বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

মোট প্রশ্ন৩,৮২৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

PrepBank · পাতা ৩১ / ৩৮ · ৩,০০১৩,১০০ / ৩,৮২৪

৩,০০১.
চলতি দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে (২০২২) স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারানো প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে ম্যাচসেরা হয়েছেন -
  1. তামিম ইকবাল
  2. তাসকিন আহমেদ
  3. মেহেদি হাসান মিরাজ 
  4. সাকিব আল হাসান
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের দক্ষিণ আফ্রিকাকে তাদের মাঠে হারানোর অপেক্ষা ২০ বছরের এবং এই সময়ে মোট ২০টি ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকা।
সেই অপেক্ষার অবসান ঘটে চলতি দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে (২০২২)।
- ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ও তৃতীয় ম্যাচ জিতে সিরিজ জিতে বাংলাদেশ।
- সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ দক্ষিণ আফ্রিকাকে  হারায় ৩৮ রানে।
- ৬৪ বলে ৭৭ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলে ম্যচসেরা হয়েছেন সাকিব আল হাসান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-
বাংলাদেশ : ৩১৪/৭ (তামিম ৪১, লিটন ৫০, সাকিব ৭৭, ইয়াসির ৫০ ; ইয়ানসেন ২/৫৭, মহারাজ ২/৫৬)
দক্ষিণ আফ্রিকা: ৪৮.৫ ওভারে ২৭৬ (ফন ডার ডুসেন ৮৬, মিলার ৭৯, বাভুমা ৩১ ; শরীফুল ২/৪৭, তাসকিন ৩/৩৬, মিরাজ ৪/৬১)

তথ্যসূত্র - Cricbuzz ও প্রথম আলো।

৩,০০২.
জীবিত অবস্থায় 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫' পেয়েছেন?
  1. মীর আবদুস শুকুর
  2. অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম
  3. মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান
  4. বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- ৭ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে দেয়া হয় ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫’।
- ৭ জনের মধ্যে ৬ জনকে মরণোত্তর পুরস্কার প্রাপ্ত হয়।
- শুধু বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর জীবিত পুরস্কার প্রাপ্ত হন।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে :অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),।
- সাহিত্যে: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর), । 
- সংস্কৃতিতে: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),।
- সমাজসেবায়: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),।
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতিতে: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),।
- শিক্ষা ও গবেষণায় : বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর ।
- প্রতিবাদী তারুণ্যের : আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উল্লেখ্য,
বাংলাদেশের অন্যতম চিন্তাবিদ ও লেখক বদরুদ্দীন উমর দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ‘স্বাধীনতা পুরষ্কার’ প্রত্যাখ্যান করেন।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

৩,০০৩.
বাংলাদেশের ৩১তম সেনানিবাস কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) স্বর্ণদ্বীপ, নোয়াখালী
  2. খ) লেবুখালী, পটুয়াখালী
  3. গ) জাজিরা, শরীয়তপুর
  4. ঘ) ভাটিয়ারি, চট্রগ্রাম
ব্যাখ্যা

• সেনানিবাস:
- দেশের ৩১তম এবং দক্ষিণাঞ্চলের প্রথম 'শেখ হাসিনা সেনানিবাস' এর অবস্থান পটুয়াখালী জেলার লেবুখালীতে
- সেনাবাহিনীর ৯টি ডিভিশনের আওতায় দেশে ৩০টি সেনানিবাস থাকলেও এতদিন দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় কোনো সেনানিবাস ছিল না। দক্ষিণাঞ্চলের ছয়টি জেলায় বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে ২০০ কিলোমিটার দূরের যশোর সেনানিবাসের সহায়তা নিতে হতো।

অন্যদিকে,
- পদ্মা সেতুর নিরাপত্তার জন্য যে সেনানিবাস প্রতিষ্ঠিত হয় - শেখ রাসেল সেনানিবাস।
- ৯ পদাতিক ডিভিশনের অধীন ৯৯ কম্পোজিট ব্রিগেড এই সেনানিবাসে অবস্থান করবে।
- শরীয়তপুরের জাজিরায় উদ্বোধন হলো শেখ রাসেল সেনানিবাস।
- ২৯ মার্চ প্রধানমন্ত্রী এই সেনানিবাসের উদ্বোধন করেন।

উৎস:  দৈনিক জনকণ্ঠ ও দৈনিক সমকাল।

৩,০০৪.
নিম্নের নামগুলির মধ্যে মৃক্তিযুদ্ধে ‘বীর প্রতীক’ খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা কে?
  1. ক) সেতারা বেগম
  2. খ) জাহানারা বেগম
  3. গ) নীলিমা ইব্রাহিম
  4. ঘ) বেগম সুফিয়া কামাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালনের জন্য যে দুই নারী ‘বীরপ্রতীক’ খেতাব পেয়েছেন তাঁদের একজন ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা রহমান৷ অন্যজন তারামন বিবি৷
Source: dw.com
৩,০০৫.
ইউনেস্কো ঘোষিত বাংলাদেশের প্রথম বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য কোনটি?
  1. জামদানি বুননশিল্প
  2. বাউলগান
  3. মঙ্গল শোভাযাত্রা
  4. ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’
ব্যাখ্যা
ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য:
- ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ আর সৃষ্টিশীলতাকে লালন করার প্রত্যয়ে ইউনেস্কো ঘোষিত সংস্কৃতি বিষয়ক বিভিন্ন কনভেনশনের আলোকে বিএনসিইউ’র সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়।
- বর্তমানে দেশে ৫টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে।
- এগুলো হলো: বাউলগান (২০০৮), জামদানি বুননশিল্প (২০১৩), মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬), শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭) ও ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩)।

⇒ বাউল সংগীত:
- ইউনেস্কো ঘোষিত বাংলাদেশের প্রথম বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বাউল সংগীত।
- বাউল সংগীত হলো আধ্যাত্ববাদের চেতনাপুষ্ট লোক সংগীতের এক বিশেষ ধারা যা হিন্দু শাস্ত্রের ভক্তিবাদ ও একই সাথে সুফি সংগীত দ্বারা প্রভাবিত।
- স্রষ্টার সাথে সৃষ্টির সম্পর্কের ভাবনা আর ভিন্নধর্মী জীবন দর্শনের মধ্যেই বাউলদের বিশেষত্ব নিহিত রয়েছে।
- তাদের দর্শন কোনো বিশেষ ধর্ম, জাত, বর্ণ বা দেবতার বিশ্বাসের গন্ডীতে সীমাবদ্ধ নয় বরং শ্রষ্টাকে তারা আত্বার অংশ হিসেবে বিশ্বাস করে।
- এই দর্শনেই তাদের আত্মার মুক্তি।
- মানবতার ইতিহাসে এই বাউল সংগীতের অপরিসীম সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যগত গুরুত্ব বিবেচনায় ইউনেস্কো ২০০৫ সালে একে “Masterpiece of the Oral and Intangible Heritage of Humanity” হিসেবে ঘোষনা দেয়।
- পরবর্তীতে ২০০৮ সালে ইউনেস্কোর অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত Intergovernmental Committee’র তৃতীয় অধিবেশনে বাংলাদেশের বাউল সংগীতকে Intangible Cultural Heritage of Humanity হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।
৩,০০৬.
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) কোথায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া
  2. রংপুর
  3. কুমিল্লা
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড): 
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) ১৯৫৯ সালের ২৭ মে পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ড. আখতার হামিদ খানে। 
- বার্ড স্থানীয় সরকার, পল্লী ‍উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- একাডেমি কর্তৃক উদ্ভাবিত পল্লী উন্নয়নের ‘কুমিল্লা মডেল’ এর জন্য বার্ড দেশে-বিদেশে সুখ্যাতি অর্জন করে।
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) কুমিল্লায় অবস্থিত। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৩,০০৭.
নিচের কোনটি একটি পুনর্বাসন প্রকল্প?
  1. কাবিখা
  2. কাবিটা
  3. আশ্রয়ণ
  4. শেষ সম্বল
ব্যাখ্যা
আশ্রয়ণ প্রকল্প: 
- এটি একটি সমন্বিত দারিদ্র্য বিমোচন প্রকল্প ।
- সারা দেশের গৃহহীন-ভূমিহীন মানুষকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে শুরু হয় “আশ্রয়ণ প্রকল্প”।
- আশ্রয়ণ প্রকল্পের ধারাবাহিকতায় ২০০২ সালে ৬৫ হাজার ভূমিহীন, গৃহহীন, ছিন্নমূল, অসহায়. পরিবারের দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের উদ্দেশ্যে আশ্রয়ণ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। 
- আশ্রয়ণ প্রকল্প বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনস্থ একটি সরকারি প্রকল্প যার মাধ্যমে ভূমিহীন ও গৃহহীন এবং যার জমি আছে ঘর নেই এমন পরিবারের জন্য বাসস্থান নির্মাণ করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,০০৮.
কার্জন হলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন কে?
  1. ক) লর্ড ব্যান্টিং
  2. খ) লর্ড কার্ট্সো
  3. গ) লর্ড কর্নোওয়ালিশ
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
কার্জন হল:
- কার্জন হল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের অংশ হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
- ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জনের নামানুসারে এ ভবনটি টাউন হল হিসেবে নির্মিত হয়েছিল।
- ১৯০৪ সালে  লর্ড কার্জন এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ হলে এটি  ঢাকা কলেজ ভবন হিসেবে ব্যবহূত হতে থাকে। পরে ১৯২১ সালে  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে এ ভবন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের অংশ হিসেবে ব্যবহূত হতে শুরু করে এবং এখনও এভাবেই চলছে।
- ১৯৪৮ সালে এখানেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রগণ তদানীন্তন পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে উর্দু এতদসংক্রান্ত জিন্নাহর ঘোষণার প্রতি প্রথম প্রতিবাদ জানিয়েছিল। 

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৩,০০৯.
‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শান্তি পদক’ ঘোষণা করা হবে কবে?
  1. ৭ মার্চ
  2. ১৭ মার্চ
  3. ২৬ মার্চ
  4. ১৬ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শান্তি পদক’
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে আন্তর্জাতিক শান্তি পদক দেবে বাংলাদেশ সরকার।
- পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ১ লাখ ডলার (বাংলাদেশি টাকায় ১ কোটি ১৭ লাখ) পাবে।
- এ ছাড়া পদকটি হবে ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের, ৫০ গ্রাম ওজনের (চার ভরির বেশি)।
- এ লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শান্তি পদক নীতিমালা-২০২৪ এর খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
- প্রতি দুই বছরে এ পুরস্কার দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে সাচিবিক দায়িত্ব পালন করবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
- একটি ক্যাটাগরিতে দেওয়া হবে এ শান্তি পুরস্কার।
- ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবসে পুরস্কার প্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নাম ঘোষণা করা হবে।
- ২৩ মে বা কাছাকাছি সময়ে এই পুরস্কার প্রদান করা হবে।
- আগামী বছর (২০২৫) প্রথমবারের মতোই পুরস্কার দেওয়া হবে। 

সূত্র- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইট।  
৩,০১০.
রাজারবাগ পুলিশ লাইনে অবস্থিত 'দুর্জয়' ভাস্কর্যটির শিল্পী কে?
  1. হামিদুর রহমান
  2. মৃণাল হক
  3. শামিম শিকদার
  4. নভেরা আহমেদ
ব্যাখ্যা

• রাজারবাগ পুলিশ লাইনে অবস্থিত 'দুর্জয়' ভাস্কর্যটির শিল্পী — মৃণাল হক।

• উল্লেখযোগ্য ভাস্কর্য:
- অপরাজেয় বাংলা'র ভাস্কর সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ। 
- শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ এর স্থপতি ছিলেন মোস্তফা আলী কুদ্দুস। 
- রাজসিক বিহার এর ভাস্কর মৃণাল হক। 
- জাগ্রত চৌরঙ্গীর স্থপতি খ্যাতিমান ভাস্কর আবদুর রাজ্জাক।
- সংশপ্তক এর ভাস্কর স্থপতি হামিদুজ্জামান খান।
- স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্যটির ভাস্কর - চারুকলার শিক্ষক অধ্যাপিকা শামিম শিকদার।
- 'রাজু ভাস্কর্য' এর ভাস্কর্যের স্থপতি ছিলেন ভাস্কর শ্যামল চৌধুরী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩,০১১.
তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে দেশের প্রথম হাইটেক পার্ক (Hi-Tech Park) কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর
  2. খ) ঢাকা জেলার সাভার
  3. গ) সেলেট জেলার বিয়ানীবাজার
  4. ঘ) চট্টগ্রাম জেলার রাউজান
ব্যাখ্যা
- দেশে হাইটেক শিল্প তথা তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর শিল্পের বিকাশ ও উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার ‘বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ আইন-২০১০’ (আইন নং-৮)-এর দ্বারা বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করেছে।
- বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি হল বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের প্রথম প্রকল্প।
- কালিয়াকৈর হাইটেক পার্কের বর্তমান নাম বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি।
- এটি দেশের প্রথম হাইটেক পার্ক।
- ২০১৬ সালে এর নাম বদলে "বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি" রাখা হয়।

তথ্যসূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ।
৩,০১২.
দেশের সর্বশেষ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কোনটি?
  1. ক) চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যায়
  2. খ) রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
  3. গ) সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
  4. ঘ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সর্বশেষ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হলো সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়। এটি সিলেটে অবস্থিত যা ২০১৮ সালের নভেম্বরে কার্যক্রম শুরু করে। এটিসহ বর্তমানে দেশে চারটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম চালু আছে। এছাড়া খুলনায় দেশের পঞ্চম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন প্রক্রিয়াধীন। দেশের প্রথম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়। এটি ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও একে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করা হয় ১৯৯৮ সালের ৩০ এপ্রিল। (সূত্র: ইউজিসি ও বিএসএমএমইউ ও সিএমইউ ওয়েবসাইট)
৩,০১৩.
বাংলাদেশ নিচে উল্লিখিত কোন সময়ের জন্য জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়েছিল?
  1. ১৯৭৮-৭৯
  2. ১৯৭৯-৮০
  3. ১৯৮০-৮১
  4. ১৯৮১-৮২
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা ছয়টি:
• সাধারণ পরিষদ (the General Assembly),
• নিরাপত্তা পরিষদ (the Security Council),
• অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (the Economic and Social Council),
• আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত (the International Court of Justice),
• অছি পরিষদ (the Trusteeship Council),
• জাতিসংঘ সচিবালয় (the Secretariat)।

⇒ নিরাপত্তা পরিষদ (UN Security Council):
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্য নিয়ে গঠিত।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিজয়ী পাঁচ পরাশক্তি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য।
- স্থায়ী সদস্য: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র।
- এই পাঁচ পরাশক্তিকে একত্রে পি-৫ নামে অভিহিত করা হয়।

⇒ নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশের ভিত্তিতে এর সাধারন পরিষদ কোন দেশকে নতুন সদস্য হিসাবে অন্তর্ভূক্ত করে।
- নিরাপত্তা পরিষদ জাতিংঘের মহাসচিব ও আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রেও সুপারিশ করে।
- মহাসচিব নিযুক্ত হন নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশক্রমে সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৩ সালে সনদের ২৩নং অনুচ্ছেদ সংশোধনের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য ১১ থেকে বাড়িয়ে ১৫ করা হয় যা ১৯৬৫ সাল থেকে কার্যকর হয়।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয় ২ বছরের জন্য।
- বর্তমানে নিরাপত্তা পরিষদের দশটি অস্থায়ী সদস্য দেশ হলো: ইকুয়েডর (২০২৪), জাপান (২০২৪), মাল্টা (২০২৪), মোজাম্বিক (২০২৪), সুইজারল্যান্ড (২০২৪), আলজেরিয়া (২০২৫), গায়ানা (২০২৫), কোরিয়া (২০২৫), সিয়েরা লিওন (২০২৫), স্লোভেনিয়া (২০২৫)।

এছাড়াও,
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ দু'বার নির্বাচিত হয়, প্রথমবার জাপানকে পরাজিত করে ১৯৭৯-১৯৮০ সালে এবং দ্বিতীয়বার ২০০০-২০০১ সালে। বাংলাদেশের প্রথমবারের (১৯৭৯-৮০) নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যপদ লাভ ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

উৎস: UN Security Council ওয়েবসাইট।
৩,০১৪.
বাংলাদেশের ১৮তম সেনাপ্রধান কে?
  1. জেনারেল আবদুল আমিন
  2. জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ
  3. জেনারেল আজিজ আহমেদ
  4. জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

