বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

মোট প্রশ্ন৩,৮২৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

PrepBank · পাতা ১২ / ৩৮ · ১,১০১১,২০০ / ৩,৮২৪

১,১০১.
মুসা ইব্রাহিম কোন সালে মাউন্ট এভারেস্টে আরোহণ করেন?
  1. ক) ২০০৮
  2. খ) ২০০৯
  3. গ) ২০১০
  4. ঘ) ২০১১
ব্যাখ্যা
প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে লালমনিরহাট জেলার মুসা ইব্রাহিম ২০১০ সালের ২৩ মে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ এভারেস্ট জয় করার মর্যাদা লাভ করেন। এভারেস্ট বিজয়ী প্রথম বাংলাদেশি নারী লক্ষ্মীপুরের নিশাত মজুমদার। সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয়ী প্রথম বাংলাদেশী ফেনীর ওয়াসফিয়া নাজরীন।
১,১০২.
‘রত্নদ্বীপ’ ভাস্কর্যটির অবস্থান কোথায়?
  1. ইস্কাটনে
  2. পরীবাগ মোড়ে
  3. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে
  4. লালবাগে
ব্যাখ্যা
- রাজারবাগ পুলিশ লাইনে অবস্থিত 'দুর্জয়' ভাস্কর্যটির শিল্পী মৃণাল হক।
তার আরো কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ভাস্কর্য:
- মতিঝিলের - ‘বলাকা’
- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে - ‘রত্নদ্বীপ’,
- হোটেল শেরাটনের সামনে - ‘রাজসিক’,
- পরীবাগ মোড়ে - ‘জননী ও গর্বিত বর্ণমালা’,
- ইস্কাটনে - ‘কোতোয়াল’,
- সাতরাস্তায় - ‘ময়ূর’,
- এয়ারপোর্ট গোল চত্বরের - ভাস্কর্য,
- নৌ সদর দপ্তরের সামনে - ‘অতলান্তিকে বসতি’ ইত্যাদি।

সূত্র: প্রথম আলো রিপোর্ট।
১,১০৩.
নিচের কোন সংস্থার সদর দপ্তর ঢাকায় অবস্থিত নয়?
  1. ক) সিরডাপ
  2. খ) বিমসটেক
  3. গ) আইসিডিডিআর,বি
  4. ঘ) সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
আইসিডিডিআরবি, সিরডাপ, বিমসটেক, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট, আন্তর্জাতিক জুট স্টাডি গ্রুপ, সার্ক কৃষি কেন্দ্র ইত্যাদি আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত।
১,১০৪.
Bangladesh has recently been elected to which post in the 76 sessions of the UN General Assembly? 
  1. ক) Pesident
  2. খ) Vice-President
  3. গ) Krynoce Speaker
  4. ঘ) Teacher
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের আসন্ন ৭৬তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল্লাহ শহিদ। গত ৭ জুন ভোটাভুটিতে তিনি সভাপতি নির্বাচিত হন।
- বাংলাদেশ এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে ৭৬তম অধিবেশনের সহ সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে।
- তুরস্কের ভলকান ভজকির বর্তমান ৭৫তম অধিবেশনের সভাপতি।
(তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
১,১০৫.
'Sultana's Dream' বইটি কার লেখা?
  1. নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরাণী
  2. রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
  3. বেগম সুফিয়া কামাল
  4. সুলতানা রাজিয়া
ব্যাখ্যা
'Sultana's Dream' বইটি রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন-এর লেখা।

রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন:

- নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়ার জন্ম ৯ই ডিসেম্বর, ১৮৮০, পায়রাবন্দ গ্রাম, রংপুর।
- বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের ইতিহাসে বেগম রোকেয়ার অবদান চিরঅম্লান।
- বেগম রোকেয়া প্রতিষ্ঠা করেন আঞ্জুমানে খাওয়াতীনে ইসলাম বা মুসলিম মহিলা সমিতি।
- 'Sultana’s Dream' গ্রন্থটি রোকেয়া নিজেই বাংলায় অনুবাদ করেন সুলতানার স্বপ্ন নামে।
- এটি একটি প্রতীকী রচনা এবং এতে বর্ণিত Lady Land বা নারীস্থান মূলত রোকেয়ারই স্বপ্নকল্পনার প্রতীক।

উল্লেখ্য,
- নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতি বছর ৯ ডিসেম্বর রোকেয়া দিবস পালন করা হয়।

রোকেয়ার উলে­খযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে:
- মতিচূর (প্রবন্ধ, ২ খন্ড: ১ম খন্ড ১৯০৪, ২য় খন্ড ১৯২২), Sultana’s Dream (নকশাধর্মী রচনা, ১৯০৮), পদ্মরাগ (উপন্যাস, ১৯২৪), অবরোধবাসিনী (নকশাধর্মী গদ্যগ্রন্থ, ১৯৩১) প্রভৃতি।
- মতিচূর, পদ্মরাগ, অবরোধবাসিনী, সুলতানার স্বপ্ন প্রভৃতি গ্রন্থে রোকেয়ার ঐকান্তিক স্বপ্নই এক অভিনব রূপ পেয়েছে। মতিচূর ২য় খন্ডে আছে ‘সৌরজগৎ’, ‘ডেলিসিয়া হত্যা’ (মেরী করেলী রচিত Murder of Delicia, ১৮৯৬ উপন্যাসের গল্পাংশের অনুবাদ), ‘জ্ঞান-ফল’, ‘নারী-সৃষ্টি’, ‘নার্স নেলী’, ‘মুক্তি-ফল’ প্রভৃতি গল্প ও রূপকথা।
- এছাড়া আছে অসংখ্য প্রবন্ধ, ছোটগল্প, কবিতা, ব্যঙ্গাত্মক রচনা ও অনুবাদ।

Sultana’s Dream:
- Sultana’s Dream গ্রন্থটি রোকেয়া নিজেই বাংলায় অনুবাদ করেন সুলতানার স্বপ্ন নামে।
- এটি একটি প্রতীকী রচনা এবং এতে বর্ণিত Lady Land বা নারীস্থান মূলত রোকেয়ারই স্বপ্নকল্পনার প্রতীক। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,১০৬.
OIC-এর কততম শীর্ষ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অংশগ্রহণ করেন? 
  1. ২য় শীর্ষ সম্মেলনে
  2. ৫ম শীর্ষ সম্মেলনে
  3. ৪র্থ শীর্ষ সম্মেলনে
  4. ৭ম শীর্ষ সম্মেলনে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত 'OIC' এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সদস্য পদ লাভ করে।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।

• ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা OIC:
- OIC (The Organisation of Islamic Cooperation) হলো মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট যা ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- OIC এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৭টি।
- দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দুটি দেশ গায়ানা ও সুরিনাম OIC সদস্য।
- ইউরোপ মহাদেশের আলবেনিয়া OIC সদস্য।
- OIC এর সদরদপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
- OIC এর বর্তমান মহাসচিব, এইচ.ই. হিসেইন ইব্রাহিম তাহা (১২ তম)।
- মহাসচিবের মেয়াদ-৫ বছর।
- শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়-তিন বছর পর পর।
- প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়- রাবাত, মরক্কো (১৯৬৯ সালে)।
- অফিসিয়াল ভাষা- তিনটি (আরবি, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ।

উৎস: OIC ওয়েবসাইট ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইট।
১,১০৭.
সম্প্রতি ‘দ্য শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ’ স্বর্ণপদক কয়জন বিশিষ্ট নাগরিককে প্রদান করা হয়?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

‘দ্য শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ’ স্বর্ণপদক 
- কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা ও অধিকতর উন্নয়নের জন্য বিশেষ অবদান রাখায় তিনজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে ‘দ্য শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ’ স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়েছে।
- তারা হলেন-
• প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ইমেরিটাস অধ্যাপক ডা. এবিএম আবদুল্লাহ
• জন হপকিনস ইউনিভার্সিটির গেস্ট লেকচারার বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. আহমদ আল কবির,
• গোপালগঞ্জের শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাহিদ ফেরদৌস। 

সূত্র- প্রথম আলো। 
১,১০৮.
বাংলাদেশে কোনটি ব্যাংক নােট নয়?
  1. ২ টাকা
  2. ১০ টাকা
  3. ৫০ টাকা
  4. ১০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে প্রচলিত সরকারি নোট ৩টি।
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট। 
- এসব নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে। 
- এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।

• বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।
১,১০৯.
দেশের দ্বিতীয় মেট্রোরেল প্রকল্প কী নামে পরিচিত?
  1. এমআরটি-১
  2. এমআরটি-২
  3. এমআরটি-৩
  4. এমআরটি-৪
ব্যাখ্যা
এমআরটি-১:
- দেশের দ্বিতীয় মেট্রোরেল প্রকল্পের নাম এমআরটি-১।
- ৩১ দশমিক ২৪১ কিলোমিটার দীর্ঘ নতুন এই মেট্রোরেল দুটি অংশে বিভক্ত।
- অংশ দুটি হলো- বিমানবন্দর রুট (বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর) ও পূর্বাচল রুট (নতুন বাজার থেকে পিতলগঞ্জ ডিপো)।
- এটির (এমআরটি-১) বিমানবন্দর রুট হবে দেশের প্রথম পাতাল বা আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রোরেল, যার মোট দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ৮৭২ কিলোমিটার এবং মোট পাতাল স্টেশন ১২টি।
- পূর্বাচল রুটের মোট দৈর্ঘ্য ১১ দশমিক ৩৬৯ কিলোমিটার, যার সম্পূর্ণ অংশ উড়াল এবং মোট স্টেশন সংখ্যা ৯টি। এরমধ্যে ৭টি স্টেশন হবে উড়াল।

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইনকিলাব, ১৭ এপ্রিল ২০২৪।
১,১১০.
বর্তমানে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি কে? ( জুন-২০২৫)
  1. হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
  2. সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী
  3. মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত
  4. রওশনারা চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• বর্তমানে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি- সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী ( জুন-২০২৫)
- তিনি মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত এর স্থলাভিষিক্ত হন।

• জাতিসংঘের ও বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- জাতিসংঘ চার্টার বা সনদের নিয়মকানুন মেনে চলতে আগ্রহী বিশ্বের যে কোনো শান্তিকামী স্বাধীন দেশ জাতিসংঘের সদস্য হতে পারে।
- বর্তমানে বিশ্বের ১৯৩টি দেশ জাতিসংঘের সদস্য। 
- দক্ষিণ সুদান জাতিসংঘের ১৯৩তম সদস্যরাষ্ট্র।
- ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই এবং প্রথম আলো (লিংক)
১,১১১.
বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI)-এর আওতায় বাংলাদেশ কোন দেশের সাথে অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিনিয়োগে যুক্ত আছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ভারত
  3. চীন
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI):
- বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI) হলো চীন প্রবর্তিত একটি মহাপরিকল্পনা।
- ২০১৩ সালে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং প্রথম এই প্রকল্পের বিষয়টি প্রকাশ করেন।
- এ প্রকল্পকে ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড কিংবা নিউ সিল্ক রোড নামেও অভিহিত করা হয়।
- উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ উদ্যোগের বিশাল সংগ্রহ মূলত ভৌত অবকাঠামোর মাধ্যমে পূর্ব এশিয়া এবং ইউরোপকে সংযুক্ত করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল এই উদ্যোগ।
- মে ২০১৮ থেকে, বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ১৯টি ব্যাকগ্রাউন্ড পেপারের একটি সিরিজ তৈরি করেছে (নীচে উপলব্ধ) এবং একটি সারসংক্ষেপ প্রতিবেদন যা বাণিজ্য, বিনিয়োগ, ঋণ, সংগ্রহ, পরিবেশ, দারিদ্র্য হ্রাস এবং অবকাঠামোর সাথে BRI-এর লিঙ্কগুলির স্বাধীন বিশ্লেষণ প্রদান করে।

⇒ BRI এর মূল লক্ষ্য হলো চীন ও অন্যান্য দেশগুলির মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক শক্তিশালী করা এবং অবকাঠামোগত বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা।
- প্রকল্পের উদ্দেশ্য বিশ্বের ১৫০টির বেশি দেশকে আর্থিক সহায়তা দিয়ে উন্নতি সাধনের চেষ্টা করা।
- প্রায় ৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে করার পরিকল্পনা আছে।

উল্লেখ্য,
- বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI)-এর আওতায় বাংলাদেশ চীনের সাথে অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিনিয়োগে যুক্ত আছে।
- বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক করিডর (বিসিআইএম) এবং “বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ” (বিআরআই)-এর আওতায় চীন বাংলাদেশের ৩০টিরও বেশি প্রকল্পে বিনিয়োগ করছে। এই বিনিয়োগের মধ্যে রয়েছে শিল্পাঞ্চল, বিদ্যুৎকেন্দ্র, রেলওয়ে, বন্দর সম্প্রসারণ ও টেলিকম অবকাঠামো।
- পদ্মা সেতুর সংযোগ সড়ক থেকে শুরু করে পায়রা বন্দর, কর্ণফুলী টানেল, রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের আশপাশের উন্নয়ন, কিংবা এক্সপ্রেসওয়ে—সবখানেই রয়েছে চীনা কোম্পানির হাত রয়েছে। 

উৎস: i) Britannica.
ii) প্রথম আলো।

১,১১২.
স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলিত হয় কোন তারিখে?
  1. ক) ২ মার্চ
  2. খ) ২৩ মার্চ
  3. গ) ১৬ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ২৬ মার্চ
ব্যাখ্যা
• প্রথম জতীয় পতাকা উত্তোলন:
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনের পশ্চিম গেটে বাংলাদেশের প্রথম পতাকা উত্তোলিত হয়।
- সেদিন জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছিলেন ছাত্রনেতা আ স ম আবদুর রব।
- সেই পতাকার মাঝখানে হলুদ বৃত্ত ছিল। আর বৃত্তের মধ্যে ছিল বাংলাদেশের মানচিত্র।
- সেই থেকে প্রতি বছর ২ মার্চ জাতীয় পতাকা উত্তোলন দিবস পালন করা হয়।

 
উৎস: বিডিনিউজ, প্রথম আলো ও বিবিসি বাংলা। 
১,১১৩.
ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ-র জন্মস্থান কোনটি?
  1. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  2. টাঙ্গাইল
  3. কলকাতা
  4. ঢাকা
ব্যাখ্যা
ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ:

