বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

মোট প্রশ্ন৩,৮২৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

PrepBank · পাতা / ৩৮ · ৮০১৯০০ / ৩,৮২৪

৮০১.
বাংলাদেশ কখন ফিফার সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন:
- বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন সংক্ষেপে বিএফএফ এবং বাফুফে নামে পরিচিত।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) ১৯৭৩ সালে এএফসির সদস্যপদ লাভ করে।
- ১৯৭৬ সালে ফিফার সদস্যপদ লাভ করে।
- বাফুফে বর্তমান সভাপতি: তাবিথ আউয়াল।
- প্রধান কার্যালয়: ঢাকার মতিঝিলে ‘বিএফএফ ভবন’-এ অবস্থিত।

• এই সংস্থাটির পরিচালিত কার্যক্রম: 
- বাংলাদেশের পুরুষ, নারী এবং অনূর্ধ্ব-২৩ দলের পাশাপাশি ঘরোয়া ফুটবলে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ,
- বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশিপ লিগ এবং
- ফেডারেশন কাপের মতো প্রতিযোগিতার সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে। [ব্যাখ্যা আপডেট - জানুয়ারি, ২০২৬]

উৎস: বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) ওয়েবসাইট।

৮০২.
প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন নগর কোন স্থানে অবস্থিত?
  1. ময়নামতি
  2. বিক্রমপুর
  3. মহাস্থানগড়
  4. পাহাড়পুর
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- পূর্বে এর নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল।
- এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে।
- এর অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১০ কি.মি উত্তরে মহাস্থান গড় অবস্থিত।
- মহাস্থানগড় বগুড়ায় জেলার করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রাচীন পর্যটন কেন্দ্র। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮০৩.
What is the height of the National Monument?
  1. 45.72 feet
  2. 50 feet
  3. 154 feet
  4. 150 feet
  5. 144 feet
ব্যাখ্যা
জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত মুক্তিযোদ্ধা ও নিহত বেসামরিক বাঙালি ও অবাঙ্গালিদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নিবেদিত একটি স্মারক স্থাপনা।
- এটি সাভারে অবস্থিত।
- এর অপর নাম 'সম্মিলিত প্রয়াস'।
- এর স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত বিভাগ মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের জন্য একটা জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণের পরিকল্পনা নেয় এবং নকশা আহবান করে।
- এর উচ্চতা ১৫০ ফুট (৪৫.৭২ মি)।

⇒ ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর প্রথম বিজয় দিবসে জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।
- ১৯৮২ সালের আগষ্ট মাসে সৌধের নির্মাণ কাজ শেষ হয়।
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ ১৯৮২ সালে উদ্বোধন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- স্মৃতিসৌধের রয়েছে ৭টি খাঁজ।
- ১৯৫২ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত ৭টা বড় আন্দোলন হয়েছিল।
- ওই খাঁজগুলো দিয়ে সেই সব আন্দোলন বোঝানো হয়েছে।
১. ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।
২. ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন।
৩. ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন।
৪. ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন।
৫. ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন।
৬. ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং
৭. ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮০৪.
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি ক্রিকেট ম্যাচ খেলেছেন কে?
  1. মাশরাফি বিন মর্তুজা
  2. সাকিব আল হাসান
  3. তামিম ইকবাল খান
  4. মুশফিকুর রহিম
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছেন মুশফিকুর রহিম। তিনি ৭০টি টেস্ট, ওয়ানড ২২১টি ওয়ানডে এবং ৮৬টি টি-২০ মোট ৩৭৭ টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন।
এছাড়াও তামিম ইকবাল খান- ৩৪৮ টি, সাকিব আল হাসান- ৩৪৩ টি এবং মাশরাফি বিন মর্তুজা- ৩১০ টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ খেলেছেন।
উৎসঃ ক্রিকিনফোর ওয়েবসাইট।
৮০৫.
নিম্নের কোনটি ঢাকার প্রাচীনতম মসজিদ?
  1. চকবাজার শাহি মসজিদ
  2. হারানো মসজিদ
  3. তারা মসজিদ
  4. বিনত বিবির মসজিদ
ব্যাখ্যা
ঢাকার প্রথম মসজিদ:
- ‘মসজিদের শহর’ ঢাকা।
- ‘বিনত বিবির মসজিদ’ ঢাকার প্রাচীনতম মসজিদ। 
- বিনত বিবির মসজিদ বাংলাদেশের ঢাকা শহরের পুরানো ঢাকা এলাকায় অবস্থিত একটি মধ্যযুগীয় মসজিদ।
- নারিন্দা পুলের উত্তর দিকে অবস্থিত এই মসজিদটির গায়ে উৎকীর্ণ শিলালিপি অনুসারে ৮৬১ হিজরি সালে, অর্থাৎ ১৪৫৭ খ্রিস্টাব্দে সুলতান নাসিরুদ্দিন মাহমুদ শাহের শাসনামলে মারহামাতের কন্যা মুসাম্মাত বখত বিনত বিবি এটি নির্মাণ করান। 
- ১৪৫৬ খ্রিস্টব্দে ইসলাম খাঁর আগমনের প্রায় দেড়শ বছর আগে বাংলার সুলতান নাসির উদ্দিন মাহমুদের আমলে ঐতিহ্যবাহী এই মসজিদটি নির্মিত হয়।
- বাংলা ১৩৩৭ সালে এ মসজিদটির দ্বিতীয় সংস্করণ করা হয় এবং দ্বিতীয় গম্বুজটি স্থাপন করা হয়।

অন্যদিকে,
- ঢাকার প্রাচীন মসজিদগুলোর মধ্যে চকবাজার শাহি মসজিদ (স্থাপিত : ১৬৭৬ খ্রিস্টাব্দ), বেগমবাজার মসজিদ (স্থাপিত : ১৭০৪ খ্রিস্টাব্দ), তারা মসজিদ (স্থাপিত : ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ), মুসা খাঁর মসজিদ (স্থাপিত : ১৮০০ খ্রিস্টাব্দের শুরুর দিকে) অন্যতম।
- দেশের প্রাচীনতম মসজিদ হারানো মসজিদ। বাংলাদেশে ইসলাম প্রচারের প্রাচীনতম নিদর্শন ৬৯ হিজরিতে সাহাবা আমলে তৈরি ‘হারানো মসজিদ’। রংপুর-কুড়িগ্রাম জাতীয় মহাসড়কের প্রায় ১ কিলোমিটার দক্ষিণে লালমনিরহাট সদর উপজেলার পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নে মসজিদটি অবস্থিত।
- ‘জাতীয় মসজিদখ্যাত’ ‘বায়তুল মোকাররম’ আধুনিক ঢাকার কেন্দ্রস্থলে নির্মিত হয় ২৬ ডিসেম্বর ১৯৬২।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮০৬.
কোন দেশের নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নির্মাণ করেছে?
  1. জাপান
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ফ্রান্স
  4. চীন
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১:
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নির্মাণ করেছে বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের থেলেস এলেনিয়া স্পেস।
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গায়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার রঙের নকশার ওপর ইংরেজিতে লেখা রয়েছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু ১।
- বাংলাদেশ সময় ১১ মে, ২০১৮ তারিখে রাত ২টা ১৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১ মহাকাশে পাঠানো হয়।
- ফ্যালকন ৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে নিয়ে যাত্রা করে নিজস্ব
কক্ষপথে।
- রকেট উৎক্ষেপণের আধা ঘণ্টাখানেক পর স্যাটেলাইটটি কাঙ্ক্ষিত জিওস্টেশনারি ট্রান্সফার অরবিটে
পৌঁছায়।
- এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও ডেটা কমিউনিকেশন সেবা পাওয়া যাবে।
- এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট সদস্য দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো বাংলাদেশ।

তথ্যসূত্র- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১, portal.gov.bd.
৮০৭.
বাংলাদেশের প্রথম উপজাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) রাঙামাটি
  2. খ) খাগড়াছড়ি
  3. গ) বান্দরবান
  4. ঘ) নেত্রকোনা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম উপজাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বা উপজাতীয় কালচারাল একাডেমী বা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি বাংলাদেশের নেত্রকোণা জেলার বিরিশিরিতে অবস্থিত।
৮০৮.
আমার সোনার বাংলা' রবীন্দ্র সংগীতের প্রথম কত পঙ্ক্তি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে স্বীকৃত?
  1. ১০
  2. ১২
  3. ১৪
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংগীত:
- 'আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি' এই গানটির প্রথম ১০ চরন বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গৃহীত।
- এটি প্রথম ১৯০৫ (১৩১২) সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- এই গানের সুরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর স্বয়ং এবং এতে বাউল গগন হরকরার সুরের প্রভাব রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর।
৮০৯.
জমিদারি প্রথা রদে প্রধান ভূমিকা পালন করেন কে?
  1. শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. এ কে ফজলুল হক
  3. খাজা নাজিমুদ্দিন
  4. মাওলানা আব্দুর রশিদ
ব্যাখ্যা
• জমিদারি প্রথা (১৯৫০) রদে প্রধান ভূমিকা পালন করেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক।
- শেরে বাংলা একে ফজলুল হক ১৮৭৩ সালে বরিশাল জেলার রাজাপুর থানার সাতুরিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৩৫ সালে কলকাতার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী (১৯৩৭-৪৩) ছিলেন শেরে বাংলা একে ফজলুল হক।
- পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এবং পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সপ্তম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৮১০.
নিচের কোনটি শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের চিত্রকর্ম?
  1. তিনকন্যা
  2. রায়বেশে নৃত্য
  3. হত্যাযজ্ঞ
  4. নবান্ন
ব্যাখ্যা
নবান্ন হলো শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের একটি বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
তার অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে:
- ম্যাডোনা-৪৩
- সংগ্রাম
- মইটানা
- পইন্যার মা
- মনপুরা ৭০
- দুর্ভিক্ষ
- দ্য রেবেল ক্রো প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
- তিনকন্যা ও রাঁয়বেশে নৃত্য : কামরুল হাসানের চিত্রকর্ম
- হত্যাযজ্ঞ ও চরদখল : এসএম ‍সুলতানের চিত্রকর্ম।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৮১১.
চিকিৎসাবিজ্ঞানে স্বাধীনতা পুরষ্কার ২০২৪ পেয়েছেন কে?
  1. ডা: হরিশংকর দাশ
  2. ডা: মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান
  3. ড. মোবারক আহমদ খান
  4. ডা: মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ বাকী
  5. উপরের কেউ নয়
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১০ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪' প্রদান করা হয়েছে।
- পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।

পুরস্কারপ্রাপ্ত নাগরিক:
১. কাজী আব্দুস সাত্তার: স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ,
২. বীর মুক্তিযোদ্ধা ফ্লাইট সার্জেন্ট মোঃ ফজলুল হক (মরণোত্তর): স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ,
৩. বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ আবু নঈম মোঃ নজিব উদ্দীন খাঁন (খুররম) (মরণোত্তর): স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ,
৪. ড. মোবারক আহমদ খান: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি,
৫. ডা: হরিশংকর দাশ: চিকিৎসাবিদ্যা,
৬. মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান: সংস্কৃতি,
৭. ফিরোজা খাতুন: ক্রীড়া,
৮. অরন্য চিরান: সমাজসেবা/জনসেবা,
৯. বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা: মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ বাকী: সমাজসেবা/জনসেবা,
১০. এস.এম. আব্রাহাম লিংকন: সমাজসেবা/জনসেবা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮১২.
বাংলাদেশ কখন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) এর সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ক) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে
  2. খ) ১৭ আগস্ট, ১৯৭২ সালে
  3. গ) ০৫ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে
  4. ঘ) ২৩ মে, ১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
IMF:
- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা IMF
▪ প্রতিষ্ঠাকাল:- গঠনের সিদ্ধান্ত - ৪ জুলাই, ১৯৪৪ সাল।
▪ আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা/চুক্তি কার্যকর - ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৫ সাল।
▪ কার্যক্রম শুরু:- মার্চ, ১৯৪৭।
▪ প্রতিষ্ঠার স্থান:- নিউ হ্যাম্পশায়ার, যুক্তরাষ্ট্র। 
▪ প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলন:- Bretton Woods Conference.

▪ সদস্য সংখ্যা:- ১৯০টি দেশ (সর্বশেষ - অ্যান্ডোরা; ১৬ অক্টোবর, ২০২০)। 
▪ প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য:- ৪৪টি দেশ। 
▪ সদর দপ্তর:- ওয়াশিংটন ডি. সি, যুক্তরাষ্ট্র। 
▪ বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে - ১৭ আগস্ট, ১৯৭২ সালে।
▪ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।

তথ্যসূত্র: IMF ওয়েবসাইট।
৮১৩.
সম্প্রতি কোন স্থানকে সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ইলোরা অজরা, ভারত
  2. মহেঞ্জদারো, হরোপ্পা, ভারত
  3. মহাস্থানগড়, বাংলাদেশ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী মহাস্থানগড়:
- বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদ বগুড়ার মহাস্থানগড়।
- ২০১৬ সালে মহাস্থানগড় সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিল।
- ২০১৫ সাল থেকে সার্ক কালচারাল সেন্টার সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে কোনো একটি প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী অঞ্চলকে সার্কের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করে আসছে।
- সার্কভুক্ত দেশগুলোর ইংরেজি নামের আদ্যক্ষরের ভিত্তিতে দেশগুলোর স্থান বেছে নেওয়া হচ্ছে। 

উল্লেখ্য,
- সার্ক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র: কলম্বো, শ্রীলংকা।

উৎস: ২৪ নভেম্বর ২০১৬, প্রথম আলো।
৮১৪.
‘আমার বন্ধু রাশেদ’ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চি্ত্রের পরিচালক কে?
  1. ক) চাষী নজরুল ইসলাম
  2. খ) খান আতাউর রহমান
  3. গ) মুহম্মদ জাফর ইকবাল
  4. ঘ) মোরশেদুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

‘আমার বন্ধু রাশেদ’ ২০১১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র। মুহম্মদ জাফর ইকবাল রচিত একই নামের শিশুতোষ উপন্যাস অবলম্বনে বাংলাদেশ সরকারের অনুদানে চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন মোরশেদুল ইসলাম। ১৯৭১ সালে মফস্বল শহরের কয়েকজন কিশোর কীভাবে মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে, তারই কিছু চিত্র ফুঁটে উঠেছে গল্পে। মোরশেদুল ইসলাম কিশোর চলচ্চিত্র দীপু নাম্বার টু (১৯৯৬) এবং খেলাঘর (২০০৬) নামে মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্রও নির্মাণ করেন।
(সুত্রঃ দৈনিক পত্রিকা অনুসারে)

৮১৫.
নিচের কোন সাহিত্যিক সার্ক সাহিত্য পুরস্কার অর্জন করেননি?
  1. সেলিনা হোসেন
  2. ফখরুল আলম
  3. আনিসুজ্জামান
  4. হুমায়ূন আহমেদ
ব্যাখ্যা
- হুমায়ূন আহমেদ সার্ক সাহিত্য পুরস্কার অর্জন করেননি। 

• সার্ক সাহিত্য পুরস্কার:

- সার্ক সাহিত্য পুরস্কার সার্ক লেখক ও সাহিত্য প্রতিষ্ঠান (ফসওয়াল) কর্তৃক প্রবর্তিত বার্ষিক পুরস্কারবিশেষ।
- ২০০১ সাল থেকে অনিয়মিতভাবে এ পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
- বাংলা একাডেমির সভাপতি ও জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান সার্ক সাহিত্য পুরস্কার-২০১৯ অর্জন করেন।
- ২০১৫ সালে সেলিনা হোসেন।
- ২০১২ সালে ফখরুল আলম।
- ২০০১ সালে শামসুর রাহমান এই পুরস্কার অর্জন করেন।

উৎস: প্রথম আলো।
৮১৬.
'এফ আর খান' বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত -
  1. কথাসাহিত্যিক
  2. স্থপতি
  3. রাজনীতিবিদ
  4. অর্থনীতিবিদ
ব্যাখ্যা
এফ আর খান:
- ফজলুর রহমান খান বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত স্থপতি।
- বাংলাদেশি-আমেরিকান বিশ্ববিখ্যাত স্থপতি ও পুরকৌশলী ফজলুর রহমান খান ১৯২৯ সালের ৩ এপ্রিল ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তাদের আদিবাড়ি ছিল মাদারীপুর জেলার শিবচরে।

⇒ তিনি পৃথিবীর অন্যতম উচ্চ ভবন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোর সিয়ার্স টাওয়ারের (বর্তমানে উইলিস টাওয়ার) নকশা প্রণয়ন করেন।
- তাকে বিংশ শতকের শ্রেষ্ঠ প্রকৌশলীদের অন্যতম বলা হয়।
- ১৯৫৫ সালে তিনি শিকাগো শহরের স্কিডমোর, ওউইং ও মেরিল নামের প্রকৌশল প্রতিষ্ঠানে প্রকল্প প্রকৌশলী হিসাবে যোগদান করেন।
- তিনি ১৯৭২ সালে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং নিউজ রেকর্ডে’ ম্যান অব দ্য ইয়ার বিবেচিত হন এবং পাঁচবার স্থাপত্যশিল্পে সবচেয়ে বেশি অবদানকারী ব্যক্তিত্ব হিসাবে অভিহিত হওয়ার গৌরব লাভ করেন।
- ১৯৭৪ সালে আমেরিকার ‘নিউজ উইক’ ম্যাগাজিন শিল্প ও স্থাপত্যের ওপর প্রচ্ছদ কাহিনিতে তাকে মার্কিন স্থাপত্যের শীর্ষে অবস্থানকারী ব্যক্তি হিসাবে বর্ণনা করে।
- তার অন্যান্য অবদানের মধ্যে রয়েছে শিকাগোর জন হ্যানকক সেন্টার, বাদশাহ আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের হজ টার্মিনাল এবং বাদশাহ আব্দুল আজিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য মডেল অঙ্কন।
- তিনি Tube in Tube নামে স্থাপত্য শিল্পের এক নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছিলেন, যার মাধ্যমে অতি উচ্চ (কমপক্ষে একশ তলা) ভবন স্বল্প খরচে নির্মাণ করা সম্ভব।
- ১৯৯৮ সালে শিকাগো শহরের সিয়ার্স টাওয়ারের পাদদেশে অবস্থিত জ্যাকসন সড়ক পশ্চিম পার্শ্ব এবং ফ্রাঙ্কলিন সড়কের দক্ষিণ পার্শ্বের সংযোগস্থলটিকে নামকরণ করা হয় "ফজলুর আর. খান ওয়ে"।
- ১৯৮২ সনের ২৬শে মার্চ জেদ্দায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন৷ 
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৯ সালে তাঁকে মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পদকে’ ভূষিত করে এবং তাঁর স্মরণে স্মারক একটি ডাকটিকিট প্রকাশ করে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) যুগান্তর।
৮১৭.
লাহােরে অনুষ্ঠিত OIC শীর্ষ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু কবে যােগদান করেন?
  1. ২০-২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
  2. ২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
  3. ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
  4. ২৭-২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪
ব্যাখ্যা
• OIC:
- ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা OIC
- OIC এর পূর্ণরুপ - The Organisation of Islamic Cooperation
- এটি ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- OIC এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৭টি।
---------------
১৯৭৪ সালের ২২ - ২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে ইসলামী সম্মেলন সংস্থার (OIC) দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে বাংলাদেশ ওআইসির সদস্যপদ (৩২-তম) লাভ করে।

• ওআইসি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু:
- ১৯৭৪ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ওআইসি মহাসচিবের কাছ থেকে একটি বার্তা এলো বঙ্গবন্ধুর জন্য। আলজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট হুয়ারি বুমেদিন তাঁর বিশেষ বিমান পাঠিয়েছেন বঙ্গবন্ধুকে লাহোরে নিয়ে যাওয়ার জন্য।
- বিমানে আলজেরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বুতেফলিকার নেতৃত্বে আরব পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের একটি দল রয়েছে। দলে কুয়েতের আমিরের বিশেষ দূত হিসেবে আছেন কুয়েতি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁরা বঙ্গবন্ধুকে সঙ্গে করে নিয়ে যেতে চান।

- ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের প্রতিনিধিদল ঢাকা এলো ২২ ফেব্রুয়ারি। বঙ্গবন্ধু আলোচনায় জানালেন, রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ছাড়া বাংলাদেশের পক্ষে লাহোর সম্মেলনে যোগদান সম্ভব নয়। আলাপ-আলোচনার পর প্রতিনিধিদলটি বাংলাদেশের সঙ্গে ঐকমত্যে উপনীত হলো যে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান একই সময়ে একযোগে পারস্পরিক স্বীকৃতি দেবে এবং লাহোর ও ঢাকা থেকে এ ঘোষণা একসঙ্গে প্রচার করা হবে—এটাও সিদ্ধান্ত হলো। ২৩ ফেব্রুয়ারি ওআইসি সম্মেলনে যোগ দিতে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল লাহোর যাবে।

- পরবর্তীতে, ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ তারিখেই পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসাবে স্বীকৃতি প্রদান করে এবং বঙ্গবন্ধু ২৩ ফেব্রুয়ারি সম্মেলনে যোগ দিতে লাহোর যান।
- ২৪ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু ওআইসি সম্মেলনে ভাষণ প্রদান করেন।

উৎস: বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এবং ওআইসি ওয়েবসাইট।
৮১৮.
'জগদ্দল মহাবিহার' কোথায় অবস্থিত?
  1. নাটোর
  2. কুমিল্লা 
  3. বগুড়া 
  4. নওগাঁ 
ব্যাখ্যা

জগদ্দল মহাবিহার:
- জগদ্দল মহাবিহার বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার ধামুরহাট উপজেলায় অবস্থিত। 

⇒ পাল রাজাদের নির্মিত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মগধের বিশালায়তন বিক্রমশীলা মহাবিহার, বিক্রমপুরের বিক্রমপুরী বিহার এবং বরেন্দ্র অঞ্চলের সোমপুর মহাবিহার ও জগদ্দল মহাবিহার বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- জগদ্দল মহাবিহার নির্মাণ করেন সম্ভবত রামপাল (১০৭৭-১১২০)। মদনপালের রাজত্বকালে রচিত সন্ধ্যাকরনন্দীর রামচরিতম গ্রন্থ অনুসারে এ বিহারের অবস্থান বরেন্দ্রীতে। বিভূতি চন্দ্র, দানশীল, মোক্ষকর গুপ্ত ও শুভকর গুপ্তের ন্যায় তিববতের কয়েকজন বিখ্যাত বৌদ্ধ পন্ডিত এ বিহারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- শুভকর গুপ্ত ও অভয়কর গুপ্ত বিক্রমশীলা মহাবিহারের অন্যান্য পন্ডিতসহ ওই  বিহারের ধ্বংসের পর জগদ্দল মহাবিহারে আশ্রয় নিয়েছিলেন বলে মনে করা হয়। এখানে তাঁরা বৌদ্ধধর্ম বিষয়ক বহু সংস্কৃত গ্রন্থ রচনা করেন।
- আইন-ই-আকবর রচয়িতা আবুল ফজল এ স্থানটিকে রমৌতি বলে উল্লেখ করেছেন। প্রাচীন বাংলার ধর্মমঙ্গল কাব্যগুলিতে রামাবতীর উল্লেখ আছে। 
- বর্তমানে স্থানীয় জনগণ এটিকে বটকৃষ্ণ রায় নামক এক জন জমিদারের বাড়ির ধ্বংসাবশেষ বলে মনে করে।

উৎস: i) প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। 
ii) বাংলাপিডিয়া। 

৮১৯.
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ১০০ উইকেট শিকারী বোলার কে?
  1. এনামুল হক জুনিয়র
  2. নাইমুর রহমান
  3. মোহাম্মদ রফিক
  4. আলমগীর কবির
ব্যাখ্যা
টেস্টে প্রথম:
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- প্রথম টেস্ট উইকেট শিকার করেছেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম হাফ সেঞ্চুরি করেন হাবিবুল বাশার।
- প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- প্রথম ৫ উইকেট শিকার করেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম ১০০ উইকেট মোহাম্মদ রফিকের।
- প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।
- একমাত্র ১০ উইকেট’ শিকার করেন এনামুল হক জুনিয়র।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
৮২০.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) টাঙ্গাইল
  2. খ) ময়মনসিংহ
  3. গ) রাঙ্গামাটি
  4. ঘ) কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প ময়মনসিংহে অবস্থিত। এটি ময়মনসিংহ সদর উপজেলার সুতিয়াখালীতে অবস্থিত। কাজ শুরু হয় ২০১৭ সালে। উৎপাদন ক্ষমতা ৫০ মেগাওয়াট। এখানে যৌথভাবে কাজ করছে বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
৮২১.
বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ (সেভেন সামিট) জয় করেন কে?
  1. মুসা ইব্রাহিম
  2. নিশাত মজুমদার
  3. ওয়াসফিয়া নাজরীন
  4. এম এ মুহিত
ব্যাখ্যা

ওয়াসফিয়া নাজরীন:
- এভারেস্ট বিজয়ী পর্বতারোহী ওয়াসফিয়া নাজরীন।
- বাংলাদেশের পর্বতারোহী ওয়াসফিয়া নাজরীন ‘সেভেন সামিট’-এর কৃতিত্ব অর্জন করেন।
- বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় (সেভেন সামিট) করেন ওয়াসফিয়া নাজরীন।
- ২০১২ সালের ২৬ মে তিনি পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেন।
- এর আগে তিনি আফ্রিকার মাউন্ট কিলিমানজারো, এশিয়ার মাউন্ট এভারেস্ট, অ্যান্টার্কটিকার মাউন্ট ভিনসন, ইউরোপের এলব্রুস, উত্তর আমেরিকার মাউন্ট ডেনালি, দক্ষিণ আমেরিকার অ্যাকোংকাগুয়া পর্বতশৃঙ্গ জয় করেন।
- আন্তর্জাতিক মানবতাবাদী গ্রুপ কেয়ার (CARE) এর হয়ে ওয়াসফিয়া নাজরীন কাজ করেছেন।
- তিনি ২০১৪ সালে ন্যাশনাল জিওগ্রাফির বর্ষসেরা অভিযাত্রীর খেতাব পেয়েছেন।

এছাড়াও,
- এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয়ী। তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, বাবর আলী ও ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
- ৬ষ্ঠ: ইকরামুল হাসান শাকিল, ২০২৫ সালের ১৯ মে।

অন্যদিকে,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন।
- তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি।
- তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

উৎস: প্রথম আলো এবং BBC পত্রিকা রিপোর্ট।

৮২২.
অন্নপূর্ণা-১ পর্বতের চূড়া জয়ী প্রথম বাংলাদেশী কে?
  1. খালেদ হোসেন
  2. বাবর আলী
  3. মুসা ইব্রাহীম
  4. আক্তার হোসেন
ব্যাখ্যা

অন্নপূর্ণা-১ পর্বতের চূড়া জয়ী বাংলাদেশী:
- হিমালয় পর্বতমালায় অবস্থিত অন্নপূর্ণা-১।
- এর উচ্চতা ৮০৯১ মিটার।
- অন্নপূর্ণা-১ বিশ্বের দশম সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।
- পর্বতারোহীদের মৃত্যুর হার বিবেচনায় বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক পর্বত হিসেবে পরিচিত।
- প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে অন্নপূর্ণা-১ পর্বতের চূড়া জয় করেছেন বাবর আলী।
- ৭ এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে তিনি এই পর্বতচূড়া জয় করেছেন।
- ২০২৪ সালে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে একই অভিযানে বিশ্বের সর্বোচ্চ উচ্চতার মাউন্ট এভারেস্ট এবং চতুর্থ সর্বোচ্চ উচ্চতার লোৎসে পর্বত জয় করেন তিনি।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

৮২৩.
'মঙ্গল শোভাযাত্রা' কত সালে ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে?
  1. ২০১৮ সালে
  2. ২০১৩ সালে
  3. ২০১৬ সালে
  4. ২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা
ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য: 
- ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ আর সৃষ্টিশীলতাকে লালন করার প্রত্যয়ে ইউনেস্কো ঘোষিত সংস্কৃতি বিষয়ক বিভিন্ন কনভেনশনের আলোকে বিএনসিইউ’র সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়।
- বর্তমানে দেশে ৫টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে।
- এগুলো হলো: বাউলগান (২০০৮), জামদানি বুননশিল্প (২০১৩), মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬) ও শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭) ও ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩)।

উল্লেখ্য,
⇒ পহেলা বৈশাখে মঙ্গল শোভযাত্রা:
- প্রতি বছর বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন অর্থাৎ পহেলা বৈশাখ বাঙালির জীবনে মঙ্গলের আহ্বান আর শুচিতার কামনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে একটি বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা আয়োজন করা হয় যা মঙ্গল শোভাযাত্রা নামে পরিচিত।
- মূলতঃ চারুকলা অনুষদের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্যোগে ও ব্যবস্থাপনায় এই আয়োজন করা হলেও শহরের সকল স্তরের মানুষ এই আনন্দযাত্রায় স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণ করে থাকেন।
- আশির দশকে বন্যা ও সামরিক শাসনের নাগপাশে বিপর্যস্থ জনপদে সৃষ্টিশীল ও গণমুখী প্রতিবাদ গড়ে তোলার মানসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের উদ্যোগে ১৯৮৯ সালের পহেলা বৈশাখ মঙ্গল শোভাযাত্রা (wellbeing procession) আয়োজন করা হয়।
- এর পর থেকে প্রতি বছর বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে বিগত বছরের সকল অমঙ্গল আর গ্লানিকে পিছনে ফেলে আগত বছরের সাফল্য কামনায় বিপুল উৎসাহ আর উদ্দীপনায় এটি উদযাপিত হয়ে আসছে।
- বাঙালি ঐতিহ্যে মঙ্গল শোভাযাত্রার অপরিসীম প্রভাবের স্বীকৃতি হিসেবে ইউনেস্কো ২০১৬ সালে অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত Intergovernmental Committee’র এগারোতম অধিবেশনে পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাজাত্রা-কে Intangible Cultural Heritage of Humanity হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে।

উৎস: বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।
৮২৪.
‘তিনকন্যা’ ও ‘নাইওর’ কোন খ্যাতিমান শিল্পীর চিত্রকর্ম?
  1. এস.এম. সুলতান
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. রফিকুন নবী
  4. কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা

শিল্পী কামরুল হাসান:
- তাঁর প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার নারেঙ্গা গ্রামে।
- কামরুল হাসানের শিক্ষাজীবন কাটে কলকাতায়।
- তিনি কলকাতার মডেল এম ই স্কুল (১৯৩০-৩৫) এবং কলকাতা মাদ্রাসায় (১৯৩৬-৩৭) প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন।
- ১৯৩৮ সালে তিনি কলকাতার গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টস-এ ভর্তি হন এবং ১৯৪৭ সালে চিত্রকলায় স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
- ‘তিনকন্যা’ ও ‘নাইওর’ শিল্পী কামরুল হাসানের বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
- ১৯৮৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৮২৫.
'ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়ন করা'র দ্বায়িত্ব কোন সংস্থার?
  1. ক) BTRC
  2. খ) BRTC
  3. গ) BRTA
  4. ঘ) BSTI
ব্যাখ্যা
 • BRTA:
- মোটরযান অধ্যাদেশ ১৯৮৩  এর মধ্যমে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট  অথরিটি (বিআরটিএ) গঠিত হয় এবং ১৯৮৮ সালের জানুয়ারি থেকে কার্যক্রম শুরু করে।
 
• সেবাসমূহ: 
- মোটরযান নিবন্ধন
- মালিকানা বদলী
- ইঞ্জিন পরিবর্তন
- রং পরিবর্তন
- টায়ার সাইজ(প্রস্থ) পরিবর্তন
- তথ্য সংশোধন
- রেট্রো-রিফ্লেক্টিভ নম্বর প্লেট
- ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট
- ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়ন
- ডোপটেস্ট সংক্রান্ত তথ্য
- ড্রাইভিং ইন্সট্রাক্টর লাইসেন্স
- মোটরযানের ফিটনেস
- ফিটনেস ইস্যু ও নবায়ন
- রুট পারমিট ইস্যু ও নবায়ন

সূত্র: বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট  অথরিটি (বিআরটিএ)।
৮২৬.
বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘বাংলাদেশ জুলাই মেমোরিয়াল প্রাইজ’ পেয়েছে কোন চলচ্চিত্র? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. পারাপার
  2. কুরাক
  3. মুক্তি
  4. রূপকথা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ জুলাই মেমোরিয়াল প্রাইজ:
- ৩০তম বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘বাংলাদেশ জুলাই মেমোরিয়াল প্রাইজ’ পেয়েছে কিরগিজ ভাষার সিনেমা ‘কুরাক।
- ‘কুরাক’ (কিরগিজ ভাষায় প্যাচওয়ার্ক) ফিল্মটি শুরু হয় ২০২০ সালে বিশকেকের নারী বিক্ষোভের দৃশ্য দিয়ে, যেখানে পুরুষদের হামলা ও পুলিশের গ্রেফতারে সমাবেশ ভেঙে যায়। এখান থেকে কাহিনী প্রবাহিত হয়।
- চলচ্চিত্রটি দেখায় কিভাবে ভিন্ন ভিন্ন নারীর কণ্ঠস্বর একত্রে মিলে নিপীড়নের প্রাচীর ভেদ করে গড়ে তোলে ‘বুলন্দ’ বা মহান আওয়াজ।
- ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ আনুষ্ঠানিকভাবে সিনেমার পরিচালক এরকে ঝুমাকমাতোভার হাতে পুরস্কার তুলে দেন সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

উল্লেখ্য,
- সামাজিক ন্যায় বিচার, বাক ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, নাগরিক অধিকার অথবা অসাম্যের বিরুদ্ধে সংগ্রামের বিষয়বস্তুর বিবেচনায় এবং জুলাই গণ–অভ্যুত্থানকে স্মরণীয় করে রাখতে বুসান উৎসবে এ বছর থেকে ‘বাংলাদেশ জুলাই মেমোরিয়াল প্রাইজ’ চালু করেছে বাংলাদেশের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়। 
- পুরস্কারের অর্থমূল্য দক্ষিণ কোরিয়ার মুদ্রায় এক লাখ ওন।
- উৎসবে ভিশন প্রোগ্রামের আওতায় এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

৮২৭.
'বাংলাদেশ লোকশিল্প জাদুঘর' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. নারায়ণগঞ্জ
  3. রাজশাহী
  4. মুন্সিগঞ্জ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ লোকশিল্প জাদুঘর নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত।  

• ১৯৯৬ সালের ১৯ অক্টোবর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ জাদুঘরের শুভ উদ্বোধন করেন।
• শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও এ অবস্থিত।
- ১৯৭৫ সালে জয়নুল আবেদিনের উদ্যোগে সোনারগাঁও এ বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৮১ সালে এখানে উন্মুক্ত প্রাঙ্গনে একটি জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয় যা পরে সর্দার বাড়িতে স্থানান্তর করা হয়।

উৎস: সোনারগাঁও জাদুঘর ওয়েবসাইট। 

৮২৮.
পদ্মা সেতুতে কোন ধরনের রেল ব্যবস্থা বিদ্যমান?
  1. ডুয়েলগেজ
  2. মিটার গেজ
  3. ন্যারো গেজ
  4. ব্রডগেজ সিঙ্গেল লাইন
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:
- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- পদ্মা সেতুর নকশা প্রণয়ন করে AECOM।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- সেতুর প্রস্থ ১৮.১০ মিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার ।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার।
- ২৫ জুন, ২০২২ তারিখে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উল্লেখ্য,
- পদ্মা সেতুতে ব্রডগেজ সিঙ্গেল লাইন রেল ব্যবস্থা বিদ্যমান।

উৎস: i) ২৫ জুন, ২০২২, The Daily Star বাংলা।
         ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।
        iii) রেলপথ মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৮২৯.
গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য-
  1. শিখা চিরন্তন
  2. স্বোপার্জিত স্বাধীনতা
  3. রক্তসোপান
  4. শিখা অনির্বাণ
ব্যাখ্যা
• গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য 'রক্তসোপান'।
- রক্তসোপান (গাজীপুর সদর) গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য।
- এ স্মৃতিস্তম্ভে মহান মুক্তিযুদ্ধে সেনা অর্ডনেন্স কোরের শহীদ ৪৫ জন মুক্তিযোদ্ধার অবদান ও পরিচিতি তুলে ধরা হয়েছে।
- ভাস্কর্যটির নকশাকার অর্ডনেন্স কোরের মেজর শফিকুল মোস্তফা মুনির।
- ২৫০০ বর্গফুট আয়তনের আটকৌণিক বেদিতে এ স্মৃতিস্তম্ভটি স্থাপিত হয়েছে।
- এ স্মৃতিস্তম্ভে মুক্তিযোদ্ধাদের গৌরবগাথা ছাড়াও সবুজ প্রান্তর, ভাষা-আন্দোলন-, মুক্তিযুদ্ধে বিজয়, সাত বীরশ্রেষ্ঠ ইত্যাদি তুলে ধরা হয়েছে।
- রক্তসোপানের মর্মকথায় বলা হয়েছে, ৯টি সিঁড়ি- রক্তক্ষয়ী ৯ মাসের যুদ্ধের প্রতীক;
- মূল চত্বরে সবুজ ঘাস- চিরসবুজ বাংলার প্রতীক;
- পেছনের দেয়ালে লাল রং- ৫২-এর ভাষা-আন্দোলনের রক্তাক্ত দিনের প্রতীক
- ও ৮ ফুট উচ্চতা ৮ই ফাল্গুনকে নির্দেশ করে;
- মাঝের দেয়ালের কালো রং- দুঃসহ দুঃখভরা যুদ্ধের দিনগুলোর নিষ্পেষণের তিক্ত স্মৃতি ও ১১ ফুট উচ্চতা ১১ দফা আন্দোলনকে নির্দেশ করে;
-  সম্মুখের দেয়াল- সাধারণ বিশ্বজনীন শান্তির প্রতীক;
- ১৬ ফুট উচ্চতা ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর অর্জিত বিজয়ের নির্দেশক;
- রক্তিম সূর্য মহান স্বাধীনতা সূচনার প্রতিচ্ছবি;
- ৭টি রশ্মি- অমর ৭ বীর শ্রেষ্ঠের অম্লান স্মৃতির নিদর্শন।
- নিজস্ব সেনা তহবিলে নির্মিত এ স্মৃতিস্তম্ভটি ২০০০ সালের ১৯শে জুলাই সেনাবাহিনী প্রধান লে. জে. মুহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, বীর বিক্রম উদ্বোধন করেন। [মনিরুজ্জামান শাহীন]

উৎস: বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জ্ঞানকোষ ৯ম খণ্ড
৮৩০.
‘থ্রি-জিরো তত্ত্ব’ এর অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. শূন্য দারিদ্র্য
  2. শূন্য দুর্নীতি
  3. শূন্য প্লাস্টিক
  4. খ ও গ
ব্যাখ্যা
শূন্য প্লাস্টিক ও শূন্য দুর্নীতি ‘থ্রি-জিরো তত্ত্ব’–এর অন্তর্ভুক্ত লক্ষ্য।

থ্রি জিরো তত্ত্ব:

- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।

⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
- সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।
- তা অর্জনে প্রয়োজন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা।

⇒ গ্রামীণ ব্যাংক ও ক্ষুদ্রঋণ ধারণার প্রবর্তক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- আর এই অবদানের জন্য তিনি শান্তিতে নোবেল পান ২০০৬ সালে।
- এই ক্ষুদ্রঋণ ধারণার মূল লক্ষ্যই ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব গড়া।

⇒ বাংলাদেশের এই লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে শূন্যে নামিয়ে আনতে হবে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ।
- এই তত্ত্বের ব্যাপারে নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদের ভাষ্য, ‘বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নিজেই দারিদ্র্য সৃষ্টি করে এবং এই ব্যবস্থার অধীনে দারিদ্র্য দূর করা সম্ভব নয়।
- এই লক্ষ্য অর্জনে তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসায়। তার মতে, ভালো চাকরি না খোঁজে উদ্যোক্তা তৈরিতে জোর দিতে হবে।

উৎস: i) Yunus Centre.
ii) দ্য ডেইলি স্টার।
৮৩১.
বাংলা একাডেমির বর্তমান সভাপতি কে? (ডিসেম্বর-২০২৫)
  1. অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ
  2. অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক
  3. অধ্যাপক মুহম্মদ নূরুল হুদা
  4. অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম
ব্যাখ্যা

 • বাংলা একাডেমি:
- বাংলা একাডেমী বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর, ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলা একাডেমীর বর্তমান মহাপরিচালকের নাম- অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম (ডিসেম্বর-২০২৫)।
- বাংলা একাডেমির বর্তমান সভাপতি -অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক (ডিসেম্বর-২০২৫)।
- আবু হোসেন সরকার ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসে (স্থাপিত ১৯০৬) বাংলা একাডেমীর উদ্বোধন করেন।
- প্রথম মহপরিচালক- প্রফেসর মযহারুল ইসলাম।
- বাংলা একাডেমির প্রথম সভাপতি মাওলানা আঁকরাম খাঁ (১৯৬১ সাল)।
- বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া হয় - ১৯৬০ সাল থেকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা একাডেমী ওয়েবসাইট।

৮৩২.
নিচের কোনটির নাম প্রথমে ছিল 'কেল্লা আওরঙ্গবাদ'?
  1. আহসান মঞ্জিল
  2. বড় কাটরা
  3. ছোট কাটরা
  4. লালবাগ দুর্গ
ব্যাখ্যা
লালবাগ দুর্গ: 
- প্রথমে এই কেল্লার নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ।
- এই কেল্লার নকশা করেন শাহ আজম।
- মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- মাত্র এক বছর পরেই দুর্গের নির্মাণকাজ শেষ হবার আগেই মারাঠা বিদ্রোহ দমনের জন্য সম্রাট আওরঙ্গজেব তাকে দিল্লি ডেকে পাঠান।
 এসময় একটি মসজিদ ও দরবার হল নির্মাণের পর দুর্গ নির্মাণের কাজ থেমে যায়।
- নবাব শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে পুনরায় দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- তবে শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর এ দুর্গ অপয়া মনে করা হয় এবং শায়েস্তা খান ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ বন্ধ করে দেন।
- এই পরী বিবির সাথে শাহজাদা আজম শাহের বিয়ে ঠিক হয়েছিল।
- পরী বিবিকে দরবার হল এবং মসজিদের ঠিক মাঝখানে সমাহিত করা হয়।
- শায়েস্তা খাঁ দরবার হলে বসে রাজকাজ পরিচালনা করতেন।
- ১৬৮৮ সালে শায়েস্তা খাঁ অবসর নিয়ে আগ্রা চলে যাবার সময় দুর্গের মালিকানা উত্তরাধিকারীদের দান করে যান।
- শায়েস্তা খাঁ ঢাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার পর নানা কারণে লালবাগ দুর্গের গুরুত্ব কমতে থাকে।

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।
৮৩৩.
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ‘ব্রেন ডেথ’ কোন ব্যক্তির অঙ্গ নিয়ে অঙ্গ প্রতিস্থাপন করা হয়?
  1. ক) সায়েরা ইসলাম
  2. খ) সারাহ ইসলাম
  3. গ) জায়েরা ইসলাম
  4. ঘ) সুফিয়া ইসলাম
ব্যাখ্যা
ব্রেন ডেথ:
• কোনো কারণে (স্ট্রোকস, মস্তিষ্কে আঘাত, মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার বা অন্য কোনো কারণে) যদি আমাদের ব্রেন স্টেমের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়, তখন তাকে বলা হবে ব্রেন ডেথ। 
• বাংলাদেশের প্রথমবারের মতো সারাহ ইসলাম প্রথম ব্যক্তি, যিনি ব্রেন ডেথ থেকে মৃত্যুর আগে নিজের অঙ্গ দান করেন।
• যুক্তরাষ্ট্রে এ ধরনের মৃত্যুকে বলা হয় হোল ব্রেন ডেথ।
• ১৯৮১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে আইনের মাধ্যমে দুই ধরনের মৃত্যুকে সংজ্ঞায়িত করা হয়।
- সারকুলেটরি ডেথ (হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়াবন্ধজনিত মৃত্য)।
- অন্যটি হোল ব্রেন ডেথ (মস্তিষ্কের পুরো কর্মকাণ্ড বন্ধ কিন্তু হৃদ্‌যন্ত্র সচল থাকে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত)।
• ১৯৯৯ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে মানবদেহে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন, ১৯৯৯ জাতীয় সংসদে পাস করা হয়।

উৎস:- দৈনিক প্রথম আলো।
৮৩৪.
বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে ‘সেভেন সামিট’-এর কৃতিত্ব অর্জন করেছেন কে?
  1. ওয়াসফিয়া নাজরিন
  2. ইকরামুল হাসান শাকিল
  3. বাবর আলী
  4. এম এ মুহিত
ব্যাখ্যা

সেভেন সামিট জয়:
- বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে ‘সেভেন সামিট’-এর কৃতিত্ব অর্জন করেছেন ওয়াসফিয়া নাজরিন।
- তিনি সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় (সেভেন সামিট) করেছেন।

⇒ বাংলাদেশ অন সেভেন সামিট কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২০১১ সালে ওয়াসফিয়া তাঁর সেভেন সামিট অভিযান শুরু করেন। 
- ওয়াসফিয়া দ্বিতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে ২০১২ সালের ২৬ মে এভারেস্ট জয় করেন।
- এরপর বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গও জয় (সেভেন সামিট) করেন তিনি।  
- তিনি আফ্রিকার মাউন্ট কিলিমানজারো, এশিয়ার মাউন্ট এভারেস্ট, অ্যান্টার্কটিকার মাউন্ট ভিনসন, ইউরোপের এলব্রুস, উত্তর আমেরিকার মাউন্ট ডেনালি, দক্ষিণ আমেরিকার অ্যাকোংকাগুয়া পর্বতশৃঙ্গ, অস্ট্রেলিয়ার (ওশেনিয়া) সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কারস্তনেজ পিরামিড জয় করেন।

উল্লেখ্য,
- ২০১৫ সালের ১৮ নভেম্বর ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়া অঞ্চল দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার (ওশেনিয়া) সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কারস্তনেজ পিরামিড জয়ের মধ্য দিয়ে সাতটি পর্বত জয়ের কাজটি সম্পন্ন করেন তিনি।
- ১৬ হাজার ২৪ ফুট উচ্চতার কারস্তনেজ পিরামিডের স্থানীয় নাম পুনাক জায়া।
- সেভেন সামিটের অংশ হিসেবে ওশেনিয়া অঞ্চলের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হিসেবে ধরা হয় এটিকে। এটি ছিল সেভেন সামিটের ৭ নম্বর চূড়া জয়।

এছাড়াও,
- ২০২২ সালের ২২ জুলাই প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে তিনি বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কে২-এর চূড়ায় আরোহণ করেন।
- ২০১৪ সালে দুঃসাহসী অভিযানের জন্য ওয়াসফিয়া নাজরীনকে ন্যাশনাল জিওগ্রাফির বর্ষসেরা অভিযাত্রীর খেতাব দেওয়া হয়।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) BBC.

