বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

মোট প্রশ্ন৩,৮২৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

PrepBank · পাতা ২২ / ৩৮ · ২,১০১২,২০০ / ৩,৮২৪

২,১০১.
দারিদ্র বিমোচনে অবদানের জন্য বাংলাদেশের কোন ব্যক্তি 'নাইট' উপাধি পেয়েছেন?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. ফজলে হাসান আবেদ
  3. ড. জাফর উল্লাহ্‌
  4. শাইখ সিরাজ
ব্যাখ্যা
ফজলে হাসান আবেদ:
- স্যার ফজলে হাসান আবেদ ১৯৩৬ সালের ২৭শে এপ্রিল হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন৷
- ফজলে হাসান আবেদ ব্রাক এর প্রতিষ্ঠাতা।
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম নাগরিক হিসেবে নাইট উপাধিতে সম্মানিত হন বেসরকারী সংগঠন ব্রাকের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ফজলে হাসান আবেদ৷
- দারিদ্র বিমোচন ও দরিদ্র মহিলাদের ক্ষমতায়নের জন্য তিনি এই উপাধিতে ভূষিত হন।
- ব্রাক বিশ্বের সর্ববৃহৎ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা।

উৎস: ব্রাক এর ওয়েবসাইট।
২,১০২.
বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) অবস্থিত-
  1. ক) সাভার
  2. খ) গাজীপুর
  3. গ) মিরপুর
  4. ঘ) মতিঝিল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) সাভারে অবস্থিত। 

• বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান:
- বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) দেশের একমাত্র ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেখানে খেলাধুলার সাথে সাধারণ শিক্ষার সমন্বিত কার্যক্রম রয়েছে।
ক্রীড়াকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপদান এবং আধুনিক ও যথোপযোগী প্রশিক্ষণ দানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৪ সালে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীনে প্রকল্প আকারে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব স্পোর্টস (বিআইএস) প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করে।
- ১৯৮৬ সাল থেকে এ প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয়।
- রাজধানী ঢাকা থেকে ৫০ কিলোমিটার উত্তর- পশ্চিমে সাভারের জিরানীতে ১১৯ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।

সূত্র: বিকেএসপি ওয়েব সাইট।
২,১০৩.
ইউনেস্কো  বাগেরহাট জেলার ষাটগম্বুজ মসজিদকে বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে কত সালে?

  1. ১৯৮৫ সালে
  2. ১৯৮৬ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা

• ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য:
- বাংলাদেশের তিনটি স্থান ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় স্থান করে নিয়েছে:
১. নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার (১৯৮৫ সালে),
২. বাগেরহাট জেলার ষাটগম্বুজ মসজিদ (১৯৮৫ সালে),
৩. সুন্দরবন (১৯৯৭ সালে)।

• ষাট গম্বুজ মসজিদ:

- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- সুলতান নসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের (১৪৩৫-৫৯) আমলে খান আল-আজম উলুগ খানজাহান সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে খলিফাবাদ রাজ্য গড়ে তোলেন।
- খানজাহান বৈঠক করার জন্য একটি দরবার হল গড়ে তোলেন, যা পরে ষাট গম্বুজ মসজিদ হয়।
- মসজিদের নাম ষাট গম্বুজ হলেও এর গম্বুজের সংখ্যা আসলে ৭৭টি।
- মিনারের চারটি গম্বুজ যুক্ত করলে এর মোট গম্বুজের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮১টিতে।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই।
- এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটির মধ্যে অবস্থিত।
- বাগেরহাট শহরটিকেই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়া হয়েছে।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।
- ২০ টাকার নোটে ষাট গম্বুজ মসজিদের ছবি দেয়া আছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

২,১০৪.
Recently which Bangladeshi summits Mount Everest? [October, 2024]
  1. Muhammed Aziz Khan
  2. Sajal Khaled
  3. Wasfia Nazreen
  4. Babar Ali
  5. Jahir Alam
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশী এভারেস্ট জয়ী:
- বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম এভারেস্ট পর্বত বা মাউন্ট এভারেস্ট (Mount Everest)।
- ১৯৫৩ সালে এডমন্ড হিলারি ও তেনজিং নোরগে প্রথম এই শৃঙ্গ জয় করেন।
- বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ হচ্ছে ৬৭তম এভারেস্টজয়ী দেশ।

⇒ সম্প্রতি বাবর আলী এভারেস্ট জয় করেছেন।

⇒ এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, মো. খালেদ হোসাইন, বাবর আলী।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।

এছাড়াও,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন।
- তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি।
- তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

উৎস: i) ২০ মে, ২০২৪, The Business Standard.
ii) ২৯ আগস্ট ২০২২, প্রথম আলো।
২,১০৫.
২০২৪ সালে ভারতের বেসামরিক সম্মাননা 'পদ্মশ্রী' পুরস্কার লাভ করেন কে?
  1. আনিসুজ্জামান
  2. রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা
  3. সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী
  4. ঝর্ণাধারা চৌধুরী
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

২০২৪ সালে ভারতের বেসামরিক সম্মাননা 'পদ্মশ্রী' পুরস্কার লাভ করেন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা।


রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা:
- ভারতের মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক সম্মাননা ‘পদ্মশ্রী’-তে ভূষিত হয়েছেন বাংলাদেশের বরেণ্য রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা।
- সংগীতশিক্ষা প্রতিষ্ঠান সুরের ধারার চেয়ারম্যান রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা রবীন্দ্র সংগীত নিয়ে কয়েকটি বইও লিখেছেন।
- সংগীতে অবদানের জন্য ২০১৬ সালে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার স্বাধীনতা পুরস্কার পান তিনি।
- এটি ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা।
- ভারত সরকার ১৯৫৪ সালে পদ্ম পুরস্কার দেওয়া শুরু করে।

এছাড়াও,
- ভারতের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ভারতরত্ন।
- এরপর রয়েছে পদ্মবিভূষণ, পদ্মভূষণ ও পদ্মশ্রী।
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
- সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তিদের এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস সামনে রেখে প্রতি বছর পদকপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করা হয়।
- সাধারণত মার্চ বা এপ্রিলে রাষ্ট্রপতি ভবনে অনুষ্ঠান করে পুরস্কারগুলো তুলে দেওয়া হয়।
- এর আগে ২০২১ সালে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অগ্রণী ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক সন্‌জীদা খাতুন এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) সাজ্জাদ আলী জহির বীর প্রতীককে পদ্মশ্রী পদকে ভূষিত করেছিল ভারত সরকার।
- তার আগে অধ্যাপক আনিসুজ্জামান ও কূটনীতিবিদ সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী ‘পদ্মভূষণ’ সম্মাননা পেয়েছিলেন। 
- ‘পদ্মশ্রী’ সম্মাননা পেয়েছিলেন প্রত্নতত্ত্ববিদ এনামুল হক ও সমাজকর্মী ঝর্ণাধারা চৌধুরী।

উৎস: ২৬ জানুয়ারি ২০২৪, প্রথম আলো।
২,১০৬.
বাংলাদেশের পোস্টাল একাডেমি কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. রাজশাহী
  4. খুলনা
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের পোস্টাল একাডেমি রাজশাহী শহরে অবস্থিত।

বাংলাদেশের পোস্টাল একাডেমি:
- বাংলাদেশের পোস্টাল একাডেমি রাজশাহী শহরে অবস্থিত।
- এটি জাতীয়ভাবে মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও পেশাগত দক্ষতার উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি সরকারি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান।
- স্বাধীনতার পরপরই এই একাডেমি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং ১৯৭৪ সালে এর প্রস্তাব চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত হয়।
- ১৯৮২ সালে পোস্টাল একাডেমি রাজশাহীতে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।
- পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালে এটি বর্তমান রূপে পুনর্গঠিত ও পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- শুরু থেকে একাডেমি প্রায় ৬০০টি প্রশিক্ষণ কোর্স পরিচালনা করেছে, যেখানে ছয় হাজারেরও বেশি প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করেছেন।
- প্রশিক্ষণগুলো পোস্টাল ব্যবস্থাপনা, মানব সম্পদ, আর্থিক ও জনসংযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কেন্দ্রীভূত।

সূত্র: বাংলাদেশের পোস্টাল একাডেমি ওয়েবসাইট।

২,১০৭.
Stop Genocide (স্টপ জেনোসাইড) প্রামাণ্যচিত্রটির নির্মাতা কে?
  1. তানভীর মোকাম্মেল
  2. আলমগীর কবীর
  3. জহির রায়হান
  4. তারেক মাসুদ
ব্যাখ্যা
Stop Genocide:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র Stop Genocide.
- Stop Genocide নির্মাণ করেন জহির রায়হান।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের মে/জুন মাসে এটি প্রথম কলকাতায় প্রদর্শিত হয়।
- মূলত বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া স্টক ফুটেজ ও নিউজ রিলের ছবির ওপর নির্ভর করেই তৈরি হয় স্টপ জেনোসাইড। 
- একজন চলচ্চিত্র-নির্মাতা হিসেবে জহির রায়হান দুনিয়ার মানুষকে বাংলাদেশে চলতে থাকা গণহত্যার খবর জানান দেওয়ার এক বড় দায়িত্ব কাঁধে নেন। 
- বিভিন্ন জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রসঙ্গে লেনিনের একটি বক্তব্য দিয়ে শুরু হয় ছবিটি।
- ২০ মিনিটের এই ছবিতে বাংলাদেশের মানুষ আছে, এর প্রকৃতি আছে, আছে পাকিস্তানিদের অত্যাচার, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগের দৃশ্য। 

উল্লেখ্য,
- জহির রায়হান চলচ্চিত্র নির্মাতা, লেখক।
- ১৯৩৫ সালে তিনি ফেনী জেলার মজিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- ছাত্রজীবনেই তিনি লেখালেখিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
- তাঁর লিখিত অন্যান্য বইগুলি হচ্ছে শেষ বিকেলের মেয়ে, হাজার বছর ধরে, আরেক ফাল্গুন, বরফ গলা নদী এবং আর কত দিন।
- তাঁর নির্মিত চলচ্চিত্র হলো: কাজল, কাঁচের দেয়াল, বেহুলা, জীবন থেকে নেয়া, আনোয়ারা, সঙ্গম এবং বাহানা। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
২,১০৮.
বাঘা মসজিদ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নাটোর
  2. পাবনা
  3. রাজশাহী
  4. বাগেরহাট
ব্যাখ্যা

বাঘা মসজিদ:
- বাঘা মসজিদ রাজশাহী শহরের বাঘা উপজেলায় অবস্থিত।
- একটি উঁচু টিলার উপর টেরাকোটা অলংকরণে সমৃদ্ধ দশ গম্বুজ বিশিষ্ট অতুলনীয় বাঘা মসজিদটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম মসজিদ গুলির অন্যতম।
- বাংলার (গৌড়) সুলতান নশরত শাহের আমলে ১৫২৩ খৃষ্টাব্দে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়।
- মসজিদ চত্ত্বরের পার্শ্বেই রয়েছে একাধিক পীর আউলিয়াগনের মাজার।
- মসজিদটি ২৫৬ বিঘা জমির ওপর অবস্থিত। সমভুমি থেকে থেকে ৮-১০ ফুট উঁচু করে মসজিদের আঙিনা তৈরি করা হয়েছে।
- মসজিদটিতে সর্বমোট ১০টি গম্বুজ, ৪টি মিনার (যার শীর্ষদেশ গম্বুজাকৃতির) এবং ৫টি প্রবেশদ্বার রয়েছে।
- এই মসজিদটি চারদিক হতে প্রাচীর দিয়ে ঘেরা এবং প্রাচীরের দু’দিকে দু’টি প্রবেশদ্বার রয়েছে। মসজিদের ভিতরে-বাইরে সবর্ত্রই টেরাকোটার নকশা রয়েছে।

তথ্যসূত্র - রাজশাহী জেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

২,১০৯.
২০১০ সালের ব্রিটেনের 'নাইট' উপাধি পান-
  1. ক) ফজলে হাসান আবেদ
  2. খ) ডাঃ মোহাম্মদ ইব্রাহিম
  3. গ) এম আর খান
  4. ঘ) বিচারপতি সৈয়দ শামসুল হক
ব্যাখ্যা
স্যার ফজলে হাসান আবেদ ১৯৭২ সালে ব্র্যাক এনজিও প্রতিষ্ঠা করেন যা বর্তমান বিশ্বের সর্ববৃহৎ এনজিও। ২০১০ সালে তিনি ব্রিটেনের নাইটহুড উপাধি ও ২০১৯ সালে ইদান পুরস্কার লাভ করেন। সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো
২,১১০.
'রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২২' অর্জন করেন কে?
  1. ক) ড. আতিউর রহমান
  2. খ) শেখ হাসিনা
  3. গ) অধ্যাপক সিদ্দিকা মাহমুদা
  4. ঘ) আবু আব্দুল্লাহ
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২১ - এ ভূষিত হয়েছেন বিশিষ্ট রবীন্দ্র-গবেষক এবং অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আতিউর রহমান।
রবীন্দ্র-গবেষণা এবং রবীন্দ্রসংগীত চর্চায় জীবনব্যাপী অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলা একাডেমি ২০১০ সাল থেকে ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ প্রবর্তন করে। ড. আতিউর রহমানের গবেষণা থেকে আমরা রবীন্দ্রনাথের আর্থসামাজিক ভাবনা এবং মানব-হিতৈষণা সম্পর্কে বিশদ ধারণা লাভ করি। 

• রবীন্দ্র-গবেষণায় সামগ্রিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট গবেষক অধ্যাপক সিদ্দিকা মাহমুদাকে বাংলা একাডেমি প্রবর্তিত রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২২ প্রদান করা হয়েছে।
রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে অধ্যাপক সিদ্দিকা মাহমুদার রচিত উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধসমূহ হল- 
- রবীন্দ্রনাথের গদ্যকবিতা : চেতনা ও চিত্রকল্প,
- রবীন্দ্রকাব্যে চেতনা ও চিত্রকল্প,
- পুনশ্চ-সীমার মাঝে অসীম,
- রবীন্দ্রনাথের গদ্যকবিতা : প্রতীক প্রসঙ্গ,
- রবীন্দ্রনাথের শিক্ষাচিন্তা,
- রবীন্দ্রদৃষ্টিতে আধুনিক সভ্যতা,
- চল্লিশ দশকের কবি রবীন্দ্রনাথ,
- আকাশপ্রদীপ-এর রবীন্দ্রনাথ,
- রবীন্দ্রনাথের ব্যাকরণ-ভাবনা,
- জন্মদিনের কবিতাগুচ্ছে রবীন্দ্রনাথ।

সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, মে-জুন ২০২২
২,১১১.
With the establishment of the Rooppur nuclear power plant, what is the position of Bangladesh as nuclear power-using country?
  1. 33rd
  2. 51th
  3. 57th
  4. 81th
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক নিউক্লিয়ার ক্লাবের ৩৩তম সদস্য:
- পাবনা জেলায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্ব নিউক্লিয়ার ক্লাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিদ্যুৎকেন্দ্রের শুভ উদ্বোধন করেন।
- এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বে ৩৩তম দেশ হিসেবে নিউক্লিয়ার ক্লাবের সদস্য হয়েছে।
- ঠিকাদার হিসেবে রাশান ফেডারেশনের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিমার্ণকারী প্রতিষ্ঠান এটমস্ট্রয়এক্সপোর্টের সাথে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সম্পাদিত General Contract-এর আওতায় বর্তমানে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইকুইপমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের কাজ চলছে।
- বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর ভেসেলের Molten Core Catcher রূপপুর এসে পৌঁছেছে।
- আশা করা যায় যে, ২০২৩ সালের মধ্যে এ বিদ্যুৎ প্রকল্পের বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।

উৎস: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
২,১১২.
In which Indians state "Bharat Bangla Maitri Uddan" is located?
  1. ক) Tripura
  2. খ) West Bengal
  3. গ) Assam
  4. ঘ) Meghalaya
ব্যাখ্যা
ভারত বাংলা মৈত্রী উদ্যান:

- ভারত বাংলা মৈত্রী উদ্যান ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় চোত্থাখোলায় মুক্তিযোদ্ধাদের অস্থায়ী ছাউনি ছিল। সেই স্মৃতি ধরে রাখতে ২০০৯ সালে স্থানীয় বিধায়ক সুধন দাস ওই স্থানকে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি পার্ক নাম দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ উৎসব শুরু করেন। পরবর্তী সময় ওই স্থানের নামকরণ করা হয় ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী উদ্যান।
- ২০১০ সালে বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি এই পার্কের শিলান্যাস করেন।
- রাজ্য সরকারের উদ্যোগে ২০ হেক্টর জমির ওপর গড়ে উঠেছে আন্তর্জাতিক মানের এই পার্ক।
- এখানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিশাল ভাস্কর্যসহ মুক্তিযুদ্ধের একাধিক ম্যুরাল রয়েছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২ ডিসেম্বর ২০১৭।
২,১১৩.
২০২৪ সালে রবীন্দ্র পুরস্কার লাভ করেন -
  1. লাইসা আহমদ
  2. শীলা মোমেন
  3. রাজিয়া সুলতানা
  4. বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্র পুরস্কার:
- বাংলা একাডেমি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ২০১০ সাল থেকে রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তন করে।
- রবীন্দ্রসাহিত্যের গবেষণা ও সমালোচনা এবং রবীন্দ্রসংগীতের আজীবন সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- প্রতিবছর দুই বা তিনজনকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।
- এ পুরস্কারের অর্থমূল্য ৫০ হাজার টাকা।

- ২০২৪ সালে বাংলা একাডেমির ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ পেয়েছেন অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরী ও শিল্পী লাইসা আহমদ।
- কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৩তম জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁদের এ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।
- বাংলা একাডেমি রবীন্দ্র-সাহিত্যের গবেষণায় অবদানের জন্য অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরীকে এবং রবীন্দ্রসংগীত-চর্চায় অবদানের জন্য অধ্যাপক লাইসা আহমদ লিসাকে রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৪-এ ভূষিত করেছে।

অন্যদিকে,
⇒ রবীন্দ্র গবেষণায় সামগ্রিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট শিল্পী শীলা মোমেনকে বাংলা একাডেমি প্রবর্তিত রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৩ দেওয়া হয়।
- ২০২৪ সালে নজরুল পুরস্কার লাভ করেন অধ্যাপক রাজিয়া সুলতানা।
 
উল্লেখ্য,
- রবীন্দ্র পুরস্কার বা রবীন্দ্র স্মৃতি পুরস্কার নামে পশ্চিমবঙ্গেও একটি পুরস্কারের প্রচলন আছে।
- এটি সেখানকার সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরস্কার।
- পশ্চিমবঙ্গ সরকার ১৯৫০ সালে এই পুরস্কার প্রবর্তন করে।
- পুরস্কারটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামে নামকরণ করা হয়েছে।

উৎস: i) বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
২,১১৪.
বাংলাদেশ সর্বপ্রথম কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে?
  1. জাতিসংঘ
  2. কমনওয়েলথ
  3. ইসলামী সম্মেলন সংস্থা
  4. জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৮ই এপ্রিল কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করে, এটি ছিল কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলাদেশের প্রথম যোগদান।  

কমনওয়েলথ ও বাংলাদেশ:
- স্বাধীনতা লাভের পর বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করেছিলো।
- আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ সর্বপ্রথম কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ ৩৪তম দেশ হিসেবে কমনওয়েলথে যোগ দিয়েছিলো।

অন্যদিকে: 
- জাতিসংঘ (UN): বাংলাদেশ ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ সালে ১৩৬তম সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে যোগ দেয়।
- ইসলামী সম্মেলন সংস্থা (OIC): বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে লাহোর সম্মেলনে OIC-এ যোগ দেয়।
- জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (NAM): বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে ন্যাম-এর সদস্য পদ লাভ করে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও পত্রিকা রিপোর্ট, স্ব স্ব ওয়েবসাইট। 

২,১১৫.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মধ্যযুগীয় মসজিদ কোনটি?
  1. কুসুম্বা মসজিদ
  2. বড় সোনা মসজিদ
  3. ষাট গম্বুজ মসজিদ
  4. সাত গম্বুজ মসজিদ
ব্যাখ্যা
• ষাটগম্বুজ মসজিদ  বাংলাদেশের প্রাচীন মসজিদগুলির মধ্যে বৃহত্তম এবং সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম স্থাপত্যের অন্যতম চিত্তাকর্ষক নিদর্শন। 

♦ ষাট গম্বুজ মসজিদ:

• ষাট গম্বুজ মসজিদ বাগেরহাটে অবস্থিত।
• ষাট গম্বুজ মসজিদটি বর্তমানে বাগেরহাট শহর থেকে তিন মাইল পশ্চিমে গড়াদীঘির পূর্ব পাড়ে অবস্থিত।
• ষাট গম্বুজ মসজিদ নামে পরিচিত ষাট গম্বুজ মসজিদ, এই বৃহত্তম মসজিদটি সুলতানি আমলে নির্মিত হয়।
• খান জাহান আলি (উলুঘ খান) এটি নির্মাণ করেন ১৫০০ শতাব্দীতে। 
• মসজিদটির মোট গম্বুজ সংখ্যা ৮১ টি । 

- এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটির মধ্যে অবস্থিত।
- ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।
- সুলতান নসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের (১৪৩৫-৫৯) আমলে খান আল-আজম উলুগ খান জাহান সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে খলিফাবাদ রাজ্য গড়ে তোলেন।
- খানজাহান বৈঠক করার জন্য একটি দরবার হল গড়ে তোলেন, যা পরে ষাট গম্বুজ মসজিদ হয়।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, ষাট-গম্বুজ-মসজিদ - বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন-গণপ্রজাতন্ত্রী, parjatan.gov.bd.
২,১১৬.
বাংলাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত কত জন ব্যক্তি র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন? [অক্টোবর, ২০২৪]
  1. ১১ জন
  2. ১২ জন
  3. ১৩ জন
  4. ১৪ জন
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার:

- ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট র‍্যামন ম্যাগসাইসাইয়ের নামে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।
- র‍্যামন ম্যাগসেসে ১৯৫৭ সালের ১৭ মার্চ মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান।
- ১৯৫৮ সাল থেকে পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়।
- এখন পর্যন্ত ১৩ জন ব্যক্তি বাংলাদেশ থেকে র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন।

⇒ পুরস্কারপ্রাপ্ত ১৩ বাংলাদেশি:
১. ১৯৭৮ সালে প্রথম র‍্যামন ম্যাগসেসে পান: সমাজসেবী তহরুন্নেসা আবদুল্লাহ।
২. ১৯৮০ সালে: ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদ।
৩. ১৯৮৪ সালে: গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
৪. ১৯৮৫ সালে: গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
৫. ১৯৮৭ সালে: ক্যাথলিক ধর্মযাজক রিচার্ড উইলিয়াম টিম।
৬. ১৯৮৮ সালে: দিদার কমপ্রিহেন্সিভ ভিলেজ ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেটিভ সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ ইয়াসিন।
৭. ১৯৯৯ সালে: বেসরকারি সংগঠন বাঁচতে শেখার প্রতিষ্ঠাতা অ্যাঞ্জেলা গোমেজ।
৮. ২০০৪ সালে: বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ।
৯. ২০০৫ সালে: প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান।
১০. ২০১০ সালে: বেসরকারি সংগঠন সিডিডির নির্বাহী পরিচালক এ এইচ এম নোমান খান।
১১. ২০১২ সালে: বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
১২. ২০২১ সালে: প্রখ্যাত বিজ্ঞানী ফেরদৌসী কাদরী।
১৩. ২০২৩ সালে: জাগো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা বাংলাদেশের করভি রাখসান্দ।

উৎস: i) The Ramon Magsaysay Award Foundation ওয়েবসাইট।
ii) ৩১ আগস্ট, ২০২১, প্রথম আলো।
২,১১৭.
ষাট গম্বুজ মসজিদ কোন স্থাপত্য শৈলীর নিদর্শন?
  1. মুঘল
  2. সুলতানি
  3. নবাবী
  4. ইউরোপীয়
ব্যাখ্যা

ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ সুলতানী স্থাপত্য শৈলীর নিদর্শন।

⇒ ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- ১৫শ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করা হয়। 
- সুলতান নসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের (১৪৩৫-৫৯) আমলে খান আল-আজম উলুগ খানজাহান সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে খলিফাবাদ রাজ্য গড়ে তোলেন। 
- খানজাহান বৈঠক করার জন্য একটি দরবার হল গড়ে তোলেন, যা পরে ষাট গম্বুজ মসজিদ হয়। 
- তুঘলকি ও জৌনপুরী নির্মাণশৈলী এতে সুস্পষ্ট।
- মসজিদের নাম ষাট গম্বুজ হলেও এর গম্বুজের সংখ্যা আসলে ৭৭টি। 
- মিনারের চারটি গম্বুজ যুক্ত করলে এর মোট গম্বুজের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮১টিতে।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই। 
- এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটির মধ্যে অবস্থিত।
- বাগেরহাট শহরটিকেই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়া হয়েছে। 
- ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।
ii) প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর  ওয়েবসাইট।

২,১১৮.
বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) ৪৮তম
  2. খ) ৫৭তম
  3. গ) ৭৬তম
  4. ঘ) ৮৪তম
ব্যাখ্যা
বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তা সূচক:
The Economist Intelligence Unit (EIU) কর্তৃক প্রকাশিত Global Food Security Index 2021 প্রকাশিত হয় ফেব্রুয়ারি ২০২২। এতে ১১৩টি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। 
সূচক অনুযায়ী—
- শীর্ষ দেশ : আয়ারল্যান্ড
- সর্বনিম্ন দেশ : বুরুন্ডি 
• সার্কভুক্ত দেশের অবস্থান:
৭১. ভারত,
৭৫. পাকিস্তান,
৭৭. শ্রীলংকা,
৭৯. নেপাল ও
৮৪. বাংলাদেশ

সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, এপ্রিল - ২০২২
২,১১৯.
মারকিউরাস নাইট্রাইট আবিষ্কার সাথে জড়িত কোন বাঙ্গালি বিজ্ঞানী?
  1. রাজেন্দ্র প্রসাদ
  2. আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়
  3. সত্যেন্দ্রনাথ বসু
  4. জগদীশ চন্দ্র বসু
ব্যাখ্যা

◉ মারকিউরাস নাইট্রাইট (HgNO₂) আবিষ্কার করেন প্রখ্যাত বাঙালি রসায়নবিদ আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়। ১৮৯৫ সালে তাঁর এই আবিষ্কার বিশ্ববিজ্ঞানমহলে আলোড়ন তোলে এবং তাঁকে “মাস্টার অব নাইট্রাইটস” বলা হয়।

প্রফুল্ল চন্দ্র রায়: 

- আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের জন্ম ১৮৬১ সালের ২ আগস্ট, খুলনার পাইকগাছার রাড়ুলি গ্রামের জমিদার পরিবারে।
- মারকিউরাস নাইট্রাইট (HgNO₂) আবিষ্কার করেন প্রখ্যাত বাঙালি রসায়নবিদ আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়।
- তিনি ১৮৯৫ সালে এই যৌগটি আবিষ্কার করেন।
- এটি দেশীয় বিজ্ঞানচর্চার পথপ্রদর্শক হিসেবে বিবেচিত।

উল্লেখ্য, 
- তিনি নিজ বাসভবনে গবেষণা শুরু করে পরে বেঙ্গল কেমিক্যাল অ্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যাল ওয়ার্কস প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই প্রতিষ্ঠান ছিল ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম রসায়নভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠান।
- তিনি মোট ১২টি যৌগিক লবণ ও ৫টি থায়োএস্টার আবিষ্কার করেন। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও পত্রিকা রিপোর্ট। 

২,১২০.
মনসাপূজা উপলক্ষে নির্মিত কাহিনীভিত্তিক ছবি -
  1. ক) সখের হাঁড়ি
  2. খ) করন্ডিচিত্র
  3. গ) আলপনা
  4. ঘ) ঘটচিত্র
ব্যাখ্যা
করন্ডিচিত্র শোলা নির্মিত ক্যানভাসে কয়েকটি প্যানেলে অঙ্কিত মনসার কাহিনীভিত্তিক ছবি। এটি করন্ডি, মেড় বা মুন্ডুস নামে হিন্দু সমাজে পূজিত হয়। মনসাপূজা উপলক্ষে মালাকাররা করন্ডিচিত্র অঙ্কন করে।

সখের হাঁড়ি চিত্রিত মৃণ্ময় পাত্র।কলস বা ঘটসদৃশ মাটির পাত্রের গায়ে সাগু ও আঠার সঙ্গে রং মিশিয়ে তুলির মোটা টানে মাছ, পাখি, পদ্ম, পাতা ও জ্যামিতিক রেখা অাঁকা হয়। 

আলপনা এ শ্রেণীর একটি জনপ্রিয় লোকচিত্র। হিন্দু রমণীদের ব্রত এর আদি উৎস। লক্ষ্মীব্রত, সেঁজুতিব্রত, মাঘমন্ডল ব্রত, হরিচরণ ব্রত, বসুধারা ব্রত ইত্যাদি উপলক্ষে ছড়া ও কথা বলা এবং আলপনা দেওয়ার রীতি আছে। সাধারণত ঐহিক সুখ-সম্পদ ও আত্মীয়-স্বজনের মঙ্গল কামনা করে ছড়া বলে ও কাম্যবস্ত্তর আলপনা এঁকে দেবতার কাছে প্রার্থনা করা হয়। হিন্দু সমাজে  অন্নপ্রাশন ও  বিবাহ উপলক্ষেও আলপনা অাঁকা হয়। 

ঘটচিত্র মাটির তৈরী কলস জাতীয় পাত্র ঘট নামে পরিচিত। মঙ্গলঘট, মনসাঘট, নাগঘট, লক্ষ্মীর ঘট, কার্তিকের ভাঁড়, দক্ষিণরায়ের বারা ইত্যাদি বিচিত্র ধরনের ঘট রয়েছে। এ ঘটগুলি হিন্দুদের বিভিন্ন দেবদেবীর পূজা উপলক্ষে নির্মিত হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
২,১২১.
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি কে?
  1. সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ
  2. হামিদুজ্জামান খান
  3. গোপাল চন্দ্র পাল
  4. হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা

•  শহীদ মিনার:
- শহীদদের উদ্দেশে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভ। ১৯৫২ সালের একুশে ফ্রেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনে নিহত শহীদদের স্মৃতিকে অমর করে রাখার উদ্দেশ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণে এই স্তম্ভ নির্মিত হয়, যা বর্তমানে ‘শহীদ মিনার’ নামে পরিচিত।
- শেরেবাংলা এ.কে. ফজলুল হক এবং আওয়ামী লীগের উদ্যোগে যুক্তফ্রন্ট সরকার কর্তৃক ১৯৫৬ সালে পূর্ব পাকিস্তানের সর্বত্র স্বতঃস্ফূর্তভাবে একুশে ফেব্রুয়ারি পালিত হয়। - এরফলেই শহীদ মিনারের নতুন স্থাপনা নির্মাণ করা সহজতর হয়ে ওঠে। 
- বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত শহীদ মিনারের স্থপতি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছেন।
- তাঁরই রূপকল্পনা অনুসারে নভেম্বর, ১৯৫৭ সালে তিনি ও নভেরা আহমেদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সংশোধিত আকারে শহীদ মিনারের নির্মাণ কাজ কাজ শুরু হয়।
- এ নকশায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হোস্টেলের সম্মুখভাগের বিস্তৃত এলাকা এর অন্তর্ভূক্ত ছিল। 
- ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ ব্যক্তিত্ব আবুল বরকতের মাতা হাসিনা বেগম কর্তৃক নতুন শহীদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

উৎস: ঢাকা জেলা অফিস।

২,১২২.
শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করা হয় -
  1. ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৮ সালে
  2. ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে
  3. ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৮ সালে
  4. ২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
•উপাধি:
- গণআন্দোলনের মুখে আইয়ুব সরকার ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হয় এবং শেখ মুজিবসহ সকল বন্দিকে নিঃশর্ত মুক্তি দেয়া হয়। 
- মুক্তির পরদিন ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে এক বিশাল জনসভায় শেখ মুজিবর রহমানসহ মামলায় অভিযুক্তদের এক গণসম্বর্ধনা দেয়া হয় এবং শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- এরপর থেকে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বা ‘বঙ্গবন্ধু’ নামেই জনপ্রিয়তা লাভ করেন।
 
উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, BA & BSS প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১২৩.
ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ছিটমহল কোনটি?
  1. মহিষমারি
  2. ফালানপুর
  3. দহগ্রাম
  4. দুর্গাপুর
ব্যাখ্যা
দহগ্রাম ছিটমহল:
- লালমনিরহাট জেলাধীন পাটগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ছিটমহল দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা।
- এ ছিটমহলের সাথে তৎকালীন পাকিস্তানের মূল ভূখন্ডের যোগাযোগের জন্য একটি ‘প্যাসেজ ডোর’ এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল, যা বর্তমানে ‘তিন বিঘা করিডোর’ নামে পরিচিত।
- ১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দের পর থেকে দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল পাটগ্রাম উপজেলার একটি স্বতন্ত্র ইউনিয়ন ‘দহগ্রাম ইউনিয়ন’ হিসেবে পরিগণিত হয়।
- ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ জুন ইজারার মাধ্যমে উক্ত তিন বিঘা বাংলাদেশকে প্রদান করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,১২৪.
'সংগ্রাম' ও 'মইটানা' চিত্রকর্মের শিল্পী-
  1. ক) এস এম সুলতান
  2. খ) শাহাবুদ্দিন আহমেদ
  3. গ) কামরুল হাসান
  4. ঘ) জয়নুল আবদিন
ব্যাখ্যা

• বাংলার ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের উপর ম্যাডোনা-৪৩ ছবি এঁকে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন বিখ্যাত হন।
• তাঁর আঁকা আরো কিছু বিখ্যাত চিত্রকর্মঃ
- মনপুরা ৭০,
- সংগ্রাম,
- পাইন্যার মা,
- গায়ের বধূ,
- নবান্ন,
- মইটানা ইত্যাদি।

২,১২৫.
যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিচারপতি হয়েছেন কে?
  1. নুসরাত জাহান চৌধুরী 
  2. সোমা সাইদ
  3. রুবি কাজি 
  4. শালিনা মিয়া
ব্যাখ্যা

সোমা এস সাইদ: 
- যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এবং নিউইয়র্ক সিটির কুইন্সের প্রথম মুসলিম বিচারপতি হিসেবে নিউইয়র্ক স্টেট - সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন সোমা এস সাইদ।
- আইন পেশায় যুক্ত ছিলেন :দেড় দশকের বেশি সময় ।
-  ২০২১ সালে ডেমোক্রেটিক পার্টির মনোনয়নে কুইন্স কাউন্টি সিভিল কোর্টের বিচারক নির্বাচিত হন সোমা সাইদ। 
- ২০২২ সালে তাকে নিউ ইয়র্ক কাউন্টি ক্রিমিনাল কোর্টে দায়িত্ব দেওয়া হয়,
- সেখানে তিনি ২০২৩ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।

২,১২৬.
বাংলাদেশের তৈরি ল্যাপটপ কোনটি?
  1. শাপলা
  2. যমুনা
  3. দোয়েল
  4. এসার
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে তৈরি ল্যাপটপ দোয়েল:
- ২০১১ সালের ১১ অক্টোবর এই ল্যাপটপের উদ্বোধন হয়।
- ল্যাপটপের মাদার বোর্ডসহ শতকরা ৬০ ভাগ যন্ত্রাংশই তৈরি করা হয়েছে দেশের মাটিতে।
-  ১৯৬৭ সালে টেলিফোন সেট উৎপাদনের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করেছিল টেশিস কোম্পানি৷
- ১৯৬৪ সালে দ্বিতীয় প্রজন্মের IBM 1620 কম্পিউটার দিয়ে বাংলাদেশে কম্পিউটারের ব্যবহার শুরু হয়।
- এটি ছিল আইবিএম কোম্পানির একটি মেইনফ্রেইম কম্পিউটার।
- IBM 1620  সিরিজের কম্পিউটারটি স্থাপিত হয় তৎকালীন পাকিস্থান পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রে যার বর্তমান নাম বাংলাদেশ পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র।
- কম্পিউটারটি বর্তমানে ঢাকার আগারগাঁও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে। 

তথ্যসূত্র:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল। 
৩. প্রথম আলো।

২,১২৭.
পাটের তৈরি সোনালি ব্যাগের আবিষ্কারক কে?
  1. বিজ্ঞানী মোবারক আহমদ খান
  2. বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম
  3. বিজ্ঞানী আবেদ চৌধুরী
  4. বিজ্ঞানী জামাল নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
পাটের তৈরি সোনালি ব্যাগের আবিষ্কারক ড. মোবারক আহমদ খান।

সোনালি ব্যাগ:

- প্লাস্টিকের কোন উপকরণ ছাড়াই পাট দিয়ে তৈরি হচ্ছে পরিবেশবান্ধব পলিথিন ব্যাগ।
- এটি বাজারে প্রচলিত পলি ব্যাগের মতোই, তবে পচনশীল।
- পাট থেকে পলিথিন ব্যাগ উদ্ভাবন করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন প্রখ্যাত বিজ্ঞানী পরমাণু শক্তি কমিশনের সাবেক মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ জুট মিল করপোরেশনের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা ড. মোবারক আহমদ খান।
- তিনি এই ব্যাগের নাম দিয়েছেন ‘সোনালি ব্যাগ’।

উল্লেখ্য,
- ২০ বছর ধরে মোবারক আহমদ খান পাটের বাণিজ্যিক ব্যবহার নিয়ে গবেষণা করছেন।
- ২০০৯ সালে এই বিজ্ঞানী পাটের সঙ্গে পলিমারের মিশ্রণ ঘটিয়ে মজবুত, তাপ বিকিরণরোধী ও সাশ্রয়ী ঢেউটিন ‘জুটিন’ বানান।
- এই পদ্ধতি উদ্ভাবনের জন্য বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমি তাঁকে ২০১৫ সালে স্বর্ণপদক দেয়।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২০২৪ সালে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ পান ড. মোবারক আহমদ খান।

অন্যদিকে -
- পাটের জিনোম সিকোয়েন্স বা পাটের জীবনরহস্য উন্মোচন করেন বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম।
- পঞ্চব্রীহি ধান উৎপাদনের পদ্ধতি আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী ডক্টর আবেদ চৌধুরী।

উৎস: i) বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশন। 
          ii) ৭ এপ্রিল, ২০১৮, প্রথম আলো।
২,১২৮.
৬ষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে ইকরামুল হাসান শাকিল মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেন কবে?
  1. ১৭ মে, ২০২৫
  2. ১৮ মে, ২০২৫
  3. ১৯ মে, ২০২৫
  4. ২০ মে, ২০২৫
ব্যাখ্যা
ইকরামুল হাসান শাকিল:
- সম্প্রতি ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেছেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- তিনি এভারেস্ট চূড়া জয় করেন ১৯ মে, ২০২৫ সালে।
- সবচেয়ে কম সময়ে এভারেস্ট চূড়া জয় করে নতুন রেকর্ড গড়েছেন তিনি।
- কক্সবাজার থেকে হেঁটে গিয়ে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ালেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ইকরামুল হাসান তাঁর এই অভিযানের নাম দিয়েছেন 'সি টু সামিট', অর্থাৎ সমুদ্র থেকে শৃঙ্গ।
- শাকিলের 'সি টু সামিট' অভিযাত্রা শুরু হয় ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে কক্সবাজার থেকে।
- এরপর ৯০ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্য দিয়ে প্রায় এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন এবং ২৯ হাজার ৩১ ফুট উচ্চতার এভারেস্ট জয় করেন।

⇒ এভারেস্ট জয়ী বাংলাদেশি:
- এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন। (জুন, ২০২৫)
- তাঁরা হলেন:
১ম: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
২য়: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
৩য়: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
৪র্থ: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
৫ম: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
৬ষ্ঠ: ইকরামুল হাসান শাকিল, ২০২৫ সালের ১৯ মে। (সর্বশেষ, জুন, ২০২৫)

উল্লেখ্য:
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি। তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।
২,১২৯.
‘সি টু সামিট’ অভিযান সম্পন্ন করেছেন কে?
  1. বাবর আলী
  2. ইকরামুল হাসান শাকিল
  3. এম এ মুহিত 
  4. তৌফিক আহমেদ তমাল
ব্যাখ্যা

সি টু সামিট:
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট হয় করেছেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ২০২৫ সালের ১৯ মে তিনি এভারেস্ট চূড়া জয় করেন।
- সবচেয়ে কম সময়ে এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নতুন রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।
- কক্সবাজার থেকে হেঁটে গিয়ে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ালেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ইকরামুল হাসান তাঁর এই অভিযানের নাম দিয়েছেন ‘সি টু সামিট’, অর্থাৎ সমুদ্র থেকে শৃঙ্গ।
- শাকিলের 'সি টু সামিট' অভিযাত্রা শুরু হয় ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে কক্সবাজার থেকে।
- এরপর ৯০ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্য দিয়ে প্রায় এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন এবং ২৯ হাজার ৩১ ফুট উচ্চতার এভারেস্ট জয় করেন।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) প্রথম আলো।

২,১৩০.
সুন্দরবন ইউনেস্কো ঘোষিত কততম ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ?
  1. ৫২২ তম
  2. ৬২০ তম
  3. ৭৯৮ তম
  4. ৮৯৮ তম
ব্যাখ্যা
• সুন্দরবন:
- সুন্দরবন বিশ্বের একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন।
- সুন্দরবন দুটি বন বিভাগে বিভক্ত: সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ ও সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগ।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন ৬০১৭ বর্গকিলোমিটার।
- সমগ্র সুন্দরবন খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটে বিস্তৃত।
- এছাড়া ৩টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য কেন্দ্র এবং ৩টি বিশেষায়িত বণ্যপ্রানী (ডলফিন) অভয়ারণ্য বিদ্যমান।

- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সনে UNESCO সুন্দরবনের ৩টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যকে ৭৯৮তম World Heritage Site হিসেবে ঘোষণা করে।
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯ সনে নীলকমলে World Heritage Site-এর নামফলক উন্মোচন করেন।
- সুন্দরবনের জলভাগ জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ হওয়ায় ১৯৯২ সনের ২১ মে থেকে এটি Ramsar Site হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
- টাঙ্গুয়ার হাওর ১০ জুলাই, ২০০০ সালে রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বন সংরক্ষণ দপ্তর ও রামসার সাইট।
২,১৩১.
বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. দিনাজপুর
  2. রংপুর
  3. রাজশাহী
  4. কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা
বড়পুকুরিয়া কয়লার খনি: 
- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার অন্তর্গত ৯নং হামিদপুর ইউনিয়নে ভবানীপুর বাজার হইতে দক্ষিনে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিটি অবস্থিত। 
- এখানে সবচেয়ে দামী বিটুমিনাস কয়লা উত্তোলন করা হয়। 
- এই কয়লা খনি থেকে বার্ষিক ১০ লক্ষ মেট্রিক টন বিটুমিনাস কয়লা উৎপাদন করা হয়। 
- উত্তোলিত কয়লা দেশের বিভিন্ন জায়গায় রপ্তানী করার পর স্থানীয় বিভিন্ন শিল্প কারখানায় বিক্রয় করা হয়। 
- বড়পুকুরিয়া খয়লাখনির কয়লা দ্বারা খনি সংলগ্ন স্থানে বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নামে একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়। 
- বড় পুকুরিয়া কয়লা খনিটি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার একটি প্রসিদ্ধ স্থান। 

উৎস: বড়পুকুরিয়া-কয়লা-খনি, dinajpur.gov.bd
২,১৩২.
সাকরাইন উৎসব কখন অনুষ্ঠিত হয়?
  1. বৈশাখ মাসের প্রথম দিন
  2. পৌষ মাসের শেষ দিন
  3. কার্তিক মাসের প্রথম দিন
  4. চৈত্র মাসের শেষ দিন
ব্যাখ্যা
সাকরাইন উৎসব: 
- সাকরাইন উৎসব মূলত পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ঘুড়ি উৎসব।
- প্রতি বছর পৌষ মাসের শেষ দিন (পৌষ সংক্রান্তি) এই উৎসব পালিত হয়।
- ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব বয়সী মানুষ এতে অংশ নেয়।
- সকাল থেকেই ঘুড়ি ওড়ানো শুরু হয়, যা দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে।
- ফানুস ওড়ানো, আতশবাজি ফাটানো, গান-বাজনা ও ডিজে পার্টি আয়োজন হয়।
- অনেক বাড়িতে পিঠা-পুলি, তেহারি, পোলাওসহ নানা খাবার তৈরি হয়।
- উৎসবটি শত বছরের পুরোনো। কেউ কেউ মনে করেন, এটি মুঘল আমল থেকে চলে আসছে।
- পুরান ঢাকার অনেক বাসিন্দা উৎসবের আধুনিক রূপ পছন্দ করেন না।
- তবে অনেকে বলেন, পরিবর্তনে উৎসব আরও রঙিন ও প্রাণবন্ত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা নিউজ। [লিঙ্ক]
২,১৩৩.
কার প্রচেষ্টায় বিধবা পুনর্বিবাহ আইন পাস হয়?
  1. রাজা রামমোহন রায়
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত
  4. সতীনাথ ভাদুড়ী
ব্যাখ্যা
→ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রচেষ্টায় বিধবা পুনর্বিবাহ আইন পাশ করে।

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- জন্ম: ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর (১২ আশ্বিন ১২২৭ বঙ্গাব্দ),
- পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে। ​
- পিতার নাম: ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায়।​
→শিক্ষা জীবন:
- ১৮২৮ সালে কলকাতার পাঠশালায় ভর্তি।
- ১৮২৯ সালে সংস্কৃত কলেজে ভর্তি হন।
- ১৮৩৪ সালে ১৪ বছর বয়সে দীনময়ী দেবীর সঙ্গে বিয়ে।
- ১৮৩৯ সালে হিন্দু ল কমিটির পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি লাভ। 
• কর্মজীবন:
- ১৮৪১ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান পন্ডিত হিসেবে নিযুক্ত।
- ১৮৫০ সালে সংস্কৃত কলেজের সাহিত্যের অধ্যাপক হন এবং পরবর্তীতে অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন। ​
→ সমাজ সংস্কার:
- বাল্যবিবাহের কুফল ও বিধবাদের করুণ জীবন দেখে তিনি সমাজ সংস্কারের পথে এগিয়ে যান।
- ১৮৫৬ সালে তাঁর প্রচেষ্টায় বিধবা পুনর্বিবাহ আইন পাশ করে।

উল্লেখ্য,
- রাজা রামমোহন রায় প্রচেষ্টায় সতীদাহ প্রথা বাতিল হয়।​

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলাপিডিয়া।
২,১৩৪.
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন-এর বর্তমান সভাপতি কে? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  2. আসিফ আকবর
  3. তাবিথ আউয়াল
  4. কাজী সালাউদ্দিন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন:
- বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন বাংলাদেশের ফুটবল খেলার প্রশাসনিক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭২ সালে।
- ১৯৭৩ সালে এএফসি এবং ১৯৭৬ সালে ফিফার সদস্যপদ লাভ করে।
- বাফুফে সভাপতি: তাবিথ আউয়াল।
- প্রধান কার্যালয়: ঢাকার মতিঝিলে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম-এর কাছে ‘বিএফএফ ভবন’-এ অবস্থিত।

⇒ এই সংস্থাটি বাংলাদেশের পুরুষ, নারী এবং অনূর্ধ্ব-২৩ দলের পাশাপাশি ঘরোয়া ফুটবলে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ, বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশিপ লিগ এবং ফেডারেশন কাপের মতো প্রতিযোগিতার সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে।

উৎস: i) বাফুফে ওয়েবসাইট।
ii) FIFA ওয়েবসাইট।

২,১৩৫.
কান্তজীউ মন্দিরের ভৌগলিক অবস্থান কোন জেলা?
  1. রংপুর
  2. দিনাজপুর
  3. রাজশাহী
  4. নওগাঁ
ব্যাখ্যা

কান্তজীউ মন্দির

- উত্তরবঙ্গের বৃহত্তম জেলা দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার অন্তর্গত সুন্দরপুর ইউনিয়নের কান্তনগর গ্রামে এই মন্দিরের অবস্থান।
- জেলা সদর থেকে ২০ কিলোমিটার উত্তরে দিনাজপুর-তেঁতুলিয়া মহাসড়কের পশ্চিমের নদীটির নাম ঢেঁপা।
- এই নদীর তীরবর্তী শ্যামগড় এলাকার কান্তনগর গ্রামটি ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছে প্রাচীন কান্তজীউ মন্দিরের জন্য।
- শ্রীকৃষ্ণের নামের এই কান্ত শব্দটি দিয়েই দিনাজপুরের তৎকালীন জমিদার প্রাণনাথ মন্দিরটির নাম রাখেন কান্তজীউ মন্দির।
-  মন্দিরের গোড়াপত্তনের আগে স্থানীয় গ্রামটির নাম ছিলে শ্যামনগর।
- মন্দির প্রতিষ্ঠার পর থেকে গ্রামের নাম বদলে রাখা হয় কান্তনগর।

