বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

মোট প্রশ্ন৩,৮২৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

PrepBank · পাতা ১৯ / ৩৮ · ১,৮০১১,৯০০ / ৩,৮২৪

১,৮০১.
বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র কোনটি?
  1. মহাখালী 
  2. বেতবুনিয়া
  3. কুমিল্লা
  4. তালিবাবাদ 
ব্যাখ্যা

• রাঙ্গামাটি জেলার কাউখালী উপজেলার বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র দেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র। 
- ৩০ জানুয়ারী ১৯৭০ খ্রি: তারিখে তৎকালীন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল আগা মোহাম্মদ ইয়াহিয়া খান বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। 
- বর্তমানে উক্ত কেন্দ্রের মাধ্যমে মোট ১১ টি দেশের সাথে টেলিফোন ডাটা কমিউনিকেশন, ফ্যাক্ম, টেলেক্ম ইত্যাদি আদান-প্রদান করা হয়। 

• ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র:
বাংলাদেশে ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র ৪টি। যথা:
- বেতবুনিয়া (রাঙ্গামাটি), 
- তালিবাবাদ (গাজীপুর),
- মহাখালী (ঢাকা) ।
- সিলেট।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৮০২.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়?
  1. ১৩৭তম
  2. ১৩৬তম
  3. ১৩৯তম
  4. ১৩২তম
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের ও বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- জাতিসংঘ চার্টার বা সনদের নিয়মকানুন মেনে চলতে আগ্রহী বিশ্বের যে কোনো শান্তিকামী স্বাধীন দেশ জাতিসংঘের সদস্য হতে পারে।
- বর্তমানে বিশ্বের ১৯৩টি দেশ জাতিসংঘের সদস্য।
- দক্ষিণ সুদান জাতিসংঘের ১৯৩তম সদস্যরাষ্ট্র।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের সর্বোচ্চ শান্তি সেনা প্রেরণকারী দেশ।
- ১৯৮৮ সালে ইরাক ও নামিবিয়া শান্তি মিশনে যোগদানের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতিসংঘের শান্তি মিশন শুরু করে।
- ছাড়া জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করার পর থেকে বাংলাদেশ এই বিশ্ব সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
- ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়।
- ১৯৭৯-৮০ এ সময়ের জন্য নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যপদে বাংলাদেশের নির্বাচন তার এ ভূমিকার স্বীকৃতি এবং বিশ্ব সম্প্রদায়ের আস্থার স্বাক্ষরবাহী।
- ১৯৮৪ সাল থেকে জাতিসংঘের কার্যপ্রণালিতে বাংলা ভাষার ব্যবহার আমাদের জন্য খুবই গৌরবের।
- ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
- তাঁর এই সভাপতি নির্বাচিত হওয়া বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের বিশেষ ভূমিকার কথাইস্মরণ করিয়ে দেয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই এবং জাতিসংঘ ওয়েব সাইট।

১,৮০৩.
কয়জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে ‘নজরুল পুরস্কার- ২০২৫’ প্রদান করা হয়েছে? [মে, ২০২৫]
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ৫ জন
ব্যাখ্যা
নজরুল পুরস্কার, ২০২৫:
- ২০২২ সালে বাংলা একাডেমি নজরুল পুরস্কার চালু করে।
- নজরুল পুরস্কার ২০২৫-এ ভূষিত করা হয় ২ জনকে। এরা হলেন: আনোয়ারুল হক এবং শবনম মুশতারী।
- নজরুল গবেষণায় অধ্যাপক আনোয়ারুল হক এবং নজরুলসংগীত-চর্চায় সংগীতশিল্পী শবনম মুশতারী অবদান রাখায় এ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। 
- পুরস্কারের অর্থমূল্য প্রতিটি ১ লাখ টাকা, সঙ্গে দেওয়া হবে সম্মাননা স্মারক ও উত্তরীয়।
- কবির ১২৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ২৫মে বাংলা একাডেমির অনুষ্ঠানে তাঁদের হাতে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলা একাডেমি।
১,৮০৪.
বাংলাদেশের প্রথম খেতাবপ্রাপ্ত ’গ্র্যান্ডমাস্টার’ অর্জন করেন কে?
  1. রিফাত বিন সাত্তার
  2. নিয়াজ মোরশেদ 
  3. জিয়াউর রহমান
  4. হান্নান মাসুদ
ব্যাখ্যা

দাবায় বাংলাদেশের গ্র্যান্ড মাস্টার:
- গ্র্যান্ড মাস্টার দাবার সর্বোচ্চ খেতাব।
- এটি দাবার আন্তর্জাতিক সংগঠন 'ফিদে'র তরফ থেকে দেওয়া হয়।
- একজন দাবারুকে ফিদে মাস্টার খেতাব পেতে হলে কমপক্ষে ২৩০০ রেটিং থাকতে হয়।
- বাংলাদেশ থেকে পাঁচজন দাবাড়ু গ্র্যান্ড মাস্টার সম্মাননা অর্জন করেছেন।
- বাংলাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদ।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮৭ সালে ২১ বছর বয়সে উপমহাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব অর্জন করেন নিয়াজ মোরশেদ।
- তিনি ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ও এশিয়ার পঞ্চম গ্র্যান্ড মাস্টার।
- দাবায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় গ্র্যান্ড মাস্টার জিয়াউর রহমান। 
- ২০০২ সালে দ্বিতীয় গ্র্যান্ডমাস্টার হন জিয়াউর রহমান। তিনি
- বাংলাদেশি দাবাড়ুদের মধ্যে সর্বোচ্চ ফিদে রেটিং অর্জন করেছিলেন।
- ২০০৬ সালে রিফাত বিন সাত্তার ৩য় গ্র্যান্ড মাস্টার।
- ২০০৭ সালে আবদুল্লাহ আল রাকিব ৪র্থ গ্র্যান্ড মাস্টার।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো। [লিঙ্ক]

১,৮০৫.
কোনো শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে স্থাপিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম ভাস্কর্য কোনটি?
  1. ক) সাবাশ বাংলাদেশ
  2. খ) স্বাধীনতার সংগ্রাম
  3. গ) অপরাজেয় বাংলা
  4. ঘ) জাগ্রত চৌরঙ্গী
ব্যাখ্যা
‘অপরাজেয় বাংলা’ কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে স্থাপিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম ভাস্কর্য।
এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সম্মুখ প্রাঙ্গনে অবস্থিত। এটির স্থপতি সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ। ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর এটি উদ্বোধন করা হয়।
‘জাগ্রত চৌরঙ্গী’ হলো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম ভাস্কর্য যা গাজীপুর চৌরাস্তায় অবস্থিত।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১,৮০৬.
বাংলা একাডেমির স্বপ্নদ্রষ্টা কে?
  1. ক) শেখ মজিবুর রহমান
  2. খ) হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
  3. গ) ড. মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ
  4. ঘ) ড. মুহম্মদ এনামুল হক
ব্যাখ্যা
- বাংলা একাডেমির স্বপ্নদ্রষ্টা হলেন -  ড. মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ।

• বাংলা একাডেমি:

 - বাংলা একাডেমির প্রথম নারী ও বর্তমান সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন কথা সাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক সেলিনা হোসেন।
- বাংলা একাডেমির স্বপ্নদ্রষ্টা : ড. মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ। 
- প্রথম প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (স্পেশাল অফিসার) : মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ।
- প্রথম পরিচালক : ড. মুহম্মদ এনামুল হক।
- প্রথম মহাপরিচালক : অধ্যাপক মযহারুল ইসলাম।
- প্রথম সভাপতি : মওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ।

উৎস:
বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
১,৮০৭.
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কোন দেশের মোট আয়তনের ন্যূনতম কতভাগ বনভূমি থাকা আবশ্যক?
  1. ক) ২০ ভাগ
  2. খ) ২৫ ভাগ
  3. গ) ৩০ ভাগ
  4. ঘ) ৪০ ভাগ
ব্যাখ্যা
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কোন দেশের মোট আয়তনের ন্যূনতম ২৫ ভাগ বনভূমি থাকতে হয়। তবে বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ মোট আয়তনের শতকরা ১৭ ভাগ।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১,৮০৮.
শিশুমৃত্যু হার কমানোর জন্য বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ক) মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল অ্যাওয়ার্ড
  2. খ) ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পদক
  3. গ) সাউথ-সাউথ অ্যাওয়ার্ড
  4. ঘ) চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ
ব্যাখ্যা
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা( এমডিজি) এর অন্যতম শিশুমৃত্যু হার কমানোর জন্য বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১০ সালে MDG Award 2010 লাভ করেন। 
- জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় ২০১৫ সালে জাতিসংঘ কর্তৃক চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ এবং ২০১৬ সালে নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদান রাখার জন্য Planet 50-50 চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। 

উৎস:- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।
১,৮০৯.
'গণতন্ত্রের মানসপুত্র' বলা হয় কাকে?
  1. শেরে বাংলা এ.কে ফজলুল হক
  2. মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  3. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. নওয়াব আব্দুল লতিফ
ব্যাখ্যা

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী:
- তিনি ছিলেন রাজনীতিক, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী।
- তিনি ১৮৯২ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। 
- হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে 'গণতন্ত্রের মানসপুত্র' বলা হয়।
- হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী ১৯২১ থেকে ১৯৫৮ সালের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক সভা এবং পাকিস্তান গণপরিষদের সদস্য ছিলেন।
- তিনি তাঁর রাজনৈতিক জীবনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত থেকেছেন।

• উল্লেখযোগ্য গুরুত্বপূর্ণ পদ-
- ১৯২৪ সালে কলকাতা কর্পোরেশনের ডেপুটি মেয়র,
- ১৯৩৭ সালের নির্বাচনোত্তর ফজলুল হক কোয়ালিশন মন্ত্রিসভার শ্রম ও বাণিজ্য মন্ত্রী,
- ১৯৪৩-১৯৪৫ সালে খাজা নাজিমউদ্দীন মন্ত্রিসভায় বেসামরিক সরবরাহ মন্ত্রী,
- ১৯৪৬-৪৭ সালে অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী,
- পাকিস্তান আমলে ১৯৫৪-৫৫ সালে মোহাম্মদ আলীর মন্ত্রিসভায় আইনমন্ত্রী এবং
- ১৯৫৬-১৯৫৭ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

১,৮১০.
শালবন বিহার কোথায়?
  1. গাজীপুর
  2. মধুপুর
  3. রাজবাড়ী
  4. কুমিল্লার ময়ানমতি পাহাড়ের পাশে
ব্যাখ্যা
শালবন বিহার:
- কুমিল্লার ময়নামতিতে খননকৃত সব প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে শালবন বিহার অন্যতম প্রধান।
- কোটবাড়িতে বার্ডেরকাছে লালমাই পাহাড়ের মাঝামাঝি এলাকায় এ বিহারটির অবস্থান।
- বিহারটির আশপাশে এক সময় শাল-গজারির ঘন বন ছিল বলে এ বিহারটির নামকরণ হয়েছিল শালবন বিহার।
- ধারণা করা হয় যে খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতাব্দীর শেষ থেকে অষ্টম শতাব্দীর প্রথম ভাগে দেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব এ বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন।
- শালবন বিহারের প্রতিটি বাহু ১৬৭.৭ মিটার দীর্ঘ।
- বিহারে ঢোকা বা বের হওয়ার মাত্র একটাই পথ ছিল।
- বিহারে সর্বমোট ১৫৫টি কক্ষ আছে।
- এই কক্ষগুলোতে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা বিদ্যাশিক্ষা ও ধর্মচর্চা করতেন।
- প্রত্নতাত্ত্বিক খননের মাধ্যমে বিহারটির ধ্বংসাবশেষ থেকে আটটি তাম্রলিপি, প্রায় ৪০০টি স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা, অসংখ্য পোড়া মাটির ফলক বা টেরাকোটা, সিলমোহর, ব্রৌঞ্জ ও মাটির মূর্তি পাওয়া গেছে।
- এগুলো বাংলাদেশের প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের স্বাক্ষর বহন করছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৮১১.
বাংলা ভাষাকে বাংলাদেশ ব্যতীত যে দেশের রাষ্ট্রভাষা করা হয়েছে-
  1. ক) সোমলিয়া
  2. খ) নেপাল
  3. গ) সিয়েরালিওন
  4. ঘ) লিবিয়া
ব্যাখ্যা
- সিয়েরা লিওন ২০০২ সালে বাংলা ভাষাকে সেখানকার সম্মানসূচক সরকারি ভাষার মর্যাদা দেয়। বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের ভূমিকাকে চিরস্মারণীয় রাখতে বাংলা ভাষাকে সিয়েরা লিয়ন এই সম্মান জানায়।
- সিয়েরা লিয়ন পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ। সিয়েরা লিওনের সাংবিধানিক নাম - সিয়েরা লিওন প্রজাতন্ত্র। রাজধানী - ফ্রিটাউন।
- দেশটিতে প্রায় ১৬টি জাতিগোষ্ঠী বসবাস করে, যাদের প্রত্যেকের রয়েছে আলাদা ভাষা ও রীতিনীতি।
- ইংরেজি ভাষা সিয়েরা লিওনের সরকারি ভাষা। তাছাড়া এখানে আরও প্রায় ২০টি ভাষা প্রচলিত।

উৎসঃ বিবিসি বাংলা আর্কাইভ ও ব্রিটানিকা।
১,৮১২.
বাংলাদেশ পুরুষ জাতীয় ফুটবল দলের বর্তমান প্রধান কোচ হলেন-  [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. হাসান আল-মামুন
  2. হাভিয়ের কাবরেরা
  3. পিটার বাটলার
  4. ফিল সিমন্স 
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ পুরুষ জাতীয় ফুটবল দলের বর্তমান প্রধান কোচ হলেন-হাভিয়ের কাবরেরা।

• বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন:

- সংক্ষেপে বাফুফে নামে পরিচিত।
- এটি হচ্ছে বাংলাদেশের ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
- এই সংস্থাটি ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- এটি ১৯৭৬ সালে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফার সদস্যপদ লাভ করে।
- ১৯৭৩ সালে সংস্থাটি তাদের আঞ্চলিক সংস্থা এএফসির সদস্য পদ লাভকরে।
- এর বর্তমান সভাপতি তাবিথ আউয়াল।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের বর্তমান হেড কোচ হলেন ফিল সিমন্স।
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল হেড কোচ পিটার বাটলার।

উৎস: বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

১,৮১৩.
How many spans are there in the Padma Bridge?
  1. 40
  2. 41
  3. 42
  4. 43
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:

- পদ্মা সেতু প্রকল্পতে চীনের একটি কোম্পানী কাজ করে।
- মূল সেতুর কাজ করেছে চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড।
- পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- এর ডেকের উচ্চতা ১৩ দশমিক ৬ মিটার।
- পদ্মা সেতু বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু। সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- মাওয়া প্রান্তের দৈর্ঘ্য ১ দশমিক ৬১৭ কিলোমিটার।
- জাজিরা প্রান্তের দৈর্ঘ্য ১০ দশমিক ৫০ কিলোমিটার।

তথ্যসূত্র - দ্যা ডেইলী স্টার, ২৫ জুন ২০২২।
১,৮১৪.
মসজিদের শহর বলা হয় কোনটিকে?
  1. ক) রিয়াদ
  2. খ) জাকার্তা
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) ইস্তানবুল
ব্যাখ্যা
ঢাকাকে মসজিদের শহর বলা হয়। তবে সম্প্রতি ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে বাগেরহাটকে মসজিদের শহর বলে আখ্যায়িত করেছে।
১,৮১৫.
'মনপুরা ৭০' শিল্পকর্মটি কী নিয়ে আঁকা?
  1. দুর্ভিক্ষ
  2. ঘুর্ণিঝড়
  3. গ্রামীণ সৌন্দর্য্য
  4. নদীর সৌন্দর্য্য
ব্যাখ্যা

