বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

মোট প্রশ্ন৩,৮২৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

PrepBank · পাতা ১৫ / ৩৮ · ১,৪০১১,৫০০ / ৩,৮২৪

১,৪০১.
আলফাজ একজন কৃতি -
  1. ফুটবলার
  2. ক্রিকেটার
  3. হকি প্লেয়ার
  4. সাঁতারু
ব্যাখ্যা
মোহাম্মদ আলফাজ আহমেদ:
- মোহাম্মদ আলফাজ আহমেদ হলেন একজন বাংলাদেশী সাবেক পেশাদার ফুটবল খেলোয়াড় এবং ম্যানেজার।
- আলফাজ তার খেলোয়াড়ি জীবনের অধিকাংশ সময় ঢাকা মোহামেডান এবং বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে একজন আক্রমণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে খেলেছেন।

⇒ ১৯৯৬ এশিয়ার মাসসেরা ফুটবলার হয়েছিলেন মোহামেডানের আলফাজ।
- আলফাজের পর আর কোনো ফুটবলার এই গৌরব অর্জন করতে পারেননি।

⇒ ২০১৩ সালে অবসরে যান সাবেক জাতীয় তারকা আলফাজ আহমেদ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৪০২.
'Let There Be Light' ছবিটি কে পরিচালনা করেন?
  1. তারেক মাসুদ
  2. জহির রায়হান
  3. চাষী নজরুল ইসলাম
  4. আব্দুল জব্বার খান
ব্যাখ্যা
জহির রায়হান:
- জহির রায়হান (১৯ আগস্ট ১৯৩৫ — ৩০ জানুয়ারি ১৯৭২) ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী চলচ্চিত্র পরিচালক, ঔপন্যাসিক এবং গল্পকার।
- তাঁর আসল নাম ছিল জহিরুল্লাহ।
- পরবর্তী সময়ে তিনি জহির রায়হান নামে পরিচিত হন।
- ১৯৫২ সালে তিনি ভাষা আন্দোলনে যোগ দেন।
- ২১ ফেব্রুয়ারি যে  ১০ জন প্রথম ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করেন তিনি তাঁদের অন্যতম।
- তাঁর প্রথম গল্পসংগ্রহ সূর্যগ্রহণ প্রকাশিত হয়।
- তাঁর লিখিত অন্যান্য বইগুলি হচ্ছে শেষ বিকেলের মেয়ে, হাজার বছর ধরে, আরেক ফাল্গুন, বরফ গলা নদী এবং আর কত দিন।
- হাজার বছর ধরে উপন্যাসের জন্য তিনি আদমজী পুরস্কার লাভ করেন।
- বাংলা সাহিত্যের গল্প শাখায় অবদানের জন্য তিনি ১৯৭২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬১ সালে তাঁর পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র কখনও আসেনি মুক্তি পায়।
- তাঁর অন্যান্য চলচ্চিত্র হলো: কাজল, কাঁচের দেয়াল, বেহুলা, জীবন থেকে নেয়া, আনোয়ারা, সঙ্গম এবং বাহানা।
- জীবন থেকে নেয়া ছবিতে প্রতীকী কাহিনীর মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের স্বৈরাচারী শাসনকে চিত্রিত করা হয় এবং জনগণকে পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে উদ্বুদ্ধ করা হয়।
- তিনি লেট দেয়ার বি লাইট নামে একটি ইংরেজি ছবি নির্মাণ শুরু করেন। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ায় তিনি তা শেষ করতে পারেন নি।
- পাকিস্তানি সামরিক জান্তার গণহত্যার চিত্র সম্বলিত স্টপ জেনোসাইড ছবিটি পৃথিবী জুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে।
- জহির রায়হানের উর্দু ছবি সঙ্গম ছিল পাকিস্তানের প্রথম রঙ্গীন ছবি।
- ১৯৭১ সালের ৩০ ডিসেম্বর তিনি খবর পান যে, শহীদুল্লা কায়সারকে ঢাকার মিরপুরে রাখা হয়েছে। তিনি তাঁকে উদ্ধারের জন্য সেখানে যান। কিন্তু তিনি আর ফিরে আসেননি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৪০৩.
অ্যাসোসিও লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড-২০২১ লাভ করেন কে?
  1. মোস্তফা জব্বার
  2. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  3. সজিব ওয়াজেদ জয়
  4. ড. আতিউর রহমান
ব্যাখ্যা
- ‘অ্যাসোসিও লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড-২০২১’ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।
- দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ও অবদানের জন্য তাকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। এশিয়ান-ওশেনিয়ান কম্পিউটিং ইন্ডাস্ট্রি অর্গানাইজেশন (অ্যাসোসিও) এই পদক প্রদান করে।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১০ সালে অ্যাসোসিও লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড লাভ করেছিলেন।
(তথ্যসূত্র: দৈনিক যুগান্তর)
১,৪০৪.
নিম্নের কোন ব্যক্তি মানাসলু পর্বত জয় করেছেন? 
  1. বাবর আলী
  2. তানভীর আহমেদ
  3. তৌফিক আহমেদ
  4. বর্ণিত সবাই 
ব্যাখ্যা

মানাসলু পর্বত জয়:
- মানাসলু পর্বত পশ্চিম-মধ্য নেপালের নেপালি হিমালয়ের অংশ মানসিরি হিমালে অবস্থিত।
- উচ্চতায় ৮ম হলেও বিশ্বের প্রাণঘাতী পর্বতগুলোর মধ্যে এর অবস্থান চতুর্থ।
- এটি পৃথিবীর অষ্টম উচ্চতম পর্বত যার উচ্চতা ৮,১৬৩ মিটার/ ২৬,৭৮১ ফুট। 

⇒ সম্প্রতি বাবর আলী মানাসলু  পর্বতশৃঙ্গ জয় করেছেন কৃত্রিম অক্সিজেন ছাড়াই। এটিই প্রথম কোনো বাংলাদেশির শৃঙ্গ জয় অতিরিক্ত অক্সিজেন ছাড়াই। ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটে এই পর্বতশৃঙ্গ জয় করেন বাবর। শিখরে বাবরের সঙ্গে ছিল দীর্ঘদিনের পর্বতসাথী বীরে তামাং।
- বাবর আলীর পাশপাশি এদিন ‘মানাসলু’ জয় করেছেন বাংলাদেশের আরেক পর্বতারোহী তানভীর আহমেদ। বাবর আলী ও তানভীর আহমেদ দুজনই পর্বতারোহণ ক্লাব ভার্টিক্যাল ড্রিমার্সের সদস্য। তাদের এই যৌথ অভিযানের নাম  ‘মানাসলু অ্যাসেন্ট: ভার্টিক্যাল ডুয়ো’।
- ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে ভোর ৪টায় তৌফিক আহমেদ তমাল মানাসলু পর্বত জয় করেন।
- ২০১১ সালের ১২ অক্টোবর প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মানাসলু শৃঙ্গে ওঠেন এভারেস্টজয়ী পর্বতারোহী এম এম মুহিত।

উৎস: প্রথম আলো।

১,৪০৫.
বাংলাদেশ বেতারের প্রথম নামকরণ কী ছিল?
  1. ঢাকা রেডিও সেন্টার
  2. ঢাকা ব্রডকাস্টিং
  3. ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র
  4. রেডিও পাকিস্তান ঢাকা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ বেতার:
- বাংলাদেশ বেতারের প্রথম নামকরণ করা হয় 'ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র'।
- বাংলাদেশে প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু হয় ১৯৩৯ সালে ১৬ই ডিসেম্বর।
- ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডে দুটি স্টুডিও নিয়ে এর যাত্রা শুরু হয়।
- ঢাকা বেতারের সম্প্রচার যন্ত্র অর্থাৎ ট্রান্সমিটারটি বসানো হয়েছিল বর্তমান কল্যাণপুর।
- ১৯৮৩ সালের ৩০ জুলাই ঢাকাস্থ শের-ই-বাংলা নগরে বর্তমান অত্যাধুনিক পূর্ণাঙ্গ জাতীয় বেতার ভবনে ঢাকা প্রচার কেন্দ্র স্থানান্তরিত হলে শাহবাগের সাবেক প্রচার ভবনটি বাংলাদেশ বেতারের সদর দপ্তরে রূপান্তরিত হয়।
- বাংলাদেশ বেতারের ১৪টি আঞ্চলিক কেন্দ্র ও ৬টি ইউনিট হতে ১৬টি মধ্যম তরঙ্গ ট্রান্সমিটার, ২টি ক্ষুদ্র তরঙ্গ ট্রান্সমিটার ও ৩৪টি এফএম ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে দৈনিক ৪৯৭ ঘণ্টা অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ বেতার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১,৪০৬.
বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে 'সেভেন সামিট' জয় করেন কে?
  1. মুসা ইব্রাহিম
  2. এম এ মুহিত
  3. নিশাত মজুমদার
  4. ওয়াসফিয়া নাজরীন
ব্যাখ্যা

ওয়াসফিয়া নাজরীন:
- এভারেস্ট বিজয়ী পর্বতারোহী ওয়াসফিয়া নাজরীন।
- বাংলাদেশের পর্বতারোহী ওয়াসফিয়া নাজরীন ‘সেভেন সামিট’-এর কৃতিত্ব অর্জন করেন।
- বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় (সেভেন সামিট) করেন ওয়াসফিয়া নাজরীন।
- ২০১২ সালের ২৬ মে তিনি পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেন।
- এর আগে তিনি আফ্রিকার মাউন্ট কিলিমানজারো, এশিয়ার মাউন্ট এভারেস্ট, অ্যান্টার্কটিকার মাউন্ট ভিনসন, ইউরোপের এলব্রুস, উত্তর আমেরিকার মাউন্ট ডেনালি, দক্ষিণ আমেরিকার অ্যাকোংকাগুয়া পর্বতশৃঙ্গ জয় করেন।
- আন্তর্জাতিক মানবতাবাদী গ্রুপ কেয়ার (CARE) এর হয়ে ওয়াসফিয়া নাজরীন কাজ করেছেন।
- তিনি ২০১৪ সালে ন্যাশনাল জিওগ্রাফির বর্ষসেরা অভিযাত্রীর খেতাব পেয়েছেন।

• এভারেস্ট জয়ী বাংলাদেশি:
১ম: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
২য়: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
৩য়: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
৪র্থ: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
৫ম: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
৬ষ্ঠ: ইকরামুল হাসান শাকিল, ২০২৫ সালের ১৯ মে। [ব্যাখ্যা আপডেট - জানুয়ারি, ২০২৬]
উল্লেখ্য:
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি। তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

১,৪০৭.
BTRC- কোন মন্ত্রনালয়ের আওতাধীন?
  1. তথ্য মন্ত্রণালয়
  2. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
  3. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  4. ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

⇒ BTRC- ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান।

BTRC:
- BTRC-এর পূর্ণরূপ Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission.
- Bangladesh Telecommunication Regulatory Act 2001 এর অধীনে ৩১ জানুয়ারি ২০০২ সালে Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission (BTRC) গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) হলো বাংলাদেশের একটি স্বাধীন কমিশন।
- এটি বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ এবং টেলিযোগাযোগ সেবা নিয়ন্ত্রণের নিমিত্তে কাজ করে থাকে।
- বিটিআরসি বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ সংক্রান্ত বিষয়াবলী যেমন, সেলুলার নেটওয়ার্ক, পিএসটিএন, কৃত্রিম উপগ্রহ এবং ক্যাবল ইত্যাদির রক্ষণাবেক্ষন, উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
- ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ ও টেলিফোন বোর্ড অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ ও টেলিফোন বোর্ড গঠিত হয়। অধ্যাদেশটি পরে ১৯৯৫ সালে সংশোধন করা হয়।
- বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন, ২০০১, (২০০১ সালের আইন নং ১৮) এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত একটি স্বাধীন নিয়ন্ত্রক কমিশন ১৬ এপ্রিল, ২০০১ তারিখে বাংলাদেশ গেজেটে অসাধারণভাবে প্রকাশিত হয়।
- এটি চালু হওয়ার সাথে সাথে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের প্রয়োজনীয় কর্তৃত্ব, দায়িত্ব এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো বিটিআরসি-র উপর ন্যস্ত করা হয়।

তথ্যসূত্র - BTRC ওয়েবসাইট।

১,৪০৮.
Who was the captain of Bangladesh's first test cricket team?
  1. Aminul Islam
  2. Khaled Masud
  3. Akram Khan
  4. Naimul Islam
  5. None of these
ব্যাখ্যা
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল:
- টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে: ২০০০ সালে।
- সর্বপ্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ২০০০ সালের ১০ই নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে।
- প্রথম অধিনায়ক: নাইমুর রহমান।
- প্রথম টেস্ট জয় পায় ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।
- বাংলাদেশ তার শততম টেস্ট খেলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।

উল্লেখ্য,
- ২০১৭ সালে শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়।
- শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করেন বাংলাদেশের সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।

উৎস: i) ESPNcricinfo.
         ii) ৬ আগস্ট, ২০২০, প্রথম আলো।
১,৪০৯.
বাংলাদেশের সাথে জলবিদ্যুৎ খাতে ত্রিপক্ষীয় সহযোগিতায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ দেশ কোনগুলো?
  1. রাশিয়া ও চীন
  2. জাপান ও ভারত
  3. দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান
  4. ভারত ও ভুটান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ, ভারত ও ভুটানে মধ্যে জলবিদ্যুৎ নিয়ে সমঝোতা চুক্তি হয়।
- ভারতের সহযোগিতায় ভুটানে এক হাজার ২২৫ মেগাওয়াটের একটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
- সমবিনিয়োগের এই প্রকল্পে অংশীদার হয় বাংলাদেশ।

- প্রথমত, তিন দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়।
- এরপর তিন দেশ নির্ধারণ করে তাদের কোন কোন কোম্পানি এখানে কাজ করবে।
- সেই তিনটি কোম্পানি মিলে যৌথ মূলধনি কোম্পানি গঠন করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করে।’
- ২০১৮ সালে এই চুক্তি হয়।’

তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন (১৭ ডিসেম্বর, ২০১৭)।
১,৪১০.
টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ- ২০২৬ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. পাকিস্তান
  2. ভারত 
  3. ইংল্যান্ড
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা

• টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ- ২০২৬:
- ২০২৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চের মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে পারে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।
- ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হবে এই বিশ্বকাপ।
- টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে ২০টি দল।
- এরই মধ্যে ১৫টি দল নিশ্চিত।
- বাকি ৫টি দল আসবে বাছাইপর্ব থেকে- আফ্রিকা থেকে ২টি এবং এশিয়া ও পূর্ব এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগর থেকে ৩টি। 
- ২০টি দলকে চারটি গ্রুপে ভাগ করা হবে, প্রতিটি গ্রুপে থাকবে পাঁচটি করে দল।
- প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুটি করে দল সুপার এইট পর্বে যাবে।
- সেখানে আবারও আটটি দলকে চারটি করে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হবে।
- সুপার এইটে প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুটি করে দল সেমিফাইনালে উঠবে।

উৎস: প্রথম আলো।

১,৪১১.
নারী জাগরণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫’ প্রদান করা হয় কাকে?
  1. ড. রুভানা রাকিব
  2. কল্পনা আক্তার
  3. ঋতুপর্ণা চাকমা
  4. উপরের সবাই 
ব্যাখ্যা

বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫:
- ২০২৫ সালে ৪ জন নারীকে ‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫’ প্রদান করা হয়।

⇒ নারী শিক্ষা ও অধিকার আন্দোলনের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ১৪৫তম জন্মবার্ষিকী ও ৯৩তম মৃত্যুবার্ষিকীতে নারীশিক্ষা, নারী অধিকার, মানবাধিকার ও নারী জাগরণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এবার চার নারীকে রোকেয়া পদক ২০২৫ দেওয়া হচ্ছে।
- মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত বেগম রোকেয়া দিবসের অনুষ্ঠানে এই পদক তুলে দেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

 ⇒ ‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫’ প্রাপ্ত চার নারী হচ্ছেন:
- নারীশিক্ষা শ্রেণিতে (গবেষণা) রুভানা রাকিব,
- নারী অধিকার শ্রেণিতে (শ্রম অধিকার) কল্পনা আক্তার,
- মানবাধিকার শ্রেণিতে নাবিলা ইদ্রিস,
- নারী জাগরণ শ্রেণিতে (ক্রীড়া) ঋতুপর্ণা চাকমা।

উৎস: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ওয়েবসাইট।

১,৪১২.
কুতুবদিয়া বাতিঘর নির্মাণ করা হয় কোন সালে?
  1. ১৮৫০
  2. ১৮৪৮
  3. ১৮৪০
  4. ১৮৪৬
ব্যাখ্যা
বাতিঘর:

- বাতিঘরের জন্য বিখ্যাত কুতুবদিয়া দ্বীপ।
- কুতুবদিয়া কক্সবাজার জেলায় একটি দ্বীপ উপজেলা।
- চান্স এন্ড ব্রাদার্স কোম্পানী লিমিটেড কর্তৃক মনোনীত স্থপতি নেয়ার বার্মিংহাম এর তত্ত্বাবধানে ১৮৪৬ সালের দিকে কুতুবদিয়ায় আটতলা তথা আটকক্ষ বিশিষ্ট বাতিঘরটি নির্মাণ করা হয়।
- ১২০ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট গোলাকৃতি আলোক স্তম্ভের প্রতিটি কক্ষে মূল্যবান কাঁচ খচিত জানালা ছিল।
- কক্ষের চারদিকে রেলিং ছিল।
- সর্বোচ্চ কক্ষে বাতিঘরটি প্রজ্জ্বলন করা হতো।
- ১৯ মাইল দূর থেকে নাবিকরা এ বাতিঘর থেকে আলো প্রত্যক্ষ করে দিক চিহ্নিত করতো।
- শংখ নদীর তীব্র স্রোতের তোড়ে বাতিঘরটি ধ্বংস হতে থাকে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে বাতিঘরটি পুরোপুরি ধ্বংস হলে গভীর সমুদ্রে চলাচলরত নাবিক ও মাঝিমাল্লাদের কথা মাথায় রেখে তদানীন্তন সরকার ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দে একই এলাকায় অর্থাৎ এর দু’কিলোমিটার পূর্বে বাঁধের ভেতরে প্রায় সাত একর জমিতে আরো একটি বাতিঘর নির্মাণ করে।
- ১৯৯১ খ্রিস্টাব্দে ২৯ এপ্রিল প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে পুনঃ নির্মিত বাতিঘরটি সাগরে বিলীন হয়ে যায়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৪১৩.
বাংলাদেশ প্রথম কবে অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করে?
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৮৬ সালে
  3. ১৯৮৮ সালে
  4. ১৯৮৪ সালে
  5. ১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ অলিম্পিক গেমস:
- বাংলাদেশ ১৯৮৪ সাল থেকে অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করছে।
- সর্বোচ্চ তিনবার অলিম্পিকে অংশ নিয়েছেন সাঁতারু ডলি আক্তার।
- ১৯৮৪ লস অ্যাঞ্জেলেস বাংলাদেশের প্রতিযোগী হলো:
- প্রতিযোগী: ১ সাইদুর রহমান ডন অ্যাথলেটিকস।
- ১০০ মিটার: নিজের হিটে অষ্টম (১১.২৫ সে.), মোট প্রতিযোগী ৮।
- ২০০ মিটার: নিজের হিটে সপ্তম (২২.৫৯ সে.) মোট প্রতিযোগী ৮।

উল্লেখ্য, 
- সর্বশেষ অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয় ফ্রান্স।

উৎস: প্রথম আলো।
১,৪১৪.
নিম্নের কোন স্থাপত্যটির সাথে এহসান খান যুক্ত ছিলেন?
  1. মোদের গরব
  2. বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ
  3. কমলাপুর রেলস্টেশন
  4. হাতির ঝিল
ব্যাখ্যা
হাতির ঝিল:
- 'হাতির ঝিল‘- এর নকশার পরিকল্পনা করেন স্থপতি এহসান খান।
- তিনি ১৯৯০ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থাপত্যে গ্র্যাজুয়েশন করেন।
- তিনি ভিত্তি স্থপতিবৃন্দ লিমিটেড-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।

অন্যদিকে,
⇒ মোদের গরব:
- এর অবস্থান বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গনে।
- মোদের গরব স্থাপত্য'র নকশা করেন শিল্পী অখিল পাল।
- এটি উদ্বোধন হয় ২০০৭ সালের ১লা ফেব্রুয়ারি।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার দাবি জানানোর আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে শহিদদের সম্মানে এটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।

⇒ বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ:
- বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ ঢাকার রায়ের বাজার ইটখোলায় নির্মিত।
- বাংলাদেশ সরকারের গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেকটস্ যৌথভাবে স্মৃতিসৌধের নকশা প্রণয়নের জন্য জাতীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতা আহবান করে।
- ২২টি নকশার মধ্যে স্থপতি ফরিদউদ্দীন আহমেদ ও স্থপতি জামি-আল-শফি প্রণীত নকশাটি নির্বাচিত হয়।

⇒ কমলাপুর রেলস্টেশন:
- কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় রেলস্টেশন।
- এর অবস্থান ঢাকার মতিঝিলে।
- এ স্টেশনের স্থাপত্যশৈলী অনন্য।
- কমলাপুর রেলস্টেশনের স্থপতি ছিলেন দুই মার্কিন নাগরিক।
- তারা ছিলেন ড্যানিয়েল বার্নহ্যাম এবং বব বুই।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৪১৫.
বাংলাদেশে নিযুক্ত বর্তমান মার্কিন রাষ্ট্রদূত কে?
  1. পিটার ডি হাস
  2. নিকোলাস ডিন
  3. ড্যান মজিনা
  4. আর্ল আর মিলার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রেররাষ্ট্রদূত হিসাবে পিটার ডি হাস। 
- মার্কিন কংগ্রেসের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী- পিটার ডি হাস ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দা।
- ১৯৮৮ সালে তিনি ইলিনয় ওয়েসলিয়ান ইউনিভার্সিটি থেকে ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ ও জার্মানে স্নাতক সম্পন্ন করেন।
- লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকসে তিনি একজন মার্শাল স্কলার হিসাবে যোগদান করেন।
- যেখানে তিনি বিশ্ব অর্থনীতি এবং তুলনামূলক সরকার উভয় ক্ষেত্রেই স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
- পররাষ্ট্র দপ্তরের একাধিক পারফরম্যান্স পুরস্কারও তিনি পেয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে- জেমস ক্লিমেন্ট ডান অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স ও কর্ডেল হুল অ্যাওয়ার্ড ফর ইকোনমিক অ্যাচিভমেন্ট।
- ইংরেজি ছাড়াও জার্মান ও ফরাসি ভাষায় তিনি সাবলীল।
- ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলারের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন তিনি।
- ২০১৮ সালের নভেম্বরে মিলার রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব নেন। তিনি রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাটের স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন।

উৎস:- মার্কিন কংগ্রেসের ওয়েবসাইট। 
১,৪১৬.
How many people are awarded Ekushey Padak 2025?
  1. 15
  2. 17
  3. 19
  4. 21
  5. 23
ব্যাখ্যা
একুশে পদক ২০২৫:
- একুশে পদক- ২০২৫ পাচ্ছেন দেশের বিশিষ্ট ১৭ ব্যক্তিত্ব ও ১ প্রতিষ্ঠান।
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ১৭ নাগরিককে একুশে পদক ২০২৫ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
- এ বছর ক্রীড়ায় একুশে পদক পাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল।

একুশে পদক ২০২৫ প্রাপ্ত ব্যক্তি:
• গবেষণা - মঈদুল হাসান (মূলধারা ৭১ এর রচয়িতা)।
• ভাষা ও সাহিত্যে - শহীদুল জহির (মো. শহীদুল হক) (মরণোত্তর) ও হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর)।
• সংস্কৃতি ও শিক্ষা - ড. শহীদুল আলম (ফটোগ্রাফার, মানবাধিকার কর্মী এবং দৃকের প্রতিষ্ঠাতা),
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি - মেহেদী হাসান খান (অভ্র'র জনক) ও রিফাত নবী, তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
• সাংবাদিকতা - মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর)।
• সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার - মাহমুদুর রহমান।
• শিল্পকলা (চলচ্চিত্র) - আজিজুর রহমান (মরণোত্তর) (ছুটির ঘণ্টা এবং আরও অনেক ছবির পরিচালক),
• সংগীত - উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) ও ফেরদৌস আরা।
• আলোকচিত্র - নাসির আলী মামুন।
• চিত্রকলা - রোকেয়া সুলতানা।
• শিক্ষা - ড. নিয়াজ জামান।
• সমাজসেবা - মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর)।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা ও প্রথম আলো।
১,৪১৭.
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন কোথায় অবস্থিত?
  1. সোনারগাঁও
  2. মুন্সিগঞ্জ
  3. ঢাকা
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
সোনারগাঁও:
- প্রাচীন সুবর্ণগ্রাম থেকে সোনারগাঁও নামের উদ্ভব বলে কারো কারো ধারণা রয়েছে।
- অন্য ধারণামতে বারো ভূঁইয়া প্রধান ঈশা খাঁ’র স্ত্রী সোনাবিবি’র নামানুসারে সোনারগাঁও নামকরণ করা হয়।
- ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে ঢাকা সুবে বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষিত হবার পূর্ব পর্য়ন্ত সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- ঈশা খাঁ ও তাঁর বংশধরদের শাসনামলে সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- সোনারগাঁও-এর আরেকটি নাম ছিল পানাম।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের আন্তরিক প্রচেষ্টায় সোনারগাঁওয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন।

উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন
ii) বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন
১,৪১৮.
বাংলাদেশের একমাত্র 'সোয়াম্প ফরেস্ট' কোথায় অবস্থিত?
  1. বাগেরহাট
  2. খুলনা
  3. সিলেট
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট:
- রাতারগুল জলাবন বা রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট বাংলাদেশের একমাত্র মিঠাপানির জলাবন বা সোয়াম্প ফরেস্ট এবং বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য।
- সিলেটের গোয়াইনঘাটে অবস্থিত।
- বনের আয়তন ৩,৩২৫.৬১ একর।
- বনের ৫০৪ একরকে ১৯৭৩ সালে বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- সারা পৃথিবীতে স্বাদুপানির জলাবন আছে মাত্র ২২টি। 
- ভারতীয় উপমহাদেশে আছে দুটি।
- একটি শ্রীলংকায়, আরেকটি বাংলাদেশের রাতারগুল। 
- সুন্দর বিশাল এ বনের তুলনা চলে একমাত্র আমাজনের সঙ্গে। 
- আমাজনের মতো এখানকার গাছ বছরে ৪ থেকে ৭ মাস পানির নিচে থাকে।
- এই বন মূলত প্রাকৃতিক বন হলেও পরবর্তিতে বাংলাদেশ বন বিভাগ, বেত, কদম, হিজল, মুর্তাসহ নানা জাতের জলসহিষ্ণু গাছ লাগিয়েছে। 
- এছাড়া জলমগ্ন এই বনে রয়েছে হিজল, করচ আর বরুণ গাছ, আছে পিঠালি, অর্জুন, ছাতিম, গুটি জাম, আছে বট গাছও।
- এই বনে সাপের আবাস অনেক বেশি।
- এছাড়া রয়েছে বানর, গুঁইসাপ, সাদা বক, কানা বক, মাছরাঙ্গা, টিয়া, বুলবুলি, পানকৌড়ি, ঢুপি, ঘুঘু, চিল এবং বাজপাখি।
 
উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৪১৯.
সম্প্রতি, বাংলাদেশ জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের কোন পদে নির্বাচিত হয়েছে? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. চেয়ারম্যান
  2. প্রেসিডেন্ট
  3. ভাইস প্রেসিডেন্ট
  4. সেক্রেটারি জেনারেল
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

• জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছে- বাংলাদেশ।

- মানবাধিকার কাউন্সিলের কার্যালয়ে একজন প্রেসিডেন্ট এবং চারজন ভাইস প্রেসিডেন্ট জাতিসংঘের পাঁচটি আঞ্চলিক গ্রুপের প্রতিনিধিত্ব করেন।
- নির্বাচিত ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে জেনেভায় জাতিসংঘ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মানবাধিকার কাউন্সিলের ব্যুরোতে কাজ করবেন।
- ২০০৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মানবাধিকার কাউন্সিল প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের এই মর্যাদাপূর্ণ মানবাধিকার সংস্থার ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

উল্লেখ্য,
- UNHRC জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনারের অফিস (UN Human Rights) মানবাধিকার সংক্রান্ত জাতিসংঘের প্রধান সংস্থা।
- মানবাধিকার পরিষদ ২০০৬ সালে রেজোলিউশন ৬০/২৫১ এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একটি সহযোগী সংস্থা হিসেবে কাজ করে।
- এটি ১৯৪৬ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত পরিচালিত প্রাক্তন মানবাধিকার কমিশনের স্থলাভিষিক্ত হয়।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ১৯৯৩ সালের ডিসেম্বরে মানবাধিকার হাইকমিশনারের অফিস প্রতিষ্ঠা করে।

তথ্যসূত্র: UNHRC ওয়েবসাইট, প্রথম আলো নিউজ।
১,৪২০.
সুন্দরবনের আয়তন প্রায় কত বর্গ কিলোমিটার?
  1. ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার
  2. ৪১০০ বর্গ কিলোমিটার
  3. ৫৮০০ বর্গ কিলোমিটার
  4. ৬৯০০ বর্গ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
• সুন্দরবন: 
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বা স্রোতজ বনভূমি। 
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার। 
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ। 

- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সংস্থা ইউনেস্কো পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে ৭৯৮তম World Heritage হিসেবে ঘোষণা করে। 
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো - সুন্দরী। 
- সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন। 
- সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। 

উৎস: বনবিভাগ ওয়েবসাইট, ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী।
১,৪২১.
বাংলাদেশে তৈরী প্রথম ন্যানো স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হয়-
  1. ১২ জুলাই, ২০১৭
  2. ০৪ জুন, ২০১৭
  3. ২৫ জানুয়ারি, ২০১৭
  4. ২৫ জানুয়ারি, ২০১৮
ব্যাখ্যা
ব্র্যাক অন্বেষা:
- দেশের প্রথম ন্যানো স্যাটেলাইট 'ব্র্যাক অন্বেষা'.
- ২০১৭ সালের ৪ জুন যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে কক্ষপথের উদ্দেশে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে।
- বাংলাদেশের ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনজন শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ হিল কাফি, রায়হানা শামস ইসলাম অন্তরা এবং মাইসুন ইবনে মনোয়ার জাপানের কিউশু ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজিতে ন্যানো স্যাটেলাইটটি তৈরি করেছেন।
- ন্যানো স্যাটেলাইটির ওজন এক কেজি ও আকারে ১০ সেন্টিমিটার।
- এটি দুর্যোগের পূর্বাভাস ও উচ্চমানের ছবি পাঠাতে সক্ষম।

সূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা, ৪ জুন, ২০১৭।
১,৪২২.
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সর্ববৃহৎ যুদ্ধ বিমান ঘাঁটি -
  1. ক) বাহিনী ঘাঁটি মতিউর রহমান
  2. খ) বাহিনী ঘাঁটি বঙ্গবন্ধু
  3. গ) বাহিনী ঘাঁটি জহুরুল হক
  4. ঘ) উপরের কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• বিমান বাহিনী ঘাঁটি বঙ্গবন্ধু
» ০৪ ডিসেম্বর ২০১৬সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি বঙ্গবন্ধুকে মর্যাদাপূর্ণ ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড প্রদান করেন।
» বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের একটি প্রধান অপারেশনাল বিমান ঘাঁটি – যা Home of Fighters নামে পরিচিত।
» জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আকাশ প্রতিরক্ষায় এ ঘাঁটি বিশেষ ভূমিকা রাখে।
» শান্তিকালীন সময়ে অত্র ঘাঁটি হতে জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন  দূর্যোগ মোকাবেলায় বেসামরিক প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হয় এবং এক্ষেত্রে বিমান বাহিনী ঘাঁটি বঙ্গবন্ধুর পারদর্শিতা বিভিন্ন সময়ে প্রমাণিত ও প্রশংসিত হয়েছে।

 » এখানে উল্লেখ্য যে, বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় গত ০৯ এপ্রিল, ২০১৩ সালে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এই ঘাঁটিটি তার পূর্ণাঙ্গ জনবল এবং যন্ত্রাংশসহ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, জাতির পিতা ‘বঙ্গবন্ধুর’ নামানুসারে “বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি বঙ্গবন্ধু” হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে।
» বর্তমানে এ ঘাঁটিটি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সর্ববৃহৎ যুদ্ধ বিমান ঘাঁটি এবং এক অপরিহার্য ঘাঁটি হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত।

