বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

মোট প্রশ্ন৩,৮২৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

PrepBank · পাতা ২৮ / ৩৮ · ২,৭০১২,৮০০ / ৩,৮২৪

২,৭০১.
কোন প্রাচীন নগরী ২০১৬ সালে সার্কের 'সাংস্কৃতিক রাজধানী' হিসেবে স্বীকৃতি পায়?
  1. ময়নামতি
  2. মহাস্থানগড়
  3. সোমপুর বিহার
  4. ওয়ারী-বটেশ্বর
ব্যাখ্যা
• মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন নগরী।
- প্রসিদ্ধ এই নগরী ইতিহাসে পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর নামেও পরিচিত ছিল।
- মহাস্থানগড় বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
- ২০১৬ সালে মহাস্থানগড় সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
- ২০১৫ সাল থেকে সার্ক কালচারাল সেন্টার সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে কোনো একটি প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী অঞ্চলকে সার্কের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করে আসছে।
- সার্কভুক্ত দেশগুলোর ইংরেজি নামের আদ্যক্ষরের ভিত্তিতে দেশগুলোর স্থান বেছে নেওয়া হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: বগুড়া জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট; ২৪ নভেম্বর ২০১৬, প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
২,৭০২.
বাংলাদেশ কোন সালে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উর্ত্তীণ হবে?
  1. ২০২৫ সালে
  2. ২০২৬ সালে
  3. ২০২৮ সালে
  4. ২০৩০ সালে
ব্যাখ্যা
LDC:
- ১৯৭১ সালের ১৮ নভেম্বর প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
- প্রারম্ভিক তালিকায় ২৫টি দেশ অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বর্তমানে ৪৪টি দেশ এলডিসি তালিকাভুক্ত।
- মাথাপিছু কম জাতীয় আয়, অনুন্নত মানবসম্পদসহ আর্থসামাজিক উন্নয়নে নিম্ন সূচকের দেশগুলোই এলডিসির অন্তর্ভুক্ত।
- সিডিপি তিনটি সূচক যথা মাথাপিছু জাতীয় আয়, মানবসম্পদ সূচক এবং অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভঙ্গুরতা সূচকের ভিত্তিতে তিন বছর পরপর স্বল্পোন্নত দেশগুলোর আর্থসামাজিক পরিস্থিতি মূল্যায়নের মাধ্যমে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের বিষয় পর্যালোচনা করে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- জাতিসংঘের আয়োজনে ১৯৭১ সালে এলডিসি তালিকা প্রণয়নের পর থেকে এযাবৎ এলডিসি থেকে উত্তরণ হওয়া সাতটি দেশ এবং উত্তরণের প্রক্রিয়াধীন ছয়টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশই একমাত্র সদস্য রাষ্ট্র, যেটি টানা তিন বারের মূল্যায়নে সকল সূচকে সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছে। 
- ২০২৬ সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে LDC তালিকা থেকে বের হয়ে যাবে।

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট।
ii) তথ্য অধিদফতর (পিআইডি)।
২,৭০৩.
ঢাকেশ্বরী মন্দিরের সিংহদ্বার কি নামে পরিচিত?
  1. সুবাহর তোরণ
  2. দশভুজা তোরণ
  3. ঈশ্বরী তোরণ
  4. নহবতখানা তোরণ
ব্যাখ্যা
ঢাকেশ্বরী মন্দির:

- ঢাকেশ্বরী শব্দের অর্থ 'ঢাকার ঈশ্বরী' বা 'ঢাকা শহরের রক্ষাকর্ত্রী'।
- এটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম হিন্দু মন্দির।
- এই মন্দিরটিকে বাংলাদেশের জাতীয় মন্দির ও বলা হয়।
- এই মন্দিরটি ভারতীয় উপমহাদেশের বিখ্যাত শক্তিপীঠ গুলির একটি।
- অনেকের মতে, দেবী ঢাকেশ্বরীর নাম থেকেই ঢাকা নামের উৎপত্তি।
- মন্দির অঙ্গনে প্রবেশের জন্য একটি সিংহদ্বার রয়েছে, যা নহবতখানা তোরণ নামে পরিচিত।
- বর্তমানে এখানে প্রতি বছর ধুমধামের সাথে দূর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হয়।

সূত্র: ঢাকা জেলা ওয়েব সাইট।
২,৭০৪.
রামগড় স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ফেনী
  2. রাজশাহী
  3. খাগড়াছড়ি
  4. নীলফামারী
ব্যাখ্যা
রামগড় স্থলবন্দর:
- বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত রামগড় স্থলবন্দর।
- স্থলবন্দরটি খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় উপজেলার রামগড় সীমান্তে অবস্থিত।
- এর বিপরীতে ভারতের এিপুরা রাজ্যের সাবরুম আইসিপি রয়েছে।
- ০৭ নভেম্বর ২০১০ তারিখ রামগড় শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়।
- চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কন্টেইনার লোড করে রামগড় হয়ে ভারতের সাব্রুম এবং সেখান থেকে সেভেন সিস্টারে পণ্য পরিবহনের জন্য এই বন্দর তৈরি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, 
- ১২ জানুয়ারি ২০২৫ সালে নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন রামগড় স্থলবন্দর পরিদর্শন করেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক] এবং কালের কণ্ঠ পত্রিকা নিউজ [লিঙ্ক]
২,৭০৫.
সোমপুর বিহারের নির্মাতা কে?
  1. রামপাল
  2. ধর্মপাল
  3. শশাঙ্ক
  4. হেমন্ত সেন
ব্যাখ্যা
সোমপুর বিহার:

- নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত সোমপুর বৌদ্ধ বিহার পাল আমলের স্থাপত্য।
- পাল বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ শাসক ধর্মপাল অষ্টম শতকের শেষদিকে মতান্তরে নবম শতকের প্রথমদিকে বৌদ্ধধর্মের প্রসারের লক্ষ্যে সোমপুর বিহার প্রতিষ্ঠা করেন।
- সোমপুর বিহার অদ্যাবধি নির্মিত ভারতবর্ষের বৃহত্তম বৌদ্ধ বিহার হিসেবে স্বীকৃত।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো সোমপুর বিহারকে ৩২২তম বিশ্ব ঐহিত্য হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
২,৭০৬.
বাংলাদেশ নিচের কোনটির সদস্য নয়?
  1. G-7
  2. NAM
  3. D-8
  4. BIMSTEC
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ G-7 এর সদস্য নয়।

এছাড়াও - 
- বাংলাদেশ D-8 এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য (১৫ জুন, ১৯৯৭)।
- বাংলাদেশ NAM এর সদস্যপদ লাভ করে - ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশ BIMSTEC এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য (৬ জুন, ১৯৯৭ সালে)।

সূত্র: সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইট।
২,৭০৭.
বাংলাদেশ সার্ক শীর্ষ সম্মেলন আয়োজন করে কত বার? [জানুয়ারি,২০২৬]
  1. ৪ বার 
  2. ৩ বার 
  3. ২ বার 
  4. কোনটিই নয় 
ব্যাখ্যা

• সার্ক(SAARC):
- এর পূর্ণরূপ: South Asian Association for Regional Cooperation.
- এটি প্রতিষ্ঠত হয়: ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫ সালে ঢাকায়।
- SAARC ৮টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত। যথা:
- বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং আফগানিস্তান।
-  সার্ক এর মালদ্বীপ ও শ্রীলংকা দ্বীপ রাষ্ট্র।
- SAARC এর সচিবালয় কাঠমান্ডু, নেপালে অবস্থিত।
- সচিবালয়: ১৯৮৭ সালের ১৭ জানুয়ারী নেপালের কাঠমান্ডু-তে।
- এর সর্বশেষ সদস্য হলো আফগানিস্তান।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৩ বার SAARC শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- প্রথম বারঃ ৭ - ৮ ডিসেম্বর ১৯৮৫ (১ম),
- দ্বিতীয় বারঃ ১০ - ১১ এপ্রিল ১৯৯৩ (৭ম),
- তৃতীয় বারঃ ১২ - ১৩ নভেম্বর ২০০৫ (১৩তম) ।

উৎস: SAARC ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]

২,৭০৮.
The current per capita income in Bangladesh is -
  1. ক) $2,591
  2. খ) $ 2,691
  3. গ) $ 2,814
  4. ঘ) $ 2,824
ব্যাখ্যা
• বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ২৮২৪ মার্কিন ডলার

• মাথাপিছু আয়ের পরিমাপসমূহ (Measurement of Per Capita Income-PCI) কোন একটি দেশের মোট জাতীয় আয়কে উক্ত দেশের মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে মোট মাথাপিছু আয় পাওয়া যায়।
- এক্ষেত্রে মূল্যসূচককে গুরুত্ব দেয়া হয় এবং সে অনুযায়ী প্রকৃত মাথাপিছু আয় পাওয়া যায়।

•  মাথাপিছু আয় = মোট জাতীয় আয় / মোট জনসংখ্যা

সূত্র: BBS ও প্রথম আলো।
২,৭০৯.
বাংলাদেশ প্রথম কোন শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণ করে?
  1. UNIKOM
  2. UNIIMOG
  3. UNMEE
  4. UNMIH
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ:
- ১৯৪৮ সাল থেকে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষীরা বিশ্বের সবচেয়ে অস্থিতিশীল রাজনৈতিক ও অনিরাপত্তামূলক পরিস্থিতিতে মানুষের জীবন রক্ষা করে চলেছেন।
- জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বৃহৎ ভূমিকা পালনকারী দেশগুলোর অন্যতম বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘ ইরান-ইরাক সামরিক পর্যবেক্ষক গোষ্ঠীতে (UNIIMOG) একদল অফিসার প্রেরণের মাধ্যমে শান্তিরক্ষার যাত্রা শুরু করে দেশটি।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা অভিযানে (UNPKO) অংশগ্রহণ করে আসছে এবং বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠায় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবদানকারী হয়ে উঠেছে। 
- ১৯৮৮ সাল থেকে বাংলাদেশ জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের সাথে যুক্ত আছে। 
- UNIIMOG (জাতিসংঘ ইরান-ইরাক সামরিক পর্যবেক্ষক গ্রুপ) ছিল জাতিসংঘের একটি শান্তিরক্ষা মিশন যা ১৯৮৮ সালের আগস্টে ইরান ও ইরাকের মধ্যে যুদ্ধবিরতি এবং সৈন্য প্রত্যাহার পর্যবেক্ষণের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- উভয় দেশ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সীমানায় ফিরে যাওয়ার পর ১৯৯১ সালের ফেব্রুয়ারিতে এটি সমাপ্ত হয়। 

উৎস: জাতিসংঘ বাংলাদেশ ওয়েবসাইট।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ওয়েবসাইট। 
২,৭১০.
ইউনেস্কো সুন্দরবনকে World Heritage Site হিসেবে স্বীকৃতি দেয়-
  1. ১৯৯৫ সালে
  2. ১৯৯৬ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৯৮ সালে
ব্যাখ্যা

• সুন্দরবন:
- সুন্দরবন বিশ্বের একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন।
- সুন্দরবন দুটি বন বিভাগে বিভক্ত: সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ ও সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগ।
- বাংলাদেশ অংশে সুন্দরবনের মোট আয়তন ৬০১৭ বর্গ কি.মি.।

- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে UNESCO সুন্দরবনের ৩টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যকে ৭৯৮তম World Heritage Site হিসেবে ঘোষণা করে।
- সুন্দরবনের জলভাগ জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ হওয়ায় ১৯৯২ সনের ২১ মে থেকে এটি Ramsar Site হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
- টাঙ্গুয়ার হাওর ১০ জুলাই, ২০০০ সালে রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

উৎস: বন সংরক্ষণ দপ্তর ও রামসার সাইট।

২,৭১১.
২০২৩ সালে 'শিক্ষা ক্যাটাগরি' বিভাগে একুশে পদক লাভ করেন -
  1. ক) হাজী মোহাম্মদ মজিবুর রহমান
  2. খ) বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর
  3. গ) বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন
  4. ঘ) নওয়াজিশ আলী খান
ব্যাখ্যা
• একুশে পদক-২০২৩:
- এ বছর ভাষা আন্দোলন ক্যাটাগরিতে ৩ জন, মুক্তিযুদ্ধে ১ জন, শিল্পকলায় ৮ জন (অভিনয়, সংগীত, আবৃত্তি, চারু ও চিত্রকলা), রাজনীতিতে ২ জন, শিক্ষায় ১ জন ও ১টি প্রতিষ্ঠান, সমাজ সেবায় ১ জন ও ১টি প্রতিষ্ঠান এবং সাংবাদিকতা, গবেষণা এবং ভাষা ও সাহিত্যে ১ জন করে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

- ভাষা আন্দোলন ক্যাটাগরিতে খালেদা মঞ্জুর-ই খুদা, বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম শামসুল হক (মরণোত্তর) ও হাজী মোহাম্মদ মজিবুর রহমান।
- শিল্পকলা বিভাগে অভিনয় ক্যাটাগরিতে মাসুদ আলী খান ও শিমুল ইউসুফ এবং সংগীত বিভাগে মনোরঞ্জন ঘোষাল, গাজী আবদুল হাকিম ও ফজল-এ-খোদা (মরণোত্তর),আবৃত্তি বিভাগে জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, শিল্পকলায় নওয়াজিশ আলী খান এবং চিত্রকলা বিভাগে কনক চাপা চাকমা পুরস্কার পেয়েছেন।
- মুক্তিযুদ্ধ বিভাগে মমতাজ উদ্দিন (মরণোত্তর), সাংবাদিকতায় মো. শাহ আলমগীর (মরণোত্তর), গবেষণায় ড. মো. আব্দুল মজিদ, শিক্ষায় অধ্যাপক ড. মযহারুল ইসলাম (মরণোত্তর), সমাজসেবায় মো. সাইদুল হক, অ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল ইসলাম (মরণোত্তর), রাজনীতিতে আকতার উদ্দিন মিয়া (মরণোত্তর) এবং ভাষা ও সাহিত্যে ড. মনিরুজ্জামান পুরস্কার পেয়েছেন।
- শিক্ষা ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর।
- সমাজসেবায় বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন এ পুরস্কার লাভ করেছে।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট.
২,৭১২.
বাংলাদেশের বৃহত্তম সিনেমা হল 'মণিহার' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. যশোর
  4. খুলনা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বৃহত্তম সিনেমা হল:
- যশোর জেলায় অবস্থিত মণিহার সিনেমা হল  বাংলাদেশের বৃহত্তম সিনেমা হল।
- ১৯৮২ সালে যশোরের ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম এ প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণের ঘোষণা দেন।
- এর নকশা করেন ঢাকার স্থপতি কাজী মোহাম্মদ হানিফ। 
- নির্মাণ-পরবর্তী সাজসজ্জার কাজ করেন শিল্পী এস এম সুলতান।
- হলের আসন সংখ্যা ১,৪৩০। 
- ১৯৮৩ সালে সোহেল রানা-সুচরিতা অভিনীত ও দেওয়ান নজরুল পরিচালিত ‘জনি’ সিনেমা দিয়ে যাত্রা শুরু করে দেশের সর্ববৃহৎ সিনেমা হল মণিহার। 