৮৩৫.
বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো কোন সংস্থার নির্বাহী বোর্ডের সভাপতি নির্বাচিত হয়?
  1. ক) UNICEF
  2. খ) UN Women
  3. গ) UN Habitat
  4. ঘ) UNWTO
ব্যাখ্যা
- UN Women'র নির্বাহী বোর্ডের সভাপতি হিসেবে প্রথমবারের মতো নির্বাচিত হয় - বাংলাদেশ।
- জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা ২০২২ সালের জন্য সর্বসম্মতিক্রমে ইউএন ওমেন নির্বাহী বোর্ডের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

তথ্যসূত্র:- প্রথম আলো রিপোর্ট।
৮৩৬.
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মতিউর রহমানের পদবী কী ছিল?
  1. ক) সিপাহী
  2. খ) ফ্লাইট ক্যাপ্টেন
  3. গ) ল্যান্স নায়েক
  4. ঘ) উপরের কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ গণ-
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেঃ মতিউর রহমান
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমান
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ
উৎসঃ বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন
৮৩৭.
২০২৪ সালে নজরুল পুরস্কার লাভ করেন -
  1. অধ্যাপক লাইসা আহমদ লিসা
  2. অধ্যাপক রাজিয়া সুলতানা
  3. অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরী
  4. ক ও গ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

নজরুল পুরস্কার:

- ২০২২ সালে বাংলা একাডেমি নজরুল পুরস্কার চালু করে।

⇒ নজরুল পুরস্কার ২০২৪:
- ২০২৪ সালে নজরুল পুরস্কার লাভ করেন অধ্যাপক রাজিয়া সুলতানা।
- বাংলা একাডেমি নজরুল-সাহিত্যের গবেষণায় অবদানের জন্য অধ্যাপক রাজিয়া সুলতানাকে নজরুল পুরস্কার ২০২৪- এ ভূষিত করেছে।
- ২৩শে মে ২০২৪ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে নজরুল পুরস্কার ২০২৪ প্রদান করা হয়।

অন্যদিকে,
- ২০২৪ সালে রবীন্দ্র পুরস্কার লাভ করেন অধ্যাপক লাইসা আহমদ লিসা ও অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরী।
- বাংলা একাডেমি রবীন্দ্র-সাহিত্যের গবেষণায় অবদানের জন্য অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরীকে এবং রবীন্দ্রসংগীত-চর্চায় অবদানের জন্য অধ্যাপক লাইসা আহমদ লিসাকে রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৪-এ ভূষিত করেছে।

উৎস: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
৮৩৮.
Which Bangladeshi recently received the 'Women in Diplomacy' award?
  1.  Shaheen Anam
  2. Abida Islam
  3. Rabab Fatima
  4. Saida Muna Tasneem
ব্যাখ্যা

• Women in Diplomacy' award :
- যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম 'উইমেন ইন ডিপ্লোমেসি' পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।
- লন্ডনে কর্মরত নারী কূটনীতিকদের পেশাদারিত্ব ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এই সম্মাননা দেওয়া হয়।
-বাংলাদেশ হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম যে ক্যাটাগরিতে সম্মাননা পেয়েছেন, সেটি হচ্ছে—'চ্যাম্পিয়ন ফর উইমেন রাইটস অ্যান্ড জেন্ডার ইকুয়ালিটি'।

অন্যদিকে, 
-  বাংলাদেশে সামাজিক ন্যায়বিচার, অন্তর্ভুক্তি ও লিঙ্গ সমতার ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে রাজা তৃতীয় চার্লস শাহীন আনামকে অনারারি এমবিই খেতাবের জন্য মনোনীত করেছিলেন।

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার বাংলা, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

৮৩৯.
বাংলাদেশ প্রথম জাতিসংঘের কোন সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে?
  1. FAO
  2. ILO
  3. IMO
  4. WHO
ব্যাখ্যা
WHO:
- WHO-এর পূর্ণরূপ: World Health Organization.
- WHO জাতিসংঘের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ এপ্রিল, ১৯৪৮।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক: টেড্রোস আধানম গেব্রেইসাস।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৪টি।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৬১টি দেশ।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলন: জাতিসংঘের উদ্যোগে International Health Conference।

⤇ ২২ জুলাই, ১৯৪৬ সালে অনুষ্ঠিত International Health Conference -তে ৬১টি দেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সনদ স্বাক্ষর করে।
- এর ২ বছর পর আনুষ্ঠানিকভাবে WHO এর যাত্রা শুরু হয়।

⇒ প্রতিবছর ৭ এপ্রিল ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস’ পালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯ মে, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) সদস্যপদ লাভের মাধ্যমে জাতিসংঘ পরিবারের সাথে যুক্ত হয়।

অন্যদিকে -
- বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) এর সদস্যপদ লাভ করে ২২ জুন, ১৯৭২।
- বাংলাদেশ খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এর সদস্যপদ লাভ করে ১৩ নভেম্বর ১৯৭৩।
- বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালে IMO এর সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: WHO ওয়েবসাইট।
৮৪০.
যুক্তরাষ্ট্রের সিয়ার্স টাওয়ারের স্থপতি কোন বাংলাদেশী?
  1. আরিফুর রহমান খান
  2. তাজুল ইসলাম
  3. ফজলুর রহমান খান
  4. নভেরা আহমেদ
ব্যাখ্যা

ফজলুর রহমান খান:
• ফজলুর রহমান খান বিশ্বখ্যাত বাংলাদেশী আমেরিকান স্থপতি ও পুরকৌশলী।
- তিনি পৃথিবীর অন্যতম উচ্চ ভবন শিকাগোর সিয়ার্স টাওয়ার এর নকশা প্রণয়ন করেন।
- তাকে বিংশ শতকের শ্রেষ্ঠ প্রকৌশলীদের মধ্যে অন্যতম বলা হয়।
- বর্তমানে শিকাগোর সিয়ার্স টাওয়ার এর নাম উইলিস টাওয়ার।

উল্লেখ্য,
- ফজলুর রহমান খান ঢাকায় একটি বাঙ্গালী মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর বাবা খান বাহাদুর আবদুর রহমান খাঁ ছিলেন একজন শিক্ষাবিদ।
- তাঁদের আদিবাড়ি ছিল মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার ভাণ্ডারিকান্দি গ্রামে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৮৪১.
চীন বাংলাদেশকে কত সালে স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. ১৯৭৩ সালে 
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশকে স্বীকৃতি:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে মোট ১৫০টি দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে।
- বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে সর্বপ্রথম স্বীকৃতি দেয় ভুটান এবং ভারত।
- উভয় দেশই বাংলাদেশকে ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- অপরদিকে সর্বশেষ দেশ হিসেবে চীন বাংলাদেশকে ১৯৭৫ সালের ৩১ আগস্ট স্বীকৃতি দেয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- একই বছর বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য পদ পায়।

উৎস: i) বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৮৪২.
টাইম ম্যাগাজিনের ‘দ্য ওয়ার্ল্ডস গ্রেটেস্ট প্লেসেস অব ২০২৫’– এ স্থান পাওয়া জেবুন নেসা মসজিদটি কোথায় অবস্থিত? 
  1. আশুলিয়া
  2. টঙ্গী
  3. উত্তরা
  4. ধামরাই
ব্যাখ্যা

জেবুন নেসা মসজিদ: 
- টাইম ম্যাগাজিনের ‘দ্য ওয়ার্ল্ডস গ্রেটেস্ট প্লেসেস অব ২০২৫’– এ স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের জেবুন নেসা মসজিদ। 
- সাভারের আশুলিয়ার জামগড়ার দরগার পাড় এলাকায় অবস্থিত জেবুন নেসা মসজিদ।
- এটি নকশা করেছেন স্থপতি সায়কা ইকবাল।
- ২০২৩ সালে স্টুডিও মরফোজেনেসিস-এর মাধ্যমে নির্মিত মসজিদটি ৬০৬০ বর্গফুট জায়গাজুড়ে বিস্তৃৃত।
- মসজিদটি মূলত আইডিএস গ্রুপের তৈরি পোশাক কারখানার প্রায় সাড়ে ছয় হাজার কর্মীর নামাজের জন্য বানানো।
- তবে অন্যরাও সেখানে নামাজ পড়তে পারেন।
- জেবুন নেসা মসজিদে নারী-পুরুষ উভয়েরই প্রবেশাধিকার আছে।
- নারীদের নামাজ আদায়ের জন্য আছে আলাদা স্থান।

উল্লেখ্য,
- ২০১৮ সাল থেকে টাইম ম্যাগাজিন প্রতিবছর বিশ্বের ১০০টি স্থাপনাকে ‘দ্য ওয়ার্ল্ডস গ্রেটেস্ট প্লেসেস’ হিসেবে ঘোষণা করছে।
- প্রথমবারের মতো এই বছর কোনো বাংলাদেশি স্থাপনা তালিকায় স্থান পেয়েছে।

তথ্যসূত্র: নিউজ রিপোর্ট। [link]

৮৪৩.
বর্তমানে বাংলাদেশে কূটনৈতিক ক্ষেত্রে অবদানের জন্য দেওয়া পুরস্কারের নাম কী?
  1. বাংলাদেশ কূটনীতি পুরস্কার
  2. বাংলাদেশ মেডেল ফর ডিপ্লোমেটিক এক্সিলেন্স
  3. জাতীয় ডিপ্লোমেটিক অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স
  4. বাংলাদেশ মেডেল ফর ইন্ডিপেন্ডেন্স অ্যাওয়ার্ড
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ মেডেল ফর ডিপ্লোমেটিক এক্সিলেন্স:
- কূটনৈতিক ক্ষেত্রে অবদানের জন্য দেওয়া পুরস্কারের বর্তমান নাম বাংলাদেশ মেডেল ফর ডিপ্লোমেটিক এক্সিলেন্স।
- ২০২৫ সালে বাংলাদেশ মেডেল ফর ডিপ্লোমেটিক এক্সিলেন্স পেলেন সৌদি রাষ্ট্রদূত।
- বাংলাদেশ সরকার "বাংলাদেশ মেডেল ফর ডিপ্লোমেটিক এক্সিলেন্স" (Bangladesh Medal for Diplomatic Excellence) প্রদান করেছে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ঈসা ইউসুফ ঈসা আলদুহাইলানকে।
- তিনি বাংলাদেশ-সৌদি আরব দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে অভূতপূর্ব উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘস্থায়ী অবদান রেখেছেন।
- এই স্বীকৃতি বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক - এবং সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে তার ভূমিকার স্বীকৃতি স্বরূপ প্রদান করা হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।[লিঙ্ক]

৮৪৪.
বাংলাদেশে কুমির প্রজনন কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) চকোরিয়া
  2. খ) করমজল
  3. গ) ডুলাহাজরা
  4. ঘ) ফকিরহাট
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে কুমির প্রজনন কেন্দ্র - সুন্দরবনের করমজলে।
- বাংলাদেশে হরিণ প্রজনন কেন্দ্র - ডুলাহাজরা, চকোরিয়া, কক্সবাজার।
- বাংলাদেশে মহিষ প্রজনন কেন্দ্র - ফকিরহাট, বাগেরহাট।
- বাংলাদেশে গরুর প্রজনন কেন্দ্র - সাভার, ঢাকা।
- বাংলাদেশের ছাগল প্রজনন কেন্দ্র - টিলাগড়, সিলেট।
- বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র - ডুলাহাজরা, কক্সবাজার।

৮৪৫.
১২ তম ব্রিকস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে-
  1. ক) ব্রাজিল
  2. খ) ভারত
  3. গ) রাশিয়া
  4. ঘ) চীন
ব্যাখ্যা
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ডিসেম্বর ২০১৯।
৮৪৬.
নিম্নের কোন মসজিদটি সুলতানি আমলের নিদর্শন নয়?
  1. ছোট সোনা মসজিদ
  2. সাত গম্বুজ মসজিদ
  3. কুসুম্বা মসজিদ
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সাত গম্বুজ মসজিদ সুলতানি আমলের নিদর্শন নয়। এটি মুঘল আমলের নিদর্শন। 

• ছোট সোনা মসজিদ:

- ছোট সোনা মসজিদ 'সুলতানি স্থাপত্যের রত্ন' বলে আখ্যায়িত।
- মধ্যযুগের সুলতানি আমলের গৌড়নগরীর এক ঐতিহাসিক স্থাপনা ছোট সোনামসজিদ।
- মসজিদটিকে বলা হতো ‘গৌড়ের রত্ন’।
- চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রাচীন ঐতিহ্যের প্রধানতম নিদর্শন হচ্ছে ছোট সোনামসজিদ।
- মধ্যযুগে বাংলার স্বাধীন সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের রাজত্বকালে (১৪৯৩-১৫১৯) নির্মিত হয় সোনামসজিদ।

কুসুম্বা মসজিদ:
- নওগাঁর মান্দা উপজেলায় ঐতিহাসিক কুসুম্বা মসজিদের অবস্থান।
- মসজিদটি ধরে রেখেছে সুলতানি আমলের অনন্য নিদর্শন।
- এর মিহরাবের ওপর সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহর নাম লিপিবদ্ধ করা।
- ধারণা করা হয়, তাঁর শাসনামলে মসজিদটি নির্মিত।

