বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৯৫ / ১৫৫ · ৯,৪০১৯,৫০০ / ১৫,৪৭০

৯,৪০১.
কোনটি রায়ের পূর্বে ক্রোকযোগ্য নয় ?
  1. জমি
  2. কোম্পানীর শেয়ার
  3. ব্যাংকের টাকা
  4. জমির ফসল
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ নং আদেশের এর ১২ বিধিতে বলা হয়েছে, আদালত কৃষি পণ্য আটকের আদেশ দিতে পারে না যদি উক্ত কৃষি পণ্য কৃষকের দখলে থাকে।
৯,৪০২.
"যে ক্ষেত্রে আসামির মামলা ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে, সে ক্ষেত্রে তাহা প্রমাণের দায়িত্ব ঐ আসামীর উপর ন্যস্ত" ইহা সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বলা আছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারা
  2. সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারা
  3. সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা
  4. সাক্ষ্য আইনের ১০৬ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারার বিধান: আসামীর মোকদ্দমা যে ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে তা প্রমানের দায়িত্বঃ- কোন অপরাধে কোন ব্যক্তি অভিযুক্ত হলে মোকদ্দমাটি যাতে দণ্ডবিধিতে বর্ণিত কোন বিশেষ ব্যতিক্রম বা এর অন্য কোন অংশে বর্ণিত কোন শর্তের মধ্যে পড়তে পারে, এরূপ কোন পরিস্থিতির অস্তিত্ব প্রমাণ করার দায়িত্ব অভিযুক্ত ব্যক্তির অর্পিত থাকে এবং এ রূপ ক্ষেত্রে অবশ্যই আদালত অনুরূপ পরিস্থিতি অনুপস্থিত বলে ধরে নিবেন।

⇒ উদাহরণ:

⇒ (ক) হত্যার দায়ে অভিযুক্ত 'ক' নালিশ করে যে; মানসিক অপ্রকৃতিস্থতার কারণে সে তার কৃতকার্যের বিষয় জ্ঞাত ছিল না 'ক'-এর উপর এটা প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।

⇒ (খ) হত্যার দায়ে অভিযুক্ত 'ক' নালিশ করে যে, আত্মনিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা সে গুরুতর ও আকস্মিক উস্কানির কারণে হারিয়ে ফেলেছিল। 'ক'-এর উপর এটা প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত। বিশেষভাবে যে ঘটনা কারও অবগতির মধ্যে রয়েছে।
৯,৪০৩.
স্থাবর সম্পত্তি দখল উদ্ধারের মোকদ্দমার তামাদির সময়সীমা কিসের উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়?
  1. সম্পত্তি কেনার তারিখ
  2. সম্পত্তি বিক্রির তারিখ
  3. সম্পত্তি থেকে বেদখলের তারিখ
  4. আদালতের রায়ের তারিখ
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন,১৯০৮ ১ম তফসিল: অনুচ্ছেদ-৩:

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মোকদ্দমা।
[under the specific relief Act, 1877, section 9, to recovery of Possession of Immovable Property]

তামাদি- ৬ মাস।
সময় গণনা শুরু- সম্পত্তি হতে বেদখলের সময়।
৯,৪০৪.
'ক' কতিপয় সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখলে আছে। 'খ' দাবী করে যে 'খ' উক্ত সম্পত্তির মালিক এবং এই কারণে 'ক' উক্ত সম্পত্তি খ-কে অর্পণ করা আবশ্যক। এক্ষেত্রে 'ক' কখন ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে?
  1. ৬ বছরের মধ্যে
  2. ১২ বছরের মধ্যে
  3. ৩ বছরের মধ্যে
  4. ২ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক বিধান রয়েছে । কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মোকদ্দমা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা বা 'Declaratory Sui't বা 'Suit for Declaration' বলে।

তামাদি আইনে ঘোষণামূলক মোকদ্দমার কোনো সুনির্দিষ্ট বিধান নেই। এই আইনের ১২০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, 
যেসকল মামলার জন্য তামাদির মেয়াদ উল্লেখ নাই সেগুলো সাধারণত ৬ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হয়। ঘোষণামূলক মামলার প্রকৃত কারণ উদ্ভব হওয়ার সময় হতে ৬ বছরের মধ্যে ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে হবে।
৯,৪০৫.
দণ্ডবিধির ৪০৬ ধারায় দোষী ব্যক্তির জন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ কত?
  1. তিন বছর
  2. পাঁচ বছর
  3. সাত বছর
  4. দশ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪০৬ ধারায় বলা হয়েছে, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করলে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৬ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 406. Punishment for criminal breach of trust:- Whoever commits criminal breach of trust shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
৯,৪০৬.
মৃত্যুর পর কার্যকর হয়-
  1. অসিয়ত
  2. দান
  3. ওয়াক্‌ফ
  4. উত্তরাধিকার বন্টন
ব্যাখ্যা
⇒ কোন মুসলমানের সম্পত্তি তার মৃত্যুর পর কিভাবে পরিচালিত বা প্রাপ্ত হবে, সেই মর্মে তার সম্পত্তি সম্পর্কে তার অভিপ্রায়ের আইনগত ঘোষনাই হলো উইল বা অসিয়ত।

⇒ আবার, কোনো ব্যক্তির নিজের মৃত্যু পরবর্তীকালের জন্য, তার বৈধ বিষয় সম্পত্তির মূলস্বত্ব কিংবা তার মুনাফার অধিকার চিরকালীন বা নির্দিষ্ট মেয়াদে অপর কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বিনিময় ছাড়া হস্তান্তর করার চূড়ান্ত ইচ্ছা প্রকাশ করার নাম উইল বা অসিয়ত। ইসলামি আইন অনুসারে নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে।

⇒ যে ব্যক্তি উইল করে তাকে Testator বা ইচ্ছা পত্রকারী এবং যার বরাবর উইল করা হয় তাকে খবমধঃবব বা উত্তরদানগ্রহী বলা হয়

⇒ উইলের অপরিহার্য উপাদানগুলো হলো-

ক. যে ব্যক্তি উইল করে তাকে অবশ্যই তার জীবনকালের মধ্যেই উইলের ঘোষণা দিতে হবে। উইলকারীকে অবশ্যই উইল করার যোগ্য হতে হবে।

খ. উইলকারীকে অবশ্যই উইলগ্রহীতার পূর্বে মৃত্যুবরণ করতে হবে। অর্থাৎ উইলকারীর মৃত্যুর পর উইল কার্যকরী হয়।

গ. উইলকারী মৃত্যুর পর যার বরাবর উইল করা হয়েছে তাকে অবশ্যই উইলটি গ্রহণ করতে হবে। এ তিনটি শর্ত পূরণ সাপেক্ষে একটি উইল কার্যকর হয়।
৯,৪০৭.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী মামলার কোনো পর্যায়ে নোটিশ দেয়া সত্ত্বেও কোন পক্ষ দলিল দাখিল করতে অস্বীকৃতি জানালে, পরবর্তীতে উক্ত দলিল-
  1. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে দাখিল করা যাবে
  2. অপর পক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে দাখিল করা যাবে
  3. দাখিল করা যাবে না
  4. 'ক' অথবা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৪ ধারার বিধান মতে-
কোন পক্ষকে দলিল দাখিল করার জন্য নোটিশ দেওয়ার পরও যদি দলিল দাখিল করতে অস্বীকার করে, পরবর্তীতে অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত দলিল আদালতে দাখিল করতে পারবেন না।
অর্থাৎ অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি নিয়ে উক্ত দলিল আদালতে দাখিল করতে পারবেন।
--------------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-164: Using, as evidence, of document production of which was refused on notice:
When a party refuses to produce a document which he has had notice to produce, he cannot afterwards use the document as evidence without the consent of the other party or the order of the Court. 
 
Illustration:
A sues B on an agreement and gives B notice to produce it. At the trail A calls for the document and B refuses to produce it. A gives secondary evidence of its contents. B seeks to produce the document itself to contradict the secondary evidence given by A, or in order to show that the agreement is not stamped. He cannot do so.
৯,৪০৮.
বিচারের জন্য মােকদ্দমা প্রাপ্ত হওয়ার তারিখ হতে কত দিনের মধ্যে ম্যাজিস্ট্রেট বিচার সমাপ্ত করবেন?
  1. ১২০ দিন
  2. ১৮০ দিন
  3. ২৭০ দিন
  4. ৩৬০ দিন
ব্যাখ্যা
 ধারা ৩৩৯গ- মামলা নিষ্পত্তির সময়:
১) ম্যাজিস্ট্রেট বিচারের জন্য মােকদ্দমা প্রাপ্ত হওয়ার তারিখ হতে একশত আশি দিনের মধ্যেই অবশ্যই বিচার সমাপ্ত করবেন।

২) কোন দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ বিচারের জন্য মােকদ্দমা প্রাপ্ত হওয়ার তারিখ হতে তিনশত ষাট দিনের মধ্যে অবশ্যই বিচার সমাপ্ত করবেন।
২ক) উপ-ধারা (১) বা উপ-ধারা (২) এ যাই থাকুক না কেন যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি একাধিক মােকদ্দমায় আসামি হয় এবং বিচারের জন্য তাকে ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালতে হাজির করা হয়, সেক্ষেত্রে এইরূপ মােকদ্দমাগুলির বিচার সমাপ্ত করার জন্য (১) ও (২) উপ-ধারায় নির্ধারিত সময় ধারাবাহিকভাবে গণনা করা হবে।
২খ) এক আদালত হতে অপর আদালতে মােকদ্দমা হস্তান্তর সম্পর্কে যাই থাকুক না কেন (১) বা (২) উপ-ধারায় বর্ণিত সময় মােকদ্দমার বিচারের সময় হবে।

৪) নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি বিচার কার্য সম্পন্ন করা না যায়, তা হলে আদালত অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে জামিন অযােগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি প্রদান করা হতে পারে।

৫) দণ্ডবিধি (১৮৬০ সনের ৪৫ নং আইন) এর ধারা ৪০০ বা ধারা ৪০১-এর কোন মােকদ্দমার বিচারের ক্ষেত্রে কিংবা যে মােকদ্দমার বিচারের জন্য চৌত্রিশতম অধ্যায় নিহিত বিধান প্রযােজ্য সেই মােকদ্দমার বিচারের ক্ষেত্রে অত্র ধারার কোন কিছুই প্রযােজ্য হবে না।

৬) এই ধারায়, বিচারের উদ্দেশ্যে সময় নির্ধারণের নিমিত্তে-
খ) জামিনে গিয়া কোন আসামির পলায়নের কারণে যে সময় ব্যয় হবে উহা পরিগণনা করতে হবে না।
৯,৪০৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর কত ধারার উদ্দেশ্যে 'ট্রেডমার্ক' সম্পত্তি হিসেবে গণ্য করা হবে?
  1. ধারা ৫২
  2. ধারা ৫৩
  3. ধারা ৫৪
  4. ধারা ৫৫
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ - ধারা ৫৪: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কখন প্রদান করা হয়:
এই অধ্যায়ে অন্তর্ভুক্ত বা উল্লিখিত অন্যান্য বিধানাবলির অধীন, আবেদনকারীর অনুকূলে বিদ্যমান কোনো বাধ্যবাধকতা (স্পষ্ট বা অন্তর্নিহিত) লঙ্ঘন রোধ করার জন্য একটি চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা যেতে পারে।
যখন এই বাধ্যবাধকতা চুক্তি থেকে উদ্ভূত হয়, আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ে অন্তর্ভুক্ত বিধি ও বিধানাবলি দ্বারা পরিচালিত হবে।
যখন বিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকার বা ভোগদখলে হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, আদালত নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে পারে:
(ক) যখন বিবাদী বাদীর জন্য সম্পত্তির ট্রাস্টি হয়;
(খ) লঙ্ঘনের কারণে সৃষ্ট বা সৃষ্টির সম্ভাব্য ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণের কোনো মান (standard) না থাকলে।
(গ) লঙ্ঘন এমন ধরণের যে অর্থমূল্য ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার দেবে না।
(ঘ) সম্ভব যে অর্থমূল্য ক্ষতিপূরণ লঙ্ঘনের জন্য পাওয়া যাবে না।
(ঙ) একাধিক বিচারিক মামলা এড়ানোর জন্য injunction প্রয়োজন।

ব্যাখ্যা: এই ধারার উদ্দেশ্যে, ট্রেডমার্ককে সম্পত্তি হিসেবে গণ্য করা হবে।

৯,৪১০.
অর্থ-বৎসর এর জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত বিবৃতিকে বলে ______।
  1. বাৎসরিক আর্থিক পরিকল্পনা
  2. জাতীয় আর্থিক বিবৃতি
  3. জাতীয় বাজেট
  4. বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৭ অনুচ্ছেদের বিধান: বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি:
(১) প্রত্যেক অর্থ-বৎসর সম্পর্কে উক্ত বৎসরের জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত একটি বিবৃতি (এই ভাগে "বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি" নামে অভিহিত) সংসদে উপস্থাপিত হইবে।
(২) বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিতে পৃথক পৃথকভাবে 
(ক) এই সংবিধানের দ্বারা বা অধীন সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়রূপে বর্ণিত ব্যয়নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ, এবং
(খ) সংযুক্ত তহবিল হইতে ব্যয় করা হইবে, এইরূপ প্রস্তাবিত অন্যান্য ব্যয়নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ
প্রদর্শিত হইবে এবং অন্যান্য ব্যয় হইতে রাজস্বখাতের ব্যয় পৃথক করিয়া প্রদর্শিত হইবে।
৯,৪১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৫ অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগ অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে-
  1. নিজে গ্রহণ করতে পারে না
  2. দায়রা আদালতকে গ্রহণ করতে নির্দেশ দিতে পারে
  3. পুলিশকে গ্রহণ করার নির্দেশ দিতে পারে
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৩৭৫- অধিকতর অনুসন্ধান ও অতিরিক্ত সাক্ষ্য নেয়ার ক্ষমতা

হাইকোর্টে কার্যক্রম পেশ হওয়ার পর হাইকোর্ট বিভাগ যদি মনে করেন যে, দণ্ডিত ব্যক্তির দোষ বা নির্দোষিতা সম্পর্কিত বিষয় সম্বন্ধে আরও অনুসন্ধান করা বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করা উচিত তাহলে নিজে অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারেন, অথবা দায়রা আদালত কর্তৃক অনুসন্ধানের বা সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারেন।

হাইকোর্ট বিভাগ ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে উক্ত অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণকালে দণ্ডিত ব্যক্তির উপস্থিতি মওকুফ করা যাবে।

Section 375: Power to direct further inquiry to be made or additional evidence to be taken

(1) If when such proceedings, are submitted the High Court Division thinks that a further inquiry should be made into, or additional evidence taken upon, any point bearing upon the guilt or innocence of the convicted person, it may make such inquiry or take such evidence itself, or direct it to be made or taken by the Court of Session. 

(2) Unless the High Court Division otherwise directs, the presence of the convicted person may be dispensed with when such inquiry is made or such evidence is taken.

(3) When the inquiry and the evidence (if any) are not made and taken by the High Court Division, the result of such inquiry and the evidence shall be certified to such Court.
৯,৪১২.
The Limitation Act, 1908 এর অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুযায়ী চুক্তি প্রবলের মামলায় Period of Limitation হলো-
  1. ১ বৎসর
  2. ২ বৎসর
  3. ৩ বৎসর
  4. ৪ বৎসর
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুযায়ী,

চুক্তি প্রবলের মামলা করার তামাদির মেয়াদ হচ্ছে এক বছর, অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ এর ১২ ধারার অধীন চুক্তি প্রবলের মামলা করতে হবে এক বছরের মধ্যে।
৯,৪১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৫ ধারামতে পুলিশকে আমলঅযোগ্য অপরাধ তদন্তের নির্দেশ কে দিতে পারে?
  1. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  2. তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  3. দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট 
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির অনুসারে- যেকোন ব্যক্তি ২ টি উপায়ে ফৌজদারী মামলা দায়ের করতে পারে । তিনি কোন অপরাধ সংঘটন বিষয়ে থানায় পুলিশের নিকট সংবাদ প্রদান করতে পারে বা তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট গিয়ে নালিশ দায়ের করতে পারে। থানায় পুলিশের নিকট আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ প্রদান করলে পুলিশ ১৫৪ ধারার পদ্ধতি অনুসরণ করে এবং আমলঅযোগ্য অপরাধের সংবাদ প্রদান করা হলে ১৫৫ ধারা অনুসরণ করে।

• ১৫৫(১) ধারায় বলা হয়েছে- আমলঅযোগ্য অপরাধ সংঘটনের সংবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট প্রদান করা হলে-

i. থানায় রক্ষিত বহিতে তিনি উক্ত তথ্যের সারমর্ম লিপিবদ্ধ করবে; এবং

ii. সংবাদদাতাকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবে

আবার  ১৫৫(২) ধারায় বলা হয়েছে, এমন মামলা বিচার করার এখতিয়ার আছে বা বিচারের জন্য প্রেরণের এখতিয়ার আছে এমন প্রথম বা দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ব্যতীত কোনো পুলিশ কর্মকর্তা তদন্ত করবে না।
৯,৪১৪.
ধারা ৩৪৮ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি ৩ বছর বা তার বেশি সময়ের জন্য দণ্ডিত হন এবং আবার একই অপরাধে অভিযুক্ত হন, তবে সেই ব্যক্তিকে কোথায় পাঠানো হবে?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. কোর্ট অব সেশন
  4. জেলা আদালতে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৮: মুদ্রা, স্ট্যাম্প আইন বা সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধে পূর্বে দণ্ডিত ব্যক্তির বিচার:

(১) যে ব্যক্তি পেনাল কোডের অধ্যায় ১২ বা ১৭-এর অধীনে কোনো অপরাধে দণ্ডিত হয়েছেন, এবং যাকে ৩ বছর বা তার বেশি কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, যদি তাকে আবার একই ধরনের অপরাধে অভিযুক্ত করা হয় যা ৩ বছর বা তার বেশি কারাদণ্ডের দণ্ডনীয়, তবে যদি ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে, অভিযুক্তকে কোর্ট অব সেশন পাঠানোর যথেষ্ট কারণ রয়েছে, তবে তাকে কোর্ট অব সেশন পাঠানো হবে। তবে, যদি ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে, তিনি নিজেই এই মামলার যথাযথ বিচার করতে সক্ষম এবং আসামিকে যদি দোষী সাব্যস্ত করেন তবে তিনি যথাযথ শাস্তি দিতে পারেন, তবে তিনি ওই ব্যক্তিকে পাঠাবেন না।

 যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে ধারা ৩০ অনুসারে ক্ষমতা প্রদান করা হয়, তবে সেই ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে এই মামলা স্থানান্তরিত করা যেতে পারে, কোর্ট অব সেশন পাঠানোর পরিবর্তে।

