বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

মোট প্রশ্ন৩,৮২৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

PrepBank · পাতা ৩৬ / ৩৮ · ৩,৫০১৩,৬০০ / ৩,৮২৪

৩,৫০১.
'গম্ভীরা' বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের লোকসংগীত?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) রংপুর
  4. ঘ) বরিশাল
ব্যাখ্যা
গম্ভীরা গান এক প্রকার জনপ্রিয় লোকসঙ্গীত। সাধারণত বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলে এ গান প্রচলিত। ‘গম্ভীরা’ হচ্ছে এক প্রকার উৎসব। ধারণা করা হয় যে, গম্ভীরা উৎসবের প্রচলন হয়েছে শিবপূজাকে কেন্দ্র করে। শিবের এক নাম ‘গম্ভীর’, তাই শিবের উৎসব গম্ভীরা উৎসব এবং শিবের বন্দনাগীতিই হলো গম্ভীরা গান।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
৩,৫০২.
Reporters without Borders (RSF) প্রকাশিত মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান কত?
  1. ক) ১৫০ তম
  2. খ) ১৪১ তম
  3. গ) ১৫১ তম
  4. ঘ) ১৮০ তম
ব্যাখ্যা
প্যারিসভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারের বার্ষিক সূচকে বাংলাদেশের অবস্থানের অবনতি হয়েছে। সূচকে থাকা ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৫১তম। ২০১৯ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৫০তম। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বার্ষিক এ সূচক প্রকাশ করেছে। (রেফারেন্স- somoynews.tv)
৩,৫০৩.
২০২৫ সালে সমাজসেবায় স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেছেন কে?
  1. ফজলে হাসান আবেদ
  2. মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ
  3. অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম
  4. মো: ইউসুফ চৌধুরী
ব্যাখ্যা

• স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫' পেয়েছেন ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর)।
• সাহিত্য: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর)।
• সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর)।
• সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর)।
• মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর)।
• শিক্ষা ও গবেষণা: জনাব বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর।
• প্রতিবাদী তারুন্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উল্লেখ্য,
২০২৫ সালে সমাজসেবায় একুশে পদক লাভ করেন - মো: ইউসুফ চৌধুরী

উৎস: মন্ত্রি পরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।

৩,৫০৪.
একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে কোন সংস্থা?
  1. জাতিসংঘ
  2. ইউনিসেফ
  3. ইউএসএআইডি
  4. ইউনেস্কো
ব্যাখ্যা

- একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা : ইউনেস্কো।

২১ ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।

উৎস: ইউনেস্কো ওয়েবসাইট।

৩,৫০৫.
In which year did Bangladesh become a member of ICAO?
  1. 1974
  2. 1972
  3. 1975
  4. 1973
ব্যাখ্যা
ICAO:
- ICAO পূর্ন রূপ: International Civil Aviation Organization.
- এটি বেসামরিক বিমান চলাচল সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- এটি ১৯৪৪ সালে Provisional International Civil Aviation Organization (PICAO) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ৪ এপ্রিল, ১৯৪৭ সালে ICAO হিসাবে যাত্রা শুরু করে।
- সারা বিশ্বে আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচলের নিরাপদ এবং সুশৃঙ্খল রাখতে এই সংস্থা কাজ করে।
- এটি জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে ৩ অক্টোবর, ১৯৪৭ সালে।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি।
- সদর দপ্তর: মন্ট্রিল, কানাডা।
- প্রেসিডেন্ট: সালভাতোর সিয়াচিটানো।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে ICAO এর সদস্যপদ লাভ করে

উৎস: ICAO ওয়েবসাইট।
৩,৫০৬.
পরিকল্পনা কমিশন কোন মন্ত্রণালয় এর আওতাভুক্ত?
  1. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  2. অর্থ মন্ত্রণালয়
  3. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  4. স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন: 
- ৩১ জানুয়ারী ১৯৭২ সালে “বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন” প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় এর আওতাভুক্ত। 
- স্বাধীনতা লাভের অব্যবহিত পরে পরিকল্পিত দ্রুত উন্নতি অর্জনের বিষয়টি ত্বরান্বিত করার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে প্রখ্যাত পরিকল্পনাবিদদের সমন্বয়ে গঠিত উচ্চ পর্যায়ের পরিকল্পনা কমিশন গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই একে দেয়া হয় উচ্চ পর্যায়ের পেশাদারী সংঘঠনের মর্যাদা।
- এই কমিশন গঠিত হয় একজন চেয়ারম্যান, একজন ডিপুটি চেয়াম্যান এবং তিন জন সদস্য সমন্বয়ে।
- পরিকল্পনা মন্ত্রী পদাধিকার বলে কমিশনের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৫০৭.
বাংলা একাডেমি পুরস্কারের মূল্যমান কত লক্ষ টাকা?
  1. দুই লক্ষ টাকা
  2. তিন লক্ষ টাকা
  3. তিন লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা
  4. চার লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি পুরস্কার - ২০২৩ 

- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সমসাময়িক জীবিত লেখকদের সামগ্রিক মৌলিক অবদান চিহ্নিত করে তাঁদের সৃজনী প্রতিভাকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে শিক্ষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে অনুকুল পরিবেশ সৃষ্টি করাই বাংলা একাডেমির সাহিত্য পুরস্কার প্রদানের উদ্দেশ্য।
- ১৯৬০ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে। বাংলাদেশ
- সরকারের 'সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়' এ পুরস্কার ঘোষণা করে। বর্তমানে বাংলা সাহিত্যের ১১টি শাখায় এ পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
- তবে ২০২১ সালের আগে ১০টি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদান করা হতো।
-  প্রতিটি পুরস্কারের মূল্যমান তিন লক্ষ টাকা।
- প্রতি বছর মাসব্যাপী আয়োজিত অমর একুশে গ্রন্থমেলা ও অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পুরস্কার প্রাপ্তদের পুরস্কারের অর্থমূল্যের চেক, সম্মাননা পত্র ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন। 
- ২৪ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে 'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৩' ঘোষণা করা হয়।
- মোট ১১টি ক্যাটাগরিতে ১৬ জন বিশিষ্ট লেখক 'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার- ২০২৩' লাভ করেছেন।
- বাংলা একাডেমি আয়োজিত 'অমর একুশে বইমেলা- ২০২৪'-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে এ পুরস্কার প্রদান করবেন।

উৎস- প্রথম আলো।
৩,৫০৮.
বিশ্বের কততম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট চালু করেছে?
  1. ১২১ তম
  2. ১২০ তম
  3. ১১৯ তম
  4. ১১৮ তম
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের অর্জন:
- বিশ্বে প্রথম ই-পাসপোর্ট চালু করে মালয়েশিয়া ১৯৯৮ সালে।
- বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট প্রদানের ঘোষণা দেয়া হয় ২৪ এপ্রিল, ২০১৬ সালে।
- বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয় ২২ জানুয়ারি, ২০২০ সালে।
- বাংলাদেশ বিশ্বের ১১৯তম দেশ হিসাবে ই-পাসপোর্ট চালু করে
- বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট নিয়ে কাজ করেছে জার্মান কোম্পানি Veridos GbmH.

উৎস: বণিক বার্তা নিউজ।
৩,৫০৯.
বিশ্বব্যাংক কবে বাংলাদেশকে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে?
  1. ১ জুন ২০১৪
  2. ১ জুন ২০১৫
  3. ১ জুলাই ২০১৫
  4. ১ জুলাই ২০১৬
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ:
- বিশ্বব্যাংকের মতে মাথাপিছু আয়ের ভিত্তিতে বাংলাদেশ নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ।
- বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ১০৪৫ মা, ডলারের অধিক হওয়ায় ২০১৫ সালের ১ জুলাই বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে ঘোষণা করে।
- বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ২,৯৬১ মার্কিন ডলার।

তথ্যসূত্র - বিশ্বব্যাংক অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩,৫১০.
'আগুনের পরশমণি' চলচ্চিত্রটি কয়টি শাখায় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা
আগুনের পরশমণি:

- মুক্তিযুদ্ধের ওপর ভিত্তি করে যে চলচ্চিত্রগুলো নির্মিত হয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম ‘আগুনের পরশমণি’।
- দর্শকনন্দিত এই ছবির চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন হ‌ুমায়ূন আহমেদ।
- ১৯৯৪ সালে সরকারি অনুদানে নির্মিত হয় এ ছবি। মুক্তি পায় ১৯৯৫ সালে।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় অবরুদ্ধ ঢাকায় মুক্তিবাহিনীর অভিযান আর মধ্যবিত্ত একটি পরিবারের সংকট ছবিটিতে তুলে ধরেছেন। এ ছবিতে অভিনয় করেছেন আসাদুজ্জামান নূর, বিপাশা হায়াত, ডলি জহুর ও আরো অনেকে।
- আগুনের পরশমণি চলচ্চিত্রটি ৮টি শাখায় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে।
- শাখাগুলো হচ্ছে- শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র (প্রযোজক হুমায়ূন আহমেদ), শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার (হুমায়ূন আহমেদ), শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা (হুমায়ূন আহমেদ), শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী (বিপাশা হায়াত), শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক (সত্য সাহা), শ্রেষ্ঠ শব্দ গ্রাহক (মফিজুল হক), শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী (শিলা আহমেদ), শিশুশিল্পী শাখায় বিশেষ পুরস্কার (হোসনে আরা পুতুল)।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৫১১.
প্রথম বাংলাদেশি বোলার হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে ২৫০ উইকেটের মাইলফলক অর্জন করেছেন কে?
  1. তাইজুল ইসলাম
  2. তাসকিন আহমেদ
  3. মুস্তাফিজুর রহমান
  4. মেহেদী হাসান মিরাজ
ব্যাখ্যা

প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ২৫০ উইকেট অর্জন:
- বাংলাদেশের প্রথম বোলার হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে ২৫০ উইকেটের অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করলেন বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম।
- ২৩ নভেম্বর, ২০২৫ মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের পঞ্চম দিনের সকালে স্পিন অলরাউন্ডার অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইনকে ফিরিয়ে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন।
- ক্যারিয়ারের মাত্র ৫৬তম টেস্টেই ২৫০ উইকেটের এই মাইলফলক স্পর্শ করলেন তাইজুল।

উল্লেখ্য,
- ২০১৪ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে সেন্ট ভিনসেন্ট টেস্ট দিয়ে তাইজুলের টেস্ট অভিষেক। 
- ক্যারিয়ারের প্রথম ইনিংসেই নিয়েছিলেন ৫ উইকেট।

তথ্যসূত্র- নিউজ রিপোর্ট। [link]

৩,৫১২.
জাতীয় ডাটা সেন্টার অবস্থিত?
  1. ক) টঙ্গী
  2. খ) মহাখালী
  3. গ) আগারগাও
  4. ঘ) কালিয়াকৈর
  5. ঙ) শেরে বাংলা নগর
ব্যাখ্যা
২৯ নভেম্বর ২০১৯ গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈরে বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটিতে উদ্বোধন করা হয় জাতীয় ডাটা সেন্টার। এটির ডাটা ধারণ ক্ষমতা ২০ লক্ষ গিগাবাইট বা ২ পেটাবাইট। তথ্য ধারণের দিক দিয়ে এটি বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম ডাটা সেন্টার। চীনা প্রতিষ্ঠান জেডটিএ এটি নির্মাণে সহায়তা করে। (সূত্রঃ দৈনিকে ইত্তেফাক)
৩,৫১৩.
নিচের কোনটি ইউনেস্কো ঘোষিত অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য?
  1. ইলিশ আহরণ
  2. নকশি কাঁথা তৈরি
  3. বাউল গান
  4. মসলিন বুনন শিল্প
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে ইউনেস্কো ঘোষিত অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সংখ্যা চারটি।
এগুলো হলো:
- বাউল গান (২০০৮)
- জামদানি বুনন শিল্প (২০১৩)
- পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬)
- শীতল পাটি তৈরি শিল্প (২০১৭)।
অন্যদিকে,
- ঢাকাই মসলিন হলো দেশের একটি ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য।
(তথ্যসূত্র: ইউনেস্কো ওয়েবসাইট)
৩,৫১৪.
বাংলাদেশে 'শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য' কর্মসূচি গৃহীত হয় কবে?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৪ সালে
ব্যাখ্যা
'শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য' কর্মসূচি:
- দেশে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসরত পরিবারের শিশুদেরকে সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে ১৯৯৩-৯৪ অর্থ বছর থেকে শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করা হয়।
- ১৯৯৩ সালে 'শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য' কর্মসূচি চালু হয়।

অন্যদিকে -
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দিলে বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হলে সরকার ‘ফুড ফর ওয়ার্ক’ বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৫১৫.
জাতিসংঘে বাংলাদেশের বর্তমান স্থায়ী প্রতিনিধি-
  1. ইসমাত জাহান
  2. নাজমুন্নাহার
  3. রাবাব ফাতিমা
  4. সোসানে গীতি
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘে বাংলাদেশের বর্তমান (২য় নারী) স্থায়ী প্রতিনিধি- রাবাব ফাতিমা।
• জাতিসংঘে বাংলাদেশের ১ম নারী স্থায়ী প্রতিনিধি ছিলেন ইসমাত জাহান।
উৎসঃ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

৩,৫১৬.
শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম কোথায় অবস্থিত?
  1. কুমিল্লা
  2. কক্সবাজার
  3. বগুড়া
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম
- ১৯৬২ সালে নির্মিত স্টেডিয়ামটির আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৭০ সালে যাত্রা শুরু হয়।
- শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম বগুড়ায় অবস্থিত। 
- ওই সময় ফুটবল, ক্রিকেটসহ স্থানীয় বিভিন্ন দিবসের অনুষ্ঠান হতো এ স্টেডিয়ামে।
- ২০০৩ সালের ৩ জুন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া শহীদ চান্দু ক্রীড়া কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- প্রায় ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০০৪ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি স্টেডিয়ামের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়।
- অনূর্ধ্ব ১৯ দলের বিশ্বকাপের ম্যাচ দিয়ে শুরু হয় বগুড়ার এ স্টেডিয়াম।
- আইসিসির স্বীকৃতি পাওয়ার পর একটি টেস্ট আর পাঁচটি ওয়ানডে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।

সূত্র- প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৩,৫১৭.
২০২৩ সালে রেমিট্যান্স প্রাপ্তিতে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা
প্রবাসী আয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান:
- ২০২৩ সালে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় প্রাপ্তিতে শীর্ষ দশ দেশের মধ্যে ৭ম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ ২৩ বিলিয়ন ডলার।
- বিশ্বব্যাংক ও নোমাডের মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ব্রিফ ৩৯-এ এসব তথ্য উঠে এসেছে। 
- ২০২৩ সালের শেষেও বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে।
- রেমিট্যান্সের উৎস হিসেবে দ্বিতীয় স্থানে সৌদি আরব। 
- ২০২৩ সালে রেমিট্যান্স প্রাপ্তিতে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান: ৩য়। 

