বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

মোট প্রশ্ন৩,৮২৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

PrepBank · পাতা ৩৫ / ৩৮ · ৩,৪০১৩,৫০০ / ৩,৮২৪

৩,৪০১.
২০২৪ সালে রবীন্দ্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন কতজন?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ৫ জন
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্র পুরস্কার:
- বাংলা একাডেমি ২০১০ সালে রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তন করেছে।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গীতের চর্চা এবং রবীন্দ্র সঙ্গীতের বিকাশের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ব্যক্তিবিশেষকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- এই পুরস্কারের মান নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা।
- নগদ পুরস্কারের সঙ্গে একটি সম্মাননা প্রতীক ও সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়।

রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৪:
- ২০২৪ সালে রবীন্দ্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন ২ জন।
• রবীন্দ্র-সাহিত্যের গবেষণায় - অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরী।
• রবীন্দ্রসংগীত-চর্চায় - অধ্যাপক লাইসা আহমদ লিসা।

তথ্যসূত্র - বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
৩,৪০২.
'উদীচী' কোন ধরনের সংগঠন?
  1. মানবাধিকার সংগঠন
  2. রাজনৈতিক সংগঠন
  3. অর্থনৈতিক সংগঠন
  4. সাংস্কৃতিক সংগঠন
ব্যাখ্যা
উদীচী:
- উদীচী বাংলাদেশের বৃহত্তম সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- ১৯৬৮ সালে বিপ্লবী কথাশিল্পী সত্যেন সেন, রণেশ দাশগুপ্ত, সহ একঝাঁক তরুণ উদীচী গঠন করেন।
- জন্মলগ্ন থেকে উদীচী অধিকার, স্বাধীনতা ও সাম্যের সমাজ নির্মাণের সংগ্রাম করে আসছে।
- ১৯৭১ সালে উদীচীর কর্মীরা প্রত্যক্ষভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়।
- ২০১৩ সালে এই সংঠনটি দেশের সর্বোচ্চ সম্মাননা একুশে পদক লাভ করে।
- বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঢাকার তোপখানা সড়ক (দোতলায়) অবস্থিত।

সূত্র: বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী ওয়েবসাইট।
৩,৪০৩.
কত জন ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানকে ‘জাতীয় পাট দিবস ২০২৪’ পুরষ্কার দেওয়া হয়? 
  1. ৯ জন
  2. ১০ জন
  3. ১১ জন
  4. ১২ জন
ব্যাখ্যা
‘জাতীয় পাট দিবস ২০২৪’ পুরষ্কার:
- পাট খাতের সমৃদ্ধির ধারা চলমান রাখতে এবং এই খাতে বিশেষ অবদান রাখার জন্য ২০২৪ সালে পাট দিবসে ১১টি ক্যাটাগরিতে ১১ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। 
- জাতীয় পাট দিবস-২০২৪ –এর প্রতিপাদ্য হচ্ছে - ‘বঙ্গবন্ধুর সোনার দেশ, স্মার্ট পাট শিল্পের বাংলাদেশ’।

যেসব ক্যাটাগরিতে পুরস্কার দেওয়া হয়:
১. পাটবীজ, পাট ও পাটজাত পণ্যের গবেষণায় সেরা গবেষক/ বিজ্ঞানী/ উদ্ভাবক,
২. সেরা পাটবীজ উৎপাদনকারী চাষি,
৩. সেরা পাট উৎপাদনকারী চাষি,
৪. পাটজাত পণ্য উৎপাদনকারী সেরা পাটকল,
৫.পাটজাত পণ্য রফতানিকারক সেরা প্রতিষ্ঠান,
৬.পাটের সুতা উৎপাদনকারী সেরা পাটকল,
৭.পাটের সুতা রফতানিকারক সেরা প্রতিষ্ঠান,
৮. বহুমুখী পাটজাত পণ্য উৎপাদনকারী সেরা পাটকল,
৯. বহুমুখী পাটপণ্য রফতানিকারক সেরা প্রতিষ্ঠান,
১০.বহুমুখী পাটপণ্যের সেরা মহিলা উদ্যোক্তা এবং,
১১. বহুমুখী পাটজাতপণ্য উৎপাদনকারী সেরা পুরুষ উদ্যোক্তা।

উৎস: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ওয়েবসাইট।
 
৩,৪০৪.
২০২৫-২৬ সালে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ (বিপিএল) কততম আসর? 
  1. ৯ম
  2. ১০ম
  3. ১১তম
  4. ১২তম
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ-বিপিএলের ২০২৫-২৬ আসর: 
- এটি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১২তম আসর। 

- ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫:  সিলেট ও রাজশাহীর ম্যাচ দিয়ে মাঠে গড়াচ্ছে এবারের আসর।
- মোট অংশগ্রহণ কারী  দল: ৬টি। 
- সিলেট টাইটান্স, রাজশাহী ওয়ারিয়রস, নোয়াখালী এক্সপ্রেস, চট্টগ্রাম রয়েলস, ঢাকা ক্যাপিটালস, রংপুর রাইডার্স।

- টুর্নামেন্টের মোট ৩৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
- সিলেট, চট্টগ্রাম ও ঢাকা- এই তিনটি ভেন্যুতে।
- এবারের বিপিএল শুরু হবে সিলেট পর্ব দিয়ে, যেখানে উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে সিলেট টাইটানস ও রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।
- সিলেট পর্ব শেষ হওয়ার পর টুর্নামেন্টটি যাবে চট্টগ্রামে।
- শেষ ধাপে আবার ঢাকায় ফিরে আসবে বিপিএল।
- বিপিএল এর নতুন দল নোয়াখালী এক্সপ্রেস।

উৎস: বিসিবি ওয়েবসাইট।

৩,৪০৫.
ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল থেকে সবুজ কারখানার স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলাদেশের কতটি তৈরী পোশাক কারখানা?
  1. ক) ২০৩টি
  2. খ) ১৯৮টি
  3. গ) ১৫০টি
  4. ঘ) ১৮৩টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের কতটি তৈরী পোষাক কারখানা ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল থেকে সবুজ কারখানার স্বীকৃতি পেয়েছে - ১৮৩টি

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার ফ্রেব্রুয়ারি, ২০২২।
৩,৪০৬.
বাংলাদেশের জাতীয় ওষুধনীতি প্রনয়ণ হয়েছিল কখন?
  1. ক) ১৯৮২ সালে
  2. খ) ১৯৯০ সালে
  3. গ) ২০১১ সালে
  4. ঘ) ২০২১ সালে
ব্যাখ্যা
• ২০১১ সালের ৩১ মে তারিখে যে জাতীয় স্বাস্থ্যনীতিটি জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হয়।
- ১৯৮২ সালের জাতীয় ওষুধনীতি প্রনয়ণ হয়েছিল
- ওষুধনীতির মতো ১৯৯০ সালের প্রস্তাবিত প্রথম জাতীয় স্বাস্থ্যনীতির প্রাণপুরুষও ছিলেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। 

সূত্র: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও প্রথম আলো।
৩,৪০৭.
বাংলাদেশ সরকার 'ইউনেস্কোকে' কত সালে 'একুশে পদক' প্রদান করেন?
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০১ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০০৩ সালে
ব্যাখ্যা
ইউনেস্কো ও বাংলা ভাষা: 
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর (৩০তম) সাধারণ সম্মেলনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে ঘোষণা করা হয়।  
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে সারা বিশ্বে (১৮৮টি দেশে) এ দিবস পালন শুরু হয়। 
- বাংলা ভাষাকে বিশ্বের মাঝে যথাযথভাবে তুলে ধরার জন্য ২০০৩ সালে বাংলাদেশ সরকার ইউনেস্কোকে 'একুশে পদক' প্রদান করেন।

উৎস: বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৩,৪০৮.
পানাম নগরীতে কয়টি স্থাপনা রয়েছে?
  1. ৫১টি
  2. ৫২টি
  3. ৫৩টি
  4. ৫৪টি
ব্যাখ্যা
পানাম নগর:
- পানাম নগর বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও অঞ্চলে অবস্থিত।
- পানাম নগরীর রাস্তার দুই ধারে ঔপনিবেশিক আমলের মোট ৫২টি স্থাপনা রয়েছে।
- রাস্তার উত্তরদিকে ৩১টি এবং দক্ষিণদিকে ২১টি স্থাপনা অবস্থিত।
- স্থাপনাগুলোর স্থাপত্যে ইউরোপীয় শিল্পরীতির সাথে মোঘল শিল্পরীতির মিশ্রণ লক্ষ করা যায়।
- এখানে আবাসিক ভবন ছাড়াও উপাসনালয়, গোসলখানা, পান্থশালা, দরবার কক্ষ ইত্যাদি রয়েছে।
- পানাম নগরের আশে পাশে আরো কিছু স্থাপনা আছে যেমন- ছোট সর্দার বাড়ি, ঈশা খাঁর তোরণ, নীলকুঠি, বণিক বসতি, ঠাকুর বাড়ি, পানাম নগর সেতু ইত্যাদি।  

⇒ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির নীলচাষের নির্মম ইতিহাসের নীরব সাক্ষী পানামের নীলকুঠি। এ ছাড়াও আমিনপুর ও দুলালপুর গ্রামের সংযোগ রক্ষাকারী পানাম পুলটি পঙ্খীরাজ খালের ওপর ১৭ শতকে নির্মিত হয়। 
- ধারনা করা যেতে পারে ঐতিহাসিক ‘‘সড়কে-ই-আযম’’ গ্রান্ড ট্রাংঙ্ক রোডের সমাপ্তি এ পানাম নগরেই হয়েছিল।
- ২০০৬ সালে ওয়ার্ল্ড মনুমেন্ট ফান্ডের তৈরি বিশ্বের ধ্বংসপ্রায় ১০০ টি ঐতিহাসিক স্থাপনার তালিকায় পানাম নগর স্থান পায়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৪০৯.
বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমা বিরোধের চূড়ান্ত রায় কবে ঘোষণা করা হয়?
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০১৩ সালে
  3. ২০১৪ সালে
  4. ২০১৫ সালে
ব্যাখ্যা
ভারতের সাথে সমুদ্র বিজয়:
- তিন দশকের বেশি সময় ধরে আলোচনার পর মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়ায় ২০০৯ সালে সালিসি আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ।
- ২০১৪ সালের ৭ই জুলাই নেদারল্যান্ডসের স্থায়ী সালিসি আদালত (পার্মানেন্ট কোর্ট অব আর্বিট্রেশন-পিসিএ) এই বিষয়ে চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন।
- বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিরোধপূর্ণ এলাকা ছিল প্রায় ২৫ হাজার ৬০২ বর্গকিলোমিটার।
- এ এলাকার ১৯ হাজার ৪৬৭ বর্গকিলোমিটার এলাকা বাংলাদেশ পেয়েছে।
- এছাড়া, বঙ্গোপসাগরে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চলে এবং এর বাইরে মহীসোপান অঞ্চলে বাংলাদেশের নিরঙ্কুশ ও সার্বভৌম অধিকার নিশ্চিত করে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সমুদ্রসীমা নির্ধারণী মামলায় রায় ঘোষণা করেছেন আদালত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৩,৪১০.
নিচের কোন পুরস্কারটি স্বাধীনতার পূর্বে প্রচলিত?
  1. প্রাইড অব পারফরম্যান্স
  2. ন্যাশনাল ব্যাংক পুরস্কার
  3. আদমজী পুরস্কার
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা-পূর্ব প্রচলিত পুরস্কার 
- প্রাইড অব পারফরম্যান্স, ন্যাশনাল ব্যাংক পুরস্কার, আদমজী পুরস্কার, দাউদ পুরস্কার ইত্যাদি স্বাধীনতার আগে এদেশে প্রচলিত গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার।
- ষাটের দশকে আইয়ুব সরকার প্রচলন করে 'প্রাইড অব পারফরম্যান্স' পুরস্কার।
- ন্যাশনাল ব্যাংক পুরস্কার, আদমজী পুরস্কার, দাউদ পুরস্কার ইত্যাদি স্বাধীনতা-পূর্ব প্রচলিত সাহিত্য পুরস্কার। 

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৩,৪১১.
বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসাবে ঘোষণা করেছে-
  1. ১ জুন ২০১৫
  2. ১ জুলাই ২০১৫
  3. ১ জুন ২০১৬
  4. ১ জুলাই ২০১৬
ব্যাখ্যা
নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ:
- বিশ্বব্যাংক মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে দুটি শ্রেণিতে ভাগ করেছে।
- একটি হচ্ছে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ, অন্যটি উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ। 
- প্রতিবছর ১ জুলাই বিশ্বব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে মাথাপিছু মোট জাতীয় আয় অনুসারে দেশগুলোকে চারটি আয় গ্রুপে ভাগ করে।
- যাদের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১ হাজার ৪৫ ডলার বা তার নিচে, তাদের বলা হয় নিম্ন আয়ের দেশ।
- বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে এ তালিকাতেই ছিল।

উল্লেখ্য,
- ১ জুলাই, ২০১৫ তারিখে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসাবে ঘোষণা করেছে।

উৎস: ২ জুলাই, ২০১৫, প্রথম আলো।
৩,৪১২.
প্রথম বাংলা সংবাদপত্র কোনটি?
  1. বাঙ্গাল গেজেট
  2. দিগদর্শন
  3. সমাচার দর্পণ
  4. বঙ্গদূত
ব্যাখ্যা
সমাচার দর্পণ:
- 'সমাচার দর্পণ' হল প্রথম বাংলা সংবাদপত্র।
- জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় ২৩ মে ১৮১৮ সালে প্রকাশিত হয় প্রথম বাংলা সংবাদপত্র 'সমাচার দর্পণ'।
- এটি ছিল একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা।
- পত্রিকায় সরকারি কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের সংবাদ, সরকারি বিজ্ঞপ্তি, ব্রিটেনের খবর, ইউরোপিয়ান দেশগুলোর সংবাদ, জন্ম-মৃত্যু ও বিবাহের সংবাদ, চলতি বিষয় এবং ভারতের ইতিহাস-ঐতিহ্যের সংবাদকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হতো।
- সংবাদপত্রটি শ্রীরামপুর খ্রিস্টান মিশনের আর্থিক সহযোগিতায় প্রকাশিত হলেও এতে কোনো ধরনের ধর্মীয় গোঁড়ামি বা ধর্মীয় প্রভাব ছিল না।

অন্যদিকে, 
- 'দিগদর্শন' হলো প্রথম বাংলা সাময়িকপত্র।
- 'বাঙ্গাল গেজেট' হলো দ্বিতীয় বাংলা সাপ্তাহিক পত্রিকা।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৩ জুন, ২০১৪।
৩,৪১৩.
বাংলাদেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ক) ১৯৫৯
  2. খ) ১৯৬০
  3. গ) ১৯৬১
  4. ঘ) ১৯৬২
ব্যাখ্যা
• পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- রাঙামাটি জেলার কাপ্তাইয়ে দেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত।
- এটি ১৯৬২ সালে চালু হয়।
- ১৯৫৬ থেকে ১৯৬১ সালে কাপ্তাই খালে বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে তৈরি জলাধারের পানি প্রবাহের মাধ্যমে এই কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়।
- এই কেন্দ্রের বর্তমান উৎপাদন ক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৩,৪১৪.
বাংলাদেশের জাতীয় দিবস -
  1. ১২ মার্চ
  2. ১১ ডিসেম্বর
  3. ১৯ এপ্রিল
  4. ২৬ মার্চ
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা দিবস:
- জাতীয় দিবস  বাংলাদেশে জাতীয় দিবস হিসেবে শহিদ দিবস, স্বাধীনতা দিবস, পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ ও বিজয় দিবস সর্বজনীনভাবে উদ্যাপিত হয়ে থাকে।
- ২৬ শে মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় ও স্বাধীনতা দিবস।
- ১৯৮০ সালের ৩ অক্টোবর ২৬ শে মার্চকে জাতীয় দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
- ১৯৮১ সাল থেকে ২৬ শে মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
- ১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়। সেজন্যে একে স্বাধীনতা দিবস বলা হয়।
- ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয় দিবস এবং ২১শে ফেব্রুয়ারি শহিদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।