 মনপুরা ৭০:
- সত্তরের ভয়াবহ ঘুর্ণিঝড়ে বিপর্যস্ত মানুষের অসহায়তাকে অবলম্বন করে একটি চিত্রশিল্প ‘মনপুরা ৭০’।
- এটি শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের শিল্পকর্ম।
- আধুনিকযুগে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন শিল্পচর্চার পথিকৃৎ।
- ১৯৪৩-এর বাংলার মন্বন্তর-ভিত্তিক চিত্রমালা তাঁকে ভারতব্যাপী খ্যাতি এনে দেয় এবং এক সকরুণ মানব-ট্র্যাজেডির তাৎক্ষণিক, সহানুভূতিপূর্ণ ও সবল রূপায়ন হিসেবে এগুলি বহির্বিশ্বেও শিল্পরসিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
- দুর্ভিক্ষের স্কেচে, কেবল তুলির কালো রেখায় যার সূচনা, সেটাকে বর্ণপ্রয়োগের ন্যূনতায় ও স্পেস ব্যবহারের পরিমিতিবোধে তিনি ক্রমশ এক নিজস্ব শৈলীতে রূপান্তরিত করেন।
- তাঁর এপর্যায়ের ছবিগুলো- ‘বিদ্রোহী’, ‘মই দেওয়া’, ‘সাঁওতাল যুগল’ ‘সংগ্রাম’ এবং লোকশৈলীর মটিফে জ্যামিতিক বিন্যাসে সন্নিবেশিত চিত্র- ‘পাইন্যার মা’, ‘প্রসাধন’, ‘গুণটানা' প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,৮১৬.
‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ বইটির রচয়িতা কে?
  1. আবুল মনসুর আহমদ
  2. কাজী মোতাহার হোসেন
  3. আহমদ ছফা
  4. আব্দুর রাজ্জাক
ব্যাখ্যা

আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর:
- ‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ বইটির রচয়িতা বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক ও সাহিত্যিক আবুল মনসুর আহমদ।
- এটি মূলত তাঁর আত্মস্মৃতিমূলক গ্রন্থ।
- এখানে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে পাকিস্তান আমল পর্যন্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতির নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ ফুটে উঠেছে।
- আবুল মনসুর আহমদের লেখা বহুল পঠিত ‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ বইটি ইংরেজিতে অনুবাদ করছেন রোচনা মজুমদার।

• আবুল মনসুর আহমেদ:
- আবুল মনসুর আহমদ ১৮৯৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ৮০ বছর বয়সে ১৯৭৯ সালের ১৮ মার্চ মারা যান।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে ‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’, ‘আত্মকথা’, ‘বেশী দামে কেনা কম দামে বেচা আমাদের স্বাধীনতা’, ‘শেরে বাংলা হইতে বঙ্গবন্ধু’, ‘বাংলাদেশের কালচার’, ‘গালিভারের সফরনামা’, ‘ব্যঙ্গরচনা’, ‘আয়না’, ‘ফুড কনফারেন্স’ প্রভৃতি।
- আবুল মনসুর আহমদ ১৯৪৬ সালে অবিভক্ত বাংলার কলকাতা থেকে প্রকাশিত দৈনিক কৃষক, নবযুগ ও ইত্তেহাদ-এর সম্পাদক ছিলেন।
- তিনি শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের যুক্তফ্রন্ট সরকারে প্রাদেশিক শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন। ১৯৫৭ সালে তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সরকারে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো। 

১,৮১৭.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রং কয়টি?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রং ২টি।

জাতীয় পতাকা:
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ অনুপাতে আয়তাকার, তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- প্রথম অবস্থায় পতাকার কেন্দ্রস্থলে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ছিল।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ছাত্রদের পক্ষে পতাকাটি উত্তোলন করেছিলেন তৎকালীন ডাকসুর ভিপি আ স ম আব্দুর রব।।
- শিবনারায়ণ দাস বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার অন্যতম এবং মূল নকশাকার।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২ মার্চ ২০২২ ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ২ মার্চ ২০২৩।
১,৮১৮.
পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার আবিষ্কার করেন কে?
  1. ধর্মপাল
  2. কানিংহাম
  3. জর্জ মার্শাল
  4. রাখালদাস
ব্যাখ্যা
- স্যার কানিংহাম সোমপুর বিহার আবিষ্কার করেন।

সোমপুর বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।

সূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৮১৯.
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কত সালে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর হাতে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক তুলে দেওয়া নির্দেশনা প্রদান করেন?
  1. ক) ২০১০
  2. খ) ২০১১
  3. গ) ২০০৯
  4. ঘ) ২০১২
ব্যাখ্যা
১৯৮৩ সাল থেকে শুরু হয় বিনামূল্যের পাঠ্যবই বিতরণ।
তবে ২০০৯ সাল পর্যন্ত প্রাথমিক স্তরের নির্ধারিত কয়েকটি বিষয়ের বই-ই কেবল শিক্ষার্থীদের দেওয়া হতো।
ঝরেপড়া রোধ করতে ও শতভাগ শিশুকে বিদ্যালয়ে ধরে রাখার স্বার্থে ২০০৯ সাল থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে পাঠ্যবই বিতরণের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেয় শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার।
২০১০ শিক্ষাবর্ষ থেকে বছরের প্রথম কর্মদিবসে পাঠ্যপুস্তক উৎসব পালন করা হয়।
২০১৪ সাল থেকে এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে প্রাক-প্রাথমিকও।
২০১৫ সালে যুক্ত হয়েছে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিশুদের ব্রেইল বই ও মাল্টিমিডিয়া সিডি।
আবার বেশ কিছু আদিবাসী গোষ্ঠীর শিশুদের জন্য তাদের বর্ণমালায় পাঠ্যপুস্তক বিনামূল্যে বিতরণ করার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

উৎসঃ বিভিন্ন পত্রিকার রিপোর্ট।
১,৮২০.
প্রথম সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’ এর পরিচালক কে?
  1. শেখ নিয়ামত আলী
  2. আব্দুল জব্বার খান
  3. খান আতাউর রহমান
  4. জহির রায়হান
ব্যাখ্যা

মুখ ও মুখোশ:
- পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশ ভূখণ্ডের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র হলো ‘মুখ ও মুখোশ’।
- ছবিটি পরিচালনা করেন আবদুল জব্বার খান।
- বাংলাদেশের প্রথম এই সবাক চলচ্চিত্র 'মুখ ও মুখোশ' এর সংগীত পরিচালক ছিলেন সমর দাস।
- ১৯৫৫ সালের ৩০ অক্টোবর শেষ হয় 'মুখ ও মুখোশ 'চলচ্চিত্রের শুটিং শুরু হয় ।
- মুখ ও মুখোশ মুক্তি পায় ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট।
- চলচ্চিত্রটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় রূপমহল প্রেক্ষাগৃহে।
- এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন পূর্ব পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
          ii) বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ।

১,৮২১.
ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে -
  1. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
  2. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  3. ৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  4. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি:
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর প্রথম ভুটান ও ভারত ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের জন্য স্বীকৃতি আদায়ের কাজটি খুব সহজসাধ্য ছিল না।
- কারণ, পাকিস্তানের বৈরী প্রচারণায় মুসলিম বিশ্বসহ চীন বাংলাদেশ সম্পর্কে নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করত।
- বঙ্গবন্ধুর সফল নেতৃত্বে ১৯৭৪ সালের মধ্যেই বাংলাদেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত ইউনিয়ন, জাপানসহ বিশ্বের অধিকাংশ রাষ্ট্র ও জাতিসংঘসহ প্রায় সকল আন্তর্জাতিক সংস্থার স্বীকৃতি লাভ করে।
- সাধারণ পরিষদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ যোগদান করে।
- বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে প্রথমবারের মতো মাতৃভাষা বাংলায় ভাষণ দেন। 
- বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে বাংলাদেশ বিশ্বের ১৩০টি রাষ্ট্রের স্বীকৃতি অর্জন করে।
- এ ছাড়া জাতিসংঘ, কমনওয়েলথ ও ইসলামি সম্মেলন সংস্থার সদস্যপদসহ ১৪টি আন্তর্জাতিক সংগঠনের সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৮২২.
বাংলাদেশ কত সালে OIC এর সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে 
ব্যাখ্যা

• OIC:
- পূর্ণরূপ: The Organisation of Islamic Cooperation
- এটি ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা।
- OIC  হলো মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট যা ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- OIC এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৭টি।
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দুটি দেশ গায়ানা ও সুরিনাম OIC সদস্য।
- ইউরোপ মহাদেশের আলবেনিয়া OIC সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে OIC এর সদস্যপদ লাভ করে।
- OIC এর সদরদপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
- OIC এর বর্তমান মহাসচিব, এইচ. ই. হিসেইন ইব্রাহিম তাহা (১২ তম)।
- মহাসচিবের মেয়াদ-৫ বছর।
- অফিসিয়াল ভাষা- তিনটি (আরবি, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ)।

তথ্যসূত্র: OIC অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১,৮২৩.
Which one of the following minerals is found at Gopalpur area of Netrokona district? 
  1. Coal
  2. White clay
  3. Lime stone
  4. Hard rock
  5. None
ব্যাখ্যা
সাদা মাটি/চীনামাটি:
- সাদা মাটি বা চীনামাটি (kaolin) একটি বিশেষ ধরনের মাটি যা প্রধানত সিলিকেট মিনারেল থেকে তৈরি।
- এই সাদা মাটি চীনামাটি হিসেবেও পরিচিত।
- এটি সাধারণত সাদা রঙের, কিন্তু এর গুণমান ও বৈশিষ্ট্য বিভিন্ন হতে পারে।
- এই মাটি সিরামিক, পেপার, পেইন্ট, ওষুধ, প্রসাধনী এবং অন্যান্য অনেক শিল্পে ব্যবহার করা হয়।
- নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর এবং গোপালপুর এলাকা, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ি, চট্টগ্রাম জেলার হায়দগাঁও এবং চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার বাইটুল ইজ্জত এলাকায় সাদা মাটির তলদেশে বা তলদেশে সাদা মাটির খনি রয়েছে।
- তবে এখানে পাওয়া সাদা মাটি সাধারণত উচ্চ মানের নয় এবং তাই এটি উচ্চ মানের আমদানিকৃত সাদা মাটির সাথে মিশিয়ে ব্যবহৃত হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০২১ সালের ১৭ জুন জিআই পণ্য সনদ পায় নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুরের পর্যটন স্পট সাদা মাটি।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, কালের কণ্ঠ পত্রিকা।
১,৮২৪.
কিওক্রাডাং-এর উচ্চতা প্রায়-
  1. ১০১০ মিটার
  2. ১৫৩০ মিটার
  3. ১২৩০ মিটার
  4. ১৩৬৪ মিটার
ব্যাখ্যা
• দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান এবং চট্টগ্রাম জেলার অংশবিশেষে অবস্থিত পাহাড়সমূহ নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত।
- এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা প্রায় ৬১০ মিটার।
- এখানকার পাহাড়গুলো পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে ক্রমশ বেড়েছে।

- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ তাজিং ডং বান্দরবান জেলায় অবস্থিত যার বর্তমান নাম বিজয়। এর উচ্চতা ১,২৩১ মিটার।
- আবার এ অঞ্চলের দক্ষিণ-পূর্বপ্রান্তে বান্দরবান জেলার কিওক্রাডং পর্বত অবস্থিত যার উচ্চতা ১,২৩০ মিটার।
- এ অঞ্চলে পাহাড়ের মাঝে মাঝে বহু সংকীর্ণ উপত্যকা দেখা যায়।
- এ উপত্যকা দিয়ে কর্ণফুলী, সাঙ্গু, মাতামুহুরী, হালদা, কাসালাং, নাফ প্রভৃতি নদী প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে মিশেছে। 

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮২৫.
সম্প্রতি থেয়ার ওয়ার্ল্ড এর 'আনলক বিগ চেঞ্জ' অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন কে? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. সৈয়দ মো. মাহফুজুর রহমান
  2. মেরিনা তাবাশ্যুম
  3. সৈয়দ রেজওয়ানা চৌধুরী
  4. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা

থেয়ারওয়ার্ল্ডের ‘আনলক বিগ চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড’:
- সম্প্রতি থেয়ার ওয়ার্ল্ড এর 'আনলক বিগ চেঞ্জ' অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

⇒ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে নিউইয়র্কের একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মুহাম্মদ ইউনূসকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
- শিক্ষা ও সামাজিক-অর্থনৈতিক উন্নয়নে তাঁর পথপ্রদর্শক ভূমিকা এবং মানবকল্যাণে আজীবন প্রতিশ্রুতির স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা পেলেন তিনি।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত থেয়ারওয়ার্ল্ডের বার্ষিক উচ্চপর্যায়ের গ্লোবাল এডুকেশন ডিনারে নোবেল শান্তি পুরস্কারবিজয়ী এবং গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ ইউনূসকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হলো।
- মুহাম্মদ ইউনূসের পাশাপাশি জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপো গ্রান্ডিকেও সম্মাননা দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, 
- শিশুদের জন্য নিবেদিত আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা থেয়ারওয়ার্ল্ড বিশ্বব্যাপী শিক্ষার সংকট নিরসন ও নতুন প্রজন্মের সম্ভাবনা বিকাশে কাজ করছে।

উৎস: প্রথম আলো।

১,৮২৬.
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মূল অংশের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ১৭.৪৮ কিলোমিটার
  2. ১৮.৮৭ কিলোমিটার
  3. ১৯.৭৩ কিলোমিটার
  4. ২০.৩৬ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে:
- ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মূল অংশের দৈর্ঘ্য ১৯.৭৩ কিলোমিটার।
- এক্সক্সপ্রেসওয়ের ১১.৫ কিলোমিটার অর্থাৎ বিমানবন্দর থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত অংশের উদ্বোধন করা হয়।
- ২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ সালে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করা হয়।
- বিদেশি বিনিয়োগে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) আওতায় পরিবহন খাতে এটাই প্রথম প্রকল্প।
- সম্পূর্ণ এক্সপ্রেসওয়ে অর্থাৎ তেজগাঁও থেকে কুতুবখালী পর্যন্ত আগামী বছরের জুনে চালু করার লক্ষ্য
ঠিক করেছে সরকার ।
- পুরো উড়ালসড়কে ৩১টি স্থান দিয়ে যানবাহন ওঠানামা (র‍্যাম্প) করার ব্যবস্থা থাকছে।
- কাওলা থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত অংশে ওঠা নামার জন্য মোট ১৫টি র‍্যাম্প থাকবে। এর মধ্যে ১৩টি র‍্যাম্প আগামীকাল যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
- প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, পিকআপ ও হালকা ট্রাককে ৮০, বাস ও মিনিবাস ১৬০, মাঝারি ট্রাক ৩২০ এবং ভারি ট্রাক বা ট্রেইলরে ৪০০ টাকা টোল দিতে হবে।

তথ্যসূত্র- ডেইলি স্টার, সেপ্টেম্বর ২, ২০২৩ ও দৈনিক যুগান্তর, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৩।
১,৮২৭.
সর্বশেষ "জাতীয় শ্রমনীতি" ঘোষণা করা হয় কোন সালে?
  1. ২০১৪ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০১০ সালে
  4. ২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার সুরক্ষা, ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং শ্রমিক-মালিক সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য সরকার ২০১২ সালে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় "জাতীয় শ্রমনীতি" ঘোষণা করে।

এ নীতির মূল উদ্দেশ্য ছিল:

- শ্রমিকদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা।
- আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) কনভেনশন অনুযায়ী আইন ও নীতি প্রণয়ন।
- নারী শ্রমিক ও শিশুশ্রম বিষয়ে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান।
- পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা (Occupational Safety and Health) নিশ্চিত করা।
- শ্রমিকদের জন্য প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা।
- এর আগে বাংলাদেশে শ্রম সংক্রান্ত নানা আইন থাকলেও একটি একক ও সমন্বিত জাতীয় শ্রমনীতি ছিল না। ফলে ২০১২ সালের এই নীতি শ্রমক্ষেত্রে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: জাতীয় শ্রমনীতি-২০১২।

