয়োগ দিয়ে থাকেন। 

• 'আইনগত প্রশ্নে মতামত প্রদান না করা' শিরোনামে আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫-এর ১৫ বিধিতে স্পষ্ট উল্লেখ আছে যে- 'কোনো বিরোধ আপোষ-মীমাংসার মাধ্যমে নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে লিগ্যাল এইড অফিসার, উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি ব্যতীত, বিরোধের সাথে জড়িত আইনি প্রশ্নে মতামত প্রদানে, যতদূর সম্ভব, বিরত থাকবেন।'

অর্থাৎ- মীমাংসার ক্ষেত্রে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার স্ব-উদ্যোগে আইনগত প্রশ্নে মতামত প্রদান করতে পারেন না। তবে, উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি নিয়ে মতামত প্রদান করতে পারেন।

• উল্লেখ্য,
আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫-এর বিধি ৯(১)(খ) অনুযায়ী-মীমাংসা সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করতে পারেন। বিধি ১১(গ) অনুযায়ী- বিরোধ সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন।
বিধি ১১ (জ) অনুযায়ী- মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারেন।
১,০৬৩.
'Feeding the grant by estoppel' নীতিটি প্রযোজ্য হবে, যখন হস্তান্তরটি করা হয়-
  1. প্রতারণামূলকভাবে
  2. ভুলক্রমে
  3. মৌখিকভাবে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
• "Feeding the grant by estoppel"

Feeding the grant by estoppel নীতিটি হলো, যদি কোনো ব্যক্তি কোনো চুক্তি কার্যকর করার ক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও চুক্তিতে আবদ্ধ হয় এবং পরবর্তীকালে যদি এ চুক্তি কার্যকর করার ক্ষমতা অর্জন করে, তাহলে সে ঐ চুক্তি কার্যকর করতে বাধ্য থাকবে। সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৩ ধারা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারার মত Feeding the grant by estoppel নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত।

৪৩ ধারা অনুসারে, যেখানে কোনো ব্যক্তি প্রতারণামূলকভাবে বা ভুলক্রমে প্রকাশ করে যে, সে কোনো নির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের জন্য ক্ষমতাবান এবং মূল্যের বিনিময়ে তা হস্তান্তরের ঘোষণা করে, সেখানে পরবর্তীকালে এই চুক্তি বহাল থাকার সময় সে যদি ঐ সম্পত্তিতে কোনো স্বত্ব অর্জন করে, তাহলে হস্তান্তর গ্রহীতার ইচ্ছা অনুসারে এই হস্তান্তর তার এই পরবর্তীকালে অর্জিত স্বত্বের উপর বলবৎ হবে।

Section 43: Transfer by unauthorised person who subsequently acquires interest in property transferred
Where a person fraudulently or erroneously represents that he is authorised to transfer certain immoveable property and professes to transfer such property for consideration, such transfer shall, at the option of the transferee, operate on any interest which the transferor may acquire in such property at any time during which the contract of transfer subsists. 
 
Nothing in this section shall impair the right of transferees in good faith for consideration without notice of the existence of the said option. 
 
Illustration 
A, a Hindu, who has separated from his father B, sales to C three fields, X, Y and Z, representing that A is authorised to transfer the same. Of these fields Z does not belong to A, it having been retained by B on the partition; but on B's dying A as heir obtains Z. C, not having rescinded the contract of sale, may require A to deliver Z to him.
১,০৬৪.
The Negotiable Instruments Act, 1881 এর ধারা ১৪১(খ) অনুযায়ী, লিখিত অভিযোগ দায়েরের সময়সীমা কত?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা

The Negotiable Instruments Act, 1881: ধারা ১৪১:
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ (অধ্যাদেশ নং V of 1898)-এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নিম্নলিখিত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে:
(ক) ধারা ১৩৮-এর অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধের বিচার কেবলমাত্র সেই ক্ষেত্রে আমলে নেওয়া যাইবে, যদি উক্ত অপরাধের জন্য অভিযোগ লিখিতভাবে দায়ের করা হয় এবং উক্ত অভিযোগটি চেকের প্রাপক বা ক্ষেত্রবিশেষে চেকের যথাযথ অধিকারপ্রাপ্ত ধারক কর্তৃক দাখিল করা হয়;

(খ) এইরূপ অভিযোগ অবশ্যই সেই তারিখ হইতে এক মাসের মধ্যে দায়ের করিতে হইবে, যেই তারিখে ধারা ১৩৮-এর দফা (গ)-এর অধীন কার্যকারণের কারণ সৃষ্টি হয়;

(গ) ধারা ১৩৮-এর অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধ বিচার করিবার ক্ষমতা সেশন আদালতের অধস্তন কোনো আদালতের থাকিবে না।

১,০৬৫.
একই ছেলেকে দুই ব্যক্তি দত্তক গ্রহণ করলে দত্তকটি হবে-
  1. বাতিলযোগ্য
  2. বৈধ
  3. অবৈধ
  4. নির্দিষ্ট চুক্তিতে বৈধ
ব্যাখ্যা
⇒ Who can be adopted
 the Hindu child can be adopted by the following conditions:
1. The child should be Hindu.
2. The child has not been adopted before.
3. The child should not be married.
4. The age of the child must be below 15 years.
 
উল্লিখিত শর্ত অনুযায়ী বলতে পারি যে একই ছেলেকে দুই ব্যক্তি দত্তক গ্রহণ করলে দত্তকটি অবৈধ হবে।
১,০৬৬.
'চেক ডিজঅনার মামলায় সর্বোচ্চ জরিমানা করা যায় চেকে বর্ণিত টাকার_____।
  1. চার গুণ
  2. সম পরিমাণ
  3. দ্বিগুণ
  4. তিন গুণ
ব্যাখ্যা
• অপর্যাপ্ত তহবিল, ত্রুটিপূর্ণ স্বাক্ষর ও অন্য যে কোন যথাযথ কারনে বাহক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দেয়া চেক যদি প্রত্যাখ্যাত হয় বা চেকে উল্লেখিত টাকা বাহককে প্রদান করা সম্ভব না হয় সেটিকেই বলা হয় চেক ডিজঅনার। কোন কারনে চেক ডিজঅনার হলে চেক প্রদানকারীর বিরুদ্ধে হস্তারযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ (Negotiable Instrument Act, 1881) অনুযায়ী আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহনের সুযোগ রয়েছে।

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮(১) ধারায় চেক প্রত্যাখিত হবার শাস্তির কথা বলা হয়েছে। এখানে বলা আছে চেক ডিজঅনারের শাস্তি হল ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুন জরিমানা অথবা উভয়।
১,০৬৭.
একজন নাবালক তার সম্পত্তির কত অংশ উইল দ্বারা বণ্টন করতে সক্ষম?
  1. সম্পূর্ণ অংশ
  2. ১/২ অংশ
  3. ১/৩ অংশ
  4. কোনো অংশই নয়
ব্যাখ্যা
মুসলিম আইনে উইল (Will):
উইল (testament) বা অছিয়ত হলো ভবিষ্যৎ দান। কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার রেখে যাওয়া সম্পত্তি বা সম্পত্তির মুনাফা কিভাবে বিলি-বন্টন করা হবে তা তার মৃত্যুর পূর্বেই লিখিত বা মৌখিকভাবে নির্ধারণ করে যাওয়ার আইন সম্মত ঘোষণাই হলো উইল বা অছিয়ত। মুসলিম আইন অনুযায়ী, একজন মুসলিম ব্যক্তি সুস্থ মন (sound mind) এবং প্রাপ্ত বয়সী (major) হলে শুধুমাত্র তিনি তার সম্পত্তি উইল করার অধিকারী হন। তবে, অপ্রাপ্তবয়স্ক (minor) ব্যক্তির ক্ষেত্রে উইল করার অধিকার নেই।

অপ্রাপ্তবয়স্ক (Minor) উইল করতে সক্ষম নয়:
মুসলিম আইন অনুযায়ী, অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি উইল করতে পারেন না। ইসলামী আইন অনুযায়ী, যদি কেউ অপ্রাপ্তবয়স্ক থাকে, তবে তার উইল করা অবৈধ এবং সে সম্পত্তির কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা রাখে না।