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

২,৭১৩.
বঙ্গবন্ধু জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের কোন সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছিলেন?
  1. ক) লাহোর সম্মেলন
  2. খ) বেলগ্রেড সম্মেলন
  3. গ) আলজিয়ার্স সম্মেলন
  4. ঘ) কায়রো সম্মেলন
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধু শেখ ‍মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালের ৫-৯ সেপ্টেম্বর আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) চতুর্থ সম্মেলনে অংশগ্রহণ ও সদস্যপদ লাভ করে।
- ন্যামের প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৬১ সালের ১-৬ সেপ্টেম্বর বর্তমান সার্বিয়ার রাজধানী বেলগ্রেড শহরে।
- সর্বশেষ ন্যাম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালের ২৫-২৬ অক্টোবর আজারবাইজানের রাজধানী বাকু শহরে।
(তথ্যসূত্র: ন্যাম আজারবাইজার ওয়েবসাইট)
২,৭১৪.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯ অনুসারে দেশে প্রতি হাজারে এক বছরের কম বয়সী শিশু মৃত্যুর হার কত?
  1. ক) ২৯ জন
  2. খ) ৩২ জন
  3. গ) ২৪ জন
  4. ঘ) ১৯ জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯ অনুসারে দেশে এক বছরের কম বয়সী শিশু মৃত্যুর হার প্রতি হসজারে ২৪ জন। পূর্বের বছরে এই সংখ্যা ছিলো ২৯ জন। (সূত্রঃ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০১৯)
২,৭১৫.
বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা চালু হয় কত তারিখ?
  1. ২ মার্চ, ১৯৭২
  2. ৪ মার্চ, ১৯৭২
  3. ৬ মার্চ, ১৯৭২
  4. ৮ মার্চ, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা:
- ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ প্রথমবারের মতো স্বাধীন বাংলাদেশের নিজস্ব ১ ও ১০০ টাকার ব্যাংক নোটের প্রচলন হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশের মুদ্রার নাম রাখা হয় টাকা। বিশ্বের কয়েকটি দেশের মুদ্রার নাম একই ধরনের। তবে বাংলাদেশের মুদ্রা হিসেবে টাকা নামটি স্বতন্ত্র।
- ৪ মার্চ ১৯৭২ তারিখে প্রকাশিত দুটি ব্যাংক নোট ভারতের সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস থেকে ছাপানো হয়। ১ টাকার ও ১০০ টাকার নোট।
- ১ টাকার নকশায় বাংলাদেশের মানচিত্র ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ কথাটি স্থান পায় এবং তাতে স্বাক্ষর করেছিলেন সে সময়ের অর্থসচিব কে এ জামান।
- ১০০ টাকার নকশায় দেখা যায় বাংলাদেশের মানচিত্র ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি এবং তাতে লেখা থাকে বাংলাদেশ ব্যাংক। ১০০ টাকার ব্যাংক নোটটি বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রথম গভর্নর এ এন হামিদ উল্ল্যাহ্ স্বাক্ষরিত।
- ৪ মার্চ ২০২১ সালে প্রথমবারের মতো পালিত হয়েছে 'টাকা দিবস'।

তথ্যসুত্র - বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ০৪ মার্চ, ২০২১।
২,৭১৬.
২০২৫ সালে নজরুল পুরস্কার লাভ করেন কে? 
  1. আনোয়ারুল হক এবং শবনম মুশতারী
  2. সেলিনা হোসেন এবং মাহমুদুল হাসান
  3. হুমায়ূন আহমেদ এবং ফরিদা পারভীন
  4. শহীদুল জহির এবং রূপা হক
ব্যাখ্যা

নজরুল পুরস্কার:
-  বাংলা একাডেমি নজরুল পুরস্কার চালু করে ২০২২ সালে।
• ২০২৫ সালে নজরুল পুরস্কার লাভ করেন যারা: 
নজরুল গবেষক অধ্যাপক আনোয়ারুল হক এবং নজরুলসংগীত-চর্চায় প্রখ্যাত নজরুল সংগীতশিল্পী শবনম মুশতারীকে নজরুল পুরস্কার ২০২৫-এ ভূষিত করেছে।
- নজরুল পুরস্কারের অর্থমূল্য (প্রতিটি) ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালে বাংলা একাডেমির 'রবীন্দ্র পুরস্কার' পেয়েছেন ড. অসীম দত্ত ও শিল্পী এ এম এম মহীউজজামান চৌধুরী ময়না।
- ২০২৪ সালে নজরুল পুরস্কার লাভ করেন অধ্যাপক রাজিয়া সুলতানা।

উৎস: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।

২,৭১৭.
বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত পত্রিকা নয় কোনটি?
  1. ধানশালিকের দেশ
  2. উত্তরাধিকার
  3. সাহিত্য পত্রিকা
  4. বাংলা একাডেমি জার্নাল
ব্যাখ্যা
• সাহিত্য পত্রিকা:
- সাহিত্য পত্রিকা  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে বাংলা ভাষায় প্রকাশিত একটি গবেষণা পত্রিকা।
- পত্রিকাটি  প্রথম প্রকাশিত হয় ১৩৬৪ বঙ্গাব্দের (১৯৫৭) আষাঢ় মাসে।  
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য এবং এ দেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতি সম্পর্কিত গবেষণামুলক প্রবন্ধ প্রকাশের উদ্দেশ্যেই মূলত পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়।
- এটি বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত পত্রিকা নয়। 

• অন্যদিকে:
- বাংলা একাডেমি থেকে ছয়টি পত্রিকা প্রকাশিত হয়। 

• বাংলা একাডেমি পত্রিকা:
- গবেষণামূলক ত্রৈমাসিক।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উপর বিশেষ গুরুত্বসহ অন্যান্য বিষয়েও বাংলায় রচিত গবেষণামূলক প্রবন্ধ এতে প্রকাশিত হয়।

• উত্তরাধিকার:
- মাসিক পত্রিকা।
- এতে সৃজনশীল রচনা, যথা: গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, নাটক, গ্রন্থ-সমালোচনা ইত্যাদি মুদ্রিত হয়।

• ধানশালিকের দেশ:
- ত্রৈমাসিক কিশোর পত্রিকা।
- কিশোরোপযোগী গল্প, কবিতা, ছড়া ইত্যাদি এই পত্রিকায় মুদ্রিত হয়।

• বাংলা একাডেমি বিজ্ঞান পত্রিকা:
- ষাণ্মাসিক এই পত্রিকাটি বিজ্ঞান বিষয়ক রচনার সমন্বয়ে প্রকাশিত হয়।
- এটি একটি অনিয়মিত প্রকাশনা।

• বাংলা একাডেমি জার্নাল:
- ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত ষাণ্মাসিক পত্রিকা।
- বাংলা সাহিত্যের নির্বাচিত রচনা ইংরেজির অনুবাদ এবং বাংলা সাহিত্য ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ইংরেজি ভাষায় রচিত মৌলিক রচনা এতে প্রকাশিত হয়।
- এটি একটি অনিয়মিত প্রকাশনা।

• বার্তা:
- একাডেমির কার্যক্রম ও যাবতীয় কর্মকাণ্ডের বিবরণ এতে উপস্থাপিত হয়ে থাকে।
- বর্তমানে এটি একটি অনিয়মিত প্রকাশনা।

সূত্র: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
২,৭১৮.
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয় কবে ?
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০১ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০০৩ সালে
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট:
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট ঢাকার সেগুনবাগিচা এলাকায় অবস্থিত।
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট -এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয় ২০০১ সালের ১৫ মার্চ।
- উদ্বোধন করা হয় ২০১০ সালে ২১শে ফেব্রুয়ারী।
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মাতৃভাষা নিয়ে গবেষণার উদ্দেশ্যে এটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট প্রধানের পদবী পরিচালক।

উৎস: আইন মন্ত্রণালয় ও প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
 
২,৭১৯.
'মনপুরা-৭০' চিত্রকর্মের চিত্রশিল্পী কে?
  1. জয়নুল আবেদিন
  2. সফিউদ্দিন আহমেদ
  3. কামরুল হাসান
  4. এস. এম. সুলতান
ব্যাখ্যা
মনপুরা ৭০:
- সত্তরের ভয়াবহ ঘুর্ণিঝড়ে বিপর্যস্ত মানুষের অসহায়তাকে অবলম্বন করে একটি চিত্রশিল্প ‘মনপুরা ৭০’।
- ‘মনপুরা ৭০’ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের শিল্পকর্ম।
- আধুনিকযুগে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন শিল্পচর্চার পথিকৃৎ।
- ১৯৪৩-এর বাংলার মন্বন্তর-ভিত্তিক চিত্রমালা তাঁকে ভারতব্যাপী খ্যাতি এনে দেয় এবং এক সকরুণ মানব-ট্র্যাজেডির তাৎক্ষণিক, সহানুভূতিপূর্ণ ও সবল রূপায়ন হিসেবে এগুলি বহির্বিশ্বেও শিল্পরসিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
- দুর্ভিক্ষের স্কেচে, কেবল তুলির কালো রেখায় যার সূচনা, সেটাকে বর্ণপ্রয়োগের ন্যূনতায় ও স্পেস ব্যবহারের পরিমিতিবোধে তিনি ক্রমশ এক নিজস্ব শৈলীতে রূপান্তরিত করেন।
- তাঁর এপর্যায়ের ছবিগুলো- ‘বিদ্রোহী’, ‘মই দেওয়া’, ‘সাঁওতাল যুগল’ ‘সংগ্রাম’ এবং লোকশৈলীর মটিফে জ্যামিতিক বিন্যাসে সন্নিবেশিত চিত্র- ‘পাইন্যার মা’, ‘প্রসাধন’, ‘গুণটানা' প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২,৭২০.
ধান উৎপাদনে পৃথিবীতে বাংলাদেশ এর স্থান কততম?
  1. ক) ২য়
  2. খ) ৩য়
  3. গ) ৪র্থ
  4. ঘ) ৫ম
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষ দেশ হলো চীন। USDA এর সর্বশেষ ও গত বছরের পরিসংখ্যানে বিশ্বে মোট ধান উৎপাদন হয় ৪৯.৯০ কোটি মে. টন। এর মধ্যে চীন উৎপাদন করে ১৪.৬৭ কোটি মে. টন। দ্বিতীয় ভারত (১১.৮ কোটি মে. টন)। গতবছরে ধান উৎপাদনে বিশ্বে ও এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান ছিলো চতুর্থ (৩.৫৮৫ কোটি মে. টন)। তবে চলতি বছরের পূর্বাভাসে বাংলাদেশের ধান উৎপাদন ৩.৬০ কোটি মে.টন ছাড়িয়ে যাবে ধারণা করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে এবছর ধান উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান হবে তৃতীয়।
সূত্রঃ USDA ওয়েবসাইট।

২,৭২১.
How many people were awarded 'Independence Award' in 2024?
  1. 8 persons
  2. 10 persons
  3. 11 persons
  4. 19 persons
  5. 21 persons
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পদক:
- স্বাধীনতা পদক বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার।
- মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এ পুরস্কার প্রবর্তন করে।
- এ পুরস্কার প্রদানের ক্ষেত্রগুলি হলো স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে স্মরণীয় অবদান, ভাষা আন্দোলনে অবদান, শিক্ষা, সাহিত্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, চিকিৎসা বিজ্ঞান, সাংবাদিকতা, জনসেবা, সামাজিক বিজ্ঞান, সঙ্গীত, ক্রীড়া, চারুকলা ও পল্লী উন্নয়নে অবদান।
- প্রতিটি পুরস্কারের মান একটি স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র এবং নগদ অর্থ।
- স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

• স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১০ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪' প্রদান করা হয়েছে।
- পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।

⇒ পুরস্কারপ্রাপ্তরা হচ্ছেন:
১. কাজী আব্দুস সাত্তার: স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ,
২. বীর মুক্তিযোদ্ধা ফ্লাইট সার্জেন্ট মোঃ ফজলুল হক (মরণোত্তর): স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ,
৩. বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ আবু নঈম মোঃ নজিব উদ্দীন খাঁন (খুররম) (মরণোত্তর): স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ,
৪. ড. মোবারক আহমদ খান: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি,
৫. ডাঃ হরিশংকর দাশ: চিকিৎসাবিদ্যা,
৬. মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান: সংস্কৃতি,
৭. ফিরোজা খাতুন: ক্রীড়া,
৮. অরন্য চিরান: সমাজসেবা/জনসেবা,
৯. বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডাঃ মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ বাকী: সমাজসেবা/জনসেবা,
১০. এস.এম. আব্রাহাম লিংকন: সমাজসেবা/জনসেবা,

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৭২২.
বাংলাদেশে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) এর সদস্যপদ লাভ করে কত সালে?
  1. ১৯৯৭
  2. ১৯৯৫
  3. ১৯৯৩
  4. ১৯৯৯
ব্যাখ্যা

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা ও বাংলাদেশ :
- WTO এর পূর্ণরূপ- World Trade Organization বা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা।
- ১ জানুয়ারি ১৯৯৫ সালে WTO প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বাংলাদেশে এর সদস্যপদ লাভ করে ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫।
- বাংলাদেশ WTO এর ২৮ তম সদস্যপদ লাভ করে।
- এর সদর দপ্তর - জেনেভা, সুইজারল্যান্ড। 
- বর্তমান সদস্য ১৬৪ টি। 
- সর্বশেষ সদস্য আফগানিন্তান।
- বর্তমান মহাপরিচালক - এনগোজি ওকোনজো- ইওয়েলা (নাইজেরিয়া)।
- WTO এর পূর্বনাম: General Agreement on Tariffs and Trade (GATT)
- ১৯৪৭ সালে GATT প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৪৮ সালে কার্যকর হয়।
- GATT রুপান্তরিত হয়ে WTO হয় ১ জানুয়ারী, ১৯৯৫ সালে।

উৎস: বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।

২,৭২৩.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম অনারব মুসলিম দেশ কোনটি?
  1. ইরান
  2. গাম্বিায়া
  3. সেনেগাল
  4. নাইজেরিয়া
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী দেশ:
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম অনারব মুসলিম: সেনেগাল।
- সেনেগাল স্বীকৃতি দেয় : ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২।
- ইরাক স্বীকৃতি ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- ইরান স্বীকৃতি দেয় : ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪।
- ভারত স্বীকৃতি দেয় : ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১।
- মিয়ানমার স্বীকৃতি দেয় : ১৩ জানুয়ারি ১৯৭২।
- নেপাল স্বীকৃতি দেয় : ১৬ জানুয়ারি ১৯৭২।

উৎস: MOFA ওয়েবসাইট।

২,৭২৪.
বিবিসির 'বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ নারীর তালিকা-২০২৪' তে স্থান পেয়েছেন কে?
  1. ওয়াসফিয়া নাজরীন
  2. ফেরদৌসী কাদরী
  3. সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
  4. রিক্তা আক্তার বানু
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বিবিসির বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ নারীর তালিকা-২০২৪:

- প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে ১০০ জন প্রভাবশালী ও অনুপ্রেরণাদায়ী নারীর নাম ঘোষণা করে বিবিসি।
- ২০২৪ সালে পাঁচটি বিভাগে (ক্যাটাগরি) ১০০ নারীকে বেছে নেওয়া হয়েছে।
- বিভাগগুলো হলো জলবায়ুকর্মী; সংস্কৃতি ও শিক্ষা; বিনোদন ও ক্রীড়া; রাজনীতি ও অ্যাডভোকেসি এবং বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তি।
- বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তি বিভাগে স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের রিক্তা আক্তার বানু।
- অটিস্টিক বা শেখার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা থাকা শিশুদের জন্য উত্তরাঞ্চলের এক প্রত্যন্ত গ্রামে লার্নিং ডিজঅ্যাবিলিটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করে এই তালিকায় স্থান পেয়েছেন।
- তিনি নিজের জমি বিক্রি করে এই স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।
- স্কুলটি প্রাথমিকভাবে অটিস্টিক বা শেখার প্রতিবন্ধকতা থাকা শিশুদের জন্য নির্মিত হলেও এখন এটি বিভিন্ন ধরণের বুদ্ধিমত্তা ও শারীরিক প্রতিবন্ধিতা থাকা শিশুদের জন্যও সেবা প্রদান করে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি নিউজ। [Link]
২,৭২৫.
এশিয়া ডেমোক্রেসি অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস পুরস্কার- ২০২৪ পেয়েছে কোন সংস্থা?
  1. অধিকার
  2. আইন ও সালিশ কেন্দ্র
  3. মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন
  4. বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 