সূত্র: ispr.gov.bd
১,৪২৩.
সম্প্রতি কতজনকে ‘সেরা জয়িতা পুরস্কার-২০২৩’ প্রদান করা হয়?
  1. ৫ জন
  2. ৭ জন
  3. ৮ জন
  4. ৯ জন
ব্যাখ্যা
সেরা জয়িতা পুরস্কার-২০২৩:
- প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ ৫ নারী জয়িতা পুরস্কার পেয়েছেন।
- ৮ মার্চ, ২০২৪ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় পর্যায়ে ‘সেরা জয়িতা পুরস্কার-২০২৩’ প্রদান করেন।
- সেরা পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন আনার কলি (অর্থনৈতিক), কল্যাণী মিঞ্জি (শিক্ষা ও কর্মসংস্থান), কমলি রবি দাশ (সফল মা), জাহানারা বেগম (নিপীড়ন প্রতিরোধ) এবং পাখি দত্ত হিজড়া (সামাজিক উন্নয়ন)।

উৎস: ৮ মার্চ ২০২৪, প্রথম আলো।
১,৪২৪.
বাংলাদেশ কবে আইসিসি’র পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ক) ১৯৭৭ সালে
  2. খ) ১৯৮৬ সালে
  3. গ) ১৯৯৭ সালে
  4. ঘ) ২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ১৯৭৭ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এর সহযোগী সদস্যপদ লাভ করে। ১৯৯৭ সালের ১৫ জুন ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে
২০০০ সালের ২৬ জুন দশম দেশ হিসেবে আইসিসির টেস্ট স্ট্যাটাস লাভের মাধ্যমে সংস্থাটির পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ লাভ করে।
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ২০১১ সালে ওয়ানডে স্ট্যাটাস এবং ২০২১ সালের ২ এপ্রিল টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে।

(তথ্যসূত্র: আইসিসি ও বিসিবি ওয়েবসাইট)
১,৪২৫.
'পাকিস্তানের জন্ম-মৃত্যু দর্শন' গ্রন্থের লেখক কে?
  1. অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক
  2. অধ্যাপক আনিসুজ্জামান
  3. অধ্যাপক নজরুল ইসলাম
  4. অধ্যাপক যতীন সরকার
ব্যাখ্যা

অধ্যাপক যতীন সরকার:
- ​বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক যতীন সরকার ১৯৩৬ সালের ১৮ আগস্ট নেত্রকোনার কেন্দুয়ার চন্দপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
​- তিনি ৫৫টির বেশি গ্রন্থ রচনা ও সম্পাদনা করেছেন।
​- তার প্রথম গ্রন্থ 'সাহিত্যের কাছে প্রত্যাশা' প্রকাশিত হয় ১৯৮৫ সালে। 
​- ২০০৫ সালে প্রকাশিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অনবদ্য আত্মজীবনী ‘পাকিস্তানের জন্ম মৃতু-দর্শন’ যতীন সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত। 
​- সমাজ অর্থনীতি ও রাষ্ট্র নামে তত্ত্বমূলক ত্রৈমাসিক একটি পত্রিকা সম্পাদনা করতেন তিনি।
​- তিনি দুই মেয়াদে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। 
​​- লেখক হিসেবে যতীন সরকার ২০১০ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার, ২০০৭ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পদক, ২০০৫ সালে পাকিস্তানের জন্ম-মৃত্যু দর্শন গ্রন্থের জন্য প্রথম আলো বর্ষসেরা গ্রন্থ পুরস্কার পান। 
​- এ ছাড়া তিনি ড. এনামুল হক স্বর্ণপদক, খালেকদাদ চৌধুরী সাহিত্য পুরস্কার, মনিরুদ্দীন ইউসুফ সাহিত্য পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননা লাভ করেন।
​- গত ১৩ আগস্ট, ২০২৫ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

​​​তথ্যসূত্র- প্রথম আলো।

১,৪২৬.
শেখ হাসিনা সেনানিবাস কোথায় অবস্থিত?
  1. বটেশ্বর, সিলেট
  2. ঘাটাইল, মানিকগঞ্জ
  3. লেবুখালী, পটুয়াখালী
  4. ভাটিয়ারি, চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
- দেশের ৩১তম এবং দক্ষিণাঞ্চলের প্রথম 'শেখ হাসিনা সেনানিবাস' এর অবস্থান পটুয়াখালী জেলার লেবুখালীতে
- সেনাবাহিনীর ৯টি ডিভিশনের আওতায় দেশে ৩০টি সেনানিবাস থাকলেও এতদিন দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় কোনো সেনানিবাস ছিল না। দক্ষিণাঞ্চলের ছয়টি জেলায় বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে ২০০ কিলোমিটার দূরের যশোর সেনানিবাসের সহায়তা নিতে হতো।

তথ্যসূত্র: দৈনিক সমকাল।
১,৪২৭.
২০২২ সালে চিকিৎসাবিদ্যা বিভাগে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন -
  1. ক) সিরাজুল হক
  2. খ) আবদুল জলিল
  3. গ) কনক কান্তি বড়ুয়া
  4. ঘ) ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২
স্বাধীনতা পুরস্কার দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক পুরস্কার।
জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ২টি প্রতিষ্ঠান এ পুরস্কার লাভ করে।
সরকার ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতিবছর স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ পুরস্কার দিয়ে আসছে। স্বাধীনতা পুরস্কারের ক্ষেত্রে পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে ৫ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেট মানের ৫০ গ্রামের স্বর্ণপদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।
এ বছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান -

স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ:
১. বীর মুক্তিযোদ্ধা ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী
২. শহীদ কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা (বীর বিক্রম)
৩. আবদুল জলিল
৪. সিরাজ উদ্দীন আহমেদ
৫. মরহুম মোহাম্মদ ছহিউদ্দিন বিশ্বাস
৬. মরহুম সিরাজুল হক।

চিকিৎসাবিদ্যা:
৭. অধ্যাপক কনক কান্তি বড়ুয়া
৮. অধ্যাপক মো. কামরুল ইসলাম
স্থাপত্য:
৯. মরহুম স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
গবেষণা ও প্রশিক্ষণ:
১০. গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিডব্লিউএমআরআই)
বিদ্যুতায়নের মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান ও শতভাগ বিদ্যুতায়নের স্বীকৃতি স্বরূপ:
১১. বিদ্যুৎ বিভাগ

সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, এপ্রিল - ২০২২
১,৪২৮.
ঢাকার রায়ের বাজারে নির্মিত "বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ" এর স্থপতি -
  1. নিতুন কুন্ডু
  2. মাইনুল হোসেন
  3. শামীম শিকদার
  4. মোঃ জামী আল সাফী
ব্যাখ্যা
রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ:
- শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ ঢাকার রায়ের বাজার ইটখোলায় নির্মিত।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সমাপ্তিলগ্নে পাকিস্তান সেনাবাহিনী তাদের সহযোগীদের সহায়তায় দেশের যে-সকল শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিজীবী এবং অন্যান্যদের হত্যা করেছিল তাঁদের শ্রদ্ধার নিদর্শন স্বরূপ এটি নির্মাণ করা হয়।
- যে স্থানটিতে এ হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছিল সেখানেই এ স্মৃতিসৌধটি নির্মিত হয়।
- নিহত বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে ছিলেন শিক্ষাবিদ, চিকিৎসক, সাংবাদিক, লেখক, চলচ্চিত্র পরিচালক ও অন্যান্য পেশাজীবী।

⇒ ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ সরকার এ নৃশংস হত্যাকান্ড সংঘটিত হওয়ার স্থানে স্মৃতিসৌধটি নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
- বর্তমান আধুনিক বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধটি ১৪ ই ডিসেম্বর ১৯৯৯ইং সালে উদ্বোধন করা হয়।
- এর নকশাকার হলেন স্থপতি ফরিদউদ্দীন আহমেদ ও মোঃ জামী আল সাফী

⇒ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তানী হানাদানর বাহিনী কর্তৃক বুদ্ধজীবী হত্যা একটি ন্যাক্করজনক ঘটনা।
- পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠীর নির্দেশনা ও মদদে এদেশীয় একশ্রেনীর দালাল এদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সাংবাদিক, নাট্যকার, শিল্পী প্রভৃতি শ্রেণীর বুদ্ধিজীবীদের বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায় এবং এই হত্যাযজ্ঞ ঘটায়।
- তারা ড. গোবিন্দচন্দ্র দেব, মুনীর চৌধুরী, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, শহিদুল্লাহ কায়সার, ডাঃ ফজলে রাব্বীসহ এদেশের প্রথম সারির অনেক বুদ্ধিজীবীদের নির্মমভাবে হত্যা করে।
- বিজয় লাভের কিছুদিন পর তাদের ক্ষত-বিক্ষত লাশ রায়ের বাজারের উক্ত স্মৃতিসৌধের স্থানটিতে পাওয়া যায়।
- তাদের স্মৃতিকে স্মরনীয় করে রাখতে এই বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মান করা হয় যা রায়ের বাজার 'বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ” নামে পরিচিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৪২৯.
’সংগ্রাম’ তেল চিত্র কে এঁকেছেন?
  1. আবু সাইদ
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. শিল্পি ডাইলাম
  4. রফিকুল বারি
ব্যাখ্যা
⇒ ‘সংগ্রাম’ তেল চিত্রটি এঁকেছেন জয়নুল আবেদিন।

জয়নুল আবেদিন:
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বেড়ে উঠেছেন ব্রহ্মপুত্রের লালিত্যে গড়ে ওঠা সবুজ শ্যামলিমায়।
- জয়নুল তাঁর প্রথম জীবনেই নদী ও অবারিত প্রকৃতির মাঝে রোমান্টিকতার অনুপ্রেরণা পান।
- তিনি ১৯৩৩ সালে কলকাতা সরকারি আর্ট স্কুলে ভর্তি হন এবং পাঁচ বছর সেখানে ব্রিটিশ / ইউরোপীয় স্টাইলের ওপর পড়াশুনা করেন।
- জয়নুল আবেদিন ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী, যারা দেশ ভাগের পর ঢাকায় অভিবাসী হয়েছিলেন, আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন।
- ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩), 'ফসল মাড়াই', জলরং (১৯৬৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
- ‘বিদ্রোহী’, ‘মই দেওয়া’, ‘সাঁওতাল যুগল’ তাঁর উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
- ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং জাতীয় জাদুঘর ওয়েবসাইট।
১,৪৩০.
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে শতভাগ বিদ্যুতায়নের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা প্রদান করেন কবে?
  1. ক) ২১ জানুয়ারি ২০২২
  2. খ) ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২২
  3. গ) ২১ মার্চ ২০২২
  4. ঘ) ২১ এপ্রিল ২০২২
ব্যাখ্যা
- ২১ মার্চ ২০২২ শতভাগ বিদ্যুতায়নের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- একই দিনে ১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দেশের সবচেয়ে বড় ও সর্বাধুনিক প্রযুক্তির পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

সূত্র:- Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার: এপ্রিল, ২০২১ – এপ্রিল, ২০২২
১,৪৩১.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলিত হয় কত তারিখে?
  1. ১৯৭১ সালের, ৩ মার্চ
  2. ১৯৭১ সালের, ২ মার্চ
  3. ১৯৭১ সালের, ১ মার্চ
  4. ১৯৭১ সালের, ৪ মার্চ
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলিত হয়- ১৯৭১ সালের, ২ মার্চ।

• জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন:
-  ১৯৭১ সালের ২ মার্চ, ছাত্র সংগঠনগুলো 'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করে।
- একই দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের বটতলায় একটি ছাত্রসভায় ডাকসু ভিপি আ.স.ম আবদুর রব প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।
- এই ঘটনাটি স্মরণীয় হয়ে থাকে, তাই ২ মার্চ 'জাতীয় পতাকা দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।

• জাতীয় পতাকা:
- জাতীয় পতাকা  অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও জাতীয় পতাকার আকৃতি, গড়ন, রং ও পতাকা উত্তোলনের ধরনের কিছু অনুমোদিত নিয়মকানুন অনুসরণ করে।
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং হবে গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ অনুপাতে আয়তাকার।
- তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- বৃত্তের কেন্দ্রবিন্দুর অবস্থান হবে পতাকার দৈর্ঘের ৯/২০ অংশ থেকে টানা লম্বের এবং প্রস্থের মাঝখান দিয়ে টানা আনুভূমিক রেখার ছেদবিন্দুতে। 


উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,৪৩২.
ধান গবেষণা ইনিস্টিটিউট (BRRI) - কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৬৮
  2. খ) ১৯৭০
  3. গ) ১৯৭৩
  4. ঘ) ১৯৭৪
  5. ঙ) ১৯৭৬
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের কৃষি গবেষণার একটি প্রধান অঙ্গ হচ্ছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা দেশের প্রধান খাদ্য ধান উৎপাদন ও জাত উন্নয়নে কাজ করছে। ঢাকা থেকে ৩৬ কিলোমিটার উত্তরে জয়দেবপুরে ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে এর যাত্রা শুরু । ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর এ প্রতিষ্ঠানের নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত।
BRRI website
১,৪৩৩.
বাংলাদেশ ভারত ছিটমহল বিনিময় চুক্তি কার্যকর হয় ২০১৫ সালের কোন তারিখে?
  1. ১ জুলাই
  2. ৩০ জুলাই
  3. ১ আগস্ট
  4. ৩১ আগস্ট
ব্যাখ্যা
ছিটমহল:

- একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় অবস্থিত অন্য কোনো স্বাধীন রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত এলাকাই ছিটমহল নামে পরিচিত।
-  ২০১৫ সালের পূর্বে ভারত বাংলাদেশ এর মধ্যাকার সর্বমোট ১৬২ টি ছিটমহল ছিল।
- ০১ আগষ্ট, ২০১৫ সালের রাত ১২:০১ মিনিটে ভারত বাংলাদেশ ঐতিহাসিক মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির অংশ হিসাবে নিজেদের ছিটমহলগুলো পরস্পরের সাথে বিনিময় করে।
- ভারতের ১১১টি ছিটমহল ছিল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আর বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ছিল ভারতের অভ্যন্তরে।
- বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত হন ভারতের ১১১টি ছিটমহলের নাগরিক।
- অন্যদিকে ভারতের সঙ্গে যুক্ত হন বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলের নাগরিক।
- দাশিয়ারছড়া ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার ১৬২টি বিলুপ্ত ছিটমহলের মধ্যে আয়তন ও লোকসংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে বড়।

উৎস: প্রথম আলো এবং বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৪৩৪.
বাঘা মসজিদ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রংপুর
  2. চট্টগ্রাম
  3. বাগেরহাট
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা

বাঘা মসজিদ:
- বাঘা মসজিদ রাজশাহী শহরের বাঘা উপজেলায় অবস্থিত।
- একটি উঁচু টিলার উপর টেরাকোটা অলংকরণে সমৃদ্ধ দশ গম্বুজ বিশিষ্ট অতুলনীয় বাঘা মসজিদটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম মসজিদ গুলির অন্যতম।
- বাংলার (গৌড়) সুলতান নশরত শাহের আমলে ১৫২৩ খৃষ্টাব্দে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়।
- মসজিদ চত্ত্বরের পার্শ্বেই রয়েছে একাধিক পীর আউলিয়াগনের মাজার।
- মসজিদটি ২৫৬ বিঘা জমির ওপর অবস্থিত। সমভুমি থেকে থেকে ৮-১০ ফুট উঁচু করে মসজিদের আঙিনা তৈরি করা হয়েছে।
- মসজিদটিতে সর্বমোট ১০টি গম্বুজ, ৪টি মিনার (যার শীর্ষদেশ গম্বুজাকৃতির) এবং ৫টি প্রবেশদ্বার রয়েছে।
- এই মসজিদটি চারদিক হতে প্রাচীর দিয়ে ঘেরা এবং প্রাচীরের দু’দিকে দু’টি প্রবেশদ্বার রয়েছে। মসজিদের ভিতরে-বাইরে সবর্ত্রই টেরাকোটার নকশা রয়েছে।

তথ্যসূত্র - রাজশাহী জেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

১,৪৩৫.
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোথায় অবস্থিত?
  1. থানচি, বান্দরবান
  2. আলীকদম, বান্দরবান
  3. রুমা, বান্দরবান
  4. নাইক্ষ্যংছড়ি, বান্দরবান
ব্যাখ্যা
তাজিংডং:

- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ তাজিংডং।
- এটি বিজয় নামেও পরিচিত।
- স্থানীয় ভাষায় তাজিং অর্থ বড় আর ডং অর্থ পাহাড়। একত্রে বড় পাহাড় বা তাজিংডং।
- বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলায় এর অবস্থান। 
- তাজিংডং পর্বতের উচ্চতা প্রায় ১২৩১ মিটার।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ২৪ অক্টোবর, ২০১৭।
১,৪৩৬.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রূপকার কে?
  1. কামরুল হাসান
  2. কাইয়ুম চৌধুরী
  3. জয়নুল আবেদীন
  4. মুর্তজা বশীর
ব্যাখ্যা
জাতীয় পতাকা:
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রূপকার কামরুল হাসান।
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ অনুপাতে আয়তাকার, তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- প্রথম অবস্থায় পতাকার কেন্দ্রস্থলে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ছিল।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ছাত্রদের পক্ষে পতাকাটি উত্তোলন করেছিলেন তৎকালীন ডাকসুর ভিপি আ স ম আব্দুর রব।।
- শিবনারায়ণ দাস বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার অন্যতম এবং মূল নকশাকার।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২ মার্চ ২০২২ ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ২ মার্চ ২০২৩।
১,৪৩৭.
অপারেশন ক্লিনহার্ট কত তারিখ শুরু হয়েছিল?
  1. ১০ জুন, ২০০২
  2. ১৫ জুলাই, ২০০২
  3. ১৭ অক্টোবর, ২০০২
  4. ১ নভেম্বর, ২০০২
ব্যাখ্যা
♦ অপারেশন ক্লিনহার্ট:
- দেশবাসীর উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে সন্ত্রাস নির্মূলে বলিষ্ঠ পদক্ষেপ নেবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।
- এমন প্রেক্ষাপটে ২০০২ সালের ১৬ই অক্টোবর মধ্যরাত, কার্যত ১৭ই অক্টোবর থেকে সারাদেশে একযোগে অভিযান শুরু করে সেনাবাহিনী।
- মধ্যরাতে মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দিয়ে অভিযান শুরু হয়।
- সেনা অভিযান শুরুর আগে পুলিশকে কিছুই জানানো হয়নি। 
-  সরকারের তরফ থেকে বলা হচ্ছিল যে এটি সেনাবাহিনী-পুলিশ-বিডিআরের যৌথ অভিযান।
- প্রকৃতপক্ষে পুরো অভিযান পরিচালনা করে সেনাবাহিনী।
- তৎকালীন বিভিন্ন সংবাদপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায়, প্রথম দিনের অভিযানে প্রায় ১৪০০ জনকে গ্রেফতার করা হয়, যাদের মধ্যে বেশিরভাগই ছিল বিএনপি নেতাকর্মী।
- ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের তিনজন কমিশনারকেও আটক করা হয় এসময়।
- এছাড়া চট্টগ্রামেও দুজন ওয়ার্ড কমিশনারকে আটক করা হয়।
- বিরোধী দল আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরাও ছিলেন গ্রেফতারের তালিকায়।
- অভিযানের প্রথম দিনে বগুড়ায় এক বিএনপি নেতাকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ করে তার সমর্থকরা। এ সময় সেনাবাহিনী গুলি চালালে একজন রিকশাচালক নিহত হন।
- গ্রেফতারকৃতদের পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, অভিযান চালানোর সময় সেনা সদস্যরা আসবাবপত্র ভাংচুর এবং পরিবারের সদস্যদের মারধর করে।

উৎস: BBC News [Link]
১,৪৩৮.
বাংলাদেশের একমাত্র চতুর্দেশীয় স্থলবন্দর কোনটি? 
  1. বাংলাবান্ধা 
  2. বুড়িমারী
  3. বেনাপোল 
  4. তামাবিল  
ব্যাখ্যা

• বাংলাবান্ধা বন্দর: 
- দেশে যে কয়েকটি আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর রয়েছে তার মধ্যে আকারে ছোট তবে গুরুত্বপূর্ণ পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা।
 - মূলত ভারত, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে এ বন্দরের মাধ্যমে যোগসূত্র রয়েছে বাংলাদেশের।
- বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দেশের একমাত্র চতুর্দেশীয় স্থলবন্দর।

- ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় বাংলাবান্ধা বন্দরটি বহুদেশীয় বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। 
- বন্দরটির সঙ্গে রাজধানী ঢাকার দূরত্ব ৫০৩ কিলোমিটার। 
- আর ভুটানের রাজধানী থিম্পুর দূরত্ব ২৮৬ কিলোমিটার ও নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর দূরত্ব ৪৯৪ কিলোমিটার। 
- এছাড়া ভারতের পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম বৃহৎ নগরী শিলিগুড়ির দূরত্ব ১৬ কিলোমিটার। 
- ভারতের অন্যতম পর্যটন স্পট দার্জিলিং ও সিকিমের দূরত্ব যথাক্রমে ৭৭ ও ১৫৪ কিলোমিটার। 
- ফলে তিনটি দেশের সঙ্গে স্বল্প দূরত্বের কারণে এ বন্দরের কার্যক্রম বাড়ছে।

তথ্যসূত্র: বনিক বার্তা ও বাসস।

১,৪৩৯.
'রাসেলের জন্য অপেক্ষা' শিশুতোষ চলচ্চিত্রটি কে পরিচালনা করেন? 
  1. ক) তানভীর আহমেদ
  2. খ) মোর্শেদুল ইসলাম
  3. গ) কাজী রাকাত
  4. ঘ) নূর-ই আলম
ব্যাখ্যা
- 'রাসেলের জন্য অপেক্ষা' শিশুতোষ চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন নূর-ই আলম। 
- এটি সরকারি অনুদানে নির্মিত একটি শিশুতোষ চলচ্চিত্র। 
- এটি সেলিনা হোসেনের একটি উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে।  

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, অক্টোবর ২০২২। 
১,৪৪০.
টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে কোন সাল থেকে বিশ্ব ইজতেমা শুরু হয়?
  1. ১৯৬৭ সাল
  2. ১৯৬৯ সাল
  3. ১৯৭৩ সাল
  4. ১৯৭৪ সাল
ব্যাখ্যা
বিশ্ব ইজতেমা:
- বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার উপকণ্ঠে শিল্পনগরী টঙ্গীর সুবিশাল ময়দানে প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হয় বিশ্ব ইজতেমা।
- বিশ্ব ইজতেমা বিশ্ব তাবলিগ জামাতের সর্ববৃহৎ সমাবেশ।
- বাংলাদেশের তাবলিগ জামাতের প্রধান মার্কাজ হলো ঢাকার কাকরাইল মসজিদ।
- এই কাকরাইল মসজিদেই ১৯৪৬ সালে প্রথম বিশ্ব ইজতেমা শুরু হয়।
- ১৯৪৮ সালে অনুষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামে।
- এরপর নারায়ণগঞ্জে ১৯৫৮ সালে ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়।
- তারপর টঙ্গীর পাগার নামক স্থানে ইজতেমা হয় ১৯৬৬ সালে।
- এরপর ১৯৬৭ সাল থেকে তুরাগ নদের পূর্ব তীরে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে বিশ্ব ইজতেমা।
- মধ্যপ্রাচ্য, মধ্য এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, পাকিস্তান, ভারত ও ইউরোপীয় দেশগুলোসহ বিশ্বের প্রায় ৫০-এর বেশি দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমান বিশ্ব ইজতেমায় অংশ নিয়ে থাকেন।
- আখেরি মোনাজাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করে থাকেন।
- বর্তমান বিশ্ব ইজতেমা ময়দান ১৯৯৫ সালে সরকার স্থায়ীভাবে বরাদ্দ দেয়।

উৎস: ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, কালের কন্ঠ।
১,৪৪১.
নিজস্ব স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকারী দেশের তালিকায় কত তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ অন্তর্ভুক্ত হয়?
  1. ৩৩তম
  2. ৪৭তম
  3. ৫৭তম
  4. ৬৫তম
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১:
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নির্মাণ করেছে ফ্রান্সের থেলেস এলেনিয়া স্পেস। স্যাটেলাইটের গায়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার নকশায় ইংরেজিতে লেখা রয়েছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু- ১।
- এটি ১১ মে, ২০১৮ তারিখে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে ফ্যালকন ৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভের মাধ্যমে উৎক্ষেপণ করা হয়।
- এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও ডেটা কমিউনিকেশন সেবা পাওয়া যায়। 
- এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট সদস্য দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো বাংলাদেশ। 
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট খরচ হয়েছে ২ হাজার ৯০২ কোটি টাকা।
- এর মেয়াদ ১৫ বছর।
- এই স্যাটেলাইটের গ্রাউন্ড স্টেশন সংখ্যা ২টি।

তথ্যসূত্র: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১, portal.gov.bd.
১,৪৪২.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে কত সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে?
  1. ২০০৪
  2. ২০০৬
  3. ২০০৭
  4. ২০০৮ 
ব্যাখ্যা

গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৩ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত।

উৎস: গ্রামীণ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১,৪৪৩.
মুহুরীর চর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ফেনী
  2. নোয়াখালী
  3. লালমনিরহাট
  4. সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যা
• 'মুহুরীর চর' ফেনী জেলায় অবস্থিত।

-  নদীর মাঝে বা মোহনায় পলি সঞ্চিত হয়ে জেগে উঠা ভূখণ্ড চর নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশের বিভিন্ন চরের অবস্থান:
- নোয়াখালী জেলা: ভাসান চর, সুবর্ণ চর, চর শ্রীজনী, চর শাহাবানী প্রভৃতি। 
- লক্ষ্মীপুর জেলা: চর গজারিয়া ও চর আলেকজান্ডার। 
- ভোলা জেলা: চরফ্যাশন, চর মানিক, চর কুকড়ি মুকড়ি, চর নিউটন, চর খাতা নিজাম প্রভৃতি। 
- ফেনী জেলা: মুহুরীর চর।
- রাজশাহী জেলা: নির্মল চর সুন্দরবন : দুবলার চর, পাটনি চর।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৪৪৪.
অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্যের স্থপতি কে?
  1. হামিদুজ্জামান খান
  2. সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ
  3. রাফিউদ্দীন আহমেদ
  4. নভেরা আহমেদ
ব্যাখ্যা
• অপরাজেয় বাংলা: 
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
- সবার সম্মিলিত প্রতিরোধ ও আক্রমণে পাকবাহিনী পরাজিত হয়।
- সব শ্রেণিপেশার মানুষের অংশগ্রহণেরই প্রতীক অপরাজেয় বাংলা।
- ভাস্কর্যটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে অবস্থিত।
- ভাস্কর সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ অপরাজেয় বাংলার স্থপতি। 
- আর এটির নামকরণ করেন মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক সালেহ চৌধুরী।
- অপরাজেয় বাংলা নির্মাণ শুরু হয় ১৯৭৩ সালে।
- নির্মাণ শেষে ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করা হয়। 
- ভাস্কর্যে তিনজন ব্যক্তির অবয়বে একজনের ডান হাতে দৃঢ় প্রত্যয়ে রাইফেলের বেল্ট ধরা বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি।
- এর মডেল ছিলেন আর্ট কলেজের ছাত্র মুক্তিযোদ্ধা বদরুল আলম বেনু।
- থ্রি নট থ্রি রাইফেল হাতে সাবলীল ভঙ্গিতে দাঁড়ানো অবয়বের মডেল ছিলেন সৈয়দ হামিদ মকসুদ ফজলে।
- আর নারী অবয়বের মডেল ছিলেন হাসিনা আহমেদ।

সূত্র: দ্য ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস। 
১,৪৪৫.
বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ১৯৯৪ সালে
  2. ১৯৮৯ সালে
  3. ১৯৯০ সালে
  4. ১৯৯৫ সালে
ব্যাখ্যা
• বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন ১৯৯০ সালে প্রণীত হয়। 

• প্রাথমিক শিক্ষা আইন:
- সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিতকরণের অন্যতম পূর্বশর্ত হচ্ছে বাধ্যতামূলকভাবে সকল শিশুর জন্য প্রাথমিক শিক্ষার সমান সুযোগ সুবিধা পৌঁছে দেয়। এ জন্য আইনগত বাধ্যবাধকতা অপরিহার্য হওয়ায় জাতীয় সংসদ কর্তৃক ‘প্রাথমিক শিক্ষা (বাধ্যতামূলককরণ) আইন ১৯৯০’ পাশ করা হয়েছে।
- অন্যদিকে এ আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণের জন্য প্রথমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ২১/০৮/১৯৯০ইং ‘বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ সেল প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- পরবর্তীতে ৩১/১১/১৯৯২ ইং তারিখে এর নামকরণ করা হয় ‘বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ইউনিট’।

উৎস: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১,৪৪৬.
বাংলাদেশ বেতারকে প্রথম কী নামকরণ করা হয়?
  1. ক) পাকিস্তান ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র
  2. খ) পূর্ব পাকিস্তান ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র
  3. গ) ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র
  4. ঘ) পাকিস্তান রেডিও
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ বেতারকে প্রথম নামকরণ করা হয় “ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র”।

বাংলাদেশে বেতার:
- বাংলাদেশে প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু হয় ১৯৩৯ সালে ১৬ই ডিসেম্বর।
- ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডে দুটি স্টুডিও নিয়ে এর যাত্রা শুরু হয়।
- ঢাকা বেতারের সম্প্রচার যন্ত্র অর্থাৎ ট্রান্সমিটারটি বসানো হয়েছিল বর্তমান কল্যাণপুর।
- বেতার ভবন  শাহবাগে স্থানান্তরিত হয় ১৯৬০ সালের ৮ই ফেব্রুয়ারি।
- ১৯৮৩ সালের ৩০ জুলাই ঢাকাস্থ শের-ই-বাংলা নগরে বর্তমান অত্যাধুনিক পূর্ণাঙ্গ জাতীয় বেতার ভবনে ঢাকা প্রচার কেন্দ্র স্থানান্তরিত হলে শাহবাগের সাবেক প্রচার ভবনটি বাংলাদেশ বেতারের সদর দপ্তরে রূপান্তরিত হয়।
- বাংলাদেশ বেতারের ১৪টি আঞ্চলিক কেন্দ্র ও ৬টি ইউনিট হতে ১৬টি মধ্যম তরঙ্গ ট্রান্সমিটার, ২টি ক্ষুদ্র তরঙ্গ ট্রান্সমিটার ও ৩৪টি এফএম ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে দৈনিক ৪৯৭ ঘণ্টা অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ বেতার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৪৪৭.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
  1. হামিদুর রহমান
  2. কামরুল হাসান 
  3. মাইনুল হোসেন
  4. তানভীর কবীর
ব্যাখ্যা

জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- সাভারে অবস্থিত বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধ সম্মিলিত প্রয়াস নামে পরিচিত।
- স্থপতি সৈয়দ – মাইনুল হোসেন।
- ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় স্মৃতিসৌধের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।
- তবে মূল সৌধের নির্মাণ শুরু হয় ১৯৭৮ সালে।
- ১৯৮২ সালের ১৬ ডিস্বেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে এটি উদ্বোধন করা হয়।
- জাতীয় জাতীয় স্মৃতিসৌধে সাতটি ফলক রয়েছে যা বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের সাতটি -গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট (১৯৫২, ১৯৫৪, ১৯৫৬, ১৯৬২, ১৯৬৬, ১৯৬৯ এবং ১৯৭১) কে নির্দেশ করে।
- স্মৃতিসৌধের সর্বোচ্চ উচ্চতা ১৫০ ফুট।

​উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,৪৪৮.
টেস্টে পাঁচ হাজার রান করা প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার কে?
  1. ক) মুশফিকুর রহিম
  2. খ) তামিম ইকবাল
  3. গ) সাকিব আল হাসান
  4. ঘ) মুমিনুল হক
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্টে পাঁচ হাজার রানের মাইলফলকে পৌঁছান মুশফিকুর রহিম। 
- ২০০৫ সালের মে মাসে লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক মুশফিকের।
- ১৭ বছরের ক্যারিয়ারে টেস্ট খেলেছেন ৮১টি। ১৪৯ ইনিংস লেগেছে তাঁর পাঁচ হাজার রানের মাইলফলক ছুঁতে।
- টেস্ট ক্রিকেটে ৭টি শতক মুশফিকের। অর্ধশতক ২৬টি। সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস ২১৯। ২০১৩ সালে গলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।

তথ্যসূত্র:- প্রথম আলো।
১,৪৪৯.
আহসান মঞ্জিল কে নির্মাণ করেন?
  1. খাজা আহসানুল্লাহ
  2. নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
  3. নওয়াব আবদুল গনি
  4. নওয়াব কুতুব উদ্দিন
ব্যাখ্যা
আহসান মঞ্জিল: 
- আহসান মঞ্জিল ঢাকা শহরের দক্ষিণে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত।
- এটি ঢাকার নবাবদের প্রাসাদ ছিল।
- আহসান মঞ্জিল নির্মাণ করেন নওয়াব আবদুল গনি। 
- ১৮৭২ সালে নওয়াব আবদুল গনি তাঁর পুত্র খাজা আহসানুল্লাহর নামে 'আহসান মঞ্জিল' নামকরণ করেন।
- উনিশ শতকের মাঝামাঝি থেকে প্রায় ১০০ বছর পর্যন্ত এই প্রাসাদটি বাংলার একটি প্রধান রাজনৈতিক কেন্দ্র ছিল।
- ২৩ টি গ্যালারী নিয়ে ১৯৯২ সালে দর্শনীয় স্থানটি পুন:সংস্কারের মাধ্যমে জাদুঘরে (আহসান মঞ্জিল জাদুঘর) রুপান্তর করে দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৪৫০.
বাংলাদেশ কখন বিশ্ব অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (IOC) সদস্যপদ লাভ করে? 
  1. ১৯৭৮ সালে
  2. ১৯৮০ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৪ সালে
ব্যাখ্যা

• অলিম্পিক গেমস: 
- অলিম্পিক গেমস হলো একটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।
- অলিম্পিক গেমস প্রতি চার বছর পরপর ৬ আগস্ট থেকে ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়।
- গ্রীষ্ম এবং শীতকালীন দুটো প্রকরণ, প্রতিটি দুই বছর পরপর হয়ে থাকে।
- যেখানে গ্রীষ্মকালীন এবং শীতকালীন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীরা বিভিন্ন ধরনের খেলায় অংশগ্রহণ করেন।

• বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন:
- বাংলাদেশ অলিম্পিক সংস্থা (Bangladesh Olympic Association - BOA) বাংলাদেশের জাতীয় অলিম্পিক কমিটি.
- এটি আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (IOC) স্বীকৃতিপ্রাপ্ত। 
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৬ সালে।
- বিশ্ব অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশানের সদস্যপদ লাভ করে: ১৯৮০ সালে।
- কার্যালয়: পুরানা পল্টন, ঢাকা।  
- বর্তমান সভাপতি: জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৮৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস এঞ্জেলেস-এ অনুষ্ঠিত গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে প্রথম অংশগ্রহণ করে।
- একটি বিভাগে অংশগ্রহণের জন্য ১ জন ক্রীড়াবিদ প্রেরণ করে।
- সাইদুর রহমান ডন ছিলেন সেই প্রতিযোগী। 

তথ্যসূত্র: 
i) Bangladesh Olympic Association ওয়েবসাইট। 
ii) Olympics.
iii) Britannica. 