১,৮২৮.
চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান তাঁর ব্যঙ্গচিত্র 'এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’তে প্রতীকী হিসেবে কার ছবি আঁকেন?
  1. ইয়াহিয়া খান
  2. টিক্কা খান
  3. আইয়ুব খান
  4. জুলফিকার আলী ভুট্টো
ব্যাখ্যা
এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে:
- বড় বড় চোখ, রক্তলাল জিব আর বিষদাঁত।
- ছবির নিচে ক্যাপশন ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে'।
- ছবিটি পুরো দেশের মানুষকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল ইয়াহিয়া নামের এক দানবের সঙ্গে।
- বাংলাদেশের মানুষের চোখে হানাদারের প্রতিকৃতি হয়ে আছে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার ওই পোস্টার।
- 'এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’ শিরোনামের মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক পোস্টারের শিল্পী কামরুল হাসান।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় কামরুল হাসান তাঁর সহশিল্পীদের বলেছিলেন, যুদ্ধে একজন শিল্পীর হাতিয়ার তাঁর রংতুলি।
- কামরুল হাসান তাঁর হাতিয়ার দিয়ে আঁকেন ইয়াহিয়া খানের রক্তচোষা দানবমূর্তি।
- শেষে তা হানাদার পাকিস্তানি বাহিনীর স্বরূপ হিসেবেই সারা বিশ্বের কাছে পরিচিতি পায়।
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রজন্মের কাছেও এ পোস্টার হানাদারের প্রতীক।
- সেগুনবাগিচার মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে রাখা আছে মুক্তিযুদ্ধের সময়ে ছাপা এ পোস্টার।

• কামরুল হাসান:
- কামরুল হাসান একজন চিত্রশিল্পী।
- প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- কামরুল হাসান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন (১৯৬৯-৭০) এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি ‘পটুয়া কামরুল হাসান’ নামে পরিচিতি লাভ করেন।
- ১৯৬০ সালে তিনি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের নকশাকেন্দ্রের প্রধান নকশাবিদ নিযুক্ত হন।
- কামরুল হাসানের চিত্রকলার প্রধান উপাদান নর-নারী, পশুপাখি (প্রধানত গরু ও শৃগাল), সাপ ও প্রকৃতি।
- চিত্রকলায় অসাধারণ অবদানের জন্য কামরুল হাসান বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত হন।
- সেসবের মধ্যে প্রেসিডেন্ট পুরস্কার (১৯৬৫), কুমিল্লা ফাউন্ডেশন স্বর্ণপদক (১৯৭৭), স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (১৯৭৯), চারুশিল্পী সংসদ সম্মান (১৯৮৪), বাংলা একাডেমির ফেলো (১৯৮৫) উল্লেখযোগ্য।

⇒ শিল্পকর্ম:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রতীকের ডিজাইনার কামরুল হাসান।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- কামরুল হাসানের 'তিন কন্যা' ও 'নাইওর' চিত্রকর্ম অবলম্বনে যুগোস্লাভ সরকার (১৯৮৫) ও বাংলাদেশ সরকার (১৯৮৬) ডাকটিকেট প্রকাশ করেছে।
- বিমানের বিখ্যাত "বলাকা" লোগোটি ডিজাইন করেছিলেন শিল্পী কামরুল হাসান।

⇒ কামরুল হাসানের অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে -
- রায়বেশে নৃত্য,
- ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে,
- ‘দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে’ প্রভৃতি।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ১৫ মার্চ ২০১৫, প্রথম আলো।
১,৮২৯.
২০২৫ সালের একুশে পদক লাভ করে -
  1. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল
  2. বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর
  3. গ্রামীণ ব্যাংক
  4. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল
ব্যাখ্যা

একুশে পদক ২০২৫:
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য দেশের ১৭ জন বিশিষ্ট নাগরিক এবং ১টি প্রতিষ্ঠানকে ২০২৫ সালের একুশে পদক প্রদান করা হয়েছে।
- ১টি প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল।

⇒ পুরস্কার প্রাপ্তরা -
- চলচ্চিত্রে আজিজুর রহমান (মরণোত্তর)।
- সংগীতে ওস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) ও ফেরদৌস আরা।
- আলোকচিত্রে নাসির আলী মামুন।
- চিত্রকলায় রোকেয়া সুলতানা।
- সাংবাদিকতায় মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর)।
- সাংবাদিকতা ও মানবাধিকারে মাহমুদুর রহমান।
- সংস্কৃতি ও শিক্ষায় শহীদুল আলম।
- শিক্ষায় নিয়াজ জামান।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে মেহদী হাসান খান, রিফাত নবী, তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
- সমাজসেবায় মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর)।
- ভাষা ও সাহিত্যে হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর) ও শহীদুল জহির (মরণোত্তর)।
- গবেষণায় মঈদুল হাসান।

উল্লেখ্য,
- একুশে পদক বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
- ১৯৭৬ সালে জিয়াউর রহমান একুশে পদক প্রবর্তন করেন।
- জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্যে এ পদক দেওয়া হয়।

অন্যদিকে,
- ২০২৩ সালে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর একুশে পদক লাভ করেন।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

১,৮৩০.
Which of the following is not one of the three leaders buried at the Tin Netar Mazar?
  1. A.K.Fazlul Huq
  2. Huseyn Shaheed Suhrawardy
  3. Khwaja Nazimuddin
  4. Abdul Hamid Khan Bhashani
ব্যাখ্যা

⇒ 'তিন নেতার মাজার'-এর সাথে সংশ্লিষত ব্যক্তি নয় আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।

তিন নেতার মাজার:
- রাজধানী ঢাকার দোয়েল চত্বরের কাছে অবস্থিত তিন নেতার মাজার বাংলাদেশের স্থাপত্য শিল্পের অন্যতম নিদর্শন।
- বাংলাদেশের জাতীয় তিন নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, খাজা নাজিমুদ্দিন এবং এ কে ফজলুল হক-এর সমাধির উপর ১৯৬৩ সালে স্থপতি মাসুদ আহমদ ও এস এ জহিরুদ্দিনের নকশায় তিন নেতার মাজার স্থাপনাটি নির্মাণ করা হয়েছে।
- তিন নেতার মাজারের কাছেই রয়েছে হাইকোর্ট এবং শিশু একাডেমি।
- স্বাধীনতার পূর্ব সময়ে এই তিন মহান নেতাই তৎকালীন অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে নিযুক্ত ছিলেন।
- বাংলার বাঘ খ্যাত শের-এ-বাংলা এ.কে. ফজলুল হক ছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী।
- ফজলুল হক ১৯৫৪ সালে পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া যুক্তফ্রন্ট গঠনে তাঁর ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য।
- খাজা নাজিমুদ্দিন ১৯৪৮ সালে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন। ১৯৫১ সালে তাঁকে পাকিস্তানের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করা হয়।
- হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ১৯২৪ সালে কলকাতা পৌরসভার ডেপুটি মেয়র হন এবং খাজা নাজিমুদ্দিনের মন্ত্রীসভায় তিনি শ্রমমন্ত্রী নিযুক্ত ছিলেন। ১৯৫৭ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৮৩১.
উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত উড়ালপথে মেট্রোরেলের দূরত্বকত কি.মি.?
  1. ক) ২৫
  2. খ) ২৫.১০
  3. গ) ২০.১০
  4. ঘ) ১০.৫০
ব্যাখ্যা
- উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত দেশের প্রথম উড়াল মেট্রোরেল নির্মিত হচ্ছে যা এমআরটি লাইন-৬ নামে পরিচিত।
- এটির মোট দৈর্ঘ্য ২০.১ কিলোমিটার।
- স্টেশন সংখ্যা ১৬টি।
- যাত্রী পরিবহন ক্ষমতা : প্রতি ঘণ্টায় ৬০ হাজার এবং দৈনিক প্রায় ৫ লক্ষ।
- কাজের উদ্বোধন : ২৬ জুন ২০১৬ এবং কাজ শেষ হবে ১৬ ডিসেম্বর ২০২১।
- অর্থায়ন: Japan International Cooperation Agency (JICA)।
- মেট্রোরেল পরিচালনার জন্যে গঠিত সংস্থা Dhaka Mass Transit Company Limited.

(সূত্র: DMTCL ওয়েবসাইট)
১,৮৩২.
বাংলাদেশ টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৯৬০ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৫৪ সালে
  4. ১৯৬৪ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ টেলিভিশন:
- বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলাভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।
- ১৯৬৪ সালের ২৫শে ডিসেম্বর একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে এর যাত্রা শুরু হয়।
- তৎকালীন ডি আই টি ভবনের (বর্তমানে রাজউক কার্যালয়) দুটি কক্ষে মাত্র ৩ ঘন্টা চলতো এর সম্প্রচার কার্যক্রম।
- ১৯৬৭ সালে তৎকালীন পাকিস্তান টেলিভিশন কর্পোরেশন ও ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে (পি.ও নং-১১৫) বাংলাদেশ টেলিভিশন নামে রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলে পরিণত হয়।
- ১৯৭৫ সালের ৯ই ফেব্রুয়ারি বিটিভি স্থানান্তরিত হয় রামপুরার নিজস্ব টিভি ভবনে।
- ৬ই মার্চ ১৯৭৫ সাল হতে রামপুরা টিভি ভবনে নতুন আঙ্গিকে শুরু হয় বিটিভির সম্প্রচার কার্যক্রম।
- ১৯৮০ সালে শুরু হয় বিটিভির রঙিন সম্প্রচার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৮৩৩.
‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প পুরস্কার-২০২২’ পেয়েছে কয়টি শিল্প প্রতিষ্ঠান?
  1. ৯টি
  2. ১০টি
  3. ১১টি
  4. ১২টি
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প পুরস্কার-২০২২:
- বেসরকারি খাতে শিল্প স্থাপন, পণ্য উৎপাদন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জাতীয় আয় বৃদ্ধিসহ অর্থনীতিতে অবদানের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প পুরস্কার ২০২২  পেয়েছে ১২টি শিল্প প্রতিষ্ঠান।
- ২০২২ সালের জন্য বৃহৎ, মাঝারি, ক্ষুদ্র, মাইক্রো, কুটির ও হাই-টেক শিল্প ক্যাটাগরিতে ১২টি শিল্প প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার দেওয়া হয়।
- ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প পুরস্কার প্রাপ্ত প্রত্যেককে নগদ অর্থ এবং সম্মাননাস্বরূপ গোল্ড মেডেল প্রদান করা হয়। 

বৃহৎ শিল্প ক্যাটাগরিতে -
- ১ম হয়েছে রানার অটোমোবাইলস লি.,
- ২য় হয়েছে জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেব্রিক্স লি.,
- ৩য় হয়েছে বিএসআরএম স্টিলস্ লি.।

মাঝারি শিল্প ক্যাটাগরিতে -
- ১ম হয়েছে নিতা কোম্পানি লি. এবং
- ২য় হয়েছে নোমান টেরি টাওয়াল মিলস্ লি.।

ক্ষুদ্র শিল্প ক্যাটাগরিতে -
- ১ম হয়েছে হযরত আমানত শাহ স্পিনিং মিলস্ লি.,
- ২য় হয়েছে বসুমতী ডিস্ট্রিবিউশন লি. এবং
- ৩য় হয়েছে টেকনো মিডিয়া লি.। 

মাইক্রো শিল্প ক্যাটাগরিতে -
- ১টি প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হয়েছে, গ্রিন জেনেসিস ইঞ্জিনিয়ারিং লি.।

কুটিরশিল্প ক্যাটাগরিতে -
- ১টি প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হয়েছে সামসুন্নাহার টেক্সটাইল মিলস্।

হাইটেক শিল্প ক্যাটাগরিতে -
- ১ম হয়েছে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লি. এবং
- ২য় হয়েছে সুপার স্টার ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যাক্সেসরিজ লি.।

উৎস: ৩ অক্টোবর, ২০২৩, সমকাল। [link]
১,৮৩৪.
কোন দেশের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ক্রিকেটে জয়লাভ করে?
  1. ওয়েস্ট ইন্ডিজ
  2. জিম্বাবুয়ে
  3. ভারত
  4. শ্রীলঙ্কা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- ২০০৫ সালে, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ তাদের প্রথম টেস্ট জয় পায়।
- এর আগে, ২০০০ সালে বাংলাদেশ টেস্ট মর্যাদা অর্জন করে এবং
- ২০০০ সালের নভেম্বরে ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট জয় বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের অন্যতম সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ওয়েবসাইট।
১,৮৩৫.
'জয় বাংলা, জয় তারুণ্য' ভাস্কর্যের স্থপতি-
  1. ক) আজিজুল জলিল পাশা
  2. খ) শামীম শিকদার
  3. গ) আলাউদ্দিন বুলবুল
  4. ঘ) নভেরা আহমেদ
ব্যাখ্যা

- জয় বাংলা, জয় তারুণ্য' ভাস্কর্যটি অবস্থির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।
- শহীদ মিজানুর রহমান মিজানের স্মরণে এটি বানানো হয়েছে।
- এটি নির্মাণের প্রেক্ষাপট ছিল ১৯৯১ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আন্দোলন।
- ভাস্কর্যটির শিল্পী ছিলেন- আলাউদ্দিন বুলবুল(১৯৯২) এবং রনি পাল ও আব্দুল মালেক (পুনঃনির্মান- ২০১৭)।

১,৮৩৬.
বাংলাদেশের মুসা ইব্রাহীম কত তারিখে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টের শিখরে পা রাখেন?
  1. ক) ২৩ মে ২০১০
  2. খ) ২৪ মে ২০১০
  3. গ) ২৫ মে ২০১০
  4. ঘ) ২৬ মে ২০১০
ব্যাখ্যা
এভারেস্ট বিজয়ী:

- বাংলাদেশের প্রথম এভারেস্ট বিজয়ী মুসা ইব্রাহীম।
- ২৩ মে ২০১০ সালে তিনি এভারেস্ট জয় করেন।
- এভারেস্টের দুই দিক থেকে দুইবার জয় করেন এম এ মুহিত।
- বাংলাদেশের প্রথম এভারেস্ট বিজয়ী নারী নিশাত মজুমদার (১৯মে, ২০১২)।
- দ্বিতীয় এভারেস্ট বিজয়ী নারী ওয়াসফিয়া নাজরীন। 

তথ্যসূত্র - সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট। 
১,৮৩৭.
বাংলাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার দাবাড়ু কে?
  1. রিফাত বিন সাত্তার
  2. জিয়াউর রহমান
  3. রানী হামিদ
  4. নিয়াজ মোরশেদ
ব্যাখ্যা

নিয়াজ মোরশেদ: 
- নিয়াজ মোরশেদ বাংলাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার।
- তিনি ১৯৭৯ সালে ভারতের কলকাতায় ১ম বারের মতো যেকোন পর্যায়ের আন্তর্জাতিক দাবা প্রতিযোগিতায় নিয়াজ অংশ নেন।
- ১৯৮৭ সালে উপমহাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব অর্জন করেন নিয়াজ মোরশেদ।
- তিনি মাত্র ২১ বছর বয়সে এই খেতাব অর্জন করেন।
- দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ও এশিয়ার পঞ্চম গ্র্যান্ড মাস্টার ছিলেন তিনি।
- তিনি ১৯৮৪, ১৯৯০, ১৯৯৪, ১৯৯৬, ২০০২ এবং ২০০৪ সালে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দাবা অলিম্পিয়াডে প্রতিনিধিত্ব করেন।

উল্লেখ্য,
- গ্র্যান্ড মাস্টার দাবার সর্বোচ্চ খেতাব।
- এটি দাবার আন্তর্জাতিক সংগঠন ‘ফিদে’র তরফ থেকে দেওয়া হয়।
- একজন দাবাড়ুকে ফিদে মাস্টার খেতাব পেতে হলে কমপক্ষে ২৩০০ রেটিং থাকতে হয়।
- ১৯৮৪ সাল থেকে দাবা অলিম্পিয়াডে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ দাবা দল।
- বর্তমানে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মাস্টার পাঁচ জন রয়েছে এবং সর্বকনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক মাস্টার মনন রেজা নীড়।

