বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

মোট প্রশ্ন৩,৮২৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

PrepBank · পাতা ২৫ / ৩৮ · ২,৪০১২,৫০০ / ৩,৮২৪

২,৪০১.
বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৭৯ সালে
  4. ১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন:
- বাংলাদেশ অলিম্পিক সংস্থা (Bangladesh Olympic Association - BOA) বাংলাদেশের জাতীয় অলিম্পিক কমিটি।
- এটি আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (IOC) স্বীকৃতিপ্রাপ্ত।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৬ সালে।
- বিশ্ব অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশানের সদস্যপদ লাভ করে: ১৯৮০ সালে।
- সদর দপ্তর: পুরানা পল্টন, ঢাকা।
- বর্তমান সভাপতি: জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

উৎস: Bangladesh Olympic Association ওয়েবসাইট।
২,৪০২.
বাংলাদেশ এগমন্ট গ্রুপের কততম সদস্য দেশ -
  1. ক) ১৩০
  2. খ) ১৩১
  3. গ) ১৩২
  4. ঘ) ১৩৩
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ এগমন্ট গ্রুপের ১৩২ তম দেশ ।
• বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) এগমন্ট গ্রুপের সদস্যপদ পেয়েছে।
• এগমন্ট গ্রুপ হচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (এফআইইউ) সমন্বয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক ফোরাম, যারা মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়নসংক্রান্ত তথ্য নিয়ে কাজ করে।
• বাংলাদেশ এই সংগঠনের সদস্যপদ পাওয়ায় এখন এই ফোরামের মোট সদস্যসংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ১৩২টিতে। 

উৎসঃ প্রথম আলো।
২,৪০৩.
বিনত বিবির মসজিদ অবস্থিত-
  1. নওগাঁ
  2. নাটোর
  3. পুটিয়া
  4. ঢাকার নারিন্দা
ব্যাখ্যা

• বিনত বিবি মসজিদ:
- ঢাকার ঐতিহ্যবাহী এ সকল মসজিদের মধ্যে বেশির ভাগই পুরান ঢাকায় অবস্থিত।
- পুরান ঢাকার ৬নং নারিন্দা রোডে এখনো গৌরবের সাথে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে ঢাকার সর্বপ্রথম মসজিদ হিসেবে পরিচিত নারিন্দা বিনত বিবির মসজিদটি। 

- এটি ঢাকার সবচেয়ে পুরোনো স্থাপত্য নিদর্শনগুলোর একটি; যা প্রায় ৬০০ বছর আগের।
- ১৪৫৬ খ্রিস্টব্দে ইসলাম খাঁর আগমনের প্রায় দেড়শ বছর আগে বাংলার সুলতান নাসির উদ্দিন মাহমুদের আমলে ঐতিহ্যবাহী এই মসজিদটি নির্মিত হয়।

- সে সময় পারস্য উপসাগরের আশেপাশের লোকজন প্রায়ই জলপথে এ অঞ্চলে বাণিজ্যে আসতেন।
- পুরান ঢাকার এ এলাকা (নারিন্দা-ধোলাইখাল) দিয়ে তখন বয়ে যেত বুড়িগঙ্গার একটি শাখা যা বুড়িগঙ্গা হয়ে শীতলক্ষ্যায় গিয়ে মিশত। 

- পুরান ঢাকার নারিন্দা-ধোলাইখাল অঞ্চলে ব্যবসার জন্য আসেন আরাকান আলী নামের একজন সওদাগর।
- নামাজের সুবিধার জন্য তিনি মসজিদটি নির্মাণ করেন।
- তার মেয়ে বিনত বিবির আকস্মিক মৃত্যুর পর মসজিদের পাশে সমাধিস্থ করা হয় এবং পরে আরাকান আলীও এখানেই দাফন হন।
- পরবর্তীতে বিনত বিবির নামে মসজিদটির নামকরণ করা হয়।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

২,৪০৪.
বর্তমানে দেশে শিক্ষা বোর্ডের সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ১০টি
  2. খ) ১১টি
  3. গ) ১২টি
  4. ঘ) ১৩টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে মোট ১১টি শিক্ষা বোর্ড রয়েছে।
এগুলো হলো:
- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা (৭ মে ১৯২১)
- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, রাজশাহী (১৯৬১)
- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, কুমিল্লা (১৯৬২)
- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, যশোর (১৯৬৫)
- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম (১৯৯৫)
- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, বরিশাল (১৯৯৯)
- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, সিলেট (১৯৯৯)
- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, দিনাজপুর (স্থাপিত : ২০০৬ সালে; কার্যক্রম শুরু ২০০৯ সালে)
- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ (২৮ আগস্ট ২০১৭)
- বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (১৯৫৪)
- বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড (১৯৭৮)।
(তথ্যসূত্র: মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়)
২,৪০৫.
নিচের কোনটি হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত চলচিত্র?
  1. ক) মাটির ময়না
  2. খ) চিত্রা নদীর পাড়ে
  3. গ) ঘেটুপুত্র কমলা
  4. ঘ) দীপু নাম্বার টু
ব্যাখ্যা
- হুমায়ূন আহমেদের সর্বশেষ নির্মিত চলচ্চিত্র 'ঘেটুপুত্র কমলা' যা ২০১২ সালে নির্মিত হয়েছিল।
- তাঁর নির্মিত অন্যান্য চলচ্চিত্র- আগুনের পরশমনি, শ্রাবণ মেঘের দিন, দুই দুয়ারী, শ্যামল ছায়া, আমার আছে জল।
- এছাড়াও তিনি নিজে পরিচালনা করেননি কিন্তু তাঁর উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত এরকম কিছু চলচ্চিত্রঃ শঙ্খনীল কারাগার, দারুচিনি দ্বীপ, নন্দিত নরকে।

- 'চিত্রা নদীর পাড়ে' চলচ্চিত্রটি ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পটভূমিতে নির্মিত। এটি পরিচালনা করেন তানভীর মোকাম্মেল।
- জহির রায়হান পরিচালিত “জীবন থেকে নেয়া” চলচ্চিত্রটি ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। এটি ১৯৭০ সালে প্রকাশিত হয়। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এই ছবিতেই প্রথম জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয়।
- 'মাটির ময়না' ২০০২ সালের বাংলাদেশে এবং আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পায়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ সম্পর্কিত একটি বাংলাদেশী ফিচার চলচ্চিত্র। এই চলচ্চিত্রের কাহিনি ও চিত্রনাট্য রচনা এবং পরিচালনা করেছেন তারেক মাসুদ।

তথ্যসূত্র:- বাংলা ট্রিবিউন এবং বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ।
২,৪০৬.
বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন গ্রাম কোথায় নির্মাণ করা হবে?
  1. চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা
  2. কালীগঞ্জ, গাজীপুর
  3. চান্দিনা, কুমিল্লা
  4. নালিতাবাড়ী, শেরপুর
ব্যাখ্যা
প্রথম এআই পাওয়ার্ড ভিলেজ:
- কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম কৈলাইন গ্রামে গড়ে উঠতে যাচ্ছে দেশের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন গ্রাম (এআই পাওয়ার্ড ভিলেজ)।
- ক্ষমতায়ন, উদ্ভাবন ও বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি এই তিনটি স্লোগান ধারণ করে ঐ গ্রামের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে।
- জাতিংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এর আর্থিক সহযোগিতায় যুক্তরাজ্যভিত্তিক কোম্পানি ডি- রেডি এবং বাংলাদেশের এআইআইটি সংস্থার প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।
- প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য দুটি দল গঠন করা হয়েছে।
- এর মধ্যে শিক্ষার্থী দলে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির ২০ জন মেধাবী শিক্ষার্থী এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠী দলে গ্রামের অসহায় ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ২০ জন সদস্য থাকবেন।

তথ্যসূত্র: ইত্তেফাক পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
২,৪০৭.
‘সাত গম্বুজ মসজিদ’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. বাগেরহাট
  3. কুমিল্লা
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
• সাত গম্বুজ মসজিদ:
- ঢাকা শহরের মোহাম্মদপুর এলাকার সাত মসজিদ রোডে এই ঐতিহাসিক ‘সাত গম্বুজ মসজিদ’টি অবস্থিত।
- ষোড়শ শতাব্দীতে প্রতিষ্ঠিত মোগল শাসনের ধারাবাহিকতায় যে স্থাপত্যরীতি প্রচলিত রয়েছে তারই উদাহরণ ‘সাত গম্বুজ মসজিদ’টি।
- ধারণা করা যায়, ১৬৮০ খ্রিস্টাব্দে নবাব শায়েস্তা খাঁ মসজিদটি নির্মাণ করেন।
- অন্য এক তথ্যে জানা যায়, নবাব শায়েস্তা খাঁর জ্যেষ্ঠপুত্র বুজুর্গ উদ্দিন (উমিদ) খাঁ এই মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা।
- বর্তমানে, মসজিদটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তত্বাবধানে আছে।

উৎস:  বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, ঢাকা জেলা অফিস।
২,৪০৮.
বাংলাদেশের কোন স্থানকে সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়?
  1. ময়নামতি
  2. সোনারগাঁও
  3. মহাস্থানগড়
  4. পাহাড়পুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদ বগুড়ার মহাস্থানগড়কে ২০১৬ সালে সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে চূড়ান্ত স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
⇒ ২০১৭ সালের ২১ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
⇒ মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
⇒ প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের রাজধানী মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রনগর। এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে।
⇒ বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে মহাস্থান গড় সুমহান ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে।
⇒ ২০১৫ সাল থেকে সার্ক কালচারাল সেন্টার সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে কোনো একটি প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী অঞ্চলকে সার্কের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করে আসছে।
⇒ সার্কভুক্ত দেশগুলোর ইংরেজি নামের আদ্যক্ষরের ভিত্তিতে দেশগুলোর স্থান বেছে নেওয়া হয়।
⇒ এ জন্য আফগানিস্তানের বামিয়ানকে ২০১৫ সালে সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্ট।
২,৪০৯.
মেট্রো রেলের উদ্বোধন হয় কত তারিখে?
  1. ২৭ নভেম্বর ২০২২
  2. ২৮ নভেম্বর ২০২২
  3. ২৭ ডিসেম্বর ২০২২
  4. ২৮ ডিসেম্বর ২০২২
ব্যাখ্যা
মেট্রোরেল:
- বাংলাদেশ সরকারের মালিকাধীন Dhaka Mass Transit Company Limited.
- এর দৈর্ঘ্য ১২৯ কি.মি.।
- মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয় ২৬ জুন, ২০১৬ সালে।
- বাংলাদেশ বিদ্যুৎ চালিত মেট্রোরেলের উদ্বোধন হয় ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে।
- মেট্রোরেলের প্রথম যাত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- মেট্রোরেলের প্রথম চালক মরিয়ম আফিজা।
- সাধারণ যাত্রীদের জন্যে মেট্রোরেল উন্মুক্ত করা হয় ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে।
- মেট্রোরেলের কোচগুলোর নির্মাতা জাপানের কাওয়াসাকি-মিতসুবিশি কনসোর্টিয়াম।

উৎস: Dhaka Metro Mass Rapid Transit System - Railway Technology.
২,৪১০.
আমেরিকার শিকাগো শহরে অবস্থিত উইলিস টাওয়ারের স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার কে ছিলেন?
  1. ক) সান্টিয়াগো ক্যাল্ট্রাডা
  2. খ) রমেশ চন্দ্ৰ
  3. গ) গুস্তাফে আইফেল
  4. ঘ) ফজলুর রহমান খান
ব্যাখ্যা
• ফজলুর রহমান খান:
- ফজলুর রহমান খান বিশ্বখ্যাত স্থপতি ও পুরকৌশলী।
- তিনি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত।
- তিনি পৃথিবীর অন্যতম উচ্চ ভবন শিকাগোর সিয়ার্স টাওয়ার (বর্তমানে উইলিস টাওয়ার) স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর অন্যতম পথিকৃৎ।
- তিনি বিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে স্কাইস্ক্র্যাপার্স নির্মাণ কৌশলে বিপ্লব সাধন করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার ভান্ডারীকান্দি গ্রাম।
- ১৯২৯ সালের ৩ এপ্রিল ঢাকা শহরে জন্ম।
- ফজলুর রহমান খান বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পক্ষে বিদেশে জনমত গড়ে তুলতে সাহায্য করেন।
- ১৯৮২ সালের ২৬ মার্চ তিনি হৃদরোগে মারা যান।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৯ সালে তাঁকে মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পদকে' ভূষিত করে এবং তাঁর স্মরণে স্মারক একটি ডাকটিকিট প্রকাশ করে। |

উৎস:- বাংলাপিডিয়া ও ব্রিটানিকা।
২,৪১১.
কোন প্রতিষ্ঠানটি গবেষণা ও প্রশিক্ষণে ২০২১ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেছে?
  1. বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট
  2. বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল
  3. বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
  4. বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
- স্বাধীনতা পদক ২০২১ প্রাপ্তরা হলেন:
স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে:
- প্রয়াত আহসানউল্লাহ মাস্টার
- প্রয়াত আখতারুজ্জামান বাবু
- প্রয়াত এ কে এম বজলুর রহমান
- প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খুরশিদ উদ্দিন আহমেদ
সাহিত্যে:
- কবি মহাদেব সাহা
সংস্কৃতিতে:
- গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার
- নাট্যজন আতাউর রহমান
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে:
- ড. মৃন্ময় গুহ নিয়োগী
সমাজসেবা বা জনসেবায়:
- অধ্যাপক ডা. এম আমজাদ হোসেন
গবেষণা ও প্রশিক্ষণে:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল।
(তথ্যসূত্র: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট)
২,৪১২.
পদ্মা সেতু নিচের কোন দুইটি জেলাকে সংযুক্ত করেছে?
  1. মুন্সিগঞ্জ ও শরীয়তপুর
  2. মানিকগঞ্জ ও ফরিদপুর
  3. ঢাকা ও মাদারীপুর
  4. ঢাকা ও শরীয়তপুর
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:

- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর ২০২০ সালে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন ২০২২ সালে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা, জুন ২৫, ২০২২।
২,৪১৩.
সমুদ্র বিরোধ নিষ্পত্তির ফলে ভারত ও মিয়ানমারের কাছ থেকে বাংলাদেশ কি পরিমাণ সমুদ্র অঞ্চল/সীমা লাভ করেছে?
  1. ক) ১,১২,৮১৩
  2. খ) ১,১৭,৮১৩
  3. গ) ১,১৮,৮১৩
  4. ঘ) ১,১৯,৮১৩
ব্যাখ্যা
সমুদ্র বিজয় বাংলাদেশের একটি বড় অর্জন। আন্তর্জাতিক দুটি মামলা পরিচালনার মাধ্যমে মিয়ানমার ও ভারতের সাথে বিরোধ নিষ্পত্তির করে বাংলাদেশ মোট ১,১৮,৮১৩ বর্গ কিলোমিটারের বেশি সমুদ্র অঞ্চলের অধিকার লাভ করে।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।
২,৪১৪.
বাংলাদেশের ‘জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র’ কোথায় অবস্থিত?
  1. গুলিস্তান, ঢাকা
  2. সেগুনবাগিচা, ঢাকা
  3. মিরপুর, ঢাকা
  4. শাহবাগ, ঢাকা
ব্যাখ্যা

জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র:
- বাংলাদেশের ‘জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র’ ঢাকার গুলিস্তানে (শহীদ আবরার ফাহাদ এভিনিউ) অবস্থিত।