(২) যখন কোনো ব্যক্তি উপধারা (১) অনুযায়ী কোর্ট অব সেশন পাঠানো হয়, তখন একই মামলায় একই সঙ্গে অভিযুক্ত অন্য ব্যক্তি(গণ)কেও একইভাবে কোর্ট অব সেশন পাঠানো হবে, যতক্ষণ না ম্যাজিস্ট্রেট তাদের বিরুদ্ধে মামলার নিষ্পত্তি করেন।
৯,৪১৫.
সুপ্রিম কোর্টে আপিল করার জন্য বিষয়বস্তুর মূল্য কত হতে হবে?
  1. সর্বনিম্ন ১০ হাজার টাকা
  2. ১০ হাজার টাকা বা তদূর্ধ্ব
  3. ২০ হাজার টাকা বা তদূর্ধ্ব
  4. সর্বোচ্চ ৩০ হাজার টাকা
ব্যাখ্যা
ধারা ১১০- বিষয়বস্তুর মূল্য:
১০৯ ধারার (ক) এবং (খ) দফায় উল্লেখিত প্রত্যেক ক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য প্রথম বিচারিক আদালতে বিশ হাজার টাকা বা তদূর্ধ্ব হতে হবে এবং সুপ্রিম কোর্টের নিকট আপিলেও বিরোধীয় মূল্য অবশ্যই তার সমপরিমাণ বা তদূর্ধ্বে হতে হবে; অথবা রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অবশ্যই অনুরূপ পরিমাণ অর্থের দাবি কিংবা অনুরূপ মূল্যের সম্পত্তি জড়িত থাকতে হবে; এবং যে রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে, তা দ্বারা যদি অব্যবহিত অধঃস্তন আদালতের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়ে থাকে, তবে আপিলে অবশ্যই আইনগত একটি বড় প্রশ্ন নিহিত থাকতে হবে।

Sec.-110: Value of subject-matter:
In each of the cases mentioned in clauses (a) and (b) of section 109, the amount of value of the subject-matter of the suit in the Court of first instance must be twenty thousand Taka or upwards, and the amount or value of the subject-matter in dispute on appeal to the Appellate Division must be the same sum or upwards,or the Judgment, decree or final order must involve, directly or indirectly, some claim or question to or respecting property of like amount or value, and where the Judgment, decree or final order appealed from affirms the decision of the Court immediately below the Court passing such Judgment, decree or final order, the appeal must involve some substancial question of law.
৯,৪১৬.
৯ বছরের নিচে একটি শিশু যদি কোনো কাজ করে, তা দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপরাধ বলে গণ্য হবে না?
  1. ধারা ৮১
  2. ধারা ৮২
  3. ধারা ৮৩
  4. ধারা ৮৪
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৮২-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে: "৯ বছরের কম বয়সী শিশু দ্বারা সংঘটিত কোনো কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না।"
- অর্থাৎ, এমন কোনো শিশু যদি কোনো কার্য করে যা সাধারণভাবে অপরাধ হতো, তবুও তার বয়স যদি ৯ বছরের কম হয়, তবে সেটি আইনের চোখে অপরাধ বলে গণ্য হবে না।

⇒ The Penal Code Section 82. Act of a child under nine years of age
- Nothing is an offence which is done by a child under nine years of age.
৯,৪১৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের বিধান মতে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা যেতে পারে-
  1. ক্রোকাদেশ দ্বারা
  2. নিষেধাজ্ঞাদেশ দ্বারা
  3. ঘোষণামূলক আদেশ দ্বারা
  4. নিলাম বিক্রির আদেশ দ্বারা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়: আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।
- The Specific Relief Act,1877-Section 52. Preventive relief how granted: Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.

- কোন ব্যক্তি যে বেআইনি কাজ (Wrongful Act) করতে অধিকারী নয়, সেই কাজ করা, চালিয়ে যাওয়া, পুনরায় করা থেকে বিরত (Prevent) রাখতে, আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে যে আদেশ দেয় তাই নিরোধমূলক প্রতিকার বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Prevent relief).
- প্রতিরোধমূলক/ নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে। আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন।
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে বা
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারীর মাধ্যমে।
 
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা অনুযায়ী স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হলো এক প্রকারের প্রতিরোধমূলক বা নিরোধমূলক প্রতিকার।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা অনুযায়ী নিরোধমূলক প্রতিকার বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার দেওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা (অস্থায়ী এবং স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা) হলো সর্বোত্তম পন্থা।
৯,৪১৮.
সাক্ষ্য আইনের ৫২ ধারা অনুযায়ী কোন ধরনের মোকদ্দমায় পক্ষগণের চরিত্র অপ্রাসঙ্গিক ও অগ্রহণযোগ্য?
  1. দেওয়ানি মোকদ্দমায়
  2. ফৌজদারি মোকদ্দমায়
  3. ক ও খ উভয়
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- সাক্ষ্য আইনের ৫২ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানি মোকদ্দমায় পক্ষগণের চরিত্র অপ্রাসঙ্গিক ও অগ্রহনযোগ্য কেননা দেওয়ানি মোকদ্দমায় অধিকার নির্ধারন হয় ডকুমেন্টের উপর ভিত্তি করে।
- তবে ৫৫ ধারা মতে ক্ষতিপূরনের মামলা হলে চরিত্র প্রাসঙ্গিক হবে।
৯,৪১৯.
নিম্নের কোনটি বেআইনি সমাবেশের উদ্দেশ্য?
  1. সরকারী কর্মচারীর ওপর অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন
  2. কোন আইনের কার্যকরীকরণে বাধা সৃষ্টি করা
  3. অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা- বেআইনী সমাবেশ:
পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনী সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-

প্রথম: বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারী কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা

দ্বিতীয়: কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরীকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা

তৃতীয়: কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা

চতুর্থ: কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্টা করা; কিংবা

পঞ্চম: অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনতঃ বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা: যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনী ছিল না তা পরে বেআইনী সমাবেশ হতে পারে।
৯,৪২০.
ধারা ৫০২ অনুযায়ী মুচলেকা বাতিলের পর জামিনদারকে কী দেওয়া হয়?
  1. অর্থদণ্ড
  2. জেলশাস্তি
  3. ক্ষতিপূরণ
  4. অব্যাহতি
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারার বিধান: জামিনদারের অব্যাহতি:
-জামিনদার যেকোনো সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামিকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামি আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরণ করবেন।

৯,৪২১.
স্বত্ব সহ দখল পুনরুদ্ধার/ সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় আছে?
  1. ৭ ধারা
  2. ৯ ধারা
  3. ১০ ধারা
  4. ৮ ধারা
ব্যাখ্যা
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারায় স্বত্ব প্রমাণ করতে হয়।
- বেদখলের ১২ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।
- এ ক্ষেত্র আপীল, রিভিউ, রিভিশন করা যাবে এবং ৮ ধারার সাথে ৪২ ধারার প্রতিকার চাইতে হবে।
৯,৪২২.
কত দিনের মধ্যে ফৌজদারি মামলার জরিমানা (fine) আদায় করতে হবে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ৭ বছর
ব্যাখ্যা
• ৭০ ধারায় অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা সম্পর্কে ৩টি বিধানের উল্লেখ আছে।
(i) দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে যেকোনো সময় ।
(ii) ৬ বছরের অধিক কারাদণ্ড হলে- কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ/উত্তীর্ণ হওয়ার আগে।
(iii) অর্থদণ্ড অনাদায়ে আসামির মৃত্যু হলে- আসামির সম্পত্তি থেকে আদায় করা হবে। অর্থাৎ আসামির মৃত্যু হলেও অর্থদণ্ড/জরিমানা মওকুফ হবে না ।
৯,৪২৩.
A, B এর সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে B এর তলপেটে একটা লাথি দেয়। ফলে B এর তাৎক্ষণিক মৃত্যু ঘটে। A কোন অপরাধটি করেছে?
  1. খুন করেছে
  2. নরহত্যার চেষ্টা করেছে
  3. কোন অপরাধ করেনি
  4. অপরাধজনক নরহত্যা করেছে
ব্যাখ্যা
♦এখানে A অপরাধজনক নরহত্যা করেছে। কেননা এখানে খুন করার উদ্দেশ্যে লাথি দেওয়া হয়নি, বরং আকস্মিক উত্তেজনার বশবর্তী হয়ে দেওয়া হয়। সুতরাং এটি খুনের অপরাধ না হয়ে অপরাধজনক নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে।
৯,৪২৪.
শিশু আইন, ২০১৩ এর কত ধারায় 'Minimum Standards of Care' সংক্রান্ত বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৬১
  2. ধারা ৬৩
  3. ধারা ৬৫
  4. ধারা ৬৮
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ৬৩: পরিচর্যার ন্যূনতম মানদণ্ড (Minimum Standards of Care):
(১) সরকার, সময় সময়, অফিস আদেশ বা নির্দেশনা জারির মাধ্যমে প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানে অবস্থানরত শিশুদের যথাযথ পরিচর্যার জন্য ন্যূনতম মানদণ্ড নির্ধারণ করিবে এবং প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানসমূহ উক্ত আদেশ বা নির্দেশনা অনুযায়ী পরিচর্যার ন্যূনতম মানদণ্ড বজায় রাখিবে। 
 
(২) প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানে অবস্থানরত শিশুদের অপরাধের মাত্রা, ধরণ ও বয়স বিবেচনায় লইয়া বিভিন্ন শ্রেণিতে বিভক্ত করিয়া রাখিতে হইবে : 
 
তবে শর্ত থাকে যে, উল্লিখিত শ্রেণি বিভাগের সময় বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখিতে হইবে যেন, ৯ (নয়) বৎসরের ঊর্ধ্বের কোন শিশুর সহিত ১০ (দশ) বৎসরের এবং ১০ (দশ) বৎসরের ঊর্ধ্বের কোন শিশুর সহিত ১২ (বার) বৎসরের ঊর্ধ্বের শিশুকে একত্রে একই কক্ষে এবং ফ্লোরে রাখা না হয়; 
 
আরও শর্ত থাকে যে, ১২ (বার) বৎসর এবং তদুর্ধ্ব বয়সের বয়স্ক শিশুর ক্ষেত্রে অপরাধের মাত্রা, শিশুর বাড়ন্ত শারীরিক কাঠামো, সবলতা, ইত্যাদি বিষয় বিবেচনায় লইয়া তাহাদের আবাসনের বিষয়টি সতর্কভাবে খেয়াল রাখিতে হইবে এবং, যতদূর সম্ভব, তাহাদের পৃথক পৃথক কক্ষে রাখিবার ব্যবস্থা করিতে হইবে। 
 
(৩) দণ্ডবিধির ধারা ৮২ এর উদ্দেশ্যপূরণকল্পে ৯ (নয়) বৎসর বয়সের কম বয়সী কোন শিশুকে কোন প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানে রাখা যাইবে না : 
 
তবে শর্ত থাকে যে, কোন কারণে ৯ (নয়) বৎসর বয়সের কম বয়সী অভিভাবকহীন কোন শিশুকে কোথাও পাওয়া গেলে তাহাকে অধিদপ্তর বা উহার নিকটস্থ কোন কার্যালয়ে প্রেরণ করিতে হইবে এবং অধিদপ্তর বিষয়টি সংশ্লিষ্ট বোর্ডের গোচরীভূত করতঃ সংশ্লিষ্ট শিশুকে সুবিধাবঞ্চিত শিশু গণ্যে, ক্ষেত্রমত, ধারা ৮৪ বা ধারা ৮৫ এর বিধান অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে। 
 
(৪) প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানসমূহ, উক্ত প্রতিষ্ঠানে অবস্থানকারী, প্রত্যেক শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থ রক্ষা এবং তাহাদের সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ, মানবিক আচরণ এবং যথোপযুক্ত শিক্ষাসহ কারিগরী শিক্ষা নিশ্চিত করিবে।
৯,৪২৫.
দণ্ডবিধির কত ধারায় অনিচ্ছাকৃত নেশাগ্রস্ততার কারণে বিচারশক্তি রহিত ব্যক্তির কাজ অপরাধ নয় বলে উল্লেখ আছে?
  1. দণ্ডবিধির ৮১ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৮৩ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৮৫ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৮৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির  ৮৫ ধারার বিধান অনিচ্ছাকৃত নেশাগ্রস্ত হওয়ার ফলে বিচার বিবেচনা অক্ষম ব্যক্তির সম্পাদিত কার্য:- এমন কোন ব্যক্তির কোন কার্যই অপরাধ নয়, যে ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট কাজটি করার সময় নেশার ফলে কার্যটির প্রকৃতি অনুধাবনে অক্ষম বা অপারগ ছিল অথবা কাজটি যে অন্যায় অযথা আইনবিরুদ্ধ তা বুঝতে অসমর্থ ছিল;

⇒ তবে শর্ত এই যে, যে বস্তুটি তাকে নেশাগ্রস্ত বা মত্ত করেছিল, সে বস্তুটি তার অগোচরে অথবা তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে দেওয়া হয়েছিল বা তার উপর প্রয়োগ করা হয়েছিল।
---------------
♦ Section 85. Act of a person incapable of judgment by reason of intoxication caused against his will:- Nothing is an offence which is done by a person who, at the time of doing it, is, by reason of intoxication, incapable of knowing the nature of the act, or that he is doing what is either wrong, or contrary to law:
⇒ Provided that the thing which intoxicated him was administered to him without his knowledge or against his will.
৯,৪২৬.
বর্তমানে তামাদি আইনে কয়টি ধারা বলবৎ আছে?
  1. ২৯
  2. ৩১
  3. ৩২
  4. ২৭
ব্যাখ্যা
⇒ বর্তমানে প্রচলিত তামাদি আইনটি ৭ আগস্ট ১৯০৮ সালে প্রণয়ন করা হয় (পাস/গৃহীত হয়), যা তামাদি আইন ১৯০৮ নামে পরিচিত। এটি ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।
- তামাদি আইন ১৯০৮ সালের ৯ নং আইন।
-বর্তমানে তামাদি আইনের ২৯টি ধারা এবং ১টি তফশিল বলবৎ আছে। তামাদি আইনের ৩০ থেকে ৩২ (মোট ৩টি) ধারা বাতিল (repeal ) করা হয়েছে।
- তফসিলে মোকদ্দমা, আপিল এবং আবেদন দায়েরের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। তফসিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ বলবৎ আছে। তফসিলের ৩টি বিভাগে ৩ ধরনের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে-
i. মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
ii. আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
iii. বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।
৯,৪২৭.
"No Magistrate shall remand an accused person to custody under this section for a term exceeding fifteen days at a time"- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় বলা আছে?
  1. ১৬৭(৫) ধারায়
  2. ৩৪৪(১) ধারায়
  3. ৩৪০(২) ধারায়
  4. ৩৪১(১) ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৪৪: কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা

(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।
ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়। তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।

Section 344: Power to postpone or adjourn proceedings
(1) If, from the absence of a witness, or any other reasonable cause, it becomes necessary or advisable to postpone the commencement of, or adjourn any inquiry or trial, the Court may, if it thinks fit, by order in writing, stating the reasons therefor, from time to time, postpone or adjourn the same on such terms as it thinks fit, for such time as it considers reasonable, and may by a warrant remand the accused if in custody:

Remand: Provided that no Magistrate shall remand an accused person to custody under this section for a term exceeding fifteen days at a time.

(2) Every order made under this section by a Court other than High Court Division shall be in writing signed by the presiding Judge or Magistrate.
Explanation: Reasonable cause for remand.-If sufficient evidence has been obtained to raise a suspicion that the accused may have committed an offence, and it appears likely that further evidence may be obtained by a remand, this is a reasonable cause for a remand.
৯,৪২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬২ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না সাক্ষ্য আইনের-
  1. ২৪ ধারার ক্ষেত্রে
  2. ২৭ ধারায় ক্ষেত্রে
  3. ৩২(১) ধারার ক্ষেত্রে
  4. খ এবং গ উভয় ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬২ তে দেয়া আছে-
তদন্তের সময় কোন ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসারের নিকট কোন বিবৃতি দিলে তা যদি লিপিবদ্ধকৃত হয় তাহলে বিবৃতিদাতা তাতে স্বাক্ষর করবেন না এবং এরূপ কোন বিবৃতি যে অপরাধের তদন্তের সময় দেয়া হয়েছিল, সেই অপরাধের কোন অনুসন্ধান বা বিচারে ব্যবহার করা যাবে না।

• কিন্তু এই নিয়মটি - সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারায় মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা ২৭ ধারার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না।অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা হলে বা পুলিশের নিকট প্রদত্ত বক্তব্য অনুযায়ী কোন বিষয় উদঘাটন করলে সেই বক্তব্য তদন্ত বা বিচারে ব্যবহার করা যাবে।
৯,৪২৯.
"দায়িক" বলতে কাকে বোঝানো হয়?
  1. যে ব্যক্তি ডিক্রি প্রদান করেছে
  2. যার বিপক্ষে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে
  3. যে ব্যক্তি ডিক্রি প্রাপ্তি সম্পর্কে আবেদন করেছে
  4. যার অনুকূলে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে
ব্যাখ্যা
ধারা ২(১০) এ “দায়িক” (Judgment-debtor) এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে-

দায়িক বলতে এমন ব্যক্তিকে বুঝায়, যার বিপক্ষে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে বা জারিযোগ্য আদেশ প্রদান করা হয়েছে।
(Judgment-debtor means any person against whom a decree has been passed or an order capable of execution has been made)
৯,৪৩০.
বিবাহ সম্পর্কিত অপরাধ আদালত কীভাবে আমলে নিবে?
  1. স্ব-প্রনোদিত হয়ে
  2. যেকোনো ব্যক্তির অভিযোগে
  3. দায়রা আদালতের আদেশক্রমে
  4. সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির অভিযোগে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৫ থেকে ১৯৯ ধারায় অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যতিক্রম আলোচনা করা হয়েছে।
 
• ১৯৬ ধারা-
রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপরাধসমূহ যেমন রাষ্ট্রদ্রোহিতা, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা, বা দণ্ডবিধির ১০৮ক, ১৫৩ক, ২৯৪ক, ২৯৫ক বা ৫০৫ ধারার অপরাধসমূহ বিচারক এবং সরকারী কর্মকর্তার বিচার সরকারের বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তৈরীকৃত অভিযোগ অনুযায়ী আমলে নিতে পারে।
 
• ১৯৭ ধারা-
বিচারক এবং সরকারী কর্মকর্তার বিচার সরকারের অনুমতি ছাড়া অভিযোগ আমলে নেয়া যাবেনা।
 
• ১৯৮ ধারা-
দণ্ডবিধির ৪৯৩ থেকে ৪৯৬ পর্যন্ত বিবাহ সম্পর্কিত অপরাধ, যেমন মুসলিম নারী কর্তৃক বিবাহ বলবৎ থাকাবস্থায় পুনরায় বিবাহ করা বা দ্বিগামিতা [bigamy] শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নেয়া যাবে।
৯,৪৩১.
ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল কোন মামলার আপিল শুনানি করতে পারে?
  1. সকল ভূমি সংক্রান্ত আপিল
  2. সাধারন দেওয়ানি আদালতের ভূমি সংক্রান্ত আপিল
  3. শুধুমাত্র ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের আপিল
  4. দেওয়ানি, রাজস্ব আদালত এবং ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের আপিল
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৫খ ধারার বিধান: ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল:
(১) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে, প্রয়োজনে যতগুলি প্রয়োজন হয় ততগুলি ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারবে, যা ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আপিল শুনানির জন্য গঠিত হবে।

(২) সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারাধীন এলাকার সীমা নির্ধারণ বা পরিবর্তন করতে পারবে।


(৩) সরকার, জেলা জজদের মধ্য থেকে ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিয়োগ করবে।