- তিনি বিশ্ববিখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ।
- ১৮৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার নবীনগর উপজেলার শিবপুর গ্রামে এক সঙ্গীতপরিবারে তাঁর জন্ম।
- তাঁর পিতা সবদর হোসেন খাঁ ওরফে সদু খাঁও ছিলেন বিশিষ্ট সঙ্গীতজ্ঞ।
- মাতার নাম সুন্দরী বেগম।
- তাঁর সঙ্গীতগুরু ছিলেন আগরতলা রাজদরবারের সভাসঙ্গীতজ্ঞ তানসেনের কন্যাবংশীয় রবাবী ওস্তাদ কাশিম আলী খাঁ।
- তিনি দেশিয় বাদ্যযন্ত্রের সমন্বয়ে অর্কেস্ট্রার স্টাইলে একটি যন্ত্রীদল গঠন করে নাম দেন ‘রামপুর স্ট্রিং ব্যান্ড’।
- ব্রিটিশ সরকার তাঁকে ‘খাঁ সাহেব’ উপাধিতে ভূষিত করে।
- অতঃপর ভারত সরকার তাঁকে একে একে ‘সঙ্গীত নাটক আকাদেমী সম্মান’ (১৯৫২), ‘পদ্মভূষণ’ (১৯৫৮) ও ‘পদ্মবিভূষণ’ (১৯৭১), বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ‘দেশিকোত্তম’ (১৯৬১) এবং দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ‘ডক্টর অব ল’ উপাধিতে ভূষিত করে।
- তিনি ১৯৭২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,১১৪.
'জননী ও গর্বিত বর্ণমালা' ভাস্কর্য কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে
  2. ঢাকার পরিবাগে
  3. ঢাকা সেনানিবাসে
  4. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলাভবনের সামনে
ব্যাখ্যা
জননী ও গর্বিত বর্ণমালা:
- একুশের ভাস্কর্য জননী ও গর্বিত বর্ণমালা।
- এটি ঢাকার পরিবাগে অবস্থিত।
- এটির নকশা করেছেন শিল্পী মৃণাল হক।

⇒ জননী ও গর্বিত বর্ণমালা ভাস্কর্যে দেখা যায় একজন মা তার মৃত সন্তানকে কোলে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন।
- তার সামনে একটি সবুজ বৃত্তে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে কয়েকটি বাংলা বর্ণ।
- পেছনে লাল বৃত্তে রয়েছে ‘২১’ এবং ‘ব ও ‘ক’।

উৎস: i) banglanews24.com 
ii) প্রথম আলো।
১,১১৫.
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল কত সালে সর্বপ্রথম টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করে?
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০২ সালে
  3. ২০০৪ সালে
  4. ২০০৬ সালে
ব্যাখ্যা
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল ২০০৬ সালে সর্বপ্রথম টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করে
- ২০০৬ সালে বাংলাদেশ তাদের প্রথম টি-২০ ম্যাচ খেলে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- খেলাটি হয়েছিল খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ২০০৭ সালে তাদের টি২০ বিশ্বকাপে প্রথম  ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়েছিল।

উৎস: ESPNcricinfo.
১,১১৬.
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রহ করেন কে?
  1. এনামুল হক মণি
  2. নাইমুর রহমান
  3. আকরাম খান
  4. হাবিবুল বাশার
ব্যাখ্যা

⇒ টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রহ করেন হাবিবুল বাশার।

টেস্টে প্রথম:

- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- প্রথম টেস্ট উইকেট শিকার করেছেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম হাফ সেঞ্চুরি করেন হাবিবুল বাশার।
- প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি: মুশফিকুর রহিম।
- প্রথম ৫ উইকেট শিকার করেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম ১০০ উইকেট মোহাম্মদ রফিকের।
- একমাত্র ১০ উইকেট’ শিকার করেন এনামুল হক জুনিয়র।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।

১,১১৭.
ইউনেস্কো-বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ফ্রন্টটেন্স
  2. গ্লোডেন রোড ট্রেন্ডিং
  3. কীপ মানি
  4. মিউজিক ক্রসরোডস
ব্যাখ্যা
- ইউনেস্কো-এর ৪০ তম সাধারণ সভায় বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন ইউনেস্কো-এর ‘শতবার্ষিকী কর্মসূচি তালিকা’য় (Anniversary programme) অন্তর্ভুক্ত করে।
- বঙ্গবন্ধুকে অনন্য সম্মান ইউনেস্কোর “UNESCO-Bangladesh “Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman” International Prize in the field of Creative Economy” নামক আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রবর্তন করে। 
- মুজিব বর্ষে এ পুরস্কার প্রবর্তনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে ইউনেস্কো সরাসরিভাবে সম্পৃক্ত হয়েছে।
- ইউনেস্কো ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের  ঐতিহাসিক ভাষণ মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড আন্তর্জাতিক রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করে।  
- ইউনেস্কো-বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ ইন ক্রিয়েটিভ ইকোনমি পুরস্কার পেয়েছে জিম্বাবুয়ের প্রতিষ্ঠান মিউজিক ক্রসরোডস।
- প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধি মেলোডি জাম্বুকোর হাতে এই পুরস্কার তুলে দেন  পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।
- ২০২০ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ফ্রান্সে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাসের উদ্যোগে এ পুরস্কার প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- পরে ২০২১ সালে ইউনেসকো সদর দপ্তরে এক অনুষ্ঠানে প্রথম বিজয়ী প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তাঁর বোন শেখ রেহানা।

সূত্র- ইউনেস্কো ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
১,১১৮.
ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র কে ছিলেন?
  1. আনিসুল হক
  2. সাঈদ খােকন
  3. সাদেক হােসেন খােকা
  4. মােহাম্মদ হানিফ
ব্যাখ্যা
• ঢাকা সিটি করপোরেশনের ইতিহাস:
⇒ ১৮৬৪ সালের ১ আগষ্ট ঢাকা পৌরসভা স্থাপিত হয়।
⇒ ১৯৭৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ঢাকা নগরীকে ৫০টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করে ঢাকা পৌরসভা গঠন করা হয়।
⇒ ১৯৭৭ সালের ৩১ অক্টোবর কমিশনারদের মাধ্যমে ঢাকা পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত।
⇒ ১৯৭৮ সালে ঢাকা পৌরসভাকে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে উন্নীত করা হয় পৌরসভার চেয়ারম্যান ঢাকা মিউিনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের মেয়র নামে অবিহিত হয়।
⇒ ১৯৯০ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের নাম পরিবর্তন করে ঢাকা সিটি করপোরেশন নামকরণ করা হয়। 

 প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৪ সালে এবং ভোটারদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন মোহাম্মদ হানিফ। 
নগরবাসীর সেবা সহজলভ্য করার বৃহত্তর স্বার্থে ২০১১ সালের ২৩ নভেম্বর স্থানীয় সরকার সংশোধনী বিল ২০১১ অনুসারে সরকার ঢাকা সিটি করপোরেশনকে বিলুপ্ত ঘোষণা করে।
⇒ এ আইন অনুযায়ী ২০১১ সালের ৪ ডিসেম্বর থেকে ঢাকা সিটি করপোরেশনকে দুটি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করার ঘোষণা দেওয়া হয়।
⇒ এর ফলে ২০১২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নামে পৃথক দুইটি সিটি কর্পোরেশন যাত্রা শুরু করে।

উৎস: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ওয়েবসাইট।
১,১১৯.
যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড কোন সার উৎপাদন করে?
  1. টিএসপি
  2. ইউরিয়া
  3. এসএসপি
  4. এমওপি
ব্যাখ্যা
যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড: 
- যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ কারখানাটি যমুনা নদী হতে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরত্বে ১৯৯২ সালে তারাকান্দি, থানা- সরিষাবাড়ী, জামালপুর  জেলায় স্থাপিত হয়। 
- এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫,৬১,০০০ মেট্রিক টন।
- যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড বাংলাদেশে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী হিসেবে নিবন্ধিত। 
-যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড দানাদার ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান।

উৎস: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন। 
১,১২০.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী
  2. হুলিয়া
  3. ওরা ১১ জন
  4. ধীরে বহে মেঘনা
ব্যাখ্যা

ওরা ১১ জন (১৯৭২):
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র ‘ওরা ১১ জন’।
- 'ওরা এগারো জন' চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেন মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা।
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ওরা ১১ জন চলচ্চিত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের দিয়ে অভিনয় করিয়েছিলেন নির্মাতা-প্রযোজক।
- 'ওরা এগারো জন' চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন চাষী নজরুল ইসলাম।
- একাত্তরে ১১টি সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন বাঙালিরা।
- বিষয়টি মাথায় রেখেই সিনেমার নাম রাখা হয়েছে ওরা ১১ জন।
- পরিচালক হিসেবে চাষী নজরুল ইসলামের প্রথম সিনেমা ছিল এটি।
- ওরা ১১ জন-এর শুটিং হয়েছিল জয়দেবপুরে।
- চিত্রগ্রাহক ছিলেন আবদুস সামাদ।
- ওরা ১১ জন সিনেমা শুরু হয় সাইফুল ইসলামের কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত 'ও আমার দেশের মাটি' দিয়ে।

উল্লেখ্য,
- সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের চলচ্চিত্র ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’।
- ধীরে বহে মেঘনা (১৯৭৩)- এটির নির্মাতা আলমগীর কবির।
- 'হুলিয়া' স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটির পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক প্রথম আলো।

১,১২১.
IEDCR কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মহাখালী
  2. খ) আজিমপুর
  3. গ) মোহাম্মদপুর
  4. ঘ) আগারগাঁও
ব্যাখ্যা
- IEDCR (Institute of Epidemiology, Disease Control and Research) বা রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট ঢাকার মহাখালীতে অবস্থিত।
- এটি ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ সরকারের একটি গবেষণা ইনস্টিটিউট যা বাংলাদেশে মহামারী ও সংক্রামক ব্যাধি গবেষণা ও রোগ নিয়ন্ত্রণ বিষয় নিয়ে কাজ করে।
- বর্তমান পরিচালক প্রফেসর ডা. তাহমিনা শিরিন।
(তথ্যসূত্র: IEDCR ওয়েবসাইট)
১,১২২.
সম্প্রতি বঙ্গবন্ধুকে ‘ডক্টর অব লজ’ (মরণোত্তর) ডিগ্রি প্রদান করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
  3. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  4. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুকে ‘ডক্টর অব লজ’ (মরণোত্তর) ডিগ্রি প্রদান:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় ২৯ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখ।
- এই সমাবর্তনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সম্মানসূচক ‘ডক্টর অব লজ’ (মরণোত্তর) ডিগ্রি প্রদান করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত থেকে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে এই ডিগ্রি গ্রহণ করেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো আখতারুজ্জামান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সম্মানসূচক ‘ডক্টর অব লজ’ ডিগ্রী প্রদানের ঘোষণা দেন এবং জাতির পিতার কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ডিগ্রী তুলে দেন।
- প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতার পক্ষে স্বাক্ষর করে ডিগ্রী গ্রহণ করেন।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,১২৩.
কোথায় 'বঙ্গবন্ধু আইল্যান্ড' অবস্থিত?
  1. ক) সুন্দরবনের পশ্চিমে
  2. খ) সুন্দরবনের উত্তরে
  3. গ) সুন্দরবনের দক্ষিণে
  4. ঘ) সুন্দরবনের পূর্বে
ব্যাখ্যা
'বঙ্গবন্ধু দ্বীপ' সুন্দরবনের দক্ষিণে অবস্থিত। 

• বঙ্গবন্ধু আইল্যান্ড:
- বঙ্গবন্ধু দ্বীপ বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলার মংলা উপজেলার সুন্দরবনের অংশ 'দুবলার চর' থেকে ১০ কিলোমিটার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ।
- ১৯৯২ সালে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে প্রথম নতুন জেগে ওঠা একটি চরের দেখা পান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একনিষ্ঠ ভক্ত, মালেক ফরাজী নামের এক মৎস শিকারী।
- এ সময় তিনি জনমানবহীন এ দ্বীপের নাম দেন ‘বঙ্গবন্ধু দ্বীপ’ এবং সেখানে একটি সাইনবোর্ড লাগিয়ে দিয়ে আসেন।
- পরবর্তীতে ২০০৪ সালের পর থেকে দ্বীপটির আয়তন ক্রমেই বড় হচ্ছে এবং না ডুবে স্থিতিশীল অবস্থায় আসছে।
- সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে প্রায় দুই মিটার উঁচু দ্বীপটি । 

সূত্র: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট ও কালের কন্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট।
১,১২৪.
বাংলাদেশে পরমাণু শক্তি কমিশন গঠিত হয় কোন সনে? 
  1. ১৯৭২
  2. ১৯৭৩
  3. ১৯৭৫
  4. ১৯৯৭
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন:
- বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন গঠিত হয় — ১৯৭৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি।
- ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত এ প্রতিষ্ঠানটির নাম ছিল আণবিক শক্তি কমিশন। 
- বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন বাংলাদেশের একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও অন্যতম নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
- এর প্রধান উদ্দেশ্য হল, শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে আণবিক শক্তি উৎপাদন ও এটি নিয়ে গবেষণা করা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন ওয়েবসাইট।
১,১২৫.
রোহানি বাহারিন নিম্নের কোন স্থাপত্যটির নকশাবিদ ছিলেন?
  1. কমলাপুর রেলস্টেশন
  2. কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশন
  3. হাতিরঝিল
  4. শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল
ব্যাখ্যা
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল:
- ২০১৭ সালে তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়। এরপর নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর। এর নির্মাণকাজ করেছে জাপানের মিতসুবিশি ও ফুজিতা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামসাং।
- ৭ অক্টোবর ২০২৩ সালে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের উদ্বোধন করা হয়।
- টার্মিনালটির যাত্রী ক্যাপাসিটি ১ কোটি ৬০ লাখ।
- টার্মিনালটির ফ্লোর আয়তন ২ লাখ ৩০ হাজার বর্গ মিটার।

⇒ এ ভবনটির নকশা করেছেন রোহানি বাহারিন।
- তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন সিঙ্গাপুরের সিপিজি করপোরেশন প্রাইভেট লিমিটেডের স্থপতি।

⇒ ২১ হাজার ৩০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে নির্মিত এই টার্মিনাল।
- জাপানি সহযোগিতা সংস্থা জাইকা ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে।
- তৃতীয় টার্মিনালের জন্য সরকার অর্থায়ন করেছে পাঁচ হাজার কোটি টাকা।
- বাকি অর্থ জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি থেকে ঋণ নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে -
- কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশনটির নকশা করেছেন ফয়েজ উল্লাহ।
- কমলাপুর রেলস্টেশনটির নকশাকার ড্যানিয়েল বার্নহ্যাম এবং বব বুই।
- হাতিরঝিল-এর নকশাকার এহসান খান।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) The Daily Star Bangla.
১,১২৬.
২০২৫ সালে রবীন্দ্র পুরস্কার পেয়েছেন কে?
  1. ড. অসীম দত্ত
  2. ড. অনিল দত্ত
  3. ড. আশুতোষ দত্ত
  4. ড. অমল দত্ত
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্র পুরস্কার:
- বাংলা একাডেমি ২০১০ সালে রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তন করেছে।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গীতের চর্চা এবং রবীন্দ্র সঙ্গীতের বিকাশের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ব্যক্তিবিশেষকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- এই পুরস্কারের মান নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা।
- নগদ পুরস্কারের সঙ্গে একটি সম্মাননা প্রতীক ও সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়।

রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৫:
- ২০২৫ সালে রবীন্দ্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েরছেন ২ জন।
• রবীন্দ্র-সাহিত্যের গবেষণায় - ড. অসীম দত্ত।
• রবীন্দ্রসংগীত-চর্চায় - শিল্পী এ এম এম মহীউজজামান চৌধুরী ময়না।

তথ্যসূত্র - বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
১,১২৭.
সম্প্রতি বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা যে ফলের জীবন রহস্য উন্মোচন করেন?
  1. ক) কাঁঠাল
  2. খ) আম
  3. গ) কলা
  4. ঘ) ড্রাগন
ব্যাখ্যা
- সম্প্রতি বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা যে ফলের জীবন রহস্য উন্মোচন করেন – কাঁঠাল
- কাঁঠালের জীবন রহস্য উন্মোচনের গবেষণায় নেতৃত্ব দেন – বিজ্ঞানী অধ্যাপক তোফাজ্জল ইসলাম।
- জাতীয় ফল কাঁঠালের মুকুল আসে জানুয়ারিতে। পরিপক্ব কাঁঠাল আসে আরও দুই-তিন মাস পরে।
- কিন্তু বছর তিনেক আগে খাগড়াছড়ির রামগড়ের চা–বাগানে বারো মাস ফলন দেয়, এমন এক জাতের কাঁঠালের সন্ধান পান বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) বিজ্ঞানীরা।
- এখন দেশি-বিদেশি বিজ্ঞানীরা এই জাতের কাঁঠালের জীবনরহস্য উন্মোচন করেছেন।
- নতুন জাতের এই কাঁঠালের নাম ‘বারি-৩’ দিয়েছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- এই জাতের কাঁঠালগাছ যাতে সারা দেশে হয়, ফল দেয়, সেই লক্ষ্যে বিজ্ঞানীরা গবেষণা করেছেন।
- গবেষণার ফলাফল চলতি মাসে ‘ফ্রন্টিয়ার্স ইন প্ল্যান্ট সায়েন্স’ নামের একটি আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।
- গবেষণার পরের ধাপ হিসেবে রপ্তানিযোগ্য ও সহজে সংরক্ষণ করা সম্ভব এমন জাতের কাঁঠাল উদ্ভাবনে গবেষকেরা কাজ করছেন।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ।
১,১২৮.
'স্টেপস' ভাস্কর্যটি সিউল অলিম্পিকের পার্কে স্থান পেয়েছিল। এর ভাস্করের নাম-
  1. নভেরা আহমেদ
  2. হামিদুজ্জামান খান
  3. আবদুল্লাহ খালেদ
  4. সুলতানুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
• ১৯৮৮ সালের সিউল অলিম্পিকে বাংলাদেশের হামিদুজ্জামান খান ভাস্করের শিল্পকর্ম 'স্টেপস' ভাস্কর্যটি প্রদর্শনীতে স্থান পায়। 

--------------------- 
• হামিদুজ্জামান খান:
- একজন বাংলাদেশী ভাস্কর।
- তিনি ১৯৮১ সালে বঙ্গভবনে 'পাখি পরিবার',
- ১৯৮৭ সালে বাংলা একাডেমিতে 'মুক্তিযোদ্ধা',
- ১৯৮৮ সালে আশুগঞ্জ জিয়া সারকারখানায় 'জাগ্রত বাংলা'এবং
- ১৯৮৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল অলিম্পিক পার্কে 'স্টেপস' (সিঁড়ি) নির্মাণ করেন- হামিদুজ্জামান খান।
- "His piece titled ‘Steps’ has found a permanent place in the Seoul Olympic Park in Korea."

• অলিম্পিকে বাংলাদেশ:
- ১৯৮০ সালেই মস্কো অলিম্পিকে অংশ নেওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের।
- কিন্তু শেষ মুহূর্তে গেমস বয়কট করে।
- ১৯৮৪ সালে লস্ অ্যাঞ্জেলস অলিম্পিক গেমসে মার্চ পাস্টে জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে মাঠে নামে।
- ১৯৮৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদরা অংশ নেন।
- এরপর নিয়মিত অলিম্পিক গেমসে লাল-সবুজের পতাকা উড়ছে। 
- এখন পর্যন্ত কোনো আসরেই পদক জেতা হয়নি বাংলাদেশের।

উৎস: Bengal Foundation, বাংলাদেশ প্রতিদিন, ২৮ অক্টোবর, ২০১৯।
১,১২৯.
'Bangal Today' - গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
  3. গ) তাজউদ্দিন আহমদ
  4. ঘ) শেখ হাসিনা
ব্যাখ্যা
'Bangal Today' - গ্রন্থের রচয়িতা শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক।
১,১৩০.
কোন ধরনের বাংলা গানকে ইউনেস্কো Heritage of Humanity অভিধায় ভূষিত করেছে?
  1. জারি গান
  2. পালা গান
  3. বাউল গান
  4. রবীন্দ্র সংগীত
ব্যাখ্যা

• বাউল সংগীত:
- ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত দপ্তর হিসেবে কাজ করে আসছে।
- পদাধিকার বলে শিক্ষামন্ত্রী বিএনসিইউ এর চেয়ারম্যান ।

- মানবতার ইতিহাসে এই বাউল সংগীতের অপরিসীম সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যগত গুরুত্ব বিবেচনায় ইউনেস্কো ২০০৫ সালে একে “Masterpiece of the Oral and Intangible Heritage of Humanity” হিসেবে ঘোষনা দেয়।
- পরবর্তীতে ২০০৮ সালে ইউনেস্কোর অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত Intergovernmental Committee’র তৃতীয় অধিবেশনে বাংলাদেশের বাউল সংগীতকে Intangible Cultural Heritage of Humanity হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
 
উৎস: বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।

১,১৩১.
দেশের একমাত্র কৃত্রিম জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. রাঙামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র
- চট্টগ্রাম বিভাগের রাঙ্গামাটি জেলার অন্তর্গত কাপ্তাই উপজেলায় নির্মিত জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ।
- ১৯৫৬ খ্রিষ্টাব্দে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের বিদ্য্যুতের চাহিদা পূরণের জন্য, কর্ণফুলী নদীর উপর বাঁধ দিয়ে, এই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়। এই সূত্রে তৈরি হয়েছিল কৃ্ত্রিম কাপ্তাই হ্রদ।
- ১৯৫৬ খ্রিষ্টাব্দে তদানীন্তন পাকিস্তান সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়নে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ শুরু করে ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দে নির্মাণ শেষ হয়। এই সময় ইন্টারন্যাশনাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি এবং ইউতাহ ইন্টারন্যাশনাল ইনকর্পোরেট ৬৭০.৬ মিটার দীর্ঘ ও ৫৪.৭ মিটার উচ্চতার এ বাঁধটি নির্মাণ করে। এ বাঁধের পাশে ১৬টি জলকপাট সংযুক্ত ৭৪৫ ফুট দীর্ঘ একটি পানি নির্গমন পথ বা স্প্রিলওয়ে রাখা হয়েছে। এ স্প্রিলওয়ে প্রতি সেকেন্ডে ৫ লাখ ২৫ হাজার কিউসেক ফিট পানি নির্গমন করতে পারে। 
-  ১৯৫৬ থেকে ১৯৬১ সালে কাপ্তাই খালে বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে তৈরি জলাধারের পানি প্রবাহের মাধ্যমে এই কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়।
- এই কেন্দ্রের বর্তমান উৎপাদন ক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট।

সূত্র- বাংলাপিডিয়া।  
১,১৩২.
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ বহনকারী রকেট কোনটি?
  1. ফ্যালকন ৬
  2. ফ্যালকন ৭
  3. ফ্যালকন ৮
  4. ফ্যালকন ৯
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১:
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নির্মাণ করেছে বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের থেলেস এলেনিয়া স্পেস।
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গায়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার রঙের নকশার ওপর ইংরেজিতে লেখা রয়েছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু ১।
- বাংলাদেশ সময় ১১ মে, ২০১৮ তারিখে রাত ২টা ১৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১ মহাকাশে পাঠানো হয়।
- ফ্যালকন ৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে নিয়ে যাত্রা করে নিজস্ব কক্ষপথে।
- রকেট উৎক্ষেপণের আধা ঘণ্টাখানেক পর স্যাটেলাইটটি কাঙ্ক্ষিত জিওস্টেশনারি ট্রান্সফার অরবিটে পৌঁছায়।
- এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও ডেটা কমিউনিকেশন সেবা পাওয়া যাবে। 
- এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট সদস্য দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো বাংলাদেশ।

তথ্যসূত্র - বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১, portal.gov.bd.
১,১৩৩.
বাংলাদেশের কোন ক্রিকেটার ডব্লিউএফপির শুভেচ্ছাদূত?
  1. সাকিব আল হাসান
  2. তামিম ইকবাল
  3. মাশরাফি বিন মর্তুজা
  4. মুশফিকুর রহিম
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির শুভেচ্ছাদূত হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল।
• বাংলাদেশের তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে জাতিসংঘের কোনো অঙ্গসংঠনের শুভেচ্ছাদূত নির্বাচিত হলেন তামিম।
• এর আগে সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মুর্তজা ইউনিসেফের হয়ে এই সম্মান পেয়েছিলেন।
উৎসঃ দৈনিক ইত্তেফাক (০১ জুন)।

১,১৩৪.
বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে নিজের শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করেন কে?
  1. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  2. সাকিব আল হাসান
  3. মুশফিকুর রহিম
  4. মোহাম্মদ আশরাফুল
ব্যাখ্যা

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল:
- টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ: ২০০০ সালে।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচ: ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর, ভারতের বিপক্ষে।
- অধিনায়ক (প্রথম টেস্টে): নাইমুর রহমান দুর্জয়।
- প্রথম টেস্ট জয়: ২০০৫ সালে, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে।
- প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান: আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

উল্লেখ্য,  
- প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি: মুশফিকুর রহিম।
- প্রথম ১০০০ রান সংগ্রাহক: হাবিবুল বাশার।
- শততম টেস্ট ম্যাচ: ২০১৭ সালে, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে, কলম্বোতে অনুষ্ঠিত।
- শততম টেস্টে সেঞ্চুরি: সাকিব আল হাসান।
- বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে নিজের শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করেন- মুশফিকুর রহিম।

• বিশেষ তথ্য-
- মোহাম্মদ আশরাফুল টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে সেঞ্চুরি করার রেকর্ড গড়েন।
- তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেন ২০০১ সালে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার টেস্ট ম্যাচের তৃতীয় দিনে। 

তথ্যসূত্র- ১. ESPNcricinfo.com ও ২. The Business Standard পত্রিকা রিপোর্ট।

১,১৩৫.
বাংলাদেশের কোন স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা ৭৮তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে বিশেষ স্বীকৃতি পেয়েছে?
  1. বীর বিচ্ছু
  2. আলী
  3. নীল দংশন
  4. দ্য অ্যাডভেঞ্চারার
ব্যাখ্যা
- ৭৮তম কান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বিশেষ উল্লেখযোগ্য ছবি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলাদেশের স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘আলী’।
-  স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র শাখার স্পেশাল মেনশন (বিশেষ উল্লেখযোগ্য ছবি হিসেবে স্বীকৃতি) দেওয়া হয় আদনান আল রাজীব পরিচালিত সিনেমাটিকে।
- সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্র আলী উপকূলীয় এলাকার এক কিশোর। যেখানে সে থাকে, সেখানে নারীদের গান গাইতে দেওয়া হয় না।
 শহরে যাওয়ার সুযোগ পেতে আলী একটি গানের প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। ব্যতিক্রমী বিষয় হল, সে নারীকণ্ঠেও গান গাইতে পারে।
- ১৫ মিনিট দৈর্ঘ্যের এ সিনেমায় আলী চরিত্রে অভিনয় করেছেন আল আমিন। গত বছরের নভেম্বরে সিলেটে ‘আলী’র দৃশ্যধারণ হয়।

উৎস: প্রথম আলো।
১,১৩৬.
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল কত সালে প্রথম এশিয়া কাপের শিরোপা জয় লাভ করে?
  1. ২০১৬
  2. ২০১৭
  3. ২০১৮
  4. ২০১৯
ব্যাখ্যা
নারী ক্রিকেট দল:
 - ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।
- ২০১৮ সালে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল এশিয়া কাপের শিরোপা জয় করে।
- ২০১৮ সালে মালয়েশিয়ায় টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এশিয়া কাপ।
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ২০২১ সালে টেস্ট মর্যাদা পায়।
 
উৎস: প্রথম আলো।
১,১৩৭.
‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫’ মোট কতজন নারীকে প্রদান করা হয়?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন 
  4. ৫ জন
ব্যাখ্যা

‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫’:
- ‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫’ প্রাপ্ত নারী চারজন।
 - নারীশিক্ষা শ্রেণিতে (গবেষণা) রুভানা রাকিব,
- নারী অধিকার শ্রেণিতে (শ্রম অধিকার) কল্পনা আক্তার,
- মানবাধিকার শ্রেণিতে নাবিলা ইদ্রিস ।
- নারী জাগরণ শ্রেণিতে (ক্রীড়া) ঋতুপর্ণা চাকমা। 

- নারীশিক্ষা, নারী অধিকার, মানবাধিকার ও নারী জাগরণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে রোকেয়া পদক দেওয়া হয়।

উৎস: প্রথম আলো।

১,১৩৮.
নিপোর্ট (NIPORT) কী ধরনের গবেষণা প্রতিষ্ঠান?
  1. জনসংখ্যা গবেষণা
  2. নদী গবেষণা
  3. মিঠাপানি গবেষণা
  4. বন্দর গবেষণা
ব্যাখ্যা

NIPORT:
- জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট NIPORT-এর পূর্ণরূপ: National Institute of Population Research and Training.
- এটি ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।