• প্রতিষ্ঠানটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। 
- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় সচিব মহোদয়ের সভাপতিত্বে ১৭ (সতের) সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালনা বোর্ড প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা বিষয়ক নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকেন। 
- প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক নির্বাহী হিসাবে দায়িত্বে থাকেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক মনোনীত একজন পরিচালক। 
- রূপকল্প: গ্রন্থমনস্ক আলোকিত মানুষ।
- অভিলক্ষ্য: মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও দেশজ সংস্কৃতি সম্পর্কে জ্ঞান লাভে সহায়তার উদ্দেশ্যে গ্রন্থাগার সম্প্রসারণ ও গ্রন্থাগারের সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে মুক্তচিন্তা ও মুক্তবুদ্ধির আলোকিত সমাজ গঠন।

উল্লেখ্য,
- যেকোন দেশ, জাতি এবং তার মানবসম্পদ উন্নয়নের অপরিহার্য্য উপাদান হলো গ্রন্থ এবং তার ব্যবহার।
- গ্রন্থের উন্নয়ন ও প্রসারকে সামনে রেখে ১৯৬০ সালে ইউনেস্কোর সার্বিক সহযোগিতায় তৎকালীন পাকিস্তান কেন্দ্রীয় সরকারের শিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপন বলে ‘ন্যাশনাল বুক সেন্টার অব পাকিস্তান’ প্রতিষ্ঠিত হয়। যার একটি শাখা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ঢাকায় অবস্থিত ছিল।
- ১৯৭১ সালে গৌরবোজ্জ্বল  স্বাধীনতা লাভের পর প্রতিষ্ঠানটির নতুন নামকরণ করা হয় ‘জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র বাংলাদেশ’।
- ১৯৮৩ সালে এনাম কমিটির প্রতিবেদনে এই সংস্থাটিকে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা প্রদান করা হয়।
- ১৯৯৫ সালের ২৭ নভেম্বর বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ২৭নং আইন বলে ‘জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র’ আইন প্রণয়ন করা হয় এবং প্রতিষ্ঠানটির নতুন নামকরণ করা হয় ‘জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র’।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

২,৪১৫.
নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. চাঁদপুর
  3. বরিশাল
  4. ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- গঙ্গা-পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা এবং মেঘনা নদীর পলিতে গঠিত বাংলাদেশ।
- ১৯৪৮ সালে ঢাকার গ্রীণ রোডে “হাইড্রলিক রিসার্চ ল্যাবরেটরি” প্রতিষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীনতার পরে ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার “নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট” প্রতিষ্ঠা করে।
- ১৯৮৯ সালে ফরিদপুরে ৮৬ একর জমিতে এই প্রতিষ্ঠানটি নির্মিত হয়।
- অর্থাৎ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত।

- ১৯৯০ সালের ৫৩ নং আইনের মাধ্যমে এটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- এটি পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে আলাদা হয়ে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ও ফরিদপুর জেলা ওয়েবসাইট।
২,৪১৬.
Who is the Architect of third terminal of Shahjalal International Airport?
  1. Rohani Baharin
  2. Wang Ye
  3. Mubasshar Hussein
  4. Shamsul Wares
ব্যাখ্যা
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল:
- ২০১৭ সালে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়।
- এরপর নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর।
- এর নির্মাণকাজ করেছে জাপানের মিতসুবিশি ও ফুজিতা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামসাং।

উল্লেখ্য,
⇒ তৃতীয় টার্মিনালের নকশা করেছেন রোহানি বাহারিন।
- তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন সিঙ্গাপুরের সিপিজি করপোরেশন প্রাইভেট লিমিটেডের স্থপতি।

এছাড়াও,
⇒ ২১ হাজার ৩০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে নির্মিত এই টার্মিনাল।
- জাপানি সহযোগিতা সংস্থা জাইকা ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে।
- ৭ অক্টোবর ২০২৩ সালে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের উদ্বোধন করা হয়।
- টার্মিনালটির যাত্রী ক্যাপাসিটি ১ কোটি ৬০ লাখ।
উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) The Daily Star Bangla.
২,৪১৭.
বাংলাদেশ কপিরাইট অফিস কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৬০ সালে
  2. ১৯৬২ সালে
  3. ১৯৬৫ সালে
  4. ১৯৬৭ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কপিরাইট অফিস 
- সৃজনশীল ব্যক্তি তাঁর মেধা প্রয়োগ করে যা কিছু সৃজন করেন তাই মেধাসম্পদ।
- মেধাসম্পদের মালিকানা নিবন্ধনের লক্ষ্যে কপিরাইট অফিস ১৯৬২ সালে  প্রতিষ্ঠিত হয়।
- কপিরাইট অফিস একটি আধা-বিচার বিভাগীয় প্রতিষ্ঠান। এর কার্যাবলী কপিরাইট আইন-২০২৩ ও  কপিরাইট বিধিমালা ২০০৬ মোতাবেক পরিচালিত হয়।
- এ অফিস যে প্রধান ৪টি কাজ করে থাকে।
-   তা হল :
১) সৃজশীল মেধাস্বত্বের কপিরাইট রেজিস্ট্রেশন প্রদান ;
২) আপিল মামলা নিষ্পত্তিতে কপিরাইট বোর্ডকে সহায়তা প্রদান ;
৩) পাইরেসি বন্ধকরণে টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা  ও
৪) World Intellectual Property Organization, WIPO এর ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন। 

- কপিরাইট অফিস সাহিত্যকর্ম, নাট্যকর্ম, সংগীতকর্ম, রেকর্ডকর্ম, শিল্পকর্ম, চলচ্চিত্র বিষয়ককর্ম, বেতার সম্প্রচার, টেলিভিশন সম্প্রচার, কম্পিউটার-সফটওয়্যারকর্ম ইত্যাদি নিবন্ধন করে থাকে।
- মেধাসম্পদের আর্থিক অধিকার হস্তান্তরযোগ্য। কপিরাইট নিবন্ধন করা হলে সৃজন কর্মের নৈতিক ও আর্থিক অধিকার অর্থাৎ মালিকানা সংরক্ষণ সহজ হয়।
- কপিরাইট নিবন্ধন আইনানুযায়ী বাধ্যতামূলক না হলেও, সৃজন কর্মের মালিকানা নিয়ে আইনগত জটিলতা দেখা দিলে ‘কপিরাইট নিবন্ধন সনদ’ প্রমাণপত্র হিসেবে বিজ্ঞ আদালতে ব্যবহৃত হতে পারে। 

উৎস: বাংলাদেশ কপিরাইট অফিসের ওয়েবসাইট। 
২,৪১৮.
জোবেরা রহমান লিনু বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত -
  1. ফুটবল খেলোয়াড়
  2. ক্রিকেট খেলোয়াড়
  3. দাবা খেলোয়াড়
  4. টেবিল টেনিস খেলোয়াড়
ব্যাখ্যা
জোবেরা রহমান লিনু:
- জোবেরা রহমান লিনু বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত টেবিল টেনিস খেলোয়াড়।
- বাংলাদেশের টেবিল টেনিসের রেকর্ড ১৬ বারের চ্যাম্পিয়ন তিনি।
- ১৯৭৭ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত ১৬ বার জাতীয় চ্যাম্পিয়ন তিনি।

উল্লেখ্য,
- মাত্র আট বছর বয়সে ১৯৭৩ সালে জোবেরা রহমান লিনু প্রথম টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।
- ১৯৭৪ সালে প্রথম জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নেন।
- ২০০২ সালের মে মাসে নাম লেখান ‘গিনেস বুক রেকর্ডসে’।
- ২০০৫ সালে বাংলাদেশে ইউনিসেফের ক্রীড়াদূতও হয়েছিলেন লিনু।

উৎস: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
২,৪১৯.
ঢাকা মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানের নাম কী?
  1. দিল্লি মেট্রোরেল করপোরেশন।
  2. চায়না সিনোহাইড্রো করপোরেশন।
  3. ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড।
  4. জাপান-আন্তর্জাতিক-উন্নয়ন-সংস্থা (জাইকা)।
ব্যাখ্যা
ঢাকা মেট্রোরেল:
- ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় গণপরিবহণের জন্য ‘ঢাকা মেট্রোরেল’ হলো ‘জাইকা’-এর অর্থায়নে একটি সরকারি প্রকল্প।
- প্রকল্পটি রাষ্ট্রায়ত্ত ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) পরিচালনা করছে।
-অর্থাৎ ঢাকা মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানের নাম-ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড।
- প্রকল্পের জন্য মোট ৫টি রুট লাইন প্রস্তাব করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে এমআরটি লাইন ১, ২, ৪, ৫, এবং ৬। এর দৈর্ঘ্য ১২৯ কি.মি.।
- মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয় ২৬ জুন, ২০১৬ সালে।
- বাংলাদেশে মেট্রোরেল চালু হয় ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে।
- ডিএমটিসিএলের বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পটির নাম ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি) লাইন-৬।
- মেট্রোরেলের প্রথম যাত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- মেট্রোরেলের প্রথম চালক মরিয়ম আফিজা।
- সাধারণ যাত্রীদের জন্যে মেট্রোরেল উন্মুক্ত করা হয় ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে।
- মেট্রোরেলের কোচগুলোর নির্মাতা জাপানের কাওয়াসাকি-মিতসুবিশি কনসোর্টিয়াম।
- মেট্রোরেল প্রকল্পে অর্থায়ন করছে-জাইকা (৭৫%) ও বাংলাদেশ সরকার।
- ঢাকা মেট্রোরেল প্রকল্পের পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের নাম- দিল্লি মেট্রোরেল করপোরেশন।
- মেট্রোরেলের পরিচালনা ব্যবস্থার নাম-কমিউনিকেশন বেজড ট্রেন কন্ট্রোল সিস্টেম।

তথ্যসূত্র : Dhaka Metro Mass Rapid Transit System ওয়েবসাইট ও বিবিসি বাংলা নিউজ।
২,৪২০.
জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান-
  1. ক) সপ্তম
  2. খ) অষ্টম
  3. গ) নবম
  4. ঘ) পঞ্চম
ব্যাখ্যা
- জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান - অষ্টম
- সার্কভুক্ত দেশের মধ্যে জনসংখ্যায় বাংলাদেশের অবস্থান - ৩য়।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে জনসংখ্যায় বাংলাদেশের অবস্থান - ৫ম।

- জনসংখ্যা - ১৬ কোটি ৭৯ লাখ। 
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার - ০.৯%।
- নারী প্রতি প্রজনন হার - ১.৯ জন।
- গড় আয়ু : পুরুষ ৭২ বছর ও নারী ৭৫ বছর।

তথ্যসূত্র:- বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন ২০২২।
২,৪২১.
'শিল্প সংস্কৃতি জীবন' গ্রন্থটি কার লেখা?
  1. বদরুদ্দিন উমর
  2. আহমদ রফিক
  3. হেলাল হাফিজ
  4. দাউদ হায়দার
ব্যাখ্যা

ভাষাসৈনিক আহমদ রফিক:
- আহমদ রফিক ১৯২৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শাহবাজপুরে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে আহমদ রফিক ছিলেন প্রথম সারির কর্মী।
- ১৯৫৪ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে তিনি একমাত্র ছাত্র, যার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল।
- ১৯৫৮ সালে তার প্রথম গ্রন্থ 'শিল্প সংস্কৃতি জীবন' প্রকাশিত হয়।
- এই বইয়ে তিনি লিখেছিলেন, ‘সংস্কৃতি মানেই কেবল কৃষ্টি নয়; বরং মানুষের জীবনযাপনের সঙ্গে যুক্ত এক বিস্তৃত সংগ্রাম।’
- পরবর্তীতে সাহিত্যে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কার ও রবীন্দ্র সাহিত্য পুরস্কারসহ বহু সম্মাননা লাভ করেন।
- তিনি গত ০২ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে ৯৬ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

২,৪২২.
কোন সাময়িকী বাংলাদেশকে "কান্ট্রি অব দ্য ইয়ার -২০২৪" ঘোষণা করেছে?
  1. ফোর্বস
  2. নিউজ উইক
  3. দ্য ইকোনমিস্ট
  4. নিউইয়র্ক টাইমস
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 
----------------
• দ্য ইকোনমিস্টের কান্ট্রি অব দ্য ইয়ার -২০২৪:
প্রতি বছর সেরা দেশ নির্বাচন করে প্রভাবশালী বৃটিশ সাময়িকী — দ্য ইকোনমিস্ট।
দ্য ইকোনমিস্টের মতে,
২০২৪ সালের বর্ষসেরা দেশ হিসেবে বাংলাদেশ নির্বাচিত হয়েছে।

- এই ঘোষণা (ডিসেম্বর ২০২৪) দ্য ইকোনমিস্টের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়।
- বাংলাদেশ নির্বাচিত হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ ছিল জুলাই মাসে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থান, যা ১৫ বছরের স্বৈরশাসনের অবসান ঘটায়।

অন্যান্য চূড়ান্ত তালিকাভুক্ত পাঁচটি দেশ:
- সিরিয়া (রানারআপ): বাশার আল-আসাদকে ক্ষমতাচ্যুত করা।
- আর্জেন্টিনা: অর্থনৈতিক সংস্কার।
- দক্ষিণ আফ্রিকা: খারাপ সরকারের পরিবর্তে নতুন সরকার গঠন।
- পোল্যান্ড: গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা।

পূর্ববর্তী বর্ষসেরা দেশগুলো:
২০২৩: গ্রীস (আর্থিক সংকট কাটিয়ে মধ্যপন্থী সরকার পুনর্নির্বাচিত হওয়া)।
২০২২: ইউক্রেন (রাশিয়ার আগ্রাসন প্রতিরোধ)।
২০২১: কলম্বিয়া (গৃহযুদ্ধের অবসান)।
২০২০: মালাউই (গণতন্ত্রায়ন)।

তথ্যসূত্র: দ্য ইকোনমিস্ট এবং ডেইলি স্টার বাংলা।
২,৪২৩.
কত তারিখে ভারতের সাথে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সমুদ্র বিজয়ের রায় হয়?
  1. ১৪ মার্চ, ২০১২
  2. ৭ জুলাই, ২০১২
  3. ৭ জুলাই, ২০১৪
  4. ১২ ডিসেম্বর, ২০১৪
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সমুদ্র বিজয়:
- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে 'The Territorial Waters and Maritime Zones Act' পাশ করেন।
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে সমুদ্র বিজয় হয়।

বাংলাদেশ বনাম মিয়ানমার:
- ২০১২ সালের ১৪ মার্চ জার্মানিতে অবস্থিত সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে (ITLOS) এই মামলার রায় দেয়া হয়।
- রায় অনুসারে বাংলাদেশ তার উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে অধিকার প্রতিষ্ঠা করে।
- এছাড়াও সমুদ্রে অবস্থিত ২৮টি ব্লকের মধ্যে ১৮টি ব্লকের মালিকানা বাংলাদেশ পায় ।

বাংলাদেশ বনাম ভারত:
- ২০১৪ সালের ৭ জুলাই নেদারল্যান্ডে অবস্থিত স্থায়ী সালিশি আদালত (UNCLOS) এই রায় আদালতের রায়ে বাংলাদেশ ভারত ও মিয়ানমার থেকে ১, ১৮, ৮১৩ বর্গ কিলোমিটার সমুদ্র অঞ্চল, ১২ নটিক্যাল মাইল রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা, ২০০ নটিক্যাল মাইল একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল (Exclusive Economic Zone - EEZ) এবং চট্টগ্রাম উপকূল থেকে ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপানের তলদেশে অবস্থিত সব ধরনের প্রাণিজ ও অপ্রাণিজ সম্পদের ওপর সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

উল্লেখ্য,
• অর্জিত মোট সমুদ্রসীমা: ১,১৮,৮১৩ বর্গ কি.মি.,
• উপকূলীয় দৈৰ্ঘ্য: ৭১২ কিলোমিটার,
• টেরিটোরিয়াল সমুদ্রসীমা: ১২ নটিক্যাল মাইল,
• EEZ সমুদ্রসীমা: ২০০ নটিক্যাল মাইল, 
• মহীসোপান এলাকা: ৩৫০ নটিক্যাল মাইল, 
• বঙ্গোপসাগরের গড় গভীরতা: ২,৬০০ মিটার,
• সর্বোচ্চ গভীরতা: ৫,২৫৮ মিটার,
• পৃথিবীর বৃহত্তম উপদ্বীপ: Bengal Fan.