(৩ক) যতক্ষণ না (৩) উপধারার অধীনে কোনো বিচারক নিয়োগ দেওয়া হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত সরকার প্রত্যেক জেলায় জেলা জজকে আপাতভাবে ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত করতে পারবে।
(৩খ) (৩ক) উপধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত জেলা জজকে এই ধারার অধীনে নিয়োগপ্রাপ্ত বিচারক বলে গণ্য করা হবে।
(৩গ) প্রয়োজনে সরকার এক বা একাধিক অতিরিক্ত জেলা জজকে এই ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবে, যিনি মূল বিচারকের কাছ থেকে স্থানান্তরিত আপিল শুনানি করবেন।

(৪) ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি বা আদেশ থেকে উদ্ভূত আপিল ব্যতীত অন্য কোনো আপিল ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে গ্রহণযোগ্য নয়।

(৫) যে কোনো ব্যক্তি যিনি ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত, তিনি রায়ের তারিখ থেকে তিন মাসের মধ্যে ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল দায়ের করতে পারবেন।

(৬) যদি আপিলকারী যথাযথ বিলম্বের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারেন, তবে ট্রাইব্যুনাল সেই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হলে পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে আপিল গ্রহণ করতে পারে।

৯,৪৩২.
“নিয়ন্ত্রিত বিলি (Controlled Delivery)” বলতে কী বোঝায়?
  1. মাদকদ্রব্য বিক্রির অনুমোদন দেওয়া
  2. মাদকদ্রব্য ধ্বংস করার প্রক্রিয়া
  3. মাদক পরীক্ষার সরকারি অনুমতি
  4. মাদক অপরাধীদের সনাক্তকরণের জন্য বিশেষ তদন্ত কৌশল 
ব্যাখ্যা

• মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮ এর ২(১৫) ধারায় উল্লেখ আছে-
‘নিয়ন্ত্রিত বিলি (Control Delivery)’ অর্থ কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে জড়িত ব্যক্তিদের সনাক্ত করিবার উদ্দেশ্যে পরিচালিত বিশেষ তদন্ত কৌশল, যাহাতে কোনো মাদকদ্রব্য, উহার উৎসবস্তু, উপাদান অথবা মিশ্রণের বেআইনি অথবা সন্দেহজনক চালানকে তদন্তের ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো আইন প্রায়োগকারী সংস্থার (সরকারের) জ্ঞাতসারে ও তত্ত্বাবধানে শেষ গন্তব্য পর্যন্ত পরিবহন ও বিতরণ অথবা হস্তান্তর করিতে দেওয়া যাহার মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত উক্ত মাদকদ্রব্যের উৎস হইতে গন্তব্য পর্যন্ত যাবতীয় কার্যক্রমের সহিত জড়িত সকল অপরাধীকে গ্রেফতার করা যায়।

৯,৪৩৩.
দণ্ডবিধি অনুসারে নিচের কোনটি দস্যুতা বলে গণ্য হবে না?
  1. চুরির উগ্রতা
  2. বলপূর্বক গ্রহণের উগ্রতা
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. তাৎক্ষণিক মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে সম্পত্তি আদায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান দস্যুতা:- প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।
যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'।
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী- যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহ্বল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় 'দস্যুতা' বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা:- অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।

অর্থাৎ দণ্ডবিধি অনুসারে চুরির উগ্রতা, বলপূর্বক গ্রহণের উগ্রতা ও তাৎক্ষণিক মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে সম্পত্তি আদায় দস্যুতা বলে গণ্য হবে। কিন্তু অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ দস্যুতা বলে গণ্য হবে না।
---------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-390- Robbery:  In all robbery there is either theft or extortion:
- When theft is robbery:
Theft is "robbery" if, in order to the committing of the theft, or in committing the theft, or in carrying away or attempting to carry away property obtained by the theft, the offender, for that end, voluntarily causes or attempts to cause to any person death or hurt or wrongful restraint, or fear of instant death or of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
- When extortion is robbery:
Extortion is “robbery” if the offender, at the time of committing the extortion, is in the presence of the person put in fear, and commits the extortion by putting that person in fear of instant death, instant hurt, or of instant wrongful restraint to that person, or to some other person, and, by so putting in fear, induces the person so put in fear then and there to deliver up the thing extorted.

⇒ Explanation.-The offender is said to be present if he is sufficiently near to put the other person in fear of instant death, of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
৯,৪৩৪.
রহিম তার জমির মালিকানা এবং করিম তার দোকানের মালিকানা পারস্পরিকভাবে হস্তান্তর করে। এই লেনদেন কী হিসেবে গণ্য হবে?
  1. দান
  2. বন্ধক
  3. বিক্রয়
  4. বিনিময়
ব্যাখ্যা
ধারা ১১৮- “বিনিময় (exchange)” এর সংজ্ঞা:
যখন দুই ব্যক্তি পরস্পরের মালিকানাধীন একটি বস্তুর পরিবর্তে অন্য একটি বস্তুর মালিকানা পারস্পরিকভাবে হস্তান্তর করে, এবং ঐ বস্তু দুটি অর্থ (টাকা) অথবা একটি অর্থ ও অন্যটি দ্রব্য হতে পারে — তখন ঐ লেনদেনকে “বিনিময়” বলা হয়।
বিনিময়ের মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে হলে, সেটি অবশ্যই সেই প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন করতে হবে যেভাবে বিক্রয়ের মাধ্যমে সম্পত্তি স্থানান্তর করা হয়।

উদাহরণ:
- রহিম তার একটি জমি করিম এর দোকানের সাথে বিনিময় করে।
- এই লেনদেনকে "বিনিময়" (exchange) বলা হবে।
- এই বিনিময়ে সম্পত্তি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া বিক্রয়ের মতো নিয়ম অনুসরণ করে করতে হবে (যেমন, লিখিত দলিল, রেজিস্ট্রি ইত্যাদি)।
৯,৪৩৫.
The Civil Courts Act,1887 এর ২১ ধারায় কয় ধরনের আদালতকে আপিলে গ্রহণের এখতিয়ার দেয়া হয়েছে?
  1. নির্দিষ্ট নয়
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 এর ২১ ধারায় আপিল গ্রহণের ক্ষেত্রে দেওয়ানি আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের সীমার বিধান রয়েছে। ২১ ধারামতে শুধুমাত্র ২টি আদালত আপিলের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-

i) জেলা জজ আদালত এবং
ii) হাইকোর্ট বিভাগ।

• এই আইন সর্বশেষ সংশোধন করা হয় ২০২১ সালের ১১ই জানুয়ারি এবং উক্ত দিন হতে সংশোধনী আইনটি কার্যকর হয়। উক্ত সংশোধনী দ্বারা ১৯ ও ২১ ধারা সংশোধন করা হয় এবং দেওয়ানী আদালতের আর্থিক এখতিয়ার বৃদ্ধি করা হয়।
২০২১ সালের দেওয়ানি আদালত সংশোধন আইন অনুযায়ী, জেলা জজ আদালত ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল শুনতে পারেন। অর্থাৎ জেলা জজ আদালতের আপিল এখতিয়ার ৫,০০০,০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকা পর্যন্ত। ৫,০০০,০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার অধিক মূল্যমানের ডিক্রির বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে।
৯,৪৩৬.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুসারে যদি মৃত ব্যাক্তি কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান থাকে তাহলে স্ত্রী স্বামীর সম্পত্তির কত অংশ পাবে?
  1. ১/৪ অংশ
  2. ১/৮ অংশ
  3. ১/৬ অংশ
  4. ১/২ অংশ
ব্যাখ্যা
- স্ত্রী দুটি অবস্থায় সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়।
 
i) ১/৪ অংশ।
 
ii)  ১/৮ অংশ।
 
ক) যদি মৃত ব্যক্তি কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান না রেখে মারা যায়, তাহলে স্ত্রী মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পত্তির ১/৪ অংশ পাবে।
 
খ) যদি মৃত ব্যাক্তি কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান রেখে মারা যায়, তাহলে স্ত্রী মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পত্তির ১/৮ অংশ পাবে।
৯,৪৩৭.
তামাদি আইনের কোন ধারা অনুযায়ী জাবেদা নকল ব্যয়িত সময় তামাদির মেয়াদ গণনা হতে বাদ যাবে?
  1. ১২ ধারা
  2. ১৩ ধারা
  3. ১৫ ধারা
  4. ১৬ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১২ ধারা মোতাবেক আইনানুগ কার্যধারায় যে সময় গণনা থেকে বাদ দিতে হয়-
- মামলা করার কারণ যেদিন উদ্ভব হবে সেই দিন, রায় ও ডিক্রি যেদিন প্রদান করা হয় সে দিনটি, রায় ও ডিক্রির জাবেদা নকল সংগ্রহ করার জন্য যতদিন লাগে ততদিন।
- সুতরাং বলা যায় যে, তামাদি আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী জাবেদা নকল সংগ্রহের সময়টুকু তামাদির মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।

⇒ তামাদি আইনের ১২ ধারার বিধান আইনানুগ কার্যধারায় যেই পরিমাণ সময় গণনা হইতে বাদ দিতে হইবে:
(১) কোন মামলা আপীল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেইদিন হইতে উক্ত মেয়াদ গণনা করিতে হইবে সেই দিন বাদ দিতে হইবে।
(২) কোন আপীল, আপীলের অনুমতির দরখাস্ত অথবা রায়। পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেই রায় সম্পর্কে অভিযোগ করা হইবে তাহা যেইদিন ঘোষণা করা হইয়াছে সেইদিন এবং যে ডিক্রী, দন্ডাদেশ বা আদেশ সম্পর্কে আপীল করা হইবে বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হইবে, তাহার নকল গ্রহণ করিতে যেইসময় আবশ্যক, তাহা বাদ দিতে হইবে।

(৩) যেইক্ষেত্রে ডিক্রী সম্পর্কে আপীল বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রী যে রায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত সেই রায়ের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহাও বাদ দিতে হইবে।
(৪) কোন রোয়েদাদ নাকচ করিবার দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, রোয়েদাদের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহা বাদ দিতে হইবে।
-----------------------
⇒ The Limitation Act, 1908: Section-12: Exclusion of time in legal proceedings:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application, the day from which such period is to be reckoned shall be excluded.
(2) In computing the period of limitation prescribed for an appeal, an application for leave to appeal and an application for a review of judgment, the day on which the judgment complained of was pronounced, and the time requisite for obtaining a copy of the decree, sentence or order appealed from or sought to be reviewed, shall be excluded.
(3) Where a decree is appealed from or sought to be reviewed, the time requisite for obtaining a copy of the judgment on which it is founded shall also be excluded.
(4) In computing the period of limitation prescribed for an application to set aside an award, the time requisite for obtaining a copy of the award shall be excluded.
৯,৪৩৮.
শিশু-আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে কোন আদালতে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যায়?
  1. স্পেশাল ট্রাইব্যুনালে
  2. দায়রা জজ আদালতে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে
  4. পুনর্বিবেচনার বিধান নেই
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ৪১: আপিল ও পুনর্বিবেচনা:
(১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত 18[ আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ বা রায়] প্রদানের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে। 
(২) শিশু-আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যাইবে।
(৩) এই ধারার অধীন আপিল বা, ক্ষেত্রমত, পুনর্বিবেচনার আবেদন দাখিল করা হইলে উক্ত আবেদনটি দায়েরের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।
৯,৪৩৯.
যথাযথ কারণ ছাড়া প্রশ্ন করা হলে, প্রশ্নকারী আইনজীবীর বিরুদ্ধে আদালত সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে রিপোর্ট দিতে পারেন?
  1. ১৪৮ ধারা
  2. ১৪৯ ধারা
  3. ১৫০ ধারা
  4. ১৫৮ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ১৫০ - যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া প্রশ্ন করার ক্ষেত্রে আদালতের পদ্ধতি:
যদি আদালত মনে করে যে, কোন প্রশ্ন যথাযথ কারণ ছাড়া করা হয়েছে, তবে সে প্রশ্ন যদি কোনো অ্যাডভোকেট দ্বারা করা হয়, তাহলে আদালত ঐ প্রশ্নের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে তা উক্ত অ্যাডভোকেটের পেশাগত দায়িত্বের অধীন হাইকোর্ট বিভাগ বা অন্য যে কোনো কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট করতে পারে।
৯,৪৪০.
'ক', 'খ'-কে সারাজীবনের জন্য জমি উইল করে দেয় এবং 'গ'-কে পরবর্তী অধিকারী নির্দেশ করে। 'ক' মারা গেল। 'খ' জমিতে প্রবেশ করে কিন্তু 'গ', 'খ'-এর সম্মতি ছাড়াই স্বত্ব-সম্পর্কিত দলিলসমূহ হস্তগত করে। এক্ষেত্রে 'খ' -
  1. কোনো প্রতিকার পাবে না
  2. 'গ'-এর নিকট হতে সেগুলি পুনরুদ্ধার করতে পারে না
  3. 'গ'-এর নিকট হতে সেগুলি পুনরুদ্ধার করতে পারে
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারা: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার:

সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।
ব্যাখ্যা- ১: এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।
ব্যাখ্যা- ২: সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।

উদাহরণ:
(ক) 'ক', 'খ'-কে সারাজীবনের জন্য জমি উইল করে দেয় এবং 'গ'-কে পরবর্তী অধিকারী নির্দেশ করে। 'ক' মারা গেল। 'খ' জমিতে প্রবেশ করে কিন্তু 'গ', 'খ'-এর সম্মতি ছাড়াই স্বত্ব-সম্পর্কিত দলিলসমূহ হস্তগত করে। 'খ', 'গ'-এর নিকট হতে সেগুলি পুনরুদ্ধার করতে পারে।
৯,৪৪১.
করিমকে পুলিশ কর্মকর্তা জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধ স্বীকার করায়। আদালতে প্রসিকিউশন এই স্বীকারোক্তি প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করে। আইন অনুযায়ী আদালত কী করবে?
  1. বিনা শর্তে স্বীকারোক্তি গ্রহণ করবে
  2. স্বীকারোক্তি প্রত্যাখ্যান করবে
  3. যদি দুইজন সাক্ষী উপস্থিতিতে করে তাহলে গ্রহণ করবে
  4. লিখিতভাবে উপস্থাপন করলে গ্রহণ করবে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: (খ) স্বীকারোক্তি প্রত্যাখ্যান করবে।

কারণ:
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২৫ স্পষ্টভাবে বলছে—
"No confession made to a police officer shall be proved as against a person accused of any offence."
অর্থাৎ পুলিশের নিকট কোনো স্বীকারোক্তি আদালতে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।

তবে এর ব্যতিক্রম আছে ধারা ২৬ ও ২৭-এ, যেখানের
ধারা ২৬- হেফাজতে দেওয়া স্বীকারোক্তি আদালতের সামনে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট রেকর্ড করা হলে গ্রহণযোগ্য হতে পারে। আর ধারা ২৭ অনুযায়ী, স্বীকারোক্তির মাধ্যমে পাওয়া তথ্য (discovery of fact) সীমিতভাবে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহারযোগ্য।

৯,৪৪২.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন অনুসারে বকেয়া খাজনা আদায়ের তামাদির মেয়াদ-
  1. ৩ বছর
  2. ২ বছর
  3. ১ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা
- The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪২ ধারার বিধান: তামাদি:
- যে বছরের খাজনা বকেয়া পড়ে সেই বকেয়া খাজনা আদায়ের জন্য তামাদি মেয়াদ সেই বছরের শেষ দিন হতে তিন বছর হবে।
-----------
Section 142. Limitation:
- The period of limitation for the recovery of an arrear of rent shall be three years running from the last day of the year in which the arrear fell due.
৯,৪৪৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭৩ক ধারার অধীনে অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেন কে?
  1. আমল গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট
  2. তদন্তকারী কর্মকর্তা
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. স্থানীয় থানার অফিসার ইন চার্জ
ব্যাখ্যা

ধারা ১৭৩ক: অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন ইত্যাদি (Interim Investigation Report, etc):
(১) ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩-এর উপ-ধারা (১)-এ যা কিছুই থাকুক না কেন, এই অধ্যায়ের অধীন কোনো মামলার তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার আগে, সংশ্লিষ্ট তদন্তের তদারকিতে থাকা পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার, অথবা সমপর্যায়ের অন্য কোনো কর্মকর্তা, তদন্তকারী কর্মকর্তাকে একটি অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন (interim investigation report) দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারেন, যাতে মামলার তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে বর্ণনা থাকবে।

(২) যদি উক্ত অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন থেকে বোঝা যায় যে, কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপর্যাপ্ত প্রমাণ রয়েছে, তাহলে পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার, অথবা সংশ্লিষ্ট তদারকি কর্মকর্তা তদন্তকারী কর্মকর্তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারেন। এবং ম্যাজিস্ট্রেট বা ট্রাইব্যুনাল (যার এখতিয়ার প্রযোজ্য), যদি সেই প্রতিবেদনে সন্তুষ্ট হন, তাহলে তারা ওই অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করতে পারেন, তবে উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী শর্ত সাপেক্ষে এবং অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান থাকা অবস্থায়।

(৩) এই ধারা অনুযায়ী কোনো অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়া হলেও, তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পরে যদি যথেষ্ট ও প্রামাণিক প্রমাণ পাওয়া যায় যে তিনি অপরাধে জড়িত ছিলেন, তাহলে তদন্তকারী কর্মকর্তা ধারা ১৭৩ অনুযায়ী দাখিলকৃত পুলিশ প্রতিবেদনে (চার্জশিটে) তার নাম অন্তর্ভুক্ত করতে বাধ্য নন, অর্থাৎ তার নাম পুনরায় চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।

৯,৪৪৪.
"ডিক্রি দানকারী আদালত" সম্পর্কিত সংজ্ঞা কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৩৫ ধারা
  2. দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৩৭ ধারা
  3. দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৩৯ ধারা
  4. দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৪১ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৩৭ ধারা: ডিক্রি দানকারী আদালতের সংজ্ঞা:
“যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন" বলতে বা অনুরূপ কোন বাক্য দ্বারা ডিক্রি জারির ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট বিষয় বা প্রসঙ্গে বিপরীত কোন বিধান না থাকলে নিম্নোক্তরূপ অন্তর্ভুক্ত করে বলে বিবেচিত হবে,-
ক) জারিযোগ্য ডিক্রি আপিল এখতিয়ার ক্ষমতায় প্রদত্ত হলে মূল আদালত; এবং
খ) মূল আদালত উঠে গিয়ে থাকলে অথবা তার এখতিয়ার রহিত হয়ে গিয়ে থাকলে, ডিক্রি জারি করার আবেদন করার সময় যে আদালতের অনুরূপ মোকদ্দমা বিচার করার এখতিয়ার ছিল, ঐ আদালত।

Section 37- Definition of Court which passed a decree:
The expression "Court which passed a decree," or words to that effect, shall, in relation to the execution of decrees, unless there is anything repugnant in the subject or context, be deemed to include,-
(a) where the decree to be executed has been passed in the exercise of appellate jurisdiction, the Court of first instance, and
(b) where the Court of first instance has ceased to exist or to have jurisdiction to execute it, the Court which, if the suit wherein the decree was passed was instituted at the time of making the application for the execution of the decree, would have jurisdiction to try such suit.
৯,৪৪৫.
দণ্ডবিধির, ১৮৬০ এর ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম-৩ অনুযায়ী, অপরাধী খুন করলে তা খুন গণ্য হবে না যদি—
  1. আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে
  2. মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনা থাকে
  3. সরকারী কর্মচারীর হিসেবে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে
  4.  যে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সেই ব্যক্তি স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান- খুন:
⇒ ব্যতিক্রম ১:
যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে না-
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।
ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।

⇒ ব্যতিক্রম ২:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।

⇒ ব্যতিক্রম ৩:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে
এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।

⇒ ব্যতিক্রম ৪:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।
ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ ব্যতিক্রম ৫:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।

৯,৪৪৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান অনুসারে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অর্পিত ক্ষমতা কে প্রত্যাহার করতে পারে?
  1. সরকার
  2. হাইকোর্ট
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিজেই
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান হল, ক্ষমতাদি প্রত্যাহারকরণ:
(১) সরকার এই কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তি বা ইহার অধীনস্থ কোন অফিসারকে অর্পিত সকল বা যে কোন ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবেন:
শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে উক্তরূপ ক্ষমতা অর্পণ এই কার্যবিধি অনুসারে হয় সেক্ষেত্রে এই বিষয়ে হাইকোর্ট ডিভিশনের সাথে আলোচনা করতে হবে। এ ধরণের প্রত্যাহার সেই আদালতের সাথে আলোচনা করে ঠিক করতে হবে।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ক্ষমতা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত হয়, সেক্ষেত্রে তা সেভাবে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রত্যায়িত হতে পারবে।

অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান অনুসারে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অর্পিত ক্ষমতা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিজেই প্রত্যাহার করতে পারে।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 41: Withdrawal of powers:
(1)The Government may withdraw all or any of the powers conferred under this Code on any person by it or by any officer subordinate to it:
Provided that where the conferring of a power is, under this code, required to be made in consultation with the High Court Division, the withdrawal thereof shall be made in consultation with that Court.