• স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি কর্মসূচী ব্যবস্থাপনার  ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার একটি আদর্শ আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান তৈরির দিকে দৃষ্টি রেখে ১৯৭৭ সালে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)-এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- নিপোর্ট স্বস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন এবং মাঠপর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং মনোভাবের পরিবর্তনের জন্য বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষণ প্রদান করে আসছে।
- নিপোর্টের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে প্রজনন স্বাস্থ্য, শিশু স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচিকে জোরদার করার জন্য কর্মসূচিভিত্তিক মূল্যায়নধর্মী অপারেশনাল গবেষণা ও সার্ভে পরিচালনা করা এবং কর্মসূচি উন্নয়নের জন্য গবেষণার ফলাফল কার্যকরভাবে বিভিন্ন পর্যায়ে উপস্থাপন করা।
- নিপোর্ট প্রধান কার্যালয়ের প্রশিক্ষণ সুবিধা ছাড়াও বিভাগীয় ও জেলা শহরেরয়েছে ১২টি পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (FWVTI), উপজেলা পর্যায়ে রয়েছে ২০টি আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (RTC)। এছাড়া, ১২টি এফডব্লিউভিটিআই-এর সাথে আরো ৩১টি মাঠ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (FTC) সংযুক্ত রয়েছে।

• রূপকল্প:  ২০৩০ সালের মধ্যে স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি সেক্টরে মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণ প্রদান ও গবেষণা পরিচালনার  ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার একটি নেতৃস্থানীয় প্রতিষ্ঠান (Centre of excellence) হিসেবে নিপোর্টকে গড়ে তোলা।
- অভিলক্ষ্য: গুণগতমানে উন্নত প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলে ও চাহিদাভিত্তিক গবেষণা পরিচালনা করে স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি কর্মসূচির উন্নয়ন ঘটিয়ে দেশের জনসংখ্যাকে সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সরকারকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা।

• নিপোর্টের ৩টি পরিচালনা ইউনিট রয়েছে- প্রশাসন, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা।
- মহাপরিচালক নিপোর্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। 

উৎস: NIPORT ওয়েবসাইট।

১,১৩৯.
দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথে অর্থায়ন করেছে -
  1. এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকার
  2. বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ
  3. এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক ও বিশ্বব্যাংক
  4. বাংলাদেশ সরকার ও জাইকা
ব্যাখ্যা
দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ:
 
- ১১ নভেম্বর ২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত রেলপথ উদ্বোধন করেন।
- আর এর মধ্য দিয়ে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের সঙ্গে রেলপথে যুক্ত হবে কক্সবাজার, তথা যুক্ত হবে ঢাকাসহ সারাদেশের সঙ্গে।
- রেলপথটি বাংলাদেশকে মিয়ানমার, চীনসহ ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ের করিডোরে যুক্ত করবে।
- বাংলাদেশ রেলওয়ে নেটওয়ার্কের ৪৮তম জেলা হিসেবে যুক্ত হয়েছে কক্সবাজার।
- ১ ডিসেম্বর যাত্রী নিয়ে এই নতুন রেলপথে বাণিজ্যিকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হবে।
- ২০৪৫ সালের মধ্যে দেশের ৬০টি জেলায় রেল নেটওয়ার্ক স্থাপনের লক্ষ্য আছে বাংলাদেশে রেলওয়ের।
- দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার এবং রামু থেকে মায়ানমারের কাছে ঘুমধুম পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের জন্য ২০১০ সালে ৬ জুলাই দোহাজারী-রামু-ঘুমধুম রেললাইন নির্মাণ প্রকল্পটি অনুমোদন পায়।
- দোহাজারি-চকরিয়া এবং চকরিয়া-কক্সবাজার (লট-১ ও লট-২) এই দুই লটে চীনা প্রতিষ্ঠান সিআরসি (চায়না রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন) ও দেশীয় প্রতিষ্ঠান তমা কনসট্রাকশন প্রকল্পের নির্মাণ কাজ পায়।
- এই রেললাইন নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১৮ হাজার ৩৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।
- এর অর্থায়ন করেছে এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও বাংলাদেশ সরকার।
 
তথ্যসূত্র - ঢাকা পোস্ট, ১১ নভেম্বর ২০২৩ ও কালের কন্ঠ, ১০ নভেম্বর, ২০২৩।
১,১৪০.
৫ম বাংলাদেশি হিসেবে বাবর আলী কত তারিখে এভারেস্ট জয় করেছেন?
  1. ১৯ মে, ২০২৪
  2. ২১ মে, ২০২৪
  3. ২৩ মে, ২০২৪
  4. ২৬ মে, ২০২৪
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশী এভারেস্ট জয়ী:
- বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম এভারেস্ট পর্বত বা মাউন্ট এভারেস্ট (Mount Everest)।
- ১৯৫৩ সালে এডমন্ড হিলারি ও তেনজিং নোরগে প্রথম এই শৃঙ্গ জয় করেন।
- বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ হচ্ছে ৬৭তম এভারেস্টজয়ী দেশ।

⇒ এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, মো. খালেদ হোসাইন, বাবর আলী।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।

এছাড়াও,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন।
- তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি।
- তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

উৎস: i) ২০ মে, ২০২৪, The Business Standard.
ii) ২৯ আগস্ট ২০২২, প্রথম আলো।
১,১৪১.
বাংলাদেশ কোন অলিম্পিক গেমসে প্রথম অংশগ্রহণ করে ?
  1. লস অ্যাঞ্জেলেস
  2. সিউল
  3. বার্সেলোনা
  4. আটলান্টা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ প্রথম অলিম্পিক গেমসে অংশগ্রহণ করে - ১৯৮৪ লস অ্যাঞ্জেলেস। 
- প্রতিযোগী ছিল : ১ জন।
- সাইদুর রহমান ডন অ্যাথলেটিকস।
-  ২০২৪ সালে সর্বশেষ প্যারিসে অলিম্পিক গেমসের ৩০তম আসর বসে।
- ২০২৪ সালের পূর্বে বাংলাদেশ অলিম্পিকের ১১টি আসরে অংশ নিয়েছে ।
- পরবর্তী ২০২৮ লস অ্যাঞ্জেলেসে অলিম্পিকের ৩১ তম আসর বসবে।

উৎস: প্রথম আলো এবং যুগান্তর।
১,১৪২.
‘একাত্তর স্বরণে’ ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনে
  2. খ) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. গ) বাংলা একাডেমীতে
  4. ঘ) খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে
ব্যাখ্যা
‘একাত্তর স্বরণে’ ভাস্কর্যটি বাংলা একাডেমি ভবনের প্রধান ফটকের ডান পাশের দেয়ালে স্থাপিত।
১,১৪৩.
টেস্ট ক্রিকেটে বর্তমানে বাংলাদেশের অধিনায়ক কে? [জুন, ২০২৫]
  1. মেহেদী হাসান মিরাজ
  2. সৌম্য সরকার
  3. লিটন দাস
  4. নাজমুল হোসেন শান্ত
ব্যাখ্যা
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে — ২০০০ সালে।
- সর্বপ্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে — ২০০০ সালের ১০ই নভেম্বর — ভারতের বিপক্ষে।
- টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় পায় — ২০০৫ সালে — জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় লাভ করে — ১০ জানুয়ারি, ২০০৫ সালে — জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ।

উল্লেখ্য,
- টেস্ট ক্রিকেটে বর্তমানে বাংলাদেশের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

উৎস: i) Bangladesh Cricket Board।
ii) প্রথম আলো।
১,১৪৪.
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (BFRI) কোথায় অবস্থিত? 
  1. ফরিদপুর
  2. চাঁদপুর
  3. চট্টগ্রাম
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (BFRI):
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) দেশের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে গবেষণা পরিচালনার জন্য একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- ইনস্টিটিউটের সদরদপ্তর ময়মনসিংহে অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশের মৎস্য খাতে বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতির জন্য ক্রমবর্ধমান প্রয়োজনীয়তা মোকাবেলা করার লক্ষ্যে এটি তৈরি করা হয়েছে।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের মৎস্য সম্পদের উৎপাদনশীলতা ও স্থায়িত্ব বাড়াতে গবেষণা পরিচালনা, কারিগরি সহায়তা প্রদান এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচী প্রদানে সহায়ক ভূমিকা পালন করে আসছে।

উল্লেখ্য,
- বিএফআরআই গবেষণা, সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তি হস্তান্তর, সংরক্ষণ প্রচেষ্টা এবং নীতি সহায়তার মাধ্যমে মৎস্য খাতের অগ্রগতিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে, যা বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে।

এছাড়াও,
⇒ ইনস্টিটিউটের গবেষণা কার্যক্রম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত ৫টি কেন্দ্র হতে পরিচালিত হয়ে থাকে।
⇒ গবেষণা কেন্দ্রগুলো হচ্ছে:
- সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র: কক্সবাজার।
- স্বাদুপানি কেন্দ্র: ময়মনসিংহ।
- নদী গবেষণা কেন্দ্র: চাঁদপুর।
- লোনাপানি কেন্দ্র: পাইকগাছা, খুলনা।
- চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র: বাগেরহাট।

উৎস: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট। 

১,১৪৫.
মওলানা ভাসানী সেতু’ কোন নদীর ওপর নির্মিত হয়েছে?
  1. তিস্তা
  2. ব্রক্ষ্মপুত্র
  3. ধরলা
  4. করতোয়া
ব্যাখ্যা

মওলানা ভাসানী সেতু:
- তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত হয়েছে ‘মওলানা ভাসানী সেতু’।
- এটি গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর ঘাট থেকে কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী পর্যন্ত বিস্তৃত।
- সেতুটির দৈর্ঘ্য ১৪৯০ মিটার এবং প্রস্থ ৯.৬০ মিটার এবং সেতুটিতে মোট ৩০টি পিলার রয়েছে।
- সেতুটি সৌদি ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহায়তায় ও এলজিইডির তত্ত্বাবধানে চীনা একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করেছে।

উৎস: বাসস।

১,১৪৬.
জাতীয় সংসদ ভবন কোথায় অবস্থিত?
  1. শাহবাগ
  2. শেরেবাংলা নগর
  3. মতিঝিল
  4. কদমতলি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবন:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন ঢাকার শেরে-বাংলা নগর এলাকায় অবস্থিত।
- ভবনটি পৃথক নয়টি ব্লকে বিভক্ত একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ কমপ্লেক্স।
- প্রখ্যাত মার্কিন স্থপতি লুই কান এটির মূল স্থপতি।
- ১৯৫৯ সালে প্রথম ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবন কমপ্লেক্সটির পরিকল্পনা গৃহীত হয়। 
- ১৯৬২ সালে মূল নকশা প্রস্তুত করা হয়।
- ১৯৬৪ সালে নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- ১৯৬৯ সালে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন শুরু হলে এর নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায় ।
- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৮২ সালে ভবনের নির্মাণ কাজ শেষ হয়।

উল্লেখ্য,
- মূল ভবন কমপ্লেক্সটির নয়টি স্বতন্ত্র বিভাগে বিভক্ত।
- কেন্দ্রীয় ব্লকটি ৩৫৪ আসন ধারণক্ষম অ্যাসেম্বলি কক্ষ নিয়ে গঠিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট।

১,১৪৭.
২০২৪ সালে স্বাধীনতা পুরষ্কার পেয়েছেন কত জন নাগরিক?
  1. ৮ জন
  2. ৯ জন
  3. ১০ জন
  4. ১১ জন
ব্যাখ্যা
 স্বাধীনতা পুরস্কার - ২০২৪
- 'স্বাধীনতা পুরস্কার' বাংলাদেশের জাতীয় এবং "সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার"। 
- দেশ ও জাতির কল্যাণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৭ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
- বাংলাদেশ সরকারের 'মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ' থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা। 
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১০ বিশিষ্ট ব্যক্তি পাচ্ছেন 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪' পাচ্ছেন।
- পুরস্কারপ্রাপ্তরা হচ্ছেন—

স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে
• কাজী আব্দুস সাত্তার
• বীর মুক্তিযোদ্ধা ফ্লাইট সার্জেন্ট মো. ফজলুল হক (মরণোত্তর)
• ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ আবু নঈম মো. নজিব উদ্দীন খাঁন (খুররম) (মরণোত্তর)।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে
• ড. মোবারক আহমদ খান।

চিকিৎসাবিদ্যায়
• ডা. হরিশংকর দাশ।

সংস্কৃতিতে
• মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান।

ক্রীড়ায়
• ফিরোজা খাতুন

সমাজ বা জনসেবায়
• অরন্য চিরান
• বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ বাকী 
• এসএম আব্রাহাম লিংকন। 

উৎস:- মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইট।  
১,১৪৮.
বিখ্যাত চিত্রকর্ম 'তিনকন্যা’ অঙ্কন করেন কে?
  1. নভেরা আহমেদ
  2. কামরুল হাসান
  3. এসএম সুলতান
  4. জয়নুল আবেদিন
ব্যাখ্যা

শিল্পী কামরুল হাসান:
- তাঁর প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার নারেঙ্গা গ্রামে।
- কামরুল হাসানের শিক্ষাজীবন কাটে কলকাতায়।
- তিনি কলকাতার মডেল এম ই স্কুল (১৯৩০-৩৫) এবং কলকাতা মাদ্রাসায় (১৯৩৬-৩৭) প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন।
- ১৯৩৮ সালে তিনি কলকাতার গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টস-এ ভর্তি হন এবং ১৯৪৭ সালে চিত্রকলায় স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
- 'তিনকন্যা' ও 'নাইওর' তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
- ১৯৮৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

অপরদিকে,
- জয়নুল আবেদিন চিত্রকর্ম: ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ চিত্রমালা, 'নবান্ন', 'মনপুরা ৭০', 'মই দেয়া', 'সাঁওতাল রমণী', 'বিদ্রোহী' এবং 'কাক'।
- এসএম সুলতানের বিখ্যাত চিত্রকর্ম:  'প্রথম বৃক্ষরোপণ', 'চরদখল', 'জমি চাষ', 'হত্যাযজ্ঞ', এবং 'মাছ ধরা-৩। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,১৪৯.
বাঘা মসজিদ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. যশোর
  2. রাজশাহী
  3. নাটোর
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

বাঘা মসজিদ:
- বাঘা মসজিদ রাজশাহী শহরের বাঘা উপজেলায় অবস্থিত।
- একটি উঁচু টিলার উপর টেরাকোটা অলংকরণে সমৃদ্ধ দশ গম্বুজ বিশিষ্ট অতুলনীয় বাঘা মসজিদটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম মসজিদ গুলির অন্যতম।
- বাংলার (গৌড়) সুলতান নশরত শাহের আমলে ১৫২৩ খৃষ্টাব্দে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়।
- মসজিদ চত্ত্বরের পার্শ্বেই রয়েছে একাধিক পীর আউলিয়াগনের মাজার।
- মসজিদটি ২৫৬ বিঘা জমির ওপর অবস্থিত। সমভুমি থেকে থেকে ৮-১০ ফুট উঁচু করে মসজিদের আঙিনা তৈরি করা হয়েছে।
- মসজিদটিতে সর্বমোট ১০টি গম্বুজ, ৪টি মিনার (যার শীর্ষদেশ গম্বুজাকৃতির) এবং ৫টি প্রবেশদ্বার রয়েছে।
- এই মসজিদটি চারদিক হতে প্রাচীর দিয়ে ঘেরা এবং প্রাচীরের দু’দিকে দু’টি প্রবেশদ্বার রয়েছে। মসজিদের ভিতরে-বাইরে সবর্ত্রই টেরাকোটার নকশা রয়েছে।