উৎস: i) বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
         ii) ২৪ অক্টোবর ২০২৩, দৈনিক ইত্তেফাক। [link]
২,৪২৪.
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল টেস্ট মর্যাদা লাভ করে কত সালে?
  1. ২০১৯ সালে
  2. ২০২০ সালে
  3. ২০২১ সালে
  4. ২০২২ সালে
ব্যাখ্যা

নারী ক্রিকেট দল:
- ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।
- ২০১৮ সালে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল এশিয়া কাপের শিরোপা জয় করে।
- ২০১৮ সালে মালয়েশিয়ায় টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এশিয়া কাপ।
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ২০২১ সালে টেস্ট মর্যাদা পায়।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও ঢাকা টাইমস, ০২ এপ্রিল ২০২১।

২,৪২৫.
বাংলাদেশ কত তারিখে গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে (ICPPED) স্বাক্ষর করেছে?
  1. ২৯ আগস্ট, ২০২৪
  2. ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  3. ১৩ নভেম্বর, ২০২৪
  4. ১ ডিসেম্বর, ২০২৪
ব্যাখ্যা

গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ:
- ২৯ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে বাংলাদেশ গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে (ICPPED) স্বাক্ষর করেছে।
- রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এই সনদে স্বাক্ষর করেন।

⇒ বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারমূলক বিষয়গুলোর অন্যতম হলো, প্রত্যেক নাগরিকের মানবাধিকার নিশ্চিত করা এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার করা।
- এই লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আইসিপিপিইডি ’শীর্ষক আন্তর্জাতিক কনভেনশনে বাংলাদেশের পক্ষভুক্ত হওয়ার বিষয়ে কার্যক্রম গ্রহণের জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
- আইসিপিপিইডি জাতিসংঘের আওতাধীন একমাত্র আন্তর্জাতিক কনভেনশন যা এনফোর্স ডিসএপিয়ান্সকে কেন্দ্র করে গৃহীত হয়েছে, যার লক্ষ্য হলো জোরপূর্বক অন্তর্ধান বা গুম প্রতিরোধ করা, ভুক্তভোগীদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।
- এ ছাড়া গুরুতর এই মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।

উল্লেখ্য,
- গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ (International Convention for the Protection of All Persons from Enforced Disappearance) স্বাক্ষরিত হয়: ২০ ডিসেম্বর, ২০০৬। 
- কার্যকর হয়: ২৩ ডিসেম্বর, ২০১০। 
- ICPPED জাতিসংঘের আওতাধীন একমাত্র আন্তর্জাতিক কনভেনশন যা এনফোর্স ডিসএপিয়ান্সকে কেন্দ্র করে গৃহীত হয়েছে, যার লক্ষ্য হলো গুম বন্ধের পাশাপাশি এই অপরাধের জন্য দায়মুক্তি বন্ধ করা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের সহায়তা দেওয়া।
- সনদে মোট ৪৫টি অনুচ্ছেদ আছে।

উৎস: i) OHCHR ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

২,৪২৬.
ফজলে হাসান আবেদ নিম্নের কোন প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. ব্র্যাক
  2. আশা
  3. বার্ড
  4. গ্রামীন ব্যাংক
ব্যাখ্যা
ফজলে হাসান আবেদ:
- স্যার ফজলে হাসান আবেদ ১৯৩৬ সালের ২৭শে এপ্রিল হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর বাবার নাম মরহুম সিদ্দিক হাসান এবং মায়ের নাম মরহুমা সৈয়দা সুফিয়া খাতুন।
- ফজলে হাসান আবেদ ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ সম্মানসূচক উপাধি 'নাইট'।
- দ্বিতীয় বাঙালি এবং স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে এ গৌরবময় উপাধি অর্জন করেন ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ফজলে হাসান আবেদ।

⇒ BRAC:
- BRAC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Rural & Advancement Committee।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম এনজিও বা বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা।
- ১৯৭২ সালে স্যার ফজলে হাসান আবেদ BRAC প্রতিষ্ঠা করেন।
- ব্র্যাক হলো একটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা।
- এটি নারী ও শিশুদের উপর বিশেষ ফোকাস রেখে কাজ করে।

উৎস: i) ব্র্যাক ওয়েবসাইট।
ii) ৩ নভেম্বর ২০১৭, প্রথম আলো।
২,৪২৭.
'আমার ঘরের চাবি পরের হাতে' গানটির রচয়িতা কে?
  1. পাগলা কানাই
  2. হাছন রাজা
  3. লালন শাহ
  4. হুমায়ূন আহমেদ
ব্যাখ্যা
- 'আমার ঘরের চাবি পরের হাতে' গানটির রচয়িতা লালন শাহ।

লালন শাহ: 
লালন শাহ (১৭৭২-১৮৯০) বাউল সাধনার প্রধান গুরু, বাউল গানের শ্রেষ্ঠ রচয়িতা ও গায়ক।
- ১১৭৯ বঙ্গাব্দের ১ কার্তিক (১৭৭২) ঝিনাইদহ জেলার হরিশপুর গ্রামে তাঁর জন্ম।
- মতান্তরে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালীর ভাঁড়রা গ্রামে এক কায়স্থ পরিবারে তিনি জন্মগ্রণ করেন।
- লালন কোনো জাতিভেদ মানতেন না।
- তাই তিনি গেয়েছেন: ‘সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে/ লালন কয় জাতির কি রূপ দেখলাম না এ নজরে।’

তাঁর জনপ্রিয় গান- 
- ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি’,
- ‘বাড়ির কাছে আরশী নগর’,
- ‘আমার ঘরখানায় কে বিরাজ করে’ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২,৪২৮.
বাংলা একাডেমির বর্তমান মহাপরিচালকের নাম কী?
  1. মুহম্মদ নূরুল হুদা
  2. সেলিনা হোসেন
  3. হাবীবুল্লাহ সিরাজী
  4. শামসুজ্জামান খান
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি:

- বাংলা একাডেমীর মুল ভবনের নাম ছিল বর্ধমান হাউস।
- বাংলা একাডেমী বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর, ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলা একাডেমির বর্তমান মহাপরিচালকের নাম- জনাব মুহম্মদ নূরুল হুদা।
- বাংলা একাডেমির বর্তমান সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন সেলিনা হোসেন।
- আবু হোসেন সরকার ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসে (স্থাপিত ১৯০৬) বাংলা একাডেমীর উদ্বোধন করেন।
- প্রথম মহাপরিচালক প্রফেসর মযহারুল ইসলাম।
- বাংলা একাডেমির প্রথম সভাপতি মাওলানা আঁকরাম খাঁ (১৯৬১ সাল)।
- বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া হয় ১৯৬০ সাল থেকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
২,৪২৯.
'বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক ২০২৩' পেয়েছেন -
  1. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ
  2. জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল
  3. মসলিন কাপড় পুনরুদ্ধার প্রকল্প
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক ২০২৩:
- প্রশাসনের ২৮ জন কর্মকর্তা ও দুটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের হাতে বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- ‘জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস’ উপলক্ষে ৩১ জুলাই, ২০২৩ তারিখে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে এই পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।
- প্রশাসনের কর্মকর্তাদের কর্মদক্ষতা, মননশীলতা ও উদ্ভাবনী প্রয়াসকে উৎসাহিত করতে ২০১৬ সাল থেকে জনপ্রশাসন পদক দেওয়া শুরু করে সরকার। 
- ‘নীতি ও প্রশাসনিক পদ্ধতির সংস্কার’ শ্রেণিতে খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং ‘গবেষণা ও মানবকল্যাণে এর ব্যবহার’ শ্রেণিতে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পদক পেয়েছেন 'জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল'।

অন্যদিকে -
- 'বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক-২০২২' পায় 'তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ'। 
- 'বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক-২০২১' পায় 'মসলিন কাপড় পুনরুদ্ধার প্রকল্প'।

উৎস: ৩১ জুলাই ২০২৩, সময় নিউজ।
২,৪৩০.
সম্প্রতি ‘লোকাল অ্যাডাপটেশন চ্যাম্পিয়নস’ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন কে? (২০২৪ সাল)
  1. শেখ হাসিনা
  2. ড. মুহাম্মদ ইউনুস
  3. শিরিন শারমিন চৌধুরী
  4. মহিবুল হাসান চৌধুরী
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

‘লোকাল অ্যাডাপটেশন চ্যাম্পিয়নস’ অ্যাওয়ার্ড
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১১ জুন, ২০২৪ তারিখে গ্লোবাল সেন্টার অন অ্যাডাপটেশন (জিসিএ)-এর লোকাল অ্যাডাপটেশন চ্যাম্পিয়নস অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেছেন।
- বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় স্থানীয় অভিযোজন কর্মসূচি চালু করার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকার জন্য প্রথম এই অ্যাওয়ার্ড পেলেন তিনি।
- জিসিএ’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) অধ্যাপক প্যাট্রিক ভি. ভারকুইজেন আজ গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রীর হাতে এই অ্যাওয়ার্ড তুলে দেন।
- জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে স্থানীয় সরকারের উদ্যোগের ওপর প্রথম দেশ হিসেবে ইনোভেশন ইন ডেভেলপিং ফিন্যান্স বিভাগে গ্লোবাল লোকাল অ্যাডাপ্টেশন চ্যাম্পিয়নস অ্যাওয়ার্ড (এলওজিআইসি) পেয়েছে বাংলাদেশ।

সূত্র: বাসস।
২,৪৩১.
বাংলাদেশ পাট ও ছত্রাকের জীবন রহস্য উন্মোচনের স্বীকৃতি লাভ করে কোন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ?
  1. ক) WIPO
  2. খ) UNESCO
  3. গ) WMO
  4. ঘ) UNDP
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ WIPO থেকে পার্ট ও ছত্রাকের জীবন রহস্য উন্মোচনের স্বীকৃতি লাভ করেছে।
-WIPO এর পূর্ণরূপ World Intellectual Property Organization বা বিশ্ব মেধাস্বত্ব সংস্থা।
- বিশ্বের সকল দেশের মধ্যে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও কার্যকর মেধাস্বত্ব পদ্ধতির (IP system) উন্নয়ন করা - এই সংস্থার মূল লক্ষ্য।
- এই সংস্থার উদ্ভাবিত পদ্ধতি কার্যকরের মাধ্যমে বিশ্বের সকল দেশের আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নের জন্য এটি কাজ করে যাচ্ছে।
- যেমন, Applicants BANGLADESH JUTE RESEARCH INSTITUTE Inventors ALAM, MAQSUDUL and Others অনেকগুলো পেটেন্টের একটি POLYNUCLEOTIDES ENCODING ENZYMES FROM THE JUTE LIGNIN BIOSYNTHETIC PATHWAY

সুত্র: patentscope.wipo.int
২,৪৩২.
বঙ্গবন্ধু টানেলের মোট দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৩.৪ কিমি
  2. ৯.৩২ কিমি
  3. ৯.৩৯ কিমি
  4. ৩.৩৯ কিমি
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু টানেল:
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নির্মাণ করা হয়েছে।
- এই টানেল চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা থেকে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে আনোয়ারা উপজেলাকে যুক্ত করেছে।
- টানেলের প্রকল্প পরিচালক মোঃ হারুনুর রশীদ চৌধুরী।
- মোট দৈর্ঘ্য ৯.৩৯ কিমি।
- এপ্রোচ সড়কের দৈর্ঘ্য ৫.৩৫ কিমি।
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু টানেলের দৈর্ঘ্য ৩.৩২ কিলোমিটার।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রথম টানেল টিউব নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন।
- ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং যৌথভাবে বঙ্গবন্ধু টানেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড প্রকল্পের ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে।
- বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১০ হাজার ৬৮৯ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা।
- নদীর নিচ দিয়ে টানেল দক্ষিণ এশিয়ায় এটাই প্রথম।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল উদ্বোধন করা হয় ২৮ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে।

উল্লেখ্য,
- প্রায় ৯১ বছর আগে এই নদীর ওপর প্রথম কালুরঘাট রেলসেতু নির্মাণ করা হয়েছিল।
- কালুরঘাট রেলসেতু থেকে সাত কিলোমিটার ভাটিতে ১৯৮৯ সালে প্রথম সড়ক সেতু নির্মাণ করা হয়।
- ২০১০ সালে একই স্থানে কর্ণফুলী তৃতীয় শাহ আমানত সেতু নির্মাণ করা হয়।
-  কক্সবাজারের মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের টার্মিনাল চালু হবে ২০২৬ সালে। 

উৎস: i) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
         ii) ২৮ অক্টোবর ২০২৩, প্রথম আলো।
        iii) ২৮ অক্টোবর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
২,৪৩৩.
একাধিক বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি করা বাংলাদেশের প্রথম খেলোয়াড় - (মার্চ, ২০২৫)
  1. মোহাম্মদ আশরাফুল
  2. সাকিব আল হাসান
  3. মুশফিকুর রহিম
  4. মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ
ব্যাখ্যা
বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি:
- বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
- ২০১৫ সালে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেন তিনি।
- দুটি সেঞ্চুরি আছে সাকিব আল হাসানের, একটি মুশফিকুর রহিমের।
- ২০২৩ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাটার হিসেবে সেঞ্চুরি করেন মাহমুদউল্লাহ।
- মুম্বাইতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিনি খেলেছিলেন ১১১ রানের ইনিংস। ওই সেঞ্চুরিতে একাধিক রেকর্ডের মালিক হন তিনি।
- প্রোটিয়াদের বিপক্ষে শতকটি ছিল বিশ্বমঞ্চে তার তৃতীয়।
- একাধিক বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি করা বাংলাদেশের প্রথম খেলোয়াড়ও মাহমুদউল্লাহ।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও ডেইলি স্টার, ১১ নভেম্বর, ২০২৩।
২,৪৩৪.
ঢাকার ঐতিহাসিক 'আহসান মঞ্জিল' কে নির্মাণ করেন?
  1. নবাব আবদুল গণি
  2. নবাব কুতুব উদ্দিন
  3. নবাব আব্দুল লতিফ
  4. নবাব হাফিজুর রহমান
ব্যাখ্যা

আহসান মঞ্জিল:
- আহসান মঞ্জিল পুরনো ঢাকার ইসলামপুরে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত।
- এটি পূর্বে ছিল ঢাকার নবাবদের প্রাসাদ।
- বর্তমানে এটি জাদুঘর হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- এর প্রতিষ্ঠাতা নওয়াব আবদুল গনি।
- তিনি তার পুত্র খাজা আহসানুল্লাহ’র নামানুসারে এর নামকরণ করেন।
- এর নির্মাণকাল ১৮৫৯-১৮৭২ সাল।
- ১৯০৬ সালে এখানে এক অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়।
- নওয়াব আবদুল গণি ১৮৭২ সালে প্রাসাদটি নতুন করে নির্মাণ করান।
- এই প্রাসাদের ছাদের উপর সুন্দর একটি গম্বুজ আছে।
- এক সময় এই গম্বুজের চূড়াটি ছিল ঢাকা শহরের সর্বোচ্চ।
- আহসান মঞ্জিল জাদুঘরে এখন পর্যন্ত সংগৃহীত নিদর্শন সংখ্যা ৪ হাজার ৭৭। 
 
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২,৪৩৫.
সর্বশেষ (২০২৪) কোন বাংলাদেশী এভারেস্ট জয় করেন?
  1. আকবর আলী
  2. বাবর আলী
  3. খালেদ আহমেদ
  4. নিশাত মজুমদার
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশী এভারেস্ট জয়ী:

- বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম এভারেস্ট পর্বত বা মাউন্ট এভারেস্ট (Mount Everest)।
- ১৯৫৩ সালে এডমন্ড হিলারি ও তেনজিং নোরগে নেপালের দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্ব শৈলশিরা ধরে
প্রথম এই শৃঙ্গ জয় করেন।
- বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ হচ্ছে ৬৭তম এভারেস্টজয়ী দেশ।
- এখন পর্যন্ত ৫ জন বাংলাদেশী এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন ও বাবর আলী।
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ২৩ মে ২০১০ সালে প্রথম এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম। নারীদের মধ্যে প্রথম বাংলাদেশি এভারেস্টজয়ী হচ্ছেন নিশাত মজুমদার।
- সর্বশেষ ১৯ মে, ২০২৪ সালে এভারেস্ট জয় করেন বাবর আলী।

এছাড়াও,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন।
- তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি।
- তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২৯ আগস্ট ২০২২, দৈনিক কালের কণ্ঠ, ৬ ডিসেম্বর, ২০২২ ও দ্যা ডেইলী স্টার, ১৯ মে, ২০২৪।
২,৪৩৬.
১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ কোন দুই অপারেশনে অংশগ্রহণ করে?
  1. UNTAG ও UNAMIR
  2. UNIIMOG ও UNTAG
  3. UNOSOM ও UNMISS
  4. UNPROFOR ও UNMIK
ব্যাখ্যা

শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ:
- জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শান্তিরক্ষা বাহিনী এখন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে শান্তিরক্ষায় নিয়োজিত।
- ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন শুরু হয়।
- ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ১৩৬তম সদস্য হিসাবে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ ১৯৮৮ সাল থেকে শান্তিরক্ষা বাহিনীতে কাজ করছে।
- সর্বপ্রথম বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য পাঠায়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ দুটি অপারেশনে অংশগ্রহণ করে, একটি ইরাক-ইরান (UNIIMOG) এবং অন্যটি নামিবিয়া (UNTAG)।
- UNIIMOG মিশনে ১৫ জন সদস্য প্রেরণ করে আনুষ্ঠানিকভাবে শান্তিরক্ষী মিশন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে।
 
সূত্র: United Nations in Bangladesh ওয়েবসাইট ও ARMED FORCES DIVISION ওয়েবসাইট।

২,৪৩৭.
পদ্মা সেতুতে পরীক্ষামূলক ETC কার্যক্রম চালু হয় ২০২৩ সালের -
  1. ৫ জুলাই
  2. ৭ জুলাই
  3. ৬ জুলাই
  4. ১০ জুলাই
ব্যাখ্যা
ETC কার্যক্রম:

- পদ্মা সেতুতে পরীক্ষামূলক ETC কার্যক্রম চালু হয় ২০২৩ সালের ৫ জুলাই।
- পদ্মা সেতুর দুই প্রান্তে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (আরএফআইডি) পদ্ধতিতে একটি করে বুথে এই পরীক্ষামূলক টোল আদায় শুরু হয়।
- এতে রেজিস্ট্রেশন করা যে কোনো যানবাহন টোল প্লাজার সামনে আসলেই রোবটিক ক্যামেরার মাধ্যমে যানবাহন শনাক্ত করে অটোমেটিক টোল আদায় করা হবে।
- নির্ধারিত টোল আদায় হয়ে গেলে অটোমেটিক ব্যরিয়ার উঠে যাবে এবং স্ক্রিনে ব্যালেন্স দেখা যাবে।
- প্রতিটি বুথেই ক্যাশ ও ডেবিট কার্ড ব্যবহারের ব্যবস্থা রয়েছে।
- সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মনজুর হোসেন পরীক্ষামূলক কার্যক্রম উদ্বোধন করে।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার, ৫ জুলাই, ২০২৩।
২,৪৩৮.
২০২৪ সালে বাংলা একাডেমি নজরুল পুরস্কার লাভ করেন -
  1. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
  2. রাজিয়া সুলতানা
  3. মোমেনা খাতুন
  4. আহমদ রফিক
ব্যাখ্যা
নজরুল পুরস্কার:
- ২০২২ সালে বাংলা একাডেমি নজরুল পুরস্কার চালু করে।
- পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয় ২ লাখ টাকার চেক, সম্মাননাপত্র, সম্মাননা-স্মারক এবং পুষ্পস্তবক।

⇒ ২০২৪ সালে নজরুল পুরস্কার লাভ করেন অধ্যাপক রাজিয়া সুলতানা।
- বাংলা একাডেমি নজরুল-সাহিত্যের গবেষণায় অবদানের জন্য অধ্যাপক রাজিয়া সুলতানাকে নজরুল পুরস্কার ২০২৪- এ ভূষিত করেছে।
- ২৩শে মে ২০২৪ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে নজরুল পুরস্কার ২০২৪ প্রদান করা হয়।

উৎস: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
২,৪৩৯.
২০২৪ নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের অধিনায়ক কে ছিলেন?
  1. সাবিনা খাতুন
  2. ঋতুপর্ণা চাকমা
  3. রূপনা চাকমা
  4. মাছুরা পারভীন
ব্যাখ্যা
নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৪:
- এটি নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ৭ম সংস্করণ।

- ২০২৪ সালের অক্টোবরে নেপালে অনুষ্ঠিত হয়।
- অংশগ্রহণকারী দল: ৭টি।
- মোট ম্যাচ: ১২টি।
- মোট গোল: ৬২টি।
- চ্যাম্পিয়ন: বাংলাদেশ।
- রানার্স আপ: নেপাল।
- সেরা খেলোয়াড়: ঋতুপর্ণা চাকমা।
- সেরা গোলরক্ষক: রূপনা চাকমা।
- ফেয়ার প্লে ট্রফি: ভুটান।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন সাবিনা খাতুন। 

উৎস: i) SAFF ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
২,৪৪০.
বাংলাদেশের প্রথম কয়লানির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্র -
  1. মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র
  2. রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র
  3. বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্র
  4. পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার হামিদপুর ইউনিয়নে অবস্থিত।
- এটি একটি কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- এটি দেশের প্রথম কয়লা নির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- এটি ২০০৬ সালে গড়ে ওঠে।
- এর মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট।
- কেন্দ্রটিতে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির কয়লা ব্যবহার করা হয়।
- এটি পরিচলনা করে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড।

অন্যদিকে -
- মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রতে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে।
- রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ২০২২ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়।
- পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ২০২০ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়।

উৎস: বিদ্যুৎ বিভাগ ওয়েবসাইট।
২,৪৪১.
'সাগর কন্যা' বলা হয় কোন জেলাকে?
  1. পটুয়াখালী
  2. বরগুনা
  3. বরিশাল
  4. কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
• সাগরকন্যা:

- পটুয়াখালী জেলাকে বলা হয় সাগরকন্যা।
- বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত এ জেলারই ঐতিহ্য বহনকারী বেলাভূমি।
- অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি সাগর কন্যা কুয়াকটা।
- একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলোকন করার মনোমুগ্ধকর পর্যটন স্পট।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৪৪২.
সাহিত্যের কয়টি শাখায় 'বাংলা একাডেমি পুরস্কার' প্রদান করা হয়?
  1.  ৬টি
  2. ১১টি
  3. ৮টি
  4. ১০টি
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি পুরস্কার:
- এটি বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর, ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৬০ সাল থেকে বাংলা একাডেমি পুরস্কার দেয়া শুরু হয়।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের লেখকদের সামগ্রিক অবদান, প্রতিভাকে স্বীকৃতি দেওয়ায় এই পুরস্কারের উদ্দেশ্যে।
- বাংলা সাহিত্যের ১০টি শাখায় এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- প্রতিটি পুরস্কারের মূল্যমান ৩,০০,০০.০০ (তিন লক্ষ) টাকা।
- প্রতি বছর মাসব্যাপী আয়োজিত অমর একুশে গ্রন্থমেলা ও অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে পুরস্কার প্রাপ্তদের পুস্কারের অর্থমূল্যের চেক, সম্মাননা পত্র ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট (লিঙ্ক)।

২,৪৪৩.
বাংলাদেশের শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. ময়নামতি
  2. রূপগঞ্জ 
  3. আড়াইহাজার 
  4. সোনারগাঁও
ব্যাখ্যা

শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর:
- বাংলাদেশ লোকশিল্প জাদুঘর- শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর নামেও পরিচিত।
- জাদুঘরটি বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও-এ অবস্থিত।
- এটি দেশের প্রাচীন লোকশিল্প ও কারুশিল্প সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- জাদুঘরটি ১৯৭৫ সালের ১২ মার্চ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন দ্বারা জাদুঘরটি পরিচালিত হয়।

- জাদুঘরটির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো:
• এটি বাঙালির হস্তশিল্প, পটচিত্র, মুখোশ, মাটির কাজ, লোকজ বাদ্যযন্ত্র এবং গ্রামীণ জীবনের নানা নিদর্শনের এক বিশাল সংগ্রহশালা। 
• সোনারগাঁওয়ের ঐতিহাসিক বড়সর্দারবাড়ি প্রাসাদে এটি স্থাপিত।
• জাদুঘরের এলাকা জুড়ে রয়েছে কারুপল্লী, সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার এবং একটি বিশাল লেক, যা দর্শনার্থীদের জন্য আকর্ষণ বাড়ায়।
• ঢাকা থেকে প্রায় ২৪ কিলোমিটার দূরে জাদুঘরটি অবস্থিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

২,৪৪৪.
নিচের কোনটি CIRDAP কার্যালয়?
  1. ক) মার্লবোরো হাউজ
  2. খ) চামেলি হাউজ
  3. গ) গণভবন
  4. ঘ) বর্ধমান হাউজ
ব্যাখ্যা
রাজধানী ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের পাশে অবস্থিত চামেলি হাউজে CIRDAP সিরডাপ কার্যালয় অবস্থিত। অন্যদিকে লন্ডনে অবস্থিত মার্লবোরো হাউজ হলো কমনওয়েলথ সদরদপ্তর। বর্ধমান হাউজ হলো বাংলা একাডেমির মূল ভবন এবং গণভবন হলো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন।
(সূত্রঃ সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট)
২,৪৪৫.
জাতিসংঘের 'Champion of the Earth' খেতাব পেয়েছেন কে?
  1. ক) শেখ হাসিনা
  2. খ) থেরেসা মে
  3. গ) এঞ্জেলা মার্কেল
  4. ঘ) হিলারি ক্লীন্টন
ব্যাখ্যা
• জাতিসংঘের 'Champion of the Earth' খেতাব পেয়েছেন শেখ হাসিনা। 

- United Nation Environment Programme (UNEP) - থেকে Champion of the Earth পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- ২০১৫ সালে জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির সর্বোচ্চ পুরস্কার 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ' খেতাব লাভ করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

Source: UNEP website. 
২,৪৪৬.
বাংলাদেশ কত সালে অলিম্পিক গেমসে প্রথম অংশগ্রহন করে?
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৮৪ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা
• অলিম্পিক গেমস:
- প্রথম অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয় গ্রিসে।
- খ্রিস্টপূর্ব ৭৭৬ থেকে ৩৯৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত প্রাচীন গ্রিসে প্রাচীন অলিম্পিকের আসর অনুষ্ঠিত হতো।
- আধুনিক অলিম্পিক গেমসের জনক ব্যারেন পিয়েরে দ্য ক্যুবার্তো।
- আধুনিক অলিম্পিক গেমসের সূচনা হয় ১৮৯৬ সালে গ্রিসের এথেন্সে।
- বাংলাদেশ ১৯৮৪ সালে লস অ্যাঞ্জেলস, যুক্তরাষ্ট্রে ২৩ তম অলিম্পিকে প্রথম অংশগ্রহন করে।

তথ্যসূত্র- Britannica.com & The Daily Star, Aug 12, 2021.
২,৪৪৭.
স্বাধীন বাংলাদেশকে সোভিয়েত ইউনিয়ন স্বীকৃতি দেয়-
  1. ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ সালে
  2. ২৪ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে
  3. ১০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ সালে
  4. ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা

- ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ সালে গ্রেট ব্রিটেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- ২৪ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- ১০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ সালে জাপান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ সালে ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

২,৪৪৮.
২০২৪ সালের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)-এ সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী কে?
  1. তানজিদ হাসান
  2. তাওহিদ হৃদয়
  3. সাকিব আল হাসান
  4. তামিম ইকবাল
ব্যাখ্যা
বিপিএল ২০২৪:

- প্লেয়ার অব দ্য ফাইনাল: কাইল মায়ার্স।
- বেস্ট ফিল্ডার অব দ্য টুর্নামেন্ট: নাঈম শেখ।
- সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি: শরিফুল ইসলাম।
- সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক: তামিম ইকবা।
- প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট: তামিম ইকবাল।
- রানার্স-আপ টিম: কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।
- চ্যাম্পিয়ন টিম: ফরচুন বরিশাল।

তথ্যসূত্র - বাংলা ট্রিবিউন, ০২ মার্চ ২০২৪।
২,৪৪৯.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় 'রামসার সাইট' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. মৌলভীবাজার
  2. বাগেরহাট
  3. সুনামগঞ্জ
  4. কিশোরগঞ্জ
ব্যাখ্যা
রামসার সাইট (Ramsar sites):
- রামসার কনভেনশন (Ramsar Convention) বা রামসার চুক্তি হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
- এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি (wetlands) সংরক্ষণ এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা।
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট (Ramsar sites) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
- রামসার সাইট ২টি হলো: সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় 'রামসার সাইট টাঙ্গুয়ার হাওর সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
- ১৯৯২ সালের ২১ মে সুন্দরবনকে রামসার সাইট (রামসার কনভেনশন কর্তৃক আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জলাভূমি) হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি টাঙ্গুয়ার হাওরকে সুন্দরবনের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় 'রামসার সাইট' হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

উৎস: Ramsar Convention ওয়েবসাইট।
২,৪৫০.
শহীদ জননী নামে খ্যাত নিচের কোন ব্যক্তি?
  1. ক) বেগম সুফিয়া কামাল
  2. খ) জাহানারা ইমাম
  3. গ) সেলিনা হোসেন
  4. ঘ) বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
ব্যাখ্যা
জাহানারা ইমাম:

- মুর্শিদাবাদ জেলার সুন্দরপুর গ্রামে ১৯২৯ সালে জাহানারা ইমাম জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি শহীদ জননী হিসেবে খ্যাত।
- তিনি মুক্তিযুদ্ধ চেতনা বাস্তবায়ন ও ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির আহবায়ক হিসেবে ব্যাপক পরিচিত।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক শিহরণমূলক ও মর্মস্পর্শী ঘটনাবৃত্তান্ত 'একাত্তরের দিনগুলি'।
- ১৯৮১-র দিকে জাহানারা ইমাম মুখের ক্যান্সারে আক্রান্ত হন।
- ১৯৯৪ সালের ২৬ জুন আমেরিকার মিশিগান স্টেটের ডেট্রয়েটে চিকিৎসাধীন তাঁর মৃত্যু হয়।
- তাঁর রচিত অন্যান্য গ্ৰন্থ :
- সাতটি তারার ঝিকিমিকি।
- অন্যজীবন
- বুকের ভিতর আগুন।
- নাটকের অবসান।
- নিঃসঙ্গ পাইন।
- প্রবাসের দিনগুলি।
• একাত্তরের দিনগুলি: - বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উপর স্মৃতিচারণমূলক তাঁর অসাধারণ ডায়েরি গ্রন্থ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
২,৪৫১.
কোন সংস্থাটি ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে?
  1. UNESCO
  2. UNDP
  3. UNICEF
  4. UNCTAD
ব্যাখ্যা
২১ ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।

- ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন হয় যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয় এবং একই প্রস্তাবে ২০০৮ সালকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।