সূত্র - সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৩,৪১৫.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য কতজনকে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদান করা হয়?
  1. ক) ৬৭৬ জন
  2. খ) ৬৮ জন
  3. গ) ১৭৫ জন
  4. ঘ) ৪২৬ জন
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে।
এগুলো হলো বীরশ্রেষ্ঠ, বীরউত্তম, বীরবিক্রম এবং বীরপ্রতীক।
এর মধ্যে সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব হলো বীরশ্রেষ্ঠ।
সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধি পান ৭ জন
দ্বিতীয় বীরত্বসূচক উপাধি ‘বীরউত্তম’ পান ৬৮ জন
তৃতীয় বীরত্বসূচক উপাধি ‘বীরবিক্রম’ পান ১৭৫ জন
এবং, চতুর্থ বীরত্বসূচক উপাধি ‘বীরপ্রতীক’ পান ৪২৬ জন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

৩,৪১৬.
বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রের সংখ্যা কয়টি?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ টেলিভিশন:
- বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলা ভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।
- এটি ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর ঢাকার ডিআইটি ভবন (বর্তমান রাজউক ভবন) থেকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৮০ সাল থেকে বিটিভি রঙিন সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৯৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র চালু হয়।
- ২০০৪ সালের ১১ই এপ্রিল বিটিভি ওয়ার্ল্ড চালু হয়।
- ২০১৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর থেকে সমগ্র ভারতে বিটিভি ওয়ার্ল্ডের সম্প্রচার শুরু হয়।
- ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মাধ্যমে বিটিভি সম্প্রচার শুরু করে।
- বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রের সংখ্যা ২টি। যথা:
• ঢাকা।
• চট্টগ্রাম।
- উপকেন্দ্র বা রিলে কেন্দ্রের সংখ্যা ১৪টি। এগুলো হলো:
নাটোর, খুলনা, ময়মনসিংহ, সিলেট, রংপুর, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঠাকুরগাঁও, রাজশাহী, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, উখিয়া এবং রাঙ্গামাটি।

তথ্যসূত্র - বিটিভি ওয়েবসাইট।
৩,৪১৭.
ঢাকায় আর্জেন্টিনার দূতাবাস পুনরায় খোলা হয় কত সালে?
  1. ২০২২ সালে
  2. ২০২৩ সালে
  3. ২০২৪ সালে
  4. ২০২৫ সালে
ব্যাখ্যা

• ঢাকায় আর্জেন্টিনার দূতাবাস:
- ঢাকায় ফের উদ্বোধন করা হলো আর্জেন্টিনার দূতাবাস।
- ৪৫ বছর পর সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩) রাজধানীর বনানীতে দেশটির দূতাবাস উদ্বোধন করা হয়।

- এ সময় উপস্থিত ছিলেন আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সান্তিয়াগো ক্যাফিয়ারো ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।
- এ সফরে ৪৫ বছর আগে বন্ধ হয়ে যাওয়া লাতিন আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনার দূতাবাস চালু ও দুই দেশের মধ্যে ফুটবল এবং কৃষিতে সহযোগিতাসহ চারটি চুক্তি এবং সমঝোতা স্মারক সইকরা হয়েছে।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো

৩,৪১৮.
ভাষা শহিদ আবুল বরকতকে কত সালে (মরণোত্তর) একুশে পদক প্রদান করা হয়?
  1. ১৯৯৮ সালে
  2. ১৯৯৯ সালে
  3. ২০০০ সালে
  4. ২০০১ সালে
ব্যাখ্যা
আবুল বরকত:
- ভাষা আন্দোলনের একজন শহিদ আবুল বরকত। 
- আবুল বরকত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন।

⇒ ভাষা শহিদ আবুল বরকত ১৯২৭ সালের ১৩ জুন অবিভক্ত বাংলার মুর্শিদাবাদ জেলায় গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ভারত বিভাগের পর ১৯৪৮ সালে সপরিবার ঢাকায় চলে আসেন।
- তিনি ১৯৫১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে চতুর্থ হয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন। পরে একই বিভাগে স্নাতকোত্তর শ্রেণীতে ভর্তি হন।
- বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতির দাবিতে সংগঠিত আন্দোলনে ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শাহাদাত বরণ করেন।

উল্লেখ্য,
- ভাষা আন্দোলনে আত্মদানের স্বীকৃতি স্বরূপ আবুল বরকতকে ২০০০ সালে একুশে পদকে (মরণোত্তর) ভূষিত করা হয়।

উৎস: i) Dhaka University ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৩,৪১৯.
বাংলাদেশের ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) কোথায় অবস্থিত?
  1. মিরপুর, ঢাকা
  2. জয়দেবপুর, গাজীপুর
  3. সারদা, রাজশাহী
  4. সাভার, ঢাকা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি):
- দেশের একমাত্র ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খেলাধুলার সাথে সাধারণ শিক্ষার সমন্বিত কার্যক্রম রয়েছে।
- ক্রীড়ার মানোন্নয়ন, উদীয়মান ও প্রতিভাবান শিশু-কিশোর-তরুণ ক্রীড়াবিদদের নিবিড় প্রশিক্ষণ প্রদানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলা হয়।
- ১৯৭৪ সালে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীনে প্রকল্প আকারে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব স্পোর্টস (বিআইএস) প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করে।
- সাভারের জিরানীতে ১১৯ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।
- বিকেএসপি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি বিধিবদ্ধ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।

উদ্দেশ্যে:
- ক্রীড়াকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপদান,
- এবং আধুনিক ও যথোপযোগী প্রশিক্ষণ দান। 

উল্লেখ্য,
- ১৯৮৩ সালে এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে এর নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) রাখা হয়।
- ১৯৮৬ সাল থেকে এ প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয়। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,৪২০.
একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশে প্রথম নারী সেঞ্চুরিয়ান -
  1. ফারজানা আক্তার
  2. শারমীন আক্তার
  3. ফারজানা হক পিংকি
  4. রুমানা আহমেদ
ব্যাখ্যা
একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশে প্রথম সেঞ্চুরিয়ান:
- একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম নারী সেঞ্চুরিয়ান ফারজানা হক পিংকি।
- নিজের ৫৩তম ওয়ানডে ইনিংসে সেঞ্চুরি করেন ফারজানা।
- ২২ জুলাই, ২০২৩ তারিখে বাংলাদেশের মিরপুর স্টেডিয়ামে ভারতের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে ১০৭ রানের ইনিংস খেলেন ফারজানা। 
- ওয়ানডে ক্রিকেটে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় রান।

উল্লেখ্য,
- বাছাই পর্বে বাংলাদেশ নারী দলের হয়ে ওয়ানডে ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরি করেছেন শারমীন আক্তার।
- রুমানা আহমেদ বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের অধিনায়ক।

উৎস: ২২ জুলাই, ২০২৩, দৈনিক ইত্তেফাক।
৩,৪২১.
দেশে বর্তমানে (আগস্ট,২০২৪) স্মারক স্বর্ণমুদ্রার বিক্রয়মূল্য কত?
  1. এক লাখ টাকা
  2. এক লাখ পাঁচ হাজার টাকা
  3. এক লাখ পনের হাজার টাকা
  4. এক লাখ বিশ হাজার টাকা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

স্মারক স্বর্ণমুদ্রার বিক্রয়মূল্য
- কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, ২২ ক্যারেট স্বর্ণ দিয়ে তৈরি করা ১০ গ্রাম ওজনের ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০০০’, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর জন্মশতবর্ষ ১৯২০-২০২০’ এবং ‘স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ১৯৭১-২০২১’ শীর্ষক স্মারক স্বর্ণমুদ্রার (বাক্সসহ) বিক্রয়মূল্য এক লাখ পনের হাজার টাকা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।
 
- এ ছাড়া বর্তমান বাজারে ১১টি স্মারক রৌপ্যমুদ্রা (ফাইন সিলভার) রয়েছে। এর মধ্যে আছে বাংলাদেশের স্বাধীনতার রজত জয়ন্তী-১৯৯৬, বাংলাদেশ ব্যাংক রজত জয়ন্তী-১৯৯৬, বঙ্গবন্ধু সেতু উদ্বোধন-১৯৯৮ বাংলাদেশের ৪০তম বিজয় বার্ষিকী, ‘বিদ্রোহী’ কবিতার ৯০ বছর-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শত জন্মবার্ষিকী-২০১১, আইসিসি ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড কাপ-বাংলাদেশ ২০১১, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের শতবর্ষ ১৯১৩-২০১৩, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর জন্মশতবর্ষ, স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ১৯৭১-২০২১ ৯২৫ এবং বাংলাদেশ-জাপান কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তির মুদ্রা রয়েছে। এসব রুপার স্মারক মুদ্রার ওজন ২০ গ্রাম থেকে ৩১.৪৭  গ্রাম।
 
সূত্র- বাংলাদেশ ব্যাংক।
৩,৪২২.
২০২৪ সালে স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার প্রদান করা হয় কতজন ব্যক্তিকে?
  1. ১০ জন
  2. ১১ জন
  3. ১২ জন
  4. ১৩ জন
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার ২০২৪:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪' পেয়েছেন ১০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।
• স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ - কাজী আব্দুস সাত্তার, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফ্লাইট সার্জেন্ট মোঃ ফজলুল হক (মরণোত্তর) ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ আবু নঈম মোঃ নজিব উদ্দীন খাঁন (মরণোত্তর)।
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি - ড. মোবারক আহমদ খান।
• চিকিৎসাবিদ্যা - ডাঃ হরিশংকর দাশ।
• সংস্কৃতি - মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান।
• ক্রীড়া - ফিরোজা খাতুন।
• সমাজসেবা/জনসেবা - অরন্য চিরান, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডাঃ মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ বাকী ও এস.এম. আব্রাহাম লিংকন।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রি পরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট ও ডেইলি স্টার, মার্চ ১৫, ২০২৪।
৩,৪২৩.
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকের তারকাগুলোর তাৎপর্য কী?
  1. অর্থনৈতিক উন্নয়ন
  2. লক্ষ্য ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা
  3. ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য
  4. প্রশাসনিক কাঠামো
ব্যাখ্যা

• জাতীয় প্রতীক: 
- জাতীয় প্রতীক  গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রতীক।
- এ প্রতীক হলো পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা এবং এর উভয় পার্শ্বে একটি করে ধানের শীষ, চূড়ায় পাটগাছের পরস্পরযুক্ত তিনটি পাতা এবং পাতার উভয় পার্শ্বে দুটি করে তারকা।
- পানি, ধান ও পাট প্রতীকে বৈশিষ্ট্যমন্ডিত হয়েছে বাংলাদেশের নিসর্গ ও অর্থনীতি। - এ তিনটি উপাদানের উপর স্থাপিত জলজ প্রস্ফুটিত শাপলা হলো অঙ্গীকার, সৌন্দর্য ও সুরুচির প্রতীক।
- তারকাগুলোতে ব্যক্ত হয়েছে জাতির লক্ষ্য ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা। 
-  জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা বাংলাদেশের সংবিধানের চারটি মূলনীতি। জাতীয় প্রতীকের চারটি তারকা চিহ্ন দিয়ে এই চারটি মূলনীতিকেই বোঝানো হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

৩,৪২৪.
নিম্নের কোন স্থানটি সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানীর মর্যাদা লাভ করেছে?
  1. মহাস্থানগড়
  2. ময়নামতি
  3. সোনারগাঁও
  4. উয়ারী বটেশ্বর
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের রাজধানী মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রনগর।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে মহাস্থানগড় অবস্থিত।
- ১৮৭৯ সালে প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের ঐতিহাসিক নিদর্শন আবিষ্কার করেন ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ আলেকজান্ডার কানিংহ্যাম।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ঐতিহাসিক স্থান।

⇒ ২০১৬ সালে এটিকে সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ২১ জানুয়ারি, ২০২৭ থেকে এই অনুষ্ঠানমালা শুরু হয়।

এছাড়াও, 
• সোনারগাঁও:
- বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদের মধ্যে শিল্পকলা, সংস্কৃতি ও সাহিত্যের ক্ষেত্রে সোনারগাঁও একটি গৌরবময় জনপদ।
- আনুমানিক ১২৮১ খ্রিস্টাব্দে এ অঞ্চলে মুসলিম আধিপত্যের সূচনা হয়।
- মধ্যযুগে এটি মুসলিম সুলতানদের রাজধানী ছিল।

• ময়নামতি:
- ময়নামতি বাংলাদেশের কুমিল্লায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান।
- সপ্তম শতাব্দীর শেষ থেকে অষ্টম শতাব্দীর প্রথম ভাগে দেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব এ বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন।

• উয়ারী বটেশ্বর:
- উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল।
- নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৪২৫.
২০২৫ সালে নজরুল পুরস্কার লাভ করেছেন- 
  1. আনোয়ারুল হক ও শবনম মুশতারী
  2. মাহফুজ উল্লা ও মাহমুদুর রহমান
  3. আজিজুর রহমান ও নাসির আলী মামুন
  4. রোকেয়া সুলতানা ও মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী
ব্যাখ্যা

নজরুল পুরস্কার-২০২৫:
 - ২০২৫সালে নজরুল পুরস্কার পেয়েছেন নজরুল গবেষক অধ্যাপক আনোয়ারুল হক এবং নজরুল সংগীতশিল্পী শবনম মুশতারী।
- বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫সালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৬তম জন্মবার্ষিকী ছিল।
- বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক। 
- মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম।
- ২০২২ সালে বাংলা একাডেমি নজরুল পুরস্কার চালু করে।
- পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয় ২ লাখ টাকার চেক, সম্মাননাপত্র, সম্মাননা-স্মারক এবং পুষ্পস্তবক।