- শ্রীকৃষ্ণের যুদ্ধ-বিগ্রহ অধিষ্ঠানকে চির স্মরণীয় করে রাখতে জমিদার প্রাণনাথ রায় ১৭০৪ খ্রিস্টাব্দে এই মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু করেন। পোড়ামাটির অলঙ্করণ সমৃদ্ধ এ মন্দিরটি উৎসর্গ করা হয় শ্রীকৃষ্ণ ও তার স্ত্রী রুক্মিণীর প্রতি।

 - মন্দিরের কাজ অসমাপ্ত রেখেই মারা যান প্রাণনাথ। পরে তার পালক পুত্র রামনাথ রায় ১৭৫২ সালে সফলভাবে মন্দির নির্মাণের বাকি কাজ সম্পন্ন করেন। সব মিলিয়ে পুরো নির্মাণ কাজে সময় লেগেছিলো প্রায় ৪৮ বছর।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং দ্যা ডেইলি স্টার।

২,১৩৬.
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার প্রথম কবে প্রদান শুরু হয়?
  1. ১৯৫৫ সালে
  2. ১৯৫৬ সালে
  3. ১৯৫৭ সালে
  4. ১৯৬০ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার:
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সমসাময়িক জীবিত লেখকদের সামগ্রিক মৌলিক অবদান চিহ্নিত করে তাঁদের সৃজনী প্রতিভাকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে শিক্ষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে অনুকুল পরিবেশ সৃষ্টি করাই বাংলা একাডেমির সাহিত্য পুরস্কার প্রদানের উদ্দেশ্য।
- প্রতি বছর মাসব্যাপী আয়োজিত অমর একুশে গ্রন্থমেলা ও অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পুরস্কার প্রাপ্তদের পুস্কারের অর্থমূল্যের চেক, সম্মাননা পত্র ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, 
- ১৯৫৫ সালে বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি নিয়ে গবেষণা ও প্রকাশনার লক্ষ্যে যাত্রা শুরু হয় একাডেমির।
- ১৯৬০ সাল থেকে প্রবর্তন করা হয় বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার।
-২০২৫ সালে ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে 'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪' প্রদান করা হয়।

সূত্র: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
২,১৩৭.
বাংলাদেশের মেয়েদের মধ্যে আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ক্রিকেটে দ্রুততম সেঞ্চুরি করেন কে? (জুলাই-২০২৫)
  1. ফারজানা হক
  2. আবিদা সুলতানা
  3. নিগার সুলতানা
  4. রিতু মনি
ব্যাখ্যা
• মেয়েদের ওয়ানডে বাংলাদেশের হয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরি করেছেন নিগার সুলতানা।
- লাহোরে  বিশ্বকাপ বাছাইয়ে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে  ৭৮ বলে সেঞ্চুরি তুলে নেন বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক।
- নিগারের ৮০ বলে ১০১ রানের ইনিংস করেন।
- সিটি ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন মাঠে  পাওয়া সেঞ্চুরিটি এই সংস্করণে নিগারের প্রথম ও বাংলাদেশের তৃতীয়।
- আগের দুটি সেঞ্চুরিই ফারজানা হকের।
-  ২০২৩ সালে মিরপুরে ভারতের বিপক্ষে ১৫৬ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন ফারজানা হক, সেটিই এত দিন মেয়েদের ওয়ানডে বাংলাদেশের দ্রুততম সেঞ্চুরি ছিল।
- তাঁকে পেছনে ফেলে আজ মেয়েদের ওয়ানডেতে বাংলাদেশের হয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়লেন নিগার।

উৎস: প্রথম আলো লিংক।
২,১৩৮.
সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচির কোন পেনশন স্কিমটি দরিদ্র সীমার নিচে বসবাসরত স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য প্রযোজ্য?
  1. সুরক্ষা
  2. প্রগতি
  3. সমতা
  4. প্রবাস
ব্যাখ্যা
সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি:
- ১৮ বছরের বেশি বয়সী যেকোনো নাগরিক ৬০ বছর বয়সে না পৌঁছানো পর্যন্ত কিস্তি পরিশোধ করে অবসর জীবনের সময় পেনশন সুবিধা পেতে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
- ১৭ আগস্ট, ২০২৩ তারিখে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- পেনশন কর্মসূচি চালুর আগে পাঁচটি সংস্থার সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি (এমওইউ) হয় জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের।
- এগুলো হচ্ছে নির্বাচন কমিশন, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর, জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়, সোনালী ব্যাংক এবং বাংলাদেশ ডেটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেড।
- চার শ্রেণির ব্যক্তিদের নিয়ে চারটি পেনশন কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।

৪টি স্কিম:
• প্রবাস: 
- এটি শুধু বিদেশে কর্মরত বা অবস্থানকারী বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য।
- এর মাসিক চাঁদার হার ধরা হয়েছে ৫ হাজার, সাড়ে ৭ হাজার ও ১০ হাজার টাকা করে।

• প্রগতি:
- এই স্কিম বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের জন্য।

• সুরক্ষা:
- এই স্কিমটা স্বনির্ভর ব্যক্তির জন্য।
- অর্থাৎ কেউ কোথাও চাকরি করছেন না কিন্তু নিজে উপার্জন করতে পারেন, তারা সুরক্ষা স্কিমে অংশ নিতে পারবেন।
- এর আওতায় পড়েন ফ্রিল্যান্সার, কৃষক, শ্রমিক ইত্যাদি পেশার লোকজন।

• সমতা:
- এই স্কিমে চাঁদার হার একটিই: এক হাজার টাকা।
- তবে এক্ষেত্রে প্রতিমাসে ব্যক্তি দেবে পাঁচশ টাকা আর বাকি পাঁচশো দেবে সরকার।
- মূলত দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসরত স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য এই স্কিম।
- স্কিম ভেদে সর্বনিম্ন মাসিক চাঁদা ১ হাজার টাকা, সর্বোচ্চ চাঁদা ১০ হাজার টাকা।
- সমতা স্কিমে ১ হাজার টাকার মধ্যে চাঁদাদাতা ৫০০ টাকা প্রদান করবেন এবং সরকার থেকে ৫০০ টাকা ভর্তুকি দেয়া হবে। 

উৎস: সর্বজনীন পেনশন কর্তৃপক্ষ।
২,১৩৯.
শিক্ষার্থীর সার্বিক বিকাশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের জন্য নিচের কোন গুচ্ছটি সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ?
  1. ক) উদ্ভাবন ও বিজ্ঞান
  2. খ) ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন
  3. গ) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
  4. ঘ) পেশাগত জ্ঞান, দক্ষতা ও অনুশীলন
ব্যাখ্যা
শিক্ষকের প্রধান দায়িত্ব হলো পাঠদান।
- তাছাড়া শিক্ষার্থীর সার্বিক বিকাশের জন্য তাদের প্রতি মানবিক আচরণ করাটাও শিক্ষকের দায়িত্ব।
- এই দায়িত্ব ঠিক মতো পালন করার জন্য তাঁর পেশাগত জ্ঞান থাকা জরুরি।
- পেশাগত জ্ঞানের পাশাপাশি সেই জ্ঞান কাজে লাগানোর মতো দক্ষতা এবং তাঁর অনুশীলন থাকতে হবে।
২,১৪০.
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে কত সালে?
  1. ২০০৯ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০১২ সালে
ব্যাখ্যা

নারী ক্রিকেট দল:
- ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।
- ২০১৮ সালে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল এশিয়া কাপের শিরোপা জয় করে।
- ২০১৮ সালে মালয়েশিয়ায় টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এশিয়া কাপ।
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ২০২১ সালে টেস্ট মর্যাদা পায়।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও ঢাকা টাইমস, ০২ এপ্রিল ২০২১।

২,১৪১.
বাংলা একাডেমির ‘রবীন্দ্র পুরস্কার- ২০২৫’ কে লাভ করেন?
  1. ভীষ্মদেব চৌধুরী
  2. রাজিয়া সুলতানা
  3. শবনম মুশতারী
  4. মহীউজজামান চৌধুরী ময়না
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্র পুরস্কার:
- বাংলা একাডেমি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ২০১০ সাল থেকে রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তন করে।
- রবীন্দ্রসাহিত্যের গবেষণা ও সমালোচনা এবং রবীন্দ্রসংগীতের আজীবন সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- এ পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লক্ষ টাকা।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালে বাংলা একাডেমির ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ পেয়েছেন ড. অসীম দত্ত ও শিল্পী এ এম এম মহীউজজামান চৌধুরী ময়না।
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৪তম জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁদের এ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।
- রবীন্দ্রসাহিত্যের গবেষণায় ড. অসীম দত্ত এবং রবীন্দ্রসংগীতচর্চায় শিল্পী এ এম এম মহীউজজামান চৌধুরী ময়না ‘রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৫’—এ ভূষিত হয়েছেন।
- অসীম দত্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। অন্যদিকে মহীউজ্জামান চৌধুরী দেশবরেণ্য রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী হিসেবে বেশ সমাদৃত।

অন্যদিকে,
- ২০২৪ সালে বাংলা একাডেমির ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ পেয়েছেন অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরী ও শিল্পী লাইসা আহমদ।
- ২০২৪ সালে নজরুল পুরস্কার লাভ করেন অধ্যাপক রাজিয়া সুলতানা।
- বাংলা একাডেমি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন ও সৃষ্টি নিয়ে গবেষণায় বিশিষ্ট নজরুল গবেষক অধ্যাপক আনোয়ারুল হক এবং নজরুলসংগীত-চর্চায় প্রখ্যাত নজরুল সংগীতশিল্পী শবনম মুশতারীকে নজরুল পুরস্কার ২০২৫-এ ভূষিত করেছে।

উৎস: i) বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
২,১৪২.
'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪'- লাভ করেন -
  1. ১০ জন
  2. ৬ জন
  3. ৭ জন
  4. ১১ জন
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪:
- ফেব্রুয়ারি, ২০২৫-এ ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে 'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪' প্রদান করা হয়।
⇒ তারা হলেন:
- কবিতায়: মাসুদ খান,
- নাটক ও নাট্যসাহিত্যে: শুভাশিস সিনহা,
- প্রবন্ধ/গদ্যে: সলিমুল্লাহ খান,
- অনুবাদে: জি এইচ হাবীব,
- গবেষণায়: মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া,
- বিজ্ঞানে: রেজাউর রহমান,
- ফোকলোরে: সৈয়দ জামিল আহমেদ।

উল্লেখ্য,
- শুরুতে এ তালিকায় ১০ জন কবি, লেখক ও গবেষকের নাম ছিল। তবে পুনর্বিবেচনার পর চূড়ান্ত তালিকায় সাতজনের নাম রাখা হয়েছে।

উৎস: i) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
২,১৪৩.
সর্বশেষ স্বীকৃতি পাওয়া জিআই পণ্য কোনটি?
  1. কুষ্টিয়ার তিলের খাজা
  2. শেরপুরের তুলসীমালা ধান
  3. নাটোরের কাঁচাগোল্লা
  4. চাঁপাইনবাবগঞ্জের আশ্বিনা আম
ব্যাখ্যা
জিআই পণ্য:
- কোনো একটি দেশের নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের মাটি, পানি, আবহাওয়ার প্রেক্ষাপটে সেখানকার জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি যদি কোনো একটি পণ্য উৎপাদনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তাহলে সেটিকে সেই দেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- দেশে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন পাস হয় ২০১৩ সালে।
- দেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি।

বাংলাদেশে যেসব পণ্য জিআই স্বীকৃতি পেয়েছে:
- বর্তমানে দেশে মোট জিআই পণ্য ২১টি।
- জামদানি, ইলিশ, ক্ষীরশাপাতি আম, মসলিন, বাগদা চিংড়ি, কালিজিরা চাল, বিজয়পুরের সাদা মাটি, রাজশাহীর সিল্ক, রংপুরের শতরঞ্জি, দিনাজপুরের কাটারিভোগ চাল, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম, শীতলপাটি, বগুড়ার দই, শেরপুরের তুলসীমালা ধান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া আম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের আশ্বিনা আম, নাটোরের কাঁচাগোল্লা, টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম, কুমিল্লার রসমালাই, কুষ্টিয়ার তিলেখাজা এবং বাংলাদেশ ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল।

উল্লেখ্য -
- সর্বশেষ জিআই স্বীকৃতি পাওয়া চারটি পণ্য হলো: টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম, কুমিল্লার রসমালাই, কুষ্টিয়ার তিলের খাজা এবং বাংলাদেশ ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল।

উৎস: ১ জানুয়ারি, ২০২৪, প্রথম আলো।
২,১৪৪.
২০১৫ সালে বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের কয়টি ছিটমহল সংযুক্ত হয়?
  1. ৫১টি
  2. ৭১টি
  3. ১১১টি
  4. ১৩০টি
ব্যাখ্যা
ছিটমহল:
- একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় অবস্থিত অন্য কোনো স্বাধীন রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত এলাকাই ছিটমহল নামে পরিচিত।
- ২০১৫ সালের পূর্বে ভারত বাংলাদেশ এর মধ্যাকার সর্বমোট ১৬২ টি ছিটমহল ছিল।
- ০১ আগষ্ট, ২০১৫ সালের রাত ১২:০১ মিনিটে ভারত বাংলাদেশ ঐতিহাসিক মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির অংশ হিসাবে নিজেদের ছিটমহলগুলো পরস্পরের সাথে বিনিময় করে।
- ভারতের ১১১টি ছিটমহল ছিল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আর বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ছিল ভারতের অভ্যন্তরে।
- বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত হন ভারতের ১১১টি ছিটমহলের নাগরিক।

অন্যদিকে,
- ভারতের সঙ্গে যুক্ত হন বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলের নাগরিক।
- বাংলাদেশের ভেতরে ভারতের ১১১টি ছিটমহলের ৫৯টির অবস্থান ছিল লালমনিরহাটে, পঞ্চগড়ে ৩টি, কুড়িগ্রামে ১২টি ও নীলফামারীতে ৪টি।
- বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলের অবস্থান ছিল ভারতের পশ্চিমবঙ্গে। এর ৪৭টি কোচবিহার এবং ৪টি জলপাইগুড়ি জেলায় অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো এবং বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট।
২,১৪৫.
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের কততম অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রথমবার সভাপতিত্ব করে? 
  1. ৩১তম
  2. ৩২তম
  3. ৪১তম
  4. ৪৩তম
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ:
- জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ গঠিত।
- সাধারণ পরিষদের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি।
- সদস্য দেশগুলোর ভোটে নির্বাচিত সাধারণ পরিষদের সভাপতির মেয়াদ এক বছর।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের সাধারন পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয় ১৯৮৬ সালে।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রথম বাংলাদেশী সভাপতি- হুমায়ূন রশিদ চৌধুরী।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হুমায়ুন রশিদ চৌধূরী ১৯৮৬-৮৭ মেয়াদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ দু'বার নির্বাচিত হয়,
- প্রথমবার জাপানকে পরাজিত করে ১৯৭৯-১৯৮০ সালে এবং দ্বিতীয়বার ২০০০-২০০১ সালে।

তথ্যসূত্র: UN General Assembly.