সেনাপ্রধান
- বাংলাদেশের ১৮তম সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
- তিনি বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।
- ওয়াকার-উজ-জামান বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদের পাশাপাশি নবম পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং এবং সাভার এরিয়ার এরিয়া কমান্ডার, সেনাসদরে সামরিক সচিব এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- এ ছাড়া তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েরর আর্মড ফোর্সেস ডিভিশনে প্রধানমন্ত্রীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- এরিয়া কমান্ডার সাভার এরিয়া ও জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) নবম পদাতিক ডিভিশন হিসেবে ওয়াকার-উজ-জামান টানা তিন বছর অত্যন্ত সফলভাবে বিজয় দিবস প্যারেড ২০১৪, ২০১৫ ও ২০১৬-এর প্যারেড কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন।
- বিরল এই কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ‘সেনাগৌরব পদক’ (এসজিপি)-এ ভূষিত হন।

সূত্র- আইএসপিআর।
৩,০১৫.
সর্বশেষ এভারেস্টজয়ী বাংলাদেশি হলেন - [সেপ্টেম্বর, ২০২৫] 
  1. ওয়াসফিয়া নাজরীন
  2. খালেদ হোসেন
  3. বাবর আলী
  4. ইকরামুল হাসান শাকিল
ব্যাখ্যা

ইকরামুল হাসান শাকিল:
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট হয় করেছেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ২০২৫ সালের ১৯ মে তিনি এভারেস্ট চূড়া জয় করেন।
- সবচেয়ে কম সময়ে এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নতুন রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।
- কক্সবাজার থেকে হেঁটে গিয়ে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ালেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ইকরামুল হাসান তাঁর এই অভিযানের নাম দিয়েছেন ‘সি টু সামিট’, অর্থাৎ সমুদ্র থেকে শৃঙ্গ।
- শাকিলের 'সি টু সামিট' অভিযাত্রা শুরু হয় ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে কক্সবাজার থেকে।
- এরপর ৯০ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্য দিয়ে প্রায় এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন এবং ২৯ হাজার ৩১ ফুট উচ্চতার এভারেস্ট জয় করেন।

⇒ এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, মো. খালেদ হোসাইন, বাবর আলী, ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি: ইকরামুল হাসান শাকিল, ২০২৫ সালের ১৯ মে।

এছাড়াও,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি। তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) প্রথম আলো।

৩,০১৬.
বর্তমানে বাংলাদেশ কোন সংস্থার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ব্রিকস
  2. বিমসটেক
  3. কমনওয়েলথ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলন: 
- বর্তমানে বিমসটেক এর সভাপতি বাংলাদেশ। 

- আগামী দুই বছরের জন্য বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট বিমসটেকের সভাপতির দায়িত্ব পেল বাংলাদেশ।
- ২০২৫ সালের ৪ এপ্রিল থাইল্যান্ডের ব্যাংককে ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে এ দায়িত্ব বুঝে নেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- ড. ইউনূস তার বক্তব্যে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কার্যকরি বিমসটেকের ওপর জোর দেন এবং আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলোর বিষয়ে বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গি ও অগ্রাধিকার উপস্থাপন করেন।
- তিনি আঞ্চলিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন এগিয়ে নিতে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য,
- BIMSTEC এর পূর্ণরূপ Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation.
- BIMSTEC বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী দেশগুলোর আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সংগঠন।
- সদর দপ্তর: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৬ জুন, ১৯৯৭ সাল।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৪টি। এগুলো হলো- বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ৭টি দেশ। এগুলো হলো- ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড।

উৎস: পত্রিকা প্রতিবেদন। (link)

৩,০১৭.
পানাম নগরের স্থাপত্যে কোন শিল্পরীতির মিশ্রণ দেখা যায়?
  1. তুর্কি ও পার্সীয় শিল্পরীতি
  2. ইউরোপীয় ও মোঘল শিল্পরীতি
  3. ভারতীয় ও চীনা শিল্পরীতি
  4. বাংলা ও জাপানি শিল্পরীতি
ব্যাখ্যা

পানাম নগর:
- পানাম সোনারগাঁয়ের একটি প্রাচীন এলাকা।
- পানাম নগর বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও অঞ্চলে অবস্থিত।
- পানাম নগরীর রাস্তার দুই ধারে ঔপনিবেশিক আমলের মোট ৫২টি স্থাপনা রয়েছে।
- রাস্তার উত্তরদিকে ৩১টি এবং দক্ষিণদিকে ২১টি স্থাপনা অবস্থিত।
- স্থাপনাগুলোর স্থাপত্যে ইউরোপীয় শিল্পরীতির সাথে মোঘল শিল্পরীতির মিশ্রণ লক্ষ করা যায়।
- এখানে আবাসিক ভবন ছাড়াও উপাসনালয়, গোসলখানা, পান্থশালা, দরবার কক্ষ ইত্যাদি রয়েছে।
- পানাম নগরের আশে পাশে আরো কিছু স্থাপনা আছে যেমন- ছোট সর্দার বাড়ি, ঈশা খাঁর তোরণ, নীলকুঠি, বণিক বসতি, ঠাকুর বাড়ি, পানাম নগর সেতু ইত্যাদি। 
- ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাণিজ্যিক কার্যক্রম ও  চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত এর ফলশ্রুতিতেই গড়ে উঠেছিল বর্তমান পানামনগর।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির নীলচাষের নির্মম ইতিহাসের নীরব সাক্ষী পানামের নীলকুঠি।
- এ ছাড়াও আমিনপুর ও দুলালপুর গ্রামের সংযোগ রক্ষাকারী পানাম পুলটি পঙ্খীরাজ খালের ওপর ১৭ শতকে নির্মিত হয়। 
- পানামের ইমারতগুলির সবই ইটনির্মিত।
- ধারনা করা যেতে পারে ঐতিহাসিক ‘‘সড়কে-ই-আযম’’ গ্রান্ড ট্রাংঙ্ক রোডের সমাপ্তি এ পানাম নগরেই হয়েছিল।
- ২০০৬ সালে ওয়ার্ল্ড মনুমেন্ট ফান্ডের তৈরি বিশ্বের ধ্বংসপ্রায় ১০০ টি ঐতিহাসিক স্থাপনার তালিকায় পানাম নগর স্থান পায়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩,০১৮.
বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মেগাসিটি কোনটি?
  1. টকিও
  2. জাকার্তা
  3. ঢাকা
  4. নয়াদিল্লি
ব্যাখ্যা

বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মেগাসিটি- ঢাকা, বাংলাদেশ।

বৈশ্বিক নগরায়ণ সম্ভাবনা, ২০২৫:

প্রতিবেদনের শিরোনাম: World Urbanization Prospects 2025.
প্রকাশ: ২০ নভেম্বর ২০২৫। 
প্রকাশক: জাতিসংঘ অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিষয়ক বিভাগ। 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, শীর্ষ পাঁচ মেগাসিটি-
১. জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া- ৪,১৯,১৪,০০০;
২. ঢাকা, বাংলাদেশ- ৩,৬৫,৮৫,০০০;
৩. টোকিও, জাপান- ৩,৩৪,১৩,০০০;
৪. নয়াদিল্লি, ভারত- ৩,০২,২২,০০০;
৫. সাংহাই, চীন- ২,৯৫,৫৯,০০০।

উল্লেখ্য,
- এক কোটি বা ১০ মিলিয়নের অধিক জনসংখ্যা অধ্যুষিত মেট্রোপলিটন এলাকাকে মেগাসিটি বলা হয়।
- বিশ্বের বর্তমানে মহানগর বা মেগা সিটির সংখ্যা ৩৩টি।

উৎস:- World Urbanization Prospects 2025।

৩,০১৯.
বাংলাদেশ প্রথম জাতিসংঘের কোন সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে?
  1. WHO
  2. IMO
  3. ILO
  4. FAO
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ প্রথম বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে।
- ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা WHO:
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর জেনেভায় অবস্থিত।
- সংস্থাটির বর্তমান সদস্য সংখ্যা - ১৯৪টি। (জুলাই, ২০২৫)
- এ সংস্থার সাংগঠনিক কাঠামো: বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলন, কার্যকরী বোর্ড, সম্পাদকীয় বোর্ড নিয়ে গঠিত।
- রোগমুক্ত বিশ্ব গঠন ও সবার জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করাই এ সংস্থার মূল লক্ষ্য এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করা, সংক্রামক ব্যাধি নির্মূল, স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়ন, স্বাস্থ্য শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা পরিচালনা করে থাকে।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বর্তমান মহাপরিচালক হলেন টেড্রোস আধানম গেব্রেইসাস। (জুলাই, ২০২৫)
- তিনি ইথিওপিয়ার নাগরিক।

অন্যদিকে -
- বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) এর সদস্যপদ লাভ করে ২২ জুন, ১৯৭২।
- বাংলাদেশ খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এর সদস্যপদ লাভ করে ১৩ নভেম্বর ১৯৭৩।
- বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালে IMO এর সদস্যপদ লাভ করে।

তথ্যসূত্র - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৩,০২০.
'আলকাপ' কোন অঞ্চলের প্রচলিত গান? 
  1. সিলেট 
  2. রাজশাহী
  3. ফরিদপুর
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

- 'আলকাপ' রাজশাহী অঞ্চলের প্রচলিত গান।

আলকাপ গান:

- আলকাপ গান পালাগানের একটি শাখা।
- সাধারণত পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও মালদহ এবং
- বাংলাদেশের রাজশাহী অঞ্চলে এ গানের প্রচলন বেশি।

- আলকাপ একটি দলীয় ও মিশ্র প্রকৃতির সঙ্গীত প্রদর্শন। এতে নাচ, গান, কথা, ছড়া, অভিনয় ইত্যাদির মিশ্রণ আছে।
- আলকাপ গানের প্রধান দুটি অংশ- গান গাওয়া ও বোল বা ছড়া কাটা।
- গানের বিষয়বস্তু সাধারণত রাধাকৃষ্ণলীলা ও অন্যান্য পৌরাণিক কথা, আর ছড়ার বিষয়বস্তু সমকালের সামাজিক ঘটনা।
- সারি গান এক প্রকার লোকসঙ্গীত, যা শ্রমসঙ্গীত বা কর্মসঙ্গীত নামেও পরিচিত।
- নৌকার মাঝি-মাল্লাদের গান হিসেবেই এর প্রধান পরিচয়।
- মাঝিরা সারিবদ্ধভাবে বসে বৈঠা টানার তালে তালে এ গান গায় বলেই এর নাম হয়েছে সারি গান।

এছাড়াও,
-  ভাওয়াইয়া ও চটকা: উত্তরবঙ্গের (রংপুর) ।
- গম্ভীরা: রাজশাহীর সমাজ সচেতনতামূলক গান।
- ভাটিয়ালি: নদীমাতৃক বাংলাদেশের মাঝিদের গান।
-.ধামাইল: সিলেটের বিয়ের গান ও নাচ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩,০২১.
২০২৫ সালের হেনলি পাসপোর্ট সূচকে বাংলাদেশ কততম অবস্থানে রয়েছে? [জানুয়ারি,২০২৫]
  1. ৯৭তম
  2. ৯৮তম
  3. ৯৯তম
  4. ১০০তম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
-----------------
২০২৫ সালে হেনলি পাসপোর্ট সূচক:
- হেনলি পাসপোর্ট সূচক অনুযায়ী সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট সিঙ্গাপুরের।
- সিঙ্গাপুরের পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়াই ১৯৩টি গন্তব্যে ভ্রমণ করতে পারেন।
- হেনলি অ্যান্ড পার্টনারস ২০০৬ সাল থেকে এই তালিকা প্রকাশ করছে।
- বিশ্বের ১৯৯টি দেশের পাসপোর্টের র‍্যাঙ্কিং করা হয় ভিসামুক্ত ভ্রমণের সংখ্যার ভিত্তিতে।
- বাংলাদেশের অবস্থান সূচকে ১০০তম।
- বাংলাদেশের পাসপোর্টধারীরা ৪০টি দেশে ভিসামুক্তভাবে বা অন-অ্যারাইভাল ভিসা নিয়ে যেতে পারেন।
- ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জাপান, সাউথ কোরিয়া, সুইডেন, জার্মানি, ইতালি ও স্পেন ২য় অবস্থানে।
- এই দেশগুলোর নাগরিকরা ১৯০টি গন্তব্যে ভিসামুক্ত ভ্রমণ করতে পারেন।
- ৩য় অবস্থানে আছে অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক, আয়ারল্যান্ড, যুক্তরাজ্য, লুক্সেমবার্গ ও নেদারল্যান্ড।
- সূচকে সবার নিচে রয়েছে আফগানিস্তান (১০৭তম)।

তথ্যসূত্র: Henley and partners ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
৩,০২২.
'বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার' - ১৪২৫ ও ১৪২৬ প্রদান করা হয় কতজন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে?
  1. ক) ৪৪
  2. খ) ৪৫
  3. গ) ৪৬
  4. ঘ) ৩৯
ব্যাখ্যা
• কৃষিখাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ৪৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে 'বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার' - ১৪২৫ ও ১৪২৬ দেয়া হয়েছে।
• এর মধ্যে ১৪২৫ সালের জন্য ১৫ ব্যক্তি ও সংগঠনকে এবং ১৪২৬ সালের জন্য ২৯ ব্যক্তি ও সংগঠনকে এ পুরস্কার দেয়া হবে।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এম সি কিউ সাম্প্রতিক সমাচার, অক্টোবর - ২০২২।
৩,০২৩.
'কুসুম্বা' মসজিদ কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকার লালবাগে
  2. নওগাঁ জেলা
  3. পুরনো ঢাকায়
  4. বাগেরহাট জেলায়
ব্যাখ্যা
কুসুম্বা মসজিদ:
- নওগাঁর মান্দা উপজেলায় ঐতিহাসিক কুসুম্বা মসজিদের অবস্থান
- মসজিদটি ধরে রেখেছে সুলতানি আমলের অনন্য নিদর্শন।
- এর মিহরাবের ওপর সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহর নাম লিপিবদ্ধ করা।
- ধারণা করা হয়, তাঁর শাসনামলে মসজিদটি নির্মিত।
- এটি চারকোনাবিশিষ্ট।
- কালো ও ধূসর রঙের পাথর আর পোড়ামাটির ইটে গড়া এই মসজিদ।

উৎস: নওগাঁ জেলা ওয়েব সাইট ও প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৩,০২৪.
সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক কোথায় অবস্থিত?
  1. টেকনাফ
  2. কক্সবাজার
  3. কুয়াকাটা
  4. সেন্ট মার্টিন
ব্যাখ্যা
সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক:
- সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে টেকনাফ উপজেলার সাগর তীরে অবস্থিত।
- বিশ্বের দীর্ঘতম বালুকাময় সমুদ্র সৈকত, প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন ও অন্যান্য পর্যটন স্পটসমূহের জন্য কক্সবাজার দেশি-বিদেশি পর্যটকদের চিত্ত বিনোদন ও নৈসর্গিক প্রাকৃতিক শোভা দেখার জন্য অন্যতম গন্তব্যস্থল।
- সাবরাং ট্যুরিজম পার্কের অবস্থান খুবই চমৎকার জায়গায়।
- এর একদিকে বঙ্গোপসাগরের নীল জলরাশি, অন্যদিকে সবুজবেষ্টিত পাহাড়।
- বেজা জানিয়েছে, ৯৫০ একরের বেশি আয়তনের সাবরাং ট্যুরিজম পার্কটি কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ৮২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
- কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভের মাধ্যমে ট্যুরিজম পার্কের সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ রয়েছে।
- সাবরাং ট্যুরিজম পার্কের ভেতরে ১০০ একর জায়গায় বিদেশিদের জন্য একটি 'এক্সক্লুসিভ জোন' স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চফল কর্তৃপক্ষ (বেজা)।
- বিদেশি পাসপোর্ট দেখিয়ে প্রবেশ করতে হবে এ জোনে।
- অন্যদিকে টেকনাফ উপজেলায় প্রায় ৩০০ একর জমিতে দেশের প্রথম দ্বীপভিত্তিক নাফ ট্যুরিজম পার্ক স্থাপনের কাজ করছে বেজা।

উৎস: THE BUSINESS STANDARD বাংলা (৩০ ডিসেম্বর, ২০২৩)
প্রথম আলো (১৭ জুলাই ২০২৪)
৩,০২৫.
বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় কোনটি?
  1. ক্ষীরশাপাতি আম
  2. বেনারসি
  3. জামদানি
  4. শীতল পাটি
ব্যাখ্যা
• জিআই পণ্য:
- ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (Geographical Indication)।
- সংক্ষেপে GI) বলতে বোঝায় এমন একটি পণ্য, যা বিশেষ কোনো ভৌগোলিক এলাকা বা অঞ্চলের কারণে তার গুণগত মান, খ্যাতি বা অন্যান্য বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত ও স্বীকৃত।
- দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) জামদানি।
- সময়: ১৭ নভেম্বর ২০১৬ সালে স্বীকৃতি লাভ করে।
- বর্তমানে দেশে জিআই পণ্য ৫৬টি। (জুলাই, ২০২৫)।
- সর্বশেষ জিআইপণ্য: ঢাকাই ফুটি কার্পাস তুলার বীজ ও গাছ। (৫৬তম)।
- ৫৫ তম টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের জুমর্কির সন্দেশ।
- ৫৪ তম নওগাঁর নাক ফজলি আম।