১,৪৫১.
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. ময়মনসিংহ
  3. রাজশাহী
  4. কিশোরগঞ্জ
ব্যাখ্যা
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালা: 
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা — ময়মনসিংহে অবস্থিত।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ এপ্রিল শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন জেলা প্রশাসনের সহায়তায় নিজের ৭০টি চিত্রকর্ম নিয়ে তৎকালীন উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের মাধ্যমে এই সংগ্রহশালার উদ্বোধন করেন।
- পরবর্তীতে ১৯৮৭ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালাটি একটি দ্বিতল ভবনের রূপ লাভ করে।
- এছাড়া শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালা এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদকে ঘিরে বাঁধ দিয়ে শিল্পাচার্য জয়নুল উদ্যান গড়ে তোলা হয়েছে।
- প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা অসংখ্য দর্শনার্থী শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা এবং উদ্যান পরিদর্শনে আসেন।
- বর্তমানে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ওয়েবসাইট।
১,৪৫২.
ঢাকেশ্বরী মন্দির কোন রাজাদের শাসনামলে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. সেন 
  2. শাহী
  3. নবাবী
  4. গুপ্ত
ব্যাখ্যা

ঢাকেশ্বরী মন্দির:
- বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত ঢাকেশ্বরী একটি মন্দির।
- এই মন্দিরটি বাংলাদেশের জাতীয় মন্দির হিসেবে পরিচিত।

⇒ ঢাকার পুরোনো ইতিহাস ঐতিহ্য এবং সনাতন ধর্মের সবচেয়ে বড় নিদর্শন হলো ঢাকার শ্রী শ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির।
- মন্দির অঙ্গনে প্রবেশের জন্য রয়েছে একটি সিংহদ্বার। সিংহদ্বারটি নহবতখানা তোরণ নামে অভিহিত।

⇒ ধারণা করা হয়, সেন রাজবংশের রাজা বল্লাল সেন ১২শ শতাব্দীতে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- তবে সেই সময়কার নির্মাণশৈলীর সঙ্গে এর স্থাপত্যকলার মিল পাওয়া যায় না বলেও অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন।
- এটি ঢাকার আদি ও প্রথম মন্দির।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৪৫৩.
বাংলাদেশ কত তারিখে খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)-এর সদস্য পদ লাভ করে?
  1. ১৫ জুন, ১৯৭২
  2. ৮ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  3. ১৫ এপ্রিল, ১৯৭৩
  4. ১২ নভেম্বর, ১৯৭৩
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)-এর সদস্যপদ লাভ করে ১২ নভেম্বর, ১৯৭৩ তারিখে।

FAO:
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা FAO-এর পূর্ণরুপ: Food and Agriculture Organization.
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৬ অক্টোবর ১৯৪৫।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: কুইবেক, কানাডা।
- জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৪৬।
- সদর দপ্তর: রোম, ইতালি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৫টি (১৯৪টি দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন)।
- বর্তমান মহাপরিচালক: ড. কু ডংগিউ/Dr. Qu Dongyu (চীনের নাগরিক)।

⇒ জাতিসংঘের অন্যতম মূলসংস্থা ECOSOC-এর তত্ত্বাবধানে ১৬ অক্টোবর, ১৯৪৫ সালে কানাডার কুইবেকে এক সম্মেলনের মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- এই সংস্থা গঠনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে - বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে ক্ষুধা নির্মুল করা এবং সবাইকে পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা।

উল্লেখ্য,
-  FAO প্রতিষ্ঠার তারিখ হিসেবে ১৬ অক্টোবর বিশ্ব খাদ্য দিবস পালিত হয়।

উৎস: FAO ওয়েবসাইট।

১,৪৫৪.
সিলেট অঞ্চলে প্রচলিত লোকসঙ্গীত কোনটি?
  1. ক) ভাওয়াইয়া গান
  2. খ) আলকাপ গান
  3. গ) ধামাইল গান
  4. ঘ) গম্ভীরা গান
ব্যাখ্যা
সিলেট অঞ্চলে লোকসঙ্গীত সমূহের মধ্যে ধামাইল গান অন্যতম। ধামাইল (ধামালী) মূলত নারীদের আচারকেন্দ্রিক নাচ-গান। সিলেট ও ময়মনসিংহ জেলায় হিন্দু মেয়েরা ব্রত, পালা-পার্বণ ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এবং জন্ম, বিবাহ প্রভৃতি সামাজিক উৎসবে ঘটা করে ধামাইল নাচ-গান করে থাকে।

সুরের দিক থেকে ভাটিয়ালি ঠাটের অন্তর্গত হলেও ধামাইল গানে দীর্ঘ টান বা মীড়ের দোলা নেই। করতালি দ্বারা গানের তাল রক্ষা করা হয়, স্বতন্ত্র বাদ্যযন্ত্রের প্রয়োজন হয় না।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১,৪৫৫.
BAEC- এর পূর্ণরূপ-
  1. Bangladesh Atomic Energy Commission
  2. Bangladesh Agricultural Extension Council
  3. Bangladesh Aeronautical Engineering Council
  4. Bureau of Atomic Energy and Chemistry
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন (BAEC): 
- পূর্ণরূপ: Bangladesh Atomic Energy Commission.
- ১৯৬০-এর দশকের শুরুতে কৃষি ও চিকিৎসাবিজ্ঞানে পরমাণু শক্তির ব্যবহার বিষয়ক গবেষণার জন্য একটি ছোট পরীক্ষাগার দিয়ে যাত্রা শুরু।
• AECD (Atomic Energy Centre, Dhaka):
- ১৯৬৪ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির মাধ্যমে বাংলাদেশে পরমাণু পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ক তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক গবেষণার ভিত্তি তৈরি হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (IAEA)-এর সদস্যপদ লাভ করে।
- ১৯৭৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাষ্ট্রপতির আদেশ এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে এটি বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি আইন, ২০১৭ দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়।

উৎস: BAEC ওয়েবসাইট। [LINK]
১,৪৫৬.
কত সালে 'Bangladesh Academy for Rural Development' প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৬১ সালে
  2. ১৯৬০ সালে
  3. ১৯৫৯ সালে
  4. ১৯৫৮ সালে
ব্যাখ্যা
BARD:
- BARD (Bangladesh Academy for Rural Development) বা বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি ১৯৫৯ সালের ২৭ মে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির প্রতিষ্ঠাতা ড. আখতার হামিদ খান।
- এটি কুমিল্লা জেলার কোটবাড়ীতে অবস্থিত।।
- বার্ড বর্তমানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটির প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য হলো পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রদান।

উৎস: বার্ড ওয়েবসাইট।
১,৪৫৭.
পাটের জিনোম সিকোয়েন্স বা জীবন রহস্য উন্মোচন করেন-
  1. ডঃ মাকসুদুল আলম
  2. ডঃ মাকসুদুর রহমান
  3. মাকসুদ আলম পাটোয়ারী
  4. মাকসুদ শাহ কোরেশী
ব্যাখ্যা
বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম:
- মাকসুদুল আলম ছিলেন জিনতত্ত্ববিদ।
- ১৯৫৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর মাদারীপুরে জন্মগ্রহণ করেন মাকসুদুল আলম।
- জার্মানির ম্যাক্স প্ল্যাংক ইনস্টিটিউট থেকে ১৯৮৭ সালে প্রাণরসায়নে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি।
- তাঁর নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডেটাসফটের একদল উদ্যমী গবেষকের যৌথ প্রচেষ্টায় ২০১০ সালের মাঝামাঝি সময়ে সফলভাবে উন্মোচিত হয় পাটের জিনোম সিকোয়েন্স বা পাটের জীবনরহস্য।
- ২০১০ সালের ১৬ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে পাটের জীবনরহস্য আবিষ্কারের ঘোষণা দেন।
- পাট ছাড়াও তিনি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের হয়ে পেঁপে, মালয়েশিয়ার হয়ে রাবারসহ মোট আটটি উদ্ভিদের জীবনরহস্য উন্মোচন করেন।
 
উল্লেখ্য,
- ২১ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখে বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলম মারা গেছেন। 
 
উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ২২ ডিসেম্বর ২০১৪, প্রথম আলো।
১,৪৫৮.
বাংলার নববর্ষ পহেলা বৈশাখ চালু করেছিলেন -
  1. ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
  2. ইলিয়াস শাহ
  3. সম্রাট আকবর
  4. সম্রাট বাবর
ব্যাখ্যা
• বাংলা নববর্ষ:
- পহেলা বৈশাখ বাংলা সনের প্রথম দিন।
- এ দিনটি বাংলা নববর্ষ হিসেবে পালিত হয়।
- এটি বাঙালি জাতির একটি সর্বজনীন লোক উৎসব।
- এক সময় নববর্ষ পালিত হতো আর্তব উৎসব বা - ঋতুধর্মী উৎসব হিসেবে।
- তখন এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল কৃষির, কারণ কৃষিকাজ ছিল ঋতু নির্ভর।
- এই কৃষি কাজের সুবিধার্থেই মুঘল সম্রাট আকবর — ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলা সন প্রবর্তন করেন।
- হিজরি চান্দ্রসন ও বাংলা সৌরসনকে ভিত্তি করে বাংলা সন প্রবর্তিত হয়।
- নতুন সনটি প্রথমে 'ফসলি সন' নামে পরিচিত ছিল যা পরে 'বঙ্গাব্দ' নামে পরিচিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৪৫৯.
ডাকসেবার বৈশ্বিক র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশ কততম অবস্থানে রয়েছে? [জানুয়ারি,২০২৫]
  1. ৬৮তম
  2. ১১৯তম
  3. ৭৮তম
  4. ১২৮তম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
-----------------
ডাকসেবার বৈশ্বিক র‌্যাংকিং:

- বাংলাদেশ এখন ১৭৪টি দেশের মধ্যে ৬৮তম অবস্থানে রয়েছে, যা ৫১ ধাপ এগিয়ে। [জানুয়ারি,২০২৫]
- এটি ইউনিভার্সাল পোস্টাল ইউনিয়ন (UPU) কর্তৃক প্রকাশিত সমন্বিত ডাক উন্নয়ন সূচক-২০২৪ (IPD) প্রতিবেদন অনুযায়ী।
- প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশ পোস্টের স্কোর বর্তমানে ৫৪, যা গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছে।
- প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশ পোস্টের স্কোর ৫৪, ১৭৪টি দেশের মধ্যে ৬৮ তম অবস্থানে রয়েছে।
আগের বছরগুলোর স্কোর ও অবস্থান ছিল:
- ২০২৩: স্কোর ১৮.৩০, অবস্থান ১১৯তম (১৭২টি দেশের মধ্যে)
- ২০২২: স্কোর ১৩.৯০, অবস্থান ১৩৩তম (১৭২টি দেশের মধ্যে)
- ২০২১: স্কোর ১০.০২, অবস্থান ১৪৩তম (১৬৮টি দেশের মধ্যে)
- ২০২০: স্কোর ১৫.৮০, অবস্থান ১২৮তম (১৭০টি দেশের মধ্যে)

বিশ্বের শীর্ষ ৩ দেশ:
- ১ম জার্মানি: স্কোর ১০৮.৬
- ২য় সুইজারল্যান্ড: স্কোর ১০৮.৬
- ৩য় জাপান: স্কোর ১০৫.৯

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ। [লিঙ্ক]
১,৪৬০.
সাধারণ যাত্রীদের জন্যে মেট্রোরেল উন্মুক্ত করা হয় কবে?
  1. ২৭ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে
  2. ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে
  3. ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে
  4. ৩০ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে
ব্যাখ্যা
মেট্রোরেল:
- বাংলাদেশ বিদ্যুৎ চালিত মেট্রোরেলে প্রবেশ করে ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে।
- বাংলাদেশ সরকারের মালিকাধীন Dhaka Mass Transit Company Limited.
- মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয় ২৬ জুন, ২০১৬ সালে।
- মেট্রোরেলের প্রথম যাত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- সাধারণ যাত্রীদের জন্যে মেট্রোরেল উন্মুক্ত করা হয় ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে।
- মেট্রোরেলের কোচগুলোর নির্মাতা জাপানের কাওয়াসাকি- মিতসুবিশি কনসোর্টিয়াম।
- ঢাকা মেট্রোরেলের প্রথম রেলপথ এমআরটি লাইন-৬। 
- এই সম্পূর্ণরূপে উড়াল রেলপথ উত্তরা উত্তর থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত ১৭ টি স্টেশনের মধ্যে  ৯টি স্টেশন বর্তমানে চালু রয়েছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো নিউজ, ১৫ ডিসেম্বর ২০২২ সালে ও একাত্তর টিভি ওয়েবসাইট, ০৫ নভেম্বর ২০২৩।
১,৪৬১.
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল সর্বপ্রথম কোন দলের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ ও টেস্ট সিরিজ জয়লাভ করে?
  1. শ্রীলংকা
  2. ওয়েস্ট ইন্ডিজ
  3. পাকিস্তান
  4. জিম্বাবুয়ে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল সর্বপ্রথম জিম্বাবুয়ে দলের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ ও টেস্ট সিরিজ জয়লাভ করে।

• ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ:

- বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল সর্বপ্রথম ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিক আইসিসি ট্রফি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করে।
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ এশিয়া কাপে।
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় ১৯৯৭ সালে।
- প্রথম বিশ্বকাপ আসরে খেলার সুযোগ পায় ১৯৯৯ সালে।
- একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয় কেনিয়ার বিপক্ষে ১৭ মে, ১৯৯৮ সালে।
- প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয় লাভ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২০০৫ সালে।

• টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর।
- বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় লাভ করে ২০০৫ সালে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় জিম্বাবুয়ে দলের বিপক্ষে।

উৎস: i) ESPNcricinfo.
ii) ১২ মে ২০১৮, প্রথম আলো।
১,৪৬২.
পাহাড়পুরের বৌদ্ধ বিহারটি কি নামে পরিচিত ছিল?
  1. সোমপুর বিহার
  2. ধর্মপাল বিহার
  3. জগদ্দল বিহার
  4. শ্রী বিহার
ব্যাখ্যা
• পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করেছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন। 
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে।
- এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্মচর্চা কেন্দ্র ছিল।
- বর্তমান বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ জেলার বাদলগাছি উপজেলার পাহারপুর গ্রামে অবস্থিত এই বিহার।

- শুধু উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকেই নয়, চীন, তিব্বত, মায়ানমার (তদানীন্তন ব্রহ্মদেশ), মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি দেশের বৌদ্ধরা এখানে ধর্মচর্চা ও ধর্মজ্ঞান অর্জন করতে আসতেন।
- খ্রিষ্টীয় দশম শতকে বিহারের আচার্য ছিলে অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান।
- পুন্ড্রবর্ধনের রাজধানী পুন্ড্রনগর (বর্তমান মহাস্থান) এবং অপর শহর কোটিবর্ষ (বর্তমান বানগড়)এর মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত ছিল সোমপুর মহাবিহার।
- এর ধ্বংসাবশেষটি বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজশাহীর অন্তর্গত নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত। 

