বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

মোট প্রশ্ন৩,৮২৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

PrepBank · পাতা / ৩৮ · ৬০১৭০০ / ৩,৮২৪

৬০১.
বাউলার চর হিসেবে খ্যাত-
  1. নিঝুম দ্বীপ
  2. সন্দ্বীপ
  3. শাহপরীর দ্বীপ
  4. কুতুবদিয়া
ব্যাখ্যা
নিঝুম দ্বীপ :
- হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত একটি ছোট দ্বীপ ।
- এটি বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলায় অবস্থিত ।
- একসময় এটিকে বলা হতো চর ওসমানী, বালুয়ার চর, গোল্ডেন আইল্যান্ড

- 1950 এর দশকের গোড়ার দিকে নোয়াখালীর দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের অগভীর মোহনায় একটি পলিমাটির মতো একটি দ্বীপের গুচ্ছ (প্রধানত বল্লার চর, কমলার চর, চর ওসমান এবং চর মুড়ি) আবির্ভূত হয়। এই নতুন বালুকাটা প্রথমে একদল জেলেদের নোটিশ টেনেছিল, যারা এর নাম দিয়েছিল বাউলার চর (আক্ষরিক অর্থে, বালির পলি) পরে বল্লার চরে রূপান্তরিত হয়। 

- ২০০ 8 সালের 8 এপ্রিল সরকার জহজমারা রেঞ্জের ,০,3০ একর (১,,3৫ হেক্টর) বনকে নিঝুম দ্বীপে ,,৫৫০ একর (8,65৫ হেক্টর) বনভূমি জঙ্গলের জীববৈচিত্র্যের সুরক্ষা ও উন্নয়নের জন্য জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করে। কিন্তু বাস্তবে, এই ঘোষণার একটি খুব অলস চেহারা আছে।

- প্রাক্তন মন্ত্রী আমিরুল ইসলাম কালাম এর বিচ্ছিন্নতা এবং মৃদু স্বভাব দেখে এটিকে 'নিঝুম দ্বীপ' নামকরণ করেছিলেন।

উৎস: নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়ন ওয়েবসাইট।
৬০২.
বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে কত সালে জাতিসংঘের LDC তালিকা থেকে উত্তরণ করবে?
  1. ক) ২০২১ সালে
  2. খ) ২০২৪ সালে
  3. গ) ২০২৫ সালে
  4. ঘ) ২০২৭ সালে
ব্যাখ্যা
LDC (Least Developed Countries) হলো জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন কর্তৃক ১৯৭১ সালে তৈরিকৃত বিশ্বের সবচেয়ে অনুন্নত দেশসমূহের একটি তালিকা।
বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে LDC তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
বর্তমানে LDC তালিকায় ৪৬টি দেশ রয়েছে। এ পর্যন্ত মোট ৬টি দেশ LDC তালিকা থেকে উত্তরণ করতে সমর্থ হয়েছে।
বাংলাদেশ ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো LDC তালিকা থেকে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করে।
অর্জিত লক্ষ্যসমূহ ২০২১ সাল পর্যন্ত অক্ষুণ্ন থাকলে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে LDC তালিকা থেকে উত্তরণ করবে।
(সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৬০৩.
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে মিনিবাস চলাকালে কত টাকা টোল দিতে হয়?
  1. ৮০
  2. ১৬০
  3. ৩২০
  4. ৪২০
ব্যাখ্যা
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে:

- দ্রুতগতির এই উড়ালসড়কের দৈর্ঘ্য ১৯.৭৩ কিলোমিটার।
- এক্সক্সপ্রেসওয়ের ১১.৫ কিলোমিটার অর্থাৎ বিমানবন্দর থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত অংশের উদ্বোধন করা হয়।
- ২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ সালে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করা হয়।
- বিদেশি বিনিয়োগে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) আওতায় পরিবহন খাতে এটাই প্রথম প্রকল্প।
- সম্পূর্ণ এক্সপ্রেসওয়ে অর্থাৎ তেজগাঁও থেকে কুতুবখালী পর্যন্ত আগামী বছরের জুনে চালু করার লক্ষ্য
ঠিক করেছে সরকার ।
- পুরো উড়ালসড়কে ৩১টি স্থান দিয়ে যানবাহন ওঠানামা (র‍্যাম্প) করার ব্যবস্থা থাকছে।
- কাওলা থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত অংশে ওঠা নামার জন্য মোট ১৫টি র‍্যাম্প থাকবে। এর মধ্যে ১৩টি র‍্যাম্প আগামীকাল যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
- প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, পিকআপ ও হালকা ট্রাককে ৮০, বাস ও মিনিবাস ১৬০, মাঝারি ট্রাক ৩২০ এবং ভারি ট্রাক বা ট্রেইলরে ৪০০ টাকা টোল দিতে হবে।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার, সেপ্টেম্বর ২, ২০২৩ ও দৈনিক যুগান্তর, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৩।
৬০৪.
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নকশা করেন কে?
  1. রোহানি বাহারিন
  2. এহসান খান
  3. সালেহ রহমান
  4. বারহাম সালিহ
ব্যাখ্যা
তৃতীয় টার্মিনাল:
- ০৭ অক্টোবর ২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন করেন।
- ২০১৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী এই টার্মিনালের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেছিলেন।
- টার্মিনালটি নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ২১ হাজার ৩৯৯ কোটি টাকা।
- টার্মিনালটির নকশা করেছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা ও ব্যস্ততম হিসেবে পরিচিত সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি বিমানবন্দরের নকশাকার রোহানি বাহারিন।
- বিশ্বমানের এই টার্মিনালে ১ হাজার ৪৪টি গাড়ি রাখার সক্ষমতাসহ বহুতল গাড়ি পার্কিং তৈরি করা হচ্ছে।
- এই টার্মিনালে একসঙ্গে ৩৭টি উড়োজাহাজ পার্ক করে রাখা যাবে।

তথ্যসূত্র - হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ওয়েবসাইট।
৬০৫.
"আজব ও জবর আজব অর্থনীতি" গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. মোহাম্মদ ইউনুস
  2. আবুল মাল আবদুল মুহিত
  3. রেহমান সোবহান
  4. আকবর আলি খান
ব্যাখ্যা
- 'আজব ও জবর আজব অর্থনীতি' গ্রন্থের রচয়িতা আকবর আলি খান। 

আকবর আলি খান: 

- আকবর আলি খান ছিলেন একজন বাংলাদেশি সরকারি আমলা, অর্থনীতিবিদ এবং শিক্ষাবিদ।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি হবিগঞ্জের মহুকুমা প্রশাসক বা এসডিও ছিলেন এবং যুদ্ধকালীন সক্রিয়ভাবে মুজিবনগর সরকারের সাথে কাজ করেন।
- ২০০৬ সালে তিনি রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন।
- পরবর্তীতে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন না হবার আশঙ্কায় তিনি তিনজন উপদেষ্টার সাথে একযোগে পদত্যাগ করেন। 

আকবর আলি খানের লেখা কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: 
- পরার্থপরতার অর্থনীতি,
- আজব ও জবর আজব অর্থনীতি,
- দারিদ্র্যের অর্থনীতি; অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ,
- বাংলাদেশে বাজেট; অর্থনীতি ও রাজনীতি,
- অবাক বাংলাদেশ;
- বিচিত্র ছলনাজালে রাজনীতি,

সূত্র:- দৈনিক প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার।
৬০৬.
The country's 28th gas field is in _____
  1. ক) Moulavibazar
  2. খ) Beanibazar
  3. গ) Kanaighat
  4. ঘ) Zakiganj
ব্যাখ্যা
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৮টি।
- সর্বশেষ সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড এক্সপ্লোরেশন কোম্পানি (বাপেক্স) এটি আবিষ্কার করে।
- ক্ষেত্রটিতে ৬,৮০০ কোটি ঘনফুট গ্যাস রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দৈনিক এই ক্ষেত্র থেকে ১ কোটি ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে।

(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)
৬০৭.
বিশ্বের কততম দেশ হিসাবে বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট চালু করেছে?
  1. ১১৫ তম
  2. ১১৭ তম 
  3. ১১৮ তম 
  4. ১১৯ তম 
ব্যাখ্যা

ই-পাসপোর্ট:
- ১৯৯৮ সালে মালয়েশিয়া বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ই-পাসপোর্ট চালু করে।
- ২৪ এপ্রিল, ২০১৬ সালে বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট প্রদানের ঘোষণা দেয়া হয়।
- ২২ জানুয়ারি, ২০২০ সালে বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
- বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট চালু করায় দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম। 
- বিশ্বের ১১৯তম দেশ হিসাবে বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট চালু করে।

উৎস: দৈনিক যুগান্তর, ডয়েচে ভেলে।

৬০৮.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কারের নাম কী?
  1. স্বাধীনতা পদক
  2. বীরবিক্রম
  3. একুশে পদক
  4. বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার
ব্যাখ্যা

একুশে পদক:
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কারের নাম একুশে পদক।
- ১৯৭৬ সালে এটি প্রবর্তন করা হয়।
- জিয়াউর রহমান একুশে পদক প্রবর্তন করেন।
- জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্যে বাংলাদেশ সরকারের 'সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়' এই পুরস্কার প্রদান করে। 

একুশে পদক ২০২৫:
- একুশে পদক- ২০২৫ পেয়েছেন দেশের বিশিষ্ট ১৭ জন ব্যক্তি ও ১টি প্রতিষ্ঠান।
• গবেষণা - মঈদুল হাসান (মূলধারা ৭১ এর রচয়িতা)।
• ভাষা ও সাহিত্যে - শহীদুল জহির (মো. শহীদুল হক) (মরণোত্তর) ও হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর)।
• সংস্কৃতি ও শিক্ষা - ড. শহীদুল আলম (ফটোগ্রাফার, মানবাধিকার কর্মী এবং দৃকের প্রতিষ্ঠাতা),
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি - মেহেদী হাসান খান (অভ্র'র জনক) ও রিফাত নবী, তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
• সাংবাদিকতা - মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর)।
• সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার - মাহমুদুর রহমান।
• শিল্পকলা (চলচ্চিত্র) - আজিজুর রহমান (মরণোত্তর)।
• সংগীত - উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) ও ফেরদৌস আরা।
• আলোকচিত্র - নাসির আলী মামুন।
• চিত্রকলা - রোকেয়া সুলতানা।
• শিক্ষা - ড. নিয়াজ জামান।
• সমাজসেবা - মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর)।
• ক্রীড়ায়: বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

৬০৯.
বাংলাদেশের প্রথম এভারেস্ট বিজয়ী কে?
  1. নিশাত মজুমদার
  2. খলিল আহমেদ
  3. ওয়াসফিয়া নাজনীন
  4. মুসা ইব্রাহিম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের এভারেস্ট বিজয়ী:
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম।
- পেশায় তিনি একজন সাংবাদিক ও পর্বতারোহী।
- ২০১০ সালের ২৩ মে বাংলাদেশ সময় সকাল ৫টা ১৬ মিনিটে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এভারেস্টের চূড়ায় ওঠেন এবং লাল-সবুজ পতাকা ওড়ান মুসা।
- মূলত তার হাত ধরেই পর্বতবিজয়ী দেশের তালিকায় উঠে আসে বাংলাদেশের নাম। 
- ২০১২ সালের ১৯ মে প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে পৃথিবীর শীর্ষচূড়া এভারেস্টে আরোহণ করেন নিশাত মজুমদার। 
- ২০১১ সালে এম এ মুহিত ২১ মে দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। 
- দ্বিতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে ২০১২ সালে এভারেস্ট জয় করেন ওয়াসফিয়া নাজরীন।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো।
৬১০.
BAPA (2000) was launched in Bangladesh to -
  1. Protect the environment
  2. Advance digital technology
  3. Enhance political engagement
  4. Promote industrial growth
ব্যাখ্যা
BAPA:
- বাংলাদেশের পরিবেশ রক্ষার জন্য দেশব্যাপী, ঐক্যবদ্ধ এবং শক্তিশালী নাগরিক আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য ২০০০ সালে Bangladesh Poribesh Andolon (BAPA) চালু করা হয়েছিল।

⇒ বাংলাদেশের পরিবেশ দ্রুত নষ্ট হচ্ছে। শহুরে বাতাসের মান হ্রাস পাচ্ছে। ভূ-পৃষ্ঠের জলাশয়গুলি দূষিত, সীমাবদ্ধ এবং অবক্ষয়িত হচ্ছে। উধাও হয়ে যাচ্ছে বন ও খোলা জায়গা। কোলাহল বাড়ছে। বিলুপ্ত হচ্ছে জীববৈচিত্র্য।
- এই অবক্ষয়ের প্রক্রিয়াগুলোকে ধীরগতি ও বিপরীতমুখী করা না হলে দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবিক অগ্রগতি ধীরে ধীরে ব্যাহত হবে এবং বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদে বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে।
- বাংলাদেশের পরিবেশ-পন্থী শক্তিরা বাংলাদেশের পরিবেশগত সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে এবং ভবিষ্যতের জন্য করণীয় নির্ধারণের জন্য বাংলাদেশ পরিবেশ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে (ICBEN) একত্রিত হয়।
- ICBEN ২০০০ এর সিদ্ধান্ত অনুসরণ করে, BAPA গঠিত হয়।

উৎস: BAPA ওয়েবসাইট।
৬১১.
‘কারাগারের রোজনামচা’ ত্রিপুরা ভাষায় অনুবাদ করেছেন -
  1. ক) আন্না কোক্কিয়ারেল্লা
  2. খ) যুবরাজ দেববর্মা
  3. গ) সৌমেন ভারতীয়া
  4. ঘ) চয়নিকা চৌধুরী
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী মূলক গ্রন্থ ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী‘ সর্বশেষ ত্রিপুরা ভাষায় অনুদিত হয়েছে। 
দীর্ঘ দুই বছরের প্রচেষ্টায় ত্রিপুরা ভাষায় (ককবরক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ অনুবাদ করেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) নৃবিজ্ঞান বিভাগের সপ্তম ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী যুবরাজ দেববর্মা। তিনি ‘ককবরক’ বইটির নাম দিয়েছেন ‘পাইথাকয়া লাংমা’; এর অর্থ ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’।
 
এ পর্যন্ত ইংরেজি, উর্দু, জাপানি, চীনা, আরবি, ফরাসি, হিন্দি, তুর্কি, নেপালি, স্প্যানিশ, অসমীয়া, ইতালীয়, মালয়, কোরীয়, রুশ, মারাঠি, গ্রীক, থাই ইত্যাদি ভাষায় বইটি অনূদিত হয়েছে। 
 
=====
 
অসমাপ্ত আত্মজীবনী শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনী সংকলন।
- ২০১২ সালের জুনে এ বইটি প্রকাশিত হয়।
- ২০০৪ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা চারটি খাতা আকস্মিকভাবে তাঁর কন্যা বর্তমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তগত হয়।
- খাতাগুলি অতি পুরানো, পাতাগুলি জীর্ণয় এবং লেখা প্রায়শ অস্পষ্ট।
- মূল্যবান সেই বাতাগুলি পাঠ করে জানা গেল এটি বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী, যা তিনি ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকা সেন্ট্রাল জেলে অন্তরীণ অবস্থায় লেখা শুরু করেছিলেন, কিন্তু শেষ করতে পারেননি। 
- এই লেখাগুলোকে বঙ্গবন্ধু হারিয়ে যাওয়া পূর্বোক্ত আত্মজীবনী হিসেবে সুনিশ্চিত করা হয়।
- পরে এগুলো বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খানের সম্পাদনায় গ্রন্থাকারে অসমাপ্ত আত্মজীবনী নামে ২০১২ সালের জুনে প্রকাশ করা হয়।
- 'দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড'-এর পক্ষে এ গ্রন্থটি প্রকাশ করেন মহিউদ্দিন আহমেদ।

উৎস: অসমাপ্ত আত্মজীবনী, শেখ মুজিবুর রহমান; সময়নিউজ,  যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট
৬১২.
‘সি টু সামিট’ অভিযান সম্পন্ন করা বাংলাদেশি- 
  1. ইকরামুল হাসান শাকিল
  2. এম এ মুহিত
  3. বাবর আলী
  4. সৌকত রেজা চৌধুরি
ব্যাখ্যা

• ইকরামুল হাসান শাকিল:
- কক্সবাজার থেকে হেঁটে গিয়ে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ালেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট হয় করেছেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ২০২৫ সালের ১৯ মে তিনি এভারেস্ট চূড়া জয় করেন।
-  ৯০ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্য দিয়ে প্রায় এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন এবং ২৯ হাজার ৩১ ফুট উচ্চতার এভারেস্ট জয় করেন।
- ইকরামুল হাসান তাঁর এই অভিযানের নাম দিয়েছেন 'সি টু সামিট', অর্থাৎ সমুদ্র থেকে শৃঙ্গ।
- শাকিলের 'সি টু সামিট' অভিযাত্রা শুরু হয় ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে কক্সবাজার থেকে।
- সবচেয়ে কম সময়ে এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নতুন রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।

উৎস: প্রথম আলো এবং The Business Standard.