⇒ এশিয়া ডেমোক্রেসি অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস পুরস্কার-২০২৪

- ২০২৪ সালের এশিয়া ডেমোক্রেসি অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস পুরস্কার জিতেছে বাংলাদেশি মানবাধিকার সংস্থা অধিকার (Odhikar)।
-
এই পুরস্কার প্রদান করেছে তাইওয়ান ফাউন্ডেশন ফর ডেমোক্রেসি (TFD)
- ২৭ নভেম্বর ২০২৪ এই পুরস্কার ঘোষণা করা হয়।
- পুরস্কার প্রদান করা হবে ১০ ডিসেম্বর ২০২৪, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসে।
- অধিকার তিন দশকের বেশি সময় ধরে নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য প্রদান করা হয়েছে।
- তাইওয়ান ফাউন্ডেশন ফর ডেমোক্রেসি (TFD), এ প্রতিবছর মানবাধিকার রক্ষায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার দেয়।
- গণতন্ত্র এবং মানবাধিকারের প্রচার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- এই পুরস্কারের সঙ্গে একটি ট্রফি এবং $১,০০,০০০ অর্থ পুরস্কার দেওয়া হবে।

⇒ উল্লেখ্য, 
- অধিকার ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি বাংলাদেশের মানবাধিকার সংগঠন।
- অধিকারের নেতৃত্বে আছেন মানবাধিকারকর্মী আদিলুর রহমান খান।
- এটি মূলত মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলি নথিভুক্ত ও প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
- মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার রক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়েও কাজ করে।
- অন্যন কাজ- মানবাধিকার গবেষণা, অ্যাডভোকেসি, সরকারের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ এবং মানবাধিকার রক্ষাকারীদের প্রশিক্ষণ।

⇒ অধিকার (Odhikar) এর কিছু উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ:

- রোম স্ট্যাটিউট স্বাক্ষরে বাংলাদেশকে উদ্বুদ্ধ করা।
- রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার লঙ্ঘন তদন্তে ভূমিকা।
- প্রতিবছর মানবাধিকার প্রতিবেদন প্রকাশ (১৯৯৬ সাল থেকে)।

এছাড়াও,
⇒ মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (MHRC) প্রতিষ্ঠা ২০০১ সালে।
কাজের ক্ষেত্র: মানবাধিকার প্রচার ও সচেতনতা বৃদ্ধি।

⇒ আইন ও সালিশ কেন্দ্র (ASK) প্রতিষ্ঠা ১৯৮৬ সালে।
কাজের ক্ষেত্র: নারী অধিকার, শিশু অধিকার এবং শ্রমিক অধিকার রক্ষা।

⇒ বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা (BHRC) প্রতিষ্ঠা ১৯৮৭ সালে।
কাজের ক্ষেত্র: মানবাধিকার রক্ষা এবং আইনি সহায়তা প্রদান।

⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (BLAST) প্রতিষ্ঠা ১৯৯৩ সালে।
কাজের ক্ষেত্র: আইনি সহায়তা প্রদান এবং বিচার ব্যবস্থার সংস্কারে কাজ।

⇒ জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (NHRC) প্রতিষ্ঠা ২০০৯ সালে
কাজের ক্ষেত্র: মানবাধিকার লঙ্ঘন প্রতিরোধ এবং পরামর্শমূলক ভূমিকা পালন।

তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট ও এশিয়া ডেমোক্রেসি অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস ওয়েবসাইট । [লিঙ্ক]
২,৭২৬.
'কুসুম্বা মসজিদ'- কোন শাসকের রাজত্বকালে নির্মিত হয়?
  1. শেরশাহ
  2. বাহাদুর শাহ
  3. গিয়াসউদ্দিন বাহাদুর শাহ
  4. ফখরুদ্দীন মোবারক শাহ
ব্যাখ্যা
কুসুম্বা মসজিদ:

- কুসুম্বা মসজিদ আত্রাই নদীর পশ্চিমতীরস্থ নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলার অন্তর্গত কুসুম্বা গ্রামের নাম অনুসারে পরিচিত।
- প্রাচীর দিয়ে ঘেরা আঙ্গিনার ভেতরে মসজিদটি অবস্থিত।
- এ আঙ্গিনায় প্রবেশের জন্য রয়েছে আকর্ষণীয় একটি প্রবেশদ্বার, যেখানে প্রহরীদের দাঁড়ানোর জায়গা রয়েছে।
- বাংলায় আফগানদের শাসন আমলে শূর বংশের শেষ দিকের শাসক গিয়াসউদ্দীন বাহাদুর শাহ-এর রাজত্বকালে জনৈক সুলায়মান মসজিদটি নির্মাণ করেন।

সূত্র: নওগাঁ জেলা ওয়েব সাইট।
২,৭২৭.
জামাল নজরুল ইসলাম একজন-
  1. ক) দার্শনিক
  2. খ) রসায়নবিদ
  3. গ) পরমাণু বিজ্ঞানী
  4. ঘ) গণিতবিদ ও পদার্থ বিজ্ঞানী
ব্যাখ্যা
- জামাল নজরুল ইসলাম একজন গণিতবিদ ও পদার্থ বিজ্ঞানী। 
- জামাল নজরুল ইসলাম ১৯৩৯ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহ শহরে জন্মগ্রহণ করেন। 
- ২০০৪ থেকে ২০০৬ মেয়াদের জন্য তাকে ইউজিসি অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।
- ২০১৩ সালের ১৬ই মার্চ শুক্রবার রাতে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ৭৪ বছর বয়সে অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলামের মৃত্যু হয়। 

তথ্যসূত্র:- প্রথম আলো।
২,৭২৮.
কোন আদালতে ভারত-বাংলাদেশ সমুদ্রসীমা বিরোধের নিষ্পত্তি ঘটে?
  1. সমুদ্রসীমা বিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল
  2. স্থায়ী সালিশি আদালত
  3. সমুদ্রসীমা বিষয়ক আন্তর্জাতিক আদালত
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা
- ২০১২ সালে মিয়ানমারের বিপক্ষে সমুদ্রসীমা বিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল ,ITLOS এবং
- ২০১৪ সালে ভারতের বিপক্ষে স্থায়ী সালিশি আদালত, PCA  সমুদ্রসীমা নিয়ে করা মামলায় বাংলাদেশের পক্ষে রায় দেয়।
- এই রায়ের ফলে বাংলাদেশ মোট ১,১৮,৮১৩ বর্গ কিমি সমুদ্রসীমা অর্জন করে। 
- বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা - ১২ নটিক্যাল মাইল।
- অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা - ২০০ নটিক্যাল মাইল।
- মহীসোপান বা সমুদ্রের তলদেশে বাংলাদেশ ভূখণ্ডের সীমানা - উপকূল থেকে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল।

উল্লেখ্য, 
- ১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিমি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৭২৯.
বাংলাদেশের কোন নদীতে বাঁধ দিয়ে প্রথম জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়?
  1. সাঙ্গু
  2. পদ্মা
  3. কর্ণফুলী নদী
  4. মাতামুহুরী
ব্যাখ্যা
জলবিদ্যুৎ: 
- নদী ও জলপ্রপাতের পানির বেগ ব্যবহার করে টার্বাইন যন্ত্রের সাহায্যে যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় তাকে জলবিদ্যুৎ বলা হয়।
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের কাপ্তাই নামক স্থানে কর্ণফুলী নদীতে নদীর গতিপথে বাঁধ দিয়ে পাকিস্তান আমলে প্রথম জলবিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা হয়।
- বর্তমান বিশ্বে তেল, গ্যাস বা পারমাণবিক চুল্লি ব্যবহারের মাধ্যমে যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় তার উৎপাদন খরচ অনেক বেশি।
- সেই তুলনায় জল বিদ্যুতের খরচ অনেক কম। সে কারণে দেশের নদীর পানি সম্পদ ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি করা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য লাভজনক।
- তবে যে ধরনের পাহাড়ি নদী থেকে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়, সে রকম পাহাড় ও নদী দেশে বেশি নেই।
- ফলে বাংলাদেশে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ কম।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২,৭৩০.
ভোজবিহার কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া 
  2. কুমিল্লা 
  3. নওগাঁ
  4. দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

ভোজবিহার:
- ভোজবিহার কুমিল্লা পল্লী উন্নয়ন একাডেমী সংলগ্ন কোটবাড়ির কেন্দ্রে অবস্থিত।
- কুমিল্লার কাছে ময়নামতীর শালবন বিহার ও আনন্দ বিহারের পর তৃতীয় বৃহদায়তন ভিক্ষু নিবাস ও স্থাপনা।
- এ যাবৎ খননকাজ যতটুকু এগিয়েছে তাতে মধ্যস্থলের মন্দিরের উপরের অংশ এবং বর্গাকার বিহারের রূপরেখা ও এর উত্তরাংশের মধ্যস্থলে অবস্থিত আকর্ষণীয় এক প্রবেশদ্বার লক্ষ্য করা যায়।
- কেবল সামান্য ছোটখাটো পার্থক্য ছাড়া এ বৌদ্ধমঠটি সবদিক দিয়েই অবিকল শালবন বিহার ও আনন্দ বিহারএর অনুরূপ।
- বিহারের মধ্যস্থলের ক্রুশাকার মন্দিরটি হলো এ প্রত্নস্থলের সর্বাপেক্ষা আকর্ষণীয় সৌধ।
- বিহারের আঙিনায় আরও রয়েছে অনেক আনুষঙ্গিক ভবন, উপাসনা  সূতপ, গৌণ মন্দিরসমূহ ও ভজনালয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া। 
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২,৭৩১.
বাংলাদেশ কবে New Development Bank এর সদস্য পদ লাভ করে?
  1. ২০২১ সালে
  2. ২০২২ সালে
  3. ২০২০ সালে
  4. ২০২৩ সালে
ব্যাখ্যা

New Development Bank:
- এটি একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- ব্রিকস দেশসমূহ (ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি বহুমুখী উন্নয়ন ব্যাংক।
- ২০১২ সালের ব্রিকস সামিটে NDB গঠনের প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়।
- ২০১৪ সালের ব্রাজিল ব্রিকস সামিটে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যার ভিত্তিতে ২০১৫ সালের ৭ জুলাই অফিশিয়াল ভাবে NBD তার কার্যক্রম শুরু করে।
- বাংলাদেশ ১৬ সেপ্টেম্বর,২০২১ সালে নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (NDB) সদস্যপদ লাভ করে। 
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২০১৫ সালের ৭ জুলাই।
- সদর দপ্তর: সাংহাই, চীন।
- NDB এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য পাঁচটি।
- প্রতিষ্ঠাতা দেশ: চীন, ভারত, ব্রাজিল, রাশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা।
- নতুন সদস্য: বাংলাদেশ, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মিশর, আলজেরিয়া নতুন সদস্য।
- প্রসপেক্টিভ সদস্য : উরুগুয়ে ,  কলম্বিয়া, উজবেকিস্তান।

উৎস: New Development Bank।[লিঙ্ক]

২,৭৩২.
বাংলাদেশ মোট কতবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়?
  1. একবার
  2. দুইবার
  3. তিনবার
  4. চারবার
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ এশিয়া অঞ্চল থেকে মোট দুইবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়।
- প্রথমবার : ১৯৭৯-১৯৮০ সাল মেয়াদে
- দ্বিতীয়বার : ২০০০-২০০১ সাল মেয়াদে।
- বাংলাদেশের হয়ে সর্বশেষ আনোয়ারুল করিম চৌধুরী নিরাপত্তা পরিষদের অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য ৫টি দেশ।
- দেশগুলো নিরাপত্তা পরিষদেরও স্থায়ী সদস্য।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ১৫টি।
- এর মধ্যে ৫টি স্থায়ী সদস্য এবং ১০টি অস্থায়ী সদস্য।
- স্থায়ী সদস্য ৫টি দেশ হলো: যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স।
- অস্থায়ী সদস্যরা ২ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়।
- নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের ভেটো ক্ষমতা রয়েছে।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে যেকোনো প্রস্তাব পাশের জন্যে এই ৫টি দেশের সম্মতির প্রয়োজন হয়।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
২,৭৩৩.
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন কে?
  1. খালেদ মাসুদ পাইলট
  2. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  3. মোহাম্মদ আশরাফুল
  4. হাবিবুল বাশার সুমন
ব্যাখ্যা

টেস্টে প্রথম:
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- প্রথম টেস্ট উইকেট শিকার করেছেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম হাফ সেঞ্চুরি করেন হাবিবুল বাশার।
- প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি: মুশফিকুর রহিম।
- প্রথম ৫ উইকেট শিকার করেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম ১০০ উইকেট মোহাম্মদ রফিকের।
- প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।
- একমাত্র ১০ উইকেট’ শিকার করেন এনামুল হক জুনিয়র।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।

২,৭৩৪.
মুঘল স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন 'বড় কাটরা' কোথায় অবস্থিত?
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. চাপাইনবাবগঞ্জ
  3. ঢাকা
  4. খুলনা
ব্যাখ্যা
বড় কাটরা:
- এটি একটি মুঘল নিদর্শন।
- ঢাকার চক বাজারের দক্ষিণে বুড়িগঙ্গা নদীর পাড়ে 'বড় কাটরা' অবস্থিত।
- সম্রাট শাহজাহানের পুত্র শাহ সুজার নির্দেশে এই ইমারতটি নির্মাণ করা হয়।
- বড় কাটরা মধ্য এশিয়ার ক্যারাভান সরাই-এর ঐতিহ্য অনুসরণে নির্মিত।
- আয়তাকারে নির্মিত এ অট্টালিকা দক্ষিণে ও উত্তরে ৬৭.৯৭ মিটার দীর্ঘ এবং ধারণা করা হয় পূর্ব-পশ্চিমে ৭০.১০ মিটার।
- বড় কাটরায় ফারসি ছন্দোবদ্ধ পংক্তিযুক্ত দুটি শিলালিপি আছে। এর একটিতে উৎকীর্ণ আছে যে, ইমারতটি ১০৫৩ হিজরিতে (১৬৪৩-৪৪ খ্রি) নির্মিত এবং অন্যটিতে আছে ১০৫৫ হিজরিতে (১৬৪৫-৪৬ খ্রি) নির্মিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৭৩৫.
কোন পণ্যটি অষ্টগ্রামের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে?
  1. তোয়ালে
  2. ব্রোঞ্জের গহনা
  3. লাল চিনি
  4. পনির
ব্যাখ্যা

 জিআই পণ্য:
- ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (Geographical Indication)।
- সংক্ষেপে GI) বলতে বোঝায় এমন একটি পণ্য, যা বিশেষ কোনো ভৌগোলিক এলাকা বা অঞ্চলের কারণে তার গুণগত মান, খ্যাতি বা অন্যান্য বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত ও স্বীকৃত।
- দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) জামদানি।
- সময়: ১৭ নভেম্বর ২০১৬ সালে স্বীকৃতি লাভ করে।
- বর্তমানে দেশে জিআই পণ্য ৬২টি। (নভেম্বর, ২০২৫)।
- সর্বশেষ জিআই পণ্য: কালিগঞ্জের তোয়ালে। (৬২তম)।[লিংক]