সূত্র: ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
২,৪৫২.
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালাটি কোথায় অবস্থিত?
  1. নড়াইল
  2. কিশোরগঞ্জ
  3. রাজশাহী
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

• শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালাঃ
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন বাংলাদেশের আধুনিক ও সমসাময়িক শিল্প আন্দোলনের অগ্রগামী ছিলেন।
- ময়মনসিংহের স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় তিনি একটি আর্ট গ্যালারী প্রতিষ্ঠা শুরু করেন, যা ১৫ এপ্রিল ১৯৭৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
- পরবর্তীতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ জাতীয় যাদুঘর কর্তৃক পরিচালিত উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে এটির উন্নতি করা হয় এবং একটি যাদুঘরে রূপান্তরিত হয়। 
- প্রয়াত শিল্পীর স্মৃতির সম্মানে যাদুঘরের নামকরন করা হয় শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালা।
- এটি ময়মনসিংহ জেলার ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরে অবস্থিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২,৪৫৩.
সম্প্রতি বাংলাদেশের কোন সংগীত শিল্পী 'পদ্মশ্রী পুরস্কার' পেয়েছেন?
  1. রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা
  2. ফজলুর রহমান বাবু
  3. নকুল কুমার বিশ্বাস
  4. বারী সিদ্দিকী
ব্যাখ্যা
পদ্মশ্রী পুরস্কার পাচ্ছেন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা:
- দেশের পাশাপাশি ওপার বাংলাতেও দারুণ শ্রোতাপ্রিয় রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা।
- ভারতের মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক সম্মাননা ‘পদ্মশ্রী’-তে ভূষিত হলেন বাংলাদেশের বরেণ্য রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। 
- এটি ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা।
- ভারত সরকার ১৯৫৪ সালে পদ্ম পুরস্কার দেওয়া শুরু করে।
- ১৯৫৫ সালে এটি ‘পদ্মবিভূষণ’, ‘পদ্মভূষণ’ এবং ‘পদ্মশ্রী-এ তিনটি বিভাগে দেওয়া হয়।
- সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তিদের এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- এর আগে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের ‘বঙ্গভূষণ’ পেয়েছিলেন তিনি।
- সংগীতে অবদানের জন্য ২০১৬ সালে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক স্বাধীনতা পুরস্কার পান বন্যা।
- এছাড়া ফিরোজা বেগম স্মৃতি স্বর্ণপদকসহ বিভিন্ন সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন এ শিল্পী।

 উৎস: ২৭ জানুয়ারি ২০২৪, যুগান্তর।
২,৪৫৪.
ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদ মারা যান কবে?
  1. ক) ০২ ডিসেম্বর ২০১৯
  2. খ) ১০ ডিসেম্বর ২০১৯
  3. গ) ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯
  4. ঘ) ২০ ডিসেম্বর ২০১৯
ব্যাখ্যা
স্যার ফজলে হাসান আবেদ ২০ ডিসেম্বর ২০১৯ মারা যান। তিনি ১৯৭২ সালে ব্র্যাক এনজিও প্রতিষ্ঠা করেন যা বর্তমান বিশ্বের সর্ববৃহৎ এনজিও। ২০১০ সালে তিনি ব্রিটেনের নাইটহুট উপাধি ও ২০১৯ সালে ইদান পুরস্কার লাভ করেন। (সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো)
২,৪৫৫.
বাংলাদেশে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে -
  1. বিজয়পুরে
  2. রানীগঞ্জে
  3. টেকেরহাটে
  4. বিয়ানী বাজারে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে — নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুরে। 
----------------- 
• 'চীনামাটি':

- চীনামাটি কেওলিন কর্দম মণিক দ্বারা গঠিত উন্নতমানের কর্দম; প্রধানত সিরামিক শিল্পে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে গৃহস্থালি সামগ্রী হিসেবে চীনামাটির তৈরী তৈজসপত্রের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। 
- বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
- নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর ও গোপালপুরে, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায়, চট্টগ্রাম জেলার হাইটগাঁও ও সাতকানিয়া উপজেলার বাইতুল ইজ্জতে চীনামাটির মজুত রয়েছে।
- এ ছাড়া দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া, বড়পুকুরিয়া ও দীঘিপাড়া এবং নওগাঁ জেলার পত্নীতলাতে ভূ-পৃষ্ঠের নিকটে চীনামাটি মজুতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৭ সালে বর্তমান নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর থানার অন্তর্গত ভেদিকুরা নামক স্থানে প্রথম চীনামাটির সন্ধান লাভ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
২,৪৫৬.
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) -এর বর্তমান সভাপতি কে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]
  1. ফারুক আহমেদ
  2. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  3. নাজমুল হাসান পাপন
  4. নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সুজন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি):
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) বাংলাদেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ ক্রীড়া নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭২ সালে।
- প্রধান সদর দপ্তর: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- বর্তমান সভাপতি: আমিনুল ইসলাম বুলবুল। [ব্যাখ্যা আপডেট - ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]

উৎস: বিসিবি ওয়েবসাইট।

২,৪৫৭.
বাংলাদেশ থেকে কান চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত প্রথম সিনেমা কোনটি?
  1. গেরিলা
  2. মাটির ময়না
  3. রেহানা মরিয়ম নূর
  4. ওরা এগারো জন
ব্যাখ্যা

• কান চলচ্চিত্র উৎসবে অংশগ্রহণকারী এবং পুরস্কার বিজয়ী প্রথম বাংলাদেশি চলচ্চিত্র 'মাটির ময়না' (২০০২)। 

কান চলচ্চিত্র উৎসব:
- চলচ্চিত্রশিল্পের অন্যতম বড় প্রদর্শনীর নাম কান চলচ্চিত্র উৎসব।
- ১৯৪৬ সালে ক্ষুদ্র পরিসরে বসে প্রথম আসর।
- আসরের সেরা পুরস্কার 'পাম দি'অর' বা 'স্বর্ণপাম' প্রথম প্রদান করা হয় ১৯৫৫ সালে।
- ভূমধ্যসাগরের উপকূলে ফ্রান্সের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের শহর কানে বসে চলচ্চিত্রজগতের সবচেয়ে সম্মানজনক এ আসর।
- প্রতিবছরের মে মাসে ১২ দিনের জন্য বসে এ আসর।
- ১৯৪৬ সালে শুরুর পর থেকে প্রতিবছর সেরা চলচ্চিত্রকে পুরস্কৃত করা হয়।
- এটি বিশেষভাবে পরিচিত পাম দি'অর পুরস্কারের জন্য, যা দেওয়া হয় মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে সেরা চলচ্চিত্রকে।
- বাংলাদেশে থেকে ২০০২ সালে প্যারালাল বিভাগ 'ডিরেক্টরস ফোর্টনাইট'-এ মনোনয়ন পেয়ে সমালোচক পুরস্কারও জিতেছিল তারেক মাসুদের 'মাটির ময়না'।

উল্লেখ্য,
- কান চলচ্চিত্র উৎসবের অফিসিয়াল বিভাগ 'আঁ সার্তেইন রিগার্দ'-এ প্রথমবারের মতো স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র 'রেহানা মরিয়ম নূর' (২০২১ সাল)।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।

২,৪৫৮.
বঙ্গবন্ধু পোস্টাল মিউজিয়াম স্থাপন করা হবে কোন জেলায়?
  1. ক) গোপালগঞ্জে
  2. খ) খুলনায়
  3. গ) রাজশাহীতে
  4. ঘ) বাগেরহাটে
ব্যাখ্যা
(রেফারেন্স - প্র‍থম আলো)
২,৪৫৯.
নভেরা আহমেদের পরিচয় কী হিসাবে?
  1. ক) কবি
  2. খ) নাট্যকার
  3. গ) কণ্ঠশিল্পী
  4. ঘ) ভাস্কর
ব্যাখ্যা
নভেরা আহমেদ (মার্চ ২৯, ১৯৩৯ –  মে ৬, ২০১৫):
- তিনি ছিলেন একজন বাংলাদেশী ভাস্কর।
- তিনি বাংলাদেশের আধুনিক ভাস্কর্যশিল্পের অন্যতম অগ্রদূত এবং বিংশ শতাব্দীর প্রথম বাংলাদেশী আধুনিক ভাস্কর।
- ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ সরকার তাকে একুশে পদক প্রদান করে।
- তিনি প্রায় ৪৫ বছর মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত প্যারিসে বসবাস করেন।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (৬ মে, ২০২০)।
২,৪৬০.
'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ২'-এর মেয়াদকাল -
  1. ১৫ বছর
  2. ১৮ বছর
  3. ২০ বছর
  4. ২৫ বছর
ব্যাখ্যা
 বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ২:
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট -২ আর্থ অবজারভেটরি স্যাটেলাইট।
- ফ্রান্সের আন্তর্জাতিক মহাকাশযান নির্মাণ প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ নির্মাণ ও উৎক্ষেপণে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে। 
- এটি ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ৩০০ থেকে ৪০০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থান করবে।
- ফলে দ্বিতীয় স্যাটেলাইটের জন্য অরবিটাল স্লট প্রয়োজন হবে না।
- এই স্যাটেলাইটের লাইফ টাইম হবে ১৮ বছরের মতো।
- দেশের সমুদ্রসীমায় ‘সি রিসোর্স’ ভালোভাবে পর্যবেক্ষণে এই স্যাটেলাইট কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদী। 

উৎস: ২৪ জুলাই, ২০২৩, যুগান্তর। 
২,৪৬১.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা কত?
  1. ৪৫ ফুট
  2. ১০০ ফুট
  3. ১৫০ ফুট
  4. ৪৫০ ফুট
ব্যাখ্যা
জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- ঢাকা থেকে প্রায় ২৫ কি. মি. দূরে সাভার থানার নবীনগরে জাতীয় স্মৃতিসৌধ অবস্থিত।
- এ স্থানটি নির্বাচনের অন্যতম কারণ ছিল দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এখানে অনেক গণকবর আবিস্কৃত হয়েছিল।
- বাংলাদেশ স্বাধীনতা যুদ্ধকে চিরস্মরণীয় করে রাখার জন্য এ স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।
- অধিগ্রহণকৃত ৮৪ একর জমির মাঝে প্রায় ৬৪ একর জুড়ে রয়েছে সবুজ ভূমি।
- ৪০ একর জায়গা নিয়ে গড়ে উঠেছে স্মৃতিসৌধ।
- ১৯৮২ সালের আগষ্ট মাসে সৌধের নির্মাণ কাজ শেষ হয়।
- জাতীয় স্মৃতিসৌধের মূল কাঠামোর নকশা তৈরি করেন স্থপতি মইনুল হোসেন।
- কংক্রিট নির্মিত ৭ টি ত্রিভূজাকৃতির স্তম্ভ দিয়ে মূল সৌধ গঠিত, যা ছোট হতে ধীরে ধীরে উচু হয়ে উপরে উঠে গেছে।
- এর উচ্চতা ১৫০ ফুট।
- প্রথম স্তম্ভটির উচ্চতা কম হলে ও প্রস্থে সবচেয়ে বড়।
- এটিকে আন্দোলনের সূচনা অর্থাৎ ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনকে বোঝানো হয়েছে।
- পরবর্তী স্তম্ভগুলো দ্বারা যথাক্রমে ১৯৫৪, ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৬৬, ১৯৬৯ এবং ১৯৭১ কে বুঝানো হয়েছে।
- সর্বোচ্চ স্তম্ভটির দ্বারা মুক্তিযুদ্ধের বিজয়কে বুঝানো হয়েছে।
- এই স্মৃতিসৌধের বৈশিষ্ট্য হলো এক এক দিক থেকে এক এক রকম আকৃতির মনে হয়।
- এটি শুধু স্মৃতিসৌধ নয়, এটি একটি পূর্ণাঙ্গ কমপ্লেক্স।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৪৬২.
রবীন্দ্র-সাহিত্যের গবেষণায় বাংলা একাডেমি কোন ব্যক্তিকে ২০২৪ সালে ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ প্রদান করে?
  1. আবদুল হাকিম
  2. রাজিয়া সুলতানা
  3. ভীষ্মদেব চৌধুরী
  4. সমীর কুমার সরকার
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্র পুরস্কার:
- রবীন্দ্রসাহিত্যের গবেষণা ও সমালোচনা এবং রবীন্দ্রসংগীতের আজীবন সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- বাংলা একাডেমি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ২০১০ সাল থেকে রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তন করে।
- প্রতিবছর দুই বা তিনজনকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। এ পুরস্কারের অর্থমূল্য ৫০ হাজার টাকা।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে বাংলা একাডেমির ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ পেয়েছেন অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরী ও শিল্পী লাইসা আহমদ।
- বাংলা একাডেমি রবীন্দ্র-সাহিত্যের গবেষণায় অবদানের জন্য অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরীকে এবং রবীন্দ্রসংগীত-চর্চায় অবদানের জন্য অধ্যাপক লাইসা আহমদ লিসাকে রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৪-এ ভূষিত করেছে।

⇒ অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরী মূলত সাহিত্য-গবেষক, সমালোচক। সিলেট শহরের সুরমা নদীর তীর ঘেঁষা তোপখানায় তার জন্ম ১৯৫৭ সালের ৩০ নভেম্বর। তার শিক্ষকতা দিয়ে চাকরি জীবনের সূচনা ১৯৮৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। তিরিশোত্তর বাংলা কথাসাহিত্য, রবীন্দ্র ছোটগল্প এবং বাংলাদেশের সাহিত্য ছিল তার পাঠদান, চিন্তা-চর্চা আর লেখার প্রধান বিষয়।

⇒ সংগীতশিল্পী লাইসা আহমদ লিসা। রবীন্দ্রনাথের গানসহ সুস্থধারার সংগীত পরিবেশনের মধ্যদিয়ে জয় করে চলেছেন শ্রোতার মন। তিনি ছায়ানটের সাধারণ সম্পাদক।

উৎস: i) বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
২,৪৬৩.
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন কার্যক্রমে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৯৭৮ সালে
  2. ১৯৮৬ সালে
  3. ১৯৮৮ সালে
  4. ১৯৯৮ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ও জাতিসংঘ:
- বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের মধ্যে সম্পর্কের সূত্রপাত ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রাথমিক পর্যায়েই। ১৯৭১ সালের এপ্রিলে ভারত সরকার জাতিসংঘের কাছে শরণার্থীদের মানবিক সহায়তা দিতে অনুরোধ জানায়। এই অনুরোধে তৎকালীন জাতিসংঘ মহাসচিব কুর্ট ওয়াল্ডহেইম উদ্যোগী হন। জাতিসংঘ মহাসচিব উ থান্ট ১৯৭১ সালের গণহত্যাকে মানব ইতিহাসে অন্ধকার অধ্যায় হিসেবে ঘোষণা করেন।

⇒ বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ৮ আগস্ট জাতিসংঘের সদস্য পদের জন্য আবেদন পাঠিয়েছিল, তবে ১১ আগস্ট নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে বাংলাদেশের আবেদনটি পুনরায় বিবেচনার জন্য ২১ আগস্ট পর্যন্ত মুলতবি করতে সব সদস্যই সম্মত হয়। ২৩ আগস্ট বাংলাদেশকে জাতিসংঘের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য যুক্তরাজ্য, ভারত, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুগোস্লাভিয়া সমর্থিত একটি প্রস্তাব নিরাপত্তা পরিষদে উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু ২৫ আগস্ট চীন ওই প্রস্তাবে ভেটো প্রয়োগ করার ফলে ওই সময় বাংলাদেশের পক্ষে জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভ করা সম্ভব হয়নি।