উল্লেখ্য,
একজন মুসলিম স্বাস্থ্যবান মন এবং পূর্ণবয়স্ক (major) হলে তিনি তার সম্পত্তির এক তৃতীয়াংশ (১/৩) অংশ উইল করতে পারেন। এর বেশি অংশ উইল করা হলে, তা উত্তরাধিকারীদের সম্মতি ছাড়া কার্যকর হবে না
১,০৬৮.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর __________ ধারার বিধান অনুযায়ী, সাইবার ট্রাইব্যুনাল বিচারকার্য পরিচালনায় অভিজ্ঞ ব্যক্তির মতামত গ্রহণ করতে পারবে।
  1. ৪০
  2. ৪২
  3. ৪৪
  4. ৪৫
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৪: বিশেষজ্ঞ মতামত গ্রহণ, প্রশিক্ষণ, ইত্যাদি:
(১) ট্রাইব্যুনাল বা আপীল ট্রাইব্যুনাল, বিচারকার্য পরিচালনাকালে, কম্পিউটার বিজ্ঞান, ডিজিটাল ফরেনসিক, ইলেকট্রনিক যোগাযোগ, ডাটা সুরক্ষাসহ অন্যান্য বিষয়ে অভিজ্ঞ কোনো ব্যক্তির মতামত গ্রহণ করিতে পারিবে।

(২) সরকার বা এজেন্সি এই অধ্যাদেশ বাস্তবায়নের সহিত সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তিকে, প্রয়োজনে, কম্পিউটার বিজ্ঞান, ডিজিটাল ফরেনসিক, ইলেকট্রনিক যোগাযোগ, ডাটা সুরক্ষাসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয়ে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ প্রদান করিতে পারিবে।
১,০৬৯.
"কোনো ব্যক্তির বিবাহে বাধা সৃষ্টি করে এমন যেকোনো চুক্তি বাতিল (Void) হিসেবে গণ্য হবে।"- কত ধারায় এই বিধান আছে?
  1. ধারা ২৫
  2. ধারা ২৬
  3. ধারা ২৭
  4. ধারা ২৮
ব্যাখ্যা
ধারা ২৬: বিবাহে বাধা দেওয়ার চুক্তি বাতিল-
"অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তির বিবাহে বাধা সৃষ্টি করে এমন যেকোনো চুক্তি বাতিল (Void) হিসেবে গণ্য হবে।"
[Every agreement in restrain of the marriage of any person, other than a minor, is void.]
১,০৭০.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন কবে রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করতে হবে?
  1. জুন মাসের মধ্যে
  2. মার্চ মাসের মধ্যে
  3. জানুয়ারি মাসের মধ্যে
  4. ডিসেম্বর মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২৯(১) অনুযায়ী, কমিশনকে প্রতি পঞ্জিকা বছরের মার্চ মাসের মধ্যে পূর্ববর্তী বছরে সম্পাদিত কার্যাবলী সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করতে হবে। এই প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতি পরবর্তীতে জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করেন (ধারা ২৯(২))।
সুতরাং, কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন পেশের সময়সীমা হলো মার্চ মাসের মধ্যে।

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২৯-বার্ষিক প্রতিবেদন:
(১) প্রতি পঞ্জিকা বত্সরের মার্চ মাসের মধ্যে কমিশন পূর্ববর্তী বত্সরে সম্পাদিত উহার কার্যাবলী সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিবে৷
(২) এই ধারার অধীন প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর রাষ্ট্রপতি উহা জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করিবেন৷

১,০৭১.
বিদেশ সম্পাদিত দলিল রেজিস্ট্রেট করার জন্য কখন দাখিল করতে হবে?
  1. দলিল সম্পাদিত হওয়ার ৪ মাসের মধ্যে
  2. দলিল দেশে পৌছানোর ৪ মাসের মধ্যে
  3. দলিল সম্পাদিত হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে
  4. দলিল দেশে পৌছানোর ৩ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
•নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ২৬ ধারার বিধান বাংলাদেশের বাহিরে সম্পাদিত দলিলপত্র:- বাংলাদেশের বাহিরে সকল বা যে কোন পক্ষ কর্তৃক সম্পাদিত বলিয়া দাবিকৃত কোন দলিল দাখিলকরনের জন্য ইতঃপূর্বে নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পরও যেক্ষেত্রে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা না হয়, সেইক্ষেত্রে নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে,-

(ক) দলিলটি উক্তরূপে সম্পাদিত, এবং
(খ) ইহা বাংলাদেশে পৌছিবার পর চার মাস সময়ের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা হইয়াছে।

তাহা হইলে তিনি, উপযুক্ত ফি পরিশোধ সাপেক্ষে, উক্ত দলিল নিবন্ধনের জন্য গ্রহণ করিতে পারিবেন।
১,০৭২.
বাংলাদেশ গণপরিষদে প্রথম স্পীকার কে ছিলেন?
  1. মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশ
  2. মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ
  3. শাহ্ আব্দুল হামিদ
  4. আব্দুল মালেক উকিল
ব্যাখ্যা
গণপরিষদের প্রথম স্পীকার ছিলেন শাহ আব্দুল হামিদ।

• কাজের মেয়াদ ১০ এপ্রিল ১৯৭২ – ১ মে ১৯৭২।
• ডেপুটি স্পিকার ছিলেন মোহাম্মদ উল্লাহ। 
• গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ।
১,০৭৩.
Mischief Rule কোন মামলার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. Fowler v. Padget
  2. Heydon's Case
  3. Conforce's Case
  4. Farzana Moazzem v. SEC
ব্যাখ্যা
The Mischief Rule of Interpretation of Statutes-
Mischief Rule বিধি ব্যাখ্যার একটি পদ্ধতি, যা আইন প্রণেতাদের উদ্দেশ্য নির্ধারণের উপর গুরুত্ব দেয়। এটি যুক্তরাজ্যে ১৬ শতকে উদ্ভূত এবং Heydon's Case এ প্রতিষ্ঠিত হয়। এতে বলা হয় যে, কোনো আইন ব্যাখ্যা করার প্রধান উদ্দেশ্য হল “অপরাধ এবং ত্রুটি” সনাক্ত করা, যেগুলি আইন প্রণয়নকারী কর্তৃপক্ষ সংশোধন করতে চেয়েছিল এবং একটি কার্যকরী প্রতিকার প্রদান করা। এই রুলটি মূলত এ প্রশ্নের উত্তর দেয়: পূর্ববর্তী আইন কী সমস্যা সমাধান করতে ব্যর্থ হয়েছিল, যার কারণে এই নতুন আইন প্রণীত হয়েছে।

Heydon's Case (1584) 3 CO REP এর মধ্যে আইন ব্যাখ্যা করার জন্য চারটি বিষয় উল্লেখ করা হয়:
- আইন প্রণীত হওয়ার পূর্বে সাধারণ আইন (Common Law) কী ছিল?
- "অপরাধ এবং ত্রুটি" কী ছিল, যা সাধারণ আইন সমাধান করেনি?
- সংসদ কী প্রতিকার প্রদান করার উদ্দেশ্যে আইন প্রণয়ন করেছিল?
- প্রতিকারটির পেছনে আসল কারণ কী ছিল?

এই রুলের ব্যবহার বিচারকদের জন্য অধিক নমনীয়তা প্রদান করে, যাতে তারা আইন প্রণেতাদের উদ্দেশ্যকে সঠিকভাবে অনুধাবন করতে পারেন, বর্ননামূলক এবং স্বর্ণিম রুলের মতো কঠোরভাবে বাধ্য না হয়ে। তবে, এই রুলের বিরুদ্ধে সমালোচনা রয়েছে, কারণ এটি আইনের মধ্যে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করতে পারে এবং নির্বাচনহীন বিচারকদের কাছে অস্বাভাবিকভাবে অধিক ক্ষমতা দিতে পারে, যা গণতান্ত্রিকভাবে ভুল বলে মনে করা হয়। তদুপরি, এটি পুরনো বলে মনে করা হয় কারণ বর্তমানে সাধারণ আইন আর আইনের প্রধান উৎস নয়।
১,০৭৪.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী নিচের কোনটি 'খ' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত?
  1. কোকা গাছ ও কোকা পাতা
  2. গাঁজা গাছ ও ভাং গাছ
  3. অপিয়াম পপি গাছের বীজ
  4. তাঁড়ি, পঁচুই, ইত্যাদি
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর প্রথম তপশিল অনুযায়ী মাদকদ্রব্যগুলোকে তিনটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়েছে: 'ক', 'খ', এবং 'গ'। প্রতিটি শ্রেণির মাদকদ্রব্যের সংজ্ঞা এবং অন্তর্ভুক্ত পদার্থগুলো সুনির্দিষ্টভাবে বর্ণিত।
⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর প্রথম তপশিল অনুযায়ী, 'খ' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হলো গাঁজা গাছ, ভাং গাছ, তাদের শাখা-প্রশাখা, পাতা, ফুল, এবং এগুলোর সাথে প্রস্তুতকৃত নেশা বা আসক্তি সৃষ্টিকারী পদার্থ।