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, নওগাঁ জেলার সরকারি ওয়েবসাইট এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ।
১,৪৬৩.
নিচের কোন দেশকে হারিয়ে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে?
  1. কানাডা
  2. আয়ারল্যান্ড
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা
নারী ক্রিকেট দল:
- যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।
- ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে: ২০১১ সালে।
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল এশিয়া কাপের শিরোপা জয় করে: ২০১৮ সালে।
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল টেস্ট মর্যাদা লাভ করে: ২০২১ সালে।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও ঢাকা টাইমস, ০২ এপ্রিল ২০২১।
১,৪৬৪.
প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন-
  1. ওয়াসফিয়া নাজরীন
  2. নিশাত মজুমদার
  3. নীহা মজুমদার
  4. মাইশা সিনথিয়া
ব্যাখ্যা
• মুসা ইব্রাহিম :
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম।
- পেশায় তিনি একজন সাংবাদিক ও পর্বতারোহী।
- ২০১০ সালের ২৩ মে বাংলাদেশ সময় সকাল ৫টা ১৬ মিনিটে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এভারেস্টের চূড়ায় ওঠেন এবং লাল-সবুজ পতাকা ওড়ান মুসা।
- মূলত তার হাত ধরেই পর্বতবিজয়ী দেশের তালিকায় উঠে আসে বাংলাদেশের নাম।

• নিশাত মজুমদার:
- ২০১২ সালের ১৯ মে বেলা সাড়ে ১১টায় প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে পৃথিবীর শীর্ষচূড়া এভারেস্টে আরোহণ করেন নিশাত মজুমদার।
- তার এ বিজয়ের মাধ্যমে নারীদের শক্তি ও অর্জন হিমালয় উচ্চতায় স্থান পায় বলে প্রতীয়মান হয়।
- এর আগে ২০০৩ সালে এভারেস্ট বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তিতে বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ চূড়া কেওক্রাডং জয় করেন নিশাত।

• ওয়াসফিয়া নাজরীন:
- দ্বিতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে ২০১২ সালে এভারেস্ট জয় করেন ওয়াসফিয়া নাজরীন।
- ওই বছরের ২৬ মে সকাল পৌনে ৭টায় বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণ করেন তিনি।
- ওয়াসফিয়া নাজরীন বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় (সেভেন সামিট) করেছেন। 

- ষষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করলেন বাবর আলী।

উৎস: প্রথম আলো।
১,৪৬৫.
বাংলাদেশে প্রথম খেতাব প্রাপ্ত গ্রান্ড মাস্টার কে?
  1. নিয়াজ মোরশেদ
  2. এনামুল হক বিজয়
  3. জিয়াউর রহমান
  4. রানী হামিদ
ব্যাখ্যা

দাবায় বাংলাদেশের গ্র্যান্ড মাস্টার:
- গ্র্যান্ড মাস্টার দাবার সর্বোচ্চ খেতাব।
- এটি দাবার আন্তর্জাতিক সংগঠন 'ফিদে'র তরফ থেকে দেওয়া হয়।
- একজন দাবারুকে ফিদে মাস্টার খেতাব পেতে হলে কমপক্ষে ২৩০০ রেটিং থাকতে হয়।
- বাংলাদেশ থেকে পাঁচজন দাবাড়ু গ্র্যান্ড মাস্টার সম্মাননা অর্জন করেছেন।
- বাংলাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদ।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮৭ সালে ২১ বছর বয়সে উপমহাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব অর্জন করেন নিয়াজ মোরশেদ।
- তিনি ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ও এশিয়ার পঞ্চম গ্র্যান্ড মাস্টার।
- দাবায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় গ্র্যান্ড মাস্টার জিয়াউর রহমান। 
- ২০০২ সালে দ্বিতীয় গ্র্যান্ডমাস্টার হন জিয়াউর রহমান। তিনি
- বাংলাদেশি দাবাড়ুদের মধ্যে সর্বোচ্চ ফিদে রেটিং অর্জন করেছিলেন।
- ২০০৬ সালে রিফাত বিন সাত্তার ৩য় গ্র্যান্ড মাস্টার।
- ২০০৭ সালে আবদুল্লাহ আল রাকিব ৪র্থ গ্র্যান্ড মাস্টার।

উৎস: দৈনিক বণিক বার্তা। [লিঙ্ক]

১,৪৬৬.
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা নিয়ে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রায় দেয় -
  1. PCA
  2. ITLOS
  3. ICJ
  4. ICC
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সমুদ্র বিজয়:
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৪ সালের গোড়ার দিকে ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নির্ধারণের বিষয়ে সক্রিয় হয়ে ওঠে। এ
- সংবিধানের ১৪৩ নং অনুচ্ছেদের (২) নং ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকার সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত Territorial Waters and Maritime Zones Act. 1974 জারি করে। যা গেজেট আকারে প্রকাশিত হয় ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪। এই আইন অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকার আঞ্চলিক বা উপকূলীয় সমুদ্র অঞ্চল, সন্নিহিত বা সংলগ্ন সমুদ্র অঞ্চল, অর্থনৈতিক অঞ্চল, সংরক্ষিত এলাকা, মহীসোপান বিষয়ে বাংলাদেশের আইনগত কর্তৃত্বের ঘোষণা দেয়।

• বাংলাদেশ বনাম মিয়ানমার:
- জার্মানিতে অবস্থিত সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে (ITLOS) ২০১২ সালের ১৪ মার্চ তারিখে এই মামলার রায় দেয়া হয়। রায় অনুসারে বাংলাদেশ তার উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে অধিকার প্রতিষ্ঠা করে। এছাড়াও সমুদ্রে অবস্থিত ২৮টি ব্লকের মধ্যে ১৮টি ব্লকের মালিকানা বাংলাদেশ পায়।

ITLOS:
- ITLOS এর পূর্ণরূপ - International Tribunal for the Law of the Sea.
- ১৯৮২ সালে সাগরের আইন সম্পর্কিত জাতিসংঘের কনভেনশন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- অবস্থান: জার্মানির হামবুর্গে।

• বাংলাদেশ বনাম ভারত:
- ২০১৪ সালের ৭ জুলাই নেদারল্যান্ডস-এ অবস্থিত স্থায়ী সালিশি আদালত (Permanent Court of Arbitration-PCA) এই রায় আদালতের রায়ে বাংলাদেশ ভারত ও মিয়ানমার থেকে ১, ১৮, ৮১৩ বর্গ কিলোমিটার সমুদ্র অঞ্চল, ১২ নটিক্যাল মাইল রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা, ২০০ নটিক্যাল মাইল একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল (Exclusive Economic Zone - EEZ) এবং চট্টগ্রাম উপকূল থেকে ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপানের তলদেশে অবস্থিত সব ধরনের প্রাণিজ ও অপ্রাণিজ সম্পদের ওপর সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
ii) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১,৪৬৭.
বাংলাদেশ শিশু একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার  কত সাল থেকে চালু করা হয়? 
  1. ১৯৯০ সাল
  2. ১৯৮৫ সাল
  3. ১৯৮৬ সাল
  4. ১৯৮৯ সাল
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ শিশু একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার: 
- বাংলাদেশ শিশু একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার  শিশুসাহিত্যে সার্বিক অবদানের জন্য বাংলাদেশ শিশু একাডেমী বছরে একজন সাহিত্যসেবীকে এ পুরস্কার প্রদান করে।
- বাংলা ১৩৯৬ সন এবং ইংরেজী ১৯৮৯ খ্রি থেকে এ পুরস্কার চালু করা হয়েছে। 
- একজন কবি বা সাহিত্যিক জীবনে মাত্র একবার এ পুরস্কার লাভ করতে পারেন।
- এ পুরস্কার মরণোত্তর পুরস্কার হিসেবে দেওয়ার বিধান নেই।
- শিশু একাডেমী পুরস্কারের মান নগদ ২৫ হাজার টাকা।
- পুরস্কৃত সাহিত্যিককে নগদ অর্থ, সম্মাননা প্রতীক ও সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।[লিংক]

১,৪৬৮.
স্বাধীনতাযুদ্ধকালে ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’ পোস্টারের শিল্পী কে?
  1. জয়নুল আবেদীন
  2. এস এম সুলতান
  3. কামরুল হাসান
  4. প্রাণেশ কুমার মণ্ডল
ব্যাখ্যা
কামরুল হাসান:
- কামরুল হাসান একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী।
- তিনি ‘পটুয়া’ নামে পরিচিত।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের সঙ্গে মিলিত হয়ে ১৯৪৮ সালে ঢাকায় একটি আর্ট স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৬০ সালে তিনি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের নকশাকেন্দ্রের প্রধান নকশাবিদ নিযুক্ত হন।
- কামরুল হাসানের চিত্রকলার প্রধান উপাদান নর-নারী, পশুপাখি (প্রধানত গরু ও শৃগাল), সাপ ও প্রকৃতি।
- চিত্রকলায় অসাধারণ অবদানের জন্য কামরুল হাসান বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত হন।
- সেসবের মধ্যে প্রেসিডেন্ট পুরস্কার (১৯৬৫), কুমিল্লা ফাউন্ডেশন স্বর্ণপদক (১৯৭৭), স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (১৯৭৯), চারুশিল্পী সংসদ সম্মান (১৯৮৪), বাংলা একাডেমির ফেলো (১৯৮৫) উল্লেখযোগ্য।
- তাঁর ‘তিনকন্যা’ ও ‘নাইওর’ চিত্রকর্ম অবলম্বনে যথাক্রমে যুগোস্লাভিয়া সরকার (১৯৮৫) ও বাংলাদেশ সরকার (১৯৮৬) দুটি স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করেছে।

উল্লেখ্য,
- স্বাধীনতাযুদ্ধকালে জেনারেল ইয়াহিয়ার মুখের ছবি দিয়ে আঁকা ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’ পোস্টারটি খুব বিখ্যাত হয়।

অন্যদিকে -
- স্বাধীনতাযুদ্ধকালে শিল্পী প্রাণেশ কুমার মণ্ডলের আঁকা একটি পোস্টার চিত্র বাংলার মায়েরা মেয়েরা সকলেই মুক্তিযোদ্ধা। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৪৬৯.
দেশের ১৭ তম ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য -
  1. বাগদা চিংড়ি
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জের ক্ষীরশাপাতি আম
  3. দিনাজপুরের কাটারিভোগ
  4. নাটোরের কাঁচাগোল্লা
ব্যাখ্যা
জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- WIPO (world intellectual property organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- ভৌগোলিক নির্দেশক (Geographical indication) হচ্ছে একটি প্রতীক বা চিহ্ন, যা পণ্য ও সেবার উৎস, গুণাগুণ ও সুনাম ধারণ এবং প্রচার করে।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

বাংলাদেশের GI পণ্য সমূহ:
- বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি।
- এরপর একে একে ঢাকাই মসলিন, রাজশাহীর সিল্ক, রংপুরের শতরঞ্জি, নেত্রকোনার বিজয়পুরের সাদা মাটি, দিনাজপুরের কাটারিভোগ, বাংলাদেশি কালিজিরা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ক্ষীরশাপাতি আম, ইলিশ, বাগদা চিংড়িসহ ১৭টি পণ্য জিআই সনদ পায়।

উল্লেখ্য,
- দেশে এ পর্যন্ত ১৭টি পণ্যকে ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
- দেশের ১৭ তম ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেল নাটোরের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি 'কাঁচাগোল্লা'।

উৎস: i) প্রথম আলো, ০৬ নভেম্বর, ২০২২।
         ii) ১০ আগস্ট, ২০২৩, The Business Standard. [link]
১,৪৭০.
The 7th March speech of Bangabandhu was recognized as part of the world's documentary heritage by-
  1. ক) UNESCO
  2. খ) UNICEF
  3. গ) UNDP
  4. ঘ) UNFCCC
ব্যাখ্যা
ইউনেস্কোর মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড (এমওডব্লিউ) কর্মসূচির উপদেষ্টা কমিটি ৭ মার্চের ভাষণসহ মোট ৭৮টি দলিলকে 'মেমোরি অফ দা ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে' যুক্ত করার সুপারিশ করেছে।
• 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণকে ওয়ার্ল্ডস ডকুমেন্টারি হেরিটেজ-এ অংশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
• ইউনেস্কো মহাপরিচালক ইরিনা বোকোভা ৩০শে অক্টোবর এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন।
• সেদিনের ১৮ মিনিটের ভাষণে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন ''এবারের সংগ্রাম, মুক্তির সংগ্রাম। এবারের সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম"।

সূত্র: বিবিসি বাংলা।
১,৪৭১.
নিম্নের কোন চিত্রকর্মটি চিত্রশিল্পী জয়নুল আবেদিন?
  1. পাইন্যার মা
  2. চাঁদের আলো
  3. সূর্যাস্ত
  4. নদীর তীরে
ব্যাখ্যা

জয়নুল আবেদিন:
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বেড়ে উঠেছেন ব্রহ্মপুত্রের লালিত্যে গড়ে ওঠা সবুজ শ্যামলিমায়।
- জয়নুল তাঁর প্রথম জীবনেই নদী ও অবারিত প্রকৃতির মাঝে রোমান্টিকতার অনুপ্রেরণা পান।
- তিনি ১৯৩৩ সালে কলকাতা সরকারি আর্ট স্কুলে ভর্তি হন এবং পাঁচ বছর সেখানে ব্রিটিশ / ইউরোপীয় স্টাইলের ওপর পড়াশুনা করেন। 
- জয়নুল আবেদিন ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী, যারা দেশ ভাগের পর ঢাকায় অভিবাসী হয়েছিলেন, আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন।
- ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩), 'ফসল মাড়াই', জলরং (১৯৬৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
- ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

উল্লেখ্য,
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা ময়মনসিংহ জেলার পার্ক রোডে অবস্থিত।
- এটি ১৯৭৫ সালে যাত্রা শুরু করে।
- শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত যা ১৯৯৬ সালে উদ্বোধন করা হয়।
- বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনও নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং জাতীয় জাদুঘর ওয়েবসাইট।

১,৪৭২.
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নকশাকার কে?
  1. ফয়েজ উল্লাহ
  2. রোহানি বাহারিন
  3. এহসান খান
  4. সব্যসাচী হাজরা
ব্যাখ্যা
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল:
⇒ ২০১৭ সালে তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়।
- এরপর নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর।
- এর নির্মাণকাজ করেছে জাপানের মিতসুবিশি ও ফুজিতা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামসাং।

⇒ ২১ হাজার ৩০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে নির্মিত এই টার্মিনাল।
- জাপানি সহযোগিতা সংস্থা জাইকা ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে।
- তৃতীয় টার্মিনালের জন্য সরকার অর্থায়ন করেছে পাঁচ হাজার কোটি টাকা।
- বাকি অর্থ জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি থেকে ঋণ নেওয়া হয়েছে।

⇒ এ ভবনটির নকশা করেছেন রোহানি বাহারিন। 
- তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন সিঙ্গাপুরের সিপিজি করপোরেশন প্রাইভেট লিমিটেডের স্থপতি।

⇒ ৭ অক্টোবর ২০২৩ সালে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের উদ্বোধন করা হয়।
- বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে পুরোদমে কার্যক্রম শুরু করতে ২০২৬ সাল লাগতে পারে বলে

⇒ টার্মিনালটির যাত্রী ক্যাপাসিটি ১ কোটি ৬০ লাখ।
- টার্মিনালটির ফ্লোর আয়তন ২ লাখ ৩০ হাজার বর্গ মিটার। 

অন্যদিকে -
- কক্সবাজার স্টেশনটির নকশা করেছেন ফয়েজ উল্লাহ।
- মুজিববর্ষের লোগোর নকশাকার সব্যসাচী হাজরা।
- হাতিরঝিল-এর নকশাকার এহসান খান।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) The Daily Star Bangla. 
১,৪৭৩.
বাংলাদেশ TIFA চুক্তি স্বাক্ষর করে কোন দেশের সাথে?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) রাশিয়া
  3. গ) অস্ট্রেলিয়া
  4. ঘ) চীন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া TIFA চুক্তি:
- ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে বিনিয়োগের পথ সুগম করতে Trade and Investment Framework Agreement (TIFA) স্বাক্ষরিত হয়।
- অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সে দেশের বাণিজ্য, পর্যটন ও বিনিয়োগ বিষয়ক মন্ত্রী ডান টিহান এবং বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। - বাংলাদেশ ২০০৩ সাল থেকে অস্ট্রেলিয়ায় ডিউটি এবং কোটা ফ্রি বাণিজ্য সুবিধা পেয়ে আসছে।

