বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

মোট প্রশ্ন৩,৮২৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

PrepBank · পাতা ১০ / ৩৮ · ৯০১১,০০০ / ৩,৮২৪

৯০১.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের ফলক:
  1. ৫ টি
  2. ৭ টি
  3. ৯ টি
  4. ১০ টি
ব্যাখ্যা
জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধ সাভারে অবস্থিত।
- এই জাতীয় স্মৃতিসৌধের ফলক সাতটি।
- স্বাধীনতা আন্দোলনের সাতটি ঐতিহাসিক পর্যায়ের জন্য স্মৃতিসৌধে ফলক সংখ্যা ৭টি রাখা হয়েছে।

এর পর্যায় গুলো হলো:
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন;
- ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন;
- ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন;
- ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন;
- ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন;
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং
- ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
৯০২.
গাজাগামী 'গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা' অংশগ্রহণকারী শহিদুল আলম পেশায় একজন -
  1. চিকিৎসক
  2. রাজনীতিবিদ
  3. চলচ্চিত্র নির্মাতা
  4. আলোকচিত্রী
ব্যাখ্যা

শহিদুল আলম:
- গাজাগামী 'গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা' অংশগ্রহণকারী শহিদুল আলম পেশায় একজন আলোকচিত্রী। 

⇒ গাজায় ইসরায়েলের আরোপিত অবরোধ ভাঙার বৃহত্তর নৌ-সাহায্য মিশনের অংশ হিসেবে যাত্রা শুরু করে 'গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা'। 
- এই ফ্লোটিলায় প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে আছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আলোকচিত্রী ও মানবাধিকার কর্মী শহিদুল আলম।
- গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা নৌবহর যাত্রা শুরু করেছিল গাজার ১৭ বছরের অবরোধ ভাঙতে খাদ্য, ওষুধ আর শিশুদের খেলনা নিয়ে। 
- এর যাত্রীদের মধ্যে আছেন সুইডিশ জলবায়ুকর্মী গ্রেটা থুনবার্গসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানবাধিকারকর্মী, ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ও সাংবাদিকেরা।
- গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা ‘ফ্রিডম ফ্লোটিলা’ কোয়ালিশনের অংশ, যা ২০০৮ সাল থেকে গাজার অবরোধ ভাঙার জন্য লড়ছে।

উৎস: প্রথম আলো।

৯০৩.
বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের ব্ল‍্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া কি নামে পরিচিত?
  1. কুষ্টিয়া গ্রেড
  2. চুয়াডাঙ্গা গ্রেড
  3. ঝিনাইদহ গ্রেড
  4. মেহেরপুর গ্রেড
ব্যাখ্যা
◉ বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের ব্ল‍্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া কুষ্টিয়া গ্রেড নামে পরিচিত।

ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল:

- বাংলাদেশের স্থানীয় জাতের কালো ছাগল বা ব্ল্যাক বেঙ্গল গোটকে অন্যতম সেরা জাতের ছাগল বলা হয়।
- ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল মাংস এবং চামড়ার জন্য বিখ্যাত।
- ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পরিষ্কার, শুষ্ক এবং উঁচু জায়গায় থাকতে পছন্দ করে।
- বাংলাদেশের কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা এবং ঝিনাইদহ জেলায় ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগলের উৎপাদন সবচেয়ে বেশি হয়।
- বিশ্ববাজারে এই প্রজাতির ছাগলের চামড়া কুষ্টিয়া গ্রেড নামে পরিচিত।
- ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের মাংসের স্বাদ অন্যসকল জাতের তুলনায় ভাল।
- তাই বিশ্ববাজারে এর চাহিদা অনেক।
- বড় বড় কোম্পানিগুলো তাদের চামড়াজাত পণ্য তৈরির জন্য ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া ব্যবহার করে।
- ২০০৭ সালে এফএও বিশ্বের ১০০টি জাতের ছাগলের ওপরে গবেষণা চালিয়ে 'ব্ল্যাক বেঙ্গল'কে বিশ্বের অন্যতম সেরা জাত হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

উল্লেখ্য,
- ২০১৮ সালে ব্ল্যাক বেঙ্গল গোটের জেনোম সিকোয়েন্সিং বা পূর্ণাঙ্গ জীবন রহস্য উন্মোচন করেছে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের একটি দল।
- ২০২৪ সালে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল জিআই স্বীকৃতি লাভ করে।

উৎস: ১৮ নভেম্বর ২০২০, বিবিসি বাংলা।
৯০৪.
প্রেস কাউন্সিল কোন ধরনের সংস্থা?
  1. সরকারী
  2. বেসরকারী
  3. আধা-বিচারিক
  4. স্বেচ্ছাসেবী
ব্যাখ্যা

প্রেস কাউন্সিল:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থা হলো প্রেস কাউন্সিল।
- এটি গঠিত হয় ১৯৭৪ সালে
- প্রেস কাউন্সিল অ্যাক্ট প্রণয়নের মাধ্যমে এই গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি গঠিত হয়।
- প্রেস কাউন্সিল মূলত একটি আধা-বিচারিক সংস্থা।
- এটি দেশের সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার স্বাধীনতা রক্ষা এবং মানোন্নয়ন নিশ্চিতকরণে কাজ করে।

• প্রেস কাউন্সিলের অন্যান্য কাজের মধ্যে রয়েছে-
- সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থাগুলো যাতে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে, সে জন্য সহায়তা করা।
- সাংবাদিকদের পেশাগত নিয়ম (আচরণবিধি) তৈরি করা।
- সংবাদপত্র ও সাংবাদিকরা যেন সঠিক তথ্য প্রদান করে তা নিশ্চিত করা।
- সাংবাদিকদের মধ্যে দায়িত্ববোধ এবং জনসেবার মনোভাব তৈরি করতে কাজ করে।
- জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রচারে কোনো বাধা থাকলে সেটা পর্যালোচনা করা।
- সাংবাদিকদের সঠিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের সুযোগ করে দেয়া। 

উৎস: বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল ওয়েবসাইট। 

৯০৫.
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কোন সালে স্বীকৃত হয়?
  1. ১৯৯৮
  2. ১৯৯৯
  3. ২০০০
  4. ২০০১
ব্যাখ্যা
• ২১ ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।

- ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন হয় যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয় এবং একই প্রস্তাবে ২০০৮ সালকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।

তথ্যসূত্র: ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৯০৬.
কত সালে কাবাডিকে বাংলাদেশের জাতীয় খেলা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
কাবাডি:
- বাংলাদেশের জাতীয় খেলা কাবাডি (হাডুডু)।
- ১৯৭২ সালে কাবাডিকে বাংলাদেশের জাতীয় খেলা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- পরের বছর ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশের অপেশাদার কাবাডি ফেডারেশন গঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- কাবাডি দেশের ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলাগুলোর মধ্যে অন্যতম।
- এই খেলা গ্রামাঞ্চলে অধিকতর জনপ্রিয় হওয়ায় একে গ্রামবাংলার খেলাও বলা হয়।
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ সফররত ভারতীয় কাবাডি দলের সঙ্গে প্রথম কাবাডি টেস্ট খেলে।
- ১৯৭৮ সালে ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও বার্মার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এশিয়ান কাবাডি ফেডারেশন গঠিত হয়।
- ১৯৮০ সালে সফলভাবে প্রথম এশীয় কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজন করা হয়ক এবং এতে ভারত চ্যাম্পিয়ন ও বাংলাদেশ রানার্স আপ হয়।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৯ সালে আন্তঃস্কুল প্রতিযোগিতায় কাবাডির অন্তর্ভুক্তি বাধ্যতামূলক করেছিল।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৯০৭.
মহাকর্ষীয় তরঙ্গ আবিষ্কারক দীপংকর তালুকদারের নিজ জেলা কোনটি ?
  1. ক) বরিশাল
  2. খ) বরগুনা
  3. গ) ঝালকাঠি
  4. ঘ) পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
• দীপংকর তালুকদার:
- বিশ্বব্যাপী সাড়া ফেলা মহাকর্ষ তরঙ্গ শনাক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্রের 'লাইগো' (লেজার ইন্টাফেরোমিটার গ্র্যাভিটেশনাল-ওয়েভ অবজারভেটরি) যন্ত্র যে সাফল্য দেখিয়েছে, তার অংশীদার বাংলাদেশের বরগুনার সন্তান পদার্থবিজ্ঞানী ড. দীপঙ্কর তালুকদারও।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে অর্জিত তার পিএইচডি গবেষণার বিষয়ও ছিল কৃষ্ণবিবর থেকে উৎসারিত সংকেত বিশ্লেষণ। স্নাতকোত্তর পর্যায়েও তিনি একই বিষয়ে পড়াশোনা করেন।
- দীপঙ্কর তালুকদার ২০০৮ সালে 'লাইগো কোলাবোরেশন' টিমে যোগ দেন।
- বর্তমানে তার কর্মস্থল যুক্তরাষ্ট্রের অরিগন রাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব অরিগনে।
- তিনি সেখানে পোস্ট ডক্টরাল গবেষণা করছেন লাইগো কলাবোরেশনের সঙ্গে।
- লুইজিয়ানা রাজ্যে অবস্থিত এই গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি যে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে এ গবেষণা সম্পন্ন করেছে, অরিগন বিশ্ববিদ্যালয় তার একটি।

তথ্যসূত্র: দৈনিক সমকাল।
৯০৮.
স্বাধীন বাংলাদেশকে কখন সোভিয়েত ইউনিয়ন স্বীকৃতি দান করে?
  1. ১১ জানুয়ারি ১৯৭২
  2. ২৪ জানুয়ারি ১৯৭২
  3. ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
  4. ৪ এপ্রিল ১৯৭২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশকে বিভিন্ন দেশের স্বীকৃতি:
- ভুটান (প্রথম দেশ) : ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
- ভারত (দ্বিতীয় দেশ) : ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
- পূর্ব জার্মানি : ১১ জানুয়ারি ১৯৭২
- সোভিয়েত ইউনিয়ন : ২৪ জানুয়ারি ১৯৭২
- সেনেগাল : ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
- যুক্তরাজ্য : ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
- যুক্তরাষ্ট্র : ৪ এপ্রিল ১৯৭২
- চীন : ৩১ আগস্ট ১৯৭৫।

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, বাংলাপিডিয়া এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৯০৯.
ষাট গম্বুজ মসজিদ এর সর্বমোট গম্বুজ সংখ্যা কত?
  1. ৬০টি
  2. ৭৭টি
  3. ৮১টি
  4. ৮৯টি
ব্যাখ্যা

ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই। 
- তবে মসজিদটির স্থাপত্যশৈলী দেখলে এটি যে খান-ই-জাহান নির্মাণ করেছিলেন সে সম্বন্ধে কোনো সন্দেহ থাকে না।
- ধারণা করা হয় তিনি ১৫শ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করেন। এ মসজিদটি বহু বছর ধরে ও বহু অর্থ খরচ করে নির্মাণ করা হয়েছিলো। পাথরগুলো আনা হয়েছিলো রাজমহল থেকে।
- এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটির মধ্যে অবস্থিত; বাগেরহাট শহরটিকেই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়া হয়েছে। ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।
- মসজিদের ভেতরে ৬০টি স্তম্ভ বা পিলার আছে।
- এগুলো উত্তর থেকে দক্ষিণে ৬ সারিতে অবস্থিত এবং প্রত্যেক সারিতে ১০টি করে স্তম্ভ আছে।
- প্রতিটি স্তম্ভই পাথর কেটে বানানো, শুধু ৫টি স্তম্ভ বাইরে থেকে ইট দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়েছে। এই ৬০টি স্তম্ভ ও চারপাশের দেয়ালের ওপর তৈরি করা হয়েছে গম্বুজ।
- মসজিদটির নাম ষাট গম্বুজ (৬০ গম্বুজ) মসজিদ হলেও এখানে গম্বুজ মোটেও ৬০টি নয়, গম্বুজ, ১১টি সারিতে মোট ৭৭টি। 
- মিনারের চারটি গম্বুজ যুক্ত করলে এর মোট গম্বুজের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮১টিতে।

[ষাটগম্বুজ নামকরণ নিয়ে জনশ্রুতি আছে, সাতটি করে সারিবদ্ধ গম্বুজ আছে বলে এ মসজিদের নাম ছিল আসলে সাত গম্বুজ। মানুষের মুখে মুখে ষাট গম্বুজ হয়েছে। আবার কেউ কেউ মনে করেন, গম্বুজগুলো ৬০টি স্তম্ভের ওপর অবস্থিত বলে ‘ষাট খাম্বা’ কালে কালে ‘ষাটগম্বুজ’ হয়ে উঠেছে।]

উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।
ii) বাগেরহাট জেলা, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৯১০.
বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে জয় লাভ করে কোন দলের বিপক্ষে?
  1. কেনিয়া
  2. জিম্বাবুয়ে
  3. কানাডা
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে ১৯৯৭ সালে।
- ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে।
- ১৭ মে, ১৯৯৮ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
৯১১.
কাবাডি খেলাকে জাতীয় খেলার মর্যাদা দেয়া হয় কত সালে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা

কাবাডি:
- কাবাডি খেলাকে জাতীয় খেলার মর্যাদা দেয়া হয় ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন গঠিত হয় ১৯৭৩ সালে।
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ সফররত ভারতীয় কাবাডি দলের সঙ্গে প্রথম কাবাডি টেস্ট খেলে।
- ১৯৭৮ সালে এশিয়ান অ্যামেচার কাবাডি ফেডারেশন গঠন করা হয়।
- ১৯৮০ সালে সফলভাবে প্রথম এশীয় কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজন করা হয়
  এবং এতে ভারত চ্যাম্পিয়ন ও বাংলাদেশ রানার্স আপ হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৯১২.
বাংলাদেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রথম কখন থেকে চালু করা হয়?
  1. ক) ১ জানুয়ারি, ১৯৯০
  2. খ) ১ জানুয়ারি, ১৯৯১
  3. গ) ১ জানুয়ারি, ১৯৯২
  4. ঘ) ১ জানুয়ারি, ১৯৯৩
ব্যাখ্যা
প্রাথমিক শিক্ষা আইন:
- বাংলাদেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন প্রণীত হয় ১৯৯০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি।
-  ১৯৯২ সালের ১ জানুয়ারি  প্রতি জেলার একটি করে থানায় পরীক্ষামূলকভাবে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রথমে চালু করা হয়।
- ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে সারাদেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন চালু হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং আইন মন্ত্রণালয়।
৯১৩.
'ষাট গম্বুজ মসজিদ' কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. শাহ বায়েজীদ বোস্তামী
  2. সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
  3. শাহ মখদুম রূপোশ
  4. খান জাহান আলী
ব্যাখ্যা
ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- এটি বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- ১৫ শতকের দিকে খান জাহান আলী ঐতিহাসিক মসজিদের শহরটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- ষাট গম্বুজ মসজিদটিতে ৮১ টি গম্বুজ রয়েছে।
- মসজিদটি উত্তর-দক্ষিণে বাইরের দিকে প্রায় ১৬০ ফুট ও ভিতরের দিকে প্রায় ১৪৩ ফুট লম্বা এবং পূর্ব-পশ্চিমে বাইরের দিকে প্রায় ১০৪ ফুট ও ভিতরের দিকে প্রায় ৮৮ ফুট চওড়া।
- দেয়ালগুলো প্রায় ৮·৫ ফুট পুরু।
- এ বিশাল মসজিদের চতুর্দিকে প্রাচীর ৮ফুট চওড়া, এর চার কোনে চারটি মিনার আছে।
- মসজিদটি ছোট ইট দিয়ে তৈরী, এর দৈর্ঘ্য ১৬০ফুট, প্রস্থ ১০৮ ফুট, উচ্চতা ২২ফুট।
- মসজিদের পশ্চিম দিকে প্রধান মেহরাবের পাশে একটি দরজাসহ মোট ২৬টি দরজা আছে।
- ইউনেস্কো এ মসজিদটি বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করেছে।

তথ্যসূত্র - প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৯১৪.
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন SMART card (NID) কোন দেশ থেকে তৈরি করেছে?
  1. ক) জাপান
  2. খ) ফ্রান্স
  3. গ) নেদারল্যান্ড
  4. ঘ) ভারত
ব্যাখ্যা
ফরাসি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রথম পর্যায়ে ৯ কোটি ভোটারের জন্য উন্নত মানের জাতীয় পরিচয়পত্র (স্মার্ট এনআইডি কার্ড) তৈরি করা হয়েছে। [সূত্র: কালের কন্ঠ]
৯১৫.
বাংলাদেশের ওষুধশিল্পে প্রথম মার্কিন পেটেন্ট (মেধাস্বত্ব) প্রাপ্ত টিকার নাম কী?
  1. ডেঙ্গু ভ্যাক্স
  2. বঙ্গভ্যাক্স
  3. বঙ্গফ্লু
  4. টাইফয়েড কনজুগেড ভ্যাকসিন
ব্যাখ্যা

কোভিড-১৯ টিকা ‘বঙ্গভ্যাক্স’:
- বাংলাদেশের ইতিহাসে ওষুধশিল্পে প্রথমবারের মতো গ্লোব বায়োটেকের আবিষ্কৃত কোভিড-১৯ টিকা বঙ্গভ্যাক্স মার্কিন পেটেন্ট (মেধাস্বত্ব) পেয়েছে।
- গ্লোব বায়োটেকের বিজ্ঞানী কাকন নাগ ও নাজনীন সুলতানার তত্ত্বাবধানে ‘কোভিড-১৯’ শনাক্তকরণ কিট, টিকা এবং ওষুধ আবিষ্কারের গবেষণার ফলশ্রুতিতে তৈরি এই টিকা।
- প্রথমে এই টিকার টার্গেটের সম্পূর্ণ কোডিং সিকুয়েন্স ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের এনসিবিআই ডেটাবেজে প্রকাশিত হয়।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ২০২০ সালে গ্লোব বায়োটেক আবিষ্কৃত এই এমআরএনএ টিকা কোডিড-১৯ ভ্যাকসিন তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।

উল্লেখ্য,
- বঙ্গভ্যাক্স বিশ্বের একমাত্র এক ডোজের বিভিন্ন ভ্যারিয়েন্ট–বিরোধী কার্যকরী কোভিড টিকা।
- এটি তৈরিতে ন্যানোটেকনোলজির নিজস্ব উদ্ভাবিত মৌলিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।
- এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে এমআরএনএসহ অন্যান্য প্রযুক্তির টিকা তৈরি করা যাবে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

৯১৬.
সিকান্দার আবু জাফর সম্পাদিত পত্রিকার নাম কী?
  1. সবুজপত্র
  2. ভোরের কাগজ
  3. ইত্তেফাক
  4. সমকাল
ব্যাখ্যা
সিকান্দার আবু জাফর: 
- তিনি ১৯১৯ সালে তেঁতুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতরচয়িতা, নাট্যকার ও সাংবাদিক।
- 'সমকাল' পত্রিকার সম্পাদক সিকান্দার আবু জাফর।
- তাঁর রচিত বিখ্যাত গান - আমাদের সংগ্রাম চলবেই, জনতার সংগ্রাম চলবেই।

• তাঁর রচিত  গ্রন্থাবলি:
কবিতা:
- প্রসন্ন প্রহর, 
- তিমিরান্তক।  

উপন্যাস:
- মাটি আর অশ্রু, 
- জয়ের পথে, 
- পূরবী, 
- নবী কাহিনী। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর।
৯১৭.
In which year did Bangladesh become a member of the Asian Development Bank?
  1. in 1972
  2. in 1973
  3. in 1974
  4. in 1975
  5. in 1976
ব্যাখ্যা
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (Asian Development Bank):
- এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক একটি আঞ্চলিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯ ডিসেম্বর, ১৯৬৬।
- সদর দপ্তর: ম্যানিলা, ফিলিপাইন।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৬৮টি দেশ।
- এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের লক্ষ্য এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন কে উৎসাহিত করা।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক-এর সদস্যপদ লাভ করে: ১৪ মার্চ ১৯৭৩ সালে।
- এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ পাওয়া প্রথম বাংলাদেশি ফাতিমা ইয়াসমিন।

উৎস: Asian Development Bank ওয়েবসাইট।
৯১৮.
বাংলাদেশের বিখ্যাত ব্যক্তি 'রানী হামিদ' নিচের কোন খেলার সাথে জড়িত?
  1. ক্রিকেট
  2. ফুটবল
  3. টেনিস
  4. দাবা
ব্যাখ্যা
রানী হামিদ: 
- রানী হামিদ বাংলাদেশের প্রথম মহিলা আন্তর্জাতিক দাবা মাস্টার। 
- তিনি ৩ বার ব্রিটিশ মহিলা দাবা প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হন।
- রানী জাতীয় মহিলা দাবায় চ্যাম্পিয়ন হন ১৮ বার।
- ১৯৮৪ সালে আন্তর্জাতিক দাবা ফেডারেশন থেকে 'ফিদে' খেতাব অর্জন করেন। 
- ১৯৮৫ সালে তিনি ফিদে আন্তর্জাতিক মহিলা মাস্টার খেতাব পান।
- সর্বশেষ, কমনওয়েলথ দাবা চ্যাম্পিয়নশিপ-২০১৫ তে স্বর্ণ পদক লাভ করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের নাম আবারো উজ্জ্বল করেন তিনি। 

উৎস: ১৭ ডিসেম্বর ২০২০, যুগান্তর।
৯১৯.
বর্তমান প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের নাম কী? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. বঙ্গভবন
  2. গণভবন
  3. উত্তরাভবন
  4. যমুনা
ব্যাখ্যা
প্রধান উপদেষ্টা:
- বর্তমান প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

⇒ বর্তমান প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বাসভবনের নাম যমুনা।
- রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়।
- এটি ঢাকার রমনা থানার মিন্টো রোডে অবস্থিত।
- পূর্বে এটি বাংলাদেশে সফরে আসা বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানদের জন্য সরকারি অতিথি ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

উল্লেখ্য,
- প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশে ছেড়ে চলে যাওয়ার পর বিক্ষুব্ধ মানুষ ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও গণভবনে।
- এর ফলে এই দুই জায়গায় আপাতত অফিস করা বা বসবাস করার মতো পরিবেশ নেই।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) The Daily Star Bangla।
৯২০.
বাংলাপিডিয়া প্রকাশের উদ্যোক্তা -
  1. ক) বাংলা একাডেমী
  2. খ) বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি
  3. গ) মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর
  4. ঘ) দি ইউনিভার্সিটি প্রেস
ব্যাখ্যা
বাংলাপিডিয়া প্রকাশের উদ্যোক্তা - বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি।

বাংলাপিডিয়া:
- বাংলাপিডিয়া বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ।
- এটি বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির উদ্যোগে ২০০৩ সালে প্রথম প্রকাশ করা হয়।
- এরপর ২০১২ সালে এর দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়। ১৪৫০ জন পণ্ডিত বাংলাদেশের প্রাচীন থেকে বর্তমান - পর্যন্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি এতে সংযোজন করেছেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯২১.
মহান মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে নির্মিত ভাস্কর্য ‘সংশপ্তক’ এর ভাস্কর কে?
  1. আবদুর রাজ্জাক
  2. হামিদুজ্জামান খান
  3. শামীম শিকদার
  4. মৃণাল হক
ব্যাখ্যা

সংশপ্তক:
- মহান মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে নির্মিত ভাস্কর্য ‘সংশপ্তক’।
- মুক্তিযুদ্ধে অকুতোভয় বাঙালির বীরত্বগাথার স্মারক এই ভাস্কর্য।।
- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার ভবনের সামনে ভাস্কর্যটির অবস্থান।
- চার স্তরের লাল সিরামিক ইটের বেদির ওপর ব্রোঞ্জের তৈরি ভাস্কর্যের উচ্চতা ১৫ ফুট।
- ২৬ মার্চ, ১৯৯০ সালে ভাস্কর্য স্থাপিত হয়।
- এর ভাস্কর স্থপতি হামিদুজ্জামান খান।
- ভাস্কর্যটিতে মূর্ত হয়েছে যুদ্ধে শত্রুর আঘাতে এক হাত ও এক পা হারিয়েও বন্দুক হাতে লড়ে যাওয়া এক বীরের প্রতিকৃতি। যিনি পঙ্গুত্ববরণ করেও নির্ভীক এবং যুদ্ধে জয়লাভে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

৯২২.
বাংলাদেশ কতবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়?
  1. ২ বার
  2. ৩ বার
  3. ৪ বার
  4. ৫ বার
ব্যাখ্যা
নিরাপত্তা পরিষদ:
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্য নিয়ে গঠিত।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিজয়ী পাঁচ পরাশক্তি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য।
- স্থায়ী সদস্য: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র।
- এই পাঁচ পরাশক্তিকে একত্রে পি-৫ নামে অভিহিত করা হয়।
- নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশের ভিত্তিতে এর সাধারন পরিষদ কোন দেশকে নতুন সদস্য হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করে।
- নিরাপত্তা পরিষদ জাতিংঘের মহাসচিব ও আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রেও সুপারিশ করে।
- মহাসচিব নিযুক্ত হন নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশক্রমে সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে।
- বাংলাদেশ ২ বার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়।
- প্রথমবার (১৯৭৯-৮০) এবং দ্বিতীয়বার (২০০০-০১)।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
৯২৩.
According to World Happiness Report 2024, the position of Bangladesh is -
  1. 123th
  2. 129th
  3. 131th
  4. 133th
  5. 135th
ব্যাখ্যা
ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট ২০২৪:
-  ২০ মার্চ আন্তর্জাতিক সুখ দিবস।
- প্রতিবছর এ দিবসের প্রাক্কালে সুখী দেশের তালিকা প্রকাশ করা হয়ে থাকে।
 
বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশ -
১। ফিনল্যান্ড,
২। ডেনমার্ক,
৩। আইসল্যান্ড, 
৪। সুইডেন, 
৫। ইসরাইল।
 
উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অবস্থান ১২৯তম। 
 
অন্যদিকে -
- তালিকায় সর্বনিম্নে রয়েছে আফগানিস্তান।
 
উৎস: World Happiness Report 2024.
৯২৪.
‘বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট কোন মন্ত্রনালয়ের অধীন?
  1. ক) বস্ত্র ও পাট মন্ত্রনালয়
  2. খ) খাদ্য মন্ত্রনালয়
  3. গ) পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়
  4. ঘ) বাণিজ্য মন্ত্রনালয়
ব্যাখ্যা
শুরু থেকেই বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ চা বোর্ডের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। এ ইনস্টিটিউটের বর্তমানে ৪টি উপকেন্দ্র রয়েছে। উপকেন্দ্রগুলোর একটি মৌলভীবাজার জেলার কালিটিতে, একটি চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়িতে, একটি উত্তরবঙ্গের পঞ্চগড় জেলার তেতুলিয়ায় এবং একটি উপকেন্দ্র বান্দরবান জেলার সুয়ালকে অবস্থিত।
সূত্রঃ btri.gov.bd
৯২৫.
সম্প্রতি, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে কোন বিশ্ববিদ্যালয় সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করেছে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়
  2. ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ সিঙ্গাপুর
  3. ইউনিভার্সিটি অফ মেলবোর্ন
  4. ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যা

সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি:
- প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি দিয়েছে মালয়েশিয়ার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ‘ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া’ (ইউকেএম)। 
- ১৩ আগস্ট, ২০২৫ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে এই ডক্টরেট ডিগ্রি দেওয়া হয়।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূসের হাতে সম্মাননা ডিগ্রি তুলে দেন ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়ার চ্যান্সেলর তুয়াঙ্কু মুহরিজ ইবনে আলমারহুম তুয়ানকু মুনাওইর।
- সামাজিক ব্যবসা প্রসারে অধ্যাপক ইউনূসের অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।]

উল্লেখ্য,
- মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে অধ্যাপক ইউনূস তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে গত ১১ আগস্ট কুয়ালালামপুরে পৌঁছান।
- কুয়ালালামপুরের পুত্রজায়ায় প্রধানমন্ত্রীর অফিসে ১২ আগস্ট মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। 
- পরে দুই নেতার উপস্থিতিতে বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়াতে পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট বিনিময় চুক্তি স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন।

৯২৬.
সাত গম্বুজ মসজিদ কোন আমলে নির্মিত?
  1. ব্রিটিশ আমল
  2. মোঘল আমল
  3. সুলতানি আমল
  4. তুর্কি শাসনামল 
ব্যাখ্যা

সাত গম্বুজ মসজিদ: 
- সাত গম্বুজ মসজিদ ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত মোঘল আমলে নির্মিত একটি মসজিদ। 
- এই মসজিদটি চারটি মিনারসহ সাতটি গম্বুজের কারনে মসজিদের নাম হয়েছে 'সাতগম্বুজ মসজিদ'।
- এটি মোঘল আমলের অন্যতম নিদর্শন।
- ১৬৮০ সালে মোগল সুবাদার শায়েস্তা খাঁর আমলে তার পুত্র উমিদ খাঁ মসজিদটি নির্মান করান।
- গম্বুজ সংখ্যা: ৭টি (৩টি বড় গম্বুজ ও ৪টি অনু গম্বুজ)।
- মিনার সংখ্যা: ৪টি (চার কোণায়)।
- মসজিদটি লালবাগ কেল্লার মসজিদ ও খাজা আম্বর মসজিদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।

৯২৭.
শিক্ষা ও গবেষণা ক্ষেত্রে ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন কে?
  1. আল মাহমুদ
  2. আবরার ফাহাদ
  3. বদরুদ্দীন উমর
  4. জামাল নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ বাংলাদেশের জাতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
- ১৯৭৭ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫' পেয়েছেন ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।

পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন-
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর)।
• সাহিত্য:  মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর)।
• শিক্ষা ও গবেষণা: জনাব বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর।
• সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর)।
• সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর)।
• মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর)।
• প্রতিবাদী তারুন্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

তথ্যসূত্র- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।

৯২৮.
বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের মধ্যে স্থল সীমান্ত চিহ্নিতকরণ ও সম্পর্কিত বিষয় সংক্রান্ত চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা

স্থলসীমান্ত চুক্তি ১৯৭৪:
- ১৯৭৪ সালের ১৬ মে বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের মধ্যে স্থলসীমান্ত চিহ্নিতকরণ ও সম্পর্কিত বিষয় সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। 
- এর উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অমীমাংসিত স্থল সীমানা চূড়ান্ত করা।
- এই চুক্তি অনুযায়ী ভারতের ভেতরে থাকা দক্ষিণ বেরুবাড়ি ভারতের দখলে চলে যায় এবং দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা বাংলাদেশের অধিকারে আসে।
- ছিটমহল দুটি বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন থাকায় পানবাড়ি মৌজার সঙ্গে যুক্ত করার জন্য তিনবিঘা জমি ভারত বাংলাদেশের অনুকূলে স্থায়ী ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
- চুক্তি সইয়ের পরপরই বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ এটি অনুমোদন করে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বিবিসি বাংলা।

৯২৯.
শিশুর সহায়তায় হট লাইন নম্বরটি কত?
  1. ক) ৩৩৩১
  2. খ) ১০৯০
  3. গ) ১০৯৮
  4. ঘ) ৯৯৯
ব্যাখ্যা
সুবিধাবঞ্চিত নির্যাতিত ও বিপদাপন্ন শিশুদের ২৪ ঘণ্টা জরুরি সহায়তা সেবা দিতে ২০১১ সালে যাত্রা শুরু করে চাইল্ড হেল্পলাইন ১০৯৮
সমাজসেবা অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধান অপরাজেয় বাংলাদেশ নামের একটি বেসরকারি সংস্থা এই হেল্পলাইন পরিচালনা করছে।
এই নম্বরে ফোন করতে কোনো চার্জ প্রযোজ্য হবে না।

উৎস: দৈনিক প্রথমআলো
৯৩০.
নিচের কোনটি রামসার সাইট?
  1. হাকালুকি হাওর
  2. চলন বিল
  3. হালদা নদী
  4. টাঙ্গুয়ার হাওর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে রামসার সাইটের সংখ্যা দুটি। এগুলো হলো:
- টাঙ্গুয়ার হাওর (১০৩১তম) ও
- সুন্দরবন (৫৬০তম)।
- টাঙ্গুয়ার হাওরের ৯,৫০০ হেক্টর এলাকাকে ২০০০ সালের ১০ জুলাই রামসার সাইট ঘোষণা করা হয়।
- সুন্দরবনের ৬০১,৭০০ হেক্টর এলাকাকে ১৯৯২ সালের ২১ মে রামসার সাইট ঘোষণা করা হয়।
- জলভূমি ও তার সম্পদের সংরক্ষণ বিষয়ক রামসার কনভেনশন ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে গৃহীত হয়।
- এই কনভেনশন অনুসারে পৃথিবীর বিভিন্ন সংকটাপন্ন ও তাৎপর্যপূর্ণ জলাভূমিসমূহকে রামসার সাইট ঘোষণা করা হয়।
(তথ্যসূত্র: রামসার সাইট ওয়েবসাইট)
৯৩১.
জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের বর্তমান স্থায়ী প্রতিনিধি কে? (মার্চ-২০২৬)
  1. বি এম সিদ্দিকী
  2. মুহাম্মদ আবদুল মুহিত
  3. রাফকাত হোসাইন
  4. সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী
ব্যাখ্যা

⇒ জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধিবৃন্দ:
- ১ম : এস এ করিম (১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪),
- ২য় : কে এম কায়সার,
- ৩য় : খাজা ওয়াসিউদ্দিন,
- ৪র্থ : বি এ সিদ্দিকী,
- ৫ম : আতাউল করিম,
- ৬ষ্ঠ : এ.এইচ.জি. মহিউদ্দিন,
- ৭ম : মোহাম্মদ মহসিন,
- ৮ম : হুমায়ুন কবির,
- ৯ম : রিয়াজ রহমান
- ১০ম : আনোয়ারুল কমির চৌধুরী,
- ১১তম : ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী,
- ১২তম : ইসামত জাহান (১৮ জুন ২০০৭, প্রথম নারী),
- ১৩তম : এ কে আব্দুল মোমেন,
- ১৪তম : মাসুদ বিন মোমেন,
- ১৫তম : রাবাব ফাতিমা,
- ১৬তম : মুহাম্মদ আবদুল মুহিত,
- ১৭তম : সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী (বর্তমান)।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৯৩২.
দেশে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর কয়টি?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে বর্তমানে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৩টি:
১. ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর,
২. শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও
৩. হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
[২০২৪ সালের জুনে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু হবে।] 
প্রশ্নের অপশনে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের সংখ্যা ৪টি উল্লেখ্য থাকলে উত্তর হবে ৪টি।  

• বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (সিএএবি) (Civil Aviation Authority of Bangladesh-CAAB):
বাংলাদেশের আকাশসীমায় ও বিমানবন্দরসমূহে চলাচলকারী দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সকল উড়োজাহাজ এর সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ পালন করে থাকে।

CAAB এর অধীনে বর্তমানে দেশে ৩টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও ৭টি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর এবং ২টি স্টলপোর্ট রয়েছে।
এই ১২টি বিমানবন্দর ও স্টলপোর্টের মধ্যে বর্তমানে ৮টি বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে।
যাত্রী স্বল্পতার কারণে ২টি অভ্যন্তরীণ বিমান বন্দর ও ২টি স্টলপোর্টে কোন ফ্লাইট যাতায়াত করছে না।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেড: বর্তমানে ৭টি অভ্যন্তরীণ ও ১৯টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে সার্ভিস পরিচালনা করছে।

সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩।
৯৩৩.
স্টিভ চেন ও চাড হারলির সাথে যৌথভাবে কোন বাংলাদেশী ইউটিউব (YouTube) প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. জাবেদ করিম
  2. ফজলুল করিম
  3. জাওয়াদুল করিম
  4. মঞ্জুরুল করিম
ব্যাখ্যা
ইউটিউব (YouTube):
- ইউটিউব ভিডিও শেয়ার করার জন্য একটি ওয়েবসাইট।
- ইউটিউব ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০০৫ সালে নিবন্ধিত হয়েছিল।
- এর সদর দপ্তর ক্যালিফোর্নিয়ার সান ব্রুনোতে অবস্থিত।
- Parent organization: Google
- CEO: Neal Mohan

উল্লেখ্য, 
আমেরিকান ই-বাণিজ্য সংস্থা পেপালের তিন প্রাক্তন কর্মী - স্টিভ চেন, চ্যাড হারলি এবং জাবেদ করিম ইউটিউবের প্রতিষ্ঠাতা। জাবেদ করিম বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত। 

উৎস: 
১. ব্রিটানিকা.
২. ইউটিউব এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯৩৪.
চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সরাসরি ইউরোপের কোন দেশে প্রথমবারের মতো পন্যবাহী জাহাজ গেছে?
  1. পর্তুগাল
  2. ইতালি
  3. অস্ট্রিয়া
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

- ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২ থেকে শুরু হয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সরাসরি ইউরোপের দেশ ইতালিতে পন্যবাহী জাহাজ চলাচল। এর আগে ইউরোপে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে অন্য দেশের বন্দর হয়ে পাঠানো হত।
- ২০২১ সালের ২৩ ডিসেম্বরে ‘ক্যাপ ফ্লোরেস' নামের খালি কন্টেইনারবাহী একটি জাহাজের পরীক্ষামূলক যাত্রা সফল হওয়ায় এবার নিয়মিত যাত্রার অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো কন্টেইনার ভর্তি লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাহাজ ‘এমভি সোঙ্গা চিতা' ইতালির উদ্দেশে চট্টগ্রাম বন্দর ছেড়ে যায়।
- চট্টগ্রাম-ইতালি সরাসরি জাহাজ চলাচলের এ সেবা চালু করে ইতালির ফ্রেইট ফরোয়ার্ডার প্রতিষ্ঠান আরআইএফ লাইন এবং সহযোগী প্রতিষ্ঠান ক্যালিপসো কোম্পানিয়া ডি নেভিগেশন।

৯৩৫.
চীন কত তারিখে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দান করে?
  1. ৩১ আগস্ট ১৯৭৫
  2. ২৬ মার্চ ১৯৭১
  3. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
  4. ১৫ আগস্ট ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে মোট ১৫০টি দেশ স্বীকৃতি প্রদান করে। 
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে সর্বপ্রথম ভুটান স্বীকৃতি প্রদান করে।
- ভুটান ও ভারত উভয় দেশই বাংলাদেশকে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর স্বীকৃতি দিয়েছিল। 
- সর্বশেষ দেশ হিসেবে চীন বাংলাদেশকে ১৯৭৫ সালের ৩১ আগস্ট স্বীকৃতি প্রদান করে। 
 
অন্যদিকে -
- ব্রাজিল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ১৫ মে, ১৯৭২।
- আর্জেন্টিনা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ২৫ মে ১৯৭২।
- বলিভিয়া বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ২ আগস্ট, ১৯৭২।
 
উৎস: i) ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, দৈনিক ইনকিলাব।  
         ii) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৯৩৬.
বাংলাদেশের সর্বশেষ স্থলবন্দর-
  1. ক) বিশ্বনাথ
  2. খ) তারাশ
  3. গ) ভোলাগঞ্জ
  4. ঘ) তামাবিল
ব্যাখ্যা
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, সেপ্টেম্বর-২০১৯।
৯৩৭.
একুশে পদক পুরস্কার প্রথম চালু করা হয় কবে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
একুশে পদক:
- ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক প্রবর্তিত অন্যতম সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
- ১৯৭৬ সালে প্রথম এ পুরস্কার চালু করা হয়।
জাতীয় জীবনে নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিশিষ্ট অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সরকার একুশে পদক প্রদান করে থাকে।
- প্রতিটি পুরস্কারে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে নগদ ১৮ ক্যারেট মানের তিন ভরি ওজনের স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র ও নগদ অর্থ।
- শুরুতে পুরস্কারের অর্থের পরিমাণ ছিল পঁচিশ হাজার টাকা।
- সরকার ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী আবুল বরকত রফিক উদ্দিন আহমদ, আবদুস সালাম ও আবদুল জববার এ চারজন শহীদকে ২০০০ সালে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করে।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
বাংলাপিডিয়া।
৯৩৮.
২০২৫ সালে বাংলা একাডেমি পরিচালিত 'সাহিত্যিক মোহম্মদ বরকতুল্লাহ প্রবন্ধ সাহিত্য পুরস্কার' কে পেয়েছেন?
  1. অধ্যাপক মনসুর মুসা
  2. সানাউল হক খান
  3. সুব্রত বড়ুয়া
  4. খসরু চৌধুরী
ব্যাখ্যা

২০২৫ সালে বাংলা একাডেমি পরিচালিত ৮ পুরস্কার:
- ২০২৫ সালে বাংলা একাডেমি পরিচালিত আটটি পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।
- মোট ৯ জন এ পুরস্কার পেয়েছেন। 

• ২০২৫ সালে সাহিত্যিক মোহম্মদ বরকতুল্লাহ প্রবন্ধ সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন অধ্যাপক মনসুর মুসা। ভাষাভিত্তিক গবেষণার মূল্যায়নে তাঁকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। এ পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকা।

• ২০২৫ সালে মেহের কবীর বিজ্ঞানসাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন খসরু চৌধুরী। তাঁকে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে প্রকৃতি ও বিজ্ঞানচর্চায় সামগ্রিক মূল্যায়নে। এ পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকা।

• ২০২৫ সালে মযহারুল ইসলাম কবিতা পুরস্কার পেয়েছেন সানাউল হক খান। বাংলা কবিতায় সামগ্রিক মূল্যায়নে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকা।

• ২০২৫ সালে সা’দত আলী আখন্দ সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন হাফিজ রশিদ খান। বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর জীবন ও সাহিত্য বিষয়ে গবেষণার মূল্যায়নে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে তাঁকে। এ পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকা।

• ২০২৫ সালে অধ্যাপক মমতাজউদদীন আহমদ নাট্যজন পুরস্কার পেয়েছেন তারিক আনাম খান। তিনি অভিনয়, নাট্য নির্দেশনায় ও সংগঠক হিসেবে সামগ্রিক অবদানের মূল্যায়নে এ পুরস্কার পেয়েছেন। এর অর্থমূল্য এক লাখ টাকা।

• ২০২৫ সালে আবু রুশ্দ সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন শিবব্রত বর্মন। অনুবাদ-সাহিত্যে অনন্য অবদানের মূল্যায়নে তাঁকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকা।

• ২০২৫ সালে হালীমা-শরফুদ্দীন বিজ্ঞান পুরস্কার পেয়েছেন সফিক ইসলাম ‘গণিতের রাজ্যে আনন্দভ্রমণ’ গ্রন্থের জন্য। গণিতকে সহজবোধ্য ও উপভোগ্যভাবে উপস্থাপনের জন্য তাঁকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। পুরস্কারের অর্থমূল্য ৫০ হাজার টাকা।

• ২০২৫ সালে রাবেয়া খাতুন কথাসাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন দুজন। এর মধ্যে প্রথমজন সুব্রত বড়ুয়া। তাঁকে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে কথাসাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের মূল্যায়নে। এ পুরস্কারের অর্থমূল্য দুই লাখ টাকা। আর অনূর্ধ্ব ৪৯ বছর বয়সী লেখকদের মধ্যে ২০২৪ সালে প্রকাশিত ‘সিসিফাস শ্রম’ গল্পগ্রন্থের মূল্যায়নে ‘রাবেয়া খাতুন কথাসাহিত্য পুরস্কার ২০২৫’ পুরস্কার পেয়েছেন আনিসুর রহমান। এ পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকা।

উৎস: i) বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট। 
ii) প্রথম আলো।

৯৩৯.
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালাটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকায়
  2. রাজশাহীতে
  3. ময়মনসিংহে
  4. চট্টগ্রামে
ব্যাখ্যা
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালা
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা ময়মনসিংহে অবস্থিত।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ এপ্রিল শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন জেলা প্রশাসনের সহায়তায় নিজের ৭০টি চিত্রকর্ম নিয়ে তৎকালীন উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের মাধ্যমে এই সংগ্রহশালার উদ্বোধন করেন।
- পরবর্তীতে ১৯৮৭ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালাটি একটি দ্বিতল ভবনের রূপ লাভ করে।
- এছাড়া শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালা এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদকে ঘিরে বাঁধ দিয়ে শিল্পাচার্য জয়নুল উদ্যান গড়ে তোলা হয়েছে।
- বর্তমানে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।

সূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ওয়েবসাইট।
৯৪০.
প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সরকারিভাবে কোন রকেট উৎক্ষেপণ করতে যাচ্ছে?
  1. তর্জনী
  2. মুজিব
  3. বিজয় ৭১
  4. একুশে-১
ব্যাখ্যা
 ‘একুশে-১’ প্রটোটাইপ রকেট:
- প্রথমবারের মতো সরকারিভাবে ‘একুশে-১’ নামে প্রটোটাইপ রকেট উৎক্ষেপণ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
- ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী নাহিয়ান আল রহমান অলি ও তাঁর দল ‘ধূমকেতু এক্স’ সরকারি সহায়তায় এই প্রটোটাইপ রকেটটি তৈরি করেছে।
- আইসিটি মন্ত্রণালয়ের এটুআইর সহযোগিতা ও অর্থায়নে তারা রকেটটি তৈরি করেছে।
- রকেট একুশের ওজন ৪৫ কেজি, লম্বায় ১২ ফুট, ব্যাস সাড়ে ৬ ইঞ্চি।
- এটিকে সাউন্ডিং রকেটও বলা হয়।
- একুশের মাধ্যমে মূলত আবহাওয়ার বার্তা পাওয়া যাবে।
- এটি বায়ুমণ্ডলের ৪৫ কিলোমিটারের মধ্যে উড্ডয়ন করে আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ করতে পারবে। 

উল্লেখ্য,
- সব ঠিক থাকলে আগামী ফেব্রুয়ারিতে সরকারিভাবে উৎক্ষেপণ করা হবে রকেট ‘একুশে-১’।

উৎস: ২৬ নভেম্বর ২০২৩, সমকাল। [Link]
৯৪১.
বাংলাদেশের প্রথম এভারেস্টজয়ী নারী কে?
  1. নিশাত সুলতানা
  2. ওয়াসফিয়া নাজরীন
  3. নিশাত মজুমদার
  4. নাজনীন সুলতানা
ব্যাখ্যা
• এভারেস্ট জয়ী নারী:
- বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে আরোহণ করেছেন নিশাত মজুমদার।
- ২০১২ সালের ১৯ মে শনিবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ন’টার সময় তিনি এভারেস্ট শিখরে পা রাখেন।
- নিশাত মজুমদার ও সেই সঙ্গে আর এক বাংলাদেশী এম এ মুহিতের এভারেস্ট শীর্ষে আরোহণ করেন।
- ২০১০ সালের ২৩শে মে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম।
- তবে বাংলাদেশের কোনও মহিলা হিসেবে প্রথম সেই কৃতিত্বের অধিকারিণী হলেন নিশাত মজুমদার।
- এভারেস্টজয়ী নিশাত মজুমদার এর আগে ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে হিমালয়ের মেরা পর্বতশৃঙ্গ (২১ হাজার ৮৩০ ফুট) জয় করেন

উৎস: বিবিসি নিউজ।
৯৪২.
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রথম টেস্ট অধিনায়ক কে ছিলেন?
  1. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  2. হাবিবুল বাশার
  3. নাইমুর রহমান দুর্জয়
  4. মুশফিকুর রহিম
ব্যাখ্যা

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল:
- বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে ২০০০ সালে।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর, ভারতের বিপক্ষে।
- প্রথম টেস্ট অধিনায়ক: নাইমুর রহমান দুর্জয়।
- প্রথম টেস্ট জয় পায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২০০৫ সালে, চট্টগ্রামে।
- প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান: আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

উল্লেখ্য,  
- প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি: মুশফিকুর রহিম।
- প্রথম ১০০০ রান সংগ্রাহক: হাবিবুল বাশার।
- শততম টেস্ট ম্যাচ: ২০১৭ সালে, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে, কলম্বোতে অনুষ্ঠিত।
- শততম টেস্টে সেঞ্চুরি: সাকিব আল হাসান।
- বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে নিজের শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করেন- মুশফিকুর রহিম।

• বিশেষ তথ্যঃ 
- মোহাম্মদ আশরাফুল টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে সেঞ্চুরি করার রেকর্ড গড়েন।
- তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেন ২০০১ সালে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার টেস্ট ম্যাচের তৃতীয় দিনে।

উৎস: ESPNcricinfo.com ও The Business Standard পত্রিকা রিপোর্ট।

৯৪৩.
দেশের প্রথম স্বীকৃতিপ্রাপ্ত জিআই পণ্য কোনটি?
  1. ইলিশ
  2. জামদানি শাড়ি 
  3. ঢাকাই মসলিন
  4. খিরসাপাত আম
ব্যাখ্যা

জিআই পণ্য:
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- জাতিসংঘের সংস্থা WIPO (World Intellectual Property Organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- কোনো একটি দেশের নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের মাটি, পানি, আবহাওয়ার প্রেক্ষাপটে সেখানকার জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি যদি কোনো একটি পণ্য উৎপাদনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তাহলে সেটিকে সেই দেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- দেশে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন পাস হয় ২০১৩ সালে।

উল্লেখ্য,
• বাংলাদেশের প্রথম স্বীকৃতিপ্রাপ্ত জিআই পণ্য জামদানি শাড়ি।
- জামদানি শাড়ি জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় ২০১৬ সালে।
- বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) এর আবেদনের ভিত্তিতে পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) কর্তৃক দেওয়া হয়। 

অন্যদিকে,
- ইলিশ মাছ জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় ২০১৭ সালে। 
- খিরসাপাত আম (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় ২০১৮ সালে। 
- ঢাকাই মসলিন (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় ২০২০ সালে। 

উৎস: i) পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৯৪৪.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ডিজিটাল টেলিফোন ব্যবস্থা কবে চালু হয়?
  1. ৪ জানুয়ারি ১৯৯০
  2. ৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৯০
  3. ৩ মার্চ ১৯৯০
  4. ৪ জানুয়ারি ১৯৯১
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ ও টেলিফোন বোর্ড (বিটিটিবি) যার বর্তমান নাম বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেড (BTCL)।
- দেশব্যাপী সর্বাধুনিক টেলি সেবা বৃদ্ধির লক্ষ্যে — ১৯৯০ সালের ৪ জানুয়ারি সর্বপ্রথম ডিজিটাল টেলিফোন ব্যবস্থা চালু করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ।
৯৪৫.
'একুশে পদক' প্রবর্তন করা হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭৫ সাল
  2. খ) ১৯৭৬ সাল
  3. গ) ১৯৭৮ সাল
  4. ঘ) ১৯৭৪ সাল
ব্যাখ্যা
- জাতীয় পর্যায়ে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে একুশে পদক প্রবর্তন করা হয়।
- একুশে পদক প্রবর্তন করা হয় ১৯৭৬ সাল থেকে।
- একুশে পদকের প্রদেয় পুরষ্কার এককালীন নগদ ৪ লাখ টাকাসহ ৩৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র।
- একুশে পদক দেয়া হয় ১১ টি বিভাগে। 
- ২০২২ সালে একুশে পদক লাভ করেন ২৪ জন ব্যক্তি।
- এ বছরের একুশে পদক ঘোষণা করা হয় - ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২।

তথ্যসূত্র:- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৯৪৬.
বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় (সেভেন সামিট) করেছেন কে?
  1. রাহা খন্দকার
  2. নিশাত মজুমদার
  3. তানিয়া মামুন
  4. ওয়াসফিয়া নাজরীন
ব্যাখ্যা
• ওয়াসফিয়া নাজরীন:
- দ্বিতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে ২০১২ সালে এভারেস্ট জয় করেন ওয়াসফিয়া নাজরীন।
- ওই বছরের ২৬ মে সকাল পৌনে ৭টায় বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণ করেন তিনি।
- ওয়াসফিয়া নাজরীন বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় (সেভেন সামিট) করেছেন।

• নিশাত মজুমদার:
- ২০১২ সালের ১৯ মে বেলা সাড়ে ১১টায় প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে পৃথিবীর শীর্ষচূড়া এভারেস্টে আরোহণ করেন নিশাত মজুমদার।
- তার এ বিজয়ের মাধ্যমে নারীদের শক্তি ও অর্জন হিমালয় উচ্চতায় স্থান পায় বলে প্রতীয়মান হয়।
- এর আগে ২০০৩ সালে এভারেস্ট বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তিতে বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ চূড়া কেওক্রাডং জয় করেন নিশাত।

- ষষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করলেন বাবর আলী।

উৎস: প্রথম আলো।
৯৪৭.
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) কোথায় অবস্থিত?
  1. ময়মনসিংহ
  2. ঢাকা
  3. রংপুর 
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

নেপ:
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) সর্বপ্রথম ১৯৬৯ সনে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি ময়মনসিংহে অবস্থিত।
- মহান স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি)গুলো রূপান্তরিত হয়ে কলেজ অব এডুকেশন নামে যাত্রা শুরু করে ।
- ১৯৭৮ সালে ময়মনসিংহস্থ কলেজ অব এডুকেশনটি "মৌলিক শিক্ষা একাডেমি" (Academy for Fundamental Education) নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে এর নামকরণ করা হয় ‘‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)" ।
- ২০০৪ সালের ১ অক্টোবর থেকে একাডেমি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করে।

সূত্র: নেপ ওয়েবসাইট

৯৪৮.
প্রয়াত চিত্রপরিচালক তারেক মাসুদের 'জঙ্গীবাদ ও তার প্রভাব' সম্পর্কিত চলচ্চিত্রের নাম -
  1. মুক্তির গান
  2. রানওয়ে
  3. যাত্রা
  4. মাটির ময়না
ব্যাখ্যা
প্রয়াত চিত্রপরিচালক তারেক মাসুদের 'জঙ্গীবাদ ও তার প্রভাব' সম্পর্কিত চলচ্চিত্রের নাম - রানওয়ে

• চলচ্চিত্র:
- বাংলাদেশে স্বাধীন চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, চিত্রনাট্যকার, লেখক এবং গীতিকার হিসেবে সমাদৃত তারেক মাসুদ।
- শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরীর ছেলে আশফাক দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বিবিসির ভিডিও গ্রাহক হিসেবে কাজ করেছেন দীর্ঘদিন।
- সবার কাছে মিশুক মুনীর নামেই বেশি পরিচিত ছিলেন তিনি।
- তিনি চেয়েছিলেন তার ‘রানওয়ে’ চলচ্চিত্রটিকে বাংলাদেশের প্রতিটি প্রান্তের দর্শকদের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে।
- জঙ্গীবাদ, মৌলবাদ বিরোধী একটি রাজনৈতিক ছবি ‘রানওয়ে’ নিয়ে ভেবেছিলেন অন্য ভাবনা।
- ঢাকা কেন্দ্রীক চিন্তাচেতনাকে অগ্রাহ্য করে আর্থিক ঝুঁকির সম্ভাবনা থাকা পরও অবলীলায় নিজের তৈরি ছবি ‘রানওয়ে’কে বন্দরনগরীতে ২০১০ সালের ৪ অক্টোবরে মুক্তি দিয়েছিলেন।
- ২০০২ সালে তার প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘মাটির ময়না’ মুক্তি পায়।
- ২০১১ সালের ১৩ অগস্ট মাসে কাগজের ফুল লোকেশন দেখতে গিয়ে ফিরে আসার সময় মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার জোকা এলাকায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে দুর্ঘটনায় মারা যান। 

সূত্র: বাংলা নিউজ ডট কম এবং ইত্তেফাক পত্রিকা রিপোর্ট।
৯৪৯.
স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫-এর বিজয়ীদের মধ্যে কয়জন মরণোত্তর পুরস্কার পেয়েছেন?
  1. ৪ জন
  2. ৫ জন
  3. ৬ জন
  4. ৭ জন
ব্যাখ্যা

⇒ স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫-এর বিজয়ীদের মধ্যে ৬ জন মরণোত্তর পুরস্কার পেয়েছেন।

স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫' পেয়েছেন ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর)।
• সাহিত্য:  মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর)।
• সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর)।
• সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর)।
• মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর)।
• শিক্ষা ও গবেষণা: জনাব বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর।
• প্রতিবাদী তারুন্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রি পরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।

৯৫০.
বিশ্ব জনসংখ্যা রিপোর্ট-২০১৯ অনুসারে বাংলাদেশের নারীদের গড় প্রজনন হার কত?
  1. ক) ২.০
  2. খ) ২.২
  3. গ) ২.৩
  4. ঘ) ২.৫
ব্যাখ্যা
১৭ এপ্রিল ২০১৯ জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল ৪২তম বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন প্রকাশ করে। রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৬.৮১ কোটি। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১%। গড় আয়ু ৭৭ বছর এবং নারী প্রতি প্রজনন হার ২.০। জনসংখ্যায় বাংলাদেশ বিশ্বে ৮ম। (সূত্র: বিশ্ব জনসংখ্যা রিপোর্ট-২০১৯)।
৯৫১.
নিচের কোন সংস্থাটির সচিবালয় বাংলাদেশে অবস্থিত? 
  1. BIMSTEC
  2. CICA
  3. IORA
  4. SAARC
ব্যাখ্যা
• বিমসটেক (BIMSTEC):
- BIMSTEC একটি অর্থনৈতিক সংগঠন।
- BIMSTEC এর পূর্ণরূপ ‘Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation’।
- এর পূর্ব নাম ছিলো BISTEC (Bangladesh, India, Sri Lanka, Thailand Economic Cooperation)।
- পরবর্তীতে মায়ানমার যোগদান করলে 'M' যুক্ত হয়ে BIMSTEC হয় এবং নেপাল ও ভুটান যোগদানের পর বর্তমান নাম ধারন করে।  

এক নজরে BIMSTEC - 
▪ প্রতিষ্ঠাকাল: ৬ জুন, ১৯৯৭ সাল।
▪ প্রতিষ্ঠার স্থান: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড।
▪ সদস্য সংখ্যা: ৭টি দেশ।
▪ সদরদপ্তর: ঢাকা, বাংলাদেশ।

বাংলাদেশে যেসব সংস্থার সদরদপ্তর অবস্থিত:
- IJSG
- CIRDAP
- BIMSTEC
- SAARC Agricultural Centre প্রভৃতি।

অন্যদিকে, 
- CICA (Conference on Interaction and Confidence-Building Measures in Asia) এর সদরদপ্তর কাজাখস্তানের রাজধানী নুরসুলতান।
- IORA (Indian Ocean Rim Association) এর সদর দপ্তর মরিশাসের এবেনে।
- SAARC (South Asian Associatiion for Regional Co-operation) সদরদপ্তর : কাঠমুণ্ডু, নেপাল।

(তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট)
৯৫২.
বাফুফে ফিফার সদস্যপদ লাভ করে কত সালে? 
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন:
- বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন সংক্ষেপে বিএফএফ এবং বাফুফে নামে পরিচিত।
- এটি হচ্ছে বাংলাদেশের ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
- সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭২ সালে।
- বাফুফে ফিফার সদস্যপদ লাভ করে: ১৯৭৬ সালে।
- এএফসির সদস্যপদ লাভ করে: ১৯৭৩ সালে।
- এর বর্তমান সভাপতি তাবিথ আউয়াল। (জানুয়ারি,২০২৬)

উৎস: বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ও সাফ ফেডারেশন ওয়েবসাইট।

৯৫৩.
বাংলাদেশের শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হয় কত সালে?
  1. ক) ২০১০ সালে
  2. খ) ২০১৩ সালে
  3. গ) ২০১৫ সালে
  4. ঘ) ২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা
- ২০১০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হয়
২০১০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতি অনুসারে,
নতুন শিক্ষা কাঠামোয় নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত মাধ্যমিক শিক্ষা স্তর হিসেবে বিবেচিত হবে। 
এই স্তরের শিক্ষাশেষে শিক্ষার্থীরা সামর্থ্য অনুযায়ী উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন ধারায় যাবে, নয়তো অর্জিত বৃত্তিমূলক শিক্ষার ভিত্তিতে বা আরো বৃত্তিমূলক শিক্ষার মাধ্যমে জীবিকার্জনের পথে যাবে।
 
মাধ্যমিক শিক্ষার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিম্নরূপ :
- শিক্ষার্থীর অন্তর্নিহিত মেধা ও সম্ভাবনার পরিপূর্ণ বিকাশে সাহায্য করা ।
- কর্মজগতে অংশগ্রহণের জন্য, বিশেষ করে দেশের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে, একটি পর্যায়ের প্রয়োজনীয় দক্ষতাসম্পন্ন ব্যক্তিরূপে শিক্ষার্থীকে তৈরি করা ।
- মানসম্পন্ন শিক্ষাদান করে প্রাথমিক স্তরে প্রাপ্ত মৌলিক জ্ঞান সম্প্রসারিত ও সুসংহত করা। এর ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানসম্পন্ন উচ্চশিক্ষার ভিত শক্ত হবে।
- বিভিন্নরকমের মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক, নৃতাত্ত্বিক ও অন্যান্য পিছিয়ে পড়া গোষ্ঠীর মধ্যে বৈষম্য দূর করার লক্ষ্যে প্রচেষ্টা চালানো। 
- পিছিয়ে পড়া অঞ্চলগুলোর জন্যও যতদিন প্রয়োজন বিশেষ পদক্ষেপের মাধ্যমে শিক্ষার অগ্রগতি সমর্থন করা ।
- নির্ধারিত বিষয়ে সকল ধারায় অভিন্ন শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচি প্রণয়ন এবং বাস্তবায়ন করা।
 
তথ্যসূত্র; ২০১০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতি
৯৫৪.
ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের নাম কী?
  1. স্বাধীনতা সোপান
  2. রক্ত সোপান
  3. বিজয় চেতন
  4. বিজয় কেতন
ব্যাখ্যা
বিজয় কেতন:
- ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের নাম বিজয় কেতন।

- বিজয় কেতন জাদুঘরের মূলমন্ত্র 'অতীতকে শ্রদ্ধা কর, ভবিষ্যতকে আলোকিত কর'।
- মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা এবং বীরত্বসূচক খেতাবপ্রাপ্তদের স্মরণে নির্মিত এ জাদুঘর চালু হয় ২০০০ সালের ২১ নভেম্বর।
- ছয়টি গ্যালারিতে মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহৃত বাংলাদেশের সামরিক যোদ্ধাদের নানা কীর্তি, স্মৃতিস্মারক, সেক্টর কমান্ডারদের আলোকচিত্র ও পরিচিতি, মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যবহৃত রাইফেল, কামান, বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের মরদেহ বহনের কফিন ইত্যাদিসহ মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত আরো অনেক সামগ্রী রয়েছে।

অন্যদিকে,
- ঢাকার সাভার সেনানিবাসের কোর অব মিলিটারি পুলিশ সেন্টার অ্যান্ড স্কুল (সিএমপিসিঅ্যান্ডএস) চত্বরে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ ‘বিজয় চেতন’। 
- ২৬ মার্চ আর ১৬ ডিসেম্বর, এই দৈর্ঘ্য প্রস্থেই নির্মাণ করা হয়েছে পাবনার সাঁথিয়া উপজেলা চত্বরে 'স্বাধীনতা সোপান'।
- রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভের নাম রক্ত সোপান। 

উৎস: i) দৈনিক ইত্তেফাক।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৯৫৫.
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. হুমায়ূন আহমেদ
  2. সৈয়দ শামসুল হক
  3. আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
  4. সেলিনা হোসেন
ব্যাখ্যা
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র:
প্রতিষ্ঠাতা: আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ।
প্রতিষ্ঠিত: ১৯৭৮ সাল।
প্রধান কার্যালয়: ঢাকার কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ।
স্লোগান: "আলোকিত মানুষ চাই"।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের লক্ষ্য:
- মানুষের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা। 
- বিভিন্ন বিষয়ের জ্ঞান ও রুচিশীল সংস্কৃতিচর্চার মাধ্যমে প্রগতিশীল চিন্তাচেতনার বিকাশ ঘটানো।
- সারা দেশের সবখানে আলোকিত, কার্যকর এবং উচ্চমূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষ গড়ে তোলা।
- দেশের মানুষের চিত্তের আলোকায়ন ঘটানো।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের কাজ:
- বর্তমানে একটি দেশব্যাপী আন্দোলনে পরিণত হয়েছে।
- মানবজ্ঞানের সামগ্রিক চর্চা এবং অনুশীলনের পাশাপাশি হৃদয়ের উৎকর্ষ ও জীবনের বহুবিচিত্র কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মানুষের উচ্চতর শক্তি ও মনুষ্যত্বে বিকশিত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করা।

উল্লেখ্য, 
-  ১৯৯৯ সালে যাত্রা শুরু বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের 'ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি'। 
- উদ্দেশ্য ছিলো পাঠককে বই পৌঁছে দেওয়া এবং পাঠাভ্যাস বাড়ানো। 
- ২০২৫ সালের প্রথম দিন থেকে বন্ধ হয়ে যাবে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির সব কার্যক্রম। 

তথ্যসূত্র: বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র ওয়েবসাইট এবং দৈনিক ইত্তেফাক নিউজ। [লিঙ্ক]
৯৫৬.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত কত?
  1. ক) ৮ : ৫
  2. খ) ৯ : ৫
  3. গ) ১০ : ৬
  4. ঘ) ১২ : ৭
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা:

- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার অনুপাত- ১০ : ৬।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কামরুল হাসান।
- ১৯৭২ সালে কামরুল হাসান সবুজের মাঝে লাল বৃত্তের জাতীয় পতাকার নকশা করেন।
- এর পূর্বে ব্যবহৃত মানচিত্র খচিত পতাকাটি ১৯৭০ সালের ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান জহুরুল হক হলের ১১৬ নং কক্ষে সিরাজুল আলম খানের নির্দেশে শিবনারায়ণ দাস ও আরো কয়েকজন মিলে চূড়ান্ত করেন।
- মানচিত্র খচিত পতাকাটি ১৯৭১ সালের ২রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় তৎকালীন ডাকসু ভিপি আ স ম রব প্রথম উত্তোলন করেন।
- ১৯৭১ সালের ২৩শে মার্চ বাংলাদেশের সর্বত্র পাকিস্তানের পতাকা'র পরিবর্তে লাল-সবুজের পতাকা উড়ানো হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্ৰেণি।
৯৫৭.
শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের জন্যে একুশে পদক-২০২১ লাভ করেন কে?
  1. ড. মির্জা আব্দুল জলিল
  2. প্রফেসর কাজী কামরুজ্জামান
  3. অজয় দাশগুপ্ত
  4. মাহফুজা খানম
ব্যাখ্যা
একুশে পদক-২০২১ প্রাপ্তরা (মোট ২১ জন):
ভাষা আন্দোলনে:
- মোতাহার হোসেন তালুকদার (মরণোত্তর)
- শামছুল হক (মরণোত্তর)
- আফসার উদ্দীন আহমদ (মরণোত্তর)
শিল্পকলায়:
- পাপিয়া সারোয়ার (সংগীত)
- রাইসুল ইসলাম আসাদ (অভিনয়)
- সালমা বেগম সুজাতা (অভিনয়)
- আহমেদ ইকবাল হায়দার (নাটক)
- সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকী (চলচ্চিত্র)
- ড. ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায় (আবৃত্তি)
- পাভেল রহমান (আলোকচিত্র)
মুক্তিযুদ্ধে:
- গোলাম হাসনায়েন
- ফজলুর রহমান খান ফারুক
- বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুমা সৈয়দা ইসাবেলা (মরণোত্তর)
সাংবাদিকতায়:
- অজয় দাশগুপ্ত
গবেষণায়:
- ড. সমীর কুমার সাহা
শিক্ষায়:
- মাহফুজা খানম
অর্থনীতিতে:
- ড. মির্জা আব্দুল জলিল
সমাজসেবায়:
- প্রফেসর কাজী কামরুজ্জামান
ভাষা ও সাহিত্যে:
- কবি কাজী রোজী
- বুলবুল চৌধুরী
- গোলাম মুরশিদ।
(সূত্র: ডেইলি স্টার)
৯৫৮.
আহসান মঞ্জিলের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. নওয়াব খাজা আহসানউল্লাহ
  2. নওয়াব খাজা আব্দুল গণি
  3. নওয়াব খাজা নাজিমুদ্দিন
  4. নওয়াব আলীবর্দী খান
ব্যাখ্যা

আহসান মঞ্জিল:
- আহসান মঞ্জিল পুরনো ঢাকার ইসলামপুরে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত।
- এটি পূর্বে ছিল ঢাকার নবাবদের প্রাসাদ।
- বর্তমানে এটি জাদুঘর হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- এর প্রতিষ্ঠাতা নওয়াব আবদুল গণি। তিনি তার পুত্র খাজা আহসানুল্লাহ'র নামানুসারে এর নামকরণ করেন।
- এর নির্মাণকাল ১৮৫৯-১৮৭২ সাল।
- নওয়াব আবদুল গণি ১৮৭২ সালে প্রাসাদটি নতুন করে নির্মাণ করান।
- ১৯০৬ সালে এখানে এক অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়।
- এই প্রাসাদের ছাদের উপর সুন্দর একটি গম্বুজ আছে। এক সময় এই গম্বুজের চূড়াটি ছিল ঢাকা শহরের সর্বোচ্চ।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।

৯৫৯.
'ঢাকা গেইট' নির্মাণ করেন কে?
  1. মীর কাশেম
  2. লর্ড কার্জন
  3. মীর জুমলা
  4. ইসলাম খান
ব্যাখ্যা
ঢাকা গেইট:
- ঢাকা গেইট ঐতিহাসিক মোগল স্থাপত্য নিদর্শন।
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দোয়েল চত্বর এলাকায় অবস্থিত।
- 'ঢাকা গেইট' এর নির্মাতা হলেন 'মীর জুমলা'।
- মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের সময়ে বাংলার গভর্নর হয়ে আসেন মীর জুমলা।
- জানা যায়, ১৬৬০ থেকে ১৬৬৩ সালের মধ্যে তিনি ঢাকা গেইট নির্মাণ করেছিলেন।

উল্লেখ্য,
- সীমানা চিহ্নিত করতে এবং স্থলপথে শত্রুদের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে এটি নির্মাণ করা হয়।
- এটি মীর জুমলা গেইট, ময়মনসিংহ গেইট বা রমনা গেইট নামেও পরিচিত ছিল।

তথ্যসূত্র: ২৬ জানুয়ারি ২০২৪, বিবিসি বাংলা।
৯৬০.
জামাল নজরুল ইসলাম কে ছিলেন?
  1. অর্থনীতিবিদ
  2. রাজনৈতিকবিদ
  3. পদার্থবিজ্ঞানী
  4. খ্যাতিমান কবি
ব্যাখ্যা
• জামাল নজরুল ইসলাম:
- জামাল নজরুল ইসলাম ছিলেন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী, প্রফেসর ইমেরিটাস, বাংলাদেশী গাণিতিক পদার্থবিজ্ঞানী এবং সৃষ্টিতত্ত্ববিদ।
- তিনি ১৯৩৯ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা খান বাহাদুর সিরাজুল ইসলাম ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের একজন সাব-জজ এবং তাঁর মা রাহাত আরা বেগম ছিলেন লেখক ও গায়িকা।
- জামাল নজরুল ইসলাম কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে বি.এস.সি (স্নাতক) ডিগ্রি লাভ করেন।
- তিনি ১৯৫৯ সালে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি থেকে ফাঙ্কশনাল গণিত এবং তাত্ত্বিক পদার্থবিদ্যায় দ্বিতীয় বি.এস.সি (স্নাতক) ডিগ্রি পান।
- তিনি ১৯৬০ সালে এম.এস.সি (স্নাতকোত্তর) ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।

- পেশাগতভাবে ড. ইসলাম ছিলেন একজন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী, এবং তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র ছিল আপেক্ষিকতা, বিশ্বতত্ত্ব এবং কোয়ান্টাম তত্ত্ব।
- তিনি ৫০টিরও বেশি বৈজ্ঞানিক নিবন্ধ এবং বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় বই প্রকাশ করেছেন।
- ১৯৮৩ সালে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে প্রকাশিত তাঁর বই ’দি আল্টিমেট ফেইট অফ দি ইউনিভাস’ বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯৬১.
একুশে পদক ঘোষণা করে কোন মন্ত্রণালয়?
  1. তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়
  2. মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
  3. শিক্ষামন্ত্রণালয়
  4. সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
• একুশে পদক-২০২৫:
- একুশে পদক ২০২৫এ ১৭ জন ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠান পায়।
- একুশে পদক ঘোষণা করে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় মন্ত্রণালয়।
- ক্রীড়ায় একুশে পদক পাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল।
- গবেষণায়: মঈদুল হাসান (মূলধারা ৭১ এর রচয়িতা)।
- ভাষা ও সাহিত্যে: শহীদুল জহির (মরণোত্তর) ও হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর)।
- সংস্কৃতি ও শিক্ষায়: ড. শহীদুল আলম।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে: মেহেদী হাসান খান, রিফাত নবী, মো. তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
- সাংবাদিকতায় :মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর) এবং
- সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার: মাহমুদুর রহমান।
- শিল্পকলার চলচ্চিত্রে: আজিজুর রহমান।
- সংগীতে :উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া ও ফেরদৌস আরা, 
- আলোকচিত্রে: নাসির আলী মামুন।
-  চিত্রকলায়: রোকেয়া সুলতানা।
- শিক্ষায়: ড. নিয়াজ জামান।
- সমাজসেবায় :মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরি।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।[লিঙ্ক]
৯৬২.
সম্প্রতি, বাংলাদেশের ৫৮তম জিআই পণ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে- [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. নাটোরের কাঁচাগোল্লা
  2. কুষ্টিয়ার তিলের খাজা
  3. নরসিংদীর অমৃতসাগর কলা
  4. নেত্রকোনার বালিশ মিষ্টি
ব্যাখ্যা

৫৮তম জিআই পণ্য:
- সম্প্রতি, নেত্রকোনার শতবর্ষের ঐতিহ্যের ধারক ‘বালিশ মিষ্টি’ কে দেশের ৫৮তম জিআই পণ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে।
- পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) বালিশ মিষ্টিকে এই স্বীকৃতি দিয়েছে।
- নেত্রকোনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ২০২৩ সালে ডিপিডিটিতে বালিশ মিষ্টির জিআই স্বীকৃতির জন্য আবেদন করা হয়।
- এর আগে ২০২১ সালে নেত্রকোনার দুর্গাপুরের বিজয়পুরের সাদামাটি জিআই স্বীকৃতি পেয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- ছোট বালিশের মতো লম্বাটে ও তুলতুলে আকারের জন্যই এর নাম ‘বালিশ মিষ্টি’।
- বালিশ মিষ্টির উৎপত্তি নেত্রকোনা শহরের বারহাট্টা রোড এলাকায়।
- আনুমানিক ১২০ বছর আগে স্থানীয় মিষ্টান্ন প্রস্তুতকারক গয়ানাথ ঘোষ প্রথম এই মিষ্টি তৈরি করেন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

৯৬৩.
২০২৬ সালে চলচ্চিত্রে ‘একুশে পদক’ লাভ করেছেন কে?
  1.  ফরিদা আক্তার ববিতা
  2. আফরোজা সুলতানা রত্না
  3. রোজিনা আক্তার 
  4. সারাহ বেগম কবরী
ব্যাখ্যা

• একুশে পদক ২০২৬:
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৌরববোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘একুশে পদক ২০২৬’ তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। 
- প্রতিষ্ঠান হিসেবে- ব্যান্ড সংগীতের দল ওয়ারফেজ মনোনীত হয়েছে।

• একুশে পদক ২০২৬ প্রাপ্ত ব্যক্তি:
- চলচ্চিত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ফরিদা আক্তার ববিতা,
- চারুকলায় অধ্যাপক মো. আব্দুস সাত্তার,
- স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম,
- সংগীতে আইয়ুব বাচ্চু,
- নৃত্যে অর্থি আহমেদ,
- নাট্যকলায় ইসলাম উদ্দিন পালাকার,
- সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান,
- শিক্ষায় অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার ও
- ভাস্কর্যে তেজস হালদার যশ।

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার বাংলা ও প্রথম আলো।

৯৬৪.
‘Art of Triumph’ সংকলন কোন আন্দোলনের সময়ের প্রতিফলন?
  1. ভাষা আন্দোলন
  2. মুক্তিযুদ্ধ
  3. নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন
  4. বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
ব্যাখ্যা

Art of Triumph:
- জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকার দেয়ালে শিক্ষার্থীদের আঁকা গ্রাফিতি চিত্র নিয়ে সংকলিত গ্রন্থের নাম Art of Triumph।

⇒ প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ তারিখে কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোকে বাংলাদেশে গত জুলাই-আগস্ট মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানী ঢাকার দেয়ালে শিক্ষার্থীদের আঁকা বর্ণিল ও বৈচিত্র্যময় গ্রাফিতি চিত্রের একটি সংকলন 'দ্য আর্ট অব ট্রায়াম্ফ' উপহার প্রদান করেন।
- এছাড়াও, মুহাম্মদ ইউনূস প্রখ্যাত প্রাণিবিজ্ঞানী, প্রাইমেটোলজিস্ট ও নৃতত্ত্ববিদ জেন গুডঅলকে 'দ্য আর্ট অব ট্রায়াম্ফ' আর্টবুক উপহার দিয়েছেন।

উল্লেখ্য,
- জুলাইয়ে শুরু হওয়া ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে ৫ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে।
- ৮ আগস্ট, ২০২৪ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- জুলাই-আগস্টে অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর বিভিন্ন দেয়ালে নানা ধরনের গ্রাফিতি আঁকা হয়।
- তরুণ বিপ্লবীদের আঁকা এমন গ্রাফিতি সশরীরে গিয়ে দেখলেন প্রধান উপদেষ্টা।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলা ট্রিবিউন।

৯৬৫.
ভারত কখন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়?
  1. ক) ৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে
  2. খ) ৮ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে
  3. গ) ৯ ডিসেম্বর, ১৯৯১
  4. ঘ) ১১ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ৬ ডিসেম্বর প্রথম দেশ হিসেবে ভুটান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে। একইদিন দ্বিতীয় দেশ হিসেবে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র সচিবের ভাষ্যমতে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ ভুটান এবং দ্বিতীয় দেশ ভারত।
অন্যদিকে,
- তৃতীয় দেশ ও প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে পূর্ব জার্মানি ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- প্রথম আফ্রিকান দেশ হিসেবে সেনেগাল ১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া, প্রথম আলো এবং নিউইয়র্ক টাইমস।
৯৬৬.
বার্ড (BARD) এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. ড. আখতার হামিদ খান
  3. ড. ফজলে আবেদ
  4. ড. এম এ বারী
ব্যাখ্যা

বার্ড: 
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড)-এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ড. আখতার হামিদ খান।
- তিনি ১৯৫৯ সালের ২৭ মে বার্ড প্রতিষ্ঠা করেন,
- এটি পল্লী উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা।
- বার্ড পরিচালিত ‘কুমিল্লা মডেল’ পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে দেশে-বিদেশে ব্যাপক স্বীকৃতি পেয়েছে।
- ২১ সদস্য বিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদের মাধ্যমে এটি পরিচালিত হয়, এর সভাপতি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী।
- পল্লী উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বার্ড ১৯৮৬ সালে ‘স্বাধীনতা পদক’ লাভ করে।

উৎস: বার্ড ওয়েবসাইট। 

৯৬৭.
নিম্নোক্ত কোন অঞ্চলের লোক সঙ্গীত গম্ভীরা?
  1. দিনাজপুর
  2. সিলেট
  3. কুমিল্লা
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
গম্ভীরা:
- গম্ভীরা গান এক প্রকার জনপ্রিয় লোকসঙ্গীত।
- সাধারণত বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলে এ গান প্রচলিত।
- ‘গম্ভীরা’ হচ্ছে এক প্রকার উৎসব।
- ধারণা করা হয় যে, গম্ভীরা উৎসবের প্রচলন হয়েছে শিবপূজাকে কেন্দ্র করে।
- শিবের এক নাম ‘গম্ভীর’, তাই শিবের উৎসব গম্ভীরা উৎসব এবং শিবের বন্দনাগীতিই হলো গম্ভীরা গান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯৬৮.
সম্প্রতি, বাংলাদেশের কোন প্রতিষ্ঠান জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক লাভ করে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. বাংলাদেশ আর্মি নারী কন্টিনজেন্ট
  2. রেড ক্রস বাংলাদেশ
  3. বাংলাদেশ পুলিশের নারী কন্টিনজেন্ট
  4. বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক:
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে (এমওএনইউএসসিও) কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসায় দায়িত্বরত বাংলাদেশ পুলিশের নারী কন্টিনজেন্ট বিএএনএফপিইউ-১ এর সদস্যদেরকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক প্রদান করা হয়েছে। 
- অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে গত ৭ আগস্ট এ পদক প্রদান করা হয়।
- অনুষ্ঠানে এমওএনইউএসসিও কিনশাসার বিভিন্ন সেকশনে কর্মরত ২৩ জন ইন্ডিভিজুয়াল পুলিশ অফিসার্স (আইপিও)-কে বিএএনএফপিইউ-১ এর সঙ্গে যৌথভাবে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক প্রদান করা হয়।
- বিএএনএফপিইউ-১, রোটেশন-১৭ এর কন্টিনজেন্ট কমান্ডার পুলিশ সুপার কাজী রুবাইয়াত রুমীর নেতৃত্বে মোট ১৭৮ জন শান্তিরক্ষী এ সময় উপস্থিত ছিলেন। 
- তাদের মধ্যে ৬৮ জন নারী জাতিসংঘ পদকে ভূষিত হন। 

উল্লেখ্য,
- কন্টিনজেন্টটি গত বছরের ২৭ মে থেকে অত্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সাথে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে আসছে।

তথ্যসূত্র- বাসস। [Link]

৯৬৯.
বাংলাদেশকে মধ্যপ্রাচ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ -
  1. ইরাক
  2. ইরান
  3. সৌদি আরব
  4. কুয়েত
ব্যাখ্যা
মধ্যপ্রাচ্যের দেশের বাংলাদেশকে স্বীকৃতি: 
- ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- ১৯৭২ সালের ৮ জুলাই ইরাক বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। 
- এটি মধ্যপ্রাচ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ।

অন্যদিকে -
- লেবানন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ২৮ মার্চ, ১৯৭৩।
- মিশর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩।
- জর্ডান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৬ অক্টোবর ১৯৭৩। 
- কুয়েত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ৪ নভেম্বর ১৯৭৩।
- ইরান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪।
- সৌদি আরব বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৬ আগস্ট, ১৯৭৫।

উৎস: i) বঙ্গভবনের শতবর্ষ (বঙ্গভবন)।
         ii) বাংলাদেশের তারিখ (বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান)।
৯৭০.
খেলাঘর চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. ক) খান আতাউর রহমান
  2. খ) তারেক মাসুদ
  3. গ) তৌকির আহমেদ
  4. ঘ) মোরশেদুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

খেলাঘর এটি ২০০৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র।
- খ্যাতিমান চলচ্চিত্রকার মোরশেদুল ইসলাম নির্মাণ করেছেন চলচ্চিত্রটি
- এটি মূলত মাহমুদুল হকের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাহিনির খেলাঘর উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত চিরন্তন প্রেমের এই ছবি।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

৯৭১.
বাংলাদেশ কততম ওয়ানডে ক্রিকেট বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল?
  1. ৭ম
  2. ৮ম
  3. ৯ম
  4. ১০ম
ব্যাখ্যা
বিশ্বকাপ:
- সপ্তম বিশ্বকাপ (১৯৯৯ সাল): আয়োজক ছিল ইংল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড। এই বিশ্বকাপে প্রথমবার অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ। ফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয় করে অস্ট্রেলিয়া।

- অষ্টম বিশ্বকাপ (২০০৩ সাল): যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হয় দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও কেনিয়ায়। ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে তৃতীয়বার শিরোপা জেতে অস্ট্রেলিয়া।

- নবম বিশ্বকাপ (২০০৭ সাল): আয়োজক ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ৪র্থ বারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের রেকর্ড গড়ে অস্ট্রেলিয়া। 

- দশম বিশ্বকাপ (২০১১ সাল): আয়োজক ছিল ভারত, বাংলাদেশ ও  শ্রীলঙ্কা। এই বিশ্বকাপেই বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো আয়োজক দেশ হওয়ার সুযোগ পায়। ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে শিরোপা জেতে ভারত।

উৎস: ICC ওয়েবসাইট।
৯৭২.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস কত সালে প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড লাভ করে?
  1. ১৯৭৮ সালে
  2. ১৯৮৪ সালে
  3. ১৯৮৭ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- তিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
- সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।
- তা অর্জনে প্রয়োজন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা।

উল্লেখ্য,
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড লাভ করে ১৯৭৮ সালে।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগা খান অ্যাওয়ার্ড লাভ করে ১৯৮৯ সালে।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৮৭ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৮৪ সালে র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।
৯৭৩.
ভারত ও  বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কোথায়? 
  1. ঢাকা 
  2. নয়া দিল্লি
  3. কলকাতা
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি:
- গঙ্গা নদী ভারতের উত্তর প্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের গোয়ালন্দের কাছে ব্রহ্মপুত্র নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- গঙ্গা নদী বাংলাদেশে পদ্মা নামে অভিহিত।
- ফারাক্কা বাঁধ গঙ্গা নদীর উপর অবস্থিত একটি বাঁধ।
- ভারতের হুগলী নদীতে পানি সরবরাহ এবং কলকাতা বন্দরটি সচল করার জন্য ১৯৭৪ সালে এই ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করা হয়।
• ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রথম পরিকল্পনা করে ১৯৫১ সালে।
- ১৯৬১ সালে এই বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
- প্রাথমিকভাবে নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭০ সালে।
- তবে ব্যবহার উপযোগী করতে পুরোপুরিভাবে এর নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭৪ সালের ডিসেম্বরে।
- ২১ এপ্রিল, ১৯৭৫ থেকে এই বাঁধ চালু হয়।
• ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশে পানির প্রবাহ কমতে থাকার প্রেক্ষাপটে ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে ভারত ও  বাংলাদেশের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ৩০ বছরের চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের মধ্যে শেষ হবে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) BBC বাংলা।

৯৭৪.
রাজারবাগ পুলিশ লাইনে অবস্থিত ‘দুর্জয়’ ভাস্কর্যের শিল্পী কে?
  1. হামিদুজ্জামান খান
  2. নভেরা আহমেদ
  3. মৃণাল হক 
  4. কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা

• রাজারবাগ পুলিশ লাইনে অবস্থিত 'দুর্জয়' ভাস্কর্যটির শিল্পী — মৃণাল হক।

• তার আরো কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ভাস্কর্য:
- মতিঝিলের - ‘বলাকা’
- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে - ‘রত্নদ্বীপ’,
- হোটেল শেরাটনের সামনে - ‘রাজসিক’,
- পরীবাগ মোড়ে - ‘জননী ও গর্বিত বর্ণমালা’,
- ইস্কাটনে - ‘কোতোয়াল’,
- সাতরাস্তায় - ‘ময়ূর’,
- এয়ারপোর্ট গোল চত্বরের - ভাস্কর্য,
- নৌ সদর দপ্তরের সামনে - ‘অতলান্তিকে বসতি’ ইত্যাদি।

উৎস: প্রথম আলো।

৯৭৫.
বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের আন্তর্জাতিক সব ফরম্যাট মিলিয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক কে?(সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. তামিম ইকবাল
  2. সাকিব আল হাসান
  3. মুশফিকুর রহিম
  4. মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
ব্যাখ্যা

- মুশফিকুর রহিম আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সব ফরম্যাট মিলিয়ে (টেস্ট(৬৩২৮), ওয়ানডে(৭৭৯৫) ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে(১৫০০)) বাংলাদেশের হয়ে সর্বাধিক রান সংগ্রাহক।
- তাছাড়া, ওয়ানডে ক্রিকেটে যদিও শীর্ষ রান সংগ্রাহক হিসেবে তামিম ইকবালের নাম উঠে (8,357 রান) এবং টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটেও শীর্ষে আছেন সাকিব আল হাসান।
-  তবে সমস্ত ফরম্যাট মিলিয়ে মুশফিকুর রহিমের মোট রানই সর্বোচ্চ।
 
সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক:
- আন্তর্জাতিক সব ফরম্যাট - মুশফিকুর রহিম
- ওয়ানডে (ODI) - তামিম ইকবাল (8,357 রান)
- টি-টোয়েন্টি (T20I) - সাকিব আল হাসান (2,551 রান)।

উৎস: Cricinfo.com.

৯৭৬.
বাংলাদেশ একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয় পায় কোন দেশের বিপক্ষে?
  1. জিম্বাবুয়ে
  2. পাকিস্তান
  3. ভারত
  4. কেনিয়া
ব্যাখ্যা

ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে ১৯৯৭ সালে।
- ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে।
- ১৭ মে, ১৯৯৮ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

• টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে ২০০০ সালে।
- ২০০০ সালের ১০ই নভেম্বর বাংলাদেশ সর্বপ্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ভারতের বিপক্ষে।
- ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- ১০ জানুয়ারি, ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

উৎস: ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো।

৯৭৭.
'নজরুল পুরস্কার-২০২৫' লাভ করেন -
  1. রাজিয়া সুলতানা
  2. শবনম মুশতারী
  3. ইরশাদ আহমেদ শাহীন
  4. আবদুল হাই শিকদার
ব্যাখ্যা

নজরুল পুরস্কার:
- ২০২২ সালে বাংলা একাডেমি নজরুল পুরস্কার চালু করে।

⇒ নজরুল পুরস্কার-২০২৫:
- বাংলা একাডেমি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন ও সৃষ্টি নিয়ে গবেষণায় বিশিষ্ট নজরুল গবেষক অধ্যাপক আনোয়ারুল হক এবং নজরুলসংগীত-চর্চায় প্রখ্যাত নজরুল সংগীতশিল্পী শবনম মুশতারীকে নজরুল পুরস্কার ২০২৫-এ ভূষিত করেছে।
- নজরুল পুরস্কারের অর্থমূল্য (প্রতিটি) ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা। 

অন্যদিকে,
- ২০২৪ সালে নজরুল পুরস্কার লাভ করেন অধ্যাপক রাজিয়া সুলতানা।

উৎস: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।

৯৭৮.
'আলকাপ গান' বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের লোকসঙ্গীত?
  1. সিলেট
  2. ময়মনসিংহ
  3. পার্বত্য চট্টগ্রাম
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
• আলকাপ গান:
- আলকাপ গান পালাগানের একটি শাখা।
- সাধারণত পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও মালদহ এবং বাংলাদেশের রাজশাহী অঞ্চলে এ গানের প্রচলন বেশি।
- আলকাপ একটি দলীয় ও মিশ্র প্রকৃতির সঙ্গীত প্রদর্শন। এতে নাচ, গান, কথা, ছড়া, অভিনয় ইত্যাদির মিশ্রণ আছে। 
 - আলকাপ গানের প্রধান দুটি অংশ- গান গাওয়া ও বোল বা ছড়া কাটা।
- গানের বিষয়বস্ত্ত সাধারণত রাধাকৃষ্ণলীলা ও অন্যান্য পৌরাণিক কথা, আর ছড়ার বিষয়বস্ত্ত সমকালের সামাজিক ঘটনা। 
- সারি গান  এক প্রকার  লোকসঙ্গীত, যা শ্রমসঙ্গীত বা কর্মসঙ্গীত নামেও পরিচিত।
- নৌকার মাঝি-মাল্লাদের গান হিসেবেই এর প্রধান পরিচয়।
- মাঝিরা সারিবদ্ধভাবে বসে বৈঠা টানার তালে তালে এ গান গায় বলেই এর নাম হয়েছে সারি গান।

উৎস:
- বাংলাপিডিয়া।
৯৭৯.
টি-২০ ক্রিকেটের ১০০০তম ম্যাচটি জয় লাভ করে-
  1. ক) ভারত
  2. খ) পাকিস্তান
  3. গ) শ্রীলঙ্কা
  4. ঘ) বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ডিসেম্বর-২০১৯।
৯৮০.
কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে কোন বাঙালি গবেষণা করেন?
  1. সত্যেন্দ্রনাথ বসু
  2. অধ্যাপক জামাল নজরুল
  3. ড. ফেরদৌসী কাদরী
  4. মুহম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা
- কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষণা করেছেন বাঙালি বিজ্ঞানী প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম। 

বিজ্ঞানী প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম:
- বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. জামাল নজরুল ইসলাম।
- পেশাগতভাবে তিনি ছিলেন একজন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী, এবং তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র ছিল আপেক্ষিকতা, বিশ্বতত্ত্ব এবং কোয়ান্টাম তত্ত্ব।
- আইনষ্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্ব, কোয়ান্টাম মেকানিক্স, কসমোলজি ও মহাবিশ্বের সৃষ্টি তত্ত্বের মতো জটিল বিষয় নিয়ে করেছেন মৌলিক গবেষণা।
- তিনি ১৯৩৯ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৮৩ সালে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে প্রকাশিত তাঁর বই ’দি আল্টিমেট ফেইট অফ দি ইউনিভার্স’ বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়।
- বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত বাংলা ভাষায় তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত বই ⎯ 'কৃষ্ণগহ্বর’ (ব্ল্যাক হোল)।
- সৌরজগতের বিভিন্ন গ্রহ কখনো এক সরলরেখায় এলে পৃথিবীর ওপর তার প্রভাব পড়বে কি না, তা নিয়ে কাজ করেছেন তিনি।

উল্লেখ্য,
- ২০০০ সালে তিনি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ’একুশে পদকে’ ভূষিত হন।
- ২০১৩ সালের ১৬ই মার্চ চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
৯৮১.
প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মুসা ইব্রাহিম এভারেস্ট জয় করেন কত তারিখ?
  1. ১৯ মে, ২০১০
  2. ২১ মে, ২০১০
  3. ২৩ মে, ২০১০
  4. ২৬ মে, ২০১০
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশী এভারেস্ট জয়ী:
- বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম এভারেস্ট পর্বত বা মাউন্ট এভারেস্ট (Mount Everest)।
- ১৯৫৩ সালে এডমন্ড হিলারি ও তেনজিং নোরগে নেপালের দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্ব শৈলশিরা ধরে
প্রথম এই শৃঙ্গ জয় করেন।
- এখন পর্যন্ত ৫ জন বাংলাদেশী এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন ও বাবর আলী।
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ২৩ মে ২০১০ সালে প্রথম এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম।
- নারীদের মধ্যে প্রথম বাংলাদেশি এভারেস্টজয়ী হচ্ছেন নিশাত মজুমদার।
- সর্বশেষ ১৯ মে, ২০২৪ সালে এভারেস্ট জয় করেন বাবর আলী।

এছাড়াও,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন।
- তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি।
- তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২৯ আগস্ট ২০২২, দৈনিক কালের কণ্ঠ, ৬ ডিসেম্বর, ২০২২ ও দ্যা ডেইলী স্টার, ১৯ মে, ২০২৪।
৯৮২.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কবে বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. ক) ৪ জানুয়ারি ১৯৭২
  2. খ) ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
  3. গ) ৪ এপ্রিল ১৯৭২
  4. ঘ) ৪ জুলাই ১৯৭২
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৭২ সালের ৪ এপ্রিল বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।

বাংলাদেশকে বিভিন্ন দেশের স্বীকৃতি:
- ভুটান (প্রথম দেশ) : ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
- ভারত (দ্বিতীয় দেশ) : ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
- পূর্ব জার্মানি : ১১ জানুয়ারি ১৯৭২
- সোভিয়েত ইউনিয়ন : ২৫ জানুয়ারি ১৯৭২
- মালয়েশিয়া : ৩১ জানুয়ারি ১৯৭২
- সেনেগাল : ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
- যুক্তরাজ্য : ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
- ইরাক : ৮ জুলাই ১৯৭২
- ইন্দোনেশিয়া : ২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
- জাপান : ১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
- পাকিস্তান : ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪
- চীন : ৩১ আগস্ট ১৯৭৫।

(তথ্যসূত্র: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিস্ট দেশগুলোর সরকারি ওয়েবসাইট, নিউইয়র্ক টাইমস ও জাতীয় দৈনিক পত্রিকা)
৯৮৩.
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি জাদুঘর কোথায় নির্মাণ করা হবে?
  1. বঙ্গভবনে
  2. যমুনায়
  3. গণভবনে
  4. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

গণভবনকে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হ‌য়।

• সংবিধান অনুযায়ী, বাংলাদেশ সরকারের প্রধান নির্বাহী প্রধানমন্ত্রী।
• প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের নাম 'গণভবন'। 
• গণভবন অবস্থিত শেরেবাংলা নগর, ঢাকা।  
• প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ইংরেজি নাম 'পিএমও'। 
• প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অবস্থান তেজগাঁও, ঢাকা।
• রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবনের নাম 'বঙ্গভবন'।

উৎস: বাংলাদেশ সরকারের ওয়েবসাইট। 
৯৮৪.
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. জিয়াউর রহমান
  4. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন:
- বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনটি সোনারগাঁও জাদুঘর হিসেবেই পরিচিত। 
- এটি নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলায় অবস্থিত। 
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৫ সালের ১২ মার্চ।
- প্রতিষ্ঠাতা: শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন অনুধাবন করেছিলেন যে, শেকড়কে ভুলে কোনো জাতি মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে না। তাই তিনি আমাদের সোনালি ঐতিহ্যের পুনর্জাগরণ ঘটাতে ঐতিহাসিক সোনারগাঁওকেই বেছে নিয়েছিলেন এই ফাউন্ডেশনের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে। তাঁর এই দূরদর্শী চিন্তাই আজ বাংলার লোকজ সংস্কৃতিকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করছে।
- সোনারগাঁয়ের 'বড়সর্দারবাড়ি' নামে পরিচিত একটি প্রাচীন জমিদার প্রাসাদে এই জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে। এখানে আরো রয়েছে একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, কারুপল্লী ও একটি বিশাল লেক। সোনার গাঁয়ের যাদুঘর এলাকাকে রূপসী বাংলাদেশ হিসাব ঘোষণা করা হয়েছে।

• কারুশিল্পের উন্নয়ন ও শিল্পীদের অধিকার সুরক্ষায় ১৯৯৮ সালে ‘বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন আইন (১৯৯৮ সনের ৮ নং আইন)’ প্রণীত হয়। এই আইনের ৭ (চ) উপ-ধারায় কারুশিল্পের প্রসারে উৎসাহ প্রদানের বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ফাউন্ডেশনের মূল কার্যাবলি ও উদ্দেশ্যের মধ্যে রয়েছে:
- সংগ্রহ ও সংরক্ষণ: দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে লোকজ নিদর্শনগুলো সংগ্রহ করে সেগুলোকে বৈজ্ঞানিক উপায়ে সংরক্ষণ করা।
- গবেষণা ও প্রকাশনা: কারুশিল্পের উদ্ভব ও বিবর্তন নিয়ে মৌলিক গবেষণার ক্ষেত্র তৈরি করা।
- প্রদর্শন ও মেলা: লোকজ মেলার আয়োজন এবং যাদুঘরের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে আমাদের ঐতিহ্যের পরিচয় তুলে ধরা।
- পৃষ্ঠপোষকতা: কারুশিল্পীদের প্রশিক্ষণ প্রদান এবং তাদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জনে সহায়তা করা।

উল্লেখ্য,
- বাংলার ইতিহাসের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হলো সোনারগাঁও। সুলতানি আমলের রাজধানী থেকে শুরু করে বারো ভূঁইয়াদের শাসনকাল পর্যন্ত প্রায় তিনশত বছর সোনারগাঁও ছিল বাংলার প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। বিশেষ করে বারো ভূঁইয়া প্রধান ঈসা খাঁর বীরত্ব এবং বিশ্ববিখ্যাত মসলিন কাপড়ের আভিজাত্য সোনারগাঁওকে বিশ্বদরবারে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল। মসলিনের সেই সূক্ষ্ম কারুকাজ আজও বাংলার কারুশিল্পীদের সৃজনশীলতার চরম উৎকর্ষের প্রতীক হিসেবে স্বীকৃত।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৯৮৫.
বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঈরশ্বদী, পাবনা
  2. খ) মির্জাপুর, টাঙ্গাইল
  3. গ) শ্রীমঙ্গল, সিলেট
  4. ঘ) সাভার, ঢাকা
ব্যাখ্যা
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুরে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র।
- এটি নির্মাণে কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা করছে রাশিয়া।
- রাশিয়ান রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রোসাটম এতে কারিগরি সহায়তা করছে। অপর রাশিয়ান কোম্পানি টিভিএল জয়েন্ট স্টক এতে জ্বালানি সরবরাহ করবে।
- তবে বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সঞ্চালন প্রকল্পে অর্থ সহায়তা করছে ভারত সরকার।

- মোট উৎপাদন ক্ষমতা ২,৪০০ মেগাওয়াট।
- মোট ব্যয় প্রায় ১২.৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে রাশিয়া সরকার ঋণ দিচ্ছে ১১.৪ বিলিয়ন ডলার।
- ২০২৩ সালে কেন্দ্রটি চালু করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- রূপপুর পরমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের মূল জ্বালানি হলো ইউরেনিয়াম - ২৩৫।

সূত্র: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ওয়েবসাইট এবং দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
৯৮৬.
ভ্যাকসিন দেওয়ার লক্ষ্যে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের প্রস্তুতকৃত অ্যাপের নাম -
  1. ক) ভ্যাকসিন
  2. খ) সেবা
  3. গ) সুরক্ষা
  4. ঘ) মায়া
ব্যাখ্যা
- বিশ্বের ৫৪তম দেশ হিসেবে ২৭ জানুয়ারি ২০২১ বাংলাদেশ করোনা ভাইরাসের টিকা প্রয়োগ শুরু করে।
- বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের টিকা গ্রহণের নিবন্ধন অ্যাপ - এর নাম - “সুরক্ষা”।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯৮৭.
বাংলাদেশের প্রথম সাবমেরিন ঘাঁটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) পটুয়াখালীতে
  2. খ) বরিশালে
  3. গ) চট্টগ্রামে
  4. ঘ) কক্সবাজারে
ব্যাখ্যা
বানৌজা শেখ হাসিনা
- সাবমেরিনের সুষ্ঠু পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপদ জেটি সুবিধার জন্য কক্সবাজারের কুতুবদিয়ার পেকুয়ায় সাবমেরিন ঘাঁটি ‘বানৌজা শেখ হাসিনা’ কমিশনিং করলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- এটি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডুবোজাহাজ ঘাঁটি।
- ২০২৩ সালের ২০ মার্চ গণভবন হতে ভিডিও টেলিকনফারেন্স এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে নামফলক উন্মোচন করেন। 
- এর মধ্য দিয়ে ঘাঁটিটি নৌবাহিনীতে আনুষ্ঠানিকভাবে অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু করল।
- ১২ মার্চ ২০১৭ তারিখে ‘বানৌজা শেখ হাসিনা’ নির্মাণে ঘাঁটির নামফলক উন্মোচিত হয়।

উৎস: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯৮৮.
ECNEC এর পূর্ণ অভিব্যাক্তি কী?
  1. ক) Executive Committee of the National Economic Council
  2. খ) Executive Council of National Economic Committee
  3. গ) Economic Council of National Executive Committee
  4. ঘ) Executive Committee the Nation Economic Council
ব্যাখ্যা
ECNEC এর পূর্ণ অভিব্যাক্তি - Executive Committee of the National Economic Council.

• ECNEC:
- ECNEC ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- একনেক (ECNEC)-এর প্রধান- প্রধানমন্ত্রী।
- একনেক 1982 সালে গঠিত হয়। এর চেয়ারম্যান বা সভাপতি হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।
৯৮৯.
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর-এর আওতায় (ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ পর্যন্ত) দেশে জাতীয় মহাসড়ক এর পরিমাণ কত?
  1. ২২,৪৭৬ কিলোমিটার
  2. ৪,৮৯৮ কিলোমিটার
  3. ৩,৯৯১ কিলোমিটার
  4. ১৩,৫৮৭ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
---------------------------- 
• সড়ক যোগাযোগ:


সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ): সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর-এর আওতায় দেশে বিভিন্ন ধরনের মহাসড়ক রয়েছে – ২২,৪৭৬ কিলোমিটার (ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ পর্যন্ত)।
এর মধ্যে –  

• জাতীয় মহাসড়ক – ৩,৯৯১ কিলোমিটার।
• আঞ্চলিক মহাসড়ক – ৪,৮৯৮ কিলোমিটার এবং
• ফিডার/জেলা সড়ক – ১৩,৫৮৭ কিলোমিটার।

মোট – ২২,৪৭৬ কিলোমিটার।

সওজ নিয়ন্ত্রাণাধীন সড়ক নেটওয়ার্কে বিভিন্ন প্রকারের ৪,৪০৪টি সেতু এবং ১৫,০৮৪টি কালভার্ট রয়েছে।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০২৪।
৯৯০.
গ্লোবাল স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম সূচক অনুসারে, বাংলাদেশের অবস্থান -
  1. ক) ৯১তম
  2. খ) ৯৫তম
  3. গ) ৯৩তম
  4. ঘ) ৯৭তম
ব্যাখ্যা
গ্লোবাল স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম ইনডেক্স:
জুন ২০২২-এ বৈশ্বিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্টার্টআপ ব্রিঙ্ক ১০০টি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করে গ্লোবাল স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম ইনডেক্স প্রকাশ করে।
সূচক অনুসারে -
• শীর্ষ দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
বাংলাদেশের অবস্থান - ৯৩তম।
• শীর্ষ শহর - সান ফ্রান্সিসকো। 
• ঢাকার অবস্থান ৩২৬তম।
• সার্কভুক্ত দেশের অবস্থান: ১৯. ভারত, ৭৬. পাকিস্তান, ৯০. শ্রীলংকা ও ৯৩. বাংলাদেশ।

সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জুলাই ২০২২
৯৯১.
প্রতি বছর কতজন লেখককে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার প্রদান করা হয়?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ শিশু একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার:
- শিশুসাহিত্যে সার্বিক অবদানের জন্য বাংলাদেশ শিশু একাডেমি বছরে একজন সাহিত্যসেবীকে এ পুরস্কার প্রদান করে।
- বাংলা ১৩৯৬ সন (১৯৮৯ খ্রি) থেকে এ পুরস্কার চালু করা হয়েছে।
- একজন কবি বা সাহিত্যিক জীবনে মাত্র একবার এ পুরস্কার লাভ করতে পারেন।
- এ পুরস্কার মরণোত্তর পুরস্কার হিসেবে দেওয়ার বিধান নেই।
- শিশু একাডেমি পুরস্কারের মান নগদ ২৫ হাজার টাকা।
- পুরস্কৃত সাহিত্যিককে নগদ অর্থ, সম্মাননা প্রতীক ও সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমি ওয়েবসাইট।
৯৯২.
UNESCO সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঘোষণা করে কবে?
  1. ১৯৯৩ সালের ৬ ডিসেম্বর
  2. ১৯৯৫ সালের ৬ ডিসেম্বর
  3. ১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর
  4. ১৯৯৮ সালের ৬ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

• সুন্দরবন:
- সমুদ্র উপকূলবর্তী নোনা পরিবেশের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনভূমি হিসেবে অখন্ড বন যা বিশ্বে সর্ববৃহৎ।
- এই বনভূমি গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের মোহনায় অবস্থিত এবং বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বিস্তৃত ।
- ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে গড়ে ওঠা সুন্দরবনের ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার রয়েছে বাংলাদেশে।
- UNESCO ১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর সুন্দরবনকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- সুন্দরবনকে জালের মত জড়িয়ে রয়েছে সামুদ্রিক স্রোতধারা, কাদা চর এবংম্যানগ্রোভ বনভূমির লবণাক্ততাসহ ছোট ছোট দ্বীপ।
- ১৯৯২ সালের ২১শে মে সুন্দরবন রামসার স্থান হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

উৎস: বাগেরহাট জেলা, জাতীয় তথ্য বাতায়ন ওয়েবসাইট।

৯৯৩.
সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর নগদ অর্থ সহায়তার কর্মসূচিতে সকল উপকারভোগীকে কোন পদ্ধতিতে অর্থ পরিশোধ করা হচ্ছে?
  1. G2G পদ্ধতি
  2. G2B পদ্ধতি
  3. G2P পদ্ধতি
  4. G2C পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী:
- সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচিসমূহ বাস্তবায়নে যে সকল মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর কাজ করে থাকে তার মধ্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়াধীন সমাজসেবা অধিদপ্তর অন্যতম।
- সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল (NSSS) -২০১৫ এ সমাজসেবা অধিদপ্তরকে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী ক্লাস্টারে লিডিং অধিদপ্তর হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
- সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত নগদ অর্থ সহায়তার কর্মসূচিসমূহের সকল উপকারভোগীকে G2P  পদ্ধতিতে অর্থ পরিশোধ করা হচ্ছে। 
- প্রত্যেক উপকারভোগী ৩ মাস অন্তর ৪ বারে তার প্রাপ্য অর্থ স্বীয় মোবাইল হিসাব নম্বর (নগদ/বিকাশ) এবং এজেন্ট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে পেয়ে থাকেন।

উৎস: সমাজসেবা অধিদপ্তর
৯৯৪.
বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন হয় কোথায়?
  1. নিউইয়র্ক
  2. কলকাতা
  3. টেকিও
  4. দিল্লি
ব্যাখ্যা

• জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন:
-  ১৯৭১ সালের ২ মার্চ, ছাত্র সংগঠনগুলো 'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করে।
- একই দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের বটতলায় একটি ছাত্রসভায় ডাকসু ভিপি আ.স.ম আবদুর রব প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।
- এই ঘটনাটি স্মরণীয় হয়ে থাকে, তাই ২ মার্চ 'জাতীয় পতাকা দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।

- বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় কলকাতা উপহাইকামিশনারের কার্যালয়ে।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশনে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা তোলা হয়। তৎকালীন উপহাইকমিশনার হোসেন আলী দূতাবাসে পাকিস্তানের পতাকা নামিয়ে তুলেছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো।

৯৯৫.
বাংলাদেশ প্রথম কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য পদ লাভ করে?
  1. ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংক (IDB)
  2. ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (OIC)
  3. কমনওয়েলথ
  4. কৃষি ও খাদ্য সংস্থা (FAO)
ব্যাখ্যা
• কমনওয়েলথ:
- কমনওয়েলথ  ৫৬টি স্বাধীন ও সমান দেশের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ।
• এটি ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় সর্বসম্মতিক্রমে।
- বর্তমান সদস্য ৫৬টি।
- সদরদপ্তর: মার্লবোরো হাউস, লন্ডন।
- কমনওয়েলথের প্রধান : মহামান্য রাজা তৃতীয় চার্লস কমনওয়েলথের প্রধান।
- মাননীয় শার্লি বচওয়ে  বর্তমান কমনওয়েলথ মহাসচিব।

- বাংলাদেশ প্রথম আন্তর্জাতিক সংস্থার ৩২তম সদস্য হিসেবে, কমনওয়েলথের সদস্য পদ লাভ করে ১৮ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।

উৎসঃ কমনওয়েলথের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
৯৯৬.
শিখা অনির্বাণ অবস্থিত-
  1. ক) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে
  2. খ) বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে
  3. গ) রাজারবাগ পুলিশ লাইনে
  4. ঘ) ঢাকা সেনানিবাসে
ব্যাখ্যা
- 'শিখা অনির্বাণ' ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত।
- 'শিখা চিরন্তন' সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবস্থিত। মুজিবনগরে বাংলাদেশের অস্থায়ী বা প্রথম সরকার গঠন ও শপথ অনুষ্ঠিত হয়।
৯৯৭.
কোনটি হুমায়ুন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র?
  1. মাটির ময়না
  2. চিত্রা নদীর পাড়ে
  3. আবার তোরা মানুষ হ
  4. আগুনের পরশমণি
ব্যাখ্যা
• চলচ্চিত্র:
- হুমায়ুন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র- 'আগুনের পরশমণি '
- আগুনের পরশমণি উপন্যাস নিয়ে ১৯৯৪ সালে নির্মাণ হয়।

এছাড়া, 
- 'আবার তোরা মানুষ হ' চলচ্চিত্রের পরিচালক- খান আতাউর রহমান।
- 'মাটির ময়না'  চলচ্চিত্রের পরিচালক- তারেক মাসুদ।
- 'চিত্রা নদীর পাড়ে' চলচ্চিত্রটি ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পটভূমিতে নির্মিত। এটি পরিচালনা করেন তানভীর মোকাম্মেল।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
৯৯৮.
কমনওয়েলথে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়ে সদস্যভুক্ত করায় কোন দেশটি কমনওয়েলথ ত্যাগ করে?
  1. ভারত
  2. পাকিস্তান
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. ফিজি
ব্যাখ্যা
কমনওয়েলথ:
- কমনওয়েলথ এর সদর দপ্তর লন্ডনে।
- আধুনিক কমনওয়েলথ ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- কমনওয়েলথে দাপ্তরিক ভাষা ইংরেজী।
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৬টি দেশ। (জুন, ২০২৫)
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথের সদস্য হয় ।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩২তম সদস্য।
- বর্ণবাদ নিয়ে সমালোচনার জেরে ১৯৬১ সালে কমনওয়েলথ থেকে সরে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়ে সদস্যভুক্ত করায় পাকিস্তান ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথ ত্যাগ করে।
- পরবর্তিতে পাকিস্তান ১৯৮৯ সালে ও দক্ষিণ আফ্রিকা ১৯৯৪ সালে কমনওয়েলথে যোগদান করে।

তথ্যসূত্র- কমনওয়েলথ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯৯৯.
'আলোকিত মানুষ চাই' কোন প্রতিষ্ঠানের স্লোগান?
  1. জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্র
  2. বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র
  3. কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি
  4. শিল্পকলা একাডেমি
ব্যাখ্যা
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
- আলোকিত মানুষ চাই" এটি বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠানের স্লোগান।
- বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র শিক্ষা ও সংস্কৃতিমূলক একটি প্রতিষ্ঠান।
- মানুষের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং বিভিন্নবিষয়ক জ্ঞান ও রুচিশীল সংস্কৃতিচর্চার মাধ্যমে প্রগতিশীল চিন্তাচেতনার বিকাশ ঘটানো এর উদ্দেশ্য।
- ঢাকার ১৪ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউতে এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
- বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সূচনা হয় ১৯৭৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর এবং এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় ১৯৮০ সালের ৬ মার্চ।
- এটি একটি জনকল্যাণধর্মী ট্রাস্ট হিসেবে নিবন্ধীকৃত। কেন্দ্রের নয় সদস্যবিশিষ্ট ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি হচ্ছেন আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। 
- কেন্দ্রের নিজস্ব আয়, বিভিন্ন সমাজহিতৈষী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশ সরকারের আর্থিক অনুদানে এর কর্মকান্ড পরিচালিত হয়।
- নয় তলা বিশিষ্ট বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র ভবনটিতে ১টি আর্ট গ্যালারী, ১টি নাট্যমঞ্চ, ১টি শিশু কেন্দ্র, ৩টি অডিটোরিয়াম, বিশ্ব সাহিত্যের একটি শাখা, বিশ্ববিখ্যাত সিনেমা ও ছবির ২টি আর্কাইভ, অতিথি ভবন এবং ১টি ক্যাফেটেরিয়া।

উৎস: উইকিপিডিয়া। 
১,০০০.
বাংলাদেশ ২০৪১ সালের মধ্যে মোট জ্বালানির শতকরা কতভাগ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পেতে চায়?
  1. ৪১%
  2. ৪২%
  3. ৪০%
  4. ৫০%
ব্যাখ্যা
- ২০৪১ সালের মধ্যে ৪০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্য বাংলাদেশের। 
- সরকারের লক্ষ্য ২০৪১ সালের মধ্যে দেশের মোট জ্বালানির ৪০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার। 
- এ উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রয়োজন আন্তর্জাতিক প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক সহায়তা। 
- পাওয়ার সিস্টেম মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী ফুয়েল মিক্সে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ ক্রমশ বাড়ছে। 
- ২০৪১ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে ৪০ শতাংশ বিদ্যুৎ আসবে। 

উৎস: দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকা (২০ ‍জুন, ২০২১)।