উৎস: বাংলা একাডেমী ওয়েবসাইট।

৩,৪২৬.
টেলিভিশনের বাংলা কার্টুন সিরিজ 'মিনা' কোন শিল্পীর সৃষ্টি?
  1. রফিকুন্নবী
  2. হাসেম খান
  3. তানভির কবির
  4. মুস্তফা মনোয়ার
ব্যাখ্যা
শিশুতোষ জনপ্রিয় 'মিনা' কার্টুনের নির্মাতা মুস্তাফা মনোয়ার।
- ১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর তিনি জন্মগ্রহন করেন।
- কবি গোলাম মোস্তফা ছিলেন তাঁর পিতা।
- তিনি কিছুকাল বাংলাদেশ শিশু একাডেমির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। 
- ২০০৪ সালে তিনি একুশে পদক লাভ করেন। 
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩,৪২৭.
‘স্বোপার্জিত স্বাধীনতা’ ভাস্কর্যটি কে নির্মাণ করেন?
  1. শামীম শিকদার
  2. হামিদুজ্জামান খান
  3. মোস্তফা মনোয়ার
  4. নিতুন কুন্ডু
ব্যাখ্যা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ভাস্কর্য: 
- মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে ‘ডাকসু’ কলাভবনের সামনে ১৯৭২ সালে ‘অপরাজেয় বাংলা’ ভাস্কর্য স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করে।
- ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষে ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করা হয়।
- টিএসসি সড়ক দ্বীপে ১৯৮৮ সালে শামীম শিকদার নির্মাণ করেন ‘স্বোপার্জিত স্বাধীনতা’ ভাস্কর্যটি।
- স্বাধীনতা সংগ্রাম ভাস্কর্যটি শামীম শিকদার নির্মাণ করেন ১৯৯১ সালে।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ছাড়াও বায়ান্নর মহান ভাষা দিবস, ছেষট্টির স্বায়ত্তশাসন আন্দোলন, উনসত্তুরের গণঅভ্যুত্থান প্রাধান্য পেয়েছে এ ভাস্কর্যে।
- এ ছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে উৎসর্গকৃত সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্য (১৯৯৭)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,৪২৮.
বাংলাদেশ বিমানে যুক্ত হওয়া প্রথম ড্রিমলাইনার কোনটি?
  1. ক) আকাশ বীণা
  2. খ) হংস বলাকা
  3. গ) গাঙচিল
  4. ঘ) রাজহংস
  5. ঙ) সোনারতরী
ব্যাখ্যা
২০১৮ সালের ১৯ আগস্ট বাংলাদেশ বিমানের বহরে যুক্ত হয় চতুর্থ প্রজন্মের সর্বাধুনিক বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার আকাশ বীণা। এর নির্মাতা আমেরিকার লকহিড মার্টিন কোম্পানি। এরপর হংস বলাকা, গাঙচিল ও রাজহংস নামে আরো তিনটি ড্রিমলাইনার ২০১৮ ও ২০১৯ সালে বাংলাদেশ বিমানে যুক্ত হয়। এছাড়া শীঘ্রই সোনারতরী ও অচিনপাখি নামে দুটি ড্রিমলাইনার যুক্ত হওয়ার পথে। (সূত্রঃ বাংলাদেশ বিমান)
৩,৪২৯.
বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলের নাম কী?
  1. একুশে টিভি
  2. এনডিটিভি
  3. এটিএন বাংলা
  4. একাত্তর টেলিভিশন
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল:
- স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে টেলিভিশনের অনুষ্ঠান সম্প্রচার ব্যবস্থা।
- স্যাটেলাইট চ্যানেল ১৯৯০ সালের পূর্বে বাংলাদেশে প্রচলিত ছিল না। 
- বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলের নাম এটিএন বাংলা। 

উল্লেখ্য,
- স্যাটেলাইট এই দেশে বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয় ১৯৯৫ সালে।
- বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি টিভি চ্যানেল এটিএন বাংলা।
- এটি চালু হয় ১৯৯৭ সালের ১৫ জুলাই।
- বিশ্বব্যাপী প্রথম বাংলাভাষা সম্প্রচার ঘটলো স্যাটেলাইট চ্যানেল এটিএন বাংলার মাধ্যমে।
- ‘অবিরাম বাংলার মুখ’ স্লোগানটি নিয়ে ১৯৯৭ সালে চ্যানেলটি যাত্রা শুরু করে। 

উৎস: i) এটিএন বাংলা ওয়েবসাইট।
ii) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৩,৪৩০.
কোন ইউরোপীয় দেশ বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. ক) যুক্তরাজ্য
  2. খ) স্পেন
  3. গ) ফ্রান্স
  4. ঘ) পোল্যান্ড
ব্যাখ্যা
[বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম ইউরোপীয় দেশ পূর্ব জার্মানি কিন্তু জার্মানি অপশনে না থাকায় পরবর্তী স্বীকৃতি দানকারী দেশ হিসেবে পোল্যান্ডকে সঠিক উত্তর হিসেবে নেওয়া হয়েছে।]

- জার্মানি স্বীকৃতি দেয় -  ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২ 
- পোল্যান্ড স্বীকৃতি দেয় - ১২ জানুয়ারি, ১৯৭২ 

বাংলাদেশকে স্বীকৃতি:

- ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর প্রথম দেশ হিসেবে ভুটান এবং দ্বিতীয় দেশ হিসেবে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- বিশ্বের তৃতীয় দেশ ও প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে পূর্ব জার্মানি ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- একইদিনে চতুর্থ দেশ হিসেবে বুলগেরিয়া বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- পোল্যান্ড বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি।
- যুক্তরাজ্য বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ সালে।
- ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ সালে।
- স্পেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ১২ মে, ১৯৭২ সালে।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৪৩১.
কোন শহরে ২৬শে মার্চকে ‘বাংলাদেশ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. ক) সিউল
  2. খ) ওয়াশিংটন ডিসি
  3. গ) মেলবোর্ন
  4. ঘ) স্টকহোম
ব্যাখ্যা
- ওয়াশিংটন ডিসি সিটির মেয়র মুরিয়েল বাউজার ২৬শে মার্চ বাংলাদেশের ‘স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস’ কে ‘বাংলাদেশ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
(সূত্র: ডেইলি স্টার)
৩,৪৩২.
২০২১ সালে শিশুসাহিত্য ক্যাটাগরিতে ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার’ অর্জন করেন কে?
  1. পান্না কায়সার
  2. সাধনা আহমেদ
  3. আমিনুর রহমান সুলতান
  4. রফিকুর রশীদ
ব্যাখ্যা

- ১৯৬০ সাল থেকে ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার’ প্রদান করা হচ্ছে।
- বাংলাদেশ সরকারের ‘সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ এ পুরস্কার ঘোষণা করে।
- বাংলা সাহিত্যের ১০টি শাখায় এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

- ২০২১ সালের ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার’ প্রাপ্ত লেখকরা হলেন -
- শিশুসাহিত্য : রফিকুর রশীদ
- নাটক : সাধনা আহমেদ
- ফোকলোর : আমিনুর রহমান সুলতান
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণা : পান্না কায়সার.

তথ্যসূত্র- বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।

৩,৪৩৩.
ক্রিকেট ইতিহাসে মুশফিকুর রহিম কততম ক্রিকেটার হিসেবে শততম ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছেন? 
  1. ১০ তম
  2. ১১ তম
  3. ১২ তম
  4. ১৩ তম
ব্যাখ্যা

• শততম টেস্টে অভিজাত ক্লাবে মুশফিক: 
- দেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে একশ টেস্ট খেলছেন ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম।
- আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে টসের সঙ্গে সঙ্গে ইতিহাসের পাতায় উঠে গেছে মুশফিকের নাম। 
- বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে একশ টেস্ট খেলেছেন তিনি। 
- এই ম্যাচে তিনি খেলেছেন ১০৬ রানের ইনিংস।

- শততম ম্যাচে সেঞ্চুরি করা ক্রিকেটারদের ছোট্ট তালিকায় নাম লিখিয়েছেন মুশফিক। 
- যেখানে তিনিসহ এখন আছেন মাত্র ১১ জন। 
- ক্রিকেট ইতিহাসের ১১ তম ক্রিকেটার হিসাবে শততম ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। 
- আর উপমহাদেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে মুশফিকসহ মাত্র তিনজন নিজের শততম টেস্টে করেছেন শতরান।

তথ্যসূত্র: টি স্পোর্টস। 

৩,৪৩৪.
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আত্নজীবনী মূলক গ্রন্থ কোনটি?
  1. দারিদ্র্য হীন বিশ্বের অভিমুখে
  2. ছেলেবেলা
  3. বাল্যস্মৃতি
  4. আমার বাল্যকথা
ব্যাখ্যা
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২৮ জুন, ১৯৪০ সালে চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার বাথুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- শিক্ষা জীবনের শুরুতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার গ্রামের মহাজন ফকিরের স্কুল নামে একটি বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন শুরু করেন।
- মাধ্যমিক পর্যায়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ৩৯ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৬ তম স্থান অধিকার করেন।
- ১৯৫৭ সালে মুহাম্মদ ইউনূস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগের সম্মান শ্রেণীতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকেই বিএ এবং এমএ সম্পন্ন করেন।
- স্নাতকের পর কর্মজীবনের শুরুতেই মুহাম্মদ ইউনূস ব্যুরো অব ইকোনমিক্স -এ গবেষণা সহকারী হিসাবে যোগদান করেন।
- পরবর্তীতে ১৯৬২ সালে চট্টগ্রাম কলেজের অর্থনীতির প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন।
- ১৯৬৫ সালে তিনি ফুলব্রাইট স্কলারশিপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যান এবং পূর্ণ বৃত্তি নিয়ে ভেন্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৯৬৯ সালে অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করেন।
- ১৯৬৯ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত মুহাম্মদ ইউনূস যুক্তরাষ্ট্রের মিডল টেনেসি স্টেট ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা করেন।
- পরবর্তীতে ১৯৭২ সালে দেশে ফিরে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন এবং বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৭৬ সালে মুহাম্মদ ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন।
- তাঁর আত্মজীবনী মূলক বই – দারিদ্র্য হীন বিশ্বের অভিমুখে।
- অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে তিনি শপথ গ্রহণ করেন - ০৮ আগস্ট ২০২৪।

উল্লেখ্য,
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আত্মজীবনী মূলক বই -ছেলেবেলা।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় আত্মজীবনী মূলক বই - বাল্যস্মৃতি।
- সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর আত্মজীবনী মূলক বই -  আমার বাল্যকথা।

উৎস: ইউনুস সেন্টার ঢাকা এবং বাংলাপিডিয়া।
৩,৪৩৫.
সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে কোন দ্বীপের সাথে বৈদ্যুতিক সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে?
  1. সন্দ্বীপ
  2. হাতিয়া
  3. ভাসানচর
  4. মনপুরা
ব্যাখ্যা
- সাগর তলদেশে সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনের মাধ্যমে সাগর দ্বীপ সন্দ্বীপকে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের আওতায় আনা হয়েছে।
- ২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর সাবমেরিন ক্যাবলের সাহায্যে সন্দ্বীপে জাতীয় গ্রিড থেকে প্রথম বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়।
- চট্টগ্রাম বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থেকে সন্দ্বীপ পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সাগর তলদেশে এই সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন করা হয়েছে।
- এতে সন্দ্বীপের চার লাখ অধিবাসী গ্রিড বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এলো।
- সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনের ফলে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
- উপকূল থেকে ১৫ কিলোমিটারের ৩৩ কেভির দুইটি ক্যাবল স্থাপনের মাধ্যমে গ্রিড সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে।
- এছাড়া সন্দ্বীপে  ১৬ ও সীতাকুণ্ডে ১০ কিলোমিটার ওভার হেড লাইন (মাটির ওপর) স্থাপন করা হয়েছে।
- প্রাথমিকভাবে একটি ক্যাবলের মাধ্যমে ১০ মেগাওয়াটের মতো বিদ্যুৎ সঞ্চালনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।
৩,৪৩৬.
সম্প্রতি বাংলাদেশের কোন অনুষ্ঠানটি জাতিসংঘের ইউনেস্কো সংস্কৃতির ঐত্যিহের তালিকায় স্থান পেয়েছেন?
  1. ক) একুশের প্রভাত ফেরী
  2. খ) মঙ্গল শোভাযাত্রা
  3. গ) রথ যাত্রা
  4. ঘ) একুশের বই মেলা
ব্যাখ্যা
মঙ্গল শোভাযাত্রা একটি তুলনামূলক নতুন বর্ষবরণ উৎসব। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ প্রতিবছর ১লা বৈশাখে ঢাবি ক্যাম্পাসে এর আয়োজন করে থাকে। এটি ১৯৮৯ সালে প্রথম আয়োজন করা হয়। ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর ইউনেস্কো একে অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান দেয়।
উৎসঃ সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, বিবিসি, ডয়েচ ভেলে ও প্রথম আলো
৩,৪৩৭.
বাংলাদেশের একমাত্র ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি কোথায় অবস্থিত?
  1. মিরপুর
  2. গাজীপুর
  3. সাভার
  4. মতিঝিল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান:
- বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) দেশের একমাত্র ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেখানে খেলাধুলার সাথে সাধারণ শিক্ষার সমন্বিত কার্যক্রম রয়েছে।
ক্রীড়াকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপদান এবং আধুনিক ও যথোপযোগী প্রশিক্ষণ দানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৪ সালে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীনে প্রকল্প আকারে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব স্পোর্টস (বিআইএস) প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করে।
- ১৯৮৬ সাল থেকে এ প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয়।
- সাভারের জিরানীতে ১১৯ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।

সূত্র: বিকেএসপি ওয়েব সাইট।
৩,৪৩৮.
বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নাটোর
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. রাজশাহী
  4. বগুড়া
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড:
- বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড রাজশাহী জেলায় অবস্থিত।

 উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড ১৯৭৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ রেশম বোর্ড নামে যাত্রা শুরু করে।
- ২০১৩ সালে রেশম বোর্ড, রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট এবং সিল্ক ফাউন্ডেশন কে একীভূত করে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড গঠন করা হয়।

সূত্রঃ বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড ওয়েবসাইট।
৩,৪৩৯.
বাংলাদেশের চতুর্থ জিআই সনদ লাভকারী পণ্য কোনটি?
  1. রাজশাহীর সিল্ক
  2. ঢাকাই মসলিন
  3. হিমসাগর আম
  4. শীতল পাটি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বর্তমান পর্যন্ত মোট চারটি পণ্য জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) সনদ লাভ করেছে।
এগুলো হলো:
- প্রথম : জামদানি : ২০১৬ সালে
- দ্বিতীয় : ইলিশ : ২০১৭ সালে
- তৃতীয় : হিমসাগর আম : ২০১৯ সালে
- চতুর্থ : ঢাকাই মসলিন : ২০২০।
- এছাড়া দেশের পঞ্চম পণ্য হিসেবে জিআই সনদ লাভ করতে যাচ্ছে রাজশাহীর সিল্ক।
(সূত্রঃ প্যাটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর এবং দৈনিক প্রথম আলো)
৩,৪৪০.
সুন্দরবনকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ ঘোষণা করেছে কোন সংস্থা?
  1. UNDP
  2. UNICEF
  3. UNESCO
  4. UNO
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন।
- এটি ২৬০টি পাখির প্রজাতি, বেঙ্গল টাইগার, কুমির এবং অন্যান্য বিপন্ন প্রজাতি সহ বিস্তৃত প্রাণীজগতের জন্য পরিচিত।
- বাংলায় সুন্দরবন - এর আক্ষরিক অর্থ সুন্দর জঙ্গল বা সুন্দর বনভূমি।
- সুন্দরী গাছ থেকে সুন্দরবনের নামকরণ হয়ে থাকতে পারে, যা সেখানে প্রচুর জন্মায়।
- সুন্দরবন হলো বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত একটি প্রশস্ত বনভূমি যা বিশ্বের প্রাকৃতিক বিস্ময়াবলীর অন্যতম।
- সমগ্র সুন্দরবনের প্রায় ৬,০১৭ বর্গকিলোমিটার বাংলাদেশে স্থিত।
- ১৯৯৬ সালে সুন্দরবনে তিনটি অভয়ারণ্য ও ২০১২ সালে তিনটি ডলফিন অভয়ারণ্য প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। 
- ২০১৪ সালে সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড কে মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- সুন্দরবন UNESCO ঘোষিত ৭৯৮ তম (১৯৯৭ সালে) বিশ্ব ঐতিহ্য।
- ১৯৯২ সালে সুন্দরবন ৫৬০তম রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

উৎস:i) UNESCO World Heritage Centre website
ii) খুলনা জেলার সরকারি ওয়েবসাইট
৩,৪৪১.
নারী ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান কে?
  1. ফারজানা হক
  2. নিগার সুলতানা
  3. সালমা খাতুন
  4. শামীমা সুলতানা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল:
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) দ্বারা পরিচালিত একটি আন্তর্জাতিক নারী ক্রিকেট দল।
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ ২০১১ সালে।
- এশিয়া কাপের শিরোপা জয় লাভ করে ২০১৮ সালে।
- টেস্ট মর্যাদা পায় ২০২১ সালে ।
- একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম নারী সেঞ্চুরিয়ান ফারজানা হক পিংকি।

অন্যদিকে,
- প্রথম শ্রেণির নারী ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান হওয়ার কীর্তি গড়েছেন নিগার সুলতানা।