৬১৩.
মহাস্থানগড় কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) কুমিল্লা
  2. খ) বরগুনা
  3. গ) বগুড়া
  4. ঘ) চাপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড়:

- মহাস্থানগড় বগুড়া জেলায় অবস্থিত।
- পূর্বে মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- মহাস্থানগড় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- মহাস্থানগড় সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দূর্গনগরী ।
- সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দূর্গ নগরী ইটের বেষ্টনী প্রাচীর দ্বারা সুরক্ষিত যা উত্তর দক্ষিনে ১৫২৫ মিঃদীর্ঘ এবং পূর্ব পশ্চিমে ১৩৭০মিঃ প্রশস্থ ও চতুপার্শ্বস্থ সমতল ভূমি হতে ৫মিঃ উচু।
- কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত এ স্থান পরাক্রমশালী মৌর্য , গুপ্ত এবং পাল শাসকবর্গের প্রাদেশিক রাজধানী ও পরবর্তীকালে হিন্দু সমান্ত রাজাগণের রাজধানী ছিল।
- বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হুয়েন সাঙ ভারতবর্ষ ভ্রমণকালে (৬৩৯-৬৪৫) পুন্ড্রনগর পরিদর্শন করেন।

তথ্যসূত্র - বগুড়া জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৬১৪.
টাইমের 'শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবন ২০২৫' স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের কোন খাবার?
  1. এমডিসিএফ-২
  2. ওরস্যালাইন
  3. সিএমএফ -১
  4. ডিএমএফ- ২
ব্যাখ্যা

'টাইম শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবন ২০২৫':
- 'টাইম শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবন ২০২৫'-এর সম্মান পেল আইসিডিডিআর, বি ও ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির উদ্ভাবিত অন্ত্র সুস্থকারী খাবার এমডিসিএফ-২।
- বিশ্বখ্যাত টাইম সাময়িকী তাদের অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ 'টাইম শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবন ২০২৫' তালিকায় 'সামাজিক প্রভাব' বিভাগে আইসিডিডিআর, বি এবং সেন্ট লুইসের ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির দীর্ঘদিনের যৌথ গবেষণার ফসল অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের অন্ত্রের স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধারকারী বিশেষ সম্পূরক খাদ্য এমডিসিএফ-২-কে স্থান দিয়েছে।
- এমডিসিএফ হলো মাইক্রোবায়োটা ডিরেক্টেড কমপ্লিমেন্টারি ফুড বা অন্ত্রের জীবাণুদেরকে উদ্দীপ্ত করার জন্য একটি বিশেষ সম্পূরক খাবার।

উৎস: iccddrb ওয়েবসাইট।

৬১৫.
গম্ভীরা গান কোন অঞ্চলে প্রচলিত?
  1. বৃহত্তর রাজশাহী
  2. বৃহত্তর বগুড়া
  3. বৃহত্তর দিনাজপুর
  4. বৃহত্তর ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
গম্ভীরা:
- গম্ভীরা গান এক প্রকার জনপ্রিয়  লোকসঙ্গীত।
- সাধারণত বৃহত্তর  রাজশাহী অঞ্চলে এ গান প্রচলিত। 
- গম্ভীরা গানের উৎপত্তি পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলায় হিন্দুসমাজে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬১৬.
’সাত গম্বুজ মসজিদ’ কোথায় অবস্থিত?
  1. মুন্সিগঞ্জ
  2. বাগেরহাট
  3. খুলনা
  4. ঢাকা
ব্যাখ্যা

সাত গম্বুজ মসজিদ:
- সাত গম্বুজ মসজিদ ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত মুঘল আমলে নির্মিত একটি মসজিদ।
- এই মসজিদটি চারটি মিনারসহ সাতটি গম্বুজের কারনে মসজিদের নাম হয়েছে 'সাতগম্বুজ মসজিদ'।
- এটি মোঘল আমলের অন্যতম নিদর্শন।
- ১৬৮০ সালে মোগল সুবাদার শায়েস্তা খাঁর আমলে তার পুত্র উমিদ খাঁ মসজিদটি নির্মান করান।
- মসজিদটি লালবাগ দূর্গ মসজিদ এবং খাজা আম্বর মসজিদ এর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

⇒ এর ছাদে রয়েছে তিনটি বড় গম্বুজ এবং চার কোণের প্রতি কোনায় একটি করে অনু গম্বুজ থাকায় একে সাত গম্বুজ মসজিদ বলা হয়।
- মসজিদের পূর্বপাশে এরই অবিচ্ছেদ্য অংশে হয়ে রয়েছে একটি সমাধি।
- কথিত আছে, এটি শায়েস্তা খাঁর মেয়ের সমাধি। সমাধিটি ‘বিবির মাজার’ বলেও খ্যাত। 

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।

৬১৭.
বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রবর্তন করা হয় কত সালে? 
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৮০ সালে
  3. ১৯৬০ সালে
  4. ১৯৫৫ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি পুরস্কার:
- বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়: ১৯৬০ সালে।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

• বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪:
- কবিতা- মাসুদ খান,
- নাটক ও নাট্যসাহিত্য- শুভাশিস সিনহা,
- প্রবন্ধ/গদ্য- সলিমুল্লাহ খান,
- বিজ্ঞান: রেজাউর রহমান,
- অনুবাদক: জি এইচ হাবিব,
- গবেষণা- মুহম্মদ শামজাহান মিয়া,
- ফোকলোর- সৈয়দ জামিল আহমেদ।

উৎস: বাংলা একাডেমি  ওয়েবসােইট।

৬১৮.
জনাব এফ আর খান পেশায় কী ছিলেন?
  1. আণবিক বিজ্ঞানী
  2. ক্যান্সার চিকিৎসক
  3. স্থপতি
  4. কম্পিউটার বিজ্ঞানী
ব্যাখ্যা
এফ আর খান:
- ফজলুর রহমান খান পেশায় স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার এবং স্থপতি।
- তিনি ১৯২৯ সালে মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার বালিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক পাস করার পর তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজ-এ ভর্তি হন।
- ১৯৫০ সালে তিনি কলকাতার শিবপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি লাভ করেন।
- ১৯৫৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান স্কিডমুর-এ যোগদানের মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়।
- ফজলুর রহমান খান শিকাগোর একশ তলা উঁচু জন হ্যানকক সেন্টার এবং একশ দশ তলা উঁচু সিয়ার্স টাওয়ার-এর নকশা তৈরি করেন।
- ইঞ্জিনিয়ারিং নিউজ রেকর্ডস কর্তৃক 'কন্সট্রাকশনস ম্যান অব দি ইয়ার' মনোনীত হওয়ার পর ১৯৭১ সালে শিকাগোর ওন্টারিও সেন্টারে একটি ফলকে তাঁর সম্বন্ধে - মন্তব্য লেখা হয় 'ইনোভেশন ফলোজ প্রোগ্রাম'।
- ১৯৮২ সালের ২৬ মার্চ তিনি হৃদরোগে মারা যান।

উৎস:  বাংলাপিডিয়া।
৬১৯.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম কোন মহিলা টেস্টটিউব শিশুর মা হন?
  1. ফিরোজা বেগম
  2. পারভীন ফাতেমা
  3. কানিজ ফাতেমা
  4. উমামা ফাতেমা 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে টেস্ট টিউব বেবি:
- বাংলাদেশে প্রথম টেস্ট টিউব বেবির জন্ম হয় ২০০১ সালের ২৯ মে ঢাকার একটি ক্লিনিকে।
- দেশের প্রথম টেস্ট টিউব বেবির মা ফিরোজা বেগম (৩৩)।
- ও বাবা আবু হানিফ তাঁদের বিবাহিত জীবনের ১৬ বছর পর এই টেস্ট টিউব বেবি পদ্ধতিতে একসঙ্গে তিন কন্যাসন্তান লাভ করেন।

উল্লেখ্য,
-পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম টেস্ট টিউব বেবি লুইস ব্রাউনের জন্ম হয় ১৯৭৮ সালের ১১ নভেম্বর ইংল্যান্ডে।

উৎস: প্রথম আলো ও এনটিভি রিপোর্ট।

৬২০.
ভারতের সাথে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তিতে বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরের কত কি.মি এলাকা লাভ করে?
  1. ২৫,৬০২ বর্গ কিলোমিটার
  2. ১৯,৪৬৭ বর্গ কিলোমিটার
  3. ২০,২৭৭ বর্গ কিলোমিটার
  4. ২৭,৩৫৬ বর্গ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
সমুদ্রসীমা জয়: বঙ্গোপসাগরে আরেকটি বাংলাদেশ
- মায়ানমার ও ভারতের মতো প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সাথে সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সংস্থার সহায়তা নিয়েছে এবং সাফল্যের সাথে তা সমাধান করেছে।
- ২০১৪ সালের জুলাইতে আন্তর্জাতিক সালিশ আদালত ভারত ও বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করে বাংলাদেশকে বঙ্গোপসাগরের ২৫,৬০২ বর্গ কিলোমিটারের মধ্যে ১৯,৪৬৭ বর্গ কিলোমিটার এলাকা প্রদান করে।
- ৫ বছর ধরে দুই দেশের মধ্যে চলমান যুক্তিতর্ক ও আলোচনা শেষে বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক সালিশ আদালত এই রায় দেয়।
- এর আগে আন্তর্জাতিক সালিশ আদালতের মাধ্যমেই মায়ানমারের সাথে জলবিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের ১,১১,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা লাভ করে। 

উৎস: আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ ২০০৯-২০১৮।
৬২১.
BAFA- কোন প্রতিষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত রূপ?
  1. Bangladesh Academy of Fine Arts
  2. Bulbul Academy of Fine Arts
  3. Bangladesh Academy for Fine Arts
  4. Bulbul Academy on Fine Arts
ব্যাখ্যা
বুলবুল ললিতকলা একাডেমী
- বুলবুল ললিতকলা একাডেমী (বাফা)  একটি সংস্কৃতি-চর্চাকেন্দ্র।
- উপমহাদেশের বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী বুলবুল চৌধুরীর স্মৃতিবিজড়িত এ প্রতিষ্ঠানটি ১৯৫৫ সালের ১৭ মে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
-সংক্ষেপে এটি বাফা (BAFA Bulbul Academy of Fine Arts) নামে পরিচিত।
- কণ্ঠসঙ্গীত,  যন্ত্রসঙ্গীত, নৃত্যকলা,  নাট্যকলা, চারু ও কারুশিল্পে শিক্ষাদান এবং শিল্প-সাহিত্য-সঙ্গীতে গবেষণা পরিচালনা এর লক্ষ্য।
- একাডেমী ললিতকলার বিভিন্ন মাধ্যম, যেমন কণ্ঠসঙ্গীত, যন্ত্রসঙ্গীত,  নৃত্যকলা, নাটক, চিত্রকলা ও ভাস্কর্যশিল্পে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রশিক্ষণ দেয়।
- শিল্পের বিভিন্ন মাধ্যমে পদ্ধতিগত শিক্ষাদান ছাড়াও এখানে রয়েছে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রযোজনা বিভাগ। একাডেমীর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীরাই এর সদস্য।
- এ বিভাগ উচ্চমানের অনুষ্ঠানাদি পরিচালনা করে থাকে। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আন্দোলনেও এর অংশগ্রহণ থাকে।
- একাডেমী পরিবেশিত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য  নৃত্যনাট্য হলো: চন্ডালিকা (১৯৫৮), প্রকৃতির লীলা (১৯৫৮), নকসী কাঁথার মাঠ (১৯৫৯), সিন্ধু (১৯৬১), মায়ার খেলা (১৯৬৪), চিত্রাঙ্গদা (১৯৬৬), হাজার তারের বীণা (১৯৬৭), বাদল বরিষণে (১৯৬৭), রাজপথ জনপথ (১৯৬৯) ও শ্যামা (১৯৭০)। এছাড়াও একাডেমী বিভিন্ন বিষয় ও গানের ওপর প্রায় অর্ধশত খন্ড নৃত্যনাট্য পরিবেশন করেছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাফা এর ওয়েবসাইট।
৬২২.
বাংলাদেশের লোকশিল্প জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. ময়নামতি
  2. সোনারগাঁও
  3. ঢাকা
  4. পাহাড়পুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ লোকশিল্প জাদুঘর:
- নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলায় বাংলাদেশ লোকশিল্প জাদুঘর অবস্থিত।
- বাংলাদেশের লোকশিল্পের সংরক্ষণ, বিকাশ ও সর্বসাধারণের মধ্যে লোকশিল্পের গৌরবময় দিক তুলে ধরার জন্য ১৯৭৫ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের উদ্যোগে বাংলাদেশ সরকার বিশাল এলাকা নিয়ে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করেন।
- সোনারগাঁয়ের 'বড়সর্দারবাড়ি' নামে পরিচিত একটি প্রাচীন জমিদার প্রাসাদে এই জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে।
- এখানে আরো রয়েছে একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, কারুপল্লী ও একটি বিশাল লেক।

⇒ সোনারগাঁয়ের পূর্বে মেঘনা নদী, পশ্চিমে শীতলক্ষ্যা, দক্ষিণে ধলেশ্বরী এবং উত্তরে ব্রষ্মপুত্র দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকায় এলাকাটি উন্নত ছিল। সেজন্য রাজা-বাদশাগণ সানন্দে সোনারগাঁয়ে বাংলার রাজধানী গড়ে তুলেছিলেন। বৌদ্ধ আমল থেকেই সুবর্ণগ্রাম শুর, পাল এবং দেব প্রভৃতি রাজার রাজধানী হিসেবে মর্যাদা পেয়েছিল।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬২৩.
'ম্যাডোনা-৪৩' কার অঙ্কিত চিত্রকর্ম?
  1. জয়নুল আবেদিন
  2. এস এম সুলতান
  3. কামরুল হাসান
  4. কাইয়ুম চৌধুরি
ব্যাখ্যা
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন:
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে তৎকালীন ময়মনসিংহ জেলার কিশোরগঞ্জ মহুকুমার কেন্দুয়াতে (বর্তমান নেত্রকোণা) জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৫৮ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের সবচেয়ে বড় খেতাব হেলাল-ই-ইমতিয়াজ অর্জন করেন এবং ১৯৭১ সালে সেটি বর্জন করেন।
- ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

