বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৯১ / ১৫৫ · ৯,০০১৯,১০০ / ১৫,৪৭০

৯,০০১.
সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারার বিধান প্রয়োগ করার পূর্বে আদালতকে কোন মৌলিক বিষয়টি নিশ্চিত হতে হবে? 
  1. ষড়যন্ত্রকারীরা একটি লিখিত চুক্তি করেছে কিনা
  2. সকল ষড়যন্ত্রকারীকে শনাক্ত করা হয়েছে কিনা
  3. অপরাধটি সফলভাবে সংঘটিত হয়েছে কিনা
  4. ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব আছে বলে যুক্তিসঙ্গত কারণ আছে কিনা
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১০ প্রয়োগের জন্য আদালতকে প্রথমে এই মৌলিক বিষয়টি নিশ্চিত হতে হবে যে, "যুক্তিসঙ্গত কারণে বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে যে দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোনো অপরাধ বা নালিশযোগ্য অন্যায় সংঘটনের জন্য ষড়যন্ত্র করেছে"। এটি একটি প্রাক-শর্ত (pre-condition) যা পূরণ না হলে ধারা ১০-এর অধীনে ষড়যন্ত্রকারীদের কথা, কাজ বা লেখা প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না। অর্থাৎ, "যুক্তিসঙ্গত কারণ" (reasonable ground) থাকলেই কেবল এই ধারা প্রয়োগ করা যাবে।
সুতরাং, ধারা ১০ প্রয়োগের পূর্বে আদালতকে ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গত কারণ নিশ্চিত হতে হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারার বিধান: অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ (Things said or done by conspirator in reference to common design): দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একযোগে কোন অপরাধ বা নালিশ যোগ্য অন্যায় কার্য করার ষড়যন্ত্র করেছে, এরূপ বিশ্বাস করার যদি যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে; তবে তাদের যেকোন একজনের উক্তি, ষড়যন্ত্রের ইচ্ছা পোষণ করার পর তাদের ঐ সাধারণ ইচ্ছা সম্পর্কে তাদের মধ্যে যেকোন একজনের কোন কথা, কার্য বা লেখা ষড়যন্ত্রকারী বলে মনে করা হচ্ছে, এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তি সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক ঘটনা, ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য তা প্রাসঙ্গিক; তেমনি কোন ব্যক্তি যে উক্ত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল তা প্রমাণ করার জন্য তাও প্রাসঙ্গিক।

⇒ যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে কোন অপরাধ সংঘটন করে এবং সেই অভিন্ন অভিপ্রায়ের লক্ষ্যে করা কোন এক জনের কথা, কাজ বা বিবৃতি প্রাসঙ্গিক। অর্থাৎ অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য প্রাসঙ্গিক হবে।
----------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section 10. Things said or done by conspirator in reference to common design:
Where there is reasonable ground to believe that two or more persons have conspired together to commit an offence or an actionable wrong, anything said, done or written by any one of such persons in reference to their common intention, after the time when such intention was first entertained by any one of them, is a relevant fact as against each of the persons believed to be so conspiring, as well for the purpose of proving the existence of the conspiracy as for the purpose of showing that any such person was a party to it.

৯,০০২.
দণ্ডবিধির ৯৩ ধারার অনুসারে কোন পরিস্থিতিতে সদবিশ্বাসে করা যোগাযোগ অপরাধ বলে গণ্য হবে না?
  1. যদি তা অসৎ উদ্দেশ্যে করা হয়
  2. যদি তা অন্যের ক্ষতির কারণ হয়ে থাকে
  3. যদি তা অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে করা হয়
  4. যদি তা অন্যের মঙ্গলের জন্য এবং সদবিশ্বাসে করা হয়
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৯৩ ধারার বিধান সদবিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ:
 -কোন ব্যক্তির মঙ্গলার্থে আন্তরিক সদিচ্ছাক্রমে কৃত যোগাযোগ বা খবর প্রদান, উক্ত খবর প্রদানের ফলে উক্ত ব্যক্তির কোন প্রকার ক্ষতি হওয়ার দরুণ অপরাধ হবে না।

উদাহরণ: ক একজন সার্জন। তিনি আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে জনৈক রোগীকে তার এই মত জানান যে, সে বাঁচবে না। ইহাতে মর্মান্তিক আঘাত প্রাপ্তির ফলে রোগীটির মৃত্যু হয়। কএর কাজটি অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না, যদিও তিনি জানতেন যে, তার এইরূপ মত দেওয়ার ফলে রেগিটির মৃত্যু ঘটতে পারে।

------------------------------------
→ The Penal Code,1860- Section 93: Communication made in good faith:
- No communication made in good faith is an offence by reason of any harm to the person to whom it is made, if it is made for the benefit of that person. 
 
Illustration:
- A, a surgeon, in good faith, communicates to a patient his opinion that he cannot live. The patient dies in consequence of the shock. A has committed no offence, though he knew it to be likely that the communication might cause the patient's death.
৯,০০৩.
বাংলাদেশের ফৌজদারি আদালত প্রধানত কত শ্রেণির?
  1. ৫ শ্রেণির
  2. ৪ শ্রেণির
  3. ৩ শ্রেণির
  4. ২ শ্রেণির
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে (Criminal Procedure Code, 1898) ধারা ৬(১) অনুযায়ী, বাংলাদেশের ফৌজদারি আদালত প্রধানত দুইটি শ্রেণির: ১) দায়রা আদালত (Courts of Sessions) ২) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (Courts of Magistrates)

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারার ফৌজদারি আদালতের শ্রেণীবিভাগ:
(১) সুপ্রিম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত, বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারি আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা:
(i) দায়রা আদালত; এবং
(ii) ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত।
(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথা:
(i) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং
(ii) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
(৩) চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথা:
(i) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়;
(ii) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে;
(iii) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট:
(iv) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।
ব্যাখ্যা: এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চিফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" বুঝাবে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section: 6: Classes of Criminal Courts:
1) Besides the Supreme Court and the Courts constituted under any law for the time being in force, other than this Code, there shall be two classes of Criminal Courts in Bangladesh, namely:-
(a) Courts of Sessions ; and
(b) Courts of Magistrates.
(2) There shall be two classes of Magistrate, namely: -
(a) Judicial Magistrate; and
(b) Executive Magistrate.
(3) There shall be four classes of judicial Magistrate, namely: -
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas;
(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate;
(c) Magistrate of the second class; and
(d) Magistrate of the third class.
Explanation: For the purpose of this sub-section, the word "Chief Metropolitan Magistrate" and "Chief judicial Magistrate" shall include "Additional Chief Metropolitan Magistrate" and "Additional Chief judicial Magistrate" respectively.
৯,০০৪.
'Service of process on pleader'- নিম্নের কোন বিধিতে উল্লেখ আছে?
  1. আদেশ ৫ বিধি ৩
  2. আদেশ ৩ বিধি ৫
  3. আদেশ ৫ বিধি ২১
  4. আদেশ ৩ বিধি ২
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩ এর ৫ নং বিধিতে উকিলের প্রতি পরোয়ানা জারির (Service of process on pleader) বিধান উল্লেখ আছে।

• আদেশ ৩ বিধি ৫ঃ উকিলের প্রতি পরোয়ানা জারি-

যদি কোন পক্ষের উকিলের উপর কোন সমন জারি করা হয় বা উকিলের চেম্বারে অথবা বাসগৃহে পাঠানো হয় এবং তা পক্ষের ব্যক্তিগত হাজিরার জন্য হোক বা না হোক, তা যথাযথ নিয়মের অধীনে প্রদত্ত হয়েছে এবং যে পক্ষের হয়ে সে ব্যক্তি প্রতিনিধিত্ব করেন, ঐ পক্ষকে যথাযথ নিয়মে জানানো হয়েছে বলে ধরা হবে এবং যদি না আদালত অন্য কোনরূপ নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে তা সংশ্লিষ্ট পক্ষের উপর ব্যক্তিগতভাবে জারি করার মতই কার্যকর হবে।

Order 3 Rule 5: Service of process on pleader-
Any process served on the pleader of any party or left at the office or ordinary residence of such pleader, and whether thesame is for the personal appearance of the party or not, shall be presumed to be duly communicated and made known to the party whom the pleader represenfs, and, unless the Court otherwise directs, shall be as effectual for all purposes as if the same had been given to or served on the party in person.
৯,০০৫.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী কখন কোন মৃতব্যক্তির পিতা কেবল 'আসাবা' হিসেবে সম্পত্তি পাবে?
  1. যখন একজন ছেলে সন্তান থাকবে
  2. যখন কোনো ভাই বা ভাইয়ের সন্তান থাকবে না
  3. যখন কোনো সন্তান বা ছেলের সন্তান থাকবে না
  4. যখন কোনো সন্তান থাকবে না, কিন্তু এক বা একাধিক কন্যা থাকবে
ব্যাখ্যা
মৃত ব্যক্তির বাবা সর্বদাই ওয়ারিশ হবেন। তবে অবস্থাভেদে এর পরিমাণে তারতম্য হবে। যদি মৃত ব্যক্তির ছেলে, ছেলের ছেলে এভাবে নিচের দিকে কেউ থাকে তবে বাবা পাবে ১/৬ এক ষষ্ঠাংশ। যদি মৃত ব্যক্তির শুধু কন্যা বা ছেলের কন্যা এভাবে নিচের দিকে কেউ থাকে তবে বাবা ১/৬ এক ষষ্ঠাংশ পাবেন, তবে সেক্ষেত্রে অন্য ওয়ারিশদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টনের পর কিছু অবশিষ্ট থাকলে বাবা সেই অংশও অবশিষ্টভোগী হিসেবে পাবেন। আর যদি মৃত সন্তানের কোনো ছেলে-কন্যা বা ছেলের সন্তান কিছুই না থাকে তবে বাকি ওয়ারিশদের মধ্যে বিতরণ শেষে যা থাকবে তা সম্পূর্ণ পাবেন বাবা।

অর্থাৎ মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী "যখন কোনো সন্তান থাকবে না বা ছেলের সন্তান থাকবে না" এই দুই ক্ষেতেই মৃতব্যক্তির পিতা 'আসাবা' হিসেবে সম্পত্তি পাবে।
৯,০০৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৯ ধারা কোন আদালতে আপিলের বিধান করে?
  1. জেলা জজ আদালত
  2. দায়রা জজ আদালত
  3. সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ
  4. 'ক' অথবা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১০৯ অনুযায়ী, নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা অন্য কোন চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করা যায়।
- এই ধারা সুপ্রিম কোর্টে আপিলের জন্য সরাসরি আইনি ভিত্তি প্রদান করে এবং এটি জেলা বা দায়রা আদালতের আপিল সংক্রান্ত নয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান: সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল করা চলবে:
দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধানসাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-
ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে; এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে।
-----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section: 109. When appeals lie to the Supreme Court.
- Subject to such rules as may, from time to time, be made by the Supreme Court regarding appeals from the Courts of Bangladesh, and to the provisions hereinafter contained, an appeal shall lie to the Appellate Division.
(a) from any Judgment, decree or final order passed on appeal by the High Court Division or by any other Court of final appellate jurisdiction; 
(b) from any Judgment, decree or final order passed by the High Court Division in the exercise of original civil jurisdiction; and 
(c) from any Judgment, decree or final order, when the case, as hereinafter provided, is certified to be a fit one for appeal to the Appellate Division.
৯,০০৭.
দণ্ডবিধি অনুসারে, মিথ্যা সাক্ষ্যের ফলে যদি কোনো নির্দোষ ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়, তাহলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারীর সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ১০ বছর কারাদণ্ড
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির  ১৯৪ ধারা মতে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবনের ২ ধরনের শাস্তি হতে পারে। যথা-
(i) কোন আসামীকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার পরও অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করার পরও উক্ত আসামীর মৃত্যুদন্ড না হলে বা আসামী খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
(ii) মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে কোন নির্দোষ লোকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
-------------
⇒ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করা :- কোন ব্যক্তি যদি মিথ্যা সাক্ষ্যদান করে বা তৈরি করে এবং তদ্বারা কাউকে বর্তমানে বলবৎ কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যেই তা করে থাকে কিংবা তার এইরূপ মিথ্যা সাক্ষ্য দান বা তৈরি করার ফলে কাউকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করা হতে পারে জেনেই যদিও তা করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে; তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

⇒ যদি তার ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হয় এবং সাজা বলবৎ হয়:- যদি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যের ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি সাজাপ্রাপ্ত হয় ও সাজা বলবৎ হয়, তবে যে ব্যক্তি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যদান করেছে, সে ব্যক্তি হয় মৃত্যুদণ্ডে, না হয় এই ধরায় ইতোপূর্বে বর্ণিত সাজায় সাজাপ্রাপ্ত হবে।
_________
The Penal Code, 1860- Section-194: Giving or fabricating false evidence with intent to procure conviction of capital offence; if innocent person be thereby convicted and executed:
-Whoever gives or fabricates false evidence, intending thereby to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, any person to be convicted of an offence which is capital by any law for the time being in force, shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; 
-and if an innocent person be convicted and executed in consequence of such false evidence, the person who gives such false evidence shall be punished either with death or the punishment herein before described.

৯,০০৮.
'সংসদ, সরকার ও সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষও রাষ্ট্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে'- কোথায় বলা আছে?
  1. জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ৩(৬) ধারা
  2. বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫১ অনুচ্ছেদ
  3. জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ৩(১১) ধারা
  4. বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫২:
"রাষ্ট্র" বলিতে সংসদ, সরকার ও সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষ অন্তর্ভুক্ত।

Article 152: Interpretation clause-
“the State” includes Parliament, the Government and statutory public authorities;

৯,০০৯.
অপরাধজনক বলপ্রয়োগের মাধ্যমে কোন ব্যক্তিকে কোন স্থাবর সম্পত্তি থেকে বেদখল করা হলে আদালত দন্ড প্রদানের কত দিনের মধ্যে দখলচ্যুত ব্যক্তিকে দখল ফিরিয়ে দেয়ার আদেশ দিবেন?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২২ ধারার বিধানঃ (১) যখন কোন ব্যক্তি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ, বা শক্তি প্রদর্শন বা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন সহযোগে কৃত অপরাধে দণ্ডিত হয়, এবং আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, এরূপ বল প্রয়োগ বা শক্তি প্রদর্শন বা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের দ্বারা কোন ব্যক্তিকে কোন স্থাবর সম্পত্তিতে বেদখ করা হয়েছে, তখন আদালত উপযুক্ত মনে করলে উক্ত ব্যক্তিকে দণ্ডদানের সময় বা এই দণ্ডের তারিখ হতে একমাসের মধ্যে যেকোন সময় বেদখল হওয়া ব্যক্তিকে উক্ত সম্পত্তির দখল দিবার আদেশ দিতে পারবেন।

(২) কোন ব্যক্তি দেওয়ানী মামলার দ্বারা এরূপ স্থাবর সম্পত্তিতে কোন অধিকার বা স্বার্থ প্রতিষ্ঠা করতে পারলে উক্ত আদেশ দ্বারা তা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না ।

(৩) যেকোন আপীল আদালত, দণ্ড অনুমোদন, রেফারেন্স বা রিভিশন আদালত এই উপধারার অধীন আদেশ দিতে পারবেন।
৯,০১০.
কোনটি অন্তবর্তীকালীন মুনাফা (mesne profit) হিসাবে গণ্য হবে?
  1. অপর ব্যক্তির সম্পত্তি অবৈধ দখল করলো এবং সেখানে বাড়ি তৈরি করে ভাড়া দিলে
  2. নিজের জমিতে বাড়ি তৈরি করে ভাড়া দিলে
  3. অপর ব্যক্তির সম্পত্তি অন্যায়ভাবে দখল করে তা হতে লাভ পেলে
  4. অনুমতি সাপেক্ষে অপর ব্যক্তির জমিতে পুকুর খনন করে মাছ চাষ করলে
ব্যাখ্যা
• ধারা ২(১২) অনুসারে,

বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফাকে মধ্যবর্তী মুনাফা(Mesne Profits) বলে।
"mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received there from,together with interest on such profits.

• ব্যতিক্রমঃ
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে, উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না।
৯,০১১.
ধারা ৪৩৫(১)-এর অধীনে নথি পর্যালোচনাকালীন সময়ে হাইকোর্ট বা দায়রা আদালত কী করতে পারে?
  1. বিচার বন্ধ করতে পারে
  2. অপরাধীদের গ্রেফতার করতে পারে
  3. দণ্ড কার্যকর স্থগিত করতে পারে
  4. মামলা বাতিল করতে পারে
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫(১) ধারায়-
হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ অধীনস্থ কোন ফৌজদারি আদালতের কোনো মামলার নথি তলব করতে পারে বা মামলার কোন কার্যক্রম পরীক্ষা করতে পারে। অধীনস্থ আদালত কর্তৃক প্রদত্ত বা লিপিবদ্ধকৃত কোন দণ্ড বা আদেশের নির্ভুলতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে; বা অধীনস্থ আদালতের মামলার কার্যক্রম রীতিসম্মত কিনা সে সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে উক্ত নথি পর্যালোচনা থাকাকালীন সময়ের জন্য হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত কোনো দণ্ড কার্যকর করা স্থগিতের আদেশ দিতে পারে; এবং যদি অভিযুক্ত আটক থাকে, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে বা আসামীর নিজ মুচলেকায় জামিন দিতে পারে।

৯,০১২.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে রায় ঘোষণার তারিখ হতে ______ দিনের মধ্যে ডিক্রি প্রণয়ন করতে হবে।
  1. ১০
  2. ১৫
  3. ২১
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২(২) ধারায় ডিক্রির সংজ্ঞা রয়েছে-
আদালতের এমন কোন আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত যা মোকদ্দমার তর্কিত/বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে পক্ষসমূহের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে তাকে ডিক্রি (Decree) বলে।

৩৩ ধারা মতে,
কোন মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষনা করে এবং পরবর্তীতে এই রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করে। রায় হল ডিক্রির ভিত্তি তাই রায় আগে প্রদান করা হয় এবং ডিক্রি পরে দেয়া হয়।

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ বিধি ৫ক তে ডিক্রি প্রণয়নের সময় দেয়া হয়েছে। এ বিধিমতে-
''রায় ঘোষণার তারিখ হতে সাত দিনের মধ্যে ডিক্রি প্রণয়ন করতে হবে।''
[The decree shall be drawn up within seven days from the date of pronouncement of the judgment.]
৯,০১৩.
রিমান্ডে সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য নেওয়া যায়?
  1. ৭ দিনের জন্য
  2. ১৫ দিনের জন্য
  3. ১০ দিনের জন্য
  4. ৫ দিনের জন্য
ব্যাখ্যা
♦আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ তাঁকে জেল খানায় না পাঠিয়ে নিজের হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করাকে রিমান্ড বলা হয়। ১৬৭ ধারার বিধান মোতাবেক কোনো মোকদ্দমায়  একজন আসামীকে সর্বোচ্চ ১৫ দিন রিমান্ডে রাখা যায়।
৯,০১৪.
একজন কৃষি জমির মালিক কত পরিমাণ কৃষি জমি নিজ মালিকানায় রাখতে পারবেন?
  1. ৬০ বিঘা
  2. ১০০ বিঘা
  3. ৩৭৫ বিঘা
  4. কৃষক এবং জমির শ্রেণিভেদে পূর্বের সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা
একজন কৃষি জমির মালিক ৬০ বিঘার বেশি কৃষি জমি নিজ মালিকানায় রাখতে পারে না। যদি উত্তরাধিকার সূত্রে কোনো প্লাবনের (Diluvion) ভূমি জেগে উঠে এবং তা তার বিদ্যমান সম্পত্তিসহ ৬০ বিঘার বেশি হয় তবে তা রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮৬(৫) ধারা অনুসারে সরকারের নিকট বর্তাবে। অন্যদিকে ৯০ ধারা অনুসারে কোনো ব্যক্তি তার নিজের এবং পরিবারের জন্য সব মিলিয়ে ৩৭৫ বিঘার বেশি ভূমি গ্রহণ বা ক্রয় করতে পারবেন না।