উৎস: প্রবাসী আয় সংক্রান্ত রিপোর্ট-২০২৩ (বিশ্বব্যাংক) ও লাইভ এম সি কিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
৩,৫১৮.
বাংলাদেশ প্রথমবার কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ অর্জন করে? 
  1. ও আই সি
  2. কমনওয়েলথ
  3. জাতিসংঘ
  4. ন্যাম
ব্যাখ্যা

• কমনওয়েলথ: 
- কমনওয়েলথ মূলত ব্রিটেনের সাবেক উপনিবেশিক দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট। 
- এটি ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- বর্তমান সদস্য ৫৬টি।   [ব্যাখ্যা আপডেট - জানুয়ারি, ২০২৬]
- সদরদপ্তর: মার্লবোরো হাউস, লন্ডন। 
- এর প্রধান: রাজা তৃতীয় চার্লস। 
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করে। 
- এটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ।

অন্যদিকে,
- জাতিসংঘ: ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ লাভ করে।
- জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (NAM): ১৯৭৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ এই সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে। 
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)-এর সদস্যপদ লাভ করে। 

তথ্যসূত্র: কমনওয়েলথ ওয়েবসাইট। 

৩,৫১৯.
ঢাকাই মসলিন বস্ত্র এত সূক্ষ্ম ছিল যে, ______ গজ মসলিন একটি দিয়াশলাইয়ের বাকসোতে ভরে রাখা যেত।
  1. ২ গজ
  2. ১০ গজ
  3. ২০ গজ
  4. ৫০ গজ
  5. ১০০ গজ
ব্যাখ্যা
ঢাকাই মসলিন: 
- বস্ত্র শিল্পে বাংলার অগ্রগতি ছিল সবিশেষ উল্লেখযোগ্য।
- এখানকার নির্মিত বস্তুগুলো গুণ ও মানের বিচারে যথেষ্ট উন্নত ছিল।
- তাই বিদেশে এগুলোর প্রচুর চাহিদা ছিল।
- নিজেদের ব্যবহারের জন্য রঙিন কাপড় এবং বিদেশে রপ্তানি করার জন্য সাদা কাপড় এখানে তৈরি করা হতো।
- ঢাকা ছিল মসলিন নামক বিশ্বখ্যাত সূক্ষ্ম বস্ত্র শিল্পের প্রধান প্রাণকেন্দ্র।
- ইউরোপে এর প্রচুর চাহিদা ছিল।
- এ বস্ত্র এত সূক্ষ্ম ছিল যে, ২০ গজ মসলিন একটি দিয়াশলাইয়ের বাকসোতে ভরে রাখা যেত।
- পাট ও রেশমের তৈরি বস্ত্রেও বাংলার কৃতিত্ব ছিল উল্লেখযোগ্য।
- বাংলায় চিনি ও গুড় তৈরি এবং জাহাজ নির্মাণ শিল্পের ব্যাপক প্রসার ঘটে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩,৫২০.
বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ ইউনেস্কোর মেমোরি অব দ্যা ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টার- এ নিবন্ধন করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৮১
  2. ১৯৯৭
  3. ২০২১
  4. ২০১৭
ব্যাখ্যা
৭ই মার্চের ভাষণ:
- ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক সমাবেশে বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ প্রদান করেন।
- ৭ই মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু চারটি দাবি উত্থাপন করেন। এগুলো হলো:
• চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার করা।
• সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া।
• গণহত্যার তদন্ত করা।
• নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।
- ৭ই মার্চের ভাষণকে ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইনআরন্যাশনাল রেজিস্ট্রারে অন্তর্ভুক্ত করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৫২১.
বাংলাদেশের কততম স্থান হিসেবে সুন্দরবন বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হয়?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
ব্যাখ্যা
ইউনেস্কোর মতে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় বাংলাদেশের স্থানসমূহ: 
- সোমপুর বিহার-পাহাড়পুর, নঁওগা-১৯৮৫ সাল( ১ম)।
- ষাট গম্বুজ মসজিদ-বাগেরহাট- ১৯৮৫ সাল(২য়)।
- সুন্দরবন-খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট-১৯৯৭ (৩য়)।

উৎস:
বাংলাপিডিয়া।
৩,৫২২.
জাতীয় প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৫৫ সালে
  2. ১৯৫০ সালে
  3. ১৯৫৪ সালে
  4. ১৯৬৪ সালে
ব্যাখ্যা
জাতীয় প্রেস ক্লাব:
- জাতীয় পর্যায়ে সাংবাদিকদের একটি সংঘবিশেষ।
- পেশাদার সাংবাদিকদের ক্লাব যা বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত।
- ১৯৫৪ সালের ২০ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান প্রেস ক্লাব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় জাতীয় প্রেস ক্লাব।
- ঢাকায় অবস্থিত জাতীয় প্রেসক্লাবই বাংলাদেশের প্রধান প্রেসক্লাব।
- পূর্ব পাকিস্তান প্রেসক্লাবের প্রথম সভাপতি হন দৈনিক আজাদ-এর যুগ্ম সম্পাদক মুজীবুর রহমান খাঁ।
- অবিভক্ত বাংলায় প্রথম প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালে কলকাতায়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া, প্রেসক্লাবের ওয়েবসাইট।
৩,৫২৩.
মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত কে?
  1. জাহানারা ইমাম
  2. রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
  3. আয়েশা রহমান
  4. বেগম সুফিয়া কামাল
ব্যাখ্যা
নারী জাগরণের অগ্রদূত:
 - বাঙালি সমাজ যখন ধর্মীয় প্রতিবন্ধকতা আর সামাজিক কুসংস্কারে আচ্ছন্ন ছিল, সেই সময় বেগম রোকেয়া বাংলার মুসলিম নারী সমাজে শিক্ষার আলো নিয়ে এসেছিলেন।
- বাঙালি মুসলমান নারী জাগরণের তিনি ছিলেন অন্যতম একজন পথিকৃৎ।
- বিশ শতকের প্রথমার্ধে তিনি নারীশিক্ষা বিশেষত মুসলিম নারীদের মধ্যে শিক্ষার প্রসারে অক্লান্ত পরিশ্রম করেন।
- এছাড়া তিনি নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন স্থানে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন এবং সরকারের নিকট নারীদের উন্নয়নে বিভিন্ন দাবী দাওয়া পেশ করেন।
- বেগম রোকেয়া ১৮৮০ সালে রংপুর জেলার পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৩২ সালে কলকাতায় মারা যান।

উৎস:বাংলাপিডিয়া এবং যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।
৩,৫২৪.
বাংলাদেশের ২য় সাবমেরিন ল্যান্ডিং স্টেশন কোথায় অবস্থিত?
  1. কুয়াকাটা
  2. কক্সবাজার
  3. চট্টগ্রাম
  4. কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
২য় সাবমেরিন ল্যান্ডিং স্টেশন:

- দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন কেব্ল এসইএ-এমই-ডব্লিউই-৫-এর ল্যান্ডিং স্টেশন পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন লতাচাপলী ইউনিয়নের মাইটভাঙ্গা এলাকায় অবস্থিত।
- প্রকল্পের নির্মাণ ব্যয় ৬৬০ কোটি টাকা।
- ১০ একর জমির ওপর ল্যান্ডিং স্টেশনের কার্যক্রম পরিচালনা করার মূল ভবনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
- প্রকল্পটিতে বাংলাদেশ সরকার ১৬৬ কোটি টাকা ও বিএসসিসিএল ১৪২ কোটি টাকা দিচ্ছে। বাকি ৩৫২ কোটি টাকা ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংক (আইডিবি) ঋণ হিসেবে দিচ্ছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ১১ অক্টোবর ২০১৬।
৩,৫২৫.
বাংলাদেশ কততম ন্যাম সম্মেলনে প্রথম অংশগ্রহণ করে?
  1. দ্বিতীয়
  2. তৃতীয়
  3. চতুর্থ
  4. পঞ্চম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন: 
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পর প্রথম ও প্রধান চ্যালেঞ্জগুলোর একটি ছিল আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জিত হলেও নতুন দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি আদায়ের জন্য কূটনৈতিক অঙ্গনে বিপুল তৎপরতা চালাতে হয়।
- ভুটান ও ভারত প্রথম দুটি দেশ যারা ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- এটি ছিল বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির পথে প্রথম পদক্ষেপ।
- তবে এর পরেও অনেক দেশ স্বীকৃতি দিতে গড়িমসি করেছিল এবং পাকিস্তান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক বাধা সৃষ্টি করেছিল।
- পাকিস্তান বাংলাদেশের স্বীকৃতি বাধাগ্রস্ত করতে চীন ও কিছু ইসলামি দেশের সহযোগিতা নিয়ে অপপ্রচার চালায়।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসি সম্মেলনে যোগ দেয়, তবে এর পূর্বশর্ত ছিল পাকিস্তানের স্বীকৃতি।
- পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টো শর্ত দিয়েছিলেন যে, বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ না হলে তারা স্বীকৃতি দেবে না।
- ১৯৭৩ সালের আলজেরিয়ার চতুর্থ ন্যাম সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রথম অংশগ্রহণ করে।
- এই সম্মেলনের মাধ্যমে কিছু ইসলামি দেশও বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়ার প্রক্রিয়ায় এগিয়ে আসে।

উৎস: বিবিসি বাংলা (২৬ মার্চ ২০২১)
৩,৫২৬.
২০২৫ সালে বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানির শীর্ষ গন্তব্য কোন দেশ ছিল?
  1. কাতার
  2. সৌদি আরব
  3. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের বৃহত্তম শ্রম বাজার:
→ ২০২৫ সালে বাংলাদেশি জনশক্তি রপ্তানির শীর্ষ গন্তব্য ছিল সৌদি আরব। 

→ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে মোট ৭ লাখ ৫২ হাজার ৭১৫ জন বাংলাদেশি কর্মসংস্থানের জন্য সৌদি আরবে গেছেন।


→ ২০২৫ সালে কাতারে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১ লাখ ৭ হাজার ৪৭২ জন কর্মী পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ সৌদি আরবের সঙ্গে জনশক্তি রপ্তানির একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যা দুই দেশের ৫০ বছরের কূটনৈতিক সম্পর্কের ইতিহাসে প্রথম চুক্তি। 

উৎস: The Business Standard. 

৩,৫২৭.
বাংলাদেশে প্রথম রঙিন টেলিভিশন সম্প্রচার শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৬ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ টেলিভিশন:
- বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলা ভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।
- ১৯৬৪ সালের ২৫শে ডিসেম্বর একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে এর যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৬৭ সালে তৎকালীন পাকিস্তান টেলিভিশন কর্পোরেশন ও ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে (পি.ও নং-১১৫) বাংলাদেশ টেলিভিশন নামে রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলে পরিণত হয়।
- ১৯৭৫ সালের ৯ই ফেব্রুয়ারি বিটিভি স্থানান্তরিত হয় রামপুরার নিজস্ব টিভি ভবনে।
- ৬ই মার্চ ১৯৭৫ সাল হতে রামপুরা টিভি ভবনে নতুন আঙ্গিকে শুরু হয় বিটিভির সম্প্রচার কার্যক্রম।
- ১৯৮০ সালের ১ ডিসেম্বর তারিখে রামপুরা টিভি কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে প্রথম রঙিন টেলিভিশন সম্প্রচার শুরু হয়।
- বিটিভি ওয়ার্ল্ডের সম্প্রচার শুরু হয় ১১ এপ্রিল ২০০৪ তারিখে।
- ২০১৩ সাল থেকে আইপিটিভি, মোবাইল টিভি ও ওয়েবটিভি এর মাধ্যমেও বিটিভির অনুষ্ঠানমালা দেশে ও বিদেশে দেখার সুযোগ পাচ্ছেন দর্শকরা।
- ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সংবাদভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ টেলিভিশন চ্যানেল হিসেবে “বিটিভি নিউজ” নামে যাত্রা শুরু করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৩,৫২৮.
লালন ফকিরের জন্মস্থান কোথায়?
  1. ক) ঝিনাইদহ
  2. খ) সিলেট
  3. গ) মেহেরপুর
  4. ঘ) মাগুরা
ব্যাখ্যা

• লালন ফকির ১৭৭২ সালে (১১৭৯ বঙ্গাব্দের ১ কার্তিক) ঝিনাইদহ জেলার হরিশপুর গ্রামে (মতান্তরে ভাঁড়রা গ্রাম, কুমারখালী, কুষ্টিয়া) জন্মগ্রহণ করেন।
• তিনি ছিলেন বাউল সাধনার প্রধান গুরু, বাউল গানের শ্রেষ্ঠ রচয়িতা ও গায়ক।
• বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী এই বাঙালি লালন সাঁই, লালন শাহ ও মহাত্মা লালন নামেও পরিচিত।
• তার গানের মাধ্যমেই উনিশ শতকে বাউল গান বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করলে তাকে বাউল সম্রাট হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩,৫২৯.
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতে কোন বিষয়টি প্রধানভাবে আছে?
  1. বাংলার প্রকৃতির কথা
  2. বাংলার মানুষের কথা
  3. বাংলার ইতিহাসের কথা
  4. বাংলার সাংস্কৃতির কথা
ব্যাখ্যা
• জাতীয় সঙ্গীত:
- বঙ্গভঙ্গের প্রেক্ষাপটে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'আমার সোনার বাংলা 'কবিতার প্রথম ১০ চরণকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং তা গৃহীত  হয় ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি।
- জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের বিধান অনুযায়ী কণ্ঠে গাইতে গেলে দশ চরণ আর যন্ত্র সঙ্গীতে বাজাতে গেলে চার চরণ পর্যন্ত বাজাতে হবে।
-  বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত "আমার সোনার বাংলা" এর রচয়িতা ও সুরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- কবিতাটিতে মোট ২৫টি লাইন আছে।
- জাতীয় সংগীত সম্পর্কে ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, ‘এই গানে দেশের বন্দনা, ঋতু ও ভূ-প্রকৃতির বর্ণনা, দেশের প্রতি ভালোবাসার কথা তুলে ধরা হয়েছে’।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো রিপোর্ট।
৩,৫৩০.
বাংলাদেশ থেকে ইউনিসেফের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন
  1. ক) ইসমত জাহান
  2. খ) নাসিমা বেগম
  3. গ) রাবার ফাতিমা
  4. ঘ) শিরীন আক্তার
ব্যাখ্যা

- ১৪ জানুয়ারি, ২০২০ সালে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ইউনিসেফের নির্বাহী বোর্ডের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এতে সর্বসম্মতিক্রমে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমা।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।