• বিভিন্ন এলাকার জিআই পণ্য:
- মেহেরপুরের-  হিমসাগর আম।
- ফুলবাড়ীয়ার- লাল চিনি;
- নেত্রকোণার- বালিশ মিষ্টি;
- নওগাঁর- ফজলী আম;
- মুন্সীগঞ্জের- পাতক্ষীর;
- অষ্টগ্রামের- পনির;
- গোপালগঞ্জের- ব্রোঞ্জের গহনা;
- ভোলার- মহিষের দুধের কাঁচা দই;

উৎস: পেটেন্ট, শিল্প, নকশা, ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর ও প্রথম আলো।

২,৭৩৬.
কোন স্থানটি সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানীর মর্যাদা লাভ করেছে?
  1. মহাস্থানগড়
  2. সোনারগাঁও
  3. বাগের হাট
  4. ঢাকা
ব্যাখ্যা
• মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের রাজধানী মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রনগর।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে মহাস্থানগড় অবস্থিত।
- ১৮৭৯ সালে প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের ঐতিহাসিক নিদর্শন আবিষ্কার করেন ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ আলেকজান্ডার কানিংহ্যাম।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ঐতিহাসিক স্থান।
-  ২০১৬ সালে এটিকে সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করা হয়

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৭৩৭.
ভাস্কর্য 'দুর্জয়' কোথায় অবস্থিত?
  1. আমতলা, বরিশাল
  2. সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ
  3. রংপুর সেনানিবাস, রংপুর
  4. রাজারবাগ পুলিশ লাইন, ঢাকা
ব্যাখ্যা
সেনানিবাস গুলোতে নির্মিত কয়েকটি মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য:
- ঢাকা সেনানিবাস: বিজয় কেতন, শিখা অনির্বাণ, জাহাঙ্গীর গেট, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।
- রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাস: রক্ত সোপান।
- কুমিল্লা সেনানিবাস: অনির্বাণ জেড।
- রংপুর সেনানিবাস: বিজয় গাঁথা।

⇒ বিভিন্ন স্মৃতিস্তম্ভের অবস্থান:
- দুর্জয়: রাজারবাগ পুলিশ লাইন, ঢাকা।
- দুরন্ত: শিশু একাডেমি।
- সংগ্রাম: সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ।
- বিজয় বিহঙ্গ: আমতলা, বরিশাল।
- স্বাধীনতা: ভাষা ইন্সটিটিউট সেগুনবাগিচা, ঢাকা।
- বীরের প্রত্যাবর্তন: বাড্ডা, ঢাকা।
- প্রত্যাশা: ফুলবাড়িয়া, ঢাকা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৭৩৮.
ফিফার ‎সর্বশেষ র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের অবস্থান কততম? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ৯৮তম
  2. ১০০তম
  3. ১০২তম
  4. ১০৪তম
ব্যাখ্যা

ফিফা র‍্যাঙ্কিং:
​- নারী ফুটবলে ফিফার সর্বশেষ হালনাগাদ র‍্যাঙ্কিংয়ে ২৪ ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ।
​- ১১৭৯.৮৭ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশ উঠে এসেছে ১০৪তম স্থানে।
​- বাংলাদেশের মেয়েদের রেটিং পয়েন্ট বেড়েছে ‍+৮০.৫১।
​- ফিফা জানিয়েছে, এবারের হালনাগাদ র‍্যাঙ্কিংয়ে সবচেয়ে বেশি এগোনো দল বাংলাদেশ, সবচেয়ে বেশি (‍+৮০.৫১) পয়েন্টও অর্জন করেছে বাংলাদেশ দল।

​উল্লেখ্য,
- র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে আছে স্পেন। যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষস্থান থেকে নেমে গেছে দুইয়ে। তিন ধাপ এগিয়ে তৃতীয়স্থানে উঠে এসেছে সুইডেন। 
​- আর কোপা আমেরিকাজয়ী ব্রাজিল চার থেকে সাতে নেমে গেছে। আর্জেন্টিনার মেয়েরা র‍্যাঙ্কিংয়ে ৩০তম।

​তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]

২,৭৩৯.
হার্ডিঞ্জ ব্রীজ কোন দুটি উপজেলাকে যুক্ত করেছে?
  1. ঈশ্বরদী-ভেড়ামারা
  2. চাটমোহর-ভেড়ামারা
  3. ঈশ্বরদী-দৌলতপুর
  4. চাপমোহর-দৌলতপুর
ব্যাখ্যা
হার্ডিঞ্জ ব্রিজ: 
- হার্ডিঞ্জ ব্রিজ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা ও পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলাকে যুক্ত করেছে। 
- হার্ডিঞ্জ ব্রিজ বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘ রেলসেতু। ২৪ হাজার ৪০০ শ্রমিক-কর্মচারীর পাঁচ বছর অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল এই ব্রিজ।
- তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জের নাম অনুসারে এই সেতুর নামকরণ করা হয়।
- হার্ডিঞ্জ ব্রিজের দৈর্ঘ্য প্রায় ১ দশমিক ৮ কিলোমিটার।
- ব্রিজের ওপর দুটি ব্রডগেজ রেললাইন রয়েছে।
- ১৯০৮ সালে ব্রিজ নির্মাণের মঞ্জুরি পাওয়ার পর ব্রিটিশ প্রকৌশলী স্যার রবার্ট উইলিয়াম গেইলস হার্ডিঞ্জ ব্রিজ নির্মাণের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- প্রধান প্রকৌশলী রবার্ট শুধু ব্রিজের নকশা প্রণয়ন করেন।
- ব্রিজের প্রথম প্রকল্প প্রণয়ন করেন স্যার এস এম রেলডলস।
- এই ব্রিজে রয়েছে ১৫টি মূল স্প্যান।
- মূল স্প্যান ছাড়াও দুপাশে রয়েছে তিনটি করে অতিরিক্ত ল্যান্ড স্প্যান।
- ব্রিজ নির্মাণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ছিল রেইথ ওয়ালটি অ্যান্ড ক্রিক।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৭৪০.
বাংলাদেশের প্রথম ভৌগলিক নির্দেশক পণ্য হচ্ছে -
  1. ইলিশ মাছ
  2. নকশিকাঁথা
  3. জামদানি শাড়ি
  4. সাতক্ষীরার চিংড়ি
ব্যাখ্যা
জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরূপ হলো Geographical indication 
- জাতিসংঘের সংস্থা WIPO হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- ভৌগোলিক নির্দেশক  হচ্ছে একটি প্রতীক বা চিহ্ন, যা পণ্য ও সেবার উৎস, গুণাগুণ ও সুনাম ধারণ এবং প্রচার করে।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- দেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি।

সূত্র: পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
২,৭৪১.
বাংলাদেশের বর্তমান জি আই (GI) পণ্য কয়টি?
  1. ক) ৯ টি
  2. খ) ১০ টি
  3. গ) ১১ টি
  4. ঘ) ১২ টি
ব্যাখ্যা
জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরূপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক। WIPO (world intellectual property organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশের GI পণ্য সমূহ:
১. জামদানি,
২. ইলিশ,
৩. চাঁপাইনবাবগঞ্জের - খিরসাপাত আম,
৪. বিজয়পুরের সাদা মাটি,
৫. দিনাজপুরের কাটারীভোগ,
৬. কালিজিরা,
৭. রংপুরের শতরঞ্জি,
৮. রাজশাহী সিল্ক,
৯. ঢাকাই মসলিন,
১০. বাগদা চিংড়ি,
১১. ফজলি আম।

উৎস: প্রথম আলো।
২,৭৪২.
নেত্রকোনার বালিশ মিষ্টি দেশের কততম জিআই পণ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে?
  1. ৫৮ তম
  2. ৫৯ তম
  3. ৪৮ তম
  4. ৬০ তম
ব্যাখ্যা

• দেশের ৫৮তম জিআই পণ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে নেত্রকোনার বালিশ মিষ্টি।
- সম্প্রতি পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) নেত্রকোনার শতবর্ষের ঐতিহ্যের ধারক 'বালিশ মিষ্টি' কে দেশের ৫৮তম জিআই পণ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে।
- বালিশ মিষ্টির উৎপত্তি নেত্রকোনা শহরের বারহাট্টা রোড এলাকায়।
- আনুমানিক ১২০ বছর আগে স্থানীয় মিষ্টান্ন প্রস্তুতকারক গয়ানাথ ঘোষ প্রথম এই মিষ্টি তৈরি করেন।
- নেত্রকোনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ২০২৩ সালে ডিপিডিটিতে বালিশ মিষ্টির জিআই স্বীকৃতির জন্য আবেদন করা হয়।
- এর আগে ২০২১ সালে নেত্রকোনার দুর্গাপুরের বিজয়পুরের সাদামাটি জিআই স্বীকৃতি পেয়েছিল।

উৎস: পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর এবং দৈনিক ইত্তেফাক।[লিঙ্ক]

২,৭৪৩.
২০২৪ সালের নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশীপ জয় করে কোন দেশ?
  1. নেপাল
  2. ভুটান
  3. ভারত
  4. বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
- ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের মেয়েরা প্রথমবার সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়।
- ২০২৪ সালে টানা দ্বিতীয়বার সাফ চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশের মেয়েরা।
- ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর, কাঠমান্ডুর দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে ফাইনালে নেপালের মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ।
- ফাইনাল খেলায় বাংলাদেশ ২–১ ব্যবধানে জিতে দ্বিতীয় বারের মতো সাফ শিরোপা জিতেছিল।
- বাফুফের নতুন সভাপতি তাবিথ আউয়াল।

উৎস: প্রথম আলো।
২,৭৪৪.
বাংলাদেশের দ্রুততম ইউনিকর্ন স্টার্ট আপ কোনটি?
  1. বিকাশ
  2. নগদ
  3. টেন মিনিটস স্কুল
  4. রবি
ব্যাখ্যা
'ইউনিকর্ন' স্টার্টআপ কোম্পানি ২০২৩:

- একটি স্টার্টআপের সামগ্রিক মূল্যমান ১ বিলিয়ন বা ১০০ কোটি ডলারের সমান হলে তাকে ইউনিকর্ন কোম্পানি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এ ছাড়া কোম্পানির মূল্যমান ১০ বিলিয়ন বা ১ হাজার কোটি ডলার পার হলে তাকে ডেকাকর্ন কোম্পানির মর্যাদা দেওয়া হয়।
- দেশে সবচেয়ে দ্রুততম সময়ে ‘ইউনিকর্ন’ স্টার্টআপ বা ১০ হাজার কোটি টাকার কোম্পানি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান নগদ।
- ২৯ জুলাই ২০২৩ সালে ‘বাংলাদেশ স্টার্টআপ সামিট ২০২৩’ অনুষ্ঠানে নগদকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে এ–বিষয়ক সরকারি স্বীকৃতি ‘ফাস্টেস্ট টু ইউনিকর্ন অ্যাওয়ার্ড’ গ্রহণ করেন নগদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক।
- সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানি ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড’ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২৯ জুলাই ২০২৩।
২,৭৪৫.
বাংলাদেশে পলিথিন ব্যবহার নিষিদ্ধ হয় -
  1. ক) ২০০১ সালে
  2. খ) ২০০২ সালে
  3. গ) ২০০৩ সালে
  4. ঘ) ২০০৪ সালে
ব্যাখ্যা
- ২০০২ সালে প্রণীত বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ (সংশোধন) আইন অনুযায়ী দেশে পলিথিন ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়।
বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ (সংশোধন) আইন, ২০০২ অনুযায়ী -
- সকল বা যে কোন প্রকার পলিথিন শপিং ব্যাগ, বা পলিইথাইলিন বা পলিপ্রপাইলিনের তৈরী অন্য কোন সামগ্রী বা অন্য যে কোন সামগ্রী পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর, তাহা হইলে, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, সমগ্র দেশে বা কোন নির্দিষ্ট এলাকায় এইরূপ সামগ্রীর উৎপাদন, আমদানী, বাজারজাতকরণ, বিক্রয়, বিক্রয়ের জন্য প্রদর্শন, মজুদ, বিতরণ, বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে পরিবহন বা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করিবার বা প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত শতাধীনে ঐ সকল কার্যক্রম পরিচালনা বা ব্যবস্থাপনার বিষয়ে নির্দেশ জারী করিতে পারিবে এবং উক্ত নির্দেশ পালনে সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি বাধ্য থাকিবেন।

উৎস: বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ (সংশোধন) আইন, ২০০২।
২,৭৪৬.
কোন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী পাটের জীবন রহস্য উদ্ভাবন করেন?
  1. ড. সাইদুর রহমান সাইফি
  2. ড. মাকসুদুল আলম
  3. ড. মিনহাজুল করিম
  4. ড. আব্দুল আলিম
ব্যাখ্যা

পাটের জীবন রহস্য: 
- ড. মাকসুদুল আলম ছিলেন একজন বাংলাদেশী জিনতত্ত্ববিদ।
- তিনি ২০১০ সালে পাটের জীবন রহস্য উদ্ভাবন করেন।
- তার নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডাটাসফটের একদল উদ্যমী গবেষকের যৌথ প্রচেষ্টায় ২০১০ সালের মাঝামাঝি সময়ে সফলভাবে উন্মোচিত হয় পাটের জিন নকশা।
এছাড়া
- তিনি পেঁপে, রাবার ও এক ধরনের ছত্রাকেরও জীবন রহস্য উদঘাটন করেন।
- ২০১৪ সালের ২০ ডিসেম্বর তিনি যুক্তরাষ্ট্রে মারা যান।

উৎস: বিবিসি বাংলা এবং প্রথম আলো,

২,৭৪৭.
হুমায়ূন আহমেদের ‘আগুনের পরশমণি’ চলচ্চিত্র মুক্তিপ্রাপ্ত হয় -
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৯৪ সালে
  3. ১৯৯৬ সালে
  4. ১৯৯৮ সালে
ব্যাখ্যা
আগুনের পরশমণি:
- নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘আগুনের পরশমণি’ ১৯৯৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর মুক্তি পায়।
- চলচ্চিত্রটি তার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ‘আগুনের পরশমণি’ (১৯৯৪) অবলম্বনে নির্মিত।
- এটি হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র। 
- এটি সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত ছবি।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালের মে মাসে ঢাকা শহরের এক অবরুদ্ধ পরিবার এবং সেখানে আশ্রয় নেয়া এক গেরিলা মুক্তিযোদ্ধার কাহিনী চিত্রিত হয় এ চলচ্চিত্রে।
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন বিপাশা হায়াত, আসাদুজ্জামান নূর, আবুল হায়াত, ডলি জহুর প্রমুখ।
- চলচ্চিত্রটি আটটি বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।
২,৭৪৮.
'আমার স্বপ্ন, আমার সংগ্রাম' গ্রন্থের লেখক কে?
  1. শেখ রেহানা
  2. অমিয় চক্রবর্তী
  3. সজীব ওয়াজেদ জয়
  4. শেখ হাসিনা
ব্যাখ্যা
• শেখ হাসিনা:
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- তিনি ২০০৯ সাল থেকে টানা বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত।
- তার আগে ১৯৯৬ সালে তিনি দেশের ১০ম প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন।
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ।

• মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ:
১. শেখ মুজিব আমার পিতা,
২. দারিদ্র্য বিমোচন, কিছু ভাবনা,
৩. ওরা টোকাই কেন?
৪. বাংলাদেশে স্বৈরতন্ত্রের জন্ম,
৫. আমার স্বপ্ন, আমার সংগ্রাম,
৬. আমরা জনগণের কথা বলতে এসেছি,
৭. সামরিকতন্ত্র বনাম গণতন্ত্র,
৮. সাদা কালো,
৯. সবুজ মাঠ পেরিয়ে,
১০. Miles to Go,
১১. The Quest for Vision - 2021,