উৎস: দাবা ফেডারেশন ওয়েবসাইট।

১,৮৩৮.
কৃত্রিম অক্সিজেন ছাড়া প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মানাসলু শৃঙ্গ কে জয় করেছেন?
  1. তানভীর আহমেদ
  2. বাবর আলী
  3. এম এ মুহিত
  4. তৌফিক আহমেদ তমাল
ব্যাখ্যা

মানাসলু পর্বত জয়:
- মানাসলু পর্বত পশ্চিম-মধ্য নেপালের নেপালি হিমালয়ের অংশ মানসিরি হিমালে অবস্থিত।
- উচ্চতায় ৮ম হলেও বিশ্বের প্রাণঘাতী পর্বতগুলোর মধ্যে এর অবস্থান চতুর্থ।
- এটি পৃথিবীর অষ্টম উচ্চতম পর্বত যার উচ্চতা ৮,১৬৩ মিটার/ ২৬,৭৮১ ফুট। 

⇒ কৃত্রিম অক্সিজেন ছাড়া প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মানাসলু শৃঙ্গ জয় করেছেন বাবর আলী।  ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটে এই পর্বতশৃঙ্গ জয় করেন বাবর। শিখরে বাবরের সঙ্গে ছিল দীর্ঘদিনের পর্বতসাথী বীরে তামাং।
- বাবর আলীর পাশপাশি এদিন ‘মানাসলু’ জয় করেছেন বাংলাদেশের আরেক পর্বতারোহী তানভীর আহমেদ। বাবর আলী ও তানভীর আহমেদ দুজনই পর্বতারোহণ ক্লাব ভার্টিক্যাল ড্রিমার্সের সদস্য। তাদের এই যৌথ অভিযানের নাম  ‘মানাসলু অ্যাসেন্ট: ভার্টিক্যাল ডুয়ো’।
 - ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে ভোর ৪টায় তৌফিক আহমেদ তমাল মানাসলু পর্বত জয় করেন।
- ২০১১ সালের ১২ অক্টোবর প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মানাসলু শৃঙ্গে ওঠেন এভারেস্টজয়ী পর্বতারোহী এম এ মুহিত।

উৎস: প্রথম আলো।

১,৮৩৯.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেল সেতু কোন দুইটি জেলাকে সংযুক্ত করেছে?
  1. টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জ
  2. পাবনা ও মানিকগঞ্জ
  3. টাঙ্গাইল ও পাবনা
  4. সিরাজগঞ্জ ও মানিকগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেল সেতু:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেল সেতু যমুনার নদীর ওপর নির্মিত।
- সেতুটি টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
- সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার।
- সেতুর মোট স্প্যান ৪৯টি।
- সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৫০টি।
- সেতুটিতে ডুয়েল গেজ ডাবল রেললাইন নির্মাণ করা হবে।
- এর নির্মাণ ব্যয় ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা।
- ২০২০ সালের ২৯ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেতুটি নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- সেতুর ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন চলাচল করতে পারবে।

উল্লেখ্য,
- জাপান ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে সেতুটি নির্মিত হচ্ছে।
- ডব্লিউডি-১ ও ডব্লিউডি-২ নামে দুটি প্যাকেজে জাপানি পাঁচটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।
- ডব্লিউডি-১ প্যাকেজটি বাস্তবায়ন করছে জাপানি আন্তর্জাতিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ওবাইসি, টোআ করপোরেশন ও জেইসি (ওটিজে) জয়েন্ট ভেঞ্চার।
- ডব্লিউডি-২ প্যাকেজটি বাস্তবায়নে রয়েছে জাপানের আইএইচআই ও এসএমসিসি জয়েন্ট ভেঞ্চার।
- সেতুটি নির্মাণে জাপান, ভিয়েতনাম, নেপাল, অস্ট্রেলিয়া, ফিলিপাইন ও বাংলাদেশের কর্মীরা নিয়োজিত আছেন।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ১০ মে, ২০২৪ ও সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।
১,৮৪০.
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বাংলাদেশের মোট রেমিট্যান্স প্রাপ্তির পরিমাণ কত?
  1. ৩৭.৮ বিলিয়ন
  2. ৩০.৮ বিলিয়ন
  3. ৩২.৮ বিলিয়ন
  4. ২৮.০ বিলিয়ন
ব্যাখ্যা

- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, ২০২৫ সালে বিদেশে বাংলাদেশিরা রেকর্ড ৩২.৮ বিলিয়ন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন ।
-  বাংলাদেশ ব্যাংকের (বিবি) তথ্য অনুসারে, এই পরিমাণ আগের বছরের রেকর্ডকৃত ২৬.৮৮ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় ২২ শতাংশ বেশি।
- ৩০ ডিসেম্বর বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ মোট রিজার্ভকে ৩৩.১৮ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে সাহায্য করেছে, যা এক বছর আগের ২৫ বিলিয়ন ডলার ছিল।
- বেশি প্রবাসী আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং চ্যানেল ব্যবহার করার ফলে রেমিট্যান্স উন্নতি হয়েছে।
- ২০২৫ সালে সর্বকালের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে বলে উল্লেখ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

উৎস: দ্যা ডেইলি স্টার।

১,৮৪১.
‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২’ অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট
  2. খ) বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট
  3. গ) বিদ্যুৎ বিভাগ
  4. ঘ) খ ও গ
ব্যাখ্যা

- ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২’ লাভ করে - বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BWMRI) ও বিদ্যুৎ বিভাগ।
- ১৮ মার্চ, ২০২২ তারিখে জাতীয় পর্যায়ে গৌরবােজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৫টি ক্যাটাগরিতে ৯ জন বিশিষ্ট নাগরিক ও একটি প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২' প্রদান করে বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ।
- ‘স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশের জাতীয় এবং “সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার”।
- দেশ ও জাতির কল্যাণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৭ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
- বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র:- মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ।

১,৮৪২.
২য় বারের মতো আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার–২০২৫ এর জন্য নির্বাচিত হয়েছেন কে? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. খালেদা একরাম
  2. আহসান আলী
  3. মেরিনা তাবাশ্যুম
  4. এনামুল করিম নির্ঝর
ব্যাখ্যা

আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার:
- বাংলাদেশের খ্যাতিমান স্থপতি মেরিনা তাবাশ্যুম দ্বিতীয় দফায় স্থাপত্যের সম্মানজনক স্বীকৃতি আগা খান পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। 
- মেরিনা তাবাশ্যুম প্রথম বাংলাদেশি স্থপতি, যিনি দ্বিতীয়বার এ পুরস্কার জিতেছেন।
- তাঁর নকশা করা ‘খুদি বাড়ি’ প্রকল্প আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার–২০২৫ এর জন্য মনোনীত হয়েছে।
মেরিনা তাবাশ্যুম বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারপারসন এবং ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’–এর প্রধান পরামর্শক।

উল্লেখ্য,
- প্রয়াত প্রিন্স করিম আগা খান চতুর্থ ১৯৭৭ সালে আগা খান পুরস্কার প্রবর্তন করেন।
- এ পুরস্কারের মাধ্যমে এমন নির্মাণশৈলী চিহ্নিত করে উৎসাহ দেওয়া হয়, যাতে মুসলিম অধ্যুষিত জনগোষ্ঠীর আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটে।
- এ পুরস্কারের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় একটি স্থাপনা মানুষের আর্থসামাজিক চাহিদা পূরণের সঙ্গে সঙ্গে তাদের সাংস্কৃতিক জীবনে কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখে, তা-ও গুরুত্বসহকারে দেখা হয়।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১,৮৪৩.
বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক (Bangamata Begum Fazilatun Nesa Mujib Award) কত সাল থেকে চালু হয়?
  1. ক) ১৯৯৬ সাল
  2. খ) ২০০০ সাল
  3. গ) ২০২১ সাল
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত প্রশ্নের উত্তর: ২০২১ সাল। 

• বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীর অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে ২০২১ সালে প্রবর্তিত বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পদকের জন্য এ বছর (২০২২) যাদের নাম সুপারিশ করা হয়েছে তারা হলেন

- স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে - যুদ্ধকালীন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আশালতা বৈদ্য (গোপালগঞ্জ)।
- রাজনীতিতে - সৈয়দা জেবুন্নেছা হক (সিলেট)।
- অর্থনীতিতে - সংসদ সদস্য সেলিমা আহমাদ (কুমিল্লা) ৷
- শিক্ষায় - অধ্যাপক নাসরিন আহমাদ (সিলেট)।
- সমাজসেবায় - মোছা: আছিয়া আলম (কিশোরগঞ্জ)।

উৎস: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার, আগস্ট ২০২২।
১,৮৪৪.
Which of the following is not the artworks of Quamrul Hassan?
  1. Nabanna
  2. Bengal famine of 1943
  3. Tin Kanya
  4. These animals have to be killed
  5. Naior
ব্যাখ্যা
কামরুল হাসান:
- কামরুল হাসান একজন চিত্রশিল্পী।
- প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- কামরুল হাসান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন (১৯৬৯-৭০) এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি ‘পটুয়া কামরুল হাসান’ নামে পরিচিতি লাভ করেন।
- ১৯৬০ সালে তিনি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের নকশাকেন্দ্রের প্রধান নকশাবিদ নিযুক্ত হন।
- কামরুল হাসানের চিত্রকলার প্রধান উপাদান নর-নারী, পশুপাখি (প্রধানত গরু ও শৃগাল), সাপ ও প্রকৃতি।
- তার কিছু উল্লেখযোগ্য কাজ হলো: গুন টানা, দ্য হ্যাপি রিটার্ন, বিরল, নবান্ন, গোরুর স্নান ইত্যাদি।

⇒ চিত্রকলায় অসাধারণ অবদানের জন্য কামরুল হাসান বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত হন।
- সেসবের মধ্যে প্রেসিডেন্ট পুরস্কার (১৯৬৫), কুমিল্লা ফাউন্ডেশন স্বর্ণপদক (১৯৭৭), স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (১৯৭৯), চারুশিল্পী সংসদ সম্মান (১৯৮৪), বাংলা একাডেমির ফেলো (১৯৮৫) উল্লেখযোগ্য।

⇒ শিল্পকর্ম:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রতীকের ডিজাইনার কামরুল হাসান।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- কামরুল হাসানের 'তিন কন্যা' ও 'নাইওর' চিত্রকর্ম অবলম্বনে যুগোস্লাভ সরকার (১৯৮৫) ও বাংলাদেশ সরকার (১৯৮৬) ডাকটিকেট প্রকাশ করেছে।
- বিমানের বিখ্যাত "বলাকা" লোগোটি ডিজাইন করেছিলেন শিল্পী কামরুল হাসান।

⇒ কামরুল হাসানের অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে -
- রায়বেশে নৃত্য,
- ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে,
- ‘দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে’ প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
- ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ–চিত্রমালার জন্য বিখ্যাত ছিলেন জয়নুল আবেদীন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ডিসেম্বর ২১, ২০২২, বণিক বার্তা।
১,৮৪৫.
ডেনমার্কের সাথে লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণে কত বছরের জন্য চুক্তি করা হয়েছে?
  1. ৩৫ বছর
  2. ৩০ বছর
  3. ৩৩ বছর
  4. ৩১ বছর
ব্যাখ্যা

লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল চুক্তি:
- পতেঙ্গায় লালদিয়ার চরে টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনায় ১৭ নভেম্বর, ২০২৫ ডেনমার্কের মায়ের্সক গ্রুপের এপিএম টার্মিনালসের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চুক্তি সই হয়।
- ৩৩ বছর মেয়াদি এ চুক্তিটি করছে বাংলাদেশ অন্তর্বর্তী সরকার।
- এর মধ্যে নির্মাণে ৩ বছর এবং বাকি ৩০ বছর পরিচালনার।
- শর্ত পূরণ হলে আরও ১৫ বছর মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ আছে।

- এটি একধরনের , বন্দরের কনসেশন চুক্তিটি
- কনসেশন চুক্তি হয় সরকারি–বেসরকারি অংশীদারির প্রকল্পের আওতায় সরকারি সংস্থা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে।

- সাধারণত নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কোনো টার্মিনাল উন্নয়ন বা টার্মিনাল নির্মাণের জন্য জমি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে তুলে দেওয়া হয়।
- বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করে টার্মিনাল নির্মাণ বা উন্নয়ন করে।
- এর বিনিময়ে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সেবার বিনিময়ে মাশুল আদায় করে।
- মাশুলের নির্ধারিত অংশ দর–কষাকষির মাধ্যমে পায় সরকারি সংস্থা।

উৎস: প্রথম আলো।

১,৮৪৬.
প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা সবাক চলচ্চিত্রের নাম কী?
  1. এদেশ তোমার আমার
  2. জাগো হুয়া সাভেরা
  3. মুখ ও মুখোশ
  4. মাটির পাহাড়
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র মুক্তির নিরবচ্ছিন্ন ধারার সূচনা হয়েছিল ১৯৫৯ সাল থেকে।
- প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা সবাক চলচ্চিত্র মুখ ও মুখোশ মুক্তি পেয়েছিল ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট।
- তবে এর পরবর্তী দু-বছর কোনো ছবি মুক্তি পায়নি।
- কিন্তু তার মানে এই নয় যে, এ-সময়ে কোনো ছবি নির্মাণের কাজ চলেনি।
- প্রকৃতপক্ষে ছবি নির্মাণের কাজ চলেছিল বলেই ১৯৫৯ সালে চারটি ছবি মুক্তি পেয়েছিল।
• ছবিগুলো ছিল –
- এ জে কারদারের জাগো হুয়া সাভেরা,
- ফতেহ লোহানীর আকাশ আর মাটি,
- মহীউদ্দীনের মাটির পাহাড় ও
- এহতেশামের এদেশ তোমার আমার।

উৎস: কালি ও কলম ওয়েবসাইট।
১,৮৪৭.
বাংলাদেশ সর্বপ্রথম কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ওআইসি
  2. বিশ্বব্যাংক
  3. কমনওয়েলথ
  4. আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল সর্বপ্রথম কমনওয়েলথের ৩২ তম সদস্য হিসেবে সদস্যপদ লাভ করে।

অন্যদিকে,
• OIC এর সদস্য পদ লাভ করে ১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি।
• FAO এর সদস্য পদ লাভ করে ১২ নভেম্বর ১৯৭৩ সালে।
•ILO এর সদস্য পদ লাভ করে ২২ জুন ১৯৭২।

উল্লেখ্য,

- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের সদস্য পদ লাভ করে - ১৮ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথ এর ৩২-তম সদস্য রাষ্ট্র। 
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের সদস্য হওয়ায় কমনওয়েলথ ত্যাগ করেছিল পাকিস্তান পরবর্তীতে ১৯৮৯ সালে পুনরায় যোগদান করে।

উৎস: কমনওয়েলথের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।  

১,৮৪৮.
২০২৫ সালে টাইম ম্যাগাজিনের “World’s Greatest Places” তালিকায় বাংলাদেশের কোন স্থাপনাটি স্থান পায়?
  1. পদ্মা সেতু
  2. জেবুন নেসা মসজিদ
  3. পুঠিয়া রাজবাড়ী
  4. কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশন
ব্যাখ্যা

২০২৫ সালে টাইম ম্যাগাজিনের “World’s Greatest Places” তালিকায়  স্থান পায়, বাংলাদেশের সাভারের আশুলিয়ার জামগড়ার দরগার পাড় এলাকার জেবুন নেসা মসজিদ।
- মসজিদটির স্থপতি সায়কা ইকবাল মেঘনা ।
-  মনোলিথিক গঠনে তৈরি এই মসজিদটিকে 'ব্রিদিং প্যাভিলিয়ন' হিসেবে নকশা করা হয়েছে।
- এতে রয়েছে প্রাকৃতিক আলো-বাতাসের ব্যবস্থা।

উৎস: প্রথম আলো। 

১,৮৪৯.
Which has been established to create public awareness about Metrorail usage in Bangladesh?
  1. ক) DMCCL
  2. খ) MREIC
  3. গ) DMTCL
  4. ঘ) MRTCL 
ব্যাখ্যা
মেট্রোরেল
- অত্যাধুনিক গণপরিবহন হিসেবে মেট্রোরেল সম্পর্কে জনসাধারণকে সম্যক ধারণা প্রদানের লক্ষ্যে MRT Line-6 এর উত্তরা ডিপো এলাকায় Metro Rail Exhibition & Information Center (MREIC) নির্মাণ করা হয়েছে।
- মেট্রো ট্রেনের Mock Up উত্তরা ডিপোস্থ MREIC-তে স্থাপন করা হয়েছে। মূল মেট্রো ট্রেন সেটের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জনসাধারণকে মেট্রো ট্রেনের যাতায়াত সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা প্রদানের নিমিত্ত স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলাচলে সক্ষম ০২ সেট Mini মেট্রো ট্রেন সংগ্রহ করে স্থাপন করা হয়েছে।
- মেট্রো স্টেশনের সঙ্গে মিল রেখে Ticket Office Machine (TOM) এবং Ticket Vending Machine (TVM) উত্তরাস্থ MREIC-তে স্থাপন করা হয়েছে। মেট্রো স্টেশনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে Smart Card Based স্বয়ংক্রিয় প্রবেশ এবং বহিরগমন গেইটও স্থাপন করা হয়েছে।
- MREIC-এর প্রদর্শনী হলে প্রদর্শনের জন্য মেট্রোরেলের অভ্যন্তরে ও মেট্রোরেল স্টেশনে যাত্রীগণের করণীয় এবং বর্জনীয় বিষয়সমূহেরসচিত্র উপস্থাপনা সম্বলিত ডিসপ্লে বোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। 
- MREIC-এর ভিডিও প্রদর্শনী হলে প্রদর্শনের জন্য ভিডিও এবং এ্যানিমেটেড কার্টুন নির্মাণের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

উৎস : DHAKA MASS TRANSIT COMPANY LIMITED (DMTCL) Website
১,৮৫০.
Which European country first recognized Bangladesh as a sovereign state?
  1. Finland
  2. Hungary
  3. East Germany
  4. Bulgaria
  5. West Germany
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে মোট ১৫০টি দেশ স্বীকৃতি প্রদান করে। 
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে সর্বপ্রথম ভারত স্বীকৃতি প্রদান করে।
- ভুটান ও ভারত উভয় দেশই বাংলাদেশকে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর স্বীকৃতি দিয়েছিল। 
- সর্বশেষ দেশ হিসেবে চীন বাংলাদেশকে ১৯৭৫ সালের ৩১ আগস্ট স্বীকৃতি প্রদান করে। 
 
উল্লেখ্য,
- তৃতীয় দেশ ও প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে পূর্ব জার্মানি ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

অন্যদিকে,
- বুলগেরিয়া ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- পশ্চিম জার্মানি ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- হাঙ্গেরি ১৯৭২ সালের ২৬ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- ফিনল্যান্ড ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
 
উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১,৮৫১.
নিচের কোনটি কামরুল হাসানের শিল্পকর্ম নয়?
  1. নাইওর
  2. দুর্ভিক্ষ চিত্রমালা
  3. এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে
  4. রায়বেশে নৃত্য
ব্যাখ্যা
দুর্ভিক্ষ–চিত্রমালার জন্য বিখ্যাত ছিলেন জয়নুল আবেদীন।

শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন:

- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দে তৎকালীন ময়মনসিংহ জেলার কিশোরগঞ্জ মহুকুমার কেন্দুয়াতে (বর্তমান নেত্রকোণা) জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৫৮ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের সবচেয়ে বড় খেতাব হেলাল-ই-ইমতিয়াজ অর্জন করেন এবং ১৯৭১ সালে সেটি বর্জন করেন।
- জয়নুল তাঁর প্রথম জীবনেই নদী ও অবারিত প্রকৃতির মাঝে রোমান্টিকতার অনুপ্রেরণা পান।
- জয়নুল আবেদিন ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী, যারা দেশ ভাগের পর ঢাকায় অভিবাসী হয়েছিলেন, আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৬৮ সালে ঢাকা আর্ট কলেজের ছাত্রদের তরফ থেকে 'শিল্পাচার্য' উপাধি লাভ করেন।
- ১৯৭৪ সালে তিনি জাতীয় অধ্যাপক (বাংলাদেশ) সম্মান লাভ করেন।
- ১৯৭৫ সালে জয়নুল আবেদিন সোনারগাঁও এ একটি লোকশিল্প জাদুঘর এবং ময়মনসিংহে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা প্রতিষ্ঠা করেন।
- এ দুটি প্রতিষ্ঠানে তাঁর অংকিত কিছু চিত্রকর্ম সংরক্ষিত আছে।
- ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের বিজয়কে ভিত্তি করে আঁকা ৬৫ ফুট দীর্ঘ স্ক্রল পেইন্টিং (চাইনিজ ইঙ্ক, জলরঙ ও মোম) ‘নবান্ন’ এবং ১৯৭০ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণ হারানো হাজারো মানুষের স্মৃতির উদ্দেশ্যে আঁকা ৩০ ফুট দীর্ঘ ‘মনপুরা’ পেইন্টিংটির মাঝে তাঁর কর্মের বৈচিত্র্য লক্ষ করা যায়।

⇒ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর সময়ে ১৯৪৩ সালে মহামারী দুর্ভিক্ষ আঘাত হানে বাংলায়।
- এই দুর্ভিক্ষই জয়নুল আবেদিনকে প্রকৃতি আর নিসর্গ শিল্পী থেকে রূপান্তরিত করে এক বিদ্রোহী শিল্পীতে।
- বাংলার দুর্ভিক্ষকে কেন্দ্র করে তুলির টানে এঁকে গেছেন একের পর এক দুর্দান্ত ছবি।
- চিত্রকর্মগুলি জয়নুলকে ভারতব্যাপী খ্যাতি এনে দেয়।
- কিন্তু তার চেয়েও বড় কথা এগুলি মানুষের দুর্দশা, কষ্ট ও প্রতিবাদকে সামনে এনে বাস্তবধর্মী চিত্র অঙ্কনে তাঁর স্বকীয়তাকে বিকশিত করে।
- ‘দুর্ভিক্ষ’ শিরোনামের সেই চিত্রমালার জন্য বিখ্যাত হন এই পথকৃৎ শিল্পী।

⇔ কামরুল হাসানের অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে -
- রায়বেশে নৃত্য,
- ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে,
- ‘দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে’ প্রভৃতি।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ২৯ ডিসেম্বর ২০১৯, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
১,৮৫২.
গম্ভীরা বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের লোকসঙ্গীত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. রাঙামাটি
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. জামালপুর
ব্যাখ্যা
গম্ভীরা:
- গম্ভীরা গান এক প্রকার জনপ্রিয় লোকসঙ্গীত।
- সাধারণত গম্ভীরা হলো চাপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসঙ্গীত।

উল্লেখ্য, 
- ‘গম্ভীরা’ হচ্ছে এক প্রকার উৎসব।
- ধারণা করা হয় যে, গম্ভীরা উৎসবের প্রচলন হয়েছে শিবপূজাকে কেন্দ্র করে।
- শিবের এক নাম ‘গম্ভীর’, তাই শিবের উৎসব গম্ভীরা উৎসব এবং শিবের বন্দনাগীতিই হলো গম্ভীরা গান।
- গম্ভীরা গানের উৎপত্তি পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলায় হিন্দুসমাজে।
- পাকিস্তান সৃষ্টির পর মালদহ থেকে গম্ভীরা গান রাজশাহীর চাঁপাইনবাবগঞ্জে চলে আসে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৮৫৩.
বর্তমানে SPARRSO কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
  1. প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
  2. পরিবেশ মন্ত্রণালয়
  3. শিল্প মন্ত্রণালয়
  4. শিক্ষা মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ  মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) প্রযুক্তি ভিত্তিক বহুমাত্রিক গবেষণা ও প্রয়োগ বিষয়ে একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৮০ সালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের অধীন স্পারসো প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন স্থানান্তর করা হয়।
- ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ২৯ নম্বর আইন দ্বারা স্পারসোকে সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হয়।
- ১৯৯৫ সালে গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে মহাকাশ সংক্রান্ত কার্যক্রমের জন্য স্পারসোকে “ন্যাশনাল ফোকাল পয়েন্ট” নির্ধারণ করা হয়।
 - সাভারে অবস্থিত ১ টি আঞ্চলিক দূর অনুধাবন কেন্দ্রের (RRSC) সমন্বয়ে স্পারসোর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

সূত্র: বাংলাদেশ  মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো)।
১,৮৫৪.
ভাষা শহিদদের স্মরণে ‘জননী ও গর্বিত বর্ণমালা‘ ভাস্কর্যটির ভাস্কর কে?
  1. মৃণাল হক
  2. শামীম শিকদার
  3. হামিদুজ্জামান খান
  4. নভেরা আহমেদ
ব্যাখ্যা
- জননী ও গর্বিত বর্ণমালা ভাস্কর্যটি ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক।
- এটি অবস্থিত শাহবাগের পরীবাগে।
- এর ভাস্কর মৃণাল হক। 

তথ্যসূত্র: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ওয়েবসাইট।
১,৮৫৫.
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে কত সালে?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা
নারী ক্রিকেট দল:
- ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।
- ২০১৮ সালে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল এশিয়া কাপের শিরোপা জয় করে।
- ২০১৮ সালে মালয়েশিয়ায় টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এশিয়া কাপ।
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ২০২১ সালে টেস্ট মর্যাদা পায়।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও ঢাকা টাইমস, ০২ এপ্রিল ২০২১।
১,৮৫৬.
'বাহাদুর শাহ পার্ক' কোথায় অবস্থিত?
  1. মহাস্থানগড়
  2. নাটোর
  3. সোনারগাঁও
  4. ঢাকা
ব্যাখ্যা
• বাহাদুর শাহ পার্ক:
- 'বাহাদুর শাহ পার্ক' এর পূর্বনাম ভিক্টোরিয়া পার্ক। 
-  'বাহাদুর শাহ পার্ক' সিপাহী বিদ্রোহের স্মৃতিবিজড়িত একটি স্থান। 
- পুরানো ঢাকা এলাকার সদরঘাটের সন্নিকটে লক্ষ্মীবাজারে অবস্থিত। 
- ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের পর এক প্রহসনমূলক বিচারে ইংরেজ শাসকেরা ফাঁসি দেয় অসংখ্য বিপ্লবী সিপাহিকে। 
- তারপর জনগণকে ভয় দেখাতে সিপাহিদের লাশ এনে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় এই ময়দানের বিভিন্ন গাছের ডালে। 
- ১৯৫৭ সালে (মতান্তরে ১৯৬১) সিপাহি বিদ্রোহের শতবার্ষিকী পালন উপলক্ষে এখানে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করে ভিক্টোরিয়া পার্কের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বাহাদুর শাহ পার্ক। 
- সিপাহী বিদ্রোহ অনুষ্ঠিত হয়েছিল ইংরেজ শাসনের সমাপ্তি ঘটিয়ে মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ এর শাসন পুনরায় আনার জন্য। তাই তাঁর নামানুসারে এর নতুন নামকরণ করা হয় ‘বাহাদুর শাহ পার্ক’।
 
উৎস : ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট।
১,৮৫৭.
বাংলাদেশ বেতারের প্রথম নাম কী ছিল?
  1. ঢাকা বেতার কেন্দ্র
  2. রেডিও পাকিস্তান ঢাকা
  3. বেতার ভবন ঢাকা
  4. ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ বেতার:
- বাংলাদেশ বেতারের প্রথম নামকরণ করা হয় 'ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র'।
- বাংলাদেশে প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু হয় ১৯৩৯ সালে ১৬ই ডিসেম্বর।
- ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডে দুটি স্টুডিও নিয়ে এর যাত্রা শুরু হয়।
- ঢাকা বেতারের সম্প্রচার যন্ত্র অর্থাৎ ট্রান্সমিটারটি বসানো হয়েছিল বর্তমান কল্যাণপুর।
- ১৯৮৩ সালের ৩০ জুলাই ঢাকাস্থ শের-ই-বাংলা নগরে বর্তমান অত্যাধুনিক পূর্ণাঙ্গ জাতীয় বেতার ভবনে ঢাকা প্রচার কেন্দ্র স্থানান্তরিত হলে শাহবাগের সাবেক প্রচার ভবনটি বাংলাদেশ বেতারের সদর দপ্তরে রূপান্তরিত হয়।
- বাংলাদেশ বেতারের ১৪টি আঞ্চলিক কেন্দ্র ও ৬টি ইউনিট হতে ১৬টি মধ্যম তরঙ্গ ট্রান্সমিটার, ২টি ক্ষুদ্র তরঙ্গ ট্রান্সমিটার ও ৩৪টি এফএম ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে দৈনিক ৪৯৭ ঘণ্টা অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ বেতার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১,৮৫৮.
একুশে পদক-২০২৬ লাভ করেছে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. বাংলা একাডেমি
  2. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল
  3. ব্যান্ড সংগীত দল ওয়ারফেজ
  4. বাংলাদেশ টেলিভিশন
ব্যাখ্যা

একুশে পদক ২০২৬:
- দেশের নয়জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে ২০২৬ সালের একুশে পদকের জন্য মনোনীত করেছে সরকার।
- প্রতিষ্ঠান হিসেবে- ব্যান্ড সংগীতের দল ওয়ারফেজ মনোনীত হয়েছে।

একুশে পদক ২০২৬ প্রাপ্ত ব্যক্তি:
- চলচ্চিত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ফরিদা আক্তার ববিতা,
- চারুকলায় অধ্যাপক মো. আব্দুস সাত্তার,
- স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম,
- সংগীতে আইয়ুব বাচ্চু,
- নৃত্যে অর্থি আহমেদ,
- নাট্যকলায় ইসলাম উদ্দিন পালাকার,
- সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান,
- শিক্ষায় অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার ও
- ভাস্কর্যে তেজস হালদার যশ।

উৎস: ডেইলি স্টার বাংলা ও প্রথম আলো।

১,৮৫৯.
বর্তমানে বাংলাদেশে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা-
  1. ক) ৪৭টি
  2. খ) ৪৮টি
  3. গ) ৪৯টি
  4. ঘ) ৫০টি
ব্যাখ্যা
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর-২০১৯।
১,৮৬০.
বালিয়াটি জমিদার বাড়ি কোথায় অবস্থিত?
  1. টাঙ্গাইল
  2. মুন্সীগঞ্জ
  3. মানিকগঞ্জ
  4. নাটোর
ব্যাখ্যা
বালিয়াটি জমিদার বাড়ি:
- বালিয়াটি জমিদার বাড়ি মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি গ্রামে অবস্থিত। 

⇒ মানিকগঞ্জ জেলা শহর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে এবং ঢাকা থেকে ৬২ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি গ্রামে বালিয়াটি প্রাসাদ জাদুঘরটি অবস্থিত।
- এ জমিদার পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন জনৈক গোবিন্দ রাম সাহা যিনি আঠার শতকের মাঝামাঝি সময়ে একজন মহাজন ও ব্যবসায়ী ছিলেন।
- জমিদার পরিবারের বিভিন্ন উত্তরাধিকারের মধ্যে “কিশোরিলাল রায় চৌধুরী, রায়বাহাদুর হরেন্দ্র কুমার রায় চৌধুরী তৎকালীন শিক্ষাখাতে উন্নয়নের জন্য বিখ্যাত ছিলেন।
- ঢাকার জগন্নাথ কলেজ প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন কিশোরিলাল রায় চৌধুরীর পিতা এবং যার নামানুসারে উক্ত প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করা হয়।