(2) Any powers conferred by the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate may be withdrawn by the chief Judicial Magistrate or the District Magistrate respectively.
৯,৪৪৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী দায়রা আদালত কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি আদালত:
ক) দায়রা আদালত: প্রত্যেক বিভাগে নিম্নবর্ণিত দায়রা আদালত থাকবে (৩ প্রকার)-
১) দায়রা জজ আদালত;
২) অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত;
৩) যুগ্ম দায়রা জজ আদালত।

⇒ মেট্রোপলিটন এলাকার জন্য: 
১) মহানগর দায়রা জজ আদালত;
২) অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত;
৩) যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত।

অন্যদিকে,

খ) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত:
১) চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত;
২) অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত;
৩) প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত;
৪) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত;
৫) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

⇒ মেট্রোপলিটন এলাকার জন্য:
১) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট;
২) অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট;
৩) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট।
৯,৪৪৮.
The Civil Courts Act, 1887 এর অধীনে কোন শ্রেণির আদালত অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. জেলা জজের আদালত
  2. ফৌজদারি আদালত
  3. অতিরিক্ত জেলা জজের আদালত
  4. সিনিয়র সহকারী জজের আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি আদালতসমূহের গঠন,এখতিয়ার সম্পর্কে The Civil Courts Act,1887 এ বর্ণনা করা হয়েছে।
- অর্থাৎ Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
⇒  The Civil Courts Act,1887 এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেয়া হয়েছে-
১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge]
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge]
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge]
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge]
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]

⇒  The Civil Courts Act, 1887 শুধুমাত্র দেওয়ানি আদালত (Civil Courts) এর গঠন, এখতিয়ার ও কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। এই আইনের অধীনে নিম্নলিখিত শ্রেণির আদালত অন্তর্ভুক্ত:
ক) জেলা জজের আদালত
গ) অতিরিক্ত জেলা জজের আদালত
ঘ) সিনিয়র সহকারী জজের আদালত
অন্যদিকে, ফৌজদারি আদালত (Criminal Courts) ফৌজদারি মামলা পরিচালনার জন্য গঠিত এবং এগুলি ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (CrPC) ও অন্যান্য ফৌজদারি আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
অতএব, খ) ফৌজদারি আদালত সঠিক উত্তর, কারণ এটি এই আইনের অন্তর্ভুক্ত নয়।
৯,৪৪৯.
রিভিশন ক্ষমতাসম্পন্ন আদালত কত দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন?
  1. আদালতের ইচ্ছাধীন সময়ে
  2. পক্ষগণের উপর নোটিশ জারীর তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে
  3. রিভিশন কার্যক্রম শুরুর ৯০ দিনের মধ্যে
  4. রিভিশনকৃত সিদ্ধান্তের আদেশের তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৪২ক- আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়

(১) কোন আপীল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপীল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।

(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।

(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।

Section 442A- Time for disposal of appeals and Revision

(1) An Appellate Court shall dispose of an appeal filed before it within ninety days from the date of service of notice upon respondents.
(2) A Court having power of revision shall dispose of a proceeding in revision within ninety days from the date of service of notice upon the parties.
(3) In this section, in determining the time, only the working days shall be counted.
৯,৪৫০.
যুগ্ম দায়রা জজ কোন দণ্ডটি দিতে পারেন না?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. ১০ বছরের অধিক কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের অধিক কারাদণ্ড
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি এর ধারা-৩১ মোতাবেক দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যেকোন দণ্ড দিতে পারবেন তবে মৃত্যু বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন না।
৯,৪৫১.
ক্রিমিনাল প্রসিডিওর কোড-এর ১৬১ ধারার রেকর্ডকৃত সাক্ষীর জবানবন্দিতে স্বাক্ষর করবেন-
  1. সাক্ষ্য রেকর্ডকারী তদন্ত কর্মকর্তা
  2. সাক্ষ্য রেকর্ডকারী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. নিযুক্তীয় আইনজীবী
  4. সাক্ষী নিজে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬১ ধারা অনুযায়ী, পুলিশ (অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তা) অভিযোগের সাথে পরিচিত যেকোনো ব্যক্তিকে মৌখিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে/জবানবন্দি নিতে পারবে এবং পুলিশ জবানবন্দি রেকর্ড বা লিপিবদ্ধ করে নিবে এবং নিজে স্বাক্ষর করবে।

• ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬১ ধারার বিধান- পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী পরীক্ষা

(১) এই অধ্যায় মতে তদন্ত সম্পাদনকারী যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা, অথবা এ ব্যাপারে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা যে প্রকার নির্দিষ্ট করে দিতে পারেন সে প্রকার পদের নিম্নের কোন পদে অধিষ্ঠিত নহেন এরূপ এবং ঐরূপ অফিসারের অধি- যাচন অনুসারে কার্যসম্পাদনকারী যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনাটির তথ্যাদি এবং পারিপার্শ্বিক- তার সাথে পরিচিত আছে বলে অনুমিত যে কোন ব্যক্তিকে মৌখিকভাবে পরীক্ষা করতে পারেন।

(২) ঐরূপ ঘটনা সম্বন্ধে উক্ত কর্মকর্তা, যে সকল প্রশ্নের উত্তর তাঁকে ফৌজদারী অভিযোগে অভিযুক্ত করতে বা তাকে দণ্ডিত করতে বা কোন কিছুতে তার অধিকার খোয়াইতে চাইতে পারে সেসব প্রশ্ন ব্যতিরেকে যেসকল প্রশ্ন তাকে করবেন তার যথার্থ উত্তর প্রদান করতে ঐরূপ ব্যক্তি বাধ্য থাকবেন।

(৩) এ ধারামতে পরীক্ষা করার সময় তার নিকট কোন বিবৃতি দেয়া হলে তিনি তা লিপিবদ্ধ করতে পারেন, এবং যদি তিনি ঐরূপ করেন তাহলে, তিনি এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তির, বিবৃতির একটি পৃথক ও সত্য নথি তৈয়ার করবেন, যার বিবৃতি তিনি নথিভুক্ত করেন।
৯,৪৫২.
ধারা ৩৩ অনুযায়ী, পূর্ববর্তী সাক্ষ্য কখন প্রাসঙ্গিক হয়?
  1. সাক্ষী মৃত হলে
  2. সাক্ষী সাক্ষ্য দিতে অক্ষম হলে
  3. সাক্ষীকে খুঁজে পাওয়া না গেলে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৩- পরবর্তী বিচারকার্যে পূর্বে প্রদত্ত সাক্ষ্যের প্রাসঙ্গিকতা:
যে কোনো সাক্ষী পূর্বে কোনো বিচারকার্যে বা আইনি ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির সামনে সাক্ষ্য দিয়েছেন, তার সেই সাক্ষ্য পরবর্তী বিচারকার্যে (subsequent proceeding) বা একই বিচারকার্যের পরবর্তী ধাপে (later stage) প্রাসঙ্গিক (relevant) বলে গণ্য হবে, যখন সেই সাক্ষী:
- মৃত (dead), অথবা
- খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না (cannot be found), অথবা
- সাক্ষ্য দিতে অক্ষম (incapable of giving evidence), অথবা
- বিরোধী পক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে উপস্থিত হতে বাধা দিয়েছে (kept out of the way by the adverse party), অথবা
- তাকে হাজির করতে এত বেশি বিলম্ব বা ব্যয় হবে, যা আদালত অযৌক্তিক বলে মনে করে (presence cannot be obtained without unreasonable delay or expense).

তবে নিম্নোক্ত শর্তগুলো থাকতে হবে (Proviso):
- দুই বিচারকার্য একই পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে হতে হবে। অর্থাৎ, প্রথম মামলার পক্ষ ও দ্বিতীয় মামলার পক্ষ একই হতে হবে বা একই স্বার্থে থাকতে হবে।
- প্রথম বিচারকার্যে বিরোধী পক্ষের জেরা করার অধিকার ও সুযোগ থাকতে হবে।
- প্রথম ও দ্বিতীয় বিচারকার্যে বিতর্কিত প্রশ্ন (questions in issue) মূলত একই হতে হবে।

ব্যাখ্যা (Explanation): কোনো ফৌজদারি বিচার (criminal trial) বা তদন্ত (inquiry) কে ধারা ৩৩ অনুযায়ী “proceeding between the prosecutor and the accused” বলে গণ্য করা হবে।

৯,৪৫৩.
According to Section 523(2) of The Code of Criminal Procedure, How long does a person have to claim the property after the Magistrate issues the proclamation?
  1. Fifteen days
  2. One month
  3. Three months
  4. Six months
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৩ ধারার বিধান:- ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত মাল বা চোরাইমাল আটকের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্তৃক গৃহীত পদ্ধতি:
(১) ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত বা চেরাইমাল বলে কথিত বা সন্দেহযুক্ত বা কোন অপরাধ সংঘটনের সন্দেহ সৃষ্টিকারী অবস্থায় প্রাপ্ত সম্পত্তি কোন পুলিশ অফিসার জব্দ করলে সঙ্গে সঙ্গে তা কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে জানাতে হবে এবং উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তির বিহিত ব্যবস্থা বা উহার দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে প্রদান বা এরূপ ব্যক্তিকে না পাওয়া গেলে উহার হেফাজত ও অর্পণ সম্পর্কে যেরূপ মনে করেন সেরূপ আদেশ দিবেন।

- জব্দকৃত মারের মালিক অজ্ঞাত হলে পদ্ধতি:
(২) সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি পরিচিত হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ শর্তে (যদি আরোপিত হয়) তাকে সম্পত্তি প্রদানের আদেশ দিতে পারবেন। কিন্তু উক্ত ব্যক্তি যদি অজ্ঞাত হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তি আটক রাখতে পারবেন এবং সেক্ষেত্রে, তিনি সম্পত্তির বিস্তারিত বিবরণসহ এই মর্মে একটি ঘোষণা দিবেন যে, উক্ত সম্পত্তিতে কারো কোন দাবী থাকলে ঘোষণা তারিখ হতে এক মাসের মধ্যে তার সামনে হাজির হয়ে উক্ত দাবী প্রতিষ্ঠা করতে হবে। 
------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-523: Procedure by police upon seizure of property taken under section 51 or stolen:
(1) The seizure by any police-officer of property taken under section 51, or alleged or suspected to have been stolen, or found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence, shall be forthwith reported to a Magistrate, who shall make such order as he thinks fit respecting the disposal of such property or the delivery of such property to the person entitled to the possession thereof, or, if such person cannot be ascertained, respecting the custody and production of such property.

-Procedure where owner of property seized unknown:

(2) If the person so entitled is known, the Magistrate may order the property to be delivered to him on such conditions (if any) as the Magistrate thinks fit. If such person is unknown, the Magistrate may detain it and shall, in such case, issue a Proclamation specifying the articles of which such property consists, and requiring any person who may have a claim thereto, to appear before him and establish his claim within [one month] from the date of such proclamation.
৯,৪৫৪.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী বেআইনি অথবা হয়রানিমূলক তল্লাশি করলে সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৯ ধারার বিধান বেআইনি অথবা হয়রানিমূলক তল্লাশি, ইত্যাদির দণ্ড:
- যদি তল্লাশি, আটক অথবা গ্রেফতার করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো অফিসার- 
(ক) সন্দেহ করিবার যুক্তিসংগত কোনো কারণ ব্যতিরেকে তল্লাশির নামে কোনো স্থানে প্রবেশ করেন ও তল্লাশি চালান, 
(খ) হয়রানিমূলকভাবে বাজেয়াপ্তযোগ্য কোনো বস্তু তল্লাশি করিবার নামে কোনো ব্যক্তির কোনো সম্পদ আটক করেন, এবং 
(গ) কোনো ব্যক্তিকে হয়রানিমূলক তল্লাশি করেন অথবা গ্রেফতার করেন, তাহা হইলে তিনি অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
৯,৪৫৫.
আদেশ ১৭ বিধি ১ অনুযায়ী, আদালত কোন পর্যায়ে মোকদ্দমার শুনানি মুলতবি রাখতে পারে?
  1. প্রথম শুনানিতে
  2. যেকোনো পর্যায়ে
  3. চূড়ান্ত শুনানিতে
  4. চূড়ান্ত শুনানীর আগে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ নং আদেশে Adjournment বা মূলতবির বিধান রয়েছে। আদালতে সময়ের প্রার্থনা (Time petition) করাই হলো মুলতবির আবেদন।

• ১৭ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে-
> আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে।

> চূড়ান্ত শুনানীর আগে (Before Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচ ছাড়া সর্বোচ্চ ৬টি এবং খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি করে মোট ৯টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে। অর্থ্যাৎ উভয় পক্ষকে খরচসহ এবং খরচ ছাড়া মোট ১৮টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারেন।

> অন্যদিকে চূড়ান্ত শুনানী পর্যায়ে ( At the Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে। তবে খরচ ছাড়া আদালত কোন মুলতবি মঞ্জুর করেনা।

> মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।

> মুলতবির আবেদন মঞ্জুর করা বা না করা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
৯,৪৫৬.
দণ্ডবিধির কত ধারায় বাংলাদেশি মুদ্রার সংজ্ঞা দেয়া আছে?
  1. ২২৯ ধারায়
  2. ২৩০ ধারায়
  3. ২৩১ ধারায়
  4. ২৩২ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারার বিধান: 'মুদ্রার' সংজ্ঞা:
বর্তমানে অর্থরূপে ব্যবহৃত এবং অনুরূপে ব্যবহৃত হওয়ার জন্য কোন রাষ্ট্রে বা সার্বভৌম শক্তির ক্ষমতাধীনে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতব দ্রব্যকে মুদ্রা বলে।

- বাংলাদেশি মুদ্রা:
 বাংলাদেশি মুদ্রা বলতে বাংলাদেশের সরকারের ক্ষমতাধীন অর্থরূপে ব্যবহারের জন্য স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বুঝাবে; এবং অর্থরূপে, ব্যবহার রহিত হওয়া সত্ত্বেও এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যাবলীর দিক হতে অনুরূপভাবে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বাংলাদেশি মুদ্রা বলে পরিচিত হবে।


উদাহরণ:

(ক) কড়ি (কাউরি) মুদ্রা নয়।
(খ) স্ট্যাম্পবিহীন তামার টুকরো, যদিও তা অর্থরূপে ব্যবহৃত হয়, মুদ্রা নয়।
(গ) মেডেল মুদ্রা নয়, কারণ সেগুলো অর্থরূপে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয় না।
(ঘ) কোম্পানির টাকা নামে পরিচিত মুদ্রা রানির মুদ্রা।
(ঙ) "ফরুখাবাদ" টাকা, যা পূর্বে ভারত সরকারের কর্তৃত্বে অর্থরূপে ব্যবহৃত হতো, তা বাংলাদেশি মুদ্রা হিসেবেই গণ্য হবে, যদিও তা এখন আর ব্যবহৃত হয় না।

৯,৪৫৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারায় কতটি ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যাবে না তার তালিকা দেওয়া আছে?
  1. ৯টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা

⇒ কোন কোন ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যায় না তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারামতে নিম্নলিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। যথা-
i) বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত;
ii) অধীন নয় এরূপ আদালতের কার্যধারা স্থগিত;
iii) আইন প্রণয়নকারী সংস্থার নিকট আবেদনে বাধা;
iv) সরকারি দপ্তর বা বিদেশি সরকারের কার্যে হস্তক্ষেপ;
v) ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত;
vi) অবলবৎযোগ্য চুক্তিভঙ্গ নিরোধের প্রশ্নে
vii) উৎপাত (nuisance) নয় এমন কাজ নিরোধের জন্য;
viii) বাদীর মৌন সম্মতির প্রশ্নে;
ix) অন্য কোন পদ্ধতিতে একই প্রতিকারের ক্ষেত্রে;
x) বাদীর আচরণ আদালতের সাহায্য পেতে বঞ্চিত করলে; অথবা
xi) মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর কোনো স্বার্থ না থাকলে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-56. Injunction when refused:- An injunction cannot be granted-
(a) to stay a judicial proceeding pending at the institution of the suit in which the injunction is sought, unless such restraint is necessary to prevent a multiplicity of proceedings;
(b) to stay proceedings in a Court not subordinate to that from which the injunction is sought;
(c) to restraint persons from applying to any legislative body;
(d) to interfere with the public duties of any department of the Government, or with the sovereign acts of Foreign Government;
(e) to stay proceedings in any criminal matter;
(f) to prevent the breach of a contract the performance of which would not be specifically enforced;
(g) to prevent, on the ground of nuisance, an act of which it is not reasonably clear that it will be a nuisance;
(h) to prevent a continuing breach in which the applicant has acquiesced;
(i) when equally efficacious relief can certainly be obtained by any other usual mode of proceeding except in case of breach of trust;
(j) when the conduct of the applicant on his agents has been such as to disentitle him to the assistance of the Court;
(k) where the applicant has no personal interest in the matter.