উৎস:
- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ওয়েবসাইট।
- আওয়ামীলীগ ওয়েবসাইট।
 - প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
২,৭৪৯.
বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ক) ১৩৬১ বঙ্গাব্দ
  2. খ) ১৩৬৩ বঙ্গাব্দ
  3. গ) ১৩৬৯ বঙ্গাব্দ
  4. ঘ) ১৩৬২ বঙ্গাব্দ
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
• ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
• ১৯৫৬ সালের ১ ডিসেম্বর মুহম্মদ এনামুল হক (১৯০২-১৯৮২) একাডেমীর প্রথম পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
• বাংলা একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক প্রফেসর মাযহারুল ইসলাম (১৯৭২ সাল)।
• বাংলা একাডেমির প্রথম সভাপতি মাওলানা আঁকরাম খাঁ (১৯৬১ সাল)।
• বাংলা একাডেমির স্বপ্নদ্রষ্টা হলেন ড. মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ।  

তথ্যসূত্র;- বাংলাপিডিয়া। 
২,৭৫০.
‘মওলানা ভাসানী সেতু’ কোন নদীর ওপর নির্মিত হয়েছে?
  1. বুড়িগঙ্গা
  2. তিস্তা
  3. শীতলক্ষ্যা
  4. মহানন্দা
ব্যাখ্যা

মওলানা ভাসানী সেতু
- তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত হয়েছে ‘মওলানা ভাসানী সেতু’।
- এটি গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর ঘাট থেকে কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী পর্যন্ত বিস্তৃত।
- সেতুটির দৈর্ঘ্য ১৪৯০ মিটার এবং প্রস্থ ৯.৬০ মিটার এবং সেতুটিতে মোট ৩০টি পিলার রয়েছে।
- সেতুটি সৌদি ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহায়তায় ও এলজিইডির তত্ত্বাবধানে চীনা একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করেছে।
- মোট নির্মাণ ব্যয় হয়েছে ৮৮৫ কোটি টাকা।
- ২০ আগস্ট, ২০২৫ সেতুটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

তথ্যসূত্র- বাসস।

২,৭৫১.
ভারতের সাথে বাংলাদেশের পানি চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. দার্জিলিং
  2. কোলকাতা
  3. নয়াদিল্লি
  4. ঢাকা
ব্যাখ্যা
গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি:
- গঙ্গা নদী ভারতের উত্তর প্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের গোয়ালন্দের কাছে ব্রহ্মপুত্র নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- গঙ্গা নদী বাংলাদেশে পদ্মা নামে অভিহিত।
- ফারাক্কা বাঁধ গঙ্গা নদীর উপর অবস্থিত একটি বাঁধ।
- ভারতের হুগলী নদীতে পানি সরবরাহ এবং কলকাতা বন্দরটি সচল করার জন্য ১৯৭৪ সালে এই ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করা হয়।

⇒ ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রথম পরিকল্পনা করে ১৯৫১ সালে।
- ১৯৬১ সালে এই বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
- প্রাথমিকভাবে নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭০ সালে।
- তবে ব্যবহার উপযোগী করতে পুরোপুরিভাবে এর নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭৪ সালের ডিসেম্বরে।
- ২১ এপ্রিল, ১৯৭৫ থেকে এই বাঁধ চালু হয়।

⇒ ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশে পানির প্রবাহ কমতে থাকার প্রেক্ষাপটে ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- উল্লেখ্য, ৩০ বছরের চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের মধ্যে শেষ হবে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) BBC বাংলা।
২,৭৫২.
কোন শহরের একটি সড়কের নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে রাখা হয়েছে?
  1. কলকাতা
  2. দিল্লী
  3. লণ্ডন
  4. বেইজিং
ব্যাখ্যা
বিদেশে বঙ্গবন্ধুর নামানুসারে সড়ক:
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বঙ্গবন্ধু স্কয়ার, বঙ্গবন্ধু স্মৃতিকক্ষ, বঙ্গবন্ধু মঞ্চ, বঙ্গবন্ধু ভবন, বঙ্গবন্ধু স্কুল, বঙ্গবন্ধু স্মারক জাদুঘর, বঙ্গবন্ধু চেয়ার, বঙ্গবন্ধু বৃত্তি, বঙ্গবন্ধু কর্নার ছাড়াও রয়েছে একাধিক সড়ক, সরণি, ওয়ে, লেন ও স্ট্রিট।
- ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব লেন, কলকাতায় শেখ বঙ্গবন্ধু সরণি, কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনে শেখ মুজিবুর রহমান রোড, মিশরের আংকারায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বুলবার্ড, ফিলিস্তিনে মুজিব স্ট্রিট, মরিশাসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্ট্রিট, আমেরিকার শিকাগোতে শেখ মুজিব ওয়ে এবং লস অ্যাঞ্জেলেসে ‘In Memory of Sheikh Mujibur Rahman’ ইত্যাদি, সব মিলিয়ে সাত-আটটি স্মৃতি সড়ক রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বঙ্গবন্ধুর নামে দেশের বাইরে প্রথম সড়ক নামকরণ করা হয় ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজধানী কলকাতায়।
- ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার ১৯৯৭ সালে পার্ক সার্কাস রাস্তাটিকে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সরণি’তে নামান্তর করেন।
- কলকাতাসহ বাংলাদেশ উপদূতাবাসের সামনে শহরের অন্যতম প্রাণকেন্দ্রে অবস্হিত এই সড়কটি।
- যার দূরত্ব-দৈর্ঘ্য এক কিলোমিটার।

অন্যদিকে -
- দিল্লি শহরের পৌর কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে নয়া দিল্লিতে বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা ও সম্মান জানিয়ে শঙ্কর রোড-মন্দির মর্গ ট্রাফিক চত্বর থেকে রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালের পার্শ্ববর্তী মাদার তেরেসা ক্রিসেন্ট পর্যন্ত পার্ক স্ট্রিটের একাংশের নাম বদলে রাখা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সড়ক।
- যেটি আওরঙ্গজেব রোড নামেই সর্বাধিক পরিচিত ছিল।
- ২০১৭ সালে ৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের সময় তা আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়।

উৎস: ১৩ আগস্ট ২০২২, দৈনিক ইত্তেফাক। [link]
২,৭৫৩.
পুলিৎজার বিজয়ী প্রথম বাংলাদেশি সাংবাদিক -
  1. ক) মোঃ পনির হোসেন
  2. খ) মুন্নী সাহা
  3. গ) ফারজানা রুপা
  4. ঘ) খালেদ মহিউদ্দিন
ব্যাখ্যা
পুলিৎজার বিজয়ী বাংলাদেশি: 
- ২০১৭ সালে সংঘটিত হওয়া রোহিঙ্গা ইস্যুতে তাদের চরম দুর্ভোগের স্থিরচিত্র তুলে ধরেন আন্তর্জাতিক নিউজ এজেন্সি রয়টার্স।
- এই হৃদয়বিদারক ছবির জন্য পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছেন রয়টার্স এর ৭ জনের একটি দল।
- এ মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশের মোঃ পনির হোসেন
- পুলিৎজারকে বলা হয় সাংবাদিকদের অস্কার পুরস্কার।
- এই প্রথম কোনও বাংলাদেশি হিসেবে তিনি সাংবাদিকদের জন্য বিশ্বের সবচাইতে সম্মানজনক পুলিৎজার পুরস্কার পেলেন।

উৎস: বিবিসি(১৭ এপ্রিল ২০১৮)।
২,৭৫৪.
নিচের কোনটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয়?
  1. ক) বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন
  2. খ) কম্পট্রোলার ও অডিটর জেনারেল
  3. গ) বাংলাদেশ কর কমিশন
  4. ঘ) এটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা
• সংবিধানিক প্রতিষ্ঠান:
- সংবিধান হলো গ্ণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন। 
 - সাংবিধানিক উপায়ে যে সকল প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা হয় তাকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলে।
- সংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠা, পদের মেয়াদ, পদমর্যাদা, পদত্যাগ ও অপসারণ পদ্ধতি এবং দায়িত্ব সংবিধানে সুনির্দিষ্ট ও সুষ্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ রয়েছে।
- সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান- ৪টি।
১. নির্বাচন কমিশন,
২. সরকারি কর্ম কমিশন,
৩. অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়,
৪. মহা হিসাব নীরিক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়।
---------------------------

- সাংবিধানিক পদ মোট ১১টি। কিন্তু শপথযুক্ত সাংবিধানিক পদ ৯টি। 
১. রাষ্ট্রপতি,
২. প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপ-মন্ত্রী,  
৩. স্পীকার,
৪. ডেপুটি স্পিকার, 
৫. নির্বাচন কমিশনার,  
৬. প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতি, 
৭. মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, 
৮. সংসদ সদস্যগণ,
৯. সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যগণ,  
১০. অ্যাটর্নি জেনারেল, 
১১. ন্যায়পাল। 
- তবে নিয়োগ ও শপথ নেই ন্যায়পালের। তাই সাংবিধানিক পদে নিযুক্ত ১০টি। শপথবিহীন সাংবিধানিক পদ দুটি- ন্যায়পাল ও অ্যাটর্নি জেনারেল।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশের সংবিধান, জাতীয় তথ্য বাতায়ন। [লিংক]
২,৭৫৫.
কাবাডি খেলাকে জাতীয় খেলার মর্যাদা দেয়া হয় কত সালে?
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৩ সালে
  4. ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
কাবাডি:
- কাবাডি খেলাকে জাতীয় খেলার মর্যাদা দেয়া হয় ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন গঠিত হয় ১৯৭৩ সালে।
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ সফররত ভারতীয় কাবাডি দলের সঙ্গে প্রথম কাবাডি টেস্ট খেলে।
- ১৯৭৮ সালে এশিয়ান অ্যামেচার কাবাডি ফেডারেশন গঠন করা হয়।
- ১৯৮০ সালে সফলভাবে প্রথম এশীয় কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজন করা হয়
এবং এতে ভারত চ্যাম্পিয়ন ও বাংলাদেশ রানার্স আপ হয়।

সূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২,৭৫৬.
বাংলাদেশ  জাতীয় নারী ফুটবল দলের বর্তমান প্রধান কোচ হলেন-  [নভেম্বর,২০২৫]
  1. সাইফুল বারী টিটু
  2. হাসান আল-মামুন
  3. পিটার বাটলার
  4. হাভিয়ের কাবরেরা
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল হেড কোচ পিটার বাটলার।

• বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন:
- সংক্ষেপে বাফুফে নামে পরিচিত।
- এটি হচ্ছে বাংলাদেশের ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
- এই সংস্থাটি ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- এটি ১৯৭৬ সালে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফার সদস্যপদ লাভ করে।
- ১৯৭৩ সালে সংস্থাটি তাদের আঞ্চলিক সংস্থা এএফসির সদস্য পদ লাভকরে।
- এর বর্তমান সভাপতি তাবিথ আউয়াল।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের বর্তমান হেড কোচ হলেন ফিল সিমন্স।
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল হেড কোচ পিটার বাটলার।
- বাংলাদেশ পুরুষ জাতীয় ফুটবল দলের বর্তমান প্রধান কোচ হলেন-হাভিয়ের কাবরেরা।

উৎস: বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

২,৭৫৭.
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রহ করেন কে?
  1. হাবিবুল বাশার
  2. নাইমুর রহমান
  3. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  4. জাভেদ ওমর বেলিম
ব্যাখ্যা
⇒ প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।

টেস্টে প্রথম:

- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- প্রথম টেস্ট উইকেট শিকার করেছেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম হাফ সেঞ্চুরি করেন হাবিবুল বাশার।
- প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- প্রথম ৫ উইকেট শিকার করেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম ১০০ উইকেট মোহাম্মদ রফিকের।
- একমাত্র ১০ উইকেট’ শিকার করেন এনামুল হক জুনিয়র।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
২,৭৫৮.
Recently, in the last series, Bangladesh cricket team has completed their first T20 International series win against ____.
  1. ক) India
  2. খ) New Zealand
  3. গ) South Africa
  4. ঘ) England
  5. ঙ) None
ব্যাখ্যা
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয় লাভ করে বাংলাদেশ।
- মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচ সেরা নাসুম আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমানের অসাধারণ বোলিংয়ে ১৯.৩ ওভারে - - ৯৩ রানে অল আউট হয়ে হয়েগিয়েছিল নিউজিল্যান্ড।
- জয়ের জন্য বাংলাদেশকে খেলতে হয়েছে ১৯.১ ওভার পর্যন্ত। 

- টি-টোয়েন্টিতে এটা বাংলাদেশের নবম সিরিজ জয়। একাধিক ম্যাচের সিরিজ এর আগে বাংলাদেশ জিতেছে পাঁচটি। যেসব সিরিজে মাত্র একটি টি-টোয়েন্টি ছিল, এমন সিরিজ জয় আছে তিনটি।

এর আগে-
- বাংলাদেশের জেতা সিরিজগুলো হচ্ছে- জিম্বাবুয়ে ১-০ (২০০৬), ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১-০ (২০১২), আয়ারল্যান্ড ৩-০ (২০১২), পাকিস্তান ১-০ (২০১৫), ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২-১ (২০১৮), জিম্বাবুয়ে ২-০ (২০২০), জিম্বাবুয়ে ২-১ (২০২১) ও অস্ট্রেলিয়া ৪-১ (২০২১)। 

তথ্যসূত্র: দৈনিক ডেইলি স্টার
২,৭৫৯.
২০২৩ সালে র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন কোন বাংলাদেশী?
  1. আহমেদ ছোবহান খোকন
  2. করভি রাখসান্দ
  3. জাকির মির্জা
  4. সোহরাব হোসেন অপি
ব্যাখ্যা
ম্যাগসেসে পুরস্কার ২০২৩:
- বাংলাদেশের জাগো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা করভি রাকসান্দ এশিয়ার নোবেল খ্যাত রামোন ম্যাগসেসে পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।
- তাঁর সঙ্গে সম্মানজনক এই পুরস্কার পেয়েছেন ভারত,  ফিলিপাইন ও পূর্ব  তিমুরের আরো তিন জন।
- ৩১ আগস্ট, ২০২৩ র‌্যামন ম্যাগসেসে অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইটে এবারের পুরস্কার জিয়ীদের নাম প্রকাশ করা হয়।
- ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় অবস্থিত র‌্যামন ম্যাগসেসে অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন এ পুরস্কার প্রদান করে থাকে। 

তথ্যসূত্র: বাসস (৩১ আগস্ট, ২০২৩)।
২,৭৬০.
'জাগ্রত চৌরঙ্গী' কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. গাজীপুর
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
জাগ্রত চৌরঙ্গী:
- জাগ্রত চৌরঙ্গী গাজীপুর এর জয়দেবপুরে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বপ্রথম স্মারক ভাস্কর্য হলো জাগ্রত চৌরঙ্গী।
- মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে ১৯৭১ সালে ১৯ শে মার্চ গাজীপুরে সংঘটিত প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ সংগ্রামের চেতনার আলোকে ও শহীদ হুরমত আলীসহ অন্যান্য শহীদদের স্মরনে নির্মিত হয় জাগ্রত চৌরঙ্গী।
- ভাস্কর্যটির উচ্চতা মাটি থেকে ১০০ (একশত) ফুট।
- দুপাশে ১৬ ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ১১ নং সেক্টরের ১০৭ জন এবং ৩নং সেক্টরের ১০০ জন শহীদ সৈনিকের নাম খোদাই করা রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৭৬১.
'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' জাপানী ভাষায় অনুবাদ করেন কে?
  1. ক) কাজুহিরো ওয়াতানাবে
  2. খ) শিনজো আবে
  3. গ) হারুহিতো কুরুপা
  4. ঘ) চাই শি
ব্যাখ্যা
- 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' জাপানী ভাষায় অনুবাদ করেন - কাজুহিরো ওয়াতানাবে।
- বইয়ের প্রকাশনা সংস্থা আকাশি শোতেন।
- বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী হচ্ছে কাজুহিরো ওয়াতানাবের করা পূর্ণাঙ্গ একটি গ্রন্থের জাপানি ভাষায় প্রথম প্রকাশিত অনুবাদ।