প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে:
ক) কোকা গাছ ও কোকা পাতা: এটি 'ক' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত।
খ) গাঁজা গাছ ও ভাং গাছ: এটি 'খ' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত।
গ) অপিয়াম পপি গাছের বীজ: এটি 'ক' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত।
ঘ) তাঁড়ি, পঁচুই, ইত্যাদি: এটি 'গ' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত।
সঠিক উত্তর: খ) গাঁজা গাছ ও ভাং গাছ।

১,০৭৫.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জনগুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্ন সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের উপদেষ্টামূলক মতামতের জন্য পাঠাতে পারেন?
  1. অনুচ্ছেদ ১০২
  2. অনুচ্ছেদ ১০৩
  3. অনুচ্ছেদ ১০৫
  4. অনুচ্ছেদ ১০৬ 
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৬ এ সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার এর বিধান রয়েছে। এই অনুচ্ছেদ অনুসারে, রাষ্ট্রপতি যদি মনে করেন যে কোনো আইনি প্রশ্ন জনগুরুত্বপূর্ণ, তাহলে তিনি সেই প্রশ্নটি সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করতে পারেন। আপীল বিভাগ শুনানি শেষে সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে তার মতামত জ্ঞাপন করতে পারে।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৬- সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার:
যদি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আইনের এইরূপ কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হইয়াছে বা উত্থাপনের সম্ভাবনা দেখা দিয়াছে, যাহা এমন ধরনের ও এমন জনগুরুত্বসম্পন্ন যে, সেই সম্পর্কে সুপ্রীম কোর্টের মতামত গ্রহণ করা প্রয়োজন, তাহা হইলে তিনি প্রশ্নটি আপীল বিভাগের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করিতে পারিবেন এবং উক্ত বিভাগ স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত শুনানীর পর প্রশ্নটি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে স্বীয় মতামত জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।

১,০৭৬.
An acceptance may be revoked:
  1. Never
  2. At any time
  3. Before the communication of acceptance is complete
  4. After the communication of acceptance is complete
ব্যাখ্যা

Section 5- Revocation of proposals and acceptances:
A proposal may be revoked at any time before the communication of its acceptance is complete as against the proposer, but not afterwards.
An acceptance may be revoked at any time before the communication of the acceptance is complete as against the acceptor, but not afterwards.

ধারা ৫- প্রস্তাব এবং গ্রহণের প্রত্যাহার:
একটি প্রস্তাব তখনই প্রত্যাহার করা যেতে পারে যখন এর গ্রহণকারীকে প্রস্তাবের গ্রহণের যোগাযোগ সম্পূর্ণ হয়নি, তবে পরে এটি প্রত্যাহার করা যাবে না। একইভাবে, একটি গ্রহণ তখনই প্রত্যাহার করা যেতে পারে যখন এর প্রস্তাবককে গ্রহণের যোগাযোগ সম্পূর্ণ হয়নি, তবে পরে এটি প্রত্যাহার করা যাবে না।

১,০৭৭.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর কত ধারায় “complete usufructuary mortgage” এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ২(৫)
  2. ধারা ২(৬)
  3. ধারা ২(১১)
  4. ধারা ২(১৪)
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০- ধারা ২(৬):
"সম্পূর্ণ খাই-খালাসি বন্ধক” অর্থ কোনো প্রজা কর্তৃক ঋণ হিসাবে গৃহীত অর্থ বা শস্য ফেরত প্রদান করিবার নিশ্চয়তাস্বরূপ কোনো ভূমির দখলাধিকার এই শর্তে হস্থান্তর করা যাহা বন্ধকের মেয়াদে উক্ত ভূমি হইতে প্রাপ্ত মুনাফার মাধ্যমে, সকল সুদসহ, ঋণটি পরিশোধ হইয়াছে মর্মে গণ্য হইবে;

Section 2(6)-
“complete usufructuary mortgage” means a transfer by a tenant of the right of possession in any land for the purpose of securing the payment of money or the return of grain advanced or to be advanced by way of loan upon the condition that the loan, with all interests thereon, shall be deemed to be extinguished by the profits arising from the land during the period of the mortgage.
১,০৭৮.
উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে "per stirpes" নীতি প্রয়োগের বিধান মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর কোন ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ২ ধারায়
  2. ৪ ধারায়
  3. ৬ ধারায়
  4. ৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ "Per stirpes" নীতি বা উত্তরাধিকারী হিসেবে একটি পরিবারের শাখার প্রতি অংশ দেওয়া, যেখানে প্রত্যেক শাখা সমানভাবে উত্তরাধিকার লাভ করে, এটি মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ৪ ধারা-তে উল্লেখ করা হয়েছে।

- এটি মূলত এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারী হিসাবে তার সন্তান বা সন্তানের সন্তানদের মধ্যে ভাগ বণ্টন করা হয়। এই নীতির মাধ্যমে, একটি শাখার সদস্যরা তাদের পূর্বপুরুষের সম্পত্তি অংশীদার হতে পারে, যদি তাদের বাবা বা মা মারা গিয়ে থাকেন।
অর্থাৎ এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি তার পিতামাতার জীবিত অবস্থায় মারা যায়, তবে তার সন্তানরা তার স্থানে উত্তরাধিকারী হবে।

- এছাড়াও, ৪ ধারায় মুসলিমদের উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিষয়গুলি আলোচনা করা হয়েছে, যেখানে এটি বলা হয়েছে যে যদি কোনো ব্যক্তি কোনো উত্তরাধিকারী রেখে যায়, তবে তার সম্পত্তি কিভাবে ভাগ করা হবে, তা নির্ধারণ করা হয়।
১,০৭৯.
রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৯০৮-এর ধারা ২৩ অনুসারে, দলিল দাখিলকরণের বিধান কোন ধারাগুলোর সাপেক্ষে নির্ধারিত?
  1. ধারা ২০, ২১ এবং ২২
  2. ধারা ২৪, ২৫ এবং ২৬
  3. ধারা ১৮, ১৯ এবং ২০
  4. ধারা ২৭, ২৮ এবং ২৯
ব্যাখ্যা

⇒ রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৯০৮-এর ধারা ২৩ অনুসারে, দলিল দাখিলকরণের সময়সীমা (যেমন উইল ব্যতীত দলিলের ৩ মাসের মেয়াদ) ধারা ২৪, ২৫ এবং ২৬-এর বিধানাবলি সাপেক্ষে নির্ধারিত।

⇒ রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৯০৮-এর ধারা ২৩: দলিল দাখিলকরণের সময়:
ধারা ২৪, ২৫ এবং ২৬ এর বিধানাবলি সাপেক্ষে, উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি উহা সম্পাদনের তারিখ হইতে তিন মাসের মধ্যে উপযুক্ত কর্মকর্তার নিকট নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে দাখিল করা না হয়, তাহা হইলে উহা নিবন্ধনের জন্য গৃহীত হইবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, ডিক্রি বা আদেশের নকল, ডিক্রি বা আদেশ দানের তারিখ হইতে তিন মাসের মধ্যে, বা, যেক্ষেত্রে উহা আপিলযোগ্য, সেইক্ষেত্রে আপিল চূড়ান্ত হওয়ার তারিখ হইতে তিন মাসের মধ্যে দাখিল করা যাইবে।
--------
⇒ Section 23. Time for presenting documents:
Subject to the provisions contained in sections 24, 25 and 26, no document other than a will shall be accepted for registration unless presented for that purpose to the proper officer within three months from the date of its execution: 
Provided that a copy of a decree or order may be presented within three months from the day on which the decree or order was made, or, where it is appealable, within three months from the day on which it becomes final.

