বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন২,৯৬৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১০ / ৩০ · ৯০১১,০০০ / ২,৯৬৪

৯০১.
বন্ধকদাতার রেহেন বা বন্ধক উদ্ধারের অধিকারকে কি বলা হয়?
  1. Right to foreclosure
  2. Right to Marshalling
  3. Right to Redemption
  4. Right to Subrogation
ব্যাখ্যা
• সম্পত্তি হন্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর ৬০ ধারায় বন্ধকদাতার রেহেন উদ্ধারের অধিকার সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

বন্ধকদাতার একটি অধিকার হলো বন্ধক উদ্ধারের অধিকার। যখন বন্ধকী অর্থ বকেয়া হয়ে যায়, তখন বন্ধকদাতার অধিকার আছে বকেয়া বন্ধকী-অর্থ পরিশোধ করার এবং বন্ধকগ্রহীতার নিকট হতে ভূমির দখল ও সংশ্লিষ্ট দলিল পাওয়ার। বন্ধকদাতার এই অধিকার রেহেন বা বন্ধক উদ্ধারের অধিকার [Right to Redemption] বলা হয় এবং এই সংক্রান্ত মোকদ্দমা রেহেন উদ্ধারের মোকদ্দমা [Suit for redemption] নামে পরিচিত। Right to Redemption এর মধ্যে রেহেন সম্পত্তি সম্পর্কিত রেহেনের দলিল এবং স্বত্ত্ব সম্পর্কিত কাগজপত্র হস্তান্তরের, রেহেন সম্পত্তির দখল ফেরত পাওয়ার ইত্যাদি অধিকার রয়েছে।

Section 60: Right of mortgagor to redeem.
At any time after the principal money has become due, the mortgagor has a right, on payment or tender, at a proper time and place, or the mortgage-money, to require the mortgagee (a) to deliver to the mortgagor the mortgage-deed and all documents relating to the mortgaged property which are in the possession or power of the mortgagee, (b) where the mortgagee is in possession of the mortgaged property, to deliver possession thereof to the mortgagor, and (c) at the cost of the mortgagor either to re-transfer the mortgaged property to him or to such third person as he may direct, or to execute and (where the mortgage has been effected by a registered instrument) to have registered an acknowledgement in writing that any right in derogation of his interest transferred to the mortgagee has been extinguished: 
 
Provided that the right conferred by this section has not been extinguished by the act of the parties or by decree of a Court. 

The right conferred by this section is called a right to redeem and a suit to enforce it is called a suit for redemption. 
Nothing in this section shall be deemed to render invalid any provision to the effect that, if the time fixed for payment of the principal money has been allowed to pass or no such time has been fixed, the mortgagee shall be entitled to reasonable notice before payment or tender of such money.
৯০২.
সুমি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করে, যেখানে আসামিকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আসামি সিদ্ধান্ত নেয় যে, সে আপীল করবে। এক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধান সঠিক?
  1. ট্রাইব্যুনালে আপীল করতে হবে
  2. সরাসরি হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে পারবেন
  3. আপীল করার জন্য হাইকোর্টে অনুমতি চেয়ে আবেদন করতে হবে
  4. আপীল করার জন্য ট্রাইব্যুনালে অনুমতি চেয়ে আবেদন করতে হবে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) সরাসরি হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে পারবেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৮ অনুযায়ী,
ট্রাইব্যুনালের রায়, আদেশ বা দণ্ডে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি রায়ের তারিখ হইতে ৬০ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে পারেন। এতে কোনো পূর্বানুমতি বা অনুমতির প্রয়োজন নেই।
৯০৩.
নিচের কোন কারণে হিন্দু স্ত্রী স্বামীর কাছ থেকে আইনি ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকার হারাবেন?
  1. স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করলে
  2. স্ত্রী নিজে অন্য ধর্ম গ্রহণ করলে
  3. স্বামী ধর্ম পরিবর্তন করলে
  4. স্বামী স্ত্রীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ করলে
ব্যাখ্যা
• ১৯৪৬ সালের "বিবাহিতা নারীর পৃথক বাসস্থান এবং ভরণপোষণ" আইন এর ধারা ২ অনুযায়ী,
নিম্নলিখিত কারণে বিবাহিতা হিন্দু নারী স্বামী হতে পৃথক থেকেও স্বামীর নিকট হতে ভরণ-পোষণ পাওয়ার অধিকারিণী -
 
⇒ স্বামী যদি দুরারোগ্য কুষ্ঠ, সিফলিস ইত্যাদি সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয় এবং এই সমস্ত ব্যাধি যদি স্ত্রীর নিকট হতে সংক্রামিত না হয়;
⇒ স্বামী যদি স্ত্রীর প্রতি নিষঠুর আচরণ করে এবং নিষ্ঠুরতা যদি এই প্রকারের হয় যে স্বামীগৃহে তার জীবনাশংকা থাকে;
⇒ স্বামী যদি গৃহে কোন উপ-পত্নী রেখে তার সাথে বসবাস করতে থাকে;
⇒ স্বামী যদি ধর্মান্তর হয়;
⇒ স্বামী যদি স্ত্রীর অনুমতি ব্যতিরেকে তাকে পরিত্যাগ করে;
⇒ স্বামী যদি পুনরায় বিবাহ করে; এবং
⇒ অন্য কোন যুক্তিসঙ্গত কারণে।

তবে নিম্নলিখিত কারণে স্ত্রী স্বামীর নিকট হতে আইনত ভরণপোষণ পেতে পারে না-
- স্ত্রী যদি অসৎ চরিত্রের অথবা অসতী হয়,
- স্ত্রী যদি অন্য ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়,
- স্ত্রী যদি আইনসঙ্গত কারণ ব্যতীত স্বামীর সাথে স্ত্রীরূপে বসবাস করতে অনিচ্ছুক হয়।
৯০৪.
মুসলিম আইনে 'ক' তার ৪ জন স্ত্রী থাকা অবস্থায়, ৫ম স্ত্রী গ্রহণ করলো তাহলে বিবাহটি-
  1. অনিয়মিত বিবাহ
  2. বৈধ বিবাহ
  3. বাতিল বিবাহ
  4. হারাম বিবাহ
ব্যাখ্যা
⇒ অনিয়মিত বিবাহের সংজ্ঞা (Definition of irregular marriage): 
যে বিবাহ মূলত বে-আইনী নয়, কিন্তু এতে বৈধ বিবাহের কোনো নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে প্রমাণিত হয়, তবে ঐ বিবাহকে অনিয়মিত বিবাহ বা ফাসিদ বিবাহ বলে। অর্থাৎ যে বিবাহ ত্রুটিপূর্ণ, কিন্তু বাতিল নয় এটিই অনিয়মিত বিবাহ। 
- একজন মুলমানের একই সময়ে চারজন স্ত্রী থাকতে পারে, কিন্তু তার বেশি নয়। চারজন স্ত্রী থাকাকালে ঐ ব্যক্তি পঞ্চম স্ত্রী গ্রহণ করলে পঞ্চম বিবাহটি বাতিল হবে না, তবে এ বিয়েটি ফাসিদ বা অবৈধ বিবাহ হবে। এটি বাতিল বিবাহ নয়, কারণ, স্বামী অন্য স্ত্রীদের যেকোনো একজনকে তালাক দিয়ে পঞ্চম বিবাহকে বৈধ করতে পারে।
৯০৫.
"Stare Decisis" - এর অর্থ কী?
  1. Indifinitely
  2. An indispensable requisite
  3. To stand by thing decided
  4. Without issue
ব্যাখ্যা
• "Stare Decisis" অর্থ হচ্ছে-

> কোনো একটি নিষ্পত্তিকৃত বিষয়ে অটুট থাকা।
> নির্ণীত বিষয়াদির প্রতি অনুগত থাকা।

'To stand by the decision'
> পূর্ব-নির্ধারিত বিষয়ের উপর অটল থাকা/সে অনুযায়ী চলা।

Doctrine of Stare Decisis-ই হলো Precedent বা নজিরের মূল ভিত্তি। এই নীতি থেকে Doctrine of Precedent বা নজিরের উদ্ভব হয়।
৯০৬.
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান কে করতে পারে?
  1. সংসদ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. মন্ত্রিপরিষদ
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১৭: প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ:
(১) ইতঃপূর্বে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও নিম্নলিখিত ক্ষেত্রসমুহ সম্পর্কে বা ক্ষেত্রসমুহ হইতে উদ্ভূত বিষয়াদির উপর এখতিয়ার প্রয়োগের জন্য সংসদ আইনের দ্বারা এক বা একাধিক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠিত করিতে পারিবেনঃ
(ক) নবম ভাগে বর্ণিত বিষয়াদি এবং অর্থদণ্ড বা অন্য দণ্ডসহ প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিদের কর্মের শর্তাবলী;

(খ) যে কোন রাষ্ট্রায়ত্ত উদ্যোগ বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের চালনা ও ব্যবস্থাপনা এবং অনুরূপ উদ্যোগ বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষে কর্মসহ কোন আইনের দ্বারা বা অধীন সরকারের উপর ন্যস্ত বা সরকারের দ্বারা পরিচালিত কোন সম্পত্তির অর্জন, প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা ও বিলি-ব্যবস্থা;

(গ) যে আইনের উপর এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (৩) দফা প্রযোজ্য হয়, সেইরূপ কোন আইন।

(২) কোন ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদের অধীন কোন প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠিত হইলে অনুরূপ ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারের অন্তর্গত কোন বিষয়ে অন্য কোন আদালত কোনরূপ কার্যধারা গ্রহণ করিবেন না বা কোন আদেশ প্রদান করিবেন না;

তবে শর্ত থাকে যে, সংসদ আইনের দ্বারা কোন ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা বা অনুরূপ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান করিতে পারিবেন।
৯০৭.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংঘটিত অপরাধের অভিযোগসহ কেউ থানায় গেলে অফিসার ইনচার্জ প্রথমে কী করবেন?
  1. ঘটনা তদন্ত করবেন
  2. অভিযোগটি এজাহারভুক্ত করবেন
  3. ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠাবেন
  4. ঘটনা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০: ধারা ২৫ক: থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব:
(১) এই আইনের অধীন সংঘটিত কোন অপরাধের প্রাথমিক সাক্ষ্যপ্রমাণসহ কোনো অভিযোগকারী থানায় হাজির হইলে অফিসার ইনচার্জ তাৎক্ষণিকভাবে তাহার অভিযোগটি এজাহারভুক্ত করিবেন এবং ক্ষেত্রমত এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে অপরাধের শিকার ব্যক্তির প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল পরীক্ষা ও চিকিৎসার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করিবেন।

(২) অভিযোগকারী প্রাথমিক সাক্ষ্যপ্রমাণসহ থানায় হাজির হইলে তাহাকে কেবল এই যুক্তিতে ফিরাইয়া দেওয়া যাইবে না যে, তাহার ঘটনাটি অন্য থানার এখতিয়ারাধীন এলাকায় ঘটিয়াছে, বরং যেই থানাতেই অভিযোগ করা হউক না কেন, উক্ত থানার অফিসার ইনচার্জ অবিলম্বে অভিযোগকারীর বক্তব্য লিপিবদ্ধ করিবেন, অপরাধের শিকার ব্যক্তির প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল পরীক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করিবেন এবং অনতিবিলম্বে কেস ডায়েরিসহ অভিযোগটি উপযুক্ত থানায় প্রেরণ করিবেন।
৯০৮.
The General Clauses Act, 1897 এর কোন ধারা সাথে "Doctrine of Locus poenitentiae” নীতিটি সম্পর্কিত?
  1. ১৯ ধারা
  2. ২১ ধারা
  3. ২৫ ধারা
  4. ২৬ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ The General Clauses Act, 1897 এর ২১ ধারায় 'Doctrine of Locus poenitentiae' আলোচনা করা হয়েছে। এর অর্থ- কোন বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে উক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ থেকে সরে আসা।
⇒The General Clauses Act, 1897 এর ২১ ধারার বিধান: আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
-যেক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-বিধি জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত ক্ষমতা একইভাবে প্রয়োগযোগ্য এবং অনুরূপ অনুমোদন ও শর্তাবলি (যদি থাকে), জারীকৃত কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-আইনের সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা তা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে।
--------------
⇒ The General Clauses Act, 1897, Section 21: Power to make to include power to add to, amend, vary or rescind, orders, rules or bye-laws:
-Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue notifications, orders, rules, or bye-laws is conferred, then that power includes a power, exercisable in the like manner and subject to the like sanction and conditions (if any), to add to, amend, vary or rescind any notifications, orders, rules or bye-laws so issued.
৯০৯.
আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (PR) নির্বাচনী ব্যবস্থায় আসন বণ্টন কিভাবে হয়?
  1. প্রতিটি দলের মোট ভোট অনুযায়ী
  2. প্রতিটি দলের প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে
  3. একক আসনভিত্তিক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অনুযায়ী
  4. বৃহত্তম দলের একক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী
ব্যাখ্যা

আনুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচন ব্যবস্থা:
আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব বা পিআর হচ্ছে নির্বাচনি ব্যবস্থার এমন একটি পদ্ধতি যেখানে আসন বণ্টন হয় প্রতিটি রাজনৈতিক দলের প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, যদি কোন দল মোট প্রদত্ত ভোটের শতকরা ১০ শতাংশ পায়, তাহলে সেই দল আনুপাতিক হারে সংসদের ১০ শতাংশ বা ৩০টি আসন পাবেন।

পিআর বা আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে মুক্ত, গোপন ও মিশ্র তিনটি আনুপাতিক নির্বাচন ব্যবস্থা রয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে।

নির্বাচন বিশ্লেষকরা বলছেন, এ পদ্ধতিতে একটি নির্বাচনে দেওয়া প্রত্যেকটি ভোট কাজে লাগে এবং প্রতিটি ভোট সংসদে সমানভাবে প্রতিনিধিত্ব করে। তাছাড়া একটি নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ও হারের ভিত্তিতে সংসদে আসন বণ্টন হয়।

প্রচলিত নির্বাচন ব্যবস্থার সাথে পার্থক্য:
বাংলাদেশসহ অনেক দেশে বর্তমানে প্রচলিত ‘ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট’ (FPTP) পদ্ধতিতে যে দল বেশি আসনে জয় পায়, তারা সরকার গঠন করে, ভোটের মোট শতাংশ নয়। আর আনুপাতিক নির্বাচন পদ্ধতিতে ভোটের আগে প্রতিটি দল ক্রম ভিত্তিতে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে। প্রতিটি রাজনৈতিক দল তার প্রাপ্ত ভোটের হার অনুসারে আসন সংখ্যা পাবে।

৯১০.
বিশেষ ক্ষমতা আইন,১৯৭৪ এর ১৪ ধারায় কে আটককৃত ব্যক্তিকে অস্থায়ীভাবে মুক্তি দিতে পারে?
  1. বিশেষ ট্রাইব্যুনাল
  2. সরকার
  3. উপদেষ্টা বোর্ড
  4. হাইকোর্ট
ব্যাখ্যা
১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৪ ধারা সরকার আটককৃত ব্যক্তিকে অস্থায়ীভাবে মুক্তি দিতে পারে। এমন অস্থায়ীভাবে মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তি নির্ধারিত স্থান এবং সময়ে আত্মসমর্পণ করবে। যদি সে নিজেকে আত্মসমর্পণ করতে ব্যর্থ হয় সে যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে যার মেয়াদ ২ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে বা জরিমানাসহ বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

Section 14: Temporary release of persons detained

(1) The Government may, at any time, direct that any person detained in pursuance of a detention order may be released for any specified period either without conditions or upon such conditions specified in the direction as that person accepts, and may, at any time, cancel his release. 
(2) In directing the release of any person under sub-section (1), the Government may require him to enter into a bond, with or without sureties, for the due observance of the conditions specified in the direction. 
(3) Any person released under sub-section (1) shall surrender himself at the time and place, and to the authority, specified in the order directing his release or cancelling his release, as the case may be. 
(4) If any person fails without sufficient cause to surrender himself in the manner specified in sub-section (3), he shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to two years, or with fine, or with both. 
(5) If any person released under sub-section (1) fails to fulfil any of the conditions imposed upon him under the said sub-section or in the bond entered into by him, the bond shall be declared to be forfeited and any person bound thereby shall be liable to pay the penalty thereof.
৯১১.
কুরআনে নির্ধারিত দেনমোহরের সর্বনিম্ন পরিমাণ কত?
  1. ১০ দিরহাম
  2. ৩ দিরহাম
  3. ৮ দিরহাম
  4. নির্ধারণ করা হয়নি
ব্যাখ্যা
• বিবাহ বন্ধনের বিনিময়ে স্ত্রী স্বামীর নিকট শরিয়ত সম্মতভাবে যে অর্থ-সম্পদ লাভের অধিকারী হয় সে অর্থ সম্পদকে দেনমোহর বলে। দেনমোহরের পরিমাণ বিবাহের পূর্বে বা বিবাহের সময় কিংবা বিবাহের পর নির্দিষ্ট করা যায়। বিবাহের পর দেনমোহরের পরিমাণ বৃদ্ধি করা যায়।

⇒ দেনমোহর প্রথমত দুই প্রকার, যথা- নির্ধারিত দেনমোহর এবং যথার্থ দেনমোহর।
⇒  Fixed dower বা নির্ধারিত দেনমোহরের ক্ষেত্রে দেনমোহর নির্ধারিত থাকে। অন্য দিকে proper dower বা যথার্থ দেনমোহরের ক্ষেত্রে দেনমোহর নির্ধারিত থাকে না।
কুরআনে দেনমোহরের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়নি। দেনমোহরের পরিমাণ কত হবে তা নিয়ে বিভিন্ন মাযহাবে মতানৈক্য রয়েছে।
⇒ হানাফি আইন অনুসারে দেনমোহরের সর্বনিম্ন পরিমান ১০ দিরহাম বা সাত মিসকাল পরিমাণ রৌপ্য।
⇒ মালিকি মতবাদ অনুসারে দেনমোহরের সর্বনিম্ন পরিমাণ ৩ দিরহাম।
⇒ শাফেয়ি এবং শিয়া আইনে দেনমোহরের সর্বনিম্ন পরিমাণের উল্লেখ নেই। তবে কোনো মাযহাবে। দেনমোহরের সর্বোচ্চ পরিমাণ নিয়ে কিছু বলা নেই।
৯১২.
What does the term "Doli Capax" mean in a legal context?
  1. Incapable of wrong
  2. Capable of wrong
  3. Among other things
  4. Presumption of innocence
ব্যাখ্যা
→ The correct answer is: খ) Capable of wrong.
- "Doli Capax" (ডলি ক্যাপাক্স) is a Latin legal term meaning "capable of wrong" or capable of forming criminal intent.
- It is used to determine whether a child (usually above a certain age, such as 9 years under the Penal Code Section 82) can be held criminally liable for their actions.
- The opposite term, "Doli Incapax", means incapable of wrong and applies to very young children (typically under 9) who are presumed unable to understand the consequences of their actions.

Other options:
ক) Incapable of wrong → Doli Incapax
গ) Among other things → Inter Alia
ঘ) Presumption of innocence → Not related to Doli Capax

- Thus, the correct choice is খ) Capable of wrong.

