ব্যাখ্যা
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
শব্দের অর্থ:
- ছবি আঁকা বা রং লাগানোর জন্য ব্যবহৃত পশুলোম বা কৃত্রিম আঁশের সরঞ্জামবিশেষ, তুলি।
- দাঁত পরিষ্কার করার কাজে ব্যবহৃত ছোটো হাতলযুক্ত মার্জনী।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৪৭ / ৩৫৪ · ৪,৬০১–৪,৭০০ / ৩৫,৭১৩
সারমেয় (বিশেষ্য) = কুকুর।
স্ত্রীলিঙ্গঃ সারমেয়ী (বিশেষ্য)।
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান।
• 'অন্য কাল' এর এক কথায় প্রকাশ - কালান্তর।
অন্যদিকে,
অন্য লোক-লোকান্তর।
অন্য যুগ-যুগান্তর।
অন্য জন্ম-জন্মান্তর।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
অনুজ্ঞা:
- আদেশ, অনুরোধ, অনুমতি, প্রার্থনা ইত্যাদি বোঝাতে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কালের মধ্যম পুরুষে ক্রিয়াপদের যে রূপ হয়, তাকে অনুজ্ঞা বলে।
যেমন:
বর্তমান কালের অনুজ্ঞা:
- তোমরা কাজ করো।
- রোহান লিখুক।
- আদেশ করুন জাহাপনা।
ভবিষ্যৎ কালের অনুজ্ঞা:
- সব সময় সত্যি বলবে।
- বড় হও, বুঝতে পারবে।
- অসুস্থ হলে ওষুধ খাবে।
উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
'বন' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- অরণ্য, জঙ্গল, কানন, বনানী, বনবাদাড়, কুঞ্জ, কান্তার, বিপিন, অটবী।
অন্যদিকে,
'পদ্ম' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- কমল, উৎপল, পঙ্কজ, কুমুদ, কুবলয়, শতদল, অরবিন্দ, রাজীব, নলিনী, সরোজ।
'বৃক্ষ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- গাছ, পাদপ, দ্রুম, বনানী, তরু, বিটপী, শাখী, পণী, শৃঙ্গী, শিখরী, মহীরুহ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• "কলগি" 'তুর্কি' ভাষার শব্দ।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
শব্দের অর্থ:
- শিরোভূষণ,
- রাজ-মুকুটের চূড়া।
অন্যদিকে,
পর্তুগিজ শব্দ - পেয়ারা, বেহালা, আলপিন।
কিছু তুর্কি শব্দ:
- বেগম,
- কুলি,
- চাকু,
- বাবা,
- বাবুর্চি,
- মুচলেকা ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'Navigator' এর বাংলা পরিভাষা - নাবিক।
অন্যদিকে,
Navigability - নাব্যতা।
Nebula - নীহারিকা।
Navigation - নৌচালন।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস:
যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে সপ্তমী বিভক্তি (এ, য়, তে) লোপ পায়, তাকে বলা হয় সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস।
যেমন:
- গাছে পাকা = গাছপাকা,
- অকালে মৃত্যু = অকালমৃত্যু,
- দিবায় নিদ্রা = দিবানিদ্রা,
- ভোজনে পটু = ভোজন পটু,
- পূর্বে অদৃষ্ট = অদৃষ্টপূর্ব,
- দানে বীর = দানবীর,
- মনে মরা = মনমরা ইত্যাদি।
উৎস :মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'অপাঙ্গ' - শব্দের অর্থ - চোখের প্রান্তভাগ বা চোখের কোণ।
