বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

মোট প্রশ্ন৩,৮২৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

PrepBank · পাতা ২৩ / ৩৮ · ২,২০১২,৩০০ / ৩,৮২৪

২,২০১.
কুমিল্লায় কোন বিহার অবস্থিত?
  1. সোমপুর বিহার
  2. নালন্দা বিহার
  3. শালবন বিহার
  4. কোন বিহার নেই
ব্যাখ্যা
শালবন বিহার:   
- ময়নামতীর প্রত্নতাত্ত্বিক খননস্থানগুলির মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল।
- কুমিল্লার কাছে কোটবাড়ির বর্তমান বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমীর লাগোয়া লালমাই পাহাড়ের মধ্যবর্তী এলাকায় এর অবস্থান।
- এখানে খননের ফলে পাহাড়পুর বিহারের মতো এক বিরাট বৌদ্ধবিহার ও অন্যান্য উপকরণের সন্ধান পাওয়া গেছে।
- এগুলি সাত থেকে বারো শতকের বলে ধরা যায়।
- শালবন বিহার এলাকায় অনেক গভীরে খনন চালিয়ে এখানে চার স্তরে সংস্কার-মেরামত ও পুনর্নির্মাণ পর্যায়ের প্রমাণ পরিলক্ষিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
২,২০২.
জাতীয় টিকাদান কর্মসূচিতে মোট কয়টি প্রতিষেধক টিকা দেওয়া হয়?
  1. ক) ৬ টি
  2. খ) ৮ টি
  3. গ) ৫ টি
  4. ঘ) ৭ টি
ব্যাখ্যা
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ২০১৯ সালের তথ্য অনুযায়ী, যক্ষা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টংকার, হেপাটাইটিস-বি, হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বিনিউমোকক্কাল নিউমোনিয়া,পোলিওমাইলাইটিস, হাম ও রুবেলা এই রোগগুলোর জন্য বিসিজি, পেন্টাভ্যালেন্ট টিকা, পিসিভি টিকা, বিওপিভি, আইপিভি, এমআর এই ৬টি টীকা ১৪টি ডোজের মাধ্যমে দেয়া হয়।
২,২০৩.
“ওরা ১১ জন” চলচ্চিত্রটি কে প্রযোজনা করেন?
  1. ক) চাষী নজরুল ইসলাম
  2. খ) মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা
  3. গ) এ টি এম শামসুজ্জামান
  4. ঘ) কাজী হায়াত
ব্যাখ্যা
- “ওরা ১১ জন” চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেন মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা।

ওরা ১১ জন:
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ওরা ১১ জন চলচ্চিত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের দিয়ে অভিনয় করিয়েছিলেন নির্মাতা-প্রযোজক।
- “ওরা ১১ জন” চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন চাষী নজরুল ইসলাম।
- একাত্তরে ১১টি সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন বাঙালিরা। বিষয়টি মাথায় রেখেই সিনেমার নাম রাখা হয়েছে ওরা ১১ জন।
- পরিচালক হিসেবে চাষী নজরুল ইসলামের প্রথম সিনেমা ছিল এটি।
- ওরা ১১ জন-এর শুটিং হয়েছিল জয়দেবপুরে।
- চিত্রগ্রাহক ছিলেন আবদুস সামাদ।
- ওরা ১১ জন সিনেমা শুরু হয় সাইফুল ইসলামের কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত ‘ও আমার দেশের মাটি’ দিয়ে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ১৩ আগস্ট ২০২২।
২,২০৪.
বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবন কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মতিঝিল
  2. খ) শাহবাগ
  3. গ) রামপুরা
  4. ঘ) আগারগাঁও
ব্যাখ্যা
১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর বর্তমান রাজউক ভবনে বাংলাদেশ টেলিভিশন যাত্রা শুরু করে। পরবর্তীতে ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশন রামপুরায় স্থায়ী ঠিকানায় স্থানান্তরিত হয়। ১৯৮০ সালে বিটিভি রঙিন সম্প্রচার শুরু করে। এর পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র দুটি, ঢাকা ও চট্টগ্রাম (১৯ ডিসেম্বর ১৯৯৬)। রিলে স্টেশন বা উপকেন্দ্র ১৪ টি। ২০০৪ সালের ১১ এপ্রিল বিটিভি ওয়ার্ল্ড সম্প্রচার শুরু করে। ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন চ্যানেল যাত্রা শুরু করে। ২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ বিটিভি ওয়ার্ল্ড ভারতে সম্প্রচার শুরু করে। (সূত্রঃ বিটিভি ওয়েবসাইট)
২,২০৫.
কবি কাজী নজরুল ইসলামকে একুশে পদকে ভূষিত করা হয় কবে?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা
- কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ১৯৭২ সালের ২৪ মে কলকাতা থেকে সরকারি উদ্যোগে সপরিবারে ঢাকায় আনা হয়।
- তার বসবাসের জন্য ধানমণ্ডির ২৮ নম্বর (পুরনো) সড়কের ৩৩০-বি বাড়িটি বরাদ্দ প্রদান করা হয়।
- এরপর ১৯৭৬ সালের জানুয়ারি বাংলাদেশ সরকার কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করে।
- একই বছরের (১৯৭৬ সালে) ২১ ফেব্রুয়ারি তাকে একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।
- একুশে পদক বাংলাদেশের দ্বিতীয় বেসামরিক সম্মানসূচক পদক হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।
- ১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বাংলা সাহিত্য এবং সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ অন্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে কাজী নজরুল ইসলামকে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধি প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
- ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক মিলনায়তনে (টিএসসি) এক সমাবর্তন উৎসবে এই উপাধি প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
- অসুস্থতার জন্য নজরুলকে এ উৎসবে আনা সম্ভব হয়নি।
- পরবর্তীকালে ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি তারিখে বঙ্গভবনে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদউল্লাহ নজরুলকে ডি. লিট উপাধিতে ভূষিত করেন।
- কবি নজরুল ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট ইন্তেকাল করেন।

উৎস: কালের কণ্ঠ (০২ জানুয়ারি, ২০২৫)
জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,২০৬.
কোনটি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে ২০১৯ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে?
  1. আবার বসন্ত
  2. মায়া দ্য লস্ট মাদার
  3. ফাগুন হাওয়ায়
  4. সাপলুডু
ব্যাখ্যা
- গত ১৭ জানুয়ারি ২০২১ মোট ২৬টি বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৯ প্রদান করা হয়।
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৯:
শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র:
- ফাগুন হাওয়ায় (পরিচালক- তৌকির আহমেদ)
- ন ডরাই (পরিচালক- তানিম রহমান অংশু)
সেরা অভিনেতা:
- তারিক আনাম খান (আবার বসন্ত)
সেরা অভিনেত্রী:
- সুনেরাহ বিনতে কামাল (ন ডরাই)
সেরা পরিচালক:
- তানিম রহমান অংশু (ন ডরাই)
সেরা খলনায়ক:
- জাহিদ হাসান (সাপলুডু)
শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী:
- আফরিন আক্তার
- নাইমুর রহমান
আজীবন সম্মাননা:
- সোহেল রানা
- সুচন্দা।
(তথ্যসূত্র: তথ্য মন্ত্রণালয়)
২,২০৭.
বাংলাদেশের সোর্ড অব অনার পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রথম নারী কে?
  1. ক) মারজিয়া ইসলাম
  2. খ) রাজিয়া সুলতানা
  3. গ) তারামন বিবি
  4. ঘ) রহিমা বেগম
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয় নি।
২,২০৮.
নিচের কোন সংস্থাটির বর্তমান সভাপতির দায়িত্ব পালন করছে বাংলাদেশ? [জানুয়ারি,২০২৬]
  1. SAARC
  2. OIC 
  3. BIMSTEC
  4. ILO
ব্যাখ্যা

- 'BIMSTEC' এর বর্তমান সভাপতি দেশ: বাংলাদেশ।

• BIMSTEC:

- BIMSTEC-এর পূর্ণরূপ: Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic
- Co-Operation বা বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের আঞ্চলিক সংস্থা।
- এটি একটি অর্থনৈতিক সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৬ জুন, ১৯৯৭।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৪টি।
- বর্তমান সদস্য: ৭টি (বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল ও ভুটান)।
- সদরদপ্তর: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- বর্তমান মহাসচিব: ইন্দ্রমণি পান্ডে।
- 'BIMSTEC' এর বর্তমান সভাপতি দেশ: বাংলাদেশ।
- এপ্রিল, ২০২৫-এ বাংলাদেশ সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করে।
- বাংলাদেশ এর আগে ১৯৯-৯৯ এবং ২০০৫-০৬ সালে সভাপতির দায়িত্ব পালন করে।

উল্লেখ্য,
- OIC , BIMSTEC, ILO এর বর্তমান সভাপতির দায়িত্ব বাংলাদেশ নয়।

উৎস: BIMSTEC ওয়েবসাইট।

২,২০৯.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণায় বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২১ লাভ করেন-
  1. ক) আসাদ মান্নান ও বিমল গুহ
  2. খ) পান্না কায়সার
  3. গ) সুফিয়া খাতুন ও হায়দার আকবর খান রনো
  4. ঘ) শুভাগত চৌধুরী
ব্যাখ্যা

- ১৯৬০ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
- বাংলাদেশ সরকারের ‘সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ এ পুরস্কার ঘোষণা করে।
- বাংলা সাহিত্যের ১০টি শাখায় এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। তবে ২০২২ সালে নতুন একটি ক্যাটাগরি (বঙ্গবন্ধু বিষয়ক গবেষণা) যুক্ত করা হয়।

২৩ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২১’ ঘোষণা করা হয়।
- ২০২১ সালের ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার’ প্রাপ্ত লেখকরা হলেন -
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণায় :পান্না কায়সার
- আত্মজীবনীতে : সুফিয়া খাতুন ও হায়দার আকবর খান রনো
- কবিতায় :আসাদ মান্নান ও বিমল গুহ
- কথাসাহিত্যে : ঝর্না রহমান ও বিশ্বজিৎ চৌধুরী
- প্রবন্ধ/গবেষণায় : হোসেনউদ্দীন হোসেন
- অনুবাদে : আমিনুর রহমান ও রফিক-উম-মুনীর চৌধুরী
- নাটকে :সাধনা আহমেদ
- শিশুসাহিত্যে : রফিকুর রশীদ
- বিজ্ঞান/কল্পবিজ্ঞানে : শুভাগত চৌধুরী
- ফোকলোর বিভাগে : আমিনুর রহমান সুলতান।
- বঙ্গবন্ধুবিষয়ক গবেষণায় - হারুন-অর-রশিদ,

তথ্যসূত্র- বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট ও দৈনিক পত্রিকা।

২,২১০.
বাংলাদেশ কত সালে প্রথম আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে  অংশগ্রহণ করে?
  1. ক) ২০০৫
  2. খ) ২০০৬
  3. গ) ২০০৭
  4. ঘ) ২০০৮
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ  প্রথম আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে  অংশগ্রহণ করে - ২০০৫ সালে।
• ২০০২ সালে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে গণিত অলিম্পিয়াড আয়োজিত হয়।
• এই অলিম্পিয়াড তিনটি স্তরে সম্পন্ন হয়ে থাকে: বাছাই অলিম্পিয়াড, আঞ্চলিক অলিম্পিয়াড এবং জাতীয় অলিম্পিয়াড।

উৎস: matholympiad.org.bd.
২,২১১.
NIPORT কী?
  1. নদীবন্দর বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
  2. জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
  3. পরমাণু বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
  4. আবহাওয়া বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা
- NIPORT (নিপোর্ট) বা National Institute of Population Research and Training হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৭৭ সালে ঢাকার আজিমপুরে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও
- মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

সূত্র: NIPORT ওয়েবসাইট। 
২,২১২.
বাংলায় মুসলমানদের মধ্যে আধুনিক শিক্ষা প্রচলনের জন্য কে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন?
  1. ক) সৈয়দ আমীর আলী
  2. খ) নওয়াব আবদুল লতিফ
  3. গ) স্যার সলিমুল্লাহ
  4. ঘ) স্যার সৈয়দ আহমেদ খান
ব্যাখ্যা
বাংলার মুসলমানদের নবজাগরণে নওয়াব আবদুল লতিফের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি মুসলমানদের পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলার জন্য সচেষ্ট হন। এ ক্ষেত্রে তাঁর বড় অবদান ছিল ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দে ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ বা ‘মোহামেডান লিটারারী সোসাইটি’ প্রতিষ্ঠা।
সূত্র- বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
২,২১৩.
মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীনতা পুরস্কার - ২০২৪ লাভ করেন কে?
  1. ড. মোবারক আহমদ খান
  2. মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান
  3. ফ্লাইট সার্জেন্ট মো. ফজলুল হক
  4. ডা. হরিশংকর দাশ
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীনতা পুরস্কার - ২০২৪:

• মুক্তিযুদ্ধে ২০২৪ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন-
- কাজী আব্দুস সাত্তার।
- বীর মুক্তিযোদ্ধা ফ্লাইট সার্জেন্ট মো. ফজলুল হক (মরণোত্তর)।
- বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ আবু নঈম মো. নজিব উদ্দীন খাঁন (খুররম) (মরণোত্তর)।

• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে ড. মোবারক আহমদ খান।
• চিকিৎসাবিদ্যায় ডা. হরিশংকর দাশ।
• সংস্কৃতিতে মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান।
• ক্রীড়ায় ফিরোজা খাতুন।
• সমাজ বা জনসেবায় অরন্য চিরান, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ বাকী ও এসএম আব্রাহাম লিংকন।
• 'স্বাধীনতা পুরস্কার' বাংলাদেশের জাতীয় এবং "সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার"। 
• চালু: ১৯৭৭ সাল থেকে। 
• ১৫ মার্চ, ২০২৪ তারিখে জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৬টি ক্যাটাগরিতে স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪ দেয়া হয়।
• ১০ জন বিশিষ্ট নাগরিককে 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪' প্রদান করে বাংলাদেশ সরকারের 'মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ'।

উৎস: স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪, মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ, জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং ডেইলি স্টার, মার্চ ১৫, ২০২৪।
২,২১৪.
বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন কে? 
  1. ওয়াসফিয়া নাজরীন
  2. নিশাত মজুমদার
  3. সুফিয়া খাতুন
  4. ফারজানা আহমেদ
ব্যাখ্যা

এভারেস্ট জয়ী নারী:
- বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে আরোহণ করেছেন নিশাত মজুমদার।
- ২০১২ সালের ১৯ মে শনিবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ন’টার সময় তিনি এভারেস্ট শিখরে পা রাখেন।
- নিশাত মজুমদার ও সেই সঙ্গে আর এক বাংলাদেশী এম এ মুহিতের এভারেস্ট শীর্ষে আরোহণ করেন।
- ২০১০ সালের ২৩শে মে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম।
- তবে বাংলাদেশের কোনও মহিলা হিসেবে প্রথম সেই কৃতিত্বের অধিকারিণী হলেন নিশাত মজুমদার।
- এভারেস্টজয়ী নিশাত মজুমদার এর আগে ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে হিমালয়ের মেরা পর্বতশৃঙ্গ (২১ হাজার ৮৩০ ফুট) জয় করেন।