→ Doli Capax একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ হলো "অপরাধ করার সক্ষমতা রয়েছে"। আইনগত প্রেক্ষাপটে এটি এমন শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যাদের বয়স এমন স্তরে পৌঁছেছে যেখানে ধরে নেওয়া যায় তারা অপরাধ এবং তার প্রকৃতি বুঝতে সক্ষম।
- উদাহরণস্বরূপ,দণ্ডবিধির ধারা ৮৩ অনুযায়ী, ৯ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুরা Doli Capax হতে পারে, যদি প্রমাণ হয় যে তারা অপরাধের প্রকৃতি বুঝতে সক্ষম ছিল।
৯১৩.
বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া কত পৃষ্ঠা?
  1. ৯১ পৃষ্ঠা
  2. ৯৩ পৃষ্ঠা
  3. ১০৭ পৃষ্ঠা
  4. ১০৯ পৃষ্ঠা
ব্যাখ্যা
⇒ ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- হস্তলিখিত সংবিধানে ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি।
- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ হতে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।


⇒ বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান প্রথমে স্বাক্ষর ছাড়াই ছিল ৯৩ পৃষ্ঠা।
স্বাক্ষরের পর এটি মোট ১০৯ পৃষ্ঠায় পরিণত হয়।
- হস্তলিখিত সংবিধান তৈরি করা হয়েছিল ১৯৭২ সালে এবং এতে ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে।
→ স্বাক্ষর ছাড়া: ৯৩ পৃষ্ঠা। 
→ স্বাক্ষর সহ: ১০৯ পৃষ্ঠা।

সুতরাং, হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া ৯৩ পৃষ্ঠা।
৯১৪.
ইসলামী শরীয়তে আউল নীতি কোন উৎসের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?
  1. কুরআন
  2. হাদীস
  3. ইজমা
  4. কিয়াস
ব্যাখ্যা

⇒ ইসলামী শরীয়তে আউল নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ইজমা (ইসলামী আলেমদের ঐকমত্য) এর মাধ্যমে। যদিও কুরআন ও হাদীসে এ নীতির সরাসরি উল্লেখ নেই, তবে ইসলামী ফিকহশাস্ত্রে গাণিতিক সমাধান হিসেবে এটি চার খলিফার যুগ থেকে ইজমার ভিত্তিতে গ্রহণযোগ্য হয়ে আসছে।

আউল নীতি:
‘আউল’ শব্দের আভিধানিক অর্থ হচ্ছে ‘বৃদ্ধি হওয়া’। শরীয়তের নিয়মানুযায়ী, যাবিল ফুরুজ বা অংশীদারদের অংশ প্রদানের পর তাদের অংশাবলীর যোগফল যদি মূল সম্পদ হতে বেড়ে যায় বা ১ এর চেয়ে বেশি হয়, তাহলে যে নিয়মে তা সমাধান করা হয়, সেটাই আউল। কুরআনে অংশীদারদের যে তালিকা রয়েছে, তাদের বিভিন্ন বিন্যাস ও সমাবেশে কখনো কখনো তা ১ এর চেয়ে বেশি হওয়া গাণিতিকভাবে এবং অনুপাতভিত্তিক বন্টনে একটি স্বাভাবিক ঘটনা হলেও, এ বিন্যাস খুব সহজলভ্য নয়। তাই হাদীসে এর কোনো উদাহরণ নেই, তবে চার খলিফার আমলে এটি আলোচিত হয় এবং পরবর্তীতে শরীয়তের তৃতীয় উৎস ইজমার মাধ্যমে ইসলামী আইন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- অর্থাৎ, আউল নীতি ইসলামী আইনশাস্ত্রে ইজমার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। ইজমা হলো ইসলামী ঐকমত্য বা আলেমদের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত, যা শর্ত পূর্ণ হলে শরীয়তের তৃতীয় উৎস হিসেবে কাজ করে।

৯১৫.
No immoveable property under registered mortgage shall be re-mortgaged or sold without the _________.
  1. Oral consent of the mortgagor
  2. written consent of the mortgagee
  3. Oral or written consent of the mortgagee
  4. written consent of the mortgagor
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৩ঘ: বন্ধককৃত স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করা যাবে না-
 
বন্ধকগ্রহীতার লিখিত অনুমতি ব্যতীত নিবন্ধনকৃত বন্ধকী সম্পত্তিকে পুনরায় বন্ধক করা যাবে না অথবা বিক্রয় করা যাবে না, এবং অন্যথায় যে কোন পুনঃবন্ধক বা বিক্রয় বাতিল হবে।
 
Section 53D: Immoveable Property under mortgage not to be transferred-
No immoveable property under registered mortgage shall be re-mortgaged or sold without the written consent of the mortgagee, and any re-mortgage or sale made otherwise shall be void.
৯১৬.
অপরাধ সংঘটনের সময় বাজেয়াপ্তযোগ্য মাদকদ্রব্যের সাথে বৈধ মাদকদ্রব্য পাওয়া গেলে, প্রাপ্ত বৈধ মাদকদ্রব্য-
  1. ফেরত দেওয়া হবে
  2. বিক্রি করে দেয়া হবে
  3. বাজেয়াপ্তযোগ্য হবে
  4. আদালতে পেশ করতে হবে
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ২৬: বাজেয়াপ্তযোগ্য মাদকদ্রব্য, বস্তু, ইত্যাদি:
(১) কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটিত হইলে মাদকদ্রব্য, মাদকদ্রব্যের সহিত জব্দকৃত অর্থ, সাজ-সরঞ্জাম, যন্ত্রপাতি, উপকরণ, আধার, পাত্র, মোড়ক, যানবাহন অথবা অন্য কোনো বস্তু সম্পর্কে অথবা সহযোগে উক্ত অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে সেইগুলি বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(২) মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের সময় বাজেয়াপ্তযোগ্য মাদকদ্রব্যের সহিত যদি কোনো বৈধ মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়, তাহা হইলে উক্ত মাদকদ্রব্যও বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(৩) কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের জন্য যদি কোনো সরকারি অথবা সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের কোনো যানবাহন ব্যবহার করা হয়, তাহা হইলে উহা জব্দযোগ্য হইবে এবং মামলা রুজুকারী অফিসার সরকারি কার্যের স্বার্থে উক্ত যানবাহন সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণকারী অফিসারের জিম্মায় প্রদান করিতে পারিবেন, তবে বিষয়টি এজাহারে উল্লেখ করিতে হইবে।

(৪) জব্দকৃত মাদকদ্রব্য এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের আদেশক্রমে উহা ধ্বংস করিতে হইবে।
৯১৭.
The Transfer of Property Act, 1882 এর বিধানে সোলে ডিক্রীর ক্ষেত্রে Lis pendens নীতি-
  1. প্রয়োগযোগ্য হবে
  2. প্রয়োগযোগ্য হবে না
  3. আদালত অনুমতি দিলে প্রয়োগযোগ্য হবে
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

⇒ Transfer of Property Act, 1882-এর Section 52 অনুযায়ী, Lis pendens নীতি শুধুমাত্র মামলা বিচারাধীন থাকাকালীন সময়ের জন্য প্রযোজ্য। এই নীতি অনুসারে, কোনো স্থাবর সম্পত্তির অধিকার সম্পর্কে যদি কোনো মামলা বিচারাধীন থাকে, তবে সেই সম্পত্তি মামলার কোনো পক্ষ দ্বারা স্থানান্তর করা যাবে না, যা মামলার অন্য কোনো পক্ষের অধিকারকে প্রভাবিত করতে পারে, যদি না আদালতের অনুমতি থাকে।

- "সোলে ডিক্রী" (Sole Decree) বলতে বোঝায় যখন মামলার রায় (ডিক্রি) পাস হয়ে গেছে এবং মামলা আর বিচারাধীন নেই। ডিক্রি পাস হওয়ার পরে, মামলা শেষ হয়ে যায়, তাই Lis pendens নীতি আর প্রযোজ্য হয় না।

- কারণ: Lis pendens নীতির মূল উদ্দেশ্য হল মামলা চলাকালীন সম্পত্তি স্থানান্তর রোধ করা, যাতে মামলার ফলাফল প্রভাবিত না হয়। ডিক্রি পাস হওয়ার পরে, মামলা আর বিচারাধীন থাকে না, তাই এই নীতির প্রয়োজনীয়তা থাকে না।

- Section 52-এর বিধান: এই ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, এটি শুধুমাত্র "মামলা বিচারাধীন থাকাকালীন" (during the pendency of any suit or proceeding) সময়ের জন্য প্রযোজ্য। ডিক্রি পাস হওয়ার পরে, এই শর্ত পূরণ হয় না।
সুতরাং, সোলে ডিক্রীর ক্ষেত্রে Lis pendens নীতি প্রয়োগযোগ্য হবে না। সঠিক উত্তর: খ) প্রয়োগযোগ্য হবে না। 

⇒ Transfer of Property Act, 1882-Section 52. Transfer of property pending suit relating thereto:
 During the pendency in any Court [in Bangladesh], of any suit or proceeding which is not collusive and in which any right to immoveable property is directly and specifically in question, the property cannot be transferred or otherwise dealt with by any party to the suit or proceeding so as to affect the rights of any other party thereto under any decree or order which may be made therein, except under the authority of the Court and on such terms as it may impose. 
 
Explanation.-For the purposes of this section, the pendency of a suit or proceeding shall be deemed to commence from the date of the presentation of the plaint or the institution of the proceeding in a Court of competent jurisdiction, and to continue until the suit or proceeding has been disposed of by a final decree or order and complete satisfaction or discharge of such decree or order has been obtained, or has become unobtainable by reason of the expiration of any period of limitation prescribed for the execution thereof by any law for the time being in force.

৯১৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৮৯ক অনুযায়ী, নিম্নোক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে কে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিযুক্ত হতে পারবেন না?
  1. ADR প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তি
  2. অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ
  3. বার কাউন্সিলভুক্ত আইনজীবী
  4. সরকারী চাকরিতে নিযুক্ত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৮৯ক(২) ও (১০) অনুযায়ী মধ্যস্থতাকারী নিযুক্তির ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত শর্তাবলী প্রযোজ্য:
অযোগ্য ব্যক্তি:
- প্রজাতন্ত্রের সেবায় লাভের অফিসে নিযুক্ত কোনো ব্যক্তি মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিযুক্ত হতে পারবেন না।
- অর্থাৎ, সরকারি চাকরিজীবী (যেমন: বিচার বিভাগ/প্রশাসন/পুলিশ ইত্যাদিতে কর্মরত) মধ্যস্থতাকারী হতে পারবেন না (ধারা ৮৯ক(২) এর দ্বিতীয় শর্ত)।
যোগ্য ব্যক্তি:
- ADR (Alternative Dispute Resolution) প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তি (ধারা ৮৯ক(১০))
- অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ (ধারা ৮৯ক(২) ও (১০))
- বার কাউন্সিলভুক্ত আইনজীবী (ধারা ৮৯ক(১০))
সুতরাং, সঠিক উত্তর ঘ) সরকারী চাকরিতে নিযুক্ত ব্যক্তি, কারণ ধারা ৮৯ক(২) এ এদের অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section- (2) When the reference under sub-section (1) is made through the pleaders, the pleaders shall, by their mutual agreement in consultation with their respective clients, appoint another pleader, not engaged by the parties in the suit, or a retired judge, or a mediator from the panel as may be prepared by the District Judge under sub-section (10), or any other person whom they may seem to be suitable, to act as a mediator for settlement: Provided that, nothing in this sub-section shall be deemed to prohibit appointment of more than one person to act as mediator:
Provided further that, a person holding an office of profit in the service of the Republic shall not be eligible for appointment as mediator.

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-(10) For the purposes of this section, the District Judge shall, in consultation with the President of the District Bar Association, prepare a panel of mediators (to be updated from time to time) consisting of pleaders, retired judges, persons known to be trained in the art of dispute resolution, and such other person or persons, except persons holding office of profit in the service of the Republic, as may be deemed appropriate for the purpose, and shall inform all the Civil Courts under his administrative jurisdiction about the panel: 
Provided that, a mediator under this sub-section shall not act as a mediator between the parties if he had ever been engaged by either of the parties as a pleader in any suit in any Court.
৯১৯.
যুদ্ধ চলাকালীন সংসদের মেয়াদ কত দিন পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) ১ বছর।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদের অধিবেশন:

(১) সরকারী বিজ্ঞপ্তি-দ্বারা রাষ্ট্রপতি সংসদ আহবান , স্থগিত ও ভঙ্গ করিবেন এবং সংসদ আহবানকালে রাষ্ট্রপতি প্রথম বৈঠকের সময় ও স্থান নির্ধারণ করিবেন:
 
তবে শর্ত থাকে যে, ১২৩ অনুচ্ছেদের (৩) দফার (ক) উপ-দফায় উল্লিখিত নব্বই দিন সময় ব্যতীত অন্য সময়ে সংসদের এক অধিবেশনের সমাপ্তি ও পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠকের মধ্যে ষাট দিনের অতিরিক্ত বিরতি থাকিবে না:
তবে আরও শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন তাঁহার দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক লিখিতভাবে প্রদত্ত পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন।

(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার বিধানাবলী সত্ত্বেও সংসদ-সদস্যদের যে কোন সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হইবার ত্রিশ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহবান করা হইবে।

(৩) রাষ্ট্রপতি পূর্বে ভাঙ্গিয়া না দিয়া থাকিলে প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর অতিবাহিত হইলে সংসদ ভাঙ্গিয়া যাইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রজাতন্ত্র যুদ্ধে লিপ্ত থাকিবার কালে সংসদের আইন-দ্বারা অনুরূপ মেয়াদ এককালে অনধিক এক বৎসর বর্ধিত করা যাইতে পারিবে, তবে যুদ্ধ সমাপ্ত হইলে বর্ধিত মেয়াদ কোনক্রমে ছয় মাসের অধিক হইবে না।

(৪) সংসদ ভঙ্গ হইবার পর এবং সংসদের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পূর্বে রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, প্রজাতন্ত্র যে যুদ্ধে লিপ্ত রহিয়াছেন, সেই যুদ্ধাবস্থার বিদ্যমানতার জন্য সংসদ পুনরাহবান করা প্রয়োজন, তাহা হইলে যে সংসদ ভাঙ্গিয়া দেওয়া হইয়াছিল, রাষ্ট্রপতি তাহা আহবান করিবেন।

(৫) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার বিধানাবলী-সাপেক্ষে কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা বা অন্যভাবে সংসদ যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সংসদের বৈঠকসমূহ সেইরূপ সময়ে ও স্থানে অনুষ্ঠিত হইবে।

৯২০.
চুক্তিসংক্রান্ত অধ্যায় ও ধারাগুলো কোন আইনের অংশ হিসেবে গণ্য করা হবে?
  1. নিবন্ধন আইন, ১৯০৮
  2. ফৌজদারি দণ্ডবিধি, ১৮৯৮
  3. চুক্তি আইন, ১৮৭২
  4. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
ব্যাখ্যা
ধারা ৪- চুক্তিসংক্রান্ত বিধানসমূহকে চুক্তি আইনের অংশ হিসেবে গণ্য করা:
এই আইনের যেসব অধ্যায় ও ধারা চুক্তিসংক্রান্ত বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত, সেগুলোকে চুক্তি আইন, ১৮৭২ (Contract Act, 1872)-এর অংশ হিসেবে গণ্য করা হবে।
এছাড়াও, ৫৪ ধারার ২য় ও ৩য় অনুচ্ছেদ, ৫৯, ১০৭ ও ১২৩ ধারাকে নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ (Registration Act, 1908)-এর পরিপূরক (supplement) হিসেবে পড়তে হবে।

Section 4: Enactments relating to contracts to be taken as part of contract Act-
The chapters and sections of this Act which relate to contracts shall be taken as part of the Contract Act, 1872.  And sections 54, paragraphs 2 and 3, 59, 107 and 123 shall be read as supplement to the Registration Act, 1908.
৯২১.
ভূমি উন্নয়ন কর আইন-২০২৩ অনুসারে, কত বিঘা পর্যন্ত কৃষি জমির উন্নয়ন কর মওকুফ করা হয়েছে?
  1. ৬০ বিঘা
  2. ২৫ বিঘা
  3. ৩০ বিঘা
  4. ১০০ বিঘা
ব্যাখ্যা
ভূমি উন্নয়ন কর আইন-২০২৩:

- ভূমি উন্নয়ন কর ধার্য ও আদায়ে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে ‘ভূমি উন্নয়ন কর আইন-২০২৩’ পাস হয়েছে।
- 'ভূমি উন্নয়ন কর আইন-২০২৩’ শীর্ষক আইনে জনস্বার্থে ২৩টি ধারা সন্নিবেশ করা হয়েছে।
- এই আইন অনুযায়ী, ২৫ বিঘা পর্যন্ত কৃষিজমির উন্নয়ন কর মওকুফের বিধান রাখা হয়েছে।
- তবে ২৫ বিঘার বেশি জমির মালিক হলে পুরোটারই ভূমি উন্নয়ন কর দিতে হবে।
- বাংলা সনের পরিবর্তে ইংরেজি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ওই কর আদায় করা হবে।
- এ ছাড়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা, উত্তরাধিকারী, কালেক্টর ইত্যাদি সংজ্ঞাকে যুগোপযোগী করা হয়েছে।
- এ ছাড়া এই আইনের বিধান অনুযায়ী, কোনো ভূমির মালিক টানা তিন বছর ভূমি উন্নয়ন কর না দিলে তাকে প্রথম বছর থেকে তৃতীয় বছর পর্যন্ত সোয়া ৬ শতাংশ হারে জরিমানাসহ কর পরিশোধ করতে হবে।

ধারা ৩- কৃষি ভূমির ভূমি উন্নয়ন কর

(১) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, কৃষি ভূমি, চা বাগান এবং অন্যান্য ভূমির ভূমি উন্নয়ন করের হার, সীমা ও শর্ত নির্ধারণ করিতে পারিবে।

(২) কৃষিকার্যের উপর নির্ভরশীল ব্যক্তি বা পরিবারভিত্তিক কৃষি ভূমির মোট পরিমাণ ৮.২৫ (আট দশমিক দুই পাঁচ) একর বা ২৫ (পঁচিশ) বিঘা পর্যন্ত হইলে উহার ভূমি উন্নয়ন কর মওকুফ থাকিবে এবং ইক্ষু, লবণ চাষের ভূমি ও কৃষকের পুকুর (বাণিজ্যিক মৎস্যচাষ ব্যতীত) উক্ত মওকুফের অন্তর্ভুক্ত হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, কৃষিকার্যের উপর নির্ভরশীল ব্যক্তি ও পরিবারভিত্তিক কৃষি ভূমির মোট পরিমাণ ৮.২৫ (আট দশমিক দুই পাঁচ) একর বা ২৫ (পঁচিশ) বিঘার অধিক হইলে, সম্পূর্ণ কৃষি ভূমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করিতে হইবে।

(৩) কৃষি ভূমি পল্লি এলাকা বা পৌর এলাকার যে কোন স্থানে অবস্থিত হউক না কেন, সকল ক্ষেত্রে অভিন্ন ভূমি উন্নয়ন কর হার ও শর্ত প্রযোজ্য হইবে।
৯২২.
A, B-কে আজীবনের জন্য একটি সম্পত্তি হস্তান্তর করে এবং B-র মৃত্যুর পর C ও D-কে সমানভাবে অথবা যিনি বেঁচে থাকবেন, তাঁকে দেয়ার কথা বলে। যদি C, B-র জীবদ্দশায় মারা যায় এবং D বেঁচে থাকে, তাহলে B-র মৃত্যুর পর সেই সম্পত্তি কে পাবে?
  1. D
  2. রাষ্ট্র
  3. B এর উত্তরাধিকারী
  4. C এর উত্তরাধিকারী
ব্যাখ্যা
ধারা ২৪: অনির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বেঁচে থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে সম্পত্তি হস্তান্তর-
যখন কোনো সম্পত্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে এমন ব্যক্তিদের জন্য স্বার্থ সৃষ্টি করা হয় যাঁদের মধ্যে যাঁরা ভবিষ্যতের কোনো এক সময়ে বেঁচে থাকবেন তাঁদের কাছে সেই স্বার্থ যাবে, কিন্তু সেই সময়টি নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি—তখন ঐ স্বার্থটি তাঁদের মধ্য থেকে যাঁরা সেই মধ্যবর্তী বা পূর্ববর্তী স্বার্থ শেষ হওয়ার সময় জীবিত থাকবেন, তাঁদের মধ্যে যাবে; যদি না হস্তান্তরের শর্তাবলীতে এর বিপরীত কোনো অভিপ্রায় প্রকাশ পায়।

উদাহরণ:
A, B-কে আজীবনের জন্য একটি সম্পত্তি হস্তান্তর করে এবং B-র মৃত্যুর পর C ও D-কে সমানভাবে অথবা যিনি বেঁচে থাকবেন, তাঁকে দেয়ার কথা বলে। যদি C, B-র জীবদ্দশায় মারা যায় এবং D বেঁচে থাকে, তাহলে B-র মৃত্যুর পর সেই সম্পত্তি D-র কাছে যাবে।
৯২৩.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী যৌতুকের জন্য সাধারণ জখমের সর্বনিম্ন শাস্তি কত বছর?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা
• নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ১১- যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি:
যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন] তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-

(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উভয় ক্ষেত্রে উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক তিন বৎসর কিন্তু অন্যূন এক বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
৯২৪.
Special Committee on the East Bengal State Acquisition and Tenancy Bill, 1948 এর Chairman কে ছিলেন?
  1. এ, কে, ফজলুল হক
  2. তাফাজ্জল আলী
  3. আব্দুর রাশিদ তর্কবাগীশ
  4. নাজির হোসেন খন্দকার
ব্যাখ্যা
Special Committee on the East Bengal State Acquisition and Tenancy Bill, 1948 এর Chairman ছিলেন এ, কে, ফজলুল হক।