২,১৪৬.
'সোমপুর মহাবিহার' প্রাচীন কোন শাসনামলের নির্মিত হয়? 
  1. পাল আমলে
  2. গুপ্ত আমলে
  3. সেন আমলে
  4. মুঘল আমলে
ব্যাখ্যা

সোমপুর মহাবিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে।
- এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্মচর্চা কেন্দ্র ছিল।

উল্লেখ্য,
- শুধু উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকেই নয়, চীন, তিব্বত, মায়ানমার (তদানীন্তন ব্রহ্মদেশ), মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি
দেশের বৌদ্ধরা এখানে ধর্মচর্চা ও ধর্মজ্ঞান অর্জন করতে আসতেন।
- খ্রিষ্টীয় দশম শতকে বিহারের আচার্য ছিলে অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান।
- পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী পুণ্ড্রনগর (বর্তমান মহাস্থান) এবং অপর শহর কোটিবর্ষ (বর্তমান বানগড়) এর মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত ছিল সোমপুর মহাবিহার।
- এর ধ্বংসাবশেষটি বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজশাহীর অন্তর্গত নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২,১৪৭.
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের বর্তমান সভাপতি কে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. নাজমুল হাসান
  2. নাজমূল আবেদীন
  3. জালাল ইউনুস
  4. ফারুক আহমেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি: 
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) নাজমুল হাসান–যুগের অবসান ঘটেছে, যা দেশের ক্রিকেটের জন্য একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা।
- বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের সভায় নাজমুল হাসান পদত্যাগ করেন। 
- তাঁর জায়গায় জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ফারুক আহমেদ বোর্ড সভাপতি নির্বাচিত হন।
- এটি বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, কারণ এই প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা কোনো ক্রিকেটার বিসিবির সভাপতি হলেন।
- দীর্ঘ ১১ বছরের কার্যকাল শেষে রাজনৈতিক পরিবর্তনের ফলে তিনি মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই সরে দাঁড়ালেন। 
- নতুন সভাপতি ফারুক আহমেদ দীর্ঘদিন ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। 
- জাতীয় দলের অধিনায়কত্ব ছাড়াও তিনি প্রধান নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- তাঁর অভিজ্ঞতা মাঠ ও প্রশাসনিক কাজের সমন্বয়ে বিসিবির কার্যক্রমে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি আনতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

উৎস: প্রথম আলো (২১ আগস্ট ২০২৪)।
২,১৪৮.
দেশের প্রথম সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঝিলংজা, কক্সবাজার
  2. খ) কুয়াকাটা, পটুয়াখালী
  3. গ) ইনানী, কক্সবাজার
  4. ঘ) পায়রা, পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন:
- সাবমেরিন কেবল হলো সাগরের তলদেশের স্থাপিত এক ধরনের ফাইবার অপটিক ক্যাবল।
- এটি টেলিকমিউনিকেশনে ব্যবহৃত হয়।
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ২০০৬ সালে সাবমেরিন ক্যাবলে যোগ দেয়।
- বাংলাদেশের প্রথম সাবমেরিন ল্যান্ডিং স্টেশন স্থাপন করা হয় কক্সবাজারে।

অন্যদিকে,
- দ্বিতীয়টি স্থাপন করা হয় পটুয়াখালীতে।
- SE-ME-WE ১৩ টি দেশের ১৯ ল্যান্ডিং স্টেশন এর সাথে যুক্ত থাকবে।
- বাংলাদেশের স্টেশন হবে কালাপাড়া, কুয়াকাটা, পটুয়াখালী।
- এর দৈর্ঘ্য ২০ হাজার কিলোমিটার।

উৎস: সমকাল ও যুগান্তর
২,১৪৯.
‘কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়, তাইতো জাত ভিন্ন বলায়’ -গানটির রচয়িতা কে?
  1. ক) গগণ হরকরা
  2. খ) শাহ আবদুল করিম
  3. গ) লালন শাহ
  4. ঘ) বাউল শফি মণ্ডল
ব্যাখ্যা
- ‘কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়, তাইতো জাত ভিন্ন বলায়’ -গানটির রচয়িতা বাউল সম্রাট খ্যাত লালন শাহ।
তার অন্যান্য গানের মধ্যে রয়েছে:
- ‘বাড়ির কাছে আরশী নগর’
- ‘আমার ঘরখানায় কে বিরাজ করে’
- ‘মিলন হবে কত দিনে’
- ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়’
- ‘তিন পাগলের মেলা’
- ‘সময় গেলে সাধন হবে না’।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
২,১৫০.
‘বাড়ির কাছে আরশী নগর’ -গানটির রচয়িতা কে?
  1. ক) শাহ আবদুল করিম
  2. খ) হাছন রাজা
  3. গ) লালন শাহ
  4. ঘ) আবদুর রহমান বয়াতি
ব্যাখ্যা
- ‘বাড়ির কাছে আরশী নগর’ গানটির রচয়িতা বাউল সম্রাট খ্যাত লালন শাহ।
তার অন্যান্য গানের মধ্যে রয়েছে:
- ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়’
- ‘আমার ঘরখানায় কে বিরাজ করে’
- ‘মিলন হবে কত দিনে’
- ‘কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়, তাইতো জাত ভিন্ন বলায়’
- ‘তিন পাগলের মেলা’
- ‘সময় গেলে সাধন হবে না’।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
২,১৫১.
যমুনা রেলসেতুর দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৬.১৫ কিলোমিটার
  2. ৫.৪০ কিলোমিটার
  3. ৪.৮০ কিলোমিটার
  4. ৩.৬০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
যমুনা রেলসেতু:
- ১৯৯৮ সালে যমুনা নদীর ওপর নির্মিত বঙ্গবন্ধু সেতু চালু হওয়ার পর থেকে ঢাকার সঙ্গে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রেল যোগাযোগ শুরু হয়।
- তবে ২০০৮ সালে সেতুটিতে ফাটল দেখা দেওয়ায় ট্রেনের গতি কমিয়ে দেওয়া হয়। 
- এ সমস্যা সমাধানে ২০২০ সালের ৩ মার্চ যমুনা নদীর ওপর উজানে আলাদা রেল সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সরকার।
- এরই ধারাবাহিকতায় ৪ দশমিক ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেলসেতু নির্মাণের পরিকল্পনা অনুমোদন করা হয়।
- ২০২০ সালের ২৯ নভেম্বর রেলসেতুরটির নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
- দেশের বৃহত্তম রেল সেতুটির নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে জাপানি কোম্পানি ওটিজি ও আইএইচআই।
- প্রথমে প্রকল্পটির নির্মাণ ব্যয় ৯ হাজার ৭৩৪ কোটি ৭ লাখ টাকা নির্ধারিত হলেও পরে তা ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি ৯৬ লাখ টাকায় উন্নীত হয়েছে।
- এর মধ্যে ২৭ দশমিক ৬০ শতাংশ অর্থায়ন এসেছে দেশীয় উৎস থেকে এবং ৭২ দশমিক ৪০ শতাংশ ঋণ দিয়েছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)।

উল্লেখ্য,
- পরীক্ষামূলক যাত্রা শেষে ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ যমুনা রেলওয়ে সেতু দিয়ে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
- রেলসেতুতে দুটি লাইন আছে। প্রথম পর্যায়ে একটি লাইন দিয়েই উভয় দিকে ট্রেন চলাচল করবে।
- আগামী ১৮ মার্চ, ২০২৫ রেলসেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]
২,১৫২.
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল জন্মগ্রহণ করেন কোথায়?
  1. ঝিনাইদহ
  2. যশোর
  3. সাতক্ষীরা
  4. বরিশাল
ব্যাখ্যা
• বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল:
- মোহাম্মদ মোস্তফার জন্ম ১৯৪৯ সালে বরিশালের দৌলতখান থানার পশ্চিম হাজীপাড়া গ্রামে।
- পারিবারিক বাধার কারণে ১৯৬৭ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে দেন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে।
- প্রশিক্ষণ শেষে তাকে নিয়োগ করা হয় ৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট কুমিল্লায়।
- ১৯৭১ সালের উত্তাল রাজনৈতিক পরিবেশে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ ৪ ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টকে অভ্যন্তরীণ গোলোযোগ নিয়ন্ত্রণের অজুহাতে সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মোতায়েন করে।
- পাকিস্তানি চক্রান্ত বুঝতে পেরে কয়েক জন বাঙ্গালি সৈনিককে সাথে নিয়ে মেজর শাফায়াত জামিল অধিনায়ক লে. কর্নেল খিজির হায়াত খান সহ সকল পাকিস্তানি অফিসার ও সেনাদের গ্রেফতার করেন।
- এরপর তারা মেজর খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে আশুগঞ্জ, উজানিস্বর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এন্ডারসন খালের পাশ দিয়ে প্রতিরক্ষা অবস্থান নেন।
- ১৪ এপ্রিল পাকিস্তানিরা হেলিকপ্টার গানশীপ, নেভাল গানবোট ও এফ-৮৬ বিমান যোগে ত্রিমুখী আক্রমণ চালায় মুক্তিবাহিনীর ৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রতিরক্ষা অবস্থানের উপর।
- গঙ্গাসাগর প্রতিরক্ষা অবস্থানের দরুইন গ্রামে নিয়োজিত আলফা কোম্পানির ২নং প্লাটুনের একজন সেকশন কমান্ডার ছিলেন মোহাম্মদ মোস্তফা।
- পাকিস্তানি আক্রমণে প্লাটুনটির সমস্ত রেশন ধ্বংস হয়ে যায়। নতুন করে কোন রেশন না পাওয়ায় সবাই দীর্ঘ সময় ধরে অভুক্ত অবস্থায় ছিলেন।
- এমন অবস্থায় মোহাম্মদ মোস্তফা তার এল. এম. জি. সাথে নিয়ে আখাওড়া রেল ষ্টেশনে মেজর শাফায়াত জামিলকে রেশনের অনুরোধ করেন।
- মেজর শাফায়াত জামিল তাদেরকে অনতিবিলম্বে প্রতিরক্ষা অবস্থানে যেতে নির্দেশ দেন এবং সেখানে রেশনের বন্দোবস্ত করেন।
- ১৭ এপ্রিল সকাল থেকে পাকিস্তানি বাহিনী তীব্র গোলাবর্ষণ শুরু করে প্লাটুন পজিশনের উপরে। এমন সময় বৃষ্টিও শুরু হয়।
- প্রচন্ড আক্রমণের খবর পেয়ে মেজর শাফায়াত হাবিলদার মুনিরের নেতৃত্বে ডি কোম্পানির ১১ নম্বর প্লাটুন পাঠান অবস্থানকে আরো শক্তিশালী করতে। সারাদিন যুদ্ধ চলে।
- ১৮ এপ্রিল সকালে বর্ষণমুখর পরিস্থিতিতে শত্রু দরুইল গ্রামের কাছে পৌছে যায়।
- মূল আক্রমণ আরম্ভ হয় দুপুর ১২ টায় অবস্থানের পশ্চিম দিক থেকে।
- শত্রুর একটি দল প্রতিরক্ষার পিছন দিক দিয়ে মুক্তিবাহিনীকে ঘিরে ফেলছিলো।
- মোহাম্মদ মোস্তফা সহযোদ্ধাদের জানান তিনি নিজে এই কাভারিং ফায়ার প্রদান করবেন এবং সবাইকে পেছনে হটতে নির্দেশ দেন।
- সহযোদ্ধারা মোস্তফাকেও পশ্চাদপসরণের অনুরোধ করেন।
- কিন্তু কর্তব্যের টানে মোস্তফা ছিলেন অবিচল।
- পাকিস্তানিরা মরিয়া হয়ে মোস্তফার অবস্থানের উপরে মেশিনগান এবং মর্টারের গোলাবর্ষণ করতে থাকে। এক পর্যায়ে মোস্তফার এল.এম.জি.-র গুলি নিঃশেষ হয় এবং তিনি মারত্মক ভাবে জখম হন।
- তখন পাকিস্তান বাহিনীর সৈনিকরা ট্রেঞ্চে এসে তাকে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করে।
- মোস্তফা তার জীবন দিয়ে সহযোদ্ধাদের জীবন বাঁচিয়েছিলেন।
- অসীম সাহসিকতার জন্য তাকে সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব 'বীরশ্রেষ্ঠ' প্রদান করে বাংলাদেশ সরকার।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
২,১৫৩.
USGBC-এর তালিকা অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ পরিবেশবান্ধব কারখানা কোনটি? [মে, ২০২৫]
  1. এসএম সোর্সিং, গাজীপুর
  2. তাসনিয়া ফেব্রিকস, গাজীপুর
  3. রেমি হোল্ডিংস লিমিটেড, নারায়ণগঞ্জ
  4. গ্রিন টেক্সটাইল লিমিটেড, ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বিশ্বের শীর্ষ পরিবেশবান্ধব কারখানা:
- বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় পরিবেশবান্ধব ১০টি কারখানার ৯টিই এখন বাংলাদেশে।
- গাজীপুরের তাসনিয়া ফেব্রিকস লিড সনদে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে বিশ্বের শীর্ষ পরিবেশবান্ধব কারখানার স্বীকৃতি অর্জন করেছে। 

- যুক্তরাষ্ট্রের ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল (ইউএসজিবিসি) থেকে ৮ মে এই পরিবেশবান্ধব সনদ পেয়েছে তাসনিয়া ফেব্রিকসের প্রশাসনিক ভবন।
- কারখানাটির প্রশাসনিক ভবন লিড সনদে ১১০ নম্বরের মধ্যে পেয়েছে ১০৭।
- গাজীপুরের এসএম সোর্সিং এবং তাসনিয়া ফেব্রিকসের পোশাক কারখানা যৌথভাবে দ্বিতীয় শীর্ষ পরিবেশবান্ধব কারখানা।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান পরিবেশবান্ধব স্থাপনার সনদ দিয়ে থাকে। সেগুলোর মধ্যে অন্যতম ইউএসজিবিসি।
- ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ইউএসজিবিসি যে সনদ দেয়, সেটির নাম ‘লিড’।
- লিডের পূর্ণাঙ্গ রূপ হলো লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ডিজাইন।
- এ সনদ পেতে প্রতিটি প্রকল্পকে ইউএসজিবিসির তত্ত্বাবধানে স্থাপনা নির্মাণের কাজ করা থেকে শুরু করে উৎপাদন পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে সর্বোচ্চ মান রক্ষা করতে হয়।
- বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী, তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতে বর্তমানে লিড সনদ পাওয়া পরিবেশবান্ধব কারখানা ২৪৩টি। [মে, ২০২৫]
- তার মধ্যে ১০১টি লিড প্লাটিনাম, ১২৮টি গোল্ড, ১০টি সিলভার এবং ৪টি কারখানা সার্টিফায়েড সনদ পেয়েছে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
২,১৫৪.
প্রথম বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইনজেকশনযোগ্য ওষুধ রপ্তানি শুরু করেছে -
  1. ক) স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড
  2. খ) এসকায়েফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড
  3. গ) ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড
  4. ঘ) বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড
ব্যাখ্যা
গত ২১ নভেম্বর, ২০২২ প্রথম বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইনজেকশনযোগ্য ওষুধ রপ্তানি শুরু করেছে এসকায়েফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড (এসকেএফ)।

এর আগে গত সেপ্টেম্বরে ইনজেকশনযোগ্য ওষুধ উৎপাদনের জন্য এসকেএফের কারখানা যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের (এফডিএ) অনুমোদন পায়। বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র ইনজেকশনযোগ্য ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে মর্যাদাপূর্ণ এ অনুমোদন পেয়েছে এসকেএফ।

করোনা মহামারির সময় এসকেএফ জীবনরক্ষাকারী ওষুধ রপ্তানিতে সাফল্য অর্জন করে। এ সময় প্রতিষ্ঠানটি ৩টি অ্যান্টি-কোভিড জেনেরিক ওষুধ -
- রেমডেসিভির (রেমিভির),
- মলনুপিরাভির (মনুভির) এবং
- নির্মাট্রেলভির ও রিটোনাভির সংমিশ্রণ (প্যাক্সোভির) উৎপাদন ও বাজারজাত করে।

এসকেএফ এসব জীবনরক্ষাকারী ওষুধ বিশ্বের ৪৮টি দেশে রপ্তানি করেছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা এবং উত্তর আমেরিকার ৬৮টি দেশে ওষুধ রপ্তানি করছে।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ডিসেম্বর ২০২২ ও দ্য ডেইলি স্টার।
২,১৫৫.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা কোনটি?
  1. বাংলাদেশ নিউজ এজেন্সী
  2. বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা
  3. বাংলাদেশ নিউজ সার্ভিস
  4. ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
সংবাদ সংস্থা: 
- সংবাদ সংস্থা  সংবাদ সংগ্রহ করে সংবাদপত্র, সাময়িকী ও ইলেট্রনিক্স সম্প্রচার কেন্দ্রগুলির মধ্যে বণ্টন করার প্রতিষ্ঠান।
- দি অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস অব পাকিস্তান (এপিপি) পাকিস্তানের প্রথম সংবাদ সংস্থা, ১৯৪৯ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- একই বছরে, ব্যক্তিমালিকানাধীন সংবাদ সংস্থা ইউনাইটেড প্রেস অব পাকিস্তান (ইউপিপি) কার্যক্রম শুরু করে করাচি থেকে। ঢাকায় এ সংস্থার একটি শাখা ছিল।
- আরেকটি ব্যক্তি মালিকানাধীন সংবাদ সংস্থা পাকিস্তান প্রেস এজেন্সি নামে (পিপিএ) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, পরবর্তী সময়ে এটি পাকিস্তান প্রেস ইন্টারন্যাশনাল (পিপিআই) নাম গ্রহণ করে।
- পূর্ব পাকিস্তানে প্রথম স্থানীয় মালিকানাধীন স্বাধীন সংবাদ সংস্থা ছিল দি ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সি (এনা)।
- ১৯৭০ সালে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালে নয় মাস এ সংস্থার কার্যক্রম স্থগিত ছিল।
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর এপিপি ও পিপিআই ব্যুরো পরিত্যক্ত ঘোষিত হয় এবং এপিপি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) নামে রূপান্তরিত হয়। 