উৎস: পেটেন্ট, শিল্প, নকশা, ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর ও প্রথম আলো।
৩,০২৬.
বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (IAEA) এর সদস্যপদ লাভ করে কবে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (IAEA):
- পূর্ণ নাম: International Atomic Energy Agency
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২৯ জুলাই, ১৯৫৭
- সদর দপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- সদস্য সংখ্যা (১৫ নভেম্বর,২০২৪ অনুযায়ী): ১৮০টি [ডিসেম্বর,২০২৪]
- শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার প্রচার করা এবং পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধে কাজ করে।
- ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে। 

মূল কাজ:
- পারমাণবিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
- সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পারমাণবিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা।
- পারমাণবিক শক্তি, চিকিৎসা, কৃষি এবং শিল্পে শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করা।
- গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি: NPT (Non-Proliferation Treaty) বাস্তবায়নে সহায়তা।
- পারমাণবিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক মান নির্ধারণ।

উৎস: i) IAEA অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
ii) Britannica
৩,০২৭.
স্বাধীনতা পুরস্কার কোন উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়?
  1. বীর শহীদদের সম্মানিত করার জন্য
  2. মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণ করার জন্য
  3. দেশের ও জাতির কল্যাণে অবদানের স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য
  4. সংস্কৃতি প্রচার ও প্রসার করার জন্য
ব্যাখ্যা
• স্বাধীনতা পুরস্কার: 
- দেশের ও জাতির কল্যাণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া হয়।
- স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার বা স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার।
- মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এ পুরস্কার প্রবর্তন করে।
- সরকারের মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- প্রতিবছর ৬ টি ক্যাটাগরিতে ১০ জন বিশিষ্ট নাগরিককে এই পুরস্কার দেয়া হয়।

- ক্যাটাগরি সমূহ:
১. স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ,
২. সংস্কৃতি,
৩. সমাজসেবা,
৪. চিকিৎসাবিদ্যা,
৫.বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি,
৬.ক্রীড়া।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।
৩,০২৮.
২০২৫ সালে BIMSTEC এর সভাপতিত্ব গ্রহণ করেছে কোন দেশ? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. ভারত
  2. বাংলাদেশ
  3. থাইল্যান্ড
  4. মিয়ানমার
ব্যাখ্যা

BIMSTEC:
- BIMSTEC এর পূর্ণরূপ Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation.
- BIMSTEC একটি অর্থনৈতিক সংগঠন।
- বিমসটেক এর প্রতিষ্ঠাকাল: ৬ জুন, ১৯৯৭ সাল।
- সংগঠনটির সদর দপ্তর ঢাকা, বাংলাদেশ।
- এর প্রতিষ্ঠার স্থান: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড।
- সংগঠনটির সদস্য সংখ্যা: ৭টি দেশ। এগুলো হলো- ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড।

উল্লেখ্য,
- বিমসটেক  ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলন ০৪ এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হয়।
- শীর্ষ সম্মেলনের সমাপ্তিতে, বিমসটেকের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য বাংলাদেশ বিমসটেকের সভাপতিত্ব গ্রহণ করে।
- আগামী দুই বছরের জন্য সভাপতির দায়িত্ব পালন করবে বাংলাদেশ।

তথ্যসূত্র: BIMSTEC ওয়েবসাইট।

৩,০২৯.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনের নাম কী?
  1. পিলখানা
  2. যমুনা
  3. বঙ্গভবন
  4. গণভবন
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা
- রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা বাংলাদেশের বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়। 
- এটি ঢাকার রমনা থানার মিন্টো রোডে অবস্থিত।[
- পূর্বে এটি বাংলাদেশে সফরে আসা বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানদের জন্য সরকারি অতিথি ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
- ২০০৮ সালে এক-এগারোর পট পরিবর্তনের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ফখরুদ্দীন আহমেদও যমুনায় ছি‌লেন।
- এর আগে ১৯৯৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি হাবিবুর রহমান এবং ২০০১ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা লতিফুর রহমানও রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনাতে থেকেই তাদের দায়িত্ব পালন করেছেন।

সূত্র- প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট। 
৩,০৩০.
জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে 'জুডিশিয়াল এক্সপার্ট' হিসেবে প্রথমবারের মতো কতজন বাংলাদেশী নারী বিচারক নিয়োগ পান?
  1. ক) ০১ জন
  2. খ) ০২ জন
  3. গ) ০৩ জন
  4. ঘ) ০৪ জন
ব্যাখ্যা

শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ১৩৬ তম সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে যোগদান করে।
- জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা কার্যক্রমে ১৯৮৮ সালে (ইউনিমগ) বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পদযাত্রা শুরু।
- বর্তমানে মোট ছয়টি দেশে সর্বমোট ছয়টি মিশনে ছয় হাজার ৪৩ জন সেনা সদস্য নিয়োজিত আছেন।
- এখন পর্যন্ত সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশের দুই হাজার ৭২৮ জন নারী শান্তিরক্ষী শান্তি মিশনে অংশগ্রহণ করেছেন।
- ২০০৯ সাল থেকে সশস্ত্র বাহিনীর নারী সদস্যরা জাতিসংঘ মিশনে অংশগ্রহণ করে আসছেন।
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে 'জুডিশিয়াল এক্সপার্ট' হিসেবে প্রথমবারের মতো ৪জন বাংলাদেশী নারী বিচারক নিয়োগ পান।
- এই চার নারী বিচারক হলেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেবুন্নাহার আয়শা, জামালপুরের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ লুবনা জাহান, আইন মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত যুগ্ম জেলা জজ আফসানা আবেদীন এবং টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বেগম নওরিন মাহবুবা।
- তাদের মধ্যে তিনজন দক্ষিণ সুদানে অবস্থিত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে এবং অন্যজন সোমালিয়ায় অবস্থিত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে যোগ দেবেন।

উৎস: যুগান্তর, ০৭ মার্চ, ২০২১।

৩,০৩১.
বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের স্লোগান হলো-
  1. আলোকিত মানুষ চাই
  2. জ্ঞানই শক্তি
  3. বইই ভবিষ্যৎ
  4. শিক্ষার আলো ঘরে ঘরে
ব্যাখ্যা

◉ বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৮ সালে, অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ-এর উদ্যোগে। বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের স্লোগান হলো "আলোকিত মানুষ চাই"।

বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র:
- বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র আজ একটি দেশব্যাপী আন্দোলন।
- আলোকিত জাতীয় চিত্তের একটি বিনীত নিশ্চয়তা।
- মানবজ্ঞানের সামগ্রিক চর্চা এবং অনুশীলনের পাশাপাশি হৃদয়ের উৎকর্ষ ও জীবনের বহুবিচিত্র কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে উচ্চতর শক্তি ও মনুষ্যত্বে বিকশিত হবার একটি সপ্রাণ পৃথিবী।
- প্রতিষ্ঠাতা: আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ।
- ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সারা দেশের সবখানে আলোকিত, কার্যকর ও উচ্চমূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষ গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি করা, জাতীয় শক্তি হিশেবে তাদের সংঘবদ্ধ ও সমুন্নত করা এবং এরই পাশাপাশি দেশের মানুষের চিত্তের সামগ্রিক আলোকায়ন ঘটানো বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মূল লক্ষ্য।

⇒ ‘আলোকিত মানুষ চাই’ হলো বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের শ্লোগান।

উৎস: বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র ওয়েবসাইট।

৩,০৩২.
সম্প্রতি, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক পেয়েছে- [আগস্ট, ২০২৫]
  1. বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
  2. বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস
  3. রেড ক্রস বাংলাদেশ
  4. বাংলাদেশ পুলিশের নারী কন্টিনজেন্ট
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক:
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে (এমওএনইউএসসিও) কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসায় দায়িত্বরত বাংলাদেশ পুলিশের নারী কন্টিনজেন্ট বিএএনএফপিইউ-১ এর সদস্যদেরকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক প্রদান করা হয়েছে। 
- অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে গত ৭ আগস্ট এ পদক প্রদান করা হয়।
- অনুষ্ঠানে এমওএনইউএসসিও কিনশাসার বিভিন্ন সেকশনে কর্মরত ২৩ জন ইন্ডিভিজুয়াল পুলিশ অফিসার্স (আইপিও)-কে বিএএনএফপিইউ-১ এর সঙ্গে যৌথভাবে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক প্রদান করা হয়।
- বিএএনএফপিইউ-১, রোটেশন-১৭ এর কন্টিনজেন্ট কমান্ডার পুলিশ সুপার কাজী রুবাইয়াত রুমীর নেতৃত্বে মোট ১৭৮ জন শান্তিরক্ষী এ সময় উপস্থিত ছিলেন। 
- তাদের মধ্যে ৬৮ জন নারী জাতিসংঘ পদকে ভূষিত হন। 

উল্লেখ্য,
- কন্টিনজেন্টটি গত বছরের ২৭ মে থেকে অত্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সাথে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে আসছে।

তথ্যসূত্র- বাসস। [Link]

৩,০৩৩.
২০২২ সালে কোন দেশ জাতিসংঘের শান্তিস্থাপন কমিশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়?
  1. ক) বাংলাদেশ
  2. খ) সুইজারল্যান্ড
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) ভারত
ব্যাখ্যা
•  ১ ফেব্রুয়ারি ২০২২ জাতিসংঘ শান্তিবিনির্মাণ কমিশনের (পিবিসি) প্রথম নারী সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমা। 
• জাতিসংঘে বাংলাদেশের ১ম নারী স্থায়ী প্রতিনিধি- ইসমাত জাহান।
• জাতিসংঘে বাংলাদেশের ২য় নারী স্থায়ী প্রতিনিধি- রাবাব ফাতিমা।

উৎস:- Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার - মার্চ, ২০২২।
৩,০৩৪.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘ধীরে বহে মেঘনা’ এর নির্মাতা কে?
  1. ক) হুমায়ুন আহমেদ
  2. খ) আলমগীর কবির
  3. গ) চাষী নজরুল ইসলাম
  4. ঘ) তানভীর মোকাম্মেল
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত চলচ্চিত্র ‘ধীরে বহে মেঘনা’ এর পরিচালক আলমগীর কবির। এটি ১৯৭৩ সালে মুক্তি পায়। ছবিটির পরিকল্পনা করেন জহির রায়হান। আলমগীর কবির পরিচালিত অন্যান্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে সীমানা পেরিয়ে, সূর্যকন্যা, মোহনা, রূপালি সৈকতে, মহানায়ক ইত্যাদি।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং দৈনিক প্রথম আলো)
৩,০৩৫.
সম্প্রতি বাংলাদেশের কোন অনুষ্ঠানটি জাতিসংঘের ইউনেস্কো সংস্কৃতির ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেয়েছে?
  1. ক) একুশের প্রভাত ফেরী
  2. খ) মঙ্গল শোভাযাত্রা
  3. গ) রথ যাত্রা
  4. ঘ) একুশের বই মেলা
ব্যাখ্যা
অপশনের হিসাবে এখানে সঠিক উত্তর - মঙ্গল শোভাযাত্রা। 
এটি ২০১৬ সালে অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসাবে স্বীকৃতি পায়।
------
সর্বশেষ অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসাবে স্বীকৃতি পায় -  শীতল পাটি তৈরি শিল্প।
===============
- বাংলাদেশে ইউনেস্কো ঘোষিত অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সংখ্যা চারটি।
এগুলো হলো:
- বাউল গান (২০০৮)
- জামদানি বুনন শিল্প (২০১৩)
- পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬)
- শীতল পাটি তৈরি শিল্প (২০১৭)।

(তথ্যসূত্র: ইউনেস্কো ওয়েবসাইট)
৩,০৩৬.
বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে ৫-জি সেবা চালু হয়েছে কবে?
  1. ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  2. ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  3. ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  4. ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

৫-জি সেবা:
- ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ দেশের দুই শীর্ষ মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন ও রবি বাণিজ্যিকভাবে ৫-জি সেবা চালু করেছে। 
- প্রথম পর্যায়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের সাতটি জায়গায় রবির ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক পাওয়া যাচ্ছে।
- পর্যায়ক্রমে দেশের বাকি অঞ্চলে এই সেবা চালু হবে।
- অন্যদিকে, গ্রামীণফোন রাজধানীসহ দেশের বিভাগীয় শহরগুলোর বিভিন্ন জায়গায় তারা ফাইভ-জি চালু করেছে।
- পর্যায়ক্রমে টাওয়ার নামে পরিচিত বেজ ট্রান্সসিভার স্টেশনগুলো (বিটিএস) ফাইভ-জির আওতায় আনা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশে আশির দশকের শেষ দিকে এসে প্রথম প্রজন্মের, অর্থাৎ ওয়ান-জি প্রযুক্তি আসে সিটিসেলের মাধ্যমে।
- এরপর ১৯৯৬ সালে আসে টু-জি প্রযুক্তি। এর প্রায় ১৭ বছর পর চালু হয় থ্রি-জি।
- অন্যদিকে ফোর-জি চালু হয় ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে।
- সরকারি মোবাইল অপারেটর টেলিটক ২০২১ সালে দেশে প্রথম ফাইভ-জির পরীক্ষা করেছিল।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

৩,০৩৭.
কত সালে বাংলাদেশ সরকার স্বাধীনতা পদক পুরস্কার প্রবর্তন করে?
  1. ১৯৭৪ সালে 
  2. ১৯৭৫ সালে 
  3. ১৯৭৬ সালে 
  4. ১৯৭৭ সালে 
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা পদক:
- স্বাধীনতা পদক বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার।
- মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এ পুরস্কার প্রবর্তন করে।
- এ পুরস্কার প্রদানের ক্ষেত্রগুলি হলো স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে স্মরণীয় অবদান, ভাষা আন্দোলনে অবদান, শিক্ষা, সাহিত্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, চিকিৎসা বিজ্ঞান, সাংবাদিকতা, জনসেবা, সামাজিক বিজ্ঞান, সঙ্গীত, ক্রীড়া, চারুকলা ও পল্লী উন্নয়নে অবদান।
- প্রতিটি পুরস্কারের মান একটি স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র এবং নগদ অর্থ। 
- স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

• জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন।
- পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।

⇒ স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রাপ্ত:
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),
- সাহিত্য: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর),
- সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),
- সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),
- শিক্ষা ও গবেষণা: বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর,
- প্রতিবাদী তারুণ্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

৩,০৩৮.
ইউনেস্কো কবে ৭ই মার্চের ভাষণকে ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’ ঘোষণা করে?
  1. ৩০ জুন ২০১৬
  2. ৩০ অক্টোবর ২০১৭
  3. ৩০ নভেম্বর ২০১৮
  4. ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রদত্ত ঐতিহাসিক ভাষণকে ৩০ অক্টোবর ২০১৭ ইউনেস্কো বিশ্ব প্রামাণ্য এতিহ্য’ ঘোষণা করে ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টার’ এ অন্তর্ভুক্ত করে।
(সূত্র: ডয়েচভেলে)
৩,০৩৯.
একমাত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে 'একুশে পদক ২০২৬'–পেয়েছেন-
  1. ওয়ারফেজ 
  2. চিরকুট
  3. লালন
  4. নগর বাউল
ব্যাখ্যা

একুশে পদক ২০২৬:
- দেশের ৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে ‘একুশে পদক’ দেওয়া হয়েছে। 
-  ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ সম্মাননা প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

একুশে পদক ২০২৬ প্রাপ্ত ব্যক্তি:
- চলচ্চিত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ফরিদা আক্তার ববিতা,
- চারুকলায় অধ্যাপক মো. আব্দুস সাত্তার,
- স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম,
- সংগীতে আইয়ুব বাচ্চু,
- নৃত্যে অর্থি আহমেদ,
- নাট্যকলায় ইসলাম উদ্দিন পালাকার,
- সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান,
- শিক্ষায় অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার ও
- ভাস্কর্যে তেজস হালদার যশ।

- প্রতিষ্ঠান হিসেবে পেয়েছেন- ব্যান্ড সংগীতের দল ওয়ারফেজ ।

উৎস: ডেইলি স্টার বাংলা ও প্রথম আলো।

৩,০৪০.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মনোগ্রামে কতটি তারকা চিহ্নিত থাকে?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ২টি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম:

- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামে রয়েছে লাল বৃত্তের মাঝে হলুদ রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র।
- বৃত্তের উপরের দিকে লেখা আছে 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ', নিচে লেখা 'সরকার' এবং বৃত্তের পাশে দুটি করে মোট চারটি তারকা।
- এ মনোগ্রামের ডিজাইনার এ এন এ সাহা।