⇒ জয়নুল তাঁর প্রথম জীবনেই নদী ও অবারিত প্রকৃতির মাঝে রোমান্টিকতার অনুপ্রেরণা পান।
- জয়নুল আবেদিন ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী, যারা দেশ ভাগের পর ঢাকায় অভিবাসী হয়েছিলেন, আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৬৮ সালে ঢাকা আর্ট কলেজের ছাত্রদের তরফ থেকে 'শিল্পাচার্য' উপাধি লাভ করেন।
- ১৯৭৪ সালে তিনি জাতীয় অধ্যাপক (বাংলাদেশ) সম্মান লাভ করেন।
- ১৯৭৫ সালে জয়নুল আবেদিন সোনারগাঁও এ একটি লোকশিল্প জাদুঘর এবং ময়মনসিংহে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা প্রতিষ্ঠা করেন। এ দুটি প্রতিষ্ঠানে তাঁর অংকিত কিছু চিত্রকর্ম সংরক্ষিত আছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ সংবিধানের মূল সাজসজ্জার পরিকল্পনাকারী ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।
- 'মুক্তিযোদ্ধা' জয়নুল আবেদিনের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চিত্রকর্ম।
- ১৯৪৩ সালের ভয়াল দুর্ভিক্ষের পরিপ্রেক্ষিতে জয়নুল আবেদিনের আঁকা স্কেচধর্মী চিত্রকর্ম 'ম্যাডোনা'।
- তাঁর আরো কিছু বিখ্যাত শিল্পকর্ম: দুর্ভিক্ষ, সংগ্রাম, সাঁওতাল রমণী, বিদ্রোহী, মনপুরা, নবান্ন, মহিলা ইত্যাদি।
- ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩), 'ফসল মাড়াই', জলরং (১৯৬৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
- ইনস্টিটিউট অব আর্টস অ্যান্ড ক্র্যাফ্টস প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশে আধুনিক শিল্প আন্দোলনের তিনিই পুরোধা।
- ১৯৪৮ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানের (বর্তমান চারুকলা ইনস্টিটিউ) তিনি ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ।
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের বিজয়কে ভিত্তি করে আঁকা ৬৫ ফুট দীর্ঘ স্ক্রল পেইন্টিং (চাইনিজ ইঙ্ক, জলরঙ ও মোম) ‘নবান্ন’ এবং ১৯৭০ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণ হারানো হাজারো মানুষের স্মৃতির উদ্দেশ্যে আঁকা ৩০ ফুট দীর্ঘ ‘মনপুরা’ পেইন্টিংটির মাঝে তাঁর কর্মের বৈচিত্র্য লক্ষ করা যায়।

⇒ ম্যাডোনা-৪৩:
- ১৯৪৩ সালের ভয়াল দুর্ভিক্ষের পরিপ্রেক্ষিতে জয়নুল আবেদিনের আঁকা স্কেচধর্মী চিত্রকর্ম 'ম্যাডোনা'।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন ১৯৪৩ সালের দুর্ভিরে সময় যেসব ছবি এঁকেছেন, তার বেশিরভাগেরই মূল বিষয়বস্তু ছিল মা ও শিশু।
- মূলত এই দু’টি চরিত্রকে প্রাধান্য দিয়েই তিনি এঁকেছেন একের পর এক কালজয়ী ছবি।
- এই চিত্রমালা দুর্ভিক্ষের ভয়াবহতা ও মানবিক দুর্দশা ফুটিয়ে তোলে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ২৯ ডিসেম্বর ২০১৯, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
৬২৪.
ওয়ার্ল্ড মনুমেন্ট ওয়াচে স্থান পাওয়া বাংলাদেশের একমাত্র স্থান কোনটি?
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. বাগেরহাট
  3. সিলেট
  4. ঢাকা
ব্যাখ্যা

⇒ ওয়ার্ল্ড মনুমেন্ট ওয়াচের করা তালিকায় ঐতিহ্যবাহী স্থাপনার জন্য বিখ্যাত ২৫ টি শহরের তালিকায় স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের প্রাচীন মসজিদের শহর বাগেরহাট৷ 

⇒ পনেরোশ শতকে মুসলিম ধর্মপ্রচারক খান জাহান আলীর হাত ধরে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে ভৈরব নদীর তীরে বাগেরহাট শহরের গোড়াপত্তন ৷
- শহরটির ঐতিহ্যবাহী ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলোর মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য ষাট গম্বুজ মসজিদ, সিংরা মহজিদ, খান জাহান আলীর সমাধিসৌধ, নয় গম্বুজ মসজিদ, জিন্দাপীর মসজিদ, বিবি বেগনী মসজিদ, চুনাখোলা মসজিদ, রনবিজয়পুর মসজিদ৷
- দিল্লীর তুঘলকি স্থাপত্যরীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ স্থাপনায় সমৃদ্ধ এই শহরের প্রাচীন নাম ছিল খলিফাতাবাদ ৷

উল্লেখ্য,
⇒ ১৯৯৬ সাল থেকে ওয়ার্ল্ড মনুমেন্ট ওয়াচ এ তালিকা প্রকাশ করে আসছে৷ ডাব্লিইউএমএফ এর সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে৷ ভারত, যুক্তরাজ্য, পেরু, স্পেন, পর্তুগাল ও কম্বোডিয়ায় তাদের শাখা রয়েছে৷

উৎস: ডয়েচ লেভেল।

৬২৫.
‘নাইন মান্থস টু ফ্রিডম’ প্রামাণ্যচিত্রের নির্মাতা কে?
  1. ক) গীতা মেহতা
  2. খ) এস. সুখদেভ
  3. গ) তারেক মাসুদ
  4. ঘ) জেরেমি চুয়া
ব্যাখ্যা
- ‘নাইন মান্থস টু ফ্রিডম : দ্য স্টোরি অফ বাংলাদেশ’ হলো ভারতীয় চলচ্চিত্রকার এস. সুখদেভ নির্মিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্যচিত্র।
- প্রামাণ্যচিত্রটিতে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর হত্যাযজ্ঞ বাস্তবচিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়। ১৯৭২ সালে প্রামাণ্যচিত্রটি প্রথম প্রদর্শিত হয়।
(তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া)
৬২৬.
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একযোগে ১০০টি সড়ক সেতুর উদ্বোধন করেন -
  1. ক) ১ জানুয়ারি, ২০২৩
  2. খ) ১৬ ডিসেম্বর, ২০২২
  3. গ) ৭ নভেম্বর, ২০২২
  4. ঘ) ১ নভেম্বর, ২০২২
ব্যাখ্যা
৭ নভেম্বর, ২০২২ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যান চলাচলের জন্য ২৫ জেলায় ১০০টি সড়ক সেতুর উদ্বোধন করেছেন।

দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে সারা দেশে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপনে বর্তমান সরকারের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই সেতুগুলো একযোগে উদ্বোধন করেন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভার্চ্যুয়ালি এসব সেতুর উদ্বোধন করেন। তিনি বলেন, “এটি হচ্ছে একযোগে একশ' সেতু উদ্বোধনের একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এটি দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখবে।”

৮৭৯ কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে নবনির্মিত সেতুগুলো রাজধানীর সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপন করেছে। এগুলো ৩৩টি রুটে ফেরি পরিষেবা মুক্ত করেছে, যা সড়ক যোগাযোগকে মসৃণ, দ্রুত, সহজতর ও নিরাপদ করবে।

সেতুগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে রয়েছে ৪৬টি, সিলেটে ১৭টি, বরিশালে ১৪টি, ঢাকা ও রাজশাহীতে ৭টি, ময়মনসিংহে ৬টি ও রংপুর বিভাগে ৩টি। 

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ডিসেম্বর ২০২২ ও দৈনিক প্রথম আলো।
৬২৭.
‘গম্ভীরা’ বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের গান?
  1. সিলেট
  2. চট্টগ্রাম
  3. রাজশাহী
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

• গম্ভীরা গান:
- গম্ভীরা গান  এক প্রকার জনপ্রিয়  লোকসঙ্গীত।
- সাধারণত বৃহত্তর  রাজশাহী অঞ্চলে এ গান প্রচলিত।
- ‘গম্ভীরা’ হচ্ছে এক প্রকার উৎসব। ধারণা করা হয় যে, গম্ভীরা উৎসবের প্রচলন হয়েছে শিবপূজাকে কেন্দ্র করে।
- শিবের এক নাম ‘গম্ভীর’, তাই শিবের উৎসব গম্ভীরা উৎসব এবং শিবের বন্দনাগীতিই হলো গম্ভীরা গান।
- গম্ভীরা উৎসবের সঙ্গে এ সঙ্গীতের ব্যবহারের পেছনে জাতিগত ও পরিবেশগত প্রভাব রয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৬২৮.
বালিয়াটি জমিদার বাড়ি কোথায় অবস্থিত?
  1. মানিকগঞ্জ
  2. টাঙ্গাইল
  3. ময়মনসিংহ
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা
বালিয়াটি জমিদার বাড়ি:
- বালিয়াটি জমিদার বাড়ি মানিকগঞ্জে অবস্থিত।
- মানিকগঞ্জ জেলা শহর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে এবং ঢাকা থেকে ৬২ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি গ্রামে বালিয়াটি প্রাসাদ জাদুঘরটি অবস্থিত।
- এ জমিদার পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন জনৈক গোবিন্দ রাম সাহা যিনি আঠার শতকের মাঝামাঝি সময়ে একজন মহাজন ও ব্যবসায়ী ছিলেন।
- জমিদার পরিবারের বিভিন্ন উত্তরাধিকারের মধ্যে “কিশোরিলাল রায় চৌধুরী, রায়বাহাদুর হরেন্দ্র কুমার রায় চৌধুরী তৎকালীন শিক্ষাখাতে উন্নয়নের জন্য বিখ্যাত ছিলেন।
- ঢাকার জগন্নাথ কলেজ প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন কিশোরিলাল রায় চৌধুরীর পিতা এবং যার নামানুসারে উক্ত প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করা হয়।

⇒ বালিয়াটি জমিদার বাড়ি নামে পরিচিত, এই প্রাসাদ চত্বরটি প্রায় ১৬,৫৫৪ বর্গমিটার জমির উপর ছড়িয়ে থাকা ৭টি দক্ষিণমুখী দালানের সমাবেশ।
- এই দালানগুলো খ্রিষ্টীয় মধ্য ঊনবিংশ শতক থেকে বিংশ শতকের প্রথমভাগের বিভিন্ন সময়ে জমিদার পরিবারের কয়েকজন সদস্যের দ্বারা নির্মিত হয়েছিল।
- সামনের চারটি প্রসাদ ব্যবহৃত হত ব্যবসায়িক কাজে।
- এই প্রসাদের পেছনের প্রাসাদকে বলা হয় অন্দর মহল যেখানে বসবাস করত তারা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬২৯.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ২০১৮-১৯ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসেবে জিডিপি কৃষি খাতের অবদান-
  1. ক) ১৩.৬০%
  2. খ) ১৩.৬৫%
  3. গ) ১৩.৭০%
  4. ঘ) ১৩.৮০%
ব্যাখ্যা
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জানুয়ারি ২০২০।
৬৩০.
তিনটি ডাবল সেঞ্চুরি করা একমাত্র বাংলাদেশি ক্রিকেটার কে?
  1. তামিম
  2. সাকিব
  3. মাহমুদুল্লাহ
  4. মুশফিকুর রহিম
ব্যাখ্যা
- মুশফিকুর রহিম তিনটি ডাবল সেঞ্চুরি করা একমাত্র বাংলাদেশি ক্রিকেটার। 
- ২০১৩ সালে গলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মুশফিকুর রহিম একটি ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন, যা বাংলাদেশ দলের ৬৩৮ রানের সর্বোচ্চ ইনিংসের অংশ ছিল। 
- ২০১৮ এবং ২০২০ সালে মিরপুরে তিনি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পরপর দুটি টেস্টে ১৫ মাসের ব্যবধানে ডাবল সেঞ্চুরি করেন। 
- এর মধ্যে প্রথমটি তাকে প্রথম উইকেটকিপার-ব্যাটার হিসেবে দুটি টেস্ট ডাবল সেঞ্চুরি করার গৌরব এনে দেয়।
- ২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২১৯ রানের ইনিংস এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের কোনো ব্যাটসম্যানের টেস্টে সর্বোচ্চ ইনিংস। 

উৎস: ESPNcricinfo. 
৬৩১.
‘সাবাস বাংলাদেশ’ ভাস্কর্যের স্থপতি কে?
  1. নিতুন কুণ্ডু
  2. হামিদুর রহমান
  3. শাহাবুদ্দিন আহমেদ
  4. কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা

সাবাস বাংলাদেশ:
- 'সাবাস বাংলাদেশ' ভাস্কর্যটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ভাস্কর্যগুলোর অন্যতম।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী তরুণ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতীকী ভাস্কর্যটি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ভাস্কর্য।
- ভাস্কর্যটির স্থপতি শিল্পী নিতুন কুণ্ডু।
- এই ভাস্কর্যটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।
- ১৯৯২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি কংক্রিটে তৈরি ভাস্কর্যটির উদ্বোধন করেন জাহানারা ইমাম।
- মূল ভাস্কর্যটি ৪০ বর্গফুট মাপের একটি বেদির ওপর অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো পত্রিকা।

৬৩২.
বাংলাদেশের বৃহত্তম সেতু কোনটি?
  1. পদ্মা সেতু
  2. মেঘনা সেতু
  3. বঙ্গবন্ধু সেতু
  4. গড়াই সেতু
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:
- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সভাপতি ছিলেন অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর ২০২০ সালে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন ২০২২ সালে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা, জুন ২৫, ২০২২ ও যুগান্তর, ২৪ জুন ২০২২।
৬৩৩.
একুশে পদক চালু করা হয় কবে?
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা

একুশে পদক:
- এটি বাংলাদেশের একটি জাতীয় পুরস্কার।
- ১৯৭৬ সালে প্রথম এ পুরস্কার চালু করা হয়। 
- জাতীয় জীবনে নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিশিষ্ট অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সরকার একুশে পদক প্রদান করে থাকে।
- এ পুরস্কারের জন্য বিবেচ্য ক্ষেত্রগুলি হলো সাহিত্য, সাংবাদিকতা, শিক্ষা, গবেষণা, অর্থনীতি ও দারিদ্য বিমোচন, শিল্প-সংস্কৃতি, সঙ্গীত, নৃত্য, চারুকলা, নাট্যাভিনয়, ভাস্কর্য, এবং ভাষা আন্দোলনে অবদান।
- প্রতিটি পুরস্কারে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে নগদ ১৮ ক্যারেট মানের তিন ভরি ওজনের স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র ও নগদ অর্থ।
- শুরুতে পুরস্কারের অর্থের পরিমাণ ছিল পঁচিশ হাজার টাকা।
- পরবর্তী সময়ে এ অর্থের পরিমাণ চল্লিশ হাজার টাকায় উন্নীত হয়।
- সরকার ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী  আবুল বরকত  রফিক উদ্দিন আহমদ,  আবদুস সালাম ও  আবদুল জববার এ চারজন শহীদকে ২০০০ সালে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক প্রথম আলো, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩।