তথ্যসূত্র - বিবিসি নিউজ বাংলা, ১৯ মে ২০১২।

২,২১৫.
বাংলা চিত্রকর্মে ‘বিমূর্ত বাস্তবতা” ধারার প্রবর্তক কে?
  1. ক) জয়নুল আবেদীন
  2. খ) কামরুল হাসান
  3. গ) মুর্তজা বশীর
  4. ঘ) এস এম সুলতান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের চিত্রকর্ম শিল্পের অন্যতম পথিকৃত হলেন মুর্তজা বশীর। তিনি বহুভাষাবিদ ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ’র পুত্র।
- মুর্তজা বশীর বাংলাদেশের চিত্রকর্ম ধারায় ‘বিমূর্ত বাস্তবতা” ধারার প্রবর্তন করেন।
তার বিখ্যাত চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে:
-রক্তাক্ত ২১শে
- দেয়াল
- পাখা
- শহীদ শিরোনাম
- কালেমা তাইয়্যেবা প্রভৃতি।
- মুর্তজা বশীর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। তিনি ২০২০ সালের ১৫ আগস্ট করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
(তথ্যসূত্র: বনিকবার্তা)
২,২১৬.
বাংলাদেশ টেলিভিশনের উপকেন্দ্রের সংখ্যা কত?
  1. ১২টি
  2. ১৩টি
  3. ১৪টি
  4. ১৫টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ টেলিভিশন:

- বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলা ভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।
- এটি ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর ঢাকার ডিআইটি ভবন (বর্তমান রাজউক ভবন) থেকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৮০ সাল থেকে বিটিভি রঙিন সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৯৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র চালু হয়।
- ২০০৪ সালের ১১ই এপ্রিল বিটিভি ওয়ার্ল্ড চালু হয়।
- ২০১৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর থেকে সমগ্র ভারতে বিটিভি ওয়ার্ল্ডের সম্প্রচার শুরু হয়।
- ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মাধ্যমে বিটিভি সম্প্রচার শুরু করে।
- বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রের সংখ্যা ২টি। যথা:
• ঢাকা।
• চট্টগ্রাম।
- উপকেন্দ্র বা রিলে কেন্দ্রের সংখ্যা ১৪টি। এগুলো হলো:
নাটোর, খুলনা, ময়মনসিংহ, সিলেট, রংপুর, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঠাকুরগাঁও, রাজশাহী, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, উখিয়া এবং রাঙ্গামাটি।

তথ্যসূত্র - বিটিভি ওয়েবসাইট।
২,২১৭.
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনি প্রতীক কী ছিল?
  1. ক) নৌকা
  2. খ) গরুর গাড়ি
  3. গ) হাত পাখা
  4. ঘ) বট গাছ
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন:

- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনি প্রতীক ছিল নৌকা।
- ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ পূর্ব বাংলায় প্রথম প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে। 
- এই নির্বাচনে মোট আসন ছিলো ৩০৯টি।
- ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ মাত্র ৯টি আসন লাভ করে।
- নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যুক্তফ্রন্ট ২১ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী।
২,২১৮.
'বর্ধমান হাউস' এর বর্তমান নাম কি?
  1. কার্জন হল
  2. ফজলুল হক হল
  3. লালবাগের কেল্লা
  4. বাংলা একাডেমী
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি:
- 'বর্ধমান হাউস' এর বর্তমান নাম বাংলা একাডেমি।

⇒ ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসে (স্থাপিত ১৯০৬) বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন।
- বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটির স্বপ্নদ্রষ্টা ভাষাবিদ ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ।
- আবু হোসেন সরকার বাংলা একাডেমীর উদ্বোধন করেন।
- ১৯৬০ সালে ‘দি বেঙ্গলী একাডেমী অ্যাক্ট’ গৃহীত হলে এটি সরকারি অর্থে পরিচালিত স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা লাভ করে।
- বাংলা একাডেমির বর্তমান সভাপতি আবুল কাসেম ফজলুল হক।
- বাংলা একাডেমির বর্তমান মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজম।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
২,২১৯.
বিবিসি বাংলার সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালির তালিকায় কাজী নজরুল ইসলামের অবস্থান কততম?
  1. ক) দ্বিতীয়
  2. খ) তৃতীয়
  3. গ) চতুর্থ
  4. ঘ) পঞ্চম
ব্যাখ্যা
- বিবিসি বাংলা ২০০৪ সালে শ্রোতাদের জরিপের মাধ্যমে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ২০ জন বাঙালির একটি তালিকা করে। এতে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি নির্বাচিত হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- দ্বিতীয় : বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- তৃতীয় : কাজী নজরুল ইসলাম
- চতুর্থ : শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
- পঞ্চম : সুভাষ চন্দ্র বোস।
(তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা)
২,২২০.
আইসিসির কততম পূর্ণাঙ্গ সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে?
  1. ক) দ্বাদশ
  2. খ) একাদশ
  3. গ) নবম
  4. ঘ) দশম
ব্যাখ্যা
• ১৯৯৭ সালেই বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস অর্জন করার পর ২৬ জুন ২০০০ তারিখে আইসিসির দশম পূর্ণাঙ্গ সদস্য হিসেবে টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে।
- এরপর থেকে বাংলাদেশ নিয়মিত বিশ্বকাপে অংশগ্রহণসহ বিশ্বের সেরা দলগুলোর সঙ্গে খেলার সুযোগ পাচ্ছে।
- বাংলাদেশের অভিষেক টেস্টে ক্যাপ্টেন ছিলেন নাঈমুর রহমান।
- বর্তমান - টেস্ট ক্যাপ্টেন সাকিব আল হাসান।
- ২০০০ সালের নভেম্বরে ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট খেলে বাংলাদেশ।
- ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে প্রথম টেস্ট জয়ের স্বাদ পায়। 
- অভিষেক টেস্টেই ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের আমিনুল ইসলাম বুলবুল বাংলাদেশের হয়ে প্রথম সেঞ্চুরি (১৪৫) করেন।
- একই টেস্টে নাঈমুর রহমান দুর্জয় বোলিংয়ে প্রথম ৫ উইকেট (৬ উইকেট আসলে) লাভ করেন।

তথ্যসূত্র:- ক্রিকিনফো, বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ওয়েবসাইট।
২,২২১.
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানা কোনটি?
  1. শাহজালাল সার কারখানা, সিলেট
  2. চট্টগ্রাম ইউরিয়া সার কারখানা, চট্টগ্রাম
  3. ঘোড়াশাল সার কারখানা, নরসিংদী
  4. যমুনা সার কারখানা, জামালপুর
ব্যাখ্যা
ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানা হলো ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।
- এটি নরসিংদীতে অবস্থিত।
- দেশের ইউরিয়া সারের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ১৯৭০ সালে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলায় বার্ষিক ৩,৪০,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিঃ এবং ১৯৮৫ সালে বার্ষিক ৯৫,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপিত হয়।
 
 উল্লেখ্য,
- ১২ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে উদ্বোধনী ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব, জ্বালানি সাশ্রয়ী ও আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক এ কারখানার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
- সার উৎপাদনের ক্ষমতা: বার্ষিক ৯ লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন।
- বিসিক জানায়, কারখানাটি ৩০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।
- ১১০ একর জমিতে কারখানাটি নির্মিত হবে।
- নির্মাণ ব্যয়: ১৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
- কারখানাটির দৈনিক সার উৎপাদন হবে ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা, যেখানে প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্লু গ্যাস থেকে পরিবেশদূষণকারী আহরণ করা হবে এবং ক্যাপচার করা কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে ইউরিয়া সারের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে (প্রায় ১০ শতাংশ)।
- এটি দেশে ‘অত্যাধুনিক, শক্তি সাশ্রয়ী ও সবুজ’ সার কারখানা, যা ইউরিয়া সারের আমদানি কমিয়ে দেবে এবং কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করবে।
 
উৎস: i) ১২ নভেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
         ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
২,২২২.
Who is the author of “A World Without Poverty: Social Business and the Future of Capitalism”?
  1. Muhammad Yunus
  2. Amartya Sen
  3. Abul Maal Abdul Muhith
  4. Kaushik Basu
ব্যাখ্যা

• মুহাম্মদ ইউনূস ইউনূস:
-  প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ইউনূস সোশ্যাল বিজনেস-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং বর্তমানে বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। 
- তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা এবং ক্ষুদ্রঋণের জনক—একটি অর্থনৈতিক আন্দোলন যা সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ পরিবারকে দারিদ্র্য থেকে উত্তরণে সহায়তা করেছে।
- প্রফেসর ইউনূস সামাজিক ব্যবসার উদ্ভাবকও বটে এবং ২০০৬ সাল থেকে তিনি এই ধারণার প্রচার ও বাস্তবায়নের ওপর মনোযোগ দিয়ে আসছেন। 
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ ও সামাজিক ব্যবসা নিয়ে কিছু বই রচনা করেছেন:
- “A World Without Poverty: Social Business and the Future of Capitalism” (2008) ;
- “Building Social Business” (2010) ;  
- “A World of Three Zeros” (2017).

তথ্যসূত্র: ইউনূস সোস্যাল বিজনেস (yunussb.com) 

২,২২৩.
২০২৩ সালে 'ভাষা আন্দোলন' বিভাগে কাকে একুশে পদক প্রদান করা হয়?
  1. শিমুল ইউসুফ
  2. খালেদা মনযুর-ই-খুদা
  3. নওয়াজীশ আলী খান
  4. মো. সাইদুল হক
ব্যাখ্যা
একুশে পদক ২০২৩:
- এটি বাংলাদেশের একটি জাতীয় এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার। 
- বাংলাদেশের বিশিষ্ট ভাষাসৈনিক, ভাষাবিদ, সাহিত্যিক, শিল্পী, শিক্ষাবিদ, গবেষক, সাংবাদিক, অর্থনীতিবিদ, দারিদ্র্য বিমোচনে অবদানকারী, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় পর্যায়ে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৬ সাল থেকে একুশে পদক প্রদান করা হচ্ছে। 
- ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ১৯৭৬ সালে এই পদকের প্রচলন করা হয়।

• বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য দেশের ১৯ জন বিশিষ্ট নাগরিক ও ২টি প্রতিষ্ঠানকে ২০২৩ সালের একুশে পদক প্রদান করা হয়। 
- খালেদা মনযুর-ই-খুদা, বীর মুক্তিযোদ্ধা এ কে এম শামসুল হক (মরণোত্তর) ও হাজী মো. মজিবর রহমান: ভাষা আন্দোলনে অবদানের জন্য।
- মাসুদ আলী খান ও শিমুল ইউসুফ: শিল্পকলায় (অভিনয)।
- মনোরঞ্জন ঘোষাল, গাজী আব্দুল হাকিম ও ফজল-এ-খোদা (মরণোত্তর): শিল্পকলায় (সংগীত)।
- জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়: শিল্পকলায় (আবৃত্তি)।
- নওয়াজীশ আলী খান: শিল্পকলায়।
- কনক চাঁপা চাকমা: শিল্পকলায় (চিত্রকলা)।
- মমতাজ উদ্দীন (মরণোত্তর): মুক্তিযুদ্ধে।
- মো. শাহ আলমগীর (মরণোত্তর): সাংবাদিকতা।
- ড. মো. আবদুল মজিদ: গবেষণায়।
- প্রফেসর ড. মযহারুল ইসলাম (মরণোত্তর): শিক্ষায়।
- মো. সাইদুল হক: সমাজসেবায়।
- অ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল ইমাম (মরণোত্তর) ও আকতার উদ্দিন মিয়া (মরণোত্তর): রাজনীতিতে।
- ড. মনিরুজ্জামান (মরণোত্তর): ভাষা ও সাহিত্যে
- দুটি প্রতিষ্ঠান হলো: শিক্ষায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ও সমাজসেবায় অবদানের জন্য বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট। 
২,২২৪.
’ছোট কাটরা’ কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. শীতলক্ষ্যা নদী
  2. বুড়িগঙ্গা নদী
  3. তুরাগ নদী
  4. ইছামতি নদী
ব্যাখ্যা
• ছোট কাটরা শায়েস্তা খানের আমলে তৈরি একটি স্থাপনা বা ইমারত।
- আনুমানিক ১৬৬৩ থেকে ১৬৬৪ সালের দিকে এ ইমারতটির নির্মান কাজ শুরু হয় এবং তা ১৬৭১ সালে শেষ হয়েছিল।
- এটির অবস্থান ছিল বড় কাটরার পূর্বদিকে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে।
- ইমারতটি দেখতে অনেকটা বড় কাটরার মত হলেও এটি আকৃতিতে বড় কাটরার চেয়ে ছোট এবং এ কারণেই হয়তো এর নাম হয়েছিল ছোট কাটরা।
- তবে ইংরেজ আমলে এতে বেশ কিছু সংযোজন করা হয়েছিল।
- ১৮১৬ সালে মিশনারি লিওনার্দ ঢাকার প্রথম ইংরেজি স্কুল।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, ঢাকা জেলা।
২,২২৫.
২০৩১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ আয়োজন করবে কোন দেশ?
  1. ইংল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ড
  2. ভারত ও বাংলাদেশ
  3. অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড
  4. দক্ষিণ আফ্রিকা, নামিবিয়া ও জিম্বাবুয়ে
ব্যাখ্যা
- ২০৩১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ ভারত ও বাংলাদেশ যৌথভাবে আয়োজন করবে।
- ২০১১ সালে ভারত, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশ মিলে বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল।
- পাকিস্তানের নাম সেই সময় নিরাপত্তার কারণে বাদ দেয় আইসিসি।
- বাংলাদেশ ২০১৪ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল।
- আইসিসি আটটি ইভেন্টের আয়োজকের নাম ঘোষণা করেছে:
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৪: আমেরিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ২০২৫: পাকিস্তান।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬: ভারত।
ওয়ানডে বিশ্বকাপ ২০২৭: দক্ষিণ আফ্রিকা, নামিবিয়া ও জিম্বাবুয়ে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৮: অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড।
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ২০২৯: ভারত।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০৩০: ইংল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ড।
ওয়ানডে বিশ্বকাপ ২০৩১: ভারত ও বাংলাদেশ।

