ব্যাখ্যা
অন্যদিকে:
• সব কিছু জানে এমন - সর্বজ্ঞ।
• সব বিষয়ে জানে এমনম - সবজান্তা।
• অনেক প্রকারে/ বিভিন্ন দিক থেকে - বহুধা।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান ও অভিগম্য অভিধান।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৯২ / ৩৫৪ · ৯,১০১–৯,২০০ / ৩৫,৭১৩
- ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী 'উল্লেখিত' শব্দ হতে পারে না। অভিধানে এই শব্দ খুঁজে পাওয়া যাবে না। শব্দটি তৈরি হয়েছে এভাবে: উৎ + লিখিত = উল্লিখিত। উৎ মানে - উপরে বা আগে। আর লিখিত মানে যা লেখা হয়েছে এমন। তাঁর মানে উল্লেখিত শব্দের অর্থ দাঁড়ালো 'উপরে লিখিত' বা 'পূর্বে লিখিত'। তাঁর মানে 'উপরে উল্লেখিত, 'উপরোল্লিখিত' বা 'পূর্বোল্লিখিত' ভুল ব্যবহার।
- পরিপ্রেক্ষিত বোঝাবার জন্য 'প্রেক্ষিত' শব্দটি অনেকদিন যাবত ভুলভাবেই সবাই ব্যবহার করছে। 'প্রেক্ষিত' শব্দটি এসেছে 'প্রেক্ষণ' শব্দ থেকে।
- প্রেক্ষণ বিশেষ্য পদ অর্থ দৃষ্টি। এ থেকে তৈরি হয়েছে বিশেষণ পদ 'প্রেক্ষিত' অর্থ দর্শিত বা যা দেখা হয়েছে।
উৎস: বাংলা ভাষার নিয়ম কানুন, হায়াৎ মাহমুদ
• ম্যানোয়েল দ্যা আসসুম্পসাঁউ পর্তুগিজ ভাষায় রচিত Vocabulario em Idioma Bengalla E Portugues (1743) গ্রন্থের একটা অধ্যায়ে পর্তুগিজ ভাষায় প্রথম বাংলা ভাষার ব্যাকরণ লেখেন।
- কিন্তু সেটা কোনো গ্রন্থ ছিল না, একটা অধ্যায় ছিল মাত্র।
• বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণগ্রন্থ লেখেন নাথায়িল ব্রাসি হ্যালহেড। এটি ইংরেজিতে লেখা হয়।
- এই বইয়ের নাম ছিল - A Grammar of the Bengal Language (1778)।
• ‘গৌড়ীয় ব্যাকরণ’ বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ। রচয়িতা রাজা রামমোহন রায়, প্রকাশিত ১৮৩৩ খ্রিষ্টাব্দে। এটি তাঁর সর্বশেষ গ্রন্থ। এর আগে তিনি ইংরেজিতে Bengali Grammar in the English Language নামের একটি ব্যাকরণ গ্রন্থ রচনা করেন।
উৎস : ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
প্রশ্নে উল্লেখিত গ) তারিখ - শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
উৎসঃ বাংলাএকাডেমি অভিধান
অন্যদিকে,
চশমা, নামাজ ও মৌলভী শব্দ দুটি - ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
যে পদ দ্বারা কোন ব্যক্তি, ভৌগোলিক স্থান, বা গ্রন্থ বিশেষের নাম বিজ্ঞাপিত হয়, তাকে সংজ্ঞা বা নামবাচক বিশেষ্য পদ বলে।
যেমন- আনিস, ঢাকা, মেঘনা, হিমালয়, গীতাঞ্জলি, ফাল্গুন, বিজু, বৈসাবি ইত্যাদি।
সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণীর বোর্ড বই।
• "Erudite" এর বাংলা পরিভাষা- পাণ্ডিত্যপূর্ণ।
------------------------
• 'Erudite' (adjective):
English Meaning: Having or showing a lot of knowledge, especially from reading and studying.
Bangla Meaning: (আনুষ্ঠানিক) পাণ্ডিত্যপূর্ণ।
অন্যদিকে,
- Escheat- বাজেয়াপ্ত করা;
- Espionage- গুপ্তচরবৃত্তি;
- Over eating- অতিভোজন।
উৎস: বাংলা একাডেমি প্রশাসনিক পরিভাষা।
হাড়হদ্দ- সবকিছু।
রাশভারী- গম্ভীর প্রকৃতি।
পায়াভারী- অহংকার।
ধামাধরা- তোষামুদে।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• পুরুষবাচক শব্দের শেষে 'অত', 'বান', 'মান', 'ঈয়ান' থাকলে 'অতী', 'বতী', 'মতী', 'ঈয়সী' হয়:
যেমন:
→ সৎ-সতী,
→ গুণবান-গুণবতী,
→ শ্রীমান-শ্রীমতী,
→ গরীয়ান-গরীয়সী।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
• শব্দ:
- শব্দ হলো অর্থপূর্ণ ধ্বনিসমষ্টি।
- ধ্বনির অর্থপূর্ণ মিলন ঘটলে তাকে শব্দ বলে।
- শব্দ হলো বাক্যের মৌলিক উপাদান।
অন্যদিকে,
• প্রত্যয়:
- শব্দ ও ধাতুর পরে অর্থহীন যেসব শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোকে প্রত্যয় বলে।
• বাক্য:
- এক বা একাধিক শব্দ দিয়ে গঠিত পূর্ণ অর্থবোধক ভাষিক একককে বাক্য বলে।
• অক্ষর (Syllable):
- বাগযন্ত্রের ক্ষুদ্রতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা শব্দাংশের নাম অক্ষর (Syllable)।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
• বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ অঘােষ ধ্বনি।
---------------------
• অঘােষ ধ্বনি:
- বাংলা ভাষায় অঘোষ ব্যঞ্জনধ্বনি বলতে সেই সব ব্যঞ্জনকে বোঝায়, যেগুলো উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী কোনো কম্পন সৃষ্টি করে না।
- এ ধরনের ধ্বনির মোট সংখ্যা ১৩টি।
- এর মধ্যে বর্গীয় ব্যঞ্জনের প্রথম ও দ্বিতীয় ধ্বনি—অর্থাৎ ক, খ; চ, ছ; ট, ঠ; ত, থ; প, ফ—এই দশটি ধ্বনি অঘোষ শ্রেণিভুক্ত।
- এদের সঙ্গে যোগ হয় তিনটি উষ্ম ধ্বনি—শ, ষ, স।
- ফলে বর্গীয় ১০টি এবং উষ্ম ৩টি মিলিয়ে বাংলায় মোট ১৩টি অঘোষ ব্যঞ্জনধ্বনি গঠিত হয়েছে।
--------------------
অন্যদিকে,
• বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ মহাপ্রাণ ধ্বনি।
• বর্গের পঞ্চম বর্ণ নাসিক্য ধ্বনি।
• বর্গের প্রথম ও তৃতীয় বর্ণ অল্পপ্রাণ ধ্বনি।
• বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম বর্ণ ঘােষ ধ্বনি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
• অপাদান কারক:
যা থেকে কোনো কিছু বিচ্যুত, পতিত, গৃহীত, জাত, রক্ষিত, বিরত, দূরীভূত ও উৎপন্ন এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে।
যেমন:
অপাদান কারকে বিভিন্ন বিভক্তির প্রয়োগ:
প্রথমা বিভক্তি: ট্রেনটি ঢাকা ছাড়ল।
দ্বিতীয়া বিভক্তি: বাবাকে বড্ড ভয় পাই।
তৃতীয়া বিভক্তি: তার চোখ দিয়ে পানি পড়ছে।
পঞ্চমী বিভক্তি: জেলেরা নদী থেকে মাছ ধরছে।
ষষ্ঠী বিভক্তি: বাঘের ভয়ে সকলে ভীত।
সপ্তমী বিভক্তি: দুধে দই হয়।
উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।
বাংলা ভাষায় অনেক শব্দ বা পদ দুইবার ব্যবহৃত হয়ে অন্য একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।
কোন শব্দ বা পদ পরপর দুইবার ব্যবহৃত হয়ে কোন বিশেষ অর্থ প্রকাশ করলে তাকে দ্বিরুক্ত শব্দ বলে।
যেমন- ‘আমার জ্বর জ্বর লাগছে।’ এখানে ‘জ্বর জ্বর’ দ্বিরুক্ত শব্দটি ঠিক ‘জ্বর’ অর্থ প্রকাশ করছে না। জ্বরের ভাব প্রকাশ করছে।
দ্বিরুক্ত শব্দ ৩ প্রকার
- শব্দের দ্বিরুক্তি,
- পদের দ্বিরুক্তি ও
- অনুকার দ্বিরুক্তি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম - দশম শ্রেণি।
• 'অজ' খাঁটি বাংলা উপসর্গ যোগে 'নিতান্ত (মন্দ)' অর্থে গঠিত শব্দ - অজপাড়াগাঁ, অজমূর্খ, অজপুকুর।
----------------
• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজেস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১ টি।
যথা:
অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।
তবে বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
• বিকল্প যোজক:
এ ধরনের যোজক একাধিক শব্দ বা বাক্যের মধ্যে বিকল্প নির্দেশ করে।
যেমন-
- লাল বা নীল কলমটা আনো।
- চা না-হয় কফি খান।
• সাপেক্ষ যোজক:
- এ ধরনের যোজক একে অন্যের পরিপূরক হয়ে বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
যেমন-
- যদি রোদ ওঠে, তবে রওনা দেব।
- যত পড়ছি, ততই নতুন করে জানছি।
• বিরোধ যোজক:
এ ধরনের যোজক বাক্যের দুটি অংশের সংযোগ ঘটায় এবং প্রথম বাক্যের বক্তব্যের সঙ্গে বিরোধ তৈরি করে।
যেমন-
- এত পড়লাম, কিন্তু পরীক্ষায় ভালো করতে পারলাম না।
- তাকে আসতে বললাম, তবু এল না।
• কারণ যোজক:
এ ধরনের যোজক বাক্যের দুটি অংশের মধ্যে সংযোগ ঘটায় যার একটি অন্যটির কারণ।
যেমন-
- জিনিসের দাম বেড়েছে, কারণ চাহিদা বেশি।
- বসার সময় নেই, তাই যেতে হচ্ছে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২৪ সংস্করণ)।
• ‘এ যে আমাদের চেনা লোক’ বাক্যে ‘চেনা’ - বিশেষণ পদ।
• বিশেষণ পদ:
যে শব্দ দিয়ে সাধারণত বিশেষ্য ও সর্বনামের গুণ, দোষ, সংখ্যা, পরিমাণ, অবস্থা ইত্যাদি বোঝায় তাকে বিশেষণ বলে।
যেমন:
- দুষ্টু ছেলেটি দৌড়ে পালালো।
- অভিজ্ঞ উনিই ব্যাপারটা বুঝবেন।
[বাক্যে দুষ্টু ও অভিজ্ঞ বিশেসণ পদ]
- ‘এ যে আমাদের চেনা লোক’ বাক্যে বিশেষ্য 'লােক' শব্দটির অবস্থা বর্ণনা করেছে 'চেনা' শব্দটি। তাই 'চেনা' শব্দটি বিশেষণ।
- এছাড়াও, বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, ‘চেনা’ বিশেষণ পদ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ); বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'Avocation' এর বাংলা পরিভাষা - পেশা / বৃত্তি।
অন্যদিকে,
• 'Morality' এর বাংলা পরিভাষা - সদাচার।
• 'Etiquette' এর বাংলা পরিভাষা - শিষ্টাচার।
• 'Modesty' এর বাংলা পরিভাষা - শালীনতা।
উৎস: বাংলা একাডেমি প্রশাসনিক পরিভাষা।
ঈয়স্ > ঈয়ান্ প্রত্যয়যোগে গঠিত কিছু তদ্ধিত প্রত্যয় হলো-
বৃদ্ধ + ঈয়স্ = বর্ষীয়ান।
বলবৎ + ঈয়স্ = বলীয়ান।
লঘু + ঈয়স্ = লঘীয়ান৷
গুরু + ঈয়স্ = গরীয়ান।
বহু + ঈয়স্ = ভূয়ান।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ৷
যেকোন সার্থক বাক্যের গুণ তিনটি।
আকাঙ্খা
আসত্তি
যোগ্যতা
- বাক্যের অর্থ প[অরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য একপদের পর অন্য পদ শোনার যে আগ্রহ জাগে তাকে আকাঙ্খা বলে।
- বাক্যের ব্যবহৃত পদগুলোর মাঝে অর্থ সঙ্গতি বা মিল রাখার জন্য সুশৃঙ্খল্ভাবে পদবিন্যাসকেই বলা হয় আসত্তি।
- বাক্যস্থিত পদ গুলোর মাঝে অর্থগত ও ভাবগত মেলবন্ধন এর নামই যোগ্যতা।
- 'প্রিয় বাল্য হতেই কাব্য তিনি' বাক্যটিতে আসত্তি লোপ পেয়েছে। যদি বাক্যটি 'বাল্য হতেই তিনি কাব্য প্রিয়' হলে বাক্যটি সার্থক হয়।
- 'এখানে খাঁটি গরুর দুধ পাওয়া যায়।' বাক্যের শুদ্ধ রূপ 'এখানে গরুর খাঁটি দুধ পাওয়া যায়।'
- 'তপ্ত ভাতে নুন জুটে না ঠাণ্ডা ভাতে ঘি।' বক্যের শুদ্ধ রূপ 'তপ্ত ভাতে নুন জুটে না পান্তা ভাতে ঘি।'
- 'বুনো ওল, বাঘা তেতুল।' বাক্যটি শুদ্ধ।
উৎস:এসএসসি বাংলা দ্বিতীয় পত্র বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• 'কূপমণ্ডূক' বাগ্ধারা অর্থ - সীমাবদ্ধ জ্ঞান।
অন্যদিকে,
- কেউকেটা - বিশিষ্ট ব্যক্তি।
- খয়ের খাঁ - তোষামোদকারী।
- খোদার খাসি - ভাবনাচিন্তাহীন।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ
• 'অরণ্য' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- বন, জঙ্গল, অটবি, কানন, বিপিন, কান্তার, অরণ্যানী, বনভূমি, গহন ও বনানী।
---------------
অন্যদিকে,
- 'বায়ু' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- বাত, প্রভঞ্জন, মরুৎ, বাতাস, অনিল, পবন, হাওয়া, সমীর, সমীরণ, মারুত, গন্ধবহ।
উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
জীবন্মৃত [জিবন্মৃতো] (বিশেষণ) {(তৎসম বা সংস্কৃত) জীবৎ+ মৃত; (কর্মধারয় সমাস)}
১ জীবিত থেকেও মৃতের ন্যায় অচল-অক্ষম; জীয়ন্তে মরা।
২ নির্জীব; মনমরা।
উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান।
ব্যঞ্জনসন্ধি:
- স্বরে-ব্যঞ্জনে, ব্যঞ্জনে-স্বরে ও ব্যঞ্জনে-ব্যঞ্জনে যে সন্ধি হয়, তাকে ব্যঞ্জনসন্ধি বলে।
- চলৎ + চিত্র = চলচ্চিত্র;
- বিপদ্ + জনক = বিপজ্জনক;
- উৎ + লাস = উল্লাস;
- বাক্ + দান = বাগ্দান;
- তৎ + মধ্যে = তন্মধ্যে;
- শম্ + কা = শঙ্কা;
- সম্ + চয় = সঞ্চয়;
- সম্ + তাপ সন্তাপ;
- সম্ + মান = সম্মান।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'মানসিকতা' - শুদ্ধ বানান।
অন্য অপশনের শুদ্ধ বানান:
উজ্জ্বীবিত - উজ্জীবিত;
অধ্যায়ন - অধ্যয়ন;
ভাষ্কর - ভাস্কর।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত কিছু ফারসি উপসর্গ হলো - কার, দর্, না, নিম্, ফি, বদ, বে, বর্, কম্, ব্ ইত্যাদি।
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত কিছু আরবি উপসর্গ হলো - আম্, খাস, লা, গর্, খয়ের, বাজে ইত্যাদি।
খয়ের আরবি উপসর্গ।
অর্থদ্যোতকতা - ভাল।
যেমনঃ খয়ের খাঁ।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
• পরাগত সমীভবন:
পরবর্তী ধ্বনির প্রভাবে পূর্ববর্তী ধ্বনির পরিবর্তন কে পরাগত সমীভবন বলে।
যেমন:
- তৎ + জন্য > তজ্জন্য,
- তৎ + হিত >তদ্ধিত,
- উৎ + মুখ > উন্মুখ।
অন্যদিকে:
------------------
• প্রগত সমীভবন:
পূর্ব ধ্বনির প্রভাবে পরবর্তী ধ্বনির পরিবর্তনকে প্রগত সমীভবন বলে।
যেমন:
- চক্র > চক্ক,
- পক্ব > পক্ক।
• অন্যোন্য সমীভবন:
যখন পরস্পরের প্রভাবে দুটো ধ্বনিই পরিবর্তিত হয় তখন তাকে বলে অনন্যান্য সমীভবন।
যেমন:
- সংস্কৃত সত্য > প্রাকৃত সচ্চ।
- সংস্কৃত বিদ্যা > প্রাকৃত বিজ্জা ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• 'উচ্ছৃঙ্খলভাবে বিচরণ করে এমন' এর এক কথায় প্রকাশ - উদ্ভ্রান্ত।
অন্যদিকে,
বাতাসে উবে যায় এমন - উদ্বায়ী।
যা উদ্গিরণ করা হয়েছে - উদ্দ্বান্ত।
বাস্তু থেকে উৎখাত হয়েছে যে - উদ্বাস্তু।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।