বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

মোট প্রশ্ন৩,৮২৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

PrepBank · পাতা ১৬ / ৩৮ · ১,৫০১১,৬০০ / ৩,৮২৪

১,৫০১.
বাংলাদেশ থেকে কান চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত প্রথম সিনেমা কোনটি?
  1. আগুনের পরশমণি
  2. মাটির ময়না
  3.  লালন
  4. রেহানা মরিয়ম নূর
ব্যাখ্যা
• কান চলচ্চিত্র উৎসব:
- চলচ্চিত্রশিল্পের অন্যতম বড় প্রদর্শনীর নাম কান চলচ্চিত্র উৎসব।
- ১৯৪৬ সালে ক্ষুদ্র পরিসরে বসে প্রথম আসর।
- আসরের সেরা পুরস্কার 'পাম দি'অর' বা 'স্বর্ণপাম' প্রথম প্রদান করা হয় ১৯৫৫ সালে।
- ভূমধ্যসাগরের উপকূলে ফ্রান্সের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের শহর কানে বসে চলচ্চিত্রজগতের সবচেয়ে সম্মানজনক এ আসর।
- প্রতিবছরের মে মাসে ১২ দিনের জন্য বসে এ আসর।
- ১৯৪৬ সালে শুরুর পর থেকে প্রতিবছর সেরা চলচ্চিত্রকে পুরস্কৃত করা হয়।
- এটি বিশেষভাবে পরিচিত পাম দি'অর পুরস্কারের জন্য, যা দেওয়া হয় মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে সেরা চলচ্চিত্রকে।
- বাংলাদেশে থেকে ২০০২ সালে প্যারালাল বিভাগ 'ডিরেক্টরস ফোর্টনাইট'-এ মনোনয়ন পেয়ে সমালোচক পুরস্কারও জিতেছিল তারেক মাসুদের 'মাটির ময়না'।
- কান চলচ্চিত্র উৎসবের অফিসিয়াল বিভাগ 'আঁ সার্তেইন রিগার্দ'-এ প্রথমবারের মতো স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র 'রেহানা মরিয়ম নূর' (২০২১ সাল)।

এছাড়াও,
-  ২০২৪ সালের কান চলচ্চিত্র উৎসবের সর্বোচ্চ পুরস্কার স্বর্ণ পাম জিতেছে মার্কিন নির্মাতা শন বেকারের সিনেমা 'আনোরা'। 
- কান উৎসবের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পুরস্কার গ্রাঁ প্রিঁ জিতেছে পায়েল কাপাডিয়ার  ‘অল উই ইমাজিন অ্যাস লাইট’।

উৎস: প্রথম আলো (১৪ মে ২০২৪)।
১,৫০২.
The national emergence service is -
  1. ক) 333
  2. খ) 999
  3. গ) 106
  4. ঘ) 109
ব্যাখ্যা
• মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন “রুপকল্প-২০২১” বাস্তবায়ন ও “ডিজিটাল বাংলাদেশ” গড়ার লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
- এ অগ্রযাত্রায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক মাননীয় উপদেষ্টা জনাব সজীব ওয়াজেদ এর ‘ব্রেইন চাইল্ড' হচ্ছে “ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস ৯৯৯”
- তৎপ্রেক্ষিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে ২০১৫ সালের অক্টোবর মাসে “জাতীয় পর্যায়ে সর্বস্তরের জনগণের জন্য মোবাইল ফোন-ভিত্তিক হেল্পডেস্ক বাস্তবায়ন” কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক মাননীয় উপদেষ্টার পরামর্শক্রমে কালিয়াকৈর বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটিতে দেশের জনগণের জন্য জরুরি সেবা অর্থাৎ পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং এ্যাম্বুলেন্স সেবা দ্রুত নিশ্চিত করার লক্ষ্যে “ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস ৯৯৯” এর কাঠামো স্থাপন ও কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
- পরবর্তীতে “ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস” স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করে বাংলাদেশ পুলিশ কর্তৃক “জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯” এর পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম চালু করা হয়।

সূত্র: “জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নীতিমালা ২০২০”।
১,৫০৩.
বাংলাদেশ কবে IMF এর সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
The International Monetary Fund (IMF):
- The International Monetary Fund বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল।
- ১৯৪৪ সালের ৪ জুলাই Bretton Woods Conference এর মাধ্যমে IMF গঠিত হয়।
- আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৪৫ সালে।
- কার্যক্রম শুরু করে ১৯৪৭ সালে।
- IMF এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯০টি।
- IMF এর সদরদপ্তর: যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডি.সি.তে অবস্থিত।
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক: ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।
- IMF এর প্রধান কাজ: আন্তর্জাতিক মুদ্রা ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা রক্ষা করা।
- ২০২০ সালের ১৬ অক্টোবর অ্যান্ডোরা সংস্থাটির সর্বশেষ সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট IMF এর সদস্যপদ লাভ করে।

অন্যদিকে -
- ডেভিড ম্যালপাস বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- WTO এর মহাপরিচালক এনগোজি ওকোনজো ইওয়েলা। 

উৎস: IMF ওয়েবসাইট।
১,৫০৪.
গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলায় অংশগ্রহণকারী প্রথম বাংলাদেশির নাম কী?
  1. শহিদ ইসলাম
  2. রাশেদ আলম
  3. তৌহিদ ইসলাম
  4. শহিদুল আলম
  5. তৌকির ইসলাম
ব্যাখ্যা

শহিদুল আলম:
- গাজাগামী 'গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা' অংশগ্রহণকারী শহিদুল আলম পেশায় একজন আলোকচিত্রী। 

⇒ গাজায় ইসরায়েলের আরোপিত অবরোধ ভাঙার বৃহত্তর নৌ-সাহায্য মিশনের অংশ হিসেবে যাত্রা শুরু করে 'গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা'। 
- এই ফ্লোটিলায় প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে আছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আলোকচিত্রী ও মানবাধিকার কর্মী শহিদুল আলম।
- গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা নৌবহর যাত্রা শুরু করেছিল গাজার ১৭ বছরের অবরোধ ভাঙতে খাদ্য, ওষুধ আর শিশুদের খেলনা নিয়ে। 
- এর যাত্রীদের মধ্যে আছেন সুইডিশ জলবায়ুকর্মী গ্রেটা থুনবার্গসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানবাধিকারকর্মী, ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ও সাংবাদিকেরা।
- গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা ‘ফ্রিডম ফ্লোটিলা’ কোয়ালিশনের অংশ, যা ২০০৮ সাল থেকে গাজার অবরোধ ভাঙার জন্য লড়ছে।

উৎস: প্রথম আলো।

১,৫০৫.
প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে শিকাগো ম্যারাথন সফলতার সাথে শেষ করেছেন -
  1. মাহরীন খান
  2. নিশাত সুলতানা
  3. শিরিন শারমিন
  4. নাবিলা জাহান
ব্যাখ্যা
মাহরীন খান:
- প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে শিকাগো ম্যারাথন সফলতার সঙ্গে শেষ করেছেন মাহরীন খান। 
- এর আগে মাহরীন খান নিউইয়র্ক ও বন ম্যারাথানও সফলতার সাথে শেষ করেন।
- মাহরীন খান বর্তমানে এম আই টি থেকে পিএইচডি করে বর্তমানে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণারত।

উৎস: ৯ অক্টোবর ২০২৩, কালের কন্ঠ।
১,৫০৬.
How many ground stations are there for Bangabandhu Satellite-1?
  1. One
  2. Two
  3. Three
  4. Four
  5. Five
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১:
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১ নির্মাণ করেছে বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের থেলেস এলেনিয়া স্পেস।
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গায়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার রঙের নকশার ওপর ইংরেজিতে লেখা রয়েছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু- ১।
- বাংলাদেশ সরকারের একটি মনোগ্রামও রয়েছে এতে।
- বাংলাদেশ সময় ১২ মে, ২০১৮ তারিখ শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা ১৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে 'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট– ১' মহাকাশে পাঠানো হয়।
- ফ্যালকন ৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে নিয়ে যাত্রা করে নিজস্ব কক্ষপথে।
- রকেট উৎক্ষেপণের আধা ঘণ্টাখানেক পর স্যাটেলাইটটি কাঙ্ক্ষিত জিওস্টেশনারি ট্রান্সফার অরবিটে পৌঁছায়।
- এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও ডেটা কমিউনিকেশন সেবা পাওয়া যাবে।
- এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট সদস্য দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো বাংলাদেশ।
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট খরচ হয়েছে ২ হাজার ৯০২ কোটি টাকা।
- এর মেয়াদ ১৫ বছর।
- এই স্যাটেলাইটের গ্রাউন্ড স্টেশন সংখ্যা ২টি (প্রথমটি গাজীপুরে, দ্বিতীয়টি বেতবুনিয়ায়)।
-- ট্রান্সপন্ডার রয়েছে ৪০টি।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৫০৭.
পলাশী গোলচত্বরে অবস্থিত 'আট স্তম্ভ' কার স্মরণে নির্মিত হয়েছে?
  1. আবরার ফাহাদ
  2. আবু সাঈদ
  3. মীর মুগ্ধ
  4. জাতীয় আট নেতা
ব্যাখ্যা

• আগ্রাসনবিরোধী ‘আট স্তম্ভ’:
- বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী শহীদ আবরার ফাহাদ স্মৃতি স্মরণে আগ্রাসনবিরোধী ‘আট স্তম্ভ’ বুয়েট–সংলগ্ন পলাশী গোলচত্বরে অবস্থিত। 
- আটটি স্তম্ভ হচ্ছে সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র, গণপ্রতিরক্ষা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা, দেশীয় শিল্প-কৃষি-নদী-বন-বন্দর রক্ষা, সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা ও মানবিক মর্যাদা।

- ৭ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে ‘আট স্তম্ভ’ উদ্বোধন করা হয়েছে।
- উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া বলেন, ‘আট স্তম্ভের অবয়বের চেয়ে, আট স্তম্ভে লিখে রাখা বিষয়গুলো অধিক গুরুত্বপূর্ণ। এই শব্দগুলোর বাস্তবায়নের মাধ্যমে এই বদ্বীপের প্রকৃত স্বাধীনতা অর্জিত হবে।’
- আগ্রাসনবিরোধী আট স্তম্ভ নির্মাণে ৩৯ লাখ ৫৯ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।

১,৫০৮.
বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রদান শুরু হয় কত সাল থেকে?
  1. ১৯৫৫ সাল
  2.  ১৯৫৮ সাল
  3. ১৯৬০ সাল
  4. ১৯৬২ সাল
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি পুরস্কার:
- বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ক বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ গবেষণা ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান।
- ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর, ১৯৫৫)।
- ভিশন: উচ্চ বুদ্ধিবৃত্তিক, গবেষণানিষ্ঠ, বিদ্বৎ সমাজ ও ঐতিহ্যমণ্ডিত সংস্কৃতিমনস্ক জাতি। 
- মিশন: বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির গবেষণা, প্রকাশনা ও অনুবাদের মাধ্যমে প্রযুক্তিগত জ্ঞানভিত্তিক এবং ঐতিহ্যমণ্ডিত সংস্কৃতিমনস্ক জাতি গঠন।
- ১৯৬০ সাল থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে সামগ্রিক অবদান ও সৃজনশীল প্রতিভার স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রদান শুরু হয়।
- বাংলা সাহিত্যের ১০টি শাখায় এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- প্রতিটি পুরস্কারের মূল্যমান ৩,০০,০০.০০ (তিন লক্ষ) টাকা।
- প্রতি বছর মাসব্যাপী আয়োজিত অমর একুশে গ্রন্থমেলা-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে চেক, সম্মাননাপত্র ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

 উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।

১,৫০৯.
কোন ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশে স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া হয়?
  1. স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ
  2. চিকিৎসাবিদ্যা
  3. ক্রীড়া
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার
- দেশের ও জাতির কল্যাণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া হয়।
- সরকারের মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- প্রতিবছর ৬ টি ক্যাটাগরিতে ১০ জন বিশিষ্ট নাগরিককে এই পুরস্কার দেয়া হয়।
- ক্যাটাগরি সমূহ:
১. স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ,
২. সংস্কৃতি,
৩. সমাজসেবা,
৪. চিকিৎসাবিদ্যা,
৫.বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি,
৬.ক্রীড়া।

উল্লেখ্য,
- চিকিৎসাবিদ্যায় স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪ পেয়েছেন ডা. হরিশংকর দাশ।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।
১,৫১০.
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ভাস্কর্য কোনটি?
  1. অপরাজেয় বাংলা
  2. অদম্য বাংলা
  3. অদম্য সহসিকতা
  4. বাংলার অদম্য
ব্যাখ্যা
• অদম্য বাংলা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ভাস্কর্য।
- এর স্থপতি শিল্পী গোপাল চন্দ্র পাল।
- ২০১১ সালে ৩৯ লাখ টাকা ব্যয় সাপেক্ষে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ২০১২ সালের জানুয়ারিতে তা শেষ হয়।
- অদম্য বাংলা’, ভাস্কর্যটি মুক্তিযুদ্ধের আত্মত্যাগ ও গৌরবময় ইতিহাসের এক জীবন্ত প্রতীক।
- ২৩ ফুট উচ্চতার এই ভাস্কর্যে পুরুষের পাশাপাশি এক নারীর বলিষ্ঠ ভঙ্গিমা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, এই যুদ্ধ ছিল সবার।

উৎস: প্রথম আলো।
১,৫১১.
নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত “সোমপুর বিহার” এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. গোপাল
  2. ধর্মপাল
  3. মহীপাল
  4. বিগ্রহপাল
ব্যাখ্যা
• পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা — শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে।
- এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্মচর্চা কেন্দ্র ছিল।
- শুধু উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকেই নয়, চীন, তিব্বত, মায়ানমার (তদানীন্তন ব্রহ্মদেশ), মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি দেশের বৌদ্ধরা এখানে ধর্মচর্চা ও ধর্মজ্ঞান অর্জন করতে আসতেন।
- খ্রিষ্টীয় দশম শতকে বিহারের আচার্য ছিলে অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান।
- পুন্ড্রবর্ধনের রাজধানী পুন্ড্রনগর (বর্তমান মহাস্থান) এবং অপর শহর কোটিবর্ষ (বর্তমান বানগড়)এর মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত ছিল সোমপুর মহাবিহার।
- এর ধ্বংসাবশেষটি বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজশাহীর অন্তর্গত নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৫১২.
বিদেশে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন কয়টি?
  1. ৭০টি 
  2. ৭১টি
  3. ৮১টি
  4. ৮০টি
ব্যাখ্যা