উৎস:  বিবিসি বাংলা (১৬ নভেম্বর ২০২১)।
২,২২৬.
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ প্রতিষ্ঠার সাথে কোন নামটি তাৎপর্যপূর্ণ?
  1. ক) কার্জন হল
  2. খ) আহসান মঞ্জিল
  3. গ) রোজ গার্ডেন
  4. ঘ) রেসকোর্স মাঠ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো ও বৃহৎ রাজনৈতিক দলের অন্যতম বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে আওয়ামী লীগ মুখ্য ভূমিকা পালন করে।
১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার কে.এম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও আবুল হাশিমের নেতৃত্বাধীন বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগের একটি অংশের নেতা-কর্মীদের কনভেনশনে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়। নতুন এই দলের নামকরণ হয় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ। মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীকে সভাপতি, আতাউর রহমান খান, শওকত হোসেন ও আলী আহমদ খানকে সহ-সভাপতি, শামসুল হককে সাধারণ সম্পাদক, শেখ মুজিবুর রহমান (তখন কারাবন্দি), খোন্দকার মোশতাক আহমদ ও এ.কে রফিকুল হোসেনকে যুগ্ম-সম্পাদক, এবং ইয়ার মোহাম্মদ খানকে কোষাধ্যক্ষ করে আওয়ামী লীগ গঠিত হয়।
জন্মলগ্ন থেকেই আওয়ামী লীগ ধর্মনিরপেক্ষ ও অসাম্প্রদায়িক দল ছিল। ১৯৫৫ সালের ২১-২৩ অক্টোবরের তৃতীয় কাউন্সিল সভায় ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গির অধিকারী হিসেবে দলের নাম থেকে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দেয়া হয়।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

২,২২৭.
২০২৩ সালের শেষে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে কোন দেশ থেকে?
  1. সৌদি আরব
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাজ্য
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা
প্রবাসী আয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান:
- ২০২৩ সালে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় প্রাপ্তিতে শীর্ষ দশ দেশের মধ্যে ৭ম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ ২৩ বিলিয়ন ডলার।
- বিশ্বব্যাংক ও নোমাডের মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ব্রিফ ৩৯-এ এসব তথ্য উঠে এসেছে। 

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালের শেষেও বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে।
- রেমিট্যান্সের উৎস হিসেবে দ্বিতীয় স্থানে সৌদি আরব। 

উৎস: প্রবাসী আয় সংক্রান্ত রিপোর্ট-২০২৩ (বিশ্বব্যাংক) ও লাইভ এম সি কিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
২,২২৮.
বাংলাদেশ বেতারকে প্রথম কী নামকরণ করা হয়?
  1. পাকিস্তান রেডিও
  2. ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র
  3. পূর্ব পাকিস্তান ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র
  4. পাকিস্তান ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বেতার:
- বাংলাদেশ বেতারের প্রথম নামকরণ করা হয় 'ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র'।
- বাংলাদেশে প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু হয় ১৯৩৯ সালে ১৬ই ডিসেম্বর।
- ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডে দুটি স্টুডিও নিয়ে এর যাত্রা শুরু হয়।
- ঢাকা বেতারের সম্প্রচার যন্ত্র অর্থাৎ ট্রান্সমিটারটি বসানো হয়েছিল বর্তমান কল্যাণপুর।
- ১৯৮৩ সালের ৩০ জুলাই ঢাকাস্থ শের-ই-বাংলা নগরে বর্তমান অত্যাধুনিক পূর্ণাঙ্গ জাতীয় বেতার ভবনে ঢাকা প্রচার কেন্দ্র স্থানান্তরিত হলে শাহবাগের সাবেক প্রচার ভবনটি বাংলাদেশ বেতারের সদর দপ্তরে রূপান্তরিত হয়।
- বাংলাদেশ বেতারের ১৪টি আঞ্চলিক কেন্দ্র ও ৬টি ইউনিট হতে ১৬টি মধ্যম তরঙ্গ ট্রান্সমিটার, ২টি ক্ষুদ্র তরঙ্গ ট্রান্সমিটার ও ৩৪টি এফএম ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে দৈনিক ৪৯৭ ঘণ্টা অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ বেতার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,২২৯.
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসনাল গোল্ড মেডেল লাভকারী প্রথম বাংলাদেশী -
  1. ক) ফজলে হাসান আবেদ
  2. খ) ড. মুহম্মদ ইউনুস
  3. গ) এ. এইচ. এম নোমান খান
  4. ঘ) শেখ হাসিনা
ব্যাখ্যা
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের একমাত্র নোবেল লরিয়েট। 
- পৃথিবীর মাত্র সাতজন ব্যক্তির একজন বাংলাদেশের ড. ইউনূস, যিনি পেয়েছেন নোবেল শান্তি পুরস্কার এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেনশিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম এবং কংগ্রেসনাল গোল্ড মেডেল।
- তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসনাল গোল্ড মেডেল লাভকারী প্রথম বাংলাদেশী। 
 
উৎস: প্রথম আলো 
২,২৩০.
২০২৫ সালে কয়টি প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদক প্রদান করা হয়?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা

একুশে পদক ২০২৫:
- একুশে পদক- ২০২৫ পেয়েছেন দেশের বিশিষ্ট ১৭ ব্যক্তিত্ব ও ১ প্রতিষ্ঠান।
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ১৭ নাগরিককে একুশে পদক ২০২৫ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
- এ বছর ক্রীড়ায় একুশে পদক পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল।

একুশে পদক ২০২৫ প্রাপ্ত ব্যক্তি:
• গবেষণা - মঈদুল হাসান (মূলধারা ৭১ এর রচয়িতা)।
• ভাষা ও সাহিত্যে - শহীদুল জহির (মো. শহীদুল হক) (মরণোত্তর) ও হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর)।
• সংস্কৃতি ও শিক্ষা - ড. শহীদুল আলম (ফটোগ্রাফার, মানবাধিকার কর্মী এবং দৃকের প্রতিষ্ঠাতা),
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি - মেহেদী হাসান খান (অভ্র'র জনক) ও রিফাত নবী, তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
• সাংবাদিকতা - মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর)।
• সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার - মাহমুদুর রহমান।
• শিল্পকলা (চলচ্চিত্র) - আজিজুর রহমান (মরণোত্তর) (ছুটির ঘণ্টা এবং আরও অনেক ছবির পরিচালক),
• সংগীত - উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) ও ফেরদৌস আরা।
• আলোকচিত্র - নাসির আলী মামুন।
• চিত্রকলা - রোকেয়া সুলতানা।
• শিক্ষা - ড. নিয়াজ জামান।
• সমাজসেবা - মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর)।

তথ্যসূত্র - সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও প্রথম আলো।

২,২৩১.
দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. খুলনা
  3. পটুয়াখালী
  4. কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
SEA-ME-WE 5:
-দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া-মধ্যপ্রাচ্য-পশ্চিম ইউরোপ ৫ (SEA-ME-WE 5) একটি অপটিক্যাল ফাইবার সাবমেরিন ক্যাবল যোগাযোগ ব্যবস্থা।
- এটি বাংলাদেশের ২য় সাবমেরিন  ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন।
- এটি পটুয়াখালী জেলার কুয়াকাটায় অবস্থিত।
- এটি সিঙ্গাপুর এবং ফ্রান্সের মধ্যে টেলিযোগাযোগ বহন করে।
- ক্যাবলটি প্রায় ২০,০০০ কিলোমিটার দীর্ঘ।
- ক্যাবলটি ১৯টি ল্যান্ডিং পয়েন্টের মাধ্যমে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, কাতার, জিবুতি, ইয়েমেন, সৌদি আরব, মিশর, ইতালি, তুরস্ক ও ফ্রান্সকে সংযুক্ত করেছে। 

উৎস: বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি ওয়েবসাইট।
২,২৩২.
বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রবর্তন করা হয় কত সালে? 
  1. ১৯৫৫ সালে
  2. ১৯৫৮ সালে
  3. ১৯৬০ সালে
  4. ১৯৬২ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি পুরস্কার:
- বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়: ১৯৬০ সালে।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

• বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪:
- কবিতা- মাসুদ খান,
- নাটক ও নাট্যসাহিত্য- শুভাশিস সিনহা,
- প্রবন্ধ/গদ্য- সলিমুল্লাহ খান,
- বিজ্ঞান: রেজাউর রহমান,
- অনুবাদক: জি এইচ হাবিব,
- গবেষণা- মুহম্মদ শামজাহান মিয়া,
- ফোকলোর- সৈয়দ জামিল আহমেদ।

উৎস: বাংলা একাডেমি  ওয়েবসােইট।

২,২৩৩.
লালবাগের কেল্লা স্থাপন করেন কে?
  1. শায়েস্তা খান
  2. শাহ সুজা
  3. টিপু সুলতান
  4. ইসলাম খান
ব্যাখ্যা
• লালবাগ কেল্লা:
- লালবাগ কেল্লা পুরাতন ঢাকার লালবাগে অবস্থিত।
- সতের শতকে ১৬৭৮ সালে সুবাদার আজম শাহ এটির নির্মাণ কাজ শুরু করেন। মাঝে এর কাজ বন্ধ হয়ে গেলে ১৬৮০ সালে — শায়েস্তা খান পুনরায় এর কাজ শুরু করে এটি নির্মাণ করেন।
- লালবাগ কেল্লার অভ্যন্তরে শায়েস্তা খানের কন্যা পরীবিবির মাজার অবস্থিত।
- ১৯১০ সালে লালবাগ কেল্লা প্রত্নতত্ত্ব নির্দশন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এর আদি নাম কেল্লা আওরঙ্গবাদ। লালবাগে অবস্থিত হওয়ায় পরে এর নামকরণ করা হয় লালবাগ কেল্লা।

তথ্যসূত্র - প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
২,২৩৪.
৭২-এর সংবিধান নিয়ে তৈরী ভাস্কর্য কোনটি?
  1. ধ্রুব ’৭২’
  2. বিপ্লব
  3. নির্মল '৭১'
  4. আলোকবর্তিকা
ব্যাখ্যা
‘ধ্রুব ’৭২’:
- বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান ১৯৭২ সালের সংবিধানকেন্দ্রিক দেশের প্রথম ভাস্কর্য-স্থাপনা ‘ধ্রুব ’৭২’।
- ভাস্কর্যটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অবস্থিত।
- ভাস্কর্য-স্থাপনাটির রূপকার উপাচার্য সৌমিত্র শেখর।
- এখানে বাহাত্তরের সংবিধানের চার মূলনীতি জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা চারটি সুউচ্চ স্তম্ভে উৎকীর্ণ আছে।
- ‘ধ্রুব ’৭২’ স্থাপনা নির্মিত হয়েছে সামাজিক বিজ্ঞান ও ব্যবসায় প্রশাসন ভবনের প্লাজায়, যা ‘সংবিধান আঙিনা’ হিসেবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৩।
২,২৩৫.
'Maitree Super Thermal Power Project' is located at -
  1. ক) Rampal
  2. খ) Matarbari
  3. গ) Payra
  4. ঘ) Haripur
ব্যাখ্যা
• মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্ট:
-অবস্থান -রামপাল, বাগেরহাট।
- বাগেরহাটের রামপালে ১৩২০ মেগাওয়াট সুপার ক্রিটিক্যাল কয়লা চালিত তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মৈত্রী পাওয়ার প্ল্যান্টের ইউনিট-১ যৌথভাবে উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
- নয়া দিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউস থেকে ভার্চুয়ালি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি উদ্বোধন করেন তারা।
- কনসেশনাল ফাইন্যান্সিং স্কিমের অধীনে ভারতীয় উন্নয়ন সহায়তা হিসাবে ১.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারসহ প্রায় দুই বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি স্থাপন করা হয়েছে।
- ১৩২০ মেগাওয়াট মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্ট এ ৪০০ কেভি জিআইএস সুইচইয়ার্ড এবং ইন্টারকানেক্টিং ট্রান্সফরমারের মাধ্যমে, পায়রা বিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে বাংলাদেশের ২৩০ কেভি গ্রিড সিস্টেমে ৪০০ কেভি বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। যাতে বাংলাদেশের পাওয়ার গ্রিড কর্পোরেশন খুলনার দিকে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ দিয়ে গ্রীষ্মের সর্বোচ্চ চাহিদা মেটাতে সক্ষম।
- মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্টটি ভারত হেভি ইলেকট্রিক্যালস লিমিটেড (ভেল) দ্বারা বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেডের (বিআইএফপিসিএল) মাধ্যমে স্থাপন করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: Bangladesh News Agency (BNA).
২,২৩৬.
মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি কোন সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি:

- ১৯৭৪ সালের ১৬ মে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্থল সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এটি ঐতিহাসিক মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি নামে পরিচিত।
- ৬ মে ২০১৫ সালে ভারতীয় রাজ্যসভায় বিলটি পাশ হয় এবং ৭ মে ২০১৫ সালে ভারতীয় সংসদের লোকসভায় বিলটি পাস হয়।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১ আগস্ট ২০১৫ সালে।
- এই চুক্তি অনুযায়ী ভারতের ভেতরে থাকা দক্ষিণ বেরুবাড়ি ভারতের দখলে চলে যায় এবং দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা বাংলাদেশের অধিকারে আসে।

তথ্যসুত্র - দৈনিক কালের কণ্ঠ, ০৬ মে, ২০১৫ ও দৈনিক ইত্তেফাক, ৩১ জুলাই ২০২১।
২,২৩৭.
জাইকার সাথে চুক্তি অনুযায়ী, 'MRT Line-6' রেলপথ চালুর কত বছরের মধ্যে সুদসহ সমস্ত টাকা বুঝিয়ে দিতে হবে?
  1. ১০ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৩৫ বছর
ব্যাখ্যা
জাইকার সাথে চুক্তি অনুযায়ী, 'MRT Line-6' রেলপথ চালুর ৩০ বছরের মধ্যে সুদসহ সমস্ত টাকা বুঝিয়ে দিতে হবে।

মেট্রোরেল:

- বাংলাদেশ সরকারের মালিকাধীন Dhaka Mass Transit Company Limited.
- এর দৈর্ঘ্য ১২৯ কি.মি.।
- মেট্রোরেল উদ্বোধন করা হয় ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে।
- মেট্রোরেলের প্রথম যাত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- মেট্রোরেলের প্রথম চালক মরিয়ম আফিজা।
- ঢাকা মেট্রোরেলের প্রথম রেলপথ এমআরটি লাইন-৬।
- এশিয়ার মধ্যে ২২তম দেশ হিসেবে মেট্রোরেল সিস্টেম চালু হয়েছে বাংলাদেশে।

MRT Line-6 এর অর্থায়নের অংশ:
- জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) মেট্রোরেল প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে।
- জাইকা (৫৮.৭৮%) এবং বাংলাদেশ সরকার (৪১.২২%)।
- ঋণ চুক্তির শর্ত অনুযায়ী এমআরটি লাইন ৬-এর সেবা চালুর দশ বছর পর্যন্ত আসল সমেত ঋণের সুদ প্রদান করতে হবেনা।
- রেলপথ চালুর ত্রিশ বছরের মধ্যে সুদসহ সমস্ত টাকা বুঝিয়ে দিতে হবে।

উৎস: Dhaka Metro Mass Rapid Transit System - Railway Technology.
২,২৩৮.
কোন স্থপতি 'হাতির ঝিল‘-এর নকশার পরিকল্পনা করেন?
  1. হামিদুজ্জামান খান
  2. নিতুন কুণ্ডু
  3. শামীম শিকদার
  4. এহসান খান
ব্যাখ্যা
হাতির ঝিল:
- 'হাতির ঝিল‘-এর নকশার পরিকল্পনা করেন স্থপতি এহসান খান।
- তিনি ১৯৯০ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থাপত্যে গ্র্যাজুয়েশন করেন।
- তিনি ভিত্তি স্থপতিবৃন্দ লিমিটেড-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।