- বাংলাদেশের ওপর এদের প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য দুটি গ্রন্থ হচ্ছে বাংলাদেশবিষয়ক দুই গবেষক মাইয়ুমি মুরাইয়ামা ও মাসাআকি ওহাশি সম্পাদিত প্রশ্নোত্তরে বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত সাবেক জাপানি রাষ্ট্রদূত মাৎসুশিরো হোরিগুচির লেখা প্রামাণ্যগ্রন্থ বাংলাদেশের ইতিহাস।

- জাপানি ভাষায় প্রকাশিত বইয়ের কয়েকটি কপি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করার মধ্য দিয়ে বইটি প্রকাশের বার্তা বাংলাদেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। 

- বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনীর জাপানি অনুবাদক কাজুহিরো ওয়াতানাবে বাংলাদেশের পাঠকদের কাছে বাংলা ভাষায় প্রকাশিত তাঁর কয়েকটি অনুবাদের জন্য পরিচিত।
- তাঁর অনুবাদে ঢাকায় প্রকাশিত হয়েছে জাপানের প্রয়াত রাজনীতিবিদ তাকাশি হায়াকাওয়ার লেখা আমার বাংলাদেশ এবং জাপানে রেডক্রসের সাবেক কর্মী তাদামাসা ফুকিউরার মুক্তিযুদ্ধের সময়ের স্মৃতি রক্ত ও কাদা ১৯৭১।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (১ আগস্ট, ২০১৫)।
২,৭৬২.
মহামুনি বিহার কোথায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া
  2. চট্টগ্রাম
  3. নওগা
  4. দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
• মহামুনি বিহার:
- মহামুনি বিহার চট্টগ্রামের রাউজানে অবস্থিত।
- রাউজান উপজেলার ২০০ বছরের ঐতিহাসিক প্রাচীন নিদর্শন মহামুনি বিহার।
- 'চাইঙ্গা ঠাকুর' নামের এক বৌদ্ধ ধর্মগুরু এই বিহারে ১৮০৫ মতান্তরে ১৮১৩ খ্রিষ্টাব্দে মহামানব গৌতম বুদ্ধের মূর্তি স্থাপন করেন।
- এ কারণে গৌতম বুদ্ধের নামে এ বিহারের নামকরণ করা হয় মহামুনি মন্দির।
- এই মন্দিরটির কারণে মহামুনি গ্রাম ধর্মপ্রাণ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্র তীর্থস্থানে পরিণত হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট জেলার ওয়েবসাইট।
২,৭৬৩.
২০২৫ সালে ক্রীড়ায় একুশে পদক পেয়েছে- 
  1. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল
  2. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল
  3. অনুর্ধ্ব-১৯ নারী ফুটবল দল
  4. অনুর্ধ্ব-১৯ জাতীয় ক্রিকেট দল
ব্যাখ্যা

একুশে পদক ২০২৫:
- একুশে পদক- ২০২৫ পেয়েছেন দেশের বিশিষ্ট ১৭ জন ব্যক্তি ও ১টি প্রতিষ্ঠান।
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ১৭ নাগরিককে একুশে পদক ২০২৫ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
- এ বছর ক্রীড়ায় একুশে পদক পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল

একুশে পদক ২০২৫ প্রাপ্ত ব্যক্তি:
• গবেষণা - মঈদুল হাসান (মূলধারা ৭১ এর রচয়িতা)।
• ভাষা ও সাহিত্যে - শহীদুল জহির (মো. শহীদুল হক) (মরণোত্তর) ও হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর)।
• সংস্কৃতি ও শিক্ষা - ড. শহীদুল আলম (ফটোগ্রাফার, মানবাধিকার কর্মী এবং দৃকের প্রতিষ্ঠাতা),
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি - মেহেদী হাসান খান (অভ্র'র জনক) ও রিফাত নবী, তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
• সাংবাদিকতা - মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর)।
• সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার - মাহমুদুর রহমান।
• শিল্পকলা (চলচ্চিত্র) - আজিজুর রহমান (মরণোত্তর) (ছুটির ঘণ্টা এবং আরও অনেক ছবির পরিচালক),
• সংগীত - উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) ও ফেরদৌস আরা।
• আলোকচিত্র - নাসির আলী মামুন।
• চিত্রকলা - রোকেয়া সুলতানা।
• শিক্ষা - ড. নিয়াজ জামান।
• সমাজসেবা - মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর)।

উৎস: ডেইলি স্টার বাংলা ও প্রথম আলো।

২,৭৬৪.
পাটের জিনোম আবিষ্কার করেন কে?
  1. আহসান কবীর
  2. মাহমুদুর রহমান
  3. মাকসুদুল আলম
  4. মাহমুদ কবীর
ব্যাখ্যা
• বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম:
- মাকসুদুল আলম ছিলেন জিনতত্ত্ববিদ।
- ১৯৫৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর মাদারীপুরে জন্মগ্রহণ করেন মাকসুদুল আলম।
- জার্মানির ম্যাক্স প্ল্যাংক ইনস্টিটিউট থেকে ১৯৮৭ সালে প্রাণরসায়নে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি।
- তাঁর নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডেটাসফটের একদল উদ্যমী গবেষকের যৌথ প্রচেষ্টায় ২০১০ সালের মাঝামাঝি সময়ে সফলভাবে উন্মোচিত হয় পাটের জিনোম সিকোয়েন্স বা পাটের জীবনরহস্য।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৭৬৫.
জাতীয় সংসদ ভবন কত একর জমির ওপর নির্মিত?
  1. ৩২০ একর
  2. ২১৫ একর
  3. ১৮৫ একর
  4. ১২২ একর
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইনসভা।
- আইন অনুসারে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ হল এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা।
- জাতীয় সংসদ সম্পর্কে নির্দেশনা রয়েছে সংবিধানের পঞ্চম ভাগে।

⇒ জাতীয় সংসদ ভবন:
- এটি ঢাকার শেরে-বাংলা নগর এলাকায় অবস্থিত।
- প্রখ্যাত মার্কিন স্থপতি লুই কান এটির মূল স্থপতি।
- ছাদ ও দেয়ালের স্ট্রাকচারাল ডিজাইনার হ্যারি পাম ব্লুম।
- সংসদ এলাকার আয়তন: ২১৫ একর,
- সংসদ ভবনের আয়তন: ৩.৪৪ একর,
- সংসদ ভবনের উচ্চতা: ১৫৫ ফুট।
- জাতীয় সংসদের আসন ৩৫০টি।
- ৫০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৭৬৬.
বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রথম অধিনায়ক কে ছিলেন?
  1. ক) আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  2. খ) আনোয়ারুল করিম শামীম
  3. গ) গাজী আশরাফ লিপু
  4. ঘ) শফিকুল হক হীরা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ক্রিকেট অধিনায়ক:

- বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রথম অধিনায়ক আনোয়ারুল করিম শামীম। তিনি ১৯৭৭ সালে MCC এর বিরুদ্ধে অধিনায়কত্ব করেন।
- ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু।
- প্রথম ওয়ানডে ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক ছিলেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম টি-টুয়েন্টি ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন শাহরিয়ার নাফীস।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ৯ আগস্ট ২০১৪.
২,৭৬৭.
পৃথিবীর বিখ্যাত একজন বাঙালি স্থপতি -
  1. ক) মাকসুদুল আলম
  2. খ) এফ.আর খান
  3. গ) মাজহারুল ইসলাম
  4. ঘ) মুবাসসার আলী
ব্যাখ্যা
ফজলুর রহমান খান (১৯২৯ - ১৯৮২) বিশ্বখ্যাত বাংলাদেশী স্থপতি ও পুরকৌশলী। তিনি পৃথিবীর অন্যতম উচ্চ ভবন শিকাগোর সিয়ার্স টাওয়ার (বর্তমানে উইলস টাওয়ার)-এর নকশা প্রণয়ন করেন। তাকে বিংশ শতকের শ্রেষ্ঠ প্রকৌশলী বলা হয়।
২,৭৬৮.
দেশের প্রথম সামরিক ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন নির্মিত হবে কোথায়?
  1. আনোয়ারা
  2. মিরসরাই 
  3. গাজীপুর
  4. কর্ণফুলী
ব্যাখ্যা

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে অবস্থিত জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এনএসইজেড)-এ  ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন করার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।

- মিরসরাইতে প্রায় ৮৫০ একর জমি earmark করা হলো।
- জমি বর্তমানে খালি এবং আগের Indian Economic Zone প্রকল্প বাতিল হওয়ায় উপলব্ধ।
- জমিটিকে ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
- এই সিদ্ধান্ত মাস্টার প্ল্যানে অন্তর্ভুক্ত হবে।

উৎস: প্রথম আলো।

২,৭৬৯.
Bangabandhu was addressed as 'Poet of Politics' by whom?
  1. Loren Jenkins
  2. Fidel Castro
  3. Nirmalendu Goon
  4. David Frost
  5. Yasser Arafat
ব্যাখ্যা
Poet of Politics:
- রাজনীতির কবি ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব’।
- তিনি শুধু বাঙালির বঙ্গবন্ধু নয়, বিশ্ববরেণ্য রাজনীতিক 'বিশ্ববন্ধু' উপাধিতেও বিশ্বনন্দিত।
- তিনি ছিলেন বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের একজন স্বপ্নদ্রষ্টা। 
- ৫ এপ্রিল, ১৯৭১ সাংবাদিক লোরেন জেঙ্কিন্স সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন Newsweek পত্রিকায় তার প্রতিবেদনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'রাজনীতির কবি' বা Poet of Politics বলে আখ্যায়িত করেছিলেন।
-  সকল শ্রেণী ও আদর্শের অনুসারীদের একতাবদ্ধ করার জন্য সম্ভবত তাঁর 'স্টাইল' সবচেয়ে বেশি উপযোগী ছিল।
- এ প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী ৭ মার্চের ভাষণকে এক অনবদ্য কবিতা এবং বঙ্গবন্ধুকে মহাকবি হিসেবে ভূষিত করার অবারিত যুক্তি রয়েছে।
 
উল্লেখ্য,
- নিউজউইক যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন।
- ১৯৩৩ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
 
উৎস: i) রাষ্ট্রপতির কার্যালয়।
          ii) ১৫ আগস্ট ২০১৮, দৈনিক জনকণ্ঠ।
২,৭৭০.
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিচারপতি কে? 
  1. ফারাহ খান
  2. সোমা এস সাইদ
  3. নাজমা হোসেন
  4. রুকাইয়া চৌধুরী
ব্যাখ্যা

• যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিচারপতি: 
- যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এবং নিউইয়র্ক সিটির কুইন্সের প্রথম মুসলিম বিচারপতি হিসেবে নিউইয়র্ক স্টেট সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন সোমা এস সাইদ।

- সোমা সাঈদ বাংলাদেশের টাঙ্গাইল জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তার বাবা আফতাব উদ্দিন সাঈদ ছিলেন একজন ম্যাজিস্ট্রেট এবং মা ছিলেন একজন প্রধান শিক্ষিকা।

- তিনি ২০২১ সালে কুইন্স কাউন্টি থেকে নিউ ইয়র্ক সিটি সিভিল কোর্টের বিচারক হিসেবে নির্বাচিত হন।
- এরপর থেকে আইনি ও নাগরিক পরিমণ্ডলে তিনি সম্মানিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত।
- এছাড়া, তিনি কুইন্স কাউন্টি উইমেনস বার অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম দক্ষিণ এশীয় এবং মুসলিম নারী সভাপতি ছিলেন। 

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো ও বাংলাদেশ প্রতিদিন। 

২,৭৭১.
নিচের কোনটি ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য?
  1. ক) আনন্দ বিহার
  2. খ) সোমপুর বৌদ্ধ বিহার
  3. গ) লালবাগ কেল্লা
  4. ঘ) কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের সংখ্যা তিনটি। এগুলো হলো:
- নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার (১৯৮৫)
- বাগেরহাট জেলার ষাটগম্বুজ মসজিদ (১৯৮৫)
- সুন্দরবন (১৯৯৭)।
- এর মধ্যে পাহাড়পুরের সোমপুর বৌদ্ধবিহার (৩২২তম) ও ষাটগম্বুজ মসজিদ (৩২১তম) হলো সাংস্কৃতিক বিশ্ব ঐতিহ্য এবং সুন্দরবন (৭৯৮তম) হলো প্রাকৃতিক বিশ্ব ঐতিহ্য।
(সূত্র: ইউনেস্কো ওয়েবসাইট)
২,৭৭২.
কত সালে একুশে পদক পুরস্কার চালু করা হয়?
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
একুশে পদক:
- ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক প্রবর্তিত অন্যতম সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
- ১৯৭৬ সালে প্রথম এ পুরস্কার চালু করা হয়।
জাতীয় জীবনে নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিশিষ্ট অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সরকার একুশে পদক প্রদান করে থাকে।
- প্রতিটি পুরস্কারে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে নগদ ১৮ ক্যারেট মানের তিন ভরি ওজনের স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র ও নগদ অর্থ।
- শুরুতে পুরস্কারের অর্থের পরিমাণ ছিল পঁচিশ হাজার টাকা।
- সরকার ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী আবুল বরকত রফিক উদ্দিন আহমদ, আবদুস সালাম ও আবদুল জববার এ চারজন শহীদকে ২০০০ সালে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করে।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
বাংলাপিডিয়া।
২,৭৭৩.
’দি আল্টিমেট ফেইট অফ দি ইউনিভার্স’ বইটির লেখক কে?
  1. কাজী মোতাহার হোসেন
  2. জামাল নজরুল ইসলাম
  3. কুদরত-ই-খুদা
  4. আ ফ ম ইউসুফ হায়দার
  5. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
 বিজ্ঞানী প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম:
- বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. জামাল নজরুল ইসলাম। পেশাগতভাবে তিনি ছিলেন একজন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী, এবং তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র ছিল আপেক্ষিকতা, বিশ্বতত্ত্ব এবং কোয়ান্টাম তত্ত্ব।
- আইনষ্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্ব, কোয়ান্টাম মেকানিক্স, কসমোলজি ও মহাবিশ্বের সৃষ্টি তত্ত্বের মতো জটিল বিষয় নিয়ে করেছেন মৌলিক গবেষণা।
- তিনি ১৯৩৯ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৮৩ সালে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে প্রকাশিত তাঁর বই ’দি আল্টিমেট ফেইট অফ দি ইউনিভার্স’ বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়।
- বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত বাংলা ভাষায় তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত বই ⎯ 'কৃষ্ণগহ্বর’ (ব্ল্যাক হোল)।
- তাঁর গবেষণা আইনস্টাইন-পরবর্তী মহাবিশ্ব গবেষণায় বিরাট অবদান রেখেছে।
- সৌরজগতের বিভিন্ন গ্রহ কখনো এক সরলরেখায় এলে পৃথিবীর ওপর তার প্রভাব পড়বে কি না, তা নিয়ে কাজ করেছেন তিনি।