উৎস: বাংলাদেশ সরকারের ওয়েবসাইট।
৩,০৪১.
ষাট গম্বুজ মসজিদে মোট গম্বুজের সংখ্যা কত?
  1. ৬০টি
  2. ৭৭টি
  3. ৭৯টি
  4. ৮১টি
ব্যাখ্যা
ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- ১৫শ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করা হয়।
- সুলতান নসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের (১৪৩৫-৫৯) আমলে খান আল-আজম উলুগ খানজাহান সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে খলিফাবাদ রাজ্য গড়ে তোলেন।
- খানজাহান বৈঠক করার জন্য একটি দরবার হল গড়ে তোলেন, যা পরে ষাট গম্বুজ মসজিদ হয়।
- তুঘলকি ও জৌনপুরী নির্মাণশৈলী এতে সুস্পষ্ট।
- মসজিদের নাম ষাট গম্বুজ হলেও এর গম্বুজের সংখ্যা আসলে ৭৭টি।
- মিনারের চারটি গম্বুজ যুক্ত করলে এর মোট গম্বুজের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮১টিতে।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই।
- এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটির মধ্যে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- বাগেরহাট শহরটিকেই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়া হয়েছে।
- ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।
- ২০ টাকার নোটে ষাট গম্বুজ মসজিদের ছবি দেয়া আছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
৩,০৪২.
বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে কত সালে?
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ১৯৯৯ সালে
  3. ২০০০ সালে
  4. ২০০১ সালে
ব্যাখ্যা

আইসিসি ক্রিকেটে বাংলাদেশ: 
- ১৯৯৭ আইসিসি ট্রফি জয়ের পরপরই বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে।
- এরপর ১৯৯৯ সালে প্রথম বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ ও ২০০০ সালে হয় টেস্ট স্ট্যাটাস প্রাপ্তি।
- ১৯৯৭ সালের আইসিসির ট্রফির ফাইনালকে বলা হয় বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসেরই অন্যতম নাটকীয় ম্যাচ।
- ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ডে ছিল বাংলাদেশের প্রথম বিশ্বকাপ।

উৎস: ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও বিবিসি বাংলা (৫ অক্টোবর ২০২৩)।

৩,০৪৩.
প্রথম আইসিসি ট্রফিতে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক কে ছিলেন?
  1. গাজী আশরাফ হোসেন লীপু
  2. আকরাম খান
  3. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  4. শফিকুল হক হীরা
ব্যাখ্যা
• প্রথম আইসিসি ট্রফি হয় ১৯৭৯ সালে, সেবার অধিনায়ক ছিলেন রাকিবুল হাসান। পরেরবার ১৯৮২ তে হয়, তখন অধিনায়ক ছিলেন শফিকুল হক হীরা।
অপশন অনুসারে, উত্তর হিসেবে শফিকুল হক হীরা নেয়া যায়।
------------------ 
বাংলাদেশের ক্রিকেট অধিনায়ক:
- বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রথম অধিনায়ক আনোয়ারুল করিম শামীম। তিনি ১৯৭৭ সালে MCC এর বিরুদ্ধে অধিনায়কত্ব করেন।
- ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু।
- প্রথম ওয়ানডে ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক ছিলেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম টি-টুয়েন্টি ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন শাহরিয়ার নাফীস।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ৯ আগস্ট ২০১৪. ESPN Cricinfo Statistics, ICC Stat and Newspapers.
৩,০৪৪.
বঙ্গবন্ধু কত তারিখে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন?
  1. ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি
  2. ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি
  3. ১৯৭৩ সালের ১০ জানুয়ারি
  4. ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
• স্বদেশ প্রত্যাবর্তন:
- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারি স্বপ্নের স্বাধীন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন।
- আন্তর্জাতিক চাপে বাধ্য হয়ে পাকিস্তানি সরকার ০৮ ই জানুয়ারি তারিখে ২৯০ দিন আটক রাখার পর তাকে মুক্ত করে দেয়।
- তিনি সেখান থেকে বিশেষ বিমানযোগে লন্ডনে চলে যান।
- তারপর লন্ডন থেকে ভারত হয়ে তিনি ১৯৭২ সালের ১০ ই জানুয়ারি আসেন মুক্ত স্বাধীন বাংলাদেশে।
- ১০ ই জানুয়ারি ২০২২ সালে বঙ্গবন্ধুর  স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের ৫০ বছর পূর্তি হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
৩,০৪৫.
বিশ্বের কততম দেশ হিসাবে বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট চালু করেছে?
  1. ১১৫তম
  2. ১১৮তম
  3. ১১৯তম
  4. ১২১তম
ব্যাখ্যা

ই-পাসপোর্ট:
- বাংলাদেশ বিশ্বের ১১৯তম দেশ হিসাবে ই-পাসপোর্ট চালু করে।
- মালয়েশিয়া বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ১৯৯৮ সালে ই-পাসপোর্ট চালু করে।
- বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট প্রদানের ঘোষণা দেয়া হয় ২৪ এপ্রিল, ২০১৬ সালে।
- বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয় ২২ জানুয়ারি, ২০২০ সালে।
- ই-পাসপোর্ট চালু করায় বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম। 

উৎস: দৈনিক যুগান্তর, ডয়েচে ভেলে।

৩,০৪৬.
‘ঢাকা প্রকাশ’ পত্রিকা কার সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়?
  1. ক) কাঙাল হরিনাথ
  2. খ) আলেকজান্ডার ফর্বেস
  3. গ) গুরুচরণ শর্মা রায়
  4. ঘ) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
ব্যাখ্যা
- ঢাকা প্রকাশ হলো ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা সংবাদপত্র। এটির সম্পাদক ছিলেন কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার।
- পত্রিকাটি ১৮৬১ সালের ৭ মার্চ বাবুবাজারের ‘বাঙালা যন্ত্র’ থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়। ঢাকা প্রকাশ প্রায় ১০০ বছর টিকে ছিলো।
অন্যদিকে,
- আলেকজান্ডার ফর্বেস : ঢাকা নিউজ পত্রিকার সম্পাদক
- কাঙাল হরিনাথ : গ্রামবার্তা প্রকাশিকা পত্রিকার সম্পাদক
- গুরুচরণ শর্মা রায় : রঙ্গপুর বার্তাবহ পত্রিকার সম্পাদক।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
৩,০৪৭.
পাকিস্তানের ২য় রাষ্ট্রভাষা হিসেবে 'বাংলা'কে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয় কবে?
  1. ১৯৫৪ সালে
  2. ১৯৫৬ সালে
  3. ১৯৫৮ সালে
  4. ১৯৬০ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষার স্বীকৃতি:
- ১৯৫৪ সালে প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট জয়লাভ করলে ৭ মে অনুষ্ঠিত গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- বাংলাকে পাকিস্তানের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে সংবিধানে পরিবর্তন আনা হয় ১৯৫৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি।
- সংবিধানে লেখা হয়, 214/1: The State language of Pakistan shall be Urdu and Bengali.
- ১৯৮৭ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদে ‘বাংলা ভাষা প্রচলন বিল’ পাস হয়, যা কার্যকর করা হয় ১৯৮৭ সালের ৮ মার্চ থেকে।
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সভায় ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা: নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।
৩,০৪৮.
নিম্নের কোনটি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের থ্রি জিরো তত্ত্বের আলোচ্য বিষয় নয়?
  1. দারিদ্র্য
  2. দুর্নীতি
  3. কার্বন নিঃসরণ
  4. বেকারত্ব
ব্যাখ্যা
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের থ্রি জিরো তত্ত্বের আলোচ্য বিষয় দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ।

থ্রি জিরো তত্ত্ব:

- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।

⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
- সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।
- তা অর্জনে প্রয়োজন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা।

⇒ গ্রামীণ ব্যাংক ও ক্ষুদ্রঋণ ধারণার প্রবর্তক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- আর এই অবদানের জন্য তিনি শান্তিতে নোবেল পান ২০০৬ সালে।
- এই ক্ষুদ্রঋণ ধারণার মূল লক্ষ্যই ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব গড়া।

⇒ বাংলাদেশের এই লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে শূন্যে নামিয়ে আনতে হবে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ।  
- এই তত্ত্বের ব্যাপারে নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদের ভাষ্য, ‘বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নিজেই দারিদ্র্য সৃষ্টি করে এবং এই ব্যবস্থার অধীনে দারিদ্র্য দূর করা সম্ভব নয়।
- এই লক্ষ্য অর্জনে তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসায়। তার মতে, ভালো চাকরি না খোঁজে উদ্যোক্তা তৈরিতে জোর দিতে হবে।

উৎস: i) Yunus Centre.
ii) দ্য ডেইলি স্টার।
৩,০৪৯.
'জননী ও গর্বিত বর্ণমালা' ভাস্কর্য এর স্থপতি কে?
  1. মর্তুজা বশীর
  2. অখিল পাল
  3. এস. এম. সুলতান
  4. মৃণাল হক
ব্যাখ্যা
• ভাস্কর্য:
 - জননী ও গর্বিত বর্ণমালা ভাস্কর্যটি ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক।
- এটি অবস্থিত শাহবাগের পরীবাগে।
- জননী ও গর্বিত বর্ণমালা ভাস্কর মৃণাল হক।

উৎস: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ওয়েবসাইট।
৩,০৫০.
‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
  1. ক) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  2. খ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. গ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. ঘ) দীনেশরঞ্জন দাশ
ব্যাখ্যা
বঙ্গদর্শন' একটি মাসিক সাহিত্য পত্রিকা। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ছিলেন এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক। পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৭২ সালে। প্রথম পর্যায়ে মাত্র চার বছর (১৮৭২-৭৬) স্থায়ী ছিল।‌ বঙ্কিমচন্দ্র রচিত 'বন্দে মাতরম' সঙ্গীতটি এ পত্রিকায়ই প্রথম প্রকাশিত হয়।
[সূত্রঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা]
৩,০৫১.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক কে?
  1. নুরুল হুদা
  2. ড. মুহাম্মদ ইউনুস
  3. রেহমান সোবহান
  4. এম.এল. কোরেশী
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র ঋণ:
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

⇒ বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক বিশেষ আইনবলে যাত্রা শুরু করে ১৯৮৩ সালে।
- এ গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে বহুমাত্রিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপ্লবের সূচনা হয়।
- এ জন্য ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারও পান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

উল্লেখ্য,
- ক্ষুদ্রঋণের মূল ধারণাটি হচ্ছে, দরিদ্র ব্যক্তিদের কিছু টাকা ঋণ দেওয়া।
- সেই টাকায় তাঁরা ছোট আকারে ব্যবসা শুরু করবেন। ব্যবসার মুনাফা থেকে ঋণের টাকা ফেরত দেবেন প্রতিষ্ঠানকে।
- প্রতিষ্ঠান আবার ওই টাকা ঋণ দেবে অন্য কাউকে।
- এভাবেই বিষয়টি দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখবে।

⇒ ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে মুহাম্মদ ইউনূসের সমসাময়িক কাজ করেন ব্র্যাকের স্যার ফজলে হাসান আবেদ ও আশার প্রতিষ্ঠাতা মো. সফিকুল হক চৌধুরী।
- তারপর অন্যরাও এগিয়ে আসেন।

⇒ দেশের ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম দেখভালে বহু বছর কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থা ছিল না।
- প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই ২০০৬ সালে গঠিত হয় মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ)।
- এ সংস্থার সনদ ছাড়া বর্তমানে কেউ ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম চালাতে পারেন না।

⇒ ব্র্যাক, আশা, বুরো বাংলাদেশ, টিএমএসএস, এসএসএস, সাজেদা ফাউন্ডেশন, উদ্দীপন, জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন, পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন, শক্তি ফাউন্ডেশন—এ ১০টি দেশের শীর্ষ ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান।

উৎস: i) ২৫ আগস্ট ২০২৪, প্রথম আলো।
ii) ১ এপ্রিল ২০১২, বিবিসি বাংলা।
৩,০৫২.
কোন বাংলাদেশী স্থপতি ২য় বারের মতো আগা খান স্থাপত্য পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. সায়রা মাহমুদ
  2. নাজমুল হক
  3. মেরিনা তাবাশ্যুম
  4. কাজী কাওসার হোসেন
ব্যাখ্যা

আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার:
- বাংলাদেশের খ্যাতিমান স্থপতি মেরিনা তাবাশ্যুম দ্বিতীয় দফায় স্থাপত্যের সম্মানজনক স্বীকৃতি আগা খান পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।
- তাঁর নকশা করা ‘খুদি বাড়ি’ প্রকল্প আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার–২০২৫–এর জন্য মনোনীত হয়েছে।
- বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারপারসন মেরিনা তাবাশ্যুম প্রথম বাংলাদেশি স্থপতি, যিনি দ্বিতীয়বার এ পুরস্কার জিতেছেন।
- মেরিনা তাবাশ্যুম ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’–এর প্রধান পরামর্শক।

উল্লেখ্য,
- প্রয়াত প্রিন্স করিম আগা খান চতুর্থ ১৯৭৭ সালে আগা খান পুরস্কার প্রবর্তন করেন।
- এ পুরস্কারের মাধ্যমে এমন নির্মাণশৈলী চিহ্নিত করে উৎসাহ দেওয়া হয়, যাতে মুসলিম অধ্যুষিত জনগোষ্ঠীর আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটে।
- এ পুরস্কারের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় একটি স্থাপনা মানুষের আর্থসামাজিক চাহিদা পূরণের সঙ্গে সঙ্গে তাদের সাংস্কৃতিক জীবনে কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখে, তা-ও গুরুত্বসহকারে দেখা হয়।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

৩,০৫৩.
কত সালে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন গঠিত হয়?
  1. ১৯৬৯ সালে
  2. ১৯৭১ সালে
  3. ১৯৭২ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন: 
- বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন বিগত প্রায় চার দশকেরও অধিক সময় ধরে সর্ববৃহৎ বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে পরমাণু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিভিন্ন ক্ষেত্রে গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। 
- ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন গঠিত হয়। 
- এ প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে বাংলাদেশের বৃহত্তম বিজ্ঞান গবেষণা প্রতিষ্ঠানের স্থান করে নিতে সক্ষম হয়েছে।
- প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই আর্ন্তজাতিক দায়বদ্ধতার অধীনে পরমাণু শক্তির অপব্যবহার নিরোধ এবং পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য, খাদ্য, কৃষি, শিক্ষা, শিল্পসহ জাতীয় অর্থনীতির বিভিন্ন খাতকে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন সহায়তা করে আসছে।
সর্বোপরি দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য জ্বালানী নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে কমিশন কাজ করে যাচ্ছে।

মূল দায়িত্বসমূহ: 
- পরমাণু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন,
- পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদন বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ,
- পরমাণু শক্তি বিষয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দায়-দায়িত্ব পালন এবং
- সরকার কর্তৃক ন্যস্ত বিভিন্ন দায়িত্ব পালন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,০৫৪.
কোন সংস্থায় বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার মহীসোপান সংক্রান্ত বিরোধ বিচারাধীন রয়েছে?
  1. ITLOS
  2. PCA
  3. UNMC
  4. CLCS
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বঙ্গোপসাগরের মহীসোপান সংক্রান্ত বিরোধ জাতিসংঘের মহীসোপান নির্ধারণসংক্রান্ত CLCS (Commission on the Limits of the Continental Shelf) এ বিচারাধীন রয়েছে।
- বাংলাদেশ ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে CLCS এ নিজেদের মহীসোপান সীমা দাবী করে আবেদন জমা দেয়।
- সম্প্রতি ভারত সরকার বাংলাদেশের দাবীর প্রেক্ষিতে CLCS এ আপত্তিপত্র জমা দেয়।
অন্যদিকে,
- PCA (Permanent Court of Arbitration) আদালতে বাংলাদেশ ও ভারতের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি হয়।
- ITLOS (The International Tribunal for the Law of the Sea) আদালতে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যকার বিরোধ নিষ্পত্তি হয়।
(সূত্র: সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট)
৩,০৫৫.
বাংলাদেশ আইসিসির দশম পূর্ণাঙ্গ সদস্য হিসেবে টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে -
  1. ২৬ জুন ২০০০ সালে
  2. ২৬ জুলাই ১৯৯৯ সালে
  3. ২৬ জুলাই ২০০০ সালে
  4. ২৬ জুন ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
জাতীয় ক্রিকেট
• বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেট দল ১৯৭৯ সালে প্রথম আইসিসি ট্রফিতে অংশগ্রহণ করে এবং ১৯৯৭ সালে এ টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়ে ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। এর আগেই ১৯৮৬ সালে এশিয়া কাপে অংশগ্রহণের মাধ্যমে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় বাংলাদেশের।
- ১৯৯৭ সালেই বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস ২৬ জুন ২০০০ তারিখে আইসিসির দশম পূর্ণাঙ্গ সদস্য হিসেবে টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে।
- ২০০০ সালের নভেম্বরে ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট খেলতে নামে বাংলাদেশ।

- ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে প্রথম টেস্ট জয়ের স্বাদ পায়। 
- ২০০৬ সালে চার ম্যাচের সিরিজে কেনিয়াকে ৪-০তে হারিয়ে প্রথম কোনো দেশকে হোয়াইটওয়াশ করার কৃতিত্ব অর্জন করে বাংলাদেশ।
- ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টেস্ট, ওয়ানডে উভয় সিরিজে হারিয়ে বিদেশের মাটিতে কোনো টেস্ট খেলুড়ে দেশের বিপক্ষে প্রথম সিরিজ জয়ের স্বাদ পায়।
- ২০১০ সালে নিজেদের মাঠে ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ডকে ৪-০ ম্যাচে হারিয়ে পায় টেস্ট খেলুড়ে কোনো দেশকে প্রথমবারের মতো হোয়াইটওয়াশ করার স্বাদ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,০৫৬.
পুঠিয়া রাজবাড়ি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাজবাড়ী
  2. রাজশাহী
  3. টাঙ্গাইল
  4. দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

পুঠিয়া রাজবাড়ি:
- পুঠিয়া রাজবাড়ি রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলায় অবস্থিত।
- ১৮৯৫ সালে মহারানী হেমন্তকুমারী দেবী আকর্ষনীয় ইন্দো ইউরোপীয় স্থাপত্যরীতিতে আয়তাকার দ্বিতল বর্তমান রাজবাড়িটি নির্মাণ করেন।
- দোতলা রাজবাড়ি ভবনের সম্মুখে উত্তর দিকে খোলা প্রাঙ্গণের অপর পার্শ্বে রয়েছে সম্মুখভাগ ৬০.৯৬ মিটার বিস্তৃত বিশাল পিরামিড আকৃতির চারতলা মনোরম দোলমঞ্চ। ভবনের পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তে রয়েছে একই ধরনের দুটি সম্প্রসারিত অংশ এবং প্রায় ১৫.২৪ মিটার দীর্ঘ মধ্যবর্তী অংশে রয়েছে এক বিশাল তোরণ।
- চারদিকে পরিখাবেষ্টিত রাজবাড়ির এ বিশাল এলাকায় টেরাকোটা অলঙ্করণ সমৃদ্ধ বেশ কয়েকটি সুদৃশ্য মন্দির আছে।
- এদের মধ্যে রয়েছে পঞ্চরত্ন গোবিন্দ মন্দির, প্রাসাদের পেছনে একটি ছোট দোচালা সুদৃশ্য মন্দির, পশ্চিম দিকে কুঁড়েঘর আকৃতির জগদ্ধাত্রী মন্দির এবং রাজবাড়ির প্রবেশপথে বিরাট শিবমন্দির।

পুঠিয়া রাজবংশ:
- পুঠিয়া রাজবংশ মুঘল সম্রাট আকবর এর সময় (১৫৫৬-১৬০৫) প্রতিষ্ঠিত হয়। সে সময় পুঠিয়া লস্করপুর পরগনার অর্ন্তগত ছিল। ১৫৭৬ সালে মুঘল সম্রাট আকবর এর সুবেদার মানসিংহ বাংলা দখল করার সময় পুঠিয়া এলাকার আফগান জায়গীরদার লস্কর খানের সাথে যুদ্ধ হয়। এ যুদ্ধে পুঠিয়া রাজবংশের প্রথম পুরুষ বৎসাচার্য যিনি পুঠিয়ায় একটি আশ্রম পরিচালনা করতেন, তিনি মানসিংহকে বুদ্ধি পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করায় লস্কর খান পরাজিত হন। এ জন্য মানসিংহ বৎসাচার্যকে পুঠিয়া এলাকার জমিদারী দান করেন। বৎসাচার্য জমিদারী নিজ নামে না নিয়ে তার পুত্র পীতম্বর এর নামে বন্দোবস্ত নেন। পীতম্বর জমিদারীর আয়তন বৃদ্ধি করেন।পীতম্বর নিঃসন্তান অবস্থায় মৃত্যু বরণকরলে তার সহোদর নীলাম্বর জমিদারী প্রাপ্ত হন। সম্রাট জাহাঙ্গীর তাকে রাজা উপাধি দান করেন।

তথ্যসূত্র - পুঠিয়া উপজেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

৩,০৫৭.
দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধের লক্ষ্যে কত সালে 'দুর্নীতি দমন কমিশন' গঠিত হয়?
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০২ সালে
  3. ২০০৪ সালে
  4. ২০০৬ সালে
ব্যাখ্যা

• দুর্নীতি দমন কমিশন:
-  বাংলাদেশের 'দুর্নীতি দমন কমিশন' এর একটি প্রকাশনাতে দুর্নীতি বলতে বোঝান হয়েছে, "ব্যক্তি স্বার্থ অর্জনের বা ব্যক্তিগত লাভের উদ্দেশ্যে অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহারই দুর্নীতি।" যেমন- রাষ্ট্রীয় সম্পদের অব্যবহার, সরকারি সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়ে অস্বচ্ছতা, দায়িত্ব পালনে অবহেলা, অসৎ উদ্দেশ্যে প্রভাব বিস্তার, ঘুষ গ্রহণ, অর্থ বা সম্পদ আত্মসাৎ, স্বজনপ্রীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার সবই দুর্নীতি।

• দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধের লক্ষ্যে ২০০৪ সালের ৯ মে দুদক আইন কার্যকরের মাধ্যমে পূর্বেকার দুর্নীতি দমন ব্যুরোর স্থলে দুর্নীতি দমন কমিশন গঠিত হয়।
- এটি একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান।
- এর কার্যালয়: ঢাকার সেগুনবাগিচা।
- একজন চেয়ারম্যান ও দুইজন কমিশনার নিয়ে দুদক কমিশন গঠিত হয়।
- দুদক দেশে দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করে যাচ্ছে।
- তবে নানা সীমাবদ্ধতা কারণে দুদক দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হচ্ছে না।

উৎস: দুর্নীতি দমন কমিশন ওয়েবসাইট।

৩,০৫৮.
‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০২০’ শ্রেষ্ঠ পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন -
  1. ক) মোস্তফা সারওয়ার ফারুকী
  2. খ) গাজী মাযহারুল ইসলাম
  3. গ) মোরশেদ আলম
  4. ঘ) গাজী রাকায়েত
ব্যাখ্যা

- চলচ্চিত্র শিল্পের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য বিবেচনায় এ বছর নানা শাখায় ২৯জনকে এ পুরস্কার প্রদান করা হবে।
- ১৫ ফেব্রুয়ারি এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে তথ্য মন্ত্রণালয়।
- শ্রেষ্ঠ পরিচালক নির্বাচিত হয়েছে গাজী রাকায়েত।
- যৌথভাবে এবার শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্বাচিত হয়েছে ‘গোর’ ও ‘বিশ্বসুন্দরী’।
- শ্রেষ্ঠ অভিনেতা সিয়াম আহমেদ।
- শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী দীপান্বিতা মার্টিন।
- শ্রেষ্ঠ খল অভিনেতা মিশা সওদাগর।
- শ্রেষ্ঠ শিশু শিল্পী মুগ্ধতা মোরশেদ ঋদ্ধি।

তথ্যসূত্র- তথ্য মন্ত্রণালয়।

৩,০৫৯.
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন কে?
  1. শেখ মুজিবুর রহমান
  2. মওলানা আবদুল হামিদ খান
  3. শামসুল হক
  4. এ.কে রফিকুল হোসেন
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ:
- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ  বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো ও বৃহৎ রাজনৈতিক দলের অন্যতম বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে আওয়ামী লীগ মুখ্য ভূমিকা পালন করে।
- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার কে.এম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও আবুল হাশিমের নেতৃত্বাধীন বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগের একটি অংশের নেতা-কর্মীদের কনভেনশনে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- নতুন এই দলের নামকরণ হয় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ।
- মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীকে সভাপতি, আতাউর রহমান খান, শওকত হোসেন ও আলী আহমদ খানকে সহ-সভাপতি, শামসুল হককে সাধারণ সম্পাদক, শেখ মুজিবুর রহমান (তখন কারাবন্দি), খোন্দকার মোশতাক আহমদ ও এ.কে রফিকুল হোসেনকে যুগ্ম-সম্পাদক, এবং ইয়ার মোহাম্মদ খানকে কোষাধ্যক্ষ করে আওয়ামী লীগ গঠিত হয়।
- জন্মলগ্ন থেকেই আওয়ামী লীগ ধর্মনিরপেক্ষ ও অসাম্প্রদায়িক দল ছিল।
- ১৯৫৫ সালের ২১-২৩ অক্টোবরের তৃতীয় কাউন্সিল সভায় ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গির অধিকারী হিসেবে দলের নাম থেকে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দেয়া হয়।
- দলটি কল্যাণমূলক অর্থনীতিতে বিশ্বাস করে। ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক, যুবক ও মহিলাদের মধ্যে এই দলের অঙ্গ-সংগঠন রয়েছে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৩,০৬০.
ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী চুক্তিটি কত বছর মেয়াদী ছিল?
  1. ১৫ বছর মেয়াদী
  2. ২০ বছর মেয়াদী
  3. ৩০ বছর মেয়াদী
  4. ২৫ বছর মেয়াদী
ব্যাখ্যা
ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী চুক্তিটি ২৫ বছর মেয়াদী ছিল।

- ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী চুক্তি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে শান্তি ও সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ ২৫ বছর মেয়াদী একটি মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- ইন্দিরা গান্ধীর বাংলাদেশ সফরের সময় এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটিতে মোট ১২টি ধারা ছিল।
- ১৯৯৭ সালের ১৯ মার্চ চুক্তিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে এবং অতঃপর আর এ চুক্তির নবায়ন করা হয় নি।

সূত্র- বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।
৩,০৬১.
কক্সবাজার বাংলাদেশ রেলওয়ে নেটওয়ার্কের কততম জেলা?
  1. ৪৫তম
  2. ৪৬তম
  3. ৪৭তম
  4. ৪৮তম
ব্যাখ্যা
দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ:
- ১১ নভেম্বর ২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত রেলপথ উদ্বোধন করেন।
- আর এর মধ্য দিয়ে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের সঙ্গে রেলপথে যুক্ত হবে কক্সবাজার, তথা যুক্ত হবে ঢাকাসহ সারাদেশের সঙ্গে।
- রেলপথটি বাংলাদেশকে মিয়ানমার, চীনসহ ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ের করিডোরে যুক্ত করবে।
- বাংলাদেশ রেলওয়ে নেটওয়ার্কের ৪৮তম জেলা হিসেবে যুক্ত হয়েছে কক্সবাজার।
- ১ ডিসেম্বর যাত্রী নিয়ে এই নতুন রেলপথে বাণিজ্যিকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হবে।
- ২০৪৫ সালের মধ্যে দেশের ৬০টি জেলায় রেল নেটওয়ার্ক স্থাপনের লক্ষ্য আছে বাংলাদেশে রেলওয়ের।
- দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার এবং রামু থেকে মায়ানমারের কাছে ঘুমধুম পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের জন্য ২০১০ সালে ৬ জুলাই দোহাজারী-রামু-ঘুমধুম রেললাইন নির্মাণ প্রকল্পটি অনুমোদন পায়।
- দোহাজারি-চকরিয়া এবং চকরিয়া-কক্সবাজার (লট-১ ও লট-২) এই দুই লটে চীনা প্রতিষ্ঠান সিআরসি (চায়না রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন) ও দেশীয় প্রতিষ্ঠান তমা কনসট্রাকশন প্রকল্পের নির্মাণ কাজ পায়।
- এই রেললাইন নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১৮ হাজার ৩৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।
- এর অর্থায়ন করেছে এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও বাংলাদেশ সরকার।

তথ্যসূত্র - ঢাকা পোস্ট, ১১ নভেম্বর ২০২৩ ও কালের কন্ঠ, ১০ নভেম্বর, ২০২৩।
৩,০৬২.
বাংলায় ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের ওপর ছবি এঁকে বিখ্যাত হন কোন শিল্পী?
  1. এস এম সুলতান
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. কামরুল আলম
  4. শফিউল আলম
ব্যাখ্যা
• জয়নুল আবেদিন:
- ইনস্টিটিউট অব আর্টস অ্যান্ড ক্র্যাফ্টস প্রতিষ্ঠাতা। 
- ১৯৪৮ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানের (বর্তমান চারুকলা ইনস্টিটিউ) তিনি ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন ১৯৪৩ সালে বাংলায় সংঘটিত দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে বিভিন্ন ছবি এঁকে খ্যাতি অর্জন করেন।
- দুর্ভিক্ষের উপর তার বিখ্যাত চিত্রকর্ম হলো 'ম্যাডোনা-৪৩' এবং 'দ্য রেবেল ক্রো'। 

তার অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে:   
• সংগ্রাম,
• গুনটানা, 
• মই দেয়া, 
• বিদ্রোহী গরু, 
• নবান্ন,
• মনপুরা-৭০,
• মইটানা,
• পাইন্যার মা প্রভৃতি।   

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,০৬৩.
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল কত সালে টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে?
  1. ২০১১ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০২১ সালে
  4. ২০২২ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল:
- ২০০৭ সালে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে দলটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে।
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় ২০১১ সালে।
- ২০১১ সালের ২৪ নভেম্বর বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে যুক্তরাষ্ট্রকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ওয়ানডে মর্যাদা পেয়েছিল বাংলাদেশের নারীরা।

⇒ ২০২১ সালে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ মর্যাদাপূর্ণ ফরম্যাট টেস্ট স্ট্যাটাস পেয়েছে বাংলাদেশ নারী দল। 

উৎস: প্রথম আলো।
৩,০৬৪.
‘সাবাস বাংলাদেশ’ ভাস্কর্যটির ভাস্কর কে?
  1. হামিদুজ্জামান খান
  2. সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ
  3. নিতুন কুন্ডু
  4. মৃণাল হক
ব্যাখ্যা

সাবাস বাংলাদেশ ভাস্কর্য:
- ‘সাবাস বাংলাদেশ’ ভাস্কর্যটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।
- এটি স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মারক।
- এর ভাস্কর - নিতুন কুণ্ডু।
- শহীদ জননী জাহানারা ইমাম এটি উদ্বোধন করেন ১৯৯২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি।
- এটির নামকরণ করা হয় কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের সাবাশ বাংলাদেশ কবিতার নামানুসারে ।

উল্লেখ্য,
- নিতুন কুন্ডু চিত্রশিল্পী, নকশাবিদ, ভাস্কর, শিল্পপতি।
- তার জন্ম ১৯৩৫ সালের ৩ ডিসেম্বর।
- তিনি ১৯৫৪ সালে ঢাকার চারুকলা ইনস্টিটিউটে ভর্তি হন এবং ১৯৫৯ সালে এ প্রতিষ্ঠান থেকে চিত্রশিল্পে স্নাতক সমমানের পাঁচ বছরের কোর্স সমাপ্ত করেন।
- মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের অধীনে তথ্য ও প্রচার বিভাগে ডিজাইনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো।

৩,০৬৫.
জাগ্রত চৌরঙ্গীর স্থপতি কে?
  1. আবদুর রাজ্জাক
  2. নভেরা আহমেদ
  3. শামীম শিকদার
  4. নিতুন কুন্ডু
ব্যাখ্যা
জাগ্রত চৌরঙ্গী:
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় নির্মিত প্রথম ভাস্কর্য জাগ্রত চৌরঙ্গী।
- জাগ্রত চৌরঙ্গী ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তার অবস্থিত।
- জাগ্রত চৌরঙ্গীর স্থপতি খ্যাতিমান ভাস্কর আবদুর রাজ্জাক।
- মহান মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে ১৯ মার্চের সশস্ত্র প্রতিরোধযুদ্ধে নিহত ও আহত বীরদের অসামান্য আত্মত্যাগের স্মরণে ১৯৭৩ সালে নির্মিত হয়েছিল জাগ্রত চৌরঙ্গী।
- তৎকালীন গাজীপুরে দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল আমীন আহম্মেদ চৌধুরী বীরবিক্রম ভাস্কর্যটি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন।
- ২৪ ফুট ৫ ইঞ্চি বেদিসহ জাগ্রত চৌরঙ্গীর উচ্চতা ৪২ ফুট ২ ইঞ্চি। কংক্রিট, গ্রে ও হোয়াইট সিমেন্টের ঢালাইয়ে নির্মিত ভাস্কর্যটিতে ১৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ৩ নম্বর সেক্টরের ১০০ জন এবং ১১ নম্বর সেক্টরের ১০৭ জন শহীদ সেনা ও মুক্তিযোদ্ধার নাম রয়েছে।
- ভাস্কর আবদুর রাজ্জাক সহযোগী হামিদুজ্জামান খানকে নিয়ে ১৯৭২ সালে ভাস্কর্যটির নির্মাণকাজ শুরু করেন। কাজ শেষ হয় ১৯৭৩ সালের সেপ্টেম্বরে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ২ ডিসেম্বর ২০২০।
৩,০৬৬.
সম্প্রতি উদ্বোধন হওয়া মওলানা ভাসানী সেতু কোন দুটি জেলাকে যুক্ত করেছে?(সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. বগুড়া ও জয়পুরহাট
  2. মানিকগঞ্জ ও পাবনা
  3. গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম
  4. টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জ
ব্যাখ্যা