উৎস: i) বিসিবি।
ii) Cricinfo ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
৩,৪৪২.
বিশ্ব শান্তি সূচক-২০২১ রিপোর্ট অনুসারে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. দ্বিতীয়
  2. তৃতীয়
  3. চতুর্থ
  4. পঞ্চম
ব্যাখ্যা

- অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক ইনস্টিটিউট অব ইকোনমিকস এন্ড পিস প্রকাশিত বিশ্ব শান্তি সূচক-২০২১ রিপোর্টে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয় (বিশ্বে-৯১তম)।
- বাংলাদেশের উপরে রয়েছে ‍ভুটান (বিশ্বে-২২তম) এবং নেপাল (বিশ্বে-৮৫তম)।
- দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বনিম্ন দেশ আফগানিস্তান (বিশ্বে-১৬৩তম)।
- বিশ্ব শান্তি সূচকে মোট ১৬৩টি দেশের মধ্যে শীর্ষদেশ আইসল্যান্ড এবং সর্বনিম্ন দেশ আফগানিস্তান।
(তথ্যসূত্র: বিশ্ব শান্তি সূচক-২০২১ রিপোর্ট)

৩,৪৪৩.
বাংলাদেশের দাবার ইতিহাসে প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার হিসেবে পরিচিত লাভ করেন কে?
  1. জিয়াউর রহমান
  2. রিফাত বিন সাত্তার
  3. নিয়াজ মোরশেদ
  4. আবদুল্লাহ আল রাকিব
ব্যাখ্যা
দাবায় বাংলাদেশের গ্র্যান্ড মাস্টার:
- বাংলাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদ।
- ১৯৮৭ সালে ২১ বছর বয়সে উপমহাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব অর্জন করেন নিয়াজ মোরশেদ।
- তিনি ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ও এশিয়ার পঞ্চম গ্র্যান্ড মাস্টার।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ থেকে পাঁচজন দাবাড়ু গ্র্যান্ড মাস্টার সম্মাননা অর্জন করেছেন।
- ২০০২ সালে গ্র্যান্ডমাস্টার হয়েছেন জিয়াউর রহমান।
- ২০০৬ সালে রিফাত বিন সাত্তার।
- ২০০৭ সালে আবদুল্লাহ আল রাকিব।
- সর্বশেষ ২০০৮ সালে এনামুল হোসেন রাজীব।
- তবে তারও আগে ১৯৮৫ সালে রানী হামিদ আন্তর্জাতিক মহিলা মাস্টার খেতাব পান।

এছাড়াও,
- গ্র্যান্ড মাস্টার দাবার সর্বোচ্চ খেতাব।
- এটি দাবার আন্তর্জাতিক সংগঠন ‘ফিদে’র তরফ থেকে দেওয়া হয়।
- একজন দাবারুকে ফিদে মাস্টার খেতাব পেতে হলে কমপক্ষে ২৩০০ রেটিং থাকতে হয়।
- ১৯৮৪ সাল থেকে দাবা অলিম্পিয়াডে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ দাবা দল।

উৎস: কালের কন্ঠ ও  প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট ।

৩,৪৪৪.
How many domes are there in the Shat Gambuj Mosque?
  1. 60
  2. 61
  3. 78
  4. 80
  5. 81
ব্যাখ্যা
ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- ১৫শ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করা হয়।
- সুলতান নসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের (১৪৩৫-৫৯) আমলে খান আল-আজম উলুগ খানজাহান সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে খলিফাবাদ রাজ্য গড়ে তোলেন।
- খানজাহান বৈঠক করার জন্য একটি দরবার হল গড়ে তোলেন, যা পরে ষাট গম্বুজ মসজিদ হয়।
- তুঘলকি ও জৌনপুরী নির্মাণশৈলী এতে সুস্পষ্ট।
- ষাটগম্বুজ মসজিদটিতে ৮১ টি গম্বুজ রয়েছে । 
- মসজিদের নাম ষাট গম্বুজ হলেও এর গম্বুজের সংখ্যা আসলে ৭৭টি।
- মিনারের ৪টি গম্বুজ যুক্ত করলে এর মোট গম্বুজের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮১টিতে।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই।
- এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটির মধ্যে অবস্থিত।
- বাগেরহাট শহরটিকেই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়া হয়েছে।
- ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।
- ২০ টাকার নোটে ষাট গম্বুজ মসজিদের ছবি দেয়া আছে।

উল্লেখ্য,
- ইউনেস্কো ঘোষিত বাংলাদেশে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান ৩টি ।
- এগুলো হলো নওগাঁর পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার, বাগেরহাটের মসজিদ শহর এবং সুন্দরবন।

উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।
         ii) ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, প্রথম আলো।
৩,৪৪৫.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য “স্বোপার্জিত স্বাধীনতা” - এর ভাস্কর কে?
  1. ক) হামিদুর রহমান
  2. খ) মৃণাল হক
  3. গ) শামিম শিকদার
  4. ঘ) নিতুন কুণ্ডু
ব্যাখ্যা

স্বোপার্জিত স্বাধীনতা -
ভাস্কর্যটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টি.এস.সি রোডে অবস্থিত।
 ভাস্কর - চারুকলার শিক্ষক অধ্যাপিকা শামিম শিকদার।
ভাস্কর্য কর্মে সহায়তা করেন হিমাংশু রায় ও আনোয়ার চৌধুরী।
১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দের ২৫ মার্চ তারিখে, অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক এ ভাস্কর্যটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ২৫ মার্চের রাত প্রায় ১২টার পর থেকে নিরস্ত্র বাঙালির উপর পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞ পরিচালিত করে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী সময় সাধারণ মানুষ এবং বাঙালি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। রক্তক্ষয়ী এই স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মরণে এই ভাস্কর্যটি স্থাপিত হয়েছে।

৩,৪৪৬.
বাংলাদেশের জাতীয় বন কোনটি?
  1. ক) ম্যানগ্রোভ বন
  2. খ) মধুপুর বন
  3. গ) সুন্দরবন
  4. ঘ) শালবন
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের জাতীয় বন = সুন্দরবন

• বাংলাদেশের জাতীয় বিষয় সমূহ:
জাতীয় ভাষা: বাংলা
জাতীয় বৃক্ষ: আম গাছ
জাতীয় সঙ্গীত: আমার সোনার বাংলা(প্রথম ১০ চরণ)
জাতীয় পাখি: দোয়েল জাতীয় ফুল: শাপলা
জাতীয় পশু: রয়েল বেঙ্গল টাইগার
জাতীয় বন: সুন্দরবন
জাতীয় ফল: কাঁঠাল
জাতীয় মাছ: ইলিশ
জাতীয় মসজিদ: বায়তুল মোকাররম
জাতীয় জাদুঘর: জাতীয় জাদুঘর শাহবাগ, ঢাকা জাতীয় পতাকা: সবুজের মাঝে লাল বৃত্ত
জাতীয় কবি: কাজী নজরুল ইসলাম জাতীয় পার্ক: শহীদ জিয়া শিশু পার্ক
জাতীয় খেলাঃ কাবাডি
জাতীয় স্মৃতিসৌধ: সম্মিলিত প্রয়াস
জাতীয় দিবস বা স্বাধীনতা দিবস: ২৬ শে মার্চ
জাতীয় প্রতীক: উভয় পাশে ধানের শীষ বেষ্টিত পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল
শাপলা। তার মাথায় পাট গাছের পরস্পর সংযুক্ত তিনটি পাতা এবং উভয়
পাশে দুটি করে তারকা।
তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন
৩,৪৪৭.
“A Missing Can of Film” চলচ্চিত্রের পরিচালক কে? 
  1. নাঈম মোহাইমেন
  2. তন্ময় রায়
  3. সাইফুল ইসলাম
  4. রাজীব কর
ব্যাখ্যা

• A Missing Can of Film: 
- “A Missing Can of Film” হলো বাংলাদেশি চলচ্চিত্র নির্মাতা নাঈম মোহাইমেন নির্মিত একটি চলচ্চিত্র। 
- এটি  জহির রায়হানের হারিয়ে যাওয়া ও অসমাপ্ত কাজ এবং তার সিনেমাটিক উত্তরাধিকারকে অনুসন্ধান করে নির্মিত হয়েছে। 
- ছবিটি আর্কাইভাল ফুটেজ ও নতুন দৃশ্য একত্রিত করে ইতিহাস, ব্যক্তিগত স্মৃতি এবং রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের সংযোগ তুলে ধরে।
- এর মধ্যে ‘জীবন থেকে নেয়া’ ও ‘স্টপ জেনোসাইড’ চলচ্চিত্রের বাইরে জহির রায়হানের কর্মজীবনের কিছু দৃশ্যও প্রদর্শন করা হয়।

উল্লেখ্য, 
- জহির রায়হানের জীবনকাল (১৯ আগস্ট ১৯৩৫-৩০ জানুয়ারি ১৯৭২) মাত্র ৩৬ বছরের।
- এই স্বল্পায়ু জীবনেই তিনি সৃষ্টি করে গেছেন কালজয়ী কথাসাহিত্য ও চলচ্চিত্র।
- তাঁর প্রামাণ্যচিত্র স্টপ জেনোসাইড মুক্তিযুদ্ধের এক অবিস্মরণীয় দলিল।
- বড় ভাই শহীদুল্লা কায়সারের সন্ধানে ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি ঢাকার মিরপুরে গিয়ে নিষ্ঠুর পরিণতির শিকার হন জহির রায়হান। তাঁর আর খোঁজ মেলেনি।

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার ও প্রথম আলো। (Link) (Link2)

৩,৪৪৮.
একুশে পদক-২০২০ পেয়েছেন ____ ব্যক্তি।
  1. ক) ২১
  2. খ) ২০
  3. গ) ১৯
  4. ঘ) ১৮
ব্যাখ্যা
একুশে পদক পেয়েছেন দেশের ২০ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠান। একুশে পদক-২০২০ পেলেন যারা : ভাষা আন্দোলনে মরহুম আমিনুল ইসলাম বাদশা (মরণোত্তর); শিল্পকলায় (সংগীত) বেগম ডালিয়া নওশিন, শঙ্কর রায় ও মিতা হক; শিল্পকলায় (নৃত্য) মো. গোলাম মোস্তফা খান; শিল্পকলায় (অভিনয়) এম এম মহসীন; শিল্পকলায় (চারুকলা) অধ্যাপক শিল্পী ড. ফরিদা জামান; মুক্তিযুদ্ধে মরহুম হাজি আক্তার সরদার (মরণোত্তর), মরহুম আব্দুল জব্বার (মরণোত্তর), মরহুম ডা. আ আ ম মেসবাহুল হক (বাচ্চু ডাক্তার) (মরণোত্তর); সাংবাদিকতায় জাফর ওয়াজেদ (আলী ওয়াজেদ জাফর); গবেষণায় ড. জাহাঙ্গীর আলম, হাফেজ কারী আল্লামা সৈয়দ মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান নিজামী শাহ; শিক্ষায় অধ্যাপক ড. বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়া; অর্থনীতিতে অধ্যাপক ড. শামসুল আলম; সমাজসেবায় সুফি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান; ভাষা ও সাহিত্যে ড. নুরুন নবী, মরহুম সিকদার আমিনুল হক (মরণোত্তর) ও বেগম নাজমুন নেসা পিয়ারি; চিকিৎসায় অধ্যাপক ডা. সায়েবা আখতার এবং গবেষণায় বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট।
৩,৪৪৯.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম উপসাগরীয় দেশ কোনটি?
  1. কাতার
  2. ওমান
  3. কুয়েত
  4. ইরান
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম উপসাগরীয় দেশ হলো কুয়েত।
- সময়: ৪ নভেম্বর, ১৯৭৩।

• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরব দেশ:

- আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় ইরাক। 
- ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- লেবানন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ২৮ মার্চ, ১৯৭৩ সালে।
- ইরান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে।

উৎস: পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]

৩,৪৫০.
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫৯ সালের
  2. ১৯৬০ সালের
  3. ১৯৫৭ সালের
  4. ১৯৬১ সালে
ব্যাখ্যা
• বার্ডের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) ১৯৫৯ সালের ২৭ মে পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- বর্তমান বার্ড স্থানীয় সরকার, পল্লী ‍উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ড. আখতার হামিদ খান।
- প্রাথমিক পর্যায়ে ষাটের দশকে গ্রামাঞ্চলে বিরাজিত সমস্যাগুলোকে চিহ্নিত করা হয়।
- ২১ সদস্য বিশিষ্ট একটি পরিচালনা পর্ষদের মাধ্যমে বার্ড পরিচালিত হয় যার সভাপতি হলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী ‍উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী।
- মহাপরিচালক একাডেমির প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন যাকে একজন অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও নয় জন পরিচালক সহায়তা প্রদান করে থাকে।

উৎস: বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড), কুমিল্লা।
৩,৪৫১.
পদ্মা ব্রিজের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) ৬.৬ কি.মি.
  2. খ) ৬.১৫ কি.মি.
  3. গ) ৬.৪ কি.মি.
  4. ঘ) ৬.৫ কি.মি.
ব্যাখ্যা

পদ্মা সেতু:

- পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার
- পদ্মা সেতু প্রকল্পতে চীনের একটি কোম্পানী কাজ করে।
- মূল সেতুর কাজ করেছে চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড।
- পদ্মা সেতু বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু। সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- মাওয়া প্রান্তের দৈর্ঘ্য ১ দশমিক ৬১৭ কিলোমিটার
- জাজিরা প্রান্তের দৈর্ঘ্য ১০ দশমিক ৫০ কিলোমিটার

তথ্যসূত্র - দ্যা ডেইলী স্টার,২৫ জুন ২০২২।
৩,৪৫২.
Who is the first test captain of Bangladesh National Cricket Team?
  1. ক) Habibul Bashar
  2. খ) Akram Khan
  3. গ) Naimur Rahaman Durjay
  4. ঘ) Arninul Islam Bulbul
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের টেস্টে প্রথম:

- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- প্রথম টেস্ট উইকেট শিকার করেছেন নাইমুর রহমান।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম হাফ সেঞ্চুরি করেন হাবিবুল বাশার।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। 
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ৫ উইকেট শিকার করেন নাইমুর রহমান।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ১০০ উইকেট মোহাম্মদ রফিকের।
- টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।
- টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে একমাত্র ১০ উইকেট’ শিকার করেন এনামুল হক জুনিয়র।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
৩,৪৫৩.
Inclusive Development Index (IDI)-এর ভিত্তিতে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের স্থান কত?
  1. ক) প্রথম স্থান
  2. খ) দ্বিতীয় স্থান
  3. গ) তৃতীয় স্থান
  4. ঘ) চতুর্থ স্থান।
ব্যাখ্যা
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম (World Economic Forum) কর্তৃক প্রকাশিত Inclusive Delopment Index (IDI) সূচকের উদীয়মান অর্থনীতি বিভাগে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৩৪তম। দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। প্রথম স্থানে রয়েছে নেপাল। পাকিস্তান তৃতীয় ও ভারত চতুর্থ।
৩,৪৫৪.
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘের কোথায় বাংলা ভাষায় বক্তৃতা প্রদান করেন?
  1. স্বস্তি পরিষদে
  2. সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে
  3. ইকোসোকে (ECOSOC)
  4. ইউনেসকোতে (UNESCO)
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ও জাতিসংঘ:
- ১৯৭২ সালের ১৭ অক্টোবর জাতিসংঘে পর্যবেক্ষকের মর্যাদা লাভ করে।
- বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সাল।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন।

এছাড়াও,
- বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনে বাংলা ভাষায় বক্তৃতা প্রদান করেন।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৩,৪৫৫.
সম্প্রতি বাংলাদেশের কোন শিল্পটি ইউনেস্কোর 'বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য' এর তালিকায় স্থান পেয়েছে? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. জামদানি বুননশিল্প 
  2. শীতলপাটি বুননশিল্প
  3. ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র'
  4. টাঙ্গাইল শাড়ি বুননের ঐতিহ্যবাহী শিল্প
ব্যাখ্যা

• ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য:
- ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ আর সৃষ্টিশীলতাকে লালন করার প্রত্যয়ে ইউনেস্কো ঘোষিত সংস্কৃতি বিষয়ক বিভিন্ন কনভেনশনের আলোকে বিএনসিইউ’র সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়।
- বর্তমানে দেশে ৬টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে।
- এগুলো হলো: বাউলগান (২০০৮), জামদানি বুননশিল্প (২০১৩), মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬) ও শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭), ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩) ও টাঙ্গাইল শাড়ি বুননের ঐতিহ্যবাহী শিল্প (২০২৫) ।

উল্লেখ্য,
- সর্বশেষ ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেয়েছে টাঙ্গাইল শাড়ি বয়ন শিল্প।
- ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে ভারতের নয়াদিল্লির লালকেল্লায় এক অধিবেশনে ইউনেসকোর রিপ্রেজেন্টেটিভ লিস্ট অব ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটিতে (আইসিএইচ) আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
- দীর্ঘদিন ধরে বাঙালির নন্দনচর্চা, ঐতিহ্য ও সামাজিক বুননে বিশেষ স্থান দখল করে থাকা টাঙ্গাইলের শাড়ি তার সূক্ষ্ম, দীপ্তিময় নকশা ও অপূর্ব কারুকাজের জন্য বিশ্বে পরিচিত। 

উৎস: i) বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।
ii) প্রথম আলো।

৩,৪৫৬.
বাংলাদেশের কোথায় পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে বাংলাদেশ- রাশিয়া চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. হিলি, দিনাজপুর
  2. রূপপুর, পাবনা
  3. বায়িখান, বিক্রমপুর
  4. বাঘা, ভোলা
ব্যাখ্যা
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পাবনা জেলায় অবস্থিত। 
- আমাদের দেশে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয় ১৯৬১ সালে।
- সেই লক্ষ্যে পাবনা জেলার রূপপুরে প্রকল্প এলাকার জন্য প্রায় ২৬০ একর এবং আবাসিক এলাকার জন্য ৩২ একর জমি অধিগ্রহণ করে ভূমি উন্নয়ন, অফিস, রেষ্ট হাউজ এবং বৈদ্যুতিক সাব-ষ্টেশন নির্মাণসহ ৭২টি আবাসিক ইউনিটের নির্মাণ কাজও আংশিকভাবে সম্পন্ন করা হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও রাশিয়ান ফেডারেশনের মধ্যে ১৩ মে ২০০৯ তারিখে একটি ‘পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার’ বিষয়ক একটি ‘সমঝোতা স্বাক্ষর’, ২১ মে ২০১০  তারিখে ‘Framework Agreement’ স্বাক্ষর  এবং ০২ নভেম্বর ২০১১ তারিখে  রূপপুরে প্রতিটি আনুমানিক ১০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা সম্পন্ন দু’ ইউনিট বিশিষ্ট পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন সংক্রান্ত সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়।
- ২০১৩ সালের ১৫ জানুয়ারি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রস্তুতিমূলক পর্যায়ের নির্মাণ কার্যাদি সম্পাদনের জন্য ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের State Export Credit সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ৩০ নভেম্বর ২০১৭ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নং ইউনিটের প্রথম কংক্রিট ঢালাই মাননীয় প্রধান মন্ত্রী উদ্বোধন করেন।

উল্লেখ্য,
- ৫ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরেনিয়ামের প্রথম চালান হস্তান্তর করা হয়।
- এর মধ্য দিয়ে বিশ্বের ৩৩তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে যুক্ত হলো বাংলাদেশ।

উৎস: i) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
         ii) ৫ অক্টোবর, ২০২৩, প্রথম আলো।
৩,৪৫৭.
'মইটানা' ও 'নবান্ন' - চিত্রকর্মের শিল্পী কে?
  1. ক) এস এম সুলতান
  2. খ) শাহাবুদ্দিন আহমেদ
  3. গ) কামরুল হাসান
  4. ঘ) জয়নুল আবেদিন
ব্যাখ্যা

- বাংলার ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের উপর ম্যাডোনা-৪৩ ছবি এঁকে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন বিখ্যাত হন।
• তাঁর আঁকা আরো কিছু বিখ্যাত চিত্রকর্মঃ
- মনপুরা ৭০,
- সংগ্রাম,
- পাইন্যার মা,
- গায়ের বধূ,
- নবান্ন,
- মইটানা ইত্যাদি।

সূত্র:- বাংলাপিডিয়া।

৩,৪৫৮.
ঢাকার বিখ্যাত ‘তারা মসজিদ’ তৈরি করেন -
  1. মির্জা আহমদ খান
  2. মির্জা গোলাপ পীর
  3. মির্জা গোলাম পীর
  4. মির্জা মুহাম্মদ জান
ব্যাখ্যা
তারা মসজিদ:
- তারা মসজিদ পুরানো ঢাকার আরমানিটোলায় আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত।
- সাদা মার্বেলের গম্বুজের ওপর নীলরঙা তারায় খচিত এ মসজিদ নির্মিত হয় আঠারো শতকের প্রথম দিকে।
- মির্জা গোলাম পীর (মির্জা আহমদ জান) ঢাকার বিখ্যাত ‘তারা মসজিদ’ তৈরি করেন।
- ১৯২৬ সালে, ঢাকার তৎকালীন স্থানীয় ব্যবসায়ী, আলী জান বেপারী মসজিদটির সংস্কার করেন। সে সময় জাপানের রঙিন চিনি-টিকরি পদার্থ ব্যবহৃত হয় মসজিদটির মোজাইক কারুকাজে।
- মসজিদের বতর্মান দৈর্ঘ্য ৭০ ফুট (২১.৩৪ মিটার), প্রস্থ ২৬ ফুট (৭.৯৮ মিটার)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।
৩,৪৫৯.
‘শিক্ষা ও গবেষণা’ শাখায় স্বাধীনতা পদক ২০২৫ প্রাপ্ত কে?
  1. অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম
  2. স্যার ফজলে হাসান আবেদ
  3. বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর
  4. নভেরা আহমেদ
ব্যাখ্যা

• স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রাপ্তরা হলেন-
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),
- সাহিত্য: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর),
- সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),
- সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),
- শিক্ষা ও গবেষণা: বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর,
- প্রতিবাদী তারুণ্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উল্লেখ্য,
- স্বাধীনতা পদক বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার।
- ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এ পুরস্কার প্রবর্তন করে।
- স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- মেজর মোঃ জিয়াউর রহমান এ পুরস্কার প্রবর্তন করেন । 

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

৩,৪৬০.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের ডিজাইনার কে?
  1. কামরুল হাসান
  2. এ.এন.এ সাহা
  3. শিবনারায়ণ দাশ
  4. জহুরুল হক
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কামরুল হাসান।
- ১৯৭২ সালে কামরুল হাসান সবুজের মাঝে লাল বৃত্তের জাতীয় পতাকার নকশা করেন।
- এর পূর্বে ব্যবহৃত মানচিত্র খচিত পতাকাটি ১৯৭০ সালের ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান জহুরুল হক হলের ১১৬ নং কক্ষে শিবনারায়ণ দাস ও আরো কয়েকজন মিলে চূড়ান্ত করেন।
- ১৯৭১ সালের ২রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় তৎকালীন ডাকসু ভিপি আ স ম রব প্রথম উত্তোলন করেন।
- কামরুল হাসান বাংলাদেশের স্বাধীকার ও অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন (১৯৬৯-৭০) এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে,দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে’ - তিন কন্যা ,কামরুল হাসানের এসব চিত্রকর্মের মধ্য দিয়ে তাঁর রাজনৈতিক সচেতনতা, অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে নির্ভীক প্রতিবাদী মানসিকতা, গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ এবং সমাজসচেতনতাই প্রকাশিত হয়েছে।
- ১৯৭১ সালের ২৩ শে মার্চ বাংলাদেশের সর্বত্র পাকিস্তানের পতাকা’র পরিবর্তে লাল-সবুজের পতাকা উড়ানো হয়।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের ডিজাইনার এ.এন.এ সাহা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৪৬১.
হিমালয় কন্যা বলা হয় কোন জেলাকে?
  1. কুড়িগ্রাম
  2. কক্সবাজার
  3. পঞ্চগড়
  4. ভোলা
ব্যাখ্যা
পঞ্চগড়
- ঢাকা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে দেশের সর্ব উত্তরের জেলা।
- হাজার বছরের গৌরবগাথা আর প্রাচীন ইতিহাস-ঐতিহ্যের অগণিত স্মৃতিমণ্ডিত জেলা পঞ্চগড়।
- হিমালয়ের পাদদেশে জেলাটির ভৌগলিক অবস্থান হওয়ায় পঞ্চগড়কে বলা হয় হিমালয় কন্যা।
-  অবস্থানগত কারণে পঞ্চগড় একটি শীতপ্রবণ জেলা।
- অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত এখানে প্রচণ্ড কুয়াশাসহ শীত পড়ে।
- আর নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত এখানকার তাপমাত্রা ৪-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে।
- পঞ্চগড়ের দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম খালি চোখে কাঞ্চনজঙ্ঘা দর্শন, তেঁতুলিয়া জিরো পয়েন্ট, বারো আউলিয়ার মাজার, শাহী মসজিদ, সমতল ভূমির আরগনিক চায়ের বাগান, কাজী অ্যান্ড কাজী টি এস্টেট, আনন্দ ধারা, ভিতরগড় ও মহারাজের দীঘি, বোদেশ্বরী মহাপীঠ মন্দির, গোলক ধাম মন্দির, বাংলাবান্ধা জিরো (০) পয়েন্ট ও বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর, পাহাড়ি স্বচ্ছ জলের মহানন্দা নদী, পাথর সমৃদ্ধ রকস মিউজিয়াম, তেঁতুলিয়া ডাকবাংলো, চতুর্থ চীন বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু, খয়ার বাগানসহ বিস্তৃর্ণ বনাঞ্চল ময়নামতিরচর।
- পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা থেকে নেপালের দূরত্ব মাত্র ৬১ কিলোমিটার, এভারেস্ট শৃঙ্গ ৭৫ কিলোমিটার, ভুটান ৬৪ কিলোমিটার, চীন ২০০ কিলোমিটার, ভারতের দার্জিলিং ৫৮ কিলোমিটার ও শিলিগুড়ি ৮ কিলোমিটার আর কাঞ্চনজঙ্ঘার দূরত্ব মাত্র ১১ কিলোমিটার। 

সূত্র: পঞ্চগড় জেলার ওয়েবসাইট।
৩,৪৬২.
‘থ্রি-জিরো তত্ত্ব’–এর অন্তর্ভুক্ত লক্ষ্য নয় কোনটি?
  1. শূন্য কার্বন নিঃসরণ
  2. শূন্য বেকারত্ব
  3. শূন্য প্লাস্টিক
  4. শূন্য দারিদ্র্য
ব্যাখ্যা

শূন্য প্লাস্টিক ‘থ্রি-জিরো তত্ত্ব’–এর অন্তর্ভুক্ত লক্ষ্য নয়।

থ্রি-জিরো তত্ত্ব:
- নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
- ‘থ্রি-জিরো তত্ত্ব’–এর অন্তর্ভুক্ত লক্ষ্য: শূন্য কার্বন নিঃসরণ, শূন্য বেকারত্ব ও শূন্য দারিদ্র্য।
- তার লক্ষ্য: দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।
- এই লক্ষ্য অর্জনে প্রয়োজন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা।

⇒ বাংলাদেশের এই লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে শূন্যে নামিয়ে আনতে হবে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ।  
- এই তত্ত্বের ব্যাপারে নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদের ভাষ্য, ‘বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নিজেই দারিদ্র্য সৃষ্টি করে এবং এই ব্যবস্থার অধীনে দারিদ্র্য দূর করা সম্ভব নয়।
- এই লক্ষ্য অর্জনে তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসায়। তার মতে, ভালো চাকরি না খোঁজে উদ্যোক্তা তৈরিতে জোর দিতে হবে।


উল্লেখ্য,
- প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাড়াজাগানো বই ‘A World of Three Zeros’।
- বইটি ২০১৭ সালে প্রকাশিত হয়েছে।
- ‘এ ওয়ার্ল্ড অব থ্রি জিরোস’-এ তিনি পৃথিবীর তিনটি বড় চ্যালেঞ্জের সমাধানের জন্য একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছিলেন। 
- বইটিতে তার আলোচনার বিষয়বস্তু তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করে যথা— শূন্য দারিদ্র্য (Zero Poverty), শূন্য বেকারত্ব (Zero Unemployment) এবং শূন্য নিট কার্বন নির্গমন (Zero Net Carbon Emissions)। তিনি মূলত একটি উন্নত, টেকসই এবং ন্যায়সঙ্গত সমাজ গঠনের জন্য এই তিনটি শূন্যের লক্ষ্যকে বিশ্বের সামনে উপস্থাপন করেছেন।

• ‘Zero Poverty’ বা শূন্য দারিদ্র্যের আলোচনায় তিনি দেখিয়েছেন, দারিদ্র্য কোনো স্বাভাবিক বা প্রাকৃতিক অবস্থা নয়, বরং এটি একটি মানবসৃষ্ট অবস্থা, যা সম্পদের অসম বণ্টনের ফলস্বরূপ তৈরি হয়েছে। 
• তার দ্বিতীয় ধারণা Zero Unemployment বা শূন্য বেকারত্ব। যেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন— উদ্যোক্তা সৃষ্টির মাধ্যমে কর্মসংস্থান করা সম্ভব। কেননা আমাদের প্রত্যেকের মধ্যেই উদ্যোক্তা হওয়ার ক্ষমতা রয়েছে, কিন্তু সঠিক অর্থায়নের অভাবে অনেকেই তাদের সম্ভাবনা পূর্ণ করতে পারেন না। 
• তৃতীয়ত তিনি Zero net carbon emissions বা পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের দৃষ্টিভঙ্গির কথা বলেছেন। তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সবুজ প্রযুক্তির ব্যবহার এবং পরিবেশবান্ধব অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন। 

উৎস: i) Yunus Centre.
ii) Yunus Social Business।

৩,৪৬৩.
জাতিসংঘ ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট- ২০২৪ অনুযায়ী বাংলদেশের অবস্থান কততম? (জুলাই, ২০২৫)
  1. ১২৮ তম
  2. ১৩১ তম
  3. ১৩৪ তম
  4. ১৩৯ তম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট- ২০২৪:
- ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট প্রকাশ করে জাতিসংঘ।
- জাতিসংঘের উদ্যোগে সুখী দেশের তালিকা করার ক্ষেত্রে মানুষের সুখের নিজস্ব মূল্যায়ন, সেই সঙ্গে অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে শূন্য থেকে ১০ সূচকে নম্বর পরিমাপ করা হয়। পাশাপাশি প্রতিটি দেশের মানুষের ব্যক্তিগত সুস্থতার অনুভূতি, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, উদারতা, জিডিপি ও দুর্নীতির মাত্রা বিবেচনায় নেয়া হয়।
- বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৪ তম।

⇒ সবচেয়ে সুখী দেশ সমূহ:
• ১ম অবস্থানে আছে - ফিনল্যান্ড।
• ২য় অবস্থানে আছে - ডেনমার্ক।
• ৩য় অবস্থানে আছে - আইসল্যান্ড।
• ৪র্থ অবস্থানে আছে - সুইডেন।
• ৫ম অবস্থানে আছে - নেদারল্যান্ডস।
• ৬ষ্ঠ অবস্থানে আছে - কোস্টারিকা।
• ৭ম অবস্থানে আছে - নরওয়ে।
• ৮ম অবস্থানে আছে - ইসরায়েল।
• ৯ম অবস্থানে আছে - লুক্সেমবার্গ।
• ১০ম অবস্থানে আছে - মেক্সিকো।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৩,৪৬৪.
বাংলাদেশে প্রথম ইন্টারনেট চালু হয় কোন সালে?
  1. ১৯৯০
  2. ১৯৯৪
  3. ১৯৯৬
  4. ২০০০
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে ১৯৯৬ সালের ৪ জুন তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ইন্টারনেট সেবা চালু হয়।
- এই দিনটিকেই বাংলাদেশের ইন্টারনেট যুগের সূচনা দিবস বলা হয়।
- শুরুতে ইন্টারনেট সংযোগ ছিল ডায়াল-আপ (Dial-up) পদ্ধতির, যা ফোন লাইন ব্যবহার করে কম গতির সংযোগ দিত।

- শুরুতে ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া হতো ডায়াল-আপ মডেম এর মাধ্যমে, যার গতি ছিল প্রায় ২৮.৮ - ৩৩.৬ kbps।
- সংযোগ পেতে ফোন লাইন ব্যবহার করা হতো এবং এক সময়ে একটি কম্পিউটারই যুক্ত থাকতে পারত।

- ১৯৯৬ সালে তৎকালীন বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন বোর্ড (BTTB) প্রথমবারের মতো ইন্টারনেট গেটওয়ে সংযোগের লাইসেন্স প্রদান করে।
- এর আগে শুধুমাত্র কিছু বিশ্ববিদ্যালয় (যেমন BUET, Dhaka University) পরীক্ষামূলকভাবে ই-মেইল সেবা ব্যবহার করত।

- ২০০০ সালের পর ইন্টারনেট সেবা দ্রুত বৃদ্ধি পেতে শুরু করে।
- ২০০৮ সালে মোবাইল ইন্টারনেট (GPRS/EDGE) চালুর মাধ্যমে ইন্টারনেট আরও সহজলভ্য হয়।
- ২০১৩ সালে 3G এবং ২০১৮ সালে 4G চালুর ফলে ব্যবহার আরও বেড়ে যায়।
- বর্তমানে (২০২৫ সালে) বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১৩ কোটির বেশি।

উৎস: Bangladesh Computer Samity.