উল্লেখ্য,
- ২০০০ সালে তিনি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ’একুশে পদকে’ ভূষিত হন।
- ২০১৩ সালের ১৬ই মার্চ চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
          ii) ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, প্রথম আলো।
২,৭৭৪.
বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিলের নির্বাহী পরিষদের সভাপতি কে?
  1. ক) রাষ্ট্রপতি
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) পরিকল্পনামন্ত্রী
  4. ঘ) অর্থমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনায় জাতীয় নীতি ও উদ্দেশ্য সম্বলিত উন্নয়ন কর্মসূচি অনুমোদনের জন্য দেশের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ।
- এ পরিষদ কর্তৃক প্রণীত লক্ষ ও উদ্দেশ্য অনুযায়ী সাধারণত বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ তাদের নিজ নিজ পরিকল্পনা ও কর্মসূচি প্রণয়ন করে।
- মন্ত্রিপরিষদের সকল সদস্য এ পরিষদের সদস্য থাকেন।
প্রধানমন্ত্রী তথা সরকার প্রধান পরিষদের সভায় সভাপতিত্ব করেন।
প্রয়োজন মাফিক পরিষদের সভা আহবান করা হয়।
- কোনো নির্দিষ্ট সভার আলোচ্য বিষয়ের গুরুত্ব বা প্রকৃতি অনুসারে সভায় কারা উপস্থিত থাকবেন তা নির্ধারিত হয়।
- প্রথম পর্যায়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এনইসির সচিবালয় হিসেবে কাজ করত।
- পরবর্তীকালে এ সচিবালয় পরিকল্পনা কমিশনে স্থানান্তরিত হয়।
- জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের কার্যাবলির মধ্যে রয়েছে: (১) পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ও সকল অর্থনৈতিক নীতি প্রণয়নে সামগ্রিক দিগনির্দেশনা দান; (২) নীতি, কর্মসূচি ও পরিকল্পনা চূড়ান্তকরণ ও অনুমোদন; (৩) উন্নয়ন কর্মসূচির বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা; (৪) আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য বিবেচ্য সকল ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ; (৫) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের দায়িত্ব সম্পাদনের ক্ষেত্রে সহায়তা  প্রদানের নিমিত্তে প্রয়োজনীয় কমিটি নিয়োগ করা।

উৎস:-  বাংলাপিডিয়া।
২,৭৭৫.
বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গা শিশুদের লেখাপড়ার সুবিধা দেয়ার জন্য জাতিসংঘের কোন শাখাটি কাজ করছে?
  1. ক) ইউনেস্কো
  2. খ) ইউনিসেফ
  3. গ) ইউএনডিপি
  4. ঘ) সার্ক
ব্যাখ্যা
কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে ইউনিসেফ ২২৮টি লার্নিং সেন্টার করে ইংরেজি ও বার্মিজ ভাষায় রোহিঙ্গা শিশুদেরকে অনানুষ্ঠানিক প্রাথমিক শিক্ষা দিচ্ছে। [সূত্র: bbc.com]
২,৭৭৬.
নবযুগ তেভাগা খামার কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. শামসুল আলম
  2. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  3. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
  4. আবদুল লতিফ সিদ্দিকী
ব্যাখ্যা

নবযুগ তেভাগা খামার:
- অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- ১৯৭৪ সালে ড. মুহাম্মদ ইউনূস 'নবযুগ তেভাগা খামার' প্রতিষ্ঠা করেন।
- এটি পরবর্তীতে সরকার প্যাকেজ প্রোগ্রামের আওতায় অধিগ্রহণ করে।
- ড. ইউনূস চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক থাকা অবস্থায় বিভাগে কাজের পাশাপাশি আশপাশের গ্রামে ঘুরতেন।
- জোবরা ও সংলগ্ন গ্রামগুলোতে শুরু করেছিলেন একটি মাঠ গবেষণা, যেখানে তিনি যাচাই করতে চেয়েছিলেন সমাজের একেবারে নিচুতলার মানুষের মধ্যে ব্যাংকঋণ সরবরাহের সম্ভাব্যতা।
- সেখানে শুরুতে তেভাগা পদ্ধতি কৃষকদের খামার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমের কার্যক্রম শুরু করেন অধ্যাপক ইউনূস।
- যার নাম ছিল নবযুগ তেভাগা খামার।
- জমি যার সে ফসলের তিন ভাগের এক ভাগ পাবে, আর যে বীজ দেবে সার দেবে সে পাবে এক ভাগ, আর চাষ করবে, পানি দেবে সে পাবে এক ভাগ।

সূত্র: বিবিসি ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২,৭৭৭.
সর্বশেষ বাংলাদেশের কোন শিল্পটি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেয়েছে? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. জামদানি বয়ন শিল্প
  2. শীতল পাটি বয়ন শিল্প
  3. নকশিকাঁথা শিল্প
  4. টাঙ্গাইল শাড়ি বয়ন শিল্প
  5. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য:
- ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ আর সৃষ্টিশীলতাকে লালন করার প্রত্যয়ে ইউনেস্কো ঘোষিত সংস্কৃতি বিষয়ক বিভিন্ন কনভেনশনের আলোকে বিএনসিইউ’র সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়।
- বর্তমানে দেশে ৬টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে।
- এগুলো হলো: বাউলগান (২০০৮), জামদানি বুননশিল্প (২০১৩), মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬) ও শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭), ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩) ও টাঙ্গাইল শাড়ি বুননের ঐতিহ্যবাহী শিল্প (২০২৫) ।

উল্লেখ্য,
- সর্বশেষ ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেয়েছে টাঙ্গাইল শাড়ি বয়ন শিল্প।
- ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে ভারতের নয়াদিল্লির লালকেল্লায় এক অধিবেশনে ইউনেসকোর রিপ্রেজেন্টেটিভ লিস্ট অব ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটিতে (আইসিএইচ) আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
- দীর্ঘদিন ধরে বাঙালির নন্দনচর্চা, ঐতিহ্য ও সামাজিক বুননে বিশেষ স্থান দখল করে থাকা টাঙ্গাইলের শাড়ি তার সূক্ষ্ম, দীপ্তিময় নকশা ও অপূর্ব কারুকাজের জন্য বিশ্বে পরিচিত। 
- বাংলাদেশের ষষ্ঠ আইসিএইচ উপাদান হিসেবে টাঙ্গাইল বয়নশিল্প চূড়ান্তভাবে তালিকাভুক্ত হলো।

উৎস: i) বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।
ii) প্রথম আলো।

২,৭৭৮.
বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮২ সালে
  2. ১৯৮৪ সালে
  3. ১৯৮৬ সালে
  4. ১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি):
- বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) দেশের একমাত্র ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেখানে খেলাধুলার সাথে সাধারণ শিক্ষার সমন্বিত কার্যক্রম রয়েছে।
- ক্রীড়ার মানোন্নয়ন, উদীয়মান ও প্রতিভাবান শিশু-কিশোর-তরুণ ক্রীড়াবিদদের নিবিড় প্রশিক্ষণ প্রদানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলা হয়।
- ঢাকার অদূরে সাভারে এ প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত। 
- বিকেএসপি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৬ সালে। 
- বিকেএসপি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি বিধিবদ্ধ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২,৭৭৯.
বঙ্গবন্ধু দ্বীপ কোথায় অবস্থিত?
  1. সুন্দরবনের দক্ষিণে
  2. সন্দ্বীপের পশ্চিমে
  3. হাতিয়ার উত্তরে
  4. ভোলার পশ্চিমে
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু দ্বীপ:
- বঙ্গবন্ধু দ্বীপ সুন্দরবনের দক্ষিণে অবস্থিত।
- বঙ্গবন্ধু দ্বীপ যা পুটুনির দ্বীপ নামেও পরিচিত।
- এটি বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলার মংলা উপজেলার সুন্দরবনের অংশ 'দুবলার চর' থেকে ১০ কিলোমিটার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ।
- ১৯৯২ সালে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে প্রথম নতুন জেগে ওঠা একটি চরের দেখা পান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একনিষ্ঠ ভক্ত, মালেক ফরাজী নামের এক মৎস শিকারী।
- এ সময় তিনি জনমানবহীন এ দ্বীপের নাম দেন ‘বঙ্গবন্ধু দ্বীপ' এবং সেখানে একটি সাইনবোর্ড লাগিয়ে দিয়ে আসেন।
- পরবর্তীতে ২০০৪ সালের পর থেকে দ্বীপটির আয়তন ক্রমেই বড় হচ্ছে এবং না ডুবে স্থিতিশীল অবস্থায় আসছে।
- এটি নতুন পর্যটন আকর্ষণীয় স্থান।

উৎস: ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, প্রথম আলো। 
২,৭৮০.
খাবার স্যালাইনের উদ্ভাবক প্রতিষ্ঠান কোনটি? 
  1. ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
  2. আইসিডিডিআর,বি
  3. ব্র্যাক
  4. গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র
ব্যাখ্যা

ICDDR,B:
- ICDDR,B এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার হলো ওরস্যালাইন।
- আইসিডিডিআর.বি (ICDDR,B/আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ) ঢাকা শহরের মহাখালীতে অবস্থিত
চিকিৎসাবিষয়ক গবেষণা এবং সেবা প্রদানকারী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান।
- আনুষ্ঠানিকভাবে এটির আন্তর্জাতিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ১৯৭৯ সালে।
- ICDDR,B এর পূর্ণরূপ হচ্ছে (International Centre for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh).
ICDDR,B এর সদর দপ্তর ঢাকার মহাখালীতে অবস্থিত।

উৎস: আইসিডিডিআরবি এর ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।

২,৭৮১.
সার্কের প্রথম মহাসচিব কে ছিলেন?
  1. গোলাম সারওয়ার
  2. আবুল আহসান
  3. হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
  4. এন. এম. হামিদুল্লাহ্‌
ব্যাখ্যা
সার্ক:
- সার্ক হলো দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর একটি বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরাম।
- ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকায় সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সার্কের প্রথম মহাসচিব ছিলেন বাংলাদেশের আবুল আহসান।
- সার্কের বর্তমান মহাসচিব বাংলাদেশের মোঃ গোলাম সারোয়ার। (অক্টোবর, ২০২৪)
- প্রথম সার্ক সম্মেলন ১৯৮৫ সালের ৭-৮ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর নেপালের কাঠমুন্ডু শহরে অবস্থিত।
- সার্কের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৮টি।
- এগুলো হলো:
• বাংলাদেশ।
• ভারত
• পাকিস্তান
• নেপাল
• শ্রীলংকা
• ভুটান
• মালদ্বীপ
• আফগানিস্তান।

তথ্যসূত্র - সার্ক ওয়েবসাইট।
২,৭৮২.
বাংলাদেশ কোন সালে 'ওআইসি'র সদস্যপদ লাভ করে? 
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ওআইসির সদস্যপদ লাভ করে ২য় শীর্ষ সম্মেলন, ১৯৭৪ সালে।

• ওআইসি:
- OIC-এর পূর্ণরূপ: The Organization of Islamic Cooperation.
- OIC একটি ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা।
- এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- গঠন: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯, মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে।
- প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়: রাবাত, মরক্কো (১৯৬৯ সালে)।
- ১৯৭৪ সালে পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসির ২য় শীর্ষ সম্মেলনে  বাংলাদেশ ওআইসির সদস্যপদ লাভ করে। 
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ২৪টি।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি। 
- সদরদপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব।
- এটির অফিসিয়াল ভাষা: আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি।

উল্লেখ্য,
- OIC-এর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের ৫১তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় তুরস্ক, ২১-২২ জুন, ২০২৫।

তথ্যসূত্র: OIC ওয়েবসাইট। 

২,৭৮৩.
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৯২ সালে
  2. খ) ১৯৯৬ সালে
  3. গ) ১৯৯৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯৯৬ সালের ২২শে মার্চ সেগুনবাগিচায় বেসরকারি উদ্যোগে দেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- সেগুনবাগিচার ভাড়া বাড়ি থেকে ২০১৭ সালের এপ্রিলে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর শেরে বাংলা নগর আগারগাঁওয়ে সরকার প্রদত্ত জমিতে নির্মিত নিজস্ব ভবনে স্থানান্তর করা হয়।
(তথ্যসূত্রঃ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ওয়েবসাইট)
২,৭৮৪.
বঙ্গবন্ধু মানমন্দির কোথায় নির্মাণ করা হবে?
  1. ক) গোপালগঞ্জ
  2. খ) ফরিদপুর
  3. গ) নারায়ণগঞ্জ
  4. ঘ) গাজীপুর
ব্যাখ্যা
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, আগস্ট-২০১৯।
২,৭৮৫.
জোবেরা রহমান লিনু কোন খেলার জন্য বিখ্যাত?
  1. টেবিল টেনিস
  2. দাবা 
  3. সাঁতার
  4. অ্যাথলেটিক্স
ব্যাখ্যা

জোবেরা রহমান লিনু:
- জোবেরা রহমান লিনু বাংলাদেশের বিখ্যাত টেবিল টেনিস খেলোয়াড়।
- বাংলাদেশের টেবিল টেনিসের রেকর্ড ১৬ বারের চ্যাম্পিয়ন তিনি।
- ১৯৭৭ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত ১৬ বার জাতীয় চ্যাম্পিয়ন তিনি।

উল্লেখ্য,
- মাত্র আট বছর বয়সে ১৯৭৩ সালে জোবেরা রহমান লিনু প্রথম টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।
- ১৯৭৪ সালে প্রথম জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নেন।
- ২০০২ সালের মে মাসে নাম লেখান ‘গিনেস বুক রেকর্ডসে’।
- ২০০৫ সালে বাংলাদেশে ইউনিসেফের ক্রীড়াদূতও হয়েছিলেন লিনু।

উৎস:দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

২,৭৮৬.
পদ্মা সেতুর প্রস্থ কত?
  1. ১৮.১০ মিটার
  2. ১৮.২০ মিটার
  3. ১৮.১৫ মিটার
  4. ১৮.৩০ মিটার
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:
- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- পদ্মা সেতুর নকশা প্রণয়ন করে AECOM।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- সেতুর প্রস্থ ১৮.১০ মিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার ।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ তারিখে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর, ২০২০ তারিখে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন, ২০২২ তারিখে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উৎস: i) ২৫ জুন, ২০২২, The Daily Star বাংলা।
         ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।
২,৭৮৭.
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদক কে?
  1. সৈয়দ আলী আহসান
  2. মুনীর চৌধুরী
  3. সৈয়দ হাফিজুর রহমান
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
জাতীয় সঙ্গীত:
- ১৯৭৮ সালে ‘জাতীয় সঙ্গীত বিধিমালা’ অনুসারে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের একটি ইংরেজী অনুবাদ প্রণয়ন করা হয়।  
- ইংরেজি অনুবাদটি করেছিলেন সৈয়দ আলী আহসান
- জাতীয় সঙ্গীতের মোট চরণ সংখ্যা পঁচিশটি (২৫)।
- এর মধ্যে গানের প্রথম ১০ ছত্র কণ্ঠসঙ্গীত এবং
- প্রথম ৪ ছত্র যন্ত্রসঙ্গীত হিসেবে পরিবেশনের বিধান রাখা হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৭৮৮.
‘সংশপ্তক’ ভাস্কর্যটি কোন বিষয়কে কেন্দ্র করে নির্মিত?
  1. ভাষা আন্দোলন
  2. মহান মুক্তিযুদ্ধ
  3. ছয় দফা আন্দোলন
  4. স্বদেশি আন্দোলন
ব্যাখ্যা

সংশপ্তক:
- মহান মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে নির্মিত ভাস্কর্য ‘সংশপ্তক’।
- এটি মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির অকুতোভয় বীরত্বগাথার স্মারক।
- ভাস্কর্যটির অবস্থান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার ভবনের সামনে।
- চার স্তরের লাল সিরামিক ইটের বেদির ওপর ব্রোঞ্জের তৈরি।
- ভাস্কর্যটির উচ্চতা প্রায় ১৫ ফুট।
- ২৬ মার্চ ১৯৯০ সালে এটি স্থাপিত হয়।
- এর ভাস্কর স্থপতি হামিদুজ্জামান খান।
- ভাস্কর্যটিতে মূর্ত হয়েছে যুদ্ধে শত্রুর আঘাতে এক হাত ও এক পা হারিয়েও বন্দুক হাতে লড়ে যাওয়া এক বীরের প্রতিকৃতি। যিনি পঙ্গুত্ববরণ করেও নির্ভীক এবং যুদ্ধে জয়লাভে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