অন্যদিকে, ভূমি সংস্কার আইন, ২০২৩ এর ৪ ধারাতেও উল্লেখ আছে যে, ৬০ (ষাট) প্রমিত বিঘার অধিক কৃষি ভূমির মালিক বা তাহার পরিবার হস্তান্তর, উত্তরাধিকার, দান বা অন্য কোনো উপায়ে নতুন কোনো কৃষি ভূমি অর্জন করিতে পারিবেন না। যদি কোনো ভূমির মালিক এই ধারার বিধান লঙ্ঘন করিয়া ক্রয়সূত্রে কোনো নতুন কৃষি ভূমি অর্জন করেন, তাহা হইলে যে পরিমাণ ভূমি ৬০ (ষাট) প্রমিত বিঘার অতিরিক্ত হইবে তাহা সরকারের অনুকূলে বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে সমর্পিত হইবে এবং উক্ত সমর্পিত ভূমির মূল্য বাবদ কোনো ক্ষতিপূরণ প্রদেয় হইবে না: তবে শর্ত থাকে যে, উত্তরাধিকার, দান বা উইল এর মাধ্যমে অর্জিত ভূমির ক্ষেত্রে উক্ত বিধান প্রযোজ্য হইবে না।
৯,০১৫.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২–তে কত প্রকারের রেহেন (Mortgage) এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৪ প্রকার
  2. ৫ প্রকার
  3. ৬ প্রকার
  4. ৭ প্রকার
ব্যাখ্যা

⇒ নগদ অর্থ ঋণ হিসেবে গ্রহণের নিশ্চয়তার উদ্দেশ্যে ভবিষ্যত দেনা সৃষ্টি করতে পারে, এমন সম্পত্তির স্বত্ব অপরের নিকট হস্তান্তর করাকে রেহেন বা বন্ধক বলে।
- সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২–তে ৬ প্রকারের রেহেন (Mortgage) এর উল্লেখ রয়েছে।
ক) সাধারণ রেহেন:
সম্পত্তির দখল হস্তান্তর না করে রেহেনের টাকা ব্যক্তিগতভাবে পরিশােধের দায়িত্ব গ্রহণ করলে তাকে সাধারণ রেহেন বলে। এখানে শর্ত থাকে চুক্তি মােতাবেক ঋণ গ্রহীতা টাকা পরিশােধ করতে না পারলে ঋণদাতা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করে তার প্রাপ্য টাকা গ্রহণ করতে পারবে।
(খ) শর্তাধীন বিক্রয়ের মাধ্যমে রেহেন:
যদি কোন সম্পত্তি এই শর্তে বিক্রয় করা হয় যে, নির্দিষ্ট তারিখে টাকা পরিশােধ না করলে বিক্রয় চূড়ান্ত হবে অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ে টাকা পরিশােধ করলে বিক্রয় বাতিল হবে তাহলে তাকে শর্তাধীন বিক্রয়ের মাধ্যমে নেহেন বলে।
(গ) খাই খালাসী রেহেন:
দাতা সম্পত্তির দখল গ্রহীতাকে প্রদান করবে, টাকা পরিশােধ না হওয়া পর্যন্ত দখল রাখবে তাকে খাই খালাসী রেহেন বলে ।
(ঘ) ইংলিশ রেহেন:
দাতা নির্দিষ্ট তারিখে রেহেনের টাকা পরিশােধের অঙ্গীকার করে সম্পত্তি গ্রহীতার নিকট হস্তান্তর করবে। শর্ত থাকবে নির্দিষ্ট তারিখে টাকা পরিশােধ করলে গ্রহীতা দাতাকে সম্পত্তি ফিরিয়ে দিবে। এটি হলাে ইংলিশ রেহেন।
(ঙ) দলিল জমা দেওয়ার রেহেন:
ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, চট্টগ্রাম শহরে বা সরকারী গেজেট দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোন শহরে কোন ব্যক্তি যখন মহাজন বা তার প্রতিনিধির উপর জামানত সৃষ্টির জন্য দলিল জমা দেয়া হয় তাকে দলিল জমা দেওয়ার রেহেন বলে।
(চ) সংজ্ঞাহীন রেহেন:
যে রেহেন উপরােক্ত কোন রেহেনের অন্তর্ভুক্ত হয় না তাকে সংজ্ঞাহীন রেহেন বলে।

৯,০১৬.
নিচের কে ঘোষণামূলক মামলা করতে পারেন?
  1. আইনসম্মত বৈশিষ্ট্যের অধিকারী ব্যক্তি
  2. কোন সম্পত্তিতে অধিকার আছে এমন ব্যক্তি
  3. মৌলিক অধিকার বলবৎ করতে অধিকারী ব্যক্তি
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
 
⇒ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।
⇒ ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।
 
⇒ অর্থাৎ কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা কোন সম্পত্তিতে তার অধিকার যখন অন্য ব্যক্তি কর্তৃক অস্বীকার করা হয়, তখন আইনানুগ পরিচয়ের অধিকারী ব্যক্তি বা সম্পত্তিতে অধিকারী ব্যক্তি আদালতের নিকট তার আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে তার যে অধিকার আছে এই মর্মে ঘোষণা চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
⇒ এখানে আইনানুগ পরিচয় বলতে আইনসম্মত বৈশিষ্ট্যের অধিকারী ব্যক্তিকে বোঝায়।
 
⇒ ঘোষণামূলক ডিক্রির প্রকৃতি:-
i) ঘোষণামূলক ডিক্রি দ্বারা নতুন কোন অধিকার সৃষ্টি হয় না বরং বাদীর বিদ্যমান অধিকারকে ঘোষণা করে মাত্র। সুতরাং মামলা করার সময় বাদীর অধিকার বিদ্যমান থাকতে হবে, ভবিষ্যতে কোন অধিকার অর্জন হবে তার জন্য ঘোষণামূলক মামলা করা যায় না।
ii) ঘোষণামূলক মামলায় আদালত বিরোধীয় বস্তুতে আইনগত পরিচয় ও স্বত্বের ঘোষণা করে মাত্র, কিন্তু এই ডিক্রির দ্বারা কোন পক্ষকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে আদেশ দেয় না।ঃ
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করা আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা।
 
⇒ ৪২ ধারার অধীন ঘোষণামূলক ডিক্রি লাভের আবশ্যকীয় শর্তাবলি-
i) বাদী কোন আইনগত পরিচয় অথবা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী হবে;
ii) বাদীর আইনগত পরিচয় (legal character) আইনের দ্বারা সৃষ্ট হতে হবে, চুক্তি দ্বারা সৃষ্ট কোন পরিচয় নয়; এবং
iii) বিবাদী কর্তৃক বাদীর আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার বা অস্বীকারের উদ্যোগ গ্রহণ।
 
⇒ মোকদ্দমা দায়ের:
১. যে আইনগত পরিচয়ের অধিকারী।
২. সম্পত্তিতে স্বত্বের একচ্ছত্র দখলের অধিকারী যার সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
৩. যার পদ, পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
--------------
⇒ SR Act:- Section-42. Discretion of Court as to declaration of status or right. Bar to such declaration:
-Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:
Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.
Explanation:- A trustee of property is a "person interested to deny" a title adverse to the title of some one who is not in existence, and for whom, if in existence, he would be a trustee.
Illustrations:
(a) A is lawfully in possession of certain land. The inhabitants of a neighboring village claim a right of way across the land. A may sue for a declaration that they are not entitled to the right so claimed.
৯,০১৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির ____________ অনুসারে অপ্রাসঙ্গিক কিংবা অগ্রহণযোগ্য দলিল অগ্রাহ্যের কারণ রেকর্ডপূর্বক অগ্রাহ্য করতে পারে।
  1. আদেশ-৯ বিধি-২
  2. আদেশ-১৩ বিধি-৩
  3. আদেশ-১১ বিধি-৭
  4. আদেশ-১৩ বিধি-৯
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১৩ বিধি-৩: অপ্রাসঙ্গিক কিংবা অগ্রহণযোগ্য দলিলাদি অগ্রাহ্য:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে আদালত যদি মনে করে যে, কোন একটি দলিল অপ্রাসঙ্গিক কিংবা অন্যভাবে অগ্রহণযোগ্য, তবে অগ্রাহ্যের হেতু রেকর্ডপূর্বক আদালত উক্ত দলিল অগ্রাহ্য করতে পারবে।
------------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-13 Rule-3: Rejection of irrelevant or in admissible documents:
The Court may at any stage of the suit reject any document which it considers irrelevant or otherwise inadmissible, recording the grounds of such rejection.
৯,০১৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারাসমূহ কে সংশোধন করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র সুপ্রীম কোর্ট
  2. শুধুমাত্র জাতীয় সংসদ
  3. শুধুমাত্র নির্বাহী বিভাগ
  4. সংসদ এবং সুপ্রীম কোর্ট উভয়
ব্যাখ্যা
ধারা, আদেশ এবং বিধিসমূহ সংশোধন করার ক্ষমতা:
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারাসমূহ শুধুমাত্র জাতীয় সংসদ সংশোধন করতে পারে। প্রথম তফসিলে উল্লেখিত আদেশ এবং বিধিসমূহ সংসদ এবং সুপ্রীম কোর্ট উভয় সংশোধন করতে পারে। বাংলাদেশ সংবিধানের ৬৫ (১) অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদ সকল আইন প্রণয়ন ও সংশোধনের ক্ষমতা রাখে।

অন্যদিকে দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১২২ ধারা অনুসারে, সুপ্রীম কোর্ট দেওয়ানী কার্যবিধির বিধি প্রণয়নসহ বিধিসমূহ বাতিল, পরিবর্তন বা সংযোজন করতে পারে। ১২২ ধারায় সুপ্রীম কোর্টকে দেওয়ানী কার্যবিধির বিধি প্রণয়ন ও সংশোধন করার ক্ষমতা দেওয়া হলেও, সংবিধানে জাতীয় সংসদকে আইন প্রণয়ন ও সংশোধন করার যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে সেটাকে খর্ব করা হয়নি। কারণ সংবিধান হলো সর্বোচ্চ আইন।
৯,০১৯.
হিন্দু উত্তরাধিকার আইনে কোন পদ্ধতি বাংলাদেশে প্রযোজ্য?
  1. মিতাক্ষরা পদ্ধতি
  2. দায়ভাগ পদ্ধতি
  3. উত্তরাধিকার পদ্ধতি
  4. সম্পত্তি বণ্টন পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশে হিন্দু উত্তরাধিকার আইন মূলত দায়ভাগ পদ্ধতি (Dayabhaga System) অনুসারে পরিচালিত হয়।
- হিন্দু উত্তরাধিকার আইনে দুইটি প্রধান পদ্ধতি প্রচলিত রয়েছে:
১) দায়ভাগ পদ্ধতি (Dayabhaga System)
২) মিতাক্ষরা পদ্ধতি (Mitakshara System)

- প্রচলন: দায়ভাগ পদ্ধতি বাংলাদেশ, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে অনুসৃত হয়।
- উত্তরাধিকার নীতি: এই পদ্ধতিতে যে ব্যক্তি পিন্ডদান (শেষকৃত্য করার অধিকার) করতে পারেন, তিনিই উত্তরাধিকারী হন।
- বৈধব্য অধিকার: ১৯৩৭ সালের হিন্দু নারীর অধিকার আইন অনুযায়ী, বিধবারা উত্তরাধিকার পেতে শুরু করেন।
- পুত্র ও স্ত্রী উভয়ের অংশ: দায়ভাগ মতে, পুত্র পিতার সম্পত্তির প্রধান উত্তরাধিকারী হলেও বিধবা স্ত্রী এক পুত্রের সমান অংশ পান।
৯,০২০.
নিম্নলিখিত কোনটি সাক্ষ্য আইনের অধীনে ‘ডিজিটাল রেকর্ড’ হিসেবে গণ্য হয়?
  1. মৌখিক সাক্ষ্য
  2. সিসিটিভি রেকর্ড
  3. কার্টুন বা ব্যঙ্গচিত্র
  4. কাগজে লেখা চুক্তিপত্র
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৩ (ডিজিটাল রেকর্ডের ব্যাখ্যা) অনুযায়ী, ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রনিক রেকর্ড এমন কোনো রেকর্ড, তথ্য বা ডেটা যা ম্যাগনেটিক বা ইলেকট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম, ভিডিও রেকর্ড, সিসিটিভি রেকর্ড ইত্যাদির মাধ্যমে সংরক্ষিত বা ট্রান্সফার করা হয়।
-  সিসিটিভি রেকর্ড ডিজিটাল রেকর্ডের অন্তর্ভুক্ত, কারণ এটি ভিডিও ডেটা যা ডিজিটাল ফর্মে সংরক্ষিত বা রেকর্ড করা হয়। এটি প্রমাণ হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করা যেতে পারে।
৯,০২১.
দেওয়ানি আদালতের সিদ্ধান্তের বিষয়ে রিভিশন মামলা দায়েরের প্রধান কারণ কি?
  1. আইনগত ভুল
  2. সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভুল
  3. ঘটনাগত ভুল
  4. আইনগত ভুল ও ন্যায়বিচারের বিঘ্ন ঘটা
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী বিধান হলো রিভিশন । রিভিশন বলতে বুঝায় উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের কোন মামলার সিদ্ধান্ত সঠিক করার জন্য সংশোধন করা। রিভিশন করতে হয় উচ্চ আদালতে।
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারার বিধান অনুযায়ী কেবলমাত্র ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুদ্ধ যে কোন পক্ষ রিভিশন দায়ের করতে পারে। সাধারণত রিভিশন এখতিয়ারে আদালত ঘটনার প্রশ্ন (question of fact) বিবেচনা করে না। যেক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আইনগত প্রশ্নে (question of law) ভুল ও ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটে, সেক্ষেত্রে আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। অর্থাৎ শুধুমাত্র আইনগত ভুলের কারণে ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটলেই আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করে। রিভিশন হল সম্পূর্ণ বিবেচনামূলক প্রতিকার এবং রিভিশনকে অধিকার হিসাবে দাবী করা যায় না । আপিলের ন্যায় রিভিশন বিচারকার্যের চলমান অবস্থা নয়।
♦ ১১৫ ধারা অনুযায়ী ২ ধরনের আদালতের রিভিশন এখতিয়ার আছে। 
১) জেলা জজ ও ২)হাইকোর্ট বিভাগ
৯,০২২.
সাইবার অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট উপকরণ বা বস্তু বাজেয়াপ্তযোগ্য হবে-
  1. তদন্তকারী অফিসারের লিখিত রিপোর্টের ভিত্তিতে
  2. ভুক্তভোগীর আবেদনক্রমে
  3. ট্রাইব্যুনালের আদেশানুসারে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
সাইবার নিরাপত্তা আইন,২০২৩

ধারা ৫৩- বাজেয়াপ্তি

(১) এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটিত হইলে, যে কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক, টেপ-ড্রাইভ বা অন্য কোনো আনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণ বা বস্তু সম্পর্কে বা সহযোগে উক্ত অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে সেইগুলি ট্রাইব্যুনালের আদেশানুসারে বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি ট্রাইব্যুনাল এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, যে ব্যক্তির দখল বা নিয়ন্ত্রণে উক্ত কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক বা অন্য কোনো আনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণ পাওয়া গিয়াছে তিনি উক্ত উপকরণ সংশ্লিষ্ট অপরাধ সংঘটনের জন্য দায়ী নহেন, তাহা হইলে উক্ত কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক, টেপ ড্রাইভ বা অন্য কোনো আনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণ বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে না।

(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন বাজেয়াপ্তযোগ্য কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক, টেপ ড্রাইভ বা অন্য কোনো আনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণের সহিত যদি কোনো বৈধ কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক, টেপ ড্রাইভ বা অন্য কোনো কম্পিউটার উপকরণ পাওয়া যায়, তাহা হইলে সেইগুলিও বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(৪) এই ধারার অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো অপরাধ সংঘটনের জন্য যদি কোনো সরকারি বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থার কোনো কম্পিউটার বা তৎসংশ্লিষ্ট কোনো উপকরণ বা যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়, তাহা হইলে উহা বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে না।
৯,০২৩.
'Tawazhi' শব্দটি নিম্নের কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ওয়াকফ
  2. হিবা
  3. এওয়াজ
  4. ওয়াসিয়ত
ব্যাখ্যা
- তাওয়াজির অর্থ হলো মাতা এবং তার সকল সন্তান এবং নারীকুলের যাবতীয় বংশধর।  নারী সূত্রে বংশধারা অনুসরণকারী মা, সন্তান-সন্ততি এবং অধস্তন নারী বংশধরদের নিয়ে যে পরিবার গঠিত হয় তা তাওয়াযী (Tawazhi) নামে পরিচিত।

- যেখানে মারুমাক্কাতিয়াম আইনের অনুসারী কোন মুসলমান তার স্ত্রী ও তাওয়াজি গঠনকারী সকল ছেলেমেয়েকে কোন সম্পত্তি দান করেছে এবং কিভাবে উক্ত সম্পত্তি দখল করতে হবে মর্মে কোন সুস্পষ্ট মনোভাব প্রকাশ করেনি, সেক্ষেত্রে হেবাটি একটি তাওয়াজিকে প্রদত্ত হেবা বা দান হিসাবে বিবেচনা করা হবে।

- দানগ্রহীতারা সম্পত্তিটি একটি সাধারণ তরওয়াদ বা তাওয়াজি সম্পত্তির আনুসঙ্গিক বিষয়সাপেক্ষে গ্রহণ করবে। তবে দানটি যদি হয় শুধু তার স্ত্রী এবং সন্তান-সন্ততিদের প্রতি, স্ত্রীর পূর্বের স্বামীর সন্তান-সন্ততিদেরকে বঞ্চিত করে, দানটি তাওয়াজির দান বলে গণ্য হয় না।
৯,০২৪.
মৃত্যুর কারণ সংবলিত মৃত্যুকালীন ঘোষনা সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় প্রাসঙ্গিক?
  1. ৩২(১) ধারায়
  2. ৩২(২) ধারায়
  3. ৩২(৩) ধারায়
  4. ৩২(৪) ধারায়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী-
কোনো ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-

ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষনা (dying declaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);

iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);

v) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);

vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).
৯,০২৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারামতে কোন ধরনের আংশিক চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনযোগ্য?
  1. চুক্তির অসম্পাদিত অংশ বড় হলে
  2. চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে
  3. চুক্তির অসম্পাদিত অংশ স্বাতন্ত্র্য হলে
  4. চুক্তির সম্পাদিত অংশ ছোট হলে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারামতে-
কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত ঐ চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ এবং বাকী অসম্পাদিত অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারে।

১৪ ধারার বিধান:
কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।

Section 14: Specific performance of part of contract where part unperformed is small:
Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, but the part which must be left unperformed bears only a small proportion to the whole in value, and admits of compensation in money, the Court may, at the suit of either party, direct the specific performance of so much of the contract as can be performed, and award compensation in money for the deficiency.
৯,০২৬.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২ এর ৪৬ বিধি অনুসারে, সচিব অভিযোগকারী এবং অ্যাটর্নি জেনারেলকে জবাবের কপি কত দিন আগে সরবরাহ করবেন?
  1. শুনানীর ১ দিন আগে
  2. শুনানীর ২ দিন আগে
  3. শুনানীর ৫ দিন আগে
  4. শুনানীর ৭ দিন আগে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২ এর ৪৬ বিধি অনুসারে, অভিযোগকারী এবং অ্যাটর্নি জেনারেলকে অভিযুক্তের জবাবের কপি শুনানীর কমপক্ষে ২ দিন পূর্বে সরবরাহ করতে হবে।

বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর ৪৬ বিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে অভিযুক্ত অ্যাডভোকেট তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের জবাব দিতে পারবেন এবং উহার ২ কপি শুনানীর সময়ের কমপক্ষে ৭ দিন পূর্বে বার কাউন্সিলের সচিব বরাবর দাখিল করবেন। সচিব শুনানীর কমপক্ষে দুই দিন পূর্বে তা অভিযোগকারী এবং অ্যাটর্নি জেনারেলকে সরবরাহ করবেন।
-------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council Rules, 1972. Rule- 46: The advocate concerned shall be entitled to file a reply to the allegations against him whether or not he has already filed a reply before the Bar Council.
-He shall deliver such reply along with two copies to the Secretary at least seven days before the date of hearing fixed by the Tribunal and the Secretary shall deliver the copies to the Attorney General and the complainant at least two days before such d hearing.
৯,০২৭.
ধারা ১৯৬ অনুযায়ী, কোন ধরনের অপরাধের জন্য সরকার বা অনুমোদিত কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুযায়ী অভিযোগ আমলে নেওয়া যায়?
  1. দ্বিগামিতা
  2. রাষ্ট্রদ্রোহিতা
  3. ব্যভিচার
  4. হত্যা মামলা
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৫ থেকে ১৯৯ ধারায় অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যতিক্রম আলোচনা করা হয়েছে।

• ১৯৬ ধারা অনুযায়ী- রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপরাধসমূহ যেমন রাষ্ট্রদ্রোহিতা, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা, বা দণ্ডবিধির ১০৮ক, ১৫৩ক, ২৯৪ক, ২৯৫ক বা ৫০৫ ধারার অপরাধসমূহ সরকার বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তৈরীকৃত অভিযোগ অনুযায়ী আমলে নিতে পারে।

• ১৯৭ ধারা অনুযায়ী- বিচারক এবং সরকারী কর্মকর্তার বিচার সরকারের অনুমতি ছাড়া অভিযোগ আমলে নেয়া যাবেনা।

• ১৯৮ ধারা অনুযায়ী- দণ্ডবিধির ৪৯৩ থেকে ৪৯৬ পর্যন্ত বিবাহ সম্পর্কিত অপরাধ, যেমন মুসলিম নারী কর্তৃক বিবাহ বলবৎ থাকাবস্থায় পুনরায় বিবাহ করা বা দ্বিগামিতা [bigamy] শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নেয়া যাবে।

• ১৯৯ ধারা অনুযায়ী- দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারার অধীন ব্যভিচার [Adultery] বা ৪৯৮ ধারায় অপরাধজনক উদ্দেশ্যে বিবাহিত নারীকে প্ররোচিত করে নিয়ে যাওয়া অপরাধের ক্ষেত্রে বিবাহিত নারীর স্বামী কর্তৃক বা স্বামীর অনুপস্থিতিতে উক্ত অপরাধ সংঘটনের সময় যে সকল লোকজন উক্ত মহিলাকে দেখাশোনা করতো, তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে আমলে নেয়া যাবে।

৯,০২৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারা অনুসারে কত বছরের বেশি সময়ব্যাপী চলমান চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য নয়?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা

​⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২১(ছ) অনুযায়ী "যে চুক্তির কার্যকারিতা ৩ (তিন) বছরের অধিক সময় ধরে চলমান থাকে, তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।"
- ​অর্থাৎ, যদি কোনো চুক্তি অনুযায়ী দায়িত্ব পালনের বিষয়টি চুক্তির তারিখ থেকে তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে চলমান থাকে, তাহলে সাধারণভাবে সেই চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যাবে না।

​⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানি কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে অথবা;
৮) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে।
------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 21 Contracts not specifically enforceable:
The following contracts cannot be specifically enforced:–
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief;
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms;
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty;
(d) a contract which is in its nature revocable;
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust;
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers;
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date;
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist.
And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.

৯,০২৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৩ ধারার বিধান কী?
  1. APPEALS
  2. REVIEW
  3. REVISION
  4. REFERENCE
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৩ ধারায় রেফারেন্সের (Reference) বিধান রয়েছে। ১১৩ ধারার বিধান অনুযায়ী যে কোন আদালত কোন মামলা হাইকোর্ট বিভাগের অভিমত গ্রহণের জন্য প্রেরণ করতে পারেন এবং হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মামলা সম্পর্কে উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারবেন।
----------------------------
⇒ CPC section 113. Reference of High Court Division:
- Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, any Court may state a case and refer the same for the opinion of the High Court Division, and the High Court Division may make such order thereon as it thinks fit.
৯,০৩০.
সরকারি কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকির শাস্তির বিধান দণ্ডবিধির কত ধারায় আছে?
  1. ১৮২ ধারায়
  2. ১৮৭ ধারায়
  3. ১৮৯ ধারায়
  4. ১৯০ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারার বিধান সরকারি কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি:- কোন সরকারি কর্মচারী হিসেবে তার সরকারি কর্তব্য সম্পাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন কাজ করতে প্রবৃত্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন কাজ করা হতে বিরত হওয়ার বা করতে বিলম্ব করার জন্য বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, কোন ব্যক্তি যদি উক্ত সরকারি কর্মচারীকে অথবা অন্য যে কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত সরকারি কর্মচারীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট, সে অন্য ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------------------
- Section 189. Threat of injury to public servant:- Whoever holds out any threat of injury to any public servant, or to any person in whom he believes that public servant to be interested, for the purpose of inducing that public servant to do any act, or to forbear or delay to do any act, connected with the exercise of the public functions of such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৯,০৩১.
একটি হত্যার মামলায় ‘E’ এবং ‘F’ অভিযুক্ত। ‘F’ দুষ্কর্মের সহযোগী হিসেবে সাক্ষ্য দেয় যে ‘E’ হত্যার পরিকল্পনা করেছিল। ‘F’-এর সাক্ষ্যের সমর্থনে অন্য কোনো প্রমাণ নেই। সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে ‘F’-এর সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য এবং এর ভিত্তিতে সাজা বেআইনি হবে না?
  1. ধারা ১১৫
  2. ধারা ১৩০
  3. ধারা ১৩২
  4. ধারা ১৩৩
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৩৩ অনুসারে, দুষ্কর্মের সহযোগী (accomplice) একজন আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য উপযুক্ত সাক্ষী হিসেবে গণ্য। তার অসমর্থিত (uncorroborated) সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেওয়া হলেও কেবল এই কারণে সাজা বেআইনি হবে না। এখানে ‘F’ দুষ্কর্মের সহযোগী হিসেবে ‘E’-এর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছে, এবং তার সাক্ষ্যের সমর্থনে অন্য কোনো প্রমাণ না থাকলেও ধারা ১৩৩-এর অধীনে এটি গ্রহণযোগ্য এবং এর ভিত্তিতে সাজা বৈধ।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান দুষ্কর্মে সহযোগী: দুষ্কর্মের সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলিয়া গণ্য হইবেন। দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আসামিকে সাজা দেওয়া হইলে কেবল সেই কারণেই উক্ত সাজা বেআইনি হইবে না।

⇒ ১৩৩ ধারা অনুযায়ী একজন দুষ্কর্মের সহযোগী অন্যান্য সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্য এবং এর উপর ভিত্তি করে শাস্তি দেওয়া হলে বেআইনি হবে না।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section-133. Accomplice: An accomplice shall be a competent witness against an accused person, and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.

৯,০৩২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৯ ধারা অনুসারে, সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হলে বাদীর কোন অধিকার বাধাগ্রস্ত হয়?
  1. চুক্তির পুনরায় স্বীকৃতির অধিকার
  2. চুক্তির পরিবর্তনের অধিকার
  3. চুক্তির ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবির অধিকার
  4. কোনো অধিকারই বাধাগ্রস্ত হয় না
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৯ স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে যে, যদি একটি চুক্তি বা তার অংশবিশেষের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে যায়, তাহলে বাদী ওই একই চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে আলাদা কোনো মামলা দায়ের করতে পারবে না।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৯ ধারার সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ করার ফলাফল বা 'The effect of dismissing a Suit for Specific Performance' এর বিধান আছে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ২৯ অনুসারে, একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section-29. Bar of suit for breach after dismissal:
-The dismissal of a suit for specific performance of a contract or part thereof shall bar the plaintiff's right to sue for compensation for the breach of such contract or part, as the case may be.

৯,০৩৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 অনুসারে বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধ এর তদন্ত ও বিচার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে করতে হলে-
  1. সরকারের পূর্বানুমোদন (prior sanction) লাগবে।
  2. বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের অনুমতি লাগবে।
  3. তদন্ত বা বিচারের যেকোনো পর্যায়ে অনুমোদন নেওয়া যাবে।
  4. কোনো পূর্বানুমোদন লাগবে না।
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা-১৮৮ এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের তদন্ত বাংলাদেশে শুরু করার জন্য সরকারের পূর্বানুমোদন (prior sanction) আবশ্যক। ধারাটি বাংলাদেশের নাগরিক কর্তৃক বিদেশে সংঘটিত অপরাধ বা বাংলাদেশে নিবন্ধিত জাহাজ/বিমানে সংঘটিত অপরাধের বিচার বাংলাদেশে করার বিধান দেয়।
পূর্বানুমোদনের বাধ্যবাধকতা: তবে, এই বিধানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্তটি হলো প্রথম শর্তসাপেক্ষে (First Proviso) অংশে। এতে উল্লেখ আছে: "এই অধ্যায়ের পূর্ববর্তী কোনো ধারায় কিছু থাকা সত্ত্বেও, সরকারের অনুমোদন (sanction) ব্যতীত বাংলাদেশে এই ধরনের কোনো অভিযোগ তদন্ত করা যাবে না।"
অনুমোদনের সময়: এই অনুমোদন তদন্ত শুরুর পূর্বেই নিতে হবে। তদন্ত বা বিচারের যেকোনো পর্যায়ে এটি নেওয়ার কোনো বিধান নেই।

অর্থাৎ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৮৮ অনুযায়ী, বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের তদন্ত বাংলাদেশে শুরু করতে অবশ্যই সরকারের পূর্বানুমোদন (prior sanction) প্রয়োজন।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা-১৮৮: বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের জন্য দায়বদ্ধতা:
যখন বাংলাদেশের কোনো নাগরিক বাংলাদেশের সীমা ব্যতীত বা বাইরে কোনো স্থানে কোনো অপরাধ করে, অথবা
যখন কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোনো জাহাজ বা বিমানে, সেটি যেখানেই থাকুক না কেন, কোনো অপরাধ করে,
তখন সেই অপরাধের জন্য তার সাথে এমনভাবে আচরণ করা যেতে পারে যেন অপরাধটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এমন কোনো স্থানে সংঘটিত হয়েছে যেখানে তাকে পাওয়া যেতে পারে:
অভিযোগ তদন্তের উপযুক্ততা প্রত্যয়নের জন্য রাজনৈতিক এজেন্টগণ:
তবে শর্ত থাকে যে, এই অধ্যায়ের পূর্ববর্তী কোনো ধারায় কিছু থাকা সত্ত্বেও, সরকারের অনুমোদন (sanction) ব্যতীত বাংলাদেশে এই ধরনের কোনো অভিযোগ তদন্ত করা যাবে না:
আরও শর্ত থাকে যে, এই ধারার অধীনে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে গৃহীত কোনো কার্যক্রম, যা বাংলাদেশে সংঘটিত হলে একই অপরাধের জন্য পরবর্তী কার্যক্রমের ক্ষেত্রে বাধা হতো, তা বাংলাদেশের সীমার বাইরের কোনো অঞ্চলে একই অপরাধের জন্য ১৯৭৪ সালের প্রত্যর্পণ আইন (Extradition Act, 1974) এর অধীনে তার বিরুদ্ধে আরও কার্যক্রমের ক্ষেত্রে বাধা হবে।

⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-188. Liability for offences committed outside Bangladesh:
When a citizen of Bangladesh commits an offence at any place without and beyond the limits of Bangladesh, or 
When any person commits an offence on any ship or aircraft registered in Bangladesh wherever it may be, 
he may be dealt with in respect of such offence as if it had been committed at any place within Bangladesh at which he may be found:
Political Agents to certify fitness of inquiry into charge
Provided that notwithstanding anything in any of the preceding sections of this Chapter no charge as to any such offence shall be inquired into in Bangladesh except with the sanction of the Government: 
Provided, also, that any proceedings taken against any person under this section which would be a bar to subsequent proceedings against such person for the same offence if such offence had been committed in Bangladesh shall be a bar to further proceedings against him under the Extradition Act, 1974, in respect of the same offence in any territory beyond the limits of Bangladesh.

৯,০৩৪.
"Amicus Curiae" বলতে কী বোঝানো হয়?
  1. অভিযুক্ত ব্যক্তি
  2. আদালতের শত্রু
  3. আদালতের নথি
  4. আদালতের বন্ধু
ব্যাখ্যা

⇒ "Amicus Curiae" একটি ল্যাটিন আইনি Maxim, যার অর্থ "আদালতের বন্ধু" (Friend of the Court)। এটি এমন একজন ব্যক্তি বা সংস্থাকে বোঝায় যিনি কোনো মামলার সাথে সরাসরি সংশ্লিষ্ট না হয়েও আদালতের অনুরোধে বা স্বেচ্ছায় মামলার বিষয়ে নিরপেক্ষভাবে পরামর্শ, তথ্য, বা আইনি বিশ্লেষণ প্রদান করেন। এই সহায়তা সাধারণত জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট মামলায় বা জটিল আইনি প্রশ্নে আদালতের সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়ক হয়।
অর্থাৎ "Amicus Curiae" বলতে আদালতের বন্ধু বোঝানো হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) আদালতের বন্ধু।

৯,০৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী পুলিশী তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া না গেলে দাখিলকৃত রিপোর্টের প্রচলিত নাম-
  1. চার্জ শিট
  2. ডিসচার্জ রিপোর্ট
  3. রিলিজ রিপোর্ট
  4. ফাইনাল রিপোর্ট
ব্যাখ্যা
⇒ পুলিশ রিপোর্ট: পুলিশ অফিসার বা মামলার তদন্তকারী অফিসার মামলার তদন্ত শেষে আদালতের নিকট যে প্রতিবেদন পেশ করে, তাকেই পুলিশ রিপোর্ট বলে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ এ পুলিশ রিপোর্ট সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

-সাধারণত পুলিশ রিপোর্ট ২ প্রকার-
১. Charge Sheet ( অভিযোগ পত্র): প্রাথমিক তদন্ত শেষে সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Charge Sheet বলে এবং ম্যাজিস্ট্রেট এর ভিত্তিতে মামলায় অগ্রসর হন।

২. Final Report (চূড়ান্ত প্রতিবেদন): প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া না গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Final Report বলে এবং এর উপর ভিত্তি করে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি [Discharge] দেন।
৯,০৩৬.
State the correct sequence:
  1. Issue, Trial, Arguments, Pleadings, Decree, Judgement
  2. Pleadings, Trial, Issues, Arguments, Decree, Judgement
  3. Pleadings, Issues, Arguments, Trial Judgement Decree
  4. Pleadings, Issues, Trial, Arguments, Judgement, Decree
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে (Code of Civil Procedure, 1908) মামলা পরিচালনার সঠিক ক্রম হল:
ঘ) Pleadings → Issues → Trial → Arguments → Judgement → Decree.