৩,৪৬৫.
আইএসপিআর (ISPR) কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে?
  1. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  2. তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়
  3. প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
  4. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়  
ব্যাখ্যা

আইএসপিআর (ISPR):
- আইএসপিআর (ISPR) এর পূর্ণরূপ হলো- আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (Inter-Services Public Relations)।
- এটি বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর মিডিয়া ও জনসংযোগ শাখা।
- এই শাখাটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে।
- আইএসপিআর সশস্ত্র বাহিনীর সকল সংবাদ ও তথ্য প্রচার ও পরিচালনা করে।
- স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
-এর মূল লক্ষ্য ছিল- সশস্ত্র বাহিনী ও অন্যান্য আন্তঃবাহিনী সংস্থার প্রচার ও জনসংযোগ কার্যক্রম সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করা।

উৎস: আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর ওয়েবসাইট। 

৩,৪৬৬.
দ্য স্পিরিট অব ইসলাম গ্রন্থটির লেখক কে?
  1. অধ্যাপক ড. গোলাম মুরশিদ
  2. ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
  3. মইদুল ইসলাম
  4. সৈয়দ আমীর আলী
ব্যাখ্যা
• সৈয়দ আমীর আলী:
- ভারতীয় মুসলমানদের স্বার্থ সংরক্ষণে উদ্যোগী এবং ইসলামের ইতিহাস ও সমাজ বিষয়ক লেখক।
- তিনি ১৮৪৯ সালের ৬ এপ্রিল উড়িষ্যার কটকে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর রচিত গ্রন্থ - দ্য স্পিরিট অব ইসলাম।
- তাঁর রচিত প্রবন্ধগুলির মধ্যে ‘এ ক্রাই ফ্রম দি ইন্ডিয়ান মোহামেডানস’ ও ‘দি রিয়েল স্ট্যাটাস অব উইমেন ইন ইসলাম’ (১৮৯১) উল্লেখযোগ্য।

• অধ্যাপক ড. গোলাম মুরশিদ রচিত গ্রন্থ ‘হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতি’।
• মূলধারা একাত্তর গ্রন্থের রচয়িতা - মইদুল ইসলাম।
• ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ রচয়িতা গ্রন্থ -
- বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত,
- দীওয়ানে হাফিজ,
- রুবাইয়াত-ই-ওমর খৈয়াম,
- বিদ্যাপতি শতক, 

উৎস : বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা একাডেমি।
৩,৪৬৭.
ব্রাহ্মসমাজের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. রাজা রামমোহন রায়
  4. মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী
ব্যাখ্যা
রাজা রামমোহন রায়:
- বাংলার নবজাগরণের অগ্রদূত রাজা রামমোহন রায় ১৮২৮ সালের ২০ আগস্ট ব্রাহ্মসমাজ বা ব্রাহ্মসভা প্রতিষ্ঠা করেন।
- ব্রাহ্মসমাজ হলো ঈশ্বরের সমাজ। ব্রাহ্মসমাজের সভ্যরা একে সর্বজনীন ধর্ম হিসেবে বিবেচনা করলেও এটি হিন্দু ধর্মের একটি শাখায় পরিণত হয়।
- দ্বারকানাথ ঠাকুর ও দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রমুখ ব্রাহ্মসমাজের অনুসারী ছিলেন।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি: পৃষ্ঠা-১১৭।
৩,৪৬৮.
নিম্নের কোন ব্যক্তি ইলিশ মাছের জিনোম আবিষ্কারের সাথে যুক্ত ছিলেন?
  1. ড. মাকসুদুল আলম
  2. ইসমাইল হোসেন খান
  3. শামসুল আলম
  4. ড. সৈয়দ আব্দুল খালেক
ব্যাখ্যা
ইলিশ মাছের জিনোম:
- জিনোম হচ্ছে কোনো জীবের পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান। জীবের অঙ্গসংস্থান, জন্ম, বৃদ্ধি, প্রজনন এবং পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাওয়াসহ সব জৈবিক কার্যক্রম পরিচালিত হয় এর জিনোমে সংরক্ষিত নির্দেশনা থেকে। পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকোয়েন্সিং হচ্ছে কোনো জীবের জিনোমে সব নিউক্লিওটাইডসমূহ (জৈবঅনু) কীভাবে বিন্যস্ত রয়েছে তা নিরূপণ করা। একটি জীবের জিনোমে সর্বমোট জিনের সংখ্যা, বৈশিষ্ট্য এবং তাদের কাজ পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকোয়েন্স থেকেই জানা যায়।
- ইলিশ মাছের জীবনরহস্য উন্মোচন (জিনোম সিকোয়েন্স) করেছে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের দুটি দল। তবে তারা পৃথকভাবে গবেষণা করে এই সাফল্য পেয়েছে। এই সফলতা ইলিশ মাছের সংরক্ষণ ও উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। একই সঙ্গে তা ইলিশ মাছের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জানতেও সহায়ক হবে।

উল্লেখ্য,
- ইলিশ মাছের পূর্ণাঙ্গ জীবনরহস্য উন্মোচনের কৃতিত্ব অর্জন করেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা।
- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শামসুল আলমের নেতৃত্বে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের চার গবেষক ইলিশ মাছের পূর্ণাঙ্গ জীবনরহস্য উন্মোচন করেন।
- ২০১৫ সাল থেকে এই জিনোম সংক্রান্ত গবেষণা শুরু করেন তারা।
- এই সফলতা ইলিশ মাছের সংরক্ষণ, উৎপাদন ও গুণগত মান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
- ইলিশ জিনোম সিকোয়েন্সিং অ্যান্ড অ্যাসেম্বলি নামের এই গবেষণা দলটির সমন্বয়ক হিসেবে আছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিসারিজ বায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ. সামছুল আলম।

অন্যদিকে,
- ১৯৮৭ সালে ড. সৈয়দ আব্দুল খালেক স্বর্ণা সার আবিষ্কার করেন।
- পাট থেকে সবুজ চা উদ্ভাবন করেন ইসমাইল হোসেন খান।
- পাটের জিনোম আবিষ্কার করেন ড. মাকসুদুল আলম।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বিবিসি।
৩,৪৬৯.
কূটনৈতিক অবদানের জন্য ২০২০ সালে প্রবর্তিত পুরস্কারের বর্তমান নাম কী?
  1. Bangabandhu Academy of Diplomacy Award
  2. Bangabandhu Medal for Diplomatic Excellence
  3. Bangabandhu Award for Exemplary Diplomatic Service
  4. Bangabandhu Award for Foreign Diplomacy
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রবর্তিত কূটনৈতিক পুরস্কার:
- কূটনৈতিক ক্ষেত্রে অবদানের জন্য গত ২০২০ সালে প্রবর্তিত পুরস্কারের হচ্ছে - বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমেটিক অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স।
- প্রথম নাম এটা হলেও পরবর্তীতে এর নামকরণ করা হয় - বঙ্গবন্ধু মেডেল ফর ডিপ্লোম্যাটিক এক্সিলেন্স (Bangabandhu Medal for Diplomatic Excellence)
- কূটনৈতিক ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরস্কারটি প্রদান করে।
- মুজিববর্ষ উপলক্ষে ২০২০ সাল থেকেই পুরস্কারটি দেওয়া শুরু হয়েছে।
- প্রতি বছর একজন বাংলাদেশি কূটনীতিক এবং বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি কূটনীতিককে এ পদক দেয়া হবে।
- ২০২২ সালে এই পুরস্কার লাভ করেন - বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানি রাষ্ট্রদূত - ইতো নাওকি।

সূত্র: mujib100.com ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
৩,৪৭০.
জাতীয় শহীদ দিবসকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে জাতিসংঘের কোন অঙ্গ সংগঠন স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. ক) ইউএনডিপি
  2. খ) ইউনেস্কো
  3. গ) এফএও
  4. ঘ) আইএল
ব্যাখ্যা
১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো তার ৩০তম সাধারণ সভায় ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এতে করে ২০০০ সালে প্রথমবারের মতো ২১শে ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
(সূত্রঃ ইউনেস্কো ওয়েবসাইট)
৩,৪৭১.
বাংলাদেশ ওআইসির কততম শীর্ষ সম্মেলনে সদস্য পদ লাভ করে?
  1. তৃতীয়
  2. চতুর্থ
  3. দ্বিতীয়
  4. পঞ্চম
ব্যাখ্যা

- ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (OIC, Organization of Islamic Co-operation) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোর রাজধানী রাবাতে।
- এর সদরদপ্তর অবস্থিত সৌদি আরবের জেদ্দায়।
- ওআইসির বর্তমান সদস্য দেশ ৫৭ টি।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসির দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সদস্য পদ লাভ করে।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উক্ত সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।

উৎস: ওআইসি ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইট।

৩,৪৭২.
ক্রিকেটে বাংলাদেশ টেস্ট মর্যাদা পায়-
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ১৯৯৯ সালে
  3. ২০০১ সালে
  4. ২০০০ সালে
ব্যাখ্যা

• ১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফি জয়ের পর বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে।
- এরপর ১৯৯৯ সালে প্রথম বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ । 
- বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ২০০০ সালে টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে।
- বাংলাদেশ ভারতের সাথে প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ২০০৫ সালে ।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ১০ নভেম্বর ২০০০ সালে।

উৎস: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ওয়েবসাইট & প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।

৩,৪৭৩.
ঐতিহাসিক 'পানাম নগর' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. নারায়ণগঞ্জ
  3. মুন্সীগঞ্জ
  4. গাজীপুর
ব্যাখ্যা
পানাম নগর:
- পানাম নগর নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন শহর।
- তেরো শতকের শেষপাদে সোনারগাঁয়ে হিন্দু আমলের রাজধানী শহরটি এখানেই অবস্থিত ছিল বলে ধারণা করা হয়।
- পরবর্তী সময়ে পুরনো রাজধানী শহরের দক্ষিণে যে মুসলিম রাজধানী শহর গড়ে ওঠে, তারও অংশ ছিল এ পানাম এলাকা।
- গড়ে ৫ মিটার প্রশস্ত ও ৬০০ মিটার দীর্ঘ একটিমাত্র সড়কের দুপাশ ঘিরে গড়ে উঠেছে শহরটি।
- বর্তমানে পানাম নগরের দু’ধারে ঔপনিবেশিক আমলের মোট ৫২টি স্থাপনা রয়েছে।
- পানামে এখনও মুগল আমলের তিনটি ইটনির্মিত সেতু রয়েছে। এগুলি হলো পানাম সেতু, দালালপুর পুল ও পানামনগর সেতু।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৩,৪৭৪.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য ‘বিজয় গাঁথা’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকা সেনানিবাস
  2. খ) রংপুর সেনানিবাস
  3. গ) কুমিল্লা সেনানিবাস
  4. ঘ) রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাস
ব্যাখ্যা

রংপুর সিটি কর্পোরেশনের অর্থায়নে রংপুর সেনানিবাসে মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক ভাস্কর্য ‘বিজয় গাঁথা’ নির্মাণ করা হয়।
এছাড়া ‘অনির্বাণ জেড’ কুমিল্লা সেনানিবাসে,
‘রক্তসোপান’ রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে, ও
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত।
সুত্রঃ দৈনিক পত্রিকা অনুসারে

৩,৪৭৫.
২০২৫ সালে বাংলা একাডেমির ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ পেয়েছেন কে?
  1. ভীষ্মদেব চৌধুরী
  2. লাইসা আহমদ
  3. শীলা মোমেন
  4. মহীউজজামান চৌধুরী ময়না
ব্যাখ্যা

রবীন্দ্র পুরস্কার:
- বাংলা একাডেমি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ২০১০ সাল থেকে রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তন করে।
- রবীন্দ্রসাহিত্যের গবেষণা ও সমালোচনা এবং রবীন্দ্রসংগীতের আজীবন সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- এ পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লক্ষ টাকা।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালে বাংলা একাডেমির ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ পেয়েছেন ড. অসীম দত্ত ও শিল্পী এ এম এম মহীউজজামান চৌধুরী ময়না।
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৪তম জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁদের এ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।
- রবীন্দ্রসাহিত্যের গবেষণায়  ড. অসীম দত্ত এবং রবীন্দ্রসংগীতচর্চায় শিল্পী এ এম এম মহীউজজামান চৌধুরী ময়না  ‘রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৫’—এ ভূষিত হয়েছেন।
- অসীম দত্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। অন্যদিকে মহীউজ্জামান চৌধুরী দেশবরেণ্য রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী হিসেবে বেশ সমাদৃত।


অন্যদিকে,
- ২০২৪ সালে বাংলা একাডেমির ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ পেয়েছেন অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরী ও শিল্পী লাইসা আহমদ।
- রবীন্দ্র গবেষণায় সামগ্রিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট শিল্পী শীলা মোমেনকে বাংলা একাডেমি প্রবর্তিত রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৩ দেওয়া হয়।