বিশ্বে বাংলাদেশের প্রায় ৮১টি কূটনৈতিক মিশন রয়েছে, এর মধ্যে -
- আফ্রিকা - ৯টি, 
- আমেরিকা - ৯টি, 
- পূর্ব এশিয়া - ৭টি, 
- পূর্ব ইউরোপ- ৬টি, 
- দক্ষিণ এশিয়া- ১২টি, 
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া- ৯টি, 
- পশ্চিম এশিয়া- ১৩টি,
- পশ্চিম ইউরোপ- ১৬টি।

উৎস:  বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]

১,৫১৩.
‘মনপুরা ৭০’ চিত্রকর্মটি কে আঁকেন?
  1. কামরুল হাসান
  2. মুর্তাজা বশির
  3. জয়নুল আবেদিন
  4. এস এম সুলতান
ব্যাখ্যা

মনপুরা ৭০:
- ‘মনপুরা ৭০’ চিত্রকর্মটি আঁকেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।
- ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস 'গোর্কি'তে ১০ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটে। সাগর, নদী, খাল-বিলে ভেসে ছিল অসংখ্য লাশ আর এক কোটি মৃত গবাদিপশু। ঘরবাড়ি, স্বজন হারিয়ে পথে বসেন উপকূলের লাখো মানুষ। উপকূলীয় দ্বীপচরসহ বহু এলাকার ঘরবাড়ি নিশ্চিহ্ন হয়ে বিরান জনপদে পরিণত হয়।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন এই প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়বিধ্বস্ত মনপুরা ঘুরে ঘূর্ণিঝড়ের ধ্বংসাত্মক ও ধ্বংসাত্মক প্রভাবকে ২৮ ফুট লম্বা ‘মনপুরা ৭০’ নামে একটি শিল্পকর্ম চিত্রিত করেন।

শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন:
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দে তৎকালীন ময়মনসিংহ জেলার কিশোরগঞ্জ মহুকুমার কেন্দুয়াতে (বর্তমান নেত্রকোণা) জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৫৮ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের সবচেয়ে বড় খেতাব হেলাল-ই-ইমতিয়াজ অর্জন করেন এবং ১৯৭১ সালে সেটি বর্জন করেন।
- জয়নুল তাঁর প্রথম জীবনেই নদী ও অবারিত প্রকৃতির মাঝে রোমান্টিকতার অনুপ্রেরণা পান।
- জয়নুল আবেদিন ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী, যারা দেশ ভাগের পর ঢাকায় অভিবাসী হয়েছিলেন, আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৬৮ সালে ঢাকা আর্ট কলেজের ছাত্রদের তরফ থেকে 'শিল্পাচার্য' উপাধি লাভ করেন।
- ১৯৭৪ সালে তিনি জাতীয় অধ্যাপক (বাংলাদেশ) সম্মান লাভ করেন।
- ১৯৭৫ সালে জয়নুল আবেদিন সোনারগাঁও এ একটি লোকশিল্প জাদুঘর এবং ময়মনসিংহে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা প্রতিষ্ঠা করেন।
- এ দুটি প্রতিষ্ঠানে তাঁর অংকিত কিছু চিত্রকর্ম সংরক্ষিত আছে।
- ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

উল্লেখ্য,
- তাঁর আরো কিছু বিখ্যাত শিল্পকর্ম: ম্যাডোনা, দুর্ভিক্ষ, সংগ্রাম, সাঁওতাল রমণী, বিদ্রোহী, মনপুরা, নবান্ন, মহিলা ইত্যাদি।
- ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩), 'ফসল মাড়াই', জলরং (১৯৬৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।

১,৫১৪.
কতজন ব্যক্তিকে 'বাংলা একাডেমি ফেলোশিপ, ২০২৫' প্রদান করা হয়েছে?
  1. ৮ জন
  2. ৭ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬ জন
ব্যাখ্যা

- ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে 'বাংলা একাডেমি ফেলোশিপ, ২০২৫' প্রদান করা হয়েছে ।
- বাংলা একাডেমির সাধারণ পরিষদের ৪৮তম বার্ষিক সভায় সাতজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে বাংলা একাডেমি সাম্মানিক ফেলোশিপ দেওয়া হয়েছে।
- প্রতিবছর নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য তারা সাম্মানিক পুরস্কার পেয়ে থাকেন।
- ফেলোশিপ প্রাপ্তরা হচ্ছেন:
- ফিলিপ গাইন (সাংবাদিকতা), 
- মাহবুব উল্লাহ (অর্থনীতি),
- সমর মজুমদার (শিল্পকলা),
- পারভীন হাসান (ইতিহাস),
- মেরিনা তাবাসসুম (শিল্পকলা),
- মতেন্দ্র মানখিন (সাহিত্য) এবং
- বিজন কুমার শীল (বিজ্ঞান)।

উৎস: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।

১,৫১৫.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থা?
  1. এএফপি
  2. বাসস
  3. পিটিআই
  4. এপি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস):
- বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা বা বাসস বাংলাদেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থা।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালের ১ জানুয়ারি।
- অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস অফ পাকিস্তান (এপিপি) এর ঢাকা ব্যুরোকে নতুন দেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থায় রূপান্তরিত করা হয়।
- ঢাকার পুরাতন পল্টনে এর সদরদপ্তর অবস্থিত।
- ঢাকা ব্যতীত এর আরও ৮টি আঞ্চলিক কার্যালয় রয়েছে।
- বাসস আন্তর্জাতিক ওয়্যার সার্ভিস এএফপি-তে সাবস্ক্রাইব করে এবং প্রেস ট্রাস্ট অফ ইন্ডিয়া (পিটিআই), অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস অফ পাকিস্তান (এপিপি), চীনের সরকারী সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া, মালয়েশিয়ার বার্নামা এবং অস্ট্রেলিয়ার ট্রান্সডেটার সাথে সংবাদ বিনিময় করে।
- বাংলাদেশে বাংলা সংবাদপত্রের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ১৯৯৯ সালে বাসস বাংলা সংবাদ পরিষেবা চালু করে।

অন্যদিকে,
- এএফপি (Agence France-Presse বা AFP) হলো ফ্রান্সের প্যারিসে অবস্থিত একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা।
- পিটিআই হলো ভারতের বৃহত্তম সংবাদ সংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অফ ইন্ডিয়া।
- এপি (Associated Press বা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস) হলো যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিখ্যাত আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা।

 উৎস: বাসস ওয়েবসাইট।

১,৫১৬.
মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত প্রথম প্রামাণ্যচিত্র কোনটি? 
  1. এ স্টেট ইজ বর্ন 
  2. মুক্তির গান
  3. দ্য লিবারেশন স্ট্রাগল
  4. স্টপ জেনোসাইড
ব্যাখ্যা

জহির রায়হান:
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত প্রথম প্রামাণ্যচিত্র হচ্ছে- স্টপ জেনোসাইড।
- স্টপ জেনোসাইড জহির রায়হান নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র।
- জহির রায়হান (১৯৩৫–১৯৭২) ছিলেন বাংলা সাহিত্য ও চলচ্চিত্রের এক বহুমুখী প্রতিভা।
- তিনি ঔপন্যাসিক, গল্পকার, সাংবাদিক এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে অসাধারণ অবদান রেখে গেছেন।
- জহির রায়হান বাংলা সাহিত্য ও চলচ্চিত্রের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র।
- তাঁর লেখনী ও নির্মাণ বাঙালির ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সংগ্রামকে নতুন মাত্রায় তুলে ধরেছে।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি নিখোঁজ হন। 
- তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি একুশে পদক ও স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন।
অন্যদিকে, 
- এ স্টেট ইজ বর্ন- জহির রায়হানের নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র। 
- মুক্তির গান তারেক মাসুদের নির্মিত  প্রামাণ্যচিত্র।
- দ্য লিবারেশন স্ট্রাগল হচ্ছে তানভীর মোকাম্মেল পরিচালিত প্রামাণ্যচিত্র। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো পত্রিকা। 

১,৫১৭.
বাংলাদেশের ৬২তম GI পন্য কোনটি?
  1. কুমারখালীর বেডশীট
  2. বগুড়ার দই
  3. কালিগঞ্জের তোয়ালে
  4. কুমিল্লার রসমালাই
ব্যাখ্যা

জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- জাতিসংঘের সংস্থা WIPO (World Intellectual Property Organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- ভৌগোলিক নির্দেশক (Geographical indication) হচ্ছে একটি প্রতীক বা চিহ্ন, যা পণ্য ও সেবার উৎস, গুণাগুণ ও সুনাম ধারণ এবং প্রচার করে।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্য জামদানি শাড়ি। জামদানি শাড়ি জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় ২০১৬ সালে।

⇒ বাংলাদেশের ৬২তম GI পন্য কালিগঞ্জের তোয়ালে। 
- আবেদনকারী: বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড।

উৎস: পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। [link]

১,৫১৮.
নভেরা আহমেদের পরিচয় কী হিসাবে?
  1. কবি
  2. নাট্যকার
  3. কণ্ঠশিল্পী
  4. ভাস্কর
ব্যাখ্যা
নভেরা আহমেদ (মার্চ ২৯, ১৯৩৯ –  মে ৬, ২০১৫):
- তিনি ছিলেন একজন বাংলাদেশী ভাস্কর।
- তিনি বাংলাদেশের আধুনিক ভাস্কর্যশিল্পের অন্যতম অগ্রদূত এবং বিংশ শতাব্দীর প্রথম বাংলাদেশী আধুনিক ভাস্কর।
- ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ সরকার তাকে একুশে পদক প্রদান করে।
- তিনি প্রায় ৪৫ বছর মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত প্যারিসে বসবাস করেন।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (৬ মে, ২০২০)।
১,৫১৯.
প্রথম স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত ব্যক্তি কে ছিলেন?
  1. মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন
  4. সকলেই
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার:
- স্বাধীনতা পদক বা স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদক।
- ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহিদদের স্মরণে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস ২৬শে মার্চ এই পদক প্রদান করা হয়।
- ২০২৪ সালে ১০ জনকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হয়।
- জাতীয় জীবনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশিষ্ট অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশের নাগরিককে স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- প্রতিটি পুরস্কারের মান একটি স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র এবং নগদ অর্থ।
- পুরস্কারের নগদ অর্থের পরিমান সূচনালগ্নে ছিল বিশ হাজার টাকা।
- ২০০৪ সালে তা এক লক্ষ টাকায় উন্নীত হয়।
- স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

পুরস্কার প্রাপ্তির সাল: ১৯৭৭
১ মরহুম মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী (মরণোত্তর): সমাজকল্যাণ
২ মরহুম কাজী নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর): সাহিত্য
৩ মরহুম শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন (মরণোত্তর): চারুকলা
৪ মরহুম ড. মোকাররম হোসেন খন্দকার (মরণোত্তর): বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
৫ জনাব মাহবুব আলম চাষী: পল্লীউন্নয়ন
৬ ব্রিগেডিয়ার মাহমুদুর রহমান চৌধুরী: চিকিত্সা বিজ্ঞান
৭ ডা. মোঃ জাফরুল্লাহ চৌধুরী: জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ
৮ বেগম রুনা লায়লা: সঙ্গীত
৯ হাবিলদার মোস্তাক আহমদ: ক্রীড়া
১০ মরহুম এনায়েত করিম (মরণোত্তর): জনসেবা

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৫২০.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠান খোলা বাজারে ন্যায্য দামে পণ্যদ্রব্য বিক্রি করে?
  1. ক) টিসিবি
  2. খ) বিএডিসি
  3. গ) বিএসটিআই
  4. ঘ) ক্যাব
ব্যাখ্যা
- টিসিবি খোলা বাজারে সরকারের পক্ষ থেকে ন্যায্যমূল্যে বিভিন্ন পণ্য-দ্রব্যাদি বিক্রি করে থাকে।
- ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান যা ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এছাড়া, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির সরবরাহ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ করা, চাহিদা ও যোগানের মধ্যে সামঞ্জস্য রেখে আপদকালীন সময়ের জন্য বিভিন্ন পণ্য মজুদ করা, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী পণ্য আমদানি করা প্রভৃতি টিসিবির কাজ।

(তথ্যসূত্র: টিসিবি ওয়েবসাইট)
১,৫২১.
নবম T20 বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন কোন দেশ?
  1. ভারত
  2. পাকিস্তান
  3. আফগানিস্তান
  4. দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
নবম আইসিসি T-20 বিশ্বকাপ - ২০২৪

• আয়োজক দেশ: যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ
• সময়কাল:  ২⎯২৯ জুন, ২০২৪
• অংশগ্রহণকারী দল: ২০টি 
• মোট ম্যাচ: ৫৫টি 
• উদ্বোধনী ম্যাচ: যুক্তরাষ্ট্র বনাম কানাডা
• ফাইনাল ম্যাচ: ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা 
• চ্যাম্পিয়ন দল: ভারত
• রানার্স আপ দল: দক্ষিণ আফ্রিকা 
• ম্যান অব দ্যা ফাইনাল: বিরাট কোহলি (ভারত)  
• ম্যান অব দ্যা টুর্নামেন্ট: যশপ্রীত বুমরা (ভারত) 
• সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক: রহমানুল্লাহ গুরবাজ (আফগানিস্তান)
• সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি: ফজলহক ফারুকি (আফগানিস্তান) ও আর্শদ্বীপ সিং (ভারত) 
• হ্যাটট্রিক (মোট ৩টি): প্যাট কামিন্স: ২টি (অস্ট্রেলিয়া) , ক্রিস জর্ডান: ১টি (ইংল্যান্ড) 
•  টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে টানা দুই ম্যাচে টি-টোয়েন্টিতে হ্যাটট্রিকের রেকর্ড করেন প্যাট কামিন্স। 
•  সর্বোচ্চ মেডেন অভার:  লোকি ফার্গুসন (নিউজিল্যান্ড)।

উৎস: আইসিসি ওয়েবসাইট।
১,৫২২.
বাংলাদেশের কোন জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু হয়?
  1. ক) অষ্টম
  2. খ) সপ্তম
  3. গ) চতুর্থ
  4. ঘ) পঞ্চম
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সপ্তম জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু হয়।