• মওলানা ভাসানী সেতু:
- কুড়িগ্রামের চিলমারী ও গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর সংযোগকারী তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত ১,৪৯০ মিটার দৈর্ঘ্যের তৃতীয় তিস্তা সড়ক সেতুর নাম দেওয়া হলো 'মওলানা ভাসানী সেতু'।
- ২০ আগস্ট, ২০২৫ সেতুটির উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
- তিস্তা নদীর বুকে এটি তৃতীয় সড়ক সেতু এবং এটিই সবচেয়ে বড়।
- সেতুটি নির্মাণে ব্যবহার করা হয়েছে ২৯০টি পাইল, ৩০টি পিলার, ২৮টি স্প্যান এবং ১৫৫টি গার্ডার।
- উভয় প্রান্তে পানি নিষ্কাশনের জন্য তৈরি করা হয়েছে ১২টি ব্রিজ ও ৫৮টি বক্স কালভার্ট।
- পাশাপাশি ১৩৩ একর জমি অধিগ্রহণ করে নদীশাসনসহ মোট ৫৭ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে।
- এ সেতুর মূল কাঠামো নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৩৬৭ কোটি টাকা।
- সংযোগ সড়ক, নদীশাসন, কালভার্ট ও জমি অধিগ্রহণে খরচ হয়েছে আরও ৩৬৩ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। 

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার বাংলা। Link

৩,০৬৭.
ব্রিটিশ এম্পায়ারড মেডেল (BEM) ২০২২ অর্জন করেন -
  1. ক) আব্দুল মুহিত
  2. খ) মনসুর আহমদ
  3. গ) টিউলিপ সিদ্দিক
  4. ঘ) জাফর আহমাদ
ব্যাখ্যা
❖ ২০২২ সালে ব্রিটিশ এম্পায়ারড মেডেল (BEM) খেতাব লাভ করেন - বাংলাদেশি ব্রিটিশ নাগরিক মনসুর আহমদ
❖ ব্রিটিশ সমাজে বিশেষ অবদান, অব্যাহত সহযোগিতা এবং নিঃস্বার্থ সেচ্ছাসেবার স্বীকৃতিস্বরূপ ব্রিটেনের রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের সম্মাননা হিসেবে ‘ব্রিটিশ এম্পায়ারড মেডেল’ প্রদান করা হয়। 

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জুলাই ২০২২।
৩,০৬৮.
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল টেস্ট মর্যাদা লাভ করে কত সালে?
  1. ২০১৯ সালে
  2. ২০২০ সালে
  3. ২০২১ সালে
  4. ২০২২ সালে
ব্যাখ্যা
নারী ক্রিকেট দল:
 
- ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।
- ২০১৮ সালে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল এশিয়া কাপের শিরোপা জয় করে।
- ২০১৮ সালে মালয়েশিয়ায় টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এশিয়া কাপ।
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ২০২১ সালে টেস্ট মর্যাদা পায়।
 
তথ্যসূত্র - ঢাকা টাইমস, ০২ এপ্রিল ২০২১।
৩,০৬৯.
যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে প্রথম জিএসপি সুবিধা দেয় -
  1. ক) ১ জানুয়ারি, ১৯৭৪
  2. খ) ১ জানুয়ারি, ১৯৭৫
  3. গ) ১ জানুয়ারি, ১৯৭৬
  4. ঘ) ১ জানুয়ারি, ১৯৭৭
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে প্রথম জিএসপি সুবিধা দেয় -  ১ জানুয়ারি, ১৯৭৬ সালে।

• GSP:

- GSP এর পূর্ণরূপ Generalized System of Preferences.
- GSP হচ্ছে পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার।
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রথম GSP সুবিধা চালু করে।
- নিম্ন আয়ের দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত দেশ হিসেবে গণ্য করা হয় 
- তাজরিন ফ্যাশন ও রানা প্লাজা ধসে সহস্রাধিক শ্রমিকের প্রাণহানির ঘটনা ঘটলে এ দেশের পোশাকশিল্প চাপের মুখে পড়ে।
- এই  পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশ জিএসপি সুবিধা হারায় ২৭ জুন, ২০১৩ সালে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।
৩,০৭০.
বঙ্গবন্ধু প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম কোন দেশ সফর করেন?
  1. ভারত
  2. চীন
  3. সোভিয়েত ইউনিয়ন
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
- প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম বিদেশ সফরে ১৯৭২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু ভারতের কলকাতায় যান।
- এর পরে পয়লা মার্চ তিনি মুক্তিযুদ্ধের আরেক মিত্রদেশ সোভিয়েত ইউনিয়ন সফর করেন।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্বাধীন বাংলাদেশের বিরোধিতাকারী প্রস্তাবের বিপক্ষে 'ভেটো' ক্ষমতা প্রয়োগ করেছিল দেশটি।
- ক্রেমলিনে তিনি তৎকালীন সোভিয়েত কমিউনিস্ট পার্টির সেক্রেটারি জেনারেল লিওনিদ ব্রেজনেভ এবং প্রেসিডেন্ট নিকোলাই পদগর্নির সাথে বাংলাদেশের পুনর্গঠন নিয়ে আলোচনা করেন।
- তেসরা মার্চ স্বাক্ষরিত হয় বাংলাদেশ-সোভিয়েত অর্থনৈতিক চুক্তি। একই সাথে স্বাক্ষরিত হয় 'মুজিব-কোসিগিন' ঘোষণা।
- এই ঘোষণায় বাংলাদেশের পুনর্বাসন ও পুনর্গঠন তৎপরতায় সোভিয়েত ইউনিয়নের সাহায্য-সহায়তার প্রতিশ্রুতির উল্লেখ করা হয়।
- ১৯৭২ (বঙ্গবন্ধুর ৫৩তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে) ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশ সফরে আসেন।
- ওই সফরে দুই দেশের মধ্যে ২৫ বছর মেয়াদের বন্ধুত্ব, সহযোগিতা এবং শান্তি বিষয়ক একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- জানুয়ারি থেকে এপ্রিল, ১৯৭২ সালের এই চার মাসেই বঙ্গবন্ধুর কূটনৈতিক সাফল্যে বাংলাদেশের সাথে ভারত, সোভিয়েত, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক স্থাপন হয়। - এছাড়া এ সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে আরও ৫০টিরও অধিক রাষ্ট্রের স্বীকৃতি অর্জন করে। একই সাথে বাংলাদেশ কমনওয়েলথ, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ব্যাংকসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ পেতে শুরু করে।

সূত্র- বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইট।  
৩,০৭১.
বাংলাদেশের প্রথম গ্র্যান্ড মাস্টার দাবাড়ু কে?
  1. ক) এনামুল হোসেন রাজীব
  2. খ) রিফাত বিন সাত্তার
  3. গ) নিয়াজ মোর্শেদ
  4. ঘ) জিয়াউর রহমান
ব্যাখ্যা
- গ্র্যান্ড মাস্টার দাবা খেলার সর্বোচ্চ খেতাব। বাংলাদেশিদের মধ্যে নিয়াজ মোর্শেদ ১৯৮৭ সালে প্রথম গ্র্যান্ড মাস্টার হওয়ার খেতাব অর্জন করেন।
- এরপর আরো চারজন বাংলাদেশি এই খেতাব অর্জন করেন।
এরা হলেন:
- জিয়াউর রহমান (২০০২ সালে)
- রিফাত বিন সাত্তার (২০০৬ সালে)
- আব্দুল্লাহ আল রাকিব (২০০৭ সালে) এবং
- এনামুল হোসেন রাজীব (২০০৮ সালে)।
(সূত্র: বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশন ওয়েবসাইট এবং বাংলাদেশ প্রতিদিন)
৩,০৭২.
বাংলাদেশে মেট্রোরেল নির্মাণে কোন দেশ সহায়তা করেছে?
  1. রাশিয়া
  2. ভারত
  3. চীন
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
মেট্রোরেল:
- বাংলাদেশ সরকারের মালিকাধীন Dhaka Mass Transit Company Limited.
- এর দৈর্ঘ্য ১২৯ কি.মি.।
- মেট্রোরেল উদ্বোধন করা হয় ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে।
- মেট্রোরেলের প্রথম চালক মরিয়ম আফিজা।
- ঢাকা মেট্রোরেলের প্রথম রেলপথ এমআরটি লাইন-৬।
- এশিয়ার মধ্যে ২২তম দেশ হিসেবে মেট্রোরেল সিস্টেম চালু হয়েছে বাংলাদেশে।

⇒ MRT Line-6 এর অর্থায়নের অংশ:
- জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জাইকা মেট্রোরেল প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে।
- জাইকা (৫৮.৭৮%) এবং বাংলাদেশ সরকার (৪১.২২%)।
- ঋণ চুক্তির শর্ত অনুযায়ী এমআরটি লাইন ৬-এর সেবা চালুর দশ বছর পর্যন্ত আসল সমেত ঋণের সুদ প্রদান করতে হবেনা।
- রেলপথ চালুর ত্রিশ বছর মধ্যে সুদসহ সমস্ত টাকা বুঝিয়ে দিতে হবে।

উৎস: Dhaka Metro Mass Rapid Transit System - Railway Technology.
৩,০৭৩.
বাংলাদেশের বৃহত্তম বনাঞ্চল কোনটি?
  1. ক) পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল
  2. খ) সুন্দরবন
  3. গ) ভাওয়াল ও মধুপুর বনাঞ্চল
  4. ঘ) সিলেটের বনাঞ্চল
  5. ঙ) বরেন্দ্র অঞ্চলের বনভূমি
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল - বাংলাদেশের বৃহত্তম বনাঞ্চল। এর আয়তন - ১২ হাজার বর্গকি.মি প্রায়। একক বন হিসাবে বৃহত্তম বন - সুন্দরবন যার বাংলাদেশ অঞ্চলের আয়তন প্রায় ৬,০১৭ কি.মি প্রায়।
উৎস - বাংলাদেশ বনবিভাগ (খুলনা বিভাগ) -ওয়েবসাইট।
৩,০৭৪.
বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রামের ডিজাইনার কে?
  1. কামাল হাসান
  2. এএনএ সাহা
  3. কাইয়্যুম চৌধুরী
  4. কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম:
- স্বাধীনতা উত্তর সময়ে বাংলাদেশ সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রামে দেশের কৃষি, শিল্প ও বাণিজ্যকে প্রাধান্য দিয়ে সেগুলোকে শৈল্পিক উৎকর্ষে উদ্ভাসিত করে তোলা হয়।
- বরেণ্য শিল্পী কামরুল হাসান ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম ডিজাইন করেন।
- কালের পরিক্রমায় মুদ্রণ ব্যবস্থার পর্যায়ক্রমিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে মনোগ্রামের মূল ডিজাইনে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসে।
- মনোগ্রামের মূল ডিজাইন পুনরুদ্ধার, রং নির্ধারণ এবং শিল্পী কামরুল হাসান কর্তৃক অংকিত ডিজাইনের নিগুঢ় অর্থ উদ্ভাবনের উদ্দেশ্যে সাবেক নির্বাহী পরিচালক ম. মাহফুজুর রহমানের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠিত হয়।
- ১৯৭২ সালে প্রকাশিত বিভিন্ন বইয়ে মুদ্রিত মনোগ্রামকে ভিত্তি করে শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার এর সহযোগিতায় সঠিকরূপে মনোগ্রামের কাজ সম্পাদিত হয়।

⇒ ব্যাংকের মনোগ্রামে ব্যবহৃত -
- মনোগ্রামের রং: গাঢ় সবুজ। 
- মনোগ্রামের ঠিক মাঝখাণে রয়েছে ডিজাইনকৃত ধানের গোলা এবং এর ঢাকনা। ধানের গোলা আর্থিকভাবে সুখী সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- গোলার নিচে নদীর ঢেউ। গোলার নিচে দুটি বক্ররেখা নদীর ঢেউয়ের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। নদীমাতৃক বাংলাদেশকে বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়েছে।
- দুপাশে ধানের ছড়া। ধানের গোলার দুপাশে দুটি ধানের ছড়া দেখানো হয়েছে। মাঠভরা সোনালি ফসল বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়েছে।
- বাণের গোলার নিচে একটি কুঁড়িতে তিনটি পাটের পাতা রয়েছে। দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান উৎস হিসেবে পাটিপাতাকে যুক্ত বাংলাদেশের বৈদেশিক আয়ের প্রধান উৎস ছিল পাট। হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৩,০৭৫.
কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. কক্সবাজার
  3. খাগড়াছড়ি
  4. রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
• কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড:
- কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিমিটেড রাঙ্গামাটি জেলায় অন্তর্গত কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নে অবস্থিত একটি রাষ্ট্রয়াত্ব কাগজ কল।

- কারখানাটি ১৯৫৩ সালে স্থাপিত হয়।
- প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে কারখানাটির বার্ষিক নিজস্ব পাল্প উৎপাদন ক্ষমতা ২৪,০০০ মে. টন এবং কাগজ উৎপাদন ক্ষমতা ৩০,০০০ মে. টন।
- কারখানা স্থাপিত হওয়ার পর হতে প্রথমে পিআইডিসি (১৯৫৩-১৯৫৮), দাউদ (১৯৫৯-১৯৭১), পেপার এন্ড বোর্ড কর্পোরেশন (১৯৭১-৭৪) এবং পরবর্তীতে ১৯৭৪-৭৫ হতে অদ্যাবধি বিসিআইসি কারখানা পরিচালনা করে আসছে ।

উৎস: কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড ওয়েবসাইট।
৩,০৭৬.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা কত?
  1. ৪৬.৫ মি.
  2. ৪৬ মি.
  3. ৪৫.৫ মি.
  4. ৪৫ মি.
ব্যাখ্যা

ঢাকার সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা ১৫০ ফুট বা ৪৬ মিটার।

জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত মুক্তিযোদ্ধা ও নিহত বেসামরিক বাঙালি ও অবাঙ্গালিদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নিবেদিত একটি স্মারক স্থাপনা।
- এটি সাভারে অবস্থিত।
- এর অপর নাম 'সম্মিলিত প্রয়াস'।
- এর স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত বিভাগ মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের জন্য একটা জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণের পরিকল্পনা নেয় এবং নকশা আহবান করে।
- এর উচ্চতা ১৫০ ফুট (৪৬ মিটার)।

⇒ ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর প্রথম বিজয় দিবসে এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়।
- ১৯৮২ সালের আগষ্ট মাসে সৌধের নির্মাণ কাজ শেষ হয়।
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ ১৯৮২ সালে উদ্বোধন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- স্মৃতিসৌধের রয়েছে ৭টি খাঁজ। ১৯৫২ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত ৭টা বড় আন্দোলন হয়েছিল। ওই খাঁজগুলো দিয়ে সেই সব আন্দোলন বোঝানো হয়েছে।
১. ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।
২. ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন।
৩. ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন।
৪. ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন।
৫. ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন।
৬. ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং
৭. ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩,০৭৭.
বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রথম টেস্ট অধিনায়ক কে ছিলেন?
  1. হাবিবুল বাশার
  2. নাইমুর রহমান দুর্জয়
  3. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  4. আকরাম খান
ব্যাখ্যা

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল:
- টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে ২০০০ সালে।
- ভারতের বিপক্ষে সর্বপ্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ২০০০ সালের ১০ই নভেম্বর।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান দুর্জয়।
- ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে প্রথম টেস্ট জয় পায়।
- আমিনুল ইসলাম বুলবুল টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেন মুশফিকুর রহিম।
- টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।
- বাংলাদেশ তার শততম টেস্ট খেলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।
- ২০১৭ সালে শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়।
- শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করেন বাংলাদেশের সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।
- মোহাম্মদ আশরাফুল টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে সেঞ্চুরি করার গৌরব অর্জন করেন।

উৎস: ESPNcricinfo.com এবং The Business Standard পত্রিকা রিপোর্ট।

৩,০৭৮.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের মোট কতটি শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নিয়েছে?
  1. ক) ৫০টি
  2. খ) ৪৪টি
  3. গ) ৫৪টি
  4. ঘ) ৭১টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সর্বপ্রথম ১৯৮৮ সালে United Nations Iran-Iraq Military Observer Group (UNIIMOG) মিশনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সংযুক্ত হয়। তারপর থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতিসংঘের মোট ৪০টি দেশে ৫৪ টি মিশনে অংশ নিয়েছে। বর্তমানে জাতিসংঘের চালু ১৩ টি মিশনের মধ্যে ১০টিতে বাংলাদেশি ৬৪১৩ সেনা দায়িত্বরত রয়েছে যা সংখ্যা হিসেবে বর্তমানে দ্বিতীয়। শীর্ষে ইথিওপিয়া (৬৬৩৯ জন)। ১৯৪৮ সালে মধ্যপ্রাচ্যে United Nations Truce Supervision Organisations মোতায়েনের মাধ্যমে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।
(সূত্রঃ বিডিনিউজ২৪ ডটকম)