আবুল কাশেম ফজলুল হক (২৬ অক্টোবর ১৮৭৩ - ২৭ এপ্রিল ১৯৬২) বাঙালি রাজনীতিবিদ। বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে বাঙালি কূটনীতিক হিসেবে পরিচিত লাভ করেন। রাজনৈতিক মহল এবং সাধারণ মানুষের নিকট শেরেবাংলা এবং 'হক সাহেব' নামে পরিচিত ছিলেন।

তিনি রাজনৈতিক অনেক পদে অধিষ্ঠান করেছেন, তার মধ্যে কলকাতার মেয়র (১৯৩৫), অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী (১৯৩৭ - ১৯৪৩), পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী(১৯৫৪), পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (১৯৫৫), পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর (১৯৫৬ - ১৯৫৮) অন্যতম। যুক্তফ্রন্ট গঠনে প্রধান নেতাদের মধ্যে তিনি অন্যতম।
৯২৫.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ধারা ৪ অনুযায়ী কারা উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে প্রতিনিধিত্বের নীতি অনুসারে সম্পত্তি পাবে?
  1. পূর্বে মৃত পুত্রের সন্তানরা
  2. পূর্বে মৃত কন্যার সন্তানরা
  3. পূর্বে মৃত পিতা বা মাতা
  4. 'ক' অথবা 'খ' 
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ধারা ৪ অনুযায়ী, উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে প্রতিনিধিত্বের নীতি (Doctrine of Representation) প্রযোজ্য হবে।
- প্রযোজ্য ব্যক্তি: ক) পূর্বে মৃত পুত্রের সন্তানরা এবং খ) পূর্বে মৃত কন্যার সন্তানরা উভয়েই তাদের মৃত পিতা/মাতার স্থলাভিষিক্ত হয়ে সম্পত্তি পাবে।
- যদি কোনো ব্যক্তির (যেমন: দাদা/নানা) পুত্র বা কন্যা তার (দাদা/নানার) মৃত্যুর আগেই মারা যায়, তবে ওই মৃত পুত্র বা কন্যার সন্তানরা (নাতি-নাতনিরা) তাদের মৃত পিতা/মাতার প্রাপ্য অংশ পাবে। এটি "প্রতি স্টাইর্পস" (per stirpes) নীতির ভিত্তিতে কাজ করে, অর্থাৎ শাখা অনুসারে বণ্টন।

উদাহরণ:
- মৃত পুত্রের সন্তানদের ক্ষেত্রে: দাদা 'ক'-এর পুত্র 'খ' মারা গেছেন। 'খ'-এর সন্তান 'গ' ও 'ঘ' দাদা 'ক'-এর মৃত্যুর পর 'খ'-এর প্রাপ্য অংশ পাবে।
- মৃত কন্যার সন্তানদের ক্ষেত্রে: নানা 'ক'-এর কন্যা 'খ' মারা গেছেন। 'খ'-এর সন্তান 'গ' ও 'ঘ' নানা 'ক'-এর মৃত্যুর পর 'খ'-এর প্রাপ্য অংশ পাবে।

- এই নীতি শুধুমাত্র সরল রেখার উত্তরাধিকারী (পুত্র/কন্যার সন্তান)দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ভাই-বোন, চাচাতো ভাই-বোন ইত্যাদির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
- সম্পত্তি বণ্টনে পুত্রের সন্তান : কন্যার সন্তান = ২ : ১ অনুপাত প্রযোজ্য।
- মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ (ধারা ৪) উত্তরাধিকার খোলার সময় যদি কোনো পুত্র বা কন্যা পূর্বে মারা যায়, তবে ওই পুত্র বা কন্যার সন্তানরা (যদি থাকে) প্রতি স্টাইর্পস (শাখা অনুসারে) সেই অংশ পাবে, যা তাদের পিতা/মাতা পেতেন যদি বেঁচে থাকতেন।
- যেহেতু ধারা ৪ মৃত পুত্র ও মৃত কন্যা উভয়ের সন্তানদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, সঠিক উত্তর ঘ) 'ক' অথবা 'খ'।

⇒ The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 Section 4- Succession: In the event of the death of any son or daughter of the propositus before the opening of succession, the children of such son or daughter, if any, living at the time the succession opens, shall per stirpes receive a share equivalent to the share which such son or daughter, as the case may be, would have received if alive.

৯২৬.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ধারা ১৩(২) অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি কোথায় আপিল করতে পারেন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. জেলা জজ আদালতে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  4. উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950- ধারা ১৪:
"যে কোনো ব্যক্তি কালেক্টরের ধারা ১১-এর উপ-ধারা (২) অথবা ধারা ১৩-এর উপ-ধারা (২) অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত বোধ করেন, তিনি ঐ আদেশের তারিখ হতে ত্রিশ (৩০) দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকার অধিক্ষেত্রভুক্ত জেলা জজের নিকট আপিল করতে পারেন; এবং ঐ আপিলের উপর জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।"
৯২৭.
কোন ধরনের সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে চিরন্তন হস্তান্তরের বিধিনিষেধ প্রযোজ্য নয়?
  1. ভাড়াকৃত সম্পত্তি
  2. বন্ধককৃত সম্পত্তি
  3. ব্যবসার জন্য ইজারা দেওয়া সম্পত্তি
  4. জনকল্যাণমূলক কাজে হস্তান্তরিত সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
ধারা ১৮: জনসাধারণের কল্যাণে চিরন্তন হস্তান্তর-
ধর্ম, জ্ঞান, বাণিজ্য, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা বা মানব জাতির কল্যাণকর কাজের অগ্রগতির জন্য জনস্বার্থে কোন সম্পত্তি হস্তান্তর করলে ১৪, ১৬ ও ১৭ ধারার বিধি- নিষেধ প্রযোজ্য হবে না।
 
Section 18: Transfer in perpetuity for benefit of public-
The restrictions in sections 14, 16 and 17 shall not apply in the case of a transfer of property for the benefit of the public in the advancement of religion, knowledge, commerce, health, safety, or any other object beneficial to mankind.
৯২৮.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮(২) অনুসারে, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ সম্পর্কে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. এগুলি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য
  2. এগুলি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য নয়
  3. এগুলি শুধুমাত্র সংবিধান ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
  4. এগুলি শুধুমাত্র আইন প্রণয়নের সময় প্রয়োগ করতে হবে
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮(২) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ "আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না"।
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮ এর বিধান: মূলনীতিসমূহ:
(১) জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে।
(২) এই ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হইবে, আইন-প্রণয়নকালে রাষ্ট্র তাহা প্রয়োগ করিবেন, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তাহা নির্দেশক হইবে এবং তাহা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হইবে, তবে এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না।
------------------
The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh: Article-8. Fundamental principles
(1) The principles of nationalism, socialism, democracy and secularism, together with the principles derived from those as set out in this Part, shall constitute the fundamental principles of state policy.
(2) The principles set out in this Part shall be fundamental to the governance of Bangladesh, shall be applied by the State in the making of laws, shall be a guide to the interpretation of the Constitution and of the other laws of Bangladesh, and shall form the basis of the work of the State and of its citizens, but shall not be judicially enforceable.

৯২৯.
হেবা কখন কার্যকর হয়?
  1. দখল হস্তান্তরের সাথে সাথে
  2. হেবা নিবন্ধনের সাথে সাথে
  3. হেবাকারীর মৃত্যুর পর
  4. ৩ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ দান হলো এমন একটি চুক্তি যার মাধ্যমে এক ব্যক্তি কর্তৃক অপর ব্যক্তিকে কোনো প্রকার মূল্য বা প্রতিদান ছাড়া সম্পত্তির তাৎক্ষণিক হস্তান্তর করা হয় যা অপর ব্যক্তি বা তার পক্ষে কেউ গ্রহণ। করে। দান আরবি ভাষায় হিবা নামে পরিচিত। প্রত্যেক সুস্থ সাবালক মুসলিম দান করতে পারে।

⇒ একটি দানের আবশ্যিক উপাদানগুলো হলো-
ক. Offer (প্রস্তাব)
খ. Acceptance (গ্রহণ)
গ. Delivery of possession (সম্পত্তির দখল অর্পণ)

⇒ তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে সম্পত্তির প্রকৃত দখল অর্পণ প্রয়োজনীয় না। দানের ক্ষেত্রে দুটি পক্ষ থাকে। একটা হলো Donor বা দাতা অর্থাৎ যে দান করে, অপরপক্ষ হলো উড়হবব বা গ্রহীতা অর্থাৎ যার বরাবর দান করা হয়।

⇒ সমস্ত সম্পত্তি দান করা যায় এবং দান হস্তান্তর করার সাথে সাথেই কার্যকর হয়,
আর উইলকারীর মৃত্যুর পর উইল কার্যকর হয়।
৯৩০.
সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদে "যথাসম্ভব শীঘ্র" দ্বারা কোন প্রেক্ষাপট বোঝানো হয়েছে?
  1. ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে হাজির হওয়া
  2. আটকাদেশ বাতিল করা
  3. গ্রেপ্তারের কারণ জানানো
  4. আত্মপক্ষ-সমর্থনের অধিকার দেওয়া
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদ – "গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ":

(১) গ্রেপ্তারকৃত কোন ব্যক্তিকে যথাসম্ভব শীঘ্র গ্রেপ্তারের কারণ জ্ঞাপন না করিয়া প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না এবং উক্ত ব্যক্তিকে তাঁহার মনোনীত আইনজীবীর সহিত পরামর্শের ও তাঁহার দ্বারা আত্মপক্ষ-সমর্থনের অধিকার হইতে বঞ্চিত করা যাইবে না।
 
(২) গ্রেপ্তারকৃত ও প্রহরায় আটক প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে গ্রেপ্তারের চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে (গ্রেপ্তারের স্থান হইতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে আনয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সময় ব্যতিরেকে) হাজির করা হইবে এবং ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত তাঁহাকে তদতিরিক্তকাল প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না।

(৩) এই অনুচ্ছেদের (১) ও (২) দফার কোন কিছুই সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না,
(ক) যিনি বর্তমান সময়ের জন্য বিদেশী শত্রু; অথবা
(খ) যাঁহাকে নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন গ্রেপ্তার করা হইয়াছে বা আটক করা হইয়াছে।

(৪) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইন কোন ব্যক্তিকে ছয় মাসের অধিক কাল আটক রাখিবার ক্ষমতা প্রদান করিবে না যদি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক রহিয়াছেন বা ছিলেন কিংবা সুপ্রীম কোর্টের বিচারকপদে নিয়োগলাভের যোগ্যতা রাখেন, এইরূপ দুইজন এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত একজন প্রবীণ কর্মচারীর সমন্বয়ে গঠিত কোন উপদেষ্টা-পর্ষদ্ উক্ত ছয় মাস অতিবাহিত হইবার পূর্বে তাঁহাকে উপস্থিত হইয়া বক্তব্য পেশ করিবার সুযোগদানের পর রিপোর্ট প্রদান না করিয়া থাকেন যে, পর্ষদের মতে উক্ত ব্যক্তিকে তদতিরিক্ত কাল আটক রাখিবার পর্যাপ্ত কারণ রহিয়াছে।

(৫) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন প্রদত্ত আদেশ অনুযায়ী কোন ব্যক্তিকে আটক করা হইলে আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষ তাঁহাকে যথাসম্ভব শীঘ্র আদেশদানের কারণ জ্ঞাপন করিবেন এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে বক্তব্য-প্রকাশের জন্য তাঁহাকে যত সত্বর সম্ভব সুযোগদান করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় তথ্যাদি-প্রকাশ জনস্বার্থবিরোধী বলিয়া মনে হইলে অনুরূপ কর্তৃপক্ষ তাহা প্রকাশে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।

(৬) উপদেষ্টা-পর্ষদ কর্তৃক এই অনুচ্ছেদের (৪) দফার অধীন তদন্তের জন্য অনুসরণীয় পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারিবেন।

৯৩১.
দত্তক গ্রহণের প্রথা কোন প্রাচীন আইনব্যবস্থায় প্রচলিত ছিল?
  1. গ্রিক আইন
  2. রোমান আইন
  3. মিশরীয় আইন
  4. ব্যাবিলনীয় আইন
ব্যাখ্যা
⇒ দত্তক গ্রহণের প্রথা প্রাচীন বিশ্বের বিভিন্ন সমাজে প্রচলিত থাকলেও এটি বিশেষভাবে রোমান আইন-এ স্বীকৃত ছিল।
- রোমান সাম্রাজ্যে দত্তক গ্রহণ একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও আইনি প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হতো।
- রোমান আইনে দত্তক নেওয়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল উত্তরাধিকার নিশ্চিত করা এবং পরিবারে একজন যোগ্য উত্তরসূরির ব্যবস্থা করা।
- এটি কেবল পারিবারিক কাঠামো বজায় রাখার জন্যই নয়, বরং রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থ সংরক্ষণের জন্যও ব্যবহৃত হতো।

হিন্দু আইনের মতো রোমান আইনের দত্তক গ্রহণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম-কানুন ছিল।
রোমান সমাজে যদি কোনো ব্যক্তির প্রকৃত সন্তান না থাকত, তবে তিনি দত্তক নিয়ে উত্তরাধিকারী নির্ধারণ করতে পারতেন।
ফলে, দত্তকপ্রাপ্ত ব্যক্তি দত্তকদাতা পিতার নামে পরিচিত হতেন এবং তার সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হতেন।

অন্যদিকে, গ্রিক, মিশরীয় বা ব্যাবিলনীয় আইনে দত্তক গ্রহণের তেমন কোনো সুস্পষ্ট বিধান দেখা যায় না।
তাই রোমান আইনই দত্তক প্রথার একটি সুস্পষ্ট ভিত্তি তৈরি করেছে, যা পরবর্তীকালে বিভিন্ন আইনব্যবস্থায় প্রভাব ফেলেছে।
৯৩২.
প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি ঘটতে পারে-
  1. প্রিন্সিপাল তার ক্ষমতা প্রত্যাহার করলে
  2. প্রিন্সিপাল দেউলিয়া হলে
  3. এজেন্সির কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে
  4. উল্লিখিত যেকোনো কারণে
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ২০১ ধারার বিধান প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি (Termination of agency): প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি ঘটতে পারে-

- প্রিন্সিপাল তার ক্ষমতা প্রত্যাহার করলে; অথবা
- এজেন্ট তার এজেন্সির কাজ পরিহার করলে; অথবা
- এজেন্সির কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে; অথবা
- প্রিন্সিপাল বা এজেন্টের মধ্যে কারও মৃত্যু হলে বা অপ্রকৃতিস্থ হলে; অথবা 
- দেনাদারদের প্রতিকারের জন্য প্রিন্সিপাল দেউলিয়া হলে।
 
Section 201- Termination of agency:
An agency is terminated by the principal revoking his authority; or by the agent renouncing the business of the agency; or by the business of the agency being completed; or by either the principal or agent dying or becoming of unsound mind; or by the principal being adjudicated an insolvent under the provisions of any Act for the time being in force for the relief of insolvent debtors.
৯৩৩.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী নারী অর্থ ______ বয়সের নারী।
  1. যে-কোনো
  2. ১৬ বৎসর
  3. ১৪ বৎসর
  4. ১৮ বৎসর
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ ধারা ২ (ছ) অনুযায়ী  “নারী” অর্থ যে কোন বয়সের নারী।
৯৩৪.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ৩৩ ধারা কোন বিষয়ে প্রযোজ্য?
  1. আদালতের রায় কার্যকরকরণ
  2. অপরাধ তদন্তের সময়সীমা নির্ধারণ
  3. মৃত্যুদণ্ড কার্যকরকরণ
  4. সরকারকে প্রতিবেদন প্রেরণ
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ এর ধারা ৩৩: সরকারকে পুলিশ অফিসারের প্রতিবেদন প্রেরণ:
এই আইনের অধীন বিচারযোগ্য কোনো অপরাধের সাথে সম্পর্কিতভাবে যদি কোনো পুলিশ অফিসার কাউকে গ্রেফতার করেন, তবে তিনি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে নিকটস্থ ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে পেশ করার পরপরই, ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রদত্ত গ্রেফতারের সংক্রান্ত প্রতিবেদনটির একটি অনুলিপি সরকারকে প্রেরণ করবেন—যাহা সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্দেশিত কোনো অফিসারের মাধ্যমে সম্পন্ন করিতে বলিতে পারে।
৯৩৫.
If a mortgaged immoveable property is sold without the mortgagee’s written consent, the sale is:
  1. Void
  2. Voidable
  3. Automatically valid
  4. Legal but subject to penalty
ব্যাখ্যা
The Transfer of Property Act, 1882- Section 53D: Immoveable Property under mortgage not to be transferred:
No immoveable property under registered mortgage shall be re-mortgaged or sold without the written consent of the mortgagee, and any re-mortgage or sale made otherwise shall be void.

ধারা ৫৩ঘ: বন্ধককৃত স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করা যাবে না-
বন্ধকগ্রহীতার লিখিত অনুমতি ব্যতীত নিবন্ধনকৃত বন্ধকী সম্পত্তিকে পুনরায় বন্ধক করা যাবে না অথবা বিক্রয় করা যাবে না, এবং অন্যথায় যে কোন পুনঃবন্ধক বা বিক্রয় বাতিল হবে।
৯৩৬.
“Transfer by person having authority to revoke former transfer” বিষয়টি কোন ধারায় আলোচিত?
  1. ৪১ ধারা
  2. ৪২ ধারা
  3. ৪৩ ধারা
  4. ৪৪ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ৪২: পূর্ব হস্তান্তর বাতিলের ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা হস্তান্তর (Transfer by person having authority to revoke former transfer)-
যদি কোনো ব্যক্তি কোনো স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করে এবং সেই হস্তান্তরে পূর্ব হস্তান্তর বাতিলের ক্ষমতা সংরক্ষণ করে, এবং পরবর্তীতে মূল্য পরিশোধের ভিত্তিতে অন্য কাউকে একই সম্পত্তি হস্তান্তর করে, তাহলে সেই পরবর্তী হস্তান্তরটি প্রথম হস্তান্তর বাতিল বলে গণ্য হবে—যতদূর পর্যন্ত তার সেই ক্ষমতা বিস্তৃত।

উদাহরণ:
A, B-কে একটি বাড়ি ভাড়া দেয়, এবং চুক্তিতে উল্লেখ করে যে, একটি নির্দিষ্ট সার্ভেয়ারের মতে B যদি বাড়িটি এমনভাবে ব্যবহার করে যা এর মূল্যের ক্ষতি ঘটায়, তাহলে A সেই ভাড়া বাতিল করতে পারবে। পরে A মনে করে, B বাড়িটি ক্ষতিকরভাবে ব্যবহার করছে এবং C-কে সেটি আবার ভাড়া দেয়।
এই অবস্থায়, যদি সার্ভেয়ার মনে করেন B-এর ব্যবহার বাড়ির ক্ষতি করছে, তাহলে C-কে ভাড়া দেওয়া চুক্তিটি B-এর পূর্ব ভাড়া বাতিল বলে গণ্য হবে।
৯৩৭.
গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ অনুযায়ী আপোষ বা মীমাংসার মাধ্যমে বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করা হলে উক্তরূপ উদ্যোগ গ্রহণের _____ দিনের মধ্যে তা নিষ্পত্তি করতে হবে।
  1. ৬০
  2. ৩০
  3. ১৫
  4. ৯০
ব্যাখ্যা
⇒ গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ এর ৬খ ধারার বিধান: প্রাক বিচার:
 (১) ধারা ৫ এর অধীন গ্রাম আদালত গঠিত হইবার অনধিক ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে গ্রাম আদালতের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হইবে এবং উক্ত অধিবেশনে গ্রাম আদালত উভয় পক্ষের শুনানী করিয়া মামলার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করিবে এবং পক্ষগণের মধ্যে আপোষ বা মীমাংসার মাধ্যমে বিচার্য বিষয় নিষ্পত্তির উদ্যোগ গ্রহণ করিবে।
(২) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী আপোষ বা মীমাংসার মাধ্যমে বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করা হইলে, উক্তরূপ উদ্যোগ গ্রহণের তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন বিচার্য বিষয় নিষ্পত্তি হইলে, মীমাংসার শর্তাবলী উল্লেখপূর্বক উভয়পক্ষ যৌথভাবে একটি আপোষনামা স্বাক্ষর বা বাম হস্তের বৃদ্ধাঙ্গুলির ছাপ প্রদান করিবেন এবং সাক্ষী হিসাবে উভয়পক্ষের মনোনীত সদস্যগণ আপোষনামায় স্বাক্ষর করিবেন।
(৪) উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী আপোষনামা স্বাক্ষরিত হইলে, গ্রাম আদালত নির্ধারিত ফরমে উহার আদেশ লিপিবদ্ধ করিবে এবং উক্তরূপ আদেশ গ্রাম আদালতের আদেশ বা ডিক্রী বলিয়া গণ্য হইবে।
(৫) এই ধারার অধীন আপোষনামার মাধ্যমে বিচার্য বিষয় নিষ্পত্তি করা হইলে উহার বিরুদ্ধে আপীল বা রিভিশন দায়ের করা যাইবে না।
৯৩৮.
'Agreements by way of wager are void' চুক্তি আইনের কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ৩০ ধারায়
  2. ৩০ক ধারায়
  3. ৩২ ধারায়
  4. ৩৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
চুক্তি আইনের ৩০ ধারার বিধান বাজি সম্পর্কিত সম্মতি বাতিল:
- বাজি সম্পর্কিত সম্মতি বাতিল এবং
- বাজিতে জেতা হয়েছে এমন কিছু উদ্ধার করার জন্য অথবা কোন খেলা বা অনিশ্চিত ঘটনা যার উপর বাজি ধরা হয়েছে তার ফলাফল আনার উদ্দেশ্যে কারো কাছে গচ্ছিত কোন জিনিস আদায় করার জন্য কোন মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে না।
 
- ঘোড় দৌড়ের নির্দিষ্ট পুরস্কারের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম- এ ধারা অনুসারে কোন ঘোড় দৌড়ে জয়লাভকারী বা জয়লাভকারীগণকে পুরস্কার হিসাবে ৫০০ টাকা বা তার বেশি কোন মূল্যের কোন প্লেট, পুরস্কার বা কোন অর্থ, চাঁদা বা কোন কিছু দান করার সম্মতি দেয়া হলে তা অবৈধ বলে গণ্য হবে না।
 
- দণ্ডবিধির ২৯৪ক ধারা প্রভাবিত হবে না: এ ধারার কোন কিছু ঘোড় দৌড় সম্পর্কিত যে লেনদেনের ক্ষেত্রে দণ্ডবিধির ২৯৪ক ধারার বিধানাবলি প্রয়োগযোগ্য সে সকল লেনদেনকে বৈধতা প্রদান করেছে বলে গণ্য হবে না।
-------------------
Sction 30. Agreements by way of wager void Exceptions in favour of certain prizes for horse-racing. Section 294A of the Penal Code not affected:
 Agreements by way of wager are void; and no suit shall be brought for recovering anything alleged to be own on any wager, or entrusted to any person to abide the result of any game or other uncertain event on which wager is made. 
 