তথ্যসূত্র - রাজশাহী জেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

১,১৫০.
বাংলাদেশ সর্বপ্রথম টেস্ট ও ওয়ানডে উভয় সিরিজে কোন দলকে হোয়াইটওয়াশ করে?
  1. জিম্বাবুয়ে
  2. আয়ারল্যান্ড
  3. কেনিয়া
  4. ওয়েস্ট ইন্ডিজ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সর্বপ্রথম টেস্ট ও ওয়ানডে উভয় সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলকে হোয়াইটওয়াশ করে।
উৎসঃ বিসিবির ওয়েবসাইট।
১,১৫১.
২০২৫ সালে কতজনকে 'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪' প্রদান করা হয়?
  1. ৫ জন
  2. ৭ জন
  3. ১১ জন
  4. ১৭ জন
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪:
• ফেব্রুয়ারি, ২০২৫-এ ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে 'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪' প্রদান করা হয়। তারা হলেন -
- কবিতায়: মাসুদ খান,
- নাটক ও নাট্যসাহিত্যে: শুভাশিস সিনহা,
- প্রবন্ধ/গদ্যে: সলিমুল্লাহ খান,
- অনুবাদে: জি এইচ হাবীব,
- গবেষণায়: মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া,
- বিজ্ঞানে: রেজাউর রহমান,
- ফোকলোরে: সৈয়দ জামিল আহমেদ।

⇒ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সমসাময়িক জীবিত লেখকদের সামগ্রিক মৌলিক অবদান চিহ্নিত করে তাঁদের সৃজনী প্রতিভাকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে শিক্ষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে অনুকুল পরিবেশ সৃষ্টি করাই বাংলা একাডেমির সাহিত্য পুরস্কার প্রদানের উদ্দেশ্য।
- প্রতি বছর মাসব্যাপী আয়োজিত অমর একুশে গ্রন্থমেলা ও অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পুরস্কার প্রাপ্তদের পুস্কারের অর্থমূল্যের চেক, সম্মাননা পত্র ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন।
- বাংলা সাহিত্যের ১০টি শাখায় এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- প্রতিটি পুরস্কারের মূল্যমান ৩,০০,০০.০০ (তিন লক্ষ) টাকা।

উৎস: i) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

১,১৫২.
২০২২ সালে বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রবাসী আয়ে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) চতুর্থ
  2. খ) সপ্তম
  3. গ) পঞ্চম
  4. ঘ) তৃতীয়
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের অবস্থান - সপ্তম।
• প্রবাসী আয় সংক্রান্ত রিপোর্ট – ২০২২:

- বিশ্বব্যাংক প্রতিষ্ঠিত বহুপক্ষীয় ট্রাস্ট ফান্ড 'The Global Knowledge Partnership on Migration and Development (KNOMAD)’ মে, ২০২২ তারিখে প্রবাসী আয় সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

• এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে - বিশ্বের দরিদ্র ও মধ্য আয়ের দেশগুলো ২০২২ সালে মোট ৬৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিটেন্স গ্রহণ করে।
প্রতিবেদন অনুসারে,

২০২১ সালে প্রবাসী আয়ে শীর্ষ ৫ দেশ হলো:
- প্ৰথম- ভারত
- দ্বিতীয়- মেক্সিকো
- তৃতীয়- চীন
- চতুর্থ- ফিলিপাইন
- পঞ্চম- মিশর

তথ্যসূত্র: প্রবাসী আয় সংক্রান্ত রিপোর্ট – ২০২২
১,১৫৩.
বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপিত হবে কোন সালে?
  1. ক) ২০২১
  2. খ) ২০৪৬
  3. গ) ২০৭১
  4. ঘ) ২০৯১
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পূর্তি অর্থাৎ, সুবর্ণজয়ন্তী হবে ২০২১ সালে।
উৎসঃ দৈনিক যুগান্তর
১,১৫৪.
বাংলাদেশ কমনওয়েলথ-এর কততম সদস্য?
  1. ২৯তম
  2. ৩২তম
  3. ৩৩তম
  4. ৩৪তম
ব্যাখ্যা
কমনওয়েলথ (Commonwealth):
- কমনওয়েলথ মূলত ব্রিটেনের সাবেক উপনিবেশিক দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- এটি ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় সর্বসম্মতিক্রমে।
- বর্তমান সদস্য ৫৬টি।
- সদরদপ্তর: মার্লবোরো হাউস, লন্ডন।
- এর প্রধান: রাজা তৃতীয় চার্লস।

⇒ বাংলাদেশ-এর ৩২তম সদস্য দেশ হিসেবে ১৮ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে যোগ দেয়।


উৎস: Commonwealth ওয়েবসাইট।
১,১৫৫.
বাংলার ' ছিয়াত্তরের মন্বন্তর' - এর সময় কাল:
  1. ক) ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দ
  2. খ) ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দ
  3. গ) ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দ
  4. ঘ) ১৭৫৬ খ্রিস্টাব্দ
ব্যাখ্যা
ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামক দুর্ভিক্ষ ঘটেছিল ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে (বাংলা সন ১১৭৬)। তখন ছিল আঠারো শতকের চরম অর্থনৈতিক মন্দার বছর।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
১,১৫৬.
নিম্নোক্ত কোন ব্যক্তি ২০২৫ সালে মরণোত্তর একুশে পদক লাভ করেন?
  1. আবরার ফাহাদ
  2. আজম খান
  3. হেলাল হাফিজ
  4. ব্রজেন দাস
ব্যাখ্যা
হেলাল হাফিজ ২০২৫ সালে মরণোত্তর একুশে পদক লাভ করেন। 

একুশে পদক:

- এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
- ১৯৭৬ সালে জিয়াউর রহমান একুশে পদক প্রবর্তন করেন।
- জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্যে এ পদক দেওয়া হয়।

• একুশে পদক ২০২৫:
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য দেশের ১৭ জন বিশিষ্ট নাগরিক এবং বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলকে ২০২৫ সালের একুশে দেওয়া হয়েছে।
- তাদের মধ্যে ছয়জনই মরণোত্তর এ সম্মাননা পেয়েছেন।
- তারা হলেন: চলচ্চিত্রে আজিজুর রহমান (মরণোত্তর), সংগীতে ওস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর), সাংবাদিকতায় মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর), সমাজসেবায় মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর), ভাষা ও সাহিত্যে হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর) ও শহীদুল জহির (মরণোত্তর)।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১,১৫৭.
জাতীয় প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৫২ সালে
  2. ১৯৫৪ সালে
  3. ১৯৬০ সালে
  4. ১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা
জাতীয় প্রেসক্লাব: 
- জাতীয় প্রেসক্লাব জাতীয় পর্যায়ে সাংবাদিকদের একটি সংঘবিশেষ।
- বিশ্বের কোথাও কোথাও এ ধরনের প্রতিষ্ঠান প্রেসগিল্ড নামেও পরিচিত।
- ঢাকায় অবস্থিত জাতীয় প্রেসক্লাবই বাংলাদেশের প্রধান প্রেসক্লাব।
- অবিভক্ত বাংলায় প্রথম প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালে কলকাতায়। 
- ১৯৫৪ সালের ২০ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠা লাভ করে। 
- বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর ১৯৭২ সালে পূর্ব পাকিস্তান প্রেসক্লাব সংশোধন করে নাম রাখা হয় জাতীয় প্রেসক্লাব।
- ১৯৯৫ সালে জাতীয় প্রেসক্লাবের পতাকা ও প্রতীক নির্বাচন করা হয়।
- জাতীয় প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের একটি প্রফেশনাল ক্লাব হলেও বিভিন্ন জাতীয় ইস্যুতে গোড়া থেকেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।
- ১৯৬৪ সালের দাঙ্গাবিরোধী শান্তি মিছিল, ১৯৬৭ সালে রবীন্দ্রসঙ্গীত নিষিদ্ধ ঘোষণার প্রতিবাদ মিছিল এ প্রেসক্লাব থেকে শুরু হয়েছিল।
পরবর্তী সময়ে স্বাধিকার আন্দোলন, একাত্তরের  মুক্তিযুদ্ধ, আরও পরে গণতন্ত্র ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় এবং স্বৈরশাসনের দুঃসহ দিনগুলিতে প্রেসক্লাবই হয়ে উঠেছিল আন্দোলন ও সংগ্রামের কেন্দ্রস্থল।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে হানাদার বাহিনী প্রেসক্লাব ভবনে মর্টারশেল নিক্ষেপ করেছিল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১,১৫৮.
'বজরা শাহী মসজিদ' কোথায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. বগুড়া
  3. নোয়াখালী
  4. নাটোর
ব্যাখ্যা
বজরা শাহী মসজিদ:
- নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরা ইউনিয়নে নির্মিত ঐতিহাসিক মসজিদের নাম বজরা শাহী মসজিদ।
- দিল্লির শাহী জামে মসজিদের নকশার অনুকরণে বজরা শাহী মসজিদটি গড়ে তোলা হয়েছে।
- মসজিদের সাথে যে শিলালিপি আছে তা থেকে জানা যায় যে, সম্রাট মোহাম্মদ শাহ এর রাজত্বকালে ১৭৪১ সালে আমানউল্লাহ নামক এক ব্যক্তি মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন।

উল্লেখ্য,
- বজরা শাহী মসজিদটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১১৬ ফুট, প্রন্থ প্রায় ৭৪ ফুট এবং মসজিদটির উচ্চতা প্রায় ২০ ফুট। ৩ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদটির ভীত মাটির প্রায় ২০ ফুট নিচ থেকে তৈরী করা হয়েছে। ভিনিটি গম্বুজই সুদৃশা মার্বেল পাথর সুসজ্জিত।
- ১৯৯৮ সালে ২৯ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ ঐতিহাসিক বজরা শাহী মসজিদের ঐতিহ্য রক্ষা এবং দুর্লভ নিদর্শন সংরক্ষণের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।
- মোগল সম্রাট মোহাম্মদ শাহের অনুরোবে সৌদি আরবের পবিত্র কাবা শরীফ হতে মাওলানা শাহ আবু সিদ্দীক বজরা শাহী মসজিদের প্রথম ইমাম হিসেবে স্থায়ীত্ব পালন শুরু করেন।
- মাওলানা শাহ আবু সিদ্দীক সাহেবের বংশয়রগণ যুগ যুগ ধরে বজরা শাহী মসজিদের ইমামের দায়িত্ব পালন করে চলছেন।
- বর্তমানে শাহ আবু সিদ্দীক সাহেবের ৭ম পুরুষ ইমাম হাসান সিদ্দীকি বজরা শাহী মসজিদে ইমাম হিসাবে নিযুক্ত আছেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,১৫৯.
পাট থেকে সবুজ চা উদ্ভাবন করেন-
  1. মোবারক আহমদ খান
  2. বজলুর রহমান
  3. ইসমাইল হোসেন খান
  4. মাকসুদুল আলম
ব্যাখ্যা

- পাট থেকে পলিথিন উদ্ভাবন করেন মোবারক আহমদ খান।
- পাট থেকে সবুজ চা উদ্ভাবন করেন ইসমাইল হোসেন খান।
- পাট ও ছত্রাকের জীবন রহস্য উদ্ভাবন করেন মাকসুদুল আলম।

১,১৬০.
বর্তমানে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান-
  1. ক) ১ম
  2. খ) ২য়
  3. গ) ৩য়
  4. ঘ) ৪র্থ
ব্যাখ্যা

- বর্তমানে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়।
- তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ চীন।
- তৈরি পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় শীর্ষ দেশ ভিয়েতনাম।

- তৈরি পোশাক আমদানিতে শীর্ষ দেশ যুক্তরাষ্ট্র।
- দ্বিতীয় শীর্ষ দেশ জাপান।
- তৈরি পোশাক আমদানিতে তৃতীয় শীর্ষ দেশ যুক্তরাজ্য।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের জুলাইয়ে ভিয়েতনাম বাংলাদেশকে টপকে দ্বিতীয় অবস্থানে চলে আসে।

১,১৬১.
এখন পর্যন্ত (২০২৪) কতজন বাংলাদেশী এভারেস্ট জয় করেছেন?
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬ জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশী এভারেস্ট জয়ী:

- বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম এভারেস্ট পর্বত বা মাউন্ট এভারেস্ট (Mount Everest)।
- ১৯৫৩ সালে এডমন্ড হিলারি ও তেনজিং নোরগে নেপালের দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্ব শৈলশিরা ধরে প্রথম এই শৃঙ্গ জয় করেন।
- বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ হচ্ছে ৬৭তম এভারেস্টজয়ী দেশ।
- এখন পর্যন্ত পাঁচজন বাংলাদেশী এভারেস্ট জয় করেছেন।
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ২৩ মে ২০১০ সালে প্রথম এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম।
- নারীদের মধ্যে প্রথম বাংলাদেশি এভারেস্টজয়ী হচ্ছেন নিশাত মজুমদার।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন ও মো. খালেদ হোসাইন।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ৬ ডিসেম্বর, ২০২২।
১,১৬২.
শান্তির জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কবে জুলিও কুরী পুরস্কার পান?
  1. ক) ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭২
  2. খ) ২৪ মে ১৯৭৩
  3. গ) ২৩ জুন ১৯৭৩
  4. ঘ) ২৩ মে, ১৯৭৩
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান:
- শান্তিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বিশ্ব শান্তি পরিষদ' কর্তৃক 'জুলিও কুরি' শান্তি পদকে ভূষিত করে।
- ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর চিলির সান্টিয়াগো শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব শান্তি পরিষদের সভায় বঙ্গবন্ধুকে ১৯৫০ সালে প্রবর্তিত জুলিও কুরি শান্তি পদকের জন্যে মনোনীত করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ২৩ মে ঢাকায় বিশ্ব শান্তি পরিষদ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এর তৎকালীন মহাসচিব রমেশ চন্দ্র বঙ্গবন্ধুর হাতে জুলিও কুরি শান্তি পদক তুলে দেন।

উৎস: কারাগারের রোজনামচা ও আওয়ামীলীগ ওয়েবসাইট।দ
১,১৬৩.
ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত গঙ্গা-ফারাক্কা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে কত সালে?
  1. ২০২৬ সালে
  2. ২০২৭ সালে
  3. ২০২৯ সালে
  4. ২০৩০ সালে
ব্যাখ্যা