অন্যদিকে,
• সাত গম্বুজ মসজিদ:
- সাত গম্বুজ মসজিদ ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত।
- এটি মুঘল আমলে নির্মিত একটি মসজিদ।
- এই মসজিদটি চারটি মিনারসহ সাতটি গম্বুজের কারনে মসজিদের নাম হয়েছে 'সাত গম্বুজ মসজিদ'।
- এর নির্মাতা মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খান।
- ১৬৮০ খ্রিস্টাব্দে তিনি এটি নির্মাণ করেন।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮৪৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জাতীয় পতাকার কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩
  2. অনুচ্ছেদ ৪
  3. অনুচ্ছেদ ৫
  4. অনুচ্ছেদ ৬
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা সম্পর্কে প্রয়োজনীয় কিছু তথ্য:
- শিল্পী কামরুল হাসান বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার।
- ১৯৭২ সালে কামরুল হাসান সবুজের মাঝে লাল বৃত্তের জাতীয় পতাকার নকশা করেন।
- ২ মার্চ, ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্র জনতার সমাবেশে তৎকালীন ঢাকসুর ভিপি আ.স.ম আব্দুর রব স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেছিল।
- সংবিধানের ৪ নং অনুচ্ছেদের জাতীয় পতাকার কথা বলা হয়েছে।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার অনুপাত- ১০ : ৬।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া। 
৮৪৮.
কার্জন হল কী হিসেবে নির্মিত হয়েছিল?
  1. ক) যাদুঘর
  2. খ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
  3. গ) ধর্মীয় স্থাপনা
  4. ঘ) টাউন হল
ব্যাখ্যা
কার্জন হল-
- ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জনের নামানুসারে এ ভবনটি টাউন হল হিসেবে নির্মিত হয়েছিল।
- ১৯০৪ সালে  লর্ড কার্জন এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ হলে এটি  ঢাকা কলেজ ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হতে থাকে। পরে ১৯২১ সালে  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে এ ভবন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হতে শুরু করে এবং এখনও এভাবেই চলছে।
- ১৯৪৮ সালে এখানেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রগণ তদানীন্তন পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে উর্দু এতদসংক্রান্ত জিন্নাহর ঘোষণার প্রতি প্রথম প্রতিবাদ জানিয়েছিল। 
- কার্জন হল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের অংশ হিসাবে ব্যবহার করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৮৪৯.
বাংলাদেশ বেতারের কয়টি আঞ্চলিক কেন্দ্র রয়েছে?
  1. ৭টি
  2. ৯টি
  3. ১১টি
  4. ১৪টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বেতার:
- বাংলাদেশে প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু হয় ১৯৩৯ সালে ১৬ই ডিসেম্বর।
- ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডে দুটি স্টুডিও নিয়ে এর যাত্রা শুরু হয়।
- বাংলাদেশ বেতারের প্রথম নামকরণ করা হয় 'ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র'।
- ১৯৮৩ সালের ৩০ জুলাই ঢাকাস্থ শের-ই-বাংলা নগরে বর্তমান অত্যাধুনিক পূর্ণাঙ্গ জাতীয় বেতার ভবনে ঢাকা প্রচার কেন্দ্র স্থানান্তরিত হলে শাহবাগের সাবেক প্রচার ভবনটি বাংলাদেশ বেতারের সদর দপ্তরে রূপান্তরিত হয়।
- বাংলাদেশ বেতারের ১৪টি আঞ্চলিক কেন্দ্র রয়েছে।
- এই ১৪টি কেন্দ্র ও ৬টি ইউনিট হতে দৈনিক অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে।
- এছাড়া বাংলাদেশ বেতারের ওয়েবসাইট ও বাংলাদেশ বেতার অ্যাপস্ এর মাধ্যমে ১৪টি কেন্দ্রের ৩০টি চ্যানেলের অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ বেতার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৮৫০.
দেশে চতুর্থ সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন করা হবে কত সালে?
  1. ২০২৫ সালে
  2. ২০২৮ সালে
  3. ২০৩৩ সালে
  4. ২০৩৫ সালে
ব্যাখ্যা
সাবমেরিন ক্যাবল
• দেশের তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপিত হবে- কক্সবাজারে।
•  দেশের তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন SEA-ME-WE-6 এর সাথে সংযুক্ত হবে।
•  এটি বাস্তবায়িত হবে ২০২৪ সালে।
• এর আগে ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখে দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন SEA-ME-WE-5 এর সাথে সংযুক্ত হয়।
• ২০০৬ সালে বাংলাদেশ প্রথম সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন SEA- ME-WE-SEA-ME-WE-4 এর সাথে সংযুক্ত হয়।
• SEA-ME-WE এর পূর্নরূপ South East Asia-Middle East- Western Europe)
• দেশে ক্রমবর্ধমান ব্যান্ডউইডথ চাহিদা মেটাতে ২০২৮ সাল নাগাদ চতুর্থ সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন প্রকল্প ।
• ২০৩৩ সাল নাগাদ পঞ্চম সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে।
• দেশের টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি সেবার ব্যাকবোন নির্মাণে ভূগর্ভস্থ অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল নেটওয়ার্কের বিস্তৃতি ৩৯ হাজার ২০০ কিলোমিটারে উন্নীত হয়েছে। 

সূত্র- প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৮৫১.
খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এর হিসাব মতে, ধান উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. চতুর্থ
  2. তৃতীয়
  3. দ্বিতীয়
  4. প্রথম
ব্যাখ্যা
ধান উৎপাদন:
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এর হিসাব মতে, ধান উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষ দেশ চীন।
- দেশটি বিশ্বের মোট উৎপাদনের প্রায় ৩০% ধান উৎপাদন করে, যার পরিমাণ ১৪.৮৫ কোটি টন।
- ধান উৎপাদনে ২য় স্থানে রয়েছে ভারত।
- ধান উৎপাদনে ৩য় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৮৫২.
কোন পণ্যটি প্রথম বাংলাদেশী জি আই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করে?
  1. ইলিশ মাছ
  2. কালিজিরা ধান
  3. ফজলি আম
  4. জামদানি শাড়ি
ব্যাখ্যা

জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- জাতিসংঘের সংস্থা WIPO (World Intellectual Property Organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- ভৌগোলিক নির্দেশক (Geographical indication) হচ্ছে একটি প্রতীক বা চিহ্ন, যা পণ্য ও সেবার উৎস, গুণাগুণ ও সুনাম ধারণ এবং প্রচার করে।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্য জামদানি শাড়ি। জামদানি শাড়ি জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় ২০১৬ সালে।

অন্যদিকে,
- ইলিশ মাছ জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় ২০১৭ সালে। 

উৎস: i) পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। 
ii) প্রথম আলো।

৮৫৩.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোন পত্রিকায় কিছুদিন কাজ করেন?
  1. ইত্তেফাক
  2. আজাদ
  3. মিল্লাত
  4. মর্নিং নিউজ
ব্যাখ্যা

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান:
- ১৯৪৭ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গোপালগঞ্জ মিশনারী স্কুল থেকে বি.এ পাশ করেন।
- ১৯৪২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গোপালগঞ্জ মিশনারী স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাশ করেন।
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার ইসলামিয়া কলেজ থেকে আই.এ পাশ করেন।
- বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পিতা শেখ লুৎফর রহমান।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের সাথে তাদের দাবি আদায়ের পক্ষে আন্দোলন করার জন্যে ১৯৪৯ সালে বঙ্গবন্ধুকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিস্কার করা হয়।
- ১৯৫৩ সালে শেখ মুজিব পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত এ পদে বহাল ছিলেন। ১৯৬৬ সালেই তিনি দলের সভাপতি হন।
- ১৯৬৬ সালে তিনি তাঁর বিখ্যাত ছয়দফা কর্মসূচী ঘোষণা করেন।
- বঙ্গবন্ধু দৈনিক মিল্লাত এবং ইত্তেহাদ পত্রিকায় কাজ করেছেন।

তথ্যসূত্র:
১. বাংলাপিডিয়া।
২. অসমাপ্ত আত্মজীবনী
৩. যুগান্তর [লিংক]

৮৫৪.
'স্বোপার্জিত স্বাধীনতা' ভাস্কর্যটির স্থপতি কে?
  1. আবদুর রাজ্জাক
  2. শামীম শিকদার
  3. সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ
  4. মাইনুল হোসেন
ব্যাখ্যা
স্বোপার্জিত স্বাধীনতা:
- স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির সামনের সড়কের মোড়ে অবস্থিত।
- ভাস্কর্যটির স্থপতি: শামীম শিকদার।
- ভাস্কর্য কর্মে সহায়তা করেন হিমাংশু রায় ও আনোয়ার চৌধুরী।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই ভাস্কর্যটি।
- ১৯৮৮ সালের ২৫ মার্চ তারিখে, অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক এ ভাস্কর্যটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

উল্লেখ্য,
- শামীম শিকদার ২০০০ সালে একুশে পদক অর্জন করেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮৫৫.
এখন অব্দি কতজন বাংলাদেশী ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়েছেন? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬ জন
ব্যাখ্যা

ইংলিশ চ্যানেল:
- ইংলিশ চ্যানেল আটলান্টিক মহাসাগরের একটি অংশ।
- এটি উত্তর ফ্রান্স থেকে গ্রেট ব্রিটেনের দ্বীপকে পৃথক করে।
- এই চ্যানেল উত্তর সাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে।

⇒ ডিসেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত সর্বমোট পাঁচজন বাংলাদেশী ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়েছেন। 
-  ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমকারী প্রথম এশীয় সাঁতারু ব্রজেন দাস। ১৯৫৮ থেকে ১৯৬১ সালের মধ্যে মোট ছয়বার চ্যানেলটি অতিক্রম করেন তিনি।
- এরপর ১৯৬৫ সালে আবদুল মালেক ও ১৯৮৭ সালে মোশাররফ হোসেন ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেন।
- সম্প্রতি  ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়েছে বাংলাদেশের দুই ব্যক্তি দুই সাঁতারু নাজমুল হক হিমেল ও মাহফিজুর রহমান সাগর। দীর্ঘ ৩৭ বছর পর ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়েছেন বাংলাদেশের এই দুই সাঁতারু। ২৯ জুলাই, ২০২৫ তারিখে ১২ ঘণ্টা ১০ মিনিট সাঁতরিয়ে তারা ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেন।

উৎস: i) The Daily Star Bangla.
ii) Britannica.

৮৫৬.
বাংলাদেশ ওয়ানডে ক্রিকেট খেলার মর্যাদা লাভ করে-
  1. ১১ জুন, ১৯৯৭
  2. ১৩ জুন, ৯৯৭
  3. ১৫ জুন, ১৯৯৭
  4. ১৭ জুন, ১৯৯৭
ব্যাখ্যা
♦ বাংলাদেশ ক্রিকেটঃ
- বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বপ্রথম আত্মপ্রকাশ করে ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফিতে অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে।
-  টুর্নামেন্টে ৪ ম্যাচের ২ টি ম্যাচে তারা জয়লাভ করে এবং বাকি ২ টি ম্যাচে পরাজয় বরণ করে।
- এর সাত বছর পর ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ এশিয়া কাপে ক্রিকেটে তারা তাদের সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচটি খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে।
-  ১৫ জুন ,১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ আইসিসি ট্রফি জেতে এবং এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়।
- বিশ্বকাপে তারা পাকিস্তান এবং স্কটল্যান্ডকে পরাজিত করে।
- ১৯৯৭ সাল থেকে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আইসিসি ওয়ানডে খেলুড়ে দেশ হিসেবে ওয়ানডে খেলে আসছে।
- ২০০০ সালের ২৬ জুন তারা দশম টেস্ট খেলুড়ে দেশ হিসেবে আইসিসি'র সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস- বিসিবি ওয়েবসাইট।
৮৫৭.
’শালবন বিহার’ কোথায় অবস্থিত?
  1. নওগাঁ জেলা
  2. কুমিল্লা জেলা
  3. বগুড়া জেলা
  4. রাজশাহী জেলা
ব্যাখ্যা
• শালবন বিহার:
- কুমিল্লার ময়নামতিতে খননকৃত সব প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে শালবন বিহার অন্যতম প্রধান।
- কোটবাড়িতে বার্ডেরকাছে লালমাই পাহাড়ের মাঝামাঝি এলাকায় এ বিহারটির অবস্থান।
- বিহারটির আশপাশে এক সময় শাল-গজারির ঘন বন ছিল বলে এ বিহারটির নামকরণ হয়েছিল শালবন বিহার।
- এ বিহারটি পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের মতো হলেও আকারে ছোট।
- ধারণা করা হয় যে খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতাব্দীর শেষ থেকে অষ্টম শতাব্দীর প্রথম ভাগে দেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব এ বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, ঢাকা জেলা।
৮৫৮.
বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে এবং টেস্ট সিরিজ জয় করে কোন দেশের বিপক্ষে?
  1. পাকিস্তান
  2. দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. ভারত
  4. জিম্বাবুয়ে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে এবং টেস্ট সিরিজ জয় করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

বাংলাদেশ ক্রিকেট দল:
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিক আইসিসি ট্রফি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করে।

⇒ ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল:
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিক আইসিসি ট্রফি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করে।
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ এশিয়া কাপে।
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় ১৯৯৭ সালে।
- প্রথম বিশ্বকাপ আসরে খেলার সুযোগ পায় ১৯৯৯ সালে।
- ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু।
- একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয় কেনিয়ার বিপক্ষে ১৭ মে, ১৯৯৮ সালে।
- প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয় লাভ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২০০৫ সালে।

⇒ টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল:
- টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে: ২০০০ সালে।
- সর্বপ্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ২০০০ সালের ১০ই নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম টেস্ট জয় পায় ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেন মুশফিকুর রহিম।
- টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।
৮৫৯.
২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্সের অর্থ প্রেরণ করে -
  1. ক) আরব আমিরাত
  2. খ) সৌদি আরব
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
• প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের সিংহভাগই আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ থেকে।
• ২০২১-২২ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহের মধ্যে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে - সৌদি আরব থেকে।
• দ্বিতীয় - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,
• তৃতীয় - যুক্তরাজ্য।
• ইউরােপিয়ান দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে - যুক্তরাজ্য।
• ২০২২ (ফেব্রুয়ারি) সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২,০২,২৬৭ জনকে প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
• সবচেয়ে বেশি জনশক্তি প্রেরণ করা হয় - সৌদি আরব (১,২৭,১৮৭ জন যা মােট অভিবাসনের ৭৪.০৮%),
• দ্বিতীয় – সংযুক্ত আরব আমিরাতে (২৭,৪৭০ জন)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
৮৬০.
বাংলাদেশের নৌবাহিনীর প্রতীক কী?
  1. ক) বলাকা
  2. খ) শাপলা
  3. গ) কাছিবেষ্টিত নোঙর
  4. ঘ) রণতরী
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের নৌবাহিনীর প্রতীক কাছিবেষ্টিত নোঙর।
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
- স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় কিছু সংখ্যক নাবিক ও তরূণ মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে গড়ে তোলা হয় নৌ কমান্ডো দল। 
- মাত্র ২টি গান বোট ‘‘পদ্মা’’ ও ‘‘পলাশ’’ এর প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ এবং তাদের দ্বারা পরিচালিত অপারেশানসমূহ বাংলাদেশের সবাধীনতা অর্জনকে ত্বরান্বিত করে।
উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮৬১.
'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১' কোন দেশ থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়?
  1. রাশিয়া
  2. বাংলাদেশ
  3. চীন
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১:

- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নির্মাণ করেছে বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের থেলেস এলেনিয়া স্পেস।
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গায়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার রঙের নকশার ওপর ইংরেজিতে লেখা রয়েছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু ১।
- বাংলাদেশ সময় ১১ মে, ২০১৮ তারিখে রাত ২টা ১৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১ মহাকাশে পাঠানো হয়।
- ফ্যালকন ৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে নিয়ে যাত্রা করে নিজস্ব কক্ষপথে।
- রকেট উৎক্ষেপণের আধা ঘণ্টাখানেক পর স্যাটেলাইটটি কাঙ্ক্ষিত জিওস্টেশনারি ট্রান্সফার অরবিটে পৌঁছায়।
- এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও ডেটা কমিউনিকেশন সেবা পাওয়া যাবে।
- এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট সদস্য দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো বাংলাদেশ।

তথ্যসূত্র- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১, portal.gov.bd.
৮৬২.
বাংলাদেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর-
  1. সোনা মসজিদ
  2. চট্টগ্রাম
  3. বেনাপোল
  4. হিলি
ব্যাখ্যা
• দেশের প্রধান ও বৃহত্তম স্থলবন্দর — বেনাপোল যশোর জেলায় অবস্থিত।
• ২য় বৃহত্তম স্থলবন্দর হলো দিনাজপুরের — হিলি স্থলবন্দর।
------------------------------------- 
বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ:  
— স্থলপথে পণ্য আমদানি-রপ্তানি সহজতর এবং উন্নতর করাই বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য।
— বর্তমানে স্থলবন্দরের মোট সংখ্যা — ২৪টি এবং চালুকৃত বন্দরের সংখ্যা — ১৬ টি।
— ১৬টি স্থলবন্দরের মধ্যে ১১টি স্থলবন্দর — বেনাপোল, ভোমরা, আখাউড়া, বুড়িমারী, নাকুগাঁও, তামাবিল, সোনাহাট, গোবড়াকুড়া-কড়ইতলী, বিলোনিয়া, শেওলা ও ধানুয়াকামালপুর স্থলবন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের (বাস্থবক) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে এবং সোনামসজিদ, হিলি, টেকনাফ, বাংলাবান্ধা ও বিবিরবাজার এই ৫টি স্থলবন্দর — BOT ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।
— এছাড়া রামগড় ও বাল্লা এই ২টি স্থলবন্দর চালুর জন্য অপেক্ষাধীন রয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০২৪।
৮৬৩.
বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্ট শিখরে পা রাখেন কে?
  1. নুজহাত আফরীন
  2. ওয়াসফিয়া নাজরীন
  3. ফাতেমা হক
  4. নিশাত মজুমদার
ব্যাখ্যা
এভারেস্ট জয়ী নারী:
- বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে আরোহণ করেছেন নিশাত মজুমদার।
- ২০১২ সালের ১৯ মে শনিবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ন’টার সময় তিনি এভারেস্ট শিখরে পা রাখেন।
- নিশাত মজুমদার ও সেই সঙ্গে আর এক বাংলাদেশী এম এ মুহিতের এভারেস্ট শীর্ষে আরোহণ করেন।
- ২০১০ সালের ২৩শে মে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম।
- তবে বাংলাদেশের কোনও মহিলা হিসেবে প্রথম সেই কৃতিত্বের অধিকারিণী হলেন নিশাত মজুমদার।
- এভারেস্টজয়ী নিশাত মজুমদার এর আগে ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে হিমালয়ের মেরা পর্বতশৃঙ্গ (২১ হাজার ৮৩০ ফুট) জয় করেন।

তথ্যসূত্র - বিবিসি নিউজ বাংলা, ১৯ মে ২০১২।
৮৬৪.
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শিলাইদহ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. যশোর
  3. কুমিল্লা 
  4. কুষ্টিয়া 
ব্যাখ্যা

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শিলাইদহ:
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শিলাইদহ কুষ্টিয়া জেলায় অবস্থিত।

⇒ শিলাইদহ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শিলাইদহ কুঠিবাড়ি।
- কুষ্টিয়া শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার উত্তর পূর্বে কুমারখালি উপজেলার অর্ন্তগত শিলাইদহ ইউনিয়নের খোরেশদপুর কুঠিবাড়ি অবস্হিত ।
- রবীন্দ্রনাথের দাদা প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর ১৮০৭ সালে এ অঞ্চলের জমিদারি পান।
- পরবর্তিতে ১৮৮৯ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এখানে জমিদার হয়ে আসেন।
- এখানে তিনি ১৯০১ সাল পর্যন্ত জমিদারী পরিচালনা করেন। এ সময় এখানে বসেই তিনি রচনা করেন তার বিখ্যাত গ্রন্থ সোনার তরী, চিত্রা, চৈতালী, ইত্যাদি, গীতাঞ্জলী কাব্যের অনুবাদ কাজও শুরু করেন।

⇒ ১৯৫৮ সাল থেকে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের ব্যবস্হাপনায় শিলাইদহ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়িটি গৌরবময় স্মৃতিরূপে সংরক্ষিত আছে।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর কুঠিবাড়িটি গুরুত্ব অনুধাবন করে কবির বিভিন্ন শিল্পকর্ম সংগ্রহপূর্বক একে একটি জাদুঘর হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- জাদুঘরের নীচ ও দ্বিতীয় তলায় ১৬টি কক্ষেই কবি রবীন্দ্রনাথ, শিল্পী রবীন্দ্রনাথ, জমিদার রবীন্দ্রনাথ, কৃষক বন্ধু রবীন্দ্রনাথ অর্থাৎ নানা বয়সের বিচিত্র ভঙ্গির রবীন্দ্রনাথের ছবি। বাল্যকাল থেকে মৃতু্শয্যার ছবি পর্যন্ত সংরক্ষিত আছে।
- তাছাড়াও রয়েছে শিল্পকর্ম এবং তাঁর ব্যবহার্য আসবাবপত্র দিয়ে পরিপাটি দিয়ে সাজানো ।

উৎস: প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।

৮৬৫.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী দ্বিতীয় দেশ কোনটি?
  1. ক) ভারত
  2. খ) ভুটান
  3. গ) মালয়েশিয়া
  4. ঘ) সেনেগাল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী দ্বিতীয় দেশ:
- ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর প্রথম দেশ হিসেবে ভুটান।
- দ্বিতীয় দেশ হিসেবে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।

- বিশ্বের তৃতীয় দেশ ও প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে পূর্ব জার্মানি ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
ওই একইদিনে চতুর্থ দেশ হিসেবে বুলগেরিয়া বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- পোল্যান্ড বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি।

- প্রথম মুসলিম ও আফ্রিকান দেশ হিসেবে সেনেগাল স্বীকৃতি দেয় ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২।
- প্রথম উত্তর আমেরিকান দেশ হিসেবে বার্বাডোস স্বীকৃতি দেয় ২০ জানুয়ারি ১৯৭২।

সূত্র: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া, বাংলাদেশ প্রতিদিন এবং নিউইর্য়ক টাইমস আর্কাইভস।
৮৬৬.
বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) কোথায় অবস্থিত?
  1. সাভার
  2. গাজীপুর
  3. ধামরাই
  4. যাত্রাবাড়ী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি): 
- বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) দেশের একমাত্র ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেখানে খেলাধুলার সাথে সাধারণ শিক্ষার সমন্বিত কার্যক্রম রয়েছে।
- ক্রীড়ার মানোন্নয়ন, উদীয়মান ও প্রতিভাবান শিশু-কিশোর-তরুণ ক্রীড়াবিদদের নিবিড় প্রশিক্ষণ প্রদানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলা হয়।
- ক্রীড়াকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপদান এবং আধুনিক ও যথোপযোগী প্রশিক্ষণ দানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৪ সালে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীনে প্রকল্প আকারে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব স্পোর্টস (বিআইএস) প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করে।
- ১৯৭৬ সালে এ প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৮৩ সালে এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে এর নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) রাখা হয়।
- ১৯৮৬ সাল থেকে এ প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয়।
- রাজধানী ঢাকা থেকে ৫০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সাভারের জিরানীতে ১১৯ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৮৬৭.
১৯৪৩ সালের বাংলার ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের ছবি সম্বলিত চিত্রকর্ম কোনটি?
  1. ক) মনপুরা-৭০
  2. খ) ম্যাডোনা-৪৩
  3. গ) সংগ্রাম
  4. ঘ) দুর্ভিক্ষ-৪৩
ব্যাখ্যা
ম্যাডোনো ৪৩ জয়নুল আবেদিনের চিত্রকর্ম। তার বিখ্যাত চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে দুর্ভিক্ষ-চিত্রমালা, সংগ্রাম, সাঁওতাল রমণী, ঝড়, কাক, বিদ্রোহী ইত্যাদি। ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দে গ্রামবাংলার উৎসব নিয়ে আঁকেন তার বিখ্যাত ৬৫ ফুট দীর্ঘ ছবি নবান্ন।
৮৬৮.
কোনটি নদী বন্দর নয়?
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. বাঘাবাড়ি
  3. বেনাপোল
  4. চাঁদপুর
ব্যাখ্যা
বেনাপোল স্থলবন্দর: 
- বেনাপোল স্থলবন্দর যশোর জেলার শার্শা উপজেলার বেনাপোল শহরে অবস্থিত বাংলাদেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর।
- এই বন্দরটি বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতের সাথে রপ্তানি-আমদানি করতে ব্যবহৃত হয়।
- এই বন্দরটি বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ দ্বারা পরিচালিত।

এছাড়া,
- ১৯৮৩ সালে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলায় বড়াল নদীর তীরে স্থাপিত হয়েছে বাঘাবাড়ি নদী বন্দর। 
- চাঁদপুর বন্দর বাংলাদেশের একটি প্রাচীন নদীবন্দর। 
- নারায়ণগঞ্জ বন্দর বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জের একটি নদী বন্দর । 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৮৬৯.
বাংলাদেশ ওয়ানডে ক্রিকেটে প্রথম জয় পায় কোন দলের বিপক্ষে?
  1. পাকিস্তান
  2. কেনিয়া
  3. জিম্বাবুয়ে
  4. স্কটল্যান্ড
ব্যাখ্যা

ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- আইসিসি ট্রফি জয় করে: ১৯৯৭ সালে।
- ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে: ১৯৯৭ সালে।
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে।
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে: ৩১ মার্চ, ১৯৮৬ সালে।
- একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে বাংলাদেশ তাদের প্রথম জয়টা পায় ২২ ম্যাচ পর।
- কেনিয়ার বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয়টা পায়।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।

৮৭০.
কোন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘জুলাই মেমোরিয়াল প্রাইজ’ প্রবর্তন করা হয়েছে? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. কান চলচ্চিত্র উৎসব
  2. ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব
  3. বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব
  4. টোকিও আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব
ব্যাখ্যা

জুলাই মেমোরিয়াল প্রাইজ:
- দক্ষিণ কোরিয়ার বুসান ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ‘জুলাই মেমোরিয়াল প্রাইজ’ নামে একটি নতুন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়েছে।
- আগামী ১৭-২৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠাতব্য বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রথমবারের মতো এ পুরস্কার দেওয়া হবে।
- সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় বুসান চলচ্চিত্র উৎসবে ‘ভিশন এশিয়া’ বিভাগে অংশ নেওয়া ছবিগুলোর মধ্যে একটি ছবিকে পুরস্কারটি দেওয়া হবে।
- ভিশন এশিয়া বিভাগে স্থান পেয়েছে বিভিন্ন দেশের ১১টি চলচ্চিত্র।
- সামাজিক ন্যায়বিচার, বাক্স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, নাগরিক অধিকার অথবা অসাম্যের বিরুদ্ধে লড়াইকে উপজীব্য করে নির্মিত চলচ্চিত্রকে এ পুরস্কার দেওয়া হবে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

৮৭১.
দক্ষিণ এশিয়ার কততম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট চালু হয়?
  1. দ্বিতীয়
  2. প্রথম 
  3. তৃতীয়
  4. পঞ্চম
ব্যাখ্যা

- দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম এবং বিশ্বে ১১৯তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করে।

⇒ ই-পাসপোর্ট হলো একটি বায়োমেট্রিক পাসপোর্ট, যাতে একটি এমবেডেড ইলেকট্রনিক চিপ রয়েছে। এ চিপের মধ্যে রয়েছে বায়োমেট্রিক তথ্য, যা পাসপোর্টধারীর পরিচয় প্রমাণের জন্য ব্যবহার করা হয়। এতে মাইক্রোপ্রসেসর বা চিপ এবং অ্যান্টেনাসহ স্মার্টকার্ড প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। পাসপোর্টের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চিপে সংরক্ষণ করা হয়। ই-পাসপোর্টে যেসব বায়োমেট্রিক তথ্য নেয়া হয় সেসব হলো—ছবি, আঙ্গুলের ছাপ (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) ও আইরিশ। ইলেকট্রনিক বর্ডার কন্ট্রোল ব্যবস্থা (ই-বর্ডার) দিয়ে পাসপোর্ট চিপের বাইরের বায়োমেট্রিক বৈশিষ্ট্যগুলোর তুলনামূলক যাচাই করা হয়। পাবলিক কি ইনফ্রাষ্ট্রাকচােরর (পিকেআই) মাধ্যমে পাসপোর্ট চিপে থাকা তথ্য যাচাই করা হয়। 

উৎস: প্রথম আলো।

৮৭২.
আলুটিলা গুহা কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বান্দরবান
  2. রাঙ্গামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
আলুটিলা গুহা: 
- খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলায় আলুটিলার সবচেয়ে আকষীয় স্থান হচ্ছে পাহাড়ের পাদদেশে রহস্যময় এক গুহা।
- প্রকৃতির অপরূপ সৃষ্টি বিশাল ওই গুহাটি পাহাড়কে একপাশ থেকে অন্য পাশ পযন্ত ভেদ করেছে।
- ঘুটঘুটে অন্ধকার এই গুহার ওপর থেকে ঝিরঝির করে পড়ে পানি।
- গুহার ভিতর ঢুকতে হলে মশাল জ্বালিয়ে যেতে হয়।
- পর্যটন কেন্দ্রেই ৫ থেকে ১০ টাকা দিয়ে পাওয়া যায় মশাল।
- গা ছমছম করা অনুভূতি নিয়ে পাহাড়ি সুরঙ্গ পথ বেয়ে নামতে নামতে মনে হবে আপনি যেন পাতালে চলে যাচ্ছেন।
- পাহাড়ের পাদদেশ থেকে গুহার মুখ পযন্ত যেতে এক সময় দর্শনাথীদের অনেক কষ্ট করতে হতো।
- তবে জেলা পরিষদ সেখানে পাকা সিঁড়ি নির্মাণ করায় এখন পাহাড়ের চূড়া থেকে ২৬৬ টি সিড়ি বেয়ে চলে যাওয়া যায় নিচে।
- আলুটিলা সুরঙ্গের দৈঘ্য প্রায় ২৮২ ফুট।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮৭৩.
কলেরা রোগ নিরাময়ে কোন আন্তর্জাতিক সংস্থা কাজ করছে?
  1. ক) UNICEF
  2. খ) ICDDR,B
  3. গ) FAO
  4. ঘ) WHO
ব্যাখ্যা
• কলেরা রােগ নিরাময়ের জন্য কাজ করছে ICDDR,B (International Centre for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh) এর প্রতিষ্ঠাকাল- ১৯৬০।