১,০৮০.
নিচের কোন পদধারী রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ২(৩) ধারা অনুযায়ী স্বাভাবিকভাবে 'কালেক্টর' হিসেবে গণ্য হন না?
  1. জেলার কালেক্টর
  2. ডেপুটি কমিশনার
  3. সার্কেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ল্যান্ড অফিসার
  4. সরকার কর্তৃক নিযুক্ত বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ধারা ২(৩) অনুসারে "কালেক্টর" বলতে নিম্নোক্ত তিন প্রকার কর্মকর্তাকে বোঝায়:
১. জেলার কালেক্টর 
২. ডেপুটি কমিশনার 
৩. এই আইনের অধীনে কালেক্টরের সকল বা যে কোন দায়িত্ব পালনের জন্য সরকার কর্তৃক নিযুক্ত অন্যান্য কর্মকর্তা। 
- কিন্তু সার্কেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ল্যান্ড অফিসার এই আইনের সংজ্ঞা অনুযায়ী স্বাভাবিকভাবে "কালেক্টর" হিসেবে গণ্য হবেন না।

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ২(৩) ধারায় কালেক্টরের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। কালেক্টর বলতে জেলার কালেক্টর এবং ডেপুটি কমিশনার এবং এই আইনের অধীনে একজন কালেক্টরের সকল অথবা যে কেন দায়িত্ব পালনের জন্য সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হতে পারে এইরুপ অন্যান্য কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত হবে।

সুতরাং, কালেক্টর বলতে-
i. জেলার কালেক্টর; এবং
ii. ডেপুটি কমিশনার; এবং
III. এই আইনের অধীনে একজন কালেক্টরের সকল অথবা যে কোন দায়িত্ব পালনের জন্য সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হতে পারে এইরুপ অন্যান্য কর্মকর্তা; অন্তর্ভুক্ত হবে।

১,০৮১.
প্রতীয়মান মালিক (Ostensible owner) হস্তান্তর করতে পারেন যদি-
  1. আদালতের অনুমতি থাকে
  2. সে সম্পত্তির দখল নেয়
  3. স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণের সম্মতি থাকে
  4. হস্তান্তর নির্ধারিত মূল্যে হয়
ব্যাখ্যা
• Ostensible owner বা প্রতীয়মান মালিক অর্থ হলো যে প্রকৃত মালিক না। প্রতীয়মান মালিক অর্থ এমন একজন ব্যক্তি যে প্রকৃত মালিক না হয়েও যার মালিকানার সকল লক্ষণ আছে। এইরুপ মালিকানার ক্ষেত্রে স্বকার্যজনিত বাধার দ্বারা অশুদ্ধ হস্তান্তর সিদ্ধ হয় [Ownership by way of feeding the grant by estoppel]। 'হস্তান্তর করার কালে স্বত্ব ছিলনা'- হস্তান্তরকারী এইরুপ দাবি করা হতে এই নীতি দ্বারা বারিত হবে।

ধারা ৪১: কৃত্রিম মালিক কর্তৃক হস্তান্তর-
যেখানে কোন ব্যক্তি স্থাবর সম্পত্তিতে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতিক্রমে, ঐ সম্পত্তির কৃত্রিম মালিকে পরিণত হয় এবং মূল্যের বিনিময়ে সে তা হস্তান্তর করে, সেখানে গ্রহীতা হস্তান্তরকারীর হস্তান্তরের ক্ষমতা নির্ধারণের জন্য যুক্তিসঙ্গত সাবধানতা অবলম্বন করে থাকলে এবং সৎ বিশ্বাসে কাজ করে থাকলে, হস্তান্তরকারীর হস্তান্তরের ক্ষমতা ছিল না, এই যুক্তিতে হস্তান্তর বাতিলযোগ্য হবে না।

Section 41: Transfer by ostensible owner-
Where, with consent, express or implied, of the persons interested in immoveable property, a person is the ostensible owner of such property and transfers the same for consideration, the transfer shall not be voidable on the ground that the transferor was not authorised to make it: provided that the transferee, after taking reasonable care to ascertain that the transferor had power to make the transfer, has acted in good faith.
১,০৮২.
পারিবারিক আদালত বিবাদীর উপস্থিতির জন্য অনধিক কত দিন সময় দিয়ে সমন প্রদান করবেন?
  1. ৩০
  2. ৪৫
  3. ৬০
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ৭ ধারার বিধান সমন ও নোটিশ জারিকরণ:
 (১) পারিবারিক আদালতে আরজি দাখিল করিবার পর আদালত নিম্নরূপ উদ্যোগ গ্রহণ করিবে, যথা:-
(ক) বিবাদীর উপস্থিতির জন্য সাধারণভাবে অনধিক ৩০(ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্যকরণ;
(খ) বিবাদীর প্রতি নির্ধারিত তারিখে হাজির হইবার এবং জবাব প্রদানের জন্য সমন জারি;
(গ) বিবাদীর নিকট প্রাপ্তিস্বীকারপত্র সংবলিত রেজিস্ট্রি ডাকযোগে মোকদ্দমার নোটিশ প্রেরণ; এবং
(ঘ) উপরিউক্ত দফা (খ) ও (গ) এর অধীন সমন জারি ও নোটিশ প্রেরণের পাশাপাশি আদালত, বাদী কর্তৃক খরচ বহন করিবার শর্তে, আরজিতে উল্লিখিত বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বাদী কর্তৃক সরবরাহকৃত বিবাদীর ইমেইল ঠিকানায় সমন জারি করিবেন, তবে ইমেইল ঠিকানার সঠিকতা সম্পর্কে আদালত সন্তুষ্ট হইলে উক্তরূপে জারীকৃত সমন বিবাদীর উপর যথাযথভাবে জারি হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।

(২) উপধারা (১) এর অধীন জারীকৃত প্রত্যেকটি সমন এবং প্রেরিত নোটিশের সহিত আরজির নকল এবং ধারা ৬ এর উপধারা (৫) ও (৬) এ উল্লিখিত দলিলসমূহের তালিকার অনুলিপি সংযুক্ত করিতে হইবে।

(৩) উপধারা (১) এর দফা (খ) এর অধীন জারীকৃত সমন দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ নং আদেশের বিধি ৯(১), ৯(২), ৯(৪), ৯(৫), ৯এ, ১০, ১১, ১৬, ১৭, ১৮, ১৯এ, ২০, ২১, ২৩, ২৪, ২৫(১), ২৬, ২৭, ২৮ এবং ২৯ এ বর্ণিত পদ্ধতিতে জারি করিতে হইবে এবং উক্তরূপে জারীকৃত সমন বিবাদীর উপর যথাযথভাবে জারি হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।

(৪) উপধারা (১) এর দফা (গ) এর অধীন প্রেরিত নোটিশ বিবাদীর উপর তখনই যথাযথভাবে জারি হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে যখন বিবাদী কর্তৃক স্বাক্ষরিত প্রাপ্তিস্বীকারপত্র আদালত কর্তৃক গৃহীত হয় অথবা আদালত নোটিশ বহনকারী ডাকটি ডাক কর্মচারীর এই মর্মে লিখিত মন্তব্যসহ ফেরত পান যে, নোটিশ বহনকারী ডাক বিবাদীকে প্রদানে যাচনা করিবার পর তিনি উহা গ্রহণে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিয়াছেন:

তবে শর্ত থাকে যে, নোটিশ যথাযথভাবে ঠিকানাযুক্ত অগ্রিম প্রদত্ত প্রাপ্তিস্বীকারপত্রসহ রেজিস্ট্রি ডাকযোগে যথাযথভাবে প্রেরিত হইয়া থাকিলে নোটিশ ডাকে দেওয়ার তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিন অতিবাহিত হইবার পর যদি প্রাপ্তিস্বীকারপত্রটি হারাইয়া যায় বা ভুল ঠিকানায় চলিয়া যায় বা অন্য কোনো কারণে উক্ত সময়ের মধ্যে আদালত কর্তৃক প্রাপ্ত না হয় তাহা হইলে বিবাদীর উপর উহা যথাযথভাবে জারি হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।

(৫) উপধারা (১) এর দফা (খ) এর অধীন জারীকৃত সমন প্রেরণ সংক্রান্ত খরচ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন সমন জারির খরচের ন্যায় হইবে এবং উপধারা (১) এর দফা (গ) এর অধীন প্রেরিত নোটিশের ডাক খরচ আরজি দাখিলের সময় বাদী কর্তৃক প্রদেয় হইবে।
১,০৮৩.
হিন্দু আইনে অনুমোদিত বিবাহ কত প্রকার?
  1. ৩ প্রকার
  2. ৪ প্রকার
  3. ২ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা অনুসারে হিন্দুদের মধ্যে আট প্রকার বিবাহ প্রচলিত ছিল, যার প্রথম চারটি সামাজিকভাবে অনুমোদিত এবং অবশিষ্ট চারটি অননুমোদিত। আট প্রকার বিবাহ হলো:

অনুমোদিত ৪ প্রকার:

ব্রাহ্ম: সর্বোত্তম পদ্ধতি, যাতে অলঙ্কারে সজ্জিতা কন্যাকে শিক্ষিত ও চরিত্রবান বরের হাতে তুলে দেয়া হতো; এক্ষেত্রে বরের নিকট থেকে কোন পণ নেয়া হতো না;
দৈব: এ ধরনের বিবাহে যজ্ঞ সম্পাদনকারী পুরোহিতের নিকট কন্যা সম্প্রদান করা হতো;
আর্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে এক বা দুই জোড়া গাভী গ্রহণ করতেন;
প্রজাপত্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে কোন পণ গ্রহণ ছাড়াই কন্যা দান করতেন এবং তাদের আশীর্বাদ করতেন যাতে তারা পারস্পরিক বিশ্বাস ও সুখের সঙ্গে দাম্পত্য জীবন যাপন করতে পারে।
 
