বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

মোট প্রশ্ন৩,৮২৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

PrepBank · পাতা ৩৪ / ৩৮ · ৩,৩০১৩,৪০০ / ৩,৮২৪

৩,৩০১.
বাংলাদেশ-ভারত পানি চুক্তির মেয়াদ-
  1. ১০ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ২৫ বছর
  4. ৩০ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ-ভারত পানি চুক্তি:
- হিমালয়ের হিমবাহে উৎপন্ন গঙ্গা নদী।
- ফারাক্কা বাঁধ গঙ্গা নদীর উপর অবস্থিত একটি বাঁধ।
- ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রথম পরিকল্পনা করে ১৯৫১ সালে।
- ভারতের হুগলী নদীতে পানি সরবরাহ এবং কলকাতা বন্দরটি সচল করার জন্য ১৯৭৪ সালে এই ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করা হয়।

⇒ পানিসম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী একটি স্থায়ী যৌথ নদী কমিশন গঠনের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষর করেন।
- এ ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭২ সালের নভেম্বরে একটি যৌথ নদী কমিশন গঠিত হয়।
- ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশে পানির প্রবাহ কমতে থাকার প্রেক্ষাপটে ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদী গঙ্গা চুক্তি হয়।

উল্লেখ্য,
- ৩০ বছরের চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের মধ্যে শেষ হবে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) BBC বাংলা।
৩,৩০২.
গ্রেট ব্রিটেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে -
  1. ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
  2. ১০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
  3. ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
  4. ২৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে মোট ১৫০টি দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে।
- বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে সর্বপ্রথম স্বীকৃতি দেয় ভুটান এবং ভারত।
- উভয় দেশই বাংলাদেশকে ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- অপরদিকে সর্বশেষ দেশ হিসেবে চীন বাংলাদেশকে ১৯৭৫ সালের ৩১ আগস্ট স্বীকৃতি দেয়।
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

উল্লেখ্য,
- এশিয়ার বাইরে প্রথম দেশ হিসেবে ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি স্বীকৃতি দেয় পূর্ব-জার্মানি।
- প্রথম পশ্চিমা দেশ হিসেবে গ্রেট ব্রিটেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি।
- ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে স্বীকৃতি দেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। 
- প্রথম আরব দেশ হিসেবে ইরাক ৮ জুলাই, ১৯৭২ তারিখে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২।
- মালয়েশিয়া বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ২৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২।
- জাপান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ১০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২।

উৎস: i) The National Archives. [Link] 
         ii) ২৬ মার্চ, ২০২১, সারাবাংলা।
         ii) ১১ মার্চ, ২০১৭, ডেইলি কক্সবাজার। [link]
৩,৩০৩.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কের দায়িত্ব কোন সংস্থার মাধ্যমে পালন করা হয়?
  1. জাতিসংঘ
  2. এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক
  3. বিশ্বব্যাংক 
  4. ইউরোপীয় ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম এর সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে বিশ্বব্যাংক।
• বিডিএফ বা বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম যা ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়। তখন এর নাম ছিলো বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
•  ১৯৯৭ সালে এর নাম হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম।
• প্রথমদিকে এর বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
• ২০২০ সালের ২৯-৩০ জানুয়ারি ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম (বিডিএফ) এর সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: ইআরডি ওয়েবসাইট।

৩,৩০৪.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম দেশ কোনটি?
  1. ভারত
  2. সোভিয়েত ইউনিয়ন
  3. ভুটান
  4. নেপাল
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালের ৬ই ডিসেম্বর ভুটান প্রথম বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।

বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী দ্বিতীয় দেশ:
- ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর প্রথম দেশ হিসেবে ভুটান।
- দ্বিতীয় দেশ হিসেবে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- বিশ্বের তৃতীয় দেশ ও প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে পূর্ব জার্মানি ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
ওই একইদিনে চতুর্থ দেশ হিসেবে বুলগেরিয়া বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- পোল্যান্ড বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি।
- প্রথম মুসলিম ও আফ্রিকান দেশ হিসেবে সেনেগাল স্বীকৃতি দেয় ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২।
- প্রথম উত্তর আমেরিকান দেশ হিসেবে বার্বাডোস স্বীকৃতি দেয় ২০ জানুয়ারি ১৯৭২।

সূত্র: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া, বাংলাদেশ প্রতিদিন এবং নিউইর্য়ক টাইমস আর্কাইভস।

৩,৩০৫.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম সদস্য?
  1. ১৩০তম
  2. ১৩২তম
  3. ১৩৬তম
  4. ১৪০তম
ব্যাখ্যা

- ১৯৭৪ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে যোগদান করে।  

জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ: 
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়।
- ১৯৭৬ ও ১৯৮১ সালে দুই মেয়াদে চার বছরের জন্য অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদে সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।

তাছাড়াও, 
- ১৯৮৬-৮৭ মেয়াদে জাতিসংঘের ৪১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশের হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী।
- বাংলাদেশ দুইবার অর্থাৎ ১৯৭৯-১৯৮০ এবং ২০০০-২০০১ মেয়াদে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের শান্তি মিশনে যোগ দেয়- ১৯৮৮ সালে।

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, (SSC Programme), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩০৬.
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সামাজিক ব্যবসা তত্ত্বের মূলনীতি কয়টি?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা
সামাজিক ব্যবসা’ (Social Business) তত্ত্ব:
- সামাজিক ব্যবসা হচ্ছে এমন ধরনের ব্যবসা যেখানে উদ্যোক্তা বা বিনিয়োগকারী একটি সামাজিক সমস্যা সমাধানের জন্য ব্যক্তিগত লাভের আশা ছাড়াই বিনিয়োগ করেন।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস হলেন বাংলাদেশের অর্থনীতিবিদ এবং সামাজিক ব্যবসা (Social Business) তত্ত্বের প্রবক্তা।
- এই ব্যবসায় বিনিয়োগকারী একটা সামাজিক সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে বিনিয়োগ করবেন, কিন্তু সেই ব্যবসা থেকে বিনিয়োগকারী কোন ধরনের মুনাফা গ্রহণ করবেন না। শুধু বিনিয়োগের অর্থ তুলে নিতে পারবেন। মুনাফার অর্থ দিয়ে নতুন কোনো সামাজিক ব্যবসা শুরু করতে পারেন অথবা বর্তমান ব্যবসার সম্প্রসারণ করতে পারবেন। অর্থ্যাৎ বিশ্বব্যাপী ব্যবসায় মুনাফা বৃদ্ধির যে উম্মাদনা দেখা যায় তার বাইরে ব্যবসাকে সামাজিক কল্যাণের জন্য নিয়ে আসাই সামাজিক ব্যবসার মূলকথা।

⇒ ২০০৯ সালের জানুয়ারী মাসে দাভোসে অনুষ্ঠিত বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরমের সম্মেলনে তিনি সামাজিক ব্যবসার ৭টি মূলনীতি ঘোষণা করেন।
১। দারিদ্র বিমোচনসহ এক বা একাধিক বিষয় যেমন- শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি ও পরিবেশগত খাতে বিরাজমান সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিগত মুনাফাবিহীন কল্যাণকর ব্যবসা এটি।
২। সকলের অর্থনৈতিক সক্ষমতা অর্জন করাই এ ব্যবসার লক্ষ্য।
৩। সামাজিক ব্যবসায় বিনিয়োগকারীরা শধু তাদের বিনিয়োগকৃত অর্থই ফেরত পাবে, এর বাহিরে কোনো প্রকার লভ্যাংশ নিতে পারবে না।
৪। বিনিয়োগকারী তার বিনিয়োগকৃত অর্থ ফেরত নেয়ার পর বিনিয়োগকৃত অর্থের মুনাফা কোম্পানীর সম্প্রসারণ কাজে ব্যবহৃত হবে।
৫। এ ব্যবসা হবে পরিবেশ বান্ধব।
৬। এখানে যারা কাজ করবেন তারা ভালো কাজের পরিবেশ ও চলমান বাজার অনুযায়ী বেতন-ভাতা পাবেন।
৭। সামাজিক ব্যবসা হবে আনন্দের সাথে ব্যবসা।

উৎস: i) Yunus Centre.
ii) মানব জমিন।
৩,৩০৭.
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. কলকাতা
  3. চট্টগ্রাম
  4. প্যারিস
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট:
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট ঢাকার সেগুনবাগিচায় অবস্থিত।
- ১৫ মার্চ ২০০১ সালে ঢাকার সেগুনবাগিচায় জাতিসংঘের তৎকালীন মহাসচিব কফি এ আনান-এর উপস্থিতিতে এ ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
- ইনস্টিটিউটের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহের মধ্যে রয়েছে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ও ক্ষুদ্র জাতিসমূহের ভাষা সংগ্রহ, সংরক্ষণসহ প্রয়োজনীয় গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্পন্ন করা এবং বাংলাসহ অন্যান্য ভাষা আন্দোলনের তথ্যসংগ্রহ ও গবেষণা এবং ইউনেস্কোর সদস্য দেশসমূহের মধ্যে এ-সংক্রান্ত তথ্যাবলি পৌঁছে দেওয়া।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১০ সালের অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট (আমাই) ভবনের শুভ উদ্বোধন করেন।
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা আইন ২০১০ অনুযায়ী তিনিই এ ইনস্টিটিউটের প্রধান পৃষ্ঠপোষক।
- তাঁর সরকারের উদ্যোগের ফলেই ইনস্টিটিউট পরিণত হয়েছে ইউনেস্কো-র ক্যাটেগরি ২ প্রতিষ্ঠানে।

উৎস: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

৩,৩০৮.
গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের কত জন বিশিষ্ট নাগরিককে একুশে পদক-২০২৪ প্রদান করা হয়?
  1. ২১ জন
  2. ২২ জন
  3. ২৩ জন
  4. ২৪ জন
ব্যাখ্যা
একুশে পদক-২০২৪:
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ২১ জন বিশিষ্ট নাগরিককে একুশে পদক-২০২৪ প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার।
- ভাষা আন্দোলন ক্যাটাগরিতে মরণোত্তর একুশে পদক পেয়েছেন ২ জন। তারা হলেন- মৌ. আশরাফুদ্দীন আহমদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা হাতেম আলী মিয়া (মরণোত্তর)।
- শিল্পকলার বিভিন্ন শ্রেণিতে ১১ জন পেয়েছেন এই পদক। সংগীতে পেয়েছেন জালাল উদ্দীন খাঁ (মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণী ঘোষ, বিদিত লাল দাস (মরণোত্তর), এন্ড্রু কিশোর (মরণোত্তর) ও শুভ্র দেব। অভিনয়ে ডলি জহুর ও এমএ আলমগীর, আবৃতিতে খান মো. মুস্তাফা ওয়ালীদ (শিমুল মুস্তাফা) ও রূপা চক্রবর্তী, নৃত্যকলায় শিবলী মোহাম্মদ এবং চিত্রকলায় শাহজাহান আহমেদ বিকাশ।
- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ ও আর্কাইভিংয়ে কাওসার চৌধুরী, সমাজসেবায় মো. জিয়াউল হক ও আলহাজ রফিক আহামদ।
- ভাষা ও সাহিত্যে এবার একুশে পদক পেয়েছেন ৪ জন। তারা হলেন মুহাম্মদ সামাদ, লুৎফর রহমান রিটন, মিনার মনসুর ও রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ (মরণোত্তর)। এছাড়া শিক্ষায় প্রফেসর ড. জিনবোধি ভিক্ষু রয়েছেন এ তালিকায়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইত্তেফাক, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪।
৩,৩০৯.
মোঘল আমল এর নিদর্শন কোনটি?
  1. শালবন বিহার
  2. বাহাদুর শাহ পার্ক
  3. লালবাগ দুর্গ
  4. তারা মসজিদ
ব্যাখ্যা
• লালবাগ দুর্গ:
- লালবাগ দুর্গ মোঘল আমল এর একটি চমৎকার নিদর্শন।
- প্রথমে এই কেল্লার নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ।
- এই কেল্লার নকশা করেন শাহ আজম।
- মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- মাত্র এক বছর পরেই দুর্গের নির্মাণকাজ শেষ হবার আগেই মারাঠা বিদ্রোহ দমনের জন্য সম্রাট আওরঙগজেব তাকে দিল্লি ডেকে পাঠান।
- এসময় একটি মসজিদ ও দরবার হল নির্মাণের পর দুর্গ নির্মাণের কাজ থেমে যায়।
- নবাব শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে পুনরায় দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- তবে শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর এ দুর্গ অপয়া মনে করা হয় এবং শায়েস্তা খান ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ বন্ধ করে দেন।

 উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।
৩,৩১০.
স্বাধীনতা পদক প্রতি বছর কখন প্রদান করা হয়?
  1. ২১ ফেব্রুয়ারি
  2. ১৬ ডিসেম্বর
  3. ২৬ মার্চ
  4. ১ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা পদক:
- স্বাধীনতা পদক বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদক।
- ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর স্বাধীনতা পদক প্রদান করা হচ্ছে। 
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস ২৬শে মার্চে এই পদক প্রদান করা হয়ে আসছে।
- ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহিদদের স্মরণে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

• স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- ৭ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে দেয়া হয় ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫’।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে :অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),।
- সাহিত্যে: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর), । 
- সংস্কৃতিতে: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),।
- সমাজসেবায়: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),।
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতিতে: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),।
- শিক্ষা ও গবেষণায় : বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর ।
- প্রতিবাদী তারুণ্যের : আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)। 

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

৩,৩১১.
বর্তমানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানি ভাতা কত?
  1. ২৫,০০০ টাকা
  2. ২০,০০০ টাকা
  3. ১৮,০০০ টাকা
  4. ২২,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা:
- জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনযাত্রা মানোন্নয়নে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।
- বর্তমানে বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ মাসিক ২০,০০০ টাকা করে সম্মানি পাচ্ছেন।
- এছাড়া, ১০,০০০ টাকা হারে বছরে ২টি উৎসব ভাতাও দেয়া হচ্ছে।
- খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানি ভাতাসহ ১০,০০০ টাকা হারে বছরে ২টি উৎসব ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।
- বর্তমানে বীরশ্রেষ্ঠদের ৩৫,০০০ টাকা, বীর উত্তমদের ২৫,০০০ টাকা এবং
- বীর বিক্রম ও বীর প্রতীকদের ২০,০০০ টাকা হারে মাসিক সম্মানি প্রদান করা হয়।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৩,৩১২.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম আরব দেশ কোনটি?
  1. ক) ইরান
  2. খ) সৌদি আরব
  3. গ) কাতার
  4. ঘ) ইরাক
ব্যাখ্যা

- ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- এটি মধ্যপ্রাচ্যের স্বীকৃতিদানকারী প্রথম দেশ ছিল।
- অন্যদিকে ইরান ও কাতার বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় যথাক্রমে ১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ও ৪ মার্চ।
- সৌদি আরব স্বীকৃতি দেয় ১৯৭৫ সালের ১৬ আগস্ট।