৯,৪৫৮.
ফৌজদারী কার্যবিধি অনুযায়ী জামিনদারদের অব্যাহতির জন্য কোন ধারা প্রযোজ্য?
  1. ৫০২ ধারা
  2. ৫০১ ধারা
  3. ৪৯৮ ধারা
  4. ৪৯৭ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫০২ ধারা (Section 502 of the Code of Criminal Procedure, 1898) অনুযায়ী জামিনদার (Surety) যে কোনো সময় জামিননামা (Bail Bond) থেকে আংশিক বা সম্পূর্ণ অব্যাহতি পেতে পারেন। এজন্য তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করতে হয়।
- ধারা ৫০২: জামিনদারের অব্যাহতি:
(১) জামিনদার জামিননামা থেকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে মুক্তির জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারেন।
(২) আবেদন পাওয়ার পর ম্যাজিস্ট্রেট আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করবেন।
(৩) আসামি হাজির হলে বা স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করলে, ম্যাজিস্ট্রেট জামিনদারকে দায়মুক্তি দিবেন এবং আসামিকে নতুন জামিনদার খুঁজে দিতে বলবেন।
যদি আসামি নতুন জামিনদার না দিতে পারে, তাহলে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
- অতএব, ৫০২ ধারা-ই জামিনদারদের অব্যাহতির জন্য প্রযোজ্য ধারা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারার বিধান: জামিনদারের অব্যাহতি:
-জামিনদার যেকোনো সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামিকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামি আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরণ করবেন।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 502: Discharge of sureties-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants.
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him.
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody.
৯,৪৫৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারা কোন বিষয়ে বিধান দেয়?
  1. আসামির গ্রেফতার
  2. জামিনদারের নিয়োগ
  3. জামিনদারের অব্যাহতি
  4. মামলার বিচার পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০২ অনুযায়ী, জামিনদার যদি জামিন বাতিল করে নিজেকে জামিনদার হিসেবে অব্যাহতি পেতে চান, তবে তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারেন। ম্যাজিস্ট্রেট তখন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে তাকে হাজির করতে বলেন এবং জামিনদারকে অব্যাহতি দেন। যদি আসামি নতুন জামিনদার দিতে ব্যর্থ হয়, তবে তাকে জেলে পাঠানো হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারার বিধান: জামিনদারের অব্যাহতি:
-জামিনদার যেকোনো সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামিকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামি আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরণ করবেন।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 502: Discharge of sureties-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants.
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him.
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody.
৯,৪৬০.
'Z', 'A'-এর পরিবারের মালিকানাধীন একটি দেবমূর্তির দখল পেল, যার যথাযথ দখলদার হচ্ছে 'A', এই ক্ষেত্রে-
  1. 'A' কে ক্ষতিপূরণ দিতে 'Z'-কে বাধ্য করা যেতে পারে।
  2. 'A' এর নিকট উক্ত দেবমূর্তি অর্পণ করতে 'Z'-কে বাধ্য করা যেতে পারে।
  3. 'Z' এর নিকট উক্ত দেবমূর্তির মালিকানা অর্পণ করতে 'A'-কে বাধ্য করা যেতে পারে।
  4. 'ক' আথবা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারার বিধান: অব্যবহিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট থেকে দখল প্রদানের নিমিত্তে মালিক নয় এরূপ দখলকারী ব্যক্তির দায় দায়িত্ব:
-যে সম্পত্তির মালিক সে নিজে নয়, এমন অস্থাবর সম্পত্তির কোন বিশেষ অংশের দখলকারী বা নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তিকে নিম্নোক্ত যে কোন অবস্থাতে অবিলম্বিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট সেটি প্রদানার্থে সুনির্দিষ্টভাবে বাধ্য করা যেতে পারে-
 
(ক) যখন দাবীকৃত সম্পত্তি দাবিদারের জিম্মাদারের বা প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিবাদীদের নিকট রয়েছে।
(খ) যখন দাবিকৃত বস্তুর ক্ষতি টাকার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দাবীদারের পর্যাপ্ত প্রতিকার করবে না।
(গ) যখন দাবীকৃত বস্তুর ক্ষতির কোন সাধিত যথার্থ ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হবে।
(ঘ) যখন দাবীকৃত বস্তুর দখল দাবিদারের নিকট হতে অন্যায়ভাবে হস্তান্তরিত করা হয়েছে।

উদাহরণ: 'Z', 'A'-এর পরিবারের মালিকানাধীন একটি দেবমূর্তির দখল পেল, যার যথাযথ দখলদার হচ্ছে 'A'। 'Z'-কে, 'A'-এর নিকট দেবমূর্তিটি অর্পণ করতে বাধ্য করা যেতে পারে।
--------------------
⇒ SR Act, Section-11. Liability of person in possession, not as owner to deliver to person entitled to immediate possession:
-Any person having the possession or control of a particular article of moveable property, of which he is not the owner, may be compelled specifically to deliver it to the person entitled to its immediate possession, in any of the following cases:-
(a) when the thing claimed is held by the defendant as the agent or trustee of the claimant;
(b) when compensation in money would not afford the claimant adequate relief for the loss of the thing claimed;
(c) when it would be extremely difficult to ascertain the actual damage caused by its loss;
(d) when the possession of the thing claimed has been wrongfully transferred from the claimant.

Illustrations:
of clause (a)-
A, proceeding to Europe, leaves his furniture in charge of B as his agent during his absence. B, without A's authority, pledges the furniture to C, and C, knowing that B had no right to pledge the furniture, advertises it for sale. C may be compelled to deliver the furniture to A, for he holds it as A's trustee.
 
of clause (b)-
Z has got possession of an idol belonging to A's family, and of which A is the proper custodian. Z may be compelled to deliver the idol to A.
 
of clause (c)-
A is entitled to a picture by a dead painter and a pair of rare China vases. B has possession of them. The articles are of too special a character to bear an ascertainable market value. B may be compelled to deliver them to A.
৯,৪৬১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারা অনুসারে আদালত চুক্তি রদকারী পক্ষকে ন্যায়পরায়ণতা করতে বলতে পারেন?
  1. ৩৫ ধারা 
  2. ৩৬ ধারা 
  3. ৩৭ ধারা 
  4. ৩৮ ধারা 
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ৩৮, আদালত রদকারী পক্ষকে ন্যায়পরায়ণতা করিবার আদেশ করিতে পারিবে: চুক্তি রদের রায় প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত যে পক্ষকে এইরূপ প্রতিকার প্রদান করিয়াছেন, সেই পক্ষকে ন্যায় বিচারের স্বার্থে অপরপক্ষকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।
---------------
Section 38: Court may require party rescinding to do equity: On adjudging the rescission of a contract, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.

৯,৪৬২.
নিবন্ধন আইনের ২৩ক ধারার বিধান মতে কত দিনের মধ্যে একটি দলিল পুনঃনিবন্ধনের জন্য রেজিস্ট্রারের নিকট দাখিল করতে হবে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৪ মাস
ব্যাখ্যা
⇒নিবন্ধন আইনের ২৩ক ধারার বিধান মতে: দলিল নিবন্ধন করার ক্ষমতাসম্পন্ন নয় এমন ব্যক্তি রেজিস্ট্রার বা সাব রেজিস্ট্রারের নিকট কোন দলিল দাখিল করে নিবন্ধন করলে তা অবৈধ বলে গণ্য হবে।
- উক্ত দলিলের নিবন্ধন অবৈধ হয়েছে জানার দিন থেকে ৪ মাসের মধ্যে পুনরায় রেজিস্ট্রারের নিকট নিবন্ধনের জন্য দাখিল করতে হবে।

⇒ নিবন্ধন আইনের ২৩ক ধারার বিধান: কতিপয় দলিলের পুনঃনিবন্ধন (Re-registration of certain documents):
- যদি কোন ক্ষেত্রে দলিল দাখিল করার ক্ষমতা প্রাপ্ত ব্যক্তি ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক নিবন্ধনযোগ্য কোন দলিল নিবন্ধনের জন্য রেজিস্ট্রার বা সাব-রেজিস্ট্রারের নিকট পেশ করে এবং উক্ত দলিল নিবন্ধিত হয়, তবে উক্ত দলিলের দাবিদার এমন কোন ব্যক্তি উক্ত দলিল নিবন্ধনের অবৈধতা সম্পর্কে সর্বপ্রথম অবগত হওয়ার পর ৪ মাসের মধ্যে জেলার যেই রেজিস্ট্রারের অফিসে দলিলটি প্রথম নিবন্ধিত হয়েছিল ঐ রেজিস্ট্রারের অফিসে পুনরায় নিবন্ধনের জন্যে দাখিল করতে বা দাখিল করাতে পারেন এবং রেজিস্ট্রার যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে-
- দলিলটি দাখিল করার প্রকৃত ক্ষমতা প্রাপ্ত ব্যক্তি ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তির নিকট হতে দলিলটি নিবন্ধনের জন্য গৃহীত হয়েছিল, তবে তিনি দলিলটি পুনঃনিবন্ধনের বিষয়ে এরূপভাবে অগ্রসর হবেন যেন তা পূর্বে কোন সময় নিবন্ধিত হয়নি এবং যেন পুনঃনিবন্ধনের জন্য উপস্থাপন প্রদত্ত সময়ের মধ্যে দলিল নিবন্ধনের জন্য দাখিল করার অনুমোদিত সময়ের মধ্যেই হয়েছে;
- দলিল নিবন্ধন বিষয়ক এই আইনের সকল শর্ত উক্ত পুনঃনিবন্ধনে প্রযোজ্য হবে;
- উক্ত দলিল যদি এই ধারার শর্তাবলি অনুযায়ী যথেষ্টরূপে পুনরায় নিবন্ধিত হয় সেক্ষেত্রে তার প্রথম নিবন্ধনের তারিখেই সঠিকরূপে নিবন্ধিত হয়েছে বলে গণ্য হবে।
----------------------
Section-23A. Re-registration of certain documents:
-Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act, if in any case a document requiring registration has been accepted for registration by a Registrar or Sub-Registrar from a person not duly empowered to present the same, and has been registered, any person claiming under such document may, within four months from this first becoming aware that the registration of such document is invalid, present such document or cause the same to be presented, in accordance with the provisions of Part VI for re-registration in the office of the Registrar of the district in which the document was originally registered; and upon the Registrar being satisfied that the document was so accepted for registration from a person not duly empowered to present the same, he shall proceed to the re-registration of the document as if it had not been previously registered, and as if such presentation for re-registration was a presentation for registration made within the time allowed therefor under Part IV, and all the provisions of this Act, as to registration of documents, shall apply to such re-registration; and such document, if duly re-registered in accordance with the provisions of this section, shall be deemed to have been duly registered for all purposes from the date of its original registration:
 
Provided that, within three months from the twelfth day of September, 1917, any person claiming under a document to which this section applies may present the same or cause the same to be presented for re-registration in accordance with this section, whatever may have been the time when he first became aware that the registration of the document was invalid.
৯,৪৬৩.
কোন আসামীকে জরিমানা দণ্ডে দণ্ড দেয়া হলে, তা আদায়ের জন্য দেওয়ানী পদ্ধতি অনুযায়ী কে পরোয়ানা বলবৎ করতে পারে?
  1. জেলা কালেক্টর
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. পুলিশ কমিশনার
  4. যেকোনো দেওয়ানি আদালত
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৮৬- জরিমানা আদায় করার পরোয়ানাঃ

(১) যেক্ষেত্রে কোন আসামীকে জরিমানা দণ্ডে দণ্ড দেয়া হয়, সেক্ষেত্রে দণ্ড দানকারী আদালত নিম্নে বর্ণিত দু'টি বা উভয় উপায় অনুযায়ী জরিমানা আদায়ের ব্যবস্থা নিতে পারবেন, অর্থাৎ ইহা-
(ক) অপরাধীর অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করে জরিমানা আদায়ের জন্য পরোয়ানা দিতে পারবেন, অথবা
(খ) খেলাপকারীর স্থাবর বা অস্থাবর বা উভয় প্রকার সম্পত্তিতে দেওয়ানী পদ্ধতি অনুযায়ী পরোয়ানা বলবৎ করে জরিমানার টাকা আদায়ের কর্তৃত্ব দিয়ে জেলার কালেক্টরকে পরোয়ানা প্রদান করতে পারবেনঃ শর্ত থাকে যে, যদি দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকে যে, জরিমানা পরিশোধ করা না হলে অপরাধী কারাদণ্ডে দণ্ডপ্রাপ্ত হবে এবং সে যদি অনাদায়বশতঃ সমগ্র কারাদণ্ড ভোগ করে থাকে, তাহলে কোন আদালত উক্তরূপ পরোয়ানা দিবে না, যদি না বিশেষ কোন কারণ বশত প্রয়োজন মনে করলে আদালত উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে পরোয়ানা দিয়ে থাকেন।

(২) সরকার উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ- (ক) এর পরোয়ানা কার্যকরীকরণের পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করে এবং উক্ত পরোয়ানা কার্যকরীকরণ প্রসঙ্গে ক্রোককৃত সম্পত্তিতে অপরাধী ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তির কোন দাবী সংক্ষেপে নির্ধারণের ব্যবস্থা নেবার জন্য বিধি প্রণয়ন করতে পারবেন।

(৩) আদালত যেক্ষেত্রে উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ (খ) অনুযায়ী কালেক্টরকে পরোয়ানা দিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ (১৯০৮ সনের ৫নং আইন) এর অর্থানুযায়ী উক্ত পরোয়ানাকে ডিক্রি এবং কালেক্টরকে ডিক্রীদার মর্মে আখ্যায়িত করতে হবে এবং যে নিকটতম দেওয়ানী আদালত অনুরূপ পরিমাণ অর্থের ডিক্রি জারি করতে পারেন উক্ত কার্যবিধির উদ্দেশ্যে সেই আদালতকে উক্ত ডিক্রি দাতা আদালত মর্মে আখ্যায়িত করতে হবে এবং ডিক্রি জারির ব্যাপারে উক্ত কার্যবিধির বিধানাদি অনুরূপভাবে প্রযোজ্য হবে।
৯,৪৬৪.
মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ এর অধীন আরজি দাখিল করার তারিখে স্বামী জীবিত না থাকলে, মামলার-
  1. গ্রহণযোগ্যতা থাকবে না।
  2. নোটিশ জারি করতে হবে না।
  3. কার্যক্রমে উত্তরাধীকারীর বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে না।
  4. স্বামীর কোন চাচা বা ভাই থাকলে, উত্তরাধিকারী না হলেও মামলায় পক্ষভুক্ত হবে।
ব্যাখ্যা
ধারা ৩- নিরুদ্দেশ স্বামীর উত্তরাধীকারদের উপর নোটিশ প্রদান

২নং ধারার ১নং উপ ধারার প্রয়োগযোগ্য মামলায়-
(ক) আরজি দাখিল করিবার তারিখে স্বামীর মৃত্যু ঘটলে তবে মুসলিম আইন অনুসারে যারা তার উত্তরাধীকারী হতো তাদের নাম, ঠিকানা, আরজিতে লিপিবদ্ধ করতে হবে;
খ) ঐরূপ ব্যক্তিগণের উপর মামলার নোটিশ জারি করতে হবে; এবং
গ) উক্ত মামলার শুনানিতে তাদের বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে।
তবে শর্ত থাকে যে, যদি স্বামীর কোন চাচা এবং ভাই থাকে তবে সে অথবা তার উত্তরাধিকারী না হলেও মামলায় পক্ষভুক্ত হবে।

Section 3- Notice to be served on heirs of the husband when the husband’s whereabouts are not known

In a suit to which clause (i) of section 2 applies- 
(a) the names and address of the persons who would have been the heirs of the husband under Muslim law if he had died on the date of the filing of the plaint shall be stated in the plaint, 
(b) notice of the suit shall be served on such persons, and
(c) such person shall have the right to be heard in the suit: 
 Provided that paternal uncle and brother of the husband, if any, shall be cited as party even if he or they are not heirs.
৯,৪৬৫.
নিচের কোনটি তামাদি আইনের ক্ষেত্রে সঠিক?
  1. তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয় না, অধিকার নষ্ট হয়
  2. তামাদির দরুন প্রতিকার ও অধিকার উভয়ই নষ্ট হয়
  3. তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয়, অধিকার নষ্ট হয় না
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয়, অধিকার নষ্ট হয় না:
- তামাদির কারণে প্রতিকার নষ্ট হয়, অধিকার নয়। তামাদি আইন কেবলমাত্র অধিকার ধ্বংস করে না, পরোক্ষভাবে অধিকার প্রতিষ্ঠিত করে।
- তামাদি আইনের ২৮ ধারার বিধান ব্যতীত অন্য কোন বিধান বলে কোন অধিকার সৃষ্টিও হয় না, নষ্টও হয় না। ২৮ ধারার বিধান ব্যতীত তামাদি আইনের অন্যান্য ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময় উত্তীর্ণ হয়ে গেলে মামলা করে আইনগত প্রতিকার লাভ করা নিষিদ্ধ হয় থাকে, কিন্তু সংশ্লিষ্ট অধিকার বিদ্যমান থেকেই যায়।
-মামলা-মোকদ্দমা ব্যতীত অন্য কোনো উপায়ে যদি সেই অধিকার প্রয়োগ করতে পারা যায়, তবে তামাদি আইন সেক্ষেত্রে কোনো বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে না।
 তামাদি আইনের ২৮ ধারার বিধান ব্যতীত অন্য কোন বিধান বলে কোন অধিকার সৃষ্টিও হয় না, নষ্টও হয় না।

অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে তামাদি আইনের ক্ষেত্রে "তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয়, অধিকার নষ্ট হয় না" কথাটি সঠিক। 
৯,৪৬৬.
৫৩গ ধারার বিধান কোন ধরণের সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. স্থাবর সম্পত্তি
  2. অস্থাবর সম্পত্তি
  3. পারিবারিক সম্পত্তি
  4. ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৩গ ধারার বিধান: খতিয়ান না থাকা কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে না:
কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করতে পারবেন না যদি না তার নাম, যদি তিনি উত্তরাধিকার ব্যতীত অন্য কোন উপায়ে সম্পত্তির মালিক হন, অথবা তার নাম বা তার পূর্বসূরির নাম, যদি তিনি উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তির মালিক হন, রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর অধীনে প্রস্তুতকৃত সর্বশেষ খতিয়ানে সেই সম্পত্তির সম্পর্কে উল্লেখিত থাকে, এবং অন্যথায় কৃত যেকোন বিক্রয় বাতিল হবে।

Section 53C. Immoveable Property without Khatian not to be sold:
No immoveable property shall be sold by a person unless his name, if he is the owner of the property otherwise than by inheritance, or his name or the name of his predecessor, if he is the owner of the property by inheritance, appears in respect of the property in the latest khatian prepared under the State Acquisition and Tenancy Act, 1950, and any sale made otherwise shall be void.
৯,৪৬৭.
খুনের অপরাধের জন্য দণ্ডবিধিতে কী শাস্তি রয়েছে?
  1. শুধু মৃত্যুদণ্ড
  2. শুধুমাত্র কারাদণ্ড
  3. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা- খুনের সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি খুনের অপরাধ করে তবে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 302- Punishment for murder:
Whoever commits murder shall be punished with death, or imprisonment for life, and shall also be liable to fine.
৯,৪৬৮.
আদালত সাধারণত কোন ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে আংশিক কার্যসম্পাদানের আদেশ দিতে পারে?
  1. যেখানে অসম্পাদিত অংশ চুক্তির স্বতন্ত্র অংশ
  2. যেখানে অসম্পাদিত অংশ সমগ্র চুক্তির তুলনায় ছোট
  3. যেখানে অসম্পাদিত অংশ সমগ্র চুক্তির তুলনায় বড়
  4. 'ক' ও 'খ' উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারার বিধান কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।

⇒ সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারামতে কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত ঐ চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ এবং বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবে।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৫ ধারার বিধান কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর অংশ এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটি পালন করতে সমর্থ না হয় কিংবা ঐ অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য না হয়, তাহলে ঐ পক্ষ চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ডিক্রি লাভের অধিকারী হবে না। তবে চুক্তির বৃহত্তর অংশ সম্পাদনের এবং ক্ষতিপূরণ লাভের সমস্ত অধিকার ত্যাগ করলে আদালত বিবাদীকে ক্ষুদ্রতর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের নির্দেশ দিতে পারবে।

⇒ সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৫ ধারামতে কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ বড় হলে, সাধারণত ঐ চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ দেয়া যায় না, তবে বাদী ক্ষতিপূরণের দাবি পরিত্যাগ করলে যতটুকু অংশ সম্পাদনযোগ্য তা সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের আদেশ দিতে পারেন।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারার বিধান কোন চুক্তির স্বাতন্ত্র্য অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন: যখন চুক্তির একটি অংশের স্বাতন্ত্র্যভাবে সুনির্দিষ্টভাবে কাজ সম্পাদন করা যায় বা করা আবশ্যক হয় এবং তা একই চুক্তির এমন অন্য অংশ হতে স্বাতন্ত্র্য এবং স্বাধীনভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করা যাবে না বা করা আবশ্যক নহে, তাহলে আদালত পূর্ববর্তী অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারামতে কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, একটি অংশ আপনা-আপনি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনযোগ্য এবং অপর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনযোগ্য নয় এবং প্রথম অংশটি দ্বিতীয় অংশ থেকে ভিন্ন ও স্বাধীন (Separate and independent) হয়, তাহলে আদালত ঐ চুক্তির প্রথম অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে পালনের নির্দেশ দিতে পারবে।
--------------------------
⇒ Section 14 Specific performance of part of contract where part unperformed is small:  Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, but the part which must be left unperformed bears only a small proportion to the whole in value, and admits of compensation in money, the Court may, at the suit of either party, direct the specific performance of so much of the contract as can be performed, and award compensation in money for the deficiency.
 