⇒ বালিয়াটি জমিদার বাড়ি নামে পরিচিত, এই প্রাসাদ চত্বরটি প্রায় ১৬,৫৫৪ বর্গমিটার জমির উপর ছড়িয়ে থাকা ৭টি দক্ষিণমুখী দালানের সমাবেশ।
- এই দালানগুলো খ্রিষ্টীয় মধ্য ঊনবিংশ শতক থেকে বিংশ শতকের প্রথমভাগের বিভিন্ন সময়ে জমিদার পরিবারের কয়েকজন সদস্যের দ্বারা নির্মিত হয়েছিল।
- সামনের চারটি প্রসাদ ব্যবহৃত হত ব্যবসায়িক কাজে।
- এই প্রসাদের পেছনের প্রাসাদকে বলা হয় অন্দর মহল যেখানে বসবাস করত তারা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৮৬১.
বাংলাদেশ প্রথম কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য পদ লাভ করে?
  1. OIC
  2. FAO
  3. Commonwealth
  4. ILO
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ:
• বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল সর্বপ্রথম কমনওয়েলথের সদস্য হিসেবে সদস্যপদ লাভ করে।

অন্যদিকে: 
- বাংলাদেশ OIC এর সদস্য পদ লাভ করে ১৯৭৪ সালে। 
- বাংলাদেশ FAO এর সদস্য পদ লাভ করে ১২ নভেম্বর ১৯৭৩ সালে।
- বাংলাদেশ ILO এর সদস্য পদ লাভ করে ২২ জুন ১৯৭২।

উৎস: স্ব স্ব ওয়েবসাইট।
১,৮৬২.
২০২৫ সালের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (BPL) ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন হয় কোন দল?
  1. চিটাগাং কিংস
  2. ঢাকা ক্যাপিটালস
  3. খুলনা টাইগার্স
  4. ফরচুন বরিশাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ২০২৫:
- ২০২৫ সালের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ১১তম আসর অনুষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এই লিগের আয়োজন করে।
- অংশগ্রহণকারী দল: ৭টি।
- চ্যাম্পিয়ন: ফরচুন বরিশাল।
- রানার্সআপ: চিটাগাং কিংস।
- টুর্নামেন্ট সেরা: মেহেদী হাসান মিরাজ (খুলনা টাইগার্স)।
- সর্বাধিক উইকেটধারী: তাসকিন আহমেদ (২৫) (দুর্বার রাজশাহী)।
- সর্বাধিক রান সংগ্রহকারী: মোহাম্মদ নাইম (৫১১) (খুলনা টাইগার্স)।

উৎস: Bangladesh Premier League ওয়েবসাইট।
১,৮৬৩.
Which African country first recognized Bangladesh after the liberation war?
  1. Libya
  2. Senegal
  3. South Africa
  4. Uganda
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী দেশ:

- প্রথম উত্তর আমেরিকার দেশ বার্বাডোস।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ফ্রান্স ও কানাডা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- প্রথম দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলা।
- প্রথম আফ্রিকান দেশ- সেনেগাল।
- প্রথম আরব বা মধ্যপ্রাচ্যের দেশ- ইরাক।
- প্রথম উপসাগরীয় দেশ- কুয়েত।
- প্রথম ওশেনিয়ার দেশ- টোংগা।

তথ্যসূত্র - ইউএস স্টেট ডিপার্টমেন্ট ওয়েবসাইট।
১,৮৬৪.
বর্তমানে বাংলাদেশের জিআই পণ্য কয়টি ?
  1. ৩ টি
  2. ৭ টি
  3. ৯ টি
  4. ৬ টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে নতুন করে আরও পাঁচটি পণ্য জিওগ্রাফিক্যাল আইডেন্টিফিকেশন (জি-আই) বা ভৌগোলিক নির্দেশক হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছে। 
- এ নিয়ে বাংলাদেশে মোট জিআই পণ্যের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৯টিতে।
-এর আগে, বাংলাদেশে প্রথম বারের মতো জি-আই পণ্য হিসেবে ২০১৬ সালে স্বীকৃতি পেয়েছিল জামদানি। এরপর ২০১৭ সালে ইলিশ, ২০১৯ সালে খিরসাপাতি আম, ২০২০ সালে ঢাকাই মসলিন এবং ২০২১ সালে ওই ৫টি পণ্যের স্বীকৃতি দেয়া হয়।
নতুন নিবন্ধিত জি-আই পণ্য গুলো হল:
- রাজশাহী সিল্ক
- রংপুরের শতরঞ্জি
- কালিজিরা চাল
- দিনাজপুরের কাটারিভোগ চাল
- এবং নেত্রকোনার সাদা মাটি।

উৎস: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার

১,৮৬৫.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম দেশ- 
  1. নেপাল
  2. ভারত
  3. ভুটান
  4. ইরাক
ব্যাখ্যা

-  পররাষ্ট্রসচিব মো. শহীদুল হক বলেছেন, ভুটানই বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছিল।
​-  ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর একটি তারবার্তার মাধ্যমে দেশটি বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছিল।

​​বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী দেশ:
​- ভুটান স্বীকৃতি দেয় : ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১।( ভারতের কয়েক ঘন্টা আগে)
- ভারত স্বীকৃতি দেয় : ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১।
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম অনারব মুসলিম: সেনেগাল।
- সেনেগাল স্বীকৃতি দেয় : ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২।
- ইরাক স্বীকৃতি ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- ইরান স্বীকৃতি দেয় : ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪।
- মিয়ানমার স্বীকৃতি দেয় : ১৩ জানুয়ারি ১৯৭২।
- নেপাল স্বীকৃতি দেয় : ১৬ জানুয়ারি ১৯৭২।

উৎস: MOFA ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো। [লিঙ্ক]

১,৮৬৬.
বর্তমানে বিদেশে বাংলাদেশের কয়টি কূটনৈতিক মিশন আছে?[ নভেম্বর,২০২৫]
  1. ৮১টি
  2. ৫১টি
  3. ৫২টি
  4. ৬২টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ বর্তমানে ৮১টি বিদেশি কূটনৈতিক মিশন পরিচালনা করছে।

• কূটনৈতিক মিশন:

- মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বিদেশে অবস্থান করা বাংলাদেশিরাও দেশের জন্য লড়াই করেছেন।
- নয়াদিল্লি, কলকাতা, ওয়াশিংটন ডিসি, নিউ ইয়র্ক এবং লন্ডন বিশ্বের এই ৫টি বড় শহরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে কূটনীতিকরা দেশের পক্ষে বিদেশি জনমত গঠনে কাজ করেছিলেন।
- একাত্তরের ওই সময়ে  কূটনীতিকরাও দেশের পক্ষে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন।
- ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল কলকাতায় সর্বপ্রথম বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন খোলা হয়।
- ওই সময়ে কলকাতার উপ হাইকমিশনার মো. হোসেন আলী এবং তৃতীয় সচিব আনোয়ারুল করিম চৌধুরী বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে কলকাতার পাকিস্তান হাইকমিশনে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং হাইকমিশনটিকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন হিসেবে ঘোষণা দেন।

উৎস: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

১,৮৬৭.
শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কোন জেলায় প্রতিষ্ঠিত হবে?
  1. ক) কিশোরগঞ্জ
  2. খ) খুলনা
  3. গ) গোপালগঞ্জ
  4. ঘ) ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
দেশের পঞ্চম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হবে খুলনায়। নাম হবে ‘শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়’।
সূত্রঃ প্রথম আলো
১,৮৬৮.
'নাটকের অবসান' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. ক) জাহানারা ইমাম
  2. খ) মুনীর চৌধুরী
  3. গ) এমদাদুল বারী
  4. ঘ) আব্দুল গফ্‌ফার চৌধুরী
ব্যাখ্যা
জাহানারা ইমাম:
- মুর্শিদাবাদ জেলার সুন্দরপুর গ্রামে ১৯২৯ সালে জাহানারা ইমাম জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি শহীদ জননী হিসেবে খ্যাত।
- তিনি মুক্তিযুদ্ধ চেতনা বাস্তবায়ন ও ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির আহবায়ক - হিসেবে ব্যাপক পরিচিত।
- ১৯৮১-র দিকে জাহানারা ইমাম মুখের ক্যান্সারে আক্রান্ত হন।
- ১৯৯৪ সালের ২৬ জুন আমেরিকার মিশিগান স্টেটের ডেট্রয়েটে চিকিৎসাধীন তাঁর মৃত্যু হয়।
- তাঁর রচিত অন্যান্য গ্ৰন্থ :
সাতটি তারার ঝিকিমিকি।
অন্যজীবন
বুকের ভিতর আগুন।
নাটকের অবসান।
নিঃসঙ্গ পাইন।
প্রবাসের দিনগুলি।
একাত্তরের দিনগুলি: - বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উপর স্মৃতিচারণমূলক তাঁর - অসাধারণ ডায়েরি গ্রন্থ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
১,৮৬৯.
বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডেতে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেন -
  1. ক) ভিরাট কোহলি
  2. খ) রোহিত শর্মা
  3. গ) ঈশান কিষান
  4. ঘ) হার্দিক পান্ডিয়া
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডেতে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেন ঈশান কিষান (ভারত)।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জানুয়ারি ২০২৩।
১,৮৭০.
ফ্রিডম হাউসের ইন্টারনেট স্বাধীনতা সূচক- ২০২৫ এ বাংলাদেশের স্কোর কত?
  1. ৪০
  2. ৪৫
  3. ৫৫
  4. ৬০
ব্যাখ্যা

ন্টারনেট স্বাধীনতা প্রতিবেদন- ২০২৫:
শিরোনাম: Freedom on the Net 2025.
প্রকাশ: ১৩ নভেম্বর, ২০২৫। 
প্রকাশক: ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ফ্রিডম হাউস।
অন্তর্ভুক্ত দেশ: ৭২টি। 

প্রতিবেদনে স্কোর অনুযায়ী-
- শীর্ষ দেশ: আইসল্যান্ড।
- সর্বনিম্ন দেশ: চীন ও মায়ানমার।
- বাংলাদেশের স্কোর ১০০-এর মধ্যে ৪৫। 

উল্লেখ্য,
- কোনো দেশের স্কোর ৭০-১০০-এর মধ্যে থাকলে সেটিকে ইন্টারনেটে স্বাধীন, ৪০-৬৯-এর মধ্যে থাকলে সেটিকে আংশিক স্বাধীন এবং শূন্য-৩৯-এর মধ্যে থাকলে দেশটি স্বাধীন নয় বলে বিবেচনা করা হয়।
- সেই হিসেবে বাংলাদেশে ইন্টারনেটে নাগরিকদের আংশিক স্বাধীনতা রয়েছে।

তথ্যসূত্র - Freedom on the Net 2025. [link]

১,৮৭১.
২০২৪ সালে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল কর্তৃক উন্মোচিত নতুন বাংলা ফন্টের নাম কী?
  1. কথা
  2. বর্ণ
  3. উচ্চারণ
  4. পূর্ণ
ব্যাখ্যা
• উন্মোচিত নতুন বাংলা ফন্ট:
- ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল কর্তৃক উন্মোচিত নতুন বাংলা ফন্টের নাম - পূর্ণ।
- অমর একুশের শহিদদের স্মরণে বাংলা ভাষায় নিজেদের তৈরি তিনটি সফটওয়্যার ও বাংলা ফন্ট উন্মুক্ত করেছে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)।
- ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ আগারগাঁওয়ে কম্পিউটার কাউন্সিল মিলনায়তনে ‘উচ্চারণ’, ‘কথা’ ও ‘বর্ণ’ সফটওয়্যারসহ ‘পূর্ণ’ নামের বাংলা ফন্ট উদ্বোধন করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী।

সূত্র: প্রথম আলো ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)। 
১,৮৭২.
সম্প্রতি ‘গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর ফর ডায়াবেটিস’ উপাধিতে ভূষিত হন কে?
  1. ক) ড. আবদুল মালেক মজুমদার
  2. খ) শিরিন শারমিন চৌধুরী
  3. গ) এডভোকেট আবুদল হামিদ
  4. ঘ) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
ব্যাখ্যা
২০২২ সালে ‘গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর ফর ডায়াবেটিস’ উপাধিতে ভূষিত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

- বিশ্বের প্রথম ‘গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর ফর ডায়াবেটিস’ হিসাবে স্বীকৃতি পেলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা।
- এ স্বীকৃতি প্রদান করেছে ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবেটিস ফেডারেশন।
- আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশন (আইডিএফ) বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রথম ‘গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর ফর ডায়াবেটিস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। 
- পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ডায়াবেটিস সম্মেলন-২০২২-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারিক আহসান আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশনের সদ্য নির্বাচিত সভাপতি অধ্যাপক আকতার হোসেনের কাছ থেকে এ সম্মাননাপত্র গ্রহণ করেন।

উৎস: প্রথম আলো।
১,৮৭৩.
শহীদ শামসুজ্জোহা স্মৃতি ভাস্কর্যটির নাম কী?
  1. সংশপ্তক
  2. সাবাস বাংলাদেশ
  3. স্ফুলিঙ্গ
  4. তর্জনী
ব্যাখ্যা
• ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়:
- ১৮ ফেব্রুয়ারি শহীদ শামসুজ্জোহা দিবস।
- ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের অগ্রনায়কের ভূমিকা পালন করেছিলেন ড. শামসুজ্জোহা।
- তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন।
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই শুরু হয়েছিল পাক-হানাদার বাহিনী হটাও আন্দোলন।
- আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তির দাবিসহ আইয়ুব খানবিরোধী আন্দোলনে ফুঁসে ওঠা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এই শহীদ বুদ্ধিজীবী।
- ১৯৬৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা পুলিশের গুলি ও বেয়নেট চার্জের ফলে মৃত্যুবরণ করেন।
- তিনিই পাক-হানাদারদের হাতে নিহত প্রথম বাংলাদেশি বুদ্ধিজীবী।
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ শামসুজ্জোহা হলের সামনে নির্মিত হয়েছে শহীদ শামসুজ্জোহা স্মৃতি ভাস্কর্য ‘স্ফুলিঙ্গ’।

উৎস: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিকা।
১,৮৭৪.
জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ কতজন বিশিষ্ট নাগরিককে 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২' প্রদান করা হয়?
  1. ক) ৯ জন
  2. খ) ২৪ জন
  3. গ) ১৭ জন
  4. ঘ) ২১ জন
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২২:
- ‘স্বাধীনতা পুরস্কার' বাংলাদেশের জাতীয় এবং “সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার”।
- দেশ ও জাতির কল্যাণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৭ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
- বাংলাদেশ সরকারের 'মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ' থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- ১৮ মার্চ, ২০২২ তারিখে জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৫টি ক্যাটাগরিতে ৯ জন বিশিষ্ট নাগরিক ও ২টি প্রতিষ্ঠানকে 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২ প্রদান করে বাংলাদেশ সরকারের 'মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ'।
- ২০২২ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন-

- ক্যাটাগরি ⇒ পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: 
১। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ ⇒ বীর মুক্তিযোদ্ধা ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী, শহীদ কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা (বীর বিক্রম), জনাব আব্দুল জলিল, জনাব সিরাজ উদদীন আহমেদ, মরহুম মোহাম্মদ ছহিউদ্দিন বিশ্বাস এবং মরহুম সিরাজুল হক।
২। চিকিৎসাবিদ্যা ⇒ অধ্যাপক ডাঃ কনক কান্তি বড়ুয়া, অধ্যাপক ডাঃ মো. কামরুল ইসলাম।
৩। স্থাপত্য ⇒ মরহুম স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন। 
৪। গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ⇒ বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BWMRI)।
৫। শতভাগ বিদ্যুতায়নে সাফল্য ⇒ বিদ্যুৎ বিভাগ। 