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস):
- বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) দেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থা (রাষ্ট্রায়ত্ত)।
- এটি ১৯৭২ সালের ১জানুয়ারি চালু হয়েছিল।

উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা ওয়েবসাইট।
বাংলাপিডিয়া।
২,১৫৬.
বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ ‘বাংলাপিডিয়া’ কোন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রকাশিত হয়েছে?
  1. জাতীয় গ্রন্থাগার
  2. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  3. বাংলা একাডেমি
  4. বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি
ব্যাখ্যা
বাংলাপিডিয়া:
- বাংলাপিডিয়া বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ।
- এটি এশিয়াটিক সোসাইটি কর্তৃক প্রকাশিত।
- এ জ্ঞানকোষে প্রায় ১৪৫০ জন পণ্ডিতের সৃজনশীল কাজের সমন্বয় ঘটেছে।
- বাংলাদেশের প্রাচীনতমকাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের বর্ণনা বাংলাপিডিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- ফলে এটি অধ্যয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ সংক্রান্ত সকল বিষয়ে সুস্পষ্ট জ্ঞান লাভ করা সম্ভব।
- প্রথম প্রকাশের পর বাংলাপিডিয়া ব্যাপক উৎসাহব্যঞ্জক সাড়া পেয়েছে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
- বাংলাপিডিয়া শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক, পেশাজীবী এবং সাধারণ পাঠকদের অপরিহার্য সহচরে পরিণত হয়েছে।
- বর্তমান দ্বিতীয় সংস্করণটি (২০১২) ইতিপূর্বে প্রকাশিত প্রথম সংস্করণের (২০০৩) একটি পরিবর্ধিত ও হালনাগাদ রূপ।

উল্লেখ্য,
⇒ বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি:
- বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি একটি অরাজনৈতিক, বেসরকারি ও অলাভজনক সংস্থা।
- ১৯৫২ সালে এশিয়ার মানুষ ও প্রকৃতি বিষয়ে গবেষণার লক্ষ্যে বাংলাদেশে এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই সংস্থাটির প্রেরণা ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো উভয়ই কলকাতা এশিয়াটিক সোসাইটির (স্থাপিত ১৭৮৪) উত্তরসূরী।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এ সোসাইটির প্রধান পৃষ্ঠপোষক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,১৫৭.
বাংলাদেশ এবং মায়ানমারের মধ্যে সমুদ্র সীমা বিরোধ কোন সংস্থার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়?
  1. Permanent Court of Justice
  2. International Tribunal for the Law of the Sea
  3. International Court of Justice
  4. Permanent Court of Arbitration
ব্যাখ্যা
• সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি: 
- বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির মামলার রায় হয় ২০১২ সালের ১৪ মার্চ।
- জার্মানির হামবুর্গে অবস্থিত সমুদ্র আইনবিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল International Tribunal for the Law of the Sea (ITLOS) এ সমুদ্রসীমা বিষয়ক এই মামলাটি নিষ্পত্তি হয়।
- এই রায়ের ফলে বাংলাদেশ লাভ করে ১,১১,৬৩১ বর্গকিলোমিটার সমুদ্রসীমা।

অন্যদিকে, 
- PCA (Permanent Court of Arbitration) আদালতে বাংলাদেশ ও ভারতের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি হয়।

তথ্যসূত্র:- সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট, বিভিন্ন পত্রিকার রিপোর্ট।
২,১৫৮.
বাংলাদেশের রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের সহায়তাকারী দেশ কোনটি?
  1. ভারত
  2. চীন
  3. রাশিয়া
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র: 
- পাবনা জেলার রূপপুরে পারমাণবিক চুল্লি নির্মিত হয়েছে রাশিয়ার সহায়তায় । 
- রূপপুর কেন্দ্রে দুটি ইউনিটে ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। 
- এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে প্রাথমিকভাবে এক লক্ষ তের হাজার কোটি টাকারও বেশি খরচ ধরা হয়েছে। 
- বাংলাদেশে একক প্রকল্প হিসেবে এটি সবচেয়ে বড় কোনো অবকাঠামো প্রকল্প।

সূত্র: বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন।
২,১৫৯.
'রায়বেশে নৃত্য' চিত্রকর্মের চিত্রশিল্পী কে?
  1. কামরুল হাসান
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. এম এস সুলতান
  4. হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা
'রায়বেশে নৃত্য' চিত্রকর্মের চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান।

কামরুল হাসান
:
- কামরুল হাসান একজন চিত্রশিল্পী।
- প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- কামরুল হাসান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন (১৯৬৯-৭০) এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি ‘পটুয়া কামরুল হাসান’ নামে পরিচিতি লাভ করেন।
- তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকারি মনোগ্রাম তৈরি করার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- কামরুল হাসানের 'তিন কন্যা' ও 'নাইওর' চিত্রকর্ম অবলম্বনে যুগোস্লাভ সরকার (১৯৮৫) ও বাংলাদেশ সরকার (১৯৮৬) ডাকটিকেট প্রকাশ করেছে।

⇒ কামরুল হাসানের অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে -
- রায়বেশে নৃত্য,
- ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে,
- ‘দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে’ প্রভৃতি।

উল্লেখ্য,
- ব্রতচারী আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ রায়বেঁশে নৃত্য।
- ব্রিটিশ শাসনামলে রাজার সেনাবাহিনী রায়বেঁশে পদ্ধতিতে শরীরচর্চা করত বাঙালি সংস্কৃতি, শুদ্ধ জাতীয়তাবাদ এবং প্রত্যেকে বাঙালির জীবনগঠনে স্বকীয়তা রক্ষা করতে, এ মূলনীতি কামরুল হাসান তার পরবর্তী জীবনে প্রতিফলিত করেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ডিসেম্বর ২১, ২০২২, বণিক বার্তা।
২,১৬০.
রাবেয়া খাতুন কথাসাহিত্য পুরস্কার ২০২৫ কত জনকে প্রদান করা হয়?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ৫ জন
ব্যাখ্যা

রাবেয়া খাতুন কথাসাহিত্য পুরস্কার ২০২৫:
- রাবেয়া খাতুন কথাসাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন দুজন।
- এর মধ্যে প্রথমজন সুব্রত বড়ুয়া।
- তাঁকে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে কথাসাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের মূল্যায়নে।
- পুরস্কারের অর্থমূল্য : দুই লক্ষ টাকা।
- আর অনূর্ধ্ব ৪৯ বছর বয়সী লেখকদের মধ্যে ২০২৪ সালে প্রকাশিত ‘সিসিফাস শ্রম’ গল্পগ্রন্থের মূল্যায়নে ‘রাবেয়া খাতুন কথাসাহিত্য পুরস্কার ২০২৫’ পুরস্কার পেয়েছেন আনিসুর রহমান।
- এ পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকা। 

উৎস: বাংলা একডেমি ওয়েবসাইট।

২,১৬১.
‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়’ গানটির রচয়িতা কে?
  1. ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. খ) হাছন রাজা
  3. গ) লালন শাহ
  4. ঘ) শাহ আব্দুল করিম
ব্যাখ্যা
‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়’ গানটির রচয়িতা বাউল সম্রাট খ্যাত লালন শাহ।
তার অন্যান্য গানের মধ্যে রয়েছে:
- ‘বাড়ির কাছে আরশী নগর’
- ‘আমার ঘরখানায় কে বিরাজ করে’
- ‘মিলন হবে কত দিনে’
- ‘কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়, তাইতো জাত ভিন্ন বলায়’
- ‘তিন পাগলের মেলা’
- ‘সময় গেলে সাধন হবে না’।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
২,১৬২.
কোনটি জংশন স্টেশন?
  1. ঢাকা
  2. রাজশাহী
  3. আখাউড়া
  4. খুলনা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের বৃহত্তম রেলওয়ে জংশন ঈশ্বরদী
- আখাউড়া বাংলাদেশের অন্যতম  রেলওয়ে জংশন। 
- বাংলাদেশের বৃহত্তম রেল কারখানা- সৈয়দপুর
- বাংলাদেশের বৃহত্তম রেল স্টেশন- কমলাপুর
 
উৎস : বাংলাদেশ রেলওয়ে ওয়েবসাইট
২,১৬৩.
নভেরা আহমেদ কত সালে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করে?
  1. ২০২২ সালে
  2. ২০২৩ সালে
  3. ২০২৪ সালে
  4. ২০২৫ সালে
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন।
- পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।

⇒ স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রাপ্ত:
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),
- সাহিত্য: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর),
- সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),
- সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),
- শিক্ষা ও গবেষণা: বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর,
- প্রতিবাদী তারুণ্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

২,১৬৪.
বাংলাদেশে খেতাবপ্রাপ্ত বীর বিক্রম কত জন?
  1. ক) ৬৮ জন
  2. খ) ৭ জন
  3. গ) ৪২৬ জন
  4. ঘ) ১৭৫ জন
ব্যাখ্যা

- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে।
এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।
- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর খেতাব বাতিল করে।

এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম)
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)

- স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরে এসে, ২৪ মার্চ নতুন প্রজ্ঞাপনে জনাব আবদুল খালেকের পূর্ণাঙ্গ পরিচয়সহ তাঁকে বীর বিক্রম উপাধি দেওয়া হয়েছে।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো)

২,১৬৫.
বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাকাল থেকে নিচের কোনটির সদস্য?
  1. জি-২০
  2. পিবিসি
  3. ইউনিসেফ
  4. ইউনেস্কো
ব্যাখ্যা
পিসবিল্ডিং কমিশন (পিবিসি) 
- পিসবিল্ডিং কমিশন (পিবিসি) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ও নিরাপত্তা পরিষদের একটি আন্তরাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা সংস্থা।
- এই সংস্থা সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোতে শান্তি বিনির্মাণের জন্য কাজ করে, যাতে সংঘাতের পুনরাবৃত্তি রোধ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা যায়।
- সাধারণ পরিষদ, নিরাপত্তা পরিষদ এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ইকোসক) থেকে নির্বাচিত সদস্যসহ ৩১ জন সদস্যের সমন্বয়ে ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় পিবিসি।
- জাতিসংঘে শীর্ষ অর্থ প্রদানকারী ও শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশগুলোও কমিশনের সদস্য।
- বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই পিবিসি’র সদস্য।
- রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা হলেন পিবিসির প্রথম নারী সভাপতি।

সূত্র- জাতিসংঘের ওয়েবসাইট (লিংক)।
২,১৬৬.
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস কত তারিখে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ প্রদান করেন?
  1. ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  2. ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  3. ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  4. ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ প্রদান করেন।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ তার ৭৯তম অধিবেশন:
-সেপ্টেম্বর, ২০২৪-এ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনের সভাপতি ফিলেমন ইয়াং।
- ক্যামেরুনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ফিলেমন ইয়াং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

উল্লেখ্য,
⇒ বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের ৭৯তম অধিবেশনে ভাষণ প্রদান করেন।
- নিউ ইয়র্কের স্থানীয় সময় ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ জাতিসংঘ সদর দপ্তরের জেনারেল অ্যাসেম্বলি হলে ভাষণ প্রদান করেন তিনি।
- বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে অংশ নিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
- এই সফরে তিনি বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানদের সাথে বৈঠকও করেছেন।

উৎস: UN General Assembly ওয়েবসাইট।
২,১৬৭.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে?
  1. কামরুল হাসান
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. হাশেম খান
  4. আ.স.ম. আবদুর রব
ব্যাখ্যা

জাতীয় পতাকা:
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার – শিল্পী কামরুল হাসান।
- ১৯৭২ সালে কামরুল হাসান সবুজের মাঝে লাল বৃত্তের জাতীয় পতাকার নকশা করেন।
- এর পূর্বে ব্যবহৃত মানচিত্র খচিত পতাকাটি ১৯৭০ সালের ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান জহুরুল হক হলের ১১৬ নং কক্ষে শিবনারায়ণ দাস ও আরো কয়েকজন মিলে চূড়ান্ত করেন যা ১৯৭১ সালের ২রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় তৎকালীন ডাকসু ভিপি আ স ম রব প্রথম উত্তোলন করেন।
- ১৯৭১ সালের ২৩ শে মার্চ বাংলাদেশের সর্বত্র পাকিস্তানের পতাকা'র পরিবর্তে লাল-সবুজের পতাকা উড়ানো হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপটি গৃহীত হয় ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি।
- ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপটি সরকারিভাবে গৃহীত হয়।
- 'জাতীয় পতাকা' গাঢ় সবুজ রঙের হবে এবং ১০: ৬ দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের আয়তক্ষেত্রাকার সবুজ রঙের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত থাকিবে।

​উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।

২,১৬৮.
বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন কে?
  1. তামিম ইকবাল
  2. মুশফিকুর রহিম
  3. মমিনুল হক
  4. মাহমুদল্লাহ রিয়াদ
ব্যাখ্যা

মুশফিকুর রহিম:
- দেশের ইতিহাসে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম ম্যাচ খেলার মাইলফলক স্পর্শ করেছেন মুশফিকুর রহিম। 
- ১৯ নভেম্বর, ২০২৫ মিরপুরে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের মধ্য দিয়ে দেশের প্রথম ক্রিকেটার এবং বিশ্বের ৮৪তম খেলোয়াড় হিসেবে ১০০তম টেস্ট খেলেন মুশফিকুর রহিম।
- প্রথম দিন শেষে (১৯ নভেম্বর, ২০২৫) আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ৯৯ রানে অপরাজিত ছিলেন মুশফিক। 
- ২০ নভেম্বর, ২০২৫ দিনের দ্বিতীয় ওভারে পেসার জর্ডান নিলের করা ওভারের তৃতীয় বলে এক রান নিয়ে বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার ও বিশ্বের ১১তম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্টে সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েন।

উল্লেখ্য,
- ২০০৫ সালে ঐতিহাসিক লর্ডস টেস্ট দিয়ে মুশফিকুর রহিমের আন্তর্জাতিক যাত্রা শুরু হয়।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট।

২,১৬৯.
Who is the lyricist of the famous Bengali folk song “Agey Ki Shundor Din Kataitam”?
  1. Lalon Shah
  2. Hason Raja
  3. Shah Abdul Karim
  4. Abdul Alim
ব্যাখ্যা

• শাহ আবদুল করিম: 
- জন্ম: ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দ, সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার ধলআশ্রম গ্রামে।
- পিতা: ইব্রাহিম আলী (একজন দরিদ্র কৃষক)
- মাতা: নাইওরজান বিবি।
- তিনি লোকসঙ্গীত শিল্পী, গীতিকার ও সুরকার।
- শৈশবে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ পাননি।
- বারো বছর বয়সে নিজ গ্রামের একটি নৈশবিদ্যালয়ে কিছুদিন পড়াশোনা করেন।
- সেখানে তিনি প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন।
- পরবর্তীতে নিজের চেষ্টায় স্বশিক্ষিত হয়ে ওঠেন।
-  কৈশোরকাল থেকেই গণসঙ্গীতের প্রতি শাহ আবদুল করিমের আকর্ষণ ছিল। সম্ভবত জীবনের বাস্তবতা তাঁকে গণসঙ্গীত রচনায় উদ্বুদ্ধ করে।
- ১৯৫৪ সালে শাহ আবদুল করিম প্রণীত গণসঙ্গীত গ্রন্থ প্রকাশিত হয়।
- তাঁর প্রকাশিত অন্যান্য গানের সংকলন হলো আফতাব সঙ্গীত (১৯৪৮), কালনীর ঢেউ (১৯৮১), ভাটির চিঠি (১৯৯৮), ধলমেলা (১৯৯০), কালনীর কূলে (২০০১)।
- ‘আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম’, ‘বন্দে মায়া লাগাইছে, পিরিতি শিখাইছে’, ‘গাড়ি চলে না’, ‘কেমনে ভুলিব আমি বাঁচি না তারে ছাড়া’, ‘কোন মেস্তরি নাও বানাইছ’, তার এরকম অসংখ্য গান জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বিবিসি। 