⇒ Section 15 Specific performance of part of contract where part unperformed is large: Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, and the part which must be left unperformed forms a considerable portion of the whole, or does not admit compensation in money, he is not entitled to obtain a decree for specific performance. But the Court may, at the suit of the other party, direct the party in default to perform specifically so much of his part of the contract as he can perform, provided that the plaintiff relinquishes all claim to further performance, and all right to compensation either for the deficiency, or for the loss or damage sustained by him through the default of the defendant.
 
⇒ Section 16 Specific performance of independent part of contract.-When a part of a contract which, taken by itself, can and ought to be specifically performed, stands on a separate and independent footing from another part of the same contract which cannot or ought not to be specifically performed, the Court may direct specific performance of the former part.
৯,৪৬৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৪ অনুযায়ী কার যুক্তিসঙ্গত ব্যয় প্রদান করা যেতে পারে?
  1. ফরিয়াদীর
  2. সাক্ষীদের
  3. সরকারি আইনজীবীদের
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়ই
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৪ অনুযায়ী, ফৌজদারি আদালত, সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধির অধীন, যদি উপযুক্ত মনে করেন, তবে তিনি ফরিয়াদী ও সাক্ষী—এই দুই পক্ষকেই আদালতে হাজিরা দেওয়ার জন্য সরকারি তহবিল থেকে যুক্তিসঙ্গত ব্যয় প্রদানের আদেশ দিতে পারেন। এই ধারা সাক্ষ্য ও বিচার প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার উদ্দেশ্যে তৈরি হয়েছে, যাতে সাক্ষী ও ফরিয়াদীরা আর্থিক অসুবিধার কারণে বিচার প্রক্রিয়া থেকে বিরত না থাকেন।
⇒ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৪ অনুযায়ী, ফরিয়াদী ও সাক্ষী উভয়ের যুক্তিসঙ্গত ব্যয় প্রদান করা যেতে পারে। সঠিক উত্তর: ঘ) 'ক' এবং 'খ' উভয়ই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৪ ধারার বিধান ফরিয়াদী ও সাক্ষীর ব্যয়:
সরকার কর্তৃক প্রণীত কোন বিধি সাপেক্ষে ফৌজদারী আদালত উপযুক্ত মনে করলে এই কার্যবিধির অধীনে কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কান কার্যধারার উদ্দেশ্যে আদালতে হাজির হওয়া কোন ফরিয়াদী বা সাক্ষীকে সরকারী তহবিল থেকে যুক্তিসংগত ব্যয় দেয়ার আদেশ দিতে পারবেন।
-------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-544: Expenses of complainants and witnesses:
Subject to any rules made by the Government, any Criminal Court may, if it thinks fit, order payment, on the part of Goverment, of the reasonable expenses of any complainant or witness attending for the purposes of any inquiry, trial or other proceeding before such Court under this Code.
৯,৪৭০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারায়, নালিশের সত্যতা নির্ধারণের জন্য অনুসন্ধান বা তদন্ত করার দায়িত্ব কার?
  1. ক্ষমতাপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা
  2. ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. অন্যকোনো ব্যক্তি, যিনি ক্ষমতাপ্রাপ্ত
  4. উল্লিখিত যেকোনো একজন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার অধীন নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেট নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন,অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীন অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোনো ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার বিধান: পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-
১) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধ আমলে নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন সেই অপরাধের নালিশ পাওয়ার পর অথবা ১৯২ ধারার অধীন তা তার নিকট হস্তান্তরিত হওয়ার পর,তিনি যদি উপযুক্ত মনে করেন তাহলে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে নালিশ করা হয়েছে তাকে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য সমন বা পরোয়ানা প্রদান স্থগিত রাখতে পারেন এবং নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন, অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীন অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোনো ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।

তবে শর্ত এই যে,যেক্ষেত্রে আদালত নালিশ করেন সেক্ষেত্রে ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে ২০০ ধারার বিধান পালন না করে এরূপ কোন নির্দেশ দেয়া যাবে না।আরও শর্ত এই যে-যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য নালিশ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজির হতে বাধ্য করার পরোয়ানা স্থগিত রাখতে পারবেন এবং নালিশের সত্যতা ও অসত্যতা নিরূপণের উদ্দেশ্যে এই উপধারায় উল্লিখিত অনুসন্ধান বা তদন্ত করবেন বা করাবেন।
------------ 
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-202:Postponement for issue of process:
(1) Any Magistrate, on receipt of a complaint of an offence of he is authorized to take cognizance, or which has been transferred to him under section 192, may, if he thinks fit, for reasons to be recorded in writing, postpone the issue of process for compelling the attendance of the person complained against, and either inquire into the case himself or, if he is a Magistrate other than a Magistrate of the third class, direct an inquiry or investigation to be made by any Magistrate subordinate to him, or by a police-officer, or by such other person as he thinks fit, for the purpose of ascertaining the truth of falsehood of the complaint: 
Provided that, save where the complaint has been made by a Court, no such direction shall be made unless the provisions of section 200 have been complied with
Provided further that where it appears to the Magistrate that the offence complained of is triable exclusively by a Court of Session, the Magistrate may postpone the issue of process for compelling the attendance of the person complained against and may make or cause to be made an inquiry or investigation as mentioned in this sub-section for the purpose of ascertaining the truth or falsehood of the complaint.

৯,৪৭১.
'ক' ১৮ লক্ষ টাকা মূল্যমানের একটি স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমার আরজি সহকারী জজ আদালতে পেশ করে। এই ক্ষেত্রে আদালত নিম্নলিখিত কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?
  1. আরজি প্রত্যাখান
  2. আরজি সংশোধন
  3. আরজি ফেরত
  4. মোকদ্দমা খারিজ
ব্যাখ্যা
আদালত উক্ত আরজিটি ফেরত পাঠাবে।

• মোকদ্দমাটির মূল্যমান ১৮ লক্ষ টাকা, তাই তা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মোকদ্দমাটি দায়ের করা উচিত ছিল।কারণ সহকারি জজ আদালতের এখতিয়ার সর্বোচ্চ ১৫লক্ষ টাকা [The Civil Courts Act,1887]। যেহেতু এখতিয়ার বিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে চেয়েছে, তাই আদালত মোকদ্দমাটি সঠিক আদালতে দায়েরের জন্য আরজি ফেরত পাঠাবে।

• আরজি ফেরত (Return of Plaint) অর্থ হলো এখতিয়ারবিহীন আদালতে আরজি দাখিল করলে, আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া। যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতে উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে। দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ এর বিধি ১০ এ আরজি ফেরত এর বিধান উল্লেখ করা হয়েছে।

• আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার:
১. বাদী আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে পুনরায় দাখিল করতে পারে বা
২.আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে। কারণ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৩ আদেশের ১(ক) বিধি অনুযায়ী আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি আপিলযোগ্য আদেশ।
৯,৪৭২.
What is the minimum number of persons required to form an "unlawful assembly"?
  1. 3
  2. 5
  3. 7
  4. 4
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনি সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারনের শান্তি শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনি সমাবেশ বলে।
- দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনী সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনী সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারী কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরীকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্টা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনতঃ বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।
ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনী ছিল না তা পরে বেআইনী সমাবেশ হতে পারে।
----------------------
The Penal Code, 1860-Section-141: Unlawful assembly- An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is-
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or
Third- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.
Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.
৯,৪৭৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-১৭ অনুযায়ী কমিশনারকে দেওয়ানী আদালত হিসেবে গণ্য করা হয় কোন উদ্দেশ্যে?
  1. রায় প্রদানের জন্য
  2. সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য
  3. আপিল শুনানির জন্য
  4. ফৌজদারি বিচারের জন্য
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order-26, Rule-17(1) অনুযায়ী, কমিশন দ্বারা নিযুক্ত কমিশনার যখন সাক্ষ্য গ্রহণ করেন বা দলিলপত্র উপস্থিত করার জন্য কাউকে নির্দেশ দেন, তখন তিনি সেই নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যের জন্য দেওয়ানী আদালত হিসেবে গণ্য হন।
- এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো কমিশনার সাক্ষ্যগ্রহণ করতে পারবেন, সাক্ষীর হাজিরা নিশ্চিত করতে পারবেন, সাক্ষীকে সমন দিতে পারবেন, সাক্ষ্য না দিলে বা নির্দেশ অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট বিধানে উক্ত ব্যক্তি সম্পর্কে আইনগত পদক্ষেপ নিতে পারবেন। 
- এগুলো করতে পারার জন্য কমিশনারকে অস্থায়ীভাবে "দেওয়ানী আদালত" এর ক্ষমতা দেওয়া হয়, তবে শুধুমাত্র সাক্ষ্য ও দলিল সংক্রান্ত উদ্দেশ্যে।
- তবে এই ক্ষমতা কমিশনারকে রায় প্রদানের বা আপিল শুনানির বা ফৌজদারি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দেওয়া হয় না।
- অর্থাৎ কমিশনারকে দেওয়ানী আদালত হিসেবে গণ্য করা হয়, শুধু সাক্ষ্য গ্রহণ ও দলিল সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য, যাতে আদালতের বাইরে সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যকরভাবে সম্পন্ন করা যায়।
 
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-১৭: কমিশনারের সম্মুখে সাক্ষীর হাজিরা ও জবানবন্দী প্রদান:
(১) সাক্ষীদের সমন প্রদান, হাজিরা এবং জবানবন্দী গ্রহণ এবং সাক্ষীর পারিশ্রমিক প্রদান ও সাক্ষীর উপর দন্ড আরোপ সংক্রান্ত অত্র কোডের বিধানসমূহ বাংলাদেশে অবস্থিত আদালত কর্তৃক এরূপে নির্দেশিত কাজ সম্পাদনের জন্য প্রেরিত হোক, না কেন, উক্ত কমিশন কর্তৃক অত্র আদেশ অনুসারে সাক্ষ্য দানের জন্য বা দলিল উপস্থিত করার জন্য আবশ্যকীয় ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে, এবং অত্র বিধির উদ্দেশ্যে কমিশনারকে দেওয়ানী আদালত হিসাবে গন্য করা হবে।
(২) যে আদালতের স্থানীয় সীমানার ভিতর কোন সাক্ষী বসবাস করে, তিনে প্রয়োজনীয়তা খুজিয়া পেলে সে সাক্ষীর প্রতি বা বিরুদ্ধে কোন পরোয়ানা প্রেরণের জন্য সেরূপ কোন আদালতে (হাইকোর্ট বিভাগ নহে) কমিশনার আবেদন করতে পারেন, এবং উক্ত আদালত ইচ্ছা করলে যুক্তিসঙ্গত ও উপযুক্ত বিবেচনা করে অনুরূপ পরোয়ানা প্রেরণ করতে পারেন।
৯,৪৭৪.
আদালত কখন কোনো মোকদ্দমা প্রত্যাহারের আবেদন মঞ্জুর করতে পারে?
  1. মামলাটি পদ্ধতিগত ত্রুটির জন্য ব্যর্থ হলে
  2. অন্য কোন যৌক্তিক কারণে
  3. বিবাদী মারা গেলে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
- আদেশ ২৩-এর বিধি ১ মতে আরজিতে ফরমাল ডিফেক্ট আছে এই কারণে পুনরায় দাখিলের শর্তে মোকদ্দমা প্রত্যাহারের বিধান আছে। তবে এইরূপে অনুমতি না নিয়ে প্রত্যাহার করলে পরবর্তীতে আর মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে না।
- আদালতের অনুমতি ছাড়া মোকদ্দমা প্রত্যাহার করলে বাদী ঐ বিষয়ে নতুন মামলা দায়ের করতে পারবে না। তবে আদালতের অনুমতি নিয়ে প্রত্যাহার করলে ঐ বিষয়ে নতুন মামলা দায়ের করা যাবে।
- যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা কোন আনুষ্ঠানিক ত্রুটির কারণে অবশ্যই ব্যর্থ হবে, অথবা নতুনভাবে মোকদ্দমা দায়েরের জন্য অন্যান্য যথেষ্ট কারণ আছে সেক্ষেত্রে আদালত বাদীকে নতুন করে মোকদ্দমা করার অনুমতিসহ উক্ত মোকদ্দমার বিষয় বস্তু বা কোন দাবীর অংশ পরিত্যাগ করার অনুমতি মঞ্জুর করতে পারেন।

------------
CPC Order-23 Rule-1. Withdrawal of suit or abandonment of part of claim:
(1) At any time after the institution of a suit the plaintiff may, as against all or any of the defendants, withdraw his suit or abandon part of his claim.

(2) Where the Court is satisfied−
(a) that a suit must fail by reason of some formal defect, or
(b) that there are other sufficient grounds for allowing the plaintiff to institute a fresh suit for the subject-matter of a suit or part of a claim,

it may, on such terms as it thinks fit, grant the plaintiff permission to withdraw from such suit or abandon such part of a claim with liberty to institute a fresh suit in respect of the subject-matter of such suit or such part of a claim.
৯,৪৭৫.
দানের ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধান সঠিক নয়?
  1. স্থাবর অথবা অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি দান করা যেতে পারে।
  2. শুধু অস্থাবর সম্পত্তি দান করা যেতে পারে।
  3. গ্রহীতা নাবালক হলে, তার অভিভাবক তার পক্ষে দান গ্রহণ করতে পারবে।
  4. দানের সময় দানকৃত সম্পত্তির অস্তিত্ব থাকতে হবে।
ব্যাখ্যা
• একজন নিজস্ব সম্পত্তিতে তার স্বত্ব দখল যদি বিনা পণে অন্যের বরাবরে পরিত্যাগ করে এবং শেষোক্ত ব্যক্তি যদি তা গ্রহণ করে, তবে ঐ সম্পত্তিতে দাতার স্বত্ব লোপ পায় এবং গ্রহীতার স্বত্ব অর্জিত হয়। এইভাবে স্বত্ব দখলের হস্তান্তরকে দান বলা হয়।

দানের উপাদান (essentials):

(ক) দান কার্যে একজন দাতা থাকতে হবে এবং তাকে দানকৃত সম্পত্তির মালিক হতে হবে। যেহেতু দান এক প্রকার হস্তান্তর সেই হেতু যে দান করবে তার সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষমতা থাকতে হবে। চুক্তি আইন অনুযায়ী কোন নাবালক বা অপ্রকৃতস্থ ব্যক্তি আইনতঃ কোন চুক্তি করতে এবং তদনুযায়ী সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে না। অতএব এই প্রকার ব্যক্তি কোন দানও করতে পারবে না।

(খ) দান কার্যে একজন গ্রহীতা থাকতে হবে। গ্রহীতা নাবালক হলে, তার অভিভাবক তার পক্ষে দান গ্রহণ করতে পারবে। দান গ্রহণের পূর্বে দাতার মৃত্যু হলে দান বাতিল গণ্য হবে।

(গ) স্থাবর অথবা অস্থাবর এই উভয় প্রকার সম্পত্তি দান করা যেতে পারে কিন্তু দানের সময় দানকৃত সম্পত্তির অস্তিত্ব এবং এতে দাতার মালিকানা অবশ্যই থাকতে হবে। দানের সময় যে সম্পত্তির অস্তিত্ব থাকে না বা দাতা ভবিষ্যতে মালিক হতে পারে এই রকম সম্পত্তি দান করা যাবে না।

(ঘ) দান পণ বিহীন হতে হবে। অবৈধ বা কেউকে প্রতারণার উদ্দেশ্যে দান পণ বিহীন হইলেও বে-আইনী হবে।
৯,৪৭৬.
নিচের কোনটি ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন (Leading Question) এর উদাহরণ?
  1. "ঘটনাটি কখন ঘটেছিল?"
  2. "আপনি কি স্কুলে পড়তেন?"
  3. "আপনার নাম কি সালমান?"
  4. "আপনি গতকাল কোথায় ছিলেন?"
ব্যাখ্যা

⇒ ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question হলো এমন প্রশ্ন যা সরাসরি উত্তরের ইঙ্গিত প্রদান করে। এই ধরনের প্রশ্নের মধ্যে প্রশ্নকারী যেই উত্তর চান, তা সরাসরি বা পরোক্ষভাবে উপস্থিত থাকে। সাধারণত, ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নে সাক্ষী হ্যাঁ বা না উত্তরে উত্তর দেয়। উদাহরণস্বরূপ: "আপনার নাম কি সালমান?"—এখানে প্রশ্নের মধ্যে উত্তরের ইঙ্গিত (সালমান) দেওয়া আছে, তাই এটি ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন (Leading Question)।
- এ ধরনের প্রশ্ন সাধারণত সাক্ষীর জবানবন্দি বা সাক্ষ্য প্রদানের সময় আদালতের অনুমতি ছাড়া করা যায় না, বিশেষত যখন সাক্ষীকে জেরা (Cross-examination) করা হচ্ছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান হলো ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন: প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
⇒ যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত হ্যাঁ অথবা না ব্যাজেই এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।
⇒ অর্থাৎ নির্দেশক প্রশ্ন বা Leading question তাই যার মধ্যে উক্ত প্রশ্নের উত্তরের ইঙ্গিত থাকে।
---------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section 141. Leading questions:
- Any question suggesting the answer which the person putting it wishes or expects to receive is called a leading question.