This section shall not be deemed to render unlawful a subscription, or contribution, or agreement to subscribe or contribute, made or entered into for or toward any plate, prize or sum of money, of the value or amount of five hundred Taka or upwards, to be awarded to the winner or winners of any horse race. 
 
Nothing in this section shall be deemed to legalize any transaction connected with horse-racing, to which the provisions of section 294A of the Penal Code apply.
৯৩৯.
সংবিধানের ২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মৌলিক অধিকারের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ আইন কী হবে?
  1. স্থগিত হবে
  2. বাতিল হবে
  3. সংশোধিত হবে
  4. কার্যকর থাকবে
ব্যাখ্যা
⇒ সংবিধানের ২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মৌলিক অধিকার সম্পর্কিত বিধানাবলীর সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ কোন প্রচলিত আইন সংবিধান-প্রবর্তন হতে ততখানি বাতিল হয়ে যাবে।
- অর্থাৎ, যদি কোন আইন মৌলিক অধিকারসমূহের সাথে সাংঘর্ষিক হয়, তবে সেই আইনটি বাতিল হয়ে যাবে এবং রাষ্ট্র কোন নতুন আইন প্রণয়ন করতে পারবে না যা মৌলিক অধিকারগুলোর সাথে অসমঞ্জস্যপূর্ণ হবে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৬ মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল:
(১) এই ভাগের বিধানাবলীর সহিত অসমঞ্জস সকল প্রচলিত আইন যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, এই সংবিধান-প্রবর্তন হইতে সেই সকল আইনের ততখানি বাতিল হইয়া যাইবে।
(২) রাষ্ট্র এই ভাগের কোন বিধানের সহিত অসমঞ্জস কোন আইন প্রণয়ন করিবেন না এবং অনুরূপ কোন আইন প্রণীত হইলে তাহা এই ভাগের কোন বিধানের সহিত যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইয়া যাইবে। 
(৩) সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত সংশোধনের ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই প্রযোজ্য হইবে না।
৯৪০.
চুক্তি আইন অনুসারে এমন কোন ব্যক্তি যিনি এজেন্সির কাজে মূল এজেন্ট কর্তৃক নিযুক্ত হন এবং তার নিয়ন্ত্রণাধীন কাজ করে, তিনি হলো-
  1. সাব-এজেন্ট
  2. কো- এজেন্ট
  3. এজেন্ট
  4. প্রধান নিয়াগেকারী এজেন্ট
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ১৯১ ধারা মতে "সাব-এজেন্ট "-এর সংজ্ঞা (Sub-agent defined) সাব-এজেন্ট হচ্ছে এমন কোন ব্যক্তি যিনি এজেন্সির কাজে- মূল এজেন্ট কর্তৃক নিযুক্ত হন এবং তার নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন।
----
Section 191. "Sub-agent" defined:
 A "sub-agent" is a person employed by, and acting under the control of, the original agent in the business of the agency.
৯৪১.
নিম্নলিখিত কোনটি চেক প্রত্যাখ্যানের বিষয়ে নোটিশ প্রদানের বৈধ মাধ্যম নয়?
  1. ই-মেইল
  2. ব্যক্তিগতভাবে প্রদান
  3. জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞাপন
  4. রেজিস্টার্ড ডাকযোগে প্রেরণ
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ই-মেইল।

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৩৮- অর্থের ঘাটতির কারণে চেক প্রত্যাখ্যান:

(১) যদি কোনো ব্যক্তি নিজের ব্যাংক হিসাবে রক্ষিত অর্থ থেকে অন্য কোনো ব্যক্তিকে পরিশোধের জন্য একটি চেক প্রদান করেন এবং উক্ত চেকটি ব্যাংক কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয় ওই হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকার কারণে, অথবা উক্ত ব্যাংকের সাথে চুক্তি অনুযায়ী অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি অর্থ চেকের মাধ্যমে তোলা হয়েছে - তবে উক্ত ব্যক্তিকে একটি অপরাধে দোষী গণ্য করা হবে এবং তাকে ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা চেকের পরিমাণের তিন গুণ পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

শর্তাবলি:
এই ধারা প্রযোজ্য হবে তখনই, যদি:
(ক) চেকটি ইস্যুর তারিখ হতে ৬ মাসের মধ্যে বা তার মেয়াদ থাকাকালীন, যেটি আগে ঘটে, ব্যাংকে উপস্থাপন করা হয়;
(খ) চেক প্রত্যাখ্যাত হওয়ার বিষয়ে ব্যাংক থেকে তথ্য পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে, প্রাপ্য বা উপযুক্ত ধারক লিখিতভাবে টাকা চেয়ে নোটিশ প্রদান করেন;
(গ) নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে, চেকদাতা উক্ত অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন।

(১ক) উপ-ধারা (১)-এর (খ) দফায় উল্লিখিত নোটিশ প্রদান করা যেতে পারে নিম্নলিখিত ৩টি পদ্ধতিতে:
(ক) ব্যক্তিগতভাবে চেকদাতাকে প্রদান করে;
(খ) প্রাপকের সাধারণ বা সর্বশেষ পরিচিত ঠিকানায় প্রাপ্তিস্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে পাঠিয়ে;
(গ) একটি বহুল প্রচারিত বাংলা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ করে।

(২) যদি উপ-ধারা (১) অনুযায়ী অর্থদণ্ড আদায় করা হয়, তবে চেকের মূল পরিমাণ পর্যন্ত অর্থ চেকধারককে প্রদান করা হবে (যতটুকু আদায় সম্ভব হয়)।

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২)-এর বিধান সত্ত্বেও, চেকধারক সিভিল আদালতের মাধ্যমে বকেয়া টাকা আদায়ের মামলা দায়ের করার অধিকার সংরক্ষণ করেন, যদি পুরো অর্থ বা আংশিক অর্থ আদায় না হয়।
৯৪২.
মানব পাচার প্রতিরোধ দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা পরিচালনার জন্য কে বিশেষ প্রসিকিউটর নিয়োগ করতে পারে?
  1. হাইকোর্ট
  2. সরকার
  3. ট্রাইব্যুনাল
  4. সরকারের পরামর্শে ট্রাইব্যুনাল
ব্যাখ্যা
ধারা ১৭- অভিযোগ দায়ের

(১) এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইলে কোন ব্যক্তি পুলিশ অথবা ট্রাইব্যুনালের নিকট উক্ত অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ দায়ের করিতে পারিবে এবং পুলিশ এই ধরণের অভিযোগ আনয়নকারী ব্যক্তিকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা প্রদান করিবে এবং আইনি কার্যধারার কারণে অন্যরূপ প্রয়োজন না হইলে, তাহার নাম পরিচয় গোপন রাখিবে। 
 
(২) ট্রাইব্যুনালে মামলা পরিচালনা করিবার জন্য সরকার, প্রয়োজন মনে করিলে, এক বা একাধিক বিশেষ প্রসিকিউটর (রাষ্ট্রপক্ষীয় আইনজীবী) নিয়োগ করিতে পারিবে।
 
(৩) ট্রাইব্যুনাল উপ-ধারা (২) এর অধীন নিযুক্ত কোন বিশেষ প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে দায়িত্বে গুরুতর অবহেলার প্রতিবেদন সরকারের নিকট দাখিল করিলে সরকার উক্ত প্রসিকিউটরকে অপসারণ বা প্রতিস্থাপিত করিবে।
৯৪৩.
মুসলিম আইনে 'ইজমা' কী বোঝায়?
  1. রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর বাণী
  2. চিন্তার মাধ্যমে নতুন সিদ্ধান্ত
  3. মুসলিম আইনজ্ঞদের ঐকমত্য
  4. কোরআনের নির্দেশের ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম আইনের উৎস প্রধানত ৪টি-
১. পবিত্র কোরআন;
২. হাদিস;
৩. ইজমা;
৪. কিয়াস।

কোরআন-
ইসলামী শরিয়তের ভিত্তি চারটি প্রধান উৎসের উপর স্থাপিত, যার মধ্যে সর্বপ্রথম এবং সর্বোচ্চ মর্যাদাপূর্ণ উৎস হলো কোরআনুল কারিম। এটি মুসলিমদের জীবন পরিচালনার জন্য আল্লাহ প্রদত্ত চূড়ান্ত নির্দেশিকা এবং ইসলামী আইনের মূল ভিত্তি।

আইনের দ্বিতীয় উৎস হাদিস:
হাদিস অর্থ কথা বা বাণী। ইসলামী শরিয়তের দ্বিতীয় মানদণ্ড সুন্নাহ বা হাদিস। শরিয়তের পরিভাষায় রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর মুখ নিঃসৃত বাণী, রাসুল হিসাবে তাঁর সম্পাদিত কাজ এবং সাহাবায়ে কেরামের শরিয়ত সম্পর্কিত এমন সব কথা ও কাজ রাসুলুল্লাহ (সা.) যার প্রতিবাদ করেননি বা নীরব থেকে এর প্রতি মৌন সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন, তাই হাদিস।

ইজমা:
ইসলামের আইনে তৃতীয় উৎস ইজমা। কোনো বিশেষ যুগে কোনো বিশেষ প্রশ্নে মুসলিম আইনজ্ঞদের ঐকমত্যকে আইনের পরিভাষায় ইজমা বলে। এর দুটি তাৎপর্য রয়েছে। 
রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর মৃত্যুর পর মুসলিম রাষ্ট্রের বিস্তৃতির ফলে নবোদ্ভূত অনেক সমস্যা দেখা যায়, যা কোরআন-হাদিস নিয়ে সমাধা হয় না। ফলে মুসলিম সমাজ কোরআন হাদিসের শিক্ষার ভিত্তিতে স্বাধীন চিন্তায় ইজমার প্রয়োজন অনুভব করে। ইজমা তিনটি উপায়ে নির্ধারিত হয়—কথা, কাজ ও নীরবতায়।

কিয়াস: 
কিয়াস ইসলামি আইনের চতুর্থ উৎস। চিন্তার মাধ্যমে নতুন সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া হলো কিয়াস। যে প্রশ্নে কোরআন-হাদিস নিশ্চুপ এবং ইজমাতেও সমাধান নেই, সেই প্রশ্নের সমাধানকল্পে সব সুন্নি মাজহাব যে উৎসের আশ্রয় গ্রহণ করেন, তাকে কিয়াস বলা হয়।

৯৪৪.
মুসলিম বিবাহ বৈধ হওয়ার জন্য কমপক্ষে কতজন সাক্ষী থাকতে হবে?
  1. ১ জন মুসলিম পুরুষ
  2. ২ জন মুসলিম পুরুষ
  3. ১ জন মুসলিম পুরুষ এবং ২ জন মুসলিম মহিলা
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
• 'বিবাহ` শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো মিলানো, একত্র করা। ইসলামী আইন অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট একজন নর ও নারীর একত্রিত হওয়ার চুক্তিকেই বিবাহ বলে।

ডি এফ মোল্লা তাঁর ‘মুসলিম আইনের মূলনীতি’ বইয়ে বিবাহের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেছেন
“বিবাহ বা নিকাহ এমন একটি চুক্তি যার উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য হলো বৈধভাবে সন্তান লাভ ও প্রতিপালন।

বিচারপতি মাহমুদ তাঁর ‘আঃ কাদির ও সালিসী মোকদ্দমার রায়ে বলেছেন,
“মুসলিম বিবাহ কেবল ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, একটি বিশুদ্ধ দেওয়ানী চুক্তি যার উদ্দেশ্য পারিবারিক জীবন যাপন ও বৈধ সন্তান দান।"

মুসলিম বিবাহের অবশ্য পূরণীয় শর্তাবলী-
বিবাহ করতে ইচ্ছুক পক্ষদ্বয়ের মধ্যে এক পক্ষকে প্রস্তাব দিতে হবে এবং অপর পক্ষ থেকে তা গ্রহণ করতে হবে। এটিই বিবাহ বন্ধন সংগঠিত হওয়ার মূল শর্ত। বিবাহের জন্য পাত্র এবং পাত্রীর স্বতঃস্ফূর্ত সম্মতির প্রয়োজন। বল প্রয়োগে সম্মতি আদায়ে বিবাহ বাতিল বলে গণ্য হবে।

মুসলিম আইনে বিবাহের চুক্তি বৈধ হওয়ার জন্য সাক্ষী থাকা আবশ্যক। কমপক্ষে ২ জন মুসলিম পুরুষ, অথবা ১ জন মুসলিম পুরুষ ও ২ জন মুসলিম মহিলা সাক্ষী থাকতে হবে। এটি শরিয়াহ অনুযায়ী বৈধতার জন্য বাধ্যতামূলক। সাক্ষীদের প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্কের অধিকারী এবং ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে যোগ্য হতে হবে।তারা বিবাহ চুক্তি (নিকাহ) সম্পাদনের সময় উপস্থিত থাকতে হবে এবং উভয় পক্ষের সম্মতি শুনতে হবে হানাফি মাযহাব অনুসারে, সাক্ষী ছাড়া বিবাহ বৈধ নয়। শিয়া মতানুসারে সাক্ষীর উপস্থিতি সব ক্ষেত্রে আবশ্যক নয়, তবে এটি নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য।
৯৪৫.
Public Demands Recovery Act-এর ২৩ ধারার বিধান অনুযায়ী নিলাম বাতিলের জন্য কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা
• Public Demands Recovery Act-এর ২৩ ধারার বিধান অনুযায়ী-
নিলাম বাতিলের জন্য ৬০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে।
------------------
Section 23. Application to set aside sale of immovable property on ground of non-service of notice or irregularity.

(1) Where immovable property has been sold in execution of a certificate, the certificate-holder, the certificate-debtor, or any person whose interests are affected by the sale, may, at any time within sixty days from the date of the sale, apply to the Certificate-officer to set aside the sale on the ground that notice was not served under section 7 or on the ground of a material irregularity in the certificate proceedings or in publishing or conducting the sale:
Provided as follows:-
(a) no sale shall be set aside on any such ground unless the Certificate-officer is satisfied that the applicant has sustained substantial injury by reason of the non-service or irregularity; and
(b) an application made by a certificate-debtor under this section shall be disallowed unless the applicant either deposits the amount recoverable from him in execution of the certificate or satisfies the Certificate-officer that he is not liable to pay such amount.

(2) Notwithstanding anything contained in sub-section (1), the Certificate-officer may entertain an application made after the expiry of sixty days from the date of the sale if he is satisfied that there are reasonable grounds for so doing.
৯৪৬.
Who has the authority to issue an ordinance in Bangladesh?
  1. Prime Minister
  2. President
  3. Supreme Court
  4. Council of Advisors
ব্যাখ্যা
• সাধারণত যখন সংসদ অকার্যকর থাকে অথবা যখন সংসদের অধিবেশন বন্ধ থাকে তখন রাষ্ট্রের জরুরী প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি নিজের একক ক্ষমতাবলে যে আইন জারী করে তাকে অধ্যাদেশ/Ordinance বলে।

সংবিধানের ৯৩(১) উপ - অনুচ্ছেদ অনুসারে 'রাষ্ট্রপতি' অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।

অনুচ্ছেদ ৯৩: অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা:

(১) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অথবা উহার অধিবেশনকাল ব্যতীত কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট আশু ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি উক্ত পরিস্থিতিতে যেরূপ প্রয়োজনীয় বলিয়া মনে করিবেন, সেইরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন এবং জারী হইবার সময় হইতে অনুরূপভাবে প্রণীত অধ্যাদেশ সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন কোন অধ্যাদেশে এমন কোন বিধান করা হইবে না,

(ক) যাহা এই সংবিধানের অধীন সংসদের আইন-দ্বারা আইনসঙ্গতভাবে করা যায় না;
(খ) যাহাতে এই সংবিধানের কোন বিধান পরিবর্তিত বা রহিত হইয়া যায়; অথবা
(গ) যাহার দ্বারা পূর্বে প্রণীত কোন অধ্যাদেশের যে কোন বিধানকে অব্যাহতভাবে বলবৎ করা যায়।

(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার অধীন প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার পর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে তাহা উপস্থাপিত হইবে এবং ইতঃপূর্বে বাতিল না হইয়া থাকিলে অধ্যাদেশটি অনুরূপভাবে উপস্থাপনের পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইলে কিংবা অনুরূপ মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পূর্বে তাহা অননুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত হইলে অধ্যাদেশটির কার্যকরতা লোপ পাইবে।

(৩) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থার কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট ব্যবস্থা-গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি এমন অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন, যাহাতে সংবিধান-দ্বারা সংযুক্ত তহবিলের উপর কোন ব্যয় দায়যুক্ত হউক বা না হউক, উক্ত তহবিল হইতে সেইরূপ ব্যয়নির্বাহের কর্তৃত্ব প্রদান করা যাইবে এবং অনুরূপভাবে প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার সময় হইতে তাহা সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে।

(৪) এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার অধীন জারীকৃত প্রত্যেক অধ্যাদেশ যথাশীঘ্র সংসদে উপস্থাপিত হইবে এবং সংসদ পুনর্গঠিত হইবার তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে এই সংবিধানের ৮৭, ৮৯ ও ৯০ অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী প্রয়োজনীয় উপযোগীকরণসহ পালিত হইবে।

Article 93: Ordinance making power

(1) At any time when Parliament stands dissolved or is not in session, if the President is satisfied that circumstances exist which render immediate action necessary, he may make and promulgate such Ordinances as the circumstances appear to him to require, and any Ordinance so made shall, as from its promulgation have the like force of law as an Act of Parliament: 
Provided that no Ordinance under this clause shall make any provision – 
 
(i) which could not lawfully be made under this Constitution by Act of Parliament; 
(ii) for altering or repealing any provision of this Constitution; or 
iii) continuing in force any provision of an Ordinance previously made. 
 
(2) An Ordinance made under clause (1) shall be laid before Parliament at its first meeting following the promulgation of the Ordinance and shall, unless it is earlier repealed, cease to have effect at the expiration of thirty days after it is so laid or, if a resolution disapproving of the Ordinance is passed by Parliament before such expiration, upon the passing of the resolution. 