৬৩৪.
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যপদ নির্বাচনে বাংলাদেশ কয় বার জয়লাভ করেছে?
  1. ১ বার
  2. ২ বার
  3. ৩ বার
  4. নির্বাচিত হয়নি
ব্যাখ্যা

• নিরপত্তা পরিষদ:
- জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য ৫টি দেশ।
- দেশগুলো নিরাপত্তা পরিষদেরও স্থায়ী সদস্য।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ১৫টি।
- এর মধ্যে ৫টি স্থায়ী সদস্য এবং ১০টি অস্থায়ী সদস্য।
- স্থায়ী সদস্য ৫টি দেশ হলো: যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স।
- অস্থায়ী সদস্যরা ২ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়। 
- নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের ভেটো ক্ষমতা রয়েছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে যেকোন প্রস্তাব পাশের জন্যে এই ৫টি দেশের সম্মতির প্রয়োজন হয়।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ দু’বার নির্বাচিত হয়, প্রথমবার জাপানকে পরাজিত করে ১৯৭৯-১৯৮০ সালে এবং দ্বিতীয়বার ২০০০-২০০১ সালে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া।

৬৩৫.
রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি অনুযায়ী কাজী নজরুল ইসলাম কবে থেকে বাংলাদেশের জাতীয় কবি হিসাবে বিবেচিত হবেন?
  1. ১৯৭২ সালের ৪ মে
  2. ১৯৭৩ সালের ২৪ মে
  3. ১৯৭২ সালের ২৪ মে
  4. ১৯৭৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
জাতীয় কবির রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি:
- বাংলাদেশের জাতীয় কবির রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেলেন কাজী নজরুল ইসলাম।
- তিনি ১৯৭২ সালের ৪ মে থেকে বাংলাদেশের জাতীয় কবি হিসাবে বিবেচিত হবেন।

- ১৯৭২ সালের ২৪ মে কবি কাজী নজরুল ইসলামকে কলকাতা থেকে সরকারি উদ্যোগে সপরিবার ঢাকায় আনা হয়।
- তাঁর বসবাসের জন্য ধানমন্ডির ২৮ নম্বর (পুরাতন) সড়কের ৩৩০-বি বাড়িটি বরাদ্দ দেওয়া হয়।
- ১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা সাহিত্য এবং সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের জন্য কাজী নজরুল ইসলামকে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
- ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি বঙ্গভবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর, তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ উল্লাহ কবি নজরুল ইসলামকে ডি.লিট উপাধিতে ভূষিত করেন।
- একই অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল মতিন চৌধুরী কবি নজরুল ইসলামের উদ্দেশে একটি মানপত্র পাঠ করেন।
- ১৯৭৬ সালের জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশ সরকার কবি কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করে।
- একই বছর, ১৯৭৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তাঁকে একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।

উল্লেখ্য, 
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- নজরুলের ডাক নাম ছিল 'দুখু মিয়া'।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি 'বিদ্রোহী কবি'।
- কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা গানের জগতে 'বুলবুল' নামে খ্যাত।

• কাজী নজরুল ইসলামের সংগীত বিষয়ক গ্রন্থ:
- চোখের চাতক,
- নজরুল গীতিকা,
- সুর সাকী,
- বনগীতি প্রভৃতি।
• কাজী নজরুল ইসলাম রচিত উপন্যাস:
- বাঁধন-হারা,
- মৃত্যুক্ষুধা,
- কুহেলিকা।
কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- রাজবন্দীর জবানবন্দি,
- দুর্দিনের যাত্রী,
- যুগবাণী,
- রুদ্র-মঙ্গল।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ। [লিঙ্ক] ও প্রজ্ঞাপন [লিঙ্ক]
৬৩৬.
বাংলাদেশের প্রথম ডাকটিকিটের নকশা করেছিলেন কে?
  1. জয়নুল আবেদীন
  2. বিমান মল্লিক
  3. কাইয়ুম চৌধুরী
  4. কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ডাকটিকিট: 
বাংলাদেশের ডাকটিকিট একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহাসিক উপাদান, যা স্বাধীনতার পর দেশের পরিচয় ও ঐতিহ্যকে বিশ্বে তুলে ধরার লক্ষ্যে প্রকাশিত হয়েছে।

প্রথম ডাকটিকিটের প্রকাশ:
প্রকাশের তারিখ: ১৯৭১ সালের ২৯ জুলাই।
স্থান: একযোগে মুজিবনগর, কলকাতার বাংলাদেশ মিশন ও লন্ডন থেকে।
সংখ্যা: প্রথমবার প্রকাশিত ডাকটিকিটের সংখ্যা ছিল ৮টি।

নকশা ও ডিজাইন:
নকশা: ডাকটিকিটগুলোর নকশা করেছিলেন প্রবাসী বাঙালি বিমান মল্লিক।
বৈশিষ্ট্য: প্রথম ডাকটিকিটটি স্বাধীন বাংলাদেশের মানচিত্র সম্বলিত ছিল, যার রং গাঢ় লাল, নীল ও বেগুনী।
মূল্যের বার্তা:
মূল্য: ১০ পয়সা।
বার্তা: ডাকটিকিটের মাধ্যমে বাংলাদেশের ভূখণ্ড এবং দেশের পরিচয় বিশ্বকে জানানো হয়।

মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী স্মারক ডাকটিকিট:
মুক্তিযুদ্ধ শেষে প্রথম স্মারক ডাকটিকিট ২১ ফেব্রুয়ারী ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়, যা ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ছবি ধারণ করে।

ডাকটিকিটের সংখ্যা ও সুভ্যেনির:
বাংলাদেশ ডাকবিভাগ বর্তমানে ৭৩২ প্রকার ডাকটিকিট এবং ২৮টি সুভ্যেনির প্রকাশ করেছে।

জাতীয় ডাকটিকিট দিবস:
তারিখ: ২৯ জুলাই।
দিবস: ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই থেকে বাংলাদেশে 'জাতীয় ডাকটিকিট দিবস' পালিত হচ্ছে।

এটি বাংলাদেশী সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও জাতীয় আবেগকে ধারণ করে।

উৎস:
i) ডাক অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট। [link]
ii) জুলাই ২৯, ২০২১, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
৬৩৭.
'শিখা' কোন ধরনের পত্রিকা ছিল?
  1. মাসিক
  2. ত্রৈমাসিক
  3. অর্ধবার্ষিক
  4. বার্ষিক
ব্যাখ্যা

শিখা পত্রিকা: 
- শিখা ১৯২৬ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত মুসলিম সাহিত্য-সমাজের মুখপত্র।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি ও বাণিজ্য বিভাগের অধ্যাপক আবুল হুসেন ছিলেন শিখা পত্রিকার প্রথম সংখ্যার সম্পাদক।
- শিখা বছরে একবার প্রকাশিত হত।
- প্রথম সংখ্যার প্রকাশকাল চৈত্র ১৩৩৩ (৮ এপ্রিল ১৯২৭)। 

উল্লেখ্য,
- শিখার প্রতিটি সংখ্যার শিরোদেশে ‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব’ কথাটি মুদ্রিত থাকত।
- এ উক্তিকেই শিখা পত্রিকার লেখকগোষ্ঠী তাদের মটো বা আদর্শবাণী হিসেবে বিবেচনা করত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৬৩৮.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০তম উপাচার্য কে?
  1. মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান
  2. ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক
  3. ড. নিয়াজ আহমদ খান
  4. এমাজউদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০তম উপাচার্য: 
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেছেন ৩০তম উপাচার্য হিসেবে সদ্য নিয়োগ পাওয়া অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। 
মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩-এর আর্টিকল ১১(২) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক। 

• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:
- ১৯২১ সালের ১ জুলাই পূর্ববঙ্গের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় নাথান কমিশন গঠিত হয়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কোনো স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় প্রতিষ্ঠিত হয় নি। রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে একটি সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে ভারত সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হলে বঙ্গভঙ্গ রদের রাজকীয় ক্ষতিপূরণ হিসেবে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন স্যার পি জে হার্টজ।
- ২০২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার শতবর্ষ পূর্ণ হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৬৩৯.
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ কতবার নির্বাচিত হয়?
  1. ১ বার
  2. ২ বার
  3. ৩ বার
  4. নির্বাচিত হয়নি
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য ৫টি দেশ।
- দেশগুলো নিরাপত্তা পরিষদেরও স্থায়ী সদস্য।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ১৫টি।
- এর মধ্যে ৫টি স্থায়ী সদস্য এবং ১০টি অস্থায়ী সদস্য।
- স্থায়ী সদস্য ৫টি দেশ হলো: যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স।
- অস্থায়ী সদস্যরা ২ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়। 
- নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের ভেটো ক্ষমতা রয়েছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে যেকোন প্রস্তাব পাশের জন্যে এই ৫টি দেশের সম্মতির প্রয়োজন হয়।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ দু’বার নির্বাচিত হয়, প্রথমবার জাপানকে পরাজিত করে ১৯৭৯-১৯৮০ সালে এবং দ্বিতীয়বার ২০০০-২০০১ সালে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া।
৬৪০.
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড গঠিত হয় কত সালে? 
  1. ১৯৭২
  2. ১৯৭৪
  3. ১৯৭৮
  4. ১৯৮২
ব্যাখ্যা

বিসিবি:
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) বাংলাদেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ ক্রীড়া নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
- বিসিবি মূলত ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রধান সদর দপ্তর- ঢাকায় ।
- বিসিবি সর্বপ্রথম ১৯৭৭ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের সহযোগী সদস্য এবং ২৬শে জুন ২০০০-এ পূর্ণ সদস্য হন।
- বর্তমানে বিসিবি’র সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আমিনুল ইসলাম।

উৎস: বিসিবি ওয়েবসাইট।

৬৪১.
ঢাকা শেরাটন হোটেলের বর্তমান নাম কী?
  1. রূপসী বাংলা
  2. চিরন্তন বাংলা
  3. শ্বাশত বাংলা
  4. অপূর্ব বাংলা
ব্যাখ্যা
• প্রশ্নটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন ছিল। সেই অনুযায়ী উত্তর গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে নাম হচ্ছে- হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টাল।

হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টাল:
যাত্রা শুরু: ১৯৬৬ খ্রি.।
স্বত্বাধিকারী: বাংলাদেশ সার্ভিসেস লি।
স্থপতি: উইলিয়াম বি. ট্যাবলার।
অবস্থান: ঢাকার শাহবাগ।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের ১ম পাঁচ তারকা হোটেল।
- রেডক্রস মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে 'নিরপেক্ষ স্থান' ঘোষণা করেছিল।
- নাম পরিবর্তন ক্রম:
ইন্টার কন্টিনেন্টাল> শেরাটন> রূপসী বাংলা> ইন্টার কন্টিনেন্টাল (সর্বশেষ)।

তথ্যসূত্র: হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টাল ওয়েবসাইট।
৬৪২.
ইউনেস্কোর 'মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড' তালিকায় স্থান পাওয়া বাঙালি লেখকের গ্রন্থ কোনটি?
  1. পুতুলনাচের ইতিকথা
  2. সুলতানা’স ড্রিম
  3. তিতাস একটি নদীর নাম
  4. চিলেকোঠার সেপাই
ব্যাখ্যা
Sultana’s Dream:
- Sultana’s Dream গ্রন্থটি রোকেয়া নিজেই বাংলায় অনুবাদ করেন।  
- এটি একটি প্রতীকী রচনা এবং এতে বর্ণিত নারীস্থান মূলত রোকেয়ারই স্বপ্নকল্পনার প্রতীক।
- জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেসকোর ‘ওয়ার্ল্ড মেমোরি’র তালিকায় স্থান পেয়েছে রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের লেখা উপন্যাস ‘সুলতানা’স ড্রিম’।
- এর মধ্য দিয়ে বাংলা অঞ্চলে নারীস্বাধীনতার অন্যতম পথিকৃৎ রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ঐতিহ্যগত উত্তরাধিকারের স্বীকৃতি পায় বাংলাদেশ।
- মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলান বাটোরে ইউনেসকোর ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড কমিটি ফর এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিক’ বা মৌক্যাপের দশম সাধারণ সভায় ঘোষণাটি দেওয়া হয়।
- বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মৌক্যাপের কাছে ‘সুলতানা’স ড্রিম’-এর নামের আবেদন জানিয়েছিল মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর। 

উৎস:বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
৬৪৩.
যমুনা রেলসেতু আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয় কবে?
  1. ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  2. ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  3. ০৮ মার্চ, ২০২৫
  4. ১৮ মার্চ, ২০২৫
ব্যাখ্যা

যমুনা রেলসেতু:
- যমুনা সেতু যমুনার নদীর ওপর অবস্থিত রেল সেতু।
- সেতুটি টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
- সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার।
- সেতুর মোট স্প্যান ৪৯টি।
- সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৫০টি।
- সেতুটিতে ডুয়েল গেজ ডাবল রেললাইন নির্মাণ করা হয়েছে।
- ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে যমুনা রেলসেতু দিয়ে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
- ১৮ মার্চ, ২০২৫ তারিখে যমুনা সেতু আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়।

উল্লেখ্য,

- শুরুতে সেতুর ব্যয় নির্ধারিত ছিল ৯,৭৩৪.০৭ কোটি টাকা, যা পরবর্তীতে ১৬,৭৮০.৯৬ কোটি টাকায় উন্নীত হয়।
- এর মধ্যে ২৭ দশমিক ৬০ শতাংশ অর্থায়ন এসেছে দেশীয় উৎস থেকে এবং ৭২ দশমিক ৪০ শতাংশ ঋণ দিয়েছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)।
- রেল সেতুটির নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে জাপানি কোম্পানি ওটিজি ও আইএইচআই।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট।

৬৪৪.
ইলা মিত্র সংগ্রহশালা কোথায় অবস্থিত?
  1. ঈশ্বরদী
  2. ত্রিশাল
  3. নাচোল
  4. আলফাডাঙ্গা
ব্যাখ্যা
ইলা মিত্র সংগ্রহশালা:
- তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ইলা মিত্র।
- জমিতে উৎপন্ন ফসলের তিন ভাগের দুই ভাগ দাবি জানিয়ে ১৯৪৬ সালের ডিসেম্বরে শুরু হয়েছিল 'তেভাগা আন্দোলন'।
- এ আন্দোলনের অন্যতম নেতা ছিলেন ইলা মিত্র।

                 

- তাঁর স্মরণে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে 'ইলা মিত্র সংগ্রহশালা'।
- সংগ্রহশালাটি নির্মিত হয়েছে উপজেলার নেজামপুর ইউনিয়নের রাওতারা গ্রামের কেন্দুয়া এলাকায় ইলা মিত্র মঠের পাশেই।
- চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ২৫ কিলোমিটার।
- সংগ্রহশালায় ঘুরে দেখা যায়, বেশির ভাগই তেভাগা আন্দোলন ও ইলা মিত্র সম্পর্কিত বই, পত্র-পত্রিকা, দুর্লভ স্থিরচিত্র।
- এ ছাড়াও রয়েছে জেলার ঐতিহ্যবাহী নানা উপাদান।