অন্যদিকে,
- হামিদুজ্জামান খান 'সংশপ্তক' এর ভাস্কর।
- 'সাবাস বাংলাদেশ' এর ভাস্কর নিতুন কুণ্ডু।
- স্বােপার্জিত স্বাধীনতার স্থপতি শামীম শিকদার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,২৩৯.
বাংলাদেশের সাথে কোন দেশের কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই?
  1. কসভো
  2. মিয়ানমার
  3. ইসরাইল
  4. চীন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ও চীনের কূটনৈতিক সম্পর্ক:
- ১৯৭৫ সালের ৪ অক্টোবর বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। এরপর পাঁচ দশকে বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক ক্রমশ দৃঢ় হয়েছে। অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক, সাংস্কৃতিক এবং সামরিক প্রতিটি ক্ষেত্রেই সহযোগিতা সম্প্রসারিত হয়েছে। 

বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের কূটনৈতিক সম্পর্ক:
- ১৯৭২ সালের জানুয়ারিতে স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে মিয়ানমার ও বাংলাদেশের ৫০ বছরেরও বেশি সময়ের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে, দুই রাষ্ট্র বিভিন্ন কূটনৈতিক উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে চালচলন করেছে, তা সত্ত্বেও, সহযোগিতা সবসময়ই বাংলাদেশের পক্ষ থেকে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ২০১৭ সালে প্রতিবেশী রাখাইন রাজ্য থেকে সামরিক দমন-পীড়নের শুরুতে রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের পলায়ন বাংলাদেশের সম্পদের উপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করেছে। আধুনিক ইতিহাসে জনসংখ্যার বৃহত্তম দেশত্যাগের একটি সহ্য করেও বাংলাদেশের নীতি তার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে একটি শান্তিপূর্ণ ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক উন্নীত করার লক্ষ্যে। বাংলাদেশ-মিয়ানমার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বহুমুখী সহযোগিতার সুযোগ দেয়। 

বাংলাদেশ ও কসোভোর কূটনৈতিক সম্পর্ক:
- ২০১৮ সালে ইউরোপের দেশ কসোভোর সাথে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেছে বাংলাদেশ। ২০১৯ সালে কসোভোর স্বাধীনতার ১০ বছর পূর্তিতে বাংলাদেশ দেশটির সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে। উল্লেখ্য, এর আগের বছর ২০১৭ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশ কসোভোকে সরকারিভাবে স্বীকৃতি দেয়।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ এবং ইসরায়েলের মাঝে কোন ধরনের কূটনৈতিক এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক নেই।

উৎস: প্রথম আলো।

২,২৪০.
নিম্নোক্তগণের মধ্যে কে বীরশ্রেষ্ঠ নন?
  1. ক) হামিদুর রহমান
  2. খ) মোস্তাফা কামাল
  3. গ) মুন্সী আবদুর রহিম
  4. ঘ) নূর মোহাম্মদ শেখ
ব্যাখ্যা
মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ গণ-
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেঃ মতিউর রহমান
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমান
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ
উৎসঃ বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন
২,২৪১.
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশী পরামর্শক-
  1. ডা. সুসানে গীতি
  2. ডা. হামিদা বানু
  3. ডা. সেঁজুতি সাহা
  4. ডা. নুরজাহান
ব্যাখ্যা

• বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization- WHO) প্রতিষ্ঠিত হয় ৭ এপ্রিল, ১৯৪৮ সালে।
• এর সদরদপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
• বর্তমান সদস্য দেশ ১৯৪টি।
• বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশী পরামর্শক ডা. সেঁজুতি সাহা।
• তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার Polio Transition Independent Monitoring Board (PTMB) এর সদস্য হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
উৎসঃ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েবসাইট।

২,২৪২.
আলমগীর কবির পরিচালিত চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. ক) একাত্তরের যীশু
  2. খ) ধীরে বহে মেঘনা
  3. গ) হাঙর নদী গ্রেনেড
  4. ঘ) আগুনের পরশমনি
ব্যাখ্যা
আলমগীর কবির নির্মিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত চলচ্চিত্র হলো ধীরে বহে মেঘনা। এটি ১৯৭৩ সালে মুক্তি পায়। ছবিটির পরিকল্পনা করেন জহির রায়হান। আলমগীর কবির পরিচালিত অন্যান্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে সীমানা পেরিয়ে, সূর্যকন্যা, মোহনা, রূপালি সৈকতে, মহানায়ক ইত্যাদি। একাত্তরের যীশু, আগুনের পরশমনি এবং হাঙর নদী গ্রেনেড চলচ্চিত্রের পরিচালক যথাক্রমে নাসির উদ্দীন ইউসুফ, হুমায়ুন আহমেদ এবং চাষী নজরুল ইসলাম। (সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং দৈনিক প্রথম আলো)
২,২৪৩.
বাংলাদেশে তৈরী ল্যাপটপের নাম কী?
  1. কোকিল
  2. ময়না
  3. দোয়েল
  4. শ্যামা
ব্যাখ্যা
দোয়েল (DOEL):
- বাংলাদেশে তৈরি প্রথম ল্যাপটপের নাম দোয়েল (DOEL)।
- ২০১১ সালের ১১ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ল্যাপটপের উদ্বোধন করেন।
- দোয়েল ল্যাপটপের প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান হলো ‘টেলিফোন শিল্প সংস্থা (টেশিস) লিমিটেড।
- বাংলাদেশের জাতীয় পাখির নামে তৈরি দোয়েলের চারটি মডেলের নাম দেয়া হয়েছে জাতীয় জীবনের চারটি ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণে।
- ল্যাপটপের মাদার বোর্ডসহ শতকরা ৬০ ভাগ যন্ত্রাংশ বাংলাদেশেই তৈরি করা হয়েছে।

উৎস: ১১ অক্টোবর ২০১১, বিবিসি বাংলা।
২,২৪৪.
এশিয়ান ইনডোরের অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথমবারের মতো সোনাজয়ী বাংলাদেশী-
  1. ক) মুর্শেদুজ্জামান
  2. খ) ইমরানুর রহমান
  3. গ) নাইম হাসান
  4. ঘ) কামাল হোসেন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের দ্রুততম মানব হিসেবে ১১ ফেব্রুয়ারি কাজাখস্তানে এশিয়ান ইনডোরের অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশিপে ৬০ মিটারে স্প্রিন্টে সোনাজয়ী ইমরানুর রহমান। 
- ইমরানুর সময় নিয়েছেন ৬.৭০ সেকেন্ড; যদিও তাঁর ব্যক্তিগত সেরা টাইমিং ৬.৬৪ সেকেন্ড। গত বছর বেলগ্রেডে বিশ্ব ইনডোর অ্যাথলেটিকসে এই টাইমিং করেন ইমরানুর।
- ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এশিয়ান র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠে এসেছে কোনো বাংলাদেশি অ্যাথলেটের নাম।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো।
২,২৪৫.
পদ্মা সেতু দিয়ে যাত্রীবাহী ট্রেনের বাণিজ্যিক চলাচল শুরু হয় কবে?
  1. ১০ অক্টোবর ২০২৩
  2. ২৮ অক্টোবর ২০২৩
  3. ১ নভেম্বর ২০২৩
  4. ৪ নভেম্বর ২০২৩
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতুতে রেল চলাচল:
- পদ্মা সেতুর সড়কপথ চালুর ১০ মাসের মাথায় ৪ এপ্রিল ২০২৩ সালে পদ্মা সেতু দিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
- এদিন ৪১ কিলোমিটার রেলপথে পরীক্ষামূলকভাবে চলাচল করে ৭ বগি বিশেষ ট্রেনটি। 
- ১ নভেম্বর ২০২৩ সালে পদ্মা সেতু দিয়ে যাত্রীবাহী ট্রেনের বাণিজ্যিক চলাচল শুরু হয়।

পদ্মা সেতু,
- পদ্মা সেতু প্রকল্পতে চীনের একটি কোম্পানী কাজ করে।
- মূল সেতুর কাজ করেছে চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড।
- পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- পদ্মা সেতু বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু। সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- মাওয়া প্রান্তের দৈর্ঘ্য ১ দশমিক ৬১৭ কিলোমিটার।
- জাজিরা প্রান্তের দৈর্ঘ্য ১০ দশমিক ৫০ কিলোমিটার।

তথ্যসূত্র - দ্যা ডেইলী স্টার, ২৫ জুন ২০২২, দৈনিক ইত্তেফাক ৪ এপ্রিল ২০২৩ ও নয়া দিগন্ত, ০২ নভেম্বর ২০২৩।
২,২৪৬.
দেশের প্রথম ইলেক্ট্রনিক বই কোনটি?
  1. ক) একুশ ই বুক
  2. খ) স্বাধীনতা ই বুক
  3. গ) বাংলাদেশ ই ‍বুক
  4. ঘ) ডিজিটাল ই বুক
ব্যাখ্যা
- দেশের প্রথম ইলেক্ট্রনিক বুক 'একুশ ই-বুক'।
- এটি ২০১৬ সালে প্রকাশিত হয়। 
 
উৎস : সময় নিউজ 
২,২৪৭.
ঢাকার “ছোট কাটরা” নির্মাণ করেন-
  1. নবাব সিরাজউদ্দৌলা
  2. সুবেদার ইসলাম খান
  3. শাহ সুজা
  4. শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা
ঢাকার ছোট কাটরা নির্মাণ করেন শায়েস্তা খান।

ছোট কাটরা:
- ছোট কাটরা শায়েস্তা খানের আমলে তৈরি একটি স্থাপনা বা ইমারত।
- আনুমানিক ১৬৬৩ থেকে ১৬৬৪ সালের দিকে এ ইমারতটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- এবং  ১৬৭১ সালে শেষ হয়েছিল।
- এটির অবস্থান বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে।
- ইমারতটি দেখতে অনেকটা বড় কাটরার মত হলেও এটি আকৃতিতে বড় কাটরার চেয়ে ছোট।
- এবং এ কারণেই এর নাম হয়েছিল ছোট কাটরা।
- ১৮১৬ সালে মিশনারি লিওনার্দ ঢাকার প্রথম ইংরেজি স্কুল।
- ছোট কাটরার সাথে বিবি চম্পার স্মৃতিসৌধ অবস্থিত ছিল।

উল্লেখ্য,
- ঢাকার বড় কাটরা নির্মাণ করেন  শাহ সুজা।
- সুবেদার ইসলাম খান বাংলার রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন বাংলার শেষ নবাব।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,২৪৮.
বাংলা একাডেমি নজরুল পুরস্কার অর্জন করেন কোন বিশিষ্ট ব্যক্তি?
  1. ক) শেখ করিম-উল আলম
  2. খ) শাহীন সামাদ
  3. গ) সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
  4. ঘ) অশোক দাস
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি নজরুল পুরস্কার প্রবর্তন করে - ২০২২ সালে।
প্রথম নজরুল পুরস্কার অর্জন করেন - সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী।
 
সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জুলাই ২০২২
২,২৪৯.
রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভের নাম কী? 
  1. বিজয়স্তম্ভ
  2. বিজয়কেতন
  3. স্বাধীনতা সোপান
  4. রক্ত সোপান
ব্যাখ্যা
• সেনানিবাস গুলোতে নির্মিত কয়েকটি মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য:
- ঢাকা সেনানিবাস: বিজয় কেতন, শিখা অনির্বাণ, জাহাঙ্গীর গেট, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।
- রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাস: রক্ত সোপান। 
- কুমিল্লা সেনানিবাস: অনির্বাণ জেড। 
- রংপুর সেনানিবাস: বিজয় গাঁথা।

এছাড়াও,
⇒ বিভিন্ন স্মৃতিস্তম্ভের অবস্থান:
- দুর্জয়: রাজারবাগ, ঢাকা।
- "স্বাধীনতা সোপান" : সাঁথিয়া উপজেলা, ,পাবনা।
- দুরন্ত: শিশু একাডেমি। 
- সংগ্রাম: সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ।
- বিজয়স্তম্ভ: গাইবান্ধা।
- বিজয় বিহঙ্গ: আমতলা, বরিশাল।
- স্বাধীনতা: ভাষা ইন্সটিটিউট সেগুনবাগিচা, ঢাকা।
- বীরের প্রত্যাবর্তন: বাড্ডা, ঢাকা।
- প্রত্যাশা: ফুলবাড়িয়া, ঢাকা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,২৫০.
পাট উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে-
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) চতুর্থ
  4. ঘ) তৃতীয়
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ যে কয়েকটি খাতে শীর্ষ তালিকায়:
- পাট উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয়।
- সবজি উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে তৃতীয়।
- প্রবাসী আয় অর্জনে বিশ্বে অষ্টম ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে সপ্তম।
- বাংলাদেশ ইলিশ উৎপাদনে বিশ্বে প্রথম।
- কাঁঠাল উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয়।
- তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে তৃতীয়।
- মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয়।
- আম উৎপাদনে বিশ্বে সপ্তম।
- ছাগলের দুধ উৎপাদনে বিশ্বে দ্বিতীয়।
- বাংলাদেশ ধান উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয়।
- আলু উৎপাদনে বিশ্বে সপ্তম।
- পেয়ারা উৎপাদনে বিশ্বে অষ্টম।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।

২,২৫১.
ফারাক্কা বাঁধ বাংলাদেশের সীমান্ত থেকে কত দূরে অবস্থিত?
  1. ক) ১৬.৫ কিলোমিটার
  2. খ) ১৭.৫ কিলোমিটার
  3. গ) ১৮.৫ কিলোমিটার
  4. ঘ) ১৯.৫ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
ফারাক্কা বাঁধ:
- কলকাতা বন্দরের নাব্যতা ঠিক রাখা এবং ভাগীরথী ও গঙ্গা নদীর পানির প্রবাহ যাতে জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করতে না পারে, সেই লক্ষ্যে ১৯৬১ সালে ফারাক্কা ব্যারাজ তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় ভারত সরকার।
- বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সীমান্ত থেকে মাত্র ১৬.৫ কিলোমিটার দূরে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার ফারাক্কা নামক স্থানে গঙ্গা নদীর উপর এই বাঁধ অবস্থিত।
- বাঁধটিতে মোট ১০৯টি গেট রয়েছে।
- ১৯৬১ সালে গঙ্গা নদীর উপর ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
- প্রাথমিকভাবে নির্মাণকাজ শেষ হয় – ১৯৭০ সালে।
- তবে ব্যবহার উপযোগী করতে পুরোপুরিভাবে এর নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭৪ সালের ডিসেম্বরে।
- পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয় ১৯৭৫ সালে।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো নিউজ।
২,২৫২.
শিশুমৃত্যুর হার হ্রাসে সাফল্যের জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কি অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছেন?
  1. সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি
  2. Planet 50-50
  3. এমডিজি অ্যাওয়ার্ড-২০১০
  4. জাতিসংঘ শান্তি পুরস্কার
ব্যাখ্যা
• সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা( এমডিজি) এর অন্যতম গুগোল শিশুমৃত্যু হার কমানোর জন্য বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনা ২০১০ সালে MDG award 2010 লাভ করেন।

• জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় ২০১৫ সালে জাতিসংঘ কর্তৃক চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ এবং ২০১৬ সালে নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদান রাখার জন্য planet 50-50 চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন।

উৎস: pmo.gov.bd/(প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়)
২,২৫৩.
'লৌহিত্য' কোন নদ/নদীর পূর্ব নাম?
  1. মেঘনা
  2. পদ্মা
  3. কর্ণফুলী
  4. ব্রহ্মপুত্র
ব্যাখ্যা
• ব্রহ্মপুত্র নদ:
-ব্রহ্মপুত্র নদ এশিয়া মহাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী।
- সংস্কৃত ভাষায় ব্রহ্মপুত্রের অর্থ হচ্ছে "ব্রহ্মার পুত্র।
- ব্রহ্মপুত্রের পূর্ব নাম ছিল লৌহিত্য।
- ব্রহ্মপুত্র হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের নিকটে মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়ে তিব্বত ও আসামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- ময়মনসিংহের দেওয়ানগঞ্জের কাছে ব্রহ্মপুত্র দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ময়মনসিংহ জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনায় পড়েছে।
- ১৭৮৭ সালে ভূমিকম্পের কারণে ব্রহ্মপুত্র নদীর তলদেশ উঠিত হবার কারণে এর দিক পরিবর্তিত হয়ে যায়।
- পরবর্তিতে এর নতুন শাখা নদীর সৃষ্টি হয় যা যমুনা নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- এক কালের প্রশস্ত ব্রহ্মপুত্র নদ বর্তমান শীর্ণকায়।
- বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ২ হাজার ৭৬৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ব্রহ্মপুত্র নদের খননকাজ করছে।
- বিআইডব্লিউটিএর প্রকল্পে বলা হয়েছে, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ খননের উদ্দেশ্য হলো নাব্যতা ফিরিয়ে এনে সারা বছর যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী নৌযান চলাচল নিশ্চিত করা, যেন শুকনো মৌসুমেও ৯০ মিটার প্রস্থে ৮ থেকে ১০ ফুট গভীর পানি থাকে।

উৎস: প্রথমআলো। 
২,২৫৪.
২০২১ সালের টেকসই উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ৯৪তম
  2. ১০৯তম
  3. ১১৩তম
  4. ১২৫তম
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘ সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সলিউশন্স নেটওয়ার্ক প্রকাশিত টেকসই উন্নয়ন প্রতিবেদন-২০২১ অনুসারে:
- প্রথম : ফিনল্যান্ড
- বাংলাদেশের অবস্থান : ১০৯তম
- সর্বনিম্ন দেশ (১৬৫তম) : মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র।
(তথ্যসূত্র: এসডিজি ইনডেক্স ওয়েবসাইট)
২,২৫৫.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন করেন কে?
  1. মাহমুদুর রহমান মান্না
  2. তোফায়েল আহমেদ
  3. আব্দুস সোবহান
  4. আ.স.ম আবদুর রব
ব্যাখ্যা

• জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন:
-  ১৯৭১ সালের ২ মার্চ, ছাত্র সংগঠনগুলো 'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করে।
- একই দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের বটতলায় একটি ছাত্রসভায় ডাকসু ভিপি আ.স.ম আবদুর রব প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।
- এই ঘটনাটি স্মরণীয় হয়ে থাকে, তাই ২ মার্চ 'জাতীয় পতাকা দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।

• জাতীয় পতাকা:
- জাতীয় পতাকা  অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও জাতীয় পতাকার আকৃতি, গড়ন, রং ও পতাকা উত্তোলনের ধরনের কিছু অনুমোদিত নিয়মকানুন অনুসরণ করে।
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং হবে গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ অনুপাতে আয়তাকার।
- তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- বৃত্তের কেন্দ্রবিন্দুর অবস্থান হবে পতাকার দৈর্ঘের ৯/২০ অংশ থেকে টানা লম্বের এবং প্রস্থের মাঝখান দিয়ে টানা আনুভূমিক রেখার ছেদবিন্দুতে। 


উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২,২৫৬.
বাংলাদেশ কোন অলিম্পিক গেমসে প্রথম অংশগ্রহণ করে?
  1. লসএঞ্জেলস
  2. আটলান্টা
  3. মস্কো
  4. মেক্সিকো সিটি
ব্যাখ্যা
অলিম্পিক গেমস:
- অলিম্পিক গেমস হলো একটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।
- যেখানে গ্রীষ্মকালীন এবং শীতকালীন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীরা বিভিন্ন ধরনের খেলায় অংশগ্রহণ করেন।
- দুই শতাধিক দেশের অংশগ্রহণে মুখরিত এই অলিম্পিক গেমস বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং সর্বোচ্চ সম্মানজনক প্রতিযোগিতা হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।
- অলিম্পিক গেমস প্রতি চার বছর পরপর ৬ আগস্ট থেকে ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়।
- গ্রীষ্ম এবং শীতকালীন দুটো প্রকরণ, প্রতিটি দুই বছর পরপর হয়ে থাকে।
- আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি) অলিম্পিক গেমস সংক্রান্ত সব কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৮৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস এঞ্জেলেস-এ অনুষ্ঠিত গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে প্রথম অংশগ্রহণ করে।
- একটি বিভাগে অংশগ্রহণের জন্য ১ জন ক্রীড়াবিদ প্রেরণ করে।
- সাইদুর রহমান ডন ছিলেন সেই প্রতিযোগী।

উৎস: i) Olympics.
ii) Britannica.
২,২৫৭.
থ্রি জিরো তত্ত্বের ৪ মহাশক্তি নয় কোনটি?
  1. শূন্য নিট কার্বন নির্গমন
  2. তরুণদের শক্তি এবং সৃজনশীলতাকে কাজে লাগান
  3. প্রযুক্তির শক্তি ব্যবহার
  4. ব্যবসাকে সামাজিক ব্যবসায় রূপান্তর
  5. সুশাসন নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা
'থ্রি জিরো' তত্ত্ব:  
- 'থ্রি জিরো' বা 'তিন শূন্য' তত্ত্ব একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি যা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব 'মোকাবিলা করে নতুন বিশ্ব গড়তে সাহায্য করবে।
- এই তত্ত্বের মাধ্যমে ড. ইউনূস একটি সমতাভিত্তিক ও স্থিতিশীল পৃথিবীর ধারণা তুলে ধরেছেন, যেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়ন বাংলাদেশ এবং পরিবেশগত সুরক্ষা একসঙ্গে চলবে।
- তত্ত্বটি তিনটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য অর্জনের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। সেগুলো হলো-
১. শূন্য দারিদ্র্য (Zero Poverty),
২. শূন্য বেকারত্ব (Zero Unemployment) এবং
৩. শূন্য নিট কার্বন নির্গমন (Zero Net Carbon Emissions)।

থ্রি জিরো তত্ত্বের ৪ মহাশক্তি: 
থ্রি জিরো পরিকল্পনা অর্জনের জন্য চারটি জিনিসের প্রয়োজন। এগুলো হলো-
- তরুণদের শক্তি এবং সৃজনশীলতাকে কাজে লাগান
- প্রযুক্তির শক্তি ব্যবহার
- ব্যবসাকে সামাজিক ব্যবসায় রূপান্তর
- সুশাসন নিশ্চিত করা।

উৎস: daily sun.
২,২৫৮.
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ-২০২৬ এ অংশগ্রহণকারী মোট দল কতটি?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ১০টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ-২০২৬:
- ২০২৬ সালের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ১২তম আসর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (BCB) এই লিগের আয়োজন করে।
- সময়: ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ - ১৬ জানুয়ারি ২০২৬।
- অংশগ্রহণকারী দল: ৬টি।

• দল
- রংপুর রাইডার্স
- ঢাকা ক্যাপিটালস
- রাজশাহী ওয়ারিয়র্স
- চট্টগ্রাম রয়্যালস
- সিলেট টাইটানস
- নোয়াখালী এক্সপ্রেস

উৎস: Bangladesh Premier League ওয়েবসাইট।

২,২৫৯.
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ২ নির্মাণ ও উৎক্ষেপণে কোন প্রতিষ্ঠান সহযোগিতা করবে?
  1. কসমস (রাশিয়া)
  2. থ্যালেস এলেনিয়া (ফ্রান্স)
  3. এয়ারবাস (ফ্রান্স)
  4. রোসাটম (রাশিয়া)
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ২:
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট -২ আর্থ অবজারভেটরি স্যাটেলাইট।
- ফ্রান্সের আন্তর্জাতিক মহাকাশযান নির্মাণ প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ নির্মাণ ও উৎক্ষেপণে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে।
- এটি ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরে ৩০০ থেকে ৪০০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থান করবে।
- ফলে দ্বিতীয় স্যাটেলাইটের জন্য অরবিটাল স্লট প্রয়োজন হবে না।
- এই স্যাটেলাইটের লাইফ টাইম হবে ১৮ বছরের মতো।
- দেশের সমুদ্রসীমায় ‘সি রিসোর্স’ ভালোভাবে পর্যবেক্ষণে এই স্যাটেলাইট কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদী। 
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১-এর সফল উৎক্ষেপণ-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ পরিণত হয়েছে স্যাটেলাইট ক্লাবের ৫৭তম গর্বিত সদস্যে। 

উৎস: যুগান্তর ও প্রথম আলো।
২,২৬০.
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়-
  1. ক) ১৯৭০ সালে
  2. খ) ১৯৮৪ সালে
  3. গ) ১৯৭৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৭৬ সালের ৪ আগস্ট। এর প্রধান কার্যালয় গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে। এর অধীন শস্য গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে ৭টি এবং আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে ৭টি।
২,২৬১.
বাংলাদেশের কোন স্থপতি সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন?
  1. হামিদুর রহমান
  2. ফজলুর রহমান খান
  3. নভেরা আহমদ
  4. জুলফিকার আলী খান
ব্যাখ্যা
ফজলুর রহমান খানসবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন। 
----------------------------- 
• ফজলুর রহমান খান:
- স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর অন্যতম পথিকৃৎ।
- ১৯২৯ সালের ৩ এপ্রিল ঢাকা শহরে জন্ম।
- তিনি ১৯৭২ সালে আরবানার ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অ্যালুমনি এওয়ার্ড, ১৯৭৩ সালে নর্থওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট অব সায়েন্স এবং ১৯৮০ সালে লেহাই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট অব ইঞ্জিনিয়ারিং সম্মানে ভূষিত হন।

- ১৯৭৩ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অব ইঞ্জিনিয়ারিং-এ একজন ইঞ্জিনিয়ারের জন্য প্রদেয় সর্বোচ্চ সন্মানে ভূষিত হন।
- ইঞ্জিনিয়ারিং নিউজ রেকর্ডস-এর ‘ম্যান হু সার্ভড দি বেষ্ট ইন্টারেস্ট অব দি কন্সট্রাকশন ইন্ডাস্ট্রি’-তে ফজলুর রহমানের নাম পাঁচ বার এসেছে (১৯৬৫, ১৯৬৮, ১৯৭০, ১৯৭১ এবং ১৯৭৯ সালে)।

- ১৯৭২ সালে তিনি ‘কন্সট্রাকশনস ম্যান অব দি ইয়ার’-এ ভূষিত হন।
- ১৯৮৩ সালে আমেরিকান ইন্সটিটিউট অব আর্কিটেক্টস ফজলুর রহমান খানকে তাঁর অসাধারণ অবদানের জন্য এআইএ ইন্সটিটিউট সম্মাননা প্রদান করে। একই বছর মুসলিম স্থাপত্যে অসাধারণ অবদানের (জেদ্দার হাজী টার্মিনাল) জন্য তাঁকে ‘আগা খান’ সম্মানে ভূষিত করা হয়।

- ইলিনয়ের স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন ১৯৮৭ সালে ফজলুর রহমান খানকে মরণোত্তর ‘জন পারমার’ সম্মানে ভূষিত করে এবং সিয়ার্স টাওয়ারের লবিতে স্পেনীয় ভাস্কর কার্লোস ম্যারিনাস নির্মিত এফ. আর খানের ভাস্কর্য স্থাপন করে।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৯ সালে তাঁকে মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পদকে’ ভূষিত করে এবং তাঁর স্মরণে স্মারক একটি ডাকটিকিট প্রকাশ করে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
২,২৬২.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে কোন বিষয়ে নোবেল পুরস্কার পান?
  1. অর্থনীতি
  2. শান্তি
  3. পদার্থ
  4. রসায়ন
ব্যাখ্যা

ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন।
- ড. ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

উল্লেখ্য,
- মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।
- ড. ইউনুসকে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করা হয়।
- ১৯৭৮ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ড. ইউনূস জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সহ প্রায় ১৪৫টি পুরস্কার অর্জন করেছেন।
- তিনি স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন ১৯৮৭ সালে।

উৎস: ইউনূস সেন্টার।

২,২৬৩.
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বের কততম দেশ হিসেবে নিউক্লিয়ার ক্লাবের সদস্য হয়েছে?
  1. ৩২তম
  2. ৩৩তম
  3. ৩৪তম
  4. ৩৫তম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক নিউক্লিয়ার ক্লাবের ৩৩তম সদস্য:
- পাবনা জেলায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম কংক্রিট ঢালাইয়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে বিশ্ব নিউক্লিয়ার ক্লাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যথাক্রমে ৩০ নভেম্বর ২০১৭ ও ১৪ জুলাই ২০১৮-এ বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিটের প্রথম কংক্রিট ঢালাইয়ের শুভ উদ্বোধন করেন।
- এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বে ৩৩তম দেশ হিসেবে নিউক্লিয়ার ক্লাবের সদস্য হয়েছে।
- ঠিকাদার হিসেবে রাশান ফেডারেশনের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিমার্ণকারী প্রতিষ্ঠান এটমস্ট্রয়এক্সপোর্টের সাথে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সম্পাদিত General Contract-এর আওতায় বর্তমানে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মূল ভৌত অবকাঠামো নির্মাণের কাজ এবং রিঅ্যাক্টর, টারবাইন ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ইকুইপমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের কাজ চলছে।
- এগুলোকে লংটার্ম ম্যানুফ্যাকচারিং ইকুইপমেন্ট বা এলটিএমই বলে।
- অপরদিকে প্রথম ইউনিটের নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর ভেসেলের Molten Core Catcher রূপপুর এসে পৌঁছেছে।
- আশা করা যায় যে ২০২৩ সালের মধ্যে এ বিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রথম ইউনিট থেকে ১২০০ মেগাওয়াট এবং ২০২৪ সালের মধ্যে দ্বিতীয় ইউনিট থেকে আরও ১২০০ মেগাওয়াট-মোট ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।