উৎসঃ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

৩,৩১৩.
নিচের কোনটি দেশের প্রথম ওয়াই-ফাই সিটি?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) সিলেট
  3. গ) বরিশাল
  4. ঘ) খুলনা
ব্যাখ্যা
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, এপ্রিল ২০২০।
৩,৩১৪.
পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে কত লেন বিশিষ্ট?
  1. ০৮ লেন
  2. ১০ লেন
  3. ১২ লেন
  4. ১৪ লেন
ব্যাখ্যা
শেখ হাসিনা সরণি:

- পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে দেশের প্রথম ১৪ লেনের সড়ক।
- কুড়িল থেকে কাঞ্চন পর্যন্ত দৈর্ঘ্য ১২.৩০ কিলোমিটা।
- রাজউক এই সড়কের নাম দিয়েছে ‘শেখ হাসিনা সরণি’।
- ঢাকার নতুন গেইটওয়ে পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে।
- মহাসড়কের দুপাশে রয়েছে ১০০ ফুট খাল।
- বিশেষ ব্যবস্থা থাকায় ভারি বৃষ্টিতেও এ পথে হবে না জলজট।
- তাছাড়া নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনেও এই প্রকল্প রাখবে বিশেষ ভূমিকা।

তথ্যসূত্র - সময় নিউজ, ১৪ নভেম্বর ২০২৩।
৩,৩১৫.
বাংলাদেশ কত সালে OIC-এর সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৯৭৩
  2. ১৯৭৪
  3. ১৯৭২
  4. ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
- ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) জাতিসংঘের পরে দ্বিতীয় বৃহত্তম সংস্থা, যার সদস্য সংখ্যা চারটি মহাদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে ৫৭টি রাষ্ট্র।
- এই সংস্থাটি মুসলিম বিশ্বের সম্মিলিত কণ্ঠস্বর।
- এটি বিশ্বের বিভিন্ন মানুষের মধ্যে আন্তর্জাতিক শান্তি ও সম্প্রীতি প্রচারের চেতনায় মুসলিম বিশ্বের স্বার্থ রক্ষা ও সুরক্ষার জন্য প্রচেষ্টা করে।
- অধিকৃত জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে অপরাধমূলক অগ্নিসংযোগের পর ১২ই রজব ১৩৮৯ হিজরি (২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৬৯) মরক্কো রাজ্যের রাবাতে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক শীর্ষ সম্মেলনের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে ২২ - ২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে ৩২-তম সদস্য হিসেবে যোগদান করে।
- OIC এর সদরদপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
-মহাসচিবের মেয়াদ-৫ বছর।
- শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়-তিন বছর পর পর।
- প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়- রাবাত, মরক্কো (১৯৬৯ সালে)।
- অফিসিয়াল ভাষা- তিনটি (আরবি, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ)।

উৎস: OIC.
৩,৩১৬.
বর্তমানে বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী বোলার কে? [ডিসেম্বর,২০২৫]
  1. সাকিব আল হাসান
  2. তাইজুল ইসলাম
  3. মোস্তাফিজুর রহমান
  4. মেহেদী হাসান মিরাজ
ব্যাখ্যা

টেস্ট ক্রিকেট:
- বর্তমানে টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী বোলার তাইজুল ইসলাম।

- বাংলাদেশের প্রথম বোলার হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে ২৫০ উইকেটের অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করলেন। বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম।
- ২৩ নভেম্বর, ২০২৫ মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের পঞ্চম দিনের সকালে স্পিন অলরাউন্ডার অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইনকে ফিরিয়ে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন।
- ক্যারিয়ারের মাত্র ৫৬তম টেস্টেই ২৫০ উইকেটের এই মাইলফলক স্পর্শ করলেন তাইজুল।

উল্লেখ্য,
- ২০১৪ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে সেন্ট ভিনসেন্ট টেস্ট দিয়ে তাইজুলের টেস্ট অভিষেক।
- ক্যারিয়ারের প্রথম ইনিংসেই নিয়েছিলেন ৫ উইকেট।

উৎস: ESPN ওয়েবসাইট।লিঙ্ক

৩,৩১৭.
ঐতিহাসিক 'বিনত বিবির মসজিদ' কোথায় অবস্থিত?
  1. নওগাঁ
  2. নাটোর
  3. রাজশাহী
  4. ঢাকা
ব্যাখ্যা

• বিনত বিবি মসজিদ:
- ঢাকার ঐতিহ্যবাহী এ সকল মসজিদের মধ্যে বেশির ভাগই পুরান ঢাকায় অবস্থিত।
- পুরান ঢাকার ৬নং নারিন্দা রোডে এখনো গৌরবের সাথে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে ঢাকার সর্বপ্রথম মসজিদ হিসেবে পরিচিত নারিন্দা বিনত বিবির মসজিদটি। 

- এটি ঢাকার সবচেয়ে পুরোনো স্থাপত্য নিদর্শনগুলোর একটি; যা প্রায় ৬০০ বছর আগের।
- ১৪৫৬ খ্রিস্টব্দে ইসলাম খাঁর আগমনের প্রায় দেড়শ বছর আগে বাংলার সুলতান নাসির উদ্দিন মাহমুদের আমলে ঐতিহ্যবাহী এই মসজিদটি নির্মিত হয়।

- সে সময় পারস্য উপসাগরের আশেপাশের লোকজন প্রায়ই জলপথে এ অঞ্চলে বাণিজ্যে আসতেন।
- পুরান ঢাকার এ এলাকা (নারিন্দা-ধোলাইখাল) দিয়ে তখন বয়ে যেত বুড়িগঙ্গার একটি শাখা যা বুড়িগঙ্গা হয়ে শীতলক্ষ্যায় গিয়ে মিশত। 

- পুরান ঢাকার নারিন্দা-ধোলাইখাল অঞ্চলে ব্যবসার জন্য আসেন আরাকান আলী নামের একজন সওদাগর।
- নামাজের সুবিধার জন্য তিনি মসজিদটি নির্মাণ করেন।
- তার মেয়ে বিনত বিবির আকস্মিক মৃত্যুর পর মসজিদের পাশে সমাধিস্থ করা হয় এবং পরে আরাকান আলীও এখানেই দাফন হন।
- পরবর্তীতে বিনত বিবির নামে মসজিদটির নামকরণ করা হয়।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৩,৩১৮.
‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’ ব্যঙ্গচিত্রের শিল্পী কে?
  1. ক) জয়নুল আবেদিন
  2. খ) এম এস সুলতান
  3. গ) কামরুল হাসান
  4. ঘ) কাইয়ুম চৌধুরী
ব্যাখ্যা
- ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’ শীর্ষক বিখ্যাত ব্যঙ্গচিত্রটির শিল্পী পটুয়া কামরুল হাসান।
- কামরুল হাসানের অন্যান্য কর্মের মধ্যে ‘তিনকন্যা’; ‘রায়বেশে নৃত্য’ ‘দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে’ সর্বাধিক আলোচিত।
- এছাড়া তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ও প্রতীকেরও ডিজাইনার।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৩,৩১৯.
শিল্পী জয়নুল আবেদিনের সংগ্রহশালাটি কোথায়?
  1. ঢাকায়
  2. ময়মনসিংহে
  3. চট্টগ্রামে
  4. নড়াইলে
ব্যাখ্যা
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালা:
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা ময়মনসিংহে অবস্থিত।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ এপ্রিল শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন জেলা প্রশাসনের সহায়তায় নিজের ৭০টি চিত্রকর্ম নিয়ে তৎকালীন উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের মাধ্যমে এই সংগ্রহশালার উদ্বোধন করেন।
- পরবর্তীতে ১৯৮৭ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালাটি একটি দ্বিতল ভবনের রূপ লাভ করে।
- এছাড়া শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালা এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদকে ঘিরে বাঁধ দিয়ে শিল্পাচার্য জয়নুল উদ্যান গড়ে তোলা হয়েছে।
- প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা অসংখ্য দর্শনার্থী শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা এবং উদ্যান পরিদর্শনে আসেন।
- বর্তমানে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
⇒ জয়নুল আবেদিন:
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বেড়ে উঠেছেন ব্রহ্মপুত্রের লালিত্যে গড়ে ওঠা সবুজ শ্যামলিমায়।
- জয়নুল তাঁর প্রথম জীবনেই নদী ও অবারিত প্রকৃতির মাঝে রোমান্টিকতার অনুপ্রেরণা পান।
- তিনি ১৯৩৩ সালে কলকাতা সরকারি আর্ট স্কুলে ভর্তি হন এবং পাঁচ বছর সেখানে ব্রিটিশ স্টাইলের ওপর পড়াশুনা করেন।
- জয়নুল আবেদিন ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী, যারা দেশ ভাগের পর ঢাকায় অভিবাসী হয়েছিলেন, আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন।
- ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩), 'ফসল মাড়াই', জলরং (১৯৬৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
- ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ওয়েবসাইট।
৩,৩২০.
বর্তমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার কে উদ্বোধন করেন?
  1. হাসিনা খাতুন
  2. হাসিনা বেগম
  3. হাসিনা আক্তার
  4. হাসিনা বানু
ব্যাখ্যা
শহীদ মিনার:
- শহীদ মিনার ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিসৌধ।
- এটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রস্থলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত।
- প্রথম শহীদ মিনার নির্মাণ হয়েছিল অতিদ্রুত এবং নিতান্ত অপরিকল্পিতভাবে।
- ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ শুরু করে রাত্রির মধ্যে তা সম্পন্ন করে।
- ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ও সেনাবাহিনী মেডিকেলের ছাত্র হোস্টেল ঘিরে ফেলে এবং প্রথম শহীদ মিনার ভেঙ্গে ফেলে।
- বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেবার পরে ১৯৫৭ সালের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের কাজ শুরু হয়।
- এর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির তত্ত্বাবধানে।
- বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত শহীদ মিনারের স্থপতি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছেন।
- ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ ব্যক্তিত্ব আবুল বরকতের মাতা হাসিনা বেগম কর্তৃক নতুন শহীদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

তথ্যসূত্র - ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট।
৩,৩২১.
জয়নুল আবেদিনের উপাধি-
  1. চিত্রকলার কবি
  2. বাংলার ভ্যান গঘ
  3. পটুয়া
  4. শিল্পাচার্য
ব্যাখ্যা
জয়নুল আবেদীন:
- জন্ম: ১৯১৪ সাল, ময়মনসিংহ।
- আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাঙালি শিল্পী।
- বাংলাদেশে আধুনিক শিল্প আন্দোলনের পথিকৃৎ এবং চারুকলা ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা।
- উপাধি: শিল্পাচার্য, বাংলাদেশের আধুনিক চিত্রকলার জনক হিসেবে পরিচিত।

• বিশেষ চিত্রকর্মসমূহ:
- দুর্ভিক্ষ (১৯৪৩)।
- দ্য রেবেল ক্রো (১৯৫১)।
- দুই মহিলা, পাইন্যার মা, মহিলা (১৯৫৩)।
- ফসল মাড়াই (১৯৬৩)।
- নবান্ন (১৯৬৯)।
- মনপুরা (১৯৭০)।
- সংগ্রাম (১৯৭৬)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,৩২২.
’দারিদ্রহীন বিশ্বের অভিমুখে’- বিখ্যাত বইটি কার?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. আকবর আলী খান
  3. ফজলে হাসান আবেদ
  4. ড. রেহমান সোবহান
ব্যাখ্যা
দারিদ্রহীন বিশ্বের অভিমুখে:
- এটি  ড.মুহাম্মদ ইউনূসের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। 

- মুহাম্মদ ইউনূসের প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ: 
• Banker to the Poor:Micro-lending and The battle against World Poverty. 
• Three Farmers of Jobra; Department of Economics, Chittagong University.
• Creating a World Without Poverty.
দারিদ্র্য হীন বিশ্বের অভিমুখে: আত্মজীবনী মূলক বই
• দারিদ্র্যমুক্ত বিশ্বের জন্য,
• গ্রামীণ ব্যাংক ও আমার জীবন,
• পথের বাধা সরিয়ে নিন, মানুষকে এগুতে দিন।

অপরদিকে,
ড. রেহমান সোবহান বই:
- Untranquil Recollections.
- ’পরার্থপরতার অর্থনীতি আকবর আলী খান।

উৎস: ইউনূস সেন্টার।
৩,৩২৩.
T20 বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী ক্রিকেটার কে?
  1. মিচেল স্টার্ক
  2. সাকিব আল হাসান
  3. ফজল হক ফারুকী
  4. ওয়ানিদু হাসারাঙ্গা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
- টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নতুন মাইলফলক স্পর্শ করলেন বাংলাদেশের অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।
- নবম T20 বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে রোহিত শর্মার উইকেট নিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ৫০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন তিনি।
- এই কীর্তি গড়া ক্রিকেট ইতিহাসে তিনিই প্রথম। আগেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী ছিলেন সাকিব।
- টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সাকিবের পেছনে আছেন পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার শহীদ আফ্রিদি (৩৯) ও শ্রীলঙ্কার সাবেক ক্রিকেটার লাসিথ মালিঙ্গা (৩৮)।

সূত্র- আইসিসি ওয়েবসাইট।
৩,৩২৪.
’নাইওর’ চিত্রকর্মটি কে এঁকেছেন?
  1. মুস্তফা মনোয়ার
  2. কামরুল হাসান
  3. জয়নুল আবেদিন
  4. মিশুক মুনির
ব্যাখ্যা

শিল্পী কামরুল হাসান:
- তাঁর প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার নারেঙ্গা গ্রামে।
- কামরুল হাসানের শিক্ষাজীবন কাটে কলকাতায়।
- তিনি কলকাতার মডেল এম ই স্কুল (১৯৩০-৩৫) এবং কলকাতা মাদ্রাসায় (১৯৩৬-৩৭) প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন।
- ১৯৩৮ সালে তিনি কলকাতার গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টস-এ ভর্তি হন এবং ১৯৪৭ সালে চিত্রকলায় স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
- ‘তিনকন্যা’ ও ‘নাইওর’ তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
- ১৯৮৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩,৩২৫.
সম্প্রতি কোন শহরে বঙ্গবন্ধুর নামে একটি সড়কের নামকরণ করা হয়?
  1. আঙ্কারা
  2. হেবরন
  3. ফ্রিটাউন
  4. কুয়েতসিটি
ব্যাখ্যা
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ফিলিস্তিনের হেবরন শহরে একটি সড়কের নামকরণ করা হয়েছে। হেবরন শহর ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের দক্ষিণাংশে অবস্থিত।
(তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন)
৩,৩২৬.
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের সূত্রপাত হয় কত সালে? 
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭১ সালে
  4. ১৯৭০ সালে
ব্যাখ্যা
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের সূত্রপাত হয় ১৯৭৩ সালে।

- ২২শে মে, ২০০১ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর ব্রাসেলসে ইইউ এবং বাংলাদেশের মধ্যে সহযোগিতামূলক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহ হল বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাজার।
- বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের একটি বিশাল অংশ সম্পন্ন হয় ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে।

সূত্র- বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি ও বিভিন্ন সংস্থা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩২৭.
২০২৫ সালের শান্তিতে নোবেল জয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো কোন দেশের নাগরিক?
  1. কলম্বিয়া
  2. ভেনেজুয়েলা
  3. তুরস্ক
  4. হাঙ্গেরি
ব্যাখ্যা

