ব্যাখ্যা
- যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে কর্ম কারক বলে।
- যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্মকারক বলে।
- বাক্যের মুখ্য কর্ম ও গৌণ কর্ম- উভয় ধরনের কর্মই কর্ম কারক হিসেবে গণ্য হয়।
- সাধারণত মুখ্য কর্ম কারকে বিভক্তি হয় না, তবে গৌণ কর্ম কারকে- 'কে' বিভক্তি হয়।
যেমন:
- অসহায়কে সাহায্য করো।
- শিক্ষককে জানাও।
- বাঁশি বাজে। ( কর্মকারকে প্র্রথমা বা শূন্য বিভক্তি)।
• 'বাঁশি বাজায়' বাক্যটিকে কী বাজায়' দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর আসে 'বাঁশি'। তাই এখানে 'বাঁশি' কর্মকারক হবে। আর এর সাথে শূন্য বিভক্তি যুক্ত আছে।
সুতরাং,
'বাঁশি বাজায়'- কর্মকারকে শূণ্য বিভক্তির উদাহরণ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ), বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।