উৎস: i) বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৩,৪৭৬.
বাকল্যান্ড বাঁধ কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. শীতলক্ষ্যা
  2. বুড়িগঙ্গা
  3. মেঘনা
  4. তুরাগ
ব্যাখ্যা
• বাকল্যান্ড বাঁধ:
- বাকল্যান্ড বাঁধ ঢাকা শহরের দক্ষিণ দিক দিয়ে প্রবহমান বুড়িগঙ্গা নদীর উত্তর তীরে একটি শহর পরিবেষ্টনী বাঁধ।
- ১৮৬৪ সনে তৎকালীন নগর কমিশনার সি.টি বাকল্যান্ড এই বাঁধ নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করেন।
- নদীর ঘাট পর্যন্ত কার্গো ও যাত্রীবাহী স্টিমার চলাচল সুগম করার জন্য পাড়ের নিম্নভাগে পলি প্রতিরোধ করা এবং প্লাবন ও ভাঙন থেকে ঢাকা শহর রক্ষা প্রকল্পের অধীনে এই বাঁধ নির্মিত হয়।
- এ প্রকল্পের জন্য প্রথম চাঁদাদাতাদের মধ্যে ছিলেন খাজা আব্দুল গণি এবং ভাওয়াল জমিদার কালীনারায়ণ রায়।
- ঢাকার প্রায় সকল সম্পদশালী লোকের কাছ থেকে চাঁদা সংগ্রহে উল্লেখযোগ্য সাফল্য সত্ত্বেও এই বিশাল প্রকল্পের জন্য তা ছিল অপ্রতুল। বাকল্যান্ড তখন সরকারি সহযোগিতার জন্য ধর্না দেন।
- এই বাঁধ প্রায় দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৩,৪৭৭.
'Bangladesh Road' কোন শহরের একটি সড়কের নাম?
  1. Danane Town
  2. Fish Town
  3. Dalaba
  4. Free Town
ব্যাখ্যা
Bangladesh Road:
- পশ্চিম আফ্রিকার দেশ আইভরি কোস্ট।
- আইভরি কোস্টের পশ্চিমের লাইবেরিয়া ও গিনির সীমান্তবর্তী শহর Danane town। 
- শহরটির স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৭ সালে সেখানকার একটি রাস্তার নামকরণ করে 'Bangladesh Road'।

উৎস: ২৪ জুলাই, ২০০৭, দ্য ডেইলি স্টার। 
৩,৪৭৮.
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাম্প্রতিক সময়ে কোন সেক্টরে জাতিসংঘ কর্তৃক অ্যাওয়ার্ড পান?
  1. ক) SDG Progress Award
  2. খ) নারীর ক্ষমতায়ন
  3. গ) MDG Progress Award
  4. ঘ) দারিদ্র্য বিমোচন
ব্যাখ্যা

- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার’ পেয়েছেন।
- জাতিসংঘের সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সলিউশনস নেটওয়ার্ক (এসডিএসএন) পুরস্কারটি দেয়।
- দারিদ্র্য দূরীকরণ, বিশ্বের সুরক্ষা এবং সবার জন্য শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ গ্রহণের সর্বজনীন আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি ক্ষুধার বিরুদ্ধে আন্দোলনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ শেখ হাসিনাকে সম্মানজনক ‘সেরেস’ (CERES) মেডেল প্রদান করে।
- সর্বভারতীয় শান্তিসংঘ শেখ হাসিনাকে ১৯৯৮ সালে ‘মাদার টেরেসা’ পদক প্রদান করে।
- ২০১৪ সালে ইউনেস্কো তাঁকে ‘শান্তিরবৃক্ষ’ এবং ২০১৫ সালে উইমেন ইন পার্লামেন্টস গ্লোবাল ফোরাম নারীর ক্ষমতায়নের জন্য তাঁকে রিজিওনাল লিডারশীপ পুরস্কার এবং গ্লোবাল সাউথ-সাউথ ডেভলপমেন্ট এক্সপো-২০১৪ ভিশনারি পুরস্কারে ভূষিত করে।
- জাতিসংঘ পরিবেশ উন্নয়ন কর্মসূচি দেশে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিবেশ এবং টেকসই উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখার জন্য লিডারশীপ ক্যাটাগরিতে শেখ হাসিনাকে তাদের সর্বোচ্চ পুরস্কার ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ-২০১৫’ পুরস্কারে ভূষিত করেছে।
- নারী শিক্ষা ও উদ্যোক্তা তৈরিতে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ২৭ এপ্রিল ২০১৮ Global Women’s Leadership Award-এ ভূষিত হন।
- ২০২১ সালের নভেম্বরে Cop-26 সম্মেলনের সময় বিবিসি শেখ হাসিনাকে “The voice of the Vulnerable” হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- জাতিসংঘ এবং কমনওয়েলথ-এ দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠিকে কমনওয়েলথ ও এসডিজি’র ভবিষ্যত অংশীদারিত্বের মূলধারায় নিয়ে আসতে তিনি শক্তিশালী নিয়ামকের ভূমিকা পালন করে চলেছেন।

উৎস: i) প্রথম আলো, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১।
ii) মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, pmo.gov.bd.

৩,৪৭৯.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় কোন বাঙালি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন?
  1. নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
  2. স্যার সৈয়দ আহমদ খান
  3. নওয়াব আবদুল লতিফ
  4. হাজী মুহম্মদ মহসিন
ব্যাখ্যা

• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:
-  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নওয়াব সলিমুল্লাহ বিশেষ ভূমিকা পালন করেন।
- এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য তিনি ঢাকার রমনা এলাকায় নিজ জমি দান করেন।
- বঙ্গভঙ্গের পর ঢাকায় ‘সর্বভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলন’ এবং ‘পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রাদেশিক শিক্ষা সমিতির’ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। 
- নওয়াব সলিমুল্লাহ ১৯০৫ সাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের ওপর চাপ দিচ্ছিলেন।
- ১৯১২ সালের ২৯ জানুয়ারি লর্ড হার্ডিঞ্জ ঢাকায় আগমন করে তিন দিন অবস্থান করেন।
- ৩১ জানুয়ারি নবাব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে ১৯ সদস্যের একটি মুসলিম প্রতিনিধি দল বড়লাটের সঙ্গে দেখা করে একটি মানপত্র প্রদান করেন এবং কয়েকটি প্রস্তাব পেশ করে পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের স্বার্থসংরক্ষণের প্রতি তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। 
- ১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি এক ইশতেহারে ভারত সরকার কর্তৃক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ ঘোষণা করা হয়।
- ১৯২১ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান হয়ে আসছে।

উৎস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।

৩,৪৮০.
প্রথম বাংলাদেশি আম্পায়ার হিসেবে ওডিআই বিশ্বকাপে অভিষিক্ত হন-
  1. নজরুল ইবনে সৈকত
  2. তানভীর আহমেদ
  3. নাদির শাহ
  4. শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত
ব্যাখ্যা
 • শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত
- ভারতে অনুষ্ঠিতব্য ওয়ানডে বিশ্বকাপের জন্য ম্যাচ অফিশিয়ালদের তালিকা প্রকাশ করেছে আইসিসি।
- ২০ জনের এ তালিকায় একমাত্র বাংলাদেশি আম্পায়ার হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত।
- প্রথমবারের মতো আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনা করেন বাংলাদেশি কোনো আম্পায়ার।

উৎস: প্রথম আলো ।
৩,৪৮১.
'প্রাণের বান্ধব রে বুড়ি হইলাম তাের কারণে।'- গানটির গীতিকার কে?
  1. ক) শাহ আবদুল করিম
  2. খ) শেখ ওয়াহিদ
  3. গ) রাধারমন
  4. ঘ) কুদ্দুস বয়াতি
ব্যাখ্যা
'প্রাণের বান্ধব রে বুড়ি হইলাম তাের কারণে' গানটির গীতিকার শেখ ওয়াহিদ। এ গানের কণ্ঠশিল্পী কাঙ্গালিনী সুফিয়া।
উল্লেখ্য কাঙ্গালিনী সুফিয়ার আসল নাম টুনি হালদার। ইসলাম গ্রহণ করার পর টুনি হালদার থেকে নাম হয় সুফিয়া খাতন।
শিল্পকলা একাডেমির সাবেক ডিজি মুস্তাফা মনােয়ার তাকে 'কাঙ্গালিনী' উপাধি প্রদান করেন।
৩,৪৮২.
বাংলাদেশে প্রথম ব্যক্তি মালিকানাধীন সংবাদ সংস্থা-
  1. বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা
  2. ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সি
  3. ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশ
  4. বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
ব্যাখ্যা

ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সি (এনা): 
- ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সি (এনা)  বাংলাদেশে প্রথম ব্যক্তি মালিকানাধীন সংবাদ সংস্থা।
- ১৯৭০ সালের মার্চ মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগেই এটি পুরোদস্ত্তর সংবাদ সংস্থায় পরিণত হয়।
- এই সংস্থা ঘটনাবহুল বছর ১৯৭০-৭১ সালের সংবাদ পরিবেশনের মধ্য দিয়ে জননন্দিত হয়।
- এই সংস্থার কার্যক্রম একাত্তরের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময়েই স্থগিত ছিল।
- স্বাধীনতার অব্যবহিত পর ১৯৭১ সালে এনা আবার কার্যক্রম শুরু করে।

অন্যদিকে,
- অনলাইন ভিত্তিক দেশে প্রধান নিউজ সংস্থা হলো Bdnews24.com.
- বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)  ১৯৭২ সালের জানুয়ারি মাসে এক সরকারি আদেশবলে জাতীয় সংবাদ সংস্থা হিসেবে আবির্ভূত হয়। 
- ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশ (ইউএনবি)  ১৯৮৮ সালে সংবাদ সংস্থাটি কার্যক্রম শুরু করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

৩,৪৮৩.
সম্প্রতি, বাংলাদেশ জাতিসংঘের কোন পরিষদের ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছে? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. নিরাপত্তা পরিষদ
  2. সাধারন পরিষদ
  3. মানবাধিকার পরিষদ
  4. ট্রাস্টিশিপ পরিষদ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

• জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছে- বাংলাদেশ।


- মানবাধিকার কাউন্সিলের কার্যালয়ে একজন প্রেসিডেন্ট এবং চারজন ভাইস প্রেসিডেন্ট জাতিসংঘের পাঁচটি আঞ্চলিক গ্রুপের প্রতিনিধিত্ব করেন।
- নির্বাচিত ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে জেনেভায় জাতিসংঘ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মানবাধিকার কাউন্সিলের ব্যুরোতে কাজ করবেন।
- ২০০৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মানবাধিকার কাউন্সিল প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের এই মর্যাদাপূর্ণ মানবাধিকার সংস্থার ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

উল্লেখ্য,
- UNHRC জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনারের অফিস (UN Human Rights) মানবাধিকার সংক্রান্ত জাতিসংঘের প্রধান সংস্থা।
- মানবাধিকার পরিষদ ২০০৬ সালে রেজোলিউশন ৬০/২৫১ এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একটি সহযোগী সংস্থা হিসেবে কাজ করে।
- এটি ১৯৪৬ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত পরিচালিত প্রাক্তন মানবাধিকার কমিশনের স্থলাভিষিক্ত হয়।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ১৯৯৩ সালের ডিসেম্বরে মানবাধিকার হাইকমিশনারের অফিস প্রতিষ্ঠা করে।

তথ্যসূত্র: UNHRC ওয়েবসাইট, প্রথম আলো নিউজ। [Link]
৩,৪৮৪.
বাংলাদেশ World Trade Organization এর সদস্য হয় ১৯৯৫ সালের কত তারিখ?
  1. ৩১ জানুয়ারি
  2. ১ জানুয়ারি
  3. ১ জুন
  4. ৩১ জুন
ব্যাখ্যা
• WTO (World Trade Organization):
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক জোট।
- ১লা জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- WTO এর বর্তমান সদস্য: ১৬৪ টি দেশ।
- বাংলাদেশ WTO এর সদস্য হয় ১লা জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে।
- WTO এর সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- এর সর্বশেষ সদস্য: আফগানিস্তান।
- WTO এর প্রতিষ্ঠাকালীন নাম General Agreement on Tariffs and Trade (GATT)।

অন্যদিকে -
- General Agreement on Tariffs and Trade (GATT) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৭ সালে এবং কার্যকর হয় ১৯৪৮ সালে।

উৎস: WTO ওয়েবসাইট।
৩,৪৮৫.
বাংলাদেশের লোকশিল্প জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. ময়নামতি
  2. ঢাকা
  3. রাজশাহী
  4. সোনারগাঁও
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ লোক ও কারু শিল্প জাদুঘর:
- সোনারগাঁ লোকশিল্প জাদুঘর রাজধানী ঢাকা থেকে ২৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ উপজেলায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের লোকশিল্পের সংরক্ষণ, বিকাশ  ও সর্বসাধারণের মধ্যে লোকশিল্পের গৌরবময় দিক তুলে ধরার জন্য ১৯৭৫ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের উদ্যোগে বাংলাদেশ সরকার বিশাল এলাকা নিয়ে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করেন।
- সোনারগাঁয়ের “বড়সর্দারবাড়ি” নামে পরিচিত একটি প্রাচীন জমিদার প্রাসাদে এই জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে।এখানে আরো রয়েছে একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, কারুপল্লী ও একটি বিশাল লেক।

সূত্র: নারায়ণগঞ্জ জেলার ওয়েবসাইট।
৩,৪৮৬.
গুম বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনভেনশনে (আইসিপিপিইডি) বাংলাদেশ যুক্ত হয় -
  1. ৯ জুলাই, ২০২৪
  2. ২৯ আগস্ট, ২০২৪
  3. ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  4. ৩ নভেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

গুম বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনভেনশন:
- গুমবিরোধী সনদটি ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়।
- ৩২টি দেশ এটি অনুস্বাক্ষর করার পরে ২০১০ সালে তা বাস্তবায়ন শুরু হয়।
- সামগ্রিকভাবে এই সনদের লক্ষ্য গুম বন্ধের পাশাপাশি এই অপরাধের জন্য দায়মুক্তি বন্ধ করা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের সহায়তা দেওয়া। 

⇒ ‘ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন ফর দ্য প্রোটেকশন অব অল পারসন্স ফ্রম এনফোর্সড ডিসেপিয়ারেন্স’ (আইসিপিপিইডি) শীর্ষক আন্তর্জাতিক কনভেনশনে বাংলাদেশের পক্ষভুক্ত হওয়ার বিষয়ে কার্যক্রম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
- গুম বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনভেনশনে সই করে বাংলাদেশের পক্ষে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

২৯ আগস্ট ২০২৪ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ও প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় যমুনায় উপদেষ্টামণ্ডলীর সভা চলাকালে কনভেনশনে সই করেন ড. ইউনূস।

⇒ এটি জাতিসংঘের আওতাধীন একমাত্র আন্তর্জাতিক কনভেনশন, যা বলপূর্বক গুমকে কেন্দ্র করে গৃহীত হয়েছে। যার লক্ষ্য হলো জোরপূর্বক অন্তর্ধান বা গুম প্রতিরোধ করা, ভুক্তভোগীদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং এই গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
- গুমবিরোধী সনদটি ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়।

উৎস: প্রথম আলো এবং জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৩,৪৮৭.
সংবিধানকে ত্রুটিমুক্ত করার উদ্দশ্যেে সংবিধান প্রণয়ন কমিটি কোন ব্রিটিশ বিশেষজ্ঞের পরার্মশ গ্রহণ করেন?
  1. ক) জন ফেডরিক
  2. খ) টমাস হেনরি
  3. গ) এন্ডো ফিলিপ
  4. ঘ) জন গাথরিক
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ভাষাগত ভুল দূর করের জন্য চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রধান আনিসুজ্জামান (কমিটির প্রধান), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আলী আহসান, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক ড মাযহারুল ইসলাম-এর সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়।