উৎস: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, সমকাল।
৬৪৫.
কক্সবাজার বিমানবন্দর দেশের কততম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে? [মে, ২০২৫]
  1. ৩য়
  2. ৪র্থ
  3. ৫ম
  4. ৭ম
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর:
- বর্তমানে দেশে তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে।
• ঢাকা: শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর,
• চট্টগ্রাম: শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং
• সিলেট: ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালের জুলাই মাস থেকে কক্সবাজার বিমানবন্দর দেশের চতুর্থ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে।

- ২০২১ সালে বিমানবন্দরটিকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার প্রকল্প শুরু হয়।
- এর আওতায় রানওয়ে সম্প্রসারণ, নতুন টার্মিনাল ভবন নির্মাণ এবং ২৪ ঘণ্টা ফ্লাইট পরিচালনার উপযোগী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
- সম্প্রসারণের পর কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ের দৈর্ঘ্য হবে ১০,৭০০ ফুট বা ৩.২৬ কিলোমিটার, যা হবে দেশের সবচেয়ে বড় রানওয়ে।

তথ্যসূত্র: নিউজ রিপোর্ট। [LINK]
৬৪৬.
‘বঙ্গমাতা’ চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. অমিতাভ রেজা
  2. গৌতম কৈরী
  3. দেলোয়ার জাহান ঝন্টু
  4. দিলিপ বিশ্বাস
ব্যাখ্যা
•  বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবকে নিয়ে নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘বঙ্গমাতা’। 
- ‘বঙ্গমাতা' চলচ্চিত্রের পরিচালক - গৌতম কৈরী।
- লেখক খোরশেদ বাহারের বঙ্গমাতা, ইতিহাসের নিভৃত সৈনিক উপন্যাস অবলম্বনে সিনেমার চিত্রনাট্য লিখেছেন নাসরীন মুস্তাফা এবং
- সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছেন গৌতম কৈরী। 
- ছবিতে ‘বঙ্গমাতা’র চরিত্রে অভিনয় করেছেন জ্যোতিকা জ্যোতি।
- ‘বঙ্গবন্ধু’ চরিত্রে অভিনয় করেছেন মনির আহমেদ,
- শেখ হাসিনার কিশোরীবেলার চরিত্রে আছেন লাবণ্য চৌধুরী।

সূত্র: প্রথম আলো। 
৬৪৭.
ওয়ানডে'তে বাংলাদেশের বর্তমান অধিনায়ক কে?
  1. ক) সাকিব আল হাসান
  2. খ) মুশফিকুর রহিম
  3. গ) মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
  4. ঘ) তামিম ইকবাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেট দলের ওয়ানডে টিমের নতুন অধিনায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বাঁহাতি উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান তামিম ইকবালকে। তিনি দেশের ক্রিকেট দলের ১৪তম অধিনায়ক।
উল্লেখ্য বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মমিনুল হক এবং টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।
উৎসঃ বিসিবির ওয়েবসাইট।
৬৪৮.
একুশে পদক প্রবর্তিত হয় কত সাল থেকে?
  1. ১৯৭২
  2. ১৯৭৫
  3. ১৯৭৬
  4. ১৯৭৮
ব্যাখ্যা

একুশে পদক:
- একুশে পদক বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
- ১৯৭৬ সালে জিয়াউর রহমান একুশে পদক প্রবর্তন করেন। 
- জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্যে বাংলাদেশ সরকারের 'সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়' এই পুরস্কার প্রদান করে। 

একুশে পদক ২০২৫:
- একুশে পদক- ২০২৫ পেয়েছেন দেশের বিশিষ্ট ১৭ জন ব্যক্তি ও ১টি প্রতিষ্ঠান।
• গবেষণা - মঈদুল হাসান (মূলধারা ৭১ এর রচয়িতা)।
• ভাষা ও সাহিত্যে - শহীদুল জহির (মো. শহীদুল হক) (মরণোত্তর) ও হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর)।
• সংস্কৃতি ও শিক্ষা - ড. শহীদুল আলম (ফটোগ্রাফার, মানবাধিকার কর্মী এবং দৃকের প্রতিষ্ঠাতা),
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি - মেহেদী হাসান খান (অভ্র'র জনক) ও রিফাত নবী, তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
• সাংবাদিকতা - মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর)।
• সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার - মাহমুদুর রহমান।
• শিল্পকলা (চলচ্চিত্র) - আজিজুর রহমান (মরণোত্তর)।
• সংগীত - উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) ও ফেরদৌস আরা।
• আলোকচিত্র - নাসির আলী মামুন।
• চিত্রকলা - রোকেয়া সুলতানা।
• শিক্ষা - ড. নিয়াজ জামান।
• সমাজসেবা - মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর)।
• ক্রীড়ায়: বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

৬৪৯.
জাপান কবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়?
  1. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
  2. ১০ জানুয়ারি ১৯৭২
  3. ১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
  4. ১৫ আগস্ট ১৯৭৫
ব্যাখ্যা

→ জাপান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়: ১০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ সালে।

• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরব দেশ:
- আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় - ইরাক।
- ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- লেবানন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ২৮ মার্চ, ১৯৭৩ সালে।
- ইরান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে।

• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরো কিছু উল্লেখযোগ্য রাষ্ট্র:
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার - সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

- এশিয়ার বাইরে প্রথম দেশ বা প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে - ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি স্বীকৃতি দেয় পূর্ব-জার্মানি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে সর্ব প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ভেনিজুয়েলা (২ মে ১৯৭২)।
- প্রথম পশ্চিমা দেশ হিসেবে গ্রেট ব্রিটেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি।
- ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২।
- ব্রাজিল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ১৫ মে, ১৯৭২।
- আর্জেন্টিনা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ২৫ মে ১৯৭২।

তথ্যসূত্র - পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, সংগ্রামের নোটবুক ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

৬৫০.
কোনটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান হিসাবে প্রসিদ্ধ নয়? 
  1. ময়নামতি
  2. পাহাড়পুর
  3. মহাস্থানগড়
  4. সুন্দরবন
ব্যাখ্যা

 • প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান নয় - সুন্দরবন।

• প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান:
- প্রত্ন’ শব্দের অর্থ অতি পুরাতন বা প্রাচীন।
- এ-সম্পর্কিত যে তত্ত্ব তা-ই হচ্ছে প্রত্নতত্ত্ব।
- আর প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান হলো যেসব স্থানে প্রাচীন কালের জিনিসপত্র, মুদ্রা, অট্টালিকা, স্থাপত্য, গহনা, ধাতব বস্ত্র ইত্যাদি পাওয়া যায়।

- বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি স্থানে প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের সন্ধান পাওয়া গেছে। সেগুলো হলো মহাস্থানগড়, ময়মামতি, পাহাড়পুর ও উয়ারী-বটেশ্বর।

• সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বা স্রোতজ বনভূমি। 
- বাংলাদেশে অবস্থিত সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার।
- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সংস্থা ইউনেস্কো পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে ৭৯৮তম World Heritage হিসেবে ঘোষণা করে।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও পঞ্চম শ্রেণীর বাংলা বোর্ড বই।

৬৫১.
পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) বগুড়া
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) কুষ্টিয়া
  4. ঘ) নঁওগা
ব্যাখ্যা
পাহাড়পুর বা পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলায় অবস্থিত।
পাল রাজা ধর্মপাল ৭৮১-৮২১ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রাজত্ব করেছেন। পাল বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ শাসক ধর্মপাল বৌদ্ধধর্মের প্রসারে নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে সোমপুর বিহার প্রতিষ্ঠা করেন।
এখন পর্যন্ত সোমপুর বিহার ভারতবর্ষের সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার হিসেবে স্বীকৃত।
এটিকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐহিত্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।

উৎস: নওগাঁ জেলার সরকারি ওয়েবসাইট এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ।
৬৫২.
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক কোনটি?
  1. ক) স্বাধীনতা পদক
  2. খ) একুশে পদক
  3. গ) যুব উন্নয়ন পদক
  4. ঘ) প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পুরস্কার
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার:
- ‘স্বাধীনতা পুরস্কার' বাংলাদেশের জাতীয় এবং “সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার”
- দেশ ও জাতির কল্যাণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৭ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
- বাংলাদেশ সরকারের 'মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ' থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- ১৮ মার্চ, ২০২২ তারিখে জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৫টি ক্যাটাগরিতে ৯ জন বিশিষ্ট নাগরিক ও ২টি প্রতিষ্ঠানকে 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২ প্রদান করে বাংলাদেশ সরকারের 'মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ'।
- একুশে পদক হচ্ছে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক। 
- বীরশ্রেষ্ঠ হলো সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব। 
- প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পুরস্কার বৃক্ষরোপনের জন্য প্রদান করা হয়। 

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।
৬৫৩.
বাংলাদেশ প্রথমবার কখন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিল?
  1. ১৯৭৯ সালে
  2. ১৯৮৬ সালে
  3. ১৯৯০ সালে
  4. ২০০০ সালে
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ:
- জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ গঠিত।
- সাধারণ পরিষদের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি।
- সদস্য দেশগুলোর ভোটে নির্বাচিত সাধারণ পরিষদের সভাপতির মেয়াদ এক বছর।
- সাধারণত সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার নিউইয়র্কে সাধারণ পরিষদের অধিবেশন বসে।
- ১৯৫০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কোরিয়া সংকটকে কেন্দ্র করে শান্তির জন্যে ঐক্য প্রস্তাব গ্রহণ করে।
- এটি সাধারণ পরিষদের 377(V) রেজ্যুলেশন নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের সাধারন পরিষদে প্রথম সভাপতি নির্বাচিত হয়- ১৯৮৬ সালে।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রথম বাংলাদেশী সভাপতি — হুমায়ূন রশিদ চৌধুরী। 

উৎস: UN General Assembly, প্রথম আলো।

৬৫৪.
সুন্দরবন 'Ramsar Site' হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে -
  1. ১৯৯০ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৪ সালে
ব্যাখ্যা
• সুন্দরবন:
- সুন্দরবন বিশ্বের একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন।
- সুন্দরবন দুটি বন বিভাগে বিভক্ত: সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ ও সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগ।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন ৬০১৭ বর্গকিলোমিটার।
- সমগ্র সুন্দরবন খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটে বিস্তৃত।
-
এছাড়া ৩টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য কেন্দ্র এবং ৩টি বিশেষায়িত বণ্যপ্রানী (ডলফিন) অভয়ারণ্য বিদ্যমান।
- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সনে UNESCO সুন্দরবনের ৩টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যকে ৭৯৮তম World Heritage Site হিসেবে ঘোষণা করে।
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯ সনে নীলকমলে World Heritage Site-এর নামফলক উন্মোচন করেন।
- সুন্দরবনের জলভাগ জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ হওয়ায় ১৯৯২ সালের ২১ মে থেকে এটি Ramsar Site হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
- টাঙ্গুয়ার হাওর ১০ জুলাই, ২০০০ সালে রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বন সংরক্ষণ দপ্তর ও রামসার সাইট।
৬৫৫.
কুসুম্বা মসজিদ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নাটোর
  2. রাজশাহী
  3. নওগাঁ
  4. বগুড়া
ব্যাখ্যা
কুসুম্বা মসজিদ:
- নওগাঁর মান্দা উপজেলায় ঐতিহাসিক কুসুম্বা মসজিদের অবস্থান।
- মসজিদটি ধরে রেখেছে সুলতানি আমলের অনন্য নিদর্শন।
- এর মিহরাবের ওপর সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহর নাম লিপিবদ্ধ করা।
- ধারণা করা হয়, তাঁর শাসনামলে মসজিদটি নির্মিত।
- এটি চারকোনাবিশিষ্ট। কালো ও ধূসর রঙের পাথর আর পোড়ামাটির ইটে গড়া এই মসজিদ।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের ৫ টাকার নোটে কুসুম্বা মসজিদের ছবি ছাপানো আছে।

উৎস: প্রথম আলো।
৬৫৬.
বাংলাদেশের একমাত্র স্যাটেলাইটটি কোন দেশ থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়?
  1. ক) ইতালী
  2. খ) ফ্রান্স
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) জার্মানি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম নিজস্ব স্যাটেলাইট হলো বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১। ২০১৮ সালের ১১ মে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানভেরাল থেকে মার্কিন কোম্পানি স্পেসএক্স এর ফ্যালকন-৯ রকেটে করে এটি উৎক্ষেপণ করা হয়। এটির নির্মাতা ফ্রান্সের থ্যালেস এলিনিয়া। এটির কক্ষপথ হলো ১১৯ দশমিক ১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা।
বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে নিজস্ব স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করে।
উৎসঃ বিবিসি বাংলা
৬৫৭.
জহির রায়হান পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. কখনও আসেনি
  2. জীবন থেকে নেয়া
  3. সঙ্গম
  4. স্টপ জেনোসাইড
ব্যাখ্যা
জহির রায়হান:
- জহির রায়হান (১৯ আগস্ট ১৯৩৫ — ৩০ জানুয়ারি ১৯৭২) ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী চলচ্চিত্র পরিচালক, ঔপন্যাসিক এবং গল্পকার।
- তাঁর আসল নাম ছিল জহিরুল্লাহ।
- পরবর্তী সময়ে তিনি জহির রায়হান নামে পরিচিত হন।
- ১৯৫২ সালে তিনি ভাষা আন্দোলনে যোগ দেন।
- ২১ ফেব্রুয়ারি যে ১০ জন প্রথম ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করেন তিনি তাঁদের অন্যতম।
- তাঁর প্রথম গল্পসংগ্রহ সূর্যগ্রহণ প্রকাশিত হয়।
- তাঁর লিখিত অন্যান্য বইগুলি হচ্ছে শেষ বিকেলের মেয়ে, হাজার বছর ধরে, আরেক ফাল্গুন, বরফ গলা নদী এবং আর কত দিন।
- হাজার বছর ধরে উপন্যাসের জন্য তিনি আদমজী পুরস্কার লাভ করেন।
- বাংলা সাহিত্যের গল্প শাখায় অবদানের জন্য তিনি ১৯৭২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬১ সালে জহির রায়হান পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র কখনও আসেনি মুক্তি পায়।
- তাঁর অন্যান্য চলচ্চিত্র হলো: কাজল, কাঁচের দেয়াল, বেহুলা, জীবন থেকে নেয়া, আনোয়ারা, সঙ্গম এবং বাহানা।
- জীবন থেকে নেয়া ছবিতে প্রতীকী কাহিনীর মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের স্বৈরাচারী শাসনকে চিত্রিত করা হয় এবং জনগণকে পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে উদ্বুদ্ধ করা হয়।
- তিনি লেট দেয়ার বি লাইট নামে একটি ইংরেজি ছবি নির্মাণ শুরু করেন। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ায় তিনি তা শেষ করতে পারেন নি।
- পাকিস্তানি সামরিক জান্তার গণহত্যার চিত্র সম্বলিত স্টপ জেনোসাইড ছবিটি পৃথিবী জুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে।
- জহির রায়হানের উর্দু ছবি সঙ্গম ছিল পাকিস্তানের প্রথম রঙ্গীন ছবি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬৫৮.
বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রের সংখ্যা কয়টি?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ টেলিভিশন:
- বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলা ভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।
- এটি ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর ঢাকার ডিআইটি ভবন (বর্তমান রাজউক ভবন) থেকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৮০ সাল থেকে বিটিভি রঙিন সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৯৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র চালু হয়।
- ২০০৪ সালের ১১ই এপ্রিল বিটিভি ওয়ার্ল্ড চালু হয়।
- ২০১৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর থেকে সমগ্র ভারতে বিটিভি ওয়ার্ল্ডের সম্প্রচার শুরু হয়।
- ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মাধ্যমে বিটিভি সম্প্রচার শুরু করে।
- বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রের সংখ্যা ২টি। যথা:
• ঢাকা।
• চট্টগ্রাম।
- উপকেন্দ্র বা রিলে কেন্দ্রের সংখ্যা ১৪টি। এগুলো হলো:
নাটোর, খুলনা, ময়মনসিংহ, সিলেট, রংপুর, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঠাকুরগাঁও, রাজশাহী, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, উখিয়া এবং রাঙ্গামাটি।