সূত্র:- Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার: এপ্রিল, ২০২১ – এপ্রিল, ২০২২
১,৪৭৪.
দাবা খেলায় বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক মাস্টার কে? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. নিয়াজ মোর্শেদ
  2. রিয়াজ বিন সাত্তার
  3. জিয়াউর রহমান
  4. মনন রেজা
ব্যাখ্যা
দাবায় বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক মাস্টার:
- ১৯৮৪ সাল থেকে দাবা অলিম্পিয়াডে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ দাবা দল।
- বর্তমানে মনন রেজা দেশের সর্বকনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক মাস্টার।
- অক্টোবর, ২০২৪-এ বিশ্ব দাবা সংস্থার চতুর্থ ফিদে জোন কাউন্সিলের সভায় তার আন্তর্জাতিক মাস্টারের খেতাব অনুমোদন হয়।
- তিনি আন্তর্জাতিক মাস্টার হয়েছেন গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদের রেকর্ড ভেঙে।

⇒ আন্তর্জাতিক মাস্টার হতে ২৪০০ রেটিং ও তিনটি নর্ম প্রয়োজন।

অন্যদিকে,
- নিয়াজ মোরশেদ আন্তর্জাতিক মাস্টার হয়েছিলেন ১৫ বছর পাঁচ মাস বয়সে।
- ১৪ বছর তিন মাস বয়সে এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন মনন।
- তাকে নিয়ে বাংলাদেশে এখন আন্তর্জাতিক মাস্টারের সংখ্যা দাঁড়াল পাঁচ।
- বাকি চারজন জিল্লুর রহমান, আবু সুফিয়ান, মিনহাজ উদ্দিন, ফাহাদ রহমান।

উৎস: প্রথম আলো।
১,৪৭৫.
সম্প্রতি কতজন ব্যক্তিকে 'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার' প্রদান করা হবে?
  1. ছয়
  2. সাত
  3. আট
  4. নয়
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২৩
- বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পাচ্ছেন ৭ বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।
- শিল্প সংস্কৃতির বিভিন্ন শাখায় অবদানের জন্য বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার অর্জন করেছেন সাত ব্যক্তিত্ব।
- ২৫ নভেম্বর, ২০২৩ তারিখে একাডেমির সাধারণ পরিষদের ৪৬তম বার্ষিক সভায় সাহিত্য পুরস্কার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদান করা হবে।

উল্লেখ্য,
- ‘মযহারুল ইসলাম কবিতা পুরস্কার-২০২৩’-এ ভূষিত হয়েছেন কবি নির্মলেন্দু গুণ।
- ‘অধ্যাপক মমতাজউদদীন আহমদ নাট্যজন পুরস্কার-২০২৩’-এ ভূষিত হয়েছেন নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার।
- ‘আবু রুশ্দ সাহিত্য পুরস্কার-২০২৩’-এ ভূষিত হয়েছেন ড. মোহাম্মদ হারুন-উর-রশিদ। 
- ‘মেহের কবীর বিজ্ঞান সাহিত্য পুরস্কার’-২০১৯-এ ভূষিত হয়েছেন ডা.এবিএম আবদুল্লাহ।
- ‘সাহিত্যিক মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ প্রবন্ধ সাহিত্য পুরস্কার’-২০২৩-এ ভূষিত হয়েছেন ড. অনুপম সেন।
- ‘সা’দত আলি আখন্দ সাহিত্য পুরস্কার’-২০২৩-এ ভূষিত হয়েছেন কবি ওমর কায়সার। 
-  ‘হালীমা-শরফুদ্দীন বিজ্ঞান পুরস্কার-২০২৩’-এ ভূষিত হয়েছেন আবদুল গাফফার। 

উৎস: ৫ নভেম্বর ২০২৩, কালের কন্ঠ।
১,৪৭৬.
১৯৯৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারে ড. মুহাম্মদ ইউনূস কোন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব পালন করেন?
  1. অর্থ ও পরিকল্পনা
  2. আইন, বিচার ও সংসদ এবং স্থানীয় সরকার
  3. প্রাথমিক ও গণশিক্ষা
  4. বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ এবং পানি সম্পদ
ব্যাখ্যা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. ইউনুসকে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করা হয়।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন।
- ড. ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

উল্লেখ্য,
- মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৯৬ সালে সাবেক প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।

⇒ থ্রি জিরো তত্ত্ব:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
- সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।
- তা অর্জনে প্রয়োজন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা।
- বাংলাদেশের এই লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে শূন্যে নামিয়ে আনতে হবে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ।

উৎস: i) Yunus Centre.
ii) দ্য ডেইলি স্টার।
১,৪৭৭.
Who is the sculptor of the sculpture “Janani O Garbita Bornomala” commemorating the Language Martyrs?
  1. Mrinal Haque
  2. Shamim Shikder
  3. Hamiduzzaman Khan
  4. Novera Ahmed
  5. None of these
ব্যাখ্যা
• জননী ও গর্বিত বর্ণমালা:
- জননী ও গর্বিত বর্ণমালা ভাস্কর্যটি ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক।
- এটি অবস্থিত শাহবাগের পরীবাগে।
- ভাস্কর: মৃণাল হক।

উৎস: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ওয়েবসাইট।
১,৪৭৮.
'সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড' কোথায় অবস্থিত?
  1. যমুনা নদীতে
  2. মেঘনা নদীতে
  3. বঙ্গোপসাগরে
  4. ভোলায়
ব্যাখ্যা
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড:
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে।
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের প্রস্থ ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার, তলদেশ তুলনামূলকভাবে সমতল এবং পার্শ্ব দেয়াল প্রায় ১২ ডিগ্রি হেলানো।
- মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
- 'বেঙ্গল ফ্যান' ভূমি রূপটি পাওয়া যায় বঙ্গোপসাগরের সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডে।
- প­াইসটোসিন যুগে (২০ লক্ষ থেকে ১ লক্ষ বছর আগে) নিম্ন সমুদ্রপৃষ্ঠে গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র নদীর পললের স্তূপ সরাসরি মহীসোপান প্রান্তে নির্গত হয়েছে।
- সোপান প্রান্ত ও সোপান প্রান্তের ঊর্ধ্ব ঢালে উৎপন্ন ঘোলাটে স্রোত ও নদী-প্রবাহের সম্মিলিত প্রভাব সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড গঠনের জন্য দায়ী।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের লক্ষণ প্রমাণাদিও এই ধারণাকে সমর্থন করে বলে মনে হয়।
- পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, প­াইসটোসিন যুগে সমুদ্রপৃষ্ঠ যখন নিম্নতর ছিল তখন বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানে ঘোলাটে স্রোতের প্রভাবে অবক্ষেপণ সংঘটিত হতো; আর উপ-বদ্বীপটিতে পলল বণ্টিত হতো সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড থেকে উদ্ভূত আন্তঃসাগরীয় খাল (submarine channel) থেকে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১,৪৭৯.
’ছোট সোনামসজিদ’ কোথায় অবস্থিত?
  1. নওঁগা
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. বাগেরহাট
  4. নাটোর
ব্যাখ্যা

• ছোট সোনামসজিদ ‘সুলতানি স্থাপত্যের রত্ন’ বলে আখ্যাত।
- প্রধান প্রবেশ পথের উপরিভাগে স্থাপিত একটি শিলালিপি অনুযায়ী জনৈক মজলিস-ই-মাজালিস মজলিস মনসুর ওয়ালী মুহম্মদ বিন আলী কর্তৃক মসজিদটি নির্মিত হয়। শিলালিপিতে নির্মানের সঠিক তারিখ সম্বলিত অক্ষরগুলি মুছে গেছে।
- তবে এতে সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহ এর নামের উল্লেখ থেকে এটা সুস্পষ্ট যে, মসজিদটি তার রাজত্বকালের (১৪৯৪-১৫১৯) কোন এক সময় নির্মিত।
- বিশাল এক দিঘির দক্ষিণপাড়ের পশ্চিম অংশ জুড়ে এর অবস্থান।
- মসজিদের কিছু দূর পশ্চিমে বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব অধিপ্তর কর্তৃক কয়েক বছর পূর্বে নির্মিত  একটি আধুনিক দ্বিতল গেষ্ট হাউস রয়েছে। 
- গেষ্ট হাউস ও মসজিদের মধ্য দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে একটি আধুনিক রাস্তা চলে গেছে। 
- মনে হয় রাস্তাটি পুরনো আমলের এবং একসময় এটি কোতোয়ালী দরওয়াজা হয়ে দক্ষিণের শহরতলীর সঙ্গে গৌড়-লখনৌতির মূল শহরের সংযোগ স্থাপন করেছিল।
- ছোট সোনা মসজিদটি শাহবাজপুর ইউনিয়ন, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবস্থিত। 

উৎস: চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা।

১,৪৮০.
আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটি কতবার নোবেল পুরষ্কার লাভ করে? 
  1. ১ বার 
  2. ২ বার 
  3. ৩ বার 
  4. একবারও নয় 
ব্যাখ্যা

◉ আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটি (International Committee of the Red Cross - ICRC) মোট ৩ বার নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেছে।

Red Cross:
- ICRM-এর পূর্ণরূপ: The International Red Cross and Red Crescent Movement সংক্ষেপে রেডক্রস নামে পরিচিত।
- এটি একটি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয়: ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৮৬৩ সালে।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: সুইজারল্যান্ডের জেনেভা।
- প্রতিষ্ঠাতা: হেনরী ডুনান্ট।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।

⇒ যুদ্ধ ও সংঘাতে আহত ব্যক্তিদের সহায়তা করার জন্য প্রতিষ্ঠা করা হয় সংস্থাটি।
- পরবর্তী সময় এই সংস্থার কাজ বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে।
- বিশ্বব্যাপী দুস্থ মানুষের সেবা তথা যুদ্ধে আহত ও যুদ্ধবন্দি, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য ও দুঃখ লাঘবই রেড ক্রস/রেড ক্রিসেন্ট’র মূল লক্ষ্য।

⇒ আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটি মোট তিনবার (১৯১৭, ১৯৪৪ ও ১৯৬৩ সালে) শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।

উৎস: Red Cross ওয়েবসাইট।

১,৪৮১.
বর্তমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন- 
  1. শহীদ আবুল বরকতের মা
  2. শহীদ শফিউরের মা
  3. শহীদ আব্দুস সালামের বাবা
  4. শহীদ শফিউরের বাবা
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার:
- অবস্থান: ঢাকা মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে।
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নকশাকার/স্থপতি হলেন হামিদুর রহমান।
- ১৯৫৬ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের পাশে হামিদুর রহমানের নকশায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
- ১৯৬৩ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে শহীদ আবুল বরকতের মা হাসিনা বেগম এই শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন।

উল্লেখ্য, 
- শহিদ মিনার প্রথম নির্মিত হয় ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি। 
- শহীদ মিনারটি ছিল ১০ ফুট উচ্চ ও ৬ ফুট চওড়া।
- ২৪ ফেব্রুয়ারি সকালে, শহীদ শফিউরের পিতা অনানুষ্ঠানিকভাবে শহীদ মিনারের উদ্বোধন করেন। 
- ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ও সেনাবাহিনী মেডিকেলের ছাত্র হোস্টেল ঘিরে ফেলে এবং প্রথম শহীদ মিনার ভেঙ্গে ফেলে।

 উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, ঢাকা জেলা ওয়েব সাইট ও বাংলাপিডিয়া।

১,৪৮২.
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আন্তর্জাতিক একদিনের খেলায় কোন দেশের বিরুদ্ধে প্রথম জয়লাভ করে?
  1. ক) ভারত
  2. খ) জিম্বাবুয়ে
  3. গ) পাকিস্তান
  4. ঘ) কেনিয়া
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ক্রিকেট দল:
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করে।
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ এশিয়া কাপে।
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় ১৯৯৭ সালে।
- ১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফি জয়ের মাধ্যমেই বাংলাদেশ পেয়েছিল প্রথমবারের মতো ক্রিকেটের সর্বোচ্চ আসর বিশ্বকাপ (১৯৯৯ সালে) খেলার সুযোগ।
- একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে বাংলাদেশ তাদের প্রথম জয়টা পায় ২২ ম্যাচ হারের পর।
- ১৯৯৮ সালে মোহাম্মদ রফিকের অসাধারণ নৈপুণ্যে (৭৭ রান ও ৩ উইকেট) কেনিয়ার বিরুদ্ধে ভারতের মাটিতে জয় পায় বাংলাদেশ।
- সেদিন আতহার আলী খান ও মোহাম্মদ রফিক মিলে জুটি বেঁধেছিলেন ১৩৭ রানের।
- আতহার আলী করেছিলেন ৪৭ রান।
- ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট জয় পায় ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে।

উৎস: প্রথম আলো, ০৬ আগস্ট, ২০২০।

১,৪৮৩.
বাংলাদেশের কয়টি জেলার সাথে আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে?
  1. ক) ৩৮টি
  2. খ) ৩২টি
  3. গ) ৩০টি
  4. ঘ) ২৮টি
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে বাংলাদেশে কার্যকর বিভাগ সংখ্যা ৮টি এবং জেলার সংখ্যা ৬৪টি।
- বাংলাদেশের ৬ টি বিভাগের সাথে আন্তর্জাতিক সীমান্ত থাকলেও ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের সাথে কোনো আন্তর্জাতিক সীমান্ত নেই।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
- একটি জেলার সাথে উভয় দেশের সীমানা রয়েছে সেটি হচ্ছে বাংলাদেশের আয়তনে সবচেয়ে বড় জেলা রাঙামাটি।

উৎস: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট।
১,৪৮৪.
সম্প্রতি সাউথ আফ্রিকার সাথে তৃতীয় ওডিআই তে বাংলাদেশ জয় লাভ করে-
  1. ক) ১২০ রানে
  2. খ) ৯ উইকেটে
  3. গ) ৮ উইকেটে
  4. ঘ) ৭ উইকেটে
ব্যাখ্যা

- তৃতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশ সাউথ আফ্রিকাকে ৯ উইকেটে পরাজিত করে ২-১ এ সিরিজ জিতে নেয়।
- ঐ ম্যাচে ৯ ওভারে ৩৫ রানে ৫ উইকেট নিয়ে ‘ম্যান অব দ্যা ম্যাচ’ এবং সিরিজে মোট ৮ উইকেট নিয়ে ‘ম্যান অব দ্যা সিরিজ’ হয়েছেন তাসকিন আহমেদ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-
সাউথ আফ্রিকা- ১৫৪-১০ (৩৭ ওভার)
বাংলাদেশ- ১৫৬-১ (২৬.৩ ওভার)

তথ্যসূত্র- Cricbuzz.