- এটি সংস্কৃত শব্দ, যা বিশেষ করে চোখের পাশের অংশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
অন্য অপশন:
(ক) নয়না → "নয়না" শব্দটি চোখ বোঝায়, কিন্তু এর প্রান্তভাগ নয়।
(গ) অক্ষিগোলক → "অক্ষিগোলক" হলো চোখের পুরো বলের মতো অংশ, যা চোখের ভেতরের গঠন বোঝায়।
অতএব,
‘চোখের প্রান্তভাগ’ এর এক কথায় প্রকাশ হলো "অপাঙ্গ"।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান, ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।
• বহুব্রীহি সমাস:
- যে সমাসে পূর্ব বা পর কোন পদের অর্থ না বুঝিয়ে তৃতীয় কোন অর্থ প্রকাশ করে তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন:
- দশ আনন যার = দশানন,
- চার পা বিশিষ্ট প্রাণী = চতুষ্পদ,
- পদ্ম নাভিতে যার = পদ্মনাভ,
- সমান তীর্থ যাদের = সতীর্থ,
- সমান উদর যার = সহোদর।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
The game is not worth the candle (প্রবাদ) - খাজনার চেয়ে বাজনা বেশি।
can’t / is not fit to hold a candle to (প্রবচন) - তুলনার যোগ্য নয়; পায়ের নখের যোগ্য নয়।
go bust (প্রবাদ) - (ব্যক্তি বা ব্যবসায়ী সম্বন্ধে) ব্যর্থ হওয়া; কপর্দকশূন্য হওয়া; লালবাতি জ্বালানো।
banging or nocking one’s head against a brick wall (প্রবাদ) - অসম্ভব কোনো কার্য সম্পাদনের ব্যর্থ চেষ্টা করা।
burn the candle at both ends (প্রবাদ) - অধিক শক্তি ব্যয় করে ফেলা; খুব ভোর থেকে অধিক রাত পর্যন্ত কাজ করা।
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান।
বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের উপভাষা হচ্ছে বরেন্দ্রি।
আঞ্চলিক কথ্য রীতি
- কথ্য রীতির আঞ্চলিক ভেদ সহজে বোঝা যায়।
- এই আঞ্চলিক ভেদ সাধারণত অঞ্চলের নামে পরিচিতি পায়। যেমন নোয়াখালীর ভাষা, চাঁপাই নবাবগঞ্জের ভাষা, কিংবা সুন্দরবন অঞ্চলের ভাষা।
- ভাষার এই আঞ্চলিকতা উপভাষা নামে আখ্যায়িত হয়ে থাকে।
উপভাষার উদাহরণ:
- বাঙ্গালি: বাংলাদেশের মধ্য ও দক্ষিণ অঞ্চল।
- পূর্বি: বাংলাদেশের পূর্ব অঞ্চল, ত্রিপুরা এবং আসামের বরাক অঞ্চল।
- বরেন্দ্রি: বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল।
- কামরূপি: বিহারের পূর্ব অঞ্চল, পশ্চিমবঙ্গের উত্তর অঞ্চল এবং বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চল।
- রাঢ়ি: পশ্চিমবঙ্গ।
- ঝাড়খণ্ডি: পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম অঞ্চল ও ঝাড়খণ্ডের পূর্ব অঞ্চল।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• উদ্যম শব্দের বিপরীত শব্দ = নিরুদ্যম।
------------------------------------------
- বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান, অনুসারে,
- ’উদ্যম’ শব্দের অর্থ- উৎসাহ; অধ্যবসায়; প্রয়াস; উদ্যোগ; উপক্রম।।
- ’নিরুদ্যম’ শব্দের অর্থ- শূন্য, নিশ্চেষ্ট; উদ্যমের অভাব।।
অন্যদিকে,
- 'উদার’ এর বিপরীত শব্দ- 'অনুদার'।
- 'উদ্গ্রীব' এর বিপরীত শব্দ-'অনীহা'।
- 'উষ্ণ' এর বিপরীত শব্দ- 'শীতল'।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• বিসর্গ সন্ধি:
- পূর্বপদের শেষে বিসর্গ ( ঃ) থাকলে এবং পরপদের প্রথমে চ্ বা ছ্ থাকলে বিসর্গ পরিবর্তিত হয়ে শ্, ট্ বা ঠ্ থাকলে ষ্; ত থাকলে স্ হয় এবং পরবর্তী ব্যঞ্জনে তা যুক্ত হয়।
যেমন:
- নিঃ + চয় = নিশ্চয়,
- দুঃ + চিন্তা = দুশ্চিন্তা,
- নিঃ + ছিদ্র = নিশ্ছিদ্র,
- শিরঃ + ছেদ = শিরশ্ছেদ ।
• ব্যঞ্জনসন্ধি:
স্বরে - ব্যঞ্জনে , ব্যঞ্জনে - স্বরে ও ব্যঞ্জনে - ব্যঞ্জনে যে সন্ধি হয়, তাকে ব্যঞ্জনসন্ধি বলে ।
স্বর - ব্যঞ্জন : পরি + চ্ছেদ = পরিচ্ছেদ।
ব্যঞ্জন - স্বর : দিক্ + অন্ত = দিগন্ত।
ব্যঞ্জন - ব্যঞ্জন : চলৎ + চিত্র = চলচ্চিত্র।
• ব্যঞ্জনে + ব্যঞ্জনে = ব্যঞ্জনসন্ধি - ম্-এর পর অন্তঃস্থ ধ্বনি য, র, ল, ব, কিংবা শ, ষ, স, হ থাকলে, ম্ স্থলে অনুস্বার হয়। যেমন- সম্ + সার = সংসার, সম্ + গ্রাম = সংগ্রাম।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
• ভাষা-পরিবার নয়- অস্ট্রো-হেমীয়।
• বাংলা ভাষা:
- বাঙালি জনগোষ্ঠী যে ভাষা দিয়ে তাদের মনের ভাব প্রকাশ করে তার নাম বাংলা ভাষা। পৃথিবীর ভাষাগুলোকে ইন্দো-ইউরোপীয়, চীনা-তিব্বতীয়, আফ্রিকীয়, সেমীয়-হেমীয়, দ্রাবিড়ীয়, অস্ট্রো-এশীয় প্রভৃতি ভাষা-পরিবারে ভাগ করা হয়ে থাকে।
- বাংলা ভাষা 'ইন্দো-ইউরোপীয়' ভাষা-পরিবারের সদস্য। বাংলা ভাষার নিকটতম আত্মীয় 'অহমিয়া' ও 'ওড়িয়া'। ধ্রুপদি ভাষা 'সংস্কৃত' এবং 'পালির' সঙ্গে বাংলা ভাষার রয়েছে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক।
- ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা-পরিবারের আদি ভাষা বহু বিবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলা ভাষায় পরিণত হয়েছে। এইবিবর্তনে যেসব গুরুত্বপূর্ণ স্তর বাংলা ভাষাকে অতিক্রম করতে হয়েছে, সেগুলো হলো: ইন্দো-ইউরোপীয় - ইন্দো-ইরানীয় - ভারতীয় আর্য - প্রাকৃত - বাংলা। আনুমানিক এক হাজার বছর আগে পূর্ব ভারতীয় প্রাকৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে। বাংলা ভাষার লিখিত রূপের প্রাচীনতম নিদর্শন 'চর্যাপদ'।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ-২০২১)।
মূর্ধন্য 'ণ' ব্যবহারের নিয়ম:
১. ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে তৎসম শব্দে সব সময় মূর্ধন্য 'ণ' যুক্ত হয়।
যেমন- ঘণ্টা, লুণ্ঠন, কাণ্ড ইত্যাদি।
২. ঋ, র, ষ – এর পরে মূর্ধন্য 'ণ' হয়।
যেমন- ঋণ, তৃণ, বর্ণ, বর্ণনা, কারণ, মরণ, ব্যাকরণ, ভীষণ, ভাষণ, উষ্ণ ইত্যাদি।
৩. ঋ, র, ষ-এর পরে স্বরধ্বনি, য, য়, ব, হ, ং এবং ক-বর্গীয় ও প-বর্গীয় ধ্বনি থাকলে তার পরবর্তী ন মূর্ধন্য 'ণ' হয়।
যেমন- কৃপণ (ঋ-কারের পরে প্, তার পরে ণ), হরিণ (র-এর পরে ই, তার পরে ণ, অর্পণ (র্ + প + অ+ণ), লক্ষণ (ক্+ষ+ অ + ণ)।
এরূপ- রুক্মিণী, ব্রাহ্মণ ইত্যাদি।
৪. কতকগুলো শব্দে স্বভাবতই 'ণ' হয়।
চাণক্য, মাণিক্য, গণ, বাণিজ্য, লবণ, মণ, বেণু, বীণা, কঙ্কণ, কণিকা, কল্যাণ, শোণিত, মণি, স্থাণু, গুণ, পুণ্য, বেণী, ফণী, অণু, বিপণি, গণিকা, আপণ, লাবণ্য, বাণী, নিপুণ, ভণিতা, পাণি, গৌণ, কোণ, ভাণ, পণ, শাণ, চিক্কণ, নিক্কণ, তৃণ, কফণি, বণিক, গুণ, গণনা, পিণাক, পণ্য, বাণ।
৫. সমাসবদ্ধ শব্দে সাধারণত ণ-ত্ব বিধান খাটে না। এরূপ ক্ষেত্রে ন হয়। যেমন- ত্রিনয়ন, সর্বনাম, দুর্নীতি, দুর্নাম, দুর্নিবার, পরনিন্দা, অগ্রনায়ক।
৬. ত-বর্গীয় বর্ণের সঙ্গে যুক্ত 'ন' কখনো 'ণ' হয় না, ন হয়। যেমন- অন্ত, গ্রন্থ, ক্রন্দন।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
বিদ্যান মুর্খ অপেক্ষা শ্রেয়৷ —এই বাক্যটিতে বানান ভুল জনিত অপপ্রয়োগ ঘটেছে৷
এর শুদ্ধরূপ হলো: বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেয়৷
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান।
• ‘প্রাচী’ মানে পূর্ব দিক বা পূর্বাঞ্চল।
- এর বিপরীত অর্থ হলো ‘প্রতীচী’।
- প্রতীচী মানে পশ্চিম দিক বা পশ্চিমাঞ্চল।
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীতার্থক শব্দসমূহ:
- প্রাচীন ↔ আধুনিক;
- প্রাচ্য ↔ পাশ্চাত্য;
- আপদ ↔ সম্পদ;
- আবির্ভাব ↔ তিরোভাব;
- আলো ↔ আঁধার;
- উৎকর্ষ ↔ অপকর্ষ;
- উত্তরণ ↔ অবতরণ;
- অনুরক্ত ↔ বিরক্ত;
- অনুমেয় ↔ অননুমেয়;
- নিয়ত ↔ বিরত;
- প্রবিষ্ট ↔ প্রস্থিত;
- উদ্ধত ↔ বিনীত;
- ঔদ্ধত্য ↔ বিনয়।
উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• রূপক কর্মধারয় সমাস:
যে কর্মধারয় সমাসে উপমান ও উপমেয়কে অভিন্ন কল্পনা করা হয় এবং উপমান ও উপমেয় বা উপমিত পদে সমাস হয় তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন:
- বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদ-সিন্ধু,
- মন রূপ মাঝি = মনমাঝি,
- বিদ্যা রূপ ধন = বিদ্যাধন।
অন্যদিকে,
---------------------
• মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস:
ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ লোপ পেয়ে যে কর্মধারয় সমাস হয় তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন:
- সিংহ চিহ্নিত আসন= সিংহাসন।
- জয় সূচক ধ্বনি = জয়ধ্বনি।
• উপমান কর্মধারয় সমাস:
যার সঙ্গে তুলনা করা হয়, তা উপমান। কিছু কর্মধারয় সমাসে উপমানের সঙ্গে গুণবাচক শব্দের সমাস হয়। এগুলোকে উপমান কর্মধারয় বলে।
যেমন:
- কাজলের মতো কালো = কাজলকালো।
- মিশির মতো কালো = মিশকালো।
• উপমিত কর্মধারয় সমাস:
পূর্বপদে উপমেয় পদের সঙ্গে পরপদে উপমান পদের যে সমাস হয় তাকে, উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন:
- মুখ চন্দ্রের ন্যায় = মুখচন্দ্র।
- বাহু লতার ন্যায় = বাহুলতা।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।