২০২৫ সালের  শান্তিতে নোবেল বিজয়ী:
- ২০২৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার রাজনীতিবিদ ও মানবাধিকারকর্মী মারিয়া কোরিনা মাচাদো।
- অবদান: ভেনেজুয়েলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিরাম প্রচেষ্টা এবং একনায়কতন্ত্র থেকে ন্যায়ভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ গণতন্ত্রে উত্তরণের সংগ্রামের জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- সাহিত্য: হাঙ্গেরিয়ান লেখক লাজলো ক্রাজনাহরকাই।
- চিকিৎসাবিজ্ঞান: ম্যারি ই. ব্রুনকো, ফ্রেড রামসডেল ও শিমন সাকাগুচি।
- পদার্থবিজ্ঞান: জন ক্লার্ক, মিশেল দেভরেট ও জন এম মার্টিনিস।
- রসায়ন: সুসুমু কিতাগাওয়া, রিচার্ড রবসন ও ওমর এম. ইয়াগি।
- অর্থনীতি: ইওয়েল মোকিয়র, ফিলিপ আগিয়োঁ ও পিটার হাউইট।

উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।

৩,৩২৮.
'জুলাই কন্যা অ্যাওয়ার্ড-২০২৫' প্রদান করা হয় কতজন নারীকে?
  1. ২৪ জন
  2. ৩৬ জন
  3. ৭০ জন
  4. ১০০ জন
ব্যাখ্যা

জুলাই কন্যা অ্যাওয়ার্ড:
- ১০০ জন নারীকে 'জুলাই কন্যা অ্যাওয়ার্ড-২০২৫' প্রদান করা হয়।

⇒ ৮ আগস্ট ২০২৫ তারিখে জুলাই কন্যা ফাউন্ডেশনের আয়োজিত অনুষ্ঠানে জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ১০০ জন নারী এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের হাতে  'জুলাই কন্যা অ্যাওয়ার্ড-২০২৫' সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।
- অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জুলাই কন্যা ফাউন্ডেশনের সভাপতি জান্নাতুন নাঈম প্রমী।
- অনুষ্ঠানে ১০০ নির্বাচিত নারীর হাতে "জুলাই কন্যা অ্যাওয়ার্ড ২০২৫" সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।
- পাশাপাশি তাদের জীবন ও কর্মভিত্তিক সাফল্যের গল্প শ্রোতাদের সামনে উপস্থাপন করা হয়, যাতে অন্য নারীরা অনুপ্রাণিত হতে পারেন।

উৎস: প্রথম আলো।

৩,৩২৯.
জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রথম নারী স্থায়ী প্রতিনিধি কে?
  1. রাবাব ফাতিমা
  2. শারমিন আক্তার
  3. ইসমত জাহান
  4. নাহিদা সোবহান
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের প্রথম নারী স্থায়ী প্রতিনিধি:
- জাতিসংঘে বাংলাদেশি প্রথম নারী স্থায়ী প্রতিনিধি ইসমত জাহান।

উল্লেখ্য,
- ২০০৫ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত ইসমত জাহান নেদারল্যান্ডসে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন।
- নেদারল্যান্ডসে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগের পর ইসমত জাহান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি ছিলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রথম নারী স্থায়ী প্রতিনিধি।
- ২০০৯ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ইসমত জাহান বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নে মিশন প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ২০১০ সালে তিনি নারীর বিরুদ্ধে বৈষম্য দূরীকরণ সংক্রান্ত জাতিসংঘ কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন।
- ২০১৬ সালের জুলাইয়ে তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি)-এর স্থায়ী পর্যবেক্ষক মিশনের প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হন।

অন্যদিকে,
- জাতিসংঘ শান্তি কমিশনের প্রথম নারী সভাপতি বাংলাদেশের রাবাব ফাতিমা।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

৩,৩৩০.
কান্তজীউ মন্দির কোন শতাব্দীতে নির্মিত হয়?
  1. ষোড়শ শতাব্দী
  2. সপ্তদশ শতাব্দী
  3. অষ্টাদশ শতাব্দী
  4. উনবিংশ শতাব্দী
ব্যাখ্যা
কান্তজীউ মন্দির:
- স্থাপত্য শিল্পের উজ্জ্বল নিদর্শন দিনাজপুরের কান্তজীউ মন্দির।
- কান্তজীউ মন্দির দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের ঢেপা নদীর তীরে অবস্থিত।
- টেরাকাটা অলঙ্কারের বৈচিত্র্যে এবং ইন্দো-পারস্য স্থাপনা কৌশল অবলম্বনে মন্দিরটি নির্মিত।
- শ্রীকৃষ্ণের যুদ্ধ-বিগ্রহ অধিষ্ঠানের জন্য এই মন্দির নির্মিত হয়।
- মন্দিরটি অষ্টাদশ শতাব্দীতে নির্মিত হয়।
- মন্দিরের উত্তরের ভিত্তিবেদির শিলালিপি থেকে জানা যায়, মহারাজা প্রাণনাথের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান ও পৃষ্ঠপোষকতায় ১৭০৪ খ্রিঃ থেকে মন্দিরটি নির্মাণ শুরু হয়।
- তার নির্দেশ মতে মহারাজার দত্তক পুত্র রাজ রামনাথ রায় ১৭৫২ খ্রিঃ এর নির্মাণ কাজ শেষ করেন। 
- মন্দিরের টেরাকোটা চিত্রে রামায়ণ ও মহাভারতের ঘটনা সম্বলিত চিত্র ও মুঘল আমলের বাংলার সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ছবি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
- মন্দিরটি দিনাজপুর রাজদেবোত্তর এস্টেটের একটি অংশ।
- দেবোত্তর এস্টেট বর্তমানে মন্দিরটি দেখাশোনা করে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৩৩১.
সম্প্রতি, বৈশ্বিক খাদ্য ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সংস্কারে প্রধান উপদেষ্টা ড.মুহাম্মদ ইউনূস কতটি প্রস্তাবনা করেন? 
  1. ৪টি
  2. ১১টি
  3. ৬টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

বিশ্ব খাদ্য ফোরাম (ডব্লিউএফএফ) ২০২৫: 
- বৈশ্বিক খাদ্য ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সংস্কারে প্রধান উপদেষ্টা ড.মুহাম্মদ ইউনূস ৬টি প্রস্তাব করেন।
- বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বৈশ্বিক খাদ্য ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থার পূর্ণ সংস্কারের আহ্বান জানিয়ে ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব গঠনের জন্য ছয় দফা প্রস্তাব দিয়েছেন।
- ১৩ অক্টোবর ২০২৫ ইতালির রোমে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) সদর দপ্তরে আয়োজিত হয় বিশ্ব খাদ্য ফোরাম (ডব্লিউএফএফ) ২০২৫-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।

• প্রস্তাবসমূহ ৬টি মূল দিক:

১.যুদ্ধ বন্ধ করুন, সংলাপ শুরু করুন ও সংঘর্ষ এলাকায় খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করুন;
২. দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করুন SDG অর্থায়ন, জলবায়ু পদক্ষেপ গ্রহণ করুন, দুর্বলদের রেজিলিয়েন্স বাড়ান;
৩. আঞ্চলিক খাদ্য ব্যাংক গঠন করুন -শক (ঝড়, দুর্যোগ, হামলা) মোকাবিলায়, সরবরাহ চেইন স্থিতিশীল রাখতে;
8. স্থানীয় উদ্যোক্তা, বিশেষ করে যুবকদের (কৃষি, এগ্রি-টেক) সাপোর্ট করুন অর্থ, অবকাঠামো, বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব;
৫. রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা (export bans) বন্ধ করুন; বাণিজ্য নীতিগুলোকে খাদ্য নিরাপত্তাকে সমর্থন করার মতো সংস্কার করুন;
৬. প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের অ্যাক্সেস নিশ্চিত করুন, বিশেষ করে গ্লোবাল সাউথ ও গ্রামীণ যুবকদের জন্য।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা নিউজ। [লিঙ্ক]

৩,৩৩২.
বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ কে? [অক্টোবর, ২০২৪]
  1. রাসেল ডমিঙ্গো
  2. ফিল সিমন্স
  3. হাথুরুসিংহে
  4. কার্ল হুপার
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

• জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স:
- জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ হিসেবে ফিল সিমন্স কে নিয়োগ দিয়েছেন বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ।
- তিনি চন্ডিকা হাথুরুসিংহের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। 
- ফিল সিমন্স ইতিপূর্বে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আয়ারল্যান্ড, জিম্বাবুয়ে ও আফগানিস্তানের কোচ হিসেবে কাজ করেছেন।

সূত্র: প্রথম আলো।
৩,৩৩৩.
২০২৪ সালে ইউনেস্কোর ‘ওয়ার্ল্ড মেমোরি’র তালিকায় বাংলাদেশের কোন উপন্যাস স্থান পেয়েছে?
  1. মতিচূর
  2. পদ্মরাগ
  3. সুলতানা’স ড্রিম
  4. অবরোধবাসিনী
ব্যাখ্যা
 সুলতানা’স ড্রিম:
- ২০২৪ সালে ইউনেস্কোর ‘ওয়ার্ল্ড মেমোরি’র তালিকায় স্থান পেয়েছে রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের লেখা নারীর মুক্তিপ্রত্যাশী উপন্যাস ‘সুলতানা’স ড্রিম’।
- মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলান বাটোরে ইউনেসকোর ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড কমিটি ফর এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিক’ বা মৌক্যাপের দশম সাধারণ সভায় ঘোষণাটি দেওয়া হয়।
- বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মৌক্যাপের কাছে ‘সুলতানা’স ড্রিম’-এর নামের আবেদন জানিয়েছিল মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।

উল্লেখ্য,
- Sultana’s Dream গ্রন্থটি রোকেয়া নিজেই বাংলায় অনুবাদ করেন সুলতানার স্বপ্ন নামে।
- এটি একটি প্রতীকী রচনা এবং এতে বর্ণিত Lady Land বা নারীস্থান মূলত রোকেয়ারই স্বপ্নকল্পনার প্রতীক।
- নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়ার জন্ম ৯ই ডিসেম্বর, ১৮৮০।
- বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের ইতিহাসে বেগম রোকেয়ার অবদান চিরঅম্লান।
- মুসলমান মেয়েদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি এবং তাদের অধিকার আদায়ের জন্য ১৯১৬ সালে বেগম রোকেয়া প্রতিষ্ঠা করেন আঞ্জুমানে খাওয়াতীনে ইসলাম বা মুসলিম মহিলা সমিতি।

উৎস: UNESCO ওয়েবসাইট। [Link]
৩,৩৩৪.
১৯৭২ সালে বিজয় দিবসের স্মারক ডাকটিকিটের ডিজাইনার কে ছিলেন?
  1. কামরুল হাসান
  2. কে.জি. মুস্তফা
  3. রিপ্টি চিন্টনিশ
  4. নিতুন কুণ্ডু
ব্যাখ্যা

ডাকটিকেট: 
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের প্রথম বার্ষিকীতেই ২০, ৬০ ও ৭৫ পয়সা মূল্যমানের ৩টি স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশিত হয়।
- ডাকটিকিটের নকশায় আনন্দের আতশবাজি ও শান্তির প্রতীক হিসেবে ছয়টি পায়রার ছবি স্থান পায়।
- এর ডিজাইনার কে জি মুস্তাফা।

উল্লেখ্য,
- এরপর ১৯৮২ সালের বিজয় দিবসে প্রকাশিত প্রতিটি ৫০ পয়সা মূল্যের ৭টি স্মারক ডাকটিকিটে স্থান পায় ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠর ছবি ডিজাইনার আহমেদ ফজলুল করিম।
- দীর্ঘ বিরতি দিয়ে ১৯৯৬ সালে বিজয়ের রজত জয়ন্তীতে ৪ ও ৬ টাকা মূল্যমানের ২টি স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশিত হয়। এতে জনগণের বিজয় উল্লাস ও  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার সামনে মুক্তিযোদ্ধাদের বিজয় উল্লাসের নকশা করেন মোহাম্মদ সামসুজ্জোহা।

উৎস: দৈনিক ইত্তেফাক।[লিঙ্ক]

৩,৩৩৫.
বাংলাদেশ কমনওয়েলথের কততম সদস্য?
  1. ৩০ তম
  2. ৩১ তম
  3. ৩২ তম
  4. ৩৩ তম
ব্যাখ্যা
কমনওয়েলথ:
- কমনওয়েলথ এর সদর দপ্তর লন্ডনে।
- আধুনিক কমনওয়েলথ ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- কমনওয়েলথে দাপ্তরিক ভাষা ইংরেজী।
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৬টি দেশ। (নভেম্বর, ২০২৪)
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথের সদস্য হয় ।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩২তম সদস্য।
- বর্ণবাদ নিয়ে সমালোচনার জেরে ১৯৬১ সালে কমনওয়েলথ থেকে সরে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়ে সদস্যভুক্ত করায় পাকিস্তান ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথ ত্যাগ করে।

তথ্যসূত্র- কমনওয়েলথ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩,৩৩৬.
দেশে প্রথমবার ‘রোবটিক এনজিওপ্লাস্টি’ হয় কোথায়?
  1. বিএসএমএমইউ
  2. জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতাল
  3. বারডেম জেনারেল হাসপাতাল
  4. শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
ব্যাখ্যা
- দেশে প্রথমবার ‘রোবটিক এনজিওপ্লাস্টি’ হয় - জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতালে।
- হৃদরোগীর প্রধান ধমনিতে বিনা মূল্যে রোবটের মাধ্যমে রিং পরানো হয়।
- রোবোটিক সার্জারির এই অস্ত্রোপচার করেন হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. প্রদীপ কুমার কর্মকার ও তার বিশেষায়িত টিম।
- এই চিকিৎসা পদ্ধতির উদ্বোধন করেন হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. কামরুল হাসান মিলন ও কার্ডিলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. সালাউদ্দিন। 

উৎস- LIVE MCQ সাম্প্রতিক সমাচার (ফেব্রুয়ারি)।
৩,৩৩৭.
কাবাডি খেলাকে জাতীয় খেলার মর্যাদা দেয়া হয় কত সালে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা

কাবাডি:
- কাবাডি খেলাকে জাতীয় খেলার মর্যাদা দেয়া হয় ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন গঠিত হয় ১৯৭৩ সালে।
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ সফররত ভারতীয় কাবাডি দলের সঙ্গে প্রথম কাবাডি টেস্ট খেলে।
- ১৯৭৮ সালে এশিয়ান অ্যামেচার কাবাডি ফেডারেশন গঠন করা হয়।
- ১৯৮০ সালে সফলভাবে প্রথম এশীয় কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজন করা হয়
  এবং এতে ভারত চ্যাম্পিয়ন ও বাংলাদেশ রানার্স আপ হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৩,৩৩৮.
When did Bangladesh become a member of Commonwealth?
  1. 18 april, 1972
  2. 14 april, 1973
  3. 14 april, 1972
  4. 18 april, 1973
  5. 22 february, 1974
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বিভিন্ন সংস্থার সদস্যপদ লাভ: 
কমনওয়েলথ(৩২ তম) - ১৮ এপ্রিল, ১৯৭২।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা(WHO) - ১৭ মে, ১৯৭২ (UN ভুক্ত প্রথম সংস্থা)।
ILO - ২২ জুন, ১৯৭২।
IMF, বিশ্ব ব্যাংক - ১৭ আগস্ট, ১৯৭২।
UNESCO - ২৭ অক্টোবর, ১৯৭২।
FAO - ১২ নভেম্বর, ১৯৭৩।
OIC - ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪।
জাতিসংঘ - ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪।
CIRDAP - ৮ এপ্রিল, ১৯৮৭।
WTO - ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫।
বিশ্ব পরমানু ক্লাব - ৪ নভেম্বর, ২০১৭।