উৎস: লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল, বাংলাদেশ বিষয়াবলি।
১,৮৭৫.
কোন ক্ষেত্রে অবদানের জন্যে শেখ হাসিনা ২০২১ সালে উইটসা এমিন্যান্ট পার্সনস অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন?
  1. ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণ
  2. জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা
  3. রোহিঙ্গাদের আশ্রয় প্রদান
  4. নারীর ক্ষমতায়নে অবদান
ব্যাখ্যা
- ওয়ার্ল্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি এন্ড সার্ভিসেস অ্যালায়েন্স প্রদত্ত ‘উইটসা এমিনেন্ট পারসনস অ্যাওয়ার্ড ২০২১’–এ ভূষিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ কর্মসূচি প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দান এবং তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রধানমন্ত্রীকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।
- গত ১১-১৪ নভেম্বর ২০২১ ঢাকায় অনুষ্ঠিত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতের বিশ্ব সম্মেলন ‘ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস অন ইনফরমেশন টেকনোলজি ২০২১ (ডব্লিউসিআইটি ২০২১)’ এর তৃতীয় দিনে উইটসা মহাসচিব জেমস এইচ পয়জান্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলকের হাতে উইটসা পুরস্কার তুলে দেন।
(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)
১,৮৭৬.
২০২৫ সালের মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে প্যারাস্যুটিং প্রদর্শনীতে কতজন প্যারাট্রুপার অংশগ্রহণ করেছিলেন?
  1. ৫২ জন
  2. ৫৩ জন
  3. ৫৪ জন
  4. ৫৫ জন
ব্যাখ্যা

• সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিংয়ে বাংলাদেশের বিশ্ব রেকর্ড:
- মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং করে বাংলাদেশ বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে।
- ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ সালে রাজধানীর তেজগাঁও পুরোনো বিমানবন্দর সংলগ্ন প্যারেড গ্রাউন্ডে সশস্ত্র বাহিনীর উদ্যোগে এই ব্যতিক্রমী আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই প্যারাস্যুটিং প্রদর্শনীতে টিম বাংলাদেশ-এর ৫৪ জন প্যারাট্রুপার অংশ নেন।
- স্বাধীনতার ৫৪ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে তারা জাতীয় পতাকা হাতে আকাশ থেকে অবতরণ করেন।
- এটি বিশ্বের সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং, যার মাধ্যমে এই বিশ্ব রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে।
- এই ঐতিহাসিক আয়োজন প্রত্যক্ষ করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

উৎস: ইত্তেফাক প্রতিবেদন।

১,৮৭৭.
'নজরুল পুরস্কার ২০২৫' লাভ করেন -
  1. কে এম খালিদ
  2. শাহীন সামাদ
  3. অধ্যাপক লাইসা আহমদ লিসা
  4. অধ্যাপক আনোয়ারুল হক
ব্যাখ্যা

নজরুল পুরস্কার:
- ২০২২ সালে বাংলা একাডেমি নজরুল পুরস্কার চালু করে।

⇒ নজরুল পুরস্কার ২০২৫:
- বাংলা একাডেমি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন ও সৃষ্টি নিয়ে গবেষণায় বিশিষ্ট নজরুল গবেষক অধ্যাপক আনোয়ারুল হক এবং নজরুলসংগীত-চর্চায় প্রখ্যাত নজরুল সংগীতশিল্পী শবনম মুশতারীকে নজরুল পুরস্কার ২০২৫-এ ভূষিত করেছে।
- নজরুল পুরস্কারের অর্থমূল্য (প্রতিটি) ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা।

উৎস: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।

১,৮৭৮.
বাংলাদেশ ও ভারতে মধ্যকার গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি কত সালে শেষ হবে?
  1. ২০২৭ সালে 
  2. ২০২৬ সালে 
  3. ২০২৯ সালে 
  4. ২০২৮ সালে 
ব্যাখ্যা

• গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি:
- ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- সই করেছিলেন ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবগৌড়া ও বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- চুক্তির মেয়াদ ৩০ বছর হওয়ায় এটি ২০২৬ সালে শেষ হবে। 
- চুক্তিতে নির্ধারিত হয় যে, উভয় পক্ষের সম্মতিক্রমে গৃহীত ফর্মুলা মোতাবেক ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সময়ে দু’দেশের মধ্যে গঙ্গার পানি ভাগাভাগি হবে, এবং ভারত নদীটির জলপ্রবাহের মাত্রা গত ৪০ বছরের গড় মাত্রায় বজায় রাখার সর্বাত্মক চেষ্টা করবে।
 - যেকোন সঙ্কটময় পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ৩৫ হাজার কিউসেক পানির নিশ্চয়তা পাবে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,৮৭৯.
বাংলাদেশের বৃহত্তম তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোনটি?
  1. ক) ভেড়ামারা
  2. খ) আশুগঞ্জ
  3. গ) সিদ্ধিরগঞ্জ
  4. ঘ) গোয়ালপাড়া
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বৃহত্তম তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে - পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্ৰ।
কিন্তু অপশনে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্ৰ নেই। অপশন অনুযায়ী ভেড়ামারা সঠিক হিসেবে নেয়া হয়েছে।

>> কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৮ সালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে  ৪১০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্লান্ট (সিসিপিপি) এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

অন্যদিকে, 
 >> দেশের বৃহত্তম কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র - পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্ৰ।
- অবস্থান - পায়রা, পটুয়াখালী।
- পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি হয়েছে বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ উদ্যোগে।
- ২০১৪ সালে এই সংক্রান্ত চুক্তি হয়েছিল।
- নির্মাণের কাজ করেছে বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড।
- আড়াইশো কোটি ডলার ব্যয়ে এই কেন্দ্র নির্মাণের সিংহভাগ অর্থায়ন করেছে চীন।
- এরপর ২০১৬ সালের অক্টোবরে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধানখালীতে কয়লাভিত্তিক এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- ধানখালী গ্রামের ১,০০০ একর জমির উপর নির্মিত হয়েছে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি।
- উৎপাদন ক্ষমতা- ১৩২০ মেগাওয়াট
- ২১ মার্চ, ২০২২ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সর্বোচ্চ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধন করেন।

উৎস: ডেইলি স্টার নিউজ। এবং বিবিসি নিউজ বাংলা।

১,৮৮০.
The existing Ramsar sites in Bangladesh are -
  1. Sundarbans
  2. Tanguar haor
  3. Hakaluki Haor
  4. a & b
  5. a, b & c
ব্যাখ্যা
রামসার কনভেনশন:
- রামসার কনভেনশন (Ramsar Convention) হলো বিশ্বব্যাপী জৈবপরিবেশ রক্ষার একটি সম্মিলিত প্রয়াস।
- এটি বিশ্বের প্রথম পরিবেশ সম্মেলন।
- ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে ইরানের রামসারে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশসমূহ 'কনভেনশন অন ওয়েটল্যান্ডস' নামক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- এটি কার্যকর হয় ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৭২টি। 
 
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট (Ramsar sites) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
- রামসার সাইট ২টি হলো: সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর।
 
উৎস: Ramsar Convention ওয়েবসাইট।
১,৮৮১.
গ্রেটা থুনবার্গ হলেন একজন-
  1. ক) নারীবাদী কর্মী
  2. খ) মানবাধিকারকর্মী
  3. গ) পরিবেশকর্মী
  4. ঘ) প্রাণী অধিকারকর্মী
ব্যাখ্যা
গ্রেটা থুনবার্গ একজন সুইডিশ পরিবেশ কর্মী যিনি জলবায়ু পরিবর্তনের সমস্যা মোকাবেলা করতে কাজ করেছিলেন, তিনি ফ্রাইডেস ফর ফিউচার নামে পরিচিত একটি আন্দোলন প্রতিষ্ঠা করেন (২০১৮) জলবায়ুর জন্য স্কুল ধর্মঘট)।

 উৎস:- ব্রিটানিকা।
১,৮৮২.
ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত প্রথম ক্লাব কোনটি?
  1. ওয়ারী স্পোর্টিং ক্লাব
  2. ব্রাদার্স ইউনিয়ন
  3. মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব
  4. আবাহনী লিমিটেড
ব্যাখ্যা
ওয়ারী স্পোর্টিং ক্লাব:
- ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত প্রথম ফুটবল ক্লাব ওয়ারী স্পোর্টিং ক্লাব।

⇒ রামদাস ভাদুড়ি ঢাকার ওয়ারী এলাকায় ১৮৩৫ সালে প্রতিষ্ঠা করেন একটি ক্রীড়া সংগঠন, যার নাম ছিলো 'ওয়েলিংটন ক্লাব'। 
- ওয়ারীর কয়েকজন ক্রীড়া সংগঠক এই ওয়েলিংটনকেই 'ওয়ারী স্পোর্টিং ক্লাব' নাম দিয়ে ১৮৯৮ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ঢাকার প্রথম ফুটবল ক্লাব।
- স্থানীয় জমিদার সুরেন্দ্র নাথ রায় ক্লাবটির গোড়াপত্তনে মূল ভূমিকা রেখেছিলেন বলে মনে করা হয়।

⇒ মতিঝিল শাপলা চত্ত্বর থেকে ক্লাব পাড়ার গলি ধরে এগুলে প্রথমেই দেখা পাওয়া যায় মোহামেডান ক্লাবের। এরপরেই ভিক্টোরিয়া, আরেকটু সামনে হাঁটলে চোখে পড়ে 'ওয়ারী স্পোর্টিং ক্লাবের' মূল ফটক। তাতে প্রতিষ্ঠার সময়কাল লেখা ১৮৯৮। 
- ওয়ারী ক্লাবের প্রথম সাফল্য আসে ফুটবলে, ১৯১০ সালে। সে বছর ওয়ারী ক্লাব পরাজিত করে বৃটিশ রাজকীয় 'প্রাসাদ' দলকে। 

উল্লেখ্য,
- পরবর্তীতে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করলে ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন গঠিত হয়।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) প্রথম আলো।
১,৮৮৩.
২০২৫ সালে ‘অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫’ পেয়েছে -
  1. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল
  2. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল
  3. বাংলাদেশ জাতীয় নারী কাবাডি দল
  4. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ভলিবল দল
ব্যাখ্যা

 'অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫:
- ৮ মার্চ, ২০২৫ তারিখে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে দেশের অদম্য নারীদের হাতে ‘অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫’ সম্মাননা তুলে দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

• ২০২৫ সালে ‘অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫’ পেয়েছে:
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল,
- জীবনসংগ্রামে জয়ী নারী লিপি বেগম,
- অর্থনীতিতে অবদানে শরিফা সুলতানা,
- শিক্ষা ও চাকরিতে হালিমা বেগম,
- সফল জননী নারী মেরিনা বেসরা,
- সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদানে মো. মুহিন (মোহনা)।

উৎস: i) মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) The Daily Star Bangla.

১,৮৮৪.
'শাহ সুলতান বলখীর মাজার' কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা 
  2. চট্টগ্রাম
  3. বগুড়া
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা

শাহ সুলতান বলখীর মাজার:
- বিখ্যাত সাধক শাহ সুলতান বলখীর মাজার বগুড়ার মহাস্থানগড়ে অবস্থিত।

⇒ বাংলাদেশে ইসলাম ধর্ম প্রচার ও প্রসারে যেসব আধ্যাত্মিক দরবেশ ও যোদ্ধা বড় ভূমিকা রেখেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন শাহ সুলতান বলখী মাহিসাওয়ার (রহ.)। 
- আফগানিস্তান থেকে আগত এ মুসলিম ধর্ম প্রচারক প্রথমে সন্দ্বীপে ইসলাম প্রচার করেন। পরবর্তীতে নদীপথে পুন্ড্রবর্ধন (বর্তমান বগুড়া) অঞ্চলে আগমন করেন এবং ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেন।
- দীর্ঘদিন ইসলাম প্রচারের একপর্যায়ে ১০৪৯ খ্রিষ্টাব্দে হযরত শাহ্ সুলতান বলখী মাহিসাওয়ার (রহ.) মৃত্যুবরণ করেন। তাকে তার প্রতিষ্ঠিত মসজিদের পাশে কবর দেওয়া হয়। সেখানে মাজার গড়ে ওঠে। সেই থেকে বাংলা সালের বৈশাখ মাসের শেষ বৃহস্পতিবার হযরত শাহ্ সুলতান বলখী মাহিসাওয়ারের (রহ.) বাৎসরিক ওরস মোবারক অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

উল্লেখ্য,
- মহাস্থানগড় এক সময় বাংলার রাজধানী ছিল। এর অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়। বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১০ কি.মি উত্তরে মহাস্থানগড় অবস্থিত। মহাস্থানগড় বগুড়ায় জেলার করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগর কেন্দ্র মহাস্থানগড়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) যুগান্তর।

১,৮৮৫.
২০২৫ সালে 'প্রতিবাদী তারুণ্য' ক্যাটাগরিতে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন কে?
  1. আবু সাইদ
  2. মীর মুগ্ধ
  3. আবরার ফাহাদ
  4. ওসমান হাদী
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫' পেয়েছেন ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর)।
• সাহিত্য:  মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর)।
• সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর)।
• সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর)।
• মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর)।
• শিক্ষা ও গবেষণা: জনাব বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর।
• প্রতিবাদী তারুন্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রি পরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।

১,৮৮৬.
বড় কাটরা কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) তিস্তা
  2. খ) শীতলক্ষ্যা
  3. গ) বুড়িগঙ্গা
  4. ঘ) তুরাগ
ব্যাখ্যা
বড় কাটরা:

- মুগল রাজধানী ঢাকার চক বাজারের দক্ষিণে বুড়িগঙ্গা নদীর পাড়ে অবস্থিত।
- মধ্য এশিয়ার ক্যারাভান সরাই-এর ঐতিহ্য অনুসরণে নির্মিত বড় কাটরা দারুণভাবে সুরক্ষিত এবং মুগল রাজকীয় স্থাপত্য-রীতির সকল বৈশিষ্ট্যের উপস্থিতি বিদ্যমান।
- আয়তাকারে নির্মিত এ অট্টালিকার দক্ষিণ বাহু ছিল ৬৭.৯৭ মিটার দীর্ঘ।উত্তর বাহুও একই মাপের ছিল বলে ধারণা করা হয়। পূর্ব-পশ্চিম বাহুর দৈর্ঘ্য এখন নিরূপণ করা দুঃসাধ্য হলেও আদিতে ৭০.১০ মিটার করে ছিল বলে জানা যায়।
- সদর তোরণ ছিল অতি মনোমুগ্ধকর এবং এটি দক্ষিণে নদীর দিকে প্রায় ৭.৬১ মিটার এবং পূর্ব-পশ্চিমে প্রায় ১২.১৯ মিটার প্রসারিত ছিল।
- এ প্রবেশপথের দুপাশে ছিল দুটি প্রহরীকক্ষ
- বড় কাটরায় ফারসি ছন্দোবদ্ধ পংক্তিযুক্ত দুটি শিলালিপি আছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,৮৮৭.
মুজিববর্ষ ঘোষনা হয় কবে?
  1. ১২ জানুয়ারি ২০১৯
  2. ১৫ আগষ্ট ১৯৭৫
  3. ০৭ মার্চ ১৯৭১
  4. ১৬ ডিসেম্বর ২০২২
ব্যাখ্যা
মুজিববর্ষ:
- ‘মুজিববর্ষ’ ঘোষণা করা হয় - ১২ জানুয়ারী, ২০১৯।
- ১৭ মার্চ ২০২০ — ৩১ মার্চ ২০২২ সাল মুজিব বর্ষের সময়কাল।
- সব্যসাচী হাজরা মুজিব বর্ষের লোগোর ডিজাইনার।
- মুজিববর্ষ-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী (জন্ম ১৭ মার্চ ১৯২০)।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘মুজিব বর্ষ’ ঘোষণা করেন।
- মুজিববর্ষের ক্ষণগণনা শুরু হয় ১০ জানুয়ারি ২০২০ থেকে।
- তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দর, ঢাকা মুজিববর্ষের ক্ষণগণনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দরে মুজিববর্ষের ক্ষণগণনা উদ্বোধন করেন।
- ১০ জানুয়ারি ২০২০ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুজিববর্ষের লোগো উন্মোচন করেন।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ১২ ডিসেম্বর ২০২০ ও দৈনিক যুগান্তর, ৮ জানুয়ারী, ২০২২।
১,৮৮৮.
বিশ্বের কততম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট চালু করেছে?
  1. ১১৮ তম
  2. ১১৯ তম
  3. ১২০ তম
  4. ১২১ তম
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের অর্জন:
- বিশ্বে প্রথম ই-পাসপোর্ট চালু করে মালয়েশিয়া ১৯৯৮ সালে।
- বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট প্রদানের ঘোষণা দেয়া হয় ২৪ এপ্রিল, ২০১৬ সালে।
- বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয় ২২ জানুয়ারি, ২০২০ সালে।
- বাংলাদেশ বিশ্বের ১১৯তম দেশ হিসাবে ই-পাসপোর্ট চালু করে।
- বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট নিয়ে কাজ করেছে জার্মান কোম্পানি Veridos GbmH.