৩,০৭৯.
বাংলাদেশ ভূখণ্ডের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. ওরা ১১ জন
  2. রক্তাক্ত বাংলা
  3. মুখ ও মুখোশ
  4. আবার তোরা মানুষ হ
ব্যাখ্যা
• মুখ ও মুখোশ:
- পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশ ভূখণ্ডের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র হলো ‘মুখ ও মুখোশ’।
- ছবিটি পরিচালনা করেন আবদুল জব্বার খান।
- বাংলাদেশের প্রথম এই সবাক চলচ্চিত্র 'মুখ ও মুখোশ' এর সংগীত পরিচালক ছিলেন সমর দাস।
- ১৯৫৫ সালের ৩০ অক্টোবর শেষ হয় 'মুখ ও মুখোশ 'চলচ্চিত্রের শুটিং শুরু হয় ।
- মুখ ও মুখোশ মুক্তি পায় ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট।
- চলচ্চিত্রটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় রূপমহল প্রেক্ষাগৃহে।
- এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন পূর্ব পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক।

উৎস:
i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ।
৩,০৮০.
ময়মনসিংহ বিভাগ কয়টি জেলা নিয়ে গঠিত হয়?
  1. ক) ৬টি
  2. খ) ৮টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৪টি
ব্যাখ্যা
ময়মনসিংহ বিভাগ:-
- বাংলাদেশের অষ্টম প্রশাসনিক বিভাগ হলো ময়মনসিংহ।
- জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা মোট ৪টি জেলা নিয়ে ময়মনসিংহ বিভাগ গঠিত।
- ১৮২৯ সালে ঢাকা বিভাগ প্রতিষ্ঠার সময় থেকে ২০১৫ সালের ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত এই বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চল ঢাকা বিভাগের অংশ ছিল।
- ঢাকা বিভাগকে ভেঙ্গে দেশের অষ্টম বিভাগ ময়মনসিংহে এক কোটি ১৩ লাখ ৬৯ হাজার ৪৭ জনসংখ্যা এবং এই বিভাগের আয়তন ১০ হাজার ৫৮৪ বর্গকিলোমিটার।
- নবগঠিত ময়মনসিংহ বিভাগের চারটি জেলার মধ্যে রয়েছে মোট ২৪টি সংসদীয় আসন, উপজেলা ৩৫টি, থানা ৩৭টি, পৌরসভা ২৬টি, ইউনিয়ন ৩৫২টি, এবং গ্রাম ৭ হাজার ৩০টি।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১০১০ জন প্রতিবর্গ কি:মি:। আয়তনে সবচেয়ে বড় জেলা: ময়মনসিংহ (৪,৩৯৪.৫৭ বর্গ কি:মি:) এবং আয়তনে সবচেয়ে ছোট জেলা: শেরপুর (১,৩৭৬.৬৭ বর্গ কি:মি:)।
 
উৎস:- জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,০৮১.
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান কত সালে র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা
র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার:
- ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট র‍্যামন ম্যাগসাইসাইয়ের নামে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।
- র‍্যামন ম্যাগসেসে ১৯৫৭ সালের ১৭ মার্চ মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান।
- ১৯৫৮ সাল থেকে পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়।
- এখন পর্যন্ত ১৩ জন ব্যক্তি বাংলাদেশ থেকে র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন।
- বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ২০১২ সালে র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন।

⇒ সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান:
- সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
- সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান নতুন অন্তবর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হয়েছেন। 
- তিনি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী।
- পরিবেশ বিষয়ক সংগঠন বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী তিনি।
- তিনি ফ্রেন্ডস অব আর্থ ইন্টারন্যাশনাল এবং আইইউসিএনের নির্বাহী সদস্য।
- সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের জন্ম ১৯৬৮ সালে, ঢাকায়।
- পরিবেশবিষয়ক সচেতনতা সৃষ্টির স্বীকৃতি হিসেবে ২০০৭ সালে জাতীয় পরিবেশ পদক, ২০১২ সালে র‌্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার এবং প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ২০০৯ সালে ‘পরিবেশের নোবেল’খ্যাত গোল্ডম্যান এনভায়রনমেন্টাল প্রাইজে ভূষিত হন তিনি।
- ২০০৯ সালে টাইম সাময়িকী তাঁকে হিরোজ অব এনভায়রনমেন্ট খেতাবে ভূষিত করে।
- আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কার্যকর উদ্যোগের জন্য তাঁর নেতৃত্বাধীন বেলা সম্মানজনক ট্যাঙ্গ পুরস্কার লাভ করে। 

উৎস: i) The Ramon Magsaysay Award Foundation ওয়েবসাইট।
ii) ৯ আগস্ট, ২০২৪, প্রথম আলো।
৩,০৮২.
২০২৬ সালের আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের দলের অধিনায়ক কে?  
  1. মেহেদী হাসান মিরাজ
  2. লিটন কুমার দাস
  3. জাকের আলী অনিক
  4. আফিফ হোসেন
ব্যাখ্যা

• দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: 
- ২০২৬ আইসিসি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
- ১৫ সদস্যের দলটির অধিনায়ক লিটন দাস, সহ অধিনায়ক সাইফ হাসান।
- বিশ্বকাপ দলটিতে ব্যাটসম্যান রাখা হয়েছে ৭ জন, স্পিনার ৩ জন। বাকি পাঁচজন পেসার।

উল্লেখ্য,
-  ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সালে ২০ দল নিয়ে শুরু হবে দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।
- টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপটি হবে যৌথভাবে ভারত ও শ্রীলঙ্কায়। 
- প্রথম দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে কলকাতার ইডেন গার্ডেনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি হওয়ার কথা রয়েছে বাংলাদেশের।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো। (Link) 

৩,০৮৩.
বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর কোন ক্যাটাগরিতে 'একুশে পদক-২০২৩' অর্জন করেন?
  1. ক) গবেষণা
  2. খ) সমাজসেবা
  3. গ) মুক্তিযুদ্ধ
  4. ঘ) শিক্ষা
ব্যাখ্যা
একুশে পদক-২০২৩
- 'একুশে পদক' বাংলাদেশের দ্বিতীয় সম্মানজনক বেসামরিক পুরস্কার। 
- ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ১৯৭৬ সালে এই পদকের প্রচলন করা হয়। 
- বাংলাদেশ সরকারের ‘সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়' এই পুরস্কার ঘোষণা করে। 
- ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ তারিখে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখায় 'একুশে পদক-২০২৩' এর জন্য ১৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ২টি প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদক দেওয়া হয়েছে। 
যেমন- 

ক্রমিক নং (ক্ষেত্র) ⇒পদ প্রাপ্ত ব্যক্তির নাম: 
১। ভাষা আন্দোলন ⇒ খালেদা মনযুর-ই-খুদা, 
২। ভাষা আন্দোলন ⇒ বীর মুক্তিযোদ্ধা এ. কে. এম. শামসুল হক (মরণোত্তর), 
৩। ভাষা আন্দোলন ⇒ মো. মজিবুর রহমান, 
8। শিল্পকলা (সঙ্গীত) ⇒ মনোরঞ্জন ঘোষাল, 
৫। শিল্পকলা (সঙ্গীত) ⇒ গাজী আবদুল হাকিম, 
৬। শিল্পকলা (সঙ্গীত) ⇒ ফজল-এ-খুদা (মরনোত্তর), 
৭। শিল্পকলা (অভিনয়) ⇒ মাসুদ আলী খান, 
৮। শিল্পকলা (অভিনয়) ⇒ শিমুল ইউসুফ, 
৯। শিল্পকলা (আবৃতি) ⇒ জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, 
১০। শিল্পকলা (চিত্রকলা) ⇒ নওয়াজীশ আলী খান, 
১১। শিল্পকলা (চিত্রকলা) ⇒ কনক চাঁপা চাকমা, 
১২। মুক্তিযুদ্ধ ⇒ মমতাজ উদ্দীন (মরণোত্তর), 
১৩। সাংবাদিকতা ⇒ মো. শাহ আলমগীর (মরণোত্তর), 
১৪। শিক্ষা ⇒ অধ্যাপক ড. মযহারুল ইসলাম (মরণোত্তর), 
১৫। শিক্ষা ⇒ বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, 
১৬। সমাজসেবা ⇒ মো. সাইদুল হক, 
১৭। সমাজসেবা ⇒ বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন, 
১৮। রাজনীতি ⇒ অ্যাড. মঞ্জুরুল ইসলাম (মরণোত্তর), 
১৯। রাজনীতি ⇒ আকতার উদ্দিন মিয়া (মরণোত্তর), 
২০। ভাষা ও সাহিত্য ⇒ ড. মনিরুজ্জামান এবং 
২১। গবেষণা ⇒ ড. মো. আবদুল মজিদ। 

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
৩,০৮৪.
বাংলাদেশের একাত্তরের গণহত্যাকে স্বীকৃতি প্রদানকারী মার্কিন গবেষণা প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. দ্য প্রিভেনশন ইনস্টিটিউট ফর জেনোসাইড
  2. লেমকিন ইনস্টিটিউট ফর জেনোসাইড প্রিভেনশন
  3. দ্য হিউম্যান রাইটস ইনস্টিটিউট ফর জেনোসাইড প্রিভেনশন
  4. জেনোসাইড ওয়াচ ইনস্টিটিউট ফর প্রিভেনশন
ব্যাখ্যা
• ১৯৭১ সালে বাঙালির ওপর পাকিস্তানি বাহিনীর পরিচালিত হত্যাযজ্ঞকে গণহত্যা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান লেমকিন ইনস্টিটিউট ফর জেনোসাইড প্রিভেনশন।
- বাংলাদেশিদের ওপর পাকিস্তানিদের নির্মম হত্যাযজ্ঞকে ‘জেনোসাইড বা গণহত্যা’ বলে স্বীকৃতি দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
- বিশ্বজুড়ে গণহত্যা প্রতিরোধ, মানুষের নিরাপত্তা ও জবাবদিহি তৈরিতে কাজ করে লেমকিন ইনস্টিটিউট ফর জেনোসাইড প্রিভেনশন।
- বাংলাদেশর স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে এই স্বীকৃতি পায়।
- একাত্তরের হত্যাকাণ্ডকে গণহত্যা হিসেবে চিহ্নিত করে লেমকিন ইনস্টিটিউট।

সূত্র: প্রথম আলো ও দৈনিক যুগান্তর।
৩,০৮৫.
How many people are currently holding the title of Grand Master in chess in Bangladesh? [May, 2025]
  1. 4
  2. 5
  3. 6
  4. 7
ব্যাখ্যা
দাবায় বাংলাদেশের গ্র্যান্ড মাস্টার:
- গ্র্যান্ড মাস্টার দাবার সর্বোচ্চ খেতাব।
- এটি দাবার আন্তর্জাতিক সংগঠন ‘ফিদে’র তরফ থেকে দেওয়া হয়।
- একজন দাবারুকে ফিদে মাস্টার খেতাব পেতে হলে কমপক্ষে ২৩০০ রেটিং থাকতে হয়।
- ১৯৮৪ সাল থেকে দাবা অলিম্পিয়াডে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ দাবা দল।

⇒ বাংলাদেশ থেকে পাঁচজন দাবাড়ু গ্র্যান্ড মাস্টার সম্মাননা অর্জন করেছেন।
- এরা হলেন নিয়াজ মোর্শেদ, জিয়াউর রহমান, রিফাত বিন সাত্তার, আব্দুল্লাহ আল রাকিব, এনামুল হোসেন রাজীব।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদ। ১৯৮৭ সালে ২১ বছর বয়সে উপমহাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব অর্জন করেন নিয়াজ মোরশেদ। তিনি ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ও এশিয়ার পঞ্চম গ্র্যান্ড মাস্টার।
- দাবায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় গ্র্যান্ড মাস্টার জিয়াউর রহমান। ২০০২ সালে দ্বিতীয় গ্র্যান্ডমাস্টার হন জিয়াউর রহমান। তিনি বাংলাদেশি দাবাড়ুদের মধ্যে সর্বোচ্চ ফিদে রেটিং অর্জন করেছিলেন।

এছাড়াও
- ২০০৬ সালে রিফাত বিন সাত্তার।
- ২০০৭ সালে আবদুল্লাহ আল রাকিব।
- সর্বশেষ ২০০৮ সালে এনামুল হোসেন রাজীব।
- তবে তারও আগে ১৯৮৫ সালে রানী হামিদ আন্তর্জাতিক মহিলা মাস্টার খেতাব পান।

উৎস: i) কালের কন্ঠ।
ii) প্রথম আলো।
৩,০৮৬.
বাংলাদেশে মেট্রোরেলের যাত্রা শুরু হয় -
  1. ২২ ডিসেম্বর, ২০২২
  2. ১৮ ডিসেম্বর, ২০২২
  3. ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২
  4. ৩০ ডিসেম্বর, ২০২২
ব্যাখ্যা
মেট্রোরেল:
- বাংলাদেশ সরকারের মালিকাধীন Dhaka Mass Transit Company Limited.
- এর দৈর্ঘ্য ১২৯ কি.মি.।
- মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয় ২৬ জুন, ২০১৬ তারিখে।
- ঢাকা মেট্রোরেলের প্রথম রেলপথ এমআরটি লাইন-৬। 
- মেট্রোরেল উদ্বোধন করা হয় ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে।
- মেট্রোরেলের প্রথম যাত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- মেট্রোরেলের প্রথম চালক মরিয়ম আফিজা।
- সাধারণ যাত্রীদের জন্যে মেট্রোরেল উন্মুক্ত করা হয় ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে।
- মেট্রোরেলের কোচগুলোর নির্মাতা জাপানের কাওয়াসাকি-মিতসুবিশি কনসোর্টিয়াম।

এমআরটি লাইন-৬ এর অর্থায়নের অংশ:
- জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জাইকা মেট্রোরেল প্রকল্পে যোগ দেয়।
- জাইকা (৫৮.৭৮%) এবং বাংলাদেশ  সরকার (৪১.২২%)।
- এমআরটি লাইন ৬ রেলপথের প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের অংশের নির্মাণকাজের জন্য ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে।
- জাইকা এই অর্থের ৭৫.৪৫% ঋণ হিসেবে প্রদান করেছে।
- নির্মাণ বাবদ ০.৭০%, পরামর্শ সেবা বাবদ ০.০১% ও ফ্রন্ট এন্ড ফি বাবদ ০.২% সুদে সরকার এই ঋণ নিয়েছে।
- ঋণ চুক্তির শর্ত অনুযায়ী এমআরটি লাইন ৬-এর সেবা চালুর দশ বছর পর্যন্ত আসল সমেত ঋণের সুদ প্রদান করতে হবেনা।
- রেলপথ চালুর ত্রিশ বছর মধ্যে সুদসহ সমস্ত টাকা বুঝিয়ে দিতে হবে।

উৎস: Dhaka Metro Mass Rapid Transit System - Railway Technology.
৩,০৮৭.
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের ছবি সম্বলিত ডাকটিকেট বিশ্বের কোন দেশ প্রকাশ করেছে ?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ভারত
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা
- ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর, ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মর্যাদা দেয়।
- পরবর্তীতে ২০০০ সালে ১৮৮ টি দেশে সম্মিলিতভাবে এ দিবসটি পালিত হয়।
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে প্রথমবারের মতাে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের ছবি সম্বলিত ডাক টিকেট প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্র

তথ্যসূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ।
৩,০৮৮.
দেশের সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্র কোনটি?
  1. বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র
  2. কুতুবদিয়া গ্যাসক্ষেত্র
  3. তিতাস গ্যাসক্ষেত্র
  4. জালালাবাদ গ্যাসক্ষেত্র
ব্যাখ্যা
তিতাস গ্যাসক্ষেত্র:
- দেশের সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্র হলো ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে অবস্থিত তিতাস গ্যাসক্ষেত্র।