উৎস: সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট।
৩,৩৩৯.
'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানটির প্রথম সুরকার কে?
  1. ক) মাহমুদুন্নবী
  2. খ) আলতাফ মাহমুদ
  3. গ) আব্দুল গাফফার চৌধুরী
  4. ঘ) আব্দুল লতিফ
ব্যাখ্যা
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ - গানটির প্রথম সুরকার ছিলেন আব্দুল লতিফ
- গানটির বর্তমান সুরকার হলেন আলতাফ মাহমুদ।
- গানটির রচয়িতা বা গীতিকার হলেন আব্দুল গাফফার চৌধুরী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,৩৪০.
কোন বাঙ্গালি বিজ্ঞানী মারকিউরাস নাইট্রাইট আবিষ্কাের সাথে জড়িত?
  1. সত্যেন্দ্রনাথ বসু
  2. আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়
  3. ড. কুদরাত-ই-খুদা
  4. জগদীশ চন্দ্র বসু
ব্যাখ্যা

আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়: 
- আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের জন্ম ১৮৬১ সালের ২ আগস্ট, খুলনার পাইকগাছার রাড়ুলি গ্রামের জমিদার পরিবারে।
- মারকিউরাস নাইট্রাইট (HgNO₂) আবিষ্কার করেন প্রখ্যাত বাঙালি রসায়নবিদ আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়।
- তিনি ১৮৯৫ সালে এই যৌগটি আবিষ্কার করেন।
- এটি দেশীয় বিজ্ঞানচর্চার পথপ্রদর্শক হিসেবে বিবেচিত।
- তিনি নিজ বাসভবনে গবেষণা শুরু করে পরে বেঙ্গল কেমিক্যাল অ্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যাল ওয়ার্কস প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই প্রতিষ্ঠান ছিল ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম রসায়নভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠান।
- তিনি মোট ১২টি যৌগিক লবণ ও ৫টি থায়োএস্টার আবিষ্কার করেন। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও পত্রিকা রিপোর্ট। 

৩,৩৪১.
কান্তজীউ মন্দির কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. তিস্তা নদী
  2. ধরলা নদী
  3. মহানন্দা নদী
  4. ঢেপা নদী
ব্যাখ্যা
কান্তজীউ মন্দির:
- স্থাপত্য শিল্পের উজ্জ্বল নিদর্শন দিনাজপুরের কান্তজীউ মন্দির।
- কান্তজীউ মন্দির দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের ঢেপা নদীর তীরে অবস্থিত
- টেরাকাটা অলঙ্কারের বৈচিত্র্যে এবং ইন্দো-পারস্য স্থাপনা কৌশল অবলম্বনে মন্দিরটি নির্মিত।
- শ্রীকৃষ্ণের যুদ্ধ-বিগ্রহ অধিষ্ঠানের জন্য এই মন্দির নির্মিত হয়।
- মন্দিরটি অষ্টাদশ শতাব্দীতে নির্মিত হয়।
- মন্দিরের উত্তরের ভিত্তিবেদির শিলালিপি থেকে জানা যায়, মহারাজা প্রাণনাথের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান ও পৃষ্ঠপোষকতায় ১৭০৪ খ্রিঃ থেকে মন্দিরটি নির্মাণ শুরু হয়।
- তার নির্দেশ মতে মহারাজার দত্তক পুত্র রাজ রামনাথ রায় ১৭৫২ খ্রিঃ এর নির্মাণ কাজ শেষ করেন। 
- মন্দিরের টেরাকোটা চিত্রে রামায়ণ ও মহাভারতের ঘটনা সম্বলিত চিত্র ও মুঘল আমলের বাংলার সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ছবি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
- মন্দিরটি দিনাজপুর রাজদেবোত্তর এস্টেটের একটি অংশ।
- দেবোত্তর এস্টেট বর্তমানে মন্দিরটি দেখাশোনা করে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৩৪২.
নিম্নের কোন সংস্থার বর্তমান সভাপতিত্ব করছে বাংলাদেশ? (মার্চ-২০২৬)
  1. IORA
  2. BIMSTEC
  3. ASEAN
  4. CIRDAP 
ব্যাখ্যা

 BIMSTEC এর বর্তমান সভাপতি দেশ - বাংলাদেশ।

• BIMSTEC:
- এর পূর্ণরূপ: Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation.
- BIMSTEC একটি অর্থনৈতিক সংগঠন।
- এর প্রতিষ্ঠাকাল: ৬ জুন, ১৯৯৭ সাল।
- সদর দপ্তর: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- এর প্রতিষ্ঠার স্থান: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড।
- এর সদস্য সংখ্যা: ৭টি দেশ।
- এগুলো হলো- ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৪টি।
- এগুলো হলো- বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড।

উৎস: বিমসটেক ওয়েবসাইট।

৩,৩৪৩.
বাংলাদেশের প্রথম নারী আম্পায়ার হিসেবে বিশ্বকাপে আম্পায়ারিং করবেন কে?
  1. জোবায়দা রহমান
  2. রোকেয়া সুলতানা
  3. সাথিরা জাকির জেসি
  4. শামসুন নাহার 
ব্যাখ্যা

• ২০২৫ আইসিসি নারী ওয়ানডে ক্রিকেট বিশ্বকাপে আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন- সাথিরা জাকির জেসি।
- বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে তিনি হচ্ছেন প্রথম বাংলাদেশি নারী আম্পায়ার, ‍যিনি এ দায়িত্ব পালন করবেন।

উল্লেখ্য,

- ২০২৫ সালের আইসিসি নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত।
- আট দলের অংশগ্রহণে ২৮টি লিগ ম্যাচ খেলা হবে রাউন্ড-রবিন ফরম্যাটে।
- টুর্নামেন্টের জন্য নির্ধারিত পাঁচটি ভেন্যু হলো, এম. চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম (বেঙ্গালুরু), এসিএ স্টেডিয়াম (গৌহাটি), হোলকার স্টেডিয়াম (ইন্দোর), এসিএ-ভিডিসিএ স্টেডিয়াম (বিশাখাপত্তনম), আর. প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম (কলম্বো, শ্রীলঙ্কা)।

- ১২ বছর পর ভারতে আবারও অনুষ্ঠিত হচ্ছে নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ। উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিক ভারত মাঠে নামবে বেঙ্গালুরুতে।

উৎস: যুগান্তর।

৩,৩৪৪.
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি: 
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি বাংলাদেশে সংস্কৃতিচর্চার একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশের সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শিল্পকলার চর্চা ও বিকাশের উদ্দেশে ১৯৭৪ সালে ১৯ ফেব্রুয়ারি একটি বিশেষ আইন দ্বারা এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক ছিলেন ড. মুস্তাফা নূর-উল ইসলাম।
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ছয়টি বিভাগ নিয়ে গঠিত।
- বিভাগগুলো হলো: চারুকলা বিভাগ, নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগ, সংগীত নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগ, গবেষনা ও প্রকাশনা বিভাগ, প্রশিক্ষণ বিভাগ, প্রযোজনা বিভাগ। 
- একাডেমীর সর্বোচ্চ নির্বাহী কর্মকর্তা হচ্ছেন মহাপরিচালক। 
- সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বিস্তৃত করার লক্ষ্যে দেশের ৬৪টি জেলায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৩৪৫.
ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম প্রকাশিত ‘গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ রিপোর্ট-২০২১’ অনুসারে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ৪৫তম
  2. ৬৫তম
  3. ৯১তম
  4. ১০৬তম
ব্যাখ্যা
- ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম প্রকাশিত ‘গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ রিপোর্ট-২০২১’ অনুসারে ১৫৬টি দেশের মধ্যে জেন্ডার সমতায়,
- বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান : ৬৫তম
- দক্ষিণ এশিয়ায় : প্রথম।
রিপোর্ট অনুসারে বিশ্বে:
- শীর্ষ দেশ : আইসল্যান্ড
(তথ্যসূত্র: বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম ওয়েবসাইট)
৩,৩৪৬.
অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. খাজা নাজিমুদ্দিন
  3. শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
  4. দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস
ব্যাখ্যা
এ.কে. ফজলুল হক:

- আবুল কাশেম ফজলুল হক বাকেরগঞ্জ জেলার দক্ষিণাঞ্চলের বর্ধিষ্ণু গ্রাম সাটুরিয়ায় ১৮৭৩ সালের ২৬ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন।
- অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন এ.কে. ফজলুল হক।
- শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ ও জননেতা।
- তিনি কলকাতার মেয়র হোন ১৯৩৫ সালে।
- অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৩৭-১৯৪৩) এবং পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৫৪) ছিলেন।
- তিনি পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী (১৯৫৫) এবং পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নরের পদ (১৯৫৬-১৯৫৮) সহ বহু উঁচু রাজনৈতিক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- ১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৩,৩৪৭.
২০২৪ সালে উইজডেনের বর্ষসেরা ওয়ানডে একাদশে স্থান পেয়েছে কে?
  1. তামিম ইকবাল
  2. মুশফিকুর রহিম
  3. তাসকিন আহমেদ
  4. মোস্তাফিজুর রহমান
ব্যাখ্যা
উইজডেনের বর্ষসেরা ওয়ানডে একাদশ- ২০২৪:
- বিখ্যাত ক্রিকেট সাময়িকী উইজডেন ২০২৪ সালের বর্ষসেরা ওয়ানডে একাদশ প্রকাশ করেছে।
- গত বছরের সেরা পারফরমারদের এই একাদশে একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে সুযোগ পেয়েছেন তারকা পেসার তাসকিন আহমেদ।
- ২০২৪ সালে সাত ওয়ানডেতে ১৪ উইকেট নিয়েছেন তিনি।
- তার ইকোনমি রেট ছিল ৫.৩১ এবং বোলিং গড় ২৩.৯২।

উল্লেখ্য,
উইজডেনের বর্ষসেরা ওয়ানডে দল:
সাইম আইয়ুব, পাথুম নিশাঙ্কা, কেসি কার্টি, কুশল মেন্ডিস, আজমতউল্লাহ ওমরজাই, লিয়াম লিভিংস্টোন, শেরফানে রাদারফোর্ড, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, শাহিন শাহ আফ্রিদি, আল্লাহ মোহাম্মদ গজনফার ও তাসকিন আহমেদ।

তথ্যসূত্র: উইজডেন ওয়েবসাইট।
৩,৩৪৮.
সম্প্রতি বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর কোন পুরস্কার পেয়েছেন?
  1. স্বাধীনতা পুরস্কার - ২০২৫
  2. একুশে পদক - ২০২৫
  3. বাংলা একাডেমি পুরস্কার- ২০২৫
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

• স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- ৭ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে দেয়া হয় ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫’।
- ৭ জনের মধ্যে ৬ জনকে মরণোত্তর পুরস্কার প্রাপ্ত হয়।
- শুধু বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর জীবিত পুরস্কার প্রাপ্ত হন।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে :অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),।
- সাহিত্যে: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর), । 
- সংস্কৃতিতে: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),।
- সমাজসেবায়: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),।
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতিতে: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),।
- শিক্ষা ও গবেষণায় : বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর ।
- প্রতিবাদী তারুণ্যের : আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

৩,৩৪৯.
UNESCO সাধারণ পরিষদের বর্তমান সভাপতি কে? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. খন্দকার এম এ মতিন
  2. খন্দকার এম তালহা
  3. রোকনুজ্জামান খান
  4. আব্দুর রাজ্জাক
ব্যাখ্যা

• খন্দকার এম তালহা:
- জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেসকোর ৪৩তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ।
- ৪৩তম সাধারণ পরিষদে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশি হিসেবে সভাপতিত্ব করবেন ইউনেসকোতে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি খন্দকার এম তালহা।
- ইউনেসকোর নির্বাহী পরিষদের ২২২তম বৈঠকে জাপানের রাষ্ট্রদূত তাকেহিরো কানোর বিপক্ষে ৩০–২৭ ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়েছেন খন্দকার তালহা।

• UNESCO:
– জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (UNESCO)
– UNESCO- এর পূর্ণরুপ – United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization.
– এর প্রধান কাজ হলো – বিশ্ব ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা।
– ইউনেস্কোর সংবিধান গৃহীত হয় - ১৯৪৫ সালে।
– কার্যক্রম শুরু করে – ১৯৪৬ সালে।
– প্রতিষ্ঠার স্থান – লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
– সদর দপ্তর – প্যারিস, ফ্রান্স।
– সদস্য সংখ্যা – ১৯৪ টি  এবং সহযোগী সদস্য – ১২ টি।
– UNESCO- এর বর্তমান বিশ্ব ঐতিহ্যের সংখ্যা – ১১৫৪ টি।
– বাংলাদেশ ইউনেস্কোর সদস্যপদ লাভ করে – ১৯৭২ সালে।
– UNESCO ঘোষিত বাংলাদেশের বিশ্ব ঐতিহ্য – ৩ টি।

উৎস: UNESCO website।

৩,৩৫০.
বর্তমানে কোন প্রতিষ্ঠান বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর পরিচালনা করে?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি
  3. বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর
  4. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর:
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর।
- দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রত্নতাত্ত্বিক সংগ্রহশালা বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর রাজশাহী শহরের কেন্দ্রস্থল হাতেম খাঁন মহল্লায় অবস্থিত।
- এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠায় নাটোরের দিঘাপাতিয়া রাজপরিবারের জমিদার শরত্কুমার রায়, আইনজীবী অক্ষয়কুমার মৈত্রেয় এবং রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের শিক্ষক রামপ্রসাদ চন্দ্রের উল্লেখযোগ্য আবদান রয়েছে।
- বরেন্দ্র অঞ্চলের রাজন্যবর্গ, সমসাময়িক জ্ঞানী, গুণী ও পন্ডিতজন সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠা করেন বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর।
- ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ নভেম্বর বাংলার তৎকালীন গভর্নর কারমাইকেল জাদুঘরটি উদ্বোধন করেন।
- বর্তমানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এটি পরিচালনা করে থাকে।