উৎস: বণিক বার্তা নিউজ।
১,৮৮৯.
২০২৫ সালে সমাজসেবায় মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন কে? 
  1. অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম
  2. আজম খান
  3. স্যার ফজলে হাসান আবেদ
  4. আবরার ফাহাদ 
ব্যাখ্যা

• স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন।
• পুরস্কারপ্রাপ্তরা:
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),
- সাহিত্যে মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর),
- সংস্কৃতিতে নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),
- সমাজসেবায় স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতিতে মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),
- শিক্ষা ও গবেষণায় বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর,
- প্রতিবাদী তারুণ্যের ক্ষেত্রে আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

১,৮৯০.
বর্তমানে বাংলাদেশে দাবায় কতজন নারী আন্তর্জাতিক মাস্টার রয়েছে? [মার্চ, ২০২৫]
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ৫ জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে নারী আন্তর্জাতিক মাস্টার:
- FIDE (বিশ্ব দাবা সংস্থা) কর্তৃক নির্ধারিত কিছু নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে দাবাড়ুরা WIM খেতাব অর্জন করতে পারেন। 

বর্তমানে বাংলাদেশে দাবায় ৪ জন নারী আন্তর্জাতিক মাস্টার (WIM - Woman International Master) রয়েছেন। তারা হলেন:
- রাণী হামিদ;
- শামীমা সুলতানা;
- শিরিন সুলতানা;
- ওয়াদিফা আহমেদ (সর্বশেষ WIM উপাধি অর্জনকারী)।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮৫ সালে প্রথম মহিলা আন্তর্জাতিক মাস্টার হয়েছিলেন রাণী হামিদ।
- সম্প্রতি, শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় অনুষ্ঠিত এশিয়ান জোনাল দাবা চ্যাম্পিয়নশিপের মহিলা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন বাংলাদেশের দাবাড়ু ওয়াদিফা আহমেদ। এ নিয়ে চতুর্থ মহিলা আন্তর্জাতিক মাস্টার পেল বাংলাদেশ।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
১,৮৯১.
বাংলাদেশে প্রথম রঙিন টেলিভিশন সম্প্রচার শুরু হয় কোন সালে?
  1. ১৯৭৯ সালে
  2. ১৯৮০ সালে
  3. ১৯৮১ সালে
  4. ১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৮০ সালে বাংলাদেশে প্রথম রঙিন টেলিভিশন সম্প্রচার শুরু হয়।

বাংলাদেশ টেলিভিশন:
- বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলা ভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।

⇒ ১৯৬৪ সালের ২৫শে ডিসেম্বর একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে এর যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৬৭ সালে তৎকালীন পাকিস্তান টেলিভিশন কর্পোরেশন ও ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে (পি.ও নং-১১৫) বাংলাদেশ টেলিভিশন নামে রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলে পরিণত হয়।
- ১৯৭৫ সালের ৯ই ফেব্রুয়ারি বিটিভি স্থানান্তরিত হয় রামপুরার নিজস্ব টিভি ভবনে।
- ৬ই মার্চ ১৯৭৫ সাল হতে রামপুরা টিভি ভবনে নতুন আঙ্গিকে শুরু হয় বিটিভির সম্প্রচার কার্যক্রম।
- ১৯৮০ সালের ১ ডিসেম্বর তারিখে রামপুরা টিভি কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে প্রথম রঙিন টেলিভিশন সম্প্রচার শুরু হয়।
- বিটিভি ওয়ার্ল্ডের সম্প্রচার শুরু হয় ১১ এপ্রিল ২০০৪ তারিখে।
- ২০১৩ সাল থেকে আইপিটিভি, মোবাইল টিভি ও ওয়েবটিভি এর মাধ্যমেও বিটিভির অনুষ্ঠানমালা দেশে ও বিদেশে দেখার সুযোগ পাচ্ছেন দর্শকরা।

⇒ পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র: ২টি।
(ক) ঢাকা টেলিভিশন কেন্দ্র,
(খ) চট্টগ্রাম টেলিভিশন কেন্দ্র।

উৎস: বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।
১,৮৯২.
কোন প্রতিষ্ঠানটি ঢাকাই মসলিনের ‘ভৌগোলিক নির্দেশক’ সনদ লাভ করেছে?
  1. জাতীয় জাদুঘর
  2. বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড
  3. বাংলাদেশ রেশম বোর্ড
  4. বস্ত্র অধিদপ্তর
ব্যাখ্যা
- দেশের চতুর্থ পণ্য হিসেবে ঢাকাই মসলিন ‘ভৌগোলিক নির্দেশক’ বা (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।
- রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডকে ঢাকাই মসলিনের জিআই স্বত্ত্ব প্রদান করা হচ্ছে।
- গত ৬ই মার্চ ২০২১ জার্নাল প্রকাশের দুইমাস অতিবাহিত হওয়ায় এবং অন্যকোন দেশের আপত্তি না আসাই ঢাকাই মসলিনের জিআই সনদ নিশ্চিত হয়। আগমী ২৬শে এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডকে ঢাকাই মসলিনকে জিআই সনদ দেওয়া হবে।
--‌ এর পূর্বে ২০১৬ সালে প্রথম পণ্য হিসেবে ‘জামদানি’ জিআই সনদ লাভ করেছিলো।
- ২০১৭ সালে দ্বিতীয় পণ্য হিসেবে ‘ইলিশ’ এবং ২০১৯ সালে তৃতীয় পণ্য হিসেবে ‘ক্ষীরসাপাত বা হিমসাগর’ আম জিআই সনদ লাভ করে।
- ডব্লিউআইপিওর নিয়ম অনুযায়ী, বাংলাদেশে জিআই নিবন্ধন সনদ দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সংস্থা পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তরকে (ডিপিডিটি)।
(সূত্র: প্রথম আলো রিপোর্ট/আর্কাইভ)
১,৮৯৩.
আত্মজীবনী ক্যাটাগরিতে 'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২২' অর্জন করেন কে?
  1. ক) আলম খোরশেদ
  2. খ) মোকারম হোসেন
  3. গ) মুহাম্মদ শামসুল হক
  4. ঘ) ইকতিয়ার চৌধুরী
ব্যাখ্যা
- ১৯৬০ সাল থেকে ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার' প্রদান করা হয়। 
- বাংলাদেশ সরকারের ‘সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়' এ পুরস্কার ঘোষণা করে।
-২৫ জানুয়ারী ২০২৩ ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২২' ঘোষণা করা হয়। ১১টি বিভাগে মোট ১৫ জনকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখকরা হলেন:

• কবিতা ⇒ ফারুক মাহমুদ ও তারিক সুজাত
• কথাসাহিত্য ⇒ তাপস মজুমদার ও পারভেজ হোসেন 
• প্রবন্ধ/গবেষণা ⇒ মাসুদুজ্জামান
• অনুবাদ ⇒ আলম খোরশেদ
• নাটক ⇒ মিলন কান্তি দে ও ফরিদ আহমদ দুলাল
•  শিশুসাহিত্য ⇒ দ্রুব এষ
• বঙ্গবন্ধুবিষয়ক গবেষণা ⇒ সুভাষ সিংহ রায় 
• বিজ্ঞান/কল্পবিজ্ঞান/পরিবেশ বিজ্ঞান ⇒ মোকারম হোসেন 
আত্মজীবনী/স্মৃতিকথা/ভ্রমণকাহিনী ⇒ ইকতিয়ার চৌধুরী। 
• ফোকলোর ⇒ আবদুল খালেক ও মুহম্মদ আবদুল জলিল
• মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণা ⇒ মুহাম্মদ শামসুল হক। 

উৎস: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
১,৮৯৪.
বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি টিভি চ্যালেন কোনটি?
  1. চ্যানেল আই
  2. এনটিভি
  3. এটিএন
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রথম স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল:

- বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল এটিএন বাংলা।
- ‘অবিরাম বাংলার মুখ’ শ্লোগানকে বুকে ধারণ করে ১৫ জুলাই ১৯৯৭ সালে যাত্রা শুরু করে চ্যানেলটি।
- ঐদিন বিশ্বব্যপী প্রথম বাংলা ভাষা’র সম্প্রচার ঘটে এই বাংলাদেশী চ্যানেলটির মাধ্যমে। - বিনোদনের পাশাপাশি শিক্ষা, খেলাধুলা, সমাজ, সংস্কৃতি নিয়ে অনুষ্ঠার প্রচারের ক্ষেত্রে প্রাধান্য দিয়েছে।
- ২০০৪ সালের ২২ নভেম্বর ‘আমরাও পারি’ অনুষ্ঠানের জন্য ছোট পর্দার অস্কার খ্যাত এমি অ্যাওয়ার্ড অর্জন।
- এছাড়াও অসংখ্য সম্মাননা রয়েছে চ্যানেলটির।

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইনকিলাব, ১৪ জুলাই ২০২৩।
১,৮৯৫.
বাংলাদেশ কমনওয়েলথে যোগদান করায় কোন দেশ কমনওয়েলথ ত্যাগ করে?
  1. ভারত
  2. পাকিস্তান
  3. চীন
  4. জিম্বাবুয়ে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ও কমনওয়েলথ:
- কমনওয়েলথের মূল রাষ্ট্র যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক খুবই ঘনিষ্ঠ।
- বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামে ১৯৭১ সালে গ্রেট ব্রিটেনের প্রচার মাধ্যমগুলো বিশেষত, বিবিসি, লন্ডন টাইমস, দ্য সান, গার্ডিয়ান, মিরর পত্রিকা স্বাধীনতাকামী বাঙ্গালি জনগণের উপর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর নির্মম নির্যাতন প্রচার করে বিশ্বজনমত সৃষ্টি করেছিল।
- ব্রিটেনসহ কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলো ভারতে আশ্রয় নেয়া শরণার্থীদের জন্য ব্যাপক সাহায্য দিয়েছিল।
- স্বাধীনতা লাভের পর বাংলাদেশের বিধ্বস্ত অর্থনীতি পুনর্গঠনে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলো অকাতরে সাহায্য সহযোগিতা দিয়েছে।

⇒ স্বাধীন দেশ হিসাবে কমনওয়েলথ ভুক্ত দেশগুলো বাংলাদেশকে ১৯৭২ সালেই দ্রুত স্বীকৃতি দেয়।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩২তম সদস্য।
- বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালের অটোয়ায় অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ সম্মেলনে যোগদান করেন।
- বাংলাদেশের অস্থিতিশীল রাজনীতি ও সরকার- বিরাধীদলের দাঙ্গাপূর্ণ সম্পর্ক অবসানে বিভিন্ন সময় কমনওয়েলথ মহাসচিব মধ্যস্থতার চেষ্টা করেছেন।

উল্লেখ্য,
⇒ ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩২তম সদস্য হিসেবে সদস্যপদ লাভ করে।
- এজন্য ক্ষিপ্ত হয়ে পাকিস্তান কমনওয়েলথ ত্যাগ করে ১৯৭২ সালে।

এছাড়াও,
- কমনওয়েলথ ত্যাগকারী দেশ আয়ার‍্যান্ড (১৯৪৬ সালে) ও জিম্বাবুয়ে (৭ ডিসেম্বর ২০০৩)।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৯৬.
বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ কোনটি?
  1. প্রাকৃতিক গ্যাস
  2. তেল
  3. কয়লা
  4. চুনাপাথর
ব্যাখ্যা

• প্রধান খনিজ সম্পদ:
- বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
- ১৯৫৫ সালে বার্মা ওয়েল কোম্পানি এদেশে সর্বপ্রথম সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। ১৯৫৭ সাল থেকে গ্যাসের উৎপাদন শুরু হয়।
- বর্তমানে দেশে মোট ২৯টি গ্যাস ক্ষেত্র রয়েছে। ভোলার ইলিশা-১ কূপটি দেশের নতুন গ্যাসক্ষেত্র (২৯তম)।
- বাংলাদেশের অন্যান্য খনিজ সম্পদের মধ্যে কয়লা, চুনাপাথর, কঠিন শিলা, গন্ধক, খনিজতেল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণি এবং পেট্রোবাংলা।

১,৮৯৭.
দেশের প্রথম 'যুদ্ধশিশু' হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি অর্জন করেন কে?
  1. আমিনা খাতুন
  2. ফরিদা খাতুন
  3. মেরিনা খাতুন
  4. আছিয়া খাতুন
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম 'যুদ্ধশিশু:
- দেশের প্রথম 'যুদ্ধশিশু' হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি অর্জন করেন মেরিনা খাতুন।

উল্লেখ্য,
- সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত পচি বেগমের সন্তান মেরিনা খাতুন।
- ২০২২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর মেরিনা খাতুন জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ‘যুদ্ধশিশু’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চেয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন।
- তাঁর মা পচি বেওয়াকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ২০১৮ সালের ৪ জুলাই বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- তাঁর মুক্তিযোদ্ধা গেজেট নম্বর ২০৫।
- এরই পরিপ্রেক্ষিতে তিনি যুদ্ধশিশু হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চান।

এছাড়াও,
- যুদ্ধশিশু মেরিনার কোথাও পিতার নাম লেখার প্রয়োজন হবে না।
- পিতার নাম ছাড়াই তিনি রাষ্ট্রের সব সুবিধা বা অধিকার ভোগ করতে পারবেন।
- বীরাঙ্গনার সন্তানেরাই এখন থেকে যুদ্ধশিশু হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পাবেন।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) ১৪ জুলাই ২০২৪, প্রথম আলো।
১,৮৯৮.
বার্ড এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. ড. কুদরত-ই-খুদা
  3. ড. আখতার হামিদ খান
  4. ড. এম এ বারী
ব্যাখ্যা

বার্ড
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড)-এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ড. আখতার হামিদ খান।
- তিনি ১৯৫৯ সালের ২৭ মে বার্ড প্রতিষ্ঠা করেন,
- এটি পল্লী উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা।
- বার্ড পরিচালিত ‘কুমিল্লা মডেল’ পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে দেশে-বিদেশে ব্যাপক স্বীকৃতি পেয়েছে।
- ২১ সদস্য বিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদের মাধ্যমে এটি পরিচালিত হয়, এর সভাপতি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী।
- পল্লী উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বার্ড ১৯৮৬ সালে ‘স্বাধীনতা পদক’ লাভ করে।

সূত্র: বার্ড ওয়েবসাইট। 

১,৮৯৯.
২০২৫ সালে 'মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি'তে কে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন?
  1. মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান
  2. বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর
  3. নভেরা আহমেদ
  4. মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পদক:
- স্বাধীনতা পদক বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার।
- মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এ পুরস্কার প্রবর্তন করে।

⇒ স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন।
- পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।

⇒ স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রাপ্ত:
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),
- সাহিত্য: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর),
- সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),
- শিক্ষা ও গবেষণা: বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর,
- সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),
- প্রতিবাদী তারুণ্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১,৯০০.
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল কবে ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায়?
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ২০০০ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল:
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) দ্বারা পরিচালিত।
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ২০১১ সালে ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে।
- যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে এই স্ট্যাটাস লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের বর্তমান অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি।
- জ্যোতি বাংলাদেশের ইতিহাসে মেয়েদের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরিয়ান।
- এশিয়া কাপ শিরোপা জিতে ২০১৮ সালে।
- টেস্ট মর্যাদা পায় ২০২১ সালে।

উৎস: বিসিবি ও Cricinfo ওয়েবসাইট।