(3) At any time when Parliament stands dissolved, the President may, if he is satisfied that circumstances exist which render such action necessary, make and promulgate an Ordinance authorising expenditure from the Consolidated Fund, whether the expenditure is charged by the Constitution upon that fund or not, and any Ordinance so made shall, as from its promulgation, have the like force of law as an Act of Parliament. 
 
(4) Every Ordinance promulgated under clause (3) shall be laid before Parliament as soon as may be, and the provisions of articles 87, 89 and 90 shall, with necessary adaptations, be complied with in respect thereof within thirty days of the reconstitution of Parliament.
৯৪৭.
The Special Powers Act, 1974 এর Section 25B (2) তে বর্ণিত অপরাধের সর্বনিম্ন শাস্তি-
  1. ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ১ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড
  4. ২ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ২৫বি (২):

নিষিদ্ধ পণ্য বাংলাদেশে এনে বিক্রি, বা বিক্রির উদ্দেশ্যে প্রস্তাব বা প্রদর্শন, অথবা নিজ অধিকারে বা নিয়ন্ত্রণে রাখার অপরাধ করলে, উক্ত অপরাধের শাস্তি সর্বোচ্চ ৭ এবং সর্বনিম্ন ১ বছরের কারাদণ্ড, এবং অর্থদণ্ড।
 
Section 25B(2)- Penalty for smuggling
Whoever sells, or offers or displays for sale, or keeps in his possession or under his control for the purpose of sale, any goods the bringing of which into Bangladesh is prohibited by or under any law for the time being in force shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to seven years and shall not be less than one year, and shall also be liable to fine.
৯৪৮.
According to Section 3 of the Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974-
  1. Only marriages performed by an imam are subject to registration
  2. Registration of marriage is optional but recommended
  3. Every Muslim marriage must be registered in accordance with the law
  4. Muslim marriages only need to be registered if the parties desire it
ব্যাখ্যা
মুসলিম আইনে বিবাহ হলো Civil Contract বা দেওয়ানি চুক্তি। Abdul Kadir Vs. Salima মামলায় ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বিবাহকে দেওয়ানি চুক্তি বলে আখ্যায়িত করেছে। অপর পক্ষে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট Khurshid Bibi মামলায় বলেন- বিবাহ যদিও দেওয়ানি চুক্তির ন্যায় একটি চুক্তি, এটি পুরোপুরি দেওয়নি চুক্তি নয়। কিন্তু Anwar Hossain vs Momtaz Begum 18, CLC, HCD, 51 মামলায় বাংলাদেশর সুপ্রিম কোর্ট ঘোষণা করেন যে, বিবাহ একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয় বরং এটি একটি দেওয়ানি চুক্তি।

• বিবাহ নিবন্ধন [Registration of Marriage]:
⇒ মুসলিম বিবাহ নিবন্ধনের ব্যাপারে ধর্মীয় কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে, আইন অনুসারে বিবাহ নিবন্ধন এখন বাধ্যতামূলক।
⇒ The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর ৩ ধারা অনুসারে প্রত্যেক মুসলিম বিবাহ নিবন্ধিত হওয়া বাধ্যতামূলক।

ধারা ৩- বিবাহ রেজিষ্ট্রীকরণ:
অন্য যে কোন আইন, প্রথা বা রীতিতেযে কোন কিছু থাকা সত্ত্বেও মুসলিম আইনঅনুযায়ী অনুষ্ঠিত প্রত্যেক বিবাহ এই আইনের বিধানাবলী অনুযায়ী রেজিষ্ট্রীকরতে হবে।

Section 3- Registration of marriages
Notwithstanding anything contained in any law, custom or usage, every marriage solemnized under Muslim law shall be registered in accordance with the provisions of this Act.
৯৪৯.
লিজগ্রহীতা (Lessee) কী বুঝায়?
  1. যিনি সম্পত্তি বিক্রি করেন
  2. যিনি সম্পত্তির উপর ঋণ নেন
  3. যিনি সম্পত্তির মালিকানা গ্রহণ করেন
  4. যিনি সম্পত্তির ভোগের অধিকার গ্রহণ করেন
ব্যাখ্যা
The Transfer of Property Act,1882 এর ধারা ১০৫: “লিজ” বা ইজারার সংজ্ঞা:
একটি স্থাবর সম্পত্তির “লিজ” হলো- উক্ত সম্পত্তি ভোগ করার অধিকার নির্দিষ্ট সময়ের জন্য (স্পষ্ট বা আপেক্ষিকভাবে নির্ধারিত) অথবা চিরস্থায়ীভাবে হস্তান্তরের একটি প্রক্রিয়া, যা কিছু মূল্য প্রদান বা প্রদানের প্রতিশ্রুতি, ফসলের অংশ, সেবা অথবা অন্য কোনো মূল্যবান উপকরণের বিনিময়ে সম্পাদিত হয়। এসব প্রদেয় বস্তু নির্দিষ্ট সময় অন্তর বা নির্দিষ্ট কোনো উপলক্ষে হস্তান্তরকারীর (লিজদাতা) কাছে হস্তান্তর করা হয় হস্তান্তরপ্রাপ্ত (লিজগ্রহীতা) ব্যক্তি দ্বারা, যিনি নির্দিষ্ট শর্তে উক্ত হস্তান্তর গ্রহণ করেন।

সংজ্ঞাসমূহ:
লিজদাতা (Lessor): যিনি সম্পত্তির অধিকার হস্তান্তর করেন।
লিজগ্রহীতা (Lessee): যিনি সম্পত্তির অধিকার গ্রহণ করেন।
পূর্বপ্রদানমূল্য (Premium): লিজ বাবদ এককালীন প্রদত্ত মূল্য।
ভাড়া (Rent): অর্থ, ফসলের অংশ, সেবা বা অন্যান্য বস্তু যা নির্দিষ্ট সময় অন্তর প্রদান করতে হয়।
৯৫০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯খ(১) অনুযায়ী মামলা প্রত্যাহারের পর বিরোধ নিষ্পত্তি কোন আইনের অধীনে সম্পন্ন হবে?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
  2. সালিশি আইন, ১৯৪০
  3. সালিশ আইন, ২০০১
  4. অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯খ ধারায় সালিশ বা Arbitration এর বিধান রয়েছে। ৮৯খ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত কোন বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিরোধীয় বিষয়টি সালিশের নিকট পাঠাতে পারেন এবং এই জন্য মোকদ্দমার পক্ষগণ মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তা তুলে নেওয়ার জন্য আদালতের নিকট আবেদন করলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করবেন এবং মোকদ্দমা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিবেন। তারপর সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী বিরোধটি নিষ্পত্তি করতে হবে অর্থাৎ কোন বিরোধ সালিশে (Arbitration) পাঠানো হলে তা সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে।

- তবে এই ক্ষেত্রে কোন কারণে সালিশ অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিশের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে উক্ত মোকদ্দমাটি পক্ষগণ পুনঃদাখিল করতে পারবেন।
-----------------
⇒ Section 89B- Arbitration:
(1) If the parties to a suit, at any stage of the proceeding, apply to the Court for withdrawal of the suit on ground that they will refer the dispute or disputes in the suit to arbitration for settlement, the Court shall allow the application and permit the suit to be withdrawn; and the dispute or disputes, thereafter, shall be settled in accordance with Salish Ain, 2001 (Act No. 1 of 2001) so far as may be applicable:

Provided that, if, for any reason, the arbitration proceeding referred to above does not take place or an arbitral award is not given, the parties shall be entitled to re-institute the suit permitted to be withdrawn under this sub-section. 

(2) An application under sub-section (1) shall be deemed to be an arbitration agreement under section 9 of the Salish Ain, 2001 (Act No. 1 of 2001).

৯৫১.
সংসদের গৃহীত হওয়ার পর 'সংবিধানের বিধান সংশোধনের বিল' রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত করার পর কত দিনের মধ্যে সম্মতিদানে অসমর্থ উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করেছেন বলে গণ্য হবে?
  1. ১৫
  2. ১০
  3. ৩০
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের বিধান:  সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা: 
এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও-
(ক) সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হইতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে,
(অ) অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ণ শিরোনামে এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হইবে বলিয়া স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাইবে না;
(আ) সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে না;
(খ) উপরিউক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন, এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
৯৫২.
হিন্দু দায়ভাগ আইনানুযায়ী সপিণ্ড হিসাবে অগ্রগণ্য কে?
  1. বোনের পুত্র
  2. ভাইয়ের পুত্র
  3. কন্যার পুত্র
  4. ভাই
ব্যাখ্যা
হিন্দু আইনে মৃতের সম্পত্তির উত্তরাধীকার বিষয়ে দুই ধরনের উত্তরাধীকার পদ্ধতি চালু আছে:

(ক) মিতক্ষরা পদ্ধতি
(খ) দায়ভাগ পদ্ধতি।

বাংলাদেশে বসবাসরত হিন্দু ধর্মীয় লোকজন মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বণ্টনের ক্ষেত্রে দায়ভাগ পদ্ধতি অনুসরণ করেন। দায়ভাগ মূলত জীমূতবাহন রচিত হিন্দু ধর্মীয় সম্পত্তির উত্তরাধীকার বিষয়ক আইন গ্রন্থ। এ আইনগ্রন্থ অনুযায়ী, যারা মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যানের জন্য পিণ্ডদানের অধিকারী, কেবলমাত্র তারাই মৃত ব্যক্তির সপিণ্ড এবং যোগ্য উত্তরাধিকারী হিসেবে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি পেয়ে থাকেন। মিতক্ষরা পদ্ধতি অনুসারে জন্ম হওয়ামাত্রই যেমন একজন পুত্র সন্তান পূর্ব পুরুষের সম্পত্তিতে পিতার সমান অংশীদারী হন, দায়ভাগ আইনে তেমনটা হয় না।

নিম্নে মোট ৫৩ জন সপিন্ডগণের তালিকা ক্রমানুসারে দেওয়া হলঃ

১) পুত্র
২) পুত্রের পুত্র
৩) পুত্রের পুত্রের পুত্র
৪) স্ত্রী, পুত্রের স্ত্রী, পুত্রের পুত্রের স্ত্রী, পুত্রের পুত্রের পুত্রের স্ত্রী।(বিধবা)
৫) কন্যা
৬) কন্যার পুত্র
৭) পিতা
8) মাতাদ
৯) ভাই, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই।
১০) ভাই এর পুত্র, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই এর পুত্র।
১১) ভাই এর পুত্রের পুত্র, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই এর পুত্রের পুত্র।
১২) বোনের পুত্র
১৩) পিতার পিতা
১৪) পিতার মাতা
১৫) পিতার ভাই
১৬) পিতার ভাইয়ের পুত্র
১৭)পিতার ভাইয়ের পুত্রের পুত্র
১৮) পিতার বোনের পুত্র
১৯) পিতার পিতার পিতা
২০) পিতার পিতার মাতা
২১) পিতার পিতার ভাই
২২) পিতার পিতার ভাইয়ের পুত্র
২৩) পিতার পিতার ভাইয়ের পুত্রের পুত্র
২৪) পিতার পিসির পুত্র
২৫) পুত্রের কন্যার পুত্র

উল্লিখিত প্রশ্নে  হিন্দু দায়ভাগ আইনানুযায়ী সপিণ্ড হিসাবে অগ্রগণ্য হলেন কন্যার পুত্র। 
৯৫৩.
অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর কত ধারায় মধ্যস্থতা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে?
  1. ১৯ ধারায়
  2. ২০ ধারায়
  3. ২২ ধারায়
  4. ২৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি:
অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ সালের ৫ম অধ্যায়ে বৈঠক ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিকল্প বিরোধ-নিষ্পত্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বিবাদী উপস্থিত হলে মধ্যস্থতা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এই আইনের ২২ ধারায়।

উক্ত আইনের ২২ ধারায় বলা আছে যে,
মামলায় বিবাদী পক্ষ লিখিত বক্তব্য পেশ করার পর আদালত ধারা ২৪-এর বিধানসাপেক্ষে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে, মামলাটি, নিযুক্ত আইনজীবীগণ কিংবা আইনজীবী নিযুক্ত না হয়ে থাকে তাহলে পক্ষগণের নিকট প্রেরণ করবেন।উক্ত প্রেরিত মামলায় নিযুক্ত আইনজীবীগণ মামলার পক্ষগণের সহিত পরামর্শক্রমে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে অপর একজন আইনজীবী, যিনি কোন পক্ষ কর্তৃক নিয়োজিত নয় অথবা কোন অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, অথবা অন্য যে কোন উপযুক্ত ব্যক্তিকে মামলা নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসাবে নিযুক্ত করতে পারবে; তবে শর্ত থাকে যে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে লাভজনক পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি এই ধারার অধীন মধ্যস্থতাকারী নিযুক্ত হবার অযোগ্য হবে। মধ্যস্থতার কার্যক্রম গোপনে অনুষ্ঠিত হবে। মধ্যস্থতার পর মধ্যস্থতাকারী মধ্যস্থতার বিবরণ সম্বলিত একটি রিপোর্ট আদালতে পেশ করতে হবে।

আদালত, যে তারিখে মধ্যস্থতার মাধ্যমে মামলার বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আদেশ প্রদান করবে, সেই তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিবসের মধ্যে মধ্যস্থতা কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে, যদি না আদালত উভয় পক্ষ কতৃর্ক লিখিত দরখাস্ত দ্বারা অনুরুদ্ধ হয়, অথবা কারণ উল্লেখপূর্বক স্বীয় উদ্যোগে, উক্ত সময়সীমা অনধিক আরো ৩০ (ত্রিশ) দিবস বর্ধিত করবে।

এ ধরনের কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে কোনো সমঝোতা বা মধ্যস্থতা হয়ে থাকে তাহলে বিরোধ নিষ্পত্তির শর্তাবলি অন্তর্ভূক্ত করে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করতে হবে এবং মধ্যস্থতাকারী ও আইনজীবীদের তা সত্যায়িত করতে হবে। ঐ সমঝোতা বা মধ্যস্থতার চুক্তির ভিত্তিতে আদালত একটি আদেশ বা ডিক্রী জারী করবেন। এই ধারার অধীন মধ্যস্থতার মাধ্যমে কোন মামলার নিষ্পত্তির আদেশ চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতে কোন আপীল বা রিভিশন দায়ের করা যাবে না। এই ধারার অধীন কোন মামলার বিরোধ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়, তাহলে আদালত কালেক্টরের নিকট হতে আরজির উপর প্রদত্ত সমুদয় কোর্ট ফি ফেরত প্রদানের লক্ষ্যে বাদীর অনুকূলে একটি প্রত্যয়নপত্র প্রদান করবে এবং ইহার ভিত্তিতে বাদী প্রদত্ত কোর্ট ফি ফেরত পাবার অধিকারী হবে।
৯৫৪.
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করতে হবে, তা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. ৪(১)
  2. ৪ক
  3. ৪(২)
  4. ৪(৩)
ব্যাখ্যা
• পূর্বে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও স্পীকারের কার্যালয় এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস ও মিশনসমূহে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন বাধ্যতামূলক ছিল। পরবর্তীতে সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ দ্বারা সংবিধানের ৪ক অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপিত করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করা বাধ্যতামূলক করা হয়। ফলে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি বাধ্যতামূলক প্রদর্শন বাতিল হয়।

অনুচ্ছেদ ৪ক: জাতির পিতার প্রতিকৃতি

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি; রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পীকার ও প্রধান বিচারপতির কার্যালয় এবং সকল সরকারী ও আধা-সরকারী অফিস, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের প্রধান ও শাখা কার্যালয়, সরকারী ও বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস ও মিশনসমূহে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করিতে হইবে।

Article 4A: Portrait of the Father of the Nation
The Portrait of the Father of the Nation, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman shall be preserved and displayed at the offices of the President, the Prime Minister, the Speaker and the Chief Justice and in head and branch offices of all government and semi-government offices, autonomous bodies, statutory public authorities, government and non-government educational institutions, embassies and missions of Bangladesh abroad.
৯৫৫.
সাক্ষী ছাড়া বিবাহ করলে মুসলিম আইনে তা ___________ হিসেবে গণ্য হবে।
  1. অবৈধ বিবাহ
  2. নিয়মিত বিবাহ
  3. অনিয়মিত বিবাহ
  4. বাতিল বিবাহ
ব্যাখ্যা
⇒ অনিয়মিত বিবাহের সংজ্ঞা (Definition of irregular marriage):
যে বিবাহ মূলত বে-আইনী নয়, কিন্তু এতে বৈধ বিবাহের কোনো নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে প্রমাণিত হয়, তবে ঐ বিবাহকে অনিয়মিত বিবাহ বা ফাসিদ বিবাহ বলে। অর্থাৎ যে বিবাহ ত্রুটিপূর্ণ, কিন্তু বাতিল নয় এটিই অনিয়মিত বিবাহ।

যেমন: সাক্ষী ছাড়া বিবাহ, ইদ্দতের মধ্যে বিবাহ, স্ত্রীর বোন বিবাহ করা ইত্যাদি।
৯৫৬.
'Freedom of press' কোন সাংবিধানিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত?
  1. Freedom of thought & conscience
  2. Freedom of profession
  3. Right to democratic culture
  4. Right to information
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদের বিধান চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা:
(১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হইল।

(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক্ ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
(খ) সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার,
নিশ্চয়তা দান করা হইল।
------------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh Article 39. Freedom of thought and conscience, and of speech:
(1) Freedom of thought and conscience is guaranteed. 
(2) Subject to any reasonable restrictions imposed by law in the interests of the security of the State, friendly relations with foreign states, public order, decency or morality, or in relation to contempt of court, defamation or incitement to an offence– 
(a) the right of every citizen to freedom of speech and expression; and 
(b) freedom of the press, 
are guaranteed.
৯৫৭.
The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ১৬ অনুসারে, যদি কোনো কর্তৃপক্ষকে নিয়োগের ক্ষমতা প্রদান করা হয়, তবে-
  1. সে কেবল নিয়োগ দিতে পারবে
  2. সে কোনোভাবেই বরখাস্ত করতে পারবে না
  3. সে সাময়িক বরখাস্ত ও বরখাস্ত—উভয়ই করতে পারবে
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
ধারা ১৬: নিয়োগের ক্ষমতা সাময়িক বরখাস্ত বা বরখাস্তের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন বা প্রবিধান দ্বারা যদি কোন কর্তৃপক্ষকে নিয়োগের ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে, ভিন্নরূপ কোন উদ্দেশ্য প্রতীয়মান না হলে, অনুরূপ কর্তৃপক্ষের উল্লেখিত ক্ষমতা প্রয়োগের আওতায় নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত বা বরখাস্ত করার ক্ষমতা থাকবে।
 
• জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ১৬ ধারার প্রয়োগ প্রসঙ্গে S. Pratap Singh v State of Punjab মামলায় ভারতীয় সুপ্রীম কোর্ট বলেন যে, একজন সরকারি কর্মচারীকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার ক্ষমতা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের আছে। একই নীতি অনুসরণ করে R.P. Kapur v. Union of India মামলায় ঐ আদালত আবারও মন্তব্য করেন, কোন সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা রুজু হলে ঐ কর্মচারীকে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার অধিকারী।
 
দেওয়ানী কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ নিয়ম মোতাবেক রিসিভার নিয়োগের ক্ষেত্রেও ১৬ ধারার বিধান প্রযোজ্য। ফলে রিসিভার নিয়োগাদেশ বাতিল করলে উহার বিরুদ্ধে ৪৩ আদেশ অনুযায়ী আপীল করা যায় না।
৯৫৮.
'Legislative procedure' বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে দেওয়া আছে?
  1. বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদে
  2. বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৭ অনুচ্ছেদে
  3. বাংলাদেশের সংবিধানের ৮০ অনুচ্ছেদে
  4. বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮০ অনুচ্ছেদের বিধান: আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি:
 (১) আইনপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হইবে।

(২) সংসদ কর্তৃক কোন বিল গৃহীত হইলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিতে হইবে।

 (৩) রাষ্ট্রপতির নিকট কোন বিল পেশ করিবার পর পনর দিনের মধ্যে তিনি তাহাতে সম্মতিদান করিবেন কিংবা অর্থবিল ব্যতীত অন্য কোন বিলের ক্ষেত্রে বিলটি বা তাহার কোন বিশেষ বিধান পুনর্বিবেচনার কিংবা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্দেশিত কোন সংশোধনী বিবেচনার অনুরোধ জ্ঞাপন করিয়া একটি বার্তাসহ তিনি বিলটি সংসদে ফেরত দিতে পারিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

(৪) রাষ্ট্রপতি যদি বিলটি অনুরূপভাবে সংসদে ফেরত পাঠান, তাহা হইলে সংসদ রাষ্টপতির বার্তাসহ তাহা পুনর্বিবেচনা করিবেন; এবং সংশোধনীসহ বা সংশোধনী ব্যতিরেকে সংসদ পুনরায় বিলটি গ্রহণ করিলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে এবং অনুরূপ উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

(৫) সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলটিতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করিলে বা তিনি সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইলে তাহা আইনে পরিণত হইবে এবং সংসদের আইন বলিয়া অভিহিত হইবে।
-------------------
⇒ Article 80. Legislative procedure:
 (1) Every proposal in Parliament for making a law shall be made in the form of a Bill.