⇒ ১৯৬৪ খ্রিষ্টাব্দে জাদুঘরটি বন্ধ হবার উপক্রম হলে ঐ বছরের ১০ অক্টোবর তারিখে এর স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অধিগ্রহণ করে।
- জাদুঘরটির পরিদর্শকদের মধ্যে রয়েছেন মহাত্মা গান্ধী, নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু প্রমুখ সহ আনেক বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ।
- বরেন্দ্র জাদুঘরের সংগ্রহ সংখ্যা ৯ হাজারেরও অধিক।
- এখানে হাজার বছর আগের সিন্ধু সভ্যতার নিদর্শন রয়েছে।
- মহেনজোদারো সভ্যতা থেকে সংগৃহীত প্রত্নতত্ত, পাথরের মূর্তি, খ্রিস্টীয় একাদশ শতকে নির্মিত বুদ্ধ মূর্তি, ভৈরবের মাথা, গঙ্গা মূর্তি সহ অসংখ্য মূর্তি এই জাদুঘরের অমূল্য সংগ্রহের অন্তর্ভুত। মোঘল আমলের রৌপ্র মুদ্রা, গুপ্ত সম্রাট চন্দ্রগুপ্তের গোলাকার স্বর্ণমুদ্রা, সম্রাট শাহজাহানের গোলাকার রৌপ্য মুদ্রা বিশেষ ভাবে উল্যেখয়োগ্য। এখানে প্রায় ৫,০০০ পুঁথি রয়েছে যার মধ্যে ৩৬৪৬টি সংস্কৃত আর বাকিগুলো বাংলায় রচিত।
- পাল যুগ থেকে মুসলিম যুগ পযর্ন্ত সময় পরিধিতে অঙ্কিত চিত্রকর্ম, নূরজাহানের পিতা ইমাদ উদ দৌলার অঙ্কিত চিত্র এখানে রয়েছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৩৫১.
এখন পর্যন্ত কতজন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন? [অক্টোবর, ২০২৪]
  1. ৪ জন
  2. ৫ জন
  3. ৬ জন
  4. ৭ জন
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশী এভারেস্ট জয়ী:

- বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম এভারেস্ট পর্বত বা মাউন্ট এভারেস্ট (Mount Everest)।
- ১৯৫৩ সালে এডমন্ড হিলারি ও তেনজিং নোরগে প্রথম এই শৃঙ্গ জয় করেন।
- বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ হচ্ছে ৬৭তম এভারেস্টজয়ী দেশ।

⇒ এখন পর্যন্ত ৫জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, মো. খালেদ হোসাইন, বাবর আলী।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।

এছাড়াও,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন।
- তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি।
- তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

উৎস: i) ২০ মে, ২০২৪, The Business Standard.
ii) ২৯ আগস্ট ২০২২, প্রথম আলো।
৩,৩৫২.
কোন সাময়িকী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এশিয়ার আয়রন লেডি খেতাবে ভূষিত করে?
  1. দ্য ইকোনমিস্ট
  2. নিউজ উইকস
  3. দ্য গার্ডিয়ান
  4. রয়টার্স
ব্যাখ্যা
এশিয়ার ‘আয়রন লেডি’ শেখ হাসিনা:
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এশিয়ার 'আয়রন লেডি' হিসেবে উল্লেখ করেছে ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট।
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সময় ক্ষমতায় থাকা নারী সরকারপ্রধান।

অন্যদিকে,
- লেডি অব ঢাকা- যুক্তরাষ্ট ভিত্তিক  প্রভাবশালী বিজনেস ম্যাগাজিন ‘ফোর্বস’।
- মাদার অব হিউম্যানিটি- ব্রিটিশ মিডিয়া।
- কারিশম্যাটিক লিডার- মিশরের রাষ্টদূত মাহামুদ ইজ্জত।
- বিশ্ব মানবতার বিবেক- কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট জুয়ান ম্যানুয়েল সন্তোস।
- বিরল মানবতাবাদী নেতা- তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।

উৎস: প্রথম আলো ও যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।
৩,৩৫৩.
ব্রাহ্ম সমাজের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. রামমোহন রায়
  2. স্বামী বিবেকানন্দ
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. দ্বারকানাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
সমাজের প্রতিষ্ঠা:
- বাংলায় নবজাগরণের অগ্রদূত রাজা রামমোহন রায় ১৮২৮ সালের ২০ আগস্ট ব্রাহ্ম সমাজ বা ব্রাহ্ম সভা প্রতিষ্ঠা করেন।
- ব্রাহ্ম সমাজ মানে হলো ঈশ্বরের সমাজ।
- ব্রাহ্ম সমাজ একটি ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কার আন্দোলন।
- রামমোহন রায়ের মৃত্যুর পর দ্বারকানাথ ঠাকুর এবং পরবর্তীতে তার পুত্র দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্রাহ্ম সমাজের হাল ধরেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৩,৩৫৪.
NAPE বা জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির অবস্থান নিচের কোন জেলায়?
  1. চট্টগ্রাম
  2. রাজশাহী
  3. ময়মনসিংহ
  4. গাজীপুর
ব্যাখ্যা

• জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (NAPE):
- National Academy for Primary Education।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৬৯ সালে, জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) হিসেবে ।
- অবস্থান: ময়মনসিংহ।
- স্বাধীনতার পর রূপান্তর: ১৯৭২ সালে কলেজ অব এডুকেশন নামে যাত্রা শুরু ।
- পুনর্গঠন: ১৯৭৮ সালে “মৌলিক শিক্ষা একাডেমি” নামে প্রতিষ্ঠিত ।
- নামকরণ: ১৯৮৫ সালে নামকরণ হয় “জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (NAPE) ।
- স্বায়ত্তশাসন: ২০০৪ সালের ১ অক্টোবর থেকে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম শুরু।

তথ্যসূত্র: NAPE ওয়েবসাইট।

৩,৩৫৫.
'দেশ আজ বিশ্ব বেহায়াদের খপ্পরে'-এর চিত্রকর কে?
  1. এস এম সুলতান
  2. কামরুল হাসান
  3. জয়নুল আবেদিন
  4. রফিক আজাদ
ব্যাখ্যা
কামরুল হাসান একজন চিত্রশিল্পী।
প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন। 
কামরুল হাসান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন (১৯৬৯-৭০) এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
তিনি ‘পটুয়া কামরুল হাসান’ নামে পরিচিতি লাভ করেন।
তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকারি মনোগ্রাম তৈরি করার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। 

'দেশ আজ বিশ্ব বেহায়াদের খপ্পরে' স্কেচটির চিত্রশিল্পী- কামরুল হাসান।
'এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে' এই পোস্টারটির চিত্রশিল্পীও তিনি।
কামরুল হাসানের 'তিন কন্যা' ও 'নাইওর' চিত্রকর্ম অবলম্বনে যুগোস্লাভ সরকার (১৯৮৫) ও বাংলাদেশ সরকার (১৯৮৬) ডাকটিকেট প্রকাশ করেছে।

[উৎস: বাংলাপিডিয়া]
৩,৩৫৬.
সম্প্রতি বাংলাদেশ কোন দেশের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়লাভ করে?
  1. ক) ইংল্যান্ড
  2. খ) ভারত
  3. গ) অস্ট্রেলিয়া
  4. ঘ) শ্রীলঙ্কা
ব্যাখ্যা
- সম্প্রতি বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে ইতিহাস তৈরি করল বাংলাদেশ। 
- এই সিরিজে বাংলাদেশ দলের নেতৃত্বে ছিলেন সাকিব আল হাসান।
- প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ৬ উইকেটে জিতেছিল বাংলাদেশ।
- দ্বিতীয় ম্যাচে জিতেছিল ৪ উইকেটে।

উৎস: বাংলাট্রিবিউন, Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার।
৩,৩৫৭.
বর্তমানে বিশ্বের (জাতিসংঘভুক্ত) কয়টি দেশের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক আছে?
  1. ১৩৯
  2. ১৪৫
  3. ১৫৫
  4. ১৫৯
ব্যাখ্যা

গত ২৫ নভেম্বর, ২০২০ তারিখে বাংলাদেশের সাথে ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের দেশ ‘ডোমিনিকা’ (Commonwealth of Dominica) এর সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়।
এই নিয়ে বর্তমানে বিশ্বের (জাতিসংঘভুক্ত) ১৫৫টি দেশের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হল।
এর আগে ৩১ আগস্ট, ২০২০ তারিখে ক্যারিবিয়ান আরেক দেশ - সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস - এর সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়।
উৎসঃ Live MCQ সালতামামি, ২০২০।

৩,৩৫৮.
আইসিসি কর্তৃক এপ্রিল, ২০২৫-এর সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন কে? [মে, ২০২৫]
  1. সৌম্য সরকার
  2. মেহেদী হাসান মিরাজ
  3. নাজমুল হাসান শান্ত
  4. মোস্তাফিজুর রহমান
ব্যাখ্যা
আইসিসির সেরা খেলোয়াড়:
- আইসিসির এপ্রিল মাসের সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন বাংলাদেশের অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ।
- ক্যারিয়ারে এই প্রথম আইসিসির মাসসেরা হলেন ২৭ বছর বয়সী এই স্পিন অলরাউন্ডার।
- জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে দারুণ পারফরম্যান্স করায় মিরাজ সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন।
- এই দুই টেস্টে ৩ ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে ৩৮.৬৬ গড়ে এক সেঞ্চুরিসহ মোট ১১৬ রান করেন মিরাজ।
- সেই সাথে ৪ ইনিংসে বোলিং করে সর্বোচ্চ ১৫ উইকেট নেন।

উল্লেখ্য,
- ২০২১ সাল থেকে মাসসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার দিচ্ছে আইসিসি।
- নারী–পুরুষ মিলিয়ে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের চার ক্রিকেটার চারবার আইসিসির মাসসেরা হলেন।
- ২০২১ সালের মে মাসে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই পুরস্কার জেতেন মুশফিকুর রহিম।
- সাকিব জিতেছেন দুবার- ২০২১ সালের জুলাইয়ের পর ২০২৩ সালের মার্চে।
- একমাত্র বাংলাদেশি নারী ক্রিকেটার হিসেবে নাহিদা আক্তার আইসিসির মাসসেরা স্বীকৃতি পেয়েছেন ২০২৩ সালের নভেম্বরে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
৩,৩৫৯.
বাংলাদেশ সেনা, নৌ, বিমান বাহিনীর চৌকস ক্যাডেটদের সর্বোচ্চ সম্মাননা পেলেন কে?
  1. ক) রিজিয়া সুলতানা
  2. খ) তারামন বিবি
  3. গ) ফেরদৌসী রহমান
  4. ঘ) রিয়ানা আজাদ
ব্যাখ্যা

প্রশিক্ষণ কোর্সের সর্বশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট ক্যাডেট হিসেবে 'সোর্ড অব অনার' পেলেন ফ্লাইং অফিসার রিয়ানা আজাদ।
- বাংলাদেশের সামরিক ইতিহাসে তিনি প্রথম নারী পাইলট।
- যিনি প্রশিক্ষণকালে সার্বিক বিষয়ে শ্রেষ্ঠ কৃতিত্ব অর্জন করেন।

উৎস: প্রথম আলো

৩,৩৬০.
'তিনকন্যা' ও 'নাইওর' এ দুটি চিত্রকর্মের চিত্রকর কে?
  1. এসএম সুলতান
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. কামরুল হাসান
  4. রফিকুন নবী
ব্যাখ্যা

শিল্পী কামরুল হাসান:
- তাঁর প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার নারেঙ্গা গ্রামে।
- কামরুল হাসানের শিক্ষাজীবন কাটে কলকাতায়।
- তিনি কলকাতার মডেল এম ই স্কুল (১৯৩০-৩৫) এবং কলকাতা মাদ্রাসায় (১৯৩৬-৩৭) প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন।
- ১৯৩৮ সালে তিনি কলকাতার গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টস-এ ভর্তি হন এবং ১৯৪৭ সালে চিত্রকলায় স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
- ‘তিনকন্যা’ ও ‘নাইওর’ তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
- ১৯৮৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৩,৩৬১.
কোন দেশ বাংলা ভাষাকে তাদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে?
  1. লাইবেরিয়া
  2. নামিবিয়া
  3. হাইতি
  4. সিয়েরালিওন
ব্যাখ্যা
সিয়েরা লিওন:
- সম্প্রতি সিয়েরা লিওনের একটি রাস্তার নাম 'বাংলাদেশ' করা হয়েছে।
- সিয়েরা লিওন ২০০২ সালে বাংলা ভাষাকে সেখানকার সম্মানসূচক সরকারি ভাষার মর্যাদা দেয়।
- বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের ভূমিকাকে চিরস্মারণীয় রাখতে বাংলা ভাষাকে সিয়েরা লিয়ন এই সম্মান জানায়।
- সিয়েরা লিয়ন পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ।
- সিয়েরা লিওনের সাংবিধানিক নাম - সিয়েরা লিওন প্রজাতন্ত্র।
- দেশটির রাজধানী - ফ্রিটাউন।
- দেশটিতে প্রায় ১৬টি জাতিগোষ্ঠী বসবাস করে, যাদের প্রত্যেকের রয়েছে আলাদা ভাষা ও রীতিনীতি।
- ইংরেজি ভাষা সিয়েরা লিওনের সরকারি ভাষা। তাছাড়া এখানে আরও প্রায় ২০টি ভাষা প্রচলিত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৩,৩৬২.
কোন দেশ বাংলা ভাষাকে তাদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে?
  1. লাইবেরিয়া
  2. নামিবিয়া
  3. হাইতি
  4. সিয়েরা লিওন
ব্যাখ্যা
• 'সিয়েরা লিওন' — বাংলা ভাষাকে  সরকারী ভাষার মর্যাদা দিয়েছে। 
 
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনের অংশ হিসেবে দেশটিতে পাঁচ হাজারের বেশি বাংলাদেশি সৈন্য মোতায়েন ছিল।
- তারা সিয়েরালিয়নের শান্তি-শৃঙ্খলা ও উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন। 
- বাংলাদেশি সেনাবাহিনীর এই অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০২ সালের ডিসেম্বরে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা ঘোষণা করে দেশটি।
 
সূত্র: UN Peace keeping Missions
৩,৩৬৩.
বাংলাদেশ আইএলও (ILO) এর সদস্যপদ লাভ করে কত তারিখে? 
  1. ২৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  2. ১৬ মার্চ, ১৯৭২
  3. ২২ জুন,  ১৯৭২  
  4. ১ জানুয়ারি, ১৯৭৩
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ আইএলও (ILO) এর সদস্যপদ লাভ করে- ২২ জুন ১৯৭২। 

• আইএলও ILO:

- ILO এর পূর্ণরূপ: International Labour Organization.
- এটি ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তির ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৬ সালের ১৪ ডিসেম্বর ILO জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- ILO এর সদরদপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৮৭টি।
- বর্তমান ১১তম মহাপরিচালক গিলবার্ট এফ হাউংবো (অক্টোবর ২০২২ থেকে)
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২২ জুন ILO এর সদস্যপদ লাভ করে।
- ILO ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।