১. Pleadings (প্লিডিংস):
এটি মামলার প্রাথমিক ধাপ। উভয় পক্ষের দাবি ও জবাব (Plaint এবং Written Statement) এই ধাপে দাখিল করা হয়।

২. Issues (ইস্যু নির্ধারণ):
উভয় পক্ষের দাবি ও প্রতিদাবির ভিত্তিতে আদালত মামলার মূল বিষয়গুলো (ইস্যু) নির্ধারণ করে। এটি পরবর্তী প্রক্রিয়ার ভিত্তি গঠন করে।

৩. Trial (বিচার প্রক্রিয়া):
মামলার মূল বিচার পর্ব শুরু হয়। এখানে উভয় পক্ষ সাক্ষী ও প্রমাণ পেশ করে।

৪. Arguments (যুক্তিতর্ক):
বিচার শেষে উভয় পক্ষ আদালতের সামনে তাদের আইনগত যুক্তি পেশ করে।

৫. Judgement (রায়):
আদালত সমস্ত প্রমাণ এবং যুক্তি বিবেচনা করে মামলার রায় ঘোষণা করে।

৬. Decree (ডিক্রি):
রায়ের ভিত্তিতে আদালত একটি আনুষ্ঠানিক আদেশ (ডিক্রি) জারি করে, যা মামলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।
৯,০৩৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫ ধারা অনুসারে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সুদ সংযুক্ত হয় কোনটির সাথে?
  1. বাদীর মোট ক্ষতিপূরণ
  2. মামলার ফাইলিং ফি
  3. মামলার ব্যয়ের সাথে
  4. বিবাদীর সম্পত্তির মূল্যের সাথে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩৫(৩) অনুসারে, আদালত সর্বোচ্চ ৬% বার্ষিক হার পর্যন্ত সুদ নির্ধারণ করতে পারে এবং এই সুদ মামলার ব্যয়ের সাথে সংযুক্ত হবে।

ধারা ৩৫(৩) এর মূল বক্তব্য:
"The Court may give interest on costs at any rate not exceeding six per cent. per annum, and such interest shall be added to the costs and shall be recoverable as such."
অর্থাৎ, আদালত যদি মামলার ব্যয়ের উপর সুদ নির্ধারণ করে, তবে তা মামলার ব্যয়ের সাথেই সংযুক্ত হয়ে আদায়যোগ্য হবে, অন্য কোনো খাতের সাথে নয়।
৯,০৩৮.
'অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে'- The Penal Code, 1860 এর কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ৬৩ ধারায়
  2. ৬৫ ধারায়
  3. ৬৭ ধারায়
  4. ৭০ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান- অর্থদও ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য: মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:
অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশবলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনতঃ দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।

Section 70- Fine leviable within six years, or during imprisonment Death not to discharge property from liability:
The fine, or any part thereof which remains unpaid, may be levied at any time within six years after the passing of the sentence, and if, under the sentence, the offender be liable to imprisonment for a longer period than six years, then at any time previous to the expiration of that period; and the death of the offender does not discharge from the liability of any property which would, after his death, be legally liable for his debts.
৯,০৩৯.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় বিশারদের অভিমত (Expert Opinion) কে প্রাসঙ্গিক করার কথা বলা হয়েছে?
  1. ৩৪ ধারা
  2. ৩৩ ধারা
  3. ৪৪ ধারা
  4. ৪৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারা অনুযায়ী বিশারদগণের অভিমত বলতে বুঝায় যে সকল ব্যক্তি বিশেষ বিষয়ে পারদর্শী। তাদের অভিমত ৫টি ক্ষেত্রে সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।
যথা-
বিদেশী আইন,বিজ্ঞান, চারুকলা, হস্তলিপি সনাক্ত করণের প্রশ্নে এবং টিপ সহি সনাক্তে ।
৯,০৪০.
ফৌজদারি আপিল আদালত কোন ধারার অধীন অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারা
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২১ ধারা
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৭ ধারা
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৯ ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারার অধীন আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে বা বিচারকারী আদালতকে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য নির্দেশ দিতে পারে।

ধারা ৪২৮- আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে বা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন

(১) এই অধ্যায়ের অধীন কোন আপিল বিবেচনার সময় আপিল আদালত যদি অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ দরকার মর্মে মনে করেন, তাহলে তার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এই সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন, অথবা আপিল আদালত যখন হাইকোর্ট ডিভিশন হয়, তখন কোন দায়রা আদালত বা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন ।

(২) দায়রা আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক যখন অতিরিক্ত সাক্ষ্য গৃহীত হয়, ইহা বা তিনি উক্ত সাক্ষ্য সত্যায়নপূর্বক আপিল আদালতে প্রেরণ করবেন, এবং উক্ত আদালত অতঃপর আপিল নিষ্পত্তির দিকে অগ্রসর হবেন।

(৩) আপিল আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আসামী বা তাহার কৌসুলী উপস্থিত থাকবেন।

(৪) অধ্যায়-২৫ এর বিধান সাপেক্ষে এই ধারার অধীন এমনভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, যেন তা একটি অনুসন্ধান।

Section 428- Appellate Court may take further evidence or direct it to be taken

(1) In dealing with any appeal under this Chapter, the Appellate Court, if it thinks additional evidence to be necessary, shall record its reasons, and may either take such evidence itself, or direct it to be taken by a Magistrate, or, when the Appellate Court is High Court Division, by a Court of Session or a Magistrate. 

(2) When the additional evidence is taken by the Court of Session or the Magistrate, it or he shall certify such evidence to the Appellate Court, and such Court shall thereupon proceed to dispose of the appeal. 

(3) Unless the Appellate Court otherwise directs, the accused or his pleader shall be present when the additional evidence is taken. 

(4) The taking of evidence under this section shall be subject to the provisions of Chapter XXV, as if it were an inquiry.
৯,০৪১.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ২৩-এ কোনটি সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. অসাধুতা (Dishonesty)
  2. অন্যায় লাভ (Wrongful gain) 
  3. অন্যায় ক্ষতি (Wrongful loss)
  4. 'খ' এবং 'গ' উভয়ের
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ২৩–এ “অন্যায় লাভ” (Wrongful gain) এবং “অন্যায় ক্ষতি” (Wrongful loss) সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে:
অন্যায় লাভ (Wrongful gain): এটি হলো অবৈধ উপায়ে এমন সম্পত্তি অর্জন করা, যার উপর অর্জনকারী ব্যক্তির আইনি অধিকার নেই।
অন্যায় ক্ষতি (Wrongful loss): এটি হলো অবৈধ উপায়ে এমন সম্পত্তি থেকে কোনো ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা, যার উপর তার আইনি অধিকার রয়েছে।
সুতরাং, ধারা ২৩–এ উভয় ধারণাই—অন্যায় লাভ ও অন্যায় ক্ষতি—সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হলো: ঘ) 'খ' এবং 'গ' উভয়ের।
-------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-23:
→ “Wrongful gain”
 "Wrongful gain" is gain by unlawful means of property to which the person gaining is not legally entitled.
→ “Wrongful loss”
"Wrongful loss" is the loss by unlawful means of property to which the person losing it is legally entitled.
→ Losing wrongfully.
- A person is said to gain wrongfully when such person retains wrongfully, as well as when such person acquires wrongfully.
- A person is said to loss wrongfully when such person is wrongfully kept out of any property, as well as when such person is wrongfully deprived of property.

৯,০৪২.
সংবিধানের ১৮ অনুচ্ছেদ অনুসারে, গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র __________ গ্রহণ করবে।
  1. শাস্তির ব্যবস্থা
  2. কার্যকর ব্যবস্থা
  3. নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা
  4. অন্যতম ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৮: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা:
 
(১) জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতি সাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলে গণ্য করবে এবং বিশেষত: আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

(২) গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
 
Article 18: Public health and morality:
 
(1) The State shall regard the raising of the level of nutrition and the improvement of public health as among its primary duties, and in particular shall adopt effective measures to prevent the consumption, except for medical purposes or for such other purposes as may be prescribed by law, of alcoholic and other intoxicating drinks and of drugs which are injurious to health. 

(2) The State shall adopt effective measures to prevent prostitution and gambling.
৯,০৪৩.
"যে সকল চুক্তির প্রতিদান বা উদ্দেশ্য বেআইনী সেগুলো বাতিল চুক্তি" চুক্তি আইনের কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. চুক্তি আইনের ২২ ধারায়
  2. চুক্তি আইনের ২৩ ধারায়
  3. চুক্তি আইনের ২৪ ধারায়
  4. চুক্তি আইনের ২৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ২৩ ধারার বিধান: কোন কোন প্রতিদানসমূহ এবং উদ্দেশ্যাবলি আইনানুগ এবং কোন কোনটি আইনানুগ নয়:
কোন সম্মতির প্রতিদান বা উদ্দেশ্য আইনানুগ হয় যদি না তা আইন দ্বারা নিষিদ্ধ করা না হয়; বা তা কোন আইনের বিধানাবলি ব্যর্থ করে; বা তা প্রতারণাপূর্ণ হয়; বা তা অন্য ব্যক্তির বা অন্যের সম্পত্তির জন্য ক্ষতিকর পরিগণিত হয়; বা তা আদালত অযৌক্তিক বা জননীতির পরিপন্থি মনে করেন।
এরূপ প্রতিটি ক্ষেত্রে চুক্তির প্রতিদান বা উদ্দেশ্যকে বেআইনি বলা হয়। যে সকল চুক্তির উদ্দেশ্য বা প্রতিদান বেআইনি সেগুলো বাতিল।
-----------------
• The Contract Act, 1872 Section 23. What considerations and objects are lawful and what not:
The consideration or object of an agreement is lawful, unless- it is forbidden by law; or is of such a nature that, if permitted, it would defeat the provisions of any law; or is fraudulent; or involves or implies injury to the person or property of another; or the Court regards it as immoral, or opposed to public policy.
In each of these cases, the consideration or object of an agreement is said to be unlawful. Every agreement of which the object or consideration is unlawful is void.
৯,০৪৪.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় নিচের কোনটি রায়ের পূর্বে ক্রোক করা যায় না?
  1. জমি
  2. জমির ফসল
  3. ব্যাংকের টাকা
  4. কোম্পানীর শেয়ার
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৮ নং আদেশের এর ১২ বিধিতে বলা হয়েছে, আদালত কৃষি পণ্য আটকের আদেশ দিতে পারে না যদি উক্ত কৃষি পণ্য কৃষকের দখলে থাকে।
- দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ৩৮ বিধি-১২: কৃষিজ দ্রব্য রায়ের পূর্বে ক্রোকযোগ্য নয়:
এই আদেশের কোন বিধানই বাদিকে কৃষকের দখলে থাকা কোন কৃষিজ দ্রব্য ক্রোকের জন্য আবেদন করার ক্ষমতা প্রদান করবে বলে বা আদালতকে ক্রোক বা অনুরূপ কৃষিজ দ্রব্য ক্রোকের জন্য হাজির করার আদেশ দানের ক্ষমতা প্রদান করবে বলে গণ্য করা যাবে না।
অর্থাৎ জমির ফসল রায়ের পূর্বে ক্রোক করা যায় না।
------------------
⇒ CPC Order-38 Rule-12.Agricultural produce not attachable before judgment: 
Nothing in this Order shall be deemed to authorise the plaintiff to apply for the attachment of any agricultural produce in the possession of an agriculturist, or to empower the Court to order the attachment or production of such produce.
৯,০৪৫.
দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (ADR) কোন দুটি পদ্ধতি বর্ণিত আছে?
  1. মধ্যস্থতা ও সালিশ
  2. সালিশ ও আপোস
  3. মধ্যস্থতা ও আপোস
  4. সালিশ ও দরখাস্ত
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের দেওয়ানি কার্যবিধি (Code of Civil Procedure, 1908)-এর ২০০৩ সালের সংশোধনী (Act No. XXXVI of 2003) এবং পরবর্তী সংশোধনীগুলির মাধ্যমে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (Alternative Dispute Resolution - ADR) বিধান সংযোজিত হয়েছে। এতে স্পষ্টভাবে দুটি পদ্ধতি বর্ণিত রয়েছে:
- ধারা ৮৯ক (Section 89A): মধ্যস্থতা (Mediation) – এখানে কোর্ট মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে পক্ষগুলির মধ্যে সমঝোতা সাধনের বাধ্যতামূলক প্রক্রিয়া বর্ণিত। এটি ২০১২ সালের সংশোধনীতে (Act No. X of 2012) বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
- ধারা ৮৯খ (Section 89B): সালিশ (Arbitration) – এতে সালিশী (Arbitration) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা আছে, যা পক্ষগুলির সম্মতিতে সালিশকারী নিয়োগ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এই দুটি পদ্ধতি সিভিল মামলায় দ্রুত এবং কম খরচে নিষ্পত্তির জন্য ডিজাইন করা, তবে আর্থা ঋণ আদালত আইন, ২০০৩-এর মামলায় এগুলি প্রযোজ্য নয়।

৯,০৪৬.
একটি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায়, যখন-
  1. চুক্তির প্রকৃতিগতভাবেই প্রত্যাহারযোগ্য
  2. ইহার আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয়
  3. ইহার আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয় না
  4. চুক্তিটি সম্পাদনের পূর্বেই, চুক্তির বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশের অস্তিত্ব বিলীন হয়
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা মতে নিম্নলিখিত ৪টি ক্ষেত্রে কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়। যথা-

ক) চুক্তিটি অছি বা জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হলে।

খ) চুক্তিভঙ্গের ফলে সৃষ্ট ক্ষতি নির্ণয়ের মানদন্ড না থাকলে।

গ) চুক্তিভঙ্গের ফলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ অপর্যাপ্ত হলে।

ঘ) চুক্তিভঙ্গের ফলে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভবনা না থাকলে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়।

অর্থাৎ একটি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায়, যখন ইহার আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয় না।
৯,০৪৭.
মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত আসামির বিষয়ে হাইকোর্ট আরো অধিকতর তদন্ত বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী?
  1. ধারা ৩৭৫
  2. ধারা ৩৭৮
  3. ধারা ৩৮৫
  4. ধারা ৩৮৮
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৩৭৫- অধিকতর অনুসন্ধান ও অতিরিক্ত সাক্ষ্য নেয়ার ক্ষমতা
হাইকোর্টে কার্যক্রম পেশ হওয়ার পর হাইকোর্ট বিভাগ যদি মনে করেন যে, দণ্ডিত ব্যক্তির দোষ বা নির্দোষিতা সম্পর্কিত বিষয় সম্বন্ধে আরও অনুসন্ধান করা বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করা উচিত তাহলে নিজে অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারেন, অথবা দায়রা আদালত কর্তৃক অনুসন্ধানের বা সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারেন।

হাইকোর্ট বিভাগ ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে উক্ত অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণকালে দণ্ডিত ব্যক্তির উপস্থিতি মওকুফ করা যাবে।

Section 375: Power to direct further inquiry to be made or additional evidence to be taken
(1) If when such proceedings, are submitted the High Court Division thinks that a further inquiry should be made into, or additional evidence taken upon, any point bearing upon the guilt or innocence of the convicted person, it may make such inquiry or take such evidence itself, or direct it to be made or taken by the Court of Session. 

(2) Unless the High Court Division otherwise directs, the presence of the convicted person may be dispensed with when such inquiry is made or such evidence is taken.

(3) When the inquiry and the evidence (if any) are not made and taken by the High Court Division, the result of such inquiry and the evidence shall be certified to such Court.
৯,০৪৮.
স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারার জন্য গঠিত কমিশন অনূর্ধ্ব কত দিনের মধ্যে আদালতে রিপোর্ট জমা দিতে হবে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি-১৩ এর বিধান স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারার জন্য কমিশন (Commissions to make partition of immovable property): যে ক্ষেত্রে বাটোয়ারার জন্য প্রাথমিক ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিষয়টি ৫৪ ধারার আওতাভুক্ত না হলে, আদালত বাটোয়ারা বা পৃথকীকরণের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে পারবেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি-১৪ এর বিধান কমিশনের কার্যপদ্ধতি:
১) কমিশনার প্রয়োজন হতে পারে এরূপ তদন্ত অনুষ্ঠানের পর, যে আদেশের অধীনে কমিশন প্রেরিত হয়েছিল সে আদেশে নির্দেশিত অংশ অনুপাতে সম্পত্তিটি ভাগ করবেন এবং উক্ত অংশগুলো পক্ষগণের মধ্যে বণ্টন করবে এবং যদি উপরোক্ত আদেশ দ্বারা ক্ষমতাবান হয়ে থাকে তবে বিভিন্ন অংশের মূল্য সমান করার জন্য যে টাকা পরিশোধ করতে হবে তা বিনিময় করতে পারে।

২) কমিশনার অতঃপর একটি প্রতিবেদন প্রণয়ন এবং অনুস্বাক্ষর করবে কিংবা কমিশনারগণ (একাধিক ব্যক্তির নিকট কমিশন প্রেরিত হয়ে থাকলে এবং তারা একমত হতে না পারলে) প্রত্যেক পক্ষের অংশ নির্দেশ করে এবং (যদি উক্ত আদেশ দ্বারা নির্দেশিত হয়ে থাকলে) প্রত্যেক অংশের পরিমাণ ও চৌহদ্দি আলাদাপূর্বক পৃথক প্রতিবেদন সমূহ প্রণয়ন এবং অনুস্বাক্ষর করবে। অনুরূপ প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ কমিশনের সঙ্গে সংযুক্ত রে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনূর্ধ্ব তিন মাস সময়ের মধ্যে আদালতে প্রেরীত হবে; এবং উক্ত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদন সম্পর্কে কোন পক্ষ কোন আপত্তি উত্থাপন করলে তা শুনানির পরে আদালত তা বহাল, পরিবর্তন বা রদ করতে পারে তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কমিশনারের আবেদনক্রমে এবং পর্যাপ্ত কারণ দর্শানো হলে সময় বৃদ্ধি করতে পারে।

৩) যেক্ষেত্রে আদালত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ বহাল বা পরিবর্তন করেন সেক্ষেত্রে বহাল বা পরিবর্তিত প্রতিবেদন মোতাবেক আদালত একটি ডিক্রি দিবে, কিন্তু আদালত যদি কমিশনের প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ বাতিল করেন তবে আদালত নতুন কমিশন পাঠাবে কিংবা উপযুক্ত অন্য কোন আদেশ প্রদান করবে।
------------------------------------
⇒ CPC Order-26 Rule-14.Procedure of Commissioner:
(1) The Commissioner shall, after such inquiry as may be necessary, divide the property into as many shares as may be directed by the order under which the commission was issued, and shall allot such shares to the parties, and may, if authorized thereto by the said order, award sums to be paid for the purpose of equalizing the value of the shares.
(2) The Commissioner shall then prepare and sign a report or the Commissioners (where the commission was issued to more than one person and they cannot agree) shall prepare and sign separate reports appointing the share of each party and distinguishing each share (if so directed by the said order) by metes and bounds. Such report or reports shall be annexed to the commission and transmitted to the Court within such time not exceeding three months as may be fixed by the Court; and the Court, after hearing any objections which the parties may make to the report or reports, shall confirm, vary or set aside the same:

Provided that the Court may, on the prayer of the Commissioner and on sufficient cause being shown, extend the time.