⇒ ১৯৭৪ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ পুনরায় আবেদন করে। ১৯৭৪ সালের ১০ জুন নিরাপত্তা পরিষদে বাংলাদেশের সদস্য পদ লাভের প্রস্তাবটি উত্থাপিত হলে সর্বসম্মতিক্রমে তা গৃহীত হয়। চীন বাংলাদেশের বিপক্ষে না গিয়ে ভোটাভুটিতে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকে। অতঃপর প্রস্তাবটি নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশসহ সাধারণ পরিষদে পাঠানো হয়। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ তারিখে ২৯তম অধিবেশনে বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে। ওই দিনই সাধারণ পরিষদ সর্বসম্মতিক্রমে বাংলাদেশকে জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন শুরু হয়।
- সর্বপ্রথম বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য পাঠায়।
- ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ দুটি অপারেশনে অংশগ্রহণ করে, একটি ইরাক-ইরান (UNIIMOG) এবং অন্যটি নামিবিয়া (UNTAG)।

উৎস: i) United Nations in Bangladesh ওয়েবসাইট।
ii) ARMED FORCES DIVISION ওয়েবসাইট।

২,৪৬৪.
গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে কত বছরের জন্য স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ২০ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ২৬ বছর
  4. ৩০ বছর
ব্যাখ্যা
- ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি ১৯৯৬ সালে ৩০ বছরের জন্য স্বাক্ষরিত হয়। 

গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি:
- হিমালয়ের হিমবাহে উৎপন্ন গঙ্গা নদী।
- গঙ্গা নদী ভারতের উত্তর প্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের গোয়ালন্দের কাছে ব্রহ্মপুত্র নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- গঙ্গা নদী বাংলাদেশে পদ্মা নামে অভিহিত।
- ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রথম পরিকল্পনা করে ১৯৫১ সালে।
- এ অঞ্চলের পানিসম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ তৎকালীন সরকার ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী একটি স্থায়ী যৌথ নদী কমিশন গঠনের উদ্দেশ্যে এক যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন।
- এ ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭২ সালের নভেম্বরে একটি যৌথ নদী কমিশন গঠিত হয়।
- ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
২,৪৬৫.
২০২৫ সালে সমাজসেবায় কে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন?
  1. স্যার ফজলে হাসান আবেদ
  2. আজম খান
  3. নভেরা আহমেদ
  4. আবরার ফাহাদ
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন।
- পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়েছে।

⇒ স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রাপ্ত:
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),
- সাহিত্য: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর),
- সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),
- সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),
- শিক্ষা ও গবেষণা: বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর,
- প্রতিবাদী তারুণ্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
২,৪৬৬.
শেখ হাসিনা সরণি কত লেন বিশিষ্ট?
  1. ১০ লেন
  2. ১২ লেন
  3. ১৪ লেন
  4. ১৬ লেন
ব্যাখ্যা
শেখ হাসিনা সরণি:

- পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে দেশের প্রথম ১৪ লেনের সড়ক।
- কুড়িল থেকে কাঞ্চন পর্যন্ত দৈর্ঘ্য ১২.৩০ কিলোমিটা।
- রাজউক এই সড়কের নাম দিয়েছে ‘শেখ হাসিনা সরণি’।
- ঢাকার নতুন গেইটওয়ে পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে।
- মহাসড়কের দুপাশে রয়েছে ১০০ ফুট খাল।
- বিশেষ ব্যবস্থা থাকায় ভারি বৃষ্টিতেও এ পথে হবে না জলজট।
- তাছাড়া নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনেও এই প্রকল্প রাখবে বিশেষ ভূমিকা।

তথ্যসূত্র - সময় নিউজ, ১৪ নভেম্বর ২০২৩।
২,৪৬৭.
'বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ' আন্তর্জাতিক ফুটবল প্রতিযোগিতা কবে শুরু হয়?
  1. ক) ১৯৯৪ সালে
  2. খ) ১৯৯৬ সালে
  3. গ) ১৯৯৯ সালে
  4. ঘ) ২০০৯ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৯৬ সালে এ বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন হয়। তিন বছর পর ১৯৯৯ সালে পুনরায় এর দ্বিতীয় আসরের আয়োজন করা হয়। এরপর দীর্ঘ বিরতি দিয়ে ২০১৫ সালে তৃতীয় আসর অনুষ্ঠিত হয়।
২,৪৬৮.
বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. গাজীপুর
  3. টাঙ্গাইল
  4. মুন্সিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বিকেএসপি:
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৪ সালে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীনে প্রকল্প আকারে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব স্পোর্টস (বিআইএস) প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করে।
- ১৯৭৬ সালে এ প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৮৩ সালে এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে এর নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) রাখা হয়।
- বিকেএসপির নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয় ১৯৮৬ সালে।
- ঢাকার সাভারে প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।
- বিকেএসপি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি বিধিবদ্ধ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানের ৪টি শাখা রয়েছে। প্রশাসনিক, প্রশিক্ষণ, ক্রীড়া বিজ্ঞান এবং একাডেমিক।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২,৪৬৯.
বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকা কোনটি?
  1. ক) সমাচার দর্পণ
  2. খ) ঢাকা প্রকাশ
  3. গ) সংবাদ প্রভাকর
  4. ঘ) রঙ্গপুর বার্তাবহ
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম দৈনিক পত্রিকা হলো সংবাদ প্রভাকর। ১৮৩৯ সালের ১৪ জুন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত এর সম্পাদনায় সংবাদ প্রভাকর দৈনিক পত্রিকা হিসেবে প্রথম প্রকাশিত হয়।
এর পূর্বে এটি ১৮৩১ সালে সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয়।

অন্যদিকে,
সমাচার দর্পণ (২৩ মে ১৮১৮) হলো বাংলা ভাষার প্রথম সাপ্তাহিক পত্রিকা।
রঙ্গপুর বার্তাবহ (আগস্ট ১৮৪৭) হলো বাংলাদেশ ভূখণ্ড থেকে প্রকাশিত প্রথম পত্রিকা
ঢাকা প্রকাশ (৭ মার্চ ১৮৬১) হলো ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা পত্রিকা।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
২,৪৭০.
বাংলাদেশ নিচের কোন সংস্থার সদস্য নয়?
  1. ILO
  2. OPEC
  3. OIC
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ OPEC এর সদস্য নয়।

অপরদিকে,
- বাংলাদেশ ILO-এর সদস্যপদ লাভ করে – ২২ জুন, ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশ OIC-এর সদস্যপদ লাভ করে – ১৯৭৪ সালে।

সূত্র: সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইট।
২,৪৭১.
গুপ্ত যুগে নির্মিত 'ভরত রাজা দেউল' কোথায় অবস্থিত?
  1. নরসিংদী
  2. যশোর
  3. চট্টগ্রাম
  4. নাটোর
ব্যাখ্যা

ভরত রাজা দেউল:
- অবস্থান:  যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলায়, ভদ্রা নদীর তীরে।
- উচ্চতা ও পরিধি: উচ্চতা প্রায় ১২.২০ মিটার, পরিধি ২৬৬ মিটার।
- সময়কাল: গুপ্ত যুগে নির্মিত বলে ধারণা করা হয়।
- প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের খননকাল: ১৯৮৪–২০০১ সাল।
- স্থাপনাটির প্রধান অংশ: টি-আকৃতির স্থাপনা, একটি মঞ্চ মূল মন্দির।
- মোট কক্ষ : ৯৪টি কক্ষ।
-  স্হাপনাটির গোড়ায় দিকে চারপাশে ৩ মিটার চওড়া রাস্তা রয়েছে।

উৎস - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।  

২,৪৭২.
পাহাড়পুরের সোমপুর বৌদ্ধবিহার কততম বিশ্ব ঐতিহ্য?
  1. ক) ৩২১তম
  2. খ) ৩২২তম
  3. গ) ৫২০তম
  4. ঘ) ৭৯৮তম
ব্যাখ্যা

- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- রাখাল দাস বন্দোপাধ্যায় এর খনন কাজ শুরু করে (১৯২৫-১৯২৬)
- খ্রিষ্টীয় দশম শতকে বিহারের আচার্য ছিলেন অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান।
- স্থানীয় লোকজন একে 'গোপাল চিতার পাহাড়' আখ্যায়িত করত। সেই থেকেই এর নাম হয়েছে পাহাড়পুর, যদিও এর প্রকৃত নাম সোমপুর বিহার।

- বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণা করে ইউনেস্কো।
- ইউনেস্কো ঘোষিত বাংলাদেশের বিশ্ব ঐতিহ্যের সংখ্যা তিনটি।
এগুলো হলো
- বাগেরহাট জেলার ষাটগম্বুজ মসজিদ (১৯৮৫) এবং সুন্দরবন (১৯৯৭)।
- পাহাড়পুরের সোমপুর বৌদ্ধবিহার ৩২২তম বিশ্ব ঐতিহ্য
- ষাটগম্বুজ মসজিদ ৩২১তম বিশ্ব ঐতিহ্য।
- সুন্দরবন ইউনেস্কো ঘোষিত ৭৯৮তম বিশ্ব ঐতিহ্য।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের এবং ইউনেস্কো ওয়েবসাইট।

২,৪৭৩.
আহসান মঞ্জিলের জন্য পুরনো কুঠিবাড়িটি কার কাছ থেকে কেনা হয়?
  1. ফরাসিদের কাছ থেকে
  2. ডাচদের কাছ থেকে
  3. ইংরেজদের কাছ থেকে
  4. পর্তুগিজদের কাছ থেকে
ব্যাখ্যা

 ◉ আহসান মঞ্জিলের জন্য পুরনো কুঠিবাড়িটি ফরাসি বণিকদের কাছ থেকে কিনেছিলেন নওয়াব আবদুল গনি। 

আহসান মঞ্জিল:
- আহসান মঞ্জিলের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ঢাকার নওয়াব খাজা আবদুল গনি।
- ১৮৩০ সালে তিনি ফরাসিদের নিকট থেকে পুরনো কুঠিবাড়িটি কিনে সেটিকে নিজ বাসভবনে রূপান্তর করেন।
- এরপর ইউরোপীয় স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান মার্টিন অ্যান্ড কোম্পানিকে দিয়ে একটি মাস্টার প্ল্যান তৈরি করান, এর ভিত্তিতে নির্মিত হয় আহসান মঞ্জিল।
- এর নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৮৫৯ সালে এবং শেষ হয় ১৮৭২ সালে।
- প্রাসাদটির নামকরণ করা হয় খাজা আবদুল গনির পুত্র খাজা আহসানুল্লাহ-র নামে।
- এই ভবনটি ছিল ঢাকার নবাব পরিবারের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু। দীর্ঘ সময় ধরে এখান থেকেই পূর্ব বাংলার মুসলমানদের নেতৃত্ব দেওয়া হয়েছে।  

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।

২,৪৭৪.
নিচের কোন বিশিষ্ট ব্যাক্তি মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৪ পেয়েছেন?
  1. কাজী আবদুস সাত্তার বীর প্রতীক
  2. ডা. হরিশংকর দাশ
  3. আবু নঈম মো. নজিব উদ্দীন খান (খুররম)
  4. অধ্যাপক ডা. মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ বাকী
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৪
- স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ ক্ষেত্রে পুরস্কার পেয়েছেন ৩ জন।
- তাঁরা হলেন -
১.কাজী আবদুস সাত্তার বীর প্রতীক,
২.বীর মুক্তিযোদ্ধা ফ্লাইট সার্জেন্ট মো. ফজলুল হক (মরণোত্তর) ও
৩.বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আবু নঈম মো. নজিব উদ্দীন খান (খুররম) (মরণোত্তর)। 

- চিকিৎসাবিদ্যায় এই বছর স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন ডা. হরিশংকর দাশ।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে পুরস্কার পেয়েছেন ড. মোবারক আহমদ খান।
- সংস্কৃতিতে মোহাম্মদ রফিকুজ্জামান ও ক্রীড়াক্ষেত্রে ফিরোজা খাতুন এই বছর স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন।
- সমাজসেবায় পুরস্কার পেয়েছেন অরণ্য চিরান, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ বাকী ও এস এম আব্রাহাম লিংকন।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো।
২,৪৭৫.
বাংলাদেশের জাতীয় পশু কোনটি?
  1. গরু
  2. ছাগল
  3. গয়াল
  4. রয়েল বেঙ্গল টাইগার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের:
- জাতীয় গাছ : আম গাছ, 
- জাতীয় পাখি : দোয়েল, 
- জাতীয় ফল : কাঁঠাল, 
- জাতীয় মাছ : ইলিশ, 
- জাতীয় ফুল : শাপলা, 
- জাতীয় পশু : রয়েল বেঙ্গল টাইগার,
- জাতীয় দিবস : ২৬শে মার্চ।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।
২,৪৭৬.
বাংলাদেশ কত সালে Interpol এর সদস্যপদ লাভ করে কত সালে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা
Interpol:
- Interpol হল আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা।
- এর পূর্ণরূপ International Criminal Police Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯২৩ সাল।
- বর্তমান সদর দপ্তর: লিওঁ, ফ্রান্স।
- ১৯৪৬ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে এবং ১৯৮৯ সালে ফ্রান্সের লিওঁ শহরে সদর দপ্তর স্থাপন করা হয়।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৬টি দেশ। (জুলাই, ২০২৫)
- সর্বশেষ সদস্য দেশ: পালাউ।
- বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে: ১৪ অক্টোবর, ১৯৭৬ সাল।
- বর্তমান মহাসচিব: ভালডেসি উরকুইজা। (জুলাই, ২০২৫)
- তিনি ব্রাজিলের নাগরিক।
- ২০২৪ সালের নভেম্বরে যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত ৯২তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন।

তথ্যসূত্র - ইন্টারপোল অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,৪৭৭.
বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি ঔষধ রপ্তানি করে কোন দেশে?
  1. শ্রীলংকায়
  2. যুক্তরাজ্যে
  3. জাপানে
  4. মিয়ানমারে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি ঔষধ রপ্তানি করে মিয়ানমারে।
 
ঔষধ রপ্তানি:
- বাংলাদেশ থেকে গত অর্থবছরে ১৮ কোটি ৮৭ লাখ ডলার বা এক হাজার ৯৮২ কোটি টাকার (প্রতি ডলার ১০৫ টাকা) ওষুধ রপ্তানি হয়েছে।
- বিশ্বের ১৪০টি দেশে এ ওষুধ রপ্তানি হলেও সবচেয়ে বড় চালানটি গেছে পাশের দেশ মিয়ানমারে।
- দেশটিতে গত অর্থবছরে দুই কোটি ৭৬ লাখ ডলার বা ২৮৯ কোটি টাকার ওষুধ রপ্তানি হয়েছে, যা মোট ওষুধ রপ্তানির প্রায় ১৫ শতাংশ।
- যদিও ওষুধ খাতে প্রায় পুরোপুরি আমদানি নির্ভর মিয়ানমারের মোট চাহিদার মাত্র ৫ শতাংশের দখল বাংলাদেশের

অন্যদিকে,
- ২য় অবস্থানে আছে শ্রীলঙ্কা।
- ৩য় অবস্থানে আছে  ফিলিপাইন।
- ৪র্থ অবস্থানে আছে যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস: কালের কন্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট।
২,৪৭৮.
ড. আবেদ চৌধুরী একজন-
  1. চিকিৎসক
  2. জিন গবেষক
  3. উদ্ভিদ গবেষক
  4. প্রাণী গবেষক
ব্যাখ্যা

ড. আবেদ চৌধুরী:
- ড.আবেদ চৌধুরী একজন বাংলাদেশী জিন বিজ্ঞানী, ধান গবেষক ও লেখক।
- আধুনিক জীববিজ্ঞানের প্রথম সারির গবেষকদের একজন।
- তিনি বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের কানিহাটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার বসবাস করছেন।  
- ড. আবেদ চৌধুরী উচ্চশিক্ষা অর্জন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগে, যুক্তরাষ্ট্রের অরিগন স্টেট ইনিস্টিটিউট অফ মলিকুলার বায়োলজি এবং ওয়াশিংটন স্টেটের ফ্রেড হাচিনসন ক্যান্সার রিসার্চ ইনিস্টিটিউটে।