উৎস: ILO ওয়েবসাইট।

৩,৩৬৪.
‘মিলন হবে কত দিনে, আমার মনের মানুষের সনে’ -গানটির রচয়িতা কে?
  1. ক) মনসুর বয়াতি
  2. খ) শাহ আবদুল করিম
  3. গ) লালন শাহ
  4. ঘ) হাসন রাজা
ব্যাখ্যা
- ‘মিলন হবে কত দিনে, আমার মনের মানুষের সনে’ -গানটির রচয়িতা বাউল সম্রাট খ্যাত লালন শাহ।
লালন শাহের অন্যান্য গানের মধ্যে রয়েছে:
- ‘বাড়ির কাছে আরশী নগর’
- ‘আমার ঘরখানায় কে বিরাজ করে’
- ‘কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়, তাইতো জাত ভিন্ন বলায়’
- ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়’
- ‘তিন পাগলের মেলা’
- ‘সময় গেলে সাধন হবে না’।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৩,৩৬৫.
অমর একুশে ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  2. খ) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
  3. গ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  4. ঘ) চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
- অমর একুশ ভাস্কর্যটি বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিপূর্ণমূলক ভাস্কর্যগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি ভাস্কর্য।
- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত ২টি গুরুত্বপূর্ণ ভাস্কর্য রয়েছে।
- কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে রয়েছে ‘সংসপ্তক’ এবং সামাজিক বিজ্ঞান ভবনের সামনে রয়েছে ‘অমর একুশে’
-‘অমর একুশে’ ভাস্কর্যটি  শিল্পী জাহানারা পারভীন নির্মাণ করেন।

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
৩,৩৬৬.
সম্প্রতি (অক্টোবর, ২০২৩) কোন বাংলাদেশী 'এপিজে আবদুল কালাম ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড' পেয়েছেন?
  1. ফেরদৌস কাদেরী
  2. নুরুল আমিন
  3. হাবিবুর রহমান
  4. করভী রাসখান্দ
ব্যাখ্যা
'এপিজে আবদুল কালাম ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড':
- ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি ও পরমাণু বিজ্ঞানী এপিজে আবদুল কালাম ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড পেলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান।
- বাংলা সাহিত্যে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি এই অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন।
- সম্প্রতি ডিএমপি কমিশনারের একটি বই প্রকাশিত হয়েছে ‌‘ঠার, বেদে জনগোষ্ঠীর ভাষা’।
- এই অসামান্য গ্রন্থের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি হাওড়ার শরৎ সদনে এপিজে আবদুল কালাম ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ডের আসর বসে।
- সেখানে ১৫টি দেশের বিভিন্ন পেশার ১৫ জন কৃতী ব্যক্তিত্বকে পুরস্কৃত করা হয়।

উৎস:  ১৭ অক্টোবর ২০২৩, দেশ রূপান্তর।
৩,৩৬৭.
'সাগর কন্যা' হিসেবে খ্যাত সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য -
  1. ক) ১৩ কিলোমিটার
  2. খ) ১৫ কিলোমিটার
  3. গ) ১৮ কিলোমিটার
  4. ঘ) ২১ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
- ১৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সৈকত বিশিষ্ট কুয়াকাটা বাংলাদেশের অন্যতম নৈসর্গিক সমুদ্র সৈকত।
- পর্যটকদের কাছে কুয়াকাটা "সাগর কন্যা" হিসেবে পরিচিত।

• কুয়াকাটা:

- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি সমুদ্র সৈকত ও পর্যটনকেন্দ্র।
- বাংলাদেশের এটাই একমাত্র সৈকত যেখান থেকে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত দুটোই ভাল দেখা যায়, সব চাইতে ভালোভাবে সূর্যোদয় দেখা যায় সৈকতের গঙ্গামতির বাঁক থেকে আর সূর্যাস্ত দেখা যায় পশ্চিম সৈকত থেকে।
- সমুদ্র সৈকতের পাশেই দেড় শতাধিক একর জমিতে অবস্থিত নারিকেল বাগান যা "নারিকেল কুঞ্জ" নামে পরিচিত।
- পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নে কুয়াকাটা অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- পতেঙ্গা ও পারকি সমুদ্র সৈকত চট্টগ্রামে অবস্থিত।
- ইনানী, লাবনী, হিমছড়ি, টেকনাফ সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে অবস্থিত।
- সেন্ট মার্টিন দ্বীপটি নারকেল জিঞ্জিরা হিসেবে পরিচিত।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন এবং পটুয়াখালী জেলা।
৩,৩৬৮.
বাংলাদেশ টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয় কবে?
  1. ১৯৬৪ সালে
  2. ১৯৬৭ সালে
  3. ১৯৭১ সালে
  4. ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ টেলিভিশন: 
- বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলাভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।
- ১৯৬৪ সালের ২৫শে ডিসেম্বর একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে এর যাত্রা শুরু হয়।
- তৎকালীন ডি আই টি ভবনের (বর্তমানে রাজউক কার্যালয়) দুটি কক্ষে মাত্র ৩ ঘন্টা চলতো এর সম্প্রচার কার্যক্রম।
- ১৯৬৭ সালে তৎকালীন পাকিস্তান টেলিভিশন কর্পোরেশন ও ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে (পি.ও নং-১১৫) বাংলাদেশ টেলিভিশন নামে রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলে পরিণত হয়।
- ১৯৭৫ সালের ৯ই ফেব্রুয়ারি বিটিভি স্থানান্তরিত হয় রামপুরার নিজস্ব টিভি ভবনে।
- ৬ই মার্চ ১৯৭৫ সাল হতে রামপুরা টিভি ভবনে নতুন আঙ্গিকে শুরু হয় বিটিভির সম্প্রচার কার্যক্রম।
- ১৯৮০ সালে শুরু হয় বিটিভির রঙিন সম্প্রচার।
- বর্তমানে অনুষ্ঠান নির্মাণ ও সম্প্রচার কার্যক্রম চলছে ঢাকা ও চট্টগ্রাম কেন্দ্র থেকে।
- সম্প্রচার সুবিধার জন্য রয়েছে ১৪টি উপকেন্দ্র/রিলে কেন্দ্র। 
- বিটিভির অনুষ্ঠান বর্হিবিশ্বে সম্প্রচার শুরু করার লক্ষে ১১ এপ্রিল ২০০৪ সালে বিটিভি ওয়ার্ল্ড নামে বিটিভির আরেকটি নতুন চ্যানেল চালু করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট। 
৩,৩৬৯.
ইউনেস্কো কবে মঙ্গল শোভাযাত্রাকে বিশ্বের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত করে?
  1. ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর
  2. ২০১১ সালের ৩০ নভেম্বর
  3. ২০১৮ সালের ৩০ নভেম্বর
  4. ২০২০ সালের ৩০ নভেম্বর
ব্যাখ্যা
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের আয়োজনে রাজধানীতে বাংলা নববর্ষের যে শোভাযাত্রা বের হয়, তার নতুন নামকরণ করা হয়েছে।
- এই শোভাযাত্রার নতুন নাম হবে ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’।
- আগে নাম ছিল ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’।
- চারুকলা ১৯৮৯ সাল থেকে পয়লা বৈশাখে শোভাযাত্রা করে আসছে।
- শুরুতে নাম ছিল ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’।
- নব্বইয়ে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের পটভূমিতে অমঙ্গলকে দূর করে মঙ্গলের আহ্বান জানিয়ে শোভাযাত্রার নামকরণ হয় ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’।
- জাতিসংঘের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বিজ্ঞানবিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর মঙ্গল শোভাযাত্রাকে বিশ্বের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত করে।

উৎস: প্রথম আলো (১১ এপ্রিল ২০২৫)
৩,৩৭০.
সম্প্রতি সৌদি আরবের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিভাগের প্রধান হলেন কোন বাংলাদেশী?
  1. সালমান আহমেদ
  2. জুয়েল রানা
  3. জায়েদ করিম
  4. এহসান হক
ব্যাখ্যা
- সৌদি আরবের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিভাগের প্রধান হলেন বাংলাদেশের নাগরিক এহসান হক।
- বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ও গবেষক এহসান হক সম্প্রতি সৌদি আরবের জাতীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিভাগের প্রধান গবেষক হিসেবে যোগ দিয়েছেন।
- তিনি কাজ করবেন সৌদি সরকারের তথ্য এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিভাগ সাডায়ার সঙ্গে।
- সাডায়া হলো সৌদি ডেটা অ্যান্ড এআই অথোরিটি।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (১৫ আগস্ট, ২০২৩)।

৩,৩৭১.
বিশ্বে ইলিশ মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. চতুর্থ
  2. প্রথম
  3. তৃতীয়
  4. দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে কৃষি পন্য উৎপাদনে অবস্থান:
- জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪ অনুসারে ইলিশ মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান প্রথম।
- বর্তমানে বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬ শতাংশই উৎপাদিত হচ্ছে।

এছাড়াও,
- পাট উৎপাদনে দ্বিতীয়,
- চা উৎপাদনে চতুর্থ,
- মাছ উৎপাদনে দ্বিতীয়,
- ছাগলের মাংস উৎপাদনে সপ্তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।
• জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪ উপস্থাপনকালে এসব তথ্য জানান সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৩,৩৭২.
জাতিসংঘের কততম অধিবেশনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করার প্রস্তাব পাস হয়?
  1. ৬৩তম অধিবেশনে
  2. ৬৪তম অধিবেশনে
  3. ৬৫তম অধিবেশনে
  4. ৬৬তম অধিবেশনে
ব্যাখ্যা
২১ ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়।

- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।
- ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন হয় যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয় এবং একই প্রস্তাবে ২০০৮ সালকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।

সূত্র: ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।
৩,৩৭৩.
নিম্নের বাংলাদেশের কোন ব্যাংকটি নোবেল পুরস্কার প্রাপ্ত?
  1. সোনালী ব্যাংক 
  2. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক 
  3. গ্রামীণ ব্যাংক
  4. কোনটিই নয় 
ব্যাখ্যা

গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৩ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত।

উল্লেখ্য,
- ইউনূস তার গবেষণা ও অভিজ্ঞতা থেকে গ্রামীণ ব্যাংকের নীতিমালা তৈরি করেছেন।
- গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্পটি ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার 'জোবরা' গ্রামে একটি অ্যাকশন গবেষণা পাইলট প্রকল্প হিসাবে শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮৩ সালে ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচন এবং প্রান্তিক দরিদ্রদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে পাইলট প্রকল্পটি একটি ব্যাংকে রূপান্তরিত হয়।
- এর ৯৮% ঋণগ্রহীতা নারী।

উৎস: i) গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) BBC.

৩,৩৭৪.
বাংলাদেশের কোন জেলায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত সৈনিকদের স্মরণে কমনওয়েলথ যুদ্ধ সমাধি (War Cemetery) রয়েছে?
  1. কুমিল্লা
  2. চট্টগ্রাম
  3. কক্সবাজার
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
কমনওয়েলথ সমাধি:
- ২য় বিশ্বযুদ্ধে মিয়ানমারে (তৎকালীন বার্মা) সংঘটিত যুদ্ধে যে ৪৫ হাজার কমনওয়েলথ সৈন্য নিহত হন তাদের স্মৃতি রক্ষার্থে মিয়ানমার, আসাম এবং বাংলাদেশে মােট ৯টি সমাধিক্ষেত্র তৈরি করা হয়েছে।
- এর মধ্যে বাংলাদেশে ২টি কমনওয়েলথ সমাধিক্ষেত্র রয়েছে।
- যার একটি কুমিল্লার ময়নামতিতে এবং অন্যটি চট্টগ্রামে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,৩৭৫.
সুর স্ম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ - এর বাড়ি কোন জেলায়?
  1. পাবনা
  2. নোয়াখালী
  3. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  4. গাজিপুর
ব্যাখ্যা
সুর সম্রাট আলউদ্দিন খাঁ প্রথম বাঙালী যিনি সর্বপ্রথম পাশ্চাত্যে এই উপমহাদেশের রাগসঙ্গীতকে পরিচিত ও প্রচার করেন।
- অতি উচ্চমাত্রার সঙ্গীতকলাকার ছিলেন ওস্তাদ আলাউদ্দিন।

- বাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার শিবপুর গ্রামে বিখ্যাত এক সঙ্গীতশিল্পী পরিবারে ১৮৬২ সালের ৮ অক্টোবর তাঁর জন্ম।
- তাঁর পিতা সবদর হোসেন খাঁ ওরফে সদু খাঁ ছিলেন বিশিষ্ট সঙ্গীতজ্ঞ। তাঁর মাতাঁর নাম ছিল সুন্দরী খানম। আলাউদ্দিনের ডাক নাম ছিল ‘আলম’।

- তিনি দেশীয় বাদ্যযন্ত্রের সমন্বয়ে অর্কেস্টার স্টাইলে একটি যন্ত্রি দল গঠন করে নাম দেন ‘রামপুর স্ট্রিং ব্যান্ড’।
- ব্রিটিশ সরকার তাকে ‘খাঁ সাহেব’ উপাধিতে ভূষিত করে।
- অতঃপর ভারত সরকার তাঁকে একে একে ‘সঙ্গীত নাটক আকাদেমী সম্মান (১৯৫২ খ্রিঃ)’, ‘পদ্ম ভূষণ (১৯৫৮ খ্রিঃ), ‘পদ্ম বিভূষণ (১৯৭১ খ্রিঃ)’, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ‘দেশী কোত্তম (১৯৬১ খ্রিঃ)’, এবং দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয় ‘ডক্টর অব ল’ উপাধিতে ভূষিত করে।

- ১৯৫৪ সালে তিনি ভারত সরকার কর্তৃক প্রথম সঙ্গীত নাটক একাডেমির ফেলো নির্বাচিত হন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হল তাঁকে আজীবন সদস্য পদ দান করেন। এসব দুর্লভ সম্মান ও খেতাব সঙ্গীত বিদ্যায় আলাউদ্দিন খাঁর অসাধারণ কীর্তি ও সাফল্যকেই প্রমাণ করে।
- সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ ১৯৭২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট।
৩,৩৭৬.
How many censuses have been held in Bangladesh so far?
  1. ক) 4
  2. খ) 5
  3. গ) 6
  4. ঘ) 7
ব্যাখ্যা
আদমশুমারি:

- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- যথা - ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ এবং ২০২২ সালে।
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০২২ সালে ষষ্ঠ শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
৩,৩৭৭.
২০২৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য কয়টি?
  1. ৬০টি
  2. ৬২টি
  3. ৬৩টি
  4. ৬৪টি
ব্যাখ্যা

জিআই পণ্য:
- ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (Geographical Indication)।
- সংক্ষেপে GI) বলতে বোঝায় এমন একটি পণ্য, যা বিশেষ কোনো ভৌগোলিক এলাকা বা অঞ্চলের কারণে তার গুণগত মান, খ্যাতি বা অন্যান্য বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত ও স্বীকৃত।
- দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) জামদানি।
- সময়: ১৭ নভেম্বর ২০১৬ সালে স্বীকৃতি লাভ করে।
- বর্তমানে দেশে জিআই পণ্য ৬৪টি। (জানুয়ারি, ২০২৬)।
- বাংলাদেশের ৬৪তম জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হলো জয়পুরহাটের লতিরাজ কচু।

• বিভিন্ন এলাকার জিআই পণ্য:
- মেহেরপুরের-  হিমসাগর আম।
- ফুলবাড়ীয়ার- লাল চিনি;
- নেত্রকোণার- বালিশ মিষ্টি;
- নওগাঁর- ফজলী আম;
- মুন্সীগঞ্জের- পাতক্ষীর;
- অষ্টগ্রামের- পনির;
- গোপালগঞ্জের- ব্রোঞ্জের গহনা;
- ভোলার- মহিষের দুধের কাঁচা দই;