• জাতীয় সংসদ:
- ১৯৯৬ সালের ১২ জুন সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয় লাভ করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে।
- এ সপ্তম জাতীয় সংসদে সর্বপ্রথম প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু করা হয়।
- সংসদের অধিবেশন চলাকালে সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট দিনে সংসদ সদস্যগণ প্রধানমন্ত্রীকে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করেন এবং তিনি তার জবাব দেন।
- প্রথম দিকে এ প্রশ্নোত্তর পর্বের জন্য সময় বরাদ্দ ছিল ১৫ মিনিট।
- পরে তা বাড়িয়ে ৩০ মিনিট করা হয়।
- সরকারি দলের সদস্যদের জন্য ১৫ মিনিট এবং বিরোধী দলের সদস্যদের জন্য ১৫ মিনিট ধার্য করা হয় ।

উৎস: জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট।
১,৫২৩.
সেনাবাহিনী কতজন সদস্য দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব ‘বীর উত্তম’ পদক প্রাপ্ত হয়েছেন?
  1. ৬৮ জন
  2. ৫০ জন
  3. ৪৯ জন
  4. ৫১ জন
ব্যাখ্যা

১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়।
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন
- বীর উত্তম - ৬৮ জন
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন
- বীর প্রতীক - ৪২৬ জন

তাদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত চারজন ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকায় গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম) [সেনাবাহিনী]
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)

∴ বর্তমানে (২০২১) মুক্তিযুদ্ধের খেতাবধারীর সংখ্যা - মোট ৬৭২ জন।
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৭ জন
- বীর বিক্রম - ১৭৪ জন
- বীর প্রতীক - ৪২৪ জন

এবার আমাদের প্রশ্নে আসা যাক,
বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব ‘বীর উত্তম’ পদক প্রাপ্ত -
সেনাবাহিনী - ৪৮ [লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিমকে বাদ দিয়ে]
নৌ বাহিনী - ৮
বিমান বাহিনী - ৬
গণবাহিনী - ৫

এছাড়া, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে বাঁচাতে গিয়ে শহীদ হন কর্ণেল জামিল। তিনি ২০০৯ সালে বীর উত্তম উপাধি পান।
অর্থাৎ, শুধুমাত্র মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব ‘বীর উত্তম’ পদকপ্রাপ্ত সেনাবাহিনী থেকে - ৪৮ জন
এবং কর্ণেল জামিলসহ ‘বীর উত্তম’ পদকপ্রাপ্ত সেনাবাহিনী থেকে - ৪৯ জন।

তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো রিপোর্ট।

১,৫২৪.
'স্বাধীনতা পদক' প্রদান করে -
  1. ক) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
  2. খ) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
  3. গ) গবেষণা ও প্রশিক্ষণ মন্ত্রণালয়
  4. ঘ) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে স্বাধীনতা পদক প্রদান করা হয়।

• স্বাধীনতা পদক:

- ‘স্বাধীনতা পদক’ বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক।
- ১৯৭৭ সাল থেকে এই পদক প্রদান করা হচ্ছে।
- স্বাধীনতা পদক প্রাপ্তদের প্রত্যেককে আঠারো ক্যারেট মানের পঞ্চাশ গ্রাম স্বর্ণ দ্বারা নির্মিত একটি পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা, পাঁচ লক্ষ টাকা এবং একটি সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়।
-  ২০২৩ সালে নয় ব্যক্তি ও একটি সংস্থাকে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৩ স্বাধীনতা পদক প্রদান করা হয়।

অন্যদিকে,
- একুশে পদক প্রদান করা হয় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।
১,৫২৫.
উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম চিকিৎসক কে?
  1. ডা. ফিরোজা বেগম
  2. ডা. রওশন আরা
  3. ডা. কাজী জোহরা বেগম
  4. ডা. কানিজ হাসিনা
ব্যাখ্যা

- এই প্রশ্নের ভাষাগত কিছু ত্রুটি রয়েছে।
- প্রশ্নটি হবার কথা ছিল 'উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম মহিলা চিকিৎসক কে?'
- উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম চিকিৎসক সংক্রান্ত নির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
- কিন্তু উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম মহিলা চিকিৎসক ডা. কাজী জোহরা বেগম।
- তাই অপশন বিবেচনায় ডা. কাজী জোহরা বেগম উত্তর নেওয়া হয়েছে।

• ডাঃ কাজী, জোহরা বেগম (১৯১২-২০০৭):
- ডাঃ জোহরা বেগম কাজী প্রথম আধুনিক বাঙালি মুসলিম মহিলা চিকিৎসক।
- তিনি ভারতের যুক্ত প্রদেশের রঞ্জনগাঁওয়ে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে ১৯১২ সালের ১৫ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন। 
- একজন রাজনীতিক হিসেবে সুপরিচিত তাঁর পিতা ডাঃ কাজী আব্দুস সাত্তার ছিলেন বর্তমান মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার গোপালপুর গ্রামের কাজী পরিবারের সদস্য।
- একজন মেধাবী ছাত্রী হিসেবে জোহরা বেগম বাল্যকাল থেকেই প্রথম স্থান অধিকার করে সকল পর্যায়ের সমাপনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতেন।
- ১৯৩৫ সালে দিল্লির হার্ডিং মহিলা মেডিক্যাল কলেজ থেকে প্রথম বিভাগে শীর্ষ স্থান অধিকার করে তিনি এম.বি.বি.এস ডিগ্রি লাভ করেন এবং ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় কর্তৃক প্রদত্ত পদকে ভূষিত হন।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।
- দীর্ঘকাল মানবতার সেবায় নিঃস্তার্থ কর্মকান্ডের স্তীকৃতিস্তরূপ ডাঃ জোহরা কাজীকে তমঘা-ই-পাকিস্তান (১৯৬৪), বেগম রোকেয়া পদক (২০০২) এবং একুশে পদক (২০০৮) প্রদান করা হয়।
- ২০০৭ সালের ৭ নভেমতর জোহরা কাজীর মৃত্যু হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, অধ্যাপক ডা. জোহরা বেগম কাজী : উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম মহিলা চিকিৎসক বই।।

১,৫২৬.
দেশের প্রথম নারী শিক্ষাসচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন কে?
  1. জাকিয়া সুলতানা
  2. শাহনাজ আরেফিন
  3. রেহানা পারভীন
  4. শাহীনা বেগম
ব্যাখ্যা

প্রথম নারী শিক্ষা সচিব:
- বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন নারী শিক্ষা সচিব নিয়োগ পেলেন রেহানা পারভীন।
- তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের নতুন সচিব হয়েছেন ।
- তিনি এর আগে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) নির্বাহী চেয়ারম্যান (সচিব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
- ১৮ আগস্ট, ২০২৫ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে রেহানা পারভীন আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের প্রথম নারী শিক্ষা সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেলেন।

উল্লেখ্য,
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ২০১৬ সালের নভেম্বরে দুটি বিভাগে ভাগ করা হয়।
- একটি হলো মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং অন্যটি কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ।
- ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর থেকে অবিভক্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মোট ৩৩ জন সিনিয়র সচিব ও সচিব দায়িত্ব পালন করেছেন।
- বিভাগ বিভক্ত হওয়ার পর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে এখন পর্যন্ত সাতজন সিনিয়র সচিব ও সচিব দায়িত্ব পালন করলেও তাদের কেউ নারী ছিলেন না। 

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১,৫২৭.
জুলাই বিপ্লবে প্রবাসী নারীদের ভূমিকা নিয়ে নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য তথ্যচিত্রের নাম কী? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. ফাহিমস ড্রিম
  2. আমাদস ড্রিম
  3. জাহানস ড্রিম
  4. ঈশিতাস ড্রিম
ব্যাখ্যা

• আমাদস ড্রিম:
- ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে প্রবাসীদের সক্রিয় ভূমিকা বিশেষ করে প্রবাসী নারীদের অবদান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলার আশিষ কিফায়েত নির্মাণ করেছেন স্বল্পদৈর্ঘ্য তথ্যচিত্র 'আমাদস ড্রিম'। 
- চলচ্চিত্রটি ইস্ট ভিলেজ নিউইয়র্ক চলচ্চিত্র উৎসব এবং এথেন্স আন্তর্জাতিক আর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সম্মানজনক পুরস্কার অর্জন করেছে।
- এছাড়া, 'আমাদস ড্রিম' বিভিন্ন শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে নির্বাচিত হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।

১,৫২৮.
সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৪ কোন দেশে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ভারত
  2. ভুটান
  3. নেপাল
  4. বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
---------------------------
২০২৪ নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ:
- ২০২৪ সালের অক্টোবরে নেপালে অনুষ্ঠিত হয়।
- নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ৭ম সংস্করণ।
- অংশগ্রহণকারী দল: ৭টি।
- মোট ম্যাচ: ১২টি।
- মোট গোল: ৬২টি।
- চ্যাম্পিয়ন: বাংলাদেশ।
- রানার্স আপ: নেপাল।
- সেরা খেলোয়াড়: ঋতুপর্ণা চাকমা।
- সেরা গোলরক্ষক: রূপনা চাকমা।
- ফেয়ার প্লে ট্রফি: ভুটান।

উল্লেখ্য,
- সাতটি দেশ: বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, মালদ্বীপ এবং ভুটান।
- বাংলাদেশ দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
- সর্বোচ্চ ৫ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। 

তথ্যসূত্র: SAFF Championship ওয়েবসাইট।
১,৫২৯.
টোকাই কার্টুন চরিত্রটির স্রষ্টা কোন চিত্রশিল্পী?
  1. মর্তুজা বশীর
  2. রশীদ চৌধুরী
  3. রফিকুন নবী 
  4. হাশেম খান
ব্যাখ্যা

- টোকাই কার্টুন চরিত্রটির স্রষ্টা রফিকুন নবী।

রফিকুন নবী:

- তাকে রনবী' নামেই তিনি জনসাধারণের কাছে বিপুল সমাদৃত।
- তাঁর অনবদ্য সৃষ্টি 'টোকাই'-এর প্রতিকৃতি।
- সুবিধাবঞ্চিত শিশুটি এই বিত্তবৈভবে তিলোত্তমা রাজধানীর ফুটপাতে সড়কবাতির পাশে বসে-শুয়ে খুব সহজ-সরল ভাষায় মাত্র দু-একটি কথায় বলে যাচ্ছে সমাজের পর্বতপ্রমাণ অসংগতির কথা।

অপরদিকে,
- হাশেম খান ১৯৭২ সালে প্রণীত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংবিধান গ্রন্থ অলংকরণের প্রধান শিল্পী হিসাবে কাজ করেন। 
- ঢাকা নগর জাদুঘর, বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রতিষ্ঠায় তার রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
- মর্তুজা বশীর চিত্রশিল্পী ও কার্টুনিস্ট।
- তার বিখ্যাত সিরিজ এপিটাফ।
- রশীদ চৌধুরী বয়ন শিল্পের ভিন্নতর মাধ্যম ট্যাপোস্টির জনক।

উৎস: প্রথম আলো।[ লিঙ্ক]

১,৫৩০.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের ২১শে ফেব্রুয়ারির শহিদ দিবসকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. ইউনিসেফ
  2. ইউনেসকো
  3. ইউএন
  4. এডিবি
ব্যাখ্যা
- ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কোর সাধারণ অধিবেশনে '২১ ফেব্রুয়ারি'কে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। 

২১ ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:

- প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।
- ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন হয় যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয় এবং একই প্রস্তাবে ২০০৮ সালকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।

সূত্র: ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১,৫৩১.
ড. মুহম্মদ শামসুজ্জোহা কোন আন্দোলন চলাকালে শহীদ হয়?
  1. ক) ৫২ এর ভাষা আন্দোলন
  2. খ) ৬২ এর শিক্ষা আন্দোলন
  3. গ) ৬৯ এর গণঅভ্যূত্থান
  4. ঘ) ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
ড. মুহম্মদ শাসুজ্জোহা ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের লেকচারার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর। ১৯৬৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি রাবি’র প্রধান ফটকে পাকবাহিনীর গুলিতে তিনি শহীদ হন। তার ‍মৃত্যুতে আইয়ুববিরোধী আন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করে। (সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১,৫৩২.
UNESCO বাংলাদেশের কোন ধরনের গানকে 'Heritage of Humanity' হিসেবে আখ্যায়িত করেছে?
  1. লালনগীতি
  2. কবিগান
  3. বাউল
  4. হাসন রাজার গান
ব্যাখ্যা
বাউল সংগীত:
- ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত দপ্তর হিসেবে কাজ করে আসছে।
- পদাধিকার বলে শিক্ষামন্ত্রী বিএনসিইউ এর চেয়ারম্যান ।
 
- মানবতার ইতিহাসে এই বাউল সংগীতের অপরিসীম সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যগত গুরুত্ব বিবেচনায় ইউনেস্কো ২০০৫ সালে একে “Masterpiece of the Oral and Intangible Heritage of Humanity” হিসেবে ঘোষনা দেয়।
- পরবর্তীতে ২০০৮ সালে ইউনেস্কোর অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত Intergovernmental Committee’র তৃতীয় অধিবেশনে বাংলাদেশের বাউল সংগীতকে Intangible Cultural Heritage of Humanity হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
 
উৎস: বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।
১,৫৩৩.
বর্তমানে দেশে কয়টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৩টি
  4. ২টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

• ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য:
- ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ আর সৃষ্টিশীলতাকে লালন করার প্রত্যয়ে ইউনেস্কো ঘোষিত সংস্কৃতি বিষয়ক বিভিন্ন কনভেনশনের আলোকে বিএনসিইউ’র সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়। 
- বর্তমানে দেশে ৫টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে।

• এগুলো হলো:
- বাউলগান (২০০৮),
- জামদানি বুননশিল্প (২০১৩),
- মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬), 
- শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭) ও
- ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩)। 

- ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের আন্তসরকার কমিটির ১৮তম অধিবেশনে বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’।
- এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের  পর পঞ্চম বিমূর্ত ঐতিহ্য হিসেবে ইউনেসকোর ‘ইনটেনজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটি’ তালিকায় স্থান পেল রিকশা ও রিকশাচিত্র।

উৎস: বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন ও প্রথম আলো।
১,৫৩৪.
সম্প্রতি, বিজ্ঞান সাময়িকী নেচার ‘Nation builder’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে- [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. আবদুল্লাহ আবু সায়ীদকে
  2. ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে
  3. ড. জাফর উল্লাহ্‌কে
  4. ফজলে হাসান আবেদকে
ব্যাখ্যা
নেচার সাময়িকী সেরা দশ ব্যক্তিত্ব তালিকা-২০২৪:
- ৯ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে প্রখ্যাত বিজ্ঞান সাময়িকী 'নেচার' জ্ঞান-বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন শাখায় অবদান রাখা ২০২৪ সালের সেরা দশ ব্যক্তিত্বের তালিকা প্রকাশ করেছে।
- চলতি বছরের তালিকায় আবহাওয়া পূর্বাভাসের নতুন ধারণা থেকে শুরু করে একটি জাতিকে নেতৃত্ব দেয়ার বিষয় স্থান পেয়েছে।
- এ তালিকায় ৭ম স্থানে রয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- ড. ইউনূসকে ‘নেশন বিল্ডার’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে সাময়িকীটি।