⇒ ১৯৮৩ সালে পিএইচ.ডি গবেষণাকালে তিনি রেকডি নামক জেনেটিক রিকম্বিনেশনের একটি নতুন জিন আবিষ্কার করেন যা নিয়ে আশির দশকে আমেরিকা ও ইউরোপে ব্যাপক গবেষণা হয়। অযৌন বীজ উৎপাদন (এফআইএস) সংক্রান্ত তিনটি নতুন জিন আবিষ্কার করেন, যার মাধ্যমে এই জিনবিশিষ্ট মিউটেন্ট নিষেক ছাড়াই আংশিক বীজ উৎপাদনে সক্ষম হয়। তাঁর এই আবিষ্কার এপোমিক্সিসের সূচনা করেছে যার মাধ্যমে পিতৃবিহীন বীজ উৎপাদন সম্ভব হয়।

⇒ এযাবৎ তাঁর সফল গবেষণা পঞ্চব্রীহি ধান। জিনবিজ্ঞানী ড আবেদ চৌধুরী একটি নতুন জাতের ধানগাছ উদ্ভাবন করেছেন, যেটি একবার রোপণে পাঁচবার ধান দেবে ভিন্ন ভিন্ন মৌসুমে। তার উদ্ভাবিত এই ধানগাছের নাম দিয়েছেন ‘পঞ্চব্রীহি’। পঞ্চ মানে ‘পাঁচ’ আর ব্রীহি মানে ‘ধান’।

⇒ ২০১৯ সালে তিনি সোনালি ধান নামে আরেকটি নতুন ধানের জাত উদ্ভাবন করেছিলেন; যেটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বেশ উপকারী। পাশাপাশি ডায়াবেটিস রোগ নিয়ন্ত্রণে ও ওজন কমাতে সহায়তা করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
ii) সমকাল।

২,৪৭৯.
বাংলাদেশে প্রথম উপগ্রহভূকেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) পাবনা
  2. খ) রাঙ্গামাটি
  3. গ) গাজীপুর
  4. ঘ) খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র:

- বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটি ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উদ্বোধন করেন।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র।

অন্যদিকে,
বর্তমানে বাংলাদেশে ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র ৪টি। 
• রাঙ্গামাটি জেলার বেতবুনিয়ায়।
• গাজীপুর জেলার তালিবাবাদে।
• ঢাকা জেলার মহাখালীতে।
• সিলেট জেলায়।

তথ্যসূত্র - আবহাওয়া অধিদপ্তরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,৪৮০.
ভাওয়াইয়া কোন অঞ্চলের লোকগীতি?
  1. সিলেট
  2. রাজশাহী
  3. রংপুর
  4. বরিশাল
ব্যাখ্যা
• ভাওয়াইয়া :
- ভাওয়াইয়া  উত্তরবঙ্গে প্রচলিত এক প্রকার লোকগীতি।
- রংপুর ও ভারতের কুচবিহার জেলা এ গানের জন্মস্থান।
- ভাওয়াইয়া জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে অন্যতম-
-‘ওকি গাড়িয়াল ভাই’,
-‘যে জন প্রেমের ভাব জানে না’,
-‘কোন দ্যাশে যান মইশাল বন্দুরে’,
-‘নউতোন পিরিতির বড় জ্বালা’ ইত্যাদি অধিক জনপ্রিয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,৪৮১.
জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী কত সালে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত হন?
  1. ১৯৭৯ সালে
  2. ১৯৮১ সালে
  3. ১৯৮৩ সালে
  4. ১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা
জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী:
- জেনারেল মুহম্মদ আতাউল গণি ওসমানী বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী এবং মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি।
- তিনি বঙ্গবীর নামেও পরিচিত।
- ১৯১৮ সালের পয়লা সেপ্টেম্বর সুনামগঞ্জে তাঁর জন্ম।

⇒ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে তিনি বার্মা (মিয়ানমার) রণাঙ্গনে ব্রিটিশ বাহিনীর একটি ব্যাটেলিয়ানের কমান্ডার হিসেবে যুদ্ধ করেন।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগরে অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হলে ওসমানী বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত হন।
- স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ৭ এপ্রিল সেনাবাহিনীতে জেনারেল পদ বিলুপ্ত হওয়ার পর তিনি সামরিক বাহিনী থেকে অবসরগ্রহণ করেন।
- ১৯৮৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ওসমানী ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসার্থে লন্ডন থাকাকালে মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখ্য,
- জেনারেল এম এ জি ওসমানী ১৯৮৫ সালে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত হন। 
- ‘অন্তর্বর্তী সরকার প্রাথমিকভাবে এ বছর তাকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করে। কিন্তু যেহেতু কোনো বাংলাদেশি একাধিকবার দেশের সর্বোচ্চ পুরস্কার পাওয়ার নজির নেই, তাই এ ধারণা বাদ দেওয়া হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) The Business Standard.
২,৪৮২.
বাংলা ভাষার প্রথম সাপ্তাহিক সংবাদপত্র -
  1. সংবাদ প্রভাকর
  2. সমাচার দর্পণ
  3. বেঙ্গল গেজেট
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• 'সমাচার দর্পণ' — বাংলা ভাষার প্রথম সাপ্তাহিক সংবাদপত্র।

'সমাচার দর্পণ' পত্রিকা: 
- ১৮১৮ সালে হুগলির শ্রীরামপুর থেকে খ্রিষ্টান মিশনারিরা 'সমাচার দর্পণ' পত্রিকা প্রকাশ করে।
- সমাচার দর্পণ পত্রিকা সম্পাদনা করেন জন ক্লার্ক মার্শম্যান।
- এটি জন ক্লার্ক মার্শম্যান সম্পাদিত বাংলা ভাষার প্রথম সাপ্তাহিক সংবাদপত্র। 
- সমাচার দর্পণে প্রথমাবস্থায় সম্পাদকীয়-বিভাগে পন্ডিত ছিলেন 'জয়গোপাল তর্কালঙ্কার'।
- প্রথম পর্যায়ে, ১৮১৮ সালের ২৩ মে (শনিবার) সমাচার দর্পণের প্রথম সংখ্যা বের হয়।

• পত্রিকাটিতে যেসব সংবাদ ছাপানো হতো:
ক. জজ, কালেক্টর ও অন্য রাজকর্মচারীদের নিয়োগ।
খ. ইংল্যান্ড ও ইউরোপ থেকে আগত সংবাদ এবং দেশের নানা সমাচার।
গ. বাণিজ্যবিষয়ক নতুন সংবাদ।
ঘ. জন্ম, বিবাহ ও মৃত্যুবিষয়ক সংবাদ।
ঙ. ভারতবর্ষের প্রাচীন ইতিহাস, পণ্ডিতলোক এবং বইয়ের বিবরণ।
চ. গভর্নর কর্তৃক জারিকৃত আইন ও হুকুম প্রভৃতির বিবরণ।
ছ. ইউরোপীয়দের রচিত বই থেকে এবং ইংল্যান্ড হতে আসা বইয়ের শিল্প ও কলকারখানার বিবরণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২,৪৮৩.
ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান কে?
  1. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  2. তামিম ইকবাল খান
  3. মুশফিকুর রহিম
  4. মেহরাব হোসেন অপি
ব্যাখ্যা
ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল:
- আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যাত্রা শুরু হয় ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফি দিয়ে।
- ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ ১৯৯৭ সালে।
- সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ পাকিস্তানের বিপক্ষে।
- একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয় কেনিয়ার বিপক্ষে ১৭ মে, ১৯৯৮ সালে।
- প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয় লাভ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২০০৫ সালে।

উল্লেখ্য,
- ওয়ানডে ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরিয়ান মেহরাব হোসেন অপি।
- বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- টুয়েন্টি ক্রিকেটের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান তামিম ইকবাল খান।

উৎস: i) বিসিবি।
ii) Cricinfo ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
২,৪৮৪.
‘সাবাস বাংলাদেশ’ ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
  3. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  4. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

• সাবাস বাংলাদেশ:
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য ‘সাবাস বাংলাদেশ’।
- ভাস্কর্যটির ভাস্কর - নিতুন কুণ্ডু।
- ১৯৯২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি শহীদ জননী জাহানারা ইমাম এটি উদ্বোধন করেন।
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের সাবাশ বাংলাদেশ কবিতার নামানুসারে এটির নামকরণ করা হয়।
 
• নিতুন কুন্ডু:
- নিতুন কুন্ডু চিত্রশিল্পী, নকশাবিদ, ভাস্কর, শিল্পপতি।
- জন্ম ১৯৩৫ সালের ৩ ডিসেম্বর দিনাজপুরে।
- নিতুন কুন্ডু সিনেমার ব্যানার এঁকে নিজের আয়ে শিক্ষা অর্জন করেন।
- ১৯৫৪ সালে তিনি ঢাকার চারুকলা ইনস্টিটিউটে ভর্তি হন এবং ১৯৫৯ সালে এ প্রতিষ্ঠান থেকে চিত্রশিল্পে স্নাতক সমমানের পাঁচ বছরের কোর্স সমাপ্ত করেন।
- মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের অধীনে তথ্য ও প্রচার বিভাগে ডিজাইনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ওই সময়ে তাঁর আঁকা একটি পোস্টারের স্লোগান ছিল: ‘সদাজাগ্রত বাংলার মুক্তিবাহিনী’।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো।

২,৪৮৫.
বাংলাদেশ ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকের সদস্য পদ লাভ করে - 
  1. ক) ১৯৭৪
  2. খ) ১৯৭৫
  3. গ) ১৯৭৬
  4. ঘ) ১৯৭৭
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকের সদস্য পদ লাভ করে - ১৪ আগস্ট ১৯৭৪ সালে। 
• ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক (আইডিবি) (ইংরেজি: Islamic Development Bank - IDB)  একটি বহুমুখী উন্নয়ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান যা সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
• এটি ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার অর্থমন্ত্রী ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত করেন।
• বর্তমানে ব্যাংকটির সদস্য  ৫৭টি।

উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
২,৪৮৬.
ডেল্টা প্ল্যান-২১০০-এ কয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০:
- ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ হলো ২০১৮ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রণীত একটি ব্যাপক উন্নয়ন পরিকল্পনা যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং বর্ধিত জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে।
- ব-দ্বীপ পরিকল্পনায় উপকূলীয় অঞ্চল, বরেন্দ্র ও খরা প্রবণ অঞ্চল, হাওর ও আকষ্মিক বন্যা প্রবণ অঞ্চল, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল, নদী ও মোহনা অঞ্চল এবং নগরাঞ্চল- এ রকম মোট ৬টি হটস্পট নির্ধারণ করে সেখানে ৩৩ ধরণের চ্যালেঞ্জ শনাক্ত করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- এ মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপ ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে।

উল্লেখ্য,
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে: বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন। 

উৎস: বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ওয়েবসাইট।
২,৪৮৭.
জাতিসংঘের কোন সংস্থা বাংলাদেশের সাথে যৌথভাবে মুজিববর্ষ পালনের ঘোষণা দেয়?
  1. ইউনিসেফ
  2. ইউনেস্কো
  3. ইউএনডিপি
  4. ইউএনএফপিএ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ-ইউনেস্কো যৌথভাবে উদযাপন করে মুজিববর্ষ:
- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর নেতৃত্বে স্বাধীনতা লাভ করেছে বাংলাদেশ।
- সেই মহান নেতার জন্মশর্তবার্ষিকী উদযাপিত হয় ‘মুজিববর্ষ’ রূপে।
- এ বিশ্বনেতার জন্মশতবার্ষিকী জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (ইউনেস্কো) বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে উদযাপন করে।
- ২৫ নভেম্বর, ২০১৯ তারিখে প্যারিসে ইউনেস্কো সদর দফতরে সংস্থার ৪০তম সাধারণ পরিষদের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে সর্বসম্মতভাবে মুজিববর্ষ উদযাপনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- এ সিদ্ধান্তের ফলে ইউনেস্কোর ১৯৩টি দেশে একইসঙ্গে উদযাপিত হয় জাতির জনকের জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠান।

উৎস: ২৮ নভেম্বর ২০১৯, যুগান্তর।
২,৪৮৮.
'রেহেনা মরিয়ম নূর' চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন-
  1. জেরেমি চুয়া
  2. আবদুল্লাহ মােহাম্মদ সাদ
  3. রাজীব মহাজন
  4. আজমেরী হক বাঁধন
ব্যাখ্যা
'রেহেনা মরিয়ম নূর' চলচ্চিত্র:
- একটি বাংলাদেশি চলচ্চিত্র। এটি ২০২১ সালের জুলাইয়ে মুক্তি পায়।
- চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেন - প্রতিভাবান তরুন বাংলাদেশি চলচ্চিত্র নির্মাতা - আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ।
- ছবিটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে রূপদান করেন: বাংলাদেশী অভিনেত্রী - আজমেরী হক বাঁধন।
- চলচ্চিত্রটি ২০২১ সালের কান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের আঁ সার্তে রিগা পর্বে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে ইতিহাস গড়েছে৷ 

একজন মানুষকে জীবনে অনেক সিদ্ধান্ত নিতে হয়৷ কোনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া সত্যিই কঠিন৷ কোনো সিদ্ধান্তের জন্য যদি তাকে কঠিন মূল্য দিতে হয় এবং তা জেনেও কেউ তার অবস্থানে অবিচল থাকলে তাকে দৃঢ় চরিত্রের বলতেই হয়৷ তেমনই এক চরিত্র রেহানা মরিয়ম নূর৷

তথ্যসূত্র: ডয়েচভেলে ও বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট।
২,৪৮৯.
মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য কতজনকে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবে ভূষিত করা হয়?
  1. ক) ৭ জন
  2. খ) ১১ জন
  3. গ) ১৩ জন
  4. ঘ) ২৩ জন
ব্যাখ্যা
বীরত্বসূচক খেতাব
- বীরত্বসূচক খেতাব  বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অসম সাহসিকতা প্রদর্শন এবং আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাদের প্রদত্ত খেতাব।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিদান এবং তাদের মধ্যে আত্মত্যাগের প্রেরণা সৃষ্টির লক্ষে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদানের একটি প্রস্তাব মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি  এম এ জি ওসমানী মে মাসের প্রথমদিকে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিপরিষদে উপস্থাপন করেন।
- ১৬ মে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে বীরত্বসূচক খেতাবের প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়। 
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য সর্বমোট ৬৭৬ জন ব্যক্তিত্বকে চারটি খেতাবে ভূষিত করা হয়।
- বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন, বীরউত্তম ৬৮ জন, বীরবিক্রম ১৭৫ জন, বীরপ্রতীক ৪২৬ জনকে খেতাব প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য,
- খেতাবপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন দু’জন মহিলা।
- পাঁচজন অবাঙালিও বীরত্বসূচক খেতাব পান, যাদের মধ্যে একজন বিদেশী।
২,৪৯০.
প্রথম ব্রিটিশ বাংলাদেশি হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন কে?
  1. মুসা ইব্রাহিম
  2. নিশাত মজুমদার
  3. ওয়াসফিয়া নাজরীন
  4. আকি রহমান
ব্যাখ্যা
মাউন্ট এভারেস্ট ও বাংলাদেশি পর্বতারোহীদের এভারেস্ট বিজয়
বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ ⎯ মাউন্ট এভারেস্ট যা হিমালয় পর্বতমালার অংশ।
• নেপালি ভাষায় এর নাম ⎯ সাগরমাথা এবং তিব্বতি ভাষায় ⎯ চোমোলুংমা।
• পর্বতশৃঙ্গটির উচ্চতা ⎯ ৮৮৪৮.৬ মিটার বা ২৯,০৩২ ফুট।
• বিজ্ঞানীদের ধারণা, মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতা প্রতি বছর ২ সেন্টিমিটার করে বাড়ছে।
• ১৮৬৫ সালে ব্রিটিশ সার্ভেয়ার জেনারেল স্যার জর্জ এভারেস্টের নামে পর্বত শৃঙ্গটির নাম রাখা হয় - মাউন্ট এভারেস্ট।
• এর আগে এটি ‘১৫ নম্বর পর্বতশৃঙ্গ’ (Peak XV) নামে পরিচিত ছিল।
• ১৯৫৩ সালের ২৯ মে নেপালের শেরপা তেনজিং নোরগেকে সঙ্গে নিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় উঠেছিলেন ⎯ নিউজিল্যান্ডের অ্যাডমন্ড হিলারি।
• ২০২৪ সাল পর্যন্ত মোট ৬ জন বাংলাদেশি মাউন্ট এভারেস্টে আরোহণ করেছেন। তবে তাদের মধ্যে ৫ জনকে এভারেস্ট বিজয়ী হিসাবে অভিহিত করা হয়।