গঙ্গা-ফারাক্কা পানি বণ্টন চুক্তি: 
- ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গা-ফারাক্কা পানি বণ্টন চুক্তি ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তির মেয়াদ ৩০ বছর হওয়ায় এটি ২০২৬ সালে শেষ হবে।
- হিমালয়ের হিমবাহ থেকে উৎপন্ন গঙ্গা নদী ভারতের উত্তর প্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশ করে এবং পদ্মা নামে পরিচিত হয়।
- ১৯৭২ সালে শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী যৌথ নদী কমিশন গঠনের ঘোষণা দেন।
- এরপর ১৯৯৬ সালে সরকার নতুন করে আলোচনা শুরু করে এবং দীর্ঘমেয়াদি এই পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও পত্রিকা রিপোর্ট। 

১,১৬৪.
২০২০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ সমার্তনে সম্মানসূচক ‘ডক্টর অব লজ’ ডিগ্রি প্রদান করা হবে কাকে?
  1. ক) ড. মাহাথির মোহাম্মদ
  2. খ) নরেন্দ্র মোদি
  3. গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  4. ঘ) বান কি মুন
ব্যাখ্যা
মুজিব বর্ষ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ বিশেষ সমাবর্তন আয়োজন করবে। এতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ ‍মুজিবুর রহমানকে সম্মানসূচকে ‘ডক্টর অব লজ’ (মরনোত্তর) ডিগ্রি প্রদান করা হবে এতে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন নোবেল বিজয়ী বাঙালি অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ ব্যানার্জি।(সূত্র: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট)
১,১৬৫.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান শুরু হয়েছে কত সাল থেকে?
  1. ১৯১৯ সাল
  2. ১৯২০ সাল
  3. ১৯২১ সাল
  4. ১৯২৪ সাল
ব্যাখ্যা
• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ বিশেষ ভূমিকা পালন করেন।
- এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য তিনি ঢাকার রমনা এলাকায় নিজ জমি দান করেন।
- বঙ্গভঙ্গের পর ঢাকায় 'সর্বভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলন' এবং 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রাদেশিক শিক্ষা সমিতির' সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- নওয়াব সলিমুল্লাহ ১৯০৫ সাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের ওপর চাপ দিচ্ছিলেন।
- ১৯১২ সালের ২৯ জানুয়ারি লর্ড হার্ডিঞ্জ ঢাকায় আগমন করে তিন দিন অবস্থান করেন।
- ৩১ জানুয়ারি নবাব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে ১৯ সদস্যের একটি মুসলিম প্রতিনিধি দল বড়লাটের সঙ্গে দেখা করে একটি মানপত্র প্রদান করেন এবং কয়েকটি প্রস্তাব পেশ করে পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের স্বার্থসংরক্ষণের প্রতি তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
- ১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি এক ইশতেহারে ভারত সরকার কর্তৃক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ ঘোষণা করা হয়।
- ১৯২১ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান হয়ে আসছে।

উৎস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
১,১৬৬.
২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. কানাডা
  3. মেক্সিকো
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
 ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ:
- প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে তিনটি দেশে কানাডা, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রে।
- প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলবে ৪৮টি দেশ।
- প্রথমবারের মতো নকআউট পর্ব শুরু হবে ৩২ দল নিয়ে।
- ৩০-৩২ দিনের বদলে আগামী বিশ্বকাপ হবে ৩৯ দিনের,
- ম্যাচের সংখ্যা ৬৪ থেকে বেড়ে হচ্ছে ১০৪টি।
- বর্তমান ফিফা সভাপতি: ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো।[মে,২০২৫]
- ১১ জুন মেক্সিকোর আজতেকা স্টেডিয়ামে হবে ২০২৬ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ,
- ফাইনাল হবে ১৯ জুলাই নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে।

উৎস: ফিফা ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
১,১৬৭.
OIC এর কততম শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশ সর্বপ্রথম অংশগ্রহণ করে?
  1. ২য়
  2. ৩য়
  3. ৪র্থ
  4. ৫ম
ব্যাখ্যা
OIC:
- ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা OIC.
- OIC (The Organisation of Islamic Cooperation) হলো মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট যা ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- OIC এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৭টি। (অক্টোবর, ২০২৪)
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দুটি দেশ গায়ানা ও সুরিনাম OIC সদস্য।
- ইউরোপ মহাদেশের আলবেনিয়া OIC সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সর্বপ্রথম অংশগ্রহণ করে।
- OIC এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
- OIC এর বর্তমান মহাসচিব, হুসাইন ইব্রাহিম তাহা (১২ তম)। (অক্টোবর, ২০২৪)
- মহাসচিবের মেয়াদ-৫ বছর।
- অফিসিয়াল ভাষা- তিনটি (আরবি, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ)।

তথ্যসূত্র - OIC অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,১৬৮.
কোন দেশ থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ অরবিটাল স্লট কেনা হয়েছে?
  1. স্পেন
  2. জার্মানি
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১
- ২০১৮ সালের ১২ মে, বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট সফলভাবে উৎক্ষেপন করা হয়।
- উৎক্ষেপন কেন্দ্র: যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি স্পেস সেন্টার।
- প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান: থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস কোম্পানি (ফ্রান্স)।
- উৎক্ষেপিত রকেট: স্পেসএক্সের “ফ্যালকন ৯”।
- স্যাটেলাইটটির ওজন: ৩.৭টন।
- স্যাটেলাইটটির মেয়াদ ধরা হয়েছে ১৫ বছর। মোট খরচ হয়েছে ২ হাজার ৭৬৫ কোটি টাকা।
- অরবিটাল স্লট কেনা হয়েছে রাশিয়ার ইন্টার স্পুটনিকের কাছ থেকে।
- বাংলাদেশের ভূ-কেন্দ্র: গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর ও রাঙ্গামাটির বেতবুনিয়ায়।

সূত্র- বিটিআরসির ওয়েবসাইট।  
১,১৬৯.
বাংলাদেশ ''মিলিটারি একাডেমি'' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) চট্টগ্রামের জলদিয়াতে
  2. খ) চট্টগ্রামের ভাটিয়ারিতে
  3. গ) ঢাকার কুর্মিটোলায়
  4. ঘ) রাজশাহীর সারদায়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি
- বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর অফিসার-ক্যাডেটদের একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। 
- এটি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস এর অধিভূক্ত। 
- এটি চট্টগ্রাম শহরের নিকটবর্তী ভাটিয়ারী নামক স্থানে, যা দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত।
- স্বাধীনতা অর্জনের পরে ১৯৭৪ সালের ১১ই জানুয়ারি প্রথমে কুমিল্লায় বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- ১৯৭৬ সালের মার্চ মাসে এটি একাডেমীর বর্তমান স্থান চট্টগ্রামের ভাটিয়ারীতে স্থানান্তরিত হয়। 
- ১৯৭৮ সালে নিয়মিত কোর্স চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমীর নতুন অধ্যায়ের সূচনা। 
- ১৯৭৯ সালে প্রথম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজের সময় একাডেমীকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ডস বা সম্মানসূচক জাতীয় পতাকা প্রদান করা হয়। 
- ১৯৮৩ সাল থেকে নিয়মিত কোর্সের সঙ্গে নৌ ও বিমান বাহিনীর জেন্টলম্যান ক্যাডেটদের প্রাথমিক সামরিক প্রশিক্ষণ প্রদান শুরু হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,১৭০.
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের 'তিন শূন্য' তত্ত্ব অর্জনে নিম্নের কোনটি প্রয়োজন?
  1. সামাজিক ব্যবসা
  2. তারুণ্য
  3. সুশাসন
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
থ্রি জিরো তত্ত্ব:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।

⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
- সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।
- তা অর্জনে প্রয়োজন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা।

⇒ গ্রামীণ ব্যাংক ও ক্ষুদ্রঋণ ধারণার প্রবর্তক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- আর এই অবদানের জন্য তিনি শান্তিতে নোবেল পান ২০০৬ সালে।
- এই ক্ষুদ্রঋণ ধারণার মূল লক্ষ্যই ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব গড়া।

⇒ বাংলাদেশের এই লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে শূন্যে নামিয়ে আনতে হবে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ।
- এই তত্ত্বের ব্যাপারে নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদের ভাষ্য, ‘বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নিজেই দারিদ্র্য সৃষ্টি করে এবং এই ব্যবস্থার অধীনে দারিদ্র্য দূর করা সম্ভব নয়।
- এই লক্ষ্য অর্জনে তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসায়। তার মতে, ভালো চাকরি না খোঁজে উদ্যোক্তা তৈরিতে জোর দিতে হবে।

উৎস: i) Yunus Centre.
ii) দ্য ডেইলি স্টার।
১,১৭১.
কোন প্রকল্পের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে বসবাসের উপযোগী করে তোলা হয়?
  1. ক) আশ্রয়ন-১
  2. খ) আশ্রয়ন-২
  3. গ) আশ্রয়ন-৩
  4. ঘ) আশ্রয়ন-৪
ব্যাখ্যা
- ভাসানচর মেঘনা নদী ও বঙ্গোপসাগরের মোহনায় জেগে ওঠা বাংলাদেশের একটি ছোট্ট দ্বীপ।
- এটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার চর ঈশ্বর ইউনিয়ন এর অন্তর্গত।
- ভাসানচরকে রোহিঙ্গা বাস্তুচ্যুতদের আবাসনের স্থান হিসেবে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে ‘আশ্রায়ণ-৩’ নামে একটি প্রকল্প বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে রোহিঙ্গাদের আবাসনসহ জীবন-জীবিকার জন্য আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়।

- রোহিঙ্গা শরণার্থীদের কথা মাথায় রেখে এই আশ্রয়ণ-৩ প্রকল্পের কাজ হাতে নেয় সরকার।
-প্রকল্পটিকে আশ্রয়ণ-৩ নামকরণের কারণ, পরবর্তী সময়ে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার পর এই চর বাংলাদেশের ভূমিহীন মানুষের আবাসনের জন্য ব্যবহার করা হবে।

তথ্যসূত্র: দৈনিক পত্রিকা নিউজ।
১,১৭২.
নিচের কে বীরশ্রেষ্ঠ নন?
  1. ক) মতিউর রহমান
  2. খ) মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
  3. গ) মোহাম্মদ আব্দুর রব
  4. ঘ) মুন্সি আব্দুর রউফ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য ৭ জনকে সর্বোচ্চ সামরিক পদবী ''বীরশ্রেষ্ঠ' প্রদান করা হয়।

৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ হলেন -
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেঃ মতিউর রহমান
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মতিউর রহমান
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমান
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ

উৎসঃ বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,১৭৩.
বাংলা একাডেমির বর্তমান সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন - (ডিসেম্বর, ২০২৪)
  1. অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম
  2. আবুল কাসেম ফজলুল হক
  3. সেলিনা হোসেন
  4. আলী ইমাম মজুমদার
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি:
- বাংলা একাডেমির মূল ভবনের নাম ছিল বর্ধমান হাউস।
- বাংলা একাডেমী বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর, ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলা একাডেমির বর্তমান মহাপরিচালকের নাম- অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম। (ডিসেম্বর, ২০২৪)
- বাংলা একাডেমির বর্তমান সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন আবুল কাসেম ফজলুল হক। (ডিসেম্বর, ২০২৪)
- আবু হোসেন সরকার ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসে (স্থাপিত ১৯০৬) বাংলা একাডেমীর উদ্বোধন করেন।
- প্রথম মহাপরিচালক প্রফেসর মযহারুল ইসলাম।
- বাংলা একাডেমির প্রথম সভাপতি মাওলানা আঁকরাম খাঁ (১৯৬১ সাল)।
- বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া হয় ১৯৬০ সাল থেকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
১,১৭৪.
মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতিতে 'স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৫' পেয়েছেন -
  1. মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান
  2. নভেরা আহমেদ
  3. আবরার ফাহাদ
  4. স্যার ফজলে হাসান আবেদ
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন।
- পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।

⇒ স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রাপ্ত:
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),
- সাহিত্য: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর),
- সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),
- সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),
- শিক্ষা ও গবেষণা: বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর,
- প্রতিবাদী তারুণ্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১,১৭৫.
কত সালে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রথম বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়?
  1. ক) ২০২০ সাল
  2. খ) ২০২১ সাল
  3. গ) ২০২২ সাল
  4. ঘ) ২০২৩ সাল
ব্যাখ্যা
রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র:

- রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রথম বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়  ১৭ই ডিসেম্বর ২০২২ সালে।
- মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্ট (রামপাল) তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বাগেরহাটে অবস্থিত।
- রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র বাংলাদেশ-ভারত যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান।
- প্রকল্পের ক্ষমতা ১৩২০ মেগাওয়াট।
- প্রকল্প ব্যয় ১৬০০০ কোটি টাকা।
- অর্থের যোগান : ECA অর্থায়ন- ১.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ১২,৮০০ কোটি টাকা (এক্সচেঞ্জ রেট ভেরিয়েশন ব্যতিরেকে),বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (ইক্যুইটি)- ১,৬০০ কোটি টাকা এবং এনটিপিসি লি., ভারত (ইক্যুইটি) -১,৬০০ কোটি টাকা।
- রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রথম বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়  ১৭ই ডিসেম্বর ২০২২ সালে।প্রথম উৎপাদিত ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়।


তথ্যসূত্র - বিদ্যুৎ বিভাগ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,১৭৬.
লালবাগ দুর্গ কোন আমল এর নিদর্শন?
  1. সুলতানি আমল
  2. আফগান আমল
  3. মোঘল আমল
  4. নবাবি আমল
ব্যাখ্যা
লালবাগ দুর্গ: 
- লালবাগ দুর্গ মোঘল আমল এর একটি চমৎকার নিদর্শন।
- প্রথমে এই কেল্লার নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ।
- এই কেল্লার নকশা করেন শাহ আজম।
- মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- মাত্র এক বছর পরেই দুর্গের নির্মাণকাজ শেষ হবার আগেই মারাঠা বিদ্রোহ দমনের জন্য সম্রাট আওরঙগজেব তাকে দিল্লি ডেকে পাঠান। - এসময় একটি মসজিদ ও দরবার হল নির্মাণের পর দুর্গ নির্মাণের কাজ থেমে যায়।
- নবাব শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে পুনরায় দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- তবে শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর এ দুর্গ অপয়া মনে করা হয় এবং শায়েস্তা খান ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ বন্ধ করে দেন। 
- ১৯১০ সালে লালবাগ দুর্গের প্রাচীর সংরক্ষিত স্থাপত্য হিসেবে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধীনে আনা হয়।
- অবশেষে নির্মাণের ৩০০ বছর পর গত শতকের আশির দশকে লালবাগ দুর্গের যথাসম্ভব সংস্কার করে এর আগের রূপ ফিরিয়ে আনা হয় এবং দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন। 
১,১৭৭.
পদ্মা সেতুর মোট পিলারের সংখ্যা কত?
  1. ৪০টি
  2. ৪১টি
  3. ৪২টি
  4. ৪৩টি
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:

- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর ২০২০ সালে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন ২০২২ সালে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা, জুন ২৫, ২০২২।
১,১৭৮.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস কত সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ২০০২ সালে
  2. ২০০৩ সালে
  3. ২০০৪ সালে
  4. ২০০৬ সালে
ব্যাখ্যা

ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন।

এছাড়াও,
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৮৭ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করা হয়।
- মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৯৬ সালে সাবেক প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- মুহাম্মদ ইউনূসের আত্মজীবনী ইংরেজি ভাষায় লেখা ‘ব্যাংকার টু দ্যা পুওর’ (Banker to the Poor)।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য। সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,১৭৯.
‘মহামুনি বিহার’ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) কুমিল্লা
  2. খ) বগুড়া
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) নওগাঁ
ব্যাখ্যা
মহামুনি বিহারঃ
চট্টগ্রাম জেলার রাউজান থানাধীন পাহাড়তলী ইউনিয়নের পাহাড়তলী গ্রামের ঠিক মধ্যস্থলে একটি অনুচ্চ টিলার উপর বিহারটি অবস্থিত। এ বিহারটি প্রতিষ্ঠাকাল নিয়ে মতবিরোধ আছে।কারও ধারণা, ১৮১৩ সালে পুণ্যাত্মা ভিক্ষু চাইংগা ঠাকুর স্বগ্রামবাসীর সামগ্রিক সহায়তায় এ বিহারটি প্রতিষ্ঠা করেন। কিন্তু ড। রামচন্দ্র বড়ুয়ার মতে, মহামুনি মূর্তি ও মন্দির ১৮০৫ সালে নির্মাণ করা হয়েছে।
সূত্রঃ raozan.chittagong.gov.bd
১,১৮০.
দুগ্ধজাত সামগ্রীর জন্য বিখ্যাত লাহিড়ীহাট অবস্থিত -
  1. ক) গাজীপুর
  2. খ) সিরাজগঞ্জ
  3. গ) পাবনা
  4. ঘ) সাভার
ব্যাখ্যা
দুগ্ধজাত সামগ্রীর জন্য বিখ্যাত লাহিড়ীমোহন হাট অবস্থিত - পাবনায়।

• দুগ্ধজাত পণ্য:
- বাংলাদেশ ভূ-খন্ডে কারখানাভিত্তিক দুগ্ধ শিল্প গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় ১৯৪৬ সালে।
- গবাদি পশু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া এবং উটের মতো সহজলভ্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর দুধ থেকে উৎপাদিত খাদ্যসামগ্রী অথবা এই প্রাণিগুলির দুধ সহযোগে বানানো হয়েছে এমন খাদ্য সামগ্রীই দুগ্ধজাত পণ্য বা ডেইরি প্রোডাক্ট।
- ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠানটি সমবায় ব্যবস্থাপনায় এনে সমবায় ভিত্তিক প্রাথমিক দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমিতি গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা  হয় এবং পুরানো নাম সংশোধন করে প্রতিষ্ঠানটির নাম রাখা হয় “ইষ্টার্ন মিল্ক প্রডিউসার্স কো-অপারেটিভ ইউনিয়ন লি” প্রাথমিকভাবে সমবায় ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি ফলপ্রসূ না হওয়ায় ১৯৬৮ সালে সমবায় মার্কেটিং সোসাইটি কর্তৃক উক্ত কারখানাটির দায়িত্বভার গ্রহণ করা হয়।
- ১৯৭৭ সালে “বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন লিমিটেড” নামকরণ করা হয়।

অন্যদিকে,
 কুষ্টিয়া গ্রেড - বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়ার নাম।
- বাংলাদেশের প্রথম গবাদি পশুর ভ্রুণ বদল করা হয় - ৫ মে, ১৯৯৫।
- বাংলাদেশ গবাদি পশু গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত - ঢাকার সাভারে।
- বন্য প্রাণী প্রজনন কেন্দ্র (সরকারি) অবস্থিত - করমজল, সুন্দরবন।

উৎস:কৃষি শিক্ষা-একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,১৮১.
বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন কে?
  1. নাজমুল হোসেন
  2. মুশফিকুর রহিম
  3. মুমিনুল হক
  4. লিটন দাস
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট ম্যাচ:
- বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন মুশফিকুর রহিম।

⇒ প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট খেলেছেন মুশফিকুর রহিম।
- বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।
- আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানের ইনিংস খেলেন মুশফিক।
- এতে বিশ্বের ১১তম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্টে সেঞ্চুরির মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।
- ভেন্যু: মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম।
- সময়: ২০ নভেম্বর, ২০২৫।

উল্লেখ্য,
- টেস্ট ইতিহাসের অষ্টম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করে জয় পেয়েছেন তিনি। মুশফিকের আগে এই তালিকায় নাম লিখিয়েছেন গর্ডন গ্রিনিজ, ইনজামাম উল হক, রিকি পন্টিং, গ্রায়েম স্মিথ, হাশিম আমলা, জো রুট ও ডেভিড ওয়ার্নার।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

১,১৮২.
পদ্মা সেতু কোন দুটি জেলাকে যুক্ত করেছে?
  1. শরীয়তপুর ও মাদারীপুর
  2. মুন্সিগঞ্জ ও মাদারীপুর
  3. শরীয়তপুর ও মুন্সিগঞ্জ
  4. মাদারীপুর ও শরীয়তপুর
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:
- পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সভাপতি ছিলেন অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী।
- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর ২০২০ সালে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন ২০২২ সালে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করা হয়।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা, জুন ২৫, ২০২২ ও যুগান্তর, ২৪ জুন ২০২২।
১,১৮৩.
'উয়ারী বটেশ্বর' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নড়াইল
  2. বগুড়া
  3. নরসিংদী
  4. কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
উয়ারী বটেশ্বর:
- উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল।
- নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত।
-প্লাইসটোসিন যুগে গঠিত মধুপুর গড়ের পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত এ গ্রাম দু’টিতেই নিবিড় অনুসন্ধান ও সীমিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আবিষ্কৃত হয়েছে আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন দুর্গ নগর।
- প্রত্নতাত্ত্বিক খননে উয়ারী প্রত্নস্থলে আবিষ্কৃত হয়েছে ৬০০ মি. x ৬০০ মি. আয়তনের চারটি মাটির দুর্গ-প্রাচীর।
- দুর্গ প্রাচীরের ৫-৭ ফুট উঁচু ধ্বংসপ্রাপ্ত কিছু অংশ এখনো টিকে আছে।
- পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত উয়ারী নগরের বাইরে আরো ৫০টি প্রত্নস্থান এ যাবত আবিষ্কৃত হয়েছে।
- উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একটি দুর্গনগর, নগর বা একটি নগর কেন্দ্র।
- আবিষ্কৃত প্রত্নবস্তু বিশ্লেষণ করলেও দেখা যায় যে, উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একাধারে একটি নগর ও সমৃদ্ধ বাণিজ্য কেন্দ্র।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,১৮৪.
'জাতীয় স্মৃতিসৌধ' বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের কয়টি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার চিহ্ন বহন করে?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা
জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- ঢাকার সাভার থানার নবীনগরে জাতীয় স্মৃতিসৌধ অবস্থিত।
- বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধ 'সম্মিলিত প্রয়াস' নামেও পরিচিত।
- ১৯৮২ সালের ১৬ ডিস্বেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে এটি উদ্বোধন করা হয়।
- এর স্থপতি সৈয়দ মইনুল হোসেন।
- স্মৃতিসৌধের সর্বোচ্চ উচ্চতা ১৫০ ফুট।
- জাতীয় স্মৃতিসৌধে সাতটি ফলক রয়েছে, যা বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের সাতটি গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট কে নির্দেশ করে।

- পর্যায়গুলো হলো :
১. ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।
২. ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের নির্বাচন।
৩. ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন।
৪. ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন।
৫. ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন।
৬. ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং
৭. ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১,১৮৫.
সম্প্রতি বাংলাদেশের কোন প্রতিষ্ঠান 'ওয়ার্ল্ড বিজনেস আউটলুক অ্যাওয়ার্ড ২০২৩’ লাভ করেন?
  1. বিকাশ
  2. আকিজ গ্রুপ
  3. বসুন্ধরা হাউজিং
  4. মেঘনা গ্রুপ
ব্যাখ্যা
'ওয়ার্ল্ড বিজনেস আউটলুক অ্যাওয়ার্ড ২০২৩’:
- দেশের শীর্ষস্থানীয় ল্যান্ড ডেভেলপার বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা হাউজিং মর্যাদাপূর্ণ ‘ওয়ার্ল্ড বিজনেস আউটলুক অ্যাওয়ার্ড ২০২৩’ পেয়েছে।
- এর মাধ্যমে বাংলাদেশের সবচেয়ে উদ্ভাবনী ল্যান্ড ডেভেলপার কম্পানি হিসেবে স্বীকৃতি পেল বসুন্ধরা হাউজিং।
- ৫ নভেম্বর, ২০২৩ তারিখে থাইল্যান্ডের ব্যাঙ্ককের কুইন্স পার্কের ম্যারিয়ট মারকুইসে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- পুরস্কারটি একটি আধুনিক ও গতিশীল জীবনযাত্রার পরিবেশ তৈরির জন্য বসুন্ধরা হাউজিংয়ের অবদানকে তুলে ধরে, যা ঢাকায় প্রথম পরিকল্পিত এবং একমাত্র রাজউক অনুমোদিত আধুনিক স্মার্ট সিটি।

উৎস: ৭ ডিসেম্বর ২০২৩, কালের কন্ঠ।
১,১৮৬.
পুঠিয়া রাজবাড়ি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কুষ্টিয়া
  2. রংপুর
  3. দিনাজপুর
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা

পুঠিয়া রাজবাড়ি:
- পুঠিয়া রাজবাড়ি রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলায় অবস্থিত।
- ১৮৯৫ সালে মহারানী হেমন্তকুমারী দেবী আকর্ষনীয় ইন্দো ইউরোপীয় স্থাপত্যরীতিতে আয়তাকার দ্বিতল বর্তমান রাজবাড়িটি নির্মাণ করেন।
- দোতলা রাজবাড়ি ভবনের সম্মুখে উত্তর দিকে খোলা প্রাঙ্গণের অপর পার্শ্বে রয়েছে সম্মুখভাগ ৬০.৯৬ মিটার বিস্তৃত বিশাল পিরামিড আকৃতির চারতলা মনোরম দোলমঞ্চ। ভবনের পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তে রয়েছে একই ধরনের দুটি সম্প্রসারিত অংশ এবং প্রায় ১৫.২৪ মিটার দীর্ঘ মধ্যবর্তী অংশে রয়েছে এক বিশাল তোরণ।
- চারদিকে পরিখাবেষ্টিত রাজবাড়ির এ বিশাল এলাকায় টেরাকোটা অলঙ্করণ সমৃদ্ধ বেশ কয়েকটি সুদৃশ্য মন্দির আছে।
- এদের মধ্যে রয়েছে পঞ্চরত্ন গোবিন্দ মন্দির, প্রাসাদের পেছনে একটি ছোট দোচালা সুদৃশ্য মন্দির, পশ্চিম দিকে কুঁড়েঘর আকৃতির জগদ্ধাত্রী মন্দির এবং রাজবাড়ির প্রবেশপথে বিরাট শিবমন্দির।

পুঠিয়া রাজবংশ:
- পুঠিয়া রাজবংশ মুঘল সম্রাট আকবর এর সময় (১৫৫৬-১৬০৫) প্রতিষ্ঠিত হয়। সে সময় পুঠিয়া লস্করপুর পরগনার অর্ন্তগত ছিল। ১৫৭৬ সালে মুঘল সম্রাট আকবর এর সুবেদার মানসিংহ বাংলা দখল করার সময় পুঠিয়া এলাকার আফগান জায়গীরদার লস্কর খানের সাথে যুদ্ধ হয়। এ যুদ্ধে পুঠিয়া রাজবংশের প্রথম পুরুষ বৎসাচার্য যিনি পুঠিয়ায় একটি আশ্রম পরিচালনা করতেন, তিনি মানসিংহকে বুদ্ধি পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করায় লস্কর খান পরাজিত হন। এ জন্য মানসিংহ বৎসাচার্যকে পুঠিয়া এলাকার জমিদারী দান করেন। বৎসাচার্য জমিদারী নিজ নামে না নিয়ে তার পুত্র পীতম্বর এর নামে বন্দোবস্ত নেন। পীতম্বর জমিদারীর আয়তন বৃদ্ধি করেন।পীতম্বর নিঃসন্তান অবস্থায় মৃত্যু বরণকরলে তার সহোদর নীলাম্বর জমিদারী প্রাপ্ত হন। সম্রাট জাহাঙ্গীর তাকে রাজা উপাধি দান করেন।

তথ্যসূত্র - পুঠিয়া উপজেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

১,১৮৭.
'চারুপীঠ' প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. এস এম সুলতান
  2. জয়নুল আবেদীন
  3. কামরুল হাসান
  4. মুস্তফা মনোয়ার
ব্যাখ্যা
• এস এম সুলতান:
- এস এম সুলতান বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত চিত্রশিল্পী।
- তার পুরো নাম শেখ মোহাম্মদ সুলতান ।
- তিনি ১৯২৩ সালে নড়াইলের মাছিমদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৯৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- তিনি নড়াইলে ‘শিশুস্বর্গ' ও 'চারুপীঠ' নামে শিশুদের জন্যে দুটি চিত্রাংকন প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন।

• এস এম সুলতানের চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে:
- হত্যাযজ্ঞ, 
- চরদখল, 
- সভ্যতার ক্রমবিকাশ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১,১৮৮.
বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল প্রথমবারের মতো কোন টুর্নামেন্টের মূল পর্বে অংশগ্রহণ করবে?
  1. এএফসি কাপ
  2. সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ
  3. অলিম্পিক নারী ফুটবল
  4. নারী বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল প্রথমবারের মতো জায়গা করে নিয়েছে এএফসি নারী এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে।
- বাংলাদেশই বাছাইপর্ব থেকে এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে ওঠা প্রথম দল।
- ২০২৬ সালে অস্ট্রেলিয়া অনুষ্টিত হওয়া এএফসি নারী এশিয়ান কাপে বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করবে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে এখন পর্যন্ত একবারই এশিয়ান কাপের মূল পর্বে খেলার কীর্তি আছে।
- ১৯৮০ সালে কুয়েতে খেলেছিল বাংলাদেশের পুরুষদের জাতীয় দল।
- এরপর আর কখনো বাংলাদেশের কোনো জাতীয় দল এশিয়ান কাপে খেলতে পারেনি।