সাময়িকীটি ড. মুহাম্মদ ইউনূস সম্পর্কে বলেছে,
বাংলাদেশে স্বৈরাচারী সরকারের পতনে নেতৃত্ব দেওয়া শিক্ষার্থীরা শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে দেশের নেতৃত্ব দিতে আমন্ত্রণ জানানোর দাবি জানিয়েছিলেন। এটি ছিল ড. ইউনূসের জীবনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ, ছয় দশকের পেশাজীবনে তিনি কখনও রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেননি।

উল্লেখ্য,
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের যুগান্তকারী উদ্ভাবন হলো ‘ক্ষুদ্র ঋণ’। এই উদ্ভাবনের মাধ্যমে তিনি দেখিয়েছেন যে সঠিক ব্যবস্থাপনা থাকলে, ক্ষুদ্রঋণ সমাজের সবচেয়ে দরিদ্র অংশের জীবন বদলে দিতে পারে। ক্ষুদ্র ঋণের ধারণার ওপর ১৯৮৩ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। পরবর্তীতে তার ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা সারা বিশ্বে মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

তথ্যসূত্র: নেচার সাময়িকী ওয়েবসাইট।
১,৫৩৫.
বাংলাদেশের সাথে নিচের কোন দেশের অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি রয়েছে?
  1. ভারত
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. চীন
  4. ভুটান
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ গত ৬ ডিসেম্বর ২০২০ প্রথম দেশ হিসেবে ভুটানের সাথে দ্বিপাক্ষিক অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (PTA) স্বাক্ষর করেছে।
এর ফলে বাংলাদেশের ১০০টি ও ভুটানের ৩৪টি পণ্য পরস্পরের বাজারে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা পাবে।
উৎসঃ Live MCQ সালতামামি, ২০২০।

১,৫৩৬.
বাংলাদেশের জাতীয় খেলা কোনটি?
  1. গোল্লাছুট
  2. কাবাডি
  3. ক্রিকেট
  4. ফুটবল
ব্যাখ্যা
কাবাডি:
- বাংলাদেশের জাতীয় খেলা 'কাবাডি'।
- কাবাডি খেলাকে জাতীয় খেলার মর্যাদা দেয়া হয় ১৯৭২ সালে।
- কোনো কোনো স্থানে কাবাডিকে আবার হাডুডু খেলাও বলে।
- এ খেলা গ্রামাঞ্চলে অধিকতর জনপ্রিয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন গঠিত হয় ১৯৭৩ সালে।
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ সফররত ভারতীয় কাবাডি দলের সঙ্গে প্রথম কাবাডি টেস্ট খেলে।
- ১৯৭৮ সালে এশিয়ান অ্যামেচার কাবাডি ফেডারেশন গঠন করা হয়।
- ১৯৮০ সালে সফলভাবে প্রথম এশীয় কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজন করা হয় এবং এতে ভারত চ্যাম্পিয়ন ও বাংলাদেশ রানার্স আপ হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১,৫৩৭.
নভেরা আহমেদ কী হিসেবে পরিচিত?
  1. স্থপতি
  2. ভাস্কর
  3. নাট্যকার
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

নভেরা আহমেদ:  
- নভেরা আহমেদ ছিলেন বাংলাদেশের একজন খ্যাতিমান ভাস্কর।
- বিংশ শতাব্দীর প্রথম বাংলাদেশী আধুনিক ভাস্কর হিসেবে তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে নেন।
- ১৯৯৫ সালে তিনি ‘হিউমানিটি’ শিরোনামে একটি প্রশংসিত শিল্পকর্ম তৈরি করেন।
- তার আরেকটি উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি ‘নিঃসঙ্গ’—১৯৮৯ সালে নির্মিত এটি বাংলাদেশের প্রথম নগ্ন নারী অবয়ব ভাস্কর্য বলে বিবেচিত।
- ২০১২ সালে আঁকা তার অন্যান্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘আত্মা’, ‘স্নান’ এবং ‘কক্সবাজার’।
- তার অসামান্য শিল্পকর্ম ও অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭ সালে তাকে একুশে পদকে ভূষিত করে। 

সূত্র: প্রথম আলো ও বণিক বার্তা পত্রিকা রিপোর্ট।

১,৫৩৮.
নিচের কোন দুইটি জেলাকে পদ্মা সেতু সংযুক্ত করেছে?
  1. শরীয়তপুর ও মাদারীপুর
  2. মুন্সিগঞ্জ ও মাদারীপুর
  3. শরীয়তপুর ও মুন্সিগঞ্জ
  4. মাদারীপুর ও শরীয়তপুর
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:
- পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সভাপতি ছিলেন অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী।
- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার ও প্রস্থ ১৮.১০ মিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর ২০২০ সালে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন ২০২২ সালে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করা হয়।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা, জুন ২৫, ২০২২ ও যুগান্তর, ২৪ জুন ২০২২।
১,৫৩৯.
’অদম্য বাংলা’ ভাস্কর্যটির স্থপতি কে?
  1. সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ
  2. হামিদুজ্জামান খান
  3. মুস্তফা মনোয়ার
  4. গোপাল চন্দ্র পাল
ব্যাখ্যা

অদম্য বাংলা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ভাস্কর্য।
- এর স্থপতি শিল্পী গোপাল চন্দ্র পাল।
- ২০১১ সালে ৩৯ লাখ টাকা ব্যয় সাপেক্ষে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ২০১২ সালের জানুয়ারিতে তা শেষ হয়।
- অদম্য বাংলা’, ভাস্কর্যটি মুক্তিযুদ্ধের আত্মত্যাগ ও গৌরবময় ইতিহাসের এক জীবন্ত প্রতীক।
- ২৩ ফুট উচ্চতার এই ভাস্কর্যে পুরুষের পাশাপাশি এক নারীর বলিষ্ঠ ভঙ্গিমা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, এই যুদ্ধ ছিল সবার।

উৎস: প্রথম আলো।

১,৫৪০.
২০২২ সালে নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় রোকেয়া পদক লাভ করেন -
  1. ক) ফরিদা ইয়াসমিন
  2. খ) কামরুন নাহার বেগম
  3. গ) নাছিমা বেগম
  4. ঘ) রহিমা খাতুন
ব্যাখ্যা
রোকেয়া পদক – 
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসাধারণ অবদানের জন্য পাঁচজন বিশিষ্ট নারীকে ‘বেগম রোকেয়া পদক-২০২২’ প্রদান করেন। তিনি রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বেগম রোকেয়া দিবস-২০২২ ও বেগম রোকেয়া পদক প্রদান অনুষ্ঠান ২০২২ উপলক্ষ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে পাঁচ নারীর হাতে পদক তুলে দেন। 
 
বেগম রোকেয়া পদক-২০২২ প্রাপ্তরা হলেন:
১. নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা: অধ্যাপক কামরুন নাহার বেগম (এডভোকেট), চট্টগ্রাম 
২. নারীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন: ফরিদা ইয়াসমিন (জন্মস্থান খুলনা), সাতক্ষীরা 
৩. সাহিত্য ও সংস্কৃতির মাধ্যমে নারী জাগরণ: ড. আফরোজা পারভীন, নড়াইল
৪. পল্লী উন্নয়ন: নাছিমা বেগম, ঝিনাইদহ
৫. নারী শিক্ষা: রহিমা খাতুন, ফরিদপুর
১,৫৪১.
বিশ্ব শান্তি পরিষদ বঙ্গবন্ধুকে কোন পদকে ভূষিত করে?
  1. বিশ্ব সংহতি পুরস্কার
  2. ম্যাগসেসে পুরস্কার
  3. জুলিও কুরি পুরস্কার
  4. মাদামকুরি পুরস্কার
ব্যাখ্যা
জুলিও কুরি শান্তি পদক:
 
- শান্তিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বিশ্ব শান্তি পরিষদ' জুলিও কুরি শান্তি পদকে ভূষিত করে।
- ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর চিলির সান্টিয়াগো শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব শান্তি পরিষদের সভায় বঙ্গবন্ধুকে জুলিও কুরি শান্তি পদকের জন্যে মনোনীত করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ২৩শে মে ঢাকায় বিশ্ব শান্তি পরিষদ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এর তৎকালীন মহাসচিব রমেশ চন্দ্র বঙ্গবন্ধুর হাতে জুলিও কুরি শান্তি পদক তুলে দেন।
 
তথ্যসুত্র - কারাগারের রোজনামচা ও আওয়ামীলীগ ওয়েবসাইট।
১,৫৪২.
মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ১১.২ কি.মি
  2. ১২.২ কি.মি
  3. ১১.৮ কি.মি
  4. ১২.৮ কি.মি
ব্যাখ্যা
• মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের র‍্যাম্পসহ দৈর্ঘ্য — ১১.৮ কি.মি.।

• মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভার: 
- এই ফ্লাইওভারটি ব্যবহার করে ঢাকার বিভিন্ন এলাকা যেমন যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ, কমলাপুর, মতিঝিল ইত্যাদি এলাকায় যাতায়াত করা যায়।
- দৈর্ঘ্য: ১১.৮ কিলোমিটার
- অবস্থান: ঢাকা শহরের কেন্দ্রীয় অংশে অবস্থিত, যা নগরীর যানজট কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- উদ্বোধন: ২০১৩ সালের ১১ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ফ্লাইওভারটি উদ্বোধন করেন।
- নামকরণ: ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র মোহাম্মদ হানিফের নামে নামকরণ করা হয়েছে।

ঢাকায় নির্মিত অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ফ্লাইওভার হলো:
• মিরপুর-বিমান বন্দর ফ্লাইওভার,
• মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভার,
• কুড়িল ফ্লাইওভার,
• মহাখালী ফ্লাইওভার,
• বনানী ফ্লাইওভার,
• তেজগাঁও লিংক ফ্লাইওভার,
• খিলগাঁও ফ্লাইওভার। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া, dailyinqilab
১,৫৪৩.
মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
  5. ঙ) পঞ্চম
ব্যাখ্যা
সূত্রঃ কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত কৃষির সালতামামি ২০১৯।
১,৫৪৪.
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের নতুন নাম কী রাখা হয়েছে? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়াম
  2. বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী নুর মুহাম্মদ শেখ ক্রিকেট স্টেডিয়াম
  3. বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ক্রিকেট স্টেডিয়াম
  4. বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ ক্রিকেট স্টেডিয়াম
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের নাম বদলে করা হয়েছে জাতীয় স্টেডিয়াম, ঢাকা।
- আরও দুটি আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের নাম পরিবর্তন করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
- চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের নতুন নাম হয়েছে বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়াম।
- নারায়ণগঞ্জের খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামের নাম বদলে হয়েছে শহীদ রিয়া গোপ ক্রিকেট স্টেডিয়াম।

উৎস: প্রথম আলো (২৩ মার্চ ২০২৫)
১,৫৪৫.
বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. গাজীপুর
  3. চট্টগ্রাম
  4. কক্সবাজার
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) চট্টগ্রামে অবস্থিত। 

বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই): 
- বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) দেশের বন গবেষণা বিষয়ক একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- দেশের বনজ সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের উদ্দেশ্যে ‘‘ফরেস্ট রিসার্চ ল্যাবরেটরি’’ নামে ১৯৫৫ সালে চট্টগ্রামে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে বন ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি করে ১৯৬৮ সালে উক্ত ল্যাবরেটরিকে বন বিষয়ক একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করা হয়।
- এ প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৫ সাল থেকে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় (বর্তমানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়)-এর সরাসরি নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে।
- প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯৬ সালে National Agriculture Research System (নার্স) এর আওতাভুক্ত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট। 

১,৫৪৬.
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সুবর্ণজয়ন্তী পূর্ণ হয় -
  1. ক) ১১ এপ্রিল, ২০২৩
  2. খ) ১১ জানুয়ারি, ২০২৩
  3. গ) ৭ এপ্রিল, ২০২৩
  4. ঘ) ১৬ এপ্রিল, ২০২৩
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৩ সালের ৭ এপ্রিল বসেছিল জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার দুই বছর পর জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে এই সংসদ গঠিত হয়েছিল।
- ২০২৩ সালের ৭ই এপ্রিল জাতীয় সংসদের সুবর্ণজয়ন্তী পূর্ণ হয়।

উৎস: Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার, বাংলা ট্রিবিউন।
১,৫৪৭.
একাধিক বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি করা বাংলাদেশের প্রথম খেলোয়াড় কে? 
  1. তামিম ইকবাল
  2. মুশফিকুর রহিম
  3. সাকিব আল হাসান
  4. মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ
ব্যাখ্যা

বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি:
- বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
- ২০১৫ সালে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেন তিনি।
- দুটি সেঞ্চুরি আছে সাকিব আল হাসানের, একটি মুশফিকুর রহিমের।
- ২০২৩ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাটার হিসেবে সেঞ্চুরি করেন মাহমুদউল্লাহ।
- মুম্বাইতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিনি খেলেছিলেন ১১১ রানের ইনিংস। ওই সেঞ্চুরিতে একাধিক রেকর্ডের মালিক হন তিনি।
- প্রোটিয়াদের বিপক্ষে শতকটি ছিল বিশ্বমঞ্চে তার তৃতীয়।
- একাধিক বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি করা বাংলাদেশের প্রথম খেলোয়াড়ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও ডেইলি স্টার, ১১ নভেম্বর, ২০২৩।

১,৫৪৮.
কোন ক্ষেত্রে 'রাষ্ট্রপতি পুরস্কার' প্রদান করা হয়?
  1. শিল্প উন্নয়নের জন্য
  2. কৃষি উন্নয়নের জন্য
  3. বৃক্ষ রোপনের জন্য
  4. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উন্নয়নের জন্য
ব্যাখ্যা

বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার (পূর্বনাম রাষ্ট্রপতি কৃষি উন্নয়ন পদক):
- বাংলাদেশের একটি পুরস্কার যা কৃষি উন্নয়নে গবেষণা ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেয়া হয়।
- এই পুরস্কার বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১৯৭৩ সালে দেয়া শুরু হয়েছিল।