অননুমোদিত ৪ প্রকার:

অসুর: এ বিবাহে বর পিতা অথবা অভিভাবকের নিকট থেকে মূল্য দিয়ে কনেকে ক্রয় করত;
রাক্ষস: এ বিবাহে কন্যার আত্মীয়দের প্রহার করে রোরুদ্যমান কন্যাকে তুলে নেয়া হতো;
গন্ধর্ব: বর ও কনের পরস্পরের পরিচয় ও সম্মতিতে এ বিবাহ অনুষ্ঠিত হতো;
পৈশাচ: নিকৃষ্টতম বিবাহ; এতে কন্যার প্রেমিক (কন্যার সম্মতি ব্যতিরেকে) নিদ্রিত অবস্থায় অথবা মদোম্মত্ত বা উম্মত্ত কন্যার সঙ্গে সঙ্গত হতো।
১,০৮৪.
'ক' একখণ্ড জমি 'খ'-কে উইল করলো। পরবর্তীতে 'ক' উক্ত জমিতে বাড়ি নির্মাণ করলো। উইলটি.....
  1. প্রত্যাহারযোগ্য
  2. প্রত্যাহৃত
  3. বৈধ
  4. অনিয়মিত
ব্যাখ্যা
উইল রদ করণ:
উইল বা অছিয়ত নামা রদ করা যায়।উইলকারী তার জীবদ্দশায় উইল রদ বা বাতিল করতে পারে।বিভিন্ন পদ্ধতির মাধ্যমে উইলকারী তার উইল পত্ররদ করতে পারে।পদ্ধতিগুলো নিম্নরূপ-
১. উইলকারী তার কৃত উইল লিখিত বা মৌখিক ঘোষণার মাধ্যমে রদ বা প্রত্যাহার করতে পারে
২.যদি উইলকারী উইলকৃত সম্পত্তিতে এমন কোনো কাজ করে, যার ফলে উক্ত সম্পত্তির পরিবর্তন সাধিত হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট উইলটি রদ হবে।
৩.উইল কৃত সম্পত্তিতে যদি উইল কারীর স্বত্বের অবসান ঘটে, তাহলে সংশ্লিষ্ট উইলটি স্বাভাবিক ভাবেই রদ হয়ে যাবে।
৪.উইল-গ্রহীতার উদ্দেশ্যে যে সম্পত্তি উইল করা হয়, তা যদি উইলকারী উইল করার পর অন্যের কাছে দান বা বিক্রি করে দেয় তা হলে সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট উইলটি রদ বা প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।
৫. উইলকারী আদালতের মাধ্যমেও তার কৃত উইলরদ বা প্রত্যাহার করতে পারবে।

- উল্লিখিত প্রশ্নে 'ক' একখণ্ড জমি 'খ'-কে উইল করলো। পরবর্তীতে 'ক' উক্ত জমিতে বাড়ি নির্মাণ করলো। এই ক্ষেত্রে "ক" উইলটা পরোক্ষভাবে প্রত্যাহৃত হয়েছে গণ্য হবে। 
- পরোক্ষভাবে প্রত্যহারের মূলনীতিটা হলো- উইল পরোক্ষভাবে প্রত্যহার হয়েছে গণ্য হবে কেবল তখনই যখন উইলের বিষয়বস্তুতে নতুন কিছু সংযুক্তি ঘটে কোনো কাজের মাধ্যমে বা উক্ত সম্পত্তিতে উইলকারীর মালিকানা স্বত্ব বিলুপ্ত হয়।
১,০৮৫.
ধারা ৩১ অনুযায়ী, নিবন্ধন কর্মকর্তা আবাসস্থলে গিয়ে কী করতে পারেন?
  1. সম্পত্তি পরিদর্শন
  2. দলিল গ্রহণ
  3. জরিমানা আদায়
  4. দলিল বাতিল
ব্যাখ্যা
ধারা ৩১- ব্যক্তিগত আবাসস্থলে নিবন্ধন বা জমাকরণের জন্য দলিল গ্রহণ:
এই আইনের অধীন দলিলপত্র দাখিলকরণ, নিবন্ধন ও জমাকরণ সাধারণত উক্ত দলিল নিবন্ধীকরণ বা জমা গ্রহণের জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কার্যালয়ে সম্পন্ন হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, বিশেষ কারণ দর্শাইতে পারিলে উক্ত কর্মকর্তা নিবন্ধনের জন্য কোন দলিল দাখিল করিতে বা উইল জমা করিতে ইচ্ছুক কোন ব্যক্তির আবাসস্থলে গমন করিতে পারিবেন এবং নিবন্ধন বা জমাকরণের জন্য উক্তরূপ দলিল বা উইল গ্রহণ করিতে পারিবেন।
১,০৮৬.
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর অধীন অপরাধের বিচার মামলা প্রাপ্তির তারিখ হতে কতদিনের মধ্যে সমাপ্ত করতে হবে?
  1. ৯০ দিন
  2. ১২০ দিন
  3. ১৮০ দিন
  4. ৩৬০ দিন
ব্যাখ্যা
• ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৯- অপরাধের বিচার:

(১) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ, আমলযোগ্য (cognizable), ধারা ৪ ও ৫ এ বর্ণিত অপরাধ অ-জামিনযোগ্য (non-bailable), অন্যান্য ধারায় বর্ণিত অপরাধ জামিনযোগ্য এবং আপোষযোগ্য (compoundable) হইবে।

(২) এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ প্রথম শ্রেণির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচার্য হইবে।

(৩) এই আইনের অধীন অপরাধের বিচার মামলা প্রাপ্তির তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) দিনের মধ্যে সমাপ্ত করিতে হইবে।

(৪) এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন অপরাধের বিচার ও আপিলের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।
১,০৮৭.
কোন ক্ষেত্রে নির্বাচিত সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হবে?
  1. দল থেকে পদত্যাগ করলে
  2. দলের বিপক্ষে ভোট দিলে
  3. উভয় ক্ষেত্রেই আসন শূন্য হবে
  4. উল্লিখিত কোনোটিতেই আসন শূন্য হবে না
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৭০- রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া:
কোন নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হইয়া কোন ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি-
(ক) উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা
(খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,
তাহা হইলে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।
১,০৮৮.
দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে কমিশন সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কাকে তথ্য সরবরাহ করার জন্য নির্দেশ দিতে পারে?
  1. যে কোন ব্যক্তিকে
  2. সাক্ষীকে
  3. অভিযুক্তকে
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ১৯: অনুসন্ধান বা তদন্তকার্যে কমিশনের বিশেষ ক্ষমতা:
 
(১) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে, কমিশনের নিম্নরূপ ক্ষমতা থাকিবে, যথা:- 
(ক) সাক্ষীর প্রতি নোটিশ জারী ও উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা; 
(খ) কোন দলিল উদ্‌ঘাটন এবং উপস্থাপন করা; 
(গ) সাক্ষ্য গ্রহণ; 
(ঘ) কোন আদালত বা অফিস হইতে পাবলিক রেকর্ড বা উহার অনুলিপি তলব করা; 
(ঙ) সাক্ষীর জিজ্ঞাসাবাদ এবং দলিল পরীক্ষা করার জন্য নোটিশ জারী করা; এবং 
(চ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নির্ধারিত অন্য যে কোন বিষয়।
 
(২) কমিশন, যে কোন ব্যক্তিকে অনুসন্ধান বা তদন্ত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন তথ্য সরবরাহ করিবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং অনুরূপভাবে নির্দেশিত ব্যক্তি তাহার হেফাজতে রক্ষিত উক্ত তথ্য সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবেন।
 