এছাড়াও ,
• WHO (World Health Organization) প্রতিষ্ঠিত হয়- ৭ এপ্রিল, ১৯৪৮।
- সদরদপ্তর- জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
•  FAO (Food and Agricultural Organization) গঠিত হয় ১৯৪৫ সালে, সদরদপ্তর- রােম।
• UNICEF (United Nations Children's Fund) প্রতিষ্ঠিত হয়- ১১ ডিসেম্বর, ১৯৪৬ সালে।
- সদরদপ্তর- নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৮৭৪.
কোন স্থলবন্দরে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পতাকা স্ট্যান্ড নির্মাণ করা হয়েছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. আখাউড়া
  2. বেনাপোল
  3. বাংলাবান্ধা
  4. বুড়িমারী
ব্যাখ্যা

সর্বোচ্চ পতাকা স্ট্যান্ড:
-দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা সীমান্তে দেশের সর্বোচ্চ পতাকাস্ট্যান্ড নির্মাণ করা হয়েছে।
-
৪ নভেম্বর, ২০২৫ এই পতাকাস্ট্যান্ডের উদ্বোধন করা হয়েছে।
- ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১৮ ফুট প্রস্থের পতাকা তৈরি করে ১১৭ ফুট উচ্চতায় উত্তোলন করা হয়।
- স্থলবন্দর কার্যালয় ও ভারতীয় সীমান্তরেখার মধ্যখানে ফ্ল্যাগ স্ট্যান্ডটি নির্মাণ করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

৮৭৫.
বাংলাদেশের জাতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের ক্যাপ্টেন কে?
  1. শারমিন আখতার
  2. নিগার সুলতানা জ্যোতি
  3. নাহিদা আখতার
  4. ফারজানা হক
  5. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল:
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) দ্বারা পরিচালিত একটি আন্তর্জাতিক নারী ক্রিকেট দল।
- এটি বাংলাদেশকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় প্রতিনিধিত্ব করে।
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের বর্তমান অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে।
- এশিয়া কাপের শিরোপা জয় লাভ করে ২০১৮ সালে।
- টেস্ট ক্রিকেটে মর্যাদা পায় ২০২১ সালে ।
- একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম নারী সেঞ্চুরিয়ান ফারজানা হক পিংকি।

অন্যদিকে,
- প্রথম শ্রেণির নারী ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান হওয়ার কীর্তি গড়েছেন নিগার সুলতানা।

উৎস: i) বিসিবি।
ii) ICC ওয়েবসাইট। [link]
ii) প্রথম আলো।
৮৭৬.
কোন বিজ্ঞানী পাটের জীবন রহস্য আবিষ্কারের নেতৃত্ব দিয়েছেন?
  1. ফজলে হাসান আবেদ
  2. কাজী ফারুক আহমেদ
  3. সফিকুল ইসলাম
  4. মাকসুদুল আলম
ব্যাখ্যা
বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম:
- মাকসুদুল আলম ছিলেন জিনতত্ত্ববিদ।
- ১৯৫৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর মাদারীপুরে জন্মগ্রহণ করেন মাকসুদুল আলম।
- জার্মানির ম্যাক্স প্ল্যাংক ইনস্টিটিউট থেকে ১৯৮৭ সালে প্রাণরসায়নে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি।
- তাঁর নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডেটাসফটের একদল উদ্যমী গবেষকের যৌথ প্রচেষ্টায় ২০১০ সালের মাঝামাঝি সময়ে সফলভাবে উন্মোচিত হয় পাটের জিনোম সিকোয়েন্স বা পাটের জীবনরহস্য।
- ২০১০ সালের ১৬ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে পাটের জীবনরহস্য উন্মোচন করেন
- পাট ছাড়াও তিনি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের হয়ে পেঁপে, মালয়েশিয়ার হয়ে রাবারসহ মোট আটটি উদ্ভিদের জীবনরহস্য উন্মোচন করেন।

উল্লেখ্য,
- ২১ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখে বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলম মারা গেছেন।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ২২ ডিসেম্বর ২০১৪, প্রথম আলো।
৮৭৭.
'বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু’ গ্রন্থটির লেখক কে?
  1. ক) মােনায়েম সরকার
  2. খ) এম. আর আখতার মুকুল
  3. গ) শওকত ওসমান
  4. ঘ) আহমদ শরীফ
ব্যাখ্যা
'বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু' গ্রন্থটির লেখক মােনায়েম সরকার। এছাড়াও তার রচিত ও সম্পাদিত গ্রন্থগুলাের মধ্যে কয়েকটি উল্লেখযােগ্য গ্রন্থ হলাে—বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও গণতন্ত্র বিকাশে ঐক্য অপরিহার্য (১৯৯১), ভাষা আন্দোলন ও বঙ্গবন্ধু (১৯৯৪), মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব (১৯৯৫), সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি (২০১০), বাঙালি ঐতিহ্য ও ভবিষ্যৎ (২০১০), বঙ্গবন্ধু রাজনীতি ও শেখ হাসিনা (২০১১) ইত্যাদি।
৮৭৮.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম ইউরোপীয় রাস্ট্র-
  1. সেনেগাল
  2. ভেনিজুয়েলা
  3. ইরাক
  4. পূর্ব জার্মানি 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশসমূহ:
• বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে ভুটান।
ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে পূর্ব জার্মানি।
• মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে ইরাক।
• এশিয়ার অ-আরব মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে ইন্দোনেশিয়া; এরপর মালয়েশিয়া।
• মুসলিম ও আফ্রিকান দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে সেনেগাল।
• সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে পোল্যান্ড।
• দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে কলম্বিয়া; এরপর ভেনেজুয়েলা।

উৎস:
Britannica;
প্রথম আলো।

৮৭৯.
Which European Country first introduced Bangladesh as an independent country?
  1. Belgium
  2. East-Germany
  3. Poland
  4. Ukraine
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরব দেশ:
- আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় - ইরাক।
- ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- লেবানন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ২৮ মার্চ, ১৯৭৩ সালে।
- ইরান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে।

• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরো কিছু উল্লেখযোগ্য রাষ্ট্র:
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার - সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

- এশিয়ার বাইরে প্রথম দেশ বা প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে - ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি স্বীকৃতি দেয় পূর্ব-জার্মানি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে সর্ব প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ভেনিজুয়েলা (২ মে ১৯৭২)।
- প্রথম পশ্চিমা দেশ হিসেবে গ্রেট ব্রিটেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি।
- ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২।
- ব্রাজিল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ১৫ মে, ১৯৭২।
- আর্জেন্টিনা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ২৫ মে ১৯৭২।

তথ্যসূত্র - পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, বঙ্গভবনের শতবর্ষ (বঙ্গভবন) ও বাংলাদেশের তারিখ (বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান), প্রথম আলো।
৮৮০.
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন -
  1. জাকিয়া সুলতানা
  2. সায়মা ওয়াজেদ
  3. জাহাঙ্গীর আলম
  4. টেড্রস আধানোম
ব্যাখ্যা
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও):
⇒ প্রধানমন্ত্রী কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তরে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। 

 উল্লেখ্য,
• প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ– পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন। 
• ১ নভেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ডব্লিউএইচওর আঞ্চলিক সম্মেলনে এ নির্বাচন হয়।
• সায়মা ওয়াজেদ ৮-২ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি আগামী পাঁচ বছরের জন্য দায়িত্ব পালন করবেন।
• ২০২৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারিতে সায়মা ওয়াজেদ তাঁর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। 

তথ্যসূত্র -Live MCQ সালতামামি ২০২৩, প্রথম আলো (১ নভেম্বর, ২০২৩)।
৮৮১.
ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে ‘একুশে পদক ২০২২’ পুরস্কার পেয়েছেন -
  1. কবি কামাল চৌধুরী ও ঝর্না দাস পুরকায়স্থ
  2. এস এম আব্রাহাম লিংকন ও ডা. জ্ঞানশ্রী মহাথেরো
  3. জিনাত বরকতউল্লাহ
  4. নজরুল ইসলাম বাবু
ব্যাখ্যা


- বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ২৪ বিশিষ্ট নাগরিককে ‘একুশে পদক ২০২২’ প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- এ বছর ভাষা আন্দোলন বিভাগে দুজন, মুক্তিযুদ্ধে চারজন, শিল্পকলা (শিল্প, সংগীত ও নৃত্য) বিভাগে সাতজন, সমাজসেবা বিভাগে দুজন, ভাষা ও সাহিত্যে দুজন, গবেষণায় চারজন এবং সাংবাদিকতা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং শিক্ষায় একজন করে পুরস্কার পেয়েছেন।

- ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে পুরস্কার পেয়েছেন - কবি কামাল চৌধুরী ও ঝর্না দাস পুরকায়স্থ।
- সমাজসেবা বিভাগে  পুরস্কার পেয়েছেন - এস এম আব্রাহাম লিংকন ও সংঘরাজ ডা. জ্ঞানশ্রী মহাথেরো।
- নাচের জন্য  পুরস্কার পেয়েছেন - জিনাত বরকতউল্লাহ,
- সংগীতে নজরুল ইসলাম বাবু (মরণোত্তর)।

তথ্যসূত্র:- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রনালয় ওয়েবসাইট।

৮৮২.
বাংলাদেশ কবে FIFA-এর সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন:
- বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন বাংলাদেশের ফুটবল খেলার প্রশাসনিক সংস্থা।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭২ সালে।
- বাফুফে সভাপতি: তাবিথ আউয়াল।
- প্রধান কার্যালয়: ঢাকার মতিঝিলে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম-এর কাছে ‘বিএফএফ ভবন’-এ অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ FIFA'র সদস্যপদ লাভ করে ১৯৭৬ সালে।
- এবং AFC-এর সদস্যপদ লাভ করে ১৯৭৩ সালে।

উৎস: i) বাফুফে ওয়েবসাইট।
ii) FIFA ওয়েবসাইট।
৮৮৩.
বাংলাদেশে মোট রাষ্ট্রীয় খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধার সংখ্যা কত?
  1. ক) ৬৭৬
  2. খ) ৭৮০
  3. গ) ৫৭৬
  4. ঘ) ৭৭৬
ব্যাখ্যা
- ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।
- মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত। যথা- বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন, বীর উত্তম ৬৮ জন, বীর বিক্রম ১৭৫ জন এবং বীর প্রতীক ৪২৬ জন।
- মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মোট যোদ্ধার সংখ্যা ৬৭৬ জন।

- কিন্তু ৬ জুন, ২০২১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যা মামলায় দণ্ডিত ৪ খুনির বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। যার ফলে বর্তমানে খেতাবপ্রাপ্ত মোট বীর মুক্তিযোদ্ধা ৬৭২ জন।

তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
=================

প্রশ্নটি আগের হিসাব অনুসারে করা হয়েছে।
তাই এই প্রশ্নের হিসাবে সঠিক উত্তর - ৬৭৬ জন।
৮৮৪.
কোন সংস্থা বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে?
  1. World Bank
  2. UNDP
  3. WTO
  4. IMF
ব্যাখ্যা
⇒ বিশ্ব ব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।

বিশ্ব ব্যাংক:
- বিশ্বের বৃহত্তম উন্নয়ন ব্যাংক হলো বিশ্ব ব্যাংক।
- এটি ১৯৪৪ সালে অনুষ্ঠিত ব্রেটনউডস সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- কার্যক্রম শুরু করে: ১৯৪৬ সাল।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান সদস্য: ১৮৯টি। (জুলাই, ২০২৫)
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে এর সদস্য পদ লাভ করে।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: অজয় বঙ্গা। (জুলাই, ২০২৫)
- বিশ্ব উন্নয়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে বিশ্ব ব্যাংক।
- বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপ ৫টি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত। এগুলো হলো:
• IBRD.
• IDA.
• IFC.
• ICSID.
• MIGA.

তথ্যসূত্র - বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।
৮৮৫.
বাংলাদেশ কোন সংস্থার সদস্য দেশ নয়?
  1. IMF
  2. NAM
  3. OIC
  4. ASEAN
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ IMF, NAM, OIC সদস্য দেশ  কিন্তু আসিয়ানে সদস্য দেশ নয়।

ASEAN:

- ASEAN এর পূর্ণরূপ Association of Southeast Asian Nations.
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি অর্থনৈতিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৭ সালে।
- এর সদরদপ্তর অবস্থিত জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া।
- এর বর্তমান সদস্য দেশ ১০টি।
- সদস্য দেশগুলো: মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার ও কম্বোডিয়া।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ IMF এর সদস্য পদ লাভ করে ১৭ আগস্ট ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশ NAM সদস্য পদ লাভ করে ১৯৭৩ সালে।
- বাংলাদেশ OIC সদস্য পদ লাভ করে ১৯৭৪ সালে।

উৎস: ASEAN ওয়েবসাইট।
৮৮৬.
দেশে ক্যানসার শনাক্তে জিন প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করেছে কোন প্রতিষ্ঠান? [মে, ২০২৫]
  1. আইসিডিডিআরবি
  2. বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়
  3. ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
  4. বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল
ব্যাখ্যা
ক্যানসার শনাক্তে জিন প্রযুক্তি:
- বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ১ লাখ ৬৭ হাজার মানুষ ক্যানসারে আক্রান্ত হন এবং ১ লাখ ১৭ হাজার মানুষ মারা যান।
- ক্যানসারের ওপর নজরদারি করা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান গ্লোবোক্যান এ তথ্য জানায়।
- বাংলাদেশে ক্যানসার চিকিৎসার একটি বড় দুর্বলতা হচ্ছে, দেশে ঠিকভাবে রোগ শনাক্ত হয় না।
- সম্প্রতি, দেশে ক্যানসার শনাক্তে জিন প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হয়েছে।
- গত ২৪ এপ্রিল আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি) জিনোম সিকোয়েন্সিং–ভিত্তিক ক্যানসার শনাক্ত শুরু করেছে।
- এতে অল্প সময়ে রিপোর্ট পাওয়া যাবে। এ ছাড়া কোনো ওষুধ ক্যানসারের ক্ষেত্রে অকার্যকর হয়ে থাকলে, তাও জানিয়ে দেবে আইসিডিডিআরবি।

উল্লেখ্য,
- বর্তমান যুগে তিনভাবে বা তিন ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে ক্যানসার শনাক্ত হয়। ইমিউনোহিস্টো কেমিস্ট্রি (আইএইচসি), রিভার্স ট্রান্সক্রিপশন পলিমারেজ চেইন রিঅ্যাকশন (আরটি–পিসিআর) টেস্ট এবং নেক্সট জেনারেশন সিকোয়েন্সিং (এনজিএস)। 
- ক্যানসার শনাক্তে আইএইচসি পরীক্ষা বাংলাদেশে বেশি হয়।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [LINK]
৮৮৭.
একুশে পদক- ২০২৫ পেয়েছেন -
  1. ১৬ জন ব্যক্তি ও ২টি প্রতিষ্ঠান
  2. ১৭ জন ব্যক্তি ও ১টি প্রতিষ্ঠান
  3. ১৮ জন ব্যক্তি ও ২টি প্রতিষ্ঠান
  4. ১৯ জন ব্যক্তি ও ১টি প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা
একুশে পদক ২০২৫:
- একুশে পদক- ২০২৫ পেয়েছেন দেশের বিশিষ্ট ১৭ জন ব্যক্তি ও ১টি প্রতিষ্ঠান।
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ১৭ নাগরিককে একুশে পদক ২০২৫ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
- এ বছর ক্রীড়ায় একুশে পদক পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল।