রাষ্ট্রপতির পুরস্কার: 
- ২০১৩ সাল থেকে প্রতিবছর শিল্প উন্নয়নের জন্য রাষ্ট্রপতির পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী ছয় ধরনের শিল্পের জন্য ৩টি করে মোট ১৮টি শিল্প প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার প্রদান নীতিমালা ২০২০ অনুসরণ করে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

অন্যদিকে -
- বৃক্ষ রোপনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার প্রদান করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৫৪৯.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কত সালে কবি নজরুল ইসলামকে ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করে?
  1. ১৯৭৫
  2. ১৯৭৬
  3. ১৯৭৪
  4. ১৯৭৩
ব্যাখ্যা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৪ সালে কবি নজরুল ইসলামকে ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করে।

কাজী নজরুল ইসলাম:

- ১৮৯৯ সালের ২৪শে মে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে কবি কাজী নজরুল ইসলাম জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯১৭ সালে তিনি সেনাবাহিনীর বাঙালী পল্টনে যোগদান করে করাচি যান।
- ১৯৪২ সালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাকশক্তিরহিত দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হন।
- বাংলা সাহিত্যে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কবিকে সম্মানসূচক ডি. লিট উপাধি প্রদান করে।
- কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ১৯৭২ সালের ২৪ মে কলকাতা থেকে সরকারি উদ্যোগে সপরিবার ঢাকায় আনা হয়।
- ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ সরকার কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেয়।
- ১৯৭৬ সালে একুশে পদকে ভূষিত করা হয় কবিকে।
- ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (তৎকালীন পিজি হাসপাতাল) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশের জাতীয় কবির রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেয়া হয়।
- ১৯৭২ সালের ৪ মে থেকে তাঁকে বাংলাদেশের ‘জাতীয় কবি’ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
- ৫ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের সভায় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন প্রকাশের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।
১,৫৫০.
‘আলোকিত মানুষ চাই’ এটি কোন প্রতিষ্ঠানের স্লোগান? 
  1. জাতীয় গ্রন্ত্রকেন্দ
  2. বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
  3. সুশাসনের জন্য নাগরিক
  4. জাতীয় নাগরিক পার্টি
ব্যাখ্যা

 বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র:
- বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র আজ একটি দেশব্যাপী আন্দোলন।
- আলোকিত জাতীয় চিত্তের একটি বিনীত নিশ্চয়তা।
- মানবজ্ঞানের সামগ্রিক চর্চা এবং অনুশীলনের পাশাপাশি হৃদয়ের উৎকর্ষ ও জীবনের বহুবিচিত্র কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে উচ্চতর শক্তি ও মনুষ্যত্বে বিকশিত হবার একটি সপ্রাণ পৃথিবী।
- প্রতিষ্ঠাতা: আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ।
- ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সারা দেশের সবখানে আলোকিত, কার্যকর ও উচ্চমূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষ গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি করা, জাতীয় শক্তি হিশেবে তাদের সংঘবদ্ধ ও সমুন্নত করা এবং এরই পাশাপাশি দেশের মানুষের চিত্তের সামগ্রিক আলোকায়ন ঘটানো বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মূল লক্ষ্য।
• 'আলোকিত মানুষ চাই' হলো বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের শ্লোগান।

উৎস: বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র ওয়েবসাইট।

১,৫৫১.
‘কল্লোল’ পত্রিকা প্রথম মুদ্রিত হয় -
  1. ক) ১৯১৪ সালে
  2. খ) ১৯১৭ সালে
  3. গ) ১৯২৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৩০ সালে
ব্যাখ্যা
কল্লোল পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৩ সালে। পত্রিকাটির সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ।
[সূত্রঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা]
১,৫৫২.
ঢাকার ঐতিহ্যবাহী নবাব পরিবারের সরকারি বাসভবন ছিল-
  1. লালবাগ কেল্লা
  2. কার্জন হল
  3. বঙ্গ ভবন
  4. আহসান মঞ্জিল
ব্যাখ্যা
আহসান মঞ্জিল:

- আহসান মঞ্জিল  বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে কুমারটুলি এলাকায় ঢাকার নওয়াবদের আবাসিক প্রাসাদ ও জমিদারির সদর কাচারি ,বর্তমানে জাদুঘর।
- মোঘল আমলে এখানে জামালপুর পরগনার জমিদার শেখ এনায়েতউল্লাহর রঙ মহল ছিল।
- পরে তাঁর পুত্র মতিউল্লাহর নিকট থেকে রঙমহলটি ফরাসিরা ক্রয় করে এখানে একটি বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- ১৮৩০ সালে খাজা আলীমুল্লাহ ফরাসিদের নিকট থেকে কুঠিবাড়িটি কিনে নেন এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার সাধন করে এটি নিজের বাসভবনে পরিণত করেন।
- ১৮৫৯ সালে আহসান মঞ্জিলের নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে ১৮৭২ সালে সমাপ্ত হয়।
- আবদুল গনি তাঁর পুত্র খাজা আহসানুল্লাহ র নামানুসারে ভবন এর নামকরণ করেন আহসান মঞ্জিল।
- ওই যুগে নবনির্মিত প্রাসাদ ভবনটি রঙমহল এবং পূর্বেকার ভবনটি অন্দরমহল নামে পরিচিত ছিল।
- আহসান মঞ্জিল দেশের একটি উল্লেখযোগ্য স্থাপত্য নিদর্শন।

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
১,৫৫৩.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় এভারেস্ট বিজয়ী কে?
  1. ক) মুসা ইব্রাহিম
  2. খ) মুহিত ইব্রাহিম
  3. গ) মোহাম্মদ মুসা
  4. ঘ) মোহাম্মদ আবদুল মুহিত
ব্যাখ্যা
- এম এ মুহিত বা মোহাম্মদ আবদুল মুহিত বাংলাদেশী পর্বতারোহী,
- তিনি ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ২১ মে দ্বিতীয় বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট পর্বত জয় করেন।
- এর আগে ২০১০ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ মে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে মুসা ইব্রাহীম এভারেস্ট জয় করার কৃতিত্ব অর্জন করেন।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো।
১,৫৫৪.
প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের আওতায় দেশের কতটি সংরক্ষিত পুরাকীর্তি রয়েছে?
  1. ৫১৭টি
  2. ৫১৮টি
  3. ৫১৯টি
  4. ৫২০টি
ব্যাখ্যা
প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর:
- দেশের পুরাকীর্তির সন্ধান করে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর।
- এসব পুরাকীর্তি সংরক্ষণ ও গবেষণার মাধ্যমে ইতিহাস-ঐতিহ্য তুলে ধরা অধিদপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
- প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের আওতায় আছে দেশের ৫১৭টি সংরক্ষিত পুরাকীর্তি।
- সারা দেশে মোট ২২টি জাদুঘর পরিচালিত হয় এ অধিদপ্তর থেকে।

উৎস: ২২ অক্টোবর ২০২৩, প্রথম আলো। [link]
১,৫৫৫.
কত সালে মহাস্থানগড়কে সার্ক সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
  1. ২০১৩
  2. ২০১৪
  3. ২০১৫
  4. ২০১৬
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদ বগুড়ার মহাস্থানগড়কে সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে চূড়ান্ত স্বীকৃতি দেয়া হয় ২০১৬ সালে।
- ২০১৭ সালের ২১ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের রাজধানী মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রনগর। এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে মহাস্থান গড় সুমহান ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে। 
- ২০১৫ সাল থেকে সার্ক কালচারাল সেন্টার সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে কোনো একটি প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী অঞ্চলকে সার্কের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করে আসছে।
- সার্কভুক্ত দেশগুলোর ইংরেজি নামের আদ্যক্ষরের ভিত্তিতে দেশগুলোর স্থান বেছে নেওয়া হয়।
- এ জন্য আফগানিস্তানের বামিয়ানকে ২০১৫ সালে সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো। [লিঙ্ক]
১,৫৫৬.
প্রথম টি-টুয়েন্টি ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক কে ছিলেন?
  1. হাবিবুল বাশার
  2. শাহরিয়ার নাফীস
  3. মোহাম্মদ আশরাফুল
  4. রাজিন সালেহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ক্রিকেট অধিনায়ক:

- বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রথম অধিনায়ক আনোয়ারুল করিম শামীম। তিনি ১৯৭৭ সালে MCC এর বিরুদ্ধে অধিনায়কত্ব করেন।
- ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু।
- প্রথম ওয়ানডে ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক ছিলেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম টি-টুয়েন্টি ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন শাহরিয়ার নাফীস।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ৯ আগস্ট ২০১৪।
১,৫৫৭.
বাংলাদেশ বিশ্বের কততম দেশ হিসেবে আন্তর্জাতিক নিউক্লিয়ার ক্লাবের স্বীকৃতি লাভ করে?
  1. ৩১তম
  2. ৩২তম
  3. ৩৩তম
  4. ৩৪তম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক নিউক্লিয়ার ক্লাবের ৩৩তম সদস্য:
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পাবনা জেলায় অবস্থিত। 
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের কাছে নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ উৎপাদনের জ্বালানি ‘ফ্রেশ নিউক্লিয়ার ফুয়েল’ বা ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করেছে রাশিয়া।
- ৫ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরেনিয়ামের প্রথম চালান হস্তান্তর করা হয়।
- এর মধ্য দিয়ে বিশ্বের ৩৩তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে যুক্ত হলো বাংলাদেশ।

উৎস: i) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
         ii) ৫ অক্টোবর, ২০২৩, প্রথম আলো।
১,৫৫৮.
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. সোনারগাঁও
  2. মহাস্থানগড়
  3. শাহবাগ
  4. ময়নামতি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর:
- সোনারগাঁ লোকশিল্প জাদুঘর নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের লোকশিল্পের সংরক্ষণ, বিকাশ ও সর্বসাধারণের মধ্যে লোকশিল্পের গৌরবময় দিক তুলে ধরার জন্য ১৯৭৫ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের উদ্যোগে বাংলাদেশ সরকার বিশাল এলাকা নিয়ে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করেন।
- সোনারগাঁয়ের "বড়সর্দারবাড়ি" নামে পরিচিত একটি প্রাচীন জমিদার প্রাসাদে এই জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে। এখানে আরো রয়েছে একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, কারুপল্লী ও একটি বিশাল লেক।

তথ্যসূত্র - নারায়ণগঞ্জ জেলার ওয়েবসাইট।
১,৫৫৯.
ইউনেস্কো কত সালে বাগেরহাট শহরকে বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে?
  1. ১৯৮৫ সালে
  2. ১৯৮৭ সালে
  3. ১৯৮৯ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা
ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- সুলতান নসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের (১৪৩৫-৫৯) আমলে খান আল-আজম উলুগ খানজাহান সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে খলিফাবাদ রাজ্য গড়ে তোলেন।
- খানজাহান বৈঠক করার জন্য একটি দরবার হল গড়ে তোলেন, যা পরে ষাট গম্বুজ মসজিদ হয়।
- মসজিদের নাম ষাট গম্বুজ হলেও এর গম্বুজের সংখ্যা আসলে ৭৭টি।
- মিনারের চারটি গম্বুজ যুক্ত করলে এর মোট গম্বুজের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮১টিতে।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই।
- এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটির মধ্যে অবস্থিত।
- বাগেরহাট শহরটিকেই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়া হয়েছে।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।
- ২০ টাকার নোটে ষাট গম্বুজ মসজিদের ছবি দেয়া আছে।

উল্লেখ্য,
⇒ ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য:
- বাংলাদেশের তিনটি স্থান ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় স্থান করে নিয়েছে:
১. নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার (১৯৮৫ সালে),
২. বাগেরহাট জেলার ষাটগম্বুজ মসজিদ (১৯৮৫ সালে),
৩. সুন্দরবন (১৯৯৭ সালে)।

উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১,৫৬০.
আহসান মঞ্জিলের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. নবাব সলিমুল্লাহ
  2. নবাব খাজা আহসানুল্লাহ
  3. নবাব আব্দুল গণি
  4. উপরের কেউ নন
ব্যাখ্যা

আহসান মঞ্জিল: 
- আহসান মঞ্জিলের প্রতিষ্ঠাতা হলেন ঢাকার নওয়াব খাজা আবদুল গণি।
- ১৮৩০ সালে তিনি ফরাসিদের নিকট থেকে পুরনো কুঠিবাড়িটি ক্রয় করেন এবং সেটিকে সংস্কার করে তার নিজস্ব বাসভবনে রূপান্তরিত করেন।
- পরবর্তীতে তিনি মার্টিন অ্যান্ড কোম্পানি নামক ইউরোপীয় স্থাপত্য প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে একটি বিস্তৃত মাস্টার প্ল্যান তৈরি করান, এর মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল আহসান মঞ্জিল।
- ১৮৫৯ সালে এ ভবনের নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং তা শেষ হয় ১৮৭২ সালে।
- খাজা আবদুল গনি তাঁর পুত্র খাজা আহসানুল্লাহর নাম অনুসারে এই প্রাসাদের নামকরণ করেন ‘আহসান মঞ্জিল’।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

১,৫৬১.
নারী ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম সেঞ্চুরি করেন কে?
  1. ফারজানা হক
  2. শারমিন আক্তার
  3. নিগার সুলতানা
  4. সালমা খাতুন
ব্যাখ্যা
নারী ক্রিকেট দল:

- ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।
- ২০১৮ সালে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল এশিয়া কাপের শিরোপা জয় করে।
- নারী ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম সেঞ্চুরি করেন ফারজানা হক।
- ২২ জুলাই, ২০২৩ সালে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে ভারতের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে ১৫৬ বলে সেঞ্চুরি করেন ফারজানা।
- তিনি ১৬০ বলে ৭ চারে করেছেন ১০৭ রান।

তথ্যসূত্র - ঢাকা টাইমস, ০২ এপ্রিল ২০২১ ও দৈনিক প্রথম আলো, ২২ জুলাই, ২০২৩।
১,৫৬২.
VGF এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Vulnerable Group Fund
  2. Vulnerable General Fund
  3. Vulnerable Group Feeding
  4. Vulnerable General Feast
ব্যাখ্যা
VGF: 
- VGF এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Vulnerable Group Feeding.