(৩) কোন কমিশনার বা কমিশন হইতে বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তাকে উপ-ধারা (১) এর অধীন ক্ষমতা প্রয়োগে কোন ব্যক্তি বাধা প্রদান করিলে বা উক্ত উপ-ধারার অধীন প্রদত্ত কোন নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ব্যক্তি অমান্য করিলে উহা দণ্ডনীয় অপরাধ হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) বত্সর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডে বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
১,০৮৯.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বিধিমালা, ২০১৩ অনুযায়ী হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসেবে প্রার্থীর বয়সসীমা কত?
  1. ২০ থেকে ৪৫ বছর
  2. ২৫ থেকে ৫০ বছর
  3. ১৮ থেকে ৫৫ বছর
  4. ২১ থেকে ৬০ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বিধিমালা, ২০১৩ এর বিধি- ৫(১) অনুযায়ী, প্রার্থীর HSC পাস হতে হবে, বয়স ২৫–৫০ বছরের মধ্যে হতে হবে, সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দা হতে হবে, এবং হিন্দু সনাতন ধর্মাবলম্বী হতে হবে। সবগুলো শর্ত পূরণ না করলে তিনি যোগ্য হবেন না।

⇒ হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২-এর ৪(১) ধারার বিধান অনুসারে,
এই আইনের অধীন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে, সরকার, সিটি কর্পোরেশন এলাকার ক্ষেত্রে তৎকর্তৃক সময় সময় নির্ধারিত এলাকা, এবং সিটি কর্পোরেশন বহির্ভূত এলাকার ক্ষেত্রে প্রতিটি উপজেলা এলাকায় একজন ব্যক্তিকে হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করিবে।
⇒ হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২-এর ধারা ৪(৩) ধারার বিধান অনুসারে, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্তির যোগ্যতা, অধিক্ষেত্র, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক কর্তৃক আদায়যোগ্য ফিস এবং তৎসংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়াদি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

⇒ হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বিধিমালা, ২০১৩ এর বিধি-৫ প্রার্থীদের যোগ্যতা, ইত্যাদি- (১) কোনো ব্যক্তি হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসাবে নিয়োগ পাইবার
যোগ্য হইবেন না, যদি-
- তিনি সরকার কর্তৃক স্বীকৃত কোনো বোর্ড হইতে এইচ, এস, সি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হন;
- তাহার বয়স কমপক্ষে পঁচিশ এবং অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ বৎসর না হয়;
- তিনি সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দা না হন;
- তিনি হিন্দু সনাতন ধর্মাবলম্বী না হন।
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক নিয়োগের ক্ষেত্রে কাব্যতীর্থ বা ব্যাকরণতীর্থদের অগ্রাধিকার প্রদান করা হইবে।

উল্লেখ্য যে, আইনে শুধু একজন ব্যক্তির কথা বলা হয়েছে, সেই সাথে উল্লেখ করেছে যোগ্যতা বিধি অনুসারে নির্ধারিত হবে।তাই বিধিমালা অনুসারে, অপশন 'গ' উত্তর হিসেবে নেয়া হয়েছে।

১,০৯০.
The Civil Courts Act, 1887 এর ২২ ধারায় কোন বিষয়ে বিধান আছে?
  1. জেলা বা যুগ্ম জেলা জজের আদি এখতিয়ার
  2. হাইকোর্ট বিভাগের আপিল হস্তান্তর করার ক্ষমতা
  3. জেলা জজের আপিল হস্তান্তর করার ক্ষমতা
  4. দেওয়ানি আদালতের ক্ষমতা কর্মকর্তাদের উপর হস্তান্তর করার ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ২২: জেলা জজের আপিল হস্তান্তর করার ক্ষমতা:
(১) কোনো জেলা জজ তাঁর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন যেকোনো যুগ্ম জেলা জজকে (Joint District Judge) হস্তান্তর করতে পারবেন, যেসব আপিল তাঁর কাছে সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজের আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে চলমান আছে।

(২) জেলা জজ যেকোনো হস্তান্তরিত আপিল প্রত্যাহার (withdraw) করতে পারবেন, এবং নিজে শুনানি করে নিষ্পত্তি করতে পারেন, অথবা তাঁর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন যে কোনো সক্ষম আদালতে হস্তান্তর করতে পারেন যা সেই আপিল নিষ্পত্তি করার যোগ্য।

(৩) এই ধারা অনুযায়ী হস্তান্তরিত আপিলগুলি সেই নিয়ম অনুযায়ী নিষ্পত্তি হবে যা জেলা জজ কর্তৃক সাধারণ আপিল নিষ্পত্তিতে প্রযোজ্য।

১,০৯১.
Transfer of Property Act, 1882-এর ১০ ধারা কোন ধরনের হস্তান্তরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. বিক্রয়
  2. দান
  3. লিজ
  4. বিনিময়
ব্যাখ্যা

Transfer of Property Act, 1882-এর ধারা ১০ – হস্তান্তরে বাধা আরোপ সম্পর্কিত শর্ত (Condition restraining alienation):
যদি কোনো সম্পত্তি এমন শর্তে হস্তান্তর করা হয় যে- গ্রহীতা (transferee) বা তার অধিকারভুক্ত কোনো ব্যক্তি সেই সম্পত্তি হস্তান্তর করতে বা বিক্রি করতে পারবে না, তাহলে সেই শর্ত বা সীমাবদ্ধতা অবৈধ (void) বলে গণ্য হবে।
অর্থাৎ, সম্পত্তির মালিকানা দেওয়া হলে, তাকে পুরো অধিকার দেওয়া হবে- তার সম্পত্তি বিক্রি, দান, বিনিময় ইত্যাদি করার অধিকার কেউ সম্পূর্ণভাবে আটকাতে পারে না।

তবে ব্যতিক্রম (Exception):
এই নিয়ম lease (ভাড়া বা ইজারা)-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, যদি সেই শর্তটি lessor (মালিক)-এর স্বার্থ রক্ষার জন্য করা হয়। অর্থাৎ, ভাড়ার চুক্তিতে বলা থাকলে যে “ভাড়াটিয়া মালিকের অনুমতি ছাড়া সম্পত্তি অন্যকে দিতে পারবে না,” তাহলে সেই শর্ত বৈধ।

বিশেষ শর্ত (Proviso):
যদি কোনো সম্পত্তি এমনভাবে হস্তান্তর করা হয় যাতে কোনো নারী (যিনি হিন্দু, মুসলিম বা বৌদ্ধ নন) তার বিবাহকালীন সময়ে সেই সম্পত্তি বিক্রি বা বন্ধক রাখতে না পারেন, তাহলে এই ধরণের শর্ত বৈধ (valid)।

১,০৯২.
সংসদ কোন আইনের দ্বারা আপীল বিভাগের এখতিয়ার অন্যান্য আদালত বা ট্রাইব্যুনালের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করতে পারে— এটা বলা হয়েছে সংবিধানের:
  1. ১০১ অনুচ্ছেদে
  2. ১০২(২) অনুচ্ছেদে
  3. ১০৩(৪) অনুচ্ছেদে
  4. ১০৪ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১০৩: আপীল বিভাগের এখতিয়ার:
(১) হাইকোর্ট বিভাগের রায়, ডিক্রী, আদেশ বা দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল শুনানীর ও তাহা নিষ্পত্তির এখতিয়ার আপীল বিভাগের থাকিবে। 
 
(২) হাইকোর্ট বিভাগের রায়, ডিক্রী, আদেশ বা দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল বিভাগের নিকট সেই ক্ষেত্রে অধিকারবলে আপীল করা যাইবে, যে ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ-
(ক) এই মর্মে সার্টিফিকেট দান করিবেন যে, মামলাটির সহিত এই সংবিধান-ব্যাখ্যার বিষয়ে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন জড়িত রহিয়াছে; অথবা 
(খ) কোন মৃত্যুদণ্ড বহাল করিয়াছেন কিংবা কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিয়াছেন ; অথবা] 
(গ) উক্ত বিভাগের অবমাননার জন্য কোন ব্যক্তিকে দণ্ডদান করিয়াছেন; এবং সংসদে আইন-দ্বারা যেরূপ বিধান করা হইবে, সেইরূপ অন্যান্য ক্ষেত্রে। 
 
(৩) হাইকোর্ট বিভাগের রায়, ডিক্রী, আদেশ বা দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে যে মামলায় এই অনুচ্ছেদের (২) দফা প্রযোজ্য নহে, কেবল আপীল বিভাগ আপীলের অনুমতিদান করিলে সেই মামলায় আপীল চলিবে। 
 
(৪) সংসদ আইনের দ্বারা ঘোষণা করিতে পারিবেন যে, এই অনুচ্ছেদের বিধানসমূহ হাইকোর্ট বিভাগের প্রসঙ্গে যেরূপ প্রযোজ্য, অন্য কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনালের ক্ষেত্রেও তাহা সেইরূপ প্রযোজ্য হইবে।
১,০৯৩.
মানব পাচারের জন্য অপরাধীকে সর্বোচ্চ কী শাস্তি দেয়া যেতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৫: মানব পাচার নিষিদ্ধকরণ ও দণ্ড:
(১) কোন ব্যক্তি ধারা ৩ এ উল্লিখিত কোন কার্য করিলে উহা মানব পচার অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে। 
 