(2) When a Bill is passed by Parliament it shall be presented to the President for assent.

(3) The President within fifteen days after a Bill is presented to him, shall assent to the Bill or, in the case of a Bill other than a Money Bill, may return it to Parliament with a message requesting that the Bill or any particular provisions thereof be reconsidered, and that any amendments specified by him in the message be considered ; and if he fails so to do he shall be deemed to have assented to the Bill at the expiration of that period.

(4) If the President so returns the Bill Parliament shall consider it together with the President's message, and if the Bill is again passed by Parliament with or without amendments, it shall be presented to the President for his assent, whereupon the President shall assent to the Bill within the period of seven days after it has been presented to him, and if he fails to do so he shall be deemed to have assented to the Bill on the expiration of that period.

(5) When the President has assented or is deemed to have assented to a Bill passed by Parliament it shall become law and shall be called an Act of Parliament.
৯৫৯.
প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির কী বিবেচনা করা বাধ্যতামূলক?
  1. জনগণের ভোট
  2. মন্ত্রিসভার সম্মতি
  3. সুপ্রিম কোর্টের সুপারিশ
  4. সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থা
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রতীয়মান হবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবেন।
- অর্থাৎ, প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত নেওয়ার মূল ভিত্তি হলো সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন।

সুতরাং রাষ্ট্রপতির প্রধান বিবেচ্য বিষয় হলো সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থা, যা প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের জন্য সংবিধানে বাধ্যতামূলকভাবে নির্ধারিত হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদ- মন্ত্রিগণ:
(১) একজন প্রধানমন্ত্রী থাকিবেন এবং প্রধানমন্ত্রী যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী থাকিবেন। 
(২) প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, তাঁহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হইতে নিযুক্ত হইবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে মনোনীত হইতে পারিবেন।
(৩) যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন। 
(৪) সংসদ ভাংগিয়া যাওয়া এবং সংসদ-সদস্যদের অব্যবহিত পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্যবর্তীকালে এই অনুচ্ছেদের (২) বা (৩) দফার অধীন নিয়োগ দানের প্রয়োজন দেখা দিলে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার অব্যবহিত পূর্বে যাঁহারা সংসদ-সদস্য ছিলেন, এই দফার উদ্দেশ্যসাধনকল্পে তাঁহারা সদস্যরূপে বহাল রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।
৯৬০.
শিশু আইন, ২০১৩ এর অধীনে শিশু আদালতের বিচার কত দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে?
  1. ১২০ দিন
  2. ১৮০ দিন
  3. ২৭০ দিন
  4. ৩৬০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৩২: বিচার সমাপ্তির সময়সীমা:
(১) ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশু-আদালত উক্ত আদালতে শিশুর প্রথম উপস্থিত হইবার তারিখ হইতে ৩৬০ (তিনশত ষাট) দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে। 
(২) কোন যুক্তিসঙ্গত ও বাস্তব কারণে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করা সম্ভব না হইলে শিশু-আদালত, উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, সংশ্লিষ্ট বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা আরও ৬০ (ষাট) দিন বর্ধিত করিতে পারিবে।
(৩) শিশু-আদালতে বিচার আরম্ভ হইবার পর হইতে, বিচার কার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত 15[ যতদূর সম্ভব,] একাদিক্রমে উহার কার্যক্রম প্রত্যেক কার্যদিবসে বিনা বিরতিতে চলিতে থাকিবে।
(৪) উপ-ধারা (১) ও (২) এ বর্ণিত সময়ের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করা না হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু, হত্যা, ধর্ষণ, দস্যুতা, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা বা অন্য কোন জঘন্য, ঘৃণ্য বা গুরুতর অপরাধের দায়ে দায়েরকৃত মামলা ব্যতীত, শিশু-আদালতের বিবেচনায় তাহার বিরুদ্ধে আনীত লঘু মাত্রার অভিযোগ হইতে অব্যাহতি পাইবে এবং একই অপরাধের জন্য তাহার বিরু্দ্ধে অন্য কোন বিচার প্রক্রিয়া গ্রহণ করা যাইবে না: 
তবে শর্ত থাকে যে, সংশ্লিষ্ট মামলায় কোন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি অভিযুক্ত থাকিলে তাহার মামলা অব্যাহত থাকিবে।

৯৬১.
বাংলাদেশ শ্রম আইন,২০০৬ এর অধীন মধ্যস্থতাকারী কর্তৃক নির্ধারিত কোন রোয়েদাদ বৈধ থাকবে-
  1. অনধিক ১ বৎসর পর্যন্ত
  2. অনধিক ৩ বৎসর পর্যন্ত
  3. অনধিক ২ বৎসর পর্যন্ত
  4. অনধিক ৬ বৎসর পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ শ্রম আইন,২০০৬ এর ধারা ২১০(১৭) অনুযায়ী, মধ্যস্থতাকারী (Arbitrator) কর্তৃক নির্ধারিত অনধিক দুই বৎসর পর্যন্ত কোন রোয়েদাদ বৈধ থাকবে।

• শ্রম আইন, ২০০৬ এর ধারা ২০৯ থেকে ২১২ বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান রয়েছে। বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর অধীন শিল্প বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ৩টি বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির পদ্ধতি রয়েছে-

১) আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে [Negotiation]
২) সালিস [Conciliation]
৩) মধ্যস্থতা [Arbitration]

শিল্প বিরোধ নিষ্পত্তির প্রথম ধাপ হলো আলাপ আলোচনার মাধ্যমে চুক্তিতে উপনীত হওয়া। আলাপ-আলোচনার জন্য কোন চুক্তিতে উপনীত না হলে, বিরোধটি সালিসে প্রেরণ করতে হবে এবং সালিসের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির অনুরোধ করবে। সালিস কর্তৃক বিরোধ নিষ্পত্তির অনুরোধ প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে বিরোধটি নিষ্পত্তি না হলে, সালিসটি ব্যর্থ হয়েছে বলে গণ্য হবে। সালিসে কোন বিরোধ নিষ্পত্তি না হলে, বিরোধটি নিষ্পত্তির জন্য মধ্যস্থতাকারীর নিকট পাঠাতে পারে। মধ্যস্থতাকারী মধ্যস্থতার অনুরোধ প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে অথবা পক্ষগণ কর্তৃক লিখিতভাবে স্বীকৃত কোন বর্ধিত সময়ের মধ্যে তার রোয়েদাদ প্রদান করবে।
৯৬২.
সপিণ্ডের মধ্যে নারী সপিণ্ডের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয় কে?
  1. বিধবা স্ত্রী
  2. পিতার মাতা
  3. পিতার বোন
  4. পিতার পিতার মাতা
ব্যাখ্যা
⇒ নারী সপিণ্ডের তালিকায় পিতার বোন অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ নারী সপিণ্ডের মধ্যে নির্দিষ্ট কিছু সম্পর্কের ব্যক্তিরাই অন্তর্ভুক্ত হন।
সপিণ্ড বলতে সেই ব্যক্তিদের বোঝানো হয় যারা মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধ এবং শেষকৃত্য প্রক্রিয়ায় পিণ্ডদান করতে সক্ষম।
- নারী সপিণ্ডের মধ্যে ৫টি সম্পর্ক রয়েছে, যেমন:
১) বিধবা স্ত্রী
২) কন্যা
৩) মাতা
৪) পিতার মাতা
৫) পিতার পিতার মাতা
→ পিতার বোন এই তালিকায় নেই, কারণ পিতার বোন পিণ্ডদানকারী হিসেবে বিবেচিত হন না।
- এটি মূলত ঐতিহ্যগত হিন্দু আইনে প্রথাগত নির্ধারণ।
৯৬৩.
যদি একটি স্থাবর সম্পত্তির মূল্য ২৫ লক্ষ টাকা হয়, তবে বণ্টননামা দলিল নিবন্ধনের ফি কত হবে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ৭০০ টাকা
  3. ১,২০০ টাকা
  4. ১,৮০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ নিবন্ধন আইনের ধারা ৭৮খ এর বিধান বণ্টননামা দলিলের জন্য নিবন্ধন ফিস:- ধারা ৭৮ বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন; স্থাবর সম্পত্তি বিষয়ক বণ্টননামা দলিলের নিবন্ধন ফিস হইবে নিম্নরূপ, যথা:
(১) সম্পত্তির মূল্য অনূর্ধ্ব তিন লক্ষ টাকা হইলে, পাঁচশত টাকা;
(২) সম্পত্তির মূল্য তিন লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব দশ লক্ষ টাকা হইলে, সাতশত টাকা:
(৩) সম্পত্তির মূল্য দশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব ত্রিশ লক্ষ টাকা হইলে, এক হাজার দুইশত টাকা:
(৪) সম্পত্তির মূল্য ত্রিশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ লক্ষ টাকা হইলে, এক হাজার আটশত টাকা:
(৫) সম্পত্তির মূল্য পঞ্চাশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে হইলে, দুই হাজার টাকা।
-----------------------------------------------------
⇒ Section-78B. Registration fee for instrument of partition:
-Notwithstanding anything contained in section 78 or any other law for the time being in force, fee payable for registration of an instrument of partition of immovable property shall be-
(i) five hundred taka, where valuation of the property is not more than three lakh taka;
(ii) seven hundred taka, where valuation of the property is above three lakh taka and not more than ten lakh taka;
(iii) twelve hundred taka, where valuation of the property is above ten lakh taka and not more than thirty lakh taka;
(iv) eighteen hundred taka, where valuation of the property is above thirty lakh taka and not more than fifty lakh taka;
(v) two thousand taka, where valuation of the property is above fifty lakh taka.

৯৬৪.
What is the time limit for filing a complaint under Section 138, as per Section 141 of the Negotiable Instruments Act, 1881?
  1. Within 15 days of dishonour
  2. Within three months of cheque issuance
  3. Within one month of the cause of action
  4. Within six months of dishonour
ব্যাখ্যা
The Negotiable Instruments Act, 1881: Section 141: Cognizance of offences:
Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898 (Act V of 1898),- 
(a) no court shall take cognizance of any offence punishable under section 138 except upon a complaint, in writing, made by the payee or, as the case may be, the holder in due course of the cheque; 
(b) such complaint is made within one month of the date on which the cause of action arises under clause (c) of the proviso to section 138; 
(c) no court inferior to that of a Court of Sessions shall try any offence punishable under section 138.

ধারা ১৪১: ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ (অধ্যাদেশ নং V of 1898)-এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নিম্নলিখিত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে:
(ক) ধারা ১৩৮-এর অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধের বিচার কেবলমাত্র সেই ক্ষেত্রে আমলে নেওয়া যাইবে, যদি উক্ত অপরাধের জন্য অভিযোগ লিখিতভাবে দায়ের করা হয় এবং উক্ত অভিযোগটি চেকের প্রাপক বা ক্ষেত্রবিশেষে চেকের যথাযথ অধিকারপ্রাপ্ত ধারক কর্তৃক দাখিল করা হয়;

(খ) এইরূপ অভিযোগ অবশ্যই সেই তারিখ হইতে এক মাসের মধ্যে দায়ের করিতে হইবে, যেই তারিখে ধারা ১৩৮-এর দফা (গ)-এর অধীন কার্যকারণের কারণ সৃষ্টি হয়;

(গ) ধারা ১৩৮-এর অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধ বিচার করিবার ক্ষমতা সেশন আদালতের অধস্তন কোনো আদালতের থাকিবে না।
৯৬৫.
শিশু আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে কোন আদালতে আপিল করতে হবে?
  1. দায়রা আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. আপিল বিভাগে
  4. কোনো আপিল চলবে না
ব্যাখ্যা
⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ৪১ ধারার বিধান- আপিল ও পুনর্বিবেচনা:
(১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ বা রায় প্রদানের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে। 

(২) শিশু-আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যাইবে।

(৩) এই ধারার অধীন আপিল বা, ক্ষেত্রমত, পুনর্বিবেচনার আবেদন দাখিল করা হইলে উক্ত আবেদনটি দায়েরের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।
৯৬৬.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কীভাবে নির্বাচিত হন?
  1. জনগণের সরাসরি ভোটে 
  2. সংসদ-সদস্যদের দ্বারা
  3. প্রধান বিচারপতির দ্বারা
  4. মন্ত্রিসভার সদস্যদের দ্বারা
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে:“বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন।”
অর্থাৎ, রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের সদস্যদের (সংসদ সদস্য) দ্বারা নির্বাচিত হন। এটি একটি পরোক্ষ নির্বাচন (indirect election) প্রক্রিয়া।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ রাষ্ট্রপতি: 
(১) বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন। 
(২) রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন। 
(৩) এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না।

৯৬৭.
Which legal doctrine is closely related to "Vis Major"?
  1. Strict Liability
  2. Force Majeure
  3. Res Ipsa Loquitur
  4. Habeas Corpus
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: খ) Force Majeure.
⇒ "Vis Major" (Act of God) এবং "Force Majeure" দুটি আইনি ধারণা যা অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনিয়ন্ত্রণযোগ্য ঘটনাবলির কারণে দায়মুক্তির সাথে সম্পর্কিত। এদের মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে:
১. Vis Major (Act of God): 
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন: বন্যা, ভূমিকম্প, সুনামি, বজ্রপাত ইত্যাদি।
- মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে এবং অপ্রত্যাশিত ঘটনা।
- দায়মুক্তির শর্ত: ঘটনাটি অনিবার্য এবং যেকোনো রকম সতর্কতা অবলম্বন করলেও এড়ানো সম্ভব ছিল না।
২. Force Majeure:
- Vis Major-এর চেয়ে বিস্তৃত ধারণা।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ (Vis Major) + মানবসৃষ্ট দুর্যোগ যেমন: যুদ্ধ, দাঙ্গা, সরকারি নিষেধাজ্ঞা, শ্রমিক ধর্মঘট ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।
- চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হয় (যেমন: "Force Majeure Clause")।
৩. সম্পর্ক: Vis Major, Force Majeure-এর একটি উপসেট। সব Act of God, Force Majeure-এর অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু সব Force Majeure ঘটনা Act of God নয়।

অন্যান্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) Strict Liability: নিরপেক্ষ দায় (যেমন: বিপজ্জনক বস্তুর সংরক্ষণ), যেখানে অভিযুক্ত কোনো প্রমাণ ছাড়াই দায়ী। এমন একটি আইনি নীতি যা কোনো অবহেলা বা দোষ ছাড়াই একটি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ক্ষতির জন্য দায়ী করে।
গ) Res Ipsa Loquitur: "ঘটনাই কথা বলে"—যে কিছু ঘটনার জন্য অবহেলা প্রমাণ করতে হয় না কারণ ঘটনা নিজেই তা প্রমাণ করে।
ঘ) Habeas Corpus: "দেহ উপস্থাপনের আদেশ"—আটক ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থাপনের জন্য রিট। একটি আইনি আদেশ যা অবৈধ আটক বা গ্রেপ্তার প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়।

- অর্থাৎ Vis Major এবং Force Majeure উভয়ই অপ্রত্যাশিত বা প্রাকৃতিক বিপর্যয়, যেমন প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা যুদ্ধের পরিস্থিতিকে বোঝায় যা কোনো পক্ষের জন্য চুক্তির শর্ত পূরণ করতে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।
৯৬৮.
সংবিধানের ১৩৪ অনুচ্ছেদে বর্ণিত ‘Doctrine of Pleasure’ বলতে কী বোঝায়?
  1. সংসদের ইচ্ছানুযায়ী পদে বহাল থাকা
  2. নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য পদে বহাল থাকা
  3. রাষ্ট্রপতির ইচ্ছানুযায়ী পদে বহাল থাকা
  4. বিচার বিভাগের নির্দেশনায় পদে বহাল থাকা
ব্যাখ্যা
• ‘Doctrine of Pleasure’ বলতে বোঝায় যে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তির পদে বহাল থাকার মেয়াদ রাষ্ট্রপতির ইচ্ছার উপর নির্ভর করে, যা ১৩৪ অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে।

বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে:
"এই সংবিধানের দ্বারা অন্যরূপ বিধান না করা হইয়া থাকিলে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।"

এই নীতি অনুসারে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিদের (যেমন, সরকারি কর্মচারী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, বা অন্যান্য পদে নিযুক্ত ব্যক্তি) পদে বহাল থাকার মেয়াদ রাষ্ট্রপতির ইচ্ছা বা সন্তোষের উপর নির্ভর করে। অর্থাৎ, রাষ্ট্রপতি যতদিন পর্যন্ত চান, ততদিন পর্যন্ত ওই ব্যক্তি তাদের পদে থাকতে পারেন, যদি না সংবিধানে অন্য কোনো বিধান থাকে। এই নীতির মূল উদ্দেশ্য হলো রাষ্ট্রপতিকে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিদের উপর নিয়ন্ত্রণ ও কর্তৃত্ব প্রদান করা, যাতে প্রশাসনিক দক্ষতা ও শৃঙ্খলা বজায় থাকে।
৯৬৯.
The Registration Act, 1908 অনুযায়ী দলিল নিবন্ধনের রেজিস্ট্রারের অস্বীকৃতির প্রতিকারের জন্য কোথায় যাওয়া যায়?
  1. বিভাগীয় কমিশনার
  2. ভূমি আপীল বোর্ড
  3. মহাপরিচালক, নিবন্ধন অধিদপ্তর
  4. দেওয়ানী আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ The Registration Act, 1908 এর ৭৭ ধারার বিধান: রেজিস্ট্রার কর্তৃক অগ্রাহ্যের আদেশের ক্ষেত্রে মামলা:- (১) যেক্ষেত্রে রেজিস্ট্রার ধারা ৭২ বা ধারা ৭৬ এর অধীন দলিল নিবন্ধনের জন্য আদেশ প্রদানে অস্বীকৃতিজ্ঞাপন করেন, সেইক্ষেত্রে উক্ত দলিলের কোন গ্রহীতা, তাহার প্রতিনিধি, মনোনীত ব্যক্তি বা এজেন্ট উক্ত অগ্রাহ্যের আদেশ প্রদানের পর ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে যে দেওয়ানি আদালতের আদি এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে অবস্থিত কার্যালয়ে দলিলটি নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা হইয়াছিল, সেই কার্যালয়ে দলিলটি নিবন্ধিত হওয়ার নির্দেশ-সংবলিত ডিক্রি লাভের উদ্দেশ্যে উক্ত আদালতে মামলা দায়ের করিতে পারিবেন, যদি এইরূপ ডিক্রি প্রদানের পর ত্রিশ দিনের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দলিলটি যথাযথরূপে দাখিল করা হয়।

তবে শর্ত থাকে যে, মামলা দায়ের করিতে ব্যর্থতা বা এই ধারার অধীন দায়েরকৃত মামলার খারিজ হইয়া যাওয়া, পক্ষকে অন্য কোন প্রতিকার পাওয়ার অধিকার হইতে বঞ্চিত করিবে না, যাহা তিনি অনিবন্ধিত দলিলের ভিত্তিতে পাইতে পারিতেন।

(২) প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ ধারা ৭৫ এর উপ-ধারা (২) ও (৩) এ বর্ণিত বিধানাবলি এইরূপ কোন ডিক্রি অনুসারে নিবন্ধনের জন্য দাখিলকৃত সকল দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে, এবং, এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, দলিলটি উক্তরূপ মামলায় সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হইবে।
--------
⇒ The Registration Act, 1908 Section 77. Suit in case of order of refusal by Registrar: 
(1) Where the Registrar refuses to order the document to be registered, under section 72 or section 76, any person claiming under such document, or his representative, assign or agent, may, within thirty days after the making of the order of refusal, institute in the Civil Court, within the local limits of whose original jurisdiction is situate the office in which the document is sought to be registered, a suit far a decree directing the document to be registered in such office if it be duly presented for registration within thirty days after the passing of such decree: 
Provided that failure to file a suit or the dismissal of a suit filed under this section shall not disentitle a party to any other remedy to which he may be entitled, on the basis of the unregistered document. 
 