- ভিজিএফ একটি মানবিক সহায়তা কর্মসূচি, যার মাধ্যমে সরকার দরিদ্র পরিবারের মধ্যে খাদ্য বিতরণ করে থাকে।
- ভিজিএফ কর্মসূচিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।
- এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হচ্ছে দরিদ্র পরিবারের দারিদ্র্য হ্রাস করা :
(১) দুঃস্থ ও গরীর জনগণের দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন করার লক্ষ্যে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
(২) পীড়িত জনগণ এবং শিশুদের রোগ প্রতিরোধ করা;
(৩) মন্দার সময়ে কর্মহীন জনগণের মধ্যে খাদ্য সরবরাহ করা;
(৪) উপকারভোগীদেরকে সাময়িক সাহায্যের মাধ্যমে দারিদ্র্য নিরসনে অবদান রাখা, বিশেষ করে অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা করা।

উৎস: সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি।
১,৫৬৩.
২০২৫ সালে রবীন্দ্র পুরস্কারে ভূষিত হন কারা?
  1. হুমায়ূন আহমেদ ও মাহফুজ আনাম
  2. ড. আসাদুজ্জামান ও লায়লা হাসান
  3. ড. অসীম দত্ত ও এ. এম. এম. মহীউজজামান
  4. আনিসুজ্জামান ও শফিক রেহমান
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্র পুরস্কার:
- বাংলা একাডেমি ২০১০ সালে রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তন করেছে।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গীতের চর্চা এবং রবীন্দ্র সঙ্গীতের বিকাশের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ব্যক্তিবিশেষকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- এই পুরস্কারের মান নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা।
- নগদ পুরস্কারের সঙ্গে একটি সম্মাননা প্রতীক ও সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়।

• রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৫:
- ২০২৫ সালে রবীন্দ্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েরছেন ২ জন।
- রবীন্দ্র-সাহিত্যের গবেষণায় ড. অসীম দত্ত।
- রবীন্দ্রসংগীত-চর্চায় শিল্পী এ এম এম মহীউজজামান চৌধুরী ময়না।
 
  উৎস: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
১,৫৬৪.
বর্তমানে বিসিবির সভাপতি কে? [ আগস্ট, ২০২৫]
  1. আমিনুল ইসলাম
  2. তামিম ইকবাল খান
  3. খালেদ মাহমুদ সুজন
  4. নিজাম উদ্দিন চৌধুরী
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড:
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নতুন সভাপতি হয়েছেন আমিনুল ইসলাম।
- ১৬তম সভাপতি হিসেবে বিসিবির দায়িত্ব নিয়েছেন জাতীয় দলের এই সাবেক অধিনায়ক।
- বাংলাদেশের অভিষেক টেস্টে দেশের হয়ে প্রথম সেঞ্চুরি করা আমিনুল জাতীয় দলে খেলেছেন এক যুগের বেশি সময় ধরে।
- জাতীয় দলের জার্সি গায়ে ১৩ টেস্ট ও ৩৯ ওয়ানডেতে খেলা আমিনুলের নেতৃত্বেই ১৯৯৯ সালে প্রথম বিশ্বকাপ খেলে বাংলাদেশ।
- ২০০২ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলে দেওয়ার পর দেশে কোচিং শুরু করেছিলেন।

উৎস: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।

১,৫৬৫.
ওয়ার্ল্ড আর্চারি এশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন কোন বাংলাদেশী? 
  1. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  2. জাফর ইকবাল খান
  3. কাজী রাজিব উদ্দিন আহমেদ চপল
  4. ড. রোকনুজ্জামান
ব্যাখ্যা

ওয়ার্ল্ড আর্চারি এশিয়ার প্রেসিডেন্ট: 
- ওয়ার্ল্ড আর্চারি এশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের কাজী রাজীব উদ্দীন আহমেদ চপল। 
- বাংলাদেশ আর্চারি ফেডারেশনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক চপল।
- এছাড়া দুই মেয়াদে ওয়ার্ল্ড আর্চারি এশিয়ার প্রথম সহ-সভাপতি ছিলেন তিনি।
- সভাপতি পদে কাজী রাজীব ২৯-৯ ভোটে হারিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার থমাস হান-কে।

উল্লেখ্য, 
- তৃতীয়বারের মতো ঢাকায় বসেছে এশিয়ান আর্চারি চ্যাম্পিয়নশিপের আসর।
- ৮ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে জাতীয় স্টেডিয়ামে উদ্বোধন হয়েছে ২৪তম আসরের। টুর্নামেন্টটির স্থানীয় আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যানও তিনি।
- প্রেসিডেন্ট পদে চপলের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন টানা পাঁচবারের এবং বর্তমান প্রেসিডেন্ট চুং ইউ সান।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।[লিঙ্ক]

১,৫৬৬.
নবম নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক কে?
  1. নিগার সুলতানা
  2. স্বর্ণা আক্তার
  3. মারুফা আক্তার
  4. জাহানারা আলম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

নবম নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ 

- ৩ অক্টোবর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে হবে ১০ দলের নারী টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।
- নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ১০টি দল দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে।
-  ‘এ’ গ্রুপে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া, ভারত, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান ও শ্রীলংকা। 
-  ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকা ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং স্কটল্যান্ড। 
- মেয়েদের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের বাংলাদেশ দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ।

বিশ্বকাপের বাংলাদেশ স্কোয়াড

• নিগার সুলতানা জ্যোতি (অধিনায়ক)
• মারুফা আক্তার;
• দিশা বিশ্বাস;
• সাথী রানী;
• মুর্শিদা খাতুন;
• স্বর্ণা আক্তার;
• রিতু মণি;
• নাহিদা আক্তার;
• সুলতানা খাতুন;
• সুবহানা মুস্তারি;
• ফাহিমা খাতুন;
• জাহানারা আলম;
• দিলারা আক্তার;
• তাজ নেহার;
• রাবেয়া খান।  

সূত্র- বিসিবি ওয়েবসাইট।
১,৫৬৭.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম অনারব মুসলিম দেশ কোনটি?
  1. ক) সেনেগাল
  2. খ) মালয়েশিয়া
  3. গ) মালদ্বীপ
  4. ঘ) পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র সচিবের ভাষ্যমতে বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর প্রথম স্বীকৃতি দেয় ভুটান।
- একইদিন দ্বিতীয় দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ভারত।
- তৃতীয় দেশ হিসেবে পূর্ব জার্মানি ১১ জানুয়ারি ১৯৭২ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- প্রথম আফ্রিকান/মুসলিম/অনারব মুসলিম দেশ হিসেবে সেনেগাল ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
(সূত্রঃ ইউএস স্টেট ডিপার্টমেন্ট ওয়েবসাইট, কালের কণ্ঠ এবং বাংলাদেশ প্রতিদিন)
১,৫৬৮.
বাংলাদেশের প্রথম ওশান স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন নির্মাণ করা হবে কোথায়?
  1. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে
  2. কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে
ব্যাখ্যা
প্রথম ওশান স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন:
- দেশের প্রথম ওশান স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে।
- চলতি বছরের ২৬ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্র বিজ্ঞান অনুষদে গ্রাউন্ড স্টেশনের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়।
- প্রায় ৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পে ৬০ কোটি টাকার কারিগরি ও যান্ত্রিক সহায়তা দিচ্ছে চীন।
- বঙ্গোপসাগরকে কেন্দ্রবিন্দু ধরে এই স্টেশন চীনের স্যাটেলাইটগুলোর মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে।
- স্টেশনটি উপকূলীয় এলাকার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে ১০-১৫ মিনিটের মধ্যে বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হবে।
- এটি দ্রুত নির্ভরযোগ্য পূর্বাভাস দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানায় প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।
- এতে দেশের সমুদ্র ও বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থাকে তথ্য, পূর্বাভাস, সতর্কতা ও পরামর্শ দেওয়া সম্ভব হবে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৫৬৯.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে কোন তারিখে? 
  1.  ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩ 
  2. ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ 
  3. ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪
  4. ১৭ অক্টোবর, ১৯৭৪
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর।

• জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ:

- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবরে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে।
- গঠিত হয় ৫১ সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩।
- সর্বশেষ সদস্য দক্ষিণ সুদান।
- সদর দপ্তর: ম্যানহাটন, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- দাপ্তরিক ভাষা ৬টি , যথা: ইংরেজি, ফরাসি, চীনা, রুশ, স্প্যানিশ এবং আরবি।
- স্থায়ী পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র ২টি: ফিলিস্তিন ও ভ্যাটিকান সিটি।
- বর্তমান মহাসচিব: এন্তোনিও গুতেরেস।
- ১৯৭২ সালের ১৭ অক্টোবরে বাংলাদেশ জাতিসংঘে পর্যবেক্ষকের মর্যাদা লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর।

উৎস: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।

১,৫৭০.
বাংলা একাডেমি প্রদত্ত রবীন্দ্র পুরস্কার-২০২১ লাভ করেন কে?
  1. ড. তসিকুল ইসলাম রাজা
  2. সুকুমার বড়ুয়া
  3. ইনাম আল হক
  4. ড. আতিউর রহমান
ব্যাখ্যা
- বাংলা একাডেমি প্রদত্ত রবীন্দ্র পুরস্কার-২০২১ লাভ করেন ড. আতিউর রহমান।
অন্যদিকে,
- মেহের কবীর বিজ্ঞানসাহিত্য পুরস্কার-২০২১ : ইনাম আল হক।
- মোহম্মদ বরকতুল্লাহ প্রবন্ধসাহিত্য পুরস্কার-২০২১ : অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম।
- মযহারুল ইসলাম কবিতা পুরস্কার-২০২১ : সুকুমার বড়ূয়া।
- অধ্যাপক মমতাজউদদীন আহমদ নাট্যজন পুরস্কার-২০২১ : ফেরদৌসী মজুমদার।
- সা’দত আলি আখন্দ সাহিত্য পুরস্কার-২০২১ : ড. তসিকুল ইসলাম রাজা।
- হালীমা-শরফুদ্দীন বিজ্ঞান লেখক পুরস্কার-২০২১ : সৌমিত্র চক্রবর্তী।
(তথ্যসূত্র: বাংলা একাডেমি)
১,৫৭১.
Recently, how many Intangible Cultural Heritage of UNESCO are there in Bangladesh?
  1. 2
  2. 3
  3. 4
  4. 5
  5. 6
ব্যাখ্যা
ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য:
- ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ আর সৃষ্টিশীলতাকে লালন করার প্রত্যয়ে ইউনেস্কো ঘোষিত সংস্কৃতি বিষয়ক বিভিন্ন কনভেনশনের আলোকে বিএনসিইউ’র সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়। 
- বর্তমানে দেশে ৫টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে।
- এগুলো হলো:
1. বাউলগান (২০০৮),
2. জামদানি বুননশিল্প (২০১৩),
3. মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬) ,
4. শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭),
5. ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩)। 

উৎস: i) বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।
         ii) UNESCO ওয়েবসাইট।
১,৫৭২.
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে কত সালে?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা
নারী ক্রিকেট দল:
- ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।
- ২০১৮ সালে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল এশিয়া কাপের শিরোপা জয় করে।
- ২০১৮ সালে মালয়েশিয়ায় টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এশিয়া কাপ।
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ২০২১ সালে টেস্ট মর্যাদা পায়।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও ঢাকা টাইমস, ০২ এপ্রিল ২০২১।
১,৫৭৩.
বাংলাদেশের কোন বিজ্ঞানী বিশ্বজুড়ে ‘জুটম্যান’ নামে পরিচিত?
  1. ড. মোবারক আহমদ খান
  2. ডক্টর আবেদ চৌধুরী
  3. মাকসুদুল আলম
  4. উপরের কেউই নয়
ব্যাখ্যা
ড. মোবারক আহমদ খান:
- প্লাস্টিকের কোন উপকরণ ছাড়াই পাট দিয়ে তৈরি হচ্ছে পরিবেশবান্ধব পলিথিন ব্যাগ।
- এটি বাজারে প্রচলিত পলি ব্যাগের মতোই, তবে পচনশীল।
- পাট থেকে পলিথিন ব্যাগ উদ্ভাবন করেছেন প্রখ্যাত বিজ্ঞানী পরমাণু শক্তি কমিশনের সাবেক মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ জুট মিল করপোরেশনের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা ড. মোবারক আহমদ খান।
- তিনি এই ব্যাগের নাম দিয়েছেন ‘সোনালি ব্যাগ’।

উল্লেখ্য,
- ২০ বছর ধরে মোবারক আহমদ খান পাটের বাণিজ্যিক ব্যবহার নিয়ে গবেষণা করছেন।
- ২০০৯ সালে এই বিজ্ঞানী পাটের সঙ্গে পলিমারের মিশ্রণ ঘটিয়ে মজবুত, তাপ বিকিরণরোধী ও সাশ্রয়ী ঢেউটিন ‘জুটিন’ বানান।
- এই পদ্ধতি উদ্ভাবনের জন্য বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমি তাঁকে ২০১৫ সালে স্বর্ণপদক দেয়।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২০২৪ সালে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ পান ড. মোবারক আহমদ খান।
- তিনি বিশ্বজুড়ে জুট্ম্যান হিসেবে পরিচিত।

অন্যদিকে -
- পাটের জিনোম সিকোয়েন্স বা পাটের জীবনরহস্য উন্মোচন করেন বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম।
- পঞ্চব্রীহি ধান উৎপাদনের পদ্ধতি আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী ডক্টর আবেদ চৌধুরী।

উৎস: i) বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশন।
ii) প্রথম আলো।
১,৫৭৪.
ফজলুর রহমান খান (এফআর খান) পেশায় কী ছিলেন? 
  1. স্থপতি
  2. ডাক্তার 
  3. রাজনীতিবিদ
  4. সাহিত্যিক
ব্যাখ্যা

এফ আর খান:
- ফজলুর রহমান খান পেশায় স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার এবং স্থপতি।
- তিনি ১৯২৯ সালে মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
-১৯৪৪ সালে কলকাতার বালিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক পাস করার পর তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজ-এ ভর্তি হন।
-১৯৫০ সালে তিনি কলকাতার শিবপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি লাভ করেন।
-১৯৫৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান স্কিডমুর-এ যোগদানের মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়।
- ফজলুর রহমান খান শিকাগোর একশ তলা উঁচু জন হ্যানকক সেন্টার এবং একশ দশ তলা উঁচু সিয়ার্স টাওয়ার-এর নকশা তৈরি করেন।
- ইঞ্জিনিয়ারিং নিউজ রেকর্ডস কর্তৃক 'কন্সট্রাকশনস ম্যান অব দি ইয়ার' মনোনীত হওয়ার পর ১৯৭১ সালে শিকাগোর ওন্টারিও সেন্টারে একটি ফলকে তাঁর সম্বন্ধে মন্তব্য লেখা হয় 'ইনোভেশন ফলোজ প্রোগ্রাম'।
- ১৯৮২ সালের ২৬ মার্চ তিনি হৃদরোগে মারা যান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,৫৭৫.
প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে স্পিরিট অব সালাম পুরস্কার পেয়েছেন কে?
  1. অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম
  2. অধ্যাপক মাহবুব মজুমদার
  3. অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম
  4. অধ্যাপক আজিজুর রহমান
ব্যাখ্যা