(২) মানব পাচার অপরাধ সংঘটনকারী কোন ব্যক্তি অনধিক যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫(পাঁচ) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫০(পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
১,০৯৪.
হিন্দু বিবাহ অনুষ্ঠানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আচার বা রীতি হিসাবে কোনটি বিবেচিত হয়?
  1. মালা বদল
  2. সপ্তপদী
  3. অঞ্জলি
  4. কন্যা সম্প্রদান
ব্যাখ্যা
সপ্তপদী: 
একটি হিন্দু বিবাহ অনুষ্ঠানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আচার বা রীতি হিসাবে বিবেচিত হয়। এটি বাঙালি সমাজে সাতপাক নামে পরিচিত। যা নব-দম্পতি যজ্ঞকুন্ডের অগ্নিকে সাক্ষী রেখে সাতপাক একসাথে প্রদিক্ষণ করার মাধ্যমে সম্পূর্ণ হয়। সপ্তম পদক্ষেপ নেওয়ার পরে দম্পতির বিবাহ অপ্রতিরোধ্য বলে বিবেচিত হয়।

সপ্তপদী একটি প্রাচীন আচার যা বৈদিক যুগের । আগুনের পবিত্র বেদীর প্রদক্ষিণ একটি আচার যা দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্নভাবে সম্পাদিত হয় । কিছু অঞ্চলে, দম্পতি সাতবার বেদির চারপাশে ঘুরে বেড়ায়। অন্যান্য অঞ্চলে, দম্পতি একটি একক প্রদক্ষিণ সম্পূর্ণ করতে সাতটি পদক্ষেপ নেয়। প্রতিটি ধাপে দম্পতি বিভিন্ন শপথও নিতে পারে, যার বিষয়বস্তু অঞ্চলভেদে ভিন্ন হয়।

এছাড়া-
মালা বদল: কন্যা ও বর মালাবদল করেন। এই রীতির অর্থ হচ্ছে দুজন একে অন্যকে জীবনসঙ্গী হিসাবে মেনে নিলেন।
সম্প্রদান: কন্যার পিতা কন্যাকে জামাতার হাতে সম্প্রদান করেন বেদমন্ত্রে। বরও জানান যে তিনি কন্যার ভরণপোষণের দায়িত্ব নিলেন।
অঞ্জলি: কন্যা ও বর খৈ অগ্নাহুতি দেন। প্রচলিত বাংলায় একে বলে খৈ পোড়া। বৈদিক যুগে মানুষ নানা ধরনের শক্তির উপাসনা করতেন। অগ্নিও তাদের মধ্যে অন্যতম।
১,০৯৫.
প্রজাতন্ত্রে মোট যতো সংখ্যক মন্ত্রিগণ থাকবে তার মধ্যে __________ সংসদ-সদস্যেগণের মধ্য হতে নিযুক্ত হবে।
  1. অন্যূন ১/১০ অংশ
  2. ন্যূন ৯/১০ অংশ
  3. অন্যূন ৯/১০ অংশ
  4. ন্যূন ১/৯ অংশ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৫৬: মন্ত্রিগণ

(১) একজন প্রধানমন্ত্রী থাকিবেন এবং প্রধানমন্ত্রী যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী থাকিবেন। 
(২) প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, তাঁহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হইতে নিযুক্ত হইবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে মনোনীত হইতে পারিবেন।
(৩) যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন। 
(৪) সংসদ ভাংগিয়া যাওয়া এবং সংসদ-সদস্যদের অব্যবহিত পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্যবর্তীকালে এই অনুচ্ছেদের (২) বা (৩) দফার অধীন নিয়োগ দানের প্রয়োজন দেখা দিলে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার অব্যবহিত পূর্বে যাঁহারা সংসদ-সদস্য ছিলেন, এই দফার উদ্দেশ্যসাধনকল্পে তাঁহারা সদস্যরূপে বহাল রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।

• ৫৬ অনুচ্ছেদে মন্ত্রিগণ বলতে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী বোঝানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীসহ অন্যান্য সকল মন্ত্রীর সমন্বয়ে মন্ত্রিপরিষদ (Council of Ministers) গঠিত হয় এবং মন্ত্রিপরিষদের গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের নিয়ে মন্ত্রিসভা [Cabinet] গঠিত হয়। ৫৬(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, একজন প্রধানমন্ত্রী থাকবে এবং প্রধানমন্ত্রী যেরূপ নির্ধারণ করবে, সেইরুপ অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী থাকবে। ৫৬(২) অনুচ্ছেদ অনুসারে, রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীগণকে নিয়োগ করবে। তবে শর্ত থাকে যে, তাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হতে নিযুক্ত হবে এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হতে মনোনীত হতে পারবে।।

অর্থাৎ মন্ত্রীগণকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করবে এবং মন্ত্রীর সংখ্যা কত হবে তা প্রধানমন্ত্রী নির্ধারণ করবে। মোট যত সংখ্যক মন্ত্রিগণ থাকবে তার মধ্যে সর্বনিম্ন (অন্যূন) নয়-দশমাংশ (৯/১০) সংসদ-সদস্যেগণের মধ্য হতে নিযুক্ত হবে এবং অনধিক ১/১০ অংশ (এক-দশমাংশ) সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য ব্যক্তিদের মধ্য হতে মনোনীত হতে পারবে। সংসদ সদস্যেদের বাইরে থেকে অন্য কোন ব্যক্তি যে সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্য তাকে মন্ত্রী হিসাবে নিয়োগ দেয়া হলে, তিনি [Technocrat] মন্ত্রী বলে পরিচিত।

Article 56: Ministers

(1) There shall be a Prime Minister, and such other Ministers, Ministers of State and Deputy Ministers as may be determined by the Prime Minister. 
(2) The appointments of the Prime Minister and other Ministers and of the Ministers of State and Deputy Ministers, shall be made by the President: 
Provided that not less than nine-tenths of their number shall be appointed from among members of Parliament and not more than one tenth of their number may be chosen from among persons qualified for election as members of Parliament. 
 
(3) The President shall appoint as Prime Minister the member of Parliament who appears to him to command the support of the majority of the members of Parliament. 
 
(4) If occasion arises for making any appointment under clause (2) or clause (3) between a dissolution of Parliament and the next following general election of members of Parliament, the persons who were such members immediately before the dissolution shall be regarded for the purpose of this clause as continuing to be such members.
১,০৯৬.
কোন পরিস্থিতিতে তৃতীয় পক্ষ Subrogation-এর অধিকার লাভ করতে পারে?
  1. সম্পূর্ণ বন্ধক টাকা পরিশোধ করে
  2. বন্ধকদাতা মৌখিকভাবে সম্মতি দিলে
  3. বন্ধকের অর্ধেক টাকা পরিশোধ করে
  4. বন্ধকদাতার উত্তরাধিকারী হলে
ব্যাখ্যা
ধারা ৯২: উত্তরণাধিকার (Subrogation):
ধারা ৯১-এ উল্লেখিত (বন্ধকদাতা ব্যতীত) যেকোনো ব্যক্তি এবং যেকোনো সহ-বন্ধকদাতা যখন বন্ধকের আওতাভুক্ত সম্পত্তি মুক্ত করেন, তখন তিনি বন্ধক মুক্তকরণ, অর্পণ (foreclosure) বা বিক্রয়ের বিষয়ে সেই একই অধিকার লাভ করেন, যা ঐ বন্ধকগ্রহীতা যাঁর বন্ধক তিনি পরিশোধ করেছেন, বন্ধকদাতা বা অন্য কোনো বন্ধকগ্রহীতার বিরুদ্ধে রাখতেন।

এই ধারায় যেই অধিকার প্রদান করা হয়েছে তাকে উত্তরণাধিকার (right of subrogation) বলা হয় এবং যিনি এই অধিকার অর্জন করেন, তিনি সেই বন্ধকগ্রহীতার অধিকারভুক্ত বলে গণ্য হন, যার বন্ধক তিনি পরিশোধ করেছেন।

যে ব্যক্তি বন্ধকদাতাকে অর্থ প্রদান করেন, যার মাধ্যমে বন্ধক সম্পূর্ণভাবে পরিশোধ হয়, এবং যদি বন্ধকদাতা একটি রেজিস্ট্রিকৃত দলিলের মাধ্যমে সম্মতি প্রদান করেন যে উক্ত ব্যক্তি উত্তরণাধিকার লাভ করবেন, তাহলে ঐ ব্যক্তি বন্ধকগ্রহীতার অধিকারে উত্তরণ প্রাপ্ত বলে বিবেচিত হবেন।