৯,৪৭৭.
A, B-এর পকেটে এই উদ্দেশ্যে কিছু অলংকার রাখে যে উক্ত অলংকার উক্ত পকেটে পাওয়া যেতে পারে এবং এই ঘটনার জন্য B চুরির অপরাধে দণ্ডিত হতে পারে। A এর অপরাধ?
  1. সত্য লুকানো
  2. মিথ্যা সাক্ষ্যদান
  3. মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন
  4. কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৯২ ধারার বিধান: মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন করা:- কোন ব্যক্তি যদি কোন অবস্থার অস্তিত্ব সৃষ্টি বা উদ্ভাবন করে, অথবা কোন বইতে বা রেকর্ডে মিথ্যা কথা লিপিবদ্ধ করে অথবা মিথ্যা বিবরণ সাক্ষ্য হিসেবে কোন বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমে অথবা সরকারী কর্মচারীর সম্মুখে সরকারী কর্মচারী হিসেবে কোন আইনগত কার্যক্রমে অথবা কোন সালিসের সম্মুখে উত্থাপন করার উদ্দেশ্যেই যদি তা করা হয়ে থাকে এবং অনুরূপ অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, উক্ত কার্যক্রমে যিনি সাক্ষ্যের উপর ভিত্তি করে তাঁর মতামত গঠন করবেন, তিনি উক্ত অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতিজনিত সাক্ষ্যে প্রভাবিত হয়ে অনুরূপ কার্যক্রমের সাথে গুরুত্বপূর্ণভাবে জড়িত কোন বিষয় সম্পর্কে ভুল ধারণা বা মত পোষণ করবেন, তবে সে ব্যক্তি 'মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করেছে' বলে পরিগণিত হয়।

--------------
♦ Fabricating false evidence
Section 192. Whoever causes any circumstance to exist or makes any false entry in any book or record, or makes any document containing a false statement, intending that such circumstance, false entry or false statement may appear in evidence in a judicial proceeding, or in a proceeding taken by law before  a public servant as such, or before an arbitrator, and that such  circumstance, false entry or false statement, so appearing in evidence, may cause any person who in such proceeding is to form an opinion upon the evidence, to entertain an erroneous opinion touching any point material to the result of such proceeding, is said "to fabricate the evidence.” 
 
Illustrations 
(a) A puts jewels into a box belonging to Z, with the intention that they may be found in that box, and that this circumstance may cause Z to be convicted of theft. A has fabricated false evidence. 
 
(b) A makes a false entry in his Shop-book for the purpose of using it as corroborative evidence in a Court of Justice. A has fabricated false evidence. 
 
(c) A, with the intention of causing Z to be convicted of a criminal conspiracy, writes a letter in imitation of Z's handwriting purporting to be addressed to an accomplice in such criminal conspiracy, and puts the letter in a place which he knows that the officers of the Police are likely to search. A has fabricated false evidence.
৯,৪৭৮.
কোন বিধানের অধীনে আদালত নির্ধারিত তারিখে বাদী ও বিবাদী উপস্থিত না হলে, মামলা খারিজ করতে পারে?
  1. আদেশ ৮, বিধি ৫
  2. আদেশ ৯, বিধি ৩
  3. আদেশ ৭, বিধি ৪
  4. আদেশ ১০, বিধি ২
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৯ বিধি ৩ অনুসারে,
মোকদ্দমার শুনানীর জন্য নির্ধারিত তারিখে যদি বাদী এবং বিবাদী উভয় পক্ষ হাজির না হয়, আদালত মোকদ্দমা খারিজ করে দিতে পারে।
[Where neither party appears when the suit is called on for hearing, the Court may make an order that the suit be dismissed.]

• প্রদত্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার (বিধি ৪):
১- উল্লিখিত কারণে মোকদ্দমা খারিজ হলে, উক্ত খারিজের বিরুদ্ধে বাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
২- খারিজ আদেশ রদ করতে আদেশের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে পারে।
৯,৪৭৯.
'কোনো আইনজীবী সরকারি পদে থাকাকালে কোনো কাজ করলে অবসর গ্রহণের পর একই বিষয়ে নিজেকে নিযুক্ত করতে পারেন না।' -এটি কার প্রতি একজন আইনজীবীর আচরণ হওয়া উচিত?
  1. আদালত
  2. অন্যান্য আইনজীবী
  3. মক্কেল
  4. জনগণ
ব্যাখ্যা
♦ পেশাগত সদাচারণ ও নিয়মানুবর্তিতা এর ৪র্থ অধ্যায় ৭ বিধি-
একজন আইনজীবী এমন কোন মামলা পরিচালনার দায়িত্ব নিবে না, যে মামলা সংক্রান্ত কোন বিষয়ে ইতোপূর্বে বিচারকের পদমর্যাদায় কোন দায়িত্বপালন করেছে। সরকারী দায়িত্ব পালন কিংবা সরকারী চাকুরিতে থাকা অবস্থায় যে সব বিষয়ে তিনি তদন্ত কিংবা দেখভাল করেছে অবসরগ্রহনের পর তিনি উক্ত বিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোন মামলার আইনজীবী নিয়োজিত হতে পারবেনা।
৯,৪৮০.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৫ ধারা অনুযায়ী, আদালত কয়টি ক্ষেত্রে কমিশন ইস্যু করতে পারে?
  1. নির্দিষ্ট নয়
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৫ ধারা অনুযায়ী, আদালত নিম্নলিখিত ৪টি ক্ষেত্রে কমিশন ইস্যু করতে পারে;
১. কোন ব্যক্তির জবানবন্দি বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে;
২. স্থানীয় বা সরেজমিনে তদন্ত অনুষ্ঠানের জন্য;
৩. হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় করতে;
৪. সম্পত্তি বাটোয়ারা করার জন্য।

Section-75: Power of Court to issue commissions:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission-
(a) to examine any person;
(b) to make a local investigation;
(c) to examine or adjust accounts;
(d) to make a partition.
৯,৪৮১.
তামাদি আইন, ১৯০৮ অনুসারে রোয়েদাদ নাকচের জন্য দরখাস্তের তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয় কখন থেকে?
  1. রোয়েদাদ ঘোষণার দিন থেকে
  2. দরখাস্ত দাখিলের দিন থেকে
  3. রোয়েদাদের নকল প্রাপ্তির দিন থেকে
  4. আদালতের অনুমতি নেওয়ার দিন থেকে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) রোয়েদাদের নকল প্রাপ্তির দিন থেকে।
⇒ তামাদি আইন অনুযায়ী, যখন কোন পক্ষ রোয়েদাদ (আদালতের আদেশ বা আদেশ সদৃশ আদবকায়দা) বাতিল বা নাকচ করতে চায়, তখন সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দরখাস্ত করতে হলে সংশ্লিষ্ট রোয়েদাদের সার্টিফায়েড কপি (নকল) সংগ্রহ করতে হয়। “রায় বা ডিক্রী বা রোয়েদাদের বিরুদ্ধে আপীল, পুনঃনিরীক্ষণ বা দরখাস্ত করতে হলে, তামাদি গণনার শুরু হবে যখন সেই রায় বা রোয়েদাদের নকল তোলা হবে।”
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ১২(৪) উপধারা অনুসারে, যদি কেউ রোয়েদাদ (Award) বাতিল করার জন্য দরখাস্ত করে, তাহলে রোয়েদাদের নকল (certified copy) সংগ্রহ করতে যে সময় লাগে, তা তামাদি মেয়াদ থেকে বাদ যাবে। অর্থাৎ, তামাদি গণনা শুরু হবে নকল প্রাপ্তির দিন থেকে, ঘোষণার দিন থেকে নয়।

⇒ তামাদি আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী, মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদি মেয়াদ গণনা করার সময় তামাদি শুরু হওয়ার দিনটি বাদ দেওয়া হয়।
- তামাদি আইনের ১২(১) উপধারা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদি গণনার ক্ষেত্রে সেই দিনটি বাদ যাবে, যেদিন থেকে তামাদি গণনা শুরু হওয়ার কথা।
- ১২(২) উপধারা অনুযায়ী, আপিল বা পুনঃবিবেচনার ক্ষেত্রে রায় ঘোষণার দিন এবং আপিলের জন্য প্রয়োজনীয় ডিক্রি, আদেশ বা দণ্ডাদেশের নকল সংগ্রহে লেগে যাওয়া সময় বাদ দেওয়া হবে।
- ১২(৩) উপধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ডিক্রি বা রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়, তাহলে সেই রায়ের অনুলিপি সংগ্রহে যতদিন লাগে তাও বাদ যাবে।
- ১২(৪) উপধারা অনুসারে, রোয়েদাদ (Award) বাতিল করার আবেদন করলে, রোয়েদাদের নকল সংগ্রহের সময়টুকু বাদ যাবে।

⇒ The Limitation Act: Section 12. Exclusion of time in legal proceedings:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application, the day from which such period is to be reckoned shall be excluded. 
(2) In computing the period of limitation prescribed for an appeal, an application for leave to appeal and an application for a review of judgment, the day on which the judgment complained of was pronounced, and the time requisite for obtaining a copy of the decree, sentence or order appealed from or sought to be reviewed, shall be excluded. 
(3) Where a decree is appealed from or sought to be reviewed, the time requisite for obtaining a copy of the judgment on which it is founded shall also be excluded. 
(4) In computing the period of limitation prescribed for an application to set aside an award, the time requisite for obtaining a copy of the award shall be excluded.

৯,৪৮২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ-
  1. ৩ বছর
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৬ বছর
ব্যাখ্যা
• শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ করা হয়নি। তাই শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হবে।

• তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ হবে ৬ বছর।
৯,৪৮৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুসারে ফরিয়াদী অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে?
  1. ৪০৭
  2. ৪১৭
  3. ৪১৭ক
  4. ৪০৭ক
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ক ধারার বিধান অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল-
(১) কোন আদালতের বিচারে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল দায়েরের জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
(২) আদালতে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একজন ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততাহেতু আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেন:
শর্ত থাকে যে, দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর এই উপ-ধারার অধীন আপিল আদালত কর্তৃক কোন আপিল গৃহীত হবে না।
(৩) দণ্ডের অপর্যাপ্ততা হেতু কোন আপিল রুজু করা হলে আপিল আদালত দণ্ড বাড়ানোর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাবার জন্য আসামীকে যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে দণ্ড বাড়াবেন না এবং কারণ দর্শাবার সময় আসামী তার খালাস প্রাপ্তি বা দণ্ড কমানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।
------------------------------------
⇒ CrPC-Section 417A: Appeal against inadequacy of sentence:
(1) The Government may, in any case of conviction on a trial held by any court, direct the Public Prosecutor to present an appeal to the High Court Division against the sentence on the ground of its inadequacy.
(2) A complainant may, in any case of conviction on a trial held by any Court, present an appeal to the Appellate Court against the sentence on the ground of its inadequacy:
Provided that no appeal under this sub-section shall be entertained by the Appellate Court after the expiry of sixty days from the date of conviction.
(3) When an appeal has been filed against the sentence on the ground of its inadequacy, the Appellate Court shall not enhance the sentence except after giving to the accused a reasonable opportunity of showing cause against such enhancement and while showing cause, the accused may plead for his acquittal or for the reduction of the sentence.
৯,৪৮৪.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে, যদি একটি আপিলযোগ্য ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা না হয়, তবে কী করা যায়?
  1. রিভিশন দাখিল করা যায়
  2. রেফারেন্সের আবেদন করা যায়
  3. নতুন মোকদ্দমা দাখিল করা যায়
  4. কোনো পদক্ষেপ নেওয়া যায় না
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১১৫ এর নিয়ম অনুযায়ী, যদি কোনো ডিক্রি বা আদেশ আপিলযোগ্য হয়, কিন্তু সংশ্লিষ্ট পক্ষ সময়মতো বা কাঙ্ক্ষিতভাবে আপিল দাখিল না করে, তখন সেই ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশনের মাধ্যমে উচ্চতর আদালতের কাছে পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যেতে পারে। কারণ দেওয়ানী কার্যবিধিতে দ্বিতীয়বার আপিলের সুযোগ নেই, তাই রিভিশন হলো সেই ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার একটি প্রক্রিয়া। অন্য  অপশন যেমন নতুন মোকদ্দমা বা রিভিউ এই পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য নয়। তাই সঠিক পদক্ষেপ হলো রিভিশন দাখিল করা।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১১৫ অনুসারে, যদি একটি আপিলযোগ্য ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দাখিল করা না হয় এবং সেই ডিক্রিতে আইনগত ভ্রান্তি বা ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা থাকে, তবে সংক্ষুব্ধ পক্ষ রিভিশন দাখিল করতে পারে। 
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১১৫ এ উল্লেখ আছে যে, রিভিশন দাখিল করা যায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে:
- যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান নেই।
- যে ডিক্রি বা আদেশ আপিলযোগ্য হলেও আপিল দাখিল করা হয়নি।
- যদি ডিক্রি বা আদেশে আইনগত প্রশ্নে ভ্রান্তি বা এখতিয়ারের অপব্যবহার হয়, যার ফলে ন্যায়বিচার বিঘ্নিত হয়।
এই ক্ষেত্রে, সংক্ষুব্ধ পক্ষ হাইকোর্ট বিভাগ বা জেলা জজ আদালতে (যে আদালতের এখতিয়ারের অধীনে মোকদ্দমা পড়ে) রিভিশন দাখিল করতে পারে। রিভিশনের মাধ্যমে উচ্চতর আদালত নিম্নতর আদালতের আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনা করে এবং প্রয়োজনে সংশোধন বা যথাযথ আদেশ প্রদান করে।
৯,৪৮৫.
মফস্বলের জন্য 'Justice of the peace' নিয়োগ দেন কে?
  1. সরকার
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. দায়রা আদালত
ব্যাখ্যা
• ধারা-২২: মফস্বলের জন্য জাস্টিস অব দি পিস (Justice of the peace for the mafassal)-

সরকার গেজেট প্রজ্ঞাপনের দ্বারা বাংলাদেশের যে কোন উপযুক্ত নাগরিককে কোন স্থানীয় এলাকার জন্য জাস্টিস অব দি পিস হিসাবে নিয়োগ দিতে পারে।

Section 22- Justice of the peace for the mafassal:
The Government] may, by notification in the official Gazette, appoint such persons resident within Bangladesh and not being the subjects of any foreign State as it thinks fit to be Justices of the Peace within and for the local area mentioned in such notification.
৯,৪৮৬.
'ক' এক ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত হয়, যা দণ্ডবিধির ৪০৩ বা ৪০৬ ধারার মধ্যে পড়ে। এক্ষেত্রে আদালত-
  1. মামলা স্থগিত রাখবে
  2. বাদীর ইচ্ছানুযায়ী রায় দিবে
  3. বিকল্প রায় প্রদান করবে
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
এক্ষেত্রে আদালত বিকল্প রায় প্রদান করবে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৭(৩) ধারায় বিকল্প রায় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

ধারা ৩৬৭(৩)-
দণ্ডবিধির অধীন দণ্ড হলে অপরাধটি উক্ত বিধির দুইটি ধারার মধ্যে কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত, সে সম্পর্কে কোন সন্দেহ থাকলে আদালত তা স্পষ্টরুপে প্রকাশ করবে এবং বিকল্প রায় প্রদান করবে।

Section 367(3)-
When the conviction is under the Penal Code and it is doubtful under which of two sections, or under which of two parts of the same section, of that Code the offence falls, the Court shall distinctly express the same, and pass judgment in the alternative.
৯,৪৮৭.
দণ্ডবিধির ৫৫ক ধারায় কার বিশেষ অধিকার সংরক্ষণ করা হয়েছে?
  1. রাষ্ট্র
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. আদালত
  4. সরকার
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির  ৫৫ক ধারার বিধান- রাষ্ট্রপতির বিশেষ অধিকার সংরক্ষণ:
৫৪ ধারা বা ৫৫ ধারার কোন বিধান দ্বারাই রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, মৃত্যুদণ্ড মওকুফ বা স্থগিত করা বা দণ্ডাজ্ঞা হ্রাসের অধিকার ক্ষুন্ন হবে না।

Section 55A- Saving for President prerogative:
Nothing in section fifty- four or section fifty-five shall derogate from the right of the President to grant pardons, reprieves, respites or remissions of punishment.
৯,৪৮৮.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৮ বিধি-৭ এ কীসের পদ্ধতি বর্ণিত আছে?
  1. ক্রোকের
  2. গ্রেফতারের
  3. কমিশন জারির
  4. সম্পত্তি বিক্রয়ের
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩৮ বিধি-৭: ক্রোক করার পদ্ধতি:
অন্যরূপ স্পষ্ট বিধান ব্যতিরেকে, ডিক্রি জারির দরুন সম্পত্তি ক্রোকের পদ্ধতিতে উক্ত ক্রোক করা যাবে।

Rule.-7: Mode of making attachment:
Save as otherwise expressly provided, the attachment shall be made in the manner provided for the attachment of property in execution of a decree.

৯,৪৮৯.
যে ব্যক্তি এক শ্রেণির সরকারী খাঁটি ষ্ট্যাম্পকে ভিন্ন শ্রেণীর সরকারী খাঁটি ষ্ট্যাম্পের সদৃশ করিয়া জাল করে, সেই ব্যক্তি কি অপরাধ করে বলিয়া গণ্য হইবে?
  1. মুদ্রা জালকরণ
  2. সরকারী ষ্ট্যাম্প জালকরণ
  3. জালকরণ
  4. ষ্ট্যাম্প জালকরণ
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২৫৫ ধারার বিধান: সরকারী স্ট্যাম্প জাল করণ:- কোন ব্যক্তি যদি সরকার দ্বারা রাজস্বের উদ্দেশ্যে প্রবর্তিত কোন স্ট্যাম্প জাল করে বা জ্ঞাতসারে অনুরূপ কোন স্ট্যাম্প জাল করার প্রক্রিয়ার অংশ বিশেষ সম্পাদন করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা:- এক মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পকে কোন ব্যক্তি যদি দেখতে অপর মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পের মত করে লয়, তবে সে ব্যক্তি এই অপরাধ অনুষ্ঠান করে বলে পরিগণিত হবে।

-------------------
♦ Section 255. Counterfeiting Government stamp:- Whoever counterfeits, or knowingly performs any part of the process of counterfeiting, any stamp issued by Government for the purpose of revenue, shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

⇒ Explanation:- A person commits this offence who counterfeits by causing a genuine stamp of one denomination to appear like a genuine stamp of a different denomination.
৯,৪৯০.
কোনো দরখাস্ত দায়েরের মেয়াদ তামাদি আইনে সুনির্দিষ্টভাবে বলা না থাকলে কোন অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হবে?
  1. ১৮০
  2. ১৮১
  3. ১৮২
  4. ১৮৩
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৮১ বিধান: তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের অন্য কোথাও বা দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৪৮ ধারায় যে সব দরখাস্ত সম্পর্কে কোন বিধান নাই সেইসব দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ দরখাস্ত করার অধিকার উদ্ভব হওয়ার দিন থেকে ৩ বছর।
৯,৪৯১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯২ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি জামিন বন্ডে স্বাক্ষর করার পর আদালতে হাজির না হয়, তখন আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলা খারিজ করবে
  2. কেবল সতর্কবার্তা দেবে
  3. নতুন সমন জারি করবে
  4. গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করবে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯২ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে জামিন বন্ডে স্বাক্ষর করে আদালতে হাজির হওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়, কিন্তু নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির না হয়, তবে আদালতের প্রিসাইডিং অফিসার (অর্থাৎ আদালতের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারেন। এই পরোয়ানার মাধ্যমে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 92. Arrest by breach of bond for appearance:
When any person who is bound by any bond taken under this Code to appear before a Court, does not so appear, the officer presiding in such Court, may issue a warrant directing that such person be arrested and produced before him.