৩,৫৩১.
দেশের প্রথম এলিফ্যান্ট ওভারপাস কোথায় অবস্থিত?
  1. লোহাগড়া, চট্টগ্রাম
  2. মীরসরাই, চট্টগ্রাম
  3. সীতাকুন্ড, চট্টগ্রাম
  4. সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
এলিফ্যান্ট ওভারপাস:
- চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের বুক চিরে নির্মিত হয়েছে এশিয়ার প্রথম 'এলিফ্যান্ট ওভারপাস'।
- দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইনের কারণে বন্যপ্রাণী চলাচলে যেন বাধা সৃষ্টি না হয়, সে লক্ষ্যেই নেওয়া হয়েছে এ উদ্যোগ।
- এ ওভারপাসের ওপর অংশ দিয়ে হাতি ও নিচ দিয়ে ট্রেন চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
- দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার রেললাইনের চুনতি, ফাঁসিয়াখালি ও মেধাকচ্ছপিয়ায় তিনটি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য রয়েছে।
- এর মধ্যে চুনতিতে হয়ে গেছে প্রথম এলিফ্যান্ট ওভারপাস।

উৎস: i) ২৪ অক্টোবর ২০২৩, The Business Standard।
         ii) ৭ অক্টোবর ২০২৩, কালবেলা।
৩,৫৩২.
ভাস্কর্য জননী ও গর্বিত বর্ণমালা-এর স্থপতি কে?
  1. মৃণাল হক
  2. হামিদুজ্জামান খান
  3. সৈয়দ মাঈনুল হোসেন
  4. শ্যামল চৌধুরী
ব্যাখ্যা

ভাস্কর্য জননী ও গর্বিত বর্ণমালা:
- একুশের ভাস্কর্য জননী ও গর্বিত বর্ণমালা।
- এটি ঢাকার পরিবাগে অবস্থিত।
- এর স্থপতি শিল্পী মৃণাল হক।

⇒ জননী ও গর্বিত বর্ণমালা ভাস্কর্যে দেখা যায় একজন মা তার মৃত সন্তানকে কোলে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন।
- তার সামনে একটি সবুজ বৃত্তে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে কয়েকটি বাংলা বর্ণ।
- পেছনে লাল বৃত্তে রয়েছে ‘২১’ এবং ‘ব ও ‘ক’।

উৎস: i) banglanews24.com 
ii) প্রথম আলো।

৩,৫৩৩.
Who won the Kazi Nazrul Award in 2023?
  1. Shaheen Samad
  2. Rezwana Chowdhury
  3. Helal Hafiz
  4. Khilkhil Kazi
ব্যাখ্যা
নজরুল পুরস্কার:

- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বাংলা একাডেমিতে নজরুল পুরস্কার ২০২৩ প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
- অনুষ্ঠানে নজরুলসংগীত-চর্চা ও প্রসারে সামগ্রিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রখ্যাত শিল্পী শাহীন সামাদকে বাংলা একাডেমি প্রবর্তিত নজরুল পুরস্কার ২০২৩-এ ভূষিত করা হয়। 
- এই পুরস্কারের অর্থমূল্য দুই লাখ টাকা।
- ২০২২ সালে বাংলা একাডেমি নজরুল পুরস্কার চালু করে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক যুগান্তর, ২৪ মে ২০২৩।
৩,৫৩৪.
মসলা গবেষণা কেন্দ্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) ফরিদপুর
  2. খ) বগুড়া
  3. গ) দিনাজপুর
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
মসলা গবেষণা কেন্দ্র বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত। এটি ১৯৯৬ সালে কার্যক্রম শুরু করে। এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান। এর ৩টি আঞ্চলিক ও ৬টি উপ কেন্দ্র রয়েছে। দেশি-বিদেশি মসলার জাত উন্নয়নে এটি কাজ করে।
(সূত্র: মসলা গবেষণা কেন্দ্র ওয়েবসাইট)
৩,৫৩৫.
মধ্যযুগে সোনারগাঁও কাদের রাজধানী ছিল?
  1. পাল রাজাদের
  2. মুঘল সম্রাটদের
  3. চন্দ্র রাজাদের
  4. মুসলিম সুলতানদের
ব্যাখ্যা
সোনারগাঁও:
- সোনারগাঁও বাংলার প্রাচীন রাজধানী।
- বর্তমান ঢাকা থেকে ২৭ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত সোনারগাঁও বর্তমান নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি উপজেলা।
- প্রাচীন সুবর্ণগ্রাম থেকে সোনারগাঁও নামের উদ্ভব বলে কারো কারো ধারণা রয়েছে।
- বারো ভূঁইয়া প্রধান ঈশা খাঁ'র স্ত্রী সোনাবিবি'র নামানুসারে সোনারগাঁও নামকরণ করা হয়।
- বাংলার রাজধানী হিসেবে সোনারগাঁওয়ের পত্তন করেন ঈশা খাঁ।
- আনুমানিক ১২৮১ খ্রিস্টাব্দে এ অঞ্চলে মুসলিম আধিপত্যের সূচনা হয়।
- মধ্যযুগে এটি মুসলিম সুলতানদের রাজধানী ছিল।
- ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে ঢাকা সুবে বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষিত হবার পূর্ব পর্যন্ত সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৫৩৬.
নাটোরের দিঘাপতিয়া জমিদার বাড়িটি এখন কী নামে পরিচিত?
  1. ক) উত্তরা গণভবন
  2. খ) বঙ্গভবন
  3. গ) গণভবন
  4. ঘ) উত্তরবঙ্গ সংসদ ভবন
ব্যাখ্যা
- দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি আঠারো শতকে নির্মিত দিঘাপতিয়া মহারাজাদের বাসস্থান।
- দয়ারাম রায় (১৬৮০-১৭৬০) এ রাজবংশের  প্রতিষ্ঠিাতা।
- বর্তমানে এটি ব্যবহূত হয় উত্তরা গণভবন বা উত্তরাঞ্চলের গভর্নমেন্ট হাউস হিসেবে।
- নাটোর শহর থেকে প্রায় ২.৪ কিমি দূরে প্রাসাদটি অবস্থিত।
- নাটোর-বগুড়া মহাসড়ক থেকে একটি সংযোগসড়কের মাধ্যমে প্রাসাদটিতে যাওয়া যায়।
- দয়ারাম রায় দিঘাপতিয়া প্রাসাদের মূল অংশ ও এর সংলগ্ন আরও কিছু ভবন নির্মাণ করেন।
- ৪৩ একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত প্রাসাদ এলাকাটি একটি পরিখা ও উচু প্রাচীরবেষ্টিত।
- এর পূর্ব পার্শ্বে রয়েছে একটি চারতলাবিশিষ্ট পিরামিডাকৃতির প্রবেশ দ্বার।
- এটি উপরের দিকে ক্রমশ সরু হয়ে একটি ঘড়িবিশিষ্ট টাওয়ারে শেষ হয়েছে।
- এটি আরও বৈশিষ্ট্যমন্ডিত হয়েছে তিন তলার সারিবদ্ধ খিলানপথ ও সর্বোচ্চ তলার ঘড়ির পাশে দুটি বৃত্তাকার চক্রের উপস্থিতিতে।
- এক তলা পূর্বমুখী প্রধান প্রাসাদ ব্লকটি ৩০.৪৮ মিটার দীর্ঘ ফাসাদে সমৃদ্ধ।
- ইংরেজি ‘ই’ অক্ষরের আদলে নির্মিত প্রাসাদটির সম্মুখভাগে রয়েছে সামনের দিকে অভিক্ষিপ্ত তিনটি বারান্দা যার মাঝেরটি দু’প্রান্তের দুটি অপেক্ষা বেশ লক্ষণীয়ভাবেই অভিক্ষিপ্ত। 

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
৩,৫৩৭.
বাংলাদেশে নবান্ন উৎসব কোন মাসে উদযাপিত হয়?
  1. অগ্রহায়ণ
  2. পৌষ
  3. ফাল্গুন
  4. চৈত্র
ব্যাখ্যা

নবান্ন উৎসব:
- আমাদের চিরায়ত উৎসবগুলোর মধ্যে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব হলো 'নবান্ন' উৎসব।
- এই উৎসব সাধারণত অগ্রহায়ণ মাসে উদ্যাপিত হয়। 
- এটি বাঙালির অতি প্রিয় উৎসব। নতুন ধান ঘরে তোলা উপলক্ষ্যে নবান্ন উৎসব উদ্যাপিত হয়ে থাকে।
- এ উৎসবে নতুন ধানের চাল দিয়ে সুস্বাদু পিঠা, পায়েস তৈরি ও বিতরণ করা হয়।
- নবান্ন উৎসব উপলক্ষ্যে কৃষকের ঘরে ঘরে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়।
- বর্তমানে শহুরে জীবনেও আয়োজন করা হয় নবান্নের পিঠা উৎসব।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, বোর্ড বই।

৩,৫৩৮.
শিল্পকলার বিভিন্ন শ্রেণিতে কতজন একুশে পদক-২০২৪ এ ভূষিত হয়েছেন?
  1. ২ জন
  2. ৫ জন
  3. ৮ জন
  4. ১১ জন
ব্যাখ্যা
একুশে পদক-২০২৪:

- বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ২১ জন বিশিষ্ট নাগরিককে একুশে পদক-২০২৪ প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার।
- ভাষা আন্দোলন ক্যাটাগরিতে মরণোত্তর একুশে পদক পেয়েছেন ২ জন। তারা হলেন- মৌ. আশরাফুদ্দীন আহমদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা হাতেম আলী মিয়া (মরণোত্তর)।
- শিল্পকলার বিভিন্ন শ্রেণিতে ১১ জন পেয়েছেন এই পদক। সংগীতে পেয়েছেন জালাল উদ্দীন খাঁ (মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণী ঘোষ, বিদিত লাল দাস (মরণোত্তর), এন্ড্রু কিশোর (মরণোত্তর) ও শুভ্র দেব। অভিনয়ে ডলি জহুর ও এমএ আলমগীর, আবৃতিতে খান মো. মুস্তাফা ওয়ালীদ (শিমুল মুস্তাফা) ও রূপা চক্রবর্তী, নৃত্যকলায় শিবলী মোহাম্মদ এবং চিত্রকলায় শাহজাহান আহমেদ বিকাশ।
- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ ও আর্কাইভিংয়ে কাওসার চৌধুরী, সমাজসেবায় মো. জিয়াউল হক ও আলহাজ রফিক আহামদ।
- ভাষা ও সাহিত্যে এবার একুশে পদক পেয়েছেন ৪ জন। তারা হলেন মুহাম্মদ সামাদ, লুৎফর রহমান রিটন, মিনার মনসুর ও রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ (মরণোত্তর)। এছাড়া শিক্ষায় প্রফেসর ড. জিনবোধি ভিক্ষু রয়েছেন এ তালিকায়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইত্তেফাক, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪।
৩,৫৩৯.
বাংলাদেশের প্রথম মনোরেল কোথায় নির্মিত হবে? [জুলাই, ২০২৫]
  1. যশোর
  2. সিলেট
  3. চট্টগ্রাম
  4. কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
প্রথম মনোরেল প্রকল্প:
- দেশের প্রথম মনোরেল নির্মিত হতে যাচ্ছে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে।
- ১ জুন, ২০২৫ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সঙ্গে জার্মানি প্রতিষ্ঠান ওরাসকম ও মিশরের প্রতিষ্ঠান আরব কন্ট্রাক্টর গ্রুপের এ সংক্রান্ত সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়।
- নগরীর যানজট নিরসনে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)।
- প্রস্তাবিত মনোরেল প্রকল্পটির মোট দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ৫৪ কিলোমিটার।
- এতে বিনিয়োগ হবে প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকা।

উল্লেখ্য,
- মনোরেল হলো এমন একটি রেলওয়ে, যেখানে ট্র্যাকটি একটি একক রেল বা বিম দিয়ে তৈরি।
- মনোরেল এক চাকার ট্রেন। এক চাকার ওপরই চলে। দুই থেকে আড়াই বছরের মধ্যে মনোরেল স্থাপন ও চালু করা সম্ভব।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [LINK]
৩,৫৪০.
মুজিবনগর সরকারের শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন-
  1. ক) তাজউদ্দিন আহমেদ
  2. খ) এম ইউছুফ আলী
  3. গ) মনসুর আলী
  4. ঘ) এ এইচ এম কামরুজ্জামান
ব্যাখ্যা
উল্লেখিত প্রশ্নের উত্তর : তাজউদ্দিন আহমেদ । 

- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম ।
- প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ। অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এম. মনসুর আলী ।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রান ও পুনর্বাসন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান। 

সুত্র : দৈনিক প্রথম আলো ও বাংলাপিডিয়া।
৩,৫৪১.
বাংলাদেশের পর্যটন ব্র্যান্ডিংয়ের স্লোগান কোনটি?
  1. Natural Beauty of Bangladesh
  2. Beautiful Bangladesh
  3. Incredible Bangladesh
  4. Truly Bangladesh
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের পর্যটন ব্র্যান্ডিংয়ের স্লোগান: 
- বাংলাদেশের পর্যটন ব্র্যান্ডিংয়ের স্লোগান ‘বিউটিফুল বাংলাদেশ’ বা ‘রূপময় বাংলাদেশ’। 
- ২০১০ সাল থেকে এটি বাংলাদেশের পর্যটন ব্র্যান্ডিংয়ের স্লোগান হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। 
- মালয়েশিয়া তাদের পর্যটন শিল্পকে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরতে ‘ট্রুলি মালয়েশিয়া’ স্লোগান ব্যবহার করছে।
- ভারত ব্যবহার করছে ‘ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া’। 

সূত্র: বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, প্রথম আলো ও বাংলানিউজ২৪।
৩,৫৪২.
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য কতজনকে বীরউত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়?
  1. ৪১ জন
  2. ৫৮ জন
  3. ৬৮ জন
  4. ৬২ জন
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়।
যথা- 
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন, 
- বীর উত্তম - ৬৮ জন, 
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন, 
- বীর প্রতীক - ৪২৬ জন।

তাদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত চারজন ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকায় গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম) [সেনাবাহিনী]
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)

∴ বর্তমানে (২০২১) মুক্তিযুদ্ধের খেতাবধারীর সংখ্যা - মোট ৬৭২ জন।
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৭ জন
- বীর বিক্রম - ১৭৪ জন
- বীর প্রতীক - ৪২৪ জন

তথ্যসূত্র:- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো রিপোর্ট।
৩,৫৪৩.
বাংলাদেশ মিয়ানমার সমুদ্রসীমা মামলার রায় হয়-
  1. ক) ১৫ জুন, ২০০৯
  2. খ) ১৪ মার্চ, ২০১২
  3. গ) ১৮ এপ্রিল, ২০১২
  4. ঘ) ২০শে মে, ২০১০
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির মামলার রায় হয় ২০১২ সালের ১৪ মার্চ।
- জার্মানির হামবুর্গে অবস্থিত সমুদ্র আইনবিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল International Tribunal for the Law of the Sea (ITLOS) এ সমুদ্রসীমা বিষয়ক এই মামলাটি নিষ্পত্তি হয়।
- এই রায়ের ফলে বাংলাদেশ লাভ করে ১,১১,৬৩১ বর্গকিলোমিটার সমুদ্রসীমা।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বঙ্গোপসাগরের মহীসোপান সংক্রান্ত বিরোধ জাতিসংঘের মহীসোপান নির্ধারণসংক্রান্ত CLCS (Commission on the Limits of the Continental Shelf) এ বিচারাধীন রয়েছে।
- বাংলাদেশ ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে CLCS এ নিজেদের মহীসোপান সীমা দাবী করে আবেদন জমা দেয়।
- সম্প্রতি ভারত সরকার বাংলাদেশের দাবীর প্রেক্ষিতে CLCS এ আপত্তিপত্র জমা দেয়।
অন্যদিকে,
- PCA (Permanent Court of Arbitration) আদালতে বাংলাদেশ ও ভারতের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি হয়।

তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট।
৩,৫৪৪.
কত শতকে ঢাকার আর্মেনীয় গির্জা নির্মিত হয়?
  1. সপ্তদশ শতক
  2. অষ্টাদশ শতক
  3. ঊনবিংশ শতক
  4. বিংশ শতক
ব্যাখ্যা

আর্মেনীয় গির্জা:
- পুরনো ঢাকার আর্মেনীটোলায় যে আর্মেনীয় গীর্জাটি রয়েছে তা-ই ‘আর্মেনিয়ান চার্চ’ (Armanian Church)  হিসেবে পরিচিত।
- এটি নির্মিত হয় ১৭৮১ সালে। 
- গির্জা নির্মাণের পূর্বে ওই স্থানে ছিল আর্মেনীয়দের একটি কবরস্থান।
- গীর্জা নির্মাণের জন্য গোরস্থানের আশেপাশে যে বিস্তৃত জমি তা দান করেছিলেন আগা মিনাস ক্যাটচিক নামের এক আর্মেনীয়।
- আর লোকশ্রুতি অনুযায়ী গীর্জাটি নির্মাণে সাহায্য করেছিলেন চারজন আর্মেনীয়।
- এরা হলেন মাইকেল সার্কিস, অকোটাভাটা সেতুর সিভর্গ, আগা এমনিয়াস এবং মার্কার পোগজ।

⇒ গীর্জাটি লম্বায় সাড়ে সাতশো ফুট, দরজা চারটি, জানালা সাতটি।
- এর পাশেই ছিলো একটি ঘড়িঘর। ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে ঘড়িঘরটি ভেঙে গিয়েছিলো বলে জানা যায়।
- গীর্জায় বৃহৎ আকারের একটি ঘণ্টা ছিলো। এই ঘণ্টা বাজার শব্দ নগরের প্রায় সব স্থান থেকে শুনা যেত বলে সাক্ষ্য পাওয়া যায়। এই ঘণ্টার শব্দ শুনেই নাকি অধিকাংশ ঢাকাবাসী নিজ নিজ সময়ঘড়ি ঠিক করে নিতেন। ১৮৮০ সালের দিকে আর্মেনী গীর্জার এই বিখ্যাত ঘণ্টাটি স্তব্ধ হয়ে যায়, যা আর কখনো বাজেনি।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩,৫৪৫.
স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা 'আলী' এর নির্মাতা কে?
  1. রেদওয়ান রনি
  2. আদনান আল রাজীব
  3. হিমেল আশরাফ
  4. মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী
ব্যাখ্যা
- ৭৮তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের শেষ প্রহরে বিচারকদের স্পেশাল মেনশন সম্মান পায় বাংলাদেশি সিনেমা 'আলী'।
- স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা 'আলী' এর নির্মাতা আদনান আল রাজীব।
- উৎসবের পালে দে ফেস্টিভ্যাল ভবনের গ্র্যান্ড থিয়েটার লুমিয়েরে সমাপনী অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
-  আসরের স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও লা সিনেফ বিভাগের প্রধান বিচারক জার্মান পরিচালক মারেন আদে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের মঞ্চে দাঁড়িয়ে 'আলী'কে স্পেশাল মেনশন দেওয়ার কথা জানান।
- কানের ইতিহাসে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগে বাংলাদেশের এটিই প্রথম ছবি।

উল্লেখ্য
- আদনান আল রাজীব পরিচালিত ১৫ মিনিট দৈর্ঘ্যের ছবিটির গল্প এক কিশোরকে কেন্দ্র করে।
- বাংলাদেশের উপকূলীয় একটি শহরে বসবাস করে সে, যেখানে নারীদের গান গাওয়ার অনুমতি নেই।
- আলী শহরে পাড়ি জমানোর সুযোগ পেতে গানের একটি প্রতিযোগিতায় নাম লেখায়। চমকপ্রদ ব্যাপার হলো, সে নারীকণ্ঠেও গাইতে পারে!

উৎস: প্রথম আলো।
৩,৫৪৬.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে কবে?
  1. ১৯৭১ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘে বাংলাদেশ:
- ৮ আগস্ট, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদের জন্য আবেদন করে।
- ১০ আগস্ট, ১৯৭২ সালে চীন বাংলাদেশের সদস্যপদের বিরুদ্ধে ভেটো প্রদান করে। 
- ১৯৭২ সালের ১৭ অক্টোবর বাংলাদেশ জাতিসংঘের পর্যবেক্ষকের মর্যাদা লাভ করে।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সংস্থাটির ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে।
- একই দিনে ১৩৭তম সদস্য হিসেবে গ্রানাডা এবং ১৩৮তম সদস্য হিসেবে গিনি বিসাউ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৩,৫৪৭.
বাংলাদেশের ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) কোথায় অবস্থিত?
  1. জয়দেবপুর, গাজীপুর
  2. মিরপুর, ঢাকা
  3. সারদা, রাজশাহী
  4. সাভার, ঢাকা
ব্যাখ্যা

বিকেএসপি:
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৪ সালে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীনে প্রকল্প আকারে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব স্পোর্টস (বিআইএস) প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করে।
- ১৯৭৬ সালে এ প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৮৩ সালে এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে এর নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) রাখা হয়। 
- বিকেএসপির নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয় ১৯৮৬ সালে।
- সাভারের জিরানীতে ১১৯ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।
- বিকেএসপি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি বিধিবদ্ধ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানের ৪টি শাখা রয়েছে। প্রশাসনিক, প্রশিক্ষণ, ক্রীড়া বিজ্ঞান এবং একাডেমিক।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৩,৫৪৮.
‘মুখ ও মুখোশ’ চলচ্চিত্রটির পরিচালক কে ছিলেন?
  1. ফতেহ লোহানী
  2. অজয় কর
  3. খান আতাউর রহমান
  4. আবদুল জব্বার খান
ব্যাখ্যা
‘মুখ ও মুখোশ’:
- বাংলাদেশের প্রথম বাংলা সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’।
- দিনটি ছিল ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট। চলচ্চিত্রটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় রূপমহল প্রেক্ষাগৃহে।
- এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন পূর্ব পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন আবদুল জব্বার খান।

সূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ৩১ মে, ২০২৩।
৩,৫৪৯.
বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে এবং টেস্ট সিরিজে জয় লাভ করে কোন দলের বিপক্ষে?
  1. কেনিয়া
  2. শ্রীলঙ্কা
  3. জিম্বাবুয়ে
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে এবং টেস্ট সিরিজে জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে ১৯৯৭ সালে।
- ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে।
- ১৭ মে, ১৯৯৮ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে ২০০০ সালে।
- ২০০০ সালের ১০ই নভেম্বর বাংলাদেশ সর্বপ্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ভারতের বিপক্ষে।
- ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- ১০ জানুয়ারি, ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
৩,৫৫০.
৭৮ তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের কোন সিনেমা বিশেষ স্বীকৃতি পেয়েছে? [জুলাই, ২০২৫]
  1. মুক্তি
  2. গেরিলা
  3. আলী
  4. মাটির ময়না
ব্যাখ্যা
৭৮ তম কান চলচ্চিত্র পুরস্কার:
- ১২-২৩ মে ২০২৫ ফ্রান্সের কান শহরে অনুষ্ঠিত হয় কান চলচ্চিত্র উৎসবের ৭৮তম আসর।

উৎসবের গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার-
স্বর্ণপাম: ইট ওয়াজ জাস্ট অ্যান অ্যাকসিডেন্ট, জাফর পানাহি।
সেরা পরিচালক: ক্রেবার মেনডোরসে ফিল (দ্য সিক্রেট এজেন্ট)।
সেরা অভিনেত্রী: নাদিয়া মেল্লিতি (লিটল সিস্টার)।
সেরা অভিনেতা: ওয়ানার মাউরা (দ্য সিক্রেট এজেন্ট)।

উল্লেখ্য,
- উৎসবে বিশেষ উল্লেখযোগ্য ছবি হিসেবে স্বীকৃতি পায় বাংলাদেশের স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা 'আলী'।
- স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র শাখার স্পেশাল মেনশন দেওয়া হয় আদনান আল রাজীব পরিচালিত সিনেমাটিকে।
- ‘আলী’ সিনেমার গল্প নারীকণ্ঠে গান গাইতে পারে এক কিশোরকে কেন্দ্র করে।
- ১৫ মিনিট দৈর্ঘ্যের সিনেমাটি ২৩ মে কান উৎসবে প্রদর্শিত হয়।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট।
৩,৫৫১.
বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পায় -
  1. ক) ইলিশ
  2. খ) ঢাকাই মসলিন
  3. গ) রাজশাহী সিল্ক
  4. ঘ) জামদানি শাড়ি
ব্যাখ্যা
জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- WIPO (world intellectual property organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- ভৌগোলিক নির্দেশক (Geographical indication) হচ্ছে একটি প্রতীক বা চিহ্ন, যা পণ্য ও সেবার উৎস, গুণাগুণ ও সুনাম ধারণ এবং প্রচার করে।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি।
- বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) পক্ষ থেকে ২০১৫ সালে প্রথমবারের মতো জামদানিকে জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধনের অনুমোদন চাওয়া হয়।
- বাংলাদেশের GI পণ্য সমূহ:
১. জামদানি,
২. ইলিশ,
৩. চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাতি আম,
৪. বিজয়পুরের সাদা মাটি, 
৫. দিনাজপুরের কাটারীভোগ,
৬. কালিজিরা,
৭. রংপুরের শতরঞ্জি,
৮. রাজশাহী সিল্ক,
৯. ঢাকাই মসলিন,
১০. বাগদা চিংড়ি।
১১. ফজলি আম।
১২. তুলসীমালা ধান।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালের ১২ জুন শেরপুরের তুলসীমালা ধান জিআই পণ্যের সনদ লাভ করে।

উৎস: প্রথম আলো, ০৬ নভেম্বর, ২০২২।
৩,৫৫২.
বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলে কত সালে?
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৯৬ সালে
  3. ১৯৯৯ সালে
  4. ২০০৩ সালে
ব্যাখ্যা
বিশ্বকাপে বাংলাদেশ:

- ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলে।
- প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলে বাংলাদেশ হারিয়েছিল স্কটল্যান্ড এবং তখনকার হট ফেবারিট পাকিস্তানকে।
- ইংল্যান্ড ছাড়াও স্কটল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, ওয়েলস আর নেদারল্যান্ডস ছিল এ আসরের যৌথ আয়োজক।
- বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম জয় পাকিস্তানের বিপক্ষে।
- প্রথম বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৬২ রানের জয় পায় বাংলাদেশ।
 
তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ০৬ আগস্ট ২০২০ ও সময় টিভি অনলাইন,০৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৫।
৩,৫৫৩.
২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে-
  1. UNICEF
  2. UNESCO
  3. UNCTAD
  4. UNDP
ব্যাখ্যা

UNESCO: 
- ইউনেস্কো (UNESCO) হলো জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা। 
- ইউনেস্কোর সংবিধান ১৯৪৫ সালের ১৬ নভেম্বর স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৪৬ সালের ৪ নভেম্বর সংবিধান কার্যকর হয়।
- ইউনেস্কোর সদরদপ্তর প্যারিস, ফ্রান্সে অবস্থিত। 
- এই সংস্থা বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকা প্রকাশ করে থাকে। 
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২৭ অক্টোবর ইউনেস্কোর সদস্যপদ অর্জন করে।
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে এই স্বীকৃতি দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, 
- বিশ্বব্যাপী ১৯৪টি দেশ ইউনেস্কোর সদস্য। 
- ইউনেস্কোর বর্তমান মহাপরিচালক হলেন আদ্রে আজুলে। 
- মাতৃভাষা দিবস ছাড়াও, ইউনেস্কো বাংলাদেশের পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার, ষাটগম্বুজ মসজিদ ও সুন্দরবনকেও বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে ঘোষণা করেছে।

উৎস: UNESCO ওয়েবসাইট।

৩,৫৫৪.
'মজলুম জননেতা' হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন কে?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. এ. কে. ফজলুল হক
  3. মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
  4. মওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশ
ব্যাখ্যা

মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী:
- রাজনীতিবিদ মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর নামের আগে বিশেষণ হল ‘মজলুম জননেতা’।
- আব্দুল হামিদ ১৮৮০ সালে সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- উদার ও আদর্শ দরিদ্র, ভদ্রলোক হাজী শরাফত আলী ছিলেন তাঁর পিতা।
- হামিদ খানের বয়স ছয় বছর হলে পিতার মৃত্যু হয়।
- হামিদের বয়স যখন এগারো বছর তখন তার মায়ের মৃত্যু হয়।
- চাচার অনুগ্রহে মাদ্রাসায় ভর্তি হলেও লাঠি খেলা, গান গাওয়া, বক্তৃতা নকল করা ইত্যাদি গুণের কারণে দ্রুত তার কিছু গুণগ্রাহী
জুটে যায়।
- ব্রিটিশ রাজত্বের বিরুদ্ধে এই যুবকের মনোভাবে শঙ্কিত জমিদারদের সম্ভাব্য অনিষ্ট হতে রক্ষার জন্য স্নেহশীল শিক্ষক মাওলানা আব্দুল বাকি তাকে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে পাঠিয়ে দিলেন।
- প্রাথমিকভাবে মুসলিম আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার সাথে যুক্ত ছিলেন; পরে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হন।
- ১৯৫৬ সালে কাগমারী সম্মেলনে মতপার্থক্যের কারণে আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেন।
- পদত্যাগের পর ন্যাপ (ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি) প্রতিষ্ঠা করেন।
- প্রগতিশীল, মানবতাবাদী ও মুক্ত চিন্তাধারার অধিকারী ছিলেন।

উৎস: এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া। 

৩,৫৫৫.
’শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ’-র নির্মাতা কে?
  1. মোস্তফা আলী কুদ্দুস
  2. তানভীর করিম
  3. সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ
  4. মঈনুল হোসেন
ব্যাখ্যা
• শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ :
- পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী চূড়ান্ত পরাজয়ের দুই দিন পূর্বে ১৪ই ডিসেম্বর অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে।
- তাদের স্মৃতি অমর করে রাখার জন্য ঢাকার মিরপুরে শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।
- এর স্থপতি ছিলেন মোস্তফা আলী কুদ্দুস। 

অন্যদিকে: 
- ’মুজিবনগর স্মৃতিসৌধের’ স্থপতি ছিলেন তানভীর করিম।
- ’অপরাজেয় বাংলা’ ভাস্কর সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ নির্মাণ করেন।
- ’জাতীয় স্মৃতিস্তম’-র স্থপতি মঈনুল হোসেন।