২,৭৮৯.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য- প্রস্থের অনুপাত কত?
  1. ১১ : ৭
  2. ১০ : ৮
  3. ১০ : ৬
  4. ৮ : ৫
ব্যাখ্যা

→ জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত: ১০:৬ (৫:৩)।

প্রথম পতাকা উত্তোলন:
- ২ মার্চ, ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্র জনতার সমাবেশে তৎকালীন ঢাকসুর ভিপি আ.স.ম আব্দুর রব স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেছিল।
- গৃহীত হয় ৬ মার্চ, ১৯৭১ সালে।
- ২৩ মার্চ ১৯৭১, বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা আনুষ্ঠানিক উত্তোলন করেন এবং একই দিনে সারা বাংলাদেশে।
- বাংলাদেশের বাহিরে প্রথম উত্তোলন: কলকাতাস্থ পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনারে।

→ উল্লেখ্য:
- সংবিধানের ৪ নং অনুচ্ছেদের জাতীয় পতাকার কথা বলা হয়েছে।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- মানচিত্র খচিত পতাকার নকশাকার: শিব নারায়ণ দাস।

তথ্যসূত্র - স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস।

২,৭৯০.
মেরিনা তাবাশ্যুম কোনো প্রকল্পের জন্য দ্বিতীয় দফায় আগা খান স্থাপত্য পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন?
  1. ভাস্কর্য 
  2. মানবিক বাড়ি 
  3. কমিউনিটি হাউজিং
  4. খুদি বাড়ি
ব্যাখ্যা

• আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার:
- ২০২৫ সালে আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার লাভ করে মেরিনা তাবাশ্যুম।
- মেরিনা তাবাশ্যুম ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’–এর প্রধান পরামর্শক।

⇒ বাংলাদেশের খ্যাতিমান স্থপতি মেরিনা তাবাশ্যুম দ্বিতীয় দফায় স্থাপত্যের সম্মানজনক স্বীকৃতি আগা খান পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।
- তাঁর নকশা করা ‘খুদি বাড়ি’ প্রকল্প আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার–২০২৫–এর জন্য মনোনীত হয়েছে।
- সেপ্টেম্বর, ২০২৫-এ কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে এই পুরস্কারের জন্য মেরিনা তাবাশ্যুমসহ সাত বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হয়।
- বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারপারসন মেরিনা তাবাশ্যুম প্রথম বাংলাদেশি স্থপতি, যিনি দ্বিতীয়বার এ পুরস্কার জিতেছেন। 
- মেরিনা তাবাশ্যুম এর আগে ২০১৬ সালে ঢাকার দক্ষিণখানে বাইতুর-রউফ মসজিদের নকশার জন্য আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার জিতেছিলেন। সুলতানি আমলের স্থাপত্যের আদলে নকশা করা এ মসজিদ ২০১২ সালে নির্মিত হয়।

উল্লেখ্য,
- প্রয়াত প্রিন্স করিম আগা খান চতুর্থ ১৯৭৭ সালে আগা খান পুরস্কার প্রবর্তন করেন। এ পুরস্কারের মাধ্যমে এমন নির্মাণশৈলী চিহ্নিত করে উৎসাহ দেওয়া হয়, যাতে মুসলিম অধ্যুষিত জনগোষ্ঠীর আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটে। 

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো।

২,৭৯১.
২০২৫ সালের বাংলা একাডেমি পুরস্কারে গবেষণায় পুরস্কার পেয়েছেন- [জানুয়ারি,২০২৬] 
  1. মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া
  2. মাসুদ খান
  3. সলিমুল্লাহ খান
  4. রেজাউর রহমান
ব্যাখ্যা

• বাংলা একাডেমি:  
- বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার সমসাময়িক জীবিত লেখকদের মৌলিক অবদানের স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য প্রদান করা হয়।
- পুরস্কারের মাধ্যমে শিক্ষা ও সংস্কৃতির উন্নয়ন এবং অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়।
- এই পুরস্কার বাংলা সাহিত্যের ১০টি শাখায় প্রদান করা হয়।
- ২০২৫ সালের বাংলা একাডেমি পুরস্কার (মূলত ২০২৪ সালের জন্য) ২৯ জানুয়ারি, ২০২৫ সালে ঘোষণা করা হয়েছে।
- ২০২৫ সালের বাংলা একাডেমি পুরস্কারে গবেষণায় পুরস্কার পেয়েছেন- মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া।

উল্লেখ্য,
• বাংলা একাডেমি ২০২৪ এর পুরস্কারপ্রাপ্তরা:
- কবিতা: মাসুদ খান।
- নাটক ও নাট্যসাহিত্য: শুভাশিস সিনহা।
- প্রবন্ধ/গদ্য: সলিমুল্লাহ খান।
- অনুবাদ: জি এইচ হাবীব।
- বিজ্ঞান শাখা: রেজাউর রহমান।
- ফোকলোর: সৈয়দ জামিল আহমেদ।

উৎস: বাংলা একাডেমি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

২,৭৯২.
স্বাধীনতা পদক প্রাপ্তদের প্রত্যেককে নগদ অর্থ হিসেবে কত টাকা প্রদান করা হয়?
  1. ক) তিন লক্ষ টাকা
  2. খ) চার লক্ষ টাকা
  3. গ) পাঁচ লক্ষ টাকা
  4. ঘ) ছয় লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা
‘স্বাধীনতা পদক’ বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক।
১৯৭৭ সাল থেকে এই পদক প্রদান করা হচ্ছে। স্বাধীনতা পদক মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রদান করা হয়।
স্বাধীনতা পদক প্রাপ্তদের প্রত্যেককে যা প্রদান করা হয়:
- আঠারো ক্যারেট মানের পঞ্চাশ গ্রাম স্বর্ণ দ্বারা নির্মিত একটি পদক
- পদকের একটি রেপ্লিকা
- নগদ পাঁচ লক্ষ টাকা
- একটি সম্মাননাপত্র।
(সূত্র: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট)
২,৭৯৩.
বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে ইউনিসেফের শুভেচ্ছা দূত-
  1. ক) সাকিব আল হাসান
  2. খ) তামিম ইকবাল
  3. গ) মাশরাফি বিন মর্তুজা
  4. ঘ) মুশফিকুর রহিম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমকে নতুন ‘শুভেচ্ছা দূত’ হিসেবে মনোনীত করেছে ইউনিসেফ। সারা দেশে শিশু অধিকার বিষয়ে প্রচারণার জন্য ইউনিসেফের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন তিনি। এর আগে ইউনিসেফের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে কাজ করেছেন হাবিবুল বাশার সুমন, মোহাম্মদ আশরাফুল ও সাকিব আল হাসান। শুভেচ্ছা দূত হয়ে মুশফিক বলেন, ‘ক্রিকেটার এবং একজন বাবা হিসেবে আমি বাচ্চাদের জন্য ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সবাইকে একত্রিত করতে যথাসাধ্য চেষ্টা করব।’
উৎসঃ দৈনিক পত্রিকা।
২,৭৯৪.
লালবাগ কেল্লা কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) দিল্লি
  2. খ) আগ্রা
  3. গ) নাগপুর
  4. ঘ) ঢাকা
ব্যাখ্যা
লালবাগ কেল্লা পুরাতন ঢাকার লালবাগে অবস্থিত। সতের শতকে ১৬৭৮ সালে সুবাদার আজম শাহ এটির নির্মাণ কাজ শুরু করেন। মাঝে এর কাজ বন্ধ হয়ে গেলে ১৬৮০ সালে শায়েস্তা খা পুনরায় এর কাজ শুরু করে এটি নির্মাণ করেন। এর অভ্যন্তরে শায়েস্তা খা কন্যা পরীবিবির মাজার অবস্থিত। ১৯১০ সালে লালবাগ কেল্লা কে প্রত্নতত্ত্ব নির্দশন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর আদি নাম কেল্লা আওরঙ্গবাদ। লালবাগে অবস্থিত হওয়ায় পরে এর নামকরণ করা হয় লালবাগ কেল্লা।
(সূত্রঃ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
২,৭৯৫.
বাংলাদেশ সর্বপ্রথম NAM-এর কোন সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছিল?
  1. বান্দুং সম্মেলন
  2. বেলগ্রেড সম্মেলন
  3. আলজিয়ার্স সম্মেলন
  4. কারাকাস সম্মেলন
ব্যাখ্যা
জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (NAM):
- NAM-এর পূর্ণরূপ: Non-Aligned Movement.
- NAM একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন, যা মূলত শীতল যুদ্ধের সময়ে বিশ্ব রাজনীতির দুটি প্রধান শক্তির ব্লক- পূর্ব ব্লক (সোভিয়েত ইউনিয়ন) এবং পশ্চিম ব্লক (যুক্তরাষ্ট্র)-এর বাইরে থাকার উদ্দেশ্যে গঠন করা হয়েছিল।
- এর প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য ছিল বিভিন্ন দেশকে নিরপেক্ষভাবে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে সহায়তা করা, যাতে তারা কোনো একটি শক্তির পক্ষও নিতে বাধ্য না হয়।
- প্রথম সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৬১ সালে তৎকালীন যুগোস্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে।

উল্লেখ্য,
- স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন সংগঠনের সদস্য হয়।
- ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল সর্বপ্রথম আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত ন্যাম-এর ৪র্থ শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে।

উৎস: NAM ওয়েবসাইট।
২,৭৯৬.
বাংলাদেশ কোন সনে CTBT অনুমোদন করে?
  1. ১৯৯৯
  2. ২০০০
  3. ২০০১
  4. ২০০২
ব্যাখ্যা
CTBT:
- CTBT এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।

CTBTO:
- পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ সংস্থা CTBTO।
- এর সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৯৬ সালে সিটিবিটিতে স্বাক্ষর করে।
- বাংলাদেশ ২০০০ সালে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে এটি অনুমোদন করে।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
২,৭৯৭.
বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল শহর -
  1. ক) সিলেট
  2. খ) গাজীপুর
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ 'ডিজিটাল সিটি' হিসেবে যাত্রা শুরু করেছে সিলেট
- নগরীর নিরাপত্তায় আইটি ক্যামেরা চালুর পর এবার ফ্রি পাবলিক ওয়াইফাই সেবা চালু হয়েছে।
-  মার্চ ২০১৯ সাল থেকে  থেকে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ ৬২ এলাকায় এ সেবা পাচ্ছেন নগরবাসী।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিলেটকে 'ওয়াইফাই সিটি' আখ্যা দিয়ে পাবলিক ওয়াইফাইয়ের ইউজার নাম রেখেছেন 'ডিজিটাল বাংলাদেশ'।
- আর পাসওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে জাতীয় স্লোগান 'জয় বাংলা'।

উৎস: দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা নিউজ।
২,৭৯৮.
দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কোথায় সমাহিত করা হয়েছে?
  1. শেরে বাংলা নগর
  2. আজিমপুর
  3. বনানী 
  4. মিরপুর
ব্যাখ্যা

• বেগম খালেদা জিয়া:
- বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী (১৯৯১-১৯৯৬, ২০০১-২০০৬) এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারপার্সন। 
- বেগম খালেদা জিয়া ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুর জেলার জলপাইগুড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর আদি নিবাস ছিল ফেনী জেলার ফুলগাজী থানায়। 
- ১৯৬০ সালে তৎকালীন ক্যাপ্টেন এবং পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়।
- ১৯৮১ সালের ৩০মে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নির্মম হত্যাকান্ডের পর তাঁর প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কঠিন সংকটের সম্মুখীন হয়।
- দলের এ সংকটকালে ১৯৮৩ সালের মার্চ মাসে খালেদা জিয়া দলের সহসভাপতি এবং ১৯৮৪ সালের ১০ মে চেয়ারপার্সন পদে নির্বাচিত হন। 
- খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ১৯৮৩ সালে সাতদলীয় জোট গঠন করে জেনারেল এরশাদের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রামে অবতীর্ণ হয়। 

- ১৯৯১ সালের ২০ মার্চ বেগম খালেদা জিয়া দেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
- খালেদা জিয়ার উদ্যোগে রাষ্ট্রপতি-শাসিত থেকে সংসদীয় সরকারব্যবস্থায় উত্তরণের লক্ষ্যে ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট জাতীয় সংসদে সংবিধানের ঐতিহাসিক দ্বাদশ সংশোধনী বিল পাস হয়। 
- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থার অধীনে খালেদা জিয়া ১৯ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পুনরায় শপথ গ্রহণ করেন।
- ১৯৯৩-৯৪ অর্থবছরে দেশে প্রথমবারের মতো উৎপাদন ও আমদানি পর্যায়ে মূল্য সংযোজন কর প্রবর্তন করা হয়, যার মাধ্যমে রাজস্ব আহরণের নতুন দুয়ার উন্মুক্ত হয়।
- পল্লী অঞ্চলে মেয়েদের মাধ্যমিক শিক্ষা অবৈতনিক করা হয় এবং মাধ্যমিক পর্যায়ের ছাত্রীদের জন্য দেশব্যাপী একটি উপবৃত্তি কর্মসূচি চালু করা হয়।
- ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৬টায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। 
-  ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে সম্পন্ন শেষে শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে তাঁর স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো। 

২,৭৯৯.
বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রবর্তন করা হয় কত সালে? 
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৬০ সালে
  3. ১৯৫৫ সালে
  4. ১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি পুরস্কার:
- বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়: ১৯৬০ সালে।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

• বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪:
- কবিতা- মাসুদ খান,
- নাটক ও নাট্যসাহিত্য- শুভাশিস সিনহা,
- প্রবন্ধ/গদ্য- সলিমুল্লাহ খান,
- বিজ্ঞান: রেজাউর রহমান,
- অনুবাদক: জি এইচ হাবিব,
- গবেষণা- মুহম্মদ শামজাহান মিয়া,
- ফোকলোর- সৈয়দ জামিল আহমেদ।

উৎস: বাংলা একাডেমি  ওয়েবসােইট।

২,৮০০.
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক কোনটি?
  1. একুশে পদক
  2. স্বাধীনতা পদক
  3. বাংলা একাডেমী পদক
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা পুরস্কার:
- স্বাধীনতা পুরস্কার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার।
- মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এ পুরস্কার প্রবর্তন করে।
- জাতীয় জীবনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশিষ্ট অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশের নাগরিককে স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- এ পুরস্কার প্রদানের ক্ষেত্রগুলি হলো স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে স্মরণীয় অবদান, ভাষা আন্দোলনে অবদান, শিক্ষা, সাহিত্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, চিকিৎসা বিজ্ঞান, সাংবাদিকতা, জনসেবা, সামাজিক বিজ্ঞান, সঙ্গীত, ক্রীড়া, চারুকলা ও পল্লী উন্নয়নে অবদান।
- এ ছাড়া জাতীয় জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রে অসাধারণ কৃতিত্ব প্রদর্শনকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকেও এ পুরস্কারে ভূষিত করার বিধান রয়েছে।
- প্রতিটি পুরস্কারের মান একটি স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র এবং নগদ অর্থ। পুরস্কারের নগদ অর্থের পরিমান সূচনালগ্নে ছিল বিশ হাজার টাকা।
- ২০০৪ সালে তা এক লক্ষ টাকায় উন্নীত হয়। স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।