উৎস: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট
২,২৬৪.
বিবিসি বাংলার জরিপে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালির তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থান কার?
  1. ক) কাজী নজরুল ইসলাম
  2. খ) সুভাষ চন্দ্র বোস
  3. গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. ঘ) শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
বিবিসি বাংলা ২০০৪ সালে শ্রোতাদের জরিপের মাধ্যমে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ২০ জন বাঙালির একটি তালিকা করে। এতে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি নির্বাচিত হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- দ্বিতীয় : বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- তৃতীয় : কাজী নজরুল ইসলাম
- চতুর্থ : শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
- পঞ্চম : সুভাষ চন্দ্র বোস।
(সূত্র: বিবিসি বাংলা)
২,২৬৫.
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যানুসারে, বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রেরণে শীর্ষ দেশ কোনটি? (মার্চ-২০২৬)
  1. যুক্তরাষ্ট্র 
  2. সৌদি আরব
  3. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যানুসারে রেমিট্যান্স প্রাপ্তি:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা গেছে, গত জুলাই-নভেম্বর সময়ে সৌদি আরব থেকে সর্বোচ্চ ২০৫ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। যুক্তরাজ্য থেকে ১৬৭ কোটি, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে ১৫৮ কোটি, মালয়েশিয়া থেকে ১৪৩ কোটি এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১০৩ কোটি ডলার এসেছে। 
- সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি কাজ করেন সৌদি আরবে।

• রেমিট্যান্স প্রেরণে শীর্ষ দেশ:
১. সৌদি আরব, 
২. সংযুক্ত আরব আমিরাত, 
৩. যুক্তরাজ্য,  
৪. মালয়েশিয়া,
৫.  যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস:
i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

২,২৬৬.
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর গ্রাউন্ড স্টেশনের সংখ্যা কত?
  1. ৪টি
  2. ৩টি
  3. ২টি
  4. ১টি
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১:
-গাজীপুরের তেলিপাড়া এলাকায় পাঁচ একর জমির ওপর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১-এর গ্রাউন্ড স্টেশন তৈরি হয়েছে।
- এর গ্রাউন্ড স্টেশন সংখ্যা ২টি।
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নিয়ন্ত্রণ করা হবে বাংলাদেশের গাজীপুর থেকে। এ জন্য গাজীপুরের জয়দেবপুরে তৈরি করা হয়েছে গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশন।
- বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হবে রাঙামাটির বেতবুনিয়া গ্রাউন্ড স্টেশন।
- দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগ সেবার সম্প্রসারণ করা সম্ভব হবে।
- দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলা ও ব্যবস্থাপনায় নতুন মাত্রা যোগ হবে।
- স্যাটেলাইটভিত্তিক টেলিভিশন সেবা ডিটিএইচ (ডাইরেক্ট টু হোম) ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজেও এ স্যাটেলাইটকে কাজে লাগানো যাবে।
- মহাকাশে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের অবস্থান হবে ১৯৯ দশমিক ১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। এই কক্ষপথ থেকে বাংলাদেশ ছাড়াও সার্কভুক্ত সব দেশ, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, মিয়ানমার, তাজিকিস্তান, কিরগিজস্তান, উজবেকিস্তান, তুর্কমিনিস্তান ও কাজাখস্তানের কিছু অংশ এই স্যাটেলাইটের আওতায় আসবে।

তথ্যসূত্র- গাজীপুর জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,২৬৭.
বাঘা মসজিদ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. নওগাঁ
  4. নাটোর
ব্যাখ্যা

বাঘা মসজিদ:
- বাঘা মসজিদ রাজশাহী শহরের বাঘা উপজেলায় অবস্থিত।
- একটি উঁচু টিলার উপর টেরাকোটা অলংকরণে সমৃদ্ধ দশ গম্বুজ বিশিষ্ট অতুলনীয় বাঘা মসজিদটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম মসজিদ গুলির অন্যতম।
- বাংলার (গৌড়) সুলতান নশরত শাহের আমলে ১৫২৩ খৃষ্টাব্দে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়।
- মসজিদ চত্ত্বরের পার্শ্বেই রয়েছে একাধিক পীর আউলিয়াগনের মাজার।
- মসজিদটি ২৫৬ বিঘা জমির ওপর অবস্থিত। সমভুমি থেকে থেকে ৮-১০ ফুট উঁচু করে মসজিদের আঙিনা তৈরি করা হয়েছে।
- মসজিদটিতে সর্বমোট ১০টি গম্বুজ, ৪টি মিনার (যার শীর্ষদেশ গম্বুজাকৃতির) এবং ৫টি প্রবেশদ্বার রয়েছে।
- এই মসজিদটি চারদিক হতে প্রাচীর দিয়ে ঘেরা এবং প্রাচীরের দু’দিকে দু’টি প্রবেশদ্বার রয়েছে। মসজিদের ভিতরে-বাইরে সবর্ত্রই টেরাকোটার নকশা রয়েছে।

তথ্যসূত্র - রাজশাহী জেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

২,২৬৮.
‘ও কি গাড়িয়াল ভাই কত রব আমি পন্থের দিকে চাইয়া রে’ কোন ধরনের গান?
  1. চট্‌কা গান
  2. ভাটিয়ালি
  3. ঝুমুর গান
  4. ভাওয়াইয়া
ব্যাখ্যা
• ‘ওকি গাড়িয়াল ভাই কত রব আমি পন্থের দিকে চাইয়ারে’ - ভাওয়াইয়া গানের উদাহরণ।

• ভাওয়াইয়া গান: 
- ভাওয়াইয়া  উত্তরবঙ্গে প্রচলিত এক প্রকার  লোকগীতি।
- রংপুর ও ভারতের কুচবিহার জেলা এ গানের জন্মস্থান।
- ভাওয়াইয়া গান সুরলালিত্যে ভরপুর এবং এর একটি নিজস্ব গীতরীতি আছে।
- এ গানের মূল সুর নর-নারীর প্রণয়। প্রণয়ের বিচ্ছেদ জ্বালাই এতে অধিক রূপায়িত হয়।
- মৈশাল, গাড়োয়ান, মাহুত প্রমুখ এই প্রণয়গীতির নায়ক।
- আধ্যাত্মিক চেতনাসমৃদ্ধ ভাওয়াইয়া গানও পরিলক্ষিত হয়।
যেমন:
‘ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে’, ‘ছাড় রে মন ভবের খ্যালা’ ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২,২৬৯.
‘তিন বিঘা করিডোর’ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) কুড়িগ্রাম
  2. খ) পঞ্চগড়
  3. গ) লালমনিরহাট
  4. ঘ) রংপুর
ব্যাখ্যা
- লালমনিরহাট জেলাধীন পাটগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ছিটমহল দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা।
- এ ছিটমহলের সাথে তৎকালীন পাকিস্তানের মূল ভূখন্ডের যোগাযোগের জন্য একটি ‘প্যাসেজ ডোর’ এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল, যা বর্তমানে ‘তিন বিঘা করিডোর’ নামে পরিচিত।
- ১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দের পর থেকে দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল পাটগ্রাম উপজেলার একটি স্বতন্ত্র ইউনিয়ন ‘দহগ্রাম ইউনিয়ন’ হিসেবে পরিগণিত হয় এবং
- ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ জুন ইজারার মাধ্যমে উক্ত তিন বিঘা বাংলাদেশকে প্রদান করা হয়।

সূত্র: রংপুর জেলা ওয়েবসাইট। 
২,২৭০.
দেশের প্রথম এলিফ্যান্ট ওভারপাস কোথায় অবস্থিত?
  1. সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম
  2. সীতাকুন্ড, চট্টগ্রাম
  3. লোহাগড়া, চট্টগ্রাম
  4. মীরসরাই, চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
এলিফ্যান্ট ওভারপাস:
- চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের বুক চিরে নির্মিত হয়েছে এশিয়ার প্রথম 'এলিফ্যান্ট ওভারপাস'।
- দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইনের কারণে বন্যপ্রাণী চলাচলে যেন বাধা সৃষ্টি না হয়, সে লক্ষ্যেই নেওয়া হয়েছে এ উদ্যোগ।
- এ ওভারপাসের ওপর অংশ দিয়ে হাতি ও নিচ দিয়ে ট্রেন চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
- দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার রেললাইনের চুনতি, ফাঁসিয়াখালি ও মেধাকচ্ছপিয়ায় তিনটি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য রয়েছে।
- এর মধ্যে চুনতিতে হয়ে গেছে প্রথম এলিফ্যান্ট ওভারপাস।

তথ্যসূত্র: i) ২৪ অক্টোবর ২০২৩, The Business Standard। [লিঙ্ক]
         ii) ৭ অক্টোবর ২০২৩, কালবেলা।[লিঙ্ক]
২,২৭১.
বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমী কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকার সাভার
  2. রাজশাহীর সারদা
  3. চট্টগ্রামের আনোয়ারা
  4. ঢাকার সেগুনবাগিচা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমী: 
- বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমী পুলিশ অফিসারদের প্রশিক্ষণের লক্ষ্যে গঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমী বাংলাদেশ পুলিশের শীর্ষ প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান।
- এটি রাজশাহী শহর থেকে ২০ মাইল দূরে পদ্মা নদীর পূর্ব পাড়ে সারদায় অবস্থিত।
- ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক একাডেমীটি প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- ১৯১২ সালে পুলিশ ট্রেনিং কলেজ নামে তৎকালীন বাংলা ও আসাম প্রদেশের পুলিশ অফিসার ও কর্মীদের প্রাথমিক প্রশিক্ষণ প্রদানের লক্ষ্যে প্রথম যাত্রা করেছিল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমী ওয়েবসাইট। 
২,২৭২.
বাংলাদেশ কবে শতভাগ বিদ্যুতের আওতায় আসে?
  1. ক) ২১ মার্চ, ২০২২
  2. খ) ২৬ মার্চ, ২০২২
  3. গ) ২৩ ডিসেম্বর, ২০২২
  4. ঘ) ১৬ ডিসেম্বর, ২০২২
ব্যাখ্যা
শতভাগ বিদ্যুতের আওতায় দেশ: 
- ২১শে মার্চ, ২০২২ সালে দেশের বৃহত্তম ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধনের পর দেশের শতভাগ জনগণকে বিদ্যুতের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন।
- বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার অন্তর্গত রামনাবাদ নদের পাশে নির্মিত হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো নিউজ।
২,২৭৩.
রূপপুর বিদ্যুৎ প্রকল্পের উৎপাদন ক্ষমতা -
  1. ১২০০ মেগাওয়াট
  2. ১৩২০ মেগাওয়াট
  3. ১৪০০ মেগাওয়াট
  4. ২৪০০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- বাংলাদেশের একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- এটি পাবনা জেলায় অবস্থিত। 
- দেশে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয় ১৯৬১ সালে।
- পাবনা জেলার রূপপুরে প্রকল্প এলাকার জন্য প্রায় ২৬০ একর জমি এবং বৈদ্যুতিক সাব-ষ্টেশন নির্মাণসহ ৭২টি আবাসিক ইউনিটের নির্মাণ কাজও আংশিকভাবে সম্পন্ন করা হয়। 
- বাংলাদেশ সরকার ও রাশিয়ান ফেডারেশনের মধ্যে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন সংক্রান্ত সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়।
- ৩০ নভেম্বর ২০১৭ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নং ইউনিটের প্রথম কংক্রিট ঢালাই মাননীয় প্রধান মন্ত্রী উদ্বোধন করেন।
- এর মোট উৎপাদন ক্ষমতা ২৪০০ মেগাওয়াট।

উল্লেখ্য,
- ৫ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরেনিয়ামের প্রথম চালান হস্তান্তর করা হয়।
- এর মধ্য দিয়ে বিশ্বের ৩৩তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে যুক্ত হলো বাংলাদেশ।

উৎস: i) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
         ii) ৫ অক্টোবর, ২০২৩, প্রথম আলো।
২,২৭৪.
সর্বশেষ, এভারেস্ট জয়ী বাংলাদেশির নাম কী? [জুন, ২০২৫]
  1. বাবর আলী
  2. মো. খালেদ হোসেন
  3. ইকরামুল হাসান শাকিল
  4. সাইফুল হাসান মনির
ব্যাখ্যা
এভারেস্ট জয়ী বাংলাদেশি:
- এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন। তাঁরা হলেন:
• ১ম: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
• ২য়: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
• ৩য়: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
• ৪র্থ: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
• ৫ম: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
• ৬ষ্ঠ: ইকরামুল হাসান শাকিল, ২০২৫ সালের ১৯ মে। (সর্বশেষ, জুন- ২০২৫)

ইকরামুল হাসান শাকিল:
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট হয় করেছেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ২০২৫ সালের ১৯ মে তিনি এভারেস্ট চূড়া জয় করেন।
- সবচেয়ে কম সময়ে এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নতুন রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।
- কক্সবাজার থেকে হেঁটে গিয়ে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ালেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ইকরামুল হাসান তাঁর এই অভিযানের নাম দিয়েছেন ‘সি টু সামিট’, অর্থাৎ সমুদ্র থেকে শৃঙ্গ।
- শাকিলের 'সি টু সামিট' অভিযাত্রা শুরু হয় ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে কক্সবাজার থেকে।
- এরপর ৯০ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্য দিয়ে প্রায় এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন এবং ২৯ হাজার ৩১ ফুট উচ্চতার এভারেস্ট জয় করেন।

উল্লেখ্য,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি। তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

উৎস:
i) The Business Standard.
ii) প্রথম আলো।
২,২৭৫.
বাংলা একাডেমি কবে নজরুল পুরস্কার চালু করে?
  1. ২০১৪ সালে
  2. ২০১৮ সালে
  3. ২০২২ সালে
  4. ২০২৪ সালে
ব্যাখ্যা
নজরুল পুরস্কার:
- ২০২২ সালে বাংলা একাডেমি নজরুল পুরস্কার চালু করে।
- পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয় ২ লাখ টাকার চেক, সম্মাননাপত্র, সম্মাননা-স্মারক এবং পুষ্পস্তবক।

⇒ নজরুল পুরস্কার ২০২৫:
- ২০২৫ সালে নজরুল পুরস্কার লাভ করেন বিশিষ্ট গবেষক ও অধ্যাপক আনোয়ারুল হক এবং খ্যাতিমান নজরুল সংগীতশিল্পী শবনম মুশতারী।
- ২৫ মে ২০২৫ তারিখে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে আয়োজিত নজরুল জয়ন্তীর অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে এ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

উৎস: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
২,২৭৬.
বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ দল যুব বিশ্বকাপ জিতে কত সালে?
  1. ২০১৮ সালে
  2. ২০১৯ সালে
  3. ২০২০ সালে
  4. ২০২১ সালে
ব্যাখ্যা
যুব বিশ্বকাপ ২০২০:

- ২০২০ সালে যুব বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয় দক্ষিণ আফ্রিকায়।
- ২০২০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ আফ্রিকার পচেফস্ট্রুমে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে ভারতের অনুর্ধ্ব ১৯ দলকে হারিয়ে শিরোপা জিতে বাংলাদেশ অনুর্ধ্ব ১৯ দল।
- যে কোন স্তরের ক্রিকেটে কোন বিশ্বকাপ জেতা বাংলাদেশের জন্যে এটাই প্রথম।
- ১৯৯৭ সালের পর এই প্রথম ক্রিকেটের কোন বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের ট্রফি জিতলো বাংলাদেশ।
- প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক আকবর আলি।

তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০।
২,২৭৭.
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে স্বাধীনতা পদক-২০২১ লাভ করেন কে?
  1. ক) এ কে এম বজলুর রহমান
  2. খ) অধ্যাপক ডা. এম আমজাদ হোসেন
  3. গ) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল
  4. ঘ) ড. মৃন্ময় গুহ নিয়োগী
ব্যাখ্যা
- স্বাধীনতা পদক ২০২১ প্রাপ্তরা হলেন:
স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে:
- প্রয়াত আহসানউল্লাহ মাস্টার
- প্রয়াত আখতারুজ্জামান বাবু
- প্রয়াত এ কে এম বজলুর রহমান
- প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খুরশিদ উদ্দিন আহমেদ
সাহিত্যে:
- কবি মহাদেব সাহা
সংস্কৃতিতে:
- গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার
- নাট্যজন আতাউর রহমান
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে:
- ড. মৃন্ময় গুহ নিয়োগী
সমাজসেবা বা জনসেবায়:
- অধ্যাপক ডা. এম আমজাদ হোসেন
গবেষণা ও প্রশিক্ষণে:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল।
(সূত্র: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট)
২,২৭৮.
১৩ তম এসএ গেমসে বাংলাদেশ মোট পদক লাভ করে কতটি?
  1. ক) ১৯ টি
  2. খ) ৩৩ টি
  3. গ) ৯০ টি
  4. ঘ) ১৪২ টি
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
১-১০ ডিসেম্বর ২০১৯ নেপালের কাঠমণ্ডুতে অনুষ্ঠিত হয় এসএ গেমসের ১৩ তম আসর। এতে বাংলাদেশ মোট ১৪২ টি পদক লাভ করে যার মধ্যে স্বর্ণপদক ১৯ টি, রোপ্যপদক ৩৩ টি এবং ব্রোঞ্জপদক ৯০ টি। বাংলাদেশ পদক তালিকায় ৫ম স্থান অধিকার করে। ভারত ১৭৪ টি স্বর্ণপদক সহ মোট ৩১২ টি পদক লাভ করে। (সূত্রঃ সারাবাংলা ডটনেট)
২,২৭৯.
সাহিত্যে স্বাধীনতা পদক-২০২৩ লাভ করেন-
  1. ক) মো. আমির হামজা
  2. খ) এ জি মোহাম্মদ খুরশীদ
  3. গ) মরহুম ড. মুহাম্মদ মঈনুদ্দিন আহমেদ
  4. ঘ) ড. ফেরদৌসী কাদরী
ব্যাখ্যা
- ২০২৩ সালে সাহিত্যে স্বাধীনতা পদক পান মরহুম 'ড. মুহাম্মদ মঈনুদ্দিন আহমেদ'।
- মরহুম ড. মুহাম্মদ মঈনুদ্দিন আহমেদ হলো 'সেলিম আল দীন' এর প্রকৃত নাম।
- ২০২২ সালে সাহিত্যে স্বাধীনতা পদক পেয়েছিলেন 'মো. আমির হামজা'।

এছাড়াও-
• এবার জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং একটি প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় এই বেসামরিক পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।
• পুরস্কার পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন —
- স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল (অব.) সামসুল আলম, মরহুম লে. এ জি মোহাম্মদ খুরশীদ, শহিদ খাজা নিজামউদ্দিন ভূইয়া এবং আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী (মায়া) বীর বিক্রম।
• এ ছাড়া সাহিত্যে —
- মরহুম ড. মুহাম্মদ মঈনুদ্দিন আহমেদ (সেলিম আল দীন)
- সংস্কৃতিতে পবিত্র মোহন দে
- ক্রীড়ায় এ এস এম রকিবুল হাসান
- গবেষণা ও প্রশিক্ষণে বেগম নাদিরা জাহান (সুরমা জাহিদ) ও ড. ফেরদৌসী কাদরী।
• আর পুরস্কারের জন্য মনোনীত প্রতিষ্ঠানটি হলো ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর।

উৎস: প্রথম আলো রিপোর্ট (০৯ মার্চ ২০২৩)
২,২৮০.
বাংলাদেশের প্রথম LNG টার্মিনাল কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়
  2. কক্সবাজারের মহেশখালীতে
  3. পটুয়াখালীর কুয়াকাটায়
  4. বাগেরহাটের মংলায়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম LNG টার্মিনাল:
- Excelerate Energy Bangladesh Limited (EEBL) কর্তৃক স্থাপিত MLNG টার্মিনাল।
- চুক্তি স্বাক্ষর : ১৮ জুলাই, ২০১৬।
- বাস্তবায়ন : Build Own Operate and Transfer (BOOT) ভিত্তিতে।
- অবস্থান : কক্সবাজারের মহেশখালীতে।
- Floating Storage Re-gasification Unit (FSRU) এর নাম : Excellence।
- আকার: দৈর্ঘ্যে ২৭৭ মিটার, প্রস্থে ৪৪ মিটার এবং ড্রাফট ১২.৫ মিটার।
- ধারনক্ষমতা: ১৩৮,০০০ ঘনমিটার।
- রিগ্যাসিফিকেশন ক্যাপাসিটি: ৫০০ এমএমএসসিএফডি।
- চুক্তির মেয়াদ : ১৫ বছর (২০১৮-২০৩২)।
- গ্যাস সরবরাহ শুরু: ১৯ আগষ্ট, ২০১৮।
- শুরু থেকে ৩১ জানুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহের পরিমান: ৫৯৭,৭৮৬.৭১ এমএমএসসিএফ।
- টার্মিনাল হস্তান্তর: ১৫ বছর পর কোন ধরনের চার্জ গ্রহন ব্যাতিত FSRU টি EEBL পেট্রোবাংলার নিকট হস্তান্তর করবে।

উৎস: রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানী লিমিটেড।
২,২৮১.
বাংলাদেশ OIC'র সদস্যপদ লাভ করে কত সালে?
  1. ১৯৭২
  2. ১৯৭৩
  3. ১৯৭৪
  4. ১৯৭৫
ব্যাখ্যা

• OIC:
- ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা - OIC.
- OIC-এর পূর্ণরুপ হচ্ছে - The Organisation of Islamic Cooperation
- এটি হলো মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে - ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯ (মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে)।
- OIC এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৭টি।

- বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে - ১৯৭৪ সালে।
- OIC এর সর্বশেষ শীর্ষ সম্মেলন মক্কাতে ২০১৯ সালের ৩১ মে অনুষ্ঠিত হয়।
- OIC এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: OIC ওয়েবসাইট।

২,২৮২.
‘বিজয় কেতন’ জাদুঘরটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকা সেনানিবাস
  2. খ) কুমিল্লা সেনানিবাস
  3. গ) রাজারবাগ পুলিশ লাইন
  4. ঘ) শাহবাগ
ব্যাখ্যা
বিজয় কেতন হলো ঢাকা সেনানিবাসে স্থাপিত মহান মুক্তিযুদ্ধের একটি জাদুঘর। এতে বাংলাদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যের পাশাপাশি স্থান পেয়েছে এদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের আলোচিত অধ্যায় সমূহের নানা নিদর্শন।
(সূত্র: বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ওয়েবসাইট)
২,২৮৩.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনােগ্রামের ডিজাইনার কে?
  1. ক) কাজী খসরু
  2. খ) কামরুল হাসান
  3. গ) স্বপন কুমার
  4. ঘ) এএনএ সাহা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের ডিজাইনার এ এন সাহা
• বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম - লাল রঙের বৃত্তের মাঝে হলুদ রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র।
• বৃত্তের উপর দিকে লেখা 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' নিচে লেখা 'সরকার' এবং বৃত্তের দু'পাশে দু'টি করে মোট চারটি তারকা।

তথ্যসূত্র:- জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,২৮৪.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় কবে? 
  1. ৪ জানুয়ারি, ১৯৭২
  2. ৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  3. ৪ এপ্রিল, ১৯৭২
  4. ৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী রাষ্ট্র:
- ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ প্রথম দেশ হিসেবে ভুটান (পররাষ্ট্র সচিবের ভাষ্যমতে)।
- এবং দ্বিতীয় দেশ হিসেবে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার সেনেগাল।
- আর্জেন্টিনা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে- ২৫ মে ১৯৭২।
- যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ৪ এপ্রিল, ১৯৭২।
- ব্রাজিল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে- ১৫ মে, ১৯৭২।
- আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়- ইরাক।
- ইরাক বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়- ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে।

উৎস: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, বঙ্গভবনের শতবর্ষ (বঙ্গভবন) ও বাংলাদেশের তারিখ (বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান), প্রথম আলো।

২,২৮৫.
বাংলাদেশের নারী ফুটবল দল সম্প্রতি কোন পদক পেয়েছে?
  1. একুশে পদক
  2. জাতীয় ক্রীড়া পুরষ্কার
  3. বেগম রোকেয়া পদক
  4. স্বাধীনতা পদক
ব্যাখ্যা

একুশে পদক ২০২৫:
- বাংলাদেশের নারী ফুটবল দল সম্প্রতি একুশে পদক ২০২৫ পেয়েছে।

- বাংলাদেশের কোনো ক্রীড়া দল হিসেবে একুশে পদক পাওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম। এর আগে ২০০১ সালে সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) স্বাধীনতা পদক পেয়েছিল।
- সর্বশেষ ২০২৪ সালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ী দল হিসেবেই এই স্বীকৃতি পেয়েছে। বাংলাদেশের নারী দল এর আগে ২০২২ সালেও সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয় করেছিল।

⇒ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য দেশের ১৭ জন বিশিষ্ট নাগরিক এবং বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলকে ২০২৫ সালের একুশে দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ছয়জনই মরণোত্তর এ সম্মাননা পেয়েছেন। পুরস্কার প্রাপ্তরা -
- চলচ্চিত্রে আজিজুর রহমান (মরণোত্তর)।
- সংগীতে ওস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) ও ফেরদৌস আরা।
- আলোকচিত্রে নাসির আলী মামুন।
- চিত্রকলায় রোকেয়া সুলতানা।
- সাংবাদিকতায় মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর)।
- সাংবাদিকতা ও মানবাধিকারে মাহমুদুর রহমান।
- সংস্কৃতি ও শিক্ষায় শহীদুল আলম।
- শিক্ষায় নিয়াজ জামান।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে মেহদী হাসান খান, রিফাত নবী, তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
- সমাজসেবায় মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর)।
- ভাষা ও সাহিত্যে হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর) ও শহীদুল জহির (মরণোত্তর)।
- গবেষণায় মঈদুল হাসান।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

২,২৮৬.
‘৩৬ আওয়ার্স অব বিট্রেয়াল’ প্রামাণ্যচিত্রের পটভূমি কী?
  1. পিলখানা হত্যাকাণ্ড
  2. জুলাই গণঅভ্যুত্থান
  3. মুক্তিযুদ্ধ 
  4. ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা

৩৬ আওয়ার্স অব বিট্রেয়াল (36 Hours of Betrayal):
- পিলখানা হত্যাকাণ্ড নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র ‘৩৬ আওয়ার্স অব বিট্রেয়াল’।

⇒ ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে প্রামাণ্যচিত্রটি মুক্তি পেয়েছে।
- ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে পিলখানা হত্যাকাণ্ড জাতির ইতিহাসে এক সন্ধিক্ষণ, যেখান থেকে উত্থান ঘটেছিল ফ্যাসিবাদের, যেখান থেকে শুরু হয় ১৬ বছরের পরাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।

২,২৮৭.
বাংলাদেশে প্রথম রেললাইন স্থাপন করা হয় -
  1. দর্শনা-গোয়ালন্দ
  2. কুষ্টিয়া-গোয়ালন্দ
  3. দর্শনা-সিলেট
  4. দর্শনা-কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম রেল লাইন:
- এ দেশে প্রথম রেলওয়ের সূচনা হয় ১৮৬২ সালের ১৫ নভেম্বর দর্শনা হতে কুষ্টিয়ার জগতি পর্যন্ত।
- রেলওয়ের কার্যক্রম শুরু হয় ব্রিটিশ শাসনামলে ১৮৬২ সালে।
- প্রথম দিকে শুধু অর্থনৈতিক কাজের জন্য রেলপথ চালু করা হয়।
- ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে নামের একটি প্রতিষ্ঠান প্রথম এ অঞ্চলে রেলপথ স্থাপন করে।
- ১৮৬২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে কলকাতা থেকে রাণাঘাট পর্যন্ত রেলপথ উদ্বোধন করে।
- প্রতিষ্ঠানটি ওই বছরের ১৫ নভেম্বর রানাঘাট থেকে কুষ্টিয়ার জগতি পর্যন্ত রেলপথ চালু করে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৭ সালের পূর্বে অবিভক্ত ভারতবর্ষে রেলওয়ে বোর্ডের মাধ্যমে তৎকালীন রেলওয়ে পরিচালিত হতো।
- ১৯৭৩ সালে বোর্ডের কার্যক্রম বিলুপ্ত করে একে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত করা হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৮২ সালে রেলপথ বিভাগ গঠন করা হয়।

উৎস: রেলপথ মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া। [লিঙ্ক]
২,২৮৮.
বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন -
  1. মুশফিকুর রহিম
  2. মমিনুল হক
  3. তামিম ইকবাল
  4. মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট ম্যাচ:
- বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন মুশফিকুর রহিম। 

⇒ প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট খেলেছেন মুশফিকুর রহিম।
- বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। 
- আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানের ইনিংস খেলেন মুশফিক।
- এতে বিশ্বের ১১তম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্টে সেঞ্চুরির মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।  
- ভেন্যু: মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম।
- সময়: ২০ নভেম্বর, ২০২৫।

উল্লেখ্য,
- টেস্ট ইতিহাসের অষ্টম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করে জয় পেয়েছেন তিনি। মুশফিকের আগে এই তালিকায় নাম লিখিয়েছেন গর্ডন গ্রিনিজ, ইনজামাম উল হক, রিকি পন্টিং, গ্রায়েম স্মিথ, হাশিম আমলা, জো রুট ও ডেভিড ওয়ার্নার।