উৎস : বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
৩,৫৫৬.
পাহাড়পুরের 'সোমপুর মহাবিহার' বাংলার কোন শাসন আমলের স্থাপত্য কীর্তির নিদর্শন?
  1. মৌর্য
  2. পাল
  3. গুপ্ত
  4. চন্দ্র
ব্যাখ্যা
পাহাড়পুরের 'সোমপুর মহাবিহার' বাংলার পাল শাসন আমলের স্থাপত্য কীর্তির নিদর্শন।

সোমপুর মহাবিহার:

- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- এই মহাবিহার বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি প্রাচীন বাংলার একটি বৌদ্ধ বিহার।

⇒ পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- পাল রাজবংশের রাজা ধর্মপাল (৭৮১-৮২১) অষ্টম শতকের শেষ দিকে এ বিহার নির্মাণ করেন।
- সোমপুর বিহার এশিয়া মহাদেশের মধ্যে বৃহত্তম বিহার।
- মূল ভবনে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের জন্য ১৭৭টি কক্ষ ছিল।
- ৮০০ জন ভিক্ষুর বাসপোযোগী ছিল।
- এ বিহারে ১২৫নং কক্ষে মাটির পাত্রে খলিফা হারুন-অর-রশিদের শাসনামলের রৌপ্য মুদ্রা পাওয়া যায়।

⇒ ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৫৫৭.
বাংলাদেশ বেতারের প্রথম নাম কী ছিল?
  1. ঢাকা শব্দ তরঙ্গ কেন্দ্র
  2. ঢাকা বেতার কেন্দ্র
  3. ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র
  4. পূর্ব পাকিস্তান বেতার কেন্দ্র
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে বেতার:
- বাংলাদেশে প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু হয় ১৯৩৯ সালে ১৬ই ডিসেম্বর।
- বাংলাদেশ বেতারের সদর দপ্তর ঢাকার আগারগাঁও এ অবস্থিত।
- ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডে একটি ভাড়া করা বাড়িতে দুটি স্টুডিও নিয়ে এর যাত্রা শুরু হয়।
- প্রথম নামকরণ করা হয় “ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র”।
- ঢাকা বেতারের সম্প্রচার যন্ত্র অর্থাৎ ট্রান্সমিটারটি বসানো হয়েছিল বর্তমান কল্যাণপুর।
- কালের পরিক্রমায় বেতার ভবন স্থানান্তরিত হয় শাহবাগে ১৯৬০ সালের ৮ই ফেব্রুয়ারি।
- ১৯৮৩ সালের ৩০ জুলাই ঢাকাস্থ শের-ই-বাংলা নগরে বর্তমান অত্যাধুনিক পূর্ণাঙ্গ জাতীয় বেতার ভবনে ঢাকা প্রচার কেন্দ্র স্থানান্তরিত হলে শাহবাগের সাবেক প্রচার ভবনটি বাংলাদেশ বেতারের সদর দপ্তরে রূপান্তরিত হয়।

⇒ বাংলাদেশ বেতারের ১৪টি আঞ্চলিক কেন্দ্র ও ৬টি ইউনিট হতে ১৬টি মধ্যম তরঙ্গ ট্রান্সমিটার, ২টি ক্ষুদ্র তরঙ্গ ট্রান্সমিটার ও ৩৪টি এফএম ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে দৈনিক ৪৯৭ ঘণ্টা অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে।
- এছাড়া বাংলাদেশ বেতারের ওয়েবসাইট ও বাংলাদেশ বেতার অ্যাপস্ এর মাধ্যমে ১৪টি কেন্দ্রের ৩০টি চ্যানেলের অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে।

উৎস: বাংলাদেশ বেতার ওয়েবসাইট।

৩,৫৫৮.
দারিদ্র্য বিমোচন এবং দরিদ্রদের ক্ষমতায়নে অবদানের জন্য ব্রিটিশ ক্রাউন কর্তৃক কোন বাংলাদেশীকে নাইট উপাধি দেওয়া হয়েছিল?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
  3. আনোয়ারা বেগম
  4. ড. ফজলে হাসান আবেদ
ব্যাখ্যা
ফজলে হাসান আবেদ:
- ব্রাকের প্রতিষ্ঠাতা ও ইমেরিটাস চেয়ার স্যার ফজলে হাসান আবেদ।
- স্যার ফজলে হাসান আবেদ ১৯৩৬ সালের ২৭শে এপ্রিল হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- স্যার ফজলে হাসান আবেদ ২০১৯ সালের ২০ ডিসেম্বর মারা যান।

⇒ স্যার ফজলে হাসান আবেদ শরণার্থীদের সহায়তায় দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রত্যন্ত এলাকায় ‘ব্র্যাক’ গড়ে তোলেন।
- দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও ক্ষমতায়নের মাধ্যমে দরিদ্র মানুষের জীবনমানের পরিবর্তন ঘটানো ছিল প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য।

⇒ ২০১০ সালে তিনি ব্রিটেনের সম্মানজনক নাইট উপাধিতে ভূষিত হন।
- ফজলে হাসান আবেদই প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে প্রথম নাইট উপাধিতে ভূষিত হন। রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের কাছ থেকে গ্রহণ করেন নাইট কমান্ডার অব দ্য মোস্ট ডিসটিঙ্গুইসড অর্ডার অব সেন্ট মাইকেল অ্যান্ড সেন্ট জর্জ।
- বাংলাদেশসহ এশিয়া ও আফ্রিকার বেশ কটি দেশে দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, মানবাধিকার ও সামাজিক উন্নয়নে এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করার জন্য চার দশক ধরে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়ায় তাকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

এছাড়াও,
- সমাজসেবায় গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ স্যার ফজলে হাসান আবেদ বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কারে (মরণোত্তর) ভূষিত হয়েছেন।

উৎস: BRAC ওয়েবসাইট।
৩,৫৫৯.
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক উপাধি কী?
  1. ক) বীরপ্রতীক
  2. খ) বীরবিক্রম
  3. গ) বীরউত্তম
  4. ঘ) বীরশ্রেষ্ঠ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য ৭ জনকে সর্বোচ্চ সামরিক পদবী ''বীরশ্রেষ্ঠ' প্রদান করা হয়।

৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ হলেন -
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেঃ মতিউর রহমান
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমান
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ

উৎসঃ বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩,৫৬০.
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে বাংলাদেশ স্বাধীনতা সম্মাননা প্রদান করা হয় কাকে?
  1. ক) প্রনব মুখার্জি
  2. খ) ইন্দিরা গান্ধী
  3. গ) ডব্লিউ এস ওডারল্যান্ড
  4. ঘ) নিকোলাই পোদগর্নি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশ সরকার তিন ক্যাটাগরিতে সম্মাননা প্রদান করে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ সম্মাননা হিসেবে বাংলাদেশ স্বাধীনতা সম্মাননা প্রদান করা হয় ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীকে।
এছাড়া ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রনব মুখার্জি সহ মোট ১৫ জনকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা প্রদান করা হয়। মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা প্রদান করা হয় ৩১২ জন ব্যক্তি ও ১০টি সংগঠনকে।
(সূত্র: ‍মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট)
৩,৫৬১.
নিচের কোন সাহিত্যিক সার্ক সাহিত্য পুরস্কার অর্জন করেননি?
  1. ক) আনিসুজ্জামান
  2. খ) ফখরুল আলম
  3. গ) হুমায়ূন আহমেদ
  4. ঘ) সেলিনা হোসেন
ব্যাখ্যা
- উল্লেখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর -  হুমায়ূন আহমেদ।

• সার্ক সাহিত্য পুরস্কার:

- সার্ক সাহিত্য পুরস্কার সার্ক লেখক ও সাহিত্য প্রতিষ্ঠান (ফসওয়াল) কর্তৃক প্রবর্তিত বার্ষিক পুরস্কারবিশেষ।
- ২০০১ সাল থেকে অনিয়মিতভাবে এ পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
- বাংলা একাডেমির সভাপতি ও জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান সার্ক সাহিত্য পুরস্কার-২০১৯ অর্জন করেন।
- ২০১৫ সালে সেলিনা হোসেন।
- ২০১২ সালে ফখরুল আলম।
- ২০০১ সালে শামসুর রাহমান এই পুরস্কার অর্জন করেন।

উৎস:
প্রথম আলো।
৩,৫৬২.
‘অপারেশন থান্ডার ২০২৩’ কী ধরনের অভিযান?
  1. সমুদ্রসীমা রক্ষা অভিযান
  2. মাদক পাচার প্রতিরোধ
  3. বন্য প্রাণী রক্ষা ও পাচার প্রতিরোধ
  4. মানব পাচার প্রতিরোধ
ব্যাখ্যা
- এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে বন্য প্রাণী রক্ষা ও পাচার প্রতিরোধ সংক্রান্ত ঘটনা শনাক্তে (কেস রিপোর্ট) বাংলাদেশ পুলিশ সর্বোচ্চসংখ্যক সাফল্য অর্জন করেছে।
- বন্য প্রাণীর বিলুপ্তি ও পাচার প্রতিরোধে সম্প্রতি বিভিন্ন সংস্থা বৈশ্বিকভাবে কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।
- ইন্টারপোল আন্তর্জাতিকভাবে বন্য প্রাণী সংরক্ষণের জন্য বিশ্বব্যাপী ‘অপারেশন থান্ডার ২০২৩’ শিরোনামে ইন্টেলিজেন্স-লেড অপারেশন পরিচালনা করে। 
- পুলিশ সদর দপ্তর জানায়, বন্য প্রাণী সংরক্ষণের জন্য বিশ্বব্যাপী পরিচালিত ‘অপারেশন থান্ডার ২০২৩’ কার্যক্রম সংক্রান্তে চলতি জানুয়ারি মাসে সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে বন্য প্রাণী রক্ষা ও পাচার প্রতিরোধ সংক্রান্ত ঘটনা শনাক্তে (কেস রিপোর্ট) বাংলাদেশ পুলিশ সর্বোচ্চসংখ্যক সাফল্য অর্জন করেছে।
 - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৮ (ক) অনুযায়ী পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়নের বিধান রয়েছে।
- এরই ধারাবাহিকতায় অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশ পুলিশও উক্ত কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে ও বন্য প্রাণী সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- বিলুপ্ত বন্য প্রাণী রক্ষায় এবং অবৈধভাবে পাচারের সময় ২০২৩ সালে ঢাকা, গাজীপুর, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, কুমিল্লা, সিরাজগঞ্জ, ফেনীসহ দেশব্যাপী উলে­খযোগ্য ২৪টি অভিযান পরিচালনা করে।
- এতে বিপন্ন প্রজাতির ভালুক শাবক, হগ ব্যাজার (গোরখোদক), হনুমান, উল্লুক, সুন্ধি কাছিম, রাজধনেশ, কোকিল, টিয়া, ময়না, কাঠবিড়ালি, বানরসহ অন্যান্য প্রাণী উদ্ধার করা হয়। পরে বন বিভাগের সহায়তায় অবমুক্ত করা হয়। এসব ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০১২ অনুযায়ী বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

উৎস- ইন্টারপোলের ওয়েবসাইট।
৩,৫৬৩.
বাংলাদেশ কত সালে ইন্টারপোলের সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৯৭৪ সাল
  2. ১৯৭২ সাল
  3. ১৯৭৩ সাল
  4. ১৯৭৬ সাল
ব্যাখ্যা

• ইন্টারপোল (Interpol):
- Interpol-এর পূর্ণরূপ: The International Criminal Police Organization.
- অপরাধীদের সনাক্তকরণ এবং গ্রেপ্তার করতে বিশ্বের দেশগুলো পরস্পরকে সহযোগিতা লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এ আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩ (ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া)। 
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি।
- ইন্টারপোলের অফিসিয়াল ভাষা  চারটি। যথা- ইংরেজী, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবী।
- বাংলাদেশ ইন্টারপোলের সদস্যপদ লাভ  করে -১৪ অক্টোবর ১৯৭৬।

উৎস: Interpol ওয়েবসাইট।

৩,৫৬৪.
বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচে জয় লাভ করে কবে? 
  1. ২০০১ সালে 
  2. ২০০২ সালে 
  3. ২০০৪ সালে 
  4. ২০০৫ সালে 
ব্যাখ্যা

• প্রথম টেস্ট:` 
- বাংলাদেশ ২৬ জুন, ২০০০ সালে আইসিসির দশম পূর্ণাঙ্গ সদস্য হিসেবে টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে।
- প্রথম অধিনায়ক - নাঈমুর রহমান।
- প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৪০০ রান করে বাংলাদেশ।
- টেস্ট অভিষেকের পর প্রথম জয় পেতে ৩৫ ম্যাচ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় বাংলাদেশকে।
-  ২০০৫ সালের জানুয়ারিতে ৩৫তম টেস্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম জয় পায় বাংলাদেশ।

• টেস্টে প্রথম:
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- প্রথম টেস্ট উইকেট শিকার করেছেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম হাফ সেঞ্চুরি করেন হাবিবুল বাশার।
- প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি: মুশফিকুর রহিম।
- প্রথম ৫ উইকেট শিকার করেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম ১০০ উইকেট মোহাম্মদ রফিকের।
- প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।
- একমাত্র ১০ উইকেট’ শিকার করেন এনামুল হক জুনিয়র।

তথ্যসূত্র: ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো।

৩,৫৬৫.
বাংলাদেশের নদীগুলোর মধ্যে সবেচেয়ে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করেছে কোনটি?
  1. ব্রহ্মপুত্র
  2. পদ্মা
  3. মেঘনা
  4. যমুনা
ব্যাখ্যা
• ব্রহ্মপুত্র নদ: 
- ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয় পর্বতের তিব্বত অংশের মানস সরোবর থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। 
- পৃথিবীর দীর্ঘতম নদনদীগুলির একটি। এর অববাহিকা অঞ্চল চীন (তিববত), ভারত ও বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- এরপর তিব্বত হয়ে ভারতের আসাম রাজ্যের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। 
- এরপর ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। 
- মেঘনা নদীতে মিলিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এটি পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নামে পরিচিত। 
- বাংলাদেশ অংশে ব্রহ্মপুত্র নদ প্রায় ২৭৭ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়েছে। 
- দক্ষিণপশ্চিম তিব্বতের উৎপত্তি স্থল থেকে ব্রহ্মপুত্রের সর্বমোট দৈর্ঘ্য ২৮৫০ কিমি।
- আসামের হিমালয় অঞ্চলে ব্রহ্মপুত্র দিহাঙ নামে পরিচিত।
- এই বিশাল নদটির প্রভাবিত এলাকার আয়তন ৫,৮৩,০০০ বর্গ কিমি, যার ৪৭,০০০ বর্গকিলোমিটারের অবস্থান বাংলাদেশ এলাকায়। - বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নদীটি বিনুনি ধরনের। 