২,১৭০.
শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
  1. শামীম শিকদার
  2. তানভীর কবির
  3. সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ
  4. মোস্তফা হারুন কুদ্দুস হালী
ব্যাখ্যা
শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ: 
- বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের সময় অগণিত বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করা হয়। 
- পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে মানবতাবিরোধী এই বর্বর কাজে সহায়তা করেছে রাজাকার ও আলবদর বাহিনী। 
- পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর চূড়ান্ত পরাজয়ের দুই দিন পূর্বে ১৯৭১ সালের ১৪ই ডিসেম্বর অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে। 
- তাঁদের স্মৃতি অমর করে রাখার জন্য ঢাকার মিরপুরে শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।
- শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি ছিলেন মোস্তফা হারুন কুদ্দুস হালী।
- ১৯৭২ সালে এই স্মৃতিসৌধের নির্মাণ কাজ শেষ হয়। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,১৭১.
নিম্নের কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর ঢাকায় অবস্থিত রয়েছে?
  1. ESCAP 
  2. ACU
  3. BIMSTEC
  4. SAARC
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে যেসব সংস্থার সদরদপ্তর অবস্থিত:
- IJSG
- CIRDAP
- BIMSTEC
- SAARC Agricultural Centre প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
- SAARC (সার্ক) সদরদপ্তর : কাঠমুণ্ডু, নেপাল
- ESCAP (এসকাপ) সদরদপ্তর : ব্যাংকক, থাইল্যান্ড
- ACU (আকু) সদরদপ্তর : তেহরান, ইরান।

উৎস: সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট।

২,১৭২.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা কবে গৃহীত হয়?
  1. ক) ১৭ জানুয়ারি ১৯৭২
  2. খ) ২৬ মার্চ ১৯৭১
  3. গ) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
  4. ঘ) ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা সবুজ আয়তক্ষেত্রের মধ্যে লাল বৃত্ত। সবুজ রং বাংলাদেশের সবুজ প্রকৃতি ও তারুণ্যের প্রতীক, বৃত্তের লাল রং উদীয়মান সূর্য, স্বাধীনতাযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারীদের রক্তের প্রতীক। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার এই রূপটি ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে গৃহীত হয়।
সূত্র: prothomalo.com
২,১৭৩.
শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০২০ লাভ করে কোন সিনেমাটি?
  1. ক) গোর
  2. খ) বীর
  3. গ) বিশ্বসুন্দরী
  4. ঘ) ক + গ
ব্যাখ্যা
শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০২০ লাভ করেছে চয়নিকা চৌধুরী পরিচালিত বিশ্বসুন্দরী ও গাজী রাকায়েত পরিচালিত গোর চলচ্চিত্র দুটি। গত ২৩শে মার্চ ২০২২ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০২০ প্রদান করা হয়।

পুরস্কার প্রাপ্তরা হলো:
- শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক : গাজী রাকায়েত হোসেন (গোর)
- সেরা অভিনেতা : সিয়াম (বিশ্বসুন্দরী)
- সেরা অভিনেত্রী : দীপান্বিতা মার্টিন (গোর)
- শ্রেষ্ঠ খল-অভিনেতা - মো. সাহিদ হাসান মিশা সওদাগর (বীর) ।

(তথ্যসূত্র: দৈনিক কালেরকণ্ঠ)
২,১৭৪.
মহাখালী ফ্লাইওভারে কয়টি স্প্যান আছে?
  1. ১৭টি
  2. ১৮টি
  3. ১৯টি
  4. ২১টি
ব্যাখ্যা
মহাখালী ফ্লাইওভার: 
- নির্মাণ সমাপ্তির দিক থেকে মহাখালী ফ্লাইওভার দেশের প্রথম ফ্লাইওভার।
- মহাখালী ফ্লাইওভার উদ্ধোধন করা হয় ৪ নভেম্বর ২০০৪ ।
- দৈর্ঘ্য ১০১২ মিটার, প্রস্থ ১৭.৯ মিটার, মোট পাইল ১৮ টি, মোট স্প্যান ১৯ টি ।
- এর নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান চায়না ফাস্ট মেটার্লজিক্যাল কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও ডেইলি স্টার পত্রিকা রিপোর্ট।
২,১৭৫.
সাত গম্বুজ মসজিদ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বাগেরহাট
  2. ঢাকা
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. নওগাঁ
ব্যাখ্যা
সাত গম্বুজ মসজিদ
- সাত গম্বুজ মসজিদ ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত মুঘল আমলে নির্মিত একটি মসজিদ।
- এই মসজিদটি চারটি মিনারসহ সাতটি গম্বুজের কারনে মসজিদের নাম হয়েছে 'সাতগম্বুজ মসজিদ'।
- এটির নির্মাতা মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খান।
- ১৬৮০ খ্রিস্টাব্দে তিনি এটি নির্মাণ করেন।
- তবে অন্য তথ্যমতে এটির নির্মাতা শায়েস্তা খানের ছেলে বুজুর্গ উদ্দিন (উমিদ)।
- বর্তমানে মসজিদটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে আছে।

অন্যদিকে: 
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাগেরহাটে অবস্থিত।
- ছোট সোনা মসজিদ রাজশাহী বিভাগের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।

উৎস: ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট, parjatan.gov.bd.
২,১৭৬.
বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের বর্তমান অধিনায়ক কে? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. কানিজ ফাতিমা
  2. সালমা খাতুন
  3. শারমিন সুলতানা
  4. নিগার সুলতানা জ্যোতি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল:

- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) দ্বারা পরিচালিত।
- এটি বাংলাদেশকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় প্রতিনিধিত্ব করে, যেমন আইসিসি নারী ক্রিকেট বিশ্বকাপ, আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং অন্যান্য দ্বিপাক্ষিক সিরিজ।
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের বর্তমান অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। [ডিসেম্বর, ২০২৪]
- জ্যোতি বাংলাদেশের ইতিহাসে মেয়েদের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরিয়ান।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে ২০১১ সালে ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে।
- এশিয়া কাপ শিরোপা জিতে ২০১৮ সালে।
- টেস্ট মর্যাদা পায় ২০২১ সালে।

উৎস:
i) বিসিবি।
ii) Cricinfo ওয়েবসাইট। 
২,১৭৭.
পল্লী উন্নয়ন একাডেমী কোথায় অবস্থিত?
  1. গাজীপুর
  2. বগুড়া
  3. কুমিল্লা
  4. ঢাকা
ব্যাখ্যা

Rural Development Academy (RDA): 
- পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (RDA) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (RDA) বগুড়া জেলায় অবস্থিত।
- একাডেমিটির মূল দায়িত্ব হলো প্রশিক্ষণ, গবেষণা, প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনা ও পরামর্শ সেবা প্রদান করা।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) কুমিল্লার কোটবাড়ীতে অবস্থিত। 

উৎস: RDA ওয়েবসাইট।

২,১৭৮.
''আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি।'' উক্তিটি করেছেন-
  1. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
  2. মুনীর চৌধুরী
  3. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ:
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ ভারতীয় উপমহাদেশের একজন স্মরণীয় বাঙালি ব্যক্তিত্ব, বহুভাষাবিদ, বিশিষ্ট শিক্ষক ও দার্শনিক ছিলেন।
- তিনি 'জ্ঞানতাপস' হিসেবে অধিক পরিচিত।
- তাঁকে 'চলিষ্ণু অভিধান' বলা হয়।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট জাতিসত্তা সম্পর্কে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর বিখ্যাত উক্তি- ''আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি।''

উৎস: বাংলাদেশে ও বিশ্ব পরিচয়, ৭ম শ্রেণি এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া।
২,১৭৯.
’বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশ’ ফিফার সদস্যপদ লাভ করে কবে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (Bangladesh Football Federation):
- বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন সংক্ষেপে বিএফএফ এবং বাফুফে নামে পরিচিত।
- এটি হচ্ছে বাংলাদেশের ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
- সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭২ সালে।
- বাফুফে ফিফার সদস্যপদ লাভ করে: ১৯৭৬ সালে।
- এএফসির সদস্যপদ লাভ করে: ১৯৭৩ সালে।
- এর বর্তমান সভাপতি তাবিথ আউয়াল। [ব্যাখ্যা আপডেট - ডিসেম্বর, ২০২৫]

 উৎস: বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ও সাফ ফেডারেশন ওয়েবসাইট।

২,১৮০.
বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান কে?
  1. মুশফিকুর রহিম
  2. হাবিবুল বাশার
  3. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  4. মোহাম্মদ আশরাফুল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেট: 
- টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে: ২০০০ সালে।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচ: ১০ নভেম্বর ২০০০, ভারতের বিপক্ষে।
- প্রথম টেস্ট অধিনায়ক: নাইমুর রহমান।
- প্রথম টেস্ট জয়: ২০০৫, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে, চট্টগ্রাম।
- প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি: আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি: মুশফিকুর রহিম।
- প্রথম হাজার রান সংগ্রাহক: হাবিবুল বাশার।
- শততম টেস্ট ম্যাচ: শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে, কলম্বো, ২০১৭।
- শততম টেস্টে সেঞ্চুরি: সাকিব আল হাসান।
- সর্বকনিষ্ঠ টেস্ট সেঞ্চুরি: মোহাম্মদ আশরাফুল, ২০০১ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।

উৎস: ESPNcricinfo.com এবং The Business Standard পত্রিকা রিপোর্ট।

২,১৮১.
এভারেস্টের চূড়ায় পৌঁছানোর ‘সি টু সামিট’ অভিযান সম্পন্ন করেছেন কোন বাংলাদেশি?
  1. বাবর আলী
  2. শাহরিয়ার আলম
  3. ইমামুর রহমান
  4. ইকরামুল হাসান শাকিল
ব্যাখ্যা

ইকরামুল হাসান শাকিল:
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট হয় করেছেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ২০২৫ সালের ১৯ মে তিনি এভারেস্ট চূড়া জয় করেন।
- সবচেয়ে কম সময়ে এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নতুন রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।
- ইকরামুল হাসান তাঁর এই অভিযানের নাম দিয়েছেন ‘সি টু সামিট’, অর্থাৎ সমুদ্র থেকে শৃঙ্গ।
- শাকিলের 'সি টু সামিট' অভিযাত্রা শুরু হয় ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে কক্সবাজার থেকে।
- এরপর ৯০ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্য দিয়ে প্রায় এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন এবং ২৯ হাজার ৩১ ফুট উচ্চতার এভারেস্ট জয় করেন।

উল্লেখ্য,
⇒ এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন:
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি: ইকরামুল হাসান শাকিল, ২০২৫ সালের ১৯ মে।

এছাড়াও,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি। তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

উৎস:
i) The Business Standard.

ii) প্রথম আলো।

২,১৮২.
Bangavax, a COVID-19 vaccine has recently been developed by which Bangladeshi pharmaceutical company?
  1. ক) Beaxcimco Pharma
  2. খ) Square Pharma
  3. গ) Global Biotech
  4. ঘ) ACI Pharma
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক উদ্ভাবিত কোভিড-১৯ রোগের প্রতিষেধক টিকা হলো বঙ্গভ্যাক্স।
- শুরুতে এটির নাম ছিলো ব্যানকোভিড (ডি৬১৪জি ভেরিয়েন্ট এমআরএনএ)।
- গত ২ জুলাই ২০২০ গ্লোব বায়োটেক এই টিকা উদ্ভাবনের ঘোষণা দেয়।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৫ অক্টোবর ২০২০ টিকাটিকে তাদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।
- বর্তমানে টিকাটি মানবদেহে ট্রায়ালের অপেক্ষায় রয়েছে।
গ্লোব বায়োটেক উদ্ভাবিত করোনা ভাইরাসের অপর দুটি টিকা হলো হলো:
- ডিএনএ প্লাসমিড
- এডিনোভাইরাস টাইপ৫ ভেক্টর।

(তথ্যসূত্র: গ্লোব বায়োটেক ও সমকাল)
২,১৮৩.
সার্ক গঠনে মূল উদ্যোক্তা ছিল -
  1. ক) ভারত
  2. খ) শ্রীলঙ্কা
  3. গ) বাংলাদেশ
  4. ঘ) পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
সার্ক গঠনে মূল উদ্যোগে ছিল বাংলাদেশের। 

- দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক)  ১৯৮৫ সালে গঠিত একটি আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট।
- শুরুতে এই জোট দক্ষিণ এশীয় সাতটি রাষ্ট্র বাংলাদেশ, ভারত, ভুটান, নেপাল, পাকিস্তান, মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কাকে নিয়ে গঠিত হয়।
- ২০০৭ সালে ১৪ তম শীর্ষ সার্কসম্মেলনে আফগানিস্তানকে সার্কের সদস্য করা হয়।
- সার্ক ভুক্ত রাষ্ট্র ভারত সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী রাষ্ট্র এবং নেপাল, ভুটান ও মালদ্বীপ কম শক্তিধর ছোট রাষ্ট্র। 
- অর্থনৈতিক এবং সামাজিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করার জন্য একটি কার্যকর পদক্ষেপ হলো আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট গঠন করা।

সূত্র- সার্ক ওয়েবসাইট [লিঙ্ক]
২,১৮৪.
উপমহাদেশের সচেয়ে বড় বৌদ্ধ বিহার কোনটি?
  1. শালবন বিহার
  2. নালন্দা বিহার
  3. সোমপুর বিহার
  4. ভাসু বিহার
ব্যাখ্যা
সোমপুর বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- নওগাঁ জেলার সবচেয়ে বিখ্যাত ঐতিহাসিক স্থান বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত সোমপুর বিহার। 
- ইংরেজ প্রত্নতাত্ত্বিক বুকানন হামিলটন যখন পূর্ব ভারতে জরিপ কাজ পরিচালনা করেন (১৮০৭-১৮১২) তখন তিনি পাহাড়পুরের এই সূতপকে বৌদ্ধ বিহার বলে অনুমান করেন।
- খনন কালে মাটির একটি সিল থেকে জানা যায় যে, এটি সোমপুর বিহার।
- পাল রাজবংশের রাজা ধর্মপাল (৭৮১-৮২১) অষ্টম শতকের শেষ দিকে এ বিহার নির্মাণ করেন।
- সোমপুর বিহার এশিয়া মহাদেশের মধ্যে বৃহত্তম বিহার।
- এর দৈর্ঘ্য পূর্ব-পশ্চিমে ৯১৯ ফুট এবং উত্তর-দক্ষিণে ৯২২ ফুট।
- মূল ভবনে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের জন্য ১৭৭টি কক্ষ ছিল।
- ৮০০ জন ভিক্ষুর বাসপোযোগী ছিল।
- এ বিহারে ১২৫নং কক্ষে মাটির পাত্রে খলিফা হারুন-অর-রশিদের শাসনামলের রৌপ্য মুদ্রা পাওয়া যায়। 
- সোমপুর বিহারে অবস্থান করতেন প্রাচীন চর্যাগীতিকার কাহ্নপা। 

বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন এর তথ্যানুসারে, 
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন। 
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে।

উৎস: i) নওগাঁ জেলা, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন
২,১৮৫.
Which organization publishes the "Banglapedia"?
  1. Asiatic Society of Bangladesh
  2. University of Dhaka
  3. Bangla Academy
  4. Shilpakala Academy
  5. None
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি বাংলাপিডিয়া প্রকাশ করে।