(2) The provisions contained in sub-sections (2) and (3) of section 75 shall, mutatis mutandis, apply to all documents presented for registration in accordance with any such decree, and, notwithstanding anything contained in this Act, the document shall be receivable in evidence in such suit.
৯৭০.
সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে উল্লিখিত মূলনীতিগুলি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য নয়—এই বিষয়টি কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ–১৫
  2. অনুচ্ছেদ–২২ 
  3. অনুচ্ছেদ–৮
  4. অনুচ্ছেদ–১৮
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮(২)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, দ্বিতীয় ভাগে বর্ণিত রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য নয় (“shall not be judicially enforceable”).
- তাই সঠিক অপশন হলো: অনুচ্ছেদ–৮।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮ এর বিধান: মূলনীতিসমূহ:
(১) জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে।
(২) এই ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হইবে, আইন-প্রণয়নকালে রাষ্ট্র তাহা প্রয়োগ করিবেন, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তাহা নির্দেশক হইবে এবং তাহা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হইবে, তবে এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না।
------------------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh: Article-8. Fundamental principles
(1) The principles of nationalism, socialism, democracy and secularism, together with the principles derived from those as set out in this Part, shall constitute the fundamental principles of state policy.
(2) The principles set out in this Part shall be fundamental to the governance of Bangladesh, shall be applied by the State in the making of laws, shall be a guide to the interpretation of the Constitution and of the other laws of Bangladesh, and shall form the basis of the work of the State and of its citizens, but shall not be judicially enforceable.

৯৭১.
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার বিধানসমূহের ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধান সঠিক নয়?
  1. অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়
  2. অতিরিক্ত সময়সহ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে
  3. সমঝোতা প্রতিবেদন প্রাপ্তির ১০ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে
  4. সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে
১- মধ্যস্থতা (Mediation),
২- সালিশী (Arbitration)।

সাধারন নিয়মসমূহ-

⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।

সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না।
৯৭২.
Who prescribes the form and dimensions of the court seal according to Section 16 of The Civil Courts Act, 1887?
  1. The High Court
  2. The Government
  3. The presiding Judge
  4. The District Judge
ব্যাখ্যা

⇒ The Civil Courts Act, 1887 Section 16- Seals of Courts:
Every Civil Court under this Act shall use a seal of such form and dimensions as are prescribed by the Government.

ধারা ১৬ – আদালতের সীল:
এই আইনের আওতায় প্রতিটি দেওয়ানি আদালত সরকার দ্বারা নির্ধারিত আকার এবং মাত্রার একটি সীল ব্যবহার করবে।

৯৭৩.
মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরিয়ত) প্রয়োগ আইন, ১৯৩৭ এর ধারা ২ অনুযায়ী, ওয়াকফের কোন অংশ শরিয়ত আইনের আওতায় পড়বে না?
  1. ট্রাস্ট ওয়াকফ
  2. ব্যক্তিগত ওয়াকফ
  3. পারিবারিক ওয়াকফ
  4. দাতব্য প্রতিষ্ঠান, দাতব্য ও ধর্মীয় দান
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরিয়ত) প্রয়োগ আইন, ১৯৩৭ এর ধারা ২-এ ওয়াকফ সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ব্যতিক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। ধারার ভাষ্য অনুযায়ী: "ওয়াকফ (দাতব্য প্রতিষ্ঠান, দাতব্য ও ধর্মীয় দান ব্যতীত)"
অর্থাৎ, এই আইনের অধীনে শরিয়ত আইন ওয়াকফের সাধারণ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও দাতব্য প্রতিষ্ঠান (charities), দাতব্য দান (charitable endowments) এবং ধর্মীয় দান (religious endowments) সম্পর্কিত বিষয়গুলো এই আইনের আওতায় আসবে না। এই ধরনের দাতব্য ও ধর্মীয় ওয়াকফ সংশ্লিষ্ট অন্য আইন বা স্থানীয় প্রথা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

⇒ মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরিয়ত) প্রয়োগ আইন, ১৯৩৭ এর ২ ধারার বিধান মুসলিমদের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত আইন প্রযোজ্য হওয়া:
কোনো প্রচলিত রীতিনীতি বা প্রথার বিপরীতে, নিম্নলিখিত বিষয়ে (কৃষিজমি সংক্রান্ত বিষয় ব্যতীত) মুসলিমদের মধ্যে সিদ্ধান্তের মূল ভিত্তি মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরিয়ত) হইবে—
- উত্তরাধিকার (ইন্তেকালের পর সম্পত্তির বণ্টন),
- নারীদের বিশেষ সম্পত্তি (যেমন ব্যক্তিগত সম্পত্তি, যা উত্তরাধিকার, চুক্তি, হাদিয়া বা ব্যক্তিগত আইনের অন্য কোনো বিধানের মাধ্যমে অর্জিত),
- বিবাহ, বিবাহ-বিচ্ছেদ (যেমন তালাক, ইলা, জিহার, লিয়ান, খুলা ও মুবারাত),
- ভরণপোষণ, মোহরানা, অভিভাবকত্ব,
- হাদিয়া (উপহার), ট্রাস্ট ও ট্রাস্ট সম্পত্তি,
- ওয়াকফ (তবে দাতব্য প্রতিষ্ঠান, দাতব্য ও ধর্মীয় দান ব্যতীত)।
------------
⇒ The Muslim Personal Law (Shariat) Application Act, 1937- Section-2: Application of Personal Law to Muslims
- Notwithstanding any custom or usage to the contrary, in all questions (save questions relating to agricultural land) regarding intestate succession, special property of females, including personal property inherited or obtained under contract or gift or any other provision of Personal Law, marriage, dissolution of marriage, including talaq, ila, zihar, lian, khula and mubaraat, maintenance, dower, guardianship, gifts, trusts and trust properties, and waqfs (other than charities and charitable institutions and charitable and religious endowments) the rule of decision in cases where the parties are Muslims shall be the Muslim Personal Law (Shariat).

৯৭৪.
রেজিস্ট্রেশন আইনের ১৭ক ধারার উপ-ধারা (১) অনুসারে, স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তিপত্রের জন্য নিচের কোনটি অপরিহার্য নয়?
  1. লিখিত হওয়া
  2. নিবন্ধিত হওয়া
  3. সাক্ষী দ্বারা স্বাক্ষরিত হওয়া
  4. সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ কর্তৃক সম্পাদিত হওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ নিবন্ধন আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৭ক (১) অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তিপত্র (Contract for Sale) অবশ্যই নিম্নলিখিত শর্তগুলো পূরণ করতে হবে:
লিখিত হওয়া: চুক্তিপত্রটি অবশ্যই লিখিত আকারে হতে হবে।
নিবন্ধিত হওয়া: এটি নিবন্ধন করতে হবে।
সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ কর্তৃক সম্পাদিত হওয়া: চুক্তিটি সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ (যেমন, ক্রেতা ও বিক্রেতা) কর্তৃক সম্পাদিত হতে হবে।
তবে, ধারা ১৭ক (১)-এ সাক্ষী দ্বারা স্বাক্ষরিত হওয়ার কোনো বাধ্যতামূলক শর্ত উল্লেখ করা হয়নি।

⇒ রেজিস্ট্রেশন আইনের ১৭ক ধারার বিধান: বিক্রয় চুক্তি, ইত্যাদির নিবন্ধন
 (১) এই আইন বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যে কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তিপত্র লিখিত হইতে হইবে, তৎসঙ্গে উহা সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ কর্তৃক সম্পাদিত ও নিবন্ধিত হইতে হইবে।

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত বিক্রয়-চুক্তি, সম্পাদনের তারিখ হইতে ৬০ দিনের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করিতে হইবে এবং এইক্ষেত্রে দলিল নিবন্ধনের বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।
----------
•The Registration Act, 1908, Section 17A. Registration of contract for sale, etc.
(1) Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, a contract for sale of any immovable property shall be in writing, executed by the parties thereto and registered. 

(2) A contract for sale referred to in sub-section (1) shall be presented for registration within sixty days from the date of execution of the contract and the provisions regarding registration of instruments shall apply.

৯৭৫.
যেসব ক্ষেত্রে এজেন্ট নিজে ব্যক্তিগতভাবে দায়বদ্ধ থাকেন, সেসব ক্ষেত্রে তার সাথে লেনদেনকারী ব্যক্তি চাইলে কাকে দায়ী করতে পারেন?
  1. শুধু এজেন্টকে
  2. শুধু প্রিন্সিপালকে
  3. প্রিন্সিপালের মনোনীত ব্যক্তিকে
  4. এজেন্ট বা প্রিন্সিপাল বা উভয়কে
ব্যাখ্যা
এজেন্ট ব্যক্তিগতভাবে দায়বদ্ধ হলে তার সাথে লেনদেনকারী ব্যক্তির অধিকার (ধারা ২৩৩)-
যেসব ক্ষেত্রে এজেন্ট নিজে ব্যক্তিগতভাবে দায়বদ্ধ থাকেন, সেসব ক্ষেত্রে তার সাথে লেনদেনকারী ব্যক্তি চাইলে এজেন্টকে, প্রিন্সিপালকে অথবা উভয়কেই দায়ী করতে পারেন।
[In cases where the agent is personally liable, a person dealing with him may hold either him or his principal, or both of them, liable.]

উদাহরণ
A, B-র সঙ্গে ১০০ বেল তুলা বিক্রির জন্য একটি চুক্তিতে প্রবেশ করেন। পরবর্তীতে A জানতে পারেন যে B আসলে C-র পক্ষে এজেন্ট হিসেবে কাজ করছিলেন। এই পরিস্থিতিতে A চাইলে B অথবা C, অথবা উভয়ের বিরুদ্ধে তুলার মূল্য দাবি করে মামলা করতে পারেন।
৯৭৬.
সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর কত দিনের মধ্যে শপথগ্রহণ করতে হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৭(১)(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম সংসদ অধিবেশনের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে তাকে শপথ নিতে হবে।
→ যদি কোনো সংসদ সদস্য ৯০ দিনের মধ্যে শপথ না নেন, তবে তার আসন শূন্য হয়ে যাবে।
→ তবে স্পীকার যথার্থ কারণে এই সময়সীমা বাড়াতে পারেন।

সংবিধানের ভাষ্য:
“কোন সংসদ-সদস্য তাঁহার নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে নব্বই দিনের মধ্যে তিনি তৃতীয় তফসিলে নির্ধারিত শপথগ্রহণ বা ঘোষণা করিতে ও শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিতে অসমর্থ হন:
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ মেয়াদ অতিবাহিত হইবার পূর্বে স্পীকার যথার্থ কারণে তাহা বর্ধিত করিতে পারিবেন।”
৯৭৭.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ধারা ৪৭ অনুযায়ী Compensation Assessment-roll প্রস্তুতের জন্য মোট কয়টি কর্তৃপক্ষের কথা উল্লেখ আছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ধারা ৪৭ অনুযায়ী Compensation Assessment-roll প্রস্তুতের জন্য নিম্নোক্ত ৫টি কর্তৃপক্ষের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে:
(ক) রাষ্ট্রীয় ক্রয় কমিশনার (Commissioner of State Purchase)
(খ) ভূমি রেকর্ড ও জরিপ পরিচালক (Director of Land Records and Surveys)
(গ) সেটেলমেন্ট অফিসার এবং সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার (Settlement Officers and Assistant Settlement Officers)
(ঘ) অন্যান্য রাজস্ব কর্মকর্তা (Other Revenue Officers)
(ঙ) বিশেষ বিচারক (Special Judges)
সুতরাং মোট ৫টি কর্তৃপক্ষ।

AUTHORITIES FOR THE PREPARATION OF COMPENSATION ASSESSMENT-ROLL:
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950: Section-47. Revenue and Judicial authorities:
There shall be the following authorities for the purposes of this part of this Act :- 
(a) the Commissioner of State Purchase; 
(b) the Director of Land Records and Surveys; 
(c) Settlement Officers and Assistant Settlement Officers; 
(d) Other Revenue Officers; 
(e) Special Judges.

৯৭৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ঘ এর অধীনে মধ্যস্থতার আবেদন গ্রহণ করলে, মোকদ্দমা কোন বিধানের অধীনে নিষ্পত্তি হবে?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৩
  2. দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯খ
  3. আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০
  4. দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক বা ধারা ৮৯গ
ব্যাখ্যা

Section 89D – Mediation সংক্রান্ত বিশেষ বিধান:
যে কোনো মোকদ্দমা বা আপিল, যা সিভিল প্রসিডিউর সংশোধন আইন, ২০১২ কার্যকর হওয়ার পূর্বেই কোনো আদালতে বিচারাধীন ছিল- সেই মোকদ্দমার পক্ষগণ যদি একটি আবেদন দাখিল করে জানান যে তারা মধ্যস্থতার (mediation) মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তিতে আগ্রহী, তাহলে সেই মোকদ্দমা বা আপিল Section 89A অথবা Section 89C–এর বিধান অনুযায়ী নিষ্পত্তি করা হবে।

৯৭৯.
দায়ভাগমতে কে, কাকে ভরণপোষণ করতে আইনত বাধ্য নয়?
  1. পিতা, অবিবাহিতা কন্যাকে
  2. সন্তান, পিতামাতাকে
  3. পিতা, সাবালক পুত্রকে
  4. যৌথ পরিবারের কর্তা, সকল পুরুষ সদস্যদের
ব্যাখ্যা
• হিন্দু আইনে কোন কোন ব্যক্তি ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকারী জানা অত্যাবশ্যক। নিম্নে তাদের তালিকা দেয়া হলো:

⇒ একজন হিন্দুর কোন সম্পত্তি না থাকলেও সে তার নাবালক পুত্র, অবিবাহিতা কন্যা এবং পিতামাতার ভরণপোষণ করতে আইনত বাধ্য।
-(দায়ভাগমতে পিতা সাবালক পুত্রকে ভরণপোষণ করতে আইনত বাধ্য নয়।)

⇒ কর্তা যৌথ পরিবারের সকল পুরুষ, তাদের স্ত্রীগণ এবং সন্তানাদির ভরণপোষণ করতে আইনত বাধ্য।

⇒ একজন মৃত ব্যক্তি যাদের ভরণপোষণ করতে আইনত বাধ্য ছিল, মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীও মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি হতে তাদের ভরণপোষণ করতে আইনত বাধ্য।

⇒ বিবাহ না হওয়া পর্যন্ত পিতা তার কন্যা সন্তানের ভরণপোষণে বাধ্য। পিতার অবর্তমানে কন্যার ভরণপোষণ পিতৃ সম্পত্তি হতেই চলতে থাকবে।

⇒ অক্ষমতা বা অযোগ্যতা হেতু কেউ পৈতৃক সম্পত্তির অধিকারে বঞ্চিত থাকলে তাকে এবং তার পরিবারবর্গকে অক্ষম ব্যক্তির পিতা এবং পিতার অবর্তমানে পিতার উত্তরাধিকারী যথাযোগ্য ভরণপোষণ দিতে বাধ্য।
৯৮০.
চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্রের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ কত বার মাদকদ্রব্য ক্রয় করা যাবে?
  1. ৩ বার
  2. ২ বার
  3. ১ বার
  4. যতবার প্রয়োজন
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ১২: মাদকদ্রব্যের ব্যবস্থাপত্র প্রদান সম্পর্কে বিধি-নিষেধ:
(১) চিকিৎসক ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তি কোনো মাদকদ্রব্য ঔষধ হিসাবে ব্যবস্থাপত্র প্রদান করিতে পারিবেন না। 
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রদত্ত ব্যবস্থাপত্রের ভিত্তিতে একবারের অধিক মাদকদ্রব্য ক্রয় করা যাইবে না।
৯৮১.
নিম্নের কোন শর্তে রাষ্ট্র সংবিধানের ৪৩ অনুচ্ছেদে উল্লিখিত অধিকার সীমিত করতে পারে?
  1. জনশৃঙ্খলা
  2. জনস্বাস্থ্য
  3. রাষ্ট্রের নিরাপত্তা
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৩ নাগরিকদের দুটি গুরুত্বপূর্ণ অধিকার নিশ্চিত করে:
- গৃহে নিরাপত্তার অধিকার (তল্লাশি বা আটক হতে নিরাপদ থাকা);
- যোগাযোগের গোপনতা রক্ষা (চিঠিপত্র ও অন্যান্য মাধ্যমের গোপনীয়তা);

- তবে এই অধিকারগুলো আইনের মাধ্যমে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, নৈতিকতা বা জনস্বার্থে যুক্তিসঙ্গতভাবে সীমিত করা যেতে পারে।
৯৮২.
Section 2(6) of The Registration Act, 1908 states “immoveable property” shall not include-
  1. hereditary allowances
  2. rights to fisheries
  3. rights to ways
  4. growing crops
ব্যাখ্যা
• রেজিস্ট্রেশন আইনের ২(৬) ধারার বিধান-

"স্থাবর সম্পত্তি" অর্থে জমি, ইমারত, ভূমিজাত ও মাটিতে সংযুক্ত বা মাটি সংযুক্ত কোন কিছুতে স্থায়িভাবে আবদ্ধ কোন বস্তু হইতে লভ্য সুবিধাদি, বংশগত ভাতা, রাস্তা, আলো, খোয় ও মৎস্য খামার ইত্যাদির অধিকার অন্তর্ভূক্ত হইবে,
তবে উহার অন্তর্ভূক্ত হইবে না-
(ক) দণ্ডায়মান বৃক্ষ, বাড়ন্ত শষ্য বা ঘাস, তাৎক্ষণিকভাবে বিচ্ছিন্নকরণের অভিপ্রায় থাকুক বা না থাকুক;
(খ) বৃক্ষাদিতে বিদ্যমান বা ভবিষ্যতে উৎপন্ন হইতে পারে, এইরূপ ফল বা রস; এবং 
(গ) মাটিতে প্রোথিত বা সংযুক্ত যন্ত্রপাতি, যখন উহা ভূমি ব্যতিরেকে ব্যবহৃত হয়।
 
⇒ The Registration Act, 1908 Section 2(6) “immoveable property” includes land, buildings, benefits to arise out of land and things attached to the earth, or permanently fastened to anything attached to the earth, hereditary allowances, rights to ways, lights, ferries and fisheries.
but does not include-
(a) standing timber, growing crops or grass whether immediate severance thereof it intended or not;
(b) fruit upon and juice in trees whether in existence or to grow in future; and
(c) machinery embedded in or attached to the earth, when dealt with apart from the land:
৯৮৩.
কোন ধরনের বিল রাষ্ট্রপতি সংসদে পুনর্বিবেচনার জন্য ফেরত পাঠাতে পারেন না?
  1. প্রশাসনিক বিল
  2. অর্থ বিল
  3. জরুরি অবস্থা সংক্রান্ত বিল
  4. সাংবিধানিক সংশোধনী বিল
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮০ অনুচ্ছেদ- আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি:
(১) আইনপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হইবে।

(২) সংসদ কর্তৃক কোন বিল গৃহীত হইলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিতে হইবে।

(৩) রাষ্ট্রপতির নিকট কোন বিল পেশ করিবার পর পনের দিনের মধ্যে তিনি তাহাতে সম্মতিদান করিবেন কিংবা অর্থবিল ব্যতীত অন্য কোন বিলের ক্ষেত্রে বিলটি বা তাহার কোন বিশেষ বিধান পুনর্বিবেচনার কিংবা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্দেশিত কোন সংশোধনী বিবেচনার অনুরোধ জ্ঞাপন করিয়া একটি বার্তাসহ তিনি বিলটি সংসদে ফেরত দিতে পারিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

(৪) রাষ্ট্রপতি যদি বিলটি অনুরূপভাবে সংসদে ফেরত পাঠান, তাহা হইলে সংসদ রাষ্টপতির বার্তাসহ তাহা পুনর্বিবেচনা করিবেন; এবং সংশোধনীসহ বা সংশোধনী ব্যতিরেকে সংসদ পুনরায় বিলটি গ্রহণ করিলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে এবং অনুরূপ উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

(৫) সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলটিতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করিলে বা তিনি সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইলে তাহা আইনে পরিণত হইবে এবং সংসদের আইন বলিয়া অভিহিত হইবে।

৯৮৪.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি' সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১৪১
  2. ১৪২
  3. ১৪৩
  4. ১৪৩ক
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৩- প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি:
(১) আইনসঙ্গতভাবে প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত যে কোন ভূমি বা সস্পত্তি ব্যতীত নিম্নলিখিত প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত হইবে: 
 
(ক) বাংলাদেশের যে কোন ভূমির অন্তঃস্থ সকল খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; 
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমার অন্তর্বর্তী মহাসাগরের অন্তঃস্থ কিংবা বাংলাদেশের মহীসোপানের উপরিস্থ মহাসাগরের অন্তঃস্থ সকল ভূমি, খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; এবং 
(গ) বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিকবিহীন যে কোন সম্পত্তি। 
 
(২) সংসদ সময়ে সময়ে আইনের দ্বারা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমা ও মহীসোপানের সীমা-নির্ধারণের বিধান করিতে পারিবেন।
৯৮৫.
বিষেশ ক্ষমতা আইনের কত ধারায় 'সান্ধ্য আইন (Curfew)' এর বিধান আছে?
  1. ১৫
  2. ২৪
  3. ২৫
  4. ২৫গ
ব্যাখ্যা
⇒বিষেশ ক্ষমতা আইনের ২৪ ধারার বিধান: সান্ধ্য আইন (Curfew):
(১) জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট সরকারের নিয়ন্ত্রন সাপেক্ষে আদেশ জারীর মাধ্যমে নির্দেশ প্রদান করতে পারেন যে, আদেশে নির্দিষ্ট ব্যতিক্রম বাদে, আদেশে নির্দিষ্ট এলাকা বা এলাকা সমূহে উপস্থিত কোন ব্যক্তিই আদেশে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা ব্যক্তির মঞ্জুরীকৃত লিখিত অনুমতিপত্রের প্রধিকার ব্যতিত ঘরের বাহিরে আসতে পারবে না।
(২) এ ধারানুসারে দেয়া আদেশ যদি কোন ব্যক্তি লঙ্ঘন করে তবে তার ১ (এক) বৎসর পর্যন্ত কারাদন্ড বা জরিমানা বা উভয় প্রকার শাস্তি হতে পারে।
---------------------------------
Section-24: Curfew:
 (1) The District Magistrate 1[or the Police Commissioner in 2[a Metropolitan Area]] may, subject to the control of the Government, by order direct that, subject to any exemption specified in the order, no person present within any area or areas specified in the order shall, between such hours as may be specified in the order, be out of doors except under the authority of a written permit granted by a specified authority or person.