- প্রধান শাখানদী: বংশী ও শীতলক্ষ্যা। 
- প্রধান উপনদী: ধরলা ও তিস্তা। 
- এখানে উল্লেখ্য যে, ১৭৮৭ সালে সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উপরে উত্থিত হওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতা কমে গিয়ে একটি নতুন স্রোতধারা সৃষ্টি হয়।
- যা যমুনা নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৫৬৬.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত সাধারণত কোথায় হয়ে থাকে?
  1. বায়তুল মোকাররম, ঢাকা
  2. জাতীয় ঈদগাহ, ঢাকা
  3. শোলাকিয়া, কিশোরগঞ্জ
  4. শাহ মাখদুম মসজিদ, রাজশাহী
ব্যাখ্যা
দেশের সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত:
পূর্বে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহ-তে অনুষ্ঠিত হলেও বর্তমানে দিনাজপুরের গোর-এ-শহীদ ঈদগাহ মাঠে দেশের সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
অপশনে যেহেতু গোর-এ-শহীদ, দিনাজপুর নেই, তাই সঠিক উত্তর হিসেবে শোলাকিয়া, কিশোরগঞ্জ রাখা হয়েছে। 
---------------------

গোর-এ-শহীদ ঈদগাহ:
- দিনাজপুরে গোর-এ-শহীদ ঈদগাহ মাঠের আয়তন ২২ একর।
- ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর থেকে ছোট পরিসরে এখানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।
- ২০১৫ সালে জেলা পরিষদের অর্থায়নে এই ঈদগাহ মিনারটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
- ২০১৭ সালে মিনার নির্মাণের কাজ শেষ হয়। ওই বছর প্রথম বড় পরিসরে ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

শোলাকিয়া ঈদগাহ:
- এশিয়া মহাদেশের সর্ববৃহৎ ঈদগাহ হিসেবে শোলাকিয়া ঈদগাহ সর্বজন বিদিত।
- এ ঈদগাহে ঈদের জামায়েতে প্রায় দু’লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মুসুল্লীগণ পবিত্র ঈদের নামাজ আদায় করে থাকেন।
- কথিত আছে যে, বহু বছর আগে এই ঈদগাহের একটি জামাতে সোয়ালাখ মুসুল্লীর সমাগম ঘটেছিল। এ সোয়ালাখ শব্দটিই পরবর্তীতে ‘শোলাকিয়া ঈদগাহ’ নামে পরিচিত হয়ে উঠে।
- কিশোরগঞ্জ শহরের পূর্বপ্রান্তে প্রায় ৬.৬১ একর জমিতে এটি অবস্থিত। 

উৎস: কিশোরগঞ্জ জেলার ওয়েবসাইট, প্রথম আলো, ও বাসস (৩১ মার্চ ২০২৫)।
৩,৫৬৭.
কত সালে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত রচনা করা হয়?
  1. ক) ১৯০৫ সালে
  2. খ) ১৯০৬ সালে
  3. গ) ১৯১০ সালে
  4. ঘ) ১৯১১ সালে
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংগীত
- ১৯০৫ সালে ব্রিটিশ সরকার বাংলাকে বিভক্ত করে পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে একটি নতুন প্রদেশ সৃষ্টি করে।
- যার পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলন শুরু হয় এবং ১৯০৬ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘ আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি’- সঙ্গীতটি রচনা করেন। 
- বিশ শতকের প্রথম দুই দশকে স্বদেশী আন্দোলনের সময় এটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল।
- এ গানটি ১৯৭১ সালের ৩রা জানুয়ারি ঢাকায় এক বিশাল জনসভায় এবং পরে ৩রা মার্চ ছাত্রলীগ ও শ্রমিক লীগ আয়োজিত জনসভায় পুনরায় গাওয়া হয়।

- মুজিবনগরে বাংলাদেশের প্রথম সরকার এই গানকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে গানটি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে নিয়মিত প্রচার হতো। 
- স্বাধীনতার পরে সাংবিধানিকভাবে ( অনুচ্ছেদ ৪.১) ‘আমার সোনার বাংলা’ গণপ্রজাতন্রী বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতরূপে ঘোষিত হয়। 
- এই গানের প্রথম ১০ লাইন কণ্ঠসঙ্গীত এবং প্রথম ৪ লাইন যন্ত্রসঙ্গীত হিসেবে পরিবেশনের বিধান রাখা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডীয়া।
৩,৫৬৮.
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়-
  1. ক) ১৯৬০ সালে
  2. খ) ১৯৬২ সালে
  3. গ) ১৯৬৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামে অবস্থিত বাংলাদেশের সরকারি বহু-অনুষদভিত্তিক গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়।
এটি ১৮ নভেম্বর, ১৯৬৬ সালে চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলায় স্থাপিত হয়।
এর বর্তমান উপাচার্য ‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২০’ পদক প্রাপ্ত ড. শিরীণ আখতার।
উৎসঃ প্রথম আলো এবং চবি ওয়েবসাইট।

৩,৫৬৯.
কোন পণ্যটি প্রথম বাংলাদেশি জিআইপণ্য হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করে?
  1. রূপালী ইলিশ
  2. কাঁচাগোল্লা
  3. জামদানি শাড়ি
  4. মসলিন কাপড়
ব্যাখ্যা

জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- জাতিসংঘের সংস্থা WIPO (World Intellectual Property Organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- ভৌগোলিক নির্দেশক (Geographical indication) হচ্ছে একটি প্রতীক বা চিহ্ন, যা পণ্য ও সেবার উৎস, গুণাগুণ ও সুনাম ধারণ এবং প্রচার করে।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

• বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্য জামদানি শাড়ি।
- ২০১৬ সালে জামদানি শাড়ি ভৌগলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

উৎস: i) পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৩,৫৭০.
জাপান কত তারিখে বাংলাদেশ কে স্বীকৃতি প্রদান করেছিলো?
  1. ক) ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
  2. খ) ১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
  3. গ) ১২ মার্চ ১৯৭২
  4. ঘ) ২২ এপ্রিল ১৯৭২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশকে বিভিন্ন দেশের স্বীকৃতি:
- ভুটান (প্রথম দেশ) : ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
- ভারত : ৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
- পূর্ব জার্মানি : ১১ জানুয়ারি ১৯৭২
- সোভিয়েত ইউনিয়ন : ২৪ জানুয়ারি ১৯৭২
- সেনেগাল : ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
- যুক্তরাজ্য : ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
- জাপান : ১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
- যুক্তরাষ্ট্র : ৪ এপ্রিল ১৯৭২
- চীন : ৩১ আগস্ট ১৯৭৫।
(সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, জাপান অ্যাম্বাসি-ঢাকা এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়)
৩,৫৭১.
মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা কত?
  1. ৬০০ মেগাওয়াট
  2. ৮০০ মেগাওয়াট
  3. ৮৫০ মেগাওয়াট
  4. ১২০০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র:
→ সরকারের মেগা প্রকল্পগুলোর অন্যতম এই বিদ্যুৎকেন্দ্র।
→ এটি জাপানের আর্থিক সহায়তার প্রায় ৫১,৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলোর মধ্যে অন্যতম।
→ কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলায় নির্মিত কয়লাভিত্তিক মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্র।
→ মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট পরিক্ষামূলকভাবে চালু করা হয় - ২৯ জুলাই, ২০২৩।
→ এই ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা ৬০০ মেগাওয়াট।
→ ইউনিটটির উৎপাদন ক্ষমতা ৬০০ মেগাওয়াট হলেও প্রাথমিকভাবে ১২৫ থেকে ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পরীক্ষামূলকভাবে উৎপাদন শুরু হয়।
→ আগামী ডিসেম্বর নাগাদ কেন্দ্রের এই ইউনিটে পুরো সক্ষমতা অনুযায়ী ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে।
→ কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিপিজিসিএল) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।
=======================

→ দ্বিতীয় ইউনিটের পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে আগামী ডিসেম্বর মাসে।
→ সেটিতেও শুরুতে ১২৫ থেকে ১৫০ মেগাওয়াট উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা হবে।
→ প্ল্যান্টের সম্মিলিত উৎপাদন ক্ষমতা ১,২০০ মেগাওয়াট।

তথ্যসূত্র: ঢাকা ট্রিবিউন (২৯ জুলাই ২০২৩)।
৩,৫৭২.
বাংলাদেশের নৌবাহিনীর প্রতীক কী?
  1. বলাকা
  2. শাপলা
  3. কাছিবেষ্টিত নোঙর
  4. রণতরী
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের নৌবাহিনীর প্রতীক কাছিবেষ্টিত নোঙর।
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
- স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় কিছু সংখ্যক নাবিক ও তরুণ মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে গড়ে তোলা হয় নৌ কমান্ডো দল।
- মাত্র ২টি গান বোট "পদ্মা" ও "পলাশ” এর প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ এবং তাদের দ্বারা পরিচালিত অপারেশানসমূহ
- বাংলাদেশের সবাধীনতা অর্জনকে ত্বরান্বিত করে।

উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৫৭৩.
'উয়ারী-বটেশ্বর' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. দিনাজপুর
  2. নরসিংদী
  3. কুমিল্লা
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
উয়ারী বটেশ্বর:
- উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল।
- নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত।
-প্লাইসটোসিন যুগে গঠিত মধুপুর গড়ের পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত এ গ্রাম দু’টিতেই নিবিড় অনুসন্ধান ও সীমিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আবিষ্কৃত হয়েছে আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন দুর্গ নগর।
- প্রত্নতাত্ত্বিক খননে উয়ারী প্রত্নস্থলে আবিষ্কৃত হয়েছে ৬০০ মি. x ৬০০ মি. আয়তনের চারটি মাটির দুর্গ-প্রাচীর।
- দুর্গ প্রাচীরের ৫-৭ ফুট উঁচু ধ্বংসপ্রাপ্ত কিছু অংশ এখনো টিকে আছে।
- পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত উয়ারী নগরের বাইরে আরো ৫০টি প্রত্নস্থান এ যাবত আবিষ্কৃত হয়েছে।
- উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একটি দুর্গনগর, নগর বা একটি নগর কেন্দ্র।
- আবিষ্কৃত প্রত্নবস্তু বিশ্লেষণ করলেও দেখা যায় যে, উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একাধারে একটি নগর ও সমৃদ্ধ বাণিজ্য কেন্দ্র।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৫৭৪.
বর্তমানে বাংলাদেশে মাতৃত্বকালীন ছুটি কত মাস?
  1. ক) ৩ মাস
  2. খ) ৪ মাস
  3. গ) ৫ মাস
  4. ঘ) ৬ মাস
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে বাংলাদেশে মাতৃত্বকালীন ছুটি ছয় মাস বা ১৮০ দিন । 
- ২০১১ সালের ৯ জানুয়ারি ১৯৭ ধারার উপধারা-১ সংশোধন করে মাতৃত্বকালীন ছুটির মেয়াদ বেতনসহ চার মাস থেকে ছয় মাসে উন্নীত করা হয়েছিল। 
- নতুন সংশোধনীতে সন্তানসহ সরকারি চাকরিতে প্রথম যোগ দেওয়া নারীদের জন্যও সেই সুযোগ রাখা হয়েছে।
 
উৎস : প্রথম আলো 
৩,৫৭৫.
নিম্নের কোন ব্যক্তি 'সি টু সামিট'-এর কৃতিত্ব অর্জন করেন?
  1. ওয়াসফিয়া নাজরিন
  2. ইকরামুল হাসান শাকিল
  3. বাবর আলী
  4. মুসা ইব্রাহিম
ব্যাখ্যা

ইকরামুল হাসান শাকিল সি টু সামিট'-এর কৃতিত্ব অর্জন করেন।

ইকরামুল হাসান শাকিল:
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট হয় করেছেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ২০২৫ সালের ১৯ মে তিনি এভারেস্ট চূড়া জয় করেন।
- সবচেয়ে কম সময়ে এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নতুন রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।
- কক্সবাজার থেকে হেঁটে গিয়ে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ান ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ইকরামুল হাসান তাঁর এই অভিযানের নাম দিয়েছেন ‘সি টু সামিট’, অর্থাৎ সমুদ্র থেকে শৃঙ্গ।
- শাকিলের 'সি টু সামিট' অভিযাত্রা শুরু হয় ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে কক্সবাজার থেকে।
- এরপর ৯০ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্য দিয়ে প্রায় এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন এবং ২৯ হাজার ৩১ ফুট উচ্চতার এভারেস্ট জয় করেন।

⇒ এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, মো. খালেদ হোসাইন, বাবর আলী, ইকরামুল হাসান শাকিল।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) প্রথম আলো।

৩,৫৭৬.
বাংলাদেশের কোন জেলায় প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন গ্রাম নির্মাণ করা হবে? [মার্চ - ২০২৫]
  1. ঢাকা
  2. রাজশাহী
  3. কুমিল্লা
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন গ্রাম: 
- বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন গ্রাম (এআই পাওয়ার্ড ভিলেজ) নির্মাণ করা হচ্ছে কুমিল্লা জেলার চান্দিনা উপজেলার কৈলাইন গ্রামে।
- প্রকল্পটি ক্ষমতায়ন, উদ্ভাবন ও প্রবৃদ্ধি—এই তিনটি মূলনীতিকে সামনে রেখে বাস্তবায়ন করা হবে।
- জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)-এর আর্থিক সহায়তায় এবং যুক্তরাজ্যের ডি-রেডি ও বাংলাদেশের এআইআইটি সংস্থার প্রযুক্তিগত সহায়তায় এটি গড়ে তোলা হচ্ছে।
- এই গ্রামে দরিদ্র জনগোষ্ঠী এবং শিক্ষার্থীদের নিয়ে দুটি দল গঠন করা হবে।
- ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির ২০ জন মেধাবী শিক্ষার্থী ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ২০ জন সদস্য এতে অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।
- প্রকল্পটির মূল উদ্যোক্তা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিশেষজ্ঞ ড. আলমগীর হোসেন, তিনি এই গ্রামেরই বাসিন্দা।

সূত্র: সূত্র: প্রথম আলো ও কালের কণ্ঠ। 

৩,৫৭৭.
কোন পুরস্কারটি স্বাধীন বাংলাদেশে প্রচলিত নয়?
  1. আদমজী পুরস্কার
  2. প্রাইড অব পারফরম্যান্স
  3. ন্যাশনাল ব্যাংক পুরস্কার
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা-পূর্ব প্রচলিত পুরস্কার
- ১৯৬০ সাল থেকে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেয়া হচ্ছে।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সমসাময়িক লেখকদের মৌলিক কাজের স্বীকৃতি দান ও শিক্ষা-সংস্কৃতিতে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে প্রতি বছর বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার প্রদান করা হয়।

এছাড়াও,
- প্রাইড অব পারফরম্যান্স, ন্যাশনাল ব্যাংক পুরস্কার, আদমজী পুরস্কার, দাউদ পুরস্কার ইত্যাদি স্বাধীনতার আগে এদেশে প্রচলিত গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার।
- ষাটের দশকে আইয়ুব সরকার প্রচলন করে 'প্রাইড অব পারফরম্যান্স' পুরস্কার।
- ন্যাশনাল ব্যাংক পুরস্কার, আদমজী পুরস্কার, দাউদ পুরস্কার ইত্যাদি স্বাধীনতা-পূর্ব প্রচলিত সাহিত্য পুরস্কার।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৩,৫৭৮.
বাফুফের বর্তমান সভাপতি কে? [ফেবুয়ারি, ২০২৬]
  1. কাজী সালাউদ্দিন
  2. তাবিথ আউয়াল
  3. নাজমুল হাসান পাপন
  4. খালেদ মাহমুদ সুজন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (Bangladesh Football Federation):
- বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন সংক্ষেপে বিএফএফ এবং বাফুফে নামে পরিচিত।
- এটি হচ্ছে বাংলাদেশের ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
- সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭২ সালে।
- বাফুফে ফিফার সদস্যপদ লাভ করে: ১৯৭৬ সালে।
- এএফসির সদস্যপদ লাভ করে: ১৯৭৩ সালে।
- এর বর্তমান সভাপতি তাবিথ আউয়াল। 

উৎস: বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ও সাফ ফেডারেশন ওয়েবসাইট।

৩,৫৭৯.
বাংলাদেশের কোন ক্রিকেটার নিজের শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করেন? 
  1. সাকিব আল হাসান
  2. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  3. মুশফিকুর রহিম
  4. তামিম ইকবাল খান
ব্যাখ্যা

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল
- প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি: মুশফিকুর রহিম।
- প্রথম ১০০০ রান সংগ্রাহক: হাবিবুল বাশার।
- শততম টেস্ট ম্যাচ: ২০১৭ সালে, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে, কলম্বোতে অনুষ্ঠিত।
- শততম টেস্টে সেঞ্চুরি: সাকিব আল হাসান।
- বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে নিজের শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করেন- মুশফিকুর রহিম।

এছাড়াও,
- মোহাম্মদ আশরাফুল টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে সেঞ্চুরি করার রেকর্ড গড়েন।
- তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেন ২০০১ সালে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার টেস্ট ম্যাচের তৃতীয় দিনে। 
- প্রথম টেস্ট ম্যাচ: ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর, ভারতের বিপক্ষে।
- অধিনায়ক (প্রথম টেস্টে): নাইমুর রহমান দুর্জয়।
- প্রথম টেস্ট জয়: ২০০৫ সালে, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে।
- প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান: আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

উৎস: ESPNcricinfo.com.