বাংলাপিডিয়া:
- বাংলাপিডিয়া বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ।
- এটি এশিয়াটিক সোসাইটি কর্তৃক প্রকাশিত।
- এ জ্ঞানকোষে প্রায় ১৪৫০ জন পণ্ডিতের সৃজনশীল কাজের সমন্বয় ঘটেছে।
- বাংলাদেশের প্রাচীনতমকাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের বর্ণনা বাংলাপিডিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- ফলে এটি অধ্যয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ সংক্রান্ত সকল বিষয়ে সুস্পষ্ট জ্ঞান লাভ করা সম্ভব।
- প্রথম প্রকাশের পর বাংলাপিডিয়া ব্যাপক উৎসাহব্যঞ্জক সাড়া পেয়েছে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
- বাংলাপিডিয়া শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক, পেশাজীবী এবং সাধারণ পাঠকদের অপরিহার্য সহচরে পরিণত হয়েছে।
- বর্তমান দ্বিতীয় সংস্করণটি (২০১২) ইতিপূর্বে প্রকাশিত প্রথম সংস্করণের (২০০৩) একটি পরিবর্ধিত ও হালনাগাদ রূপ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,১৮৬.
বাংলাদেশের পক্ষে ওয়ানডে অভিষেকে কোন ক্রিকেটার পাঁচ উইকেট পেয়েছেন?
  1. ক) সোহাগ গাজী
  2. খ) রুবেল হোসেন
  3. গ) তাইজুল ইসলাম
  4. ঘ) তাসকিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশি ফাস্ট বোলার তাসকিন আহমেদের ওয়ানডে ক্রিকেটে অভিষেক হয় ১৭ জুন, ২০১৪ তারিখে।
- ভারতের বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচেই তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসাবে ৫ উইকেট লাভ করেন।
সূত্রঃ ক্রিকইনফো।
২,১৮৭.
রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে না নেওয়া পর্যন্ত মিয়ানমারে উন্নয়ন সহযোগিতা স্থগিত করেছে কোন দেশ?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) জাপান
  3. গ) ফ্রান্স
  4. ঘ) জার্মানি
ব্যাখ্যা
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, এপ্রিল ২০২০।
২,১৮৮.
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার- 
  1. একুশে পদক
  2. স্বাধীনতা পুরস্কার
  3. জাতীয় পুরস্কার
  4. বেগম রোকেয়া পুরস্কার
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা পুরস্কার:
- স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার।
- মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এ পুরস্কার প্রবর্তন করে।
- জাতীয় জীবনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশিষ্ট অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশের নাগরিককে স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- এ পুরস্কার প্রদানের ক্ষেত্রগুলি হলো স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে স্মরণীয় অবদান, ভাষা আন্দোলনে অবদান এবং শিক্ষা, সাহিত্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, চিকিৎসা বিজ্ঞান, সাংবাদিকতা, জনসেবা, সামাজিক বিজ্ঞান, সঙ্গীত, ক্রীড়া, চারুকলা ও পল্লী উন্নয়নে অবদান।
- এ ছাড়া জাতীয় জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রে অসাধারণ কৃতিত্ব প্রদর্শনকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকেও এ পুরস্কারে ভূষিত করার বিধান রয়েছে।
- প্রতিটি পুরস্কারের মান একটি স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র এবং নগদ অর্থ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২,১৮৯.
বাংলাদেশ জাতিসংঘভুক্ত কোন সংস্থার প্রথম সদস্যপদ লাভ করে?
  1. WHO
  2. ILO
  3. UNESCO
  4. IMO
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ জাতিসংঘভুক্ত প্রথম সদস্যপদ লাভ করে, World Health Organization( WHO)।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৯ মে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদস্য হয় ।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২৭ অক্টোবর ইউনেস্কোর সদস্যপদ লাভ করে । 
- বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালে  International Maritime Organization- IMO এর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২২ জুন ILO এর সদস্যপদ লাভ করে।

WHO:
- WHO-এর পূর্ণরূপ: World Health Organization.
- WHO জাতিসংঘের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ এপ্রিল, ১৯৪৮।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক: টেড্রোস আধানম গেব্রেইসাস।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি। (সাম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্টানিক ভাবে WHO থেকে বেরিয়ে যায় ফলে বর্তমান সদস্য ১৯৩)
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৬১টি দেশ।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলন: জাতিসংঘের উদ্যোগে International Health Conference।
- বিশ্বব্যাপী উন্নত ও স্বাস্থ্যসম্মত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলাই এই সংস্থার প্রধান কাজ।

উৎস: WHO ওয়েবসাইট।

২,১৯০.
ঢাকা ক্রিকেট লীগের বর্তমান [অক্টোবর, ২০২৪] চ্যাম্পিয়ন দল-
  1. মোহামেডান
  2. সূর্যতরুণ
  3. বিমান
  4. আবাহনী
ব্যাখ্যা
তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন ছিল, বর্তমান প্রেক্ষাপটের সাথে সঙ্গতি রেখে প্রশ্নটি মডিফাই করা হয়েছে।

ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লীগ ২০২৪:

- ২০২৪ সালের ১১ মার্চ-৬ মে এই আসর অনুষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এই লিগের আয়োজন করে।
- ১২টি দলের এই আসরে অংশগ্রহণ করে।
- চ্যাম্পিয়ন: আবাহনী লিমিটেড।

উৎস: Bangladesh Premier League ওয়েবসাইট।
২,১৯১.
আহসান মঞ্জিল জাদুঘর দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয় কবে?
  1. ক) ১৯৯২ সালে
  2. খ) ২০০২ সালে
  3. গ) ১৯৮২ সালে
  4. ঘ) ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
আহসান মঞ্জিল:

- আহসান মঞ্জিল জাদুঘর দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয় ১৯৯২ সালে।
- পুরনো ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে বর্তমান ইসলামপুরে আহসান মঞ্জিল অবস্থিত।
- ব্রিটিশ ভারতের উপাধিপ্রাপ্ত ঢাকার নওয়াব পরিবারের বাসভবন ও সদর কাচারি ছিল।
- নওয়াব আব্দুল গনির পিতা খাজা আলিমুল্লাহ ১৮৩০ সালে ফরাসিদের নিকট থেকে এই কুঠিটি ক্রয়পূর্বক সংস্কারের মাধ্যমে নিজ বাসভবনের উপযোগী করেন।
- নওয়াব আব্দুল গনি ১৮৬৯ সালে এই প্রাসাদটি পুন:নির্মাণ করেন এবং প্রিয় পুত্র খাজা আহসানুল্লাহর নামানুসারে এর নামকরণ করেন আহসান মঞ্জিল।

তথ্যসূত্র - ঢাকা জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,১৯২.
সম্প্রতি, হজযাত্রীদের সেবা সহজীকরণে সরকারি ব্যবস্থাপনায় তৈরি অ্যাপের নাম কী? [মে, ২০২৫]
  1. নূর
  2. লাব্বাইক
  3. হজ ট্র্যাকার
  4. হজভ্রমণ.কম
ব্যাখ্যা
হজযাত্রীদের অ্যাপ:
- হজযাত্রীদের জন্য সরকার ‘লাব্বাইক’ নামে একটি আধুনিক মোবাইল অ্যাপ চালু করতে যাচ্ছে।

- এটি হজযাত্রীদের জন্য বিশেষ সেবা প্রদান করবে, যাতে তারা হজ পালন আরও নির্বিঘ্ন এবং সহজভাবে করতে পারেন।
- গত ২৮ এপ্রিল মোবাইল অ্যাপ ‘লাব্বাইক’ উদ্বোধন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রথমবারের মতো নির্মিত অ‍্যাপটি উদ্বোধন করে হজযাত্রীদের এটি ব্যবহারের আহ্বান জানান তিনি।
- অ্যাপের মাধ্যমে নামাজের সময়সূচি, আবহাওয়ার তথ্য, হজ ফ্লাইটের বিস্তারিত ও গুগল ম্যাপে হজযাত্রীদের অবস্থান সহ গুরত্বপূর্ণ তথ্য জানা যাবে।
- এছাড়া হজযাত্রীদের জন্য চালু হয়েছে হজ প্রি-পেইড কার্ড এবং মোবাইল ফোনে রোমিং সুবিধা।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [LINK]
২,১৯৩.
বাংলাদেশের কোন জেলায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত সৈনিকদের স্মরণে কমনওয়েলথ যুদ্ধ সমাধি আছে?
  1. খুলনা
  2. রাজশাহী
  3. রংপুর
  4. কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
কমনওয়েলথ যুদ্ধ সমাধি:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বার্মায় সংঘটিত যুদ্ধে ৪৫০০০ কমনওয়েলথ সৈনিক নিহত হন।
- তাদের স্মৃতি রক্ষার্থে মায়ানমার (তৎকালীন বার্মা), আসাম, এবং বাংলাদেশে ৯টি রণ সমাধিক্ষেত্র তৈরি করা হয়েছে।
- বাংলাদেশে দুটি কমনওয়েলথ রণ সমাধিক্ষেত্র আছে, যার একটি কুমিল্লায় এবং অপরটি চট্টগ্রামে অবস্থিত।

⇒ ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি বাংলাদেশের কুমিল্লাতে অবস্থিত একটি কমনওয়েলথ যুদ্ধ সমাধি।
- ময়নামতি রণ সমাধিক্ষেত্র মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে (১৯০৩-১৯৪৫) নিহত ভারতীয় (তৎকালীন) ও বৃটিশ সৈন্যদের কবরস্থান।
- এটি ১৯৪৬ সালে তৈরি হয়েছে।
- এই সমাধিক্ষেত্রটি Commonwealth War Graves Commission (CWGC) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ও তারাই এ সমাধিক্ষেত্র পরিচালনা করেন।
- সমাধিক্ষেত্রটিতে ৭৩৬টি কবর আছে।
- এর মধ্যে অধিকাংশ কবর হল সে সময়কার হাসপাতালের মৃত সৈনিকগণের।
- তাছাড়াও যুদ্ধের পর বিভিন্ন স্থান থেকে কিছু লাশ স্থানান্তর করেও এখানে সমাহিত করা হয়।
- সর্বমোট ৭২৩ জন নিহতের পরিচয় জানা সম্ভব হয়েছিল।

উৎস: জাতীয় তথ্য নাতায়ন।
২,১৯৪.
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কোন সালে স্বীকৃত হয়?
  1. ১৯৯৮
  2. ১৯৯৯
  3. ২০০০
  4. ২০০১
ব্যাখ্যা

২১ ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।
- ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন হয় যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয় এবং একই প্রস্তাবে ২০০৮ সালকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।

তথ্যসূত্র - ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

২,১৯৫.
‘তিন কন্যা’ চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. ক) অপর্ণা সেন
  2. খ) সত্যজিৎ রায়
  3. গ) সমর দাস
  4. ঘ) তানভীর মোকাম্মেল
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাঙালি চলচ্চিত্রকার; আলোকচিত্রী, চিত্রকর, শিশুসাহিত্যিক, সঙ্গীতজ্ঞ হিসেবেও সুপরিচিত সত্যজিৎ রায়। তাঁর নির্মিত চলচ্চিত্রসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: পথের পাঁচালী (১৯৫৫), অপরাজিত (১৯৫৬), পরশপাথর (১৯৫৭), অপুর সংসার (১৯৫৯), দেবী (১৯৬০), তিন কন্যা (১৯৬১), রবীন্দ্রনাথ (১৯৬১), কাঞ্চনজঙ্ঘা (১৯৬২), অভিযান (১৯৬২), গুপী গাইন বাঘা বাইন (১৯৬৯), অরণ্যের দিনরাত্রি (১৯৭০), শতরঞ্জ কি খিলাড়ি (১৯৭৭), হীরক রাজার দেশে (১৯৮০), পিকু (১৯৮২), সদগতি (১৯৮২), ঘরে বাইরে (১৯৮৪), সুকুমার রায় (১৯৮৭), গণশত্রু (১৯৮৯), শাখা প্রশাখা (১৯৯০), আগন্তুক (১৯৯১) প্রভৃতি। এছাড়াও তিনি বহু ছবির চিত্রনাট্য রচনা ও সঙ্গীত পরিচালনা করেন।
[ সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক যুগান্তর পত্রিকা]
২,১৯৬.
সম্প্রতি, বাংলাদেশের কোন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কার্গো ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়েছে? [মে, ২০২৫]
  1. হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
  2. শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম
  3. ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সিলেট
  4. কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
ব্যাখ্যা
কার্গো বিমানবন্দর:
- প্রথমবারের মতো সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কার্গো ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়েছে।
- এর মাধ্যমে ঢাকার বাইরে প্রথম মালবাহী ফ্লাইট পরিচালনাকারী বিমানবন্দর হিসেবে যাত্রা শুরু করল সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
- ২৭ এপ্রিল রাতে কার্গো ফ্লাইট উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
- সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গালিস্টেয়ার এভিয়েশনের একটি চার্টার্ড উড়োজাহাজ ৬০ টন পণ্য নিয়ে সিলেট থেকে স্পেনের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।
- প্রথম ফ্লাইটে রপ্তানি হওয়া পণ্যের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন কোম্পানির গার্মেন্টস সামগ্রী।
- এই উদ্বোধনী ফ্লাইটে কার্গো ও গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবা দিচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।

উল্লেখ্য,
- গত ৮ এপ্রিল ভারত কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিল করলে সরকার বিকল্প হিসেবে ওসমানী বিমানবন্দর দিয়ে কার্গো ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নেয়।
- বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক পণ্য পরিবহনের মানদণ্ড পূরণে বিস্ফোরক শনাক্তকরণ ব্যবস্থা, এক্স-রে স্ক্যানার এবং অতিরিক্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: নিউজ রিপোর্ট। [LINK]
২,১৯৭.
৭৮তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে বিশেষ স্বীকৃতপ্রাপ্ত বাংলাদেশি সিনেমার নাম কী? [মে, ২০২৫]
  1. মুক্তি
  2. আলী
  3. ছুটির ঘণ্টা
  4. মাটির ময়না
ব্যাখ্যা
৭৮তম কান চলচ্চিত্র উৎসব:
- ৭৮তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের স্পেশাল মেনশন সম্মান পেয়েছে বাংলাদেশের স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘আলী’।
- এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের কোনো সিনেমা প্রথমবারের মত কান চলচ্চিত্র উৎসবের মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে স্বীকৃতি পেল। 
- আদনান আল রাজীব পরিচালিত ১৫ মিনিট দৈর্ঘ্যের ছবিটির গল্প এক কিশোরকে কেন্দ্র করে।
- স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমাটির প্রযোজনা করেছেন বাংলাদেশের তানভীর হোসেন ও ফিলিপাইনের ক্রিস্টিন ডি লিওন।
- গত বছরের নভেম্বরে সিলেটে ‘আলী’র দৃশ্যধারণ হয়।

উল্লেখ্য,
- ৭৮তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে জমা পড়েছে ৪ হাজার ৭৮১টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
- এর মধ্য থেকে প্রতিযোগিতার জন্য নির্বাচিত হয় ১১টি ছবি। বাংলাদেশের ‘আলী’ সেগুলোরই একটি।
- আলী সিনেমাটি ২৩ মে কান উৎসবে প্রদর্শিত হয়।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
২,১৯৮.
বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতি’র বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ-২০১৯ নির্বাচিত হন কে?
  1. ক) সাকিব আল হাসান
  2. খ) রোমান সানা
  3. গ) মাশরাফি বিন মোরতুজা
  4. ঘ) জামাল ভুইঁয়া
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতি’র বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ-২০১৯ নির্বাচিত হন দেশসেরা আর্চার রোমান সানা। একই সাথে পপুলার চয়েজ অ্যাওয়ার্ডও লাভ করেন তিনি। বর্ষসেরা ক্রিকেটার ও ফুটবলার নির্বাচিত হন যথাক্রমে সাকিব আল হাসান এবং জামাল ভূইঁয়া। বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতি ১৯৬৪ সাল থেকে এই পুরস্কার দিয়ে আসছে।(সূত্র: দৈনিক কালেরকণ্ঠ, ২৪ জানুয়ারী ২০২০)
২,১৯৯.
বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডে ক্রিকেট অধিনায়ক কে ছিলেন?
  1. নাইমুর রহমান
  2. গাজী আশরাফ হোসেন লিপু
  3. ফারুখ আহমেদ
  4. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের ক্রিকেট অধিনায়ক:
- বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রথম অধিনায়ক আনোয়ারুল করিম শামীম। তিনি ১৯৭৭ সালে MCC এর বিরুদ্ধে অধিনায়কত্ব করেন।
- ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু।
- প্রথম আইসিসি ট্রফি হয় ১৯৭৯ সালে, সেবার অধিনায়ক ছিলেন রাকিবুল হাসান।
- প্রথম ওয়ানডে ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক ছিলেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম টি-টুয়েন্টি ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন শাহরিয়ার নাফীস।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ৯ আগস্ট ২০১৪. ESPN Cricinfo Statistics, ICC Stat and Newspapers.
২,২০০.
সম্প্রতি, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস কয় দফা প্রস্তাব দিয়েছেন? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. ৭ দফা
  2. ৮ দফা
  3. ৯ দফা
  4. ৪ দফা
ব্যাখ্যা

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে প্রস্তাব:
- বর্তমানে বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গার সংখ্যা ১৩ লাখ, যা কক্সবাজারকে বিশ্বের বৃহত্তম শরণার্থীশিবিরে পরিণত করেছে।
- গত ২৫ আগস্ট কক্সবাজারে রোহিঙ্গা অংশীজন সংলাপে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর বক্তব্যে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে যে সাত দফা প্রস্তাব তুলে ধরেন।
- তার মধ্যে রয়েছে: 
- রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবর্তনের জন্য বাস্তবসম্মত রোডম্যাপ প্রণয়ন, 
-  দাতাদের অব্যাহত সমর্থন,
-  মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ ও আরাকান আর্মির কাছে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও জীবিকা নিশ্চিত করার আহ্বান,
-  রোহিঙ্গাদের সঙ্গে গঠনমূলক সংলাপ ও অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা,
-  আসিয়ানসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সক্রিয় ভূমিকা,
-  গণহত্যার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এবং
-  আন্তর্জাতিক আদালতে জবাবদিহি ত্বরান্বিত করা।

সূত্র- কালের কণ্ঠ পত্রিকা প্রতিবেদন।