• অধ্যাপক মাহবুব মজুমদার:
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে 'স্পিরিট অব সালাম পুরস্কার' পেয়েছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ডেটা অ্যান্ড সায়েন্সেস, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ডিন অধ্যাপক মাহবুব মজুমদার
- নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী আবদুস সালামের জন্মদিনে মাহবুবুল আলম মজুমদারের নাম প্রকাশ করেছে ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর থিওরিটিক্যাল ফিজিকস (আইসিটিপি)।
- বিজ্ঞানসংক্রান্ত বিভিন্ন কাজে অবদান রাখা ব্যক্তিদের সম্মান জানাতে ২০১৩-১৪ সাল থেকে স্পিরিট অব সালাম অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হলেও এবারই প্রথম কোনো বাংলাদেশি এই অনন্য সম্মানে ভূষিত হলেন।

উৎস: প্রথম আলো।

১,৫৭৬.
২০২৫ সালে একুশে পদক পাওয়া একমাত্র প্রতিষ্ঠানের নাম কী?
  1. বাংলা একাডেমি
  2. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল
  3. বাংলাদেশ বেতার
  4. বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড
ব্যাখ্যা

একুশে পদক ২০২৫:
- একুশে পদক- ২০২৫ পেয়েছেন দেশের বিশিষ্ট ১৭ ব্যক্তিত্ব ও ১ প্রতিষ্ঠান।
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ১৭ নাগরিককে একুশে পদক ২০২৫ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
- এ বছর ক্রীড়ায় একুশে পদক পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল।

একুশে পদক ২০২৫ প্রাপ্ত ব্যক্তি:
• গবেষণা - মঈদুল হাসান (মূলধারা ৭১ এর রচয়িতা)।
• ভাষা ও সাহিত্যে - শহীদুল জহির (মো. শহীদুল হক) (মরণোত্তর) ও হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর)।
• সংস্কৃতি ও শিক্ষা - ড. শহীদুল আলম (ফটোগ্রাফার, মানবাধিকার কর্মী এবং দৃকের প্রতিষ্ঠাতা),
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি - মেহেদী হাসান খান (অভ্র'র জনক) ও রিফাত নবী, তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
• সাংবাদিকতা - মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর)।
• সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার - মাহমুদুর রহমান।
• শিল্পকলা (চলচ্চিত্র) - আজিজুর রহমান (মরণোত্তর) (ছুটির ঘণ্টা এবং আরও অনেক ছবির পরিচালক),
• সংগীত - উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) ও ফেরদৌস আরা।
• আলোকচিত্র - নাসির আলী মামুন।
• চিত্রকলা - রোকেয়া সুলতানা।
• শিক্ষা - ড. নিয়াজ জামান।
• সমাজসেবা - মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর)।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও প্রথম আলো।

১,৫৭৭.
সম্প্রতি মুশফিকুর রহিম টেস্ট ক্রিকেটে তাঁর ব্যক্তিগত কততম ডাবল সেঞ্চুরি করেন?
  1. ক) ১ম
  2. খ) ২য়
  3. গ) ৩য়
  4. ঘ) ৪র্থ
ব্যাখ্যা
সম্প্রতি জিম্বাবুয়ের সাথে মুশফিকুর রহিম তাঁর ব্যক্তিগত তৃতীয় ডাবল সেঞ্চুরি করেন। তিনি প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন শ্রীলংকার বিপক্ষে ২০০ রান করেছিলেন। পরবর্তীতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২১৯ রানে অপরাজিত ছিলেন এবং সম্প্রতি ঢাকা টেস্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২০৩ রান করে অপরাজিত ছিলেন।
১,৫৭৮.
বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা -
  1. ২২.২২ কিলোমিটার
  2. ২০০ কিলোমিটার
  3. ৩৭০.৪০ কিলোমিটার
  4. ৭১৬ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা:
- বঙ্গোপসাগরের উপকূল রেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল বা ২২.২২ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার।
- ১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৭৯.
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত তৃতীয় সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব কোনটি?
  1. বীরশ্রেষ্ঠ
  2. বীর বিক্রম
  3. বীর উত্তম
  4. বীর প্রতীক
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার চারটি ক্যাটাগরিতে ৬৭৬ জন কে বীরত্ব সূচক খেতাব প্রদান করে।
এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব : বীরশ্রেষ্ঠ (৭ জন)
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব : বীরউত্তম (৬৮ জন)
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব : বীর বিক্রম :১৭৫ জন
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব : বীর প্রতীক (৪২৬ জন)।
- তবে গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধুর চার খুনি বীরত্ব সূচক খেতাব স্থগিতের নির্দেশ দেয়।
এরা হলো:
- শরীফুল হক ডালিম (বীর উত্তম)
- নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- মোসলেহ উদ্দিন (বীর প্রতীক)।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং দৈনিক যুগান্তর)
১,৫৮০.
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের কততম অধিবেশনে ভাষণ দেন? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ৭৬তম
  2. ৭৭তম
  3. ৭৮তম
  4. ৭৯তম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশন:
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশন ১০- ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়।  
- উক্ত অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন ক্যামেরুনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ফিলেমন ইয়াং।
- বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ তারিখে ৭৯তম অধিবেশনে ভাষণ দেন।

- নিউইয়র্ক স্থায়ীয় সময় ১১টা ২৪ মিনিটে তিনি ভাষণ শুরু করেন।
- প্রায় ৩৮ মিনিট দীর্ঘ ভাষণটি ১২টা ০২ মিনিটে শেষ হয়। 
- ভাষণে কী প্রেক্ষাপটে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, রাষ্ট্র সংস্কারে তিনি কী কী উদ্যোগ নিয়েছেন সেগুলো তুলে ধরেন।
- এছাড়া, ফিলিস্তিনে গণহত্যা ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ অনতিবিলম্বে বন্ধ এবং রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বিশ্ববাসীর সহযোগিতা ও সহায়তা চান তিনি।

তথ্যসূত্র: বাসস। [LINK]
১,৫৮১.
বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ জয় লাভ করে কোন দলের বিপক্ষে? 
  1. জিম্বাবুয়ে
  2. কেনিয়া 
  3. পাকিস্তান
  4. আয়ারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ জয় লাভ করে কেনিয়ার বিপক্ষে। 
- সময়: ১৯৯৮ সালের ১৭ মে,
- স্থান:  ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠিত একটি ত্রিদেশীয় প্রতিযোগিতায।
- জয়:  কেনিয়াকে ১ উইকেটে পরাজিত করে বাংলাদেশ প্রথম জয় পায়। 

• ওয়ানডে ক্রিকেট:

- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে।
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে বিপক্ষে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ।
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় ১৯৯৭ সালে।
- বাংলাদেশ আইসিসি ট্রফি জয় করে ১৯৯৭ সালে।
- একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে বাংলাদেশ তাদের প্রথম জয়টা পায় ২২ ম্যাচ পর।
- কেনিয়ার বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয়টা পায়।

 উৎস: দৈনিক প্রথম আলো, ০৬ আগস্ট ২০২০।

১,৫৮২.
Nature Index, 2025 অনুযায়ী, গবেষণার মান ও সংখ্যার ভিত্তিতে বাংলাদেশের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান কোনটি? [জুন, ২০২৫]
  1. বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন
  2. বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  3. আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট
  4. আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
Nature Index, 2025:
- যুক্তরাজ্যের খ্যাতনামা বিজ্ঞানভিত্তিক জার্নাল হচ্ছে নেচার (Nature)।
- ইনডেক্সের ২০২৫ তালিকায় গবেষণার মান ও সংখ্যার ভিত্তিতে দেশের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (ICDDRB)।
- এই তালিকাটি তৈরি করা হয়েছে ২০২৪ সালের ১ মার্চ থেকে ২০২৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়কালের গবেষণাকর্মের উপর ভিত্তি করে।
- ইনডেক্স অনুযায়ী, সার্বিকভাবে বাংলাদেশের দ্বিতীয় এবং একাডেমিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রথম অবস্থানে রয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
- তালিকায় যথাক্রমে ৩য় এবং ৪র্থ অবস্থানে আছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ন।

তথ্যসূত্র: নেচার ইনডেক্স, ২০২৫ [LINK]
১,৫৮৩.
How many people are awarded Ekushey Padak in 2024?
  1. 19
  2. 20
  3. 21
  4. 22
  5. 23
ব্যাখ্যা
একুশে পদক-২০২৪:
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ২১ জন বিশিষ্ট নাগরিককে একুশে পদক-২০২৪ প্রদান করা হয়।
পদকপ্রাপ্তরা হলেন-
• ভাষা আন্দোলনে মৌ. আশরাফুদ্দীন আহমদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা হাতেম আলী মিয়া (মরণোত্তর)।
• সঙ্গীতে জালাল উদ্দীন খাঁ (মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণী ঘোষ, বিদিত লাল দাস (মরণোত্তর), এন্ড্রু কিশোর (মরণোত্তর) ও শুভ্র দেব।
• অভিনয়ে ডলি জহুর ও এমএ আলমগীর।
• আবৃতিতে খান মো. মুস্তাফা ওয়ালীদ (শিমুল মুস্তাফা) ও রূপা চক্রবর্তী।
• নৃত্যকলায় শিবলী মোহাম্মদ।
• চিত্রকলায় শাহজাহান আহমেদ বিকাশ।
• মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ ও আর্কাইভিংয়ে কাওসার চৌধুরী।
সমাজসেবায় মো. জিয়াউল হক ও আলহাজ রফিক আহামদ।
• ভাষা ও সাহিত্যে- মুহাম্মদ সামাদ, লুৎফর রহমান রিটন, মিনার মনসুর ও রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ (মরণোত্তর)।
• শিক্ষায় প্রফেসর ড. জিনবোধি ভিক্ষু একুশে পদক পেয়েছেন।

তথ্যসূত্র - সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১,৫৮৪.
বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপের নাম কি?
  1. ক) মহেশখালী
  2. খ) হাতিয়া
  3. গ) সেন্টমার্টিন
  4. ঘ) সন্দ্বীপ
ব্যাখ্যা
• সেন্টমার্টিন দ্বীপ: 
- সেন্ট মার্টিন্‌স দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি প্রবালদ্বীপ।
- এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং 
- মায়ানমার-এর উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত। 
- প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে একে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলা হয়ে থাকে। 
- ৯২°১৮´ ও ৯২°২১´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ এবং ২০°৩৪´ ও ২০°৩৯´ উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে দ্বীপটির অবস্থান। 

টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, 
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন ১৭ বর্গ কিলোমিটার। 

 কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, 
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার ও উত্তর-দক্ষিণে লম্বা।

- সেন্টমার্টিন দ্বীপ সম্পর্কে সময় নিউজের রিপোর্টে বলা হয়েছে -
- সেন্টমার্টিন দ্বীপ ৭.৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার। 

দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্টে বলা হয়েছে -
- সরকারি তথ্যে দ্বীপের আয়তন ১৩ বর্গকিলোমিটার উল্লেখ রয়েছে।
- তবে গবেষণায় বলা হয়েছে ৮ বর্গকিলোমিটার।

⇒ উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি যে,
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন ৮ বর্গ কিলোমিটার।
- পরীক্ষায় যদি ৮ বর্গ কিলোমিটার না থাকে তখন ১৭ বর্গ কিলোমিটার বা ১৩ বর্গ কিলোমিটার উত্তর করবেন, অথবা অপশন বিবেচনায় উত্তর করবেন।

সূত্র: টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট,  কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট, সময় নিউজ ও দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্ট।
১,৫৮৫.
২০২৫ সালে কতজন ব্যক্তিকে রবীন্দ্র পুরস্কার প্রদান করা হয়?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ৫ জন
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

রবীন্দ্র পুরস্কার:

- বাংলা একাডেমি ২০১০ সালে রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তন করেছে।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গীতের চর্চা এবং রবীন্দ্র সঙ্গীতের বিকাশের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ব্যক্তিবিশেষকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- এই পুরস্কারের মান নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা।
- নগদ পুরস্কারের সঙ্গে একটি সম্মাননা প্রতীক ও সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়।

রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৫:
- ২০২৫ সালে রবীন্দ্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েরছেন ২ জন।
• রবীন্দ্র-সাহিত্যের গবেষণায় - ড. অসীম দত্ত।
• রবীন্দ্রসংগীত-চর্চায় - শিল্পী এ এম এম মহীউজজামান চৌধুরী ময়না।

তথ্যসূত্র - বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
১,৫৮৬.
কত জন ব্যক্তিকে বেগম রোকেয়া পদক-২০২৪ প্রদান করা হয়?
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬ জন
ব্যাখ্যা
বেগম রোকেয়া পদক-২০২৪:
- ২০২৪ সালে ৪ জন নারীকে ‘বেগম রোকেয়া পদক’ প্রদান করা হয়।

⇒ সমাজ, নারী শিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদানের জন্য চার জন বিশিষ্ট নারীকে বেগম রোকেয়া পদক-২০২৪ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ১৪৪তম জন্ম ও ৯২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নগরীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বেগম রোকেয়া পদক প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

⇒ বেগম রোকেয়া পদক ২০২৪ প্রাপ্তরা হলেন:
- পারভীন হাসান,
- তাসলিমা আখতার,
- রাণী হামিদ,
- শিরিন পারভিন হক।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৫৮৭.
চট্টগ্রামে নদীর তলদেশে নির্মিত দেশের প্রথম টানেলের কী নামকরণ করা হয়েছে? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. চট্টগ্রাম টানেল
  2. কর্ণফুলী টানেল
  3. আনোয়ারা টানেল
  4. কর্ণফুলী অর্থনৈতিক টানেল
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু সেতু ও বঙ্গবন্ধু টানেলের নাম পরিবর্তন: 
- উত্তরবঙ্গের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনকারী বঙ্গবন্ধু সেতুর নাম বদলে করা হয়েছে যমুনা সেতু।
- এটি দেশের প্রথম বড় সেতু এবং তা টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জের মধ্যে যমুনা নদীতে নির্মিত।
- এইচ এম এরশাদের আমলে প্রকল্পটি নেওয়ার সময় এর নাম ছিল যমুনা বহুমুখী সেতু।
- খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন প্রথম বিএনপির সরকারের আমলেও একই নাম বহাল থাকে।
- উদ্বোধনের পর তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার এটির নাম বঙ্গবন্ধু সেতু করে।
- ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে নাম পরিবর্তন করে যমুনা বহুমুখী সেতু ফিরিয়ে আনা হয়।
- ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগের সরকার এসে আবার বঙ্গবন্ধু সেতু নামকরণ করে।
- চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত দেশের প্রথম টানেলের নামকরণ করা হয়েছে কর্ণফুলী টানেল।
- এটির নাম আগে ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল।
- যমুনা নদীর ওপর নতুন একটি রেলসেতু নির্মাণ করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
- বিগত সরকার এই সেতুর নাম দিয়েছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেলসেতু।
- অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটির নামকরণ করা হয়েছে যমুনা রেলসেতু।