১,৪৮৫.
'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানটির বর্তমান সুরকার কে?
  1. আলতাফ মাহমুদ
  2. আপেল মাহমুদ
  3. গাজী আনোয়ার
  4. আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
ব্যাখ্যা
আলতাফ মাহমুদ:
- আলতাফ মাহমুদ একাধারে একজন সংগীতশিল্পী, সুরকার, সংস্কৃতিকর্মী, চিত্রশিল্পী, ভাষাসৈনিক ও স্বাধীনতাযুদ্ধে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা।
- 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি' গানটির বর্তমান সুরকার হলেন আলতাফ মাহমুদ।
- গানটির প্রথম সুরকার আব্দুল লতিফ হলেও পরবর্তী সময়ে আলতাফ মাহমুদের সুরটিই গৃহীত হয়।
- এই সুরটি ১৯৬৯ সালে জহির রায়হান তাঁর চলচ্চিত্র ‘জীবন থেকে নেয়া’তে ব্যবহার করেন।
- ১৯৭১ সালে তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে তাঁর বাসায় গোপন ক্যাম্প স্থাপন করেন।
- বাংলা সংস্কৃতি ও বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে অবদান রাখার জন্য ১৯৭৭ সালে আলতাফ মাহমুদকে একুশে পদক প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ‘রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' বলতে বোঝানো হয়েছে যে একুশে ফেব্রুয়ারিতে বহু মানুষের রক্ত ঝরেছে।
- গানটির রচয়িতা বা গীতিকার হলেন আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও ডেইলী স্টার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩।
১,৪৮৬.
'সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৪' এর শিরোপা কোন দেশ জিতেছে ?
  1. ভারত
  2. নেপাল
  3. ভুটান
  4. বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
--------------------
২০২৪ নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ শিরোপা লাভ করে।
২০২৪ নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ:
- ২০২৪ সালের অক্টোবরে নেপালে অনুষ্ঠিত হয়।
- নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ৭ম সংস্করণ।
- অংশগ্রহণকারী দল: ৭টি।
- মোট ম্যাচ: ১২টি।
- মোট গোল: ৬২টি।
- চ্যাম্পিয়ন: বাংলাদেশ।
- রানার্স আপ: নেপাল।
- সেরা খেলোয়াড়: ঋতুপর্ণা চাকমা।
- সেরা গোলরক্ষক: রূপনা চাকমা।
- ফেয়ার প্লে ট্রফি: ভুটান।

উল্লেখ্য,
- সাতটি দেশ: বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, মালদ্বীপ এবং ভুটান।
- বাংলাদেশ দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
- সর্বোচ্চ ৫ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। 

তথ্যসূত্র: SAFF Championship ওয়েবসাইট।
১,৪৮৭.
'এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে' শিরোনামের মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক পোস্টারের শিল্পী কে?
  1. এস এম সুলতান
  2. জয়নুল আবেদীন
  3. কামরুল হাসান
  4. কাইয়ুম চৌধুরী
ব্যাখ্যা

কামরুল হাসান: 
- কামরুল হাসান (১৯২১-১৯৮৮) প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী।
- প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন। 
- দেশবিভাগের পর কামরুল হাসান  ঢাকা চলে আসেন এবং শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের সঙ্গে মিলিত হয়ে ঢাকায় একটি আর্ট স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন (১৯৪৮)।
- ঢাকায় চিত্রকলার চর্চা ও প্রসারের লক্ষ্যে ১৯৫০ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন আর্ট গ্রুপ।
- ১৯৬০ সালে তিনি ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প কর্পোরেশনের নকশা কেন্দ্রের প্রধান নকশাবিদ নিযুক্ত হন এবং ১৯৭৮ সালে উক্ত পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন।
- কামরুল হাসান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন (১৯৬৯-৭০) এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। 
- পাকিস্তানের সামরিক প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের রক্তপায়ী, হিংস্র মুখমন্ডল সম্বলিত একটি পোস্টার এঁকে আলোড়ন সৃষ্টি করেন।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ থেকে নিরীহ বাঙালির উপর পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীর নৃশংস হামলাকে কেন্দ্র করে কামরুল হাসানের ইয়াহিয়ার মুখচ্ছবি দিয়ে আঁকা পোস্টার ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’ দেশেবিদেশে বিপুলভাবে সাড়া জাগায় এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণে সাধারণ মানুষকেও উদ্বুদ্ধ করে।
- কামরুল হাসানের চিত্রকলায় লৌকিক ও আধুনিক রীতির মিশ্রণ ঘটায় তিনি ‘পটুয়া কামরুল হাসান’ নামে পরিচিতি লাভ করেন।
- তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকারি মনোগ্রাম তৈরি করার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

১,৪৮৮.
নবম T20 বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন কোন দেশ?
  1. ভারত
  2. দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. ইংল্যান্ড
  4. নিউজিল্যান্ড
ব্যাখ্যা
নবম আইসিসি T-20 বিশ্বকাপ - ২০২৪
আয়োজক দেশ: যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ
সময়কাল:  ২⎯২৯ জুন, ২০২৪
অংশগ্রহণকারী দল: ২০টি 
মোট ম্যাচ: ৫৫টি 
উদ্বোধনী ম্যাচ: যুক্তরাষ্ট্র বনাম কানাডা
ফাইনাল ম্যাচ: ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা 
চ্যাম্পিয়ন দল: ভারত
রানার্স আপ দল: দক্ষিণ আফ্রিকা 
ম্যান অব দ্যা ফাইনাল: বিরাট কোহলি (ভারত)  
ম্যান অব দ্যা টুর্নামেন্ট: যশপ্রীত বুমরা (ভারত) 
সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক: রহমানুল্লাহ গুরবাজ (আফগানিস্তান)
সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি: ফজলহক ফারুকি (আফগানিস্তান) ও আর্শদ্বীপ সিং (ভারত) 
হ্যাটট্রিক (মোট ৩টি): প্যাট কামিন্স: ২টি (অস্ট্রেলিয়া) , ক্রিস জর্ডান: ১টি (ইংল্যান্ড) 
- টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে টানা দুই ম্যাচে টি-টোয়েন্টিতে হ্যাটট্রিকের রেকর্ড করেন প্যাট কামিন্স। 
- সর্বোচ্চ মেডেন অভার:  লোকি ফার্গুসন (নিউজিল্যান্ড)।

উৎস: আইসিসি ওয়েবসাইট।  
১,৪৮৯.
বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা -
  1. লামা
  2. আলীকদম
  3. থানচি
  4. রোয়াংছড়ি
ব্যাখ্যা

⇒ সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলা তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।

⇒ সর্ব পূর্ব:
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি।
- দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।

⇒ সর্ব পশ্চিম:
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনকষা।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

⇒ সর্ব দক্ষিণ:
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ছেড়াদ্বীপ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার।

তথ্যসূত্র - সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

১,৪৯০.
Bangladesh has recently been elected to which post in the 76 sessions of the UN General Assembly?
  1. President
  2. Vice-President
  3. Krynoce Speaker
  4. Teacher
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশন:

- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশনের সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ। 
- স্থানীয় সময় ৭ জুন নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে সাধারণ পরিষদ হলে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- নির্বাচনে বাংলাদেশ সর্বসম্মতিক্রমে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়।
- বাংলাদেশ ছাড়াও এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে নির্বাচিত অন্যান্য সহসভাপতি হলো কুয়েত, লাওস ও ফিলিপাইন।
- মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল্লাহ শহীদ ৭৬তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। 

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ৮ জুন ২০২১।
১,৪৯১.
বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন (বিজিটিএফ) কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭৭ সালে
  2. ১৯৮০ সালে
  3. ১৯৮৩ সালে
  4. ১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা
থিয়েটার নাট্যগ্রুপ:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর জাতীয় আশা-আকাঙ্খার পরিপূরক হিসাবে জন্ম নিতে থাকে গ্রুপ থিয়েটার।
- সমসাময়িক ঘটনা প্রবাহকে উপজীব্য করে সামাজিক ক্রিয়ার অংশগ্রহণ করতে থাকে।
- ফলে নাটক ক্রমশঃ হয়ে ওঠে একটি শক্তিশালী গণমাধ্যম।
- ১৯৮০ সালের ২৯ নভেম্বর গড়ে উঠে বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশান।
- সমাজ ও শিল্পের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং হাজার বছরের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধারায় ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধকে সুপ্রতিষ্ঠিত করে স্বপ্নের স্বদেশ বিনির্মাণে পরিচালিত এই নাট্যান্দোলনের সমন্বিত সংগঠন বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশান, যার বর্তমান সদস্য সংগঠন সারা দেশে প্রায় ৪০০টি।
- এই সংগঠনটির প্রতিষ্ঠা পেয়েছিলে যাঁদের হাতে ও নেতৃত্বে তাঁরা হলেন প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রামেন্দু মজুমদার, প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন ইউসুফ, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মামুনু রশীদ , আতাউর রহমান সহ অনেক অগ্রজ নাট্যজন।

⇒ বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন (বিজিটিএফ) ২৯ নভেম্বর ১৯৮০ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের প্রধান কার্যালয় ঢাকা।
- তিন কমিটি ফেডারেশন কার্যক্রম পরিচালনা করে: সাধারণ কমিটি, কেন্দ্রীয় কমিটি এবং নির্বাহী কমিটি।

উৎস: বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন ওয়েবসাইট।
১,৪৯২.
বিবিসি বাংলার জরিপে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি নির্বাচিত হন কে?
  1. শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
  2. শেখ মুজিবুর রহমান
  3. সুভাষ চন্দ্র বোস
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
- বিবিসি বাংলা ২০০৪ সালে শ্রোতাদের জরিপের মাধ্যমে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ২০ জন বাঙালির একটি তালিকা করে।
তালিকা:
- প্রথম : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- দ্বিতীয় : বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- তৃতীয় : কাজী নজরুল ইসলাম
- চতুর্থ : শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
- পঞ্চম : সুভাষ চন্দ্র বোস
- ষষ্ঠ : বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
- সপ্তম : জগদীশ চন্দ্র বসু
- অষ্টম : ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- নবম : আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
- দশম : রাজা রামমোহন রায়
- ১১তম : মীর নিসার আলী তিতুমীর
- ১২তম : লালন শাহ
- ১৩তম : সত্যজিৎ রায়
- ১৪তম : অমর্ত্য সেন
- ১৫তম : বায়ান্নর ভাষা শহিদ
- ১৬তম : মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
- ১৭তম : স্বামী বিবেকানন্দ
- ১৮তম : অতীশ দীপঙ্কর
- ১৯তম : জিয়াউর রহমান
- ২০তম : হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
(তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা)
১,৪৯৩.
সাংস্কৃতিক সংগঠন 'উদীচী' এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. বদিউল আলম
  2. সত্যেন সেন
  3. ড. রাশেদুল ইসলাম
  4. সিরাজুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
• সত্যেন সেন: 
- তিনি ছিলেন সাহিত্যিক, সাংবাদিক, রাজনীতিক।
- ১৯০৭ সালের ২৮ মে মুন্সিগঞ্জ জেলার টঙ্গিবাড়ি উপজেলার সোনারঙ গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তিনি প্রগতি লেখক ও শিল্পী সংঘের সংগঠক এবং উদীচী (১৯৬৯) সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা। 
-  তাঁর রচিত গ্রন্থ সংখ্যা প্রায় চল্লিশ।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি গ্রন্থ: উপন্যাস-  ভোরের বিহঙ্গী, অভিশপ্ত নগরী, পদচিহ্ন, পাপের সন্তান, কুমারজীব, বিদ্রোহী কৈবর্ত, পুরুষমেধ, আলবেরুনী, মা, অপরাজেয় ইত্যাদি।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১,৪৯৪.
ইলিশকে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য ঘোষণা করা হয়-
  1. ২০১৬ সালে
  2. ২০১৭ সালে
  3. ২০১৯ সালে
  4. ২০২০ সালে
ব্যাখ্যা

• বর্তমানে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) পণ্য- ৪টি। যথা-
১.জামদানি শাড়ি (১৭ নভেম্বর, ২০১৬)
২.ইলিশ মাছ (৬ আগস্ট, ২০১৭)
৩.ক্ষীরশাপাতি আম (২৭ জানুয়ারি, ২০১৯)
৪.ঢাকাই মসলিন (২৮ ডিসেম্বর, ২০২০)
• বাংলাদেশের মোট ৪ টি পণ্যকে ভৌগোলিক নির্দেশক সামগ্রী হিসেবে স্বীকৃতি দেয় WIPO।
উৎসঃ শিল্প মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও সাম্প্রতিক সমাচার।

১,৪৯৫.
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে 'Global Ambassador for diabetes' উপাধিতে ভূষিত করেছে কোন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) IDF
  2. খ) WHO
  3. গ) SDR
  4. ঘ) UNHCR
ব্যাখ্যা
• প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে 'Global Ambassador for Diabetes' উপাধিতে ভূষিত করেছে International Diabetes Federation (IDF)।
• পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ডায়াবেটিস সম্মেলন ২০২২ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারিক আহসান আইডিএফের সদ্য নির্বাচিত সভাপতি অধ্যাপক আকতার হোসেনের কাছ থেকে এ সম্মাননা গ্রহণ করেন।

তথ্যসূত্র: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার জানুয়ারি, ২০২৩
১,৪৯৬.
১৯৭৬ সালে কোন চলচ্চিত্রটি 'জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার' লাভ করে?
  1. বসুন্ধরা
  2. মেঘের অনেক রং
  3. শঙ্খনীল কারাগার
  4. আমরা তোমাদের ভুলব না
ব্যাখ্যা

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়।
- এটি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের একমাত্র রাষ্ট্রীয় ও সর্বোচ্চ পুরস্কার।
- স্বাধীনতার চার বছর পর ১৯৭৫ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়।
- ১৯৭৫ সালে প্রথম চলচ্চিত্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখার জন্য পুরস্কার প্রদান শুরু হয়।
- প্রতি বছর সরকার নিযুক্ত জাতীয় প্যানেল বিজয়ীদের নির্বাচন করে।
- জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদানের প্রথম অনুষ্ঠানিকতা ১৯৭৬ সালের ৪ এপ্রিল সম্পন্ন হয়।

⇒ ১৯৭৬ সালে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘মেঘের অনেক রং’ শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের পুরস্কার পায়।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন হারুনর রশীদ।
- রত্না কথাচিত্রের ব্যানারে চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেন আনোয়ার আশরাফ ও শাজীদা শামীম।
- এতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন মাথিন, ওমর এলাহী, রওশন আরা, আদনান প্রমুখ।

এছাড়াও,
- ১৯৭৭ সালে ‘বসুন্ধরা’ চলচ্চিত্রটি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে নির্বাচিত হয়।
- ১৯৯০ সালে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের পাশাপাশি শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হিসেবে ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’ পুরস্কার পায়।
- ১৯৯২ সালে ‘শঙ্খনীল কারাগার’ চলচ্চিত্রকে শ্রেষ্ঠ কাহিনির জন্য পুরস্কার দেওয়া হয়।

উৎস: i) জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ওয়েবসাইট। [link]
ii) প্রথম আলো।

১,৪৯৭.
‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫’ মোট কতজন নারীকে প্রদান করা হয়?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ৫ জন
ব্যাখ্যা

‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫’
- ‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫’ প্রাপ্ত নারী চারজন।
 - নারীশিক্ষা শ্রেণিতে (গবেষণা) রুভানা রাকিব,
- নারী অধিকার শ্রেণিতে (শ্রম অধিকার) কল্পনা আক্তার,
- মানবাধিকার শ্রেণিতে নাবিলা ইদ্রিস ।
- নারী জাগরণ শ্রেণিতে (ক্রীড়া) ঋতুপর্ণা চাকমা। 

- নারীশিক্ষা, নারী অধিকার, মানবাধিকার ও নারী জাগরণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে রোকেয়া পদক দেওয়া হয়।

উৎস: প্রথম আলো।

১,৪৯৮.
সম্প্রতি কোন রোগ নির্মূলে বাংলাদেশকে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা স্বীকৃতি দিয়েছে? 
  1. পোলিও
  2. ডায়রিয়া
  3. গুটি বসন্ত
  4. কালাজ্বর
ব্যাখ্যা
• কালাজ্বর নির্মূলে বাংলাদেশ:
- বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে কালাজ্বর নির্মূলে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
- ভারতের দিল্লিতে ডব্লিউএইচওর চার দিনব্যাপী চলা ৭৬তম দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

কালাজ্বর:
- কালাজ্বর সাধারণত স্ত্রী বেলে মাছির কামড়ে ছড়ায়।
- বেলে মাছি ঘর এবং ঘরের আশপাশের ফাটলে বিশেষ করে স্যাঁতসেঁতে জায়গায় থাকে।  
- সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত সময়ে এ মাছি বেশি কামড়ায়।
- এর জীবাণু শরীরে প্রবেশের পর তা রক্তের লোহিত কণিকাকে আক্রান্ত করে এবং সেখানে বংশবৃদ্ধি শুরু করে।
- ফলে লোহিত রক্তকণিকা ভেঙে যায় এবং রক্তশূন্যতা দেখা দেয়।

উৎস: প্রথম আলো। [link]
১,৪৯৯.
একনেক এর বিকল্প চেয়ারম্যান-
  1. ক) পরিকল্পনামন্ত্রী
  2. খ) অর্থমন্ত্রী
  3. গ) বাণিজ্যমন্ত্রী
  4. ঘ) শিল্পমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ নির্বাহী কমিটি গঠিত হয় ১৯৮২ সালে। একনেক এর চেয়ারম্যান বা সভাপতি প্রধানমন্ত্রী এবং বিকল্প চেয়ারম্যান বা সভাপতি অর্থমন্ত্রী।
১,৫০০.
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির অবস্থান কোথায়?
  1. বনানী
  2. বিজয় সরণি
  3. আগারগাঁও
  4. সেগুনবাগিচা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি:
- এটি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর অধীন।
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ঢাকার সেগুনবাগিচায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি বাংলাদেশে সংস্কৃতিচর্চার একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৭৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি।
- একাডেমীর সর্বোচ্চ নির্বাহী কর্মকর্তা হচ্ছেন মহাপরিচালক।
- একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক ছিলেন ড. মুস্তাফা নূর-উল ইসলাম।
- সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বিস্তৃত করার লক্ষ্যে দেশের ৬৪টি জেলায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ওয়েবসাইট।