উৎস: পেটেন্ট, শিল্প, নকশা, ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর ও প্রথম আলো।

৩,৩৭৮.
স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলিত হয়েছিল ১৯৭১ সালের-
  1. ২ মার্চ
  2. ২৩ মার্চ
  3. ১০ মার্চ
  4. ২৫ মার্চ
ব্যাখ্যা
•পতাকা:
- প্রথম পতাকা উত্তোলন ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্র জনতার সমাবেশে তৎকালীন ঢাকসুর ভিপি আ.স.ম আব্দুর রব স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেছিল।
- গৃহীত হয় ৬ মার্চ।
- সংবিধানের ৪ নং অনুচ্ছেদের জাতীয় পতাকার কথা বলা হয়েছে।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- প্রথম নকশাকার – শিব নারায়ণ দাস (৬ জুন ১৯৭০)
- প্রথম আনুষ্ঠানিক উত্তোলন – ২৩ মার্চ ১৯৭১, বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে এবং একই দিনে সারা বাংলাদেশে।
- বাংলাদেশের বাহিরে প্রথম উত্তোলন – কলকাতাস্থ পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনারে।
- জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত – ১০:৬ (৫:৩)।

উৎস: স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৩৭৯.
সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের ভাস্কর কে?
  1. ক) শামীম শিকদার
  2. খ) নিতুন কুণ্ড
  3. গ) আবদুর রাজ্জাক
  4. ঘ) শ্যামল চৌধুরী
ব্যাখ্যা
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে অবস্থিত সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের ভাস্কর শ্যামল চৌধুরী।
- ১৯৯৭ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর এটি উদ্বোধন করা হয়৷ ১৯৯২ সালের ১৩ই মার্চ সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মঈন হোসেন রাজু'র আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এটি নির্মাণ করা হয়।
(সূত্রঃ চ্যানেল আই এবং ও প্রথম আলো রিপোর্ট)
৩,৩৮০.
টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ১০০ উইকেট শিকার করেন কে?
  1. এনামুল হক জুনিয়র
  2. নাইমুর রহমান
  3. মোহাম্মদ রফিক
  4. খালেদ মাহমুদ
ব্যাখ্যা
টেস্টে প্রথম:
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- প্রথম টেস্ট উইকেট শিকার করেছেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম হাফ সেঞ্চুরি করেন হাবিবুল বাশার।
- প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি: মুশফিকুর রহিম।
- প্রথম ৫ উইকেট শিকার করেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম ১০০ উইকেট মোহাম্মদ রফিকের।
- প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।
- একমাত্র ১০ উইকেট’ শিকার করেন এনামুল হক জুনিয়র।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
৩,৩৮১.
শিল্পী পটুয়া কামরুল হাসানের চিত্রকর্ম কোনটি?
  1. ধান কাটা
  2. দুর্ভিক্ষ
  3. তিন কন্যা
  4. চর দখল
ব্যাখ্যা
পটুয়া কামরুল হাসান:
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের পরই আমাদের চিত্রশিল্পজগতে সবচেয়ে খ্যাতিমান শিল্পী কামরুল হাসান।
- ‘তিন কন্যা’, ‘গুনটানা’ কামরুল হাসানের চিত্রকর্ম।
- স্বাধীনতা-পরবর্তী বিভিন্ন পর্যায়ে স্বপ্নভঙ্গ ও হতাশা তাঁর সৃজনকর্মে নানা প্রতীকে রূপায়িত হয়েছে, ঘুরে ঘুরে এসেছে প্যাঁচা, শেয়াল, কঙ্কালের ব্যবহার।
- ‘চন্দ্রালোকে হতভাগ্য ঘোড়া’, ‘ইমেজ’, ‘শেয়াল’, ‘গণহত্যার পরে’ প্রভৃতি চিত্রে এর উদাহরণ দেখা যেতে পারে।
- মুক্তিযুদ্ধে তাঁর আঁকা পোস্টার ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’র ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।

উৎস: প্রথম আলো (২ ডিসেম্বর ২০২১)
৩,৩৮২.
কত সালে ভাষা আন্দোলনে আত্মদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আবদুস সালামকে একুশে পদকে প্রদান করা হয়?
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০১ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০০৩ সালে
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনে একুশে পদক:
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ায় এবং পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার ছাত্র ও সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে আসে।
- পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলাকে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাস থেকে ১৪৪ ধারা ভেঙে ছাত্র-ছাত্রীরা মিছিল বের করে।
- মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ আরও কয়েকজন মাটির বীর সন্তান।
- মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা সমুন্নত রাখার জন্য ভাষা শহীদদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকে স্মরণ করে জাতি ২১ ফেব্রুয়ারি 'অমর একুশে', ভাষা শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করে।

উল্লেখ্য,
- সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একুশে পদক প্রবর্তন করেন।
- বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো একুশে পদক দেয়া শুরু হয়েছিল ১৯৭৬ সালে।
- ২০০০ সালে ভাষা শহীদ আবুল বরকত, ভাষা শহীদ আবদুল জব্বার, ভাষা শহীদ আবদুস সালাম, ভাষা শহীদ রফিকউদ্দিন আহমদ, ভাষা শহীদ শফিউর রহমান এবং ভাষা সৈনিক গাজীউল হককে 'ভাষা আন্দোলনে একুশে পদক' প্রদান করা হয়।

উৎস: i) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৩,৩৮৩.
বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানী লিমিটেড (বিএসসিসিএল) প্রাথমিকভাবে কোন সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করেছিল?
  1. SEA-ME-WE-3
  2. SEA-ME-WE-4
  3. SEA-ME-WE-5
  4. SEA-ME-WE-6
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানী লিমিটেড (বিএসসিসিএল):
- ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড।
- প্রাথমিকভাবে SEA-ME-WE-4 এর মাধ্যমে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে SEA-ME-WE-5 সাবমেরিন ক্যাবলে সংযুক্ত আছে।
- দেশের তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল SEA-ME-WE-6 এর স্থাপন কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে।
- দেশের সর্বমোট ইন্টারনেট চাহিদার প্রায় ৪৫ শতাংশ ব্যান্ডউইডথ বর্তমানে বিএসসিপিএলসি এককভাবে সরবরাহ করছে যার পরিমাণ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত প্রায় ২৫০৬ জিবিপিএস।

উৎস:
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০২৪।
৩,৩৮৪.
বাংলাদেশ কত সালে অলিম্পিক গেমসে প্রথম অংশগ্রহন করে?
  1. ১৯৮২ সালে
  2. ১৯৮৬ সালে
  3. ১৯৮৪ সালে
  4. ১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৮৪ সালের ২৮ জুলাই থেকে ১২ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের লস এঞ্জেলেস শহরে অনুষ্ঠিত ৩৪তম গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস আসরে বাংলাদেশ প্রথম অংশ নেয়। তারপর থেকে প্রতিটি আসরেই বাংলাদেশ অংশ নিয়ে আসছে। তবে এর মধ্যে ২০১৬ সালে গলফার সিদ্দিকুর রহমানই প্রথম যোগ্যতার মাধ্যমে অংশগ্রহণ করে। ২০২১ সালের টোকিও অলিম্পিকে আর্চার রোমান সানা দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জন করেন। এ ব্যতীত বাকি সবাই দেশীয় কোটায় অংশ নিয়েছে।

সূত্র: অলিম্পিক ওয়েবসাইট এবং ডেইলি স্টার।
৩,৩৮৫.
বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধের স্থপতি -
  1. মোস্তফা আলী কুদ্দুস ও মৃণাল হক
  2. ফরিদউদ্দীন আহমেদ ও মোস্তফা আলী কুদ্দুস
  3. ফরিদউদ্দীন আহমেদ ও জামি-আল-শফি
  4. নিতুন কুণ্ডু ও জামি-আল-শফি
ব্যাখ্যা
বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ:
- বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধের নকশা প্রণয়ন করেন স্থপতি ফরিদউদ্দীন আহমেদ ও স্থপতি জামি-আল-শফি।
- ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ সরকার রায়েরবাজারে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে এই স্মৃতিসৌধ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়।
- এরপর গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস্ বাংলাদেশ একটি জাতীয় ডিজাইন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।
- এই প্রতিযোগিতায় জমা পড়া ২২টি নকশার মধ্যে ফরিদউদ্দীন আহমেদ ও জামি-আল-শফি প্রণীত নকশাটি নির্বাচিত হয়।
- এ নকশা ছিল প্রতীকী ও আবেগনির্ভর, যা বধ্যভূমির বেদনা ও শোককে শৈল্পিকভাবে তুলে ধরে।
- প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় গণপূর্ত বিভাগ এবং কাজটি ১৯৯৬ থেকে ১৯৯৯ সালের মধ্যে সম্পন্ন হয়।
- তাঁদের নকশায় ইতিহাস, শোক, এবং স্থাপত্যের এক অনন্য সংমিশ্রণ ঘটেছে। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৩,৩৮৬.
২০২২ সালে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী প্রেরণ করা হয় কোন দেশে?
  1. ক) সৌদি আরব
  2. খ) কাতার
  3. গ) মালোশিয়া
  4. ঘ) সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা
• ২০২২ (ফেব্রুয়ারি) সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২,০২,২৬৭ জনকে প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
• ২০২২ সালে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী প্রেরণ করা হয় - সৌদি আরব (১,২৭,১৮৭ জন যা মোট অভিবাসনের ৭৪.০৮%), দ্বিতীয় – সংযুক্ত আরব আমিরাতে (২৭,৪৭০ জন)।
• ২০২১-২২ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহের মধ্যে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে - সৌদি আরব থেকে।
• দ্বিতীয় - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তৃতীয় - যুক্তরাজ্য। ইউরোপিয়ান দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে - যুক্তরাজ্য।

উৎস: প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ‘জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো ।
৩,৩৮৭.
বাংলাদেশের কোন জেলাকে ‘নিঝুম দ্বীপের দেশ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়?
  1. পটুয়াখালী
  2. ভোলা
  3. নোয়াখালী
  4. সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যা
নিঝুম দ্বীপ:
- ভ্রমণপিপাসু পর্যটকদের কাছে ব্যাপকভাবে পরিচিতি পেয়েছে নোয়াখালীর সর্বদক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে জেগে ওঠা এই দ্বীপ।
- কয়েক বছর আগে নোয়াখালী জেলার ব্র্যান্ডিংও (পরিচিতি) করা হয়েছে নিঝুম দ্বীপের নামে।
- সেই থেকে নোয়াখালীকে ‘নিঝুম দ্বীপের দেশ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- বঙ্গোপসাগরের বুকে মেঘনা নদীর মোহনায় জেগে ওঠা এই চর হাতিয়ার মূল ভূখণ্ড থেকে দুই কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।
- চর ওসমান, কামলার চর, পালকির চর, চর কবিরা, মৌলভীর চরসহ ছোট–বড় ১১টি চর নিয়ে নিঝুম দ্বীপ।
- পুরো চরের আয়তন প্রায় ১৪ হাজার ৫০ একর।
- ১৯৪০ সালের দিকে ধীরে ধীরে জেগে ওঠে দ্বীপটি। এরও প্রায় এক দশক পর দ্বীপে মানুষের আসা-যাওয়া শুরু হয়।
- তবে ১৯৭০ সালের ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে দ্বীপের প্রায় সব মানুষ মারা যান। দ্বীপটি হয়ে যায় জনমানবশূন্য।
- পরবর্তী সময়ে আবার মানুষের যাতায়াত শুরু হয় এবং ধীরে ধীরে মানুষের বসতি গড়ে ওঠে।
- ২০০১ সালের ৮ এপ্রিল দ্বীপটিকে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করে সরকার।
- ২০১৩ সালে হাতিয়ার জাহাজমারা ইউনিয়ন থেকে আলাদা করে নিঝুম দ্বীপকে করা হয় স্বতন্ত্র একটি ইউনিয়ন।
- দ্বীপের নাম অনুসারেই ইউনিয়নের নামকরণ হয়।

উৎস: প্রথম আলো (২২ ডিসেম্বর ২০২৪)
জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৩৮৮.
বাংলাদেশ _______ সাল থেকে গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে অংশগ্রহন করে আসছে। 
  1. ১৯৮৫
  2. ১৯৮৪
  3. ১৯৮৬
  4. ১৯৮৩
ব্যাখ্যা

● বাংলাদেশ ১৯৮৪ সাল থেকে গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করে আসছে।

গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে বাংলাদেশ:

- বাংলাদেশ ১৯৮৪ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ করে।
- এই আসরটি ১৯৮৪ সালের ২৮ জুলাই - ১২ আগস্ট পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলে কেবল একজন অ্যাথলেটিক্স ক্রীড়াবিদ ছিলেন—সাইদুর রহমান ডন। তিনি দুটি ইভেন্টে, যথাক্রমে ১০০ মিটার ও ২০০ মিটার দৌড়ে অংশগ্রহণ করেন, তবে কোনোটিতেই প্রাথমিক রাউন্ড অতিক্রম করতে পারেননি।

⇒ অলিম্পিক গেমস: 
- অলিম্পিক গেমস হলো একটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।
- অলিম্পিককে বলা হয় ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ'।
- দুই শতাধিক দেশের অংশগ্রহণে মুখরিত এই অলিম্পিক গেমস বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং সর্বোচ্চ সম্মানজনক প্রতিযোগিতা হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।
- গ্রীষ্ম এবং শীতকালীন দুটো প্রকরণ, প্রতিটি দুই বছর পরপর হয়ে থাকে।
- আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি) অলিম্পিক গেমস সংক্রান্ত সব কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

উল্লেখ্য,
- ১৮৯৬ সালে আধুনিক অলিম্পিক গেমস শুরু হয় গ্রিসের এথেন্সে।
- এর জনক ফ্রান্সের নাগরিক ব্যরন দ্য কুবার্তো।
- ১৯১৪ সালে কুবার্তো দ্বারা উপস্থাপিত অলিম্পিক পতাকাটি হল প্রোটোটাইপ: এটির সাদা জমিনের কেন্দ্রে পাঁচটি আন্তঃসংলগ্ন রিং রয়েছে - নীল, হলুদ, কালো, সবুজ এবং লাল। এই রিংগুলি অলিম্পিকে একসাথে যোগদানকারী 'বিশ্বের পাঁচটি অংশ' প্রতিনিধিত্ব করে।

এছাড়াও,
- ২০২৪ সালে ৩৩তম গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয় ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে।
- ২০২৬ সালের ৬-২২ ফেব্রুয়ারি ২৫তম শীতকালীন অলিম্পিক ইতালির মিলান ও কর্টিনা ডি'অ্যামপেজো শহরে অনুষ্ঠিত হবে।
- ২০২৮ সালে ৩৪তম গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে।

উৎস: i) Olympics ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.
iii) DW পত্রিকা।