৩,৫৮০.
সংস্কৃতিতে ২০২১ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন কে?
  1. দিলারা জামান
  2. গাজী মাজহারুল আনোয়ার
  3. আতাউর রহমান
  4. খ + গ
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পদক ২০২১ প্রাপ্তরা হলেন:
স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে:
- প্রয়াত আহসানউল্লাহ মাস্টার
- প্রয়াত আখতারুজ্জামান বাবু
- প্রয়াত এ কে এম বজলুর রহমান
- প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খুরশিদ উদ্দিন আহমেদ
সাহিত্যে:
- কবি মহাদেব সাহা
সংস্কৃতিতে:
- গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার
- নাট্যজন আতাউর রহমান
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে:
- ড. মৃন্ময় গুহ নিয়োগী
সমাজসেবা বা জনসেবায়:
- অধ্যাপক ডা. এম আমজাদ হোসেন
গবেষণা ও প্রশিক্ষণে:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল।
(তথ্যসূত্র: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট)
৩,৫৮১.
বাংলাদেশ ন্যামের কততম শীর্ষ সম্মেলনে প্রথম অংশগ্রহণ করে? 
  1. তৃতীয় সম্মেলন
  2. দ্বিতীয় সম্মেলন
  3. চতুর্থ সম্মেলন
  4. প্রথম সম্মেলন 
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালের ৫-৯ সেপ্টেম্বর আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) চতুর্থ সম্মেলনে অংশগ্রহণ ও সদস্যপদ লাভ করে।

ন্যাম(NAM): 
- এর পূর্ণরূপ:Non-Aligned Movement.
- জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন।
- প্রথম শীর্ষ সম্মেলন: ১-৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৬১ সালে।
- স্থান: বেলগ্রেড, যুগোস্লাভিয়া।
- অংশগ্রহণকারী দেশ সংখ্যা: ২৫টি।

উল্লেখ্য,
- NAM- এর উৎপত্তি ঘটে এশীয়-আফ্রিকান সম্মেলন থেকে।
- এই সম্মেলনটি বান্দুং, ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি “Bandung Conference” নামে পরিচিত।
- ২৯টি দেশের প্রতিনিধিদল এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে।
- অধিকাংশ ছিল এশীয়, কারণ অনেক আফ্রিকান দেশ তখনও উপনিবেশ ছিল।
- বর্তমান সদস্য: ১২১ টি সদস্য দেশ। [জানুয়ারি,২০২৬]
- পর্যবেক্ষক দেশ: ১৮ টি।
- পর্যবেক্ষক সংগঠন: ১০ টি।

উৎস: NAM ওয়েবসাইট।

৩,৫৮২.
'দ্য ওয়ার্ল্ডস গ্রেটেস্ট প্লেসেস অব ২০২৫' তালিকায় স্থান পায়-
  1. ছোট কাটরা
  2. ষাট গম্বুজ মসজিদ
  3. জেবুন নেসা মসজিদ
  4. লালবাগ কেল্লা
ব্যাখ্যা
• জেবুন নেসা মসজিদ :
- সাভারের আশুলিয়ার জামগড়ার দরগার পাড় এলাকায় অবস্থিত জেবুন নেসা মসজিদ।
- স্থপতি- সায়কা ইকবাল।
- টাইম ম্যাগাজিনের ‘দ্য ওয়ার্ল্ডস গ্রেটেস্ট প্লেসেস অব ২০২৫’–এর ১০০ স্থাপনার তালিকায় স্থান পায় মসজিদটি।
- স্থাপত্যের উদ্ভাবন ও আধ্যাত্মিক প্রশান্তির মেলবন্ধনের কথা মাথায় রেখে মসজিদটির নকশা করেছেন সায়কা।

উৎস : প্রথম আলো।
৩,৫৮৩.
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নির্মিত 'টুঙ্গিপাড়ার মিয়া ভাই' চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. ক) সোহেল রানা
  2. খ) সেলিম খান
  3. গ) নজরুল ইসলাম
  4. ঘ) মুশফিকুর রহমান গুলজার
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে নির্মিত কিছু চলচ্চিত্র:

চলচ্চিত্র - পরিচালক - বঙ্গবন্ধু চরিত্রে অভিনয় 
১. মুজিব: একটি জাতির রূপকার - শ্যাম বেনেগাল - আরিফিন শুভ
২. চিরঞ্জীব মুজিব - নজরুল ইসলাম - আহমেদ রুবেল
৩. মুজিব আমার পিতা - সোহেল রানা - -
৪. টুঙ্গিপাড়ার মিয়া ভাই - সেলিম খান - শান্ত খান
৫. হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি - এখলাস আবেদিন - ফেরদৌস
৬. ৫৭০ - আশরাফ শিশির - -
৭. টঙ্গিপাড়ার দুঃসাহসী খোকা - মুশফিকুর রহমান গুলজার - সৌম্য জ্যোতি 

সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, এপ্রিল - ২০২২
৩,৫৮৪.
২০২৫ সালে নজরুল পুরস্কার কারা পেয়েছেন?
  1. শবনম মুশতারী ও আফজালুল বাশার
  2. আনোয়ারুল হক ও মোহাম্মদ আজম
  3. আনোয়ারুল হক ও শবনম মুশতারী
  4. আবুল কাসেম ফজলুল হক ও জগলুল আসাদ
ব্যাখ্যা

নজরুল পুরস্কার-২০২৫:
 - ২০২৫সালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৬তম জন্মবার্ষিকী ছিল।
- এ বছর পুরস্কার পেয়েছেন নজরুল গবেষক অধ্যাপক আনোয়ারুল হক এবং নজরুল সংগীতশিল্পী শবনম মুশতারী।
- বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক। 
- মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম।
- ২০২২ সালে বাংলা একাডেমি নজরুল পুরস্কার চালু করে।
- পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয় ২ লাখ টাকার চেক, সম্মাননাপত্র, সম্মাননা-স্মারক এবং পুষ্পস্তবক।

উৎস: বাংলা একাডেমী ওয়েবসাইট।

৩,৫৮৫.
কক্সবাজার জেলার প্রাচীন নাম কী ছিল?
  1. বাকলা
  2. সুধারাম
  3. সলসবেরি
  4. পালংকী
ব্যাখ্যা
কক্সবাজার জেলা:
- কক্সবাজারের প্রাচীন নাম পালংকী।
- একসময় এটি প্যানোয়া নামে পরিচিত ছিল।
- এটি চট্টগ্রাম থেকে ১৫৯ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। 
- ইংরেজ অফিসার ক্যাপ্টেন হিরাম কক্স ১৭৯৯ খ্রিঃ এখানে একটি বাজার স্থাপন করেন।
- কক্স সাহেবের বাজার হতে  কক্সবাজার নামের উৎপত্তি।
- জেলার প্রায় অর্ধেক এলাকা জুড়ে পার্বত্য অঞ্চল এবং অর্ধেক সমুদ্র উপকূলীয় দ্বীপাঞ্চল।
- প্রধান দ্বীপসমূহ: মহেশখালী, কুতুবদিয়া, মাতার বাড়ি, সোনাদিয়া, শাহ পরীর দ্বীপ এবং সেন্ট মার্টিনস বা জিনজিরা দ্বীপ। 
- প্রধান নদী: মাতামুহুরী, বাকখালী, নাফ এবং মহেশখালী চ্যানেল, কুতুবদিয়া চ্যানেল উল্লেখযোগ্য।

উল্লেখ্য,
- কক্সবাজারে পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত অবস্থিত। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৫৮৬.
দেশের প্রথম তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. রিউমার স্ক্যানার বাংলাদেশ
  2. ফ্যাক্টওয়াচ
  3. হিউম্যান ওয়াচ
  4. ফ্যাক্ট চেকিং বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
ফ্যাক্টওয়াচ: 
- দেশের প্রথম তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে ফ্যাক্টওয়াচ। (TBS, ৯ মার্চ ২০২১)
- পয়েন্টার ইনস্টিটিউট অফ জার্নালিজমের অঙ্গ সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল ফ্যাক্ট-চেকিং নেটওয়ার্ক (আইএফসিএন) এই স্বীকৃতি দিয়েছে তাদের।
- ফ্যাক্টওয়াচ প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৭ সালে, ঢাকাস্থ আমেরিকান সেন্টারের প্রাথমিক অর্থায়নে।
- বর্তমানে এটি ইউল্যাবের গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর ক্রিটিকাল এন্ড কোয়ালিটেটিভ স্টাডিজ থেকে পরিচালিত হচ্ছে।
- এর নেতৃত্বে আছেন ইউল্যাবের গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক কবি ও লেখক সুমন রহমান।

রিউমার স্ক্যানার বাংলাদেশ: 
- ফ্যাক্ট চেকিং বা তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে রিউমার স্ক্যানার বাংলাদেশ।
- দেশের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে তারা এ স্বীকৃতি পেয়েছে।
- পয়েন্টার ইনস্টিটিউট অব জার্নালিজমের অঙ্গসংগঠন ইন্টারন্যাশনাল ফ্যাক্ট চেকিং নেটওয়ার্ক (আইএফসিএন) ২০২১ সালের ২৮ জুলাই তাদের এ স্বীকৃতি প্রদান করেছে।

আইএফসিএন এর স্বীকৃতি: 
- বিশ্বব্যাপী স্বাধীন ও মানসম্মত তথ্য যাচাই কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে পয়েন্টার ইনস্টিটিউটের অঙ্গসংগঠন আইএফসিএন পাঁচটি মূলনীতির ভিত্তিতে কোনো তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠানকে স্বীকৃতি দিয়ে থাকে।
- এগুলো হচ্ছে নিরপেক্ষতা ও ন্যায্যতা, তথ্যের উৎসের গুণগতমান ও স্বচ্ছতা, অর্থায়ন ও সংস্থার স্বচ্ছতা, যাচাইপদ্ধতির মান ও স্বচ্ছতা এবং উন্মুক্ত ও সৎ সংশোধন নীতি।
- এই ৫টি মূলনীতি ও ৩১টি মানদণ্ড মেনে চললে আইএফসিএন স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: প্রথম আলো (২ আগস্ট ২০২১)
The Business Standard ( ৯ মার্চ ২০২১) ।
৩,৫৮৭.
দেশে প্রথমবারের মতো ‘.বাংলা’ ডোমেইনে ই-মেইল ব্যবহার চালু হয়েছে কবে?
  1. ১৫ এপ্রিল, ২০২৫
  2. ১৮ এপ্রিল, ২০২৫
  3. ২০ এপ্রিল, ২০২৫
  4. ২২ এপ্রিল, ২০২৫
ব্যাখ্যা
‘.বাংলা’ ডোমেইনে ই-মেইল ব্যবহার:
- দেশে প্রথমবারের মতো ১৫ এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে ‘.বাংলা’ ডোমেইনে ই-মেইল ব্যবহার চালু করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।
- ইউনিভার্সেল অ্যাকসেপ্টেন্স (ইউএ) ডে-২০২৫ উপলক্ষ্যে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে ‘বিটিআরসি.বাংলা’ ডোমেইনে কমিশনের ওয়েবসাইট ও ই-মেইল অ্যাপ্লিকেশন আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী।
- এখন থেকে ই-মেইল ঠিকানায় ইংরেজির পাশাপাশি বাংলা ভাষাও ব্যবহার করার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
- যা ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি ও মাতৃভাষার ডিজিটাল ব্যবহারকে আরও সম্প্রসারিত করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
- বিটিআরসির উপপরিচালক ড. শামসুজ্জোহা জানান, ২০২৬ সাল থেকে নতুন করে টপ লেভেল ডোমেইন বরাদ্দ শুরু হবে।
- এতে বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা বড় ধরনের সুযোগ পাবেন।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
৩,৫৮৮.
দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের কোন দেশটি সর্বপ্রথম বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. চিলি
  2. ব্রাজিল
  3. আর্জেন্টিনা
  4. ভেনিজুয়েলা
ব্যাখ্যা
স্বীকৃতি দানকারী আরব দেশ:
- প্রথম আরব দেশ: ইরাক (৮ জুলাই, ১৯৭২)।
- ইরান: ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে।

উল্লেখ্য:
- প্রথম মুসলিম দেশ ও প্রথম আফ্রিকার - সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশ: মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া।

- এশিয়ার বাইরে প্রথম দেশ বা প্রথম ইউরোপীয় দেশ: পূর্ব-জার্মানি (১১ জানুয়ারি, ১৯৭২)।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে প্রথম: ভেনিজুয়েলা (২ মে ১৯৭২)।
- ব্রাজিল: ১৫ মে, ১৯৭২।
- আর্জেন্টিনা: ২৫ মে ১৯৭২।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র: ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে।
- ফ্রান্স: ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২।