(3) Where the Court confirms or varies the report or reports it shall pass a decree in accordance with the same as confirmed or varied; but where the Court sets aside the report or reports it shall either issue a new commission or make such other order as it shall think fit.
৯,০৪৯.
যদি বিবাদী আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ে লিখিত বর্ণনা দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে মামলাটি -
  1. খারিজ হবে
  2. একতরফা নিষ্পত্তি হবে
  3. ডিক্রি হবে
  4. দোতরফা নিষ্পত্তি হবে
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ ৮ বিধি-১ এর বিধান লিখিত জবাব (Written statement): সমন প্রাপ্তির ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে বিবাদীকে অবশ্যই লিখিত জবাব দিতে হবে। এরূপ করতে ব্যর্থ হলে আদালত আরো ৩০ কার্যদিবস পর্যন্ত সময় দিতে পারে। অর্থাৎ লিখিত জবাব দাখিলের জন্য বিবাদী সর্বমোট ৬০ কার্যদিবস পর্যন্ত সময় পেতে পারেন।

♦বিবাদী যদি এরপরও দাখিল করতে ব্যর্থ হয় তাহলে, মোকদ্দমাটি একতরফা (Ex-parte) নিষ্পত্তি হবে। এরূপ একতরফা আদেশের বিরুদ্ধে বিবাদী রিভিশন দায়ের করতে পারবে।

♦প্রয়োজনীয় দলিল লিখিত জবাবের সাথে দাখিল না করলে উক্ত দলিল আদালতের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার করা যাবে না । তবে কিছু ব্যতিক্রমী ক্ষেত্রে আদালত অনুমতি দিলে ব্যবহার করা যেতে পারে।

♦ বিবাদী কর্তৃক বাদীর আরজিতে দাবিকৃত বিষয়সমূহ অস্বীকার করে এবং বাদীর বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নিতে সহায়তা করে এমন তথ্য সংবলিত জবাব হলো লিখিত জবাব।

♦ ধারা ৮০ মতে সরকার বা সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে কোন মোকদ্দমা করতে হলে লিখিত নোটিশ প্রদানের ২ মাস পর মোকদ্দমা করা যাবে। যদি নোটিশ ছাড়া সরকারের বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করা হয় তাহলে আদালত সরকারকে লিখিত বিবৃতি পেশ করার জন্য কমপক্ষে ৩ মাস সময় মঞ্জুর করবে।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশের ৯ ও ১০ নং বিধিতে অতিরিক্ত লিখিত জবাবের বিধান রয়েছে।

♦ ৯ নং বিধিমতে আদালত প্রয়োজন মনে করলে যে কোন সময় বিবাদীকে সময় নির্ধারণ করে দিয়ে লিখিত জবাব বা অতিরিক্ত লিখিত জবাব দাখিলের আদেশ দিতে পারে।
♦ ১০ নং বিধিমতে বিবাদী আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিত জবাব বা অতিরিক্ত লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হলে,আদালত বিবাদীর বিরূদ্ধে রায় ঘোষণা করতে পারে (pronounce judgement) অথবা মোকদ্দমা সম্পর্কিত যে কোন আদেশ দিতে পারে।

♦ অর্থাৎ বিবাদীর প্রতি সমন জারির তারিখ হতে ৩০ (ত্রিশ) কার্য দিবসের মধ্যে, বিবাদী লিখিত জবাব দাখিল করবে। উক্ত ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হলে, পরবর্তী ৩০ কার্য দিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে পারবে। অর্থাৎ সর্বোচ্চ ৬০ কার্য দিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হলে, আদালত মোকদ্দমাটি একতরফা নিষ্পত্তি করতে পারে।
৯,০৫০.
যখন আদালতকে কোনও ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত তৈরি করতে হয়, তখন কার মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা?
  1. বিশেষজ্ঞের
  2. যার ডিজিটাল স্বাক্ষর সেই ব্যক্তির মতামত
  3. সনদ প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারামতে ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত প্রয়োজন হলে উক্ত স্বাক্ষরের সনদ জারি করা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত প্রাসঙ্গিক হবে। 

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত যেখানে প্রাসঙ্গিক- যখন আদালতকে কোনও ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত তৈরি করতে হয়, তখন ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ জারি করা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।
--------------
“Section 47A. Opinion as to digital signature where relevant.- When the Court has to form an opinion as to the digital signature of any person, the opinion of the Certifying Authority which has issued the Digital Signature Certificate is a relevant fact."
৯,০৫১.
জিম্মাকৃত মালের বৃদ্ধি বা লাভের অধিকারী হবেন-
  1. জিম্মাগ্রহীতা
  2. জিম্মাদার
  3. জিম্মাদাতা
  4. ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ১৬৩ ধারার বিধান জিম্মাকৃত পণ্যের বৃদ্ধি বা লাভের অধিকারী জিম্মাদাতা:
- জিম্মাকৃত পণ্যের কোন বৃদ্ধি বা লাভ জিম্মাদার জিম্মাদাতাকে বা জিম্মাদাতার নির্দেশ অনুসারে প্রদান করতে বাধ্য।
- উদাহরণ
A একটি গাভী যত্ন নেওয়ার জন্য B এর হেফাজতে রাখেন। গাভীটি একটি বাছুর জন্ম দিলো। B গাভীটির সাথে বাছুরটিকেও A এর নিকট প্রদান করতে বাধ্য।
-----------
-Section 163. Bailor entitled to increase or profit from goods bailed:
In the absence of any contract to the contrary, the bailee is bound to deliver to the bailor, or according to his directions, any increase or profit which may have accrued from the goods bailed.

Illustration 
A leaves a cow in the custody of B to be taken care of. The cow has a calf. B is bound to deliver the calf as well as the cow to A.
৯,০৫২.
দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারা অনুযায়ী, কোন ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে?
  1. যদি সে মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে কোনো কাজ করে
  2. যদি সে এমন দৈহিক জখম ঘটায় যা মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে জানে
  3. যদি সে মৃত্যু ঘটানোর সম্ভাবনা আছে এমন কাজ করে
  4. উপরের সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারা অনুযায়ী, "শাস্তিযোগ্য নরহত্যা" ঘটবে যদি কোনো ব্যক্তি: ১) মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে কোনো কাজ করে , ২) এমন দৈহিক জখম ঘটায় যা মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে জানে , ৩) মৃত্যু ঘটানোর সম্ভাবনা আছে এমন কাজ করে।
- এই তিনটি পরিস্থিতিই শাস্তিযোগ্য নরহত্যার অন্তর্ভুক্ত, কারণ এতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটানোর উদ্দেশ্য বা অবহেলা সম্পর্কিত কারণ থাকে, যা আইন অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা:- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

ব্যাখ্যা ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগছে, তার দৈহিক, জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।
ব্যাখ্যা ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভূমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 299: Culpable homicide:
- Whoever causes death by doing an act with the intention of causing death, or with the intention of causing such bodily injury as is likely to cause death, or with the knowledge that he is likely by such act to cause death, commits the offence of culpable homicide.

Explanation-1. A person who causes bodily injury to another who is labouring under a disorder, disease or bodily infirmity, and thereby accelerates the death of that other, shall be deemed to have caused his death.
Explanation-2. Where death is caused by bodily injury, the person who causes such bodily injury shall be deemed to have caused the death, although by resorting to proper remedies and skilful treatment the death might have been prevented. 
Explanation-3. The causing of the death of a child in the mother's womb is not homicide. But it may amount to culpable homicide to cause the death of a living child, if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born.
৯,০৫৩.
সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় নিম্নলিখিত কোন বিষয়গুলো আলোচনা করা হয়েছে?
  1. উপলক্ষ ও অকারণ
  2. অভিপ্রায় ও কার্য
  3. উপলক্ষ, কারণ ও পরিণতি
  4. অভিপ্রায়, প্রস্তুতি ও কার্য
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারা মতে যে কোনো বিষয় যা বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের জন্য অভিপ্রায় বা প্রস্তুতি দেখায় বা গঠন করে তা প্রাসঙ্গিক। সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় তিনটি বিষয়কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। যথা:-

   (i) অভিপ্রায়     (ii) প্রস্তুতি এবং        (iii) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য
৯,০৫৪.
চুক্তি আইনের ধারা ৪৪ অনুযায়ী যৌথ প্রতিশ্রুতিদাতাদের মধ্যে একজনকে প্রতিশ্রুতিগ্রাহী মুক্ত করলে—
  1. বাকিরা দায়ী থাকবে
  2. প্রতিনিধি দায়ী থাকবে 
  3. বাকিদেরও মুক্ত করবে
  4. পুরো চুক্তি বাতিল হবে
ব্যাখ্যা

⇒ যৌথ প্রতিশ্রুতিদাতাদের (joint promisors) ক্ষেত্রে চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৪৪ অনুসারে, যদি প্রতিশ্রুতিগ্রাহী (promisee) যৌথ প্রতিশ্রুতিদাতাদের মধ্যে একজনকে দায়মুক্ত (release) করেন, তাহলে এটি অন্যদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে দায়মুক্ত করে না। বরং, বাকি যৌথ প্রতিশ্রুতিদাতাগণ তাদের দায় থেকে মুক্ত হন না, অর্থাৎ তারা এখনও প্রতিশ্রুতি পালনের জন্য দায়ী থাকেন।

- এই নীতির মূল বিষয় হলো যে যৌথ দায় (joint liability) পৃথক করা যায় না, তবে একজনকে মুক্তি দিলে অন্যদের দায় অবশিষ্ট থাকে। তাই, প্রতিশ্রুতিগ্রাহী একজনকে মুক্ত করলে বাকিরা দায়ী থাকবে।

সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: ক) বাকিরা দায়ী থাকবে।
-------------
⇒ The Contract Act, 1872 section- 44. Effect of release of one joint promisor:
Where two or more persons have made a joint promise, a release of one of such joint promisors by the promisee does not discharge the other joint promisor or joint promisors; neither does it free the joint promisors so released from responsibility to the other joint promisor or joint promisors.

৯,০৫৫.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ১১ এর কত নম্বর ব্যাখ্যায় Constructive Res Judicata সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে?
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবে না। এই ধারায় ৬টি ব্যাখা দেয়া হয়েছে।

• ১১ ধারার ৪ নং ব্যাখ্যায় পরোক্ষ দোবারা দোষ [constructive res judicata] আলোচনা করা হয়েছে। এই নীতি অনুসারে, পূর্ববর্তী মামলায় যে বিষয় আত্মপক্ষসমর্থন বা বিপক্ষের যুক্তিখণ্ডনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারতো বা হওয়া উচিত ছিল, তা উক্ত মামলার প্রত্যক্ষ বা মূল বিবেচ্য বিষয় ছিল বলে ধরে নিতে হবে।
[Any matter, which might and ought to have been made ground of defence or attack in such former suit shall be deemed to have been, matter directly and substantially in issue in such suit].

অর্থাৎ পূর্ববর্তী মামলায় যে বিষয়টি আত্মপক্ষসমর্থন বা বিপক্ষের যুক্তিখন্ডনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারতো বা উচিত ছিল, কোনো পক্ষই যদি তা ব্যবহার না করে থাকে, তবে পরবর্তী মোকদ্দমায় উক্ত বিষয়ের উদ্ভব হলে পরবর্তী মোকদ্দমাটি পরোক্ষ দোষে দুষ্ট হবে।
৯,০৫৬.
অপরাধের প্রচেষ্টার জন্য দণ্ড দেওয়া হয় কিন্তু অপরাধটি সংঘটিত হলে কোন দণ্ড হয় না। অপরাধটি সংঘটনের উদ্যোগ বা প্রচেষ্টার শাস্তি কোন ধারায়?
  1. ৩০৮ ধারায়
  2. ৩০৯ ধারায়
  3. ৩০৭ ধারায়
  4. ৩০৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
• অপরাধটি হলো আত্মহত্যার উদ্যোগ বা প্রচেষ্টা।
• ৩০৯ ধারায় যার শাস্তি ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
• অপরাধটি সংঘটিত হয়ে গেলে মৃত ব্যক্তিকে দণ্ড দেওয়া যায় না।
৯,০৫৭.
পক্ষসমূহের অপসংযোগ (Mis-Joinder) বা অসংযোগ (Non-Joinder) সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি আদালতে কখন উত্থাপন করতে হবে?
  1. মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
  2. বিচার্য বিষয় নির্ধারনের সময় অথবা পূর্বে
  3. বিচার্য বিষয় নির্ধারনের পূর্বে
  4. আপিল বা রিভিশন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
• পক্ষসমূহের অপসংযোগ (Mis-Joinder of Parties) বা অসংযোগ (Non-Joinder) সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি সম্ভাব্য ১ম সুযোগে (at earliest possible opportunity) অথবা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের সময় অথবা পূর্বে উত্থাপন করতে হবে। 

• পক্ষসমূহের অসংযোগ বা অপসংযোগ (Non-Joinder and Mis-Joinder of Parties)- 
মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় পক্ষদের পক্ষভুক্ত না করাকে পক্ষাভাব বা Non-Joinder of parties বলে। অন্যদিকে কোন ব্যক্তিকে মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত করলে তাকে অপসংযোগ বা Mis-Joinder of Parties বলে।  ভুল ব্যক্তির নামে মোকদ্দমা হলে বা ভুল ব্যক্তিকে পক্ষভুক্ত করা হলে, আদালত তাকে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে কর্তন (strike out) বা বাদ অথবা স্থলাভিষিক্ত বা সংযোজিত (Add/Substitute) করতে পারে দিতে পারে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ১৩নং বিধিমতে, পক্ষসমূহের অপসংযোগ (Mis-Joinder of Parties) বা অসংযোগ (Non-Joinder) সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি সম্ভাব্য ১ম সুযোগে (at earliest possible opportunity) অথবা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের সময় অথবা পূর্বে উত্থাপন করতে হবে।

Order 1 Rule 13: Objections as to nonjoinder or misjoinder-
All objections on the ground of nonjoinder or misjoinder of parties shall be taken at the earliest possible opportunity and, in all cases where issues are settle, at or before such settlement, unless the ground of objection has subsequently arisen, and any such objection not so taken shall be deemed to have been waived.
৯,০৫৮.
The Waqfs Ordinance, 1962 অনুসারে ওয়াকফ প্রশাসক (Administrator of Waqfs) কে নিয়োগ করেন? 
  1. সরকার
  2. জেলা জজ
  3. হাইকোর্ট
  4. ওয়াকফ কমিটি
ব্যাখ্যা

⇒ The Waqfs Ordinance, 1962-এর ধারা ৭(১)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: “The Government shall appoint an Administrator of Waqfs for Bangladesh.”
- অর্থাৎ ওয়াকফ প্রশাসককে শুধুমাত্র সরকার (বর্তমানে বাংলাদেশ সরকার, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে) নিয়োগ করে।

- জেলা জজ, হাইকোর্ট বা ওয়াকফ কমিটির এই নিয়োগের কোনো ক্ষমতা নেই।
ধারা ৭(২)-এ বলা হয়েছে যে প্রশাসককে অবশ্যই মুসলিম হতে হবে এবং রুলসে নির্ধারিত যোগ্যতা থাকতে হবে।
আর ধারা ৭(৩)-এ বলা হয়েছে যে সাধারণত ৫ বছরের জন্য নিয়োগ করা হয় এবং পুনর্নিয়োগযোগ্য (eligible for re-appointment)।

----------
⇒ The Waqfs Ordinance, 1962 Section-7. Appointment of the Administrator:
(1) The Government shall appoint an Administrator of Waqfs for Bangladesh.
(2) No person shall be appointed as Administrator unless he is a Muslim and possesses such qualifications as may be prescribed by the rules. 
(3) The Administrator shall ordinarily be appointed for five years, and shall be eligible for re appointment.

৯,০৫৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২ ধারার অধীন তদন্তের বিবরণ সম্বলিত ডায়েরি কে চেয়ে পাঠাতে পারেন?
  1. যেকোনো আদালত 
  2. শুধুমাত্র দায়রা জজ আদালত
  3. শুধুমাত্র প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. শুধুমাত্র তদন্তকারী কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা

ধারা ১৭২-  তদন্ত চলাকালীন ডায়েরি (Diary of Proceedings in Investigation):
১. ডায়েরি সংরক্ষণ (উপধারা ১):
প্রতিটি পুলিশ কর্মকর্তা, যিনি এই অধ্যায়ের অধীনে তদন্ত করছেন, তাকে প্রতিদিনের ভিত্তিতে ডায়েরিতে তার তদন্তের প্রক্রিয়া লিখতে হবে। ডায়েরিতে অন্তত নিম্নলিখিত তথ্য থাকবে:
১. তথ্য পাওয়ার সময়;
২. তদন্ত শুরু ও শেষের সময়;
৩. যে স্থানগুলোতে তদন্ত হয়েছে;
৪. তদন্তে প্রাপ্ত পরিস্থিতি ও ঘটনা।
 
২. আদালতের ব্যবহার (উপধারা ২):
যে কোনো ফৌজদারী আদালত তদন্ত বা বিচার চলাকালীন পুলিশ ডায়েরি চাইতে পারে। আদালত এই ডায়েরি প্রমাণ হিসেবে নয়, বরং তদন্ত বা বিচারে সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করতে পারে।
অভিযুক্ত বা তার প্রতিনিধি ডায়েরি দেখার বা চাওয়ার অধিকার পাবে না, কেবল আদালত যখন তা ব্যবহার করবে।
যদি পুলিশ কর্মকর্তা ডায়েরি ব্যবহার করে স্মৃতি তাজা করতে, বা আদালত ডায়েরি ব্যবহার করে পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্য বিরোধ করতে, তখন Evidence Act, 1872-এর ধারা ১৬১ বা ১৪৫ প্রযোজ্য হবে।

৯,০৬০.
কোন অস্থাবর সম্পত্তি কোন বিশেষ ব্যক্তির স্বত্বাধীনে বলে বোঝানোর জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে কী বলে?
  1. Property mark
  2. Trade mark
  3. Patent
  4. Copyright
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৪৭৯ ধারায় সম্পত্তি চিহ্ন (Property mark) এর বিধান রয়েছে। কোন অস্থাবর সম্পত্তি কোন বিশেষ ব্যক্তির স্বত্বাধীন বলে বুঝানোর জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে সম্পত্তি চিহ্ন বলে। অর্থাৎ কোন অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা নির্দেশক চিহ্নকে সম্পত্তি চিহ্ন বা Property mark বলে।
৯,০৬১.
যখন আসামিকে কারাগারে বন্দী করা হবে, পরোয়ানাটি কোথায় জমা দিতে হবে?
  1. আদালতে
  2. পুলিশ স্টেশনে
  3. সরকারি আইনজীবী
  4. কারাগারের জেলারের কাছে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮৫ অনুযায়ী:
যখন আসামিকে কারাগারে বন্দী করা হবে, তখন পরোয়ানাটি কারাগারের জেলারের কাছে জমা দিতে হবে।

Section 385 :Warrant with whom to be lodged:
When the prisoner is to be confined in a jail, the warrant shall be lodged with the jailor.
৯,০৬২.
কোন শর্ত পূরণ সাপেক্ষে মাতা মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির ১/৩ অংশের উত্তরাধিকারী হবে?
  1. যদি মৃত ব্যক্তির কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান না থাকে।
  2. যদি মৃত ব্যক্তির একের অধিক ভাই/বোন না থাকে।
  3. যদি মৃত ব্যক্তির পিতা না থাকে।
  4. ক এবং খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
⇒ দুটি শর্ত পূরণ সাপেক্ষে মাতা মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির ১/৩ অংশের উত্তরাধিকারী হবে।

• যদি মৃত ব্যক্তির কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান না থাকে।
• যদি মৃত ব্যক্তির একের অধিক ভাই/বোন না থাকে।
৯,০৬৩.
অকৃষি জমির অগ্রক্রয়ের ক্ষেত্রে কে আবেদন করতে পারেন?
  1. প্রতিবেশী
  2. সম্পত্তির সহ-অংশীদার
  3. ক্রয়কৃত সম্পত্তির সুবিধাভোগী
  4. পার্শ্ববর্তী জমির মালিক
ব্যাখ্যা
NAT ACT 1949 এর ধারা ২৪ (Section 24):

অগ্রক্রয়ের ধারণা:
অগ্রক্রয়ের অধিকার হল একটি অধিকার যার মাধ্যমে কোন ব্যক্তি জমি কিনতে চাওয়া হলে অন্য একটি ব্যক্তি প্রাথমিক অধিকার রাখে সেই জমি কেনার। সাধারণত এটি তখন ঘটে যখন জমি বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ধারা ২৪ অনুযায়ী, আবেদন করতে পারবে:
কোন প্রজা অ-কৃষি জমির অংশ/শেয়ার হস্তান্তর/বিক্রয় করলে, ঐ জমির এক বা একাধিক সহ-অংশীদার [co-sharer] ঐ জমির অংশ/শেয়ার হস্তান্তর/ক্রয় করতে আবেদন করতে পারবে।

আবেদনের সময়সীমা:
১. নোটিশ প্রদান করা হলে- নোটিশ জারি/প্রদানের তারিখ হইতে ৪ মাসের মধ্যে।
২. নোটিশ প্রদান করা না হলে- হস্তান্তর/বিক্রয় সম্পর্কে অবগত হওয়ার ৪ মাসের মধ্যে।