৯,৪৯২.
কোনটি 'Doctrine of Juristic Preference'?
  1. ইসতিসলাহ
  2. ইজতিহাদ
  3. ইসতিহসান
  4. ইসতিদলাল
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম আইনের উৎস প্রধানত ৪টি।
১. পবিত্র কোরআন
২. হাদিস
৩. ইজমা
৪. কিয়াস
⇒  অন্যান্য উৎসগুলো হলো
ক. ইসতিহসান [Istihsan]
খ. ইসতিসলাহ [Istislah]
গ. ইসতিদলাল
ঘ. ইজতিহাদ
ঙ. তকলিদ

ইসতিহসান: ইসতিহসান অর্থ সমর্থন বা অনুমোদন। এ শব্দটি 'কোরআন এবং হাদিসের ব্যাখ্যা হিসাবে ব্যবহৃত হয়। ইসলামী আইনের অপ্রধান উৎসগুলোর মধ্যে ইমাম আবু হানিফা একেও একটি উৎসরূপে গণ্য করেন।

-কোন নির্দিষ্ট সমস্যার একাধিক সমাধান থাকলে তখন ইসলামী আইনজ্ঞগণ সর্বাধিক গ্রহণীয় যে সমাধান গ্রহণ করেন তা হলো ইসতিহসান।

যখন কতিপয় আইন কোনো ক্ষেত্রে উপস্থাপন করা হয় এবং প্রযোজ্য বলে প্রতীয়মান হয়, তখন দুর্বলভিত্তিক আইনের ওপর দৃঢ়ভিত্তিক আইন প্রাধান্য লাভ করবে এবং সমর্থনীয় বা অনুমোদনযোগ্য হবে, এটাই 'ইসতিহসান। এখানে দুর্বলভিত্তিক আইন বলতে কোরআন ও হাদিসের তুলনায় দুর্বলভিত্তিক 'ইজমা' বা কিয়াসের আইনকে বুঝানো হয়েছে। কোরআন এবং হাদিস হলো দৃঢ়ভিত্তিক আইন। ইসতিহসান দ্বারা কিয়াস প্রত্যাখ্যান এবং যুক্তিযুক্ততার আইনকে সমর্থন করা বুঝায়।

যে নীতির বলে আইনবিদগণ তাদের ব্যক্তিগত বিচার বুদ্ধির ওপর নির্ভর করতে পারেন, সে নীতিকেই হানাফীগণ ইসতিহসান বলে। তাদের মতে কিয়াসভিত্তিক আইন অভ্রান্ত নয়। এমনকি ইজমাকেও অভ্রান্ত বলা যায় না। প্রয়োজনবোধে ঐগুলোর পরিবর্তে স্বাধীন বিচারবুদ্ধি প্রয়োগ করাই ইসতিহসানের মূল মর্ম। হানাফীগণ বলেন যে, ইসতিহসানও এক প্রকার কিয়াস, তবে কিয়াস অপেক্ষা ইসতিহসানের এখতিয়ার ব্যাপক। ইমাম আবু হানিফা এ নীতির প্রতিষ্ঠাতা।
অর্থাৎ 'Doctrine of Juristic Preference' হল ইসতিহসান [Istihsan]।
৯,৪৯৩.
দণ্ডবিধির ১০৩ ধারায় বর্ণিত ‘অপথে গৃহে প্রবেশ’ কোন ক্ষেত্রে অপরাধকারীর মৃত্যু ঘটানোর অধিকার দেয়?
  1. যখন তা দিনের বেলা ঘটে
  2. যখন তা রাত্রিকালীন হয়
  3. যখন তা জনসম্মুখে ঘটে
  4. যখন তা সরকারী ভবনে ঘটে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১০৩: যেক্ষেত্রে সম্পত্তি সম্পর্কিত ব্যক্তিগত আত্নরক্ষার অধিকার মৃত্যু ঘটাইবার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হয়:
 সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার ৯৯ ধারায় আরোপিত নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে স্বেচ্ছাকৃতভাবে অপরাধকারীর মৃত্যু সংঘটন বা তার অপর কোনরূপ ক্ষতিসাধন পর্যন্ত প্রয়োগযোগ্য হবে, যদি যে অপরাধটি করার বা করার চেষ্টার বিরুদ্ধে এই অধিকার প্রয়োগ আবশ্যকীয় হয়ে পড়েছে সে অপরাধটি নিম্নবর্ণিত বিভিন্ন প্রকৃতির মধ্যে যে কোন এক ধরনের হয়, যথা:-
প্রথমত (First): দস্যুতা;
দ্বিতীয়ত (Secondly): রাত্রিবেলা অপথে গৃহে প্রবেশ করা:
তৃতীয়ত (Thirdly): কোন গৃহ, তাবু বা যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করে ক্ষতি সাধন, যদি গৃহটি, তাবুটি বা যানবাহনটি মানুষের বাসস্থান হিসেবে অথবা সম্পত্তি রাখার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়;
চতুর্থত (Fourthly): চুরি, অনিষ্টকারিতা, অথবা গৃহে অনধিকার প্রবেশ, যদি পরিস্থিতি এমন হয় যে, সংশ্লিষ্ট আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারটি প্রয়োগ না করলে মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত অনিবার্য বলে ন্যায়সঙ্গতভাবেই আশঙ্কার উদ্ভব হয়।
৯,৪৯৪.
'যেক্ষেত্রে কোনো চুক্তিতে বলপ্রয়োগ, প্রতারণা বা মিথ্যা বর্ণনা দ্বারা সম্মতি আদায় করা হয়, সেক্ষেত্রে যে পক্ষের সম্মতি অনুরূপভাবে আদায় করা হয়েছে, সেই পক্ষের ইচ্ছা অনুসারে চুক্তিটি বাতিলযোগ্য হবে।' - চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর কত ধারায় এই বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ১৭
  2. ধারা ১৮
  3. ধারা ১৯
  4. ধারা ২০
ব্যাখ্যা

চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৯- স্বাধীন সম্মতি (free consent) ব্যতীত সম্মতির (agreement) বাতিলযোগ্যতা:
যেক্ষেত্রে কোনো চুক্তিতে বলপ্রয়োগ, প্রতারণা বা মিথ্যা বর্ণনা দ্বারা সম্মতি আদায় করা হয়, সেইক্ষেত্রে যে পক্ষের সম্মতি অনুরূপভাবে আদায় করা হইয়াছে, সেই পক্ষের ইচ্ছা অনুসারে চুক্তিটি বাতিলযোগ্য হইবে।
প্রতারণা বা মিথ্যা বর্ণনা দ্বারা চুক্তির কোনো পক্ষের সম্মতি আদায় করা হইলে, সেই পক্ষ যদি উপযুক্ত মনে করেন, তাহা হইলে তিনি চুক্তিটি প্রতিপালনের জন্য পীড়াপীড়ি করিতে পারেন এবং বর্ণনা যদি সত্য হইত, তাহা হইলে তিনি যে অবস্থায় উপনীত হইতে পারিতেন সেই অবস্থায় উপনীত হইতে পারিবেন।

ব্যতিক্রম- উক্তরূপ সম্মতি মিথ্যা বর্ণনা বা মৌনতা, ধারা ১৭ এর সংজ্ঞাধীনে প্রতারণা দ্বারা আদায় করা হইলেও চুক্তিটি বাতিলযোগ্য হইবে না, যদি যে পক্ষের উক্তরূপে সম্মতি আদায় করা হইয়াছে সেই পক্ষ সাধারণ প্রজ্ঞা দ্বারা সত্য উৎঘাটন করিতে সমর্থ হয়।
ব্যাখ্যা- চুক্তির কোনো পক্ষের প্রতি প্রতারণা বা মিথ্যা বর্ণনা করা সত্ত্বেও, উহা উক্ত পক্ষের সম্মতি প্রদানের কারণ না হইলে উহা কোনো চুক্তিকে বাতিল করিবে না।

৯,৪৯৫.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Section 89A (10) এর বিধানানুযায়ী 'Panel of Mediators' প্রস্তুত করেন কে?
  1. জেলা জজ
  2. আইন মন্ত্রণালয়
  3. জেলা প্রশাসক
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
♦ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতির সাথে পরামর্শক্রমে আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত জজ, বিরোধ নিষ্পত্তির প্রশিক্ষিত বলে জানা কোন ব্যক্তি এবং প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত এইরূপ ব্যক্তিবর্গ ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ যারা উক্ত উদ্দেশ্যে উপযুক্ত বলে বিবেচিত তাদের সমন্বয়ে জেলা জজ মধ্যস্থতাকারীগণের একটি তালিকা তৈরী করবেন (সময়ে সময়ে তা হালনাগাদ করতে হবে) এবং তার প্রশাসনিক এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে তালিকার বিষয়ে তিনি অবহিত করবেন।

♦ মধ্যস্থতাকারীর যোগ্যতা-
i) জেলা জজ কর্তৃক প্রস্তুতকৃত প্যানেল সদস্য; বা
ii) অবসরপ্রাপ্ত জজ; অথবা
iii) সংশ্লিষ্ট মোকদ্দমার পক্ষগণ নিযুক্ত উকিল ব্যতীত অন্য যে কোন উকিল মধ্যস্থতাকারী হতে পারবেন।

♦ তবে প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে (Office of Profit) নিযুক্ত কোন ব্যক্তি মধ্যস্থতাকারী হতে পারবে না
৯,৪৯৬.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৯(খ) অনুসারে, অপরাধ সংঘটনের সময় নারীর বয়স হতে হবে-
  1. ১৮ বছরের অধিক
  2. ১৬ বছরের অধিক
  3. ১৫ বছরের অধিক
  4. ১৪ বছরের অধিক
ব্যাখ্যা

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৯খ: বিয়ের প্রলোভনের মাধ্যমে যৌনকর্ম করিবার দণ্ড:
যদি কোন ব্যক্তি দৈহিক বলপ্রয়োগ ব্যতীত বিবাহের প্রলোভন দেখাইয়া ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সংগে যৌনকর্ম করেন এবং যদি উক্ত ঘটনার সময় উক্ত ব্যক্তির সহিত উক্ত নারীর আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।]

৯,৪৯৭.
জেলা জজের আদালত কখন মোকদ্দমা স্থানান্তর করতে পারেন?
  1. যে কোনো পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে
  2. বাদী-বিবাদী উভয় পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে
  3. স্বপ্রণোতদিত হয়ে
  4. উপরের সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ২৪ অনুসারে উপরিউক্ত ৩ ক্ষেত্রেই মোকদ্দমা স্থানান্তর করা যায়।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ২৪ ধারায় স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের সাধারণ ক্ষমতার বিধান আছে। এই ধারা অনুযায়ী মোকদ্দমার যেকোন পক্ষের আবেদনক্রমে, সকল পক্ষকে নোটিশ দিয়ে এবং তাদের কারো বক্তব্য শুনার ইচ্ছা করলে তা শ্রবণ করে অথবা কোন নোটিশ না দিয়া স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা আদালত যে কোন সময়- ‌তার সম্মুখে বিচারাধীন কোন মোকদ্দমা, আপিল বা অন্যান্য কার্যক্রম তার অধীনস্থ এবং এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালতে বিচার বা নিষ্পত্তির জন্য স্থানান্তরিত করতে পারেন, অথবা তার অধীনস্থ কোন আদালত হতে কোন মোকদ্দমা, আপিল বা অন্যান্য কার্যক্রম-
১) প্রত্যাহার করতে পারেন, এবং
২) তা বিচার বা নিষ্পত্তি করতে পারেন, অথবা
৩) অধীনস্ত কোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে বিচার বা নিষ্পত্তির জন্য স্থানান্তর করতে পারেন; অথবা
৪) যেই আদালত হতে তা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই আদালতে বিচার বা নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করতে পারেন।

♦ কোন মোকদ্দমা স্থানান্তরিত বা প্রত্যাহৃত হয়ে থাকলে যে পর্যায়ে তা স্থানান্তর বা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই পর্যায় হতে বিচার শুরু করতে পারেন।

♦ স্বল্প এখতিয়ার আদালত হতে স্থানান্তরিত বা প্রত্যাহৃত মোকদ্দমার বিচারকারী আদালতকে উক্ত মোকদ্দমার ব্যাপারে স্বল্প এখতিয়ার আদালত বলে গণ্য করতে হবে।
৯,৪৯৮.
দণ্ডবিধির ২১২ ধারা অনুসারে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধীর আশ্রয়দাতার শাস্তির ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম কোনটি?
  1. বন্ধু বন্ধুকে আশ্রয় দিলে
  2. বাবা ছেলেকে আশ্রয় দিলে
  3. স্ত্রী তার স্বামীকে আশ্রয় দিলে
  4. বড় ভাই ছোট ভাইকে আশ্রয় দিলে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ২১২ অনুযায়ী, যে ব্যক্তি কোনো অপরাধ সংঘটনের পর যদি অপরাধীকে আশ্রয় দেন বা লুকিয়ে রাখেন, তাহলে তিনি দণ্ডনীয় হবেন।
 তবে, এই ধারায় একটি ব্যতিক্রম রয়েছে:
-  Exception: এই ধারা প্রযোজ্য হবে না, যদি অপরাধীর স্বামী বা স্ত্রী তাকে আশ্রয় দেন বা লুকিয়ে রাখেন।
- অর্থাৎ, স্বামী স্ত্রী পরস্পরকে আশ্রয় দিলে তারা দণ্ডবিধির ২১২ ধারায় দণ্ডিত হবেন না।

⇒ দণ্ডবিধির ২১২ ধারায় অপরাধীকে আশ্রয় বা লুকিয়ে রাখার জন্য শাস্তির বিধান আছে। যদি দোষী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে আশ্রয়দাতা পাঁচ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। যাবজ্জীবন বা দশ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে, দণ্ডিতের জন্য শাস্তি তিন বছর পর্যন্ত। দশ বছরের নিচে এক বছর পর্যন্ত দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত হলে, দণ্ডের সর্বাধিক মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড হতে পারে।
এই ধারার 'অপরাধ' বলতে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় যে কোনো কাজ বোঝানো হয়েছে, যা বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত হলেও দণ্ডনীয় হবে। তবে, দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যদি তাকে আশ্রয় দেন, তাহলে এই বিধান প্রযোজ্য হবে না।

- দণ্ডবিধির ২১২ ধারার বিধান দোষী ব্যক্তিকে আশ্রয় দান করা:- কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দোষী বলে জ্ঞাত করা থাকা সত্ত্বেও অথবা সে দোষী বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তাকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখে বা আশ্রয়দান করে, সেক্ষেত্রে-
দোষী ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:
- যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
দোষী ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:
- যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে কিংবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
যদি অপরাধটি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় এবং দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে সে ব্যক্তি সেই অপরাধটির জন্য বিহিত প্রকারের কারাদণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
 
- অত্র ধারার 'অপরাধ' বলতে বাংলাদেশের মধ্যে যে কাজ অনুষ্ঠিত হলে তা ৩০২, ৩০৪, ৩৮২, ৩৯২, ৩৯৩, ৩৯৪, ৩৯৫, ৩৯৬, ৩৯৭, ৩৯৮, ৩৯৯, ৪০২, ৪৩৫, ৪৩৬, ৪৪৯, ৪৫০, ৪৫৭, ৪৫৮, ৪৫৯ এবং ৪৬০ ধারায় যে কোনটি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত, তা বাংলাদেশের বাইরে যেকোন স্থানে অনুষ্ঠিত হলে তাকেও বুঝাবে এবং অনুরূপ যেকোন কাজ যেন অভিযুক্ত ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই সংঘটনের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছে, এমনভাবেই দণ্ডনীয় বলে পরিগণিত হবে।
⇒ ব্যতিক্রম:- দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অনুরূপ আশ্রয়দান করলে বা লুকিয়ে রাখলে তখন এই বিধান প্রয়োগযোগ্য হবে না।
৯,৪৯৯.
'ক' নামে একজন জঙ্গি সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করার জন্য পুলিশ একটি ক্লাবে গিয়েছিল। তাদের যদি বিশ্বাস থাকে যে, 'ক' সেখানেই আছে, তাহলে ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী ক্লাবের ম্যানেজার বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারী পুলিশকে প্রবেশ এবং তল্লাশির সুবিধা দিতে বাধ্য?
  1. ৪১ ধারা
  2. ৪৪ ধারা
  3. ৪৭ ধারা
  4. ৫০ ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৭ ধারার বিধান- যাহাকে গ্রেফতার করা হইবে, তিনি যেস্থানে প্রবেশ করিয়াছেন, সেই স্থান তল্লাশি:
গ্রেফতারী পরোয়ানা মোতাবেক কার্যরত ব্যক্তি অথবা গ্রেফতারের অধিকারী পুলিশ অফিসারের যদি বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হইবে তিনি কোন স্থানে প্রবেশ করিয়াছেন বা কোন স্থানের মধ্যে আছেন, তাহা হইলে উক্ত স্থানে বসবাসকারী বা উক্ত স্থানের ভারপ্রাপ্ত ব্যক্তি উপরোক্তরূপে কার্যরত ব্যক্তি বা উক্ত পুলিশ অফিসারের দাবিক্রমে তাহাকে অবাধে উক্ত স্থানে প্রবেশ করিতে দিবেন এবং উক্ত স্থানে তল্লাশির জন্য সকল প্রকার যুক্তিসঙ্গত সুযোগ-সুবিধা দিবেন।

Search of place entered by person sought to be arrested:
If any person acting under a warrant of arrest, or any police-officer having authority to arrest, has reason to believe that the person to be arrested has entered into, or is within, any place, the person residing in, or being in charge of, such place shall, on demand of such person acting as aforesaid or such police-officer, allow him free ingress thereto, and afford all reasonable facilities for a search therein.
৯,৫০০.
'ক', 'খ'-কে ৫০০ ভেড়া ক্রয় করার ক্ষমতা দেন। 'খ' ৫০০ ভেড়া + ২০০ অতিরিক্ত ভেড়া ৬,০০০ টাকায় ক্রয় করেন। উক্ত উদাহরণের ক্ষেত্রে 'ক' কী করতে পারেন?
  1. পুরো লেনদেন প্রত্যাখ্যান করতে পারেন
  2. শুধুমাত্র অতিরিক্ত ২০০ ভেড়া প্রত্যাখ্যান করতে পারেন
  3. ৫০০ ভেড়া নিতে বাধ্য হবেন
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা

প্রতিনিধির ক্ষমতা বহির্ভূত কার্য (Section 228, The Contract Act, 1872):
যখন কোনো প্রতিনিধি (agent) তাকে প্রদত্ত ক্ষমতার বাইরে কিছু কার্য সম্পন্ন করে এবং ক্ষমতার মধ্যে সম্পাদিত কাজকে ক্ষমতা বহির্ভূত কাজ থেকে পৃথক করা যায় না, তখন নিয়োগকারী (principal) সেই কাজকে স্বীকৃতি দিতে বাধ্য নয়।

উদাহরণ (Illustration):
ক তার জন্য ৫০০ ভেড়া ক্রয় করার ক্ষমতা খ-কে প্রদান করেন। খ ৫০০ ভেড়া এবং ২০০ ভেড়ার বাচ্চা মোট ৭০০ ভেড়া ৬,০০০ টাকায় ক্রয় করেন। যেহেতু ২০০ অতিরিক্ত ভেড়া ক্ষমতার বাইরে, এবং সম্পূর্ণ লেনদেন পৃথক করা সম্ভব নয়, তাই ক সম্পূর্ণ লেনদেনটি প্রত্যাখ্যান করতে পারেন।