৩,৩৮৯.
বাংলাদেশ কত সালে প্রথম বিশ্ব অলিম্পিক গেমসে অংশগ্রহণ করেছে?
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৮২ সালে
  3. ১৯৮৪ সালে
  4. ১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন:
- বাংলাদেশ অলিম্পিক সংস্থা (Bangladesh Olympic Association - BOA) বাংলাদেশের জাতীয় অলিম্পিক কমিটি.
- এটি আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (IOC) স্বীকৃতিপ্রাপ্ত। 
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৬ সালে।
- বিশ্ব অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশানের সদস্যপদ লাভ করে: ১৯৮০ সালে।
- সদর দপ্তর: পুরানা পল্টন, ঢাকা। 
- বর্তমান সভাপতি: জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ প্রথম বিশ্ব অলিম্পিক গেমসে অংশগ্রহন করেছে ১৯৮৪ সালে

উৎস: Bangladesh Olympic Association ওয়েবসাইট।

৩,৩৯০.
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) এর বর্তমান চেয়ারম্যান কে? (ডিসেম্বর, ২০২৫)
  1. মাহবুব মোর্শেদ
  2. কে এম নজরুল ইসলাম
  3. আবুল কালাম আজাদ
  4. আনোয়ার আলদীন
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) এর বর্তমান চেয়ারম্যান সাংবাদিক আনোয়ার আলদীন।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস):
- এটি বাংলাদেশের প্রধান ও জাতীয় সংবাদ সংস্থা।
- বাসস ১ জানুয়ারী, ১৯৭২ সালে চালু হয়েছিল।
- অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস অফ পাকিস্তান (এপিপি) এর ঢাকা ব্যুরো নতুন দেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থায় পরিণত হয়েছিল।
- ঢাকায় এর প্রধান কার্যালয়।
- বাসস-এর এখন চট্টগ্রাম, রাজশাহী, রংপুর, বগুড়া, খুলনা, বরিশাল, রাঙ্গামাটি এবং সিলেটেও ব্যুরো রয়েছে।
- দেশের ৬৪টি প্রশাসনিক জেলায় জাতীয় সংবাদ সংস্থার সংবাদদাতা রয়েছে।
- বাংলাদেশে বাংলা সংবাদপত্রের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ১৯৯৯ সালে বাসস বাংলা সংবাদ পরিষেবা চালু করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা ওয়েবসাইট।

৩,৩৯১.
জাতীয় শিশুকিশোর দিবস পালিত হয় কোন তারিখে?
  1. ক) ৭ জানুয়ারী
  2. খ) ১৭ মার্চ
  3. গ) ২৩ মার্চ
  4. ঘ) ৭ এপ্রিল
  5. ঙ) ৫ জুন
ব্যাখ্যা
১৭ ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনকে সরকার জাতীয় শিশুকিশোর দিবস ঘোষণা করে। ফলে ১৭ ই মার্চ একইসাথে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশুকিশোর দিবস পালন করা হয়। ৭ এপ্রিল ও ৫ জুন যথাক্রমে বিশ্ব স্বাস্থ্য ও বিশ্ব পরিবেশ দিবস। (সূত্রঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও ইউএন ওয়েবসাইট)
৩,৩৯২.
মিশুকের স্থপতি কে?
  1. মুস্তফা মনোয়ার
  2. হামিদুর রহমান
  3. শামীম শিকদার
  4. হামিদুজ্জামান খান
ব্যাখ্যা
• মিশুকের স্থপতি — মুস্তাফা মনোয়ার।
- ভাস্কর্য তৈরি করেন — হামিদুজ্জামান খান।
------------------------ 
• মিশুকের স্থপতি:
- ১৯৮৫ সালের দ্বিতীয় সাব গেমস এর মাসকট মিশুক এর স্থপতি মোস্তফা মনোয়ার।
- এটি শাহবাগের শিশু পার্কের সামনে অবস্থিত , এটি মূলত হরিণ শাবকের ভাস্কর্য।
- দ্বিতীয় ও ষষ্ঠ সাফ গেমসের উদ্বোধনী ও সমাপনী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ডিরেক্টর ও ভিজুয়ালাইজার-এর দায়িত্ব পালন করেন মোস্তফা মনোয়ার।
- দ্বিতীয় সাফ গেমস-এর মাসকট ‘মিশুক’, ১০ ফুট উঁচু চলমান হরিণ শিশু এবং ষষ্ঠ সাফ গেমস-এর মাসকট ‘অদম্য’ একটি বড় বাঘরূপী জীবন্ত পাপেট নির্মাণ তাঁর বড় সাফল্য। 

অন্যদিকে,
• হামিদুর রহমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি।
• স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্য - স্থপতি শামীম শিকদার — মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই ভাস্কর্যটি ১৯৮৮ সালে স্থাপিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, প্রথম আলো, ইত্তেফাক আর্কাইভ।
৩,৩৯৩.
বাংলাদেশ কত সালে কার্টাগেনা প্রটোকলে অনুমোদন করে?
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০২ সালে
  3. ২০০৩ সালে
  4. ২০০৪ সালে
ব্যাখ্যা
কার্টাগেনা প্রটোকল:
- কার্টাগোনা প্রটোকল এর পূর্ণরূপ: Cartagena Protocol on Biosafety to the convention on Biological Diversity।
- এটি জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
- এর উদ্দেশ্য হলো জৈব জ্বালানি সংরক্ষণ।
- কার্টাগেনা প্রটোকল অনুমোদন: ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯, কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে।
- তাই শহরের নামানুসারে এর নাম কার্টাগেনা প্রটোকল।

⇒ কার্টাগেনা প্রটোকল গৃহীত ও কার্যকর: কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত ও কার্যকর হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে।
- কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।
- চুক্তির পক্ষে স্বাক্ষরকারী দেশ: ১০৩টি।
- অনুমোদনকারী: ১৭৩টি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ কার্টাগেনা প্রটোকল স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে এবং অনুমোদন করে ২০০৪ সালে।

উৎস: UNTC ওয়েবসাইট।
৩,৩৯৪.
২০২৩ সালে শান্তিতে নোবেল বিজয়ী নার্গিস মোহাম্মদী কোন দেশের নাগরিক?
  1. ইরাক
  2. ইরান
  3. ফিলিস্তিন
  4. লেবানন
ব্যাখ্যা
• নোবেল পুরস্কার ২০২৩: 
- ২০২৩ সালে যৌথভাবে চিকিৎসাশাস্ত্রে নোবেল পুরস্কার পেলেন ক্যাটালিন কারিকো ও ড্রু উইসম্যান।
- পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছেন পিয়েরে অ্যাগোস্টিনি, ফেরেন্স ক্রাউস, অ্যান হুইলেয়ার।
- রসায়নশাস্ত্রে ২০২৩ সালের নোবেল পুরস্কার পেলেন মুঙ্গি বাওয়েন্ডি (ফ্রান্স), লুই ব্রুস (যুক্তরাষ্ট্র) ও আলেক্সি ইয়াকিমভ (সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন)।
- ২০২৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন নরওয়েজীয় লেখক জন ফসি। 
- শান্তিতে নোবেলে পেয়েছেন ইরানে কারাবন্দী নার্গিস মোহাম্মদী।
- এবার অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন  হার্ভার্ড  বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ক্লদিয়া গোলডিন। 

সূত্র: নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইট।
৩,৩৯৫.
কোন পণ্যটি ২০২৬ সালের ‘বর্ষপণ্য’ হিসেবে ঘোষিত হয়? 
  1. আসবাবপত্র
  2. পেপার ও প্যাকেজিং প্রডাক্ট
  3. প্লাস্টিক পণ্য
  4. কৃষিজাত প্রক্রিয়াজাত পণ্য
ব্যাখ্যা

• ২০২৬ সালের বর্ষপণ্য : 
- পেপার ও প্যাকেজিংকে চলতি বছরের বর্ষপণ্য ঘোষণা করে ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার (ডিআইটিএফ) উদ্বোধন করা হয়েছে।
- 'পেপার ও প্যাকেজিং প্রডাক্টকে ২০২৬ সালের বর্ষপণ্য হিসেবে ঘোষণা করেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
- বর্ষপণ্য ঘোষণার ফলে পেপার প্যাকেজিং শিল্পে নতুন বিনিয়োগ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং রফতানি আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। 

উল্লেখ্য, 
- ২০২৫ সালের 'বর্ষপণ্য' ছিলো আসবাবপত্র বা ফার্নিচার। 

তথ্যসূত্র: বনিক বার্তা। (Link) 

৩,৩৯৬.
সম্প্রতি, ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেয়েছে- [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. রাজশাহী সিল্ক বয়নশিল্প
  2. টাঙ্গাইল শাড়ি বয়নশিল্প
  3. মৈমনসিংহ গীতিকা
  4. ঢাকাই মসলিন শাড়ি বয়নশিল্প
ব্যাখ্যা

ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকা:
- বাংলাদেশের শতাব্দীপ্রাচীন টাঙ্গাইল শাড়ি বুনন শিল্প ইউনেসকোর 'অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের' তালিকায় স্থান পেয়েছে।
- ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ ভারতের নয়াদিল্লিতে ইউনেস্কো ২০০৩ কনভেনশনের চলমান ২০-তম আন্তঃরাষ্ট্রীয় পর্ষদের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- যা এই কনভেনশনের অধীনে বাংলাদেশের জন্য ষষ্ঠ স্বীকৃতি।

উল্লেখ্য,
- এর আগে ২০০৮ সালে বাংলাদেশের বাউল গান, ২০১৩ সালে জামদানি বুনন শিল্প, ২০১৬ সালে মঙ্গল শোভাযাত্রা, ২০১৭ সালে শীতলপাটি বুনন শিল্প এবং ২০২৩ সালে ‘ঢাকার রিকশা ও রিকশাচিত্র’ ইউনেস্কোর অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পায়।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

৩,৩৯৭.
২০২০ সালে কোন প্রতিষ্ঠানটি স্বাধীনতা পদক লাভ করে?
  1. ক) বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট
  2. খ) বাংলা একাডেমি
  3. গ) ভারতেশ্বরী হোমস
  4. ঘ) বারডেম
ব্যাখ্যা
২০২০ সালে ৮ জন ব্যক্তি এবং ১ টি প্রতিষ্ঠান স্বাধীনতা পদক লাভ করে। এর মধ্যে শিক্ষায় স্বাধীনতা পদক লাভ করে ভারতেশ্বরী হোমস। সংস্কৃতিতে ফেরদৌসী মজুমদার এবং কালিপদ দাস। চিকিৎসায় উবায়দুল কবির চৌধুরী এবং এ কে এম এ মুকতাদির। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে গোলাম দস্তগীর গাজী, আব্দুর রউফ (মরণোত্তর), আনোয়ার পাশা (মরণোত্তর) এবং আজিজুর রহমান। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ২০২০ সালে গবেষণা ক্যাটাগরিতে একুশে পদক লাভ করে। (সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট)
৩,৩৯৮.
সমগ্র সুন্দরবন এলাকাকে সংরক্ষিত বন হিসাবে ঘোষণা দেয়া হয় -
  1. ১৮৭৩ সালে
  2. ১৮৭৪ সালে
  3. ১৮৭৭ সালে
  4. ১৮৭৮ সালে
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি ।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা ৩টি।
- সেগুলো হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা।
- বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সংস্থা ইউনেস্কো পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে ৭৯৮তম World Heritage হিসেবে ঘোষণা করে।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।
- সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
- সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
- ১৮৭৮ সালে সমগ্র সুন্দরবন এলাকাকে সংরক্ষিত বন হিসাবে ঘোষণা দেয়া হয়।
 
উল্লেখ্য,
- খুলনা জেলা ওয়েবসাইট অনুযায়ী, ১৮৭৮ সালে সমগ্র সুন্দরবন এলাকাকে সংরক্ষিত বন হিসাবে ঘোষণা দেয়া হয়।
- বাংলাপিডিয়া অনুযায়ী, ১৮৭৫ সালে সুন্দরবনকে সংরক্ষিত বন হিসাবে ঘোষণা দেয়া হয়।
- সুন্দরবন পশ্চিম বনবিভাগ ওয়েবসাইট অনুযায়ী, ১৮৬৫ সালেে বর্তমান খুলনা এবং বাগেরহাট জেলাধীন সুন্দরবনের বনাঞ্চলকে সংরক্ষিত ঘোষণা করা হয়।
- ১৮৭৬ সালে বর্তমান সাতক্ষীরা জেলাধীন সুন্দরবনের বনাঞ্চলকে সংরক্ষিত ঘোষণা করা হয়।
- অতঃপর ১৮৭৮ সালে পূর্বে সংরক্ষিত বন হিসেবে ঘোষিত খুলনা, বাগেরহাট এবং সাতক্ষীরা জেলাধীন সুন্দরবনকে সংরক্ষিত বন হিসাবে ঘোষণা দেয়া হয়।
 
উৎস: i) বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
         ii) বাংলাপিডিয়া।
৩,৩৯৯.
ঢাকার প্রাচীনতম মসজিদের নাম কী?
  1. বায়তুল মোকাররম
  2. চকবাজার শাহী মসজিদ
  3. বেগমবাজার মসজিদ
  4. বিনত বিবির মসজিদ
ব্যাখ্যা

বিনত বিবির মসজিদ:
- ‘বিনত বিবির মসজিদ’ ঢাকার প্রাচীনতম মসজিদ। 
- বিনত বিবির মসজিদ বাংলাদেশের ঢাকা শহরের পুরানো ঢাকা এলাকায় অবস্থিত একটি মধ্যযুগীয় মসজিদ।
- নারিন্দা পুলের উত্তর দিকে অবস্থিত এই মসজিদটির গায়ে উৎকীর্ণ শিলালিপি অনুসারে ৮৬১ হিজরি সালে, অর্থাৎ ১৪৫৭ খ্রিস্টাব্দে সুলতান নাসিরুদ্দিন মাহমুদ শাহের শাসনামলে মারহামাতের কন্যা মুসাম্মাত বখত বিনত বিবি এটি নির্মাণ করান। 
- ১৪৫৬ খ্রিস্টব্দে ইসলাম খাঁর আগমনের প্রায় দেড়শ বছর আগে বাংলার সুলতান নাসির উদ্দিন মাহমুদের আমলে ঐতিহ্যবাহী এই মসজিদটি নির্মিত হয়।
- বাংলা ১৩৩৭ সালে এ মসজিদটির দ্বিতীয় সংস্করণ করা হয় এবং দ্বিতীয় গম্বুজটি স্থাপন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ইতিহাসবিদেরা একমত যে এটিই রাজধানীর সবচেয়ে প্রাচীন মসজিদ এবং প্রাক্‌–মোগল যুগের অন্যতম প্রধান স্থাপত্য নিদর্শন। 
- লিপি প্রমাণে এটিই ঢাকার প্রাচীনতম মসজিদ। সেই অর্থে ঢাকার প্রথম মসজিদ বলা হয় একে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩,৪০০.
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন কে?
  1. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  2. নাইমুর রহমান
  3. হাবিবুল বাশার
  4. মেহেরাব হোসেন অপি
ব্যাখ্যা
টেস্টে প্রথম:
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- প্রথম টেস্ট উইকেট শিকার করেছেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম হাফ সেঞ্চুরি করেন হাবিবুল বাশার।
- প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- প্রথম ৫ উইকেট শিকার করেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম ১০০ উইকেট মোহাম্মদ রফিকের।
- প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।
- একমাত্র ১০ উইকেট’ শিকার করেন এনামুল হক জুনিয়র।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।