তথ্যসূত্র - বিটিভি ওয়েবসাইট।
৬৫৯.
দক্ষিণ এশিয়ার কততম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ CTBT অনুমোদন করে? 
  1. দ্বিতীয়
  2. প্রথম
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ CTBT স্বাক্ষর করে ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে (দক্ষিণ এশিয়ায় ১ম)।
- বাংলাদেশ CTBT স্বাক্ষরকারী ১২৯তম দেশ।
- বাংলাদেশ ৫৪তম দেশ হিসেবে CTBT অনুমোদন করে ৮ মার্চ, ২০০০ সালে।(দক্ষিণ এশিয়ায় ১ম)।
• দক্ষিণএশিয়ার দেশ সমূহ অনুমোদন করে:
- আফগানিস্তান: ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০০৩.
- বাংলাদেশ: ৮ মার্চ, ২০০০.
- মালদ্বীপ:৭ সেপ্টেম্বর, ২০০০.
- শ্রীলঙ্কা: ২৫ জুলাই, ২০২৩.
• ভারত, পাকিস্তান এবং ভুটান এখনও চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি, এবং নেপাল স্বাক্ষর করলেও অনুমোদন করেনি।

СТВТ:

- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।
- অনুমোদিত দেশ: ১৭৮টি।
- ৯টি দেশ CTBT-তে স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি।
- এগুলো হলো: চীন, মিশর, ইরান ইসরায়েল, নেপাল, রাশিয়া, সোমালিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ইয়েমেন।

উৎস: Arms Control Association [লিঙ্ক] এবং СТВТ ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]

৬৬০.
'আলফা' চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. ক) মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী
  2. খ) আবু শাহেদ ইমন
  3. গ) নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু
  4. ঘ) তৌকির আহমেদ
ব্যাখ্যা
২০১৯ সালে অস্কারে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশের চলচ্চিত্র আলফা। এর পরিচালক নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু। ডুব, টেলিভিশন, থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার ইত্যাদি চলচ্চিত্রের পরিচালক মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী। অজ্ঞাতনামা চলচ্চিত্রের পরিচালক তৌকির আহমেদ এবং জালালের গল্প চলচ্চিত্রের পরিচালক আবু শাহেদ ইমন।
উৎসঃ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
৬৬১.
কোন চলচ্চিত্রটি ১৯৪৭ -এর দেশভাগ নিয়ে নির্মিত হয়?
  1. নদীর নাম মধুমতি
  2. চিত্রা নদীর পাড়ে
  3. হাঙর নদী গ্রেনেড
  4. সূর্য দীঘল বাড়ি
ব্যাখ্যা
• 'চিত্রা নদীর পাড়ে' চলচ্চিত্র:
- এটি ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পটভূমিতে নির্মিত।
- পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল।
- ছবিটি ১৯৯৮ সালে মুক্তি পায়।
- শ্রেষ্ঠ সিনেমা ও শ্রেষ্ঠ পরিচালকসহ মোট সাতটি ক্যাটাগরিতে এটি ১৯৯৯ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে।

অন্যদিকে,
- 'নদীর নাম মধুমতি', 'হাঙর নদী গ্রেনেড' চলচ্চিত্র মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে।
- 'সূর্য দীঘল বাড়ি' চলচ্চিত্র গ্রামীণ পটভূমিতে নির্মিত।

উৎস: বাংলা ট্রিবিউন এবং চিত্রা নদীর পাড়ে চলচ্চিত্র।
৬৬২.
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. ক) কুমিল্লা
  2. খ) হবিগঞ্জ
  3. গ) আগরতলা
  4. ঘ) ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্যাখ্যা
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৮৮৬ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর থানার রামরাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তবে তিনি থাকতেন কুমিল্লা শহরে। ১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ পাকবাহিনী তাকে কুমিল্লার বাসা থেকে ধরে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে। তিনি ১৯৪৬ সালে কংগ্রেস থেকে বঙ্গীয় বিধানসভার সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৪৮ সালের ২৫ আগস্ট পাকিস্তান গণপরিষদের অধিবেশনে তিনি উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের ভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবী করেন। ১৯৫৬-৫৮ সালের পূর্ব পাকিস্তানে আতাউর রহমান খানের মন্ত্রীসভায় তিনি স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। (সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
৬৬৩.
'ভবদেব মহাবিহার' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. বগুড়া
  3. কুমিল্লা
  4. দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
শালবন বিহার:
- বাংলাদেশের অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন কুমিল্লার শালবন বিহার যা দেব সাম্রাজ্যের কীর্তি।
- এটি দেববংশের চতুর্থ রাজা ভবদেব খ্রিস্টীয় আট শতকে নির্মাণ করেন।
- বিহারের আসল নাম 'ভবদেব মহাবিহার'।
- সময়কাল:- অষ্টম শতক।

সীতাকোট বিহার:
- দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলায় সীতাকোট বিহার অবস্থিত।
- বিহারটিতে মোট ৪১টি প্রায় সমআয়তনের কক্ষ ছিল।
- এই কক্ষগলি একটি প্রশস্ত টানা বারান্দার সংগে যুক্ত ছিল।
- সীতাকোট বিহার আঙ্গিনার মধ্যবর্তী স্থানে কোন প্রধান মন্দির ছিলনা।
- এখানে পাহাড়পুর,শালবন বিহার এবং আনন্দ বিহারের মত ঐতিহ্যবাহী পোড়ামাটির ফলক দেখা যায়না।
- তবে আকার আয়তনের দিক থেকে এই বিহারের সংগে বগুড়ায় অবস্থিত ভাসু বিহার এর অনেক মিল রয়েছে।
- সীতাকোট বিহার থেকে প্রাপ্ত দুইটি ব্রোঞ্জ মূর্তির গঠন শৈলী থেকে অনুমান করা যায় যে, এগুলি ৭ম-৮ম শতাব্দীতে তৈরী।
- সময়কাল: - খ্রিঃ ৭-৮ম শতক।

সোমপুর বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন। ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- সময়কাল: অষ্টম-নবম শতক (আনুমানিক ৭৭০ - ৮১০ খিঃ)

শালবন বিহার:
- বাংলাদেশের অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন কুমিল্লার শালবন বিহার যা দেব সাম্রাজ্যের কীর্তি।
- এটি দেববংশের চতুর্থ রাজা ভবদেব খ্রিস্টীয় আট শতকে নির্মাণ করেন।
- বিহারের আসল নাম 'ভবদেব মহাবিহার'।
- সময়কাল:- অষ্টম শতক

আনন্দ বিহার:
- আনন্দবিহার প্রত্নতাত্ত্বিক দিক থেকে সমৃদ্ধ কুমিল্লার নিকটবর্তী কোটবাড়ি এলাকায় অবস্থিত।
- বিহারটি নির্মাণ করেন - প্রথম দেববংশের তৃতীয় শাসক শ্রী আনন্দ দেব।
- সময়কাল:- অষ্টম শতক।

[উপরোক্ত আলোচনা থেকে এটা বলা যায় যে, প্রশ্নে উল্লেখিত অপশনগুলোর মধ্যে সিতাকোট বিহার সবচেয়ে প্রাচীন।]

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট জেলার ওয়েবসাইট।
৬৬৪.
একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটি কার?
  1. ক) সাকিব আল হাসান
  2. খ) তামিম ইকবাল
  3. গ) মোহাম্মদ আশরাফুল
  4. ঘ) লিটন দাস
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের হয়ে একদিনের ক্রিকেটে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হলেন লিটন দাস
- ২০২০ সালের ৬ মার্চ সিলেট স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে তিনি ১৪৩ বলে ১৭৬ রান করেন যা বাংলাদেশের যেকোন ব্যাটসম্যানের পক্ষে সর্বাধিক।
- এর আগের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস ছিলো তামিম ইকবালের (১৫৮ রান)।

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার।
৬৬৫.
বিশ্বব্যাংকের ‘Ease of Doing Business-2020’ সূচকে বাাংলাদেশের অবস্থান-
  1. ৩৪তম
  2. ১১৫তম
  3. ১২২তম
  4. ১৬৮তম
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংকের ‘Ease of Doing Business-2020’ সূচকে ১৯০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৬৮তম। সূচকে শীর্ষ দেশ নিউজিল্যান্ড। দক্ষিণ এশিয়ায় সবার উপরে ভারত ৬৩তম। ২০১৯ সালের রিপোর্টে বাংলাদেশের অবস্থান ছিলো ১৭৬তম।
[সূত্র: Ease of Doing Business Report-2020]
৬৬৬.
শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  2. খ) কুমিল্লা
  3. গ) কক্সবাজার
  4. ঘ) ভোলা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মোট গ্যাসক্ষেত্র - ২৭টি। সর্বশেষ আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র - ভোলা নর্থ।
বাংলাদেশের আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রগুলোর মধ্যে -
উৎপাদনরত - ২০টি
উৎপাদনে যায় নি - ২টি
উৎপাদন স্থগিত রয়েছে - ৫টি
শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রটি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার শ্রীকাইলের হাজিপুরে অবস্থিত।
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২০।
৬৬৭.
'রায়বেশে নৃত্য' চিত্রকর্মটি কার?
  1. মুর্তজা বশীর
  2. এস. এম. সুলতান
  3. জয়নুল আবেদিন
  4. কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
'রায়বেশে নৃত্য' শিল্পকর্মটি পটুয়া কামরুল হাসানের।

কামরুল হাসানের অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে:
- রায়বেশে নৃত্য,
- তিন কন্যা,
- নাইওর,
- বাংলাদেশ,
- এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে,
- দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে’ প্রভৃতি।
- কামরুল হাসান বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ও প্রতীকেরও ডিজাইনার।
 
এছাড়া, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের কয়েকটি বিখ্যাত চিত্রকর্ম:
- ম্যাডোনা-৪৩,
- সংগ্রাম,
- মনপুরা-৭০,
- মইটানা,
- পইন্যার মা,
- নবান্ন,
- দুর্ভিক্ষ,
- দ্য রেবেল ক্রো প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬৬৮.
এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে বিটকয়েন ফাউন্ডেশনে যোগ দেয় -
  1. ক) ভারত
  2. খ) শ্রীলংকা
  3. গ) বাংলাদেশ
  4. ঘ) পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে বিটকয়েন ফাউন্ডেশনে যোগ দেয় - বাংলাদেশ।

• বিটকয়েন:

- বিটকয়েন হলো ওপেন সোর্স ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রোটকলের মাধ্যমে লেনদেন হওয়া সাংকেতিক মুদ্রা বা ডিজিটাল কারেন্সি।
- এর লেনদেনের জন্য কোনো ধরনের অর্থনৈতিক বা নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন হয় না।
- ২০০৮ সালে সাতোশি নাকামোতো এ মুদ্রাব্যবস্থার প্রচলন করেন। এ মুদ্রাব্যবস্থাকে পিয়ার-টু-পিয়ার লেনদেন নামে অভিহিত করেন।
- এটি অনেকটা শেয়ারের মতো লেনদেন হয়। তাই এর বিনিময়মূল্য সবসময় ওঠানামা করে।
 বিটকয়েন একটি ক্রিপটোকারেন্সি, যা সাতোশি নাকামোতো নামের একজন অজ্ঞাত ব্যক্তি (বা একাধিক ব্যক্তির একটি দল) ২০০৮সালে তৈরি করেন।
- বিটকয়েন ২০০৯ সালে এর প্রচলন শুরু হয়।  
- বিটকয়েন হচ্ছে ডিজিটাল মুদ্রা যা দিয়ে ইন্টারনেটের মাধ্যমে পিয়ার-টু-পিয়ার (peer-to-peer) ট্রানজেকশন করা যায়।
- বিটকয়েন বিশ্বের প্রথম ভার্চুয়াল কারেন্সি। 

উৎস: Investpedia Webswite এবং বাংলানিউজ ২৪।[লিঙ্ক]
৬৬৯.
গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে নির্মিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ কোথায় অবস্থিত? 
  1. ধানমন্ডি
  2. শেরে বাংলা নগর
  3. মতিঝিল
  4. মিরপুর
ব্যাখ্যা

• জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর/ July Memorial Museum:  
- অবস্থান: শেরে বাংলা নগর, ঢাকা। 
- ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর গণভবন জনতার দখলে চলে যায়।
- এরপর সরকারি বাসভবন 'গণভবন' -কে রূপান্তর করে তৈরি করা হয়েছে।
- এটি ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি, শহীদদের সংগ্রাম, দলিল-দস্তাবেজ এবং ঐতিহাসিক ঘটনাবলী সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

- ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে গণভবনকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর হিসেবে প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এটির নির্মাণকাজ চলে।
- জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর মাধ্যমে এটিকে আইনগত ভিত্তি প্রদান করে। 

উল্লেখ্য, 
- জাদুঘরের অন্যতম উল্লেখযোগ্য নিদর্শন হলো সেখানে সংরক্ষিত একটি রেড টেলিফোন, যেখানে শেখ হাসিনার ফোনালাপের অডিও রেকর্ড রাখা হয়েছে। 

তথ্যসূত্র: 
i) ডেইলি স্টার। 
ii) দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। 
iiii) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। 

৬৭০.
Bangladesh played the first one-day international match against which team?
  1. ক) India
  2. খ) England
  3. গ) Kenya
  4. ঘ) Pakistan
ব্যাখ্যা
ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ:

- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে।
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে বিপক্ষে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ।
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় ১৯৯৭ সালে।
- বাংলাদেশ  আইসিসি ট্রফি জয় করে ১৯৯৭ সালে।
- একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে বাংলাদেশ তাদের প্রথম জয়টা পায় ২২ ম্যাচ পর।
- কেনিয়ার বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয়টা পায়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ০৬ আগস্ট ২০২০।
৬৭১.
"আনোয়ারা, বেহুলা ও কাজল" চলচ্চিত্র গুলোর পরিচালনা করেন কে?
  1. মোহাম্মদ নজিবর রহমান
  2. চাষী নজরুল ইসলাম
  3. জহির রায়হান
  4. তানভীর মোকাম্মেল
ব্যাখ্যা
• জহির রায়হান:
- জহির রায়হান ছিলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা, লেখক।
- ১৯৩৫ সালে তিনি ফেনী জেলার মজিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা মওলানা মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ কলকাতা আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যাপক এবং ঢাকা আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ছিলেন।

• জহির রায়হান পরিচালিত চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে:
- Stop Genocide,
- জীবন থেকে নেওয়া,
- কখনও আসেনি,
- কাজল,
- কাঁচের দেয়াল,
- বেহুলা,
- আনোয়ারা,
- সঙ্গম,
- বাহানা প্রভৃতি।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৬৭২.
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সম্প্রচার নীতি প্রণীত হয়েছিল কত সালে?
  1. ২০১১ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০১৩ সালে
  4. ২০১৪ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সম্প্রচার নীতি:
- বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সম্প্রচার নীতি প্রণীত হয়েছিল ২০১৪ সালে।