উল্লেখ্য,
- গ্যাসক্ষেত্রটিতে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের পরিমাণ ৭.৫৮২ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। ৩১ আগস্ট ২০২১ পর্যন্ত মোট গ্যাস উত্তোলিত হয়েছে ৫.০৬৬ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।
- ১৯৬২ সালে পাকিস্তান শেলওয়েল কোম্পানি তিতাস গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। ১৯৬৮ সাল থেকে ক্ষেত্রটি থেকে বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস উত্তোলিত হচ্ছে।
- বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড তিতাস ক্ষেত্র থেকে গ্যাস উত্তোলন করছে।
- তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেডের মাধ্যমে তিতাস ক্ষেত্রের গ্যাস ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর, নরসিংদী, নেত্রকোনা, ও কিশোরগঞ্জ জেলায় গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।
- তবে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি গ্যাস উত্তোলিত হচ্ছে সিলেটের বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র থেকে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি এবং পেট্রোবাংলা ওয়েবসাইট।
৩,০৮৯.
প্রাচীন বাংলার কোন শহরকে 'পুন্ড্রনগর' বলা হতো?
  1. ঢাকা
  2. মহাস্থানগড়
  3. চট্টগ্রাম
  4. সোনারগাঁও
ব্যাখ্যা
• মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- পূর্বে এর নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল।
- এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে।
- এর অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১০ কি.মি উত্তরে মহাস্থান গড় অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল ।
- মহাস্থান গড় বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রাচীন পর্যটন কেন্দ্র।
- মাজার জিয়ারত করতে এবং ভ্রমণের উদ্দেশ্যে প্রতিদিন বিভিন্ন স্থান হতে বহু লোক সমাগম ঘটে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,০৯০.
‘হাওয়া' সিনেমাটির পরিচালক কে?
  1. ক) রায়হান রাফি
  2. খ) দীপংকর দীপন
  3. গ) নাসির উদ্দীন ইউসুফ
  4. ঘ) মেজবাউর রহমান সুমন
ব্যাখ্যা
‘হাওয়া'

৯৫তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের 'বিদেশি ভাষার ছবি' বিভাগের জন্য বাংলাদেশ থেকে মনোনয়ন প্রাপ্ত ‘হাওয়া' সিনেমাটির পরিচালক মেজবাউর রহমান সুমন।

সমুদ্রে মাছ ধরার একটি ট্রলারকে কেন্দ্র করে সিনেমাটির গল্প এগিয়েছে। সিনেমার বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন - চঞ্চল চৌধুরী, নাজিফা তুষি, শরিফুল রাজ, সোহেল মন্ডল, নাসির উদ্দিন খান, সুমন আনোয়ার প্রমুখ। 

অ্যাকাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেসের আয়োজনে ২০২৩ সালের ১২ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে এই অস্কার অনুষ্ঠান। যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের ক্যালিফোর্নিয়ার ডলবি থিয়েটারে ২৪টি শাখায় দেওয়া হবে এই পুরস্কার।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২২ ও দৈনিক ইনকিলাব।
৩,০৯১.
অতীশ দীপঙ্কর বর্তমান কোন জেলার অধিবাসী ছিলেন?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) মুন্সিগঞ্জ
  3. গ) মানিকগঞ্জ
  4. ঘ) ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্যাখ্যা
- অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান (৯৮০-১০৫৩) বৌদ্ধ পন্ডিত, ধর্মগুরু ও দার্শনিক।
- দশম-একাদশ শতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি পন্ডিত দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান ৯৮০ খ্রিস্টাব্দে বর্তমান মুন্সিগঞ্জ জেলার বিক্রমপুরের বজ্রযোগিনী গ্রামে এক রাজপরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- পিতা কল্যাণশ্রী এবং মাতা প্রভাবতী দেবী।
- তাঁর বাল্যনাম ছিল চন্দ্রগর্ভ।
- মায়ের নিকট এবং স্থানীয় বজ্রাসন বিহারে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে তিনি বিখ্যাত বৌদ্ধ গুরু জেতারির নিকট  বৌদ্ধধর্ম ও শাস্ত্রে উচ্চশিক্ষা লাভ করেন।
- এ সময় তিনি সংসারের প্রতি বিরাগবশত গার্হস্থ্যজীবন ত্যাগ করে ধর্মীয় জ্ঞানার্জনের সঙ্কল্প করেন।
- এ উদ্দেশ্যে তিনি পশ্চিম ভারতের কৃষ্ণগিরি বিহারে গিয়ে রাহুল গুপ্তের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন এবং বৌদ্ধশাস্ত্রের আধ্যাত্মিক গুহ্যবিদ্যায় শিক্ষালাভ করে ‘গুহ্যজ্ঞানবজ্র’ উপাধিতে ভূষিত হন।
- মগধের ওদন্তপুরী বিহারে মহাসাংঘিক আচার্য শীলরক্ষিতের নিকট দীক্ষা গ্রহণের পর তাঁর নতুন নামকরণ হয় ‘দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান’।
- একত্রিশ বছর বয়সে তিনি আচার্য ধর্মরক্ষিত কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ ভিক্ষুদের শ্রেণিভুক্ত হন।
- পরে দীপঙ্কর মগধের তৎকালীন শ্রেষ্ঠ আচার্যদের নিকট কিছুকাল শিক্ষালাভ করে শূন্য থেকে জগতের উৎপত্তি এ তত্ত্ব (শূন্যবাদ) প্রচার করেন। 

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
৩,০৯২.
‘তারা মসজিদ’ কে নির্মাণ করেন?
  1. মির্জা গোলাম পীর
  2. মির্জা মোহাম্মদ খান
  3. ইসলাম খান
  4. মির্জা আহমদ খান
ব্যাখ্যা
তারা মসজিদ:
- তারা মসজিদ পুরানো ঢাকার আরমানিটোলায় আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত।
- সাদা মার্বেলের গম্বুজের ওপর নীলরঙা তারায় খচিত এ মসজিদ নির্মিত হয় আঠারো শতকের প্রথম দিকে।
- মির্জা গোলাম পীর (মির্জা আহমদ জান) ঢাকার বিখ্যাত ‘তারা মসজিদ’ তৈরি করেন।
- ১৯২৬ সালে, ঢাকার তৎকালীন স্থানীয় ব্যবসায়ী, আলী জান বেপারী মসজিদটির সংস্কার করেন। সে সময় জাপানের রঙিন চিনি-টিকরি পদার্থ ব্যবহৃত হয় মসজিদটির মোজাইক কারুকাজে।
- মসজিদের বতর্মান দৈর্ঘ্য ৭০ ফুট (২১.৩৪ মিটার), প্রস্থ ২৬ ফুট (৭.৯৮ মিটার)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।
৩,০৯৩.
এস এম সুলতান কোন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন?
  1. ক) মাছিমদিয়া
  2. খ) লক্ষ্মণশ্রী
  3. গ) মসুয়া
  4. ঘ) ছেউড়িয়া
ব্যাখ্যা
- এস এম সুলতান বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত চিত্রশিল্পী। তার পুরো নাম শেখ মোহাম্মদ সুলতান।
- তিনি ১৯২৩ সালে নড়াইলের মাছিমদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৯৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- তার চিত্রকর্মের মধ্যে হত্যাযজ্ঞ ও চরদখল উল্লেখযোগ্য।
- তিনি নড়াইলে শিশুস্বর্গ ও চারুপীঠ নামে শিশুদের দুটি চিত্রাংকন প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন।
অন্যদিকে,
- কিশোরগঞ্জের মসুয়া গ্রাম হলো সত্যজিৎ রায়ের পৈতৃক নিবাস।
- সুনামগঞ্জের লক্ষ্মণশ্রী গ্রামে হাসন রাজা জন্মগ্রহণ করেন।
- কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়াতে লালনের আখড়া অবস্থিত।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৩,০৯৪.
'আগুনের পরশমণি' চলচ্চিত্রটি কয়টি শাখায় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা
আগুনের পরশমণি:

- মুক্তিযুদ্ধের ওপর ভিত্তি করে যে চলচ্চিত্রগুলো নির্মিত হয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম ‘আগুনের পরশমণি’।
- দর্শকনন্দিত এই ছবির চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন হ‌ুমায়ূন আহমেদ।
- ১৯৯৪ সালে সরকারি অনুদানে নির্মিত হয় এ ছবি। মুক্তি পায় ১৯৯৫ সালে।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় অবরুদ্ধ ঢাকায় মুক্তিবাহিনীর অভিযান আর মধ্যবিত্ত একটি পরিবারের সংকট ছবিটিতে তুলে ধরেছেন। এ ছবিতে অভিনয় করেছেন আসাদুজ্জামান নূর, বিপাশা হায়াত, ডলি জহুর ও আরো অনেকে।
- আগুনের পরশমণি চলচ্চিত্রটি ৮টি শাখায় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে।
- শাখাগুলো হচ্ছে- শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র (প্রযোজক হুমায়ূন আহমেদ), শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার (হুমায়ূন আহমেদ), শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা (হুমায়ূন আহমেদ), শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী (বিপাশা হায়াত), শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক (সত্য সাহা), শ্রেষ্ঠ শব্দ গ্রাহক (মফিজুল হক), শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী (শিলা আহমেদ), শিশুশিল্পী শাখায় বিশেষ পুরস্কার (হোসনে আরা পুতুল)।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,০৯৫.
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালা কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. ময়মনসিংহ
  3. কুমিল্লা
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
♦ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালা
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা ময়মনসিংহে অবস্থিত।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ এপ্রিল শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন জেলা প্রশাসনের সহায়তায় নিজের ৭০টি চিত্রকর্ম নিয়ে তৎকালীন উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের মাধ্যমে এই সংগ্রহশালার উদ্বোধন করেন।
- পরবর্তীতে ১৯৮৭ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালাটি একটি দ্বিতল ভবনের রূপ লাভ করে।
- এছাড়া শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালা এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদকে ঘিরে বাঁধ দিয়ে শিল্পাচার্য জয়নুল উদ্যান গড়ে তোলা হয়েছে।
- প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা অসংখ্য দর্শনার্থী শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা এবং উদ্যান পরিদর্শনে আসেন।
- বর্তমানে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ওয়েবসাইট।
৩,০৯৬.
‘বীরশ্রেষ্ঠ' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. সেলিনা হোসেন
  2. পান্না কায়সার
  3. জাহানারা ইমাম
  4. সালমা হোসেন
ব্যাখ্যা
‘বীরশ্রেষ্ঠ' গ্রন্থ:
- ‘বীরশ্রেষ্ঠ' গ্রন্থের রচয়িতা জাহানারা ইমাম।

⇒ জাহানারা ইমাম:
- জাহানারা ইমাম একজন কথাসাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ এবং ‘একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি’র প্রথম আহ্বায়ক।
- তিনি ‘শহীদ জননী’ হিসেবে বিশেষভাবে খ্যাত।
- ১৯২৯ সালের ৩ মে জাহানারা ইমাম অবিভক্ত বাংলার মুর্শিদাবাদ জেলার সুন্দরপুর গ্রামের এক রক্ষণশীল পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পুত্র শাফী ইমাম রুমী।
- একাত্তরে তাঁর এই পুত্র রুমী ছাত্রত্ব ত্যাগ করে দেশের মুক্তিসংগ্রামে অংশগ্রহণ করেন এবং কয়েকটি সফল গেরিলা অপারেশনের পর পাকিস্তানি মিলিটারির হাতে নিহত হন।
- বিজয় লাভের পর রুমীর বন্ধুরা রুমীর মা জাহানারা ইমামকে সকল মুক্তিযোদ্ধার মা হিসেবে বরণ করে নেন।
- তখন থেকেই তিনি ‘শহীদ জননী’র মর্যাদায় ভূষিত হন।
- তিনি বেশ কিছু বই লিখেছেন, যার মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত গ্রন্থ ‘একাত্তরের দিনগুলি’।

⇒ গল্প, উপন্যাস ও দিনপঞ্জি জাতীয় রচনা মিলিয়ে তাঁর বেশ কয়েকটি গ্রন্থ রয়েছে।
- সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: ‘অন্য জীবন’ (১৯৮৫), ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ (১৯৮৫), ‘জীবন মৃত্যু’ (১৯৮৮), ‘চিরায়ত সাহিত্য’ (১৯৮৯), ‘বুকের ভিতরে আগুন’ (১৯৯০), ‘নাটকের অবসান’ (১৯৯০), ‘দুই মেরু’ (১৯৯০), ‘নিঃসঙ্গ পাইন’ (১৯৯০), ‘নয় এ মধুর খেলা’ (১৯৯০), ‘ক্যানসারের সঙ্গে বসবাস’ (১৯৯১) ও ‘প্রবাসের দিনলিপি’ (১৯৯২)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,০৯৭.
বাংলাদেশ সম্প্রতি কোন জোটের সভাপতিত্ব গ্রহণ করেছে?
  1. ক) SAARC
  2. খ) D-8
  3. গ) NAM
  4. ঘ) ACU
ব্যাখ্যা
- মুসলিম বিশ্বের আটটি উন্নয়নশীল দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোট ডি-৮ জোটের বর্তমান সভাপতি বাংলাদেশের প্রধান শেখ হাসিনা।
- গত ৮ এপ্রিল ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত ডি-৮ কাউন্সিল অব মিনিস্টারস সম্মেলনে তুরস্ক বাংলাদেশের নিকট ডি-৮ প্রেসিডেন্সি হস্তান্তর করে।
- Developing Eight (D-8) হলো মুসলিম বিশ্বের আটটি উন্নয়নশীল দেশের একটি অর্থনৈতিক জোট।
- এটি ১৯৯৭ সালের ১৫ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদরদপ্তর তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে অবস্থিত।
এর সদস্য দেশগুলো হলো:
- তুরস্ক
- বাংলাদেশ
- পাকিস্তান
- মিশর
- নাইজেরিয়া
- মালয়েশিয়া
- ইন্দোনেশিয়া এবং
- ইরান।
(তথ্যসূত্র: D-8 ওয়েবসাইট)
৩,০৯৮.
জাতীয় স্মৃতিসৌধে মোট কতটি ফলক রয়েছে?
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা

জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- এটি সাভারে অবস্থিত।
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ স্বাধীনতা যুদ্ধের শহিদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত।
- এর স্থপতি: সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন: ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর (প্রথম বিজয় দিবস)।
- নির্মাণ কাজ শেষ: ১৯৮২ সালের আগস্ট।
- উচ্চতা: ১৫০ ফুট (৪৫ মিটার)।
- গঠন: স্মৃতিসৌধটিতে রয়েছে ৭টি ফলক।
- বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত বিভাগ এই জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণ তত্ত্বাবধান করেছে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩,০৯৯.
'জগদ্দল বিহার' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া
  2. নাটোর
  3. নওগাঁ
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
জগদ্দল বিহার:
- জগদ্দল বিহার বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার এক অতি প্রাচীন নিদর্শন।
- নওগাঁ জেলার ধামুইরহাট থানার জয়পুর-ধামুইরহাট সড়কের উত্তর দিকে অবস্থিত এই প্রাচীন কীর্তি।
- বর্তমানে স্থানীয় জনগণ এটিকে বটকৃষ্ণ রায় নামক এক জন জমিদারের বাড়ির ধ্বংসাবশেষ বলে মনে করে।

⇒ ইতিহাস থেকে জানা যায় যে,
- রাজা রামপাল গৌড় রাজ্য পুনরুদ্ধারের পর রামাবতী নগরে রাজধানী স্থাপন করেন।
- আইন-ই-আকবর রচয়িতা আবুল ফজল এ স্থানটিকে রমৌতি বলে উল্লেখ করেছেন।
- দীনেশ চন্দ্র সেন বলেছেন যে, এই রামাবতী নগরে রাজা রামপাল জগদ্দল মহাবিহারের প্রতিষ্ঠা করেন।
- একাদশ বা দ্বাদশ শতাব্দীতে রাজা রামপাল এই মন্দির নির্মাণ করেন বলে নীহাররঞ্জন রায়ের বাঙ্গালীর ইতিহাস গ্রন্থে উল্লেখ আছে।
- এ গ্রন্থে আরও উল্লেখ আছে যে এ মন্দিরের অধিষ্ঠাতা দেবতা ছিলেন অবলোকিতেশ্বর, আর অধিষ্ঠাত্রী দেবী ছিলেন মহাতারা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,১০০.
বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রথম নারী বিচারপতি কে?
  1. সালমা মাসুদ চৌধুরী
  2. কৃষ্ণা দেবনাথ
  3. জিনাত আরা
  4. নাজমুন আরা সুলতানা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রথম নারী বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা। 

প্রথম নারী বিচারপতি:

- দেশের বিচার বিভাগের প্রথম নারী বিচারক হলেন নাজমুন আরা সুলতানা।
- সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রথম নারী বিচারপতি তিনি।

⇒ ১৯৭৫ সালের ২০ ডিসেম্বর তিনি সহকারী জজ হিসেবে বিচার বিভাগে যোগ দেন।
- দেশের প্রথম নারী জেলা জজ তিনি, হাইকোর্টেও প্রথম নারী বিচারপতি।
- ২০১১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন তিনি।
- ২০২১ সালের মে মাসে বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের প্রথম মহাপরিচালক পদে নিয়োগ পান তিনি।

অন্যদিকে,
- আপিল বিভাগে নিয়োগ পাওয়া দ্বিতীয় নারী বিচারপতি হলেন বিচারপতি জিনাত আরা। 

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ১৮ জানুয়ারি ২০২২, প্রথম আলো।