তবে, এই ধারার কোনো কিছু দ্বারা কোনো ব্যক্তি উত্তরণাধিকার লাভ করবেন না যদি সেই বন্ধক (যার উপর ভিত্তি করে অধিকার দাবি করা হয়) সম্পূর্ণভাবে পরিশোধ না হয়ে থাকে।
১,০৯৭.
উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে দায়ভাগ মতবাদ কোন নীতিকে স্বীকৃতি দেয়?
  1. Doctrine of representation
  2. Succession per stripes
  3. Succession per capita
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দায়ভাগ মতবাদ নিম্নোক্ত নীতিগুলিকে স্বীকৃতি দেয়ঃ

(ক) প্রতিনিধিত্ব মতবাদ (Doctrine of representation):
প্রতিনিধিত্ব মতবাদ অনুসারে পুত্র, পৌত্র যার পিতা মারা গিয়েছে, তারা সকলেই পিতৃপক্ষীয় সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারীত্ব লাভ করে, কারণ পৌত্র তার পিতার এবং প্রপৌত্র তার পিতা ও পিতামহ উভয়েরই প্রতিনিধিত্ব করে।

(খ) অংশপিছু উত্তরাধিকার (Succssession per stripes):
যেখানে প্রতিনিধিত্ব মতবাদ প্রয়োগ করা হয় এবং উত্তরাধিকারীগণ মৃত ব্যক্তির স্থলবর্তীরুপে অংশ প্রাপ্ত হন সেখানে এরুপে স্থলবর্তীরুপে অংশ পাওয়াকে অংশপিছু উত্তরাধিকার বলে।

(গ) মাথাপিছু উত্তরাধিকার (Succession per capita):
মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে তার উত্তরাধিকারগণের সমান অংশ সম্পত্তি প্রাপ্ত হওয়াকে মাথাপিছু উত্তরাধিকার বলে।
১,০৯৮.
রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের প্রস্তাবের নোটিশ সংসদ অধিবেশনে কখন আলোচিত হবে?
  1. নোটিশ প্রদানের দিন হতে ৭ দিনের মধ্যে
  2. নোটিশ প্রদানের দিন হতে ৭-১০ দিনের মধ্যে
  3. নোটিশ প্রদানের দিন হতে ১৪-৩০ দিনের মধ্যে
  4. নোটিশ প্রদানের দিন হতে ১৫ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যেতে পারে ২টি কারণে-
ক) সংবিধান লংঘনের জন্য [For Violating Constitution]
খ) গুরুতর অসদারচরণের জন্য [Of grave misconduct] 

অভিশংসনের পদ্ধতি:

রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করার জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে অনুক্ষণ অভিযোগের বিবরণ লিপিবদ্ধ করে একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করতে হবে। স্পীকারের নিকট অনুরুপ নোটিশ প্রদানের দিন হতে চৌদ্দ (১৪) দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর এই প্রস্তাব আলোচিত হতে পারবে না এবং সংসদ অধিবেশনরত না থাকলে স্পীকার অবিলম্বে সংসদ আহ্বান করবে। অভিযোগ-বিবেচনাকালে রাষ্ট্রপতির উপস্থিত থাকার এবং প্রতিনিধি প্রেরণের অধিকার থাকবে। অভিযোগ-বিবেচনার পর মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ (২/৩) ভোটে অভিযোগ যথার্থ বলে ঘোষণা করে সংসদ কোন প্রস্তাব গ্রহণ করলে, প্রস্তাব গ্রহণ হওয়ার তারিখ হতে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হবে।

অনুচ্ছেদ ৫২: রাষ্ট্রপতির অভিশংসন-

(১) এই সংবিধান লংঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যাইতে পারিবে; ইহার জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে অনুরূপ অভিযোগের বিবরণ লিপিবদ্ধ করিয়া একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করিতে হইবে; স্পীকারের নিকট অনুরূপ নোটিশ প্রদানের দিন হইতে চৌদ্দ দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর এই প্রস্তাব আলোচিত হইতে পারিবে না; এবং সংসদ অধিবেশনরত না থাকিলে স্পীকার অবিলম্বে সংসদ আহবান করিবেন।

(২) এই অনুচ্ছেদের অধীন কোন অভিযোগ তদন্তের জন্য সংসদ কর্তৃক নিযুক্ত বা আখ্যায়িত কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা কর্তৃপক্ষের নিকট সংসদ রাষ্ট্রপতির আচরণ গোচর করিতে পারিবেন।

(৩) অভিযোগ-বিবেচনাকালে রাষ্ট্রপতির উপস্থিত থাকিবার এবং প্রতিনিধি-প্রেরণের অধিকার থাকিবে।

(৪) অভিযোগ-বিবেচনার পর মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে অভিযোগ যথার্থ বলিয়া ঘোষণা করিয়া সংসদ কোন প্রস্তাব গ্রহণ করিলে প্রস্তাব গৃহীত হইবার তারিখে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইবে।

(৫) এই সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ-অনুযায়ী স্পীকার কর্তৃক রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব-পালনকালে এই অনুচ্ছেদের বিধানাবলী এই পরিবর্তন-সাপেক্ষে প্রযোজ্য হইবে যে, এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় স্পীকারের উল্লেখ ডেপুটি স্পীকারের উল্লেখ বলিয়া গণ্য হইবে এবং (৪) দফায় রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইবার উল্লেখ স্পীকারের পদ শূন্য হইবার উল্লেখ বলিয়া গণ্য হইবে; এবং (৪) দফায় বর্ণিত কোন প্রস্তাব গৃহীত হইলে স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনে বিরত হইবেন।

Article 52: Impeachment of the President-
(1) The President may be impeached on a charge of violating this Constitution or of grave misconduct, preferred by a notice of motion signed by a majority of the total number of members of Parliament and delivered to the Speaker, setting out the particulars of the charge, and the motion shall not be debated earlier than fourteen nor later than thirty days after the notice is so delivered; and the Speaker shall forthwith summon Parliament if it is not in session. 

(2) The conduct of the President may be referred by Parliament to any court, tribunal or body appointed or designated by Parliament for the investigation of charge under this article. 
 
(3) The President shall have the right to appear and to be represented during the consideration of the charge. 
 
(4) If after the consideration of the charge a resolution is passed by Parliament by the votes of not less than two thirds of the total number of members declaring that the charge has been substantiated, the President shall vacate his office on the date on which the resolution is passed. 
 
(5) Where the Speaker is exercising the functions of the President under article 54 the provisions of this article shall apply subject to the modifications that the reference to the Speaker in clause (1) shall be construed as a reference to the Deputy Speaker, and that the reference in clause (4) to the vacation by the President of his office shall be construed as a reference to the vacation by the Speaker of his office as Speaker; and on the passing of a resolution such as is referred to in clause (4) the Speaker shall cease to exercise the functions of President.
১,০৯৯.
According to Article 115, who appoints magistrates with judicial functions in subordinate courts?
  1. President
  2. Chief Justice
  3. Law Ministry
  4. Speaker of the Parliament
ব্যাখ্যা
Article 115. Appointments to subordinate courts:
Appointments of persons to offices in the judicial service or as magistrates exercising judicial functions shall be made by the President in accordance with rules made by him in that behalf.

বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৫ অনুচ্ছেদের বিধান: অধস্তন আদালতে নিয়োগ:
বিচারবিভাগীয় পদে বা বিচার বিভাগীয় দায়িত্বপালনকারী ম্যাজিস্ট্রেট পদে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক উক্ত উদেশ্যে প্রণীত বিধিসমূহ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করিবেন।
১,১০০.
'Binding effect of Supreme Court judgments' সংবিধানের কত অনুচ্ছেদের বিধান?
  1. ১১১ অনুচ্ছেদের
  2. ১১২ অনুচ্ছেদের
  3. ১১৩ অনুচ্ছেদের
  4. ১১৪ অনুচ্ছেদের
ব্যাখ্যা
⇒ Article 111. Binding effect of Supreme Court judgments:
 The law declared by the Appellate Division shall be binding on the High Court Division and the law declared by either division of the Supreme Court shall be binding on all courts subordinate to it.

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদের বিধান: সুপ্রীম কোর্টের রায়ের বাধ্যতামূলক কার্যকরতা:
 আপীল বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন হাইকোর্ট বিভাগের জন্য এবং সুপ্রীম কোর্টের যে কোন বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন অধস্তন সকল আদালতের জন্য অবশ্যপালনীয় হইবে।