মুসা ইব্রাহিম
- ২০১০ সালের ২৩ মে; বাংলাদেশ সময় সকাল ৫টা ১৬ মিনিটে এভারেস্ট বিজয় করেন।
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেন।
- ১৯৭৯ সালে লালমনিরহাট জেলায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

নিশাত মজুমদার
- ২০১২ সালের ১৯ মে; বাংলাদেশ সময় বেলা ১১ টা ৩০ মিনিটে এভারেস্ট বিজয় করেন।
- তৃতীয় বাংলাদেশি ও প্রথম নারী (বাংলাদেশি) হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেন।
- তিনি ১৯৮১ সালে লক্ষ্মীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- ২০০৩ সালে এভারেস্ট বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ চূড়া কেওক্রাডং জয় করেন নিশাত।

ওয়াসফিয়া নাজরীন
- ২০১২ সালের ২৬ মে; বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে এভারেস্ট বিজয় করেন।
- চতুর্থ বাংলাদেশি ও দ্বিতীয় নারী (বাংলাদেশি) হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন ।
- তিনি ১৯৮২ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন।
- ওয়াসফিয়া নাজরীন বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় (সেভেন সামিট) করেছেন। ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়া অঞ্চল দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার (ওশেনিয়া) সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কারস্তনেজ পিরামিড জয়ের মধ্য দিয়ে তিনি ২০১৫ সালের ১৮ নভেম্বর সকাল ১০টা ১৯ মিনিটে সাতটি পর্বত জয়ের রেকর্ড করেন।
- ২০২২ সালের ২২ জুলাই প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে তিনি বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ K2 জয় করেন। 
- দুঃসাহসী অভিযানের জন্য ওয়াসফিয়া নাজরীনকে ২০১৪ সালে ন্যাশনাল জিওগ্রাফির বর্ষসেরা অভিযাত্রীর খেতাব দেওয়া হয়।

আকি রহমান
- দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টের চূড়া স্পর্শ করেছেন ব্রিটিশ বাংলাদেশি পর্বতারোহী আকি রহমান।
- বিশ্বের বিপৎসংকুল ১৪টি উঁচু পর্বত আরোহণের নতুন অভিযানের অংশ হিসেবে এভারেস্ট জয় করলেন তিনি।
- এর আগে ২০২২ সালের মে মাসে প্রথম ব্রিটিশ-বাংলাদেশি হিসেবে এভারেস্ট জয় করেছিলেন তিনি। 
- গত ১৯ মে, ২০২৪ তারিখে  বিশ্বের চতুর্থ সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ লোৎসে (৮ হাজার ৫১৬ মিটার) জয় করেন আকি রহমান।
- এরপর ২২ মে, ২০২৪ তারিখে দ্বিতীয়বারের মতো ওঠেন এভারেস্টের চূড়ায়।
- আকি রহমানের বাড়ি সিলেটের জগন্নাথপুর উপজেলার বাউধরন গ্রামে।
- তিনি দেড় বছর বয়সে পরিবারের সঙ্গে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান। তাঁর শৈশব কেটেছে ওল্ডহ্যাম শহরে।

সূত্র- বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট।
২,৪৯১.
বাংলাদেশ কত সালে WHO এর সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এর সদস্যপদ পায় ১৯ মে ১৯৭২ ।

উল্লেখ্য
- জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সাল।
- আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (আইএমএফ) - ১৩ জুন ১৯৭২। 
- পুনর্গঠন ও উন্নয়নের আন্তর্জাতিক ব্যাংক (আইবিআরডি) - ১৩ জুন ১৯৭২। 
- আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) - ২২ জুন ১৯৭২। 
- জাতিসংঘ শিক্ষা বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (ইউনেস্কো) - ১৯ অক্টোবর ১৯৭২। 
- খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) - ১৩ নভেম্বর ১৯৭৩। 
- বিশ্ববানিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) - ১৯৯৪। 

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৪৯২.
ময়নামতি বৌদ্ধ বিহার কে নির্মাণ করেন?
  1. ভবদেব
  2. আনন্দদেব
  3. দেবপাল
  4. ধর্মপাল
ব্যাখ্যা
ময়নামতি:
- কুমিল্লা শহর থেকে মাত্র ৭ কিলোমিটার পশ্চিমে ময়নামতি অবস্থিত।
- ময়নামতিতে রয়েছে ৮ম শতকের পুরার্কীতির নিদর্শন।
- ময়নামতির উত্তর - দক্ষিণে রয়েছে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ও ২ কিলোমিটার প্রস্থ নিয়ে বিস্তৃত প্রাচীনকালের রোহিতগিরি যা লালমাটির পাহাড় নামে পরচিতি।
- এর উত্তরাংশ দশম শতকে দেব বংশের রাজা মানিক্য চন্দ্রর রাজধানীকে কন্দ্রে করে তার স্ত্রী মরণামতরি নামে নামকরণ করা হয় ময়নামতি।

ময়নামতি বৌদ্ধ বিহার:
- লালমাই ময়নামতি গিরি শ্রেণীর মধ্যবর্তী স্থানে এই বিহারটি অবস্থিত।
- এই বিহারটির প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য ৫৫০ ফুট।
- চারটি বাহুতে মোট ১১৫টি ভিক্ষু কক্ষ আছে যাতে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা বসবাস করতেন।
- এর মধ্যবর্তী স্থানে রয়েছে বিশাল প্রবেশ দ্বার।
- উম্মুক্ত চত্বরে ক্রশাকৃতির প্রধান মন্দির।
- মূল বিহারটি দেব বংশের চতুর্থ রাজা ভবদেব কর্তৃক আনুমানিক ৮ম শতাব্দীতে নির্মিত হয়েছে।
- শালবন বিহার খনন করে অসংখ্য মূল্যবান প্রত্নতত্ত্ব আবিস্কার করা হয়েছে।
- এগুলোর মধ্যে আছে ৮টি তাম্রলিপি, ১৮টি স্বর্ণ ও ৩৫০টি রৌপ্য মুদ্রা, স্বর্ণালংকার, নানা ধরণের মূর্তি, পোড়ামাটির বিএফলক, সীল ও নিত্য ব্যবহার্য দ্রব্য।

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।
২,৪৯৩.
কোন শহরের একটি সড়কের নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে রাখা হয়েছে?
  1. ক) কলকাতা
  2. খ) দিল্লি
  3. গ) লন্ডন
  4. ঘ) কলম্বো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লীর প্রাণকেন্দ্রের একটি সড়কের নামকরণ করা হয়েছে। কনট প্লেস-এর নিকটবর্তী এই স্থানটি ইতোপূর্বে ‘পার্ক স্ট্রিট’ নামে পরিচিত ছিল। উৎসঃ জাতীয় পত্র-পত্রিকা।
২,৪৯৪.
পদ্মা সেতুর আয়ুষ্কাল কত?
  1. ক) ৭০ বছর
  2. খ) ৮০ বছর
  3. গ) ৯০ বছর
  4. ঘ) ১০০ বছর
ব্যাখ্যা
• পদ্মা সেতু: 
- পদ্মা সেতুর উদ্বোধন হয় - ২৫ জুন, ২০২২
- যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়- ২৬ জুন, ২০২২ সালে।
- উদ্বোধন করেন- শেখ হাসিনা
- সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
-  পদ্মা সেতুর আয়ুষ্কাল ১০০ বছর।
- পদ্মা সেতু নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা।
- সব মিলিয়ে সেতুর দৈর্ঘ্য ৯ দশমিক ৮৩ কিলোমিটার। পদ্মা সেতু প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা। 
- খুঁটির সংখ্যা ৪২টি।
- প্রতিটি স্প্যানের দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
- ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর খুঁটির উপর প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- সর্বশেষ স্প্যানটি বসানো হয় চলতি বছরের ১০ ডিসেম্বর ১২ ও ১৩ নম্বর খুঁটির উপর।
- মূল পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।

উৎস: প্রথম আলো।
২,৪৯৫.
কুমিল্লার ময়নামতি অঞ্চলে অবস্থিত ঐতিহাসিক শালবন বৌদ্ধ বিহারটি কার প্রতিষ্ঠিত কীর্তি?
  1. রাজা বিজয় সেন
  2. শ্রী আনন্দদেব
  3. ধর্মপাল
  4. শ্রী ভবদেব
ব্যাখ্যা

◉ শালবন বৌদ্ধ বিহার ৮ম শতকে দেব বংশের রাজা শ্রীভবদেব প্রতিষ্ঠা করেন

শালবন বিহার:
- কুমিল্লার ময়নামতিতে খননকৃত সব প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে শালবন বিহার অন্যতম প্রধান।
- কোটবাড়িতে বার্ডেরকাছে লালমাই পাহাড়ের মাঝামাঝি এলাকায় এ বিহারটির অবস্থান।
- বিহারটির আশপাশে এক সময় শাল-গজারির ঘন বন ছিল বলে এ বিহারটির নামকরণ হয়েছিল শালবন বিহার।
- ধারণা করা হয় যে খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতাব্দীর শেষ থেকে অষ্টম শতাব্দীর প্রথম ভাগে দেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব এ বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন।
- শালবন বিহারের প্রতিটি বাহু ১৬৭.৭ মিটার দীর্ঘ।
- বিহারে ঢোকা বা বের হওয়ার মাত্র একটাই পথ ছিল।
- বিহারে সর্বমোট ১৫৫টি কক্ষ আছে।
- এই কক্ষগুলোতে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা বিদ্যাশিক্ষা ও ধর্মচর্চা করতেন।
- প্রত্নতাত্ত্বিক খননের মাধ্যমে বিহারটির ধ্বংসাবশেষ থেকে আটটি তাম্রলিপি, প্রায় ৪০০টি স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা, অসংখ্য পোড়া মাটির ফলক বা টেরাকোটা, সিলমোহর, ব্রৌঞ্জ ও মাটির মূর্তি পাওয়া গেছে।
- এগুলো বাংলাদেশের প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের স্বাক্ষর বহন করছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২,৪৯৬.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
  1. হামিদুর রহমান
  2. সৈয়দ মাইনুল হোসেন
  3. তানভির কবির
  4. মাযহারুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- এটি একটি স্মারক স্থাপনা যা সাভার অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের শহিদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত।
- জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয় ১৯৭২ সালের ডিসেম্বরে প্রথম বিজয় দিবসে।
- সৌধের নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৮২ সালের আগষ্ট মাসে।
- এর উচ্চতা ১৫০ ফুট বা ৪৫ মিটার। 
- এই স্মৃতিসৌধটিতে রয়েছে ৭টি ফলক।
- বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত বিভাগ এই জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণ তত্ত্বাবধান করেছে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২,৪৯৭.
২০২৫ সালে একুশে পদক কোন ক্রীড়া দলকে প্রদান করা হয়েছে? 
  1. বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল
  2. বাংলাদেশ জাতীয় পুরুষ ফুটবল দল
  3. বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা ফুটবল দল
  4. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল
ব্যাখ্যা

একুশে পদক-২০২৫:
-  ২০২৫ সালে  ১৭ জন ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদক দেওয়া হয়।
- ক্রীড়ায় একুশে পদক পাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল।
- গবেষণায়: মঈদুল হাসান (মূলধারা ৭১ এর রচয়িতা)।
- ভাষা ও সাহিত্যে: শহীদুল জহির (মরণোত্তর) ও হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর)।
- সংস্কৃতি ও শিক্ষায়: ড. শহীদুল আলম।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে: মেহেদী হাসান খান, রিফাত নবী, মো. তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
- সাংবাদিকতায় :মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর) এবং
- সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার: মাহমুদুর রহমান।
- শিল্পকলার চলচ্চিত্রে: আজিজুর রহমান।
- সংগীতে :উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া ও ফেরদৌস আরা,
- আলোকচিত্রে: নাসির আলী মামুন।
- চিত্রকলায়: রোকেয়া সুলতানা।
- শিক্ষায়: ড. নিয়াজ জামান।
- সমাজসেবায় :মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরি।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

২,৪৯৮.
বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে ছিলেন?
  1. মঈনুল হোসেন
  2. তানভীর করিম
  3. মোস্তফা আলী কুদ্দুস
  4. সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ
ব্যাখ্যা
বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ:
- বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের সময় অগণিত বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করা হয়। 
- পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে মানবতাবিরোধী এই বর্বর কাজে সহায়তা করেছে রাজাকার ও আলবদর বাহিনী। 
- পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর চূড়ান্ত পরাজয়ের দুই দিন পূর্বে ১৯৭১ সালের ১৪ই ডিসেম্বর অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে। 
- তাঁদের স্মৃতি অমর করে রাখার জন্য ঢাকার মিরপুরে শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।
- শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি ছিলেন মোস্তফা আলী কুদ্দুস।
- ১৯৭২ সালে এই স্মৃতিসৌধের নির্মাণ কাজ শেষ হয়। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৪৯৯.
যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের বর্তমান নাম কী?
  1. ক) সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়
  2. খ) পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়
  3. গ) সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়
  4. ঘ) পরিবহন ও সড়ক মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
• যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের বর্তমান নাম পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়।

• যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় করা হয়েছে।
- একই সঙ্গে এই মন্ত্রণালয়ের অধীন সড়ক বিভাগের নাম পরিবর্তন করে করা হয়েছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ।
- মন্ত্রণালয়ের নাম ইংরেজিতে ‘মিনিস্ট্রি অব কমিউনিকেশন’ থাকায় আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে কিছু সমস্যা হতো।
- আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জটিলতা এড়াতে যোগাযোগ মন্ত্রণালয় ও সড়ক বিভাগের নাম পরিবর্তন করল সরকার। 

সূত্র: প্রথম আলো।
২,৫০০.
বিখ্যাত তারা মসজিদ নির্মাণ করেন -
  1. মির্জা গোলাপ পীর
  2. মির্জা আহমদ খান
  3. মির্জা গোলাম পীর
  4. মির্জা মোহাম্মদ খান
ব্যাখ্যা

তারা মসজিদ:
- তারা মসজিদ পুরানো ঢাকার আরমানিটোলায় আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত।
- সাদা মার্বেলের গম্বুজের ওপর নীলরঙা তারায় খচিত এ মসজিদ নির্মিত হয় আঠারো শতকের প্রথম দিকে।
- মির্জা গোলাম পীর (মির্জা আহমদ জান) ঢাকার বিখ্যাত ‘তারা মসজিদ’ তৈরি করেন।
- ১৯২৬ সালে, ঢাকার তৎকালীন স্থানীয় ব্যবসায়ী, আলী জান বেপারী মসজিদটির সংস্কার করেন। সে সময় জাপানের রঙিন চিনি-টিকরি পদার্থ ব্যবহৃত হয় মসজিদটির মোজাইক কারুকাজে।
- মসজিদের বতর্মান দৈর্ঘ্য ৭০ ফুট (২১.৩৪ মিটার), প্রস্থ ২৬ ফুট (৭.৯৮ মিটার)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।