(2) If any person contravenes any order made under this section, he shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
৯৮৬.
বাংলাদেশে অর্থবছর শুরু হয়-
  1. জানুয়ারি মাসের ১ তারিখ থেকে
  2. জুন মাসের ১ তারিখ থেকে
  3. জুলাই মাসের ১ তারিখ থেকে
  4. জুন মাসের ৩০ তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৫২:
"অর্থ-বৎসর" অর্থ জুলাই মাসের প্রথম দিবসে যে বৎসরের আরম্ভ;

Article 152: Interpretation clause
“financial year” means a year commencing on the first day of July;
৯৮৭.
কোন আইনকে "Law of all laws” বলা হয়ে থাকে?
  1. The Evidence Act, 1872
  2. The Special Powers Act, 1974
  3. The General Clauses Act, 1897
  4. The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh
ব্যাখ্যা
⇒ The General Clauses Act, 1897 কে "Law of all laws" বলা হয়:
- আইনসভা থেকে পাশকৃত সকল আইনের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে আইনটি প্রযোজ্য। তবে কোনো আইনে এ বিষয়ে পরিষ্কার বিধান থাকলে সেক্ষেত্রে আইনটি প্রযোজ্য হবে না।
- The General Clauses Act, 1897 এমন একটি আইন যা অন্যান্য যেকোনো আইন ব্যাখ্যার জন্য প্রযোজ্য তো বটেই বরং প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন সংবিধান ব্যাখ্যার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
- এ বিষয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫২ এর (২) নং দফা উল্লেযোগ্য। 

- এজন্য, The General Clauses Act, 1897 আইনটিকে "Law of all laws” বলা হয়ে থাকে।
৯৮৮.
Under which Article of the Constitution does the Appellate Division have the power to review its judgments or orders?
  1. Article 102
  2. Article 104
  3. Article 105
  4. Article 106
ব্যাখ্যা
Article 105- Review of judgments or orders by Appellate Division:
The Appellate Division shall have power, subject to the provisions of any Act of Parliament and of any rules made by that division to review any judgment pronounced or order made by it.

[আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা:
সংসদের যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে এবং আপীল বিভাগ কর্তৃক প্রণীত যে কোন বিধি-সাপেক্ষে আপীল বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা উক্ত বিভাগের থাকিবে।]
৯৮৯.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী কমিশনের কোন কর্মকর্তা ফাঁদ মামলা (Trap Case) পরিচালনা করতে পারেন?
  1. সহকারী পরিচালক পদমর্যাদার নিম্নে নয় এমন কর্মকর্তা
  2. উপ পরিচালক পদমর্যাদা নিম্নে নয় এমন কর্মকর্তা
  3. পরিচালক পদমর্যাদার নিম্নে নয় এমন কর্মকর্তা
  4. কমিশনার পদমর্যাদার যে কোন কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
• ২০০৭ সালে দুর্নীতি প্রতিরোধে দুদকের ‘ফাঁদ’ কার্যক্রম অনুমোদন হয়। ওই বছরই এটি দুদকের ১৬ নম্বর বিধিতে সংযুক্ত করা হয়। এতে বলা হয়,

‘দুর্নীতি প্রতিরোধের নিমিত্তে আইনের তফসিলভুক্ত অপরাধে জড়িত কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে হাতেনাতে ধরার উদ্দেশ্যে তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিশনারের অনুমোদনক্রমে তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফাঁদ মামলা (ট্র্যাপ কেস) প্রস্তুত করতে বা পরিচালনা করতে পারবেন।’ এ ছাড়া বলা হয়, ‘ফাঁদ মামলা তদন্ত কার্যক্রম কেবল তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিশনার বা তদকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিশনের পরিচালক পদমর্যাদার নিচে নয় এমন একজন কর্মকর্তা দিয়ে সম্পন্ন করতে হবে।’
৯৯০.
অর্থ ঋণ আদালত,২০০৩ আইনে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে মধ্যস্থতাকারী নিযুক্ত হবার অযোগ্য হবে-
  1. ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  2. অবসরপ্রাপ্ত বিচারক
  3. প্রজাতন্ত্রের কর্মে লাভজনক পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি
  4. পক্ষ কর্তৃক নিযুক্ত নন এমন একজন আইনজীবী
ব্যাখ্যা
অর্থ ঋণ আদালত,২০০৩ আইনে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে প্রজাতন্ত্রের কর্মে লাভজনক পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি মধ্যস্থতাকারী নিযুক্ত হবার অযোগ্য হবে।

• অর্থ ঋণ আদালত,২০০৩ আইনে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে অর্থ ঋণ সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির ২টি পদ্ধতি আলোচনা করা হয়েছে। যথা
১. মধ্যস্থতার মাধ্যমে
২. আপোষ নিষ্পত্তির মাধ্যমে

• ধারা ২২ থেকে ২৫ এবং ৩৮, এবং ৪৪ক ধারায় মধ্যস্থতা সম্পর্কিত বিধান করা হয়েছে। অন্যদিকে আপোষ নিষ্পত্তির বিষয়টি ৪৫ ধারায় উল্লেখ আছে।
অর্থ ঋণ মামলার ক্ষেত্রে ২২ ধারা অনুসারে লিখিত জবাব দাখিলের পর মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করা যায়। এই পর্যায়ে মধ্যস্থতা ব্যর্থ হলে ২৩ ধারার অধীন রায় বা আদেশ প্রদানের পূর্বে পুনরায় বিকল্প পদ্ধতিতে মামলা নিষ্পত্তি করতে পারে।
আবার ৩৮ ধারা অনুসারে জারীর পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে জারী মামলার বিষয়বস্তু নিষ্পত্তি করা যায়। অন্যদিকে ৪৪ক ধারায় আপীল বা রিভিশনের পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে আপীল বা রিভিশন মামলার বিষয়বস্তু নিষ্পত্তি করা যায়।

ধারা ২২ এর অধীন মধ্যস্থতার কিছু সাধারন নিয়ম-

⇒ অর্থ ঋণ আদালতে আইনের অধীন দায়েরকৃত মামলায় বিবাদী কর্তৃক লিখিত জবাব দাখিলের পর, আদালত মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে, মামলাটি নিযুক্ত আইনজীবীগণ কিংবা আইনজীবী নিযুক্ত না হয়ে থাকলে পক্ষগণের নিকট প্রেরণ করবে।

⇒ মামলায় নিযুক্ত আইনজীবীগণ মামলার পক্ষগণের সাথে পরামর্শক্রমে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে মামলা নিষ্পত্তির লক্ষ্যে নিম্নলিখিত যেকোন একজনকে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ দিতে পারে-

ক. কোন পক্ষ কর্তৃক নিযুক্ত নন এমন একজন আইনজীবীকে, বা
খ. কোন অবসরপ্রাপ্ত বিচারককে, বা
গ. ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে, অথবা
ঘ. অন্য যে কোন উপযুক্ত ব্যক্তিকে
তবে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে লাভজনক পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি এই ধারার অধীন মধ্যস্থতাকারী নিযুক্ত হবার অযোগ্য হবে।
৯৯১.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর অধীন কোন কর্তৃপক্ষ ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল বিলুপ্ত করতে পারে?
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. সরকার
  3. রাজস্ব বোর্ড
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

The State Acquisition and Tenancy Act,1950 এর ধারা ১৪৫গ: ট্রাইব্যুনাল ইত্যাদি বিলুপ্ত করার ক্ষমতা:
সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা যে কোনো সময় ধারা ১৪৫ক এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল এবং ধারা ১৪৫খ এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল বিলুপ্ত করতে পারবে এবং বিলুপ্তকরণের সময় সরকার একই প্রজ্ঞাপনে উক্ত ট্রাইব্যুনালসমূহে বিলুপ্তকালের সময়ে মুলতুবি থাকা মামলা, আপিল ও অন্যান্য কার্যক্রম কোন আদালতে স্থানান্তরিত ও নিষ্পত্তি করা হবে তা নির্দিষ্ট করবে।

৯৯২.
'All fees for the registration of documents under this Act shall payable on the presentation of such documents.'- কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৭৫
  2. ধারা ৮০
  3. ধারা ৮৫
  4. ধারা ৯০
ব্যাখ্যা
Section 80- Fees payable on presentation:
All fees for the registration of documents under this Act shall payable on the presentation of such documents.

ধারা ৮০- দলিল দাখিলের সময় ফিস প্রদেয়:
এই আইনের অধীন দলিল নিবন্ধনের সকল ফিস দলিল দাখিলের সময় প্রদেয়।
৯৯৩.
অগ্রক্রয়ের ক্ষেত্রে বিক্রয়ের কথা শোনা মাত্রই যে দাবী প্রকাশ করা হয় তা হলো-
  1. তলব-ই-খুশমাত
  2. তলব-ই-তমলিক
  3. তলব-ই-ইসাদ
  4. তলব-ই-মুয়াসিবাত
ব্যাখ্যা
⇒  First demand: Immediate demand (Talab-i-mowasibat):
⇒ Talab-i-mowasibat শব্দের অর্থ The demand of jumping বা লাফ প্রদান করে দাবি।
-অর্থাৎ বিক্রয়ের কথা শুনার সাথে সাথে তার ক্রয়ের ইচ্ছা বিক্রেতাকে জানাতে হবে।
-এরূপ দাবি করার সময় কোনো সাক্ষীর দরকার নেই।
৯৯৪.
মুসলিম আইনে উত্তরাধিকারীদের মধ্যে কখনো বঞ্চিত হয় না-
  1. স্ত্রী
  2. কন্যা
  3. পিতা
  4. উল্লিখিত সবাই
ব্যাখ্যা
• মুসলিম আইনে সম্পদ বণ্টন একমাত্র মৃত্যুর পরেই কোন ব্যক্তির সম্পত্তিতে তার উত্তরাধিকারীগণের অধিকার সৃষ্টি হয়, মৃত্যুর পূর্বে নয়। একজন সুন্নি মুসলমানের বৈধ ওয়ারিশগন মূলতঃ দুই প্রকার। যথা:
১) প্রধান শ্রেণি (Principal Hairs);
২) অপ্রধান শ্রেণি (Secondary Hairs)।

⇒ প্রধান শ্রেণির উত্তরাধিকারীদের মধ্যে নিম্নে বর্ণিত ব্যক্তিরা কখনো উত্তরাধিকার বঞ্চিত হয় না:
১/ স্বামী;
২/ স্ত্রী;
৩/ পিতা;
৪/ মাতা;
৫/ পুত্র ও
৬/ কন্যা।
৯৯৫.
হিন্দু আইন অনুসারে নিচের কোনটি প্রাচীনতম ও সর্বাধিক প্রভাবশালী স্মৃতি?
  1. মনুস্মৃতি
  2. নারদ স্মৃতি
  3. পরাশর স্মৃতি
  4. যাজ্ঞবল্ক্য স্মৃতি
ব্যাখ্যা

⇒ স্মৃতি হলো হিন্দু আইনের দ্বিতীয় প্রধান উৎস (শ্রুতির পরে), যা মূলত মানবজাতির ঐশ্বরিক নির্দেশাবলীর প্রতিফলন।
- হিন্দু আইন অনুসারে, বিভিন্ন স্মৃতি শাস্ত্র বিদ্যমান, যেমন: মনুস্মৃতি, নারদ স্মৃতি, পরাশর স্মৃতি, যাজ্ঞবল্ক্য স্মৃতি। 

মনুস্মৃতি:
- প্রাচীনতম এবং সবচেয়ে প্রভাবশালী স্মৃতি হিসেবে বিবেচিত।
- সমাজ, ধর্ম, আইন ও নৈতিকতার বিভিন্ন নিয়ম এতে সংকলিত।
- এটি হিন্দু সমাজে আইনি, সামাজিক ও পারিবারিক আচরণের মূল নির্দেশিকা হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- অন্যান্য স্মৃতিগুলোও গুরুত্বপূর্ণ, তবে মানুষের জীবন ও পারিবারিক আইন সম্পর্কিত বিধানগুলোতে মনুস্মৃতি সর্বাধিক প্রভাবশালী।
- অর্থাৎ মনুস্মৃতি হিন্দু আইনের প্রাচীনতম ও সর্বাধিক প্রভাবশালী স্মৃতি শাস্ত্র।

৯৯৬.
কোনো ব্যক্তি যদি মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের সময়ে হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হন, তাহলে তার তদন্ত সম্পন্ন করতে কত কার্যদিবস সময়সীমা নির্ধারিত?
  1. ২০ কার্যদিবস
  2. ৩০ কার্যদিবস
  3. ৪৫ কার্যদিবস
  4. ৬০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য অপরাধের তদন্তের সময়সীমা সম্পর্কিত ধারা ৩১, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর অধীনে নিম্নলিখিত নিয়মাবলী প্রযোজ্য:

১. তদন্তের সময়সীমা-
হাতেনাতে ধৃত হলে: অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের সময় হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হন, তবে তার ধৃত হওয়ার তারিখ থেকে পরবর্তী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করতে হবে।
হাতেনাতে ধৃত না হলে: অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি হাতেনাতে ধৃত না হন, তবে প্রাথমিক তথ্যপ্রাপ্তির তারিখ থেকে পরবর্তী ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করতে হবে।
গ্রেফতার ও পলাতক: যদি একই মামলায় গ্রেফতার ও পলাতক ব্যক্তি থাকে, তবে উক্ত মামলার তদন্ত উপরের নিয়ম অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

২. অতিরিক্ত সময়সীমা-
যুক্তিসংগত কারণে: যদি কোনো যুক্তিসংগত কারণে উপরের সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করা সম্ভব না হয়, তবে তদন্তকারী অফিসার কারণ উল্লেখপূর্বক অতিরিক্ত ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করবেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করবেন।
অতিরিক্ত সময়ের পর: যদি অতিরিক্ত ১৫ কার্যদিবসের মধ্যেও তদন্ত সম্পন্ন না হয়, তবে তদন্তকারী অফিসার উক্ত সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করবেন।

৩. তদন্তভার হস্তান্তর-
নিয়ন্ত্রণকারী অফিসারের সিদ্ধান্ত: যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন না হয় এবং তদন্তকারী অফিসার দায়ী হন, তবে নিয়ন্ত্রণকারী অফিসার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্তভার অন্য কোনো অফিসারের নিকট হস্তান্তর করতে পারেন।
নতুন সময়সীমা: নতুন তদন্তকারী অফিসারকে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করতে হবে, যা সাধারণত ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে।

৪. অদক্ষতা ও শাস্তি-
যদি কোনো তদন্তকারী অফিসার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হন এবং তাকে দায়ী করা হয়, তবে তার অদক্ষতা তার বাৎসরিক গোপনীয় প্রতিবেদনে লিপিবদ্ধ করা হবে এবং উপযুক্ত ক্ষেত্রে চাকরি বিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই নিয়মাবলী মাদকদ্রব্য অপরাধের তদন্তে স্বচ্ছতা ও দ্রুততা নিশ্চিত করতে সহায়ক।
৯৯৭.
“De minimis non curat lex” নীতির প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. আদালতের সময় সাশ্রয় করা
  2. অপরাধীদের কঠোর শাস্তি দেওয়া
  3. সকল ধরনের মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করা
  4. নাগরিকের সম্পত্তি রক্ষা করা
ব্যাখ্যা
De minimis non curat lex
অর্থ: আইন ক্ষুদ্র বা তুচ্ছ বিষয়ে বিবেচনা করে না।

বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
এই লাতিন প্রবাদটি মূলত আদালতের সময় ও সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়। “De minimis” অর্থ হলো খুব ক্ষুদ্র বা অতি নগণ্য, যা আইনগতভাবে গুরুতর নয়। আদালত এমন মামলায় হস্তক্ষেপ করে না যা বাস্তবে ক্ষতি বা বিরূপ প্রভাব তৈরি করে না বা যা প্রায় নগণ্য।

উদাহরণ: যদি কেউ খুব সামান্য মাত্রার সম্পত্তি লঙ্ঘন করে এবং সেই কারণে গুরুতর ক্ষতি হয় না, আদালত সেই বিষয়ে বিচার করবে না।
- এই নীতি মূলত আইনের কার্যকারিতা এবং সংস্থান সংরক্ষণের দিকটি নিশ্চিত করে।
- এটি “triviality rule” বা “trivial cases” নীতির সমতুল্য।
৯৯৮.
Talak-e-Tafwid বা তালাক-ই-তাওফিজ বলতে কী বোঝায়?
  1. স্বামীর স্বেচ্ছায় তালাক
  2. স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে দেওয়া তালাকের ক্ষমতা
  3. আদালতের মাধ্যমে তালাক
  4. স্বামী-স্ত্রী উভয়ের সম্মতিমূলক তালাক
ব্যাখ্যা

• 'Talak e Tafwid' বা 'তালাক-ই-তাওফিজ':
সাধারণত বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষমতা কোন স্ত্রী-এর নেই। কোন স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদ করতে পারে, যদি স্বামী তাকে এমন ক্ষমতা অর্পন করে। স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে স্ত্রী যখন স্বামীকে তালাক দেয়, তখন সেটাকে Talak e Tafwid 'তালাক-ই-তাওফিজ' বলে।

ইসলামিক বিবাহ নিবন্ধনের সময়, নিকাহনামার ১৮ নম্বর কলামে তালাকের ক্ষমতা অর্পণের বিষয়টি উল্লেখ করার সুযোগ থাকে। যদি স্বামী এই কলামে স্ত্রীকে তালাক প্রদানের ক্ষমতা অর্পণ করেন, তবে স্ত্রী নির্দিষ্ট শর্তাবলী পূরণ সাপেক্ষে নিজেই তালাক নিতে পারেন। অতএব, তালাক-ই-তাফফিজের ক্ষমতা কার্যকর করার জন্য এই ধারাটিতে শর্তগুলি স্পষ্টভাবে লেখা থাকা জরুরি। 

৯৯৯.
'Value judgement' means-
  1. valuable judgement
  2. judgement about price
  3. famous judgement
  4. judgement based on personal views
ব্যাখ্যা
'Value Judgement' এর অর্থ হলো- Judgement based on personal views.

অর্থাৎ, তথ্য-উপাত্তের উপর ভিত্তি না করে ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে যে রায় দেওয়া হয়, তাকেই 'Value Judgement' বলা হয়।
১,০০০.
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ৬ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি তদন্ত সম্পর্কিত তথ্য অসৎ উদ্দেশ্যে প্রকাশ করলে সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ৬(৩) অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্যে তদন্ত সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করেন, তাহলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অনূর্ধ্ব ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।

⇒ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ৬-এর উপ-ধারা (৩) বলছে: "কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) ও (২) এর বিধান লংঘন করিলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অনূর্ধ্ব ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।"

এখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড হবে ২ বছর।