- তাছাড়া সংবিধানকে ত্রুটিমুক্ত করার উদ্দশ্যেে কমিটি একজন ব্রিটিশ বিশেষজ্ঞ (জন গাথরিক) পরার্মশ গ্রহণ করেন।
- সংবধিানটি র্পূণাঙ্গ ও উত্তম করার উদ্দশ্যেে কমিটির সভাপতি ড. কামাল হোসেন ভারত ও ইংল্যান্ড সফর করে সেখানকার পার্লামেন্টের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান।
৩,৪৮৮.
সম্প্রতি, বাংলাদেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় যুক্ত নতুন রাডারের নাম কী? [জুন, ২০২৫]
  1. জিএম ৪০০ এম
  2. জিএম ৪০১ এম
  3. জিএম ৪০২ এম
  4. জিএম ৪০৩ এম
ব্যাখ্যা
‘জিএম ৪০৩ এম’ (GM 403M) রাডার:
- বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় যুক্ত হলো নতুন র‌াডার ‘জিএম ৪০৩ এম’।
- অত্যাধুনিক জিএম ৪০৩এম আকাশ প্রতিরক্ষা রাডার সিস্টেম ফ্রান্সের থালেস গ্রুপের তৈরি।
- এটিতে মূলত একটি দীর্ঘ‑পরিসরের (৪৭০ কিমি) ৩‑ডি রাডার।
- এটি ৩০ কিমি উচ্চতায় লক্ষ্যবস্তু সনাক্ত করতে সক্ষম।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ বিমান বাহিনী দুটি জিএম ৪০৩এম রাডার সিস্টেম মোতায়েন করেছে:
- ৭১ স্কোয়াড্রন, মিরপুর, ঢাকা: ১৬ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে উদ্বোধন করা হয়।
- রাডার ইউনিট, বগুড়া: ১৮ জুন ২০২৫ তারিখে উদ্বোধন করা হয়।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট।
৩,৪৮৯.
’সংগ্রাম’ চিত্রকর্মের শিল্পী কে?
  1. কামরুল হাসান
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. হাশেম খান
  4. কালীপদ ঘোষাল
ব্যাখ্যা
- 'সংগ্রাম' চিত্রকর্মের শিল্পী হলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।
- তার অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে:
- ম্যাডোনা-৪৩,,দ্য রেবেল ক্রো, নবান্ন, মনপুরা-৭০, মইটানা, পাইন্যার মা প্রভৃতি।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন ১৯৪৩ সালে বাংলায় সংঘটিত দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে বিভিন্ন ছবি এঁকে খ্যাতি অর্জন করেন।
- দুর্ভিক্ষের উপর তার বিখ্যাত চিত্রকর্ম হলো ম্যাডোনা-৪৩ এবং দ্য রেবেল ক্রো।

অন্যদিকে,
- কামরুল হাসান চিত্রকর্ম, ‘তিনকন্যা’ ও ‘নাইওর’।
- হাশেম খান চিত্রকর্ম  ‘জোড়াতালির চালচিত্র’।
   
 উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,৪৯০.
প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় -
  1. অস্ট্রিয়া
  2. বেলজিয়াম
  3. পোল্যান্ড
  4. পূর্ব-জার্মানি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরব দেশ:
- আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় - ইরাক।
- ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- লেবানন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ২৮ মার্চ, ১৯৭৩ সালে।
- ইরান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে।

• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরো কিছু উল্লেখযোগ্য রাষ্ট্র:
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার - সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

- এশিয়ার বাইরে প্রথম দেশ বা প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে - ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি স্বীকৃতি দেয় পূর্ব-জার্মানি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে সর্ব প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ভেনিজুয়েলা (২ মে ১৯৭২)।
- প্রথম পশ্চিমা দেশ হিসেবে গ্রেট ব্রিটেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি।
- ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২।
- ব্রাজিল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ১৫ মে, ১৯৭২।
- আর্জেন্টিনা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ২৫ মে ১৯৭২।

তথ্যসূত্র - পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, বঙ্গভবনের শতবর্ষ (বঙ্গভবন) ও বাংলাদেশের তারিখ (বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান), প্রথম আলো।
৩,৪৯১.
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. কুমিল্লাহ
  3. ঢাকা
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) সর্বপ্রথম ১৯৬৯ সনে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এখানে ২ বৎসর মেয়াদি ইন্টারমিডিয়েট ইন এডুকেশন (আই এড) কোর্স পরিচালিত হয়।
- ময়মনসিংহ ছাড়াও ঢাকা, চট্টগ্রাম, ফেনী, রংপুর ও যশোরে অনুরূপ আরো পাঁচটি জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) স্থাপিত হয়। 
- মহান স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি)গুলো রূপান্তরিত হয়ে কলেজ অব এডুকেশন নামে যাত্রা  শুরু করে । 
- ১৯৭৮ সালে ঢাকাস্থ কলেজ অব এডুকেশনটি সরকারী কবি নজরুল কলেজ হিসেবে রূপান্তরিত হয়। 
- অন্য চারটি কলেজ অব এডুকেশন (চট্টগ্রাম, ফেণি, রংপুর ও যশোর) টিচার্স ট্রেনিং কলেজে উন্নীত হয়।
- এছাড়া ১৯৭৮ সালে ময়মনসিংহস্থ কলেজ অব এডুকেশনটি "মৌলিক শিক্ষা একাডেমি" (Academy for Fundamental Education) নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।  
- ১৯৮৫ সালে এর নামকরণ করা হয় ‘‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)" ।
- ২০০৪ সালের ১ অক্টোবর থেকে একাডেমী স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম  পরিচালনা করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন

৩,৪৯২.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. শ্রীপুর, গাজীপুর
  2. কালীগঞ্জ, গাজীপুর
  3. জয়দেবপুর, গাজীপুর
  4. কালিয়াকৈর, গাজীপুর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশের কৃষি গবেষণার একটি প্রধান অংশীদার হচ্ছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- যা দেশের প্রধান খাদ্য ধান উৎপাদন ও জাত উন্নয়নে কাজ করছে।
- গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে এর যাত্রা শুরু।
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর এ প্রতিষ্ঠানের নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এ প্রতিষ্ঠানের ১৯টি গবেষণা বিভাগ, ১৭টি আঞ্চলিক কার্যালয়, ০৬টি স্যাটেলাইট চ্যানেল, তিনটি সাধারণ সেবা এবং আটটি প্রশাসনিক শাখা রয়েছে।
- নতুন ধান জাত উদ্ভাবনের গবেষক এবং উৎপাদন অন্যান্য প্রকৌশলীরা এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ব্রি সদর দপ্তরে কাজ করছে। এ দেশের কুমিল্লা, হবিগঞ্জ, ফেনীর সোনাগাজী, ফরিদপুরের ভাঙ্গা, বরিশাল, রাজশাহী, রংপুর, কুষ্টিয়া, সাতক্ষীরা, সিরাজগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, দিনাজপুর, নেত্রকোনা, টাঙ্গাইল, সুনামগ কক্সবাজার এবং খাগড়াছড়িতে আঞ্চলিক কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

উৎস - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

৩,৪৯৩.
’সোমপুর মহাবিহার’ ইউনেস্কো কত সালে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়?
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৮৫ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৯৫ সালে
ব্যাখ্যা

• সোমপুর বিহার: 
- এটি পরিচিত পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার।
- বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- সময়: অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।


উল্লেখ্য, 
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে।
- এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্মচর্চা কেন্দ্র ছিল। 
- খ্রিষ্টীয় দশম শতকে বিহারের আচার্য ছিলে অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান।

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন।

৩,৪৯৪.
সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চ কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  3. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
  4. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
সেলিম আল দীন
- সেলিম আল দীন (১৯৪৯-২০০৮)  বাংলা ভাষার আধুনিককাল পর্বের অন্যতম নাট্যকার।
- সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।
- তিনি নাট্যকার পরিচয়ের বাইরে ছিলেন-একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, সংগঠক, নাট্যনির্দেশক এবং শিল্পতাত্ত্বিক।
- মুক্তিযুদ্ধ-উত্তর বাংলাদেশে তিনি অন্যান্যদের সঙ্গে গঠন করেন ঢাকা থিয়েটার ও বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য নাটক ও নাট্যগ্রন্থ- সর্প বিষয়ক গল্প ও অন্যান্য নাটক, জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন, বাসন, তিনটি মঞ্চ নাটক: মুনতাসির, শকুন্তলা ও কিত্তনখোলা, কেরামতমঙ্গল, প্রাচ্য, কিত্তনখোলা, হাতহদাই, যৈবতী কন্যার মন, চাকা, হরগজ, একটি মারমা রূপকথা, বনপাংশুল, নিমজ্জন, ধাবমান, স্বর্ণবোয়াল, ঊষা উৎসব ও স্বপ্নরমণীগণ (নৃত্যনাট্য), পুত্র ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,৪৯৫.
মানবাধিকার শ্রেণিতে 'বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫' পেয়েছেন কে?
  1. নাবিলা ইদ্রিস
  2. রুভানা রাকিব
  3. কল্পনা আক্তার
  4. ফাতিমা তাসনিম
ব্যাখ্যা

• গুম অনুসন্ধান কমিশনের সাহসী সদস্য ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. নাবিলা ইদ্রিস এ বছর মানবাধিকার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বেগম রোকেয়া পদক অর্জন করেছেন।

মঙ্গলবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ১৪৫তম জন্মদিন ও ৯৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের হাত থেকে এ পদক গ্রহণ করেন তিনি।

• বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫:
- নারীশিক্ষা, নারী অধিকার, মানবাধিকার ও নারী জাগরণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে চার বিশিষ্ট নারীকে বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫ দেওয়া হয়েছে।
পদক প্রাপ্তরা হলেন-
- নারীশিক্ষা শ্রেণিতে (গবেষণা) - রুভানা রাকিব, 
- নারী অধিকার শ্রেণিতে (শ্রম অধিকার) - কল্পনা আক্তার, 
- মানবাধিকার শ্রেণিতে - নাবিলা ইদ্রিস, 
- নারী জাগরণ শ্রেণিতে (ক্রীড়া) - ঋতুপর্ণা চাকমা।

উৎস: মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

৩,৪৯৬.
নান্দনিক স্থাপনা 'সার্ক ফোয়ারা'-এর নকশাকার কে?
  1. কামরুল হাসান
  2. শামীম শিকদার
  3. তানভীর কবির
  4. নিতুন কুণ্ড
ব্যাখ্যা
সার্ক ফোয়ারা:
- সপ্তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলনকে সামনে রেখে হোটেল সোনারগাঁও-র মোড়ে নির্মিত করা হয় দৃষ্টি নন্দন সার্ক ফোয়ারা।
- পান্থপাথ, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ ও সোনারগাঁও সড়কের আন্তসংযোগস্থলে এই ফোয়ারা নির্মিত করা হয়।
- দীর্ঘদিনের ঝুলে থাকা ট্রাফিক সমস্যা সমাধানই ছিল এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য।

⇒ ৩২ ফুট উঁচু ফাঁপা স্টেইনলেস স্টিল এর পিলার আকৃতির সাতটি কাঠামোর প্রতিটিতে একটি করে প্রজাপতির পাখা সদৃশ সাতটি কৌণিকভাবে হেলানো প্রলম্বিত অংশ রয়েছে যা দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের সাত জাতি গোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতির নিদর্শন বহন করে।
- এর নকশাকার  নিতুন কুন্ডু।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের শিল্পজগতে মুক্তিযোদ্ধা, স্রষ্টা ও শিল্প-উদ্যোক্তা, বহু গুণে গুণান্বিত ও শিল্পী নিতুন কুন্ডু একজন ব্যতিক্রমধর্মী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। 
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন, পটুয়া কামরুল হাসান ও মরমি শিল্পী সফিউদ্দিন আহমেদের প্রিয় ছাত্র ছিলেন এবং ছিলেন সব সময় সর্বোচ্চ স্থানের অধিকারী।
- স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় তার আঁকা পোস্টার ‘সদা জাগ্রত বাংলার মুক্তিবাহিনী’ ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল।
- নিতুন কুন্ডু নির্মিত ভাস্কর্যগুলোর মধ্যে রয়েক ‘মা ও শিশু’ (১৯৭৫),‘সাবাস বাংলাদেশ’,রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৯২),‘সাম্পান’,চট্টগ্রাম বিমানবন্দর (২০০১)। এছাড়া রাজধানীর ‘সার্ক ফোয়ারা’ও‘কদম ফোয়ারা’ দুটি তার নির্মিত।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো। 
৩,৪৯৭.
৭ম সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ- ২০২৪ এর সেরা খেলোয়াড় পুরস্কার কে অর্জন করেন?
  1. রূপনা চাকমা
  2. সাবিনা খাতুন
  3. ঋতুপর্ণা চাকমা
  4. জয়া চাকমা
ব্যাখ্যা
সপ্তম সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৪:
অনুষ্ঠিত: ১৭-৩০ অক্টোবর, ২০২৪।
স্বাগতিক দেশ: নেপাল।
মোট দল: ৭টি।
মোট ম্যাচ: ১২টি। 
চ্যাম্পিয়ন: বাংলাদেশ [২-১ গোলে]।
রানার্স আপ: নেপাল।
সেরা খেলোয়াড়: ঋতুপর্ণা চাকমা [বাংলাদেশ]।
সেরা গোলকিপার: রূপনা চাকমা [বাংলাদেশ]।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
৩,৪৯৮.
'বেগম রোকেয়া পদক- ২০২৫' মোট কতজন নারীকে প্রদান করা হয়েছে?
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬ জন 
ব্যাখ্যা

বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫:
- নারীশিক্ষা, নারী অধিকার, মানবাধিকার ও নারী জাগরণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে চার বিশিষ্ট নারীকে বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫ দেওয়া হয়েছে।
পদক প্রাপ্তরা হলেন-
- নারীশিক্ষা শ্রেণিতে (গবেষণা) - রুভানা রাকিব, 
- নারী অধিকার শ্রেণিতে (শ্রম অধিকার) - কল্পনা আক্তার, 
- মানবাধিকার শ্রেণিতে - নাবিলা ইদ্রিস, 
- নারী জাগরণ শ্রেণিতে (ক্রীড়া) - ঋতুপর্ণা চাকমা।

তথ্যসূত্র: মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

৩,৪৯৯.
বাংলাদেশ প্রথম কবে বিশ্ব অলিম্পিক গেইমে অংশগ্রহন করেছে?
  1. ১৯৮৪ সালে
  2. ১৯৮৬ সালে
  3. ১৯৮৯ সালে
  4. ১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন:
- বাংলাদেশ অলিম্পিক সংস্থা (Bangladesh Olympic Association - BOA) বাংলাদেশের জাতীয় অলিম্পিক কমিটি.
- এটি আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (IOC) স্বীকৃতিপ্রাপ্ত। 
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৬ সালে।
- বিশ্ব অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশানের সদস্যপদ লাভ করে: ১৯৮০ সালে।
- সদর দপ্তর: পুরানা পল্টন, ঢাকা। 
- বর্তমান সভাপতি: জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ প্রথম বিশ্ব অলিম্পিক গেইমে অংশগ্রহন করেছে ১৯৮৪ সালে।

উৎস: Bangladesh Olympic Association ওয়েবসাইট। [link]

৩,৫০০.
ডিজিটাল বাংলাদেশের পরিবর্তিত নাম?
  1. ক) স্মার্ট বাংলাদেশ
  2. খ) প্রগেসিভ বাংলাদেশ
  3. গ) এনলইটেড বাংলাদেশ
  4. ঘ) পোভার্টিলেস বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
স্মার্ট বাংলাদেশ
- ডিজিটাল বাংলাদেশের পরিবর্তিত নাম - স্মার্ট বাংলাদেশ
- স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে ২০৪১ সালের মধ্যে। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার চারটি ভিত্তি হলো –

১. স্মার্ট সিটিজেন, 
২. স্মার্ট ইকোনোমি, 
৩. স্মার্টগভর্নমেন্ট, 
৪. স্মার্ট সোসাইটি।

এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশে প্রযুক্তির মাধ্যমে সবকিছু হবে।
- সেখানে নাগরিকেরা প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ হবে।
- প্রযুক্তির মাধ্যমে সমগ্র অর্থনীতি পরিচালিত হবে।
- সরকার ও সমাজকে স্মার্ট করে গড়ে তুলতে ইতিমধ্যেই বিশাল কর্মযজ্ঞ সম্পাদিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জানুয়ারি ২০২৩ ও দৈনিক প্রথম আলো।