উৎস: প্রথম আলো লিংক
১,১৮৯.
‘শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মনিরামপুর
  2. খ) সোনারগাঁও
  3. গ) মিঠামইন
  4. ঘ) সাভার
ব্যাখ্যা
- ‘শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর’ নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত।
- এটি ১৯৯৬ সালের ১৯ অক্টোবর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করেন।
- এই জাদুঘরে বাংলাদেশের লোক ও কারুশিল্পের ৫,৪৭৮টি নিদর্শন রযেছে।
- এছাড়া বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনও নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত।
(সূত্র: বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া)
১,১৯০.
বাংলাদেশে দুর্নীতি দমন কমিশন কত তারিখে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ২১ নভেম্বর, ২০০৪
  2. ২৩ নভেম্বর, ২০০৪
  3. ২৫ নভেম্বর, ২০০৪
  4. ২৮শে নভেম্বর, ২০০৪
ব্যাখ্যা

• দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক):
- ২১ শে নভেম্বর ২০০৪ বর্তমান দুর্নীতি দমন কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর ১৭ ধারা অনুসারে দুর্নীতি দমন কমিশনে প্রতিরোধ, গবেষণা এবং গণসচেতনতা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- এটি একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান।
- কার্যালয়: ঢাকার সেগুনবাগিচা।
- রুপকল্প: সমাজের সর্বস্তরে প্রবাহমান একটি শক্তিশালী দুর্নীতিবিরোধী সংস্কৃতির চর্চা এবং এর প্রসার সুনিশ্চিত করা। 
-  লক্ষ্য: অব্যাহতভাবে দুর্নীতির দমন, নিয়ন্ত্রণ, প্রতিরোধ এবং উত্তম চর্চার বিকাশ সাধন করা। 

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন একজন চেয়ারম্যান ও দুইজন কমিশনারের সমন্বয়ে গঠিত।
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৬(১) ধারার বিধানমতে দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনারগণ হলেন -
(১) জনাব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন;
(২) মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী; এবং
(৩) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ। 
- দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনারগণ দুদক আইন ২০০৪ এর ৭ ধারা অনুযায়ী গঠিত বাছাই কমিটির সুপারিশক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ৫ (পাঁচ) বছর মেয়াদের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

 তথ্যসূত্র: দুর্নীতি দমন কমিশন ওয়েবসাইট।

১,১৯১.
যমুনা রেলওয়ে সেতু দিয়ে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হয় কবে?
  1. ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  2. ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  3. ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  4. ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ব্যাখ্যা

যমুনা রেলসেতু: 

পটভূমি:
- ১৯৯৮ সালে যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু সেতু চালু হওয়ার পর ঢাকার সঙ্গে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রেল যোগাযোগ শুরু হয়।
- ২০০৮ সালে সেতুটিতে ফাটল দেখা দেওয়ায় ট্রেনের গতি কমিয়ে দেওয়া হয়।

নতুন রেলসেতু নির্মাণ উদ্যোগ:
- এ সমস্যা সমাধানে ২০২০ সালের ৩ মার্চ যমুনা নদীর উজানে আলাদা রেলসেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।
- ৪.৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ যমুনা রেলসেতু নির্মাণের পরিকল্পনা অনুমোদন করা হয়।
- ২০২০ সালের ২৯ নভেম্বর প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

নির্মাণ ও অর্থায়ন:
- এটি দেশের বৃহত্তম রেলসেতু, যার নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে জাপানি কোম্পানি ওটিজি ও আইএইচআই।
- শুরুতে ব্যয় নির্ধারিত ছিল ৯,৭৩৪.০৭ কোটি টাকা, যা পরবর্তীতে ১৬,৭৮০.৯৬ কোটি টাকায় উন্নীত হয়।
- অর্থায়ন:দেশীয় উৎস থেকে: ২৭.৬০%
- জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (JICA) ঋণ: ৭২.৪০%

পরীক্ষামূলক ও আনুষ্ঠানিক চালু:
১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫: পরীক্ষামূলক চলাচলের পর যমুনা রেলসেতু দিয়ে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
১৮ মার্চ, ২০২৫: সেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]

১,১৯২.
কমলাপুর রেলস্টেশনের স্থপতি কে?
  1. লুই কান
  2. এস এম রেলডলস
  3. এফ আর খান
  4. ড্যানিয়েল বার্নহ্যাম
ব্যাখ্যা
কমলাপুর রেলস্টেশন:
- কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় রেলস্টেশন।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেলস্টেশনও।
- এর অবস্থান ঢাকার মতিঝিলে।
- এটি ঢাকার সঙ্গে দেশের অন্য জায়গার মধ্যে যোগাযোগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনাল।
- এ স্টেশনের স্থাপত্যশৈলী অনন্য।
- কমলাপুর রেলস্টেশনের স্থপতি ছিলেন দুই মার্কিন নাগরিক।
- তারা ছিলেন ড্যানিয়েল বার্নহ্যাম এবং বব বুই।

উৎস: i) ২২ ডিসেম্বর ২০২০, প্রথম আলো।
ii) ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, প্রথম আলো।
১,১৯৩.
এখন পর্যন্ত কতজন বাংলাদেশি দাবায় গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব অর্জন করেছেন?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ৫ জন
ব্যাখ্যা
দাবায় বাংলাদেশের গ্র্যান্ড মাস্টার:
- ১৯৮৪ সাল থেকে দাবা অলিম্পিয়াডে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ দাবা দল।
- গ্র্যান্ড মাস্টার দাবার সর্বোচ্চ খেতাব।
- এটি দাবার আন্তর্জাতিক সংগঠন ‘ফিদে’র তরফ থেকে দেওয়া হয়।
- একজন দাবারুকে ফিদে মাস্টার খেতাব পেতে হলে কমপক্ষে ২৩০০ রেটিং থাকতে হয়।
- ১৯৮৭ সালে মাত্র ২১ বছর বয়সে বাংলাদেশের নিয়াজ মোর্শেদ প্রথম গ্র্যান্ড মাস্টার খেতাব জয় করেন।
- তিনি ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ও এশিয়ার পঞ্চম গ্র্যান্ড মাস্টার।
- নিয়াজ মোর্শেদ, জিয়াউর রহমান, রিফাত বিন সাত্তার, আব্দুল্লাহ আল রাকিব, এনামুল হোসেন রাজীব এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে এই পাঁচজন দাবাড়ু গ্র্যান্ড মাস্টার সম্মাননা অর্জন করেছেন।
- তবে তারও আগে ১৯৮৫ সালে রানী হামিদ আন্তর্জাতিক মহিলা মাস্টার খেতাব পান।

উৎস: i) ২২ মে, ২০২২, কালের কন্ঠ।
         ii)  ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, বাংলাদেশ প্রতিদিন।
১,১৯৪.
রাজশাহী শহরে সর্বপ্রাচীন ইমারত কোনটি এবং এটি প্রথমে কাদের ব্যবসা কেন্দ্র ছিল?
  1. বড় কাটরা ও ওলন্দাজদের
  2. বড়কুটি ও ফরাসীদের
  3. বড়কুঠি ও ডাচদের
  4. বড়কুঠি ও ইংরেজদের
ব্যাখ্যা
বড়কুঠি:
- রাজশাহী শহরের এক বিশাল ভবনের নাম বড়কুঠি। 
- রাজশাহী অঞ্চলের সর্বপ্রাচীন ইমারত বড়কুঠি।
- এটি ডাচদের নির্মিত।
- এটি রাজশাহী মহানগরীর পদ্মপাড়ে অবস্থিত’।
- ইট নির্মিত ও সমতল ছাদবিশিষ্ট এ ইমারতটি আঠারো শতকের প্রথমার্ধে (১৭২৫ সালের আগে) ওলন্দাজ রেশম ব্যবসায়ীদের নির্মিত এক উল্লেখযোগ্য কীর্তি।
- পরবর্তীতে ১৯৫৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর বড়কুঠি ভবনে প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হয়।
- এরপর থেকে এটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকানাধীন ছিল। 

উল্লেখ্য,
- এটি প্রথমে ওলন্দাজ বা ডাচদের বাবসা কেন্দ্র ছিল।
- ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে ডাচরা ভারতে তাদের কর্মকাণ্ড গুটিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
- ১৮১৪ সালে ইংরেজদের সাথে একটি চুক্তি করে বড়কুঠিসহ ভারতের সব ব্যবসা কেন্দ্র ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে হস্তান্তর করে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন
         ii)  ১৪ মার্চ ২০১৯, নয়াদিগন্ত।
১,১৯৫.
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মাধ্যম কোন প্রতিষ্ঠানের  জন্ম হয়?
  1. চারুকলা ইন্সটিটিউট
  2. বাংলা একাডেমী
  3. আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইন্সটিটিউট
  4. বাংলাদেশ শিশু একাডেমি
ব্যাখ্যা

• বাংলা একাডেমী:
- বাংলা একাডেমী বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন এবং এ দেশের মুসলিম মধ্যবিত্তের জাগরণ ও আত্মপরিচয় বিকাশের প্রেরণায় এ প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়।
- ১৯৪৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর ঢাকায় পূর্ব-পাকিস্তান সাহিত্য সম্মেলনে মূল সভাপতির অভিভাষণে শহীদুল্লাহ্ একটি একাডেমি গড়ার কথা বলেন। 
- ১৯৫৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করে, কিন্তু তা ব্যর্থ হয়।
-  দ্বিতীয়বার যুক্তফ্রন্ট ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী আবু হোসেন সরকার ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসে (স্থাপিত ১৯০৬) বাংলা একাডেমীর উদ্বোধন করেন। 
- এভাবে বাংলা ভাষার মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাস্তব রূপ লাভ করে।

উৎস: বাংলা একডেমি এবং বাংলাপিডিয়া।

১,১৯৬.
 কার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়?
  1. ওয়াকার-উজ-জামান

  2. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  3. আসিফ নজরুল ইসলাম
  4. আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া
ব্যাখ্যা

• ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার।
​• বৃহস্পতিবার রাতে (৮ আগস্ট-২০২৫) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিয়েছেন উপদেষ্টারা।
​• বঙ্গভবনে উপদেষ্টাদের শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি।

​উল্লেখ্য,
​- শেখ হাসিনা সরকার পদত্যাগের পরে সংসদ ভেঙে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।
​- ফলে দেশ পরিচালনার জন্য সাংবিধানিক সরকার কাঠামো দরকার হয়।
​- বাংলাদেশের বর্তমান সংবিধানে ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার’ নামে কোন ব্যবস্থার উল্লেখ নেই। 
- সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের ব্যাপারে মতামত দেয় সুপ্রিমকোর্ট।
- সর্বোচ্চ আদালত 'সুপ্রিম কোর্ট' সংবিধানের আলোকে এই সরকারের বৈধতা দিয়েছেন।

​উৎস: বিবিসি এবং প্রথম আলো.

১,১৯৭.
স্মার্ট বাংলাদেশ টাস্কফোর্সের চেয়ারপার্সন -
  1. ক) অর্থমন্ত্রী
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) রাষ্ট্রপতি
  4. ঘ) পরিকল্পনামন্ত্রী
ব্যাখ্যা
-‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ এবার রূপ নিচ্ছে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’-এ।
- এ জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে।
- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইটে এ প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়েছে।
- স্মার্ট বাংলাদেশ টাস্কফোর্স কমিটির চেয়ারপারসন হলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- পাঁচজন মন্ত্রী, একজন প্রতিমন্ত্রীসহ সদস্য রয়েছেন ৩০ জন।
- দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও আর্থিক খাতের কার্যক্রম স্মার্ট পদ্ধতিতে রূপান্তরের জন্য কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়নের দিকনির্দেশনা দেবে এই 'টাস্কফোর্স'।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,১৯৮.
২০২৫ সালে রবীন্দ্র পুরস্কারে রবীন্দ্রসংগীত চর্চায় কাকে সম্মানিত করা হয়েছে?
  1. ড. অসীম দত্ত
  2. এ এম এম মহীউজজামান চৌধুরী ময়না
  3. রেজাউর রহমান
  4. মুহম্মদ শামজাহান মিয়া
ব্যাখ্যা

• রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৫:
- রবীন্দ্রসাহিত্যের গবেষণায়  ড. অসীম দত্ত।
- এবং রবীন্দ্রসংগীতচর্চায় শিল্পী এ এম এম মহীউজজামান চৌধুরী ময়না।
- রবীন্দ্র সাহিত্যের গবেষণা ও সমালোচনা এবং রবীন্দ্রসংগীতের আজীবন সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১০ সাল থেকে বাংলা একাডেমি রবীন্দ্র পুরস্কার প্রদান করে।
- প্রতি বছর দুজনকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- এ পুরস্কারের অর্থমূল্য ১,০০,০০০.০০ (এক লক্ষ) টাকা।

উৎস: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।[ লিঙ্ক]

১,১৯৯.
বাংলাদেশে রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পায় কোনটি?
  1. কাপ্তাই হ্রদ
  2. হাকালুকি হাওর
  3. বগা লেক
  4. টাঙ্গুয়ার হাওর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের রামসার সাইট: 
- বাংলাদেশে রামসার সাইট হিসেবে দুটি স্থান স্বীকৃতি পেয়েছে: সুন্দরবন এবং টাঙ্গুয়ার হাওর।
- বাংলাদেশের প্রথম রামসার সাইট - সুন্দরবন, ১৯৯২ সালের ২১ মে স্বীকৃত হয়, এবং
- টাঙ্গুয়ার হাওর ২০০০ সালের ১০ জুলাই রামসার সাইট হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- রামসার কনভেনশন ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালে রামসার সনদ কার্যকর করার মাধ্যমে এ চুক্তির আওতায় আসে এবং জলাভূমি সংরক্ষণে ভূমিকা রাখতে শুরু করে।

সূত্র: রামসার ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
১,২০০.
জননী ও গর্বিত বর্ণমালা ভাস্কর্যটির ভাস্কর কে?
  1. মোস্তফা হারুণ কুদ্দুস হিলি
  2. হামিদুজ্জামান খান
  3. তানভীর কবীর
  4. মৃণাল হক
ব্যাখ্যা
- জননী ও গর্বিত বর্ণমালা ভাস্কর্যটি ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক।
- এটি অবস্থিত শাহবাগের পরীবাগে।
- জননী ও গর্বিত বর্ণমালা ভাস্কর মৃণাল হক।

উৎস: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ওয়েবসাইট।