⇒ ৬ আগস্ট, ২০১৪ তারিখে ‘জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা, ২০১৪’ অনুমোদন দিয়েছিল বাংলাদেশ সরকার। 
- নীতিমালায় বলা হয়েছিল, সামাজিক দায়বদ্ধতা, ভাষা, সংস্কৃতি, ধর্মীয় মূল্যবোধ সমুন্বত রেখে সংবাদ ও অনুষ্ঠান প্রচার করবে। সম্প্রচারে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও চেতনা, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় আদর্শ ও সামাজিক মূল্যবোধ নীতিমালায় সমুন্নত রাখতে বলা হয়েছে। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে এমন সামরিক, বেসামরিক বা সরকারি তথ্য প্রচার করা যাবে না।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) জাতীয় সম্প্রচার নীতি-২০১৪। 

৬৭৩.
প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক কে ছিলেন?
  1. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  2. মোহাম্মদ রফিক
  3. নাইমুর রহমান দুর্জয়
  4. আকরাম খান
ব্যাখ্যা
টেস্টে প্রথম:
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান দুর্জয়।
- ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- প্রথম টেস্ট উইকেট শিকার: নাইমুর রহমান।
- প্রথম হাফ সেঞ্চুরি: হাবিবুল বাশার।
- প্রথম সেঞ্চুরি: আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি: মুশফিকুর রহিম।
- প্রথম ৫ উইকেট শিকার: নাইমুর রহমান।
- প্রথম ১০০ উইকেট: মোহাম্মদ রফিকের।
- প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক: হাবিবুল বাশার।
- একমাত্র ১০ উইকেট’ শিকার: এনামুল হক জুনিয়র।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
৬৭৪.
দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য কোনটি?
  1. শীতল পাটি
  2. ঢাকাই মসলিন
  3. জামদানি শাড়ি
  4. ইলিশ
ব্যাখ্যা

• জিআই পণ্য:
- ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (Geographical Indication)।
- সংক্ষেপে GI) বলতে বোঝায় এমন একটি পণ্য, যা বিশেষ কোনো ভৌগোলিক এলাকা বা অঞ্চলের কারণে তার গুণগত মান, খ্যাতি বা অন্যান্য বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত ও স্বীকৃত।
- দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) জামদানি।
- সময়: ১৭ নভেম্বর ২০১৬ সালে স্বীকৃতি লাভ করে।
- দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য জামদানি শাড়ি।
- বাংলাদেশ ইলিশ ২য় জিআই পন্য।
- খিরসাপাত আম তৃতীয় জিআই পন্য।
- হাঁড়িভাঙ্গা আম চতুর্থ জি আই পন্য।

উৎস: পেটেন্ট, শিল্প, নকশা, ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর।

৬৭৫.
বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন বসতি কোনটি?
  1. ময়নামতি
  2. পুণ্ড্রবর্ধন
  3. পাহাড়পুর
  4. সােনারগাঁ
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- পূর্বে এর নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদ হলাে পুণ্ড্র।
- এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল।
- এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে।
- এর অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১০ কি.মি উত্তরে মহাস্থান গড় অবস্থিত।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- মহাস্থানগড়ের বিস্তীর্ণ ধবংসাবশেষ প্রাচীর পুন্ড্রবর্ধনভূক্তির রাজধানী পুন্ড্রনগরেরসুদীর্ঘ প্রায় আড়াই হাজার বছরের গৌরবোজ্জল ইতিহাসের এক নীরব স্বাক্ষী।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন জনপদ।

অন্যদিকে -
পাহাড়পুর বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।

ময়নামতি:
- ময়নামতি বাংলাদেশের কুমিল্লায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান।
- সপ্তম শতাব্দীর শেষ থেকে অষ্টম শতাব্দীর প্রথম ভাগে দেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব এ বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন।

উয়ারী বটেশ্বর:
- উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল।
- নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত।
-প্লাইসটোসিন যুগে গঠিত মধুপুর গড়ের পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত এ গ্রাম দু’টিতেই নিবিড় অনুসন্ধান ও সীমিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আবিষ্কৃত হয়েছে আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন দুর্গ নগর।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬৭৬.
যুক্তরাষ্ট্রের পোশাকের বাজারে তৃতীয় বড় সরবরাহকারী দেশ -
  1. চীন
  2. বাংলাদেশ
  3. ভিয়েতনাম
  4. ভারত
ব্যাখ্যা
রপ্তানিকারক দেশ:
- দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র। 
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুসারে, গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে রপ্তানির ক্ষেত্রে ১৭ শতাংশ নিয়ে শীর্ষে আছে যুক্তরাষ্ট্র।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে মোট ৯৭০ কোটি ডলারের পণ্য। 
- বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের একক বৃহত্তম পোশাক রপ্তানি গন্তব্য এবং চীন ও ভিয়েতনামের পর যুক্তরাষ্ট্রে তৃতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ বাংলাদেশ।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৬৭৭.
ঐতিহাসিক ‘কিন ব্রিজ (Keane Bridge)’ কোন নদীর ওপর স্থাপিত?
  1. বুড়িগঙ্গা নদী
  2. সুরমা নদী
  3. মেঘনা নদী
  4. কুশিয়ারা নদী
ব্যাখ্যা

কিন ব্রিজ (Keane Bridge)
- ক্বীন ব্রীজ হলো বাংলাদেশের সিলেট শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত সুরমা নদীর উপর স্থাপিত একটি লৌহ নির্মিত সেতু।

- সিলেট শহরের কেন্দ্রস্থলে ক্বীন ব্রীজটি অবস্থিত।
- এটি সিলেটের অন্যতম দর্শনীয় এবং ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসাবে সবার কাছে পরিচিত।
- সুরমা নদীর ওপর নির্মিত এই স্থাপনাটি একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন হিসাবেও বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
- এই ব্রীজটিকে সিলেট শহরের "প্রবেশদ্বার" বলা হয়। 
- ব্রীজটি ব্রিটিশ গভর্নর মাইকেল ক্বীন এর নামে নামকরণকৃত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬৭৮.
১৯৮৮ সালের কোন মিশনে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়?
  1. UNTSO
  2. UNIIMOG
  3. UNTAG
  4. খ + গ
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন ও বাংলাদেশ
- ২৯ মে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা দিবস।
- ১৯৪৮ সালের ২৯ মে জাতিসংঘ প্রথম শান্তিরক্ষা মিশন কার্যক্রম শুরু করে।
- জাতিসংঘের প্রথম শান্তিরক্ষা মিশনের নাম- UN Truce Supervision Organization।
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে প্রথম নারী শান্তিরক্ষী গ্রহণ হয় ২০০৭ সালে, লাইবেরিয়ায়।

- ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন UNIIMOG ও UNTAG -এ যোগদানের মাধ্যমে বাংলাদেশের এই মিশনে যোগদানের সূচনা হয়।
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের এশীয় কার্যালয় অবস্থিত- ঢাকায়।
- ১৯৮৮ সালে সংস্থাটি শান্তিতে নোবেল লাভ করে।
- বাংলাদেশ এই পর্যন্ত ৪৩ টি দেশ ও অঞ্চলে ৬৩ টি মিশন সম্পন্ন করেছে।
- এই শান্তিরক্ষা মিশনে এই পর্যন্ত ১৬৮ বাংলাদেশী শান্তিরক্ষী শহিদ হয়েছেন।

তথ্য - জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন ওয়েবসাইট।
৬৭৯.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের মোট দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৩.৩২ কিলোমিটার
  2. ৩.৩৯ কিলোমিটার
  3. ৫.৩৫ কিলোমিটার
  4. ৯.৩৯ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু টানেল:
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নির্মাণ করা হয়েছে।
- এই টানেল চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা থেকে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে আনোয়ারা উপজেলাকে যুক্ত করেছে।
- টানেলের প্রকল্প পরিচালক মোঃ হারুনুর রশীদ চৌধুরী।
- মোট দৈর্ঘ্য ৯.৩৯ কিমি।
- এপ্রোচ সড়কের দৈর্ঘ্য ৫.৩৫ কিমি।
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু টানেলের দৈর্ঘ্য ৩.৩২ কিলোমিটার।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রথম টানেল টিউব নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন।
- ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং যৌথভাবে বঙ্গবন্ধু টানেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড প্রকল্পের ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে।
- বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১০ হাজার ৬৮৯ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা।
- নদীর নিচ দিয়ে টানেল দক্ষিণ এশিয়ায় এটাই প্রথম।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল উদ্বোধন করা হয় ২৮ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে।

উৎস: i) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
         ii) ২৮ অক্টোবর ২০২৩, প্রথম আলো।
        iii) ২৮ অক্টোবর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
৬৮০.
জনাব এফ আর খান বাংলাদেশের জন্য গৌরব। তিনি কি ছিলেন?
  1. স্থপতি
  2. ক্যান্সার চিকিৎসক
  3. আণবিক বিজ্ঞানী
  4. কম্পিউটার বিজ্ঞানী
ব্যাখ্যা
• এফ আর খান:
- ফজলুর রহমান খান পেশায় স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার এবং স্থপতি।
- তিনি ১৯২৯ সালে মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৫০ সালে তিনি কলকাতার শিবপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি লাভ করেন।
- ১৯৫৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান স্কিডমুর-এ যোগদানের মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়।
- ফজলুর রহমান খান শিকাগোর একশ তলা উঁচু জন হ্যানকক সেন্টার এবং একশ দশ তলা উঁচু সিয়ার্স টাওয়ার-এর নকশা তৈরি করেন।

- ইঞ্জিনিয়ারিং নিউজ রেকর্ডস কর্তৃক ‘কন্সট্রাকশনস ম্যান অব দি ইয়ার’ মনোনীত হওয়ার পর ১৯৭১ সালে শিকাগোর ওন্টারিও সেন্টারে  একটি ফলকে তাঁর সম্বন্ধে মন্তব্য লেখা হয় ‘ইনোভেশন ফলোজ প্রোগ্রাম’।
- ১৯৮২ সালের ২৬ মার্চ তিনি হূদরোগে মারা যান।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৯ সালে তাঁকে মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পদকে’ ভূষিত করে এবং তাঁর স্মরণে স্মারক একটি ডাকটিকিট প্রকাশ করে।

সূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৬৮১.
বাংলা চাল উৎপাদনে বিশ্ব কত তম? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা
• চাল উৎপাদনে শীর্ষ দেশ:
- যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কৃষি দপ্তরের ফরেন অ্যাগ্রিকালচারাল সার্ভিসের তথ্য অনুসারে,

• চাল উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ দেশ:
১. চীন।
২. ভারত।
৩. বাংলাদেশ।
৪. ইন্দোনেশিয়া।
৫. ভিয়েতনাম।

উৎস: USDA Foreign Agricultural Service (.gov) ওয়েবসাইট।
৬৮২.
বাংলা একাডেমি রবীন্দ্র পুরস্কার প্রদান করে কত সাল থেকে?
  1. ১৯৭৬ সাল
  2. ২০০১ সাল
  3. ২০১০ সাল
  4. ২০২২ সাল
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্র পুরস্কার: 
- রবীন্দ্র সাহিত্যের গবেষণা ও সমালোচনা এবং রবীন্দ্রসংগীতের আজীবন সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১০ সাল থেকে বাংলা একাডেমি রবীন্দ্র পুরস্কার প্রদান করে।
- প্রতি বছর দুজনকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- এ পুরস্কারের অর্থমূল্য ১,০০,০০০.০০ (এক লক্ষ) টাকা।
- বাংলা একাডেমি আয়োজিত বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখকদের পঞ্চাশ হাজার টাকার চেক, সম্মাননাপত্র ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৬৮৩.
Bangavax, a COVID-19 vaccine has recently been developed by which Bangladeshi pharmaceutical company?
  1. Beaxcimco Pharma
  2. Square Pharma
  3. Global Biotech
  4. ACI Pharma
ব্যাখ্যা
বঙ্গভ্যাক্স:

- বাংলাদেশের একটি প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক তাদের উৎপাদিত করোনাভাইরাস টিকা বঙ্গভ্যাক্স মানবদেহে পরীক্ষা চালানোর অনুমতির জন্য আবেদন করেছে।
- এই প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের ওষুধ প্রশাসনের অনুমোদিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে এই প্রতিষ্ঠানটি।
- যার স্পন্সর করছে গ্লোব বায়োটেক।
- "ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল করতে হলে সাধারণত তৃতীয় একটি পক্ষের মাধ্যমে করতে হয়, সেই তৃতীয় পক্ষ হিসেবেই এই প্রতিষ্ঠানটি কাজ করছে," বলেন মি. নাগ।
- পুরো ট্রায়ালটি পরিচালনা করবে একটি গবেষক দল।

তথ্যসূত্র - বিবিসি নিউজ, ১৭ জানুয়ারি ২০২১।
৬৮৪.
বাংলাদেশ কবে এলডিসি উত্তরণ করবে?
  1. ২৪ নভেম্বর, ২০২৬
  2. ২৬ নভেম্বর, ২০২৬
  3. ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৬
  4. ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৬
ব্যাখ্যা

এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ):
- মাথাপিছু কম জাতীয় আয়, অনুন্নত মানবসম্পদসহ আর্থসামাজিক উন্নয়নে নিম্ন সূচকের দেশগুলোই এলডিসির অন্তর্ভুক্ত।
- সিডিপি তিনটি সূচক যথা মাথাপিছু জাতীয় আয়, মানবসম্পদ সূচক এবং অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভঙ্গুরতা সূচকের ভিত্তিতে তিন বছর পরপর স্বল্পোন্নত দেশগুলোর আর্থসামাজিক পরিস্থিতি মূল্যায়নের মাধ্যমে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের বিষয় পর্যালোচনা করে।
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে LDC তালিকা থেকে বের হয়ে যাবে।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি (ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরদিনই বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর পিছিয়ে দেওয়ার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেছে। এতে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে এলডিসি উত্তরণ-প্রস্তুতির সময়কাল ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর অনুরোধ জানানো হয়। 

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৬৮৫.
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নকশাকার কে ছিলেন?
  1. এহসান খান
  2. রোহানি বাহারিন
  3. ফয়েজ উল্লাহ
  4. বোরহান আহমেদ 
ব্যাখ্যা

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল:
- ২০১৭ সালে তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়।
- এরপর নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর।
- এর নির্মাণকাজ করেছে জাপানের মিতসুবিশি ও ফুজিতা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামসাং।

⇒ ২১ হাজার ৩০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে নির্মিত এই টার্মিনাল।
- জাপানি সহযোগিতা সংস্থা জাইকা ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে।
- এ ভবনটির নকশা করেছেন রোহানি বাহারিন। তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন সিঙ্গাপুরের সিপিজি করপোরেশন প্রাইভেট লিমিটেডের স্থপতি।
- টার্মিনালটির যাত্রী ক্যাপাসিটি ১ কোটি ৬০ লাখ।
- টার্মিনালটির ফ্লোর আয়তন ২ লাখ ৩০ হাজার বর্গ মিটার।

অন্যদিকে -
- কক্সবাজার রেলস্টেশনটির নকশা করেছেন ফয়েজ উল্লাহ।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) The Daily Star Bangla.