তথ্যসূত্র - পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, বঙ্গভবনের শতবর্ষ (বঙ্গভবন) ও বাংলাদেশের তারিখ (বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান), প্রথম আলো।
৩,৫৮৯.
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীতে বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৮২ সালে
  3. ১৯৮৬ সালে
  4. ১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ:
- স্বাধীনতার পর ৮ আগস্ট, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদের জন্য আবেদন করে।
- ১০ আগস্ট, ১৯৭২ সালে চীন বাংলাদেশের সদস্যপদের বিরুদ্ধে ভেটো প্রদান করে।
- ১৯৭২ সালের ১৭ অক্টোবর জাতিসংঘে পর্যবেক্ষকের মর্যাদা লাভ করে।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সংস্থাটির ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে।
- একই অধিবেশনে একই দিন ১৩৭তম সদস্য হিসেবে গ্রানাডা এবং ১৩৮তম সদস্য হিসেবে গিনি বিসাউ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
-  জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৪৮ সালে।
- বাংলাদেশ ১৯৮৮ সাল থেকে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বাহিনীতে কাজ করছে।
- আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস ২৯ মে। 

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট ও দৈনিক ইত্তেফাক।

৩,৫৯০.
E-Government Development Index (EGDI) ২০২২ অনুসারে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ক) ৯৫তম
  2. খ) ১০১তম
  3. গ) ১০৭তম
  4. ঘ) ১১১তম
ব্যাখ্যা
ই-গভর্নমেন্ট ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্স (EGDI) - ২০২২
• প্রকাশকাল: ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২ (৩১তম)।
• প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান: United Nations Economic and Social affairs (UNDESA)।
• অর্ন্তগত দেশ: ১৯৩টি। 

প্রতিবেদনে বিশ্ব 
ই-গভর্নমেন্ট ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্স (EGDI) - ২০২২ অনুসারে,
• শীর্ষ দেশ - ডেনমার্ক।
• সর্বনিম্ন দেশ - দক্ষিণ সুদান।  

প্রতিবেদনে সার্কভূক্ত দেশ   
• সার্কভূক্ত দেশসমূহে শীর্ষে - শ্রীলংকা (৯৫তম)। 
• সার্কভূক্ত দেশসমূহের মধ্যে বাংলাদেশ - ১১১তম। 
• ভাতর - ১০৫ তম।
• আফগানিস্তান - ১৮৪ তম। 

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২২
৩,৫৯১.
২০২৫ সালে সংস্কৃতিতে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন কে? 
  1. স্যার ফজলে হাসান আবেদ
  2. নভেরা আহমেদ 
  3. বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর
  4. শুকুর আল মাহমুদ 
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫' পেয়েছেন ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর)।
- সাহিত্য: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর)।
- সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর)।
- সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর)।
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর)।
- শিক্ষা ও গবেষণা: জনাব বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর।
- প্রতিবাদী তারুন্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উৎস: মন্ত্রি পরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।

৩,৫৯২.
তথ্য অধিদপ্তরের সংক্ষিপ্ত রূপ কোনটি?
  1. বিএফডিসি
  2. পিআইডি
  3. পিআইবি
  4. পিআইবিসি
ব্যাখ্যা
তথ্য অধিদপ্তর:
- তথ্য অধিদপ্তরের সংক্ষিপ্ত রূপ পিআইডি।
- PID-এর পূর্ণরূপ: Press Information Department.

⇒ তথ্য অধিদফতর (পিআইডি), গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়াধীন একটি গুরুত্বপূর্ণ অধিদপ্তর।
- বাংলাদেশ সরকারের অন্যতম এ সংস্থাটি দেশের তথ্যসম্পদ উন্নয়ন, তথ্য সংরক্ষণ, তথ্যের নিরাপদ সঞ্চালন, তথ্য অধিকার সংরক্ষণ, অবাধ তথ্য প্রবাহ নিশ্চিতকরণসহ তথ্যসংশ্লিষ্ট বিবিধ আইন-বিধি-বিধান-প্রবিধান প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করে থাকে।

অন্যদিকে,
- বিএফডিসি= বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন / Bangladesh Film Development Corporation - BFDC।
- পিআইবি= প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ / Press Institute Bangladesh।

উৎস: তথ্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৩,৫৯৩.
The Foreshadowing of Bangladesh গবেষণা গ্রন্থটির লেখক কে?
  1. রেহমান সোবহান
  2. আনিসুর রহমান
  3. নুরুল ইসলাম
  4. হারুন-অর-রশিদ
ব্যাখ্যা
➝ 'The Foreshadowing of Bangladesh' গবেষণা গ্রন্থটির লেখক হারুন-অর-রশিদ
➝ বইটির পুরো নাম ⎯ The Foreshadowing of Bangladesh: Bengal Muslim League and Muslim Politics।

◉ হারুন-অর-রশিদ:
- The Foreshadowing of Bangladesh গবেষণা গ্রন্থটির লেখক হারুন-অর-রশিদ।
- এটি '১৯৪৭ সালের আগে বাংলার মুসলমানদের অবহেলিত ইতিহাস'।

উল্লেখ্য,
- হারুন-আর-রশিদ একজন জনপ্রিয় প্রাবন্ধিক, গবেষক, কলাম লেখক এবং বহু গ্রন্থের প্রণেতা।
- ১৯৪৭-পূর্ব ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনাধীন অবিভক্ত বাংলা, পাকিস্তানি শাসনকাল, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, সমসাময়িক ভারত ও বাংলাদেশের রাজনীতি, এর গতিধারা ও রাজনৈতিক উন্নয়ন’ তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র।
- বাঙালির রাষ্ট্রচিন্তা ও স্বাধীন জাতি-রাষ্ট্র গঠন সব সময় তাঁর গবেষণার কেন্দ্রীয় বিষয়।
- প্রফেসর হারুন-অর-রশিদ বর্তমানে বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটিতে ‘বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের এনসাইক্লোপিডিয়া’ (২০ খণ্ড) রচনা প্রকল্পের প্রধান হিসেবে গবেষণাকর্মে নিয়োজিত।
- বঙ্গবন্ধুবিষয়ক গবেষণায় অবদান রাখার জন্য ২০২১ সালে তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত হন।

◉ তাঁর গবেষণা-গ্রন্থসমূহ:
- The Foreshadowing of Bangladesh
- Inside Bengal Politics 1936-1947 : Unpublished Correspondence of Partition Leaders
- বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পুনর্পাঠ 
- বাঙালির রাষ্ট্রচিন্তা ও স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়
- বাংলাদেশ : রাজনীতি সরকার ও শাসনতান্ত্রিক উন্নয়ন (১৭৫৭-২০১৮)
- আমাদের বাঁচার দাবী’ : ৬ দফার ৫০ বছর
- ৭ই মার্চের ভাষণ কেন বিশ্ব ঐতিহ্য-সম্পদ : বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশ

উৎস: ক্যামব্রিজ ইউনাভার্সিটি প্রেস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অনলাইন লাইব্রেরি ও পত্রিকার প্রতিবেদন।
৩,৫৯৪.
বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্তির সাল এবং উন্নয়ন শীল দেশে উত্তরণের সাল কোনটি?
  1. ক) ১৯৭৩, ২০২৩
  2. খ) ১৯৭২, ২০২৪
  3. গ) ১৯৭৪, ২০২৭
  4. ঘ) ১৯৭৫, ২০২৬
ব্যাখ্যা
• Least Developed Countries:
- LDC  হলো জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন ১৯৭১ সালে তৈরিকৃত বিশ্বের সবচেয়ে অনুন্নত দেশসমূহের একটি তালিকা।
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে LDC তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- বর্তমানে LDC তালিকায় ৪৬টি দেশ রয়েছে।
- এ পর্যন্ত মোট ৫টি দেশ LDC তালিকা থেকে উত্তরণ করতে সমর্থ হয়েছে।
- বাংলাদেশ ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো LDC তালিকা থেকে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করে। 
- অর্জিত লক্ষ্যসমূহ ২০২১ সাল পর্যন্ত অক্ষুণ্ন থাকলে ২০২৬ সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিক ভাবে LDC তালিকা থেকে বের হয়ে যাবে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো।
৩,৫৯৫.
বাংলাদেশের জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর কোনটি?
  1. ১১১
  2. ৩৩৩
  3. ৯৯৯
  4. ১২৩
ব্যাখ্যা
জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর:
- বাংলাদেশের জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর হলো ৯৯৯ ।
- যেকোনো দুর্ঘটনার মুখোমুখি হলে জরুরি সেবা পেতে দেশের যেকোনো স্থান থেকে যে কেউ এই নম্বরে ফোন করতে পারেন।
- বাংলাদেশ পুলিশের অধীন এই কল সেন্টার পরিচালিত হচ্ছে।
- এই নম্বরে ফোন করে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স সেবা কিংবা এ-সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যাবে।
- দিন–রাত ২৪ ঘণ্টা এ কল সেন্টার চালু থাকে।
- যেকোনো ফোন থেকে বিনা মূল্যে ৯৯৯ নম্বরে কল করা যায়।

উৎস: প্রথম আলো (১১ আগস্ট ২০২৪)
৩,৫৯৬.
দেশের প্রথম সাবমেরিন ঘাঁটি -
  1. ক) বিএনএস রাসেল
  2. খ) বিএনএস মুজিব
  3. গ) বিএনএস শেখ হাসিনা
  4. ঘ) বিএনএস পারিজার
ব্যাখ্যা
- কক্সবাজারের পেকুয়ায় প্রথম সাবমেরিন ঘাঁটি স্থাপনের মাধ্যমে দেশের সামরিক ইতিহাসে এক গৌরবময় অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।
- গত ২০ মার্চ গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নৌবাহিনীর প্রথম সাবমেরিন ঘাঁটি ‘বিএনএস শেখ হাসিনা’-এর কমিশনিং অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
- ২০১৭ সালের ১২ মার্চ নৌবহরে দুটি সাবমেরিন (বিএনএস নবযাত্রা ও বিএনএস জয়যাত্রা) যুক্ত করে বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে একটি পূর্ণাঙ্গ ত্রিমাত্রিক বাহিনী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে।
- ১৪ বছরে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বহরে ৪টি ফ্রিগেট, ৬টি করভেট, ৪টি বড় প্যাট্রোল ক্র্যাফট, ৫টি প্যাট্রোল ক্র্যাফট, ২টি প্রশিক্ষণ জাহাজসহ মোট ৩১টি যুদ্ধজাহাজ যুক্ত হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো, Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার।
৩,৫৯৭.
বাংলা একাডেমির প্রথম পরিচালক ছিলেন কে?
  1. মাওলানা আঁকরাম খাঁ
  2. মুহম্মদ এনামুল হক
  3. অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম
  4. প্রফেসর মযহারুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
- মুহম্মদ এনামুল হক ১৯৫৬ সালের ১ ডিসেম্বর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

বাংলা একাডেমি:
- বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- এটি ৩ ডিসেম্বর, ১৯৫৫ সালে ঢাকার বর্ধমান হাউসে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলা একাডেমির প্রথম পরিচালক ছিলেন মুহম্মদ এনামুল হক,
- তিনি ১৯৫৬ সালের ১ ডিসেম্বর একাডেমির প্রথম পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- বাংলা একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক ছিলেন প্রফেসর মযহারুল ইসলাম।
- বাংলা একাডেমির প্রথম সভাপতি ছিলেন মাওলানা আঁকরাম খাঁ।
- বর্তমানে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হলেন অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
৩,৫৯৮.
'বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার' কবে থেকে প্রবর্তিত হয়?
  1. ১৯৬০ সালে
  2. ১৯৬২ সালে
  3. ১৯৭২ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার:
- বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৫৫ সালে বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি নিয়ে গবেষণা ও প্রকাশনার লক্ষ্যে যাত্রা শুরু হয় বাংলা একাডেমির।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ক্ষেত্রে সামগ্রিক অবদানের জন্য লেখকদের সৃজনী প্রতিভার স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলা একাডেমি এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- ১৯৬০ সাল থেকে প্রবর্তন করা হয় বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার।
- প্রতিটি পুরস্কারের মূল্যমান ৩,০০,০০.০০ (তিন লক্ষ) টাকা।

• বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২৪: 
ফেব্রুয়ারি, ২০২৫-এ ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে 'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪' প্রদান করা হয়। তারা হলেন—
- কবিতায়: মাসুদ খান,
- নাটক ও নাট্যসাহিত্যে: শুভাশিস সিনহা,
- প্রবন্ধ/গদ্যে: সলিমুল্লাহ খান,
- অনুবাদে: জি এইচ হাবীব,
- গবেষণায়: মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া,
- বিজ্ঞানে: রেজাউর রহমান,
- ফোকলোরে: সৈয়দ জামিল আহমেদ।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৩,৫৯৯.
বাংলাদেশ কোন সংস্থাটির সদস্য নয়?
  1. IMF
  2. ADB
  3. NDB
  4. OPEC
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ OPEC এর সদস্য নয় ।
- এটি একটি তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট।

• ওপেক (OPEC):

- বাগদাদ কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- OPEC এর পূর্ণরূপ: Organization of the Petroleum Exporting Countries.
- এটি তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট।
- ওপেক গঠনের প্রস্তাবনা করে: ভেনেজুয়েলা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: এটি সেপ্টেম্বর, ১৯৬০ সালে বাগদাদ, ইরাক।
- সদরদপ্তর:  ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- OPEC এর প্রথম পাঁচ বছর সুইজারল্যান্ডের জেনেভাতে সদর দপ্তর ছিল।
- প্রাথমিক সদস্য: ৫টি দেশ ইরাক, ইরান, কুয়েত, সৌদি আরব ও ভেনিজুয়েলা।
- বর্তমানে OPEC এর সদস্য সংখ্যা ১২টি।

উল্লেখ্য,
- কাতার: জানুয়ারি ২০১৯ সালে সদস্যপদ বাতিল করেছে।
- ইন্দোনেশিয়া: জানুয়ারি ২০০৯ সালে সদস্যপদ স্থগিত করে;
- জানুয়ারি ২০১৬ সালে পুনরায় সক্রিয় করে, কিন্তু নভেম্বরে আবার স্থগিত করে।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ, IMF, NDB, ADB এর সদস্যদেশ।

উৎস: OPEC ওয়েবসাইট।

৩,৬০০.
বাবা আদম মসজিদ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. নওগা
  3. দিনাজপুর
  4. মুন্সিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
• বাবা আদম মসজিদ:
- বাবা আদম মসজিদ মুন্সিগঞ্জ জেলার রামপালের অন্তর্গত রেকাবি বাজার ইউনিয়নের কাজী কসবা গ্রামে অবস্থিত। 
-  মসজিদটি বহু গম্বুজবিশিষ্ট এবং ভূমি পরিকল্পনায় আয়তাকৃতির।
- মসজিদের সম্মুখভাগে কেন্দ্রীয় প্রবেশপথের শীর্ষে উৎকীর্ণ শিলালিপি থেকে জানা যায় যে, মসজিদের নির্মাণ তারিখ ৮৮৮ হিজরি/১৪৮৩ খ্রিস্টাব্দ।
- সুলতান ফতেহ শাহের শাসনকালে মালিক কাফুর এ মসজিদ নির্মাণ করেন।
- বাবা আদমের মসজিদটি বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের অধীনে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সংরক্ষিত ইমারত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।