আদালতে জমা দিতে হবে:
- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকা [Consideration Money]; 
- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকার উপর ৫% হারে ক্ষতিপূরণ;
- ভূমি হস্তান্তরের তারিখ হতে আবেদনের সমনের নোটিশ প্রদানের তারিখের মধ্যে ভূমি হস্তান্তর করা হয়েছে সেখানে কোন দালান, স্থাপনা বা কোন উন্নয়ন করার জন্য যে ব্যয় হয়েছে সেই ব্যয়ের উপর ৬.২৫% হারে বার্ষিক সুদ প্রদান।
৯,০৬৪.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান বা বা পুত্রের সন্তানাদি (যত নিম্নেরই হউক) না থাকে এবং একজনের বেশি ভাই-বোন না থাকে, মাতার অংশ কত হবে?
  1. ১/২ অংশ
  2. ১/৩ অংশ
  3. ১/৪ অংশ
  4. ১/৬ অংশ
ব্যাখ্যা

• শরীয়া আইন অনুযায়ী মাতা একজন কোরানিক অংশীদার।  উত্তরাধিকার লাভের ক্ষেত্রে মাতার তিন অবস্থা হতে পারে:
ক) যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান বা পুত্রের সন্তানাদি, যত নিম্নেরই হউক, অথবা যদি পূর্ণ বৈমাত্রেয় বা বৈপিত্রেয় দুই বা ততোধিক ভাই কিংবা বোন, এমনকি একজন ভাই এবং একজন বোন থাকে, তাহলে ও ১/৬ অংশ পাবেন।

খ) কিন্তু যেসকল ক্ষেত্রে মাতা ১/৩ অংশ পায় সেক্ষেত্র গুলো নীচে দেওয়া হলো:
- যখন মৃত ব্যক্তির কোন সন্তান অথবা পুত্রের সন্তান (যতই নিম্নগামী হোক না কেন) না থাকে, অথবা, 
- যখন মৃত ব্যক্তির এক ভাই অথবা এক বোন এর বেশী না থাকে।

গ) কিন্তু বিশেষভাবে উল্লেখ করা যেতে পারে যে, যদি মৃত ব্যক্তির স্ত্রীর অথবা স্বামীর সাথে মাতা এবং পিতা থাকে, তবে সেক্ষেত্রে স্বামী বা স্ত্রীর অংশ বাদ দেবার পর যে অংশ বাকি থাকে, মাতা তার ১/৩ অংশ পাবে। 

৯,০৬৫.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 অনুযায়ী কৃষি বর্ষ এর প্রথম তারিখ কোনটি?
  1. ১ বৈশাখ
  2. ১ অগ্রহায়ণ
  3. ১ ফাল্গুন
  4. ১ চৈত্র
ব্যাখ্যা
⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ধারা ২(৩০) অনুযায়ী- বর্ষ বা কৃষিবর্ষ বলতে ১ লা বৈশাখ থেকে শুরু হওয়া বাংলা সনকে বুঝায়। 
-----------
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 Section 2(30) 'year' or 'agricultural year' means the Bengali year commencing on the 1st day of Baishakh.
৯,০৬৬.
কোনো দেওয়ানী মামলার যুক্তিতর্ক শুনানী সমাপ্তির পর আদালতকে কত দিনের মধ্যে রায় প্রচার করতে হয়?
  1. ১৫
  2. ১০
  3. ৩০
ব্যাখ্যা
• "রায়" বলতে ডিক্রি বা আদেশের যুক্তি হিসাবে বিচারক যে বর্ণনা দেন, তা বুঝায়। দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৩ ধারা মতে,কোন মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষনা করে এবং পরবর্তীতে এই রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করে। দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ, বিষয়বস্তু, প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে।

আদেশ ২০ বিধি ১-
মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালতে তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে ,পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর যা সাতদিনের বেশি হবে না প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।

Order 20 Rule 1: Judgment when pronounced-
The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day, [not beyond seven days,] of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.
৯,০৬৭.
A ও B এর মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির শর্ত ভঙ্গের জন্য B কর্তৃক আনীত মামলায় আদালত চুক্তির শর্তাবলী যুক্তিসঙ্গত নিশ্চয়তার সাথে নির্ণয় করতে পারে না। এক্ষেত্রে আদালত _________।
  1. ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবেন
  2. সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ দিবেন
  3. সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন ও ক্ষতিপুরণের আদেশ দিবেন
  4. ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবেন না
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবেন।
⇒ The Specific Relief Act, 1877 -এর ধারা ২১(গ) অনুযায়ী, যদি আদালত চুক্তির শর্তাবলী যুক্তিসঙ্গত নিশ্চয়তার সাথে নির্ণয় করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে সেই চুক্তির specific performance (সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন) আদেশ দেওয়া যাবে না।

ধারা ২১(গ)-এর বিধান: "a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty."
অর্থাৎ, চুক্তির শর্ত অস্পষ্ট বা অনির্দিষ্ট হলে আদালত শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণ (compensation) দিতে পারবে, কিন্তু specific performance আদেশ দিতে পারবে না।
প্রাসঙ্গিক উদাহরণ (Illustration to clause (c)):
A, the owner of a refreshment-room, contracts with B to give him accommodation there for the sale of his goods and to furnish him with the necessary appliances. A refuses to perform his contract. The case is one for compensation and not for specific performance, the amount and nature of the accommodation and appliances being undefined.
এখানে চুক্তির শর্ত অস্পষ্ট হওয়ায় শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে।
- যখন আদালত চুক্তির শর্তাবলী যুক্তিসঙ্গত নিশ্চয়তার সাথে নির্ণয় করতে পারে না, তখন অস্তিত্বশীল বা অস্পষ্ট চুক্তি নিয়ে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ দেওয়ার সুযোগ থাকে না।

→ A ও B-এর মধ্যে এক চুক্তি হয়েছে। B মামলায় এসেছে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগে। তবে আদালত চুক্তির শর্তাবলী যুক্তিসঙ্গত নিশ্চয়তার সাথে নির্ণয় করতে পারছে না।
এক্ষেত্রে, Specific Relief Act-এর Section 21(c) সরাসরি প্রযোজ্য।

→ The Specific Relief Act, 1877 অনুসারে, চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন (specific performance) তখনই আদেশ দেওয়া যায়, যখন চুক্তির শর্তাবলী পরিষ্কার এবং পূর্ণরূপে নিশ্চিত হতে পারে। যদি আদালত চুক্তির শর্তাবলী স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করতে না পারে, তবে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ দেওয়া সম্ভব নয়।
এক্ষেত্রে, ক্ষতিপূরণের আদেশ দেওয়া হয়, কারণ চুক্তির শর্তাবলী না বুঝতে পারলে, ক্ষতিপূরণই সাধারণত পরবর্তী প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হয়, যেটি একপক্ষের ক্ষতি পূরণের জন্য প্রদান করা হয়।
→ তবে সাধারণত এর পরিবর্তে ক্ষতিপূরণ (compensation) দেওয়া হয়, কারণ চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ আদালত প্রদান করতে পারে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হবে:ক) ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবেন।
৯,০৬৮.
দণ্ডবিধির ধারা ২৭৫ অনুযায়ী ভেজাল ঔষধ বিক্রির সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. ১ বছর কারাদণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২৭৫ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি জেনেশুনে ভেজালযুক্ত ঔষধ: বিক্রি করে, বিক্রির জন্য প্রদর্শন করে, ডিসপেনসারি থেকে অশোধিত/ভেজালমুক্ত বলে ইস্যু করে, অজ্ঞাতসারে কোনো ব্যক্তিকে ব্যবহার করতে দেয়, তাহলে তার শাস্তি হবে: সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড অথবা  ১,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় শাস্তি। 

⇒The Penal Code, 1860 – Section 275. Sale of adulterated drugs:
Whoever, knowing any drug or medical preparation to have been adulterated in such a manner as to lessen its efficacy, to change its operation, or to render it noxious, sells the same, or offers or exposes it for sale, or issues it from any dispensary for medicinal purposes as unadulterated, or causes it to be used for medicinal purposes by any person not knowing of the adulteration, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
৯,০৬৯.
"মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়" এই বিধানটি দণ্ডবিধির কোথায় বর্ণিত আছে?
  1. ২৯৯ ধারা, ব্যাখ্যা-১
  2. ২৯৯ ধারা, ব্যাখ্যা-২
  3. ২৯৯ ধারা, ব্যাখ্যা-৩
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার ব্যাখ্যা-৩ মতে মাতৃগর্ভস্থ কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো খুন বা নিন্দনীয় নরহত্যা কোনটাই হবে না।
- তবে মাতৃগর্ভস্থ শিশুটি সম্পূর্ণরূপে জন্মগ্রহণ না করেও শিশুটির দেহের কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হলে তা নিন্দনীয় নরহত্যা বলে বিবেচিত হবে।
৯,০৭০.
অভিরাম চুক্তিভঙ্গের ফলাফল কি?
  1. তামাদির মেয়াদ অপরিবর্তীত থাকে
  2. চুক্তিভঙ্গের পর তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকে
  3. চুক্তিভঙ্গের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
♦The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারার বিধান অবিরাম চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায় করাঃ
♦যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেইক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নূতন করিয়া তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হইতে শুরু করে।
♦এমন অনেক চুক্তি রহিয়াছে, যাহা ভঙ্গ হইলে প্রতি মুহূর্তে নালিশের কারণ উদ্ভব হইতে পারে। চুক্তি বহির্ভূত এমন অনেক লোকসান রহিয়াছে, যাহা প্রতিমুহূর্তে নালিশের কারণের উদ্ভব ঘটায়। এইসব ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ প্রতি মুহূর্তে বৃদ্ধি পায়।
৯,০৭১.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩০ অনুযায়ী, একাধিক ব্যক্তির যৌথ বিচারে একজনের স্বীকারোক্তি অন্যদের বিরুদ্ধে কখন বিবেচনা করা যায়?
  1. যখন পুলিশ তা নিশ্চিত করে
  2. যখন সবাই একই অপরাধে অভিযুক্ত
  3. যখন স্বীকারোক্তি লিখিতভাবে দেওয়া হয়
  4. যখন স্বীকারোক্তি ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে নেওয়া হয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩০ অনুসারে, যদি একাধিক ব্যক্তি একই অপরাধে অভিযুক্ত হয়ে যৌথভাবে বিচারের সম্মুখীন হন, এবং তাদের মধ্যে একজন স্বীকারোক্তি দেন, তবে আদালত সেই স্বীকারোক্তি স্বীকারোক্তিদাতা ব্যক্তি ও অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধেও বিবেচনা করতে পারে।
শর্তসমূহ:
যৌথ বিচার হতে হবে: অভিযুক্তরা একই অপরাধের জন্য একসঙ্গে বিচারের সম্মুখীন হতে হবে।
স্বীকারোক্তিতে অন্য অভিযুক্তের নাম থাকতে হবে: স্বীকারোক্তি এমন হতে হবে যাতে নিজের পাশাপাশি অন্য অভিযুক্তদেরও সংশ্লিষ্টতা থাকে।
স্বীকারোক্তি স্বেচ্ছায় ও গ্রহণযোগ্য হতে হবে: স্বীকারোক্তিটি যদি ভয়, প্রলোভন বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে নেওয়া হয়, তবে এটি অগ্রহণযোগ্য হবে (ধারা ২৪ অনুসারে)।

উদাহরণ:
A এবং B যৌথভাবে C-কে খুনের অভিযোগে বিচারের সম্মুখীন।
বিচার চলাকালে A আদালতে স্বীকারোক্তি দেয়—
"আমি এবং B একসঙ্গে C-কে হত্যা করেছি।"
এই স্বীকারোক্তি আদালত B-এর বিরুদ্ধেও বিবেচনা করতে পারে, যদিও এটি সরাসরি B-এর দেওয়া স্বীকারোক্তি নয়।
- তবে, শুধুমাত্র এই স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে অন্য অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা যাবে না। এটি কেবল অতিরিক্ত প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হবে।

অর্থাৎ যখন অভিযুক্তরা একই অপরাধে যৌথ বিচারের সম্মুখীন হন, তখন একজনের স্বীকারোক্তি অন্যদের বিরুদ্ধেও আদালত বিবেচনা করতে পারে।
- সঠিক উত্তর: (খ) যখন সবাই একই অপরাধে অভিযুক্ত।

⇒The Evidence Act, 1872, Section- 30. Consideration of proved confession affecting person making it and others jointly under trial for same offence:
When more persons than one are being tried jointly for the same offence, and a confession made by one of such persons affecting himself and some other of such persons is proved, the Court may take into consideration such confession as against such other persons as well as against the person who makes such confession.

Explanation.-"Offence", as used in this section, includes the abatement of, or attempt to commit, the offence.

Illustrations
(a) A and B are jointly tried for the murder of C. It is proved that A said-"B and I murdered C." The Court may consider the effect of this confession as against B.
৯,০৭২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে নিবন্ধিত দলিল বাতিলের আদেশ দিলে আদালত ডিক্রীর কপিটি অবশ্যই পাঠাবে?
  1. আইন মন্ত্রনালয়ে
  2. ভূমি অফিসে 
  3. রেজিস্ট্রি অফিসে
  4. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-৩৯ ধারার বিধান: যখন বাতিলের আদেশ প্রদানযোগ্য:
- যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল নিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দিলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসাবে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।

-যদি দলিল নিবন্ধন আইন অনুসারে নিবন্ধনকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সে কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন, যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধন করা হয়েছে এবং তেমন কর্মকর্তা তার বইতে দলিলের নকলে তার বিলুপ্তির বিষয়াবলী লিপিবদ্ধ করবেন।অর্থাৎ দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় আদালত তার ডিক্রির কপি নিবন্ধন কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section-39: When cancellation may be ordered:
- Any person against whom a written instrument is void or voidable, who has reasonable apprehension that such instrument, if left outstanding, may cause him serious injury, may sue to have it adjudged void or voidable; and the Court may, in its discretion, so adjudge it and order it to be delivered up and cancelled.
If the instrument has been registered under the Registration Act, 1908, the Court shall also send a copy of its decree to the officer in whose office the instrument has been so registered; and such officer shall note on the copy of the instrument contained in his books the fact of its cancellation.

৯,০৭৩.
সাক্ষ্য (সংশোধন) আইন, ২০২২ অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ডের অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. কম্পিউটার মেমরি
  2. সিসিটিভি রেকর্ড
  3. ম্যাগনেটিক রেকর্ড
  4. হাতে লেখা দলিল
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য (সংশোধন) আইন, ২০২২ (The Evidence [Amendment] Act, 2022) অনুসারে "ডিজিটাল রেকর্ড" বলতে বোঝানো হয়েছে—
- কম্পিউটার, সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার বা অন্য কোনো ডিজিটাল ডিভাইসে প্রস্তুতকৃত, সংরক্ষিত, পাঠানো, গৃহীত বা ধারণকৃত যেকোনো তথ্য বা উপাত্ত।
- এর মধ্যে রয়েছে:
- কম্পিউটার মেমরি
- সিসিটিভি রেকর্ড
- ম্যাগনেটিক, ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল ডিভাইস
- মোবাইল ফোনে ধারণকৃত অডিও-ভিডিও
- ড্রোন ফুটেজ
- ওয়েবসাইট প্রকাশিত গেজেট ইত্যাদি
- তবে, "হাতে লেখা দলিল" একটি প্রচলিত / প্রচলিত কাগজে লেখা দলিল, যা ডিজিটাল রেকর্ডের সংজ্ঞার আওতাভুক্ত নয়।
- এটি সাধারণত কাগজ-কলমে তৈরি হওয়ায় "ইলেকট্রনিক" বা "ডিজিটাল" নয়।

অর্থাৎ হাতে লেখা দলিল ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রস্তুত নয়, তাই ডিজিটাল রেকর্ড নয়।
-অন্য তিনটি (কম্পিউটার মেমরি, সিসিটিভি রেকর্ড, ম্যাগনেটিক রেকর্ড) ডিজিটাল রেকর্ডের অন্তর্ভুক্ত।
৯,০৭৪.
হাইকোর্ট বিভাগে দণ্ড অনুমোদন বা নতুন দণ্ড প্রদানের ক্ষেত্রে কমপক্ষে কতজন বিচারকের স্বাক্ষর আবশ্যক?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৫ জন
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৭৭- নতুন দণ্ড অনুমোদনের ক্ষেত্রে দুইজন বিচারকের স্বাক্ষর আবশ্যক:
যেসব মামলায় দণ্ড অনুমোদনের জন্য হাইকোর্ট বিভাগে পেশ করা হয়, এবং হাইকোর্ট বিভাগ যদি দুইজন বা ততোধিক বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত হয়, তাহলে সেই আদালতের প্রদত্ত দণ্ড অনুমোদন, অথবা যে কোন নতুন দণ্ড বা আদেশ অবশ্যই কমপক্ষে দুইজন বিচারক কর্তৃক প্রদান, গৃহীত ও স্বাক্ষরিত হতে হবে।

Section 377- Confirmation of new sentence to be signed by two Judges-
In every case so submitted, the confirmation of the sentence, or any new sentence or order passed by the High Court Division, shall, when such Court consists of two or more judges, be made, passed and signed by at least two of them.
৯,০৭৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫(চ) ধারার অধীন দায়রা আদালত,মামলার কোন পক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য তারিখ ধার্য করবেন?
  1. অভিযোগকারী পক্ষ
  2. অভিযুক্ত পক্ষ
  3. উভয় পক্ষ
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• দায়রা আদালত ২৬৫(চ) ধারা অনুসারে ফরিয়াদিপক্ষের সাক্ষীদের জবানবন্দী গ্রহণের জন্য একটি তারিখ ধার্য করবেন।

• ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়।আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন,খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

ধারা ২৬৫(চ)-
২৬৫ঙ ধারার অধীন অভিযুক্ত যদি দোষ স্বীকার করে তাহলে আদালত তা লিপিবদ্ধ করবেন এবং স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে দণ্ডাদেশ প্রদান করতে পারবেন।আর যদি দোষ অস্বীকার করতে বা বক্তব্য পেশ না করে বা বিচার প্রার্থনা করে বা ২৬৫ঙ ধারা অনুসারে দণ্ড প্রাপ্ত না হয়,তাহলে আদালত ২৬৫(চ) ধারা অনুসারে ফরিয়াদিপক্ষের সাক্ষীদের জবানবন্দী গ্রহণের জন্য একটি তারিখ ধার্য করবেন এবং বাদী পক্ষের আবেদনক্রমে কোন সাক্ষীকে উপস্থিত হতে বা কোন দলিল বা অন্য কিছু আদালতে উপস্থিত করতে বাধ্য করার জন্য প্রসেস ইস্যু করতে পারবেন ।
৯,০৭৬.
শামীম স্ত্রীর সম্মতি ছাড়া তার গর্ভপাত ঘটিয়েছেন। এক্ষেত্রে, শামীম দণ্ডবিধির ৩১৩ ধারায় সর্বোচ্চ কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ৭ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ৫ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ৩ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩১৩ ধারা- স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া গর্ভপাত করণ:
কোন ব্যক্তি যদি পূর্ববর্তী ধারায় বর্ণিত অপরাধটি সংশ্লিষ্ট স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া সম্পাদন করে স্ত্রীলোকটি আসন্ন প্রসবা হোক বা না হোক- তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 313: Causing miscarriage without women's consent:
Whoever commits the offence defined in the last preceding section without the consent of the woman, whether the woman is quick with child or not, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৯,০৭৭.
The Transfer of Property Act, 1882 এর _______ ধারার অধীনে দখলে থাকলে এবং সকল শর্ত পূরণ করা হলে, একই স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত পূর্বের অনিবন্ধিত দলিল পরবর্তী নিবন্ধিত দলিলের উপর প্রাধান্য পাবে।
  1. ৪১ ধারার
  2. ৫২ক ধারার
  3. ৪৩ ধারার
  4. ৫৩ক ধারার
ব্যাখ্যা