একুশে পদক ২০২৫ প্রাপ্ত ব্যক্তি:
• গবেষণা - মঈদুল হাসান (মূলধারা ৭১ এর রচয়িতা)।
• ভাষা ও সাহিত্যে - শহীদুল জহির (মো. শহীদুল হক) (মরণোত্তর) ও হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর)।
• সংস্কৃতি ও শিক্ষা - ড. শহীদুল আলম (ফটোগ্রাফার, মানবাধিকার কর্মী এবং দৃকের প্রতিষ্ঠাতা),
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি - মেহেদী হাসান খান (অভ্র'র জনক) ও রিফাত নবী, তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
• সাংবাদিকতা - মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর)।
• সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার - মাহমুদুর রহমান।
• শিল্পকলা (চলচ্চিত্র) - আজিজুর রহমান (মরণোত্তর) (ছুটির ঘণ্টা এবং আরও অনেক ছবির পরিচালক),
• সংগীত - উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) ও ফেরদৌস আরা।
• আলোকচিত্র - নাসির আলী মামুন।
• চিত্রকলা - রোকেয়া সুলতানা।
• শিক্ষা - ড. নিয়াজ জামান।
• সমাজসেবা - মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর)।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা ও প্রথম আলো।
৮৮৮.
'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. ক) মুজিব আমার পিতা
  2. খ) চিরঞ্জীব মুজিব
  3. গ) টুঙ্গিপাড়ার মিয়া ভাই
  4. ঘ) হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি
ব্যাখ্যা
- 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘চিরঞ্জীব মুজিব'।
- দেশের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র 'মুজিব আমার পিতা'।
- বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরবর্তী ঘটনা নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র '৫৭০'।
- বঙ্গবন্ধুর শৈশব থেকে তরুণ বয়স পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনার আলোকে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়া ভাই'।
- বঙ্গবন্ধুর আলোচিত ইংরেজি তথ্যচিত্র 'দ্য অল টাইম হিরো’-এর বাংলায় নির্মিত শিরোনাম 'হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি'। এটি পরিচালনা করেন নোমান রবিন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছেলেবেলা নিয়ে সরকারি অনুদানে নির্মিত চলচ্চিত্র 'টুঙ্গিপাড়ার দুঃসাহসী খোকা'।

সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, এপ্রিল - ২০২২
৮৮৯.
What is the length of the entire route of 'Bangabandhu Tunnel'?
  1. 3.32 kilometres
  2. 3.23 kilometres
  3. 9.39 kilometres
  4. 9.93 kilometres
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু টানেল:
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নির্মাণ করা হয়েছে।
- এই টানেল চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা থেকে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে আনোয়ারা উপজেলাকে যুক্ত করেছে।
- টানেলের প্রকল্প পরিচালক মোঃ হারুনুর রশীদ চৌধুরী।
- মোট দৈর্ঘ্য ৯.৩৯ কিমি।
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু টানেলের দৈর্ঘ্য ৩.৩২ কিলোমিটার।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রথম টানেল টিউব নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন।
- ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং যৌথভাবে বঙ্গবন্ধু টানেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড প্রকল্পের ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে।
- বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১০ হাজার ৬৮৯ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা।
- নদীর নিচ দিয়ে টানেল দক্ষিণ এশিয়ায় এটাই প্রথম।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল উদ্বোধন করা হয় ২৮ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে।

উৎস: i) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
         ii) ২৮ অক্টোবর ২০২৩, প্রথম আলো।
        iii) ২৮ অক্টোবর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
৮৯০.
পাকিস্তান আমলের ইউনাইটেড ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক নিয়ে কোন ব্যাংক গঠিত হয়?
  1. ক) সোনালি ব্যাংক
  2. খ) অগ্রণী ব্যাংক
  3. গ) জনতা ব্যাংক
  4. ঘ) রূপালি ব্যাংখ
  5. ঙ) পূবালি ব্যাংক
ব্যাখ্যা
১৯৭২ সালে এদেশে অবস্থিত পাকিস্তানি মালিকানাধীন ব্যাংকসমূহ জাতীয়করণ করা হয়। পাকিস্তান আমলের ইউনাইটেড ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক নিয়ে জনতা ব্যাংক গঠিত হয়। সোনালী ব্যাংক গঠিত হয় দ্য ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, দ্য ব্যাংক অব বাহওয়ালপুর ও দ্য প্রিমিয়ার ব্যাংক নিয়ে । হাবিব ব্যাংক ও কমার্স ব্যাংক নিয়ে অগ্রণী ব্যাংক গঠিত হয়। রূপালী ব্যাংক গঠিত হয় দ্য মুসলিম কমার্শিয়াল ব্যাংক ও দ্য স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক নিয়ে। পূবালী ব্যাংক গঠিত হয় দ্য অস্ট্রেলেশিয়া ব্যাংক ও দ্য ইস্টার্ন মার্কেন্টাইল ব্যাংক নিয়ে।(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৮৯১.
”দুর্বার বাংলা” ভাস্কর্যটির স্থপতি কে?
  1. হামিদুর রহমান
  2. গোপাল চন্দ্র পাল
  3. শ্যামল চৌধুরী
  4. নিতুন কুন্ডু
ব্যাখ্যা

- ”দুর্বার বাংলা” ভাস্কর্যটি খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।
- ২০১৩ সালে এই ভাস্কর্যটি তৈরি হয়।
- ”দুর্বার বাংলা” ভাস্কর্যটির  ভাস্কর গোপাল চন্দ্র পাল।

এছাড়াও,
• কিছু গুরত্বপূর্ণ কিছু ভাস্কর্যিএবং তাদের স্থপতি।
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ এর স্থপতি- সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এর স্থপতি- হামিদুর রহমান।
- সাবাশ বাংলাদেশ ভাস্কর্যটির স্থপতি- নিতুন কুন্ডু।
- সংশপ্তক ভাস্কর্যটির স্থপতি- হামিদুজ্জামান।
-  বিজয় ৭১” ভাস্কর্যটির স্থপতি- শ্যামল চৌধুরী।
- ”মোদের গর্ব” ভাস্কর্যটির স্থপতি- অখির পাল।
- মিশুক ভাস্কর্যটির স্থপতি- মুস্তফা মনোয়ার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং পত্রিকার রিপোর্ট।

৮৯২.
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম মারা যান কত বঙ্গাব্দে?
  1. ক) ১৩৮২ বঙ্গাব্দ
  2. খ) ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ
  3. গ) ১৩৮৪ বঙ্গাব্দ
  4. ঘ) ১৩৮১ বঙ্গাব্দ
ব্যাখ্যা
কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি।
তিনি ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে কাজী নজরুল ইসলামকে ভারত থেকে সপরিবারে ঢাকায় আনা হয়। তাকে জাতীয় কবি হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
১৯৭৪ সালের ৯ মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিশেষ সমাবর্তনের মাধ্যমে তাকে ‘ডি. লিট’ উপাধি বা সম্মাননা প্রদান করে।
১৯৭৬ সালের জানুয়ারি মাসে কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব এবং ফেব্রুয়ারি মাসে একুশে পদক প্রদান করা হয়।
১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট বাংলা ১২ ভাদ্র ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ ঢাকার পিজি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
তাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে সমাহিত করা হয়।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
৮৯৩.
বাংলাদেশ সর্বপ্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে কোন দলের বিপক্ষে?
  1. ভারত
  2. পাকিস্তান
  3. শ্রীলংকা
  4. জিম্বাবুয়ে
ব্যাখ্যা
ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে ১৯৯৭ সালে।
- ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে।
- ১৭ মে, ১৯৯৮ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে ২০০০ সালে।
- ২০০০ সালের ১০ই নভেম্বর বাংলাদেশ সর্বপ্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ভারতের বিপক্ষে।
- ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- ১০ জানুয়ারি, ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
৮৯৪.
কক্সবাজার থেকে কত কিলোমিটার দূরে সেন্টমার্টিন দ্বীপ?
  1. ৯০ কিলোমিটার
  2. ১২০ কিলোমিটার
  3. ১৫০ কিলোমিটার
  4. ১০২ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
"সেইন্ট মার্টিন দ্বীপ" বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। 
- কক্সবাজার জেলা শহর থেকে ১২০কিলোমিটার দূরে সাগর বক্ষের একটি ক্ষুদ্র দ্বীপ সেন্টমার্টিন। চারদিকে শুধুপানি আর পানি।
- এর আয়তন ৮ বর্গ কিলোমিটার।
- স্থানীয়দের কাছে এটি "নারিকেল জিঞ্জিরা" নামে পরিচিত।

উৎসঃ টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট।
৮৯৫.
বাংলাদেশ ক্রিকেট জাতীয় দল বিদেশে কয়টি টেস্ট সিরিজ জিতেছে? (সেপ্টেম্বর,২০২৪)
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

সম্প্রতি, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দুইটি টেস্ট ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে হোয়াইটওয়াশ  করেছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল।  এ নিয়ে বিদেশের মাটিতে তৃতীয়বারের মতো টেস্ট সিরিজ জয় লাভ করেছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। 

• টেস্ট ক্রিকেট:
- বাংলাদেশ ২৬ জুন ২০০০ সালে আইসিসির দশম পূর্ণাঙ্গ সদস্য হিসেবে টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে।
- এরপর থেকে বাংলাদেশ নিয়মিত বিশ্বকাপে অংশগ্রহণসহ বিশ্বের সেরা দলগুলোর সঙ্গে খেলার সুযোগ পাচ্ছে।
- বাংলাদেশের অভিষেক টেস্টে ক্যাপ্টেন ছিলেন নাঈমুর রহমান।
- ২০০০ সালের নভেম্বরে ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট খেলতে নামা বাংলাদেশ ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে প্রথম টেস্ট জয়ের স্বাদ পায় ।
- তার আগে ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে।

সূত্র- আইসিসি, বিসিবি ওয়েবসাইট।
৮৯৬.
বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এ.আই) সংবাদ উপস্থাপকের নাম কী?
  1. জয়
  2. জয়ীতা
  3. মেরিনা
  4. অপরাজিতা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
- বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সংবাদ উপস্থাপক হচ্ছে 'অপরাজিতা'
- ২০২৩ সালের ১৯ জুলাই বেসরকারি টিভি নেটওয়ার্ক চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের পর্দায় হাজির হন এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সংবাদ উপস্থাপক।
- এই দিনেই প্রথমবারের মতো দেশের কোনো টিভি চ্যানেলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সংবাদ উপস্থাপক দেখা গিয়েছে।
- অপরাজিতার পুরোটাই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সফটওয়্যারে তৈরি।
- তার যে অবয়ব, তা শুধু পর্দাতেই দেখা যায়; বাস্তব জীবনে তার কোনো শারীরিক উপস্থিতি নেই।

উল্লেখ্য,
- চীনা সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া ২০১৮ সালে বিশ্বের প্রথম এআই সংবাদ উপস্থাপক শুরু করেছিল।

তথ্যসূত্র: ১৯ জুলাই ২০২৩,প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৮৯৭.
ভাষাভাষীর জনসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলা ভাষার অবস্থান কত?
  1. চতুর্থ
  2. পঞ্চম
  3. ষষ্ঠ
  4. সপ্তম
ব্যাখ্যা
ভাষার অবস্থান:

- ভাষাভাষীর জনসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলা ভাষার অবস্থান সপ্তম।
- সারা পৃথিবীতে মোট ২৭ কোটির বেশি সংখ্যক মানুষ বাংলা ভাষায় কথা বলে।
- ১ম অবস্থানে: ইংরেজী।
- ২য় অবস্থানে: মান্দারিন (চাইনিজ)।
- ৩য় অবস্থানে: হিন্দী।
- ৪র্থ অবস্থানে: স্প্যানিশ।
- ৫ম অবস্থানে: ফরাসি।
- ৬ষ্ঠ অবস্থানে: আরবী।
- ৮ম অবস্থানে: রাশিয়ান।
- ৯ম অবস্থানে: পর্তুগিজ।
- ১০ম অবস্থানে: উর্দু।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৮৯৮.
২০১৫ সালে 'world Food Prize' কে পেয়েছেন?
  1. ক) ফ্রাঙ্ক ভ্লটার স্টেইনমার
  2. খ) শাইখ সিরাজ
  3. গ) কেনেথ কুইন
  4. ঘ) স্যার ফজলে হাসান আবেদ
ব্যাখ্যা

স্যার ফজলে হাসান আবেদ ২০ ডিসেম্বর ২০১৯ মারা যান। তিনি ১৯৭২ সালে ব্র্যাক এনজিও প্রতিষ্ঠা করেন যা বর্তমান বিশ্বের সর্ববৃহৎ এনজিও। ২০১০ সালে তিনি ব্রিটেনের নাইটহুট উপাধি, ২০১৫ সালে 'বিশ্ব খাদ্য পুরস্কার' ও ২০১৯ সালে ইদান পুরস্কার লাভ করেন। (সূত্রঃ দৈনিক সমকাল এবং প্রথম আলো)

৮৯৯.
“সব কটা জানালা খুলে দাও না” -গানটির গীতিকার কে?
  1. ক) গোবিন্দ হালদার
  2. খ) নজরুল ইসলাম বাবু
  3. গ) গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার
  4. ঘ) গাজী মাজহারুল আনোয়ার
ব্যাখ্যা
“সব কটা জানালা খুলে দাও না” -গানটির গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু।
তার রচিত অন্যান্য গানের মধ্যে রয়েছে:
-‘একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার’
- ‘আমায় গেঁথে দাও না মাগো একটা পলাশ ফুলের মালা’
- ‘ও আমার আট কোটি ফুল দেইখো গো মালি’ প্রভৃতি।
(সূত্র: প্রথম আলো)
৯০০.
'Banker to the poor' নিম্নের কোন ব্যক্তির আত্মজীবনী?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. রেহমান সোবহান
  3. রেজওয়ানা চৌধুরী
  4. মাহবুব আলম চৌধুরী
ব্যাখ্যা
Banker to the Poor:
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের একটি আত্মজীবনী 'Banker to the Poor'।
- এই বইটি তার মাইক্রোক্রেডিট অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা।

⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আরও কিছু বই: দারিদ্র্যমুক্ত বিশ্বের জন্য, গ্রামীণ ব্যাংক ও আমার জীবন, বাংলাদেশ ২০১০, যোগ্য প্রার্থী আন্দোলন, ক্রিয়েটিং অ্যা ওয়ার্ল্ড উইদাউট পোভার্টি, সামাজিক ব্যবসা, এ ওয়ার্ল্ড অব থ্রি জিরোস, বালক পরিব্রাজকের দিনলিপি প্রভৃতি।

উৎস: i) Rokomari.com
ii) Banker to the Poor.