উৎস: প্রথম আলো (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫)
১,৫৮৮.
বাংলাদেশের প্রথম বোলার হিসেবে কোন ক্রিকেটার ওয়ানডে ক্রিকেটে হ্যাটট্রিক করেন?
  1. শাহদাত হোসেন রাজীব
  2. সাকিব আল হাসান
  3. মাশরাফী বিন মর্তুজা
  4. অলোক কাপালী
ব্যাখ্যা
শাহদাত হোসেন রাজীব:
- বাংলাদেশের পেস বোলার শাহদাত হোসেন রাজীব।
- ২০০৫ সালে লর্ডসে ক্যারিয়ার শুরু করা শাহাদাত হোসেন সবশেষ জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন ২০১৫ সালে।
- ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম হ্যাটট্রিক করেন শাহাদাত হোসেন।
- ২০০৬ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এই কীর্তি গড়েন শাহাদাত।

উৎস: ESPNcricinfo.
১,৫৮৯.
BANBEIS- কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৭২
  2. খ) ১৯৭৫
  3. গ) ১৯৭৭
  4. ঘ) ১৯৮০
ব্যাখ্যা
• স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর নির্দেশনায় গঠিত ড. মুহাম্মদ কুদরত-এ-খুদা শিক্ষা কমিশনের ১৯৭৪ সালে প্রণীত সুপারিশের প্রেক্ষিতে স্বাধীন ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশে পৃথক একটি শিক্ষাতথ্য সংস্থা হিসেবে ‘বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)’ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

সূত্র: বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)
১,৫৯০.
২০২৪ সালে বাংলা একাডেমির ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ লাভ করেন -
  1. ভীষ্মদেব চৌধুরী
  2. লাইসা আহমদ
  3. শীলা মোমেন
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্র পুরস্কার:
- বাংলা একাডেমি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ২০১০ সাল থেকে রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তন করে।
- রবীন্দ্রসাহিত্যের গবেষণা ও সমালোচনা এবং রবীন্দ্রসংগীতের আজীবন সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- প্রতিবছর দুই বা তিনজনকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

⇒ ২০২৪ সালে বাংলা একাডেমির ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ পেয়েছেন অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরী ও শিল্পী লাইসা আহমদ।
- কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৩তম জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁদের এ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।
- বাংলা একাডেমি রবীন্দ্র-সাহিত্যের গবেষণায় অবদানের জন্য অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরীকে এবং রবীন্দ্রসংগীত-চর্চায় অবদানের জন্য অধ্যাপক লাইসা আহমদ লিসাকে রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৪-এ ভূষিত করেছে।

উৎস: i) বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১,৫৯১.
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল কবে আইসিসির সহযোগী সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ক) ১৯৭৬ সালে
  2. খ) ১৯৭৭ সালে
  3. গ) ১৯৯৭ সালে
  4. ঘ) ২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল ১৯৭৭ সালের ২৬ জুলাই আইসিসির সহযোগী সদস্যপদ লাভ করে।
- ১৯৮৬ সালের মার্চে শ্রীলংকায় অনুষ্ঠিত ২য় এশিয়া কাপের অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে।
- ১৯৯৭ সালের ১৫ জুলাই ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে।
- ২০০০ সালের ২৬শে জুন দশম দেশ হিসেবে আইসিসির টেস্ট স্ট্যাটাস বা পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ লাভ করে।
- একই বছরের ১০-১৩ নভেম্বর বাংলাদেশ দল ভারতের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্ট ম্যাচে অংশ নেয়।
(সূত্র: বিসিবি ওয়েবসাইট)
১,৫৯২.
দ্বাদশ জাতীয় সংসদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে কে রয়েছেন?
  1. ড. এ কে আব্দুল মোমেন
  2. শাহরিয়ার আলম
  3. আবুল হাসান মাহমুদ আলী
  4. মুহাম্মদ হাছান মাহমুদ।
ব্যাখ্যা
- দ্বাদশ সংসদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন মুহাম্মদ হাছান মাহমুদ।
- ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের তৃতীয় মেয়াদে গত পাঁচ বছর তথ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন হাছান মাহমুদ।
- আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় মেয়াদে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন তিনি।
- এর আগে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী হিসেবে এবারের নির্বাচনে চট্টগ্রাম ৭ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন হাছান মাহমুদ।
- বিগত পাঁচ বছরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল রোহিঙ্গা সংকট।
- এখন পর্যন্ত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু না হলেও দেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতাকে কেন্দ্র করে দেখা দেয় নতুন সংকট।
- বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি অবস্থান নেয় পরাশক্তিধর দেশগুলো।
- এমন বাস্তবতায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে রদবদল করেন নির্বাচিত সরকারি দল আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উৎস: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।  
১,৫৯৩.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা কত?
  1. ক) ৪৫.৬৮ মিটার
  2. খ) ৪৫.৭১ মিটার
  3. গ) ৪৫.৭৯ মিটার
  4. ঘ) ৪৫.৭২ মিটার
ব্যাখ্যা
- জাতীয় স্মৃতিসৌধের সর্বোচ্চ বিন্দুর উচ্চতা ৪৫.৭২ মিটার।

জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ ঢাকা থেকে ৩৫ কিমি উত্তর-পশ্চিমে সাভারে অবস্থিত।
- ১৯৭৮ সালে সৌধ নির্মাণের উদ্দেশ্যে নকশার জন্য একটি জাতীয় প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। সাতান্ন জন প্রতিযোগীর মধ্য থেকে স্থপতি মঈনুল হোসেনের নকশাটি নির্বাচিত হয়।
- মঈনুল হোসেন জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি।
- অসমান উচ্চতা ও স্বতন্ত্র ভিত্তির ওপর সাতটি ত্রিভুজাকৃতির প্রাচীর নিয়ে মূল সৌধটি গঠিত।
-  সমগ্র কমপ্লেক্সটি ৩৪ হেক্টর (৮৪ একর) জমি জুড়ে বিস্তৃত। একে ঘিরে আছে আরও ১০ হেক্টর (২৪.৭ একর) সবুজ ভূমি। 
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণ তত্ত্বাবধান করেছে বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত বিভাগ। 

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,৫৯৪.
সম্প্রতি, বাংলাদেশ নতুন কয়টি দেশে মিশন স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে? [জুন, ২০২৫]
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ১০টি
ব্যাখ্যা
মিশন স্থাপন:
- বর্তমানে বিশ্বের ৬০টি দেশে বাংলাদেশের ৮৪টি কূটনৈতিক মিশন রয়েছে।
- সম্প্রতি, বাংলাদেশ বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও কূটনৈতিক সংযোগ বাড়াতে ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকার নতুন ৫টি দেশে মিশন স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে।
-  নতুন মিশনগুলো যেসব শহরে স্থাপন করা হবে:
⇒ ডাবলিন, আয়ারল্যান্ড;
⇒ অসলো, নরওয়ে;
⇒ বুয়েনস এইরেস, আর্জেন্টিনা;
⇒ ফ্রাঙ্কফুর্ট, জার্মানি;
⇒ সাওপাওলো, ব্রাজিল।

- ক্রমপরিবর্তনশীল ভূরাজনৈতিক পরিবেশ, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও এবং এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রেক্ষাপটে এই মিশন স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

তথ্যসূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। [Link]
১,৫৯৫.
বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে জামদানি শাড়ি কত সালে স্বীকৃতি পায়?
  1. ২০১৪ সালে
  2. ২০১৫ সালে
  3. ২০১৬ সালে
  4. ২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা

জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- জাতিসংঘের সংস্থা WIPO (World Intellectual Property Organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- ভৌগোলিক নির্দেশক (Geographical indication) হচ্ছে একটি প্রতীক বা চিহ্ন, যা পণ্য ও সেবার উৎস, গুণাগুণ ও সুনাম ধারণ এবং প্রচার করে।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

• বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্য জামদানি শাড়ি।
- জামদানি শাড়ি জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় ২০১৬ সালে।

উৎস: i) পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

১,৫৯৬.
দেশের প্রথম টানেল কোন নদীর তলদেশে নির্মিত হয়েছে?
  1. পদ্মা নদী
  2. ফেনী নদী
  3. কর্ণফুলী নদী
  4. যমুনা নদী
ব্যাখ্যা
⇒ বঙ্গবন্ধু টানেল:
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নির্মাণ করা হয়েছে।
- দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশে প্রথম নদীর তলদেশ দিয়ে টানেল চালু হয়েছে।
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে দৈর্ঘ্য ৩.৩২ কিলোমিটার।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রথম টানেল টিউব নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন।
- ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং যৌথভাবে বঙ্গবন্ধু টানেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড প্রকল্পের ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে।
- বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ১০ হাজার ৬৮৯ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৫৯৭.
’স্বোপার্জিত স্বাধীনতা’ ভাস্কর্যটির স্থপতি কে?
  1. হামিদুজ্জামান খান
  2. মুস্তফা মনোয়ার
  3. মৃণাল হক
  4. শামীম শিকদার
ব্যাখ্যা

- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফুলার রোডে সলিমুল্লাহ হল, জগন্নাথ হল ও বুয়েট সংলগ্ন সড়ক দ্বীপে বাংলাদেশের ইতিহাসের ধারক স্বাধীনতা সংগ্রাম ভাস্কর্যটি স্থাপিত।

• স্বোপার্জিত স্বাধীনতা:
- স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির সামনের সড়কের মোড়ে অবস্থিত।
- ভাস্কর্যটির স্থপতি: শামীম শিকদার।
- ভাস্কর্য কর্মে সহায়তা করেন হিমাংশু রায় ও আনোয়ার চৌধুরী।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই ভাস্কর্যটি।
- ১৯৮৮ সালের ২৫ মার্চ তারিখে, অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক এ ভাস্কর্যটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৫৯৮.
৭ম সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ- ২০২৪ এর সেরা গোলকিপার পুরস্কার অর্জন করেন -
  1. রূপনা চাকমা
  2. লাজোম চাকমা
  3. ঋতুপর্ণা চাকমা
  4. মনিকা চাকমা
ব্যাখ্যা
সপ্তম সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৪:
- সপ্তম সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে ১৭ থেকে ৩০ অক্টোবর, ২০২৪, নেপালে।
- টুর্নামেন্টে মোট ৭টি দল অংশ নেয় এবং ১২টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।
- ফাইনালে বাংলাদেশ নেপালকে ২-১ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়।
- নেপাল রানার্স আপ হয়।
- বাংলাদেশের ঋতুপর্ণা চাকমা সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন,
- সেরা গোলকিপার হন রূপনা চাকমা।

সূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৫৯৯.
কান্তজীউ মন্দির বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রংপুর
  2. দিনাজপুর
  3. বগুড়া
  4. লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা
কান্তজীউ মন্দির:
- দিনাজপুর জেলার কাহারোল থানার কান্তনগর গ্রামে অবস্থিত কান্তজীউ মন্দির বাংলাদেশের একটি বিখ্যাত হিন্দু ধর্মীয় স্থাপত্য।
- অনেকের মতে, কান্তনগরে অবস্থিত হওয়ায় এই মন্দিরের নামকরণ করা হয়েছে “কান্তজীউ মন্দির”।
- জনশ্রুতি রয়েছে যে, শ্রীকৃষ্ণের বিগ্রহ অধিষ্ঠানের উদ্দেশ্যে এই মন্দির নির্মাণ করা হয়েছিল।
- দিনাজপুরের তৎকালীন জমিদার প্রাণনাথ রায় ১৭২২ খ্রিস্টাব্দে পোড়ামাটির কারুকাজে সুসজ্জিত এই মন্দিরের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- তবে তিনি তাঁর জীবদ্দশায় এই মন্দির নির্মাণ শেষ করে যেতে পারেননি।
- পরবর্তীতে তাঁর পালক পুত্র রাম নাথ রায় ১৭৫২ খ্রিস্টাব্দে মন্দিরটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন করেন।
- টেরাকোটার অলংকরণ ও স্থাপত্যশৈলীর জন্য এটি বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত।

সূত্র: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ও পত্রিকা রিপোর্ট। 
১,৬০০.
বঙ্গবন্ধু টানেলের এপ্রোচ সড়কের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৩.৩২ কিমি
  2. ৪.১৫ কিমি
  3. ৫.৩৫ কিমি
  4. ৬.২৯ কিমি
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু টানেল:
 
- চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশ বাংলাদেশের প্রথম বহুলেন সড়ক টানেল উদ্বোধন করা হয়েছে।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৮শে অক্টোবর ২০২৩ সালে টানেলটি উদ্বোধন করেন।
- বাংলাদেশ সরকার এটির নামকরণ করেছে বঙ্গবন্ধু টানেল।
- দক্ষিণ এশিয়ায় নদীর তলদেশ দিয়ে যানবাহন চলাচলকারী প্রথম টানেল এটি।
- মোট দৈর্ঘ্য – ৯.৩৯ কিমি।
- মূল টানেলের দৈর্ঘ্য – ৩.৩১৫ কিমি অথবা ৩.৩২ কিমি।
- এপ্রোচ সড়কের দৈর্ঘ্য – ৫.৩৫ কিমি।
- টানেলের ধরন – দুই লেনের ডুয়েল টানেল।
- প্রবেশপথ – চট্টগ্রাম বিমানবন্দর ও সমুদ্রবন্দরের কাছে, কর্ণফুলী নদীর ভাটির দিকে নেভি কলেজের কাছে।
- বহির্গমন – আনোয়ারা প্রান্তে সার কারখানার কাছে।
 
তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা, ২৮ অক্টোবর ২০২৩।