• স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত নিবন্ধিত দলিল:

⇒ রেজিস্ট্রেশন আইনের ৫০ ধারা মোতাবেক একই স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত দলিল থাকলে, নিবন্ধিত দলিল প্রাধান্য পাবে।

⇒ নিবন্ধিত দলিল এবং অনিবন্ধিত দলিল একই প্রকৃতির হোক বা না হোক, আদালতের ডিক্রি বা আদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

তবে অনিবন্ধিত দলিলের অধীন কোন ব্যক্তি যদি The Transfer of Property Act, 1882 এর 53A (আংশিক সম্পাদন নীতি) ধারার অধীনে দখলে থাকে এবং সকল শর্ত পূরণ করে, তাহলে পরবর্তীতে কোন দলিল নিবন্ধন হলে, তা পূর্ববর্তী অনিবন্ধিত দলিলের উপর প্রাধান্য পাবে না।

৯,০৭৮.
According to Section 402 of the Code of Criminal Procedure, who has the power to commute punishment for a convicted person?
  1. The President
  2. The High court
  3. The Government
  4. The Trail Court
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 402- Power to commute punishment:
(1) The Government may, without the consent of the person sentenced, commute any one of the following sentences for any other mentioned after it:- death, transportation, rigorous imprisonment for a term not exceeding that to which he might have been sentenced, simple imprisonment for a like term, fine. 
(2) Nothing in this section shall affect the provisions of section 54 or section 55 of the Penal Code. 
----------------------------
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০২ ধারায় সরকার দণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন (Commutation) করে অন্য কোন দণ্ড দিতে পারে। ৪০২ ধারায় সরকার মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাবাস ও সশ্রম কারাবাসকে বিনাশ্রম কারাবাসে হ্রাস করতে পারে।যেমন মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করে ১০ বৎসর করতে পারে বা ১০ বৎসরের দণ্ড হ্রাস করে ৭ বৎসর করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০২ ধারার বিধান:-সাজা রদ বদলের ক্ষমতা:
(১) সরকার দণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির বিনা সম্মতিতে নিম্নে বর্ণিত যে কোন দণ্ড রদবদল করে ইহার পরে উল্লেখিত যেকোন দণ্ড দিতে পারবেন-মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, আসামী যে সময়ের জন্য সাজাপ্রাপ্ত হতে পারত তার অনধিক সময়ের জন্য সশ্রম কারাদণ্ড, অনুরূপ মেয়াদের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ড, জরিমানা।
(২) এই ধারার কোন কিছুই দণ্ডবিধির ধারা-৫৪ বা ৫৫ এর বিধানাবলীকে প্রভাবিত করবে না।
৯,০৭৯.
'A' রাত্রিবেলা একটি গৃহে প্রবেশ করে। গৃহটিতে প্রবেশে 'A' এর আইনগত অধিকার রয়েছে। 'B' সরল বিশ্বাসে 'A'কে চোর ভেবে আক্রমণ করে। এক্ষেত্রে 'B' কি ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. আঘাত
  2. কোন অপরাধ করেনি
  3. আক্রমণ
  4. মারাত্মক আঘাত
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৯৬ ধারা মতে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগকালে কৃত কোন কিছুই অপরাধ নয়। অর্থাৎ আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে কোন অপরাধ সংঘটিত হলেও তা অপরাধ বলে গণ্য হবেনা।

♦ অন্যভাবে বলা যায় যে, ৭৬ ধারা অনুযায়ী এটি একটি Mistake of fact যে কারণে 'B' এর কৃত কাজটি কোন অপরাধ বলে গণ্য হবে না।
৯,০৮০.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১১ বিধি ২১ অনুযায়ী, যদি বিবাদী প্রশ্নমালার উত্তর বা দলিল পরিদর্শনের আদেশ অমান্য করে, তাহলে তার ফলাফল কী হবে?
  1. তার সম্পত্তি ক্রোক করা হবে
  2. ৫০০ টাকা জরিমানা করা হবে
  3. মোকদ্দমা খারিজ করা হবে
  4. তার আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিল করা হবে
ব্যাখ্যা
• The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১১ বিধি ২১ অনুযায়ী, প্রশ্নকারীপক্ষ অথবা দলিলসমূহ উদ্‌ঘাটন বা পরিদর্শন প্রার্থনাকারী আদালতে আবেদন করলে, আদালত অপরপক্ষকে নিম্নোক্ত আদেশ দিবেন-
⇒ প্রশ্নমালার উত্তরদান (answer to interrogatories)- এর আদেশ, বা
⇒ দলিলসমূহ প্রকাশ/উদঘাটন [discovery of documents]- এর আদেশ, বা
⇒ দলিলসমূহ পরিদর্শন [inspection of documents]- এর আদেশ।

সংশ্লিষ্ট পক্ষ উপরিউক্ত আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হলে বা অমান্য করলে (তার ফলাফল)-
⇒ বাদীর ব্যর্থ হলে- বাদীর মোকদ্দমা খারিজ আদেশ দিবে এবং
⇒ বিবাদী ব্যর্থ হলে- আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিল (To strike out defence) আদেশ দিবে।

প্রতিকার:
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ৪৩ আদেশে যেসকল আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে, সে সম্পর্কে বলা আছে। আদেশ ১১ বিধি ২১ অনুযায়ী, আদালত কোনো আদেশ দিলে তা আপিলযোগ্য আদেশ বলে গণ্য হবে। Order 43 rule 1(f) এর অধীন এই আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ পক্ষ আপিল করতে পারবে।
৯,০৮১.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮১ ধারায় কৃষি প্রজাগণকে কয় শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ১ শ্রেণি
  2. ২ শ্রেণি
  3. ৩ শ্রেণি
  4. ৪ শ্রেণি
ব্যাখ্যা
⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮১ ধারা: রায়তি কৃষকের শ্রেণিবিভাগ এবং তাহাদের অধিকার ও দায়িত্বসমূহ নিয়ন্ত্রণ:
(১) কোনো এলাকায় এই ভাগ সম্পূর্ণরূপে কার্যকর হইবার তারিখে অথবা তারিখ হইতে উক্ত এলাকায় কেবল মালিক নামে কৃষি জমির এক শ্রেণির অধিকারী থাকিবে এবং উক্ত ভূমি মালিকদের অধিকার ও দায়সমূহ এই ভাগের বিধান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারা উক্তরূপ কোনো মালিককে তাহার জোতের খনিজ সম্পদের অধিকারসহ ভূনিম্নস্থ কোনো স্বার্থের উপর কোনো অধিকার প্রদান করিবে না:
আরও শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে সরকার নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কোনো ভূমি ইজারা প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে উক্ত ইজারা-গ্রহীতার অধিকার ও দায়সমূহ ইজারায় বর্ণিত শর্তাবলি অনুযায়ী পরিচালিত হইবে।

Section 81- Class of agricultural tenants and regulation of their rights and liabilities:
(1) On and from the date of coming into force of the whole of this Part in any area, there shall, within that area, be only one class of holders of agricultural land, namely, maliks, and the rights and liabilities of every such land-holder shall be regulated by the provisions of this Part: 
Provided that nothing in this section shall confer on any such malik any right to any interests in the sub-soil including rights to minerals in his holding:
Provided further that when the Government lease out any land for any particular period, the rights and liabilities of such a lessee shall be governed by such terms and conditions as may be set forth in the lease.
৯,০৮২.
'Proof as to verification of digital signature' এই বিধান সাক্ষ্য আইনের কোথায় আছে?
  1. সাক্ষ্য আইন ৭১ ধারা
  2. সাক্ষ্য আইন ৭৩ ধারা
  3. সাক্ষ্য আইন ৭৩ক ধারা
  4. সাক্ষ্য আইন ৭৩খ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ: যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে-

(ক) সেই ব্যক্তি বা নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে,

(খ) অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে।

ব্যাখ্যা: এখানে "নিয়ন্ত্রক" অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৮ (১) এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক।

-------------------
⇒ Proof as to verification of digital signature.
Section  73A.  In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-

(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;

(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.

Explanation.- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).
৯,০৮৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় উল্লেখিত টেবিলের______ কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে।
  1. ২য়
  2. ৪র্থ
  3. ১ম
  4. ৩য়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় যে সকল অপরাধসমূহ আপসযোগ্য, সেই সকল অপরাধের বর্ণনা দেয়া হয়েছে।দণ্ডবিধির কোন ধারার কোন অপরাধটি আপসযোগ্য তা ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় উল্লেখিত টেবিলের প্রথম এবং দ্বিতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে এবং যে ব্যক্তির দ্বারা এমন অপরাধ আপস করা যায় তা তৃতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে। 

• ৩৪৫(১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির সম্মতিই যথেষ্ট কিন্তু ৩৪৫ত(২) ধারায় টেবিলে উল্লেখিত অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে তৃতীয় কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে।

• ৩৪৫(৬) ধারা অনুযায়ী অপরাধের আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হবে।
৯,০৮৪.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮–এর কত ধারা অনুযায়ী আপিল আদালত জামিন দিতে পারে?
  1. ধারা ৪৭(১)
  2. ধারা ৪৭(২)
  3. ধারা ৪৮
  4. ধারা ৪৭(৯)
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ধারা ৪৭(২) অনুসারে, আপিল আদালতও জামিন অনুমোদন করতে পারে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮–এর ধারা ৪৭ (জামিন সংক্রান্ত বিধান):
(১) এই আইনের অন্যান্য বিধান সাপেক্ষে, অভিযুক্ত কোনো ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি প্রদান করা হইবে না, যদি-
(ক) তাহাকে মুক্তি প্রদানের আবেদনের উপর রাষ্ট্র বা, ক্ষেত্রমত, অভিযোগকারী পক্ষকে শুনানির সুযোগ প্রদান করা না হয়; এবং
(খ) তাহার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগে তিনি দোষী সাব্যস্ত হওয়ার যুক্তিসংগত কারণ রহিয়াছে মর্মে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত সন্তুষ্ট হন; অথবা
(গ) তিনি নারী বা শিশু অথবা শারীরিকভাবে বিকলাঙ্গ না হন এবং তাহাকে জামিনে মুক্তি প্রদানের কারণে ন্যায়বিচার বিঘ্নিত হইবে না মর্মে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত সন্তুষ্ট না হয়।

(২) কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধের তদন্ত সমাপ্তির পর, তদন্ত প্রতিবেদন বা সেই সূত্রে প্রাপ্ত অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে যদি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত বা, ক্ষেত্রমত, আপিল আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, কোনো ব্যক্তি উক্ত অপরাধের সহিত জড়িত নহেন বলিয়া বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ রহিয়াছে, তাহা হইলে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত বা আপিল আদালত সংশ্লিষ্ট তথ্য ও কারণ উল্লেখপূর্বক উক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তির আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
৯,০৮৫.
কখন ডিক্রি জারির আবেদন করলে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে হয়?
  1. রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে
  2. দেনাদারের বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে
  3. ডিক্রির ২ বছর পর ডিক্রি জারির দরখাস্ত করা হলে
  4. "খ" এবং "গ" উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure,1908 এর আদেশ ২১ বিধি-২২ এর বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির বিরুদ্ধে কারণ দর্শানো (Notice to show cause against execution in certain cases): নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির আবেদন করা হলে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে উক্ত ব্যক্তিকে অবশ্যই কারণ দর্শানোর নোটিশ দিবেন-
i)  ডিক্রির তারিখ হতে ২ বছরের অধিক সময় পর ডিক্রি জারি করলে; বা
ii) পক্ষের বৈধ প্রতিনিধিগণের বিপক্ষে ডিক্রি জারি করলে।
তবে নোটিশ দিতে গিয়ে অযৌক্তিক বিলম্ব বা ন্যায় বিচার বিঘ্নিত হলে নোটিশ না দিলেও হবে।

⇒ আদেশ-২১, বিধি-২২: ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে নোটিশ প্রদানের বিধান- সাধারণত নোটিশ ব্যতীত ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়, তবে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির মামলা করলে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে হবে। যথা- দেওয়ানি কার্যবিধির ৫০(১) ধারা অনুযায়ী, দেনাদারের (Judgement debtor) মৃত্যু হলে তার বৈধ প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি করা যাবে। এক্ষেত্রে বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন হলে নোটিশ দিতে হয়। অর্থাৎ দেনাদারের বৈধ প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে জারির আবেদন করতে হলে নোটিশ দিতে হয়।  ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছর পর ডিক্রি জারির দরখাস্ত করা হলে দেনাদারকে (Judgement debtor) নোটিশ দিতে হয়।
---------------------------------------
⇒ CPC Order-21 Rule-22: Notice to show cause against execution in certain cases:
(1) Where an application for execution is made− 
(a) more than [two years] after the date of the decree, or
(b) against the legal representative of a party to the decree,
or where an application is made for execution of a decree filed under the provisions of section 44A, the Court executing the decree shall issue a notice to the person against whom execution is applied for requiring him to show cause, on a date to be fixed, why the decree should not be executed against him:
Provided that no such notice shall be necessary in consequence of more than two years having elapsed between the date of the decree and the application for execution if the application is made within two years] from the date of the last order against the party against whom execution is applied for, made on any previous application for execution, or in consequence of the application being made against the legal representative of the judgment-debtor, if upon a previous application for execution against the same person the Court has ordered execution to issue against him.
(2) Nothing in the foregoing sub-rule shall be deemed to preclude the Court from issuing any process in execution of a decree without issuing the notice thereby prescribed, if, for reasons to be recorded, it considers that the issue of such notice would cause unreasonable delay or would defeat the ends of justice.
(3) No order of execution of the decree shall be invalid by reason of the omission to issue a notice under sub-rule (1) or to record reasons in a case where notice is dispensed with under sub-rule (2) unless the judgment-debtor has sustained substantial injury by reason of such omission.
৯,০৮৬.
৫০ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে সম্পত্তির জন্য বণ্টননামা দলিলের নিবন্ধন ফি কত ধার্য করা হয়?
  1. ১৮০০ টাকা
  2. ২০০০ টাকা
  3. ২৫০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
The Registration Act, 1908 এর ধারা ৭৮খ- বণ্টননামা দলিলের জন্য নিবন্ধন ফিস:
ধারা ৭৮ বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন; স্থাবর সম্পত্তি বিষয়ক বণ্টননামা দলিলের নিবন্ধন ফিস হইবে নিম্নরূপ, যথা:-
(১) সম্পত্তির মূল্য অনূর্ধ্ব তিন লক্ষ টাকা হইলে, পাঁচশত টাকা;
(২) সম্পত্তির মূল্য তিন লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব দশ লক্ষ টাকা হইলে, সাতশত টাকা;
(৩) সম্পত্তির মূল্য দশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব ত্রিশ লক্ষ টাকা হইলে, এক হাজার দুইশত টাকা;
(৪) সম্পত্তির মূল্য ত্রিশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ লক্ষ টাকা হইলে, এক হাজার আটশত টাকা;
(৫) সম্পত্তির মূল্য পঞ্চাশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে হইলে, দুই হাজার টাকা।
৯,০৮৭.
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কোথায় আটক রাখা হবে তা নির্ধারণ করেন কে?
  1. সংশ্লিষ্ট আদালত
  2. কারা কর্তৃপক্ষ
  3. সরকার
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারাঃ ৫৪১ (১) বর্তমানে বলবৎ কোন আইনে ভিন্নরূপ ব্যবস্থা করা না হলে এই বিধির অধীন কারাদণ্ড বা হাজত বাসের নির্দেশ প্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে কোথায় আটক রাখা হবে সরকার সে সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারবেন
৯,০৮৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি ১০৪(১) অনুসারে, ডিক্রি কার্যকর করার আবেদন গ্রহণের পর আদালত কী নির্দেশ দিতে পারে?
  1. সম্পত্তি বিক্রি করার
  2. ডিক্রি তৎক্ষণাৎ কার্যকর করার
  3. সম্পত্তি ক্রোক করার
  4. ক্রেতার কাছে টাকা ফেরত দেওয়ার
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি ১০৪: ডিক্রির সরাসরি কার্যকরী করা-
(১) অন্য কোনো বিধান বা প্রযোজ্য আইন থাকা সত্ত্বেও, আদালত তামাদি সময় (Law of limitation) অনুযায়ী ডিক্রির সরাসরি কার্যকরী করার জন্য আবেদন গ্রহণ করতে পারে। আবেদন করা যেতে পারে সেই মামলার রেকর্ডে যেখানে ডিক্রি জারি হয়েছে, অথবা যদি রেকর্ড আপিল বা সংশোধনী আদালত থেকে আনা হয়, তাহলে সেই উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা পৃথক ফাইল (part-file) এ। আদালত আবেদন গ্রহণের পর ডিক্রি তৎক্ষণাৎ কার্যকর করার নির্দেশ দিতে পারে।

(২) যদি ডিক্রিধারী বা ডিক্রির ভিত্তিতে বিক্রি করা সম্পত্তির ক্রেতা তার অধিকার প্রাপ্তিতে বাধা বা প্রতিরোধের সম্মুখীন হন, এবং আদালত বিষয়টি যাচাই করে সন্তুষ্ট হয়, তবে আদালত ডিক্রিধারী বা ক্রেতাকে সম্পত্তিতে অধিকার প্রদানের জন্য: যে কোনও ব্যক্তিকে দায়িত্ব দিতে পারে যাকে আদালত এই কাজে নিয়োগ করবে, এবং প্রয়োজনে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকেও এই কাজে অন্তর্ভুক্ত করতে পারে।

৯,০৮৯.
ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট কিভাবে নালিশ দায়ের করা যায়?
  1. মৌখিক ভাবে
  2. লিখিত ভাবে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট যেই রকম আদেশ দেন
  4. ক বা খ 
ব্যাখ্যা
• ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মামলা দায়ের করা হয় নালিশের মাধ্যমে এবং থানায় মামলা দায়ের করা হয় এজাহার বা প্রাথমিক তথ্য বিবরণীর মাধ্যমে। নালিশ মৌখিক বা লিখিত দু'ভাবেই হতে পারে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪(১) (জ) ধারায় নালিশ [Complaint] -কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ৪(১) (জ) ধারায় বলা হয়েছে,

“ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক কোন ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক বা লিখিত কোন অভিযোগ এই মর্মে দায়ের করা যে, জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধ করেছে, কিন্তু এর মধ্যে পুলিশ রিপোর্ট বা প্রতিবেদন অন্তর্ভুক্ত হবেনা।”

• উপাদান:
- অভিযোগটি [Allegation] অবশ্যই ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে হবে;
- জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি কোনো অপরাধ করেছে অভিযোগটি সেই সম্পর্কিত হতে হবে;
- অভিযোগটি মৌখিক বা লিখিত আকারে হতে পারে;

• নালিশটি অবশ্যই জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে হবে। কারণ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪ক ধারায় বলা হয়েছে, ম্যাজিস্ট্রেট বলতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ বলে ধরতে হবে । সুতরাং নালিশ (Complaint ) হলো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নিষ্পত্তির জন্য মৌখিক বা লিখিত আকারে দায়েরকৃত অভিযোগ।

• নালিশ (Complaint) বলতে পুলিশ রিপোর্ট [Police Report] অন্তর্ভুক্ত হবে না।
৯,০৯০.
কবরস্থান বা মৃতদেহের প্রতি অসম্মান প্রদর্শনের জন্য দণ্ডবিধির কোন ধারা প্রযোজ্য?
  1. ২৯৫
  2. ২৯৬
  3. ২৯৭
  4. ২৯৮
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২৯৭ অনুযায়ী, যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কারো ধর্মীয় অনুভূতি আঘাত করতে বা কারো অনুভূতিতে আঘাত করার জ্ঞান থাকা সত্ত্বেও কবরস্থান বা মৃতদেহের জন্য নির্ধারিত স্থান-এ অনধিকার প্রবেশ (trespass) করে, অথবা কোনো মানব মৃতদেহের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করে, অথবা কোনো অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া বা ধর্মীয় দাফন অনুষ্ঠানে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তাহলে তাকে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, section 297. Trespassing on burial places, etc.
- Whoever, with the intention of wounding the feelings of any person, or of insulting the religion of any person, or with the knowledge that the feelings of any person are likely to be wounded, or that the religion of any person is likely to be insulted thereby, commits any trespass in any place of worship or on any place of sepulture, or any place set apart for the performance of funeral rites or as a depository for the remains of the dead, or offers any indignity to any human corpse, or causes disturbance to any persons assembled for the performance of funeral ceremonies, 
shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
৯,০৯১.
'কোন জিনিসের মালিকানা' প্রমাণের দায়িত্ব কার'?
  1. বিষয়বস্তু যার দখলে আছে,
  2. যে ব্যক্তি দাবি করে যে, দখলকারী নিজেই সেই জিনিসের মালিক না,
  3. অভিযোগকারীর উকিলের,
  4. অভিযোগকারীর
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১০ ধারার বিধান: মালিকানা প্রমানের দায়িত্ব:- যে ব্যক্তির কর্তৃত্বাধীনে কিছু আছে বলে দেখানো হয়, সে ব্যক্তি ঐটার কিনা এই প্রশ্ন উত্থিত হলে যে ব্যক্তি দাবি করে যে, দখলকারী ব্যক্তি সে জিনিসের মালিক নয়, তবে এটা প্রমাণের দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপরই ন্যস্ত হয়।
-----------
⇒ Section-110. Burden of proof as to ownership: When the question is whether any person is owner of anything of which he is shown to be in possession, the burden of proving that he is not the owner is on the person who affirms that he is not the owner.
৯,০৯২.
The Registration Act, 1908 এর ধারা ৩৮ অনুযায়ী, রেজিস্ট্রেশন অফিসে স্বশরীরে হাজিরা দিতে বাধ্য নন-
  1. অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি
  2. সরকারি কর্মচারী
  3. শারীরিকভাবে অক্ষম ব্যক্তি
  4. উল্লিখিত সবাই
ব্যাখ্যা
The Registration Act, 1908, ধারা ৩৮: রেজিস্ট্রেশন অফিসে হাজিরা থেকে অব্যাহতি প্রাপ্ত ব্যক্তি:
(১) নিম্নোক্ত ব্যক্তিরা, রেজিস্ট্রেশন অফিসে স্বশরীরে হাজিরা দেওয়া থেকে অব্যাহতি লাভ করেন:
(ক) যে ব্যক্তি শারীরিক দুর্বলতার কারণে রেজিস্ট্রেশন অফিসে আসা তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বা অত্যন্ত কষ্টকর;
(খ) যে ব্যক্তি ফৌজদারি বা দেওয়ানি মামলার কারণে জেলখানায় আটক আছেন;
(গ) যারা আইন অনুযায়ী আদালতে স্বশরীরে উপস্থিত হওয়া থেকে অব্যাহতি প্রাপ্ত।

(২) উপরোক্ত প্রত্যেক ক্ষেত্রে, রেজিস্টারিং অফিসার নিজে উক্ত ব্যক্তির বাড়িতে বা সংশ্লিষ্ট কারাগারে গিয়ে তাকে পরীক্ষা করবেন বা তার পরীক্ষা গ্রহণের জন্য কমিশন জারি করবেন।
৯,০৯৩.
তামাদি আইনের ২৩ ধারার আওতায় অবিরাম চুক্তিভঙ্গের ক্ষেত্রে কি ঘটে?
  1. তামাদির মেয়াদ একবার শুরু হয়
  2. তামাদির মেয়াদ প্রভাবিত হয় না
  3. প্রতি মুহূর্তে তামাদির মেয়াদ নতুন করে শুরু হয়
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারা: অবিরাম চুক্তিভঙ্গ-
যেক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে।

Section 23: Continuing breaches and wrongs-
In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.

২৩ ধারাটি বিশ্লেষণ করলে প্রতীয়মান হয় যে,
এমন কিছু চুক্তির অস্তিত্ব রয়েছে যা লংঙ্ঘন করা হলে প্রতি মুহূর্তেই নালিশের কারণ উদ্ভব হয়ে থাকে। এছাড়া চুক্তি বহির্ভূত এমন কিছু ক্ষতি বা লোকসান রয়েছে যা প্রতি মুহূর্তেই নালিশের কারণের উদ্ভব ঘটায়। এ সকল ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ নতুন করে বৃদ্ধি পায়। অর্থাৎ, কোন চুক্তি ক্রমাগত ভঙ্গ করা হতে থাকলে বা অবিরত অন্যায় আচরণ অব্যাহত রাখা হলে, সেক্ষেত্রে উক্ত অপরাধ সংঘটনের প্রতি মুহূর্তেই নতুন ভাবে মামলার কারণ উদ্ভব হবে।
৯,০৯৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় দায়রা আদালতে আপিল শুনানীর পদ্ধতি বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ৪১০
  2. ধারা ৪০৯
  3. ধারা ৪০৮
  4. ধারা ৪০৭
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪০৯-এ দায়রা আদালতে আপিল শুনানীর পদ্ধতি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই ধারা অনুসারে:
- দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আপিল শুনানি করবেন
- অতিরিক্ত দায়রা জজ শুধুমাত্র সরকার বা দায়রা জজ কর্তৃক নির্দেশিত আপিলই শুনানি করতে পারবেন

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০৯- দায়রা আদালতে আপিলের শুনানীর পদ্ধতি:-
দায়রা আদালতে বা দায়রা জজ বরাবর দাখিলকৃত আপিল দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ শ্রবণ করবেন।
শর্ত থাকে যে, অতিরিক্ত দায়রা জজ সেই আপিলই শ্রবণ করবেন, যেগুলোর বিষয়ে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্দেশ প্রদান করবেন বা দায়রা জজ যেগুলো তাঁর বরাবর অর্পণ করেন।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 409- Appeals to Court of Session how heard:
An appeal to the Court of Session or Sessions Judge shall be heard by the Sessions Judge or by an Additional Sessions Judge:
Provided that an Additional Sessions Judge shall hear only such appeals as the Government may by general or special order, direct or as the Sessions Judge of the Division may make over to him.
৯,০৯৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৯ বা ১১০ ধারা অনুসারে মুচলেকা দিতে ব্যর্থ হলে সেক্ষেত্রে কারাদণ্ডের প্রকৃতি হতে পারে-
  1. শুধু বিনাশ্রম
  2. সশ্রম অথবা বিনাশ্রম
  3. শুধু সশ্রম
  4. শুধু অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১২৩(৫) কারাদণ্ডের প্রকারঃ শান্তিরক্ষার মুচলেকা প্রদান করতে না পারার দরুণ যে কারাদণ্ড হবে তা বিনাশ্রম হবে।

(৬) সদাচরণের মুচলেকা প্রদানে অক্ষমতার জন্য কারাদণ্ড ধারা-১০৮ অনুসারে ব্যবস্থা নেয়া থাকলে বিনাশ্রম এবং ১০৯ বা ১১০ ধারামতে ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকলে সংশ্লিষ্ট আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশে সশ্রম বা বিনাশ্রম হবে।

-------------------
Kind of imprisonment
Section 123(5)
Imprisonment for failure to give security for keeping the peace shall be simple. 
 
(6) Imprisonment for failure to give security for good behaviour shall, where the proceedings have been taken under section 108 be simple and, where the proceedings have been taken under section 109 or section 110, be rigorous or simple as the Court or Magistrate in each case directs.
৯,০৯৬.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর Section 342 এর কার্যক্রমে অভিযুক্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়-
  1. চার্জশীটের প্রতি
  2. গঠিত চার্জের প্রতি
  3. নির্ধারিত সাজার প্রতি
  4. প্রাপ্ত সাক্ষ্যের প্রতি
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি,১৮৯৮ এর ধারা ৩৪২ এর কার্যক্রমে প্রাপ্ত সাক্ষ্যের প্রতি অভিযুক্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারার উদ্দেশ্য হলো অভিযুক্তের সাক্ষ্য গ্রহণ। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল সাক্ষ্য দেওয়া হয়েছে, অভিযুক্ত ঐ সকল সাক্ষ্য সম্পর্কে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করবে। এই ক্ষেত্রে আদালতের গুরুতূপূর্ণ দায়িত্ব হলো সাক্ষ্যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে সে বিষয় গুলোর প্রতি অভিযুক্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যেন অভিযুক্ত সেই সকল বিষয় সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে।
এছাড়া আদালত অভিযুক্তকে মামলা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন করতে পারবে যেন অভিযুক্ত তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে উত্থাপিত কোন বিষয় বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়।
আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানের পূর্বে যেকোনো সময়ে এবং আসামীকে কোন পূর্ব সতর্ক করা ছাড়া, আদালত অভিযুক্তকে এমন প্রশ্ন করতে পারে। কিন্তু এটা অবশ্যই অভিযুক্তকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে আহ্বান করার পূর্বে করতে হবে।

৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত অভিযুক্তের নিকট যে প্রশ্ন করে, অভিযুক্ত এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, সে শাস্তির জন্য দায়ী হবে না। কিন্তু আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে পারে।

Section 342- Power to examine the accused
(1) For the purpose of enabling the accused to explain any circumstances appearing in the evidence against him, the Court may, at any stage of any inquiry or trial without previously warning the accused, put such questions to him as the Court considers necessary, and shall, for the purpose aforesaid, question him generally on the case after the witnesses for the prosecution have been examined and before he is called on for his defence. 
 
(2) The accused shall not render himself liable to punishment by refusing to answer such questions, or by giving false answers to them; but the Court may draw such inference from such refusal or answers as it thinks just. 
 
(3) The answers given by the accused may be taken into consideration in such inquiry or trial, and put in evidence for or against him in any other inquiry into, or trial for, any other offence which such answers may tend to show he has committed. 
 
(4) No oath shall be administered to the accused
৯,০৯৭.
যদি বাদী তামাদি আইনে নির্ধারিত সময়ের পর মোকদ্দমা দায়ের করে, সেক্ষেত্রে আরজিতে বাদী নিম্নলিখিত কোন বিষয় উল্লেখ করবে?
  1. তামাদি মার্জনার আবেদন
  2. তামাদি হতে অব্যাহতির কারণ
  3. তামাদি বৃদ্ধির আবেদন
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
• বাদী মোকদ্দমা দায়েরের সময় আদালতে যে দাবি সংবলিত আবেদন দাখিল করে তাকে আরজি বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ ধারা এবং ৪নং আদেশের ১ নং বিধিমতে প্রত্যেক মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করতে হয় (Every suit shall be instituted by the presentation of a plaint)।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১ থেকে ১৮ নং বিধিতে আরজি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। 

আদেশ ৭ বিধি-৬ (তামাদি আইন হতে অব্যাহতি লাভের কারণসমূহ) 
"যদি তামাদি আইনে বিধৃত সময়ের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর মোকদ্দমা দাখিল করা হয়, তাহলে উক্ত তামাদী আইনের বিধান হতে যে কারণে অব্যাহতি দাবী করা হয়, তা আরজিতে উল্লেখ করতে হবে।"

Grounds of exemption from limitation law-
Where the suit is instituted after the expiration of the period prescribed by the law of limitation, the plaint shall show the ground upon which exemption from such law is claimed.
৯,০৯৮.
ধারা ২৪৯ এর অধীনে বিচার কার্যক্রম বন্ধ করার পর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে-
  1. কারাগারে পাঠানো হবে
  2. মুক্তি দেওয়া হবে
  3. নতুন করে বিচার করা হবে
  4. জরিমানা করা হবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৯ মামলার যে কোন পর্যায়ে কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যক্রম বন্ধের ক্ষমতা দিয়েছে।

উল্লেখ আছে,
নালিশ ব্যতিরেকে অন্যভাবে দায়ের করা যে কোন মোকদ্দমায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি পূর্বে নিয়ে অন্য যেকোনো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মামলার যে কোন পর্যায়ে বেকসুর খালাস অথবা দণ্ডের কোন রায় ঘোষণা না করে,কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে পারেন এবং অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি (Release) দিতে পারবেন।

[In any case instituted otherwise than upon complaint,a Metropolitan Magistrate,a Magistrate of the first class or with the previous sanction of the Chief Judicial Magistrate, any other Judicial Magistrate may for reasons to be recorded by him, stop the proceedings at any stage without pronouncing any judgment either of acquittal or conviction and may thereupon release the accused.]
৯,০৯৯.
The Transfer of Property Act, 1882 এর কোন ধারায় 'সৎ বিশ্বাসে ও মূল্যের বিনিময়ে হস্তান্তরগ্রহীতা'-এর অধিকার সংরক্ষণ করা হয়েছে?
  1. 53D
  2. 52
  3. 53
  4. 53B
ব্যাখ্যা

⇒ The Transfer of Property Act, 1882 এর ধারা 53-এ জালিয়াতিপূর্ণ হস্তান্তর (Fraudulent transfer) সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- এই ধারার উপ-ধারা (1)-এ উল্লেখ আছে যে, ঋণদাতাদের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে করা হস্তান্তর বাতিলযোগ্য হলেও,
“Nothing in this sub-section shall impair the rights of a transferee in good faith and for consideration.”
অর্থাৎ, সৎ বিশ্বাসে ও মূল্যের বিনিময়ে (in good faith and for consideration) হস্তান্তরগ্রহীতার অধিকার এই ধারা অনুযায়ী সংরক্ষিত হয়।অতএব, সঠিক উত্তর গ) 53।

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২- এর ৫৩ ধারা প্রতারণামূলক হস্তান্তর:
(১) স্থাবর সম্পত্তির প্রতিটি হস্তান্তর, যা হস্তান্তরকারীর পাওনাদারদের পরাজিত বা বিলম্বিত করার অভিপ্রায়ে করা হয়েছে, তা ক্ষতিগ্রস্ত বা বিলম্বিত যে-কোনো পাওনাদারের ইচ্ছানুযায়ী বাতিলযোগ্য হবে।
এই উপ-ধারার কোনো কিছুই সৎ বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে সম্পত্তি গ্রহণকারী হস্তান্তরগ্রহীতার অধিকারকে ক্ষুণ্ন করবে না।
এই উপ-ধারার কোনো কিছুই দেউলিয়াত্ব সম্পর্কিত বর্তমানে বলবৎ কোনো আইনকে প্রভাবিত করবে না।
হস্তান্তরকারীর পাওনাদারদের পরাজিত বা বিলম্বিত করার অভিপ্রায়ে কোনো হস্তান্তর করা হয়েছে এই যুক্তিতে কোনো পাওনাদার কর্তৃক (এই শব্দটির মধ্যে ডিক্রিদার অন্তর্ভুক্ত, তিনি তার ডিক্রি জারির জন্য আবেদন করুন বা না করুন) দায়েরকৃত মামলা সকল পাওনাদারের পক্ষে বা সুবিধার জন্য দায়ের করতে হবে।
(২) স্থাবর সম্পত্তির প্রতিটি হস্তান্তর, যা কোনো প্রতিদান (মূল্য) ছাড়া পরবর্তী কোনো হস্তান্তরগ্রহীতাকে প্রতারিত করার অভিপ্রায়ে করা হয়েছে, তা সেই পরবর্তী হস্তান্তরগ্রহীতার ইচ্ছানুযায়ী বাতিলযোগ্য হবে।
এই উপ-ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, কেবল এই কারণে যে পরবর্তী সময়ে মূল্যের বিনিময়ে কোনো হস্তান্তর করা হয়েছিল, প্রতিদানবিহীন কোনো হস্তান্তরকে প্রতারণার অভিপ্রায়ে করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে না।
 
⇒ The Transfer of Property Act, 1882 section 53. Fraudulent transfer:
(1) Every transfer of immoveable property made with intent to defeat or delay the creditors of the transferor shall be voidable at the option of any creditor so defeated or delayed. 
Nothing in this sub-section shall impair the rights of a transferee in good faith and for consideration. 
Nothing in this sub-section shall affect any law for the time being in force relating to insolvency. 
A suit instituted by a creditor (which term includes a decree-holder whether he has or has not applied for execution of his decree) to avoid a transfer on the ground that it has been made with intent to defeat or delay the creditors of the transferor, shall be instituted on behalf, or for the benefit of, all the creditors. 
(2) Every transfer of immoveable property made without consideration with intent to defraud a subsequent transferee shall be voidable at the option of such transferee. 
For the purposes of this sub-section, no transfer made without consideration shall be deemed to have been made with intent to defraud by reason only that a subsequent transfer for consideration was made.

৯,১০০.
The Penal Code 1860 এর কোন ধারায় 'Good Faith' : 'Nothing is said to be done or believed in good faith which is done or believed without due care and attention'. উল্লেখিত হয়েছে?
  1. ১১
  2. ২২
  3. ৪২
  4. ৫২
ব্যাখ্যা
♦ “Good faith” Section 52. Nothing is said to be done or believed in "good faith" which is done or believed without due care and attention.

♦ দণ্ডবিধির ৫২ ধারায় সদবিশ্বাসের সংজ্ঞা রয়েছে- যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে সম্পাদিত বা বিশ্বাসকৃত কোন কিছুই 'সদবিশ্বাসে' করা হয়েছে বা বিশ্বাস করা হয়েছে বলে গণ্য হবে না।

 ♦  এছাড়া তামাদি আইনের ২(৭) ধারায় সদ্ধিশ্বাস বা Good faith এর বিধান রয়েছে।