৬৮৬.
’তিনকন্যা’ ও ’নাইওর' এ দুটি  চিত্রকর্মের চিত্রকর কে? 
  1. জয়নুল আবেদিন
  2. কামরুল হাসান
  3. রফিকুন নবী
  4. এসএম সুলতান
ব্যাখ্যা

শিল্পী কামরুল হাসান:
- তাঁর প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার নারেঙ্গা গ্রামে।
- কামরুল হাসানের শিক্ষাজীবন কাটে কলকাতায়।
- তিনি কলকাতার মডেল এম ই স্কুল (১৯৩০-৩৫) এবং কলকাতা মাদ্রাসায় (১৯৩৬-৩৭) প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন।
- ১৯৩৮ সালে তিনি কলকাতার গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টস-এ ভর্তি হন এবং ১৯৪৭ সালে চিত্রকলায় স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
- 'তিনকন্যা' ও 'নাইওর' তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
- ১৯৮৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

অপরদিকে,
- জয়নুল আবেদিন চিত্রকর্ম: ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ চিত্রমালা, 'নবান্ন', 'মনপুরা ৭০', 'মই দেয়া', 'সাঁওতাল রমণী', 'বিদ্রোহী' এবং 'কাক'।
- এসএম সুলতানের বিখ্যাত চিত্রকর্ম:  'প্রথম বৃক্ষরোপণ', 'চরদখল', 'জমি চাষ', 'হত্যাযজ্ঞ', এবং 'মাছ ধরা-৩। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৬৮৭.
'The Art of Triumph' একটি-
  1. গ্রন্থ
  2. চিত্রকর্ম
  3. স্থাপনা
  4. ড্রোন শো
ব্যাখ্যা

• The Art of Triumph:
- The Art of Triumph হলো ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময়কার গ্রাফিতি চিত্রগুলোর একটি সংকলন, যা এই আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি এবং প্রতিরোধের এক শক্তিশালী দলিল হিসেবে কাজ করে।
- এটি শিক্ষার্থীদের আঁকা বিভিন্ন গ্রাফিতি চিত্রের একটি বই যা আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলিকে তুলে ধরে।
- জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন (July Shaheed Smriti Foundation) এই সংকলনটির সম্পাদনা ও প্রকাশনার দায়িত্বে ছিল। 

উৎস: The Art of Triumph গ্রন্থ ও টিবিএস নিউজ।

৬৮৮.
নিচের কোনটি এস.এম সুলতানের চিত্রকর্ম?
  1. জমি চাষ
  2. ধান মাড়াই
  3. গ্রাম্য কাইজা
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
এস.এম  সুলতান: 
- এস.এম  সুলতান (১৯২৩-১৯৯৪) ছিলেন চিত্রকর।
- পুরো নাম শেখ মোহাম্মদ সুলতান।
- তবে এস.এম সুলতান নামেই তিনি সমধিক পরিচিত।
- সুলতানের ছবিতে পরিপূর্ণতা এবং প্রাণপ্রাচুর্যের পাশাপাশি আছে শ্রেণির দ্বন্দ্ব, এবং গ্রামীণ অর্থনীতির কিছু ক্রুর বাস্তবতার চিত্রও।
- হত্যাযজ্ঞ (১৯৮৭) ও চরদখল (১৯৮৮) এরকম দুটি ছবি।
- এস এম সুলতানের চিত্রকর্ম ‘জমি চাষ’,  ‘ধান মাড়াই’ ও ‘গ্রাম্য কাইজা’।
নড়াইল শহরের মাছিমদিয়ায় তাঁর জন্মস্থানে তাঁকে সমাহিত করা হয়।
- সেখানে সরকারি উদ্যোগে গড়ে উঠেছে এস এম সুলতান স্মৃতি সংগ্রহশালা।
- সংগ্রহশালার দ্বিতল ভবনটিতে প্রদর্শনীর জন্য রাখা হয়েছে তাঁর ৭৪টি শিল্পকর্ম।
- এর মধ্যে ২৩টি মূল ছবি। অন্য ৫১টি রেপ্লিকা (মূল ছবি থেকে প্রিন্ট করা)।
- এর মধ্যে সবচেয়ে বড় চিত্রকর্ম ‘সভ্যতার ক্রমবিকাশ’।  

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
প্রথম আলো (২৬ মার্চ ২০২১)
৬৮৯.
নারী ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেছে কে?
  1. সীমা আক্তার
  2. রুবানা হক
  3. পিংকি দাস
  4. ফারজানা হক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম নারী সেঞ্চুরিয়ান:
- একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম নারী সেঞ্চুরিয়ান ফারজানা হক পিংকি।
- নিজের ৫৩তম ওয়ানডে ইনিংসে এই মাহেন্দ্রক্ষণের দেখা পেলেন ফারজানা।
- ২২ জুলাই, ২০২৩ তারিখে বাংলাদেশের মিরপুর স্টেডিয়ামে ভারতের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে ১০৭ রানের ইনিংস খেলেন ফারজানা।
- ওয়ানডে ক্রিকেটে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় রান। 
- ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যাত্রা শুরু হয় বাংলাদেশের।
- ১৯৯৭ সালে ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে লাল সবুজের দল।
- বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- অপরদিকে ওয়ানডে ক্রিকেটে মেহরাব হোসেন অপি।
- এছাড়া টুয়েন্টি ক্রিকেটের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান তামিম ইকবাল খান।

অন্যদিকে-
- বাছাই পর্বে বাংলাদেশ নারী দলের হয়ে ওয়ানডে ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরি করেছেন শারমীন আক্তার।

উৎস: দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা রিপোর্ট।
৬৯০.
দেশের প্রথম 'রাইস মিউজিয়াম' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) দিনাজপুর
  2. খ) রংপুর
  3. গ) গাজীপুর
  4. ঘ) কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটে: 

- ব্রির প্রতিষ্ঠা ১৯৭০ সালে গাজীপুরে।
- প্রতিষ্ঠানটির প্রথম উদ্ভাবিত ধানের জাত ছিল বিআর-১ (চান্দিনা)।
- প্রতিষ্ঠানের উদ্ভাবিত ১০৮ জাতের মধ্যে কোনোটি উচ্চ ফলনশীল জাত, কোনোটি লবণ, খরা কিংবা বন্যাসহিষ্ণু। কোনো জাত জনপ্রিয়তা পেয়েছে কৃষক পর্যায়ে, কোনোটি আবার ভূমিকা রেখেছে গবেষণায়।
- ২০২২ সালের ১২ মার্চ দেশের প্রথম ‘রাইস মিউজিয়াম’ বা ধান জাদুঘর যাত্রা শুরু করে ব্রি তে।
- শুধু বিভিন্ন জাতের ধানই নয়, দেশের ধান চাষের ঐতিহ্য ও কৃষিপ্রযুক্তির রূপান্তরের একটি চিত্রও পাওয়া যাবে গাজীপুরে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটে প্রতিষ্ঠিত এই জাদুঘরে।
- ২০১৮ সালে জাদুঘরটি স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছিল।

উৎস: প্রথম আলো(১৫ মে, ২০২২)।
৬৯১.
তাজউদ্দিন আহমেদ জন্মগ্রহণ করেন-
  1. ক) যশোদল
  2. খ) কাপাসিয়া
  3. গ) কুড়িপাড়া
  4. ঘ) সাতুরিয়া
ব্যাখ্যা
২৩ জুলাই, ১৯২৫ সালে কাপাসিয়া, গাজীপুরে জন্মগ্রহণ করেন তাজউদ্দীন আহমদ। তিনি বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী। জানুয়ারি, ১৯২৫ সালে যশোদল, কিশোরগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। তিনি বাংলাদেশের প্রথম উপ-রাষ্ট্রপতি বা বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি।
৬৯২.
এফ আর খান একজন বিখ্যাত-
  1. ক) চিত্র শিল্পী
  2. খ) রাজনীতিবিদ
  3. গ) বিজ্ঞানী
  4. ঘ) স্থপতি
ব্যাখ্যা

বিশ্বখ্যাত স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার এবং স্থপতি এফ আর খান (ফজলুর রহমান খান)। তিনি পৃথিবীর অন্যতম উচ্চ ভবন শিকাগোর সিয়ার্স টাওয়ার (বর্তমানে উইলস টাওয়ার)-এর নকশা প্রণয়ন করেন। তাকে বিংশ শতকের শ্রেষ্ঠ প্রকৌশলী বলা হয়।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)

৬৯৩.
অপরাজেয় বাংলা কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা সেনানিবাসে
  2. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কলা ভবন চত্বরে
  4. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টি এস সি প্রাঙ্গনে
ব্যাখ্যা
অপরাজেয় বাংলা:
- বাঙালির প্রতিবাদী মনোভাব ও মুক্তিযোদ্ধাদের লড়াকু চেতনার মূর্ত প্রতীক অপরাজেয় বাংলা।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবন চত্বরে ৬ ফুট উঁচু বেদির ওপর নির্মিত।
- বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ- প্রতিটি সংগ্রামে ছাত্রদের গৌরবময় ত্যাগকে স্মরণীয় করার জন্য অপরাজেয় বাংলা নির্মাণ করা হয়।
- মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ এটি নির্মাণ করেন।
- এই ভাস্কর্যে অসম সাহসী তিনজন তরুণ-তরুণী মুক্তিযোদ্ধার অবয়ব অপূর্ব দক্ষতায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
- দুইজন তরুণ রাইফেল হাতে শত্রুর মোকাবেলায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, আর ঔষধের ব্যাগ কাঁধে তরুণী মুক্তিযোদ্ধাদের সেবায় নিবেদিতপ্রাণ।
- অপরাজেয় বাংলা বাংলাদেশের ছাত্রসমাজের প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

এছাড়া-
- রাজু ভাস্কর্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টি এস সি প্রাঙ্গনে অবস্থিত।
- সংশপ্তক ভাস্কর্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৬৯৪.
ইউনেস্কো কবে সুন্দরবনকে World Heritage হিসেবে ঘোষণা করে?
  1. ১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
  2. ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
  3. ৯ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
  4. ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি ।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা ৩টি।
- সেগুলো হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা।
- বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সংস্থা ইউনেস্কো পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে ৭৯৮তম World Heritage হিসেবে ঘোষণা করে।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।
- সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
- সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

উৎস: বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
৬৯৫.
বাংলাদেশের কোন জেলায় প্রথম সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প চালু হয়?
  1. সাভার
  2. কুমিল্লা
  3. ময়মনসিংহ
  4. নরসিংদী
ব্যাখ্যা
• সৌরবিদ্যুৎ:
- নরসিংদীতে প্রথম সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প চালু হয়।
- সৌরবিদ্যুতে চলছে কম্পিউটার, টিভি, ফ্রিজসহ সবই।
- এমনকি পানি তোলা, ওয়েল্ডিং করাসহ সব ভারী যন্ত্রপাতিও চালানো হয় এই বিদ্যুতে।
- বিশ্বের বৃহত্তম সৌরবিদ্যুৎ চালিত বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ কার্যক্রম চালু হয় কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। 

উৎস: কালের কণ্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট।
৬৯৬.
বাংলাদেশ এ পর্যন্ত কতটি টেস্ট খেলায় জয়লাভ করেছে?
  1. ক) ১৭টি
  2. খ) ১৯টি
  3. গ) ২১টি
  4. ঘ) ২৩টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ তাদের প্রথম উদ্বোধনী টেস্ট ম্যাচটি খেলে ১০ নভেম্বর ২০০০ তারিখে ভারতের বিপরীতে।
- নাঈমুর রহমান দুর্জয় বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট অধিনায়ক। 
- বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট ম্যাচে ১৪৫ রান করে ইতিহাসে নাম লিখান আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট জয় পায় ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে।
- ২০২৩ সালের এপ্রিল পর্যন্ত, বাংলাদেশ ১৩৭টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছে যার ফলে ১৭টি জয়, ১০২টি পরাজয় এবং ১৮টি ড্র হয়েছে যার সামগ্রিক জয়ের শতাংশ ১২.৪০।

উৎস: HowSTAT! Test Statistics Summary for Bangladesh, Howstat.
৬৯৭.
২০২৫ সালে রবীন্দ্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন কত জন?
ব্যাখ্যা

রবীন্দ্র পুরস্কার:
- ২০১০ সালে বাংলা একাডেমি রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তন করেছে।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গীতের চর্চা এবং রবীন্দ্র সঙ্গীতের বিকাশের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ব্যক্তিবিশেষকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

• রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৫:
- বাংলা একাডেমির ‘রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৫’ ঘোষণা করা হয়েছে।
- ২০২৫ সালে রবীন্দ্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন ২ জন।
- রবীন্দ্রসাহিত্যের গবেষণায় ড. অসীম দত্ত এবং
- রবীন্দ্রসংগীতচর্চায় শিল্পী এ এম এম মহীউজজামান চৌধুরী ময়না ‘রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৫’-এ ভূষিত হয়েছেন।
- কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বাংলা একাডেমি আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- পুরস্কারের অর্থমূল্য ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা। 

উৎস: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

৬৯৮.
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি’ - গানটির বর্তমান সুরকার কে?
  1. আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
  2. গোবিন্দ হালদার
  3. আলতাফ মাহমুদ
  4. আব্দুল লতিফ
ব্যাখ্যা
আলতাফ মাহমুদ: 
- শহীদ আলতাফ মাহমুদ (১৯৩৩-১৯৭১) সঙ্গীতশিল্পী, সংস্কৃতিকর্মী, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা।  
- তাঁর প্রকৃত নাম এ.এন.এম আলতাফ আলী।
- ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি’ ভাষা-শহীদদের উদ্দেশ্যে আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী রচিত এ বিখ্যাত গানটি বর্তমানে যে সুরে গাওয়া হয় তার রচয়িতা আলতাফ মাহমুদ। 
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তিনি দেশাত্মবোধক গান রচনা ও পরিবেশনার মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীনতাকামী জনগণকে গভীরভাবে উদ্বুদ্ধ করেন।
- দেশের সংস্কৃতিচর্চা ও মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে মরণোত্তর ‘একুশে পদক’-এ ভূষিত করে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬৯৯.
'এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে' পোস্টারটি কার আঁকা?
  1. ক) মোহাম্মদ বিন সুলতান
  2. খ) কামরুল হাসান
  3. গ) মোস্তফা মনোয়ার
  4. ঘ) এস এম সুলতান
ব্যাখ্যা
• কামরুল হাসান:
- কামরুল হাসান প্রখ্যাত বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী।
- প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ’১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার নারেঙ্গা গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি চিত্রশিল্পী হলেও নিজে ‘পটুয়া’ নামে পরিচিত হতে পছন্দ করতেন।
-  কামরুল হাসান স্বাধীনতাযুদ্ধের সময়ে জেনারেল ইয়াহিয়ার মুখের ছবি দিয়ে আঁকা ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’ পোস্টারটি খুব বিখ্যাত হয়।
- কামরুল হাসান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন (১৯৬৯-৭০) এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকারি মনোগ্রাম তৈরি করার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭০০.
বঙ্গবন্ধু কত সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলায় ভাষণ দেন?
  1. ১৯৭২
  2. ১৯৭৩
  3. ১৯৭৪
  4. ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন:

-  বাংলাদেশ জাতিসংঘের ২৯ তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান বাংলায় প্রথম ভাষণ প্রদান করেন ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে।
- বাংলাদেশ ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করে।
- বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
- আনোয়ারুল করিম চৌধুরী ২০০১ সালে নিরাপত্তা পরিষদে সভাপতিত্ব করেন।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।