উৎস: প্রথম আলো।

২,২৮৯.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম আফ্রিকান দেশ কোনটি?
  1. ক) উগান্ডা
  2. খ) ইথপিয়া
  3. গ) সেনেগাল
  4. ঘ) তিউনেশিয়া
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র সচিবের ভাষ্যমতে বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর প্রথম স্বীকৃতি দেয় ভুটান।
- একইদিন দ্বিতীয় দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ভারত।
- তবে ১৭তম ও ২৯তম বিসিএসের প্রশ্ন অনুযায়ী বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় ভারত এবং দ্বিতীয় দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ভুটান।
- তৃতীয় দেশ হিসেবে পূর্ব জার্মানি ১১ জানুয়ারি ১৯৭২ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- প্রথম আফ্রিকান/মুসলিম/অনারব মুসলিম দেশ হিসেবে সেনেগাল ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
(সূত্রঃ ইউএস স্টেট ডিপার্টমেন্ট ওয়েবসাইট, কালের কণ্ঠ এবং বাংলাদেশ প্রতিদিন)

২,২৯০.
মুশফিকুর তার শততম টেস্টে কত রানে আউট হয়েছিলেন?
  1. ৯৯ 
  2. ১০১ 
  3. ১০৬ 
  4. ১১৪ 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট ম্যাচ:
- বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন মুশফিকুর রহিম। 
- মুশফিকুর তার শততম টেস্টে ১০৬ রানে আউট হয়েছিলেন।

⇒ প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট খেলেছেন মুশফিকুর রহিম।
- বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। 
- আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানের ইনিংস খেলেন মুশফিক।
- এতে বিশ্বের ১১তম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্টে সেঞ্চুরির মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।  
- ভেন্যু: মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম।
- সময়: ২০ নভেম্বর, ২০২৫।

উল্লেখ্য,
- টেস্ট ইতিহাসের অষ্টম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করে জয় পেয়েছেন তিনি। মুশফিকের আগে এই তালিকায় নাম লিখিয়েছেন গর্ডন গ্রিনিজ, ইনজামাম উল হক, রিকি পন্টিং, গ্রায়েম স্মিথ, হাশিম আমলা, জো রুট ও ডেভিড ওয়ার্নার।

উৎস: প্রথম আলো। [link]

২,২৯১.
বাংলাদেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) পণ্য হিসেবে কোনটি স্বীকৃতি পায়?
  1. ইলিশ
  2. জামদানি
  3. শতরঞ্জি
  4. সাদা মাটি
ব্যাখ্যা

• জিআই (GI):
- GI এর পূর্ণরুপ হলো Geographical indication.
- WIPO জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- ভৌগোলিক নির্দেশক হচ্ছে একটি প্রতীক বা চিহ্ন, যা পণ্য ও সেবার উৎস, গুণাগুণ ও সুনাম ধারণ এবং প্রচার করে।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি।

সূত্র: পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ও পত্রিকার রিপোর্ট। 

২,২৯২.
প্রাগৈতিহাসিক যুগে মানুষের অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রামের সাথে নিচের কোন খেলাটি উৎপত্তি সম্পর্ক রয়েছে?
  1. দাড়িয়াবান্ধা
  2. ডাঙ্গুলী
  3. কাবাডি
  4. গোল্লাছুট
ব্যাখ্যা
কাবাডি:

- প্রাগৈতিহাসিক যুগে যখন খাদ্য সংগ্রহের পাশাপাশি নিজের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য মানুষ এককভাবে বা দলীয়ভাবে শিকার করতে এবং বন্যপ্রাণীর আক্রমণ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে শিখেছিল, তখনই কাবাডির সূচনা।
- পুরো দক্ষিণ এশিয়াতে কাবাডি প্রচলিত থাকলেও এর উৎপত্তিস্থল পাঞ্জাব।
- কাবাডির উৎপত্তি সম্পর্কে আরেকটি মত হচ্ছে, মহাভারতে বর্ণিত অভিমন্যু কর্তৃক কৌরব সৈন্যদের চক্রব্যূহ ভেদ করার ব্যর্থ চেষ্টার ঘটনা থেকে ধারণা নিয়ে এ খেলার সৃষ্টি হয়।
- কাবাডি খেলার উৎপত্তি সম্পর্কে প্রচলিত আরেকটি ধারণা হচ্ছে এটি আরম্ভ হয় তামিলনাড়ুতে।
- কাবাডি কোর্টের স্বীকৃত মাপ হলো ছেলেদের জন্য ১২ দশমিক ৫ মি বাই ১০ মি. এবং মেয়েদের জন্য ১১ মি বাই ৮ মি.।
- প্রতি দলে ৭ জন খেলোয়াড় থাকে এবং খেলার সময় প্রতি অর্ধে ২০ মিনিট করে ৪০ মিনিট।

তথ্যসূত্র - প্রতিদিনের সংবাদ, ৩০ মে, ২০১৬।
২,২৯৩.
Parki beach is situated in ______.
  1. Chittagong
  2. Khulna
  3. Cox's Bazar
  4. Potuakhali
ব্যাখ্যা
পারকী সৈকত:
- পারকী সৈকত চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ার থানায় অবস্থিত একটি উপকূলীয় সমুদ্র সৈকত।
- স্থানীয়দের কাছে এটির পরিচয় পারকীর চর হিসেবে।
- এছাড়া অনেকে এটিকে পারকী বিচ বলেও পরিচয় দেন।
- চট্টগ্রাম শহর থেকে এই বিচটির দূরত্ব মাত্র ২৫ কিলোমিটার।
- এটি মূলত কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- অর্থাৎ কর্ণফুলী নদীর মোহনার পশ্চিম তীরে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এবং পূর্বদক্ষিণ তীরে এই পারকী সমুদ্র্র সৈকত।

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।
২,২৯৪.
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ বিকল্প গ্রাউন্ড স্টেশন কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাঙামাটি
  2. কক্সবাজার
  3. বান্দরবান
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১:
- গাজীপুরের তেলিপাড়া এলাকায় পাঁচ একর জমির ওপর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১-এর গ্রাউন্ড স্টেশন তৈরি হয়েছে।
- এর গ্রাউন্ড স্টেশন সংখ্যা ২টি।
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নিয়ন্ত্রণ করা হবে বাংলাদেশের গাজীপুর থেকে। এ জন্য গাজীপুরের জয়দেবপুরে তৈরি করা হয়েছে গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশন।
- বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হবে রাঙামাটির বেতবুনিয়া গ্রাউন্ড স্টেশন।
- দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগ সেবার সম্প্রসারণ করা সম্ভব হবে।
- দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলা ও ব্যবস্থাপনায় নতুন মাত্রা যোগ হবে।
- স্যাটেলাইটভিত্তিক টেলিভিশন সেবা ডিটিএইচ (ডাইরেক্ট টু হোম) ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজেও এ স্যাটেলাইটকে কাজে লাগানো যাবে।
- মহাকাশে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের অবস্থান হবে ১৯৯ দশমিক ১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। এই কক্ষপথ থেকে বাংলাদেশ ছাড়াও সার্কভুক্ত সব দেশ, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, মিয়ানমার, তাজিকিস্তান, কিরগিজস্তান, উজবেকিস্তান, তুর্কমিনিস্তান ও কাজাখস্তানের কিছু অংশ এই স্যাটেলাইটের আওতায় আসবে।

তথ্যসূত্র - গাজীপুর জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,২৯৫.
“মুক্তির কথা” প্রামাণ্যচিত্রের নির্মাতা কে?
  1. হুমায়ূন আহমেদ
  2. তারেক মাসুদ
  3. আব্দুল জব্বার খান 
  4. জহির রায়হান
ব্যাখ্যা

তারেক মাসুদ:
- তারেক মাসুদ বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতা।
- তিনি মূলধারার বাইরে গিয়ে ভিন্নধারার চলচ্চিত্র নির্মাণে পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিত।
- মুক্তির কথা তারেক মাসুদ নির্মিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ নাট্য চলচ্চিত্র (ডকুমেন্টারি)। 
- এতে দেখানো হয়েছে কীভাবে সাধারণ মানুষ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গণহত্যা, নির্যাতন ও ভয়াবহ পরিস্থিতির শিকার হয়েছিল।
- এছাড়া যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরও মানুষ নতুন জীবন শুরু করতে এবং জীবিকা চালাতে কতটা সংগ্রাম করেছে তাই এই নাট্যচিত্রে
ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

- তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলো হলো:
• মাটির ময়না-
- এই চলচ্চিত্রটি মুক্তিযুদ্ধ পূর্ববর্তী সময়ের প্রেক্ষাপটে নির্মিত হয়েছে।
- এটি কান চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত হয়েছে যা বাংলাদেশের জন্য গৌরবের বিষয়। 

• অন্তর্যত্রা:
- বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল চলচ্চিত্র।

• মুক্তির গান:
- মুক্তির গান হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের সময়ের গান নিয়ে তৈরি প্রামাণ্যচিত্র।

• রানওয়ে:
- এটি পোশাক শ্রমিকদের জীবন ও সংগ্রামের গল্প নিয়ে রচিত চলচ্চিত্র। 

• আদম সুরত:
- লোকশিল্পী এস এম সুলতানের জীবন ও শিল্পকর্ম নিয়ে রচিত প্রামাণ্যচিত্র।

• নারীর কথা:
- নারী ও যুদ্ধ নিয়ে তৈরি প্রামাণ্যচিত্র।

• সোনার বেড়ি তারেক মাসুদ নির্মিত একটি প্রামাণ্য চলচ্চিত্র। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো পত্রিকা। 

২,২৯৬.
'সমাজসেবা' শাখায় স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ লাভ করেন কে?
  1. নভেরা আহমেদ
  2. স্যার ফজলে হাসান আবেদ
  3. বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর
  4. অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেওয়া হয় এই পুরস্কার।
- 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫' পেয়েছেন ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর)।
• সাহিত্য:  মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর)।
• সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর)।
• সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর)।
• মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর)।
• শিক্ষা ও গবেষণা: জনাব বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর।
• প্রতিবাদী তারুন্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উৎস: মন্ত্রি পরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।

২,২৯৭.
এক পঞ্জিকাবর্ষে টেস্টে বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে সর্বাধিক উইকেটের রেকর্ড কার? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ইবাদত হোসেন
  2. শাহাদাত হোসেন
  3. নাহিদ রানা
  4. হাসান মাহমুদ
ব্যাখ্যা
- টেস্ট অভিষেকের বছরেই বল হাতে আলো ছড়িয়ে দারুণ একটি রেকর্ডের মালিক হলেন হাসান মাহমুদ।
- টেস্ট সংস্করণে বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে এক পঞ্জিকাবর্ষে সর্বোচ্চ উইকেটের কীর্তি গড়লেন তিনি।
- ২০২৪ সালে টেস্টে ৩০ উইকেট নিয়েছেন হাসান মাহমুদ। 
- এটি বর্তমানে এক পঞ্জিকাবর্ষে টেস্টে বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে সর্বাধিক উইকেটের রেকর্ড। 
- তিনি ২৩ উইকেট নেওয়া শাহাদাত হোসেনকে পেছনে ফেলেছেন (২০০৮ সাল)।
- বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে টেস্টে এক পঞ্জিকাবর্ষে অন্তত ২০ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড আছে আর দুজনের।
- ইবাদত হোসেন ২০২২ সালে ৮ টেস্টের ১৪ ইনিংসে ২১ উইকেট ও সৈয়দ খালেদ আহমেদ ২০২২ সালে ৮ টেস্টের ১৫ ইনিংসে ২০ উইকেট শিকার করেছিলেন।

উৎস: প্রথম আলো
ডেইলি স্টার বাংলা।
২,২৯৮.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা কবে গৃহীত হয়?
  1. ১৭ জানুয়ারি ১৯৭২
  2. ২৬ মার্চ ১৯৭১
  3. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
  4. ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা সবুজ আয়তক্ষেত্রের মধ্যে লাল বৃত্ত। সবুজ রং বাংলাদেশের সবুজ প্রকৃতি ও তারুণ্যের প্রতীক, বৃত্তের লাল রং উদীয়মান সূর্য, মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের রক্তের প্রতীক।
-  বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার এই রূপটি ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে গৃহীত হয়।

প্রথম পতাকা উত্তোলন:
- ২ মার্চ, ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্র জনতার সমাবেশে তৎকালীন ঢাকসুর ভিপি আ.স.ম আব্দুর রব স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেছিল।
- গৃহীত হয় ৬ মার্চ, ১৯৭১।
- ২৩ মার্চ ১৯৭১, বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা আনুষ্ঠানিক উত্তোলন করেন এবং একই দিনে সারা বাংলাদেশে।
- বাংলাদেশের বাহিরে প্রথম উত্তোলন: কলকাতাস্থ পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনারে।
- সংবিধানের ৪ নং অনুচ্ছেদের জাতীয় পতাকার কথা বলা হয়েছে।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- মানচিত্র খচিত পতাকার নকশাকার: শিব নারায়ণ দাস (৬ জুন ১৯৭০)।
- জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত: ১০:৬ (৫:৩)।

উৎস: স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
২,২৯৯.
‘ওঙ্কার’ উপন্যাসের বিষয়বস্তু কী?
  1. তেভাগা আন্দোলন
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. মুক্তিযুদ্ধ
  4. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা
ওঙ্কার:
- ঊনসত্তরের গণআন্দোলনের পটভূমিতে রচিত উপন্যাস ওঙ্কার।
- আহমদ ছফার দ্বিতীয় উপন্যাস ‘ওঙ্কার' (১৯৭৫)।
- এ উপন্যাসের ঘটনাপ্রবাহ বর্ণিত হয়েছে একজন কথকের উক্তিতে।
- ৩৮ পৃষ্ঠার এই ছোট্ট উপন্যাসটি উঠে এসেছে '৬৯ এর পাকিস্তান আমলের সমাজচিত্রের ক্যানভাস ও সামাজিক অসংগতি এবং মনস্তাত্ত্বিক খেলা। 
- আহমদ ছফার এ উপন্যাসে সমকালীন উত্তাপই শুধু নয় সমকালের সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করার শৈল্পিক সাধনাও প্রকাশ পেয়েছে।

উল্লেখ্য,
- আহমদ ছফা একজন বিশিষ্ট কথাশিল্পী, প্রাবন্ধিক, কবি ও অনুবাদক।

উৎস: প্রথম আলো।
২,৩০০.
“অপরাজেয় বাংলা”র স্থপতি কে?
  1. সৈয়দ মাইনুল হোসেন
  2. সৈয়দ আদুল্লাহ খালেদ
  3. শামীম শিকদার
  4. শিল্পী আব্দুর রাজ্জাক 
ব্যাখ্যা

"অপরাজেয় বাংলা”:- 
- অপরাজেয় বাংলা একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য।
- এই ভাস্কর্যটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সম্মুখ প্রাঙ্গনে স্থাপিত।
- এর স্থপতি হচ্ছে- সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ।
- এই ভাস্কর্যটি ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর উদ্বোধন করা হয়।
- অপরাজেয় বাংলা কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থাপিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম ভাস্কর্য হিসেবে স্বীকৃত। 

অন্যদিকে,
- জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি হচ্ছে- সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- স্বাধীনতা সংগ্রাম স্থাপত্যের স্থপতি হচ্ছে- শামীম শিকদার।
- জাগ্রত চৌরাঙ্গী’র প্রধান ভাস্কর ছিলেন শিল্পী আব্দুর রাজ্জাক।

উৎ: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী।