বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Evidence Act, 1872

মোট প্রশ্ন১,৬৬৪এই পাতা৬৩প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Evidence Act, 1872

PrepBank · পাতা ১৭ / ১৭ · ১,৬০১১,৬৬৩ / ১,৬৬৪

১,৬০১.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে জেরায় কয় ধরনের প্রশ্ন বৈধ করা হয়েছে?
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪৬ ধারার বিধান জেরায় আইনসঙ্গত প্রশ্ন: যখন সাক্ষীকে জেরা করা হয় তখন ইতিপূর্বে উল্লেখিত প্রশ্নসমূহ ছাড়াও এমন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে, যা দ্বারা:
১) তার সত্যবাদিতা পরীক্ষা করা যায়।
২) তার পরিচয় ও মর্যাদা জানা যায়, অথবা
৩) তার চরিত্রের প্রতি আঘাত করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করা যায়, যদিও এরূপ প্রশ্নের উত্তরের দ্বারা তিনি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অপরাধের সাথে জড়িত হতে পারে অথবা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তার দণ্ড বা বাজেয়াপ্তির সম্ভাবনা থাকে।

তবে শর্ত থাকে যে, ধর্ষণের অপরাধ বা ধর্ষণের চেষ্টার জন্য একটি মামলায়, দফা (৩) এর অধীনে ভিক্টিমের সাধারণ অনৈতিক চরিত্র বা পূর্ববর্তী যৌন আচরণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে না:
আরও শর্ত থাকে যে, এই ধরনের প্রশ্ন শুধুমাত্র আদালতের অনুমতি নিয়েই জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে, যদি এটি ন্যায়বিচারের জন্য আদালতের কাছে প্রয়োজনীয় বলে মনে হয়।

⇒অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ১৪৬ ধারা অনুযায়ী জেরায় ৩ ধরনের প্রশ্ন বৈধ বা আইনসম্মত।
---------------------------
⇒ Section-146.Questions lawful in cross-examination:
 When a witness is cross-examined, he may, in addition to the questions hereinbefore referred to, be asked any questions which tend –
(1) to test his veracity,
(2) to discover who he is and what is his position in life, or
(3) to shake his credit, by injuring his character, although the answer to such questions might tend directly or indirectly to criminate him or might expose or tend directly or indirectly to expose him to a penalty or forfeiture:
Provided that in a prosecution for an offence of rape or attempt to rape, no question under clause (3) can be asked in the cross-examination as to general immoral character or previous sexual behaviour of the victim:
Provided further that such question can only be asked with the permission of the Court, if it appears to the Court necessary for the ends of justice.
১,৬০২.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় আদালত অশ্লীল বা কেলেঙ্কারীজনক প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারে?
  1. ১৪৮ ধারায়
  2. ১৫১ ধারায়
  3. ১৬১ ধারায়
  4. ১৬৩ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৫১ এ স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, যদি কোনো প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসাবাদ আদালতের মতে অশ্লীল বা কেলেঙ্কারিজনক হয়, তবে প্রশ্নটির কিছু গুরুত্ব বা প্রাসঙ্গিকতা থাকলেও আদালত তা নিষিদ্ধ করতে পারেন।
তবে ব্যতিক্রম: যদি প্রশ্নটি বিচার্য বিষয় (facts in issue) বা তার অস্তিত্ব নির্ধারণের জন্য অপরিহার্য হয়, তাহলে আদালত তা অনুমোদন করতে পারেন।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারা- অশ্লীল ও কুৎসাজনক প্রশ্ন: যদি কোন প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসাবাদ আদালত অশ্লীল অথবা কেলেঙ্কারীজনক মনে করেন, তবে আদালতের বিচার্য বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রশ্নটির কিছু গুরুত্ব থাকলেও আদালত এর প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারেন প্রশ্নটি যদি না বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হয় অথবা বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব নির্ধারণের জন্য যা জানা প্রয়োজন এমনি বিষয় সম্পর্কিত হয়।
------------
⇒The Evidence Act, 1872-Section 151- Indecent and scandalous questions: The Court may forbid any questions or inquiries which it regards as indecent or scandalous, although such questions or inquiries may have some bearing on the questions before the Court, unless they relate to facts in issue, or to matters necessary to be known in order to determine whether or not the facts in issue existed.

১,৬০৩.
সাক্ষ্য আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী, ক্ষতিপূরণের মামলায় কোন তথ্য প্রাসঙ্গিক?
  1. শুধুমাত্র অপরাধের সময়ের তথ্য
  2. শুধুমাত্র আদালতের সিদ্ধান্তের সাথে সম্পর্কিত তথ্য
  3. শুধুমাত্র মূল বিষয়ের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত তথ্য
  4. শুধুমাত্র ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১২ অনুযায়ী, ক্ষতিপূরণের মামলায় শুধুমাত্র সেই তথ্যই প্রাসঙ্গিক যা আদালতকে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে সাহায্য করে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২, ধারা-১২: ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে প্রাসঙ্গিক তথ্য:
যে সকল দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়, সেক্ষেত্রে যে কোন তথ্য যা আদালতকে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে সহায়তা করবে, তা প্রাসঙ্গিক।
অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী, যে কোনো ঘটনা যা আদালতকে মামলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে সহায়তা করে, সেগুলোকে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য করা হবে।
------------ 
⇒The Evidence Act,1872, Section-12. In suits for damages, facts tending to enable Court to determine amount are relevant:
 In suits in which damages are claimed, any fact which will enable the Court to determine the amount of damages which ought to be awarded, is relevant.
১,৬০৪.
According to Section 143, when can leading questions be asked?
  1. During the chief examination
  2. During cross-examination
  3. During re-examination
  4. At any time during the trial
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারার বিধান- যখন ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে:
ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নসমূহ জেরার সময় জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে।

Section 143.When they may be asked:
Leading questions may be asked in cross-examination.
১,৬০৫.
এ্যাডভোকেট কর্তৃক কোন ধরনের তথ্য প্রকাশ করতে মক্কেলের অনুমতি লাগবে না?
  1. বেআইনী উদ্দেশ্য সাধনকল্পে কোন তথ্য
  2. এমন তথ্য যা অপরাধ বা প্রতারণার জন্য
  3. মক্কেলের এবং অ্যাডভোকেটের মধ্যে পেশাগত তথ্য
  4. ক+খ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারার বিধান পেশা সম্পর্কিত বার্তা: 
ব্যারিস্টার, এটর্নি বা উকিল মক্কেলের ব্যারিস্টার, এটর্নি বা উকিল হিসাবে কাজ করিবার সময় এবং উদ্দেশ্যে উক্ত মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে তাহার নিকট প্রদত্ত কোন বার্তার বিষয় মক্কেলের অনুমতি ব্যতীত প্রকাশ করিতে অনুমতি পাইবেন না। অথবা বৃত্তিগত কার্য সম্পাদানকালে এবং প্রসঙ্গে মক্কেলের যেই সকল দলিলের সহিত তিনি পরিচিত হইয়াছিলেন, সেইগুলির বিষয়বস্তু বা অবস্থার কোন বিবৃতি দিতে পারিবেন না অথবা তাহার কার্যকালে ও উদ্দেশ্যে মক্কেলকে তিনি যে পরামর্শ দিয়াছেন, তাহা প্রকাশ করিতে পারিবেন না।

⇒ তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নলিখিত বিষয়গুলি প্রকাশ হইতে এই ধারার কিছু অব্যাহিত দিবেন না।

(১) বেআইনী উদ্দেশ্যে সাধনকল্পে যে সংবাদ আদান- প্রদান করা হইয়াছে,

(২) ব্যরিস্টার, এটর্নি বা উকিল পেশাগত কার্যে নিযুক্ত থাকিবার সময় তৎকর্তৃক লক্ষিত বিষয় যদ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, তাহার নিযুক্তির পরে কোন অপরাধ বা প্রতারণা সংঘটিত হইয়াছে অনুরূপ ঘটনার প্রতি উক্ত ব্যরিস্টার, এটর্নি বা উকিল মনোযোগ তাহার মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে আকৃষ্ট করা হইয়াছিল কিনা তাহা গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ ব্যাখ্যা: এই ধারার বর্ণিত বাধ্যবাধকতা নিযুক্তির অবসান ঘটিবার পরও অব্যাহত থাকে।

⇒ The Evidence Act, 1872 এর ১২৬ ধারা মতে কোন বেআইনি উদ্দেশ্য সাধনের চেষ্টা হিসাবে কোন তথ্য প্রকাশ করা হলে এডভোকেট এমন তথ্য প্রকাশ করতে পারে এবং তা গোপন রাখতে বাধ্য না।
১,৬০৬.
যে সকল ঘটনা অন্য কোন ভাবে প্রাসঙ্গিক না সেইগুলি কখন প্রাসঙ্গিক হবে-
  1. যদি সেটা বিচার্য বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ন হয়
  2. যদি সেটা ন্যায় বিচারের জন্য প্রয়োজন হয়
  3. যদি সেটা প্রয়োজন হয়
  4. মূল ঘটনার ব্যাখ্যা জন্য প্রয়োজন হয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারার বিধান: যে সকল ঘটনা অন্য কোনভাবে প্রাসঙ্গিক নয়, সেগুলি যখন প্রাসঙ্গিক হয়: যে সকল বিষয় অন্য কোন ভাবে প্রাসঙ্গিক নয়, নিম্নবর্ণিত ভাবে সেগুলি প্রাসঙ্গিক-

(১) যদি সেগুলি কোন বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ হয়।

(২) যদি সেগুলি স্বয়ং অথবা অন্যকোন বিষয়ের সাথে যুক্ত হয়ে কোন বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অস্তিত্ব বা অস্তিত্বহীনতাকে অধিকভাবে সম্ভব বা অসম্ভব করে তোলে।


--------------
⇒  When facts not otherwise relevant become relevant:
Section 11. Facts not otherwise relevant are relevant– 
 
(1) If they are inconsistent with any fact in issue or relevant fact; 
 
(2) If by themselves or in connection with other facts they make the existence or non-existence of any fact in issue or relevant fact highly probable or improbable.
১,৬০৭.
সরকারী বই, এজহার বা এফআইআর বিবরণ, বিবাহ, জন্ম-মৃত্যু সংক্রান্ত সরকারী রেকর্ড প্রভৃতি সরকারী দলিলের বিষয় কত ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক?
  1. সাক্ষ্য আইন ৩৪ ধারার
  2. সাক্ষ্য আইন ৩৫ ধারার
  3. সাক্ষ্য আইন ৩৬ ধারার
  4. সাক্ষ্য আইন ৩৭ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারা অনুযায়ী কোন সরকারী বা অন্য অফিসের কোন খাতায়, রেজিস্টারে বা নথিতে যদি কোন বিচার্য ঘটনা বা প্রাসঙ্গিক ঘটনার বিবরণ লিপিবদ্ধ থাকে এবং কোন সরকারী কর্মচারী যদি তার চাকরির কর্তব্য পালনকালে তা লিখে থাকে অথবা অপর কোন ব্যক্তি যদি যে দেশে উক্ত খাতা, রেজিষ্টার বা নথি রাখা হয়েছে সেখানকার আইনের বিধান অনুসারে তার উপর আরোপিত কর্তব্য পালন প্রসঙ্গে তা লিখে থাকে তবে উক্ত লেখাই একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।

⇒ যেমন- সরকারী বই, এজাহার বা এফ,আই, আর বিবরণ, বিবাহ, জন্ম-মৃত্যু সংক্রান্ত সরকারী রেকর্ড, বিদ্যালয়ের খাতা, নথি ও প্রমাণপত্র, মিউটেশন, বেতার বার্তা প্রভৃতি সরকারী দলিলের বিষয় ৩৫ ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক।

⇒ অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারা অনুযায়ী সরকারী কর্মকর্তা কর্তৃক কর্তব্য সম্পাদন কালে সরকারী দলিলে বা ডিজিটাল রেকর্ডে লিখিত বিবৃতি প্রাসঙ্গিক, যেমন: জন্ম সনদ, মৃত্যু সনদ, বিবাহের রেজিস্ট্রি ইত্যাদি।
১,৬০৮.
বোবা সাক্ষী [Dumb Witness] লিখে বা ইশারায় যে সাক্ষ্য দিয়ে থাকে তা_________সাক্ষ্য নামে পরিচিত?
  1. বোবা সাক্ষ্য
  2. দালিলিক সাক্ষ্য
  3. লিখিত সাক্ষ্য
  4. মৌখিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা মতে বোবা সাক্ষী লেখা বা ইশারায় দ্বারা সাক্ষী দিতে পারে এবং এমন লেখা বা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে হতে হবে। বোবা সাক্ষী এইরূপ ভাবে যে সাক্ষ্য দিয়ে থাকে তা মৌখিক সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে। 
১,৬০৯.
যখন আদালতকে একটি দলিলের হস্তলিপি সম্পর্কে মতামত গ্রহণ করতে হয়, তখন কাদের মতামত প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. যেকোনো সাধারণ সাক্ষী
  2. আদালতের কোনো কর্মকর্তা
  3. যে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে লিখতে দেখেছেন
  4. দলিল লিখিত বা স্বাক্ষরকারী ব্যক্তির যে কোন পরিচিত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৪৭ ধারা- হস্তলিপি সম্বন্ধে অভিমত যেক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক:
একটি দলিল কোন ব্যক্তির দ্বারা লিখিত অথবা স্বাক্ষরিত হয়েছে সে সম্বন্ধে আদালতকে যখন কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, তখন যে ব্যক্তির দ্বারা এটা লিখিত অথবা স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, সে ব্যক্তির দ্বারা এটা লিখিত বা স্বাক্ষরিত হচ্ছে বা হয়নি এ মর্মে উক্ত ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত কোন ব্যক্তির অভিমত প্রাসঙ্গিক পরিগণিত।

ব্যাখ্যা- এক ব্যক্তি যেক্ষেত্রে অন্য এক ব্যক্তিকে লিখতে দেখেছে অথবা যেক্ষেত্রে সে ব্যক্তির নিকট প্রেরিত নিজের লেখার বা নিজ কর্তৃত্বে লিখিত কোন নথির উত্তরে তার নিকট হতে তার দ্বারা লিখিত বলে প্রতীয়মান নথি পেয়েছে প্রতীয়মান কাগজপত্র বরাবর তার নিকট দাখিল হয়ে আসছে, সেক্ষেত্রে প্রথমোক্ত ব্যক্তির শেষোক্ত ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত বলে ধরা হয়।
১,৬১০.
The Evidence Act 1872 এর ১৫২ ধারায় কোন বিষয় বলা হয়েছে?
  1. অশ্লীল প্রশ্ন
  2. কুৎসামূলক প্রশ্ন
  3. অপমান ও উত্যক্তমূলক প্রশ্ন
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১৫২ ধারার বিধান মতে সাক্ষীকে অপমান ও উত্যক্ত বা বিরক্তকর কোন প্রশ্ন করা হতে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
- স্বাক্ষীকে এই ধরনের প্রশ্ন করা যাবে না।
১,৬১১.
সাক্ষ্য আইনের স্বকার্যজনিত বাধা বা Estoppel কোন ধরনের মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. ফৌজদারি মামলা
  2. দেওয়ানি মামলা
  3. অগ্রক্রয়ের মামলা
  4. জমি সংক্রান্ত মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনে Estoppel শব্দটি বহুল পরিচিত। সাধারণতঃ স্বকার্যজনিত বাধা বা Estoppel হচ্ছে যা একবার স্বীকার করে নেয়া হয় তা পরবর্তীতে অস্বীকার করার বাধা। অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের যে নীতি কোন ব্যক্তিকে তার পূর্বে প্রদত্ত কোন বক্তব্যকে পরবর্তীতে অস্বীকার করতে বিরত রাখে তা Estoppel বা প্রতিবন্ধক বা স্বকার্যজনিত বাধা নামে পরিচিত। মূলতঃ কোন ব্যক্তির পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য গ্রহণীয় নয়, এটাই এস্টপলের মূলনীতি। অর্থাৎ Principle of Estoppel দ্ব্যর্থবোধক হতে পারে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষনা, কাজ বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে উক্ত ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বলেছেন, তখন উক্ত ব্যক্তি বা তার মধ্যে অথবা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মামলায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কার্য বা কার্য বিরতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না”।

⇒ আইনের পরিস্থিতি প্রতিবন্ধক হতে পারে কিনা- প্রতিবন্ধক বা Estoppel এর নিয়মটি ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে প্রযোজ্য হয়, আইন বিষয়ে নয়। অর্থাৎ আইন বলে কেউ যদি কোন অধিকার লাভ করে সেক্ষেত্রে Estoppel নীতি প্রয়োজ্য হবেনা।

⇒ সাক্ষ্য আইনের Estoppel নীতি দেওয়ানি মামলায় প্রযোজ্য, কিন্তু ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
⇒ এস্টপেল আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন বা বিধিবদ্ধ আইনের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য নয়। এস্টপেল সুস্পষ্ট হতে হবে।
-----------------
⇒ প্রতিবন্ধক বা Estoppel এর উপাদান: এস্টপেল কার্যকরী হতে হলে নিম্নলিখিত উপাদান থাকতে হবে-
ⅰ) যার বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধক কার্যকরী করতে চাওয়া হচ্ছে তিনি বা তার প্রতিনিধি কোন ঘোষনা বা কর্ম বিরতি করেছিলেন।
ii) কিন্তু পরে ঐ ব্যক্তি কিংবা তার প্রতিনিধি এমন কোন দাবী উত্থাপন করলেন যা তার পূর্ব বর্ণিত ঘোষনা বা কর্ম বিরতি প্রভৃতির পরিপন্থি।
iii) মূল ঘোষনা প্রভৃতির দ্বারা প্রভাবিত হয়ে দ্বিতীয় ব্যক্তি তার পূর্বের অবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে কিছু কাজ করেছিলেন।
iv) মূল ঘোষণা প্রভৃতির দ্বারা প্রতিবন্ধক উত্থাপনকারী পক্ষ কিছু করতে প্রভাবিত হয়েছিলেন।
ⅳ) মূল ঘোষনা প্রভৃতি দ্বিতীয় ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধির নিকট করা হয়েছিল।
১,৬১২.
সাক্ষ্য আইন কখন থেকে কার্যকর হয়?
  1. ১ সেপ্টেম্বর ১৮৭২
  2. ১৫ মার্চ ১৮৭২
  3. ১ সেপ্টেম্বর ১৯৭২
  4. ১ মার্চ ১৮৭২
ব্যাখ্যা
⇒ ১৮৭২ সালের আগে উপমহাদেশে পূর্ণাঙ্গ সাক্ষ্য আইন ছিল না। ১৮৭১ সালে স্যার জেমস স্টিফেন সাক্ষ্য আইন প্রণয়ন করার আগে ১৮৬৮ সালে স্যার হেনরি সামারও একটি খসড়া প্রণয়ন করেছিলেন তা সহায়ক ছিল না বলে বর্জন করা হয়।

⇒ সাক্ষ্যের ইংরেজী প্রতিশব্দ Evidence। Latin শব্দ Evidence বা Evidere শব্দ হতে Evidence শব্দটি উদ্ভুত হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের মূল বিষয় হলো সাক্ষ্য দ্বারা কোন বিষয় বা ঘটনাকে প্রমাণ করা। সাক্ষ্য আইন অনেকাংশেই পদ্ধতিগত আইনের (Adjective Law) অংশ। মামলা পরিচালনার যাবতীয় পদ্ধতি এবং তার প্রয়োগ তথা পদ্ধতিগত আইনের সাধারণ নিয়মাবলী দেওয়ানি কার্যবিধি এবং ফৌজদারি কার্যবিধিতে স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে। পদ্ধতিগত আইনের অবশিষ্ট অংশ তথা “প্রমাণ” পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করে সাক্ষ্য আইন।
⇒ সুতরাং সাক্ষ্য আইন হল পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law/Adjective Law)

⇒ সাক্ষ্য আইনকে সাক্ষ্য সম্পর্কে স্বয়ংসম্পূর্ণ আইন বলা যায় না। কারণ সাক্ষ্য গ্রহণ সংক্রান্ত বিধান সাক্ষ্য আইন ছাড়াও ফৌজদারি কার্যবিধি, দেওয়ানি কার্যবিধি, রেজিস্ট্রেশন আইন, উত্তরাধিকারী আইন, সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, স্ট্যাম্প আইনেও রয়েছে।

⇒ বর্তমান সাক্ষ্য আইন (১৮৭২ সালের ১ নং আইন) পাশ হয় ১৮৭২ সালের ১৫ই মার্চ। কার্যকর হয় একই বছরের পহেলা সেপ্টেম্বর।
⇒ Commencement of Act: it shall come into force on the first day of September, 1872.
⇒ স্যার জেমস স্টিফেনকে সাক্ষ্য আইনের জনক বলা হয়।

⇒ ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনটি ১১টি অধ্যায়ে (Chapter) বিভক্ত এবং এতে মোট ১৬৭টি ধারা (Section) সন্নিবেশিত রয়েছে। এছাড়াও সাক্ষ্য আইনে ৩টি ভাগ (Part) রয়েছে।
⇒ ১৮৫০ সালে সর্ব প্রথম স্যার হেনরি সামার মেইন সাক্ষ্য আইনের খসড়া বিল তৈরি করলেও তা ভারতে ব্যবহারের অনুপযোগী ছিল। পরবর্তীতে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ১৮৭১ সালে স্যার জেমস স্টিফেনকে (Fitz-James Stephen) সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুতের দায়িত্ব দেয় এবং স্যার জেমস স্টিফেন ১৮৭১ সালে সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রণয়ন করেন। সুতরাং সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুতকারী হলো স্যার জেমস স্টিফেন।

⇒  ১৮৭২ সালের ১৫ই মার্চ সাক্ষ্য আইন প্রণয়ন করা হয় (পাস/গৃহীত হয়) এবং ১৮৭২ সালের ১লা সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়।
⇒ ৩য় আইন কমিশন সাক্ষ্য আইন প্রণয়নের সুপারিশ করেছিল।
১,৬১৩.
যে ক্ষেত্রে একাধিক দলিল একই পদ্ধতিতে (uniform process) প্রস্তুত হয়, সেই ক্ষেত্রে-
  1. প্রত্যেকটিই অন্যগুলির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য,
  2. মূল দলিলটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য নয়,
  3. প্রত্যেকটিই অন্যগুলির বিষয়বস্তু সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য
  4. 'ক' এবং 'খ' উভই
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারা অনুসারে প্রাথমিক/মুখ্য সাক্ষ্য: প্রাথমিক সাক্ষ্য অর্থ সংশ্লিষ্ট দলিলটি আদালতে পরিদর্শনের জন্য দাখিল করা। 
ব্যাখ্যা-১ কোন দলিল কতিপয় খণ্ডে সম্পাদিত হলে প্রত্যেক খণ্ডই উক্ত দলিলের প্রাথমিক সাক্ষ্য: কোন দলিল যখন প্রতিলিপি (counterpart) সহকারে সম্পাদিত হয়; এবং প্রত্যেকটি প্রতিলিপি পক্ষগণের মধ্যে একজন বা কয়েকজন কর্তৃক সম্পাদিত হয়, তখন প্রত্যেকটি প্রতিলিপি তার সম্পাদনকারী পক্ষের বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য।

ব্যাখ্যা-২ঃ যে ক্ষেত্রে একাধিক দলিল একই পদ্ধতিতে (uniform process) প্রস্তুত হয়; যথাঃ মুদ্রণ, লিথোগ্রাফি বা ফটোগ্রাফির ক্ষেত্রে হয়ে থাকে, সেই ক্ষেত্রে তার প্রত্যেকটিই অন্যগুলির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য, কিন্তু যে ক্ষেত্রে সেগুলি সবই একটি মূল দলিলের নকল , সেক্ষেত্রে ঐগুলি দলিলটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য নয়।

------------------
⇒ Section 62- Primary evidence: Primary evidence means the document itself produced for the inspection of the Court. 
 
Explanation 1.- Where a document is executed in several parts, each part is primary evidence of the document. 
Where a document is executed in counterpart, each counterpart being executed by one or some of the parties only, each counterpart is primary evidence as against the parties executing it. 
 
Explanation 2.- Where a number of documents are all made by one uniform process, as in the case of printing, lithography or photography, each is primary evidence of the contents of the rest; but, where they are all copies of a common original, they are not primary evidence of the contents of the original. 
 
Illustration 
A person is shown to have been in possession of a number of placards, all printed at one time prove one original. Any one of the placards is primary evidence of the contents of any other, but no one of them is primary evidence of the contents of the original.
১,৬১৪.
'Birth during marriage conclusive proof of legitimacy' - এটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারার শিরোনাম?
  1. ১১০ ধারা
  2. ১১১ ধারা
  3. ১১২ ধারা
  4. ১১৩ ধারা
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারা- সন্তানের জন্মই বিবাহ স্থির থাকাকালে এর বৈধতার ছড়ান্ত প্রমাণ:
কোন ব্যক্তির মাতার সঙ্গে এক ব্যক্তির আইনসঙ্গত বিবাহ কায়েম থাকাকালে অথবা বিবাহবিচ্ছেদের পর দুইশত আশি দিনের ভিতর তার মাতা অভিবাহিতা থাকাকালে যদি তার জন্ম হয় ও যদি এটা দেখান না হয় যে, ঐ ব্যক্তি যখন মাতৃগর্ভে এসে থাকতে অনুরূপ কোন সময়ে বিবাহিত পক্ষদ্বয়ের মধ্যে মিলনের পথ উন্মুক্ত ছিল, তাহলে সে যে জন্মেছে এ প্রসঙ্গ দ্বারা অবশ্যই চূড়ান্ত ভাবে প্রমাণিত হবে যে, সে সে ব্যক্তির বৈধ সন্তান।

Section 112- Birth during marriage conclusive proof of legitimacy:
The fact that any person was born during the continuance of a valid marriage between his mother and any man, or within two hundred and eighty days after its dissolution, the mother remaining unmarried, shall be conclusive proof that he is the legitimate son of that man, unless it can be shown that the parties to the marriage had no access to each other at any time when he could have been begotten.

১,৬১৫.
সাক্ষ্য আইনের ১২৫ ধারার বিধান মতে নিম্নের কে কোনো অপরাধ সম্পর্কে প্রাপ্ত তথ্য বা সংবাদ প্রকাশ করতে বাধ্য থাকবেন না?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট
  2. রাজস্ব কর্মকর্তা
  3. পুলিশ কর্মকর্তা
  4. উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৫ ধারার বিধান: অপরাধ সংঘটন সংক্রান্ত তথ্য:
- কোনও ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা অপরাধ সংঘটনের বিষয়ে তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন, তা প্রকাশ করতে বাধ্য থাকবেন না। তেমনি, কোনও রাজস্ব কর্মকর্তা জনস্বার্থে রাজস্ব সম্পর্কিত কোনও অপরাধের বিষয়ে তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন, তা প্রকাশ করতে বাধ্য থাকবেন না।

- ব্যাখ্যা: এই ধারায় "রাজস্ব কর্মকর্তা" বলতে জনস্বার্থে রাজস্ব সম্পর্কিত কোনো শাখায় নিযুক্ত বা কাজরত কর্মকর্তাকে বোঝায়।
---------------------------------------------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section 125: Information as to commission of offences:
-No Magistrate or Police-officer shall be compelled to disclose the source from which they obtained information about the commission of any offence. Similarly, no Revenue-officer shall be compelled to disclose the source of information regarding any offence against public revenue.

-Explanation: In this section, "Revenue-officer" refers to any officer employed in or engaged with public revenue matters.
১,৬১৬.
নিম্নের কোনটি physical or forensic evidence হিসেবে গণ্য হয়?
  1. চুক্তিপত্র
  2. ফটোকপি
  3. আঙুলের ছাপ
  4. সাক্ষীর মৌখিক বিবৃতি
ব্যাখ্যা
⇒ Evidence Act, 1872 এর ধারা ৩-এ ৬নং উপধারার মাধ্যমে physical or forensic evidence-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে যে- যেকোনো বস্তু বা উপাদান যেমন: রক্ত, বীর্য, চুল, শরীরের অংশ, DNA, আঙুলের ছাপ (finger impression), হাতের ছাপ, চোখের ছাপ, পায়ের ছাপ, ইত্যাদি যেগুলো: অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা প্রমাণ করতে, অথবা অপরাধ ও ভিকটিম/অপরাধীর মধ্যে সম্পর্ক প্রমাণ বা অপ্রমাণ করতে সহায়ক, সেগুলোকে বলা হয় physical or forensic evidence.

- আঙুলের ছাপ হলো physical or forensic evidence, কারণ এটি বিশেষজ্ঞ পরীক্ষার মাধ্যমে অপরাধ এবং অপরাধীর মধ্যে সম্পর্ক প্রমাণে ব্যবহৃত হয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো- গ) আঙুলের ছাপ।
১,৬১৭.
একপক্ষের দাবীকৃত ঘটনা প্রমানের দরকার হবে না, যদি তা হয়-
  1. অপর পক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত
  2. ঐতিহাসিক সত্য
  3. প্রাকৃতিক নিয়মসিদ্ধ
  4. সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণিত
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী স্বীকৃত ঘটনা সমূহ প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই। ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই ।
♦ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ এবং স্বীকৃতি (Admission)।
♦ The Evidence Act 1872 এর ৫৬, ৫৭ ও ৫৮ ধারায় বলা হয়েছে যে সকল বিষয়ে পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয়, এবং যে বিষয় আদালত বিচারিক নজরে নিতে পারেন সেই বিষয় আদালতে প্রমাণ করার আবশ্যকতা নাই। বাংলাদেশের আইনের বিষয়ে আদালত নিজেই বিচারিক নজিরে নিতে পারবেন।
১,৬১৮.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৩০ ধারার অধীন একজন অপরাধীর দোষ স্বীকারোক্তি-
  1. শুধুমাত্র তার নিজের বিরুদ্ধেই প্রমাণযোগ্য
  2. আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়
  3. যৌথ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য
  4. যৌথ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৩০ ধারা অনুসারে,
একজন অপরাধীর দোষ স্বীকারোক্তি শুধুমাত্র তার নিজের বিরুদ্ধেই প্রমাণযোগ্য নয়, বরং একই অপরাধের জন্য অন্য যৌথ অভিযুক্তদের (co-accused) বিরুদ্ধেও তা প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

এই ধারার সম্পূর্ণ অংশটি নিম্নরূপ:
"When more persons than one are being tried jointly for the same offence, and a confession made by one of such persons affecting himself and some other of such persons is proved, the court may take into consideration such confession as against such other person as well as against the person who makes such confession."

অর্থাৎ, যখন একাধিক ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য একসাথে বিচার করা হয় এবং তাদের একজন যে স্বীকারোক্তি দেয়, সেখানে তিনি নিজের সাথে অন্য কাউকে যদি জড়িয়ে ফেলেন, তাহলে আদালত সেই স্বীকারোক্তিকে সেই অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধেও প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করতে পারবে। তবে এক্ষেত্রে কিছু শর্ত রয়েছে। যেমন, স্বীকারোক্তিটিকে অন্য প্রমাণাদি দ্বারা সমর্থন করতে হবে ইত্যাদি।
১,৬১৯.
সাক্ষ্য আইনের কোথাও আদালতকে কোন বিষয়কে Shall Presume করতে বললে আদালত বিষয়টিকে কি বলে অনুমান করতে পারে?
  1. প্রমাণিত
  2. অপ্রমাণিত
  3. অবশ্যই প্রমাণিত
  4. প্রমাণিত এবং অপ্রমাণিত উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ অনুমান (Presumption) - অনুমান ৩ প্রকার:

১) অনুমান করতে পারে (May presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত ধরে নিতে পারেন প্রমাণিত। (ধারা: ৮৬-৮৮, ৯০ এবং ১১৪)

২) অনুমান করবে (Shall presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই ধরে নিবেন প্রমানিত (ধারা: ৭৯-৮৫, ৮৯ এবং ১০৫)

৩) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): একটি বিষয়কে অন্য বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমান হিসেবে ঘোষণা করা, যা অবশ্যই প্রমাণিত এবং অপ্রমাণিত করার জন্য কোন প্রকার সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না। (ধারা: ৪১ ও ১১২)

⇒ May Presume হল কোন বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করতে পারেন অথবা পক্ষগণকে প্রমাণ করার আহবান জানাতে পারেন।

⇒ Shall presume হল কোন বিষয় মিথ্যা প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা অবশ্যই প্রমাণিত বলে ধরে নিবেন।

⇒ যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive Proof) বলে ঘোষনা করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলেই অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং প্রথমোক্ত বিষয়টি মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্য প্রদানের অনুমতি দিবেন না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারার বিধান অনুমান করতে পারে (May presume): যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।

⇒ অনুমান করবে (Shall presume): যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন।

⇒ চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে যোষণ করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।
১,৬২০.
সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারা অনুযায়ী, বিচারক কোন সময়ে প্রশ্ন করতে পারেন?
  1. রায় ঘোষণার পরে
  2. কেবল বাদীর জবানবন্দির সময়
  3. কেবল সাক্ষ্যগ্রহণের সময়
  4. মোকদ্দমা চলাকালীন যেকোন সময়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারার বিধান: বিচারক কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার বা কিছু দাখিল করার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা-
বিচারক প্রাসঙ্গিক ঘটনা উদঘাটন করার জন্য অথবা উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যে কোন সাক্ষীকে যে কোন সময় যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন, অথবা প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে পক্ষগণকে যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন এবং যে কোন দলিল বা বস্তু উপস্থাপন করার আদেশ দিতে পারবেন।

তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন অনুসারে যে সকল ঘটনা প্রাসঙ্গিক ও যথারীতি প্রমাণিত বলে ঘোষিত হবে, তার ভিত্তিতেই মামলার রায় দান করতে হবে।

⇒ পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিগণ বিচারকের কোন প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে কোন আপত্তি করতে পারবে না। অনুরূপ কোন প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী যা বলবে ঐ সম্পর্কে আদালতের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষীকে কোন জেরা করতেও পারবে না।
⇒ ১৬৫ ধারার ক্ষমতা আদালতের সহজাত ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত।
⇒ ১৬৫ ধারার ক্ষমতাবলে উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য আদালত মামলার পক্ষ বা সাক্ষী অথবা কোন ব্যক্তিকে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করতে পারে।
১,৬২১.
একটি দেওয়ানী মামলায় কোন ঘটনা প্রমাণের জন্য সর্বনিম্ন যে ক'জন সাক্ষীর প্রয়োজন হয় তা-
  1. ৩ জন
  2. ১ জন
  3. নির্দিষ্ট সংখ্যক নয়
  4. ৪ জন
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী কোন মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়; অর্থাৎ একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নাই।

⇒ শুধুমাত্র একজন সাক্ষী দ্বারাও মামলা নি:সন্দেহে প্রমাণ করা যায়।

⇒ Number of witnesses:
Section 134. No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.
১,৬২২.
সাক্ষ্য আইনের ১৮ ধারা কার বিবৃতিকে স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য করা হবে?
  1. পুলিশ অফিসার
  2. বিচারক
  3. মামলার বিষয়বস্তুতে যার মালিকানা বা স্বার্থ আছে
  4. তৃতীয় পক্ষ যারা মামলার সাথে সম্পর্কিত নয়
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ১৮ ধারা অনুসারে মামলার বিষয়বস্তুতে যার মালিকানা বা স্বার্থ আছে  তার বিবৃতিকে স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য করা হবে।কারণ সাক্ষ্য আইনের ১৮ ধারামতে, নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণের স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হবে। যথা-
১. মোকদ্দমার পক্ষ। 
২. পক্ষের প্রতিনিধি।
৩. মামলার বিষয়বস্তুতে যার মালিকানা বা স্বার্থ আছে।
৪. পক্ষগণ যাদের নিকট থেকে বিষয়বস্তুতে মালিকানা বা স্বার্থ লাভ করেছে ।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২,ধারা ১৮, মোকদ্দমার পক্ষ কিংবা তাহার প্রতিনিধি কর্তৃক স্বীকৃতি: কোনো মোকদ্দমার কোনো পক্ষ, কিংবা কোনো পক্ষের কোনো প্রতিনিধি, আদালত যাহাকে সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতিতে উক্ত পক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে বিবৃতি দানের জন্য প্রকাশ্যের বা ইঙ্গিতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত বলিয়া মনে করেন তিনি কোনো বিবৃতি দিলে তাহা স্বীকৃতি।
------------------------------
The Evidence Act,1872,section-18: Admission by party to proceeding or his agent: Statements made by a party to the proceeding, or by an agent to any such party, whom the Court regards, under the circumstances of the case, as expressly or impliedly authorized by him to make them, are admissions.

১,৬২৩.
সাধারণত কোন পক্ষ ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করতে পারে-
  1. সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ
  2. জেরা গ্রহণকারী পক্ষ বা সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ
  3. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ
  4. খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
♦দেখুন জবানবন্দি এবং পুনঃজবানবন্দি গ্রহণ করে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ এবং যেহেতু জবানবন্দি এবং পুনঃজবানবদির সময় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যায় না, তাই সাধারণত সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করতে পারে না। তবে আদালতের অনুমতি নিয়ে জবানবন্দি এবং পুনঃজবানবন্দির সময় সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করতে পারে।
১,৬২৪.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী, সরকারি কর্তৃপক্ষের দ্বারা তৈরি নকশা বা পরিকল্পনা সম্পর্কে আদালত কী অনুমান করবে?
  1. তা আদালতে প্রমাণ হিসেবে অগ্রহণযোগ্য
  2. সঠিকতা যাচাই ব্যতীত তা গ্রহণযোগ্য নয়
  3. তা সঠিকভাবে তৈরি হয়েছে
  4. তা কর্তৃপক্ষের দ্বারা যাচাই করা হয়নি
ব্যাখ্যা

সরকারি কর্তৃপক্ষ দ্বারা তৈরি নকশাবা পরিকল্পনা সঠিকভাবে প্রণীত হয়েছে এবং তা নির্ভুল। তবে, কোনো মামলার জন্য বিশেষভাবে তৈরি মানচিত্র বা পরিকল্পনার ক্ষেত্রে এর সঠিকতা প্রমাণ করতে হবে।

ধারা ৮৩: সরকারি কর্তৃত্বাধীনে প্রণীত নকশা কিংবা পরিকল্পনা সম্পর্কে অনুমান: যে সমস্ত মানচিত্র কিংবা পরিকল্পনা সরকারের কর্তৃত্বাধীনে প্রণীত বলিয়া অনুমিত হয়, আদালত অবশ্যই সেইগুলিকে অনুরূপভাবে প্রণীত ও সঠিক বলিয়া অনুমান করিবেন; কিন্তু যে সমস্ত মানচিত্র কিংবা পরিকল্পনা কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে প্রণীত, সেইগুলি সঠিক বলিয়া অবশ্যই প্রমাণ করিতে হইবে।
-------------------------------
The Evidence Act, 1872, Section 83.Presumption as to maps or plans made by authority of Government: The Court shall presume that maps or plans purporting to be made by the authority of the Government were so made, and are accurate; but maps or plans made for the purposes of any cause must be proved to be accurate.

১,৬২৫.
কবির এই মর্মে আদালতে রায় কামনা করে যে, ফারুক এর দখলভূক্ত কোন একটি জমি সে পাওয়ার অধিকারী। সে এর সমর্থনে কতগুলি বিষয়ের অস্তিত্ব দাবি করে এবং ফারুক এই সকল বিষয়ের অস্তিত্ব অস্বীকার করে। এক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. উক্ত সকল বিষয়ের অস্তিত্ব অবশ্যই কবিরকে প্রমাণ করতে হবে।
  2. উক্ত সকল বিষয়ের অস্তিত্ব অবশ্যই ফারুককে প্রমাণ করতে হবে।
  3. উক্ত সকল বিষয়ের অস্তিত্ব অবশ্যই পুলিশকে প্রমাণ করতে হবে।
  4. উক্ত সকল বিষয়ের অস্তিত্ব অবশ্যই ফারুকের আইনজীবীকে প্রমাণ করতে হবে।
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১০১ অনুযায়ী- যিনি কোন বিষয়ের অস্তিত্বের দাবি করে এর উপর নির্ভরশীল কোন আইনগত অধিকার বা দায় সম্পর্কে আদালতের রায় কামনা করেন, তিনি সেই বিষয়ের অস্তিত্ব অবশ্যই প্রমাণ করবেন
১,৬২৬.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বলা হয়েছে যে আদালতকে কিছু বিষয়ে বাধ্যতামূলকভাবে বিচারিক নোটিশ নিতে হবে?
  1. ধারা ৫২
  2. ধারা ৫৭
  3. ধারা ৫৮
  4. ধারা ৭৫
ব্যাখ্যা

⇒সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২–এর ধারা ৫৭–তে বলা হয়েছে, কিছু বিষয়ে আদালতকে বাধ্যতামূলকভাবে বিচারিক নোটিশ নিতে হবে। 
- এর অধীনে আদালত কিছু সাধারণ বা স্বীকৃত বিষয়, যেমন বাংলাদেশের সকল আইন, সশস্ত্র বাহিনীর যুদ্ধবিধি, সংসদের কার্যক্রম, সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে প্রকাশিত নাম, স্বীকৃত রাষ্ট্রের নাম, জাতীয় পতাকা, এবং সময় ও ভূগোল সম্পর্কিত বিষয়াবলী, সম্পর্কে স্বপ্রমাণ গ্রহণ করতে বাধ্য থাকে। এই ধরনের বিষয়গুলি আদালতে যুক্ত করা হলে, আদালত স্বয়ংক্রিয়ভাবে এগুলোকে প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য করবে এবং এর জন্য কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে না।
এটি আদালতের কার্যক্রম সহজ করে এবং সময় বাঁচাতে সহায়ক।
অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৭ আদালতকে নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে বিচারিক নোটিশ (judicial notice) নিতে বাধ্য করে।
-----------
⇒The Evidence Act,1872, Section 57 of the Evidence Act outlines the facts that the Court must take judicial notice of, including:
1. All Bangladesh Laws.
2. Articles of War for the Armed Forces.
3. The proceedings of Parliament and any legislature with power over Bangladesh's territories.
4. The seals of all courts in Bangladesh, including Admiralty and Maritime Courts and Notaries Public.
5. Names, titles, functions, and signatures of public officeholders, as published in the official Gazette.
6. The existence, title, and national flag of recognized States.
7. Geographical divisions, public festivals, fasts, and holidays notified in the official Gazette.
8. The territories of Bangladesh.
9. Hostilities between Bangladesh and other States or entities.
10. The names of court members, officers, advocates, and authorized persons.
11. The rule of the road on land and sea.
The Court may refer to books or documents of reference for these facts. If any person requests judicial notice, the Court may refuse unless the necessary documents are presented.

১,৬২৭.
কোনটি ডিজিটাল রেকর্ডের উদাহরণ নয়?
  1. ড্রোন ভিডিও
  2. সেল ফোনে ধারণকৃত ছবি
  3. ডিএনএ
  4. মাইক্রোফিল্মে সংরক্ষিত ডাটা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গ) ডিএনএ (DNA)।
- ডিএনএ (DNA) ডিজিটাল রেকর্ড নয়; এটি শারীরিক/ফরেনসিক প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয়।

• ধারা ৩: The Evidence(Amendment) Act, 2022 এর সংশোধন অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রিক রেকর্ড বলতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো যুক্ত হবে-
⇒ ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম;
⇒ অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল বহুমুখী ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), কম্পিউটার উৎপাদিত মাইক্রোফিচ ইত্যাদিতে প্রস্তুতকৃত, প্রেরিত, গৃহীত বা ধারণকৃত কোন রেকর্ড, ডাটা বা তথ্য;
⇒ ড্রোন ডেটা বা ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের রেকর্ড (সিসিটিভি), সেল ফোন, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার; বা
⇒ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ তে সংজ্ঞায়িত অন্য কোন ডিজিটাল ডিভাইসের কোন রেকর্ডস।ঃ

শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য (Physical or Forensic Evidence):
যে সকল বস্তু বা উপাদান যেগুলো অপরাধের প্রমাণ বা সম্পর্ক স্থাপন করতে সাহায্য করে, তাদের শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য বলা হয়। এগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে:
- রক্ত, বীর্য, চুল বা অন্যান্য শারীরিক পদার্থ;
- অঙ্গ বা অঙ্গের কোনো অংশ;
- ডিএনএ (DNA);
- আঙ্গুলের ছাপ (Finger impression), হাতের তালুর ছাপ (Palm impression), চোখের কনীর ছাপ (Iris impression), পায়ের ছাপ (Footprint) অন্য যে কোন সদৃশ বস্তু বা উপাদান, যা:
প্রমাণ করতে পারে যে কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, অথবা অপরাধ ও তার শিকার বা অপরাধ ও অপরাধীর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে বা কোনো ঘটনা সত্য বা মিথ্যা প্রমাণ করতে সাহায্য করতে পারে।

১,৬২৮.
আদালতের কাছে প্রশ্ন হল, 'ক' একটি নির্ধারিত দিনে চট্টগ্রামে একটি অপরাধ করেছে কিনা। এক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারা অনুসারে নিচের কোনটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা?
  1. 'ক' উক্ত দিনে সৌদি আরব ছিল
  2. 'ক' উক্ত অপরাধের ব্যাপারে সচেতন ছিল
  3. 'ক' এর সাথে মামলার বাদীর বৈরী সম্পর্ক ছিল
  4. সবগুলো প্রাসঙ্গিক
ব্যাখ্যা
⇒ "Plea of alibi" শব্দবন্ধটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ "alibi" থেকে, যার অর্থ "অন্য কোথাও"।
সাধারণভাবে, Plea of alibi হল একটি প্রতিরক্ষামূলক বক্তব্য, যেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তি দাবি করেন যে অপরাধ সংঘটনের সময় তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না, বরং অন্য কোনো স্থানে ছিলেন। অর্থাৎ, তিনি অপরাধ সংঘটনে শারীরিকভাবে উপস্থিত থাকতে পারতেন না, তাই তিনি দায়ী নন। সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায় Plea of Alibi-কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১ অনুসারে, অপরাধের স্থান ও সময়ে অপরাধীর অনুপস্থিতি প্রমাণ করা হলে, তা ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা প্রমাণ করতে পারে।

সাক্ষ্য আইন, ধারা ১১:
যে ঘটনা সাধারণত প্রাসঙ্গিক নয়, তা তখনই প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে-
- যদি এটি কোনো মূল বিতর্কিত বা প্রাসঙ্গিক ঘটনার সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ হয়।
- যদি এটি এককভাবে বা অন্যান্য ঘটনার সঙ্গে মিলিয়ে কোনো মূল বিতর্কিত বা প্রাসঙ্গিক ঘটনার অস্তিত্ব বা অনস্তিত্বকে অত্যন্ত সম্ভাব্য বা অসম্ভাব্য করে তোলে।

উদাহরণ:
(ক) প্রশ্ন উঠেছে, A নির্দিষ্ট দিনে চট্টগ্রামে কোনো অপরাধ করেছে কিনা।
যদি প্রমাণিত হয় যে ওই দিনে A ঢাকায় ছিল, তাহলে এটি একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।
এছাড়াও, যদি দেখা যায় যে অপরাধ সংঘটনের সময় A এমন একটি স্থানে ছিল, যেখান থেকে অপরাধস্থলে পৌঁছানো অত্যন্ত অসম্ভব, তবে সেটিও প্রাসঙ্গিক হবে।

(খ) প্রশ্ন উঠেছে, A কোনো অপরাধ করেছে কিনা।
পরিস্থিতি এমন যে, অপরাধটি হয় A, B, C অথবা D—এদের মধ্যে কেউ করেছে।
যে কোনো ঘটনা যা প্রমাণ করে যে অপরাধটি B, C বা D করেনি এবং অপরাধী শুধুমাত্র A হতে পারে, তা প্রাসঙ্গিক হবে।
১,৬২৯.
বিনা টিকিটে ট্রেন ভ্রমণের অভিযোগ X অভিযুক্ত হয়। X-এর টিকেট ছিল এ বিষয়টি প্রমাণের দায়িত্ব-
  1. ট্রেন টিকেট চেকারের
  2. স্টেশন মাস্টারের
  3. ট্রেনের গার্ডের
  4. X-এর
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১০৬ ধারা অনুযায়ী যে ঘটনা বিশেষভাবে কারও অবগতির মধ্যে থাকে তা প্রমাণের দায়িত্ব: কোন ঘটনা যখন বিশেষভাবে কোন ব্যক্তির অবগতির মধ্যে থাকে তখন সেই বিষয় প্রমাণ করার দায়িত্ব তার উপর ন্যাস্ত।

♦ কোন ব্যক্তি যখন এমন ইচ্ছা প্রণোদিত হয়ে একটি কাজ করে, যা উক্ত কাজের প্রকৃতি ও পরিস্থিতি হতে অনুমিত ইচ্ছা অপেক্ষা ভিন্ন, তখন ঐ ইচ্ছা প্রমাণের দায়িত্ব সেই ব্যক্তির উপর ন্যাস্ত।

♦ সাক্ষ্য আইনের ১০৬ ধারা অনুযায়ী কোন বিষয় যখন বিশেষভাবে কোন ব্যক্তির অবগতির মধ্যে থাকে, তখন সেই বিষয় প্রমাণ করার দায়িত্ব তার উপর ন্যস্ত। X যে টিকিট কেটেছিল তা X বিশেষভাবে অবগত । তাই X এর টিকেট ছিল এ বিষয়টি প্রমাণের দায়িত্ব X এর।
১,৬৩০.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রমাণ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৬৫ক
  2. ধারা ৬৭ক
  3. ধারা ৬৮ক
  4. ধারা ৭০ক
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৭ক ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রমাণ সংক্রান্ত বিধান নিয়ে আলোচনা করে। এই ধারা অনুযায়ী, সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ব্যতীত, যদি কোনো ডিজিটাল রেকর্ডে গ্রাহকের ডিজিটাল স্বাক্ষর সংযুক্ত বলে অভিযোগ করা হয়, তবে এটি প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রকৃতপক্ষে সেই গ্রাহকের স্বাক্ষর।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৭ক - ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রমাণ সম্পর্কিত বিধান: সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ব্যতীত, যদি কোনো ডিজিটাল রেকর্ডে কোনো গ্রাহকের ডিজিটাল স্বাক্ষর সংযুক্ত বলে অভিযোগ করা হয়, তবে এটি প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রকৃতপক্ষে সেই গ্রাহকের স্বাক্ষর।

⇒ The Evidence Act, 1872 section- 67A. Proof as to digital signature: - Except in the case of a secure digital signature, if the digital signature of any subscriber is alleged to have been affixed to a digital record the fact that such digital signature is the digital signature of the subscriber must be proved.

১,৬৩১.
সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় কোন নীতির প্রতিফলন ঘটেছে?
  1. Habeas Corpus
  2. Right to Fair Trial
  3. Res Judicata
  4. Burden of Proof
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় ২টি নীতির প্রতিফলন হয়েছে। তা হলো:
i) Res-judicata;
ii) Double Jeopardy (দোবারা সাজা নীতি)।

সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারার বিধান: দ্বিতীয় মোকদ্দমা বা বিচার বন্ধ করার জন্য পূর্ববর্তী রায় প্রাসঙ্গিক:
যে রায়, আদেশ বা ডিক্রি আদালতকে আইনত অন্য একটি মামলাকে বিচারার্থে গ্রহণ করতে বা এর বিচার করতে বাধা দেয়, সেই রায় বা আদেশ বা ডিক্রির অস্তিত্ব তখনই প্রাসঙ্গিক বিষয়, যখন প্রশ্ন উঠে যে, উক্ত মোকদ্দমা বিচারার্থে গ্রহণ করা বা এর বিচার করা সেই আদালতের পক্ষে উচিত কি না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় যে বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে সেটিকে Judgment in personam (ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) বলে।
⇒ এই ধারানুযায়ী পূর্ববর্তী মামলার রায়, ডিক্রি বা আদেশ পরবর্তী মামলার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হবে।
⇒ এই ধারার বিধান সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(২) এবং General Clauses Act, 1897 এর ২৬ ধারার সাথে প্রাসঙ্গিক।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারা দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
১,৬৩২.
ধারা ৭৩ক অনুযায়ী, আদালত ডিজিটাল স্বাক্ষরের প্রমাণ যাচাইয়ে নির্দেশ দিতে পারে:
  1. সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে
  2. নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে
  3. শুধুমাত্র আইনজীবীকে
  4. ক ও খ উভয়কে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারা- ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ:
যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে-
(ক) সেই ব্যক্তি বা নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে,
(খ) অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে।
 
ব্যাখ্যা: এখানে "নিয়ন্ত্রক" অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৮ (১) এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক।
 
Section  73A⇒ Proof as to verification of digital signature:
In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-
(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;
(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.
 
Explanation- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).
১,৬৩৩.
সাক্ষ্য আইনের ৭৬ ধারার অধীন প্রদত্ত জাবেদা নকল কোন ধরনের দলিলের বিষয়বস্তুর প্রমাণ স্বরূপ উপস্থাপন করা যেতে পারে?
  1. বেসরকারি দলিল
  2. সরকারি দলিল
  3. ব্যক্তিগত দলিল
  4. সকল দলিলের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৭৭ ধারা:
"অনুরূপ জাবেদা নকল (সাক্ষ্য আইনের ৭৬ ধারার অধীন প্রদত্ত জাবেদা নকল) সরকারি যে দলিলের নকল বা যে দলিলের অংশ বিশেষের নকল বলে দেয়া হয়, সেই দলিলের বা তার অংশ বিশেষের বিষয়বস্তুর প্রমাণ স্বরূপ তা উপস্থাপন করা যেতে পারে।"

[Such certified copies may be produced in proof of the contents of the public documents or parts of the public documents of which they purport to be copies.]
১,৬৩৪.
কোনো সাক্ষীকে জেরা করার উদ্দেশ্য হচ্ছে-
  1. বিভিন্ন দাবি প্রতিষ্ঠা
  2. তার মর্যাদা পরীক্ষা
  3. তার ব্যক্তিত্বের ধরণ পরীক্ষা
  4. তর্কিত বিষয়ে সত্য উদ্‌ঘাটন
ব্যাখ্যা
⇒ জেরা (Cross examination): সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৮ অনুযায়ী, কোন পক্ষের সাক্ষীকে বিরুদ্ধ পক্ষ পরীক্ষা করলে তাকে জেরা বলে। মামলার কোন পক্ষ নিজ সাক্ষীকে পরীক্ষার মাধ্যমে জবানবন্দি সম্পন্ন করে। এরপর বিরুদ্ধ পক্ষ এসে উক্ত সাক্ষীকে পরীক্ষা করে, এটিই জেরা। জেরার মাধ্যমে বিরুদ্ধ পক্ষ জবানবন্দির বক্তব্য খন্ডন করে। এছাড়া জেরার মাধ্যমে বিরুদ্ধ পক্ষ তার বক্তব্য উপস্থাপন করে।

⇒ জেরার উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব:
কাজী মাহবুবউদ্দিন আহমেদ ওরফে মাহবুব বনাম রাষ্ট্র ৩৮২ এই মামলা অনুযায়ী, ফৌজদারি মামলায় জেরা হলো একজন ব্যক্তির দেওয়া বক্তব্যের সত্যতা পরীক্ষা করার অন্যতম দুর্দান্ত আধুনিক অস্ত্র। সাক্ষীদের জেরা করে সত্যতা আবিষ্কারের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ আইনি ইঞ্জিন। সত্য বা মিথ্যা বের করে আনার জন্য এটি সবচেয়ে কার্যকর উপায়। এক পক্ষের সাক্ষী যে বিষয়টি গোপন করতে চেয়েছে, সেসব বিষয় স্পষ্ট করে সত্য প্রকাশের মাধ্যমে নিজ বক্তব্য প্রতিষ্ঠা করার জন্য জেরা করা হয়। এজন্য একে আক্রমণের তরবারি এবং নিজপক্ষের সমর্থনের ঢাল দুটোই বলা হয় (both a sword of attack & a shield of defence)।

জেরার উদ্দেশ্য নিচে দেয়া হল-
⇒ সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করে সন্দেহ তৈরি করা
⇒ অপর পক্ষের মামলা নিয়ন্ত্রণ করা
⇒ অপর পক্ষের মামলা দুর্বল করে নষ্ট করা
⇒ অপর পক্ষের মামলার অসামঞ্জস্যতা শনাক্ত করে প্রকাশ করা
⇒ নিজ পক্ষের মামলা প্রতিষ্ঠা করা
⇒ আদালতের সামনে মিথ্যাচার থামানো
⇒ সত্য উন্মোচন করা বা তর্কিত বিষয়ে সত্য উদঘাটন করাও জেরার উদ্দ্যেশ্যে।
১,৬৩৫.
বিগত ________ যাবত খবর পাওয়া যায় না, এমন ব্যক্তিকে আদালত মৃত অনুমান করতে বাধ্য।
  1. ৫ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ১৪ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারা অনুযায়ী-
আদালত কোন ব্যক্তিকে মৃত অনুমান করতে বাধ্য যদি বিগত ৭ বৎসর যাবৎ তার কোন খবর পাওয়া না যায়। এমন ব্যক্তিকে যে জীবিত দাবী করে, তাকেই প্রমাণ করতে হবে উক্ত ব্যক্তি জীবিত।

Section 108 ⇒ Burden of proving that person is alive who has not been heard of for seven years:
Provided that when the question is whether a man is alive or dead, and it is proved that he has not been heard of for seven years by those who would naturally have heard of him if he had been alive, the burden of proving that he is alive is shifted to the person who affirms it.
১,৬৩৬.
মালিকের অনুমতি নিয়ে ‘ক’ একটি বাড়ীতে অবস্থানকালে বাড়ীর মালিকানা দাবি করে। এক্ষেত্রে আইনগত বাধাকে কি বলে?
  1. স্বীকৃতি (Admission)
  2. স্ব-কার্যজনিত বাধা ( Estoppel)
  3. দাবী ত্যাগ (Waiver)
  4. মৌন সম্মতি ।
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের  ১১৬ ধারার বিধান ভাড়াটিয়া ও দখলে থাকার অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধ (Estoppel of tenant; and of licensee of person in possession) : কোন স্থাবর সম্পত্তির ভাড়াটিয়া অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তিকে ভাড়াটিয়া সম্পর্ক বিদ্যমান থাকা অবস্থায় ভাড়ার শুরুতে তার বাড়িওয়ালার ঐ স্থাবর সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করতে অনুমতি দেওয়া হবে না; কোন স্থাবর সম্পত্তির দখলদারের অনুমতি নিয়ে যে ব্যক্তি ঐ সম্পত্তিতে এসেছে সেই ব্যক্তিকে যখন এরূপ অনুমতি প্রদান করা হয়েছে তখনকার ঐরূপ ব্যক্তির ঐরূপ দখল অস্বীকার করার অনুমতি দেওয়া হবে না।
♦ এই  আইনগত বাধাকে স্ব-কার্যজনিত বাধা ( Estoppel) বলে।
১,৬৩৭.
"No new trial for improper admission or rejection of evidence" এই নীতিটি সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ধারা ১৬৫
  2. ধারা ১৬৬
  3. ধারা ১৬৭
  4. ধারা ১৬৮
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৬৭ (Section 167– No new trial for improper admission or rejection of evidence)-এ বলা হয়েছে, যদি আদালত ভুলভাবে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করে, তবুও যদি মামলার অন্যান্য সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালতের সিদ্ধান্ত ন্যায়সঙ্গত হয়, অথবা যদি বর্জিত সাক্ষ্য গ্রহণ করা হলেও রায়ের কোন পরিবর্তন হতো না, তাহলে কেবলমাত্র সেই ভুল গ্রহণ বা বর্জনের কারণে মামলার নতুন বিচার (retrial) বা রায় পরিবর্তন (reversal) করা যাবে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারামতে,
- আদালত অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করে থাকলে যে সাক্ষ্যের বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হয়েছে, সেই সাক্ষ্য ছাড়াও যদি এমন সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকে যা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্তের ন্যায্যতা প্রতিপন্ন হয়, অথবা যে সাক্ষ্য বর্জন করা হয়েছে, তা গ্রহণ করা হলেও আদালতের সিদ্ধান্তে কোন তারতম্য হতো না, তবে কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করার অজুহাতে কোন মামলার পুনর্বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন দাবি করা যাবে না। সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলাতেই সমভাবে প্রযোজ্য।
------------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 167- No new trial for improper admission or rejection of evidence:
The improper admission or rejection of evidence shall not be ground of itself for a new trail or reversal of any decision in any case, if it shall appear to the Court before which such objection is raised that, independently of the evidence objected to and admitted, there was sufficient evidence to justify the decision, or that, if the rejected evidence had been received, it ought not to have varied the decision.

১,৬৩৮.
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারা অনুযায়ী একজন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন কাকে উদ্দেশ্য করে প্রণীত হতে হবে?
  1. পুলিশকে
  2. বাদীপক্ষকে
  3. আদালতকে
  4. বিবাদীপক্ষকে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক (৪৫A) ধারা অনুযায়ী, একজন ফরেনসিক বা শারীরিক প্রমাণ সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের উদ্দেশ্যে প্রণীত হবে, কোনও নির্দিষ্ট পক্ষের জন্য নয়। বিশেষজ্ঞ সাক্ষীর প্রধান দায়িত্ব আদালতকে সহায়তা করা, এবং তার প্রতিবেদন মামলার সকল পক্ষকে সরবরাহ করতে হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার বিধান শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত:
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।
---------------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence.-
(1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
১,৬৩৯.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩৪ অনুযায়ী, হিসাব বইয়ের এন্ট্রি কখন প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. যখন শুধুমাত্র ডিজিটাল ফর্মে থাকে
  2. যখন তা আদালতের অনুমতি পায়
  3. যখন তা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে নিয়মিত রক্ষণ করা হয়
  4. যখন তা ব্যবসায়িক প্রয়োজনে নিয়মিত রক্ষণ করা হয়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২- ধারা ৩৪: হিসাব বহিতে বা ডিজিটাল রেকর্ডে এন্ট্রি কখন প্রাসঙ্গিক:
যদি কোনো হিসাব বহি বা ডিজিটাল রেকর্ড ব্যবসার স্বাভাবিক ধারায় নিয়মিতভাবে রক্ষণ করা হয়, এবং তাতে এমন কোনো বিষয়ের উল্লেখ থাকে যা সম্পর্কে আদালতকে তদন্ত করতে হয়, তবে সেসব এন্ট্রি প্রাসঙ্গিক বিবেচিত হবে।

তবে, কেবলমাত্র ঐ এন্ট্রিগুলো কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে দায় আরোপ করার জন্য যথেষ্ট প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হবে না—অর্থাৎ, অন্য সহায়ক প্রমাণ ছাড়া কেবল হিসাব বইয়ের এন্ট্রি দিয়ে কাউকে দায়ী করা যাবে না।
১,৬৪০.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণের পদ্ধতি উল্লেখ আছে?
  1. ৬০ ধারা 
  2. ৬২ ধারা
  3. ৬১ ধারা 
  4. ৬৪ ধারা
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারায় দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণের পদ্ধতি উল্লেখ আছে। কোনো দলিলের বিষয়বস্তু ২ প্রকার সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।যথাঃ
১. প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary Evidence) দ্বারা অথবা
২.মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence) দ্বারা।

সাক্ষ্য আইন ১৮৭২,ধারা ৬১: দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ কোনো দলিলের বিষয়বস্তু প্রাথমিক সাক্ষ্য কিংবা মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যাইতে পারে।
-----------------------
The Evidence Act 1872, Section 61, Proof of contents of document: The contents of documents may be proved either by primary or by secondary evidence.

১,৬৪১.
A, B-এর জন্য ভাড়া সংগ্রহের দায়িত্ব নেয়। A, C থেকে B-এর প্রাপ্য ভাড়া সংগ্রহ করেনি বলে B, A-এর বিরুদ্ধে মামলা করে। A দাবি করে যে, "C-এর কাছে B-এর কোনো ভাড়া পাওনা ছিল না।" এক্ষেত্রে C-এর বিবৃতি A-এর বিরুদ্ধে প্রাসঙ্গিক তথ্য হিসেবে গণ্য হবে কত ধারায়?
  1. ১৭ ধারায়
  2. ১৮ ধারায়
  3. ১৯ ধারায়
  4. ২০ ধারায়
ব্যাখ্যা

ধারা ১৯- সেই ব্যক্তিদের স্বীকারোক্তি, যাদের অবস্থান বা দায় প্রমাণ করা প্রয়োজন:
যে ব্যক্তিদের অবস্থান (position) বা দায় (liability) কোনো পক্ষের বিরুদ্ধে প্রমাণ করা প্রয়োজন হয়, তাদের দ্বারা প্রদত্ত বিবৃতি (statement) স্বীকারোক্তি (admission) হিসেবে গণ্য হবে — যদি সেই বিবৃতিগুলো ঐ ব্যক্তিদের নিজের অবস্থান বা দায় সম্পর্কে, তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলায় প্রাসঙ্গিক হতো, এবং যদি তা তারা সেই অবস্থানে থাকাকালীন বা দায়ে আবদ্ধ থাকাকালীন প্রদান করে থাকে।

উদাহরণ (Illustration):
A, B-এর জন্য ভাড়া সংগ্রহের দায়িত্ব নেয়। B, A-এর বিরুদ্ধে মামলা করে- কারণ A, C থেকে B-এর প্রাপ্য ভাড়া সংগ্রহ করেনি।
A দাবি করে যে, “C-এর কাছে B-এর কোনো ভাড়া পাওনা ছিল না।"
এই পরিস্থিতিতে, যদি C বলে থাকে যে, সে B-এর কাছে ভাড়া পাওনাদার ছিল, তাহলে C-এর এই বিবৃতি একটি Admission (স্বীকারোক্তি), এবং এটি A-এর বিরুদ্ধে প্রাসঙ্গিক তথ্য হিসেবে গণ্য হবে, কারণ A অস্বীকার করছে যে C-এর কোনো দায় ছিল।

১,৬৪২.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক অনুযায়ী, নিচের কোন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ সাক্ষ্য দিতে পারেন?
  1. ধর্ম সম্পর্কে
  2. আইন সম্পর্কে
  3. রাজনীতি সম্পর্কে
  4. ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৪৫ক (Section 45A) অনুযায়ী, বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি শুধুমাত্র শারীরিক (physical) বা ফরেনসিক (forensic) প্রমাণ সম্পর্কিত বিষয়ে আদালতের অনুমতিক্রমে সাক্ষ্য দিতে পারেন।
এই ধারা স্পষ্টভাবে বলে: “Opinion of experts on physical or forensic evidence…”
অর্থাৎ, বিশেষজ্ঞ সাক্ষ্য বৈজ্ঞানিক বা প্রযুক্তিগত বিষয়ে সীমাবদ্ধ, যেমন: ডিএনএ বিশ্লেষণ, আঙুলের ছাপ (fingerprint), রক্তের নমুনা পরীক্ষা, অস্ত্র পরীক্ষার ফলাফল ইত্যাদি।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক: বিশেষজ্ঞের মতামত শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে:
(১) আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনো সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না, যতক্ষণ না তার প্রতিবেদনটি (উপ-ধারা ২ অনুযায়ী) সমস্ত পক্ষকে প্রদান করা হয়।
(২) বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদনটি আদালতের উদ্দেশ্যে প্রদান করা হবে এবং কোনো পক্ষের পক্ষে নয়, এবং বিশেষজ্ঞের কর্তব্য হচ্ছে আদালতকে সাহায্য করা।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872 Section 45A. Opinion of experts on physical or forensic evidence:
(1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
১,৬৪৩.
নিম্নের কোনটি পাবলিক ডকুমেন্ট?
  1. বিক্রয় চুক্তি
  2. বিক্রয় দলিল
  3. দানপত্ৰ
  4. ডিক্রি
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ থেকে ৭৮ ধারায় সরকারী দলিল সংক্রান্ত বিধানসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশের দলিলগুলোকে সাক্ষ্য আইন মতে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. সরকারী দলিল (Public Document); এবং ২. বেসরকারী/ব্যক্তিগত দলিল (Private Document)।

♦ধারা-৭৪: সরকারী দলিল (Public Document)- সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলকে সরকারী দলিল বা Public document বলে। কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ যেমন-সংসদের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনাল সমূহের নথিপত্র অর্থাৎ দেশী বিদেশী আইন, বিচার বা শাসন বিভাগীয় কোন কর্মচারীর কার্যাবলির লিখিত বিবরণ ও নথিপত্রকে সরকারী দলিল বা Public Document বলে। অন্যভাবে বলা যায়, সরকারী দলিল বলতে সেই সমস্ত দলিলকে বোঝায় যে সমস্ত দলিল কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের সরকারী প্রতিষ্ঠানে বা ট্রাইব্যুনালের এবং বাংলাদেশের কোন অংশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশে সরকারী অফিসার, আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কার্যাবলী বা কাজের লিপিবদ্ধ বিবরণকে অন্তর্ভুক্ত করে।

♦সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারা মতে নিম্নলিখিত দলিল গুলি সরকারী দলিলঃ
(১) যে সমস্ত দলিল (ক) কোন সাবভৌম কর্তৃপক্ষের, (খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং (গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের কোন অংশের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।
(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যাক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

♦সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারায় সরকারি দলিলের কোনো তালিকা না দিয়ে এর বৈশিষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে। আদালতের ডিক্রি, আদেশ, আরজি তা যখন আদালতে দাখিল করা হয় এবং সমনের আসল এগুলো সবই আদালতের কার্যক্রমের অংশ। সুতরাং এগুলো সবই সরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হবে।

♦ধারা-৭৫: বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল । কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.
১,৬৪৪.
The Evidence Act 1872 এর ১১৮ ধারা অনুযায়ী কে সাক্ষী দেওয়ার যোগ্য নয়?
  1. অপ্রাপ্ত বয়স্ক শিশু
  2. বিকৃত মস্তিস্কের ব্যক্তি যে প্রশ্নের ধরন বুঝতে পারে
  3. অতি বৃদ্ধ
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১১৮ ধারা অনুসারে যারা প্রশ্নের ধরন বুঝে উত্তর দানে সক্ষম তারা সাক্ষী হতে পারে। সুতরাং উল্লিখিত প্রশ্নে সকলেই উত্তর দিতে সক্ষম। তাই তারা সাক্ষী হওয়ার যোগ্য।
১,৬৪৫.
সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারায় কোনটি সম্পর্কে বলা আছে?
  1. Criminal Conspiracy
  2. Common Intention
  3. Res Gestae
  4. A & B
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারায় Criminal Conspiracy (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র) এবং Common Intention (অভিন্ন অভিপ্রায়) সম্পর্কে বলা আছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারার বিধান: অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ (Things said or done by conspirator in reference to common design): দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একযোগে কোন অপরাধ বা নালিশ যোগ্য অন্যায় কার্য করার ষড়যন্ত্র করেছে, এরূপ বিশ্বাস করার যদি যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে; তবে তাদের যেকোন একজনের উক্তি, ষড়যন্ত্রের ইচ্ছা পোষণ করার পর তাদের ঐ সাধারণ ইচ্ছা সম্পর্কে তাদের মধ্যে যেকোন একজনের কোন কথা, কার্য বা লেখা ষড়যন্ত্রকারী বলে মনে করা হচ্ছে, এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তি সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক ঘটনা, ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য তা প্রাসঙ্গিক; তেমনি কোন ব্যক্তি যে উক্ত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল তা প্রমাণ করার জন্য তাও প্রাসঙ্গিক।

⇒ যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে কোন অপরাধ সংঘটন করে এবং সেই অভিন্ন অভিপ্রায়ের লক্ষ্যে করা কোন এক জনের কথা, কাজ বা বিবৃতি প্রাসঙ্গিক। অর্থাৎ অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য প্রাসঙ্গিক হবে।

----------------------
Things said or done by conspirator in reference to common design:
Section 10. Where there is reasonable ground to believe that two or more persons have conspired together to commit an offence or an actionable wrong, anything said, done or written by any one of such persons in reference to their common intention, after the time when such intention was first entertained by any one of them, is a relevant fact as against each of the persons believed to be so conspiring, as well for the purpose of proving the existence of the conspiracy as for the purpose of showing that any such person was a party to it.
১,৬৪৬.
একটিন বাড়ির চুরির ঘটনায় গৃহকর্মীকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়। গৃহকর্মী যুক্তি দেখান যে, সে ঘটনার সময় বাইরের বাজারে কেনাকাটা করছিলেন।- সাক্ষ্য আইনের কত ধারার সাথে উক্ত ঘটনা সম্পর্কযুক্ত?
  1. ৭ ধারা
  2. ৯ ধারা
  3. ১১ ধারা
  4. ১৩ ধারা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১ অনুসারে, অপরাধের স্থান ও সময়ে অপরাধীর অনুপস্থিতি প্রমাণ করা হলে, তা ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা প্রমাণ করতে পারে।

যখন কোনো অপরাধীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, তখন সে Plea of alibi দিয়ে দাবি করতে পারে যে সে অপরাধের সময় অন্য কোথাও উপস্থিত ছিল এবং সুতরাং অপরাধে জড়িত থাকতে পারে না। 'Plea of alibi' হল একটি আইনগত জবাব, যা কোনো অপরাধীকে নিজেকে দোষমুক্ত প্রমাণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এর অর্থ হল "অন্যত্র উপস্থিতি"। এটি হল একটি বিশেষ প্রকৃতির অপরাধমুক্তির প্রমাণ যেখানে প্রসিকিউটরদের দাবিকৃত অপরাধের স্থান ও সময়ে অপরাধীর অনুপস্থিতি প্রমাণিত হয়।

উদাহরণস্বরূপ,
যদি কাউকে খুনের অভিযোগ আনা হয়, তাহলে সে Plea of alibi দিয়ে দাবি করতে পারে যে সে খুনের সময় অন্য কোথাও ছিল এবং তার অনুপস্থিতির প্রমাণ দেখাতে পারে। এটি তাকে দোষী সাব্যস্ত হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে।
১,৬৪৭.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে নিচের কোন ক্ষেত্রে আদালত বিশারদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে?
  1. বিদেশী আইনের প্রশ্নে 
  2. বিজ্ঞান বিষয়ে
  3. হস্তলিপি সনাক্তকরণের ক্ষেত্রে 
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারা অনুসারে উপরিউক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে আদালত বিশারদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে

সাক্ষ্য আইন ১৮৭২,ধারা ৪৫: বিশারদের অভিমত: যখন কোনো বিদেশী আইন, কিংবা বিজ্ঞান বা চারুকলা বিষয়ে, কিংবা হস্তাক্ষর বা টিপসহির সাদৃশ্যের প্রশ্নে আদালতকে কোনো অভিমতে উপনীত হইতে হয়, তখন সংশ্লিষ্ট বিদেশী আইন, কিংবা বিজ্ঞান বা চারুকলা বিষয়ে কিংবা হস্তাক্ষর বা টিপসহির সাদৃশ্যের প্রশ্নে যে সকল লোকের বিশেষ পারদর্শিতা আছে, তাহাদের অভিমত প্রাসঙ্গিক ঘটনা।
-------------------
The Evidence Act 1872, Section 45,Opinion of Experts: When the Court has to form an opinion upon a point of foreign law, or of science, physical or forensic evidence or digital record, or art, or as to identity of hand writing or finger impression or footprint or palm impression or iris impression or typewriting or usage of trade or technical terms or identity of person or animal, the opinion upon that point of person specially skilled in such foreign law, science, physical or forensic evidence or digital record or art, or in questions as to identity of handwriting or finger impression, footprint, palm impression, typewriting, usage of trade, technical term or identity of person or animal, as the case may be, are relevant facts.

১,৬৪৮.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী কোন পক্ষ নিজের সাক্ষীকে জেরা করতে পারে?
  1. ১৫২ ধারা
  2. ১৫৩ ধারা
  3. ১৫৪ ধারা
  4. ১৫৫ ধারা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারা অনুযায়ী কোন পক্ষ নিজের সাক্ষীকে জেরা করতে পারে।

• ১৫৪ ধারার বক্তব্য অনুযায়ী- বিরুদ্ধ পক্ষ জেরায় যেসব প্রশ্ন করতে পারে, সেসব প্রশ্ন যদি কোন পক্ষ নিজের সাক্ষীকে করার অনুমতি চায়, আদালত তা করার অনুমতি দিতে পারে। এরূপ সাক্ষীকে বৈরী/প্রতিকূল সাক্ষী (Hostile witness) বলে ।

বৈরী সাক্ষীকে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষের জেরা করার অনুমতি দান করা আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভর করে। আইনের সাধারণ নীতি অনুযায়ী সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ তার নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে না। কিন্তু সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার অধীন আদালতের অনুমতি নিয়ে যে পক্ষ সাক্ষী নিয়ে আসে, সে পক্ষ নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে। এ ধরনের সাক্ষী হল বৈরী (Hostile) সাক্ষী।

সাধারণত জেরা করার উদ্দেশ্য হলো প্রতিপক্ষের সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা। এরূপ কাজ কোন মামলার বিরুদ্ধ পক্ষ করে থাকে, তবে ১৫৪ ধারার অধীন সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের সাক্ষীকে জেরা করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারে।
১,৬৪৯.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১২৫ অনুযায়ী, ম্যাজিস্ট্রেট কোন ধরনের তথ্য প্রকাশ করতে বাধ্য নন?
  1. কোনো সাক্ষীর বিবরণ
  2. অপরাধ সংঘটন সংক্রান্ত তথ্য
  3. বিচার সংক্রান্ত তথ্য
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৫ ধারার বিধান: অপরাধ সংঘটন সংক্রান্ত তথ্য:
কোনও ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা অপরাধ সংঘটনের বিষয়ে তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন, তা প্রকাশ করতে বাধ্য থাকবেন না। তেমনি, কোনও রাজস্ব কর্মকর্তা জনস্বার্থে রাজস্ব সম্পর্কিত কোনও অপরাধের বিষয়ে তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন, তা প্রকাশ করতে বাধ্য থাকবেন না।

ব্যাখ্যা: এই ধারায় "রাজস্ব কর্মকর্তা" বলতে জনস্বার্থে রাজস্ব সম্পর্কিত কোনো শাখায় নিযুক্ত বা কাজরত কর্মকর্তাকে বোঝায়।
১,৬৫০.
সাক্ষ্য আইনের ১৬২ ধারায়, নথি উপস্থাপন নিয়ে যদি আপত্তি থাকে, তাহলে সেই আপত্তির বৈধতা নির্ধারণ করবেন কে?
  1. আইনজীবী
  2. পুলিশ
  3. আদালত
  4. সাক্ষী নিজে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬২ ধারার বিধান: নথি উপস্থাপন:
যদি কোনো সাক্ষীকে কোনো নথি আদালতে উপস্থাপনের জন্য ডাকা হয়, তবে সেই নথিটি তার অধিকারে বা হেফাজতে থাকলে, তিনি তা আদালতে আনতে বাধ্য থাকবেন, যদিও সেই নথি উপস্থাপন করা বা তা গ্রহণযোগ্য হওয়া নিয়ে কোনো আপত্তি থাকলেও। আপত্তির বৈধতা আদালতই নির্ধারণ করবে।
আদালত যদি মনে করে, তবে নথিটি পর্যালোচনা করতে পারে, যদি না সেটি রাষ্ট্র সম্পর্কিত কোনো বিষয়বস্তু হয়। এছাড়াও, নথির গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারণের জন্য আদালত অন্যান্য প্রমাণ সংগ্রহ করতে পারে।

Section-162. Production of documents:
A witness summoned to produce a document shall, if it is in his possession or power, bring it to Court, notwithstanding any objection which there may be to its production or to its admissibility. The validity of any such objection shall be decided on by the Court. 
The Court, if it sees fit, may inspect the document, unless it refers to matters of State, or take other evidence to enable it to determine on its admissibility.
১,৬৫১.
কখন নিজের সাক্ষীকে বৈরী (Hostile witness) ঘোষণা করা হয়?
  1. অসুস্থ হলে
  2. বিপক্ষে সাক্ষ্য দিলে
  3. সাক্ষী হাজির না হলে
  4. উপস্থাপনকারীর পক্ষে সাক্ষ্য দিলে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারায় সুস্পষ্টভাবে বৈরী সাক্ষী বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। বৈরী সাক্ষী হলো এমন একজন সাক্ষী যে, সে যে উপায়ে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে বোঝা যায় যে, সে আদালতের নিকট সত্য বলতে ইচ্ছা প্রকাশ করছে না। বৈরী সাক্ষী বলতে মিথ্যুক সাক্ষী বোঝায় না। সাক্ষী যে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে সাক্ষীর বৈরীতা বুঝতে হবে। বিষয়টি হলো যখন যে পক্ষ কোন সাক্ষীকে আহ্বান করে বা ডাকে, সেই পক্ষ উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করবে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ যখন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করে, তখন সাক্ষীর নিকট যে প্রশ্ন করা হয় তখন সে উক্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করতে পারে বা বৈরী হতে পারে। সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ এমন ধরণের সাক্ষীকে বৈরী সাক্ষী হিসাবে ঘোষণা করতে পারে।

⇒ ১৫৪ ধারার বক্তব্য অনুযায়ী- বিরুদ্ধ পক্ষ জেরায় যেসব প্রশ্ন করতে পারে, সেসব প্রশ্ন যদি কোন পক্ষ নিজের সাক্ষীকে করার অনুমতি চায়, আদালত তা করার অনুমতি দিতে পারে। এরূপ সাক্ষীকে বৈরী/প্রতিকূল সাক্ষী (Hostile witness) বলে ।

⇒ বৈরী সাক্ষীকে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষের জেরা করার অনুমতি দান করা আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভর করে। আইনের সাধারণ নীতি অনুযায়ী সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ তার নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে না। কিন্তু সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার অধীন আদালতের অনুমতি নিয়ে যে পক্ষ সাক্ষী নিয়ে আসে, সে পক্ষ নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে। এ ধরনের সাক্ষী হল বৈরী (Hostile) সাক্ষী।

⇒ সাধারণত জেরা করার উদ্দেশ্য হলো প্রতিপক্ষের সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা। এরূপ কাজ কোন মামলার বিরুদ্ধ পক্ষ করে থাকে, তবে ১৫৪ ধারার অধীন সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের সাক্ষীকে জেরা করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারে।

⇒ যখন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা হয়:
১) সাক্ষী যদি নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়
২) সাক্ষী যদি বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দেয়
৩) সাক্ষী যদি তার পূর্বের সাক্ষ্য থেকে সরে এসে বিপরীত সাক্ষ্য দেয়।

⇒ এরূপ ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ নিজ সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করে জেরা করার জন্য আদালতের অনুমতির জন্য দরখাস্ত/ আবেদন দেয়। আদালত উক্ত আবেদন গ্রহণ করলে সাক্ষী বৈরী হয় এবং নিজপক্ষের অ্যাডভোকেট তাকে জেরা করতে পারে।
১,৬৫২.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী যদি কোনো তথ্য দেখা যায় এমন হয়, তবে মৌখিক সাক্ষ্য কার দ্বারা দেওয়া উচিত?
  1. যিনি শুনেছেন
  2. যিনি দেখেছেন
  3. যিনি অনুমান করেছেন
  4. যিনি এটি সম্পর্কে পড়েছেন
ব্যাখ্যা
⇒সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ঘটনা এমন কিছু হয় যা দেখা যায়, তবে সেই তথ্যের মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই সেই ব্যক্তির দ্বারা দেওয়া উচিত যিনি সেই ঘটনা নিজে দেখেছেন।
এই নিয়মটি প্রমাণের সরাসরি এবং সঠিকতা নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ, যিনি ঘটনাটি দেখেছেন, তার সাক্ষ্যই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য এবং প্রাসঙ্গিক হবে।

- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬০ (মৌখিক সাক্ষ্য সম্পর্কিত) অনুসারে:
"মৌখিক সাক্ষ্য সর্বদা প্রত্যক্ষ হতে হবে; অর্থাৎ - যদি কোনো ঘটনা দেখা যায় এমন হয়, তাহলে সাক্ষ্য দেবেন তিনি যিনি তা দেখেছেন..."

- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬০ অনুযায়ী, মৌখিক সাক্ষ্য সবসময় সরাসরি (direct) হতে হবে। এতে স্পষ্টভাবে বলা আছে:
"If it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it."
অর্থাৎ, যদি কোনো তথ্য এমন হয় যা দেখা যায়, তবে মৌখিক সাক্ষ্য সেই ব্যক্তির দ্বারা দেওয়া উচিত যিনি নিজে সেই তথ্যটি দেখেছেন।
১,৬৫৩.
সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারার বিধান-
  1. Character as affecting damages.
  2. Previous bad character not relevant, except in reply.
  3. In criminal cases, previous good character relevant.
  4. Grounds of opinion, when relevant.
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারার বিধান: ক্ষতিপূরণ নির্ধারনের ক্ষেত্রে (Character as affecting damages)- সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারামতে দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ নির্ধারনের ক্ষেত্রে চরিত্র প্রাসঙ্গিক হবে।

⇒ Character as affecting damages:
Section 55. In civil cases the fact that the character of any person is such as to affect the amount of damages which he ought to receive, is relevant. 
 
Explanation.– In sections 52, 53, 54 and 55, the word "character" includes both reputation and disposition; but, except as provided in section 54, evidence may be given only of general reputation and general disposition, and not of particular acts by which reputation or disposition were shown.
১,৬৫৪.
সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারা কোন বিষয় সম্পর্কিত?
  1. মিথ্যা সাক্ষ্যদান
  2. সাক্ষীর অধিকার
  3. সাক্ষ্য রেকর্ড করার পদ্ধতি
  4. অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যান
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৬৭ (Section 167) একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান, যা নিম্নোক্ত বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত:
- “Improper admission or rejection of evidence shall not of itself be a ground for new trial or reversal of decision,
- যদি আদালত মনে করে,  আপত্তিকৃত সাক্ষ্য বাদ দিয়েও যথেষ্ট প্রমাণ আছে সিদ্ধান্ত সমর্থনের জন্য; অথবা যে সাক্ষ্য বাদ দেওয়া হয়েছিল, তা গ্রহণ করা হলেও সিদ্ধান্তের কোনো পরিবর্তন হতো না।”
- কখনো কখনো বিচারক ভুলবশত কোনো অপ্রাসঙ্গিক বা অবৈধ সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারেন, অথবা প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য বাদ দিতে পারেন।
- তবে এই কারণে মামলার পুনরায় বিচার (new trial) বা রায় বাতিল (reversal of decision) চাওয়া যাবে না, যদি আদালত মনে করে যে:
- অন্য যথেষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণ ছিল; অথবা বাদ দেওয়া সাক্ষ্য থাকলেও রায়ের কোনো পরিবর্তন হতো না।

 সুতরাং, ধারা ১৬৭ মূলত আদালতের সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জনের ত্রুটি যদি রায়ের মেরিটে প্রভাব না ফেলে, তাহলে শুধু সেই ত্রুটির কারণে রায় পরিবর্তন বা পুনর্বিচার চাওয়া যাবে না।
- ধারা ১৬৭ আলোচনা করে ঘ) অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যান" সম্পর্কিত বিধান।

সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারামতে,
আদালত অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করে থাকলে যে সাক্ষ্যের বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হয়েছে, সেই সাক্ষ্য ছাড়াও যদি এমন সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকে যা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্তের ন্যায্যতা প্রতিপন্ন হয়, অথবা যে সাক্ষ্য বর্জন করা হয়েছে, তা গ্রহণ করা হলেও আদালতের সিদ্ধান্তে কোন তারতম্য হতো না, তবে কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করার অজুহাতে কোন মামলার পুনর্বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন দাবি করা যাবে না। সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলাতেই সমভাবে প্রযোজ্য।
----
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 167- No new trial for improper admission or rejection of evidence:
The improper admission or rejection of evidence shall not be ground of itself for a new trail or reversal of any decision in any case, if it shall appear to the Court before which such objection is raised that, independently of the evidence objected to and admitted, there was sufficient evidence to justify the decision, or that, if the rejected evidence had been received, it ought not to have varied the decision.

১,৬৫৫.
পুলিশ চোরাই মাল রাখার অভিযোগে 'ক' কে আটক করে, তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বাড়ি থেকে মাল উদ্ধার করা হয়। এই প্রেক্ষাপটে 'ক' এর স্বীকারোক্তি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. ২৬ ধারা
  2. ২৭ ধারা
  3. ২৮ ধারা
  4. ২৯ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তির দ্বারা কোনো অপরাধের সাথে সম্পর্কিত তথ্য স্বীকার করা হয়, এবং সেই স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে সেই ব্যক্তির কাছ থেকে কোনো বস্তু বা প্রমাণ উদ্ধার করা হয়, তবে সেই স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক এবং গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
এক্ষেত্রে 'ক' চোরাই মাল রাখার স্বীকারোক্তি দিয়েছে, এবং সেই স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে তার বাড়ি থেকে মাল উদ্ধার করা হয়েছে। তাই এটি ২৭ ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক হবে, যা স্বীকারোক্তির প্রমাণের ক্ষেত্রে অপরাধমূলক তথ্যের উদ্ধারের সঙ্গে সম্পর্কিত।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা অনুযায়ী- আসামীর নিকট থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে যদি আলামত উদ্ধার হয়, তাহলে উক্ত স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যেতে পারে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা: আসামীর নিকট হতে প্রাপ্ত তথ্য কতটুকু প্রমাণ হতে পারে:
পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকা কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে সাক্ষ্য হতে প্রাপ্ত কোন তথ্যে, যদি এমন বিষয় উদঘাটিত হয় যা ঘটনার সাথে স্পষ্টরূপে সম্পর্কযুক্ত হয় তবে তা দোষ স্বীকার হোক বা না হোক প্রমাণ করা যেতে পারে।
-------------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section 27: How much of information received from accused may be proved:
Provided that, when any fact is deposed to as discovered in consequence of information received from a person accused of any offence, in the custody of a police officer, so much of such information, whether it amounts to a confession or not, as relates distinctly to the fact thereby discovered, may be proved.
১,৬৫৬.
আদালতে নোটিশপ্রাপ্ত দলিল দাখিল করতে অস্বীকার করা হলে, পরবর্তীতে তা দাখিল করতে কী প্রয়োজন?
  1. আদালতের অনুমতি
  2. অপর পক্ষের সম্মতি
  3. শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় প্রমাণ
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act, 1872 এর ১৬৪ ধারার বিধান মতে-
কোন পক্ষকে দলিল দাখিল করার জন্য নোটিশ দেওয়ার পরও যদি দলিল দাখিল করতে অস্বীকার করে, পরবর্তীতে অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত দলিল আদালতে দাখিল করতে পারবেন না। অর্থাৎ, অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি নিয়ে উক্ত দলিল আদালতে দাখিল করতে পারবেন।

Section-164: Using, as evidence, of document production of which was refused on notice:
When a party refuses to produce a document which he has had notice to produce, he cannot afterwards use the document as evidence without the consent of the other party or the order of the Court.
১,৬৫৭.
'কোনো বিষয় যখন বিশেষ ভাবে কোনো ব্যক্তির অবগতির মধ্যে থাকে, তখন সেই বিষয় প্রমাণ করার দায়িত্ব তার উপরই ন্যস্ত থাকে।'- সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ১০২ ধারায়
  2. ১০৩ ধারায়
  3. ১০৫ ধারায়
  4. ১০৬ ধারায়
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১০৬ ধারা অনুযায়ী,
কোনো বিষয় যখন বিশেষ ভাবে কোনো ব্যক্তির অবগতির মধ্যে থাকে, তখন সেই বিষয় প্রমাণ করার দায়িত্ব তার উপরই ন্যস্ত থাকে। অর্থাৎ, কোনো একটি ঘটনা বা বিষয় যখন নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির জানার কথা বা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি ব্যতীত অন্যরা জানার কথা নয়, তখন ঐ ব্যক্তির উপরই প্রমাণ করার দায়িত্ব বর্তাবে।

Section 106- Burden of proving fact especially within knowledge-

When any fact is especially within the knowledge of any person, the burden of proving that fact is upon him.

১,৬৫৮.
ধারা ১৩২ অনুসারে, যদি সাক্ষীর উত্তর তাকে অপরাধী হিসেবে উল্লেখ করে, তবে-
  1. সে তখনো উত্তর দিতে বাধ্য থাকবে
  2. সে তার উত্তরকে অস্বীকার করতে পারবে
  3. তার উত্তর তাকে গ্রেপ্তার বা মামলা দায়েরের কারণ হবে
  4. তার উত্তরের জন্য তাকে শাস্তি দেয়া যাবে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩২ অনুসারে,
একজন সাক্ষীকে কোনো মামলার বা ফৌজদারি বা দেওয়ানি কার্যক্রমের বিষয় সম্পর্কিত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়া থেকে অব্যাহতি পাবে না, যদিও সেই উত্তর দেওয়ার ফলে সাক্ষী নিজেকে অপরাধী হিসেবে উল্লেখ করা হতে পারে অথবা তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের শাস্তি বা জরিমানা হতে পারে। কিন্তু, যে উত্তর তাকে দিতে বাধ্য করা হয়েছে, সেই উত্তর তার বিরুদ্ধে কোনো গ্রেপ্তার বা মামলা দায়েরের জন্য ব্যবহার করা যাবে না, তবে যদি সে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়, তাহলে তাকে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য মামলা করা যেতে পারে।

Section-132: Witness not excused from answering on ground that answer will criminate:
A witness shall not be excused from answering any question as to any matter relevant to the matter in issue in any suit or in any civil or criminal proceeding, upon the ground that the answer to such question will criminate, or may tend directly or indirectly to criminate, such witness, or that it will expose, or tend directly or indirectly to expose, such witness to a penalty or forfeiture of any kind: 
 
Provided that no such answer, which a witness shall be compelled to give, shall subject him to any arrest or prosecution, or be proved against him in any criminal proceeding, except a prosecution for giving false evidence by such answer.
১,৬৫৯.
Under Section 77 of The Evidence Act, 1872, what can be used to prove the contents of public documents?
  1. Oral statements
  2. Certified copies
  3. Affidavit of witness
  4. Original documents only
ব্যাখ্যা
Section 77- Proof of documents by production of certified copies:
Such certified copies may be produced in proof of the contents of the public documents or parts of the public documents of which they purport to be copies.

সাক্ষ্য আইনের ৭৭ ধারা:
"অনুরূপ জাবেদা নকল (সাক্ষ্য আইনের ৭৬ ধারার অধীন প্রদত্ত জাবেদা নকল)সরকারি যে দলিলের নকল বা যে দলিলের অংশ বিশেষের নকল বলে দেয়া হয়, সেই দলিলের বা তার অংশ বিশেষের বিষয়বস্তুর প্রমাণ স্বরূপ তা উপস্থাপন করা যেতে পারে।"
১,৬৬০.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ২৩-এর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, অ্যাডভোকেট কোন ধারা অনুযায়ী বাধ্যতামূলক সাক্ষ্য দিতে পারেন?
  1. ধারা ১২৬
  2. ধারা ২৪
  3. ধারা ৪২
  4. ধারা ১৩২
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ২৩-এর ব্যাখ্যাংশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই ধারার কোন কিছুই অ্যাডভোকেটকে ধারা ১২৬ অনুযায়ী বাধ্যতামূলক সাক্ষ্য প্রদান থেকে অব্যাহতি দেবে না। ধারা ১২৬-এ ক্লায়েন্ট ও অ্যাডভোকেটের মধ্যে গোপনীয় যোগাযোগ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে, তবে কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে অ্যাডভোকেটকে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যেতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৩ ধারার বিধান: দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক:
দেওয়ানি মোকদ্দমায় কোন স্বীকৃতি যদি এরূপ প্রকাশ্য শর্তাধীন করা হয় যে, ঐ সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না অথবা যদি এরূপ পরিস্থিতিতে করা হয় যে, তা সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না বলে পক্ষগণের মধ্যে চুক্তি হয়েছে বলে আদালত অনুমান করতে পারেন, তবে তা প্রাসঙ্গিক হবে না।

ব্যাখ্যা: কোন অ্যাডভোকেট ১২৬ ধারা অনুসারে কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য থাকলে এই ধারার কোন বিধান অনুসারে তিনি সাক্ষ্য দেওয়া হতে অব্যাহতি পাবে না।
-----------
⇒ The Evidence Act,1872, Section 23: Admissions in civil cases when relevant:
In civil cases no admission is relevant, if it is made either upon an express condition that evidence of it is not to be given, or under circumstances from which the Court can infer that the parties agreed together that evidence of it should not be given.

Explanation:– Nothing in this section shall be taken to exempt any Advocate from giving evidence of any matter of which he may be compelled to give evidence under section 126.
১,৬৬১.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় Inquisitorial বিচার ব্যবস্থার বিধান প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ১৬৬ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ১৬০ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ১৬৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারার বিধান: বিচারক কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার বা কিছু দাখিল করার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা- বিচারক প্রাসঙ্গিক ঘটনা উদঘাটন করার জন্য অথবা উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যে কোন সাক্ষীকে যে কোন সময় যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন, অথবা প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে পক্ষগণকে যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন এবং যে কোন দলিল বা বস্তু উপস্থাপন করার আদেশ দিতে পারবেন।

তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন অনুসারে যে সকল ঘটনা প্রাসঙ্গিক ও যথারীতি প্রমাণিত বলে ঘোষিত হবে, তার ভিত্তিতেই মামলার রায় দান করতে হবে।

⇒ পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিগণ বিচারকের কোন প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে কোন আপত্তি করতে পারবে না। অনুরূপ কোন প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী যা বলবে ঐ সম্পর্কে আদালতের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষীকে কোন জেরা করতেও পারবে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারায় Inquisitorial system এর বিধান রয়েছে। এখানে বিচারক একজন আইনজীবী ও তদন্তকারীর ভূমিকা পালন করেন।

⇒ ১৬৫ ধারার ক্ষমতা আদালতের সহজাত ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত।

⇒ ১৬৫ ধারার ক্ষমতাবলে উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য আদালত মামলার পক্ষ বা সাক্ষী অথবা কোন ব্যক্তিকে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করতে পারে।
১,৬৬২.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে কোনটি প্রত্যক্ষ মৌখিক সাক্ষ্য নয়?
  1. দেখার বিষয় হলে, যিনি দেখিয়াছেন।
  2. শুনার বিষয় হলে, যিনি শুনিয়াছেন।
  3. উপলব্ধির বিষয় হলে, যিনি উপলব্ধি করিয়াছেন।
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
⇒ উল্লিখিত প্রশ্নে 'ক' 'খ' এবং 'গ' সাক্ষ্য আইন অনুসারে প্রত্যক্ষ মৌখিক সাক্ষ্য এই জন্য সঠিক উত্তর অপশন 'ঘ' -কোনটি নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা তথ্য প্রমাণঃ দলিলের বিষয় বস্তু ব্যতীত সকল তথ্য মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যাইতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে: মৌখিক সাক্ষ্য সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে, 
অর্থাৎ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি দেখা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে, সে উহা দেখিয়াছে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।
সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি শোনা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা শুনিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে। 
সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি অন্য কোন ইন্দ্রিয় দ্বারা বা অন্য কোন উপায়ে উপলব্ধি করা যাইতে পারে, তবে সে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা সেই ইন্দ্রিয় দ্বারা বা সেই উপায়ে উপলব্ধি করিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।
সাক্ষ্যে উল্লিখিত বিষয় যদি কাহারও অভিমত অথবা অভিমতের ভিত্তি হয়, তবে যে ব্যক্তি সেই ভিত্তিতে সেই অভিমত পোষণ করে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।
তবে শর্ত এই যে, বিশেষজ্ঞের অভিমত পোষকতার কোন গ্রন্থ যদি সাধারণভাবে বাজাবে বিক্রিয় হয়, সেইক্ষেত্রে সেই অভিমত এবং যে যুক্তির উপর উহা প্রতিষ্ঠিত তাহা প্রমাণের জন্য সেই গ্রন্থ উপস্থাপন করা যাইতে পারে, যদি সেই গ্রন্থের প্রণেতার মৃত্যু হইয়া থাকে, অথবা যদি তাহার সন্ধান পাওয়া না যায়, অথবা যদি তিনি সাক্ষ্য দিতে অপারগ হইয়া থাকেন, অথবা যদি তাহাকে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত করিতে এইরূপ বিলম্ব ও ব্যয় হয় যাহা আদালত অযৌক্তিক বলিয়া বিবেচনা করেন।
ইহা ছাড়া মৌখিক সাক্ষ্যে যদি দলিল ভিন্ন অপর বস্তর অস্তিত্ব বা অবস্থা সম্পর্কে উল্লেখ করা হয় তবে আদালত উপযুক্ত মনে করিলেই সেই বস্তু আদালতের পরিদর্শনের জন্য দাখিল করার নির্দেশ দিতে পারেন।
----------------
⇒ The Evidence Act,1872:Section 59: Proof of facts by oral evidence:
 All facts, except the contents of documents, may be proved by oral evidence.

⇒ The Evidence Act,1872:Section 60: Oral evidence must be direct:
 Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- 
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; 
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it; 
if it refers to a fact which could be perceived by any other sense or in any other manner, it must be the evidence of a witness who says he perceived it by that sense or in that manner; 
if it refers to an opinion or to the grounds on which that opinion is held, it must be the evidence of the person who holds that opinion on those grounds: 
Provided that the opinions of experts expressed in any treatise commonly offered for sale, and the grounds on which such opinions are held, may be proved by the production of such treatises if the author is dead or cannot be found, or has become incapable of giving evidence, or cannot be called as a witness without an amount of delay or expense which the Court regards as unreasonable: 
Provided also that, if oral evidence refers to existence or condition of any material thing other than a document, the Court may, if it thinks fit, require the production of such material thing for its inspection.
১,৬৬৩.
নিচের কোন দলিলটি মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়?
  1. মূল বিক্রয় দলিল
  2. মূল বন্ধকী দলিল
  3. মূল বিক্রয় দলিলের খসড়া
  4. মূল বিক্রয় দলিলের ফটোগ্রাফ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের বিধান রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মূল দলিল আদালতে হাজির না করে মূল দলিলের প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করাকে মাধ্যমিক সাক্ষ্য বা Secondary Evidence বলে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারার বিধান মাধ্যমিক সাক্ষ্যঃ- মাধ্যমিক সাক্ষ্য অর্থ এবং তাহার অন্তর্ভূক্ত হয়ঃ
(১) বর্ণিত বিধানবলী অনুসারে প্রদত্ত জাবেদা নকল;
(২) মূল দলিল হইতে এইরুপ যান্ত্রিক উপায়ে প্ৰস্তুত নকল, যাহাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় এবং এইরুপ নকলের সহিত মিলাইয়া লওয়া অন্য নকল;
(৩) মূল দলিল হইতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সহিত মিলাইয়া লওয়া নকল;
(৪) কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তাহার বিরুদ্ধে উহা ব্যবহারের ক্ষেত্রে;
(৫) যে ব্যক্তি নিজের কোন দলিল দেখিয়াছে, তাহার দেওয়া উক্ত দলিলের বিসয় বস্তু সম্পর্কে মৌক্ষিক বিবরণ।

উদাহরণ:
(ক) একটি মূল দলিলের সহিত উহার ফটোগ্রাফ মিলাইয়া দেখা না হইয়া থাকিলেও যদি প্রমাণ করা হয় যে, ফটোগ্রাফটি যে দলিলের ফটোগ্রাফ, তাহাই মূল দলিল; তবে উক্ত ফটোগ্রাফ উক্ত মূল দলিলের মাধ্যমিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।

⇒ অর্থাৎ মূল বিক্রয় দলিলের ফটোগ্রাফ মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়।
--------------------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 63. Secondary evidence:
-Secondary evidence means and includes- 
(1) certified copies given under the provisions hereinafter contained; 
(2) copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies; 
(3) copies made from or compared with the original; 
(4) counterparts of documents as against the parties who did not execute them; 
(5) oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself seen it. 
 
Illustrations:
(a) A photograph of an original is secondary evidence of its contents, though the two have not been compared, if it is proved that the thing photographed was the original. 
(b) A copy, compared with a copy of a letter made by a copying machine is secondary evidence of the contents of the letter, if it is shown that the copy made by the copying machine was made from the original. 
(c) A copy transcribed from a copy, but afterwards compared with the original is secondary evidence; but the copy not so compared is not secondary evidence of the original, although the copy from which it was transcribed was compared with the original. 
(d) Neither an oral account of a copy compared with the original, nor an oral account of a photograph or machine-copy of the original, is secondary evidence of the original.